• ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রবিবার ১৪ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Suryakumar

খেলার দুনিয়া

হাই ভোলটেজ ম্যাচে ৬ স্পিনার! কৌশল না বাধ্যবাধকতা?

এক সময় বিশ্ব ক্রিকেটে পেস ফ্যাক্টরি হিসেবে পরিচিত ছিল পাকিস্তান। ইমরান খান, ওয়াসিম আক্রম, ওয়াকার ইউনুস,আকিব জাভেদ, শোয়েব আখতার থেকে শুরু করে পরবর্তী প্রজন্মে মহম্মদ আমির দাপুটে পেসারদের ধারাবাহিকতায় বিশ্ব কাঁপিয়েছে তারা। কিন্তু সেই পাকিস্তানই আজকের ম্যাচে একসঙ্গে ৬ জন স্পিনার খেলানোয় বিস্মিত ক্রিকেটবিশ্ব ও বিশেষজ্ঞ মহল। আজকের ম্যাচে একসঙ্গে ছয় জন স্পিনার খেলিয়ে পাকিস্তান গড়ল অনন্য বিশ্বরেকর্ড আন্তর্জাতিক টি-২০ ম্যাচে এক দলে সর্বাধিক স্পিন বোলার বল করানোর নজির গড়ল পাকিস্তান।নব্বইয়ের দশক থেকে ২০০০-এর দশক পাকিস্তানের শক্তির মূল স্তম্ভ ছিল আগ্রাসী পেস আক্রমণ। রিভার্স সুইং ছিল তাদের অস্ত্র। ব্যাটসম্যানদের আতঙ্কিত করা, শর্ট বলের চাপে ভুল করানো এটাই ছিল পাকিস্তানি ক্রিকেটের পরিচয়। তাই আজকের দলগঠনে হঠাৎ স্পিননির্ভর কৌশল অনেককেই অবাক করেছে।বিশেষজ্ঞদের মতে সম্ভাব্য কারণগুলো হতে পারে১. পিচের চরিত্রযদি উইকেট শুষ্ক ও ধীরগতির হয়, তাহলে স্পিনারদের জন্য সহায়ক হতে পারে। টি-টোয়েন্টিতে মাঝের ওভারগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখতে একাধিক স্পিনার কার্যকর হতে পারে।২. প্রতিপক্ষের ব্যাটিং কম্বিনেশনপ্রতিপক্ষ দলে যদি বাঁহাতি ব্যাটসম্যান বেশি থাকে বা স্পিনে দুর্বলতা থাকে, তাহলে স্পিন আক্রমণ বাড়ানো হতে পারে পরিকল্পিত কৌশল।৩. পেস আক্রমণে আস্থার ঘাটতিসাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের পেস বোলিং ধারাবাহিকভাবে আগের মতো ভয়ঙ্কর প্রভাব ফেলতে পারছে না এমন মতও রয়েছে বিশ্লেষকদের একাংশের।বিশেষজ্ঞদের প্রতিক্রিয়াঅনেকেই মনে করছেন, পাকিস্তান নিজেদের ঐতিহ্য থেকে সরে এসে অতিরিক্ত পরীক্ষানিরীক্ষায় যাচ্ছে। টি-টোয়েন্টিতে বৈচিত্র্য জরুরি হলেও ৬ জন স্পিনার কিছুটা ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত। পাওয়ারপ্লেতে গতি না থাকলে প্রতিপক্ষ দ্রুত রান তুলতে পারে।আবার অন্য একদল বলছেন, আধুনিক টি-টোয়েন্টিতে ম্যাচ পরিস্থিতি অনুযায়ী দল গঠনই আসল নামের চেয়ে কৌশল গুরুত্বপূর্ণ।পেসের দেশ পাকিস্তানের স্পিনমুখী কৌশল সময়ই বলবে সিদ্ধান্ত সঠিক না ভুল। তবে এতদিনের ঐতিহ্য মাথায় রাখলে আজকের দলগঠন যে ক্রিকেটবিশ্বে আলোচনার ঝড় তুলেছে, তা বলাই যায়।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ভারত-পাকিস্তান: মহারণ নয়, একতরফা বার্তা, পেস বলের দেশ -৬ জন স্পিনার!

ফেব্রুয়ারির শুরুতেই বয়কটের হুঁশিয়ারি, তারপর হঠাৎ সিদ্ধান্ত বদলএই নাটকীয়তার আবহেই নামতে হয়েছিল ভারত-পাকিস্তানকে। কিন্তু মাঠে যে লড়াই দেখা গেল, তাতে মহারণ শব্দটা কেবল নামেই রয়ে গেল। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মুখোমুখি পরিসংখ্যান ৭১ থেকে বেড়ে ৮১ভারতের পক্ষে।কলম্বোর মন্থর উইকেটে টসে হেরে আগে ব্যাট করে ভারত তোলে ১৭৫/৭। জবাবে পাকিস্তান গুটিয়ে যায় ১১৪ রানে। শেষদিকে শাহিন আফ্রিদির ঝড়ো কয়েকটি শট না থাকলে তিন অঙ্কও হয়তো ছোঁয়া হত না। ম্যাচের প্রথম দুওভারেই পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল, অলৌকিক কিছু না ঘটলে ফলাফল কোন দিকে যাবে।ঈশানের আগুনে ইনিংস: মন্থর পিচে আলাদা আলোকলম্বোর পিচ ধীরগতিরএই ধারণা ম্যাচের আগে থেকেই ছিল। কিন্তু সেই পিচে যেভাবে ব্যাট করলেন ঈশান, তা শুধু ম্যাচ নয়, টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা ইনিংস হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। শুরুতেই শাহিনকে ছয় মেরে বার্তা দেন তিনিআত্মবিশ্বাসে কোনও ঘাটতি নেই।স্পিনারদের বিরুদ্ধে তাঁর পায়ের ব্যবহার, ফাঁকা জায়গা খুঁজে বাউন্ডারি বের করার দক্ষতাসব মিলিয়ে মনে হচ্ছিল, তিনি যেন অন্য ট্র্যাকে খেলছেন। ভারতীয় দল দীর্ঘদিন পর এমন এক ইনিংস পেল, যা স্কোরবোর্ডে শুধু রান যোগ করেনি, মানসিক দিক থেকেও পাকিস্তানকে চাপে ফেলেছে। ঈশানের এই ইনিংস না থাকলে ১৭৫ রান নাগালের বাইরে থাকত।সূর্য-তিলকের মাপা ব্যাটিং: ঝুঁকি নয়, বুদ্ধির খেলাঈশানের আগ্রাসনের পর পরিস্থিতি বুঝে খেলেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ও তিলক বর্মা। তাঁরা জানতেন, একই ছন্দে চালালে উইকেট পড়তে পারে দ্রুত। তাই বেছে নেন খুচরো রান ও স্ট্রাইক রোটেশনের পথ। তৃতীয় উইকেটে ৩৮ রানের জুটি ম্যাচের প্রেক্ষিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।সূর্য আবারও দায়িত্বশীল ইনিংস খেললেনঅধিনায়কের মতোই। রানের গতি খানিক কমলেও স্কোরবোর্ড কখনও থামেনি। এই মাপা ব্যাটিং শেষ পর্যন্ত বড় স্কোরের ভিত গড়ে দেয়।শেষের ঝড়: শিবম-রিঙ্কুর কাঁধে বাড়তি ২৫-৩০ রান১৫০ পার হওয়াই যেখানে চ্যালেঞ্জ ছিল, সেখানে শেষ তিন ওভারে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন শিবম দুবে ও রিঙ্কু সিংহ। শিবমের ১৭ বলে ২৭ ও রিঙ্কুর ৪ বলে ১১এই দ্রুত রানই ভারতের স্কোর ১৭৫-এ পৌঁছে দেয়। শেষ ওভারে শাহিনের হাতে বল তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের জন্য ব্যুমেরাং হয়ে যায়। অতিরিক্ত ১৫-১৬ রানই ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেয়।প্রথম চার ওভারেই ধস: সূর্যের কৌশলে কাবু পাকিস্তানপাকিস্তানের ইনিংস শুরু হতেই সূর্যের কৌশল নজর কাড়ে। স্পিনে ভরসা না করে প্রথম চার ওভার বল করান জোরে বোলারদের দিয়ে। ফল? আট বলের মধ্যে দুই উইকেট। হার্দিকের বলে ফারহানের বিদায়, তারপর বুমরাহর নিখুঁত ইয়র্কারে সাইম আয়ুবের স্টাম্প উড়ে যাওয়াপাকিস্তান চাপে পড়ে যায় শুরুতেই।সলমনের একটি ঢিলেঢালা শট ধরে নেন হার্দিক। তিন উইকেট পড়ে গেলে মন্থর পিচে ঘুরে দাঁড়ানো প্রায় অসম্ভব। পাকিস্তান আর সেই অলৌকিক প্রত্যাবর্তন দেখাতে পারেনি।স্পিন-ঝুঁকি ও সিদ্ধান্তের ফারাকপাঁচ স্পিনার নিয়ে নামা পাকিস্তান ইতিহাসে নজির গড়লটি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এক ইনিংসে ছজন স্পিনার ব্যবহার। কিন্তু পরিকল্পনা আর বাস্তবের ব্যবধান স্পষ্ট হয়ে গেল।অন্যদিকে সূর্যের সিদ্ধান্ত ছিল পরিস্থিতি-ভিত্তিক। প্রথমে পেসে আঘাত, তারপর স্পিনে চেপে ধরাএই কৌশলই ম্যাচের রাশ টেনে নেয় ভারতের হাতে। ফিল্ডিং সেটআপেও দেখা যায় আক্রমণাত্মক মানসিকতা, যা পাকিস্তানকে আরও চাপে ফেলে।নামেই মহারণ, মাঠে একতরফাদুই দেশের রাজনৈতিক উত্তাপ, বয়কটের নাটকসবকিছুর পরেও ক্রিকেটপ্রেমীরা চেয়েছিলেন সমানতালে লড়াই। কিন্তু কলম্বোয় দেখা গেল একতরফা আধিপত্য। ভারত শুধু জিতল না, কৌশল, মানসিকতা ও কার্যকারিতায় প্রতিপক্ষকে অনেক পিছনে ফেলে দিল।টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথের ঐতিহাসিক আবেগ থাকলেও, এদিনের ম্যাচ প্রমাণ করলমহারণ হতে হলে দুই পক্ষের সমান প্রস্তুতি ও স্থিরতা দরকার। কলম্বোয় সেই সমতা দেখা যায়নি। ফলাফল তাই শুধু স্কোরলাইনে নয়, খেলায়ও স্পষ্ট।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ঈশান কোনে মেঘ দেখছেন সঞ্জু! তিরুঅনন্তপুরমে কিউয়িদের উড়িয়ে ৪-১ সিরিজ় জয় ভারতের

বিশ্বকাপের আগে বোলার ও ফিল্ডিংয়ের বাস্তব পরীক্ষা নিতে টস জিতে আগে বোলিং বেছে নিয়েছিলেন ভারতীয় অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। শিশির বাড়লে অর্শদীপ সিংহ, বরুণ চক্রবর্তীরা রান সামলাতে পারেন কি না, সেটাই ছিল লক্ষ্য। কিন্তু পরিকল্পনার মাঝেই দৃশ্যপট বদলে দিলেন ঈশান কিশন। ব্যাট হাতে ঝড় তুলে তিরুঅনন্তপুরমে নিউ জ়িল্যান্ডকে ৪৬ রানে হারিয়ে ৪-১ ব্যবধানে টি-টোয়েন্টি সিরিজ় জিতে নিল ভারত।ভারত তোলে ৫ উইকেটে ২৭১ রানটি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে দেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ স্কোর। জবাবে কিউয়িদের ইনিংস থামে ১৯.৪ ওভারে ২২৫ রানে। ম্যাচে দুদল মিলিয়ে ওঠে ৪৯৬ রান ও ৩৬টি ছক্কাটি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিকে যা নতুন নজিরের শামিল।দুবছরের বেশি সময় পর জাতীয় দলে ফেরা ঈশান কিশন যেন প্রমাণ করতেই নেমেছিলেন। তিন নম্বরে নেমে ৪৩ বলে নিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক শতরান পূর্ণ করেন তিনি। ৬টি চার ও ১০টি ছক্কায় সাজানো ইনিংসে কিউয়ি বোলারদের কার্যত ছেলেখেলা বানান ঈশান। তাঁকে দুর্দান্ত সঙ্গ দেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। ৩০ বলে ৬৩ রানের ইনিংসে ৪টি চার ও ৬টি ছক্কা মারেন সূর্য। তৃতীয় উইকেটে দুজনে ৫৭ বলে ১৩৭ রানের বিধ্বংসী জুটি গড়েন।এর পর পাঁচ নম্বরে নেমে হার্দিক পাণ্ড্য করেন ১৭ বলে ৪২। শেষ দিকে রিঙ্কু সিংহ ও শিবম দুবে নামেন শুধু আনুষ্ঠানিকতা সারতে। কিউয়ি বোলারদের মধ্যে কিছুটা নিয়ন্ত্রিত ছিলেন লকি ফার্গুসন (৪১ রানে ২ উইকেট), বাকিরা ভারতীয় ব্যাটিং তাণ্ডবের সামনে অসহায় দেখিয়েছেন।লক্ষ্য তাড়ায় নিউ জ়িল্যান্ডের শুরুটা নড়বড়ে হলেও ফিন অ্যালেন (৩৮ বলে ৮০) এবং রাচিন রবীন্দ্র (১৭ বলে ৩০) লড়াই জিইয়ে রাখেন। অ্যালেন আউট হওয়ার পরই ভেঙে পড়ে কিউয়িদের ইনিংস। মাঝের ওভারগুলোতে উইকেট তুলে ম্যাচ ভারতের দিকে ঘুরিয়ে দেন অর্শদীপ ও অক্ষর পটেল।চাপের মুখে ড্যারেল মিচেল চেষ্টা করলেও একা কিছু করার ছিল না। শেষ পর্যন্ত ভারতের বোলারদের মধ্যে উজ্জ্বলতম পারফরম্যান্স অর্শদীপের৫১ রানে ৫ উইকেট। টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিকে এটাই তাঁর প্রথম পাঁচ উইকেট। অক্ষর নেন ৩৩ রানে ৩ উইকেট। হার্দিক কার্যকর হলেও বুমরাহ ও বরুণ প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হন, যা বিশ্বকাপের আগে ভাবনার জায়গা রেখে গেল।সব মিলিয়ে, ঈশানের শতরান আর অর্শদীপের পাঁচ উইকেটদুটোই একসঙ্গে এনে দিল ভারতের বড় জয় এবং আত্মবিশ্বাসী সিরিজ় সমাপ্তি।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ঈশান কোনে সূর্যোদয়! ব্যাটের তাপপ্রভাবে ঝলসে গেল কিউই স্বপ্ন, ২০৯ তাড়া করে ইতিহাস গড়ল ভারত

রায়পুরে এমন এক রাত দেখল ভারতীয় ক্রিকেট, যেখানে হার মানল সব সংশয়, উড়ে গেল প্রতিপক্ষের আত্মবিশ্বাস। শুরুটা ছিল ভয় ধরানোসাত বলের মধ্যেই দুই ওপেনারের বিদায়। স্টেডিয়াম তখন নিস্তব্ধ। ঠিক সেই মুহূর্তেই ব্যাট হাতে আগুন ধরালেন ঈশান কিশন ও অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব।২০৯ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রথম বলেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ধরা দিলেন ঈশান। বোলার, ফিল্ডারকাউকেই রেয়াত করেননি তিনি। মাত্র ২১ বলে অর্ধশতরান করে বুঝিয়ে দেন, বিশ্বকাপের দলে তাঁর থাকা অকারণ নয়। ৩২ বলে ৭৬ রানের বিধ্বংসী ইনিংসে ছিল ১১টি চার ও ৪টি ছক্কা। শতরান হাতছাড়া হলেও ম্যাচের রাশ তখন ভারতের দখলেই।এক প্রান্তে ঝড় তুললেও অন্য প্রান্তে ঠান্ডা মাথায় ইনিংস গড়ছিলেন সূর্যকুমার যাদব। ঈশান আউট হওয়ার পর পুরো দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন অধিনায়ক। ১৪ মাস পর অর্ধশতরান করে মাঠ ছুঁয়ে প্রণামসে দৃশ্যই বলে দিচ্ছিল, পুরনো সূর্য ফিরে এসেছেন। ৩৭ বলে ৮২ রানের ইনিংসে ৯ চার ও ৪ ছক্কায় নিউ জ়িল্যান্ডের বোলিং ভেঙে পড়ে।শেষের কাজটা আরও সহজ করে দেন শিবম দুবে। সূর্যের সঙ্গে তাঁর অর্ধশতরানের জুটি দেখে মনে হচ্ছিল, কে আগে ম্যাচ শেষ করবেন তার প্রতিযোগিতা চলছে। মাত্র ১৫.২ ওভারে ৭ উইকেটে ম্যাচ জিতে সিরিজে ২-০ এগিয়ে যায় ভারত। টি-টোয়েন্টির ইতিহাসে ২০০-র বেশি রান তাড়া করে এত বল বাকি থাকতে জয়ের নজির খুব কমই আছে।এর আগে ব্যাট করতে নেমে কিউইরা ২০ ওভারে ২০৮ রান করলেও তা যথেষ্ট হয়নি। রাচিন রবীন্দ্র ও মিচেল স্যান্টনার লড়াই চালালেও ভারতীয় ব্যাটিংয়ের দাপটে শেষ পর্যন্ত হার মানতে হয়। কুলদীপ যাদব বল হাতে গুরুত্বপূর্ণ দুটি উইকেট নেন।এই জয় শুধু সিরিজের লিড নয়, বিশ্বকাপের আগে আত্মবিশ্বাসের বড় বার্তা। দেশের মাটিতে এই ভারতকে হারানো যে কতটা কঠিন, রায়পুরে আবারও তা বুঝে গেল প্রতিপক্ষ।

জানুয়ারি ২৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

শর্মা-সিংহের যুগলবন্দি, নাগপুরে রানের বন্যা, নজিরের রাতে নিউ জ়িল্যান্ডকে উড়িয়ে সিরিজ়ে এগোল ভারত

নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ় শুরু করল দাপুটে জয় দিয়ে ভারত। নাগপুরে প্রথম ম্যাচে ব্যাটে-বলে সর্বাত্মক আধিপত্য দেখিয়ে ৪৮ রানে জয় তুলে নিল সূর্যকুমার যাদবের দল। এই ম্যাচে একাধিক নজির গড়ার পাশাপাশি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে শক্তিশালী বার্তাও দিয়ে রাখল টিম ইন্ডিয়া।টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন নিউ জ়িল্যান্ড অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার। তবে সেই সিদ্ধান্ত যে ভুল প্রমাণিত হতে চলেছে, তা বুঝিয়ে দেন ভারতীয় ব্যাটাররা শুরু থেকেই। আগ্রাসী মেজাজে ইনিংস শুরু করেন অভিষেক শর্মা ও সঞ্জু স্যামসন। যদিও সঞ্জু (১০) বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। দুবছরের বেশি সময় পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরা ঈশান কিশনও (৮) ব্যর্থ হন। ২৭ রানে দুই উইকেট হারিয়ে সাময়িক চাপে পড়ে ভারত।চাপের মুহূর্তে দায়িত্ব নেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ও অভিষেক শর্মা। অভিষেক শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিলেন। অন্যদিকে সূর্য সংযত ব্যাটিং করে ইনিংস গুছিয়ে নেন। ২২ বলে ৩২ রানের ইনিংসে চারটি চার ও একটি ছক্কা মারেন সূর্যকুমার। এই ইনিংস তাঁর ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত দেয়, যা বিশ্বকাপের আগে কোচ গৌতম গম্ভীরের জন্য নিঃসন্দেহে স্বস্তির।তবে ম্যাচের আসল নায়ক অভিষেক শর্মা। ৩৫ বলে ৮৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংসে নিউ জ়িল্যান্ডের বোলারদের কার্যত দিশেহারা করে দেন তিনি। তাঁর ব্যাট থেকে আসে ৫টি চার ও ৮টি ছক্কা। নিখুঁত টাইমিং, শক্তিশালী শট আর অনায়াস আগ্রাসনে তিনি প্রমাণ করে দেন, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে কেন তাঁকে অন্যতম ভয়ংকর ব্যাটার বলা হয়।অভিষেকের গড়া ভিতের উপর দাঁড়িয়ে ভারতের রান পাহাড়ে পরিণত করেন রিঙ্কু সিং। সাত নম্বরে নেমে ফিনিশারের ভূমিকায় ফের সাফল্য পেলেন কেকেআরের এই ব্যাটার। ২০ বলে অপরাজিত ৪৪ রানের ইনিংসে ৪টি চার ও ৩টি ছক্কা মারেন তিনি। তাঁর সঙ্গে হার্দিক পাণ্ড্যও (১৬ বলে ২৫) কার্যকর অবদান রাখেন। শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেটে ২৩৮ রান তোলে ভারতটি-টোয়েন্টিতে নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে যা ভারতের সর্বোচ্চ দলগত স্কোর। একই সঙ্গে এই ম্যাচে ১৪টি ছক্কা মারে ভারত, এটিও নতুন রেকর্ড। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ৪৪তম বার ২০০-এর বেশি রান করল ভারতযা আর কোনও দলের নেই।লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় নিউ জ়িল্যান্ড। মাত্র ১ রানের মধ্যে দুই ওপেনার ডেভন কনওয়ে (০) ও রাচিন রবীন্দ্র (১) ফিরে যান। অর্শদীপ সিং ও হার্দিক পাণ্ড্যের নিখুঁত নতুন বলের স্পেলে কার্যত ম্যাচের শুরুতেই কোণঠাসা হয়ে পড়ে কিউয়িরা। টিম রবিনসন (২১) কিছুটা লড়াইয়ের চেষ্টা করলেও বরুণ চক্রবর্তীর বলে বিদায় নেন।এর পর গ্লেন ফিলিপ্স ও মার্ক চাপম্যান পাল্টা আক্রমণ শুরু করেন। বিশেষ করে ফিলিপ্সের ব্যাটিং ভারতীয় শিবিরে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি করে। ৪০ বলে ৭৮ রানের ইনিংসে তিনি ৪টি চার ও ৬টি ছক্কা মারেন। তবে অক্ষর পটেলের বলে ফিলিপ্স আউট হতেই ম্যাচ ফের ভারতের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। চাপম্যানও (৩৯) বরুণের শিকার হন।শেষদিকে ড্যারেল মিচেল (২৮) ও স্যান্টনার (২০) চেষ্টা করলেও প্রয়োজনীয় রান রেটের চাপ সামলাতে পারেননি। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৯০ রানেই থেমে যায় নিউ জ়িল্যান্ডের ইনিংস।ভারতের বোলারদের মধ্যে বরুণ চক্রবর্তী ৩৭ রানে ২ উইকেট নেন। শিবম দুবে ২৮ রানে ২ উইকেট নিয়ে সবচেয়ে সফল বোলার। অর্শদীপ ও হার্দিকও একটি করে উইকেট পান। তবে জসপ্রীত বুমরাহ প্রত্যাশামতো প্রভাব ফেলতে পারেননি। পাশাপাশি ফিল্ডিংয়ে একাধিক সহজ ক্যাচ ফসকে যাওয়া বিশ্বকাপের আগে কিছুটা চিন্তা বাড়াবে ভারতীয় শিবিরে।এই ম্যাচে একমাত্র অস্বস্তির কারণ অক্ষর পটেলের চোট। ফিল্ডিং করতে গিয়ে আঙুলে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে হয় তাঁকে। বিশ্বকাপের আগে তাঁর ফিটনেস নিয়ে তৈরি হল নতুন প্রশ্নচিহ্ন।সব মিলিয়ে, ব্যাটিংয়ে আগ্রাসন, রেকর্ড গড়া স্কোর এবং গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বোলারদের সাফল্যে আত্মবিশ্বাসে ভরপুর ভারত। সিরিজ়ের শুরুতেই নিউ জ়িল্যান্ডকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে স্পষ্ট বার্তা দিয়ে রাখল সূর্যকুমারের দলটি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তারা যে ভয়ংকর প্রতিপক্ষ হতে চলেছে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

জানুয়ারি ২২, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬: একই গ্রুপে ভারত–পাকিস্তান, প্রকাশিত সূর্যকুমারদের ম্যাচ সূচি

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এ একই গ্রুপে ভারত ও পাকিস্তান। সূর্যকুমারদের সম্পূর্ণ ম্যাচ সূচি, গ্রুপ তালিকা, ভেন্যু ও তারিখ জেনে নিন এক নজরে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬: একই গ্রুপে ভারতপাকিস্তান, সূর্যকুমারদের ম্যাচের সূচি প্রকাশ। র্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে চার গ্রুপে ভাগ করেছে আইসিসি। ভারতের গ্রুপে পাকিস্তানসহ পাঁচ দল। ৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকার বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে অভিযান শুরু।আগামী বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) র্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে গ্রুপ ভাগ করে দিয়েছে। চারটি গ্রুপে পাঁচটি করে দল অংশ নেবে টুর্নামেন্টে। সুপার এইটে উঠবে প্রতিটি গ্রুপের প্রথম দুই দল।সহজ গ্রুপে ভারত, একই গ্রুপে পাকিস্তানটি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে থাকা ভারত পেয়েছে তুলনামূলক সহজ গ্রুপ। সূর্যকুমার যাদবদের সাথে সেই গ্রুপে হয়েছে পাকিস্তান (৭), নেদারল্যান্ডস (১৩), নামিবিয়া (১৫) এবং আমেরিকা (১৮)। ভারতপাকিস্তান ছাড়া সব কটি দলই অ্যাসোসিয়েট সদস্যফলে কাগজে-কলমে গ্রুপটি ভারতের পক্ষে সুবিধাজনক।কঠিন চ্যালেঞ্জে শ্রীলঙ্কা, ইংল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকাআয়োজক দেশ শ্রীলঙ্কার গ্রুপে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, জ়িম্বাবোয়ে, আয়ারল্যান্ড ও ওমানচারটি টেস্ট খেলিয়ে দেশ। ইংল্যান্ডের গ্রুপও কঠিন। তাদের মুখোমুখি হতে হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, বাংলাদেশ, নেপাল ও কোয়ালিফায়ার ইটালি। দক্ষিণ আফ্রিকার গ্রুপে রয়েছে নিউজিল্যান্ড, আফগানিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং কানাডাযা টুর্নামেন্টের সবচেয়ে শক্ত গ্রুপগুলির মধ্যে একটি বলে বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা।ভারতের ম্যাচ সূচি কবে খেলবে কার বিরুদ্ধে?আইসিসি সূত্রে নিশ্চিত হয়েছে, ভারত গ্রুপ পর্বে চারটি ম্যাচ খেলবে৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, অহমদাবাদ ভারত বনাম আমেরিকা১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, দিল্লি ভারত বনাম নামিবিয়া১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, কলম্বো ভারত বনাম পাকিস্তান১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, মুম্বই ভারত বনাম নেদারল্যান্ডসভেন্যুর তালিকাঃভারতের পাঁচটি শহরে বিশ্বকাপের ম্যাচ হবেঅমেদাবাদ, দিল্লি, কলকাতা, মুম্বই ও চেন্নাই।শ্রীলঙ্কায় ম্যাচ হবে কলম্বোর দুটি স্টেডিয়াম ও ক্যান্ডিতে।ফাইনাল সম্ভাব্য ভেন্যুঅমেদাবাদ।দুটি সেমিফাইনাল হবে কলকাতা এবং মুম্বইয়ে। তবে পাকিস্তান সেমি বা ফাইনালে পৌঁছলে তাদের ম্যাচ স্থানান্তরিত হবে শ্রীলঙ্কায়।২৫ নভেম্বর প্রকাশ হবে অফিসিয়াল সূচিঃআইসিসি ২৫ নভেম্বর সরকারি ভাবে পুরো সূচি ঘোষণা করবে। তার আগেই গ্রুপ ভাগ ও সম্ভাব্য দ্বৈরথ নিয়ে ক্রিকেট মহলে তুমুল আলোচনা শুরু হয়েছে।

নভেম্বর ২২, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

'অক্ষরে' অক্ষরে জবাব অস্ট্রেলিয়াকে, ১ ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ জয় ভারতের

সদ্য বিশ্বচাম্পিয়ানদের হারিয়ে আইডিএফসি টি-২০ সিরিজ সিরিজ় জিতল ৫০-র বিশ্বকাপের রানারআপ ভারত। এই নিয়ে ঘরের মাঠে টানা ১৪-টি টি-২০ সিরিজে ভারত অপরাজিত ভাবে শেষ করল। শুক্রবার রায়পুরে এই সিরিজের চতুর্থ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে ২০ রানে হারিয়ে দেয় ভারত। এই ম্যচে জয়ের ফলে ৩-১ ব্যাবধানে সিরিজ়ে এগিয়ে গেল মেন-ইন-ব্লু। মাঝের দিকে ভারতের জোড়া স্পিনারের বোলিঙের কোনও জবাব আজ ছিল না ক্যাঙ্গারু বাহিনীদের। খেলার শেষের দিকে ওভারেও ভারতীয় বোলারদের কৃপণ বোলিং খেলতে ব্যার্থ হয় অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটাররা।শুক্রবার অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক ম্যাথু ওয়েড টসে জিতে আগের দিনের মতই ভারতকে ব্যাট করতে পাঠায়। শুরুটা আশানুরূপ না হলেও খেলা যত গড়াতে থাকে খেলায় ফেরে ভারত। প্রথম ছয় ওভারে ভারত ৫০ রান করে। ভারতের হয়ে ব্যাট হাতে সফল যশস্বী জয়সাওয়াল (২৮ বলে ৩৭ রান), ঋতুরাজ গায়কোয়াড (২৮ বলে ৩২ রান), রিঙ্কু সিংহ এবং এই সিরিজে প্রথম সুযোগ পাওয়া উইকেট রক্ষক জিতেশ শর্মা (১৯ বলে ৩৫ রান)। এদের কেউই পঞ্চাশের কোটা পূরন করতে পারেননি। প্রথম দুটি ম্যাচের মতই রিঙ্কউ সিং আজও খুব ভালো ব্যাট করেন। রিঙ্কু ২৯ বলে ৪৬ রান করেন, চারটি চার ও দুটি ছয় মারেন। এইমধ্যেই ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা রিঙ্কু কে ভবিষ্যতের তারকা হিসাবে চিহ্নিত করেছেন। অস্ট্রেলিয়াকে জেতার জন্য ১৭৪ রানের লক্ষ রাখে ভারত।First ball of his spell and Ravi Bishnoi strikes ⚡️😎He removes Josh Philippe for 8.Follow the Match ▶️ https://t.co/iGmZmBsSDt#TeamIndia | #INDvAUS | @IDFCFIRSTBank pic.twitter.com/ccQxDKoeiw BCCI (@BCCI) December 1, 2023৬৩ রানে ৩ উইকেট পড়ে যাওয়ায় ভারতের রানের গতি এতই কম ছিল যে ১৫০ পেরোবে কিনা সেটাই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ছিল। সাময়িক ধাক্কা সামলে চাপ কাটিয়ে রিঙ্কু এবং জিতেশ খেলায় ফেরান। সাধারন ভাবে দ্রুত গতিতে রান তুলতেই রিঙ্কু বেশি স্বাছন্দ। আজকের চাপের মুখে পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে পরিণত ব্যাটারের মত ব্যাট করলেন কেকেআরের এই ক্রিকেটার। রিঙ্কু এবং জিতেশ পঞ্চম উইকেটে পঞ্চাশের উপরে রান তোলেন।দারুন ভাবে শুরু করেও কেমন যেন খেই হারিয়ে ফেলে সদ্য বিশ্বচাম্পিয়ানেরা। শুরুটা দুর্দান্ত করেও শেষ রক্ষা হল না। প্রথম দুওভারে ১৮ রান নেওয়ার পরের ওভারেই চাহারের ওভারে ২২ রান নিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় ট্রেভিস হেড। হেড চারটি চার এবং একটি ছয় মারেন। জোড়ে বোলারেরা মার খাওয়ায় একপ্রকার বাধ্য হয়েই চতুর্থ ওভারে স্পিন আনতে বাধ্য হয় সূর্যকুমার। আক্রম্নে আনেন রবি বিষ্ণোইকে। এসে প্রথম বলেই দ্রুত গতির গুগলিতে স্ট্যাম্প ছিটকে দিয়ে জশ ফিলিপকে প্যাভিলিয়নে ফেরান ভারতের তরুণ এই লেগ স্পিনার। পরের ওভারেই আবার এক বোলিং পরিবর্তন করেন সূর্য। আক্রমণে আনেন অক্ষর প্যাটেলকে। বিষ্ণোইয়ের মতই প্রথম অভারেই উইকেট পান অক্ষ্র। তাঁর বলে তুলে মারতে গিয়ে ফেরেন ট্রেভিস হেড (৩১)।First ball of his spell and Ravi Bishnoi strikes ⚡️😎He removes Josh Philippe for 8.Follow the Match ▶️ https://t.co/iGmZmBsSDt#TeamIndia | #INDvAUS | @IDFCFIRSTBank pic.twitter.com/ccQxDKoeiw BCCI (@BCCI) December 1, 2023অল্প রানে দুটি উইকেটে পরে যাওয়ায় অস্ট্রেলিয়া কিছুটা হলেও ব্যাকফুটে চলে যায়। পরবর্তি সময়ে ম্যাথু ওয়েড ছাড়া কেউই সেরকম প্রভাব বিস্তার করতে পারেননি ভারতের স্পিন বোলারদের বিরুদ্ধে। মাত্র ৮৭ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। ম্যাচে ফিরে আসে ভারত। জবাবে ১৫৪ রানে থেমে গেল অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস।শেষের দিকে টিম ডেভিড এবং ম্যাথু শর্টের ব্যাট কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করে। এই দুই অক্রমনাত্মক ব্যাটারকে পর পর ফিরিয়ে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেন দীপক চাহার। ওয়েড ৩৬ রানে অপরাজিত থাকলেও প্রয়োজনীয় কাজ করতে ব্যার্থ। আবেশ খানের শেষ ওভারে অস্ট্রেলিয়ার জেতার জন্য দরকার ছিল ৩১ রান। আবেশ খানের নিয়ন্ত্রিত বোলিং সেই ওভারে মাত্র ১০ রান ওঠে।

ডিসেম্বর ০১, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

রিঙ্কু 'সিং'হের গুঁতোয় কুপকাত 'ক্যাঙারু' বাহিনী! বিশাখাপত্তনমের পর তিরুঅনন্তপুরমেও জয়, ভারত ২-০ তে এগিয়ে

আইডিএফসি টি-২০ সিরিজের প্রথম ম্যাচে বিশাখাপত্তনমে জিতে ভারতীয় দল তিরুঅনন্তপুরমে আসে। রিঙ্কু, সূর্যকুমার, ঈশান ব্যাটিংয়ে ঝড় তুলে সেই ম্যাচে ২০৮ রান তাড়া করে এক বল বাকি থাকতেই জয়লাভ করে টিম ইন্ডিয়া। রবিবার তিরুঅনন্তপুরমে ব্যাটারদের সাথে পাল্লা দিয়ে দাপট দেখালেন দেখালেন ভারতের স্পিন ও পেস বোলারেরাও। প্রথমে ব্যাট করে ভারত অস্ট্রেলিয়ার জয়ের জন্য ২৩৫ রানের লক্ষমাত্রা রাখে। সেই পাহাড় প্রমান রান তাড়া করতে নেমে হুরমুড়িয়ে ভেঙে পড়ল অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস। বিশ্বচাম্পিয়ানেরা পুরো ২০ ওভার ব্যাট করে থামলেন ১৯১ রানে! ৪৪ রানে জয়লাভ করে মেন ইন ব্লু ২-০ ফলে সিরিজে এগিয়ে যায়।সন্মান পুনরুদ্ধারে মরিয়া বিশ্ব চাম্পিয়ান অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেটের ছোট সংস্করণ দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে টস জেতে অস্ট্রেলিয়া। টস জিতে অসি অধিনায়ক ম্যাথু ওয়েড প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয়। রবিবারের ম্যাচে ভারতীয় দলে কোনও বদল করেনি ভারত। প্রথম ম্যাচে বিজয়ী একাদশকে নিয়েই দ্বিতীয় ম্যাচে খেলতে নামে তারা। খেলার শুরু থেলেই বড় রানের লক্ষ্যে দ্রুত রান তোলার তাগিদে দুই ওপেনারই হাত খুলে বড় শট খেলেছেন। প্রথম ৫ ওভারেই ৬২ রান তোলে ভারত।Another commanding performance by Team India, securing a 2-0 lead in the T20I series against Australia! Kudos to our dynamic openers @ybj_19 and @Ruutu1331 for setting the stage on fire with their explosive fifties. @ishankishan51, holding his ground at number 3, played yet pic.twitter.com/pqGFUSM9Kj Jay Shah (@JayShah) November 26, 2023ভারতীয় ক্রিকেটে উদীয়মান ওপেনার যশস্বী জয়সাওয়াল মাত্র ২৪ বলে অর্ধশতরান করলেন। তাঁর মোট রানের ৯০ শতাংশ রান বাউন্ডারি মেরে করেছেন। তিনি মোট নটি (৯) বাউন্ডারি ও দুটি (২) ওভার বাউন্ডারি মারেন। যশস্বী জয়সাওয়াল অউট হয়ে ফিরে যাওয়ার পর তিন নম্বরে নেমে ভারতীয় ক্রিকেটের পকেট সাইজ ডিনামাইট ঈশান কিশান যশস্বীর মতো অর্ধশতরান করেই আউট হয়ে যান। তিনি ৫২ রান করলেন তিনি। মাত্র ৩২ বলে তিনটি (৩) চার ও চারটি ছয় মেরে এই রান করেন ঈশান। ছক্কা মেরে নিজের অর্ধশতরান পূরণ করেন ঈশান।শেষ পাঁচ ওভারে ভারতের রানের উল্কা গতি এনে দেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ও বিশ ওভারের নতুন সাইক্লোন রিঙ্কু সিং। ১০ বলে ১৯ রান করে আউট হন সূর্যকুমার। ভারত অধিনায়ক বড় শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ দেন স্টোইনিসের হাতে। মাত্র ৯ বলে ৩১ রান করলেন রিঙ্কু। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ২৩৫ রান তুলল ভারত। ভারতীয় দলের প্রথম তিন ব্যাটার-ই অর্ধশতরান করলেন। শেষবেলায় ঝড় তুললেন রিঙ্কুও। রিঙ্কু চারটি চার এবং দুটি ছক্কা মেরেছেন। পরপর দুটি ম্যাচে দক্ষিণের দুদুটি শহরে রিঙ্কুর দাপট অব্যহত, বিশাখাপত্তনমের পর রিঙ্কু সাইক্লোন অব্যহত তিরুঅনন্তপুরমও। ওপেন করতে নেমে সারা খেলায় সিট অ্যাঙ্কারর ভূমিকায় অবতির্ন হন ঋতুরাজ। তাঁকে খুচরো রান নিয়ে স্ট্রাইক রোটেট করেই খেলতে দেখা যায়। শেষ ওভারে বড় শট খেলার লক্ষ্য নিয়েছিলেন ঋতুরাজ। সেই বড় শট নিয়ে গিয়েই আউট হলেন তিনি। নাথান ইলিশের বলে ৪৩ বলে ৫৮ রান করে টিম ডেভিডের হাতে ধরা পরে আউট রুতুরাজ।হাতে ২৩৫-র পাহাড় প্রমান রান হাতে নিয়ে বল করতে নামা ভারতীয় বোলারদের কাছে কাজটা অনেকটা সহজ ছিল। আগের ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া ২০০ রান করেও ভারতের কাছে হার মানে। রবিবার আইডিএফসি টি-২০ সিরিজের দ্বিতীয় ম্যচে প্রথম দুওভারে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ এবং আরশদীপ সিংহ ৩১ রান দেওয়ার পর প্রাথমিক ভাবে অস্ট্রেলিয়া ভারতের শিরদাঁড়ায় কিছুক্ষণের জন্য হলেও ভয় ধরাতে সমর্থ হয়। আজ অসাধরণ বল করেন রবি বিষ্ণোই। ভারতীয় দলের এই লেগস্পিনার চার ওভারে ৩২ রান দিয়ে তিন তিনটি মহামুল্যবান উইকেট তুলে নিয়ে ভারতকে ম্যাচে ফেরান। বিরাট রানের বোঝা নিয়ে খেলতে নেমে অস্ট্রেলিয়া দ্রুত রান তুললেও নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায়। রান রেট বেড়ে যাওয়ায় চাপে বড় শট খেলতে বাধ্য হয় অসি ব্যাটাররা।A win by 44 runs in Trivandrum! 🙌#TeamIndia take a 2⃣-0⃣ lead in the series 👏👏Scorecard ▶️ https://t.co/nwYe5nOBfk#INDvAUS | @IDFCFIRSTBank pic.twitter.com/sAcQIWggc4 BCCI (@BCCI) November 26, 2023বিশাখাপত্তনমে রিঙ্কু, সূর্যকুমার, ঈশান রা ভালো ব্যাট করলেও বোলারদের পারফরমেন্স-এ খুশি ছিল না টিম ম্যনেজমেন্ট। রবিবার ভারত দুই বিভাগেই দাপটের সাথে পারফর্ম করে। বিষ্ণোই ছাড়াও শেষের দিকে পেসের আগুন ছুটিয়ে ৩ উইকেট পান প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা। প্ররম্ভিক ওভারে বল করতে এসে রান দিলেও স্লগ ওভারে তাঁর বলের লাইন লেন্থ অনেক নিয়ন্ত্রিত ছিল। ভারতের হয়ে যে পাঁচজন বোলার আজ বল করেছেন, তাঁদের প্রত্যেকেই উইকেট পেয়েছেন। একটি করে উইকেট পান আরশদীপ সিংহ, অক্ষর পটেল ও ভবিষ্যতের শামি মুকেশ কুমার।অস্ট্রেলিয়া ব্যাটেররা খেলার শুরু থেকেই মারমুখী ছিলেন। তাঁদের প্রথম উইকেটের পতন হয় ২.৫ ওভারে। দলীয় ৩৭ রানের মাথায় ভারতের সফলতম বোলার বিষ্ণোইয়ের গুগলি বুঝতে না পেরে বোল্ড হন ম্যাথু শর্ট (১৯)। এরপর বিষ্ণোইয়ের বলে আউট হন আগের ম্যাচে শতরানকারী ব্যাটার যোশ ইংলিস, দুরন্ত ক্যাচ নিলেন তিলক বর্মা, বিষ্ণোই-র ফ্লাইট মিস করে বড় শট খেলতে গিয়ে মিসহিট করেন, বলটা অনেক উঁচুতে উঠে যায়, অনেকটা পিছনে দোউড়ে সামনের দিকে ঝাঁপিয়ে তালুবন্দি করেন স্মিথকে। অস্ট্রেলিয়া ৩৯-২। এরপর আউট হন ম্যাক্সওয়েল। ৫৩ রানের মাথায় ৩ উইকেট হারিয়ে ব্যাকফুটে চলে যায় অস্ট্রেলিয়া। অক্ষরের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে যশস্বী-র হাতে ধরা দিলেন ম্যাক্সওয়েল। প্রথম দিকে মার খাওয়ায় প্রসিদ্ধ কে সরিয়ে নেন সুর্যকুমার। দ্বিতীয় স্পেলে বল করতে এসেই তুলে নিলেন প্রাক্তন অসি অধিনায়ক স্টিভ স্মিথকে। চতুর্থ উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। প্রসিদ্ধের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ দিলেন তিনি। দৌড়ে এসে শরীর ছুড়ে অসাধরণ ক্যাচ ধরেন যশস্বী। মাঝে স্টইনিস ও ডেভিড মরীয়া চেষ্টা করলেও ভারতীয় বোলারদের দাপটে একের পর এক উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। ১৫৫ রানে ৯ উইকেট হারিয়ে হারের কিনারায় পোঁছায়।

নভেম্বর ২৬, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

সূর্যের প্রখর তাপপ্রবাহে শীতের মরসুমেও ঝলসে গেল বিশ্বচাম্পিয়ান অস্ট্রেলিয়া

ম্যাড়মেড়ে বোলিং, ততোধিক বাজে ফিল্ডিং স্বত্তেও হার মানতে হল বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়াকে। আইডিএফসি টি-২০ সিরিজের প্রথম ম্যচেই ভারতের কাছে না বলে সুর্যের কাছে হার মানলো ৬বারের একদিবসীয় বিশ্বকাপের চাম্পিয়ানদের। জশ ইংলিসের অসাধরণ ব্যটিং এর সুবাদে টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করে ৩ উইকেট হারিয়ে ২০৮ রান সংগ্রহ করে অস্ট্রেলিয়া। ইংলিস তাঁর টি-২০ কেরিয়ারের প্রথম শতরান করেন আজ। ৫০ বলে ১১০ রানের এক অনবদ্য ইনিংস আজ বন্দরশহর ভাইজ্যাকে এল তাঁর ব্যাট থেকে। ইনিংস তাঁর ইনিংসে ১১টি চার এবং ৮টি ছক্কা মারেণ।Fantastic performance by Team India in the T20 opener against Australia! Special mention to skipper @surya_14kumar for his outstanding innings, @ishankishan51 for the explosive start and @rinkusingh235 for playing a blinder at the back end! Congratulations to the Men in Blue on a pic.twitter.com/QuMknUYRHF Jay Shah (@JayShah) November 23, 2023ভারতীয় দল একাধিক খেলোয়াড় কে বিশ্রাম দেওয়ায় এই টুর্নামেন্টে সূর্যকুমার যাদবকে অধিনায়ক নির্বাচন করা হয়। রিঙ্কু সিংহের অদম্য লড়াইয়ের রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে ম্যাচে ভারত শেষ বলে ছক্কা মেরে ২ উইকেটে এই ম্যাচ জেতে। ভারতের ইনিংসের শেষ ওভারের শেষ বলটি নো বল হওয়ায় ১ বল বাকি থাকতেই ভারত এই ম্যাচ জেতে। সিরিজের প্রথম ম্যাচ জিতে ভারত এই সিরিজ়ে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল। জিতলেও একাধিক বিভাগে দুর্বলতা যথেষ্ট উদ্বেগে রাখবে রাখবে কোচ ভিভিএস লক্ষ্মণকে। বিশেষ করে ভারতীয়দের দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যাটিং!২০৯ রান তাঁরা করতে গিয়ে খেলার শুরুতেই রুতুরাজ গায়কোয়াড়ের আউট হয়ে প্যাভিলিয়নেফিরে যান। একটিও বল না খেলে তৃতীয় ভারতীয় ব্যাটার হিসাবে ডায়মন্ড ডাক করে আউট হন রুতুরাজ গায়কোয়াড়। ভারতীয় দলের জোরে বোলার যশপ্রীত বুমর এবং লেগ স্পিনার অমিত মিশ্র-ও এর আগে এমন লজ্জার নজির রয়েছে। ফুচকা বয় খ্যাত ওপেনার যশস্বী জয়সওয়ালও এই ম্যাচে সেরকম দাগ রাখতে পারলেন না, ২১ রান করে তিনি আউট হয়ে ফিরে আসেন। পরপর দুটি উইকেট পরে যাবার পর হাল ধরেন ঈশান কিশন এবং সূর্যকুমার যাদব, তাঁরা দুজনে মিলে ১১২ রান জোগ করেন।What A Game!What A Finish!What Drama!1 run to win on the last ball and its a NO BALL that seals #TeamIndias win in the first #INDvAUS T20I! 👏 👏Scorecard ▶️ https://t.co/T64UnGxiJU @IDFCFIRSTBank pic.twitter.com/J4hvk0bWGN BCCI (@BCCI) November 23, 2023বিশ্বকাপ ফাইনালে চূড়ান্ত ব্যর্থ সূর্যকুমার যাদব দিকে নজর ছিল নির্বাচকদের। বিশ্বকাপ জুড়ে উত্তাপহীন মৃয়মান সুর্য আজ জেন মধ্যগগনে বিরাজ করলেন। অনেকদিন পড়ে চেনা মেজাজে দেখা গেল টি-২০-র বাদশা কে। জুটি তে লুটি কিষান-যাদবের লড়াইয়ে যাদব-ই অগ্রাসী ছিলেন প্রথম থেকেই। ইশান কিষান তাঁর ৩৯ বলে ৫৭ রানের ইনিংসে, ২টি চার এবং ৫টি ছক্কা মারেন। ছয় নম্বরে নেমে কেকেআর-র রিঙ্কু সিং আগ্রাসী ব্যাটিং করে ম্যাচ শেষ করে ড্রেসিংরুমে ফিরে আসেন। আজকের ম্যাচে রিঙ্কু সিংহের সহনশীলতা ও ম্যাচুরিটি বিশেষজ্ঞ মহলে যথেষ্ট দাগ কাটতে সক্ষম। শেষ ওভারে অপরদিকে তিন তিনটি উইকেট পড়ে যেতে দেখেও রিঙ্কু লক্ষে অবিচল ছিলেন। কিন্তু এক কি সাম - সূর্য কি নাম মার্কা ম্যাচে ৪২ বলে ৮০ রান করে ঝলসে দেওয়া ইনিংসে সুর্য মেরেছেন ৯টি চার এবং ৪টি ছয়। সব বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে-ই তিনিই এই ম্যাচের সেরা ক্রিকেটারের পুরস্কার পেলেন।ঘাম জেবজেবে বিশাখাপত্তনমের আবহাওয়া-ই ভারতীয় বোলারদের পারফরমেন্স অনেক কিছু প্রশ্ন রেখে গেল। যাঁদের ভরসায় টস জিতে আগে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ভারতের নতুন অধিনায়ক সূর্যকুমার, তাঁদের পারফরমেন্স ছিল খুব-ই দুর্বল। শুরু থেকেই মারমার কাটকাট ব্যাটিং শুরে করেন দুই গোড়াপত্তনকারী অস্ট্রেলীয় ব্যাটার। দুই ওপেনার ফিরে যাবার পরও অস্ট্রেলিয়া ব্যাটিং সেই ধাক্কার প্রতিচ্ছবি সেভাবে প্রভাব বিস্তার করেনি। জশ ইংলিসএবং স্টিভেন স্মিথ-র জুটি দ্বিতীয় উইকেটে ১৩০ রান জোড়েন। এই ইনিংসের সুবাদেই অস্ট্রেলিয়া প্রাথমিক ভাবে চালকের আসনে বসে যায়। বিশ্বকাপে সে ভাবে রান না পেলেও এখানে স্মিথ করলেন ৪১ বলে ৫২ রান। জীবনের প্রথম বার গোড়াপত্তন করতে নামা স্মিথ করেন ৮টি বাউন্ডারি পড়েন।

নভেম্বর ২৪, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

‌IPL Match : শেষ ম্যাচে সূর্য–ঈশানের তাগিদেও লাভ হল না মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের

ভারতীয় টি২০ বিশ্বকাপ দলে সুযোগ পাওয়ার পর থেকেই নাকি আইপিএলে সেভাবে তাগিদ দেখা যায়নি ঈশান কিশান ও সূর্যকুমার যাদবের। এই নিয়ে মুখ খুলেছিলেন সুনীল গাভাসকার। এই দুই ব্যাটসম্যান যখন তাগিদ দেখালেন, প্লে অফের লড়াই থেকে বহুদুরে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। লিগের শেষ ম্যাচে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠলেন সূর্যকুমার ও ঈশান। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ৪২ রানে জিতল ঠিকই, তবুও প্লে অফের টিকিট জোগাড় করতে পারল না। সানরাইর্সের বিরুদ্ধে টস জিতে ব্যাট করতে নেমেছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। লক্ষ্য ছিল বড় ব্যবধানে সানরাইজার্সকে হারিয়ে প্লে অফের টিকিট যদি জোগাড় করা যায়। শুরু থেকেই ঝড় তোলেন দুই ওপেনার ঈশান কিষান ও রোহিত শর্মা। ওপেনিং জুটিতে ৫.২ ওভারে ওঠে ৮০। এরপরই রশিদ খানের বলে আউট হন রোহিত (১৩ বলে ১৮)। ৩ নম্বরে নেমে হার্দিক পান্ডিয়াও (৮ বলে ১০) সুবিধা করতে পারেননি। তাঁকে ফেরান জেসন হোল্ডার। অন্যদিকে ঝড় অব্যাহত থাকে ঈশান কিষানের ব্যাটে। শেষ পর্যন্ত ৩২ বলে ৮৪ রান করে তিনিই উমরান মালিকের বলে আউট হন। ঈশানের ইনিংসে রয়েছে ১১টি ৪ ও ৪টি ৬। পোলার্ড (১২ বলে ১৩), নিশাম (০), ক্রূণাল পান্ডিয়া ৯৯), কুল্টারনাইলরা (৩) ব্যর্থ হলেও নিজেকে মেলে ধরেন সূর্যকুমার যাদব। শেষ পর্যন্ত ৪০ বলে ৮২ রান করে আউট হন তিনি। ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ২৩৫ রান তোলে মুম্বই। জয়ের জনন্য ২৩৬ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু করেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের দুই ওপেনার জেসন রয় (২১ বলে ৩৪) ও অভিষেক শর্মা (১৬ বলে ৩৩)। চোটের জন্য কেন উইলিয়ামসন খেলতে পারেননি। তাঁর পরিবর্তে হায়দরাবাদকে নেতৃত্ব দেন মণীশ পাণ্ডে। সাতটি চার ও দুটি ছক্কার সাহায্যে তিনি ৪১ বলে ৬৯ রানে অপরাজিত থাকেন। তবু দলকে জেতাতে পারেননি মিডল অর্ডারের বাকি ব্যাটারদের ব্যর্থতায়। প্রিয়ম গর্গ করেন ২১ বলে ২৯। ঋদ্ধিমান সাহাকে এদিন নয় নম্বরে ব্যাট করতে পাঠানো হয়। ঋদ্ধি করেন ২। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৯৩ তোলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। যশপ্রীত বুমরা, নাথান কুল্টারনাইল ও জিমি নিশাম দুটি করে উইকেট দখল করেন।

অক্টোবর ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sunil G‌‌avaskar : বিশ্বকাপ দলে সুযোগ পাওয়ায় তাগিদের অভাব সূর্য–ইশানের?‌

শেষ পর্যন্ত এবছর আইপিএলে প্লে অফের টিকিট জোগাড় করতে পারবে তো রোহিত শর্মার মুম্বই ইন্ডিয়ান্স? অনিশ্চয়তায় ভরা রোহিতদের ভাগ্য। গ্রুপ লিগের শেষ দুটি ম্যাচ শুধু জিতলেই হবে না, বাকি দলগুলির দিকেও তাকিয়ে থাকতে হবে। এইরকম কঠিন পরিস্থিতিতে কেন পড়তে হয়েছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে? বেশ কয়েকটি কারণ সামনে এসে পড়েছে। এর মধ্যে অন্যতম কারণ হল অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়ার বল করতে না পারা। পাশাপাশি সূর্যকুমার যাদব, ইশান কিশানের মতো ব্যাটারদের ব্যর্থতাও রয়েছে। এই কারণগুলির দিকে আলোকপাত করেছেন ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক সুনীল গাভাসকার। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ব্যর্থতা প্রসঙ্গে গাভাসকার বলেন, মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কাছে সবথেকে বড় ধাক্কা হল হার্দিক পান্ডিয়ার বোলিং করতে না পারা। ওকে দলে নেওয়া হয়েছে অলরাউন্ডার হিসেবে। দলে থেকে যদি বোলিং না করে কেবলমাত্র ছয় কিংবা সাত নম্বরে ব্যাট করে তাহলে অধিনায়কের কাছে সমস্যার ব্যাপার। ছয় কিংবা সাত নম্বরে একজন অলরাউন্ডারের কথাই ভাবা হয়। হার্দিক বোলিং না করায় অধিনায়কের কাছে বিকল্প কমে যাচ্ছে। শুধু মুম্বইয়ের কাছে নয় ভারতীয় দলের কাছেও ওর বোলিং না করাটা বড় ধাক্কা। টি২০ বিশ্বকাপে ভারতীয় দলে সুযোগ পাওয়া দুই ক্রিকেটার সূর্যকুমার যাদব ও ইশান কিশানের পারফরমেন্সেও সন্তুষ্ট নন গাভাসকার। তাঁর মতে টি২০ বিশ্বকাপে জাতীয় দলে সুযোগ পেয়ে যাওয়ায় এই দুই ক্রিকেটারের মধ্যে তাগিদের অভাব দেখা দিচ্ছে। গাভাসকার বলেন, সুর্যকুমার ও ইশানকে আইপিএলে অনেকটাই রিল্যাক্স মনে হচ্ছে। এই দুই ক্রিকেটার কিছু অপ্রয়োজনীয় শট খেলছে। ওরা যে ভারতীয় দলের ক্রিকেটার সেটা বোঝাতে গিয়েই এই ধরণের বড় শট খেলার চেষ্টা করছে। শট নির্বাচনের ব্যাপারে সূর্যকুমার ও ইশানকে আরও সতর্ক হতে হবে। পাশাপাশি গাভাসকার আরও মনে করছেন, শট বাছাইয়ে ভুল হচ্ছে বলেই সূর্যকুমার ও ইশান রান পাচ্ছেন না। সূর্য এবারের আইপিএলের ১২ ম্যাচে ২২২ রান করেছেন। গড় ১৮.৫০, সর্বাধিক ৫৬। ইশান কিশান ৮ ম্যাচে মাত্র ১০৭ রান করেছেন। কিশান তো মুম্বই ইন্ডিয়ান্স দলের প্রথম একাদশেই ঠাঁই পাচ্ছেন না। সূর্যকুমার একটা ম্যাচে কিছুটা সফল হয়েছেন।

অক্টোবর ০৫, ২০২১

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

trinamool-organisational-reshuffle-kunal-ghosh-north-kolkata-president-arnab-bandyopadhyay

তৃণমূল কংগ্রেসে বড় সাংগঠনিক রদবদলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দলের তরফে প্রকাশিত নতুন তালিকা অনুযায়ী উত্তর কলকাতা জেলা সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কুণাল ঘোষকে। এতদিন এই পদে ছিলেন সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি যুব তৃণমূলের সভাপতির পদ থেকেও সরানো হয়েছে সায়নী ঘোষকে। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব পেয়েছেন অর্ণব বন্দ্যোপাধ্যায়।দলের অন্দরে চলা রাজনৈতিক আলোচনা এবং সাম্প্রতিক পরিস্থিতির মধ্যেই এই সিদ্ধান্তকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। দীর্ঘদিন ধরে দলের মুখপাত্র এবং অন্যতম সক্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিত কুণাল ঘোষ। সাম্প্রতিক সময়ে দলীয় অবস্থান ব্যাখ্যা করা থেকে শুরু করে বিভিন্ন রাজনৈতিক ইস্যুতে তিনি প্রকাশ্যে তৃণমূলের হয়ে সরব ছিলেন।অন্যদিকে, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে সাম্প্রতিক সময়ে নানা রাজনৈতিক জল্পনা তৈরি হয়েছে। দিল্লিতে কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতার সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এখনও প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি।তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। উত্তর কলকাতার সাংগঠনিক দায়িত্ব এখন কুণাল ঘোষের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে যুব সংগঠনের নেতৃত্বেও নতুন মুখ আনা হয়েছে।রাজনৈতিক মহলের মতে, আগামী দিনের লড়াইকে সামনে রেখে দল নতুন করে সংগঠন সাজানোর চেষ্টা করছে। সেই কারণেই গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পদে পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এই রদবদলের ফলে দলের সাংগঠনিক কাঠামোয় কী প্রভাব পড়ে এবং নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা কীভাবে কাজ করেন, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১৩, ২০২৬
বিদেশ

হরমুজ ঘিরে ভয়াবহ সংকট! ট্রাম্প-মোদি বৈঠকের আগে বাড়ছে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং হরমুজ প্রণালী ঘিরে তৈরি হওয়া উত্তেজনার আবহে আগামী সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে এই বৈঠককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।আগামী সপ্তাহে ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত হতে চলা জি-সাত সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে দুই নেতার। সূত্রের খবর, সম্মেলনের ফাঁকেই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসতে পারেন মোদি ও ট্রাম্প। সম্ভাব্য বৈঠকে পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি, জ্বালানি সরবরাহ, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।দীর্ঘ সময় পর দুই নেতার মুখোমুখি বৈঠক হতে চলেছে বলেও কূটনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে এই সাক্ষাৎ বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে বলে মনে করা হচ্ছে।বিশ্ব অর্থনীতির জন্য হরমুজ প্রণালী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জলপথ। পারস্য উপসাগর এবং ওমান উপসাগরের মধ্যে অবস্থিত এই প্রণালী দিয়ে বিশ্বের বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহণ করা হয়। বিশ্বের বহু দেশ, বিশেষ করে জ্বালানি আমদানিনির্ভর অর্থনীতিগুলি এই জলপথের উপর নির্ভরশীল।ভারতের ক্ষেত্রেও হরমুজের গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। দেশের জ্বালানি চাহিদার একটি বড় অংশ এই পথ দিয়েই আসে। ফলে ওই অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় ভারতের অর্থনীতি এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।এদিকে সাম্প্রতিক কিছু সামুদ্রিক ঘটনার জেরে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উদ্বেগ বেড়েছে। বিভিন্ন দেশের বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ফলে পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি এখন শুধু আঞ্চলিক সমস্যা নয়, বরং তা বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠেছে।এই পরিস্থিতিতে মোদি ও ট্রাম্পের সম্ভাব্য বৈঠক থেকে কী বার্তা উঠে আসে এবং আন্তর্জাতিক সংকট মোকাবিলায় দুই দেশ কী অবস্থান নেয়, সেদিকেই নজর থাকবে বিশ্ব কূটনৈতিক মহলের।

জুন ১৩, ২০২৬
দেশ

অবতরণের আগেই ভয়াবহ বিপর্যয়! অসমে বায়ুসেনার বিমান ভেঙে পড়ে মৃত্যু পাঁচ সেনাকর্মীর

অসমের জোরহাটে ভারতীয় বায়ুসেনার একটি পরিবহণ বিমান দুর্ঘটনার কবলে পড়ে পাঁচ সেনা কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার সকালে জোরহাট বিমানঘাঁটিতে অবতরণের সময় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর মুহূর্তের মধ্যেই বিমানটিতে আগুন ধরে যায়। দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু হলেও পাঁচজনকে আর বাঁচানো সম্ভব হয়নি।ভারতীয় বায়ুসেনার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন স্কোয়াড্রন লিডার প্রশান্ত সিং, ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট শুভম কুমার, সার্জেন্ট জিতেন্দ্র শর্মা, অগ্নিবীরবায়ু খেমারাম কুমোয়াত এবং অগ্নিবীরবায়ু ডেনিস আলম। নিহত সেনা কর্মীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও শোক প্রকাশ করেছে বায়ুসেনা।বায়ুসেনা সূত্রে খবর, শনিবার সকাল প্রায় দশটা নাগাদ একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সময় বিমানটি দুর্ঘটনার মুখে পড়ে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, অবতরণের সময় জোরহাট বিমানঘাঁটির মধ্যেই বিমানটি ভেঙে পড়ে। এরপরই দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে গোটা বিমানে।দুর্ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকল ও উদ্ধারকারী দল। দীর্ঘ চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হলেও বিমানে থাকা পাঁচ সেনা কর্মীর প্রাণ রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে ভারতীয় বায়ুসেনা।অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা জানিয়েছেন, জোরহাটে বায়ুসেনার বিমান দুর্ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই রাজ্য প্রশাসন প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ শুরু করেছে। ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।উল্লেখ্য, কয়েক মাস আগেই অসমের কার্বি আংলং জেলায় একটি যুদ্ধবিমান দুর্ঘটনায় দুই পাইলটের মৃত্যু হয়েছিল। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও বায়ুসেনার বিমান দুর্ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এল অসমে।দেশের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রাণ হারানো পাঁচ বায়ুসেনা কর্মীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শোকপ্রকাশ করেছেন বিভিন্ন মহলের মানুষ। তাঁদের এই আত্মত্যাগ দেশের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে মত অনেকের।

জুন ১৩, ২০২৬
দেশ

ভূপেন্দ্র যাদবের পর অমিত শাহ! দিল্লিতে সুদীপের একের পর এক বৈঠকে তুঙ্গে জল্পনা

দিল্লিতে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠককে কেন্দ্র করে ফের রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এলেন তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ষীয়ান সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে সাক্ষাতের পর তিনি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন বলে রাজনৈতিক সূত্রে দাবি করা হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরেই শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।দীর্ঘদিন ধরেই জাতীয় রাজনীতিতে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিচিতি একজন অভিজ্ঞ সংসদ সদস্য হিসেবে। লোকসভায় বহু বছর তিনি তৃণমূলের দলনেতার দায়িত্ব পালন করেছেন। সংসদে বিভিন্ন দলের নেতাদের সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্কের কথাও রাজনৈতিক মহলে পরিচিত।সূত্রের দাবি, শনিবার দিল্লিতে পৌঁছে প্রথমে ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে যান সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়। সেখানে বৈঠক শেষে তিনি অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করেন বলেও জানা যাচ্ছে। দুই নেতার মধ্যে কিছু সময় আলোচনা হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি।এই বৈঠকের পর থেকেই সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে নানা রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের অন্দরের বর্তমান পরিস্থিতি, সাংসদদের অবস্থান এবং ভবিষ্যতের রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। যদিও সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে এখনও এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক যাত্রার শুরু থেকেই তিনি দলের সঙ্গে যুক্ত। অতীতে রাজনৈতিক মতপার্থক্য তৈরি হলেও পরবর্তীতে তিনি আবার তৃণমূলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ফিরে আসেন।দিল্লিতে তাঁর সাম্প্রতিক বৈঠকগুলি শুধুই সৌজন্য সাক্ষাৎ নাকি এর পিছনে বড় কোনও রাজনৈতিক বার্তা রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য এবং জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। আগামী দিনে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক অবস্থান এবং তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ সমীকরণ কোন দিকে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১৩, ২০২৬
রাজ্য

১১ ঘণ্টার ম্যারাথন তল্লাশি! মদন মিত্রের ফ্ল্যাট থেকে কী কী নিয়ে গেল ইডি?

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের একাধিক ফ্ল্যাটে দীর্ঘ সময় ধরে তল্লাশি চালাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। শনিবার ভোরে শুরু হওয়া এই অভিযান চলে প্রায় ১১ ঘণ্টা। দিনের শেষে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি সংগ্রহ করে তদন্তকারীরা ফিরে গিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।মদন মিত্রের ফ্ল্যাটের কেয়ারটেকার সীতারাম পাহাড়ির দাবি, সকালে ইডি আধিকারিকরা সেখানে পৌঁছে নিজেদের পরিচয় দেন এবং বিভিন্ন নথি খতিয়ে দেখতে শুরু করেন। দীর্ঘ সময় ধরে তল্লাশির পর বেশ কিছু কাগজপত্র তাঁরা সঙ্গে করে নিয়ে যান। পাশাপাশি মদন মিত্রের খোঁজও করেন তদন্তকারীরা।সূত্রের খবর, শনিবার একেবারে ভোরবেলা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে নিয়ে মদন মিত্রের ফ্ল্যাটে পৌঁছন ইডির পাঁচ থেকে ছয় জন আধিকারিক। তবে অভিযান শুরু করতেই সমস্যার মুখে পড়তে হয় তাঁদের। জোকা মেট্রো স্টেশন সংলগ্ন ফ্ল্যাটটি তালাবন্ধ থাকায় প্রথমে ভিতরে প্রবেশ করতে পারেননি তদন্তকারীরা।দীর্ঘ সময় ধরে ফ্ল্যাটের বাইরে অপেক্ষা করতে হয় ইডি আধিকারিকদের। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চাবির খোঁজ চলার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় এবং তল্লাশি শুরু করা সম্ভব হয়। এরপর ফ্ল্যাটের বিভিন্ন অংশে বিস্তারিত অনুসন্ধান চালানো হয়।শুধু জোকার ফ্ল্যাট নয়, একই সঙ্গে মদন মিত্রের ভবানীপুরের ফ্ল্যাটেও তল্লাশি চালানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে বিভিন্ন আর্থিক নথি এবং তথ্য সংগ্রহ করতেই এই অভিযান বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি।দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই তল্লাশির পর তদন্তে নতুন কোনও তথ্য সামনে আসে কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহল এবং প্রশাসনের।

জুন ১৩, ২০২৬
কলকাতা

এবার ২৫০ কোটির দুর্নীতির অভিযোগ! অভিষেকের বিরুদ্ধে নতুন এফআইআর ঘিরে তোলপাড়

একের পর এক মামলা, তলব এবং তদন্তের মধ্যেই এবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নতুন করে দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এল। আমফান পরবর্তী ত্রাণ বিতরণে প্রায় ২৫০ কোটির আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তুলে তাঁর বিরুদ্ধে একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক।অভিযোগকারীদের দাবি, ঘূর্ণিঝড় আমফানের পর ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার জন্য সরকারি প্রকল্পের মাধ্যমে টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি তৈরির জন্য উপভোক্তাদের ২০ হাজার টাকা এবং ঘর মেরামতের জন্য ৫ হাজার টাকা করে সাহায্য দেওয়া হয়। কিন্তু সেই ত্রাণ বণ্টন প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়েছে, বহু পাকা বাড়িকে ক্ষতিগ্রস্ত দেখিয়ে সরকারি অর্থ দেওয়া হয়েছে। এমনকী একই পরিবারের বা একই ছাদের নীচে বসবাসকারী একাধিক ব্যক্তির নামে আলাদা আলাদা করে আর্থিক সাহায্য মঞ্জুর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ। শুধু তাই নয়, সরকারি সাহায্যের টাকা পাইয়ে দেওয়ার নামে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, একাধিক উপভোক্তার নাম একই মোবাইল নম্বরের সঙ্গে যুক্ত ছিল। একটি নম্বরে ১৩ জন এবং অন্য একটি নম্বরে ৮ জন উপভোক্তার তথ্য নথিভুক্ত করা হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যাঙ্ক শাখার মাধ্যমে ওই অর্থ বিতরণের তথ্যও তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে।এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য বিশেষ তদন্তকারী দল গঠনের দাবি তুলেছেন বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস। তাঁর অভিযোগ, ত্রাণ বণ্টনের নামে বৃহৎ আর্থিক দুর্নীতি হয়েছে এবং তার নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।উল্লেখ্য, এর আগেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ দায়ের হয়েছে। সম্প্রতি এক বিজেপি নেতা অভিযোগ করেছিলেন, প্রায় সাড়ে সাত বছর আগে তাঁর উপর হামলার ঘটনায় অভিষেকের ভূমিকা ছিল। সেই অভিযোগ নিয়েও আইনি প্রক্রিয়া চলছে।নতুন এফআইআর দায়ের হওয়ার পর রাজনৈতিক মহলে জল্পনা আরও বেড়েছে। আমফান ত্রাণ বণ্টনকে কেন্দ্র করে ওঠা এই অভিযোগের তদন্ত কোন দিকে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর রাজ্যের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের।

জুন ১৩, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলে কি আরও এক বড় ভাঙন? দিল্লিতে ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে বৈঠকে সুদীপ, তুঙ্গে জল্পনা

তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে রাজনৈতিক জল্পনা আরও উসকে দিল দিল্লির একটি বৈঠক। উত্তর কলকাতার সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে দেখা করায় নতুন করে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। শনিবার দিল্লিতে পৌঁছেই তিনি ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে যান বলে সূত্রের খবর। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়। দুজনকে একসঙ্গে দেখা যাওয়ার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলের অন্যতম অভিজ্ঞ সাংসদ হিসেবে পরিচিত। লোকসভায় বহু বছর তিনি দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন। পরে সেই দায়িত্ব অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে তুলে দেওয়া হলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মধ্যে জল্পনা শুরু হয়েছিল। যদিও তখন প্রকাশ্যে কোনও অসন্তোষ দেখাননি সুদীপ।তবে বর্তমানে তৃণমূলের অন্দরে বিভিন্ন বিষয়ে অসন্তোষ এবং সাংসদদের অবস্থান নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। সেই পরিস্থিতিতে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বৈঠককে ঘিরে জল্পনা আরও বেড়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, যদি ভবিষ্যতে কোনও নতুন সমীকরণ তৈরি হয়, তবে সেখানে সুদীপ গুরুত্বপূর্ণ মুখ হয়ে উঠতে পারেন।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় শুধু একজন সাংসদ নন, তিনি তৃণমূলের প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন কংগ্রেস ছেড়ে নতুন দল গঠন করেন, তখন প্রথম সারির যাঁরা তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে সুদীপ অন্যতম। যদিও পরবর্তী সময়ে তাঁদের সম্পর্কের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল। একসময় তিনি দল ছেড়েও বেরিয়ে গিয়েছিলেন। পরে আবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বেই ফিরে আসেন।সম্প্রতি তৃণমূলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সুদীপের স্ত্রী নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়কে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দেখা গিয়েছে। দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও পেয়েছেন তিনি। ফলে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে এখন নানা মহলে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।তবে এই বৈঠক শুধুই সৌজন্য সাক্ষাৎ নাকি এর পিছনে অন্য কোনও রাজনৈতিক বার্তা রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কিন্তু দিল্লির এই সাক্ষাৎকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের অন্দরে এবং রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে জল্পনা যে নতুন মাত্রা পেয়েছে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

জুন ১৩, ২০২৬
কলকাতা

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বড় পদক্ষেপ! মদন মিত্রের একাধিক ফ্ল্যাটে ইডির অভিযান

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে ফের সক্রিয় হল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। শুক্রবার ভোরে কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের একাধিক ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালান ইডি আধিকারিকরা। দক্ষিণেশ্বর এবং জোকার ফ্ল্যাটে একযোগে অভিযান ঘিরে সকাল থেকেই রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে।সূত্রের খবর, ভোরবেলা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে নিয়ে মদন মিত্রের বিভিন্ন ঠিকানায় পৌঁছন ইডি আধিকারিকরা। জোকা মেট্রো স্টেশন সংলগ্ন একটি ফ্ল্যাটে গিয়ে প্রথমে সমস্যার মুখে পড়তে হয় তদন্তকারীদের। ফ্ল্যাটটি তালাবন্ধ থাকায় দীর্ঘ সময় বাইরে অপেক্ষা করতে হয় তাঁদের। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চাবির খোঁজ চলার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হয়।তদন্তকারী সংস্থার দাবি, জোকার ওই ফ্ল্যাটে গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে মদন মিত্র নিয়মিত থাকেন না। স্থানীয় বাসিন্দারাও জানিয়েছেন, বহু বছর ধরে তাঁকে সেখানে দেখা যায়নি। তবে তদন্তের স্বার্থে ওই ঠিকানাতেও তল্লাশি চালানো হয়।একই সময়ে দক্ষিণেশ্বর এবং ভবানীপুরের আরও একটি ঠিকানাতেও পৌঁছে যায় ইডির দল। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত তথ্য খুঁজতেই এই অভিযান বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি।ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, তল্লাশির সময় কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি এবং নগদ অর্থের সন্ধান মিলেছে। পাশাপাশি একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সম্পর্কেও তথ্য হাতে এসেছে তদন্তকারীদের। যদিও এই বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি।শুধু মদন মিত্রের ঠিকানাই নয়, পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে এদিন একযোগে মোট আটটি জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়। বেলেঘাটা মেন রোডে ঠিকাদার সঞ্জীব ঘোষের বাড়িতেও পৌঁছয় ইডির একটি দল। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, বিভিন্ন সরকারি কাজের বরাত এবং আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে কোনও অনিয়ম জড়িত ছিল কি না।পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এর আগেও একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে এবং বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সেই তদন্তের ধারাবাহিকতায় মদন মিত্রের একাধিক ফ্ল্যাটে এই তল্লাশি নতুন করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে জল্পনা বাড়িয়েছে।

জুন ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal