• ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার ১০ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Sunil Chhetri

খেলার দুনিয়া

SAFF Championship : মেসিকে স্পর্শ সুনীলের, সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে আধিপত্য ভারতের

লিগ পর্বে প্রথম দুটি ম্যাচে ড্র করে একসময় ফাইনালে ওঠাই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। শেষ দুটি ম্যাচ জিতে ফাইনালের ছাড়পত্র। অবশেষে নেপালকে ৩০ ব্যবধানে হারিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের আধিপত্য বজায় রাখল ভারত। এই নিয়ে ৮ বার চ্যাম্পিয়ন হল। ২০১৫ সালে কেরলে আফগানিস্তানকে হারিয়ে শেষবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন সুনীল ছেত্রিরা। ফাইনালেও গোল করে লিওনেল মেসিকে স্পর্শ করলেন সুনীল। নেপালের বিরুদ্ধে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে মাঠে নামার আগে ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক বলেছিলেন, তাঁর দল যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী, তবে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী নয়। সুনীল ছেত্রিরা যে সত্যিই আত্মবিশ্বাস নিয়ে মাঠে নেমেছিলেন, ম্যাচের শুরু থেকেই তার প্রমাণ মিলেছে। লিগ পর্যায়ের মতো এদিনও রক্ষণাত্মক মানসিকতা নিয়ে মাঠে নেমেছিল নেপাল। ওই ম্যাচের না হয় আলাদা উদ্দেশ্য ছিল। ১ পয়েন্ট পেলেই ফাইনালের ছাড়পত্র পেয়ে যেত নেপাল। ফাইনালে তো আর সেই ব্যাপার ছিল না। আসলে নেপাল কোচ আব্দুল্লাহ আলমুতাইরির লক্ষ্য ছিল শক্তিশালী ভারতের বিরুদ্ধে রক্ষণ শক্ত করে প্রতিআক্রমণভিত্তিক ফুটবল খেলা। রক্ষণে জাল বিছিয়ে রেখেছিলেন নেপাল কোচ। ফলে বারবার আক্রমণে উঠে গিয়েও তিন কাঠি খুঁজে পাচ্ছিলেন না সুনীল ছেত্রি, মনবীর সিংরা। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণ ঝড় তুলেছিল ভারত। ৪ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগও এসেছিল। মহম্মদ ইয়াসিরের দুরপাল্লার শট আংশিক প্রতিহত করেন নেপাল গোলকিপার লিম্বু। ফিরতি বল যায় অনিরুদ্ধ থাপার কাছে। তাঁর শট আবার বাঁচান নেপাল গোলকিপার। ৬ মিনিটে প্রতি আক্রমণে উঠে এসে গোল করার সুযোগ পেয়েছিল নেপাল। নোয়াং শ্রেষ্ঠা কাজে লাগেতে পারেননি। বারবার আক্রমণ তুলে নিয়ে এলেও নেপাল পেনাল্টি বক্সে রক্ষণের ভুলে খেই হারিয়ে ফেলছিলেন মনবীররা। তবে প্রথমার্ধে সবথেকে সহজ সুযোগ নষ্ট করেন সুনীল ছেত্রি। ডানদিক থেকে মহম্মদ ইয়াসিরের ভেসে আসা সেন্টার সুবিধাজনক জায়গা থেকেও জালে রাখতে পারেননি সুনীল। তাঁর ভলি অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। মালদ্বীপের বিরুদ্ধে লিগের শেষ ম্যাচে লাল কার্ড দেখায় ফাইনালে রিজার্ভ বেঞ্চে ছিলেন না ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। তাঁর পরিবর্তে দল পরিচালনা করেন সহকারী কোচ বেঙ্কটেশ। ম্যাচের বিরতিতে তাঁর পেপ টকই বদলে দেয় ভারতীয় দলকে। প্রান্ত দিয়ে আক্রমণ তুলে নিয়ে আসার পরামর্শ দেন স্টিম্যাক। তাঁর পরামর্শেই দ্বিতীয়ার্ধে বদলে যায় ভারত। শুরু থেকেই গোলের জন্য আরও মরিয়া হয়ে ওঠেন সুনীলরা। মাঝখান দিয়ে আক্রমণ তুলে নিয়ে এসে কোনও ফায়দা না ওঠায় দুপ্রান্ত দিয়ে আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিলেন মহম্মদ ইয়াসির, প্রীতম কোটালরা। ফলও পেয়ে যায়।ম্যাচের ৪৯ মিনিটে কাঙ্খিত গোল পেয়ে যায় ভারত। ডান প্রান্ত দিয়ে উঠে এসে সেন্টার করেন প্রীতম কোটাল। দুর্দান্ত হেডে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন সুনীল ছেত্রি। এই গোলের সঙ্গে সঙ্গে লিওনেল মেসিকে স্পর্শ করেন তিনি। দেশের হয়ে দুজনের গোল সংখ্যাই ৮০। এক মিনিট পরেই ব্যবধান বাড়ান সুরেশ সিং। মহম্মদ ইয়াসিরের কাছ থেকে বল পেয়ে দুর্দান্ত শটে তিনি গোল করেন। ৯০ মিনিটে ভারতের হয়ে তৃতীয় গোলটি করেন সাহাল।

অক্টোবর ১৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SAFF Final-Sunil Chettri : মেসিকে স্পর্শ নয়, দলকে চ্যাম্পিয়ন করাই লক্ষ্য সুনীল ছেত্রির

বয়স বাড়লেও দক্ষতায় এখনও মরচে ধরেনি। পরপর দুটি মরণবাঁচন ম্যাচে দলের ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন। গোল করে দলকে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে তুলেছেন। নেপালের বিরুদ্ধে ফাইনালে সেই সুনীল ছেত্রির দিকে তাকিয়ে ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। প্রতিযোগিতায় ইতিমধ্যেই ৪ ম্যাচে ৪ গোল করেছেন। এই মুহূর্তে দেশের জার্সি গায়ে তাঁর গোল সংখ্যা ৭৯। লিওনেল মেসির থেকে ১ গোল পেছনে। ফাইনালে ১ গোল করলেই সুনীল ছেত্রি ধরে ফেলবেন আর্জেন্টিনার তারকাকে। ব্যক্তিগত মাইলস্টোন নয়, দলকে চ্যাম্পিয়ন করাই লক্ষ্য সুনীলের। ফাইনালে নেপালের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, কাজ এখনও শেষ হয়নি।এক সময় ফাইনালের ছাড়পত্র পাওয়াই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। আর এখন খেতাব জয়ের সামনে এসে দাঁড়িয়েছে। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে আরও একবার আধিপত্য কায়েম করার মুখে দাঁড়িয়ে ভারত। শনিবার ফাইনালে সামনে নেপাল। নেপালকে হারালেই ৮ বার খেতাব জয়ের স্বাদ পাবে ভারত। অন্যতম ফেবারিট হিসেবে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে খেলতে নেমেছিলেন সুনীল ছেত্রিরা। কিন্তু বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে পরপর দুটি ম্যাচে ড্র অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিয়েছিল ভারতকে। লিগের শেষ দুটি ম্যাচে নেপাল ও মালদ্বীপের বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না। শেষ দুটি ম্যাচে জ্বলে উঠে দলকে ফাইনালে তুলেছিলেন সুনীল ছেত্রি। ফাইনালে নেপালের বিরুদ্ধে ফেবারিট হিসেবেই মাঠে নামবে ভারত। পরিসংখ্যানের দিক দিয়ে নেপালের থেকে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে ইগর স্টিম্যাকের দল। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নামার আগে দুই দল মুখোমুখি হয়েছে ২২ বার। এরমধ্যে ভারত জিতেছে ১৫ বার, নেপাল জিতেছে দুটি ম্যাচে। ৫টি ম্যাচ ড্র হয়েছে। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানও ভারতের অনুকূলে। সেপ্টেম্বরে দুটি প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল দুদল। একটা ড্র হয়েছিল, একটায় ভারত জিতেছিল। গ্রুপ লিগের ম্যাচেও ভারত জিতেছিল। ফলে পরিসংখ্যানের দিক দিয়ে ভারত এগিয়ে থেকেই মাঠে নামবে। নেপালের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে অবশ্য স্বস্তিতে নেই ভারতীয় শিবির। আগের ম্যাচে লাল কার্ড দেখায় রিজার্ভ বেঞ্চে বসতে পারবেন না কোচ ইগর স্টিম্যাক। চোটের জন্য ফারুখ চৌধুরি, ব্রেন্ডন ফার্নান্ডেজ ফাইনালে মাঠে নামতে পারবেন না। লাল কার্ড দেখায় নেই শুভাশিস বোসও। বিপক্ষ শিবিরকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। লিগ পর্যায়ে নেপালের বিরুদ্ধে জিতলেও ফাইনালে মাঠে নামার আগে ফুটবলাররা যাতে আত্মতুষ্টিতে না ভোগে, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি স্টিম্যাকের। ফাইনালে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, দলের মধ্যে কোনও প্রকার আত্মতুষ্টি ঢুকতে দিইনি। আমাদের কী করতে হবে তা জাই। আত্মবিশ্বাস ও অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসের মধ্যে একটা সূক্ষ্ম লাইন রয়েছে। সেই লাইন অতিক্রম করে ফুটবলাররা যাতে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী না হয়ে পড়ে সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রয়েছে। লিগের শেষ দুটি ম্যাচ জিতে ফুটবলারদের আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়েছে, দাবি করেছেন স্টিম্যাক। তিনি বলেন, আমাদের ধৈর্য ধরতে হবে। ফুটবলাররা যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী। নেপাল আমাদের কাছে পরিচিত প্রতিপক্ষ। শেষ দুটি ম্যাচ জিতে ফুটবলারদের আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়েছে। তবে আমার অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী নই। গোলের জন্য সেই অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার সুনীল ছেত্রির দিকে তাকিয়ে ভারতীয় শিবির।

অক্টোবর ১৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India Football Match : মেসির থেকে ১ গোল পেছনে সুনীল, সাফ চাম্পিয়নশিপে ফাইনালে ভারত

দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শক্তিধর দেশ। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে অন্য দলগুলির তুলনায় অনেকটাই এগিয়ে। অনেক প্রত্যাশা নিয়ে এবছর সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে খেলতে নেমেছিল ভারত। বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে প্রথম দুটি ম্যাচ ড্র করে চাপে পড়ে গিয়েছিল। নেপালকে হারিয়ে ফাইনালের আশা জিইয়ে রেখেছিল ইগর স্টিম্যাকের দল। মালদ্বীপকে ৩১ ব্যবধানে হারিয়ে অবশেষে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারত। আগের বারের ফাইনালে হারের মধুর প্রতিশোধ। জোড়া গোল করে ভারতের জয়ের নায়ক সুনীল ছেত্রি। ম্যাচের ৮০ মিনিটে লাল কার্ড দেখে রিজার্ভ বেঞ্চ থেকে বেরিয়ে যেতে হয় ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাককে। লিগের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশের সঙ্গে ড্র করে ৪ ম্যাচে ৭ পয়েন্টে পৌঁছে গিয়েছিল নেপাল। ভারতের বিরুদ্ধে খেলতে নামার আগে মালদ্বীপের ৩ ম্যাচে পয়েন্ট ছিল ৬। আর ভারতের ৫। ফলে ফাইনালে যেতে গেলে শেষ ম্যাচে মালদ্বীপের বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া কোনও রাস্তা ছিল না ভারতীয় দলের সামনে। মরণবাঁচন ম্যাচে জ্বলে উঠলেন সুনীল ছেত্রি। ৪ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট পেয়ে শীর্ষে ভারত। সুনীলরা ফাইনালে খেলবে দ্বিতীয় স্থানে থাকা নেপালের বিরুদ্ধে। মালদ্বীপের বিরুদ্ধে ডু অর ডাই ম্যাচে প্রথম একাদশে পরিবর্তন করেননি ইগর স্টিম্যাক। নেপালের বিরুদ্ধে জয়ী দলকেই মাঠে নামিয়েছিলেন। এদিন শুরু থেকেই মালদ্বীপের চাপ ছিল। ম্যাচের ৯ মিনিটে সুবিধাজনক জায়গায় বল পেয়ে গিয়েছিলেন আলি আশফাক। কোনও রকমে পরিস্থিতি সামাল দেন রাহুল বেকে। ১৩ মিনিটে আবার সুযোগ এসে গিয়েছিল মালদ্বীপের সামনে। সে যাত্রায় দলকে রক্ষা করেন গুরপ্রীত সিং সান্ধু। ম্যাচের ২৬ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ এসেছিল ভারতের সামনে। সুনীল ছেত্রির হেড পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ম্যাচের ৩৩ মিনিটে এগিয়ে যায় ভারত। মনবীর সিংয়ের ডান পায়ের জোরালো শট জালে জড়িয়ে যায়। ম্যাচের ৪৩ মিনিটে মালদ্বীপের হামজাকে ফাউল করেন প্রীতম কোটাল। রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন। পেনাল্টি থেকে সমতা ফেরান আশফাক। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ধাক্কা খায় ভারত। ৪৮ মিনিটে চোট পেয়ে মাঠ থেকে বেরিয়ে যায় ব্রেন্ডন। তাঁর পরিবর্তে মাঠে নামেন উদান্ত সিং। গোলের জন্য দ্বিতীয়ার্ধে আরও মরিয়া হয়ে ওঠে ভারত। একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসে মালদ্বীপ রক্ষণে। ম্যাচের ৬২ মিনিটে সুনীল ছেত্রির গোলে আবার এগিয়ে যায় ভারত। ২ মিনিট পরেই সমতা ফেরানোর সুযোগ এসেছিল মালদ্বীপের সামনে। গুরপ্রীত ভারতের পতন রোধ করেন। ৭১ মিনিটে দ্বিতীয় গোল করে দলের জয় নিশ্চিত করেন সুনীল ছেত্রি। এদিন ২ গোল করার সুবাদে দেশের হয়ে গোল করার দিক দিয়ে পেলেকে টপকে গেলেন তিনি। পেলের গোল সংখ্যা ৭৭। সুনীলের গোল সংখ্যা ৭৯। লিওনেল মেসির থেকে ১ গোল পেছনে। ম্যাচের একেবারে অন্তিম লগ্নে লাল কার্ড দেখেন ভারতের শুভাশিস বোস।

অক্টোবর ১৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sunil Chetri: রেকর্ড নয়, দলের সাফল্যই আসল সুনীল ছেত্রির কাছে

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ফাইনালের আশা জিইয়ে রাখতে গেলে নেপালের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না ভারতীয় দলের সামনে। ডু অর ডাই ম্যাচে দলকে দায়িত্ব নিয়ে জয় এনে দিয়েছেন অধিনায়ক সুনীল ছেত্রি। নেপালের বিরুদ্ধে গোল করে স্পর্শ করেছেন কিংবদন্তী পেলেকে। পেলেকে স্পর্শ করে খিদে আরও বেড়ে গেছে। ভবিষ্যতে আরও গোল করে দেশকে জেতাতে চান এই বর্ষীয়ান স্ট্রাইকার।৩৭ বছর বয়সেও সুনীল ছেত্রির ধারাবাহিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার অবকাশ নেই। নিজেকেই নিজের ধারাবাহিকতা নিয়ে প্রশ্ন করেন সুনীল। আর প্রতিটা ম্যাচেই সেরাটা দেওয়ার জন্য মুখিয়ে থাকেন। এই প্রসঙ্গে সুনীল বলেছেন, ধারাবাহিকতা নিয়ে সর্বদা নিজেকে প্রশ্ন করি। উত্তরের অপেক্ষায় থাকি। আমার কাছে এর কোনও নকশা নেই। এটাই বাস্তব। প্রতিটা ম্যাচে নিজের সেরাটা দেওয়ার জন্য মাঠে নামি। ভগবানকে ধন্যবাদ দেব, কখনও ব্যর্থ হইনি।বাইচুং ভুটিয়া, রেনেডি সিংদের সঙ্গে খেলার সুযোগ হয়েছে। দুজনই খেলা থেকে অনেক আগে অবসর নিয়ে কোচিংয়ে যুক্ত হয়ে পড়েছেন। এদের সঙ্গে খেলার সুযোগ পেয়ে গর্বিত সুনীল। তিনি বলেন, বেশ কয়েকজন গ্রেট ফুটবলারের সঙ্গে আমার খেলার সুযোগ হয়েছে। তাঁরা কিন্তু ততটা কৃতিত্ব পায়নি। যে সব কোচের অধীনে খেলেছি, সবার কাছ থেকে কিছু না কিছু শিখেছি। সে ছোটই হোক কিংবা বড়। আশা করছি ভবিষ্যতেও এটা ধরে রাখতে পারব। ইতিমধ্যেই পৌঁছে গেছেন ৩৭ বছর বয়সে। আর কতদিন খেলা চালিয়ে যাবেন? এই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এখনই অবশ্য খেলা ছাড়ার পরিকল্পনা নেই সুনীল ছেত্রির। ভবিষ্যত নিয়েও এখনও কোনও পরিকল্পনা করেননি। তিনি বলেছেন, ভবিষ্যত নিয়ে এখনও কোনও পরিকল্পনা করিনি। ফুটবলের বাইরে অন্যকিছু নিয়ে এখনও ভাবিনি। যতদিন খেলা উপভোগ করব, ততদিন খেলে যাব। পেলেকে স্পর্শ করলেও রেকর্ড নিয়ে সুনীলের মাথা ব্যাথা নেই। তাঁর কাছে দলের সাফল্যই আসল। সুনীল বলেছেন, পরিসংখ্যান নিয়ে আমার কোনও মাথা ব্যাথা নেই। কোন মাইলস্টোনে পৌঁছলাম, সেটা নিয়েও ভাবছি না। আমি যা অর্জন করেছি, তাতেই সন্তুষ্ট। যদি ট্রফি জয়ের সুযোগ থাকে, তাহলে আমি তার জন্যই ঝাঁপাব। দলের জয়ই আমার কাছে আসল। আপাতত প্রত্যেকটা সুযোগ কাজে লাগাতে চাই।দেশের হয়ে সবথেকে বেশি গোল করার ব্যাপারে বর্তমান ফুটবলারদের মধ্যে বিশ্বে ৩ নম্বরে রয়েছেন সুনীল। তাঁর আগে রয়েছেন পর্তুগালের ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো (১১২), আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি (৭৯)। সংযুক্ত আমিরশাহির আলি মাবখাউতের সঙ্গে যুগ্মভাবে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন সুনীল (৭৭)।

অক্টোবর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SAFF Championship : পেলেকে স্পর্শ সুনীলের, ফাইনালের স্বপ্ন ভারতের

বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে পরপর জুটি ম্যাচে ড্র করে দারুণ চাপে পড়ে গিয়েছিল ভারত। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ফাইনালের আশা জিইয়ে রাখতে গেলে নেপালের বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না ভারতীয় দলের সামনে। মরণবাঁচন ম্যাচে জ্বলে উঠল ইগর স্টিম্যাকের দল। নেপালকে ১০ ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালের আশা জিইয়ে রাখল। মরণবাঁচন ম্যাচে দেশের মান বাঁচালেন সুনীল ছেত্রি। পাশাপাশি এদিন গোল করে কিংবদন্তি ফুটবলার পেলেকে স্পর্শ করলেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক। ভারতের কাছে যেমন এদিন ছিল মরণবাঁচন ম্যাচ, তেমনই সুনীল ছেত্রির কাছে ছিল পেলেকে ছোঁয়ার ম্যাচ। ব্রাজিলের জার্সি গায়ে পেলে ৭৭ গোল করেছেন। নেপালের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে দেশের জার্সি গায়ে সুনীলের গোল সংখ্যা ছিল ৭৬। ম্যাচের ৮২ মিনিটে নেপালের জালে বল ঢুকিয়ে পেলের পাশে জায়গাআ করে নিলেন সুনীল ছেত্রি। নেপালের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে বেশ কয়েকটা পরিবর্তন করেছিলেন ইগর স্টিম্যাক। তা সত্ত্বেও ভারতের খেলায় খুব একটা পরিবর্তন হয়নি। প্রথমার্ধে ভারতকে তেমন ছন্দে দেখা যায়নি। বলার মতো একটা মাত্রই সুযোগ পেয়েছিল ইগর স্টিম্যাকের দল। ৩৪ মিনিটে প্রীতম কোটালের কাছ থেকে নেপাল পেনাল্টি বক্সে বল পেয়ে মাইনাস করেন সুরেশ। সুরেশ যখন মাইনাস করেন, সুনীলের সামনে কেউ ছিলেন না। ফাঁকা গোলে বল ঠেলতে ব্যর্থ হন সুনীল। প্রথমার্ধে কোনও দলই আর গোল করার সুযোগ পাননি। দ্বিতীয়ার্ধেও সেই ছন্নছাড়া ফুটবল। নেপালের লক্ষ্য ছিল ভারতকে কোনও রকমে আটকে দিয়ে ১ পয়েন্ট নিশ্চিত করা। তাহলেই ফাইনালের দিকে এগিয়ে যাবে। তাই রক্ষণের দিকে বেশি নজর দিয়েছিল। নেপালের রক্ষণ ভেদ করতে পারছিলেন না সুনীলরা। তার মাঝেই ৫৭ মিনিটে ব্রেন্ডনের কর্ণারে সুবিধাজনক জায়গা থেকে নেপাল গোলকিপারের হাতে হেড করেন মনবীর সিং। ৭৭ মিনিটে আবার গোল করার সুযোগ পেয়েছিল ভারত। ব্রেন্ডনের ফ্রিকিক বক্সের মধ্যে হেড করার চেষ্টা করেন সুনীল ছেত্রি। বল তাঁর মাথার পেছন দিকে লেগে যায় শুভাশিস বোসের কাছে। তাঁর হেড আটকে দেন নেপাল গোলকিপার কিরণ কুমার।শেষদিকে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে ভারত। ৮০ মিনিটে সহজ সুযোগ নষ্ট করেন সুনীল ছেত্রি। বেশ কয়েকটা সুযোগ নষ্ট করার পর অবশেষে ৮২ মিনিটে লক্ষ্যভেদ ভারতীয় দলের অধিনায়কের। বাঁদিক থেকে ব্রেন্ডনের সেন্টার ফারুখ চৌধুরি হেডে নামিয়ে দিলে বাঁপায়ের সাইড ভলিতে বল জালে জড়িয়ে দেন সুনীল। একই সঙ্গে ভারতের ফাইনালের স্বপ্নও জেগে রইল। ৩ ম্যাচে ভারতের পয়েন্ট ৫। শেষ ম্যাচ খেলবে ৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থাকা মালদ্বীপের সঙ্গে। জিতলেই ফাইনালে পৌঁছে যাবে ভারত। প্রতিযোগিতায় দেশকে টিকিয়ে রাখতে পেরে খুশি সুনীল ছেত্রি। ম্যাচের পর তিনি বলেন, গোলের সামনে আমরা বারবার ব্যর্থ হয়েছি। ফাইনালের আশা টিকিয়ে রাখতে পেরে ভাল লাগছে। বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে পরপর জুটি ম্যাচে ড্র করে দারুণ চাপে পড়ে গিয়েছিল ভারত। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ফাইনালের আশা জিইয়ে রাখতে গেলে নেপালের বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না ভারতীয় দলের সামনে। মরণবাঁচন ম্যাচে জ্বলে উঠল ইগর স্টিম্যাকের দল। নেপালকে ১০ ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালের আশা জিইয়ে রাখল। মরণবাঁচন ম্যাচে দেশের মান বাঁচালেন সুনীল ছেত্রি। পাশাপাশি এদিন গোল করে কিংবদন্তি ফুটবলার পেলেকে স্পর্শ করলেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক। ভারতের কাছে যেমন এদিন ছিল মরণবাঁচন ম্যাচ, তেমনই সুনীল ছেত্রির কাছে ছিল পেলেকে ছোঁয়ার ম্যাচ। ব্রাজিলের জার্সি গায়ে পেলে ৭৭ গোল করেছেন। নেপালের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে দেশের জার্সি গায়ে সুনীলের গোল সংখ্যা ছিল ৭৬। ম্যাচের ৮২ মিনিটে নেপালের জালে বল ঢুকিয়ে পেলের পাশে জায়গাআ করে নিলেন সুনীল ছেত্রি। নেপালের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে বেশ কয়েকটা পরিবর্তন করেছিলেন ইগর স্টিম্যাক। তা সত্ত্বেও ভারতের খেলায় খুব একটা পরিবর্তন হয়নি। প্রথমার্ধে ভারতকে তেমন ছন্দে দেখা যায়নি। বলার মতো একটা মাত্রই সুযোগ পেয়েছিল ইগর স্টিম্যাকের দল। ৩৪ মিনিটে প্রীতম কোটালের কাছ থেকে নেপাল পেনাল্টি বক্সে বল পেয়ে মাইনাস করেন সুরেশ। সুরেশ যখন মাইনাস করেন, সুনীলের সামনে কেউ ছিলেন না। ফাঁকা গোলে বল ঠেলতে ব্যর্থ হন সুনীল। প্রথমার্ধে কোনও দলই আর গোল করার সুযোগ পাননি। দ্বিতীয়ার্ধেও সেই ছন্নছাড়া ফুটবল। নেপালের লক্ষ্য ছিল ভারতকে কোনও রকমে আটকে দিয়ে ১ পয়েন্ট নিশ্চিত করা। তাহলেই ফাইনালের দিকে এগিয়ে যাবে। তাই রক্ষণের দিকে বেশি নজর দিয়েছিল। নেপালের রক্ষণ ভেদ করতে পারছিলেন না সুনীলরা। তার মাঝেই ৫৭ মিনিটে ব্রেন্ডনের কর্ণারে সুবিধাজনক জায়গা থেকে নেপাল গোলকিপারের হাতে হেড করেন মনবীর সিং। ৭৭ মিনিটে আবার গোল করার সুযোগ পেয়েছিল ভারত। ব্রেন্ডনের ফ্রিকিক বক্সের মধ্যে হেড করার চেষ্টা করেন সুনীল ছেত্রি। বল তাঁর মাথার পেছন দিকে লেগে যায় শুভাশিস বোসের কাছে। তাঁর হেড আটকে দেন নেপাল গোলকিপার কিরণ কুমার।শেষদিকে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে ভারত। ৮০ মিনিটে সহজ সুযোগ নষ্ট করেন সুনীল ছেত্রি। বেশ কয়েকটা সুযোগ নষ্ট করার পর অবশেষে ৮২ মিনিটে লক্ষ্যভেদ ভারতীয় দলের অধিনায়কের। বাঁদিক থেকে ব্রেন্ডনের সেন্টার ফারুখ চৌধুরি হেডে নামিয়ে দিলে বাঁপায়ের সাইড ভলিতে বল জালে জড়িয়ে দেন সুনীল। একই সঙ্গে ভারতের ফাইনালের স্বপ্নও জেগে রইল। ৩ ম্যাচে ভারতের পয়েন্ট ৫। শেষ ম্যাচ খেলবে ৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থাকা মালদ্বীপের সঙ্গে। জিতলেই ফাইনালে পৌঁছে যাবে ভারত। প্রতিযোগিতায় দেশকে টিকিয়ে রাখতে পেরে খুশি সুনীল ছেত্রি। ম্যাচের পর তিনি বলেন, গোলের সামনে আমরা বারবার ব্যর্থ হয়েছি। ফাইনালের আশা টিকিয়ে রাখতে পেরে ভাল লাগছে।

অক্টোবর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SAFF Championship : নেপালের বিরুদ্ধে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে মরণবাঁচন ম্যাচে নামছেন সুনীলরা

অনেক প্রত্যাশা নিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ খেলতে নেমেছে ভারতীয় ফুটবল দল। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে প্রতিযোগিতার অন্য দলগুলির তুলনায় এগিয়ে থাকলেও প্রথম দুটি ম্যাচে সুনীল ছেত্রিদের পারফরমেন্স অনুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে খুঁজতে হচ্ছে। বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে পরপর ড্র করে অস্তিত্ব সংকটে ভারত। ফাইনালে ওঠার আশা জিইয়ে রাখতে গেলে রবিবার নেপালের বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া রাস্তা নেই ইগর স্টিম্যাকের দলের সামনে। বলতে গেলে একপ্রকার ডু অর ডাই ম্যাচ।দু ম্যাচে জিতে ৬ পয়েন্ট নিয়ে এই মুহূর্তে গ্রুপ শীর্ষে রয়েছে নেপাল। গ্রুপ শীর্ষে থাকা দলের বিরুদ্ধে লড়াই যে সহজ হবে না, সেকথা নিশ্চিতভাবে বলা যায়। মাস খানেক আগে এই নেপালের বিরুদ্ধে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলেছিলেন সুনীল ছেত্রিরা। একটা ড্র, আর একটা ম্যাচে জিতেছিল ভারত। প্রীতি ম্যাচ আর প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচের মধ্যে আকাশপাতাল পার্থক্য। ফলে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ভারতের কাছে লড়াইটা যে যথেষ্ট কঠিন হবে, সেকথা নিশ্চিতভাবে বলা যায়।ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক অবশ্য মনে করছেন, নেপালের বিরুদ্ধে প্রীতি ম্যাচে তাঁর দল যে ফুটবল উপহার দিয়েছিল, তা তুলে ধরতে পারলে জেতা সমস্যা হবে না। নেপালকে হারিয়ে ফাইনালের লড়াইয়ে থাকার ব্যাপারে তিনি আত্মবিশ্বাসী। মরণবাঁচন ম্যাচে খেলতে নামার আগে স্টিম্যাক বলেন, নেপালের বিরুদ্ধে জিতলে আমরা ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে থাকব। সেপ্টেম্বরে ওদের বিরুদ্ধে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলেছিলাম। একে অপরের সম্পর্কে ধারণা আছে। তবে বিপক্ষের ওপর বেশি ফোকাস করতে চাই না। জিততে গেলে আমাদের নিজেদের খেলায় উন্নতি করতে হবে। আগের দুটি ম্যাচের মতো ভুল করলে চলবে না। গোলের সুযোগ কাজে লাগাতে হবে। সুনীল ছেত্রি আটকে গেলেই গোল পেতে সমস্যা হচ্ছে ভারতের। প্রথম ম্যাচে মনবীর সিং নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। রিস্টন কোলাসোও ব্যর্থ। বাকিরাও পজিটিভ সুযোগ নষ্ট করছেন। এই অবস্থায় সেই অভিজ্ঞ সুনীল ছেত্রির দিকেই তাকিয়ে ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। নেপালের বিরুদ্ধে আবার প্রথম একাদশে পরিবর্তন করতে চলেছেন তিনি। মনবীরকে প্রথম একাদশে ফেরাতে পারেন। প্রথম একাদশে ফিরতে পারেন ব্রেন্ডন ফার্নান্ডেজ ও প্রীতম কোটাল। প্রথম দুটি ম্যাচে ড্র করে অনেকটাই ভেঙে পড়ছিল গোটা ভারতীয় শিবির। কোচ ইগর স্টিম্যাক দলকে নতুন করে উদ্দীপ্ত করেছেন। অধিনায়ক সুনীল ছেত্রিও দলকে উদ্বুদ্ধ করার দায়িত্ব তুলে নিয়েছেন। তিনিও তাকিয়ে পেলের রেকর্ড স্পর্শ করার দিকে।

অক্টোবর ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sunil Chhetri : পেলেকে স্পর্শ করতে সুনীল ছেত্রির চাই আর ১ গোল

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ অভিযানে নামার আগে বাংলাদেশকে নিয়ে একটু বেশিই সতর্ক ছিলেন ভারতীয় দলের হেড কোচ ইগর স্টিম্যাক। সুনীল ছেত্রিও বলেছিলেন প্রতিটা ম্যাচেই লড়াই করে জিততে হবে। কথাটা ভুল বলেননি সুনীল। আর স্টিম্যাকের সতর্কতাও একেবারে অমূলক ছিল না। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম ম্যাচে ১০ জনের বাংলাদেশের কাছে আটকে গেল ভারত। ম্যাচের ফল ১১। পেলের রেকর্ড স্পর্শ করতে সুনীল ছেত্রির প্রয়োজন আর ১ গোল। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে প্রথম থেকেই আক্রমণে ঝড় তুলেছিল ভারত। বিপক্ষের বক্সে একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিলেন সুনীল ছেত্রি, উদান্ত সিং, রিস্টন কোলাসোরা। অন্যদিকে, প্রতি আক্রমণের রাস্তা বেছে নিয়েছিলেন বাংলাদেশের কোচ অস্কার ব্রুজোঁ। ম্যাচের ২৬ মিনিটে এগিয়ে যায় ভারত। ডানদিক থেকে প্রীতম কোটাল বল বাড়ান উদান্ত সিংকে। বল নিয়ে বাংলাদেশ বক্সে ঢুকে গোল লাইনের কাছ থেকে মাইনাস করেন উদান্ত। ডান পায়ের জোরালো শটে বল জালে পাঠান সুনীল ছেত্রি। এদিন দেশের হয়ে ৭৬টি আন্তর্জাতিক গোল করে ফেললেন সুনীল ছেত্রি। আর ১ গোল করলেই স্পর্শ করবেন কিংবদন্তি ফুটবলার পেলেকে। ব্রাজিলের জার্সি গায়ে ৭৭ গোল করেছেন পেলে। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে গোলের সঙ্গে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ১৪টি গোল করে ফেললেন সুনীল। সুনীলের গোলের পরের মিনিটেই সমতা ফেরানোর সুযোগ এসেছিল বাংলাদেশের সামনে। কাজে লাগাতে পারেনি।এদিনই পেলের রেকর্ড স্পর্শ করতে পারতেন সুনীল ছেত্রি। ৩৮ মিনিটে তাঁর বাঁপায়ের দুরন্ত শট ততোধিক দক্ষতার সঙ্গে বঁাদিকে উড়ে গিয়ে কর্ণারের বিনিময়ে বাঁচান বাংলাদেশ গোলকিপার আনিসুর রহমান। কর্ণার থেকে ক্লিয়ার হওয়া বল পেয়ে দ্রুত গতিতে প্রতি আক্রমণে উঠে আসে বাংলাদেশ। ভারতের বক্সের মধ্যে বল পেয়ে শট নেন বিপ্লো আহমেদ। বাঁদিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে সেই শট বাঁচিয়ে দলের নিশ্চিত পতন রোধ করেন ভারতীয় দলের গোলকিপার গুরপ্রীত সিং সান্ধু। সমতা ফেরানোর জন্য দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই মরিয়া হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। ৫১ মিনিটে সমতা ফেরানোর সুযোগও পেয়েছিল। ডানদিক থেকে উঠে গিয়ে বিপ্লো পাস বাড়ান সাহাবুদ্দিনকে। সাহাবুদ্ধিনের মাইনাস ৬ গজ বক্সের মধ্যে সুবিধাজনক জায়গায় পেয়েও বল জালে রাখতে পারেননি রাকিব। ৩ মিনিট পরেই বড় ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। বিশ্বনাথ লালকার্ড দেখায় ১০ জন হয়ে পড়ে। বল নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছিলেন রিস্টন কোলাসো। সামনে কেউ ছিলেন না। রিস্টনকে পেছন থেকে টেনে ফেলে দেন বাংলাদেশের ডিফেন্ডার বিশ্বনাথ। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে লালকার্ড দেখিয়ে মাঠ থেকে বার করে দেন রেফারি। আক্রমণ প্রতি আক্রমণে দ্বিতীয়ার্ধে খেলা দারুণ জমে উঠেছিল। ১০ জন হয়ে যাওয়ার পরেও বাংলাদেশ গুটিয়ে থাকেনি। বরং দ্রুতগতিতে বারবার প্রতি আক্রমণে উঠে এসে ভারতীয় রক্ষণকে চাপে ফেলে দিচ্ছিল। তার মধ্যেই ৬০ মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ এসে গিয়েছিল ভারতের সামনে। মনবীরের শট বাঁচান বাংলাদেশ গোলকিপার আনিসুর। ফিরতি বলে গোল লক্ষ্য করে শট নেন উদান্ত সিং। আবার বাঁচান আনিসুর। অবশেষে ৭৪ মিনিটে সমতা ফেরায় বাংলাদেশ। কর্ণার থেকে হেডে গোল করেন অরক্ষিত ইয়াসিন আরাফত।

অক্টোবর ০৪, ২০২১

ট্রেন্ডিং

সম্পাদকীয়

ক্ষমতার শীর্ষ থেকে অনিশ্চয়তার কিনারায়, মমতা-অভিষেকের সামনে কঠিন প্রশ্ন

দেহপট সনে নট সকলি হারায় মঞ্চে বা পর্দায় যে নট-নটিরা অসংখ্য মানুষের চোখের পর্দায় বিচরণ করেন তাঁদের সম্পর্কে কবির এই নিদান। গ্ল্যামারের ছটায় যে সাফল্য আসে নট-নটিদের, তার জনমোহিনী আকর্ষণ শরীরে বয়স থাবা বসানোর সঙ্গে সঙ্গে অতি দূরের নির্জন দ্বীপের চেহারা নেয়। তবে, রাজনীতির মঞ্চে কালের এই নিয়ম আলাদা। সেখানে বয়স নয়, ক্ষমতার মসনদ ই মাপকাঠি হয়ে দাঁড়ায়। ক্ষমতার মসনদের উপরে ও নিচে কোথায় অবস্থান তা নির্দিষ্ট করে দেয় খেলার নিয়ম। এই মুহূর্তে এই অনুভব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে বেশি কেউ বুঝছেন না। শুধু ক্ষমতা হারানো নয় ১৯৯৮ সালে যে দলটা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন সেই দলটাই তাঁর মুঠোয় আর থাকবে কি না সেই প্রশ্ন ই এখন সামনে এসে দাঁড়িয়েছে মমতার। ভারতীয় রাজনীতির ইতিহাস বলছে ব্যক্তি নির্ভর দলের বোধহয় এটাই ভবিতব্য। ইংরেজিতে একটা কথা আছে nothing succeeds like success। নতুন দল তৈরির পর থেকেই সাফল্যের মুখ দেখেননি মমতা। ধীরে ধীরে রাজ্যের বিরোধী পরিসরে তিনি জায়গা পেয়েছেন। অবশেষে, সিঙ্গুর, নন্দীগ্রাম পর্ব পেরিয়ে ২০০৮ এর পঞ্চায়েত নির্বাচন থেকে ক্ষমতার বিন্দুর দিকে যাত্রা শুরু হয় মমতার। ২০০৯ এর লোকসভা, ২০১০ এর পুরসভা ও পৌরসভার নির্বাচন এর পরপর ২০১১ এর বিধানসভা নির্বাচনে সেই বিন্দুর স্পর্শ পেয়েছেন তিনি। তারপরে তো দল এবং সরকারে তিনিই ছিলেন শেষকথা। ক্ষমতায় থাকার জন্য দলের সাংগঠনিক কাঠামোকে মজবুত করতে নিচুতলার কর্মী থেকে নেতা - মন্ত্রীদের বেপরোয়া ক্ষমতার ব্যবহার ও দূর্নীতিকে প্রশ্রয় দিয়েছেন। অন্যদিকে, দলে তাঁর উত্তরসূরি হিসেবে অভিষেক বন্দোপাধ্যায়কে প্রতিষ্ঠিত করতে একের পর এক ঘুঁটি সাজিয়েছেন। এই সবই ছিল ক্ষমতার মসনদে বসে থাকাকালীন সময়ের ঘটনা প্রবাহ। কিন্তু, ২০২৬ সালের ৪ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল বেরোনোর পরে পরিস্থিতি আমূল বদলে গিয়েছে। দলের টিকিটে ল্যাম্পপোস্ট দাঁড় করালেও মমতার নামে তিনি বৈতরণী পেরিয়ে যাবেন - দলের মধ্যে এই যে myth তৈরি হয়েছিল তা আজ অতীত। এখন তো তাঁর নামে একটি কর্মসূচিতেও দলের নেতা কর্মীদের দূরবীন দিয়ে খুঁজতে হবে। এই পরিস্থিতিতে আমার মনে হয় মমতার থেকে ও অনেক অনেক বেশি কঠিন কঠোর বাস্তব এসে দাঁড়িয়েছে অভিষেকের সামনে। মমতার পক্ষে তাঁকে ব্রাত্য করা অসম্ভব হলেও দলের নেতা, বিধায়ক, কর্মীদের কাছে নয়। কারণ অভিষেক দলের মধ্যে যেখানে ছিলেন তা তাঁর রাজনৈতিক পরিশ্রমের ফল নয়। ক্ষমতার সোপানে পা রেখেই তাঁর যাত্রা শুরু। দলের নেতা, বিধায়ক ও কর্মীদের তা অজানা নয়। ফলে এখন পরীক্ষা অভিষেকের। এতদিন তিনি digital space এ রাজনীতি করে এসেছেন, এবার নামতে হবে রাজনীতির রুক্ষ মাঠে, রাস্তায়। এই রাস্তা, মাঠে তাঁর জন্য কোন বাস্তব অপেক্ষা করে আছে তা তিনি আঁচ পেয়েছেন সোনারপুরের রাস্তায়। তিনি কি দলের ভাঙন ঠেকাতে পারবেন? সাফল্যের নিচে যে অন্ধকার থাকে তার সঙ্গে কি মানিয়ে চলতে পারবেন? দলের মধ্যে যাঁরা মাঠে - ময়দানে লড়াইতে, অভিজ্ঞতায় তাঁর থেকে এগিয়ে রয়েছেন তাঁদের সঙ্গে পা মেলাতে পারবেন? এইগুলোই এখন দাঁড়িয়ে রয়েছে কালীঘাট ও হরিশ মুখার্জি রোডের দরজায়।

জুন ০৯, ২০২৬
রাজ্য

মমতার হাত ছেড়ে শুভেন্দুর মঞ্চে দেব! কোলাঘাটে দেখা যেতেই তুঙ্গে জল্পনা

রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমশ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক সাংসদ এনডিএ শিবিরে যোগদানের ইচ্ছা প্রকাশ করার পর থেকেই নতুন সমীকরণ নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। এই আবহেই কোলাঘাটে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিলেন ঘাটালের সাংসদ দেব, যা ঘিরে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে।সোমবার তৃণমূলের উনত্রিশ জন সাংসদের মধ্যে কুড়ি জন একসঙ্গে লোকসভার স্পিকারের কাছে চিঠি দিয়েছেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়। সেই বিদ্রোহী সাংসদদের তালিকায় দেবের নামও উঠে আসে। এর পরদিনই তাঁকে দেখা যায় কোলাঘাটের প্রশাসনিক বৈঠকে।মঙ্গলবার পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রাম জেলার প্রশাসনিক কাজকর্ম পর্যালোচনা করতে কোলাঘাটের বলাকা মঞ্চে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে বিভিন্ন সরকারি আধিকারিক, সাংসদ এবং বিধায়কেরা উপস্থিত ছিলেন। জুন মালিয়া-সহ একাধিক পরিচিত রাজনৈতিক মুখও ছিলেন সভায়।বেলা প্রায় বারোটা নাগাদ সভাস্থলে পৌঁছন দেব। মুখ্যমন্ত্রীর পর তিনিই শেষের দিকে মঞ্চে প্রবেশ করেন এবং মূল মঞ্চেই আসন গ্রহণ করেন। তাঁর উপস্থিতি স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলের নজর কেড়েছে।সভায় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার একাধিক সাংসদ ও বিধায়ক উপস্থিত ছিলেন। মূল মঞ্চে দেবের পাশাপাশি বসেছিলেন সৌম্যেন্দু অধিকারী, অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এবং জুন মালিয়া।রুপোলি পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা দেবের রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরেই। ঘাটাল কেন্দ্র থেকে একাধিকবার সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। একসময় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছাও প্রকাশ করেছিলেন। তবে পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলোচনা করে সেই সিদ্ধান্ত বদলান।সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনের সময়ও তৃণমূলের প্রচারে সক্রিয় ভূমিকা নিতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। বিভিন্ন প্রচারসভায় অংশগ্রহণ করেছিলেন তিনি। তবে নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর বিজেপির জয়ের জন্য সামাজিক মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানানো পোস্ট নিয়েও যথেষ্ট আলোচনা হয়েছিল।এই পরিস্থিতিতে শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে দেবের উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। যদিও এই বিষয়ে দেবের পক্ষ থেকে কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে তাঁর এই উপস্থিতি শুধুই প্রশাসনিক বৈঠকের অংশ, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও রাজনৈতিক বার্তা রয়েছে, তা নিয়েই এখন জোর চর্চা চলছে।এদিন ঝাড়গ্রাম জেলা প্রশাসনের একাধিক আধিকারিকও প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিতে বাসে করে কোলাঘাটে পৌঁছন। বৈঠকে তিন জেলার উন্নয়নমূলক কাজ এবং প্রশাসনিক বিষয়গুলি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

জুন ০৯, ২০২৬
কলকাতা

ইউনেস্কোর নাম ভাঙিয়ে কোটি টাকার কারবার? প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনকে ঘিরে বিস্ফোরক অভিযোগ

দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে বড় আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠল সঙ্গীতশিল্পী ও প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন এবং তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেনের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে প্রিপুজো প্রদর্শনীর টিকিট বিক্রি করে বিপুল অঙ্কের অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে। এই ঘটনায় বউবাজার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন আন্তর্জাতিক পর্যটন সংক্রান্ত পরামর্শদাতা জয়দীপ মুখোপাধ্যায়।অভিযোগকারী জয়দীপ মুখোপাধ্যায়ের দাবি, দুই হাজার বাইশ সালে একটি সংস্থা তৈরি করা হয়, যার প্রধান ছিলেন মধুছন্দা সেন। সেই সংস্থার পক্ষ থেকে প্রচার করা হয় যে ইউনেস্কো তাদের সহযোগী সংস্থা হিসেবে যুক্ত রয়েছে। পাশাপাশি দাবি করা হয়, কলকাতার চব্বিশটি দুর্গাপুজোকে ইউনেস্কো বিশেষভাবে নির্বাচন করেছে। কিন্তু পরে জানা যায়, এই দাবির কোনও সত্যতা নেই।জয়দীপ মুখোপাধ্যায়ের অভিযোগ, ইউনেস্কোর নাম ও প্রতীক ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করা হয়েছিল। তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে তিনি ইউনেস্কোর প্যারিস এবং দিল্লি অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে ইউনেস্কোর পক্ষ থেকেও তাঁর সঙ্গে কথা বলা হয়। সেখানে তাঁকে জানানো হয়, সংশ্লিষ্ট কোনও সংস্থার সঙ্গে ইউনেস্কোর কোনও চুক্তি বা আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক ছিল না।দুই হাজার একুশ সালে বাংলার দুর্গাপুজো আন্তর্জাতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পাওয়ার পরের বছর থেকেই এই কার্যক্রম শুরু হয় বলে অভিযোগ। ওই সংস্থা কলকাতার নির্বাচিত কিছু দুর্গাপুজোর থিম এবং শিল্পকর্ম আগেভাগে প্রদর্শনের আয়োজন করত। সেই প্রদর্শনী দেখার জন্য দর্শকদের কাছ থেকে টিকিটের বিনিময়ে অর্থ নেওয়া হত। অভিযোগ, এই পুরো আয়োজনকে ইউনেস্কোর যৌথ উদ্যোগ বলে প্রচার করা হয়েছিল।জয়দীপ মুখোপাধ্যায়ের আরও দাবি, গত তিন বছরে এই টিকিট বিক্রি থেকে কোটি কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, বিভিন্ন পুজো কমিটি খুব সামান্য অংশ পেয়েছে, আর বাকি অর্থ সংস্থার কাছে গিয়েছে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, যেসব পুজোকে এই সংস্থা বেছে নিত, সেগুলিই পরে বিভিন্ন পুরস্কার এবং বড় স্পনসরশিপ পেত।তবে সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন ইন্দ্রনীল সেন। তাঁর বক্তব্য, অভিযোগকারীকে তিনি চেনেন না এবং তাঁর সঙ্গে কোনও পরিচয়ও নেই। তিনি বলেন, তিনি কোনওদিন কোনও দুর্গাপুজো কমিটির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন না। তাঁর মতে, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তিনি আরও জানান, তাঁর স্ত্রী একজন শিল্পী ও আলোকচিত্রী। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংস্থার সঙ্গে তাঁর কাজের সম্পর্ক রয়েছে। প্রয়োজন হলে তিনি আইনি পদক্ষেপও করবেন বলে জানিয়েছেন।অন্যদিকে অভিযোগকারী জানিয়েছেন, কলকাতা পুলিশের কমিশনার, রাজ্য পুলিশের মহাপরিচালক এবং বউবাজার থানার কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের সমর্থনে একাধিক নথি এবং তথ্যও তদন্তকারীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি তাঁর।এই অভিযোগের সত্যতা এখনও তদন্তসাপেক্ষ। তবে প্রাক্তন মন্ত্রীকে ঘিরে ওঠা এই নতুন বিতর্ক ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক মহলে ব্যাপক চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুন ০৯, ২০২৬
বিদেশ

লাখ ডলারের এইচ-ওয়ান-বি ভিসা ফি বাতিল, আদালতের রায়ে স্বস্তি ভারতীয় কর্মীদের

আমেরিকায় কাজ করতে ইচ্ছুক ভারতীয়দের জন্য বড় স্বস্তির খবর। এইচ-ওয়ান-বি ভিসার জন্য অতিরিক্ত এক লক্ষ ডলারের ফি বাতিল করে দিয়েছে আদালত। বস্টনের একটি জেলা আদালত জানিয়েছে, এই অতিরিক্ত ফি আরোপের সিদ্ধান্ত আইনসম্মত ছিল না। ফলে ট্রাম্প প্রশাসনের নেওয়া সেই সিদ্ধান্ত আর কার্যকর থাকবে না।এই রায়ের ফলে ভারতীয়-সহ বহু বিদেশি কর্মী স্বস্তি পেলেও রাজনৈতিকভাবে অস্বস্তিতে পড়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর আগেও তাঁর একাধিক সিদ্ধান্ত আদালতের প্রশ্নের মুখে পড়েছিল। এবার ভিসা সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তও আইনি ধাক্কা খেল।গত বছর ট্রাম্প প্রশাসন ঘোষণা করেছিল, এইচ-ওয়ান-বি ভিসার জন্য আবেদন করতে গেলে আগের তুলনায় অনেক বেশি অর্থ দিতে হবে। আগে বিভিন্ন ফি মিলিয়ে সাধারণত কয়েক হাজার ডলার খরচ হতো। কিন্তু নতুন নিয়মে সেই খরচ এক ধাক্কায় এক লক্ষ ডলার পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল।প্রশাসনের দাবি ছিল, বিদেশি কর্মী নিয়োগ কমিয়ে মার্কিন নাগরিকদের জন্য আরও বেশি চাকরির সুযোগ তৈরি করাই এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য। দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ উঠছিল, অনেক সংস্থা কম বেতনে বিদেশি কর্মী নিয়োগ করছে। এতে স্থানীয় কর্মসংস্থানের উপর প্রভাব পড়ছে বলে মনে করা হচ্ছিল।তবে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয় একাধিক অঙ্গরাজ্য। তাদের দাবি ছিল, এত বড় অঙ্কের ফি নির্ধারণ করার ক্ষমতা এককভাবে প্রেসিডেন্টের নেই। এমন সিদ্ধান্ত নিতে হলে কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন।মামলার শুনানির পর বিচারক জানান, কংগ্রেসের অনুমতি ছাড়া প্রেসিডেন্ট এই ধরনের অতিরিক্ত ফি চাপাতে পারেন না। সেই কারণেই ট্রাম্প প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে বেআইনি ঘোষণা করে তা বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এই রায়ের সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে ভারতীয়দের উপর। কারণ প্রতি বছর এইচ-ওয়ান-বি ভিসা পাওয়া বিদেশিদের মধ্যে ভারতীয়দের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। তথ্যপ্রযুক্তি, প্রকৌশল, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং আর্থিক ক্ষেত্রের বহু দক্ষ ভারতীয় পেশাদার এই ভিসার মাধ্যমে আমেরিকায় কাজ করেন।বর্তমানে প্রতি বছর প্রায় পঁয়ষট্টি হাজার সাধারণ এইচ-ওয়ান-বি ভিসা দেওয়া হয়। এছাড়াও মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য অতিরিক্ত কুড়ি হাজার ভিসার ব্যবস্থা রয়েছে। আদালতের এই রায়ের ফলে আমেরিকায় কাজের সুযোগ খুঁজছেন এমন বহু ভারতীয় পেশাদারের জন্য পথ আরও সহজ হয়ে গেল বলে মনে করা হচ্ছে।

জুন ০৯, ২০২৬
কলকাতা

আর জি কর নিয়ে বিস্ফোরক কল্যাণ! “সত্যি জানলে সিবিআইকে বলুন”, কাকলি-শর্মিলাকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ

আর জি কর কাণ্ড এবং অভয়া ইস্যুকে ঘিরে ফের সরগরম রাজ্য রাজনীতি। দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দলের বিদ্রোহী সাংসদ-বিধায়কদের তীব্র আক্রমণ করেন। সেই সঙ্গে আর জি কর কাণ্ড নিয়ে এমন কিছু মন্তব্য করেন, যা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।ছাব্বিশের নির্বাচনে আর জি কর কাণ্ড এবং অভয়ার মৃত্যুর ঘটনা বড় রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে উঠেছিল। মেয়ের মৃত্যুর বিচার চেয়ে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়েছিলেন অভয়ার মা রত্না দেবনাথ। ভোটারদের সমর্থনও পেয়েছেন তিনি। এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে তৃণমূলের একাধিক বিদ্রোহী নেতা ও সাংসদের মুখে বারবার উঠে এসেছে আর জি করের প্রসঙ্গ।এই আবহেই দিল্লিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বিদ্রোহীদের একহাত নেন। তিনি বলেন, আর জি কর ইস্যুতে চিকিৎসক সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার এবং শর্মিলা সরকারকে কখনও আন্দোলনের পথে দেখা যায়নি। এরপরই তিনি তাঁদের উদ্দেশে বলেন, আর জি করে কী হয়েছিল, পারলে সিবিআইকে গিয়ে সত্যি বলুন।কল্যাণের এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিরোধীদের একাংশের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই আর জি কর কাণ্ডে তৎকালীন রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তথ্য গোপনের অভিযোগ উঠেছে। কল্যাণের মন্তব্য সেই বিতর্ককেই আবার সামনে নিয়ে এসেছে বলে মনে করছেন অনেকে।এদিন বিদ্রোহী নেতাদেরও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন তৃণমূল সাংসদ। তিনি বলেন, দলের অধিকাংশ বিদ্রোহী নেতা দীর্ঘদিন ক্ষমতার কাছাকাছি থাকার সুবিধা ভোগ করেছেন। এখন পরিস্থিতি বদলাতেই তাঁরা অন্য পথে হাঁটছেন। তাঁদের বিশ্বাসঘাতক এবং সুখের পায়রা বলেও কটাক্ষ করেন কল্যাণ।তিনি আরও দাবি করেন, বিজেপি শেষ পর্যন্ত এই নেতাদের গ্রহণ করবে না। কারণ তাঁদের অতীতের নানা তথ্য বিজেপির কাছেও রয়েছে। পাশাপাশি অভিনেত্রী-রাজনীতিকদেরও নিশানা করে তিনি বলেন, অনেকেই দলের পুরনো কর্মীদের অবদান ভুলে গিয়েছেন।অভয়ার মায়ের বিজেপিতে যোগদান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে এত অভিযোগ থাকার পরেও কেন অভয়ার মা বিজেপিতে যোগ দিলেন, সেই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া প্রয়োজন।তবে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝেও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ। তিনি বলেন, তিনি অতীতেও দলের নেত্রীর পাশে ছিলেন, এখনও আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন। তাঁর কথায়, অন্যদের কাছে টাকা, ক্ষমতা এবং প্রশাসনিক প্রভাব থাকতে পারে, কিন্তু তাঁর কাছে রয়েছে মা-মাটি-মানুষের আদর্শ।

জুন ০৯, ২০২৬
রাজ্য

দু’দিনের মধ্যেই উত্তরবঙ্গে বর্ষার প্রবেশের সম্ভাবনা, একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টি ও কালবৈশাখীর সতর্কতা

ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় কালবৈশাখী এবং বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।ইতিমধ্যেই কেরলে বর্ষার প্রবেশ হয়েছে। পাশাপাশি নাগাল্যান্ড, মণিপুর, মিজোরাম এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের আরও কয়েকটি অঞ্চলে মৌসুমি বায়ু পৌঁছে গিয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের অনুমান, খুব শীঘ্রই উত্তরবঙ্গের পাশাপাশি সিকিম ও ওড়িশার কিছু অংশেও বর্ষা ঢুকে পড়বে। এদিকে উত্তরপ্রদেশের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হওয়ায় আবহাওয়ার পরিস্থিতিতে আরও পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।উত্তরবঙ্গে ইতিমধ্যেই প্রাক-বর্ষার বৃষ্টি শুরু হয়েছে। সপ্তাহজুড়ে প্রায় সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্তভাবে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।আজ আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহার জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দার্জিলিং ও কালিম্পংয়েও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আগামীকাল দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়ি জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।দক্ষিণবঙ্গেও আগামী কয়েকদিন বিক্ষিপ্তভাবে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পাশাপাশি ঘণ্টায় ত্রিশ থেকে চল্লিশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। কোথাও কোথাও হাওয়ার গতি পঞ্চাশ থেকে ষাট কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে।আজ বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলায় ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। আগামীকাল পরিস্থিতি আরও তীব্র হতে পারে। পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা এবং হুগলি জেলায় ঘণ্টায় প্রায় ষাট কিলোমিটার বেগে কালবৈশাখী হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।ফলে আগামী কয়েকদিন রাজ্যের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে বজ্রপাত এবং ঝোড়ো হাওয়ার সময় নিরাপদ স্থানে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

জুন ০৯, ২০২৬
কলকাতা

উধাও অরূপ বিশ্বাস! ফোন বন্ধ, মিলছে না টাওয়ার লোকেশন, চাপে পুলিশ

মেসি কাণ্ডে জটিলতা আরও বাড়ল রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে। সোমবার থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত তাঁর সঙ্গে কোনওভাবেই যোগাযোগ করতে পারেনি পুলিশ। এমনকি তাঁর মোবাইল ফোনের টাওয়ার লোকেশনও খুঁজে পাওয়া যায়নি বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।বিধাননগর পুলিশ সূত্রের খবর, অরূপ বিশ্বাসের অবস্থান সম্পর্কে এখনও কোনও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। কলকাতা পুলিশের কাছ থেকেও তাঁর খোঁজ সংক্রান্ত কোনও তথ্য মেলেনি। গোটা বিষয়টি আদালতের সামনে তুলে ধরা হবে বলে জানিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা।এর আগে মেসি কাণ্ডে গ্রেফতারের আশঙ্কা থেকে রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টে আবেদন করেছিলেন অরূপ বিশ্বাস। তাঁর আইনজীবী জরুরি ভিত্তিতে মামলার শুনানির আবেদন জানালেও বিচারপতি সেই আবেদন গ্রহণ করেননি। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, এই মুহূর্তে জরুরি শুনানির অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়।আদালত থেকে স্বস্তি না মেলার পরই সোমবার দুপুরে অরূপ বিশ্বাসের নিউ আলিপুরের সাহাপুর এলাকার ফ্ল্যাটে পৌঁছয় পুলিশ। তদন্তের স্বার্থে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হওয়া তাঁর ভাই স্বরূপ বিশ্বাসকেও সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়। ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালানো হলেও অরূপ বিশ্বাসকে পাওয়া যায়নি।উল্লেখ্য, মেসি কাণ্ডে এখনও থানায় হাজিরা দেননি প্রাক্তন মন্ত্রী। অন্যদিকে যৌন নির্যাতন-সহ একাধিক গুরুতর অভিযোগে আগেই গ্রেফতার হয়েছেন তাঁর ভাই স্বরূপ বিশ্বাস। তাঁকে সঙ্গে নিয়ে বেহালার সাহাপুর কলোনির বাড়িতেও তল্লাশি চালায় বিশাল পুলিশ বাহিনী।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘ সময় ধরে চলা সেই তল্লাশির সময় একটি রহস্যময় ঘরের সন্ধান পাওয়া যায়। ওই ঘর এবং সেখানে পাওয়া বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এরই মধ্যে অরূপ বিশ্বাসের অবস্থান নিয়ে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে।প্রাক্তন মন্ত্রীর খোঁজে একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাঁর অবস্থান সম্পর্কে কোনও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

জুন ০৯, ২০২৬
কলকাতা

গভীর রাতে আবাসনে পুলিশের হানা! গ্রেফতার তৃণমূল নেতা সব্যসাচী দত্ত

তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার করা হল তৃণমূল নেতা সব্যসাচী দত্তকে। সোমবার গভীর রাতে রাজারহাটের রাইগাছি এলাকার একটি অভিজাত আবাসন থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ। মঙ্গলবার আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় সব্যসাচী দাবি করেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই পুরনো একটি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েকদিন আগে সল্টলেকের এক ব্যবসায়ী সব্যসাচী দত্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে তাঁকে ভয় দেখানো হচ্ছিল এবং টাকা দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল। তোলাবাজির অভিযোগও তোলা হয়। অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত শুরু করে পুলিশ।তদন্তের সূত্র ধরে সোমবার গভীর রাতে রাইগাছির একটি আবাসনে পৌঁছয় পুলিশের বড় দল। সেখান থেকেই সব্যসাচী দত্তকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁর গ্রেফতারির খবর প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।একসময় রাজারহাট-নিউটাউন এলাকার অন্যতম প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন সব্যসাচী। তিনি দীর্ঘদিন তৃণমূলের হয়ে রাজনীতি করেছেন। দুই হাজার এগারো সাল থেকে দুই হাজার উনিশ সাল পর্যন্ত রাজারহাট-নিউটাউন কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন তিনি।পরবর্তীতে দুই হাজার উনিশ সালে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন। দলবদলের পর দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিধাননগর কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থীও হন। তবে সেই নির্বাচনে তৃণমূল নেতা সুজিত বসুর কাছে পরাজিত হন।এরপর আবার তৃণমূলে ফিরে আসেন সব্যসাচী দত্ত। দুই হাজার বাইশ সালের বিধাননগর পুরসভা নির্বাচনে একত্রিশ নম্বর ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। পরে তাঁকে পুরবোর্ডের চেয়ারম্যানও করা হয়।সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে বারাসত কেন্দ্র থেকে তৃণমূল তাঁকে প্রার্থী করেছিল। তবে সেই নির্বাচনে জয় পেতে পারেননি তিনি। পরে তাঁকে বারাসত সাংগঠনিক জেলার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়।এই পরিস্থিতিতে সব্যসাচীর গ্রেফতারিকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। একদিকে পুলিশের দাবি, অভিযোগের ভিত্তিতেই পদক্ষেপ করা হয়েছে। অন্যদিকে সব্যসাচীর অভিযোগ, তাঁর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

জুন ০৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal