• ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ১২ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Sir Hearing

কলকাতা

ভোটের আগে বড় সিদ্ধান্ত, হঠাৎ সক্রিয় নির্বাচন কমিশন, কী ঘটতে চলেছে জানেন?

দেশজুড়ে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পরিমার্জন প্রক্রিয়ার তৃতীয় ধাপ এখন শেষের পথে। বিহারে এই কাজ ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ হয়েছে এবং পশ্চিমবঙ্গ-সহ আরও বারোটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে কাজ চলছে। শুরুতে এই প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের তরফে স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি। কবে শুরু হবে বা আদৌ সব রাজ্যে হবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল। তবে এখন পরিস্থিতি বদলেছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে সচেতনতা বেড়েছে এবং কমিশনও পরবর্তী পদক্ষেপে এগোতে শুরু করেছে।বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন যেসব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এই কাজ এখনও শুরু হয়নি, সেই সব জায়গার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে। সেখানে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পরিমার্জনের জন্য আগাম সমস্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে। অর্থাৎ পরিকাঠামো, কর্মী ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা আগে থেকেই গুছিয়ে রাখতে বলা হয়েছে।চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী এপ্রিল মাস থেকে বাকি থাকা রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে এই বিশেষ পরিমার্জনের কাজ শুরু হতে পারে। তাই নির্ধারিত সময়ের আগেই সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপকে আসন্ন নির্বাচনগুলির আগে ভোটার তালিকা আরও নির্ভুল করার উদ্যোগ হিসেবেই দেখছেন পর্যবেক্ষকরা।মেটা বিবরণ: দেশজুড়ে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পরিমার্জন প্রক্রিয়া নিয়ে বড় পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের। বিহারের পর বাকি রাজ্যগুলিতে এপ্রিল থেকে শুরু হতে পারে কাজ, প্রস্তুতির নির্দেশ মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬
কলকাতা

কমিশনের ডেডলাইনের আগেই এফআইআর! এসআইআর বিতর্কে চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ রাজ্যের

জাতীয় কমিশনের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই এসআইআর প্রক্রিয়ায় যুক্ত চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর করল রাজ্য সরকার। এই চারজনের মধ্যে রয়েছেন দুজন ইআরও এবং দুজন এইআরও। ভোটার তালিকায় কারচুপির অভিযোগ উঠেছিল তাঁদের বিরুদ্ধে। কমিশনের নির্দেশের পরেই এই পদক্ষেপ ঘিরে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক চাপানউতোর।অভিযোগ, ভোটার তালিকা তৈরির সময় অনিয়ম হয়েছে। এই ঘটনায় এক ডেটা এন্ট্রি অপারেটরের নামও জড়ায়। চার সরকারি আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে রাজ্যকে নির্দেশ দেয় কমিশন। কিন্তু এতদিন সেই নির্দেশ মানা নিয়ে টালবাহানা চলছে বলে অভিযোগ ওঠে নবান্নের বিরুদ্ধে। এরপর রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী-কে ডেকে কড়া বার্তা দেয় কমিশন। মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার মধ্যে এফআইআর করার সময়সীমাও বেঁধে দেওয়া হয়। তার আগেই চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে রাজ্য।এই চারজনের মধ্যে পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না বিধানসভার ইআরও ও এইআরও রয়েছেন। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর পূর্ব বিধানসভার ইআরও ও এইআরও-র বিরুদ্ধেও এফআইআর হয়েছে। বারুইপুর পূর্বে দায়িত্বে ছিলেন দেবোত্তম দত্ত চৌধুরী ও তথাগত মণ্ডল। ময়নাতে ওই পদে ছিলেন বিপ্লব সরকার ও সুদীপ্ত দাস। চারজনই ডব্লিউবিসিএস অফিসার।ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়াও তীব্র। তৃণমূল কংগ্রেসের আইটি সেলের ইনচার্জ দেবাংশু ভট্টাচার্য বলেন, কমিশনের নির্দেশকে সম্মান জানিয়েই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। তবে এর অর্থ এই নয় যে কমিশনের বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ থেকে সরে আসা হচ্ছে। তাঁর দাবি, কমিশনের পাঠানো বহিরাগত মাইক্রো অবজার্ভারদের সুপারিশ মানতে চাপ দেওয়া হচ্ছিল। অথচ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার ইআরও-দেরই ছিল। যাঁরা নিয়ম মেনে কাজ করছিলেন, তাঁদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তৃণমূলের।এ দিন নবান্নে কমিশনকে কটাক্ষ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আইন অবশ্যই মানা হবে। তবে সব কিছুরই সীমা আছে। সীমা ছাড়ালে তার জবাব দেওয়া হবে। একইসঙ্গে তিনি বলেন, তাঁর বিরুদ্ধেও একাধিক এফআইআর রয়েছে, তাই বিষয়টিকে অতিরিক্ত গুরুত্ব না দেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।অন্যদিকে বিজেপির মুখপাত্র জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, কমিশন সর্বোচ্চ ক্ষমতা প্রয়োগ করে আগেই সাতজনকে সাসপেন্ড করেছে। চারজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া না হলে মুখ্যসচিবের বিরুদ্ধেও পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল। তাঁর দাবি, নিয়ম না মানলে আরও এফআইআর হতে পারে। এসআইআর প্রক্রিয়ায় কে কী কাজ করছেন, তার ডিজিটাল রেকর্ড থাকছে। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর কোনও গাফিলতি ধরা পড়লে কমিশন কঠোর ব্যবস্থা নিতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।ভোটার তালিকা সংশোধন ও এসআইআর প্রক্রিয়া ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে। কমিশন ও রাজ্যের এই টানাপোড়েন কোন দিকে গড়ায়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

ভোটার তালিকা থেকে ৮০ লক্ষ নাম বাদ? এসআইআর শুনানি ঘিরে চাঞ্চল্য

এসআইআর শুনানির প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর। শনিবার ছিল আনুষ্ঠানিক শেষ দিন, তবে শুক্রবারই শুনানি শেষ হয়েছে। এখন চলছে তথ্য আপলোড ও যাচাইয়ের কাজ।কমিশন সূত্রে খবর, শুনানিতে নোটিস পাওয়ার পরও প্রায় ৬ লক্ষ ভোটার ইআরও-দের সামনে হাজির হননি। তাই তাঁদের নাম বাদ যাওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নিশ্চিত। এছাড়া লজিক্যাল ত্রুটি এবং অ্যানম্যাপড ভোটারের তালিকা থেকেও প্রায় ১০ শতাংশ নাম বাদ যেতে পারে বলে জানা গিয়েছে।খসড়া তালিকা প্রকাশের সময় দেখা গিয়েছিল, প্রায় ৫৮ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ গিয়েছিল। তার সঙ্গে শুনানিতে অনুপস্থিত ৬ লক্ষ যোগ করলে সংখ্যাটা দাঁড়ায় ৬৪ লক্ষ। এর সঙ্গে আরও ১০ লক্ষের বেশি অ্যানম্যাপড ও লজিক্যাল ত্রুটি থাকা নাম ধরলে মোট সংখ্যা প্রায় ৮০ লক্ষ ছুঁতে পারে বলে কমিশন সূত্রের অনুমান।অনেকেই শুনানির সময় কমিশনের নির্ধারিত ১৩টি বৈধ নথির কোনওটি জমা দিতে পারেননি। তার বদলে প্যান কার্ড বা সংবাদপত্রের কাটিংয়ের মতো কাগজ জমা দিয়েছেন। সেই কারণে তাঁদের নাম বাদ যেতে পারে।কমিশন জানিয়েছে, কার নাম কেন বাদ গেল, তা নোটিস দিয়ে জানানো হবে। নাম বাদ গেলে পাঁচ দিনের মধ্যে জেলাশাসকের কাছে আবেদন করা যাবে। সেখানে সুরাহা না হলে আরও পাঁচ দিনের মধ্যে সিইও দপ্তরে আবেদন জানানো যাবে।আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের কথা রয়েছে। তার আগে স্ক্রুটিনি চলছে। সিইও-র ছাড়পত্র মিললেই প্রকাশিত হবে তালিকা। এখন নজর, শেষ পর্যন্ত কত নাম বাদ যায়।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
কলকাতা

এসআইআর শুনানিতে নাটকীয় মোড়, হঠাৎ নিয়ম বদলে ডোমিসাইল মানল কমিশন

এসআইআর শুনানির একেবারে শেষ পর্বে এসে নিয়ম বদলাতে বাধ্য হল নির্বাচন কমিশন। তৃণমূল কংগ্রেসের লাগাতার চাপের মুখে এবার থেকে কমিশন নির্ধারিত ১১টি নথির পাশাপাশি ডোমিসাইল সার্টিফিকেট বা পারমানেন্ট রেসিডেন্স সার্টিফিকেটকেও প্রামাণ্য নথি হিসেবে গ্রহণ করা হবে। শনিবার এই সিদ্ধান্তের কথা রাজ্য নির্বাচনী দপ্তরকে জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।তবে এই ক্ষেত্রে শর্তও স্পষ্ট করে দিয়েছে কমিশন। জানানো হয়েছে, শুধুমাত্র জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক বা মহকুমা শাসকের সই করা ডোমিসাইল সার্টিফিকেটই গ্রহণযোগ্য হবে। অন্য কোনও আধিকারিকের সই করা শংসাপত্র নথি হিসেবে গ্রাহ্য করা হবে না। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় এই নতুন সংযুক্তি নিঃসন্দেহে বহু ভোটারের কাছে বড় স্বস্তির খবর।এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই নির্বাচন কমিশনের একাধিক নির্দেশিকা নিয়ে আপত্তি জানিয়ে আসছিল রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। ভোটার তালিকায় নাম থাকার জন্য যে নথিগুলির তালিকা দেওয়া হয়েছিল, তার মধ্যে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড কিংবা ডোমিসাইল সার্টিফিকেট না থাকায় বিতর্ক তৈরি হয়। এই বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তাঁর প্রশ্ন ছিল, বিহারে এসআইআর চলাকালীন যদি ডোমিসাইল সার্টিফিকেট গ্রহণ করা হয়ে থাকে, তবে বাংলায় তা করা হচ্ছে না কেন।এই একই প্রসঙ্গ ওঠে সুপ্রিম কোর্টেও। গত বুধবার এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানির সময় মুখ্যমন্ত্রী নিজেই সওয়াল করে ডোমিসাইল সার্টিফিকেট ও মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড গ্রহণ না করার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, তৃণমূলের চাপ এবং বিহার ও বাংলার জন্য আলাদা নিয়ম করা নিয়ে সমালোচনার মুখেই শুনানির শেষ দিনে এসে নিয়ম বদলাতে বাধ্য হল নির্বাচন কমিশন।ডোমিসাইল সার্টিফিকেট হল স্থায়ী বাসিন্দা হওয়ার প্রমাণ হিসেবে রাজ্য সরকার বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের অনুমোদিত আধিকারিকদের দেওয়া শংসাপত্র। সাধারণত যাঁরা অন্তত ১৫ থেকে ২০ বছর ধরে একই এলাকায় বসবাস করছেন, তাঁরাই এই সার্টিফিকেট পাওয়ার যোগ্য। এই নথিতে জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক বা মহকুমা শাসকের সই থাকে।উল্লেখযোগ্য ভাবে, ২০২৫ সালে বিহারে এসআইআর প্রক্রিয়ায় এই ডোমিসাইল সার্টিফিকেটকেই প্রামাণ্য নথি হিসেবে গ্রহণ করেছিল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু বাংলার ক্ষেত্রে তা বাদ দেওয়ায় বহু ভোটারকে নথি জোগাড় করতে সমস্যায় পড়তে হয়েছিল। আজ, ৭ ফেব্রুয়ারি, শুনানির শেষ দিনে কমিশনের তরফে জানানো হল, ডোমিসাইল সার্টিফিকেট এবার গ্রহণযোগ্য হবে। কয়েকটি জেলায় এখনও শুনানি শেষ হয়নি। সেই জেলাগুলিতে যদি শুনানির সময় বাড়ানো হয়, তবে ওই অতিরিক্ত সময়ে ডোমিসাইল সার্টিফিকেট জমা দিয়ে শুনানিতে অংশ নিতে পারবেন ভোটাররা।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৬
কলকাতা

সময় ফুরোল, কাজ বাকি! ভোটার তালিকা প্রকাশ পিছোল, বড় ঘোষণা কমিশনের

নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও রাজ্যের একাধিক জায়গায় এখনও ভোটার তালিকার কাজ অসম্পূর্ণ। কোথাও শুনানি শেষ হয়নি, আবার কোথাও নথি আপলোডের কাজ চলছে। এই পরিস্থিতিতে জেলাশাসকদের আবেদনের ভিত্তিতে এসআইআর বা ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ার সময় বাড়াল নির্বাচন কমিশন।শনিবার সন্ধ্যায় এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। তিনি জানান, আপাতত আরও সাত দিন শুনানির কাজ চলবে, অর্থাৎ ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ওই দিনই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের কথা ছিল। তবে সময় বাড়ানোয় সেই তালিকা প্রকাশও পিছিয়ে যাচ্ছে। সব কিছু ঠিকঠাক চললে ২১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৫ সালের অক্টোবরের শেষ দিকে রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। পরিকল্পনা ছিল, ধাপে ধাপে সমস্ত কাজ শেষ করে ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। তার পরেই বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শেষ পর্বে এসে দেখা যায়, বেশ কিছু জেলায় এখনও ভোটারদের নথি যাচাই এবং শুনানির কাজ শেষ করা যায়নি।এই কারণেই কয়েকটি জেলার জেলাশাসক কমিশনের কাছে সময় বাড়ানোর আবেদন জানান। শেষ পর্যন্ত সেই আবেদন মেনে নেওয়া হয়েছে। ফলে শুনানির সময় যেমন বাড়ল, তেমনই পিছোল চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের দিনও।এ বিষয়ে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল বলেন, উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতা এবং উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার কয়েকটি বিধানসভা কেন্দ্রে এখনও শুনানির কাজ বাকি রয়েছে। তবে মোট কাজের প্রায় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। খুব বেশি কাজ বাকি নেই বলেই জানান তিনি। তাঁর আশা, আগামী সাত দিনের মধ্যেই সব শুনানি শেষ করা সম্ভব হবে।চূড়ান্ত ভোটার তালিকা ফেব্রুয়ারির শেষে যাবে কি না, এই প্রশ্নে তিনি জানান, শুনানির কাজ শেষ হলে তার পর আরও কয়েক দিন সময় লাগবে তথ্য চূড়ান্ত করতে। সেই হিসেবে ২১ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা সম্ভব হবে।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৬
রাজ্য

জীবিত ভোটারকে মৃত! বাদুড়িয়ায় ভোটার তালিকা ঘিরে তুমুল বিতর্ক

শনিবার ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ার শুনানি পর্বের শেষ দিনে উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়ায় উঠল গুরুতর অভিযোগ। অভিযোগ, ৩৩ জন জীবিত ভোটারকে মৃত দেখিয়ে ফর্ম ৭ জমা দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় বিজেপির বিরুদ্ধে পরিকল্পিত চক্রান্তের অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে তৃণমূল। ঘটনার প্রতিবাদে বিডিও অফিসে বিক্ষোভ দেখান ভোটাররা। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। পাশাপাশি, গোটা ঘটনার রিপোর্ট তলব করেছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর।জানা গিয়েছে, চণ্ডিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ব্যানা গ্রামের ৪৫ নম্বর বুথ এবং যশাইকাটি-আটঘরা গ্রাম পঞ্চায়েতের ৮০ নম্বর বুথে এই ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ, মোট ৩৩ জন ভোটারের নাম ফর্ম ৭ ব্যবহার করে মৃত হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে, যদিও তাঁরা সকলেই জীবিত। বিক্ষোভকারী ভোটারদের দাবি, কোনও রকম নোটিস বা যাচাই ছাড়াই তাঁদের নামের পাশে মৃত লেখা হয়েছে। এতে তাঁদের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ।স্থানীয় তৃণমূল নেতা মেহেবুর আলম বলেন, সামনে নির্বাচন। এসআইআর প্রক্রিয়ার সুযোগ নিয়ে বিজেপি ইচ্ছাকৃতভাবে জীবিত ভোটারদের মৃত দেখিয়ে নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা করছে। তিনি জানান, শুনানি শেষ হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট বিজেপি বুথ সভাপতির মণ্ডলের বিরুদ্ধে বাদুড়িয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করা হবে।যদিও বিজেপির পাল্টা দাবি, তৃণমূলই এসআইআর প্রক্রিয়া বানচাল করতে এই অভিযোগ তুলছে। এই প্রসঙ্গে বাদুড়িয়া ব্লকের বিডিও পার্থ হাজরা জানান, কয়েকজন ভোটার লিখিত অভিযোগ করেছেন। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এদিকে, এই ঘটনায় নির্বাচনী আধিকারিকদের হেনস্তার অভিযোগও উঠেছে। গোটা ঘটনার বিস্তারিত জানতে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার জেলাশাসকের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর।একই ধরনের অভিযোগ উঠেছে গাইঘাটার ধরমপুর ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের নাইগাছি ১৪৮ নম্বর বুথেও। সেখানে ৬ জন জীবিত ভোটারকে মৃত দেখিয়ে ফর্ম ৭ জমা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। বিএলওর সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি জানতে পারেন ভোটাররা। সত্তরোর্ধ্ব আকবর মণ্ডল, হানিফ মণ্ডল, মছিম মণ্ডল, ফতেমা বিবি, নুরজাহান বিবি ও রহিমা বিবিরা জানান, তাঁরা নিয়মিত ভোট দেন। অথচ হঠাৎ জানতে পারেন, তাঁদের মৃত দেখিয়ে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, স্থানীয় বিজেপি নেতারা কাগজে কলমে তাঁদের মৃত বানাতে চাইছেন।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৬
কলকাতা

ভোটার তালিকা শুনানিতে হইচই, কমিশনের আধিকারিকদের সঙ্গে সরাসরি সংঘাত কাউন্সিলরের

এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরে শুনানি কেন্দ্রে হুলস্থুল কাণ্ড। অভিযোগের কেন্দ্রে কলকাতা পুরসভার ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর তথা মেয়র পরিষদের সদস্য অসীম বসু। শরৎ বোস রোডের একটি বেসরকারি স্কুলে ভোটার তালিকা সংক্রান্ত শুনানি চলাকালীন তিনি সেখানে পৌঁছন। তারপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ।গত কয়েক দিন ধরেই অভিযোগ উঠছিল, শুনানিতে আসা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা নথি নিচ্ছেন, কিন্তু তার বদলে কোনও রসিদ দেওয়া হচ্ছে না। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই কাউন্সিলর অসীম বসু শুনানি কেন্দ্রে যান বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগ, সেখানে পৌঁছেই তিনি নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের সঙ্গে তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে পড়েন। এমনকী, রসিদ না দিলে কোনও নথি জমা না দিতে শুনানিতে আসা মানুষজনকে নির্দেশ দেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের দাবি, কাউন্সিলর এবং তাঁর সঙ্গে থাকা কয়েক জন এভাবে শুনানি কেন্দ্রে ঢুকে পড়তে পারেন না। বিষয়টি শান্তভাবে আলোচনা করা যেত। তাঁদের আরও বক্তব্য, এই ঘটনার ফলে শুনানির কাজ ব্যাহত হচ্ছে এবং দেরি হচ্ছে।ঘটনা প্রসঙ্গে তৃণমূল কাউন্সিলর অসীম বসু বলেন, মানুষ কীভাবে প্রমাণ করবেন তাঁরা কোন কোন নথি জমা দিয়েছেন, যদি কোনও রসিদ না দেওয়া হয়। তাঁর দাবি, সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে নথি নেওয়ার পর রসিদ দিতে হবে। তা সত্ত্বেও কেন এই অনিয়ম চলছে, সেই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। রসিদ না দিলে প্রয়োজনে শুনানি বন্ধ করে দেওয়ার কথাও বলেন কাউন্সিলর।এই ঘটনাকে ঘিরে ভবানীপুর এলাকায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

এসআইআর বিতর্কে বড় মোড়! সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন কবি জয় গোস্বামী

পদবি সংক্রান্ত লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি নিয়ে তৈরি হওয়া গোলযোগ এবার পৌঁছে গেল সুপ্রিম কোর্টে। মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়। জানা গিয়েছে, প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের এজলাসে মামলাটি দায়ের করেছেন কবি জয় গোস্বামী নিজেই। এত দিন এই বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে সরব ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এ বার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন খোদ কবি। ফলে এসআইআর ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীর পাশে বুদ্ধিজীবীদের একাংশ দাঁড়াচ্ছেন কি না, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে।নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত খসড়া ভোটার তালিকায় জয় গোস্বামীর নাম রয়েছে। শুধু তাই নয়, ওই তালিকায় রয়েছে তাঁর মেয়ের নামও। ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে বর্তমান তালিকার মিল না থাকায় লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির কথা তুলে নির্বাচন কমিশনের তরফে তাঁকে শুনানির জন্য ডাকা হয়। গত ২ জানুয়ারি তিনি প্রয়োজনীয় নথিও জমা দিয়েছেন।এই বিষয়টি নিয়ে আগেই সরব হয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তিনি মন্তব্য করেছিলেন, আজ যদি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বেঁচে থাকতেন, তাঁকেও হয়তো এসআইআরের লাইনে দাঁড় করানো হত।মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি কিছুটা বিরক্তি প্রকাশ করেন। তাঁর মন্তব্য, প্রতিদিন নতুন করে আবেদন জমা পড়ছে এবং তাতে গোটা প্রক্রিয়াটাকেই থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। শুনানিতে আইনজীবী জানান, বাংলায় পদবীর নানা রকম বানানের কারণে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। যেমন মুখার্জি ও মুখোপাধ্যায়এই ধরনের পার্থক্যের জন্যই অসঙ্গতি দেখা দিচ্ছে। এমনকি আধার কার্ডও অনেক ক্ষেত্রে গ্রহণ করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ।বাংলার এসআইআর সংক্রান্ত মামলার দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হলেও প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, আগামী ৩ ফেব্রুয়ারিই এই মামলার শুনানি হবে। অর্থাৎ আগেই যে দিন ধার্য ছিল, সেই দিনেই বিষয়টি শুনবে শীর্ষ আদালত।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
রাজ্য

এসআইআরের শুনানিতে ত্বহা সিদ্দিকী! বেরিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য, ভোটে জবাবের হুঁশিয়ারি

এসআইআর সংক্রান্ত শুনানির নোটিস থেকে বাদ পড়লেন না ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকীও। মঙ্গলবার শুনানিতে হাজির হয়ে গোটা প্রক্রিয়া নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। ত্বহার দাবি, প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দেওয়ার পরও আধিকারিকরা সেগুলি দেখে শুধু মুচকি হেসেছেন। তাঁর কথায়, শুনানির নামে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করা হচ্ছে। তবে এই হয়রানির জবাব যে ভোটেই মিলবে, সেই হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।শুনানির নোটিস পেয়ে এ দিন নির্ধারিত সময়েই হাজির হন ত্বহা সিদ্দিকী। বাইরে বেরিয়ে তিনি বলেন, এসআইআরের নামে সাধারণ মানুষের উপর চাপ তৈরি করা হচ্ছে, আর রাজনৈতিক দলগুলি পরস্পরের সঙ্গে লুকোচুরি খেলছে। তাঁর মন্তব্য, বিজেপি ও তৃণমূল একে অপরের বিরোধী হলেও বাস্তবে তারা একই খেলায় নেমেছে। একজন কামড়াচ্ছে, আর একজন সেই কামড় সারানোর ভান করছেএভাবেই পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করেন তিনি।পারিবারিক ঐতিহ্যের প্রসঙ্গ টেনে ত্বহা বলেন, তাঁর পরিবারের ইতিহাস শুধু এই রাজ্য নয়, দেশের বাইরেও বহু মানুষ জানেন। তবুও তাঁকে শুনানির জন্য ডাকা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, মুসলিমদের লক্ষ্য করেই বেশি করে নোটিস পাঠানো হচ্ছে। কারণ বিজেপির ধারণা, মুসলিমরা তাদের ভোট দেয় না। ত্বহার দাবি, তাঁরা কোনও দলকেই অন্ধভাবে সমর্থন করেন না। যে দল উন্নয়ন করে, তার পাশেই থাকেন।ত্বহা আরও বলেন, ভোটের আগে রাজনীতিকরা সাধারণ মানুষের খুব কাছে এসে যান, কিন্তু ভোট মিটে গেলেই তাঁদের দূরে সরিয়ে দেওয়া হয়। আগামী ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটে মানুষ এর জবাব দেবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে সেই জবাব কোন দল পাবে, বিজেপি না তৃণমূলসে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি পীরজাদা।শুনানির অভিজ্ঞতা নিয়ে ত্বহা জানান, তাঁর কোনও সমস্যা হয়নি। তাঁর কথায়, তিনি সমস্ত কাগজপত্র ঠিকঠাক রেখেই শুনানিতে গিয়েছিলেন। আধিকারিকরা নথি দেখে শুধু হাসছিলেন, কোনও প্রশ্নই করেননি। ত্বহার দাবি, আধিকারিকরাও চাপে রয়েছেন এবং শেষ পর্যন্ত এই গোটা পরিকল্পনাই ভেস্তে যাবে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
কলকাতা

এসআইআর শুনানিতে রাজ্যের মন্ত্রী! শশী পাঁজাকে নোটিস ঘিরে তোলপাড়

এ বার এসআইআর শুনানিতে হাজিরার নোটিস পেলেন রাজ্যের নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী শশী পাঁজা। নোটিস অনুযায়ী, রবিবার দুপুর দুটোর মধ্যে তাঁকে কেশব অ্যাকাডেমিতে হাজির থাকতে বলা হয়েছে। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় শশী পাঁজার নাম থাকলেও শুনানিতে ডাকা হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই বিস্মিত ও বিরক্ত তিনি।শশী পাঁজা জানিয়েছেন, তিনি এনুমারেশন ফর্মে সমস্ত প্রয়োজনীয় তথ্য ঠিকঠাকভাবে জমা দিয়েছেন। তাঁর দাবি, কোনও লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির কারণে নয়, শুধুমাত্র অ্যাপের প্রযুক্তিগত গলদের জন্যই ২০০২ সালের তালিকায় তাঁর নাম ডিজিটালভাবে দেখাচ্ছে না। এই বিষয়টি জানার পর তিনি অবাক হয়েছেন বলে জানিয়েছেন।রাজ্যে অক্টোবর মাস থেকেই শুরু হয়েছে এসআইআর বা বিশেষ নিবিড় সংশোধনের কাজ। ভোটার তালিকা ত্রুটিমুক্ত করতেই এই প্রক্রিয়া চলছে। ফর্ম জমা নেওয়ার পর এখন চলছে শুনানির পর্ব। নামের বানান, তথ্যের অমিল, ম্যাপিং সংক্রান্ত সমস্যা বা প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে বহু ভোটারকে শুনানিতে ডাকা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন, কবি জয় গোস্বামী, অভিনেতা দেব-সহ একাধিক পরিচিত মুখ এই শুনানির নোটিস পেয়েছেন। এ বার সেই তালিকায় যুক্ত হল রাজ্যের মন্ত্রীর নামও।এই প্রসঙ্গে শশী পাঁজা বলেন, তিনি ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবং তাঁর নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় রয়েছে। কিন্তু কমিশনের তড়িঘড়ি কাজের জেরে বিএলওদের ব্যবহৃত অ্যাপ ও সফটওয়্যারে একাধিক গলদ দেখা দিয়েছে। সেই কারণেই প্রকৃত তালিকায় নাম থাকলেও অ্যাপে তা দেখা যাচ্ছে না। তিনি জানান, আলাদা কোনও সুবিধা না নিয়ে সাধারণ মানুষের মতোই লাইনে দাঁড়িয়ে শুনানিতে হাজির হবেন।তিনি আরও বলেন, এই ঘটনায় তিনি সত্যিই অবাক। তাঁর কথায়, যখন একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিকেই এ ভাবে ডাকা হচ্ছে, তখন সাধারণ মানুষের কী অবস্থা হচ্ছে, তা সহজেই বোঝা যায়। গোটা বিষয়টি তাঁর কাছে হাস্যকর বলেই মনে হয়েছে।এ দিকে জানা গিয়েছে, এসআইআর শুনানিতে ডাক পেয়েছেন তৃণমূলের আইটি সেলের নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্যও। তিনি একটি ফেসবুক পোস্টে বিষয়টি জানিয়েছেন। দেবাংশু জানান, এখনও পর্যন্ত তিনি হাতে নোটিস পাননি। তবে তাঁর দাবি, ২০০২ সাল থেকে তাঁর ও পরিবারের সকলের নথিতে নামের বানান এবং মধ্যনাম এক রয়েছে। ফলে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির প্রশ্নই ওঠে না। নোটিস হাতে পাওয়ার পরই কেন ডাকা হয়েছে, তা পরিষ্কার হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

জানুয়ারি ২৫, ২০২৬
কলকাতা

এসআইআর নিয়ে টানাপোড়েন! চূড়ান্ত তালিকা কি পিছোচ্ছে?

এসআইআর নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর ক্রমেই বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশন মনে করছে, আগামী ৭ তারিখের মধ্যে সমস্ত শুনানি শেষ করা সম্ভব হবে না। ফলে ১৪ ফেব্রুয়ারি যে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের কথা ছিল, তা আরও অন্তত ১০ দিন পিছিয়ে যেতে পারে।এর মধ্যেই সামনে এসেছে নতুন অভিযোগ। অভিযোগ উঠেছে, শুনানির অগ্রগতি সংক্রান্ত তথ্য নিয়মিত ভাবে নির্বাচন কমিশনের পোর্টালে আপলোড করা হচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে কমিশন। গড়িমসি লক্ষ্য করেই কমিশনের তরফে ERO এবং AERO-দের সতর্ক করা হয়েছে।নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, শুনানি সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পোর্টালে আপলোড হওয়ার কথা। কিন্তু বাস্তবে তা হচ্ছে না। বিশেষ করে আনম্যাপড এবং লজিক্যাল ডিক্রিপেন্সি সংক্রান্ত তথ্য প্রতিদিন আপডেট করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।কমিশনের তরফে আরও জানানো হয়েছে, যদি এই সংক্রান্ত কোনও তথ্য এখনও বাকি থাকে, তবে আগামী ২৬ জানুয়ারির মধ্যেই তা সম্পূর্ণ করতে হবে। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে কাজ শেষ না হলে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

জানুয়ারি ২৫, ২০২৬
কলকাতা

বন্দ্যোপাধ্যায় না ব্যানার্জি? বানানেই বিপত্তি, শুনানিতে ডাক কেন—ব্যাখ্যা কমিশনের

ভোটার তালিকা সংশোধনের শুনানিতে গিয়ে সাধারণ মানুষকে বারবার হয়রান হতে হচ্ছে, এমন অভিযোগ উঠছে বিভিন্ন জায়গা থেকে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সমস্যার কারণ হিসেবে সামনে আসছে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি। নামের বানান, বাবা বা মায়ের নামের সঙ্গে মিল না থাকা কিংবা বয়সের ফারাকের মতো বিষয় নিয়ে ভোটারদের শুনানির নোটিস পাঠানো হচ্ছে বলে অভিযোগ।এই বিষয়টি নিয়েই শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশ্ন তোলেন। তাঁর প্রশ্ন ছিল, বাবার পদবি ব্যানার্জি আর ছেলের পদবি বন্দ্যোপাধ্যায় হলে সেটাকে কেন সমস্যা হিসেবে ধরা হচ্ছে। এবার সেই প্রশ্নের ব্যাখ্যা দিলেন নির্বাচন কমিশনের নিযুক্ত বাংলার বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত।সুব্রত গুপ্ত জানান, লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির সংখ্যা খুব বেশি হওয়ায় কমিশনের কাজের চাপ অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। তিনি স্বীকার করেন, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বানানগত ভুলের কারণেই শুনানির নোটিস পাঠানো হচ্ছে। তবে এই সমস্যার মূল কারণও ব্যাখ্যা করেন তিনি।তাঁর কথায়, বন্দ্যোপাধ্যায় ও ব্যানার্জি একই পদবি হলেও বানানের পার্থক্যের কারণে কম্পিউটার সিস্টেমে তা আলাদা হিসেবে ধরা পড়ছে। একই ভাবে, কোথাও দেখা যাচ্ছে পদবি দে হলেও কেউ লিখছেন Dey, কেউ লিখছেন De। উত্তরবঙ্গে গিয়ে তিনি দেখেছেন, অনেক পদবিরই পাঁচ-ছয় রকম বানান রয়েছে। ফলে কম্পিউটারের পক্ষে তা মিলিয়ে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। সেই কারণেই একাধিক ক্ষেত্রে ভোটারদের বারবার শুনানির জন্য ডাকা হচ্ছে।তবে গোটা প্রক্রিয়াটি আরও বেশি সময় নিয়ে করা গেলে ভালো হত বলেও মনে করছেন সুব্রত গুপ্ত। তিনি বলেন, একটু বেশি সময় পেলে আরও ভেবে কাজ করা যেত। কিন্তু এপ্রিলের মধ্যেই ভোট হওয়ার কথা থাকায় নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই সব পরিকল্পনা করে কাজ করতে হয়েছে। তাঁর দাবি, সময় কম থাকলেও তথ্য অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করা সম্ভব হবে।

জানুয়ারি ২৩, ২০২৬
কলকাতা

ভোটার তালিকা নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত! অশান্তি হলেই বন্ধ শুনানি, সময়সীমা বাড়াতে পারে কমিশন

এসআইআর-এর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের সময়সীমা আরও বাড়তে পারে। ১৪ ফেব্রুয়ারির বদলে অন্তত আরও ১০ দিন সময় দেওয়া হতে পারে বলে কমিশন সূত্রে খবর। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের জেলাশাসকদের উদ্দেশে এক বিশেষ ও কড়া নির্দেশ পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নির্দেশে বলা হয়েছে, শুনানি কেন্দ্রে অশান্তি তৈরি হলে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দিতে হবে শুনানি।সম্প্রতি উত্তর দিনাজপুরের চাকুলিয়া ও ইটাহার, বাঁকুড়া, মুর্শিদাবাদ সহ রাজ্যের একাধিক জেলায় ভোটার তালিকা সংক্রান্ত শুনানি চলাকালীন চরম বিশৃঙ্খলার ছবি সামনে এসেছে। কোথাও বচসা, কোথাও ধাক্কাধাক্কি, আবার কোথাও শুনানি সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিতে হয়েছে। এই সমস্ত ঘটনার রিপোর্ট ইতিমধ্যেই কমিশনের কাছে তলব করা হয়েছে। এমনকি উত্তর দিনাজপুরের বিধায়ক মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের নির্দেশও দিয়েছে কমিশন।এই আবহেই নিরাপত্তা নিয়ে আরও কড়া অবস্থান নিল নির্বাচন কমিশন। কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ, যদি শুনানি কেন্দ্রের পরিবেশ উত্তপ্ত হয় বা ভোটাররা ভয় পেয়ে সেখানে যেতে না পারেন, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে শুনানি বন্ধ করে দিতে হবে। পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত কোনওভাবেই শুনানি পুনরায় শুরু করা যাবে না।কমিশন সূত্রে খবর, সময়সীমা বাড়ানোর সম্ভাবনা থাকায় এখন শুনানি শেষ করার ক্ষেত্রে অতটা তাড়াহুড়ো নেই। তার বদলে ভোটারদের নিরাপত্তা এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখাই আপাতত কমিশনের প্রধান লক্ষ্য।উল্লেখ্য, তৃণমূলের দাবিকে মান্যতা দিয়ে সুপ্রিম কোর্ট আগেই নির্দেশ দিয়েছিল যে পঞ্চায়েত বা ব্লক অফিসেই ভোটার তালিকা সংক্রান্ত শুনানি করতে হবে। সেই নির্দেশ কার্যকর হওয়ার পরেই নিরাপত্তা ইস্যুতে রাজ্য সরকারের উপর চাপ বাড়াল কমিশন।সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে আগামী শনিবার লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি-র তালিকা প্রকাশ হওয়ার কথা। সেই সময় যাতে কোনও রকম অশান্তি বা বিশৃঙ্খলা না তৈরি হয়, তার জন্য রাজ্যের মুখ্যসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং কলকাতা পুলিশের কমিশনারকে চিঠি পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন।এই পরিস্থিতি নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোরও তীব্র হয়েছে। কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার দাবি করেছেন, শুনানি বন্ধ হলে ভোট পিছিয়ে যেতে পারে। সরকারের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির পরিস্থিতি তৈরি হবে। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল সেটাই চাইছে। পাল্টা তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদারের দাবি, বিজেপি ইচ্ছাকৃতভাবে ভোটারদের ভয় দেখিয়ে পরিস্থিতি অশান্ত করার চেষ্টা করছে।

জানুয়ারি ২৩, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলের দাবিতে সিলমোহর, এসআইআর শুনানিতে বিএলএ-দের অনুমতি

এসআইআর সংক্রান্ত শুনানি কেন্দ্রে বিএলএ-দের থাকার অনুমতি দেওয়ার দাবিতে তৃণমূল কংগ্রেস শুরু থেকেই সরব ছিল। সোমবার সেই দাবিতেই সিলমোহর দিল সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছে, এবার থেকে বিএলএ-রা শুনানিতে থাকতে পারবেন। শুধু তাই নয়, প্রয়োজনে তাঁরা কোনও ভোটারের হয়ে সওয়ালও করতে পারবেন।সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশের পরই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কোর্টে হারিয়েছি, এপ্রিলে ভোটে হারাব। তবে এই রায়কে তৃণমূলের নৈতিক জয় হিসেবে মানতে নারাজ বিজেপি।এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছিলেন সাংসদ দোলা সেন এবং ডেরেক ওব্রায়েন। সোমবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চে সেই মামলার শুনানি হয়। সেখানেই তৃণমূলের একাধিক দাবি মান্যতা পায়। দুসপ্তাহ পর এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ অনুযায়ী, যাঁদের শুনানিতে ডাকা হচ্ছে, তাঁরা নিজের পক্ষে সওয়াল করার জন্য যে কাউকে সঙ্গে রাখতে পারবেন। আত্মীয়, বন্ধু, প্রতিবেশী বা বিএলএ-দের সাহায্য নেওয়ারও অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে তার জন্য সংশ্লিষ্ট ভোটারকে স্বাক্ষর বা টিপসই দিয়ে লিখিত অনুমতি দিতে হবে। সেই অনুমতি থাকলেই বিএলএ কোনও ভোটারের হয়ে শুনানিতে হাজির থাকতে পারবেন।এই রায় প্রসঙ্গে তৃণমূলের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এতদিন বিএলএ-দের শুনানিতে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছিল না। নির্বাচন কমিশনের একাধিক আপত্তিও ছিল। সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করে দিয়েছে, কোনও ভোটার চাইলে শুনানিতে অন্যের সাহায্য নিতে পারেন। সেই সাহায্যকারী হিসেবে বিএলএ-দেরও রাখা যাবে।তৃণমূল এই রায়কে বড় সাফল্য হিসেবে দেখছে। তবে বিজেপির বক্তব্য, যেখানে গণতন্ত্রই ঠিকমতো চলছে না, সেখানে নৈতিক জয়ের প্রশ্নই ওঠে না। বিজেপির মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, এখনও ফর্ম সেভেন জমা দিতে গেলে তা ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে। এই কাজ তৃণমূলই করছে বলে অভিযোগ। তাঁর দাবি, যতদিন না পুরো প্রক্রিয়া শেষ হচ্ছে, ততদিন নির্বাচন হওয়া উচিত নয়।

জানুয়ারি ১৯, ২০২৬
রাজ্য

বিধায়কের হাত থেকেও ছিনতাই! ফর্ম সেভেন ঘিরে রাজ্য জুড়ে রাজনৈতিক ঝড়

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই বলেছিলেন, ১৬, ১৭, ১৮ ও ১৯ তারিখে যদি বিজেপি কর্মীরা ইআরও অফিসে ফর্ম জমা দিতে আসে, তাহলে রবীন্দ্র সংগীতের সঙ্গে ডিজে বাজিয়ে ভদ্রভাবে প্রতিবাদ জানাতে। আজ সেই ১৯ তারিখ। আর ঠিক এই দিনেই জেলায় জেলায় উত্তেজনার ছবি সামনে এল।এসআইআর সংক্রান্ত শুনানি কেন্দ্রগুলিকে ঘিরে বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে ব্যাপক বচসা ও হাতাহাতির অভিযোগ উঠেছে। আসানসোল, বনগাঁ থেকে চুঁচুড়া একের পর এক জায়গায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।আসানসোল দক্ষিণ থানার মহকুমাশাসক দফতরের সামনে হেয়ারিং কেন্দ্র ঘিরে তুমুল উত্তেজনা ছড়ায়। তৃণমূলের অভিযোগ, একটি কালো গাড়িতে করে বিপুল সংখ্যক ফর্ম সেভেন নিয়ে এসেছিলেন বিজেপির নেতারা। বিষয়টি জানাজানি হতেই তৃণমূল নেতৃত্ব গাড়িটি ঘিরে বিক্ষোভ শুরু করেন। অভিযোগ, গাড়ির সামনের কাচ ভাঙচুর করা হয়। এর পর তৃণমূল ও বিজেপি নেতাদের মধ্যে বচসা শুরু হয়ে হাতাহাতিতে গড়ায়। এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় আসানসোল দক্ষিণ থানার পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এই ঘটনায় এক বিজেপি নেতাকে আটক করেছে পুলিশ। তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপি পরিকল্পিত ভাবে বহু ফর্ম সেভেন জমা দিয়ে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা করছে। যদিও বিজেপি নেতৃত্ব এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন।তৃণমূলের এক নেতা বলেন, যদি কোনও সমস্যা থাকে, তা হলে বিএলও বা ইআরও-র কাছে জানানো উচিত। কিন্তু হাজার হাজার ফাইল নিয়ে এসে অশান্তি করা হচ্ছে। বিজেপির এক ব্লক নেতা পাল্টা দাবি করেন, তিনি নির্বাচন কমিশনের নিয়ম মেনেই কাজ করছেন। কিন্তু তৃণমূল তাঁকে কাজ করতে দিচ্ছে না এবং ফাইল ছিনিয়ে নিচ্ছে।শুধু আসানসোল নয়, বনগাঁ উত্তর মহকুমাশাসক দফতরের সামনেও উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ, বনগাঁ উত্তরের বিজেপি বিধায়ক অশোক কীর্তনিয়ার হাত থেকে ফর্ম সেভেন ছিনিয়ে নিয়ে ছিঁড়ে ফেলেন তৃণমূল কর্মীরা। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়।চুঁচুড়া সদর মহকুমাশাসক দফতরের শুনানি কেন্দ্রেও অশান্তির অভিযোগ উঠেছে। সেখানে বিধায়ক অসীত মজুমদারের বিরুদ্ধে দাদাগিরির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ, ফর্ম জমা দিতে আসা এক ব্যক্তির সঙ্গে ঠেলাঠেলি ও মারধর করা হয় এবং তাঁর ফর্ম ছিঁড়ে ফেলা হয়।এসআইআর সংক্রান্ত শুনানি কেন্দ্রগুলিতে এই অশান্তির ঘটনায় রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

জানুয়ারি ১৯, ২০২৬
কলকাতা

এবার টুটু বোসকে তলব! এসআইআর শুনানিতে ডাকা হল মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতিকে

এসআইআর শুনানিতে এবার হাজিরার নোটিস পেলেন প্রাক্তন সাংসদ এবং মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতি স্বপনসাধন বোস, যিনি টুটু বোস নামেই পরিচিত। শুধু তাঁকেই নয়, একই সঙ্গে তলব করা হয়েছে তাঁর পুত্র তথা মোহনবাগান ক্লাবের সচিব সৃঞ্জয় বোসকেও। জানা গিয়েছে, টুটু বোসের গোটা পরিবারকে এসআইআর শুনানিতে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মোহনবাগানের সহ-সভাপতি কুণাল ঘোষ। সোশাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।এসআইআর শুনানিকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই বাংলার বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে তলব করা হয়েছে। নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেন, কবি জয় গোস্বামী, জাতীয় দলের ক্রিকেটার মহম্মদ শামির মতো পরিচিত মুখদের নাম সেই তালিকায় রয়েছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল বাংলার ফুটবল জগতের অন্যতম পরিচিত মুখ টুটু বোসের নাম। জানা যাচ্ছে, আগামী ১৯ জানুয়ারি তাঁকে বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট স্কুলে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। শুধু টুটু বোস নন, তাঁর পরিবারের সদস্যদেরও ডাকা হয়েছে ওই শুনানিতে। তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন সাংসদ সৃঞ্জয় বোসও।এই প্রসঙ্গে কুণাল ঘোষ ফেসবুকে লিখেছেন, টুটু বোস বাংলার ফুটবল ও মোহনবাগানের প্রাণপুরুষ। তিনি দীর্ঘদিন অসুস্থ এবং হুইলচেয়ার ছাড়া তাঁর চলাফেরা সম্ভব নয়। এমন অবস্থায় তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে হাজিরার নোটিস পাঠানো অমানবিক বলেই মন্তব্য করেন কুণাল। তাঁর অভিযোগ, এখন টুটু বোসকে প্রমাণ দিতে বলা হচ্ছে যে তিনি বাংলার নাগরিক। কুণাল ঘোষের দাবি, এই ঘটনার জবাব নির্বাচন কমিশন ও বিজেপিকে আসন্ন নির্বাচনে দিতে হবে।উল্লেখ্য, খেলোয়াড়দের এসআইআর শুনানির নামে হেনস্তার অভিযোগ তুলে সোমবার বিভিন্ন ক্ষেত্রের প্রায় ১৫০ জন ক্রীড়াবিদ প্রতিবাদে শামিল হয়েছিলেন। এর আগেই এই ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনের কড়া সমালোচনা করেছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এই ধরনের নোটিস পাঠানোকে অমানবিক ও অসংবেদনশীল বলে উল্লেখ করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি দিয়েছেন। সেই সবের পরেও টুটু বোসের মতো পরিচিত ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্বকে তলব করা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হল রাজ্য রাজনীতিতে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
দেশ

১৯৭১-এর যুদ্ধনায়ককে কেন ডাকা হল এসআইআর শুনানিতে? মুখ খুলল নির্বাচন কমিশন

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের বুকে কাঁপন ধরানো প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধান অ্যাডমিরাল অরুণ প্রকাশকে ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর শুনানিতে তলব করা ঘিরে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধানকে কেন পরিচয় প্রমাণের জন্য নোটিস পাঠানো হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই সোমবার মুখ খুলল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।এসআইআর শুনানির নোটিস পাওয়ার পর নিজের এক্স হ্যান্ডেলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অ্যাডমিরাল প্রকাশ। তাঁর পোস্ট সামনে আসার পরই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, অ্যাডমিরাল প্রকাশের জমা দেওয়া এনুমারেশন ফর্মে পূর্ববর্তী এসআইআর সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য ছিল না। সেই কারণেই তাঁকে শুনানিতে ডাকা হয়েছে।এলাকার ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার মেডোরা এরমোমিল্লা ডিকোস্টা জানান, এনুমারেশন ফর্মে ভোটারের নাম, এপিক নম্বর, আত্মীয়ের নাম, বিধানসভা কেন্দ্রের নাম ও নম্বর, অংশ নম্বর এবং ভোটার তালিকার ক্রমিক নম্বরের মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উল্লেখ ছিল না। ফলে বিএলও অ্যাপের মাধ্যমে নতুন ফর্মের সঙ্গে পুরনো ভোটার তালিকার স্বয়ংক্রিয় মিল করা সম্ভব হয়নি। শনাক্তকরণের প্রয়োজনীয় তথ্য না থাকলেই এই ধরনের ক্ষেত্রে শুনানির জন্য ডাকা হয় বলে জানান তিনি।১৯৭১ সালের যুদ্ধে বায়ুসেনার পাঞ্জাব স্কোয়াড্রনের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বিমান চালিয়েছিলেন অ্যাডমিরাল অরুণ প্রকাশ। সেই সাহসিকতার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি বীর চক্র পান। প্রায় ৪০ বছর নৌসেনায় কাজ করেছেন তিনি। ফাইটার স্কোয়াড্রন, এয়ার স্টেশন, আইএনএস বিরাট-সহ মোট চারটি যুদ্ধজাহাজ পরিচালনা করেছেন। নৌসেনাপ্রধান থাকাকালীন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারও করেছিলেন তিনি।নোটিস পাওয়ার পর কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে অ্যাডমিরাল প্রকাশ লেখেন, এসআইআর ফর্মে যদি প্রয়োজনীয় তথ্য না পাওয়া যায়, তাহলে ফর্ম সংশোধন করা উচিত ছিল। তিনি আরও বলেন, বিএলও তিনবার তাঁদের বাড়িতে এসেছিলেন, তখনই অতিরিক্ত তথ্য চাওয়া যেত। তাঁর অভিযোগ, তিনি ও তাঁর স্ত্রী যথাক্রমে ৮২ ও ৭৮ বছর বয়সে পৌঁছেছেন, অথচ তাঁদের বাড়ি থেকে ১৮ কিলোমিটার দূরে শুনানিতে ডাকা হয়েছে, তাও আবার আলাদা আলাদা দিনে।এই মন্তব্য সামনে আসার পরই বিতর্ক তীব্র হয়। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ফের জানানো হয়েছে, প্রয়োজনীয় শনাক্তকরণ তথ্য না থাকলে বিএলও অ্যাপ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ম্যাপিং করতে পারে না। সেই কারণেই সংশ্লিষ্ট ভোটারদের শুনানিতে ডাকা হচ্ছে বলে ব্যাখ্যা দিয়েছে কমিশন।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
রাজ্য

অমর্ত্য সেনের বয়সে গরমিল? এসআইআর নোটিস নিয়ে বিস্ফোরক দাবি অভিষেকের

নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনকে শুনানির জন্য ডেকে পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার বীরভূমের রামপুরহাটে এক জনসভা থেকে তিনি এই দাবি করেন। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, অমর্ত্য সেনের পূরণ করা এসআইআর ফর্মে তথাকথিত লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি, অর্থাৎ তথ্যগত গরমিল রয়েছে বলেই তাঁকে শুনানির জন্য ডাকা হয়েছে।কমিশন সূত্রের দাবি, অমর্ত্য সেন ও তাঁর মায়ের বয়সের পার্থক্য নথিতে মাত্র ১৫ বছর দেখানো হয়েছে, যা তথ্যগতভাবে অসঙ্গত। সেই কারণেই লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির অভিযোগ তুলে নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।রামপুরহাটের সভামঞ্চ থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সভায় আসার পথে তিনি শুনেছেন, অমর্ত্য সেনকে নোটিস পাঠানো হয়েছে। যিনি ভারতের হয়ে নোবেল পুরস্কার এনে দিয়েছেন, যাঁর জন্য দেশ বিশ্বমঞ্চে গর্বিত, সেই মানুষকেই এসআইআর-এর নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। এই প্রসঙ্গে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, হায় রে পোড়া কপাল!এই ঘটনার মধ্যেই বুধবার সকালে বোলপুরের শান্তিনিকেতনে অমর্ত্য সেনের প্রতিচী বাড়িতে যান স্থানীয় বিএলও শ্যামাব্রত মুখোপাধ্যায়। যদিও বর্তমানে অমর্ত্য সেন ওই বাড়িতে নেই। তাঁর আবাসেই এসআইআর সংক্রান্ত নোটিস পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।এই প্রসঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, শুধু অমর্ত্য সেন নন, ভারতীয় ক্রিকেট দলের তারকা মহম্মদ সামিকেও এসআইআর-এর নোটিস পাঠানো হয়েছে। যিনি বিশ্বকাপ জিতে দেশের নাম উজ্জ্বল করেছেন, তাকেও ছাড় দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তোলেন তিনি। একই সঙ্গে বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা দেবকেও নোটিস পাঠানোর কথা উল্লেখ করেন অভিষেক। দেবের সঙ্গে তাঁর পরিবারের আরও তিন সদস্যকেও নোটিস দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।এই লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি প্রসঙ্গটি নিয়ে সম্প্রতি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে বৈঠকেও আলোচনা করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সামনে তিনি বলেন, এই লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির আড়ালেই ভোট চুরির আসল রহস্য লুকিয়ে রয়েছে।অভিষেকের অভিযোগ, এনুমারেশন ফর্মে সামান্য তথ্যগত গরমিল দেখিয়ে সাধারণ ভোটারদের বারবার শুনানির নোটিস পাঠানো হচ্ছে। শুরু থেকেই তাঁর দাবি, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে প্রায় ১ কোটি ৩৩ লক্ষ ভোটারের নামকে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি-র অজুহাতে সন্দেহজনক তালিকায় রাখা হয়েছে।

জানুয়ারি ০৭, ২০২৬
কলকাতা

খসড়া তালিকায় নাম নেই, তবু শুনানিতে ডাক! এসআইআর নোটিস পেলেন দেব?

খসড়া ভোটার তালিকায় নাম নেই। এসআইআর শুনানিতে ডাক পেয়েছেন অভিনেতা তথা ঘাটালের তৃণমূল সাংসদ দীপক অধিকারী, যিনি দেব নামেই বেশি পরিচিত। এমনই দাবি করেছেন কলকাতার ৯৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মৌসুমী দাস। তবে এই বিষয়ে দেব নিজে কিছুই জানেন না বলে জানিয়েছেন।ভোটার তালিকা সংশোধন ঘিরে এই শুনানি নিয়ে ইতিমধ্যেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এর আগে কবি জয় গোস্বামীও এসআইআর শুনানির নোটিস পেয়েছিলেন। সেই ঘটনায় তিনি ও তাঁর মেয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দেন। একই সঙ্গে জানা গিয়েছে, ভারতীয় ক্রিকেট দলের পেসার মহম্মদ শামিকেও শুনানিতে ডাকা হয়েছে।৯৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মৌসুমী দাস জানান, এই শুনানিতে একাধিক পরিচিত মুখকে ডাকা হচ্ছে। অভিনেত্রী লাবনী সরকার, অভিনেতা কৌশিক বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই হাজিরা দিয়েছেন। ক্রিকেটার মহম্মদ শামিকেও ডাকা হয়েছিল, তবে খেলার ব্যস্ততার কারণে তিনি আসতে পারেননি। পরে তাঁকে দ্বিতীয়বার তারিখ দেওয়া হয়েছে। দেবকেও ডাকা হয়েছে বলে দাবি করেন কাউন্সিলর। তাঁর বক্তব্য, দেব একজন সাংসদ হওয়া সত্ত্বেও তাঁকে শুনানিতে ডাকা হচ্ছে।কাউন্সিলরের অভিযোগ, তারকা হোক বা সাধারণ মানুষ, নির্বিশেষে সবাইকে ডাকা হচ্ছে, যা কার্যত হয়রানি ছাড়া কিছু নয়। শুনানিতে অনেক ক্ষেত্রে অপ্রাসঙ্গিক ও অদ্ভুত প্রশ্ন করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ ওঠে। যদিও দেবের দাবি, তিনি এই ধরনের কোনও নোটিস এখনও পাননি।শুধু তারকারাই নন, সাধারণ সরকারি আধিকারিকদেরও ডাকা হয়েছে শুনানিতে। জলপাইগুড়ির এক বিডিও লাইনে দাঁড়িয়ে শুনানিতে হাজিরা দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে সেনা ও প্রাক্তন সেনা জওয়ানদের পরিবারকেও এসআইআর শুনানিতে ডেকে পাঠানো হয়েছে।

জানুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

ভোটার তালিকার শুনানিতে শামি! এসআইআরে ডাক পেলেন ভারতীয় দলের তারকা

এসআইআর শুনানিতে এবার ডাক পেলেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের তারকা পেসার মহম্মদ শামি। কলকাতার ৯৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মৌসুমী দাস জানিয়েছেন, শামি ইতিমধ্যেই শুনানির নোটিস পেয়েছেন। উত্তর প্রদেশে জন্ম হলেও দীর্ঘদিন ধরে যাদবপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার হিসেবে নথিভুক্ত রয়েছেন তিনি।সূত্রের খবর, শামির এনুমারেশন ফর্ম সংক্রান্ত কিছু জটিলতার কারণেই তাঁকে শুনানিতে ডাকা হয়েছে। ভোটার তালিকা সংশোধনের অংশ হিসেবে এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলছে এসআইআর-এর শুনানি। যেসব ক্ষেত্রে ফর্মে তথ্যের অসঙ্গতি রয়েছে, ঠিকভাবে ম্যাপিং হয়নি বা প্রয়োজনীয় নথিতে সমস্যা আছে, মূলত সেই সব ভোটারদেরই শুনানিতে ডাকা হচ্ছে।এই শুনানির আওতায় ইতিমধ্যেই একাধিক পরিচিত নাম সামনে এসেছে। প্রাক্তন মন্ত্রী কান্তি গঙ্গোপাধ্যায় থেকে শুরু করে সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের পরিবারের সদস্যদেরও শুনানিতে ডাকা হয়েছে। সোমবার কাটজুনগর স্বর্ণময়ী বিদ্যাপীঠে শুনানিতে হাজির হন অভিনেতা কৌশিক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিনেত্রী লাবনী সরকার।এরপরই কাউন্সিলর মৌসুমী দাস জানান, শুধু মহম্মদ শামি নন, সাংসদ দেবও এসআইআর শুনানির নোটিস পেয়েছেন। ফলে ভোটার তালিকা সংশোধন ঘিরে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।

জানুয়ারি ০৫, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

পুজোয় পশ্চিম মেদিনীপুরে কড়া পাহারা! ৫০০ কনস্টেবল, ১৫৯টি বাইক টিম, বিপদে সাহায্য করবে কিউআর কোড

দুর্গাপুজোয় নিরাপত্তা জোরদার করতে বিশেষ ব্যবস্থা নিচ্ছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ। পুজোর ভিড়ে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে রাতভর চলবে নজরদারি। দায়িত্বে থাকবেন ২০ জন পুলিশ আধিকারিক। মোতায়েন করা হবে ৫০০ কনস্টেবল। গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলিতে থাকবে র্যাফ। মহিলাদের নিরাপত্তায় বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তৃতীয়া থেকেই জেলায় মোতায়েন করা হবে দুর্গাবাহিনী। বিভিন্ন এলাকায় দায়িত্বে থাকবেন মহিলা পুলিশকর্মীরাও।পুজোর ভিড়ে কোনও দর্শনার্থী বিপদে পড়লে দ্রুত সাহায্য পৌঁছে দিতে বিশেষ কিউআর কোড চালু করেছে জেলা পুলিশ। সেই কোড স্ক্যান করলেই সংশ্লিষ্ট এলাকার পুলিশের সহায়তা নম্বর, অ্যাম্বুল্যান্স, হাসপাতাল-সহ জরুরি তথ্য পাওয়া যাবে। পুজোর মণ্ডপগুলিতে নিরাপত্তার ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে শনিবার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার উত্তম ঘোষ-সহ অন্য আধিকারিকেরা।পুলিশ সূত্রে খবর, মহিলাদের সুবিধার জন্য নির্দিষ্ট দূরত্বে রাখা হবে শৌচালয়। পাশাপাশি, ছোট শিশুদের মায়েদের জন্য থাকবে শিশুকে দুধ খাওয়ানোর আলাদা জায়গা। পুজোর দিনগুলিতে দর্শনার্থীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে একাধিক ব্যবস্থা করা হচ্ছে।মহালয়ার দিনই পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশের তরফে পুজোর গাইডম্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। দেবীপক্ষের শুরুতে উদ্বোধন করা হয়েছে ১৯টি নতুন ট্র্যাফিক কিয়স্কের। পুজোর রাতে টহল দেবে ১৫৯টি মোটরবাইক টিম। দর্শনার্থীদের সাহায্যের জন্য থাকবে ৬৫টি সহায়তা বুথ। এ ছাড়া ৪৩টি জায়গায় চলবে নাকা চেকিং।পুজোর সময়ে সাইবার অপরাধ রুখতেও বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশ। সে জন্য ৪৪টি সাইবার ওয়ালের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানা গিয়েছে। পুজোর ভিড়ে চুরি, ছিনতাই এবং অনলাইন প্রতারণার মতো ঘটনা ঠেকাতে নজরদারি চালানো হবে।পঞ্চমী থেকেই খড়্গপুর ও মেদিনীপুর শহরে যান নিয়ন্ত্রণ শুরু হবে। পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, দুপুর ৩টের পর শহরে বড় গাড়ি ঢুকতে দেওয়া হবে না। পুজোর ভিড় সামলাতে এবং যানজট এড়াতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি, নেশার ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে পুজোর সময় প্রচার চালাবে পুলিশ।সব মিলিয়ে, পুজোর দিনগুলিতে দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে একাধিক পদক্ষেপ করছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ। রাতভর টহল, নাকা চেকিং, বিশেষ মহিলা বাহিনী এবং জরুরি সাহায্যের জন্য কিউআর কোডএই সব ব্যবস্থার মাধ্যমে পুজোর ভিড় সামলানোর প্রস্তুতি চলছে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
কলকাতা

বাড়িতে হামলার পর পোস্ট, তার পর মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি! ‘হিন্দুত্ববাদী’ শব্দ নিয়ে কী বললেন বিকাশ?

হিন্দুত্ববাদী শব্দ সরাবেন না। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরও নিজের অবস্থানে অনড় সিপিএম নেতা তথা বর্ষীয়ান আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। উল্টে মুখ্যমন্ত্রীকে পাল্টা প্রশ্ন করেছেন তিনি। বিকাশের প্রশ্ন, তাঁর পোস্ট থেকে কোনও শব্দ সরানোর নির্দেশ দেওয়ার অধিকার মুখ্যমন্ত্রীকে কে দিয়েছেন?একটি সংবাদমাধ্যমের তরফে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, মুখ্যমন্ত্রী কি তাঁকে পোস্ট সংশোধন করতে বলেছেন? উত্তরে বিকাশ বলেন, মুখ্যমন্ত্রীকে এই অধিকার কে দিয়েছে, আমি জানতে চাই। আগে মুখ্যমন্ত্রী অধিকারের পক্ষে যুক্তি হাজির করুন।এর পরেই রাজ্যের শাসকদলকে নিশানা করেন তিনি। বিকাশের অভিযোগ, হুঁশিয়ারি ও গুণ্ডামির ভরসাতেই তাদের রাজনৈতিক জীবন চলছে। তাঁর কথায়, সাংবিধানিক বোধ তৈরি হলে ভাষা বদলাবে। তবে তত দিনে তারা ক্ষমতায় থাকতে পারবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।হিন্দু ধর্ম ও হিন্দুত্বের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে বলেও দাবি করেন বিকাশ। তাঁর বক্তব্য, হিন্দু ধর্ম ও হিন্দুত্ব এক নয়, বরং পরস্পরবিরোধী। তাঁর মতে, হিন্দুত্ববাদ হিন্দু ধর্মকেই ধ্বংস করছে। যাঁরা প্রকৃত অর্থে হিন্দু, তাঁদের সঙ্গে হিন্দুত্ববাদের সম্পর্ক থাকতে পারে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।গত বৃহস্পতিবার মুখ ঢাকা অবস্থায় বাইকে চড়ে এক ব্যক্তি বিকাশের বাড়িতে হামলা চালান বলে অভিযোগ। সিসিটিভি ফুটেজে ওই ব্যক্তিকে গালিগালাজ করতে এবং বাড়ি লক্ষ্য করে মদের বোতল ছুড়তে দেখা গিয়েছে বলে দাবি। এই ঘটনার পর সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করেন বিকাশ। সেখানে হামলাকারীদের হিন্দুত্ববাদী গুন্ডা বলে উল্লেখ করেন তিনি।এর পরেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নির্দেশ দেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিকাশকে পোস্ট থেকে হিন্দুত্ববাদী শব্দটি সরাতে হবে। কিন্তু সেই সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও পোস্ট সংশোধন করেননি বিকাশ। কেন তিনি শব্দটি সরাবেন, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।বিকাশের কথায়, অপরাধ করবে ওরা, আর আমি কেন ডিলিট করব? তাঁর দাবি, হিন্দুত্ববাদ আসলে এক ধরনের গুন্ডামির তত্ত্ব। অন্য দিকে, হিন্দু ধর্মের মূল ভাবনার সঙ্গে বহুত্ববাদ ও সকলকে গ্রহণ করার বিষয়টি জড়িত। তাঁর মতে, হিন্দুত্ববাদের সঙ্গে প্রকৃত হিন্দু ধর্মের বিরোধ রয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে বিকাশ বলেন, গুন্ডামি ছাড়া যে কোনও পথে ব্যবস্থা নিক। সমাজমাধ্যমে বিজেপির সমর্থকদের ভাষা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, যে ধরনের ভাষা ব্যবহার করা হচ্ছে, তা সভ্য সমাজে গ্রহণযোগ্য নয়।বিকাশ আরও দাবি করেন, তাঁর তোলা প্রশ্নগুলির কোনও জবাব দেওয়া হচ্ছে না। তাঁর যুক্তির সঙ্গে মেলে, এমন বক্তব্য রাখছেন কিছু হিন্দু সন্ন্যাসীও। কিন্তু তাঁদের বিরুদ্ধেও কুৎসা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।বাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিকে বিজেপির মণ্ডল সভাপতি বলে দাবি করেছেন বিকাশ। তাঁর প্রশ্ন, ওই ব্যক্তি যে ভাষায় কথা বলছেন, তা কি বিজেপির ভাষা? তবে এই অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য এখানে পাওয়া যায়নি।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
বিদেশ

একের পর এক বিপর্যয় নেপালে, ফের হড়পা বান! নদীর জল দেখে উঁচু জায়গায় ছুটলেন বাসিন্দারা

ফের হড়পা বানে বিপর্যস্ত নেপাল। রবিবার সকালে বুড়ি গণ্ডকী নদীতে আচমকাই জলস্তর বেড়ে যায়। তার পরেই পাথর ও কাদামিশ্রিত প্রবল স্রোত আছড়ে পড়ে নদীর আশপাশের এলাকায়। সেই স্রোতে ভেসে যায় একাধিক বাড়িঘর ও সেতু। আচমকা জল বাড়তে দেখে প্রাণ বাঁচাতে উঁচু জায়গায় আশ্রয় নেন নদীপাড়ের বাসিন্দারা।প্রকাশ্যে আসা একটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, প্রবল গতিতে এগিয়ে আসছে জলরাশি। মুহূর্তের মধ্যে সেই স্রোতে ভেসে যাচ্ছে বাড়িঘর। শুধু বাড়ি নয়, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে একাধিক সেতুও। জানা গিয়েছে, নেপালের গোরখা অঞ্চলের পাহাড় থেকে এই হড়পা বান নেমেছে। তবে কী কারণে আচমকা এই বিপর্যয় ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ভারী বৃষ্টির জেরে এই বান এসেছে কি না, তা-ও নিশ্চিত ভাবে জানা যায়নি।রবিবার সকালে নেপালের জাতীয় বিপর্যয় ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের তরফে সতর্কবার্তা জারি করা হয়। সেখানে বুড়ি গণ্ডকী নদীতে হড়পা বানের আশঙ্কার কথা জানানো হয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত প্লাবিত এলাকায় না যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, নদীর আশপাশের বাসিন্দাদের উঁচু জায়গায় থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতির কিছু ছবিও প্রকাশ করেছে নেপাল কর্তৃপক্ষ।গত ২৬ অগস্ট নেপালে ভয়াবহ হড়পা বানে বিস্তীর্ণ এলাকা তছনছ হয়ে গিয়েছিল। ত্রিশূলী ও ভোতেকোশী নদীর স্রোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। বহু বাড়ি, অফিস, সেতু ও দোকান ভেঙে পড়ে। সেই বিপর্যয়ে মৃত ও নিখোঁজের সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন দাবি সামনে এসেছিল। প্রশাসনের তরফে ক্ষয়ক্ষতির সম্পূর্ণ হিসাব এখনও পাওয়া যায়নি বলে খবর। তিব্বতেও ওই দুর্যোগে বহু মানুষের মৃত্যুর খবর এসেছিল। পাশাপাশি, ভারতীয় ও বিদেশি নাগরিকদের নিখোঁজ হওয়ার খবরও সামনে এসেছিল।আগের বিপর্যয়ের ক্ষত এখনও পুরোপুরি সামলে ওঠেনি নেপাল। তার মধ্যেই ফের হড়পা বানের ঘটনায় নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। কেন বুড়ি গণ্ডকী নদীতে আচমকা জলস্তর বেড়ে গেল, কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং হতাহতের কোনও খবর রয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
দেশ

বিমানের ভিতর থেকেই আটক, তার পর ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে মুক্তি! অভিজিৎ, সৌরভ, আশুতোষকে নিয়ে কী ঘটল?

দিল্লিতে সিজেপির আন্দোলন ঘিরে আটক হওয়া তিন শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। রবিবার ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে ৫০ হাজার টাকার বন্ডে তাঁদের ছাড়া হয়। তবে আগামী এক বছর শান্তি বজায় রাখার শর্ত দেওয়া হয়েছে।রবিবার সকালে তিন নেতাকে দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট থানায় কার্যনির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হয়। তাঁদের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী বৃন্দা গ্রোভার। নেতাদের আটক করার কারণ নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন। শুনানির পর ম্যাজিস্ট্রেট তাঁদের ৫০ হাজার টাকার বন্ডে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দেন।সিজেপি রবিবার ফের যন্তর মন্তর চলো কর্মসূচির ডাক দিয়েছিল। এই কর্মসূচিকে ঘিরে অশান্তির আশঙ্কায় তিন নেতাকে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আটক করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। সিজেপির আইনি প্রধান রত্না সিংও ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে উপস্থিত ছিলেন।রবিবার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট করে রত্না সিং জানান, অভিজিৎ, আশুতোষ ও সৌরভকে সকাল ৯টায় দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট থানায় কার্যনির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হবে বলে পুলিশ তাঁকে জানিয়েছে। সিজেপির আইনি প্রধান হিসেবে তিনি আইনজীবীদের সঙ্গে থানায় উপস্থিত থাকবেন বলেও জানিয়েছিলেন।শনিবার সিজেপির আন্দোলনে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন ওই তিন নেতা। কিন্তু দিল্লিতে পৌঁছেও তাঁরা বিমানবন্দরের বাইরে বেরোতে পারেননি বলে অভিযোগ। বিমান থেকেই তাঁদের আটক করে পুলিশ। রবিবার ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করার পর তাঁদের মুক্তি দেওয়া হয়।অন্য দিকে, শনিবার সকালে গুরুগ্রামের বাড়ি থেকে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠীকেও আটক করা হয়েছিল বলে খবর। সারা রাত তাঁর খোঁজ না মেলার পর রবিবার সকালে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে তাঁর মুক্তির ক্ষেত্রে শর্ত রয়েছে। তিনি দিল্লির যন্তর মন্তর এলাকার আশপাশে যেতে পারবেন না বলে খবর। এই শর্ত অমান্য করলে পুলিশ ব্যবস্থা নিতে পারে।সিজেপির আন্দোলন ঘিরে দিল্লিতে উত্তেজনার মধ্যেই একের পর এক আটক ও মুক্তির ঘটনা সামনে এসেছে। তিন নেতার মুক্তির পরেও তাঁদের উপর আরোপিত শর্ত এবং ধ্রুব রাঠীর চলাফেরায় বিধিনিষেধ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
কলকাতা

‘বিদেশি শক্তির খেলনা’, সিজেপি আন্দোলন নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য দিলীপ ঘোষের! আরও কী বললেন বিজেপি নেতা?

জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে দিল্লিতে সিজেপির আন্দোলন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। শনিবারের পর রবিবারও পথে নামার ডাক দিয়েছে সংগঠনটি। এরই মধ্যে আন্দোলনকে কটাক্ষ করে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর অভিযোগ, কিছু মানুষ কাজ না থাকলে আন্দোলনে নামেন। আন্দোলনে বিদেশি অর্থের মদত এবং রাষ্ট্রবিরোধী শক্তির ভূমিকা রয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। তবে এই অভিযোগের পক্ষে কোনও প্রমাণের উল্লেখ করেননি তিনি।রবিবার সিজেপির আন্দোলন নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, এর আগেও দেশে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন আন্দোলন হয়েছে। এই আন্দোলনও কিছু দিন চলতে পারে। তাঁর কথায়, কিছু মানুষের কাছে আন্দোলন যেন একটি ফ্যাশন হয়ে দাঁড়িয়েছে। কাজ না থাকলে তাঁরা আন্দোলনে নামেন বলেও কটাক্ষ করেন তিনি। পাশাপাশি, আন্দোলনকারীরা বিদেশি অর্থ এবং রাষ্ট্রবিরোধী শক্তির মদতে কাজ করছেন বলে অভিযোগ তোলেন বিজেপি নেতা।জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে সিজেপি রবিবার ফের যন্তর মন্তর চলো কর্মসূচির ডাক দিয়েছে। শনিবারের বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লিতে উত্তেজনা ছড়ায়। ওই দিন প্রায় তিন হাজার জনকে আটক করা হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। অশান্তির আশঙ্কায় সিজেপির তিন শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপ, সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কাকে বিমান থেকে নামার পর আটক করা হয় বলে জানা যায়। পরে তাঁদের আগাম সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে আটক করা হয়েছিল বলে খবর সামনে আসে। রবিবার সকালে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।এদিকে, যন্তর মন্তরে সিজেপির বিক্ষোভ ঘিরে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও সরব হয়েছে। দলের সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন অভিযোগ করেছেন, দেশে অস্থির পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা চলছে। তাঁর দাবি, দেশের ১৪০ কোটি মানুষকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করছে দুটি গোষ্ঠী। একটি রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বাধীন ইন্ডি জোট এবং অন্যটি অরবিন্দ কেজরীওয়াল ও তাঁর সহযোগী সিজেপি।জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে সিজেপি। অন্য দিকে, আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বিদেশি মদতের অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। এই অভিযোগ ও পাল্টা বক্তব্য ঘিরে দিল্লির রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক আরও বাড়ছে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
দেশ

সিজেপির বিক্ষোভে ধরপাকড় নিয়ে রাষ্ট্রপুঞ্জের উদ্বেগ, ‘অযাচিত হস্তক্ষেপ’ বলে কড়া জবাব ভারতের

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে শনিবার দিল্লিতে বিক্ষোভে নেমেছিল ককরোচ জনতা পার্টি। সেই বিক্ষোভ ঘিরে পুলিশের ধরপাকড় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার কমিশন। আটক ব্যক্তিদের মুক্তির দাবিও জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংগঠনটি। এ বার তাদের মন্তব্যের কড়া জবাব দিল ভারত। রাষ্ট্রপুঞ্জের উদ্বেগকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে নয়াদিল্লি। পাশাপাশি, ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অযাচিত হস্তক্ষেপ না করার বার্তাও দেওয়া হয়েছে।শনিবার রাতে প্রকাশিত বিবৃতিতে ভারত জানিয়েছে, বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রে সংবিধান অনুযায়ী শান্তিপূর্ণ ভাবে জমায়েত করা এবং আন্দোলন করার অধিকার সকলের রয়েছে। দেশের বিচারব্যবস্থা স্বাধীন এবং সংবাদমাধ্যমও মুক্ত। তবে অন্য গণতান্ত্রিক দেশের মতো ভারতেও শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে কিছু যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ রয়েছে। সেই নিয়ম মেনেই নাগরিকেরা নিজেদের অধিকার প্রয়োগ করেন এবং কর্তৃপক্ষ আইন অনুযায়ী কাজ করে। কোনও অভিযোগ উঠলে তা খতিয়ে দেখার জন্য ভারতের আদালত সকলের কাছে উন্মুক্ত বলেও বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।দিল্লিতে সিজেপির বিক্ষোভ ঘিরে রাষ্ট্রপুঞ্জের মন্তব্যকে ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অযাচিত হস্তক্ষেপ বলে উল্লেখ করেছে নয়াদিল্লি। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক সংগঠনটিকে পাল্টা বার্তা দিয়েছে ভারত। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নিরপেক্ষতা ও পক্ষপাতহীনতা বজায় রাখার দায়িত্বের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে বিশ্বের অন্য জায়গায় হওয়া বড় বড় বিক্ষোভের দিকেও রাষ্ট্রপুঞ্জের নজর দেওয়া উচিত।শনিবার যন্তর মন্তরে সিজেপির বিক্ষোভ কর্মসূচি ছিল। তার আগেই দিল্লি পুলিশ ধরপাকড় শুরু করে বলে অভিযোগ। মুম্বই থেকে দিল্লিতে আসা সিজেপির নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে বিমানবন্দরেই আটক করা হয় বলে জানা গিয়েছে। এর পর চার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীওয়াল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, পিনারাই বিজয়ন ও মানিক সরকার-সহ বিরোধী নেতা, আইনজীবী এবং সাংবাদিকদেরও আটক করা হয়েছে বলে অভিযোগ। সব মিলিয়ে আটক ব্যক্তির সংখ্যা প্রায় তিন হাজার বলে দাবি করা হয়েছে।এই ঘটনার পর শনিবার রাতে রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার কমিশন একটি বিবৃতি প্রকাশ করে। সেখানে বলা হয়, দিল্লিতে বিক্ষোভ চলাকালীন এবং তার আগে বিক্ষোভকারী, আন্দোলনের নেতা, নাগরিক অধিকার সংক্রান্ত আইনজীবী ও সাংবাদিকদের গণহারে আটক করার ঘটনায় তারা গভীর ভাবে উদ্বিগ্ন। এই মন্তব্যের পরেই রাষ্ট্রপুঞ্জের বক্তব্যের জবাব দেয় ভারত। বিক্ষোভ ঘিরে ধরপাকড়ের অভিযোগ এবং তার পর আন্তর্জাতিক সংগঠনের সঙ্গে নয়াদিল্লির এই মতবিরোধ নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
দেশ

মেট্রো বন্ধ করা যাবে না, কড়া নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের! মঙ্গলবারের মধ্যে রিপোর্ট তলব, আর কী বলল শীর্ষ আদালত?

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন আইনজীবীরা। সেই আবেদনের শুনানিতে কেন্দ্রীয় সরকার, দিল্লি পুলিশ এবং মেট্রো কর্তৃপক্ষকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল শীর্ষ আদালত। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হল, মেট্রো পরিষেবা নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে, কিন্তু সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা যাবে না। সাধারণ মানুষের যাতায়াত যাতে ব্যাহত না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে এ দিন আদালত অবমাননার আবেদনের শুনানি হয়। আইনজীবীদের বক্তব্য শোনার পাশাপাশি সলিসিটর জেনারেলের বক্তব্যও শোনে আদালত। তার পরেই ৯ অক্টোবর দেওয়া আগের নির্দেশ কার্যকর করার কথা জানিয়ে দেয় শীর্ষ আদালত।আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট সরকারি দফতরগুলিকে জানাতে হবে, আগের নির্দেশ মেনে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবারের মধ্যে এ বিষয়ে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। ৯ অক্টোবরের নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে কেন আদালত অবমাননার পদক্ষেপ করা হবে না, তা জানতে চেয়ে নোটিসও জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট। এ বিষয়ে হলফনামা দিয়ে জবাব দিতে হবে।মেট্রো ও ট্রেন পরিষেবা স্বাভাবিক রাখার উপর বিশেষ জোর দিয়েছে আদালত। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির গুরুতর অবনতি না হলে মেট্রো ও ট্রেন চলাচল বন্ধ করা যাবে না। সাধারণ মানুষের যাতায়াত এবং যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে হবে। সেই সঙ্গে অবিলম্বে ব্যারিকেডের সংখ্যা কমানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।ইন্টারনেট পরিষেবা চালু রাখার বিষয়েও নির্দেশ দিয়েছে আদালত। সাংবাদিক, আইনজীবী-সহ সাধারণ মানুষ যাতে স্বাধীনভাবে যাতায়াত করতে পারেন এবং নিজেদের কাজ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে হবে। আইনজীবী ও সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে কোনও বাধা দেওয়া যাবে না বলেও স্পষ্ট জানিয়েছে শীর্ষ আদালত।শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের বেআইনিভাবে আটক করা যাবে না বলে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের চলাচল আইন মেনে স্বাভাবিক রাখার কথা বলা হয়েছে। বিক্ষোভ সামলানোর সময় পুলিশকর্মীদের পোশাকে পরিচয়চিহ্ন বা ব্যাজ থাকা নিশ্চিত করার বিষয়েও নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত।সুপ্রিম কোর্টের সামনে জারি করা ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারার নোটিস অবিলম্বে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত। তবে তথ্য সংক্রান্ত বিষয়ে আইন অনুযায়ী সরকারের যে অধিকার রয়েছে, আদালতের এই নির্দেশে তা খর্ব করা হচ্ছে না বলেও স্পষ্ট করা হয়েছে।এই মামলার পরবর্তী শুনানি মঙ্গলবার। তার আগেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আদালতের নির্দেশ মেনে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, তার বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিতে হবে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর আগে শেষ রবিবার, বৃষ্টিতে কি ভেস্তে যাবে কেনাকাটা? কলকাতার আবহাওয়া নিয়ে বড় আপডেট

দেবীপক্ষ শুরু হয়ে গিয়েছে। বিভিন্ন পুজো মণ্ডপে প্রতিমা নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি চলছে। পুজোর শেষ মুহূর্তের কেনাকাটা করতে রাস্তায় নামছেন বহু মানুষ। আজ রবিবার পুজোর আগে শেষ রবিবার হওয়ায় বাজার, দোকান এবং শপিংমলগুলিতে ভিড় বাড়তে পারে। তবে কেনাকাটার পরিকল্পনার আগে অনেকেরই প্রশ্ন, আজ কি বৃষ্টি হবে? নাকি রোদ ঝলমলে আবহাওয়াতেই কাটবে দিন?আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আজ রবিবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গ ও উত্তরবঙ্গের বেশির ভাগ জায়গায় আবহাওয়া মূলত শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা। তবে কলকাতা এবং আশপাশের এলাকায় কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। ফলে বৃষ্টির সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে ভারী বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাস নেই।হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বাংলা থেকে বর্ষা বিদায়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পুজোর দিনগুলিতে বড় ধরনের দুর্যোগের আশঙ্কাও এখনই দেখা যাচ্ছে না। ফলে পুজোর আনন্দে বৃষ্টি বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে কি না, তা নিয়ে আপাতত কিছুটা স্বস্তি রয়েছে।আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, পুজোর সময় আন্দামান সাগরে নিম্নচাপ তৈরির সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছিল। তবে সেই পরিস্থিতিতে পরিবর্তন হয়েছে। বর্তমানে থাইল্যান্ড উপসাগরের কাছে বায়ুমণ্ডলের উপরের স্তরে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। এর জেরে বাংলায় উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়ার আশঙ্কা আপাতত নেই বলেই জানানো হয়েছে।রবিবার সকাল থেকেই কলকাতার আকাশে রোদের দেখা মিলেছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোদের তেজও বাড়তে পারে। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রায় ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকতে পারে। তবে স্থানীয়ভাবে এক-দুদফা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে।আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত কলকাতা-সহ দুই বাংলার আবহাওয়া মোটামুটি একই রকম থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস। ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা না থাকলেও কোথাও কোথাও বৃষ্টি হতে পারে। তাই পুজোর কেনাকাটায় বেরোনোর সময় আকাশের দিকে নজর রাখার পাশাপাশি সঙ্গে ছাতা রাখলে সুবিধা হতে পারে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal