• ২৩ মাঘ ১৪৩২, মঙ্গলবার ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Sir Hearing

কলকাতা

এসআইআর শুনানিতে নাটকীয় মোড়, হঠাৎ নিয়ম বদলে ডোমিসাইল মানল কমিশন

এসআইআর শুনানির একেবারে শেষ পর্বে এসে নিয়ম বদলাতে বাধ্য হল নির্বাচন কমিশন। তৃণমূল কংগ্রেসের লাগাতার চাপের মুখে এবার থেকে কমিশন নির্ধারিত ১১টি নথির পাশাপাশি ডোমিসাইল সার্টিফিকেট বা পারমানেন্ট রেসিডেন্স সার্টিফিকেটকেও প্রামাণ্য নথি হিসেবে গ্রহণ করা হবে। শনিবার এই সিদ্ধান্তের কথা রাজ্য নির্বাচনী দপ্তরকে জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।তবে এই ক্ষেত্রে শর্তও স্পষ্ট করে দিয়েছে কমিশন। জানানো হয়েছে, শুধুমাত্র জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক বা মহকুমা শাসকের সই করা ডোমিসাইল সার্টিফিকেটই গ্রহণযোগ্য হবে। অন্য কোনও আধিকারিকের সই করা শংসাপত্র নথি হিসেবে গ্রাহ্য করা হবে না। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় এই নতুন সংযুক্তি নিঃসন্দেহে বহু ভোটারের কাছে বড় স্বস্তির খবর।এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই নির্বাচন কমিশনের একাধিক নির্দেশিকা নিয়ে আপত্তি জানিয়ে আসছিল রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। ভোটার তালিকায় নাম থাকার জন্য যে নথিগুলির তালিকা দেওয়া হয়েছিল, তার মধ্যে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড কিংবা ডোমিসাইল সার্টিফিকেট না থাকায় বিতর্ক তৈরি হয়। এই বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তাঁর প্রশ্ন ছিল, বিহারে এসআইআর চলাকালীন যদি ডোমিসাইল সার্টিফিকেট গ্রহণ করা হয়ে থাকে, তবে বাংলায় তা করা হচ্ছে না কেন।এই একই প্রসঙ্গ ওঠে সুপ্রিম কোর্টেও। গত বুধবার এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানির সময় মুখ্যমন্ত্রী নিজেই সওয়াল করে ডোমিসাইল সার্টিফিকেট ও মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড গ্রহণ না করার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, তৃণমূলের চাপ এবং বিহার ও বাংলার জন্য আলাদা নিয়ম করা নিয়ে সমালোচনার মুখেই শুনানির শেষ দিনে এসে নিয়ম বদলাতে বাধ্য হল নির্বাচন কমিশন।ডোমিসাইল সার্টিফিকেট হল স্থায়ী বাসিন্দা হওয়ার প্রমাণ হিসেবে রাজ্য সরকার বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের অনুমোদিত আধিকারিকদের দেওয়া শংসাপত্র। সাধারণত যাঁরা অন্তত ১৫ থেকে ২০ বছর ধরে একই এলাকায় বসবাস করছেন, তাঁরাই এই সার্টিফিকেট পাওয়ার যোগ্য। এই নথিতে জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক বা মহকুমা শাসকের সই থাকে।উল্লেখযোগ্য ভাবে, ২০২৫ সালে বিহারে এসআইআর প্রক্রিয়ায় এই ডোমিসাইল সার্টিফিকেটকেই প্রামাণ্য নথি হিসেবে গ্রহণ করেছিল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু বাংলার ক্ষেত্রে তা বাদ দেওয়ায় বহু ভোটারকে নথি জোগাড় করতে সমস্যায় পড়তে হয়েছিল। আজ, ৭ ফেব্রুয়ারি, শুনানির শেষ দিনে কমিশনের তরফে জানানো হল, ডোমিসাইল সার্টিফিকেট এবার গ্রহণযোগ্য হবে। কয়েকটি জেলায় এখনও শুনানি শেষ হয়নি। সেই জেলাগুলিতে যদি শুনানির সময় বাড়ানো হয়, তবে ওই অতিরিক্ত সময়ে ডোমিসাইল সার্টিফিকেট জমা দিয়ে শুনানিতে অংশ নিতে পারবেন ভোটাররা।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৬
কলকাতা

সময় ফুরোল, কাজ বাকি! ভোটার তালিকা প্রকাশ পিছোল, বড় ঘোষণা কমিশনের

নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও রাজ্যের একাধিক জায়গায় এখনও ভোটার তালিকার কাজ অসম্পূর্ণ। কোথাও শুনানি শেষ হয়নি, আবার কোথাও নথি আপলোডের কাজ চলছে। এই পরিস্থিতিতে জেলাশাসকদের আবেদনের ভিত্তিতে এসআইআর বা ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ার সময় বাড়াল নির্বাচন কমিশন।শনিবার সন্ধ্যায় এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। তিনি জানান, আপাতত আরও সাত দিন শুনানির কাজ চলবে, অর্থাৎ ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ওই দিনই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের কথা ছিল। তবে সময় বাড়ানোয় সেই তালিকা প্রকাশও পিছিয়ে যাচ্ছে। সব কিছু ঠিকঠাক চললে ২১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৫ সালের অক্টোবরের শেষ দিকে রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। পরিকল্পনা ছিল, ধাপে ধাপে সমস্ত কাজ শেষ করে ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। তার পরেই বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শেষ পর্বে এসে দেখা যায়, বেশ কিছু জেলায় এখনও ভোটারদের নথি যাচাই এবং শুনানির কাজ শেষ করা যায়নি।এই কারণেই কয়েকটি জেলার জেলাশাসক কমিশনের কাছে সময় বাড়ানোর আবেদন জানান। শেষ পর্যন্ত সেই আবেদন মেনে নেওয়া হয়েছে। ফলে শুনানির সময় যেমন বাড়ল, তেমনই পিছোল চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের দিনও।এ বিষয়ে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল বলেন, উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতা এবং উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার কয়েকটি বিধানসভা কেন্দ্রে এখনও শুনানির কাজ বাকি রয়েছে। তবে মোট কাজের প্রায় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। খুব বেশি কাজ বাকি নেই বলেই জানান তিনি। তাঁর আশা, আগামী সাত দিনের মধ্যেই সব শুনানি শেষ করা সম্ভব হবে।চূড়ান্ত ভোটার তালিকা ফেব্রুয়ারির শেষে যাবে কি না, এই প্রশ্নে তিনি জানান, শুনানির কাজ শেষ হলে তার পর আরও কয়েক দিন সময় লাগবে তথ্য চূড়ান্ত করতে। সেই হিসেবে ২১ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা সম্ভব হবে।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৬
রাজ্য

জীবিত ভোটারকে মৃত! বাদুড়িয়ায় ভোটার তালিকা ঘিরে তুমুল বিতর্ক

শনিবার ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ার শুনানি পর্বের শেষ দিনে উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়ায় উঠল গুরুতর অভিযোগ। অভিযোগ, ৩৩ জন জীবিত ভোটারকে মৃত দেখিয়ে ফর্ম ৭ জমা দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় বিজেপির বিরুদ্ধে পরিকল্পিত চক্রান্তের অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে তৃণমূল। ঘটনার প্রতিবাদে বিডিও অফিসে বিক্ষোভ দেখান ভোটাররা। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। পাশাপাশি, গোটা ঘটনার রিপোর্ট তলব করেছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর।জানা গিয়েছে, চণ্ডিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ব্যানা গ্রামের ৪৫ নম্বর বুথ এবং যশাইকাটি-আটঘরা গ্রাম পঞ্চায়েতের ৮০ নম্বর বুথে এই ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ, মোট ৩৩ জন ভোটারের নাম ফর্ম ৭ ব্যবহার করে মৃত হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে, যদিও তাঁরা সকলেই জীবিত। বিক্ষোভকারী ভোটারদের দাবি, কোনও রকম নোটিস বা যাচাই ছাড়াই তাঁদের নামের পাশে মৃত লেখা হয়েছে। এতে তাঁদের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ।স্থানীয় তৃণমূল নেতা মেহেবুর আলম বলেন, সামনে নির্বাচন। এসআইআর প্রক্রিয়ার সুযোগ নিয়ে বিজেপি ইচ্ছাকৃতভাবে জীবিত ভোটারদের মৃত দেখিয়ে নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা করছে। তিনি জানান, শুনানি শেষ হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট বিজেপি বুথ সভাপতির মণ্ডলের বিরুদ্ধে বাদুড়িয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করা হবে।যদিও বিজেপির পাল্টা দাবি, তৃণমূলই এসআইআর প্রক্রিয়া বানচাল করতে এই অভিযোগ তুলছে। এই প্রসঙ্গে বাদুড়িয়া ব্লকের বিডিও পার্থ হাজরা জানান, কয়েকজন ভোটার লিখিত অভিযোগ করেছেন। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এদিকে, এই ঘটনায় নির্বাচনী আধিকারিকদের হেনস্তার অভিযোগও উঠেছে। গোটা ঘটনার বিস্তারিত জানতে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার জেলাশাসকের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর।একই ধরনের অভিযোগ উঠেছে গাইঘাটার ধরমপুর ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের নাইগাছি ১৪৮ নম্বর বুথেও। সেখানে ৬ জন জীবিত ভোটারকে মৃত দেখিয়ে ফর্ম ৭ জমা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। বিএলওর সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি জানতে পারেন ভোটাররা। সত্তরোর্ধ্ব আকবর মণ্ডল, হানিফ মণ্ডল, মছিম মণ্ডল, ফতেমা বিবি, নুরজাহান বিবি ও রহিমা বিবিরা জানান, তাঁরা নিয়মিত ভোট দেন। অথচ হঠাৎ জানতে পারেন, তাঁদের মৃত দেখিয়ে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, স্থানীয় বিজেপি নেতারা কাগজে কলমে তাঁদের মৃত বানাতে চাইছেন।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৬
কলকাতা

ভোটার তালিকা শুনানিতে হইচই, কমিশনের আধিকারিকদের সঙ্গে সরাসরি সংঘাত কাউন্সিলরের

এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরে শুনানি কেন্দ্রে হুলস্থুল কাণ্ড। অভিযোগের কেন্দ্রে কলকাতা পুরসভার ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর তথা মেয়র পরিষদের সদস্য অসীম বসু। শরৎ বোস রোডের একটি বেসরকারি স্কুলে ভোটার তালিকা সংক্রান্ত শুনানি চলাকালীন তিনি সেখানে পৌঁছন। তারপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ।গত কয়েক দিন ধরেই অভিযোগ উঠছিল, শুনানিতে আসা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা নথি নিচ্ছেন, কিন্তু তার বদলে কোনও রসিদ দেওয়া হচ্ছে না। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই কাউন্সিলর অসীম বসু শুনানি কেন্দ্রে যান বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগ, সেখানে পৌঁছেই তিনি নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের সঙ্গে তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে পড়েন। এমনকী, রসিদ না দিলে কোনও নথি জমা না দিতে শুনানিতে আসা মানুষজনকে নির্দেশ দেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের দাবি, কাউন্সিলর এবং তাঁর সঙ্গে থাকা কয়েক জন এভাবে শুনানি কেন্দ্রে ঢুকে পড়তে পারেন না। বিষয়টি শান্তভাবে আলোচনা করা যেত। তাঁদের আরও বক্তব্য, এই ঘটনার ফলে শুনানির কাজ ব্যাহত হচ্ছে এবং দেরি হচ্ছে।ঘটনা প্রসঙ্গে তৃণমূল কাউন্সিলর অসীম বসু বলেন, মানুষ কীভাবে প্রমাণ করবেন তাঁরা কোন কোন নথি জমা দিয়েছেন, যদি কোনও রসিদ না দেওয়া হয়। তাঁর দাবি, সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে নথি নেওয়ার পর রসিদ দিতে হবে। তা সত্ত্বেও কেন এই অনিয়ম চলছে, সেই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। রসিদ না দিলে প্রয়োজনে শুনানি বন্ধ করে দেওয়ার কথাও বলেন কাউন্সিলর।এই ঘটনাকে ঘিরে ভবানীপুর এলাকায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

এসআইআর বিতর্কে বড় মোড়! সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন কবি জয় গোস্বামী

পদবি সংক্রান্ত লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি নিয়ে তৈরি হওয়া গোলযোগ এবার পৌঁছে গেল সুপ্রিম কোর্টে। মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়। জানা গিয়েছে, প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের এজলাসে মামলাটি দায়ের করেছেন কবি জয় গোস্বামী নিজেই। এত দিন এই বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে সরব ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এ বার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন খোদ কবি। ফলে এসআইআর ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীর পাশে বুদ্ধিজীবীদের একাংশ দাঁড়াচ্ছেন কি না, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে।নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত খসড়া ভোটার তালিকায় জয় গোস্বামীর নাম রয়েছে। শুধু তাই নয়, ওই তালিকায় রয়েছে তাঁর মেয়ের নামও। ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে বর্তমান তালিকার মিল না থাকায় লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির কথা তুলে নির্বাচন কমিশনের তরফে তাঁকে শুনানির জন্য ডাকা হয়। গত ২ জানুয়ারি তিনি প্রয়োজনীয় নথিও জমা দিয়েছেন।এই বিষয়টি নিয়ে আগেই সরব হয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তিনি মন্তব্য করেছিলেন, আজ যদি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বেঁচে থাকতেন, তাঁকেও হয়তো এসআইআরের লাইনে দাঁড় করানো হত।মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি কিছুটা বিরক্তি প্রকাশ করেন। তাঁর মন্তব্য, প্রতিদিন নতুন করে আবেদন জমা পড়ছে এবং তাতে গোটা প্রক্রিয়াটাকেই থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। শুনানিতে আইনজীবী জানান, বাংলায় পদবীর নানা রকম বানানের কারণে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। যেমন মুখার্জি ও মুখোপাধ্যায়এই ধরনের পার্থক্যের জন্যই অসঙ্গতি দেখা দিচ্ছে। এমনকি আধার কার্ডও অনেক ক্ষেত্রে গ্রহণ করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ।বাংলার এসআইআর সংক্রান্ত মামলার দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হলেও প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, আগামী ৩ ফেব্রুয়ারিই এই মামলার শুনানি হবে। অর্থাৎ আগেই যে দিন ধার্য ছিল, সেই দিনেই বিষয়টি শুনবে শীর্ষ আদালত।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
রাজ্য

এসআইআরের শুনানিতে ত্বহা সিদ্দিকী! বেরিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য, ভোটে জবাবের হুঁশিয়ারি

এসআইআর সংক্রান্ত শুনানির নোটিস থেকে বাদ পড়লেন না ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকীও। মঙ্গলবার শুনানিতে হাজির হয়ে গোটা প্রক্রিয়া নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। ত্বহার দাবি, প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দেওয়ার পরও আধিকারিকরা সেগুলি দেখে শুধু মুচকি হেসেছেন। তাঁর কথায়, শুনানির নামে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করা হচ্ছে। তবে এই হয়রানির জবাব যে ভোটেই মিলবে, সেই হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।শুনানির নোটিস পেয়ে এ দিন নির্ধারিত সময়েই হাজির হন ত্বহা সিদ্দিকী। বাইরে বেরিয়ে তিনি বলেন, এসআইআরের নামে সাধারণ মানুষের উপর চাপ তৈরি করা হচ্ছে, আর রাজনৈতিক দলগুলি পরস্পরের সঙ্গে লুকোচুরি খেলছে। তাঁর মন্তব্য, বিজেপি ও তৃণমূল একে অপরের বিরোধী হলেও বাস্তবে তারা একই খেলায় নেমেছে। একজন কামড়াচ্ছে, আর একজন সেই কামড় সারানোর ভান করছেএভাবেই পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করেন তিনি।পারিবারিক ঐতিহ্যের প্রসঙ্গ টেনে ত্বহা বলেন, তাঁর পরিবারের ইতিহাস শুধু এই রাজ্য নয়, দেশের বাইরেও বহু মানুষ জানেন। তবুও তাঁকে শুনানির জন্য ডাকা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, মুসলিমদের লক্ষ্য করেই বেশি করে নোটিস পাঠানো হচ্ছে। কারণ বিজেপির ধারণা, মুসলিমরা তাদের ভোট দেয় না। ত্বহার দাবি, তাঁরা কোনও দলকেই অন্ধভাবে সমর্থন করেন না। যে দল উন্নয়ন করে, তার পাশেই থাকেন।ত্বহা আরও বলেন, ভোটের আগে রাজনীতিকরা সাধারণ মানুষের খুব কাছে এসে যান, কিন্তু ভোট মিটে গেলেই তাঁদের দূরে সরিয়ে দেওয়া হয়। আগামী ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটে মানুষ এর জবাব দেবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে সেই জবাব কোন দল পাবে, বিজেপি না তৃণমূলসে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি পীরজাদা।শুনানির অভিজ্ঞতা নিয়ে ত্বহা জানান, তাঁর কোনও সমস্যা হয়নি। তাঁর কথায়, তিনি সমস্ত কাগজপত্র ঠিকঠাক রেখেই শুনানিতে গিয়েছিলেন। আধিকারিকরা নথি দেখে শুধু হাসছিলেন, কোনও প্রশ্নই করেননি। ত্বহার দাবি, আধিকারিকরাও চাপে রয়েছেন এবং শেষ পর্যন্ত এই গোটা পরিকল্পনাই ভেস্তে যাবে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
কলকাতা

এসআইআর শুনানিতে রাজ্যের মন্ত্রী! শশী পাঁজাকে নোটিস ঘিরে তোলপাড়

এ বার এসআইআর শুনানিতে হাজিরার নোটিস পেলেন রাজ্যের নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী শশী পাঁজা। নোটিস অনুযায়ী, রবিবার দুপুর দুটোর মধ্যে তাঁকে কেশব অ্যাকাডেমিতে হাজির থাকতে বলা হয়েছে। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় শশী পাঁজার নাম থাকলেও শুনানিতে ডাকা হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই বিস্মিত ও বিরক্ত তিনি।শশী পাঁজা জানিয়েছেন, তিনি এনুমারেশন ফর্মে সমস্ত প্রয়োজনীয় তথ্য ঠিকঠাকভাবে জমা দিয়েছেন। তাঁর দাবি, কোনও লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির কারণে নয়, শুধুমাত্র অ্যাপের প্রযুক্তিগত গলদের জন্যই ২০০২ সালের তালিকায় তাঁর নাম ডিজিটালভাবে দেখাচ্ছে না। এই বিষয়টি জানার পর তিনি অবাক হয়েছেন বলে জানিয়েছেন।রাজ্যে অক্টোবর মাস থেকেই শুরু হয়েছে এসআইআর বা বিশেষ নিবিড় সংশোধনের কাজ। ভোটার তালিকা ত্রুটিমুক্ত করতেই এই প্রক্রিয়া চলছে। ফর্ম জমা নেওয়ার পর এখন চলছে শুনানির পর্ব। নামের বানান, তথ্যের অমিল, ম্যাপিং সংক্রান্ত সমস্যা বা প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে বহু ভোটারকে শুনানিতে ডাকা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন, কবি জয় গোস্বামী, অভিনেতা দেব-সহ একাধিক পরিচিত মুখ এই শুনানির নোটিস পেয়েছেন। এ বার সেই তালিকায় যুক্ত হল রাজ্যের মন্ত্রীর নামও।এই প্রসঙ্গে শশী পাঁজা বলেন, তিনি ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবং তাঁর নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় রয়েছে। কিন্তু কমিশনের তড়িঘড়ি কাজের জেরে বিএলওদের ব্যবহৃত অ্যাপ ও সফটওয়্যারে একাধিক গলদ দেখা দিয়েছে। সেই কারণেই প্রকৃত তালিকায় নাম থাকলেও অ্যাপে তা দেখা যাচ্ছে না। তিনি জানান, আলাদা কোনও সুবিধা না নিয়ে সাধারণ মানুষের মতোই লাইনে দাঁড়িয়ে শুনানিতে হাজির হবেন।তিনি আরও বলেন, এই ঘটনায় তিনি সত্যিই অবাক। তাঁর কথায়, যখন একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিকেই এ ভাবে ডাকা হচ্ছে, তখন সাধারণ মানুষের কী অবস্থা হচ্ছে, তা সহজেই বোঝা যায়। গোটা বিষয়টি তাঁর কাছে হাস্যকর বলেই মনে হয়েছে।এ দিকে জানা গিয়েছে, এসআইআর শুনানিতে ডাক পেয়েছেন তৃণমূলের আইটি সেলের নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্যও। তিনি একটি ফেসবুক পোস্টে বিষয়টি জানিয়েছেন। দেবাংশু জানান, এখনও পর্যন্ত তিনি হাতে নোটিস পাননি। তবে তাঁর দাবি, ২০০২ সাল থেকে তাঁর ও পরিবারের সকলের নথিতে নামের বানান এবং মধ্যনাম এক রয়েছে। ফলে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির প্রশ্নই ওঠে না। নোটিস হাতে পাওয়ার পরই কেন ডাকা হয়েছে, তা পরিষ্কার হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

জানুয়ারি ২৫, ২০২৬
কলকাতা

এসআইআর নিয়ে টানাপোড়েন! চূড়ান্ত তালিকা কি পিছোচ্ছে?

এসআইআর নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর ক্রমেই বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশন মনে করছে, আগামী ৭ তারিখের মধ্যে সমস্ত শুনানি শেষ করা সম্ভব হবে না। ফলে ১৪ ফেব্রুয়ারি যে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের কথা ছিল, তা আরও অন্তত ১০ দিন পিছিয়ে যেতে পারে।এর মধ্যেই সামনে এসেছে নতুন অভিযোগ। অভিযোগ উঠেছে, শুনানির অগ্রগতি সংক্রান্ত তথ্য নিয়মিত ভাবে নির্বাচন কমিশনের পোর্টালে আপলোড করা হচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে কমিশন। গড়িমসি লক্ষ্য করেই কমিশনের তরফে ERO এবং AERO-দের সতর্ক করা হয়েছে।নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, শুনানি সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পোর্টালে আপলোড হওয়ার কথা। কিন্তু বাস্তবে তা হচ্ছে না। বিশেষ করে আনম্যাপড এবং লজিক্যাল ডিক্রিপেন্সি সংক্রান্ত তথ্য প্রতিদিন আপডেট করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।কমিশনের তরফে আরও জানানো হয়েছে, যদি এই সংক্রান্ত কোনও তথ্য এখনও বাকি থাকে, তবে আগামী ২৬ জানুয়ারির মধ্যেই তা সম্পূর্ণ করতে হবে। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে কাজ শেষ না হলে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

জানুয়ারি ২৫, ২০২৬
কলকাতা

বন্দ্যোপাধ্যায় না ব্যানার্জি? বানানেই বিপত্তি, শুনানিতে ডাক কেন—ব্যাখ্যা কমিশনের

ভোটার তালিকা সংশোধনের শুনানিতে গিয়ে সাধারণ মানুষকে বারবার হয়রান হতে হচ্ছে, এমন অভিযোগ উঠছে বিভিন্ন জায়গা থেকে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সমস্যার কারণ হিসেবে সামনে আসছে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি। নামের বানান, বাবা বা মায়ের নামের সঙ্গে মিল না থাকা কিংবা বয়সের ফারাকের মতো বিষয় নিয়ে ভোটারদের শুনানির নোটিস পাঠানো হচ্ছে বলে অভিযোগ।এই বিষয়টি নিয়েই শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশ্ন তোলেন। তাঁর প্রশ্ন ছিল, বাবার পদবি ব্যানার্জি আর ছেলের পদবি বন্দ্যোপাধ্যায় হলে সেটাকে কেন সমস্যা হিসেবে ধরা হচ্ছে। এবার সেই প্রশ্নের ব্যাখ্যা দিলেন নির্বাচন কমিশনের নিযুক্ত বাংলার বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত।সুব্রত গুপ্ত জানান, লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির সংখ্যা খুব বেশি হওয়ায় কমিশনের কাজের চাপ অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। তিনি স্বীকার করেন, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বানানগত ভুলের কারণেই শুনানির নোটিস পাঠানো হচ্ছে। তবে এই সমস্যার মূল কারণও ব্যাখ্যা করেন তিনি।তাঁর কথায়, বন্দ্যোপাধ্যায় ও ব্যানার্জি একই পদবি হলেও বানানের পার্থক্যের কারণে কম্পিউটার সিস্টেমে তা আলাদা হিসেবে ধরা পড়ছে। একই ভাবে, কোথাও দেখা যাচ্ছে পদবি দে হলেও কেউ লিখছেন Dey, কেউ লিখছেন De। উত্তরবঙ্গে গিয়ে তিনি দেখেছেন, অনেক পদবিরই পাঁচ-ছয় রকম বানান রয়েছে। ফলে কম্পিউটারের পক্ষে তা মিলিয়ে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। সেই কারণেই একাধিক ক্ষেত্রে ভোটারদের বারবার শুনানির জন্য ডাকা হচ্ছে।তবে গোটা প্রক্রিয়াটি আরও বেশি সময় নিয়ে করা গেলে ভালো হত বলেও মনে করছেন সুব্রত গুপ্ত। তিনি বলেন, একটু বেশি সময় পেলে আরও ভেবে কাজ করা যেত। কিন্তু এপ্রিলের মধ্যেই ভোট হওয়ার কথা থাকায় নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই সব পরিকল্পনা করে কাজ করতে হয়েছে। তাঁর দাবি, সময় কম থাকলেও তথ্য অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করা সম্ভব হবে।

জানুয়ারি ২৩, ২০২৬
কলকাতা

ভোটার তালিকা নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত! অশান্তি হলেই বন্ধ শুনানি, সময়সীমা বাড়াতে পারে কমিশন

এসআইআর-এর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের সময়সীমা আরও বাড়তে পারে। ১৪ ফেব্রুয়ারির বদলে অন্তত আরও ১০ দিন সময় দেওয়া হতে পারে বলে কমিশন সূত্রে খবর। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের জেলাশাসকদের উদ্দেশে এক বিশেষ ও কড়া নির্দেশ পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নির্দেশে বলা হয়েছে, শুনানি কেন্দ্রে অশান্তি তৈরি হলে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দিতে হবে শুনানি।সম্প্রতি উত্তর দিনাজপুরের চাকুলিয়া ও ইটাহার, বাঁকুড়া, মুর্শিদাবাদ সহ রাজ্যের একাধিক জেলায় ভোটার তালিকা সংক্রান্ত শুনানি চলাকালীন চরম বিশৃঙ্খলার ছবি সামনে এসেছে। কোথাও বচসা, কোথাও ধাক্কাধাক্কি, আবার কোথাও শুনানি সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিতে হয়েছে। এই সমস্ত ঘটনার রিপোর্ট ইতিমধ্যেই কমিশনের কাছে তলব করা হয়েছে। এমনকি উত্তর দিনাজপুরের বিধায়ক মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের নির্দেশও দিয়েছে কমিশন।এই আবহেই নিরাপত্তা নিয়ে আরও কড়া অবস্থান নিল নির্বাচন কমিশন। কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ, যদি শুনানি কেন্দ্রের পরিবেশ উত্তপ্ত হয় বা ভোটাররা ভয় পেয়ে সেখানে যেতে না পারেন, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে শুনানি বন্ধ করে দিতে হবে। পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত কোনওভাবেই শুনানি পুনরায় শুরু করা যাবে না।কমিশন সূত্রে খবর, সময়সীমা বাড়ানোর সম্ভাবনা থাকায় এখন শুনানি শেষ করার ক্ষেত্রে অতটা তাড়াহুড়ো নেই। তার বদলে ভোটারদের নিরাপত্তা এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখাই আপাতত কমিশনের প্রধান লক্ষ্য।উল্লেখ্য, তৃণমূলের দাবিকে মান্যতা দিয়ে সুপ্রিম কোর্ট আগেই নির্দেশ দিয়েছিল যে পঞ্চায়েত বা ব্লক অফিসেই ভোটার তালিকা সংক্রান্ত শুনানি করতে হবে। সেই নির্দেশ কার্যকর হওয়ার পরেই নিরাপত্তা ইস্যুতে রাজ্য সরকারের উপর চাপ বাড়াল কমিশন।সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে আগামী শনিবার লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি-র তালিকা প্রকাশ হওয়ার কথা। সেই সময় যাতে কোনও রকম অশান্তি বা বিশৃঙ্খলা না তৈরি হয়, তার জন্য রাজ্যের মুখ্যসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং কলকাতা পুলিশের কমিশনারকে চিঠি পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন।এই পরিস্থিতি নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোরও তীব্র হয়েছে। কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার দাবি করেছেন, শুনানি বন্ধ হলে ভোট পিছিয়ে যেতে পারে। সরকারের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির পরিস্থিতি তৈরি হবে। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল সেটাই চাইছে। পাল্টা তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদারের দাবি, বিজেপি ইচ্ছাকৃতভাবে ভোটারদের ভয় দেখিয়ে পরিস্থিতি অশান্ত করার চেষ্টা করছে।

জানুয়ারি ২৩, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলের দাবিতে সিলমোহর, এসআইআর শুনানিতে বিএলএ-দের অনুমতি

এসআইআর সংক্রান্ত শুনানি কেন্দ্রে বিএলএ-দের থাকার অনুমতি দেওয়ার দাবিতে তৃণমূল কংগ্রেস শুরু থেকেই সরব ছিল। সোমবার সেই দাবিতেই সিলমোহর দিল সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছে, এবার থেকে বিএলএ-রা শুনানিতে থাকতে পারবেন। শুধু তাই নয়, প্রয়োজনে তাঁরা কোনও ভোটারের হয়ে সওয়ালও করতে পারবেন।সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশের পরই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কোর্টে হারিয়েছি, এপ্রিলে ভোটে হারাব। তবে এই রায়কে তৃণমূলের নৈতিক জয় হিসেবে মানতে নারাজ বিজেপি।এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছিলেন সাংসদ দোলা সেন এবং ডেরেক ওব্রায়েন। সোমবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চে সেই মামলার শুনানি হয়। সেখানেই তৃণমূলের একাধিক দাবি মান্যতা পায়। দুসপ্তাহ পর এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ অনুযায়ী, যাঁদের শুনানিতে ডাকা হচ্ছে, তাঁরা নিজের পক্ষে সওয়াল করার জন্য যে কাউকে সঙ্গে রাখতে পারবেন। আত্মীয়, বন্ধু, প্রতিবেশী বা বিএলএ-দের সাহায্য নেওয়ারও অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে তার জন্য সংশ্লিষ্ট ভোটারকে স্বাক্ষর বা টিপসই দিয়ে লিখিত অনুমতি দিতে হবে। সেই অনুমতি থাকলেই বিএলএ কোনও ভোটারের হয়ে শুনানিতে হাজির থাকতে পারবেন।এই রায় প্রসঙ্গে তৃণমূলের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এতদিন বিএলএ-দের শুনানিতে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছিল না। নির্বাচন কমিশনের একাধিক আপত্তিও ছিল। সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করে দিয়েছে, কোনও ভোটার চাইলে শুনানিতে অন্যের সাহায্য নিতে পারেন। সেই সাহায্যকারী হিসেবে বিএলএ-দেরও রাখা যাবে।তৃণমূল এই রায়কে বড় সাফল্য হিসেবে দেখছে। তবে বিজেপির বক্তব্য, যেখানে গণতন্ত্রই ঠিকমতো চলছে না, সেখানে নৈতিক জয়ের প্রশ্নই ওঠে না। বিজেপির মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, এখনও ফর্ম সেভেন জমা দিতে গেলে তা ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে। এই কাজ তৃণমূলই করছে বলে অভিযোগ। তাঁর দাবি, যতদিন না পুরো প্রক্রিয়া শেষ হচ্ছে, ততদিন নির্বাচন হওয়া উচিত নয়।

জানুয়ারি ১৯, ২০২৬
রাজ্য

বিধায়কের হাত থেকেও ছিনতাই! ফর্ম সেভেন ঘিরে রাজ্য জুড়ে রাজনৈতিক ঝড়

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই বলেছিলেন, ১৬, ১৭, ১৮ ও ১৯ তারিখে যদি বিজেপি কর্মীরা ইআরও অফিসে ফর্ম জমা দিতে আসে, তাহলে রবীন্দ্র সংগীতের সঙ্গে ডিজে বাজিয়ে ভদ্রভাবে প্রতিবাদ জানাতে। আজ সেই ১৯ তারিখ। আর ঠিক এই দিনেই জেলায় জেলায় উত্তেজনার ছবি সামনে এল।এসআইআর সংক্রান্ত শুনানি কেন্দ্রগুলিকে ঘিরে বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে ব্যাপক বচসা ও হাতাহাতির অভিযোগ উঠেছে। আসানসোল, বনগাঁ থেকে চুঁচুড়া একের পর এক জায়গায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।আসানসোল দক্ষিণ থানার মহকুমাশাসক দফতরের সামনে হেয়ারিং কেন্দ্র ঘিরে তুমুল উত্তেজনা ছড়ায়। তৃণমূলের অভিযোগ, একটি কালো গাড়িতে করে বিপুল সংখ্যক ফর্ম সেভেন নিয়ে এসেছিলেন বিজেপির নেতারা। বিষয়টি জানাজানি হতেই তৃণমূল নেতৃত্ব গাড়িটি ঘিরে বিক্ষোভ শুরু করেন। অভিযোগ, গাড়ির সামনের কাচ ভাঙচুর করা হয়। এর পর তৃণমূল ও বিজেপি নেতাদের মধ্যে বচসা শুরু হয়ে হাতাহাতিতে গড়ায়। এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় আসানসোল দক্ষিণ থানার পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এই ঘটনায় এক বিজেপি নেতাকে আটক করেছে পুলিশ। তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপি পরিকল্পিত ভাবে বহু ফর্ম সেভেন জমা দিয়ে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা করছে। যদিও বিজেপি নেতৃত্ব এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন।তৃণমূলের এক নেতা বলেন, যদি কোনও সমস্যা থাকে, তা হলে বিএলও বা ইআরও-র কাছে জানানো উচিত। কিন্তু হাজার হাজার ফাইল নিয়ে এসে অশান্তি করা হচ্ছে। বিজেপির এক ব্লক নেতা পাল্টা দাবি করেন, তিনি নির্বাচন কমিশনের নিয়ম মেনেই কাজ করছেন। কিন্তু তৃণমূল তাঁকে কাজ করতে দিচ্ছে না এবং ফাইল ছিনিয়ে নিচ্ছে।শুধু আসানসোল নয়, বনগাঁ উত্তর মহকুমাশাসক দফতরের সামনেও উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ, বনগাঁ উত্তরের বিজেপি বিধায়ক অশোক কীর্তনিয়ার হাত থেকে ফর্ম সেভেন ছিনিয়ে নিয়ে ছিঁড়ে ফেলেন তৃণমূল কর্মীরা। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়।চুঁচুড়া সদর মহকুমাশাসক দফতরের শুনানি কেন্দ্রেও অশান্তির অভিযোগ উঠেছে। সেখানে বিধায়ক অসীত মজুমদারের বিরুদ্ধে দাদাগিরির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ, ফর্ম জমা দিতে আসা এক ব্যক্তির সঙ্গে ঠেলাঠেলি ও মারধর করা হয় এবং তাঁর ফর্ম ছিঁড়ে ফেলা হয়।এসআইআর সংক্রান্ত শুনানি কেন্দ্রগুলিতে এই অশান্তির ঘটনায় রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

জানুয়ারি ১৯, ২০২৬
কলকাতা

এবার টুটু বোসকে তলব! এসআইআর শুনানিতে ডাকা হল মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতিকে

এসআইআর শুনানিতে এবার হাজিরার নোটিস পেলেন প্রাক্তন সাংসদ এবং মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতি স্বপনসাধন বোস, যিনি টুটু বোস নামেই পরিচিত। শুধু তাঁকেই নয়, একই সঙ্গে তলব করা হয়েছে তাঁর পুত্র তথা মোহনবাগান ক্লাবের সচিব সৃঞ্জয় বোসকেও। জানা গিয়েছে, টুটু বোসের গোটা পরিবারকে এসআইআর শুনানিতে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মোহনবাগানের সহ-সভাপতি কুণাল ঘোষ। সোশাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।এসআইআর শুনানিকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই বাংলার বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে তলব করা হয়েছে। নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেন, কবি জয় গোস্বামী, জাতীয় দলের ক্রিকেটার মহম্মদ শামির মতো পরিচিত মুখদের নাম সেই তালিকায় রয়েছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল বাংলার ফুটবল জগতের অন্যতম পরিচিত মুখ টুটু বোসের নাম। জানা যাচ্ছে, আগামী ১৯ জানুয়ারি তাঁকে বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট স্কুলে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। শুধু টুটু বোস নন, তাঁর পরিবারের সদস্যদেরও ডাকা হয়েছে ওই শুনানিতে। তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন সাংসদ সৃঞ্জয় বোসও।এই প্রসঙ্গে কুণাল ঘোষ ফেসবুকে লিখেছেন, টুটু বোস বাংলার ফুটবল ও মোহনবাগানের প্রাণপুরুষ। তিনি দীর্ঘদিন অসুস্থ এবং হুইলচেয়ার ছাড়া তাঁর চলাফেরা সম্ভব নয়। এমন অবস্থায় তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে হাজিরার নোটিস পাঠানো অমানবিক বলেই মন্তব্য করেন কুণাল। তাঁর অভিযোগ, এখন টুটু বোসকে প্রমাণ দিতে বলা হচ্ছে যে তিনি বাংলার নাগরিক। কুণাল ঘোষের দাবি, এই ঘটনার জবাব নির্বাচন কমিশন ও বিজেপিকে আসন্ন নির্বাচনে দিতে হবে।উল্লেখ্য, খেলোয়াড়দের এসআইআর শুনানির নামে হেনস্তার অভিযোগ তুলে সোমবার বিভিন্ন ক্ষেত্রের প্রায় ১৫০ জন ক্রীড়াবিদ প্রতিবাদে শামিল হয়েছিলেন। এর আগেই এই ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনের কড়া সমালোচনা করেছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এই ধরনের নোটিস পাঠানোকে অমানবিক ও অসংবেদনশীল বলে উল্লেখ করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি দিয়েছেন। সেই সবের পরেও টুটু বোসের মতো পরিচিত ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্বকে তলব করা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হল রাজ্য রাজনীতিতে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
দেশ

১৯৭১-এর যুদ্ধনায়ককে কেন ডাকা হল এসআইআর শুনানিতে? মুখ খুলল নির্বাচন কমিশন

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের বুকে কাঁপন ধরানো প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধান অ্যাডমিরাল অরুণ প্রকাশকে ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর শুনানিতে তলব করা ঘিরে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধানকে কেন পরিচয় প্রমাণের জন্য নোটিস পাঠানো হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই সোমবার মুখ খুলল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।এসআইআর শুনানির নোটিস পাওয়ার পর নিজের এক্স হ্যান্ডেলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অ্যাডমিরাল প্রকাশ। তাঁর পোস্ট সামনে আসার পরই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, অ্যাডমিরাল প্রকাশের জমা দেওয়া এনুমারেশন ফর্মে পূর্ববর্তী এসআইআর সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য ছিল না। সেই কারণেই তাঁকে শুনানিতে ডাকা হয়েছে।এলাকার ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার মেডোরা এরমোমিল্লা ডিকোস্টা জানান, এনুমারেশন ফর্মে ভোটারের নাম, এপিক নম্বর, আত্মীয়ের নাম, বিধানসভা কেন্দ্রের নাম ও নম্বর, অংশ নম্বর এবং ভোটার তালিকার ক্রমিক নম্বরের মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উল্লেখ ছিল না। ফলে বিএলও অ্যাপের মাধ্যমে নতুন ফর্মের সঙ্গে পুরনো ভোটার তালিকার স্বয়ংক্রিয় মিল করা সম্ভব হয়নি। শনাক্তকরণের প্রয়োজনীয় তথ্য না থাকলেই এই ধরনের ক্ষেত্রে শুনানির জন্য ডাকা হয় বলে জানান তিনি।১৯৭১ সালের যুদ্ধে বায়ুসেনার পাঞ্জাব স্কোয়াড্রনের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বিমান চালিয়েছিলেন অ্যাডমিরাল অরুণ প্রকাশ। সেই সাহসিকতার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি বীর চক্র পান। প্রায় ৪০ বছর নৌসেনায় কাজ করেছেন তিনি। ফাইটার স্কোয়াড্রন, এয়ার স্টেশন, আইএনএস বিরাট-সহ মোট চারটি যুদ্ধজাহাজ পরিচালনা করেছেন। নৌসেনাপ্রধান থাকাকালীন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারও করেছিলেন তিনি।নোটিস পাওয়ার পর কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে অ্যাডমিরাল প্রকাশ লেখেন, এসআইআর ফর্মে যদি প্রয়োজনীয় তথ্য না পাওয়া যায়, তাহলে ফর্ম সংশোধন করা উচিত ছিল। তিনি আরও বলেন, বিএলও তিনবার তাঁদের বাড়িতে এসেছিলেন, তখনই অতিরিক্ত তথ্য চাওয়া যেত। তাঁর অভিযোগ, তিনি ও তাঁর স্ত্রী যথাক্রমে ৮২ ও ৭৮ বছর বয়সে পৌঁছেছেন, অথচ তাঁদের বাড়ি থেকে ১৮ কিলোমিটার দূরে শুনানিতে ডাকা হয়েছে, তাও আবার আলাদা আলাদা দিনে।এই মন্তব্য সামনে আসার পরই বিতর্ক তীব্র হয়। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ফের জানানো হয়েছে, প্রয়োজনীয় শনাক্তকরণ তথ্য না থাকলে বিএলও অ্যাপ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ম্যাপিং করতে পারে না। সেই কারণেই সংশ্লিষ্ট ভোটারদের শুনানিতে ডাকা হচ্ছে বলে ব্যাখ্যা দিয়েছে কমিশন।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
রাজ্য

অমর্ত্য সেনের বয়সে গরমিল? এসআইআর নোটিস নিয়ে বিস্ফোরক দাবি অভিষেকের

নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনকে শুনানির জন্য ডেকে পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার বীরভূমের রামপুরহাটে এক জনসভা থেকে তিনি এই দাবি করেন। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, অমর্ত্য সেনের পূরণ করা এসআইআর ফর্মে তথাকথিত লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি, অর্থাৎ তথ্যগত গরমিল রয়েছে বলেই তাঁকে শুনানির জন্য ডাকা হয়েছে।কমিশন সূত্রের দাবি, অমর্ত্য সেন ও তাঁর মায়ের বয়সের পার্থক্য নথিতে মাত্র ১৫ বছর দেখানো হয়েছে, যা তথ্যগতভাবে অসঙ্গত। সেই কারণেই লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির অভিযোগ তুলে নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।রামপুরহাটের সভামঞ্চ থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সভায় আসার পথে তিনি শুনেছেন, অমর্ত্য সেনকে নোটিস পাঠানো হয়েছে। যিনি ভারতের হয়ে নোবেল পুরস্কার এনে দিয়েছেন, যাঁর জন্য দেশ বিশ্বমঞ্চে গর্বিত, সেই মানুষকেই এসআইআর-এর নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। এই প্রসঙ্গে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, হায় রে পোড়া কপাল!এই ঘটনার মধ্যেই বুধবার সকালে বোলপুরের শান্তিনিকেতনে অমর্ত্য সেনের প্রতিচী বাড়িতে যান স্থানীয় বিএলও শ্যামাব্রত মুখোপাধ্যায়। যদিও বর্তমানে অমর্ত্য সেন ওই বাড়িতে নেই। তাঁর আবাসেই এসআইআর সংক্রান্ত নোটিস পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।এই প্রসঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, শুধু অমর্ত্য সেন নন, ভারতীয় ক্রিকেট দলের তারকা মহম্মদ সামিকেও এসআইআর-এর নোটিস পাঠানো হয়েছে। যিনি বিশ্বকাপ জিতে দেশের নাম উজ্জ্বল করেছেন, তাকেও ছাড় দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তোলেন তিনি। একই সঙ্গে বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা দেবকেও নোটিস পাঠানোর কথা উল্লেখ করেন অভিষেক। দেবের সঙ্গে তাঁর পরিবারের আরও তিন সদস্যকেও নোটিস দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।এই লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি প্রসঙ্গটি নিয়ে সম্প্রতি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে বৈঠকেও আলোচনা করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সামনে তিনি বলেন, এই লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির আড়ালেই ভোট চুরির আসল রহস্য লুকিয়ে রয়েছে।অভিষেকের অভিযোগ, এনুমারেশন ফর্মে সামান্য তথ্যগত গরমিল দেখিয়ে সাধারণ ভোটারদের বারবার শুনানির নোটিস পাঠানো হচ্ছে। শুরু থেকেই তাঁর দাবি, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে প্রায় ১ কোটি ৩৩ লক্ষ ভোটারের নামকে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি-র অজুহাতে সন্দেহজনক তালিকায় রাখা হয়েছে।

জানুয়ারি ০৭, ২০২৬
কলকাতা

খসড়া তালিকায় নাম নেই, তবু শুনানিতে ডাক! এসআইআর নোটিস পেলেন দেব?

খসড়া ভোটার তালিকায় নাম নেই। এসআইআর শুনানিতে ডাক পেয়েছেন অভিনেতা তথা ঘাটালের তৃণমূল সাংসদ দীপক অধিকারী, যিনি দেব নামেই বেশি পরিচিত। এমনই দাবি করেছেন কলকাতার ৯৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মৌসুমী দাস। তবে এই বিষয়ে দেব নিজে কিছুই জানেন না বলে জানিয়েছেন।ভোটার তালিকা সংশোধন ঘিরে এই শুনানি নিয়ে ইতিমধ্যেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এর আগে কবি জয় গোস্বামীও এসআইআর শুনানির নোটিস পেয়েছিলেন। সেই ঘটনায় তিনি ও তাঁর মেয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দেন। একই সঙ্গে জানা গিয়েছে, ভারতীয় ক্রিকেট দলের পেসার মহম্মদ শামিকেও শুনানিতে ডাকা হয়েছে।৯৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মৌসুমী দাস জানান, এই শুনানিতে একাধিক পরিচিত মুখকে ডাকা হচ্ছে। অভিনেত্রী লাবনী সরকার, অভিনেতা কৌশিক বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই হাজিরা দিয়েছেন। ক্রিকেটার মহম্মদ শামিকেও ডাকা হয়েছিল, তবে খেলার ব্যস্ততার কারণে তিনি আসতে পারেননি। পরে তাঁকে দ্বিতীয়বার তারিখ দেওয়া হয়েছে। দেবকেও ডাকা হয়েছে বলে দাবি করেন কাউন্সিলর। তাঁর বক্তব্য, দেব একজন সাংসদ হওয়া সত্ত্বেও তাঁকে শুনানিতে ডাকা হচ্ছে।কাউন্সিলরের অভিযোগ, তারকা হোক বা সাধারণ মানুষ, নির্বিশেষে সবাইকে ডাকা হচ্ছে, যা কার্যত হয়রানি ছাড়া কিছু নয়। শুনানিতে অনেক ক্ষেত্রে অপ্রাসঙ্গিক ও অদ্ভুত প্রশ্ন করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ ওঠে। যদিও দেবের দাবি, তিনি এই ধরনের কোনও নোটিস এখনও পাননি।শুধু তারকারাই নন, সাধারণ সরকারি আধিকারিকদেরও ডাকা হয়েছে শুনানিতে। জলপাইগুড়ির এক বিডিও লাইনে দাঁড়িয়ে শুনানিতে হাজিরা দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে সেনা ও প্রাক্তন সেনা জওয়ানদের পরিবারকেও এসআইআর শুনানিতে ডেকে পাঠানো হয়েছে।

জানুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

ভোটার তালিকার শুনানিতে শামি! এসআইআরে ডাক পেলেন ভারতীয় দলের তারকা

এসআইআর শুনানিতে এবার ডাক পেলেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের তারকা পেসার মহম্মদ শামি। কলকাতার ৯৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মৌসুমী দাস জানিয়েছেন, শামি ইতিমধ্যেই শুনানির নোটিস পেয়েছেন। উত্তর প্রদেশে জন্ম হলেও দীর্ঘদিন ধরে যাদবপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার হিসেবে নথিভুক্ত রয়েছেন তিনি।সূত্রের খবর, শামির এনুমারেশন ফর্ম সংক্রান্ত কিছু জটিলতার কারণেই তাঁকে শুনানিতে ডাকা হয়েছে। ভোটার তালিকা সংশোধনের অংশ হিসেবে এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলছে এসআইআর-এর শুনানি। যেসব ক্ষেত্রে ফর্মে তথ্যের অসঙ্গতি রয়েছে, ঠিকভাবে ম্যাপিং হয়নি বা প্রয়োজনীয় নথিতে সমস্যা আছে, মূলত সেই সব ভোটারদেরই শুনানিতে ডাকা হচ্ছে।এই শুনানির আওতায় ইতিমধ্যেই একাধিক পরিচিত নাম সামনে এসেছে। প্রাক্তন মন্ত্রী কান্তি গঙ্গোপাধ্যায় থেকে শুরু করে সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের পরিবারের সদস্যদেরও শুনানিতে ডাকা হয়েছে। সোমবার কাটজুনগর স্বর্ণময়ী বিদ্যাপীঠে শুনানিতে হাজির হন অভিনেতা কৌশিক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিনেত্রী লাবনী সরকার।এরপরই কাউন্সিলর মৌসুমী দাস জানান, শুধু মহম্মদ শামি নন, সাংসদ দেবও এসআইআর শুনানির নোটিস পেয়েছেন। ফলে ভোটার তালিকা সংশোধন ঘিরে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।

জানুয়ারি ০৫, ২০২৬
রাজ্য

স্ত্রী পালিয়ে গিয়েছিল এক যুবকের সঙ্গে, এসআইআরের শুনানিতে লঙ্কাকাণ্ড

প্রায় এক বছর আগে স্ত্রী অন্য এক যুবকের সঙ্গে পালিয়ে গিয়েছিলেন। অনেক খোঁজ করেও তাঁর আর কোনও সন্ধান পাননি প্রাক্তন স্বামী। অবশেষে এসআইআর শুনানির দিন উলুবেড়িয়ায় দুজনের মুখোমুখি দেখা হয়ে গেল। কিন্তু সেই দেখা কোনও ভাবেই সুখের হল না। উল্টে তা পরিণত হল দুঃস্বপ্নে। অভিযোগ, প্রাক্তন স্ত্রীকে দেখামাত্রই তাঁকে মারধর করতে শুরু করেন প্রাক্তন স্বামী। শুধু তাই নয়, তাঁর সঙ্গে থাকা যুবককেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।সোমবার উলুবেড়িয়া ১ নম্বর ব্লকের বিডিও অফিসে চলছিল এসআইআর সংক্রান্ত শুনানি। ওই ব্লকের দশটি পঞ্চায়েতের বিভিন্ন বুথের ভোটারদের শুনানি চলছিল সেখানে। চণ্ডীপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার শুনানির সময়ই এই ঘটনা ঘটে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাক্তন স্বামীর শুনানি ছিল ওই দিনই। তিনি আগেই বিডিও অফিসে এসে লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন। সেই সময়ই সেখানে হাজির হন তাঁর প্রাক্তন স্ত্রী, সঙ্গে এক যুবক এবং আরও একজন ব্যক্তি।হঠাৎ করেই প্রাক্তন স্ত্রীকে সামনে দেখে ক্ষোভে ফেটে পড়েন ওই ব্যক্তি। অভিযোগ, কোনও কথা না বলেই তিনি আচমকা প্রাক্তন স্ত্রীকে মারধর শুরু করেন। সঙ্গে থাকা যুবক বাধা দিতে গেলে তাকেও মারধর করা হয়। মুহূর্তের মধ্যে শুনানির লাইনে হুলস্থুল বেধে যায়। উপস্থিত মানুষজন আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে থাকা উলুবেড়িয়া থানার পুলিশ এগিয়ে আসে। কোনও রকমে দুপক্ষকে আলাদা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। তাঁদের শুনানিকেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়।তবে তাতেও গোলমাল থামেনি। অভিযোগ, বাইরে বেরিয়েও ফের এক দফা মারধর শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত পুলিশ প্রাক্তন স্বামীকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। যদিও পরে কেউ লিখিত অভিযোগ না করায় তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ঘটনার জেরে প্রাক্তন স্বামী ও স্ত্রীদুজনের কেউই শেষ পর্যন্ত শুনানিতে অংশ নেননি।এসআইআর শুনানি ঘিরে যখন একের পর এক অভিযোগ সামনে আসছে, তখন উলুবেড়িয়ার এই ঘটনা একেবারেই নজিরবিহীন বলে মনে করছেন শুনানিতে উপস্থিত মানুষজন।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২৫
রাজ্য

এসআইআর শুনানির চাপে মৃত্যু? নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

মঙ্গলবার সকালে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছান নির্বাচন কমিশনের ডেপুটি কমিশনার জ্ঞানেশ ভারতী। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে তাঁর। পাশাপাশি এসআইআর সংক্রান্ত শুনানি চলা একাধিক বুথও তিনি পরিদর্শন করবেন বলে জানা গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতেই মঙ্গলবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এবং রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।এসআইআর শুনানিতে সময়মতো পৌঁছানোর চাপেই প্রাণ হারিয়েছেন পুরুলিয়ার বাসিন্দা ৮২ বছরের দুর্জন মাঝি, এমনই অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার মৃতের পরিবারের তরফে পুলিশের কাছে নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। সোমবার এই ঘটনার খবর পেয়ে দুর্জনের বাড়িতে যান তৃণমূলের একাধিক নেতা। তাঁদের মধ্যে ছিলেন কিরীটি আচার্য, ব্লক তৃণমূল সভাপতি মনোজ সাহা, জেলা সভাধিপতি নিবেদিতা মাহাতো এবং সহ-সভাধিপতি সুজয় বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁদের দাবি, হয়রানির উদ্দেশ্যেই দুর্জন মাঝিকে শুনানির জন্য ডাকা হয়েছিল। তাঁরা আগেই জানিয়েছিলেন, নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ জানানো হবে।জানা গিয়েছে, এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই একের পর এক মৃত্যুর ঘটনা সামনে আসছে। সেই তালিকায় সোমবার যুক্ত হয়েছে দুর্জন মাঝির নাম। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, শুনানির নির্ধারিত সময়ে পৌঁছতে পারবেন কি না, এই চিন্তায় ভুগছিলেন তিনি। শুনানির নোটিস পাওয়ার পর থেকেই মানসিক চাপ বাড়তে থাকে। সোমবার শুনানির দিন ব্লক অফিসে যাওয়ার জন্য টোটো খুঁজতে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন দুর্জন মাঝি। কিন্তু আর বাড়ি ফেরেননি। প্রায় তিন ঘণ্টা পরে বাড়ির কাছেই রেললাইনের ধারে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়।দুর্জন মাঝির পরিবার অত্যন্ত দরিদ্র। বয়স হলেও তিনি যথেষ্ট সুস্থ ছিলেন বলে জানিয়েছেন পরিবারের লোকজন। এসআইআর শুরু হওয়ার পরে অন্যদের মতো তিনিও এনুমারেশন ফর্ম পূরণ করেছিলেন। এমনকি ২০০২ সালের ভোটার তালিকাতেও তাঁর নাম ছিল। তা সত্ত্বেও গত ২৫ ডিসেম্বর তাঁর কাছে শুনানির নোটিস আসে।মঙ্গলবার এই ঘটনা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও সরব হন। তিনি বলেন, সোমবার পুরুলিয়ায় এক বয়স্ক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তাঁর কী দোষ ছিল, সেই প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, যাঁরা বয়স্ক মানুষদের এ ভাবে ডেকে পাঠাচ্ছেন, তাঁরা বাবা-মাকে সম্মান করতে জানেন না। মুখ্যমন্ত্রী আরও প্রশ্ন করেন, নিজের বাবা-মাকে যদি এ ভাবে ডাকা হত, তবে তাঁরা কী করতেন। এই আবহেই নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের হওয়াকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২৫
কলকাতা

শুনানি বন্ধ করে দিলেন বিধায়ক, নির্বাচন কমিশনের বড় নির্দেশে নতুন মোড়

আজ, সোমবার এসআইআর শুনানির তৃতীয় দিন। সকাল থেকেই শুনানি কেন্দ্রে বিএলএ-২ দের প্রবেশাধিকার দেওয়া নিয়ে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়। বিধায়ক অসিত মজুমদার শুরু থেকেই বিএলএ-২ দের ঢোকার দাবিতে সরব হন। এক পর্যায়ে তিনি শুনানি বন্ধ করে দেন বলেও অভিযোগ ওঠে।এই ঘটনার মধ্যেই নির্বাচন কমিশন কড়া নির্দেশ জারি করে। কমিশন স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, এসআইআর শুনানির সময় বিএলএ-২ রা ভিতরে ঢুকতে পারবেন না। কমিশনের গাইডলাইন অনুযায়ী তাঁদের শুনানিকেন্দ্রের বাইরে থাকতে হবে। প্রয়োজন হলে বাইরে ক্যাম্প করে বসতে পারবেন বিএলএ-২ রা।উল্লেখ্য, রবিবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিএলএ-দের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে তিনি বিএলএ-দের শুনানিতে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেন এবং প্রয়োজনে আইনি লড়াইয়ের কথাও বলেন। এরপর থেকেই এই বিষয়ে তৎপরতা বাড়ে।সোমবার অসিত মজুমদার দাবি করেন, কোনও লিখিত নির্দেশ না আসা পর্যন্ত শুনানি হতে দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, লিখিত নির্দেশ দিলে তবেই তিনি সরে যাবেন। এই নিয়ে বিডিও-র সঙ্গে তাঁর তর্কাতর্কি হয়। পরে শুনানি বন্ধ করে দিয়ে নিজের অফিস থেকে এসডিও-কে ফোন করে বিষয়টি জানান তিনি।বিধায়কের দাবি, সাধারণ মানুষের নাম যদি তালিকা থেকে বাদ যায়, সে ক্ষেত্রে বিএলএ-রাই সাহায্য করতে পারবেন। তাই তাঁদের উপস্থিতি জরুরি।সকালভর এই বচসা চলার পর নির্বাচন কমিশন হস্তক্ষেপ করে। কমিশনের তরফে জানানো হয়, নিয়ম অনুযায়ী বিএলএ-২ রা শুনানির ভিতরে বসতে পারেন না। সেই কারণেই তাঁদের বাইরে রেখেই শুনানি চালাতে হবে। হুগলির জেলা শাসককে অবিলম্বে শুনানি শুরু করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।যদিও এই সিদ্ধান্তে অনড় তৃণমূল কংগ্রেস। শাসক দলের নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, পুরনো সমস্ত নিয়ম ভেঙে নতুন নিয়ম তৈরি করছে নির্বাচন কমিশন। তাঁর বক্তব্য, কোনও সমস্যা হলে বিএলএ-২ রা আপত্তি জানাবেন, সেটাই তাঁদের অধিকার। এভাবে তাঁদের অধিকার কেড়ে নেওয়া যায় না।তিনি আরও বলেন, নিয়ম বদল হলে তার জন্য সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি করতে হয়। শুধু হোয়াটসঅ্যাপে নির্দেশ পাঠিয়ে নিয়ম বদল করা যায় না বলেও দাবি করেন তিনি।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

নিজের সন্তান দিয়ে ‘উন্নত মানবজাতি’ তৈরির ভাবনা, ফাঁস এপস্টেইনের চাঞ্চল্যকর

যৌন অপরাধে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইন নাকি নিজের ঔরস থেকে একটি সুপার রেস বা উন্নত মানবজাতি তৈরি করার পরিকল্পনা করেছিলেন। এমনই দাবি করা হয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর এক প্রতিবেদনে। সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য আমেরিকার নিউ মেক্সিকোতে তাঁর প্রাসাদটিকেই পরীক্ষাগার হিসেবে ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিজের এই পরিকল্পনার কথা এপস্টেইন বহু প্রভাবশালী ও শিক্ষিত ব্যক্তিকেও জানিয়েছিলেন। সেই কারণেই অনেকে তাঁর নিউ মেক্সিকোর প্রাসাদটিকে বেবি র্যাঞ্চ বলে ডাকতেন। যদিও এই পরিকল্পনা আদৌ বাস্তবায়িত হয়েছিল কি না, তা স্পষ্ট নয়।রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, নিজেকে নাসার বিজ্ঞানী বলে পরিচয় দেওয়া এক মহিলা দাবি করেছেন, এপস্টেইন একসঙ্গে অন্তত ২০ জন গর্ভবতী মহিলাকে ওই প্রাসাদে রাখার কথা ভেবেছিলেন। নোবেলজয়ীদের শুক্রাণু সংগ্রহের উদ্দেশ্যে তৈরি রিপোজিটরি ফর জার্মিনাল চয়েস নামে একটি পুরনো স্পার্ম ব্যাঙ্কের ধারণা থেকেও তিনি অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে।অনেকের মতে, এপস্টেইনের এই পরিকল্পনা ট্রান্সহিউম্যানিজম নামে এক বিতর্কিত মতবাদের সঙ্গে যুক্ত। এই ধারণা অনুযায়ী, প্রযুক্তি, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে মানুষের ক্ষমতা আরও উন্নত করা সম্ভব। তবে সমালোচকেরা বলেন, এই মতবাদের সঙ্গে ইউজেনিক্স-এর মিল রয়েছে। হিটলারের জার্মানিতে ইউজেনিক্স ধারণা ব্যবহার করে তথাকথিত শুদ্ধ জাতি গঠনের চেষ্টা করা হয়েছিল। এই মতবাদে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম থেকে অনভিপ্রেত জিন দূর করার কথা বলা হয়।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৬
দেশ

আরএসএস প্রধানের টেবিলে আদনান শামি, ‘দেশদ্রোহিতা’ তকমা দিল কংগ্রেস

জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী ও সুরকার আদনান শামির সঙ্গে নৈশভোজ করেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত। সেই ছবি প্রকাশ্যে আসতেই কংগ্রেসের তীব্র আক্রমণের মুখে পড়ে আরএসএস। পাকিস্তানি বায়ুসেনার প্রাক্তন আধিকারিকের পুত্র আদনানের সঙ্গে ভাগবতের নৈশভোজকে দেশবিরোধী বলে কটাক্ষ করেছে মহারাষ্ট্র কংগ্রেস। এই ঘটনাকে ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে।আরএসএস-এর শতবর্ষ উপলক্ষে মুম্বইয়ে দুদিনের একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই অনুষ্ঠানে বলিউডের একাধিক শিল্পীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন আদনান শামিও। তাঁর সঙ্গে মোহন ভাগবতের নৈশভোজের ছবি সামনে আসতেই কংগ্রেসের তরফে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানানো হয়।মহারাষ্ট্র কংগ্রেসের এক্স হ্যান্ডেল থেকে লেখা হয়, আদনান শামির বাবা আরশাদ শামি খান ছিলেন পাকিস্তানি বায়ুসেনার পাইলট। ১৯৬৫ সালের যুদ্ধে তিনি পাঠানকোটের বায়ুসেনা ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছিলেন। সেই ব্যক্তির ছেলের সঙ্গে এক টেবিলে বসে খাওয়াদাওয়া করা আরএসএস-এর পক্ষ থেকে দেশদ্রোহিতার সামিল বলে দাবি কংগ্রেসের।তবে এই মন্তব্যকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে নারাজ আরএসএস এবং পদ্মশ্রী প্রাপক আদনান শামি। সোশাল মিডিয়ায় ভাগবতের সঙ্গে নিজের ছবি পোস্ট করে তিনি লেখেন, তাঁর সঙ্গে একটি চমৎকার দিন কাটিয়েছেন। দীর্ঘ আলোচনায় ভাগবত তাঁর অনেক ভুল ধারণা দূর করে দিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন শামি। তিনি ভাগবতকে অত্যন্ত ভদ্র ও ব্যক্তিত্ববান মানুষ বলেও প্রশংসা করেন।ওই অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করতে গিয়ে বাংলাদেশ প্রসঙ্গেও মন্তব্য করেন ভাগবত। তিনি বলেন, বাংলাদেশে প্রায় ১.২৫ কোটি হিন্দু বাস করেন। তাঁরা যদি ঐক্যবদ্ধ হয়ে নিজেদের অধিকারের জন্য লড়াই করেন, তবে বিশ্বের সব হিন্দু তাঁদের পাশে দাঁড়াবেন এবং সাহায্য করবেন।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৬
দেশ

৮৫০৫ অফিসার মঙ্গলবার হাজিরা দেবেন? রাজ্যকে কড়া বার্তা প্রধান বিচারপতির

ভোটার তালিকা সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে রাজ্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে টানাপোড়েন পৌঁছল সুপ্রিম কোর্টে। কমিশনের অভিযোগ ছিল, রাজ্য পর্যাপ্ত অফিসার দিচ্ছে না। সোমবারের শুনানির আগেই রবিবার রাজ্য সরকার কমিশনকে চিঠি দিয়ে জানায়, অফিসার নিয়োগ করা হচ্ছে। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সওয়াল করার এক্তিয়ার নিয়েও একাধিক মামলা দায়ের হয়।সোমবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চে সেই সব মামলার শুনানি হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অখিল ভারত হিন্দু মহাসভা যে মামলা করেছে, তার বৈধতা নিয়েই প্রশ্ন তোলে শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতির প্রশ্ন ছিল, যে সংগঠন মূলত মন্দিরের দেখভাল করে, তাদের সঙ্গে নির্বাচনের সম্পর্ক কোথায়। একসঙ্গে অনেকে কথা বলায় এদিন বিরক্তিও প্রকাশ করেন তিনি।রাজ্যের পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবী শ্যাম দিওয়ান। তিনি জানান, আনম্যাপড ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৩২ লক্ষ। বাকি ভোটারদের লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির কারণে ডাকা হয়েছে। মোট ১.৩৬ কোটি মানুষকে নোটিস দেওয়া হয়েছে। শুধু বানান ভুলের কারণেই প্রায় ৫০ শতাংশ ভোটারকে তলব করা হয়েছে বলে তিনি জানান।নির্বাচন কমিশনের দাবি, অফিসার চেয়ে রাজ্যকে পাঁচ বার চিঠি দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের বক্তব্য, আদালতে আসার পরই তারা এই দাবি জানতে পেরেছে। এই প্রসঙ্গে রাজ্যের দায়িত্বজ্ঞানহীনতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন প্রধান বিচারপতি। তিনি জানতে চান, ৮৫০৫ জন অফিসার মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটার মধ্যে ডিস্ট্রিক্ট ইলেকশন অফিসারের কাছে রিপোর্ট করতে পারবেন কি না এবং তাঁদের নামের তালিকা কমিশনকে দেওয়া হয়েছে কি না। কমিশনের আইনজীবী জানান, কোনও নামের তালিকা তারা পাননি। তখন প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট বলেন, শুধু সংখ্যা পাঠালে হবে না, অফিসারের নাম, পদ এবং সমস্ত তথ্য দিতে হবে।প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, চার বা পাঁচ তারিখেই তালিকা দেওয়া যেত। এ নিয়ে অযথা বিতর্ক চাই না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। রাজ্য জানায়, কোথায় কত অফিসার দরকার, তা জানতে সময় লেগেছে।রাজ্যের তরফে আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি জানান, রাজসাহিত্য সংস্থা থেকে কর্মীদের এনে মাইক্রো অবজার্ভার করা হয়েছে এবং কমিশন কখনও গ্রুপ-বি অফিসার চায়নি। কমিশনের পাল্টা দাবি, এসডিএম বা এসডিও র্যাঙ্কের অফিসার চেয়ে একাধিক চিঠি দেওয়া হয়েছে।ইআরও ও মাইক্রো অবজার্ভারদের ক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট করেন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ইআরও-রাই, মাইক্রো অবজার্ভাররা নন। তিনি কড়া ভাষায় জানান, প্রয়োজনে আদালত নির্দেশ দেবে, কিন্তু কোনও অবস্থাতেই এসআইআর প্রক্রিয়ায় বাধা বরদাস্ত করা হবে না।আদালতের নির্দেশে ১৪ ফেব্রুয়ারির পর আরও এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে স্ক্রুটিনির জন্য, অর্থাৎ রাজ্যে এসআইআর-এর সময়সীমা বাড়ানো হল। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটার মধ্যে ৮৫০৫ জন অফিসারকে ইআরও-র কাছে রিপোর্ট করতে হবে। সমস্ত তথ্য যাচাই করে নির্বাচন কমিশন ঠিক করবে, কাকে নিয়োগ করা হবে আর কাকে নয়। শেষ সিদ্ধান্ত ইআরও-র হাতেই থাকবে।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৬
রাজ্য

মাদক মামলায় বড় পদক্ষেপ, হুমায়ুন কবীরের মেয়ের শ্বশুরবাড়ির ১০ কোটির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত শুরু

মাদক পাচারের অভিযোগে হুমায়ুন কবীরের মেয়ের শ্বশুরবাড়ির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করল মুর্শিদাবাদের লালগোলা থানার পুলিশ। অভিযুক্ত শরিফুল ইসলাম। সোমবার থেকেই তাঁর প্রায় ১০ কোটি টাকার বেশি সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার কাজ শুরু হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে এলাকায়।পুলিশ সূত্রে খবর, গত বছর লালগোলায় শরিফুল ইসলামের বাড়ি থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে তাঁর এক আত্মীয় জিয়াউর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতের কাছ থেকে প্রায় ৫০০ গ্রাম মাদক উদ্ধার হয়েছিল, যার আনুমানিক বাজারদর ছিল প্রায় এক কোটি টাকা। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, বেআইনিভাবে মাদক পাচারের সঙ্গে শরিফুল ইসলামও জড়িত। পুলিশের দাবি, মাদক পাচারের মাধ্যমেই তিনি কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক হয়েছেন।এই অভিযোগের ভিত্তিতেই গত ১ জানুয়ারি অবৈধ টাকায় কেনা সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার জন্য উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করে পুলিশ। অনুমতি মিলতেই সোমবার থেকে লালগোলার নলডহরি-সহ বিভিন্ন এলাকায় শরিফুল ইসলামের নামে থাকা জমি, বাড়ি ও অন্যান্য সম্পত্তি চিহ্নিত করে ফ্রিজ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়। সূত্রের খবর, মোট ১৭টি সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হতে পারে, যার মধ্যে জমি, বাড়ি, অফিস এবং একটি ব্যাঙ্কে ভাড়া দেওয়া সম্পত্তিও রয়েছে।এদিকে এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন সাসপেন্ডেড বিধায়ক ও জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর। তিনি অভিযোগ করেন, নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের পর থেকেই ইচ্ছাকৃতভাবে তাঁর পরিবারকে অপদস্থ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, যাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাঁর সঙ্গে মেয়ের শ্বশুরের সরাসরি কোনও সম্পর্ক নেই। তিনি দূর সম্পর্কের আত্মীয় মাত্র।হুমায়ুন কবীর আরও বলেন, তাঁর মেয়ের শ্বশুরের ইটভাটা, অনুষ্ঠান বাড়ি, জমি কেনাবেচা-সহ একাধিক বৈধ ব্যবসা রয়েছে এবং নিয়মিত আয়করও দেওয়া হয়। সমস্ত নথি থাকা সত্ত্বেও যেভাবে পুলিশ সম্মানহানি করছে, তার বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৬
দেশ

এসআইআর ইস্যুতে রাজ্য পুলিশের ডিজিকে শোকজ সুপ্রিম কোর্টের, চাপে প্রশাসন

পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর প্রক্রিয়া ঘিরে বিভিন্ন জায়গায় গন্ডগোলের অভিযোগ সামনে আসতেই কড়া পদক্ষেপ করল সুপ্রিম কোর্ট। এসআইআর-এর কাজে যুক্ত কর্মীদের ভয় দেখানো এবং হিংসার অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাজ্য পুলিশের ভারপ্রাপ্ত ডিজি পীযূষ পান্ডেকে শোকজ করেছে শীর্ষ আদালত। তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে হলফনামা জমা দিয়ে ঘটনার ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চ।গত বছরের নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শুরু থেকেই বিভিন্ন ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনকে নিশানা করে আসছে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। এসআইআর-এ শুনানি পর্ব শুরু হওয়ার পর রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় অশান্তির খবর সামনে আসে। কোথাও বিডিও অফিসে ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে, আবার কোথাও অফিসে ঢুকে আধিকারিককে হুমকি দেওয়ার অভিযোগও সামনে আসে।এই সব অভিযোগ সুপ্রিম কোর্টে তুলে ধরে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের দাবি, হুমকি, হিংসা এবং ভয় দেখিয়ে এসআইআর প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করার চেষ্টা করা হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও এফআইআর দায়ের হয়নি বলেও জানানো হয় আদালতে। এর পরই শীর্ষ আদালত রাজ্য পুলিশের ডিজিকে শোকজ করে ব্যক্তিগত হলফনামা জমা দিতে নির্দেশ দেয়।ডিজি পীযূষ পান্ডে এই শোকজের কী জবাব দেন, সেটাই এখন দেখার। এদিকে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, এসআইআর সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ইআরও-রাই। তাঁদের নথি যাচাইয়ের জন্য ১৪ ফেব্রুয়ারির পর আরও এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে। আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, এসআইআর প্রক্রিয়ায় কোনও বাধা বরদাস্ত করা হবে না।রাজ্য পুলিশের ডিজিকে শোকজ করা নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোরও শুরু হয়েছে। বঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, রাজ্যে আইনশৃঙ্খলার চূড়ান্ত অবনতি হয়েছে। তাঁর দাবি, ডিজিকে শোকজ করার অর্থই হল রাজ্যের পুলিশমন্ত্রীকে শোকজ করা, যেহেতু পুলিশ দফতরের দায়িত্ব মুখ্যমন্ত্রীর হাতেই রয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ভারত–পাক ম্যাচে টানাপোড়েন, আইসিসির সামনে কড়া শর্ত পাকিস্তান বোর্ডের

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলার আগে আইসিসির কাছে তিনটি দাবি তুলেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। এই দাবিগুলি মানা হলে তবেই তারা সরকারের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত বদলের কথা ভাববে বলে জানানো হয়েছে।রবিবার লাহোরে আইসিসির এক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের কর্তারা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলও। মূল লক্ষ্য ছিল ভারতপাকিস্তান ম্যাচটি নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত করা।ক্রিকবাজের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইসিসির কাছে তিনটি শর্ত দিয়েছে পাকিস্তান। প্রথমত, আইসিসির আয় থেকে পাকিস্তানের ভাগ বাড়াতে হবে। দ্বিতীয়ত, ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক ক্রিকেট সিরিজ আবার শুরু করতে হবে। তৃতীয়ত, মাঠে দুই দলের মধ্যে হ্যান্ডশেক প্রোটোকল বাধ্যতামূলক করতে হবে।বিতর্কের সূত্রপাত হয়, যখন পাকিস্তান সরকার ঘোষণা করে যে তারা ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলতে দেবে না। ম্যাচটি নিরপেক্ষ ভেন্যুতে হওয়ার কথা থাকলেও সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে বয়কটের স্পষ্ট কারণ সরকার জানায়নি।ক্রিকেট মহলে মনে করা হচ্ছে, বাংলাদেশকে সমর্থন করতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান। কারণ, নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগের কথা তুলে নিজেদের ম্যাচ ভারতের বাইরে সরানোর আবেদন করেছিল বাংলাদেশ। সেই আবেদন আইসিসি খারিজ করার পরই বাংলাদেশ টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়ায়।এই পরিস্থিতিতে আইসিসি পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনায় বসে। বৈঠকে অনলাইনে যোগ দেন আইসিসির সিইও সঞ্জোগ গুপ্ত। লাহোরে উপস্থিত ছিলেন পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নকভি, আইসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যান ইমরান খোয়াজা এবং বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল।প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশও আইসিসির কাছে ক্ষতিপূরণ চাইতে পারে। সেই বিষয়েও আলোচনায় পাকিস্তান মধ্যস্থতা করতে পারে বলে জানা গিয়েছে।পাকিস্তানের এই তিন দাবির মাধ্যমে আইসিসির উপর চাপ তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ, ভারতপাকিস্তান ম্যাচ না হলে সম্প্রচার থেকে বড় অঙ্কের আয় কমে যেতে পারে। সেই কারণেই এই ম্যাচকে হাতিয়ার করে নিজেদের দাবি আদায়ের চেষ্টা করছে পাকিস্তান।বর্তমানে আইসিসির আয়ের ভাগের দিক থেকে পাকিস্তান চতুর্থ স্থানে রয়েছে। মোট আয়ের ৫.৭৫ শতাংশ পায় তারা। ২০২৩ সালের হিসাবে আইসিসি থেকে বছরে প্রায় ৩৪.৫১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পায় পাকিস্তান বোর্ড। এই অর্থ দেশের ক্রিকেট চালানোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাকিস্তানের থেকে বেশি আয় পায় কেবল অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড ও ভারত।পিসিবির দ্বিতীয় দাবি, ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ ফের শুরু করা। তবে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দুই দেশের সরকারের হাতে। আইসিসি সরাসরি এমন সিরিজ আয়োজন করতে পারে না, তারা শুধু মধ্যস্থতা করতে পারে।তৃতীয় দাবি, হ্যান্ডশেক প্রোটোকল চালু করা। ২০২৫ সালের এশিয়া কাপে পাহেলগাম জঙ্গি হামলার পর ভারতীয় দল পাকিস্তানের ক্রিকেটার ও সাপোর্ট স্টাফদের সঙ্গে করমর্দন করতে অস্বীকার করেছিল। সেই ঘটনার পরই এই বিষয়টি সামনে এসেছে।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৬
দেশ

সপ্তাহের শুরুতেই আতঙ্ক! একসঙ্গে ৯ স্কুলে বোমা হুমকি, ছুটল পুলিশ-বম্ব স্কোয়াড

সপ্তাহের প্রথম দিনেই দিল্লির একাধিক স্কুলে বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। সোমবার সকালে রাজধানীর নয়টি স্কুলে এই হুমকি আসে। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে যায় পুলিশ, দমকল এবং বম্ব স্কোয়াড।দিল্লির দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ প্রথম হুমকির খবর আসে। রাজধানীর বেশ কয়েকটি নামী স্কুলে ইমেইলের মাধ্যমে এই হুমকি পাঠানো হয়। এর মধ্যে ছিল লরেটো কনভেন্ট স্কুল (দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট), কেমব্রিজ স্কুল (দক্ষিণ দিল্লি), ভেঙ্কটেশ্বর স্কুল (উত্তর-পশ্চিম দিল্লি), সিএম স্কুল ও বাল ভারতী স্কুল (রোহিণী), ডিটিএ স্কুল এবং দ্য ইন্ডিয়ান স্কুল।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ইমেইলে উসকানিমূলক ও উদ্বেগজনক বার্তা লেখা ছিল। সেখানে উল্লেখ করা হয়, দিল্লি খালিস্তান হয়ে যাবে, পঞ্জাব খালিস্তান। ইমেইলে আফজল গুরুর নামও লেখা ছিল বলে জানা গিয়েছে।শুধু স্কুল নয়, উড়ো ইমেইলে সংসদেও বিস্ফোরণের হুমকি দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১টা ১১ মিনিটে সংসদে বিস্ফোরণ ঘটানো হবে।হুমকির খবর ছড়াতেই স্কুলগুলিতে আতঙ্ক দেখা দেয়। অনেক অভিভাবক তড়িঘড়ি স্কুলে পৌঁছে যান। পড়ুয়াদের দ্রুত বাইরে বের করে ভবন খালি করা হয়। পরে পুলিশ ও বম্ব স্কোয়াড স্কুলগুলিতে তল্লাশি চালায়। এখনও পর্যন্ত কোথাও কোনও বিস্ফোরক মেলেনি বলে পুলিশ জানিয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৬
বিদেশ

বিদায়ের আগে ঋণের বোঝা বাড়ালেন ইউনূস? নির্বাচন ঘিরে প্রশ্ন বাংলাদেশে

বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচনের আর বেশি দেরি নেই। হাসিনা সরকারের পতনের পর দেশটির শাসনভার যায় অন্তর্বর্তী সরকারের হাতে। সেই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস। এখন অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ শেষের পথে। নির্বাচনের পর ক্ষমতায় আসবে নতুন সরকার। তার আগেই একের পর এক নতুন প্রকল্পে অনুমোদন দেওয়ায় প্রশ্ন উঠছে ইউনূস সরকারের সিদ্ধান্ত নিয়ে।এমনিতেই ঋণের চাপে রয়েছে বাংলাদেশ। তার মধ্যেই নতুন প্রকল্পে বিপুল অর্থ ব্যয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই অর্থের বড় অংশই ঋণ নিয়ে জোগাড় করতে হবে বলে জানা যাচ্ছে। সেই কারণেই বিদায়ের মুখে সরকারের আর্থিক সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।ঢাকা ওয়াটার সাপ্লাই অ্যান্ড স্যুয়ারেজ অথরিটি বা ওয়াসার আগেই প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকার ঋণ রয়েছে। সেই ঋণ এখনও শোধ হয়নি। তার মধ্যেই নতুন একটি প্রকল্পে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর গত ২৩ ডিসেম্বর ওয়াসার প্রশিক্ষণ ও গবেষণা একাডেমি গড়ার পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়। এই প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৭২১ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৫৭১ কোটি টাকা দক্ষিণ কোরিয়ার কাছ থেকে ঋণ হিসেবে নেওয়া হবে।বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম প্রথম আলো-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১ ডিসেম্বর থেকে ২৫ জানুয়ারির মধ্যে মোট ৬৪টি প্রকল্পে অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এসব প্রকল্পে মোট খরচ হবে ১ লক্ষ ৬ হাজার ৯৯৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৪০টি সম্পূর্ণ নতুন প্রকল্প, যেগুলিতে খরচ হবে ৭৯ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকা। এই নতুন প্রকল্পগুলির মধ্যে কিছু প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কয়েকটি প্রকল্পকে ঘিরে বিতর্কও তৈরি হয়েছে।হাসিনা সরকারের পতনের পর গত দেড় বছরে ইউনূস সরকার মোট ১৩৫টি নতুন প্রকল্পে অনুমোদন দিয়েছে। এসব প্রকল্পে খরচ হয়েছে প্রায় ২ লক্ষ ৩ হাজার কোটি টাকা। সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ করা হয়েছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ খাতে। তুলনায় স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ কম ছিল। শেষ দিকে আবার তিনটি নতুন স্বাস্থ্য প্রকল্পে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা খাতেও কিছু বিনিয়োগ করা হয়েছে। তবে কর্মসংস্থান, যা বাংলাদেশের অন্যতম বড় সমস্যা, সেই বিষয়ে তেমন জোর দেওয়া হয়নি বলেই অভিযোগ উঠছে।এদিকে প্রকল্প বণ্টন নিয়েও নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। অভিযোগ, চট্টগ্রাম এলাকায় বেশি সংখ্যক প্রকল্পে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, অথচ ২১টি জেলায় কোনও প্রকল্পই বরাদ্দ হয়নি। কেন চট্টগ্রামেই বেশি বরাদ্দ, সে বিষয়ে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ প্রথম আলো-কে জানিয়েছেন, ঢাকার জল ও নিকাশি ব্যবস্থা চট্টগ্রামের তুলনায় অনেক উন্নত। রফতানি বাড়াতে চট্টগ্রাম বন্দরের পরিকাঠামো উন্নত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সেই কারণেই ওই এলাকায় বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal