• ১ ফাল্গুন ১৪৩২, বুধবার ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Shastri

কলকাতা

মিমির মামলায় জামিন পেলেন তনয়, তবু জেলেই থাকতে হবে কেন?

অভিনেত্রী ও সাংসদ মিমি চক্রবর্তীর করা মামলায় অবশেষে জামিন পেলেন তনয় শাস্ত্রী। তবে এখনই জেল থেকে মুক্তি মিলছে না তাঁর। পুলিশের কাজে বাধা ও পুলিশকে হেনস্থার মামলায় তনয় শাস্ত্রী-সহ আরও দুজনকে চার দিনের জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।ঘটনাটি ঘটে গত ২৫ জানুয়ারি। সেদিন বনগাঁর নয়া গোপালগঞ্জে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন মিমি চক্রবর্তী। অভিযোগ, সেই অনুষ্ঠান চলাকালীনই তাঁকে হেনস্থা করা হয়। গান বন্ধ করে তাঁকে মঞ্চ থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনার জন্য ক্লাবের এক কর্মকর্তা তনয় শাস্ত্রীর বিরুদ্ধে বনগাঁ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন মিমি।/pএরপর ২৯ জানুয়ারি তনয় শাস্ত্রীকে গ্রেফতার করতে গেলে পুলিশ বাধার মুখে পড়ে। এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। শেষ পর্যন্ত তনয়কে গ্রেফতার করা হয়। মিমিকে হেনস্থার অভিযোগের পাশাপাশি পুলিশের কাজে বাধা দেওয়া ও পুলিশকে হেনস্থার অভিযোগেও তনয়-সহ আরও দুজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।/p৩০ জানুয়ারি অভিযুক্তদের আদালতে তোলা হয়। পুলিশ সাত দিনের জেল হেফাজতের আবেদন জানালেও বিচারক চার দিনের হেফাজতের নির্দেশ দেন। সেই মেয়াদ শেষ হলে চলতি মাসের ৩ তারিখ ফের আদালতে তোলা হয় তাঁদের। আবারও সাত দিনের হেফাজতের আবেদন করে পুলিশ এবং মামলায় শ্লীলতাহানির ধারা যোগ করার আবেদন জানানো হয়। তনয়ের আইনজীবীরা জামিন চাইলেও তা খারিজ করে দেন বিচারক। একই সঙ্গে মিমি চক্রবর্তীর গোপন জবানবন্দি নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। ইতিমধ্যেই সেই জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে।বর্তমানে মিমি চক্রবর্তীর করা হেনস্থার মামলায় জামিন মিললেও পুলিশের কাজে বাধা ও হেনস্থার মামলায় আগামী ১১ তারিখ পর্যন্ত জেলেই থাকতে হবে তনয় শাস্ত্রীকে। পরবর্তী শুনানিতে আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে সব পক্ষ।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

গতির কামাল:‌ আইপিএল-এ চমক দিয়ে জাতীয় দলের অপেক্ষায় এই কাশ্মীরি তরুণ

গতবছর আইপিএলে বলের গতি দিয়ে ক্রিকেটপ্রেমীদের তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের উমরান মালিক। চলতি আইপিএলে প্রতি ম্যাচেই নিজের প্রতিভার পরিচয় দিয়ে চলেছেন। নিয়মিত বোলিং করছেন ঘন্টায় ১৫০ কিমি গতিতে। প্রতিনিয়ত নিজেকে ছাপিয়ে যাচ্ছেন। ২০২২ আইপিএলে তাঁর দ্রুততম বলটির গতি ছিল ঘন্টায় ১৫৩.১ কিমি। যে বলটি চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে উমরান মালিকের হাত থেকে বেরিয়েছিল। সোমবার গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে তাকেও ছাপিয়ে গেছেন। এদিন তাঁর একটা বলের গতি ছিল ঘন্টায় ১৫৩.৩ কিমি।উমরান মালিকের বলে গতি দেখে মু্গ্ধ ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা। ভারতের প্রাক্তন হেড কোচ রবি শাস্ত্রী আগেই উমরানের বলের গতির প্রশংসা করেছিলেন। এবার জম্মু ও কাশ্মীরের এই তরুণ জোরে বোলারকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন ইংল্যান্ডের প্রাক্তন অধিনায়ক মাইকেল ভন। তিমি মনে করছেন। উমরান মালিক খুব দ্রুতই দেশের হয়ে খেলবেন। এমনকি এই তরুণ জোরে বোলারকে কাউন্টি ক্রিকেটে খেলার পরামর্শ দিয়েছেন মাইকেল ভন। মাইকেল ভন টুইট করে বলেছেন, উমরান মালিক খুব শীঘ্রই ভারতের হয়ে খেলবেন। আমি যদি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডে থাকতাম, তাহলে এই গ্রীষ্মে উমরানকে কাউন্টি ক্রিকেট খেলতে পাঠাতাম। যাতে তার বোলিংয়ের উন্নতিতে সাহায্য করা যায়। এই মুহূর্তে আইপিএলে কমেন্ট্রি করছেন মাইকেল ভন। খুব কাছ থেকে উমরান মালিকের বোলিং দেখার সৌভাগ্য হয়েছে। ভন মনে করছেন, অদূর ভবিষ্যতে ভারতীয় দলে জায়গা করে নেবেন জম্মু ও কাশ্মীরের এই তরুণ জোরে বোলার। শুধু মাইকেল ভনই নন, এর আগেই রবি শাস্ত্রীর মুখ থেকেও একই কথা শোনা গেছে। ভারতীয় দলে হেড কোচ থাকার সময় উমরান মালিককে খুব কাছ থেকে দেখেছিলেন শাস্ত্রী। সেই সময় উমরান ভারতীয় দলে নেট বোলার হিসেবে ছিলেন। নেটে উমরান মালিকের বোলিং দেশে রবি শাস্ত্রী ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ও নির্বাচকদের পরামর্শ দিয়েছিলেন তাঁকে জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাদেমিতে রাখার। যাতে উমরান নিজের দক্ষতার বিকাশ ঘটাতে পারেন।গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে গতি দিয়ে দারুণ নজর কেড়েছেন উমরান মালিক। তাঁর প্রথম ডেলিভারিটি ছিল একটি বিষাক্ত বাউন্সার। যা হার্দিক পান্ডিয়ার হেলমেটে ছোবল মেরেছিল। গুজরাট টাইটান্সের অধিনায়ক ম্যাচের পরে স্বীকার করেছিলেন যে, উমরানের ওই বাউন্সার তাঁকে তাতিয়ে দিয়েছিল। পরের দুটি বলে অবশ্য বাউন্ডারি মেরেছিলেন হার্দিক। দারুণ গতিতে বোলিং করলেও উমরানের সব থেকে বড় সমস্যা হল ধারাবাহিকতার অভাব। নির্দিষ্ট লেংথে বোলিং করতে পারেন না উমরান মালিক। যার ফলে তিনি অনেক বেশি রান দিয়ে ফেলেন। মালিকের ঈর্ষণীয় গতি ছাড়াও জোরে বোলার হিসেবে অনেক কিছু আছে। তাঁর শরীর আদর্শ ক্রীড়াবিদসুলভ। মসৃণ রান আপ। বোলিং অ্যাকশনও দারুণ। এসবই তাঁর উজ্জ্বল ভবিষ্যতের ইঙ্গিত। এই বছর আইপিএলের মেগা নিলামের আগে তাঁকে ধরে রেখে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ যে ভুল করেনি, প্রমান করেই চলেছেন উমরান মালিক।

এপ্রিল ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌‌বিশ্বকাপ জেতেনি বলে কোহলি খারাপ ক্রিকেটার?‌ কী বললেন শাস্ত্রী

মহেন্দ্র সিং ধোনির হাত থেকে নেতৃত্বের আর্ম ব্যান্ড পাওয়ার পর ভারতীয় দলকে অন্য উচ্চতায় তুলে নিয়ে গিয়েছিলেন বিরাট কোহলি। লালবলের ক্রিকেটে তাঁর নেতৃত্বেই দীর্ঘদিন শীর্ষে ছিল ভারত। একদিনের ক্রিকেটেও দুর্দান্ত সাফল্য। তবে একটাই আক্ষেপ, কখনও আইসিসির প্রতিযোগিতায় দেশকে চ্যাম্পিয়ন করতে পারেননি। এরজন্য কোহলিকে অনেকেই হেয় প্রতিপন্ন করেছেন। বিশ্বকাপ জেতেননি বলে কোহলি খারাপ ক্রিকেটার, এমনটা মনে করছেন না রবি শাস্ত্রী। সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভারতীয় দলের এই প্রাক্তন হেডস্যার বলেন, একজন ক্রিকেটারকে বিশ্বকাপ জয়ের মাপকাঠি দিয়ে বিচার করা উচিত নয়। দীর্ঘদিন ধরে সেই ক্রিকেটার কেমন খেলছে, আইকন হয়ে উঠেছে কিনা সেটা দেখতে হবে। অনেক বড় বড় ক্রিকেটারও বিশ্বকাপ জেতেনি। সৌরভ, কুম্বলে, দ্রাবিড়, লক্ষ্মণও তো বিশ্বকাপ জেতেনি। তাহলে এরা খারাপ ক্রিকেটার হয়ে গেল? বিশ্বকাপ জেতার জন্য শচীন তেন্ডুলকারকে ৬টি বিশ্বকাপ খেলতে হয়েছে। আমাদের দেশে মাত্র দুজন অধিনায়ক বিশ্বকাপ জিতেছে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সাদা ও লালবলের ক্রিকেটে সিরিজ হারতে হয়েছে ভারতকে। ভারতের তুলনায় অনেক কম শক্তিশালী ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। এইরকম দলের কাছে টেস্ট ও একদিনের সিরিজে পরাজয় অনেকেই মেনে নিতে পারছেন না। শাস্ত্রী অবশ্য মনে করছেন, এই হারে সমর্থকদের বিচলিত হওয়ার কিছু নেই। তিনি বলেন, ভারতের এই ব্যর্থতা সাময়িক। সব ম্যাচ কখনোই জেতা সম্ভব নয়। ৫ বছর ধরে ভারত বিশ্বের একনম্বর দল ছিল। সাফল্যের অনুপাত ৬৫ শতাংশ। হঠাৎ করে তাদের পারফরমেন্স নেমে যাবে? এই ব্যর্থতা কাটিয়ে খুব তাড়াতাড়ি ভারত ঘুরে দাঁড়াবে। গতবছরই টি২০ নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন। পরে একদিনের নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেন জাতীয় নির্বাচকরা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ হারের পরের দিনই টেস্ট ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ান কোহলি। তাঁর এই সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়েছেন রবি শাস্ত্রী। তিনি বলেন, নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত কোহলির ব্যক্তিগত ব্যাপার। ওর এই সিদ্ধান্তকে সবাইকে সম্মান জানাতেই হবে। সুনীল গাভাসকার, শচীন তেন্ডুলকার, মহেন্দ্র সিং ধোনির মতো অধিনায়করাও ব্যাটিংয়ে মনোযোগ দেওয়ার জন্য নেতৃত্ব ছেড়েছিল।

জানুয়ারি ২৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Ravi Shastri : বোর্ডকে আবার খোঁচা!‌ কোহলিকে নেতৃত্ব থেকে সরানো নিয়ে কী বললেন রবি শাস্ত্রী

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে রবি শাস্ত্রীর সম্পর্ক যে মধুর নয়, একথা সর্বজনবিদিত। বিরাট কোহলিকে নেতৃত্ব থেকে সরানো নিয়ে বোর্ড কর্তাদের আগেই খোঁচা দিয়েছিলেন ভারতীয় দলের এই প্রাক্তন হেড স্যার। কোহলির নেতৃত্ব বিতর্কের বিষয়টা অনেকটাই ঠান্ডা ঘরে চলে গেছে। আবার সেই বিতর্ক উস্কে দিলেন রবি শাস্ত্রী। কোহলিকে একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরানো নিয়ে আবার মুখ খুলেছেন তিনি। পরোক্ষে ভারতীয় বোর্ডকে খোঁচা দিয়েছেন শাস্ত্রী।ভারতীয় দলের এই প্রাক্তন হেড কোচ বলেছেন, কোহলিকে সরিয়ে রোহিতের হাতে একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব তুলে দেওয়াটা দুজনের কাছেই শাপে বর হয়ে দাঁড়াবে। বর্তমানের এই কোভিড পরিস্থিতিতে জৈব সুরক্ষা বলয়ে থেকে একজন অধিনায়কের পক্ষে তিনটি ফরম্যাটেই দলকে নেতৃত্ব দেওয়াটা যথেষ্ট কঠিন। সাদা বলের ক্রিকেটে অধিনায়ক না থাকায় কোহলি লাল বলের ক্রিকেটে আরও ভালভাবে মনসংযোগ করতে পারবে। সাদা বলে নেতৃত্বের প্রেশার নিতে হবে না। যতদিন চাইবে লাল বলের ক্রিকেটে দেশকে নেতৃত্ব দিতে পারবে। আরও ৫৬ বছর টেস্ট খেলতে পারবে। নিজের খেলা নিয়ে পরিকল্পনা করার সুযোগ পাবে।এর আগেও কোহলিকে নেতৃত্ব থেকে সরানো নিয়ে বোর্ড কর্তাদের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন রবি শাস্ত্রী। তিনি বলেছিলেন, কোহলি নিজের বক্তব্য জানিয়েছে। এবার বিতর্ক নিয়ে সৌরভের মুখ খোলা উচিত। তাহলে আসল সত্য বেরিয়ে আসবে। দুজনের মধ্যে কমিউনিকেশন থাকলে এইরকম পরিস্থিতি তৈরি হত না।কোহলির নেতৃত্ব বিতর্ক নিয়ে মুখ খোলার পাশাপাশি মহেন্দ্র সিং ধোনি কীভাবে গোটা দলকে অবাক করেছিল, সেকথাও জানিয়েছেন রবি শাস্ত্রী। তিনি বলেন, ২০১৪ সালে আমি ভারতীয় দলের ম্যানেজার ছিলাম। সেই সময় ধোনি আমার কাছে এসে বলেছিল, সতীর্থদের কিছু বলতে চায়। সেদিন ড্রেসিংরুমে সকলের সামনে নেতৃত্ব ছাড়ার কথা জানিয়েছিল। আমরা ওর সিদ্ধান্তে আমরা সকলেই অবাক হয়েছিলাম। সাদা বলের ক্রিকেটে আরও বেশিদিন খেলার জন্যই সেদিন ওই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।

ডিসেম্বর ২৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Virat Kohli : একদিনের ম্যাচে কবে নেতৃত্ব ছাড়ছেন বিরাট কোহলি?‌ বড় ইঙ্গিত দিলেন রবি শাস্ত্রী

আগেই ঘোষণা করেছিলেন বিশ্বকাপের পরই টি২০ ক্রিকেটে দেশকে আর নেতৃত্ব দেবেন না। সেই মতো রোহিত শর্মার হাতে টি২০ দলের নেতৃত্ব তুলে দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। একদিনের ম্যাচেও বিরাট কোহলির হাতে নেতৃত্ব থাকবে কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার আগেই সসম্মানে একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে পারেন বিরাট কোহলি। এমনই জানিয়েছেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন হেড কোচ রবি শাস্ত্রী। পাশাপাশি টি২০ বিশ্বকাপে দেশের ব্যর্থতার জন্য ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে আবার কাঠগড়ায় তুলেছেন রবি শাস্ত্রী। সংবাদ মাদ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শাস্ত্রী বলেছেন, দীর্ঘদিন জৈব সুরক্ষা থাকার ফলে ক্রিকেটাররা মানসিকভাবে ক্লান্ত ছিল। এটাই ব্যর্থতার মূল কারণ। ঠাসা ক্রীড়াসূচির কারণে বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার টানা ৬ মাস বাড়ির বাইরে। এমন অনেক ক্রিকেটার রয়েছে, যারা তিন ধরণের ফরম্যাটেই নিয়মিত খেলেছে। ফলে সব মিলিয়ে বছরে ২৫ দিনের বেশি বাড়িতে কাটানোর সময় পায়নি। মানসিক ক্লান্তি নিয়ে সেরাটা দেওয়া যায় না। যেটা হয়েছিল পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ড ম্যাচে। সব দেশের ক্রিকেট বোর্ডের উচিত, ক্রিকেটারদের মানসিক ক্লান্তির কথা মাথায় রেখে ক্রীড়াসূচি তৈরি করা। বিশ্বকাপে ভারতের ব্যর্থতার পর কপিলদেবও ঠাসা ক্রীড়াসূচি, সঠিক সূচি নির্ধারণের কথা বলেছিলেন। কপিলদেবের বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন রবি শাস্ত্রী। শুধু ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সমালোচনা করেই থেমে থাকেননি রবি শাস্ত্রী। বিরাট কোহলির নেতৃত্ব নিয়েও বড় ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, বিরাট কোহলি খুব তাড়াতাড়িই একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব ছেড়ে দেবে। কোহলি টেস্ট ক্রিকেটের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর। টেস্ট ক্রিকেটে নিজের কেরিয়ার আরও দীর্ঘায়িত করতে চায়। তাই টেস্ট ক্রিকেটে আরও ভালভাবে মনোনিবেশ করার জন্য একদিনের ক্রিকেটেও নেতৃত্ব ছেড়ে দেবে। তবে কবে কোহলি একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব ছেড়ে দেবেন, সে বিষয়ে খোলসা করে কিছু বলেননি রবি শাস্ত্রী। সামনের বছর জানুয়ারিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজ খেলবে ভারত। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজ খেলে নেতৃত্ব ছাড়তে পারেন কোহলি।

নভেম্বর ১২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup: হেড স্যার হিসেবে শেষ দিনে শাস্ত্রী ব্যর্থতার জন্য কেন দুষলেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে?‌

অবশেষে দীর্ঘ পথের যাত্রার সমাপ্তি। আর কয়েক ঘন্টার মধ্যে গায়ে সেঁটে যাব প্রাক্তনের ট্যাগ। ভারতীয় দলের হেড স্যার হিসেবে সোমবারই শেষদিন রবি শাস্ত্রীর। দুদফার কার্যকালে দেশকে সাফল্য এনে দিতে পারেননি। সে সীমিত ওভারের ক্রিকেটেই বলুন, কিংবা টি২০ ক্রিকেটে। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপেও ব্যর্থতা। মেয়াদ শেষ হওয়ার দিনে আবেগপ্রবণ রবি শাস্ত্রী। ভারতীয় দলের হেড কোচ হিসেবে সোমবার টি২০ বিশ্বকাপে নামিবিয়া ম্যাচই ছিল শেষ ম্যাচ। খেলা শুরুর আগে রবি শাস্ত্রী বলেন, ভারতীয় দলের কোচ হিসেবে আমার কাছে এই যাত্রাটা অসাধারণ। যখন ভারতীয় দলের দায়িত্ব নিয়েছিলাম, আমি নিজেকে মনে মনে বলেছিলাম, পার্থক্য করতে চাই। আমার মনে হয় কাজটি আমি করতে সক্ষম হয়েছি। জীবনে কখনও কখনও সবকিছু অর্জন করা সম্ভব হয়না। তা সত্ত্বেও এই ছেলেরা গত ৫ বছরে যা অর্জন করেছে, যেভাবে বিশ্বজুড়ে খেলে বেড়িয়েছে, এবং সব ধরণের ফর্ম্যাটে যেভাবে পারফর্ম করেছে, তাতে বিশ্বে দুর্দান্ত দল হিসেবে নিজেদের প্রতিপন্ন করেছে। এ বিষয়ে আমার মনে কোনও সন্দেহ নেই। তবে এটা দুর্ভাগ্যজনক যে, আমরা এই বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছি। এই ব্যর্থতা দুর্দান্ত ভারতীয় দলের কাছ থেকে কিছু নিয়ে যায়নি। সীমিত ওভারের ক্রিকেটে ব্যর্থতা সঙ্গী হলেও টেস্ট ক্রিকেটে নিজের দলকে এগিয়ে রেখেছেন রবি শাস্ত্রী। তিনি বলেন, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, শ্রীলঙ্কা, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে লাল বলের ক্রিকেটে সিরিজ জিতে আমরা এগিয়ে আছি। এই এগিয়ে থাকাটা আমরা দীর্ঘদিন ধরে রাখতে পারব। কারণ ওদের বিরুদ্ধে আবার পরের বছর সিরিজ খেলব। সাদা বলের ক্রিকেটে প্রতিটি দলকে তাদের ঘরের মাঠে পরাজিত করেছি, যা আমার প্রচেষ্টা এবং দলের প্রচেষ্টা ছিল।এই দলটা দেখিয়েছে যে তাদের আরও অনেক দক্ষতা রয়েছে। ২০১৭ সালে পাকিস্তানের কাছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারত পরাজিত হওয়ার পর হেড কোচ নিযুক্ত হন রবি শাস্ত্রী। বিদেশের মাটিতে সাফল্য থেকে এক নম্বর টেস্ট দল হওয়ার লক্ষ্যপূরণ হলেও কোহলিশাস্ত্রী জুটি ভারতকে কোনও আইসিসি ইভেন্টে চ্যাম্পিয়ন করাতে পারেনি।রবি শাস্ত্রীর উত্তরাধিকারী হিসেবে দায়িত্ব নিচ্ছেন রাহুল দ্রাবিড়। উত্তরসূরীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শাস্ত্রী। তিনি বলেন, ভারতীয় দল একজন ভাল কোচ পাচ্ছে। দ্রাবিড়কে অনেক অনেক শুভেচ্ছা। আমি মনে করি অভিজ্ঞতা দিয়ে দ্রাবিড় সময়মতো সেরাটা বার করে নিয়ে আসবে। এই দলে বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার রয়েচে যারা আরও ৩৪ বছর খেলবে। ভারতের এই দলটা রূপান্তরিত দল নয়। এটাই বড় পার্থক্য তৈরি করবে। কোহলিই এখনও দলে রয়েছে। অধিনায়ক হিসেবে দারুণ কাজ করেছে। গত ৫ বছর ধরে টেস্ট ক্রিকেটে সবথেকে বড় ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর। যেভাবে দলকে খেলাতে চায় এবং গোটা দল যেভাবে তাকে আঁকড়ে ধরেছে, দল সম্পর্কে যেভাবে চিন্তা করে, তার জন্য অনেক কৃতিত্ব দিতে হবে। বিশ্বকাপে ব্যর্থতা প্রসঙ্গে শাস্ত্রী বলেন, আমি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। আর সেটা আমার বয়সের কারণে। দীর্ঘ ৬ মাস বায়ো বাবলে থেকে এই দলের ক্রিকেটাররাও শারীরিক এবং মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। আইপিএল এবং বিশ্বকাপের মধ্যে একটা বড় ব্যবধান থাকলে ভাল হত। যখন কোনও বড় প্রতিযোগিতা আসে, চাপ তৈরি হয়, তখন পরিবর্তনের দরকার হয়। তবে বিশ্বকাপে ব্যর্থতার জন্য এটা কোনও অজুহাত হতে পারে না। আমরা হারকে মেনে নিতে পারি, কারণ হারতে ভয় পাই না। আমরা জেতার চেষ্টা করেও পারিনি, কারণ এক্সফ্যাক্টর অনুপস্থিত ছিল। তবে এটা কোনও অজুহাত হতে পারে না।

নভেম্বর ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : ‌কোহলি–শাস্ত্রী জুটির পরিসমাপ্তি, এক নজরে দেখে নেওয়া যাক পরিসংখ্যান

টি২০ ক্রিকেটে ভারতীয় দলের আর্ম ব্যান্ড হাতে আর মাঠে নেতৃত্ব দিতে দেখা যাবে না বিরাট কোহলিকে। বিশ্বকাপে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে ক্যাপ্টেন হিসেবে কোহলির ছিল শেষ ম্যাচ। কোচ হিসেবে রবি শাস্ত্রীরও এটাই ছিল শেষ ম্যাচ। শাস্ত্রীকোহলি জুটির সেরা সাফল্য ইংল্যান্ডের মাটিতে ও অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট সিরিজ জয়। তার মধ্যে অস্ট্রেলিয়াকে তাদের ঘরের মাটেতে দুদুবার টেস্ট সিরিজে হারিয়েছে ভারত। তবে আসল জায়গায় ব্যর্থ। আইসিসির কোনও প্রতিযোগিতায় দেশকে চ্যাম্পিয়ন করতে পারেনি এই জুটি। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক অধিনায়ক হিসেবে বিরাট কোহলি ও কোচ রবি শাস্ত্রীর পরিসংখ্যান। ২০১৭ সালে মহেন্দ্র সিং ধোনির হাত থেকে টি২০ ক্রিকেটে দেশের দায়িত্ব তুলে নেন বিরাট কোহলি। তারপর থেকে তিনি দেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন ৫০টি টি২০ ম্যাচে। সোমবার বিশ্বকাপে নামিবিয়ার বিরুদ্ধেই কোহলির ছিল অধিনায়ক হিসেবে ৫০ তম ম্যাচ। ৫০ তম ম্যাচে দলকে জয় এনে দিলেও বিশ্বকাপে ব্যর্থতার তকমা গায়ে সেঁটেই নেতৃত্ব থেকে সরে যেতে হল কোহলিকে। দেশকে ৫০টি টি২০ ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়ে ৩০টিতে জয় এনে দিয়েছেন কোহলি। হেরেছেন ১৬টিতে। ২টি ম্যাচ টাই হয়েছে। আর ২টি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছে। কোহলির পূর্বসূরী মহেন্দ্র সিং ধোনি দেশকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ৭২ ম্যাচে। জিতেছিলেন ৪১টি ম্যাচ। ২৮টি ম্যাচে হারতে হয়েছিল। ১ট ম্যাচ টাই, ২টি ম্যাচে কোনও ফলাফল হয়নি। অধিনায়ক হিসেবে বিরাট কোহলি ৫০টি টি২০ ম্যাচে রান করেছেন ১৫৭০। নামিবিয়ার বিরুদ্ধে অধিনায়ক হিসেবে জীবনের শেষ টি২০ ম্যাচে ব্যাট হাতে মাঠে নামেননি কোহলি। টি২০ ক্রিকেটে সর্বাধিক রান সংগ্রহকারী অধিনায়কদের মধ্যে চতুর্থ স্থানে রয়েছেন তিনি। তবে অধিনায়ক হিসেবে দ্রুততম ১ হাজার টি২০ রানের মালিক বিরাট কোহলি। মাত্র ৩০টি ইনিংসে তিনি এই মাইলস্টোনে পৌঁছেছিলেন। অধিনায়ক হিসেবে সর্বাধিক হাফ সেঞ্চুরির মালিক ছিলেন কোহলি। এই বিশ্বকাপে তাঁকে টপকে গেছেন পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম, অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ ও নিউজিল্যানন্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। পাকিস্তান, বাংলাদেশ বাদে সব টেস্ট খেলিয়ে দেশের বিরুদ্ধে টি২০ সিরিজ জেতারও নজির রয়েছে বিরাট কোহলির। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আর জুটি হিসেবে দেখা যাবে না অধিনায়ক বিরাট কোহলি ও কোচ রবি শাস্ত্রীকে। কোচ হিসেবে শাস্ত্রীর জমানায় ভারত ৪৩টি টেস্ট খেলেছে। জিতেছে ২৫টি এবং হেরেছে ১৩টিতে। একদিনের ক্রিকেটে ৭৬টি ম্যাচের মধ্যে ভারত জিতেছে ৫১টিতে, হেরেছে ২২টি। টি২০ ক্রিকেটে ৬৪টি ম্যাচে ভারতকে কোচিং করিয়েছেন শাস্ত্রী। জয় এসেছে ৪২টিতে এবং হার ১৮টিতে।

নভেম্বর ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Ravi Shastri : রবি শাস্ত্রীর দাবি, সঠিক সময়েই দায়িত্ব ছেড়ে যাচ্ছেন

এবছর টি২০ বিশ্বকাপের পরই ভারতীয় দলের হেড কোচ রবি শাস্ত্রীর কার্যকালের মেয়াদ শেষ। তাঁর হাতে আর নতুন করে দায়িত্ব তুলে দেওয়ার কথাও ভাবছে না ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। বিরাট কোহলিদের হেড স্যারের দায়িত্ব অনিল কুম্বলের হাতে দেওয়ার ভাবনাচিন্তাও শুরু করেছেন বোর্ড কর্তারা। রবি শাস্ত্রীর দাবি, তিনি বোর্ডকে আগেই জানিয়েছিলেন বিশ্বকাপের পর আর কোচিং করাতে চান না। সঠিক সময়েই ছেড়ে যাচ্ছেন বলে মনে করছেন রবি শাস্ত্রী। কোচ হিসেবে যা যা চেয়েছিলেন সবকিছুই পেয়েছেন বলে বলে দাবি করেছেন তিনি।সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শাস্ত্রী বলেছেন, আমি যা যা চেয়েছি, সবই পেয়েছি। ৫ বছর ধরে টেস্ট ক্রিকেটে ১ নম্বর। অস্ট্রেলিয়ায় দুবার সিরিজ জিতেছি, ইংল্যান্ডেও সিরিজ জিতেছি। কোভিড পরিস্থিতির মধ্যে অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে ওদের হারানো, ইংল্যান্ডকে হারানো, এ সবের চেয়ে বড় প্রাপ্তি আমার কাছে কিছু হতে পারে না। ইংল্যান্ডে টেস্ট সিরিজে আমরা ২১ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছি। লর্ডস ও ওভালে যেভাবে খেলেছি সত্যিই দুর্দান্ত। তিনি আরও বলেছেন, সাদা বলের ক্রিকেটেও প্রতিটি দেশে গিয়ে তাদের সিরিজ হারিয়ে এসেছি। টি২০ বিশ্বকাপ জিতলে সেটা অসাধারণ ব্যাপার হবে। এর থেকে বেশি কিছু চাই না। ভারতীয় বোর্ড কর্তারা তাঁকে আর হেড কোচের দয়িত্বে চাইছেন না। নিজের ভবিষ্যত বুঝে গেছেন শাস্ত্রী। তাই সম্মান নিয়েই সরে দাঁড়াচ্ছেন। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি একটা কথা বিশ্বাস করি, যেখানে তোমাকে কেউ স্বাগত জানাবে না সেখানে মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর থাকা ঠিক নয়। দায়িত্ব যখন ছাড়তে চলেছি, প্রত্যাশার চেয়ে বেশি কিছু পেয়েই দায়িত্ব ছাড়ছি। কোভিডের মধ্যে অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে টেস্ট সিরিজ জেতা, ইংল্যান্ডে এগিয়ে থাকা আমার কাছে ভারতীয় ক্রিকেটে কাটানো চার দশকে সবচেয়ে তৃপ্তিদায়ক মুহূর্ত।ভারতীয় দলে করোনা সংক্রমণের জন্য তাঁর বই প্রকাশ অনুষ্ঠানকে দায়ী করা হলেও মানতে নারাজ শাস্ত্রী। বলেন, ওই অনুষ্ঠানে যাওয়া নিয়ে আমার কোনও আক্ষেপ নেই। হোটেলের ঘরে আবদ্ধ না থেকে ক্রিকেটাররাও যে কিছু মানুষের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পেরেছিলেন সেটাও খুব ভালো দিক। ওভাল টেস্টে যে সিঁড়ি ক্রিকেটারদের ব্যবহার করতে হয়েছে সেটা আরও ৫ হাজার মানুষ ব্যবহার করেছেন। তাহলে শুধু বই প্রকাশ অনুষ্ঠানের দিকেই তাহলে কেন আঙুল তোলা হবে? ওই অনুষ্ঠানে ২৫০র মতো মানুষ উপস্থিত ছিলেন, তাঁদের কারও তো কোভিড হয়নি। বই প্রকাশ অনুষ্ঠানের জন্য আমার করোনা হয়নি। কেন না, ৩১ অগাস্ট ছিল বই প্রকাশ অনুষ্ঠান। আমার করোনা ধরা পড়ে ৩ সেপ্টেম্বর। আমার ধারণা, লিডসেই করোনা ভাইরাসের কবলে পড়ি। ১৯ জুলাই থেকে ইংল্যান্ডে সমস্ত বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হয়। হোটেল, লিফট সব কিছু স্বাভাবিক ছন্দে ফিরে আসে। কোনও বিধিনিষেধই ছিল না।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sourav Ganguly : কোহলিদের পাশে সৌরভ, শাস্ত্রীদের কোনও শাস্তি হচ্ছে না

ম্যাঞ্চেস্টারের ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে বাতিল হওয়া ভারতইংল্যান্ড পঞ্চম টেস্টের ভবিষ্যৎ কী হবে তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। বিরাট কোহলিরা খেলতে না চাওয়ায় তাঁদের সিদ্ধান্ত নিয়ে চারিদিকে সমালোচনা শুরু হয়েছে। সমালোচনা হলেও ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি অবশ্য ক্রিকেটারদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। এমনকী রবি শাস্ত্রীদের বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে যাওয়াতে কোনও ভুল দেখছেন না। কোনও শাস্তির রাস্তাতেও হাঁটছে না ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। কোহলিদের পাশে দাঁড়িয়ে সৌরভ বলেছেন, করোনা আতঙ্কেই ক্রিকেটাররা খেলতে চায়নি। ওদের দোষ দেওয়া যায় না। নীতিন প্যাটেল আইসোলেশনে যাওয়ার পর দলের একমাত্র ফিজিও হিসেবে ছিলেন যোগেশ পারমার। স্বাভাবিকভাবেই ক্রিকেটাররা ওর সংস্পর্শে এসেছিল। এমনকী ক্রিকেটারদের করোনা পরীক্ষাও পারমারই করিয়েছিল। সব ক্রিকেটারদের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করছিল পারমারই। পারমার করোনা আক্রান্ত হতেই দলের ক্রিকেটাররা বিধ্বস্ত হয়ে পড়ে। তাদের মধ্যে আশঙ্কা দেখা দেয় তারাও সংক্রমিত হয়েছে কিনা। সেই ভাবনা থেকেই ভীতির সঞ্চার হয়। জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকা এমনিতেই খুব কঠিন। তাই ক্রিকেটারদের অনুভূতিকে মর্যাদা দিতেই হত। আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডেরও পাশে দাঁড়াচ্ছে ভারতীয় বোর্ড। প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি বলেছেন, ওল্ড ট্র্যাফোর্ড টেস্ট বাতিল হওয়ায় ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড বিপুল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। এটা সামাল দেওয়া সহজ নয়। আগামী বছরও যদি টেস্টটি আয়োজন করা হয় তাহলে সেটি একটি টেস্ট হিসেবেই গণ্য করা হবে। এই সিরিজের অন্তর্গত হবে না। বোর্ডের অনুমতি ছাড়াই ক্রিকেটারদের নিয়ে টিম হোটেলে বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন রবি শাস্ত্রী। সেই প্রসঙ্গে সৌরভ বলেন, বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য শাস্ত্রী, কোহলিরা বোর্ডের কাছ থেকে অনুমতি নেয়নি। কতদিন হোটেলের ঘরে আবদ্ধ থাকা যায়? দিনের পর দিন একই ঘরে আটকে থাকা সম্ভব নয়। হোটেল থেকে মাঠ, মাঠ থেকে হোটেলের ঘরে নিজেকে আবদ্ধ করে রাখা দীর্ঘদিন চলতে পারে না। বায়ো বাব্লে দীর্ঘ সময় থাকা সম্ভব নয়। এক বছর ধরে ক্রিকেটার ও সাপোর্ট স্টাফরা জৈব সুরক্ষা বলয়ে রয়েছেন। এটা মজার ব্যাপার নয়। শরীর ও মনের উপর প্রভাব পড়ে। ভারতীয় দলের সকলেই মানুষ এটা তো অস্বীকারের উপায় নেই। ইংল্যান্ড থেকে আবার সংযুক্ত আমিরশাহীর জৈব সুরক্ষা বলয়ে ঢুকে পড়েছে ক্রিকেটাররা। আবার কোয়ারান্টিন, আবার বায়ো বাবল। এরপর টি ২০ বিশ্বকাপের বায়ো বাবল। এটা সহজ ব্যাপার নয়। সেখান থেকে বেরিয়ে আসারও প্রয়োজন রয়েছে। ভারতীয় বোর্ড শাস্ত্রীদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেবে না বলেও জানিয়েছেন সৌরভ। এদিকে, ম্যাঞ্চেস্টারে পঞ্চম টেস্ট বাতিল হওয়ায় বড় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড। ক্ষতি পুষিয়ে দিতে পরের বছর নির্ধারিত ম্যাচ ছাড়াও ২টি অতিরিক্ত টি২০ ম্যাচ খেলার প্রস্তাব দিল ভারতীয় বোর্ড। ২০২২এর জুলাইয়ে ৩টি করে একদিনের ও টি২০ খেলতে ইংল্যান্ড যাবে ভারত। সে সময় টি২০ সিরিজ বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে ভারতের পক্ষ থেকে। বিষয়টি সম্প্রচারকারী টিভি চ্যানেলের ওপর নির্ভর করছে। ম্যাঞ্চেস্টার টেস্টের জন্য ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় সাড়ে ১৮ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছিল তারা। ২টি টি২০তে সেই টাকা ওঠার সম্ভাবনা কম।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Kohli and Shastri : শাস্ত্রী ও কোহলির ওপর অসন্তুষ্ট বোর্ড, চাওয়া হবে কৈফিয়ত

জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকা সত্ত্বেও রবি শাস্ত্রীসহ তিন সাপোর্ট স্টাফ কীভাবে করোনায় আক্রান্ত হলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অনেকেই মনে করছেন, বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে গিয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন। কেউ কেউ মনে করছেন হোটেলের লিফটে চলাচলের সময় আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন। তবে যেখানেই আক্রান্ত হোন না কেন, রবি শাস্ত্রী, বিরাট কোহলিদের ওপর বেজায় চটেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। কেন বোর্ডের অনুমতি ছাড়া অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন, তার কৈফিয়ত চাওয়া হবে। বোর্ডের এক শীর্ষ কর্তা বলেছেন, ওই বই প্রকাশ অনুষ্ঠানের ছবি ভারতীয় বোর্ড কর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় বোর্ডের মুখ পুড়েছে। ওভালের ওই ঘটনার জন্য কোচ ও অধিনায়ককে প্রশ্ন করা হবে। লন্ডনের যে হোটলে ভারতীয় দল রয়েছে, সেখানেই গত মঙ্গলবার রবি শাস্ত্রীর নিজের বই প্রকাশ অনুষ্ঠান ছিল। সেখানে বাইরের অনেক অতিথি হাজির ছিলেন। অনেকেই মনে করছেন, সেই অনুষ্ঠান থেকেই কোনও ভাবে সংক্রমিত হয়ে থাকতে পারেন ভারতীয় দলের হেড কোচ। শাস্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় দলের আরও যাঁরা কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন, সেই বোলিং কোচ ভরত অরুণ, ফিল্ডিং কোচ আর শ্রীধর এবং ফিজিয়ও নীতিন প্যাটেলও ওই অনুষ্ঠানে ছিলেন।হোটেলে বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রচুর মানুষের ভিড় ছিল। শাস্ত্রীর সঙ্গে মঞ্চে উঠেছিলেন কোহলি। অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য কেউই ভারতীয় বোর্ডের অনুমতি নেননি। দুজনের কাছেই কৈফিয়ত চাওয়া হবে বলে বোর্ডের একটা সূত্র থেকে জানা গেছে। দলের প্রশাসনিক ম্যানেজার গিরিশ ডোংরের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। বই প্রকাশ অনুষ্ঠানটি কোনও বোর্ডেরই অনুমোদিত ছিল না।এদিকে, আজই লন্ডন থেকে ম্যাঞ্চেস্টারে পৌঁছে গেল ভারতীয় দল। রবি শাস্ত্রীসহ ৩ সাপোর্ট স্টাফ লন্ডনের হোটেলেই আইসোলেশনে রয়েছেন। ট্রেনে চড়ে ম্যাঞ্চেস্টার সফরের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন ঋদ্ধিমান সাহা। সিরিজ জয়ের হাতছানি ভারতের সামনে। শুক্রবার ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে শুরু পঞ্চম তথা শেষ টেস্ট।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌‌Ravi Shastri : ম্যাঞ্চেস্টারে অভিভাবকহীন হয়ে পড়লেন বিরাট কোহলিরা

তাঁর ল্যাটেরাল ফ্লো টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছিল। আরটিপিসিআর পরীক্ষার রিপোর্টও পজিটিভ এসেছে। ফলে দলের সঙ্গে ম্যাঞ্চেস্টার যেতে পারবেন না ভারতীয় দলের হেড কোচ রবি শাস্ত্রী। শুধু শাস্ত্রী নন, বোলিং কোচ ভরত অরুণ, ফিল্ডিং কোচ আর শ্রী ধরের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। কেউই ম্যাঞ্চেস্টার যেতে পারবেন না। পলে পঞ্চম টেস্টে অভিভাবকহীন হয়ে পড়লেন বিরাট কোহলিরা। হেড কোচ রবি শাস্ত্রীকে ছাড়াই সিরিজ নির্ণায়ক টেস্ট খেলতে নামতে হবে ভারতকে।আরও পড়ুনঃ মুখ্যমন্ত্রীকেই জেতাতেই কী ভবানীপুরে উপনির্বাচন?প্রশ্ন তুললেন দিলীপউইকেটকিপার ঋষভ পন্থ করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে ভারতীয় শিবিরে নিয়মিত ল্যাটেরাল ফ্লো পরীক্ষার রীতি চালু হয়েছে। সব ক্রিকেটারকে কিট দেওয়া হয়। প্রেগনেন্সি টেস্টের মতো নিজে নিজেই এই পরীক্ষা করা যায়। এই পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এলে তারপর আরটিপিসিআর পরীক্ষা করা হয় নিশ্চিত হওয়ার জন্য। শাস্ত্রীর দুবার ল্যাটেরাল ফ্লো পরীক্ষা হয়েছিল। দুটি রিপোর্টই পজিটিভ আসে। তারপরই আরটিপিসিআর টেস্ট করা হয়। সেই রিপোর্টেও পজিটিভ এসেছে। বোলিং কোচ ভরত অরুণ, ফিল্ডিং কোচ আর শ্রী ধরের আরটিপিসিআর টেস্টের রিপোর্টও পজিটিভ। তিনজনকেই ১০ দিন লন্ডনে হোটেলে আইসোলেশনে থাকতে হবে। ফলে ম্যাঞ্চেস্টার যেতে পারবেন না এই ৩ সাপোর্ট স্টাফ। মঙ্গলবারই ভারতীয় দলের ম্যাঞ্চেস্টার যাওয়ার কথা।আরও পড়ুনঃ শার্দুল, ঋষভের দুরন্ত ব্যাটিংয়ে জয়ের স্বপ্ন ভারতেররবি শাস্ত্রীর সংস্পর্শে আসা নীতিন প্যাটেলের আরটিপিসিআর টেস্টের রিপোর্ট নেগেটিভ এলেও তাঁকে ম্যাঞ্চেস্টার নিয়ে যাওয়া হচ্ছে না। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের একটি সূত্র জানিয়েছে, শাস্ত্রীর হালকা গলা ব্যথা রয়েছে। করোনার মৃদু উপসর্গও রয়েছে। বাকিদের কোনও উপসর্গ নেই। নীতিন প্যাটেলের রিপোর্ট নেগেটিভ এলেও ওকে ম্যাঞ্চেস্টার নিয়ে যাওয়া হবে না। এটা আগে থেকেই ঠিক ছিল। ব্যাটিইং কোচ বিক্রম রাঠোরই ম্যাঞ্চেস্টারে দায়িত্ব সামলবে। ম্যাঞ্চেস্টারে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে ক্রিকেটারদের জন্য আলাদা বায়ো বাবল তৈরি করা হবে।আরও পড়ুনঃ লাইনে হুড়োহুড়ি নয়, এই জেলায় বাড়িতে বসেই মিলবে কোভিড-টিকার কুপনভারতীয় দলের প্রত্যেকেই করোনা ভ্যাকসিনের দুটি করে ডোজ নিয়েছেন। তারপরও শাস্ত্রী কীভাবে করোনার কবলে পড়লেন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। মনে করা হচ্ছে, টিম হোটেলে ওভাল টেস্ট শুরুর আগের দিন রবি শাস্ত্রীর বই প্রকাশ অনুষ্ঠান ছিল। সেখানে বাইরের অনেক অতিথিই এসেছিলেন, তাঁরা শাস্ত্রীর কাছাকাছিও পৌঁছে কথা বলেছিলেন। ওই অনুষ্ঠানে ভরত অরুণ, শ্রীধর ও প্যাটেল শাস্ত্রীর কাছাকাছিই ছিলেন। ওই অনুষ্ঠান থেকেই সংক্রমণ ছড়িয়ে থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

R‌abi Shastri : দুঃসংবাদ ভারতীয় শিবিরে, করোনায় আক্রান্ত হেড কোচ রবি শাস্ত্রী

ওভাল টেস্ট চলাকালীনই দুঃসংবাদ ভারতীয় শিবিরে। করোনায় আক্রান্ত বিরাট কোহলিদের হেড স্যার। তিনি হোটেলের রুমে আইসোলেশনে রয়েছেন। স্বভাবতই হেড কোচকে ছাড়াই রবিবার মাঠে আসতে হয়েছে কোহলিদের। শনিবার রাতে ক্রিকেটারদের পাশাপাশি সব সাপোর্ট স্টাফের ল্যাটেরাল ফ্লো টেস্ট করা হয়। হেড কোচ রবি শাস্ত্রীর টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। সঙ্গে সঙ্গে দলের মেডিকেল টিম রবি শাস্ত্রীকে আইসোলেশনে পাঠিয়ে দেয়। রবি শাস্ত্রীর পাশাপাশি দলের বোলিং কোচ ভরত অরুণ, ফিডিং কোচ আর শ্রীধর ও ফিজিও নীতিন প্যাটেলকেও আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। রবিবার টেস্টের চতুর্থ দিন মাঠে নামার আগে ভারতীয় দলের সব ক্রিকেটারের দুবার ল্যাটেরাল ফ্লো টেস্ট পরীক্ষা হয়। সেই পরীক্ষার রিপোর্ট কোনও ক্রিকেটারের পজিটিভ না আসায় স্বস্তি মেলে। কোহলিদের মাঠে নামতে কোনও অসুবিধা হয়নি। তবে সাপোর্ট স্টাফদের এবার আরটি-পিসিআর পরীক্ষা হবে। সেই রিপোর্টের ওপরই নির্ভর করবে তাঁদের গতিবিধি। ভারতীয় দলের মেডিক্যাল টিম সবুজ সঙ্কেত না দেওয়া পর্যন্ত সব সাপোর্টকে হোটেল রুমে আইসোলেশনে থাকবেন।কোহলিদের শনিবার রাতের পর রবিবার সকালেও ল্যাটেরাল ফ্লো টেস্ট হয়। ক্রিকেটারদের সকলের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ আসায় মাঠে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। যে প্রাথমিক পরীক্ষায় রবি শাস্ত্রীর করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে তা একপ্রকার সেল্ফ টেস্ট কিট। ভারতীয় দলের প্রত্যেক সদস্যকেই তা দেওয়া হয়েছে। এই পরীক্ষার রিপোর্ট সব সময়ই সঠিক আসে, তা কিন্তু নয়। নিশ্চিত হওয়ার জন্য আরটি-পিসিআর টেস্টেরই ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সচিব জয় শাহ বলেছেন, শনিবার ফ্লো টেস্টে হেড কোচ রবি শাস্ত্রীর করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। আরটিপিসিআর টেস্ট করা হয়েছে। সেই টেস্টের রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে। ভারতীয় দলের চিকিৎসকরা কোচ রবি শাস্ত্রীকে আইসোলেশনে পাঠিয়েছে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে একইসঙ্গে আইসোলেশনে পাঠানো হয়েছে বোলিং কোচ ভরত অরুণ, ফিল্ডিং কোচ আর শ্রীধর এবং ফিজিও নীতিন প্যাটেলকেও।সিরিজের পঞ্চম তথা শেষ টেস্ট খেলতে মঙ্গলবারই ভারতীয় দলের ম্যাঞ্চেস্টার যাওয়ার কথা। রবি শাস্ত্রী সত্যিই করোনা আক্রান্ত কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যাবে আরটিপিসিআর টেস্টের রিপোর্ট পাওয়ার পর। শাস্ত্রী ও অন্য সাপোর্ট স্টাফ, যারা আইসোলেশনে রয়েছেন তাঁদের রিপোর্ট পজিটিভ এলে বাধ্যতামূলকভাবে ১০ দিন আইসোলেশনে থাকতে হবে। দুদুটি আরটিপিসিআর টেস্টের রিপোর্ট নেগেটিভ এলে তবেই তাঁরা দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারবেন। আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনাল খেলার পর ভারতীয় দল যখন ছুটিতে ছিল তখনই ঋষভ পন্থের করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে। পরে সুস্থ হয়ে দলের সঙ্গে যোগ দেন পন্থ। কিন্তু সেই সময় থেকে পন্থের ঘটনার থেকে শিক্ষা নিয়ে প্রতিদিন ল্যাটেরাল ফ্লো টেস্ট করা হচ্ছে ভারতীয় দলের সদস্যদের। চতুর্থ টেস্ট শুরুর আগে টিম হোটেলে রবি শাস্ত্রী বই প্রকাশ অনুষ্ঠান ছিল। সেখানে অনেক বহিরাগত অতিথি এসেছিলেন। সেখান থেকে শাস্ত্রীর সংক্রমিত হয়ে থাকতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২১
কলকাতা

আগুনে পুড়ে মৃত্যু জ্যোতিষী জয়ন্ত শাস্ত্রীর

অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু হল জ্যোতিষী জয়ন্ত শাস্ত্রীর। নিজের বাড়িতেই বিধ্বংসী আগুনে পুড়ে মারা গেলেন তিনি। জানা গিয়েছে , রবিবার সকালে কেষ্টপুর সমর সরণিতে জয়ন্ত শাস্ত্রীর বাড়িতে আগুন লাগে। সেই সময় ঘরেই ছিলেন তিনি। প্রতিবেশীরা আগুন দেখতে পেয়ে দমকল ও কেষ্টপুর থানায় খবর দেয়। জয়ন্তবাবুর বাড়ির দরজায় ধাক্কা বা তাঁকে ডাকাডাকিতেও কাজ হয়নি। আরও পড়ুনঃ বিরাজমান শুভেন্দু, নেই অভিষেক! খোদ কলকাতায় ব্যানার ঘিরে চাঞ্চল্য কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছয় দমকলের দুটি ইঞ্জিন। বাড়ির দরজা ভেঙে ভিতরে ঢোকেন দমকল কর্মীরা। বেডরুম থেকে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয় জ্যোতিষীকে। বাইপাসের ধারে বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আগুন লাগার কারণ এখনও জানা যায়নি। অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ খুঁজতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

নভেম্বর ০১, ২০২০

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপ ট্রফির উপর পা, তারপরই পতন? দুই বছরে ছন্দহারা অজি ব্রিগেড

বিশ্বক্রিকেটে এক সময় অপ্রতিরোধ্য শক্তি ছিল অস্ট্রেলিয়া। ২০২৩ সালের বিশ্বকাপ জিতে ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীদের হতাশ করেছিল তারা। ফাইনালে হারাতে হয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেট দলকে। সেই জয়ের পর উল্লাসে মেতেছিলেন অজি ক্রিকেটাররা। বিশেষ করে মাইকেল মার্শের বিশ্বকাপ ট্রফির উপর পা তুলে বসে বিয়ার খাওয়ার ছবি নিয়ে তুমুল বিতর্ক হয়।মাত্র দুবছরের ব্যবধানে ছবিটা একেবারে বদলে গেছে। চলতি বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। এক ম্যাচ বাকি থাকতেই শেষ হয়ে গেছে তাদের স্বপ্ন। এমনকি জিম্বাবোয়ের মতো অপেক্ষাকৃত দুর্বল দলের কাছেও হারতে হয়েছে তাদের। নেটদুনিয়ায় অনেকেই বলছেন, অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসই আজ অস্ট্রেলিয়ার পতনের কারণ।২০২৩ বিশ্বকাপ জয়ের পর দুটি টি-২০ বিশ্বকাপ খেলেছে অস্ট্রেলিয়া। কোনওবারই সেমিফাইনালে উঠতে পারেনি তারা। ২০২৪ সালের টি-২০ বিশ্বকাপে সুপার এইটে উঠে ভারতের কাছে হেরে বিদায় নিতে হয়। ২০২৫ সালে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন ট্রফির শিরোপা জিততে পারেনি অজিরা। সেমিফাইনালে আবারও ভারতের কাছেই হারতে হয়। একই বছরে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেও ট্রফি হাতছাড়া হয়। দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরে খেতাব জেতা হয়নি প্যাট কামিন্সদের।শুধু পুরুষ দল নয়, অস্ট্রেলিয়ার মহিলা দলও সাম্প্রতিক সময়ে সাফল্য থেকে দূরে। গতবারের বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে সব ম্যাচ জিতে সেমিফাইনালে উঠলেও ভারতের কাছে হেরে বিদায় নেয় তারা। ফলে সব মিলিয়ে অজি ক্রিকেটে চলছে ট্রফিখরা।সামাজিক মাধ্যমে অনেকেই মনে করছেন, ২০২৩ সালের সেই বিতর্কিত উদ্যাপনই আজ অস্ট্রেলিয়ার জন্য কাল হয়েছে। কারও মতে, বিশ্বকাপ ট্রফির প্রতি অসম্মান দেখানোর ফল ভুগতে হচ্ছে। আবার কেউ বলছেন, দীর্ঘদিনের আধিপত্য থেকেই এসেছে অতিরিক্ত অহংকার, আর সেই কারণেই ছন্দপতন।এক সময়ের অজেয় অস্ট্রেলিয়া এখন বড় টুর্নামেন্টে বারবার ব্যর্থ। আর সেই দৃশ্য দেখে খুশি বহু ভারতীয় সমর্থক। ক্রিকেট দুনিয়ায় শক্তির সমীকরণ যে দ্রুত বদলে যায়, অস্ট্রেলিয়ার সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স যেন তারই প্রমাণ।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬
কলকাতা

কমিশনের ডেডলাইনের আগেই এফআইআর! এসআইআর বিতর্কে চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ রাজ্যের

জাতীয় কমিশনের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই এসআইআর প্রক্রিয়ায় যুক্ত চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর করল রাজ্য সরকার। এই চারজনের মধ্যে রয়েছেন দুজন ইআরও এবং দুজন এইআরও। ভোটার তালিকায় কারচুপির অভিযোগ উঠেছিল তাঁদের বিরুদ্ধে। কমিশনের নির্দেশের পরেই এই পদক্ষেপ ঘিরে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক চাপানউতোর।অভিযোগ, ভোটার তালিকা তৈরির সময় অনিয়ম হয়েছে। এই ঘটনায় এক ডেটা এন্ট্রি অপারেটরের নামও জড়ায়। চার সরকারি আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে রাজ্যকে নির্দেশ দেয় কমিশন। কিন্তু এতদিন সেই নির্দেশ মানা নিয়ে টালবাহানা চলছে বলে অভিযোগ ওঠে নবান্নের বিরুদ্ধে। এরপর রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী-কে ডেকে কড়া বার্তা দেয় কমিশন। মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার মধ্যে এফআইআর করার সময়সীমাও বেঁধে দেওয়া হয়। তার আগেই চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে রাজ্য।এই চারজনের মধ্যে পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না বিধানসভার ইআরও ও এইআরও রয়েছেন। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর পূর্ব বিধানসভার ইআরও ও এইআরও-র বিরুদ্ধেও এফআইআর হয়েছে। বারুইপুর পূর্বে দায়িত্বে ছিলেন দেবোত্তম দত্ত চৌধুরী ও তথাগত মণ্ডল। ময়নাতে ওই পদে ছিলেন বিপ্লব সরকার ও সুদীপ্ত দাস। চারজনই ডব্লিউবিসিএস অফিসার।ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়াও তীব্র। তৃণমূল কংগ্রেসের আইটি সেলের ইনচার্জ দেবাংশু ভট্টাচার্য বলেন, কমিশনের নির্দেশকে সম্মান জানিয়েই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। তবে এর অর্থ এই নয় যে কমিশনের বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ থেকে সরে আসা হচ্ছে। তাঁর দাবি, কমিশনের পাঠানো বহিরাগত মাইক্রো অবজার্ভারদের সুপারিশ মানতে চাপ দেওয়া হচ্ছিল। অথচ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার ইআরও-দেরই ছিল। যাঁরা নিয়ম মেনে কাজ করছিলেন, তাঁদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তৃণমূলের।এ দিন নবান্নে কমিশনকে কটাক্ষ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আইন অবশ্যই মানা হবে। তবে সব কিছুরই সীমা আছে। সীমা ছাড়ালে তার জবাব দেওয়া হবে। একইসঙ্গে তিনি বলেন, তাঁর বিরুদ্ধেও একাধিক এফআইআর রয়েছে, তাই বিষয়টিকে অতিরিক্ত গুরুত্ব না দেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।অন্যদিকে বিজেপির মুখপাত্র জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, কমিশন সর্বোচ্চ ক্ষমতা প্রয়োগ করে আগেই সাতজনকে সাসপেন্ড করেছে। চারজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া না হলে মুখ্যসচিবের বিরুদ্ধেও পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল। তাঁর দাবি, নিয়ম না মানলে আরও এফআইআর হতে পারে। এসআইআর প্রক্রিয়ায় কে কী কাজ করছেন, তার ডিজিটাল রেকর্ড থাকছে। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর কোনও গাফিলতি ধরা পড়লে কমিশন কঠোর ব্যবস্থা নিতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।ভোটার তালিকা সংশোধন ও এসআইআর প্রক্রিয়া ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে। কমিশন ও রাজ্যের এই টানাপোড়েন কোন দিকে গড়ায়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬
কলকাতা

ছাব্বিশের আগে ঝড় তুলবেন মমতা? বিশ্বজুড়ে প্রচারের হুঁশিয়ারিতে চর্চায় রাজ্য রাজনীতি

কয়েক দিন আগেই এসআইআর সংক্রান্ত ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত-এর বেঞ্চে নিজের বক্তব্যও পেশ করেন তিনি। আর মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে এসে ছাব্বিশের ভোটের আগে বড় কোনও ঝড়ের ইঙ্গিত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, প্রয়োজনে তিনি বিষয়টি গোটা বিশ্বে তুলে ধরবেন।এ দিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বারবার কোনও একটি গুরুতর বিষয় প্রকাশ্যে আনার ইঙ্গিত দেন মমতা। নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, বাউন্ডারির বাইরে গেলে কিন্তু ছক্কা খেতে হবে। কমিশনকে তুঘলকি কমিশন বলেও কটাক্ষ করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, তাঁরা আইন মেনে চলেন এবং চলবেন, তবে অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া হবে না।রাজ্যে এসআইআর নিয়ে একাধিক মৃত্যুর ঘটনাতেও সরব হন তিনি। তাঁর অভিযোগ, ১৬০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কিছু ইআরও-র বিরুদ্ধে একটি রাজনৈতিক দল অভিযোগ তুলেছে বলেই তাঁদের সাসপেন্ড করা হচ্ছে বলে দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, অনেক ঘটনা ঘটেছে, কিন্তু এতদিন তাঁরা চুপ থেকেছেন। তবে মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হলে তিনি আর নীরব থাকবেন না।মমতা বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস সংবিধান মেনে চলে এবং গণতন্ত্রে বিশ্বাসী। কিন্তু কেউ যদি নির্বাচনের আগেই নির্বাচন প্রক্রিয়াকে শেষ করতে চায়, তা হলে তিনি প্রত্যাঘাত করবেন। তাঁর হুঁশিয়ারি, আমায় আঘাত করলে আমি প্রত্যাঘাত করব। প্রয়োজনে ওয়ার্ল্ডওয়াইড প্রচার করব। যদিও আমি নিজের দেশকে ভালোবাসি।এ দিন তিনি সরাসরি কোনও নির্দিষ্ট ইস্যুর নাম না করলেও রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে, ঠিক কী প্রকাশ্যে আনতে চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, অনেক কীর্তি ও কেলেঙ্কারির ঘটনা তাঁর জানা আছে। তিনি বলেন, জনগণের উপর প্রতিশোধ নেবেন না। যা করার আমার উপর করুন। শেষে আরও একবার কড়া বার্তা দেন তিনি, আপনারা কেউ ৪২০ ভোল্ট হন, আমি ৪৪০ ভোল্ট।মুখ্যমন্ত্রীর এই ধারাবাহিক হুঁশিয়ারি ছাব্বিশের লোকসভা নির্বাচনের আগে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি করতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তিনি কোন তথ্য সামনে আনবেন, তা নিয়েই এখন রাজ্য রাজনীতিতে তুমুল জল্পনা।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

পড়ুয়াদের সামনে শিক্ষকের অপমান? ঝাড়ু হাতে স্কুলে সাফাই অভিযানে বিধায়ক, তুমুল বিতর্ক

বলা নেই, কওয়া নেই। ক্লাস চলার সময় হঠাৎ করেই শ্রেণিকক্ষে ঢুকে পড়লেন বিধায়ক। কেন ক্লাসরুমের মেঝে নোংরা, তা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন করলেন শিক্ষকের কাছে। শিক্ষক অনুমতি ছাড়া এভাবে ঢুকে পড়ার প্রতিবাদ করতেই পড়ুয়াদের সামনেই শুরু হয়ে যায় তুমুল বাগবিতণ্ডা। ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার ইন্দাস ব্লকের কুশমুড়ি হাইস্কুলে। এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে চাপানউতোর।স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, অন্য দিনের মতো এ দিনও চতুর্থ পিরিয়ডে ক্লাস চলছিল। দোতলার একটি হলঘরে অষ্টম শ্রেণির বাংলা পড়াচ্ছিলেন শিক্ষক গোলক বিহারী বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় আচমকাই কোনও অনুমতি না নিয়েই শ্রেণিকক্ষে ঢুকে পড়েন ইন্দাসের বিজেপি বিধায়ক নির্মল ধাড়া। তিনি ঢুকেই জানতে চান, কেন ক্লাসরুমের মেঝে এত নোংরা।শিক্ষক জানান, স্কুলে কোনও চতুর্থ শ্রেণির কর্মী বা সাফাইকর্মী নেই। পড়ুয়ারাই নিজেরাই ক্লাসরুম পরিষ্কার রাখে। শিক্ষকরাও হাত লাগান। চতুর্থ পিরিয়ডের পরেই ঘর পরিষ্কার করার কথা ছিল বলেও তিনি জানান।এরপর শিক্ষক বিধায়কের কাছে প্রশ্ন তোলেন, কেন অনুমতি না নিয়ে ক্লাসরুমে ঢোকা হল। এই প্রশ্নে ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন বিধায়ক। পড়ুয়াদের সামনেই শুরু হয় দুজনের তর্কাতর্কি। বিধায়ক আঙুল তুলে বলেন, তাঁকে কেন অনুমতি নিতে হবে। বেশ কিছুক্ষণ বচসার পর তিনি শ্রেণিকক্ষ থেকে বেরিয়ে আসেন এবং ঝাড়ু হাতে নিয়ে স্কুল চত্বর পরিষ্কার করতে শুরু করেন।এই ঘটনায় অপমানিত বোধ করছেন শিক্ষক গোলক বিহারী বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, ছাত্রছাত্রীদের সামনে এভাবে আচরণ করা ঠিক হয়নি। যদিও পরে অনুমতি না নিয়ে ক্লাসে ঢোকার বিষয়টি নিজের ভুল বলে স্বীকার করেছেন বিধায়ক নির্মল ধাড়া।ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ইন্দাস ব্লক সভাপতি শেখ হামিদ এই আচরণের কড়া নিন্দা করেছেন। তিনি বলেন, শিক্ষাঙ্গনে এ ধরনের আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তাপ বেড়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬
কলকাতা

‘মায়ের কাছেই সন্তান’ ধারণায় ধাক্কা! বাবার হাতেই আট বছরের ছেলের দায়িত্ব দিল হাইকোর্ট

বিবাহবিচ্ছেদের মামলায় সাধারণত ছোট সন্তানের দায়িত্ব মায়ের কাছেই দেওয়া হয়। যুক্তি থাকে, মায়ের অভাব শিশুমনে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে। কিন্তু এবার সেই প্রচলিত ধারণা থেকে সরে এসে গুরুত্বপূর্ণ রায় দিল কলকাতা হাইকোর্ট। নিম্ন আদালতের নির্দেশ স্থগিত করে আট বছরের এক শিশুপুত্রের দায়িত্ব বাবার হাতেই তুলে দিল হাইকোর্ট।বর্ধমানের বাসিন্দা সজল ও মৌসুমীর (নাম পরিবর্তিত) বিবাহবিচ্ছেদের মামলা চলছিল। তাঁদের আট বছরের ছেলের দায়িত্ব কার কাছে থাকবে, তা নিয়েও আইনি লড়াই শুরু হয়। নিম্ন আদালত সন্তানের দায়িত্ব মায়ের হাতে তুলে দিয়েছিল। আদালতের যুক্তি ছিল, মা উচ্চশিক্ষিতা এবং তাঁর কাছেই সন্তানের ভবিষ্যৎ নিরাপদ। পাশাপাশি বলা হয়েছিল, মায়ের অভাব শিশুমনে দাগ ফেলতে পারে।এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে বাবা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। মামলাটি শোনেন বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য এবং বিচারপতি সুপ্রতীম ভট্টাচার্য-র ডিভিশন বেঞ্চ। হাইকোর্ট নিম্ন আদালতের পর্যবেক্ষণ খারিজ করে জানায়, আবেগের চেয়ে বাস্তব পরিস্থিতি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। গত পাঁচ বছর ধরে শিশু বাবার সঙ্গেই রয়েছে এবং স্বাভাবিক জীবনযাপন করছে। তার পড়াশোনার জন্য গৃহশিক্ষকও রয়েছে। তাই হঠাৎ করে পরিবেশ বদল করা যুক্তিযুক্ত নয়।হাইকোর্ট পর্যবেক্ষণে আরও জানায়, বাবা-মায়ের বয়স তিরিশের কিছু বেশি। তাঁদের মধ্যে ইগোর লড়াই চলছে এবং একে অপরের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করা হচ্ছে। ২০২১ সাল থেকে তাঁরা আলাদা থাকছেন। মায়ের আইনজীবী উদয় শঙ্কর ভট্টাচার্য জানান, সন্তানের বয়স যখন তিন, তখন মা বাপের বাড়িতে চলে আসেন। পরে বাবা সন্তানের দায়িত্ব নিজের কাছে নিয়ে নেন। এরপর থেকেই সন্তানের হেফাজত নিয়ে আইনি লড়াই শুরু হয়।নিম্ন আদালতে শিশুর সঙ্গে কথা বলা হলে সে জানায়, সে বাবা ও মা দুজনকেই চায়। তারপরও নিম্ন আদালত সন্তানের দায়িত্ব মায়ের হাতে দেয়। তবে হাইকোর্ট জানায়, শুধুমাত্র মা উচ্চশিক্ষিতা বলেই সন্তানের ভবিষ্যৎ ভালো হবে, এমন ধারণা সঠিক নয়।নতুন নির্দেশ অনুযায়ী, আপাতত সন্তান বাবার কাছেই থাকবে। তবে মা প্রতি শনিবার বিকেলে ছেলেকে নিজের কাছে নিয়ে যেতে পারবেন এবং রবিবার সন্ধ্যা সাতটার মধ্যে বাবার বাড়িতে ফিরিয়ে দিতে হবে। নির্দেশ না মানলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। একই সঙ্গে মামলাটি হাইকোর্টের মীমাংসা কমিটিতে পাঠানো হয়েছে। আদালতের আশা, আলোচনার মাধ্যমে ভবিষ্যতে দম্পতি সম্পর্কের সমাধান খুঁজে পেতে পারেন।এই রায়কে আইনজীবী মহল গুরুত্বপূর্ণ নজির হিসেবে দেখছে। কারণ, সন্তানের হেফাজতের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র প্রচলিত ধারণা নয়, বাস্তব পরিস্থিতিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ! বসন্তের মুখে আবহাওয়ার নতুন বার্তা, বাড়বে নাকি বৃষ্টি?

দুয়ারে বসন্তের আমেজ। সকাল ও রাতে হালকা শীতের ছোঁয়া এখনও রয়েছে। ঠিক এই সময়েই দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার খবর দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। তবে আপাতত বাংলায় এর সরাসরি কোনও প্রভাব পড়বে না বলেই জানানো হয়েছে।আবহাওয়া দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন ভারত মহাসাগর এলাকায় একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছিল। সেটিই শক্তি বাড়িয়ে নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে সেটি মধ্য দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। আগামী দিনে এটি আরও শক্তিশালী হয়ে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে এগোবে। ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে পূর্ব ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এই মুহূর্তে বাংলার আবহাওয়ায় তার কোনও বড় প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা নেই।এদিকে রাজ্যে তাপমাত্রায় বড় কোনও পরিবর্তন হয়নি। কলকাতায় মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সোমবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৩৫ থেকে ৮২ শতাংশের মধ্যে রয়েছে। সকালে ও রাতে হালকা শীতের আমেজ থাকলেও দিনের বেলা শীতের অনুভূতি অনেকটাই কমছে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আরও দুদিন একই রকম আবহাওয়া থাকবে। বৃহস্পতিবার থেকে ধীরে ধীরে তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করবে। সপ্তাহের শেষে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দু থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে। ফলে দিনের বেলা শীত কার্যত বিদায় নেবে বলেই মনে করা হচ্ছে। কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকায় সপ্তাহের শেষে তাপমাত্রা ১৮ থেকে ২০ ডিগ্রির মধ্যে থাকতে পারে। উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে তা ১৭ থেকে ১৯ ডিগ্রির মধ্যে থাকবে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ১৫ থেকে ১৮ ডিগ্রির মধ্যে থাকার সম্ভাবনা।দক্ষিণবঙ্গে আপাতত রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে এক থেকে দুই ডিগ্রি কম রয়েছে। তবে ধীরে ধীরে তা বাড়বে। দিনের তাপমাত্রা আপাতত স্বাভাবিকের কাছাকাছিই থাকবে। সপ্তাহের শেষের দিকে গরমের আভাস মিলতে পারে।উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই আগামী দুদিন হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর ও কোচবিহার জেলায় কুয়াশার পরিমাণ কিছুটা বেশি হতে পারে। সকালবেলায় দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।সব মিলিয়ে বসন্তের শুরুতে আবহাওয়া মোটামুটি স্বাভাবিক থাকলেও সমুদ্রের নিম্নচাপ নিয়ে নজর রাখছে আবহবিদরা।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬
দেশ

কংগ্রেসে বড় ভাঙন! ১৫ মিনিট কথা বলেও আটকাতে পারলেন না রাহুল, ২২ ফেব্রুয়ারি বিজেপিতে ভূপেন?

অনেক চেষ্টা করেও তাঁকে ধরে রাখা গেল না। কংগ্রেস নেতৃত্বের একাধিক বৈঠক, শীর্ষ নেতাদের অনুরোধ, এমনকি ফোনে প্রায় ১৫ মিনিট কথা বলেন রাহুল গান্ধী। তবু শেষরক্ষা হল না। অসম কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি ভূপেন বোরা বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন বলে দাবি করেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। তাঁর কথায়, আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি গেরুয়া শিবিরে নাম লেখাবেন ভূপেন।ভূপেন বোরা অসম কংগ্রেসের প্রথম সারির নেতা। ২০২১ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত তিনি প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ছিলেন। তবে ভোটের এক বছর আগে তাঁকে সরিয়ে প্রদেশ সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয় গৌরব গগৈ-কে। এই সিদ্ধান্তে তিনি অপমানিত বোধ করেন বলে দলীয় সূত্রের খবর। অভিযোগ, পরে তাঁর অনুগামীদেরও গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। এর জেরেই তিনি সোমবার পদত্যাগ করেন।পদত্যাগের পর পরিস্থিতি সামাল দিতে তৎপর হয় কংগ্রেস নেতৃত্ব। গৌরব গগৈ এবং দলের পর্যবেক্ষক জিতেন্দ্র সিং তাঁর বাড়িতে গিয়ে কথা বলেন। দীর্ঘ সময় ধরে তাঁকে বোঝানোর চেষ্টা করা হয়। ফোন করেন রাহুল গান্ধীও। একই সময়ে বিরোধী শিবিরের নেতা অখিল গগৈ-ও প্রকাশ্যে জানান, কোনওভাবেই ভূপেনকে বিজেপিতে যেতে দেওয়া হবে না।এই টানাপোড়েনের মধ্যেই হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেন, ভূপেন বিজেপিতে যোগ দিলে তাঁকে স্বাগত জানানো হবে। তাঁর দাবি, ভূপেন কংগ্রেসের শেষ জনপ্রিয় হিন্দু নেতা এবং বিজেপিতে এলে তিনি যোগ্য সম্মান পাবেন। একদিকে কংগ্রেসের অনুরোধ, অন্যদিকে বিজেপির খোলা আমন্ত্রণএই পরিস্থিতিতে দোটানায় পড়েন ভূপেন। পরে শোনা যায়, তিনি নাকি ইস্তফাপত্র প্রত্যাহার করতে পারেন।তবে মঙ্গলবার হিমন্তের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ ঘিরে জল্পনা আরও বাড়ে। বৈঠকের পরই অসমের মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, ২২ ফেব্রুয়ারি বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন ভূপেন বোরা। তিনি আরও বলেন, বিজেপিতে অনেক নেতা আছেন যারা পারিবারিক প্রভাব নয়, নিজের যোগ্যতায় জায়গা করে নিয়েছেন। দলের সভাপতি নীতীন নবীনও নাকি ভূপেনের যোগদানে সায় দিয়েছেন বলে দাবি করেন হিমন্ত।যদিও ভূপেন বোরার তরফে এখনও সরকারিভাবে কিছু জানানো হয়নি। তবে হিমন্তের দাবি সত্যি হলে ভোটের আগে অসম কংগ্রেস বড় ধাক্কা খেতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। রাজ্যের রাজনীতিতে এই পালাবদল নতুন সমীকরণ তৈরি করবে কি না, এখন সেদিকেই নজর।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬
বিদেশ

ট্রাম্পকে ছাপিয়ে ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ ভারতের প্রশংসা মার্কিন অ্যাডমিরালের! চাপে পাকিস্তান

অপারেশন সিঁদুর নিয়ে আমেরিকার মুখে ভারতের প্রশংসা শোনা গেল। মার্কিন সামরিক বাহিনীর ইন্দো-প্যাসিফিক কমান্ডের প্রধান স্যামুয়েল জে পাপারো ভারতীয় সেনার সংযমের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তাঁর এই মন্তব্যে পাকিস্তানের অস্বস্তি বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি নাম না করেও ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিনের আগ্রাসন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি।রবিবার এক সাক্ষাৎকারে পাপারো বলেন, এই ধরনের সামরিক অভিযান যে কোনও শান্তিপ্রিয় দেশের কাছেই উদ্বেগের বিষয়। তবে অপারেশন সিঁদুর চলাকালীন ভারত যেভাবে সংযম দেখিয়েছে, তা প্রশংসার যোগ্য। তিনি বলেন, ভারতীয় সেনার কৌশল ও পরিকল্পনা যথেষ্ট পরিণত এবং দায়িত্বশীল ছিল।সাক্ষাৎকারে তাঁকে পাকিস্তানের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার ও চিনা সামরিক সরঞ্জাম নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। যদিও তিনি সরাসরি কোনও মন্তব্য করেননি, তবে বলেন, এই ধরনের পরিস্থিতির মোকাবিলায় আগে থেকে প্রস্তুতি থাকা জরুরি। সব সময় সতর্ক থাকতে হয় এবং শক্তিশালী প্রতিরোধ ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর কথায় স্পষ্ট, ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোই একমাত্র পথ।এর পাশাপাশি চিনকে রুখতে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারতের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার ইঙ্গিতও দেন মার্কিন সেনা আধিকারিক। তিনি জানান, ভারত ও আমেরিকার কৌশলগত স্বার্থ অনেকটাই এক। বিশেষ করে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে দুই দেশের সহযোগিতা আরও বাড়ানো প্রয়োজন। ভারত মহাসাগরে ভারতের ভূমিকার জন্য আমেরিকা কৃতজ্ঞ বলেও জানান তিনি। সার্বভৌমত্ব, নৌচলাচলের স্বাধীনতা এবং সমুদ্রের নিরাপত্তা এই নীতিগুলিতে দুই দেশই অটল বলে মন্তব্য করেন পাপারো।ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, বিশ্বের প্রায় ৬০ শতাংশ মানুষ এই অঞ্চলে বসবাস করেন। বিশ্বের মোট জিডিপির ৬০ শতাংশেরও বেশি আসে এখান থেকে। বিশ্বের শীর্ষ ১০টি সামরিক শক্তির মধ্যে সাতটি এই অঞ্চলে অবস্থিত। তাই এখানে বাড়তে থাকা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শক্তিশালী অংশীদারিত্ব অপরিহার্য।সব মিলিয়ে অপারেশন সিঁদুর নিয়ে ভারতের সংযম ও কৌশলের প্রশংসা করে আমেরিকার এই বার্তা আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করল। বিশেষ করে পাকিস্তান ও চিনকে ঘিরে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের সমীকরণে এই মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন কূটনৈতিক মহল।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal