• ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ১৩ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Series

খেলার দুনিয়া

ঋষভ ও হার্দিকের দাপটে একদিনের সিরিজও ভারতের

ঋষভ পন্থের অসাধারন ব্যাটিং, হার্দিক পান্ডিয়ার দুরন্ত অলরাউন্ড পারফরমেন্স। তৃতীয় একদিনের ম্যাচে ইংল্যান্ডকে ৫ উইকেটে হারিয়ে একদিনের সিরিজ জিতে নিল ভারত। সিরিজের ফল ভারতের পক্ষে ২১। জয়ের জন্য ২৬০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৪২.১ ওভারেই জযের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ভারত। একসময় ৭২ রানে ৪ উইকেট পড়ে গিয়েছিল ভারতের। সেখান থেকে হার্দিক পান্ডিয়া ও ঋষভ পন্থের ১১৫ বলে ১৩৩ রানের পার্টনারশিপ ভারতের জয়ের ভিত গড়ে দেয়।টস জিতে ইংল্যান্ডকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিল ভারত। এদিনও পুরো ৫০ ওভার খেলতে পারেনি জস বাটলারের দল। ৪৫.৫ ওভারে ২৫৯ রানে গুটিয়ে যায় বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। জস বাটলার সর্বাধিক ৬০ রান করেন। হার্দিক পান্ডিয়া নেন ৪ উইকেট, যুজবেন্দ্র চাহাল ৩টি ও মহম্মদ সিরাজ দুটি উইকেট পান।শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে ইংল্যান্ড। ১২ রানে ২ উইকেট হারায়। জনি বেয়ারস্টো ও জো রুট দুজনকে ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারেই আউট করেন মহম্মদ সিরাজ। ইংল্যান্ডের এই দুই ব্যাটারই তিন বলে শূন্য রানে সাজঘরে ফেরেন। চার উইকেট পড়ে গিয়েছিল ৭৪ রানে। সেখান থেকে পরিস্থিতি কিছুটা সামাল দেন মঈন আলি ও জস বাটলার। অধিনায়ক বাটলারের ৮০ বলে ৬০ রানের ইনিংসে রয়েছে তিনটি চার ও দুটি ছয়। সাতটি চারের সাহায্যে ওপেনার জেসন রয় করেন ৩১ বলে ৪১। মঈন আলি দুটি করে চার ও ছক্কার সাহায্যে করেন ৪৪ বলে ৩৪। ৩৩ বলে ৩২ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন নয়ে নামা ক্রেগ ওভার্টন। বেন স্টোকস ২৯ বলে ২৭, লিয়াম লিভিংস্টোন ৩১ বলে ২৭ রান করেন। ১৫ বলে ১৮ রান করেন ডেভিড উইলি।জয়ের জন্য ২৬০ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে ভারত। ২.১ ওভারে দলগত ১৩ রানের মাথায় শিখর ধাওয়ান রিস টপলির প্রথম শিকার হন। ৩ বলে ১ রানে শিখর ধাওয়ান আউট হন। চারটি চারের সাহায্যে ১৭ বলে ১৭ করেন রোহিত শর্মা। বিরাট কোহলি ২২ বলে ১৭ রান করেন, তিনি তিনটি চার মারেন। ৮.১ ওভারে ৩৮ রানে ভারতের তৃতীয় উইকেট পড়েছিল। প্রথম পাওয়ারপ্লে-র শেষে ১০ ওভারে স্কোর ছিল ৩ উইকেটে ৪৩। ১৬.২ ওভারে সূর্যকুমার যাদব (২৮ বলে ১৬) ক্রেগ ওভার্টনের বলে কট বিহাইন্ড হন। ৭২ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় ভারত। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান ঋষভ ও হার্দিক। ৫৫ বলে ৭১ রান করে আউট হন হার্দিক। ১১৩ বলে ১২৫ রান করে অপরাজিত থাকেন ঋষভ। ৩৫ রানে ৩ উইকেট নেন টপলি।

জুলাই ১৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মুক্তি পেল ‘এনক্রিপ্টেড’, আজ থেকে ক্লিক অ্যাপে ওয়েব সিরিজটি দর্শকদের জন্য

পরিচালক সৌপ্তিক সি-এর খেলা শুরু-র পর দ্বিতীয় ওয়েব সিরিজ এনক্রিপ্টেড এর প্রিমিয়ার হয়ে গেল জাঁকজমকপূর্ণভাবে। উপস্থিত ছিলেন ছবির কলাকুশলীরা। এই গল্প দুই বোনের। দিয়া ও তানিয়া। তবে নিছক সামাজিক গল্প নয়, এই ওয়েব সিরিজ মনে করিয়ে দেয় কয়েক বছর আগে উঠে আসা ব্লু হোয়েল বা মোমো-র মত আতঙ্ককে। অজানা কোনও গেমের আতঙ্কে জড়িয়ে তছনছ হয়ে যায় অনেকগুলো জীবন। এই গল্পই বলবে এনক্রিপ্টেট। এই ওয়েব সিরিজের মুখ্যভূমিকায় রয়েছেন পায়েল সরকার ও ঐশ্বর্য্য সেন । ছবি সুরের দায়িত্বে রয়েছেন অম্রাল চক্রবর্তী। কাহিনি ও পরিচালনা সৌপ্তিক সি, প্রযোজনা রণিতা দাস। অভিনয়ে পায়েল সরকার, ঐশ্বর্য্য সেন, রিচা শর্মা, রানা বসু ঠাকুর, অমিতাভ আচার্য, অর্পিতা দাস, রানা মুখোপাধ্যায়, সূর্যেন্দ্র বাগচী, ইন্দ্রনীল দে, সানু সোমনাথ ও রনিতা দাস।গল্পের প্রেক্ষাপট কিছুটা এমন, প্রেমে ব্যর্থ হয়ে তানিয়া মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে এবং এই আসক্তির কারণে তার প্রচুর অর্থব্যয় হয়। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তানিয়া আর্থিক অনটনের শিকার হয় এবং খুব সহজে টাকা আয়ের উপায় খুঁজতে থাকে। ঠিক এই সময়ে একটি আইটি কোম্পানির ডার্ক ডেয়ার নামের একটি অ্যাপ্লিকেশন তানিয়ার হাতে এসে পরে। এই অ্যাপ ব্যবহারকারিকে কিছু সাহসী কাজ করার নির্দেশ দেয়, যা করতে পারলে ব্যবহারকারী একটি নির্দিষ্ট অর্থ লাভ পাবে। তানিয়া নিজের মাদকের খরচ তুলতে এই অ্যাপের প্রতি আকৃষ্ট হয় এবং কিছু সাহসী কাজ করে ফেলে। এর মধ্যে একটি ছিল তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রীকে খুন করা। উল্লেখ্য সৌপ্তিক এর খেলাশুরু দর্শকমহলে বেশ ভালো জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। তার দ্বিতীয় ওয়েব সিরিজ এনক্রিপ্টেড নিয়েও উত্তেজনা তুঙ্গে। আজ থেকে ক্লিক এ ওয়েব সিরিজটি দর্শকরা দেখতে পাচ্ছেন।

জুন ২৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ব্যর্থ হয়ে গেল ভুবনেশ্বরের দুরন্ত বোলিং, আবার হার ভারতের

৭ বছর আগে এই দক্ষিণ আফ্রিকার কাছেই কটকের বারাবাটি স্টেডিয়ামে বিধ্বস্ত হয়েছিল ধোনির ভারত। ঋষভ পন্থদের সামনে ছিল প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ। কিন্তু সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারলেন না ঋষভরা। দ্বিতীয় ম্যাচে ৪ উইকেটে ভারতকে হারিয়ে টি২০ সিরিজে ২০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল দক্ষিণ আফ্রিকা। দুরন্ত বোলিং করেও দলকে জেতাতে পারলেন না ভুবনেশ্বর কুমার।এদিনও টস জিতে ভারতকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা। শুরুতেই ধাক্কা খায় ভারত। কাগিসো রাবাডার অফ স্টাম্পের বাইরের বল তাড়া করতে গিয়ে উইকেট ছুড়ে দিয়ে আসেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড় (১)। এরপর আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন ঈশান। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ঈশান কিষাণ ও শ্রেয়স আইয়ার ৩৫ বলে ৪৫ রান যোগ করেন। সপ্তম ওভারে ঈশান কিষাণকে তুলে নেন আনরিখ নরটিয়ে। ২টি ছয় ও ৩টি চারের সাহায্যে তিনি করেন ২১ বলে ৩৪। ৪৮ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় ভারত।অধিনায়ক ঋষভ পন্থও এদিন নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। ৭ বলে ব্যক্তিগত ৫ রান করে আউট হন দলের ৬৮ রানের মাথায়। তাঁকে তুলে নেন কেশব মহারাজ। হার্দিক পাণ্ডিয়া ১২ বলে ৯ রান করে ওয়েন পার্নেলের বলে বোল্ড হলে ভারতের স্কোর দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ৯০। বড় রানের দিকে এগোচ্ছিলেন শ্রেয়স আইয়ার। কিন্তু ১৩.৫ ওভারে তিনি ডোয়েন প্রিটোরিয়াসের বলে কট বিহাইন্ড হন। ২টি করে চার ও ছয় মেরে শ্রেয়স ৩৫ বলে করেন ৪০। ১৭ তম ওভারের শেষ বলে অক্ষর প্যাটেলকে (১১ বলে ১০) বোল্ড করেন নরটিয়ে। ১১২ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বড় রানের স্বপ্ন শেষ হয়ে যায় ভারতের। শেষ ৫ ওভারে ভারত ১ উইকেট হারিয়ে তোলে ৪৪ রান। দীনেশ কার্তিক শেষ দিকে আগ্রাসী ব্যাটিং করে ভারতকে ১৪৮/৬ রানে পৌঁছে দেয়। ২১ বলে ৩০ রান করে অপরাজিত থাকেন কার্তিক। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ২টি করে ৪ ও ৬। ৯ বলে ১২ রান করে অপরাজিত থাকেন হর্ষল প্যাটেল। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের মধ্যে আনরিখ নরটিয়ে ৪ ওভারে ৩৬ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন। কাগিসো রাবাডা ৪ ওভারে মাত্র ১৫ রান খরচ করেন, একটি উইকেট পান তিনিও।জয়ের জন্য ১৪৯ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি দক্ষিণ আফ্রিকার। প্রথম ওভারেই ফিরে যান কুইন্টন ডিককের পরিবর্তে ওপেন করতে নামা রেজা হেনড্রিকস (৪)। তাঁকে তুলে নেন ভুবনেশ্বর কুমার। এক ওভার পরে আবার ধাক্কা দক্ষিণ আফ্রিকার। এবার আউট ডোয়েন প্রিটোরিয়াস (৪)। তিনিও ভুবনেশ্বরের শিকার। ষষ্ঠ ওভারে রাসি ভ্যান ডার ডুসেনকে (১) হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। অধিনায়ক তেম্বা বাভুমার সঙ্গে জুটি বেঁধে দলের বিপর্যয় সামাল দেন হেনরিখ ক্লাসেন। ১৩.২ ওভারে চাহালের বলে বোল্ড হন বাভুমা। ৩০ বলে তিনি করেন ৩৫। বাভুমা আউট হলেও চাপে পড়েননি ক্লাসেন। ডেভিড মিলারের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে জয়ের কাছাকাছি পৌঁছে দেন। ৪৬ বলে ৮১ রান করে করে আউট হন ক্লাসেন। তাঁকে তুলে নেন হর্ষল প্যাটেল। ওয়েন পার্নেলকে (১) ফেরান ভুবনেশ্বর। তাসত্ত্বেও জয় আটকায়নি দক্ষিণ আফ্রিকার। ১০ বল বাকি থাকতেই দলকে জয়ের লক্ষ্যে (১৪৯/৬) পৌঁছে দেন ডেভিড মিলার। ১৫ বলে ২০ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। এদিন দুরন্ত বোলিং করেও দলকে জেতাতে পারলেন না ভুবনেশ্বর। ৪ ওভারে মাত্র ১৩ রান দিয়ে ৪ উইকেট তুলে নেন তিনি।

জুন ১২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ক্লিকের এনক্রিপটটেড নিয়ে উন্মাদনা

Klikk Originals এর আগামী ওয়েব সিরিজ এনক্রিপটটেড এরএর মিউজিক, টিজার ও পোস্টার মুক্তি পেল হাওড়ার অবনী মলে। ছবির পরিচালনা করেছেন সৌপ্তিক সি। সর্বপ্রথম বাংলা ওয়েব সিরিজের টাইটেল গান গেয়েছে এবং অভিনয় করেছে বাংলা রক ব্যান্ড ক্যাকটাস। এটি বাংলা ওটিটির ইতিহাসে সর্বপ্রথম সংযোজন। এর আগে নীল নির্জনে ছবিতেও ফিচার করা হয়েছিল ক্যাকটাস ব্যান্ডকে। উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী পায়েল সরকার, ঐশ্বর্য সেন, রিচা শর্মা, রানা বসু ঠাকুর, অমিতাভ আচার্য, অর্পিতা দাস, রানা মুখার্জি, সূর্যেন্দ্র বাগচী, ইন্দ্রনীল দে, সানু সোমনাথ, সুলগ্না চক্রবর্তী ও সঙ্গীত পরিচালক অম্লান চক্রবর্তী সহ ক্যাকটাস ব্যান্ড। এদিন সদ্য প্রয়াত সঙ্গীতশিল্পী কেকে কে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানাল ক্যাকটাস ব্যান্ড। ক্যাকটাসের লাইভ পারফরম্যান্স দেখতে মলে সাধারণ মানুষের ভিড় ছিল দেখার মতো। কলাকুশলীরা দর্শকদের নিজস্বীর আবদারও রাখেন। সবমিলিয়ে একটা জমজমাট সন্ধ্যার সাক্ষী থাকল অবনী মল।

জুন ০৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মুক্তি পেল কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়ের ওয়েব সিরিজ ‘রক্তপলাশ’

কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়ের পরিচালনায় ক্লিক এর নতুন ওয়েব সিরিজ রক্তপলাশ। প্রযোজনা করেছে ডার্ক এনার্জি।ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন শিলাজিৎ, দেবদূত ঘোষ, অনন্যা সেনগুপ্ত, উৎসব মুখার্জি, রোজা পারমিতা দে, অসীম রায় চৌধুরী, শুভজিত কর, মৌমিতা পন্ডিত, দিপঙ্কর, মৌসুমি দালাল, বেবী তামান্না, কোয়েল মিত্র, সুব্রত দাসগুপ্ত ও কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায় প্রমুখ। এই ওয়েব সিরিজের প্রিমিয়ার হয়ে গেল সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইন্সটিটিউটে।জঙ্গলমহলে অবস্থিত সুরম্য ফক্সহোল রিসোর্টে বেড়াতে আসা সমাজের সাতজন বিশিষ্ট উচ্চমধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয় রক্তপলাশ সিরিজের গল্প। শুরুতে সবাই ভ্রমণবিলাসে মজে গেলেও, নৈশ আড্ডায় রিসোর্ট মালিকের প্ররোচনায় গল্পের পরতে পরতে সেই বিশিষ্টজনেদের অতীত জীবনের লুকোনো অন্যায় ও অপরাধমূলক কাজকর্মের ইতিহাস সামনে আসে দর্শকের। এরই মধ্যে জঙ্গলে নিছক ছুটি কাটাতে আসা, আপাতভাবে নিষ্পাপ মানুষগুলি হঠাৎ করেই আধাসামরিক বাহিনী ও একদল চরমপন্থীর লড়াইয়ে মাঝে পড়ে। তখনি সভ্য যাপনের শহুরে মুখোশ খুলে গিয়ে তাঁদের ভেতরে থাকা স্বার্থপর জান্তব চারিত্রিক বৈশিষ্টগুলো ধীরে ধীরে স্পষ্ট হতে থাকে।সাতজন ব্যক্তিমানুষের আভ্যন্তরীণ সাদা-কালোর দ্বন্দগুলো উন্মুক্ত হতে না হতেই তারা রিসোর্টে বন্দি হয়ে পড়েন মুক্তিপনের টোপ হিসেবে। প্রশ্ন ওঠে একজোট হয়ে সাতজনের বাঁচার লড়াইয়ে সামিল হবার। চরমপন্থীরা সময় দেয় ঘন্টা চারেক। প্রশাসনের তরফে নিযুক্ত হন এক সরকারি মধ্যস্থতাকারী। কিন্তু সে সাত বিশিষ্টজনের অবস্থা হয় সঙ্গিন। তাঁদের মধ্যে কেই বা করলেন বিশ্বাসঘাতকতা? কি ছিল তাঁদের পুরোনো পাপ? কেনই বা তাঁদের পণবন্দী হতে হলো চরমপন্থীদের হাতে? কিভাবে প্রশাসন পৌঁছবে তাঁদের কাছে? বন্দিরা কি আদৌ চরমপন্থীদের হাত থেকে রেহাই পাবেন? আদিম জঙ্গলের উপদ্রুত অঞ্চলের প্রেক্ষাপটে এই টানটান রোমাঞ্চ ও রহস্যের গল্প আরো গভীরে গিয়ে জানা যাবে ক্লিক এর নতুন ওয়েব সিরিজের মাধ্যমে।

জুন ০৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

নতুন ওয়েব সিরিজের মোশন লোগো প্রকাশ

সৌপ্তিক সি নির্দেশিত Sthalantar Films and Entertainment P Ltd প্রযোজিত ক্লিক ওরিজিনালসের আগামী ওয়েব সিরিজের মোশন লোগো প্রকাশ্যে এল। ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন পায়েল সরকার, ঐশ্বর্য সেন, রিচা শর্মা, রানা বসু ঠাকুর, অমিতাভ আচার্য, অর্পিতা দাস, রানা মুখার্জি, সূর্যেন্দ্র বাগচী, ইন্দ্রনীল দে, সানু সোমনাথ, সুলগ্না চক্রবর্তী প্রমুখ।এনক্রিপটেড সিরিজটি দিয়া ও তানিয়া নামের দুই বোনের জীবনকে কেন্দ্র করে আবর্তিত। যেখানে আমরা দেখতে পাই প্রেমে ব্যর্থ হয়ে তানিয়া মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে এবং এই আসক্তির কারণে তার প্রচুর অর্থব্যয় হয়। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তানিয়া আর্থিক অনটনের শিকার হয়ে খুব সহজে টাকা আয়ের উপায় খুঁজতে থাকে। ঠিক এই সময়ে একটি আইটি কোম্পানির ডার্ক ডেয়ার শীর্ষক অ্যাপ্লিকেশন তানিয়ার হাতে এসে পরে। এই অ্যাপটি ব্যবহারকারিকে কিছু সাহসী টাস্ক করার নির্দেশ দেয়, যা করতে পারলে ব্যবহারকারী একটি নির্দিষ্ট অর্থ লাভ করে। তানিয়া নিজের মাদকের খরচ তুলতে এই অ্যাপ এর প্রতি আকৃষ্ট হয় এবং কিছু সাহসী টাস্ক করে ফেলে যার মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রীর খুন ও থাকে।যথারীতি তানিয়া গ্রেপ্তার হয় এবং পুলিশি হেফাজতে তার ওপর মাত্রাতিরিক্ত শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার হলে সে আত্মহত্যা করে। এদিকে বোনের রহস্য মৃত্যুর কারণ খুঁজতে শহরে উপস্থিত হয়, তানিয়ার দিদি দিয়া। ঘটনাচক্রে দিয়ার সাথে আলাপ হয় তদন্তকারী অফিসার এসিপি হেমা সিং ও রিপোর্টার সোহাগের সাথে। দিয়া তাদের কাছ থেকে জানতে পারে এই ডার্ক ডেয়ার অ্যাপ টি কিভাবে তাঁর বোনের মতো লক্ষ লক্ষ্য যুবক যুবতী কে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বিভিন্ন তথ্য থেকে দিয়া নিশ্চিত হয় যে তাঁর বোন একটি ঘৃণ্য চক্রান্তের শিকার। সে তাঁর বোনের মৃত্যুর প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য বদ্ধপরিকর হয়ে ওঠে। এবার সে নিজেই প্ল্যান করে এই চক্রান্তের পর্দা ফাঁস করতে ময়দানে নামে। দিয়া কি পারবে এই কুখ্যাত অ্যাপ্লিকেশনটির এনক্রিপটেড কোড এর মাস্টারমাইন্ড কে খুঁজে বের করতে? এটা কি পরিকল্পিত চক্রান্ত, নাকি পূর্বতন কোনো অপরাধীর ধারাবাহিক অপরাধ! ডার্ক ওয়েব এর অন্তর্জালে জড়িয়ে পড়া এই রোমহর্ষক থ্রিলার দেখা যাবে নতুন ওয়েব সিরিজে। যে ওয়েব সিরিজ নিয়ে শুরু হয়েছে উন্মাদনা।এর আগে সৌপ্তিকের পরিচালিত খেলা শুরু ক্লিক-এ জনপ্রিয় হয়। অনেক দর্শকদেরই পছন্দ হয়েছিল এই ওয়েব সিরিজটি। এবার নতুন ওয়েবে সৌপ্তিক দর্শকদের মন কতটা জিতে নিতে পারে সেটাই দেখার।

জুন ০৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

অরুণ রায়ের হাত ধরে ওয়েব সিরিজে জ্যোতি বসু

পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী প্রয়াত জ্যোতি বসুকে এবার ওয়েব সিরিজে দেখতে পাবেন দর্শকরা। পরিচালনার দায়িত্বে হীরালাল সেন, এগারো ও ৮/১২-এর পরিচালক অরুণ রায়। অরুণ রায় সবসময় ভিন্নধর্মী গল্প নিয়ে কাজ করতে পছন্দ করেন। এবার নতুন একটি ভাবনা নিয়ে আসছেন তিনি।জ্যোতি বসুকে নিয়ে গৌতম ঘোষের একটি তথ্যচিত্র রয়েছে। কিন্তু ওয়েব সিরিজটা এই প্রথম। জ্যোতি বসুর জীবনের গল্প কোনও সিনেমার থেকে কম নয়। জানা যাচ্ছে, সিরিজে জ্যোতি বসুর রাজনৈতিক জীবনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনেও আলোকপাত করছে।যদিও সিরিজ নিয়ে এখন কিছু জানা যায়নি অরুণ রায়ের কাছ থেকে। পরিচালক আর প্রযোজকের মধ্যে কথাও হয়ে গেথে। সব ঠিক থাকলে জলদি কাজ শুরু হবে। সিরিজের নাম জানিয়ে অফিসিয়াল ঘোষণাও হয়ে যাবে।ওয়েবে জ্যোতি বসুর চরিত্রে কে অভিনয় করবেন তার খোঁজ চলছে। যার হাইট, শরীর জ্যোতি বসুর সঙ্গে খাপ খায় সেরকম কোনো অভিনেতাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। তবে প্রস্থেটিক ব্যবহার করার কথাও ভাবা হচ্ছে।

মে ১৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কলকাতায় করিশ্মা কাপুর, কিন্তু হঠাৎ কেন এলেন?

করিনা কাপুর খানের পর এবার বাংলায় পা রাখলেন করিশ্মা কাপুরও। একটি ওয়েব সিরিজের শুটিংয়ে এসেছেন তিনি। এখন বাওয়ালির রাজবাড়িতে চলছে তার শুটিং। অভিনয় দেও-র পরিচালনায় তাঁকে দেখা যাবে ব্রাউন-এ। আর সেটার কাজেই তিনি এখন সিটি অফ জয় তে। এই সিরিজে করিশ্মাকে দেখা যাবে গোয়েন্দার চরিত্রে৷ অন্যান্যদের মধ্যে থাকছেন হেলেন। বাংলা থেকে ব্রাউন-এ কাজ করার কথা রয়েছে খরাজ মুখোপাধ্যায়, যিশু সেনগুপ্তের।ব্রাউন-এ তাঁর চরিত্র প্রসঙ্গে করিশ্মা এর আগেই জানিয়েছেন খুব জটিল মানসিকতা রয়েছে ছবিতে। যে কোনও অভিনেতার কাছেই এই কাজ যেমন আকর্ষক, তেমনই চ্যালেঞ্জিং।অভীক বড়ুয়ার লেখা সিটি অব ডেথ-এর অবলম্বনে এই সিরিজের গল্প। এই ওয়েব সিরিজ প্রসঙ্গে জানা গিয়েছে, আপাতত বাওয়ালির রাজবাড়িতেই চলছে শ্যুট। তবে করিশ্মার কলকাতা শিডিউল বেশ লম্বা। শহরের আরও কিছু আইকনিক জায়গায় শ্যুট করার কথা রয়েছে লোলোর।

মে ১২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

নতুন ওয়েব সিরিজ 'চক্র'

পরিচালক অভিষেক-এর নির্দেশনায় আসতে চলেছে নতুন বাংলা ওয়েব ধারাবাহিক। এই ওয়েব সিরিজটির নাম চক্র। অর্চি নগর নামে একটি জায়গায়, রাজনৈতিক নেতা অজয় শর্মা ক্ষমতার বলে বলীয়ান হয়ে, হয়ে ওঠেন এলাকার ভগবানজি। তাঁর অন্ধকার অতীতকে আড়ালে রেখে ক্ষমতা ও রাজনৈতিক পদ হাসিল করার লক্ষে তিনি হাজারো অপরাধ করে চলেন অবলীলাক্রমে। এবং তাঁর এই অপরাধের ধারক ও বাহক হিসাবে পাশে পান তাঁর ছেলে মহেন্দ্রকে, যে একজন দেহ ও মাদক ব্যবসায়ী। পরিবারের ব্যতিক্রম শুধু অজয়ের মেয়ে। যায় হোক, অজয়ের সঙ্গে বিপক্ষীয় দলনেতার ঝামেলা, পরে অজয়, তার দুই সন্তানের আকস্মিক মৃত্য, ও সেই অস্বাভাবিক ঘটনাগুলির তদন্ত করতে আসা পুলিশ অফিসারের কিছু অনন্য অভিজ্ঞতা নিয়ে দানা বাঁধছে এই সিরিজের কাহিনী। ওয়েব ধারাবাহিকটি মূলত থ্রিলার। মুখ্য চরিত্রে রয়েছেন সাহেব ভট্টাচার্য, অনিন্দ্য পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়, পৌলমী দাস, জন ভট্টাচার্য প্রমুখ। ওয়েব সিরিজটি আসছে ডিজিপ্লেক্সে। এই বিষয়ে পরিচালক অbhishek জানিয়েছেন, চক্র হল এমন একটি ওয়েব সিরিজ, সেখানে শুরু থেকে শেষ অবধি একটা টানটান উত্তেজনা, একটা থ্রিল রয়েছে। সিরিজের শেষটাও খুব অন্যরকম হতে চলেছে। পুরোপুরি অন্য ধরনের একটা গল্প। আশা করি, দর্শকদের ভালো লাগবে।

মে ০৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ভিন্নধর্মী গল্প নিয়ে আসছে ওয়েব সিরিজ 'লার্জ পেগ'

মুক্তি পেল অংশুমান ব্যানার্জী পরিচালিত এবং ওসেনিক মিডিয়া সল্যুশন, কলাবতী প্রোডাকশন, এবং কোয়ান্টাম অ্যান্ড শেডস প্রযোজিত আসন্ন ওয়েব সিরিজ লার্জ পেগ-এর ট্রেলার। এই ওয়েব সিরিজের ট্রেলার লঞ্চ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ছবির কলাকুশলী থেকে পরিচালক সকলেই। এই ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন সায়ন্তনী গুহঠাকুরতা, অনিন্দ্য পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়, শ্রীতমা দে, পায়েল রায়, সারা এম. নাথ সহ আরো অনেক নতুন এবং পরিচিত মুখদের। এই ওয়েব সিরিজের কাহিনী এবং চিত্রনাট্য লিখেছেন সৈকত ঘোষ ও প্রত্যূষা সরকার। সংগীত নির্মাণের দায়িত্বে রয়েছেন সমীক কুন্ডু এবং চিত্রগ্রহণে রয়েছেন শান্তনু ব্যানার্জী। লার্জ পেগ ওয়েব সিরিজটি একটি সাইকোলজিকাল থ্রিলার। এই ওয়েব ধারাবাহিকের মধ্যে দিয়ে ধরা পড়েছে একজন লেখকের জীবনে ঘটে যাওয়া একাধিক ঘটনা; তার জীবনে একাধিক নারীর আনাগোনা, এবং তাঁদের প্রভাবে তৈরী হওয়া রহস্য― এই নিয়েই এই ওয়েব ধারাবাহিকটির মূল উপজীব্য। ওয়েবটি খুব তাড়াতাড়ি মুক্তি পেতে চলেছে নামকরা ওটিটি প্ল্যাটফর্মে।

এপ্রিল ২৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

'রক্তপলাশ'-এর প্রথম লুক প্রকাশ্যে এল

KLIKK OTT প্ল্যাটফর্মে পরিচালক হিসাবে কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়ের প্রথম কাজ ওয়েব সিরিজ রক্তপলাশ আসছে সেটার ঘোষণা আগেই হয়ে গিয়েছিল। এবার প্রকাশ্যে এল রক্তপলাশ-এর প্রথম পোস্টার। তবে এই সিরিজে সব অভিনেতা অভিনেত্রীদের দেখা না গেলেও ছবির পোস্টারে দেখা যাচ্ছে ঘন জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে ছুটে যাচ্ছে একরত্তি একটি মেয়ে। তার চোখে মুখে ভয়ের ছাপ। পিছনে হাতে বন্দুক নিয়ে দাঁড়িয়ে দুজন। তাঁদের পরিচয় অবশ্য স্পষ্ট নয়।সুত্র মারফত জানা যায়, একবিংশতি-র ভয়ঙ্কর রমহর্ষক জঙ্গলমহলের ওপর আধারিত এই কাহিনি। মেদনীপুরের জঙ্গলমহলের সুরমা ফক্সহোল রিসর্টে সমাজের বিশিষ্ট সাতজন ব্যক্তি ঘুড়তে আসাকে কেন্দ্র করেই গড়ে ওঠে এই কাহিনী। প্রথমদিকে সকলে বেড়ানোর আন্দে মজে গেলেও রাতের আড্ডায় তাঁদের অতীতের অনৈতিক ঘটনা একে একে সামনে আসতে থাকে ঘটনা পরম্পরায়। আর সাথে সাথেই ছুটি কাটাতে এসে সাম্রিক বাহিনী ও চরমপন্থীদের লড়াইয়ে মাঝে পড়ে তাঁদের ভালো মানুষের মুখোশ খুলে পড়ে কঙ্কাল বেড়িয়ে পড়ে। কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়ের এই ওয়েব সিরিজের চরিত্রায়ণেও বৈচিত্র্য রয়েছে। মুখ্য চরিত্রে রয়েছেন শিলাজিৎ, দেবদূত ঘোষ, অনন্যা সেনগুপ্ত। এদের পাশাপাশি এই সিরিজে অভিনয় করছেন উৎসব মুখোপাধ্যায়, রোজা পারমিতা দে, অসীম রায় চৌধুরী, শুভজিত কর, মৌমিতা পণ্ডিত, দীপঙ্কর, মৌসুমি দালাল, বেবি তামান্না, কোয়েল মিত্র, সুব্রত দাশগুপ্ত প্রমুখ।

এপ্রিল ২৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ভালোবাসার টানাপোড়েনের গল্প বলবে চরকি

মা ও তার সন্তানের ভালোবাসার টানাপোড়নের গল্প বলতে আসছে চরকি। হাওয়া বয় চরকির পাখায়,হাওয়া বয় জীবন শাখায়। জীবনের গল্প তুলে ধরা হবে চরকি-র মাধ্যমে।স্বভূমী এন্টারটেনমেন্টের ব্যানারে ডঃ প্রবীর ভৌমিকের প্রযোজনায় তুহিন সিনহার পরিচালনায় তৈরি হয়েছে চরকি ওয়েব সিরিজটি। হাসির রাজা খরাজ মুখার্জীকে এখানে এক অন্য রকম চরিত্রে দেখতে পাবেন দর্শকরা। রিমির চরিত্রে অভিনয় করছেন শ্রেয়াসা ঘোষ,অনন্তর চরিত্রে অভিনয় করছেন ডঃ প্রবীর ভৌমিক ও চরকি চরিত্রে অভিনয় করেছে দেবকন্যা হাজরা।এছাড়াও তপন রায়,কাজু হালদার,বনশ্রী রায়,অনুসূয়া পাত্র,ইতি দাস,শতাব্দী দাস,অরিত্র আরও অনেকে এই ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন। চিত্রগ্রহণ করেছেন পার্থ রক্ষিত। চরকি ওয়েব সিরিজটি শীঘ্রই মুক্তি পাবে এক জনপ্রিয় ওটিটি প্ল্যাটফর্মে।

এপ্রিল ০৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

পরিচালক সাগ্নিক চট্টোপাধ্যায়-র প্রথম ওয়েব সিরিজে অভিনয় করলেন কৌশিক গাঙ্গুলি

প্রথমবার ওয়েব সিরিজ পরিচালনা করছেন পরিচালক সাগ্নিক চট্টোপাধ্যায়। ক্লিক ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দেখা যাবে তাঁর ওয়েব সিরিজ প্র্যাঙ্কেনস্টাইন। ওয়েব সিরিজের জার্নি জনতার কথা-র সঙ্গে শেয়ার করলেন পরিচালক।জনতার কথাঃ প্র্যাঙ্কেনস্টাইন করা কেন?পরপর থ্রিলার হচ্ছে বলেই কি থ্রিলারে ঝোঁক?সাগ্নিকঃ প্র্যাঙ্কেনস্টাইন করার পেছনে প্রাইমার্যিরলি যেটা কাজ করেছে সেটা হল প্র্যাঙ্ক। প্র্যাঙ্ক নিয়ে গোটা ভারতবর্ষের নিরিখে সিরিয়াস কাজ কোথাও হয়নি। বহুদিন ধরে আমি প্র্যাঙ্ক চ্যানেল ফলো করি। আমার ভাইরাল হয়ে যাওয়া এই বিষয়টা নিয়ে কাজ করার খুব ইচ্ছে রয়েছে। খুব সহজেই ভাইরাল হওয়া যায়। তার জন্য প্রশিক্ষণ, শিল্পবোধ এটা যে ম্যান্ডেটরি তা নয়। তাই আমি প্র্যাঙ্ক বিষয়টি বেছে নিই। তার কারণ হচ্ছে একটি প্র্যাঙ্ক ভিডিও দেখেছিলাম যে হুইলচেয়ারে বসা এক বৃদ্ধর কাছে একটি গাড়ি এসে থামে। সেখান থেকে একটি বন্দুকের নল বেরিয়ে এসে ফায়ার হতে থাকে। সেই ভয়ে ওই বৃদ্ধ হুইলচেয়ার থেকে নেমে হিঁচড়ে হিঁচড়ে মাটি দিয়ে এগোচ্ছিলেন। সেই নির্মম ভিডিও দেখে মানুষজন হাহা রিয়্যাক্ট করছেন, লাভ রিয়্যাক্ট করছেন। এই ভিডিওটা যেখানে ব্যান হওয়া উচিত ছিল বা প্র্যাঙ্কটা যারা করছিলেন তাদের জেল হওয়া উচিৎ ছিল। কিন্তু সেই ভিডিওটির মিলিয়ন ভিউ হয়। হয়তো তারা এই ভিডিওটির বিনিময়ে পয়সাও পান। এই বিষয়টা আমাকে খুব নাড়া দেয়। আমার মনে হয় এই বিষয়টা নিয়ে কিছু বলা দরকার। অবশ্যই সেটা ডেটা অরিয়েন্টেড মেসেজ নয়, একটা ফিকশনের মাধ্যমে মেসেজ দেওয়া। একটা কিছু করা দরকার, একটা কিছু বলা দরকার। সেই একটা কিছু বলার জন্য আমি ভেবে দেখলাম যে থ্রিলার হচ্ছে সবথেকে ভালো মাধ্যম। মানুষকে থ্রিল করার জন্য তো তারা এই কাজগুলো করেন। তো তাদেরকেও যদি থ্রিল করতে হয় তাহলে থ্রিলার ছাড়া অপশন নেই। সেই জায়গা থেকে আমার গল্পটা থ্রিলারের আঙ্গিকে তৈরি করা।ওয়েব সিরিজে অভিনয় করলেন কৌশিক গাঙ্গুলিজনতার কথাঃ কৌশিক গাঙ্গুলিকে কিভাবে কাস্ট করা হল?সাগ্নিকঃ গল্পটা যখন প্রথম ভাবি তখন একটা সাদামাটা প্রউর কথা মাথায় আসে। যাকে আমার কাকু, জেঠু বলতে ইচ্ছে করবে এরকম একজন। সেটা যখন আমার মাথায় আসে তখন কৌশিক দা ছাড়া এই ইন্ডাস্ট্রির আর কারোর নাম আমার মাথায় আসেনি। আমি তাঁকে গল্পটা শোনাই। যেদিন উনি গল্পটা শোনেন সেইদিনই বলেন আমি কাজটা করবো।জনতার কথাঃ কৌশিক গাঙ্গুলির মতো বড় নাম রয়েছে বলেই কি প্র্যাঙ্কেনস্টাইন বেশি জনপ্রিয় হতে পারে?সাগ্নিকঃ দেখুন কৌশিক গাঙ্গুলির নামটাকে তো অস্বীকার করা যায়না। অবশ্যই তাঁর থাকা-না থাকাটা অনেকটা ম্যাটার করে। তবে শুধুমাত্র কৌশিক গাঙ্গুলিই প্র্যাঙ্কেনস্টাইনের নক্ষত্র না প্র্যাঙ্কেনস্টাইন নিজেও নক্ষত্র হয়ে উঠতে পারে সেটা সময় বিচার করবে।জনতার কথাঃ প্রথম ওয়েব সিরিজ পরিচালনা করার অভিজ্ঞতা কেমন?সাগ্নিকঃ খুবই ভালো, খুবই থ্রিলিং বলা যেতে পারে। একটা কথা বলতে পারি আমি খুব লাকি যে প্রথম ওয়েব সিরিজটা করছি অ্যাঞ্জেল ডিজিটালের প্ল্যাটফর্ম ক্লিক এর সঙ্গে।জনতার কথাঃ ওয়েব সিরিজটি দর্শকরা কবে দেখতে পাবেন?সাগ্নিকঃ এপ্রিল মাসের শেষ দিকে এটির প্রিমিয়ার হবে। যেদিন প্রিমিয়ার হবে সেদিন থেকেই ওটিটি তে স্ট্রিম করতে শুরু করবে। তারিখটা এখনও ঠিক হয়নি তবে ধরে নিন শেষ দুটো সপ্তাহের মধ্যে প্র্যাঙ্কেনস্টাইন স্ট্রিম করবে।

মার্চ ২৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ক্লিকে মুক্তি পেল রাজা চন্দের প্রথম ওয়েব সিরিজ

পরিচালক হিসাবে ওয়েব সিরিজে অভিষেক হল রাজা চন্দের। ক্লিক ওটিটি প্ল্যাটফর্মে তাঁর পরিচালিত ওয়েব সিরিজ কাটাকুটি-র প্রিমিয়ার হয়ে গেল নন্দনে। ওয়েব সিরিজটি মূলত থ্রিলার। তবে বাকী থ্রিলারগুলোর থেকে ভিন্নতা রয়েছে এই ওয়েব সিরিজে। ক্লিকের এটি ১৫ তম ওয়েব সিরিজ।রাজা চন্দের পাশাপাশি সৌরভ দাস, দেবতনু, মানসী সেনগুপ্ত, পিয়ান সরকার এরাও ক্লিকের সঙ্গে প্রথম কাজ করলেন। এখানে মানসী সেনগুপ্ত-র বিপরীতে রয়েছেন ওয়েব কিং সৌরভ দাস। মানসীর বোনের চরিত্রে দেখা যাবে পিয়ান সরকার কে এবং পিয়ানের স্বামীর চরিত্রে রয়েছেন দেবতনু। অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিজিৎ গুহ,বিপ্লব বন্দোপাধ্যায়,শীর্ষা রক্ষিত,জ্যামি,বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য প্রমুখ। প্রিমিয়ারে শারীরিক অসুস্থতার জন্য পরিচালক উপস্থিত থাকতে না পারলেও ছিলেন বাকিরা। হিন্দি ধারাবাহিকে কাজ করার জন্য প্রিমিয়ারে উপস্থিত থাকতে পারেননি মানসী সেনগুপ্ত। এই ওয়েব সিরিজ সকলের কাছেই বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। জনতার কথা-র দর্শকদের জন্য রইল প্রিমিয়ারের বেশ কিছু ছবি।

মার্চ ২৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে সিরিজ জিতে ইতিহাস বেঙ্গল টাইগারদের

দক্ষিণ আফ্রিকা মাটিতে প্রথম একদিনের ম্যাচ জিতে ইতিহাস তৈরি করেছিল বাংলাদেশ। বুধবার আরও একটা ইতিহাস তৈরি করলেন সাকিব আল হাসানরা। তৃতীয় একদিনের ম্যাচে প্রোটিয়াদের ৯ উইকেটে হারিয়ে এই প্রথম দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে একদিনের সিরিজ জিতল বাংলাদেশ। যদিও বিদেশের মাটিতে সিরিজ জয় এই প্রথম নয়। এর আগে ২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে সিরিজ জিতেছিল বেঙ্গল টাইগাররা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম একদিনের ম্যাচে ৩৮ রানে জিতেছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচে ৭ উইকেটে জিতে সিরিজে সমতা ফেরায় দক্ষিণ আফ্রিকা। তৃতীয় একদিনের ম্যাচে রীতিমতো প্রোটিয়াদের উড়িয়ে দিল বাংলাদেশ।সেঞ্চুরিয়ানের সুপারস্পোর্টস পার্কে এদিন টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। ভাল শুরু করেছিলেন দুই প্রোটিয়া ওপেনার জানেমান মালান ও কুইন্টন ডিকক। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৪৬। ডিকক (১২) আউট হতেই ধস দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসে। পরপর ফিরে যান ভেরেইনে (৯), জানেমান মালান (৩৯), অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা (২) ও ভ্যান ডার ডুসেন (৪)। ডেভিড মিলার (১৬), প্রিতোরিয়াস (২০), কেশব মহারাজের (২৮) সৌজন্যে ৩৭ ওভারে ১৫৪ রান তুলতে সমর্থ হয় দক্ষিণ আফ্রিকা। বাংলাদেশের হয়ে দুরন্ত বোলিং করেন ডানহাতি জোরে বোলার তাসকিন আহমেদ। ৩৫ রানে তিনি তুলে নেন ৫ উইকেট। জয়ের জন্য ১৫৫ রানের লক্ষ্য খুব একটা কঠিন ছিল না বাংলাদেশের কাছে। দারুন শুরু করেছিলেন দুই ওপেনার অধিনায়ক তামিম ইকবাল ও লিটন দাস। ওপেনিং জুটিতে ১২৭ রান তুলে বাংলাদেশের জয়ের ভিত গড়ে দেন। কাগিসো রাবাদা, লুঙ্গি এনগিডি, তাবারেজ সামসি, কেশব মহারাজরা বাংলাদেশের দুই ওপেনারের ওপর কোনও প্রভাব ফেলতে পারেননি। ৫৭ বলে ৪৮ রান করে কেশব মহারাজের বলে আউট হন লিটন দাস। ৮২ বলে অপরাজিত ৮৭ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন অধিনায়ক তামিম ইকবাল। সাকিব আল হাসান ২০ বলে ১৮ রান করে অপরাজিত থাকেন। ২৬.৩ ওভারে ১৫৬/১ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় বাংলাদেশ।

মার্চ ২৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

এপ্রিলে মুক্তি পাবে কৌশিক গাঙ্গুলীর ওয়েব সিরিজ 'প্র্যাঙ্কেনস্টাইন'

ক্লিক ওটিটি এ শুটিং শেষ হয়ে এবার রিলিজ হবে এপ্রিল মাসে মিল্কি ওয়েস ফিল্মস দ্বারা প্রযোজিত, কৌশিক গাঙ্গুলী অভিনীত এবং সাগ্নিক চ্যাটার্জী (সমু) পরিচালিত ওয়েব সিরিজ প্র্যাঙ্কেনস্টাইন। বিপজ্জনক এবং বেপরোয়া প্র্যাংক ভিডিও তৈরি করে প্র্যাংকস্টার গ্রুপ প্র্যাঙ্কেনস্টাইনের আজ ভারত জোড়া নামডাক। এই ভাইরাল গ্রুপের মুকুটে সিলভার এবং গোল্ড প্লে বাটনের পরে সম্প্রতি জুড়ে গেল একটি নতুন পালক। এবছর মুম্বই শহরে সংঘটিত হতে চলা ইউটিউব ফ্যানফেস্টে তারা আমন্ত্রিত হয়েছে। সেই আনন্দ সেলিব্রেট করতে তারা কলকাতার উপকণ্ঠের কোনো শতাধিক বছর প্রাচীন রাজবাড়িতে রাত কাটানোর উদ্দেশ্যে গিয়ে উপস্থিত হয়। উদযাপন চলাকালীন মদ ফুরিয়ে যাওয়ায় দলের দুই পুরুষ সদস্য রুবেন এবং ভিকি মদ কিনতে রাজবাড়ির বাইরে বেরোয়। রাজবাড়িতে থেকে যায় দলের দুটি মেয়ে, শিরিন এবং আরু। মদ কিনে ফিরে আসার পর ঘরে ঢুকে ভিতরের দৃশ্য দেখে ছেলেদুটি বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যায়। তারা দেখে, তাদের বান্ধবীরা জবুথবু হয়ে ঘরের এক কোণে বসে আছে, এবং তাদের থেকে একটু দূরে চেয়ারে আরাম করে বসে আছে এক অদ্ভুৎ দর্শন প্রৌঢ়, যাকে দেখতে নিতান্তই ছা-পোষা নিরীহ মধ্যবিত্ত বাঙালির মত, কিন্তু তার হাতে উদ্যত ৯এমএম পিস্তল। লোকটির আচরণে যেন মধু ঝরে পড়ে, কিন্তু তার এই বাড়িতে আগমণের কারণ শুনে চারটি ছেলেমেয়ের বিস্ময়ে বাকরুদ্ধ হয়ে যায়। প্রৌঢ় নিজেকে এই প্র্যাংকস্টার গ্রুপের একজন একনিষ্ঠ ভক্ত বলে দাবি করে এবং তাদের সামনে একটি অদ্ভুৎ প্রস্তাব রাখে। প্রৌঢ়র প্ল্যান মাফিক একটি প্র্যাংক সেই রাতেই তাদের সংঘটিত করতে হবে। তবেই তাদের মুক্তি মিলবে প্রৌঢ়র হাত থেকে। নইলে অঘটন অবশ্যম্ভাবী। তারা বোঝে, এই প্রৌঢ় উন্মাদ। তার ওপর তার হাতে রয়েছে উদ্যত আগ্নেয়াস্ত্র। অগত্যা উপায়ান্তর না দেখে রুবেন, শিরিন এবং ভিকি বেরিয়ে পড়ে প্রৌঢ়র ইচ্ছাপূরণের উদ্দেশ্যে। আর এদিকে আরু জামিন হিসেবে রাজবাড়িতেই প্রৌঢ়র হাতে বন্দী থাকে।কিন্তু বিধি বাম। প্রৌঢ়র নির্দেশে প্র্যাংক করতে গিয়ে ঘটে যায় এক নিষ্পাপ মানুষের মৃত্যু। প্রচন্ড আতঙ্কিত হয়ে প্রৌঢ়র কাছে ফেরৎ গিয়ে তাদের আরো বড় ধাক্কা লাগে, যখন তারা প্রৌঢ়র ল্যাপটপে তাদের খানিক আগে করা অনিচ্ছাকৃত হত্যার ছবি দেখতে পায়। তারা বোঝে, তারা প্রৌঢ়র পাতা জালে ফেঁসে গেছে। পালাবার রাস্তা নেই। প্রৌঢ় তাদের বলে, একটি সফল প্র্যাংক না করে তাদের মুক্তি নেই। যত বড় অঘটনই ঘটুক, প্র্যাংক তাদের করতেই হবে। অগত্যা তারা বেরিয়ে পড়ে তাদের সেই রাতের দ্বিতীয় প্র্যাংকের লক্ষ্যে। কিন্তু ভাগ্য এবারও বিরূপ। ঘটে যায় আরেকটি অনিচ্ছাকৃত মৃত্যু। যথারীতি এবারও তারা ফিরে গিয়ে প্রৌঢ়র ল্যাপটপে তাদের খানিক আগে ঘটিয়ে আসা অঘটনের ছবি দেখে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। পর পর দুটি মৃত্যু ঘটিয়ে ফেলার পর, এবার প্রৌঢ় তাদের এক ভয়ানক প্র্যাংকের দিকে এগিয়ে দেয়, যা সরাসরি তাদের জন্য প্রাণঘাতী হয়ে ওঠে। তারা কি মুক্তি পাবে এই রহস্যময় উন্মাদ প্রৌঢ়র হাত থেকে? নাকি তাদের জন্য অদ্যই শেষ রজনী?

মার্চ ২৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মুক্তি পেল রাজা চন্দের প্রথম ওয়েব সিরিজ কাটাকুটির ট্রেলার

প্রথমবার ওয়েব সিরিজ করলেন পরিচালক রাজা চন্দ। ক্লিক ওটিটি প্ল্যাটফর্ম-এ আগামী ২৫ মার্চ থেকে দেখা যাবে তাঁর থ্রিলার ওয়েব সিরিজ কাটাকুটি। রাজা চন্দের পাশাপাশি সৌরভ দাস, দেবতনু, মানসী সেনগুপ্ত, পিয়ান সরকার এরাও ক্লিকের সঙ্গে প্রথম কাজ করলেন।মুক্তি পেল কাটাকুটি-র ট্রেলার। ক্লিকের এটি ১৫ তম ওয়েব সিরিজ। এখানে মানসী সেনগুপ্ত-র বিপরীতে রয়েছেন ওয়েব কিং সৌরভ দাস। মানসীর বোনের চরিত্রে দেখা যাবে পিয়ান সরকার কে এবং পিয়ানের স্বামীর চরিত্রে রয়েছেন দেবতনু। অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিজিৎ গুহ,বিপ্লব বন্দোপাধ্যায়,শীর্ষা রক্ষিত,জ্যামি,বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য প্রমুখ।ছবির প্রেক্ষাপটে লাজুক আদিত্য আর স্পষ্টভাষী কৌশানি, দুজনের বিয়ে ঠিক হয় কিন্তু বিয়ের আগেই হঠাৎ কৌশানি মর্মান্তিক ভাবে খুন হয়। আর সেই খুনের কারণ বোঝা যায়, এক নৃশংস গ্যাং রেপ কেস। তার সাজানো স্বপ্নগুলি এরম নির্মম ভাবে চুরমার হতে দেখে ভেঙে পড়ে আদিত্য। ঘটনাটির আকস্মিকতাতে আদিত্য ভেঙে পড়ে।কাহিনী এগোতে ইঙ্গিত পাওয়া যায় তিনজনের নাম। যারা করেছে এই ঘৃন্য অপরাধ! ঘটনাচক্রে তাদের মধ্যে একজন কৌশানির পরিবারের খুব কাছের সদস্য। আদিত্য বদলে যায়। কৌশানির মৃত্যুর বিচার সে তুলে নেয় নিজের হাতে। বেছে নেয় নির্মম প্রতিশোধের পথ। এই কাহিনীর পরোতে পরোতে রয়েছে রোমহর্ষক চমক আর অনবদ্য অভিনয়।

মার্চ ১৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

জনতার কথায় খোলামেলা আড্ডায় 'রক্তবিলাপ' র পরিচালক মণিদীপ

হইচই তে মুক্তি পেয়েছে ওয়েব সিরিজ রক্তবিলাপ। এই ওয়েব সিরিজ ও আগামী কাজ নিয়ে জনতার কথার মুখোমুখি পরিচালক মণিদীপ সাহা।জনতার কথাঃ ফিল্ম স্কুলের স্টুডেন্ট। রক্তবিলাপ নির্মাণের ক্ষেত্রে সেটা কতটা কাজে দিয়েছে?মণিদীপঃ রক্তবিলাপ এর নির্মাতা আমরা দুজন। আমি আর অর্ণিত ছেত্রী। আমরা দুজনেই রূপকলা কেন্দ্র থেকে সিনেমা নিয়ে পড়াশোনা করেছি। রূপকলা কেন্দ্র আমাকে শুধুমাত্র ফিল্মমেকিং এর প্র্যাকটিস নয়, তার সঙ্গে এমন একটা পরিবেশ দিয়েছিল যেখানে আমরা প্রোডাকশন বয় থেকে শুরু করে ডিরেকশন সবটাই করেছি। রূপকলা কেন্দ্র আমাদের ডিসিপ্লিন শিখিয়েছে। রক্তবিলাপ এর ১৬টা ড্রাফট হয়েছিল আর সেগুলো খুব অল্প সময়ের মধ্যে করতে হয়। যদিও আমরা খুব লাকি যে আমরা ইন্ডাস্ট্রির বাইরে কল্লোল লাহিড়ীর মতো স্যার কে আমাদের মেন্টর হিসাবে পেয়েছিলাম। কল্লোল স্যার, তৃষা নন্দী, সঞ্চিতা কাঞ্জিলাল এদের পাশে না পেলে রক্তবিলাপ এর স্ক্রিপ্ট রেডি হতো কি না জানিনা।শুটিংয়ের অবসরে টিম রক্তবিলাপজনতার কথাঃ হরর সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার ড্রামা রক্তবিলাপ। বাংলায় অনেক থ্রিলার ছবি/ওয়েব সিরিজ হচ্ছে। রক্তবিলাপ বাকি কাজগুলোর থেকে কোনদিক থেকে আলাদা?মণিদীপঃ তোমার প্রশ্নের মধ্যেই উত্তরটা আছে। রক্তবিলাপ এ যেমন ত্রিকোণ প্রেম, বিশ্বাসঘাতকতা, বিসনেস পার্টনারদের মধ্যে লড়াই, বন্ধুর শত্রু হয়ে যাওয়ার মতো ড্রামাটিক এলিমেন্ট পাবে তেমনই তার সঙ্গে আছে মা-মেয়ের সম্পর্কের সাইকোলজিক্যাল থ্রিল, আর এর মাঝে আছে রক্ত, খুন আর খুনি কে? যারা মরছে, তারাই মারছে। রক্তবিলাপ হল বিয়ন্ড লজিক, আর বিয়ন্ড লজিক দেয়ার ইস অ্যা ম্যাজিক।জনতার কথাঃ তোমার প্রথম ওয়েব সিরিজ বাংলার জনপ্রিয় ওটিটি প্ল্যাটফর্ম হইচই দেখানোর আনন্দ কতটা?মণিদীপঃ আনন্দ তো আছেই। আমি আর অর্ণিত যখন এই জার্নিটা শুরু করেছিলাম সেটা এত দূরে আসবে কখনও ভাবিনি। দেবালয় স্যার (দেবালয় ভট্টাচার্য), কল্লোল স্যার (কল্লোল লাহিড়ী), তৃষা (তৃষা নন্দী), পূজা দি (সঞ্চিতা কাঞ্জিলাল) এরা আমাদের মতো নতুনদের পাশে না থাকলে এই জার্নিটা এগোত না। এছাড়া ডিওপি, মেক আপ আর্টিস্ট থেকে শুরু করে আরো অনেকে। এরা পাশে না থাকলে আমরা থাকতাম না। সবাইকে ধন্যবাদ নতুনদের পাশে থাকার জন্য। নতুনদের ভরসা করার জন্য।শুটিংয়ের অবসরে টিম রক্তবিলাপজনতার কথাঃ এখনও পর্যন্ত অডিয়েন্স রেসপন্স কেমন?মণিদীপঃ সত্যি বলতে অডিয়েন্সের থেকে মিক্স রেসপন্স পাচ্ছি। অনেকেই ভালো বলছে। আবার অনেকেই বলছে ঠিক জমেনি। আমি সবার ওপিনিয়ন কে রেসপেক্ট দিই। কারণ এই ওপিনিয়ন গুলোই আমাদের আরও ভালো কাজ করতে, আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে। অডিয়েন্সকে রিকোয়েস্ট একটাই, আপনারা নিজেরা দেখুন, নিজেদের মতামত দিন। নতুনদের পাশে থাকুন। তাহলেই নতুন কিছু হবে।জনতার কথাঃ অনেক ফিল্ম স্কুলের স্টুডেন্ট ছবি/ওয়েব সিরিজ বানানোর সাহস পান না। তাদের জন্য তোমার বার্তা কি থাকবে?মণিদীপঃ আমার মনে হয় ভয় না পেয়ে সাহস দেখিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। চেষ্টা করতে হবে। এক্সপেরিমেন্ট করতে হবে। ভুল-ঠিক তো হতেই থাকবে। বাট ট্রাই টা ইম্পরট্যান্ট।জনতার কথাঃ আগামী দিনে আর কি কি কাজ আসছে?মণিদীপঃ রিসেন্টলি আমার ডিরেকশনে একটা মিউজিক ভিডিও বেরিয়েছে মন রে ফিরে আয়। দেবতনু আর ঐশ্বর্য সেন এটাতে অভিনয় করেছে। সৌমেন চ্যাটার্জি এই মিউজিক ভিডিওর প্রোডিউসার। এসি ফিল্মস এ দেখা যাচ্ছে এই মিউজিক ভিডিওটা। আর এছাড়াও দাশু নামক একটা স্ক্রিপ্টের ওপর কাজ করছি। তবে কোন প্ল্যাটফর্মে কাজটা দেখা যাবে সেটা এখনও জানিনা।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

নন্দনে 'শব চরিত্র'-র প্রিমিয়ারে কি হল?

নন্দনে প্রিমিয়ার হয়ে গেল পরিচালক দেবাশিষ সেন শর্মার ওয়েব সিরিজ শব চরিত্র। KLIKK ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দেখা যাচ্ছে এই ওয়েব সিরিজ। এই ওয়েব সিরিজে অভিনয় করছেন অনির্বাণ চক্রবর্তী, পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, ইমন চক্রবর্তী, জুধাজিৎ সরকার, পায়েল রায়, অঙ্কিতা মাঝি, দূর্বার শর্মা, অবীন দত্ত মণ্ডল, রাণা বসু ঠাকুর, দেবরাজ ভট্টাচার্য, পলাশ হক, মৌসুমী দালাল প্রমুখ। এই ছবি প্রসঙ্গে পরিচালক দেবাশিষ সেন শর্মা জানালেন, একটা সুন্দর সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার শব চরিত্র। আমার মনে হয় দর্শকদের একটা নতুন প্রাপ্তি হবে। অভিনেতা অনির্বাণ চক্রবর্তী জানালেন, খুব ভালো লেগেছে। আমার ধারণা প্রত্যেক অভিনেতার ই খুব ভালো লাগে তাদেরকে সাধারণত যে চরিত্রে দেখা গেছে বা যে চরিত্র পপুলার হয়েছে তার বাইরে অন্য চরিত্র দিলে অভিনেতারা খুব খুশি হয়। আমিও খুব খুশি হয়েছি। এনজয় করেছি।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কবে থেকে দেখা যাবে 'ফ্যামিলি ম্যান থ্রি'?

দর্শকরা অনেকদিন ধরে অপেক্ষা করছিলেন। সেই অপেক্ষার এবার অবসান হতে চলেছে। গত বছর মুক্তি পেয়েছিল দ্য ফ্যামিলি ম্যান ২। তৃতীয় সিজন কবে আসবে অপেক্ষায় ছিল দর্শকরা। প্রায় এক বছর পর তাদের জন্য রয়েছে সুখবর। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার এক দায়িত্বপূর্ণ পদের ভার বনাম স্বামী ও বাবার কর্তব্যপালনের টানাপড়েনের কাহিনিতে মজে থাকা দর্শক এখন দ্য ফ্যামিলি ম্যান-এর তৃতীয় সিজনের দিন গুনছেন। প্রায় এক বছর বাদে সেই অপেক্ষা ফুরোনোর ইঙ্গিত দিলেন নির্মাতারা। সবকিছু ঠিক থাকলে এই বছরের শেষেই দ্য ফ্যামিলি ম্যান ৩-র শ্যুটিং শুরু হবে।অ্যামাজন প্রাইমের এই সিরিজের দ্বিতীয় সিজনে চূড়ান্ত পর্বের শেষে ছিল তৃতীয় সিজনের ঝলক। সেখান থেকেই ইঙ্গিত পাওয়া যায় করোনা অতিমারির প্রেক্ষাপটে চিন ও উত্তর পূর্ব ভারতের যোগাযোগ ঘিরে এগোবে কাহিনি। সম্ভবত কলকাতাও থাকবে সেই গল্পের অলিগলিতে। কোভি়ড-যুদ্ধের নেপথ্যেই কি এ বার জঙ্গি-যোগ ঠেকাবেন ফ্যামিলি ম্যানমনোজ বাজপেয়ী? খুব তাড়াতাড়িই সব উত্তরের অবসান হতে চলেছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

সঙ্গীদের বাঁচাতে ফোন ভাঙলেন রানা, নোটবুক খুলতেই তদন্তকারীদের হাতে এল বড় সূত্র

মোবাইল ভেঙে ফেলেও রক্ষা হল না! সঙ্গীদের নাম আড়াল করতে ফোন নষ্ট করেছিলেন বলে জেরায় দাবি করেছেন ধৃত পাক গুপ্তচর রানা রউফ খালিদ। কিন্তু তাঁর নোটবুক থেকেই তদন্তকারীদের হাতে উঠে এসেছে আরও ছয় জন সন্দেহভাজনের নাম। তাঁদের মধ্যে পাঁচ জন নেপালের বাসিন্দা এবং এক জন বাংলাদেশের বাসিন্দা বলে তদন্তকারী সূত্রে খবর।রাজ্য পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দলের হাতে হাবড়া থেকে গ্রেপ্তার হয়েছেন রানা রউফ খালিদ ওরফে সানি ওরফে ওয়াহাব আলম। তাঁর সহযোগী মহম্মদ ইজাজকেও তপসিয়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, রানার সঙ্গে বিদেশে থাকা কয়েক জন সন্দেহভাজনের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।জেরায় রানা কী তথ্য দিয়েছেন, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। অভিযোগ, কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন এলাকার সেনা ছাউনি, সীমান্তে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ছাউনি, রেলস্টেশন এবং রেলপথের ছবি, ভিডিয়ো ও মানচিত্র সংগ্রহ করে বিদেশে পাঠানো হত। এই কাজে তপসিয়ার ইজাজ তাঁকে সাহায্য করতেন বলে তদন্তকারীদের দাবি।তদন্তকারীদের আরও দাবি, নেপালে থাকা পাঁচ জনের কাছে ওই তথ্য পাঠানো হত। তাঁদের নাম কাশিফ, হানিফ চৌধুরি, সোহায়েল, জেডি এবং হারুণ সফদার বলে রানা তাঁর নোটবুকে লিখে রেখেছিলেন। বাংলাদেশের বাসিন্দা পাভেলের নামও সেই নোটবুকে পাওয়া গিয়েছে বলে খবর। তদন্তকারীদের সন্দেহ, এই ছয় জনের সঙ্গে রানার যোগাযোগ ছিল।বিদেশে থাকা ওই ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগের তথ্য মুছে ফেলতেই নেপালে গিয়ে নিজের মোবাইল ভেঙে ফেলেছিলেন বলে জেরায় রানা দাবি করেছেন। তবে দুটি সিম কার্ড নষ্ট করেননি তিনি। সেই সিম কার্ড দুটি তদন্তকারীরা উদ্ধার করেছেন। ফলে মোবাইল নষ্ট করলেও যোগাযোগের সূত্র পুরোপুরি মুছে ফেলা সম্ভব হয়নি বলে তদন্তকারীদের অনুমান।জেরায় রানা আরও জানিয়েছেন, কাঠমান্ডুতে কয়েক জনের সঙ্গে বৈঠকের পর বনগাঁ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাঁর। বাংলাদেশে পাভেল নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর দেখা করার কথা ছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। যশোরে পৌঁছনোর পর পাভেল তাঁকে একটি নতুন মোবাইল দেওয়ার কথা ছিল। সেই ফোনে দুটি সিম ঢুকিয়ে নেপাল ও পাকিস্তানের সঙ্গে ফের যোগাযোগের পরিকল্পনা ছিল বলে জেরায় উঠে এসেছে।বাংলাদেশ ও নেপালে থাকা ওই ছয় জনের বিষয়ে বিদেশ মন্ত্রকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দুই দেশের সরকারের কাছে তথ্য পাঠানো হচ্ছে বলে তদন্তকারী সূত্রে খবর। তাঁদের সঙ্গে রানার যোগাযোগের ধরন এবং কী ধরনের তথ্য আদানপ্রদান হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারীদের দাবি, চরবৃত্তির মাধ্যমে তথ্য পাচার করে অর্থ সংগ্রহ করতেন রানা। যদিও গ্রেপ্তারের সময় তাঁর কাছ থেকে মাত্র ৩৫০ টাকা পাওয়া গিয়েছে। হাবড়ার চোংদা বাজারের কাছে ধরা পড়ার পর নিজের আধার ও ভোটার কার্ড দেখিয়ে নিজেকে তপসিয়ার বাসিন্দা ওয়াহাব আলম বলে পরিচয় দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন তিনি বলে অভিযোগ।বিশেষ ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় তাঁর নাম বাদ পড়া নিয়ে প্রশ্ন করা হলে রানা প্রথমে অস্বস্তিতে পড়েন বলে তদন্তকারীদের দাবি। পরে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তিনি পাকিস্তানের নাগরিক বলে স্বীকার করেন বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তাঁর কাছ থেকে সিম কার্ড উদ্ধারের পর মোবাইলের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে শেষ পর্যন্ত সেটি ভেঙে ফেলার কথাও স্বীকার করেন বলে তদন্তকারীদের দাবি।

আগস্ট ১২, ২০২৬
দেশ

সৌরভের বাড়িতে পুলিশ কেন? জিজ্ঞাসাবাদের অভিযোগের পর সরাসরি কেন্দ্রের দিকে আঙুল

পুদুচেরিতে সৌরভ দাসের বাড়িতে পুলিশের যাওয়াকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ককরোচ জনতা পার্টির অন্যতম মুখপাত্র সৌরভের অভিযোগ, জিজ্ঞাসাবাদের নামে তাঁর পরিবারের সদস্যদের হেনস্তা করা হয়েছে। তাঁর দাবি, এই ঘটনার পিছনে বিজেপি সরকারের পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র রয়েছে।সমাজমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে সৌরভ জানান, কয়েক ঘণ্টা আগে পুদুচেরি পুলিশ তাঁর বাড়িতে যায়। সেখানে পরিবারের সদস্যদের নানা বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বলে অভিযোগ তাঁর। কেন পুলিশ বাড়িতে এসেছিল, তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।সৌরভের অভিযোগ, পুদুচেরি পুলিশ কেন এ ভাবে হয়রানি করছে? কে নির্দেশ দিয়েছে এবং কী উদ্দেশ্যে? এটাই কি আইনি প্রক্রিয়া? তাঁর দাবি, শুধুমাত্র তাঁকে ভয় দেখানোর জন্যই পরিবারের সদস্যদের উপর চাপ তৈরি করা হচ্ছে।ককরোচ জনতা পার্টির এই মুখপাত্রের আরও অভিযোগ, পুদুচেরির বিজেপি সরকার তাঁর পরিবারকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে। তাঁর দাবি, কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। যদিও তাঁর এই অভিযোগের সমর্থনে কোনও প্রমাণ প্রকাশ্যে আনেননি সৌরভ।সৌরভ আরও বলেন, তাঁকে চুপ করানোর জন্য পরিবারের উপর চাপ তৈরি করা হলেও তিনি পিছিয়ে যাবেন না। ভয় দেখিয়ে তাঁর বক্তব্য বন্ধ করা সম্ভব নয় বলেও দাবি করেছেন তিনি। তাঁর কথায়, এই ধরনের ঘটনা বরং আইন মেনে চলা এবং আরও উন্নত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার লড়াইকে আরও শক্তিশালী করবে।তবে সৌরভের অভিযোগ নিয়ে এখনও পর্যন্ত পুদুচেরি প্রশাসন বা বিজেপির তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে কেন পুলিশ তাঁর বাড়িতে গিয়েছিল এবং সেখানে ঠিক কী ঘটেছিল, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন জল্পনা।

আগস্ট ১২, ২০২৬
রাজ্য

১৪ বছর ভারতে থেকে ভুয়ো পরিচয়! বাংলাদেশ পালানোর আগেই হাবড়ায় ধরা পাক গুপ্তচর

ভারতে ১৪ বছর ধরে বসবাস, তৈরি হয়েছিল ভুয়ো ভারতীয় নথি! বাংলাদেশে পালানোর আগেই হাবড়ায় পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দলের হাতে ধরা পড়ল পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থার সঙ্গে যোগ থাকার অভিযোগে এক ব্যক্তি। তদন্তকারীদের দাবি, ধৃত রানা রউফ খালিদ ওরফে সানি ওরফে ওয়াহাব আলম এবং তাঁর সহযোগী মহম্মদ ইজাজের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে কলকাতার ফোর্ট উইলিয়মের ছবি, একটি মানচিত্র, একাধিক দেশের ফোন নম্বর এবং বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।মঙ্গলবার রাতে যশোর রোড ধরে বেনাপোল সীমান্তের দিকে যাওয়ার সময় হাবড়ার চোংদা মোড়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করে বিশেষ তদন্তকারী দল। তদন্তকারীদের সন্দেহ, বাংলাদেশে পালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তাঁরা। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে ভারতীয় সেনা, সামরিক পরিকাঠামো এবং রেলের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বিদেশে পাঠানোর অভিযোগ সামনে এসেছে।তদন্তকারীদের দাবি, রানা ও ইজাজের কাছ থেকে কলকাতার সেনা সদর দফতর ফোর্ট উইলিয়মের ছবি এবং একটি মানচিত্র পাওয়া গিয়েছে। সেই ছবি এবং মানচিত্র কী ভাবে তাঁদের হাতে এল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। আগামী ১৫ অগস্টের আগে কোনও বড় নাশকতার পরিকল্পনা ছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও তদন্তের আওতায় রাখা হয়েছে। এই বিষয়ে সেনা গোয়েন্দাদের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে বলে তদন্তকারী সূত্রে খবর।জিজ্ঞাসাবাদে আরও জানা গিয়েছে, ভারতীয় সেনার গতিবিধি, সামরিক পরিকাঠামো এবং রেলের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাকিস্তানের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার কাছে পৌঁছে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে ধৃতদের বিরুদ্ধে। পেট্রাপোল ও ঘোজাডাঙা সীমান্ত এলাকায় সেনার গতিবিধি সম্পর্কেও তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। ঠিক কী কী তথ্য কোথায় পাঠানো হয়েছিল, তা জানার চেষ্টা চলছে।তদন্তকারীদের দাবি, ধৃত দুজনের বাড়ি পাকিস্তানের ফয়সলাবাদ জেলার হাফিজাবাদ গ্রামে। ২০১২ সালে নেপালের কাঠমান্ডু সীমান্ত দিয়ে রক্সৌল হয়ে ভারতে ঢোকার পর কলকাতার তপসিয়া এলাকায় বসবাস শুরু করেন রানা। পরে সহযোগী ইজাজের সাহায্যে ওয়াহাব আলম নামে ভুয়ো ভোটার ও আধার কার্ড তৈরি করেছিলেন বলে অভিযোগ। পরে বিশেষ ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় তাঁর নাম বাদ পড়ে।রানা একাধিক বার পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে গিয়েছিলেন বলেও তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন। সম্প্রতি বাংলাদেশ হয়ে পালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তিনি। ১১ অগস্ট বিশেষ সূত্রে রানার গতিবিধি সম্পর্কে খবর পাওয়ার পর নজরদারি শুরু করে বিশেষ তদন্তকারী দল। যশোর রোড ধরে বেনাপোল সীমান্তের দিকে যাওয়ার সময় তাঁদের গতিবিধি নজরে আসে। এর পর রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ হাবড়ার চোংদা মোড়ে অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।তদন্তকারীদের আরও দাবি, বাংলাদেশে ঢোকার আগে কয়েক জন সীমান্ত দালালের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছিলেন রানা। তাঁদের কাছ থেকে পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা এবং বাংলাদেশের একাধিক ফোন নম্বর, দুটি সিম কার্ড, একটি নোটবুক এবং বিভিন্ন বার্তার তথ্য উদ্ধার হয়েছে। কিছু তথ্য ও ফোন নম্বর মুছে ফেলার চেষ্টার প্রমাণও মিলেছে বলে তদন্তকারী সূত্রে খবর।পাকিস্তানের সঙ্গে যোগাযোগের সন্দেহে আগে ধৃত কয়েক জনের সঙ্গেও রানা ও ইজাজের যোগাযোগ ছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। রানার ফোনে তাঁদের নম্বরও পাওয়া গিয়েছে। সেই সূত্র ধরে আরও কয়েক জনের নাম তদন্তকারীদের হাতে এসেছে বলে খবর। ফলে গত ১৪ বছরে ভারতে থেকে ধৃতেরা ঠিক কী ধরনের কার্যকলাপ চালিয়েছিলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তাঁরা কার আশ্রয়ে ছিলেন, কী ভাবে ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করলেন, তাঁদের অর্থের উৎস কী ছিল এবং সেনা ও রেলের তথ্য কী ভাবে বিদেশে পৌঁছতএই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা। ফোর্ট উইলিয়মের ছবি ও মানচিত্র উদ্ধারের বিষয়টিও তদন্তে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

আগস্ট ১২, ২০২৬
দেশ

ভারত চতুর্থ নয়, ষষ্ঠ! সংসদে মোদি সরকারের দেওয়া নতুন তথ্যে তোলপাড়

ভারতের অর্থনীতি নিয়ে কেন্দ্রের বক্তব্যে বড় চমক। এক সময় ভারতকে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি হিসেবে তুলে ধরা হলেও, রাজ্যসভায় কেন্দ্রের দেওয়া নতুন তথ্য বলছে অন্য কথা। অর্থ প্রতিমন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরি জানিয়েছেন, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে নমিনাল জিডিপির হিসাবে ভারত বিশ্বের ষষ্ঠ বৃহত্তম অর্থনীতি ছিল। এই তথ্য সামনে আসতেই নতুন করে শুরু হয়েছে বিতর্ক।রাজ্যসভায় এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে পঙ্কজ চৌধুরি জানান, আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডারের হিসাব অনুযায়ী নমিনাল জিডিপির ভিত্তিতেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অর্থনীতির ক্রমতালিকা তৈরি হয়। মার্কিন ডলারের বর্তমান বিনিময়মূল্য, সংশ্লিষ্ট দেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি এবং অন্যান্য দেশের আর্থিক পরিস্থিতির মতো একাধিক বিষয়ের উপর এই ক্রমতালিকা নির্ভর করে। তাই কোনও দেশের অবস্থান সময়ের সঙ্গে বদলাতেই পারে।কেন্দ্রের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবর্ষে ভারতের জিডিপির পরিমাণ ছিল ৩.৯২ লক্ষ কোটি ডলার। সেই হিসাবে আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডারের তালিকায় ভারত ছিল ষষ্ঠ স্থানে। ফলে ভারত বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি হয়ে গিয়েছে বলে আগে যে দাবি সামনে এসেছিল, তার সঙ্গে নতুন তথ্যের ফারাক নিয়েই এখন প্রশ্ন উঠছে।ভারতের অর্থনীতিকে আরও বড় করার লক্ষ্য অবশ্য বদলায়নি। নরেন্দ্র মোদি সরকার প্রথম থেকেই পাঁচ লক্ষ কোটি ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা সামনে রেখেছে। কেন্দ্রের সেই লক্ষ্য এখনও পুরোপুরি পূরণ হয়নি। তবে অর্থনীতির বর্তমান বৃদ্ধির হার ধরে রাখতে পারলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই ভারত সেই লক্ষ্যে পৌঁছতে পারে বলে বিভিন্ন অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।বিনিয়োগ সংস্থা জেফ্রিসের একটি অর্থনৈতিক মূল্যায়নেও দাবি করা হয়েছে, ২০২৭ সালের মধ্যে ভারত পাঁচ লক্ষ কোটি ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত হতে পারে। পাশাপাশি ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে ভারতকে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় তুলে আনার লক্ষ্য নিয়েও জল্পনা রয়েছে।অর্থনীতি নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বিরোধীদের অন্যতম অভিযোগ, নরেন্দ্র মোদি সরকার যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে অর্থনৈতিক সমস্যার মোকাবিলা করছে না। নতুন পরিসংখ্যান প্রকাশ্যে আসার পর সেই বিতর্ক আরও জোরালো হতে পারে। কারণ, একদিকে ভারত দ্রুত অর্থনৈতিক শক্তি হয়ে ওঠার দাবি, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডারের হিসাবে ষষ্ঠ স্থানে থাকার তথ্যদুইয়ের মধ্যে ফারাক নিয়েই এখন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

আগস্ট ১২, ২০২৬
রাজ্য

নেতাজিকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জের, অনন্ত মহারাজকে কি গ্রেপ্তার করা হবে? মুখ্যমন্ত্রীর বার্তায় তীব্র জল্পনা

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে নিয়ে বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ অনন্ত মহারাজের মন্তব্যকে ঘিরে বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। একাধিক থানায় অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর বুধবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, আইন সবার জন্য সমান এবং নেতাজি সম্পর্কে কটূক্তি করলে আইন অনুযায়ী কড়া পদক্ষেপ করা হবে। এরপরই অনন্ত মহারাজকে ঘিরে গ্রেপ্তারির জল্পনা শুরু হয়েছে।দিনহাটায় একটি কর্মসূচি শেষে অনন্ত মহারাজ নেতাজি এবং আজাদ হিন্দ ফৌজকে নিয়ে একাধিক বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন। তাঁর দাবি ছিল, কোচবিহারের মহারাজার ভূমিকার কারণেই ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে আজাদ হিন্দ ফৌজের লড়াই সম্ভব হয়েছিল। একই সঙ্গে নেতাজির নেতৃত্ব এবং আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। নেতাজিকে নিয়ে এমন বক্তব্যের প্রতিবাদে বিভিন্ন থানায় অভিযোগ জমা পড়ে। বিতর্ক ক্রমশ বাড়তে থাকায় বুধবার মুখ্যমন্ত্রীকে এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়।জবাবে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কোনও ব্যক্তির নাম না করে স্পষ্ট করে দেন, আইন সবার জন্য সমানভাবে কার্যকর হবে। নেতাজি সম্পর্কে কটূক্তি বা অসম্মানজনক মন্তব্যের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলেও তিনি জানান। মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি অনন্ত মহারাজের বিরুদ্ধেও এবার কঠোর পদক্ষেপ হতে পারে?এই পরিস্থিতিতে নিজের বক্তব্য নিয়ে সুর কিছুটা নরম করেছেন অনন্ত মহারাজ। তাঁর দাবি, তিনি কারও নামে বদনাম করেননি এবং কোনও মিথ্যা বা মনগড়া কথা বলেননি। তাঁর বক্তব্য, তিনি ইতিহাসের কথাই বলেছেন এবং কাউকে গালাগালি করেননি।অনন্ত মহারাজ আরও জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে তাঁর কোনও কথা হয়নি। মুখ্যমন্ত্রী কী বলেছেন, সেটি তাঁর বিষয় বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।তবে মুখ্যমন্ত্রীর আইন সবার জন্য সমান বার্তার পর অনন্ত মহারাজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগে প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের। ইতিমধ্যেই দায়ের হওয়া অভিযোগগুলির ভিত্তিতে তদন্ত কতদূর এগোয় এবং নেতাজিকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের ঘটনায় আইনগত কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয় কি না, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

আগস্ট ১২, ২০২৬
কলকাতা

অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা নিয়ে বড় ঘোষণা, ১৭ অগস্ট থেকেই কার কার অ্যাকাউন্টে ঢুকবে টাকা?

অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা নিয়ে বড় ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আগামী ১৭ অগস্ট থেকে যোগ্য উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো শুরু হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যেই যাঁদের যাচাই প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে, তাঁদের পাশাপাশি নতুন আবেদনকারীরাও এই সুবিধা পাবেন।সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা নিয়ে একদিকে যেমন অনেক মহিলা টাকা না পাওয়ার অভিযোগ করেছিলেন, অন্যদিকে আবার যোগ্য নন এমন ব্যক্তিদেরও টাকা পাওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। সেই কারণেই উপভোক্তাদের তথ্য যাচাইয়ের কাজ শুরু করে রাজ্য সরকার।মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী ১৩ অগস্ট পর্যন্ত এই যাচাইয়ের কাজ চলবে। যাঁদের নাম এবং তথ্য যাচাই হয়ে গিয়েছে, তাঁদের অ্যাকাউন্টে ১৭ অগস্ট থেকেই টাকা পাঠানো হবে। নতুন করে যাঁরা আবেদন করেছেন, তাঁরাও নির্ধারিত নিয়ম মেনে এই সুবিধা পাবেন।শুধু প্রথম দফার টাকা নয়, প্রতি মাসে যাতে নির্দিষ্ট সময়ে টাকা পৌঁছয়, সেই বিষয়েও বড় বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, প্রতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যেই অর্থ দফতরের মাধ্যমে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।মুখ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, সরকারি প্রকল্পের টাকা নিয়ে কোনও ধরনের অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না। যোগ্য উপভোক্তাদের চিহ্নিত করেই টাকা দেওয়া হবে। গত সরকারের আমলে বিভিন্ন আর্থিক প্রকল্পে যে ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল, নতুন সরকারের আমলে তা কোনওভাবেই হতে দেওয়া হবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি।অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা নিয়ে ইতিমধ্যেই যে তথ্য যাচাই শুরু হয়েছে, সেটিও নির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই করা হচ্ছে বলে সরকারের তরফে জানানো হয়েছে। যাচাই প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই যোগ্য উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছবে। ফলে ১৭ অগস্ট থেকে শুরু হওয়া টাকা পাঠানোর প্রক্রিয়ায় নজর থাকছে রাজ্যের বহু মহিলার।

আগস্ট ১২, ২০২৬
কলকাতা

ওবিসি শংসাপত্রে বড় ধাক্কা! ২০১০-এর পরের সব শংসাপত্র বাতিল, কারা এবার সাধারণ শ্রেণিতে?

ওবিসি শংসাপত্র নিয়ে দীর্ঘদিনের মামলায় বড় সিদ্ধান্ত কলকাতা হাই কোর্টের। বুধবার বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চ ২০১০ সালের পর জারি হওয়া ওবিসি-এ এবং ওবিসি-বি শ্রেণির সব শংসাপত্র বাতিলের নির্দেশ দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে রাজ্যে ওই দুই আলাদা শ্রেণির ওবিসি শংসাপত্র আর কার্যকর থাকল না।২০১০ সালের পর জারি হওয়া ওবিসি শংসাপত্র নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নানা অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিযোগকে কেন্দ্র করে মামলা গড়ায় কলকাতা হাই কোর্ট থেকে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। পরে মামলাটি ফের কলকাতা হাই কোর্টে ফিরে আসে। বুধবার সেই মামলার শুনানিতেই গুরুত্বপূর্ণ রায় দিল আদালত।২০১১ সালে রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার ওবিসির জন্য ওবিসি-এ এবং ওবিসি-বি নামে দুটি শ্রেণি তৈরি করেছিল। এই ব্যবস্থা নিয়ে শুরু থেকেই বিতর্ক ছিল। নির্দিষ্ট কিছু শ্রেণিকে অতিরিক্ত সুবিধা দেওয়ার অভিযোগও উঠেছিল।মামলাটি আগে কলকাতা হাই কোর্টে উঠলে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চ ওই শংসাপত্রগুলির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে এবং সেগুলি বাতিলের নির্দেশ দেয়। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে তৎকালীন রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়। শীর্ষ আদালত পরে মামলায় অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছিল।এর মধ্যে রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল ঘটে। নতুন বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর ওবিসি সংক্রান্ত মামলাটি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে অবস্থান বদল করা হয়। এরপর সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে কলকাতা হাই কোর্টে বিশেষ বেঞ্চের মাধ্যমে মামলার শুনানি ফের শুরু হয়।এবার সেই শুনানিতেই ২০১০ সালের পর জারি হওয়া ওবিসি-এ এবং ওবিসি-বি শংসাপত্র বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে ওই সময়ের মধ্যে এই দুই শ্রেণির শংসাপত্র পাওয়া ব্যক্তিদের সামনে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে তাঁদের সংরক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট সুবিধার ভবিষ্যৎ নিয়ে।মামলার এই রায়ের ফলে রাজ্যের ওবিসি সংরক্ষণ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে চাকরি, শিক্ষা এবং অন্যান্য সরকারি সুবিধার ক্ষেত্রে এই রায়ের প্রভাব কতটা পড়বে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে।

আগস্ট ১২, ২০২৬
টুকিটাকি

এ এক অন্য রান্নার গল্প: কচু বাটা, এই স্বাদের সত্যিই কোনও ভাগ হয় না

রান্না শুধু পেট ভরানোর কাজ নয়, এটি স্মৃতি, ভালোবাসা আর সৃষ্টির এক সুন্দর প্রকাশ। বাঙালির রান্নাঘরে এমন অনেক পদ আছে, যার সঙ্গে জড়িয়ে থাকে শৈশবের স্মৃতি, মায়ের হাতের স্বাদ আর পরিবারের একসঙ্গে বসে খাওয়ার আনন্দ। তেমনই একটি সহজ অথচ অসাধারণ স্বাদের পদ হলো কচু বাটা।কচু বাটা নাম শুনলেই মনে পড়ে যায় গ্রামের রান্নাঘর, মাটির উনুনের আঁচ আর সরল অথচ সুস্বাদু খাবারের কথা। কচুর মধ্যে লুকিয়ে থাকা মাটির গন্ধ ও নিজস্ব স্বাদকে মশলার সঙ্গে মিশিয়ে যে অপূর্ব পদ তৈরি হয়, তা সত্যিই বাঙালির ঐতিহ্যের অংশ।কচু পরিষ্কার করা থেকে শুরু হয় এই রান্নার গল্প। কচু কাটার সময় অনেকের হাত চুলকায়, তাই সাবধানে তা পরিষ্কার করতে হয়। তারপর কাঁচা কচুকে গ্রিড করে নিতে হবে। কালো ও সাদা সর্ষে, কাঁচালঙ্কা, নুন, নারকেল, পোস্ত, কাজু বাদাম যোগ করলে এতে স্বাদ আরও বেড়ে যায়। সব কিছু একসঙ্গে নিয়ে মিক্সারে ভালো করে মিশিয়ে নিন। তারপর কড়াইতে পরিমান মতো সর্ষের তেল নিতে হবে। এবার গরম সর্ষের তেলে ফ্রাই করে নিলেই কচু বাদা অমৃতে পরিনত হবে। কচু বাটা যখন গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করা হয়, তখন তার সরল স্বাদ মন ছুঁয়ে যায়। প্রথম গ্রাসেই মনে হয় এ যেন শুধু খাবার নয়, পুরনো দিনের এক টুকরো স্মৃতি। দুপুরের শান্ত সময়ে ভাতের সঙ্গে কচু বাটা, পাশে একটু ডাল বা ভাজা, এই সাধারণ খাবারেও লুকিয়ে থাকে এক গভীর তৃপ্তি।আজকের ব্যস্ত জীবনে অনেক নতুন নতুন রান্নার ভিড়ে কচু বাটার মতো দেশি পদ আমাদের মনে করিয়ে দেয় আমাদের শিকড়ের কথা। রান্নাঘরে দাঁড়িয়ে ধীরে ধীরে তৈরি করা এই পদে যেমন শ্রম আছে, তেমনই আছে ভালোবাসা ও আনন্দ। কচু বাটা তাই শুধু একটি রান্না নয়, এটি বাঙালির ঘরের স্বাদ, স্মৃতি আর ভালোবাসার এক ছোট্ট গল্প। এর স্বাদ সত্যিই কোনও ভাবে ভুলে যাওয়ার নয়।কচু বাটা: উপকরণমান কচু, নারকেল, কালো সর্ষে, সাদা সর্ষে, পোস্ত, কাদুবাদাম, নুন, চিনি, লঙ্কা।

আগস্ট ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal