• ১ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার ১৭ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Scam

রাজ্য

এবার নিয়োগ দুর্নীতিতে ইডির তলব তৃণমূল নেত্রী অভিনেত্রী সায়নী ঘোষকে

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে এবার ইডির নজরে যুব তৃণমূল সভানেত্রী সায়নী ঘোষ। টলিউডের এই অভিনেত্রীকে জিজ্ঞাসাবদের জন্য তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সূত্রের খবর, শুক্রবার তাঁকে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নোটিসে।সূত্রের খবর, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষের সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয়ের তদন্তে নাম উঠে এসেছে সায়নীর নাম। সম্পত্তি কেনাবেচাতেও নাম জড়িয়েছে সায়নীর, এমনটাই দাবি ইডির। সেই প্রসঙ্গে যুব সভানেত্রীকে জেরা করতে চায় ইডি। জানা গিয়েছে, আরেক গ্রেফতার যুব তৃণমূল নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ও সায়নীর সঙ্গে কুন্তলের যোগের কথা তদন্তকারীূের জানিয়েছেন।চলতি বছরের মার্চ মাসে কুন্তলের সঙ্গে পরিচিতি থাকায় ইডির নজরে এসেছিলেন অভিনেতা বনি সেনগুপ্ত। অভিযোগ ছিল, কুন্তলের টাকায় গাড়ি কিনেছিলেন তিনি। তা নিয়ে গোয়েন্দাদের প্রশ্নের মুখেও পড়তে হয়েছিল তাঁকে। ইডির হাতে কুন্তলের গ্রেফতারির পর তাঁর এক ঘনিষ্ঠের সঙ্গে যোগসূত্র মেলে বনির প্রেমিকা অভিনেত্রী কৌশানী মুখোপাধ্যায়ের।কুন্তল ঘনিষ্ঠ সোমা চক্রবর্তীর নেল পার্লারে মডেলিংয়ের কাজ করেছিলেন অভিনেত্রী। এর পর নাম আসে বনিরও। কুন্তল জেরার মুখে ইডি আধিকারিকদের কাছে দাবি করেছিলেন, নিয়োগ দুর্নীতিতে বাজার থেকে তোলা টাকার মধ্যে তিনি বনিকে ৪০ লক্ষ দিয়েছিলেন গাড়ি কিনতে। বনি পরে সেই টাকা ইডিকে ফেরতও দিয়েছে। ভোট বাজারে সায়নী ইডি দফতরে যায় কিনা তাই এখন দেখার।

জুন ২৮, ২০২৩
রাজ্য

রুজিরাকে ইডির জিজ্ঞাসাবাদ, আগামী সপ্তাহে তলব অভিষেককে

সাড়ে চার ঘন্টা পর সিজিও কমপ্লেক্সের ইডি দফতরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরা নারুলাকে। কয়লা পাচার মামলায় ইডি তলব করেছিল অভিষেক-জায়াকে। বৃহস্পতিবার সাড়ে ১২টা নাগাদ তিনি প্রবেশ করেন সিজিওতে। দিল্লি থেকে আসা ইডি অফিসাররা রুজিরাকে প্রশ্ন করেছেন। তাঁর বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে। এর আগে রুজিরাকে দিল্লির সদর দফতরে ডেকে পাঠিয়েছিল ইডি। তবে সেক্ষেত্রে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। আদালতের নির্দেশেই রুজিরাকে কলকাতার দফতরে জিজ্ঞাসাবাদ করতে বলা হয়েছিল ইডিকে।বিকেলে সাংবাদিক বৈঠকে এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে বলেন, আমার পারিবারিক বিষয় নিয়ে কোনও কথা বলব না। ও (রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়) ভালো মেয়ে, নিরাপরাধ মেয়ে, সৎ মেয়ে, প্রাপ্ত বয়স্কা। শুধু বলব ইডি বাঘ নাকি? ইডি দেশের জনগণের সেবার জন্য, বিজেপির সেবা করার জন্য নয়।এরপরই এদিন বিকালে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট(ইডি)। আগামী মঙ্গলবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে তলব করেছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। প্রসঙ্গত, ওইদিনই ইডি হেফাজতের মেয়াদ শেষ হচ্ছে নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে ধৃত কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের।আজ, বৃহস্পতিবারই ইডির নোটিস, মঙ্গলবার অভিষেককে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর। প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় ইডি । কুন্তলের চিঠি ছাড়াও একাধিক তথ্যকে সামনে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ চায় ইডি। গত ২০ মে কুন্তলের চিঠির প্রেক্ষিতে অভিষেককে প্রায় ১০ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই।সমন পাওয়ার পর অভিষেক জানিয়ে দিয়েছে, পঞ্চায়েত ভোট শেষ হওয়ার পর ইডি তলব করলে তিনি যাবেন। এখন ১০-১২ ঘন্টা সময় নষ্ট করতে পারবেন না।

জুন ০৯, ২০২৩
রাজ্য

বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হবেন অভিষেক, তদন্তেেও সহযোগিতা

আইনের উপর আমার সম্পূর্ণ আস্থা আছে। আমি যে কোন তদন্তকারী সংস্থার মুখোমুখি হতে প্রস্তুত। বৃহস্পতিবার দুর্গাপুরে বললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রসঙ্গত বৃহস্পতিবার সকালেই হাইকোর্টের বিচারপতি বিচারপতি অমৃতা সিনহা রায় দেন যে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে। এর পাশাপাশি আদালতে সময় নষ্টের জন্য ২৫ লক্ষ টাকা জরিমানাও ধার্য করা হয়। আদালতের এদিনের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে দুর্গাপুরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক জানান আইনের প্রতি সম্পূর্ণ আস্থা রয়েছে, যে কোনও তদন্তকারী সংস্থার মুখোমুখি হতে তিনি প্রস্তুত। এর পাশাপাশি অভিষেক জানান, ডিভিশন বেঞ্চ কিংবা সুপ্রিম কোর্টের দরজা খোলা রয়েছে, তিনি অবশ্যই সেই আদালতের দ্বারস্থ হবেন। জরিমানা প্রসঙ্গে কার্যত তিনি বিচার ব্যবস্থাকে বিঁধলেন। তিনি বলেন, যাঁরা কথায় কথায় পিআইএল করে তাদের কোন জরিমানা করা হয় না, কনভয়ে মানুষের মৃত্যু হলে যাঁরা রক্ষাকবচের আবেদন করে , তাঁদের জরিমানা করা হয় না। আমি অধিকারকে সামনে রেখে বিচার ব্যবস্থার দ্বারস্থ হয়েছি বলে আমায় জরিমানা করা হল। প্রয়োজনে কর্মসূচি স্থগিত রেখে তদন্তের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত বলেও জানিয়ে দেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড।

মে ১৮, ২০২৩
রাজ্য

আদালতের নির্দেশে চরম অস্বস্তিতে অভিষেক, মোটা টাকা জরিমানা তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড ও কুন্তলেের

কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে চরম অস্বস্তিতে পড়লেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। একই সঙ্গে তাঁকে ও সাসপেন্ডেন্ট যুব তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষকে ২৫ লক্ষ টাকা করে জরিমানার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এই নির্দেশের পর তৃণমূলের সাংসদকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে ইডি বা সিবিআইয়ের কোনও বাধা নেই। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের দেওয়া নির্দশই বহাল রাখলেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। বিচারপতি বদলালেও বিচার একই রইল।শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত কুন্তল ঘোষের চিঠি মামলায় এবার বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশই বহাল রাখলেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশ পুনর্বিবেচনার জন্য আদালতে আবেদন জানিয়েছিলেন। তৃণমূলের শীর্ষ নেতার সেই আর্জি খারিজ করে দিলেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। একইসঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কুন্তল ঘোষকে ২৫ লক্ষ টাকা করে জরিমানা করেছে আদালত। সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশ অনুযায়ী অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে সিবিআই ও ইডি। তবে এই রায়ের প্রথমে বিরুদ্ধে ডিভিশন বেঞ্চ ও পরে সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারেন অভিষেক।

মে ১৮, ২০২৩
রাজ্য

এক লপ্তে ৩৬ হাজার অপ্রশিক্ষিত প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি বাতিল, নির্দেশ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় নজিরবিহীন নির্দেশ দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। ৩৬ হাজার অপ্রশিক্ষিত শিক্ষকের চাকরি বাতিল করে দিলেন বিচারপতি। এরা সবাই ২০১৪-এ টেট পরীক্ষায় নিয়োগ পেয়েছিলেন। ইন্টারভিউয়াররা সাক্ষ্যে জানিয়েছেন নিয়োগের পরীক্ষায় অ্যাপটিটিউড টেস্ট নেওয়া হয়নি।বিচারপতির নির্দেশ, আগামী চার এই শিক্ষকরা স্কুলে গেলেও বেতন পাবেন প্যারা টিচারের বেতনের হারে। সম্পূর্ণ বপতন পাবেন না। পাশাপাশি রাজ্যকে এই তিন মাসের মধ্যে নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করে শেষ করতে হবে। তবে যাঁদের চাকরি বাতিল হয়েছে, তাঁরা ইতিমধ্যে প্রশিক্ষণ নিয়ে থাকলে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন। অপ্রশিক্ষিত ১৪০ জন হাই কোর্টে মামলা করেছিলেন। এঁরা কেউ নিয়োগ পাননি। সম্প্রতি আদালত প্রকাশিত তালিকায় দেখা যায় যে কম নম্বর পেয়ে অনেক অপ্রশিক্ষিত প্রার্থী চাকরির সুপারিশপত্র পেয়েছেন। তার পরেই বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় প্যানেল বাতিলের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, ঢাকি সমেত বিসর্জন দিয়ে দেওয়া হবে। বিচারপতি আগেই জানিয়েছিলেন, ২০১৬ সালের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ার পুরো প্যানেল বাতিল করে দেবেন।সেবছর মোট নিয়োগ হয়েছিল ৪২ হাজার ৫০০ জনের। ২০১৪ সালে টেটের নিয়োগে দুর্নীতি রয়েছে বলে আদালতে মামলা করেছিলেন বিজেপি নেতা তথা আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি। কেউ মেধার ভিত্তিতেও চাকরি পেলেও যাঁরা বেআইনিভাবে চাকরি পেয়েছিলেন তাঁদের বিষয়ে তদন্ত দাবি করেছিলেন এই আইনজীবী। এই মামলার তদন্তভার বর্তায় সিবিআইয়ের ওপর।

মে ১২, ২০২৩
রাজ্য

১০০ নয় কুন্তল একাই ৫০০ কোটি তুলেছে, শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি নিয়ে বিষ্ফোরক তাপস

শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির টাকা নিয়ে ভয়ঙ্কর অভিযোগ তুললেন ধৃত তাপস মন্ডল। বৃহস্পতিবার আদালতে যাওয়ার মুখে তাপস সাংবাদিকদের বলেছিলেন, আদালত থেকে বেরিয়ে কথা বলব। আদালত থেকে বেরিয়ে ভয়ঙ্কর অভিযোগ করেছেন তাপস মন্ডল।তাপস বলেন, ১০০টাকা নয় কুন্তল তুলেছে ৫০০ কোটি টাকা। এই টাকা হাওলার মাধ্যমে বাইরে টাকা পাঠিয়েছে কুন্তল। অভিষেকের নাম ভাঙিয়ে টাকা তুলেছে কুন্তল। কুন্তল একাই ৫০০ কোটি টাকা তুলেছে। কেন্দ্রীয় এজেন্সিওএ সেভাবে কোনও চাপ দেয়নি।কুন্তলের বিরুদ্ধে এই অভিযোগের প্রক্ষিতে বিজেপির বক্তব্য়, শীর্ষ মহল না এত বড় দুর্নীতি সম্ভব নয়। যদিও কুন্তল এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেনি।

এপ্রিল ২০, ২০২৩
রাজ্য

এসএসসি দুর্নীতিতে ধৃত শান্তনু ঘনিষ্ঠ প্রোমোটারের সল্টলেকের বাড়িতে ইডির হানা

যত খুঁড়ছে ততই সোনা। সম্পত্তির যেন কোনও শেষ নেই। শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার সাসপেন্ড তৃণমূল নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের হুগলিতে একাধিক সম্পত্তির হদিশ পেয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। শনিবার শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ প্রোমোটার অয়ন শীলের সল্টলেকের বাড়িতে হানা দেয় ইডি।গ্রাউন্ড ফ্লোরে ভাড়া থাকেন অয়ন শীল। দীর্ঘ তিন বছর ধরে এই অয়ন শীল সল্টলেকের এই বাড়িতে ভাড়া থাকেন। সূত্রের খবর, শনিবার সকালেই তিনি বাড়ি ছেড়ে হুগলির চুঁচুড়া বা অন্যত্র চলে গিয়েছেন। তার খোঁজে এই প্রোমোটারের বাড়িতে হানা ইডির। কেন এই প্রোমোটারের বাড়িতে ইডির হানা? ইডি সূত্রের খবর, শান্তনুর একাধিক হোটেল, রিসর্ট, প্রমোটিং এর মূল দায়িত্বে ছিলেন অয়ন শীল।অয়ন বাড়িতে না থাকায় ইডির আধিকারিকরা পরিবারের অন্য সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। বাড়ির বাইরে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন ছিল। অয়নের স্ত্রী এবং ছেলে দিল্লিতে থাকে। এই ফ্ল্যাটে অয়ন শীলের অফিসের কিছু কর্মী এখানে থাকেন। বাড়ির পাশাপাশি অফিস হিসাবেও এই ফ্ল্যাট ব্যবহার হয়।জানা গিয়েছে, প্রমোটিং ছাড়াও অয়ন শীলের একটি প্রোডাকশন হাউজ রয়েছে। রয়েছে পেট্রোল পাম্প।২০১৭ সালে হুগলির চুঁচুড়ার পিপুলপাতিতে একটা আবাসন প্রোজেক্ট করেন অয়ন। সেখানে ৪০ টি ফ্ল্যাট ছিল। সেখানে একটি ফ্ল্যাট কেনে শান্তনু। পরিচালক কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায় এর সঙ্গে একটি সিনেমাও অয়ন শীল করেছেন বলে খবর।

মার্চ ১৮, ২০২৩
রাজ্য

বনি একা নন, কুন্তলের থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়েছেন তাবড় অভিনেতা-অভিনেত্রীরা

ইতমধ্যে ৪৪ লক্ষ টাকা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটকে ফেরত দিয়েছেন অভিনেতা বনি সেনগুপ্ত। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির এই টাকা কুন্তল ঘোষ গাড়ি কিনতে দিয়েছিলেন বনিকে। এই অভিনেতাকে ইতিমধ্যে দুবার জিজ্ঞাসাবাদও করেছে ইডি। শেষমেশ গতকাল, বৃহস্পতিবার ৪৪ লক্ষ টাকা ইডিকে ফেতর দেন বনি। তবে শুধু কি বনি? জানা গিয়েছে, কুন্তলের কাছ থেকে দুর্নীতির টাকা নিয়েছেন টলিউডের আরও ২২ জন। একথা আজ, শুক্তবার আদালতে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা।ইতিমধ্যে টলিউডের রাজনীতির যোগ থাকা একাধিক অভিনেতা-অভিনেত্রী ইডির তদন্তের আওতায় চলে এসেছেন। প্রথম সারির এই অভিনেতা-অভিনেত্রীরা লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়েছেন বনি সেনগুপ্তর কাছ থেকে। এবার তাঁদের জেরা করতে চায় ইডি। তাঁদের জেরা করে অনেক নতুন তথ্য মিলবে বলে মনে করছে তদন্তকারীরা। কে নেই সেই তালিকায়, এই নিয়েই জোর জল্পনা শুরু হয়েছে টলিউডে। ইতিমধ্যে কুন্তল ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা শান্তনু বন্দ্য়োপাধ্য়ায় গ্রেফতার হয়েছে। বলাগড়ে শান্তনুর ধাবা উদ্বোধনে গিয়েছিলেন অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকার। নায়ক-সাংসদ, রাজনীতিক অভিনেত্রীরা তলবের তালিকায় রয়েেছেন বলে সূত্রের খবর।

মার্চ ১৭, ২০২৩
রাজ্য

‘হঠাৎ করে চাকরি চলে গেলে সে খাবে কী?’ আক্ষেপ মুখ্যমন্ত্রীর

শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতিতে চাকরি বাতিলের ঘটনায় তোলপাড় রাজ্য। তবে পর পর চাকরি বাতিলের ঘোষণায় উদ্বিগ্ন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার আলিপুর আদালতের একটি অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বললেন, কথায় কথায় লোকের চাকরি খাবেন না। কালও দুজন আত্মহত্যা করেছেন। হঠাৎ করে চাকরি চলে গেলে সে খাবে কী? এটা রাজনীতির বিষয় নয়। দয়া করে রাজ্যের বদনাম করবেন না।বেআইনি নিয়োগের কারণে সম্প্রতি ৮৮৪ জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। তার আগে একই কারণে গ্রুপ ডি এবং শিক্ষক পদেও চাকরি হারাতে হয়েছে অনেককে। সদ্য প্রকাশিত শিক্ষা দফতরের ওএমআর শিটে নম্বরের মহিমা যে কাউকে অবাক করতে বাধ্য। ০, ১, ২ নম্বর পাওয়া পরিক্ষার্থীদের নম্বর বাড়িয়ে করা হয়েছে ৫৪, ৫৫, ৫৬। সাদা চোখেই ধরা পড়েছে সীমাহীন দুর্নীতি। তবে চাকরি চলে যাওয়ায় মুখ্যমন্ত্রী আবেগ তাড়িত হয়ে পড়েছেন।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, এখন রোজ কথায় কথায় ৩ হাজার চাকরি বাদ, ৪ হাজার চাকরি বাদ। নীচুতলার কেউ অন্যায় করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব, এটা আমার চিরকালের স্বভাব। তবে কালও দুজন আত্মহত্যা করেছেন। কেউ ভুল করলে তার দায় তাঁরা নেবেন কেন? হঠাৎ করে চাকরি চলে গেলে সে খাবে কী? যাঁরা অন্যায় করেছে অ্যাকশন নিন। আমার কোনও দয়া নেই তাঁদের জন্য।এমনকী চাকরি বাতিল হওয়াদের ফের নতুন করে সুযোগ দেওয়ার কথাও বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর যুক্তি, ছেলেমেয়েদের সুযোগ দিন। দরকার হলে তাঁদের পরীক্ষা নিন। আদালত যেটা বলবে সেটা আমরা করব। দয়া করে চাকরি খাবেন না। এটা আমার মনের ভাবনা। কথায় কথায় লোকের চাকরি খাবেন না। এটা রাজনীতির বিষয় নয়। অন্য রাজ্যে তো এটা হচ্ছে না। এরাজ্যে কেন হচ্ছে? আমাকে দুবেলা গালাগালি দিন। দরকার হলে মারুন। দয়া করে রাজ্যটার বদনাম করবেন না। তাঁর বক্তব্য, ক্ষমতায় এসে একটা সিপিএম ক্যাডারেরও চাকরি খাইনি। তোমরা কেন খাচ্ছ? দেওয়ার ক্ষমতা নেই, কাড়ছ কেন?

মার্চ ১৪, ২০২৩
রাজ্য

শিক্ষা দুর্নীতিতে গ্রেফতার কুন্তল ও শান্তনুর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা তৃণমূলের

শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগে দুর্নীতিতে গ্রেফতার পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে দল অনেক আগেই বহিস্কার করেছে। তবে তিনি এখনও দলে বিধায়ক রয়েছেন। গ্রেফতার মানিক ভট্টাচার্য এখনও বিধায়ক রয়েছেন। এবার শিক্ষা দুর্নীতিতে গ্রেফাতার দুই যুব নেতা কুন্তল ঘোষ ও শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়কে তৃণমূল কংগ্রেস বহিষ্কার করল। যদিও গরুপাচার কাণ্ডে গ্রেফতার অনুব্রত মন্ডল এখনও বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রয়েছেন।শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে প্রায় ২ মাস হতে চলল গ্রেফতার করা হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য যুবনেতা কুন্তল ঘোষকে। কুন্তলকে গ্রেফতার করার পর নতুন নতুন নাম করেছে ইডির কাছে। তাঁদের তলব করছে ইডি। চার দিন আগে তৃণমূল যুব নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করে ইডি। এদিন তৃণমূল ভবনে এক সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়ে দেওয়া হয় কুন্তল ও শান্তনুকে দল থেকে বহিস্কার করা হয়েছে। রাজ্য যুব তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক পদে ছিলেন কুন্তল। কিন্তু শান্তনু দলের সেভাবে কোনও পদে ছিলেন না বলেই জানা গিয়েছে। রাজ্যের দুই মন্ত্রী ব্রাত্য বসু ও শশী পাঁজা সাংবাদিক বৈঠকে হাজির ছিলেন। এদিন শশী পাঁজা বলেন, সঞ্জীব সুকুল নামে যে ব্যক্তির চাকরি খুইয়েছেন তিনি শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ। বিজেপি ও সিপিএম নেতাদের পরিবারের সদস্যদেরও দুর্নীতির দায়ে চাকরি গিয়েছে।

মার্চ ১৪, ২০২৩
রাজ্য

তৃণমূল নেতার পরিবারের একসঙ্গে ৩ জন স্কুলের চাকরি খোয়ালেন, ব্যাপক শোরগোল এলাকায়

হাইকোর্টের নির্দেশে শিক্ষা দফতরের ৮৪২ জনের চাকরি খোয়াতেই রাজ্যজুড়ে হইচই পড়ে গিয়েছে। বিধায়কপুত্র, কন্য়া থেকে তৃণমূল নেতাদের পরিবারের সদস্যদের একের পর এক চাকরি চলে যাওয়ার খবর আসছে। বাতিলের তালিকায় মালদহের তৃণমূল নেতার দুই মেয়ে ও জামাইয়ের নাম রয়েছে। বিষয়টা প্রকাশ্যে আসতেই স্কুলের চাকরি দুর্নীতিতে তৃণমূল নেতৃত্বই জড়িত বলে অভিযোগ তুলেছে বিরোধীরা।মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লকের কুশিদা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার তৃণমূলের প্রাক্তন অঞ্চল চেয়ারম্যান প্রকাশ দাসের দুই মেয়ে মাম্পি দাস, শম্পা দাস এবং জামাই বিপ্লব দাসের চাকরি গিয়েছে হাইকোর্টের রায়ে। প্রকাশের বাড়ি উত্তর রামপুর গ্রামে। মাম্পি দাস হরিশ্চন্দ্রপুর হাই স্কুল, শম্পা দাস হরিশ্চন্দ্রপুর কিরণবালা বালিকা বিদ্যালয় এবং বিপ্লব দাস কনুয়া ভবানীপুর হাইস্কুলে ক্লার্ক পদে কর্মরত ছিলেন। তৃণমূল নেতার পরিবারের ৩ জনের চাকরি চলে গিয়েছে এই ঘটনা জানাজানি হতেই এলাকায় শোরগোল পড়ে যায়।বিরোধীদের দাবি, মোটা টাকার বিনিময়ে তৃণমূল নেতার দুই মেয়ে ও জামাইয়ের স্কুলে চাকরি হয়েছিল। এই কারণেই প্রকৃত মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীরা চাকরি পাচ্ছে না। তবে প্রকাশ দাসের বক্তব্য, আমার মেয়েরা নিজের যোগ্যতায় চাকরি পেয়েছে। আমি তৃণমূলের কুশিদা অঞ্চল চেয়ারম্যান ছিলাম। সেই সময় চেয়ারম্যানের কি ক্ষমতা ছিল? অন্যদিকে জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র শুভময় বসু বলেন, কোর্টের নির্দেশে এগুলো হচ্ছে। বেআইনী নিয়োগ হলে ব্যবস্থা হবে। দল পাশে থাকবে না।

মার্চ ১২, ২০২৩
রাজ্য

অর্পিতা, শাহিদের পর হৈমন্তী, বিনোদন জগতের সঙ্গে শিক্ষাক্ষেত্রের দুর্নীতি মিলেমিশে একাকার

অর্পিতা মুখোপাধ্যায় থেকে শুরু। তারপর নাম উঠে আসে হুগলির আরামবাগের শাহিদ ইমামের। এবার হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়। শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগে দুর্নীতির তদন্ত করতে গিয়ে অভিনয় জগতের যোগ উঠে আসছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, বিনোদনে কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে নিয়োগ দুর্নীতির অর্থ। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ অভিনেত্রী ও মডেলার অর্পিতা মুখোপাধ্যায় গ্রেফতার হতেই তোলপাড় হয়ে যায় রাজ্য-রাজনীতি। অর্পিতার দুটো ফ্ল্যাট থেকে নগদ প্রায় ৫০ কোটি টাকা উদ্ধার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। একইসঙ্গে কয়েক কোটি টাকার গহনাও উদ্ধার হয়। অর্পিতা পর্ব চলাকালীন নিয়োগ দুর্নীতি এজেন্ট হিসাবে নাম উঠে আসে আরামবাগের শাহিদ ইমামের। জানা গিয়েছে, তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গেও যুক্ত। অভিযোগ, ক্ষমতাবলে খেলার মাঠ দখল করে বিলাসবহুল অট্টালিকা তৈরি করছেন শাহিদ। মুম্বাই ও টলিউডের সিনেমা জগতের সঙ্গে যুক্ত শাহিদ এমনটাই খবর রয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছে। তিনি নিজেও একটি বলিউডের ভিডিও অ্যালবাম করেছেন। এর পাশাপাশি টলিউডে ৩ টি সিনেমার প্রযোজনাও করেছেন বলে জানা গিয়েছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি অর্থ এভাবে বিনোদন জগতে বিনিয়োগ করেছেন। অর্পিতার পর শাহিদ ইমামের খবর জানাজানি হতেই হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম উঠে এসেছে। হাওড়ার হৈমন্তী বাংলা সিনেমা ও টিভি সিরিয়ালে অভিনয় করেছেন। তিনি নিজে প্রযোজনাও করেছেন। এত অর্থ এমন ছাপোষা পরিবারের মেয়ে কোথা থেকে পেল তা নিয়ে তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। গতকাল, বৃহস্পতিবার গ্রেফতার কুন্তল ঘোষ হৈমন্তীর নাম করেছেন। তাঁর সঙ্গে ছবি মিলেছে প্রাক্তন মন্ত্রী মদন মিত্র ও রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের। যদিও রাজীব দাবি করেছেন, তাঁর মেয়ের বিয়েতে হৈমন্তী নিমন্ত্রিত কারও সঙ্গে এসেছেন। তাঁকে তিনি চেনেন না বা নিমন্ত্রনও করেনি। তবে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির সঙ্গে অভিনয় জগতের যে জোরালো যোগ, তা কিন্তু ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৩
রাজ্য

বর্ধমানে কাজ দেওয়ার নামে মহিলাদের সাথে প্রতারনা

প্রতারণার শিকার কয়েকশো মহিলা। একটি সংস্থায় কাজ দেওয়ার নামে তাদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয় বলে অভিযোগ। প্রতারিত মহিলারা শুক্রবার বিডিওর দারস্থ হয়। পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের বড়বেলুন, নাসিকগ্রাম, খেরুর সহ একাধিক গ্রামের মহিলাদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয় বলে অভিযোগ। মহিলাদের দাবি মুরারীপুর এলাকার এক মহিলা একটি সংস্থায় তাদেরকে কাজে নিয়োগ করেছিল। তাদের সঙ্গে চুক্তি হয় মাসে দুহাজার টাকা করে সংস্থায় জমা করতে হবে। তাদের বেতন মাসে ১২০০ টাকা। অন্যান্য মহিলাদের সংস্থায় যুক্ত করালে তার বিনিময়ে আরো টাকা পাবেন তারা।দুতিন মাস কাজ করার পর তারা কোনও টাকা না পেয়ে বুঝতে পারেন তারা প্রতারিত হয়েছেন। এরপর বিভিন্ন গ্রামের মহিলারা একত্রিত হয়ে ভাতার ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিকের কাছে দ্বারস্থ হন লিখিত অভিযোগ জানান। টাকা ফেরতের দাবি জানান মহিলারা। ভাতারের বিডিও অরুণ কুমার বিশ্বাস বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।

ডিসেম্বর ০২, ২০২২
রাজ্য

পুরীতে জাল হোটেল বুকিংয়ের অনলাইন ফাঁদ, সতর্ক করল কলকাতা পুলিশ

বাঙালির ভ্রমণের অন্যতম প্রধান ডেস্টিনেশন জগন্নাথধাম পুরী। এই সিজনে পর্যটকদের ভীড় আরও বারবে। সেই পুরীতে অনলাইন হোটেল বুকিং নিয়ে সতর্ক করল কলকাতা পুলিশ। বুধবার কলকাতা পুলিশ ফেসবুক পোস্ট করে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেছে। কিভাবে প্রতারণা চক্র সক্রিয় থাকে তা বোঝার জন্য টিপস দিয়েছে কলকাতা পুলিশ।কি লিখেছে কলকাতা পুলিশ?পুরীতে ছুটি কাটাবেন? ভালো কথা। অনলাইনে খুঁজে পেতে হোটেলের ওয়েবসাইট বের করলেন। বুকিং সংক্রান্ত প্রশ্ন নিয়ে ওয়েবসাইটে দেওয়া হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর অথবা ইমেইল-এ যোগাযোগ করলেন। উত্তরও এলো, ঘর ভাড়া বাবদ ৫০ শতাংশ টাকা অগ্রিম পাঠাতে হবে। আপনি পাঠিয়ে দিলেন। কিন্তু পুরীতে নেমে হোটেলে পৌঁছে দেখলেন, আপনার নামে কোনও বুকিং তো হয়ইনি, ওই ৫০ শতাংশ টাকাও হোটেলের কাছে আসেনি। বস্তুত, আপনার অস্তিত্ব সম্পর্কেই জানে না তারা!পরে আপনি জানতে পারলেন, ওই ওয়েবসাইটটি জাল, এবং কিছু জালিয়াত দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে সেখানে দেওয়া ফোন নম্বর ও ইমেইল আইডি।কলকাতাবাসীর কাছে পুরীভ্রমণের জনপ্রিয়তা নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বরের মধ্যে এই পুরীরই কিছু হোটেলের নাম করে এই ধরনের একাধিক জালিয়াতির অভিযোগ জমা পড়েছে লালবাজারের সাইবার থানায়। আমাদের তদন্ত তো চলছে বটেই, তবে এই সুযোগে অনলাইন লেনদেন সম্পর্কিত কিছু প্রাথমিক সতর্কতামূলক পদক্ষেপ আপনাদের সঙ্গে ভাগ করে নিলাম: ১। ডোমেইন নেম, অর্থাৎ লিঙ্কটি খুঁটিয়ে দেখুন, হোটেল বা অন্যান্য পরিষেবা প্রদানকারীর নামের সঙ্গে সঙ্গতি আছে কিনা যাচাই করুন২। লিঙ্কে ক্লিক করার পর পেজ খুললে লিঙ্কের পাশে তালা চিহ্ন আছে কিনা দেখুন। এতে পেজটি সুরক্ষিত কিনা তা বোঝা যায়৩। ওয়েবসাইট চেকার এবং নিরাপদে ইন্টারনেটে বিচরণ করার প্রক্রিয়া অর্থাৎ সেফ ব্রাউজিং টুল ব্যবহার করুন৪। ওয়েবসাইটে বানান ভুল, কাঁচা হাতের ডিজাইন, ইত্যাদি দেখলে সাবধান হন৫। ওয়েবসাইটের বয়স অর্থাৎ ডোমেইন এজ যাচাই করতে অনলাইন সার্চ করুন৬। অবিশ্বাস্য ভালো কোনওরকম অফার দেখলে সাবধান হন৭। হোটেল বুকিংয়ের ক্ষেত্রে ওই হোটেলে থেকেছেন এমন গ্রাহকদের রিভিউ খুঁজুন, বা কোনও স্ক্যাম-এর রিপোর্ট আছে কিনা সার্চ করে দেখুন৮। শিপিং বা রিটার্ন পলিসি জাতীয় তথ্য ভালো করে পড়ুন৯। কী কী পেমেন্ট অপশন আছে তা ভালো করে দেখে নিন১০। নানারকম বিশ্বস্ততার পরিচয়, অর্থাৎ ট্রাস্ট সিগনাল, যেমন বিবিধ পুরস্কারের উল্লেখ ইত্যাদির দ্বারা প্রভাবিত হবেন না১১। ওয়েবসাইটে ভাইরাস স্ক্যান করুন

নভেম্বর ৩০, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে স্বজন পোষণের মারাত্মক অভিযোগ পঞ্চায়েত সদস্যদের

সারা রাজ্য জুড়ে শিক্ষাক্ষেত্রে ব্যাপক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে যখন রাজ্য রাজনীতি সরগরম। ঠিক সে সময় পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে শাসক দলের পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে স্বজন পোষণের মারাত্মক অভিযোগে উঠল। ঘটনার জেরে এলাকায় শোরগোল পরেছে। বিষয়টি নিয়ে এদিন গলসি ১ নং ব্লক বিডিওকে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন লোয়া রামগোপালপুর পঞ্চায়েতের ৮ জন পঞ্চায়েত সদস্য। এদিন ওই পঞ্চায়েতের ১৪ জন সদস্যের মধ্যে ৮ জন বিডিওকে লিখিত অভিযোগ জানান। জানা গেছে, ওই পঞ্চায়েতে ভিসিটি অর্থাৎ ভেক্টর ডিজিস কন্ট্রোল টিমের জন্য দুটি শুন্যপদ রয়েছে। অভিযোগ, সেই পদে নিয়োগের জন্য পঞ্চায়েত প্রধান নিজের ছেলের নামই রেজুলেশন করে পাঠান লোয়া রামগোপালপুর পঞ্চায়েত প্রধান পম্পা রুইদাস।পঞ্চায়েত সদস্যরা জানিয়েছেন, পঞ্চায়েতে ভিসিটি নিয়োগের জন্য আবেদন জমা করেছে এলাকার বেশ কিছু বেকার যুবক যুবতী। তবে সেই পরিপ্রেক্ষিতে পঞ্চায়েতে জেনারেল মিটিং না করে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁরা জানান, আচমকা টেলিফোনে গ্রাম সংসদ সভার মিটিং ডেকে সদস্য সদস্যাদের ফাঁকা রেজুলেশনে স্বাক্ষর করিয়ে নেন প্রধান। তারপরই রেজুলেশন কপি বিডিও অফিসে পাঠিয়ে দেন বলে জানিয়েছেন তাঁরা। পঞ্চায়েত প্রধানের এমন কাজে মুখ খুলেছে বিরোধী দল বিজেপি।তবে গলসি ১ নং ব্লকের বিডিও দেবলীনা দাস জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত কোনও নিয়োগ হয়নি। লোয়া রামগোপালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে দুটি ভ্যাকেন্সি আছে। ওখান থেকে একটি রেজুলেশন পেয়েছিলাম। সেখানে দুইজনের নাম পাঠানো হয়েছিল। আজকে কয়েকজন এসে অভিযোগ করে গেছেন। তাঁরা বলছেন ওই মিটিং এ আমরা ছিলাম না। আমরা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি।

নভেম্বর ২৮, ২০২২
রাজনীতি

দুর্নীতির রাজা-রানিকে ধরতে হবে বলে কটাক্ষ মহঃ সেলিমের

বৃহস্পতিবার বিকেলে পূর্বস্থলী ২ নম্বর ব্লকের থানার মাঠে পূর্বতন পূর্বস্থলী বিধানসভার সিপিএম বিধায়ক মনোরঞ্জন নাথের স্মরণসভা আয়োজন করা হয়। এই স্মরণসভায় সিপিএম রাজ্য কমিটির সম্পাদক মহঃ সেলিম ছাড়াও বর্ধমান জেলা নেতৃত্বও উপস্থিত ছিলেন। তিনি মনোরঞ্জন নাথ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে বলেন, মনোরঞ্জন নাথ শুধুমাত্র একজন স্কুল শিক্ষক ছিলেন না, তিনি সমাজেরও শিক্ষক ছিলেন,রাজনীতিতে এই ধরনের মানুষের খুবই দরকার। কে শত্রু, কে মিত্র, কে লুট করছে এসব জানা বা বোঝার জন্য শিক্ষা প্রয়োজন। বর্তমান সরকার এই সমস্ত সজ্জন মানুষদেরকে দূরে সরিয়ে দিয়ে যারা দূর্জন ও মহাজন তাদেরকে জড়ো করেছে।তিনি আরও বলেন, এই সরকারের আমলে ঘুষখোর, সুদখোর তাঁদের এখন মাতব্বরি বেড়েছে। তিনি সজ্জন ব্যক্তিদের বাম আন্দোলনে যোগদানের আহ্বান জানান। সেলিম বলেন, অনেকে স্লোগান দেন ওয়ান টু থ্রি ফোর তৃণমূলের সবাই চোর। সেই কথার প্রতিবাদ করে তিনি বলেন তৃণমূলে এখনও অনেক ভালো লোক আছেন, তাঁদের কে অনুরোধ আপনারা একটু স্রে যান, তাহলে বাকিদেরকে চোর বলতে সুবিধা হবে। এই ধরনের নানা শ্লেষে বারবার বিদ্ধ করলেন তৃণমূল দলকে।তিনি বলেন, সোনা, কয়লা, গরু, হিরোইন, গাঁজা যা যা পাচার হয় তার সবের সাথেই যুক্ত তৃণমূল। একটি দাবার বোর্ডে যেমন বোরে, নৌকা, সেনাপতি, ঘোড়া, হাতি, রাজা, রানি থাকে দুর্নীতি কাণ্ডে যাদের ধরা হচ্ছে তারা সব বোরে, আসল রাজা রানিকে ধরতে হবে বলে কটাক্ষ করলেন মহঃ সেলিমের।

নভেম্বর ০৩, ২০২২
রাজ্য

দেহরক্ষী হীন কেষ্ট, সুপ্রিম-রায়ে ইডি-র ডাকে দিল্লি চলল সহগল

একদিকে মানিক ভট্টাচার্য্য ও ২৬৯ জন বরখাস্ত হওয়া শিক্ষকদের সাময়িক স্বস্থিদানের রায় দিচ্ছে সুপ্রিম কোর্ট ঠিক সেই সমইয়েই, গরু পাচার মামলায় অভিযুক্ত, জেলবন্দি বীরভূমের বেতাজ বাদশা তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলের দেহরক্ষী রাজ্য সরকারের কনস্টবল পদে কর্মরত সহগল হোসেনের আবেদন খারিজ করে এক অন্য বার্তা দিল শুক্রবার সুপ্রিম কোর্ট।পরিণাম স্বরুপ সহগলকে দিল্লিতে নিয়ে গিয়ে জেরা করার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি-র আর কোনও বাধাই রইল না। উল্লেখ্য এর আগে সহগলকে দিল্লিতে ইডি-র অফিসে নিয়ে গিয়ে জেরার জন্য আসানসোলে আদালতের দ্বারস্থ হয়ে আবেদন করেছিল ইডি। সেই আবেদন খারিজ হয়ে যায়। তারপর ইডি কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করে এবং কলকাতা হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্রের অভাবে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে তদন্তকারী সংস্থার সেই আবেদনও বাতিল হয়ে যায়।কলকাতা হাইকোর্টে রায় জানার পর পরেই ইডি দিল্লির রউস অ্যাভিনিউ কোর্টের আবেদন করে। সেখানে সোমবার ইডির আবেদনে সম্মতি দিয়ে সহগলকে সহগলকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে জেরা করার অনুমতি দেয়। সেই রায়ের বিরোধিতা করে সহগলের আইনজীবী দিল্লি হাইকোর্টে আবেদন করে, তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার দিল্লি হাইকোর্ট রউস আদালতের এই নির্দেশের উপর অন্তর্বর্তিকালীন স্থগিতাদেশ দেয়। এবং জানায়, শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত সহগলের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করতে পারবে না ইডি। কিন্তু বৃহস্পতিবার দিল্লি হাই কোর্টই আবার জানায়, গরু পাচার কান্ডে ধৃত সহগলকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে জেরা করতে পারবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আবার দিল্লিতে জেরা এড়াতে মড়িয়া সহগল দিল্লি হাইকোর্টের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানান। শুক্রবার সহগলের আর্জি খারিজ করে দিয়ে কেন্দ্রীয় সংস্থার দিল্লি নিয়ে গিয়ে জেরার আবেদনে শিলমোহর দিল সুপ্রিম কোর্ট।

অক্টোবর ২১, ২০২২
রাজ্য

১৪ দিনের ইডি হেফাজত মানিকের, আদালত চত্বরে চোর চোর স্লাগান

প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে ১৪ দিনের ইডি হেফাজত দিল আদালত। প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সোমবার রাতভর জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার করা হয় মানিক ভট্টাচার্যকে। ইডি সূত্রে দাবি করা হচ্ছে, মানিক ভট্টাচার্যের ছেলের সংস্থার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে হদিশ মিলেছে আড়াই কোটি টাকার বেশি। এমনকী ২০১৮-তে বেঙ্গল টিচার্স ট্রেনিং কলেজ অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে মানিক পুত্রের সংস্থার চুক্তিও সামনে উঠে আসছে। ওই চুক্তির মাধ্যমে অর্থ উপায়ের মূল কারণ কি ছিল? তা-ও ইডির নজরে রয়েছে। পাশাপাশি মানিকের পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখছে ইডি। ওই অ্যাকাউন্টে কাদের কাছ থেকে টাকা আসত। কাদের সঙ্গেই বা যৌথ অ্যাকাউন্ট রয়েছে তা খতিয়ে দেখছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।এদিন ব্যাংকশাল আদালতে মানিক ভট্টাচার্যকে লক্ষ্য করে জুতো দেখানো হয়। তাঁর উদ্দেশে চলে চোর চোর স্লোগান। এর আগে জোকা হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে গিয়ে এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে জুতো ছুড়ে মেরেছিলেন এক মহিলা। তাছাড়া গরুপাচার মামলায় বীরভূমের জেলা সভাপতি অনুব্রত মন্ডলকে গরু চোর গরু চোর বলেও স্লোগান দেওয়া হয়েছিল আসানসোলে। এবার প্রকাশ্যে পলাশিপাড়ার তৃণমূল বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যকে লক্ষ্য করে চোর চোর স্লোগান চলল।

অক্টোবর ১১, ২০২২
রাজ্য

কয়লা পাচার কাণ্ডে দিনভর সিবিআইয়ের তল্লাশি, দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদ মলয় ঘটককে

কয়লা পাচার তদন্তে রাজ্যের আইনমন্ত্রীর মলয় ঘটকের একাধিক বাড়িতে বুধবার সকাল থেকেই তল্লাশি অভিযান চালায় সিবিআই। আইনমন্ত্রীর আসানসোল ও কলকাতার বাড়ি, সরকারি আবাসনে হানা দেয় সিবিআই। ডালহৌসির সরকারি আবাসনে গিয়ে মন্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদও করে সিবিআই আধিকারিকরা। মলয় ঘটকের দাবি, সিবিআইয়ের গোয়েন্দারা তাঁর তিনটি স্মার্ট ফোন সেট নিয়ে গিয়েছে। সিমগুলি অবশ্য নেয়নি।বুধবার কয়লা পাচার কাণ্ডে প্রায় আট ঘন্টা তল্লাশি চালায় সিবিআই। বিকেলে সরকারি আবাসন থেকে বেরিয়ে প্রথমে মলয় ঘটক জানিয়ে দেন বিচারাধীন বিষয় তাই মুখ খুলবেন না। কিন্তু, সন্ধ্যার সরকারি আবাসনেই সাংবাদিক বৈঠক করেন মন্ত্রী।মন্ত্রীর দাবি, তাঁকে বদনাম করতেই সিবিআই এত তল্লাশি চালাচ্ছে। তাঁর বাড়িতে তল্লাশির সার্চ ওয়ারেন্ট ছিল না বলেও অভিযোগ করেছেন মলয়বাবু। তাঁর বক্তব্য, আসানসোল পুরভোট, লোকসভার উপনির্বাচন বা রাজ্যব্যাপী পুরভোটের সময় আমাকে সিবিআই, ইডি তলব করেছে। আমি ব্যাস্ত থাকায় জানিয়েছিলাম পরে যাব। ইমেলে তারিখ জানতে চাইলেও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার পক্ষে কিছু জানানো হয়নি।তবে মলয় ঘটক জানিয়েছেন, তদন্ত সাহায্য করা আমার কর্তব্য। তবে সময় সুযোগ বুঝে ডাকলে যাব। তাঁর চ্যালেঞ্জ, আসানসোলের বিজেপি নেতা, কর্মী, সমর্থকরা ছাড়া কেউ বলুক যে আমি কয়লা পাচারে জড়িত, তাহলে রাজনীতি ছেড়ে দেব। এর আগে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও জানিয়েছিলেন তদন্তে সহযোগিতা করবেন। যদিও সিবিআইকে তদন্তে সহযোগিতা করবেন বলে মুকুল রায়ের সঙ্গে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরোধ তৈরি হয়েছিল। এদিকে মলয় ঘটকের বাড়িতে সিবিআই হানার প্রতিবাদে দুর্গাপুরে জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২২
রাজনীতি

'গণপতি বাপ্পাকে সামনে রেখে এরকম চোর ডাকাতদের সম্বন্ধে বলা উচিত না' অভিষেক প্রসঙ্গে শুভেন্দু

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কে ইডির তলব নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী জানান, আমি রাজনীতির কথা বলবো না গণপতি বাপ্পাকে সামনে রেখে এরকম চোর ডাকাতদের সম্বন্ধে বলা উচিত না। অন্য জায়গায় বলবো জায়গাটাকে অপবিত্র করবেন এইরকম গরু চোর গরুকে আমরা মাতা বলি আর এরা গরু পাচার করে।পানিহাটি পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অনুপম দত্তের খুনের ঘটনায় অভিযুক্তের জামিন নিয়ে বলেন, আমাদের সহানুভূতি আছে আমি যে বিধানসভায় সাসপেন্ড হয়েছিলাম পানিহাটি ঝালদা রামপুরহাটের বাগটুই এর প্রতিবাদ করতে গিয়ে উনি আমাদের দলের কাউন্সিলর ছিলেন না কিন্তু আমাদের সহানুভূতি ছিল আমি বিরোধী দলনেতা হিসেবে পাশে দাঁড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলাম প্রথম দিন তার পরিবারের তরফ থেকে সিবিআই তদন্ত চাওয়া হয় কিন্তু পরবর্তীকালে শাসক দলের লোকেরা ওনাকে বুঝিয়ে বলেন এই সরকারের পুলিশ সিআইডি থেকে বিচার পাবেন সাময়িকভাবে ভুল বুঝিয়ে আজকে খুনিদের ছেড়ে দেওয়ার ব্যবস্থা হয়েছে ওনার স্ত্রী এবং বাড়ির লোককে সিদ্ধান্ত নিতে হবে তারা সিআইডি তদন্তের উপর আস্থা রাখবেন না উচ্চ আদালতে যাবেন সিবিআই তদন্তের দাবিতে।অনুপম দত্তের স্ত্রী আত্মহত্যা করতে যাওয়া প্রসঙ্গে বলেন, আমি জানি খুব খুব বেদনাদায়ক ঘটনা গণপতি বাবার কাছে ওনার পরিবারের সুস্থতা কামনা করব এবং মানসিক দৃঢ়তা বাড়ুক তিনি যে ধরনের আইনি সাহায্য বা লিডার অপজিশন হিসেবে যেহেতু পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিজেপি ছাড়া আর কোন দলের এমএলএ নেই তাই এই সরকারের দ্বারা এখানকার গুন্ডাদের দ্বারা যেই পীড়িত হবে যে দলেরই যারা সরকার বিরোধী তাদের পাশে দায়িত্বশীল বিরোধী দল হিসেবে ভারতীয় জনতা পার্টি মনোনীত বিরোধী দলনেতা তাদের পাশে থাকবে।মিনাক্ষী দত্ত মুখ্যমন্ত্রী সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চেয়েছিল কিন্তু পাইনি, এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি এগুলো বলতে পারব না। আমি শুধু বলবো এই রাস্তাটা তাড়াতাড়ি সারানোর ব্যবস্থা করতে।

আগস্ট ৩১, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

১৬ মাস পর মুখোমুখি মোদী-ট্রাম্প! করমর্দনের সেই মুহূর্ত ঘিরে তুমুল জল্পনা

জি-৭ সম্মেলনের মঞ্চে দীর্ঘ ১৬ মাস পর মুখোমুখি হলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার ফ্রান্সের এভিয়ানে সম্মেলনের ঐতিহ্যবাহী ফটো পর্বের সময় দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতা হয়। করমর্দনের সেই মুহূর্ত ঘিরে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।সম্মেলনে অংশ নিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতারা যখন অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছচ্ছিলেন, তখনই মোদী ও ট্রাম্পকে কথা বলতে দেখা যায়। কিছুক্ষণ কথোপকথনের পর তাঁরা একসঙ্গে ফটো পর্বেও অংশ নেন। দীর্ঘদিন পর দুই নেতার এই মুখোমুখি সাক্ষাৎ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন কূটনৈতিক মহলের একাংশ।জানা গিয়েছে, বুধবার জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে মোদী ও ট্রাম্পের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। তার আগেই এই সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতা দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।উল্লেখ্য, এর আগে দুই নেতার শেষ মুখোমুখি বৈঠক হয়েছিল গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে। সেই সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়েছিলেন। এরপর বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য তৈরি হলেও দুই নেতা একাধিকবার টেলিফোনে কথা বলেছেন।গত কয়েক মাসে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক নানা কারণে আলোচনায় ছিল। বাণিজ্য শুল্ক, কৌশলগত সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত কয়েকটি বিষয়ে দুই দেশের অবস্থান নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে একই সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার বিষয়েও দুই দেশ আগ্রহ দেখিয়েছে।কূটনৈতিক সূত্রের মতে, বুধবারের বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, প্রযুক্তি এবং আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে। বিশেষ করে দুই দেশের মধ্যে চলমান বাণিজ্য কাঠামো এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার রূপরেখা বৈঠকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হতে পারে।প্রসঙ্গত, ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর আমন্ত্রণে এবারের জি-৭ সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। সঙ্গী দেশ হিসেবে ভারত একাধিকবার এই সম্মেলনে আমন্ত্রিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক কূটনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে বিবেচিত এই সম্মেলনে ভারতের উপস্থিতি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।এখন সকলের নজর বুধবারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের দিকে। দীর্ঘ ১৬ মাস পর মুখোমুখি সাক্ষাতের পর দুই দেশের সম্পর্ক কোন নতুন পথে এগোয়, তা জানতেই আগ্রহী আন্তর্জাতিক মহল।

জুন ১৬, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে বড়সড় জঙ্গি চক্র ফাঁস! একসঙ্গে গ্রেপ্তার ৭, তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য

রাজধানী দিল্লিতে একটি সন্দেহভাজন জঙ্গি নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে বড়সড় অভিযান চালিয়ে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে দিল্লি পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, ধৃতরা দেশের বিভিন্ন জায়গায় নাশকতার পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসমূলক কার্যকলাপ, অস্ত্র ও মাদক পাচার এবং সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহের অভিযোগ উঠেছে। তদন্তকারীদের দাবি, একটি আন্তর্জাতিক চক্রের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ ছিল এবং সেই সূত্রে বিভিন্ন বেআইনি কার্যকলাপ চালানো হত।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে বলে পুলিশের দাবি, সীমান্তবর্তী এলাকা ব্যবহার করে অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং মাদক পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছিল। পরে সেগুলি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে দেওয়া হত। সম্প্রতি গোয়েন্দা সূত্রে তথ্য পাওয়ার পরই শুরু হয় নজরদারি এবং তল্লাশি অভিযান।অবশেষে দিল্লি পুলিশের বিশেষ শাখার অভিযানে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপরই রাজধানী এবং আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল স্থানে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি।তদন্তকারীদের দাবি, ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোন এবং অন্যান্য বৈদ্যুতিন যন্ত্রে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। কিছু সংবেদনশীল স্থানের ছবি এবং তথ্যও উদ্ধার হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। সেগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।উল্লেখ্য, এর আগেও রাজধানীতে নাশকতার সম্ভাবনা ঘিরে কয়েকজন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। সেই ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে। তার মধ্যেই নতুন করে এই গ্রেপ্তারি নিরাপত্তা সংস্থাগুলির উদ্বেগ বাড়িয়েছে।পুলিশের দাবি, গোটা ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। তদন্তকারীরা জানতে চাইছেন, এই চক্রের সঙ্গে আর কারা যুক্ত এবং তাদের সম্ভাব্য পরিকল্পনা কতদূর এগিয়েছিল।এই ঘটনার পর রাজধানীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া করা হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে নজর রাখছে প্রশাসন এবং নিরাপত্তা সংস্থাগুলি।

জুন ১৬, ২০২৬
কলকাতা

একুশের আগে বড় ধাক্কার ছক? তৃণমূলের প্রতীক নিয়েই কি আদালতে যাচ্ছেন সুদীপরা!

একুশে জুলাই তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনৈতিক ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। দীর্ঘদিন ধরে এই দিনটিকে দলের শক্তি প্রদর্শনের অন্যতম বড় মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। তবে এবার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। ক্ষমতা হারানোর পর দলীয় অন্দরে বিভাজন, বিদ্রোহ এবং নেতৃত্ব নিয়ে জটিলতার আবহে একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি নিয়েই তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।এই আবহের মধ্যেই নতুন রাজনৈতিক জল্পনার জন্ম দিলেন তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের অন্যতম প্রবীণ সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। বিদ্রোহী সাংসদদের একটি বড় অংশ সম্প্রতি নতুন রাজনৈতিক দল এনসিপিআই-তে যোগ দিয়েছেন। ফলে অনেকেই মনে করেছিলেন, তাঁরা তৃণমূলের নাম, প্রতীক বা সম্পত্তির দাবি থেকে সরে এসেছেন। কিন্তু সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক মন্তব্য সেই ধারণায় নতুন প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।দিল্লি থেকে ফেরার পর তিনি বলেন, দলের প্রতীক, সম্পত্তি এবং ভবিষ্যৎ সাংগঠনিক অবস্থান নিয়ে কী পদক্ষেপ করা হবে, তা এখনও আলোচনার বিষয়। তাঁর অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, এই ধরনের বিষয় শেষ পর্যন্ত আদালতেই নিষ্পত্তি হয়। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই মন্তব্যের মধ্যেই ভবিষ্যতের আইনি লড়াইয়ের ইঙ্গিত রয়েছে।সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, অন্য রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়ার পরও কীভাবে তৃণমূলের প্রতীক বা সম্পত্তির দাবি তোলা সম্ভব? রাজনৈতিক সূত্রের দাবি, লোকসভা ও বিধানসভার বিক্ষুব্ধ শিবিরকে একত্র করার চেষ্টা চলছে। যদি বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলির মধ্যে সমঝোতা তৈরি হয়, তাহলে ভবিষ্যতে দলীয় প্রতীক ও সাংগঠনিক অধিকার নিয়ে নতুন দাবি উঠতে পারে।সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ও জানিয়েছেন, বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে আলোচনা চলছে। কীভাবে সবাই একসঙ্গে বসবে, কীভাবে ভবিষ্যতের রূপরেখা তৈরি হবে এবং নতুন দলের রাজনৈতিক কর্মসূচি কী হবে, তা নিয়ে একাধিক বৈঠক হয়েছে। তাঁর দাবি, বিষয়টি ইতিমধ্যেই অনেক দূর এগিয়েছে এবং বিধানসভা স্তরেও একই ধরনের প্রস্তুতি চলছে।আগামী কুড়ি জুলাই সংসদের অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা। তার আগেই বিদ্রোহী শিবির নিজেদের অবস্থান আরও স্পষ্ট করতে চাইছে বলে রাজনৈতিক সূত্রের খবর। সুদীপ জানিয়েছেন, প্রথম ধাপের কাজ শেষ হয়েছে। এখন পরবর্তী পর্যায়ের প্রস্তুতি চলছে এবং অধিবেশন শুরুর আগেই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।তবে এই জল্পনায় জল ঢেলেছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, বিদ্রোহী সাংসদরা ইতিমধ্যেই নতুন দলে যোগ দিয়েছেন এবং তাঁদের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে আলাদা করে কোনও তথ্য তাঁর কাছে নেই। ফলে দুই পক্ষ একসঙ্গে আসবে কি না, তা নিয়ে এখনও স্পষ্ট ছবি সামনে আসেনি।একুশে জুলাইয়ের আগে এই রাজনৈতিক সমীকরণ কোন দিকে মোড় নেয়, তা নিয়েই এখন তীব্র আগ্রহ তৈরি হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। বিশেষ করে দলীয় প্রতীক, সম্পত্তি এবং সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন কোনও আইনি লড়াই শুরু হয় কি না, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১৬, ২০২৬
কলকাতা

সুমিত কোথায়? গ্রেফতারি পরোয়ানার পর এবার লুক আউট নোটিস, চাপে অভিষেকের ঘনিষ্ঠ সহকারী

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহকারী সুমিত রায়কে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হল। তাঁর বিরুদ্ধে আগে থেকেই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল। এবার তাঁকে খুঁজে না পাওয়ায় লুক আউট নোটিস জারি করল রাজ্যের গোয়েন্দা সংস্থা। এর ফলে দেশের কোনও বন্দর, বিমানবন্দর বা সীমান্ত দিয়ে দেশ ছাড়ার চেষ্টা করলে তাঁকে আটক করা হতে পারে।গত কয়েক দিন ধরে সুমিত রায়ের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। তদন্তকারীরা কলকাতার একাধিক জায়গায় খোঁজ চালানোর পাশাপাশি কালীঘাটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতেও পৌঁছেছিলেন। সেখানে তল্লাশি চালানো হলেও সুমিতের কোনও হদিস মেলেনি। হুগলির শ্রীরামপুরে তাঁর শ্বশুরবাড়িতেও খোঁজ করা হয়, কিন্তু সেখানেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।এরপর থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, সুমিত রায় কোথায় রয়েছেন। তদন্তের অগ্রগতি থমকে যাওয়ায় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ আদালতের দ্বারস্থ হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার আবেদন জানায়। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করে।অন্যদিকে, গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পরই সুমিত রায় কলকাতা হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করেছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে তিনি ব্যক্তিগতভাবে আদালতে উপস্থিত হননি। তাঁর আবেদন নিয়ে চলতি সপ্তাহেই শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।তদন্ত সূত্রে খবর, এই পরিস্থিতিতে সুমিত রায়ের বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। সেই কারণেই গোয়েন্দা সংস্থা অভিবাসন কর্তৃপক্ষের কাছে লুক আউট নোটিস জারির আবেদন করে। সেই আবেদন অনুমোদিত হওয়ায় এখন থেকে দেশের যে কোনও আন্তর্জাতিক প্রবেশ বা প্রস্থান কেন্দ্রে তাঁর নাম সতর্কতামূলক তালিকায় থাকবে।উল্লেখ্য, প্রতারণা এবং জমি সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগে সুমিত রায়ের নাম উঠে এসেছে তদন্তে। এই মামলায় এক প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ককে গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাঁর নাম সামনে আসে বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি। তারপর থেকেই তাঁকে খুঁজছে পুলিশ।এখন সবার নজর, সুমিত রায় কোথায় এবং তদন্তকারীরা কবে তাঁর নাগাল পান। একই সঙ্গে আদালতে তাঁর আগাম জামিনের আবেদনের শুনানিও বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

জুন ১৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপে জিতেই বিপাকে ইরান! ম্যাচ শেষ হতেই দেশ ছাড়ার নির্দেশ, ক্ষোভ ফুটবলারদের

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ভালো পারফরম্যান্সের পরই নতুন বিতর্কে জড়াল ইরান ফুটবল দল। দলের অভিযোগ, ম্যাচ শেষ হওয়ার পর পর্যাপ্ত বিশ্রাম বা পুনরুদ্ধারের সময় না দিয়েই তাদের দ্রুত যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে বলা হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ফুটবলার এবং কোচিং স্টাফের সদস্যরা।সূত্রের খবর, বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের জন্য ইরান দলকে সীমিত সময়ের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। সেই কারণে ম্যাচ ছাড়া বাকি সময় তারা অন্য দেশে অবস্থান করছে এবং সেখানেই অনুশীলন চালাচ্ছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ম্যাচের পর যুক্তরাষ্ট্রেই একটি রাত কাটানোর কথা ছিল দলের। কিন্তু ম্যাচ শেষ হওয়ার পর পরিস্থিতি বদলে যায় বলে দাবি ইরান শিবিরের।দলের অভিযোগ, ম্যাচ শেষ হতেই তাদের দ্রুত রওনা হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপরই ইরান দলকে মেক্সিকোর তিজুয়ানায় ফিরে যেতে হয়। সেখানেই বর্তমানে তাদের বেস ক্যাম্প রয়েছে।ইরানের প্রধান কোচ আমির ঘালেনোই এই ঘটনায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, খেলোয়াড়দের জন্য ম্যাচের পর বিশ্রাম ও পুনরুদ্ধারের সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সেই সুযোগ দেওয়া হয়নি। তিনি দাবি করেন, এই সিদ্ধান্তে দলের প্রস্তুতি এবং শারীরিক অবস্থার উপর প্রভাব পড়তে পারে।কোচ আরও বলেন, শুরুতে যে পরিকল্পনা ছিল, তাতে ম্যাচের আগে এবং পরে নির্দিষ্ট সময় যুক্তরাষ্ট্রে থাকার কথা ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা বাস্তবায়িত হয়নি। কেন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।বিশ্বকাপ শুরুর আগে ইরান শিবির জানিয়েছিল, তারা মাঠের বাইরের বিতর্কে জড়াতে চায় না। কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক আলোচনা শুরু হয়েছে। দলের একাংশের মতে, তাদের প্রতি আলাদা ধরনের আচরণ করা হচ্ছে।অন্যদিকে, অধিনায়ক মেহদি তারেমি নাকি এই বিষয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবল কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত বা প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি।বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। ইরানের অভিযোগের পর পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয় এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর ফুটবলপ্রেমীদের।

জুন ১৬, ২০২৬
কলকাতা

স্পিকারের ভূমিকায় প্রশ্নচিহ্ন! আদালতের পর্যবেক্ষণে বাড়ল রাজনৈতিক চাপ

বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম নিয়ে চলা আইনি লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করল কলকাতা হাই কোর্ট। মঙ্গলবার মামলার শুনানিতে স্পিকারের সিদ্ধান্ত এবং তাঁর ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তোলে আদালত। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও জানতে চান, বিধানসভার অধিবেশন না ডেকে কীভাবে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল এবং স্পিকার কীভাবে নিশ্চিত হলেন যে বিরোধী শিবিরের কোন পক্ষের সমর্থন বেশি।শুনানির সময় বিচারপতি বলেন, বিরোধী দলনেতার নাম প্রস্তাব আকারে স্পিকারের কাছে জমা পড়ার পর তাঁর সাংবিধানিক দায়িত্ব কী ছিল, তা স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। আদালতের প্রশ্ন, প্রধান বিরোধী দলের পক্ষ থেকে কোনও নাম পাঠানো হলে স্পিকার কি তা গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন?রাজ্যের পক্ষে অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য আদালতে জানান, বিরোধী শিবিরের ভিতরে মতবিরোধ থাকায় স্পিকারকে সবদিক বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। তিনি উদাহরণ হিসেবে অন্য একটি রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথাও তুলে ধরেন, যেখানে বিরোধী দলের নেতৃত্ব নিয়ে দীর্ঘদিন অনিশ্চয়তা ছিল।তবে আদালত এই যুক্তিতে পুরোপুরি সন্তুষ্ট হয়নি। বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, যদি একই দলের দুই পক্ষ আলাদা দাবি জানায়, তাহলে সেই ক্ষেত্রে স্পিকারের ক্ষমতার সীমা কোথায়? তিনি কি নিজে থেকেই কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, নাকি বিধানসভার নিয়ম মেনেই তা নির্ধারণ করতে হবে?শুনানিতে আরও উঠে আসে সই জালিয়াতির অভিযোগের প্রসঙ্গ। রাজ্যের আইনজীবী জানান, বিরোধী শিবিরের দুই বিধায়ক সই জাল করার অভিযোগ তুলেছিলেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তও শুরু হয়। তবে বিচারপতি জানতে চান, তদন্ত শুরু হওয়ার আগে বিরোধী দলনেতার নাম নিয়ে স্পিকার কেন কোনও সিদ্ধান্ত নিলেন না।আদালতের পর্যবেক্ষণে স্পষ্ট, এই মামলায় স্পিকারের ভূমিকা এবং তাঁর সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রয়োজন। বিচারপতি বলেন, মূল প্রশ্ন হল, বিরোধী দলনেতার নাম প্রস্তাব হওয়ার পরও স্পিকার দীর্ঘ সময় কোনও সিদ্ধান্ত না নিয়ে অপেক্ষা করলেন কেন।এদিনের শুনানিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। মামলার পরবর্তী শুনানি বুধবার নির্ধারিত হয়েছে। ফলে এখন রাজনৈতিক মহলের নজর আগামী দিনের শুনানির দিকে। আদালত কী পর্যবেক্ষণ দেয় এবং এই মামলার ভবিষ্যৎ কোন দিকে এগোয়, তা নিয়েই জল্পনা তুঙ্গে।

জুন ১৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মাঠে বাঁশি বাজিয়ে কোটি টাকা! বিশ্বকাপের রেফারিদের আয় শুনলে চোখ কপালে উঠবে

বিশ্বকাপের মঞ্চে ফুটবলারদের পারফরম্যান্স যেমন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে, তেমনই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন রেফারিরা। একটি সিদ্ধান্ত কখনও ম্যাচের ফল বদলে দিতে পারে। সেই কারণেই তাঁদের কাজ সবসময় কঠোর নজরদারির মধ্যে থাকে। তবে অনেকের মনেই প্রশ্ন থাকে, বিশ্বকাপে ম্যাচ পরিচালনা করে একজন রেফারি কত টাকা আয় করেন?তথ্য অনুযায়ী, আগের বিশ্বকাপে রেফারিরা নির্দিষ্ট পারিশ্রমিক হিসেবে প্রায় সত্তর হাজার মার্কিন ডলার পেয়েছিলেন। এর পাশাপাশি প্রতি ম্যাচ পরিচালনার জন্য আলাদা অর্থ দেওয়া হত। ম্যাচের গুরুত্ব এবং রেফারির অভিজ্ঞতার উপর সেই অঙ্ক নির্ভর করত। সহকারী রেফারি এবং ভিডিও সহায়ক রেফারিরাও উল্লেখযোগ্য পারিশ্রমিক পেতেন।এবার সেই অঙ্ক আরও বেড়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিভিন্ন সূত্রের দাবি, বিশ্বকাপে দায়িত্ব পাওয়া রেফারিরা এককালীন প্রায় এক লক্ষ মার্কিন ডলার পর্যন্ত পেতে পারেন। এর পাশাপাশি প্রতিটি ম্যাচ পরিচালনার জন্যও আলাদা পারিশ্রমিক থাকবে। প্রতিযোগিতার শেষ দিকে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ পরিচালনা করলে সেই আয় আরও বাড়বে। হিসাব অনুযায়ী, ফাইনাল-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ পরিচালনা করা কোনও রেফারির মোট আয় কয়েক কোটি টাকায় পৌঁছতে পারে।বিশ্বকাপে এবার শুধু পারিশ্রমিকই নয়, প্রযুক্তিতেও এসেছে বড় পরিবর্তন। রেফারিদের চোখের কাছে একটি বিশেষ ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে। এই অত্যাধুনিক যন্ত্রের সাহায্যে দর্শকেরা সরাসরি দেখতে পারবেন, ম্যাচ চলাকালীন রেফারি ঠিক কী দেখছেন এবং কোন পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রযুক্তি রেফারির কাজকে আরও স্বচ্ছ করে তুলবে। দ্রুতগতির খেলায় সিদ্ধান্ত নেওয়া কতটা কঠিন, তা বোঝার সুযোগও পাবেন দর্শকেরা। এই বিশেষ ক্যামেরা উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির সাহায্যে পরিচালিত হয় এবং রেফারির দৌড় বা নড়াচড়ার সময়ও স্থির চিত্র ধারণ করতে সক্ষম।এছাড়া রেফারিদের কানে থাকে বিশেষ যোগাযোগ ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে তাঁরা সহকারী রেফারি এবং ভিডিও সহায়ক রেফারিদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখতে পারেন। মাঠে কোনও বিতর্কিত পরিস্থিতি তৈরি হলে দ্রুত মতামত বিনিময় করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।সব মিলিয়ে, এবারের বিশ্বকাপে রেফারিদের দায়িত্ব যেমন বেড়েছে, তেমনই বেড়েছে তাঁদের আয় এবং প্রযুক্তিগত সুবিধাও। ফলে ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরে এবার নতুনভাবে আলোচনায় উঠে এসেছেন ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা এই গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা।

জুন ১৬, ২০২৬
কলকাতা

সাড়ে ছয় ঘণ্টার জেরা শেষে সরাসরি কালীঘাটে! ভবানী ভবন থেকে বেরিয়েই কোথায় গেলেন অভিষেক?

ডিজে মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া মামলায় মঙ্গলবার দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দুপুর থেকে শুরু হওয়া জেরা চলে টানা প্রায় সাড়ে ছয় ঘণ্টা। সন্ধ্যা ছটা পঁচিশ মিনিট নাগাদ ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে তিনি সরাসরি কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যান।সূত্রের খবর, সেখানে দলের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক চলছিল। ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে সেই বৈঠকেই যোগ দেন অভিষেক। যদিও জিজ্ঞাসাবাদ নিয়ে সাংবাদিকদের কোনও প্রশ্নের উত্তর দেননি তিনি।উল্লেখ্য, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় বিজেপিকে উদ্দেশ করে করা একটি মন্তব্য ঘিরেই বিতর্কের সূত্রপাত। একটি জনসভায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ফল ঘোষণার দিন রবীন্দ্রসঙ্গীতের সঙ্গে ডিজেও বাজবে। সেই মন্তব্যের ভাষা ও প্রেক্ষাপট নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। অভিযোগ ওঠে, ওই বক্তব্যের মধ্যে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে পরোক্ষ হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল।এর পরেই অভিষেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়। প্রথমে বিষয়টি বিধাননগর সাইবার থানায় নথিভুক্ত হলেও পরে তদন্তভার যায় সিআইডির হাতে। গত সপ্তাহে তদন্তকারীরা তাঁর বাড়িতে গিয়ে হাজিরার নোটিস দেন। সেই নোটিসের ভিত্তিতেই মঙ্গলবার ভবানী ভবনে উপস্থিত হন তিনি।দুপুর বারোটা নাগাদ জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। তদন্তকারীরা বক্তব্যের প্রেক্ষাপট, উদ্দেশ্য এবং বিভিন্ন সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করেন বলে সূত্রের খবর। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই জেরার পর সন্ধ্যায় ভবানী ভবন ছাড়েন অভিষেক।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর একাধিক মামলায় তদন্তকারী সংস্থার মুখোমুখি হতে হয়েছে তাঁকে। বিভিন্ন মামলায় সিআইডি ও অন্যান্য সংস্থা ইতিমধ্যেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। রাজনৈতিক মহলের নজর এখন এই মামলার পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। ভবিষ্যতে তাঁকে আবারও ডাকা হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

জুন ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal