• ১ চৈত্র ১৪৩২, সোমবার ১৬ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Scam

রাজ্য

GTA-Dhankhar: জিটিএ-র দুর্নীতি বিচারে অডিট করাবেন রাজ্যপাল

সাতদিনের উত্তরবঙ্গ সফর শেষে জিটিএ-তে দুর্নীতির অভিযোগে সরব হলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। সোমবার বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেওয়ার আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘ কয়েকবছর ধরে গোর্খা টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে (GTA) অডিট হয়নি। তিনি ক্যাগ (CAG)-কে দিয়ে অডিট করাতে চান। তাহলেই স্বচ্ছতা বজায় থাকবে। পাশাপাশি তাঁর আরও অভিযোগ, জিটিএ যে উদ্দেশে তৈরি হয়েছিল, তা পূরণ হয়নি। বছরের পর বছর ধরে পাহাড়বাসীর কোনও উন্নয়ন করে জিটিএ।২০১৭ সালে পাহাড়ের তৎকালীন প্রতাপশালী নেতা মোর্চার বিমল গুরুংয়ের আবেদন মেনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিটিএ তৈরির অনুমোদন করেন। মূলত পাহাড়বাসীর উন্নয়নের লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত। জিটিএ-তে কে কোন দায়িত্ব পালন করবেন, তাও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শক্রমেই ঠিক হয়। এটি একটি স্বশাসিত সংস্থা। অন্যান্য প্রশাসনিক সংগঠনের মতো নির্বাচনের মাধ্যমে জিটিএ-তেও দায়িত্বপ্রাপ্তদের নির্বাচিত করার কথা। কিন্তু ২০১৭ সালের পর থেকে নানা জটিলতার কারণে সেখানে নির্বাচন হয়নি। বিমল গুরুং, বিনয় তামাং হয়ে মোর্চা নেতা অনীত থাপা নানা সময়ে সামলেছেন জিটিএ চেয়ারম্যানের দায়িত্ব। তবে এই মুহূর্তে সেখানে কাজ করছে প্রশাসক বোর্ড।আরও পড়ুনঃ করোনা ফাঁড়া কাটিয়ে ডব্লুউবিসিএস-সহ তিনটি পরীক্ষার নির্ঘণ্ট ঘোষণাতারই মধ্যে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় ৭ দিনের জন্য উত্তরবঙ্গ (North Bengal) সফরে গিয়েছিলেন। দার্জিলিংয়ের রাজভবনে থাকাকালীন তাঁর সঙ্গে দেখা করেছেন সেখানকার রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যরা। রাজ্যপালের দাবি, তাঁদের সকলের সঙ্গে কথা বলে তিনি একটা বিষয় সম্পর্কে নিশ্চিত যে পাহাড়ে এই কবছরে কোনও উন্নয়ন হয়নি। জিটিএ তৈরি হয়েছিল যে উদ্দেশে অর্থাৎ পাহাড়বাসীর উন্নয়নের জন্য, তা সফল হয়নি। না নির্বাচন, না অডিট কিছুই হয়নি জিটিএতে। তাই তিনি নিজে CAG-কে দিয়ে অডিট করাতে চান। তাঁর এই বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এদিন শিলিগুড়ির কার্যালয় বৈঠকের পর তিনি বলেন, এই দাবি যুক্তিপূর্ণ। অবশ্যই জিটিএ-র অডিট হওয়া উচিত। কেন্দ্রীয় সরকার প্রতি বছর উন্নয়নের জন্য টাকা পাঠায়। কিন্তু রাজ্য সরকারের কর্মী, আধিকারিকরা তা নয়ছয় করেন আর উন্নয়নের কাজ হয় না কিছুই।এদিকে, জিটিএ-র কোষাগার নিয়ে রাজ্যপালের এই দুর্নীতির অভিযোগ মানতে নারাজ প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা মোর্চা নেতা অনীত থাপা। তাঁর দাবি, প্রতি বছর অডিট হয়েছে। পাহাড়ে অনেক উন্নয়নের কাজ করেছি আমরা। উনি অডিট করাতে চাইলে করান, আমাদের কোনও অসুবিধা নেই। সব হিসেব পেয়ে যাবেন।

জুন ২৮, ২০২১
দেশ

PNB Scam: মালিয়া-চোকসি-মোদির শেয়ারের ৯ হাজার কোটি টাকা ফেরানো হল ব্যাংকে

আজও দেশে ফেরানো যায়নি তিন পলাতক শিল্পপতি বিজয় মালিয়া (Vijay Mallya) , মেহুল চোকসি (Mehul Choksi) ও নীরব মোদিকে (Nirav Modi)। তিনজনের কারণে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলির ক্ষতির পরিমাণ ২২ হাজার ৫০০ কোটি টাকারও বেশি। বুধবার তিনজনের মোট ৯ হাজার ৩৭১ কোটি টাকা জমা পড়ল ব্যাংকে। এর মাধ্যমে আংশিক ক্ষতিপূরণ হবে ব্যাংকগুলির।ইতিমধ্যেই ওই তিন শিল্পপতির মোট ১৮ হাজার ১৭০ কোটি টাকার সম্পতি বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি (ED)। যা ব্যাংকগুলির মোট ক্ষতির প্রায় ৮০ শতাংশ। বুধবার ইডির তরফে জানানো হয়েছে কেবল সম্পত্তি বাজেয়াপ্তই নয়, সেই সঙ্গে শেয়ারের গুরুত্বপূর্ণ ৯ হাজার ৩৭১ কোটি ১৭ লক্ষ টাকা এবার ফিরিয়ে দেওয়া হল রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও কেন্দ্রীয় সরকারকে।তিন পলাতক শিল্পপতির কারণে ব্যাংকগুলিকে মোট ২২ হাজার ৫৮৫ কোটি ৮৩ লক্ষ টাকার ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছিল। তিনজনকেই দেশে ফেরানোর সব রকম চেষ্টা হলেও এখনও সাফল্য আসেনি। তবে এরই মধ্যে ৯ হাজার ৩৭১ কোটি টাকা ফেরত পাওয়ার ফলে ব্যাংকগুলি কিছুটা হলেও স্বস্তি পাবে।বিজয় মালিয়া রয়েছেন ব্রিটেনে। তাঁকে ভারতের হাতে প্রত্যর্পণ করার দাবি জানিয়েছে সরকার। তবে এখনও সেই আরজিতে সবুজ সংকেত না মেলায় ফেরানো যায়নি একদা কিংফিশারের কর্ণধারকে। তবে সম্প্রতি যে পলাতক শিল্পপতিকে নিয়ে তুমুল শোরগোল পড়েছিল তিনি মেহুল চোকসি।অ্যান্টিগুয়া থেকে কিউবায় পালানোর পথে ডোমিনিকায় ধরা পড়েছেন চোকসি। তারপর থেকে সেখানেই বন্দি রয়েছেন তিনি। তাঁকে দেশে ফেরানোর প্রাথমিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলেও আশা ছাড়েননি ভারতীয় গোয়েন্দারা। শীঘ্রই তাঁকে দেশে নিয়ে আসার চেষ্টা করা হচ্ছে।

জুন ২৩, ২০২১
কলকাতা

Sarada Scam: ৭ বছর পর জামিন দেবযানীর

সারদা (Sarada scam) মামলায় জামিন পেলেন অন্যতম অভিযুক্ত দেবযানী মুখোপাধ্যায়। শনিবার কলকাতা হাইকোর্ট তাঁকে এ রাজ্যের সমস্ত মামলা থেকে জামিনের অনুমতি দেয়। তবে অন্যান্য রাজ্যে যে সারদা মামলা রয়েছে, তাতে দেবযানী থাকবেন অন্যতম অভিযুক্ত হিসেবেই। শনিবার এমনই জানিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta HC) বিশেষ ডিভিশন বেঞ্চ। অসম, ওডিশায় সারদার বেশ কয়েকটি মামলা চলছে এখনও। আর সে কারণেই জামিন পেলেও তাঁর জেলমুক্তি নিয়ে জটিলতা থাকছে। তবে ৭ বছর পর সারদা ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলস-সহ একাধিক মামলার খাঁড়া আর রইল না দেবযানীর মাথার উপর।২০১৩ সালে সারদা মামলায় ২২ এপ্রিল কাশ্মীর থেকে কলকাতা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেন এবং তাঁর ছায়াসঙ্গী দেবযানী মুখোপাধ্যায় (Debjani Mukherjee)। পরের বছর অর্থাৎ ২০১৪ সালে সারদা ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলস মামলায় অভিযুক্ত হন দেবযানী। তিনি রাজ্যের সমস্ত মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে জামিনের আবেদন করেছিলেন। এই মামলা চলছিল হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির এজলাসে। এই মুহূর্তে যাবতীয় চিটফান্ড মামলার সমস্ত শুনানি চলছে তাঁর নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চেই। দেবযানীর মামলার পরিপ্রেক্ষিতে তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই সময় চায়। কিন্তু হাইকোর্ট সময় দিতে চায়নি। শনিবার এই মামলায় বিশেষ বেঞ্চ বসানো হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে। সেই বেঞ্চেই জামিন মঞ্জুর হয় দেবযানীর। আদালত সূত্রে খবর, ২ লক্ষ টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে মিলেছে জামিন।তবে এখনই জেল থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না সারদার এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর। কারণ, এ রাজ্যের বিভিন্ন থানায় ১০০ টিরও বেশি মামলা রয়েছে দেবযানীর বিরুদ্ধে। সেসব চার্জশিট জমা পড়েনি এখনও। এছাড়া গুয়াহাটি, ভুবনেশ্বরেও চলছে মামলা। তাই আপাতত জেলেই থাকতে হবে তাঁকে।

জুন ১৯, ২০২১
বিদেশ

গ্রেপ্তারি দিয়ে শুরু চিত্রনাট্যের যবনিকাপাত জামিনে

দিনভরের টানটান চিত্রনাট্যের যবনিকাপাত হল সন্ধ্যায়। সোমবার সকালে নারদ মামলায় সিবিআইয়ের হাতে রাজ্যের তিন মন্ত্রী বিধায়কের গ্রেপ্তারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তুমুল টানাপড়েন তৈরি হয় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে। সন্ধ্যায় চার অভিযুক্তই জামিন পাওয়ায় কিছুটা আচমকাই তার সমাপ্তি ঘটল। সিবিআইয়ের তরফে অভিযুক্তদের হেপাজতের চেয়ে আর্জি জানানো হলেও আদালত তা খারিজ করে তাদের অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর করেছে। এর ফলে করোনা রুখতে রাজ্য সরকারের জারি করা কঠোর বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে দিনভর সারা রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী সমর্থকদের যে বিক্ষোভের ছবি দেখা গিয়েছিল তাও সন্ধ্যার পরে অনেকটাই প্রশমিত হয়। কিন্তু এই ঘটনার রাজনৈতিক ও আইনি প্রতিবাদ চালিয়ে যাওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে।অন্যদিকে, এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সিবিআই হাইকোর্টে যেতে পারে বলেও আজ ইঙ্গিত মিলেছে।ফলে আগামী দিনেও এই ঘটনার রেশ যে রয়ে যাবে তা সম্পর্কে একপ্রকার নিশ্চিত রাজনৈতিক মহল।সোমবার সাত সকালে ফিল্মি কায়দায় নারদ মামলায় অভিযুক্ত তৃণমূল কংগ্রেসের দুই মন্ত্রী ও দুই প্রাক্তন মন্ত্রীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায় সিবিআই। কলকাতার নিজাম প্যালেসে সংস্থার দপ্তরে নিয়ে গিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।এর পরবর্তী ঘটনা আরও চমকরপ্রদ। গ্রেপ্তারির ঘটনা জানতে পেরে সিবিআই দপ্তরে পৌঁছে যান সপার্ষদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। লকডাউন উপেক্ষা করে গেটের বাইরে তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের ভিড় ঘনীভূত হতে শুরু করে ছড়ায় বিক্ষোভের আগুন। দফায় দফায় বিক্ষোভ ইটবৃষ্টি- কেন্দ্রীয় বাহিনীর লাঠিচার্জে ওই এলাকা রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। যা দেখে ওই নেতাদের আদালতে সশরীরে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা বদল করে সিবিআই। বিকেল চারটে নাগাদ অভিয়ুক্ত চার নেতাকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ব্যাঙ্কশাল কোর্টে বিশেষ সিবিআই আদালতে বিচারকের সামনে পেশ করা হয়। যদিও সিবিআইএর তরফে দাবি করা হয়েছে করোনা পরিস্থিতির কারণেই এই সিদ্ধান্ত।এদিন আদালতে ধৃতদের ১৪ দিনের জেল হেপাজতের আবেদন জানায় সিবিআই। তাদের সওয়াল ছিল, ধৃতরা প্রত্যেকেই প্রভাবশালী। চার্জশিট পেশ হলেও তারা তথ্যপ্রমাণ লোপাট করতে পারেন। সাক্ষীদের শাসাতে পারেন। পালটা ধৃতদের পক্ষে দাবি করা হয়, তারা প্রত্যেকেই তদন্তে সাহায্য করেছেন। ধৃতদের পক্ষে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে বলেন, এই গ্রেপ্তারি বেআইনি। রাজ্যপাল কীভাবে মঞ্জুর করেন চার্জশিট মেমো? পাশাপাশি রাজ্যের করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ফিরহাদ হাকিম। তিনি জেলে থাকলে সেই উদ্যোগ বড়সড় ধাক্কা খাবে। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, প্রতিহিংসার বশে এদেরকে বাড়ি থেকে তুলে আনা হয়েছে। রাজ্যপালের এক্তিয়ার নেই গ্রেপ্তারিতে সই করার। ধৃতেরা তদন্তে সহযোগিতা করেনি এমনটা নয়। যখনই ডেকেছে হাজিরা দিয়েছে। তাঁর দাবি, এঁরা প্রত্যেকেই রাজ্যে ছিলেন। কোথাও পালিয়ে যায়নি। জামিন মামলায় সিবিআই কোনও নথিএ পেশ করতে পারেনি। বিকেল ৪.৩০ মিনিট পর্যন্ত চলে সওয়াল জবাব। সন্ধ্যা ৭টায় রায়দান করেন ব্যাঙ্কশাল আদালতের সিবিআই বিশেষ আদালতের বিচারক। রায়ে চার অভিযুক্তকেই অন্তর্বর্তী জামিন দেন তিনি। ব্যক্তিগত ৫০,০০০ টাকার বন্ডে তাঁদের অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর করা হয়। এদিন জামিনের খবর আসতেই উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন নিজাম প্যালেসের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা তৃণমূল কর্মীরা।যদিও সিবিআই সূত্রের খবর, রায়ে মোটেও সন্তুষ্ট নয় তারা। নিম্ন আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হতে পারে তদন্তকারী সংস্থা।

মে ১৭, ২০২১
রাজনীতি

নারদ কাণ্ডে গ্রেপ্তার ফিরহাদ-সুব্রত-মদন-শোভন, নিজাম প্যালেসে মমতা

নিজাম প্যালেসে পৌঁছলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার সকালে মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, বিধায়ক মদন মিত্রকে তুলে আনা হয় সিবিআই দপ্তর নিজাম প্যালেসে। নিয়ে আসা হয় শোভন চট্টোপাধ্যায়কেও। কোনও নোটিস ছাড়া মাত্র ঘণ্টা দেড়েকের ব্যবধানে চার জনকে তুলে আনা হয়। পরে গ্রেপ্তার করা হয় তাঁদের।সোমবার সকালে ফিরহাদকে চেতলার বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর মমতা যান ফিরহাদের বাড়িতে। সেখান থেকে তার পর সোজা চলে আসেন নিজাম প্যালেসে। সেখানে সাংবাদিকরা মমতাকে জিজ্ঞেস করেন তাঁর আসার কারণের বিষয়ে। তিনি বলেন, ওদের সঙ্গে দেখা করতে এসেছি। সোমবার সকালে কলকাতার প্রাক্তন মেয়র, তৃণমূলের বিধায়ক এবং মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের চেতলার বাড়ি ঘিরে ফেলে কেন্দ্রীয় বাহিনী। সকাল নটা নাগাদ তাঁকে বাড়ি থেকে নিয়ে যায় সিবিআই। বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় ফিরহাদ বলেন, নারদ মামলায় আমাকে গ্রেপ্তার করেছে সিবিআই। বিনা নোটিসে আমাকে গ্রেপ্তার করা হল। ফিরহাদ আরও বলেন, স্পিকারের অনুমতি ছাড়াই আমায় গ্রেপ্তার করা হল। আদালতে দেখে নেব। সোমবার সকালেই মদন মিত্র এবং শোভন চট্টোপাধ্যায়কে নিজাম প্যালেসে নিয়ে যাওয়া হয়। নিজাম প্যালেসে আনা হয় রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়কেও। সেখানে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বলে সিবিআই সূত্রের খবর। সিবিআই সূত্রে খবর, সোমবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ নিজাম প্যালেসে অ্যারেস্ট মেমোয় সই করানো হয় এই চার জনকে।বর্ষীয়ান তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়ের প্রতিক্রিয়া, একজন বিধায়ককে স্পিকারের অনুমতি ছাড়া এভাবে গ্রেপ্তার করা অনৈতিক। আদালতে সব বোঝাপড়া হবে। ফিরহাদ আত্মবিশ্বাসী, তাই আদালতের কথা বলেছেন। এই গ্রেপ্তারি প্রতিহিংসামূলক, তৃণমূলের এই দাবি উড়িয়ে বিজেপি নেতা রাহুল সিনহার বক্তব্য,ফিরহাদ বা মদনের গ্রেপ্তারির সঙ্গে বিজেপির কোনও যোগই নেই।

মে ১৭, ২০২১
রাজ্য

কয়লা কেলেঙ্কারিতে এবার সিবিআই তলব আইপিএস জ্ঞানবন্ত সিংকে

এবার কয়লা পাচার কাণ্ডে সিবিআই তলব করল রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ পুলিশ কর্তা, আইপিএস জ্ঞানবন্ত সিংকে। তাঁকে আগামী ৪ মে নিজাম প্যালেসে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে খবর। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে তাঁর কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এই মুহূর্তে জ্ঞানবন্ত সিং রাজ্যের ডিরেক্টর সিকিওরিটি । এমন হাই প্রোফাইলের এক অফিসার কয়লা কেলেঙ্কারির খুঁটিনাটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় সিবিআই। তবে বিষয়টিকে সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে করছে শাসকদলের একটা বড় অংশ। রাজ্যে বিধানসভা ভোট চলাকালীনই সিবিআই কয়লা এবং গোরু পাচারের তদন্তে আরও সক্রিয় হয়েছে। ভোটপর্বের মাঝেই একাধিক আইপিএস অফিসারকে নিজেদের দপ্তরে তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন সিবিআই কর্তারা। এর আগে বাঁকুড়ার এসপি-সহ একাধিক পুলিশ আধিকারিককে নিজাম প্যালেসে হাজিরা দেওয়ার জন্য নোটিস পাঠানো হয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে। তাঁদের দু-এক দফায় জিজ্ঞাসাবাদও হয়েছে। এবার ভোটের ফলাফলের পর রাজ্যের অভিজ্ঞ, গুরুত্বপূর্ণ আইপিএস অফিসারকেও কয়লা-কাণ্ডে জেরার জন্য ডেকে পাঠাল কেন্দ্রীয় তদন্তাকারী সংস্থা। অবশ্য এ নিয়ে এখনও জ্ঞানবন্ত সিংয়ের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।রাজ্যে কয়লা পাচারকাণ্ডের তদন্তভার পাওয়ার পরপরই বেশ তৎপরতার সঙ্গে কাজে নেমেছে সিবিআই। মূল চক্রীদের হদিশ পেয়ে তাঁদের নাগালে এনে দ্রুতই এর কিনারা করতে চান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। ইতিমধ্যেই অন্যতম মূল পাণ্ডা ব্যবসায়ী অনুপ মাজি ওরফে লালাকে জালে এনেছে সিবিআই। আরেক চক্রী বিনয় মিশ্র এখনও অধরা। তাঁর ভাই বিকাশ মিশ্রকে গ্রেপ্তারের পর হেপাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ পর্ব চালানো হচ্ছে। এছাড়া রাজ্যে কয়লা খনি অধ্যুষিত জেলাগুলোর তৎকালীন পুলিশ আধিকারিকদের কাছে থেকেও তথ্য পেতে তাঁদেরও জেরা করা হয়েছে সিবিআইয়ের তরফে। এরপর সরাসরি রাজ্যের ডিরেক্টর, সিকিওরিটি জ্ঞানবন্ত সিংকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠাল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, এই তলব রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

মে ০১, ২০২১
দেশ

প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ সিবিআইয়ের

প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার আড়ালে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি করা হয়েছে। বুধবার এমনই অভিযোগ তুলে মামলা দায়ের করল সিবিআই । সিবিআইয়ের অভিযোগ, দিওয়ান হাউসিং ফিনান্স লিমিটেডের প্রোমোটার কপিল এবং ধীরজ ওয়াধওয়ান ভাইয়েরা এই দুর্নীতি করেছে। যাঁরা ইতিমধ্যেই অন্য একটি দুর্নীতি মামলায় জেলে রয়েছেন।প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষদের জন্য গৃহঋণ দেওয়া হয়। সেই ঋণে সুদের পরিমাণ ভর্তুকি দেয় সরকার। সে ক্ষেত্রে ডিএইচএফএলের মতো সংস্থার মাধ্যমে সেই ভর্তুকির টাকা পিএমএওয়াই-এর গ্রাহকরা পান। সিবিআইয়ের অভিযোগ, কয়েক হাজার ভুয়ো অ্যাকাউন্ট তৈরি করে সেই ভরতুকির টাকা আত্মসাৎ কার হয়েছে।২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজন চালু হয়। সিবিআইয়ের অভিযোগ, ২০১৮-র জুনে ডিএইচএফএল তার বিনিয়োগকারী সংস্থাগুলিকে ৮৮ হাজার ৬৫১টি ঋণের আবেদন মঞ্জুর করতে বলে। যেগুলির মাধ্যমে ১৪ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়া হয়। আর সেই ঋণের সুদে ভর্তুকি বাবদ সরকারের কাছ থেকে ১ হাজার ৮৮০ কোটি টাকা দাবি করা হয়। যার মধ্যে ৫৩৯ কোটি ৪০ লাখ টাকা মেটানো হয় এবং ১ হাজারর ৩৪৭ কোটি ৮০ লাখ টাকা বকেয়া রয়েছে।ফরেন্সিক অডিট তদন্তে নেমে দেখে কপিল এবং ধীরজ প্রায় ২ লক্ষ ৬০ হাজার গৃহ ঋণের অ্যাকাউন্ট খোলে। যার মধ্যে প্রচুর অ্যাকাউন্ট প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় ঋণ নেয়। যেগুলি আবার ডিএইচএফএলের বান্দ্রার শাখার নামে খোলা হয়। বাস্তবে যার কোনও অস্তিত্বই নেই। গত বছর জুনেই সিবিআই দুই ওয়াধওয়ান ভাই এবং ইয়েস ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা রানা কাপুরের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয়। যেখানে অভিযোগ করা হয় দুই ভাইয়ের কাছ থেকে ঘুষ পেয়েছেন রানা কাপুর। তদন্তে দাবি করা হয়, ইয়েস ব্যাংক সাধারণ মানুষের ৩ হাজার ৭০০ কোটি টাকা ডিএইচএফএলে বিনিয়োগ করে। প্রতিদানে ডিএইচএফএল ৬০০ কোটি টাকা রানা কাপুরকে ঘুষ দেয়। তবে সেই ঘুষ আবার সরাসরি রানা নেননি। রানার স্ত্রী এবং মেয়ের একটি সংস্থায় সেই টাকা বিনিয়োগ করে ডিএইচএফএল। এই অভিযোগে গত এপ্রিলেই গ্রেফতার হন ওয়াধওয়ান ভাইরা। এবং তার আগে মার্চে গ্রেপ্তার হন রানা কাপুর। সেই দুর্নীতির পর এবার প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আনল সিবিআই।

মার্চ ২৫, ২০২১
কলকাতা

লালা ঘনিষ্ঠ অমিত আগরওয়ালকে সিবিআই তলব

কয়লাপাচার কাণ্ডে একই সঙ্গে তদন্ত চালাচ্ছে ইডি ও সিবিআই। এবার সিবিআই তলব করল লালা ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী অমিত আগরওয়ালকে। অবৈধভাবে কয়লা পাচরের ঘটনায় একের পর এক তথ্য উঠে এসেছে তদন্তকারীদের হাতে। এবার লালার কাছে কয়লা কিনতেন এমন এক ব্যবসায়ীকে তলব করা হল।সোমবার নিজাম প্যালেসে কয়লাপাচার কাণ্ডে তলব করা হয়েছে লালা ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী তথা স্টিল প্লান্টের মালিক অমিত আগরওয়ালকে। লালার অবৈধ কয়লার বেশিরভাগই এই ব্যবসায়ী কিনে তাঁর স্টিল প্লান্টে ব্যবহার করতেন বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি লালার কয়লার অবৈধ কাজকর্ম চালানোর জন্য সমাজবিরোধীদের আশ্রয়ও দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। গত সপ্তাহে ওই ব্যবসায়ীর বাড়ি ও অফিসে তল্লাশি চালানো হয়। সেখান থেকে পাঁচটি কম্পিউটার, হার্ড ডিস্ক ও ল্যাপটপ উদ্ধার করেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। এগুলিতেই কয়লার যাবতীয় হিসেব লুকিয়ে থাকতে পারে বলে অনুমান।এছাড়া আজই নিজাম প্যালেসে তলব করা হয়েছে অন্ডাল থাকার প্রাক্তন আইসি পার্থ ঘোষকেও। এই অন্ডাল থানা এলাকার মধ্যেই পড়ে নিউ কাজোরা এলাকা। আর সেখানেই রয়েছে ইসিএলের লিজপ্রাপ্ত বেশিরভাগ কয়লাখনি। যেখান থেকে সব থেকে বেশি পরিমাণ কয়লা চুরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন গোয়েন্দারা। কয়লাকাণ্ডে সমান্তরালভাবে তদন্ত চালাচ্ছে সিবিআই ও ইডি। চলছে জোর তল্লাশি। তদন্তে নেমে একাধিক নাম হাতে উঠে আসে তদন্তকারীদের হাতে। এর মধ্যে রয়েছেন তৃণমূল নেতা বিনয় মিশ্রের নাম। যদিও এই বিনয় এখন পলাতক। তাঁর বিরুদ্ধে ওপেন ওয়ারেন্ট জারি হয়েছে। তবে বিনয়কে নাগালে না পেলেও ইতিমধ্যেই একাধিকবার তাঁর ভাই বিকাশকে জেরা করেছে সিবিআই। তাঁকে জেরা করেই জানা গিয়েছে, কয়লাপাচারের মূল চক্রী অনুপ মাজি ওরফে লালার ব্যবসা ছিল প্রায় ১৩০০ কোটি টাকার। প্রভাবশালীদের পিছনে ৭৩০ কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে। এ দিকে, আজ মেট্রো ডেয়ারির শেয়ার বিক্রিতে অনিয়মের অভিযোগের তদন্তে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য তলব করা হয়েছে রাজ্যের আরও এক আইএএস দ্বিবেদীকে।

মার্চ ২২, ২০২১
কলকাতা

সারদা-কাণ্ডে সুরজিৎ কর পুরকায়স্থকে তলব ইডির

সারদা-কাণ্ডে এবার রাজ্যের নিরাপত্তা উপদেষ্টা সুরজিৎ কর পুরকায়স্থকে তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার এহেন তৎপরতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে রাজনৈতিক মহলে।সূত্রের খবর, আগামী ২৫ মার্চ কলকাতায় ইডির দপ্তর সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুরকায়স্থকে। সারদা চিটফান্ড কাণ্ডে টাকা পাচার ও লেনদেনগুলো নিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করতে চান গোয়েন্দারা। এই কেলেঙ্কারিতে আর্থিক তছরুপের বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছে ইডি। কে বা কারা এই লেনদেন থেকে লাভবান হয়েছেন তা নিয়েও একাধিক প্রশ্ন রয়েছে গোয়েন্দাদের। এছাড়া, ভিডিওয় সারদার একাধিক অনুষ্ঠানে মঞ্চে সুরজিৎ কর পুরকায়স্থকে দেখা গিয়েছে। সেই ভিডিওর সূত্র ধরেই তাঁকে প্রশ্ন করতে পারেন গোয়েন্দারা। এদিকে, সারদা কাণ্ডে এবার রাজ্য পুলিশের প্রাক্তন ডিজিপি রজত মজুমদার তলব করেছে তদন্তকারী সংস্থাটি। ২৪ মার্চ তাঁকে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। এদিকে, আজই ইডি দপ্তরে হাজির দেওয়ার কথা তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মদন মিত্রের।

মার্চ ১৯, ২০২১
কলকাতা

কয়লা-কাণ্ডে লালা ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীকে তলব সিবিআইয়ের

কয়লা পাচার-কাণ্ডে এবার অনুপ মাঝি ওরফে লালা ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী অমিত আগরওয়ালকে সমন পাঠাল সিবিআই। আগামী সোমবার তাঁকে কলকাতায় তদন্তকারী সংস্থাটির নিজাম প্যালেসের দপ্তরে ডেকে পাঠানো হয়েছে।সূত্রের খবর, কয়লা পাচার-কাণ্ডে শুরু থেকেই সিবিআইয়ের নজরে ছিলেন লৌহ ইস্পাত শিল্পগোষ্ঠীর মালিক অমিত আগরওয়াল ও সনু আগরওয়াল। এই দুই ভাই কুলটির বরাকরের আদি বাসিন্দা। তাঁদের ঝাড়খণ্ড, দুর্গাপুর, কাঁকসা, বাঁকুড়ায় ১৩-১৪টি কারখানা রয়েছে। সূত্রের খবর, সেই লৌহ ইস্পাত কারখানা চালাতেই লালার কাছে থেকে অবৈধভাবে কয়লা কিনতেন তাঁরা বলে অভিযোগ। অনুপ মাঝি ওরফে লালা কাকে পাচার করত কয়লা? কে কিনত ওই বিপুল পরিমাণ অবৈধ কয়লা? সেই ক্রেতাদের হদিশ পেতে গতকাল বা মঙ্গলবার রাজ্যে তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। কলকাতার শেক্সপিয়র সরণি-সহ রাজ্যের পাঁচ এলাকায় তল্লাশি চালায় সিবিআইয়ের তদন্তকারী দল। গতকাল ১০ জন তদন্তকারী আধিকারিক অমিত আগরওয়াল ও সনু আগরওয়ালেরর বরাকরের বাড়িতে হাজির হন। সেখানে দুজনের খোঁজ মেলেনি। পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করছেন ওই আধিকারিকরা। এদিকে শেক্সপিয়র সরণীতে তাদের অফিসে অভিযান চালিয়ে বেশ কিছু নথিপত্র বাজেয়াপ্ত করেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা।প্রসঙ্গত, গতকাল কয়লা ও গোরু পাচার-কাণ্ডে বিনয় মিশ্রর ভাই বিকাশ মিশ্রকে গ্রেপ্তার করা হয়। পাচারচক্রে জড়িত থাকার অভিযোগে তাঁকে দিল্লি থেকে গ্রেপ্তার করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।

মার্চ ১৭, ২০২১
রাজ্য

কয়লা-কাণ্ডে প্রথম গ্রেপ্তারি

কয়লা-কাণ্ডে প্রথম গ্রেপ্তারি। সিআইডির জালে রণধীর সিং নামের এক ব্যবসায়ী। সূত্রের খবর, কয়লা পাচারচক্রের প্রধান অনুপ মাজি ওরফে লালার ঘনিষ্ঠ ওই ব্যবসায়ীকে অন্ডাল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসের পাঁচ তারিখে সিআইডির ডিআইজি অজয় ঠাকুরের নেতৃত্বে একটি দল দুর্গাপুর আসানসোলের যে সমস্ত জায়গায় অবৈধভাবে কয়লা তোলা হচ্ছিল বলে অভিযোগ সেসব জায়গায় তদন্ত চালায়। সেসময় অন্ডালের কাজোরা এরিয়ার লছিপুর, হরিশপুর, তালডাঙা, জে কে রোপওয়ে, বক্তারনগর এলাকাগুলোতে অবৈধ খাদানগুলো পরিদর্শন করেন সিআইডি গোয়েন্দারা। স্থানীয়দের সঙ্গে কথাও বলেন সিআইডির আধিকারিকরা। সিআইডি ডিআইজি জানিয়েছিলেন, বিভিন্ন সময়ে বেআইনি কয়লা পাচার ও চুরির অভিযোগ করেছিল ইসিএল। সংস্থার অভিযোগের ভিত্তিতেই অবৈধ কয়লা কারবারের বিষয়ে তদন্ত হচ্ছে। অভিযোগকারীদের সঙ্গে কথা বলা হবে।এবার তার মাসখানেক পরেই অন্ডাল থানা এলাকার কাজোরা এরিয়ায় তাঁর বাড়ি থেকে অনুপ মাজির ঘনিষ্ঠ রণধীর সিংকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি বলে সূত্রের খবর। আজ শনিবার রণধীরকে আদালতে তোলা হবে। ধৃতকে সিআইডি হেপাজতে নিয়ে তদন্তের গতি দ্রুত করতে চাইছেন গোয়েন্দারা। বাম আমল থেকেই অন্ডাল, পাণ্ডবেশ্বরে কয়লা পাচারে জড়িত রণধীর বলে অভিযোগ। কুখ্যাত কয়লা মাফিয়া রাজু ঝাঁর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা ছিল তাঁর। বাংলায় পালাবদলের পর অনুপ মাজির ঘনিষ্ঠ হয়ে পড়েন রণধীর। পাশাপাশি, তিনি জিতেন্দ্র তিওয়ারির অনুগামী বলেও এলাকায় পরিচিত।

মার্চ ১৩, ২০২১
কলকাতা

চিটফান্ড-কাণ্ডে কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের নজরে এবার পার্থ-মদন

এবার আইকোর মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নোটিস পাঠাল সিবিআই। আগামী সপ্তাহে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তৃণমূলের মহাসচিবকে। জানা গিয়েছে, আজ অর্থাৎ শুক্রবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নোটিস পাঠানো হয়েছে। আগামী সপ্তাহে কলকাতায় সিবিআইয়ের সদর দপ্তরে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাঁকে। আইকোর মামলার তদন্তে নেমে অনুকূল মাইতিকে জেরা করে একাধিক তথ্য পেয়েছিলেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। সেই তথ্যের উপর ভিত্তি করেই পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে জেরা করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর। যদিও পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তিনি এখনও কোনও নোটিস হাতে পাননি। অন্যদিকে, সারদা-কাণ্ডে এবার কামারহাটির তৃণমূল প্রার্থী মদন মিত্রকে তলব করল ইডি। আগামী সপ্তাহে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাঁকে। আগামী ১৮ তারিখ সিজিও কমপ্লেক্সে দেখা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাঁকে। এবিষয়ে মদন মিত্রের সঙ্গে কথা বলা হলে তিনি জানিয়েছেন, এখনও কোনও নোটিস তাঁর কাছে পৌঁছয়নি। অন্যদিকে জানা গিয়েছে, আজ অর্থাৎ শুক্রবার বাঁকুড়ার তালডাংরার বিধায়ক সমীর চক্রবর্তীকে জেরা করছেন তদন্তকারীরা। দিন দুয়েক আগেই আইকোর মামলায় তৃণমূল নেতা মানস ভুঁইঞাকে নোটিস পাঠায় সিবিআই। জিজ্ঞাসবাদের জন্য অতি শীঘ্রই সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। সেই সময় সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছিল, আইকোরের একটি অনুষ্ঠানের ভিডিও কিছুদিন আগে প্রকাশ্যে আসে। সেখানে দেখা গিয়েছিল মানস ভুঁইঞাকে। তিনি আইকোরের সমর্থনে একাধিক বক্তব্যও রেখেছিলেন। এছাড়াও আইকোর-কাণ্ডে একাধিক ব্যক্তিকে জেরা করায় উঠে আসে মানস ভুঁইঞার নাম। সেই কারণেই তৃণমূল নেতাকে জিজ্ঞাসাবাদের সিদ্ধান্ত নেন তদন্তকারীরা। সেই সময়ই আরও একাধিক প্রভাবশালীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলে জানিয়েছিলেন তদন্তকারীরা।

মার্চ ১২, ২০২১
কলকাতা

কয়লাকাণ্ড: সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ লালা

কয়লাকাণ্ডে এবার সুপ্রিম কোর্টে মূল অভিযুক্ত অনুপ মাজি ওরফে লালা। কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছে সে। আগামীকাল অর্থাৎ বুধবার মামলাটির শুনানির সম্ভাবনা।এখনও তার নাগাল পাননি তদন্তকারীরা। কয়লাকাণ্ডের তদন্তে কার্যত সিবিআইয়ের এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে মূল অভিযুক্ত অনুপ মাজি ওরফে লালা। তার বিরুদ্ধে যে এফআইআর দায়ের করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা, সেই এফআইআর খারিজের আর্জি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় সে। কিন্তু সেই আবেদন খারিজ হয়ে যায় সিঙ্গল বেঞ্চ। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, কয়লা কাণ্ডে তদন্ত চালিয়ে নিয়ে যেতে পারবে সিবিআই । তদন্ত চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে কোনও বাধা নেই। তবে, যে জায়গা রেলের আওতাধীন নয়, সেখানে তল্লাশি করতে গেলে রাজ্যের অনুমতি বাধ্যতামূলক। যদিও রাজ্যের এক্তিয়ারভুক্ত এলাকায় থাকা কোনও ব্যক্তিকে যদি জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন হয়, সেক্ষেত্রে সমন পাঠানোর জন্য অনুমতি নিতে হবে না।এদিকে হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের এই রায়ের পর পাল্টা তৎপরতা শুরু হয় সিবিআই-র অন্দরেও। মামলা গডায় হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে। সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ে স্থগিতাদেশ জারি সিবিআইকে রাজ্যের এক্তিয়ারভুক্ত তল্লাশি অনুমতি দেয় ডিভিশন বেঞ্চ। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে এবার সুপ্রিম কোর্টে মামলা করল কয়লাকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত অনুপ মাঝি ওরফে লালা। সঙ্গে তার বিরুদ্ধে এফআইআর খারিজের আবেদনও।

মার্চ ১০, ২০২১
কলকাতা

দ্বিতীয়বার ইডির তলব কুণালকে

কুণাল ঘোষকে ফের তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। সোমবার সারদা-কাণ্ডে কুণালকে জেরা করা হতে পারে বলে ইডি সূত্রে খবর। ইতিমধ্যেই কুণাল নথিপত্র নিয়ে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি দপ্তরে হাজির হন।এর আগে ২ মার্চ তাঁকে তলব করা করেছিল ইডি। ওই দিন সারদা মামলা সংক্রান্ত বেশ কিছু নথি তিনি ইডি অফিসারদের কাছে জমা দিয়েছিলেন। তাঁকে জেরাও করা হয়। সোমবার ফের তাঁকে ইডি দপ্তরে হাজির হতে বলা হয়। কুণালের বয়ান রেকর্ড করা হতে পারে বলেও সূত্রের খবর। ভোটের মুখে তৃণমূলের মুখপাত্র কুণালকে বারবার তলব করায় এর নেপথ্যে রাজনৈতিক অভিসন্ধি রয়েছে বলে মনে করছেন দলের একাংশ। ইডি সূত্রে খবর, সারদা মামলায় আর্থিক তছরুপের বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখে ফের কুণালকে তলব করা হয়েছে।কুণাল বলেন, সহযোগিতা করছি। ২০১৩ সাল থেকে জেরা করা হচ্ছে আমাকে। আমি কিন্তু ক্লান্ত নই। নথিপত্র দিয়ে এসেছি। আমাকে যতবার ডাকা হবে, আমি যাব।

মার্চ ০৮, ২০২১
কলকাতা

ইডি দপ্তরে কুণাল ঘোষ

ভোটের মুখে সারদা-কাণ্ডে তৎপর এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটির সমন পেয়ে মঙ্গলবার সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিলেন প্রাক্তন সাংসদ তথা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ।এদিন, সকাল ১০.৩০টা নাগাদ ইডির দপ্তরে পৌঁছন সারদা কাণ্ডে অভিযুক্ত কুণাল ঘোষ। সেখানেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। সূত্রের খবর, সারদা-কাণ্ডে বেশ কিছু নতুন তথ্য হাতে এসেছে ইডির। কয়েকদিন আগে সারদায় অন্যতম অভিযুক্ত দেবযানী মুখোপাধ্যায়কে জেরা করে সিবিআই। এছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে তদন্তকারীদের হাতে এসেছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। আর সেই তথ্যের ভিত্তিতেই কুণাল ঘোষকে জেরা করতে চায় ইডি। পশ্চিমবঙ্গে ভোটের মুখে দলীয় মুখপাত্রকে এভাবে নোটিস পাঠানোর নেপথ্যে রাজনৈতিক অভিসন্ধি রয়েছে বলে অভিযোগ তৃণমূলের। যদিও বিজেপির পালটা দাবি, দল কোনও তদন্তকারী সংস্থাকে প্রভাবিত করে না। তদন্তে যেমন উঠে আসছে সেভাবেই ইডি কিংবা সিআইডি চলছে বলে দাবি বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্বের। বলে রাখা ভাল, সারদা-কাণ্ডে কুণাল ঘোষকে গ্রেপ্তার করেছিল সিবিআই। এখন তিনি জামিনে রয়েছেন। সারদা তদন্ত এখনও শেষ হয়নি। সিবিআইয়ের পাশাপাশি ইডি-ও তদন্ত করছে।এদিকে, কুণাল ঘোষের দাবি, সারদাকর্তা সুদীপ্ত সেনের চিঠি নিয়ে তদন্ত করুক ইডি। ওই চিঠিতে নাম উল্লেখ করে সাফ বলা হয়েছে কোন কোন নেতারা টাকা নিয়েছেন।

মার্চ ০২, ২০২১
কলকাতা

কবে সিবিআইয়ের মুখোমুখি? কী জানালেন রুজিরা

সিবিআই নোটিসের জবাব দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরা। সোমবার সকালেই তিনি সিবিআই দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানালেন যে মঙ্গলবার দেখা করবেন। এও জানান যে, মঙ্গলবার ১১ টা থেকে বিকেল ৩টের মধ্যে তিনি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার মুখোমুখি হবেন। সূত্রের খবর, সোমবার বেলার দিকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে চিঠি পাঠিয়েছেন রুজিরা। জানিয়েছেন, রবিবার তাঁরা যখন নোটিস দিতে শান্তিনিকেতনে গিয়েছিলেন, সেসময় তিনি বাড়ি ছিলেন না। তবে নোটিস পেয়েছেন। সেইমতো সহযোগিতা করতে মঙ্গলবার সিবিআইয়ের মুখোমুখি হতে চান।উল্লেখ্য, কয়লা পাচার কাণ্ডে রাজ্যজুড়ে তল্লাশি চালাচ্ছে সিবিআই। এই মামলায় তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত তথ্য খতিয়ে দেখতে চান তদন্তকারী আধিকারিকরা। তাই রবিবার অভিষেকের শান্তিনিকেতনে রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে নোটিস নিয়ে যায় সিবিআই। সিবিআইয়ের তরফে জানানো হয়, দ্রুত নোটিসের জবাব দিতে হবে রুজিরাকে। তার জন্য নিজেদের ফোন নম্বরও অভিষেকের বাড়িতে রেখে এসেছেন সিবিআই আধিকারিকরা। তবে তাঁকে সিবিআই দপ্তরে তলব করা হয়নি। শুধু তাঁর সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছেন গোয়েন্দারা। সাক্ষী হিসেবে রুজিরার কাছে তাঁরা কিছু জানতে চান বলে সূত্রের খবর। যদিও কয়লা কাণ্ডে কেন তাঁকে নোটিস দেওয়া হল কিংবা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ কেন, তা কিছুই বুঝতে পারছেন না বলে ঘনিষ্ঠ মহলে জানিয়েছেন রুজিরা। সিবিআই সূত্রে খবর, যদি সোমবার রুজিরার তরফে কোনও সাড়া না মিলত, তাহলে দ্বিতীয় নোটিস দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল সিবিআইয়ের।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২১
কলকাতা

রোজভ্যালি কাণ্ডে প্রথম সাজা ঘোষণা

রোজভ্যালি চিটফান্ড কাণ্ডে এবার সাজা ঘোষণার পালা। সংস্থার এক আধিকারিক অরুণ মুখোপাধ্যায়কে সাত বছরের কারাবাসের সাজা দিল নগর দায়রা আদালত। সেইসঙ্গে আড়াই লক্ষ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ৬ মাস কারাবন্দি থাকতে হবে তাঁকে। এই প্রথমবার রোজভ্যালি সংস্থার একাধিক মামলার মধ্যে একটিতে সাজা ঘোষণা হল।ভুয়ো সংস্থার আর্থিক কেলেঙ্কারি নিয়ে বেশ কয়েকটি মামলা চলছিল রোজভ্যালির। শেয়ার ডিবেঞ্চার সংক্রান্ত একটি মামলায় সংস্থার কর্ণধার গৌতম কুণ্ডু-সহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রায় ১৩ কোটি টাকা আর্থিক তছরূপের মামলার তদন্ত করছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। তাদের দেওয়া চার্জশিটে ছিল ৯ জনের নামই। এরপর চার্জ গঠনের সময়ে অন্যতম অভিযুক্ত সংস্থার আধিকারিক অরুণ মুখোপাধ্যায় নিজেই কেলেঙ্কারির দায় নিজের কাঁধে নেন। ফলে তিনি একাই দোষী সাব্যস্ত হন। শুক্রবার তাঁকে ৭ বছরের জন্য কারাবাসের সাজা শোনাল নগর দায়রা আদালত। গ্রেপ্তার হওয়ার পর ইতিমধ্যে অরুণ মুখোপাধ্যায়ের ৪ বছর কারাবাসের মেয়াদ শেষ হয়েছে। ফলে আর তিন বছর জেলে কাটাতে হবে তাঁকে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২১
কলকাতা

কয়লাকাণ্ডে হাইকোর্টে ধাক্কা রাজ্যের

কয়লা পাচার কাণ্ডে তল্লাশি চালাতে গেলে লাগবে না রাজ্যের অনুমতি। সিবিআইকে বড়সড় স্বস্তি দিয়ে সাফ জানাল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। আদালত আরও জানিয়েছে, অভিযুক্ত অনুপ মাঝি ওরফে লালা-সহ অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত চালাতে পারবে সিবিআই। ২৩ মার্চের মধ্যে সব পক্ষকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। ২৭ তারিখ মামলার পরবর্তী শুনানি।গত সোমবার সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন জানিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি। কয়েকদিন আগে কয়লা পাচার কাণ্ডে রাজ্যের সহযোগিতা নিয়ে তল্লাশি চালাতে হবে বলে সিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ। আর এতেই আপত্তি ছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটির।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২১
কলকাতা

হাইকোর্টে খারিজ লালার আবেদন

হাইকোর্টে খারিজ হয়ে গেল অনুপ মাঝি ওরফে লালার আবেদন। বুধবার রায় ঘোষণা করল আদালত। জানিয়েছে, বৃহত্তর স্বার্থে রেলের জায়গায় তদন্ত করতে পারে সিবিআই।কয়লা-কাণ্ডে লালার বিরুদ্ধে সিবিআইয়ের তদন্ত করার এক্তিয়ারই নেই। কলকাতা হাইকোর্টে এমনই দাবি তুলছিলেন লালার আইনজীবী ফারুক রাজ্জাক। তাঁর বিরুদ্ধে হওয়া এফআইআর খারিজ এবং সিবিআইয়ের তদন্তের এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তুলে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন লালা। সিবিআইয়ের তরফে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল ওয়াই জে দস্তুর পাল্টা বলেন, কেন্দ্রীয় আইন অনুযায়ী রেলের এলাকায় যদি কোনও অপরাধমূলক কাজকর্ম সংগঠিত হয়, সেক্ষেত্রে সিবিআই তদন্ত করতে পারে। ইসিএলের এলাকা থেকে বেআইনি কয়লা উত্তোলন এবং কয়লা পাচারের অভিযোগ রয়েছে এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। বুধবার সেই মামলার রায় ঘোষণা করল কলকাতা হাইকোর্ট। লালার আবেদন খারিজ করা হয়েছে আদালতের তরফে। প্রসঙ্গত, কয়লা পাচারকাণ্ডে একাধিকবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা নোটিস পাঠিয়ে তলব করার পরও লালা হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছে। তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২১
রাজ্য

মন্ত্রিত্ব ছাড়ার পরই সুদীপ্তর উদ্দেশ্যপ্রণোদিত চিঠি, সিবিআইকে খতিয়ে দেখার আবেদন শুভেন্দুর

আলিপুর জেলে বন্দি সুদীপ্ত সেনের চিঠির তদন্ত চেয়ে এবার সিবিআইকে চিঠি লিখলেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগ, চাপ ও প্রভাব খাটিয়ে সুদীপ্ত সেনকে দিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত চিঠি লেখানো হয়েছে। বিরোধী দলের রাজনীতিকদের সঙ্গে আমার নামও রয়েছে ওই চিঠিতে। এই ধরণের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত চিঠিতে এমন সময় আমার নাম নেওয়া হল, যখন আমি পশ্চিমবঙ্গের সেচ, জলসম্পদ ও পরিবহণমন্ত্রীর পদ থেকে সবেমাত্র ইস্তফা দিয়েছি। বলে রাখি, আমি ২৭ ডিসেম্বর ইস্তফা দিই। চিঠিটি লেখা হল ১ ডিসেম্বর। রাজ্যের মন্ত্রিত্ব ছাড়ার পরই সুদীপ্তর চিঠিতে তাঁর নাম থাকার কথাও উল্লেখ করেছেন শুভেন্দু। শুভেন্দু লিখেছেন-সংবাদমাধ্যম থেকে জেনেছি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছেন সুদীপ্ত সেন। আরও পড়ুন ঃ মণীশ শুক্লা খুনে গ্রেফতার আরও এক অভিযুক্ত কয়েক বছর পর হঠাৎ গত ১ ডিসেম্বর সুদীপ্ত জেলে বসে চিঠি দিয়েছেন। ওই চিঠিতে তাঁর অভিযোগ, প্রচুর টাকা নিয়েছেন ৫ রাজনীতিবিদ। সিবিআই ও রাজ্য পুলিশকে তদন্ত ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার অনুরোধ করেছেন। তাঁর চিঠিতে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন, এই ধরনের ব্যক্তিরা এখন বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন। অদ্ভূতভাবে প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগার ও সংশোধনাগারের এডিজি-আইজি জেলের মধ্যে অভ্যন্তরীণ সংযোগ,অর্থাৎ ওই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত চিঠি হাতে পেল সংবাদমাধ্যম। ব্যাপক প্রচার চালানো হল। উপরোক্ত ঘটনাক্রম থেকে আমার আশঙ্কা, এই চিঠি লেখার নেপথ্যে সন্দেহের যথেষ্ট উপাদান রয়েছে। প্রভাবশালীদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে জেল কর্তৃপক্ষ প্রভাব খাটাতে পারে সুদীপ্ত সেনের উপরে। তাঁকে চাপ দেওয়াও হতে পারে। তিনি আরও লিখেছেন, আমার দৃঢ় বিশ্বাস, চিঠির লেখককে প্রভাবিত করা হয়েছিল। অথবা দুর্নীতির তথ্য গোপন করতে চাইছেন তিনি। আপনার অফিস দুর্নীতির তদন্ত করছে। আপনাকে অনুরোধ করছি, সুদীপ্ত সেনের এই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত চিঠির সব দিক খতিয়ে দেখা হোক, এমনকি লেখার সময় এবং প্রেক্ষাপটও। উপযুক্ত পদক্ষেপের জন্য গোটা বিষয়টি আপনাকে অবগত করলাম।

ডিসেম্বর ১১, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

অবশেষে ভোটের দিন ঘোষণা! বাংলা সহ পাঁচ রাজ্যে কবে ভোট জানলে চমকে যাবেন

অবশেষে অপেক্ষার অবসান। বাংলা সহ দেশের পাঁচটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণায় জানা গেছে, ঊনত্রিশে এপ্রিলের মধ্যেই পাঁচ রাজ্যে ভোটগ্রহণ শেষ হবে। ভোটগণনা হবে চার মে। গতবারের তুলনায় এবার পশ্চিমবঙ্গে ভোটের দফা কমানো হয়েছে। বাংলায় এবার দুই দফায় ভোট হবে।প্রথম দফার ভোট অনুষ্ঠিত হবে তেইশে এপ্রিল। দ্বিতীয় দফার ভোট হবে ঊনত্রিশে এপ্রিল। এই দুই দফাতেই পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হবে। নির্বাচন ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে তৎপরতা শুরু হয়েছে।বাংলা ছাড়াও আরও চারটি রাজ্য এবং একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এবারে বিধানসভা নির্বাচন হচ্ছে। সেই তালিকায় রয়েছে অসম, কেরল, তামিলনাড়ু এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরি। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, এই চার রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এক দফাতেই ভোটগ্রহণ হবে।অসমে মোট বিধানসভা কেন্দ্রের সংখ্যা একশো ছাব্বিশ। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সেখানে ভোটগ্রহণ হবে নয় এপ্রিল। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন তেইশে মার্চ। ভোটগণনা হবে চার মে।কেরলে মোট বিধানসভা কেন্দ্রের সংখ্যা একশো চল্লিশ। এই রাজ্যেও ভোট হবে নয় এপ্রিল। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন তেইশে মার্চ এবং ভোটগণনা চার মে।তামিলনাড়ুতে মোট বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে দুইশো চৌত্রিশটি। এই রাজ্যেও এক দফাতেই ভোট হবে। ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারিত হয়েছে নয় এপ্রিল। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন তেইশে মার্চ এবং ভোটগণনা চার মে।কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরিতে মোট বিধানসভা কেন্দ্রের সংখ্যা তিরিশ। এখানেও ভোট হবে নয় এপ্রিল। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন তেইশে মার্চ এবং ভোটগণনা চার মে।নির্বাচন কমিশনের এই ঘোষণার পর থেকেই পাঁচ রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ভোটের প্রস্তুতি জোরদার হয়েছে। সব রাজনৈতিক দল এখন ভোটের লড়াইকে সামনে রেখে নিজেদের প্রচার এবং কৌশল ঠিক করতে শুরু করেছে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা, দুই দফায় ভোট বাংলায়— দেখে নিন আপনার কেন্দ্রের তারিখ

অবশেষে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান। রবিবার বিজ্ঞান ভবন থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে বাংলাসহ পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি অসম, কেরল, তামিলনাড়ু ও পুদুচেরির ভোটের নির্ঘণ্টও প্রকাশ করা হয়েছে। বাংলায় এবার দুই দফায় ভোটগ্রহণ হবে। প্রথম দফার ভোট অনুষ্ঠিত হবে তেইশে এপ্রিল এবং দ্বিতীয় দফার ভোট হবে ঊনত্রিশে এপ্রিল। ভোট গণনা হবে চার মে।প্রথম দফার ভোটের জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ছয় এপ্রিল। মনোনয়ন যাচাই হবে সাত এপ্রিল এবং মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন নয় এপ্রিল। দ্বিতীয় দফার জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন নয় এপ্রিল। মনোনয়ন যাচাই হবে দশ এপ্রিল এবং মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন তেরো এপ্রিল।প্রথম দফায় উত্তরবঙ্গ, জঙ্গলমহল এবং দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভোটগ্রহণ হবে। কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ, মাথাভাঙা, কোচবিহার উত্তর, কোচবিহার দক্ষিণ, শীতলকুচি, সিতাই, দিনহাটা, নাটাবাড়ি এবং তুফানগঞ্জে ভোট হবে প্রথম দফায়। আলিপুরদুয়ার জেলার কুমারগ্রাম, কালচিনি, আলিপুরদুয়ার, ফালাকাটা ও মাদারিহাট কেন্দ্রেও এই দফাতেই ভোটগ্রহণ হবে।জলপাইগুড়ি জেলার ধূপগুড়ি, ময়নাগুড়ি, জলপাইগুড়ি, রাজগঞ্জ, ডাবগ্রাম ফুলবাড়ি, মাল ও নাগরাকাটা কেন্দ্রে ভোট হবে প্রথম দফায়। দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলার কালিম্পং, দার্জিলিং, কার্শিয়াং, মাটিগাড়া নকশালবাড়ি, শিলিগুড়ি ও ফাঁসিদেওয়া কেন্দ্রেও প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ হবে।উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়া, ইসলামপুর, গোয়ালপোখর, চাকুলিয়া, করণদিঘি, হেমতাবাদ, কালিয়াগঞ্জ, রায়গঞ্জ ও ইটাহার কেন্দ্রেও এই দফায় ভোট হবে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুশমন্ডি, কুমারগঞ্জ, বালুরঘাট, তপন, গঙ্গারামপুর ও হরিরামপুরেও প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ হবে।মালদহ জেলার হবিবপুর, গাজোল, চাঁচল, হরিশ্চন্দ্রপুর, মালতীপুর, রতুয়া, মানিকচক, মালদহ, ইংরেজবাজার, মোথাবাড়ি, সুজাপুর ও বৈষ্ণবনগর কেন্দ্রে ভোট হবে প্রথম দফায়। মুর্শিদাবাদ জেলার ফরাক্কা, সামশেরগঞ্জ, সুতি, জঙ্গিপুর, রঘুনাথগঞ্জ, সাগরদিঘি, লালগোলা, ভগবানগোলা, রানিনগর, মুর্শিদাবাদ, নবগ্রাম, খড়গ্রাম, বড়ঞা, কান্দি, ভরতপুর, রেজিনগর, বেলডাঙা, বহরমপুর, হরিহরপাড়া, নওদা, ডোমকল ও জলঙ্গিতেও এই দফাতেই ভোটগ্রহণ হবে।এ ছাড়াও পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান ও বীরভূম জেলার বিভিন্ন কেন্দ্রে প্রথম দফায় ভোট হবে।দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণ হবে নদিয়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি এবং পূর্ব বর্ধমান জেলার সব আসনে। নদিয়া জেলার করিমপুর, তেহট্ট, পলাশিপাড়া, কালীগঞ্জ, নাকাশিপাড়া, চাপড়া, কৃষ্ণনগর উত্তর, নবদ্বীপ, কৃষ্ণনগর দক্ষিণ, শান্তিপুর, রানাঘাট উত্তর পশ্চিম, কৃষ্ণগঞ্জ, রানাঘাট উত্তর পূর্ব, রানাঘাট দক্ষিণ, চাকদহ, কল্যাণী ও হরিণঘাটা কেন্দ্রে ভোট হবে দ্বিতীয় দফায়।উত্তর চব্বিশ পরগনার বাগদা, বনগাঁ উত্তর, বনগাঁ দক্ষিণ, গাইঘাটা, স্বরূপনগর, বাদুড়িয়া, হাবড়া, অশোকনগর, আমডাঙা, বীজপুর, নৈহাটি, ভাটপাড়া, জগদ্দল, নোয়াপাড়া, বারাকপুর, খড়দহ, দমদম উত্তর, পানিহাটি, কামারহাটি, বরানগর, দমদম, রাজারহাট নিউটাউন, বিধাননগর, রাজারহাট গোপালপুর, মধ্যমগ্রাম, বারাসত, দেগঙ্গা, হাড়োয়া, মিনাখাঁ, সন্দেশখালি, বসিরহাট দক্ষিণ, বসিরহাট উত্তর ও হিঙ্গলগঞ্জেও দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণ হবে।দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি ও পূর্ব বর্ধমান জেলার সব কেন্দ্রেও দ্বিতীয় দফাতেই ভোট হবে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে তৎপরতা শুরু হয়েছে। দুই দফার এই নির্বাচনে রাজ্যের সমস্ত রাজনৈতিক দল এখন ভোটের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত।

মার্চ ১৫, ২০২৬
কলকাতা

ব্রিগেডে জনসমুদ্র না ফাঁকা চেয়ার? মোদীর সভা ঘিরে শুরু তুমুল রাজনৈতিক তরজা

বিধানসভা ভোটের আগে কলকাতার ব্রিগেড ময়দানে প্রধানমন্ত্রীর সভা ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ল। সভায় ভিড় দেখে উচ্ছ্বসিত বিজেপি নেতৃত্ব পরিবর্তনের স্লোগান তুলেছে। তাদের দাবি, এই ভিড়ই প্রমাণ করছে বাংলায় পরিবর্তনের হাওয়া বইতে শুরু করেছে। অন্যদিকে ভিড়ের সংখ্যা নিয়েই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।ব্রিগেডের সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যত দূর চোখ যাচ্ছে শুধু মানুষ আর মানুষ। এই দৃশ্য তাঁকে অত্যন্ত আনন্দিত করেছে বলেও জানান তিনি। তাঁর মতে, এই ভিড়ই বুঝিয়ে দিচ্ছে বাংলার মানুষ পরিবর্তন চাইছেন। সভা শেষ হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি সভার একটি ভিডিও প্রকাশ করেন এবং মানুষের উপস্থিতির প্রশংসা করেন।বিরোধী দলনেতার দাবি, ব্রিগেডের সভায় আট থেকে দশ লক্ষ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। তাঁর কথায়, গোটা ব্রিগেড ময়দান কানায় কানায় ভর্তি ছিল এবং কলকাতার বিভিন্ন রাস্তায়ও মানুষের ভিড় ছিল।বিজেপি নেতাদের মধ্যেও উচ্ছ্বাস স্পষ্ট ছিল। দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে মঞ্চে গলা থেকে উত্তরীয় খুলে ঘোরাতে দেখা যায়। সেই ভিডিও তিনি নিজেই সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন। দলের সহ পর্যবেক্ষক অমিত মালব্যও কর্মীদের উচ্ছ্বাসের ভিডিও প্রকাশ করে দাবি করেন, বাংলার প্রতিটি প্রান্ত থেকে মানুষ ব্রিগেডে এসেছেন। তাঁর কথায়, কলকাতা যেন গেরুয়া সমুদ্রে পরিণত হয়েছিল এবং এই উচ্ছ্বাসই বুঝিয়ে দিচ্ছে পরিবর্তনের সময় এসেছে।তবে এই দাবি মানতে নারাজ তৃণমূল। তাদের দাবি, ব্রিগেডে বিজেপির সভায় তেমন ভিড় হয়নি। সামাজিক মাধ্যমে সারিবদ্ধ ফাঁকা চেয়ারের ভিডিও প্রকাশ করে তৃণমূল দাবি করেছে, বাংলার মানুষ বিজেপিকে গ্রহণ করেননি।তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষও কটাক্ষ করে বলেন, একটি অংশের ছবি দেখিয়ে বড় সভা বলা যায় না। তাঁর দাবি, এর থেকেও বড় সমাবেশ অন্য রাজনৈতিক দল আগে করেছে।এদিকে বিজেপির অভিযোগ, রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় তাদের কর্মীদের ব্রিগেডে আসতে বাধা দেওয়া হয়েছে। অনেক জায়গায় বাস আটকে দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেছে তারা। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।সব মিলিয়ে ব্রিগেডের সভা শেষ হলেও ভিড় নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক এখনও জোরদার। ভোটের আগে এই সভা যে রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন উত্তাপ তৈরি করেছে, তা বলাই যায়।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোট ঘোষণার ঠিক আগে বড় ঘোষণা মমতার, সরকারি কর্মীদের অ্যাকাউন্টে আসছে বকেয়া ডিএ

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে রাজ্য সরকারি কর্মী এবং পেনশনভোগীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চলতি মাস থেকেই সেই টাকা কর্মীদের অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করবে বলে জানানো হয়েছে। ভোট ঘোষণার কিছুক্ষণ আগে সামাজিক মাধ্যমে এই ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর এই ঘোষণায় স্বাভাবিকভাবেই স্বস্তি পেয়েছেন বহু সরকারি কর্মচারী।মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, সরকারি কর্মী এবং পেনশনভোগীদের যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা পূরণ করছে মা-মাটি-মানুষের সরকার। রাজ্যের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বহু শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মী, পঞ্চায়েত, পুরসভা এবং অন্যান্য স্থানীয় সংস্থার কর্মীরাও এই বকেয়া মহার্ঘ ভাতা পাবেন।তিনি আরও জানান, রাজ্যের অর্থ দপ্তরের প্রকাশিত নির্দেশিকা অনুযায়ী রোপা দুই হাজার নয় অনুযায়ী বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেওয়া হবে। মার্চ মাস থেকেই সেই টাকা কর্মীদের অ্যাকাউন্টে জমা পড়তে শুরু করবে।উল্লেখ্য, এর আগে রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্ট। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল রাজ্য সরকার। সেখানে আদালত বকেয়া মহার্ঘ ভাতার পঁচিশ শতাংশ পরিশোধ করার নির্দেশ দেয় এবং তার জন্য ছয় সপ্তাহ সময় বেঁধে দেওয়া হয়।কিন্তু সেই সময়ের মধ্যে বকেয়া ভাতা মেটানো হয়নি। পরে রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টের কাছে আরও ছয় মাস সময় চেয়ে আবেদন করে। দুই হাজার পঁচিশ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এই মামলার শুনানি শেষ হয়। এরপর গত পাঁচ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি সঞ্জয় করোল এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রের বেঞ্চ স্পষ্ট জানায়, মহার্ঘ ভাতা কর্মীদের আইনি অধিকার এবং তা মেটাতেই হবে।আদালত জানায়, বকেয়া মহার্ঘ ভাতার পঁচিশ শতাংশ দুই দফায় পরিশোধ করতে হবে এবং তা মে মাসের মধ্যেই সম্পন্ন করতে হবে। এর মধ্যে প্রথম কিস্তি দিতে হবে একত্রিশে মার্চের মধ্যে।এর পর বাকি কত টাকা দেওয়া হবে এবং কত সময়ের মধ্যে দেওয়া হবে, সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রার নেতৃত্বে গঠিত একটি কমিটি।রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে আদালতে জানানো হয়েছিল, ডিএ দেওয়ার জন্য তিন লক্ষ সতেরো হাজারেরও বেশি কর্মীর নথি খতিয়ে দেখতে হচ্ছে। দুই হাজার ষোলো সালের আগের অনেক তথ্য এখনও ডিজিটাল নয়, সেগুলি হাতে লেখা সার্ভিস বুক আকারে রয়েছে। সেই সব নথি ডিজিটাল করতে সময় লাগছে বলেও জানানো হয়।এ ছাড়াও প্রশাসনিক কাজের চাপ এবং প্রযুক্তিগত সমস্যার কথাও আদালতে উল্লেখ করেছিল রাজ্য সরকার। তবে দীর্ঘদিন ধরে ডিএ না মেলায় সরকারি কর্মীদের একাংশ ক্ষুব্ধ ছিলেন। সম্প্রতি সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ ধর্মঘটের ডাকও দিয়েছিল। যদিও সেই ধর্মঘট খুব বেশি প্রভাব ফেলেনি।এর মধ্যেই রবিবার মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণায় পরিষ্কার হয়েছে, বকেয়া মহার্ঘ ভাতার পঁচিশ শতাংশ চলতি মাসেই কর্মীদের দেওয়া হবে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোট ঘোষণার ঠিক আগে বড় ঘোষণা মমতার, পুরোহিত ও মুয়াজ্জেমদের ভাতা বাড়ল

লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকার পরিমাণ আগেই বাড়ানো হয়েছিল। যুবসাথী প্রকল্পের ঘোষণাও করা হয়েছে। তবে বাজেট ঘোষণার সময় পুরোহিত ও মুয়াজ্জেমদের জন্য আলাদা কোনও ঘোষণা করা হয়নি। এবার ভোট ঘোষণার ঠিক আগেই তাঁদের ভাতা বাড়ানোর কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সূত্রের খবর, রবিবার বিকেল চারটের সময় পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা করতে পারে নির্বাচন কমিশন। তার কিছু আগেই দুপুর দুটো চল্লিশ মিনিট নাগাদ মুখ্যমন্ত্রী সামাজিক মাধ্যমে একটি বার্তা দিয়ে পুরোহিত ও মুয়াজ্জেমদের ভাতা বাড়ানোর কথা জানান।এতদিন পর্যন্ত পুরোহিত ও মুয়াজ্জেমরা মাসে এক হাজার পাঁচশো টাকা করে ভাতা পেতেন। সেই ভাতা পাঁচশো টাকা বাড়িয়ে এখন থেকে দুই হাজার টাকা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সমাজে পুরোহিত ও মুয়াজ্জেমদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী জানান, নতুন করে যাঁরা পুরোহিত ও মুয়াজ্জেম হিসেবে ভাতার জন্য আবেদন করেছিলেন, তাঁদের আবেদনও রাজ্য সরকার গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, সমাজের সব সম্প্রদায় যেন সম্মান পায় এবং সব সংস্কৃতি যেন সমান মর্যাদা পায়, সেটাই সরকারের লক্ষ্য।তবে এই ঘোষণা ঘিরে বিরোধীদের তরফে সমালোচনাও শুরু হয়েছে। বিজেপি নেতা এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পর এখন পুরোহিত ভাতা বাড়িয়ে বাংলার মানুষকে পাঁচশো টাকা দিয়ে খুশি করার চেষ্টা করা হচ্ছে।ভোটের ঠিক আগে এই ঘোষণাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

বিকেলে ভোট ঘোষণা, তার আগে রাজ্য জুড়ে পুলিশ বদলির নির্দেশ

আজ রবিবার বিকেল চারটেয় পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন। তার কয়েক ঘণ্টা আগেই রাজ্য পুলিশের ভিতরে বড় রদবদল করল নবান্ন। সূত্রের খবর, মোট সাতাশ জন ইন্সপেক্টর এবং বারোটি থানার আইসি-কে বদলি করা হয়েছে।ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলায় একাধিক ইন্সপেক্টরকে নতুন জায়গায় পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি বিধাননগর, বারাকপুর এবং চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের বেশ কয়েকটি থানার আইসি-রও বদলি করা হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলাতেও কয়েক জন ইন্সপেক্টরকে অন্যত্র পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।নির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার ঠিক আগে রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, যাঁদের বদলি করা হয়েছে, তাঁদের যত দ্রুত সম্ভব নতুন দায়িত্বে যোগ দিতে হবে।উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, জলপাইগুড়ি, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, বিধাননগর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং হুগলি সহ একাধিক জেলায় এই বদলি করা হয়েছে। ভোট ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগে এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই বিষয়টি নিয়ে বিরোধীরাও প্রশ্ন তুলেছে। বিজেপি নেতা সজল ঘোষ দাবি করেছেন, নির্বাচন কমিশন যাতে পরে আর বদলি করতে না পারে, সেই কারণেই আগেভাগে এই বদলি করা হয়েছে। তবে তাঁর মতে, এতে নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা কমে যায় না। প্রয়োজনে কমিশন এই সব আধিকারিকদের অতীত কাজ এবং ভূমিকা খতিয়ে দেখতে পারে।উল্লেখ্য, কয়েক সপ্তাহ আগেও রাজ্য পুলিশে বড় বদলি করা হয়েছিল। সে সময় চার জন আইপিএস আধিকারিককে অন্যত্র পাঠানো হয়। আলিপুরদুয়ার, বসিরহাট এবং জঙ্গিপুরের পুলিশ সুপার এবং রাজ্য গোয়েন্দা বিভাগের এক শীর্ষ আধিকারিকেরও বদলি করা হয়েছিল।সাধারণত নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হয়ে গেলে আদর্শ আচরণবিধি জারি হয়ে যায়। তার পর প্রশাসনে বড় কোনও বদলি করতে গেলে নির্বাচন কমিশনের অনুমতি প্রয়োজন হয়। সেই কারণেই ভোট ঘোষণার ঠিক আগে এই রদবদলকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

কারা পাচ্ছেন তৃণমূলের টিকিট? সামনে এল সম্ভাব্য প্রার্থীদের চমকপ্রদ তালিকা

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। যে কোনও মুহূর্তে নির্বাচন কমিশন ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করতে পারে। তার আগেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা নিয়ে জোর আলোচনা। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে এবার বেশ কিছু নতুন ও তরুণ মুখকে টিকিট দেওয়া হতে পারে বলে জোর জল্পনা চলছে।দলের অন্দরে শোনা যাচ্ছে কয়েকটি নাম নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। নতুন মুখদের মধ্যে প্রথমেই উঠে আসছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যের নাম। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ছাত্র ও যুব সংগঠনের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত।তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রাক্তন সভাপতি জয়া দত্তের নামও আলোচনায় রয়েছে। বর্তমানে তিনি অশোকনগরের কাউন্সিলর। যদিও অতীতে ছাত্র সংগঠনের ভর্তিকে কেন্দ্র করে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় তাঁর নাম নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল এবং সেই সময় তাঁকে সংগঠনের সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।প্রাক্তন সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামও সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় ঘুরছে। সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তিনি দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। বিভিন্ন আন্দোলন এবং কর্মসূচিতে তাঁকে সক্রিয়ভাবে দেখা গেছে।আরেক রাজ্যসভার সাংসদ সামিরুল ইসলামের নামও আলোচনায় রয়েছে। তিনি সম্প্রতি সংসদে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের সমস্যা নিয়ে সরব হয়েছিলেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, তাঁকে বীরভূম জেলার কোনও একটি আসন থেকে প্রার্থী করা হতে পারে।দলের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে কয়েকজন মুখপাত্রের নামও ঘুরছে। সেই তালিকায় রয়েছেন কুণাল ঘোষ, অরূপ চক্রবর্তী এবং তন্ময় ঘোষ। আগের উপনির্বাচনের সময় কুণাল ঘোষকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে জল্পনা হয়েছিল। এবার বিধানসভা নির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে আবার আলোচনা শুরু হয়েছে।সম্প্রতি সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়া প্রতীকূর রহমানের নামও সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় রয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। তাঁর পাশাপাশি নতুন মুখ হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন আন্তর্জাতিক ক্রীড়াবিদ স্বপ্না বর্মন। তিনি এশিয়ান গেমসে সোনা জিতে ইতিহাস গড়েছিলেন এবং কিছুদিন আগেই তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন।দলের তরুণ নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্যের নামও ঘুরছে রাজনৈতিক মহলে। আগের বিধানসভা নির্বাচনে প্রচারে তাঁকে সক্রিয়ভাবে দেখা গিয়েছিল। পরে লোকসভা নির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী করা হয়েছিল তমলুক থেকে। যদিও সেই নির্বাচনে তিনি জয় পাননি।এ ছাড়াও আরও কিছু নতুন নাম নিয়ে আলোচনা চলছে। শোনা যাচ্ছে এন্টালির বিধায়ক স্বর্ণকমল সাহার ছেলে সন্দীপন সাহা প্রার্থী হতে পারেন। তিনি বর্তমানে কলকাতা পুরসভার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন এবং জোকা ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন ছাত্র।রাজনৈতিক মহলে আরও আলোচনা চলছে সাংবাদিক দেবদীপ পুরোহিতের নাম নিয়েও। তাঁকে খড়দা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে জল্পনা। বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা শুভাশিস চক্রবর্তীর নামও শোনা যাচ্ছে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার একটি আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে।এছাড়াও তারকাখচিত তালিকায় গায়িকা ইমন চক্রবর্তীর নামও উঠে আসছে। উত্তরপাড়া কেন্দ্র থেকে তাঁকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে আলোচনা চলছে। যদিও অতীতেও এমন জল্পনা হয়েছিল, কিন্তু তিনি সেই সময় প্রার্থী হননি।অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের নামও সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় ঘুরছে। বিনোদন জগতের পরিচিত এই মুখকে প্রার্থী করলে ভোটের প্রচারে নতুন মাত্রা যোগ হতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।এই সব নাম নিয়ে জোর আলোচনা চললেও তৃণমূলের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা এখনও প্রকাশ হয়নি। ভোট ঘোষণার পরেই দল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
কলকাতা

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে এল আরজি করের ঘটনা! বিস্ফোরক বার্তা দিলেন মোদি

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ব্রিগেডে ভাষণ দিতে গিয়ে বলেন, বাংলায় বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এলে মহিলারা সম্পূর্ণ নিরাপদ থাকবেন। তিনি জানান, তৃণমূলের গুন্ডারাজ আর থাকবে না, কেউ দমন করতে পারবে না। মোদির দাবি, বর্তমানে রাজ্যে সন্ত্রাসবাদ ও অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দেওয়া হচ্ছে, যার ফলে মায়েরা কাঁদছে, বাঙালিরা নিজেদের জন্মভূমি ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে। মোদী বলেন, বাংলার রুটি, মাটি, বেটি বিপন্ন, জনবিন্যাস পরিবর্তিত হয়েছে এবং হিন্দু বাঙালিদের সংখ্যালঘু করার চেষ্টা হচ্ছে।মোদী অভিযোগ করেন, কেন্দ্রের বিভিন্ন কর্মসংস্থানের প্রকল্প রাজ্যে পৌঁছতে দিচ্ছে না তৃণমূল সরকার। বিশ্বকর্মা প্রকল্প থেকে টাকা দেওয়া সত্ত্বেও মানুষের কাছে তা পৌঁছায় না। বিনামূল্যে বিদ্যুৎ দেওয়ার প্রকল্পও আটকানো হয়েছে। চা শ্রমিকদের কেন্দ্রীয় সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। পিএম আবাস যোজনার নাম বদলানো হয়েছে, তালিকা বদল করা হয়েছে, গরিবদের বাড়ি দেওয়া হয়নি। জলজীবন মিশন এবং আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পও চালু হতে দিচ্ছে না। মোদীর দাবি, বাংলার গরিবরা এ সব থেকে বঞ্চিত হয়েছে।তিনি আরও বলেন, কৃষকদের পরিস্থিতিও শোচনীয়। একজন আলু চাষি আত্মহত্যা করেছেন। তৃণমূলের নোংরা রাজনীতি মা-বোনেদের সম্মানকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। মোদী স্মরণ করান, বাংলার মানুষ আগে একসময় বাম গুন্ডাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিল। কিন্তু বর্তমানে সেই বাম দলের কিছু নেতাকে তৃণমূল আশ্রয় দিচ্ছে। রাজ্যে অপরাধীরা নিরাপদ, কলেজে ও আদিবাসী মহিলাদের উপর হামলা হচ্ছে, এবং মানুষ এখনো সন্দেশখালি, আরজিকরের মতো ঘটনা মনে রাখে।মোদী স্পষ্ট জানান, বিজেপি সরকার এলে এসব অন্যায়ের অবসান হবে। আইনশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা হবে, অপরাধীদের জেল ভাড়া হবে, এবং গরিব ও সাধারণ মানুষ কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা পাবে।

মার্চ ১৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal