• ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২১ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

SRH

খেলার দুনিয়া

দুরন্ত বোলিং উমরান–ভুবির, প্লে অফের ক্ষীণ আশা বেঁচে রইল হায়দরাবাদের

মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কাছে হারলেই প্লে অফের ক্ষীণ আশাও শেষ হয়ে যেত। মরণবাঁচন ম্যাচে জ্বলে উঠল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ব্যাট হাতে দাপট রাহুল ত্রিপাঠির। বল হাতে উমরান মালিক ও ভুবনেশ্বর কুমারের। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ৩ রানে হারিয়ে আইপিএলের প্লে অফের দৌড়ে টিকে রইল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। প্রথমে ব্যাট করে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সামনে জয়ের জন্য লক্ষ্য রেখেছিল ১৯৪। অধিনায়ক রোহিত শর্মা ও ঈশান কিশানের দাপটে পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে তুলে ফেলে ৫১/০। ১০.৩ ওভারের মধ্যেই ৯৫ রানে পৌঁছে যায় মুম্বই। এরপরই ধাক্কা খায় মুম্বই। ওয়াশিংটন সুন্দরের বল পুল শটে গ্যালারিতে পাঠাতে গিয়ে ডিপ স্কোয়ার লেগ বাউন্ডারির ধারে পরিবর্ত ফিল্ডার সুচিথের হাতে ধরা পড়েন রোহিত। ৩৬ বলে ৪৮ রান করে তিনি আউট হন।পরের ওভারেই ঈশান কিশানকে তুলে নেন উমরান মালিক। ৩৪ বলে ৪৩ রান করে তিনি প্রিয়ম গর্গের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ৫টি চার ও একটি ছয়ের সাহায্যে তিনি ওই রান করেন। দলের ১০১ রানের মাথায় ফেরেন কিশান। ১৫তম ওভারের প্রথম ও শেষ বলে তিলক ভার্মা ও ড্যানিয়েস স্যামসকে আউট করেন উমরাম মালিক। ৮ রান করেন তিলক, অন্যদিকে ১১ বলে ১৫ রান করেন ড্যানিয়েল স্যামস। ১৫ ওভারের শেষে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের স্কোর দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ১২৭। ১৮তম ওভারে ম্যাচ জমিয়ে দেন টিম ডেভিড। টি নটরাজনের প্রথম পাঁচটি বলে চারটি ছক্কা হাঁকিয়ে ২৬ রান তুলে ফেলেন। যদিও শেষ বলে তিনি রান আউট হয়ে যান। এই অবস্থায় মুম্বইয়ের দরকার ছিল ১২ বলে ১৯ রান। ১৯তম ওভারে প্রথম বলে কোনও রান দেননি ভুবনেশ্বর কুমার। দ্বিতীয় বলেই শূন্য রানে আউট হন সঞ্জয় যাদব। ভুবনেশ্বরের একের পর এক বিষাক্ত ইয়র্কারের দাপটে বাকি চার বলে কোনও রান করতে পারেননি যশপ্রীত বুমরা। ভুবনেশ্বরের এই উইকেট মেডেন ওভারই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৯০ রান তোলে মুম্বই।এদিন টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৯৩ রান তুলেছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ৯টি চার ও তিনটি ছের সাহায্যে ৪৪ বলে সর্বাধিক ৭৬ রান করেন রাহুল ত্রিপাঠী। প্রিয়ম গর্গ ওপেন করতে নেমে ২৬ বলে ৪২ রান করেন। ২২ বলে ৩৮ রান করেন নিকোলাস পুরান।

মে ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দুরন্ত ত্রিপাঠি, মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে হায়দরাবাদের বড় রানের পেছনে রহস্য কী?‌

মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কাজে হারলেই আশা শেষ হয়ে যাবে। এইরকম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দারুণভাবেই জ্বলে উঠল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। বড় রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সামনে। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে তুলল ১৯৩। দুরন্ত ব্যাটিং করে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে বড় রানে পৌঁছে দিলেন রাহুল ত্রিপাঠি। ৪৪ বলে ৭৬ রান করেন তিনি। ব্যাটিং অর্ডারে বদল করেই এদিন সাফল্য পেল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। একসময় প্লে অফের লড়াইয়ে দারুণভাবেই ছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। টানা ৫ ম্যাচ হেরে প্লে অফের লড়াই থেকে অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছে। প্লে অফের স্বপ্ন মরীচিকা হয়ে দাঁড়িয়েছে কেন উইলিয়ামসনদের সামনে। ১২ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে এদিন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছিল। বাকি দুটি ম্যাচে জিতলেই যে প্লে অফের টিকিট পাবে, এমন কোনও নিশ্চয়তা নেই। অন্য দলগুলির ফলাফলের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে। যদিও প্লে অফের সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। এইরকম ম্যাচে স্ট্র্যাটেজি বদলই সাফল্য এনে দিল। ব্যাটিং অর্ডারে এদিন দুই দলই দুটি করে পরিবর্তন করে মাঠে নামে। টস জিতে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা ব্যাট করতে পাঠান সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে। তৃতীয় ওভারেই ধাক্কা খায় হায়দরাবাদ। ফর্মে থাকা অভিষেক শর্মাকে (১০ বলে ৯) তুলে নেন ড্যানিয়েল স্যামস। শুরুর ধাক্কা দারুণভাবে সামলে দেন প্রিয়ম গর্গ ও রাহুল ত্রিপাঠি। চলতি আইপিএলে এই প্রথম মাঠে নামার সুযোগ পেলেন প্রিয়ম। অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন সরে গিয়ে প্রিয়মকে ওপেনিংয়ে জায়গা করে দেন। সুযোগ পেয়ে নিজেকে দারুণভাবে মেলে ধরলেন প্রিয়ম। ২৬ বলে ৪২ রান করে দলের বড় রানের ভিত গড়ে দেন। আগের ম্যাচের ব্যর্থতা কাটিয়ে ছন্দে ফেরেন রাহুল ত্রিপাঠিও। এই দুজনের জুটিতে ওঠে ৭৮।প্রিয়ম ফিরে যাওয়ার পরপর নিকোলাস পুরানকে সঙ্গে নিয়ে দলকে টেনে নিয়ে যান রাহুল ত্রিপাঠি। এই জুটিতেও ওঠে ৭৮। সপ্তদশ ওভারে ২২ বলে ৩৮ রান করে রিলে মেরেডিথের বলে আউট হন পুরান। পরের ওভারেই আউট হন রাহুল ত্রিপাঠি। ৪৪ বলে তিনি করেন ৭৬। মার্করাম এদিন রান পাননি। ৪ বলে তিনি করেন ২। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে ২০ রানে ৩ উইকেট নেন রমণদীপ সিং।

মে ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

হায়দরাবাদকে হারিয়ে প্লে অফের স্বপ্ন টিকিয়ে রাখল নাইটরা

সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ৫৪ রানে হারিয়ে প্লে অফের স্বপ্ন জিইয়ে রাখল কলকাতা নাইট রাইডার্স। নাইটদের জয়ের নায়ক আন্দ্রে রাসেল। ব্যাট ও বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স এই ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডারের।বড় রান তাড়া করতে গেলে শুরুটা ভাল হওয়া জরুরি। কিন্তু উমেশ যাদবের আঁটোসাঁটো বোলিংয়ের সামনে আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠার সুযোগ পাননি সানরাইজার্স হায়দরাবাদের প্রারম্ভিক ব্যাটাররা। পাওয়ার প্লে-র ৬ ওভারে ওঠে মাত্র ৩১ রান। তার মাঝেই হারাতে হয় ১ উইকেট। নিজের প্রথম ওভারেই সানরাইজার্স হায়দরাবাদের অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনকে তুলে নেন আন্দ্রে রাসেল। ১৭ বলে মাত্র ৯ রান করে বোল্ড হন উইলিয়ামসন। ওই ওভারে মাত্র ১ রান দেন রাসেল। উইলিয়ামসন আউট হলেও নিজের ছন্দ ধরে রাখেন অভিষেক শর্মা। ইনিংসের অষ্টম ও সুনীল নারাইনের দ্বিতীয় ওভারের তৃতীয় ও চতুর্থ বলে পরপর দুটি ছয় মারেন। নারাইনের ওই ওভারে ওঠে ১৭ রান। পরের ওভারে রাহুল ত্রিপাঠিকে তুলে নিয়ে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে আবার ধাক্কা দেন টিম সাউদি। ১২ বলে ৯ রান করে সাউদির বলে তাঁর হাতেই ক্যাচ দেন ত্রিপাঠি। দ্বাদশ ওভারের পঞ্চম বলে অভিষেককে তুলে নেন বরুণ চক্রবর্তী। ২৮ বলে ৪৩ রান করে আউট হন অভিষেক। পরের ওভারেই নিকোলাস পুরানকে (২) তুলে নেন নারাইন। তখনই জয়ের আশা শেষ হয়ে যায় সানরাইজার্স হায়দরাবাদের। ২২ রানে ৩ উইকেট নেন রাসেল।এদিন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং-এর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার। দ্বিতীয় ওভারেই ফিরে যান ছন্দে না থাকা ভেঙ্কটেশ আয়ার (৬ বলে ৭)। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান অজিঙ্কা রাহানে ও নীতীশ রানা। জুটিতে ওঠে ৪৮ রান। নীতীশ রানাকে (১৬ বলে ২৬) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন উমরান মালিক। অজিঙ্কা রাহানেকেও (২৪ বলে ২৮) তুলে নেন তিনি। শ্রেয়স আয়ারও (১৫) দলকে নির্ভরতা দিতে ব্যর্থ। রিঙ্কু সিংও (৫) নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। স্যাম বিলিংস ও আন্দ্রে রাসেলের দাপটে ১৭৭/৬ রানে পৌঁছয় নাইটরা। দুজনের জুটিতে ওঠে ৬৩ রান। ২৯ রানে ৩৪ রান করেন বিলিংস। শেষ দিকে ঝড় তুলে ২৮ বলে ৪৯ রান করে অপরাজিত থাকেন রাসেল। মারেন ৩টি ৪ ও ৪টি ৬। ৩৩ রানে ৩ উইকেট নেন উমরান মালিক।

মে ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

রাসেলের দাপটে বড় রান তুলে হায়দরাবাদকে চ্যালেঞ্জ কলকাতার

শনিবার আইপিএলের ম্যাচে মুখোমুখি সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ও কলকাতা নাইট রাইডার্স। প্লে অফের আশা টিকিয়ে রাখার জন্য দুই দলের কাছেই ম্যাচটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। যে দল হারবে, প্লে অফের লড়াই থেকে ছিটকে যাবে। মরণবাঁচন ম্যাচে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে বড় রান তুলে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। নির্ধারিত ২০ ওভারে তুলল ১৭৭/৬।এদিন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং-এর সিদ্ধান্ত নেয় কলকাতা নাইট রাইডার্সের অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার। প্রথম একাদশে দুটি পরিবর্তন করে মাঠে নামে নাইটরা। প্রথম একাদশে ফিরেছেন উমেশ যাদব এবং স্যাম বিলিংস। অন্যদিকে, সানরাইজার্স হায়দরাবাদও দুটি পরিবর্তন করে মাঠে নামে। এদিন প্রথম একাদশে ঢোকেন ওয়াশিংটন সুন্দর এবং টি নটরাজন।ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি কলকাতা নাইট রাইডার্সের। দ্বিতীয় ওভারেই ফিরে যান ছন্দে না থাকা ভেঙ্কটেশ আয়ার। ৬ বলে ৭ রান করে মার্কো জানসেনের বলে তিনি বোল্ড হন। প্রাথমিক ধাক্কা সামলে দলকে টেনে নিয়ে যান অজিঙ্কা রাহানে ও নীতীশ রানা। দুজনের জুটিতে ওঠে ৪৮ রান। অস্টম ওভারের তৃতীয় বলে নীতীশ রানাকে (১৬ বলে ২৬) জুটি ভাঙেন উমরান মালিক। একই ওভারের শেষ বলে অজিঙ্কা রাহানেকেও তুলে নেন। ২৪ বলে ২৮ রান করে আউট হন রাহানে। বাউন্ডারি লাইনে দুরন্ত ক্যাচ ধরেন শশাঙ্ক সিং। এক ওভার পরেই অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ারকেও তুলে নেন উমরান মালিক। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দলকে নির্বরতা দিতে ব্যর্থ শ্রেয়স। এদিন ৯ বলে মাত্র ১৫ রান করে তিনি আউট হন। রিঙ্কু সিংও (৫) নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি।৯৪ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় নাইট রাইডার্স মনে হচ্ছিল এদিন বড় রানে পৌঁছতে পারবেন না শ্রেয়স আয়াররা। কিন্তু ব্যাট হাতে জ্বলে ওঠেন স্যাম বিলিংস ও আন্দ্রে রাসেল। দুজনের জুটিতে ওঠে ৬৩ রান। ২৯ রানে ৩৪ রান করে ভুবনেশ্বর কুমারের বলে আউট হন বিলিংস। শেষ দিকে ঝড় তোলেন রাসেল। ২৮ বলে ৪৯ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। মারেন ৩টি ৪ ও ৪টি ৬। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৭৭ রান তোলে নাইটরা। ৩৩ রানে ৩ উইকেট নেন উমরান মালিক। ১টি উইকেট নেন ভুবনেশ্বর কুমার, মার্কো জানসেন এবং টি নটরাজন।

মে ১৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

হাসারাঙ্গার দুরন্ত বোলিংয়ে প্লে অফের পথে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স

সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ৬৭ রানে উড়িয়ে প্লে অফের পথে আরও একধাপ এগিয়ে গেল ফাফ ডুপ্লেসির দল। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের জয়ের নায়ক ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। ১৮ রানে ৫ উইকেট তুলে নিয়ে সানরাইজার্সের ইনিংসে ভাঙন ধরান তিনি। বিরাট কোহলির ব্যর্থতার দিনে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে বড় রানে পৌংছে দিয়েছিলেন ফাফ ডুপ্লেসি ও দীনেশ কার্তিক।রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে এদিন সানরাইজার্স অধিনায়ক উইলিয়ামসন নতুন বল তুলে শ্রীলঙ্কান স্পিনার জগদীশা সুচিথের হাতে। সুচিথ প্রথম বলটাই রেখেছিলেন লেগস্টাম্পে। কেন উইলিয়ামসনের হাতে সহজ ক্যাচ তুলে দেন বিরাট কোহলি। আবার গোল্ডেন ডাকের শিকার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের প্রাক্তন অধিনায়ক। চলতি আইপিএলে এই নিয়ে তিনবার।কোহলি শূন্যরানে আউট হলেও বড় রান থেকে আটকানো যায়নি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে। শুরুর ধাক্কা দারুণভাবে সামলে দেন অধিনায়ক ফাফ ডুপ্লেসি ও রজত পতিদার। ১০৫ রানের জুটি বড় রানের ভিত গড়ে দেয় রয়্যাল ক্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের। ১২.২ ওভারে সেই জগদীশা সুচিথের হাত ধরেই ব্রেক থ্রু পায় সানরাইজার্স হায়করাবাদ। রজত পতিদারকে তুলে নেন সুচিথ। ৩৮ বলে ৪৮ রান করে আউট হন পতিদার। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান ডুপ্লেসি ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। ২৪ বলে ৩৩ রান করে কার্তিক ত্যাগীর হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন ম্যাক্সওয়েল।ম্যাক্সওয়েল আইট হওয়ার পর ক্রিজে নেমে ঝন তোলেন দীনেশ কার্তিক। আগের কয়েকটা ম্যাচে তিনি রান পাননি। এদিন সব সুদেআসলে মিটিয়ে নিলেন। ৮ বলে ৩০ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে পৌঁছে দেন ১৯২/৩ রানে। ডুপ্লেসি ৫০ বলে ৭৩ রান করে অপরাজিত থাকেন। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে জগদীশা সুচিথ ৩০ রানে ২ উইকেট নেন।বড় রানের লক্ষ্য নিয়ে জিততে গেলে শুরুটা ভাল হওয়া দরকার। সেটাই এদিন করতে পারেনি সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। প্রথম ওভারেই ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায়। বিরাট কোহলির মতো সানরাইজার্স অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনও গোল্ডেন ডাকের শিকার। তিনি অবশ্য শাহবাজ আমেদের দুরন্ত থ্রোতে রান আউট হন। ওভারের পঞ্চম বলে অভিষেক শর্মাকে (০) তুলে নেন ম্যাক্সওয়েল। উইলিয়ামসনের মতো ডুপ্লেসিও শুরুতে স্পিন আক্রমণ নিয়ে এসেছিলেন। তাতেই বাজিমাত। ১ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় সানরাইজার্স। সেই চাপ থেকে আর বার হতে পারেনি।Our bowlers have been brilliant again through the middle overs. 💪🏻Lets bag those ✌🏻 points now. 👊🏻#PlayBold #WeAreChallengers #IPL2022 #Mission2022 #RCB #ನಮ್ಮRCB #GoGreen #ForPlanetEarth #SRHvRCB pic.twitter.com/4D7hzmvEem Royal Challengers Bangalore (@RCBTweets) May 8, 2022১ রানে ২ উইকেট হারানোর পর রাহুল ত্রিপাঠী কিছুটা লড়াই করেন। অন্যপ্রান্তে একের পর এক উইকেট থাকলেও তিনি দলকে টেনে নিয়ে যান। এইডেন মার্করাম (২৭ বলে ২১), নিকোলাস পুরানরা (১৪ বলে ১৯) কিছুটা সাহায্য করেন। শেষ পর্যন্ত ৩৭ বলে ৫৮ রান করে হ্যাজেলউডের বলে আউট হন ত্রিপাঠী। সানরাইজার্সের বাকি আর কোনও ব্যাটার দুঅঙ্কের রানে পৌঁছতে পারেননি। দুরন্ত বোলিং করে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের মিডল অর্ডারে ভাঙন ধরান ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। ৪ ওভারে ১টা মেডেন সহ ১৮ রানে ৫ উইকেট তুলে নেন তিনি। ১৭ রানে ২ উইকেট পান হ্যাজেলউড। ১৯.২ ওভারে ১২৫ রানে গুটিয়ে যায় সানরাইজার্সের ইনিংস।

মে ০৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ধোনির হাতে নেতৃত্বের ব্যাটন যেতেই ভাগ্য বদলে গেল চেন্নাইয়ের

রবীন্দ্র জাদেজার হাত থেকে নেতৃত্ব ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে মহেন্দ্র সিং ধোনিকে। ধোনির হাতে নেতৃত্বের ব্যাটন যেতেই ভাগ্য বদলে গেল চেন্নাই সুপার কিংসের। থালার নেতৃত্বে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে দুরন্ত জয় চেন্নাই সুপার কিংসের। দক্ষিণ ভারতীয় ডার্বিতে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ১৩ রানে হারিয়ে প্লে অফের লাইফলাইন পেল চেন্নাই। ৯ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট পেয়ে প্লে অফের লড়াইয়ে টিকে থাকল। এদিন চেন্নাইয়ের জয়ের নায়ক ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও ডেভন কনওয়ে। এই দুই ওপেনারের দাপটে সানরাইজার্সের সামনে বড় রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেয় চেন্নাই। পরে বল হাতে সাফল্য মুকেশ চৌধুরির। প্রথমে ব্যাট করে ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও ডেভন কনওয়ের দাপটে ২০ ওভারে ২০২/২ রান তোলে চেন্নাই সুপার কিংস। ওপেনিং জুটিতে এই দুই ব্যাটার তোলেন ১৮২। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কোনও বোলারই এদিন চেন্নাইয়ের এই দুই ওপেনারের বিরুদ্ধে সুবিধা করতে পারেননি। ১৮ তম ওভারের পঞ্চম বলে জুটি ভাঙেন টি নটরাজন। তিনি তুলে নেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়কে। ৫৭ বলে ৯৯ রান করে আউট হন ঋতুরাজ। আইপিএলের ইতিহাসে তিনিই হলেন পঞ্চম ব্যাটার যিনি ৯৯ রানে আউট হলেন। তাঁর আগে ৯৯ রানে আউট হয়েছেন বিরাট কোহলি, পৃথ্বী শ, ঈশান কিষান ও ক্রিস গেইল। ডেভন কনওয়ে ৫৫ বলে ৮৫ রান করে অপরাজিত থাকেন। তিন নম্বরে নেমে ধোনি ৭ বলে ৮ রান করে আউট হন। তিনিও নটরাজনের শিকার। নির্ধারিত ২০ ওভারে ২ উইকেটে ২০২ রান তোলে চেন্নাই। ৪২ রানে ২ উইকেট নেন নটরাজন। জয়ের জন্য ২০৩ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে ভাল শুরু করে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ৫.৪ ওভারে ওপেনিং জুটিতে তুলে ফেলে ৫৮। সানরাইজার্সকে প্রথম ধাক্কা দেন মুকেশ চৌধুরি। তুলে নেন ফর্মে থাকা অভিষেক শর্মাকে (২৪ বলে ৩৯)। পরের বলেই ফেরান রাহুল ত্রিপাঠীকে (০)। পরপর ২ উইকেট হারালেও রানের গতি কমেনি সানরাইজার্সের। উইলমিয়ামসন (৩৭ বলে ৪৭), এইডেন মার্করামরা (১০ বলে ১৭) আউট হলেও দলকে টেনে নিয়ে যান নিকোলাস পুরান। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৮৯ রান তুলতে সমর্থ হয় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। নিকোলাস পুরান ৩৩ বলে ৬৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। মুকেশ চৌধুরি ৪৬ রানে ৪ উইকেট নেন।

মে ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

৯৯ রানে আউট হয়ে বিরাট কোহলিদের তালিকায় নাম লেখালেন ঋতুরাজ

রবীন্দ্র জাদেজার হাত থেকে নেতৃত্বের আর্ম ব্যান্ড মহেন্দ্র সিং ধোনির হাতে যেতেই ছন্দে ফিরল চেন্নাই সুপার কিংস। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় পর্বের সাক্ষাৎকারে প্রথমে ব্যাট করে বড় রান। নির্ধারিত ২০ ওভারে চেন্নাই তুলল ২০২/২। দুরন্ত ব্যাটিং করে চেন্নাইকে বড় রানে পৌঁছে দিলেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও ডেভন কনওয়ে। মাত্র ১ রানের জন্য সেঞ্চুরি পেলেন না ঋতুরাজ। এদিন ৯৯ রানে আউট হয়ে নাম লেখালেন বিরাট কোহলিদের তালিকায়। ডেভন কনওয়ে ৮৫ রান করে অপরাজিত থাকেন। চলতি আইপিএলের শুরুর দিকে একেবারেই ছন্দে ছিলেন না ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। পরে ছন্দে ফিরেছেন। এদিন মাত্র ১ রানের জন্য সেঞ্চুরি হাতছাড়া। আইপিএলের ইতিহাসে ঋতুরাজ পঞ্চম ব্যাটার যিনি ৯৯ রানে আউট হলেন। তিনি নাম লেখালেন বিরাট কোহলি, পৃথ্বী শ, ঈশান কিশান, ক্রিস গেইলদের সঙ্গে। টস জিতে এদিন চেন্নাইকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান সানরাইজার্স হায়দরাবাদ অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। প্রথম পর্বের সাক্ষাৎকারেও টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং নিয়েছিলেন সানরাইজার্স অধিনায়ক। সেই ম্যাচে অবশ্য চেন্নাই বড় রান তুলতে পারেনি। এদিন ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও ডেভন কনওয়ের দাপটে ২০০ রানের গন্ডি পার করে ফেলল। এদিন প্রথম একাদশে দুটি পরিবর্তন করে মাঠে নামে চেন্নাই সুপার কিংস। ফিট না থাকায় প্রথম একাদশ থেকে ছিটকে যান ডোয়েন ব্র্যাভো। খারাপ ফর্মের জন্য বাদে দেওয়া হয় শিবম দুবেকে। এদের পরিবর্তে প্রথম একাদশে ঢোকেন ডেভন কনওয়ে ও সিমরনজিৎ সিং। ব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু করেন চেন্নাইয়ের দুই ওপেনার ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও ডেভন কনওয়ে। মার্কো জানসেন, টি নটরাজন, উমরান মালিকের মতো জোরে বোলাররা এদিন একেবারেই সুবিধা করতে পারেননি। সবথেকে করুণ অবস্থা উমরান মালিকের। ৪ ওভারে তিনি খরচ করেন ৪৮ রান। বারবারা বোলিং পরিবর্তন করেও এদিন চেন্নাইয়ের ওপেনিং জুটি ভাঙতে পারছিলেন না কেন উইলিয়ামসন। ১৭.৪ ওভারে ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও ডেভন কনওয়ে তোলেন ১৮২। এরপরই নটরাজন ঋতুরাজকে তুলে নেন। দুরন্ত ব্যাটিং করে ৫৭ বলে ৯৯ রান করেন ঋতুরাজ। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৬টি করে চার ও ছয়। এদিন ব্যাটিং অর্ডারে নিজেকে ৩ নম্বরে তুলে নিয়ে আসেন ধোনি। যদিও সফল হননি। ৭ বলে ৮ রান করে তিনি নটরাজনের বলে উমরান মালিকের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ৫৫ বলে ৮৫ রান করে অপরাজিত থাকেন ডেভন কনওয়ে। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৮টি ৪ ও ৪ টি ৬।

মে ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আবার ব্যর্থ কোহলি, ৯ উইকেটে লজ্জার হার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের

খুব খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন বিরাট কোহলি। আবার প্রথম বলে আউট। শুধু কোহলিই নন, সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বোলারদের বিরুদ্ধে দাঁড়াতেই পারলেন না রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের ব্যাটাররা। গুটিয়ে গেল মাত্র ৬৮ রানে। ৮ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে সহজ জয় সানরাইজার্সের। ৯ উইকেটে হেরে লিগ টেবিলে চার নম্বরে নেমে এল ফাফ ডুপ্লেসির দল। এদিন, সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধেও প্রথম বলে আউট হলেন বিরাট কোহলি। পরপর দুই ম্যাচে। আর আইপিএলের ইতিহাসে এই নিয়ে পঞ্চমবার। এদিন আউট হওয়ার পরপরই সোশষ্যাল মিডিয়ায় তাঁকে নিয়ে নানা রকম কটাক্ষ। কেউ হাঁসের সঙ্গে ছবি দিয়ে লিখেছেন, এক বলের কাস্টমার। এদিন টস জিতে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে ব্যাট করতে পাঠান সানরাইজার্স হায়দরাবাদ অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারেই ধাক্কা রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ইনিংসে। দ্বিতীয় বলেই অধিনায়ক ফাফ ডুপ্লেসির অফ স্টাম্প ছিটকে দেন মার্কো জানসেন। ৭ বলে তিনি করেন মাত্র ৫ রান। এরপর ক্রিজে আসেন বিরাট কোহলি। জানসেনের ১৪০ কিমি গতিতে ধেয়ে আসা বল অফ স্টাম্পে পড়ে হালকা সিম করে কোহলির ব্যাটের কানা ছঁুয়ে জমা হয় দ্বিতীয় স্লিপে দাঁড়িয়ে থাকা এইডেন মার্করামের হাতে। আবার শূন্য রানে আউট বিরাট কোহলি। এই নিয়ে পঞ্চম বার গোল্ডেন ডাকএর শিকার কোহলি। ২০০৮ সালে প্রথম আইপিএলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে আশিস নেহরার বলে আউট হয়েছিলেন। ২০১৭ আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে ইডেনে প্রথম বলেই আউট হয়েছিলেন কোহলি। সেই দিনটাও ছিল ২৩ এপ্রিল। আজও ২৩ এপ্রিল গোল্ডেন ডাকএর শিকার কোহলি। দ্বিতীয় ওভারের শেষ বলে আবার ধাক্কা খায় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স। এবার অনুজ রাওয়াতকে (০) তুলে নেন জানসেন। দ্বিতীয় ওভারে ৩ উইকেট হারানোর ধাক্কা সামলাতে পারেনি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। পঞ্চম ওভারে গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে তুলে নেন নটরাজন। মিড অফে দুরন্ত ক্যাচ ধরেন কেন উইলিয়ামসন। ১১ বলে ১২ রান করেন ম্যাক্সওয়েল। এরপর মিছিল শুরু হয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সে। শাহবাজ আমেদ (৭) থেকে শুরু করে দীনেশ কার্তিক (০), হর্ষাল প্যাটেল (৪), ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা (৮), সবাই ব্যর্থ। সর্বোচ্চ রান করেন সু্য়াস প্রভুদেশাই। ২০ বলে তিনি করেন ১৫। ম্যাক্সওয়েল ও তিনি ছাড়া রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের আর কোনও ব্যাটার দুঅঙ্কের রানে পৌঁছতে পারেননি। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে দুরন্ত বোলিং করেন মার্কো জানসেন, টি নটরাজন। ২৫ রানে ৩ উইকেট নেন জানসেন, আর ১০ রানে ৩ উইকেট নেন নটরাজন। জয়ের জন্য ৬৯ রানের লক্ষ্য মোটেই কঠিন ছিল না সানরাইজার্সের কাছে। শুধু এটাই দেখার ছিল, কত দ্রুত জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছতে পারে। অভিষেক শর্মা ও কেন উইলিয়ামসন কোনও সুযোগই দেননি মহম্মদ সিরাজ, জস হ্যাজেলউডদের। ওপেনিং জুটিতে অভিষেক ও উইলিয়ামসন তুলে ফেলেন ৬৪। হর্ষাল প্যাটেলের বলে অভিষেক আউট হন। ২৮ বলে তিনি করেন ৪৭। উইলিয়ামসন ১৭ বলে ১৬ রান করে অপরাজিত থাকেন। ৮ ওভারে ৭২/১ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় সানরাইজার্স।

এপ্রিল ২৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‘‌এক বলের কাস্টমার’‌!‌ কোহলিকে নিয়ে কটাক্ষ সোশ্যাল মিডিয়ায়

খুব খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন বিরাট কোহলি। আবার গোল্ডেন ডাকএর শিকার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের প্রাক্তন অধিনায়ক। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধেও প্রথম বলে আউট হলেন বিরাট কোহলি। পরপর দুই ম্যাচে। আর আইপিএলের ইতিহাসে এই নিয়ে পঞ্চমবার। এদিন আউট হওয়ার পরপরই সোশষ্যাল মিডিয়ায় তাঁকে নিয়ে নানা রকম কটাক্ষ। কেউ হাঁসের সঙ্গে ছবি দিয়ে লিখেছেন, এক বলের কাস্টমার। এদিন টস জিতে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে ব্যাট করতে পাঠান সানরাইজার্স হায়দরাবাদ অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারেই ধাক্কা রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ইনিংসে। দ্বিতীয় বলেই অধিনায়ক ফাফ ডুপ্লেসির অফ স্টাম্প ছিটকে দেন মার্কো জানসেন। ৭ বলে তিনি করেন মাত্র ৫ রান। এরপর ক্রিজে আসেন বিরাট কোহলি। জানসেনের ১৪০ কিমি গতিতে ধেয়ে আসা বল অফ স্টাম্পে পড়ে হালকা সিম করে কোহলির ব্যাটের কানা ছঁুয়ে জমা হয় দ্বিতীয় স্লিপে দাঁড়িয়ে থাকা এইডেন মার্করামের হাতে। আবার শূন্য রানে আউট বিরাট কোহলি। এই নিয়ে পঞ্চম বার গোল্ডেন ডাকএর শিকার কোহলি। ২০০৮ সালে প্রথম আইপিএলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে আশিস নেহরার বলে আউট হয়েছিলেন। ২০১৭ আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে ইডেনে প্রথম বলেই আউট হয়েছিলেন কোহলি। সেই দিনটাও ছিল ২৩ এপ্রিল। আজও ২৩ এপ্রিল গোল্ডেন ডাকএর শিকার কোহলি। দ্বিতীয় ওভারের শেষ বলে আবার ধাক্কা খায় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স। এবার অনুজ রাওয়াতকে (০) তুলে নেন জানসেন। দ্বিতীয় ওভারে ৩ উইকেট হারানোর ধাক্কা সামলাতে পারেনি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। পঞ্চম ওভারে গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে তুলে নেন নটরাজন। মিড অফে দুরন্ত ক্যাচ ধরেন কেন উইলিয়ামসন। ১১ বলে ১২ রান করেন ম্যাক্সওয়েল। এরপর মিছিল শুরু হয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সে। শাহবাজ আমেদ (৭) থেকে শুরু করে দীনেশ কার্তিক (০), হর্ষাল প্যাটেল (৪), ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা (৮), সবাই ব্যর্থ। সর্বোচ্চ রান করেন সু্য়াস প্রভুদেশাই। ২০ বলে তিনি করেন ১৫। ম্যাক্সওয়েল ও তিনি ছাড়া রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের আর কোনও ব্যাটার দুঅঙ্কের রানে পৌঁছতে পারেননি। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে দুরন্ত বোলিং করেন মার্কো জানসেন, টি নটরাজন। ২৫ রানে ৩ উইকেট নেন জানসেন, আর ১০ রানে ৩ উইকেট নেন নটরাজন।

এপ্রিল ২৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

শেষ ওভারে মেডেনসহ ৩ উইকেট!‌ কামাল উমরান মালিকের

আইপিএল এত এগোচ্ছে নিজেকে ক্রমশ মেলে ধরছেন উমরান মালিক। মেগা নিলামের আগে তাঁকে ধরে রেখে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ যে ভুল করেনি, প্রমাণ করেই চলেছেন জম্মু ও কাশ্মীরের এই জোরে বোলার। তাঁর দুরন্ত বোলিংয়ের ওপর ভর করে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে জয় তুলে নিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। এদিন ৭ উইকেটে হারাল পাঞ্জাব কিংসকে। উমরান মালিক শেষ ওভারে তুলে নেন তিনটি উইকেট। একটি রান আউটের দৌলতে শেষ ওভারে মোট চারটি উইকেট হারায় পাঞ্জাব কিংস।উমরান মালিকের শেষ ওভারটি আবার ছিল মেডেন। আইপিএলে চতুর্থ বোলার হিসেবে এই নজির গড়লেন। ২০ তম ওভারের দ্বিতীয় বলে ওডিয়ান স্মিথ, চতুর্থ বলে রাহুল চাহার, পঞ্চম বলে বৈভব অরোরা আউট হন। চাহার ও অরোরা বোল্ড হন। শেষ বলে রান আউট হন অর্শদীপ সিং। উমরান মালিকের আগে আইপিএলে ২০তম ওভারে বল করতে গিয়ে মেডেন নেওয়ার নজির আছে তিনজন বোলারের। ২০০৮ সালে ইরফান পাঠানের মোহালিতে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের হয়ে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে, ২০০৯ সালে ডারবানে ডেকান চার্জার্সের বিরুদ্ধে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে লাসিথ মালিঙ্গার, ২০১৭ সালে রাইজিং পুনে সুপারজায়ান্টসের হয়ে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে জয়দেব উনাদকাটের। ম্যাচ শুরুর আগেই ধাক্কা পাঞ্জাব কিংসের। চোটের জন্য ছিটকে যান অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল। তাঁর পরিবর্তে পাঞ্জাব কিংসকে নেতৃত্ব দিতে নামেন শিখর ধাওয়ান। টস ভাগ্য এদিন সহায় ছিল না পাঞ্জাব কিংসের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়কের। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন টসে জিতে পাঞ্জাব কিংসকে ব্যাট করতে পাঠান। ভুবনেশ্বর কুমার, উমরান মালিকদের বলের সামনে এদিন দাঁড়াতেই পারেননি পাঞ্জাব কিংসের ব্যাটাররা। ধ্বংসস্তুপের ওপর দাঁড়িয়ে একা লড়াই করেন লিয়াম লিভিংস্টোন। শেষ ওভারে মেডেনসহ ৩ উইকেট নিয়ে নজির গড়েন উমরান মালিক। ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় ওভারেই ধাক্কা খায় পাঞ্জাব কিংস। মাত্র ৮ রান করে ভুবনেশ্বরের বলে ফিরে যান ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক শিখর ধাওয়ান। মায়াঙ্ক আগরওয়ালের পরিবর্তে সুযোগ পাওয়া প্রভসিমরণ সিং মাত্র ১৪ রান করে আউট হন। জনি বেয়ারস্টো করেন ১২। জিতেশ শর্মাও (১১) রান পাননি। ৬১ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় পাঞ্জাব কিংস। এরপর শাহরুখ খানকে নিয়ে রুখে দাঁড়ান লিভিংস্টোন। ২৮ বলে ২৬ রান করে ভুবনেশ্বরের বলে আউট হন শাহরুখ। লড়াই জারি রাখেন লিভিংস্টোন। শেষ পর্যন্ত ৩৩ বলে ৬০ রান করে ভুবনেশ্বরের বলে তিনি আউট হন। এদিন ভুবনেশ্বর ও উমরান মালিক তছনছ করে দেয় পাঞ্জাব কিংসের ব্যাটিং লাইনকে। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৫১ রানে অল আউট হয়ে যায় পাঞ্জাব কিংস। ২২ রানে ৩ উইকেট নেন ভুবনেশ্বর কুমার। ২৮ রানে ৪ উইকেট উমরান মালিকের। জয়ের জন্য ১৫২ রানের লক্ষ্য খুব একটা কঠিন ছিল না পাঞ্জাব কিংসের কাছে। শুরুর দিকে রান তোলার গতি যথেষ্ট মন্থর ছিল। ৩ ওভারে ওঠে মাত্র ১৪। এরপরই ধাক্কা খায় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। চতুর্থ ওভারের প্রথম বলেই উইলিয়ামসনকে (৩) তুলে নেন কাগিসো রাবাডা। এরপর সানরাইজার্সকে টেনে নিয়ে যান অভিষেক শর্মা ও রাহুল ত্রিপাঠী। ২২ বলে ৩৪ রান করে রাহুল চাহারের বলে আউট হন রাহুল ত্রিপাঠী। ২৫ বলে ৩১ রান করে ফেরেন অভিষেক শর্মা। তিনিও রাহুল চাহারের শিকার। ৭৭ রানে ৩ উইকেট হারালেও চাপে পড়েনি সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন এইডেন মার্করাম (২৭ বলে অপরাজিত ৪১) ও নিকোলাস পুরান (৩০ বলে অপরাজিত ৩৫)। ১৮.৫ ওভারে ৩ উইকেটে ১৫২ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ২৮ রানে ২ উইকেট নেন রাহুল চাহার।

এপ্রিল ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

এক প্রাক্তনীর ব্যাটের ঝড়েই উড়ে গেল কলকাতা নাইট রাইডার্স

বড় রান তুলেও শেষরক্ষা হল না। আবার হার কলকাতা নাইট রাইডার্সের। এবার সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাছে হারতে হল ৭ উইকেটে। ১৩ বল বাকি থাকতেই টানা ২ ম্যাচে জয় তুলে নিল কেন উইলিয়ামসনের দল। কলকাতা নাইট রাইডার্সকে হারাতে মুখ্য ভুমিকা নিলেন নাইটদেরই প্রাক্তনী রাহুল ত্রিপাঠী। এদিন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে কলকাতা নাইট রাইডার্সের ম্যাচ ছিল শীর্ষে ওঠার লড়াই। প্রথম একাদশে তিনটি পরিবর্তন করে মাঠে নামে নাইটরা। অজিঙ্কা রাহানের জায়গায় শেলডন জ্যাকসন, স্যাম বিলিংসের জায়গায় অ্যারন ফিঞ্চ আর রাসিক সালাম দারের জায়গায় আমন হাকিম খান। অন্যদিকে প্রথম একাদশে একটি পরিবর্তন করে মাঠে নামে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। চোট পাওয়া ওয়াশিংটন সুন্দরের জায়গায় জগদীশ সুচিথ। ডিউ ফ্যাক্টরের কথা মাথায় রেখে এদিন টস জিতে নাইট রাইডার্সকে ব্যাট করতে পাঠান সানরাইজার্স অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। টানা ৪ ম্যাচে ব্যর্থ হওয়ায় রাহানের পরিবর্তে নাইটদের হয়ে ওপেন করতে নামেন অ্যারন ফিঞ্চ। নাইট জার্সিতে অভিষেক ম্যাচে ব্যর্থ এই অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার। ৫ বলে মাত্র ৭ রান করে মার্কো জানসেনের বলে নিকোলাস পুরানের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। পঞ্চম ওভারে আবার ধাক্কা নাইট শিবিরে। প্রথম বলেই ভেঙ্কটেশকে (৬) তুলে নেন নটরাজন। ২ বলের ব্যবধানে ফেরান সুনীল নারাইনকে (৬)। ৫ ওভারের মধ্যে ৩১ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় নাইট রাইডার্স। নীতিশ রানার সঙ্গে জুটি বেঁধে অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার দলকে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। শ্রেয়সকে (২৫ বলে ২৮) তুলে নিয়ে উমরান মালিক আবার ধাক্কা দেন নাইট শিবিরকে। শেলডন জ্যাকসনও (৭) সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। ব্যর্থতা কাটিয়ে দিন রানে ফিরলেন নীতিশ রানা। শেষ পর্যন্ত ৩৬ বলে ৫৪ রান করে তিনি নটরাজনের বলে পুরানের হাতে ক্যাচ দেন। প্যাট কামিন্স (৩), আমন হাকিম খানরা (৫) রান না পেলেও শেষ দিকে ঝন তোলেন আন্দ্রে রাসেল। তাঁর দাপটেই ২০ ওভারে ১৭৫/৮ রানে পৌঁছয় নাইট রাইডার্স। ৪টি করে চার ও ছয়ের সাহায্যে ২৫ বলে ৪৯ রান করে অপরাজিত থাকেন রাসেল। টি নটরাজন ৩৭ রানে ৩টি ও উমরান মালিক ২৭ রানে ২ উইকেট নেন।জয়ের জন্য ১৭৬ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের শুরুটাও ভাল হয়নি। দ্বিতীয় ওভারেই প্রথম উইকেট হারায়। প্যাট কামিন্সের বলে বোল্ড হন ফর্মে থাকা অভিষেক শর্মা। ১০ বলে মাত্র ৩ রান করেন তিনি। অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনও এদিন রান পাননি। ১৬ বলে ১৭ রান করে তিনি আন্দ্রে রাসেলের বলে বোল্ড হন। ৩৯ রানে ২ উইকেট হারায় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। এরপরই পুরনো দলের বিরুদ্ধে জ্বলে ওঠেন রাহুল ত্রিপাঠী। বাইশ গজে নেমে তিনি ঝড় তোলেন। অন্যপ্রান্তে এইডেন মার্করাম ছিলেন অনেকটাই সংযত। ত্রিপাঠীমার্করাম জুটিই সানরাইজার্স হায়দরাবাদের জয়ের ভিত গড়ে দেয়। জুটিতে ওঠে ৯৩। ৩৭ বলে ৭১ রান করে আন্দ্রে রাসেলের বলে ভেঙ্কটেশ আয়ারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন ত্রিপাঠী। ত্রিপাঠী আউট হলেও জয়ের জন্য সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে জয়ের জন্য সমস্যায় পড়তে হয়নি। দলকে টেনে নিয়ে যান এইডেন মার্করাম। ১৮ তম ওভারে কামিন্সের বলে পরপর চার ও দুটি ছয় মেরে ১৩ বল বাকি থাকতে সানরাইজার্সকে (১৭৬/৩) জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন। নাইট রাইডাসের হয়ে ২০ রানে ২ উইকেট নেন আন্দ্রে রাসেল।

এপ্রিল ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ব্যর্থতা কাটালেন নীতিশ, ঝড় তুললেন রাসেল, কোথায় পৌঁছল নাইট রাইডার্স?‌

টপ অর্ডারের ব্যর্থতা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াল কলকাতা নাইট রাইডার্স। আবার শীর্ষস্থান ফিরে পাওয়ার লড়াইয়ে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে তুলল ১৭৫। টানা ৫ ম্যাচ পর রানে ফিরলেন নীতিশ রানা। শেষ দিকে ঝড় তুললেন আন্দ্রে রাসেল। তবে নাইটদের জার্সি গায়ে অভিষেক ম্যাচ সুখের হল না অ্যারন ফিঞ্চের কাছে।এদিন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে কলকাতা নাইট রাইডার্সের ম্যাচ ছিল শীর্ষে ওঠার লড়াই। প্রথম একাদশে তিনটি পরিবর্তন করে মাঠে নামে নাইটরা। অজিঙ্কা রাহানের জায়গায় শেলডন জ্যাকসন, স্যাম বিলিংসের জায়গায় অ্যারন ফিঞ্চ আর রাসিক সালাম দারের জায়গায় আমন হাকিম খান। অন্যদিকে প্রথম একাদশে একটি পরিবর্তন করে মাঠে নামে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। চোট পাওয়া ওয়াশিংটন সুন্দরের জায়গায় জগদীশ সুচিথ। ডিউ ফ্যাক্টরের কথা মাথায় রেখে এদিন টস জিতে নাইট রাইডার্সকে ব্যাট করতে পাঠান সানরাইজার্স অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। টানা ৪ ম্যাচে ব্যর্থ হওয়ায় রাহানের পরিবর্তে নাইটদের হয়ে ওপেন করতে নামেন অ্যারন ফিঞ্চ। নাইট জার্সিতে অভিষেক ম্যাচে ব্যর্থ এই অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার। ৫ বলে মাত্র ৭ রান করে মার্কো জানসেনের বলে নিকোলাস পুরানের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। পঞ্চম ওভারে আবার ধাক্কা নাইট শিবিরে। প্রথম বলেই ভেঙ্কটেশকে (৬) তুলে নেন নটরাজন। ২ বলের ব্যবধানে ফেরান সুনীল নারাইনকে (৬)। ৫ ওভারের মধ্যে ৩১ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় নাইট রাইডার্স। নীতিশ রানার সঙ্গে জুটি বেঁধে অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার দলকে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। শ্রেয়সকে (২৫ বলে ২৮) তুলে নিয়ে উমরান মালিক আবার ধাক্কা দেন নাইট শিবিরকে। শেলডন জ্যাকসনও (৭) সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। ব্যর্থতা কাটিয়ে দিন রানে ফিরলেন নীতিশ রানা। শেষ পর্যন্ত ৩৬ বলে ৫৪ রান করে তিনি নটরাজনের বলে পুরানের হাতে ক্যাচ দেন। প্যাট কামিন্স (৩), আমন হাকিম খানরা (৫) রান না পেলেও শেষ দিকে ঝন তোলেন আন্দ্রে রাসেল। তাঁর দাপটেই ২০ ওভারে ১৭৫/৮ রানে পৌঁছয় নাইট রাইডার্স। ৪টি করে চার ও ছয়ের সাহায্যে ২৫ বলে ৪৯ রান করে অপরাজিত থাকেন রাসেল। টি নটরাজন ৩৭ রানে ৩টি ও উমরান মালিক ২৭ রানে ২ উইকেট নেন।

এপ্রিল ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

এভাবে নাইট রাইডার্স সমর্থকদের আশায় জলাঞ্জলি দিলেন অ্যারন ফিঞ্চ!‌

প্রথম ম্যাচে দারুণ শুরু করেছিলেন অজিঙ্কা রাহানে। চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে করেছিলেন ৪৪। তারপর থেকে ব্যাটে রানের খরা। এদিন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে তাঁর পরিবর্তে অ্যারন ফিঞ্চকে প্রথম একাদশে সুযোগ দিয়েছিল নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট। ফিঞ্চও প্রত্যাশাপূরণে ব্যর্থ। শুক্রবার সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে নাইট রাইডার্সের হয়ে অভিষেক ম্যাচে মাত্র ৭ রান করে আউট হলেন। প্রথম ওভারে ভুবনেশ্বর কুমারের দ্বিতীয় বলে ১ রান নেন ফিঞ্চ। পঞ্চম বলে ৬ মারেন। পরের ওভারে মার্কো জানসেনের বলে নিকোলাস পুরানের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ৫ বলে তিনি করেন ৭। ৯ টা দলের হয়ে অভিষেক ম্যাচে মাত্র দুটো দলের হয়ে সাফল্য পেয়েছিলেন। ২০১৩ সালে পুনে ওয়ারিয়র্সের হয়ে ৫৩ বলে করপেছিলেন ৬৪। আর ২০১৬ সালে গুজরাট লায়ন্সের হয়ে ৪৭ বলে করেছিলেন ৭৪। ২০১০ সালে রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে করেছিলেন ২১। পরের আইপিএলে দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের হয়ে অভিষেক ম্যাচে করেছিলেন ৮। ২০১৪ সালে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে করেন ২। পরের বছর মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে ৫। ২০১৮ আইপিএলে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের হয়ে ০। ২০২০ আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের হয়ে ২৯। এবছর আইপিএলের মেগা নিলামে ইংল্যান্ডের ওপেনার অ্যালেক্স হেলেসকে দলে নিয়েছিল কলকাতা নাইট রাউডার্স। কিন্তু জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকতে থাকতে হাঁপিয়ে উঠেছেন ইংল্যান্ডের এই ওপেনার। তাই আইপিএল থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন। তাঁর পরিবর্তে অস্ট্রেলিয়ার সাদা বলের ক্রিকেটের অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চকে দলে নেয় কলকাতা নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট। আইপিএলের মেগা নিলামে অবিক্রিত ছিলেন ফিঞ্চ। মেগা নিলামের সময় নাইট রাইডার্সও তাঁর দিকে ফিরেও তাকায়নি। ২০১০ সাল থেকে আইপিএলে খেলছেন অ্যারন ফিঞ্চ। প্রথম বার তিনি রাজস্থান রয়্যালসের জার্সি গায়ে তোলেন। এছাড়াও দিল্লি ডেয়ারডেভিলস, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর, পুনে ওয়ারিয়র্স, সানরাইজার্স হায়দরাবাদ, মুম্বই ইন্ডিয়ান্স, গুজরাট লায়ন্স, পাঞ্জাব কিংসের জার্সি গায়েও খেলেছেন। শেষবার আইপিএল খেলেছিলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের জার্সি গায়ে, ২০২০ সালে। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের হয়ে নিজেকে একেবারেই মেলে ধরতে পারেননি ফিঞ্চ। তাই তাঁকে দলে নেওয়ার জন্য কোনও ফ্র্যাঞ্জাইজিও আগ্রহ দেখায়নি। ইংল্যাল্ডের অ্যালেক্স হেলস সরে দাঁড়ানোয় ওপেনার সমস্যা মেটাতে শেষ পর্যন্ত নিলামে অবিক্রিত থাকা ফিঞ্চকে তুলে নেয় নাইট রাইডার্স।কলকাতা নাইট রাইডার্স নিয়ে আইপিএলে ৯টি ফ্র্যাঞ্চাইজির জার্সি গায়ে তুললেন অ্যারন ফিঞ্চ। যা আইপিএলে যে কোনও ক্রিকেটারের কাছে রেকর্ড। এখনও পর্যন্ত ৯টি ফ্র্যাঞ্চাইজির জার্সি কোনও ক্রিকেটারই গায়ে তুলতে পারেননি।

এপ্রিল ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

গতির কামাল:‌ আইপিএল-এ চমক দিয়ে জাতীয় দলের অপেক্ষায় এই কাশ্মীরি তরুণ

গতবছর আইপিএলে বলের গতি দিয়ে ক্রিকেটপ্রেমীদের তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের উমরান মালিক। চলতি আইপিএলে প্রতি ম্যাচেই নিজের প্রতিভার পরিচয় দিয়ে চলেছেন। নিয়মিত বোলিং করছেন ঘন্টায় ১৫০ কিমি গতিতে। প্রতিনিয়ত নিজেকে ছাপিয়ে যাচ্ছেন। ২০২২ আইপিএলে তাঁর দ্রুততম বলটির গতি ছিল ঘন্টায় ১৫৩.১ কিমি। যে বলটি চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে উমরান মালিকের হাত থেকে বেরিয়েছিল। সোমবার গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে তাকেও ছাপিয়ে গেছেন। এদিন তাঁর একটা বলের গতি ছিল ঘন্টায় ১৫৩.৩ কিমি।উমরান মালিকের বলে গতি দেখে মু্গ্ধ ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা। ভারতের প্রাক্তন হেড কোচ রবি শাস্ত্রী আগেই উমরানের বলের গতির প্রশংসা করেছিলেন। এবার জম্মু ও কাশ্মীরের এই তরুণ জোরে বোলারকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন ইংল্যান্ডের প্রাক্তন অধিনায়ক মাইকেল ভন। তিমি মনে করছেন। উমরান মালিক খুব দ্রুতই দেশের হয়ে খেলবেন। এমনকি এই তরুণ জোরে বোলারকে কাউন্টি ক্রিকেটে খেলার পরামর্শ দিয়েছেন মাইকেল ভন। মাইকেল ভন টুইট করে বলেছেন, উমরান মালিক খুব শীঘ্রই ভারতের হয়ে খেলবেন। আমি যদি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডে থাকতাম, তাহলে এই গ্রীষ্মে উমরানকে কাউন্টি ক্রিকেট খেলতে পাঠাতাম। যাতে তার বোলিংয়ের উন্নতিতে সাহায্য করা যায়। এই মুহূর্তে আইপিএলে কমেন্ট্রি করছেন মাইকেল ভন। খুব কাছ থেকে উমরান মালিকের বোলিং দেখার সৌভাগ্য হয়েছে। ভন মনে করছেন, অদূর ভবিষ্যতে ভারতীয় দলে জায়গা করে নেবেন জম্মু ও কাশ্মীরের এই তরুণ জোরে বোলার। শুধু মাইকেল ভনই নন, এর আগেই রবি শাস্ত্রীর মুখ থেকেও একই কথা শোনা গেছে। ভারতীয় দলে হেড কোচ থাকার সময় উমরান মালিককে খুব কাছ থেকে দেখেছিলেন শাস্ত্রী। সেই সময় উমরান ভারতীয় দলে নেট বোলার হিসেবে ছিলেন। নেটে উমরান মালিকের বোলিং দেশে রবি শাস্ত্রী ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ও নির্বাচকদের পরামর্শ দিয়েছিলেন তাঁকে জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাদেমিতে রাখার। যাতে উমরান নিজের দক্ষতার বিকাশ ঘটাতে পারেন।গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে গতি দিয়ে দারুণ নজর কেড়েছেন উমরান মালিক। তাঁর প্রথম ডেলিভারিটি ছিল একটি বিষাক্ত বাউন্সার। যা হার্দিক পান্ডিয়ার হেলমেটে ছোবল মেরেছিল। গুজরাট টাইটান্সের অধিনায়ক ম্যাচের পরে স্বীকার করেছিলেন যে, উমরানের ওই বাউন্সার তাঁকে তাতিয়ে দিয়েছিল। পরের দুটি বলে অবশ্য বাউন্ডারি মেরেছিলেন হার্দিক। দারুণ গতিতে বোলিং করলেও উমরানের সব থেকে বড় সমস্যা হল ধারাবাহিকতার অভাব। নির্দিষ্ট লেংথে বোলিং করতে পারেন না উমরান মালিক। যার ফলে তিনি অনেক বেশি রান দিয়ে ফেলেন। মালিকের ঈর্ষণীয় গতি ছাড়াও জোরে বোলার হিসেবে অনেক কিছু আছে। তাঁর শরীর আদর্শ ক্রীড়াবিদসুলভ। মসৃণ রান আপ। বোলিং অ্যাকশনও দারুণ। এসবই তাঁর উজ্জ্বল ভবিষ্যতের ইঙ্গিত। এই বছর আইপিএলের মেগা নিলামের আগে তাঁকে ধরে রেখে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ যে ভুল করেনি, প্রমান করেই চলেছেন উমরান মালিক।

এপ্রিল ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

উইলিয়ামসনের ব্যাটে বিজয়রথ থেমে গেল হার্দিক পান্ডিয়াদের

সোমবার সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে চলতি আইপিএলে অপরাজিত ছিল গুজরাট টাইটান্স। তাদের সেই অপরাজিত থাকার রেকর্ড ভেঙে দিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। গুজরাট টাইটান্সকে ৮ উইকেটে হারিয়ে চলতি আইপিএলে দ্বিতীয় জয় তুলে নিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। আগের তিনটি ম্যাচে সাররাইজার্স হায়দরাবাদের মূল সমস্যা ছিল টপ অর্ডার ব্যাটারদের ফর্ম। কেন উইলিয়ামসনরা একেবারেই জ্বলে উঠতে পারেননি । গুটরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে অন্য ছবি। দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে দলকে জেতালেন অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। ৪৬ বলে তিনি ৫৭ রান করে দলের জয়ে মুখ্য ভুমিকা পালন করলেন। অন্য অপেনার অভিষেক শর্মাও এদিন দারুণ ব্যাট করেন। ৩২ বলে তিনি করেন ৪২। এদিন টস জিতে গুজরাট টাইটান্সকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান সানরাইজার্স হায়দরাবাদ অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। এগিন ভুবনেশ্বর কুমার, ওয়াশিংটন সুন্দরদের সামনে জ্বলে উঠতে পারেননি গুজরাট টাইটান্সের টপ অর্ডার ব্যাটাররা। ম্যাথু ওয়েড (১৯), শুভমান গিল (৭), সাই সুদর্শন (১১), ডেভিড মিলার (১২), রাহুল তেওয়াটিয়ারা (৬)। অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়ার (৪২ বলে অপরাজিত ৫০) ও অভিনব মনোহরের (২১ বলে ৩৫) দায়িত্বশীল ইনিংস গুজরাট টাইটান্সকে ১৬২/৭ রানে পৌঁছে দেয়। সানরাইজার্সের হয়ে ভুবনেশ্বর কুমার ও টি নটরাজন ২টি করে উইকেট নেন।ব্যাট করতে নেমে ভাল শুরু করেছিলেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের দুই ওপেনার অভিষেক শর্মা ও কেন উইলিয়ামসন। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৬৪। ৩২ বলে ৪২ রান করে রশিদ খানের বলে অভিষেক ফিরে যাওয়ার পর দলকে টানেন উইলিয়ামসন। হার্দিক পান্ডিয়ার বলে তিনি যখন আউট হন সানরাইজার্সের রান তখন ১৬.১ ওভারে ১২৯/২। শেষ দিকে ঝড় তুলে দলকে জয় এনে দেন নিকোলাস পুরান। ৫ বল বাকি থাকতে ১৬৮/২ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ১৮ বলে ৩৪ রান করে অপরাজিত থাকেন নিকোলাস পুরান। ৮ বলে ১২ রান করে অপরাজিত থাকেন এইডেন মার্করাম।

এপ্রিল ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌টানা ৪ ম্যাচে হার ধোনিদের!‌ দক্ষিণ ভারতীয় ডার্বিতে বাজিমাত সানরাইজার্সের

আইপিএলে দক্ষিণ ভারতীয় ডার্বিতে বাজিমাত সানরাইজার্স হায়দরাবাদের। চেন্নাই সুপার কিংসকে ৮ উইকেটে হারিয়ে এবারের আইপিএলে প্রথম জয় তুলে নিল কেন উইলিয়ামসের দল। ৪ ম্যাচ খেলা হয়ে গেলেও এখনও জয়ের মুখ দেখল না চেন্নাই সুপার কিংস। টানা চারটিতেই হার। সত্যিই গতবারের চ্যাম্পিয়নদের কী হাল। মুম্বইয়ের ডি ওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামে এদিন টস জিতে চেন্নাই সুপার কিংসকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদ অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। আগের তিনটি ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংসের ব্যাটাররা সেভাবে জ্বলে উঠতে পারেননি। হারের হ্যাটট্রিক করা চেন্নাইকে খাদের কিনারা থেকে তুলে নিয়ে আসার জন্য ব্যাটারদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করা উচিত ছিল। কিন্তু ঋতুরাজ গায়কোয়াড়, রবীন উথাপ্পারা সেই দায়িত্ব পালন করতে পারেননি। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরূদ্ধে মাঠে নামার আগে চেন্নাই সুপার কিংসের চিন্তা ছিল ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের অফ ফর্ম। প্রথম তিনটি ম্যাচেই ব্যর্থ। দু অঙ্কের ঘরে পৌঁছতে পারেননি। আগের মরসুমেও এই রকম পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছিল। শুরুর দিকে রান পাননি। তা সত্ত্বেও আস্থা হারাননি চেন্নাই সুপার কিংস অধিনায়ক মহেন্দ্র সিংহ ধোনি। অধিনায়কের আস্থার মর্যাদা দিয়ে পরের দিকে অবশ্য রানে ফিরেছিলেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। এবার ৪ ম্যাচ হয়ে গেল, ঋতুরাজের ব্যাটে বড় রান নেই। এদিন ১৩ বলে ১৬ রান করে টি নজরাজনের বলে বোল্ড হন। তার আগেই রবিন উথাপ্পাকে তুলে নিয়ে চেন্নাইকে প্রথম ধাক্কা দিয়েছিলেন ওয়াশিংটন সুন্দর। এরপর মইন আলি ও অম্বাতি রায়ডু চেন্নাই সুপার কিংসকে টেনে নিয়ে গেলেও সানরাইজার্স বোলারদের ওপর সেভাবে প্রভাব বিস্তার করতে পারেননি। ২৭ বলে ২৭ রান করে ওয়াশিংটন সুন্দরের বলে মার্করামের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন অম্বাতি রায়ডু। ৩৫ বলে ৪৮ রান করেন মইন। তিনি মার্করামের শিকার। শিবম দুবে (৩), ধোনিরা (৩) ব্যর্থ। ১৫ বলে ২৩ রান করেন রবীন্দ্র জাদেজা। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৫৪/৭ তোলে চেন্নাই। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ টিম ম্যানেজমেন্টেরও চিন্তা ছিল ব্যাটারদের ফর্ম। বিশেষ করে টপ অর্ডার একেবারেই জ্বলে উঠতে পারেনি। চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে অবশ্য ছবিটা বদলে গেল। দুর্দান্ত শুরু করেন দুই ওপেনার অভিষেক শর্মা ও অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। ওপেনিং জুটিতে ১২ ওভারে ওঠে ৮৯। এরপর মুকেশ চৌধুরির বলে আউট হন উইলিয়ামসন। ৪০ বলে তিনি করেন ৩২। উইলিয়ামসন আউট হওয়ার পর সানরাইজার্সকে টেনে নিয়ে যান অভিষেক শর্মা ও রাহুল ত্রিপাঠী। দুর্দান্ত ব্যাট করেন অভিষেক। ৫০ বলে ৭৫ রান করে তিনি ডোয়েন ব্রাভোর বলে আউট হন। ১৫ বলে ৩৯ রান করে অপরাজিত থাকেন রাহুল ত্রিপাঠী। ১৭.৪ ওভারে ১৫৫/২ রান তুলে এবারের আইপিএলে প্রথম জয় হাসিল করে নেয় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ।

এপ্রিল ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আবেশ খানের দাপটে টানা দুই ম্যাচে জয় তুলে নিল লখনউ সুপার জায়ান্টস

কাছাকাছি এসেও দ্বিতীয় ম্যাচেও জয় অধরা থেকে গেল সানরাইজার্স হায়দরাবাদের। ডোবাল সেই ব্যাটারদের ব্যর্থতা। লখনউ সুপার জায়ান্টসের ১৬৯/৭ রানের জবাবে ১৫৭/৯ রানে থেমে গেল সানরাইজার্স। লোকেশ রাহুলের দল জিতল ১২ রানে। টানা দ্বিতীয় ম্যাচে জয় তুলে নিল লখনউ সুপার জায়ান্টস। জয়ের নায়ক আবেশ খান। মু্ম্বইয়ের ডিওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামে এদিন টস জিতে লখনউ সুপার জায়ান্টসকে ব্যাট করতে পাঠান সানরাইজার্স হায়করাবাদ অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। পাওয়ার প্লের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়ে শুরুতে বিপর্যয়ে পড়লেও লখনউকে বড় রানে পৌঁছে দেয় অধিনায়ক লোকেশ রাহুল ও দীপক হুডার দায়িত্বশীল ব্যাটিং। এদিন দ্বিতীয় ওভারেই কুইন্টন ডিকককে (১) হারায় লখনউ। সানরাইজার্স অধিনায়ক উইলিয়ামস ভুবনেশ্বরের সঙ্গে নতুন বল তুলে দিয়েছিলেন ওয়াশিংটন সুন্দরের হাতে। দ্বিতীয় ওভারেই তিনি তুলে নেন ডিকককে। এক ওভার পরেই ফেরান এভিন লুইসকে (১)। পঞ্চম ওভারে মণীশ পাণ্ডেকে (১১) তুলে নিয়ে লখনউকে আরও ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দেন রোমারিও শেফার্ড। এরপরই দীপক হুডাকে সঙ্গে নিয়ে রুখে দাঁড়ান অধিনায়ক লোকেশ রাহুল। দুজনে জুটি বেঁধে তোলেন ৮৭। ষষ্ঠদশ ওভারের প্রথম বলে দীপক হুডাকে তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন রোমারিও শেফার্ড। ৩৩ বলে ৫১ রান করে আউট হন হুডা। উনিশতম ওভারের প্রথম বলে লোকেশ রাহুলকে তুলে নেন টি নটরাজন। ৫০ বলে ৬৮ রান করেন লোকেশ। একই ওভারে ক্রূণাল পান্ডিয়াকে (৬) ফেরান। ইনিংসের শেষ বলে রান আউট হন আয়ুষ বাদোনি (১৯)। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৬৯ তোলে লখনউ সুপার জায়ান্টস। ওয়াশিংটন সুন্দর, রোমারিও শেফার্ড এবং টি নটরাজন ২টি করে উইকেট নেন।ব্যাট করতে নেমে চতুর্থ ওভারে প্রথম উইকেট হারায় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। আউট হন অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন (১৬)। দ্বিতীয় ম্যাচেও রান পেলেন না তিনি। আর এক ওপেনার অভিষেক অভিষেক শর্মাও (১৩) ব্যর্থ। তিন নম্বরে নামা রাহুল ত্রিপাঠি ৩০ বলে ৪৪ রান করে আউট হন। রাহুল আউট হওয়ার আগেই ফেরেন এইডেন মার্করাম (১২)। দুটি উইকেটই নেন ক্রূণাল পান্ডিয়া। সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে জয়ের দিকে নিয়ে যাচ্ছিলেন নিকোলাস পুরান ও ওয়াশিংটন সুন্দর। পরপর দুবলে পুরানকে (২৪ বলে ৩৪) ও আব্দুল সামাদকে (০) তুলে নিয়ে হায়দরাবাদকে চাপে ফেলে দেন আবেশ খান। শেষ ওভারে জয়ের জন্য হায়দরাবাদের দরকার ছিল ১৬। ২০ তম ওভারের প্রথম বলেই ওয়াশিংটন সুন্দরকে (১৮) তুলে নেন জেসন হোল্ডার। চতুর্থ বলে ফেরান ভুবনেশ্বর কুমারকে (১)। শেষ বলে তুলে নেন শেফার্ডকে (৮)। ২৪ রানে ৪ উইকেট নেন আবেশ খান। ৩৪ রানে ৩ উইকেট হোল্ডারের।

এপ্রিল ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Lara-IPL : সামনের মরশুমে আইপিএলে দেখা যাবে ব্রায়ান লারাকে, থাকবেন ডেল স্টেনও

২০২২ আইপিএলে দেখা যাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তী ব্যাটসম্যান ব্রায়ান চার্লস লারাকে। তিনি ছাড়াও ডেল স্টেন, মুথাইয়া মুরলিথরনকেও আগামী মরশুমে আইপিএলে দেখা যাবে। তবে ব্যাট কিংবা বল হাতে বাইশ গজে খেলবেন না। কোচিংয়ের দায়িত্বে থাকবেন এই তিন প্রাক্তন ক্রিকেটার। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ব্যাটিং কোচের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে লারাকে। জোরে বোলিং হিসেবে নেওয়া হয়েছে ডেল স্টেনকে। আর স্পিন বোলিং কোচের দায়িত্বে মুথাইয়া মুরলিথরন।এই বছর আইপিএলে খুব খারাপভাবে শেষ করেছিল সানরাইজার্স। ব্যাটিং একেবারেই জ্বলে উঠতে পারেনি। বিশেষ করে ডেভিড ওয়ার্নারের খারাপ ফর্মের জন্য সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে যথেষ্ট ভুগতে হয়েছিল। তাই সামনের মরশুমের জন্য সাপোর্ট স্টাফে আমুল পরিবর্তন। দলের হেড কোচের দায়িত্বে অবশ্য থাকছেন টম মুডি। সহকারী কোচের দায়িত্বে আর এক অস্ট্রেলিয়ান সাইমন কাটিচ। ফিল্ডিং কোচ হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে হেমাঙ্গ বাদানিকে। পাশাপাশি তাঁকে নতুন প্রতিভা খুঁজে নিয়ে আসার বাড়তি দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে।চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্যে এবার ভাল দল গড়তে মরিয়া সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ২০১৬ সালে তারা চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। পরের বছর প্লে অফে গেলেও ফাইনালের স্বপ্ন অপূর্ণ থেকে গিয়েছিল। ২০১৮ সালে ফাইনালে চেন্নাই সুপার কিংসের কাছে হেরে রানার্স হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে। পরপর দুবছর প্লে অফে গেলেও ফাইনালে উঠতে পারেনি। এবছর তো আরও করুণ দশা। লিগ টেবিলে একেবারে শেষে ছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ।সামনের মরশুমের জন্য মাত্র ৩ ক্রিকেটারকে ধরে রেখেছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ টিম ম্যানেজমেন্ট। এই তিন ক্রিকেটার হলেন কেন উইলিয়ামসন, উমরান মালিক ও আব্দুল সামাদ। রশিদ খান, ডেভিড ওয়ার্নারের মতো ক্রিকেটারকে ছেড়ে দিয়েছে। শোনা যাচ্ছে নিলামে ওয়ার্নারের জন্য আবার ঝাঁপাতে পারে। কিন্তু তিক্ত অভিজ্ঞতার জন্য ওয়ার্নার নিজে সানরাইজার্স হায়দরাবাদে খেলবেন কিনা সন্দেহ রয়েছে। ব্রায়ান লারা, ডেল স্টেন, মুথাইয়া মুরলিধরন, টম মুডি, সাইমন কাটিচদের সঙ্গে আলোচনা করেই দল তৈরি করতে চান কর্তারা। সামনের বছর ফেব্রুয়ারিতে বেঙ্গালুরুতে অনুষ্ঠিত হবে আইপিএলের মেগা নিলাম। তার আগেই সকলের সঙ্গে আলোচনা সেরে নিতে চান কর্তারা।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌IPL Match : শেষ ম্যাচে সূর্য–ঈশানের তাগিদেও লাভ হল না মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের

ভারতীয় টি২০ বিশ্বকাপ দলে সুযোগ পাওয়ার পর থেকেই নাকি আইপিএলে সেভাবে তাগিদ দেখা যায়নি ঈশান কিশান ও সূর্যকুমার যাদবের। এই নিয়ে মুখ খুলেছিলেন সুনীল গাভাসকার। এই দুই ব্যাটসম্যান যখন তাগিদ দেখালেন, প্লে অফের লড়াই থেকে বহুদুরে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। লিগের শেষ ম্যাচে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠলেন সূর্যকুমার ও ঈশান। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ৪২ রানে জিতল ঠিকই, তবুও প্লে অফের টিকিট জোগাড় করতে পারল না। সানরাইর্সের বিরুদ্ধে টস জিতে ব্যাট করতে নেমেছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। লক্ষ্য ছিল বড় ব্যবধানে সানরাইজার্সকে হারিয়ে প্লে অফের টিকিট যদি জোগাড় করা যায়। শুরু থেকেই ঝড় তোলেন দুই ওপেনার ঈশান কিষান ও রোহিত শর্মা। ওপেনিং জুটিতে ৫.২ ওভারে ওঠে ৮০। এরপরই রশিদ খানের বলে আউট হন রোহিত (১৩ বলে ১৮)। ৩ নম্বরে নেমে হার্দিক পান্ডিয়াও (৮ বলে ১০) সুবিধা করতে পারেননি। তাঁকে ফেরান জেসন হোল্ডার। অন্যদিকে ঝড় অব্যাহত থাকে ঈশান কিষানের ব্যাটে। শেষ পর্যন্ত ৩২ বলে ৮৪ রান করে তিনিই উমরান মালিকের বলে আউট হন। ঈশানের ইনিংসে রয়েছে ১১টি ৪ ও ৪টি ৬। পোলার্ড (১২ বলে ১৩), নিশাম (০), ক্রূণাল পান্ডিয়া ৯৯), কুল্টারনাইলরা (৩) ব্যর্থ হলেও নিজেকে মেলে ধরেন সূর্যকুমার যাদব। শেষ পর্যন্ত ৪০ বলে ৮২ রান করে আউট হন তিনি। ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ২৩৫ রান তোলে মুম্বই। জয়ের জনন্য ২৩৬ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু করেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের দুই ওপেনার জেসন রয় (২১ বলে ৩৪) ও অভিষেক শর্মা (১৬ বলে ৩৩)। চোটের জন্য কেন উইলিয়ামসন খেলতে পারেননি। তাঁর পরিবর্তে হায়দরাবাদকে নেতৃত্ব দেন মণীশ পাণ্ডে। সাতটি চার ও দুটি ছক্কার সাহায্যে তিনি ৪১ বলে ৬৯ রানে অপরাজিত থাকেন। তবু দলকে জেতাতে পারেননি মিডল অর্ডারের বাকি ব্যাটারদের ব্যর্থতায়। প্রিয়ম গর্গ করেন ২১ বলে ২৯। ঋদ্ধিমান সাহাকে এদিন নয় নম্বরে ব্যাট করতে পাঠানো হয়। ঋদ্ধি করেন ২। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৯৩ তোলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। যশপ্রীত বুমরা, নাথান কুল্টারনাইল ও জিমি নিশাম দুটি করে উইকেট দখল করেন।

অক্টোবর ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

I‌PL : শুভমানের ব্যাটে প্লে অফের অক্সিজেন পেল কলকাতা নাইট রাইডার্স

আইপিএলের প্রথম পর্বে তেমন ছন্দে ছিলেন না শুভমান গিল। তাঁকে নিয়ে চারিদিকে সমালোচনা শোনা যাচ্ছিল। ডু অর ডাই ম্যাচে জ্বলে উঠল শুভমানের ব্যাট। আর তাতেই সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে জয় কলকাতা নাইট রাইডার্সের। কেন উইলিয়ামসনের দলকে ৬ উইকেটে হারিয়ে প্লে অফের লাইফ লাইন পেল ইওয়িন মর্গ্যানের দল। অন্য দলগুলির তুলনায় কিছুটা হলেও সুবিধাজনক জায়গায় কলকাতা নাইট রাইডার্স। দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। শুরুতেই ধাক্কা খায়। ম্যাচের দ্বিতীয় বলেই টিম সাউদির ওভারে এলবিডব্লুউ হয়ে ফিরে যান ঋদ্ধিমান সাহা (০)। চতুর্থ ওভারে আউট জেসন রয় (১০)। দলকে টানার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। তিনি ২৬ রান করে আউট হন। প্রিয়ম গর্গ করেন ২১। মন্থর উইকেট ও কলকাতা নাইট রাইডার্সের বোলারদের আঁটোসাটো বোলিংয়ের জন্য সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ব্যাটারদের কাছে রান তোলার কাজ কঠিন হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১১৫ রান তোলে হায়দরাবাদ। দীর্ঘদিন পর প্রথম একাদশে সুযোগ পেয়ে দুরন্ত বল করেন নাইট রাইডার্সের অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। সুনীল নারাইন, বরুণ চক্রবর্তীরাও ধারাবাহিকতা বজায় রাখেন। জয়ের জন্য ১১৬ রানের লক্ষ্য খুব একটা কঠিন হওয়ার কথা ছিল না। তবে নাইট রাইডার্সের কাছে কঠিন হয়ে যায় মন্থর উইকেট ও সানরাইজার্স হায়দরাবাদ বোলারদের দুরন্ত প্রত্যাবর্তনে। ম্যাচের ফয়সালা শেষ ওভারে হল উইকেটের কারণেই। ৪.৪ ওভারে দলের ২৩ রানের মাথায় জেসন হোল্ডারের বলে আউট হন ভেঙ্কটেশ আয়ারকে। ১৪ বলে ৮ রান করেন তিনি। সপ্তম ওভারের চতুর্থ বলে রশিদ খান ফেরান রাহুল ত্রিপাঠিকে। তিনি ৬ বলে ৭ রান করেন। এরপর নীতীশ রানা ও শুভমান গিল দলকে লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন। ১৬.৩ ওভারে গিল যখন আউট হন তখন নাইট রাইডার্সের জিততে প্রয়োজন ছিল ২২ রান। শুভমান গিলের উইকেটটি পান সিদ্ধার্থ কৌল। ১০টি চারের সাহায্যে ৫১ বলে ৫৭ রান করেন শুভমান। ১৮তম ওভারের শেষ বলে নীতীশ রানা ৩৩ বলে ২৫ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন। এরপর দলকে জয়ের দিকে টেনে নিয়ে যান দীনেশ কার্তিক ও ইওয়িন মর্গ্যান। কার্তিকের বাউন্ডারিতেই নাইটদের জয় নিশ্চিত হয়। ১২ বলে ১৮ রানে অপরাজিত থাকেন দীনেশ কার্তিক। ৪ ওভারে ৩২ রানের বিনিময়ে ২ উইকেট নেন জেসন হোল্ডার। উইকেট না পেলেও অভিষেক ম্যাচে গতিতে নজর কাড়েন জম্মু ও কাশ্মীরের পেসার উমরান মালিক। নাইট রাইডার্সের যে নেট রান রেট রয়েছে তাতে শেষ ম্যাচে রাজস্থান রয়্যালসকে হারালেই শেষ চারে জায়গা নিশ্চিত করে।

অক্টোবর ০৪, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

অভিষেকের বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ! থানায় গিয়ে কী জানালেন বিজেপি নেতার স্ত্রী?

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ উঠল। বিষ্ণুপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাসের স্ত্রী মৌসুমী দাস ঘোষ।অভিযোগকারিণীর দাবি, গত শনিবার আমতলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাংসদ কার্যালয় ভাঙচুরের সময় তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন। সেই সময় সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করলে তিনি অভিষেকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পরে সেই ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।মৌসুমী দাস ঘোষের অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই তিনি লাগাতার হুমকি পাচ্ছেন। তাঁর দাবি, সামাজিক মাধ্যমে অভিষেকের ডিজিটাল যোদ্ধারা তাঁকে কদর্য ভাষায় আক্রমণ করছেন। এই কারণে গত দুদিন ধরে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন বলে জানিয়েছেন।সোমবার সকালে তিনি বিষ্ণুপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগপত্রে আমতলার পার্টি অফিস ভাঙচুরের ঘটনায় বিজেপি কর্মীদের লক্ষ্য করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হুমকির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।পাশাপাশি তিনি ২০১৮ সালে তাঁর স্বামী অভিজিৎ দাসের উপর প্রাণঘাতী হামলার অভিযোগও তুলেছেন। তাঁর দাবি, সেই সময় মারধরের ফলে তাঁর স্বামীর দুটি পা ভেঙে যায় এবং তিনি স্থায়ীভাবে শারীরিকভাবে অক্ষম হয়ে পড়েন। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তাঁরা পুলিশি নিরাপত্তার দাবিও জানিয়েছেন।উল্লেখ্য, এর আগেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আমফানের ত্রাণ বণ্টনে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস নোদাখালি থানায় লিখিত অভিযোগ করে দাবি করেছিলেন, বজবজ ২ ব্লকে প্রায় ৩০ কোটি টাকার ত্রাণ দুর্নীতি হয়েছে এবং ভুয়ো নথি তৈরি করে এই টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জুলাই ২০, ২০২৬
কলকাতা

৪৪০ কোটির অ্যাকাউন্ট ফ্রিজেই থাকছে! হাইকোর্টের রায়ে তোলপাড় রাজনৈতিক মহল

কালীঘাট তৃণমূল হাইকোর্টে বড় আইনি ধাক্কা খেল। অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ মামলায় কোনও অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দিল না কলকাতা হাই কোর্ট। সোমবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাও এর এজলাসে এই মামলার শুনানি হয়।আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই মুহূর্তে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডির ফ্রিজ করা অ্যাকাউন্ট নিয়ে কোনও হস্তক্ষেপ করা হবে না। ফলে তৃণমূলের অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশের আবেদন খারিজ হয়ে যায়। দলের তহবিল থেকে বেআইনিভাবে অর্থ সরানোর অভিযোগে পুলিশ ও ইডি তৃণমূলের একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করেছিল। এর মধ্যে তিনটি মূল অ্যাকাউন্টে প্রায় ৪৪০ কোটি টাকা ছিল।এর আগে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যর এজলাসে কালীঘাট তৃণমূল আবেদন জানিয়েছিল। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য ওই তিনটি অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিলেন। সেই সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের ওপর নজরদারির জন্য একজন বিশেষ আধিকারিকও নিয়োগ করা হয়েছিল।পরবর্তী সময়ে ইডির তল্লাশি অভিযানের পর আরও কয়েকটি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়। কালীঘাট তৃণমূলের দাবি ছিল, বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের পর্যবেক্ষণের পরও ইডি কীভাবে নতুন করে আরও অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করতে পারে। এই অভিযোগ নিয়ে তারা পরে বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের এজলাসের দ্বারস্থ হয়। গত সপ্তাহেই মামলার শুনানি শেষ হয়েছিল।সোমবার রায়ে বিচারপতি স্পষ্ট করেন, ইডি বর্তমানে তদন্ত চালাচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে ফ্রিজ করা অ্যাকাউন্টের ওপর আদালত আপাতত কোনও হস্তক্ষেপ করবে না।

জুলাই ২০, ২০২৬
দেশ

দুই ঘণ্টার অপেক্ষার পর অবশেষে নাড্ডার সাক্ষাৎ! সিজেপিকে কী আশ্বাস দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী?

অবশেষে ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্রদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জে পি নাড্ডা। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করবেন। সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস এক্স-এ একটি পোস্ট করে জানান, দুই ঘণ্টারও বেশি অপেক্ষার পর তিনি এবং আশুতোষ রঙ্কা নাড্ডার সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পান। বৈঠকটি হয় নাড্ডার বাড়িতে এবং প্রায় দশ মিনিট স্থায়ী হয়।সৌরভ দাস লিখেছেন, দুই ঘণ্টার অপেক্ষার পর আশুতোষ আর আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন জে পি নাড্ডা। তাঁর বাড়িতে। তবে মাত্র দশ মিনিটের জন্য। আমরা একটি চিঠি জমা দিয়েছি, যেখানে আমাদের সব দাবির কথা লেখা রয়েছে। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে অভ্যন্তরীণ মহলে কথা বলবেন।এদিকে জানা গিয়েছে, বিক্ষোভকারীদের সংসদ চত্বর থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের শেয়ার করা ছবিতে দেখা যায়, সেখানে আর কোনও বিক্ষোভকারী নেই, শুধুমাত্র পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।উল্লেখ্য, নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছে ককরোচ জনতা পার্টি। গত ২৮ জুন থেকে সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক যন্তর মন্তরে আমরণ অনশনে বসেছিলেন। তবে ২১ দিনের মাথায় পুলিশ তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে। হাসপাতাল থেকেই সোমবার সোনম তিনটি শর্ত দেন। সরকার যদি সেই শর্তগুলির মধ্যে কোনও একটি মেনে নেয়, তবে তিনি অনশন প্রত্যাহার করতে রাজি বলে জানিয়েছেন।

জুলাই ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপ জিতেই গোলপোস্টের নেট কেটে নেন কেন ফুটবলাররা? জানুন রীতির নেপথ্যে লুকিয়ে থাকা ইতিহাস

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্পেন। ট্রফি জয়ের উচ্ছ্বাসে যখন গোটা দল মেতে উঠেছে, তখন একটি পরিচিত দৃশ্য আবারও ধরা পড়ল। স্পেনের একাধিক ফুটবলার কাঁচি হাতে গোলপোস্টের নেট কেটে নিজেদের কাছে স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে রেখে দিলেন। একই দৃশ্য প্রায় প্রতি বিশ্বকাপ, ইউরো কিংবা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালের পর দেখা যায়।অন্যদিকে ক্রিকেটেও বড় টুর্নামেন্ট জেতার পর বিজয়ী দলের ক্রিকেটারদের পিচের দুই প্রান্তের স্টাম্প বা উইকেট খুলে নিয়ে যেতে দেখা যায়। প্রশ্ন উঠতেই পারেএই রীতি কোথা থেকে এল? কেনই বা চ্যাম্পিয়নরা মাঠের এই অংশগুলো নিজেদের কাছে স্মৃতি হিসেবে তুলে রাখেন?স্মৃতিকে ধরে রাখার এক অনন্য ঐতিহ্যক্রীড়াজগতের সবচেয়ে বড় অর্জনগুলোর একটি হলো বিশ্বকাপ বা আন্তর্জাতিক শিরোপা জয়। একজন খেলোয়াড়ের জীবনে এমন মুহূর্ত হয়তো একবারই আসে। তাই সেই ঐতিহাসিক দিনের একটি বাস্তব স্মৃতি সঙ্গে করে নিয়ে যেতে চান অনেকেই।ফুটবলে গোলপোস্টের নেট এবং ক্রিকেটে স্টাম্পএই দুটি জিনিসই সেই ম্যাচের অবিচ্ছেদ্য অংশ। যে নেটে জয়ের গোল জড়িয়েছে কিংবা যে উইকেটের সামনে দাঁড়িয়ে ইতিহাস লেখা হয়েছে, সেটিই হয়ে ওঠে সাফল্যের প্রতীক।ফুটবলে নেট কাটার রীতি কবে থেকে?ফুটবলে গোলপোস্টের নেট কেটে নেওয়ার রীতির নির্দিষ্ট কোনও আনুষ্ঠানিক সূচনা নেই। তবে ক্রীড়া ইতিহাসবিদদের মতে, ১৯৬০ ও ১৯৭০-এর দশক থেকে উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন কলেজ ও পেশাদার খেলাধুলায় এই সংস্কৃতির প্রচলন শুরু হয়।বিশেষ করে বাস্কেটবলে এনসিএএ (NCAA) চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর খেলোয়াড় ও কোচেরা সিঁড়ি বেয়ে উঠে বাস্কেটের জাল কেটে নেওয়ার যে ঐতিহ্য গড়ে ওঠে, তা বিশ্বজুড়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। পরে ফুটবলসহ অন্যান্য খেলাতেও একই ধরনের আবেগঘন স্মৃতিচিহ্ন সংগ্রহের সংস্কৃতি ছড়িয়ে পড়ে।বিশ্বকাপ, ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ কিংবা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মতো বড় টুর্নামেন্টে অনেক সময় খেলোয়াড়রা গোলপোস্টের নেটের ছোট একটি অংশ কেটে পরিবারের সদস্যদের উপহার দেন কিংবা নিজেদের ট্রফি কেবিনেটে সংরক্ষণ করেন।ফিফা কি এতে আপত্তি করে?না। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর এবং আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পরে খেলোয়াড়রা নেটের ছোট অংশ কেটে নিতে পারেন। তবে সেটি অবশ্যই আয়োজকদের অনুমতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে থেকে করা হয়। অনেক সময় মাঠকর্মীরাই খেলোয়াড়দের নেট কেটে দিতে সাহায্য করেন।ক্রিকেটে স্টাম্প নিয়ে যাওয়ার শুরু কীভাবে?ক্রিকেটে ম্যাচ শেষে স্টাম্প তুলে নেওয়ার ইতিহাস আরও পুরনো। ঊনবিংশ শতাব্দী থেকেই বিশেষ ম্যাচ বা ঐতিহাসিক জয়ের স্মারক হিসেবে স্টাম্প সংরক্ষণের রেওয়াজ ছিল।ধীরে ধীরে এটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। বর্তমানে বিশ্বকাপ, অ্যাশেজ, আইপিএল, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি কিংবা অন্য বড় টুর্নামেন্টের ফাইনাল জয়ের পর বিজয়ী দলের ক্রিকেটারদের স্টাম্প খুলে নিতে দেখা যায়।অনেক খেলোয়াড় সেই স্টাম্পে পুরো দলের স্বাক্ষর করিয়ে ব্যক্তিগত সংগ্রহে রাখেন। কেউ আবার তা নিজের ক্রিকেট অ্যাকাডেমি, জাদুঘর বা পরিবারের কাছে স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে সংরক্ষণ করেন।শুধু আবেগ নয়, ইতিহাসেরও অংশগোলপোস্টের নেট কিংবা স্টাম্পএগুলি আসলে কোনও সাধারণ সরঞ্জাম নয়। এগুলি সেই মুহূর্তের সাক্ষী, যখন একটি দল ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। তাই ট্রফির পাশাপাশি এই ছোট্ট স্মৃতিচিহ্নও খেলোয়াড়দের কাছে অমূল্য সম্পদ হয়ে ওঠে।হয়তো বহু বছর পরে কোনও জাদুঘরে কিংবা নিজের ঘরের ট্রফি কেবিনেটে রাখা সেই নেটের টুকরো বা স্টাম্প দেখে আবার ফিরে আসবে সেই বিশ্বজয়ের রাত, দর্শকদের গর্জন আর সাফল্যের অবিস্মরণীয় মুহূর্ত।২০২৬ বিশ্বকাপেও সেই ঐতিহ্যের পুনরাবৃত্তিনিউ জার্সির ফাইনালে স্পেনের ফুটবলারদের গোলপোস্টের নেট কেটে নিতে দেখা যাওয়ায় আবারও প্রমাণ মিললসময় বদলেছে, প্রযুক্তি বদলেছে, কিন্তু চ্যাম্পিয়নদের আবেগ বদলায়নি। ট্রফি জয়ের আনন্দের সঙ্গে মাঠের একটি ছোট্ট অংশকে স্মৃতি হিসেবে বয়ে নিয়ে যাওয়ার এই ঐতিহ্য আজও বিশ্ব ক্রীড়ার অন্যতম সুন্দর ও আবেগঘন অধ্যায়

জুলাই ২০, ২০২৬
দেশ

‘ধন্যবাদ, ভারত!’ বিশ্বকাপ হারলেও ভারতীয় সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালেন আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফাইনালে স্পেনের কাছে হৃদয়ভাঙা পরাজয়ের পরও ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন ভারতে নিযুক্ত আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত মারিয়ানো কাউচিনো। সামাজিক মাধ্যম এক্স (X)-এ এক আবেগঘন বার্তায় তিনি ভারতীয় সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়ে লেখেন, আর্জেন্টিনা দলের প্রতি এই বিশ্বকাপ জুড়ে ভারতীয় মানুষের অকুণ্ঠ সমর্থনের জন্য আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। আবারও ধন্যবাদ, ভারত!বিশ্বকাপে শিরোপাধারী হিসেবে অভিযান শুরু করেছিল আর্জেন্টিনা। টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে পৌঁছেও শেষ পর্যন্ত ট্রফি ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে ১-০ গোলে স্পেনের কাছে পরাজিত হয় লিওনেল মেসির দল।ম্যাচের একমাত্র এবং জয়সূচক গোলটি করেন ফেরান তোরেস, অতিরিক্ত সময়ের ১০৬তম মিনিটে। এই জয়ে ২০১০ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মুকুট জেতে স্পেন।পুরো ম্যাচে বলের দখল এবং আক্রমণে আধিপত্য ছিল স্পেনের। অন্যদিকে আর্জেন্টিনাকে বহুবার রক্ষা করেন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, যিনি একাধিক দুর্দান্ত সেভ করে দলকে লড়াইয়ে টিকিয়ে রাখেন।Deeply grateful to the Indian People for the endless displays of support for the Argentine team during this latest World Cup. Thank you, India, once again! pic.twitter.com/kd9hmTBnON Mariano Caucino (@CaucinoMariano) July 20, 2026তবে ম্যাচের শেষদিকে বড় ধাক্কা খায় আর্জেন্টিনা। নির্ধারিত সময়ের যোগ করা মিনিটে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন এনজো ফার্নান্দেজ, ফলে অতিরিক্ত সময়ে ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় মেসিদের।অতিরিক্ত সময়ে প্রথমে নিকো উইলিয়ামস গোল করলেও ফাউলের কারণে তা বাতিল হয়। এরপর কিছুক্ষণের মধ্যেই উইলিয়ামসের পাস থেকে ফেরান তোরেস জোরালো শটে বল জালে জড়িয়ে স্পেনকে বিশ্বকাপ এনে দেন।এই জয়ের ফলে আন্তর্জাতিক ফুটবলে স্পেনের অপরাজিত থাকার রেকর্ড বেড়ে দাঁড়ায় ৩৮ ম্যাচে, যা ইউরোপীয় ফুটবলের ইতিহাসে নতুন নজির। একইসঙ্গে ৬৪ বছর পর বিশ্বকাপ শিরোপা সফলভাবে ধরে রাখার আর্জেন্টিনার স্বপ্নও ভেঙে যায়।তবুও গোটা টুর্নামেন্টে ভারতীয় সমর্থকদের বিপুল ভালোবাসা ও সমর্থন পেয়েছে আর্জেন্টিনা। বিশেষ করে লিওনেল মেসিকে ঘিরে ভারতের ফুটবলপ্রেমীদের আবেগ বরাবরের মতোই নজর কেড়েছে। সেই ভালোবাসার স্বীকৃতি দিতেই বিশ্বকাপ শেষ হতেই ভারতীয় সমর্থকদের উদ্দেশে কৃতজ্ঞতার বার্তা দেন রাষ্ট্রদূত মারিয়ানো কাউচিনো।বিশ্বকাপ জয় হাতছাড়া হলেও, ভারত ও আর্জেন্টিনার ফুটবল-সম্পর্ক যে আরও গভীর হয়েছে, রাষ্ট্রদূতের এই বার্তাই যেন তারই প্রমাণ।

জুলাই ২০, ২০২৬
দেশ

পুলিশি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই পথে সিজেপি, যন্তর মন্তরে তুমুল ধুন্ধুমার

পুলিশ অনুমতি না দিলেও পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সংসদ অভিযানে নামে ককরোচ জনতা পার্টি। ১৬৩ ধারা উপেক্ষা করে মিছিল বের করতেই রাজধানী দিল্লির পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ব্যারিকেড ভেঙে সংসদের দিকে এগোনোর চেষ্টা করলে পুলিশ আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে। প্রায় পাঁচ হাজার পুলিশ ও আধাসেনা মোতায়েন করে যন্তর মন্তর চত্বর ঘিরে ফেলা হয়।দিল্লি পুলিশ আগেই জানিয়েছিল, সংসদ অভিযানের জন্য সিজেপির পক্ষ থেকে কোনও অনুমতি চাওয়া হয়নি। এমনকি অনুমতি চাইলেও তা দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট জানানো হয়েছিল। পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, সংসদ ও তার আশপাশের এলাকা উচ্চ নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে পড়ে। তাই সেখানে কোনও মিছিল বা জমায়েত আইনশৃঙ্খলার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। পাশাপাশি যানজটের আশঙ্কাও রয়েছে। তাই সংসদের দিকে কোনও মিছিল এগোতে দেওয়া হবে না।পুলিশের এই সতর্কবার্তার পরও সিজেপির পক্ষ থেকে বলা হয়, বৃষ্টি বা কড়া নিরাপত্তা কোনও কিছুই তাদের আন্দোলন থামাতে পারবে না। সেই অনুযায়ী সোমবার সকালে আন্দোলনকারীরা ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ব্যাপক লাঠিচার্জ করে।संसद के सामने युवाओं पर आँसू गैस छोड़ना बंद कीजिए।दमन की बजाय संवाद का रास्ता चुनिए।#संसद_मार्च pic.twitter.com/C2MHT55Mpk Cockroach Janta Party (@CJP_for_India) July 20, 2026নিরাপত্তার কারণে দিল্লির পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো স্টেশনরাজীব চক, জনপথ, প্যাটেল চক, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট এবং সেবা তীর্থসাধারণ যাত্রীদের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত এই স্টেশনগুলি বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে। যন্তর মন্তর ছাড়া দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় পাঁচ বা তার বেশি মানুষের জমায়েতও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে আসছে ককরোচ জনতা পার্টি। গত ২৮ জুন থেকে সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক যন্তর মন্তরে আমরণ অনশনে বসেছিলেন। তবে একুশ দিন পর পুলিশ তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে। হাসপাতাল থেকেই সোমবার সোনম তিনটি শর্ত দিয়েছেন। সরকার যদি তার মধ্যে কোনও একটি শর্ত মেনে নেয়, তবে তিনি অনশন প্রত্যাহার করতে রাজি বলে জানিয়েছেন।

জুলাই ২০, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেককে বিদেশ যেতে দিল না হাই কোর্ট! এসএসকেএমেই চিকিৎসার নির্দেশে তীব্র চাঞ্চল্য

তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আরও এক বড় আইনি ধাক্কা খেলেন। তাঁকে বিদেশে চিকিৎসা করাতে যাওয়ার অনুমতি দিল না কলকাতা হাই কোর্ট। সোমবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যর বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, আইনি রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়লেও আপাতত বিদেশ যেতে পারবেন না অভিষেক। তাঁকে এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসা করানোর পরামর্শ দিয়েছে আদালত।বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে বিজেপিকে উদ্দেশ করে অভিষেকের ডিজে বাজানোর মন্তব্য নিয়ে মামলা হয়। সেই মামলার শুনানিতেই সোমবার বিষয়টি ওঠে। অভিষেকের আইনজীবী আদালতের কাছে আইনি রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন জানান। বিচারপতি সেই আবেদন মেনে আগামী ৬ অক্টোবর পর্যন্ত রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়ান।তবে আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, আগামী ২৯ জুলাই চোখের চিকিৎসার জন্য আমেরিকা যাওয়ার আবেদন মঞ্জুর করা হচ্ছে না। বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, বিদেশেই কেন চোখের চিকিৎসা করাতে হবে? কলকাতাতেও চোখের চিকিৎসার জন্য একাধিক হাসপাতাল রয়েছে। প্রয়োজনে এসএসকেএম হাসপাতালে অভিষেকের চিকিৎসার জন্য মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা যেতে পারে বলেও জানান তিনি।আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য ও সব্যসাচী বন্দ্যোপাধ্যায় বিচারপতির এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেন। তখন বিচারপতি জানান, আদালত কখনওই চান না আবেদনকারীর চিকিৎসায় কোনও সমস্যা হোক। তাই প্রথমে এসএসকেএম হাসপাতালে সমস্ত পরীক্ষানিরীক্ষা করিয়ে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। সেই রিপোর্ট দেখে পরে আদালত সিদ্ধান্ত নেবে, অভিষেক বিদেশে চিকিৎসার জন্য যেতে পারবেন কি না।উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে ডানকুনি হাইওয়ের কাছে এক পথ দুর্ঘটনায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাঁ চোখে গুরুতর আঘাত লাগে। এরপর দীর্ঘদিন সিঙ্গাপুরে তাঁর চিকিৎসা চলে। পরে তিনি আমেরিকাতেও চিকিৎসা করান এবং নির্দিষ্ট সময় অন্তর সেখানে চেকআপের জন্য যেতে হয়। তবে আদালতের নির্দেশ মেনে আপাতত আগামী দুমাস তিনি বিদেশে যেতে পারবেন না।

জুলাই ২০, ২০২৬
কলকাতা

২১ জুলাইয়ের আগেই বিস্ফোরণ! ফাইল খুলে কী প্রকাশ করবেন শুভেন্দু?

২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবসের আগের দিন বড় রাজনৈতিক ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন, সোমবার বিকেলে বিধানসভায় বিচারপতি সুশান্ত চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ করবেন।সোমবার সকালে বিধানসভায় এসে মুখ্যমন্ত্রী অধ্যক্ষ রথীন্দ্রনাথ বসুর কাছে ১০ মিনিট সময় চেয়ে আবেদন করেন। তিনি বলেন, বিকেলে ১০ মিনিট সময় নেব। ২১ জুলাই তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট পড়ে শোনাব। আগের সরকার কমিশন তৈরি করলেও সেই রিপোর্ট কোনওদিন প্রকাশ করেনি। রিপোর্টে কী আছে, তা আজ জানানো হবে।১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই সচিত্র পরিচয়পত্রের দাবিতে যুব কংগ্রেস মহাকরণ অভিযান করেছিল। সেই আন্দোলন পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘটনা। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর সরকারের আমলে বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। সেই ঘটনায় ১৩ জন যুব কংগ্রেস কর্মীর মৃত্যু হয়েছিল।এই আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন তখনকার যুব কংগ্রেস সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে তিনি কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করেন এবং ২০১১ সালে মুখ্যমন্ত্রী হন। ক্ষমতায় আসার পর তিনি ২১ জুলাইয়ের ঘটনার তদন্তের জন্য বিচারপতি সুশান্ত চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তদন্ত কমিশন গঠন করেন।তবে দীর্ঘ ১৫ বছর সেই কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়নি। রিপোর্টটি ফাইলবন্দি অবস্থায় ছিল। এদিকে সেই সময় গুলিচালনার নির্দেশ দেওয়া প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রসচিব মণীশ গুপ্তকে পরে বিধায়ক ও মন্ত্রী করা হয়েছিল। এই বিষয়টি নিয়ে কংগ্রেস ও তৃণমূলের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে।মঙ্গলবার ৩৩তম শহিদ দিবস পালিত হবে। তার আগের দিনই এই তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ করার ঘোষণা রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এখন সকলের নজর, সেই রিপোর্টে ঠিক কী কী তথ্য সামনে আসে।

জুলাই ২০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal