• ৪ বৈশাখ ১৪৩৩, সোমবার ২০ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

SI

নিবন্ধ

Friends: একা এবং বন্ধুরা

জীবন মরণের সীমানা ছাড়ায়ে/ বন্ধু হে আমার রয়েছ দাঁড়ায়ে।। এই পংক্তিটা প্রথম পড়ি কৈশোরে। রবীন্দ্রনাথ হয়তো ঈশ্বরকেই বুঝিয়েছেন বা কোন ঈশ্বরপ্রতিম মানুষকে। কিন্তু আমার মনে পড়ত কতগুলো স্কুল ইউনিফর্ম পরা, এলোমেলো চুল, বা দুই বিনুনি, দুষ্টু হাসির মুখগুলোকে। আর মনে হত, ওরে বাবা! সারাজীবন থাকবে আবার মরার পরেও? কী সাংঘাতিক কান্ড। পৃথিবীতে অবতীর্ণ হওয়ার বছর তিনেক পরেই তাঁরা আমার জীবনে পদার্পণ করেছেন। (জনান্তিকে বলে রাখি এখনও অক্লেশে হাড়মাস ভাজা করে চলেছেন)।পড়তাম এক মিশনারি স্কুলে যেখানে বহুবিধ পরীক্ষার ব্যবস্থা ছিল। জানিয়ে পরীক্ষা, না জানিয়ে পরীক্ষা। কিন্তু চাপ ছিল না। মানে চাপ শব্দটা জানলে তো চাপে পড়বে। আমরা কিছু দুষ্টু ছেলে-মেয়ে হইহই করে উঠে যেতাম পরের ক্লাসে। কড়া নজরদারির মধ্যে দুষ্টুমির নিত্য নতুন উদ্ভাবন। সেই জন্যই বোধ হয় কখনও আমরা কেউ ক্লাসরুম প্রেমের স্বাদ পেলাম না। অধরা থেকে গেল সেই রোমাঞ্চ আমাদের কাছে। একসময় স্কুল শেষ, কিন্তু কলেজেও বন্ধু হলো না সেভাবে। পুরোনো হ্যাংওভার কাটলে তবেই না নতুন বন্ধু?ইউনিভার্সিটিতে এসে দুটো পাখা জুড়লো পিঠে। মনে হলো এলেম নতুন দেশে। আহা! সবই কি সুন্দর। কত নতুন নতুন জিনিস। মুগ্ধ মোহিত আমি-র জুটলো নতুন বন্ধু। চললো নতুন অভিযান। সারা রাতের ক্লাসিক্যাল গানের সুরে ভেসে যাওয়া, কখনও ফটোগ্রাফি এক্সিবিশন-এ ঘুরে ঘুরে ছবি দেখা, সব মিলিয়ে সে এক সব পেয়েছির দেশ। মধ্যিখানে বেশ কিছু বছর যোগাযোগ বিহীন। নেই তো নেইই.. । কি যেন নেই। হঠাৎ অভিমানে নাকের ডগা লাল হয়ে, গলার কাছে ব্যথা করে উঠলেও বলার লোক নেই। দুষ্টুমি করার লোক নেই। খোঁজ নেওয়ার লোকও তো নেই। অতঃপর, হঠাৎ একদিন মিলিল তারা মিলিল সে মেলা কি যে মেলা.... রাত ১২টায় ফোন করে জানান দেওয়া যে আমরা আছি,/তোর কাছাকাছি।আরও পড়ুনঃ প্পিতৃদিবসে বাবাকে খোলা চিঠি এক কন্যার আবার শুরু নরক গুলজার, বেড়াতে যাওয়া, পিকনিক করা, সে তো আছেই। এতটুকু মনখারাপেও ফোন বা লিখে লিখে তার গুরুত্বপূর্ণ কাজ শিকেই তোলা। অন্য কোথাও রাগ হলে, তাদের ওপর সেই রাগ ঝাড়া। সেখানে বলতে পারব না মানে কি কোথাওই পারব না? দোস্তলোগ হ্যায় না! এর মধ্যেই আবার সেই সুপ্ত বাসনা লেখালেখি করার মাদকতা ফিরিয়ে দিল এক বন্ধু। সে কি ছিনেজোঁক! প্রায়ই ফোনে উস্কানি দেয়। কিঞ্চিৎ লোভও দেখায়। অতএব মাঠে নেমে পড়া। এখন সবাই মিলে বেঁধে বেঁধে আছি। পৃথিবীতে এত বছর কাটানোর পরে বুঝেছি, জীবন-মরণের সীমানা ছাড়িয়ে বন্ধুই তো থাকে। ওরা আছে তাই আমি আছি।সুদেষ্ণা বন্দ্যোপাধ্যায়

জুন ২৩, ২০২১
দেশ

PNB Scam: মালিয়া-চোকসি-মোদির শেয়ারের ৯ হাজার কোটি টাকা ফেরানো হল ব্যাংকে

আজও দেশে ফেরানো যায়নি তিন পলাতক শিল্পপতি বিজয় মালিয়া (Vijay Mallya) , মেহুল চোকসি (Mehul Choksi) ও নীরব মোদিকে (Nirav Modi)। তিনজনের কারণে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলির ক্ষতির পরিমাণ ২২ হাজার ৫০০ কোটি টাকারও বেশি। বুধবার তিনজনের মোট ৯ হাজার ৩৭১ কোটি টাকা জমা পড়ল ব্যাংকে। এর মাধ্যমে আংশিক ক্ষতিপূরণ হবে ব্যাংকগুলির।ইতিমধ্যেই ওই তিন শিল্পপতির মোট ১৮ হাজার ১৭০ কোটি টাকার সম্পতি বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি (ED)। যা ব্যাংকগুলির মোট ক্ষতির প্রায় ৮০ শতাংশ। বুধবার ইডির তরফে জানানো হয়েছে কেবল সম্পত্তি বাজেয়াপ্তই নয়, সেই সঙ্গে শেয়ারের গুরুত্বপূর্ণ ৯ হাজার ৩৭১ কোটি ১৭ লক্ষ টাকা এবার ফিরিয়ে দেওয়া হল রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও কেন্দ্রীয় সরকারকে।তিন পলাতক শিল্পপতির কারণে ব্যাংকগুলিকে মোট ২২ হাজার ৫৮৫ কোটি ৮৩ লক্ষ টাকার ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছিল। তিনজনকেই দেশে ফেরানোর সব রকম চেষ্টা হলেও এখনও সাফল্য আসেনি। তবে এরই মধ্যে ৯ হাজার ৩৭১ কোটি টাকা ফেরত পাওয়ার ফলে ব্যাংকগুলি কিছুটা হলেও স্বস্তি পাবে।বিজয় মালিয়া রয়েছেন ব্রিটেনে। তাঁকে ভারতের হাতে প্রত্যর্পণ করার দাবি জানিয়েছে সরকার। তবে এখনও সেই আরজিতে সবুজ সংকেত না মেলায় ফেরানো যায়নি একদা কিংফিশারের কর্ণধারকে। তবে সম্প্রতি যে পলাতক শিল্পপতিকে নিয়ে তুমুল শোরগোল পড়েছিল তিনি মেহুল চোকসি।অ্যান্টিগুয়া থেকে কিউবায় পালানোর পথে ডোমিনিকায় ধরা পড়েছেন চোকসি। তারপর থেকে সেখানেই বন্দি রয়েছেন তিনি। তাঁকে দেশে ফেরানোর প্রাথমিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলেও আশা ছাড়েননি ভারতীয় গোয়েন্দারা। শীঘ্রই তাঁকে দেশে নিয়ে আসার চেষ্টা করা হচ্ছে।

জুন ২৩, ২০২১
দেশ

NCP-Opposition: শরদ পাওয়ারের বাড়িতে বিরোধীদের 'অরাজনৈতিক' বৈঠক

জল্পনা ছিল, এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ারের বাসভবনে বিরোধী শিবিরের বৈঠক তৃতীয় ফ্রন্ট গঠনের লক্ষ্যে। কিন্তু সেই বৈঠক শেষে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সমাজবাদী পার্টির (সপা) ঘনশ্যাম তিওয়ারি জানান, এই বৈঠক একেবারেই রাজনৈতিক নয়। দেশজুড়ে যে অবস্থা চলছে তা নিয়ে আলোচনায় বসেছিল তাঁদের রাষ্ট্রমঞ্চ।সকাল থেকেই শরদ পাওয়ারের বাড়ির এই বৈঠকে নজর ছিল দেশের। ২০২৪-এ দিল্লি দখলের লক্ষ্যে জোটবদ্ধ ভাবে বিজেপি বিরোধীরা এককাট্টা হতেই এই বৈঠক বলেই মনে করা হয়েছিল। এদিনের বৈঠক থেকে জাতীয় রাজনীতির নতুন কোনও মোড়ের হদিশও মিলতে পারে বলে মনে করছিল রাজনৈতিক মহল।এদিন বৈঠক শেষে এনসিপি নেতা মজিদ মেনন বলেন, এখানে দলীয় রাজনীতি নিয়ে কোনও কথাই হয়নি। দেশের উন্নতিতে কী কী করণীয় তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এই বৈঠক শরদ পাওয়ার ডাকেননি, ডেকেছিলেন যশবন্ত সিনহা। জাভেদ আখতার সাহেব এবং প্রাক্তন বিচারপতি এপি শাহ তাঁদের পরামর্শ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ শুনানি থেকে সরলেন সুপ্রিম কোর্টের বাঙালি বিচারপতিমূলত আটটি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের এদিনের বৈঠকে থাকার কথা ছিল। তৃণমূল কংগ্রেস, এনসিপি, রাষ্ট্রীয় লোকদল, সিপিআই, সিপিএম, আম আদমি পার্টি, সমাজবাদী পার্টি ও ন্যাশনাল কংগ্রেস। যদিও বৈঠকে কংগ্রেসের কাউকে দেখা যায়নি। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই গুঞ্জন শুরু হয়েছে। তবে মজিদ মেননের দাবি, কংগ্রেসের পাঁচ সাংসদকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। দিল্লিতে না থাকায় তাঁরা থাকতে পারেননি। এটা কংগ্রেসকে বয়কট করে বৈঠক, এমন নয়।বৈঠক থেকে সিপিএম নেতা নীলোৎপল বসু বলেন, এই বৈঠককে রাজনীতির মঞ্চ বলে ভাবলে হবে না। সাধারণ মানুষের সমস্যা, বেকারত্ব, মূল্যবৃদ্ধি সবকিছু নিয়েই কথা হয়েছে। সম চিন্তার কিছু মানুষের সাক্ষাৎ বলেই এই বৈঠককে দেখছেন তিনি।

জুন ২২, ২০২১
রাজ্য

বড় ঘটনা (Maldah murder): হ্যাকিংয়ে পাকা অপরাধী হয়ে উঠেছিল আসিফ

কালিয়াচক-কাণ্ডে ধৃত মহম্মদ আসিফ নিজেই যেন মূর্তিমান রহস্য! বছর উনিশের ওই তরুণ সম্পর্কে পুলিশ যত জানতে পারছে ততই যেন জড়িয়ে যাচ্ছে একের পর এক রহস্যের জাল।কালিয়াচকের আনন্দ রাজনগর হাইস্কুল থেকে মাধ্যমিক পাশ করেছিল আসিফ। বর্তমানে একটি বেসরকারি স্কুলে একাদশ শ্রেণির ছাত্র সে। পাশাপাশি ছোটবেলা থেকেই আসিফের কম্পিউটার নিয়ে নাড়াচাড়া করার অভ্যাস ছিল বলে প্রতিবেশীদের বক্তব্য। তাঁরা এ-ও জানাচ্ছেন, অল্প বয়সেই কম্পিউটারে দারুণ দক্ষতা অর্জন করেছিল সে। আসিফের এক প্রতিবেশী বলছেন, মাস চারেক ধরে আসিফের পরিবারের কাউকে দেখতে পাওয়া যেত না। গ্রামে সকলের জানতেন, ওঁরা অন্য কোথাও চলে গিয়েছেন। পাড়ার লোক তো গতকাল জানতে পারলেন এ সব। ছেলেটাকে এর আগে সাইবার অপরাধের অভিযোগে পুলিশ ধরেছিল। ও ঘরেই থাকত। গ্রামে কারও সঙ্গে মিশত না। এমনকী, অনলাইনে খাবার এনে খেত।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে খবর পেয়ে গত ১০ মার্চ সাইবার ক্রাইম বিভাগ আসিফের কম্পিউটার, মোবাইল এবং ল্যাপটপ পরীক্ষা করে। তারা বুঝতে পারে, আসিফ হ্যাকিংয়ে অত্যন্ত দক্ষ। তাতেই প্রথম সন্দেহ হয় পুলিশের। তবে তার বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ না থাকায় তখনকার মতো ছেড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু আসিফ কোথা থেকে হ্যাকিং সম্পর্কে এত কিছু শিখল, কোথা থেকে প্রশিক্ষণ পেল এ সব প্রশ্ন ভাবাতে থাকে পুলিশকে। আসিফের এক আত্মীয় বলছেন, ওর হাবভাব মনোরোগীদের মতো হয়ে গিয়েছিল। ও মাধ্যমিকের পর থেকেই কোডিং নিয়েই মেতেছিল। অ্যাপ তৈরির চেষ্টা করছিল। বাবা ভেবেছিল ছেলের ভবিষ্যৎ ভাল হবে। এর আগেও ওকে পুলিশ ধরেছিল।

জুন ১৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Milkha Singh: থেমে গেলেন মিলখা! জীবন যুদ্ধে ফটোফিনিশে হার মানলেন প্রতিদ্বন্দ্বী করোনার কাছে

শরীরে কোভিড থাবা বসানোর ৩০ দিনের মাথায় প্রয়াত হলেন পদ্মশ্রী মিলখা।মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯১। একমাস লড়াই করার পরে শুক্রবার তার ৯১ বছর বয়সী মিলখা কোভিড -১৯ এর কাছে হেরে যাওয়ার আগে, মিলখা কতরকমের লড়াইয়ে জিতেছিল সেগুলি অনেকের কাছে দঃস্বপ্ন, এক অদম্য লড়াইয়ের কাহিনি ইতি পড়ল।উড়ন্ত শিখ নামেই তিনি পরিচিত ছিলেন। রোম অলিম্পিকে মাত্র ০.১ সেকেন্ডের জন্য ব্রোঞ্জ পদক জিততে পারেননি। সেই মিলখা সিং (Milkha Singh) আর নেই। বাবার চলে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন ছেলে গলফার জীব মিলখা সিং। কিংবদন্তি অ্যাথলিটের প্রয়াণে শোকস্তব্ধ ক্রীড়াজগত। শোকজ্ঞাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। In the passing away of Shri Milkha Singh Ji, we have lost a colossal sportsperson, who captured the nations imagination and had a special place in the hearts of countless Indians. His inspiring personality endeared himself to millions. Anguished by his passing away. pic.twitter.com/h99RNbXI28 Narendra Modi (@narendramodi) June 18, 2021গত ২০ মে কোভিড (CoronaVirus) আক্রান্ত হয়েছিলেন মিলখা। তাঁর বাড়ির দুই পরিচারক করোনা সংক্রমিত হয়েছিলেন। বাড়ির অন্যান্যদের করোনা পরীক্ষার ফল নেগেটিভ এলেও, মিলখার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়িও ফিরে এসেছিলেন।করোনা থেকে সুস্থ হওয়ার পরও বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন মিলখা। এর মধ্যেই দিন পাঁচেক আগে স্ত্রী নির্মল কৌর প্রয়াত হন।তিনিও কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার রাত থেকে ফের অসুস্থ হয়ে পড়েন মিলখা। রক্তে কমে যায় অক্সিজেনের মাত্রা। গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। সঙ্গে ছিল জ্বর। চণ্ডীগড়ের একটি হাসপাতালের আইসিইউ-তে রাখা হয় তাঁকে। শুক্রবার সন্ধে থেকে তাঁর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়। শেষপর্যন্ত আর যুঝতে পারেনি তাঁর শরীর। চিন্তা করবেন না, আমার মনের প্রচুর জোর, আমি ভাল আছি ... আমি অবাক হচ্ছি, আমি কীভাবে এই করোনা তে সংক্রমিত হলাম? ... আমি আশা করি খুব তাড়াতাড়ি এটাকে হারিয়ে দেবো। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার আগে পিটিআইয়ের সাথে শেষ কথাবার্তায় মিলখা বলেছিলেন।তাঁর উত্থানের আগে ভারতে অ্যাথলিটক্স স্বমন্ধে সাধরন মানুষের মধ্যে সেভাবে উৎসাহ চোখে পরত না। তিনি স্বাধীন ভারতের এক অন্যতম জনপ্রিয় ক্রীড়া আইকন, জীবনের প্রতি পদক্ষপে তাঁকে লড়াই করে যেতে হয়েছে, কিন্তু তিনি কোনও দিনই সেগুলিকে সেইভাবে গুরুত্ব দিতে চাননি। তাঁর জীবনের বানী ছিল যন্ত্রণা আড়ালেই সাফল্য লুকিয়ে থাকে পাঞ্জাবের গোবিন্দপুর গ্রামে হতদরিদ্র এক পরিবারে মিলখার জন্ম। দারিদ্র্য এতটাই যে অন্য কিছু ভাবার অবকাশ কারও ছিল না। কোনওভাবে বেঁচে থাকাটাই ছিল বড় ব্যাপার। তিনি দেখেছিলেন যে দেশভাগের সময় তার বাবা-মা খুন হয়েছেন, দিল্লির শরণার্থী শিবিরে থাকার সময় ছট্টো অপরাধে জড়িয়ে পড়েছিলেন, তাঁকে সেটার জন্য হাজতবাস করতে হয়েছিলো। হাজতবাসের জন্য তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ ইচ্ছা সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়া পূরন হয়নি। কে ভেবে ছিল সেই মিলখাকে নিয়ে তাঁর আত্মজীবনী দ্য ফ্লাইং শিখ লেখা হবে? মিলখা দিনের পর দিন রক্ত ঘাম ঝড়িয়ে এটি অর্জন করেছেন এবং নিজেকে ওই কঠিন পরিস্থিতি থেকে কীভাবে আরও বড় এবং আরও উন্নত করে মাস্টার-ক্লাস নিয়ে যাওয়াজায় সেটাতেই মগ্ন ছিলেন।এই কিংবদন্তি অ্যাথলিট চারবারের এশিয়ান গেমসের স্বর্ণপদক (১৯৫৮ টোকিও, ১৯৬২ জাকার্তা), এবং ১৯৫৮ সালের কমনওয়েলথ গেমস চ্যাম্পিয়ন ছিলেন, মিলখা সিং কে বলতে যে দৌড়ের কথা এক পলকে মনে সেই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সটি ছিল ১৯৬০ এর রোম অলিম্পিকের ৪০০ মিটার ফাইনাল, পদক না জিতলেও তা সারা পৃথবীর মানুষের মন জয় করে নিতে পেরে ছিলেন। তিনি চতুর্থ স্থান অর্জনকারী।মিলখা তাঁর ১৬০ পৃষ্ঠার আত্মজীবনীতে লিখেছিলেন আমার ক্যারিয়ারের জন্য আমি যে পদকটি জিততে চেয়েছিলাম সেটা হাত ফসকে গেছিলো বিচারকদের এক ছোট্টো ভুলের কারণে। তাঁর সে আত্মজীবনী আধারিত বলিউডের সিনেমা ভাগ মিলখা ভাগ চূড়ান্ত সাফল্য লাভ করে।৪০০ মিটার দৌড়ে তাঁর ইতালীর রাজধানীতে করা সময় ৩৮ বছর ধরে জাতীয় রেকর্ড থেকে যায়। ভারত সরকার তাঁকে পদ্মসন্মানে ভূষিত করেন ১৯৫৯এ, তাঁকে পদ্মশ্রী পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।১৯৫৮ র কমনওয়েলথ গেমসে ৪৪০গজ দৌড়ে তাঁর স্বর্ন পদক প্রাপ্তি বিশ্বে অ্যাথলেটিক্স মানচিত্রে ভারতকে এক আলাদা জায়গা করে দেয়। তবে অন্য কোনও কিছুর চেয়ে বড় কথা, মিলখা তিনিই ছিলেন যিনি ১৯৫৮ সালের ব্রিটিশ ও কমনওয়েলথ গেমসের তৎকালীন ৪৪০ গজ দৌড়ে সোনা জয়ের মাধ্যমে বিশ্ব মানচিত্রে ভারতীয় ক্রীড়াবিদকে রেখেছিলেন। এখানে বিশেষ ভাবে উল্লেখ্য, মিলখার কমনওয়েলথ গেমসে ব্যাক্তিগত সাফল্যকে সন্মান ঞ্জাপন করতে তৎকালীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত জওহরলাল নেহেরু জাতীয় ছুটি ঘোষণা করেছিলেন।মিলখা তার দীর্ঘ অ্যাথলেটিক্স ক্যারিয়ারে ৮০ টি প্রতিযোগিতার অংশগ্রহণ করে তাঁর মধ্যে ৭৭ টিতে জয়লাভ করেন। মিলখার জীবন নিয়ে পরবর্তীকালে তৈরি হয় বায়োপিক ভাগ মিলখা ভাগ (Bhaag Milkha Bhaag)। মিলখার ভূমিকায় অভিনয় করেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা ফারহান আখতার। মিলখা সত্যিই দ্রুত গতিতে সব কিছুকে পিছনে ফেলে অস্পুট স্বরে ভাগ মিলখা ভাগ বলতে বলতে চলে গেলেন এক অজানার দেশে।

জুন ১৯, ২০২১
রাজ্য

Mamata Bannerjee: বাধা বৃষ্টি, স্থগিত মুখ্যমন্ত্রীর উত্তরবঙ্গ সফর

বঙ্গে পা রেখেই ঝোড়ো ইনিংস শুরু করেছে বর্ষা (Monsoon)। তার উপর আবার নিম্নচাপ। দুয়ের চাপে রাজ্যজুড়ে চলছে দুর্যোগ। একটানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন বহু এলাকা। চিন্তা বাড়াচ্ছে নদীর জলস্তর বৃদ্ধিও। শনিবার পর্যন্ত এমন আবহাওয়া জারি থাকবে বলেই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। খারাপ আবহাওয়ার কারণে তাই উত্তরবঙ্গ সফর আপাতত স্থগিত করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।আগামী ২১ জুন উত্তরবঙ্গ সফরে যাওয়ার কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee)। তৃতীয়বার বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেওয়ার পর এটাই ছিল তাঁর প্রথম উত্তরবঙ্গ সফর। তাই এবারের উত্তরবঙ্গ সফর বেশ গুরুত্বপূর্ণ ছিল। গত লোকসভার মতো বিধানসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গে বেশ কঠিন লড়াই করতে হয়েছে ঘাসফুল শিবিরকে। হাতছাড়া হয়েছে বহু আসন। তাই মনে করা হচ্ছে কী কারণে ভোটবাক্সের এমন অবস্থা হল, তা খতিয়ে দেখতেই মুখ্যমন্ত্রীর উত্তরবঙ্গ সফর। তাছাড়া উত্তরবঙ্গে প্রায়শই দলীয় কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ-বিক্ষোভের কথা শোনা যায়। তা প্রশমন করাও লক্ষ্য ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এছাড়া দলনেত্রীর উত্তরবঙ্গ সফর স্থানীয় দলীয় কর্মীদের মনোবল যে বেশ খানিকটা বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট, তা নিয়ে নতুন করে কিছুই বলার নেই। এছাড়াও এবারের উত্তরবঙ্গ সফরে পাঁচ জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকদের নিয়ে শিলিগুড়িতে বৈঠকেরও কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। সেক্ষেত্রে আধিকারিকদের নিজস্ব জায়গা ছেড়ে শিলিগুড়িতে আসতে হত। তার ফলে ত্রাণ এবং প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্তদের উদ্ধারকাজ থমকে যেতে পারে, তাই উত্তরবঙ্গ সফর স্থগিতের সিদ্ধান্ত বলেই জানিয়েছেন গৌতম দেব।

জুন ১৮, ২০২১
দেশ

Dhankhar: দিল্লিতে দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক রাজ্যপালের

ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে নবান্ন-রাজভবন দ্বন্দ্বের আবহে দিল্লি উড়ে গিয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি নিয়ে সোমবারই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী-সহ বিজেপি বিধায়কদের একটি প্রতিনিধি দল দেখা করেছিল রাজ্যপালের সঙ্গে। তার পরেই রাজ্যপালের তিন দিনের এই দিল্লি-সফর স্বাভাবিকভাবেই জল্পনা বাড়িয়েছে।দিল্লিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে রাজ্যপাল দেখা করতে পারেন বলে জল্পনা। এমনকী, কানাঘুঁষো শোনা যাচ্ছে, রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গেও দেখা করতে পারেন ধনখড়। যদিও দিল্লিতে রাজ্যপালের কর্মসূচি কী হবে, সে ব্যাপারে রাজভবনের তরফে থেকে এখনও কিছুই জানানো হয়নি। তবে দিল্লির উদ্দেশে উড়ে যাওয়ার আগের ঘটনাক্রমের বিচারে মনে করা হচ্ছে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে যদি রাজ্যপালের বৈঠক হয়, সেখানে বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা-র প্রসঙ্গ উঠে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। দিল্লি গিয়ে বুধবার সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অরুণ কুমার মিশ্রের সঙ্গে দেখা করেছেন ধনখড়। তিনি বর্তমানে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারপার্সন। যদিও টুইটারে এই সাক্ষাৎ-কে সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ হিসেবেই ব্যাখ্যা করেছেন ধনখড়। এ ছাড়াও বুধবার কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি এবং পর্যটন মন্ত্রী প্রহ্লাদ সিং প্যা টেলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন তিনি। টুইটারে জানিয়েছেন, ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন তাঁরা। দেখা করেছেন কেন্দ্রীয় কয়লা, খনি এবং সংসদীয় মন্ত্রকের মন্ত্রীর সঙ্গে। বৃহস্পতিবার কলকাতায় ফিরে আসার আগে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করতে পারেন। প্রসঙ্গত, দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগেই বাংলায় রাজনৈতিক হিংসা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কড়া চিঠি দিয়েছেন রাজ্যপাল। মানবাধিকার লঙ্ঘনের মতো বিষয় নিয়ে সরব হয়ে চিঠিতে ধনখড় লিখেছেন, ভোটের পরে বহু মানুষ হিংসার কবলে পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন। বিরোধীদের প্রচুর সম্পত্তি নষ্ট করা হয়েছে। মানবাধিকার লঙ্ঘনের মতো ঘটনা অব্যাহত। চলছে নারী নির্যাতনও। রাজ্যের এই পরিস্থিতি নিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলেও আপনি নীরব থেকেছেন। এমনকী, মন্ত্রিসভার বৈঠকেও এ নিয়ে কোনও আলোচনা করেননি।

জুন ১৬, ২০২১
কলকাতা

Mukul Roy: পার্থর বাড়িতে মুকুল-শুভ্রাংশু

দীর্ঘদিনের সহকর্মীর মাতৃবিয়োগ। মাঝে বহুদিন বিচ্ছিন্ন থাকার পরও এমন দুর্দিনে ফের বন্ধুর পাশে গিয়ে দাঁড়ালেন মুকুল রায় (Mukul Roy)। মঙ্গলবার দুপুরে তিনি পৌঁছে গেলেন নাকতলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) বাড়িতে। রবিবার দুপুরে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মা শিবানীদেবী প্রয়াত হয়েছেন ৯১ বছর বয়সে। এত বড় একটা শোকের সময় বন্ধুকে সমবেদনা জানানোর জন্য এবার পৌঁছে গেলেন মুকুল রায়। সঙ্গে ছিলেন পুত্র শুভ্রাংশু রায়ও। বাড়িতে প্রবেশ করে যেখানে শিবানীদেবীর ছবি রাখা ছিল, সেখানে মাল্যদান করেন মুকুল। তারপর মন্ত্রীর নিজের ঘরে গিয়ে একান্তে দুজন কথাবার্তা বলেন বলে ঘনিষ্ঠ সূত্রে খবর।পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মায়ের মৃত্যু সংবাদ শুনে একে একে বহু রাজনৈতিক নেতাই তাঁর পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছেন। প্রথমদিন অভিষেক, ফিরহাদদের পাশাপাশি রাজ্যের মন্ত্রীর নাকতলার বাড়িতে ছুটে গিয়েছিলেন একদা সহকর্মী, বর্তমানে বিরোধী শিবিরের নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। নিতান্তই মানবিকতার খাতিরেই তাঁর এই ছুটে যাওয়া বলে দাবি ছিল রাজীবের ঘনিষ্ঠ মহলের। এরপর সোমবার সন্ধেবেলা সকলকে চমকে দিয়ে পার্থবাবুর বাড়িতে পৌঁছে যান শোভন চট্টোপাধ্যায়-বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। একদা অতি ঘনিষ্ঠ শোভন-পার্থর ফের সাক্ষাৎ হল এমন এক পরিস্থিতিতে।আর গত সপ্তাহে সাড়ে তিন বছর পর বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফিরে বঙ্গ রাজনীতির ইতিহাসে নতুন অধ্যায় সূচনা করার পর মঙ্গলবার দুপুরে পার্থবাবুর বাড়ি গেলেন মুকুল রায়। আসলে এই মুহূর্তে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে এত রাজনৈতিক নেতার সমাগম নিতান্তই সমবেদনার জন্য আপাতভাবে তা মনে হলেও এর একটা গভীর তাৎপর্য রয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একটা বড় অংশ।

জুন ১৫, ২০২১
রাজ্য

Sunil-Sisir-Dilip: সুরবদল সুনীলের, শিশিরের অবস্থান নিয়ে সাফাই দিলীপের

দলত্যাগ আইন নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে টানাপড়েন চলছে। তার মধ্যেই এ বার বেসুরো বর্ধমান পূর্বের সাংসদ সুনীল মণ্ডল। বিজেপি এবং দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন তিনি। বিধানসভা নির্বাচনের লড়াইয়ের আগে পদ্মশিবিরে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তৃণমূল থেকে আসা লোকজনকে বিজেপি মানতে পারছে না বলে এ বার অভিযোগ করলেন তিনি। শুধু তাই নয়, প্রস্তাব পেলে তৃণমূলে ফিরে যাওয়া নিয়ে ভাবনা চিন্তা করবেন বলেও জানালেন।এদিকে, বিজেপিতে যোগ দেননি শিশির অধিকারী। তাই কাঁথির সাংসদের সদস্যতা বাতিল হওয়ার সম্ভাবনাও নেই। মঙ্গলবার তৃণমূল সাংসদের উপর দলত্যাগ বিরোধী আইন প্রয়োগের প্রশ্ন উঠলে এই মন্তব্যই করতে শোনা যায় বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে। তাঁর এই সাফাইয়ের পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠে গিয়েছে শিশির অধিকারীর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে। যদিও রাজ্য বিজেপির প্রধান এ দিন বিষয়টি নিয়ে দাবি করেছেন, শিশির অধিকারী, ও দিব্যেন্দু অধিকারী কোনও দলে যোগ দিয়েছেন বলে জানা নেই। আমাদের দলের হয়ে ভাষণ দিয়েছেন, জানা নেই। তাঁরা সমর্থন করেছেন। তাই তাঁদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইন প্রয়োগের সম্ভাবনা নেই। দিলীপবাবুর এই দাবি ঘিরে জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। মুকুল রায়ের দলবদল ঘিরে যখন রাজ্য রাজনীতিতে পারদ চড়ছে, তখনই শিশির অধিকারী সম্পর্কে রাজ্য বিজেপির সভাপতির এই দাবি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এদিকে, তৃণমূলে ফেরা মুকুল রায়কে নিয়ে টানাপড়েনের মধ্যেই সুনীলের সাংসদ পদ খারিজে নতুন করে উদ্যোগী হয়েছে তৃণমূল। তার মধ্যেই মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যমে মুখ খোলেন সুনীল। তাতে বিজেপি-তে গিয়ে ভুল করেছিলেন বলে কার্যত মেনে নেন তিনি। সুনীল বলেন, তৃণমূল থেকে যাঁরা এসেছেন, তাঁদের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারছে না বিজেপি। সহ্য করতে পারছে না। রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত অনেকেরই ভুল হতে পারে। সবাই সবরকম হয় না। কিন্তু, সকলকে আন্তরিকভাবে গ্রহণ করা উচিত। কিন্তু বিজেপি হয়ত মনে করছে এঁদের বিশ্বাস করা ঠিক হবে না। সবমিলিয়ে দলত্যাগ বিরোধী আইন নিয়ে বিজেপির ঠিক কী অবস্থান হতে চলেছে তা সময়ই বলবে।

জুন ১৫, ২০২১
কলকাতা

Dhankhar: আচমকাই আজ দিল্লি যাচ্ছেন রাজ্যপাল

দলবদল নিয়ে সড়গরম রাজ্য-রাজনীতি। সোমবারই একাধিক ইস্যু নিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করেছে শুভেন্দু অধিকারী-সহ বেশ কয়েকজন বিজেপি বিধায়ক (BJP MP)। এই পরিস্থিতিতে আজ দিল্লি যাচ্ছেন জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। Honble Governor West Bengal. Shri Jagdeep Dhankhar will be visiting New Delhi.Governor Dhankhar will leave for Delhi on the late evening of June 15, 2021 and return to Kolkata on June 18, 2021 in the late afternoon. Governor West Bengal Jagdeep Dhankhar (@jdhankhar1) June 15, 2021মঙ্গলবার সকালে একটি টুইট করেছেন রাজ্যপাল। সেখানেই দিল্লি সফরের কথা জানিয়েছেন তিনি। ১৮ তারিখ কলকাতায় ফিরবেন তিনি। ঠিক কী কারণে এই সফর তা নিয়ে টুইটে কোনও মন্তব্য করেননি ধনকড়। ফলে ঠিক কী কারণে তিনি হঠাৎ দিল্লি যাচ্ছেন তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে এই সফর নিয়ে ইতিমধ্যেই কানাঘুষো শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। বর্তমান পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে রাজ্য়পালের দিল্লিযাত্রা যে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, তা বলাই বাহুল্য। হঠাৎই রাজ্যপালের দিল্লি সফরের এই সূচি সামনে এসেছে। এর আগেও একাধিকবার দিল্লি গিয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় এবং প্রত্যেকবারই বাংলা নিয়ে একাধিক অভিযোগ তিনি সেখানে জানিয়ে এসেছেন। বেশির ভাগ সাক্ষাৎই তিনি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গেও দেখা করেছেন। গত কয়েকদিন ধরেই বিজেপির সমস্বরেই রাজ্যপালকে ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে সরব হতে দেখা গিয়েছে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার ও রাজ্যের পুলিশ প্রশাসনকে দোষী ঠাওরেছেন ধনখড়।উল্লেখ্য, রাজ্য-রাজ্যপালের সম্পর্ক কোনওদিনই সুমধুর নয়। একাধিকবার প্রকাশ্যে রাজ্যের নীতির বিরোধিতায় সুর চড়িয়েছেন ধনখড়। তাঁর বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগও তুলেছে তৃণমূল। সোমবার শুভেন্দু অধিকারীর পাশে বসে সাংবাদিক বৈঠক করেন ধনখড়। সেখানে রাজ্যকে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি। সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) খোঁচা দিয়ে তিনি বলেন, ভোট পরবর্তী রাজ্যে একাধিক জায়গায় অশান্তি হয়েছে। সেই জায়গাগুলিতে কেন মুখ্যমন্ত্রী গেলেন না? ভোট পরবর্তী অশান্তি, দুর্নীতির অভিযোগ তুলে রাজ্যপালের খোঁচা, বাংলায় গণতন্ত্র শ্বাস নিতে পারছে না। ওইদিন ফের রাজ্যের পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধেও আঙুল তুলেছেন জগদীপ ধনখড়।

জুন ১৫, ২০২১
স্বাস্থ্য

Healthy Drink: গরমে কেন খাবেন লস্যি? জেনে নিন এই পানীয়ের বিভিন্ন গুণ

যাঁরা দুধ খেতে পারেন না বা যাঁদের দুধ সহ্য হয় না, তাঁদের অনেকেই কিন্তু অনায়াসে লস্যি খেতে পারেন। ফলে শরীরে সঠিক পরিমাণে ক্যালসিয়ামের জোগান হয় এই লস্যি পানের মাধ্যমে। গরমকাল মানেই ঠাণ্ডা কিছু খেতে ইচ্ছে করে সকলের। তেল-ঝাল-মশলা জাতীয় খাবার এড়িয়ে বরং ঠাণ্ডা শরবত, আইসক্রিম, কোলড্রিঙ্কে মনে মজে যায়। তবে গরমকালে শরীর সুস্থ এবং সতেজ রাখতে সবচেয়ে উপকারি লস্যি। মশলা ছাস, দইয়ের ঘোল, দইয়ের শরবত কিংবা ঠাণ্ডা লস্যি সবকটি পানীয়ই প্রায় একইরকম স্বাদে। তবে শুধু স্বাদে নয়, পুষ্টিগুণেও সমৃদ্ধ এইসব পানীয়। পেটও ভরিয়ে রাখে অনেকক্ষণ। বাড়ির বড়রাও দেখা যায় গরমকালে লস্যি জাতীয় পানীয় খেয়ে শরীর ঠাণ্ডা রাখার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।একঝলকে দেখে নেওয়া যাক লস্যির বেশ কিছু গুণ:১। শরীর ঠাণ্ডা রাখতে এই পানীয়ের জুড়ি মেলা ভার। খাবার ভালভাবে হজম করানোর পাশাপাশি অ্যাসিডিটি বা অম্বলের সমস্যাও কমায় এই লস্যি। আসলে এই লস্যির মূল উপকরণ টক দইয়ে থাকে ভাল ব্যাকটেরিয়া ল্যাকটোব্যাসিলি। এই ব্যাকটেরিয়াই সঠিক ভাবে খাবার হজম করাতে সাহায্য করে।২। বলা হয়, খুব গরমে বা যেসব অঞ্চলে লু বয়, সেখানকার লোকজন লস্যি খেলে এই অতিরক্ত দাবদাহের সঙ্গে শরীর লড়াই করতে পারে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি করে লস্যি। এর মধ্যে থাকে ল্যাকটিক অ্যাসিড এবং ভিটামিন ডি, যা আসলে ইমিউনিটি বুস্টার।৩। যাঁরা দুধ খেতে পারেন না বা যাঁদের দুধ সহ্য হয় না, তাঁদের অনেকেই কিন্তু অনায়াসে লস্যি খেতে পারেন। ফলে শরীরে সঠিক পরিমাণে ক্যালসিয়ামের জোগান বজায় থাকে। কোনও ঘাটতি দেখা যায় না। এই সঠিক পরিমাণে ক্যালসিয়াম থাকার দরুণ হাড়ের গঠন সুদৃঢ় হয়।৪। ত্বকের জন্যও লস্যি খুবই উপকারি। এর মধ্যে থাকা ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বকের জেল্লাভাব বাড়ায়। শুধু তাই নয় ত্বকের গঠন উন্নত হয়। অকালে বলিরেখার সমস্যা দেখা দেয় না। স্কিন টেক্সচার ভাল হওয়ার ফলে ত্বক হয় মসৃণ এবং মোলায়েম। সেই সঙ্গে ফিরে আসে ত্বকের স্বাভাবিক জৌলুস।

জুন ১৫, ২০২১
রাজ্য

Weather: নিম্নচাপের জেরে সকাল থেকেই ভিজছে দক্ষিণবঙ্গ

সোমবারের পর মঙ্গলবারও সকাল থেকেই রাজ্যের আকাশের মুখভার। ইতিমধ্যেই দু-এক পশলা বৃষ্টিও হয়েছে জেলায় জেলায়। আগামী তিনদিন এমনই থাকবে রাজ্যের আবহাওয়া। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি বৃষ্টিতে ভিজতে পারে উত্তরবঙ্গেও, জানাল হাওয়া অফিস (Regional Meteorological Centre)।আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, ঝাড়খণ্ড (Jharkhand) থেকে ক্রমশ বিহারের দিকে সরছে নিম্নচাপ। অন্যদিকে রাজস্থান থেকে নিম্নচাপ অক্ষরেখা তৈরি হয়েছে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত। ঝাড়খণ্ডের নিম্নচাপ এলাকার মধ্যে দিয়ে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ হয়ে ওই অক্ষরেখা উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। এর প্রভাবেই আগামী তিন দিন বৃষ্টি চলবে রাজ্য জুড়ে। এছাড়া মৌসুমী বায়ু দেশের অধিকাংশ এলাকা প্রবেশ করেছে। যার জেরে উত্তর-পশ্চিম ভারতের কিছু এলাকা ছাড়া দেশের সব অংশেই আগামী কয়েক দিনে বিক্ষিপ্ত ও ভারি বৃষ্টির (Rain) সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় বিহারে অতি ভারী বৃষ্টির সর্তকতা জারি করা হয়েছে। এর ফলে ওই রাজ্য ও সংলগ্ন রাজ্যের নদীর জলস্তর বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত প্রশাসন।বিহারের (Bihar) পাশাপাশি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই। আগামী তিনদিন বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। বাঁকুড়া পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, নদিয়ায় আগামী ২৪ ঘণ্টায় দু-এক পশলা বৃষ্টির হবে বলেই খবর। বৃষ্টি বাড়তে পারে নদিয়া, মুর্শিদাবাদ-সহ বাংলাদেশ লাগোয়া জেলাগুলিতে। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলেই জানিয়েছে আবহাওয়াবিদরা। করোনা পরিস্থিতিতে কার্যত সকলেই গৃহবন্দি। অত্যন্ত প্রয়োজনে ঘর থেকে যদি বেরতেই হয়, ছাতা নিতে ভুলবেন না।

জুন ১৫, ২০২১
কলকাতা

Firhad Hakim: শালিমার শিপ বিল্ডার্সের হাল ফেরাতে পরিদর্শন ফিরহাদের

হাওড়ার শালিমার শিপবিল্ডার্স অনেক দিন ধরেই লোকসানে চলছে। রাজ্য সরকারের অধীনস্থ ধুঁকতে থাকা এই সংস্থাকে কিভাবে চাঙ্গা করা যায় তা ক্ষতিয়ে দেখতে সোমবার সকালে সংস্থাটি পরিদর্শনে আসেন রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। সংস্থাটির হাল ফেরাতে উন্নত পরিকাঠামো গড়ে তোলার ভাবনাচিন্তা শুরু করা হয়েছে। চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে একজন কর্মরত আইএএস অফিসারকে। শালিমার লাভের মুখ দেখলে লাভ সরকারের। তাই শালিমার শিপবিল্ডারকে বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে রাজ্য সরকার। সেই কারণেই পরিবহন মন্ত্রীর এই সংস্থা পরিদর্শন বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। এদিন শালিমার শিপবিল্ডার্স পরিদর্শন করে সেই সংস্থার পরিকাঠামো সম্পূর্ণ নতুন করে তৈরির কথা জানান। তিনি বলেন, প্রথম কাজ সংস্থার অর্থনৈতিক পুনর্গঠন করা। এর পাশাপাশি সংস্থার যে জায়গাগুলো পড়ে আছে সেই জায়গাগুলোকে ব্যবহার করা। শুধু তাই নয় সরকারের যেসব প্রকল্পের কাজ বাইরে করা হয় সেগুলি এখানে নিয়ে আসা হবে। তিনি জানিয়েছেন, গার্ডেনরিচ শিপ বিল্ডার্স বাইরে থেকে কাজ করিয়ে থাকে। সেখান থেকে তাদের লাভজনক কাজগুলি এখানে টেনে নিয়ে আসা হবে। এছাড়াও সরকার প্রাইভেট সংস্থাকে দিয়ে যে যে কাজগুলি করিয়ে থাকে সেগুলি শালিমার করবে। পাশাপাশি, রিভার ট্রাফিক সার্ভিসের কাজে প্রাইভেট সংস্থাকে না দিয়ে শালিমার কে দিয়ে করানো হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন। এদিন তিনি জানান, বড় নৌকাগুলি অত্যাধুনিকভাবে সাজিয়ে কলকাতার দর্শনীয় স্থানগুলি দর্শন করানো এবং গঙ্গা ভ্রমণের কাজে ব্যবহার করা হবে। এছাড়াও শালিমারে একটা ছোট ড্রাই ডক তৈরি করা হবে। তাঁর দাবি, এখানে যদি ভালো পরিকাঠামো গড়ে তোলা যায় তাহলে আগামী দিনে শালিমার লাভের মুখ দেখবে। এতে সরকারি লাভবান হবে। এই কারণে শালিমার কে নিয়ে গুরুত্ব দিয়ে ভাবা হচ্ছে। এদিন তিনি আরও বলেন, প্রায় ৪০ বছরের পুরোনো শালিমার শিপবিল্ডার্স সম্পর্কে অনেক কথা শুনেছি। এসে দেখি এটার বিশাল পরিকাঠামো। রাজ্য সরকারের পরিকাঠামোও বড়। কিন্তু কোন কারণে কোম্পানিটা ধুঁকছে। তিনি সেক্রেটারি সঙ্গে কথা বলে এক আইএএস অফিসার কে এই কোম্পানির দায়িত্ব দেওয়া হলো বলে জানান। আগে যারা দায়িত্বে ছিলেন তারা এতটা দক্ষ ছিলেন না। তিনি আরও জানিয়েছেন, শালিমার শিপবিল্ডার্স এ কিছু সমস্যা আছে। এই শিপবিল্ডার্সের অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে করা হবে। যেমন জাহাজ সারানো, নতুন জাহাজ আনার মতো রাজ্য সরকারের কাজ শালিমারে করা হবে। এতদিন এই সমস্ত কাজ বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থাকে দিয়ে করানো হতো। এই কাজ করানো হলে শালিমার শিপবিল্ডার্স চলবে। ২০০৪ সালে কিছু অর্ডার নিয়েছিল এই সংস্থা। সেটা দিতে পারছে না। ফলে প্রায় ১৫ কোটি টাকা লোকসান হয়েছে। এই লোকসান থেকে লাভের পথে নিয়ে আসার জন্য পরিকাঠামো নতুন করে ঢেলে সাজানো হবে। অনেক জাহাজ অর্ধেক হয়ে পড়ে আছে এগুলি সম্পন্ন করা হবে। তাঁর আশা সরকার এই সংস্থাকে ভালোভাবে চালাতে পারবে। তিনি আশা করছেন, ভবিষ্যতে সংস্থাটি লাভবান হবে।

জুন ১৪, ২০২১
রাজনীতি

Abjishek Bannerjee: সুখেন্দুশেখরের বাড়িতে এবার 'গুরুপ্রণাম' অভিষেকের

নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন সপ্তাহখানেক হল। তবে গুরুপ্রণাম এখনও শেষ হয়নি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee)। রবিবার তিনি গেলেন রাজনৈতিক জীবনের আরেক গুরু, দলের বর্ষীয়ান নেতা তথা রাজ্যসভার সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়ের (Sukhendu Sekhar Roy)বাড়ি। সন্ধেবেলা সাংসদের যোধপুর পার্কের বাড়িতে যান দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের সদ্য দায়িত্ব পাওয়া অভিষেক। তাঁকে ফুলের তোড়া দিয়ে স্বাগত জানান সুখেন্দুশেখর। বাড়ির ভিতরে ডেকে নেন। প্রণাম-আশীর্বাদের পর্ব মিটিয়ে উভয়ের মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ কথাবার্তা হয় বলে ঘনিষ্ঠ সূত্রে খবর। নতুন দায়িত্ব সামলানোর জন্য অভিজ্ঞ এই রাজনৈতিক নেতার কাছ থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ চেয়েছেন যুব নেতা।দলের নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই অভিষেক সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, রাজনীতির আঙিনায় গুরুজনদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রণাম করে আশীর্বাদ নেবেন। সেইমতো গত রবিবার থেকেই তিনি এই কাজ শুরু করেছিলেন। প্রথম দিন গিয়েছিলেন তৃণমূল (TMC) রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি এবং পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে। নতুন দায়িত্ব এখন তাঁর কাঁধে, এই নয়া অভিষেককে দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছিলেন বক্সিদা। তাঁকে জড়িয়ে ধরে বলেছিলেন, তোকে সব উজাড় করে দেব। মমতার আশীর্বাদ তোর সঙ্গে আছে। ও কত কষ্ট করেছে, কত সংগ্রাম করেছে। যুব নেতাকে দেখে তাঁর মনে পড়ে যাচ্ছিল তৎকালীন যুব নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা (Mamata Banerjee)। তাই চোখের জলে ভেসে গিয়েছিলেন তিনি। অভিষেকই তাঁকে জড়িয়ে ধরে শান্ত করেন।এরপর অভিষেক একে একে পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সৌগত রায়, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি গিয়ে গুরুপ্রণাম সেরেছেন। সকলেই অভিষেককে নতুন ভূমিকায় দেখতে উদগ্রীব। তাঁর রাজনৈতিক কেরিয়ারে এমন এক সাফল্যের জন্য আশীর্বাদ করেছেন প্রাণভরে। কথা দিয়েছেন, নিজেদের অভিজ্ঞতা, সুপরামর্শ দিয়ে দায়িত্ব পালনে সাহায্য করবেন। সুখেন্দুশেখরও ব্যতিক্রম নন। তিনিও প্রাণভরে আশীর্বাদ করলেন দলের যুব নেতাকে।

জুন ১৩, ২০২১
রাজনীতি

Left Alliance: বামফ্রন্টেই থাকছে ফরওয়ার্ড ব্লক

আলিমুদ্দিনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহে ইতি ফরওয়ার্ড ব্লকের (Forward Bloc)। বামফ্রন্ট ভেঙে বেড়িয়ে আসার রাস্তায় হাঁটল না শরিক নেতারা। মান বাঁচাতে এবার তাঁরা টার্গেট করল কংগ্রেস ও ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টকে (ISF)। এই দুই জোট শরিকের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার দাবি জানাল ফরওয়ার্ড ব্লকের রাজ্য নেতারা। মঙ্গলবার বামফ্রন্টের বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হবে বলে শরিকের দাবির কাছে পাল্টা কৌশলী চাল চেলেছে সিপিএম।ভোটের ফল বেরোনোর পর থেকেই বিভিন্ন ইস্যুতে দূরত্ব বাড়ছিল বামফ্রন্টের দুই শরিকের মধ্যে। কংগ্রেস (Congress) ও ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের সঙ্গে জোট বা আসনরফার সময় তাঁদের যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। পাননি যোগ্য সম্মান। সম্পূর্ণ অন্ধকারে রেখে আসনরফা করা হয়। ফলে বঞ্চিত হয় শরিকরা। অভিযোগের সব আঙুলই ছিল সিপিএমের (CPIM) দিকে। এইভাবে চললে বামফ্রন্ট থাকার প্রয়োজন নেই। আপাতত বামফ্রন্ট ভেঙে দেওয়ার দাবি করে ফরওয়ার্ড ব্লক নেতৃত্ব। এক পা এগিয়ে ফ্রন্ট চেয়ারম্যানের কাছ থেকে লিখিত অভিযোগ করে তাঁরা। বামফ্রন্ট থাকার প্রয়োজনীয়তা ও ভবিষ্যতে চলার পথ কী হবে সেই ব্যাখ্যা দাবি করা হয়। শরিকের এহেন মনোভাবে রুষ্ট হয় আলিমুদ্দিন। মাঝে দু-দুবার বৈঠক ডেকেও বাতিল করেন বিমান বসু। তবে শরিকের দাবি মেনে লিখিত দেন। সেখানে আগামীদিনে বামফ্রন্টের লক্ষ্য কী সেই উল্লেখ থাকলেও জোট বা আসনরফা নিয়ে একটি শব্দও খরচ করেননি। দ্বন্দ্ব মেটাতে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসার প্রস্তাব দেয় আলিমুদ্দিন। প্রস্তাব মেনে শনিবার আলিমুদ্দিন যান দলের রাজ্য সম্পাদক নরেন চট্টোপাধ্যায়। দুপক্ষের মধ্যে দীর্ঘক্ষণ আলোচনার পর বিপ্লবে ইতি টানে নেতাজির দল। মঙ্গলবার বামফ্রন্টের (Left Front) বৈঠকে যোগ দেবেন বলে জানান তিনি। বামফ্রন্ট একাই চলবে বলে দাবি করেন তিনি। বিমান বসুর আশ্বাসে আপাতত বামফ্রন্টেই থাকছেন বলে জানানো হয়।

জুন ১২, ২০২১
কলকাতা

Rajiv Bannerjee: কুণাল ঘোষের বাড়িতে দেড় ঘণ্টার 'সৌজন্য' সাক্ষাৎ

মুকুল রায়, শুভ্রাংশু রায়ের পর একে একে ঘরের পথে পা বাড়াচ্ছেন আরও অনেকেই। এবার তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক তথা মুখপাত্র কুণাল ঘোষের (Kunal Ghosh) বাড়িতে গেলেন প্রাক্তন মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় (Rajib Banerjee)। সূত্রের খবর, বিকেলে কুণাল ঘোষের বাডিতে হাজির হন রাজীব। উভয়ের মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ কথাবার্তা চলে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত, তৃণমূলে ফিরতে চেয়েই কুণাল ঘোষের সঙ্গে প্রাথমিকভাবে সখ্য বাড়াতে চাইছেন রাজীব। তবে এবার রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘরে ফেরার পালা? কুণালের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাতের খবরে এই জল্পনা উসকেছে অনেকটাই।সন্ধেবেলা সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অবশ্য কুণাল ঘোষ নিজে এই সাক্ষাৎপর্বকে সৌজন্য বলেই জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, রাজীবের এক আত্মীয় অসুস্থ। তিনি তাঁকে দেখতে এসেছিলেন। আমাকে ফোন করে জানতে চাইলেন, আমি বাড়ি আছি কিনা। আমি বাড়ি ছিলাম, তাই তিনি এসেছেন। রাজনীতির কোনও আলোচনা হয়নি। রাজীবেরও প্রায় একই বক্তব্য। বললেন, কুণালদার সঙ্গে অনেকদিনের বন্ধুত্বের সম্পর্ক। আমি এখানে এসেছিলাম, তাই দেখা করেছি। এর মধ্যে অন্য কোনও প্রশ্ন ওঠার অবকাশ নেই।বিধানসভা ভোটের আগে নিজের একাধিক ক্ষোভ নিয়ে কয়েক দফায় তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্বের আলাপ-আলোচনার দলে থাকতে রাজি হননি রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির পথে পা বাড়িয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে বিধানসভা থেকে বেরনোর সময় তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিশাল ছবি সঙ্গে করে নিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। বলেছিলেন, নেত্রী সবসময় শ্রদ্ধার। তাঁর আশীর্বাদ সঙ্গে রাখলাম। এরপর চার্টার্ড ফ্লাইটে দিল্লি উড়ে গিয়ে অমিত শাহর হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দেন রাজ্যের প্রাক্তন বনমন্ত্রী। নিজের এলাকা ডোমজুড় থেকে বিজেপির প্রার্থীও হন। কিন্তু ভোটযুদ্ধে সফল হতে পারেননি। হেরে গিয়েছেন নিজের এলাকায়। তারও আগে অবশ্য রাজীবের এই দলবদলের সিদ্ধান্ত মানতে না পেরে এলাকাবাসীই তাঁর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন। ডোমজুড়- সহ একাধিক এলাকায় তাঁর বিরুদ্ধে পোস্টার দেখা গিয়েছিল। তারপর ভোটে হারের পর থেকেই তৃণমূলে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করছিলেন সোশ্যাল মিডিয়ার নানা পোস্টে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে এবার কী তাহলে রাজীবের ঘরে ফেরার পালা?

জুন ১২, ২০২১
রাজ্য

Lightning: বজ্রপাত বৃদ্ধি, বর্ধমানের জামালপুরে কারণ অনুসন্ধানে ব্যস্ত বিশেষজ্ঞরা

রাজ্যের অন্যান্য জেলার পাশাশাপি পূর্ব বর্ধমান জেলাতেও সাম্প্রতিক সময়ে অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে বজ্রপাতে মৃতের সংখ্যা।সোমবার একদিনে রাজ্যে বজ্রপাতে প্রাণ হারিয়েছেন ২৭ জন।এই ঘটনার ঠিক ৩ দিন আগে অর্থাৎ গত শনিবার বজ্রপাতে পূর্ব বর্ধমানের জমালপুর ব্লকের ৪ জন বাসিন্দা মারা যান বজ্রপাতে। জখম হন একজন। এর পরেরদিন ফের বজ্রপাতে জামালপুরের এক নাবালিকা ও কালনা মহকুমার এক বাসিন্দা বজ্রপাতে মারা যান।প্রশাসনের রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০১২ সাল থেকে ২০২১ সালের বর্তমান সময় পর্যন্ত বজ্রপাতে জামালপুরে ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এইভাবে জামালপুরে বজ্রপাত বৃদ্ধির কি কারণ তা এখন খুঁজে পেতে চাইছে জেলা প্রশাসন। একই সঙ্গে জেলা শাসকের নির্দেশে বজ্রপাত সংক্রান্ত বিষয়ে জামালপুরের জনসাধারণকে সচেতন করার প্রচার কর্মসূচিও নেওয়া হয়েছে । বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন, বজ্রপাত বেড়ে যাওয়ার কারণ জলবায়ু ও আবহাওয়াজনিত নেতিবাচক পরিবর্তন। এছাড়াও দূষণের জেরে ভাসমান ধূলিকণা বেড়ে যাওয়ার প্রভাবেও বজ্রপাতের ঘটনা উত্তরোত্তর বাড়ছে। মূলত, দূষণের মাত্রাতিরিক্ত উপস্থিতিই নির্দিষ্ট জায়গায় ক্রমবর্ধমান বাজপড়াকে নিয়ন্ত্রণ করছে বলেই মত গবেষকদের। একই সঙ্গে তাঁরা মনে করছেন, উষ্ণায়ন ও যথেচ্ছভাবে সবুজ ধ্বংসও বজ্রপাত বৃদ্ধির অন্যতম একটা কারণ । বিশেষজ্ঞদে মতে, দিবাভাগে সৌরতাপ বৃদ্ধির কারণে সীমানা স্তর অত্যধিক উত্তপ্ত হয়ে ওঠে । তার ফলে বায়ুমণ্ডলে তৈরি হওয়া অস্থিরতা থেকেই বজ্রপাতের সৃষ্টি হয়। গবেষকরা আরও বলছেন, তাপমাত্রা ১ ডিগ্রি বাড়লে বজ্রপাতের সম্ভাবনা ৫০ ভাগ বেড়ে যায়। এর প্রধান কারণ, বড় বড় গাছ কেটে ফেলা। বড়বড় গাছপালা বজ্রনিরোধক হিসেবেও কাজ করে। আর বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হওয়ার পরেও খোলা স্থানে মানুষের কাজ করা এবং বজ্রপাতের বিষয়ে অসচেতনতাও বজ্রপাতে প্রাণহানি বৃদ্ধির অন্যতম কারণ বলে মত বিশেষজ্ঞদের। জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা জানিয়েছেন, বজ্রপাত নিয়ে জামালপুরে সচেতনতার প্রচার শুরু করার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি সেখানকার বজ্রপাত সংক্রান্ত বিষয়ে তথ্য-সংগ্রহের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। সেই তথ্য সংশ্লিষ্ট বিভাগকে পাঠিয়ে বিশেষজ্ঞের মতামত চাওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। রাজ্য সরকারের পরিবেশ দূষণ ও বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যের ১৬টি জায়গায় লাইটনিং ডিটেক্টরের মাধ্যমে আগাম বাজ পড়ার সঙ্কেত পাওয়া যায়। জেলাপ্রশাসনের কাছ থেকে তথ্য-সম্বলিত রিপোর্ট মেলার পর জামালপুরে ওই প্রযুক্তি লাগানো যায় কি না তা দেখা হবে। জামালপুর ব্লকের বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের আধিকারিক ফাল্গুণী মুখোপাধ্যায় বলেন, বজ্রপাত হওয়া এলাকাগুলির তথ্য সংগ্রহ কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে।

জুন ০৯, ২০২১
দেশ

অমিত শাহর বাড়িতে জরুরি বৈঠক সারলেন শুভেন্দু

দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) সঙ্গে বৈঠক করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মঙ্গলবার বিকেলে বিজেপির (BJP) জাতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার (JP Nadda) সঙ্গেও বৈঠক করার কথা শুভেন্দুর। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গেও বুধবার তিনি বৈঠক করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। এদিনের বৈঠকে রাজ্য সরকারের নামে নালিশ করেছেন শুভেন্দু। বৈঠক শেষে বেরিয়ে সাংবাদিকদের নিজেই একথা জানিয়েছেন বিজেপি নেতা। সেই সঙ্গে তিনি আরও অভিযোগ জানিয়েছেন, সংবিধান মেনে চলছে না রাজ্য প্রশাসন। Shri @SuvenduWB ji called on Union Home Minister Shri @AmitShah ji. pic.twitter.com/tk0oYGsTbx Office of Amit Shah (@AmitShahOffice) June 8, 2021অমিত শাহর অফিসের টুইটার অ্যাকাউন্টের পক্ষ থেকে শুভেন্দু ও অমিতের সাক্ষাতের একটি ছবি শেয়ার করা হয়েছে। শুভেন্দুও নিজের টুইটার থেকে ছবিটি শেয়ার করেছেন। সেই সঙ্গে জানিয়েছেন, নানা বিষয়েই কথা হয়েছে বৈঠকে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন, তিনি বাংলার জন্য সব সময় যেভাবে এগিয়ে এসেছেন, ভবিষ্যতেই আসবেন। মঙ্গলবার বিকেলে নাড্ডার সঙ্গে শুভেন্দুর বৈঠক হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। মনে করা হচ্ছে, বাংলায় বিজেপির রণকৌশল কী হবে এবং রাজ্য বিধানসভায় কোন কোন ইস্যু নিয়ে নিশানা করতে হবে সেই সমস্ত বিষয়ে প্রাথমিক রূপরেখা নিয়ে শুভেন্দুর সঙ্গে কথা হওয়ার সম্ভাবনা কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের।সোমবারই শুভেন্দু অধিকারীকে দিল্লিতে তলব করে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। তার আগে রবিবার দলের কেন্দ্রীয় উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে বাংলার নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে আলোচনা হয়। সেখানেই সিদ্ধান্ত হয় শুভেন্দুকে দিল্লিতে ডাকার বিষয়ে। লক্ষণীয়, শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে একমাত্র শুভেন্দুকেই দিল্লিতে তলব করা হয়েছে। যা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

জুন ০৮, ২০২১
বিদেশ

কুকুর-বিড়ালের জন্যও করোনা প্রতিষেধক

মানুষ তো করোনা (COVID 19) আক্রান্ত হচ্ছেই, কুকুর, বিড়াল, সিংহ, বাঘ কেউ বাকি নেই। করোনা করাল থাবা বসাচ্ছে প্রত্যেকের শরীরে। এমতাবস্থায় প্রাণীদেরও করোনা টিকা দেওয়া শুরু করেছে রাশিয়া। মার্চ মাসে রাশিয়াই প্রথম প্রাণীদের জন্য করোনা টিকা নিয়ে এসেছিল। ইতিমধ্যেই সে দেশের একাধিক অঞ্চলে শুরু হয়েছে প্রাণীদের করোনা টিকাকরণ।রাশিয়ার প্রাণীদের করোনা প্রতিষেধক কার্নিভ্যাক-কোভ বিশ্ব বাজারেও জায়গা করে নিয়েছে। ইতিমধ্যেই কার্নিভ্যাক-কোভ কেনার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, আর্জেন্টিনা, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান। বিশেষজ্ঞরা বারবার বলেছেন পশুদের শরীরে করোনা ছড়ায় মানুষের কাছ থেকেই। পশুদের কাছ থেকে মানুষের দেহে মারণ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার প্রত্যক্ষ কোনও প্রমাণ মেলেনি।তবে পশুরাও যাতে করোনা আক্রান্ত না হয়, তা নিশ্চিত করতেই রাশিয়ায় শুরু হয়েছে করোনা টিকাকরণ। কুকুর, বিড়াল, মিঙ্ককে দেওয়া হচ্ছে এই টিকা। রাশিয়ার প্রাণীসংরক্ষণ সংস্থা জানিয়েছে, প্রত্যেকে নিজেদের পোষ্যকে করোনা টিকা দিতে চাইছেন। উল্লেখ্য, রাশিয়া ছাড়াও পশুদের জন্য করোনা টিকা তৈরি করছে মার্কিন ভেটিনারি ফার্মাসিউটিক্যাল সংস্থা জোটিসও।

জুন ০৮, ২০২১
দেশ

রুদ্ধদ্বার বৈঠক: শাহের বাসভবনে শুভেন্দু

রাতারাতি দিল্লিতে তলব করা হয়েছে তাঁকে। আজ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর (Amit Shah) বাড়িতে যাবেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সূত্রের খবর, বেলা সাড়ে ১১টায় অমিত শাহর বাড়িতে যাবেন তিনি। সেখানেই হবে জরুরি বৈঠক। অমিত শাহর বাড়িতে আসার কথা রয়েছে বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডারও (J P Nadda)। সূত্রের খবর, বুধবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারেন শুভেন্দু অধিকারী।দুদিনের দিল্লি সফরে এসেছেন বিজেপির বিরোধী দলনেতা। মঙ্গল ও বুধবার থাকবেন দিল্লিতেই। সোমবার বিকালে আচমকাই দিল্লি থেকে ডাক আসে। তারপর রাতেই জরুরি ভিত্তিতে দিল্লির বিমান ধরেন শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু ঠিক কী কারণে এই ডাক, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে একটি সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, ভোট পরবর্তী হিংসা পরিস্থিতে রাষ্ট্রপতিকে চিঠি দেওয়ার সময় হাজির থাকার জন্য এই তলব।আরও পড়ুন:: টিকাকরণ: সব নাগরিককে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেবে কেন্দ্রবিশ্লেষকরা বলছেন, বঙ্গে এখন বিজেপির কার্যত প্রধান মুখ হয়ে উঠছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। ভোট পরবর্তী হিংসা, রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি একাধিকবার সরব হয়েছেন। রাজ্যপালের সঙ্গেও করেছেন জরুরি বৈঠক। রাজ্যের একাধিক ইস্যু আর তার প্রেক্ষিতে দলের অবস্থান স্পষ্ট করার ক্ষেত্রে এখন তাঁর মুখই প্রধান হয়ে উঠছে গেরুয়া শিবিরে। সূত্র বলছে, তাতে অবশ্য অস্বস্তিতে দলের একটি অংশও।যদিও এসবের মধ্যে আরও একটি ইস্যু মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। ত্রিপল চুরির ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ উঠছে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে। দল অবশ্য বলছে, এটা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা। কিন্তু গত কয়েকদিনে এই অস্বস্তি আরও বাড়িয়েছে দুটি ফৌজদারি মামলা আর তার প্রেক্ষিতে উঠে আসা দুটি নাম- রাখাল বেরা ও চঞ্চল নন্দী। দুজনেই শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ বলে পুলিশ দাবি করছে। এই পরিস্থিতিতে শুভেন্দুকে রাতারাতি তলবের পিছনে অন্য কোনও কারণও লুকিয়ে থাকতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

জুন ০৮, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 72
  • 73
  • 74
  • 75
  • 76
  • 77
  • 78
  • ...
  • 97
  • 98
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ওসিদের হুঁশিয়ারি! গাফিলতি হলেই বড় শাস্তি, কড়া নির্বাচন কমিশন

ভোটের আগে নিরাপত্তা নিয়ে কোনও রকম ঝুঁকি নিতে নারাজ নির্বাচন কমিশন। আগেই কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছিল, ভোটের দিনে অস্ত্র, বোমা বা গুলি যাতে কোথাও মজুত না থাকে, সে দিকে কড়া নজরদারি চালাতে হবে। তবুও কোথাও অস্ত্র বা বিস্ফোরক উদ্ধার হলে দ্রুত তা নিষ্ক্রিয় করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, প্রাথমিকভাবে থানার আধিকারিকেরা এই নির্দেশ মেনে কাজ শুরু করেছেন।নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, তারা শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন ভোট চায়। কোথাও অশান্তির ঘটনা ঘটলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে হবে। কোনও রকম দেরি হলে তা মেনে নেওয়া হবে না বলেও সতর্ক করা হয়েছে। প্রথম দফার ভোটের আগে থানার ওসিদের কড়া বার্তা দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। অতীতে যাঁদের বিরুদ্ধে ভোটে অশান্তির অভিযোগ রয়েছে, তাঁদের এখনও কেন গ্রেফতার করা হয়নি, সেই প্রশ্নও তোলা হয়েছে কমিশনের তরফে।শনিবার সকালে এই নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চলা এই বৈঠকে জেলার পুলিশ সুপার, কমিশনারেটের আধিকারিক এবং থানার দায়িত্বপ্রাপ্তদের সঙ্গে ভার্চুয়াল মাধ্যমে আলোচনা হয়। সেখানেই দায়িত্বে গাফিলতি হলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এই কড়া অবস্থানের ফলে ভোটের আগে প্রশাসনিক চাপ আরও বেড়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় ফাঁস! বাংলায় একের পর এক স্কুল বন্ধ, সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

ভোটের আগে বাংলায় অন্যতম বড় ইস্যু হয়ে উঠেছে শিক্ষা ব্যবস্থা। শাসক থেকে বিরোধীসব রাজনৈতিক শিবিরই এখন প্রচারে ব্যস্ত, কিন্তু গত বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে যে সমস্যা বারবার সামনে এসেছে, তা হল স্কুলের বেহাল অবস্থা। দুর্নীতির অভিযোগের পাশাপাশি একের পর এক স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে। মূলত দুর্বল পরিকাঠামো এবং শিক্ষকের অভাবএই দুই কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। আট হাজারেরও বেশি স্কুল কেন বন্ধ হয়ে গেল, সেই প্রশ্ন বারবার তুলছে বিরোধীরা।কলকাতায় কিছু স্কুলে শিক্ষক থাকলেও জেলাগুলির অবস্থা অনেক খারাপ। সরকারি স্কুলে সাধারণত প্রান্তিক পরিবারের শিশুরাই পড়াশোনা করে। সেখানে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প থাকলেও বাস্তবে বহু স্কুলে পড়াশোনা কার্যত থমকে গেছে। পরিসংখ্যান বলছে, জেলার তুলনায় কলকাতায় প্রায় আড়াই গুণ বেশি শিক্ষক রয়েছেন, অথচ ছাত্রসংখ্যা সেখানে অনেক কম। শিক্ষক বদলির উদ্যোগের ফলে জেলার অনেক শিক্ষক শহরে চলে আসায় এই সমস্যা আরও বেড়েছে। ফলে জেলায় শিক্ষক কমে যাওয়ায় পড়ুয়াও কমেছে, আর ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে গিয়েছে অনেক স্কুল।সরকারি স্তরে জেলায় শিক্ষক পাঠানোর কথা বলা হলেও তা কার্যকর হয়নি বলেই অভিযোগ। শিক্ষানীতিতে গ্রামে গিয়ে পড়ানোর বাধ্যবাধকতার কথা থাকলেও তা বাস্তবে মানা হয়নি। বদলি ব্যবস্থার সুযোগে অধিকাংশ শিক্ষক শহরমুখী হয়েছেন বলেই অভিযোগ উঠছে।পরিসংখ্যান আরও বলছে, স্কুলের সংখ্যার নিরিখে পশ্চিমবঙ্গ অনেক পিছিয়ে। রাজস্থানে স্কুলের সংখ্যা বেশি, উত্তর প্রদেশে আরও বেশি। তবুও সেখানে শিক্ষক সংখ্যা তুলনামূলক বেশি। রাজস্থানে একটি স্কুলে গড়ে ছয় জনের বেশি শিক্ষক থাকলেও বাংলায় সেই সংখ্যা পাঁচ জনেরও কম। ফলে শিক্ষক সঙ্কট আরও প্রকট হয়ে উঠছে।এই পরিস্থিতির প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন এলাকায়। দমদমের একটি প্রাথমিক স্কুলে আর ক্লাস হয় না, ঘণ্টাও বাজে না। শিক্ষকের অভাবে বহু স্কুল কার্যত বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে। কোথাও কোথাও সেই স্কুলঘর এখন অন্য কাজে ব্যবহার হচ্ছে। শুধু দমদম নয়, জেলার বিভিন্ন জায়গায় একই ছবি দেখা যাচ্ছে।এই শিক্ষক সঙ্কট ভোটে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। শিক্ষামন্ত্রী নিজেও এই সমস্যার কথা স্বীকার করেছেন এবং সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন। অন্যদিকে বিরোধীরা এই ইস্যুকে সামনে রেখে প্রচার জোরদার করেছে। শিক্ষাক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের একাংশের মতে, এক জন শিক্ষক দিয়ে যদি শতাধিক ছাত্রকে পড়াতে হয়, তাহলে শিক্ষা ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ অন্ধকারের দিকেই এগোবে।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
কলকাতা

সোনা পাপ্পু যোগে নতুন রহস্য! বেহালায় ব্যবসায়ীর বাড়িতে ইডির হানা

ভোটের আগে রবিবার সকাল থেকেই কলকাতার একাধিক জায়গায় ইডির তল্লাশি ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি এবং বর্তমানে কলকাতা পুলিশের আধিকারিক শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের দুটি ঠিকানায় হানা দেয় কেন্দ্রীয় সংস্থা। একই সঙ্গে বেহালায় এক ব্যবসায়ীর বাড়িতেও অভিযান চালানো হয়। জানা গিয়েছে, সান গ্রুপ-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর জয় কামদারের বাড়িতেও পৌঁছয় ইডি। আর্থিক প্রতারণা সংক্রান্ত মামলায় এই তল্লাশি চলছে বলে সূত্রের খবর।রবিবার ভোরেই মোট পাঁচটি গাড়িতে করে ইডির আধিকারিকরা পৌঁছন। তার মধ্যে তিনটি গাড়িতে ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান। সকাল ছটা নাগাদ তারা সংশ্লিষ্ট বাড়িতে ঢুকে তল্লাশি শুরু করেন। কয়েকদিন আগেই এই বাড়ি থেকে প্রায় এক কোটি কুড়ি লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছিল ইডি। এরপর জয় কামদারকে দুবার তলব করা হলেও তিনি হাজিরা দেননি বলে জানা গিয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, যেদিন এই টাকা উদ্ধার হয়েছিল, সেদিনই সোনা পাপ্পুর বাড়ি থেকেও অস্ত্র উদ্ধার হয়েছিল বলে তদন্তকারী সূত্রে দাবি।এর আগেও ভোটের মুখে তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস কুমারের বাড়িতে আয়কর দফতরের তল্লাশি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। একাধিকবার তাঁর বাড়ি, দলীয় কার্যালয় এবং নির্বাচনী অফিসে অভিযান চালানো হয়। শুধু তাই নয়, ভবানীপুরে মুখ্যমন্ত্রীর মনোনয়নপত্রের প্রস্তাবক মিরাজ শাহের বাড়িতেও হানা দেয় আয়কর দফতর। এই সব ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের তরফে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছিল এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পদক্ষেপ বলে অভিযোগ তোলা হয়।এই পরিস্থিতিতে আবারও একযোগে ইডির তল্লাশি ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তদন্ত কতদূর এগোয় এবং এই অভিযান থেকে নতুন কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই নজর রাখছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
কলকাতা

সকাল সকাল ইডির চমক! কালীঘাটের প্রাক্তন ওসির বাড়িতে রবিবার সকালেই ইডির হানা

ভোটের মুখে আবারও সক্রিয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। রবিবার সকালেই কলকাতায় ইডির হানায় চাঞ্চল্য ছড়াল। এবার ইডির নজরে কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি তথা বর্তমানে কলকাতা পুলিশের ডিসি পদে থাকা শান্তনু সিনহা বিশ্বাস। সকালে গোলপার্কে তাঁর বাড়িতে পৌঁছে যায় ইডির একটি দল। সূত্রের খবর, তাঁর বাড়ির পাশেই থাকা একটি সরকারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রেও তল্লাশি চালানো হয়। তবে সেখানে সকাল থেকে তালা থাকায় তা খুলে তদন্ত শুরু করতে কিছুটা সময় লাগে।ঠিক কোন মামলায় এই তল্লাশি চলছে, তা এখনও স্পষ্ট করে জানানো হয়নি। তবে এর আগেও কয়লা পাচার মামলায় শান্তনু সিনহা বিশ্বাসকে তলব করেছিল ইডি। সেই তলবের বিরুদ্ধে তিনি হাইকোর্টের দ্বারস্থও হয়েছিলেন। এছাড়াও মেডিক্যাল এনআরআই কোটায় ভর্তির দুর্নীতির অভিযোগেও তাঁকে ডাকা হয়েছিল। এবার সরাসরি তাঁর বাড়িতে হানা দেওয়ায় নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এর মধ্যেই সাম্প্রতিক আরেকটি ঘটনার কথা উঠে আসছে। রাসবিহারীতে তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস কুমারের বাড়িতে আয়কর দফতরের তল্লাশি ঘিরে ইতিমধ্যেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল রাজ্য রাজনীতি। তাঁর বাড়ির পাশাপাশি দলীয় কার্যালয় ও নির্বাচনী অফিসেও তল্লাশি চালানো হয়। দীর্ঘ সময় ধরে চলা সেই অভিযানে প্রবল উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল এলাকায়। দেবাশিসের সমর্থকেরা বিক্ষোভ দেখান এবং অভিযোগ তোলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই এই অভিযান চলছে। তৃণমূলের তরফেও ক্ষোভ প্রকাশ করা হয় এবং নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিত অভিযোগ জানানো হয়।এই পরিস্থিতিতে আবারও ইডির হানায় ভোটের আগে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়বে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তদন্ত কতদূর গড়ায় এবং নতুন কী তথ্য সামনে আসে, এখন সেদিকেই নজর সবার।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
বিদেশ

যুদ্ধবিরতির মাঝেই বিস্ফোরণ! ট্রাম্পকে ‘মিথ্যেবাদী’ বলল ইরান, বাড়ল উত্তেজনা

ইরান ও আমেরিকার মধ্যে আপাতত দুই সপ্তাহের সংঘর্ষবিরতি চলছে। তারই মধ্যে এক সপ্তাহ কেটে গেলেও দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমার কোনও লক্ষণ নেই। বরং পাল্টা আক্রমণ এবং কড়া বক্তব্যে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।এই পরিস্থিতিতে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করল ইরান। ইরানের সংসদের স্পিকার মহম্মদ বাঘের ঘালিবাফ দাবি করেছেন, ট্রাম্প অল্প সময়ের মধ্যেই একাধিক মিথ্যা দাবি করেছেন। যদিও ঠিক কোন দাবিগুলি নিয়ে তিনি কথা বলেছেন, তা স্পষ্ট করেননি।শুক্রবার ট্রাম্পের বক্তব্যের সময়ই সামাজিক মাধ্যমে এই মন্তব্য করেন ঘালিবাফ। তিনি স্পষ্ট করে জানান, আমেরিকার অবরোধ চালু থাকলে হরমুজ প্রণালী খোলা রাখা হবে না। এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে জাহাজ চলাচল ইরানের নিয়ম মেনে এবং তাদের অনুমতি নিয়েই করতে হবে।এর পরেই ফের হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয় ইরান। তাদের দাবি, আমেরিকা প্রতিশ্রুতি ভেঙেছে এবং এখনও ইরানের বন্দরগামী জাহাজগুলির উপর অবরোধ চালিয়ে যাচ্ছে। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।ইরানের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, শুধুমাত্র কথার ভিত্তিতে নয়, বাস্তব পরিস্থিতির উপর নির্ভর করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আগে যদিও বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য হরমুজ খুলে দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই সিদ্ধান্ত বদল করা হয়েছে।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
দেশ

লোকসভায় বড় ধাক্কা, বিল পাশ না হতেই পথে বিজেপি! এবার লক্ষ্য বাংলা-তামিলনাড়ু

লোকসভায় সংবিধান সংশোধনী বিল পাশ করাতে ব্যর্থ হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। দীর্ঘ সময়ের মধ্যে এই প্রথম সংসদে এমন পরাজয়ের মুখে পড়তে হল সরকারকে। প্রয়োজনীয় সমর্থন না মেলায় বিলটি পাশ করা সম্ভব হয়নি।এই ঘটনার পরই রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। শাসকদল (BJP) এবার দেশজুড়ে প্রচারে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিরোধীদের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে তাদের মহিলা বিরোধী বলে তুলে ধরার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।এই প্রচারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে দুই রাজ্যকে, পশ্চিমবঙ্গ এবং তামিলনাড়ু। কারণ, এই দুই রাজ্যেই সামনে নির্বাচন রয়েছে। শাসকদলের লক্ষ্য, মহিলাদের জন্য সংরক্ষণে বিরোধিতা করেছে বিরোধীরাএই বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া (BJP) ।সংসদে বিল পাশ না হওয়ার পরই শাসকদলের শীর্ষ নেতৃত্ব বৈঠকে বসে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে। এর পাশাপাশি মহিলা সাংসদদের নেতৃত্বে প্রতিবাদও শুরু হয় সংসদ চত্বরে।অন্যদিকে বিরোধী দলগুলিও নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে তৎপর। তারা দাবি করছে, তারা সংরক্ষণের বিরোধী নয়, বরং আসন পুনর্বিন্যাসের কিছু বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে। তাদের মতে, মহিলাদের সংরক্ষণের পক্ষে তারা আগেও ছিল, এখনও রয়েছে (BJP) ।এই পরিস্থিতিতে দুই পক্ষের মধ্যেই রাজনৈতিক লড়াই আরও তীব্র হচ্ছে। নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় এই ইস্যু আগামী দিনে বড় রাজনৈতিক অস্ত্র হয়ে উঠতে পারে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
কলকাতা

বুথে ‘লক্ষ্মণরেখা’! একশো মিটার ঘিরে কড়া পাহারা, ভোটে নজিরবিহীন কড়াকড়ি

অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে এবার একের পর এক নতুন পদক্ষেপ নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। প্রতিটি বুথে থাকবে সর্বক্ষণ নজরদারি এবং ব্যবহার করা হবে আধুনিক প্রযুক্তি। বুথের চারপাশে প্রায় একশো মিটার এলাকা সাদা চক দিয়ে ঘিরে একটি নির্দিষ্ট সীমানা তৈরি করা হবে। এই সীমানার ভিতরে শুধুমাত্র ভোটারদেরই প্রবেশের অনুমতি থাকবে, অন্য কেউ ঢুকতে পারবেন না।ভোটারদের পরিচয় যাচাইয়ের জন্য বুথের বাইরে আলাদা ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। বুথ লেভেল কর্মী এবং তাঁর সহকারী এই নির্দিষ্ট সীমানার বাইরে বসে নথি পরীক্ষা করবেন। বুথের বাইরে টেবিল বসিয়ে সেখানেই এই যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।ভোটার স্লিপ বিলির ক্ষেত্রেও কড়া নির্দেশ জারি হয়েছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে সরাসরি ভোটারদের হাতে স্লিপ পৌঁছে দিতে হবে। যাঁদের হাতে স্লিপ দেওয়া সম্ভব হয়নি, তাঁদের বিস্তারিত তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে। ভোটের দিন সেই ভোটার উপস্থিত হলে কেন আগে স্লিপ নেননি, তাও জানতে চাওয়া হতে পারে। সঠিক নথি ও ছবির মিল দেখেই ভোট দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে।ভুয়ো ভোট আটকাতে অনুপস্থিত, স্থানান্তরিত বা মৃত ভোটারদের তালিকাও আবার খতিয়ে দেখা হবে। নজরদারি আরও জোরদার করতে বিশেষ পর্যবেক্ষকদের শরীরে লাগানো ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। বুথের আশেপাশে কোনও সন্দেহজনক ঘটনা নজরে এলেই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সব মিলিয়ে ভোট প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও নির্ভুল করতে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে। ভোটারদের আস্থা ফেরানো এবং শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করাই এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য বলে মনে করা হচ্ছে।অন্যদিকে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতেও বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভোট চলাকালীন কোন আচরণ অপরাধ হিসেবে ধরা হবে, তা নিয়ে আগাম প্রচার চালানো হবে এবং সতর্কবার্তা দেওয়া হবে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
কলকাতা

পনেরো ঘণ্টার তল্লাশি ঘিরে তুমুল বিতর্ক! কমিশনের দ্বারস্থ তৃণমূল

শুক্রবার দেবাশিস কুমারের বাড়ি ও নির্বাচনী কার্যালয়ে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালায় আয়কর দফতর। প্রায় পনেরো ঘণ্টা ধরে এই তল্লাশি চলে এবং সেই সময় তাঁর বাড়ির বাইরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেস তীব্র আপত্তি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে।তৃণমূলের অভিযোগ, কোনও আইনি ভিত্তি ছাড়াই একজন জনপ্রতিনিধিকে এইভাবে হেনস্তা করা হয়েছে। আদর্শ আচরণবিধি চলাকালীন এই ধরনের পদক্ষেপ আইন বিরুদ্ধ বলেই দাবি করা হয়েছে চিঠিতে। কেন ভোটের আগে এত দীর্ঘ সময় ধরে একজন প্রার্থীকে বাড়ির মধ্যে আটকে রেখে তল্লাশি চালানো হল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল।চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় নিজেদের সম্পত্তির সমস্ত তথ্য আগেই জানিয়ে দেন। সেই অবস্থায় হঠাৎ করে এই তল্লাশি কেন করা হল, তা স্পষ্ট নয়। তৃণমূলের দাবি, এই ধরনের পদক্ষেপ ভোটের আগে রাজনৈতিকভাবে প্রভাব ফেলতেই করা হচ্ছে।দলের এক নেতা বলেন, ভোটের আগে তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিদের চাপে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। আগের নির্বাচনেও এমন ঘটনা দেখা গিয়েছিল বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সংস্থার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে নির্বাচন কমিশনের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।ভোটের আবহে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal