• ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রবিবার ০৭ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Reject

দেশ

দিল্লি দাঙ্গা মামলায় কড়া বার্তা, উমর খালিদকে জামিন নয়

মুক্তি পেলেন না উমর খালিদ। সোমবার সুপ্রিম কোর্ট উমর খালিদ ও সার্জিল ইমামের জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে। ২০২০ সালের দিল্লি দাঙ্গার ঘটনায় বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের সঙ্গে তাঁদের যুক্ত থাকার প্রাথমিক প্রমাণ রয়েছে বলে মনে করেছে শীর্ষ আদালত। এই যুক্তিতেই দুই ছাত্রনেতার জামিনের আবেদন নাকচ করা হয়েছে। উমর খালিদ ও সার্জিল ইমামের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইন বা ইউএপিএ-র আওতায় মামলা চলছে। এই বিষয়টিকেই বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে আদালত।যদিও একই মামলায় অভিযুক্ত অন্য পাঁচজনকে এদিন জামিন দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। গুলফিশা ফতিমা, মিরান হায়দর, শিফা উর রহমান, মহম্মদ সালিম খান এবং শাদাব আহমেদকে মুক্তির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। উমর খালিদ-সহ মোট সাতজন দিল্লি হাই কোর্টের জামিন সংক্রান্ত রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানিয়েছিলেন।সোমবার বিচারপতি অরবিন্দ কুমার ও বিচারপতি এন ভি আঞ্জারিয়ার বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। রায় ঘোষণার আগে দীর্ঘ পর্যবেক্ষণ পাঠ করেন বিচারপতিরা। আদালতের মতে, প্রসিকিউশনের পেশ করা নথি ও তথ্য থেকে স্পষ্ট হয় যে উমর খালিদ ও সার্জিল ইমাম অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সেই কারণেই তাঁদের জামিন দেওয়া যাচ্ছে না।তবে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, তদন্ত প্রক্রিয়ায় সব প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ান রেকর্ড হয়ে গেলে অথবা এক বছর পর উমর খালিদ ও সার্জিল ইমাম ফের জামিনের আবেদন করতে পারবেন।দিল্লি পুলিশ তাদের চার্জশিটে দাবি করেছে, এই ঘটনা কোনও স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন ছিল না। পরিকল্পিতভাবে গোটা রাজ্যে অস্থিরতা ছড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, সরকারকে অস্থিতিশীল করা এবং দেশের অর্থনীতিকে চাপে ফেলার উদ্দেশ্যেই এই ষড়যন্ত্র করা হয়। দিল্লি পুলিশের আরও দাবি, তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভারত সফরের সময় এই পরিকল্পনা কার্যকর করার লক্ষ্য ছিল, যাতে আন্তর্জাতিক স্তরে ভারতের দিকে নজর যায় এবং নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে বিতর্ক আরও উসকে ওঠে।

জানুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

গীতা হাতে আদালতে হাজির মেসি অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা! ফের জেল হেফাজতের নির্দেশ

হাতে গীতা নিয়ে আদালতে ঢুকলেন শতদ্রু দত্ত। রবিবার তাঁর পুলিশি হেফাজতের মেয়াদ শেষ হওয়ায় তাঁকে বিধাননগর মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়। আদালতে ঢোকার সময় দেখা যায়, ডান হাতে গীতা ধরে রয়েছেন তিনি। মুখ গম্ভীর, ধীর পায়ে আদালতের দিকে এগোতে দেখা যায় মেসির কলকাতা সফরের অন্যতম উদ্যোক্তাকে। তবে রবিবারও জামিন পেলেন না শতদ্রু।গত ১৩ ডিসেম্বর যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে লিওনেল মেসির অনুষ্ঠান ঘিরে চরম বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। সেই দিনই বিমানবন্দর থেকে শতদ্রুকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর তাঁকে ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠানো হয়। পাশাপাশি রিষড়ায় তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালায় বিধাননগর দক্ষিণ থানার পুলিশ। তল্লাশির পর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ও আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত নথি খতিয়ে দেখেন সিটের আধিকারিকরা। তদন্তের ভিত্তিতে শতদ্রুর প্রায় ২২ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়।পুলিশি হেফাজতের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর রবিবার আদালতে তোলা হলে সরকারি আইনজীবীরা তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তোলেন। অভিযোগ করা হয়, সরকারি অনুমতি পাওয়ার আগেই খাদ্য ও পানীয় সরবরাহকারী সংস্থার সঙ্গে চুক্তি করা হয়েছিল। পাশাপাশি প্রায় ২৩ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগও তোলা হয়। সরকারি পক্ষের দাবি, শতদ্রু যথেষ্ট প্রভাবশালী ব্যক্তি, তাই তাঁকে জামিন দেওয়া উচিত নয়।দীর্ঘ সওয়াল-জবাবের পর আদালত জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয়। আগামী ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত তাঁকে জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যদিও শতদ্রুর আইনজীবীর দাবি, আইনি লড়াইয়ে তাঁর মক্কেল এগিয়ে রয়েছেন। অন্যান্য শহরের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, কোনও সংস্থার তরফেই নিয়ম ভাঙা হয়নি। উল্লেখ্য, পুলিশি জেরায় শতদ্রু ইতিমধ্যেই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। এবার তাঁকে পাঠানো হল জেল হেফাজতে।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২৫
রাজ্য

শোভন–রত্নার ডিভোর্স মামলা খারিজ, কী জানাল আদালত?

কলকাতা পুরসভার প্রাক্তন মেয়র ও রাজনীতিবিদ শোভন চট্টোপাধ্যায় কর্তৃক দায়ের করা বিবাহবিচ্ছেদ (ডিভোর্স) মামলা খারিজ হয়েছে আলিপুর আদালতে। পাশাপাশি, স্ত্রীর (রত্না চট্টোপাধ্যায়) একসঙ্গে থাকার আবেদনটিও বাতিল করা হয়েছে। আইনি বিবাহবিচ্ছেদ না হলে, দাম্পত্যে আইনি বিচ্ছিন্ন অবস্থাই গণ্য হবে।২০১৭ সাল থেকে মামলাটি চলছে, দীর্ঘ আট বছর পর আদালতের এই রায় এসেছে।শোভন চট্টোপাধ্যায় তার আবেদনপত্রে রত্নার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ এনেছিলেনযেমন: সন্তানদের দেখাশোনা না করা, অর্থ/সম্পত্তি তছনছ করা, মানহানির অভিযোগকিন্তু এসব প্রমাণ করতে পারেননি আদালতে। তাই রায় ফিরে গেছে।অন্যদিকে, রত্নার একসঙ্গে থাকার দাবি বা আবেদনের ক্ষেত্রেও আদালত সাড়া দেয়নি।ফলে সে দাবি খারিজ হয়েছে। আলিপুর আদালতের বিচারক স্পষ্ট জানিয়েছেন, যে শোভনের অভিযোগ আইনগতভাবে প্রমাণ যোগ্য নয়; তাই ডিভোর্স দেওয়া হবে না। একইসঙ্গে, সেপারেট থাকার সিদ্ধান্ত জানিয়েছেনআইনে বিবাহিত আবারও একসাথে থাকার নির্দেশ নেই। একটি বাংলা সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছেডিভোর্সের আবেদনে যে যুক্তিগুলো দাখিল করা হয়েছিল, তাতে আদালত সন্তোষজনক প্রমাণ না পাওয়ায় শোভন এবং রত্নার বিচ্ছিন্ন অবস্থায় থাকার রায় দিয়েছেন।

আগস্ট ২৯, ২০২৫
রাজ্য

এবারের পুজোটা জেলেই কাটবে অনুব্রত মন্ডলের, জামিন না-মঞ্জুর

সেই প্রভাবশলী তকমা। এবার দুর্গাপুজোটা জেলেই কাটাতে হবে গরুপাচার কাণ্ডে গ্রেফতার বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মন্ডলকে। বুধবার ফের জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে গেল অনুব্রত মন্ডলের। এদিন ফের এই তৃণমূল নেতাকে ১৪ দিনের জেল হেফাজত দিল আসানসোলের সিবিআইয়ের বিশেষ আদালত। জামিনের আবেদন খারিজ করেন বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ৫ অক্টোবর, দশমীর দিন। তাই পুজোর কটা দিন জেলেই কাটাতে হবে অনুব্রতকে।বুধবার আসানসোলের বিশেষ আদালতে অনুব্রতর মন্ডলের আইনজীবী সন্দীপন গঙ্গোপাধ্যায় এবং অনির্বাণ গুহঠাকুরতা মক্কেলের জামিনের আবেদন করেন। তাঁরা যুক্তি দেন, গরুপাচার কাণ্ডের মূল অভিযুক্তদের জামিন মঞ্জুর হয়েছে। কেউ মাসখানেকের ওপর জেল খেটেছেন কেউ জেল না খেটেই জামিন পেয়েছেন। একইসঙ্গে অনুব্রতর শারীরিক অবস্থা খারাপ বলেও আদালতে জানান তাঁর আইনজীবী। সিবিআই আইনজীবীর তরফে প্রভাবশালী তকমা দেওয়া হয় অনুব্রতকে। তিনি বাইরে থাকলে মামলার সাক্ষ্যপ্রমাণ নষ্ট করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২২
কলকাতা

রাজ্যপালের পুনর্নির্বাচনের দাবি খারিজ রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের, কাল শ্রীরামপুর ও দক্ষিণ দমদমের ২টি বুথে ভোটগ্রহণ

পুরসভা ভোটে অনিয়মের অভিযোগে বিরোধীদের তোলা পুনঃনির্বাচনের দাবি খারিজ করে দিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। তবে শ্রীরামপুর পুরসভার ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের একটি বুথে ও দক্ষিণ দমদম পুরসভার ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের একটি বুথে ফের ভোটগ্রহণ করা হবে। ওই দুটি বুথে ইভিএম খারাপ হয়ে যাওয়ায় ভোট প্রক্রিয়া ব্যাহত হয় বলে কমিশন সূত্রে খবর।এদিন রাজ্যের নির্বাচন কমিশনার সৌরভ দাসকে রাজভবনে ডেকে পাঠিয়েছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। সূত্রের খবর, সেই বৈঠকেই রাজ্যপাল কমিশনারকে বলেন যে সব পুরসভায় সন্ত্রাস হয়েছে বলে বিরোধীরা অভিযোগ করছে সেখানে পুনর্নির্বাচন হোক। যদিও কমিশনার তাঁকে জানেন, কমিশন এইভাবে কোনও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে না। জেলাশাসকেরা যে রিপোর্ট পাঠাবেন সেই রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করেই কমিশন কোনও বুথে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিতে পারে। তবে এখনও পর্যন্ত জেলাশাসকদের তরফে তেমন কোনও রিপোর্ট আসেনি কমিশনের কাছে। তাই পুনর্নির্বাচনের কোনও সম্ভাবনা নেই। রবিবার রাজ্যের ১০৮টি পুরসভায় ছিল নির্বাচন। ওইদিন প্রায় ১০ হাজার বুথে নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করেন রাজ্যের প্রায় ১০ লক্ষ মানুষ। সেই নির্বাচনকে ঘিরে বিরোধীরা হাজারো অনিয়মের অভিযোগ তুলেছে, এমনকী বিজেপির তরফে কাঁথি পুরসভার নির্বাচন বাতিল করে ফের ভোটগ্রহণের আর্জি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা ঠোকাও হয়েছে। কিন্তু এদিন রাজ্য নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, কোনও বুথ থেকেই কোনও বড় রকমের কোনও অনিয়মের রিপোর্ট আসেনি। তাই কোনও পুরসভার কোনও বুথেই আর পুনর্নির্বাচন হচ্ছে না। তবে দুটি বুথে ইভিএম খারাপ হয়ে যাওয়ায় সেখানে মঙ্গলবার ফের ভোটগ্রহণ করা হবে।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২২
কলকাতা

পুরভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী নয়, বিজেপির আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টেও

আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি পুরভোট রাজ্যের ১০৮ টি পুরসভায়। এই নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী দেওয়ার আর্জি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য বিজেপি। আগেই হাইকোর্টে সেই আর্জি খারিজ হয়ে গিয়েছে। নির্বাচনের নিরাপত্তার জন্য রাজ্য নির্বাচন কমিশনের ওপরেই ভরসা করতে বলেছে হাইকোর্ট। আর এবার সেই একই নির্দেশ শীর্ষ আদালতের। রাজ্যের ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী দেওয়া হবে না বলে জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট।বিজেপির পক্ষ থেকে সুপ্রিম কোর্টে আবেদনে বলা হয়েছে, ১০৮ পুরসভার নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। কলকাতা হাইকোর্টের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেই সর্বোচ্চ আদালতে আবেদন জানায় বিজেপি। বিভিন্ন জেলা থেকে বিরোধীরা হামলার অভিযোগ তুলেছেন। অন্য একটি মামলায় বিজেপি প্রার্থীরা নিরাপত্তার অভাবের কথাও জানিয়েছেন আদালতে। এই সব অভিযোগ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল বিজেপি।এর আগে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশে বলা হয়েছে, যদি কেন্দ্রীয় বাহিনী না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য নির্বাচন কমিশন, তাহলে কেন দেওয়া হল না, সেই কারণ আদালতে জানাতে হবে কমিশনারকে। আর তারপর যদি ভোটের দিন কোনও অশান্তির অভিযোগ ওঠে, তাহলে তার দায় নিতে হবে কমিশনারকেই।কমিশন সূত্রের খবর, ১০৮ পুরসভার ভোটের দায়িত্বে থাকবে রাজ্য পুলিশই। মোতায়েন করা হবে ৪৪ হাজার পুলিশ। প্রতি বুথে থাকবে সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী। প্রাথমিকভাবে স্থির হয়েছে, প্রতিটি বুথে সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী থাকবে। এছাড়াও স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স, ইএফআর জওয়ান, র্যা ফের তত্ত্বাবধানে থাকবে বাইরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২২
রাজ্য

কালনায় প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল নিয়ে মামলার প্রস্তুতি শুরু সিপিএমের

পরপর দুবার সিপিএমের প্রার্থী হয়ে পৌরসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করে কাউন্সিলর হয়েছিলেন। এবারও সিপিএম পূর্ব বর্ধমানের কালনা পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডে প্রার্থী করেছিল মণিপ্রভা ভাদুড়িকে। কিন্তু কালনা পৌরভার অস্থায়ী কর্মী হয়ে তাঁর ভেটে লড়াটা মেনে নেননি প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল প্রার্থী। তৃণমূল প্রার্থী সুনীল চৌধুরী বিষয়টি নিয়ে কালনার মহকুমা শাসকের কাছে অভিযোগ জানান। তার কারণে রাজ্য নির্বাচন কমিশন বৃহষ্পতিবার স্ক্রুটিনির দিনে সিপিএম প্রার্থী মণিপ্রভাদেবীর মনোনয়ন বাতিল করে দেয়। পৌরসভার একই কাজে যুক্ত থেকে ইতিপূর্বে দুবার ভেটে লড়ে কাউন্সিলার হওয়া মণিপ্রভাদেবীর মনোনয়ন এবার কমিশন বাতিল করায় বেজায় চটেছে সিপিএম নেতৃত্ব। তাঁরা বিয়টি নিয়ে আদালের দ্বারস্থ হবার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সিপিএমের হয়ে মণিপ্রভা ভাদুড়ী মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর তার প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল প্রার্থী সুনীল চৌধুরী কালনা মহকুমা শাসকের দফতরে অভিযোগ জানান। তার অভিযোগ, মণিপ্রভা ভাদুড়ী কালনা পৌরসভার বেতনভুক স্বাস্থ্যকর্মী। অভিযোগের পরিপেক্ষিতে বৃহস্পতিবার স্কুটিনির দিনে সিপিএম প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়ে যায়। পৌরসভা থেকে তিনি বেতন পান।সেই তথ্য মহকুমা শাসকের দফতরে তিনি দাখিল করে মণিপ্রভাদেবীর প্রার্থী হওয়ার বিষয়টিকে তিনি চ্যালেঞ্জ করেন। তার পরিপ্রেক্ষিতে পৌর নির্বাচন বিধি মেনে কমিশন যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার নিয়েছে। যদিও তৃণমূল প্রার্থীর আনা অভিযোগ প্রসঙ্গে সিপিএম প্রার্থী মণিপ্রভা ভাদুড়ি বলেন, আসলে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিততে চান। তাই তিনি এমন অভিযোগ করেছেন তাঁর বিরুদ্ধে। মণিপ্রবাদেবী দাবি করেন, তিনি পৌরসভার স্বাস্থ্য কর্মী নন। তাই পৌরসভা থেকে বেতন পান না। তিনি একটি সংস্থার অধীনস্ত স্বাস্থ্যকর্মী। ওই সংস্থা থেকে তিনি বেতন পান। মণিপ্রভাদেবী বলেন, ভোটে লড়ে জিততে পারবেন না বলে তাঁর বিরুদ্ধে তৃণমূল প্রার্থী মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছে। আর সেটাকেই মান্যতা দিয়ে তাঁর মনোনয়ন কমিশন বাতিল করে দিয়েছে।এই বিষয়ে সিপিএমের পূর্ব বর্ধমান জেলা সম্পাদক সৈয়দ হোসেন বলেন, আমরা আইনের পথে যাব। তার প্রস্তুতিও শুরে করে দেওয়া হয়েছে। কারণ একই কাজ করেও এর আগেও দুবার মণিপ্রভা ভাদুড়ী কাউন্সিলর ছিলেন। তাহলে এখন হঠাৎ করে আইনের কি পরিবর্তন হল? যদি পরিবর্তন হয়েও থাকে তাহলে তা সর্বদলীয় বৈঠকে প্রশাসন জানালো না কেন? যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য মুখপত্র দেবু টুডু বলেন, আইন তো সবার জন্য সমান। সিপিএম প্রার্থীর জন্য তো আলাদা আইন হতে পারে না। এদিকে মণিপ্রভাদেবীর মনোনয়ন বাতিল করা নিয়ে সিপিএমের নেতারা যখন সোচ্চার তখন পৌরভোট নিয়ে কি কি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে তা এদিন জানিয়ে দিল জেলা প্রশাসন। এদিন সর্বদলীয় বৈঠক শেষে সন্ধ্যায় সাংবাদিক বৈঠকে জেলাশাসক প্রিয়ংকা সিংলা বলেন, আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি পূর্ব বর্ধমান জেলার বর্ধমান, কালনা, কাটোয়া, দাঁইহাট, মেমারি ও গুসকরা পৌরসভার নির্বাচন হবে। ভোটে এই ছটি পুরসভার প্রতিটি বুথে সিসি ক্যামেরা থাকবে। সিসি ক্যামেরা ছাড়াও প্রতিটি বুথে থাকবে দুজন করে সশস্ত্র পুলিশ।এছাড়াও প্রতিটি পৌরসভার জন্য একজন করে পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। জেলার জন্যেও বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। আরও জানানো হয়েছে, ছটি পৌরসভার ১১৯টি ওয়ার্ডে ৪ লক্ষ ৬২হাজার ৮৪৮ জন ভোটার রয়েছেন। ২৪১টি চত্বরে ৫৭১টি বুথে ভোট নেওয়া হবে। সব ভোটার যাতে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে সেই বিষয়টি সুনিশ্চিৎ করার জন্য এদিন সর্বদলীয় বৈঠকে জেলশাসক আবেদন রাখেন।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২২
দেশ

পদ্ম-সম্মান ফেরালেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, গীতশ্রী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়! আর কে কে পদ্ম পাচ্ছেন দেখে নিন

কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের দেওয়া পদ্মসম্মান কি গ্রহণ করবেন বাংলার শেষ কমিউনিস্ট মুখ্যমন্ত্রী? মঙ্গলবার রাত থেকে সেই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছিল রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে। বুদ্ধদেব নিজেই সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়েছেন। তাঁর পরিবারের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, বুদ্ধদেবের বাড়িতে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে কেউ এক জন ফোন করেছিলেন। তখন সম্মতি দেওয়া হয়। বুদ্ধদেব বিষয়টি তখন জানতেন না। পরে খবর জেনে পত্রপাঠ সম্মান প্রত্যাখ্যান করেছেন। রাতে তাঁর তরফে আনুষ্ঠানিক বিবৃতিও দেওয়া হবে। পাশাপাশি পদ্মশ্রী সম্মান ফিরিয়ে দিয়েছেন গীতশ্রী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ও।#UPDATE | In a statement, former West Bengal CM Buddhadeb Bhattacharjee says he will not accept the Padma Bhushan award https://t.co/YiEYyxTNGH ANI (@ANI) January 25, 2022সাধারণতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে মঙ্গলবার সন্ধেয় পদ্ম সম্মান প্রাপকদের তালিকা প্রকাশ করে কেন্দ্র। মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ সম্মানে সম্মানিত করা হল দেশের প্রথম সেনা সর্বাধিনায়ক জেনারেল বিপিন রাওয়াত। চারজনকে পদ্মবিভূষণ সম্মানে সম্মানিত করল কেন্দ্র। এই তালিকায় নাম রয়েছে মহারাষ্ট্রের প্রভা আত্রে (কলা)। মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ প্রাপকদের তালিকায় রয়েছেন তিনজন। উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কল্যাণ সিং (সামাজিক অবদান), উত্তরপ্রদেশের রাধেশ্যাম খেমকা (শিক্ষা ও সংস্কৃতি)। পদ্মভূষণ সম্মানে সম্মানিত হয়েছেন মাইক্রোসফটের সিইও সত্যনারায়ণ নাদেলা এবং অ্যালফাবেটের সিইও সুন্দর পিচাই। একই সম্মানে সম্মানিত করা হয়েছে সেরাম ইনস্টিটিউটের কর্ণধার আদর পুনাওয়ালার বাবা সাইরাস পুনাওয়ালা। সামাজিক ক্ষেত্রে অবদানের জন্য কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা গুলাম নবি আজাদও সম্মানিত হয়েছেন এই সম্মানে। বাংলা থেকে কলাক্ষেত্রে অবদানের জন্য পদ্মবিভূষণ সম্মান পাচ্ছেন অভিনেতা ভিক্টর বন্দ্যোপাধ্যায়। টাটা অ্যান্ড সন্সের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরণও পাচ্ছেন পদ্ম সম্মান।Microsoft CEO Satya Nadella, Alphabet CEO Sundar Pichai, SII MD Cyrus Poonawalla to be conferred with Padma BhushanOlympians Neeraj Chopra, Pramod Bhagat Vandana Kataria, and singer Sonu Nigam to be awarded Padma Shri pic.twitter.com/J5K9aX9Qxz ANI (@ANI) January 25, 2022বাংলা থেকে পদ্মশ্রী প্রাপকের তালিকায় নাম রয়েছে দুজনের। তাঁরা হলেন প্রহ্লাদ রাই আগরওয়াল এবং সংঘমিত্রা বন্দ্যোপাধ্যায় (বিজ্ঞান)। অলিম্পিকে সোনাজয়ী নীরজ চোপড়াও পেয়েছেন এই সম্মান।পদ্ম-বিজয়ী

জানুয়ারি ২৫, ২০২২
রাজ্য

Kanyashree: 'মনগড়া' রিপোর্ট জমা দেওয়ায় কন্যাশ্রী ভাতা পাওয়া থেকে বঞ্চিত ছাত্রী

বিয়ে না হওয়া সত্ত্বেও কনাশ্রী ভাতা পাওয়ার জন্য আবেদনকারী বিবাহিত বলে মনগড়া রিপোর্ট দিয়ে দেন বুথ লেবেল অফিসার। আর সরকারী দফতরে জমা পড়া এমন ভুয়ো রিপোর্টের জন্যই কন্যাশ্রী ভাতা পাওয়া থেকে বঞ্চিত হল এক ছাত্রী। সরকারি কাজে আধিকারিকের গাফিলতির এমন নজিরবিহীন ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে। ঘটনার বিহিত চেয়ে ছাত্রী মণিমালা মণ্ডল নিজেই বিডিওর কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। অভিযোগ পাবার পরেই নড়ে চড়ে বসেছেন ব্লক প্রসাসনের কর্তারা। শুরু হয়েছে ভুল শুধরে ওই ছাত্রীকে কন্যাশ্রী ভাতার ব্যবস্থা করে দেওয়ার প্রক্রিয়া। ছাত্রী মণিমালা মণ্ডলের বাড়ি জামালপুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েতর উত্তর মোহনপুর গ্রামে। তাঁর বাবা বিশ্বনাথ মণ্ডল পেশায় ফুচকা বিক্রেতা। মা পূর্ণিমাদেবী সাধারণ গৃহবধূ। দাদা মহাদেব মণ্ডল টোটো চালান। এমন অভাবী পরিবারের মেয়ে মণিমালা ছোট বয়স থেকেই লেখাপড়ার প্রতি অত্যন্ত সচেতন। জামালপুর উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় থেকে সফল ভাবে মাধ্যমিক পাশ করার পর সে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে পড়ার জন্য জামালপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়। ২০২১ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করার পর মণিমালা এখন জামালপুর মহাবিদ্যালয়ে বি.এ প্রথম বর্ষে পাঠরত। কন্যাশ্রী ভাতা পাবার জন্য ২০২০ সালে সে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে আবেদন করে। সহপাঠীরা সকলে কন্যাশ্রী ভাতা পেয়ে গেলেও বঞ্চিত থাকে মণিমালা। কি কারণে কন্যাশ্রী ভাতা পাওয়া থেকে বঞ্চিত হল তা জানতে কয়েকদিন আগে মণিমালা বিডিও অফিসে যায়। ব্লকের কন্যাশ্রী আধিকারিকের মুখ থেকে সব ঘটনা শোনার পর তাঁর মাথায় হাত পড়ে যায়।বিডিওকে লিখিত ভাবে মণিমালা জানিয়েছে, ২০২০ সালে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে সে কন্যাশ্রী ভাতা পাওয়ার জন্য আবেদন করে। কিন্তু সে ভাতার টাকা পায়নি। বিষয়টি নিয়ে খোঁজ নিতে সে ২৭ ডিসেম্বর ব্লকের কন্যাশ্রী বিভাগের আধিকারিকের কাছে যায়।ওইদিন কন্যাশ্রী আধিকারিক তাঁকে স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তাঁর বিয়ে হয়ে গিয়েছে বলে রিপোর্ট জমা পড়েছে। তাই সে আর কন্যাশ্রী ভাতা পাবে না। মণিমালা ওই দিনই বিডিওকে জানায়, তাঁর বিয়েই হয়নি। মিথ্যা রিপোর্ট তাঁর সম্পর্কে সরকারী দফতরে পেশ করা হয়েছে। রিপোর্ট যে সম্পূর্ণ মিথ্যা সেই কথা মণিমালার বাবা বিশ্বনাথ মণ্ডল ও এলাকার পঞ্চায়েত সদস্য রুপালি বিশ্বাসও লিখিত ভাবে বিডিওকে জানিয়ে দিয়েছেন। পঞ্চায়েত সদস্য দাবি করেছেন, এমন রিপোর্ট কে, কি উদ্দেশ্যে দিয়েছে তার তদন্ত হওয়া দরকার। জামালপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালন কমিটির সভাপতি অঞ্জন মুখোপাধ্যায় বলেন, আমরাও বিদ্যালয়ের তরফে খোঁজ নিয়ে দেখেছি ছাত্রীটির আদৌ বিয়ে হয়নি। তা সত্ত্বেও কাদের মাধ্যমে এমন রিপোর্ট জমা পড়লো সেটাই আশ্চর্যের । বিডিও শুভঙ্কর মজুমদার জানিয়েছেন, কন্যাশ্রী ভাতা পাওয়ার জন্য আবেদনকারী ছাত্রী মণিমালা মণ্ডলের বিয়ে হয়ে গিয়েছে বলে বুথ লেবেল অফিসারের( বিএলও)তরফে রিপোর্ট জমা পড়ে।সেই কারণে ছাত্রীর আবেদন বাতিল হয়। তবে ছাত্রীর অভিযোগ জমা পড়ার পর বিভিন্ন ভাবে খোঁজ খবর নিয়ে জানা গিয়েছে যে রিপোর্ট জমা পড়েছিল তা সঠিক নয়। ছাত্রীটি যাতে কন্যাশ্রী ভাতা পেতে পারে সেই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

সুরুচি সংঘের পুজো কি বন্ধ হতে চলেছে? এলআইসির জমি দখলের অভিযোগে নতুন বিস্ফোরণ

সুরুচি সংঘকে ঘিরে বিতর্ক আরও ঘনীভূত হল। এবার রাষ্ট্রায়ত্ত বিমা সংস্থা এলআইসি অভিযোগ করেছে, তাদের ২১ কাঠা জমি দীর্ঘদিন ধরে বেআইনিভাবে দখল করে রাখা হয়েছে। ওই জমিতেই সুরুচি সংঘের দুর্গাপুজো এবং ক্লাবের বিভিন্ন কার্যকলাপ পরিচালিত হয় বলে দাবি করা হয়েছে। জমি পুনরুদ্ধারের দাবিতে শনিবার আলিপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন এলআইসির আধিকারিকরা।দক্ষিণ কলকাতার অন্যতম জনপ্রিয় দুর্গাপুজো সুরুচি সংঘ। এই ক্লাবের সঙ্গে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস এবং তাঁর ভাই স্বরূপ বিশ্বাসের নাম দীর্ঘদিন ধরেই জড়িত। সম্প্রতি স্বরূপ বিশ্বাস তোলাবাজি ও অন্যান্য অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকেই সুরুচি সংঘকে ঘিরে একের পর এক বিতর্ক সামনে আসছে।এলআইসির দাবি, বহু বছর ধরে তাদের মালিকানাধীন ২১ কাঠা জমি বেআইনিভাবে দখল করে রাখা হয়েছে। শুধু তাই নয়, ওই জমি ঘিরে স্থায়ী নির্মাণও করা হয়েছে। জমি পুনরুদ্ধারের জন্য অতীতেও একাধিকবার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন সংস্থার কর্তারা। এমনকি আদালতের দ্বারস্থও হয়েছিল এলআইসি। তবে এতদিন জমি ফেরত পাওয়া যায়নি বলেই অভিযোগ।এলআইসির আধিকারিকদের দাবি, বিতর্কিত জমির উপর নির্মিত ভবনে একাধিক বেডরুম-সহ বিভিন্ন পরিকাঠামো রয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, সংস্থার অনুমতি ছাড়াই এই নির্মাণ করা হয়েছে। তাই জমির মালিকানা এবং নির্মাণের বৈধতা খতিয়ে দেখার দাবি জানানো হয়েছে পুলিশের কাছে।এরই মধ্যে সুরুচি সংঘকে ঘিরে আরও একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, ক্লাব প্রাঙ্গণে বিপুল পরিমাণ সরকারি প্রকল্পের সামগ্রী পাওয়া গিয়েছে। সেখানে সরকারি পানীয় জল প্রকল্পের বোতল এবং ত্রাণ বিতরণের জন্য রাখা শাড়িও উদ্ধার হয়েছে বলে অভিযোগ। এসব নিয়ে এলাকায় নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর জেরে সুরুচি সংঘের দুর্গাপুজোর ভবিষ্যৎ নিয়েও জল্পনা বাড়ছে। এলআইসির অভিযোগ এবং প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে এখন নজর রয়েছে সকলের।

জুন ০৬, ২০২৬
কলকাতা

১৮ সাংসদ দল ছাড়তে পারেন! হঠাৎ দিল্লি উড়ে গেলেন অভিষেক, জোর জল্পনা

ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে অস্থিরতা বেড়েছে। বিধানসভায় পরিষদীয় দলে বড় ভাঙনের পর এবার সংসদীয় দল নিয়েও জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, বেশ কয়েকজন সাংসদ দল ছাড়তে পারেন। এই পরিস্থিতির মধ্যেই হঠাৎ দিল্লি উড়ে গেলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।দলীয় সূত্রে খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশেই দিল্লি গিয়েছেন অভিষেক। আগামী ৮ জুন বিজেপি-বিরোধী ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক রয়েছে। সেই বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে অভিষেকেরও যোগ দেওয়ার কথা ছিল। তবে নির্ধারিত সময়ের আগেই তাঁর দিল্লি যাত্রা রাজনৈতিক মহলে নতুন করে কৌতূহল তৈরি করেছে।ইতিমধ্যেই বিধানসভায় তৃণমূলের একাংশ বিধায়ক আলাদা গোষ্ঠী গড়ে নিজেদের আসল তৃণমূল বলে দাবি করেছে। বিরোধী দলনেতা হিসেবেও নতুন নাম ঘোষণা হয়েছে। এবার লোকসভাতেও একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে জল্পনা ছড়িয়েছে। রাজনৈতিক সূত্রের দাবি, কয়েকজন সাংসদ একজোট হয়ে নতুন ব্লক গঠনের পরিকল্পনা করছেন। দলবদল বিরোধী আইনের জটিলতা এড়াতে প্রয়োজনীয় সংখ্যার সমর্থন জোগাড়ের চেষ্টাও চলছে বলে খবর।এই আবহে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফরকে ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। অনেকের মতে, দলের সাংসদদের সঙ্গে আলোচনা করে পরিস্থিতি সামাল দিতেই তাঁকে রাজধানীতে পাঠানো হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে তৃণমূলের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি।অন্যদিকে, সই জালিয়াতি সংক্রান্ত একটি মামলায় আগামী ৮ জুন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভবানী ভবনে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছে সিআইডি। এর আগে অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে সময় চাওয়া হলেও সেই আবেদন মঞ্জুর হয়নি। তদন্তকারী সংস্থা স্পষ্ট জানিয়েছে, নির্ধারিত দিনেই তাঁকে হাজিরা দিতে হবে।ফলে রাজনৈতিক মহলে নতুন প্রশ্ন উঠেছে। দিল্লি সফরের নেপথ্যে কি শুধুই রাজনৈতিক কারণ, নাকি তদন্ত সংস্থার তলবও এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে যুক্ত? এই নিয়ে জল্পনা ক্রমশই বাড়ছে। এখন নজর আগামী কয়েক দিনের রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের দিকে।

জুন ০৬, ২০২৬
বিদেশ

ভারত-চিন সংঘাতে বড় বার্তা পুতিনের! ‘নাক গলাবে না রাশিয়া’, প্রকাশ্যে জানালেন কারণ

ভারত ও চিনের সম্পর্ক নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ভারত ও চিনের মতো দুই গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী দেশের সংবেদনশীল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে রাশিয়া কোনও হস্তক্ষেপ করবে না। একই সঙ্গে তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং সীমান্ত সংক্রান্ত সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানে আন্তরিকভাবে আগ্রহী।সম্প্রতি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পুতিন বলেন, ভারত ও চিনের সঙ্গে রাশিয়ার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। তাঁর কথায়, ভারত-চিন সম্পর্ক অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং বহুমাত্রিক। তাই এই বিষয়ে বাইরের কোনও দেশের হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়। তবে রাশিয়া দুই দেশের সঙ্গেই নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং সীমান্ত সমস্যা আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান হবে বলে তারা আশাবাদী।উল্লেখ্য, ২০২০ সালে গালওয়ান সংঘর্ষের পর ভারত ও চিনের সম্পর্ক তলানিতে পৌঁছেছিল। তবে গত কয়েক বছরে দুই দেশই সম্পর্ক স্বাভাবিক করার জন্য একাধিক কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়েছে। সেই প্রক্রিয়ার ফলেই পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।গত বছর চিনের তিয়ানজিনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও শি জিনপিংয়ের বৈঠক আন্তর্জাতিক মহলে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছিল। সেই বৈঠকে দুই নেতা জানিয়েছিলেন, ভারত ও চিন প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, বরং উন্নয়নের অংশীদার। মতপার্থক্য থাকলেও তা বিবাদের কারণ হওয়া উচিত নয় বলেও মত প্রকাশ করেছিলেন তাঁরা।পুতিন আরও বলেন, রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক চিনকে অস্বস্তিতে ফেলে না। একইভাবে চিনের সঙ্গে রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নিয়েও ভারতের কোনও উদ্বেগ নেই। তাঁর মতে, তিন দেশের সম্পর্ক পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতার ভিত্তিতে এগোচ্ছে।সাক্ষাৎকারে পাকিস্তান প্রসঙ্গেও মন্তব্য করেন রুশ প্রেসিডেন্ট। অপারেশন সিঁদুরের সময় পাকিস্তানকে চিন আড়াল থেকে সাহায্য করেছে বলে যে অভিযোগ উঠেছিল, সে বিষয়ে পুতিন বলেন, পাকিস্তানকে সম্পূর্ণভাবে চিনের নিয়ন্ত্রণাধীন দেশ হিসেবে দেখা ঠিক হবে না। পাকিস্তান একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র এবং বিশ্বের বহু দেশের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক রয়েছে।তবে তিনি এটাও স্বীকার করেন যে পাকিস্তানের সামরিক শক্তির একটি বড় অংশ চিনের অস্ত্র ও প্রযুক্তির উপর নির্ভরশীল। তাঁর মতে, পাকিস্তানের সামরিক সরঞ্জামের বড় অংশ চিন থেকে আসে, ফলে ইসলামাবাদের কাছে বেজিংয়ের গুরুত্ব অবশ্যই রয়েছে।পুতিনের এই মন্তব্যকে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে ভারত-চিন সম্পর্ক, পাকিস্তানের অবস্থান এবং এশিয়ার ভূরাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুন ০৬, ২০২৬
বিদেশ

লন্ডনে প্রধান বিচারপতিকে ঘিরে বিতর্ক! প্রশ্নবাণে থামাতে হল অনুষ্ঠান, কড়া বার্তা ভারতের

লন্ডনে একটি আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ঘটনাটি সামনে আসতেই কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ভারত। নয়াদিল্লির বক্তব্য, এ ধরনের আচরণ গ্রহণযোগ্য নয় এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশে মতপার্থক্য প্রকাশেরও একটি শালীন পদ্ধতি থাকা উচিত।গত বৃহস্পতিবার লন্ডনের একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও আন্তর্জাতিক আইন বিষয়ক আলোচনাসভায় যোগ দিয়েছিলেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। বক্তব্য শেষ হওয়ার পর প্রশ্নোত্তর পর্বে উপস্থিত কয়েকজন ভারতের গণতন্ত্র এবং ভিন্নমতের প্রতি আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তোলার চেষ্টা করেন। প্রধান বিচারপতির সাম্প্রতিক কিছু মন্তব্য নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।সেখানে উপস্থিত এক মহিলা বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে গণতন্ত্র রক্ষায় ভারতের ভূমিকা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখা হলেও দেশে ভিন্নমতের প্রতি ক্রমবর্ধমান অসহিষ্ণুতা নিয়ে উদ্বেগের কথা আন্তর্জাতিক মহলে শোনা যাচ্ছে। তিনি সেই প্রসঙ্গেই প্রশ্ন তুলতে চেয়েছিলেন।তবে ওই প্রশ্ন সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই অনুষ্ঠানের সঞ্চালক তাঁকে থামিয়ে দেন। সঞ্চালক জানান, আলোচনার বিষয় ছিল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং আন্তর্জাতিক আইন। তাই বিষয়বহির্ভূত প্রশ্ন গ্রহণ করা সম্ভব নয় বলে তিনি স্পষ্ট করেন।ঘটনার ভিডিও পরে সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তা নিয়ে শুরু হয় জোর আলোচনা। এরপর লন্ডনে ভারতীয় দূতাবাসের তরফে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। সেখানে বলা হয়, মতপার্থক্য গণতন্ত্রের স্বাভাবিক অংশ হলেও তা প্রকাশের ক্ষেত্রে শালীনতা ও পারস্পরিক সম্মান বজায় রাখা জরুরি। দূতাবাসের মতে, এ ধরনের আচরণ কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।এই ঘটনাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলেও আলোচনা শুরু হয়েছে। একাংশের মতে, বিদেশের মাটিতে ভারতকে ঘিরে নেতিবাচক প্রচারের চেষ্টা চলছে। যদিও বিষয়টি নিয়ে এখনও বিভিন্ন মহলে বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে।

জুন ০৬, ২০২৬
রাজ্য

খাদ্যসাথীতে বড় ঝাঁকুনি! ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যেতেই বন্ধ হতে পারে রেশন, চিহ্নিত ৬৩ লক্ষ উপভোক্তা

খাদ্যসাথী প্রকল্পে অযোগ্য এবং তথাকথিত ভূতুড়ে উপভোক্তাদের চিহ্নিত করতে বড়সড় অভিযান শুরু করতে চলেছে রাজ্য সরকার। সরকারি অর্থের অপচয় রুখতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর। চলতি বছরের ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ার তথ্যের ভিত্তিতেই এই যাচাই অভিযান চালানো হবে।সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, বিশেষ সংশোধন প্রক্রিয়ায় যেসব ভোটারের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে, তাঁদের তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে প্রায় ৬৩ লক্ষ নাম চিহ্নিত করা হয়েছে। যাচাইয়ের পর অযোগ্য উপভোক্তাদের রেশন কার্ড নিষ্ক্রিয় করার প্রক্রিয়া শুরু হবে। তবে যাঁরা নাগরিকত্ব সংক্রান্ত আবেদন করেছেন বা ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে আপাতত রেশন পরিষেবা চালু থাকবে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা খাদ্যসাথীর সুবিধা পাবেন।প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মহকুমা শাসক এবং বিডিওদের দপ্তর থেকে সংশ্লিষ্ট এলাকার বাদ পড়া ভোটারদের তালিকা খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তরে পাঠানো হবে। এরপর খাদ্য ও সরবরাহ বিভাগের কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য যাচাই করবেন। ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার কারণ, বর্তমান অবস্থা এবং প্রকৃত যোগ্যতা খতিয়ে দেখা হবে। যাচাই শেষ হওয়ার পর যাঁরা প্রকল্পের জন্য উপযুক্ত নন বলে প্রমাণিত হবেন, তাঁদের রেশন কার্ড নিষ্ক্রিয় করা হবে। প্রশাসনের লক্ষ্য, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই এই কাজ শেষ করা।বর্তমানে রাজ্যের প্রায় দুই কোটি মানুষ খাদ্যসাথী প্রকল্পের আওতায় বিনামূল্যে রেশন পান। এই প্রকল্প চালাতে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ ব্যয় হয়। কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ধান সংগ্রহ থেকে শুরু করে খাদ্যশস্য বিতরণ পর্যন্ত গোটা ব্যবস্থার জন্য কয়েক হাজার কোটি টাকা খরচ হয়। তাই প্রকৃত উপভোক্তাদের কাছে সুবিধা পৌঁছে দিতে এবং অপব্যবহার রুখতে সরকার কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে।প্রশাসনের একাংশের মতে, অতীতে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পে অনিয়ম এবং অযোগ্য উপভোক্তার সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। সেই কারণেই এবার সমস্ত রেশন কার্ডের তথ্য নতুন করে যাচাই করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারের ধারণা, এই উদ্যোগ সফল হলে বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ সাশ্রয় হবে এবং প্রকৃত সুবিধাভোগীরাই সরকারি সাহায্য পাবেন।একই সঙ্গে রাজ্যের অন্যান্য সামাজিক প্রকল্পেও উপভোক্তাদের তথ্য যাচাইয়ের কাজ শুরু হয়েছে। নতুন প্রকল্পগুলিতে আবেদন গ্রহণের পাশাপাশি পুরনো তালিকাও পুনরায় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রশাসনের দাবি, স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ।

জুন ০৬, ২০২৬
কলকাতা

সিএএ আন্দোলনের আগুন এবার ফিরল ফাইলে! পুরনো মামলা খুলে বড় পদক্ষেপ শুভেন্দুর

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বিরোধী আন্দোলনের সময় রেলের সম্পত্তি নষ্ট, ট্রেনে আগুন লাগানো এবং পরিষেবা ব্যাহত করার অভিযোগে এবার নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পুরনো মামলার ফাইল খুলে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করতে বিশেষ সেল গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর।রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের রাজ্য সফরের দিনই এই সিদ্ধান্তকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, রেলের সম্পত্তি নষ্টের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে পুরনো মামলাগুলি পুনরায় খোলার বিষয়ে রেলমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানান মুখ্যমন্ত্রী। এরপরই তদন্তে গতি আনার নির্দেশ দেওয়া হয়।২০১৯ সালে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন পাশ হওয়ার পর দেশজুড়ে প্রতিবাদ আন্দোলন শুরু হয়েছিল। পশ্চিমবঙ্গেও সেই আন্দোলনের প্রভাব পড়ে। বিশেষ করে মুর্শিদাবাদে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একাধিক স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনে ভাঙচুর চালানো হয় এবং কয়েকটি কামরায় আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। আগুনে পুড়ে যায় রেলের বহু সম্পত্তি। এর জেরে বহু দূরপাল্লার ট্রেন বাতিল করতে হয়েছিল। অনেক ট্রেন ঘুরপথে চালাতে বাধ্য হয়েছিল রেল কর্তৃপক্ষ। ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছিল ভারতীয় রেল।নবান্নে বৈঠকের সময় মুখ্যমন্ত্রী রেলমন্ত্রীকে ভবানীপুরে রেল সুরক্ষা বাহিনীর একটি বিশেষ দপ্তর গড়ে তোলার প্রস্তাব দেন। সেখানে বসেই পুরনো নথি, ভিডিও ফুটেজ এবং অন্যান্য তথ্য খতিয়ে দেখে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তর এবং পুলিশ প্রশাসনকে তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করার অনুরোধ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।সূত্রের খবর, শুধু অভিযুক্তদের চিহ্নিত করাই নয়, রেলের ক্ষয়ক্ষতির জন্য তাঁদের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কেউ ক্ষতিপূরণ দিতে অস্বীকার করলে আইন মেনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও ইঙ্গিত মিলেছে।রেল আইনে রেলের সম্পত্তি নষ্ট করা, ভাঙচুর চালানো বা পরিষেবা ব্যাহত করা গুরুতর অপরাধ। এ ধরনের ঘটনায় জরিমানা এবং কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। তাই বহু বছর পর এই মামলাগুলির তদন্ত ফের শুরু হওয়ার খবরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।

জুন ০৬, ২০২৬
দেশ

হোটেলে আগুন, তদন্তে বিস্ফোরক মোড়! বাংলাদেশিদের জাল আধার-পাসপোর্ট বানানোর অভিযোগ মালিকের বিরুদ্ধে

দিল্লির একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার তদন্তে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থার একাধিক গাফিলতির অভিযোগের মধ্যেই এবার উঠে এসেছে জাল পরিচয়পত্র চক্রের অভিযোগ। তদন্তে জানা গিয়েছে, হোটেলের মালিক লাভকেশ বাজাজের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ভারতে থাকা বাংলাদেশি নাগরিকদের জাল নথি তৈরিতে সাহায্য করার অভিযোগ রয়েছে। এই ঘটনার পর দিল্লির সমস্ত হোটেল, রেস্তরাঁ, ব্যাঙ্কোয়েট হল এবং সিনেমা হলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নতুন করে পর্যালোচনার দাবি উঠেছে।পুলিশ সূত্রে খবর, টাকার বিনিময়ে বাংলাদেশি নাগরিকদের নিজের ছত্তরপুরের আবাসিক ঠিকানা ব্যবহার করার অনুমতি দিতেন লাভকেশ বাজাজ। অভিযোগ, সেই ঠিকানা ব্যবহার করে আধার কার্ড, পাসপোর্ট-সহ একাধিক ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করা হত। অগ্নিকাণ্ডের তদন্ত চলাকালীন এই পুরনো মামলার তথ্যও ফের সামনে এসেছে।জানা গিয়েছে, গত বছরের জানুয়ারিতে দিল্লির পাহাড়গঞ্জ এলাকায় জাল নথি ব্যবহার করে এক বাংলাদেশি পরিবারের থাকার খবর পায় পুলিশ। তদন্তে একটি বাড়ি থেকে এক মহিলা এবং তাঁর নাতিকে আটক করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে একাধিক পাসপোর্ট, আধার কার্ড এবং ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত নথি উদ্ধার করা হয়েছিল। তদন্তকারীদের দাবি, উদ্ধার হওয়া বিভিন্ন পরিচয়পত্রে আলাদা নাম ও ঠিকানা থাকলেও ছবিটি ছিল একই ব্যক্তির।পুলিশের দাবি, ওই জাল নথিগুলির মধ্যে থাকা একটি ঠিকানা দক্ষিণ দিল্লির ছত্তরপুর এলাকার। তদন্তে সেই ঠিকানার সূত্র ধরেই লাভকেশ বাজাজের নাম উঠে আসে। পরে জেরায় তিনি নাকি স্বীকার করেন যে, অর্থের বিনিময়ে নিজের ঠিকানা ব্যবহার করার অনুমতি দিয়েছিলেন।এর আগে জালিয়াতি চক্রে যুক্ত থাকার অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছিল। কিছুদিন জেলে থাকার পর তিনি জামিনে মুক্তি পান। এবার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার তদন্তে নতুন করে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়টি সামনে আসায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।দিল্লি পুলিশের তদন্ত এখন দুই দিকেই এগোচ্ছে। একদিকে অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও নিরাপত্তা গাফিলতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে, অন্যদিকে জাল পরিচয়পত্র চক্রের সঙ্গে অভিযুক্তের সম্ভাব্য যোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীদের মতে, এই দুই ঘটনার মধ্যে কোনও সংযোগ রয়েছে কি না, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জুন ০৬, ২০২৬
রাজ্য

শওকত-পুত্রের বিলাসবহুল ক্যাফেতে প্রশাসনের নোটিস! এবার কি ভাঙার মুখে কোটি টাকার নির্মাণ?

ক্যানিং পূর্বের প্রাক্তন বিধায়ক শওকত মোল্লার ছেলে ইমরান মোল্লার বিরুদ্ধে মাতলা নদীর চর দখল করে বিলাসবহুল ক্যাফে তৈরির অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগের জেরে এবার সরাসরি পদক্ষেপ করল প্রশাসন। ক্যাফের সমস্ত নথিপত্র নিয়ে আগামী ১৮ জুন মহকুমাশাসকের দপ্তরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ইমরান মোল্লাকে। প্রশাসন সূত্রে খবর, বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারলে ক্যাফেটি ভেঙে দেওয়া হতে পারে।ইমরান মোল্লার এই ক্যাফের নাম অরণ্যের কূলে। অভিযোগ, মাতলা নদীর চর দখল করে এবং মৌখালি সেতুর কাছাকাছি এলাকায় ম্যানগ্রোভ গাছ কেটে প্রায় ১০ একর জমির উপর এই ক্যাফে গড়ে তোলা হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, কয়েক কোটি টাকা খরচ করে তৈরি হয়েছে এই বিলাসবহুল পর্যটন কেন্দ্র।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই এই ক্যাফে নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। কয়েক দিন আগে তদন্তকারী সংস্থা শওকত মোল্লাকে খুঁজতে গিয়ে তাঁর ছেলে ইমরানকে নিয়ে এই ক্যাফেতেও পৌঁছেছিল। এরপরই প্রশাসনের নজরে আসে গোটা বিষয়টি।জানা গিয়েছে, জীবনতলা থানার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে প্রশাসনের আধিকারিকরা ক্যাফেতে গিয়ে নোটিস টাঙিয়ে এসেছেন। মহকুমাশাসক প্রণব মালিয়ে আগামী ১৮ জুন ইমরান মোল্লাকে প্রয়োজনীয় নথি নিয়ে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। শুধু এই ক্যাফে নয়, মাতলা নদীর চর ভরাট করে গড়ে ওঠা আরও কয়েকটি নির্মাণ এবং ক্যাফেকেও নোটিস পাঠানো হয়েছে।এদিকে ভাঙড় বিস্ফোরণ মামলায় শওকত মোল্লা বর্তমানে তদন্তকারী সংস্থার হেফাজতে রয়েছেন। সেই আবহেই তাঁর ছেলের বিরুদ্ধে জমি দখল ও বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ নতুন করে রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এলাকার একাধিক ফিশারি এবং জলাভূমি দখল করে তা কম দামে বিক্রি করা হয়েছে। পরে সেখানে গড়ে উঠেছে ক্যাফে, বাণিজ্যিক নির্মাণ এবং অন্যান্য স্থাপনা। এমনকি একটি বেসরকারি নার্সিংহোম তৈরির জন্যও বিপুল পরিমাণ জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতে প্রশাসন ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে।

জুন ০৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal