• ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২, শনিবার ১৪ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Rabindranath Tagore

কলকাতা

হটাৎ গোলাপ ফুল হাতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ছদ্মবেশে আন্দোলনকারীদের সমর্থনে পাশে এসে পৌঁছলেন বিকাশ ভবনের সামনে।

হটাৎ গোলাপ ফুল হাতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ছদ্মবেশে আন্দোলনকারীদের সমর্থনে পাশে এসে পৌঁছলেন বিকাশ ভবনের সামনে। চাকরিহারা শিক্ষক শিক্ষিকাদের আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে তাদের পাশে দাঁড়ালেন আই এন টি ইউ সি সেবা দল। এদিন তারা মিছিল করে এসে বিকাশ ভবন এর সামনে চাকরিহারা শিক্ষক শিক্ষিকাদের আন্দোলন মঞ্চের সামনে এসে জমায়েত করে। আই এন টি ইউ সি সেবা দলের এক কর্মী রবীন্দ্রনাথের ছদ্মবেশে গোলাপ ফুল হাতে নিয়ে দাঁড়ায় পুলিশ আধিকারিকদের সামনে। পুলিশ আধিকারিকদের ফুল দিতে গেলে তারা নিতে অস্বীকার করে।

মে ১৭, ২০২৫
রাজ্য

বিশ্বভারতীর যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত, ফের পুরনো নিয়মে ফিরছে রবি ঠাকুরের প্রতিষ্ঠান

কোভিড কাল থেকে অবরুদ্ধ ছিল রবি ঠাকুরের বিশ্বভারতী। তবে এবার সেই অবরুদ্ধ দ্বার খুলে যেতে চলল। এবার থেকে পর্যটকরা আশ্রম ক্যাম্পাসে ঘুরতে পারবেন। নতুন উপাচার্য প্রবীর কুমার ঘোষ শান্তি নিকেতনে কাজে যোগ দিয়ে এমন নির্দেশ দিয়েছেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর চেয়েছিলেন অচলায়তনের বিরুদ্ধে। প্রাক্তন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর প্রবেশ নিষিদ্ধ করে দিয়েছিলেন। তা নিয়ে চরম বিতর্ক শুরু হয়েছিল। আপাতত সেই বিতর্ক মিটতে চলেছে। অবরুদ্ধ দরজা ভেঙে চুরমার হয়ে গেল। এই সিদ্ধান্তে খুশি প্রবীন আশ্রমিকরা। প্রবীণ আশ্রমিক সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সুপ্রিয় ঠাকুররা এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে। সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, বর্তমান উপাচার্য এবং আমি একই এগ্রিকালচারাল কলেজের ছাত্র। তিনি আমার থেকে দশ বছরের জুনিয়র। খুব ভালো লাগছে, তিনি এই কথা বলেছেন। পর্যটনকে এই হেরিটেজ সাইটের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। পাঁচিল দিয়ে অবরুদ্ধ করা সহজ। কিন্তু রবীন্দ্র ভাবনার উন্মুক্ত পরিবেশ বজায় রাখা কঠিন। ছাত্রদের যেমন এখানে রবীন্দ্র স্টাডিজ পড়তে হয়। কিন্তু যারা এখানে বাইরে থেকে পড়াতে আসেন, তাদেরকে পড়তে হয় না। একথা প্রাক্তন উপাচার্য সুজিত বসুকে বলেছিলাম। সব থেকে যেটা দরকার উপযুক্ত পরিকাঠামো। পর্যটকদের জন্য পার্কিং ব্যবস্থা, বাথরুম। কোথায় পার্কিং হবে, কোথায় হবে না তার নোটিশ দরকার। নোংরা হবে বলে, কাউকে ঢুকতে দেব না, তালা মেরে দেব, এটা সহজ কথা। হেরিটেজ সাইট মানুষকে দেখতে দিতে হবে। ৬ বছর পর পর্যটকদের জন্য খুলে গেল বিশ্বভারতীর সমস্ত এলাকা। তাতে বিভিন্ন মহলে খুশির হাওয়া। গত ২০২৩ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিষ্ঠিত বিশ্বভারতীকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ ঘোষণা করেছে ইউনেস্কো। এই হেরিটেজ তকমা রক্ষা করতে অতি সতর্ক বিশ্বভারতী এতদিন পর্যটক থেকে সংবাদ মাধ্যমের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি রেখেছিল। এবার সবার জন্য আশ্রমের দরজা উন্মুক্ত হলো। তবে নিরাপত্তার বিষয়টি যথাযথ থাকবে।শুক্রবার শান্তি নিকেতন, আ ইউ নেসকো ওয়ার্লড হেরিটেজ সাইট, ট্যুরিজম বিষয়ে বিশ্বভারতী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে একটি আলোচনা চক্রের আয়োজন করা হয়। এদিন বিশ্বভারতীর উপাচার্য প্রবীর কুমার ঘোষ বলেন, একটি পরিকল্পনা করে হেরিটেজ সাইটের সঙ্গে ট্যুরিজম লিংক আপ করা হবে। অবশ্যই নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বাধিক গুরুত্ব পাবে। তবে রবীন্দ্র ভাবনা তাঁর আদর্শ এবং স্থান ঐতিহ্যকে মানুষের কাছে আরও ভালোভাবে তুলে ধরতে আশ্রম উন্মুক্ত করা হবে। গত পরশু জয়েন করে আমি জানিয়ে দিয়েছি। অতীত নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি বা অতীতের মতো যে তিনি চলবেন না, তাঁর প্রথম সিদ্ধান্তে তিনি তা বুঝিয়ে দিলেন। স্বাভাবিক ভাবে বিশ্বভারতী তার স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে চলেছে। বিশ্বভারতীর দ্বার উন্মুক্ত হলে পর্যটকদের ভিড় আরও বাড়বে বলে মনে করছে শিক্ষানুরাগীরা। পাশাপাশি পর্যটন শিল্প বৃদ্ধি পাবে।

মার্চ ২১, ২০২৫
বিনোদুনিয়া

Rabindranath Tagore : রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে নব রবি কিরণের সঙ্গীত প্রতিযোগিতা

নব রবি কিরণ এবং নব নালন্দা সঙ্গীত শিক্ষায়তনের উদ্যোগে আয়োজিত হতে চলেছে সারা বাংলা ব্যাপী রবীন্দ্র সঙ্গীত প্রতিযোগিতা গানের ভিতর দিয়ে। এই অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হল নালন্দা ভবনে৷ বহু শিল্পী গুণীজনের সমাবেশে প্রতিযোগিতার শুভ সূচনা হল।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অলকানন্দা রায়, পণ্ডিত শুভেন চট্টোপাধ্যায়, রাজনীতিবিদ দেবাশিস কুমার, গৌরী বসু, শ্রাবণী সেন, ব্রততী বন্দ্যোপাধ্যায়, জয়তী চক্রবর্তী, চন্দ্রাবলী রুদ্র দত্ত, অগ্নিভ বন্দ্যোপাধ্যায়, অলোক রায়চৌধুরী , প্রবুদ্ধ রাহা, লোপামুদ্রা মিত্র, সুব্রত বাবু মুখোপাধ্যায়, বিপ্লব মণ্ডল, অদিতি গুপ্ত, ইমন চক্রবর্তী, গৌতম ভট্টাচার্য, দেবাদৃত চট্টোপাধ্যায়, সিসপিয়া ব্যানার্জী, অরিত্র দাশগুপ্ত, ময়ুরী সাহা, দেবজিৎ দত্ত, সৈকত শেখরেশ্বর রায়, ইন্দ্রনীল দত্ত এবং দীপ্তাংশু পাল।৪ ঠা ডিসেম্বর ২০২১ থেকে এই প্রতিযোগিতার ফর্ম অনলাইন ও অফলাইনে উভয় মাধ্যমেই পাওয়া যাবে। এই প্রতিযোগিতায় তিনটি বিভাগ থাকছে। উন্মেষ ( ১০ থেকে ১৪ বছর), বিকাশ ( ১৫ থেকে ১৮ বছর) ঐশ্বর্য ( ১৯ বছর ও তার ঊর্ধ্বে)। প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের জন্য থাকছে নব রবি কিরণের ইউটিউব চ্যানেলে একটি করে মিউজিক ভিডিও করার চুক্তি এবং নগদ পুরস্কার। প্রথম পুরস্কার ১২ টাকা দ্বিতীয় পুরস্কার ৮ হাজার টাকা তৃতীয় পুরস্কার ৫ হাজার টাকা। এছাড়াও বিজয়ীরা নব নালন্দার রবীন্দ্রস্মরণ অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশনের সুযোগ পাবেন। এই প্রতিযোগিতার প্রথম ধাপ অর্থাৎ প্রাক প্রাথমিক পর্যায় অনলাইনে হবে। প্রাথমিক তথা দ্বিতীয় পর্যায় অনুষ্ঠিত হবে অফলাইনে। স্থান-নালন্দা ভবন ( ঠিকানা: ২৫ সাদার্ন এভিনিউ, কলকাতা - ৭০০০২৬) এবং শান্তিনিকেতনের নব নালন্দা স্কুল ( ঠিকানা : পশ্চিমপল্লী, শান্তিনিকেতন)। তৃতীয় ও চূড়ান্ত পর্যায় অনুষ্ঠিত হবে পূর্বাঞ্চল সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ( EZCC), কলকাতা প্রাঙ্গনে৷প্রতিযোগিতা নিয়ে সঙ্গীতশিল্পী অরিত্র দাশগুপ্ত জানালেন,অসম্ভব ভালো লাগছে এর পার্ট হয়ে। নব নালন্দা স্কুল খুব কালচারাল স্কুল। অসম্ভব ভালো লাগার একটা বিষয় যখন আমি প্রফেশনাল আর্টিস্ট হিসাবে পুরো ব্যাপারটা দেখি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে নিয়ে এবং তার হাত ধরে আমরা সবাই এগিয়ে যাচ্ছি। আমি চাইবো এই কম্পিটিশনে সবাই সামিল হোন। সবাই সবার বেস্ট টা দিন। তাহলে দেখবেন যে আমরা অনেক ভালো আউটপুট পাচ্ছি।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

21 Records : রবিঠাকুরের নতুন গান নিয়ে ২১ রেকর্ডস

প্রত্যেকটা গানের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে অনেক স্মৃতি, অনেক গল্প। একটা গান ব্যক্তিবিশেষের কাছে ভিন্ন অনুভূতিতে প্রকাশ পায়। গান বলতেই যাঁর কথা মনে পড়ে, তিনি আমাদের প্রাণের মানুষ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। সুখে দুঃখে, বিরহ- বেদনায় যাঁর গান আমাদের আশ্রয় হয়, আমাদের শক্তি দেয়, আবার কখনও জীবনকে নতুন করে ভালবাসতে শেখায় তিনি রবীন্দ্রনাথ। ২১ রেকর্ডস এর প্রথম নিবেদন শ্রাবণের ধারার মতো। যদিও শরৎ সমাগত, আকাশে বাতাসে আগমনী আলো তবুও বর্ষা কিন্তু এখনো বিদায় নেয় নি। বর্ষার এই বিদায় বেলায় ঝরে পড়ুক পুরনো শোক, মালিন্য। শ্রাবণ ধারায় ধুয়ে যাক সমস্ত জীর্ণতা। জীবনে আসুক নতুন প্রাণ। ২১ রেকর্ডসের গান সেই কথাই যেন আরো একবার মনে করায়৷ পুরনো দিনের স্মৃতি, মায়ের স্মৃতি বিজড়িত কিছু কথা আর সেইসঙ্গে ভালোলাগা গান। ব্যক্তিগত শোক যে সুরকে অবরুদ্ধ করে রেখেছিল এতদিন, এক বৃষ্টির দিনে আচমকাই মায়ের বলা কথা আর খিচুড়ির স্বাদে মিলেমিশে গেল স্মৃতি ভেজা গান। ফিরিয়ে দিল জীবনের চেনা সুর। শব্দের ধর্মই প্রকাশ। অনুভবে বদলে যায় শব্দের সুর৷ তাই জীর্ণ সব কিছু পুরনো আবরণ ভেঙে প্রকাশিত আনন্দের আলো। এই গানে অভিনয় করবেন সকলের প্রিয় অভিনেত্রী চান্দ্রেয়ী ঘোষ।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১
বিদেশ

Modi-UNGA: আফগানিস্তান প্রসঙ্গে রাষ্ট্রসঙ্ঘে বাংলায় কবি-স্মরণ মোদির

ফের একবার স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে কবিগুরুর স্মৃতিচারণা করতে দেখা গেল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। রাষ্ট্রসঙ্ঘর ৭৬তম সাধারণ অধিবেশনে আজ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার অংশ উদ্ধৃত করলেন প্রধানমন্ত্রী। নিজের ভাষণ শেষ করার সময় আজ রবীন্দ্রনাথের কবিতার অংশ তুলে ধরে তিনি বলেন, শুভ কর্মপথে ধর নির্ভয় গান। সব দুর্বল সংশয় হোক অবসান।আরও পড়ুনঃ প্রতিহিংসাবশত আমায় রোম যেতে দেওয়া হল না, বিদেশ মন্ত্রকের অনুমতি না মেলায় ক্ষুব্ধ মমতা নিজের ভাষণ শেষে রবীন্দ্রনাথের কবিতার অংশ উদ্ধৃত করার আগে আফগানিস্তান ইস্যু নিয়ে কথা বলছিলেন প্রধানমন্ত্রী। আফগানিস্তান নিয়ে আগামী দিনে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি কী হবে, সেই সংক্রান্ত বিষয় নিয়েই কথা বলছিলেন তিনি। বলেন, আফগানিস্তানের মাটি সন্ত্রাসবাদের জন্য নয়। এই বিষয় নিয়ে আমাদের সতর্ক করতে হবে। কেউ নিজের স্বার্থের জন্য যেন আফগানিস্তানের মাটি ব্যবহার না করে। একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করিয়ে দেন, এই সময়ে আফগানিস্তানের সাধারণ নাগরিক বিশেষ করে মহিলা ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সাহায্য প্রয়োজন। রাষ্ট্রসঙ্ঘকে এই নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। আর সেই প্রসঙ্গে কথা বলার সময় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার অংশ তুলে ধরেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট বাংলায় বলেন, শুভ কর্মপথে ধর নির্ভয় গান, সব দুর্বল সংশয় হোক অবসান। স্পষ্টতই বোঝা যাচ্ছে, আফগানিস্তান ইস্যুকেই ইঙ্গিত করে এই পংক্তিটি উদ্ধৃত করেছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী এরপর রবীন্দ্রনাথের কবিতার পংক্তির ব্যাখাও দেন। বলেন, নিজে যে শুভ কর্মপথে এগোচ্ছ, সেই পথে নির্ভীক হয়ে এগিয়ে যাও। সকল দুর্বলতা ও শঙ্কা দূর হোক। একই সঙ্গে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, এটি রাষ্ট্রসঙ্ঘের জন্য যতটা প্রাসঙ্গিক, অন্যান্য সদস্য দেশগুলির জন্যও একইরকম প্রাসঙ্গিক। এতে বিশ্ব শান্তি ও বন্ধুত্ব প্রতিষ্ঠিত হবে বলেও মনে করছেন প্রধানমন্ত্রী।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Rabindranath Tagore : রবীন্দ্রনাথের কবিতা নিয়ে দুই বাংলার যুগলবন্দী প্রকাশিত

ডিজিটাল বিনোদন মার্কেটে এল নতুন ফিজিক্যাল সিডি! এটি মূলত বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার অ্যালবাম। রাগা মিউজিক নিবেদিত এই অ্যালবামের নাম দেয়া হয়েছে দোঁহে। কবিতা পাঠ, মানে আবৃতি করেছেন ভারতবর্ষের/পশ্চিমবঙ্গের এই প্রজন্মের অন্যতম গুণী আবৃতিশিল্পী তাতা বেতার জগতের পরিচিত নাম, কবিতাপ্রেমীদের প্রিয় কণ্ঠ সত্যজিৎ বিশ্বাস আর বাংলাদেশের অদিতি সাদিয়া রহমান, যিনি এখন সুদূর ওয়াশিংটনে থাকেন।অ্যালবামটির সঙ্গীতায়োজনে রয়েছেন ভারতের অন্যতম সঙ্গীত ব্যক্তিত্ব শ্রী কল্যাণ সেন বরাট। দোঁহে অ্যালবামে শোনা যাবে রবীন্দ্রনাথের দশটি প্রেমের কবিতা। রাগা মিউজিকের ডিজিটাল প্লাটফর্মের পাশাপাশি ফিজিক্যালি সিডিও রিলিজ হয়েছে। বিভিন্ন ওটিটি প্ল্যাটফর্ম তো আছেই। সত্যজিৎ বিশ্বাস বলেন, এটি সিডি আকারেও রিলিজ হবে। যেহেতু প্যানডামিক সেহেতু কোনো অনুষ্ঠান করা যাচ্ছে না। তাই ভার্চুয়াল মিটে রিলিজ করা হবে। অদিতি দি ওয়াশিংটনে থাকেন। ওখানে সিডি পৌঁছে যাবে, দেশে রাগা মিউজিকেও সিডি পাওয়া যাবে। এছাড়া কিছু প্রিয় লোকেদের হাতেও সিডি পৌঁছে দেব।সত্যজিৎ বিশ্বাস অ্যালবামের শিরোনাম প্রসঙ্গে কে বলেন, দোঁহে শব্দের অর্থ হচ্ছে দু জনা বা দুজনে। আমরা যে প্রেমের কবিতাগুলো আবৃতি করেছিলুম তার মধ্যে দোঁহে শব্দটা রয়েছে অন্ত দুটি কবিতায়। তাই এই শব্দটাকে শিরোনাম করা। অ্যালবামের সহশিল্পী অদিতি সাদিয়া রহমান সম্পর্কে তিনি বলেন, কবিতার সূত্রেই দুজনের আলাপ-পরিচয়। গত বছর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে (ইউএসএ) আবৃতির এক অনুষ্ঠানে দুজনেই আবৃতি করেছিলাম। হয়েছিল। সেখানেই অদিতি দি আমার কাছে জানতে চেয়েছিলেন যে কবিতা নিয়ে এক সঙ্গে কোনো প্রজেক্ট করা যায় কিনা। ফলে আমারও মনে হল যে করা যেতেই পারে। আর সেক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথ, মানে রবীন্দ্রনাথের কবিতাই সবচেয়ে বেশি প্রাসঙ্গিক মনে হয়েছে।সঙ্গীতায়োজন নিয়ে সত্যজিৎ বলেন, কল্যাণ দার সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত পরিচয় বহু বছরের। তাঁর সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা আসলেই অসাধারণ। এ বছরই তাঁর আবহসঙ্গীতে আরো একটি অ্যালবামে কাজ করেছি। সেটি বাংলাদেশ থেকে রিলিজ হয়েছে। তাতে এপার বাংলা থেকে ব্রততী বন্দোপাধ্যায় ও আমি ছিলাম, আর ওপর বাংলা থেকে ছিলেন সামিউল ইসলাম পুলক।এখন তো সামনে বাইশে শ্রাবণ বা ২৫শে বৈশাখ নেই, তাহলে হঠাৎ এই সময়ে রবি ঠাকুরের কবিতা কেন, এমন প্রশ্ন করতেই প্রতিশ্রুতিশীল এই বাচিকশিল্পী/আবৃতিকার ঝটপট জবাব, রবীন্দ্রনাথ শুধু এই দুটি দিনকে ঘিরেই নয়, তিনি আমাদের নিত্যদিনকার জীবনেই জড়িয়ে আছেন। মানুষের তো ছয়টা ইন্দ্রীয় থাকে। যদি আরেকটা ইন্দ্রীয় যোগ থাকতো তাহলে সেটির নাম হতে পারত রবীন্দ্রনাথ। কারণ তাঁকে নিয়েই আমাদের রোজকার বাঁচা, তাঁকে ঘিরেই আমাদের প্রতিদিনের ভাবনা এবং তিনি প্রতিনিয়ত আমাদের সঙ্গেই আছেন। সেজন্য রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে শুধুমাত্র ২৫ বৈশাখ বা ২২শে শ্রাবণ উপলক্ষেই নয়, যেকোনো দিনই করা যায়।অ্যালবামটির রেকর্ডিং হয়েছে কল্যাণ সেন বরাটের নিজস্ব স্টুডিওতে। সাউন্ড ডিজাইন করেছেন কল্যাণ সেনের ছেলে ও এই সময়ের অত্যন্ত জনপ্রিয় সাউন্ড ডিজাইনার/ইঞ্জিনিয়ার গুপ্তব সেন বরাট। অ্যালবামটির সামগ্রিক পরিকল্পনা ও পরিচালনা করেছেন রায়হান এলাহী।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Rabindranath Tagore : কবিগুরুর প্রয়াণে আবক্ষ মূর্তি

আজ ২২ শে শ্রাবণ। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮০তম প্রয়াণ দিবস। বাঙালির জীবনে আবেগের আপর নাম রবীন্দ্রনাথ।কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবসে তার আবক্ষ মূর্তি বসানোর উদ্যোগ নিল মাথাভাঙ্গা নিউটাউন ক্লাব। রবিবার বিকেলে ক্লাব প্রাঙ্গনে কবিগুরুর আবক্ষ মূর্তি স্থাপন করা হয়। এর পাশাপাশি ক্লাবের পক্ষ থেকে এইদিন স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। জানা গেছে আজ ওই রক্তদান শিবিরে প্রায় ১০০ জন রক্তদান করেছেন। এই রক্তদান শিবির কর্মসূচির সূচনা করেন রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ চন্দ্র অধিকারী। তিনি ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি পার্থ প্রতিম রায়, মাথাভাঙ্গা পৌরসভার প্রশাসক লক্ষপতি প্রামাণিক, চন্দন দাস, অরুনাভ গুহ, শাবলু বর্মন সহ অন্যান্যরা।আরও পড়ুনঃ এই শ্রাবণে...তোমার জন্যেএই উদ্যোগটা সত্যিই খুব ভালো। এই উদ্যোগ প্রসঙ্গে ক্লাবের সম্পাদক অনুপ কুমার সাহা বলেন, কোচবিহার জেলার প্রায় সমস্ত ব্লাড ব্যাঙ্কে রক্ত সংকট দেখা দিয়েছে। তাই আমরা রক্তদান শিবির কর্মসূচির উদ্যোগ গ্রহণ করলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়ান দিবস উপলক্ষে। আজ কবির সেই প্রয়াণ দিবসে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি আবক্ষ মূর্তি বসালাম ক্লাব প্রাঙ্গনে।

আগস্ট ০৮, ২০২১
নিবন্ধ

Mother's Day: মাতৃ দিবস ও রবীন্দ্রনাথ

ছেলেটা বাড়ি নেই একবছরের বেশি হয়ে গেছে, কবে ফিরবে কি জানি! মা-কে ফোন করার সময় হয় না। হলেও একটু কথা বলেই ছেড়ে দেয়। বৌকে নিশ্চয়ই সব বলে। আর মেয়েটাও হয়েছে সেরকম, বাপের বাড়ি আসতেই চায় না। এইসব বসে বসে ভাবছিলেন মাধুরী। আর আমার বৌমাকে দেখ প্রত্যেক সপ্তাহে মা বাবার কাছে যাওয়া চাই। বিয়েটা ছেলে নিজের পছন্দ মত করেছে। কিন্তু ছেলে হাত ছাড়া হয়ে যাবে বলে বিয়েটা মেনে নিতে হয়েছে মাধুরীকে। কিন্তু বৌকে খুব একটা পছন্দ করেন না। মাঝে মাঝে ভাবেন কোথায় নিজের পছন্দের মেয়ের সাথে বিয়ে দেব, ঘরকন্নার কাজ শেখাবেন নিজের হাতে তা নয় ; বাবু যে কি দেখে এই মেয়েকে বিয়ে করলো কি জানি বাপু? না আছে কোনো রূপ আর গুণ কি আছে কি জানি! এই সব সাত পাঁচ ভাবতে ভাবতে মেয়েকে ফোন করলেন----- হ্যালো, মান্তু?হ্যাঁ মা বলো কি বলবে তাড়াতাড়ি বলো। আমি এখন খুব ব্যস্ত। আজ Mothers Day তাই তোমার নাতনী আমাকে নিয়ে কোথায় যেন যাবে। বলো তাড়াতাড়ি বলে ফেলো। ও তাহলে থাক পরে কথা বলবো। বলে মনটা খারাপ করে ফোনটা কেটে দিল। ভাবলেন হায়রে, আজ মাতৃ দিবস তাই তোর মেয়ে তোকে নিয়ে কোথাও যাবে আর আমি যে তোর মা সেটা ভুলে গেলি। এমন সময় ফোন বেজে উঠলহ্যালো মাধুরীদেবী বলছেন? হ্যাঁ, কে বলছেন? আপনার একটা parcel আছে। একটু দরজার সামনে আসবেন Please? ফোন রেখে মাধুরী ভাবতে লাগলেন কে আবার আমার জন্য কী পাঠালো! মনে হয় আমার বাবু সারপ্রাইজ গিফ্ট পাঠিয়েছে, নাহলে মান্তু মনে হয়। তাই আমার সঙ্গে এখন কথা বললো না। এই ভাবতে ভাবতে গেটের কাছে গিয়ে দেখেন একটি অল্প বয়সী ছেলে হাতে একটা ফুলের তোড়া আর একটা প্যাকেট নিয়ে দাঁড়িয়ে। হ্যাপি মাদারস্ ডে মাসীমা বলে ছেলেটি এগিয়ে দিল জিনিসগুলো মাধুরীর দিকে। ছেলেটির থেকে হাসি মুখে জিনিসগুলে নিয়ে বাড়ির ভিতরে ঢুকে পড়েন। মনে কৌতূহল কে পাঠিয়েছে--- ছেলে না মেয়ে? ফুলের সঙ্গে একটা চিঠি, উপরে লেখা আগে প্যাকেট খোলো। মাধুরী আস্তে আস্তে প্যাকেট খুললেন। একটা পিওর সিল্ক, ওনার ভীষণ পছন্দের। সুন্দর একটা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবি আর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার বই। এবার চিঠি খুলে পড়তে লাগলেন--মা, জানি ভাবছো কে পাঠালো তোমাকে উপহার? ভেবেছিলে তো তোমার মেয়ে মান্তু কিংবা তোমার বাবু। আমার কথা তোমার মনে আসবে না আমি জানি। কারণ আমাকে তুমি আজও মেনে নিতে পারোনি। কিন্তু আমার কাছে তুমি আমারও মা। আজ মাতৃ দিবস। আজ তুমি মনখারাপ করে বসে থাকলে আমার যে ভালো লাগবে না মা। আমি বেরোবার সময় দেখলাম তোমার মনটা কোনও কারণে আজ ভালো নেই। মন খারাপ কেন মা গো? আমি আছি তোমার সাথে সবসময়। আমি জানি তোমার পছন্দ। দেখতো ঠিক জেনেছি কিনা? আর শোনো অনেক সবার জন্য ভেবেছো এবার শুধু নিজের জন্য ভাববে। আবার আবৃত্তি শুরু করতে হবে।শোনো বিকেলে এই শাড়িটা পড়ে তৈরি থেকো এক জায়গায় যাবো। এবার তো একটু হাসো আমার মিষ্টি মা। তোমার মেয়েপিয়াসীচিঠি পড়তে পড়তে চোখ জলে ভরে গেছে মাধুরীর। যার কথা কোনও দিন মনে ঠাঁই পায়নি আজ সে এতকিছুর কথা ভেবেছে তার জন্য অথচ নিজের পেটের সন্তানরা মায়ের কথা ভুলেই গেছে। মেয়েটা কথাই বললো না! আজ জীবনে প্রথমবার মাতৃ দিবসে কেউ এভাবে আমার কথা ভাবলো রে মা; আজ রবীন্দ্র জয়ন্তীর দিনে তুই আবার আমার প্রাণের ঠাকুরকে ফিরিয়ে দিলি। তুই তো আমার সত্যিকারের মেয়ে। আজ আমার মাতৃ দিবস আর রবীন্দ্র জয়ন্তী সার্থক করলি। ফোন করে পিয়াসীকে বললেন মাধুরী। পিয়াসীর চোখেও জল। আজ সে পেরেছে।

জুলাই ১১, ২০২১
রাজ্য

বোলপুরে বিজেপির পোস্টার, অমিত শাহের ছবির নীচে স্থান পেলেন রবি ঠাকুর!

২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনে বাংলা দখল করতে মরিয়া বিজেপি। নরেন্দ্র মোদি থেকে অমিত শাহ সবার মুখেই তাই এখন শোনা যাচ্ছে বাংলার নাম। প্রায় প্রতিদিনই দিল্লি থেকে কোনও না কোনও বিজেপি নেতা আসছেন বাংলায়, করছেন বাংলার মনীষীদের বন্দনা। আরও পড়ুন ঃ দুয়ারে-দুয়ারে নয়, যমের দুয়ারে যাচ্ছে তৃণমূল সরকার, বদলা নেওয়া হবে, হুঙ্কার দিলীপের এই ধারা বজায় রেখেই আগামী ২০ ডিসেম্বর বোলপুরে আসছেন নরেন্দ্র মোদির প্রধান সেনাপতি তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। পা রাখবেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতি বিজরিত শহরে। যোগ দেবেন রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক অনুষ্ঠানে। তার আগে শুক্রবার সকাল থেকেই বোলপুর শহর ছেয়েছে বিজেপির পোস্টারে। আর তাতেই বেঁধেছে বিপত্তি। রবীন্দ্র প্রীতি দেখাতে গিয়ে নিজেদের অজান্তেই বিটর্কে জড়িয়েছে পদ্ম শিবির। এদিন বিজেপি পোস্টারে দেখা গিয়েছে অমিত সাহহের ছবির তলায় স্থান পেয়েছেন রবি ঠাকুর! তাঁর নিচে আবার স্থানীয় বিজেপি সাংসদ অনুপম হাজরার ছবি দেওয়া। এই ঘটনায় অমিত শাহের বোলপুর সফরের আগেই রীতিমতো ব্যাকফুটে চলে গিয়েছে বিজেপি। নিন্দায় ফেটে পড়েছেন এলাকার সাধারণ মানুষ থেকে শান্তিনিকেতনের প্রাক্তনী ও আশ্রমিকরা। একে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অপমান হিসেবেই দেখা হচ্ছে। সমালোচনার মুখে পড়ে অবশ্য পোস্টার গুলি খোলার উদ্যোগ নিয়েছে বিজেপি।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২০

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

ইরানের ক্ষমতার কেন্দ্রে রহস্য! গুরুতর আহত নতুন সর্বোচ্চ নেতা, নাকি গোপন রাখা হচ্ছে সত্য

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেইকে ঘিরে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় তাঁর বাবা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হওয়ার পরই তাঁকে দেশের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম বার্তা প্রকাশ পেলেও তিনি নিজে কোথাও প্রকাশ্যে দেখা দেননি।ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে তাঁর প্রথম বক্তব্য প্রচার করা হয়। তবে সেই বার্তাটি একটি সংবাদপাঠক পড়ে শোনান। খামেনেই নিজে ক্যামেরার সামনে আসেননি। কেন তিনি প্রকাশ্যে আসেননি, সে বিষয়ে ইরানের সরকারি মাধ্যম কোনও ব্যাখ্যা দেয়নি। এরই মধ্যে নানা মহলে গুঞ্জন ছড়িয়েছে যে যুদ্ধের প্রথম হামলাতেই তিনি গুরুতর আহত হয়েছেন।ছাপ্পান্ন বছর বয়সী এই নতুন আয়াতোল্লা তাঁর বক্তব্যে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে তিনি তাঁর নিহত বাবার নীতিই অনুসরণ করবেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান বজায় রাখার কথা বলেছেন তিনি। তাঁর দাবি, হরমুজ প্রণালী বন্ধই থাকবে। একই সঙ্গে উপসাগরীয় দেশগুলিকে দ্রুত ওই অঞ্চলে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটি বন্ধ করার দাবিও জানিয়েছেন তিনি। সাম্প্রতিক বিমান হামলায় নিহতদের রক্তের প্রতিশোধ নেওয়ার কথাও বলেছেন তিনি।তবে তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে নানা ধরনের খবর সামনে আসছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার প্রথম ধাক্কায় তিনি আহত হয়েছিলেন। সেই হামলাতেই তাঁর বাবা, মা, স্ত্রী, বোন ও ভাইঝির মৃত্যু হয়েছে বলেও খবর প্রকাশিত হয়েছে।ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন তাঁকে রমজানের যোদ্ধা বলে উল্লেখ করেছে। সাধারণত দেশের জন্য লড়াই করতে গিয়ে আহত হওয়া ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এই ধরনের শব্দ ব্যবহার করা হয়।আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলির রিপোর্টেও তাঁর আঘাত পাওয়ার কথা বলা হয়েছে। একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, তিনি তুলনামূলকভাবে হালকা আহত হয়েছেন। অন্য একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাঁর পায়ে চোট লেগেছে, চোখের পাশে আঘাত রয়েছে এবং মুখেও সামান্য ক্ষত রয়েছে।তবে একটি বিদেশি সংবাদপত্রে আরও চাঞ্চল্যকর দাবি করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, তিনি নাকি এখন কোমায় রয়েছেন এবং হামলায় তাঁর একটি পা কেটে ফেলতে হয়েছে। সেই প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, তাঁর যকৃত ও পেটেও গুরুতর ক্ষতি হয়েছে।ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, তাঁর প্রথম বার্তা প্রকাশ করা হয়েছিল মূলত তাঁর শারীরিক অবস্থা আড়াল করার চেষ্টা হিসেবে। জানা গিয়েছে, রাজধানীর একটি ঐতিহাসিক এলাকায় অবস্থিত একটি বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে তাঁর চিকিৎসা চলছে। হাসপাতালের একটি অংশ কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে রাখা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং দেশের অন্যতম শীর্ষ ট্রমা সার্জন মোহাম্মদ রেজা জাফারঘান্দি তাঁর চিকিৎসার দায়িত্বে রয়েছেন। সূত্রের দাবি, হামলায় তাঁর একটি পা হারাতে হয়েছে এবং শরীরের ভেতরের অঙ্গেও গুরুতর ক্ষতি হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানকে ঘিরে নানা ধরনের জল্পনা ও ষড়যন্ত্র তত্ত্বও ছড়াতে শুরু করেছে। কেউ কেউ বলছেন, দেশটি নাকি এখন এক অদৃশ্য আয়াতোল্লার দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। যদিও ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে, নতুন সর্বোচ্চ নেতার প্রথম বার্তাটি তিনিই লিখেছেন।

মার্চ ১৩, ২০২৬
বিদেশ

আমেরিকার যুদ্ধজাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি ইরানের! সত্যিই কি পিছু হটল শক্তিশালী রণতরী

আরব সাগর ও ওমান সাগর সংলগ্ন এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। আমেরিকার একটি বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। তবে সেই দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তাদের দাবি, যুদ্ধজাহাজটি এখনও স্বাভাবিক ভাবেই অঞ্চলে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর নৌবিভাগ জানিয়েছে, তাদের নিক্ষেপ করা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আমেরিকার বিমানবাহী রণতরীতে আঘাত করেছে। তাদের দাবি, সেই আঘাতে যুদ্ধজাহাজটি কার্যত অচল হয়ে পড়ে এবং উপসাগরীয় এলাকা থেকে সরে যেতে বাধ্য হয়।ইরানের তরফে আরও বলা হয়েছে, উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে একটি নির্ভুল সামরিক অভিযান চালানো হয়েছিল। ইরানের সমুদ্রসীমা থেকে প্রায় তিনশো চল্লিশ কিলোমিটার দূরে ওমান সাগরে এই হামলা করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার পর আমেরিকার ওই যুদ্ধজাহাজ ও তার সঙ্গে থাকা অন্যান্য জাহাজ দ্রুত গতিতে এলাকা ছেড়ে চলে যেতে দেখা যায়। তবে এই বিষয়ে বিস্তারিত আর কোনও তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। এর আগেও ইরান দাবি করেছিল যে তারা এই যুদ্ধজাহাজে আঘাত করেছে। কিন্তু তখন মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর জানিয়েছিল, সেই ক্ষেপণাস্ত্র যুদ্ধজাহাজের কাছেও পৌঁছতে পারেনি।ইরানের এই দাবি প্রকাশ্যে আসার পরই যুক্তরাষ্ট্র তা সরাসরি খারিজ করে দেয়। মার্কিন সেনাবাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ডের পক্ষ থেকে যুদ্ধজাহাজের একটি ছবি প্রকাশ করা হয়। সেখানে জানানো হয়, ওই রণতরী এবং তার সঙ্গে থাকা নৌবহর এখনও সমুদ্র থেকে সামরিক শক্তি প্রদর্শন করে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।এই উত্তেজনার মধ্যেই সমুদ্রে আরও একটি ঘটনার খবর সামনে এসেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি ইরানি জাহাজ আমেরিকার বিমানবাহী রণতরীর খুব কাছাকাছি চলে আসে। তখন মার্কিন বাহিনী গুলি চালায় বলে জানা গেছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন নৌবাহিনীর একটি জাহাজ বড় আকারের কামান ব্যবহার করে ওই ইরানি জাহাজের দিকে গুলি চালানোর চেষ্টা করে। তবে ঠিক কোন জাহাজ থেকে গুলি চালানো হয়েছিল তা স্পষ্ট নয়। গুলিগুলি সতর্কবার্তা হিসেবে ছোড়া হয়েছিল কি না, সেটাও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, ওই গুলি একাধিকবার ইরানি জাহাজকে লক্ষ্য করে ছোড়া হলেও কোনওটিই লক্ষ্যভেদ করতে পারেনি। ইরানের ওই জাহাজটির বর্তমান অবস্থাও এখনও পরিষ্কার নয়।পশ্চিম এশিয়ায় চলতে থাকা সামরিক অভিযানের জন্য যুক্তরাষ্ট্র সেখানে একাধিক যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইসরায়েলের সঙ্গে যৌথ বিমান অভিযান শুরু হওয়ার পর দুটি বড় বিমানবাহী রণতরী ওই অঞ্চলে পাঠানো হয়েছে।এই মুহূর্তে অঞ্চলে আমেরিকার দুটি বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন রয়েছে। তাদের সঙ্গে একাধিক বিধ্বংসী যুদ্ধজাহাজও কাজ করছে। এর মধ্যে কয়েকটি শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্রবাহী জাহাজও রয়েছে, যেগুলি ওই সমুদ্র এলাকায় নিরাপত্তা ও সামরিক অভিযান পরিচালনায় অংশ নিচ্ছে।

মার্চ ১৩, ২০২৬
দেশ

ঋতুকালীন ছুটি বাধ্যতামূলক হলে মহিলাদের চাকরি দেবে না সংস্থা! সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক মন্তব্য প্রধান বিচারপতির

ঋতুকালীন ছুটি বাধ্যতামূলক করার দাবি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে হওয়া এক মামলার শুনানিতে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করলেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। শুক্রবার এই মামলার শুনানি চলাকালীন তিনি বলেন, যদি ঋতুকালীন ছুটি আইন করে বাধ্যতামূলক করা হয়, তাহলে অনেক সংস্থা মহিলা কর্মীদের নিয়োগ করতে চাইবে না। এই কারণ দেখিয়েই আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছে।শৈলেন্দ্র মণি ত্রিপাঠী নামে এক আইনজীবী সুপ্রিম কোর্টে একটি আবেদন করেছিলেন। তাঁর দাবি ছিল, ছাত্রী হোক বা কর্মরত মহিলা সবার জন্যই ঋতুকালীন ছুটি বাধ্যতামূলক করা উচিত। তিনি উদাহরণ হিসেবে কেরল সরকারের একটি সিদ্ধান্তের কথাও তুলে ধরেন। দুই হাজার তেরো সালে রাজ্যের অধীনস্থ সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীদের জন্য ঋতুকালীন ছুটির ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। কিছু বেসরকারি সংস্থাও কর্মীদের জন্য এই ধরনের ছুটি চালু করেছে বলেও তিনি আদালতে উল্লেখ করেন।আবেদনকারীর দাবি ছিল, সব রাজ্যেই যেন এই ধরনের ছুটি আইন করে বাধ্যতামূলক করা হয়। সেই উদ্দেশ্যেই শীর্ষ আদালতে এই পিটিশন দাখিল করা হয়েছিল।তবে প্রধান বিচারপতি এই আবেদন সরাসরি খারিজ করে দেন। তিনি বলেন, ঋতুকালীন ছুটি বাধ্যতামূলক করা হলে তার উল্টো প্রভাবও পড়তে পারে। তাঁর মতে, এতে অনেক মহিলার মনে হতে পারে যে তাঁরা পুরুষদের তুলনায় পিছিয়ে। একই সঙ্গে অনেক সংস্থা তখন মহিলা কর্মীদের নিয়োগ করতে অনীহা দেখাতে পারে।প্রধান বিচারপতির কথায়, ঋতুস্রাব নিয়ে সচেতনতা তৈরি করা অবশ্যই প্রয়োজন। কিন্তু যদি আইন করে এই ছুটি বাধ্যতামূলক করা হয়, তাহলে কিছু নিয়োগকারী সংস্থা মনে করতে পারে যে মহিলাদের কাজের ক্ষেত্রে আলাদা সমস্যা রয়েছে। সেই কারণ দেখিয়ে তারা মহিলা কর্মীদের নিয়োগ কমিয়ে দিতে পারে।তিনি আরও বলেন, কিছু সংস্থা ইতিমধ্যেই স্বেচ্ছায় কর্মীদের ঋতুকালীন ছুটি দেয়। কিন্তু বিষয়টি আইনের আওতায় আনা হলে তা অনেক সময় মহিলাদের কর্মজীবনের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, দেশের কিছু রাজ্যে ইতিমধ্যেই এই ধরনের ছুটির ব্যবস্থা রয়েছে। কর্নাটকে গত বছর একটি আইন পাশ হয়েছে, যেখানে মহিলা কর্মীরা মাসে এক দিন সবেতন ঋতুকালীন ছুটি পাবেন। বিহারে আবার উনিশশো বিরানব্বই সাল থেকেই মাসে দুদিন ঋতুকালীন ছুটির নিয়ম চালু রয়েছে। দুই হাজার চব্বিশ সালে ওড়িশা সরকারও মহিলা কর্মীদের জন্য মাসে এক দিন ঋতুকালীন ছুটিতে সম্মতি জানিয়েছিল।

মার্চ ১৩, ২০২৬
কলকাতা

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করতে চাইছে তৃণমূল, কিন্তু মিলছে না সময়! কেন তৈরি হচ্ছে নতুন জল্পনা

রাজ্যের আদিবাসী উন্নয়ন নিয়ে একটি বিস্তারিত রিপোর্ট রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে তুলে ধরতে চায় তৃণমূল। সেই কারণে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের সময় চেয়েছে দলের সাংসদরা। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সেই সময় পাওয়া যায়নি। এই বিষয়টি ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে।তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যে আদিবাসী সমাজের উন্নয়নের জন্য সরকার কী কী কাজ করেছে, তার একটি খতিয়ান রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরতে চেয়েছিলেন দলের সাংসদরা। সেই উদ্দেশ্যে প্রথমে রাষ্ট্রপতি ভবনে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু গত বৃহস্পতিবার সেই আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। রাষ্ট্রপতি ভবনের তরফে জানানো হয়েছে, আপাতত এই বৈঠকের জন্য সময় দেওয়া সম্ভব নয়।এর পরেই আবার নতুন করে চিঠি পাঠিয়েছে তৃণমূল। দ্বিতীয়বার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের সময় চেয়েছেন দলের সাংসদরা। জানা গিয়েছে, ওই চিঠিতে বারো থেকে পনেরো জনের একটি প্রতিনিধি দল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করতে চায় বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে সেই আবেদন নিয়ে এখনও পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি ভবনের পক্ষ থেকে কোনও উত্তর আসেনি।দলীয় সূত্রে খবর, আগামী সপ্তাহে আবারও একটি চিঠি পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সেটি হবে তৃতীয় চিঠি। সেখানে দলের পক্ষ থেকে নিজেদের অবস্থান এবং এই সাক্ষাতের প্রয়োজনীয়তার কথা বিস্তারিত ভাবে তুলে ধরা হতে পারে।এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। গত শনিবার আন্তর্জাতিক আদিবাসী সম্মেলনে যোগ দিতে পশ্চিমবঙ্গে এসেছিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। সেই সফর ঘিরেও একটি বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।শিলিগুড়ির বিধাননগরে তাঁর একটি অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল। পরে নিরাপত্তার কারণে সেই অনুষ্ঠানস্থল বদলে দেওয়া হয়। বাগডোগরার কাছে গোঁসাইপুরে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই সিদ্ধান্ত নিয়ে রাষ্ট্রপতি নিজেই অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন।পরে বিধাননগরে পৌঁছে তিনি বলেছিলেন, তিনি ওই এলাকাতেই সভা করতে চেয়েছিলেন এবং সেখানে পর্যাপ্ত জায়গাও ছিল। কিন্তু কেন রাজ্য সরকার সেখানে সভা করার অনুমতি দিল না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি।সেই সময় মুখ্যমন্ত্রীকে নিজের ছোট বোন বলে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, হয়তো কোনও কারণে তিনি তাঁর উপর অসন্তুষ্ট হয়েছেন। তাই সভা করার অনুমতি দেওয়া হয়নি বলে মন্তব্য করেছিলেন তিনি।এই মন্তব্য ঘিরেই পরে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়। বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, রাষ্ট্রপতিকে অসম্মান করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সরব হন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রের একাধিক নেতা-মন্ত্রীও।

মার্চ ১৩, ২০২৬
দেশ

মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে সরানোর দাবি! সংসদে বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে ইন্ডিয়া জোট

নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে নতুন রাজনৈতিক সংঘাতের আবহ তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবি জানিয়ে সংসদে প্রস্তাব জমা দিতে চলেছে ইন্ডিয়া জোট। তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে এই প্রস্তাব আনা হচ্ছে বলে জানা গেছে।সূত্রের খবর, লোকসভা ও রাজ্যসভা মিলিয়ে ইতিমধ্যেই অন্তত একশো তিরানব্বই জন সাংসদের স্বাক্ষর সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে লোকসভায় একশো তিরিশ জন এবং রাজ্যসভায় তেষট্টি জন সাংসদ রয়েছেন। এই স্বাক্ষর জোগাড়ের কাজ দ্রুত সম্পন্ন হয়েছে বলেই দাবি বিরোধী শিবিরের।বিরোধীদের অভিযোগ, দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার পক্ষপাতদুষ্ট ও বৈষম্যমূলক আচরণ করেছেন। সংসদে জমা দেওয়া নোটিসে তাঁর বিরুদ্ধে মোট সাতটি অভিযোগ তোলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ, নির্বাচনী জালিয়াতির তদন্তে ইচ্ছাকৃত ভাবে বাধা তৈরি করা এবং বিশেষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বহু ভোটারকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ।তৃণমূলের এক বর্ষীয়ান নেতার দাবি, সংসদের দুই কক্ষেই বহু সাংসদের মধ্যে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। সেই কারণেই প্রস্তাবে স্বাক্ষর সংগ্রহের কাজ দ্রুত এগিয়েছে।আইন অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্ট বা হাইকোর্টের কোনও বিচারপতিকে অপসারণের যে প্রক্রিয়া রয়েছে, মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের ক্ষেত্রেও প্রায় একই নিয়ম প্রযোজ্য। তবে এর আগে কোনও মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে এ ধরনের উদ্যোগ এতদূর এগোয়নি। সেই কারণেই তৃণমূল অত্যন্ত সতর্ক ভাবে এবং আইনি দিক খতিয়ে দেখে এই পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে জানা গেছে।নিয়ম অনুযায়ী এই প্রস্তাব সংসদের দুই কক্ষেই জমা দেওয়া হবে। এরপর লোকসভার স্পিকার এবং রাজ্যসভার চেয়ারম্যান ঠিক করবেন প্রস্তাবটি গ্রহণ করা হবে কি না। যদি প্রস্তাবটি গৃহীত হয়, তবে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হবে।এই কমিটি অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখবে। কমিটির অনুমোদন মিললে বিষয়টি আবার সংসদে তোলা হবে এবং তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। আলোচনার পরে প্রস্তাবটি নিয়ে ভোটাভুটি হতে পারে।তবে পুরো প্রক্রিয়াটি দীর্ঘ এবং জটিল। এতে বিপুল সংখ্যক সাংসদের সমর্থন প্রয়োজন। সেই সমর্থন জোগাড় করাই বিরোধীদের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা।

মার্চ ১৩, ২০২৬
দেশ

গ্যাস আতঙ্কে বড় সিদ্ধান্ত! ফের রেশন দোকানে কেরোসিন দেওয়ার অনুমতি কেন্দ্রের

দেশজুড়ে রান্নার গ্যাস নিয়ে উদ্বেগের আবহে বড় সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র সরকার। এবার থেকে আবার রেশন দোকানেই কেরোসিন তেল পাওয়া যাবে। মধ্যপ্রাচ্যে চলতে থাকা সংঘাতের জেরে রান্নার গ্যাস নিয়ে যখন উদ্বেগ বাড়ছে, ঠিক সেই সময় কেরোসিনের গণবণ্টনে সাময়িক ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।দুই হাজার বাইশ সাল থেকে রেশন দোকানে কেরোসিন তেল দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছিল কেন্দ্র। পরিবেশ দূষণের কথা মাথায় রেখেই কেরোসিনের গণবণ্টন বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পশ্চিম এশিয়ায় চলতে থাকা যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি নিয়ে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, তার জেরেই আবার কেরোসিন বিতরণের অনুমতি দেওয়া হল।এই সিদ্ধান্তের আগে রেশন ডিলারদের সংগঠন অল ইন্ডিয়া ফেয়ার প্রাইস শপ ডিলার্স ফেডারেশন কেন্দ্রের কাছে আবেদন জানিয়েছিল। সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরীর কাছে চিঠি পাঠানো হয়। সেই আবেদনের ভিত্তিতেই কেরোসিনের গণবণ্টনে ফের অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।নয়াদিল্লি সূত্রে খবর, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই দেশের বিভিন্ন রেশন দোকানে কেরোসিন তেল বিতরণ শুরু হতে পারে। জ্বালানি নিয়ে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, সেই পরিস্থিতিতে এই সিদ্ধান্তকে গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছেন অনেকে। তবে এই অনুমতি স্থায়ী নয়। আপাতত সাময়িক ভাবে কেরোসিন বণ্টনের অনুমতি দিয়েছে কেন্দ্র।কত দিন এই ব্যবস্থা চালু থাকবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। রেশন ডিলার সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বম্ভর বসু জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের জন্য চার হাজার একশো কিলোলিটার কেরোসিন তেলের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের কাছে এই পরিমাণ তেল সংগ্রহ করার প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো রয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।তিনি আরও বলেন, পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের নির্দেশ অনুযায়ী আগামী পঁয়তাল্লিশ দিনের মধ্যে এই তেল সংগ্রহ করতে হবে। এরপর রেশন ডিলারদের মাধ্যমেই তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে রেশন ডিলাররা খুশি হলেও তাঁদের আরও দাবি রয়েছে। তাঁদের মতে, এই সাময়িক অনুমতিকে স্থায়ী করে দেওয়া উচিত। কারণ রান্নার গ্যাসের দাম সাধারণ মানুষের উপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে।রেশন ডিলার সংগঠনের বক্তব্য, গ্যাসের ক্রমবর্ধমান দামের কারণে অনেক মানুষের পক্ষে রান্নার গ্যাস ব্যবহার করা কঠিন হয়ে উঠছে। তাই কেরোসিনের এই বণ্টন ব্যবস্থা যেন আবার বন্ধ না করা হয়, সেই দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

মার্চ ১৩, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় বার্তা মমতার! ‘ভয় পাবেন না’, প্রশাসনকে সরাসরি আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর

রাজ্যে এখনও বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা হয়নি। তার আগেই প্রশাসনিক স্তরে তৎপরতা বাড়াতে জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে প্রশাসনিক আধিকারিকদের উদ্দেশে তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন, ভয় না পেয়ে নিজেদের দায়িত্ব পালন করতে।সূত্রের খবর, বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন যে নির্বাচন সামনে আসায় নানা ভাবে চাপ তৈরি করার চেষ্টা হতে পারে। তিনি প্রশাসনিক কর্তাদের উদ্দেশে বলেন, ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। সবাই যেন নিজের কাজ সঠিক ভাবে করে যান। তাঁর কথায়, নির্বাচন আসছে বলেই এখন অনেক বেশি চাপ ও ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হবে।বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সাম্প্রতিক সফরের কথাও উঠে আসে। গত সোমবার নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ রাজ্যে এসে জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠক করেছিল। সেই বৈঠকে ভোটকে কেন্দ্র করে আরও সতর্ক ও সক্রিয় থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল প্রশাসনিক আধিকারিকদের। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার সেই বৈঠকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রশাসনিক কর্তাদের নির্দেশ দেন।এর পরেই রাজ্যের শীর্ষ প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। সূত্রের খবর, সেখানে তিনি বলেন যে ফুল বেঞ্চের বৈঠকে কী হয়েছে তা তিনি শুনেছেন। তবে প্রশাসনের কাউকে ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই। তিনি আধিকারিকদের আশ্বাস দিয়ে বলেন, সবাই যেন নিজের দায়িত্ব ঠিক মতো পালন করেন।এই বৈঠকেই রাজ্যে বহিরাগতদের প্রবেশের অভিযোগও তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, বাইরে থেকে লোক এনে বাংলায় ঢোকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। এই বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনকে বিশেষ ভাবে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তাঁর কাছে এমন খবর রয়েছে যে এখন থেকেই বাইরে থেকে লোক বাংলায় ঢুকছে এবং তাঁদের ঢোকানো হচ্ছে। তাই প্রশাসনকে তিনি নির্দেশ দেন বিষয়টি নিয়ে কড়া নজরদারি চালাতে। প্রয়োজনে হোটেলগুলিতে অভিযান চালানো, নাকা তল্লাশি করা এবং বাইরের লোকের চলাচলের উপর নজর রাখার কথাও তিনি বলেন।এছাড়াও রাজ্যে চলতে থাকা জ্বালানি সংক্রান্ত আতঙ্ক নিয়েও প্রশাসনিক কর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের নোডাল আধিকারিক নিয়োগ করে চব্বিশ ঘণ্টা সক্রিয় থাকবে এমন নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।সূত্রের খবর, সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি এবং ছাত্রাবাসে জ্বালানি পরিষেবা যাতে কোনও ভাবেই ব্যাহত না হয় তা নিশ্চিত করার কথাও বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। একই সঙ্গে তিনি প্রশাসনকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি অযথা আতঙ্ক না ছড়ানোর বার্তাও দিয়েছেন।

মার্চ ১৩, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় সিদ্ধান্ত! প্রতিটি কেন্দ্রে বসছে আলাদা নজরদার, নজিরবিহীন পদক্ষেপ কমিশনের

রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া করতে বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সূত্রের খবর, দুই হাজার ছাব্বিশ সালের বিধানসভা নির্বাচনে পর্যবেক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে নজিরবিহীন পরিকল্পনা করেছে কমিশন। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে এ বার প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য আলাদা করে এক জন করে সাধারণ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করার ভাবনা চলছে।দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময় রাজ্যে মোট একশো ষাট জন সাধারণ পর্যবেক্ষক ছিলেন। সে ক্ষেত্রে এক জন আধিকারিককে একাধিক কেন্দ্রের দায়িত্ব সামলাতে হয়েছিল। কিন্তু এ বার সেই ব্যবস্থা বদলাতে পারে। প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য আলাদা পর্যবেক্ষক থাকলে নজরদারি আরও শক্ত হবে বলেই মনে করছে প্রশাসনিক মহল।শুধু সাধারণ পর্যবেক্ষকই নয়, ভোটের খরচের হিসেব দেখার জন্য ব্যয় পর্যবেক্ষকের সংখ্যাও এ বার বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রেও।গত বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে মোট সাতত্রিশ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক ছিলেন। কিন্তু এ বার সেই সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য ভাবে বাড়তে পারে। সূত্রের খবর, জেলা বা মহকুমা ভিত্তিক নিয়োগের বদলে নির্দিষ্ট এলাকা বা বিধানসভা কেন্দ্র ধরে পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হতে পারে। এমনকী কিছু স্পর্শকাতর কেন্দ্রে এক জনের বেশি পুলিশ পর্যবেক্ষকও থাকতে পারেন।কমিশনের এই সূক্ষ্ম পরিকল্পনা থেকেই স্পষ্ট, ভোটের সময় কোনও রকম ঝুঁকি নিতে চাইছে না নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যেই ভোট ঘোষণা হওয়ার আগেই বিভিন্ন বিধানসভা কেন্দ্রে রিটার্নিং অফিসার নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।বৃহস্পতিবার এই বিষয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে একটি বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়েছে। তালিকায় ন্যূনতম পদমর্যাদা হিসেবে মহকুমা শাসক স্তরের আধিকারিকদের রাখা হয়েছে। যদিও সিনিয়র পদমর্যাদার আধিকারিকও থাকতে পারেন, কিন্তু সবচেয়ে নিচের স্তর হিসেবে মহকুমা শাসক পদই নির্ধারণ করা হয়েছে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এতদিন ডিএমডিসি পদমর্যাদার আধিকারিকরা রিটার্নিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পেতেন। কিন্তু নতুন নির্দেশিকায় সেই পদমর্যাদার কাউকে রাখা হয়নি। যাঁদের নাম রাখা হয়েছে, তাঁরা সকলেই তুলনামূলক ভাবে সিনিয়র আধিকারিক বলে জানা গেছে।

মার্চ ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal