• ১১ ফাল্গুন ১৪৩২, শুক্রবার ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Purba BArdhaman

রাজনীতি

Subrata Mukherjee: সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের ছোটবেলা কেটেছে বর্ধমানে, শোকে পাথর জন্ম স্থানের গ্রাম

প্রবীণ রাজনীতিবিদ সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে শোকে বিহ্বল নাদনঘাটের নওপাড়া। অধুনা বর্ধমানের নওপাড়ায় ছোটবেলা কেটেছে সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের। স্থানীয় সুষমা সুন্দরী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশুনা করেছেন তিনি। তারপর বাবা চাকরিসূত্রে সপরিবারে নওপাড়া ছেড়ে বজবজে বসবাস শরু করেন। এখনও অনেকেরই অজানা সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের জন্ম স্থান পূর্ব বর্ধমানের নাদনঘাটের নওপাড়ায়। নওপাড়ায় বর্ষীয়াণ এই রাজনীতিকের মূর্তি স্থাপন করা হবে বলে এদিন ঘোষণা করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ।নওপাড়ায় সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের শৈশবের বন্ধুরা তাঁকে সন্টু বলে ডাকতেন। সেকথা জানালেন শামসুল শেখ, তিনকরি বৈরাগ্যরা। তাঁরা অতীতের পাতা থেকে স্মৃতি তুলে ধরলেন। প্রাথমিক স্কুলে পড়ার সময় পেয়ারা পারতে গিয়ে বোলতার কামড় খেয়েছিলেন সুব্রত, জানালেন তিনকরি। মন্ডা খেতে খুব ভালবাসেন। শামসুলের কথায়, খুব ভাল হাডুডু খেলতেন। এককথায় মন্ত্রী হলেও গ্রামকে কখনও ভোলেননি সুব্রত মুখোপাধ্যায়। গ্রামের জলপ্রকল্প, স্বাস্থ্য কেন্দ্রের উন্নয়নেও সুব্রতবাবুর ভূমিকা ছিল বলে জানিয়েছেন গ্রামবাসীরা।এখন মুখোপাধ্যায় পরিবারের ভিটে বলতে উঁচু মাটির ঢিভি। ঘর-বাড়ির কোনও চিহ্ন নেই। তাছাড়া গ্রামে তাঁদের কয়েক বিঘে চাষের জমি আছে। তা ভাগে চাষ চলছে বংশ পরম্পরায়। আগে ভাগের চাল নিতেন মুখোপাধ্যায় পরিবার। এই গ্রামেই সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের বাবা শিক্ষক অশোক মুখোপাধ্যায়ের মূর্তি বসেছে। গ্রামে রয়েছে সিদ্ধেশ্বরী মায়ের মন্দির। গ্রামে ঢোকার আগে সিদ্ধেশ্বরী মায়ের মন্দিরে পুজো দিতেন সুব্রত। একথা জানালেন গ্রামের বাসিন্দারা। আজ নওপাড়ার বাসিন্দারা শোকে মুহ্যমান। তাঁর গ্রামের বন্ধুমহলও শোকে পাথর।

নভেম্বর ০৫, ২০২১
রাজ্য

Rabiranjan: প্রয়াত বর্ধমান দক্ষিণের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক, ছিলেন বিডিএ-র চেয়ারম্যান

প্রয়াত হলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা বর্ধমান উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান রবিরঞ্জন চট্টোপাধ্যায়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। ছিলেন রাজ্যের কারিগরী শিক্ষা, বিজ্ঞান ও জৈবপ্রযুক্তি মন্ত্রী। ২০১১ সালে বর্ধমান দক্ষিণ কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী অধ্যাপক রবিরঞ্জন চট্টোপাধ্যায় সিপিএমের দাপুটে নেতা নিরুপম সেনকে বিপুল ভোটে পরাজিত করেছিলেন। তারপর ২০১৬-তে ফের এই কেন্দ্র থেকে তিনি বিধায়ক নির্বাচিত হন। ২০২১-এ তাঁকে টিকিটই দেয়নি দল। তবে তিনি বর্ধমান উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান পদে ছিলেন দীর্ঘ দিন।জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে রবিরঞ্জনবাবু হাই সুগার ও বার্ধক্যজনিত অসুস্থার কারণে কলকাতায় বাইপাসের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। চিকিৎসারত অবস্থায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে আসে বর্ধমানে। শোকজ্ঞাপন করেছেন রাজ্যের প্রাণী সম্পদ দপ্তরের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন তিনি।

নভেম্বর ০২, ২০২১
রাজ্য

Bijaya Sanmilani: বিজয়া সম্মিলনীর পাল্টা, জামালপুরে ব্লক তৃণমূল সভাপতিকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন পঞ্চায়েত প্রধান

নামেই বিজয়া সম্মেলন। বাস্তবে সেই সম্মেলনকে হাতিয়ার করে নিজের নিজের সাংগঠনিক ক্ষমতা প্ররদর্শনের লড়াইয়ে নেমে পড়েছেন তৃণমূলের নেতারা। যেমনটা রবিবার বিকালে দেখা গেল পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর ব্লকের চকদিঘীতে।ব্লক তৃণমূলের সভাপতি মেহেমুদ খাঁন গত বুধবার চকদিঘী অঞ্চলের একটি মাঠে বিজয়া সম্মিলনীর আয়োজন করে তাঁর সাংগঠনিক শক্তির প্রদর্শন করেছিলেন। সেই একই মাঠে রবিবার পাল্টা বিজয়া সম্মিলনীর আয়োজন করে নিজের সাংগঠনিক ক্ষমতা জাহির করলেন চকদিঘী পঞ্চায়েতের প্রধান গৌরসুন্দর মণ্ডল। এমনকি তিনি সম্মেলন মঞ্চ থেকে রাজনৈতিক লড়াইয়ের চ্যালেঞ্জও ছুঁড়ে দিলেন মেহেমুদ খাঁন কে। তৃণমূলের যুযুধান দুই নেতার লড়াই ঘিরে এখন সরগরম জামালপুর বিধানসভা এলাকা।আর এই লড়াই দেখে বেজায় উল্লশিত বিরোধী শিবির।তৃণমূল কংগ্রেস দল প্রতিষ্ঠার পর থেকে মেহেমুদ খাঁনের অন্যতম বিশ্বস্ত সঙ্গী ছিলেন চকদিঘী অঞ্চলের দাপুটে তৃণমূল নেতা গৌরসুন্দর মণ্ডল ।বাম আমলে এই দুই নেতা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সিপিএমের বিরুদ্ধে লড়াই আন্দোলন চালিয়ে গিয়েছিলেন। গত বিধানসভা নির্বাচনের সময়েও তাঁদের মধ্যে বিরোধ তৈরি হওয়ার মত কিছু প্রকাশ্যে আসেনি। যা প্রকাশ্যে চলে এল রবিরার চকদিঘীতে অনুষ্ঠিত বিজয়া সম্মিলনীর অনুষ্ঠানের আয়োজন থেকে।জামালপুর ব্লক তৃণমূলের ব্যানারে গত বুধবার বিজয়া সম্মিলনীর অনু্ষ্ঠান হয় চকদিঘিতে। সেই অনুষ্ঠানে ব্লক তৃণমূল সভাপতি মেহেমুদ খাঁন ছাড়াও এলাকার বিধায়ক তথা জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি অলোক মাঝি, ব্লক তৃণমূল যুব সভাপতি ভূতনাথ মালিক সহ ব্লকের অন্য শাখা সংগঠনের নেতৃত্ব উপস্থিত থাকেন। কিন্তু ওই দিনের বিজয়া সম্মিলনীর অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত থাকেন চকদিঘী পঞ্চায়েতের প্রধান গৌরসুন্দর মণ্ডল ও তাঁর অনুগতরা। ওই দিন সম্মেলন মঞ্চ থেকে বিরোধীদের উদ্দেশ্যে ঝাঁঝালো বক্তব্য রাখেন মেহেমুদ খাঁন। তিনি বলেন, বিধানসভা নির্বাচনের সময় অনেকে পাঁচিলের উপরে উঠে দাঁড়িয়েছিল। পাঁচিলে দাঁড়িয়ে দূর থেকে দেখছিল। তাঁরা ভেবেছিল তৃণমূল আর ক্ষমতায় আসতে পারবে না। যাঁরা পাঁচিলে দাঁড়িয়ে দেখছিলেন তাঁদের বলে দিতে চাই আপনারা সজাগ থাকুন। পাঁচিলে দাঁড়িয়ে তৃণমূলকে শেষ করা যায় না। ২০২৪ সালে বাংলার মা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমরা দেশের প্রধানমন্ত্রী করবোই।মেহেমুদ খাঁনের এই বক্তব্যের সূত্র ধরেই রবিবার বিজয়া সম্মিলনীর মঞ্চ থেকে পাল্টা ঝাঁঝালো বক্তব্য রাখেন চকদিঘী পঞ্চায়েতের প্রধান। দলের প্রাক্তন ব্লক সভাপতি অরবিন্দ ভট্টাচার্য্য ও অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি কাশিনাথ সরকারকে পাশে নিয়ে গৌরুসুন্দর মণ্ডল নাম না করে মেহেমুদ খানের বিরুদ্ধে হুংকার ছাড়েন। গৌরবাবু বলেন, তিনি ছাত্র জীবন থেকে তৃণমূল কংগ্রেস দলের হয়ে লড়ে আসছেন। অন্য কোনও দল করার কথা তিনি ভাবতেই পারেন না। ২০২৪ শে তিনিও তাঁদের দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দেখতে চান। এরপরেই গৌর বাবু বলেন, তিন দিন আগে একই মাঠে তাঁরা ব্লকের বিজয়া সম্মিলন দেখেছেন। গৌরবাবু দাবি করেন, সেই সম্মেলনে তাঁদেরই দেখা গেল যাঁরা গত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির হয়ে দাপিয়ে বেড়িয়ে ছিল, তৃণমূলের পতাকা ছিঁড়ে তাতে প্রস্রাব করে দিয়েছিল। গৌর বাবু আরও বলেন, তিন দিন আগের সম্মেলনে আমরা এমন একজনকে দেখতে পাই যিনি আগের ভোটে চকদিঘীতে সিপিএমের বিরোধী দলনেতা ছিলেন। উনি দশ আঙুলে ১০ টি সোনার আঙটি, গলায় ১ ভরির মোটা চেন পরে থাকেন। তিনি আবার রাতারাতি তৃণমূলের নেতা হয়ে গেলেন। উনি আবার সম্প্রতি বিজেপির ছেলেদেরকে তৃণমূলে জয়েন করিয়েছেন। আর যিনি ওই সম্মেলন মঞ্চ থেকে বলে যান যাঁরা গত বিধানসভা নির্বাচনে পাঁচিলের উপর থেকে জল মাপছিলেন তাঁদের বিরুদ্ধে নাকি দল ব্যবস্থা নেবে। পাল্টা প্রশ্ন তুলে গৌর মণ্ডল বলেন, তাহলে যাঁরা ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে জল মেপেছিল তাঁদের কি হবে? ২০১৬ সালে দলের সঙ্গে যাঁরা ব্ল্যাকমেলিং করেছিল তাঁদেরও চিহ্নিত করার দাবি তোলেন গৌরসুন্দর মণ্ডল।বিজয়া সম্মিলনীর অনুষ্ঠানে একে অপরের বিরুদ্ধে কাদা ছোড়াছুঁড়ি নিয়ে প্রশ্ন করা বলে জামালপুর ব্লক তৃণমূল সভাপতি মেহেমুদ খাঁন এদিন কোন মন্তব্য করতে চাননি। তবে জেলা তৃণমূলের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় জানান , ঘটনা বিষয়ে তিনি বিস্তারিত খোঁজ খবর নেবেন। দলের শৃঙ্খলা বিরোধী কিছু হয়ে থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নভেম্বর ০১, ২০২১
রাজ্য

Raina: পূর্ব বর্ধমানে ব্যবসায়ী খুনের ঘটনায় কলকাতা থেকে গ্রেপ্তার সুপারি কিলার সহ ২

হেলমেটে মুখ ঢেকে দামি হাইস্পিড মোটর বাইকে চড়ে আগে আগে যাচ্ছে দুই যুবক। তাঁদেরই পিছন পিছন যাচ্ছে একটি চারচাকা গাড়ি। গত ২২ অক্টোবর বিকালে তাঁরা যাওয়ার সময়ে কেউ ঘুনাক্ষরেও টের পায়নি ওই চারচাকা গাড়িতেই সওয়ার রয়েছে সুপারি কিলাররা। যে সুপারি কিলাররা ওইদিন সন্ধ্যায় নৃশংসভাবে খুন করে পূর্ব বর্ধমানের রায়নার দেরিয়াপুরের দেশ বাড়িতে বেড়াতে আসা কলকাতার ব্যবসায়ী সব্যসাচী মণ্ডলকে। ঘটনাস্থলের কয়েক কিলোমিটার অদূরে জামালপুরের হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর টোল ট্যাক্স অফিসের সামনের রাস্তায় থাকা সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়েছিল সেই ছবি। তারই সূত্র ধরে ব্যবসায়ী খুনের ঘটনার তদন্ত চালিয়ে এক সুপারি কিলার সহ দুজনকে গ্রেপ্তার করলো পুলিশ। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে পুলিশ খুনের ঘটনায় জড়িত বাকিদেরও নাগাল পেতে চাইছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে শনিবার রাতে কলকাতার নারকেলডাঙা এলাকা থেকে পুলিশ দুই জনকে ধরে। তাঁদের নাম জনিসর আলম ওরফে রিকি ও মহম্মদ সাদ্দাম। জেলা পুলিশ সুপার কামনাশিস সেন জানিয়েছেন, দুজনকে আটক করে প্রথমে রায়না থানায় নিয়ে আসা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের পর রবিবার দুপুরে তাঁদের দুজনকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ মনে করছে, নিহত ব্যবসায়ীর বাবার অভিযোগই সত্য। পারিবারিক শত্রুতার জেরেই খুন হতে হয়েছে ব্যবসায়ী সব্যসাচী মণ্ডলকে। সেই কারণেই সব্যসাচীকে খুনের ঘটনায় রিকি ৫০ লক্ষ টাকা সুপারি পেয়েছিল। খুনের ঘটনার পর রিকি নারকেলডাঙার বদলে আনন্দপুরের গুলশন কলোনীতে ডেরা নিয়েছিল।পুলিশ সেখান থেকেই তাঁকে ধরে। এরপরে ধরা হয় মহম্মদ সাদ্দামকে। এই সাদ্দামের চারচাকা গাড়িতে চেপেই অভিযুক্তরা ঘটনার দিন গিয়েছিল রায়নার দেরিয়াপুরে ব্যবসায়ী সব্যসাচীর দেশবাড়িতে। যে গাড়িটি গত দুমাস আগে সাদ্দাম কিনেছিল। সাদ্দাম ওই চারচাকা গাড়িটির ১৯তম মালিক। পুলিশ আরও জেনেছে গত ২২ অক্টোবর সব্যসাচীকে খুনের ঘটনার দিন ওই গাড়িতে সুপারি কিলার ও সাদ্দাম সহ আরো কয়েকজন ছিল।ব্যবসায়ী সব্যসাচী মণ্ডলকে খুনের ঘটনার তদন্তে নেমে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর টোল ট্যাক্স অফিসের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখে। সেই ফুটেজেই হাইস্পিড মোটর বাইকের পিছন পিছন চারচাকা ওই গাড়িটি যাওয়ার ছবি ধরা পড়ে। একই ছবি পুলিশ জামালপুরের মসাগ্রামের একটি দেকানের ও জানকুলির এক বাসিন্দার বাড়ির সিসি ক্যামেরার ফুটেজেও দেখতে পায়। পুলিশ পালসিট ও ডানকুনি টোল প্লাজা থেকেও ঘটনার দিনের রাতের সিসিটিভি ফুটেজও সংগ্রহ করে।হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখে পুলিশ জানতে পারে, ঘটনার দিন দুপুর ২ টো ৩৯ মিনিট নাগাদ সব্যসাচী তাঁর গাড়িতে চেপে হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর টোল ট্যাক্স পার হয়ে সোজা রায়নার দিকের রাস্তা ধরে চলে যায়। এরপর ওইদিন বিকাল ৪ টে ৫৯ মিনিটে বাইক আরোহীদের পিছন পিছন একটি চারচাকা গাড়ি হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর টোলট্যাক্স অফিসের সামনে এসে দাঁড়ায়। সব্যসাচী তাঁর গাড়িতে চড়ে রায়নার দিকে সোজা চলে গেলেও ওই চারচাকা গাড়িটি সেই পথে যায় না। গাড়িটি টোল ট্যাক্স অফিসের ডান দিকে ঘুরে কালড়াঘাট ও জানকুলি গ্রামের রাস্তা ধরে এগিয়ে যায় দেরিয়াপুরের দিকে। এর খানিকটা বাদ সন্ধ্যা ৬ টা ৪০ মিনিট নাগাদ রায়নার দিক থেকে এসে হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর টোল ট্যাক্স পেরিয়ে শুধুমাত্র বাইক আরোহীরা জামালপুরের দিকে সোজা চলে যায়। তারপর ওই সন্দেহজনক চারচাকা গাড়িটি রাত ৮টা ৪২ মিনিট নাগাদ দ্রুত গতিতে কালাড়াঘাট গ্রামের দিক থেকে ফিরে হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর টোল ট্যাক্স অফিসের পিছনের রাস্তা দিয়ে রায়নার দিকে চলে যায়। তার খানিকটা বাদেই রাত ৮ টা ৫৯ মিনিট নাগাদ সব্যসাচী মণ্ডলের গাড়িটি প্রচণ্ড গতিতে হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর টোল ট্যাক্স অফিসের সামনের রাস্তা দিয়ে জামালপুরের দিকে চলে যায়।সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়া বাইকের পিছন পিছন চলা চারচাকা গাড়িটির বিষয়ে পুলিশের সন্দেহ তৈরি হয়। ওই গাড়িটির বিষয়ে খোঁজ চালাতে চালাতেই পুলিশ গাড়িটির মালিক মহম্মদ সাদ্দাম ও সুপারি কিলার রিকির কাছে পৌছে য়ায়।তদন্তকারীরা জেনেছেন, ঘটনার দিন রিকি সব্যসাচীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। বাকি যারা ওই চারচাকা গাড়িতে চড়ে গিয়েছিল তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে কুপিয়ে সব্যসাচীকে খুন করে।নিহতের বাবা দেবকুমার মণ্ডল রায়না থানায় অভিযোগে জানিয়ে ছিলেন, তাঁর ছোট ভাই ও ভাইপোরা লোক লাগিয়ে সব্যসাচীকে খুন করিয়েছে। সুপারি কিলার ধরা পড়ার পর নিহতের বাবার সেই দাবি জোরালো হচ্ছে। তবে বহিরাগত সুপারি কিলারদের কারা রাস্তা দেখিয়ে সব্যসাচীর দেশবাড়ি রায়না দেরিয়াপুরে নিয়ে গেল? এই প্রশ্ন পুলিশকেও ভাবিয়ে তুলেছে। এসডিপিও (বর্ধমান দক্ষিণ) আমিনুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, তদন্ত এখনও চলছে। সব প্রশ্নের উত্তর মিলে যাবে।

অক্টোবর ৩১, ২০২১
রাজ্য

Raids for Crackers: পূর্ব বর্ধমানে অভিযান চালিয়ে প্রচুর বাজি উদ্ধারের পাশাপাশি গ্রেপ্তার ৪

কালীপুজো ও দীপাবলিতে বাজি পোড়ানো ও বিক্রি রুখতে লাগাতার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ। বৃহস্পতিবার জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ প্রচুর শব্দবাজি উদ্ধার করার পাশাপাশি ৪ জন বাজি বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করেছে। শুক্রবার রাজ্যের সর্ব্বোচ্চ আদালত যে কোনও ধরণের বাজি বিক্রি ও পোড়ানো নিষিদ্ধ করছে। শুধুমাত্র প্রদীপ অথবা মোমবাতি জ্বেলে দীপাবলি পালন করায়ছাড় দিয়েছে আদালত। আদালতের সেই নির্দেশ কার্যকর করতে শুক্রবার অভিযান আরও জোরদার করলো পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলার মেমারি থানার পুলিশ মেমারির গৌরীপুরের একটি বাজি কারখানায় হানা দিয়ে দুটি বস্তায় মজুত করে রাখা ৫০ কেজি শব্দ ও আতসবাজি উদ্ধার করেছে।এছাড়াও ওই কারখানা থেকে ৫০ কেজির বেশি বাজি তৈরির উপকরণও পেয়েছে। উদ্ধার হওয়া সবকিছু বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি পুলিশ অবৈধভাবে বাজি তৈরির অভিযোগে ওই কারখানার মালিক বাদল মুর্মুকে গ্রেপ্তার করেছে। একই দিনে শক্তিগড় থানার পুলিশ একটি দোকানে হানা দিয়ে ৫ কেজি শব্দবাজি বাজেয়াপ্ত করেছে। নিষিদ্ধ বাজি বিক্রির অভিযোগে পুলিশ জগন্নাথ খাঁ ও বনমালি হালদার নামে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। এছাড়াও জেলার মাধবডিহি থানার পুলিম বৃহস্পতিবার রাতে বিনোদপুর এলাকার নিতাই মণ্ডলের বাড়িতে হানা দিয়ে ২ কেজি লঙ্কা বাজি, ১০টি গাছ বাজি, ২৫০টি শব্দবাজি ও ১৫টি তুবড়ি বাজি উদ্ধার করেছে। পুলিশের দাবি, বাজি বিক্রি সংক্রান্ত বৈধ কোনও নথিপত্র ধৃতদের কেউই দেখাতে না পারার তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ শুক্রবার ধৃতদের পেশ করে বর্ধমান আদালতে। জামিনযোগ্য ধারায় মামলা রুজু হওয়ায় সিজেএম যদিও ধৃত সকলের জামিন মঞ্জুর করেন।

অক্টোবর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Covid Infection: উৎসব মিটতেই কোভিড সংক্রমণ উর্ধমুখী, বর্ধমানে নেওয়া হল কড়া পদক্ষেপ

শারদোৎসব মিটতেই পূর্ব বর্ধমান জেলায ক্রমশ উর্ধ্বমুখী হচ্ছে কোভিড সংক্রমণের গ্রাফ। নতুন করে বুধবার জেলায় ২৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন। তার মধ্যে ৭ জন বর্ধমান শহরেই বাসিন্দা। এই পরিস্থিতিতে সংক্রমণ বৃদ্ধি রুখতে ফের আগের মতোই কড়া পদক্ষেপ নিল জেলার পুলিশ ও প্রশাসন।রাস্তায় নাকা চেকিং শুরু করার পাশাপাশি পুলিশ মাস্ক পড়ার ব্যাপারে কড়াকড়ি আরোপ করেছে।বৃহস্পতিবার বর্ধমান শহরের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের শ্যামলাল এলাকার একাংশ গণ্ডিবদ্ধ এলাকা হিসাবে ঘোষণা করেন জেলাশাসক প্রিয়াংকা সিংলা। তার পরিপ্রেক্ষিতে ওই এলাকায় বিধি লাগু করতে এদিন আশরে নামেন জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও পুরসভার কর্মীরা।বিধি মেনে ওই গণ্ডিবদ্ধ এলাকায় আগামী ৭ দিন সমস্ত দোকাণপাট বন্ধ রাখার নির্দেশ জারি করেছে প্রশাসন। বর্ধমান সদর মহকুমাশাসক তীর্থঙ্কর বিশ্বাস ;বর্ধমান পৌরসভার সহ পুর-প্রশাসক আইনুল হক ,বর্ধমান থানার আই সি সুখময় চক্রবর্তী সহ প্রশাসনের প্রতিনিধিরাএদিন গণ্ডিবদ্ধ এলাকা পরিদর্শে যান। তাঁরা সেখানকার মানুষকে সচেতন করেন। মাস্ক পড়া ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য সবাইকে অনুরোধ করেন। এছাড়াও এলাকার সব দোকানপাট আগামী সাতদিন বন্ধ রাখার কথাও জানিয়ে দেন প্রশাসনের কর্তারা। প্রশাসন সূত্রে খবর,এই মুহূর্তে বর্ধমান শহরে ৫৮ জন অ্যাক্টিভ কোভিড রোগী আছেন। তার মধ্যে ১৭ জনই শ্যামলাল এলাকার। তাই কঠোর ব্যবস্থা বলবত করার দিকেই যেতে হল প্রশাসনকে।বর্ধমান সদর মহকুমাশাসক তীর্থঙ্কর বিশ্বাস জানিয়েছেন, বিধি লাগু হওয়া এলাকা স্যানিটাইজ করা হবে। বাইরে থেকে লোক আসা যাওয়া নিয়ন্ত্রণে রুখতে এলাকায় পুলিশ পোস্টিং থাকবে । পৌরসভার সহ-প্রশাসক আইনুল হক জানিয়েছেন, আশাকর্মীরা এই এলাকার বাড়ি বাড়ি গিয়ে সার্ভে করবেন। প্রয়োজনে বাসিন্দাদের আর টি পি সি আর টেস্ট করা হবে। কোন ভাবেই এলাকায় ভিড়বাড়তে দেওয়া হবে না। দোকান বাজার বন্ধ থাকলেও বাসিন্দাদের প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় কোনও জিনিসের অভাব হবে না। কোভিড আক্রান্তদের কাছে দুবেলা খাবার যোগান দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এছাড়াও এলাকার আক্রান্তদের বাড়ি থেকে বর্জ্যপদার্থ নিয়ে যাবে পুরসভার কর্মীরা।

অক্টোবর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Road Rollers : চারটে রোড রোলার গায়েব, ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ালো বর্ধমান পৌরসভার অন্দরে

এক আধটা নয়। গায়েব হয়ে গিয়েছে বর্ধমান পৌরসভার চার চারটে রোড রোলার। যা জানাজানি হতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বর্ধমান পৌরসভার প্রশাসনিক মহলে। বর্ধমান পৌরসভার প্রশাসকমণ্ডলীর চেয়ারম্যান প্রণব চট্টোপাধ্যায়ও রোড রোলার গায়েব হয়ে যাওয়ার বিষয়টি মেনে নিয়েছেন। কারা গায়েব করলো পৌরসভার রোড রোলার? এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে পৌরসভার অন্দরে।নতুন প্রশাসকমণ্ডলী বর্ধমান পৌরসভার দায়িত্ব নেয় মাস দুয়েক আগে। তারপর থেকে শহর জুড়ে শুরু হয়েছে বকেয়া থাকা বেশ কিছু কাজ। শুধু তাই নয়। পৌরসভার অনেক আর্থিক হিসেবনিকেশ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এর মধ্যেই বৃহস্পতিবারের বারবেলায় পৌরসভা কর্তৃপক্ষের কাছে খবর পৌছায় পুরসভার গোডাউনে থাকা চারটি রোলারই গায়েব হয়ে গিয়েছে।পুর প্রশাসকমণ্ডলীর চেয়ারম্যান প্রণব চট্টোপাধ্যায় এদিন চারটি রোলার গায়েব হয়ে যাওয়ার কথা স্বীকার করে নেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, রোড রোলার তো আর পকেটে ভরে নিয়ে যাওয়ার জিনিস নয়। আইনি পথেই এর বিহিত করা হবে। চেয়ারম্যান দাবি করেছেন, আগামী শনিবারের মধ্যেই এর তত্বতালাশ তাঁরা করে ফেলবেন।প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, নতুন প্রশাসক বোর্ড দায়িত্ব নেবার আগে প্রায় তিনবছর সরকারি আধিকারিক বর্ধমান পৌরসভা চালিয়েছেন। এর আগে পাঁচ বছর বর্ধমান পৌরসভার ক্ষমতায় ছিল শাসকদলের বোর্ড।এই বিষয়ে জেলার বিজেপি নেতা সন্দীপ নন্দী কটাক্ষ করে বলেন, এরপর বর্ধমান শহরের নাগরিকরা কোনওদিন শুনবেন গোটা বর্ধমান পৌরসভাটাই গায়েব হয়েগেছে। বর্ধমান পৌরসভায় দীর্ঘদিন যাবৎ দুর্নীতিরাজ চলছে। এখন আবার রোড রোলারও চুরি হয়ে যাচ্ছে। পৌর নির্বাচনে বর্ধমানের মানুষ এইসব ঘটনার যোগ্য জবাব দেবেন বলে সন্দীপবাবু দাবি করেছেন।

অক্টোবর ২৮, ২০২১
রাজ্য

Ferry Service: কালনা-শান্তিপুর ফেরিঘাট দিয়ে মালবাহী গাড়ি পারাপারের চাপ বাড়ছে, বেড়েছে শঙ্কাও

ফাটল ধরা পড়ায় বন্ধ রয়েছে নদীয়ার গৌরাঙ্গ সেতু দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল। তাবলে ঘুর পথে মালবাহী গাড়ি নিয়ে গন্তব্যে পৌছানোর আগ্রহ দেখাচ্ছেন না কোন চালক। ডিজেলের দাম সেঞ্চুরী পার করায় চালকরা তাই পূর্ব বর্ধমানের কালনার ফেরিঘাটে থাকা ভেসেলে তাঁদের মালবাহী গড়ি চাপিয়ে ভাগীরথী পেরিয়ে গন্তব্যে যাতায়াত করছেন। এই ভাবে নদী পথেই কোন চালক তাঁর মালবাহী ট্রাক নিয়ে যাচ্ছেন পূর্ব বর্ধমান। আবার কেউ যাচ্ছেন নদীয়ায়। বিগত কয়েকদিন যাবৎ কালনা-শান্তিপুর ফেরিঘাট দিয়ে মালবাহী গাড়ি পারাপারের চাপ অত্যধিক বেড়ে যাওয়ায় বিশেষ সতর্কতা মূলক ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হল ফেরিঘাট কর্তৃপক্ষ। ফেরিঘাট পরিষেবার মাধ্যমে কালনা থেকে শান্তিপুর যাওয়ার ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে চালু রয়েছে। এই ফেরিঘাট দিয়ে ভেসেলে মালবাহী ট্রাক ও লরিও পারাপার করা হয়। তবে এতদিন তা ছিল হাতেগোনা। মালবাহী গড়ির চালক সাইদুল সেখ , স্বপন দে প্রমুখরা এদিন বলেন, গৌরাঙ্গ সেতুতে ফাটল ধরা পড়ার পর থেকে ওই সেতু দিয়ে আর মালবাহী ভারী গাড়ি যাতায়াত করতে দেওয়া হচ্ছে না । তার কারণে তাঁরা এখন কালনা-শান্তিপুর ফেরিঘাট দিয়ে ভেসেলে মালবাহী ট্রাক ও লরি পারাপার করিয়ে নিয়ে গন্তব্যে যেতে বাধ্য হচ্ছেন । তার কারণে ফেরিঘাট দিয়ে সাধারণ যাত্রীদের পাশাপাশি ভারী গাড়ি পারাপার করানোর চাপ অনেকাংশেই বেড়ে গিয়েছে। এখানকার ফেরিঘাটের সামনে এখন প্রতিদিনই থাকছে মালবাহী ট্রাক ও লরির লম্বা লাইন। মালবাহী গাড়ি ও সাধারণ যাত্রী দুইয়ের ভিড় বাড়ায় ফেরিঘাটে পুলিশের কড়াকড়িও বেড়েছে। পাশাপাশি নেওয়া হয়েছে সব ধরনের সতর্কতা মূলক ব্যবস্থা। তবুও বিপদের আশঙ্কা পিছু তাড়া করে বেড়াচ্ছে অনেকেরই মনে। কারণ কয়েক বছর আগে এই ফেরিঘাট দিয়ে অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে ভাগীরথী পারাপারের সময় নৌকা ডুবির ঘটনা ঘটলে ১৮ জনের মৃত্যু হয়। কালনা-শান্তিপুর ফেরিঘাটে এখন যেভাবে চাপ বেড়েছে তা সেই স্মৃতিকেই উস্কে দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন যাত্রীদের অনেকে। ফেরিঘাটের ম্যানেজার জয়গোপাল ভট্টাচার্য যদিও এদিন জানিয়েছেন, বড় লোহার ভেসেলে করে মালবাহী ভারী যানবাহন ভাগীরথী পারাপার করা হয়। তবে গত চারদিন হল ভারী গাড়ি পারাপার করানোর চাপ অনেকাংশে বেড়ে গিয়েছে। এই অবস্থায় কোন ঝুঁকি না নিয়ে সবরকম সাবধানতা মেনে ৩০ টন ওজনের নীচে থাকা যানবাহন ফেরিঘাট দিয়ে ভেসেলে পারাপার করা হচ্ছে।নবদ্বীপের গৌরাঙ্গ সেতুর উপর দিয়ে যান চলাচলে নিয়ন্ত্রনের জন্যই এই চাপ নিতে হচ্ছে।

অক্টোবর ২৮, ২০২১
রাজ্য

Banned Syrup: নিষিদ্ধ সিরাপসহ কাটোয়ায় ধৃত ভিন রাজ্যের দুই মাদক কারবারী

নিষিদ্ধ কোডাইন সিরাপ সহ পুলিশের হাতে ধরা পড়লো ভিনরাজ্যের দুই মাদক কারবারী। ধৃতদের নাম রাহুল কুমার ও আমিল হোসেন। আমিল হোসেনের বাড়ি বিহারের সিওয়ান জেলার গরিয়াকুঠি এলাকায়। অপর ধৃত রাহুল ঝাড়খণ্ডের বোকারো স্টিল সিটির বাসিন্দা। পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া থানার পুলিশ সোমবর রাতে টহলদারির সময় কাটোয়ার গাঙ্গুলিডাঙ্গার একটি কালভার্টের কাছ থেকে তাদের ধরে। পুলিশের দাবি, তল্লাশিতে ২ লিটার কোডাইন সিরাপ ভর্তি একটি বোতল যুবকদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়ার পরেই তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতরা আন্তরাজ্য চুরি চক্রের সঙ্গেও যুক্ত রয়েছে বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি ধৃত দুই যুবক মাদকের কারবারের সঙ্গেও জড়িত রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এইসব অপরাধ চক্রে ধৃতদের সঙ্গে আরও কারা কারা যুক্ত রয়েছে তা জানার চেষ্টা চলছে। পুলিশ ধৃতদের অপরাধ সংক্রাণ্ত অতীত রেকর্ড জানতে ঝাড়খন্ড ও বিহারের পুলিশের সঙ্গেও যোগাযোগ করছে। গ্রেপ্তার হওয়া দুই ধৃতকে মঙ্গলবার কাটোয়া মহকুমা আদালতে পেশ করা হয় ।তদন্তকারী অফিসার তাঁদের ৭ দিন পুলিশি হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানান। বিচারক ধৃতদের পুলিশি হেপাজত মঞ্জুর করেছেন।

অক্টোবর ২৭, ২০২১
রাজ্য

Chotkhanda: লাঠি পেটা ও হাতে ঝাঁটার কাঠি ফুঁটিয়ে দিয়ে বৃদ্ধ বাবাকে নির্যাতন, গ্রেফতার গুনধর

বৃদ্ধ বাবাকে মারধর ও হাতে ঝাঁটার কাঠি ফুঁটিয়ে জখম করার অভিযোগে গ্রেপ্তার হল গুনধর ছেলে। ধৃতের নাম সুরজিৎ সরকার। তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার চোটখণ্ড গ্রামের উত্তরপাড়ায়। মেমারি থানার পুলিশ মঙ্গলবার ভোরে বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। বৃদ্ধ বাবাকে মারধোরে ব্যবহৃত লাঠি ও ঝাঁটাটি পুলিশ বাজেয়াপ্ত করেছে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ এদিনই ধৃতকে পেশ করে বর্ধমান আদালতে। বিচারক ধৃতকে বিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়ে ৩ নভেম্বর ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন।পুলিশ জানিয়েছে, বসত বাড়ি ও জমি-জমা নিয়ে বৃদ্ধ বাসুদেব সরকারের সঙ্গে তাঁর ছেলে সুরজিতের বেশ কিছুদিন ধরে বিবাদ চলছে। মাঝেমধ্যেই সুরজিৎ তাঁর বাবাকে মারধর করতো বলে অভিযোগ। গত সোমবার সকালে বাড়ির একটি জায়গা ত্রিপল দিয়ে ঘেরা নিয়ে সুরজিতের সঙ্গে তাঁর বাবার বচসা বাধে। অভিযোগ, ওই সময়ে সুরজিৎ অশ্লীল ভাষায় তাঁর বাবাকে গালিগালাজ করে। বৃদ্ধ বাবা তার প্রদিবাদ করলে সুরজিৎ লাঠি দিয়ে তাঁর বাবাকে ব্যাপক মারধোর করে। এমনকি ছেলে সুরজিৎ তাঁর বৃদ্ধ বাবায় হাতের একাধিক জায়গায় ঝাঁটার কাঠি ফুটিয়ে দেয় বলে অভিযোগ।মেমারি হাসপাতালে চিকিৎসা করিয়ে বৃদ্ধ তাঁর ছেলের অত্যাচারের কথা জানিয়ে মেমারি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। বাবার অভিযোগে পুলিশ ছেলেকে গ্রেপ্তার করে।

অক্টোবর ২৬, ২০২১
রাজ্য

Raina Murder: দুঁদে পুলিশ অফিসার, সিআইডি ও ফরেন্সিক দল তদন্তে, তবু জট কাটছে না ব্যবসায়ী খুনের

পুলিশের দুঁদে অফিসাররা তদন্তে নামলেও জট কাটছে না। প্রতি মুহুর্তে পুলিশকে বদলাতে হচ্ছে খুনি চিহ্নিতকরণের ছক। পূ্র্ব বর্ধমানের রায়নার দেরিয়াপুর গ্রামের দেশ বাড়িতে বেড়াতে আসা কলকাতার ব্যবসায়ী সব্যসাচী মণ্ডলকে কারা খুন করলো তাহলে? ঘটনার পর থেকে ৪৮ ঘন্টা পেরিয়ে যাওয়ার পর এই প্রশ্নের উত্তর এখনও হাঁতরে বেড়াচ্ছেন তদন্তকারী পুলিশ কর্তারা। খুনিদের নাগাল পেতে রবিবার সিআইডি ও ফরেন্সিক দল দেরিয়াপুর গ্রামে তদন্তে যায়। ছেলেকে নৃশংস ভাবে খুনের ঘটনায় জড়িতরা কবে ধরা পড়ে সেদিকে তাকিয়ে রয়েছেন নিহত ব্যবসায়ীর পরিবার।বন্ধু রাজবীর সিংকে সঙ্গে নিয়ে শুক্রবার হাওড়ার শিবপুরের বাড়ি থেকে রায়নার দেরিয়াপুরের দেশ বাড়িতে বেড়াতে আসেন ব্যবসায়ী সব্যসাচী মণ্ডল (৩৮)। ওই দিন রাতে ওই বাড়িতেই তিনি খুন হন। দুস্কৃতীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে কুপিয়ে ব্যবসায়ীকে খুন করে পালায়। ময়নাতদন্তে তাঁর দেহের ২৯ টি জায়গায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ধরা পড়েছে। ব্যবসায়ীকে বাঁচাতে গিয়ে তাঁর বন্ধু রাজবীর সিংও চোট পান। এই খুনের ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ ব্যবসায়ীর গাড়ির চালক আলো সাউ ও রাঁধুনি পার্থ সান্যালকে নিজেদের কব্জায় নিয়ে জেরার পর জেরা চালিয়ে যাচ্ছে। যদিও খুনের রহস্য উন্মোচন এখনও হয়নি বলে খবর।এদিকে ঘটনার পরদিন মৃত ব্যবসায়ীর বাবা দেবকুমার মণ্ডল রায়না থানায় লিখিত অমিযোগ দায়ের করে দাবি করেন, তাঁর ছেলেকে খুনের ঘটনা নিয়ে তাঁর ভাই গৌরহরি মণ্ডল, তাঁর স্ত্রী পূর্ণিমাদেবীও দুই ভাইপো দীনবন্ধু ও সোমনাথ জড়িত রয়েছে। এরাই সুপারি কিলারদের দিয়ে সব্যসাচীকে খুন করিয়েছে বলে দেবকুমারবাবু পুলিশকে জানিয়েছেন।এদিন বিকালে ফরেন্সিক দলের সিনিয়র সায়েন্টিস্ট চিত্রাক্ষ সরকার ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেন। এসডিপিও (বর্ধমান দক্ষিন) আমিনুল ইসলাম খাঁনও সেখানে উপস্থিত থাকেন। ফরেন্সিক টিম বাড়িটির বিভিন্ন জায়গা ঘুরে রক্তের নমুনা সংগ্রহ করে । রায়না থানার হেপাজতে থাকা ব্যবসায়ীর গাড়িটিও চিত্রাক্ষ বাবু পরীক্ষা করেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে চিত্রাক্ষবাবু পুলিশকে জানিয়ে দেন, দোতলা বাড়ির নিচের তলাতে ১০ মিনিটের বেশী সময় নিয়ে একাধিক আততায়ী মিলে খুনের ঘটনাটি ঘটিয়েছে।এসডিপিও বলেন , সন্দেহভাজনদের এখনও জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। আততায়ীদের নাগাল পেতে সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

অক্টোবর ২৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Music with Cricket: বিজয়া সম্মেলনীর মঞ্চের ব্যাকড্রপে ভারত-পাক ম্যাচ, উৎফুল্ল দর্শক-শ্রোতা

ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট খেলার উত্তেজনাই অন্যমাত্রায় পৌছে যায় সবসময়। খেলার আগে দেশের নানা স্থানে যজ্ঞ, পুজোর রেওয়াজ তো আছেই। দুই দেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা গ্রুপের খেলা হলেও ভারত-পাক ম্যাচকে ফাইনাল ম্যাচ হিসাবেই ধরে নেয়। রবিবার টি-২০ বিশ্বকাপের ভারত-পাক ম্যাচের উত্তেজনা লক্ষ্য করা গেল বর্ধমানের এক ক্লাবের বিজয়া সম্মেলনীতেও।পুলিশ লাইনের কাছে জি টি রোডে দুর্গাপুজোর জন্য যথেষ্ট সুনাম অর্জন করেছে সবুজ সংঘ। রবিবার সবুজ সংঘের বিজয়া সম্মেলনী চলছিল। সেখানে সঙ্গীত পরিবেশন করছিলেন জি সা-রে-গা-মা-পা খ্যাত শিল্পী মন্দিরা কর্মকার। কিন্তু ওই মঞ্চের পিছনে ব্যাকড্রপ এল ই ডি জায়েন্ট স্ক্রীনে ভারত-পাকিস্তান খেলা চলছে। রথ দেখা ও কলা বেচার মত জায়েন্ট স্ক্রীনের এই উত্তেজপূর্ন খেলা দেখতে দেখতে শিল্পীর গানও উপভোগ করছে দর্শক-শ্রোতারা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশিষ্ট সঞ্ছালিকা সুদেষ্ণা আচার্য জনতার কথাকে জানান একদিকে অনুষ্ঠান, একইসঙ্গে ভারত-পাক ম্যাচের আস্বাদও নিচ্ছেন তাঁরা, তিনি বলেন, আমার মনে হয় আয়োজকরা আশঙ্কা করেছিলেন ভারত-পাক খেলা থাকায় এই বিজয়া সন্মিলনীতে সদস্যদের উপস্থিতির হার কমে যেতে পারে, তাই এই ব্যবস্থা, যাতে কোনও কিছু থেকে কেউ বঞ্চিত না থাকেন। এই দৃশ্যই মনে করিয়ে দেয় এই দেশের সাধারন মানুষ কতটা ক্রিকেটপ্রেমী! মাঝে-মধ্যে খেলার দৃশ্য দেখে উত্তেজিত হয়েও পড়ছেন দর্শকরা। হাততালিও দিয়ে ফেলছেন। এর ফলে একদিকে যেমন বিজয়া সম্মেলনীতে হাজিরও হলেন এলাকাবাসী, আবার বাড়ির বাইরে থাকলেও হট ম্য়াচ দেখা থেকে বঞ্চিত হলেন না তাঁরা। কার্যত খুশি দর্শক-শ্রোতারা।

অক্টোবর ২৪, ২০২১
রাজ্য

Wall Collapsed: ঘরের দেওয়াল ভেঙে আহত পরিবারের অন্তঃসত্ত্বা মহিলা সহ পাঁচ

ঘরে ঘুমিয়ে থাকার সময় দেওয়াল ভেঙে পড়ায় আহত হলেন অন্তঃসত্ত্বা মহিলা সহ একই পরিবারের পাঁচ জন। শনিবার ভোরে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী ১ ব্লকের মাগনপুর গ্রামে। প্রতিবেশীরা আহতদের সবাইকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। এই ঘটনার খবর পেয়ে সকালেই এলাকার বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায়, ব্লকের বিডিও দেবব্রত জানাসহ জনপ্রতিনিধিরা হাসপাপালে গিয়ে আহতদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্বস্থলীর জাহান্নগর পঞ্চায়েতের মাগনপুরে বাড়ি দে পরিবারের। ইট ও মাটির গাঁথনির দেওয়াল ও টিনের চালার ঘরে দে পরিবারের সদস্যরা বসবাস করেন। ওই ঘরেতেই এদিন ভোরে পরিবারের সদস্যরা ঘুমাচ্ছিলেন। সেইসময় আচমকাই বাড়ির দেওয়ালসহ টিনের চালা হুড়মুডিয়ে ঘেঙে পড়ে।ভেঙে পড়া সেই দেওয়ালের নিচে চাপা পড়ে যান পরিবারের এক অন্তঃসত্ত্বা মহিলাসহ পাঁচ জন।প্রতিবেশীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে গিয়ে ভেঙে পড়া দেওয়াল সরিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করেন। পরিবারের সদস্যরা মনে করছেন নিম্নচাপের জেরে বিগত কয়েকদিন ধরে হওয়া বৃষ্টিপাতের জেরে ইট মাটির গাঁথনির দেওয়ল দুর্বল হয়ে পড়ায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

অক্টোবর ২৩, ২০২১
রাজ্য

Raina Murder: খুনের পিছনে কারা? কেন খুন করেছে ব্যবসায়ীকে? পুলিশের কাছে অভিযোগ মৃতের বাবার

কলকাতা থেকে গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে এসে নৃশংস ভাবে খুন হলেন এক ব্যবসায়ী। মৃতর নাম সব্যসাচী মণ্ডল(৩৮)।শুক্রবার রাতে চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের রায়না থানার দেরিয়াপুর গ্রামে। জানা গিয়েছে, দুস্কৃতীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও গুলি করে ব্যবসায়ীকে খুন করে পালায়। শনিবার বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ মর্গে ব্যবসায়ীর মৃতদেহের ময়নাতদন্ত হয়।এই ঘটনার তদন্তে নেমে রায়না থানার পুলিশ ব্যবসায়ীর গাড়ির চালক ও রাঁধুনিকে নিজেদের কব্জায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে বিবাদের জেরে ব্যবসায়ী খুন হলেন নাকি খুনের ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে ব্যবসায়ীক শত্রুতা ,সেই বিষয়টি এখনও পুলিশের কাছে পরিস্কার নয়। সুপারি কিলারদের দিয়ে কেউ ব্যবসায়ীকে খুন করালো কিনা সেই বিষয়টিও পুলিশ খতিয়ে দেখছে। তবে আক্রান্ত হওয়ার পরেও আততায়ীরা ব্যবসায়ীর গলায় থাকা সোনার হারটি ছিনিয়ে নিয়ে যায়নি। তা দেখে পুলিশের অনুমান আততায়ীরা ব্যবসায়ীর টাকা পয়সা বা গয়নাগাটি ছিনতাই করতে আসেনি। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ব্যবসায়ী সব্যসাচী মণ্ডলের দেশবাড়ি রায়নার দেরিয়াপুর গ্রামে। তিনি ও তাঁর পরিবার এখন থাকেন হাওড়ার শিবপুরে। সেখানে তাঁর পলিথিন সামগ্রীর ব্যবসা রয়েছে। শুক্রবার সব্যসাচী মণ্ডল তাঁর এক বন্ধু নাজবীর সিংকে সঙ্গে নিয়ে দেরিয়াপুর গ্রামের দেশ বাড়িতে বেড়াতে আসেন। রাতে দেশবাড়ির দোতলায় রান্না হচ্ছিল। নাজবীর সিং এর কথায় জানা গিয়েছে, ছাদে রান্না যখন চলছিল তখন সেখানেই ছিল সব্যসাচী। সেই সময়ে সব্যসাচীর গাড়ির ড্রাইভার আলো সাউ উপরে এসে সব্যসাচীকে বলে কোন অফিসার লোক এসেছে। তারা তাঁকে নীচে ডাকছে। এই কথা শুনে গাড়ির ড্রাইভারের সঙ্গেই সব্যসাচী নিচে নেমে যায়। নাজবীর সিং জানান, এর খানিক পরেই তাঁরা আর্ত চিৎকার ও গুলির শব্দ শুনে নীচে নামেন। তখন দেখেন চার জন ধারালো অস্ত্র দিয়ে সব্যসাচীকে কোপাচ্ছে। সেই অবস্থার মধ্যেই অন্য আর এক জন গুলি চালাতে থাকে। নাজবীর দাবি করেন, তিনি সব্যসাচীকে বাঁচাতে গেলে বাংলায় কথা বলা ওই হামলাকারীরা ধাক্কা দিয়ে তাঁকে সরিয়ে দেয়। রক্তাক্ত অবস্থায় সব্যসাচী ঘটনাস্থলে লুটিয়ে পড়ে। তৎক্ষণাৎ তাঁরা সব্যসাচীকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান বলে বন্ধু নাজবীর সিং ও রাধুনি পার্থ সান্যাল দাবি করেন। যদিও শেষ রক্ষা হয়নি। বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা ব্যবসায়ী সব্যসাচী মণ্ডলকে মৃত বলে জানান। নাজবীর সিং গুলি চলার কথা বললেও এদিন ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে মৃতের দেহে গুলির কোন হদিশ মেলেনি বলে খবর মিলেছে। খুনের ঘটনার খবর পেয়ে রাতেই এসডিপিও (বর্ধমান দক্ষিণ)আমিনুল ইসলাম খাঁন, রায়না থানার ওসি পুলক মণ্ডল সহ অন্য পুলিশ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে তদন্তে যান। রক্তে ভরে থাকা ব্যাবসায়ীর দেশবাড়ির সবিস্তার তাঁরা খতিয়ে দেখেন। এসডিপিও জানান, দেরিয়াপুরের বাড়িতে রাত সাড়ে ৮ টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটে বলে জানা গিয়েছে। ব্যবসায়ীর শরীরের একাধীক জায়গায় আঘাতের ক্ষত রয়েছে। তদন্তে নেমে পুলিশ সব দিক খতিয়ে দেখছে। নানা দিক ধরে পুলিশ তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে । সুপারি কিলার দিয়ে ব্যবসায়ীকে খুন করা হয়েছে কিনা সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মৃতর পরিবারের লোকজন ছাড়াও এলাকার লোকজনের সঙ্গে কথা বলা হবে বলে এসডিপিও জানিয়েছেন। অন্যদিকে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সুপারি কিলার দিয়ে খুন করা হয়েছে এমনটা ধরে নিয়েই পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। পুলিশের অনুমান কলকাতা বা হাওড়ায় খুন করা হলে সন্দেহ মৃতর কাকাদের পরিবারের দিকেই যেত। তাই ব্যবসায়ী সব্যসাচীকে গ্রামের বাড়িতে সুপারি কিলার দিয়ে খুন করা হয়েছে বলে মনে করছে পুলিশ। হাওড়ার পুলিশ কমিশনারেটের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। মৃতর বাবা দেবকুমার মণ্ডল তাঁর ছেলেকে খুনের ঘটনা নিয়ে এদিনই পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশকে তিনি জানিয়েছেন,তাঁর ছেলে সব্যসাচীর খুড়তুতো ভাইয়েরা ও দুই ভাইপো সুপারি কিলার লাগিয়ে সব্যসাচীকে খুন করিয়েছে। একই সঙ্গে দেবকুমার বাবু জানিয়েছেন, তাঁর একমাত্র ছেলের ৬ মাসের একটি শিশু কন্যা রয়েছে। পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে ভাইয়েদের সঙ্গে তাঁদের অশান্তি চলছে। তা নিয়ে হাওড়াতেও বারবার গণ্ডগোল হয়েছে। ২০১৬ সালে তাঁর মায়ের মৃত্যুর পর তাঁর ভাইপোরা শ্মশানে সব্যসাচীকে ব্যাপক মারধোর করে বলে এদিন দেবকুমার বাবু বলেন। দেবকুমার বাবু এদিন সরাসরি অভিযোগ করে বলেন ,তার দুই ভাইপো দীনবন্ধু ও সোমনাথ সুপারি কিলার লাগিয়েই তাঁর ছেলে সব্যসাচীকে নৃশংস ভাবে খুন করিয়েছে। এই অভিযোগ পাওয়ার পর এদিন জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কল্যান সিংহ রায় সহ বিশেষ তদন্তকারী দল দেরিয়াপুর গ্রামে মৃতর দেশবাড়িতে যায়। কল্যাণ সিংহরায় বলেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে না আসা পর্যন্ত কি ভাবে খুন করা হলা তা বলা সম্ভব নয়। তবে মৃতের বাবার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা সব দিকেই নজর রাখছি। সেই ভাবেই তদন্ত শুরু হয়েছে। গুলি চালানোর বিষয়টি তাঁর কাছে পরিস্কার নয় বলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানিয়েছেন।

অক্টোবর ২৩, ২০২১
রাজ্য

Murder in Purba Bardhaman: গ্রামের বাড়িতে এসে কলকাতার ব্যবসায়ী খুন পূর্ব বর্ধমানে, আটক দুই, জোরদার তদন্তে পুলিশ

গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে এসে খুন হলেন কলকাতার এক ব্যবসায়ী। মৃতর নাম সব্যসাচী মণ্ডল(৪৪)।শুক্রবার রাতে চাঞ্চল্যকর এই ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের রায়না থানার দেরিয়াপুর গ্রামে। এই ঘটনার তদন্তে নেমে রায়না থানার পুলিশ ব্যবসায়ীর গাড়ির চালক ও রাঁধুনিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। তবে কারা কি কারণে ব্যবসায়ীকে খুন করলো সেই বিষয়টি এখনও পুলিশের কাছে পরিস্কার নয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ব্যবসায়ী সব্যসাচী মণ্ডলের দেশবাড়ি রায়নার দেরিয়াপুর গ্রামে। তিনি ও তাঁর পরিবার এখন থাকেন হাওড়ার শিবপুরে। সেখানে তাঁর পলিথিন সামগ্রীর ব্যবসা রয়েছে। শুক্রবার সব্যসাচী মণ্ডল তাঁর এক বন্ধু নাজবীর সিংকে সঙ্গে নিয়ে দেরিয়াপুর গ্রামের দেশ বাড়িতে বেড়াতে আসেন। রাতে দেশবাড়ির ছাদে রান্না হচ্ছিল। নাজবীর সিংয়ের কথায় জানা গিয়েছে, ছাদে রান্না যখন চলছিল তখন সেখানেই ছিলেন ওই সব্যসাচী। সেই সময়ে কেউ নীচে ডাকছে বলে জানিয়ে সব্যসাচীর গাড়ির ড্রাইভার সব্যসাচীকে নিয়ে ছাদে থেকে নিচে নেমে যায়। এর খানিকটা পর তাঁরা নীচে নেমে রক্তাক্ত অবস্থায় সব্যসাচীকে দেখতে পান। তৎক্ষণাৎ তাঁরা সব্যসাচীকে উদ্ধার করেন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যান বলে বন্ধু রাজবীর সিং ও রাধুনি পার্থ সান্যাল দাবি করেছেন। যদিও শেষ রক্ষা হয়নি। বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা ব্যবসায়ী সব্যসাচী মণ্ডলকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে তদন্তে যায় রায়না থানার পুলিশ। এসডিপিও (বর্ধমান দক্ষিণ) আমিনুল ইসলাম খাঁন জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। দেরিয়াপুরের বাড়িতে রাত সাড়ে ৮ টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটে বলে জানা গিয়েছে। ব্যবসায়ীর দেহের একাধিক জায়গায় আঘাতের ক্ষত রয়েছে।ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলে বোঝা যাবে কি জাতীয় জিনিস দিয়ে আঘাত করা হয়েছিল। তদন্ত এখন একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। কিভাবে এই ঘটনা ঘটলো তা জানার জন্য মৃতর পরিবারের লোকজন ছাড়াও এলাকার লোকজনের সঙ্গে কথা বলা হবে বলে এসডিপিও জানিয়েছেন।

অক্টোবর ২৩, ২০২১
রাজ্য

Tobacco: খৈনি চাওয়া নিয়ে বিবাদের জেরে যুবক খুন গলসিতে, গ্রেফতার গামছা বিক্রেতা

খৈনি চাওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছিল বিবাদ। তার জেরে বুকে ধারালো কাঁচি গেঁথে দিয়ে এক যুবকে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হল প্রৌঢ়। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে। যুবক সফিউল ইসলাম মণ্ডল (৩১)কে খুনের ঘটনায় ধৃত প্রৌঢ়ের নাম ফিরোজ হোসেন মল্লিক। তাঁর বাড়ি গলসি থানার পুরষায়। গলসি থানার পুলিশ বৃহস্পতিবার রাতে বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ শুক্রবার ধৃতকে পেশ করে বর্ধমান আদালতে। সিজেএম ধৃতকে বিচার বিভাগীয় হেপাজতে পাঠিয়ে ৫ নভেম্বর ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার বিকেলে ফিরোজ ইসলাম পুরষার মাঝেরপুলের মসজিদতলার কাছে একটি সব্জির দোকানে বসেছিল। সেই সময় পেশায় গামছা বিক্রেতা ফিরোজের কাছে গিয়ে তাঁর প্রতিবেশী সফিউল ইসলাম মণ্ডল খৈনি চান। ফিরোজ খৈনি দিতে না চাইলে সফিউল তাঁকে গালিগালাজ করে। তা নিয়ে দুজনের মধ্যে বিবাদ বাধে। ওই সময় ফিরোজ তাঁর সঙ্গে থাকা গামছা কাটার কাঁচি আচমকা সফিউলের বুকে গেঁথে দেয়। তাতে সফিউল গুরুতর জখম হয়। তাঁর বুকেও তৈরি হয় গভীর ক্ষত। প্রচণ্ড রক্তপাত শুরু হলে সফিউল আর্তনাদ শুরু করে। তা শুনে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে সফিউলকে উদ্ধার করে পুরষা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এই ঘটনা নিয়ে সফিউলের দাদা আনোয়ার হোসেন মণ্ডল ওই দিনই থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। দায়ের হওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে খুনের মামলা রুজু করে পুলিশ ফিরোজ হোসেন মল্লিককে গ্রেপ্তার করে। কাঁচিটিও পুলিশ বাজেয়াপ্ত করেছে

অক্টোবর ২২, ২০২১
রাজ্য

কাটোয়ায় বিজেপির সাংগঠনিক সভায় দুই গোষ্ঠীর মারপিট-ভাঙচুর, দিলীপ ঘোষকে গো-ব্যাক শ্লোগান

রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও বিজেপির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ দলের সাংগঠনিক সভায় পৌছানোর আগেই বাঁধলো ধুন্ধুমার। শুক্রবার পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার দাঁইহাটের জেলা বিজেপি পার্টি অফিসে নিজেদের মধ্যেই হাতাহাতি মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন বিজেপি নেতা কর্মীরা। একই সঙ্গে চলে পার্টি অফিসের আসবাবপত্র ও টেবিল চেয়ার ভাঙচুর।সুকান্ত মজুমদার ও দিলীপ ঘোষ পার্টি অফিসে পৌছানোর পরেও দুই গোষ্ঠীর হাতাহাতিতে বিরাম পড়েনি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে যাওয়ার উপক্রম হলে দিলীপ ঘোষ পুলিশ দিয়ে লাঠিচার্জ করে বিক্ষুব্ধদের পার্টি অফিস থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দেন। এর পাল্টা দিলীপ ঘোষকে উদ্দেশ্য করে গো ব্যাক শ্লোগান দিয়ে বিক্ষুব্ধরা।বিজেপির এই গোষ্ঠীকোন্দল নিয়ে তৃণমূল নেতৃত্ব কটাক্ষ করলেও রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব দাবি করেছে এদিনের ঘটনার পিছনে তৃণমূলের ইন্ধন রয়েছে। কাটোয়ার বিজেপির গোষ্ঠী কোন্দল এই প্রথম প্রকাশ্যে আসলো এমনটা নয়। বিধানসভা ভোটের অনেক আগে থেকেই বিজেপির কাটোয়া সাংগঠনিক জেলা সভাপতি কৃষ্ণ ঘোষের সঙ্গে তাঁর বিরোধী গোষ্ঠীর বিবাদ চরমে ওঠে। এদিন দাঁইহাটের পার্টি অফিসে বিজেপির দুই গোষ্ঠীর মারপিটে জড়ানোর ঘটনা আরও একবার প্রমাণ করে দিল ভোটে ভরাঢুবির পরেও কাটোয়ায় বিজেপির গোষ্ঠী বিবাদে বিরাম পড়েনি। এদিন দাঁইহাটের জেলা বিজেপি কার্যালয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও দলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষের উপস্থিতিতে একটি সাংগঠনিক সভা ছিল। সুকান্ত মজুমদার ও দিলীপ ঘোষ পৌছানোর আগে জেলা সভাপতি কৃষ্ণ ঘোষ সেই সভা পৌরহিত্য করা শুরু করতেই ক্ষোভ বিক্ষোভ শুরু হয়ে যায়। কৃষ্ণ ঘোষের বিরোধী গোষ্ঠী সভাস্থলেই প্রতিবাদে সোচ্চার হয়। তাঁরা কৃষ্ণ ঘোষ ও দাঁইহাট নগর মণ্ডল সভাপতি অনুপ বসুকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে দেন। বিক্ষুদ্ধরা অভিযোগ তোলেন, এই দুই নেতার জন্যই কাটোয়ায় বিজেপি হেরেছে। কৃষ্ণ ঘোষ টাকার বিনিময়ে তৃণমূল দলকে কাটোয়ায় জিতিয়েছে। তাঁরা দলের কর্মীদের কোন গুরুত্ব দেন না। কৃষ্ণ ঘোষ ও অনুপ বসুর পদত্যাগের দাবিও তোলেন বিক্ষুব্ধরা। এইসব অভিযোগ তোলা নিয়ে সভা শুরুর আগেই জেলা বিজেপি পার্টি অফিসে ধুন্ধুমার বেঁধে যায়। শুরু হয়ে যায় টেবিল চেয়ার ছোঁড়াছুঁড়ি। বিক্ষুব্ধ বিজেপি কর্মীরা মারধোর করা শুরু করে দেয় দলের পদাধীকারীদের। এমন পরিস্থিতি চলার সময়েই দিলীপ ঘোষ ও সুকান্ত মজুমদার দাঁইহাটের জেলা পার্টি অফিসে এসে পৌঁছান। তার পরেও বিক্ষুব্ধ বিজেপি কর্মীরা জেলা কার্যালয়ে ভিতরেই বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার উপক্রম হচ্ছে দেখে দিলীপ ঘোষ পুলিশ দিয়ে লাঠিপেটা করিয়ে বিক্ষুব্ধদের বের করে দেওয়ার হুমকি দিলে পাল্টা তাঁকে গো- ব্যাক শ্লোগান শুনতে হয়। এই ঘটনা যথেষ্টই বিড়ম্বনায় ফেলে দিয়েছে বিজেপি নেতৃত্বকে। এদিনের ঘটনা নিয়ে কৃষ্ণ ঘোষ সংবাদ মাধ্যমে কোন মন্তব্য করতে চাননি। তবে রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, এদিন যাঁরা ভাঙচুর, অশান্তির ঘটনা ঘটিয়েছে তাঁরা বিজেপির কেউ হতে পারে না। এটা তৃণমূলের চক্রান্ত । যদি এদিনের ঘটনায় বিজেপির কেউ যুক্ত থাকেন তাঁর বিরুদ্ধে দলীয় ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাল্টা অভিযোগে পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূলের সভাপতি তথা কাটোয়ার বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন,বিধানসভা ভোটে ভরাঢুবির পর শৃঙ্খলাহীন বিজেপি দলে এখন অন্দরের কোন্দল চরমে উঠেছে। তারই বহিপ্রকাশ এদিন ঘটেছে দাঁইহাটে বিজেপির সভায়।

অক্টোবর ২২, ২০২১
রাজ্য

Alcohol Smuggling: চারচাকা গাড়িতে চোলাই মদের চোরাচালান, গ্রেফতার-গাড়ি আটক, ব্যাপক চাঞ্চল্য পূর্ব বর্ধমানে

গাঁজা, হেরোইন, কোকেন এই সব মাদক দ্রব্যের চোরাচালান কারবার যে হয় তা অনেকেই জানেন। কিন্তু চোলাই মদের চোরাচালান কারবারও যে ইদানিং শুরু হয়েছে তা অনেকের কাছেই অজানা ছিল। যা প্রকাশ্যে এসেছে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার পুলিশের চালানো অভিযানে প্রচুর পরিমাণ চোলাই মদ বোঝাই চারচাকা গাড়িসহ এই পাচারকারী ধরা পড়ার পর। পুলিশের দাবি, চারচাকা গাড়িতে চোলাই মদ মজুত করে নিয়ে বুধবার রাতের অন্ধকারে হুগলি জেলা থেকে পূর্ব বর্ধমান জেলায় পাচার করতে এসেছিল পাচারকারীরা। এই পাচারকারী ছাড়া ও চোলাই মদসহ হুগলী জেলার আরও এক চোলাই পাচারকারীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। চোলাই মদের চোরাচালানের জাল কতদূর বিস্তৃত রয়েছে রয়েছে তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে।পুলিশ জানিয়েছে, বিপুল পরিমান চোলাই মদসহ ধৃতের নাম প্রদীপ দাস। অপর ধৃত সুকুমার রুইদাস। প্রদীপ হুগলী জেলার সিঙ্গুর থানার রতনপুর এলাকার বাসিন্দা। সুকুমারের বাড়ি হুগলির তারকেশ্বর থানা এলাকায়। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ দুই ধৃতকে বৃহস্পতিবার পেশ করে বর্ধমান আদালতে। সিজেএম ধৃতদের বিচার বিভাগীয় হেপাজতে পাঠিয়ে আগামী ৩ নভেম্বর ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন।এসডিপিও (বর্ধমান দক্ষিণ) আমিনুল ইসলাম খাঁন জানিয়েছেন, জামালপুর থানা এলাকায় চোলাই মদ পাচার করতে আসার খবর পুলিশ গোপন সূত্রে মাধ্যমে পায়। সেই খবর পাওয়ার পরেই ওই রাতে পুলিশ অভিযানে নামে। জামালপুরের চকদিঘী পঞ্চায়েতের পর্বতপুর এলাকা দিয়ে যাওয়া একটি টাটাসুমো গাড়ির গতিবিধি দেখে পুলিশের সন্দেশ হয়। পুলিশগাড়িটির পথ আটকায়। তারই মধ্যে গাড়িটিতে সওয়ার থাকা এক ব্যক্তি পালিয়ে যায়। গাড়ির অপর আরোহী প্রদীপ দাসকে পুলিশ ধরে ফেলে। গাড়িতে তল্লাশি চালানো হলে একাধিক পাউচে ভর্তি ১২০০ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার হয়েছে। প্রদীপ দাসকে গ্রেপ্তার করার পাশাপাশি চোলাই মদ সহ টাটা সুমো গাড়িটিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এসডিপিও বলেন, ধৃত প্রদীপকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা গিয়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলার রায়না, মাধবডিহিসহ বিভিন্ন জয়গায় পাচারের জন্য টাটাসুমোয় প্রচুর মদ বোঝাই করে নিয়ে হুগলির সিঙ্গুর থেকে তারা আসছিল। এসডিপিও বলেন, এই চোলাই মদ কারবারি চক্রের মূল পাণ্ডার সন্ধান চালানো হচ্ছে। পুলিশের একইরকম অভিযানে সুকুমার রুইদাস নামে তারকেশ্বরের এক চোলাই মদ পাচার কারিকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযান জারি থাকবে বলে এডিপিও জানিয়েছেন।

অক্টোবর ২১, ২০২১
রাজ্য

Accident: কালনা রোডে টোটো ও বালি বোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত ৪, কেন এই দুর্ঘটনা?

যাত্রীবাহী টোটোর সঙ্গে বালি বোঝাই ট্রাকের মুখোমাখি সংঘর্ষে মৃত্যু হল টোটোর চার আরোহীর।বুধবার দুপুরে ভয়াবহ এই পথ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের শক্তিগড় থানর বেলাড়ি গঞ্জ এলাকায় বর্ধমান- কালনা রোডের উপর। দুর্ঘটনার জেরে এদিন বর্ধমান কালনা রোডে ব্যাপক যানজট তৈরি হয়। খবর পেয়ে শক্তিগড় থানার পুলিশ দ্রুত দুর্ঘটনাস্থলে পৌছে মৃতদেহগুলি উদ্ধার করে সড়কপথে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করার ব্যবস্থা করে। লক্ষ্মী পুজোর দিনে চারজনের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে । পুলিশ জানিয়েছে, মৃতরা হলেন ভৈরব দাস (২৬), নির্মল চট্টোপাধ্যায় ওরফে সোনা (৪৫), অভিজিং পাল ওরফে গণেশ (৪৭)। এক মৃতর নাম ও পরিচয় জানা যায়নি। মৃতদের মধ্যে ভৈরব দাস হলেন টোটো চালক। বাকিরা সকলেই কালনা গেট এলাকার বিভিন্ন পাড়ার বাসিন্দা। সকলেই নিম্নবিত্ত পরিবারের সদস্য। কেউ বিক্রি করতেন লটারি টিকিট, আর কারুর ছিল ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। ময়নাতদন্তের জন্য এদিনই মৃতদেহগুলি পাঠানো হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ মর্গে। দুর্ঘটনার পরেই লরি ছেড়ে পালান চালক ও খালাসী। পুলিশ টোটো ও বালি বোঝাই লরি বাজেয়াপ্ত করে দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, টোটো চালক ভৈরব দাস তাঁর অ্যাজবেসটার্স চালার একচিলতে ঘরে লক্ষ্মী পুজোর আয়োজন করেছিলেন।পরিবারের অন্য সদস্যরা এদিন বেলায় যখন পুজোর তোড়জোড়ে ব্যস্ত তখন ভৈরব তাঁর টোটো নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। বেলা ১১ টা নাগাদ ভৈরব ও এলাকার অপর তিনজন টোটোয় চেপে শক্তিগড় থানার বেলাড়ির একটি অন-শপ মদের দোকানে যান। দুপুর ১টা নাগাদ সেখান থেকেই টোটোয় চেপে চারজন বর্ধমান - কালনা রোড ধরে কালনা গেটের দিকে ফিরছিলেন। পথে বৈকন্ঠপুর ১ পঞ্চায়েতের বেলাড়ি গঞ্জ এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বালি বোঝাই লরির সঙ্গে টোটোর মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পর টোটোটি সড়ক পথের উপরে উল্টে পড়ার সময়ে টোটোর আরোহীরা লরির চাকার নিচে ছিটকে পড়ে পিষ্ট হন। টোটোটিও এক প্রকার দুমড়ে মূচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় টোটো চালক সহ টোটোর চার আরোহীর।প্রত্যক্ষদর্শী সুদীপ্ত কোনার ও বাসুদেব দত্ত জানিয়েছেন, লরি চালকের কোন দোষ ছিল না।লরিটি স্বাভাবিক গতিতেই যাচ্ছিল। টোটো চালক সহ টোটোর সকল আরোহীরা গঞ্জ থেকে মদ খয়ে টোটোয় চেপে ফিরছিলেন। অত্যধিক মদ খাওয়ার কারণে টোটোর চালক ও আরোহীরা সকলেই বেসামাল ছিলেন। সেই অবস্থায় টোটো চালক টোটো চালিয়ে নিয়ে যাবার সময়ে টোটোর নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারছিলেন না। টোটোটি রাস্তার এদিক ওদিক করতে করতে যাচ্ছিল। ওই সময়ে আচমকা টোটোটি বিপরিত দিক থেকে আসা লরির সামনে চলে গেলে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সেই সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই টোটোর চার আরোহীর মৃত্যু হয়।টোটো চালক ভৈরব দাসের আত্মীয় সাগর দাস এদিন বলেন, ভৈরব ছিল পরিবারের একমাত্র রোজগেরে ব্যক্তি। তাঁর রোজগারেই স্ত্রী, দুই শিশু সন্তান সহ পরিবারের সকলের জীবিকা নির্বাহ হত। ভৈরবের মৃত্যুতে তাঁর গোটা পরিবারটা অথৈ জলে পড়ে গেল। ভৈরবের স্ত্রী লক্ষ্মীদেবী এদিন চোখের জল মুছতে মুছতে বলেন, বাড়িতে লক্ষীপুজোর জোগাড়যান্তি করছিলাম। এক্ষুণি আসছি বলে আমার স্বামী টোটো নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। আর তিনি বাড়ি ফিরলেন না। অপর এক মৃতর আত্মীয় প্রশেনজিৎ দাস একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, বেলাড়ি গঞ্জ এলাকার মদের দোকানটাই সব সর্বনাশের মূল কারণ।

অক্টোবর ২১, ২০২১
রাজ্য

Rape: বৃদ্ধ বাবা-মাকে খুনের হুমকি দিয়ে তরুণীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার

আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে বৃদ্ধ বাবা-মাকে খুনের হুমকি দিয়ে তরুণীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হল এক যুবক। ধৃতের নাম সফিকুল ইসলাম। তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া থানার কেসিয়ায়। কাটোয়া থানার পুলিশ মঙ্গলবার বিকেলে কাটোয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে অভিযুক্ত সফিকুলকে গ্রেফতার করে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ বুধবার ধৃতকে কাটোয়া মহকুমা আদলতে পেশ করে পুলিশি হেপাজতে নেওয়ার আবেদন জানায়। আদালতে এদিনই তরুণী তাঁর গোপন জবানবন্দী দেয়। বিচারক ধৃতকে ৫ দিন পুলিশি হেফাজতের পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, কাটোয়া শহরের কুমোরপাড়া এলাকায় বাড়ি বছর ২৩ বয়সী তরুণীর। বাড়িতে তাঁর বৃদ্ধ বাবা-মা রয়েছেন। তরুণীর বাবা ফুলের ব্যবসা করেন। গত শনিবার লিখিত অভিযোগে তরুণীর বাবা কাটোয়া থানার পুলিশকে জানান, গত মাসের ২৬ তারিখ বিকেল তাঁর মেয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তিনি তাঁর মেয়ের কোনও সন্ধান পান না।তরুণীর বাবা পরদিন কাটোয়া থানায় একটি নিখোঁজ ডায়রি করেন। এরপর গত ১৩ অক্টোবর তরুণী নিজেই বাড়ি ফিরে আসে। তরুণী এই কদিন কোথায় ছিল তা তরুণীর কাছে জানতে চায় তাঁর বাবা। জিজ্ঞাসাবাদে তরুণী তাঁর বাবাকে জানায় সফিকুল ইসলাম জোরপূর্ব তাঁকে রাস্তা এক অজ্ঞাত জায়গায় নিয়ে যায়। তারপর পরিবারের লোকজনদের মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে সফিকুল তাঁর সঙ্গে জোর করে সহবাস করে। প্রতিবাদ করলে তাঁকে শারীরিকভাবে নির্যাতনও করে সফিকুল। কোনওভাবে প্রাণ বাঁচিয়ে তাঁর মেয়ে ওই অজ্ঞাত জায়গা থেকে পালিয়ে আসতে সক্ষম হয়। বৃদ্ধর আরও অভিযোগ তাঁর মেয়ে বাড়ি ফিরে আসার দদিন পর রাত সাড়ে দশটা নাগাদ সফিকুল ইসলাম লাথি মেরে তাঁর বাড়ির দরজা খুলে ঘরের ভিতরে ঢোকে। আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে তাঁর মেয়েকে ফের জোর করে তুলে নিয়ে যায়। বৃদ্ধ বাধা দিতে গেলে সফিকুল গুলি করে বৃদ্ধকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেয়।এই ঘটনার পরের দিন তরুণীর বৃদ্ধ বাবা সফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে কাটোয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পাওয়ার পরেই পুলিশ নড়েচড়ে বসে। অপহরণ, ধর্ষণ ও অস্ত্র আইনে মামলা রুজু করে পুলিশ অভিযুক্ত সফিকুলের খোঁজ শুরু করে। অবশেষে মঙ্গলবার সফিকুল ইসলাম কাটোয়া থানার পুলিশের জালে ধরা পড়ে।উদ্ধার হয় তরুণীও। ধৃতকে হেপাজতে নিয়ে পুলিশ আগ্নেআস্ত্রটি উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে।

অক্টোবর ২১, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 23
  • 24
  • 25
  • 26
  • 27
  • 28
  • 29
  • ...
  • 33
  • 34
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

চাঞ্চল্য কল্যাণীর মেডিক্যাল হস্টেলে, ঘরবন্দি পড়ুয়ার পচাগলা দেহ উদ্ধারে রহস্য ঘনীভূত

রাজ্যে ফের এক মেডিক্যাল পড়ুয়ার অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নদিয়ার কল্যাণীর জওহরলাল নেহরু মেমোরিয়াল হাসপাতাল হস্টেল থেকে উদ্ধার হল এক ছাত্রের দেহ। মৃত ছাত্রের নাম পুলক হালদার। তিনি মেডিক্যাল কলেজের চূড়ান্ত বর্ষের ছাত্র ছিলেন। তাঁর বাড়ি দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার মগরাহাটের ধামুয়ায়।জানা গিয়েছে, গত কুড়ি তারিখ হস্টেলের ক্যান্টিনে খেতে গিয়েছিলেন পুলক। তারপর থেকে আর তাঁকে ঘরের বাইরে দেখা যায়নি। এমনকি পরবর্তী দিনগুলিতেও তিনি ক্যান্টিনে যাননি বলে সহপাঠীরা জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁর ঘর থেকে তীব্র দুর্গন্ধ বের হতে শুরু করে। গন্ধ পেয়ে হস্টেলের ছাত্ররা কলেজ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে খবর দেন।এরপর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং কল্যাণী থানার পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ঘরে ঢোকে। ভিতরে বিছানার উপর পুলকের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। পুলিশ দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে। হস্টেলের অন্যান্য আবাসিকদের বক্তব্য, পুলক ঘরে একাই থাকতেন। আগামী মাসের পাঁচ তারিখ থেকে তাঁর পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। তার আগেই এই মর্মান্তিক ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে কলেজে।এই মৃত্যুর পিছনে পরীক্ষার চাপ, না কি ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েন রয়েছে, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।কলেজের চিকিৎসক মনিদীপ পাল জানিয়েছেন, দুপুর প্রায় দুটো থেকে আড়াইটে নাগাদ তাঁরা বিষয়টি জানতে পারেন। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশে খবর দেওয়া হয় এবং দরজা খোলার পর দেহ উদ্ধার করা হয়।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬
রাজ্য

অন্তঃসত্ত্বাকে মারধরের অভিযোগ, গর্ভস্থের মৃত্যুকে ঘিরে শিলিগুড়িতে বিস্ফোরণ, টিয়ার গ্যাসে থামল বিক্ষোভ

এক আদিবাসী অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে মারধরের অভিযোগ ঘিরে উত্তাল হয়ে উঠল শিলিগুড়ি। অভিযোগ, এক সিভিক ভলান্টিয়রের মারধরের জেরে গর্ভস্থ সন্তানের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার দুপুরে আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ উত্তরকন্যা অভিযানে নামেন। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং এলাকায় রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়।বিক্ষোভকারীরা পুলিশের ব্যারিকেড টপকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। এর পরই দুপক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে পুলিশ টিয়ার গ্যাসের সেল ফাটায় এবং জলকামান ব্যবহার করে। মাইকিং করে বারবার সতর্ক করা হয়। তিনবাত্তি মোড় এলাকায় আগে থেকেই বিপুল পুলিশবাহিনী মোতায়েন ছিল। একাধিক ব্যারিকেড তৈরি করা হয়েছিল। তবু বিক্ষোভকারীরা রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে এগোতে থাকেন বলে অভিযোগ।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত তেইশে ডিসেম্বর ফাঁসিদেওয়ায় জমি দখল নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে অশান্তির সময় এই ঘটনা ঘটে। সেই সময় এক অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে মারধরের অভিযোগ ওঠে এক সিভিক ভলান্টিয়রের বিরুদ্ধে। পরে গত নয় জানুয়ারি মহম্মদ কাদের নামে ওই সিভিক ভলান্টিয়রকে গ্রেফতার করে পুলিশ। যদিও আরও চারজন অভিযুক্ত এখনও ধরা পড়েননি বলে জানা গিয়েছে।অভিযুক্তের ফাঁসির দাবিতে এদিন উত্তরকন্যা অভিযানে অংশ নেন বহু আদিবাসী মানুষ। এই কর্মসূচিতে সমর্থন জানায় ভারতীয় জনতা পার্টি। কর্মসূচি আগে থেকেই ঘোষণা করা ছিল, তাই পুলিশও প্রস্তুত ছিল। তবু পরিস্থিতি দ্রুত অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। ঘটনার তদন্ত চলছে এবং এলাকায় উত্তেজনা বজায় রয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬
রাজ্য

ভরদুপুরে রাজ্যজুড়ে বোমাতঙ্ক, আদালতের পর পোস্ট অফিসে হুমকি মেইল, আতঙ্কে দৌড়ঝাঁপ

কলকাতা থেকে জেলা, ভরদুপুরে কার্যত গোটা রাজ্য জুড়ে ছড়াল বোমাতঙ্ক। আদালতের পর এবার ডাকঘর এবং পাসপোর্ট অফিসে হুমকি মেইল পৌঁছতেই তড়িঘড়ি কর্মী ও গ্রাহকদের বাইরে বের করে দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার দুপুর প্রায় একটা নাগাদ ব্যস্ত সময়েই এই মেইল আসে। কলকাতার রুবি মোড় সংলগ্ন পাসপোর্ট অফিস থেকে শুরু করে আসানসোল, কাটোয়া, কৃষ্ণনগর সহ একাধিক জায়গার ডাকঘরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।গত মঙ্গলবার থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন আদালতে বোমা বিস্ফোরণের হুমকি আসতে শুরু করে। এমনকি কলকাতার সিটি সিভিল কোর্টেও হুমকি পৌঁছয়। বিচারকদের একাংশ নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বুধবার ফের একাধিক আদালতে একই ধরনের হুমকি বার্তা পৌঁছনোয় আতঙ্ক আরও বাড়ে। বৃহস্পতিবার ডাকঘরগুলিতে হুমকি আসায় পরিস্থিতি নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। পুলিশ এখন খতিয়ে দেখছে এই হুমকি নিছক ভুয়ো কি না, নাকি এর পিছনে বড় কোনও ষড়যন্ত্র রয়েছে।এদিন প্রথমে রুবি মোড়ের পাসপোর্ট অফিসে হুমকি পৌঁছতেই সকলকে দ্রুত বাইরে বেরিয়ে যেতে বলা হয়। পরে চুঁচুড়া প্রধান ডাকঘর এবং শ্রীরামপুর ডাকঘরেও আতঙ্ক ছড়ায়। আরডিএক্স বিস্ফোরণের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে খবর। শ্রীরামপুর ডাকঘরের পাশে একটি স্কুলেও বোমা থাকার খবর পৌঁছয়। আতঙ্কে অভিভাবকেরা দ্রুত সন্তানদের নিয়ে বাড়ি ফিরে যান।পূর্ব বর্ধমানের প্রধান ডাকঘরেও ইমেলে বোমা থাকার খবর পৌঁছতেই কর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অফিসে তালা ঝুলিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন তাঁরা। আরামবাগের প্রধান ডাকঘরেও একই পরিস্থিতি তৈরি হয়। পুলিশ গ্রাহক ও কর্মীদের বাইরে বের করে দিয়ে তল্লাশি শুরু করে। ওই ডাকঘরে আধার সংক্রান্ত কাজ এবং পাসপোর্ট যাচাইয়ের কাজ হওয়ায় সাধারণ মানুষের ভিড় ছিল বেশি।এছাড়া ব্যারাকপুর, কোচবিহার, বসিরহাট, বাঁকুড়া, মুর্শিদাবাদ এবং হাওড়া ময়দান সহ একাধিক জায়গায় একইভাবে বোমাতঙ্ক ছড়ায়। টানা তিনদিন ধরে সরকারি দফতরে এভাবে হুমকি পৌঁছনোয় পুলিশের ভূমিকা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং প্রতিটি জায়গায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

প্রাক্তন স্ত্রীকে কোটি টাকা ফেরতের নির্দেশ আদালতের! স্বস্তিতে শিখর ধাওয়ান

প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার শিখর ধাওয়ান-এর সঙ্গে সম্পত্তি বিতর্কে বড় রায় দিল দিল্লির পাটিয়ালা হাউস আদালত। আদালত নির্দেশ দিয়েছে, প্রাক্তন স্ত্রী আয়েশা মুখার্জি-কে অস্ট্রেলিয়ার সম্পত্তি মীমাংসা চুক্তির মাধ্যমে পাওয়া প্রায় পাঁচ কোটি সত্তর লক্ষ টাকা সুদ-সহ ফেরত দিতে হবে। বিচারক দেবেন্দ্র কুমার গর্গ জানান, হুমকি, প্রতারণা এবং জোরজবরদস্তির মাধ্যমে ওই চুক্তিতে স্বাক্ষর করানো হয়েছিল বলে প্রমাণ মিলেছে। ফলে সমস্ত মীমাংসা নথিকে বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।আদালত আরও নির্দেশ দিয়েছে, মামলা দায়েরের দিন থেকে উক্ত টাকার উপর বার্ষিক নয় শতাংশ হারে সুদ দিতে হবে। পাশাপাশি বিচারক স্পষ্ট করেন, দাম্পত্য সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ার আদালতের এখতিয়ার নেই। সেই কারণে বিদেশি আদালতের নির্দেশ কার্যকর করার ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। উল্লেখ্য, অস্ট্রেলিয়ার আদালত দুই হাজার চব্বিশ সালের ফেব্রুয়ারিতে দম্পতির বিশ্বজুড়ে থাকা সম্পত্তি ভাগ করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল এবং সেই রায়ে ধাওয়ানের ভারতে থাকা সম্পত্তিও অন্তর্ভুক্ত ছিল।অস্ট্রেলিয়ার আদালতের নির্দেশে আয়েশা মুখার্জি মোট সম্পদের পনেরো শতাংশ পাওয়ার অধিকারী হন। তাঁর কাছে প্রায় সাত কোটি ছেচল্লিশ লক্ষ টাকার সম্পত্তি থেকে যায় এবং অতিরিক্ত অর্থ ও একটি সম্পত্তি হস্তান্তরের নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল। দুই হাজার একুশ থেকে দুই হাজার চব্বিশ পর্যন্ত একাধিক নির্দেশে সম্পত্তি বণ্টনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে ধাওয়ান আদালতে দাবি করেন, এই সিদ্ধান্ত ভারতীয় বৈবাহিক আইনের পরিপন্থী এবং তিনি নিজের উপার্জিত অর্থে সম্পত্তি কিনলেও চাপের মুখে সেগুলি যৌথ বা স্ত্রীর নামে নথিভুক্ত করতে বাধ্য হন। একটি ক্ষেত্রে তিনি কেনা সম্পত্তিতে আয়েশাকে নিরানব্বই শতাংশ মালিক দেখানো হয়েছিল বলেও আদালতে জানানো হয়। সমস্ত তথ্যপ্রমাণ খতিয়ে দেখে আদালত ধাওয়ানের বক্তব্যকে গ্রহণযোগ্য বলে মনে করে এবং বিদেশি আদালতের নির্দেশ মানতে তিনি বাধ্য নন বলে জানিয়ে দেয়।এর আগেই দুই হাজার তেইশ সালে দিল্লির আদালত এই দম্পতিকে বিবাহবিচ্ছেদের অনুমতি দেয়। আদালত পর্যবেক্ষণে জানায়, ছেলে জোরাবরের থেকে দীর্ঘদিন দূরে থাকার কারণে ধাওয়ান মানসিক কষ্টের মধ্যে ছিলেন। যদিও স্থায়ী অভিভাবকত্ব তিনি পাননি, তবে সাক্ষাৎ এবং ভিডিও মাধ্যমে যোগাযোগের অধিকার দেওয়া হয়েছিল। ধাওয়ানের অভিযোগ, পরবর্তীতে সেই যোগাযোগের পথও বন্ধ করে দেওয়া হয়, যা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগেই কড়া নজরদারি, প্রতিটি বিধানসভায় কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক বসানোর বড় সিদ্ধান্ত

ভোটের প্রস্তুতি জোরকদমে শুরু হতেই বড় সিদ্ধান্ত নিল ভারতের নির্বাচন কমিশন। সূত্রের খবর, ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারির দিন থেকেই প্রতিটি বিধানসভায় অন্তত একজন করে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হবে। মনোনয়ন জমা দেওয়া থেকে শুরু করে গোটা নির্বাচন প্রক্রিয়াই তাঁদের কড়া নজরদারিতে চলবে। বাংলা-সহ পাঁচ রাজ্যের ক্ষেত্রেই এই একই নীতি কার্যকর করতে চলেছে কমিশন।কমিশনের অভিজ্ঞতা বলছে, অতীতের একাধিক নির্বাচনে মনোনয়ন পর্ব থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে অশান্তি, জোর করে মনোনয়ন প্রত্যাহার এবং রাজনৈতিক সংঘর্ষের অভিযোগ সামনে এসেছে। গত বিধানসভা নির্বাচনেও বিরোধীদের পক্ষ থেকে মনোনয়ন পর্যায় ঘিরে একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই এবার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দিন থেকে প্রায় সবকটি বিধানসভায় আলাদা করে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যাতে প্রাথমিক স্তর থেকেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, তামিলনাড়ু, কেরল, অসম এবং পুদুচেরিতেও একই ধরনের নজরদারি থাকবে বলে জানা গিয়েছে। মোট এক হাজার চারশো চুয়াল্লিশ জন শীর্ষ পর্যায়ের আধিকারিককে ইতিমধ্যেই প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এঁদের মধ্যে পুলিশ পরিষেবার আধিকারিকরা আইনশৃঙ্খলার বিষয় দেখবেন, প্রশাসনিক পরিষেবার আধিকারিকরা সামগ্রিক নির্বাচন ব্যবস্থাপনা পর্যবেক্ষণ করবেন এবং রাজস্ব বিভাগের আধিকারিকরা নির্বাচনী খরচ ও আর্থিক লেনদেনে নজর রাখবেন। মনোনয়ন পর্ব থেকে ভোট গণনা পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে তাঁদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হবে বলে কমিশন সূত্রে খবর।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬
দেশ

নেতানিয়াহুর ডাকে চমক, ইজরায়েলে পৌঁছেই মোদিকে ঘিরে আন্তর্জাতিক জল্পনা

দুদিনের ইজরায়েল সফরে বুধবার রওনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভারত ও ইজরায়েল-এর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে এই সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কৌশলগত সহযোগিতা, প্রতিরক্ষা, কৃষি এবং প্রযুক্তি ক্ষেত্রে একাধিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের সম্ভাবনা রয়েছে বলে কূটনৈতিক সূত্রে খবর। তবে এই সফরকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন কূটনৈতিক জটিলতার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।প্রধানমন্ত্রী ইজরায়েলে পৌঁছনোর আগেই সে দেশের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু একটি নতুন ষড়ভূজ জোট গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন। পশ্চিম এশিয়ায় চরমপন্থী সংগঠনগুলির মোকাবিলাই এই জোটের মূল লক্ষ্য বলে জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পাকিস্তান, সৌদি আরব এবং তুরস্কের সম্ভাব্য ইসলামিক সামরিক জোটের পালটা হিসেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নেতানিয়াহু এই জোটে ভারতকে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে দেখতে চাইছেন। পাশাপাশি গ্রিস ও সাইপ্রাসকেও যুক্ত করার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে। তবে ভারত এই জোটে যোগ দিলে পশ্চিম এশিয়ার একাংশের অসন্তোষ বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।অন্যদিকে এই সফর ভারত ও ইরান-এর সম্পর্কেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন কূটনৈতিক মহলের একাংশ। ইজরায়েল ও ইরানের সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই তীব্র বৈরিতার মধ্যে রয়েছে। একই সময়ে ইরান ও আমেরিকা-র মধ্যে চলমান উত্তেজনাও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। ইজরায়েল ও আমেরিকার ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে এই সফর তেহরানের সঙ্গে নয়াদিল্লির কূটনৈতিক ভারসাম্যে প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে প্রতিরক্ষা ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক কূটনীতির সূক্ষ্ম ভারসাম্য বজায় রাখাই এই সফরে ভারতের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬
দেশ

এসআইআর মামলায় বড় স্বস্তি, আধার ও মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডেই মিলবে সমাধান

এসআইআর মামলায় গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার শীর্ষ আদালত জানিয়ে দেয়, নথি যাচাইয়ের ক্ষেত্রে আধারের পাশাপাশি মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডও গ্রহণযোগ্য হবে। আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে, চৌদ্দ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জমা পড়া সমস্ত নথিই গ্রহণ করা হবে। একই সঙ্গে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ওই সময়সীমার মধ্যে জমা পড়া নথি পরের দিন বিকেল পাঁচটার মধ্যে প্রিসাইডিং অফিসারের হাতে তুলে দিতে হবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে।প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ জানায়, মাধ্যমিকের পাশের শংসাপত্রের পাশাপাশি মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড জমা দেওয়া যেতে পারে। বয়স এবং অভিভাবকের পরিচয় প্রমাণের ক্ষেত্রে অ্যাডমিট কার্ডকে সহায়ক নথি হিসেবে গ্রহণ করা হবে। আদালত আরও জানায়, নির্ধারিত সময়সীমার পরে জমা পড়া নথি বিবেচনা করা হবে না।এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী আপত্তি জানিয়ে বলেন, আধারের মতো একক নথি হিসেবে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড ব্যবহার করা উচিত নয়। এর জবাবে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী জানান, মাধ্যমিক পাশের শংসাপত্রে জন্মতারিখ বা অভিভাবকের নাম সব সময় স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকে না, তাই অ্যাডমিট কার্ডকে সহায়ক নথি হিসেবে বিবেচনা করার কথা বলা হয়েছে। বাংলার বিচার ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা অ্যাডমিট কার্ডে থাকা তথ্য সম্পর্কে অবগত বলেও তিনি মন্তব্য করেন।আইনজীবীদের মধ্যে তর্কের সময়ে বলা হয়, অনেকেই মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসে পাশ না করলেও তাঁদের কাছে অ্যাডমিট কার্ড থাকে। এর উত্তরে আদালত জানায়, নির্ধারিত সময়সীমা এবং অন্যান্য নথির সঙ্গে মিলিয়ে দেখেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। শেষ পর্যন্ত প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ নির্দেশ দেয়, মাধ্যমিক পাশের শংসাপত্রের সঙ্গে অ্যাডমিট কার্ড গ্রহণ করা যাবে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জমা পড়া নথিই বিবেচিত হবে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬
রাজ্য

ফের আদালতে বোমাতঙ্ক, ইমেলে বিস্ফোরণের হুমকিতে তোলপাড় আসানসোল

বুধবার ফের বোমাতঙ্ক ছড়াল আসানসোল আদালত চত্বরে। নতুন করে বোমা রাখার হুমকি ইমেল আসতেই সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় বম্ব স্কোয়াড ও স্নিফার ডগ। নিরাপত্তার স্বার্থে আদালত চত্বর ফাঁকা করে দেওয়া হয় এবং বিচারক, আইনজীবী ও সাধারণ মানুষদের নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। হঠাৎ এই হুমকি ঘিরে এলাকায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং আদালতই কি টার্গেট, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।এর আগেও মঙ্গলবার একই ধরনের হুমকি ইমেল আসে জেলা জজের কাছে। সেই বার্তায় দাবি করা হয়েছিল আদালত ভবনের ভিতরে আরডিএক্স রাখা রয়েছে এবং দূর থেকে বিস্ফোরণ ঘটানো হতে পারে। এমনকি কয়েকজন মাওবাদী সদস্য আদালতের গুরুত্বপূর্ণ অংশের কাছে পৌঁছে বিস্ফোরণ ঘটাবে বলেও উল্লেখ ছিল। এই খবর ছড়াতেই আদালত চত্বরে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়। পুলিশ দ্রুত এলাকা ঘিরে ফেলে এবং আদালত খালি করে তল্লাশি অভিযান শুরু করে। স্নিফার ডগ ও বিশেষ দল দিয়ে দীর্ঘক্ষণ খোঁজ চালানো হলেও কোনও বিস্ফোরক পাওয়া যায়নি।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাজ্যের একাধিক আদালতেও একই ধরনের ভুয়ো হুমকি ছড়িয়েছিল। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, এই ইমেলগুলির উৎস খুঁজে বের করতে তদন্ত চলছে এবং সাইবার দিকও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বুধবার নির্দিষ্ট সময়েই আদালতের কাজ শুরু হলেও বেলার দিকে ফের নতুন ইমেল আসায় পরিস্থিতি আবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বার্তায় আবার বিস্ফোরণের হুমকি থাকায় দ্রুত তল্লাশি অভিযান শুরু করা হয়।পুলিশ আধিকারিকরা জানিয়েছেন, আদালতের কাজ ব্যাহত করার উদ্দেশ্যেই বারবার এই হুমকি পাঠানো হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জেলা জজ আগেই জানিয়েছেন, আগের হুমকি ভুয়ো ছিল বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। তবে কোনও ঝুঁকি না নিয়ে পূর্ণ সতর্কতা বজায় রেখে তল্লাশি চালানো হচ্ছে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal