• ১২ কার্তিক ১৪৩৩, রবিবার ০১ নভেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

President

দেশ

জ্ঞানেশকে সরানোর দাবি, এবার রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ রাহুল-মমতারা! চিঠিতে কী লিখল ইন্ডি জোট?

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবি নিয়ে এবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর দ্বারস্থ হতে চাইছে ইন্ডি জোট। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার সময় চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন জোটের নেতারা। বুধবার থেকে শুক্রবারের মধ্যে যে কোনও সময়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার জন্য সময় চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি ভবনের তরফে সেই চিঠির কোনও জবাব দেওয়া হয়নি।বিশেষ করে এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সরব বিরোধী দলগুলি। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ইন্ডি জোটের একাধিক নেতা। তাঁকে পদ থেকে সরানোর দাবিও জানানো হয়েছে। এর আগে ইন্ডি জোটের নেতারা জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে যৌথ আন্দোলনের কর্মসূচি নিয়েছিলেন।রাষ্ট্রপতিকে লেখা চিঠিতে রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়্গে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অখিলেশ যাদব, ওমর আবদুল্লা, শরদ পওয়ার, এম এ বেবি, তেজস্বী যাদব-সহ ইন্ডি জোটের একাধিক দলের শীর্ষ নেতার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছার কথা জানানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম নিয়ে তাঁদের অভিযোগ এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে অপসারণের দাবি রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরতেই এই সাক্ষাতের সময় চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই চিঠি পাঠানোর ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটল, যখন দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে ইন্ডি জোটের বিক্ষোভ আরও তীব্র হয়েছে। মঙ্গলবার সংসদ চত্বর থেকে নির্বাচন কমিশনের দফতরের দিকে মিছিল করেন বিরোধী সাংসদরা। তাঁদের মিছিল মাঝপথে আটকে দেয় পুলিশ। পরে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী-সহ একাধিক নেতা আকাশবাণী ভবন চত্বরে ধর্নায় বসেন।মিছিল আটকে দেওয়ার সময় রাহুল গান্ধী ব্যারিকেডের উপরে উঠে প্রতিবাদ জানান। পরে তিনি এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আকাশবাণী ভবনের ভিতরে ঢুকে গাছের তলায় বসে অবস্থান শুরু করেন। পুলিশ তাঁদের সরে যেতে বললেও তাঁরা ধর্না চালিয়ে যান। সন্ধ্যার পর তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন, মহুয়া মৈত্র-সহ আরও কয়েক জন বিরোধী নেতা সেখানে যোগ দেন। সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবও পরে বিক্ষোভস্থলে ফিরে আসেন।প্রায় নঘণ্টা ধরে অবস্থানের পর শেষ পর্যন্ত পুলিশ আকাশবাণী ভবন চত্বরে গিয়ে বিক্ষোভকারীদের আটক করে। রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং অন্য বিরোধী নেতাদের বাসে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এর আগে মিছিলের সময়ও একাধিক বিরোধী সাংসদকে আটক করা হয়েছিল।তবে এর মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের তরফে পাল্টা বক্তব্য সামনে এসেছে। কমিশনের আধিকারিকদের দাবি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বা অন্য নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে দেখা করার জন্য কোনও রাজনৈতিক দলের তরফে আনুষ্ঠানিক আবেদন কমিশনে পৌঁছয়নি। ফলে বিরোধীরা কমিশনের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন কি না, সেই প্রশ্নে দুই পক্ষের বক্তব্যে ফারাক রয়েছে।এই পরিস্থিতিতে এবার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার জন্য ইন্ডি জোটের আবেদন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে চিঠির জবাব কবে আসে এবং রাহুল গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ বিরোধী নেতাদের সাক্ষাতের সময় দেওয়া হয় কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
দেশ

ব্রিকসের পর হঠাৎ শি জিনপিংয়ের স্ট্রোক? ভাইরাল দাবিতে তোলপাড়, কী বলল দিল্লি?

ভারতের মাটিতে সদ্য শেষ হয়েছে ব্রিকসের ১৮তম শীর্ষ সম্মেলন। সম্মেলনে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-সহ একাধিক রাষ্ট্রনেতা যোগ দেন। শি ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে ব্রিকসের দুই অধিবেশনেও অংশ নেন। কিন্তু সম্মেলন শেষ হওয়ার পরই তাঁর স্বাস্থ্য নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে একটি দাবি ছড়িয়ে পড়ে।চিনের গণতন্ত্র পার্টির চেয়ারম্যান ওয়ানজুন শিয়ে সামাজিক মাধ্যমে দাবি করেন, দিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়ার সময় শি জিনপিং অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন এবং তাঁর স্ট্রোক হয়েছিল। তাঁর আরও দাবি, পরে বিশেষ বিমানে শিকে চিনে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে তাঁর চিকিৎসা করা হয়। তবে এই দাবির পক্ষে কোনও চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি বা সরকারি প্রমাণ সামনে আসেনি। ভারতের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনগুলিও জানিয়েছে, দাবিটি স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি।এদিকে চিনের সরকারি তথ্যের সঙ্গে ভাইরাল দাবির বেশ কিছু অমিল রয়েছে। চিনের বিদেশ মন্ত্রকের সরকারি বিবরণ অনুযায়ী, শি জিনপিং ১২ সেপ্টেম্বর ব্রিকসের প্রথম অধিবেশনে এবং ১৩ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় অধিবেশনে অংশ নেন। দুই অধিবেশনেই তিনি বক্তব্য রাখেন এবং অন্যান্য রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।চিনের বিদেশ মন্ত্রক আরও জানিয়েছে, ১৩ সেপ্টেম্বর দুপুরে শি জিনপিং ব্রিকস সম্মেলনে তাঁর কর্মসূচি শেষ করে বেজিংয়ের উদ্দেশে রওনা দেন। অর্থাৎ সরকারি নথিতে তাঁর সফর নির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই শেষ হওয়ার কথা জানানো হয়েছে।শুধু শি জিনপিং নন, ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়া একাধিক রাষ্ট্রনেতা দেশে ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলেও সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন পোস্ট ছড়ায়। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসার স্বাস্থ্য নিয়েও এমন আলোচনা শুরু হয়।এই ধরনের দাবির বিরুদ্ধে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে সতর্ক করা হয়েছে। মন্ত্রকের তথ্য যাচাই সংক্রান্ত শাখা সামাজিক মাধ্যমে একাধিক রাষ্ট্রনেতার অসুস্থতা নিয়ে ছড়ানো পোস্টকে ভুয়ো এবং বিভ্রান্তিকর বলে সতর্ক করেছে। মানুষকে এই ধরনের বিভ্রান্তিকর পোস্টে বিশ্বাস না করারও বার্তা দেওয়া হয়েছে।তবে শি জিনপিংয়ের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও সতর্কতার সঙ্গে দেখা প্রয়োজন। কারণ তাঁর স্ট্রোক, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া বা অস্ত্রোপচারের দাবি কোনও সরকারি সূত্র নিশ্চিত করেনি। একই সঙ্গে চিনের সরকারও এমন কোনও স্বাস্থ্যগত ঘটনার কথা ঘোষণা করেনি। ফলে সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো ওই দাবিকে এই মুহূর্তে নিশ্চিত খবর হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।অন্যদিকে, ব্রিকস সম্মেলনে শি জিনপিংয়ের উপস্থিতি এবং তাঁর বক্তব্যের বিষয়ে চিনের সরকারি নথি রয়েছে। সম্মেলনের পর তাঁর বেজিং ফেরার বিষয়টিও চিনের বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে। ফলে শি জিনপিংয়ের স্বাস্থ্য নিয়ে ছড়ানো দাবির সত্যতা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে।সব মিলিয়ে, ব্রিকস সম্মেলনের পর শি জিনপিংয়ের অসুস্থতা নিয়ে যে দাবি ছড়িয়েছে, তার কোনও স্বাধীন ও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ এখনও সামনে আসেনি। অন্যদিকে, বিদেশ মন্ত্রক একাধিক রাষ্ট্রনেতাকে নিয়ে ছড়ানো অসুস্থতার দাবিকে ভুয়ো বলে সতর্ক করেছে। তাই এই মুহূর্তে শি জিনপিংয়ের স্ট্রোক বা জরুরি অস্ত্রোপচারের দাবিকে সত্য বলে ধরে নেওয়ার কোনও ভিত্তি নেই।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
বিদেশ

গালওয়ানের ক্ষত এখনও তাজা, তার মধ্যেই দিল্লিতে শি! মোদির সঙ্গে বৈঠক ঘিরে তুঙ্গে চর্চা

আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ব্রিকস সম্মেলন। এই সম্মেলনে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং যোগ দেবেন কি না, তা নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরেই জল্পনা চলছিল। বৃহস্পতিবার সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে শির ভারত সফরের কথা নিশ্চিত করেছে বেজিং।ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে পৌঁছনোর কথা রয়েছে চিনের প্রেসিডেন্টের। ফলে সাত বছর পর ফের ভারতে আসছেন শি জিনপিং। তাঁর এই সফর ঘিরে ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। কারণ, ২০২০ সালে পূর্ব লাদাখের গালওয়ানে ভারত ও চিনের সেনার মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর এটাই হতে চলেছে শির প্রথম ভারত সফর।সবচেয়ে বেশি নজর থাকবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে শি জিনপিংয়ের সম্ভাব্য দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের দিকে। যদিও এমন বৈঠক হবে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। তবে কূটনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, দীর্ঘদিনের সামরিক উত্তেজনা, কূটনৈতিক দূরত্ব এবং অর্থনৈতিক টানাপড়েনের পর দুই দেশই সম্পর্কের উন্নতির রাস্তা খুঁজতে পারে।ভারত ও চিনের সম্পর্কে অবিশ্বাসের ইতিহাস দীর্ঘ। ১৯৬২ সালের যুদ্ধের পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন রয়েছে। ২০২০ সালের গালওয়ান সংঘর্ষ সেই সম্পর্কে আরও বড় ধাক্কা দেয়। ওই সংঘর্ষে ২০ জন ভারতীয় জওয়ান নিহত হন। চিনও তাদের বাহিনীর চার জনের মৃত্যুর কথা সরকারি ভাবে স্বীকার করেছিল।গালওয়ান সংঘর্ষের পর ভারত ও চিনের সম্পর্কে দ্রুত অবনতি ঘটে। সীমান্তে সেনা মোতায়েন, অরুণাচল প্রদেশ সংলগ্ন এলাকা নিয়ে টানাপড়েন এবং একাধিক কূটনৈতিক বিরোধ দুই দেশের সম্পর্ককে আরও জটিল করে তোলে। এই পরিস্থিতিতে ব্রিকস সম্মেলনে শি জিনপিংয়ের দিল্লি সফরকে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।এখন প্রশ্ন, ব্রিকসের মঞ্চে কি মোদি এবং শি জিনপিংয়ের মধ্যে আনুষ্ঠানিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হবে? যদি বৈঠক হয়, তবে সীমান্ত সমস্যা, সামরিক উত্তেজনা এবং দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে আসতে পারে বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল। তবে বৈঠকের বিষয়বস্তু বা তার সম্ভাব্য ফলাফল নিয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি।এর আগে কিরগিজস্তানের বিশকেকে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার শীর্ষ সম্মেলনে একই মঞ্চে দেখা গিয়েছিল মোদি এবং শি জিনপিংকে। সেখানে দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে করমর্দন হয়েছিল। তবে তাঁদের মধ্যে কোনও আনুষ্ঠানিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়নি।এবার দিল্লির ব্রিকস সম্মেলনে পরিস্থিতি কতটা বদলায়, সেদিকেই নজর থাকবে। গালওয়ানের পর প্রথম বার ভারতে শি জিনপিংয়ের উপস্থিতি এবং তাঁর সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির সম্ভাব্য বৈঠক ভারত-চিন সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন কোনও বার্তা দেয় কি না, এখন সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬
রাজ্য

ডিজিটাল ক্লাস থেকে খুদেদের প্রাতরাশ, জাতীয় শিক্ষক পুরস্কারে মনোনীত বর্ধমানের পলাশ

শুধু চক-ডাস্টার আর পাঠ্যবইয়ের মধ্যে শিক্ষাকে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রযুক্তিকে হাতিয়ার করে খুদে পড়ুয়াদের কাছে পড়াশোনাকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছেন বর্ধমান শহরের শ্রীরামকৃষ্ণ সারদা বিদ্যাপীঠ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পলাশ চৌধুরী। শ্রেণিকক্ষে প্রযুক্তির অভিনব প্রয়োগের পাশাপাশি পড়ুয়াদের মানসিক বিকাশ, পরিবারের ভূমিকা এবং পুষ্টির দিকেও তাঁর নজর। এই বহুমুখী উদ্যোগের স্বীকৃতি হিসেবেই চলতি বছর জাতীয় শিক্ষক পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন তিনি।এ বছর পশ্চিমবঙ্গ থেকে দুজন শিক্ষক জাতীয় শিক্ষক পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন। প্রায় আট বছর পর সেই তালিকায় বর্ধমানের কোনও স্কুলশিক্ষকের নাম উঠে আসায় খুশি পড়ুয়া থেকে অভিভাবকসকলেই। এর আগে ২০১৮ সালে বর্ধমানের কাঞ্চননগর ডি এন দাস হাইস্কুলের শিক্ষক সুভাষচন্দ্র দত্ত জাতীয় শিক্ষক পুরস্কার পেয়েছিলেন।পলাশ চৌধুরীর শিক্ষাদর্শনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হল প্রযুক্তির ব্যবহার। শ্রীরামকৃষ্ণ সারদা বিদ্যাপীঠের ক্লাসে পাঠ্যপুস্তকের পাশাপাশি ডিজিটাল ছবি ও লেখার সাহায্যে বিভিন্ন বিষয় পড়ুয়াদের সামনে তুলে ধরা হয়। কঠিন বিষয়কে সহজ করে বোঝাতে ভার্চুয়াল পদ্ধতিও কাজে লাগানো হয়েছে। মহাকাশ কিংবা মানবদেহের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মতো বিষয়গুলিকে ভার্চুয়াল পরিবেশে দেখার সুযোগ পাচ্ছে পড়ুয়ারা। প্রধান শিক্ষকের দাবি, এর ফলে শিশুদের মধ্যে পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ এবং জানার কৌতূহল দুটোই বেড়েছে।শিক্ষার বাইরেও পড়ুয়াদের ব্যক্তিত্ব বিকাশের দিকে গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। স্কুলের বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে শুধু পরীক্ষায় ভালো ফল করা পড়ুয়াদের পুরস্কৃত করা হয় না। সেরা হাতের লেখা, উদীয়মান প্রতিভা কিংবা ঘুরে দাঁড়ানোর সেরা উদাহরণ-এর মতো নানা বিভাগে পড়ুয়াদের উৎসাহিত করা হয়। এর মাধ্যমে শিশুদের ভিন্ন ভিন্ন প্রতিভা ও সাফল্যকে স্বীকৃতি দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।পড়ুয়াদের সাফল্যের পিছনে পরিবারের অবদানকেও সামনে এনেছেন পলাশবাবু। সন্তানদের সারা বছর পড়াশোনায় উৎসাহ দেওয়ার জন্য স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের মায়েদের দেওয়া হয় সেরা আপনজন সম্মান। তাঁর মতে, একটি শিশুর সাফল্যের পিছনে পরিবারের সদস্যদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে। তাই তাঁদের অবদানকেও সম্মান জানানো প্রয়োজন।প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার নিয়ে অভিভাবকদের সচেতন করতেও স্কুলের উদ্যোগ রয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই সম্পর্কে ধারণা দিতে সম্প্রতি একটি কর্মশালার আয়োজন করা হয়। পলাশ চৌধুরীর বক্তব্য, অনেক অভিভাবক সরাসরি সন্তানদের পড়াশোনায় সাহায্য করতে পারেন না। প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে তাঁরা জানলে সন্তানদের পড়াশোনায় সহযোগিতা করা তাঁদের পক্ষে সহজ হবে।তবে পলাশ চৌধুরীর উদ্যোগ শুধু শ্রেণিকক্ষ কিংবা প্রযুক্তির মধ্যেই থেমে নেই। পড়ুয়াদের শারীরিক পুষ্টির বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে স্কুলে। মিড-ডে মিলের পাশাপাশি প্রধান শিক্ষকের নিজস্ব উদ্যোগ এবং অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সহযোগিতায় চালু হয়েছে প্রাতরাশের ব্যবস্থা। স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি, আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারের অনেক শিশু সকালে খালি পেটে স্কুলে আসে। তাদের কথা মাথায় রেখেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা, পড়ুয়াদের প্রতিভার স্বীকৃতি, অভিভাবকদের অংশগ্রহণ এবং শিশুদের পুষ্টির প্রতি নজর, সব মিলিয়ে বর্ধমানের এই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিসরকে আরও বিস্তৃত করার চেষ্টা করেছেন পলাশ চৌধুরী। আর সেই কাজেরই স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় শিক্ষক পুরস্কারের মনোনয়ন তাঁর মুকুটে নতুন পালক যোগ করেছে।

আগস্ট ২৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ফাইনালে যাচ্ছেন না আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই, সামনে এল চমকপ্রদ কারণ

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফাইনালে রবিবার স্পেনের মুখোমুখি হবে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে চলা এই মহারণে বিশ্বের একাধিক রাষ্ট্রনেতার উপস্থিতি প্রত্যাশিত। তবে সবার নজর কেড়েছে আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই-এর সিদ্ধান্ত।ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর আমন্ত্রণ থাকা সত্ত্বেও তিনি বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন না।কুসংস্কারই সিদ্ধান্তের মূল কারণআর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট মিলেই বিশ্বাস করেন যে তিনি যেভাবে পুরো বিশ্বকাপ চলাকালীন বুয়েনস আইরেসের সরকারি বাসভবন থেকেই প্রতিটি ম্যাচ দেখেছেন, সেই রীতি ভাঙলে দলের ভাগ্যে প্রভাব পড়তে পারে।তিনি নিজের এই ম্যাচ-ডে রুটিনকে সৌভাগ্যের প্রতীক বলে মনে করেন। এমনকি একটি নির্দিষ্ট জ্যাকেটও প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পরেন, যা তাঁর বিশ্বাস অনুযায়ী আর্জেন্টিনার জন্য শুভ। তাই ফাইনালের মতো ঐতিহাসিক ম্যাচের আগে সেই অভ্যাস বদলাতে নারাজ তিনি।আর্জেন্টিনার ফুটবল সংস্কৃতিতে কাবালাআর্জেন্টিনায় ফুটবলকে ঘিরে কাবালা (Cbala) বা সৌভাগ্যের কুসংস্কার দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য। সমর্থক থেকে শুরু করে খেলোয়াড়অনেকেই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে নির্দিষ্ট রুটিন অনুসরণ করেন।আরও পড়ুনঃ ৯৬ বছরের ইতিহাসে প্রথম! বিশ্বকাপজয়ী দলকে ট্রফির সঙ্গে দেওয়া হবে বিশেষ চ্যাম্পিয়নশিপ রিং, ফিফার নজিরবিহীন সিদ্ধান্তবিশ্লেষকদের মতে, প্রেসিডেন্ট মিলেইও সেই সংস্কৃতিরই অংশ। তাঁর বিশ্বাস, যতক্ষণ পর্যন্ত তিনি নিজের নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলবেন, ততক্ষণ আর্জেন্টিনার সৌভাগ্য অটুট থাকবে।ঐতিহাসিক ম্যাচের অপেক্ষায় ফুটবল বিশ্বরবিবারের ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে ইউরোপের চ্যাম্পিয়ন স্পেন এবং বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। একদিকে লামিনে ইয়ামালদের স্পেন, অন্যদিকে লিওনেল মেসির নেতৃত্বে টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নে বিভোর আর্জেন্টিনা।বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীর নজর এখন এই মহারণের দিকে। আর সেই সময় দেশের প্রেসিডেন্ট মাঠে না থাকলেও, নিজের লাকি রুটিন বজায় রেখে টেলিভিশনের সামনে থেকেই দলের জন্য শুভকামনা জানাবেন হাভিয়ের মিলেই।

জুলাই ১৮, ২০২৬
রাজ্য

বড় ঘোষণা ঋতব্রত শিবিরের! এক ঝটকায় প্রকাশ জেলা সভাপতিদের তালিকা, তৃণমূলে নতুন সমীকরণ

তৃণমূলের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত এখনও প্রকাশিত হয়নি। তবে সেই অপেক্ষা না করেই সংগঠন গঠনের কাজ আরও এগিয়ে নিয়ে গেল ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির। শনিবার তপসিয়ায় বৈঠক করে একাধিক জেলার নতুন সভাপতির নাম ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে দলের মুখপাত্রদের তালিকাও প্রকাশ করা হয়েছে।শনিবার দুপুরের পর তপসিয়ার বৈঠকে তৃণমূলের বহু পুরনো নেতাকে উপস্থিত থাকতে দেখা যায়। উপস্থিত ছিলেন শান্তনু সেন, অশোক রুদ্র, নারায়ণ গোস্বামী-সহ একাধিক নেতা। বৈঠকে যোগ দেন প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষও। ভোটের পর দীর্ঘদিন তাঁকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। বৈঠকে প্রবেশের আগে তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর তাঁর আস্থা রয়েছে এবং তিনি এখনও মমতাকেই হৃদয়ে রাখেন। তবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে তিনি কোনও মন্তব্য করতে চাননি।বৈঠকের পর কৃষ্ণনগর জেলার সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে জেবের শেখকে। আলিপুরদুয়ারের সভাপতি করা হয়েছে বিনোদ মিঞ্জকে। জলপাইগুড়ির দায়িত্ব পেয়েছেন মহুয়া গোপ এবং দার্জিলিং জেলার সভাপতি হয়েছেন রঞ্জন সরকার।বহরমপুর জেলার সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ডেভিডকে। মালদার সভাপতি করা হয়েছে প্রসূনকে। যাদবপুর এবং ডায়মন্ড হারবার জেলার দায়িত্ব পেয়েছেন শুভাশিস দাস।দলের প্রধান মুখপাত্র করা হয়েছে প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এছাড়া মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আখরুজ্জামান, ডেভিড, সুদীপ রাহা এবং কোহিনুর।নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগেই ঋতব্রত শিবিরের এই সাংগঠনিক ঘোষণা রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা বাড়িয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে নিজেদের সাংগঠনিক শক্তি প্রকাশ্যে তুলে ধরারই চেষ্টা করেছে ঋতব্রত শিবির।

জুলাই ১১, ২০২৬
রাজ্য

সত্যি কি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে অপমান করা হয়েছে? কী বলছে নিয়ম

ভোটের আগে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল রাজ্য ও কেন্দ্রের সম্পর্ক। রাজ্য বনাম রাজ্যপাল, রাজ্য বনাম নির্বাচন কমিশনের সংঘাতের পর এবার সামনে এল রাজ্য ও রাষ্ট্রপতির টানাপোড়েন। শিলিগুড়ি মহকুমার গোঁসাইপুরে নবম আন্তর্জাতিক সাঁওতাল সম্মেলনে যোগ দিতে এসেছিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। সেই সফর ঘিরেই রাজ্যের বিরুদ্ধে একাধিক বিষয় নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। এই ঘটনার পরেই বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসেছে কেন্দ্র।সূত্রের খবর, রাষ্ট্রপতিকে অসম্মান করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক রাজ্যের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব গোবিন্দ মোহন চিঠি লিখে রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীর কাছে ঘটনার ব্যাখ্যা জানতে চেয়েছেন বলে জানা গেছে।সাধারণত কোনও রাজ্যে রাষ্ট্রপতি গেলে তাঁকে স্বাগত জানাতে সেই রাজ্যের রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রী উপস্থিত থাকেন। অনেকেই বলছেন, এ বিষয়ে লিখিত নিয়ম না থাকলেও দীর্ঘদিনের একটি প্রচলিত রীতি রয়েছে। যদি মুখ্যমন্ত্রী উপস্থিত না থাকেন, তাহলে সাধারণত প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা উপস্থিত থাকেন। সেখানে মুখ্যসচিব বা পুলিশের সর্বোচ্চ কর্তার উপস্থিতি দেখা যায়।কিন্তু শনিবার শিলিগুড়িতে সেই ছবি দেখা যায়নি বলেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। রাষ্ট্রপতির অনুষ্ঠানে দেখা যায়নি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। শুধু তাই নয়, রাজ্যের কোনও মন্ত্রীও উপস্থিত ছিলেন না। এমনকি মুখ্যসচিব বা পুলিশের শীর্ষ কর্তারও দেখা মেলেনি।এদিকে কয়েকদিন আগেই রাজ্যপালের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন সিভি আনন্দ বোস। তাঁর জায়গায় নতুন রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব নিতে চলেছেন আর এন রবি। তিনি আগামী বারো মার্চ শপথ নেবেন বলে জানা গেছে। ফলে এই সফরে তাঁর উপস্থিত থাকার প্রশ্নই ছিল না।এই পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব। তিনি যদিও রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী, কিন্তু বর্তমানে মন্ত্রিসভার সদস্য নন। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এ প্রসঙ্গে বলেন, তিনি যখন কোনও রাজ্যে সফরে যান, তখন সাধারণত মুখ্যমন্ত্রী বা মন্ত্রিসভার কোনও সদস্য তাঁকে স্বাগত জানান।এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে তীব্র চাপানউতোর। শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব বলেন, রাজ্যের পক্ষ থেকে তিনিই রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁর সঙ্গে জেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা উপস্থিত ছিলেন বলেও দাবি করেন তিনি।অন্যদিকে শিলিগুড়ির প্রাক্তন মেয়র তথা বাম নেতা অশোক ভট্টাচার্য বলেন, রাষ্ট্রপতি বাঙালি না অবাঙালি বা কোন সরকারের আমলে নির্বাচিত হয়েছেন, সেটি বড় বিষয় নয়। তাঁর মতে, রাষ্ট্রপতির পদ দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ এবং সেই পদকে সম্মান জানানো সব সরকারেরই দায়িত্ব।এই ইস্যুতে বিজেপিও রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করেছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, রাষ্ট্রপতি কী বলেছেন এবং মুখ্যমন্ত্রী কী বলেছেন, দুটো বিষয় পাশাপাশি রাখলেই সব পরিষ্কার হয়ে যাবে। তাঁর দাবি, তাতেই বোঝা যাবে কে সংবিধানের সীমার মধ্যে কথা বলেছেন আর কে তার বাইরে গিয়েছেন।আইন বিশেষজ্ঞদের একাংশও এই বিষয় নিয়ে মত প্রকাশ করেছেন। কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি দেবাশিস করগুপ্ত বলেন, রাজ্যের আগের রাজ্যপাল পদত্যাগ করার ফলে একটি প্রশাসনিক শূন্যতা তৈরি হয়েছে। তবে তাঁর মতে, এই ধরনের অনুষ্ঠানে প্রোটোকল অনুযায়ী কোনও মন্ত্রীর উপস্থিত থাকা উচিত ছিল। কারণ রাষ্ট্রপতি দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে রয়েছেন এবং সেই পদকে সম্মান জানানো প্রথার অংশ।

মার্চ ০৮, ২০২৬
রাজ্য

রাষ্ট্রপতিকে সামনে পেয়েই বড় দাবি! বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসনের ডাক বিজেপি সাংসদের

শনিবার আন্তর্জাতিক সাঁওতাল সম্মেলনে যোগ দিতে শিলিগুড়িতে এসেছিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তাঁকে স্বাগত জানানোর সময় প্রোটোকল ভাঙা হয়েছে বলে অভিযোগ তোলে বিজেপি। যদিও রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে লিখিতভাবে জানানো হয়, কোনও প্রোটোকল ভঙ্গ করা হয়নি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাষ্ট্রপতি ভবন এবং নবান্নের মধ্যে নজিরবিহীন টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এর মধ্যেই সুযোগ নিয়ে রাজ্য প্রশাসনকে আক্রমণ করেন বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা। রাষ্ট্রপতির অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, বাংলার পরিস্থিতি খুবই খারাপ। তাঁর দাবি, এই অবস্থায় একমাত্র রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে তার অধীনে নির্বাচন করলেই সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট সম্ভব। দ্রুত বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করার দাবি জানান তিনি।এর কিছুক্ষণ পরেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব। তিনিই শনিবার বাগডোগরা বিমানবন্দরে গিয়ে রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানিয়েছিলেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি অনুষ্ঠান শেষ করে দিল্লি পৌঁছানোর আগেই বিজেপি সাংসদ রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি তুলছেন। তাঁর প্রশ্ন, রাষ্ট্রপতিকে দেখেই কি এই কথা মনে পড়ল? তাঁর দাবি, দলের বড় নেতারা যা বলেন, রাজু বিস্তাও সেটাই বলছেন।গৌতম দেব আরও বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে বিজেপি সাংসদের চিন্তা করার কোনও প্রয়োজন নেই। তাঁর বক্তব্য, যদি তৃণমূল ভোটে কারচুপি করত, তাহলে রাজু বিস্তা কীভাবে জিতলেন? তিনি আরও অভিযোগ করেন, সাংসদ নিজের কেন্দ্রে খুব একটা থাকেন না, অথচ ভোটের আগে বড় বড় কথা বলছেন।উল্লেখ্য, বাংলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ বলে অভিযোগ তুলে রাজ্যের বিজেপি নেতৃত্ব আগেও একাধিকবার রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি তুলেছে। বিশেষ করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই দাবি বারবার করেছেন। তবে সেই দাবি এখনও পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয়নি। তাই রাজু বিস্তার এই দাবিকেও গুরুত্ব দিতে নারাজ তৃণমূল নেতৃত্ব।

মার্চ ০৮, ২০২৬
দেশ

রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর শিলিগুড়ি সফরে প্রোটোকল বিতর্ক, কেন্দ্র রাজ্যকে রিপোর্ট তলব

রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর পশ্চিমবঙ্গ সফরের সময় প্রোটোকল ভাঙার অভিযোগে রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীর কাছে রবিবার সকালে এই নির্দেশ পাঠানো হয়। বিকেল পাঁচটার মধ্যে লিখিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।শনিবার উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়িতে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন রাষ্ট্রপতি। সেখানে তিনি অভিযোগ করেন, তাঁকে স্বাগত জানাতে যাননি মুখ্যমন্ত্রী বা অন্য কোনো মন্ত্রী। রাষ্ট্রপতি নিজেই বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমার ছোটবোনের মতো। আমি বাংলারই মেয়ে। বাংলার মানুষকে আমি ভালোবাসি। মমতা হয়তো রাগ করেছেন, তাই আমাকে স্বাগত জানাতে তিনি বা কোনও মন্ত্রী আসেননি। তবে এটা বড় বিষয় নয়।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শনিবারই প্রতিক্রিয়া দেন। তিনি বলেন, ওঁর (দ্রৌপদী মুর্মু) অনুষ্ঠানের কথা আমি জানতাম না। এটি কোনও সরকারি অনুষ্ঠান নয়, সম্পূর্ণ বেসরকারি। আমরা এখানে কী করব? আমি এখন ধরনায় আছি, মানুষের ভোটাধিকার রক্ষার জন্য লড়াই করছি। আপনারা বিজেপির অগ্রাধিকার হতে পারেন, আমার কাছে আমার জনতাই সব। তিনি আরও যোগ করেন, রাষ্ট্রপতি একজন সর্বোচ্চ সাংবিধানিক ব্যক্তি, আমরা তাঁকে সম্মান করি। কিন্তু বিজেপি তাঁকে রাজনীতি করতে পাঠিয়েছে।রাজনৈতিক মহলে মনে করা হচ্ছিল, ঘটনা শান্ত হতে পারে। তবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ইতিমধ্যেই রিপোর্ট তলব করেছেন। মুখ্যসচিবকে জানতে চাওয়া হয়েছে, রাষ্ট্রপতির সফরে ঠিক কী ঘটেছিল এবং প্রশাসনের ভূমিকা কী ছিল।

মার্চ ০৮, ২০২৬
রাজ্য

বাংলায় এসে বিস্ফোরক মন্তব্য রাষ্ট্রপতির! ‘মমতা হয়তো আমার উপর রাগ করেছেন’

ভোটের আগে বাংলায় রাষ্ট্রপতির সফর ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। সভাস্থল নিয়ে রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তাঁর অভিযোগ, অনুষ্ঠানের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা থাকা সত্ত্বেও রাজ্য সরকার অনুমতি দেয়নি। সেই কারণেই শেষ পর্যন্ত অন্য জায়গায় সভা করতে হয়েছে।শনিবার শিলিগুড়ি মহকুমার গোঁসাইপুরে নবম আন্তর্জাতিক সাঁওতাল সম্মেলনে যোগ দেন রাষ্ট্রপতি। তবে তিনি মঞ্চে ওঠার পর দেখা যায় দর্শকাসনে অনেক চেয়ারই ফাঁকা পড়ে রয়েছে। বিষয়টি নজরে আসতেই তিনি প্রশ্ন তোলেন, এত চেয়ার ফাঁকা কেন। তাঁর সন্দেহ, কেউ হয়তো বাধা দিয়েছে।উদ্যোক্তাদের দাবি, প্রথমে ঠিক হয়েছিল এই সম্মেলন হবে বিধাননগরে। কিন্তু পরে একাধিকবার সভাস্থল বদল করতে হয়। শেষ পর্যন্ত নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে বাগডোগরা বিমানবন্দরের কাছে গোঁসাইপুরে সভা করার অনুমতি দেয় প্রশাসন। তবে আয়োজকদের অভিযোগ, অনেক আমন্ত্রিত অতিথি নিরাপত্তা পাশ না পাওয়ায় অনুষ্ঠানে ঢুকতে পারেননি। পুলিশ তাদের আটকে দেয় বলে অভিযোগ।সভা শেষে রাষ্ট্রপতি সেখানেই থেমে থাকেননি। তিনি শিলিগুড়ি মহকুমার বিধাননগরে যান, যেখানে প্রথমে সভা হওয়ার কথা ছিল। সেখানে গিয়ে গোটা এলাকা ঘুরে দেখেন এবং বলেন, তিনি আসলে এখানেই সভা করতে চেয়েছিলেন। জায়গাও যথেষ্ট ছিল। তবে কেন রাজ্য সরকার অনুমতি দিল না, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, তিনি তাঁর ছোট বোনের মতো। তবে হয়তো কোনও কারণে তিনি তাঁর উপর রাগ করেছেন, সেই কারণেই সভা করতে দেওয়া হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি।এই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বা রাজ্যের কোনও মন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন না। এ নিয়েও মন্তব্য করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, সাধারণত রাষ্ট্রপতি কোনও রাজ্যে গেলে মুখ্যমন্ত্রী বা মন্ত্রিসভার কেউ তাঁকে স্বাগত জানান। সেটাই নিয়ম এবং প্রোটোকল।শেষ পর্যন্ত বিধাননগরে পূর্ব নির্ধারিত জায়গায় একটি শালগাছ লাগিয়ে বাগডোগরা বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা দেন রাষ্ট্রপতি।অন্যদিকে শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব জানান, রাজ্যের পক্ষ থেকে তিনিই রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানিয়েছেন। জেলা শাসক এবং পুলিশ কমিশনারও উপস্থিত ছিলেন। তাঁর কথায়, এর আগেও রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রণব মুখোপাধ্যায় যখন এসেছিলেন, তখনও তিনি তাঁকে স্বাগত জানিয়েছিলেন। সভাস্থল নিয়ে যে সমস্যা তৈরি হয়েছিল, তা মূলত নিরাপত্তা সংক্রান্ত কারণেই হয়েছে বলেও জানান তিনি।

মার্চ ০৭, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বাংলায় বড় ধাক্কা! রাজ্যপালের পদত্যাগে কি আসছে রাষ্ট্রপতি শাসন? বাড়ছে জল্পনা

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। আগামী সাত মে বর্তমান বিধানসভার মেয়াদ শেষ হতে চলেছে। ফলে তার আগেই নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে নতুন সরকার গঠন করতে হবে। কিন্তু হাতে সময় খুবই কম। এই পরিস্থিতির মধ্যেই আচমকা রাজ্যপালের পদত্যাগ ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। অনেকেরই আশঙ্কা, পরিস্থিতি জটিল হলে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হতে পারে।বৃহস্পতিবার রাতে হঠাৎ করেই রাজ্যপালের পদ থেকে ইস্তফা দেন সি ভি আনন্দ বোস। সূত্রের খবর, তাঁকে আচমকা দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। তারপরই তিনি পদত্যাগ করেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সমাজমাধ্যমে একটি বার্তায় জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের নতুন রাজ্যপাল হিসেবে নিয়োগ করা হতে পারে আর এন রবি-কে। এই ঘোষণার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।প্রসঙ্গত, প্রায় এক বছর আগে মুর্শিদাবাদে বড় অশান্তির ঘটনা ঘটেছিল। সেই সময় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছিলেন, রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে নির্বাচন করানো উচিত। তাঁর বক্তব্য ছিল, শুধুমাত্র নির্বাচন কমিশনের পক্ষে বাংলায় শান্তিপূর্ণভাবে ভোট করানো কঠিন হতে পারে। রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হলে তবেই সবাই নিরাপদে ভোট দিতে পারবেন।বর্তমানে ভোটার তালিকা যাচাই প্রক্রিয়া নিয়েও বড় প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ পেলেও এখনও প্রায় ষাট লক্ষ নামের তথ্য যাচাই বাকি রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত মাত্র ছয় লক্ষ পনেরো হাজার ভোটারের তথ্য যাচাই করা হয়েছে। বাকি চুয়ান্ন লক্ষ নথি যাচাই করতে অনেক সময় লাগবে বলে মনে করা হচ্ছে। অতিরিক্ত বিচারক নিয়োগ করা হলেও এত কম সময়ে সব নথি যাচাই করা সম্ভব কি না, তা নিয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছে।এই পরিস্থিতিতে সাত মে সরকারের মেয়াদ শেষ হলে সাংবিধানিক সঙ্কট তৈরি হতে পারে বলেও অনেকের মত। যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন না হয়, তাহলে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা ছাড়া আর কোনও পথ থাকবে না বলেও রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে।এর মধ্যেই রাজ্যপাল পরিবর্তনের খবর জল্পনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। অনেকের মতে, এই ধরনের জটিল পরিস্থিতি সামলাতে এমন একজন রাজ্যপাল প্রয়োজন যাঁর প্রশাসনিক দক্ষতা, সাংবিধানিক অভিজ্ঞতা এবং রাজনৈতিক বোঝাপড়া রয়েছে। সেই কারণেই হয়তো নতুন করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে আলোচনা চলছে।এদিকে শাসক দলের নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার এই পরিস্থিতির জন্য নির্বাচন কমিশনকেই দায়ী করেছেন। তাঁর দাবি, নির্বাচন কমিশন একটি নিরপেক্ষ সংস্থা হিসেবে কাজ করার কথা। নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনে তত্ত্বাবধায়ক সরকার অন্তত ছয় মাস পর্যন্ত দায়িত্বে থাকতে পারে বলেও তিনি মন্তব্য করেছেন।সব মিলিয়ে ভোটের আগে বাংলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি নতুন মোড় নিচ্ছে। রাজ্যপালের পদত্যাগ, ভোটার তালিকা নিয়ে বিতর্ক এবং নির্বাচনের সময়সীমাসব মিলিয়ে রাজ্যের রাজনীতি এখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে দাঁড়িয়ে রয়েছে।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

এআই সম্মেলনে অর্ধনগ্ন বিক্ষোভ, ভোরে গ্রেপ্তার যুব কংগ্রেস নেতা উদয় ভানু চিব

দিল্লির সম্মেলন কাণ্ডে গ্রেপ্তার হলেন যুব কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি উদয় ভানু চিব। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাত থেকে প্রায় পনেরো ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদের পর মঙ্গলবার সকালে দিল্লি পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। তিলক মার্গ থানায় ডেকে জেরা করার সময় তদন্তে সহযোগিতা না করার অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। শুক্রবার দিল্লির ভারতমণ্ডপম প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এআই সম্মেলনে ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য চুক্তির বিরোধিতায় অর্ধনগ্ন হয়ে বিক্ষোভ দেখান যুব কংগ্রেস কর্মীরা। ঘটনায় ইতিমধ্যেই কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং সেই ঘটনার সঙ্গে উদয়ের যোগ রয়েছে বলেই পুলিশের দাবি। সম্মেলনে দেশি-বিদেশি বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং স্যাম অল্টম্যান সহ একাধিক অতিথির উপস্থিতিতে আচমকাই বিক্ষোভ শুরু হয়। অভিযোগ, বিক্ষোভকারীরা স্লোগান লেখা পোশাক খুলে প্রতিবাদ দেখালে সেখানে উপস্থিত দর্শকদের একাংশ আপত্তি জানান এবং ধাক্কাধাক্কির পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরে পুলিশ হস্তক্ষেপ করে বিক্ষোভকারীদের আটক করে। তদন্তকারীদের দাবি, এই বিক্ষোভ পূর্বপরিকল্পিত এবং বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশ হতে পারে। আদালতে পুলিশ জানিয়েছে, নেপালের তরুণ প্রজন্মের আন্দোলনের ধাঁচে এই বিক্ষোভ সংগঠিত হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে এবং ডিজিটাল প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে। ঘটনার জেরে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কটাক্ষ করে মন্তব্য করেছেন, এমন প্রতিবাদ দেশের ভাবমূর্তির পক্ষে অস্বস্তিকর। বিরোধী শিবিরের একাংশও বিদেশি অতিথিদের সামনে এই ধরনের আচরণের সমালোচনা করেছে।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬
দেশ

এক বছরের অচলাবস্থার অবসান, সন্ধ্যাতেই শপথ খেমচাঁদ সিংয়ের

রাষ্ট্রপতি শাসন উঠে যাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নতুন সরকার পেল মণিপুর। বুধবার সন্ধ্যায় শপথ নিলেন রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী ইউমনাম খেমচাঁদ সিং। তাঁর সঙ্গে শপথগ্রহণ করেন দুই উপ-মুখ্যমন্ত্রী নেমচা কিপগেন ও লোসি দিখো। একই সঙ্গে শপথ নেন রাজ্যের নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গোবিন্দাস কন্থুজাম।বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশে প্রায় এক বছর পর মণিপুরে রাষ্ট্রপতি শাসনের অবসান হয়। তার পরেই সন্ধ্যা ছটা নাগাদ রাজভবনে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। দীর্ঘ অস্থিরতার পর রাজ্যে ফের নির্বাচিত সরকারের সূচনা হল।মেইতেই ও কুকি সম্প্রদায়ের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আবহে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন এন বিরেন সিং। তার পরেই কেন্দ্রের নির্দেশে মণিপুর বিধানসভা স্থগিত করে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা হয়। সেই অধ্যায়ের অবসান ঘটল বুধবার।হিংসা থামাতে ও সব সম্প্রদায়ের মধ্যে ভারসাম্য রাখতে মুখ্যমন্ত্রী ও উপ-মুখ্যমন্ত্রী বাছাইয়ে বিশেষ কৌশল নিয়েছে বিজেপি। মেইতেই সম্প্রদায় থেকে মুখ্যমন্ত্রী করা হয়েছে ইউমনাম খেমচাঁদ সিংকে। কুকি সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি হিসেবে উপ-মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন নেমচা কিপগেন। দ্বিতীয় উপ-মুখ্যমন্ত্রী লোসি দিখো নাগা সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি।২০২৩ সাল থেকে ভয়াবহ জাতিগত সংঘর্ষে উত্তপ্ত ছিল মণিপুর। সেই হিংসায় প্রাণ হারিয়েছেন ৩০০-রও বেশি মানুষ। ঘরছাড়া হয়েছেন লক্ষাধিক। দীর্ঘ সময় ধরে সেনা ও আধাসেনার কড়া নজরদারিতে ছিল রাজ্য। বর্তমানে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলেও এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। এই পরিস্থিতিতে নতুন সরকার গঠন নিয়ে বাড়তি সতর্কতা নিচ্ছে কেন্দ্র ও রাজ্য প্রশাসন।নতুন সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ, রাজ্যে শান্তি ও আস্থা ফেরানো। হিংসা যাতে নতুন করে মাথাচাড়া না দেয়, সে দিকেই নজর রাখছে প্রশাসন।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২৬
রাজনীতি

মমতার বাধাতেই থমকে কেন্দ্রীয় প্রকল্প, বাংলায় ভোটের আগে বড় বার্তা বিজেপি সভাপতির

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের বাধার কারণেই পশ্চিমবঙ্গে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের কাজ হচ্ছে নাএই অভিযোগকে সামনে রেখে আগামী নির্বাচনে লড়াইয়ের নির্দেশ দিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন। মঙ্গলবার সুকান্ত মজুমদারের বাড়িতে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সাংসদদের সঙ্গে প্রথম বৈঠকেই এই বিষয়টিকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করার বার্তা দেন তিনি।এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা ভূপেন্দ্র যাদব, বিপ্লব দেব, অমিত মালব্য-সহ বাংলার দায়িত্বে থাকা একাধিক শীর্ষ নেতা। বৈঠকে নীতিন নবীন প্রথমে সাংসদদের সঙ্গে পরিচয় পর্ব সারেন। এরপর একে একে প্রত্যেক সাংসদের লোকসভা এলাকার রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজ নেন। কোথায় কী উন্নয়ন হয়েছে, কোথায় কেন্দ্রীয় প্রকল্প আটকে রয়েছে, সেই সব বিষয় নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।বৈঠকে সাংসদদের নির্দেশ দেওয়া হয়, ভোটের আগে নিজেদের এলাকায় আরও বেশি সময় দিতে হবে। সাধারণ মানুষের মধ্যে গিয়ে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা আটকে যাওয়ার জন্য রাজ্য সরকারকেই দায়ী করতে হবে। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, রাজ্য সরকারের বাধার কারণেই একশো দিনের কাজ, আবাস যোজনা-সহ একাধিক প্রকল্পের কাজ থমকে রয়েছে।প্রসঙ্গত, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি হওয়ার পর জানুয়ারির শেষ সপ্তাহেই প্রথমবার বাংলায় এসেছিলেন নীতিন নবীন। তখনই তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছিলেন তিনি। অভিযোগ করেছিলেন, অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দিয়ে বাংলাকে বাংলাদেশে পরিণত করার চেষ্টা চলছে। সেই সুরেই রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলার ডাক দিয়েছিলেন।একদিকে তৃণমূল কংগ্রেস বারবার অভিযোগ করেছে, কেন্দ্র রাজ্যের প্রাপ্য টাকা আটকে রেখেছে। অন্যদিকে বিজেপি পাল্টা দাবি করছে, দুর্নীতির কারণেই কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা ছাড়া হচ্ছে না। সাংসদদের সঙ্গে প্রথম বৈঠকেই এই ইস্যুকে আরও জোরালো ভাবে তুলে ধরার নির্দেশ দিলেন বিজেপির নতুন সর্বভারতীয় সভাপতি।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২৬
রাজ্য

কলকাতা নয়, কেন বর্ধমান? বিজেপি সভাপতির সফর ঘিরে জল্পনা

বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি পদে বসেই বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে চলেছেন নীতীন নবীন। সামনে বাংলার বিধানসভা নির্বাচন। রাজ্যে বিজেপির বর্তমান সাংগঠনিক অবস্থান দেখে ভোটের লড়াই যে সহজ হবে না, তা দলের অন্দরেও মানা হচ্ছে। সেই পরিস্থিতি বুঝেই সভাপতির দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম সফরের জন্য বাংলা বেছে নিলেন নীতীন নবীন।তবে কলকাতাকে এড়িয়ে তিনি যাচ্ছেন মধ্যবঙ্গে। বিজেপির মতে, এই অঞ্চল এখনও সম্ভাবনাময়। বর্ধমান ও দুর্গাপুরে একাধিক কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। মেলার উদ্বোধন, দলীয় বৈঠক এবং জনসভাসব মিলিয়ে ব্যস্ত সূচি তৈরি করা হয়েছে। শনিবার বিজেপির প্রাক্তন সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক নীতীন নবীনের চূড়ান্ত সফরসূচি প্রকাশ করেছেন।জানা গিয়েছে, ২৭ জানুয়ারি দুর্গাপুরে এসে কেন্দ্রের বিভিন্ন প্রকল্পের প্রচারের জন্য আয়োজিত কমল মেলার উদ্বোধন করবেন নীতীন নবীন। পরদিন ২৮ জানুয়ারি সকালে পুজো দেওয়ার পাশাপাশি জেলা কমিটির সঙ্গে একাধিক দফায় বৈঠক করবেন তিনি। দুর্গাপুরের মেলা ময়দানে একটি জনসভাও করার কথা রয়েছে তাঁর।নীতীন নবীনের বঙ্গ সফর শুরু হচ্ছে দুর্গাপুর থেকেই। ইস্পাত নগরীর রাজীব গান্ধী স্মারক ময়দানে কমল মেলার উদ্বোধন দিয়েই তাঁর প্রথম কর্মসূচি। ওই দিন রাতে দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি হোটেলে বিজেপির রাজ্য কোর কমিটির সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। এই হোটেলটি আগের বিধানসভা ভোটে বিতর্কের কেন্দ্রেও ছিল। প্রয়াত কয়লা মাফিয়া ও বিজেপি নেতা রাজু ঝাঁয়ের ওই হোটেলকে ঘিরে সে সময় রাজনৈতিক সমালোচনা হয়েছিল।২৮ জানুয়ারি সকালে ভিড়িঙ্গি কালীবাড়িতে পুজো দেওয়ার পর পূর্ব বর্ধমান জেলা কমিটির সঙ্গে বৈঠক করবেন নীতীন নবীন। পরে রানিগঞ্জে আসানসোল জেলার কার্যকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। দলীয় সূত্রে খবর, বিধানসভা ভোটের রণকৌশল নিয়েই এই বৈঠকগুলি।২৭ থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে এই কমল মেলা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নীতীন নবীন ছাড়াও উপস্থিত থাকার কথা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার-সহ রাজ্য নেতৃত্বের। মেলায় প্রায় ৮০টি স্টল থাকবে, যেখানে কোনও টাকা ছাড়াই কেন্দ্রের বিভিন্ন প্রকল্প সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে জানানো হবে।তবে এই কমল মেলাকে ঘিরে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল। দুর্গাপুর নাগরিক সমাজ-এর নামে এই মেলার আয়োজন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তারা। রাজ্যের পঞ্চায়েত ও সমবায় মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদারের বক্তব্য, যারা বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি বোঝে না, তারা বহিরাগতদের এনে বাংলার সংস্কৃতি নিয়ে বড়াই করছে।এর মধ্যেই জানা যাচ্ছে, নীতীন নবীনের পরপরই বাংলায় আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দলীয় সূত্রে খবর, ৩০ জানুয়ারি রাতে কলকাতায় পৌঁছবেন তিনি। ৩১ জানুয়ারি শিলিগুড়িতে কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। ওই দিন বারাসতেও জনসভা করার কথা রয়েছে। সব মিলিয়ে জানুয়ারি মাসেই একের পর এক কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতার বঙ্গ সফর রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়াচ্ছে।

জানুয়ারি ২৪, ২০২৬
দেশ

মোদীর গাড়িতে বৈঠক, তারপর একের পর এক চুক্তি— দিল্লিতে ঝড় তুললেন শেখ মহম্মদ

ঘণ্টা তিনেকের ঝটিকা সফর। এলেন, বৈঠক করলেন, একাধিক গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিতে সই করলেন, তারপরই ফিরে গেলেন। সোমবার সুদূর সংযুক্ত আরব আমিরশাহি থেকে সংক্ষিপ্ত সফরে ভারতে এলেন সে দেশের প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান। দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর তাঁকে স্বাগত জানাতে নিজে হাজির ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিমানবন্দর থেকেই প্রধানমন্ত্রীর গাড়িতে করে দুই রাষ্ট্রনেতা বৈঠকে যান।এই সফরের একাধিক মুহূর্ত নিজের সমাজমাধ্যমে ভাগ করে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এক্স হ্যান্ডেলে কয়েকটি ছবি পোস্ট করে মোদী লেখেন, প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ তাঁর ভাইয়ের মতো, তাঁর এই সফর ভারত ও আরব আমিরশাহির গভীর ও দৃঢ় বন্ধুত্বেরই প্রতিফলন।নয়াদিল্লি সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে এই সংক্ষিপ্ত সফরে ভারতে এসেছিলেন আরব আমিরশাহির প্রেসিডেন্ট। মাত্র তিন ঘণ্টার মধ্যেই দুই দেশের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, এই বৈঠকে বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা, শক্তি, মহাকাশ গবেষণা, খাদ্য সুরক্ষা এবং ডিজিটাল সহযোগিতার মতো একাধিক ক্ষেত্রে পারস্পরিক বোঝাপড়া আরও জোরদার হয়েছে।গুজরাটের ধোলেরায় বিশেষ বিনিয়োগ অঞ্চল গড়ে তোলার জন্য সম্মতিপত্রে সই হয়েছে। মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রেও দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী বলে জানানো হয়েছে। প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রেও সহযোগিতা আরও গভীর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শক্তি ক্ষেত্রে ভারতের হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন এবং আবু ধাবির ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানির মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধির চুক্তি হয়েছে। ভারতে সুপার কম্পিউটিং ক্লাস্টার গড়তে আরব আমিরশাহির সহযোগিতার কথাও আলোচনায় উঠে আসে।খাদ্য সুরক্ষা নিয়ে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বাড়ানোর বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পায়। দুই দেশই ২০৩২ সালের মধ্যে ভারত-আরব আমিরশাহির বাণিজ্য দ্বিগুণ করে ২০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছে। পারমাণবিক সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।এছাড়া গুজরাটে আবু ধাবি ব্যাঙ্ক ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের অফিস খোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ, যার ফলে কর্মসংস্থান বাড়বে বলে আশা। ডিজিটাল দূতাবাস স্থাপন এবং আবু ধাবিতে ভারতীয় সংস্কৃতি তুলে ধরতে হাউজ অব ইন্ডিয়া তৈরির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে দুই দেশের যুব সমাজের আদানপ্রদান আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্তেও সহমত হয়েছে নয়াদিল্লি ও আবু ধাবি।

জানুয়ারি ২০, ২০২৬
দেশ

বিধায়ক থেকে একেবারে সর্বভারতীয় নেতৃত্ব: বিজেপির তরুণ মুখ হিসেবে নীতিন নাবীন বড় দায়িত্বে

ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) রবিবার পার্লামেন্টারি বোর্ডের বৃহৎ সিদ্ধান্তে নীতিন নাবীনকে দলের সর্বভারতীয় কার্যনির্বাহী সভাপতি (National Working President) হিসেবে নিয়োগ করেছে। এই নিয়োগ আজই জরুরি ভিত্তিতে কার্যকরী হয়েছে। নীতিন নাবীন বর্তমানে বিহার সরকারের কেবিনেট মন্ত্রী এবং পাটনার বাঁকিপুর থেকে নির্বাচিত চারবারের বিধায়ক। তিনি বিহার বিজেপির সাংগঠনিক কাজ ও সরকারি দায়িত্বে দীর্ঘদিন কার্যকর ভূমিকা পালন করেছেন।এই পদে নিযুক্তির সঙ্গে সঙ্গে নীতিন ভবিষ্যতে দলের শীর্ষ নেতৃত্বে আসতে পারেন বলে জানা গিয়েছে। দল জানিয়েছে, নীতিন নাবীনের নিযুক্তি সংগঠনে নবীন শক্তি ও ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের প্রস্তুতির প্রতিফলন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নীতিন নাবীনের এই নিযুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে তাঁকে পরিশ্রমী ও প্রতিশ্রুতিশীল নেতা হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং তাঁর নেতৃত্বে দলের সংগঠন আরো শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন।भाजपा के नवनियुक्त राष्ट्रीय कार्यकारी अध्यक्ष श्री नितिन नबीन के 15 दिसंबर, 2025 को नई दिल्ली में कार्यक्रम।लाइव देखें:📺https://t.co/OaPd6HRrq3📺https://t.co/vpP0MIos7C📺https://t.co/lcXkSnOnsV📺https://t.co/4XQ2GzrhRl pic.twitter.com/lZEgmFF6jf BJP (@BJP4India) December 14, 2025অন্যদিকে বিভিন্ন রাজ্য নেতৃত্বও নীতিন নাবীনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং তাঁর প্রশাসনিক দক্ষতা ও সাংগঠনিক প্রভাব দলের এগিয়ে চলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে উল্লেখ করেছেন। এই পরিবর্তনকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা দলের অভ্যন্তরীণ নেতৃত্বের নবায়ন ও নির্বাচনী প্রস্তুতিতে নতুন গতিশীলতার ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন। বিশেষ করে ২০২৫২৬ সালে আসন্ন রাজ্য ও লোকসভা পরিস্থিতি এবং সংগঠনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা উপলক্ষে।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২৫
বিদেশ

এক রাতেই দূতাবাসে উধাও রাষ্ট্রপতির ছবি! সাহাবুদ্দিনের বিস্ফোরক অভিযোগ—‘আমাকে কোণঠাসা করা হয়েছে’

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গন উত্তাল। অপমান সহ্য করতে না পেরে নিজের পদ ছেড়ে দিতে চাইছেন দেশের রাষ্ট্রপতি মহম্মদ সাহাবুদ্দিন। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের পরই তিনি ইস্তফা দিতে চান বলে জানিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস তাঁকে সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করেছেন এবং কোণঠাসা করে রেখেছেন।রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বলেন, তিনি দায়িত্ব পালন করছেন শুধুমাত্র সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে। কিন্তু তিনি পদ ছাড়তে আগ্রহী। তাঁর কথায়, গত সাত মাসে ইউনূস একবারও তাঁর সঙ্গে দেখা করেননি। রাষ্ট্রপতির জনসংযোগ বিভাগও কেড়ে নেওয়া হয়েছে। সবচেয়ে বড় অপমান, গত সেপ্টেম্বর হঠাৎই বিভিন্ন দেশের বাংলাদেশ দূতাবাস ও কনস্যুলেট থেকে রাষ্ট্রপতির ছবি সরিয়ে দেওয়া হয়।সাহাবুদ্দিন বলেন, এক রাতেই সব দূতাবাস থেকে আমার ছবি উধাও হয়ে গেল। মানুষ ভুল বার্তা পেল যে হয়তো রাষ্ট্রপতিকে সরানো হচ্ছে। এটা ভীষণ অপমানের। তিনি জানিয়েছেন, বিষয়টি লিখিতভাবে জানালেও ইউনূস কোনও ব্যবস্থা নেননি। তাঁর অভিযোগ, তাঁর কণ্ঠরোধ করা হয়েছে।২০২৩ সালে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতির পদে আসেন সাহাবুদ্দিন। যদিও এই পদটি মূলত প্রতীকী, প্রকৃত ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার হাতে। কিন্তু ২০২৪ সালের ছাত্র-গণ অভ্যুত্থানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর, রাষ্ট্রপতিই ছিলেন একমাত্র সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষ। এরপর থেকেই ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে তাঁকে পাশ কাটানোর অভিযোগ উঠছে।তবে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে তাঁর নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। সেনাপ্রধান স্পষ্ট বলেছেন, তাঁর সামরিক ক্ষমতা নেওয়ার কোনও ইচ্ছা নেই। বরং তিনি চান দেশে গণতন্ত্র ফিরুক।বাংলাদেশের রাজনীতিতে এই বক্তব্য যে নতুন ঝড় তুলেছে, তা বলাই যায়।

ডিসেম্বর ১২, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

ডুমুরজলায় অত্যাধুনিক স্পোর্টস আকাদেমি গড়বে সিএবি, সভাপতি হিসেবে ফিরেই একাধিক বড় ঘোষণা সৌরভের

আজ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলার ক্রিকেট প্রশাসনের নতুন অধ্যায় শুরু করলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। সিএবির সভাপতি হিসেবে তাঁর প্রত্যাবর্তন কেবলই এক পুরনো মুখের পুনরাগমন নয়, বরং বাংলার ক্রিকেটকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি।সচিব পদে ফিরে এলেন অভিজ্ঞ বাবলু কোলে, সহ সভাপতি হয়েছেন নীতীশ রঞ্জন দত্ত। যুগ্ম সচিব হিসেবে দায়িত্ব নিলেন মদন ঘোষ এবং কোষাধ্যক্ষ হলেন সঞ্জয় দাস। অভিজ্ঞতা ও নতুন প্রজন্মএই দুইয়ের মেলবন্ধনেই গঠিত হয়েছে নতুন প্রশাসনিক টিম।বাইপাসের ধারের হোটেলে বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর সকলেই চলে আসেন ক্রিকেটের নন্দনকাননে। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়-সহ নতুন পদাধিকারীদের স্বাগত জানাতে সুসজ্জিত ছিল ক্রিকেটের নন্দনকানন।ইডেন গার্ডেন্সে নবনিযুক্ত পদাধিকারীদের সংবর্ধনা যেন বাংলার ক্রিকেটের নতুন দিগন্তকেই প্রতীকীভাবে তুলে ধরল। আমি ব্যাট করতে নামব না, কিন্তু দিশা দেখাতে পারিএই একবাক্যে সৌরভ বুঝিয়ে দিলেন তাঁর ভূমিকার সারকথা। খেলোয়াড়রাই বাংলার ভবিষ্যৎ গড়বেন, প্রশাসনের দায়িত্ব কেবল তাঁদের প্রাপ্য সুযোগ ও পরিকাঠামো নিশ্চিত করা।এদিন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, সিনিয়ররা আছেন। অ্যাপেক্স কাউন্সিলের ১১ জন রয়েছেন। যাঁরা আমাকে এই জায়গায় আসতে সাপোর্ট করেছেন তাঁরা সকলে আছেন। ঝুলন গোস্বামী, মনোজ তিওয়ারি, লক্ষ্মীরতন শুক্লার মতো প্রাক্তন ক্রিকেটাররা রয়েছেন। সকলে মিলে বসেই আগামীর পরিকল্পনা ঠিক করব। অনেকে বলেন, বাংলার ক্রিকেটে এটা নেই, ওটা নেই, স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায় কিন্তু এদিনই মনে করান ২০১৯ ও ২০২২ সালে রঞ্জি ফাইনাল খেলেছে বাংলা।ডুমুরজলায় ৯ একর জমিতে বিশ্বমানের স্পোর্টস আকাদেমি গড়ার পরিকল্পনা সিএবির ভিশনের কেন্দ্রবিন্দু। ইতিমধ্যেই ৩০ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। ভবিষ্যতে স্টেডিয়াম নির্মাণ ও ইডেন সংস্কারের প্রকল্পও সেই পরিকল্পনার অংশ। সৌরভ জানালেন, ২০২৬ সালের টি২০ বিশ্বকাপের পর ইডেন গার্ডেন্সে সেনাবাহিনীর অনুমতি নিয়ে আধুনিকীকরণের কাজ শুরু হবে।বাংলার ক্রিকেটকে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে শোনা যায় নানা সমালোচনাপরিকাঠামোর অভাব, প্র্যাকটিসে ঘাটতি, সুযোগের ঘাটতি। সৌরভের বক্তব্য, এসব মিটিয়েই এগোতে হবে। ক্রিকেটের মূল ভিত্তি হলো পরিকাঠামো + সুযোগ + অনুশীলন, এবং সেখানেই দরকার প্রশাসনিক দিকনির্দেশ।আগামী নভেম্বরেই ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা টেস্ট ম্যাচের দিকে তাকিয়ে আছেন মহারাজ। টেস্ট ক্রিকেটের প্রতি তাঁর অগাধ আবেগ এখনো অটুট। সেইসঙ্গে সামনে বিশ্বকাপ, আইপিএলসব মিলিয়ে ব্যস্ত ক্রিকেট বর্ষপঞ্জির সঙ্গেই চলবে সিএবির নবযাত্রা।মহারাজের কথায়, তাঁর ডানদিক-বাঁদিকে অনেকে আছেন তাঁদের অনেকেই পদে না থেকেও সাপোর্ট করেন। সকলে মিলে সিএবি চালাবেন। এতো খেলা হয়, এতো লিগ। পরিকাঠামো আছেই। সামান্য কিছু অদলবদল করতে হয়। সৌরভ বলেন, বাবলু কোলে আমার চেয়েও বেশি সিএবি প্রশাসন চালিয়েছেন। তিনজন নতুন। কোনও রকেট সায়েন্স নেই। ভিশন চলবে। সিএবি এজিএমের আগে নানা বিতর্ক তৈরির চেষ্টা হয়েছিল। সৌরভ এ সবে আমল দেননি। তিনি বলেন, সমস্যা সব কিছুতেই থাকে। লোধা হওয়ার পর বিসিসিআই চলেছে, সিএবিও চলবে। অন্যদিকে বিসিসিআইয়ের সভাপতি পদে মিঠুন মানহাসের আসীন হওয়া নিয়েও সৌরভ আশাবাদী। তাঁর মতে, দিল্লির প্রাক্তন এই ক্রিকেটার বোর্ডকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবেন।সিএবি প্রশাসনের এই নতুন পর্ব তাই কেবল পদ পরিবর্তনের খবর নয়এ এক ভবিষ্যতের পরিকল্পনার রূপরেখা। যেখানে বাংলার ক্রিকেটাররা আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ ও পরিকাঠামো পেয়ে আরও শক্তভাবে উঠে আসবে জাতীয় মঞ্চে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৫
দেশ

দেশের নয়া উপরাষ্ট্রপতি রাধাকৃষ্ণন, বিরোধী প্রার্থী পরাজিত ১৫২ ভোটে

এনডিএ প্রার্থী তথা মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল সি.পি. রাধাকৃষ্ণন উপ-রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়ী ঘোষিত হয়েছেন। রাজ্যসভা সচিব জেনারেল পি.সি. মোদি জানান, রাধাকৃষ্ণন পেয়েছেন মোট ৪৫২টি প্রথম পছন্দের ভোট। অন্যদিকে বিরোধী প্রার্থী, প্রাক্তন বিচারপতি সুদর্শন রেড্ডি পান ৩০০টি প্রথম পছন্দের ভোট। অর্থাৎ ১৫২ ভোটের ব্যবধানে জয় পেলেন রাধাকৃষ্ণন। সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণের প্রক্রিয়া চলে। এখন রাধাকৃষ্ণন দেশের নতুন উপ-রাষ্ট্রপতি হতে চলেছেন।বিজেডি, বিআরএস ও শিরোমণি আকালি দল ভোট থেকে বিরত থাকে। এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আঞ্চলিক দলগুলি নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থানকে আরও স্পষ্ট করল। বিজু জনতা দল(বিজেডি), ভারত রাষ্ট্র সমিতি (বিআরএস) এবং শিরোমণি আকালি দল (এসএডি) ভোটদান থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নেয়।বিজেডি জানায়, বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ ও কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোটদুই শিবির থেকেই সমদূরত্ব বজায় রাখাই তাদের নীতি। বিআরএস কার্যনির্বাহী সভাপতি কে.টি. রামা রাও বলেন, তেলেঙ্গানার কৃষকদের ইউরিয়ার সংকট নিয়ে বিজেপি ও কংগ্রেস উভয়েই উদাসীন। সেই ক্ষোভ প্রকাশ করতেই ভোট বর্জনের সিদ্ধান্ত। অন্যদিকে পাঞ্জাবের বন্যা পরিস্থিতির কারণে শিরোমণি আকালি দল এই নির্বাচন বয়কট করেছে।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

নিজের লোকসভা কেন্দ্রেই যেতে পারতেন না রচনা! ইন্দ্রনীলকে নিয়ে বিস্ফোরক দাবি সাংসদের

নিজের লোকসভা কেন্দ্রের একটি বিধানসভা এলাকায় যেতে হলেও অনুমতি নিতে হত তাঁকে। এমনই দাবি করলেন হুগলির সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন গ্রেফতার হওয়ার পর চন্দননগরে নিজের অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ্যে আনলেন তিনি। রচনার দাবি, তৃণমূলে থাকার সময় চন্দননগরে কোনও অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গেলে ইন্দ্রনীলের অনুমতি নিতে হত। এমনকি তাঁকে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানোর আগেও অনুমতি নেওয়ার কথা বলা হত বলে জানিয়েছেন সাংসদ। তবে গায়ক হিসেবে ইন্দ্রনীলের প্রশংসাও করেছেন তিনি।চন্দননগর পুলিশের বিজয়া সম্মিলনীর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন রচনা। সেখানে তিনি জানান, রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার পর এই প্রথম এমন অনুষ্ঠানে অংশ নিলেন। ২০২৪ সালে সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার পরেও কেন তাঁকে চন্দননগরের অনুষ্ঠানে দেখা যায়নি, সেই প্রশ্নেরও জবাব দেন তিনি।রচনার দাবি, তৃণমূলে থাকার সময় চন্দননগরের তৎকালীন বিধায়ক তথা মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের অনুমতি ছাড়া ওই এলাকায় কোনও অনুষ্ঠানে যেতে পারতেন না তিনি। শুধু তাই নয়, তাঁকে কোনও অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানোর আগেও ইন্দ্রনীলের অনুমতি নিতে হত বলে দাবি করেছেন রচনা।তাঁর কথায়, একই দলের সাংসদ থাকলেও ইন্দ্রনীলের সঙ্গে সেই ভাবে কাজ করা হয়নি। ওঁর বিধানসভা এলাকায় কোনও অনুষ্ঠানে যেতে হলে অনুমতি নিয়েই যেতে হত। এমনকি কোনও অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানোর আগে ইন্দ্রনীলের অনুমতি নিতে হত। দলের কর্মীরাই এ বিষয়টি আমাকে জানিয়েছিলেন।ইন্দ্রনীলের গ্রেফতারি নিয়ে অবশ্য বেশি কিছু বলতে চাননি রচনা। তিনি জানিয়েছেন, এখন তিনি অন্য দলের সাংসদ। তাই আগের দলের কোনও নেতাকে নিয়ে মন্তব্য করতে চান না। একই সঙ্গে আইনি বিষয়টি আদালতেই মীমাংসা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।ইন্দ্রনীল সেনের রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে মন্তব্য না করলেও গায়ক হিসেবে তাঁর প্রশংসা করেছেন রচনা। তাঁর কথায়, ইন্দ্রনীল সেন যখন গায়ক ছিলেন, তাঁর অনেক ক্যাসেট বিক্রি হয়েছে। শিল্পী ইন্দ্রনীল গায়ক হিসেবে ভালো ছিলেন।উল্লেখ্য, গত ২৮ অক্টোবর দুর্গাপুজোর ই-পাস সংক্রান্ত মামলায় ইন্দ্রনীল সেনকে গ্রেফতার করা হয় বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। বউবাজার থানায় মাস আর্ট নামে একটি সংস্থার মাধ্যমে দুর্গাপুজোর প্রিভিউ শো এবং বিশেষ প্রবেশপত্র বিক্রির ক্ষেত্রে কোটি কোটি টাকা তছরুপের অভিযোগ উঠেছে প্রাক্তন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে। জয়দীপ মুখোপাধ্যায় নামে এক ভ্রমণ সংস্থার এজেন্ট এই অভিযোগ দায়ের করেন। মামলাটির তদন্ত করছে লালবাজারের গোয়েন্দা শাখা।ইন্দ্রনীল সেনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্ত চলছে। অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে আদালত।

অক্টোবর ৩১, ২০২৬
কলকাতা

ফের মা উড়ালপুলে ভয়াবহ দুর্ঘটনা! ডিভাইডার টপকে উল্টো লেনে গাড়ি, আহত অন্তত ৪

ফের দুর্ঘটনা মা উড়ালপুলে। শনিবার সকালে দুটি গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত হয়েছেন অন্তত চার জন। দুর্ঘটনার জেরে বেশ কিছুক্ষণ ব্যাহত হয় যান চলাচল। মা উড়ালপুলে যানজট তৈরি হয়। পরে পুলিশ দুর্ঘটনাগ্রস্ত দুটি গাড়ি সরিয়ে থানায় নিয়ে যায়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর ফের যান চলাচল শুরু হয়।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সকালে পার্ক সার্কাসের দিক থেকে আসছিল একটি গাড়ি। সেটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডিভাইডার টপকে উল্টো দিকের লেনে চলে যায়। সেই সময় উল্টো দিক থেকে আসছিল একটি ব্যক্তিগত গাড়ি। দুটি গাড়ির মধ্যে সজোরে ধাক্কা লাগে। সংঘর্ষের অভিঘাতে দুটি গাড়িই দুমড়েমুচড়ে যায়। দুর্ঘটনার সময় দুটি গাড়িরই এয়ারব্যাগ খুলে যায়।দুর্ঘটনায় দুটি গাড়িতে থাকা অন্তত চার জন যাত্রী আহত হন। তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আহতদের মধ্যে এক জনকে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। বাকিদের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, পার্ক সার্কাসের দিক থেকে আসা গাড়িটি দ্রুত গতিতে যাচ্ছিল। সেই সময় চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। এর পর গাড়িটি ডিভাইডার টপকে উল্টো দিকের লেনে ঢুকে পড়ে। তখনই উল্টো দিক থেকে আসা অন্য গাড়িটির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।দুর্ঘটনার পর দুটি গাড়িই আটক করেছে পুলিশ। কী ভাবে দুর্ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দুর্ঘটনার জেরে কিছুক্ষণের জন্য মা উড়ালপুলে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। গাড়ি দুটি সরিয়ে নেওয়ার পর ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

অক্টোবর ৩১, ২০২৬
দেশ

বিদেশে পড়াশোনার কথা জানতেন মা-বাবা, পুনের ফ্ল্য়াটের খাটের তলা থেকে মিলল মেয়ের দেহ

এমবিএ পড়তে লন্ডনে গিয়েছিলেন মেয়ে। অন্তত তেমনটাই জানতেন তাঁর মা-বাবা। কিন্তু তাঁদের অজান্তেই গত অগস্টে দেশে ফিরে এসেছিলেন তিনি। পুণের একটি ফ্ল্যাটে একাই থাকছিলেন বলে প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে। কয়েক দিন ধরে মেয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন মা-বাবা। শেষ পর্যন্ত বন্ধ ফ্ল্যাটের তালা ভেঙে উদ্ধার হল ওই যুবতীর দেহ। খাটের তলায় পড়েছিল তাঁর নিথর শরীর। এই ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।মৃত যুবতীর নাম মুগ্ধা অবিনাশ দেশমুখ। গত বছরের জুলাই মাসে এমবিএ পড়তে ব্রিটেনে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু চলতি বছরের অগস্টে কাউকে কিছু না জানিয়ে ভারতে ফিরে আসেন। এর পর পুণের একটি ফ্ল্যাটে থাকতে শুরু করেন। তবে মেয়ের সঙ্গে ফোনে নিয়মিত কথা হত বলেই দাবি তাঁর মা-বাবার। তাই তিনি যে দেশে ফিরে এসেছেন, সে কথা তাঁরা বুঝতে পারেননি।গত ২৪ অক্টোবরের পর থেকে মুগ্ধার সঙ্গে আর যোগাযোগ করতে পারেননি তাঁর পরিবারের সদস্যেরা। ফোনও বন্ধ ছিল। মেয়ের কোনও খোঁজ না পেয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন তাঁরা। এর পর মুগ্ধার এক বান্ধবীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ওই বান্ধবী লন্ডন পুলিশের কাছে নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ জানাতে গেলে জানতে পারেন, মুগ্ধা ব্রিটেন থেকে ভারতে ফিরে এসেছেন।এর পর লন্ডনে ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। পাশাপাশি মুগ্ধার অনলাইনে কেনাকাটা ও বিক্রির তথ্য খতিয়ে দেখা হয়। সেই সূত্র ধরেই শম্ভাজিনগরের একটি ঠিকানা জানতে পারে পুলিশ। সেখানে পৌঁছে বন্ধ অ্যাপার্টমেন্টের দরজা ভেঙে ভিতরে ঢোকেন তদন্তকারীরা। ঘরের ভিতরে খাটের তলায় মুগ্ধার দেহ পড়ে থাকতে দেখেন তাঁরা।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মুগ্ধার শরীরে কোনও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তেও মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত ভাবে জানা যায়নি। আরও পরীক্ষার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে বলে আশা তদন্তকারীদের।কেন মুগ্ধা লন্ডন থেকে কাউকে কিছু না জানিয়ে ভারতে ফিরে এসেছিলেন, পুণের ফ্ল্যাটে তিনি একাই থাকতেন কি না, তাঁর মৃত্যুর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, সব দিক খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। গোটা ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

অক্টোবর ৩১, ২০২৬
দেশ

জ্ঞানেশ কুমারকে সরানোর উদ্যোগ কংগ্রেসের, তার আগেই বিরোধীদের কী চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন অমিত শাহ?

বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে পাবলিক ইমপিচমেন্ট কর্মসূচির প্রস্তুতি নিচ্ছে কংগ্রেস। শনিবার এই কর্মসূচি হওয়ার কথা। তার আগেই কংগ্রেসকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাঁর দাবি, এসআইআর নিয়ে সংসদের বিশেষ অধিবেশন ডেকে আলোচনা করতে প্রস্তুত বিজেপি।উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ে বিজেপির একটি বৈঠকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অমিত শাহ বলেন, আপনাদের দুজনকে এখানেই চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছি, বিজেপি এই বিষয়ে আলোচনা করার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। আমাদের লুকানোর কিছু নেই। আসুন, সংসদের একটি বিশেষ অধিবেশন ডাকা হোক। তাঁর অভিযোগ, বিরোধীদের হট্টগোলের কারণে সংসদের কাজ বার বার ব্যাহত হয়। বিরোধীরা সংসদে আলোচনা করতে চায় না বলেও দাবি করেন তিনি।বাংলার নির্বাচনের প্রসঙ্গ তুলে বিরোধীদের আক্রমণ করেন অমিত শাহ। তাঁর বক্তব্য, নির্বাচনে জেতার সম্ভাবনা কম বুঝেই বিরোধীরা ভোট চুরির অভিযোগ তুলছে। এসআইআর নিয়ে বিরোধীদের অভিযোগের জবাব দিতে বিজেপি প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।উত্তরপ্রদেশের বিধান পরিষদ নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরের দিনই এই মন্তব্য করেন অমিত শাহ। ওই নির্বাচনে বিজেপি ছটি এবং সমাজবাদী পার্টি পাঁচটি আসনে জয়ী হয়েছে। বিজেপি তাদের আগের আসনগুলি ধরে রেখেছে। অন্য দিকে, সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব এই ফলকে বিজেপির পরাজয় বলে ব্যাখ্যা করেছেন।এদিকে, রবিবার দিল্লির রামলীলা ময়দানে ইন্ডিয়া জোটের বৃহত্তর সমাবেশ হওয়ার কথা। তার আগে শনিবার কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের বাড়িতে পাবলিক ইমপিচমেন্ট কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই কর্মসূচিতে নির্বাচন কমিশন এবং বিজেপির বিরুদ্ধে কোন কোন বিষয়ে প্রতিবাদ জানানো হবে, তা নিয়ে আলোচনা করতে পারেন বিরোধী নেতারা।এই কর্মসূচিতে প্রাক্তন লোকসভা স্পিকার মীরা কুমারের উপস্থিত থাকার কথা। সাধারণ মানুষেরও অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের সময় যাঁদের নাম বাদ গিয়েছে বলে অভিযোগ, এমন দুজন ভোটারও সেখানে বক্তব্য রাখবেন বলে জানা গিয়েছে।এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা এবং ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিজেপি ও বিরোধীদের মধ্যে রাজনৈতিক সংঘাত ক্রমেই বাড়ছে। এক দিকে কংগ্রেসের প্রতিবাদ কর্মসূচি, অন্য দিকে সংসদের বিশেষ অধিবেশন ডাকার চ্যালেঞ্জএই দুইয়ের মধ্যে বিতর্ক কোন দিকে এগোয়, এখন সে দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ৩১, ২০২৬
কলকাতা

পরোটা বিক্রি করতে লাইসেন্স আছে? রাজুদার দোকানে হানা দিয়ে কী জানতে চাইলেন আধিকারিকেরা?

শিয়ালদহের এনআরএস হাসপাতালের সামনে ফুটপাতে পরোটা বিক্রি করে সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছেন রাজুদা। শনিবার সকালে তাঁর দোকানে আচমকা হানা দিলেন খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিকেরা। পরোটা বিক্রির প্রয়োজনীয় লাইসেন্স রয়েছে কি না, তা জানতে চান তাঁরা। রাজুদা লাইসেন্স দেখাতে পারেননি বলে জানা গিয়েছে। তাঁর দোকান থেকে খাবারের নমুনাও সংগ্রহ করা হয়েছে। তবে প্রাথমিক পরীক্ষায় তাঁর তৈরি তরকারি উত্তীর্ণ হয়েছে বলে দাবি করেছেন রাজুদা। নমুনাগুলি পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে। সাত দিন পর সেই রিপোর্ট আসার কথা।শুধু রাজুদার দোকানেই নয়, শনিবার সকালে শিয়ালদহ স্টেশন চত্বরের একাধিক খাবারের দোকানেও অভিযান চালান খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিকেরা। বিভিন্ন দোকান থেকে সিঙারা, কচুরি, তরকারি, মাছ, মাংস-সহ নানা খাবারের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। খাবারের গুণগত মান যাচাই করতে রাসায়নিক ব্যবহার করে প্রাথমিক পরীক্ষা করা হয়।আধিকারিকদের দাবি, পরীক্ষায় কয়েকটি খাবারের মান সন্তোষজনক পাওয়া যায়নি। এর পর প্রায় ১০০টি সিঙারা, কচুরির ডাল, তরকারি, পচা মুরগির মাংস এবং মাছের ডিম ফেলে দেওয়া হয়। দোকানদারদের খাবারের মান বজায় রাখার বিষয়ে সতর্কও করা হয়েছে।এর পর আধিকারিকেরা যান রাজুদার দোকানে। সেখানে তাঁর কাছে পরোটা বিক্রির লাইসেন্স দেখতে চান তাঁরা। কিন্তু রাজুদা কোনও লাইসেন্স দেখাতে পারেননি বলে জানা গিয়েছে। তাঁর দোকান থেকে তরকারির নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক পরীক্ষায় সেই তরকারি উত্তীর্ণ হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাজুদা। তবে খাবারের চূড়ান্ত মান সম্পর্কে জানতে পরীক্ষাগারের রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।এই বিষয়ে রাজুদা বলেন, লাইসেন্স সম্পর্কে কোনও অভিজ্ঞতা ছিল না। বাড়িতে ১০-১২ কেজি ময়দার পরোটা বানাই। ৩টে ৪৫-এর ট্রেন ধরে কলকাতায় এসে বিক্রি করি। সকাল ১১টায় আবার ফিরে যাই। স্যরেরা লাইসেন্সের কথা বললেন। এ বার লাইসেন্স নেওয়ার চেষ্টা করব। কিন্তু খাবার নিয়ে কেউ কোনও আপত্তি জানাতে পারবেন না।আধিকারিকেরা তাঁকে সার্জিক্যাল টুপি পরার নির্দেশ দিয়েছেন বলেও জানিয়েছেন রাজুদা। এর পর থেকে টুপি ও দস্তানা পরে খাবার বিক্রি করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।শিয়ালদহ স্টেশন চত্বরের খাবারের দোকানগুলিতে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখতেই এই অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। রাজুদার দোকানের খাবারের চূড়ান্ত পরীক্ষার রিপোর্ট এখনও আসেনি। তাই তাঁর তৈরি খাবারের মান সম্পর্কে নিশ্চিত সিদ্ধান্তের জন্য পরীক্ষাগারের রিপোর্টের অপেক্ষা করতে হবে।

অক্টোবর ৩১, ২০২৬
রাজ্য

বছরখানেক আগে গুলিবিদ্ধ, এ বার রেললাইনের ধারে পুলিশ আধিকারিকের দেহ! রহস্য ঘনাল বাঁকুড়ায়

বছরখানেক আগে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন তিনি। সেই ঘটনা ঘিরে তোলপাড় হয়েছিল রাজ্য। এ বার সেই পুলিশ আধিকারিক জয়ন্ত পালের মৃত্যু ঘিরে তৈরি হয়েছে রহস্য। শুক্রবার সন্ধ্যায় বাঁকুড়া শহরের কেঠারডাঙা রেলগেটের কাছে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। আরণ্যক এক্সপ্রেসের ধাক্কায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে এটি নিছক দুর্ঘটনা, নাকি মৃত্যুর নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।জয়ন্ত পাল বাঁকুড়া পুলিশ লাইনে ইনস্পেক্টর পদে কর্মরত ছিলেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় তাঁর দেহ উদ্ধারের পর পুলিশ সেটি বাঁকুড়ার সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। রেললাইন পারাপারের সময় দুর্ঘটনা ঘটেছিল কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। মৃত্যুর কারণ জানতে জয়ন্তের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলছেন তদন্তকারীরা।এর আগে ২০২৫ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি হাওড়ার ঘোষপাড়ার একটি পেট্রল পাম্পে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন জয়ন্ত। তাঁর বাঁ হাতে গুলি লাগে। সেই সময় তিনি হুগলির চণ্ডীতলা থানার আইসি পদে কর্মরত ছিলেন। ওই গুলিকাণ্ডের পর এক তরুণীকে ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠেছিল। জানা গিয়েছিল, ওই তরুণী হাওড়ার সাঁকরাইলের বাসিন্দা। সামাজিক মাধ্যমে জয়ন্তের সঙ্গে তাঁর আলাপ ও ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়েছিল বলে দাবি করা হয়। জয়ন্ত এবং ওই তরুণীকে এলাকার একটি বহুতলেও একাধিক বার দেখা গিয়েছিল বলে জানা যায়। যদিও গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনার পর তরুণীর মা দাবি করেছিলেন, তিনি জয়ন্তকে চিনতেন না। এই ঘটনাকে ঘিরে তখন নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছিল।পরবর্তী সময়ে জয়ন্তকে সাসপেন্ড করে রাজ্য পুলিশ। সেই সময় রাজ্য পুলিশের এডিজি পদে থাকা জাভেদ শামিম জানিয়েছিলেন, কাউকে কিছু না জানিয়ে থানা থেকে বেরিয়ে অন্য জেলায় চলে গিয়েছিলেন জয়ন্ত। কর্তব্যরত অবস্থায় নিয়মভঙ্গের অভিযোগেই তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল বলে জানানো হয়।সাসপেনশন ওঠার পর জয়ন্ত একে একে খানাকুল, চণ্ডীতলা এবং সিঙ্গুর থানায় দায়িত্ব সামলান। পরে তিনি বাঁকুড়া পুলিশ লাইনে ইনস্পেক্টর পদে যোগ দেন। সেই জয়ন্তেরই এ বার মৃত্যু হল বাঁকুড়ার রেলগেটের কাছে। তাঁর মৃত্যুর পিছনে ঠিক কী কারণ রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং তদন্তের পরেই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে আরও তথ্য সামনে আসতে পারে।

অক্টোবর ৩১, ২০২৬
রাজ্য

হাসিমারা থেকে সেনা জওয়ান গ্রেফতার, আইএসআইকে গোপন তথ্য পাচারের অভিযোগ! কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে এসে ধৃত চিনা নাগরিকও

পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের কাছে ভারতীয় সেনাবাহিনীর গোপন তথ্য পাচারের অভিযোগে হাসিমারা থেকে এক সেনা জওয়ানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতের নাম জবীর সিং। তিনি পাঞ্জাবের বাসিন্দা। পাঞ্জাব পুলিশের বিশেষ অভিযান শাখা তাঁকে গ্রেফতার করেছে। শুক্রবার তাঁকে শিলিগুড়ি আদালতে পেশ করা হলে দুদিনের ট্রানজিট রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। এর পর তাঁকে পাঞ্জাবে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জবীরের বিরুদ্ধে অন্যদের সঙ্গে মিলে সেনা ছাউনির গোপন তথ্য পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থার কাছে পৌঁছে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এই ঘটনায় গত ৮ অক্টোবর ফাজিলকার রাজ্য বিশেষ অভিযান শাখায় সরকারি গোপনীয়তা আইনে মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলার তদন্তের সূত্রেই জওয়ানকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।ধৃত জওয়ান ঠিক কী ধরনের তথ্য পাচার করেছেন, তাঁর কাছ থেকে কোন কোন গোপন তথ্য পাওয়া গিয়েছে এবং এই ঘটনায় আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। কেন তিনি এই কাজ করেছেন, সেই প্রশ্নেরও উত্তর খুঁজছে পুলিশ। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ এখনও তদন্তাধীন।অন্য দিকে, কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখার নাম করে ভারতে ঢোকার অভিযোগে এক চিনা নাগরিককে আটক করেছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। তাঁর নাম ইউহাস লিউ। তিনি চলতি মাসে চিন থেকে নেপালে এসেছিলেন বলে জানা গিয়েছে। নেপালে তাঁর পরিচয় হয় দীনেশ পুরি নামে এক নেপালি গাইডের সঙ্গে।শুক্রবার ভোররাতে নেপাল সীমান্ত পেরিয়ে দুজনকে ভারতের দিকে আসতে দেখেন টহলরত সশস্ত্র সীমা বলের জওয়ান ও আধিকারিকেরা। তাঁদের চলাফেরা দেখে সন্দেহ হয় নিরাপত্তারক্ষীদের। এর পর কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের সঙ্গে যৌথ ভাবে দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।জিজ্ঞাসাবাদের সময় দীনেশ নিজেকে নেপালের বাসিন্দা বলে পরিচয় দেন। লিউ-ও নিজেকে নেপালি বলে দাবি করেন। কিন্তু গোয়েন্দাদের সন্দেহ হয়, কারণ লিউ ভাঙা ইংরেজি ছাড়া নেপালি বা হিন্দিতে কথা বলতে পারছিলেন না। এর পর দোভাষীর সাহায্যে তাঁকে জেরা করা হয়। তখনই তাঁর পরিচয় নিয়ে সন্দেহ আরও বাড়ে এবং তিনি চিনের নাগরিক বলে জানা যায়। এর পর দুজনকে আটক করেন গোয়েন্দারা।সেনা জওয়ানের বিরুদ্ধে গোপন তথ্য পাচারের অভিযোগ এবং সীমান্তে চিনা নাগরিক আটকের ঘটনায় উত্তরবঙ্গের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। দুই ঘটনার মধ্যে কোনও যোগ রয়েছে কি না, সে বিষয়ে কোনও তথ্য এখনও সামনে আসেনি। দুই ক্ষেত্রেই তদন্তকারীরা ঘটনার বিস্তারিত তথ্য খতিয়ে দেখছেন।

অক্টোবর ৩১, ২০২৬
কলকাতা

‘আমার খুব আনন্দ হচ্ছে’, ইন্দ্রনীল সেন জেলে যেতেই বিস্ফোরক বুদ্ধদেব-পুত্র সুচেতন!

পুজোর পাস নিয়ে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে জেলবন্দি রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন। তাঁকে ঘিরে বিতর্কের মধ্যেই এ বার মুখ খুললেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সন্তান সুচেতন ভট্টাচার্য। ইন্দ্রনীলের সঙ্গীত সংস্থায় কাজ করার সময় তাঁর কী কী অভিজ্ঞতা হয়েছিল, তা সংবাদমাধ্যমের কাছে তুলে ধরেছেন সুচেতন। তাঁর অভিযোগ, ইন্দ্রনীলের আচরণ ছিল অত্যন্ত ঔদ্ধত্যপূর্ণ। প্রাক্তন মন্ত্রীর জেলবন্দি হওয়ার খবর তাঁকে খুশি করেছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।কলেজ পাশ করার পর ২০০৫ সালে ইন্দ্রনীল সেনের সঙ্গীত সংস্থায় চাকরি শুরু করেন সুচেতন। ২০১৩ সাল পর্যন্ত সেখানে কাজ করেছিলেন তিনি। সেই সময় রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। এর পর ইন্দ্রনীলের সঙ্গে তৃণমূলের ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে বলে দাবি সুচেতনের। সেই পরিস্থিতিতে সংস্থার চাকরি ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।সুচেতনের অভিযোগ, ২০১৩ সালে তিনি ইস্তফাপত্র পাঠালেও ইন্দ্রনীল তা গ্রহণ করেননি। ইস্তফাপত্রের কপি দেওয়ার কথা বলে তাঁকে অফিসে ডেকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসিয়ে রাখা হয়েছিল বলেও দাবি করেছেন তিনি। সুচেতনের কথায়, তাঁর ঔদ্ধত্য এতটাই ছিল যে আমার ইস্তফাপত্র গ্রহণ পর্যন্ত করেননি। সেটা রিসিভ করে আমাকে কপি দেবেন বলে ডেকে পাঠিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অফিসে অপেক্ষা করিয়েছেন। নিজে কথা বলেননি, বাকি কর্মীদের দিয়ে বলে পাঠাচ্ছিলেন, অপেক্ষা করতে হবে। ভাবুন কী অপমানজনক! একটা ইস্তফাপত্র সই করতে এতখানি ঔদ্ধত্য দেখিয়েছেন।ইন্দ্রনীলের সংস্থায় কাজ করা রেকর্ডিস্ট এবং অন্য সঙ্গীতশিল্পীদের পারিশ্রমিক পাওয়া নিয়েও অভিযোগ তুলেছেন সুচেতন। তাঁর দাবি, অনেক সময় কাজ করানোর পরেও শিল্পীদের ঠিকমতো টাকা দেওয়া হত না। এক সময়ে নিজের টাকা থেকে কয়েক জন শিল্পীর পারিশ্রমিক মিটিয়ে দিয়েছিলেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।সুচেতনের আরও দাবি, ইন্দ্রনীলের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক এতটাই খারাপ হয়েছিল যে বাবার অসুস্থতা বা অন্য কোনও কারণে যেন তিনি তাঁদের বাড়ির আশপাশে না আসেন, সে কথা দলকে জানিয়ে দিয়েছিলেন। এমনকি বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের প্রয়াণের সময়েও তৎকালীন মন্ত্রীকে পাম অ্যাভিনিউয়ের বাড়িতে ঢুকতে দিতে চাননি বলে জানিয়েছেন সুচেতন।ইন্দ্রনীল সেনের জেলবন্দি হওয়ার প্রসঙ্গে সুচেতন বলেন, পাপ ও কৃতকর্মের ফল ভোগ করছেন। আমার খুব আনন্দ হচ্ছে। তাঁর আরও বক্তব্য, আমার মনে হয়, শুধু আমি নই, যাঁরা ওঁর দুর্নীতির পরিচয় পেয়েছেন, তাঁরা সকলে আজ খুশি।ইন্দ্রনীল সেনকে ঘিরে আর্থিক দুর্নীতি ও অন্যান্য অভিযোগ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। তবে সুচেতনের বক্তব্য তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও অভিযোগের ভিত্তিতে করা। অভিযোগগুলির সত্যতা নির্ধারণের জন্য সংশ্লিষ্ট তথ্য ও প্রমাণ বিবেচনা করা প্রয়োজন।

অক্টোবর ৩০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal