• ৪ কার্তিক ১৪৩৩, শুক্রবার ২৩ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Police

কলকাতা

বাম ছাত্র-যুব সংগঠনের নবান্ন অভিযানে ধুন্ধুমার

বামপন্থী ছাত্র ও যুব সংগঠনের নবান্ন অভিযানের শুরুতেই ধুন্ধুমার। পুলিশের কড়া নজরদারি এড়িয়ে বৃহস্পতিবার দিনের শুরুতেই আচমকা একেবারে নবান্নের সামনে চলে আসেন সিপিএম বিধায়ক তথা বাম ছাত্র নেতা ইব্রাহিম আলি। সঙ্গে ছিলেন আরও কয়েকজন। তাঁরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করলে পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে তৎপর হয়ে তাঁদের আটকান। ইব্রাহিম-সহ ৫ জনকে টেনেহিঁচড়ে পুলিশের ভ্যানে তোলা হয়। তখনও উঁচু গলায় স্লোগান দিচ্ছিলেন তাঁরা। এ নিয়ে দিনের শুরুতে নবান্ন অভিযান নিয়ে অশান্তি ছড়াল। এরপর বেলা বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হতে থাকে। ধর্মতলা চত্বর থেকে প্রায় চার হাজার সদস্য নবান্নের দিকে এগোতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। ব্যারিকেড ভেঙে এগোতে চান বাম ছাত্র,যুবরা। প্রথম জলকামান, টিয়ার গ্যাস ছুঁড়ে তাঁদের রোখার চেষ্টা করে পুলিশ। কিন্তু তাতেও আন্দোলনকারীরা দমে যাননি। এরপর পুলিশ নির্বিচার লাঠিচার্জ করলে অনেকে আহত হন, অসুস্থ হয়ে পড়েন কেউ কেউ। গুরুতর জখমদের উদ্ধার করে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ১৪৪ ধারা জারি থাকলেও, তা অমান্য করে সিধু-কানু-ডহরে ঢুকে পড়েন কয়েকজন ছাত্র ও যুব। আন্দোলনকারীদের শক্তি দেখে কার্যত বিভ্রান্ত পুলিশও।শূন্যপদে নিয়োগ, সকলের জন্য খাদ্য, স্বাস্থ্য, শিক্ষার অধিকার-সহ একগুচ্ছ দাবিতে বৃহস্পতিবার নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছিল বাম ছাত্র-যুব সংগঠন। এসএফআই, ছাত্র ফেডারেশন, ডিওয়াইএফআই -সহ মোট ৮ বামপন্থী ছাত্র ও যুব সংগঠনের সঙ্গে এই কর্মসূচিতে সামিল হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে কংগ্রেসের ছাত্র, যুব সংগঠনকেও। সবমিলিয়ে ১০ টি সংগঠনের ডাকে এদিন নবান্ন অভিযানে নেমেছে বাম ও কংগ্রেস কর্মীরা। বাম ছাত্রনেতা তথা পাঁশকুড়ার সিপিএম বিধায়ক ইব্রাহিম আলি আচমকা নবান্নের সামনে হাজির হয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের বিদায় ঘটে গিয়েছে, এই বার্তা দিয়ে স্লোগান তোলেন। সেখান থেকেই আটক করা হয় তাঁকে। তারপর টেনেহিঁচড়ে তোলা হয় প্রিজন ভ্যানে। একইভাবে আটক করা হয়েছে আরও ৫ জনকে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২১
রাজনীতি

মমতার সভায় দলে যোগ দিলেন প্রাক্তন পুলিশ কর্তা

স্ত্রী তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন আগেই। সময়ের আপেক্ষা ছিল, জল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে শাসকদলে যোগ দিলেন প্রাক্তন পুলিশকর্তা হুমায়ুন কবির। মঙ্গলবার বর্ধমানের কালনায় মুখ্যমন্ত্রীর জনসভায় তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন এই প্রাক্তন পুলিশ কর্তা। কবির গত ২৯ জানুয়ারি হুগলীর চন্দননগরের পুলিশ কমিশনারের পদ থেকে ইস্তফা দেন। সেদিন থেকেই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়। এদিন কালনায় তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতেই মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ তৃণমূলের পতাকা তুলে দিলেন এই প্রাক্তন পুলিশ কর্তার হাতে।অবসরের প্রায় তিন মাস আগেই চাকরি থেকে ইস্তফা দেন হুমায়ুন কবীর। তাঁর জায়গায় চন্দননগরের পুলিশ কমিশনার করা হয় কলকাতা পুলিশের যুগ্ম পুলিস কমিশনার গৌরব শর্মাকে। কিছুদিন আগে হুমায়ুন কবিরের স্ত্রী অনিন্দিতা কবির তৃণমূলে কংগ্রেসে যোগ দেন। সেই কারণেই চাকরির শেষ সময়ে এসে কেন স্বেচ্ছাবসরের সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি তা নিয়ে গভীর জল্পনা তৈরি হয়। হুমায়ুন কবির জানিয়েছিলেন ব্যক্তিগত কারণেই তাঁর এই সিদ্ধান্ত। তাঁর কথায় অনেক লেখালেখির কাজ জমে রয়েছে। সেগুলি শেষ করতে হবে। তাই চাকরি জীবনে ইস্তফা। তবে সেদিন রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার কথা উড়িয়ে দেননি। প্রসঙ্গত, হুমায়ন কবীরের একজন ভাল লেখক হিসেবেও পরিচিতি রয়েছে, তাঁর লেখা আলেয়া গল্প নিয়ে একটি বাংলা সিনেমাও তৈরি হয়। ওই ছবিতে তনুশ্রী চক্রবর্তী পুলিশের ভূমিকায় অভিনয় করেন।২০০৩ সালে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশে যোগদান করেন এই আইপিএস অফিসার। তাৎপর্যপূর্ণ হল, বামফ্রন্ট আমলে যে সমস্ত পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে রাজ্যের বর্তমান শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস সবচেয়ে বেশী সরব ছিল, তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন হুমায়ুন কবীর। ২০১১ সালে রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর আবার পট-পরিবর্তন হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হুমায়ুন কবীরকে মুর্শিদাবাদ জেলার পুলিশ সুপার করেন। কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তৃণমূলের জেলা সভাপতির মতো আচরণ করছেন হুমায়ুন। অধীরের আরও অভিযোগ, কংগ্রেস থেকে দল ভাঙানো থেকে শুরু করে বিরোধীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা সাজানো সবেরই মূল কারিগর ছিলেন তিনি।২০১৯ সালে জুলাই মাসে ব্যান্ডেলের তৃণমূল নেতা দিলীপ রাম খুন করা হয়। ওই বছরেরই অগস্ট মাসে তৎকালীন চন্দননগরের পুলিশ কমিশনার অখিলেশ চতুর্বেদীকে সরিয়ে হুমায়ুন কবিরকে পুলিশ কমিশনার করা হয়।জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২১
রাজ্য

পরিবর্তন যাত্রায় হাতাহাতি, রণক্ষেত্র বেলডাঙা

বিজেপির পরিবর্তন রথযাত্রাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। রথযাত্রায় বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল পুলিশের বিরুদ্ধে। তারপরই বচসায় জড়িয়ে পড়ে বিজেপি কর্মী ও পুলিশ। দীর্ঘক্ষণ পর শান্ত হয় এলাকা।বিজেপির তরফে আগেই রথযাত্রার রুট ঠিক করা হয়েছিল। কিন্তু ওই রাস্তায় অশান্তির আশঙ্কা করেছিল পুলিশ। সেই কারণে অন্য রাস্তা দিয়ে রথযাত্রার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। তাতে কর্ণপাত না করে সোমবার বিজেপি নেতৃত্ব বেলডাঙা ও হরিহরপাড়া দিয়েই রথ নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। স্বাভাবিকভাবেই পুলিশ তাতে বাধা দেয়। সেই সময়েই দুপক্ষের মধ্যে অশান্তি বাধে। তীব্র উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়।এবিষয়ে পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, বিজেপিকে আগেই বলা হয়েছিল যে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের বেলডাঙা থেকে বহরমপুর পর্যন্ত রথযাত্রা করা যাবে। এছাড়া অন্য কোনও রাস্তা ব্যবহার করা যাবে না। কারণ, বাকি এলাকাগুলো মুসলিম অধুষ্যিত। ফলে উত্তেজনা ছড়ানোর সম্ভাবনা থেকেই যায়। কিন্তু পুলিশের নির্দেশ না মেনেই এদিন পূর্বসূচি অনুযায়ী রথযাত্রার চেষ্টা করে বিজেপি।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২১
দেশ

বেনজির নিরাপত্তার ঘেরাটোপে রাজধানী

সাধারণতন্ত্র দিবসের অশান্তির পর বুধবার সকাল থেকেই থমথমে রাজধানী দিল্লি। এদিন সকাল থেকে বেনজির নিরাপত্তার ঘেরাটোপে মুড়ে ফেলা হয়েছে রাজধানী দিল্লিকে। আধাসেনা, সিআরপিএফ-এর বহু জওয়ান এদিন সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় টহল দিচ্ছে। এদিন সকাল থেকে সিঙ্ঘু সীমান্তে কয়েক হাজার সিআরপিএফ জওয়ান মোতায়েন। আজও সিঙ্ঘু, গাজিপুর, টিকরি, মুকারবা চক, নাঙ্গলোইয়ের মতো এলাকায় বন্ধ ইন্টারনেট পরিষেবা। আজ সকাল থেকেও দিল্লির লালকেল্লা এবং জামা মসজিদ মেট্রো স্টেশনের গেট বন্ধ রাখা হয়েছে। এদিকে, গতকালের ঘটনার পর বিক্ষোভকারী কৃষকরা অনেকটাই ছত্রভঙ্গ। বিক্ষোভের আগামী দিনের রূপরেখা ঠিক করতে সিঙ্ঘু সীমান্তে আজ নিজেদের মধ্যে আলোচনায় বসতে পারেন কৃষকনেতারা। তার আগেই অবশ্য বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে বক্তৃতা রাখতে পারেন কৃষক সংঠনের নেতারা।Delhi: Heavy security deployment at Tikri border where farmers are protesting against #FarmLaws. pic.twitter.com/pizT7EJDHU ANI (@ANI) January 27, 2021এদিকে গতকালের বিক্ষোভের ঘটনার তদন্তে নেমে দিল্লি পুলিশ একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে। পুলিশ সূত্রের খবর, কৃষক বিক্ষোভের এই হিংসা পূর্বপরিকল্পিতও হতে পারে। কৃষক নেতা রাকেশ টিকাইতের একটি ভিডিও ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। পুলিশ সূত্রের দাবি, ওই ভিডিও ছাড়াও আরও বেশ কিছু সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একাধিক জায়গায় বিনা প্ররোচনায় পুলিশের উপর চড়াও হয়েছে বিক্ষোভকারীরা। বেশ কিছু জায়গায় পুলিশকে রাস্তায় ফেলে মারধর করা হয়েছে। সব সিসিটিভ ফুটেজই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ সূত্রে দাবি, এই ঘটনায় ৩০০-র বেশি পুলিশ কর্মী আহত হয়েছেন। এঁদের মধ্যে বেশ কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর। দুজন ভর্তি আইসিইউতে। মোট ২৬টি এফআইআর দায়ের হয়েছে এই ঘটনায়। তার মধ্যে বেশ কয়েকটি জামিন অযোগ্য ধারায় রয়েছে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২১
রাজ্য

এরাজ্যে বিধানসভা ভোটঃ কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের বড় ঘোষণা

নির্বাচনের সময় বদলি হওয়া পুলিশ -প্রশাসনের কর্তাদের এক বছরের মধ্যে স্বপদে ফেরানো যাবে না। শুক্রবার এই নয়া নির্দেশের কথা জানিয়ে দিল কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন। এবার শুধু ভোটের সময় নয় ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতেও কঠোর মনোভাব নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। গত দুদিন কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ রাজ্য নির্বাচন কমিশন, মুখ্যসচিব, পুলিশ কমিশনার, পুলিশ সুপার, জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠক করে। সমস্ত রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বৈঠক করে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। তাঁদের অভিযোগ, মতামত নিয়েছে কমিশন।শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে মিলিত হন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল আরোরা। আরোরা বলেন, গত লোকসভা নির্বাচনে দুই আইএএস ও এসপির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল এবং তাদের অপসারিত করা হয়েছিল। কমিশন বার আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে চলেছে। নির্বাচনের সময় বদলি হওয়া পুলিশ -প্রশাসনের কর্তাদের এক বছরের মধ্যে স্বপদে না ফেরানোর স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। শুধু তাই নয়, তাঁদের উচ্চপদেও বসানো যাবে না। এমন ঘটনা হলে কমিশন কঠোর ব্যবস্থা নেবে। রাজ্য প্রশাসনকে বিষয়টি জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।তবে রাজ্যর আইন শৃঙ্খলা নিয়ে কিছু ভালো রিপোর্ট পেয়েছে কমিশন। আবার বিরোধীরা নানা অভিযোগও তুলেছে। করোনা নিয়ে রাজ্য প্রশাসনের রিপোর্টে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। এদিন সিইও বলেন, রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলার ওপর নজর রয়েছে আমাদের। নির্বাচনে তিনজন পর্যবেক্ষক আসবেন। আইন শৃঙ্খলার দায়িত্বে একজন, একজন জেনারেল পর্যবেক্ষক ও একজন ব্যায় সংক্রান্ত বিষয়ে দায়িত্বে থাকবেন। ভোটে মানিপাওয়ার ও কালোটাকার ব্যবহার খতিয়ে দেখবেন এক্সপেন্ডেচার পর্যবেক্ষক।এবার নির্বাচন নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু ভোটের দায়িত্ব থেকে বাদ রাখা হবে সিভিক ও গ্রীন পুলিশদের। বুথের মধ্যে থাকবে শুধু কেন্দ্রীয় বাহিনী। ভোটের তিনমাস আগে রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার কোনও পরিকল্পনা নেই কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের। এটা যে শুধুই জল্পনা তা সিইও-র কথায় পরিস্কার। সিইও বলেন, ভোটের দুমাস বা তিনমাস আগে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে না। ভিত্তিহীন খবর। নির্দিষ্ট সময়েই বাহিনী আসবে। বিএসএফ নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস যে অভিযোগ নিয়ে এসেছে তা উড়িয়ে দিয়েছে কমিশন। এদিন সুনীল আরোরা বিএসএফের ভুয়সী প্রশংসা করেছেন। দেশের সেরা নিরাপত্তা ফোর্স বলে বিএসএফকে সম্বোধন করেছেন আরোরা। এবিষয়ে তৃণমূল নির্দিষ্ট অভিযোগ দিতে পারেনি বলেই কমিশন জানিয়েছে। ভোট এপ্রিলেই হবে তার ইঙ্গিতও দিয়েছেন আরোরা।এবার করোনা বিধি মেনে ভোট হচ্ছে। সেই কারণে ২২ হাজার বুথ বাড়ছে। রাজ্যে এবার মোট ১ লক্ষ ১হাজার বুথ থাকবে। গ্রাউন্ড ফ্লোরে সব বুথ থাকবে। ৮০ উর্ধ্ব নাগরিকদের জন্য পোস্টাল ব্যালেটের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

জানুয়ারি ২২, ২০২১
রাজ্য

শীতের ভোরে গাড়ি থামিয়ে চালকদের হাতে গরম চা, বিস্কুট, পানীয় জল

দূরপাল্লার গাড়ি চালকদের সচেতন করতে তৎপর হাওড়া সিটি পুলিশ। ভোরের রাতে ক্লান্তি বা কুয়াশা যাতে দুর্ঘটার কারণ না হয়, তাই এই উদ্য়োগ। জাতীয় সড়কে ট্রাক ও গাড়ি থামিয়ে চালকদের চা, বিস্কুট ও জল দেওয়া হয়। শীতের ভোরে দূরপাল্লার গাড়ি চালকরা কিছুটা ক্লান্ত হয়ে ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়েন। এই কারণে দুর্ঘটনাও ঘটে। পাশাপাশি কুয়াশায় দৃশ্যমান্যতা কম থাকায় গাড়ি চালাতে সমস্যা হয়। এতেও ঘটে দুর্ঘটনা। শীতের ভোরে বিশেষ করে জাতীয় সড়কে দুর্ঘটনাও ঘটে। এবার এনিয়ে দূরপাল্লার গাড়ি চালকদের সচেতন করতে কল্পতরু হয়ে পৌঁছে গেলেন হাওড়া সিটি ট্রাফিক পুলিশের কর্মীরা। হাওড়া সিটি ট্রাফিক পুলিশ সূত্রের খবর, বুধবার গভীর রাতে ও বৃহস্পতিবার ভোরে হাওড়ার বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় বড় লরি ও অন্যান্য গাড়ি চালকদের গাড়ি থামিয়ে তাঁদের চা, বিস্কুট ও জল দেওয়া হয় হাওড়া সিটি ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে। যাতে তাঁরা দীর্ঘ যাত্রায় ক্লান্তি ভুলে আরও তরতাজা হয়ে যান সেই উদ্দেশ্যেই এই কর্মসূচি বলে জানা গেছে। হাওড়া সিটি ট্রাফিক পুলিশের কাছ থেকে এই ব্যবহার পেয়ে স্বভাবতই খুশি গাড়ির চালকরা। হাওড়ার অঙ্কুরহাটি ক্রশিং, কাজিপাড়া ক্রশিং, বালি নিমতলা, ডুমুরজলা, ইস্ট ওয়েস্ট বাইপাস ও কোনা এক্সপ্রেসওয়েতে এই ধরনের কর্মসূচি নেওয়া হয়।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২০
রাজ্য

হালিশহরে বিজেপি বুথ সভাপতি ‘খুনে’ গ্রেপ্তার ৩

শনিবার রাতে উত্তর ২৪ পরগনার হালিশহরে বিজেপি কর্মী সৈকত ভাওয়ালকে পিটিয়ে খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হল ৩ অভিযুক্তকে। তারা সুদীপ্ত ঘোষ ওরফে রাইডার বাবাই, সোমনাথ গাঙ্গুলি ওরফে কোলে এবং সুমন সাহা ওরফে লাছার। ধৃতরা প্রত্যেকেই শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস আশ্রিত দুষ্কৃতী বলে বীজপুর বিধানসভা কেন্দ্র এলাকায় পরিচিত। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে বীজপুর থানার পুলিশ। আরও পড়ুন ঃ প্রয়াত রাধিকারঞ্জন প্রামাণিক, শোকপ্রকাশ মমতার প্রসঙ্গত, শনিবার সন্ধ্যায় বিজেপির দলীয় কর্মসূচি গৃহসম্পর্ক অভিযানে বেরিয়ে দুষ্কৃতী হামলায় প্রকাশ্যে খুন হন বিজেপি কর্মী সৈকত ভাওয়াল (৩২)। শনিবার সন্ধ্যায় হালিশহর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বারেন্দ্র গলিতে তাকে পিটিয়ে খুন করা হয়। গৃহ সম্পর্ক অভিযানে বিজেপি কর্মীদের উপর হালিশহরে হামলার ঘটনায় জখম হয়েছেন আরও ৬ বিজেপি কর্মী। তাদের কল্যাণী জে এন এম হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। এদিকে এই ঘটনার পর থেকে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে বীজপুর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত হালিশহর এলাকা। বিজেপির অভিযোগ, সৈকত ভাওয়াল সহ বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা ও খুনের ঘটনায় অন্তত ২০-২৫ জন শাসক দলের আশ্রিত দুষ্কৃতীরা জড়িত। পুলিশ মাত্র ৩ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে। এদিকে এই খুনের ঘটনায় বাকি অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে রবিবার সকাল থেকে বীজপুর থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। থানা ঘেরাও কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন বীজপুরের বিজেপি বিধায়ক শুভ্রাংশু রায়, ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি উমা শঙ্কর সিং, বিজেপি নেত্রী ফাল্গুনী পাত্র, নোয়াপাড়ার বিজেপি বিধায়ক সুনীল সিং সহ অন্যান্যরা। এদিন ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি উমা শঙ্কর সিং তৃণমূল ও পুলিশকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সৈকত ভাওয়াল খুনের ঘটনায় রক্ত ঝরল আমাদের। এরপর আমাদের দলের কোন কর্মীর রক্ত ঝরলে পাল্টা প্রতিক্রিয়া হবে। তখন দুই পক্ষের রক্ত ঝরবে। ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট তখন সামলাতে পারবে না। দলের কর্মীদের আমি বার্তা দিতে বাধ্য হচ্ছি, এরপর আমাদের একজন কর্মী আক্রান্ত হলে, তৃণমূলের কর্মীরাও আক্রান্ত হবে। এই বিষয়ে স্থানীয় বিধায়ক শুভ্রাংশু রায় বলেন, আমি সিপিএম আমলেও রাজনীতি করেছি। কিন্তু এরকম জঙ্গলের রাজত্ব দেখিনি। এখন জঙ্গলের রাজত্ব চলছে। পুলিশ নিরপেক্ষভাবে কাজ করলে একটা খুনের পর দ্বিতীয় কোন খুন হয় না। কিন্তু পুলিশ দুষ্কৃতীদের নিরাপত্তা দিচ্ছে এবং বিজেপি কর্মীদের মারতে ইন্ধন যোগাচ্ছে। আমাদের দলের সর্ব ভারতীয় সভাপতির কনভয়ে হামলা হল। যা অবস্থা পশ্চিমবঙ্গে এখনই রাষ্ট্রপতি শাসন দরকার। আমি বিধায়ক হিসেবে মৃত সৈকতের পরিবারের পাশে আছি। বড় দাদার মত আজীবন ওর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে থাকব। বিজেপির পক্ষ থেকে মৃত দলীয় কর্মীর পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে। সাংসদ অর্জুন সিং সৈকত ভাওয়াল খুনের পর রাতেই কল্যাণী জে এন এম হাসপাতালে যান। তিনি বলেন, তৃণমূল সব সহ্যের সীমা অতিক্রম করেছে। আমাদের দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। পাল্টা দেওয়ার সময় এসেছে। ফলে এরপর প্রতিরোধ বলুন, প্রতিবাদ বলুন, প্রতিকার বলুন সব সুদে আসলে ফেরত দেব আমরা। এভাবে আর কত কর্মীর বলিদান সহ্য করব? পাল্টা প্রতিক্রিয়া হবেই।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২০
রাজ্য

কৈলাস-দিলীপের নামে এফআইআর শিলিগুড়ি পুলিশের

বিজেপির উত্তরকন্যা অভিযান ঘিরে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে শিলিগুড়ি-ফুলবাড়ি এলাকা। পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের ধস্তাধস্তির সময়ই ভাঙচুর হয় বিজেপির সাধারণ সম্পাদক কৈলাস বিজয়বর্গীয়র গাড়ি। অন্যদিকে উত্তরকন্যা অভিযান চলাকালীন তাদের এক কর্মীর মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেছে বিজেপি। তাদের আঙুল পুলিশের দিকে। এমনকি পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির সময় ছড়রা গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগ বিজেপির। উত্তরকন্যা অভিযানে দলীয় কর্মীর মৃত্যুর অভিযোগে আসরে নামে বিজেপি। বিজেপি কর্মীর মৃত্যুর প্রতিবাদে ১২ ঘণ্টার উত্তরবঙ্গ বনধে গতকালও ধুন্ধুমার বাঁধে শিলিগুড়িতে। আরও পড়ুন ঃ ডিসেম্বরের মাঝামাঝি ঠান্ডা পড়বে রাজ্যে এই পরিস্থিতিতে কৈলাস বিজয়বর্গীয়, দিলীপ ঘোষের নামে এফআইআর শিলিগুড়ি পুলিশের। দুই বিজেপি নেতা সহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে উত্তরকন্যা অভিযানে হিংসা ছড়ানোর অভিযোগে এফআইআর দায়ের করেছে পুলিশ। এর মধ্যে ২টি অভিযোগ হয়েছে নিউ জলপাইগুড়ি থানায়। শিলিগুড়ি থানায় একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। হিংসা ছড়ানো, অশান্তি সৃষ্টি, ট্রাফিক গার্ড ভাঙচুর, সরকারি কাজে বাধা, পুলিশকে নিগ্রহ সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে কৈলাস বিজয়বর্গীয়, দিলীপ ঘোষ সহ বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২০
কলকাতা

উত্তরকন্যা অভিযানে দুষ্কৃতীর গুলিতে মৃত্যু বিজেপি কর্মীর, দাবি পুলিশের

উলেন রায়ের মৃত্যুর ঘটনার তদন্তে নামল সিআইডি ও এসটিএফ। মঙ্গলবার সকালে এনজেপি থানায় যান এসটিএফ ও সিআইডির এক প্রতিনিধিদল। কীভাবে উলেন রায়ের মৃত্যু হল সেই বিষয়ে থানার আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা। অন্যদিকে, মঙ্গলবার সকালে রাজ্য পুলিশের তরফে টুইট করে জানানো হয়, শিলিগুড়িতে নিহত বিজেপি কর্মী উলেন রায়ের ময়নাতদন্ত হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, তাঁর শরীরে ছররা গুলি লাগার চিহ্ন রয়েছে। তবে পুলিশ ছররা গুলি ব্যবহার করে না। নিশ্চয়ই ওই মিছিল কোনও দুষ্কৃতী ছিল। তারাই বিজেপি কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ আগামীকাল ১২ ঘণ্টার উত্তরবঙ্গ বন্ধের ডাক বিজেপির ময়নাতদন্ত রিপোর্টে স্পষ্ট যে, কেউ খুব সামনে থেকে ওই বিজেপি কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে। অশান্তি তৈরির জন্য এ কাজ করা হয়েছে। সিআইডি ঘটনার তদন্তভার নিয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি সত্যি সামনে আসবে। তিন চিকিৎসকের উপস্থিতিতে দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের দাবি জানিয়েছে বিজেপি। ভিডিওগ্রাফিরও দাবি জানানো হয়েছে। ইতিমধ্যে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে চিঠিও দিয়েছে বিজেপি। সায়ন্তন বসু বলেন, পুলিশই গুলি চালিয়েছে। পরিবারকে জোর করে মুচলেকা লেখা হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২০
রাজ্য

উত্তরকন্যা অভিযান শুরুর আগেই পুলিশি বাধার মুখে দিলীপ ঘোষ ও সায়ন্তন বসু

উত্তরকন্যা অভিযান শুরুর আগেই বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ ও সম্পাদক সায়ন্তন বসু পড়লেন পুলিশি বাধার মুখে। যা নিয়ে উত্তেজনা ছড়াল ফুলবাড়ি মোড়ে। সোমবার বেলা একটু বাড়তেই বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা জড়ো হন উত্তরকন্যা অভিযানে অংশ নিতে। শিলিগুড়ির ফুলবাড়ি মোড় থেকে মিছিলের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন দিলীপ ঘোষ, সায়ন্তন বসু। উত্তরকন্যার দিকে মিছিল সামান্য এগোতেই সেখানে পুলিশ তাঁদের বাধা দেয়। বাধার মুখে পড়েন আলিপুরদুয়ারের বিজেপি সাংসদ জন বার্লাও। সেখানে পুলিশের সঙ্গে তাঁদের বচসা হয়। পরে অবশ্য দুজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়। বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ অভিযোগ করেছেন, আমি স্টেশন থেকে নেমে গেস্ট হাউজে যাব, সেটাও পর্যন্ত যেতে পারছি না। আধঘণ্টা ধরে এখানে দাঁড়িয়ে আছি। জানি না, কী ধরনের গণতন্ত্রের পরিবেশ এখানে আছে। স্বৈরাচারী শাসন! পুরো শহরকে ঘিরে দেওয়া হয়েছে বাঁশের ব্যারিকেড দিয়ে। বাইরে থেকে লোককে ঢুকতে, বেরতে দেওয়া হচ্ছে না। আমাদের সাংসদ জন বার্লাকেও আটকে দেওয়া হয়েছে। এই স্বৈরাচারী মনোভাব নিয়ে পশ্চিমবাংলায় এই সরকার কতদিন টিকে থাকতে পারবে জানি না। আরও পড়ুন ঃ কৃষকদের ডাকা ভারত বনধকে নৈতিক সমর্থন মমতার তাঁর আগে গাড়িতে বসেই বিমল গুরুং প্রসঙ্গে রাজ্য সরকারের প্রতি তোপ দাগেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, যে লোকটাকে এতদিন দেশদ্রোহী বলা হত, গতকাল তাঁকে পুলিশি নিরাপত্তা দিয়ে নিয়ে এসে জনসভা করা হল। আর আমরা গণতন্ত্র রক্ষার জন্য লড়াই করছি, অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করছে, তারজন্য আমাদের আটকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে উত্তরকন্যাকে একেবারে ঘিরে ফেলা হয়েছে। লোহার ব্যারিকেড, গার্ডওয়াল, জলকামান সব নিয়ে বিজেপি যুব মোর্চার অভিযান রুখতে প্রস্তুত পুলিশ। অন্যদিকে, জলপাইগুড়ি থেকে কৈলাস বিজয়বর্গীয়র নেতৃত্বে মিছিল এগোতে চাইলেও পুলিশের বাধার মুখে পড়ে। মমতা সরকারের আমলে উত্তরবঙ্গের কোনও উন্নয়ন হয়নি, এই অভিযোগে উন্নয়নের দাবি তুলে এদিনের অভিযানে নেমেছে বিজেপি যুব মোর্চা। বিজেপি সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি মুকুল রায় বলেন, উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন পর্ষদকে কত টাকা দিয়েছে রাজ্য সরকার? শ্বেতপত্র প্রকাশ করার দাবি জানাচ্ছি।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২০
কলকাতা

আমলা-পুলিশ কেউ সংবিধান মানছেন না , সমালোচনা ধনকড়ের

ফের রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়ে রাজ্য সরকার ও পুলিশ - প্রশাসনের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানালেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। বি আর আম্বেদকরের মূর্তিতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের পর রবিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জগদীপ ধনকড় বলেন, আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন করলে কোনওদিন তার উত্তর মেলে না রাজ্যের থেকে। আমলা-পুলিশ কেউ সংবিধান মানছেন না। বরং সংবিধানের উলটো পথে চলছেন। আরও পড়ুনঃ শুভেন্দুর পর এবার রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে পড়ল পোস্টার বারবার তলব সত্ত্বেও কারও তরফে কোনও জবাব মিলছে না। পুলিশ রাজনৈতিক নেতাদের মতো করে কাজ করছেন। এদিনই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে টুইটও করেন রাজ্যপাল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে লেখেন, সংবিধান মেনে শাসনব্যবস্থা পরিচালনা হচ্ছে তা নিশ্চিত করতে হবে। পুলিশকে রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ হয়ে কাজ করতে হবে।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২০
রাজ্য

তৃণমূলের প্রাক্তন কাউন্সিলরকে গ্রেফতারের দাবিতে থানায় বিক্ষোভ জেলা সাধারণ সম্পাদকের

শাসক দলের গোষ্ঠী সংঘর্ষের জেরে অভিযুক্ত মহম্মদ সেলিমকে গ্রেফতারের দাবিতে থানা ঘেরাও হল বর্ধমানে। আর সেই থানা ঘেরাও কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন খোদ তৃণমূলের জেলা সাধারণ সম্পাদক খোকন দাস। ঘন্টা দেড়েক বিক্ষোভ চলার পর পুলিশি আশ্বাসে ঘেরাও কর্মসূচি উঠে যায়। আরও পড়ুন ঃ হাওড়ায় নতুন পুর কমিশনার ঘটনার সূত্রপাত শুক্রবার দুপুরে। বর্ধমানের লোকো কলোনীতে দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে তৃণমূল কংগ্রেসের দুই বিবদমান গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ হয় । এই ঘটনায় দুই গোষ্ঠীরই বেশ কয়েকজন জখম হয়। বর্ধমানের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের রেলওয়ে বিদ্যাপীঠ স্কুলে দুয়ারে সরকার ক্যাম্প বসেছিল। সেখানেই ক্যাম্পের দখলদারি নিয়ে জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক খোকন দাস ও ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর মহম্মদ সেলিমের অনুগামীদের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। অভিযোগ , শিবু ঘোষ তার বৌদি ও স্ত্রীকে নিয়ে বিদ্যাপীঠ স্কুলে স্বাস্থ্যসাথীর কার্ডের জন্য দাঁড়িয়ে ছিল। তখন মহম্মদ সেলিমের অনুগামীরা খোকন দাসের অনুগামী শিবু ঘোষকে মারধর করে। এরপর এলাকার একটি বাড়িতে শিবু ঘোষ আশ্রয় নিলে সেখানেও ঢুকে মারধর করা হয়। পাশের দলীয় কার্যালয়ে হামলা হয় ও ভাঙচুর চালানো হয়। খোকন দাস পুলিশকে হুঁশিয়ারি দেন যদি বিকেলের মধ্যে অভিযুক্তদের না ধরা হয়, তাহলে তারা থানা ঘেরাও করবেন। পুলিশ প্রশাসন ঠিক মত কাজ করছে না বলে অভিযোগ করেন তিনি। অন্যদিকে প্রাক্তন কাউন্সিলর মহম্মদ সেলিম বলেন, দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে হাজির হয়ে শিবু ঘোষের নেতৃত্বে কয়েকজন দাদাগিরি করছিল। এলাকার বাসিন্দারা প্রতিবাদ করলে প্রথমে বাদানুবাদ হয়।পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের তাড়া করলে ছুটে পালাতে গিয়ে কেউ আহত হতে পারে। কেউ তাদের মারধর করেনি। আর ওখানে কোন তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিস নেই। শিবু ঘোষের দাবি, সেলিমের নেতৃত্বে একদল যুবক তাঁদের উপর হামলা করে। ব্যাপক মারধর করেছে।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২০
কলকাতা

অবস্থান মঞ্চ থেকে বিক্ষোভরত টেট উত্তীর্ণ চাকরিপ্রার্থীদের বলপূর্বক সরিয়ে দিল পুলিশ

টেট উত্তীর্ণ চাকরিপ্রার্থীদের গেজেট পদ্ধতি মেনে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরুর দাবিতে সল্টলেকে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন। বুধবার গভীর রাতে আচমকাই বিধাননগর থানার পুলিশ সেখানে হানা দেয়। জোরপূর্বক উঠিয়ে দেওয়া হয় চাকরী প্রার্থীদের। যাতে পুনরায় তাঁরা অবস্থানে বসতে না পারে শিয়ালদহ স্টেশনে পৌঁছে দেওয়া হয় তাঁদের। প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার আপার প্রাইমারির ১৪৩৩৯ পদে নিয়োগের দাবিতে পথে নামে টেট উর্ত্তীর্ণরা। তাঁদের কর্মসূচি ছিল বিকাশ ভবনে গিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে দাবিদাওয়া তুলে ধরা হবে। তাদের এই কর্মসূচিতে পুলিশ বাধা দিলে স্কুল শিক্ষা কমিশনের দপ্তরের সামনে অবস্থানে বসেন তাঁরা। আন্দোলনকারীদের একটি প্রতিনিধিদল বিকাশ ভবনে গিয়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখাও করেন। কিন্তু বৈঠকে জট কাটেনি। আরও পড়ুন ঃ কোভ্যাক্সিনের টিকা নিলেন ফিরহাদ হাকিম টেট উত্তীর্ণদের সমর্থন জানাতে অবস্থান মঞ্চে যান রাজ্যের প্রধান বিরোধী দলগুলির নেতৃত্বরাও। চাকরিপ্রার্থীদের ন্যায্য দাবিকে উপেক্ষা করে দমন-পীড়নের নীতি নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ জানিয়েছেন বিরোধী দলগুলির শীর্ষ নেতারা। জানা গিয়েছে, আপার প্রাইমারির ১৪৩৩৯ পদ শূন্য অবস্থায় পড়ে রয়েছে। সেখানে অনেকদিন থেকেই নিয়োগ প্রক্রিয়া আটকে রয়েছে।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২০
কলকাতা

উত্তরবঙ্গ থেকে ফিরে পুলিশের প্রশংসায় পঞ্চমুখ রাজ্যপাল

উত্তরবঙ্গ থেকে ফিরে রাজ্য পুলিশের প্রশংসায় পঞ্চমুখ রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। বুধবার পাহাড় থেকে শহরে ফিরেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। স্টেশনে তাঁকে স্বাগত জানায় পুলিশ। টুইটে সেই ছবি শেয়ার করেন রাজ্যপাল। উল্লেখযোগ্যভাবে এদিনের টুইটে পুলিশের প্রশংসা করেন তিনি। টুইটে সেই ছবি শেয়ার করেন রাজ্যপাল। রাজনৈতিক পক্ষপাতদুষ্টতার তকমা এবার পুলিশের গা থেকে ঘুচতে দেখবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর উল্লেখ্য, নভেম্বর মাসটা দার্জিলিংয়ের রাজভবনে ছিলেন সস্ত্রীক রাজ্যপাল। সেখান থেকেই যাবতীয় দায়দায়িত্ব পালন করেন তিনি। সেখানেও একাধিকবার রাজ্য ও পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন পুলিশ। কিন্তু এদিন তিনি পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করায় স্বাভাবিকভাবে অবাক প্রত্যেকে।

ডিসেম্বর ০২, ২০২০
রাজ্য

হাওড়ায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আনতে বসছে এক হাজার সিসিটিভি

হাওড়ার বিভিন্ন এলাকায় বাড়ছে অপরাধ প্রবণতা। অনেক সময় অপরাধ করে পালিয়ে গেলেও অপরাধীরা ধরা পড়ছে না। তাই এবার হাওড়া পুলিশ কমিশনারেট এলাকার অপরাধ প্রবন এলাকাগুলো চিহ্নিত করে সেখানে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হবে বলে সিটি পুলিশ সুত্রে জানা গিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ রেলের এলাকায় বসবাসকারীদের উচ্ছেদের নোটিশের প্রতিবাদ , লাঠি হাতে মিছিল বিধায়কের বেলুড়, শিবপুর, কমিশনারেট এলাকার মধ্যে থাকা জাতীয় সড়ক ও দাসনগরের বালিটিকুরির মতো ১০১২টি এলাকাকে মূলত অপরাধপ্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই বেলুড়ের বজরংবলী এলাকায় ২৫টি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। হাওড়ার নগরপাল কুণাল আগারওয়াল জানালেন, কয়েকটি অপরাধপ্রবণ এলাকাকে হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করে নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে। ইতিপূর্বেই হাওড়া শহরের বিভিন্ন এলাকা এবং গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা সিসিটিভির নজরদারির আওতায় রয়েছে। কিন্তু আরো নজরদারি প্রয়োজন বলেই মনে করছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রের খবর, একটি বেসরকারি সংস্থাকে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কয়েক দফায় খুব দ্রুতই এক হাজারটি সিসিটিভি বসানোর কাজ সম্পূর্ণ হবে।

নভেম্বর ২৭, ২০২০
কলকাতা

বিজেপির মিছিলকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র তারাতলা

মাঝেরহাট ব্রিজ খোলার দাবিতে তারাতলায় বিজেপির মিছিলে ধুন্ধুমার। পুলিশ মিছিল আটকালে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে তাদের তুমুল বচসা শুরু হয়ে যায়। বেঁধে যায় ধস্তাধস্তিও। ব্যাপক লাঠিচার্জ করা হয়। একাধিক বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার তারাতলা মোড় থেকে মাঝেরহাট পর্যন্ত মিছিলের কর্মসূচি ছিল। কিন্তু মিছিল শুরু হওয়ার আগেই তা আটকে দেয় পুলিশ। পুলিশ ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। এরপরই তারাতলা মোড়ে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করে বিজেপি। তাঁদেরও বিক্ষোভ থেকে উঠিয়ে দেয় পুলিশ। পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে মিছিল এগোনর চেষ্টা করে বিক্ষোভকারিরা। এমনকি তাঁরা গার্ডরেল গুলিও ছুঁড়ে ফেলে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। মোড়ের আশেপাশের গলিতে থাকা বিজেপির নেতা-কর্মীদেরও টেনে বের করে আনতে দেখা যায়। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যপালের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সরব কল্যাণ আটক করা হয় বহু বিজেপি নেতা কর্মীদের। রেহাই পাননি মহিলা মোর্চার কর্মীরাও। বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মীর মাথা ফেটে যায়। আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন মহিলা ও পুলিশ কর্মী। অটোয় তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। বেশ কিছুক্ষণ পর পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে। যদিও লাঠিচার্জ-গ্রেপ্তারির পরও বারবার করে ফের জমায়েত করতে দেখা যায় বিজেপি কর্মীদের। পরে বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক আন্দোলনে পুলিশের লাঠিচার্জ। আমরা জনতার সুবিধার জন্য মিছিল করেছি। কিন্তু মমতার সরকার তা হতে দেবে না। দুর্নীতির বড় উদাহরণ মাঝেরহাট ব্রিজ।

নভেম্বর ২৬, ২০২০
রাজ্য

হোটেল থেকে সংকটজনক অবস্থায় যুবক- যুবতী উদ্ধার

হাওড়া স্টেশন সংলগ্ন হোটেলের একটি ঘর থেকে এক যুবক ও যুবতীকে সংকটজনক অবস্থায় উদ্ধার করল গোলাবাড়ি থানার পুলিশ। জানা গিয়েছে , হোটেলটি হাওড়া স্টেশনের কাছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে তাঁদের নাম প্রীতম প্রামানিক (২২) ও সরস্বতী মাইতি মিদ্দে (২০)। তাঁরা পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরির বাসিন্দা। হোটেলে জমা দেওয়া আধার র্কাড থেকে পুলিশ জানতে পেরেছে প্রীতমের বয়স ২২ ও সরস্বতীর বয়স ২০। হোটেল মালিক বলেন, দুজনেই স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে হোটেলে ওঠেন। তাঁরা হোটেলের দোতলার ১০১ নম্বর রুমে ছিলেন। হোটেল সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকাল ৬টা নাগাদ স্বামী - স্ত্রী পরিচয় দিয়ে হোটেলে ঘর নেন তাঁরা। দুজনেরই মুখ দিয়ে গাঁজলা বেরোচ্ছিল। মুখ থেকে উৎকট ঝাঁঝালো গন্ধ বেরিয়ে আসছিল। আরও পড়ুন ঃ প্রধানমন্ত্রী কি দেশের নাগরিক নয়? প্রশ্ন কৈলাসের হোটেলের ম্যানেজার ঈষান মিশ্র জানান, শনিবার দুপুর র্পযন্ত অনেকবার ডাকাডাকি করার পরও ১০১ নম্বর ঘরের বোর্ডার দরজা না খোলায় তাঁদের সন্দেহ হয়। শেষ র্পযন্ত তাঁরা থানায় খবর দেন। গোলাবাড়ি থানার পুলিশ এসে ডুপ্লিকেট চাবি দিয়ে দরজা খুলে দুজনকে আশংকাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে হাওড়া জেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতাল সুত্রে জানা যায় দুজনের অবস্থাই আশংকাজনক। যুবক -যুবতী কীটনাশক জাতীয় কিছু খেয়েছিলেন। তাঁদের চিকিৎসা চলছে। হোটেলের কর্মীরা জানান, শুক্রবার থেকে ঘরেই ছিলেন তাঁরা। শনিবার সকাল থেকে তাঁদের সাড়া শব্দ না পেয়ে কর্মীদের সন্দেহ হয়। সেই কথা হোটেলের মালিককে জানালে তিনিই পুলিশকে খবর দেন। কি কারণে তাঁরা এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তা জানতে পুলিশ দুই পরিবারের লোককে ডেকে পাঠিয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

নভেম্বর ২১, ২০২০
রাজ্য

বাবা-মাকে খুনের ঘটনায় ধৃত ছেলের ২ দিনের পুলিশ হেফাজত

হাওড়ার শিবপুরে বহুতল আবাসনে বৃদ্ধ দম্পতি খুনের ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছিল ছেলে শুভজিৎ বসুকে। বৃহস্পতিবার তাঁকে হাওড়া জেলা আদালতে তোলা হলে তাঁর ২ দিনের পুলিশ হেফাজতের আদেশ দেন বিচারক। পুলিশ ধৃত শুভজিৎ এর বিরুদ্ধে খুন সহ ভারতীয় দন্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মামলা রুজু করেছে। বুধবার দুপুরে শিবপুর থানা এলাকার কৈপুকুর লেনের এক আবাসনে ওই ঘটনা ঘটে। আবাসনের চারতলার ঘর থেকে উদ্ধার হয় প্রদ্যোৎ বসু (৭৫) এবং তাঁর স্ত্রী গোপা বসুর(৭০) মৃতদেহ। পুলিশ দরজা ভেঙে দুজনের মৃতদেহ উদ্ধার করে। আরও পড়ুন ঃ মালদা বিস্ফোরণের ঘটনায় সরকারের কড়া সমালোচনা রাজ্যপাল - দিলীপের , পালটা প্রতিক্রিয়া রাজ্যের পুলিশের দাবি, ধৃত শুভজিৎ তাঁর বাবা-মাকে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে খুনের কথা স্বীকার করে। বাবা-মাকে খুন করে নিজেও ব্লেড চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। কালীপুজোর রাতে তিনি ওই ঘটনা ঘটিয়েছিলেন বলে শুভজিৎবাবুর দাবি। শুভজিৎবাবু পুলিশের কাছে জানিয়েছেন, তাঁকে বাড়ি থেকে বেড়োতে দেওয়া হত না। চাকরি করতে দিতে আপত্তি থাকায় চাকরিও তিনি করতেন না। পুলিশের ধারণা, আর্থিক সঙ্কট অন্যদিকে মানসিক অবসাদ এই দুই কারণেই বাবা-মাকে হত্যা করেন তিনি। মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন শুভজিৎ।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
কলকাতা

কোভিড সংক্রমণে মৃত্যু কলকাতা পুলিশের কনস্টেবলের

কোভিড সংক্রমণে মৃত্যু হল আরও এক পুলিশকর্মীর। মৃতের নাম কমলকৃষ্ণ বল। তিনি কলকাতা পুলিশের রিজার্ভ ফোর্সে কনস্টেবল পদে কর্মরত ছিলেন। কয়েকদিন আগেই তিনি করোনা আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হন হাসপাতালে। মঙ্গলবার তিনি মারা যান। এই ঘটনায় তাঁর পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শোকাহত তাঁর সহকর্মীরাও। আরও পড়ুন ঃ ফের করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু কলকাতা পুলিশের সাব ইন্সপেক্টরের কলকাতা পুলিশের তরফে সবরকমভাবে তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। লালবাজার সূত্রে খবর , এনিয়ে কোভিড সংক্রমণে কলকাতা পুলিশের ১৮ জন কর্মীর মৃত্যু হয়েছে।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
কলকাতা

ফের করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু কলকাতা পুলিশের সাব ইন্সপেক্টরের

ফের করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল কলকাতা পুলিশের এক সাব ইন্সপেক্টরের। মৃতের নাম মানব মুখোপাধ্যায়। তিনি কলকাতা পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চে কর্মরত ছিলেন। করোনা যুদ্ধে একেবারে সামনের সারি থেকে লড়ছিলেন তিনি। কোভিডে আক্রান্ত হয়ে সম্প্রতি ভরতি হন হাসপাতালে। সোমবার তিনি মারা যান। আরও পড়ুন ঃ পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু মহিলার , রণক্ষেত্র কাদাপাড়া মোড় এই নিয়ে করোনায় প্রাণ হারালেন কলকাতা পুলিশের ৯ জন সদস্য। করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন কলকাতা পুলিশের প্রায় পাঁচ হাজার জন। তাঁদের মধ্যে অবশ্য অধিকাংশই সুস্থ হয়ে উঠেছেন। মানববাবুর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করা হয়েছে কলকাতা পুলিশের তরফ থেকে।

নভেম্বর ১৬, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

ইস্টবেঙ্গলের ঘরে নতুন লগ্নির আলো! উৎসবেই কি চমক, বিনিয়োগকারী হিসেবে উঠে আসছে হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের নাম?

ইমামির বিদায়ের পর লাল-হলুদের আর্থিক ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে, পূর্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের শিল্পগোষ্ঠীর সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধার সম্ভাবনায় নতুন আশার সঞ্চারইমামি গোষ্ঠীর সঙ্গে বিনিয়োগকারী হিসেবে সম্পর্কের অবসানের পর থেকেই নতুন পৃষ্ঠপোষকের সন্ধানে ছিল ইস্টবেঙ্গল। একের পর এক সম্ভাব্য নাম নিয়ে আলোচনা চলার মধ্যেই এবার লাল-হলুদের বিনিয়োগকারী হওয়ার দৌড়ে উঠে এল হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালস লিমিটেডের (এইচপিএল) নাম। সূত্রের খবর, ক্লাব ও সংস্থার মধ্যে কথাবার্তা বেশ কিছুটা এগিয়েছে। সব কিছু পরিকল্পনামাফিক এগোলে উৎসবের মরশুমেই নতুন বিনিয়োগকারী নিয়ে বড় ঘোষণা করতে পারে ইস্টবেঙ্গল। যদিও চুক্তি চূড়ান্ত হওয়া এবং আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগে বিষয়টি নিয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।ইস্টবেঙ্গলের মতো ঐতিহ্যবাহী ক্লাবের কাছে নতুন বিনিয়োগকারী খুঁজে পাওয়া শুধুমাত্র আর্থিক সংস্থানের প্রশ্ন নয়, আগামী দিনের ফুটবল পরিকল্পনার সঙ্গেও তা ওতপ্রোতভাবে জড়িত। দল গঠন, ভালো মানের ফুটবলারদের ধরে রাখা, নতুন প্রতিভা তুলে আনা এবং পরিকাঠামোর উন্নয়নসব ক্ষেত্রেই ধারাবাহিক অর্থের জোগান প্রয়োজন। সেই জায়গায় হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের সঙ্গে সম্ভাব্য সম্পর্ক লাল-হলুদ শিবিরকে নতুন দিশা দেখাতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহলের একাংশ।শিল্পপতি পূর্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের সংস্থাকে ঘিরে প্রত্যাশাহলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের নাম সামনে আসতেই স্বাভাবিকভাবে আলোচনায় উঠে এসেছে শিল্পপতি পূর্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন দ্য চ্যাটার্জি গ্রুপ (টিসিজি)। এই সংস্থা হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের প্রধান উদ্যোক্তা। পাশাপাশি, সংস্থাটিতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারেরও অংশীদারি রয়েছে। ফলে এই সম্ভাব্য সমীকরণ বাস্তবায়িত হলে রাজ্যের অন্যতম পরিচিত শিল্পগোষ্ঠীর সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের সম্পর্ক তৈরি হতে পারে।তবে শিল্পগোষ্ঠীর সঙ্গে ক্লাবের সম্ভাব্য সম্পর্কের গুরুত্ব যতই থাকুক, চুক্তির আর্থিক কাঠামো এবং পরিচালন সংক্রান্ত শর্তগুলি কী হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। নতুন বিনিয়োগকারী ক্লাবের দৈনন্দিন পরিচালনায় কতটা ভূমিকা নেবে, ফুটবল দলের বাজেট কতটা বাড়বে কিংবা দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনায় কী ধরনের সহযোগিতা পাওয়া যাবে, সে সবই এখন দেখার বিষয়।ইমামির বিদায়েই শুরু নতুন অধ্যায়গত ২৫ অগস্ট বিবৃতি দিয়ে ইমামি গোষ্ঠী জানিয়ে দিয়েছিল, ইস্টবেঙ্গলের বিনিয়োগকারী হিসেবে তাদের ভূমিকার অবসান ঘটছে। গত আইএসএল মরশুম শেষ হওয়ার পর থেকেই এই বিচ্ছেদের সম্ভাবনা নিয়ে জল্পনা চলছিল। ক্লাব কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কিছু বিষয়ে মতপার্থক্যের খবরও সামনে এসেছিল। এরপর থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, ইমামির জায়গায় লাল-হলুদের আর্থিক দায়িত্ব সামলাবে কোন সংস্থা?চলতি মরশুমের শুরুতে ইস্টবেঙ্গলের জার্সিতে ইমামির লোগো না দেখা যাওয়ায় সেই জল্পনা আরও জোরালো হয়। যদিও ডুরান্ড কাপের ফাইনালে জার্সিতে ছোট আকারে ফিরে আসে ইমামির লোগো। তার আগে থেকেই ইঙ্গিত মিলছিল, বিনিয়োগকারীর ভূমিকা থেকে সরে গেলেও ক্লাবের সঙ্গে স্পনসর হিসেবে সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী সংস্থাটি।পরে ইমামির বিবৃতিতেও সেই অবস্থান স্পষ্ট করা হয়। সংস্থার তরফে জানানো হয়, বিনিয়োগকারী ও পরিচালন সংক্রান্ত দায়িত্ব থেকে সরে এলেও স্পনসর হিসেবে ইস্টবেঙ্গলের পাশে থাকবে তারা। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে নিজেদের শেয়ার এবং সংশ্লিষ্ট ভোটাধিকার ক্লাব কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছিল। অর্থাৎ, বিনিয়োগের অধ্যায় শেষ হলেও লাল-হলুদের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক পুরোপুরি ছিন্ন করার পথে হাঁটেনি ইমামি।আর্থিক অনিশ্চয়তা কাটানোর অপেক্ষানতুন বিনিয়োগকারী নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেই ইস্টবেঙ্গলের আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। ফুটবলারদের বেতন বকেয়া থাকার খবর সামনে আসায় পরিস্থিতি আরও আলোচনায় আসে। নতুন মরশুমে দল গঠন, খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক এবং অন্যান্য খরচের সংস্থান কীভাবে হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে থাকে।এই পরিস্থিতিতে হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের নাম সামনে আসা লাল-হলুদের কাছে তাৎপর্যপূর্ণ। আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে ক্লাবের আর্থিক পরিকল্পনায় স্থিতিশীলতা ফেরানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতের জন্য শক্তিশালী দল গড়ার ক্ষেত্রেও সুবিধা মিলতে পারে।তবে নতুন বিনিয়োগকারী এলেই যে সমস্ত সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধান হয়ে যাবে, এমনটা ধরে নেওয়ার অবকাশ নেই। বিনিয়োগের পরিমাণ, অর্থ প্রদানের সময়সূচি, ক্লাব পরিচালনায় অংশীদারিত্ব এবং ফুটবল বিভাগের জন্য বরাদ্দপ্রতিটি বিষয়ই গুরুত্বপূর্ণ। সেই শর্তগুলির উপরেই নির্ভর করবে নতুন সমীকরণে ইস্টবেঙ্গল কতটা লাভবান হবে।উৎসবের মরশুমেই কি লাল-হলুদে নতুন সূর্যোদয়?ইস্টবেঙ্গলের সমর্থকদের কাছে নতুন বিনিয়োগকারী পাওয়ার সম্ভাবনা নিঃসন্দেহে স্বস্তির খবর। ঐতিহ্য, বিপুল সমর্থকগোষ্ঠী এবং সাফল্যের প্রত্যাশা থাকা সত্ত্বেও আধুনিক ফুটবলে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে প্রয়োজন শক্তিশালী আর্থিক ভিত। সেই ভিত মজবুত করার লক্ষ্যেই এখন নজর নতুন বিনিয়োগকারীকে ঘিরে।সূত্রের খবর অনুযায়ী, হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে থাকায় উৎসবের মরশুমে ঘোষণার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। কিন্তু যতক্ষণ না চুক্তি সম্পূর্ণ হচ্ছে এবং ক্লাব বা সংশ্লিষ্ট সংস্থার তরফে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি আসছে, ততক্ষণ বিষয়টিকে সম্ভাবনা হিসেবেই দেখতে হবে।শেষ পর্যন্ত হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের গাঁটছড়া বাঁধা হলে তা ক্লাবের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ মোড় হতে পারে। এখন অপেক্ষা আনুষ্ঠানিক ঘোষণার। সেই ঘোষণাই স্পষ্ট করবে, নতুন বিনিয়োগের হাত ধরে লাল-হলুদ শিবির কতটা নতুন পথে এগোতে পারে।

অক্টোবর ২২, ২০২৬
কলকাতা

চোরবাগানের দুর্ঘটনা থেকে শিক্ষা, ২০২৭-এর পুজোর আগেই আগাম প্রস্তুতি! শ্যামপুরে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

চোরবাগানের পদপিষ্টের ঘটনায় শোকপ্রকাশ করে আগামী বছর দুর্গাপুজোর আগেই প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর। শ্যামপুরে স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নয়ন, নদীবাঁধ মেরামতি, কর্মসংস্থান ও আবাস যোজনা নিয়েও একাধিক ঘোষণা করলেন তিনি।শ্যামপুর: উৎসবের আনন্দের মধ্যে চোরবাগানের পদপিষ্টের ঘটনায় যে বেদনার ছায়া নেমে এসেছে, তা থেকে শিক্ষা নিয়ে আগামী বছর দুর্গাপুজোর আগেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে চায় রাজ্য সরকার। ২০২৭ সালের পুজোয় যাতে এ ধরনের মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয়, তার জন্য আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার অঙ্গীকার করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার রাতে শ্যামপুরের বেলপুকুর কলেজের মাঠে বিজয়া সম্মেলনীর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে চোরবাগানের ঘটনা থেকে শুরু করে রাজ্যের উন্নয়ন, স্বাস্থ্য পরিষেবা, কর্মসংস্থান ও গ্রামীণ পরিকাঠামো নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে এ দিন বিশেষ গুরুত্ব পায় চোরবাগানের দুর্ঘটনা। প্রথম সপ্তমীর রাতে ওই ঘটনায় প্রাণহানির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, উৎসবের আনন্দের মধ্যেই বেদনার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তাঁর কথায়, এই ঘটনার তদন্ত হবে এবং ভবিষ্যতে যাতে এমন বিপর্যয় আর না ঘটে, সে বিষয়ে সরকার প্রয়োজনীয় শিক্ষা নিয়েছে। আগামী বছরের দুর্গাপুজোর অনেক আগে থেকেই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন তিনি।দুর্ঘটনায় মৃতদের পরিবারের পাশে থাকার কথাও তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, মৃত ১৮ জনের মধ্যে ১২ জনের পরিবারের সঙ্গে তিনি দেখা করেছেন। বাকি ছটি পরিবারের সঙ্গে ২৩ ও ২৪ তারিখের মধ্যে দেখা করার পরিকল্পনার কথাও জানান। দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে ২৫ জন সুস্থ হয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি। ক্ষতিপূরণ দিয়ে স্বজনহারা পরিবারের ক্ষতি পূরণ করা সম্ভব নয়, তবে সরকারের কিছু দায়িত্ব রয়েছে এবং সেই দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে প্রশাসনকে আরও সতর্ক হওয়ার বার্তা দেন তিনি।শ্যামপুরের অতীত প্রসঙ্গ তুলে রাজনৈতিক আক্রমণবিজয়া সম্মেলনীর মঞ্চ থেকে শ্যামপুরের কয়েক বছর আগের অশান্তির প্রসঙ্গও টেনে আনেন মুখ্যমন্ত্রী। পূর্ববর্তী তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে তিনি বলেন, এক সময়ে যাঁরা মা কালীকে প্রিজন ভ্যানে তুলেছিলেন, তাঁদেরই এখন প্রিজন ভ্যানে উঠতে হচ্ছে। দুর্গাপ্রতিমা ভাঙার প্রসঙ্গ তুলে তাঁর আরও মন্তব্য, যাঁরা দুর্গাঠাকুর ভেঙেছিলেন, তাঁদের মা দুর্গাই ক্ষমতার অলিন্দ থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছেন। রাজনৈতিক বক্তব্যের পাশাপাশি এ দিনের অনুষ্ঠানে এলাকার উন্নয়ন নিয়েও একাধিক পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন তিনি।১৪ শয্যার স্বাস্থ্যকেন্দ্র হবে ১০০ শয্যারশ্যামপুরের স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নয়নে বড় পরিকল্পনার কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী। বর্তমানে এলাকায় ১৪ শয্যার একটি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র রয়েছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সেটিকে ১০০ শয্যার হাসপাতালে উন্নীত করার আশ্বাস দেন তিনি। শুধু শয্যা বাড়ানোই নয়, স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আল্ট্রাসনোগ্রাফি ও এক্স-রে পরিষেবা চালুর কথাও ঘোষণা করেন। পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় বাসিন্দাদের চিকিৎসার জন্য দূরে যাওয়ার প্রয়োজন কিছুটা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।নদীবাঁধের ভাঙন রোধে উদ্যোগ, কাঠের সেতুর বদলে পাকা ব্রিজপ্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ এলাকা হিসেবে শ্যামপুরের পরিকাঠামোগত সমস্যার কথাও তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, ঘূর্ণিঝড়প্রবণ এই এলাকায় নদীবাঁধের ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। পাশাপাশি এলাকার বিভিন্ন জায়গায় থাকা কাঠের সেতুগুলিকে পাকা সেতুতে রূপান্তরের প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন তিনি। বোয়ালিয়ায় একটি বড় সেতু তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী।শ্যামপুরে পর্যটনের সম্ভাবনা নিয়েও আশাবাদী তিনি। এলাকার প্রাকৃতিক পরিবেশ ও ভৌগোলিক অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে পর্যটনকেন্দ্রিক উন্নয়নের সুযোগ রয়েছে বলে মনে করেন মুখ্যমন্ত্রী। পরিকাঠামোর উন্নয়ন হলে স্থানীয় অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।আগামী ৮ মে-র মধ্যে এক লক্ষ চাকরির প্রতিশ্রুতিকর্মসংস্থান প্রসঙ্গেও এ দিন বড় ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর প্রতিশ্রুতি, আগামী বছরের ৮ মে-র মধ্যে রাজ্যে এক লক্ষ যুবক-যুবতীর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পন্ন করার আশ্বাসও দেন তিনি। তবে কোন কোন দপ্তরে কত পদে নিয়োগ হবে এবং তার বিস্তারিত সময়সূচি কী, সে বিষয়ে এ দিনের বক্তব্যে নির্দিষ্ট তথ্য সামনে আসেনি।পঞ্চায়েতে ৫০ লক্ষ টাকার কাজের নির্দেশ, আবাস যোজনায় আরও ২৫ লক্ষ বাড়িগ্রামীণ উন্নয়নের ক্ষেত্রেও পঞ্চায়েতগুলিকে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান মুখ্যমন্ত্রী। বিকশিত ভারত ভিবি-জিরামজি প্রকল্পের প্রসঙ্গ তুলে আগামী ছমাসের মধ্যে প্রতিটি পঞ্চায়েতে ৫০ লক্ষ টাকার কাজ করার কথা বলেন তিনি। তাঁর দাবি, ১২৫ দিনের কর্মসূচিতে ৩৭০ ধরনের কাজ করার সুযোগ রয়েছে। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে এলাকার উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর উপর জোর দেন তিনি।আবাস যোজনার পরবর্তী ধাপে আরও ২৫ লক্ষ বাড়ি তৈরির কথাও জানান মুখ্যমন্ত্রী। গ্রামীণ এলাকার মানুষের বাসস্থানের চাহিদা পূরণ এবং স্থানীয় পরিকাঠামোর উন্নয়নকে সামনে রেখেই এই উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন তিনি।চোরবাগানের দুর্ঘটনা এ দিনের অনুষ্ঠানে শোক ও সতর্কতার বার্তা নিয়ে এলেও, একই মঞ্চ থেকে শ্যামপুরের স্বাস্থ্য পরিষেবা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, পর্যটন, কর্মসংস্থান এবং আবাসন নিয়ে একগুচ্ছ পরিকল্পনার কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী। এখন নজর থাকবে, ঘোষিত প্রকল্পগুলির কতটা নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে বাস্তবায়িত হয় এবং আগামী বছরের দুর্গাপুজোর আগে দুর্ঘটনা রোধে কী ধরনের আগাম ব্যবস্থা গ্রহণ করে প্রশাসন।

অক্টোবর ২২, ২০২৬
দেশ

যন্তর মন্তরে প্রতিবাদে ‘না’, জামিনের শর্তে কী মুচলেকা দিলেন ককরোচ জনতা পার্টির দুই নেতা?

এক সপ্তাহ তিহাড়ে কাটিয়ে মুক্তি আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসের, ৫০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে জামিনজ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে এখনও অনড় দুই নেতা।এক সপ্তাহ জেলবন্দি থাকার পর অবশেষে মুক্তি পেলেন ককরোচ জনতা পার্টির দুই নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস। বুধবার বিকেলে তাঁদের জামিন মঞ্জুর করেন স্পেশাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট। তবে মুক্তির পথ একেবারে শর্তহীন ছিল না। ভবিষ্যতে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা, অনুমতি ছাড়া প্রতিবাদ কর্মসূচি না করা এবং শান্তিভঙ্গকারী কোনও কাজে জড়িত না হওয়ার অঙ্গীকার করতে হয়েছে দুই নেতাকে। মাথাপিছু ৫০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডেও সই করেছেন তাঁরা।প্রশাসনের নির্ধারিত বিধি উপেক্ষা করে যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ কর্মসূচি চালানোর অভিযোগেই তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ওই এলাকায় প্রতিবাদ কর্মসূচির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ার পরেও সেখানে প্রবেশ করে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন ককরোচ জনতা পার্টির কর্মীরা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই পুলিশি পদক্ষেপ এবং পরবর্তী সময়ে দুই নেতার জেলযাত্রা।জামিনের শর্তে কী জানালেন দুই নেতা?জামিনের শুনানিতে আশুতোষ ও সৌরভের বক্তব্য ছিল, দেশের আইন ও সংবিধান মেনেই তাঁরা ভবিষ্যতে নিজেদের রাজনৈতিক কর্মসূচি পরিচালনা করবেন। যন্তর মন্তরে অনুমতি ছাড়া কোনও প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করবেন না বলেও জানিয়েছেন তাঁরা। একই সঙ্গে শান্তি বজায় রাখা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন দুই নেতা।প্রশাসনিক বিধিনিষেধ মেনে চলার এই অঙ্গীকারের ভিত্তিতেই তাঁদের জামিন মঞ্জুর হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে জামিন পাওয়ার অর্থ এই নয় যে, তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে। দুই নেতার বিরুদ্ধে তদন্ত প্রক্রিয়া চলবে।তিন দিনের অতিরিক্ত হেফাজতের আবেদন খারিজসূত্রের খবর, আশুতোষ ও সৌরভকে আরও তিন দিন হেফাজতে রাখার আবেদন জানিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। কিন্তু সেই আবেদন মঞ্জুর হয়নি। বুধবার বিকেলে জামিনের নির্দেশ দেওয়ার পর রাতের দিকে তাঁদের তিহাড় জেল থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। ফলে প্রায় এক সপ্তাহের বন্দিজীবনের অবসান ঘটে দুই নেতার।জেল থেকে বেরিয়েও অবস্থান বদল নয়জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পরেও নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান থেকে সরে আসেননি আশুতোষ ও সৌরভ। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে তাঁরা এখনও অনড়। ককরোচ জনতা পার্টির সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত একটি ভিডিয়োয় দুই নেতাকে স্লোগান দিতেও দেখা গিয়েছে। সেখানে তাঁদের মুখে শোনা যায়, ভারতমাতা কি জয়, ইনকিলাব জিন্দাবাদ-এর পাশাপাশি জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে স্লোগান।অন্যদিকে, জেলজীবন নিয়ে আশুতোষের মন্তব্যও নজর কেড়েছে। মুক্তির পর তিনি জানিয়েছেন, তিহাড় জেলের খাবার বেশ ভালো। তবে জেলবন্দি হওয়ার অভিজ্ঞতা কিংবা জামিনের শর্তকোনও কিছুই যে তাঁদের রাজনৈতিক দাবিতে প্রভাব ফেলেনি, তাঁদের বক্তব্য ও স্লোগানে সেই বার্তাই স্পষ্ট।সব মিলিয়ে, জামিনে মুক্তি পেলেও ককরোচ জনতা পার্টির দুই নেতার আইনি লড়াই এখনও শেষ হয়নি। একদিকে জামিনের শর্ত মেনে চলার বাধ্যবাধকতা, অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ আধিকারিকের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার অবস্থানএই দুইয়ের মধ্যে আগামী দিনে তাঁরা কীভাবে নিজেদের রাজনৈতিক কর্মসূচি এগিয়ে নিয়ে যান, এখন সেদিকেই নজর।

অক্টোবর ২২, ২০২৬
কলকাতা

চোরবাগানে দুর্গাপুজোর ভিড়ে মর্মান্তিক বিপর্যয়! পদপিষ্টের আশঙ্কা, একাধিক মৃত্যুর দাবি সূত্রের, হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা: সপ্তমীর সন্ধ্যায় দুর্গাপুজোর আনন্দ মুহূর্তে পরিণত হল আতঙ্কে। প্রবল বৃষ্টি থেকে বাঁচতে মণ্ডপে ঢোকার হুড়োহুড়ি, তার সঙ্গে বিপুল দর্শনার্থীর চাপসব মিলিয়ে উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনে তৈরি হল ভয়াবহ পরিস্থিতি। মণ্ডপের ভিতরে পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর। আহতদের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আনন্দবাজার সুত্রে জানা যায় এই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও মৃত্যুর এই সংখ্যা সরকারি ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।ঘটনার খবর পেয়েই হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং উদ্ধারকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি। পাশাপাশি পুজো উদ্যোক্তাদের থানায় ডাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তীব্র চাঞ্চল্য। বন্ধ করে দেওয়া হয় মণ্ডপের আলো এবং প্রবেশ ও বেরোনোর পথ।প্রবল বৃষ্টির জেরেই কি বিপত্তি?সপ্তমীর সন্ধ্যায় উত্তর ও মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। তার জেরে রাস্তায় যানজট তৈরি হওয়ার পাশাপাশি পুজো মণ্ডপগুলিতেও দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বহু মানুষ একসঙ্গে মণ্ডপের ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। শুরু হয় ঠেলাঠেলি। সেই সময় কয়েক জন ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান। তাঁদের পিছনে থাকা ভিড়ের চাপে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, মণ্ডপের ভিতরের একটি বৃত্তাকার পথে এই বিপত্তি ঘটে। ওই পথে দর্শনার্থীদের ঘুরে মণ্ডপ থেকে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা ছিল। সেখানে একসঙ্গে বহু মানুষের জমায়েত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কাঠামোর কোনও অংশ ভেঙে পড়েছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।হাসপাতালে আহতদের ভিড়, চলছে চিকিৎসাঘটনার পর দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কলকাতা পুলিশের সূত্রে প্রথমে ৩৫ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেলেও, পরে মেডিক্যাল কলেজের একটি সূত্রে দাবি করা হয়, সেখানে ৪০ থেকে ৫০ জনকে আনা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। উদ্ধারকারীদের দাবি, কয়েক জনকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ইমার্জেন্সি অবজারভেশন ওয়ার্ডে আহতদের চিকিৎসা চলছে। কয়েক জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল ও হাসপাতালের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পৌঁছন কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দও।হাসপাতালের একটি সূত্রের দাবি, মৃত ১৭ জনের মধ্যে ১৩ জন মহিলা, তিন জন পুরুষ এবং একটি শিশু রয়েছে। তবে প্রশাসনের তরফে এই মৃত্যুসংখ্যা বা মৃতদের পরিচয় সম্পর্কে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে সরকারি নিশ্চিতকরণের অপেক্ষা রয়েছে।উদ্ধারকাজে জোর, উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নদুর্ঘটনার পর মণ্ডপ চত্বরে উদ্ধারকাজে জোর দেওয়া হয়। পুলিশ ও দমকলের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। মণ্ডপের আলোও নিভিয়ে দেওয়া হয়, যাতে উদ্ধারকাজে অসুবিধা না হয়।অন্যদিকে, প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের অভিযোগ, পরিস্থিতি যখন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছিল, তখন পর্যাপ্ত পুলিশ বা নিরাপত্তারক্ষী সময়মতো সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। সাহায্যের আবেদন জানিয়েও তাঁরা সাড়া পাননি বলে অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশ ও নির্গমন ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তার পর্যাপ্ততা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।পুজো উদ্যোক্তা বিকাশ দাস জানিয়েছেন, কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা এখনও তাঁদের কাছে স্পষ্ট নয়। আপাতত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। পদপিষ্ট হয়েই এই বিপর্যয় ঘটেছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।৩৬০ ডিগ্রির মণ্ডপে কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ২০২৬ সালের পুজোর ভাবনা অরব, যার ইংরেজি ব্যাখ্যা বিয়ন্ড সাউন্ড। শব্দের পরিচিত সীমা ছাড়িয়ে নীরবতার গভীরে পৌঁছনোর ভাবনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছিল মণ্ডপ। সৃজনশীল পরিকল্পনার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে মণ্ডপ দেখার ব্যবস্থা। সেরা পুজোর তালিকায়ও এই পুজো তৃতীয় স্থান পেয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু দর্শনার্থীদের চলাচলের জন্য তৈরি বৃত্তাকার এলিভেটেড করিডোর ঘিরেই বিপত্তি ঘটেছে বলে প্রাথমিক সূত্রের খবর। ওই পথে একসঙ্গে কত জনের চলাচলের ব্যবস্থা ছিল, ভিড়ের সময় প্রবেশ ও নির্গমন নিয়ন্ত্রণ কীভাবে করা হচ্ছিল এবং জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প বেরোনোর পথ ছিল কি নাএই প্রশ্নগুলি এখন গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন দেবদীপ অধিকারী, যিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো। জোড়াসাঁকোর বিজেপি বিধায়ক বিজয় ওঝা পুজো কমিটির চেয়ারম্যান। উত্তর কলকাতা জেলা তৃণমূলের সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষও এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত। তবে দুর্ঘটনার দায় নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়ের বদলে তদন্তে উঠে আসা তথ্য ও প্রমাণই গুরুত্বপূর্ণ হবে।হেল্পলাইন চালু রাজ্য সরকারেরঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে একটি টোল-ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নম্বরটি হল ১৮০০৩৪৫৫৬৭৮। দুর্ঘটনায় আহতদের সম্পর্কে তথ্য জানতে বা সংশ্লিষ্ট সহায়তার জন্য এই নম্বর ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।সপ্তমীর সন্ধ্যায় উৎসবের আবহে ঘটে যাওয়া এই বিপর্যয় ফের বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। তবে কত জনের মৃত্যু হয়েছে, কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি নাতার চূড়ান্ত উত্তর মিলবে সরকারি বিবৃতি ও তদন্তের পরেই।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
উৎসব

দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের উন্মাদনা! ফুটবলের টানে মাঠে ফিরুক কচিকাঁচারা, অভিনব থিম পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির

পূর্ব বর্ধমান: দুর্গাপুজোর মণ্ডপে এ বার ফুটবল বিশ্বকাপের আবহ। কোথাও বিশ্বজয়ী স্পেনের উল্লাস, কোথাও ভারতীয় ফুটবলের ছবি, আবার কোথাও লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। ফুটবলকে কেন্দ্র করে পুজোর মণ্ডপেই যেন তৈরি হচ্ছে এক টুকরো বিশ্বকাপের আসর। বাঙালির চিরন্তন ফুটবলপ্রেমকে উদ্যাপন এবং নতুন প্রজন্মকে মোবাইলের পর্দা থেকে মাঠে ফিরিয়ে আনার বার্তা দিতে এমনই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি ক্লাব।পুজোর থিম মানেই এখন শিল্প, সংস্কৃতি, সমাজ সচেতনতা কিংবা নানা অভিনব ভাবনার মেলবন্ধন। সেই ধারাতেই এ বার ফুটবলকে সঙ্গী করেছে পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি। ক্লাবের ২৯তম বর্ষের পুজোয় তাদের থিম ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড। অর্থাৎ, ভাষা, দেশ ও সংস্কৃতির ভিন্নতা থাকলেও ফুটবল যে গোটা বিশ্বকে একই সুতোয় বেঁধে রাখতে পারে, সেই বার্তাই তুলে ধরা হয়েছে মণ্ডপসজ্জার মাধ্যমে।মণ্ডপের প্রবেশপথ থেকেই দর্শকদের নজর কাড়ার আয়োজন। সামনে রাখা হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের সরকারি বল ট্রিয়োন্ডা। বলটিকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিশ্বকাপের আবহ। মণ্ডপের এক দিকে রয়েছে বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের ঐতিহাসিক মুহূর্তের ছবি, অন্য দিকে স্থান পেয়েছে ভারতীয় ফুটবল দলের ছবি। আন্তর্জাতিক ফুটবলের গৌরবের পাশাপাশি দেশের ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাকেও সমান গুরুত্ব দিতে চেয়েছেন উদ্যোক্তারা।এই থিমের অন্যতম আকর্ষণ ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। তাঁদের ফুটবলজীবনের স্মৃতি ও জনপ্রিয়তাকে সামনে রেখে সাজানো হয়েছে মণ্ডপের বিভিন্ন অংশ। পাশাপাশি থাকছে আরও কয়েক জন তারকা ফুটবলারের প্রতিকৃতি। বিশ্বকাপের নানা স্মরণীয় মুহূর্তের ছবি দর্শকদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে মাঠের উত্তেজনা, গোলের উল্লাস এবং সমর্থকদের আবেগে ভরা সেই সব মুহূর্তে।মণ্ডপের অন্দরসজ্জাতেও থাকছে চমক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া ৭০টি উল্লেখযোগ্য মুহূর্তের ছবি সাজিয়ে তোলা হচ্ছে সেখানে। ভারতীয় ফুটবলের জন্যও রাখা হয়েছে বিশেষ জায়গা। দেশের ফুটবলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ১২টি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের ছবি তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে উদ্যোক্তাদের। ফলে এই মণ্ডপ শুধু পুজো দেখার জায়গা নয়, ফুটবলের ইতিহাস ও স্মৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ারও একটি সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনাকেও বিশেষ ভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা হয়েছে। মণ্ডপের এক পাশে গ্যালারির আদলে তৈরি অংশে থাকবে ফাইনালের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি। দুর্গাপ্রতিমার পাশেও স্থান পাচ্ছে ফাইনালের স্মরণীয় দৃশ্য এবং ফুটবল তারকাদের ছবি। মণ্ডপের একেবারে উপরের দিকে থাকবে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের পতাকা। আলোর কারুকার্যে সেই সব পতাকার রং ফুটিয়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। সব মিলিয়ে দর্শকদের সামনে ফুটবল বিশ্বকাপের একটি দৃশ্যমান আবহ তৈরি করাই উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য।এখানেই শেষ নয়। মণ্ডপে থাকবে একটি বড় পর্দা, যেখানে দেখানো হবে বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচের হাইলাইটস। ফলে প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীরা ফিরে দেখতে পারবেন মাঠের সেরা মুহূর্তগুলি। গোল, সেভ, দুরন্ত পাস কিংবা ট্রফি জয়ের উল্লাসবিশ্বকাপের নানা স্মৃতি মণ্ডপের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।তবে এই আয়োজনের পিছনে শুধুই দর্শকদের আকর্ষণ করার ভাবনা নেই। উদ্যোক্তাদের মূল লক্ষ্য, ছোটদের মধ্যে ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং তাদের মাঠমুখী করে তোলা। বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল বিনোদনের প্রতি শিশু-কিশোরদের আকর্ষণ বাড়ছে। সেই পরিস্থিতিতে খেলাধুলার আনন্দ, দলগত প্রচেষ্টা, শৃঙ্খলা এবং শরীরচর্চার গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে ফুটবলকে মাধ্যম করেছে ক্লাব।ফুটবল এমন একটি খেলা, যেখানে জয়ের আনন্দের পাশাপাশি থাকে পরাজয় মেনে নেওয়া, সতীর্থের পাশে দাঁড়ানো এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার শিক্ষা। ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড থিমের মাধ্যমে সেই সামাজিক ও মানবিক বার্তাও দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে চায় পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি।দুর্গাপুজোর উৎসবের সঙ্গে ফুটবলের আবেগকে মিলিয়ে এই উদ্যোগ কতটা দর্শকপ্রিয় হয়, তা অবশ্য সময়ই বলবে। তবে মণ্ডপের সাজসজ্জা থেকে বিশ্বকাপের স্মৃতি, আন্তর্জাতিক তারকা থেকে ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসসব কিছুকে এক ছাতার তলায় এনে পুজোর আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করার চেষ্টা করেছে ক্লাব। উদ্যোক্তাদের আশা, মণ্ডপে এসে বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে ওঠার পাশাপাশি ছোটদের মনে জাগবে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নের টানেই হয়তো এক দিন তারা মোবাইল সরিয়ে রেখে আবার ছুটবে গ্রামের মাঠে, পায়ে বল নিয়ে।দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের আবহ, আর সেই আবহ থেকেই মাঠে ফেরার ডাকপূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির এ বারের পুজোর ভাবনায় ফুটবল তাই শুধু খেলা নয়, নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলারও এক বার্তা।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বড় চমক! কবে নিজের গর্ভগৃহে ফিরবেন তারাপীঠের মা তারা?

মহালয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে মা তারাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল। পরে ষষ্ঠীর দিনও তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরের সংস্কারের কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মা তারাকে মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যারতির পর নতুন বেদিতে অধিষ্ঠিত হবেন দেবী। ওই দিন রাজরাজেশ্বরী রূপে তাঁর বিশেষ পুজো হবে।তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। দেবীর আসনের বেদির উচ্চতা আট ইঞ্চি বাড়ানো হয়েছে। এই সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অযোধ্যার রামমন্দিরের কারিগরদের দিয়ে বিশেষ রেলিং তৈরি করানো হচ্ছে। তবে দিল্লি হয়ে সেই রেলিং তারাপীঠে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় সংস্কারের কাজও পিছিয়ে যায়। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সব ধর্মীয় আচার মেনে মা তারাকে নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে।মন্দির কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন ভোরে শিবমন্দির থেকে মা তারাকে নিয়ে আসা হবে বিশ্রাম মঞ্চে। সেখানে দিনভর পুজো ও দর্শন চলবে। সন্ধ্যারতির পর দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মূল গর্ভগৃহে। নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠার আগে শুদ্ধিকরণ-সহ প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ লগ্নে মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে মহালক্ষ্মী হিসেবে পুজো করা হবে।সংস্কারের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হলেও তাঁর নিত্যপুজো ও দর্শন বন্ধ হয়নি। সেখানেই নিয়মিত পুজো চলছে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যার দুদিন পর সংস্কারের কাজের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরানো হয়েছিল। মহালয়া অমাবস্যার ঠিক আগে তাঁকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকটি সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ষষ্ঠীর দিন তাঁকে ফেরানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সংস্কারের কাজ বাকি থাকায় সেই পরিকল্পনাও কার্যকর করা যায়নি।পুলক চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চতুর্দশীর দিন ভোরে মা তারাকে শিবমন্দির থেকে বিশ্রাম মঞ্চে নিয়ে আসা হবে। ২৫ অক্টোবর সারাদিন সেখানেই থাকবেন দেবী। সন্ধ্যারতির পর তাঁকে আবার নিজের মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মা তারার এই বিশেষ আরাধনাকে ঘিরে এখন প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু সরকারের বিচারে কলকাতার সেরা পুজো কোনটি? প্রথম স্থান পেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার!

রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই কলকাতার সেরা পুজোগুলির নাম ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৩টি পুজো কমিটিকে বিভিন্ন বিভাগে সম্মান জানানো হয়েছে। সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব পুজো এবং সমাজ সচেতনতার মতো বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সরকারের বিচারে এ বারের সেরার সেরা হয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। এই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বৃন্দাবন গার্ডেন দুর্গাপুজো সমিতি। তৃতীয় হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি।সেরা প্রতিমা বিভাগে প্রথম হয়েছে মুদিয়ালি ক্লাব। দ্বিতীয় স্থানে টালা বারোয়ারি, তৃতীয় স্থানে বেহালা অরুণোদয় সমিতি এবং চতুর্থ স্থানে আহিরীটোলা সর্বজনীন। অন্য দিকে, সেরা মণ্ডপের পুরস্কার পেয়েছে খিদিরপুর ২৫ পল্লি। এই বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে আমরা কজন কল্যাণ সমিতি।আলোকসজ্জার বিভাগেও ঘোষণা করা হয়েছে পুরস্কারজয়ীদের নাম। এই বিভাগে প্রথম হয়েছে সন্তোষপুর অ্যাভিনিউ সাউথ। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বকুলবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয় হয়েছে শিবমন্দির সর্বজনীন দুর্গোৎসব।পরিবেশবান্ধব পুজোর বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নলিন সরকার স্ট্রিট। দ্বিতীয় হয়েছে পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের পুজো। তৃতীয় স্থান পেয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।সমাজ সচেতনতার বিভাগে প্রথম হয়েছে কাশীবোস লেন। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। তৃতীয় হয়েছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে অজেয় সংহতি।এ ছাড়াও চারটি পুজো কমিটিকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বি জি লাইন্স আবাসিক দুর্গাপুজো কমিটি, শ্যাম স্কোয়্যার, ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক এবং সমাজসেবী সংঘ।সব মিলিয়ে, দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এ কলকাতার একাধিক পরিচিত পুজো কমিটি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। সেরার সেরা হিসেবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের নাম উঠে আসার পাশাপাশি প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো, পরিবেশ এবং সমাজ সচেতনতার বিভাগেও আলাদা করে সেরাদের বেছে নিয়েছে সরকার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে ধাক্কা, এ বার সুপ্রিম কোর্টে সুজিত বসু! পুজোর আগে কি মিলবে স্বস্তি?

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন তিনি। তবে এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে জামিন মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলবন্দি তৃণমূলের এই নেতা।গত ১২ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তার পর থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এ বার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। পুরসভায় নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। সেই তদন্তের সূত্রেই সুজিতের বিরুদ্ধে পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত ১২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের সময় সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁকে ঘিরেও একাধিক বেআইনি কাজের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সব অভিযোগের তদন্তে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এখনও বাকি।জামিনের আবেদন বারবার খারিজ হওয়ায় সুজিতের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর আবেদন কোন দিকে এগোয়, সেটাই দেখার। পুজোর আগে শীর্ষ আদালতে শুনানি না হলে আপাতত জেলেই থাকতে হতে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal