• ২৭ পৌষ ১৪৩২, মঙ্গলবার ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Police

রাজ্য

খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ কর্তাদের 'মানবতার' দিশা দেখালেন ইব্রাহিম ও তারাপদ

ধর্ম যার যাই হোক মনবতাই সবথকে বড় ধর্ম। শুধু মনে প্রাণে এ কথা বিশ্বাস করাই নয়, বাস্তবেও সেই পথই অনুসরণ করে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত তৈরি করেছেন ইব্রাহিম মল্লিক ও তারাপদ রায়। পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষ থানার প্রত্যন্ত গ্রাম উখরিদে পাশাপাশি বাড়িতে বসবাস অভিন্ন হৃদয় এই দুই ব্যক্তির। তাঁদের একে অপরের প্রতি স্নেহ, ভালবাসা ও মানবিক হৃদয় বন্ধনে আবদ্ধ থাকা দেখে মুগ্ধ খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ বাবুরাও। আইনের রক্ষকরা অকপটে বলছেন, হ্যাঁ ,এটাই আমাদের দেশ। আমাদের সর্বধর্ম সমন্বয়ী মাতৃভূমি ভারতবর্ষের মাটতে এখনও বেঁচে আছে মানবতা। উখরিদ গ্রামের তারাপদ রায় বয়সের ভারে ভারাক্রান্ত। তাঁর শরীরও তেমন সুস্থ সবল নয়। তবে ইব্রাহিম মল্লিকও যে একেবারে সুস্থ তাও বলা যাবে না। ব্যাঙ্কের পাস বইটি হারিয়ে যাওয়ায় তারাপদবাবু সমস্যায় পড়েন। মনের মানুষ, কাছের মানুষ ইব্রাহিম মল্লিককে নিজের সমস্যার কথা জানান তারাপদবাবু। তা শুনে ইব্রাহিম পাশে থাকার আশ্বাস দেয় তারাপদ বাবুকে। সম্প্রতি বৃদ্ধ তারাপদবাবুকে সঙ্গে নিয়ে ইব্রাহিম স্ক্র্যাচে ভর দিয়ে হেঁটেই হাজির হয় খণ্ডঘোষ থানায়। সেই সময়ে থানায় ডিউটি অফিসার হিসাবে দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন পিএসআই রিটন সেখ।ইব্রাহিম ও তারাপদ বাবু ডিউটি অফিসার রিটন বাবুর কাছে গিয়ে দাঁড়ান। রিটন বাবু জানান, তিনি থানায় আগত ওই দুই ব্যক্তির সমস্যার কথা জানতে চান । তখন তারাপদ রায় জানান, তাঁর ব্যাংকের পাস বইটি কিছুদিন আগে হারিয়ে গেছে। সেই কারণে তিনি ব্যাংকে লেনদেন করতে পারছেন না। সমস্যা সমাধানের জন্য ব্যাংকে গিয়েছিলেন। ব্যাঙ্কের অফিসারা তাঁকে বলেছেন এই বিষয়ে থানা থেকে মিসিং ডায়েরি করা কপি আনতে হবে। রিটন বাবু জানান, তাঁর খারাপ লাগলো এই কথা ভেবে যে বৃদ্ধ তারাপদবাবু নিজেই ঠিকমত চলতে পারেন না।অথচ সেই ব্যক্তি প্রায় ৮ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে থানায় এসেছে একটা মিসিং ডায়েরি করতে।তাই বিলম্ব না করে বৃদ্ধার অবস্থা বুঝে সঙ্গে সঙ্গে তিনি একটি মিসিং ডায়েরি করে জিডি নাম্বার কার্তিকবাবুকে দিয়ে দেন। ডিউটি অফিসার রিটন বাবু হতবাক হয়ে পড়েন থানায় তারাপদ রায়ের সমস্যা মিটিয়ে দিয়ে ইব্রাহিমের কাছে তার সমস্যার কথা জানতে চেয়ে। ডিউটি অফিসার বলেন, ইব্রাহিম সরল মনে জানায়, স্যার আমার কোন সমস্যা নেই।ব্যাঙ্কের পাস বই হারিয়ে যাওয়ায় তারাপদ দাদা খুব সমস্যা পড়ে গিয়েছিলেন। দাদা এতটা রাস্তা পেরিয়ে একা থানায় আসতে পারবেন না বলেছিলেন । তাই তারাপদদাদাকে সাহায্য করার জন্য তিনি স্ক্র্যাচে ভর দিয়ে হেঁটেই দাদাকে সঙ্গে নিয়ে থানায় এসেছেন। এই কথা শুনে অভিভূত হয়ে পড়া ডিউটি অফিসার রিটন সেখ কাছে ডেকে নেন তারাপদ বাবু ও ইব্রাহিম সেখকে। এই দুজনকে চেয়ারে বসিয়ে তাঁদের সঙ্গে আরও নানা কথা বলেন ডিউটি অফিসার। কথোপকথনে ডিউটি অফিসার রিটন সেখ জানতে পারেন পাশাপাশি বাড়িতে বসবাস করেন তারাপদ রায় ও ইব্রাহিম মল্লিক। তাঁরা একে অপরের সুখ -দুঃখের নিত্যসঙ্গী। বিপদে আপদে তাঁরা একে অপরের ভরসা। কোনও দিনের জন্য তারাপদবাবু ও ইব্রাহিম মল্লিক একে অপরের সঙ্গে বিভেদ অশান্তিতে জড়াননি। তাঁরা দুজনে দাঙ্গা-হাঙ্গামা বোঝে না, ধর্মীয় সুড়সুড়ি বোঝে না। বুঝতে চানও না।খুশির ঈদ থেকে শুরু করে বখরিদ, মহরম, দুর্গাপুজো, কালীপুজো সবই তাদের কাছে এক বিশেষ মহাত্মের বলে খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ বাবুদের জানান তারাপদ রায় ও ইব্রাহিম মল্লিক। যা শুনে কার্যত স্তম্ভিত হয়ে যান থানার ডিউটি অফিসার রিটন সেখ সহ অন্য পুলিশ বাবুরা। তাঁরা সবাই মুগ্ধ হয়ে ইব্রাহিম ও তারাপদকে বুকে জড়িয়ে নিয়ে তাঁদের ছবিও তোলেন। পুলিশ কর্তারা এদিন বলেন, তারাপদ ও ইব্রাহিমের এই স্নেহ ভালবাসার বন্ধন প্রমাণ করছে,স্বার্থান্বেষীরা চক্রান্ত যতই করুক না কেন মানবতা আজও বেঁচে আছে সর্বধর্ম সমন্বয়ী মাতৃভূমি ভারতবর্ষের মাটিতে খণ্ডঘোষ থানার ওসি প্রসেনজিৎ দত্ত বলেন, ইব্রাহিম মল্লিক ও তারাপদ বাবুর এই স্নেহের বন্ধন অটুট থাক। সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ুক তাঁদের পারস্পরিক স্নেহ ও ভালোবাসার বন্ধনের মায়াজাল।

জুলাই ২৮, ২০২১
দেশ

Border Clash: অসম-মিজোরাম সীমান্ত সংঘর্ষের বলি ৬ পুলিশকর্মী

অসম-মিজোরাম সীমান্তের সংঘর্ষে মৃত্যু অসমের ৬ পুলিশকর্মীর। সোমবার দুপুরে ওই অশান্তির পর টুইট করে এই খবর জানিয়েছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বশর্মা। তিনি জানিয়েছেন অসম পুলিশের ৬ জওয়ান নিহত হয়েছেন। তিনি লিখেছেন, সাংবিধান নির্ধারিত সীমান্ত রক্ষা করতে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে এই ছয় পুলিশকর্মীর। মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিক টিটির তৃতীয় রাউন্ডে পৌঁছে গেলেন শরথ কমলঘটনার সূত্রপাত রবিবার রাতে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দুই রাজ্যের সীমান্তবর্তী এলাকায় আট কৃষকদের ঘর জ্বালিয়ে দেয় কিছু দুষ্কৃতী। তারপরই রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় সীমান্তবর্তী ওই এলাকা। মিজোরাম পুলিশের ডিআইজি লালবিয়াকথাঙ্গা খিয়াংলে জানিয়েছেন, ওই আট কৃষকদের ঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। যদিও সেখানে কেউ ছিলেন না। সেই ঘটনা ঘটে গতকাল রবিবার রাত সাড়ে ১১ টা নাগাদ। এই ঘরগুলি অসমের সীমান্তবর্তী গ্রাম ভাইরেংলের কৃষকদের। এই ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে, তদন্ত চলছে।আরও পড়ুনঃ চিন্তা বাড়াচ্ছে দেশের ৫ রাজ্যের করোনা সংক্রমণঅভিযোগ, গত ১১ জুলাই মিজোরামের এক কৃষকের খেত, বাগানও নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। এই নিয়েই অশান্তি শুরু হয়। সীমান্তের দিকে লাঠি নিয়ে ছুটে যায় দুই রাজ্যেরই কিছু লোক। এরপরই সীমান্ত পরিদর্শনে যাওয়া অসম সরকারের একটি টিমের গাড়ি লক্ষ্য করে গ্রেনেড ছোঁড়া হয়। পরপর দুটি বিস্ফোরণ ঘটে সে দিন। আর তারপর থেকে জারি আছে অশান্তি। দিন দুয়েক আগেই উত্তর-পূর্বের সব মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন অমিত শাহ। আর তারপরই আজকের এই ঘটনা।আরও পড়ুনঃ সুযোগ পেলেন অভিমন্যু, ভারতীয় টেস্ট দলে একসঙ্গে বাংলার ৩এ দিন অশান্তির পর মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রী জোরামথাঙ্গা টু্ইটে লিখেছেন, এ সব এখনই বন্ধ হওয়া উচিৎ। অমিত শাহকে বিষয়টিতে নজর দেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন তিনি। অন্য একটি টুইটে তিনি দেখিয়েছেন, অনেকেই আক্রান্ত হয়েছেন এই ঘটনায়। তাঁর দাবি, নিরপরাধ মানুষকে আক্রমণের শিকার হতে হয়েছে দুষ্কৃতীদের হাতে। অন্যদিকে, অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মাও টুইটে অমিত শাহকে হস্তক্ষেপ করার আর্জি জানিয়েছেন।

জুলাই ২৬, ২০২১
রাজ্য

Guava Seller Police: 'পেয়ারা বিক্রেতা' উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্তা, প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন নেটনাগরিকরা

জীবনে একটু সাফল্য পেলেই অনেকের মাথা ঘুরে যায়, মাটিতে পা পড়ে না। সমাজে এমন মানুষের সংখ্যা নেহাত কম নয়। প্রতিবেশীদের মধ্যে মিলবে, এমন লোকজন মিলবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অফিস-কাছারী সর্বত্র। কত সহজে মানুষের সঙ্গে মেশা যায়, মানবিক ও ব্যতিক্রমী মানসিকতার পরিচয় দিলেন রাজ্যের এক পুলিশ কর্তা। তাঁর নিরহংকারী মানসিকতার জন্য প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন নেটনাগরিকরা।আরও পড়ুনঃ পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন সুতীর্থার, পৌঁছে গেলেন দ্বিতীয় রাউন্ডেরবিবার ছুটির দিনে বহরমপুরে ভ্যানে করে পেয়ারা বিক্রি করতে দেখা গেল লালবাগের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে। রীতিমতো বাদিকে এক কেজির বাটখারা, ডানদিকে পেয়ারা রেখে দাঁড়িপাল্লায় ওজন মাপছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তন্ময় সরকার। কী ভাবছেন? পুলিশ কর্তা সত্যি কি পেয়ারা বিক্রি করেছেন? অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের পেয়ারা বিক্রি করার ছবি সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট হতেই ভাইরাল হয়ে যায়। সকলেই বাহবা দেন ওই পুলিশ কর্তাকে। প্রশংসার বন্যা বয়ে যায় কমেন্ট বক্সে।ওই পোস্ট থেকে জানা গিয়েছে, এদিন লালবাগের পুলিশ আধিকারিক তন্ময় সরকার বহরমপুরে বাজার করতে গিয়েছিলেন। ভ্যানে পেয়ারা বিক্রি করছিলেন এক বিক্রেতা। তিনি ক্যাজুয়াল ড্রেসে থাকা তন্ময় সরকারকে বলেন, দোকানটা একটু দেখুন। আমি টিফিন করে আসছি। সুযোগ পেয়েই পুলিশ কর্তা হাতে দাঁড়িপাল্লা নিয়ে নেন। একের পর এক খদ্দেরকে পেয়ারা বিক্রি করতে থাকেন রীতিমতো দোকানীর মতো। প্রায় ২০ মিনিট এভাবেই পেয়ারার দোকান সামলে নেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার।আরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে প্রথম পদক ভারতেরনেটনাগরিকরা এই ছবি দেখে স্যালুট জানিয়েছেন পুলিশ কর্তাকে। বাহবা দিয়েছেন প্রত্যেকে। উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্তার এই ভূমিকায় উচ্ছ্বসিত নেটনাগরিকরা। মনুষ্যত্ব ও নিরহংকারী মানসিকতার জন্য ওই পুলিশ কর্তাকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন সকলে।

জুলাই ২৫, ২০২১
দেশ

Pak Drone: আইইডি ভর্তি পাক ড্রোনের হামলার ছক বানচাল

সীমান্তে ড্রোনের মাধ্যমে অস্ত্র পাচারের ক্রমাগত চেষ্টা চালিয়েই যাচ্ছে পাকিস্তান। বৃহস্পতিবার রাতে ফের একবার ড্রোনের মাধ্যমে হামলার চেষ্টা চালানো হয়েছিল। কিন্তু পুলিশের তৎপরতায় পুরো ছক বানচাল হয়ে যায়। জম্মুতে হামলার আগেই গুলি করে নামানো হয় একটি পাকিস্তানি ড্রোন। উদ্ধার হয়েছে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক। আরও পড়ুনঃ বালি খাদান নিয়ে কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীরজানা গিয়েছে, জম্মুর আখনুর সেক্টরে বৃহস্পতিবার রাতে প্রথম ড্রোনটি চোখে পরে। সঙ্গে সঙ্গে তৎপর হয় পুলিশ। ড্রোনটিকে গুলি করে নামানো হয়। দেখা যায় ড্রোনটি পাকিস্তানের এবং তাতে রয়েছে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক আইইডি। জম্মু বায়ুসেনা ঘাঁটিতে হামলার মতোই কোনও বড়সড় নাশকতার ছকে ড্রোনটিতে বিস্ফোরক ভরে ভারতে পাঠান হয়েছিল বলে একপ্রকার নিশ্চিত সেনা ও পুলিশ। The Hexacopter was shot down around six kilometres inside the border, approximately 5 kilograms of explosives recovered: Jammu and Kashmir Police pic.twitter.com/Nw6mn3X1gv ANI (@ANI) July 23, 2021প্রথমে জম্মুর বায়ুসেনা ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা। এরপর উপত্যকার আকাশে দেখা যাচ্ছে একের পর এক সন্দেহজনক ড্রোন। সেনার বিভিন্ন অতি স্পর্শকাতর এলাকার কাছেও ধরা পড়ছে চালকবিহীন এই সমস্ত উড়ো যান। মাটির পাশাপাশি এবার উপত্যকার আকাশেও কড়া নজরদারি চালাচ্ছে সেনা। ফলে গত কয়েকদিনে বেশ কয়েকটি ড্রোনকে নষ্ট করা হয়েছে। এমনকী, দিল্লিতেও জারি হয়েছে ড্রোন হামলার সকতর্কতা।

জুলাই ২৩, ২০২১
রাজ্য

Suvendu Adhikari: পুলিশ সুপারকে কাশ্মীরে বদলির হুমকি শুভেন্দুর

বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির হারের কারণ আত্মতুষ্টি। একদিন আগেই এমন মন্তব্য করেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর ঠিক একদিন পরেই পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপারকে প্রচ্ছন্ন হুঁশিয়ারি দিলেন তিনি। প্রকাশ্য সভা থেকে পুলিশের উদ্দেশে হুমকি দিয়ে জানালেন, তৃণমূলের কথা শুনলে কাশ্মীরে স্থানান্তর হতে পারেন। সোমবার পূর্ব মেদিনীপুরের সদর তমলুকে পুলিশ সুপারের দপ্তরে স্মারকলিপি জমা দিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। শুভেন্দু বলেন, তৃণমূলের কথা শুনে ভুল কাজ করায় রাজীব কুমারের মতো অনেক অফিসারকে বিপদে পড়তে হয়েছে। তাই ঠিক মতো কাজ করুন।আরও পড়ুনঃ ক্যাডবেরি নিয়ে উত্তাল নেটমাধ্যম, উত্তর দিল সংস্থাবিজেপি কর্মীদের উপর মিথ্যা মামলা চাপানোর অভিযোগ তুলে সরব হন বিরোধী দলনেতা। সোমবার তাঁর নিশানায় ছিলেন পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার। নাম না করে এসপি-র উদ্দেশে শুভেন্দু বলেন, এখানে একটি বাচ্চা ছেলে এসপি হয়ে এসেছেন। আমি তাঁকে বলতে চাই আপনি কেন্দ্রীয় সরকারের অফিসার। এমন কাজ করবেন না যাতে কাশ্মীরের অনন্তনাগ বা বারমুলায় গিয়ে ডিউটি করতে হয়। তিনি আরও বলেন, ভাইপোর অফিস থেকে যাঁরা ফোন করেন তাঁদের প্রত্যেকের কল রেকর্ড আমার কাছে রয়েছে। তাই সতর্ক হন। আপনাদের কাছে যদি রাজ্য সরকার থাকে, তবে আমাদের হাতে রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।যে সব পুলিশ অফিসাররা মিথ্যা মামলা করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলা ও সিবিআই তদন্ত করা হবে বলেও সোমবার জানান শুভেন্দু। ওই প্রসঙ্গে নন্দীগ্রাম ঘটনার কথাও তিনি তুলে আনেন।

জুলাই ১৯, ২০২১
কলকাতা

Lathicharge: নিয়োগপত্র হাতে বিক্ষোভ চাকরিপ্রার্থীদের, লাঠিচার্জ পুলিশের

পুলিশের কনস্টেবল পদে চাকরির দাবিতে ভবানী ভবনের সামনে চাকরিপ্রার্থীদের বিক্ষোভে পুলিশের লাঠিচার্জ। বেলা পৌনে ১২টা নাগাদ বিক্ষোভ শুরু হয়। নিয়োগপত্র হাতে নিয়েই বিক্ষোভে সামিল হন চাকরিপ্রার্থীরা। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলেন ডিসি সাউথ আকাশ মাঘারিয়া। এরপরেও চলে বিক্ষোভ। রাজ্য পুলিশের সদর দপ্তরের সামনে এ ধরনের বিক্ষোভ কার্যত নজিরবিহীন। প্রায় দু ঘণ্টা পর পুলিশ বিক্ষোভকারীদের হঠিয়ে দেয়।আরও পড়ুনঃ আজ শুরু বাদল অধিবেশন, নজরে একাধিক ইস্যুবিক্ষোভকারীদের দাবি, হাইকোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও চাকরির ব্যবস্থা হচ্ছে না। অনেকের কাছেই নিয়োগপত্র রয়েছে বলেও তাঁদের দাবি। তারপরও নিয়োগ আটকে রয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, করোনার কারণে নিয়োগ প্রক্রিয়া দীর্ঘদিন পিছিয়ে গিয়েছে। গত জানুয়ারি মাসে যোগদানের তারিখ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ভিত্তিহীন অভিযোগের কারণে নিয়োগ প্রক্রিয়া পিছিয়ে গিয়েছে। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, তাঁদের অনেকেই চাকরি ছেড়ে চাকরির প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। কিন্তু নিয়োগ পিছিয়ে যাওয়ায় তাঁরা সবাই এখন কর্মহীন। ফলে প্রচুর সমস্যায় পড়েছেন। বিক্ষোভকারীদের দাবি, এ ব্যাপারে তাঁদের জানানো হোক। চাকরি প্রার্থীর সংখ্যা ৬,৫৮৮। এরমধ্যে ১৮০০ প্রার্থী ইতিমধ্যেই কাজে যোগদান করেছেন। তাঁরা নিয়োগ নিয়ে বিবৃতি দাবি করেছেন। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের প্রথমে বোঝানোর চেষ্টা করে। জানা গিয়েছে, বিক্ষোভকারীদের পাঁচ জন প্রতিনিধিকে আলিপুর থানায় নিয়ে গিয়ে আলোচনা করছে পুলিশ।। পুলিশের তরফে বারবার বিক্ষোভকারীদের সতর্কও করা হয়। কিন্তু তাঁরা নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকায় বিক্ষোভকারীদের লাঠিপেটা করে ছত্রভঙ্গ করে পুলিশ। বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে বলে খবর।

জুলাই ১৯, ২০২১
কলকাতা

Golfgreen: ছাদ থেকে পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু, আত্মহত্যা না দুর্ঘটনা?

ছাদ থেকে পড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু এক বৃদ্ধার। দক্ষিণ কলকাতার গল্ফগ্রিনের ঘটনা। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে দেখে মনে হচ্ছে আত্মঘাতী হয়েছেন তিনি। তবে মৃত্যুর অন্য কারণও থাকতে পারে বলে সন্দেহ পুলিশের। তদন্ত শুরু করেছে গল্ফগ্রিন থানার পুলিশ।আরও পড়ুনঃ ছাদ থেকে পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু, আত্মহত্যা না দুর্ঘটনা?রবিবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে গল্ফগ্রিনের রাসা রোডে। মৃতার নাম বিনীতা মুখোপাধ্যায়। বয়স ৬২ বছর। প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, বৃদ্ধার ছেলে ও ছেলের বউ লখনউয়ে থাকেন। ফলে বাড়িতে একাই থাকতেন বৃদ্ধা। রবিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ প্রতিবেশীরা কিছু একটা পড়ার শব্দ পান। তাঁরা বেরিয়ে দেখেন রক্তাক্ত অবস্থায় বৃদ্ধা রাস্তায় পড়ে রয়েছেন। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে দেহ হাসপাতালে নিয়ে গেলে বৃদ্ধাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।আরও পড়ুনঃ হিজবুল মুজাহিদিনের নামে হুমকির সিডি রায়গঞ্জে, হুঙ্কার প্রাথমিকে নিয়োগ নিয়েপুলিশ জানিয়েছে, দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট হাতে এলে তবেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ বোঝা যাবে। প্রাথমিক ভাবে মনে হচ্ছে, একা থাকায় মানসিক অবসাদে ঝাঁপ দিয়ে থাকতে পারেন বৃদ্ধা। তবে তাঁর দেহ রাস্তায় যতটা দূরে পড়ে ছিল সেটা দেখেই ধন্ধে পুলিশ। তাঁকে কেউ ছাদ থেকে ধাক্কা মেরেছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বৃদ্ধার বাড়িতে কেউ ঢুকেছিল কি না সে বিষয়েও খোঁজ নিচ্ছে পুলিশ। প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলছে পুলিশ।

জুলাই ১৮, ২০২১
কলকাতা

Commissioner of Police: পুলিশ কমিশনারের সচেতনতার পাঠ

প্রাতঃভ্রমণকারীদের নিরাপত্তা খতিয়ে দেখতে সাতসকালে ময়দানে পৌঁছে যান কলকাতা পুলিশের কমিশনার সোমেন মিত্র। সঙ্গে ছিলেন, গোয়েন্দা প্রধান মুরলীধর শর্মা এবং ডিসি সাউথ আকাশ মাঘরিয়া। আগাম কোনও খবর ছাড়াই সাদা পোশাকে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালসহ ময়দান এলাকার বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন তাঁরা। নাগরিকদের নিরাপত্তা ব্যবস্থার বাস্তব চেহারা সরেজমিনে খতিয়ে দেখতেই এই সারপ্রাইজ ভিজিট বলে দাবি কলকাতা পুলিশের।আরও পড়ুনঃ কলকাতায় স্বস্তি, পাহাড়ে অস্বস্তিপ্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে দিনকয়েক আগে ছিনতাইবাজদের হামলার শিকার হন এক ব্যক্তি। খাস কলকাতায় সাতসকালে এমন দুষ্কৃতী দৌরাত্ম্যে স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন অন্যান্যরা। তবে তারপর থেকে কড়া পুলিশি প্রহরার বন্দোবস্ত করা হয়েছে। নিরাপত্তা খতিয়ে দেখতে এবার ময়দানে কলকাতা পুলিশের শীর্ষকর্তারা।আরও পড়ুনঃ আতিউলের সাইকো থ্রিলারে থাকছে চমকরবিবার ভোর পাঁচটায় আচমকাই সাইকেল চালিয়ে সাদা পোশাক পরে ময়দানে আসেন পুলিশ কমিশনার সৌমেন মিত্র। তাঁর সঙ্গে ছিলেন গোয়েন্দা প্রধান মুরলিধর শর্মা এবং ডিসি সাউথ আকাশ মাঘারিয়া। প্রাতঃভ্রমণকারীরা আদৌ ছিনতাইবাজদের নিয়ে কতটা আতঙ্কিত তা খতিয়ে দেখেন তাঁরা। প্রাতঃভ্রমণকারীদের নিরাপত্তাই বা কতটা সুনিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে, তাও খতিয়ে দেখেন পুলিশকর্তারা। কলকাতা পুলিশের তরফে যদিও ময়দান এলাকার নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। সকাল থেকেই চলছে পুলিশের টহলদারি। কিন্তু নিরাপত্তা ব্যবস্থার বাস্তব চেহারাটা কী সেটা সরেজমিনে দেখতে গিয়েছিলেন পুলিশ কমিশনার ও অন্যান্য আধিকারিকরা। তাই আগে থেকে কোনও খবর না দিয়েই সেখানে চলে যান তাঁরা। ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল-সহ বিভিন্ন এলাকা খতিয়ে দেখে। প্রাতঃভ্রমণকারীদের সঙ্গে কথা বলতেও দেখা যায় আধিকারিকদের। তাঁদের কোনও অভিযোগ রয়েছে কি না তাও শোনেন পুলিশ কর্তারা। কমিশনার ও অন্যান্য আধিকারিকদের এই উদ্যোগে তাঁরা খুশি বলেই জানিয়েছেন প্রাতঃভ্রমণকারীরা।

জুলাই ১৮, ২০২১
রাজ্য

Bird Nest: নাদনঘাট থানার বটবৃক্ষে জড়ো হওয়া পাখির দল পুলিশের মনজয় করে পেল বাসস্থান

পাখিরাও বোধহয় ভেবে নিয়েছে কিচির মিচির ডাকে পুলিশ বাবুদের খুশি করতে পারলে তারা নিরাপদ আশ্রয় পাবে! পাখিদের সেই ভাবনা যে ভুল ছিল না তা শনিবার স্বচক্ষে দেখা গেল পূর্ব বর্ধমানের নাদনঘাট থানায় পৌছে। পাখিদের কিচির মিচির ডাকে খুশি হয়ে পুলিশ বাবুরাই এদিন অসংখ্য ঝুড়ি থানা চত্তরে থাকা প্রকাণ্ড বটগাছটির ডালে ডালে ঝুলিয়ে দিলেন তাদের বাসা তৈরির সুবিধার্থে। পুলিশবাবুদের এমন পক্ষি প্রেম এলাকার মানুষজনের মন কেড়ে নিয়েছে। নাদনঘাট থানার সকল পুলিশ কর্মীরাও চাইছেন তাঁদের থানা চত্ত্বরে থাকা বটবৃক্ষই হয়ে উঠুক সকল পাখিদের নিরাপদ আশ্রয় স্থল। আর তারা যেন সকল বিকাল কিচির মিচির ডাকেই পুলিশ কর্মীদের মন ভরিয়ে রাখে।আরও পড়ুনঃ মুকুল রায়ের বিধায়কপদ খারিজ শুনানি: এবার আদালতেরও আশ্রয় নেব, বললেন শুভেন্দুনাদানঘাট থানার অদূরে রয়েছে পূর্বস্থলীর চুপীর পাখিরালয়। প্রতিবছর শীত পড়তেই দেশ বিদেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে উড়ে এসে ওই পাখিরালয়ে ভিড় জমায় প্রায় ৬০-৭০ প্রজাতির পাখি। পর্যটকরা ওই সময়ে রঙ বে রঙের পাখি দেখার টানে চুপীর পাখিরালয়ে হাজির হন। পর্যটকরা পাখি দেখে মুগ্ধ হন। তবে শীত না পড়লেও এই সময়ে অদ্ভুত ভাবেই দলে দলে পাখি আশ্রয় নিয়েছে নাদনঘাট থানা চত্ত্বরে থাকা প্রকাণ্ড বটবৃক্ষটিতে। আর তাতেই খুশিতে মাতোয়ারা থানার বড়বাবু থেকে শুরু করে সকল পুলিশ কর্মী। খুশি এলাকাবাসীও।আরও পড়ুনঃ নিশীথের নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্নচিহ্ননাদনঘাট থানার পুলিশ কর্মীদের কথায় জানা গিয়েছে, কিছুদিন হল তাঁদের থানা চত্ত্বেরে থাকা প্রকাণ্ড বটগাছটিতে বিভিন্ন ধরণের পাখির আনাগোনা শুরু হয়। দিন গড়ানোর সাথে সাথে বটগাছটিতে পাখিদের ভিড় আরও বড়তে শুরু করে। বিভিন্ন পাখির বিভিন্ন রকম ডাক মন ভরিয়ে দেয় থানার পুলিশ কর্মীদের। পুলিশ কর্মীরাও তাই পাখিদের নিয়ে কিছু একটা করায় ব্যাপারে উদগ্রীব হয়ে ওঠেন। কারণ পুলিশ কর্মীরা কেউ চাইছিলেন না থানা চত্ত্বরের বট গাছ ছেড়ে পাখিরা অন্য কোথাও চলে যাক। ওসি সুদীপ্ত মুখোপাধ্যায় তাই নিজে উদ্যোগ নিয়ে এদিন পাখিদের বাসস্থান গড়ার সুবিধার্থে বটগাছটির ডালে ডালে ঝুড়ি ঝুলিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। পাখিদের পিপাসা মেটানোর জন্যে বটগাছ সন্নিকটে মাটির পাত্রে জল রাখার ব্যবস্থাও করে দেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুনঃ হিজবুল মুজাহিদিনের নামে হুমকির সিডি রায়গঞ্জে, হুঙ্কার প্রাথমিকে নিয়োগ নিয়েওসি সুদীপ্ত মুখোপাধ্যায় বলেন, কিছুদিন যাবৎ বিভিন্ন রঙের পাখি বট গাছটিতে বসতে শুরু করে। পরে পাখিদের আনঅগোনা বাড়ে। তা দেখে থানার সকলেই খুশি হন। । নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশ পেলে তাঁদের থানা চত্ত্বরের বটবৃক্ষে আরও অনেক পাখি জড়ো হবে, পাখিরা পুলিশ কর্মীদের পাশাপাশি এলাকাবসীকেও মুগ্ধ করবে। এমন প্রত্যাশা নিয়েই এদিন গাছের ডালে ডালে পাখিদের বাসা তৈরীর সুবিধার্থে ঝুড়ি ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে ।

জুলাই ১৮, ২০২১
রাজনীতি

বিজেপি সমর্থকের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর-লুট, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন তৎপর হতেই গ্রেপ্তার চার

বিজেপি সমর্থকের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন ৪ ব্যক্তি। ধৃতরা হলেন রহিম শেখ, শেখ হারুন আলি, সামন্ত মণ্ডল ও নাসিরউদ্দিন মল্লিক ওরফে আনন্দ। পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষ থানার দৈয়র গ্রামে ধৃতদের বাড়ি। সূত্রের খবর, এই হামলার ঘটনায় খণ্ডঘোষ ব্লক তৃণমূলের সভাপতি অপার্থিব ইসলামের নামও জড়িয়েছে। খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ শুক্রবার রাতে অপার্থিব ইসলাম বাদে চারজনকে বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ শনিবার চার ধৃতকেই পেশ করে বর্ধমান আদালতে। সূত্রের খবর, লুটপাট হওয়া সামগ্রী উদ্ধারের জন্য পুলিশ ধৃতদের হেপাজতে নেওয়ার আবেদন আদালতে জানায়নি। সিজেএম ধৃতদের বিচারবিভাীয় হেপাজতে পাঠিয়ে মঙ্গলবার ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন।পুলিশ জানিয়েছে, খণ্ডঘোষের দৈয়র গ্রামে বাড়ি বিজেপি সমর্থক আব্বাসউদ্দিন মিদ্যার। তাঁর অভিযোগ, বিধানসভা ভোটের ফল প্রকাশ হওয়ার পরদিন তৃণমূলের লোকজন তাঁর বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। তাঁর বাড়ি থেকে ৩টি গরু, সোনার গয়না ও ৮০ হাজার টাকা লুট করা হয়। মারধরের ভয়ে ওই দিনই আব্বাসউদ্দিন ও তাঁর ছেলে ঘরছাড়া হন। হাইকোর্টের নির্দেশের পর পুলিশ আব্বাসউদ্দিন ও তাঁর ছেলেকে ঘরে ফিরিয়ে দেয়। অভিযোগ, এরপর ২৫ জুন সন্ধ্যায় তৃণমূলের লোকজন ফের তাঁর বাড়িতে হামলা চালায়। ভয়ে ফের ঘরছাড়া হন আব্বাসউদ্দিন ও তাঁর ছেলে। তাঁদের না পেয়ে আব্বাসউদ্দিনের স্ত্রী আনুশা মিদ্যা ও মেয়ে রেহেনা খাতুনকে বাড়ি থেকে টেনে নিয়ে গিয়ে মারধর করা হয়। আগের দিনের হামলায় আনুশার পা ভাঙে। দ্বিতীয় হামলার দিন সেই অবস্থার মধ্যেই তাঁকে ফের মারধর করা হয়। মারধরের পর তৃণমূলের লোকজন পালিয়ে যায়।জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের টিমকে আনুশা ঘটনার কথা জানানোর পাশাপাশি কমিশনের কাছেও অভিযোগ দায়ের করেন। কমিশন বিষয়টি দেখার জন্য জেলা গোয়েন্দা দপ্তরকে জানায়। গোয়েন্দা দপ্তরের নির্দেশে খণ্ডঘোষ থানা মামলা রুজু করে চার জনকে গ্রেপ্তার করে। হাইকোর্টের নির্দেশে পুলিশ আনুশা এবং তাঁর মেয়ের গোপন জবানবন্দি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে নথিভুক্ত করায়।খণ্ডঘোষ ব্লক তৃণমূলের সভাপতি অপার্থিব ইসলাম যদিও দাবি করেছেন, হামলার অভিযোগ মিথ্যা। এখন বিজেপি ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশন মিলেমিশে একাকার হয়ে গিয়েছে। তৃণমূলের বদনাম করতে ওরা এখন বিভিন্ন জায়গা ঘুরে মিথ্য মামলা রুজু করছে। এ ক্ষেত্রেও তাই ঘটেছে।

জুলাই ১৭, ২০২১
দেশ

Pak-Spy: রাজস্থান থেকে গ্রেপ্তার আইএসআই চর

মুখোশের আড়ালে থেকে দিনের পর দিন ধরে গোপন তথ্য পাকিস্তানের হাতে তুলে দিয়েছে পাক চর। এমনকী, দেশবিরোধী কাজও চালিয়ে গিয়েছে। কেউ ঘুণাক্ষরেও টের পায়নি। সম্প্রতি, রাজস্থানের পোখরান থেকে এক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ। বুধবার রাতে তাকে দিল্লিতে আনা হয়। জেরা করে তার কাছ থেকে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। আরও পড়ুনঃ জাতীয় স্তরের নাবালিকা ক্যারাটে খেলোয়াড়ের আত্মহত্যা, গ্রেফতার যুবকজানা গিয়েছে, সামান্য সবজি বিক্রেতার ছদ্মবেশে ভারতীয় সেনার গোপন তথ্য পড়শি দেশের গুপ্তচর সংস্থা ইন্টার সার্ভিস ইন্টেলিজেন্স (ISI)-এর হাতে তুলে দিত ওই ব্যক্তি। ধৃতের নাম হাবিব খান। অভিযোগ, সবজি বিক্রেতার ছদ্মবেশে জওয়ানদের সঙ্গে ভাব জমিয়ে, তাঁদের বিশ্বাস অর্জন করে, সেনার গোপন তথ্য পাক গুপ্তচর সংস্থার হাতে তুলে দিত ধৃত। দিল্লি পুলিশ সূত্রে খবর, দীর্ঘদিন ধরেই হাবিব খানের উপর নজর ছিল। সূত্রের খবর, প্রাথমিক জেরায় ধৃতের কাছ থেকে বহু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

জুলাই ১৫, ২০২১
রাজ্য

Accident: বালি বোঝাই ট্রাকের সজোরে ধাক্কা পুলিশ গাড়িকে, আহত চার

বালি বোঝাই লরির সঙ্গে টহলদারি পুলিশ গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে জখন হলেন তিন পুলিশ কর্মী ও পুলিশ গাড়ির চালক। শনিবার মধ্য রাতে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের বলগোনা-গুসকরা রোডে ভাতারের এরুয়ার বাসস্ট্যান্ডের কাছে। জখমদের সবাইকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। দুই জনকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হলেও অপর দুই পুলিশ কর্মী এখনও সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ভাতার থানার পুলিশ বালির লরি আটক করে দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।আরও পড়ুনঃ চোট নিয়ে ফাইনাল খেলেছেন মেসি! ফাঁস করলেন স্ক্যালোনিভাতার থানার পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, থানার একজন অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব ইন্সপেক্টর ও দুই কনস্টেবল পুলিশ গাড়িতে চড়ে রাতে এলাকা টহল দিচ্ছিলেন। ওই সময়ে এরুয়ার হাই স্কুলের কাছে গুসকরার দিক থেকে আসা একটি বালি বোঝাই লরির সামানের ডানদিকের চাকা আচমকাই ফেটে যায়। এর ফলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে লরিটি রাস্তার ডাকদিকে চলে গিয়ে পুলিশ গাড়িতে সজোরে ধাক্কা মারে।আরও পড়ুনঃ উইম্বলডনের নতুন রানি অ্যাশলে বার্টি, তৈরি করলেন অন্য নজিরসেই ধাক্কায় পুলিশ গাড়িটি দুমড়ে মুচরে যায়। এই দুর্ঘটনায় পুলিশ গাড়িতে থাকা ভাতার থানার এএসআই সুশান্ত রায়, কনস্টেবল পতিতপাবন ঘোষ, নরেন সোনার জখম হন। পুলিশ গাড়ির চালক বরুণ সামন্তও আহত হয়েছেন। সুশান্ত রায়ের মাথা ও শরীরের বেশ কিছু জায়গায় চোট লেগেছে। কনস্টেবল পতিতপাবন ঘোষের বাঁ পা ভেঙে যাওয়ার পাশাপাশি তাঁর মুখ ও শরীরের বাম দিকের অংশ ক্ষতবিক্ষত হয়েছে। তুলনামূলক ভাবে আঘাত কম থাকায় এএসআই সুশান্ত রায়কে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়। জখম অপর দুই পুলিশ কর্মী এখনও চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

জুলাই ১১, ২০২১
কলকাতা

Cyber Crime: পুলিশকর্তার মেয়েকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট, গ্রেপ্তার তৃণমূল নেতার ছেলে

পুলিশকর্তার মেয়ের ছবি দিয়ে নেটমাধ্যমে আপত্তিকর পোস্ট করার অভিযোগে বারাসত থেকে গ্রেপ্তার করা হল তৃণমূল নেতার ছেলেকে। ধৃতের নাম অর্কদীপ কুণ্ডু। তাঁর বাবা দীপক কুণ্ডু উত্তরপাড়া-কোতরং পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কো-অর্ডিনেটর।আরও পড়ুনঃ পায়েল মুখার্জীর হিন্দি সিনেমা বিশেষ সম্মানে ভূষিতখোদ পুলিশকর্তার মেয়ের মোবাইল নম্বর এবং ছবি ব্যবহার করে নেটমাধ্যমে অর্কদীপ আপত্তিকর পোস্ট করেছিল বলে অভিযোগ। আরও অভিযোগ ওঠে, ওই কাণ্ডের পর থেকে এই রাজ্য তো বটেই, ভিনরাজ্য, এমনকী, অন্য দেশের নম্বর থেকেও ফোন করে বিরক্ত করা হয় ওই তরুণীকে। তরুণীর দাবি, ফোন করে এবং মেসেজ পাঠিয়ে তাঁকে কুরুচিকর মন্তব্যও করা হয়। তার জেরে গত ১২ জুন বিধাননগর সাইবার থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। তার প্রায় এক মাসের মাথায় শনিবার রাতে বারাসতের নবপল্লির একটি আবাসনে বিধাননগর কমিশনারেটের সাইবার ক্রাইম বিভাগ এবং বারাসত থানার পুলিশ যৌথভাবে হানা দেয়। ওই আবাসনেই অর্কদীপ আত্মগোপন করেছিলেন বলে জানা গিয়েছে।

জুলাই ১১, ২০২১
রাজ্য

Bomb Explosion: ভাতারের বোমা বিস্ফোরণের পিছনে রহস্য কি?

বোমা বিস্ফোরণে আস্ত একটি মাটির বাড়ি নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়ার ঘটনায় কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে জেলা পুলিশের কর্তাদের। শুক্রবার ভোররাতে পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার বাণেশ্বরপুরের এই ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। পুলিশ সূত্রে খবর, এই বাড়ির সদস্য লালচাঁদের নামে এর আগেও থানায় নানা অভিযোগ আছে। কয়েকদিন আগে সে একটি ঝামেলায় জড়িয়ে ছিল। কেন বাড়িতে বোমা রাখা ছিল, কোথা থেকেই বা তা সংগ্রহ করা হয়েছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।ঘটনার খবর পেয়ে ভাতার থানার পুলিশ জামরুল মল্লিকের বাড়িতে তদন্তে যায়। সমস্তকিছু খতিয়ে দেখার পর পুলিশ কর্তারা একপ্রকার নিশ্চিৎ হন মাটির বাড়ির ভিতরেই মজুত রাখা ছিল বোমা। সেই বোমার বিস্ফোরণ ঘটাতেই গোটা মাটির বাড়িটি ভেঙে পড়েছে। আরও পড়ুনঃ স্প্যানিশ তারকা এডু গার্সিয়াকে ছেড়ে দিচ্ছে এটিকেমোহনবাগানতদন্তের প্রয়োজনে ওই বাড়িটি ও তার চারপাশ পুলিশ ঘিরে রেখেছে। বাড়ির ভিতরে আর বোমা রয়েছে কিনা তাও পুলিশ খতিয়ে দেখছে। ভাতার থানার পুলিশ জামরুল ও তাঁর ছেলে লালচাঁদকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে ।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অপরাধমূলক কাজে জড়িত থাকার জন্য অনেকদিন আগেই পুলিশের খাতায় স্থান পায় লালচাঁদের নাম। বেআইনি ভাবে আগ্নেআস্ত্র রাখার অভিযোগে বছর দেড়েক আগে লালচাঁদ পুলিশের হাতে ধরাও পড়ে।যদিও পড়ে সে ছাড়া পায়। এছাড়াও কয়েকবছর আগে ভাতার কলেজে অশান্তির ঘটনাতেও লালচাঁদের নাম জড়ায়। তারপর সে কেরলে গিয়ে বাবা জামরুল মল্লিকের সঙ্গে নির্মাণ শ্রমিকের কাজে যোগ দেয়। দিন কুড়ি আগে বাবা ও ছেলে কেরল থেকে ভাতারের বাণেশ্বরপুর গ্রামের বাড়িতে ফেরে । তার পর এদিনই তাঁদের বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটলো ।আরও পড়ুনঃ জেলাশাসক থেকে সফল ব্যবসায়ী, মেধাবী অশ্বিনী এখন দেশের বড় দায়িত্বেতদন্তে নেমে পুলিশ জেনেছে, লালচাঁদ বাড়ি ফেরার পর গত বৃহস্পতিবার রাতে পাশের কুলনগর গ্রামের কয়েকজন যুবকের সঙ্গে লালচাঁদ ও তাঁর বন্ধুদের বচসা হয়েছিল। কি নিয়ে বচসা হয়েছিল তা এখনও পরিস্কার জানা যায়নি। তবে ওই বোমা মজুতের সঙ্গে ওই গোলযোগের কোনও সম্পর্ক রয়েছে কিনা সেই বিষয়ে পুলিশ খোঁজ নেওয়া শুরু করেছে। বোমা বিস্ফোরণের তদন্তে ভাতার থানার পুলিশ বোম স্কোয়াডে ও ফরেনসিক বিভাগেরও সাহায্যা নিচ্ছে। জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কল্যাণ সিংহরায় জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের খবর পাওয়ার পরেই পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। ঘটনার তদন্ত শুর হয়েছে । ওই বাড়ির দুইজনকে আটক করে ঘটনা বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলানো হচ্ছে। আরও পড়ুনঃ জন্মদিনে বাড়িতে গিয়ে সৌরভকে শুভেচ্ছা মমতার, দিদিকে দাদার দুর্দান্ত উপহারএদিকে খবর পেয়ে এদিন দুপুর নাগাদ ঘটনাস্থলে আসে বোম্ব স্কোয়াড। আর কোথাও বোমা মজুত আছে কিনা তল্লাশি করে পুলিশ । শেষে ঘটনাস্থল থেকে কিছু নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে যায় বোম্ব স্কোয়াডের সদস্যরা।

জুলাই ০৯, ২০২১
কলকাতা

Fake Officer: শহরে ফের আটক ৪ ভুয়ো অফিসার

দেবাঞ্জন দেবের পর থেকে রাজ্যে একের পর ভুয়ো সরকারি আধিকারিকের হদিশ পাওয়া যাচ্ছে। এদিন ফের ৪ ভুয়ো আধিকারিকের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। প্রতারণা করে ৩৫ লক্ষ টাকা হাতানোর অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যে ৪ জনকেই আটক করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, ভুয়ো আ্ইএএস (IAS), ভুয়ো সিবিআই (CBI)-এর পর এবার ভুয়ো ডিএসপি পরিচয়ে হোম গার্ডে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগ। ডিএসপি এবং সরকারি উচ্চপদস্থ আধিকারিকের ভুয়ো পরিচয় দিয়ে বিপুল পরিমাণ টাকা প্রতারণা করার অভিযোগ এসেছে।আরও পড়ুনঃ স্প্যানিশ তারকা এডু গার্সিয়াকে ছেড়ে দিচ্ছে এটিকেমোহনবাগানহোমগার্ডের চাকরি দেওয়ার নাম করে ৫ জনের থেকে ৩৫ লক্ষ টাকা নেওয়ার অভিযোগ দায়ের হয়েছে বৌবাজার থানায়। বিশ্বাস অর্জন করতে খাকি টুপি ও বেল্ট এবং জাল নিয়োগপত্র দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। যে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদের মধ্যে মাসুদ রাণা (২৪) মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা। এই নিজেকে ডিএসপি বলে পরিচয় দেয়। রবি মুর্মূ (৪০) মালদার গাজল, শুভ্র নাগ রায় (৪৪) দক্ষিণ ২৪ পরগণা এবং পরিতোষ বর্মন (৫০) মেদিনীপুরের বাসিন্দা বলে পুলিশ সূত্রে খবর। পুলিশের ভুয়ো ইউনিফর্ম ও কাগজপত্র ব্যবহার করে বিপুল অঙ্কের টাকা প্রতারণা করায় চোখ কপালে উঠেছে পুলিশের। অভিযোগ, ভুয়ো নামে ডিএসপি পরিচয় দিয়ে রাজ্য পুলিসের হোম গার্ডে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় অভিযুক্তরা। মেদিনীপুর ও চাঁদনি চকের কাছে কসমস হোটেলে ঘটনাটি ঘটেছে। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। গ্রেপ্তার হওয়া ৪ জনের একজন কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন কনস্টেবল। আগেও এই কাজের জন্য সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল অভিযুক্তকে। আজকেই আদালতে পেশ করা হবে এই চারজনকে। ধৃতদের নিজেদের হেপাজতে নেওয়ার দাবি জানাবে পুলিশ।

জুলাই ০৮, ২০২১
রাজ্য

Minor Abducting: নাবালিকা বোনকে অপহরনের অভিযোগে গ্রেপ্তার দিদি ও তাঁর প্রেমিক

নাবালিকা বোনকে অপহরনের অভিযোগে দিদি ও তাঁর প্রেমিককে গ্রেপ্তার করলো পুলিশ। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীর খড়দত্ত পাড়ায়। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতরা হলেন নাবালিকার দিদি রুমা খাতুন ও তাঁর প্রেমিক সুরজ বিশ্বকর্মা। রুমার বাড়ি খড়দত্ত পাড়ায় হলেও তাঁর প্রেমিক সুরজ ঝাড়খণ্ড রাজ্যের বাসিন্দা। এই দুজনকে গ্রেপ্তার করার পরেই পুলিশ বছর ষোল বয়সী নাবালিকাকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ বুধবার দুই ধৃতকে পেশ করে কালনা মহকুমা আদালতে। বিচারক ধৃতদের বিচার বিভাগীয় হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ জখম কলেজ ছাত্রী, রক্তমাখা ধারালো কাঁচিসহ গ্রেপ্তার যুবকপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্বস্থলীতে জেসিবি চালানোর কাজ করে ঝাড়খণ্ডের যুবক সুরজ বিশ্বকর্মা। খড়দত্ত পাড়া নিবাসী তরুণী রুমা খাতুনের সঙ্গে তাঁর ভাব-ভালোবাসার সম্পর্ক তৈরী হয়। তাঁদের সম্পর্কে পথের কাঁটা হয়েছিল রুমার নাবালিকা বোন। তাই পরিকল্পনা কষে কয়েকদিন আগে রুমা তাঁর বোনকে সঙ্গে নিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে যায়। তার পর থেকে নাবালিকা আর বাড়িতে না ফেরায় বাড়ির লোকজন চিন্তায় পড়ে যান। আত্মীয়,পরিচিত সাবার বাড়িতে খোঁজ চালিয়েও নবালিকার হদিশ পান না তাঁর অবিভাবকরা। বাড়ির মেয়ের হঠাৎ করে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া নিয়ে রুমা ও তাঁর প্রেমিক সুরজের উপরে বাড়ির সবার সন্দেহ জাগে। মেয়েকে ফিরে ফেতে নাবালিকার মা এরপরেই রুমা ও তাঁর প্রেমিকের বিরুদ্ধে পূর্বস্থলী থানায় অভিযোগে জানান। অপহরনের মামলা রুজু করে পূর্বস্থলী থানার পুলিশ মেমারি থানা এলাকার একটি ডেরা থেকে রুমা ও তাঁর প্রেমিক সুরজকে গ্রেপ্তার করে। এই দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে পুলিশ নাবালিকার হদিশ জানতে পেরে তাঁকেও উদ্ধার করে। পুলিশের কাছে দুই ধৃত দাবি করেছে, অন্য যুবকের সঙ্গে ভাব ভালবাসা করিয়ে দেবে বলে কথা দিয়ে তাঁরা গোপনে নাবালিকাকে তাঁদের সঙ্গে নিয়ে চলে এসে লুকিয়ে রেখেছিল।

জুলাই ০৭, ২০২১
রাজ্য

MGNREGA Work: শাসক দলের 'গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে' জামালপুরে বন্ধ ১০০ দিনের কাজ

অতিমারিতে গ্রামগঞ্জের গরিব মানুষের আর্থিক হাল ফেরাতে তাঁদের বেশী করে ১০০ দিনের প্রকল্পে কাজ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার। কিন্তু শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠীদন্দের জেরে তা পণ্ড হতে বসেছে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর ২ পঞ্চায়েত এলাকায়। ১০০ দিনের কাজ পরিচালনা নিয়ে বুধবার এই পঞ্চায়েত এলাকার জোড়বাঁধে চরমে উঠে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘাত। দুপক্ষ সন্মুখ-সমরে অবতীর্ণ হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। শেষ পর্যন্ত প্রশাসন বাধ্য হয় জোড়বাঁধে ১০০ দিনের কাজ বন্ধ করে দিতে। বিরোধীদের পাশাপাশি জব কার্ড শ্রমিকরাও এই ঘটনা নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন।আরও পড়ুনঃ ৯৬ বছর বয়সে মারা গেলেন হকির কিংবদন্তী কেশব দত্তসংঘাতের কারণ প্রসঙ্গে জামালপুরের তৃণমূল নেতা প্রদীপ পাল বলেন, জামালপুর ২ পঞ্চায়েতের উপপ্রধান উদয় দাস নিজের মন মতো কিছু জবকার্ড শ্রমিককে দিয়ে ১০০ দিনের কাজ করাচ্ছে। অথচ জোড়বাঁধ সংসদ এলাকায় প্রায় দুশো জন জবকার্ড শ্রমিক রয়েছে। প্রদীপবাবুর আরও অভিযোগ, এলাকার পঞ্চায়েত সদস্যকে কিছু না জানিয়েই উপপ্রধান বিভিন্ন কাজ করছে। এদিনও এলাকার পঞ্চায়েত সদস্যকে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রেখেই জোড়বাঁধ এলাকায় ১০০ দিনের কাজ শুরু কর হয়। সেই খবর পেয়ে এলাকার অন্য জবকার্ড শ্রমিকরা বাঁধে গিয়ে আপত্তি তোলে। তা নিয়ে সংঘাত চরমে ওঠে। দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি, মারামারির উপক্রম হয়। এই খবর পেয়ে জামালপুর থানার পুলিশ এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়। কাজ না পাওয়া জবকার্ড শ্রমিকদের আপত্তিতে পরে কাজ বন্ধ হয়ে যায়। এলাকার পঞ্চায়েত সদস্যা শর্মিলা দাস জানান, তাঁকে না জানিয়েই উপপ্রধান তাঁর সংসদ এলাকায় কিছু জবকার্ড শ্রমিক নিয়ে কাজ করাচ্ছে। এটা সম্পূর্ণ নিয়ম বিরুদ্ধ কাজ। এমনটা চলতে দেবেন না বলে পঞ্চায়েত সদস্য শর্মিলা দাস এদিন স্পষ্ট জানিয়ে দেন। আরও পড়ুনঃ দাম্পত্যে ইতি। বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত লাগান খ্যাত ভুবনেরযদিও এদিন জোড়বাঁধ এলাকায় থাকা ১০০ দিনের কাজের সুপারভাইজার উজ্জ্বল চক্রবর্তী দাবি করেন, নিয়ম মেনে মাষ্টাররোল তৈরী করে এদিন জোড়বাঁধ এলাকায় একশোজন জবকার্ড শ্রমিককে নিয়ে কাজ শুরু হয়। এলাকার কয়েকজন জোড়বাঁধে এসে নানা অজুহাত তুলে কাজ বন্ধ করে দেয়। আপত্তিকারীদের তৃণমূলের লোক বলে মানতে চাননি উজ্জ্বল বাবু। তিনি দাবি করেন,আপত্তিকারীরা সকলে বিজেপির সমর্থক। আরও পড়ুনঃ ছোট্ট ছুটির ঠিকানা সিঙ্গিসাপারভাইজার উজ্জ্বল চক্রবর্তী বলেন, গোটা বিষয়টি তিনি ব্লক প্রশাসনকে জানিয়েছেন। পঞ্চায়েতের উপপ্রধান উদয় দাস এদিনের ঘটনা নিয়ে সংবাদ মাধ্যমের কাছে কোনও প্রতিক্রিয়া দিতে চাননি। তবে তিনি সাফাই দিয়েছেন, সরকারি নিয়ম মেনেই পঞ্চায়েত কাজ করছে। কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় হতাশ জোড়বাঁধের জবকার্ড শ্রমিকরা বলেন, নেতায় নেতায় দ্বন্দ্বে যেন তাঁদের কাজ বন্ধ না হয় । তাঁরা যাতে বেশি করে ১০০ দিনের কাজ পান তার ব্যবস্থাই করুক প্রশাসন।আরও পড়ুনঃ শিব- পার্বতীর বিবাহ স্থলেবিজেপির জামালপুর বিধাসভার আহ্বায়ক জীতেন ডকাল বলেন, এদিন জোড়বাঁধে যা কিছু ঘটেছে তার সবটাই তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। নিজেদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব আড়াল করতে তৃণমূলের এক গোষ্ঠী এখন অপর গোষ্ঠীকে বিজেপি বানিয়ে দিচ্ছে। এর থেকে বড় লজ্জার আর কিছু হতে পারে না। জোড়বাঁধ এলাকার মানুষ তৃণমূলের এইসব নাটক সন্মন্ধে ওয়াকিবহাল রয়েছেন বলে জীতেন বাবু মন্তব্য করেন।জামালপুর ব্লকের বিডিও শুভঙ্কর মজুমদার বলেন, ১০০ দিনের কাজ নিয়ে সমস্যার কথা শুনেছি। সমস্যা মিটিয়ে দ্রুত যাতে ১০০ দিনের শুরু হয় সেই বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জুলাই ০৭, ২০২১
রাজ্য

Police Transfer: রাজ্য পুলিশে বড়সড় বদলি

রাজ্য পুলিশের বেশ কিছু পদে জরুরি ভিত্তিতে বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য বর্ধমানের আইসি বদল। সুখময় চক্রবর্তীকে বর্ধমানের নতুন আইসি করা হয়েছে। পুরনো আইসি পিন্টু সাহাকে বারাসতের কোর্ট ইনস্পেক্টর করে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুনঃ বিধানসভায় দিলীপ-মদনের রঙিন রসিকতাদক্ষিণ দিনাজপুরের আইসি দিপোজ্জল ভৌমিককে বদলি করে বহরমপুরের কোর্ট ইনস্পেক্টর করা হয়েছে। পীযুষকান্তি সমাদ্দারকে দক্ষিণ দিনাজপুরে পাঠানো হয়েছে। ব্যারাকপুরের আইসি ত্রিগুণা রায়কে পাঠানো হয়েছে ক্যালিম্পঙে।চন্দননগরের আইসি সৌরভ বন্দ্যোপাধ্যায়কে বদল করে তারকেশ্বরে পাঠানো হয়েছে। ডায়মন্ডহারবারের আইসি সায়েদ রাজিউল কবীরকে ভাঙড়ে পাঠানো হয়েছে। মুর্শিদাবাদের বেলডাঙার ফিরোজ আলিকে ডায়মন্ডহারবার রবীন্দ্রনগরে পাঠানো হয়েছে। রায়গঞ্জের সন্দীপন চ্যাটার্জিকে মুর্শিদাবাদ বেলডাঙায় পাঠানো হয়েছে। হাওড়া জিআরপির প্ল্যাটফর্ম ইনস্পেক্টর তপজ্যোতি দাসকে খড়গপুরে সিআই পদে পাঠানো হয়েছে। বাঁকুড়ার দীনেশ মণ্ডলকে ক্যালিম্পঙে পাঠানো হয়েছে। হাড়োয়ার সিআই অনির্বাণ বিশ্বাসকে বারুইপুর নরেন্দ্রপুরে পাঠানো হয়েছে। জলপাইগুড়ির আইসি গৌতম রায়কে ইসলামপুরে কোর্ট ইনস্পেক্টর করে পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও আরও বেশ কিছু জায়গায় রাজ্য পুলিশের আইসি ও অন্যান্য কিছু স্তরে বদলি করা হয়েছে।

জুলাই ০৭, ২০২১
রাজ্য

Maldah Murder: কালিয়াচক-কাণ্ডে নয়া মোড়

কালিয়াচক-কাণ্ডে নয়া মোড়। ময়নাতদন্তে অভিযুক্ত আসিফের বাবা ও মায়ের গলায় পাওয়া গেল আঙুলের দাগ। তাহলে কি শ্বাসরোধ করে খুন? মৃত্যুর আগে ধস্তাধস্তি হয়েছিল? এই নিয়ে রীতিমতো ধন্দে পুলিশ। তাই অভিযুক্ত মহম্মদ আসিফকে ফের জেরা করতে চান তদন্তকারীরা।আরও পড়ুনঃ কীভাবে ফাঁদে ফেলত চাকরির প্রতারণা চক্র? কারাই বা পান্ডা?বাবা, মা, বোন ও ঠাকুমা কাউকেই রেয়াত করেনি সে। খুন করে দেহ লুকিয়ে রেখেছিল বাড়ির চৌবাচ্চায়। ১৯ জুন মালদহের কালিয়াচকের একটি বাড়ি থেকে চারটি কঙ্কাল উদ্ধার করে পুলিশ। এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে কে? পুলিহের কাছে ছোট ভাইয়ের এই অপরাধের কথা ফাঁস করে দেন দাদা মহম্মদ আরিফ। অভিযুক্ত মহম্মদ আসিফ এখন পুলিশের হেপাজতে। তদন্তকারীদের দাবি, জেরায় বা ঘটনার পুনর্নিমার্ণের সময়ে বাবা-মাকে শ্বাসরোধ করে খুনের কথা বলেনি সে।আরও পড়ুনঃ মুম্বইয়ে আটক ২ হাজার কোটির হেরোইনতাহলে গলায় আঙুলের দাগ এল কী করে? তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, অচৈতন্য অবস্থায় চৌবাচ্চায় ডুবিয়ে নয়, বাবা-মাকে শ্বাসরোধ করে খুন করেছিল আসিফ। এমনকী, মৃত্যুর আগে তাঁদের সঙ্গে ধস্তাধস্তির সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। আগামী ১৭ জুলাই ফের আদালতে তোলা হবে অভিযুক্তকে। তার আগে পুলিশি হেপাজতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

জুলাই ০৬, ২০২১
রাজ্য

Cheating Style: কীভাবে ফাঁদে ফেলত চাকরির প্রতারণা চক্র? কারাই বা পান্ডা?

চিটফাণ্ড কাণ্ডে এরাজ্যে লক্ষ লক্ষ মানুষ নিঃস্ব হয়েছে। এবার চাকরি, তার সঙ্গে প্রশিক্ষণের নামে সক্রিয় প্রতারণা চক্র। করোনা আবহেও তারা অতি-সক্রিয়। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে এই প্রতারণা চক্রের জাল বহুদূর বিস্তৃত রয়েছে, যার সঙ্গে যোগসাজস থাকতে পারে প্রভাবশালীদেরও। কীভাবে এই চক্র জাল বিছিয়ে ছিল? কারাই বা এই কাণ্ডের মাথা?আরও পড়ুনঃ কীভাবে ফাঁদে ফেলত চাকরির প্রতারণা চক্র? কারাই বা পান্ডা?পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতরা হল মিহির কুমার দাস, আলি হোসেন, হাসিবুল রহমান, আবুল বাসদ, রিয়াজুল ইসলাম, ইব্রাহিম শেখ, শ্যামসুল আলম ও মলয় কর্মকার। এই ধৃতদের মধ্যে প্রথম ছয় জন মুর্শিদাবাদ জেলার বাসিন্দা। বাকিদের মধ্যে শ্যামসুল বীরভূম জেলার নলহাটি থানার গোপালচক ও মলয় কর্মকার হুগলির সিঙ্গুর থানার জগৎনগর এলাকার বাসিন্দা। পুলিশের দাবি ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ৭টি মোবাইল ফোন, ৩ টি পেনড্রাইভ, ৭টি স্ট্যাম্প, অশোকস্তম্ভ দেওয়া বেশ কিছু নথিপত্র ও ফর্ম, কয়েকটি রেজিস্টার খাতা, ১লক্ষ ১০ হাজার ৫০০ টাকা, সংবাদপত্রে দেওয়া বিজ্ঞাপনের কপি এবং একটি দামি চারচাকা গাড়ি। এ ছাড়াও উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের কাছে পাঠানো চিঠি, পথ-সুরক্ষা নিয়ে রাজ্যপালের শংসাপত্রও উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশ দাবি করেছে।আরও পড়ুনঃ গানওয়ালার গান চুরির অভিযোগ, ক্ষোভপ্রকাশ সামাজিক মাধ্যমেপ্রতারণার একাধিক ধাারায় মামলা রুজু করে পুলিশ মঙ্গলবার ৮ ধৃতকে পেশ করে বর্ধমান আদালতে। প্রতারণা চক্রে জড়িত বাকি পাণ্ডাদের হদিশ পেতে ও তদন্তের প্রয়োজনে তদন্তকারী অফিসার ধৃতদের মধ্যে মিহির দাস, আবুল বাসার ও মলয় কর্মকারকে ৭ দিন নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে এদিন আদালতে আবেদন জানান। সিজেএম ৩ ধৃতের ৫ দিনের পুলিশি হেপাজত ও বাকিদের জেল হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। অভিযুক্তদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন প্রতারিত চাকরি প্রার্থীরা।আরও পড়ুনঃ দাম্পত্যে ইতি। বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত লাগান খ্যাত ভুবনেরপথ সুরক্ষার প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রায় তিন হাজার বেকার যুবক -যুবতীয় কাছে একটি সংস্থার নাম করে প্রতারকরা কয়েক কোটি টাকা তুলেছে বলে অভিযোগ। মঙ্গলবার জেলার মেমারির পালসিটের একটি ধাবাতে প্রশিক্ষণ নেওয়া কর্মপ্রার্থীদের শপথ পত্রে সই করাতে আসে প্রতারক দলটি। মেমারির কানাইডাঙা নিবাসী সেখ মইনুল হাসান নামে এক প্রতারিত যুবক প্রতারকদের বিষয়ে ওইদিনই মেমারি থানায় অভিযোগ জানান। পালশিটের এক ধাবায় হাজির হয়েছিলেন ৩৩ জন কর্মপ্রার্থী। তাঁরা মূলত পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, হুগলি জেলার বাসিন্দা। তাঁদের মধ্যে মেমারির কানাইডাঙার মইনুল হাসান সহ ২০ জন পুলিশকে প্রতারণার কথা জানান। মইনুল হাসানের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মামলা রুজু করেছে।আরও পড়ুনঃ শিব- পার্বতীর বিবাহ স্থলেযুবক মইনুল হাসান পুলিশকে অভিযোগে জানিয়েছে, ২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে শক্তিগড়ের সামন্তী গ্রামের বাসিন্দা ধনঞ্জয় মাঝির মাধ্যমে তাঁর মুর্শিদাবাদের নবগ্রামের মিহির কুমার দাসের পরিচয় হয়। ওই ব্যক্তির সঙ্গেই তারকেশ্বরের মহেশপুরের বিনয় কুমার মালিকের কাছে গিয়ে তিনি কেন্দ্র সরকারের চাকরির আশায় ৫৫ হাজার টাকা দেন। তাঁদের গ্রামের শেখ গোলাম মহম্মদ ছাড়াও আরও কোন কোন কর্মপ্রার্থী কত টাকা চাকরির জন্য দিয়েছে তাও তিনি পুলিশকে লিখিত ভাবে জানিয়েছেন। ওই যুবক জানিয়েছে, ২০১৭ সাল থেকে এই চক্রটি চলছে। দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ে-সহ রাজ্যের অন্য লেনে পথ নিরাপত্তার কাজে তাঁদের নিয়োগ করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কেন্দ্র সরকারের তরফে এই চাকরি দেওয়া হবে বলে জানিয়ে কর্মপ্রার্থীদের কাছে আবেদন নেওয়া হয়। তারপর ৬০ হাজার থেকে সাড়ে চারলক্ষ টাকা ধাপে ধাপে কর্মপ্রার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া হয়। এরপর কলকাতার কসবার কাছে একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁদের শারীরিক পরীক্ষা করানো হয়। এরপর তাঁদের বারাসাতে তিনদিনের প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়। যদিও ধৃতরা দাবি করেছে, চাকরি দেওয়ার নাম করে নয়, প্রশিক্ষণ দেওয়ার নামে ২৫ হাজার টাকা করে তাঁরা নিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ বিধানসভায় দিলীপ-মদনের রঙিন রসিকতাজেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কল্যাণ সিংহ রায় জানিয়েছেন, ধৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে, তাঁদের হেড অফিস কলকাতার নিমতা থানার বিরাটিতে। জনৈক দেবকুমার চট্টোপাধ্যায় হচ্ছেন ওই সংস্থার প্রধান। গোটা চক্রটিকে ধরার চেষ্টা চলছে।

জুলাই ০৬, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

১৯৭১-এর যুদ্ধনায়ককে কেন ডাকা হল এসআইআর শুনানিতে? মুখ খুলল নির্বাচন কমিশন

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের বুকে কাঁপন ধরানো প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধান অ্যাডমিরাল অরুণ প্রকাশকে ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর শুনানিতে তলব করা ঘিরে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধানকে কেন পরিচয় প্রমাণের জন্য নোটিস পাঠানো হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই সোমবার মুখ খুলল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।এসআইআর শুনানির নোটিস পাওয়ার পর নিজের এক্স হ্যান্ডেলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অ্যাডমিরাল প্রকাশ। তাঁর পোস্ট সামনে আসার পরই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, অ্যাডমিরাল প্রকাশের জমা দেওয়া এনুমারেশন ফর্মে পূর্ববর্তী এসআইআর সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য ছিল না। সেই কারণেই তাঁকে শুনানিতে ডাকা হয়েছে।এলাকার ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার মেডোরা এরমোমিল্লা ডিকোস্টা জানান, এনুমারেশন ফর্মে ভোটারের নাম, এপিক নম্বর, আত্মীয়ের নাম, বিধানসভা কেন্দ্রের নাম ও নম্বর, অংশ নম্বর এবং ভোটার তালিকার ক্রমিক নম্বরের মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উল্লেখ ছিল না। ফলে বিএলও অ্যাপের মাধ্যমে নতুন ফর্মের সঙ্গে পুরনো ভোটার তালিকার স্বয়ংক্রিয় মিল করা সম্ভব হয়নি। শনাক্তকরণের প্রয়োজনীয় তথ্য না থাকলেই এই ধরনের ক্ষেত্রে শুনানির জন্য ডাকা হয় বলে জানান তিনি।১৯৭১ সালের যুদ্ধে বায়ুসেনার পাঞ্জাব স্কোয়াড্রনের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বিমান চালিয়েছিলেন অ্যাডমিরাল অরুণ প্রকাশ। সেই সাহসিকতার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি বীর চক্র পান। প্রায় ৪০ বছর নৌসেনায় কাজ করেছেন তিনি। ফাইটার স্কোয়াড্রন, এয়ার স্টেশন, আইএনএস বিরাট-সহ মোট চারটি যুদ্ধজাহাজ পরিচালনা করেছেন। নৌসেনাপ্রধান থাকাকালীন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারও করেছিলেন তিনি।নোটিস পাওয়ার পর কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে অ্যাডমিরাল প্রকাশ লেখেন, এসআইআর ফর্মে যদি প্রয়োজনীয় তথ্য না পাওয়া যায়, তাহলে ফর্ম সংশোধন করা উচিত ছিল। তিনি আরও বলেন, বিএলও তিনবার তাঁদের বাড়িতে এসেছিলেন, তখনই অতিরিক্ত তথ্য চাওয়া যেত। তাঁর অভিযোগ, তিনি ও তাঁর স্ত্রী যথাক্রমে ৮২ ও ৭৮ বছর বয়সে পৌঁছেছেন, অথচ তাঁদের বাড়ি থেকে ১৮ কিলোমিটার দূরে শুনানিতে ডাকা হয়েছে, তাও আবার আলাদা আলাদা দিনে।এই মন্তব্য সামনে আসার পরই বিতর্ক তীব্র হয়। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ফের জানানো হয়েছে, প্রয়োজনীয় শনাক্তকরণ তথ্য না থাকলে বিএলও অ্যাপ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ম্যাপিং করতে পারে না। সেই কারণেই সংশ্লিষ্ট ভোটারদের শুনানিতে ডাকা হচ্ছে বলে ব্যাখ্যা দিয়েছে কমিশন।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
বিদেশ

ইরানে বিক্ষোভে গ্রেপ্তার ভারতীয়রা? অভিযোগ উড়িয়ে মুখ খুলল তেহরান

খামেনেই প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে উত্তাল ইরান। সেই অশান্ত পরিস্থিতির মধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে খবর, অন্তত ছজন ভারতীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুধু ভারতীয় নয়, বিক্ষোভ দমনের নামে অন্যান্য দেশের নাগরিকদেরও নাকি আটক করছে ইরানের প্রশাসন। এই অভিযোগ ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তবে এই সব দাবি নিয়ে এবার প্রকাশ্যে মুখ খুলল তেহরান।মানবাধিকার সংগঠনগুলির দাবি, ইরানে চলমান বিক্ষোভে এখনও পর্যন্ত প্রায় আড়াই হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরই মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে যে, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে ছজন ভারতীয় নাগরিককে আটক করা হয়েছে। অভিযোগ, সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের ঘটনায় তাঁরা জড়িত ছিলেন। তবে এই খবরকে কার্যত ভুয়ো বলে দাবি করেছেন ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মহম্মদ ফাথালি।এক্স হ্যান্ডেলে একটি সংবাদ প্রতিবেদন শেয়ার করে ইরানের রাষ্ট্রদূত লেখেন, ইরান নিয়ে বিদেশি বহু সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে ভুয়ো খবর ছড়ানো হচ্ছে। তিনি সকলকে নির্ভরযোগ্য ও সরকারি সূত্র থেকে খবর জানার অনুরোধ জানান। যদিও বাস্তবে ইরান থেকে সঠিক তথ্য পাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে। বিক্ষোভ শুরুর পর থেকেই সেখানে ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত বন্ধ। পাশাপাশি বিদেশে ফোন করার উপরেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন। ফলে মৃত ও গ্রেপ্তারির প্রকৃত সংখ্যা সরকারি হিসেবের তুলনায় অনেক বেশি হতে পারে বলেই অনুমান করা হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি। সরকারিভাবে কিছু ঘোষণা না করা হলেও কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রে জানা গিয়েছে, ইরানের পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। প্রয়োজনে সেখানকার প্রবাসী ভারতীয়দের কীভাবে দেশে ফিরিয়ে আনা যায়, তা নিয়েও প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয়েছে।এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আশঙ্কাও ঘনীভূত হচ্ছে। পরিস্থিতি যেদিকে এগোচ্ছে, তাতে যে কোনও মুহূর্তে ইরানে সামরিক পদক্ষেপ করতে পারে আমেরিকা, এমনই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির পর এই জল্পনা আরও জোরদার হয়েছে।আমেরিকার সংবাদপত্র নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরানের পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছেন ট্রাম্প। এখনও পর্যন্ত কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নেওয়া হলেও মার্কিন প্রশাসনের একাংশ মনে করছে, ইরানে হামলার বিকল্প ভাবছেন তিনি। তেহরান-সহ গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ঘাঁটিতে আঘাত হানার পরিকল্পনাও আলোচনায় রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

আইপ্যাক-কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক অভিযোগ! মমতার বিরুদ্ধে ‘চুরি-ডাকাতি’র তুলনা ইডির

আইপ্যাক-কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে জোড়া পিটিশন দায়ের করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। একটি পিটিশন দায়ের করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা নিজে। অন্যটি দায়ের করেছেন ইডির তিন আধিকারিক নিশান্ত কুমার, বিক্রম অহলওয়াত এবং প্রশান্ত চান্ডিলা। এই দুই মামলাতেই রাজ্য সরকারের পাশাপাশি যুক্ত করা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার, কলকাতার নগরপাল মনোজ ভর্মা, কলকাতা পুলিশের ডিসি দক্ষিণ প্রিয়ব্রত রায় এবং সিবিআইকে।ইডির দায়ের করা পিটিশনে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে। আদালত সূত্রে খবর, পিটিশনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইডি অভিযানের সময় অযাচিত প্রবেশ এবং একটি ফাইল নিয়ে চলে যাওয়ার ঘটনাকে চুরি ও ডাকাতির সঙ্গে তুলনা করেছে তদন্তকারী সংস্থা। শুধু তাই নয়, ইডির কাজে যে বাধা দেওয়া হয়েছিল, তা মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে পিটিশনে।এই মামলায় নিজেদের যুক্তি জোরদার করতে ইডি অতীতের তিনটি ঘটনার উল্লেখ করেছে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, বিভিন্ন সময়ে কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তে মুখ্যমন্ত্রী ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন, যা আইনের শাসনের পরিপন্থী।পিটিশনে প্রথম যে ঘটনার কথা বলা হয়েছে, তা ২০১৯ সালের ৩ ফেব্রুয়ারির। সারদা মামলায় তৎকালীন পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের বাড়িতে সিবিআই হানার প্রতিবাদে ধর্মতলায় মুখ্যমন্ত্রীর ধর্নার প্রসঙ্গ তুলে ধরা হয়েছে। দ্বিতীয় ঘটনাটি ২০২১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারির। কয়লা পাচার মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিবিআই তাঁদের বাড়িতে পৌঁছনোর আগেই সেখানে হাজির হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তৃতীয় ঘটনাটি ২০২১ সালের ১৭ মে-র। নারদ মামলায় ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র এবং শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় গ্রেফতার হওয়ার পর নিজাম প্যালেসে গিয়ে সিবিআইয়ের সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এমনটাই দাবি ইডির।এতেই শেষ নয়। কলকাতা হাইকোর্টে একটি শুনানি ভেস্তে যাওয়ার নেপথ্যেও তৃণমূল কংগ্রেসকে দায়ী করেছে ইডি। তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, শাসকদলের কর্মী-সমর্থকেরা হোয়াটসঅ্যাপ মারফত বার্তা পাঠিয়ে জমায়েত করেছিলেন।এই সব অভিযোগের ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্টের কাছে একাধিক আবেদন জানিয়েছে ইডি। মুখ্যমন্ত্রী যে বৈদ্যুতিন যন্ত্র নিয়ে গিয়েছিলেন, সেখান থেকে কোনও তথ্য যেন ডিলিট বা ক্লোন না করা হয়, সেই নির্দেশ চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কয়লা পাচার তদন্তে যুক্ত কোনও কেন্দ্রীয় আধিকারিকের বিরুদ্ধে যেন কলকাতা বা বাংলার কোনও থানায় এফআইআর গ্রহণ না করা হয়, সেই আবেদনও জানানো হয়েছে। শেক্সপিয়ার সরণী থানায় দায়ের হওয়া এফআইআর স্থগিত রাখার আর্জিও জানানো হয়েছে। সবশেষে আইপ্যাক-কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবিও তুলেছে ইডি।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

ইডি হানার পরই রাজ্যে বিশেষ বাহিনী! RAF নামল কলকাতায়

ইডির তল্লাশিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ সামনে আসতেই রাজ্যে পাঠানো হল সিআরপিএফের বিশেষ বাহিনী। গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার আইপ্যাকের অফিস এবং আইপ্যাক কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেই সময় সেখানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, তিনি কিছু নথি ও হার্ডডিস্ক সঙ্গে নিয়ে বেরিয়ে যান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাজ্য পুলিশের শীর্ষ কর্তারা। এই ঘটনার পরেই রাজ্যে আসে সিআরপিএফের এক কোম্পানি র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স বা RAF।সূত্রের খবর, ঝাড়খণ্ডের জামশেদপুর থেকে এই এক কোম্পানি RAF বাংলায় পাঠানো হয়েছে। আপাতত বাহিনীটিকে রাজারহাটের সিআরপিএফ ক্যাম্পে রিজার্ভে রাখা হয়েছে। ভবিষ্যতে যদি ইডি বা অন্য কোনও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তল্লাশিতে গিয়ে বাধার মুখে পড়ে, অথবা কোনও বড় আইনশৃঙ্খলার সমস্যা তৈরি হয়, তাহলে এই RAF বাহিনীকে কাজে লাগানো হবে।বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে কোনও রাজনৈতিক উত্তেজনা বা হিংসার ঘটনা ঘটলেও পরিস্থিতি সামাল দিতে নামানো হতে পারে এই বিশেষ বাহিনীকে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় RAF-এর কাছে রয়েছে বিশেষ গাড়ি ও অত্যাধুনিক সরঞ্জাম, যা দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।এদিকে আইপ্যাক-কাণ্ডের পর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার নিরাপত্তা নিয়েও বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে রয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের দফতর। সিবিআই সেখান থেকে চলে যাওয়ার পর দীর্ঘদিন ওই কমপ্লেক্সে কোনও আধাসেনা মোতায়েন ছিল না। নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল একটি বেসরকারি সংস্থা। তবে সাম্প্রতিক ঘটনার পর সিজিও কমপ্লেক্সের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।আইপ্যাক-কাণ্ড ঘিরে রাজ্য ও কেন্দ্রের সংঘাতের আবহে এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে প্রশাসনিক মহল।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

হোয়াটসঅ্যাপে নির্দেশ? এসআইআর মামলায় নির্বাচন কমিশনকে কাঠগড়ায় শীর্ষ আদালত

ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে বড় পদক্ষেপ করল সুপ্রিম কোর্ট। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে নোটিস পাঠিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। সোমবার তৃণমূল কংগ্রেসের দুই সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এবং দোলা সেনের করা মামলার ভিত্তিতে এই নির্দেশ দিয়েছে আদালত।এদিন এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চে। রাজ্যে চলা নিবিড় ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে আলাদা করে মামলা করেছিলেন দুই তৃণমূল সাংসদ। সেই মামলার শুনানিতেই এদিন নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন ওঠে। সাংসদদের পক্ষে সওয়াল করেন প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল।শুনানিতে কপিল সিব্বল অভিযোগ করেন, এসআইআর প্রক্রিয়ায় একাধিক গাফিলতি ও অনিয়ম হয়েছে। তাঁর দাবি, নির্বাচন কমিশন বহু ক্ষেত্রে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে নির্দেশ পাঠাচ্ছে, যা একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আরও জানান, বাংলার বহু ভোটারকে অযৌক্তিক ভাবে চিহ্নিত করে শুনানিতে ডাকা হচ্ছে। কমিশনের তরফে যে সব অমিল বা লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সির কথা বলা হচ্ছে, তার অনেকটাই বাস্তবে অযৌক্তিক বলে দাবি করেন তিনি।আইনজীবীর এই যুক্তি শুনে নির্বাচন কমিশনের কাছে জবাব তলব করে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের নির্দেশে কমিশনের উদ্দেশে নোটিস জারি করা হয়। শুনানিতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জবাব দিতে তাদের দুসপ্তাহ সময় প্রয়োজন। কিন্তু প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, এই সপ্তাহের মধ্যেই হলফনামা জমা দিতে হবে।আদালত জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহেই এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের এই কড়া অবস্থান ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

আরএসি নেই, ওয়েটিং নেই! বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন নিয়ে বড় ঘোষণা রেলের

আর মাত্র কয়েকদিনের অপেক্ষা। তারপরই বাংলা থেকে গড়াতে চলেছে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের চাকা। হাওড়া থেকে গুয়াহাটি পর্যন্ত চলবে এই নতুন প্রিমিয়াম ট্রেন। আগামী ১৭ জানুয়ারি মালদহ স্টেশন থেকে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই ট্রেন চালু হওয়ার খবরে সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে আগ্রহ তুঙ্গে।এবার বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন নিয়ে বড় আপডেট সামনে আনল রেল। জানানো হয়েছে, এই ট্রেনে কোনও আরএসি বা ওয়েটিং লিস্ট টিকিট থাকবে না। শুধুমাত্র কনফার্ম টিকিটেই যাত্রা করা যাবে। অর্থাৎ টিকিট কাটলে সিট বা বার্থ নিশ্চিত থাকবেই।রেল সূত্রে খবর, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের ন্যূনতম ভাড়া ধরা হয়েছে ৪০০ কিলোমিটার দূরত্বের জন্য। রাজধানী এক্সপ্রেস বা শতাব্দী এক্সপ্রেসের মতো প্রিমিয়াম ট্রেনের তুলনায় এই ট্রেনের ভাড়া সামান্য বেশি হবে বলে জানানো হয়েছে। তবে যাত্রীদের জন্য থাকবে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা।রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ট্রেনে মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ থাকবে। পাশাপাশি বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তি এবং প্রবীণ নাগরিকদের জন্যও আলাদা কোটা থাকছে। ডিউটি পাস কোটার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।ভাড়ার হিসাব অনুযায়ী, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে ৩এসি শ্রেণিতে প্রতি কিলোমিটার ভাড়া ধরা হয়েছে ২ টাকা ৪০ পয়সা। ২এসি শ্রেণিতে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া হবে ৩ টাকা ১০ পয়সা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রতি কিলোমিটারে ৩ টাকা ৮০ পয়সা।যেহেতু ন্যূনতম ৪০০ কিলোমিটারের ভাড়া নেওয়া হবে, তাই ৩এসি শ্রেণিতে ৪০০ কিলোমিটার পর্যন্ত যাত্রার জন্য খরচ পড়বে ৯৬০ টাকা। ২এসি শ্রেণিতে এই ভাড়া হবে ১২৪০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পড়বে ১৫২০ টাকা। এই ভাড়ার সঙ্গে অতিরিক্ত জিএসটি যোগ হবে।হাওড়া থেকে গুয়াহাটির দূরত্ব প্রায় ১০০০ কিলোমিটার। এই পথে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ২৪০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৩১০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পড়বে প্রায় ৩৮০০ টাকা।রেল সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ভবিষ্যতে ২০০০ কিলোমিটার দূরত্বের যাত্রায় ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ৪৮০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৬২০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ৭৬০০ টাকা। ৩০০০ কিলোমিটার দূরত্বের ক্ষেত্রে ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ৭২০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৯৩০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পৌঁছবে প্রায় ১১ হাজার ৪০০ টাকায়।বর্তমানে হাওড়া থেকে গুয়াহাটি পর্যন্ত চলা সরাইঘাট এক্সপ্রেসে সর্বোচ্চ ভাড়া ৩এসি শ্রেণিতে ১৪১০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ১৯৮৫ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ৩৩২০ টাকা।সময়সূচি অনুযায়ী, হাওড়া থেকে গুয়াহাটিগামী বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেস ছাড়বে সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে এবং পরের দিন সকাল ৮টা ২০ মিনিটে গুয়াহাটিতে পৌঁছবে। গুয়াহাটি থেকে এই ট্রেন ছাড়বে সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিট নাগাদ এবং পরের দিন সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে হাওড়ায় পৌঁছবে। সপ্তাহে ছয় দিন এই ট্রেন চলবে। বৃহস্পতিবার ট্রেনটি চলবে না।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
রাজ্য

কাজের কাগজেই ভোটাধিকার! উত্তরবঙ্গের চা বাগান শ্রমিকদের জন্য বড় ছাড় নির্বাচন কমিশনের

উত্তরবঙ্গের চা এবং সিঙ্কোনা বাগানে কর্মরত শ্রমিকদের জন্য বিশেষ ছাড় ঘোষণা করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ভোটার তালিকায় নাম তোলার ক্ষেত্রে এবার কাজের নথিই যথেষ্ট বলে জানানো হয়েছে। এর ফলে বহু বাগান শ্রমিকের ভোটাধিকার পাওয়ার পথ অনেকটাই সহজ হল।রবিবার এই সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে পাঠিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম তুলতে হলে সংশ্লিষ্ট চা বা সিঙ্কোনা বাগানে কাজ করার প্রমাণপত্র জমা দিলেই হবে। তবে তার সঙ্গে বৈধ বাসস্থানের প্রমাণপত্র যুক্ত করা বাধ্যতামূলক। এই দুটি নথি থাকলেই ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করতে আর কোনও সমস্যা হবে না।এই বিশেষ ছাড় শুধুমাত্র উত্তরবঙ্গের সাতটি জেলার জন্য প্রযোজ্য। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং কোচবিহার জেলার চা ও সিঙ্কোনা বাগানের শ্রমিকরাই এসআইআর পর্বে এই সুবিধা পাবেন।প্রসঙ্গত, ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য প্রথমে মোট ১১টি নথি নির্ধারণ করেছিল নির্বাচন কমিশন। পরে আরও দুটি নথি যুক্ত করা হয়আধার কার্ড এবং বিহারের এসআইআর সংক্রান্ত নথি। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, উত্তরবঙ্গের বহু চা ও সিঙ্কোনা বাগানের শ্রমিকের কাছেই এই নথিগুলি নেই। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তাঁরা বাগানের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও আধুনিক পরিচয়পত্র অনেকের কাছেই অধরা।এই পরিস্থিতিতে উত্তরবঙ্গের সাত জেলার জেলাশাসকরা নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন জানান, যাতে বাগানের কাজের নথিকেই ভোটার তালিকাভুক্তির প্রমাণ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। অবশেষে সেই দাবিতে সায় দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।এর পাশাপাশি, রাজ্যের প্রান্তিক এবং বিচ্ছিন্ন এলাকার মানুষের কথা মাথায় রেখে এসআইআর শুনানি প্রক্রিয়াতেও বড় পরিবর্তন এনেছে কমিশন। ডিসেন্ট্রালাইজড হিয়ারিং সেন্টার বা বিকেন্দ্রীভূত শুনানি কেন্দ্র চালু করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এর ফলে দুর্গম বা প্রত্যন্ত এলাকায় বসবাসকারী মানুষও সহজে এসআইআর শুনানিতে অংশ নিতে পারবেন। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছে কমিশন।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতা হাইকোর্টে নতুন প্রধান বিচারপতি কে? জানুন বিচারপতি সুজয় পালের পুরো প্রোফাইল

কলকাতা হাইকোর্টের নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হলেন বিচারপতি সুজয় পাল। এতদিন তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন। গত ৯ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়ামের বৈঠকে তাঁর নামেই কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি পদে চূড়ান্ত সিলমোহর দেওয়া হয়।প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম অবসর নেওয়ার পর থেকেই ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্বে ছিলেন বিচারপতি সুজয় পাল। তার আগে এই পদে ছিলেন বিচারপতি সৌমেন সেন। পরে তাঁকে মেঘালয় হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগের সুপারিশ করা হলে সেই পদে আসেন বিচারপতি সুজয় পাল।বিচারপতি সুজয় পালের জন্ম একটি প্রবাসী বাঙালি পরিবারে। তবে তাঁর বেড়ে ওঠা মধ্যপ্রদেশে। তিনি এলএস ঝা মডেল স্কুলে পড়াশোনা করেন। পরে মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুরে রাণি দুর্গাবতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। সেখান থেকেই আইন বিষয়ে পড়াশোনা করে এলএলবি ডিগ্রি লাভ করেন তিনি।আইনজীবী হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করার পর ২০১১ সালে তিনি জব্বলপুরে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের বিচারক হিসেবে নিযুক্ত হন। পরে তাঁর ছেলে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরু করায় তাঁকে তেলঙ্গানা হাইকোর্টে বদলি করা হয়। এরপর ২০২৫ সালের ২৬ মে বি আর গাভাইয়ের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়াম তাঁকে কলকাতা হাইকোর্টে বদলির সুপারিশ করে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ২০১৮ সালে কলকাতা হাইকোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতির অবসরের পর আর কোনও বাঙালি বিচারপতি এই পদে আসেননি। সেই পরিস্থিতি এখনও বদলাল না। নতুন প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল দায়িত্ব নেওয়ার মধ্য দিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে ফের এক নতুন অধ্যায় শুরু হল বলে মনে করছেন আইন মহলের একাংশ।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal