• ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩, বুধবার ০৫ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Pakistan

দেশ

ভারতীয় নৌসেনার গোপন তথ্য পাকিস্তানে! কর্নাটকে গ্রেপ্তার দুই যুবক, সামনে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য

ভারতের নৌবাহিনীর গোপন তথ্য পাকিস্তানে পাচারের অভিযোগে কর্নাটকের উদুপিতে গ্রেপ্তার হলেন দুই যুবক। অভিযোগ এতটাই গুরুতর যে কোচিন শিপইয়ার্ডের সিইও নিজে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানাতে বাধ্য হন। ধৃতদের পরিচয় রোহিত (২৯) এবং সানত্রী (৩৭), দুজনেই উত্তরপ্রদেশের সুলতানপুরের বাসিন্দা। দেশবিরোধী এই কর্মকাণ্ড ঘিরে এখন উত্তপ্ত গোটা দক্ষিণ ভারত।তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে, রোহিত একসময় কেরলের কোচিন শিপইয়ার্ড লিমিটেডে কাজ করতেনযে শিপইয়ার্ড ভারতীয় নৌসেনার রণতরী, সাবমেরিন থেকে শুরু করে একাধিক অতি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক প্রকল্প তৈরি করে। অভিযোগ, সেখানেই কাজ করার সময় তিনি বিভিন্ন নৌগোপন তথ্য হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে পাকিস্তানে পাচার করতেন। পরে তিনি কর্নাটকের একটি জাহাজ নির্মাণ সংস্থায় যোগ দিলেও পাচার বন্ধ হয়নি। বরং আরও নিয়মিতভাবে একই কাজ চালিয়ে যেতে থাকেন তিনি।শিপইয়ার্ডের সিইওর নজরে আসে তাঁর সন্দেহজনক গতিবিধি। তথ্য যত বেরোতে থাকে, ততই স্পষ্ট হয় যে রোহিতের কাছে পৌঁছে গিয়েছে এমন কিছু নথি ও চিত্র, যা কোনও ভাবেই সাধারণ কর্মীর কাছে থাকার কথা নয়। অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে।রোহিতকে জেরা করতেই উঠে আসে সানত্রীর নাম। জানা যায়, বারবার সানত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করতেন রোহিত। তাঁর কাছেও কিছু গোপন তথ্য পাঠানো হয়েছে বলে দাবি পুলিশের। তবে সানত্রীর ভূমিকাটি কতটা গভীর, তিনিও পাচার নেটওয়ার্কের অংশ কি নাসবটাই এখন খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।পুলিশ সূত্রের দাবি, গোটা চক্রটির পেছনে পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর কোনো যোগ রয়েছে কি না, তাও প্রধানত পরীক্ষা করা হচ্ছে। কীভাবে এত বড় নিরাপত্তা সংস্থার ভিতর থেকে তথ্য চুরি হল, কীভাবে তা বিদেশে পৌঁছলসবকিছুর দিকেই নজর তদন্তকারীদের।দেশের নৌসেনা সম্পর্কিত সংবেদনশীল তথ্য পাচারের ঘটনায় ইতিমধ্যেই উত্তেজনা তৈরি হয়েছে গোটা রাষ্ট্রযন্ত্রে। তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই প্রকাশ পাচ্ছে বহু অজানা তথ্য, আর ততই স্পষ্ট হচ্ছে চক্রটি আরও বড় হতে পারে।

নভেম্বর ২২, ২০২৫
বিদেশ

যুদ্ধে হার, এবার কি প্রতিশোধ? আফগানিস্তানে সরকার বদলের হুমকি দিল পাকিস্তান

পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমানায় উত্তেজনা নতুন নয়। কিন্তু এবার যেন পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ মোড় নিয়েছে। আফগানিস্তানের তালিবান সরকারের বিরুদ্ধে সরাসরি সরকার ফেলে দেওয়ার হুমকি দিল পাকিস্তান। ইসলামাবাদের বক্তব্য, যদি তালিবান সমঝোতার পথে না আসে এবং পাকিস্তানের নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রস্তাব মানতে অস্বীকার করে, তবে কাবুলে সরকারবিরোধী শক্তিকে প্রকাশ্যে সমর্থন দেবে তারা।নিউজ১৮-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, আফগানিস্তানপাকিস্তান সংঘর্ষে মধ্যস্থতা করা তুরস্কের আধিকারিকদের সামনেই পাকিস্তান এই কঠোর বার্তা দিয়েছে। ইসলামাবাদ অভিযোগ করেছে, তালিবান তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান (টিটিপি)-কে আশ্রয় দিচ্ছে এবং পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হামলার জায়গা করে দিচ্ছে। পাক সেনা চায়, টিটিপির সব নেতা হস্তান্তর করুক আফগানিস্তান, এবং সীমান্ত বরাবর ডুরান্ড লাইনে বাফার জোন তৈরি হোক।কিন্তু আফগানিস্তান সেই দাবি সরাসরি উড়িয়ে দিয়েছে। কাবুলের বক্তব্য, টিটিপির সঙ্গে তাদের কোনও সম্পর্ক নেই, এবং তারা কখনওই সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীকে নিজের দেশের মাটি ব্যবহার করতে দেয় না। সেই অবস্থান থেকেই কোনো লিখিত চুক্তিতে যেতে রাজি হয়নি তালিবান সরকার। আর এই অচলায়তনের মধ্যেই পাকিস্তান প্রকাশ্যে হুমকি দিলএই সরকার না মানলে কাবুলে নতুন সরকার গঠনে তারা সক্রিয় ভূমিকা নেবে।শুধু কথাই নয়, পাকিস্তান ইতিমধ্যেই গোপনে যোগাযোগ শুরু করেছে আফগানিস্তানের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ও বহু প্রভাবশালী নেতার সঙ্গে। নাম রয়েছে হামিদ কারজাই, আশরাফ গনি, আহমেদ মাসুদ, এমনকি নর্দার্ন অ্যালায়েন্সের নেতা আব্দুল রশিদ দোস্তমেরও। আইএসআই-র তরফে তাঁদের পাকিস্তানে আশ্রয়ের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে বলেও সূত্রের দাবি। লক্ষ্য একটাইপাকিস্তানের মাটি থেকেই সরকারবিরোধী শক্তিকে উসকে তালিবানকে ক্ষমতাচ্যুত করা।গত কয়েক মাসে তুরস্ক ও কাতারের মধ্যস্থতায় তিন দফা বৈঠক হয়েছে ইসলামাবাদ ও কাবুলের মধ্যে। কিন্তু একটিও বৈঠক কাজে দেয়নি। পাকিস্তান দাবি জানিয়ে গিয়েছে, আর তালিবান জবাব দিয়েছে স্পষ্ট ভাষায়টিটিপিকে তারা আশ্রয় দেয়নি এবং ডুরান্ড লাইন নিয়ে পাকিস্তানের দাবি মানা সম্ভব নয়।এই অবস্থায় দুই দেশের সম্পর্ক এমন উত্তপ্ত জায়গায় পৌঁছেছে, যা দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে ভয়াবহভাবে প্রভাবিত করতে পারে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

নভেম্বর ২১, ২০২৫
বিদেশ

সেনাপ্রধানকে সর্বশক্তিমান করতে সংবিধান সংশোধন—বিচারপতিদের একের পর এক পদত্যাগে তুমুল তোলপাড়

পাকিস্তানের রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেই এবার ভয়ঙ্কর সংকট তৈরি হয়েছে দেশের বিচার ব্যবস্থায়। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের যুগলবন্দিকে কেন্দ্র করে পাকিস্তানে যে স্বৈরশাসনের অভিযোগ বহুদিন ধরেই উঠছিল, এবার তা যেন আরও বাস্তব হয়ে উঠল। সংবিধান সংশোধনের প্রতিবাদে একের পর এক বিচারপতি ইস্তফা দিচ্ছেন। সর্বশেষ লাহোর হাই কোর্টের বিচারপতি শামস মেহমুদ মির্জা নিজের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। এর আগে মাত্র একদিনের ব্যবধানে সুপ্রিম কোর্টের দুই বিচারপতি পদত্যাগ করেছিলেন।বিরোধী দলগুলির অভিযোগ, শাহবাজ সরকার সংবিধান পাল্টে দেশে প্রায় সামরিক শাসনের মতো পরিবেশ তৈরি করছে। নতুন সংশোধনীতে সেনাপ্রধান আসিম মুনিরকে দেওয়া হয়েছে অসামান্য ক্ষমতাএমন রক্ষাকবচ আগে কোনও সেনাপ্রধান পাননি। উল্টো দিকে, সুপ্রিম কোর্টের ক্ষমতা স্পষ্টভাবে কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সংবিধান সম্পর্কিত মামলাগুলি সুপ্রিম কোর্টের বদলে নতুন সাংবিধানিক আদালতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা দেশের বিচারব্যবস্থার মূল কাঠামোকেই নড়বড়ে করে দিচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকেই।এই ঘটনা চরম অচলবস্থা তৈরি করেছে পাকিস্তানে। বিচারপতিরা প্রকাশ্যে বলছেন, এভাবে আদালতের ক্ষমতা খর্ব এবং সেনাকে বাড়তি ক্ষমতা দেওয়া হলে গণতন্ত্র রক্ষা অসম্ভব হয়ে উঠবে। তাঁদের মতে, এই সংশোধন সংবিধানের আত্মাকে আঘাত করছে।গত বুধবার জাতীয় সংসদে সংবিধানের ২৪৩ অনুচ্ছেদ সংশোধনের বিল পাশ করে শাহবাজ সরকার। ওই আইন অনুসারে প্রথমবার সেনাবাহিনীতে সৃষ্টি করা হয়েছে নতুন একটি পদচিফ অফ ডিফেন্স ফোর্সেস। এবং সেই গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হয়েছে আসিম মুনিরকে। এরপর প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি তড়িঘড়ি সই করে দিয়েছেন বিলে। আর এর পরপরই দুই সুপ্রিম কোর্ট বিচারপতি ও লাহোর হাই কোর্টের বিচারপতি ইস্তফা দিয়ে জানিয়ে দিয়েছেন তাঁদের ক্ষোভ।পাকিস্তানের রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সেনা ও প্রশাসনের মেলবন্ধনে তৈরি হওয়া এই ক্ষমতার গঠন গণতন্ত্রের জন্য ভয়ঙ্কর। বিচারব্যবস্থার উপর চাপ বাড়লে সামনে আরও বড় সংকট দেখা দিতে পারে। ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছেপাকিস্তান কি সত্যিই নতুন একনায়কতন্ত্রের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে?

নভেম্বর ১৬, ২০২৫
দেশ

ইসলাম গ্রহণ ও পাকিস্তানে বিয়ে? নিখোঁজ সরবজিৎকে নিয়ে নতুন বিস্ফোরক দাবি

পাকিস্তান সফর শেষে ফেরার পথে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া শিখ তীর্থযাত্রী সরবজিৎ কৌরের ঘটনা ঘিরে সামনে এল চাঞ্চল্যকর দাবি। প্রকাশ্যে এসেছে একটি নিকাহনামা এবং তাঁর নামে এক পাসপোর্টের প্রতিলিপি, যেখানে বলা হয়েছেতিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন এবং শেখুপুরার নয়া আবাদি এলাকার বাসিন্দা নাসির হুসেনের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। এই নথিগুলি ভাইরাল হতে না হতেই দুই দেশের গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যে তৎপরতা দেখা দিয়েছে।১৩ নভেম্বর ভারতীয় জঠা পাকিস্তান থেকে ফিরলেও সরবজিৎকে আর পাওয়া যায়নি। ৪ নভেম্বর গুরু নানক দেবজির প্রকাশ উৎসব উপলক্ষে মোট ১,৯২৩ জন শিখ তীর্থযাত্রী পাকিস্তানে যান। দশ দিনের সফরে তাঁরা একাধিক গুরুদ্বারায় গমন করেন। সফর শেষে ফেরার সময়ই দেখা যায়সরবজিৎ কৌরের নাম নেই পাকিস্তানের এক্সিট লিস্টে, নেই ভারতের রি-এন্ট্রি রেকর্ডেও। তখনই শুরু হয় বড়সড় উদ্বেগ।এরপর থেকেই ভারত ও পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থাগুলি তাঁর সন্ধানে নেমেছে। দুদেশের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, পাকিস্তানে ভারতীয় হাই কমিশন স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে যাচ্ছেন এবং উঠেই আসছে সেই নথিগুলির সত্যতা যাচাইয়ের প্রশ্ন। ঠিক কবে, কোথায়, কীভাবে সরবজিৎ জঠা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছিলেনএটিও তদন্তের মূল দিক হয়ে উঠেছে।এদিকে SGPC তাদের প্রথম প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। সংস্থার দাবি, তীর্থযাত্রায় যাওয়ার ভিসা অনুমোদনে তাদের কোনও ভূমিকা নেই। সবটাই সরকারি নিয়ম মেনে হয়। SGPC জানিয়েছে, সরকারের অনুমতি পাওয়ার পরই তারা সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দেয়। এরপর আবেদনকারীরা পাসপোর্ট জমা দেন, যা SGPC সরকারকে পাঠিয়ে দেয় মাত্র। বাকি সব যাচাই করে ভারত সরকারই ভিসা পাকিস্তান হাই কমিশনে পাঠায়।SGPC আরও জানায়, অতীতেও বহু হিন্দুশিখ তীর্থযাত্রীকে ভিসা পর্যায়ে আটকে দেওয়া হয়েছে এবং এটি পুরোপুরি সরকারের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভরশীল। কোনও ভিসা তারা অনুমোদন করে না, শুধু আবেদনগুলি পৌঁছে দেয়। সরবজিতের নিখোঁজ হওয়া এবং নিকাহনামা বিতর্ক নিয়ে SGPC বলেছেধর্মীয় সফরকে ব্যবহার করে ব্যক্তিগত উদ্দেশ্য সাধন করা নিন্দনীয় এবং এতে সংস্থার উপর সন্দেহ তৈরি হয়। এই ঘটনা সম্পর্কে তারাও প্রথমে সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমেই জানতে পেরেছে।সমগ্র ঘটনার তদন্ত এখন দুই দেশের গোয়েন্দাদের হাতে। নথিগুলি সত্যি নাকি সাজানোতা সামনে এলেই স্পষ্ট হবে সরবজিৎ কৌর কি সত্যিই পাকিস্তানে স্বেচ্ছায় থাকতে চেয়েছেন, নাকি আরও কোনও বড় রহস্য লুকিয়ে রয়েছে তাঁর নিখোঁজ হওয়ার পিছনে।

নভেম্বর ১৫, ২০২৫
দেশ

আত্মঘাতী হামলার ছক কষেছিলেন উমর! পুলিশের হাতে জোরালো প্রমাণ

দিল্লির বুক কাঁপিয়ে দিয়েছে ভয়াবহ বিস্ফোরণ। লালকেল্লার কাছেই বিস্ফোরণে ইতিমধ্যেই প্রাণ গিয়েছে নয় জনের। ঘটনার পরই উঠে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি-র সূত্রে জানা গিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে সীমান্ত পেরনোর সময় সন্দেহভাজন গাড়িটির ভিতরে এক ব্যক্তির হাত ও অস্পষ্ট মুখ। তদন্তকারীদের মতে, সেই ব্যক্তিই সম্ভবত পুলওয়ামার চিকিৎসক মহম্মদ উমর যিনি ফরিদাবাদের বিস্ফোরণ চক্রের মূল হোতা হিসেবে পরিচিত।তদন্তে প্রকাশ, ফরিদাবাদের ঘটনায় সহযোগী চিকিৎসক মুজাম্মিল শাকিলের গ্রেফতারির পর থেকেই উমর ছিলেন আতঙ্কে। সেই থেকেই নাকি আত্মঘাতী হামলার ছক কষতে শুরু করেন তিনি। উমরই বিস্ফোরক বোঝাই হুন্ডাই আই২০ গাড়িটি চালাচ্ছিলেন বলে আশঙ্কা পুলিশের। ওই গাড়ির মালিক মহম্মদ সলমনকে ইতিমধ্যেই আটক করা হয়েছে। তাঁর দাবি, দেড় বছর আগেই গাড়িটি বিক্রি করে দেন তিনি। তারপর আরও দুইবার হাতবদল হয়ে গাড়িটি পৌঁছয় পুলওয়ামার তারিক নামে এক ব্যক্তির কাছে। তাকেও হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।তদন্তকারীদের বক্তব্য, দিল্লির বিস্ফোরণ ও ফরিদাবাদের বিস্ফোরক উদ্ধারের মধ্যে অদ্ভুত মিল রয়েছে। দুটি ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা হয়েছে একই মডেলের আইইডি ডিভাইস। সুতরাং এই দুটি ঘটনার মধ্যে যোগসূত্র থাকা একেবারেই উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। এখন কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা উমরের ফোন রেকর্ড, ব্যাংক ট্রানজ্যাকশন ও পেশেন্ট ডেটা খতিয়ে দেখছে।সূত্রের দাবি, উমরের মোবাইল থেকে পাকিস্তানের বালাকোটে এক সন্দেহভাজন নম্বরে বারবার যোগাযোগের চিহ্ন মিলেছে। এই মুহূর্তে দিল্লি, কাশ্মীর ও ফরিদাবাদ পুলিশ যৌথভাবে তদন্ত চালাচ্ছে। বিস্ফোরণ পরবর্তী এই গোটা রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে প্রতি ঘণ্টা।

নভেম্বর ১১, ২০২৫
দেশ

গোপনে পরমাণু বিস্ফোরণ? পাকিস্তানকে ঘিরে ফের ছায়াযুদ্ধের গন্ধ, এবার বিস্ফোরক বার্তা দিলেন রাজনাথ সিং

অপারেশন সিঁদুরের ধাক্কা সামলাতে না সামলাতেই ফের আন্তর্জাতিক মঞ্চে চাপের মুখে পাকিস্তান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিস্ফোরক দাবি ইসলামাবাদ গোপনে পরমাণু অস্ত্রের পরীক্ষা চালাচ্ছে! ট্রাম্পের মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে ভূ-রাজনৈতিক তোলপাড়। আর সেই দাবিকে ঘিরে রবিবার পাকিস্তানকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।রবিবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে রাজনাথ সিং বলেন, ওরা যদি সত্যিই পরমাণু অস্ত্রের পরীক্ষা করে, তাহলে করুক। ওদের থামানো যাবে না। তবে ভারতও যে কোনও পরিস্থিতির মোকাবিলার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। প্রশ্ন ওঠে, পাকিস্তান যদি সত্যিই পরমাণু বিস্ফোরণ চালায়, ভারতও কি পাল্টা পরীক্ষা করবে? রাজনাথের জবাব, আগে ওরা করুক, তারপর দেখা যাবে।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তান, রাশিয়া, চিন এবং উত্তর কোরিয়া এই চার দেশ গোপনে পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে। তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে একাধিক ভূমিকম্প আসলে গোপন পারমাণবিক বিস্ফোরণের ফল। বিশেষ করে এপ্রিল-মে মাসে আফগানিস্তান-পাকিস্তান সীমান্তে যে ৪.০ থেকে ৪.৭ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছিল, তা ১৯৯৮ সালে পাকিস্তানের চাগাই-১ ও চাগাই-২ বিস্ফোরণের তীব্রতার সঙ্গে মিলে যায়।এই দাবির পরই আন্তর্জাতিক পরমাণু নিরাপত্তা সংস্থাগুলির তরফে তদন্তের দাবি উঠেছে। ইসলামাবাদ যদিও এখনও পর্যন্ত এ নিয়ে মুখ খোলেনি। তবে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের প্রতিক্রিয়া এসেছে বেশ কড়া ভাষায়। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, পাকিস্তানের গোপন ও বেআইনি পারমাণবিক কর্মকাণ্ড কোনও নতুন বিষয় নয়। দশকের পর দশক ধরে ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক রপ্তানি আইন ভেঙে, চোরাপথে চুক্তি করেছে। ভারত বরাবরই সেই তথ্য আন্তর্জাতিক মহলে তুলে ধরেছে।ট্রাম্পের দাবি ও রাজনাথ সিংয়ের মন্তব্যের পর আন্তর্জাতিক মহলে তৈরি হয়েছে নতুন উত্তেজনা। দক্ষিণ এশিয়ায় ফের বাড়ছে পারমাণবিক তাপমাত্রা। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, পাকিস্তানের গোপন পরীক্ষা নিয়ে ট্রাম্পের বক্তব্য কেবল রাজনৈতিক বার্তা নয়, বরং ভবিষ্যতের একটি বড় সংঘাতের ইঙ্গিতও বটে।ভারতীয় কূটনীতিক মহলের দাবি, ইসলামাবাদকে ঘিরে এখন আন্তর্জাতিক নজরদারি বাড়বে। আর নয়াদিল্লি জানিয়ে দিয়েছে পাকিস্তান যতই গোপনে ষড়যন্ত্র পাকাক, ভারত প্রস্তুত আছে প্রত্যেক পরিস্থিতির জন্য।

নভেম্বর ০৯, ২০২৫
দেশ

কাশ্মীরে আবারও পাক ষড়যন্ত্র! আইএসআই-র ছত্রছায়ায় তৈরি হচ্ছে জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা

জম্মু-কাশ্মীরে ফের পাক মদতে জঙ্গি হামলার ছক! ভারতীয় গোয়েন্দা সূত্রে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, লস্কর-ই-তৈবা এবং জৈশ-ই-মহম্মদ একসঙ্গে কাশ্মীরের মাটিতে হামলার পরিকল্পনা করছে। অপারেশন সিঁদুরের ছমাস পরই আবারও এমন নাশকতার গন্ধে উদ্বেগ বেড়েছে দিল্লি থেকে শ্রীনগর পর্যন্ত। গোয়েন্দারা আশঙ্কা করছেন, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই হতে পারে ফিদায়েঁ হামলা।রিপোর্ট অনুযায়ী, গত কয়েক মাস ধরেই সীমান্তে নজরদারি চালাচ্ছে পাক জঙ্গি সংগঠনগুলি। ড্রোন ব্যবহার করে নিয়ন্ত্রণরেখার দুর্বল জায়গাগুলি চিহ্নিত করা হচ্ছে। গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, পাকিস্তানের স্পেশাল সার্ভিসেস গ্রুপ (SSG) ও গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর প্রত্যক্ষ মদতেই সীমান্ত পেরিয়ে অনুপ্রবেশ ঘটেছে। অর্থাৎ, শুধু জঙ্গিরাই নয়, পাক সেনার একাংশও এই ষড়যন্ত্রে যুক্ত।সূত্রের খবর, পাক অধিকৃত কাশ্মীরে নতুন করে মোতায়েন করা হয়েছে বর্ডার অ্যাকশন টিম (BAT)। এই ব্যাট বাহিনী সাধারণত জঙ্গিদের সীমান্তে গাইড করার কাজ করে এবং ভারতের সেনাদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। গোয়েন্দারা মনে করছেন, এই বাহিনীর উপস্থিতিই প্রমাণ করে যে কাশ্মীরে ফের বড় আকারের হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে পাকিস্তান।রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বর মাসে ইসলামাবাদে একটি গোপন বৈঠক হয়, যেখানে আইএসআই এবং পাক সেনার উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। সেখানেই নেওয়া হয় অপারেশন সিঁদুরের প্রতিশোধ নেওয়ার সিদ্ধান্ত। সেই বৈঠকেই নির্ধারিত হয় নতুন করে সীমান্তে জঙ্গি অনুপ্রবেশের রূপরেখা।প্রসঙ্গত, গত ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলায় প্রাণ হারান ২৬ জন পর্যটক। সেই ঘটনার পরই ভারতীয় সেনা চালায় অপারেশন সিঁদুর, যেখানে একাধিক পাক জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করা হয়। পাকিস্তান সেই সময় আন্তর্জাতিক মঞ্চে মুখ পুড়িয়ে ফেললেও, এখন আবার প্রতিশোধের নেশায় নাশকতার নতুন ছক কষছে বলে মনে করছে ভারতের গোয়েন্দারা।ইতিমধ্যে জম্মু-কাশ্মীর জুড়ে কড়া নিরাপত্তা জারি করা হয়েছে। সেনাবাহিনী সীমান্তবর্তী সব এলাকা ও দুর্গম উপত্যকায় টহল বাড়িয়েছে। নিয়ন্ত্রণরেখায় মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত ব্যাটালিয়ন, বাড়ানো হয়েছে ড্রোন নজরদারি ও থার্মাল সেন্সর সিস্টেম। সেনা সূত্রে খবর, প্রতিটি ঘাঁটি ও বাঙ্কারে দেওয়া হয়েছে উচ্চ সতর্কতার নির্দেশ।ভারতের প্রতিরক্ষা মহল মনে করছে, পাকিস্তান অপারেশন সিঁদুরের পর কূটনৈতিকভাবে চাপে পড়েছিল, তাই এখন তারা জঙ্গি সংগঠনগুলিকে ব্যবহার করে প্রক্সি যুদ্ধ চালাতে চাইছে। এই হামলার মূল লক্ষ্য হবে সেনা কনভয়, পর্যটক বাস, অথবা সীমান্তের কোনও ফরওয়ার্ড পোস্ট।এক প্রবীণ প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞ বলেছেন, লস্কর ও জৈশ এখন একত্রে কাজ করছে। তাদের হাতে নতুন ড্রোন, আমেরিকান রাইফেল এবং পাকিস্তানের সেনা প্রশিক্ষিত জঙ্গিরা রয়েছে। এটি শুধু সীমান্ত নিরাপত্তার প্রশ্ন নয়, ভারতের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নও।সব মিলিয়ে জম্মু-কাশ্মীর আবারও রণক্ষেত্রের মুখে দাঁড়িয়ে। অপারেশন সিঁদুরের পর শান্তি ফিরছিল উপত্যকায়, কিন্তু পাক মদতে এই নতুন ষড়যন্ত্র ফের অশান্তির ইঙ্গিত দিচ্ছে। সেনা ও গোয়েন্দারা এখন সময়ের বিরুদ্ধে লড়ছেন, যাতে কাশ্মীরের আকাশে আর কোনও কালো ছায়া না নামে।

নভেম্বর ০৬, ২০২৫
দেশ

"অপারেশন সিঁদুর ভুলতে পারেনি পাকিস্তান-কংগ্রেস", নতুন করে বিস্ফোরক মন্তব্য মোদির

বিহারের আরায়ায় রবিবার নির্বাচনী প্রচারে এসে কংগ্রেস ও আরজেডিকে একযোগে আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর বক্তব্যে বারবার উঠে এল জাতীয় নিরাপত্তা, কাশ্মীর, এবং অতীতের রাজনৈতিক সহিংসতার প্রসঙ্গ।মোদি বলেন, অপারেশন সিঁদুরের পর থেকে পাকিস্তান ও কংগ্রেসদুই পক্ষই এখনও ধাক্কা সামলাতে পারেনি। পাকিস্তানে বিস্ফোরণের সময় কংগ্রেসের রাজপরিবারর ঘুম নষ্ট হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর মন্তব্যআমরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম সন্ত্রাসীদের ঘরে ঢুকে মারব। অপারেশন সিঁদুর সেই অঙ্গীকার পূরণ করেছে। সঙ্গে ৩৭০ অনুচ্ছেদ বিলোপের কথাও স্মরণ করিয়ে দেন মোদি। বলেন, এটি তাঁর গ্যারান্টি ছিল এবং আজ তা বাস্তব।বিহার রাজনীতিতে মহাগঠবন্ধনের দিকে কটাক্ষ ছুঁড়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, কংগ্রেস কখনওই তেজস্বী যাদবকে মুখ্যমন্ত্রী মুখ করতে চাইনি। কিন্তু আরজেডির চাপেই কংগ্রেসকে রাজি হতে হয়েছে। তাঁর ভাষায়আরজেডি বন্দুক ঠেকিয়ে কংগ্রেসকে সিএম প্রার্থী ঘোষণা করাতে বাধ্য করেছে।মোদি দাবি করেন, কংগ্রেস-আরজেডির মধ্যে গভীর বিরোধ আছে, এবং নির্বাচন শেষে তারা পরস্পরকে দোষারোপ করবে। তাই তাঁদের উপর আস্থা রাখা যায় না। মহাগঠবন্ধনের ইস্তেহারকে তিনি মিথ্যার আর প্রতারণার দলিল আখ্যা দেন। এনডিএর ঘোষণাপত্রকে বলেন সত্ ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন, যা বিহারের উন্নয়নের জন্য তৈরি।এদিন ১৯৮৪র শিখবিরোধী দাঙ্গার কথাও টেনে আনেন মোদি। তাঁর অভিযোগ, কংগ্রেস আজও সেই সময়ের দোষীদের সম্মান দিচ্ছে। তিনি বলেনআরজেডির নাম জঙ্গলরাজের সঙ্গে জড়িত, আর কংগ্রেসের পরিচয় শিখ গণহত্যার সঙ্গে। বিহার ভোটমাঠে শেষ দফা প্রচারে তাই তীব্র হচ্ছে ভাষার লড়াই। একদিকে এনডিএর উন্নয়নের দাবি, অন্যদিকে পরিবর্তনের ডাকদুই পক্ষের জোর প্রচারের মধ্যেই প্রস্তুতি নিচ্ছে ভোটযুদ্ধের ময়দান।

নভেম্বর ০২, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

ভারত-পাক ম্যাচ নিয়ে সৌরভের বক্তব্যে ঝড়! তবে যুক্তির বালাই নেই

এশিয়া কাপে ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথ নিয়ে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের মন্তব্য নিয়ে অহেতুক বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে। এশিয়া কাপের সূচি ঘোষণা হয়েছে। তাতে ১৪ সেপ্টেম্বর ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ হবে। এ ছাড়া সুপার ফোর আর ফাইনালেও দুই দলের দ্বৈরথের সম্ভাবনা। এশিয়া কাপের আসর বসছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে। বর্তমানে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের চেয়ারম্যান মহসীন নাকভি, যিনি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যানও।বঙ্গীয় বাণিজ্য পরিষদের অনুষ্ঠানে গতকাল বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে উপস্থিত ছিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। সেখানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সৌরভ বলেন, পহেলগাঁওয়ের ঘটনা কাম্য নয়। এমন মৃত্যু মেনে নেওয়া যায় না। সন্ত্রাসবাদ বরদাস্ত করা যায় না। কেন্দ্রীয় সরকার সন্ত্রাসবাদ দমনে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। আশা করি, এমন সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ আর ঘটবে না। একইসঙ্গে আমি মনে করি, খেলাধুলো চালিয়ে যাওয়া উচিত।এরপরেই কিছু সংবাদমাধ্যম সৌরভের বক্তব্যের পুরোটা না দেখিয়ে একাংশ প্রচার করতে থাকে। যা নিয়ে সৌরভের সমালোচনায় নেমে পড়েন রাজ্যের বিজেপি নেতারাও। সৌরভের বক্তব্যের পুরোটা না শুনেই, কিংবা পরিস্থিতি অনুধাবন না করেই। যার ফলে সেই বিজেপি নেতাদের একচোখামিও সামনে এসেছে।এশিয়া কাপের সূচি অনুমোদিত হয়েছে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সভায়। যে সভায় বিসিসিআইয়ের প্রতিনিধি যোগ দিয়েছিলেন। তাছাড়া বিসিসিআইয়ের সম্মতি ছাড়া তো এশিয়া কাপের সূচি ঘোষিত হতে পারে না। লেজেন্ডদের টুর্নামেন্টে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচ ভারত খেলেনি ক্রিকেটারদের আপত্তিতে। তবে এখনও কেন্দ্রীয় সরকার প্রকাশ্যে বলেনি বা বিসিসিআইকে নির্দেশ দেয়নি যে, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলা যাবে না। তা দিয়ে থাকলে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের বৈঠকেই তা জানাত বিসিসিআই। বোর্ড সচিব এখন দেবজিৎ সাইকিয়া, যিনি অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার ঘনিষ্ঠ। তাঁকে প্রশ্ন করার সাহস সেই মিডিয়ার নেই যারা সৌরভকে ভিলেন বানানোর উদ্দেশ্য নিয়ে চলছে! কেন বিসিসিআইকে প্রশ্ন করা হচ্ছে না?সৌরভকে সফট টার্গেট করা কি টিআরপি বাড়াতে। ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক মহম্মদ আজহারউদ্দিন চান ভারত-পাক দ্বৈরথ হোক। হলে দ্বিপাক্ষিক সিরিজের পাশাপাশি বিভিন্ন টুর্নামেন্টে হোক। নাহলে সবটাই বন্ধ থাকুক। সৌরভ নিজের প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন প্রাক্তন ক্রিকেটার হিসেবে। মতামত ব্যক্ত করা গণতান্ত্রিক অধিকার। আর তা নিয়েই বিতর্ক তৈরির অপচেষ্টা।সৌরভ গতকালের অনুষ্ঠানে বলেছেন, সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের কমেন্ট সেকশন তিনি দেখেন না। ফলে কে কী বলল তাতে যায় আসে না। নিজের সততা বজায় রাখাটাই গুরুত্বপূর্ণ।

জুলাই ২৮, ২০২৫
বিদেশ

সিন্ধু প্রদেশে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের হাতে নিহত শীর্ষ লস্কর সন্ত্রাসী সাইফুল্লাহ খালিদ

পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশে অজ্ঞাত বন্দুকধারীদের হাতে নিহত হয়েছে লস্কর-ই-তৈয়বা (LeT) এর শীর্ষ সন্ত্রাসী রাজাউল্লাহ নিজামানি, যিনি আবু সাইফুল্লাহ খালিদ নামেও পরিচিত। রবিবার বিকেলে সিন্ধুর বাদিন জেলার মাতলি শহরে নিজের বাসার কাছেই একদল অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি গুলি করে হত্যা করেছে তাকে। হত্যাকারীদের পরিচয় এখনও অজানা। সাইফুল্লাহ খালিদ ভারতের তিনটি বড় সন্ত্রাসী হামলার মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন:১। ২০০১ সালে উত্তরপ্রদেশের রামপুরে সিআরপিএফ ক্যাম্পে হামলা,২। ২০০৫ সালে বেঙ্গালুরুর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স (IISc) এ হামলা,৩। ২০০৬ সালে নাগপুরে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS) সদর দপ্তরে আত্মঘাতী হামলার চেষ্টা।নেপালে ভিনোদ কুমার নামে ভুয়া পরিচয়ে তিনি দীর্ঘদিন লস্করের নেপাল মডিউলের নেতৃত্ব দেন, যেখানে তিনি অর্থায়ন, নিয়োগ ও লজিস্টিক সহায়তার দায়িত্বে ছিলেন। সেখানে তিনি স্থানীয় এক নারী নাগমা বানুকে বিয়ে করেন। ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি তার কার্যক্রম শনাক্ত করার পর তিনি পাকিস্তানে ফিরে যান এবং সিন্ধুর বাদিন জেলায় বসবাস শুরু করেন। সেখানে তিনি লস্কর ও জামাত-উদ-দাওয়ার হয়ে নিয়োগ ও অর্থ সংগ্রহের কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন।তার মৃত্যু ভারতের সাম্প্রতিক অপারেশন সিন্দুর এর পর ঘটেছে, যেখানে ভারতীয় সেনাবাহিনী পাকিস্তান ও পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরে সন্ত্রাসী ঘাঁটিগুলিতে হামলা চালিয়ে ১০০-রও বেশি সন্ত্রাসীকে হত্যা করে। সাইফুল্লাহ খালিদের মৃত্যু লস্কর-ই-তৈয়বার জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, কারণ তিনি সংগঠনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনা ও সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করতেন।

মে ১৮, ২০২৫
দেশ

নেট প্রভাবী জ্যোতির মোবাইলে ‘জাট রনধাওয়া’ নামে কার নম্বর সেভ ছিল

হরিয়ানার জনপ্রিয় ইউটিউবার ও ভ্রমণ ব্লগার জ্যোতি মলহোত্রা সম্প্রতি পাকিস্তানের পক্ষে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন। তদন্তে জানা গেছে, তিনি পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থার এক সদস্য শাকির ওরফে রানা শাহবাজের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন এবং তার নম্বর মোবাইলে জাট রনধাওয়া নামে সেভ করে রেখেছিলেন ।পুলিশের অভিযোগ অনুযায়ী, মলহোত্রা পাকিস্তানে ভ্রমণের সময় পাকিস্তান হাই কমিশনের এক কর্মকর্তা, এহসান-উর-রহিম ওরফে দানিশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এই সম্পর্কের মাধ্যমে তিনি পাকিস্তানি গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিত হন এবং তাদের সঙ্গে এনক্রিপ্টেড মেসেজিং অ্যাপের মাধ্যমে যোগাযোগ রাখতেন ।তদন্তকারীরা আরও জানিয়েছেন, মলহোত্রা ভারতীয় সেনাবাহিনীর সংবেদনশীল তথ্য পাকিস্তানি সংস্থার কাছে সরবরাহ করতেন এবং তার সামাজিক প্রভাব ব্যবহার করে পাকিস্তানের পক্ষে ইতিবাচক প্রচার চালাতেন । এই ঘটনায় আরও পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে।

মে ১৮, ২০২৫
দেশ

পাক গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার ইউটিউবার, পাকিস্তানেও গিয়েছেন তিনি

পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে হরিয়ানার হিসারে গ্রেফতার হলেন ইউটিউবার জ্যোতি মালহোত্রা। তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে কমিশনের মাধ্যমে ভিসা নিয়ে তিনি পাকিস্তানে যান, যেখানে লাভজিহাদের ফাঁদে পড়ে পাক হাইকমিশনের কর্মচারী দানিশের সাথে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গোয়েন্দা সূত্রের মতে, জ্যোতি পাকিস্তানি গোয়েন্দা এজেন্টদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করতেন এবং বিভিন্ন সংবেদনশীল তথ্য পাচার করে দিতেন ।পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার জনপ্রিয় ব্লগার জ্যোতি রানী। হরিয়ানা পুলিশ জানিয়েছে, জ্যোতি রানী পাকিস্তান হাইকমিশনের ওই কর্মকর্তার সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছিলেন এবং দুবার পাকিস্তান ভ্রমণ করেন।অপারেশন সিন্দুরের সময় পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থার হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে শুক্রবার হরিয়ানা পুলিশ ৩৩ বছর বয়সী ভ্রমণ ব্লগার জ্যোতি রানীকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে , রানির একটি ইউটিউব চ্যানেল রয়েছে যার নাম ট্র্যাভেল উইথ জো। তার ৩,৭৭,০০০ এরও বেশি সাবস্ক্রাইবার এবং ১,৩২,০০০ এরও বেশি ফলোয়ার রয়েছে। দিল্লিতে পাকিস্তান হাইকমিশনের কর্মকর্তার সাথে সংবেদনশীল তথ্য শেয়ার করার অভিযোগে তাকে আটক করা হয়েছে।

মে ১৭, ২০২৫
দেশ

আমেরিকার দাবি খারিজ, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হুঙ্কার ছাড়লেন নরেন্দ্র মোদি

জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি স্পষ্ট করেন, পাকিস্তান পর্যদুস্ত হওয়ার পর ভারতের সেনা কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে। পাকিস্তানই যে যুদ্ধবিরতি চেয়েছে তা জানিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এখানে আমেরিকার যে কোনও ভূমিকা নেই সেকথা স্পষ্টই বললেন নরেন্দ্র মোদি। মোদি নিউক্লিয়ার ব্ল্যাকমেইল যে মানবেন না তাও জানিয়ে দিয়েছেন মোদি। পাশাপাশি পাকিস্তানের সঙ্গে কথা বললে সন্ত্রাসবাদ বা পাক অধিকৃত কাশ্মীর নিয়ে কথা বলতে হবে।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, অপারেশন সিন্দুর বন্ধ হয়নি। স্থগিত করা হয়েছে। পাকিস্তান আমাদের স্কুল, কলেজ, গুরুদোয়ারা, মন্দির, নাগরিকদের ঘরকে নিশানা করেছে। পাকিস্তানের মুখোশ খুলে গিয়েছে। পাকিস্তানের ড্রোন, মিসাইল ধংস করেছে। ভারতের মিসাইল, ড্রোন হামলা করেছে। পাকিস্তানের বায়ুসেনার এয়ারবেসকে লোকসান করেছে। পাকিস্তান বাঁচার রাস্তা খুঁজতে শুরু করে। ১০ মে দুপুরে পাকিস্তানের সেনা আমাদের ডিজিওএমের সঙ্গে কথা বলবে। মোদি বলেন, পাকিস্তানের বুকে সন্ত্রাসীদের ঘাঁটি ধংস করা হয়। এখন অপারেশন সিন্দুর স্থগিত করেছি। সামনের দিনে পাকিস্তানের সব পদক্ষেপের ওপর নজর রাখা হবে। ভারতের তিন সেনা এয়ার ফোর্স, আর্মি ও নেভি, তাছাড়া বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স ও অন্য আধিসামরিক বাহিনী এলার্ট আছে। সার্জিক্যাল ও এয়ার স্ট্রাইকের পর অপরেশন সিন্দুর ভারতের নয়া হাতিয়ার। নিউ নরমাল। ভারতে আতঙ্কবাদীদের হামলা হলে মুতোড় জবাব দেওয়া হবে। আমাদের মতো জবাব দেব। কোনও নিউক্লিয়ার ব্ল্যাকমেইল ভারত সহ্য করবে না। আতঙ্কবাদী ও সরকারকে ভারত আলাদা ভাবে দেখবে না। মরে যাওয়া আতঙ্কবাদীদের সৎক্রিয়া কর্মের সময় ওদের আধিকারিকরা ছিলেন। যুদ্ধের ময়দানে পাকিস্তানকে ধুলো চাটিয়েছি। মরুভূমি ও পাহাড়ে ক্ষমতার প্রদর্শন করেছি। মেড ইন ইন্ডিয়া হাতিরায় প্রমান করেছি। একুশ শতকের যুদ্ধে ভারতের তৈরি প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম বেশ কার্যকরী। দেশবাসীর সবাইকে একজোট থাকতে হবে। এই যুগ যুদ্ধের নয়, তবে আতঙ্কবাদীদেরও নয়। জিরো টলারেন্স জঙ্গিদের বিরুদ্ধে। সন্ত্রাসীদের পুষলে আতঙ্কবাদীরাই পাকিস্তানকে সমাপ্ত করে দেবে। জঙ্গিদের পরিকাঠামো ধংস করতে হবে। এর বাইরে কোনও রাস্তা নেই। সন্ত্রাস, কথা এতসঙ্গে হয়না। টেরর ও ট্রেড একসঙ্গে হয় না। জল ও রক্ত এক সঙ্গে বইতে পারে না। পাকিস্তানের সঙ্গে সন্ত্রাসী, পাক অধিকৃত কাশ্মীর নিয়েই কথা হবে।

মে ১২, ২০২৫
দেশ

সংঘর্ষ বিরতি লঙ্ঘন পাকিস্তানের, শ্রীনগর জুড়ে বিষ্ফোরণ, শহরে শহরে ব্ল্যাক আউট

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারত-পাকিস্তানের সংঘর্ষ বিরতির কথা ঘোষণা করেছিলেন। তার তিন ঘণ্টার মধ্যেই সেই সংঘর্ষ বিরতি লঙ্ঘন করে পাকিস্তান। ফের গোলাগুলি শুরু হয়ে যায়। শ্রীনগর, জম্মুর আকাশে ড্রোন দেখা যায়। বিষ্ফোরণের শব্দ শোনা যায় শ্রীনগরে। পাশাপাশি সীমান্তে আর্টিলারি ফায়ারের শব্দ শোনা গিয়েছে। এদিকে জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ বলেছেন, সংঘর্ষ বিরতি ঘোষণার কয়েক ঘন্টা পরেই শ্রীনগর জুড়ে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে।ভারত ও পাকিস্তান সম্পূর্ণ ও তাৎক্ষণিক সংঘর্ষ বিরতিতে সম্মত হয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এক বিবৃতিতে তিনি জানান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ সময় ধরে চলা আলোচনার ফলেই এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে উভয় দেশ। শনিবার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে এক পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ আলোচনার পর আমি আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি যে ভারত ও পাকিস্তান একটি পূর্ণ ও তাৎক্ষণিক সংঘর্ষ বিরতিতে সম্মত হয়েছে। দুর্দান্ত বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দেওয়ায় উভয় দেশকে অভিনন্দন। ট্রাম্পের পোস্টের কয়েক মিনিট পরেই, পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রী ইসহাক দার জানিয়েছেন পাকিস্তান এবং ভারত তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকরভাবে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। পাকিস্তান সর্বদা তার সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতার সাথে আপস না করে এই অঞ্চলে শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়েছে! ভারতের তরফে বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রিও সংঘর্ষ বিরতির প্রস্তাবের কথা জানিয়েছেন। বিকেল ৫টা থেকে দুই দেশ আর কোন সংঘর্ষে লিপ্ত হবে না। আলোচনার পর জানিয়ে দিল ভারত। বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি বলেছেন, সামরিক কর্মকর্তাদের স্থল, আকাশ এবং সমুদ্রে সকল ধরণের তৎপরতা বন্ধ করতে বলা হয়েছে। ভারত ও পাকিস্তানের ডিজিএমওরা ১২ মে আবার কথা বলবেন বলে শনিবার সন্ধ্যায় ঘোষণা করেছেন বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রি।বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে জানিয়েছেন, ভারত ও পাকিস্তান আজ সব ধরণের সামরিক পদক্ষেপ বন্ধের বিষয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। ভারত সর্বদা সকল ধরণের সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে দৃঢ় এবং আপোষহীন অবস্থান বজায় রেখেছে। ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।এই সংঘর্ষ বিরতি ঘোষণা বেশিক্ষণ স্থায়ী হল না। তিন ঘণ্টার মধ্যে ফের গুলি চালাতে শুরু করে পাক সেনা। এমনকী ড্রোন হানা আবার শুরু করে। সীমান্তে কিছুক্ষণ বিরতির পর পাকিস্তান গুলি ছুঁড়তে শুরু করে। তারপরই দুই পক্ষই ফায়ারিং শুরু করে দেয়। জম্মু-কাশ্মীর, পঞ্জাব ও রাজস্থানের একাধিক শহরে ফের ব্ল্যাক আউট শুরু হয়ে যায়। শহরগুলি অন্ধকারাচ্ছন হয়ে পড়ে। এই সময়ে ড্রোন হামলা শুরু করে পাকিস্তান। এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের মাধ্যমে ওই ড্রোনগুলি ধংস করে ভারতের সেনা।

মে ১০, ২০২৫
দেশ

পাকিস্থানে এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ধবংস, জম্মু সহ দেশের বহু শহরে ব্ল্যাক আউট, ৩টে পাক যুদ্ধবিমান ভূপাতিত

অপারেশন সিন্দুরের পর লাহোরে এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ধ্বংস করে পাকিস্তানকে উপযুক্ত জবাব দিয়েছে ভারত। পহেলগাঁওয়ে বর্বরোচিত জঙ্গি হামলার জবাবে ভারত অপারেশন সিন্দুর-এর মাধ্যমে তার যোগ্য জবাব দিয়েছে। ভারত গতকাল পাকিস্তান ও পাক-অধিকৃত কাশ্মীরের ৯টি জঙ্গি ঘাঁটিতে নির্ভুল হামলা চালানো হয়। সন্ধ্যের পর থেকে জম্মু-কাশ্মীর ও গুজরাটের বহু শহর ব্ল্যাক আউট করা হয়েছে। জম্মুতে ক্ষেপনাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে পাকিস্তান। দুটি যুদ্ধ বিমান গুলি করে ধ্বংস করেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। ৭ ও ৮ মে মধ্য রাতে পাকিস্তান ভারতের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার চেষ্টা করে। অবন্তীপুরা, শ্রীনগর, জম্মু, পাঠানকোট, অমৃতসর, জলন্ধর, লুধিয়ানা, আদমপুর, চণ্ডীগড়, ভুজ সহ ১৫টি শহরে এই হামলার চেষ্টা করা হয়। তবে, ভারতের কাউন্টার ইউএএস (Unmanned Aerial System) ও এয়ার ডিফেন্স ব্যবস্থা সফলভাবে এই আক্রমণগুলিকে প্রতিহত করে। এদিকে ভারতের পাল্টা পদক্ষেপে লাহোরে পাকিস্তানের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে লাহোরে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম এই তথ্য নিশ্চিত করে। অন্যান্য সীমান্তবর্তী এলাকাতেও বিস্ফোরণের খবর আসে। লাহোরে এয়ার ডিসেন্স সিস্টেম গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর কুপওয়ারা, বারামুল্লা, উরি, পুঞ্চ, মেন্ধার ও রাজৌরি সেক্টরে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর মর্টার শেল নিক্ষেপে মৃত্যু হয়েছে ১৬ জন নিরীহ নাগরিকের। তাদের মধ্যে রয়েছেন ৩ জন মহিলা ও ৫ জন শিশু। পাশাপাশি সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, পাকিস্তান ৭ মে রাতে অবন্তীপুরা, শ্রীনগর, জম্মু, পাঠানকোট, অমৃতসর, কাপুরথালা, জলন্ধর, লুধিয়ানা, বাথিন্ডা, চণ্ডীগড়, এবং ভুজ-এর মতো উত্তর ও পশ্চিম ভারতের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থান লক্ষ্য করে ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলার চেষ্টা করে। তবে ভারতীয় সেনাবাহিনী সেই হামলাগুলি সফলভাবে প্রতিহত করে।

মে ০৮, ২০২৫
দেশ

জৈশ এ মহম্মদের মাথা মাসুদ আজহারের ডেরায় আক্রমণ, তাঁর পরিবারের ১৪ জন নিহত

অপারেশন সিন্দুরের সবচেয়ে বড় লক্ষ্যবস্তু ছিল বাহাওয়ালপুরে অবস্থিত জইশ-ই-মোহাম্মদের সদর দপ্তর, যার নেতৃত্বে ছিলেন কুখ্যাত সন্ত্রাসী মাসুদ আজহার। আজহারকে শেষবার বাহাওয়ালপুরে সংগঠনটির মাদ্রাসার কাছে দেখা গিয়েছিল, যেখানে ওই মাদ্রাসাটি একটি নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হিসেবে কাজ করত, পাশাপাশি সন্ত্রাসী কার্যকলাপের জন্য তহবিল সংগ্রহের উৎসও ছিল। ভারতীয় ক্ষেপণাস্ত্রগুলি হাফিজ সাইদের লস্কর-ই-তৈয়বার সাথে সম্পর্কিত মুরিদকেতে সন্ত্রাসী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র সহ এই মাদ্রাসাটি ধ্বংস করে দিয়েছে। সূত্রের খবর, মাসুদ আজহারের পরিবারের ১৪জন সদস্য নিহত হয়েছেন। তাঁর ভাই এি হামলায় মারা গেছেন বলে খবর। প্রাথমিক অনুমান অনুসারে প্রায় ৭০ জন জঙ্গিকে নির্মূল করা হয়েছে এবং ভারতীয় ভূখণ্ডে আক্রমণ চালানোর জন্য ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ধ্বংস করা হয়েছে। ভারতীয় বাহিনীও পাকিস্তানের বিমান হামলার প্রতিশোধমূলক লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে, পাকিস্তানি F-16 এবং JF-17 যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করা হয়েছে বলে জানা গেছে, যার মধ্যে একটি JF-17 ,আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ব্যবহার করে ভূপাতিত করা হয়েছে।প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মূল্যায়ন অনুসারে, এই হামলার আকার এবং নির্ভুলতা ভারতের নিরাপত্তা নীতিতে একটি নতুন যুগের সূচনা করেছে। এটি প্রথমবারের মতো অভিযানগুলিকে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে সীমাবদ্ধ রাখার পরিবর্তে ভারত পাকিস্তানের মূল ভূখণ্ডের গভীরে, পাঞ্জাব প্রদেশে, আক্রমণ করেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন যে এই পদক্ষেপটি স্পষ্ট করে দিয়েছে যে ভারত সীমান্তবর্তী সন্ত্রাসবাদকে মেনে নেবে না এবং তার নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য কঠোর পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত।

মে ০৭, ২০২৫
দেশ

পহেলগাঁওয়ের বদলা নিল ভারত, পাকিস্তানের ৯টি জঙ্গি ঘাঁটিতে হামলা

অবশেষে চরম বদলা নিল ভারত। পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পাল্টা পাক অধিকৃত কাশ্মীরের জঙ্গি ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে গুড়িয়ে দিল ভারতীয় সেনা। একেবারে বেছে বেছে নির্দষ্ট ৯টি জঙ্গি ঘাঁটিতে বিধ্বংসী হামলা চালানো হয়েছে। ভারত এই অপারেশনের নাম দিয়েছে অপারেশন সিন্দুর। এই বদলার খবর ভারতীয় সেনার তরফেই প্রকাশ করা হয়েছে।ভারত পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরে যে ৯টি জঙ্গি ঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়েছে তার মধ্যে ৪টি পাকিস্তানের পাঞ্জাবের বাহাওয়ালপুর এবং মুরিদকে এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরে মুজাফফরাবাদ এবং কোটলিতে। এই সমস্ত এলাকাই সন্ত্রাসবাদীদের ঘাঁটি। এদিকে জম্মু বিভাগের কমিশনারের জারি করা নির্দেশ অনুযায়ী, আজ, ৭ মে (বুধবার) জম্মু, সাম্বা, কাঠুয়া, রাজৌরি এবং পুঞ্চ জেলায় সব সরকারি ও বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। বিশেষ করে পুঞ্চ জেলায় নিরাপত্তা সতর্কতা জারি হওয়ার কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসনের তরফে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে পুঞ্চ জেলার সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয় আজ, ৭ মে ২০২৫, বন্ধ থাকবে।আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর জন্য গর্বিত।OperationSindoor হল পহেলগামে আমাদের নিরীহ ভাইদের নৃশংস হত্যার প্রতি ভারতের প্রতিক্রিয়া। ভারত এবং তার জনগণের উপর যে কোনও আক্রমণের উপযুক্ত জবাব দিতে মোদী সরকার বদ্ধপরিকর। ভারত সন্ত্রাসবাদকে তার মূল থেকে নির্মূল করতে দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।এদিকে পাকিস্তান ও পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে জঙ্গিঘাঁটিতে ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর পাকিস্তানি বাহিনীর আন্তঃসীমান্ত গোলাবর্ষণে জম্মু ও কাশ্মীরে কমপক্ষে সাতজন নাগরিক নিহত এবং ৩৮ জন আহত হয়েছেন। পাক গোলাবর্ষণে মেন্ধরে একজন এবং পুঞ্চে ৬ জন নিহত হয়েছেন। ২০২৫ সালের ৬-৭ মে রাতে, পাকিস্তান সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রণ রেখা এবং জম্মু ও কাশ্মীরের বিপরীতে আন্তর্জাতিক সীমান্তের পোস্ট থেকে কামান থেকে গোলাবর্ষণ সহ নির্বিচারে গুলিবর্ষণ শুরু করে। এই তথ্য জানিয়েছেন উত্তরাঞ্চলীয় কমান্ডের জনসংযোগ কর্মকর্তা (প্রতিরক্ষা) লেফটেন্যান্ট কর্নেল সুনীল বারাতওয়াল।

মে ০৭, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

বিরাট রাজার দাপটে ভূপতিত পাকিস্তান। আপাত নিশ্চিন্ত শর্মা'র সাজঘর

ম্যায় হুঁ না!, জেতার জন্য শেষ শটটা খেলে অধিনায়ক রোহিতকে কি ইশারায় এটাই বলতে চাইলেন? সত্যিই বিরাটের মত ক্রিকেটার দলে থাকলে সে দল খেলার আগেই মানসিক ভাবে অনেকটা এগিয়ে থাকে। আর এই রকম ফর্মে থাকলে তো জয়লাভ ছাড়া অন্য কিছু ভাবাই অন্যায়। পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তেই ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই মারমার কাটকাট উত্তেজনা। রবিবাসরীয় দুবাইয়ের শুরুতে গ্যালারির কিছুটা হালকা থাকলেও ম্যাচ গড়াতেই আস্তে আস্তে ভরে যায়। ভারত-পাকিস্তান খেলার যে স্নায়ুর লড়াই ৮০ বা ৯০এর দশকেও দেখা গেছে আজকের ম্যাচে তাঁর কোনও দৃশ্য চোখে পড়ল না। ভারত একপ্রকার একপেশেই ম্যাচটা শেষ করল। বিগত দিনের মতই আইসিসি প্রতিযোগিতায় একপেশে দাপটই দেখাল ভারত।পাকিস্তান দল চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে প্রথম ম্যাচে নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে হেরে দুবাই এসেছে। ভারতের বিরুদ্ধে প্রাজ্য মানে প্রতিযোগিতা থেকে বিদায়ের ঘন্টা বেজে যাওয়া সময়ের অপেক্ষা। বোলিং-ফিল্ডিং-ব্যাটিং কোনও বিভাগেই সেইরকম কোনও মরিয়া লড়াই আজ দেখা গেল না। আজ টস জিতে মহঃ রিজ়ওয়ান প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। পরে ব্যাট করে দুবাইয়ের পিচে রান তাড়া করা বরাবরই কঠিন। সেই হিসাব করেই পাকিস্তান আজ আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। এই মুহুর্তে ভারতের ব্যাটিংএ যা গভীরতা তাতে রান তাড়া করার ক্ষেত্রে ব্যাটাররা যথেষ্ট সাবলীল। সেই প্রমান উপমহাদেশের দুটি দলের বিরুদ্ধে পরপর দুটি ম্যাচে রাখলেন ভারতীয় কোহলিরা।গত ম্যাচে বিশ্বরেকর্ড করা শামি এই ম্যাচে ছন্দে ছিলেন না। প্রথম ওভারেই শামি পাঁচটি ওয়াইড বল করেন তিনি। শামির তৃতীয় ওভারে বল করার সময় হটাৎ পায়ের পেশিতে টান লেগে কোনোরকমে ওভারটি শেষ করেই মাঠ ছাড়েন শামি। যদিও চোট সেরকম গুরুতর না হওয়ায় খানিক বাদে মাঠে ফিরে এসে বল করেন। শামি ৮ ওভারে ৪৩ রান দিলেও আজ কোনও উইকেট পাননি। হার্দিক পান্ডিয়া ৮ ওভারে ৩১ রান দিয়ে দুটি উইকেট দখল করেন। অপর পেসার হর্ষিত রানাও আজ সেই ভাবে দাগ কাটতে পারেননি। তিনি একটি উইকেট পান। আজকের ম্যচে ভারতের তরূপের তাস ছিল তাঁদের বাঁহাতি স্পিনার ত্রয়ী। আজ পাকিস্তানকে রীতিমত চাপে ফেলে দিলেন কুলদীপেরা। তিন ভারতীয় স্পিনারেরা মিলে পাঁচটি উইকেট নেন। যার মধ্যে কুলদীপ সিং একাই নেন তিনটি। অক্ষর প্যাটেল এবং রবীন্দ্র জাডেজা একটি করে উইকেট লাভ করেন। অনবদ্য ফিল্ডিংয়ের ন্মুনা রাখেন অক্ষর প্যাটেল। তিনি দু দুটি রান আউট করেন।𝗖.𝗛.𝗔.𝗠.𝗣.𝗜.𝗢.𝗡.𝗦 🏆#TeamIndia 🇮🇳 HAVE DONE IT! 🔝👏ICC Mens T20 World Cup 2024 Champions 😍#T20WorldCup | #SAvIND pic.twitter.com/WfLkzqvs6o BCCI (@BCCI) June 29, 2024প্রথম ব্যাট করে পাকিস্তান ৪৭ রানের মধ্যে দু উইকেট হারিয়ে ব্যকফুটে চলেগেছিল। মহম্মদ রিজ়ওয়ান (৪৬) ও সাউদ শাকিল (৬২) এর ১০৪ রানের পার্টনারশিপে খেলায় ফেরে পাকিস্তান দল। দুবাইয়ের মাঠে রান তাড়া করা বরাবরই কঠিন। পিছ ক্রমশ স্লো হতে থাকে। আজকের ম্যাচের পিছ ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচের মত অতটা মন্থর নয় বলেই বিশেষজ্ঞ মহলের ধারনা। ৪৯.৪ ওভার খেলে ১০ উইকেট হারিয়ে ভারতের জন্য ২৪২ রানের লক্ষ্যমাত্রা রাখে পাকিস্তান।দুবাইয়ে স্লো পিচে ২৪২ রানের লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে নেমে শুরুতেই রোহিতের উইকেট হারায় ভারত। শাহিন শাহ আফ্রিদীর এক অনবদ্য ইয়ার্কারে বোল্ড হয়ে ফিরে যান রোহিত শর্মা। অল্প সময়ে পিচে থেকে বিপক্ষের দিকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে ১৫ বলে ২০ রান করে যান। বিরাট কোহলি ও শুভমন গিল কোনও রকম তাড়াহুড়ো না করে ধীরে সুস্থে জুটি গড়তে শুরু করেন। এই দুই ব্যাটার ৬৯ রানের জুটি গড়েন। বাংলাদেশ ম্যাচে শতরান করা শুভমন এই ম্যাচে ৪৬ রানে আউট হয়ে গেলেও, লক্ষ্যে স্থির থেকে বিরাট কোহলি শ্রেয়াস আয়ারকে জুড়ি করে পাকিস্থানকে ম্যাচ থেকে কয়েক যোজন দূরে পাঠিয়ে দেন। প্রত্যাশা মতই আজকের ম্যাচে ম্যান অফ দা ম্যাচ নির্বাচিত হন বিরাট কোহলি। কোহলি আজ আরও একটি মাইলস্টোন পেরিয়ে যান। ভারতের কিংবদন্তি ফিল্ডার মহঃ আজাহারউদ্দিন (১৫৬) কে টপকে সর্বোচ্চ ক্যাচের অধিকারী হন বিরাট কোহলি (১৫৮)। বিশ্ব ক্রমপর্যায় তৃতীয়।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৫
রাজনীতি

খালিস্থানির পর এবার পাকিস্তানি? কি আশঙ্কা মুখ্যমন্ত্রী মমতার

বাংলা ভাষা দিবসের অনুষ্ঠানে উঠলো খালিস্থানি বিতর্ক। বুধবারই এ বিষয়ে সোশাল মিডিয়ায় সরব হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। অভিযুক্ত করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারীকে। বৃহস্পতিবার বাংলা ভাষা দিবসের অনুষ্ঠানেও এ বিষয়ে সরব হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিশানা করলেন বিজেপিকে।দেশপ্রিয় পার্কে রাজ্য সরকারের ভাষা দিবসের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী খালিস্তানি ইস্যুটি তুলে ধরেন। বলেন, একটা পাঞ্জাবি অফিসার কী অপরাধ করেছিল? সে ডিউটি করছিল। সে পাগড়ি পরেছিল বলে তাকে খালিস্তানি বলে দেবেন? কত মুসলিম অফিসার আছে, এবার তো মুসলিম অফিসারকে দেখে পাকিস্তানি বলে দেবেন।নানা সময় তাঁর নানা মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিতর্কের ঝড় ওঠে। জোটে ব্যাঙ্গ বিদ্রুপও। তখন অতটা কঠোর না হলেও খালিস্তানি বিতর্কে কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, আমাকে তো কতবার কত কিছু বলে ব্যঙ্গ করা হয়েছে। আমি নিজেরগুলোকে নিয়ে অতটা মাথা ঘামাই না। তবে দুএকজন হঠাৎ করে গজিয়ে উঠেছে। বাংলার সংস্কৃতি নষ্ট করার চেষ্টা করছে। বাংলাকে কলুষিত করার চেষ্টা করছে। এই জিনিস আমরা বরদাস্ত করব না। বাংলার মাথানত হতে দেব না। বাংলার অধিকার কীভাবে রক্ষা করতে হয়, আমরা জানি।মঙ্গলবার সকালে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিজেপির একটি প্রতিনিধি দল সন্দেশখালির উদ্দেশে রওনা দেয়। ধামাখালিতে তাঁদের বাধা দেওয়া হয়। বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল সহ একাধিক বিজেপি নেতৃত্ব পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন। সেখানেই পুলিশের ব্যারিকেডের মাঝে শিখ পুলিশ আধিকারিক জসপ্রীত সিংকে খালিস্তানি বলা হয়েছে বলে অভিযোগ। এরকম বলার জন্য ওই পুলিশ আধিকারিক সংবাদমাধ্যমের সামনেই প্রতিবাদে সরব হন।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৪
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপে ভারতের দাপট অব্যহত, ফলাফল ৮-০! ভারতের কাছে আত্মসমর্পন বাবরদের

১৯৯২ এ যে দাপট সিডনি বিশ্বকাপে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে হারিয়ে যে শুরু হয়েছিল, ২০২৩-এও তা অব্যহত। ২০২৩-র বিশ্বকাপ ক্রিকেটের তৃতীয় ম্যচে বিশ্বক্রিকেটের ডার্বিতে পাকিস্তান কে হেলায় হারিয়ে ভারত লিগ টেবিলের শীর্ষ স্থানে চলে গেল। টানটান উত্তেজনায় ভরা এই ম্যাচে ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা টসে জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেন।ক্রিকেট বিশ্বকাপে ভারতের কাছে হারের রেকর্ড অব্যহত থাকল আমদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামেও। শনিবারের ম্যাচে ভারতের বোলিং আক্রমণের সামনে কার্যত তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ল বাবর-ইমাম-রিজওয়ান দের ব্যাট। এককথায় আত্মসমর্পন করলো পাকিস্তান।১৯৯২-এ মেলবোর্নে বিশ্বকাপ ক্রিকেটে ভারত-পাকিস্তানের প্রথম সাক্ষাতের ভারত অধিনায়ক ছিল মহম্মদ আজহারউদ্দিন। মাঝে সচিন-সৌরভ-ধোনি হয়ে ২০২৩ ব্যটম এখন রোহিতের হাতে। ব্যট্ম পালটালেও ফলের কোনও হেরফের হয়না। ২০২৩-এ ১৪ অক্টোবর দিনটা ক্রিকেট ইতিহাসের পাতায় স্বর্নাঅক্ষরে লেখা থাকবে রোহিত শর্মার ভারতের বিশ্ব-ক্রিকেটে অষ্টম জয়ের অধ্যায়। আবারও একটা বিশ্বকাপ এবং আরও এক বার পাকিস্তান বধ।M. O. O. D! ☺️ 🇮🇳Scorecard ▶️ https://t.co/H8cOEm3quc#CWC23 | #TeamIndia | #INDvPAK | #MeninBlue pic.twitter.com/18bdPJKDnh BCCI (@BCCI) October 14, 2023টসে জিতে শুরুটা খারাপ করেনি পাকিস্তান। পাকিস্তানের দুই প্রারম্ভিক ব্যাটার আবদুল্লাহ শফিক ও ইমাম-উল-হক ৭.৩ ওভারেই ৪১ রান তুলে ভারতকে যথেষ্ট-ই উদ্বিগ্ন করে তুলেছিল। সিরাজের বলে ওপেনিং জুটি ভাঙার পর ভারত প্রবল ভাবে খেলায় ফিরে আসে। ভারতীয় বোলিং-এর দাপটে হুরমুড়িয়ে তাসের ঘরের মত শেষ হয়ে গেলো পাকিস্তানের ইনিংস। ভারতের প্রথম পাঁচ বোলার-ই ২টি করে উইকেট ভাগ করে নেন। পাকিস্তানের ইনিংস শেষ হয় ১৯১ রানে। জবাবে মাত্র ৩০.৩ ওভারে ভারত ৩ উইকেটে ১৯২ রান তুলে ব্যবধান ৮-০ করে নিল। মেন ইন ব্লু ম্যচ জিতল ৭ উইকেটে।গুজরাটের এই আন্তঃর্জাতিক মানের স্টেডিয়াম নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম-এ খেলায় পাকিস্তানের ব্যাটিং-বোলিং-ফিল্ডিং দক্ষতা কোনও বিভাগেই আন্তঃর্জাতিক মাত্রা ছুঁতে পারেনি। তাঁদের ব্যাটাররা ভারতীয় বোলারদের সামনে আত্মসমর্পন করে গেলেন। ইমাম, বাবর ও রিজওয়ান সামান্য ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও বাকিরা আয়ারাম-গয়ারাম। জসপ্রীত বুমরাহ, মহম্মদ সিরাজ, হার্দিক পাণ্ডিয়া ও রবীন্দ্র জাদেজা মিলেমিশে সমান ভাগ করে নিলেন পাকিস্তানের ১০টি উইকেট। ভারতের একমাত্র বোলার শার্দুল ২ ওভার বল করলেও কোন উইকেট জোটেনি তাঁর কপালে। ব্যাটিং সহায়ক পিচে নিখুঁত লাইন ও লেন্থ বজায় রেখে যে বোলিং পারফরম্যান্স ভারতীয় বোলারেরা এদিন তুলে ধরলেন তার জন্য কোনও প্রশংশাই যথেষ্ট নয়।পাকিস্তান দল টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করে ভারতের জয়ের জন্য ১৯২ রানের লক্ষ্যমাত্রা রাখেন। ভারতের ব্যাটাররা জয়ের জন্য সহজ লক্ষ্য পেয়ে শুরু থেকেই আগ্রাসী মেজাজে খেলতে শুরু করেন। ভারতের ইনিংসের শুরুতেই শাহিন শাহ আফ্রিদিকে প্রথম বলেই বাউন্ডারির বাইরে পাঠিয়ে চার মেরে রোহিত বুঝিয়ে দেন দিনটা আজ তাঁদের। সদ্য ডেঙ্গু থেকে সুস্থ হয়ে মাঠে ফেরা বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়া শুভমন গিলও উৎসাহিত হয়ে ওঠেন রহিতকে দেখে। খুব বেশী রান না করতে পারলেও গিলের ১১ বলে ১৬ রানের ইনিংস পাকিস্তানের দিকে চ্যলেঞ্জ ছূরে দেওয়ার জন্য যঠেষত ছিল।শাহিন আফ্রিদি-র বলে বলে ফিরে যান গিল। গিলের দ্রুত বিদায়ে সেরকম কিছু সুবিধা করতে পারেনি পাকিস্তান। উইকেটের এক দিকে রোহিত শর্মা লক্ষ্যে অবিচল ছিলেন। আফগানিস্তান ম্যাচে যেখানে শেষ করেছিলেন রোহিত যেন সেখান থেকেই শুরু করলেন আজ। আফগানিস্তানকে হারায়ে রোহিত বলেছিলেন, তাঁর কাছে বিশ্বকাপের আসরে আফগানিস্তান যা, পাকিস্তানও তা। রোহিতের মাত্র ৬৩ বলে ৮৬ রানের অনবদ্য ইনিংস পাকিস্তানের আশায় এক ঘটি জল ঢেলে দিল। পাক বোলারদের হেলায় হারিয়ে মারলেন ৬টি চার এবং ৬টি ছয়। বিরাট ব্যর্থ হলেও তাঁর রোহিতের ৫০রানের জুটি ভারতকে ম্যচে চালকের আসনে বসিয়ে দেয়।Congratulations to Team India on their remarkable performance in the #CWC2023! With three consecutive wins, they have set the tournament on fire, demonstrating their prowess on the field. Our bowlers displayed clinical precision by limiting Pakistan to just 191 runs on what pic.twitter.com/wRloJRorEj Jay Shah (@JayShah) October 14, 2023চার নম্বরে নেমে শ্রেয়স আয়ার বুঝিয়ে দিলেন কেন ভারত অধিনায়ক সূর্য কুমারের থেকে তাঁকে বেশী ভরসা করেন। বুক চিতিয়ে লড়াই করে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়লেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের অধিনায়ক। শ্রেয়সের ৬২ বলে ৫৩ রানের অপরাজিত অনবদ্য ইনিংস অনেক শতরানের থেকেও মূল্যবান ইয়ে থাকল। শ্রেয়স ৫৩ রান করতে ৩টি চার এবং ২টি ছয় মারলেন । লোকেশ রাহুলকে সঙ্গে নিয়ে ম্যচ শেষ করে বীরদর্পে প্যাভিলিয়নে ফিরলেন। রাহুল অপরাজিত থাকলেন ১৮ রান করে।ভারতের হয়ে দূর্দান্ত বল করলেন দ্রুত গতির বোলার যশপ্রীত বুমরা, তিনি ৭ ওভার বল করে ১৯ রানে ২ উইকেট নিলেন। ভাল বল করলেন কুলদীপ যাদব, সিরাজ, হার্দিক পান্ডিয়া, জাদেজা ও। এরা প্রত্যেকে ২ করে উইকেট ভাগ করে নিলেন। রোহিত শর্মার আজকের ম্যচে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্তে অনেকেই অবাক হন। কারন, আজ পর্যন্ত বিশ্বকাপে যে-কটি ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ হয়েছে, তাতে যে অধিনায়ক-ই টসে জিতেছেন, তিনি প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কিন্তু রোহিত আজকের ম্যাচে টস জিতে সকলকে অবাক করে দিয়ে প্রথমে ব্যাটিং না নিয়ে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন। এই ধরনের হাইভোল্টেজ ম্যচে কোনও দলই রান চেজ করার ঝুঁকি নিতে চায় না। কিন্তু রোহিত সেই ব্যতিক্রমি রাস্তাতেই হাঁটলেন।আজ আমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম খেলার শুরু থেকেই নানা অনুষ্ঠানে জমে উঠেছিল। ২২ গজের খেলা শুরুর আগেই সার্বিকভাবে জমে উঠেছিল ভারত-পাক লড়াই। এই মুহুর্তে ভারতের এক নম্বর কণ্ঠ সঙ্গীত শিল্পী অরিজিৎ সিং-এর বন্দেমাতরম সহ আরও একগুচ্ছ দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করে টিম ইন্ডিয়াকে উদ্বুদ্ধ করলেন। এ ছাড়াও সুনিধি চৌহান, সুখবিন্দর সিং এবং শংকর মহাদেবনের মত মহান সঙ্গীত শিল্পীর দুর্দন্ত জমজমাট পারফরম্যান্সে ১ লাখ ৩০ হাজার আসন বিশিষ্ট স্টেডিয়াম দুলে ওঠে। ক্রীড়া বিশেষজ্ঞ দের ধারণা বিশ্ব ক্রিকেটের দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর মারমার কাটকাট লড়াইয়ের আগে এই রকম জমজমাট সঙ্গীতানুষ্ঠান ফলে দুই দলের দর্শকদের মধ্যে প্রতিহিংসা অনেকটা নমনীয় হবে। এবং সঙ্গীতের রেশ রেখে হালকা ফুরফুরে মেজাজেই পাওয়া গেলো দুই দলের দর্শক সহ ক্রিকেটারদের।

অক্টোবর ১৪, ২০২৩
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

মোদির ভিডিও সরাতেই বড় বিপাকে মেটা! ফের তলব শীর্ষ কর্তা, এবার কী হতে চলেছে?

ফেসবুক থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাইরাল সেলফি ভিডিও সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই ঘটনায় এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয়বার মেটার বৈশ্বিক জননীতি বিষয়ক প্রধানকে তলব করল কেন্দ্র। বুধবার সকালে সংশ্লিষ্ট সরকারি আধিকারিকের সামনে হাজির হতে বলা হয়েছে মেটার শীর্ষ কর্তা জোয়েল কাপলানকে। সূত্রের খবর, একই বিষয়ে ইনস্টাগ্রামের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তাকেও ডেকে পাঠানো হয়েছে।জেন-জি প্রজন্মের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তৈরি সেলফি ভিডিও হঠাৎ ফেসবুক থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর দেশজুড়ে বিতর্ক শুরু হয়। পরে মেটা এই ঘটনার জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলেও তাতে সন্তুষ্ট নয় কেন্দ্র।তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সংসদীয় কমিটির বৈঠকের পর কমিটির প্রধান নিশীকান্ত দুবে স্পষ্ট জানান, শুধু ক্ষমা চাইলেই দায় শেষ হয় না। এই ঘটনার পূর্ণ দায় মেটাকেই নিতে হবে। প্রয়োজনে সংস্থার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপও করা উচিত বলে মত প্রকাশ করেন তিনি।প্রসঙ্গত, নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদ এবং পরীক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতার দাবিতে দেশজুড়ে আন্দোলনের আবহের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী একটি বিশেষ ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেছিলেন। সেখানে তিনি প্রশ্নপত্র ফাঁসকে অত্যন্ত গুরুতর সমস্যা বলে উল্লেখ করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের স্বার্থে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।প্রধানমন্ত্রীর এই ভিডিও প্রকাশের পর খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তা ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। ইনস্টাগ্রামে মাত্র চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে ভিডিওটির দর্শকসংখ্যা তিনশো তিন মিলিয়ন ছাড়িয়ে যায়। সেই সাফল্যের মধ্যেই ফেসবুক থেকে ভিডিওটি সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। এখন কেন্দ্রের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
বিদেশ

পাকিস্তানে কি ফের সেনা অভ্যুত্থান? এক মন্ত্রীর বিস্ফোরক মন্তব্যে তীব্র জল্পনা

পাকিস্তানের রাজনীতিতে আবারও অনিশ্চয়তার মেঘ ঘনিয়ে উঠেছে। দেশের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী মহসিন নকভির একের পর এক মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। রাজনৈতিক মহলের একাংশের প্রশ্ন, পাকিস্তানে কি আবারও সেনা অভ্যুত্থানের সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে?পাকিস্তানের ইতিহাসে একাধিকবার সামরিক শাসন এসেছে। অতীতে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে তিনবার দেশের ক্ষমতা পরিবর্তন হয়েছে। সেই অতীতের প্রেক্ষাপটেই নকভির সাম্প্রতিক মন্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেক বিশ্লেষক।সম্প্রতি তিনি দাবি করেছেন, পাকিস্তানের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় দুর্নীতির ঘটনা সামনে এসেছে। তাঁর অভিযোগ, এই দুর্নীতির সঙ্গে রাজনীতিবিদ, আমলা, বিচারপতি এবং ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার বহু ব্যক্তি জড়িত। দীর্ঘদিন ধরে ঘুষ ও দুর্নীতির সংস্কৃতি চলেছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, তদন্তে যাঁদের নাম উঠে আসবে, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তবে রাজনৈতিক মহলের নজর কেড়েছে অন্য একটি বিষয়। দুর্নীতির অভিযোগে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কথা উল্লেখ করলেও সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে কোনও মন্তব্য করেননি নকভি। এই ঘটনাকে ঘিরেই নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের মতে, সেনাবাহিনীর সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের সঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তাঁর উপস্থিতি রাজনৈতিক সমীকরণকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, পাকিস্তানের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ক্ষমতার অন্দরে বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। যদিও সেনা অভ্যুত্থান নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও সরকারি ঘোষণা বা নির্ভরযোগ্য প্রমাণ সামনে আসেনি। ফলে বিষয়টি এখন জল্পনার পর্যায়েই রয়েছে। তবে নকভির ধারাবাহিক মন্তব্যে পাকিস্তানের রাজনীতি যে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
দেশ

বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর! আরও পাঁচ হাজার মহিলা পাবেন অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা, কারা থাকছেন তালিকায়?

দিল্লির বঙ্গভবনে এনসিপিআই সাংসদদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রায় এক ঘণ্টার এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, শতাব্দী রায়-সহ দলের অন্যান্য সাংসদরা। বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট বার্তা দেন, রাজ্যের উন্নয়নের কাজ আরও দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে এবং সরকারি প্রকল্পের সুবিধা প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের কাছেও পৌঁছে দিতে হবে।বৈঠকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ছিল অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে। যাঁরা আবেদন করার পরেও এখনও এই প্রকল্পের আর্থিক সুবিধা পাননি, তাঁদের জন্য নতুন সুযোগের ঘোষণা করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রত্যেক এনসিপিআই সাংসদ তাঁদের নিজ নিজ লোকসভা এলাকায় অতিরিক্ত পাঁচ হাজার উপভোক্তার নাম সুপারিশ করতে পারবেন। সেই তালিকায় থাকবেন এমন মহিলারা, যাঁরা এখনও অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাননি।ইতিমধ্যেই বহু উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পৌঁছে গিয়েছে। তবে অনেক আবেদনকারী এখনও এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। তাঁদের কথা মাথায় রেখেই এই নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে কুড়ি জন সাংসদের মাধ্যমে মোট এক লক্ষ নতুন উপভোক্তা এই প্রকল্পের আওতায় আসতে পারেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।বৈঠকের পরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে শতাব্দী রায় জানান, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে অত্যন্ত ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, এলাকার উন্নয়নের জন্য নতুন রাস্তা, সমন্বিত শিশু বিকাশ কেন্দ্র এবং বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি যাঁরা অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা এখনও পাননি, তাঁদের মধ্যে পাঁচ হাজার জনের নাম প্রত্যেক সাংসদ সুপারিশ করতে পারবেন বলেও জানানো হয়েছে।সূত্রের খবর, বৈঠকে কয়েকজন সাংসদ অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরেও অনেক এলাকায় নিচুতলার কর্মীদের সহযোগিতা তাঁরা পাচ্ছেন না। কোথাও কোথাও প্রশাসনিক সহযোগিতার অভাবের কথাও তুলে ধরা হয়। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ আরও বাড়ানো এবং সরকারি প্রকল্পের সুবিধা সরাসরি পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
কলকাতা

মহালয়ার অমর কণ্ঠকে বড় সম্মান! বদলে যেতে পারে শ্যামবাজার মেট্রোর নাম, সামনে এল বড় প্রস্তাব

বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে আরও মর্যাদা দিতে বড় উদ্যোগের প্রস্তাব সামনে এল। প্রবাদপ্রতিম কণ্ঠশিল্পী বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের জন্মদিনে তাঁর স্মৃতিকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের দাবি তুললেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তিনি প্রস্তাব দিয়েছেন, শ্যামবাজার মেট্রো স্টেশনের নাম বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের নামে করা হোক। পাশাপাশি তাঁর ঐতিহাসিক বাড়িকে হেরিটেজ হিসেবে সংরক্ষণের উদ্যোগও নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন।মঙ্গলবার বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের জন্মদিনে শ্যামবাজারের রামধন মিত্র লেনের বাড়িতে যান অগ্নিমিত্রা পাল। সেখানে তিনি কিংবদন্তি শিল্পীর মূর্তিতে মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জানান এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। বীরেন্দ্রকৃষ্ণের পুত্রবধূ সুস্মিতা ভদ্রের সঙ্গেও দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করেন তিনি।মন্ত্রী জানান, মহালয়ার ভোরে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের চণ্ডীপাঠ ছাড়া বাঙালির দুর্গাপুজোর আবহ যেন সম্পূর্ণ হয় না। তাই তাঁর অবদানকে আগামী প্রজন্মের কাছে স্মরণীয় করে রাখতে স্থায়ী উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। সেই কারণেই শ্যামবাজার মেট্রো স্টেশনের নাম তাঁর নামে করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।শ্যামবাজারের রামধন মিত্র লেনের পুরনো বাড়িটিও সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন মন্ত্রী। বর্তমানে বাড়িটির অবস্থা অনেকটাই জীর্ণ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ঐতিহাসিক এই বাড়ির গুরুত্ব আরও বেড়েছে। তাই এটিকে হেরিটেজ হিসেবে ঘোষণা করে সংরক্ষণ করার পরিকল্পনা রয়েছে।কলকাতার একাধিক মেট্রো স্টেশনের নাম ইতিমধ্যেই বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের নামে রাখা হয়েছে। মহানায়ক উত্তম কুমার, কাজী নজরুল ইসলাম, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু এবং সুকান্ত ভট্টাচার্যের নামে মেট্রো স্টেশন রয়েছে। এবার সেই তালিকায় বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের নামও যুক্ত হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন অনেকে।রাজ্য সরকার বাংলার ঐতিহ্য ও মনীষীদের স্মৃতি সংরক্ষণে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও জানিয়েছেন অগ্নিমিত্রা পাল। শুধু বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র নন, অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিদের ঐতিহাসিক বাড়িও সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ঐতিহাসিক বাসভবন সংরক্ষণের বিষয়েও পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেছেন তিনি।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
দেশ

বড় ভাঙনের ইঙ্গিত! বিজেপির সঙ্গে যাব না, স্পষ্ট জানালেন আবু তাহের, বাড়ল নতুন জল্পনা

রাজ্যের রাজনীতিতে আবারও নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। এনসিপিআইয়ের সাংসদ আবু তাহের স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি এনসিপিআইতে থাকলেও বিজেপির সঙ্গে কোনওভাবেই যেতে চান না। একই ধরনের বক্তব্য রেখেছেন খলিলুর রহমানও। এই মন্তব্য সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।তৃণমূল ছেড়ে একসঙ্গে বিশ জন সাংসদ এনসিপিআইতে যোগ দিয়েছিলেন। পরে তাঁরা লোকসভার স্পিকারের কাছে নতুন দল হিসেবে স্বীকৃতির আবেদন করেন। পাশাপাশি এনডিএর শরিক হওয়ার জন্যও আবেদন করা হয়। সেই পরিস্থিতিতে আবু তাহের ও খলিলুর রহমানের এই অবস্থান নতুন করে জল্পনা তৈরি করেছে।রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন, যদি শুরু থেকেই এনডিএর অংশ হওয়ার পরিকল্পনা থাকে, তাহলে এখন কেন বিজেপির সঙ্গে যাওয়ার ক্ষেত্রে আপত্তি জানানো হচ্ছে? এই অবস্থান কি শুধুই রাজনৈতিক, নাকি ভবিষ্যতের বড় কোনও সমীকরণের ইঙ্গিত?আবু তাহের বলেন, তাঁদের নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়েছেন, সংখ্যালঘু সাংসদরা এনডিএর বৈঠকে অংশ নেননি। তাঁদের রাজনৈতিক ও সামাজিক কিছু বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সেই কারণেই তাঁরা এনডিএর বৈঠকে যাননি এবং ভবিষ্যতেও যাওয়ার পরিকল্পনা নেই। তাঁরা এনসিপিআইতেই থাকবেন।এই বক্তব্যের পর আরও একটি প্রশ্ন সামনে এসেছে। প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যেই এনসিপিআইকে এনডিএর শরিক হিসেবে পরিচয় করিয়েছেন। সে ক্ষেত্রে একই দলে থেকেও কয়েকজন সাংসদ কীভাবে এনডিএ থেকে নিজেদের দূরে রাখবেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এর আগে দিল্লিতে এনডিএর বৈঠকে এনসিপিআইয়ের কয়েকজন সাংসদ উপস্থিত থাকলেও আবু তাহের, খলিলুর রহমান এবং আরও এক সংখ্যালঘু সাংসদ সেখানে যাননি। সেই ঘটনাও যথেষ্ট আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। এরই মধ্যে সংসদ চত্বরে তাঁদের সঙ্গে তৃণমূলের নেতাদের কথোপকথন ঘিরেও নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। ফলে আগামী দিনে এনসিপিআইয়ের রাজনৈতিক অবস্থান কী হবে এবং এই দল এনডিএর সঙ্গে কতটা এগোবে, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
কলকাতা

চিনার পার্ক থেকে নবান্ন! হামিমের নিশানায় কি মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা? জেরায় উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

জঙ্গি সন্দেহে ধৃত হামিম মণ্ডল এবং তার সহযোগীদের জেরা করে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। তাঁদের দাবি, শুধু মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সভা বা যাতায়াতের পথ নয়, চিনার পার্কের বাড়ির আশপাশেও নজরদারি চালানো হয়েছিল। পাশাপাশি হামিম বা তার সহযোগীরা নবান্ন চত্বরেও গিয়েছিল কি না, তা জানতে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।গত সপ্তাহে বর্ধমান থেকে হামিম মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, জেরায় জানা গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর গতিবিধির উপর নজর রাখা ছিল তার অন্যতম দায়িত্ব। অভিযোগ, বিদেশে থাকা হ্যান্ডলারদের নির্দেশেই এই নজরদারি চলছিল। নিরাপত্তার কোথাও দুর্বলতা রয়েছে কি না, সেটাই খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হচ্ছিল বলে তদন্তকারীদের ধারণা।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, হামিম মুখ্যমন্ত্রীর একাধিক জনসভা এবং কর্মসূচির আশপাশে গিয়েছিল। পাশাপাশি চিনার পার্কের বাড়ির অবস্থানও খতিয়ে দেখেছিল বলে দাবি। এমনকি বাড়ির কাছাকাছি কোথাও থাকার পরিকল্পনাও করা হয়েছিল বলে তদন্তকারীদের অনুমান। যদিও সত্যিই সেখানে কোনও বাড়ি ভাড়া নেওয়া হয়েছিল কি না, তা এখনও নিশ্চিত হয়নি।তদন্তকারীদের ধারণা, হামিম ও তার সহযোগীরা নবান্ন চত্বরেও গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে থাকতে পারে। সেই কারণেই ওই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খুঁটিয়ে দেখা হচ্ছে। হামিমের গতিবিধি এবং তার সঙ্গে কারা যোগাযোগ রেখেছিল, সেই তথ্যও সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।তদন্তে আরও দাবি করা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও হাওড়ার উত্তর কেন্দ্রের বিধায়ক এবং রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী উমেশ রাইও হামিমদের নজরদারির তালিকায় ছিলেন। অভিযোগ, তাঁর ছেলেকে হানিট্র্যাপের মাধ্যমে ফাঁদে ফেলে অপহরণের পরিকল্পনাও করা হয়েছিল। এই তথ্য হামিমকে জেরা করেই পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি তদন্তকারী সংস্থার।ইতিমধ্যেই হামিমের ঘনিষ্ঠ অর্পিতা সরকার এবং আদিত্য সিংকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, অর্পিতার বিদেশে থাকা হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল। তবে এই নেটওয়ার্কে আরও কারা জড়িত, অর্থ কোথা থেকে আসত এবং আর কী কী পরিকল্পনা ছিল, সেই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে ধৃতদের জেরা চলছে।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
রাজ্য

জঙ্গি সন্দেহে তদন্তে বড় মোড়! হামিমের পর গ্রেফতার আরও এক যুবক, সামনে চাঞ্চল্যকর দাবি

জঙ্গি সন্দেহে ধৃত হামিমকে ঘিরে তদন্তে আরও এক বড় সাফল্যের দাবি করল বিশেষ তদন্তকারী দল। হামিম এবং তাঁর বান্ধবী অর্পিতার পর এবার গ্রেফতার করা হয়েছে আদিত্য সিং ওরফে রাজুকে। ভোররাতে হাওড়ার বেলিলিয়াস রোডের বাড়ি থেকে তাঁকে আটক করে তদন্তকারীরা।তদন্তকারীদের দাবি, আদিত্য দীর্ঘদিন ধরেই হামিমের পরিচিত ছিল এবং বিভিন্নভাবে তাকে সাহায্য করত। তদন্তে এমন তথ্যও উঠে এসেছে বলে দাবি করা হচ্ছে, যেখানে বলা হয়েছে এক মন্ত্রীর গতিবিধির উপর নজর রাখার দায়িত্ব আদিত্যর উপর ছিল। তদন্তকারীদের অভিযোগ, ওই মন্ত্রী এবং তাঁর ছেলের গাড়ি, বাড়ি ও চলাফেরার ছবি এবং ভিডিও সংগ্রহ করে হামিমের কাছে পাঠিয়েছিল আদিত্য। তবে এই অভিযোগের সত্যতা এখনও আদালতে প্রমাণিত হয়নি।এখন তদন্তকারীরা জানতে চাইছেন, শুধুমাত্র ওই মন্ত্রী এবং তাঁর পরিবারের উপরই নজর রাখা হচ্ছিল, নাকি আরও কেউ তাদের লক্ষ্য ছিল। সেই কারণেই আদিত্যকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।আদিত্যর গ্রেফতারের পর তাঁর পরিবার এবং প্রতিবেশীরা কার্যত হতবাক। পরিবারের দাবি, তিনি কলেজে বাণিজ্য বিভাগে পড়াশোনা করতেন। কীভাবে হামিমের সঙ্গে তাঁর পরিচয় বা যোগাযোগ তৈরি হল, তা তাঁদের জানা নেই।এক প্রতিবেশীর কথায়, আদিত্যকে সবসময় পড়াশোনা করতে দেখা যেত। তিনি কখনও এমন কোনও কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারেন, তা বিশ্বাস করা কঠিন। আর এক প্রতিবেশীর দাবি, আদিত্যর বাড়িতে কোনও বন্ধুবান্ধবকে নিয়মিত আসতে দেখা যেত না। তাই এই ঘটনায় তাঁরাও বিস্মিত।আদিত্যর মা জানিয়েছেন, তাঁর ছেলে নিয়মিত কলেজে যেত এবং পড়াশোনাতেই মন দিত। সম্প্রতি পড়াশোনার জন্য একটি ল্যাপটপও কিনে দিয়েছিলেন তাঁর বাবা। প্রতিদিন হাতখরচের টাকাও দিতেন। পরিবারের দাবি, যদি আগে কোনও সন্দেহজনক বিষয় তাঁদের নজরে আসত, তাহলে অবশ্যই তাঁকে সতর্ক করা হত।পরিবারের এক আত্মীয় জানান, কয়েক দিন আগে তদন্তকারী আধিকারিকরা বাড়িতে এসে কিছু প্রশ্ন করেছিলেন। কিন্তু তারপর অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই পরিস্থিতি এতটা বদলে যাবে, তা তাঁদের কল্পনারও বাইরে ছিল।তদন্ত এখনও চলছে। আদিত্যর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা আদালতের বিচার এবং তদন্তের মাধ্যমেই স্পষ্ট হবে।

আগস্ট ০৩, ২০২৬
দেশ

অন্যকে জেতানোর কারিগর এবার নিজেই জিতলেন! বাঁকিপুরে প্রশান্ত কিশোরের ঐতিহাসিক চমক

অন্যকে নির্বাচনে জেতানোর কৌশল তৈরি করেই এতদিন পরিচিত ছিলেন প্রশান্ত কিশোর। এবার নিজেই ভোটে লড়ে ইতিহাস গড়লেন তিনি। বিহারের বাঁকিপুর বিধানসভা উপনির্বাচনে দীর্ঘ একত্রিশ বছর ধরে বিজেপির দখলে থাকা আসন ছিনিয়ে নিয়ে প্রথমবার বিধায়ক হলেন প্রশান্ত কিশোর। তাঁর জয়ের হাত ধরেই প্রথমবার বিধানসভায় প্রতিনিধিত্ব পেল জন সুরাজ।গণনার শুরু থেকেই এগিয়ে ছিলেন প্রশান্ত কিশোর। বত্রিশ দফা গণনা শেষে তাঁর জয় নিশ্চিত হয়। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, তিনি পেয়েছেন চৌষট্টি হাজার একশো একান্ন ভোট। বিজেপি প্রার্থী নীরজ কুমার পেয়েছেন চুয়াল্লিশ হাজার আটশো সাতাশ ভোট। ফলে উনিশ হাজার তিনশো চব্বিশ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন প্রশান্ত কিশোর। আরজেডি প্রার্থী রেখা কুমারী চৌদ্দ হাজার দুইশো তিয়াত্তর ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থানে শেষ করেন।জয়ের পর বাঁকিপুরের ভোটারদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রশান্ত কিশোর বলেন, বিহারের উন্নয়ন, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানই তাঁর প্রধান লক্ষ্য। তাঁর দাবি, এই ফলের মাধ্যমে রাজ্যের মানুষ এমন নেতৃত্বের পক্ষেই মত দিয়েছেন, যিনি শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের উন্নতিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবেন।জন সুরাজের নেতাদের দাবি, তরুণ ভোটারদের সমর্থন তাদের সাফল্যের অন্যতম কারণ। যদিও এই দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব নয়। ভোটের আগে বিহারে বিভিন্ন ছাত্র আন্দোলন এবং শিক্ষা নিয়ে বিতর্ক রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। সেই কারণেই তরুণ ভোটারদের ভূমিকা নিয়ে জোর আলোচনা চলছিল।বাঁকিপুর দীর্ঘদিন ধরেই বিজেপির অন্যতম শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। উনিশশো পঁচানব্বই সাল থেকে এই আসন বিজেপির দখলে ছিল। এখান থেকেই একাধিকবার জয়ী হয়েছিলেন দলের শীর্ষ নেতা নিতিন নবীন। পরে তিনি রাজ্যসভার সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় আসনটি ছেড়ে দেন। সেই শূন্য আসনেই অনুষ্ঠিত হয় এই উপনির্বাচন।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, দুই হাজার পঁচিশ সালের বিহার বিধানসভা নির্বাচনে জন সুরাজ একটি আসনও জিততে পারেনি। সেই নির্বাচনে প্রশান্ত কিশোর নিজেও প্রার্থী হননি। মাত্র এক বছরের মধ্যে পটনার গুরুত্বপূর্ণ এই আসনে জয় পেয়ে দলকে প্রথমবারের মতো বিধানসভায় পৌঁছে দিলেন তিনি।জন সুরাজের সভাপতি মনোজ ভারতী বলেন, বাঁকিপুরের মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছেন। তাঁর দাবি, নীরব ভোটারদের বড় অংশ জন সুরাজের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং এই ফল বিহারের রাজনীতিতে নতুন বার্তা দিল।অন্যদিকে, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী জনগণের রায়কে সম্মান জানিয়ে প্রশান্ত কিশোরকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, গণতন্ত্রে জনগণের সিদ্ধান্তই সর্বোচ্চ এবং সেই রায়কে সম্মান জানানোই সকলের দায়িত্ব।

আগস্ট ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal