• ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩, বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Omicron

দেশ

এবার ওমিক্রণের থেকে বহু গুণ সংক্রামক নতুন এক্স-ই ভ্যারিয়েন্টের হদিশ দেশে

দেশে প্রথম ধরা পড়ল কোভিড এক্স-ই ভ্য়ারিয়েন্ট। বুধবার মুম্বাইতে করোনা ভাইরাসের নতুন XE রূপের প্রথম রিপোর্ট ধরা পড়েছে। ওমিক্রণের থেকেও বেশি সংক্রমণযোগ্য এই ভ্যারেয়েন্ট, মনে করছে বিশেষজ্ঞরা। এই ভ্যারিয়েন্ট প্রথম মিলেছিল ব্রিটেনে। দেশে এই প্রথম নতুন ভ্যারিয়েন্ট ধরা পড়ায় সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।বিএমসি জানিয়েছে, ৫০ বছর বয়সী এক মহিলার শরীরে এক্স-ই ভাইরাস মিলেছে। তাঁর করোনা ভ্য়াক্সিন নেওয়া আছে। তাঁর শরীরে এখনও পর্যন্ত কোনও লক্ষণ দেখায়নি। ওই মহিলার কোমরবিডিটিও নেই।জানা গিয়েছে, পেশায় একজন কস্টিউম ডিজাইনার ওই মহিলা গত ১০ ফেব্রুয়ারী দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে মুম্বাই এসেছিলেন। ভারতে আসার পরে তিনি কোভিড -১৯-এর পরীক্ষা করেছিলেন। তখন কোভিড টেস্ট নেগেটিভ এসেছিল। কিন্তু গত ২ মার্চ রুটিন পরীক্ষার সময় তাঁর শরীরে পজিটিভ পাওয়া যায়। পরে তিনি মুম্বাইয়ের শহরতলির বান্দ্রার তাজ ল্যান্ডস এন্ডে কোয়ারেন্টাইনে ছিলেন। তবে পরের দিন তাঁর নমুনা নেগেটিভ আসে।

এপ্রিল ০৬, ২০২২
বিদেশ

৫৭টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে আরও সংক্রামক নতুন ওমিক্রন, সতর্ক করল হু

১০ সপ্তাহ আগে দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথম ওমিক্রনের সন্ধান মেলার পর ঝড়ের গতিতে তা ছড়িয়ে পড়ে বাকি বিশ্বে। মাত্র আড়াই মাসের মধ্যে ডেল্টাকে সরিয়ে ওমিক্রন ডমিনেন্ট ভ্যারিয়েন্ট হয়ে উঠেছে। তার মধ্যেই জানা যাচ্ছে, ওমিক্রনের সেকেন্ড জেনারেশন ভ্যারিয়েন্ট হিসাবে পরিচিত বিএ.২-এর সংক্রমণ ক্ষমতা ওমিক্রনের প্রাথমিক রূপের চেয়েও বেশি। মঙ্গলবার এই প্রসঙ্গে হু জানায়, তাদের রিপোর্টে উঠে এসেছে বিশ্বের অন্তত ৫৭টি দেশে এই রূপের উপস্থিতি পাওয়া গিয়েছে। আগামী দিনে তা আরও বাড়বে।বিজ্ঞানীদের দাবি, আগে যদি কেউ মৃদু উপসর্গ সমেত ওমিক্রন আক্রান্ত হয়ে থাকেন, তা হলেও যে তিনি নিস্তার পাবেন তারও কোনও নিশ্চয়তা নেই। কারণ, তাঁর শরীরে ভবিষ্যতে সংক্রমণ এড়ানোর মতো যথেষ্ট অ্যান্টিবডি না থাকারই সম্ভাবনা বেশি। ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফর্নিয়ার করা এক নতুন গবেষণায় উঠে এসেছে এই তথ্য।সাম্প্রতিক সময়ে করা একাধিক সমীক্ষা ও গবেষণার তথ্য বলছে বিএ.২ ওমিক্রনের প্রাথমিক রূপের চেয়েও বেশি সংক্রামক। এই প্রসঙ্গেই মঙ্গলবার হু-এর বিশেষজ্ঞ মারিয়া ভান কেরখোভে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, বিএ.২-এর সম্পর্কে এখনও বিশেষ কিছুই জানা যায়নি। তবে প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে, এই রূপটি ওমিক্রনের প্রাথমিক রূপের চেয়ে সামান্য বেশি সংক্রমণ ক্ষমতা সম্পন্ন। পাশাপাশি তিনি এ-ও মনে করিয়ে দিয়েছেন, করোনা একটি ভয়ঙ্কর রোগ, মানুষের উচিত এর সংস্পর্শ এড়িয়ে চলা।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২২
দেশ

সংক্রমণ কমলেও চিন্তা বাড়াচ্ছে দৈনিক সংক্রমণ, আক্রান্ত ৩ লক্ষের বেশি, একদিনে মৃত্যু ৪৩৯ জনের

ভারতে অনেকটাই কমল দৈনিক করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা। তবে এখনও দৈনিক-সংক্রমণ থাকল তিন লক্ষের উপরই। বেড়েছে দৈনিক সংক্রমণের হারও। রবিবার সারাদিনে ভারতে নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লক্ষ ০৬ হাজার ০৬৪ জন, এই সংখ্যা আগের দিনের তুলনায় ২৭ হাজার ৪৬৯ কম। এই সময়ে মৃত্যু হয়েছে করোনা-আক্রান্ত ৪৩৯ জন রোগীর, মৃত্যুর সংখ্যাও আগের দিনের তুলনায় কমেছে। দৈনিক সংক্রমণের হার এই মুহূর্তে ২০.৭৫ শতাংশ।বিগত ২৪ ঘন্টায় ভারতে চিকিৎসাধীন করোনা-রোগীর সংখ্যা বেড়ে ২,২৪,৯৩,৩৫-এ পৌঁছেছে, শেষ ২৪ ঘন্টায় সক্রিয় রোগীর সংখ্যা বেড়েছে ৬২,১৩০ জন। এই মুহূর্তে শতাংশের নিরিখে ৫.৬৯ শতাংশ রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ভারতে বিগত ২৪ ঘন্টায় করোনা ভাইরাসের টিকা পেয়েছেন মাত্র ২৭ লক্ষ ৫৬ হাজার ৩৬৪ জন প্রাপক, ফলে ভারতে সোমবার সকাল আটটা পর্যন্ত ১,৬২,২৬,০৭,৫১৬ জনকে কোভিড টিকা দেওয়া হয়েছে।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিগত ২৪ ঘন্টায় ৪৩৯ জনের মৃত্যুর পর ভারতে কোভিড-১৯ ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ৪,৮৯,৮৪৮ জন।রবিবার সারা দিনে ভারতে করোনা-মুক্ত হয়েছেন ২,৪৩,৪৯৫ জন। সোমবার সকাল আটটা পর্যন্ত ভারতে মোট সুস্থ হয়েছেন ৩,৬৮,০৪,১৪৫ জন করোনা-রোগী, শতাংশের নিরিখে ৯৩.০৭ শতাংশ। নতুন করে ৩,০৬,০৬৪ জন সংক্রমিত হওয়ার পর ভারতে মোট কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন ৩,৯৫,৪৩,৩২৮ জন।তৃতীয় ঢেউয়ে উদ্বেগ আরও বাড়াচ্ছে করোনার নতুন ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যাও ১০ হাজার পার করেছে। দেশের ২৯ রাজ্যে থাবা বসিয়েছে ওমিক্রন। এদিকে রাজ্যের বাকি জেলায় স্কুল খুললেও মুম্বই পুরসভার তরফে জানানো হয়েছে, রাজ্যে স্কুল খোলার নির্দেশ দেওয়া হলেও, আপাতত মুম্বইয়ে ৩১ জানুয়ারি অবধি প্রথম থেকে নবম শ্রেণির পড়ুয়াদের স্কুলে আসার উপর নিষেধাজ্ঞাই জারি থাকবে। নতুন বছরের শুরু থেকেই রাজ্য তথা গোটা দেশজুড়েই বেড়েছিল করোনা সংক্রমণ। সতর্কতাবশে সঙ্গে সঙ্গেই বন্ধ করা হয়েছিল স্কুলও। তবে মাসের মাঝামাঝি সময়ে সংক্রমণ কিছুটা কমতেই, স্কুল খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মহারাষ্ট্র সরকার। সোমবার থেকেই প্রথম থেকে নবম শ্রেণির অফলাইন পঠনপাঠন শুরু হচ্ছে।

জানুয়ারি ২৪, ২০২২
বিদেশ

আশা দেখাচ্ছে ব্রিটেন, দ্রুত সংক্রমণ কমছে ওমিক্রনের, বাধ্যতামূলক নয় মাস্ক পরা

সারা পৃথিবী যখন ওমিক্রন ঝড়ে বেসামাল, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী-র গলায় অন্য সুর, তিনি সরকারি ভাবে বিবৃতি দিয়ে জানালেন আর মুখে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক নয়। তাঁর অর্থ কেউ মাস্ক ব্যবহার না করলেও তাঁর বিরুদ্ধে সরকারি ভাবে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। বুধবার ব্রিটেনে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১,০৮,০৬৯ যা গত সাত দিনের তুলনায় ৩৭.২% কম, এবং ৩৫৯ জন করোনা আক্রন্তের মৃত্যু হয়েছে, সেক্ষেত্রেও ৮.২% কম। প্রধানমন্ত্রী বাইডেন আরও জানিয়েছেন যে, এখন থেকে থাকছে না ওয়ার্ক ফ্রম হোমও, সকলকে অফিসে এসে কাজ করতে হবে। করোনা ও ওমিক্রনের সংক্রমণ খুব দ্রুত হ্রাস পাওয়ার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে ঘোষণা করলেন বরিস। তিনি জানিয়েছেন, সামনের সপ্তাহ থেকেই কোভিড সংক্রান্ত আরও অন্য যে সমস্ত বিধিনিষেধ আছে সেগুলিও প্রত্যাহার করা নেওয়া হবে।সামাজিক মাধ্যমে টুইট করে বরিস জনসন জানান, আমাদের বিজ্ঞানীরা সরকারি ভাবে জানিয়েছেন যে, ব্রিটেন-এ ওমিক্রনের সংক্রমণ পিক শিখড়ে পৌঁছে গিয়েছে। এখন থেকে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার কাউকেই বাড়ি থেকে কাজ (ওয়ার্ক ফ্রম হোম) করতে বলবে না, সকলেই অফিসে এসে কাজ করতে পারে। তিনি দাবি করেন, ব্রিটেনই বিশ্বে প্রথম টিকা তৈরি করে এবং সমগ্র ইউরোপের সমস্ত দেশের আগে টিকাকরণ প্রক্রিয়া শুরু করে।We were the first nation in the world to administer a vaccine, and one of the fastest in Europe to roll it out.This was because we made the big call to pursue our own vaccine procurement, outside of the EMA.1/5 Boris Johnson (@BorisJohnson) January 19, 2022তিনি টুইট করে আরও জানান, আমরা নিজেদের উদ্যোগে টিকা তৈরি হওয়ার জন্যই এটা সম্ভব হয়েছে ৷ আমরা যখন আগের গ্রীষ্মকালে সবকিছু স্বাভাবিক রাখার কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, তখন বাকিরা বলেছিল এটা করা উচিত নয়৷ এই শীতেও যখন অন্যান্য দেশ লকডাউন ঘোষণা করে দিয়ছে, তখনও আমাদের সবকিছু স্বাভাবিক খোলা ছিল ৷ এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণে ব্রিটেনের অর্থিনীতিতে ক্ষতি বাকিদের থেকে অনেক কম হয়েছে। বরিস জনসন জানান, আমাদের বিজ্ঞানীরা সরকারি ভাবে জানিয়েছেন যে, ব্রিটেন-এ ওমিক্রনের সংক্রমণ পিক শিখড়ে পৌঁছে গেছে। এখন থেকে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার আরও জানান ইউরোপে মধ্যে কেবলমাত্র আমাদেরই অর্থনীতি এবং সমাজ সবচেয়ে উন্মুক্ত এবং জি-৭ অন্তভুক্ত দেশ গুলির মধ্যে ব্রিটেন-ই সবচেয়ে দ্রুত এগিয়ে চলা অর্থনীতির দেশ৷ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর দাবি, খুব দ্রুত বুস্টার ডোজের প্রচারের জন্য এবং প্ল্যান-বি নির্দেশিকায় মানুষ খুব ভালো সাড়া দেওয়ায়, তাঁরা প্ল্যান-এ-তে আবার ফিরে যাচ্ছেন এবং প্ল্যান বি-র নির্দেশিকা প্রত্যাহার করে নিচ্ছেন৷ প্ল্যান-বি নির্দেশিকা বলতে তিনি জানিয়েছেন বাধ্যতামূলক ফেস মাস্ক, বাধ্যতামূলক কোভিড পাস ও ওয়ার্ক ফ্রম হোমের মত পরামর্শের কথা অখানে বলা হয়েছে৷We delivered the biggest and fastest vaccine roll out in Europe, resisted lockdown, and can now restore freedoms with the end of Plan B.Labours answer was 𝐥𝐨𝐜𝐤𝐝𝐨𝐰𝐧.Ours is a plan thats protecting health, kept unemployment low and restored the economy. pic.twitter.com/noX3j5ihy7 Oliver Dowden (@OliverDowden) January 19, 2022ব্রিটেনে ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত মোট ৫,২১,৫১,৬৪৩ (৯০.৭০%) প্রথম ডোজ নিয়েছেন, দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ৪,৮০,১৯,০৬৯ (৮৩.৫%) এবং বুস্টার ডোজ নিয়েছেন ৩,৬৬,২১,৬৭১ (৬৩.৭%) জন ৷ এখানে বিশেষ উল্লেখ্য ভারতে যেখানে ১৫ বছরের উর্ধে করোনা টিকা দেওয়া হচ্ছে, ব্রিটেনে ১২ বছর বয়সের উর্ধে সকলকেই টিকা দেওয়া হচ্ছে। ব্রিটেন-ই সেই দেশ যারা প্রথম সারা বিশ্বকে কোভিড-১৯-এর রূপ বদল (ভেরিয়েন্ট) নিয়ে সতর্ক করেছিল এবং ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ রোখার জন্য তাঁরা ডিসেম্বরের প্রথমেই আন্তর্জাতিক উড়ানে সফর নিয়ন্ত্রণ করার পদক্ষেপ নিয়েছিল ও তাদের প্ল্যান-বি শুরু করে দিয়েছিল।

জানুয়ারি ২০, ২০২২
দেশ

দেশে একদিনেই আক্রান্ত ৩ লক্ষের বেশি, ভাঙল ৮ মাসের রেকর্ড!

দৈনিক সংক্রমণে দীর্ঘ আট মাসের রেকর্ড ভাঙল। দেশে একদিনেই করোনা আক্রান্তের সংখ্যা পার করল ৩ লক্ষের গণ্ডি। বিগত কয়েক দিন ধরে দেশে দৈনিক সংক্রমণের হার কিছুটা নিম্নমুখী হলেও, তা হঠাৎ করে ফের বৃদ্ধি পেয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লক্ষ ১৭ হাজার ৫৩২ জন। এই নিয়ে দেশে সক্রিয় রোগীর সংখ্যাও বেড়ে দাঁড়াল ১৯ লক্ষ ২৪ হাজার ৫১-এ। দেশে মোট ,করোনা আক্রান্তের ৪.৮৩ শতাংশই সক্রিয় রোগী। একদিনেই ৪৯১ জনের মৃত্যু হওয়ায় দেশে মোট মৃতের সংখ্যাও বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৮৭ হাজার ৬৯৩-এ।দেশের এই উর্ধ্বমুখী সংক্রমণের জন্য চিকিৎসক, গবেষকরা করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনকেই দায়ী করেছেন। বর্তমানে দেশে মোট ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯২৮৭-এ। দেশের মধ্যে মহারাষ্ট্রেই ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা সর্বাধিক। গত ২৪ ঘণ্টাতেই সে রাজ্যে ২১৪ জন ওমিক্রন আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে, এই নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৮৬০-এ পৌঁছেছে। সংক্রমণের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ, রাজ্যেও ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ১৬০০-র গণ্ডি পার করেছে।আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার ফলে কিছুটা কমেছে সুস্থতার হারও। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২ লক্ষ ২৩ হাজার ৯৯০ জন। এই নিয়ে দেশে মোট সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ কোটি ৫৮ লক্ষ ৭ হাজার ২৯-এ। সুস্থতার হার কমে দাঁড়িয়েছে ৯৩.৬৯ শতাংশে। অন্য়দিকে, বর্তমানে দেশে সংক্রমণের হার ১৬.৪১ শতাংশে পৌঁছেছে, সাপ্তাহিক সংক্রমণের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬.০৬ শতাংশে।

জানুয়ারি ২০, ২০২২
বিদেশ

ভ্যাকসিনের চতুর্থ ডোজকে আটকে দিতে পারে ওমিক্রন !

ভ্যাকসিনের চতুর্থ ডোজকেও আটকে দিতে পারে ওমিক্রন! করোনা ভাইরাস আসার পর দুবছর ইতিমধ্যেই অতিক্রান্ত। সারা বিশ্ব এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। বিভিন্ন দেশেই নাগরিকদের করোনা টিকা দুটি ডোজ দেওয়ার কাজ সম্পন্ন হয়েছে, এখন সংক্রমণ রুখতে তৃতীয় ডোজ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে অনেক দেশ। এরমধ্যেই করোনার ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের আগমন উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে তুলেছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন ওমিক্রন করোনার অন্যান্য ভ্যারিয়েন্ট গুলির তুলনায় অনেক বেশি সংক্রমক। এবার ওমিক্রন সংক্রমণ রোধে গবেষণায় নতুন দাবি সামনে এল। সোমবার, ইজরায়েলের এক হাসপাতালের তরফে প্রাথমিক গবেষণায় দাবি করা হয়েছে ভ্যাকসিনে চতুর্থ ডোজ সাময়িকভাবে রোধ করতে পারে ওমিক্রন সংক্রমণ।দেশে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। করোনা সংক্রমণের তৃতীয় ঢেউয়ে উদ্বেগ আরও বাড়াচ্ছে করোনার নতুন ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট। মঙ্গলবার পাওয়া তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে দেশে নতুন করে ২ লক্ষ ৩৮ হাজার মানুষ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। ওমিক্রনে আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছেছে ৮ হাজার ৮৯১তে। দেশের ২৯ রাজ্যে থাবা বসিয়েছে ওমিক্রন। করোনা সংক্রমণ রুখতে বিধিনিষেধ জারি করা হলেও দেশের একাধিক প্রান্তে ধরা পড়ছে নিয়ম ভাঙার চিত্র। এরইমধ্যে ইজরায়েলের হাসপাতালের তরফে এমন উদ্বেগজনক দাবি করা হল।

জানুয়ারি ১৮, ২০২২
বিদেশ

WHO: ওমিক্রনকে মৃদু ভাবা বিপজ্জনক, ফের সাবধানবাণী বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রোস আধানম ঘেব্রিয়েসুস মনে করিয়ে দিলেন ডেল্টার ভ্যারিয়েন্টের মতো বিপজ্জনক না হলেও ওমিক্রনকে মৃদু ভাবারও কোনও কারণ নেই। বিশেষত তাঁদের জন্য যাঁদের এখনও ভ্যাকসিনেশন হয়নি। ডেল্টার যেমন বৃদ্ধি হয়েছিল এবার ওমিক্রনের ধাক্কায় তেমনই এক সুনামির দিকে এগিয়ে চলেছে গোটা বিশ্ব।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধানের জানান যাঁদের টিকাকরণ হয়ে গিয়েছে তাঁদের ক্ষেত্রে ডেল্টার তুলনায় ওমিক্রন কম ক্ষতিকারক হিসাবে দেখা দিলেও একে মোটেই মৃদু বা মাইল্ড হিসাবে চিহ্নিত করা যায় না। তিনি যোগ করেন, অন্য ভ্যারিয়েন্টদের মতো ওমিক্রনও মানুষকে হাসপাতালে যেতে বাধ্য করছে, এমনকী মানুষ মারছেও। আসলে এত তাড়াতাড়ি এবং বিশাল সংখ্যক মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন যে বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর উপর চাপ বাড়ছে।While Omicron does appear to be less severe compared to Delta, especially in those vaccinated, it does not mean it should be categorized as mild.Just like previous [#COVID19] variants; Omicron is hospitalizing people and it is killing people. says @DrTedros. pic.twitter.com/7QZxMSvZ6q World Health Organization (WHO) (@WHO) January 6, 2022ইউরোপে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আপৎকালীন আধিকারিক ক্যাথরিন স্মলউডের গলাতেও একই সুর। তিনি বলছেন, বিশ্ব জুড়ে ক্রমেই থাবা চওড়া করছে ওমিক্রণ। সংক্রমণের এই প্রবল বৃদ্ধির কারণে আরও বহু বার মিউটেট করে জন্ম নিতেই পারে করোনার আরও কোনও ভ্যারিয়েন্ট।অর্থাৎ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আশঙ্কা, আগামিদিনে আরও বিপজ্জনক কোনও ভ্যারিয়েন্ট আসতেই পারে। ওমিক্রন যত বেশি ছড়ায়, তত বেশি প্রতিলিপির সম্ভাবনা বাড়ে। মিউটেশন হবেই। ফলে নতুন ও শক্তিশালী ভ্যারিয়েন্ট আসার সম্ভাবনা বেশি।

জানুয়ারি ০৭, ২০২২
দেশ

Corona: ছোটদের টিকাকরণ ১ কোটি পার, পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ওমিক্রনের দাপট

নতুন বছরে শুরু হয়েছে করোনা টিকাকরণের নতুন অধ্যায়। ৩ জানুয়ারি থেকে করোনা টিকা নিতে পারছে ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সীরাও। আর মাত্র তিনদিনেই সেই টিকাকরণের সংখ্যা ১ কোটির গণ্ডি পার করেছে। বুধবারই কো-উইন পোর্টালের ড্যাশবোর্ডে দেখা যায়, এখনও অবধি ১.২৯ কোটি ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সী নাবালক/নাবালিকারা করোনা টিকার প্রথম ডোজ পেয়েছে।মাত্র দুইদিনের মধ্যেই টিকাকরণের সংখ্যা ১ কোটি পার হওয়ায় দেশবাসীকে টুইটারে ধন্যবাদ জানান কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য। তিনি লেখেন, করোনা টিকাকরণের জন্য ভারতের যুব সম্প্রদায়ের মধ্যে দারুণ উৎসাহ দেখতে পেয়ে অত্যন্ত খুশি। ১৫ থেকে ১৮ বয়সী ১ কোটিরও বেশী তরুণ প্রজন্ম করোনা টিকার প্রথম ডোজ় পেয়েছে, তাও আবার মাত্র টিকাকরণ অভিযান শুরুর তিনদিনের মধ্যেই।অন্যদিকে নতুন বছরেও দাপট কমছে না ওমিক্রনের। পাল্লা দিচ্ছে করোনা সংক্রমণও। ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের দাপটে দেশ তথা বিশ্বজুড়েই বাড়ছে সংক্রমণ। দেশে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ২ হাজার পার করেছে। দিল্লি, মুম্বইয়ের মতো বড় শহরগুলিতে শুরু হয়ে গিয়েছে করোনা ও ওমিক্রনের গোষ্ঠী সংক্রমণ। কলকাতাতেও লাফিয়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। এখনও অবধি বিশ্বের ১২৮টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট।

জানুয়ারি ০৬, ২০২২
দেশ

Corona-Omicron: উৎসবের আনন্দে বেপরোয়া মনোভাবে করোনার দৈনিক সংক্রমণ ৩৩ হাজার পার, দোসর ওমিক্রন

করোনা ও ওমিক্রন-কে বুড়ো আঙুল দেখিয়েই বড়দিন থেকে বর্ষবরণ অবধি মেতে ছিল রাজ্য তথা দেশের জনসংখ্যার একটি বড় অংশই। এবার তার ফলও মিলছে হাতেনাতে, একদিকে যেমন ব্যাপক হারে বাড়ছে দেশের করোনা সংক্রমণ, তেমনই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যাও। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩৩ হাজার ৭৫০ জন, যা আগের দিনের তুলনায় ২২.৫ শতাংশ বেশি। অন্যদিকে, দেশে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যাও ধীরে ধীরে দুই হাজারের দিকে এগোচ্ছে।বর্ষবরণের আনন্দে বিধিনিষেধের গেরো শিথিল হতেই, হাইজাম্প দিয়েছে করোনা। এক ধাক্কাতেই দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে ৩৩ হাজার ৭৫০ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন, এই নিয়ে দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ কোটি ৪৯ লক্ষ ২২ হাজার ৮৮২-তে। গত ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যাও। একদিনেই ১২৩ জনের মৃত্যু হওয়ায় দেশে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ৮১ হাজার ৮৯৩-তে।করোনার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ওমিক্রন সংক্রমণও। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১৭৫ জন ওমিক্রন আক্রান্তের খোঁজ মেলায়, দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৭০০-এ বেড়ে দাঁড়িয়েছে। এরমধ্যে ৬৩৯ জন এখনও অবধি সুস্থ হয়ে উঠেছেন। রাজ্যের নিরিখে সর্বাধিক আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে মহারাষ্ট্র থেকেই, সেখানে বর্তমানে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ৫১০। এরপরই রয়েছে দিল্লি, সেখানে ৩৫১ জন ওমিক্রন আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে। কেরল (১৫৬), গুজরাত(১৩৬), তামিলনাড়ু (১২১), রাজস্থান (১২০)-এও আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
দেশ

Omicron : 'ওমিক্রন' সাধারণ সর্দি জ্বর ছাড়া কিছুই নয়! দাবি আমেরিকাবাসী ইজরায়েলি চিকিৎসকের

করোনা আবহের মধ্যেই সারা বিশ্ব জুড়ে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে করোনার নতুন রূপ ওমিক্রন (Omicron)। দক্ষিণ আফ্রিকা, আমেরিকা, ইউনাইটেড কিংডম সহ বিভিন্ন দেশ ঘুরে এবার আঘাত হেনেছে ভারতে। প্রতিদিন ভয়ঙ্কর ভাবে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। ফলস্বরূপ ফের পশ্চিমবঙ্গ সহ বেশ কিছু রাজ্য আংশিক লকডাউনের পথে হেঁটেছে।ওমিক্রন নামক নতুন দৈত্যের আতঙ্কে যখন মানুষ সিঁটকে গেছে, ঠিক তখনই একফালি আশার আলো দেখালেন ইজরায়েলের চিকিৎসক, বর্তমানে লস অ্যাঞ্জেলেস হার্ট স্পেশালিস্ট মেডিকেল ডিরেক্টর আফশাইন এমরানি। তিনি এই করোনা ভাইরাসের বাড়বাড়ন্তের পর থেকে করোনা মহামারী সম্পর্কে নিয়মিত সামাজিক মাধ্যমে সতর্কবাণী শুনিয়েছেন। তিনি ২৮ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার টুইট করে জানিয়েছেন যে, ওমিক্রন আক্ষরিকভাবে-ই এক ভ্যাকসিন যা কোনও ভ্যাকসিন কোম্পানি তৈরি করতে পারেনি। এই চিকিৎসকের দাবি, একবার ওমিক্রন-এ আক্রান্ত হলে সেই ব্যাক্তি-র দ্বিতীয়বার করোনা আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা নেই। তিনি লিখেছেন যে, এই ভাইরাসের বিস্তারের সাথে সাথেই ৮ থেকে ১২ সপ্তাহের মধ্যে গোটা বিশ্বকে টিকা দেওয়া হয়ে যাবে। অক্সিজেন, আপাতকালীন ব্যাবস্থা, হাসপাতাল কোন কিছুরই প্রয়োজন পরবে না। সারা বিশ্বে গণ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হবে। এতে ভয়ের কোনও কিছুই নেই, এটা আশীর্বাদ স্বরূপ। তিনি ওমিক্রন ভাইরাসটিকে একটি সাধারন সিজনাল কোল্ড ভাইরাস ছাড়া আর কিছুই নয় বলে দাবি করেছেন।আরও পড়ুনঃ রাতারাতি দিঘা ছাড়ার হুড়োহুড়ি পর্যটকদেরএমরানি-র মন্তব্যের সারমর্ম এই মুহুর্তে সারা বিশ্ব উপলব্ধি করতে পারছে। বিশেষ করে ইউরোপ এবং আমেরিকায় ওমিক্রন দ্রুত ছড়াচ্ছে। তিনি টুইটে জানিয়েছেন এই ভাইরাসকে ৮০ শতাংশ জনসংখ্যাকে সংক্রামিত করা থেকে কোনভাবেই আটকানো যাবে না। মাস্ক, ভ্যাকসিন কোনও কিছুই এতে কাজে আসবে না। হ্যাঁ, অবশ্যই, যাদের টিকাকরণ হয়ে গেছে তাদের মৃত্যুর বা হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কম।Im getting requests to do TV, newspaper and radio interviews. I wont. But, for those interested, here are my basic thoughts:1- Omicron is nothing more than a seasonal cold virus. Now we have 5 coronaviruses that will be around. Afshine Emrani MD FACC (@afshineemrani) December 28, 2021আফসাইন এমরানি দাবি করেছেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কয়েক সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন দুই মিলিয়ন করে মানুষ আক্রান্ত হবে। তারপরে সেই সংখ্যা নাটকীয়ভাবে হ্রাস পাবে। তাঁর মন্তব্যের কিছু সময় পর থেকেই সারা বিশ্ব প্রত্যক্ষ করছে কিভাবে ওমিক্রন সারা বিশ্বে বিশেষ করে ইউরোপ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। তাঁর যুক্তির সাপেক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকা-র বর্তমান আক্রান্তের সংখ্যা দেখলে বোঝা যাচ্ছে সেখানে কত দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে আক্রান্তের সংখ্যা।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা পেরিয়ে গেল ৬ হাজার, বাড়ছে উদ্বেগবিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, তার সাপ্তাহিক মহামারী সংক্রান্ত আপডেটে বলেছে যে, করোনার নতুন রূপ ওমিক্রন সামগ্রিক ঝুঁকি খুব বেশি। আবার, জাতিসংঘের (UN) স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে যে ইউনাইটেড কিংডম (UK), দক্ষিণ আফ্রিকা (South Africa) এবং ডেনমার্কের (Denmark) প্রাথমিক তথ্য থেকে যা বোঝা যাচ্ছে তাতে ডেল্টা ভেরিয়েন্টের তুলনায় ওমিক্রনের আক্রান্তদের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার আশঙ্কা অনেকাংশেই কম।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
রাজ্য

Health Guidelines: ওমিক্রন পরিস্থিতিতে নয়া চিকিৎসাবিধি জারি করল স্বাস্থ্য দপ্তর

রাজ্যজুড়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে কলকাতায়। এরমধ্যেই মাথাচাড়া দিচ্ছে ওমিক্রন নিয়ে আশঙ্কা। এই পরিস্থিতিতে নতুন চিকিৎসাবিধি জারি করল রাজ্য়ের স্বাস্থ্য দপ্তর। এই বিধির তালিকায় মনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি থেরাপি (ককটেল থেরাপি) ও মলনুপিরাভির, এই দুটি ওষুধকে রাখা হয়েছে। উল্লেখ্য, এই প্রথম বার স্বাস্থ্য দপ্তর এই দুই চিকিৎসা পদ্ধতিকে অন্তর্ভুক্ত করল। তবে স্বাস্থ্য দপ্তরের নয়া নির্দেশিকায় বলা হয়েছে ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের ক্ষেত্রেই এই চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যবহার করতে হবে।করোনা চিকিৎসার নতুন এই নির্দেশিকায় মূলত তিন ধরনের কোভিড রোগীকে চিহ্নিত করে চিকিৎসার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই তিনটি ভাগ হল উপসর্গহীন রোগী, লক্ষণবিহীন কোমর্বিড রোগী এবং মৃদু উপর্সগযুক্ত রোগী। এই তিন ধরণের কোভিড কেসের ক্ষেত্রেই বাড়িতে বা সেফ হোমে রেখে চিকিৎসা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে যদি দেখা যায় রোগীর শ্বাসকষ্ট, ধারাবাহিকভাবে জ্বর, বুকে ব্যথা বা মারাত্মক কাশি হতে থাকে তবে সেক্ষেত্রেই হাসপাতালে ভর্তি করাতে হবে। এই ধরণের উপসর্গ থাকলেই সংশ্লীষ্ট রোগীকে হাসপাতালের এইচডিইউ বা আইসিইউ-তে ভর্তি করানোর পরামর্শ দিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তর।চিকিৎসকদের মতে, করোনার দুটি ডোজ নেওয়া থাকলেও করোনা আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সেক্ষেত্রে উপসর্গ না থাকা বা মৃদু উপসর্গ দেখা দিতে পারে। তবে জ্বর বা ধারাবাহিক কাশি থাকলেই করোনা পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। অপরদিকে চিকিৎসক মহলের বক্তব্য করোনা রোগীদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে ককটেল থেরাপি ব্যায়বহুল। এই ওষুধগুলি বেশ খরচসাপেক্ষ। আমাদের রাজ্যে বেসরকারি হাসপাতালগুলিতে মূলত কোভিড রোগীর ক্ষেত্রে এই ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। সম্প্রতি করোনায় আক্রান্ত সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রে কলকেট থেরাপি ব্যবহার করা হয়েছিল।

জানুয়ারি ০১, ২০২২
দেশ

Omicron: ২৪ ঘণ্টায় দেশে সংক্রমণ বৃদ্ধি প্রায় ৩৫%, চোখ রাঙাচ্ছে ওমিক্রনও

ডিসেম্বরেই দেশে প্রবেশ করেছে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট। কিন্তু, তার দাপট যে কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে, তা বুঝে উঠতে বেশ খানিকটা সময় লেগে গিয়েছে। তবে বছর শেষে করোনার যে রেখচিত্র সামনে এসেছে, তা থেকে স্পষ্ট ওমিক্রন তার আসল চেহারা ক্রমশ প্রকাশ্যে আনতে শুরু করেছে। দেশে একধাক্কায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা পার করল ৪০০। মাত্র চার দিনে দেশে ওমিক্রন সংখ্যা বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে।দেশের দৈনিক কোভিড সংক্রমণ গত চার দিন ধরেই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আক্রান্ত হয়েছেন ২২ হাজার ৭৭৫ জন। শুক্রবার তা ছিল ১৬ হাজার ৭৬৪। অর্থাৎ শুক্রবারের তুলনায় শনিবার ৩৫ শতাংশ বেড়েছে দেশের দৈনিক সংক্রমণ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুসারে, দেশে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৩ কোটি ৪৮ লক্ষ ৬১ হাজার ৫৭৯ জন।দেশে কোভিড আক্রান্তের পাশাপাশি করোনা ভাইরাসের ওমিক্রন রূপেও আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। দেশে ১ হাজার ৪৩১ জন ইতিমধ্যেই ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছেন। ২৩টি রাজ্যে ইতিমধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে করোনা ভাইরাসের সাম্প্রতিক রূপ। ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা সবথেকে বেশি মহারাষ্ট্রে (৪৫৪) রাজধানী দিল্লিতে ৩৫১ জন ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছেন। এর পর ক্রমান্বয়ে রয়েছে তামিলনাড়ু (১১৮), গুজরাত (১১৫), কেরল (১০৯), রাজস্থান (৬৯), তেলঙ্গানা (৬২), হরিয়ানা (৩৭), কর্নাটক (৩৪), অন্ধ্রপ্রদেশ (১৭), পশ্চিমবঙ্গ (১৭) এবং ওডিশা (১৪)। বাকি রাজ্যগুলিকে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ১০-এর কম।

জানুয়ারি ০১, ২০২২
কলকাতা

Omicron: কলকাতায় গোষ্ঠী সংক্রমণের ইঙ্গিত

কোভিডের বিপদ! বর্ষশেষের আনন্দে সতর্ক থাকুন। কী করবেন, কী করবেন না? স্বাস্থ্য অধিকর্তারা বলে দিয়েছেন, বর্ষশেষের আনন্দ ভুলে যান, শুধু কথা হোক কোভিড নিয়ে! আর চিকিৎসকরা সর্বদা বলে যাচ্ছেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। কলকাতায় ইতিমধ্যেই ৫ জন ওমিক্রন আক্রান্তের হদিশ পাওয়া গিয়েছে। প্রত্যেকেই ফিরেছেন বিদেশ থেকে। আপাতত তাঁরা প্রত্যেকেই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।রাজ্যের ক্ষেত্রেও ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৬। কলকাতার ১০টি ওয়ার্ড হটস্পট হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে। তবে স্বাস্থ্যকর্তারা বলছেন, পরিসংখ্যানের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি উল্লেখ্য, কত স্যাম্পেল পাঠানো হচ্ছে আর কত স্যাম্পেল পরীক্ষার পর পজিটিভ হয়ে আসছে? বৃহস্পতিবার দেখা গিয়েছে, ৬টি স্যাম্পেল পাঠানোর পর ৫টি পজিটিভ হয়ে এসেছে। কলকাতায় গোষ্ঠী সংক্রমণের ইঙ্গিত স্পষ্ট। অর্থাৎ বোঝাই যাচ্ছে, ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টকে ধীরে ধীরে সরিয়ে ওমিক্রন তার থাবা বসাচ্ছে। কলকাতায় টেস্ট ও পজিটিভিটি রেটও সমান হারে বাড়ছে।ওমিক্রনের রাজ্যের তরফে বেশ কয়েকটি বিষয় কড়াভাবে নজর দিতে বলা হয়েছে। জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিকদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি বৈঠকে নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যকর্তা।নির্দেশগুলো নিম্নরূপ1. সন্দেহভাজন হোম আইসোলেশন মানছেন কিনা, তা কড়া ভাবে নজর দিতে হবে।2. প্রয়োজনে জিও ট্যাগিংয়ের সাহায্য নেওয়ার পরামর্শ।3. ওমিক্রন সংস্পর্শে আসা এলাকায় মাইক্রো কনটেইনমেন্ট জোন তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।4. নির্দেশ মেনে ইতিমধ্যে মাইক্রো কনটেইনমেন্ট জোন কলকাতা পুর এলাকায় ঘোষণা করা হয়েছে।5. সন্দেহভাজনেরা ফোন না ধরলে প্রয়োজনে বাড়ি যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিকদের।প্রাথমিকভাবে ঠিক রয়েছে, পরিস্থিতি বুঝে ৩ জানুয়ারি থেকে কনটেইনমেন্ট জোনের দিকে হাঁটতে হবে। সেক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, কলকাতার ১০ টি ওয়ার্ড- উত্তর থেকে দক্ষিণ ও মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ৭২ ঘণ্টায় অস্বাভাবিক হারে কোভিড সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২১
কলকাতা

Omicron: কলকাতায় ফের ওমিক্রন আক্রান্তর হদিশ, আক্রান্ত পাঁচ বছরের শিশুও

নতুন বছরের আগেই কলকাতায় ফের মিলল ওমিক্রন আক্রান্তের হদিশ। বৃহস্পতিবার নতুন করে পাঁচজনের নমুনায় নয়া ভ্যারিয়েন্টের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গিয়েছে। এ দিন স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, বিদেশ থেকে আসা ৬ জন করোনা আক্রান্তের নমুনা জিনোম সিকোয়েন্সিং করা হয়েছিল, তার মধ্যে পাঁচজনই ওমিক্রন আক্রান্ত। তাঁদের মধ্যে রয়েছে এক পাঁচ বছরের শিশু। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত কলকাতায় ওমিক্রন আক্রান্ত বেড়ে হল ১৬।এ দিন কলকাতার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ২ করোনা আক্রান্তের শরীরে ওমিক্রনের সন্ধান পাওয়া যায়। তার মধ্যে একজন ৪৪ বছরের ব্যক্তি, তিনি কৈখালির বাসিন্দা। অপরজন ৫ বছরের শিশু, প্রিন্স আনোয়ার শাহ রোডের বাসিন্দা। দুজনই কিছুদিন আগে ব্রিটেন থেকে ফিরেছেন। আরও তিনজনের নমুনাতেও একই ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গিয়েছে, তবে তাঁরা সাম্প্রতিক অতীতে বিদেশ যাত্রা করেছেন কি না, তা জানা যায়নি।তবে এই সংখ্যা সামনে আসার পরই সাধারণ মানুষকে বিশেষভাবে সতর্ক করা হয়েছে। স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফ থেকে বলা হয়েছে, প্রত্যেকে যাতে কোভিড বিধি মেনে চলেন। সময় যে খুব একটা ভালো নয়, তা কার্যত বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে ওই সতর্কবার্তায়। এ দিন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের বুলেটিনে উল্লেখ করা হয়েছে, কলকাতায় করোনার পজিটিভিটি রেট ১২ শতাংশ। স্বাস্থ্য দপ্তরের দাবি, এই হার কেবল একটা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য। প্রতিনিয়ত পজিটিভিটি রেট বাড়ছে রাজ্যে। সংক্রমণ অত্যন্ত দ্রুতগতিতে বাড়ছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে ওই সতর্কবার্তায়।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২১
দেশ

Mumbai section 144: মুম্বইয়ে বাতিল বর্ষবরণের উৎসব, ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত জারি ১৪৪ ধারা

মহারাষ্ট্রে গত কয়েক দিন ধরেই বাড়ছে কোভিড সংক্রমণ। ওমিক্রনে আক্রান্তের সংখ্যার নিরিখে দিল্লির পরই রয়েছে এই রাজ্য। বর্ষবরণ উৎসবে সাধারণ মানুষ মেতে উঠলে আরও খারাপ হতে পারে পরিস্থিতি। সংক্রমণ ঠেকাতে মুম্বই শহরে ১৪৪ ধারা জারির সিদ্ধান্ত নিল মুম্বই পুলিশ। ৩০ ডিসেম্বর অর্থাৎ আজ থেকেই শুরু হচ্ছে এই বিধিনিষেধ। চলবে আগামী ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত। প্রসঙ্গত, মহারাষ্ট্রে গত কয়েক দিন ধরেই বেড়েছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯০০ জন। এর মধ্যে মুম্বইয়ে আক্রান্ত এক হাজার ছাড়িয়েছে।pআরও পড়ুনঃ হাবড়া স্টেশনে কেন ভেঙে দেওয়া হল এমএ ইংলিশ চায়েওয়ালির দোকান?৩০ ডিসেম্বর থেকে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত মুম্বইয়ে আয়োজন করা যাবে না কোনও অনুষ্ঠান। ঘরে হোক বা রেস্তরাঁ, বার, পাব কোথাও কোনও পার্টির আয়োজনও করা যাবে না। পাশাপাশি বর্ষবরণের উৎসবেও নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। এই নির্দেশ অমান্য করলে মহামারি আইন এবং ভারতীয় দণ্ডবিধির নির্দিষ্ট ধারায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।আরও পড়ুনঃ কামড় দিলেই তেতুল জলের বদলে বাটারস্কচ আইসস্ক্রিম, ভিন্ন স্বাদের ফুচকায় মেতেছে বর্ধমানবছর শেষে করোনার নয়া আতঙ্ক বিশ্বজুড়ে। গোটা বিশ্বে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে ওমিক্রন সংক্রমণ, একমাসেই বিশ্বের ১১৭টিরও বেশি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে নতুন ভ্যারিয়েন্ট। দেশে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজারের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টকে ছাপিয়ে বিশ্বে ডমিনেন্ট ভ্যারিয়েন্ট হিসাবে রূপান্তরিত হচ্ছে ওমিক্রন।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২১
কলকাতা

Omicron: জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকেই ফের বন্ধ হতে পারে স্কুল, কমতে পারে লোকাল ট্রেন, ইঙ্গিত মুখ্যমন্ত্রীর

করোনা পরিস্থিতি যে ভাবে ফের অবনতির দিকে যাচ্ছে, তাতে আশঙ্কার মেঘ দেখছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে, ফের নতুন করে কিছু বিধিনিষেধ জারি হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিলেন তিনি। পরিস্থিতির অবনতি হলে প্রয়োজনে পুনরায় স্কুল বন্ধ করার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন তিনি। বুধবার গঙ্গা সাগরে প্রশাসনিক বৈঠক থেকে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের এই বিষয়ে নির্দেশ দিয়েছেন মমতা।করোনা সংক্রমণ যদি বাড়ে, তাহলে আবার কিছুদিনের জন্য স্কুল- কলেজ বন্ধ করতে হবে। বুধবার প্রশাসনিক বৈঠক থেকে এমনটাই নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। তিনি মণীশ জৈনকে নির্দেশ দেন, করোনা পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে, তাতে খেয়াল রাখতে হবে। মমতা বলেন, থার্ড ওয়েভ আসছে। ওমিক্রনও হচ্ছে। এই সময় স্কুল, কলেজ খোলা রাখা যায় কি না, তা দেখতে হবে। সামনেই মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা আছে বলেও উল্লেখ করেন মমতা।মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীকেও মমতা নির্দেশ দেন, করোনা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে স্কুল-কলেজ চালু থাকবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এ দিন স্বাস্থ্য সচিব নারায়ন স্বরূপ নিগমের কাছে করোনা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্বাস্থ্য সচিব জানান, কলকাতা ও শহরতলিতে বাড়ছে সংক্রমণ। এরপরই মুখ্যমন্ত্রী মুখ্যসচিবকে নির্দেশ দেন যাতে কনটেনমেন্ট জোন বা মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোন তৈরি করার পরিকল্পনা করা হয়। ৩ জানুয়ারি থেকে যাতে সেই সংক্রান্ত বিধি জারি করা যায়, সেই নির্দেশ দিয়েছেন মমতা।মুখ্যমন্ত্রী এ দিন আন্তর্জাতিক বিমানের যাত্রীদের নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। মুখ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন আন্তর্জাতিক বিমানে আসা যাত্রীদের থেকেই ছড়িয়ে পড়ছে ওমিক্রন সংক্রমণ। তাই সে ক্ষেত্রে কোভিড বিধিতে কোনও বদল আনা যেতে পারে কি না, তা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন তিনি। করোনা পরিস্থিতিতে অনেক দিন ধরেই বন্ধ ছিল লোকাল ট্রেন। পরে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসায় পরে চালু হয় লোকাল ট্রেন। এ দিন প্রশাসনিক বৈঠকে মমতা নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে লোকাল ট্রেনের সংখ্যা কিছুটা কমানো যায়। পাশাপাশি, প্রয়োজনে অফিসগুলোতে উপস্থিতি ৫০ শতাংশ করার নির্দেশ দেওয়া হতে পারে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sourav Ganguly : ‌কেমন আছেন সৌরভ? ওমিক্রন পরীক্ষার রিপোর্ট আসতে আরও একদিন বাকি

সৌরভ গাঙ্গুলি কি ওমিক্রনে আক্রান্ত? বিষয়টি এখনও নিশ্চিত হতে পারেননি চিকিৎসকরা। সৌরভের কাছ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়ে। বৃহস্পতিবার সেই রিপোর্ট আসার কথা। তারপরই জানা যাবে ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছেন কিনা ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি। তবে এখন অনেকটাই ভাল আছেন তিনি। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন সৌরভে অবস্থা স্থিতিশীল। করোনায় আক্রান্ত হয়ে সোমবার রাতে মধ্য কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন সৌরভ গাঙ্গুলি। জ্বর না এলেও করোনার হালকা উপসর্গ ছিল। যেহেতু সৌরভের হৃদযন্ত্রে সমস্যা রয়েছে, তাই কোনো ঝুঁকি নেননি চিকিৎসকরা। তাঁর চিকিৎসার জন্য তিন সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করে সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। মেডিকেল বোর্ডে রয়েছেন ডাঃ সরোজ মণ্ডল, ডাঃ সপ্তর্ষি বসু ও ডাঃ সৌতিক পাণ্ডা। হালকা সর্দি থাকায় সৌরভকে স্টিম দেওয়া হয়েছে। কাশি না থাকার জন্য আপাতত সিটি স্ক্যান করা হচ্ছে না। বৃহস্পতিবার সৌরভের ওমিক্রন পরীক্ষার রিপোর্ট আসার কথা। রিপোর্ট ঠিকঠাক থাকলে এদিনই সৌরভকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হবে। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও বাড়ির বাইরে বার হতে পারবেন না সৌরভ। আপাতত তাঁকে বেশ কয়েকদিন নিভৃতবাসে থাকতে হবে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে বেশ খোশমেজাজেই রয়েছেন সৌরভ। টিভিতে ভারতদক্ষিণ আফ্রিকা টেস্ট ম্যাচ দেখার পাশাপাশি অফিসের জরুরি কাজও করছেন।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sourav Ganguly : ওমিক্রনে আক্রান্ত সৌরভ গাঙ্গুলি?‌ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হল নমুনা

করোনার তৃতীয় ঢেউ ক্রমশ চোখ রাঙাচ্ছে। ইতিমধ্যেই নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। তার মধ্যেই করোনায় আক্রান্ত হলেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন অধিনায়ক তথা বর্তমান বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি। আপাতত তিনি মধ্যে কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তাঁকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রমে আক্রান্ত কিনা তা পরীক্ষার জন্য নমুনা পাঠানো হয়েছে। কয়েকদিন ধরেই অসুস্থবোধ করছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলি। করোনার কয়েকটা অপসর্গ দেখা দিয়েছিল। এরপরই তিনি নিজেই সেলফ টেস্টিং কিট দিয়ে করোনা পরীক্ষা করেন। পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। সেই রিপোর্টে সন্তুষ্ট না হয়ে একটি বেসরকারি হাসপাতলে আবার পরীক্ষা করান। দ্বিতীয় পরীক্ষার রিপোর্টও পজিটিভ আসে। এরপর আর ঝুঁকি না নিয়ে সোমবার রাতেই মধ্য কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়ে যান। এদিনই তাঁর দাদাগিরি অনুষ্ঠানের শুটিং ছিল। রবিবার রাতে হালকা জ্বর আসায় তিনি সেই শুটিং আগেই বাতিল করে দিয়েছিলেন।এই বছরের শুরুতে বুকে অস্বস্তি নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন সৌরভ। পরে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ায় হৃদযন্ত্রে স্টেন্ট বসাতে হয়েছিল। যেহেতু হৃদযন্ত্রে সমস্যা রয়েছে, তাই চিকিৎসকরা ঝুঁকি নিতে চাননি। তাঁকে হাসপাতালে আইসোলেশনে থাকার পরামর্শ দেন। এর আগে সৌরভের দাদা স্নেহাশিস গাঙ্গুলি, তাঁর মা করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে সৌরভের করোনার কোনও উপসর্গ নেই। আজ রাতেই তঁাকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হতে পারে। তবে বাড়িতে ফিরে আইসোলেশনে থাকতে হবে। সতর্কভাবে চলাফেরা করলেও কীভাবে সৌরভ করোনায় আক্রান্ত হলেন, তা নিয়ে জল্পনা চলছে। কয়েকদিন আগে তিনি টনিক সিনেমার প্রিমিয়ার অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন। অনেকের আশঙ্কা সেখান থেকে করোনায় আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন সৌরভ। তার আগে একটা কাজে মুম্বই গিয়েছিলেন। তবে সৌরভের সংস্পর্ষে যারা এসেছিলেন, তাঁদের খোঁজ করা হচ্ছে। প্রয়োজনে তাঁদেরও করোনা পরীক্ষা করা হবে। স্ত্রী ডোনা, কন্যা সানাসহ সৌরভের পরিবারের অন্য সদস্যদের করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সকলেরই করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২১
দেশ

Delhi Yellow Alert: ওমিক্রন আতঙ্কে দিল্লিতে জারি হলুদ সতর্কতা

করোনার নয়া রূপ ওমিক্রনে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে দেশজুড়ে। উদ্বেগজনক পরিস্থিতি দিল্লিতে। এই প্রেক্ষিতে করোনা বিধিনিষেধ ফিরল রাজধানীতে। জারি হয়েছে হলুদ সতর্কতা। নয়া বিধিনিষেধে রয়েছে, অফিস কাছারি ৫০ শতাংশ হাজিরা নিয়ে চলবে। প্রেক্ষাগৃহ, জিম সম্পূর্ণ বন্ধ। মলের বিভিন্ন দোকান ও সাধারণ দোকান খোলা যাবে জোড়-বিজোড় হিসেবে। রাত ১০টা থেকে পরদিন ভোর ৫টা পর্যন্ত নৈশ কার্ফু।নয়া নির্দেশিকায় দেখা যাচ্ছে, স্কুল, কলেজ, জিম, প্রেক্ষাগৃহ সম্পূর্ণ বন্ধ, ৫০ শতাংশ হাজিরা নিয়ে চলবে অফিস। রাত ১০টার মধ্যে বন্ধ করে দিতে হবে রেস্তরাঁ, পানশালা প্রভৃতি। মল বা সাধারণ দোকানপাট খোলা যাবে জোড়-বিজোড় হিসেবে। সকাল ১০টায় দোকান খুলে রাত ৮টায় বন্ধ করতে হবে। প্রতিদিন রাত ১০টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত জারি থাকবে নৈশকালীন কার্ফু।সাধারণত টানা দুদিন সংক্রমণের হার ০.৫ শতাংশের উপরে থাকলে হলুদ সতর্কতা জারির পরিস্থিতি তৈরি হয়। দিল্লিতেও গত দুদিন ধরে সংক্রমণের হার ০.৫ শতাংশের উপরে। ফলে রাজধানীতেও জারি হয়েছে হলুদ সতর্কতা।সোমবার দিল্লিতে সংক্রমণের সংখ্যা ছিল গত ছমাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। সোমবার দিল্লিতে ৩৩১জন নতুন আক্রান্তের সন্ধান মেলে। এর পরই তড়িঘড়ি করোনা বিধিনিষেধ ফেরানোর তোড়জোড় শুরু করে কেজরিওয়াল সরকার। প্রসঙ্গত, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী নিজেও জনতাকে মাস্ক পরার পরামর্শ দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, বাজার ঘাটে মাস্ক ছাড়া মানুষের ছবি দেখতে পাচ্ছি। আপনারা যদি মাস্ক না পরেন, তা হলে আমাকে বাজার বন্ধ করার মত কঠিন সিদ্ধান্তই নিতে হবে। তবে এখনও পর্যন্ত বাজার বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২১
কলকাতা

Christmas-Omicron: বড়দিনের আনন্দে আত্মহারা শহরবাসী, আতঙ্ক বাড়াচ্ছে ওমিক্রন

রাজ্যে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হলেন ৫৫২ জন। একদিকে কোভিডের ওমিক্রন স্ট্রেন যখন রাজ্যের চিন্তা বাড়াচ্ছে, তখন করোনা পরিস্থিতিও স্বস্তি দিচ্ছে না কোনওভাবেই। শনিবার বড়দিনের উৎসবে মেতেছে গোটা বাংলা। কলকাতা থেকে বিভিন্ন জেলা, পথে নেমেছে হাজার হাজার মানুষ। স্বভাবতই এ ছবি নতুন করে ভয় ধরাচ্ছে।শনিবার রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর প্রকাশিত বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার বলি হয়েছেন চারজন। যার মধ্যে তিনজনই কলকাতার। কলকাতার সংক্রমণের ছবিটাও চিন্তার। গত একদিনে কলকাতায় ১৯৭ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এই মুহূর্তে কলকাতায় সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা ২ হাজার ৪৩৮ জন। সুস্থ হয়েছেন ১৭৫ জন।গোটা রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা ৭ হাজার ৪৫৮ জন। সুস্থতার হার ৯৮.৩৩ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৩২ হাজার ৩৭৩টি। পজিটিভিটি রেট ১.৭১ শতাংশ। অন্যদিকে পশ্চিম বর্ধমানেও একজন করোনার বলি হয়েছেন গত ২৪ ঘণ্টায়।এখনও অবধি রাজ্যে ৬ জনের শরীরে ওমিক্রনের হদিশ পাওয়া গিয়েছে। শুক্রবার এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে স্বাস্থ্য সচিব নির্দেশ দেন, নমুনা পরীক্ষা যেন বাড়ানো হয়। একই সঙ্গে পরিস্থিতির নজরদারিতে কেন্দ্র তাদের বিশেষ দলও পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলায়। আগামী সপ্তাহের মধ্যেই সেই দল রাজ্যে চলে আসবে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে শুক্রবার। সেখানে বলা হয়েছে ১০ রাজ্যে কেন্দ্রের মাল্টি ডিসিপ্লিনারি টিম যাবে। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও সেই তালিকায় রয়েছে কেরল, মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু, মিজোরাম, কর্নাটক, বিহার, উত্তরপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ড ও পঞ্জাবের নাম।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ইডেনে মোদীর জন্য ‘হোম’ ড্রেসিংরুম, শুভেন্দু'র ‘অ্যাওয়ে’! ১০ হাজার শিল্পীর অনুষ্ঠান, সাজছে ক্রিকেটের নন্দনকানন

কলকাতা: ইডেনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অনুষ্ঠানের প্রস্তুতিতে তুঙ্গে তৎপরতা। সূত্র মারফত জানা যায়, প্রধানমন্ত্রীর জন্য বরাদ্দ হচ্ছে ইডেন গার্ডেন্সের হোম ড্রেসিংরুমযে ড্রেসিংরুম ব্যবহার করে ভারতীয় ক্রিকেট দল এবং কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর)। অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর জন্য রাখা হবে অ্যাওয়ে ড্রেসিংরুম। দুই ড্রেসিংরুমের মাঝখানের মাঠে যাওয়ার কমন পথটিও থাকবে ব্যবহারের উপযোগী।দায়িত্বপ্রাপ্ত বেসরকারি সংস্থার হাতেই থাকছে ড্রেসিংরুম দুটির সাজসজ্জা ও প্রয়োজনীয় বন্দোবস্ত। ড্রেসিংরুমে আহার-সহ আপ্যায়নের যাবতীয় ব্যবস্থা থাকবে। অনুষ্ঠানের মূল মঞ্চ তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে ড্রেসিংরুমের সামনের লনেই।মাঠের যাতে কোনও ক্ষতি না হয়, সে দিকেও বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। মঞ্চ ও অন্যান্য পরিকাঠামোর জন্য মাঠের ভিতরে প্রায় ১২ ফুট জায়গা প্রয়োজন হতে পারে। তবে ঘাসের ক্ষতি না করেই যাবতীয় কাজ করার পরিকল্পনা। সামান্য বদল আসতে পারে শুধু ঘাসের রঙে।অনুষ্ঠান চলাকালীন গল্ফ কার্টে করে মাঠ প্রদক্ষিণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। মঞ্চের উপর থাকবে ছাউনি। ইডেনের বিভিন্ন ব্লকে চেয়ার সরিয়ে জায়ান্ট স্ক্রিন বসানোর পরিকল্পনাও রয়েছে। পাশাপাশি ইডেন উদ্যান থেকে আতশবাজির প্রদর্শনীর পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ হতে চলেছেন প্রায় ১০ হাজার সাংস্কৃতিক শিল্পী। তাঁদের পারফরম্যান্সের জন্য ইডেনের উল্টো দিকে থাকা মাঠ এবং নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামকে ব্যবহার করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও থাকছে কড়া ব্যবস্থা। ৯ অক্টোবর অফিসের সময় শেষ হওয়ার পর থেকেই এসপিজি নিরাপত্তার আওতায় ইডেনের ক্লাব হাউস কার্যত সিল করে দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী যতক্ষণ সেখানে থাকবেন, প্রায় তিন ঘণ্টা ক্লাব হাউসের গতিবিধিতে থাকবে কড়া নিয়ন্ত্রণ। গোটা অনুষ্ঠান চলবে বিকেল ৪টে থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।এদিকে, ক্লাব হাউসে সিএবির আধিকারিকদের উপস্থিতি নিয়ে বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে। সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়-সহ পাঁচ অফিস বেয়ারার, সিইও এবং সিএও যাতে ক্লাব হাউসে থাকতে পারেন, তার জন্য এসপিজির অনুমতি চাওয়া হয়েছে। অন্তত সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের উপস্থিতির অনুমতি দেওয়ার জন্যও অনুরোধ রাখা হয়েছে।সিএবির অ্যাফিলিয়েট সদস্যদের জন্যও বিশেষ বন্দোবস্তের আবেদন করা হয়েছে। অন্তত প্রতিটি ক্লাব থেকে দুজন করে যাতে অনুষ্ঠানটি দেখতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানস্থল তৈরির কাজ থেকে শুরু করে নৈশালোকের বন্দোবস্তসব ক্ষেত্রেই সিএবির তরফে সম্পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আগামী ২৫ বা ২৬ সেপ্টেম্বর ইডেনের ১৪ নম্বর গেটের কাছে কনফারেন্স রুমে অস্থায়ী অফিস তৈরি করবে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা। অনুষ্ঠানে পারফর্ম করতে আসা তারকা শিল্পীদের সেখানে অথবা কর্পোরেট বক্সে রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।ইডেনের সাজসজ্জা ও পরিকাঠামো খতিয়ে দেখতে শীঘ্রই পরিদর্শনে আসবে পূর্ত দফতর (PWD)। মাঠ, মঞ্চ, নিরাপত্তা এবং দর্শক ব্যবস্থাপনাসব দিক খতিয়ে দেখেই চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেওয়া হবে।সব মিলিয়ে ক্রিকেটের বাইরের এক অন্য ভূমিকায় এবার সেজে উঠতে চলেছে ইডেন গার্ডেন্স। ক্রিকেটের নন্দনকাননেই প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে হতে চলেছে এক বর্ণময়, বিশাল আয়োজন।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
দেশ

নেপালের বিপর্যয়ে চারপেয়ে ত্রাতা! ভারতের সাম্বার নাকেই মিলল ২০টি দেহের সন্ধান

নেপালে ভয়াবহ বিপর্যয়ের পর কেটে গিয়েছে বেশ কিছু দিন। ধ্বংসস্তূপের নীচে নিখোঁজদের জীবিত অবস্থায় পাওয়ার আশা অনেকটাই ছেড়ে দিয়েছেন তাঁদের পরিজনেরা। কিন্তু উদ্ধারকাজ এখনও থামেনি। কাদামাটি, ভেঙে পড়া বাড়ির অংশ এবং ধ্বংসস্তূপের মধ্যে নিখোঁজদের খুঁজে চলেছেন নেপালের সেনা, পুলিশ এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা। তাঁদের সঙ্গে এই কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে প্রশিক্ষিত সারমেয় বাহিনীও।তাদের মধ্যেই অন্যতম সাম্বা। ল্যাব্রাডর প্রজাতির এই সারমেয় নেপালের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর প্রশিক্ষিত সারমেয় দলের সদস্য। তবে সাম্বার সঙ্গে ভারতেরও যোগ রয়েছে। নেপালের প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকেই তাকে আনা হয়েছিল। পরে নেপালের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর বিশেষ প্রশিক্ষণ দিয়ে তাকে উদ্ধারকাজের উপযোগী করে তোলা হয়।মানুষের দেহের গন্ধ শনাক্ত করে ধ্বংসস্তূপের নীচে কোথায় দেহ থাকতে পারে, তা খুঁজে বার করাই সাম্বার মূল দায়িত্ব। সেই দায়িত্বই অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে পালন করেছে সে। রাসুয়া এবং ত্রিশূলী এলাকায় উদ্ধারকাজ চালানোর সময় সাম্বার দেওয়া সংকেতের ভিত্তিতে ২০টি দেহের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু কী ভাবে এত নিখুঁত ভাবে কাজ করে সাম্বা? তার প্রশিক্ষণের দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের বক্তব্য, সাম্বা ধ্বংসস্তূপের উপর দিয়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে যেত এবং মাটি শুঁকত। কোথাও মানুষের দেহের গন্ধ পেলে আচমকাই থেমে যেত সে। এরপর জোরে ডাকতে শুরু করত। সেটিই ছিল তার হ্যান্ডলারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংকেত।সাম্বার সংকেত পাওয়ার পর নিরাপত্তারক্ষীরা সেই জায়গায় পৌঁছে মাটি খুঁড়ে দেখতেন। অনেক সময় সেখান থেকেই উদ্ধার হয়েছে দেহ। সাম্বার কাজের সময় সবসময় তার সঙ্গে থাকেন এক জন প্রধান হ্যান্ডলার এবং এক জন সহযোগী। দুজনই নিরাপত্তারক্ষী। সাম্বার আচরণের অর্থ বুঝে সঠিক জায়গায় উদ্ধারকাজ শুরু করাই তাঁদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।সাম্বা সবসময় একই ভাবে সংকেত দেয় না। কখনও হাঁটতে হাঁটতে আচমকা থেমে যায়। কখনও কোনও নির্দিষ্ট জায়গার চারপাশে বার বার ঘুরতে থাকে। আবার কখনও মাটিতে বসে পড়ে পায়ের নখ দিয়ে মাটি খুঁড়তে শুরু করে। তার প্রতিটি আচরণই আসলে একটি সংকেত। সেই সংকেতের অর্থ বুঝতে পারেন শুধু তার সঙ্গে কাজ করা হ্যান্ডলার এবং সহযোগী।এই ভাবেই কাদামাটি এবং ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দিনের পর দিন কাজ করে চলেছে সাম্বা। নিখোঁজদের সন্ধানে তার ভূমিকা এখন নেপালের উদ্ধারকারী দলের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।নেপালের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী সাম্বার মতো আরও পাঁচটি প্রশিক্ষিত সারমেয়কে উদ্ধারকাজে নামিয়েছিল। পাশাপাশি নেপাল সেনার তরফেও আরও ছটি সারমেয়কে কাজে লাগানো হয়েছে। বিপর্যয়ের পর উদ্ধারকাজ যত দীর্ঘ হচ্ছে, প্রশিক্ষিত এই সারমেয়দের ভূমিকা ততই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

প্রাদার পর এবার রালফ লরেন! ভারতীয় নকশা ‘চুরি’র অভিযোগে তোলপাড়

কিছুদিন আগেই নকশা চুরির অভিযোগ উঠেছিল প্রাদার বিরুদ্ধে। এ বার একই ধরনের অভিযোগের মুখে আন্তর্জাতিক ফ্যাশন ব্র্যান্ড রালফ লরেন। ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের নকশা ব্যবহার করে যথাযথ স্বীকৃতি না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সংস্থাটির বিরুদ্ধে। বিষয়টি নিয়ে সমাজমাধ্যমে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক।সম্প্রতি রালফ লরেনের একটি গোলাপি পোশাক প্রকাশ্যে এসেছে। সেই পোশাকে ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের ছোঁয়া স্পষ্ট বলে দাবি করেছেন ফ্যাশন জগতের অনেকে। কিন্তু পোশাকটির বর্ণনায় ভারত বা ভারতীয় কারিগরদের কোনও উল্লেখ নেই। সেখানে শুধু হাতের কাজ করা সজ্জা হিসাবে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। আর তা নিয়েই ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।১২ সেপ্টেম্বর রালফ লরেনের সমাজমাধ্যম পাতায় পোশাকটির ছবি প্রকাশ করা হয়। পোশাক তৈরির কাপড় এবং সুতো নিয়ে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হলেও হাতের কাজের বিষয়ে মাত্র একটি শব্দে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, পোশাকটির নকশায় যদি কোনও দেশের ঐতিহ্যবাহী শিল্পের প্রভাব থাকে, তা হলে সেই শিল্প এবং কারিগরদের যথাযথ পরিচয় দেওয়া হল না কেন?এই বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন ফ্যাশন ডিজাইনার প্রখর রাও সিং চান্ডেল। তাঁর বক্তব্য, পোশাকের কাপড় নিয়ে দীর্ঘ বিবরণ দেওয়া হলেও যে কারিগররা সূক্ষ্ম হাতের কাজ করেছেন, তাঁদের শিল্পকে একটি অস্পষ্ট শব্দের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।রালফ লরেনের প্রচারে বলা হয়েছিল, প্রতিটি পোশাকের যেন নিজস্ব ইতিহাস ও চরিত্র থাকে। সেই কথাকেই সামনে রেখে প্রখর প্রশ্ন তুলেছেন, সেই পোশাকে আসলে কার ইতিহাস এবং কার চরিত্র তুলে ধরা হচ্ছে?প্রখরের দাবি, বিতর্কিত পোশাকটিতে ভারতের ঐতিহ্যবাহী সূচিশিল্প জরদৌসির ব্যবহার রয়েছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, লখনউ এবং আশপাশের কয়েকটি জেলায় দীর্ঘদিন ধরে এই শিল্পের চর্চা চলছে। বহু কারিগর এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত। তাই এটিকে শুধুমাত্র পোশাকের অলঙ্করণ হিসেবে দেখলে সেই শিল্পের সঙ্গে জড়িত মানুষের ইতিহাস ও পরিশ্রমকে আড়াল করা হয়।এই প্রসঙ্গে প্রখর গত বছর প্রাদাকে ঘিরে ওঠা বিতর্কের কথাও তুলে ধরেছেন। তাঁর অভিযোগ, ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী কোলাপুরি চটির নকশা ব্যবহার করা হলেও সেটিকে শুধুমাত্র চামড়ার স্যান্ডেল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। পরে মহারাষ্ট্রের একটি বাণিজ্য সংগঠনের তরফে চিঠি দেওয়ার পর ভারতের নাম যুক্ত করা হয় বলে দাবি তাঁর।নিজের দলের সঙ্গে কাজ করা জরদৌসি শিল্পী বাবলু ভাইয়ের কথাও উল্লেখ করেছেন প্রখর। তাঁর বক্তব্য, এই ধরনের শিল্পের পিছনে বহু কারিগরের বছরের পর বছর পরিশ্রম রয়েছে। তাঁদের পরিচয় বাদ দিয়ে শুধু নকশাকে ব্যবহার করলে সেই শ্রমের যথাযথ মূল্যায়ন হয় না।রালফ লরেনের এই পোশাক নিয়ে শুধু জরদৌসি নয়, আরও একটি ভারতীয় সূচিশিল্প আরির ব্যবহার নিয়েও সমাজমাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়েছে। বহু নেটিজেনের দাবি, ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের ঐতিহ্যবাহী শিল্প বিদেশি ফ্যাশন সংস্থাগুলি ব্যবহার করলেও অনেক সময় সেই শিল্প বা কারিগরদের যথাযথ স্বীকৃতি দেওয়া হয় না।কোলাপুরি চটি ছাড়াও বাঁধনি ছাপ, তামবুরা, কুমকোর মতো বিভিন্ন ভারতীয় নকশা নিয়েও বিদেশি ফ্যাশন সংস্থার বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ তুলেছেন সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারীদের একাংশ। তাঁদের বক্তব্য, ভারতের প্রত্যন্ত অঞ্চলের বহু কারিগর নিজেদের পরিশ্রমে এই শিল্পগুলিকে টিকিয়ে রেখেছেন। তাঁদের পরিচয় এবং প্রাপ্য সম্মান না পেলে ধীরে ধীরে এই ঐতিহ্য হারিয়ে যেতে পারে।ফলে রালফ লরেনের নতুন পোশাক ঘিরে বিতর্কটি শুধু একটি নকশা বা পোশাকের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না। ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের ব্যবহার, কারিগরদের স্বীকৃতি এবং আন্তর্জাতিক ফ্যাশন সংস্থাগুলির দায়িত্ব নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
দেশ

মেটার উপর কেন্দ্রের চাপ, অবশেষে বড় সিদ্ধান্ত! নজরে শিশুদের ক্ষতিকারক কনটেন্ট

প্রায় দুমাস ধরে আলোচনা ও বৈঠকের পর কেন্দ্রের দাবি মেনে কাজ করতে রাজি হয়েছে মেটা। সরকারি সূত্রের খবর, শিশুদের জন্য ক্ষতিকারক এবং আপত্তিকর কনটেন্টের বিষয়ে প্রশাসনকে তথ্য জানাতে রাজি হয়েছে মার্ক জুকারবার্গের সংস্থা। শিশুদের জন্য সমাজমাধ্যমকে আরও নিরাপদ করে তোলার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে প্রায় দুমাস আগে মেটার উপর চাপ বাড়ানো হয়েছিল। ডিপফেক, বিকৃত তথ্য এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের মতো কনটেন্ট রুখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল সংস্থাকে। পাশাপাশি মেটার অ্যালগরিদমে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা এবং ক্ষতিকারক কনটেন্ট মোকাবিলায় কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তার বিস্তারিত পরিকল্পনাও জমা দিতে বলা হয়েছিল।তবে শুরু থেকেই শিশুদের নিয়ে তৈরি আপত্তিকর এবং ক্ষতিকারক কনটেন্ট বন্ধ করার উপর বিশেষ জোর দিয়েছিল কেন্দ্র। দীর্ঘ আলোচনা ও একাধিক বৈঠকের পর সেই দাবিতে মেটা সম্মত হয়েছে বলে সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, শিশুদের জন্য ক্ষতিকারক কনটেন্ট চিহ্নিত হওয়ার পর সেই বিষয়ে প্রশাসনকে জানাবে মেটা। এরপর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে প্রশাসন। শুধু মেটা নয়, আগামী দিনে অন্যান্য সমাজমাধ্যম সংস্থাকেও একই ধরনের ক্ষতিকারক কনটেন্ট দ্রুত শনাক্ত এবং আটকানোর আওতায় আনার চেষ্টা করছে কেন্দ্র।শিশু নির্যাতনের কনটেন্টের পাশাপাশি ডিপফেক, ভুয়ো খবর এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচার দ্রুত শনাক্ত করার বিষয়েও মেটাকে সতর্ক করেছিল কেন্দ্র। সমাজমাধ্যমে এই ধরনের কনটেন্টের ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে প্রযুক্তিগত ব্যবস্থার উপরও জোর দেওয়া হয়েছে বলে সরকারি সূত্রে খবর।এর আগে প্রধানমন্ত্রীর একটি সমাজমাধ্যম পোস্ট ঘিরে কেন্দ্র ও মেটার মধ্যে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল। নিটের প্রশ্নফাঁস নিয়ে আন্দোলনের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশের তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছিলেন। সেখানে প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল।কিন্তু পরে প্রধানমন্ত্রীর সেই ভিডিও সমাজমাধ্যম থেকে সরিয়ে দেয় মেটা। বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের তরফে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়। পরে মেটার পক্ষ থেকে জানানো হয়, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই ভিডিওটি সরানো হয়েছিল। ক্ষমা চেয়ে পরে পোস্টটি ফের প্রকাশ করা হয়।ঘটনার পর মেটার শীর্ষ কর্তাদের তলব করেছিল কেন্দ্র। সমাজমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন ধরনের কনটেন্টের উপর আরও কড়া নজরদারির বার্তাও দেওয়া হয়েছিল। সেই ঘটনার পর থেকেই কেন্দ্র এবং মেটার মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে চাপানউতোর চলছিল।এখন শিশুদের জন্য ক্ষতিকারক কনটেন্ট প্রশাসনের নজরে আনার বিষয়ে মেটার সম্মতির খবর সামনে আসায় সেই টানাপোড়েন অনেকটাই কমেছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবে কী ভাবে কার্যকর হবে এবং অন্যান্য সমাজমাধ্যম সংস্থার ক্ষেত্রেও কেন্দ্র একই ব্যবস্থা নিতে পারে কি না, তা নিয়ে নজর থাকবে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
বিদেশ

ভ্রমণের ভিডিও করতেই কি বিপদ? আফগানিস্তানে কেরলের মহিলা ভ্লগারের ‘গ্রেপ্তার’ ঘিরে চাঞ্চল্য

কেরলের জনপ্রিয় মহিলা ভ্লগার অরুণিমা আফগানিস্তান সফরে গিয়ে বিপদে পড়েছেন বলে দাবি করেছেন। সোমবার সোশাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে তিনি জানান, বামিয়ান শহরে তাঁকে মুজাহিদিনরা গ্রেপ্তার করেছে। একই সঙ্গে ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য সাহায্য চেয়েছেন তিনি। তাঁর এই পোস্ট প্রকাশ্যে আসতেই উদ্বেগ ছড়িয়েছে।ব্যাকপ্যাকার অরুণিমা নামে সোশাল মিডিয়ায় পরিচিত ওই তরুণী কিছুদিন আগে ভারত থেকে আফগানিস্তানে যান। সেখানে বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখার পাশাপাশি নিয়মিত ভিডিও এবং ছবি প্রকাশ করছিলেন। সোমবার একটি পোস্টে অরুণিমার দাবি, আফগানিস্তানে গিয়ে তিনি বিপদে পড়েছেন এবং বামিয়ান শহরে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সাহায্য করার জন্যও আবেদন জানিয়েছেন তিনি। নিজের সোশাল মিডিয়া পাতায় স্থানীয় প্রশাসনের কাছ থেকে পাওয়া বলে দাবি করা গ্রেপ্তারি সংক্রান্ত কিছু নথিও প্রকাশ করেছেন অরুণিমা। ফলে তাঁর দাবি ঘিরে স্বাভাবিক ভাবেই চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।তবে ঠিক কী কারণে অরুণিমাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। গ্রেপ্তারের পরিস্থিতি নিয়েও বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি। স্থানীয় প্রশাসন বা আফগানিস্তানের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তরফে কী বলা হয়েছে, সেটিও এখনও পরিষ্কার নয়।এই ঘটনায় ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে তাৎক্ষণিক কোনও প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি। অরুণিমার প্রকাশ করা পোস্ট এবং নথির সত্যতাও স্বাধীন ভাবে যাচাই করা হয়নি। ফলে তাঁর দাবি কতটা সত্য, তা নিয়েও আপাতত ধোঁয়াশা রয়েছে।গত কয়েকদিন ধরে আফগানিস্তানের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরছিলেন অরুণিমা। সেখান থেকে প্রকাশিত একাধিক ভিডিওতে আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে দেখা যায় তাঁকে। বিশেষ করে তালিবান শাসনে মহিলাদের জীবন, তাঁদের উপর থাকা বিভিন্ন বিধিনিষেধ এবং ভয়-আতঙ্কের কথা তুলে ধরেছিলেন তিনি।আফগানিস্তানের সাধারণ মানুষের সঙ্গেও সময় কাটানোর ছবি এবং ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন অরুণিমা। সেই সফরের মধ্যেই হঠাৎ তাঁর গ্রেপ্তারের দাবি সামনে আসায় বিষয়টি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তিনি কী কারণে আটক হয়েছেন, কোথায় রয়েছেন এবং ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ হয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।সব মিলিয়ে কেরলের এই জনপ্রিয় ভ্লগারের আফগানিস্তান সফর ঘিরে তৈরি হয়েছে ব্যাপক রহস্য। অরুণিমার দাবি এবং প্রকাশ করা নথি যাচাই হওয়ার পরই গোটা ঘটনার প্রকৃত ছবি স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
কলকাতা

বামেদের নবান্নে ডেকে পুষ্পাঞ্জলির আমন্ত্রণ! গণেশ পুজোর মঞ্চে শুভেন্দুর বিস্ফোরক বার্তা

গণেশ পুজোর সূচনা করে বামেদের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ধর্মকে আফিং বলা এবং নিজেদের নাস্তিক বলে পরিচয় দেওয়া ব্যক্তিদের কাছ থেকে কোনও উপদেশ নেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে বাগেশ্বর বাবা বিতর্ক, পুজোকে শারদোৎসব বলা নিয়ে বিতর্ক এবং গণেশ পুজোর বিস্তারসবকিছু নিয়েই নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন শুভেন্দু।সোমবার গণেশ পুজোর সূচনা করে শুভেন্দু বলেন, সনাতন ধর্মের রীতিনীতি নিয়ে বাইরের কারও কাছ থেকে উপদেশ নেওয়ার প্রয়োজন নেই। তাঁর বক্তব্য, কোনও দিন নিরামিষ খাবার দিয়ে পুজো হয়, আবার কোনও দিন মাছ দিয়ে দেবতাকে ভোগ দেওয়া হয়। সনাতন ধর্মের মানুষ কোন পুজোয় কী নিয়ম মানবেন, তা তাঁরা নিজেরাই জানেন।বাগেশ্বর বাবা বিতর্কের প্রসঙ্গ টেনে শুভেন্দু বলেন, পুজোর পদ্ধতি, পুজোর পাঠ এবং পঞ্জিকার নিয়ম বদলে একসময় ধর্মীয় অনুষ্ঠানকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের রূপ দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, প্রাদেশিকতার নামে মানুষের মধ্যে বিভাজন তৈরির চেষ্টা হয়েছিল।এর আগে বালিগঞ্জে ভারত সেবাশ্রম সংঘের পুজোর সূচনা করেন শুভেন্দু। সেখানেও পুজো এবং শারদোৎসব নিয়ে চলা বিতর্কের প্রসঙ্গ ওঠে। কমিউনিস্ট নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যাঁদের পুজো নিয়ে আপত্তি রয়েছে, তাঁরা নবান্নে এসে তাঁর সঙ্গে বিশ্বকর্মা পুজোয় পুষ্পাঞ্জলি দিতে পারেন।শুভেন্দুর বক্তব্য, তিনি বিশ্বকর্মা পুজোর দিন নবান্নে পুষ্পাঞ্জলি দেবেন। কমিউনিস্ট নেতাদেরও সেখানে এসে একসঙ্গে পুষ্পাঞ্জলি দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তাঁর কটাক্ষ, তাতে তাঁরাও পরিবর্তনের স্বাদ পাবেন।পুজোর নাম নিয়ে যে বিতর্ক চলছে, তার মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যকে রাজনৈতিক ভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে পুজোকে ধর্মীয় অনুষ্ঠান না কি বৃহত্তর সাংস্কৃতিক উৎসব হিসাবে দেখা হবে, তা নিয়ে যে রাজনৈতিক তরজা চলছে, সেই বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে তাঁর বক্তব্য।এ দিন বামেদের আক্রমণ করার পাশাপাশি আগের সরকারের আমলে পিতৃপক্ষে দুর্গাপুজোর সূচনা নিয়েও কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। তাঁর মন্তব্য, পিতৃপক্ষে কাঁচি নিয়ে বের হওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই।দেশবিরোধী শক্তি নিয়েও এ দিন সতর্ক করেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, অসুরদের থেকে সাবধানে থাকতে হবে এবং তাঁদের থেকে দূরে থাকতে হবে। একই সঙ্গে দেশবিরোধী শক্তি এবং টুকরে টুকরে গ্যাং থেকেও দূরে থাকার বার্তা দেন তিনি।গণেশ পুজো কেন বাড়ছে, তা নিয়ে যাঁরা প্রশ্ন তুলছেন, তাঁদেরও এ দিন পাল্টা জবাব দেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, গণপতি পুজো শুধু মহারাষ্ট্রের বিষয় নয়। সনাতন ধর্মের ঐক্যের মধ্যেই এর বিস্তার রয়েছে।শুভেন্দুর দাবি, একসময় মারাঠি, গুজরাতি, বিহারি-সহ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি প্রাচীর তুলে রাখা হয়েছিল। তাঁর কথায়, সেই প্রাচীর ভেঙে দেওয়া হয়েছে। গণেশ পুজোর বিস্তারকে তিনি সনাতনীদের ঐক্যের প্রতীক হিসাবেই তুলে ধরেন।গণেশ পুজোর সূচনা থেকে বাগেশ্বর বাবা বিতর্ক, পুজোর নাম নিয়ে রাজনৈতিক তরজা থেকে বামেদের নবান্নে পুষ্পাঞ্জলির আমন্ত্রণসব মিলিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর সোমবারের বক্তব্য ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
রাজ্য

পুজোর পরই কি বাড়ছে বাসভাড়া? মন্ত্রীর কথায় বড় ইঙ্গিত, কত হতে পারে ন্যূনতম ভাড়া?

পুজোর পর রাজ্যে বাসভাড়া বাড়তে পারে। সরকারি ও বেসরকারি বাসের পাশাপাশি দূরপাল্লার বাসের ভাড়াতেও পরিবর্তন হতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে। তবে পুজোর আগে ভাড়া বাড়ানোর কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে না। সোমবার বেসরকারি বাস মালিকদের সঙ্গে বৈঠকের পর এমনটাই জানিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিং।বৈঠক শেষে পরিবহণমন্ত্রী বলেন, পুজোর আগে বাসভাড়া নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত হবে না। তবে পুজোর পরে বেসরকারি বাসের ভাড়া বাড়ানো নিয়ে আলোচনা হতে পারে। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে একই ভাড়া চলছে। ২০১৮ সাল থেকে বাসভাড়ার তালিকায় কোনও পরিবর্তন হয়নি। তাই অনির্দিষ্টকাল ভাড়া না বাড়িয়ে রাখা সম্ভব নয়।বাসভাড়া বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা বলতে গিয়ে বাম আমলেরও সমালোচনা করেন পরিবহণমন্ত্রী। তাঁর দাবি, সেই সময় নেতারা নিজেদের গাড়িতে যাতায়াত করলেও বাসের ভাড়া বাড়ানো হত না। এর ফলে ধীরে ধীরে বাসের সংখ্যা কমে গিয়েছিল। বর্তমান সরকার সেই পথে হাঁটতে চায় না বলেও জানান তিনি। সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য আরও বেশি বাস রাস্তায় নামানোর পাশাপাশি পরিষেবার মান উন্নত করার কথাও বলেন মন্ত্রী।২০১৮ সালে শেষ বার সরকারি ভাবে বাসভাড়ার তালিকা পরিবর্তন হয়েছিল। তখন ন্যূনতম ভাড়া ছিল ৭ টাকা। যদিও কোভিডের সময় থেকে অনেক ক্ষেত্রে ন্যূনতম ভাড়া ১০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। সেই পরিবর্তনের কোনও সরকারি বিজ্ঞপ্তি হয়নি বলে জানা গিয়েছে। ফলে আগামী দিনে বাসভাড়া বাড়লে ন্যূনতম ভাড়া কত হবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।বাস মালিকদের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি ছিল টোল নিয়ে। তাঁদের অভিযোগ, একই জেলার মধ্যেও বিভিন্ন জায়গায় আলাদা হারে টোল নেওয়া হচ্ছে। এই সমস্যা মেটাতে সব টোল প্লাজায় নির্দিষ্ট হারে টোল চালুর বিষয়ে উদ্যোগী হয়েছে রাজ্য। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে ছদিনের সময় দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ওড়িশার মতো নিয়ম চালুর কথাও জানিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী।বড় রাস্তায় টোটো চলাচল নিয়েও কড়া অবস্থানের কথা জানিয়েছেন তিনি। মূল রাস্তায় টোটো চলাচল বন্ধ করা হবে বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন মন্ত্রী। টোটো চলাচল নিয়ে যে সমস্যা তৈরি হয়েছে, তার সমাধানে একটি নির্দিষ্ট নিয়ম চালু করার প্রয়োজন রয়েছে বলেও জানান তিনি।বাস মালিকদের দীর্ঘদিনের আরও একটি সমস্যা ছিল রাতের বাস রাখার জায়গা নিয়ে। বৈঠকের পর সেই সমস্যা মিটেছে বলে জানিয়েছেন বাস মালিকদের প্রতিনিধিরা। একই সঙ্গে যেসব বাস মালিকের দীর্ঘদিনের কর বকেয়া রয়েছে, তাঁদের জরিমানা কিছুটা কমানোর বিষয়েও আশ্বাস দিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী। তবে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি।এর মধ্যেই সামনে দুর্গাপুজো। পুজোর সময় রাস্তায় মানুষের ভিড় এবং যাতায়াতের চাপ অনেকটাই বেড়ে যায়। সেই পরিস্থিতি সামাল দিতে পুজোর আগেই আরও প্রায় ৩০০ সরকারি বাস রাস্তায় নামানো হবে বলে জানিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী। ফলে শহর ও শহরতলির গণপরিবহণ ব্যবস্থায় কিছুটা স্বস্তি মিলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।বৈঠক নিয়ে খুশি বাস মালিকদের সংগঠনগুলিও। সারা বাংলা বাস-মিনিবাস সমন্বয় সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাহুল চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, পরিবহণমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁদের বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে এবং তাঁরা খুশি। টোলের সমস্যা প্রায় এক সপ্তাহের মধ্যে মিটিয়ে দেওয়ার আশ্বাসও মন্ত্রী দিয়েছেন বলে জানান তিনি।বাসভাড়া বাড়ানো নিয়েও পরিবহণমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাহুল। তাঁর আশা, পুজোর পর এবার বাসভাড়া বাড়ানো হবে। একই সুর শোনা গিয়েছে সিটি সাবার্বান বাস সার্ভিসেসের সাধারণ সম্পাদক টিটু সাহার বক্তব্যেও। জয়েন্ট কাউন্সিল অফ বাস সিন্ডিকেটের সাধারণ সম্পাদক তপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, দীর্ঘদিনের নাইট পার্কিংয়ের সমস্যা মিটিয়ে দেওয়ায় তাঁরা সন্তুষ্ট। বৈঠকে খুশি ওয়েস্টবেঙ্গল বাস-মিনিবাস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ নারায়ণ বসুও।সব মিলিয়ে পুজোর আগে যাত্রীদের জন্য বাড়তি সরকারি বাস নামানোর সিদ্ধান্ত কিছুটা স্বস্তি দিলেও পুজোর পর বাসভাড়া বাড়তে পারেপরিবহণমন্ত্রীর বক্তব্যে সেই সম্ভাবনাই জোরালো হয়েছে। তবে ভাড়া কত বাড়বে বা নতুন ন্যূনতম ভাড়া কত হবে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। ফলে পুজোর পর রাজ্যের বাসযাত্রীদের পকেটে কতটা অতিরিক্ত চাপ পড়বে, এখন সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
রাজ্য

প্রার্থী ঘোষণার পরেও কংগ্রেসের দরজায় মমতা! নন্দীগ্রাম নিয়ে কেন এত মরিয়া তৃণমূল?

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনের মনোনয়ন পর্ব শুরু হতেই বঙ্গ রাজনীতিতে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। সূত্রের খবর, বিজেপিকে আটকাতে দুই কেন্দ্রে একসঙ্গে লড়াই করার জন্য কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে জোটের প্রস্তাব দিয়েছেন কালীঘাট তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ বিষয়ে তিনি এআইসিসির অন্যতম সাধারণ সম্পাদক কেসি বেনুগোপালকে ফোন করেছিলেন বলে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, ফোনে মমতা নন্দীগ্রাম আসনটি কংগ্রেসকে ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেন। পাশাপাশি রেজিনগরে কালীঘাট তৃণমূলের প্রার্থীকে কংগ্রেস সমর্থন করুক, সেই আবেদনও জানান তিনি। এমনকি নন্দীগ্রামে কালীঘাট তৃণমূলের ঘোষিত প্রার্থীকে সরিয়ে নেওয়ার কথাও তিনি জানিয়েছিলেন বলে খবর।এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই প্রশ্ন উঠেছে, তা হলে কি নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনে কংগ্রেস ও কালীঘাট তৃণমূলের মধ্যে জোট হতে চলেছে? তবে সূত্রের খবর, মমতার প্রস্তাব গ্রহণ করেনি কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। বরং প্রদেশ কংগ্রেসের তরফে পাল্টা বার্তা দেওয়া হয়েছে, জোট চাইলে দুই আসনেই কালীঘাট তৃণমূলকে কংগ্রেসকে সমর্থন করতে হবে।প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার জানিয়েছেন, কালীঘাট তৃণমূল যদি সত্যিই জোট চায়, তা হলে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরদুই আসনেই কংগ্রেসকে সমর্থন করা উচিত। তাঁর বক্তব্য, এমনটা হলে ভবিষ্যতে জোটের রাস্তা আরও খোলা থাকতে পারে।আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচন। ১৬ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। ইতিমধ্যেই দুই কেন্দ্রেই কংগ্রেস এবং কালীঘাট তৃণমূল প্রার্থী ঘোষণা করেছে। একই সঙ্গে ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলও দুই আসনে প্রার্থী দিয়েছে। ফলে তৃণমূলের দুই শিবিরের মধ্যে প্রতীক ও রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লড়াইয়ের পাশাপাশি কংগ্রেস ও বিজেপির লড়াইও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলের নন্দীগ্রামের প্রার্থী এহতেশামুল হক। রেজিনগরে তাঁদের প্রার্থী সফিউজ্জামান শেখ। অন্য দিকে, কালীঘাট তৃণমূল নন্দীগ্রামে সঞ্চিতা প্রধান দে এবং রেজিনগরে রবিউল আলম চৌধুরীকে প্রার্থী করেছে।নন্দীগ্রামে সঞ্চিতা প্রধান দে-কে প্রার্থী করা নিয়েও স্থানীয় স্তরে কিছুটা অস্বস্তি রয়েছে বলে সূত্রের দাবি। তাঁর নাম ২০১৪ সালের শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতির মামলায় জড়িয়েছিল বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। সেই কারণেই প্রার্থীর ভাবমূর্তি নিয়ে দলের স্থানীয় স্তরে প্রশ্ন উঠেছে বলে খবর। যদিও প্রকাশ্যে এখনও কোনও বড় ধরনের ক্ষোভ দেখা যায়নি।এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, প্রার্থী বাছাই নিয়ে অস্বস্তির কারণেই কি মমতা কংগ্রেসের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা করলেন? নাকি মূল লক্ষ্য ছিল নন্দীগ্রামে বিজেপিকে আটকাতে বিরোধী ভোটকে এক জায়গায় আনা? রাজনৈতিক মহলে এই দুই সম্ভাবনা নিয়েই জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।সোমবার সন্ধ্যায় কেসি বেনুগোপালকে ফোন করে মমতা বিজেপির বিরুদ্ধে একজোট হয়ে লড়াই করার প্রস্তাব দেন বলে সূত্রের খবর। নন্দীগ্রাম কংগ্রেসকে ছেড়ে দেওয়ার পাশাপাশি রেজিনগরে কালীঘাট তৃণমূলকে সমর্থনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কংগ্রেসের তরফে সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।রেজিনগরে কংগ্রেসের প্রার্থী মহম্মদ আব্দুল্লাহিল কাফি। নন্দীগ্রামে কংগ্রেসের প্রার্থী মিলন প্রধান। রেজিনগরে ইতিমধ্যেই কংগ্রেসের প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। সেই সময় উপস্থিত ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার।মমতার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পিছনে পুরনো রাজনৈতিক সম্পর্কের কথাও সামনে আনছে কংগ্রেস। কংগ্রেস নেতৃত্বের বক্তব্য, ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বামেদের সরাতে তৎকালীন সময়ে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করেছিল তৃণমূল। সেই জোটের সুবিধা নিয়ে ক্ষমতায় আসার পর ২০১২ সালে কংগ্রেসের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন মমতা। এরপর রাজ্যে তৃণমূলের শাসনকালে কংগ্রেসের নেতা-কর্মীদের উপর হামলা, মিথ্যা মামলা এবং খুনের মতো একাধিক অভিযোগ উঠেছে বলে দাবি কংগ্রেসের।মমতার এবারের জোটের প্রস্তাব সামনে আসার পর কংগ্রেসের নিচুতলার নেতা-কর্মীদের মধ্যেও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে বলে সূত্রের খবর। সেই ক্ষোভকে গুরুত্ব দিয়েই কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব প্রস্তাবটি ফিরিয়ে দিয়েছে বলে দলীয় সূত্রে দাবি করা হয়েছে।ফলে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচনে আপাতত আলাদা পথেই লড়াই করতে চলেছে কংগ্রেস ও কালীঘাট তৃণমূল। তার উপর দুই কেন্দ্রেই তৃণমূলের দুই শিবিরের প্রার্থী থাকায় লড়াই আরও জটিল হয়েছে। মনোনয়ন পর্ব শেষ হওয়ার পর রাজনৈতিক সমীকরণ কোন দিকে যায়, নন্দীগ্রামে বিজেপি, কংগ্রেস এবং তৃণমূলের দুই শিবিরের লড়াই কোন নতুন মোড় নেয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal