• ১২ ভাদ্র ১৪৩৩, বুধবার ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

ODI

রাজ্য

কুঁড়ে ঘরের খুদে শিল্পীর মায়াবী গানের সুরের জাদুতে মুগ্ধ সংগীতপ্রেমীরা

চারপাশে সবুজে ভরা ক্ষেত। তারাই মাঝে কোনওরকমে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে ভাঙা ফুটো একচিলতে কুঁড়ে ঘর। প্রতিদিন সকাল সন্ধ্যে সেই কুঁড়ে ঘর থেকে ভেসে আসে শিশু পুত্র অভিষেক সানার মায়াবী কন্ঠে ভরা লোক গানের সুর। নিথুর প্রেম ভিখারি করেছে মোরে। মা হারানো অভিষেকের গাওয়া এই গানের সুর মূর্ছনাতেই মোহিত পূর্ব বর্ধমানের বড়শুলের আট থেকে আশি সকলে। মায়াবী কন্ঠে ভরা গানের জাদুতেই একরত্তি ছেলে অভিষেক গ্রামের সকলের মনের মনিকোঠায় স্থান করে নিয়েছে। বড়শুলের সকল বাসিন্দাই মনেপ্রাণে চান দিন দরিদ্র পরিবারের ছেলে অভিষেক বড় হয়ে নামজাদা বাউল কিংবা লোকগানের শিল্পী হোক। অভিষেকও সেই স্বপ্নকে আঁকড়েই নিজেদের কুঁড়ে ঘরে নিত্যদিন রেওয়াজ চালিয়ে যাচ্ছে।আরও পড়ুনঃ পুরভোট বন্ধ নিয়ে সরাসরি রায় নয় হাইকোর্টের, নির্বাচন পিছানোর সিদ্ধান্ত বর্তাল কমিশনের ওপরবর্ধমান সদর ২ ব্লকের বড়শুল ২ পঞ্চায়েতের প্রত্যন্ত গ্রাম বালিমাঠ। এই গ্রামের চারপাশে থাকা চাষের জমির মাঝেই রয়েছে ছিটেবেড়া আর খড়ের চালার তৈরি অভিষেকদের কুঁড়ে ঘরটি। নিজভূমি নিজগৃহ প্রকল্পে পাওয়া জায়গায় গড়ে তোলা ভাঙা ফুটো সেই ঘরেই ৯ বছর বয়সী অভিষেক ও তাঁর ছোট ভাই সহ বাবা, বৃদ্ধা ঠাকুমা ও পিসি বসবাস করেন। জায়গা মিললেও এখনও পাকা বাড়ি তাঁদের মেলেনি। অভিষেকের যখন ৪ বছর বয়স তখন তাঁকে ও তাঁর ছোটভাই কৌস্তভ কে বাড়িতে ফেলে রেখে গায়েব হয়েযান মা ভারতীদেবী। অভিষেকের বাবা তারকচন্দ্র সানা বালি খাদানে শ্রমিকের কাজ করে যৎসামান্য যা রোজগার করেন তা দিয়েই তাঁদের দিন গুজরান হয়। অভিষেক বড়শুল নিম্নবুনিয়াদি বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র। তাঁর ভাই কৌস্তভ একই বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণীর পড়ুয়া। বাড়িতে বিদ্যুতের বাতির আলোয় পড়াশুনা করার সৌভাগ্যও এখনও তাঁদের হয়নি। সন্ধ্যা নামলেই লম্ফ অথবা হারিকেনের আলোই ভরসা অভিষেকদের। তবে কষ্টের সংসারে অভিষেকই গানের সুরে সবার মন ভুলিয়ে রেখেছে।তারকচন্দ্র সানা জানিয়েছেন, তিনি গান-বাজনা ভালোবাসেন। বাউল ও লোকগান শোনার টানে আগে তিনি বীরভূমে জয়দেবের মেলায় যেতেন। তখন ছোট্ট অভিষেককেও সঙ্গে নিয়ে যেতেন। জয়দেব মেলায় হাজির হওয়া বাউল ও লোকগানের শিল্পীদের গাওয়া গান শুনে অভিষেকেরও গান গাওয়ার প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। প্রথমদিকে সে বাড়িতেই গুনগুন সুরে গান গাইতো। তা দেখে অভিষেককে একটা হারমোনিয়াম কিনে দেয় ওর মামারা। হারমোনিয়াম পাওয়ার পর প্রথম প্রথম অভিষেক নিজেই হারমোনিয়াম বাজিয়ে গান করতো। বছর দুই হল বড়শুল নিবাসী মঙ্গল কালিন্দী কোনও পারিশ্রমিক না নিয়ে গান শেখাচ্ছেন অভিষেককে। মঙ্গলবাবু নিজেই গান লিখে গানের সুর দেন। সেই গানই এখন গেয়ে অভিষেক বড়শুলবাসীর মন জয় করে নিয়েছে। পাশাপাশি অভিষেক তাঁর নিজের ছোট ভাই কৌস্তবকেও একটু একটু করে গানের তালিম দিচ্ছে।আরও পড়ুনঃ যন্ত্রের যুগেও গ্রাম বাংলায় পৌষ পার্বণের পিঠে-পুলি তৈরিতে আজও অনবদ্য ঢেঁকিখুদে শিল্পী অভিষেক জানিয়েছে, বাবার হাত ধরে সে জয়দেবের মেলায় যেত। সেখানে বাউল ও লোকগানের শিল্পীদের গাওয়া গান শুনেই সে গান গাওয়ার ব্যপারে অনুপ্রাণিত হয়। অভিষেক এও জানায়, বাউল ও লোকগান শেখার প্রতিই তাঁর টান বেশী। বড় হয়ে স্বনামধন্য বাউল গানের শিল্পী হতে চায় বলে অভিষেক। মঙ্গল কালিন্দী বলেন, তাঁর ছাত্র অভিষেকের প্রতিভা রয়েছে। গান গেয়ে এত ছোট বয়সে ও যে ভাবে সবার মন জয় করে নিয়েছে সেটাই সবথেকে গৌরবের বলে মঙ্গলবাবু দাবি করেছেন। এলাকার বাসিন্দা নয়ন মণ্ডল বলেন, মায়াবী কন্ঠে ছোট্ট অভিষেকের গাওয়া গান তাঁদের মুগ্ধ করে।আরও পড়ুনঃ বেসরকারি বাসপরিবহণ শিল্পে তীব্র সংকট, সরকারি সাহায্য জরুরিঅভিষেকের গাওয়া গানের সুর মর্ছনাতেই এখন মোহিত বড়শুলবাসী। দূর দূরান্তের সংগীত প্রেমীরাও অভিষেকের কন্ঠে গান শুনতে এখন তাদের কুঁড়ে ঘরে হাজির হচ্ছে। বর্ধমান ২ ব্লকের বিডিও সুবর্ণা মজুমদার ও ছোট্ট অভিষেকের গাওয়া গান শুনে মুগ্ধ। জানা গিয়েছে, তিনি অভিষেক ও তাঁর পরিবারকে সহায়তা প্রদানের ব্যাপারে উদ্যোগী হয়েছেন। অভিষেকের প্রতিভার কথা শুনে যারপরনায় মুগ্ধ বিশিষ্ঠ বাউল গান শিল্পী তথা অমৃত বাউল লোকগান প্রসার সমিতির রাজ্য সম্পাদক মণিমোহন দাস। তিনি জানিয়েছেন, অভিষেকের বাবা চাইলে তিনি সহ তাঁদের সংগঠনের অন্য শিল্পীরাও বিনা পারিশ্রমিকে অভিষেককে গান শেখাতে রাজি রয়েছেন। তবে অভিষেকের বাড়ি গিয়ে হয়তো গান শেখানো সম্ভব হবে না।অমৃত বাউল লোকগান প্রসার সমিতির আখড়ায় এসে অভিষেককে গান শিখতে হবে। অভিষেককে দিয়ে বড় মঞ্চে গান গাওয়ানোর ব্যাপারেও প্রয়োজনে উদ্যোগ নেবেন বলে মনিমোহন দাস জানিয়েছেন।

জানুয়ারি ১৪, ২০২২
দেশ

Narendra Modi: যুব দিবসে মেয়েদের আত্মনির্ভরতার বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

স্বামী বিবেকানন্দের ১৬০ তম জন্মজয়ন্তীতে দেশের যুবদেরকে নিয়ে প্রশংসা শোনা যায় প্রধানমন্ত্রীর গলায়। দেশের যুবসমাজের আগ্রহের কোনও অভাব নেই এবং যেকোনও কাজে তারা এগিয়ে আসে বলেই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ভিডিও কনফারেন্সিংয়র মাধ্যমে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প মন্ত্রকের তত্ত্বাবধানে পুদুচেরিতে তৈরি হওয়া পেরুন্থলাইভার কামরাজার মনিমণ্ডপম টেকনোলজি ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।সম্প্রতি মেয়েদের বিয়ের বয়স ১৮ থেকে বাড়িয়ে ২১ করার পক্ষে সওয়াল করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। এবার সেই সুরই শোনা গেল প্রধানমন্ত্রীর গলায়। বুধবার প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, নারী ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে মেয়েদের বিয়ের বয়স ১৮ থেকে ২১ করা প্রয়োজন। এই পদক্ষেপের ফলে মেয়েরা আত্মনির্ভর হবেন বলেই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।তিনি বলেন, আমরা মনে করি ছেলে ও মেয়েদের মধ্যে কোন তফাৎ নেই। মেয়েদের বিয়ের বয়স ১৮ থেকে বাড়িয়ে ২১ করা হলে দেশের মেয়েরা নিজেদের ভবিষ্যত মজবুত করতে পারবেন। এর ফলে মেয়েরা আত্মনির্ভর হবে।এদিনের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে দারুণভাবে স্টার্টআপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশে এই মুহূর্তে প্রায় ৫০ হাজারেরও বেশি স্টার্টআপ রয়েছে। করোনা অতিমারির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে বিগত ৬-৭ মাসের মধ্যে নতুন ১০ হাজার স্টার্টআপ শুরু হয়েছে। দেশের যুব সমাজের মধ্যে তৎপরতার সঙ্গে কাজ করে দেখানোর ক্ষমতা রয়েছে, সেখান থেকে সকলের শেখা উচিত। যুব সমাজের ওপর ভর করে ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেমে অভূতপূর্ব উন্নতি করেছে ভারত। ভারতকে বিশ্ব মানচিত্রে নতুন জায়গা করে দিয়েছে যুবসমাজ। আমরা চাই কোনওরকম বাধা বা সমস্যা ছাড়া দেশের যুবরা নিজেদের স্বপ্ন পূরণ করুক। মুদ্রা যোজনা, স্টার্টআপ ইন্ডিয়া, স্কিল ইন্ডিয়া, অটল ইনোভেশন মিশনের মতো প্রকল্পগুলি যুবদের স্বপ্ন পূরণ করছে। যুবসমাজের প্রতি আমার সম্পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আমার বিশ্বাস যুবরা দেশকে এমন উচ্চতায় নিয়ে যাবে যা এর আগে কেউ কল্পনাও করেনি।

জানুয়ারি ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ATK Mohun Bagan : ম্যাকহিউ, বোমাস কেন চিন্তা বাড়িয়েছে জুয়ান ফেরান্দোর?‌

দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিকে মোহনবাগানকে জয়ে ফিরিয়েছেন জুয়ান ফেরান্দো। পরপর দুম্যাচ জয়ের পর আগের ম্যাচে আটকে যেতে হয়েছে হায়দরাবাদ এফসির কাছে। শেষ মুহূর্তের গোলে জয় হাতছাড়া হয়েছিল সবুজমেরুণ শিবিরের। হায়দরাবাদ এফসিকে হারালেই আইএসএলের লিগ টেবিলের শীর্ষে পৌঁছে যেত এটিকে মোহনবাগান। তা না হওয়ায় আক্ষেপ রয়েই গেছে জুয়ান ফেরান্দোর। শনিবার ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে সেই আক্ষেপ মেটাতে চান এটিকে মোহনবাগান।আরও পড়ুনঃ অড-ইভেন পদ্ধতিতে বর্ধমান শহরের বাজার বন্ধ থাকবে, ঘোষনা মাইক্রো কনটেইনমেন্টজোন জোনেরওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে স্বস্তিতে নেই সবুজমেরুণ কোচ জুয়ান ফেরান্দো। একদিকে যেমন ফুটবলারদের চোট আঘাত ও কার্ড সমস্যা ভাবাচ্ছে ফেরান্দোকে, অন্যদিকে ওড়িশা এফসির সাম্প্রতিক ফল। হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে গুরুতর চোট পেয়েছেন ম্যাকহিউ। ওড়িশা এফসি ম্যাচ তো বটেই, আরও কয়েকটা ম্যাচ মাঠের বাইরে কাটাতে হতে পারে ম্যাকহিউকে। দীপক টাংরিও চোটের কবলে। শুভাশিস বোস সদ্য চোটের কবল থেকে বেরিয়ে এসেছেন। কার্ড সমস্যার জন্য হুগো বোমাসকেও ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে পাবেন না জুয়ান ফেরান্দো। তিনি বলেন, চোট ও কার্ড সমস্যার জন্য বেশ কয়েকজন ফুটবলারকে পাব না। সমস্যা নিয়েই জয়ের জন্য ঝাঁপাতে হবে।আরও পড়ুনঃ সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে আজই ভার্চুয়াল বৈঠকে করতে পারেন মোদিপ্রথম একাদশে কয়েকটা পরিবর্তন করছেন জুয়ান ফেরান্দো। হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে চোট পেয়ে বেরিয়ে গিয়েছিলেন ম্যাকহিউ। তাঁর পরিবর্তে মাঠে নেমেছিলেন জনি কাউকো। ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে প্রথম থেকেই শুরু করবেন। হুগো বোমাসের জায়গায় প্রথম একাদশে ফিরবেন রয় কৃষ্ণা। চোট সারিয়ে ওঠা শুভশিস বোসকেও পরের দিকে ব্যবহার করতে পারেন এটিকে মোহনবাগান কোচ।আরও পড়ুনঃ করোনার বাড়বাড়ন্তে বন্ধ হল কালীঘাটের গর্ভগৃহে প্রবেশওড়িশা এফসির সাম্প্রতিক ফর্মও চিন্তায় রাখছে জুয়ান ফেরান্দোকে। আগের ম্যাচে পিছিয়ে থেকেও শক্তিশালী মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে জয় তুলে নিয়েছে ওড়িশা এফসি। সেটা মাথায় রাখছেন এটিকে মোহনবাগান কোচ। তিনি বলেন, ওড়িশার বিরুদ্ধে এগিয়ে থেকেও জয় পায়নি মুম্বই। সেটা মাথায় রেখেই আমাদের মাঠে নামতে হবে।

জানুয়ারি ০৭, ২০২২
রাজ্য

Modi-Meeting: সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে আজই ভার্চুয়াল বৈঠকে করতে পারেন মোদি

দেশে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা গ্রাফ। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে একদিনে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ ১৭ হাজার ১০০ জন। উত্তরোত্তর কোভিড পরিস্থিতির অবনমনের জেরে এ বার সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি বৈঠক করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে, সেই বৈঠকের সিদ্ধান্ত এখনও চূড়ান্ত হয়নি। শুক্রবারই এই বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বৈঠকে বঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও উপস্থিত থাকবেন বলে খোদ জানিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী।সূত্রের খবর, মূলত যে রাজ্যগুলির কোভিড পরিস্থিতি অত্যন্ত খারাপ সেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের এই ভার্চুয়াল বৈঠকে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। তালিকায় রয়েছে দিল্লি, তামিলনাড়ু, মহারাষ্ট্র, পশ্চিমবঙ্গ-সহ একাধিক রাজ্য। শুক্রবারের এই ভার্চুয়াল বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

জানুয়ারি ০৭, ২০২২
কলকাতা

Mahamrityunjay Mantra: আজ শহরে মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্রপাঠ, কার জন্য জানুন

প্রধানমন্ত্রীর সুরক্ষা ও সুস্বাস্থ্য কামনায় বৃহস্পতিবার দেশজুড়ে হয়েছে পুজো ও হোম যজ্ঞ। এবার কলকাতায় মহিলা মোর্চার তরফে একাধিক কর্মসূচি নেওয়া হল। প্রধানমন্ত্রীর সুরক্ষা কামনা করে এবার মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র পাঠ করবে মহিলা মোর্চা।সকাল ১০টায় যাদবপুর ত্রিকোণ পার্ক শিব মন্দিরে মন্ত্রপাঠ হবে। এটি ১০৩ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত। সকাল ১১টায় ভূকৈলাশ শিব মন্দির, খিদিরপুরে হবে মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র পাঠ। অন্যদিকে, বেলা ১২টা নাগাদ ভবানীপুর শিবমন্দিরেও এই মন্ত্রপাঠ হবে।বৃহস্পতিবার মোদির সুরক্ষা কামনা করে দেশের একাধিক জায়গায় পুজো হয়। অসমে আয়োজিত পুজোয় অংশ নেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মা। মুখ্যমন্ত্রীর গুয়াহাটির উগ্রতারা মন্দিরে আয়োজন করা হয় পুজো ও হোম যজ্ঞের। উল্লেখ্য, পঞ্চাবের এই ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়েই উঠছে একাধিক প্রশ্ন।প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় গলদ নিয়ে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। যে কমিটির নেতৃত্বে আছেন ক্যাবিনেট সুরক্ষা সচিব সুধীর কুমার সাক্সেনা। দ্রুত কমিটিকে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, গত বুধবার পঞ্জাবের ফিরোজপুরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যাওয়ার সময় যে ঘটনা ঘটেছে, তাতে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। সেই গাফিলতির বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

জানুয়ারি ০৭, ২০২২
কলকাতা

Modi: শহরে ক্যানসার হাসপাতালের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের উদ্বোধন করবেন মোদি

শহরে ক্যানসার হাসপাতালের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। কলকাতার চিত্তরঞ্জন ন্যাশনাল ক্যানসার ইনস্টিটিউট-এর দ্বিতীয় ক্যাম্পাস উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে টুইট করে জানানো হয়েছে, ভার্চুয়াল মাধ্যমে শুক্রবার এই হাসপাতালের উদ্বোধন করবেন মোদি।PM Narendra Modi to inaugurate the second campus of Chittaranjan National Cancer Institute in Kolkata tomorrow: PMO pic.twitter.com/gFPUpZv9Ig ANI (@ANI) January 6, 2022নিউ টাউনে চিত্তরঞ্জন ক্যানসার হাসপাতালের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস তৈরি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের অধীন এই হাসপাতালে থাকছে ক্যানসার চিকিৎসার অত্যাধুনিক সব সুযোগসুবিধা। থাকবে নিউক্লিয়ার মেডিসিনের সুবিধাও। সঙ্গে থাকার কথা রোগীর আত্মীয়দের থাকার জন্য অতিথিনিবাস, চিকিৎসকদের আবাসন। ১০০০ কোটি টাকা ব্যয়ে এই হাসপাতালে থাকছে ৭৫০টি শয্যা। শুক্রবার ভিডিও কনফারেন্সিং-এর মাধ্যমে তারই উদ্বোধন করবেন মোদি। দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের উদ্বোধন হলে শহরের ক্যানসার চিকিৎসায় বড় সুবিধা হবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

জানুয়ারি ০৬, ২০২২
দেশ

Modi: নতুন বছরেই টিকা ১৫-১৮ বছর বয়সিদের, ষাটোর্ধ্বদের বুস্টার, জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে ঘোষণা মোদির

আগামী ৩ জানুয়ারি থেকে ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সিদের জন্য টিকাকরণ অভিযান শুরু হবে। পাশাপাশি ১০ জানুয়ারি থেকে কো-মর্বিডিটি সম্পন্ন ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তিদের বুস্টার ডোজ দেওয়া হবে। জাতির উদ্দেশে ভাষণে এমনটাই ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। স্বাস্থ্যকর্মী ও করোনা যোদ্ধাদেরও দেওয়া হবে টিকার বুস্টার ডোজ।প্রধানমন্ত্রী মোদি শনিবার জাতির উদ্দেশে বলেন, করোনা এখনও পুরোপুরি চলে যায়নি। নতুন রূপ ওমিক্রনে আক্রান্তদের খোঁজ মিলছে ভারতেও। তিনি বলেন, এই পরিস্থিতিতে আমাদের কোভিড বিধি যথাযতভাবে পালন করতে হবে। দেশের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো পুরোপুরি তৈরি। দেশে ১৮ লক্ষ আইসোলেশন বেড ও লক্ষাধিক আইসিইউ বেড প্রস্তুত রয়েছে।গোটা দেশ এখন উৎসবের মেজাজে। বড়দিন আর বর্ষবরণের আনন্দে মেতে গোটা দেশ। এই পরিস্থিতি সংক্রমণ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সেই কথাই আজ উঠে আসে প্রধানমন্ত্রীর কথায়। বলেন, আমার প্রিয় দেশবাসী, আপনাদের প্রত্যেককে বড়দিনের শুভেচ্ছা। আপনারা সবাই বর্ষবরণের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কিন্তু এখন উৎসাহের পাশাপাশি, সচেতন থাকাও দরকার। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ওমিক্রনের জন্য সংক্রমণ বাড়ছে। ভারতেও অনেকেই ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছেন। আমি আপনাদের অনুরোধ করব, ভয় পাবেন না। হ্যা, সতর্ক থাকুন, সজাগ থাকুন। মাস্ক পরুন।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২১
দেশ

Omicron: ওমিক্রন আতঙ্কে বড়দিন পালনে কড়া বিধিনিষেধ, আজ পর্যালোচনা বৈঠকে মোদি

দেশে উদ্বেগ বাড়িয়ে ঊর্দ্ধমুখী করোনা ভাইরাসের নয়া প্রজাতি ওমিক্রন সংক্রমণ। বুধবারও শহরে নতুন দুই ওমিক্রন আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে। ২২ ডিসেম্বর সকালে ভারতে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ২১৩। রাজ্যেও বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্য়া। করোনার ডেল্টা প্রজাতির তুলনায় প্রায় তিনগুণ বেশি সংক্রামক ওমিক্রন। ফলে কঠোর সতর্কতা জারি করেছেন বিশেষজ্ঞরা।পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি তেলঙ্গানায় বুধবার ওমিক্রনের ১৪ টি নতুন কেস রিপোর্ট হয়েছে। এরপরেই কেরল এবং গুজরাতে নয়টি, রাজস্থান চারটি, ওডিশা এবং পশ্চিমবঙ্গ প্রতিটিতে দুটি এবং অন্ধ্রপ্রদেশে ওমিক্রনের একটি নতুন কেস সামনে এসেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ভ্যারিয়েন্ট অফ কনর্সান আখ্যা দেওয়া এই প্রজাতি ১৫ টিরও বেশি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে মাথা চাড়া দিয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী ওমিক্রন সংক্রামিত প্রায় ৯০ জন হয় সেরে উঠেছে বা স্থানান্তরিত হয়েছে।মঙ্গলবার রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে কেন্দ্র বলেছিল যে ওমিক্রন প্রজাতি ডেল্টার থেকেও কমপক্ষে তিনগুণ সংক্রমণযোগ্য। এদিকে আজই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশের কোভিড -১৯ পরিস্থিতি নিয়ে একটি পর্যালোচনা বৈঠক করবেন।দেশে বড়দিনের উৎসবের মরশুম। সে কারণেই দিল্লির ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি ওমিক্রনের আরও বিস্তার রোধ করার জন্য বড়দিন এবং নববর্ষ উদযাপনের সময় গণসমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে। বুধবার সংস্থার জারি করে বলেছে, সকল জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাদের এক্তিয়ারের মধ্যে যে সমস্ত এলাকা রয়েছে সেখানে পর্যবেক্ষণ চালাবে এবং যেখানে করোনাভাইরাস এবং ওমিক্রনের সুপারস্প্রেডার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে সেই সব সংক্রমণযোগ্য পকেট, বাজার এবং জনসংকীর্ণ অঞ্চলগুলি চিহ্নিত করবেন।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২১
দেশ

Modi: ভুটানের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মানে ভূষিত প্রধানমন্ত্রী

অতিমারি পরিস্থিতিতে প্রতিবেশী দেশের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রীর এই সাহায্যকে সম্মান জানাতেই ভুটানের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মানে ভূষিত করা হল নরেন্দ্র মোদিকে। শুক্রবার ভুটানের প্রধানমন্ত্রী নিজেই এই কথা জানান।এ দিন ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে বিবৃতি প্রকাশ করে জানানো হয়, ভুটানের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান, ন্যাদাগ পেল গি খেরলো সম্মানে ভূষিত করা হচ্ছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। করোনা পরিস্থিতিতে ভারত যেভাবে চিকিৎসা সামগ্রী দিয়ে ভুটানকে সাহায্য করেছিল, সেই সাহায্যের ধন্যবাদ জানাতেই এই সম্মানে ভূষিত করা হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীকে।Bhutan confers the countrys highest civilian award - Ngadag Pel gi Khorlo upon Prime Minister Narendra Modi. pic.twitter.com/MDFpOAN8i3 ANI (@ANI) December 17, 2021ভুটানের প্রধানমন্ত্রী লোটে সেরিং নিজেই টুইট করে লেখেন, মোদিজির অসাধারণত্বকে সম্মান জানাতে ভুটানের সর্বোচ্চ সম্মান, ন্যাদাগ পেল গি খোরলো ভূষিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় অত্যন্ত খুশি।ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকেও ফেসবুক পোস্টেও লেখা হয়, বছরের পর বছর ধরে, বিশেষ করে করোনা অতিমারির সময়ে প্রধানমন্ত্রী মোদিজি যেভাবে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখেছেন এবং সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন, তাকেই তুলে ধরেছেন মহামান্য রাজা। যথাযোগ্য ব্যক্তিকেই সম্মান দেওয়া হচ্ছে! ভুটানের সমস্ত মানুষের পক্ষ থেকে অনেক অভিনন্দন। বিগত সমস্ত আলাপচারিতাতেই একজন অসাধারণ, আধ্যাত্মিক মানুষ হিসাবে আপনাকে মনে হয়েছে। সশরীরে এই সম্মান উদযাপনের অপেক্ষায় রয়েছি আমরা।আজ ভুটানের জাতীয় দিবস। এই বিশেষ দিন উপলক্ষে দেশের সমস্ত মানুষকে অভিবাদন জানান সে দেশের প্রধানমন্ত্রী।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২১
দেশ

Varanasi-Modi: বারাণসীতে ১৩ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও উপমুখ্যমন্ত্রীদের নিয়ে বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর

সোমবার, কাশী বিশ্বনাথ মন্দির করিডরের প্রথম ধাপের উদ্বোধনের জন্য সেখানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুধুমাত্র প্রকল্প উদ্বোধনই নয়, এদিন দেশের সর্ববৃহৎ দলের সবথেকে বড় নেতা হিসেবেও ধরা দিলেন নমো। এদিন নিজের লোকসভা কেন্দ্র বারাণসীতে বিজেপি শাসিত সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও উপমুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রাতে নিজের টুইটারে টুইট করে সেই বৈঠকের ছবি সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।Just concluded an extensive meeting in Kashi with @BJP4India Chief Ministers and Deputy Chief Ministers. pic.twitter.com/UCUsMndhwW Narendra Modi (@narendramodi) December 13, 2021টুইটারে তিনি লিখেছেন, বিজেপি শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও উপমুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক শেষ হল। বৈঠকে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাও উপস্থিত ছিলেন। বর্তমানে নিজের লোকসভা কেন্দ্র বারণাসীতে ২ দিনের সফরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কাশী বিশ্বনাথ মন্দির দেশের অন্যতম জনপ্রিয় তীর্থক্ষেত্র। ৩৩৯ কোটি টাকা ব্যয়ে কাশী বিশ্বনাথ মন্দির করিডরের প্রথম ধাপের কাজ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।আজ, ১৪ ডিসেম্বর বেলা সাড়ে ৩ টের সময়, স্বরভেদ মহামন্দিরে সদগুরু সাদাফলদেও বিহঙ্গম যোগ সংস্থানের ৯৮ তম জন্মজয়ন্তীর বিশেষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন তিনি। পাশাপাশি অসম, অরুণাচলপ্রদেশ, গোয়া, গুজরাত, হরিয়ানা, হিমাচলপ্রদেশ, কর্নাটক, মধ্যপ্রদেশ, মণিপুর, ত্রিপুরা, উত্তরপ্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী ও বিহার এবং নাগাল্যান্ডের উপমুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে একটি বিশেষ সম্মলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। সেই সম্মেলনে উন্নত সরকারি পরিষেবা নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি দেশ গঠনে নিজের দৃষ্টি ভঙ্গি সকলের সামনে তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২১
দেশ

Modi In Varanasi: কাশী বিশ্বনাথ ধাম করিডর উদ্বোধনে আবেগঘন মোদি

সোমবার প্রায় ৩৩৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নতুন করে সজ্জিত কাশী বিশ্বনাথ ধামের প্রথম পর্বের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি । বললেন, ঐতিহ্য ও আধুনিকীকরণের মিশেলে নতুন করিডর তৈরি করা হয়েছে। এদিন প্রথমে কাল ভৈরব মন্দিরে পুজো দেন প্রধানমন্ত্রী। ললিতা ঘাটে গঙ্গায় ডুব দিয়ে জল সংগ্রহ করেন। সূর্য নমস্কার করে গঙ্গা পুজোও দেন। আলোকানন্দা ক্রুজে চড়েও কাশী দর্শন করেন।উল্লেখ্য, কাশী বিশ্বনাথ ধাম করিডরে ৪০টি মন্দিরের সংস্কার ও ২৩টি নতুন ভবন তৈরি করা হয়েছে কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের আশেপাশে। সোমবার গঙ্গাতীরে ছিল কাতারে কাতারে দর্শনার্থীর ভিড়। শিবের ডমরু বাজিয়েই ললিতা ঘাটে স্বাগত জানানো হয় প্রধানমন্ত্রীকে।Varanasi: Prime Minister Narendra Modi takes a boat ride from Lalita Ghat to Ravidas Ghat. CM Yogi Adityanath also present with him. pic.twitter.com/wPS7TpObEI ANI UP (@ANINewsUP) December 13, 2021এদিন মোদি বলেন, আগে গঙ্গার পাশেই কাশী বিশ্বনাথ মন্দির ছিল। বাবা বিশ্বনাথকে যখন প্রণাম করা হত, একইসঙ্গে মা গঙ্গার দর্শনও হয়ে যেত। কিন্তু সময়ের প্রবাহে সেই পথের মাঝে অনেক প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু এবার ঐতিহ্য ও আধুনিকীকরণের মিশেলে নতুন করিডর তৈরি করা হয়েছে।I want three resolutions from you, not for yourself, but for our country - cleanliness, creation innovation and continuous efforts to create a self-reliant India: PM Modi at Varanasi pic.twitter.com/yPS0yFJWGf ANI UP (@ANINewsUP) December 13, 2021কাশী নিয়ে বলতে গিয়ে আবেগঘন হয়ে পড়েন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, কাশী যুগ যুগ ধরে নানা পরিবর্তন দেখেছে। বিভিন্ন সময়ে ঔরঙ্গজেব থেকে ব্রিটিশ শাসক, সন্ত্রাসবাদীদের আক্রমণের মুখেও পড়েছে। তবুও কাশীর উন্নয়ন থেমে থাকেনি। আজ উন্নয়ন, উৎকর্ষের পথে আরও একধাপ এগিয়ে গেল কাশী।Varanasi: PM Narendra Modi had lunch with the workers involved in construction work of Kashi Vishwanath Dham Corridor pic.twitter.com/OxJm3uZI2I ANI UP (@ANINewsUP) December 13, 2021করোনাকালে যে শ্রমিকরা করিডর তৈরির কাজ চালিয়ে গিয়েছে, তাঁদের ধন্যবাদ জানান মোদি। বলেন, কাশীতে মহাদেবের ইচ্ছে ছাড়া কিছুই হয় না। শ্রমিকদের সঙ্গে একসঙ্গে বসে খাবারও খান তিনি। মোদির দাবি, ২০০-২৫০ বছর আগে কাশীর সংস্কারের কাজ হয়েছিল। তারপর এই প্রথম বিশ্বনাথ ধামের সংস্কারে এত কাজ হল।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২১
রাজ্য

Dead Crocodiles: শুশুক নয়, গঙ্গার পাড়ে মিলল কুমিরের মৃত দেহ, ব্য়াপক চাঞ্চল্য়

শেষমেশ মিলল গঙ্গার সেই কুমিরের দেহ। তবে জীবিত নয়, মৃত। রীতিমতো দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। মৃত কুমিরের দেহ মেলায় ব্য়াপক চাঞ্চল্য় ছড়িয়েছে হুগলির শ্রীরামপুরে। কেন এমন ঘটনা ঘটল তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে প্রকৃতপ্রেমীরা।শ্রীরামপুরে গঙ্গার ঘাটের কাছে কচুরিপানার মধ্যে উল্টে পড়ে রয়েছে কুমিরের দেহ। পচন ধরে গিয়ে দুর্গন্ধে মম করছে পুরো এলাকা। রবিবার ভোরবেলা শ্রীরামপুর কালিবাবুর শ্মশান ঘাটের কুমিরের মৃতদেহ দেখে ছুটে আসে স্থানীয় বাসিন্দারা।গঙ্গায় কুমির দেখা গিয়েছে, এই নিয়ে বেশ চাঞ্চল্য় ছড়িয়ে পড়েছিল বেশ কিছু দিন ধরে। কুমিরটিকে দেখতে পেয়েছিল নদিয়ার বাসিন্দারা। একসময় কুমিরটি ধরাও পড়ে। তখন কুমিরটিকে ধরে বন দফতরের হাতে তুলে দিয়েছিল স্থানীয় বাসিন্দারা। জানা গিয়েছিল কুমিরটি বেজায় অসুস্থ। মনে করা হচ্ছে সেই কুমিরটি সম্ভবত এটাই। তবে মানুষের মধ্য়ে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এদিন গঙ্গার পাড়ে কচুরিপানার মধ্যে উল্টে করে পড়ে ছিল কুমিরটি। এত সোশাল মাধ্য়মে দেখা গিয়েছিল গঙ্গায় কুমির ভাসছে। তখন সন্দেহ হয়েছিল, তবে এই কুমিরের মৃত দেহ দেখে মনে হচ্ছে এটাই সেই কুমিরটা হতে পারে। খবর পেয়ে শ্রীরামপুর পুরসভার আধিকারিক আসে ঘটনাস্থলে। বিষয়টি জানিয়ে বনদফতরে খবর দেওয়া হয়। ময়নাতদন্তের জন্য কুমিরের মৃতদেহটি বনদফতর নিয়ে যায় গড়চুমুকে।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২১
দেশ

Omicron Modi: ওমিক্রন নিয়ে আধিকারিকদের কী বার্তা দিলেন মোদি?

দক্ষিণ আফ্রিকায় পাওয়া করোনা ভাইরাসের নয়া রূপ ওমিক্রন নিয়ে উদ্বেগ ছড়িয়েছে ইউরোপ এবং আমেরিকায়। উদ্বিগ্ন ভারতও। শনিবার বিষয়টি নিয়ে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ এবং সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অন্তত ৫০ বার জিনের বিন্যাস বদল করে তৈরি হওয়া এই রূপ সম্পর্কে কেন্দ্রের স্বাস্থ্য আধিকারিকদের থেকে বিশদে খোঁজ খবর নিয়ে আরও সক্রিয় হওয়ার পরামর্শ দিলেন তিনি।এখনও পর্যন্ত যে সব দেশে এই রূপের হদিশ মিলেছে, সেখানকার যাত্রীদের কোভিড পরীক্ষা যাতে সঠিক ভাবে হয় এবং তাঁদের স্বাস্থ্যের উপরেও যাতে নজর রাখা হয়, তার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এ ছাড়াও বিদেশে যাতায়াত আগামী দিনে কতটা শিথিল করা হবে, সেই বিষয়টি আধিকারিকদের পর্যালোচনা করে দেখতে বলেছেন তিনি। সরকারি আধিকারিকদের প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ, জেলা স্তরে কোভিড পরীক্ষা এবং নজরদারি বাড়াতে রাজ্যের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে হবে। শনিবারের ২ ঘণ্টার বৈঠকে করোনা টিকাকরণ নিয়েও খোঁজখবর নেন মোদি। বিদেশ থেকে আগত যাত্রীদের ক্ষেত্রে আরও বেশি করে সজাগ থাকার প্রয়োজন আছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বিশেষ করে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক থেকে যে দেশগুলিকে ঝুকিপূর্ণ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে, সেই দেশগুলি থেকে আগত যাত্রীদের করোনা পরীক্ষা করানোর ক্ষেত্রে আরও জোর দিতে বলা হয়েছে।এর পাশাপাশি বাড়ি থেকে বাইরে বেরোলেই মাস্ক পরা, নিয়মিত হাত স্যানিটাইজ করা এবং শারীরিক দূরত্ব বিধি বজায় রাখা-সহ যাবতীয় কোভিড সুরক্ষা বিধি মেনে চলা এইসময় ভীষণভাবে দরকার বলে মনে করেছেন প্রধানমন্ত্রী। আজ নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে ওই পর্যালোচনা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সচিব, স্বাস্থ্য সচিব এবং কোভিড টাস্ক ফোর্সের প্রধান-সহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরা। একটি বৈঠকের সভাপতিত্ব করেছেন।

নভেম্বর ২৭, ২০২১
রাজনীতি

Mamata-Modi meeting: বিশ্ব বাংলা বাণিজ্য সম্মেলনে মোদিকে আমন্ত্রণ মমতার, নালিশ করলেন ত্রিপুরা নিয়েও

আসন্ন বিশ্ব বাংলা বাণিজ্য সম্মেলন উদ্বোধনের জন্য প্রধানমন্ত্রী আমন্ত্রণ জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। বুধবার নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করে এই আমন্ত্রণ জানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে তিনি বলেন, আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।Koo AppProtecting the federal structure of our country should be of prime importance! We deeply respect all institutions and Central agencies. In the coming days, we look forward to better cooperation between the States and Centre in order to protect the interests of our people. View attached media content - All India Trinamool Congress (@AITCOfficial) 24 Nov 2021মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে এদিন মমতা বলেন, রাজ্য এগোলে দেশও এগোবে। সেজন্য আগামী বছর এপ্রিলে পশ্চিমবঙ্গে যে বিশ্ব বাংলা বাণিজ্য সম্মেলন হবে, সেখানে প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছি। করোনার কারণে বাণিজ্যের অবস্থা খারাপ। তাই কেন্দ্র-রাজ্য মিলে একটা সম্মেলন করলে, তা ভাল। আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। কেবল প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানোই নয়। রাজ্যের দাবিদাওয়া নিয়েও প্রধানমন্ত্রীর সামনে সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমাদের ওখানে অনেক প্রাকৃতিক বিপর্যয় হয়েছে। আম্ফান, ফণি, যশের কারণে রাজ্যের যে ক্ষতি হয়েছে, এর অনেক টাকা এখনও আমরা কেন্দ্রের থেকে পাই। এছাড়া বিভিন্ন প্রকল্পও রয়েছে। কেন্দ্রের কাছে ৯৬ হাজার কোটির বেশি টাকা বকেয়া রয়েছে। আমি প্রধানমন্ত্রীকে বলেছি টাকা দেওয়ার জন্য। টাকা না দিলে রাজ্য কীভাবে চলবে? উনি বিষয়টি দেখার আশ্বাস দিয়েছেন। এছাড়া নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে রাজ্যের পাট শিল্পের উন্নয়ন নিয়েও কথা হয়েছে জানান মুখ্যমন্ত্রী।অন্যদিকে আগামিকাল ত্রিপুরায় পুরভোট। আর তার আগে ফের একবার ত্রিপুরায় রাজনৈতিক হিংসার অভিযোগ উস্কে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে বেরিয়ে মমতা জানালেন, ত্রিপুরার সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিছুটা নালিশের সুরেই প্রধানমন্ত্রীর কাছে নিজের অভিযোগ তুলে ধরেন মমতা।

নভেম্বর ২৪, ২০২১
দেশ

Mamata Bannerjee: বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে মমতা

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বুধবার বিকেলে বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল সূত্রে খবর, বিকেল ৫টায় দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে হবে সেই বৈঠক। প্রধানমন্ত্রীর আগে বিজেপি-র বিতর্কিত সাংসদ সুব্রহ্মণ্যম স্বামীর সঙ্গে বৈঠক করবেন মমতা। বিকাল সাড়ে ৩টের সময় সেই বৈঠক হবে বলে জানিয়েছে তৃণমূল।মোদির সঙ্গে বৈঠকে সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলিতে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ)-এর ক্ষমতা বৃদ্ধির প্রসঙ্গ তুলতে পারেন মমতা। সোমবার কলকাতা থেকে দিল্লি রওনা দেওয়ার আগে মমতা জানিয়েছিলেন এ কথা। পাশাপাশি, জিএসটি-সহ রাজ্যের পাওনা বকেয়া টাকার প্রসঙ্গও উঠে আসতে পারে ওই প্রসঙ্গে। ত্রিপুরার প্রসঙ্গ ওই বৈঠকে উঠবে কি না, সে দিকেও নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের। তৃতীয় বারের জন্য পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর জুলাই মাসে প্রথম বার দিল্লি সফরে গিয়েছিলেন মমতা। সে বারও প্রধামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন তিনি। সোমবার চার দিনের সফরে দিল্লি গিয়েছেন মমতা। মঙ্গলবার কীর্তি আজাদ, অশোক তানওয়ার, পবন বর্মার মতো অ-বিজেপি নেতা মমতার উপস্থিতিতে যোগ দিয়েছেন তৃণমূলে। মঙ্গলবার মমতার সঙ্গে দেখা করেন কবি ও গীতিকার জাভেদ আখতার এবং প্রাক্তন বিজেপি নেতা সুধীন্দ্র কুলকার্নিও।প্রসঙ্গত, এই বছরই জুলাইয়ে মুখ্যমন্ত্রী দিল্লি সফরে গিয়েছিলেন। রাজ্যে তৃতীয়বার সরকার গঠনের পর সেটাই ছিল তাঁর প্রথম দিল্লি সফর। সেবারও তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছিলেন।

নভেম্বর ২৪, ২০২১
রাজনীতি

Mamata Bannerjee: আজ চার দিনের দিল্লি সফরে যাচ্ছেন মমতা

ফের চারদিনের সফরে আজ দিল্লি যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বেলা ৩ টেয় দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন তিনি। ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত এই সফরে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করবেন।রাজ্যের আর্থিক প্যাকেজ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতেই যাবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মনে করা হচ্ছে, রাজ্যের সীমান্তবর্তী এলাকায় বিএসএফ-এর এলাকা বৃদ্ধির প্রসঙ্গ উঠে আসতে পারে এই বৈঠকে। ২০২০-২১ আর্থিক বছরে জিএসটি বাবদ ২০০০ কোটি টাকা প্রাপ্য বাংলার। পাশাপাশি আম্ফান, যশ ইত্যাদি মোকাবিলা বাবদ ৩২ হাজার কোটি টাকা পাওনা রয়েছে। এছাড়াও আবাস যোজনা, সড়ক যোজনা, ন্যাশনাল হেলথ মিশন, জল জীবন মিশন-সহ একগুচ্ছ প্রকল্পের টাকা বকেয়া রয়েছে রাজ্যের। সেই টাকা মেটানোর জন্যও প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী।প্রসঙ্গত, এই বছরই জুলাইয়ে মুখ্যমন্ত্রী দিল্লি সফরে গিয়েছিলেন। রাজ্যে তৃতীয়বার সরকার গঠনের পর সেটাই ছিল তাঁর প্রথম দিল্লি সফর। সেবারও তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছিলেন। দিল্লি গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সেবার। মমতার এই দিল্লি সফর যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।

নভেম্বর ২২, ২০২১
দেশ

Big Breaking: অবশেষে জয় হল কৃষকদের, তিন বিতর্কিত কৃষি আইন প্রত্যাহারের ঘোষণা করলেন মোদি

শেষ পর্যন্ত বিতর্কিত তিন কৃষি আইন প্রত্যাহার করছে কেন্দ্র। গত প্রায় এক বছর ধরে ওই আইন নিয়ে আন্দোলন করছিলেন কৃষকরা। শুক্রবার জাতীর উদ্দেশে ভাষণে এ কথা জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।যে কৃষি আইন বলবৎ করা নিয়ে অনড় ছিল কেন্দ্র, সেই অবস্থান থেকে সরে এল তারা। আইন প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করে মোদির আক্ষেপ, আমাদের উদ্দেশ্য সৎ ছিল। কিন্তু কৃষি আইনের সুফলের কথা কিছু কৃষককে আমরা বোঝাতে পারিনি।আন্দোলনের পথ ছেড়ে কৃষকদের আবার চাষের ক্ষেতে ফিরতেও আবেদন জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আসুন, সব আবার নতুন করে শুরু করা যাক। পাশাপাশি তাঁর মন্তব্য, এখন কাউকে দোষারোপের সময় নয়।গুরু নানকের জন্মদিবসে মোদির এই ঘোষণা তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনীতির কারবারিদের একাংশ। কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে দিল্লির উপকণ্ঠে অবস্থানকারী কৃষকদের বড় অংশই পঞ্জাব এবং পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা। তাঁদের শিখ এবং জাঠ জনগোষ্ঠীর সংখ্যা অনেক। আগামী বছরের গোড়াতেই ওই পঞ্জাব এবং উত্তরপ্রদেশে বিধানসভা ভোট।

নভেম্বর ১৯, ২০২১
দেশ

Diwali: দেশবাসীকে দীপবলির শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর

ভারতে সাড়ম্বরে পালিত হয় দীপাবলি। এই আলোর উৎসবে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নিজের শুভেচ্ছা বার্তায় সমগ্র দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি সকলের উন্নতি ও সুন্দর ভবিষ্যত কামনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী।আজ দীপাবলি দিন টুইটারে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, দীপাবলির এই শুভদিন উপলক্ষে দেশবাসীকে জানাই শুভেচ্ছা। এই আলোর উত্সব আপনাদের জীবনে সুখ, সমৃদ্ধি এবং সৌভাগ্য বয়ে আনুক এই কামনা করি। সবাইকে দীপাবলির অনেক শুভেচ্ছা।दीपावली के पावन अवसर पर देशवासियों को हार्दिक शुभकामनाएं। मेरी कामना है कि यह प्रकाश पर्व आप सभी के जीवन में सुख, संपन्नता और सौभाग्य लेकर आए।Wishing everyone a very Happy Diwali. Narendra Modi (@narendramodi) November 4, 2021প্রত্যেক বছরের মত, এবারও উত্তরাখণ্ড, হিমাচলপ্রদেশ, রাজস্থান, পঞ্জাব এবং জম্মু ও কাশ্মীরের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ও রাজ্যগুলিতে দুর্গম অঞ্চলে কর্মরত সেনা জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলি উদযাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জানা গিয়েছে এই বছর জম্মু কাশ্মীরে নিয়ন্ত্রণ রেখার নিকট অবস্থিত রাজৌরি জেলার নৌশেরা সেক্টরে সেনা জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলি পালন করবেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর সরকারিভাবে এই কর্মসূচির কথা এখনও ঘোষণা করেনি। তবে এই বিশেষ দিনে সেনা বাহিনীর সঙ্গে তিনি সময় কাটালে সেনা বাহিনীর মনোবল বাড়বে বলেই মনে করছেন অনেকে। আগেও ২০১৯ সালে রাজৌরি এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেবারও তিনি সেনা ও জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলি পালন করেছিলেন।

নভেম্বর ০৪, ২০২১
দেশ

Modi-Vaccination Meeting: টিকাকরণ নিয়ে সতর্কবার্তা প্রধানমন্ত্রীর

করোনাকে সম্পূর্ণ নির্মূল করতে চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার। বুধবার দুপুরে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৈঠকে করোনার টিকাকরণের হার বাড়ানোর ওপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, একদিনে আড়াই কোটি করোনা টিকা দিয়ে আমরা পুরো বিশ্বকে আমদের ক্ষমতা দেখিয়ে দিয়েছি। ইতিমধ্যেই ১০০ কোটি করোনা টিকাকরণের লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করেছে দেশ। এই বিপুল মাত্রায় টিকাকরণ হলেও কোনও রকমের ঢিলেমি দেওয়ার যায়গা নেই। আমাদেকর লক্ষ্যে দেশের সকলকে বিনামূল্যে টিকা দেওয়া। টিকাকরণের বর্তমান সংখ্যা দেখে ঢিলেমি দিলে বড় বিপদ আসার প্রবল সম্ভবানা। বড় ধাক্কা আমাদের মত বিশাল জনসংখ্যার দেশ সামলাতে পারবে না।Youll have to remember that the states that have achieved the goal of administering 100% first dose of vaccine, also faced different challenges in many areas. There were challenges of geographical situation, resources but these districts overcame those challenges to go ahead: PM pic.twitter.com/xulA41fUHN ANI (@ANI) November 3, 2021আগেই প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর জানিয়েছিল, গ্লাসগোতে অনুষ্ঠিত হওয়া জলবায়ু সম্মেলন থেকে ফিরে আসার পরেই যে জেলা গুলিতে করোনা টিকাকরণের হার কম সেই সব জেলার জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী। সেই মত এদিনের বৈঠকের জেলাশাসকদের পাশাপাশি মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে, তামিলনাড়ুর এম কে স্ট্যালিন, অসমের হেমন্ত বিশ্বকর্মার মত বেশ কয়েকটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।They say one must never underestimate disease and enemies. They have to be fought against till the very end. So, I would want that we should not bring even a slight laxity: PM Narendra Modi at review meet with districts where #COVID19 vaccination could pick pace pic.twitter.com/V6si2R0VJY ANI (@ANI) November 3, 2021টিকাকরণের গতি বাড়াতে বেশ কিছু উপায় বাতলে দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, টিকাকরণের গতি বাড়ানোর জন্য আলাদা আলাদা জেলা ভিন্ন নীতি হবে। ধর্মগুরুদের কথা মানুষ শোনে, তাদের দিয়ে টিকাকরণের পক্ষে ছোট ছোট ভিডিও বানিয়ে সেই এলাকায় ছড়িয়ে দিতে হবে. আমি একটা জিনিস লক্ষ্য করেছি মহিলা স্বাস্থ্যকর্মী ও মহিলা পুলিশ কর্মীরা এই অতিমারির সময়ে যত্ন নিয়ে কাজ করেছেন। যেসব এলাকায় টিকাকরণের হার কম সেখানে মহিলা স্বাস্থ্যকর্মীদের পাঠান। টিকাকরণের হার বাড়বে।

নভেম্বর ০৩, ২০২১
দেশ

Vaccination Meeting: টিকাকরণে গতি আনতে কী করতে চলেছেন মোদি?

জি-২০ বৈঠক শেষে রোম থেকে ফিরেই করোনা টিকাকরণের গতি নিয়ে ভার্চুয়াল বৈঠক সারবেন প্রধানমন্ত্রী। কথা বলবেন সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোর আধিকারিকদের সঙ্গে। কীভাবে জেলাগুলোতে করোনা টিকাকরণে গতি আনা যায় তা নিয়ে দিশা দেখাতে পারেন মোদি।করোনা প্রতিষেধকের ১০০ কোটি ডোজ়ের মাইলফলক পার করা নিয়ে দেশজুড়ে প্রচার শুরু করেছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। কিন্তু টিকাকরণের সার্বিক চিত্র যে মোটেই সন্তোষজনক নয় তা আড়ালে মানছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। তাই যে সব জেলায় টিকাকরণের হার বেশ কম, সেখানের জেলা প্রশাসনের সঙ্গে আগামী ৩ নভেম্বর বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ প্রধানমন্ত্রী দপ্তর (পিএমও)-এর তরফে এ কথা জানানো হয়েছে।করোনা টিকার ১০০ কোটি ডোজ় অতিক্রমের পরেও বহু জেলায় টিকাকরণের হার অত্যন্ত কম। যা নিয়ে রীতিমতো উদ্বিগ্ন কেন্দ্র। পিএমও এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, যে সব জেলায় করোনা প্রতিষেধকের প্রথম ডোজ প্রদানের হার ৫০ শতাংশের কম এবং দ্বিতীয় ডোজ়ের হারও অত্যন্ত কম, সেই সব জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী। ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ঝাড়খণ্ড, মণিপুর, নাগাল্যান্ড, অরুণাচলপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, মেঘালয়ের ৪০টি জেলার প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ওই বৈঠকে রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রীরাও উপস্থিত থাকবেন।

নভেম্বর ০১, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • ...
  • 18
  • 19
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

শিক্ষক নিয়োগ মামলায় চাকরি গিয়েছিল, কয়েক মাস পরেই মমতার ভাইঝির রহস্যমৃত্যু

মঙ্গলবার সকালে রামপুরহাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামাতো ভাই নিহার মুখোপাধ্যায়ের মেয়ের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতার নাম বৃষ্টি মুখোপাধ্যায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিক ভাবে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে মনে করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, রামপুরহাটের কুশম্বা গ্রামে নিহার মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে কয়েক মাস ধরে থাকছিলেন বৃষ্টি। মঙ্গলবার সকালে বাড়ির দোতলার একটি ঘরে তাঁকে দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকি করা হয়। কিন্তু কোনও সাড়া না পাওয়ায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। পরে থানায় খবর দেওয়া হয়।পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের দরজা ভেঙে বৃষ্টির দেহ উদ্ধার করে। পরে দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।বৃষ্টির নাম এর আগে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলাতেও উঠে এসেছিল। ২০২৩ সালের মার্চে বোলপুর হাইস্কুলে তৃতীয় শ্রেণির কর্মী হিসাবে তাঁর নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। অভিযোগ ছিল, অবৈধ ভাবে নিযুক্তদের তালিকায় তাঁর নাম ছিল। পরে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার জেরে চাকরিও হারান তিনি।পরিবার সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, গত কয়েক মাস ধরে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে বৃষ্টির সম্পর্কের অবনতি হয়েছিল। তাঁর বিবাহবিচ্ছেদের মামলাও চলছিল। একটি সন্তানকে নিয়ে তিনি বাবার বাড়িতেই থাকছিলেন।পরিবারের দাবি, চাকরি হারানো এবং ব্যক্তিগত জীবনের নানা সমস্যার কারণে বৃষ্টি মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। তবে তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে এই কারণগুলির সরাসরি কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কী পরিস্থিতিতে বৃষ্টির মৃত্যু হল, ঘটনাটি আত্মহত্যা কি না এবং এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, সব দিকই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
সম্পাদকীয়

আগুনপাখির জন্মদিনে—ফিরে দেখা সেই বিকেলের সোনারোদ

কিছু কিছু মানুষের জন্মদিন আসে ক্যালেন্ডারের পাতায়। আর কিছু মানুষের জন্মদিন ফিরে আসে আমাদের স্মৃতির ভিতর দিয়ে। ১ সেপ্টেম্বর তেমনই একটি দিন।বাংলা গানের অমূল্য রতন নচিকেতা চক্রবর্তীর জন্মদিন।এই দিনটিকে শুধু একজন শিল্পীর জন্মদিন বললে বোধহয় তাঁর প্রতি অবিচার করা হয়। কারণ নচিকেতা শুধু গান করেননিতিনি এক সময়কে কণ্ঠ দিয়েছেন। এক প্রজন্মের রাগ, অভিমান, প্রেম, হতাশা, স্বপ্নভঙ্গ, নিঃসঙ্গতা আর বেঁচে থাকার জেদকে শব্দ দিয়েছেন। তাঁর গান শুনতে শুনতে বড় হয়ে ওঠা মানুষগুলির কাছে নচিকেতা কোনও দূরের তারকা নন; তিনি বরং সেই পুরনো বন্ধুর মতো, যার সঙ্গে বহু বছর দেখা না হলেও হঠাৎ কোনও সন্ধ্যায় তাঁর গলা শুনলেই মনে হয়এই তো, মানুষটা এখনও ঠিক আগের মতোই আছে।নব্বইয়ের দশকের শেষভাগ।বাংলা গানের আকাশটা তখন কেমন যেন ক্লান্ত। একদিকে পুরনো দিনের সুরের নস্টালজিয়া, অন্যদিকে নতুন সময়ের হাওয়ার টান। বাংলা আধুনিক গান যেন কোথাও দাঁড়িয়ে নতুন ভাষার অপেক্ষা করছে। সেই অপেক্ষার মাঝেই একদিন ঝড়ের মতো এসে দাঁড়ালেন এক যুবক।চেহারায় প্রচলিত নায়কোচিত চাকচিক্য নেই। রংবাহারী পোশাক, পায়ে স্নিকার, মুখে অগোছালো দাড়ি। হাতে গিটার। আর কণ্ঠে এমন এক স্বর, যার মধ্যে মিশে আছে শহরের ধুলো, মধ্যবিত্তের ক্লান্তি, প্রেমের দীর্ঘশ্বাস আর অদ্ভুত এক বিদ্রোহ।তিনি নচিকেতা।মঞ্চে উঠে তিনি শুধু গান গাইতেন না। গান থামিয়ে শ্রোতার সঙ্গে কথা বলতেন। আবার কথার মাঝেই গান ঢুকে যেত। কখনও হাসাতেন, কখনও অস্বস্তিতে ফেলতেন, কখনও এমন কোনও কথা বলে বসতেন, যা বাড়ি ফেরার পরও মাথার মধ্যে ঘুরত।সেই সময় বাংলা গানের মঞ্চে যেন একটি গান-এর বদলে একজন মানুষ এসে দাঁড়িয়েছিলেন।আর মানুষটি খুব দ্রুত আপন হয়ে গিয়েছিলেন।তারপর একদিন গান আর গান রইল নানচিকেতার গান প্রথমবার শুনে হয়তো কেউ চমকে উঠেছিল। দ্বিতীয়বার শুনে মুগ্ধ হয়েছিল। আর তৃতীয়বারের পর বুঝেছিলএই গান তো আসলে তার নিজের কথা!এই ছিল নচিকেতার জাদু।তিনি কোনও দূরদেশের প্রেমের গল্প বলেননি। তিনি আমাদের পাশের বাড়ির মানুষের গল্প বলেছেন। যে বাবা অবসরের পর সংসারে অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়েন, যে ছেলে চাকরি না পেয়ে রাত জাগে, যে মেয়ে প্রেম হারিয়ে জানালার ধারে দাঁড়িয়ে থাকে, যে মানুষটি ভিড়ের শহরে থেকেও ভীষণ একানচিকেতা তাঁদেরই গল্প গেয়েছেন।তাই তাঁর গান শুনতে শুনতে মনে হত, তিনি আমাদের চেনেন। খুব কাছ থেকে চেনেন।নীলাঞ্জনা যখন বাজত, কোনও এক পুরনো প্রেমের মুখ মনে পড়ত। বৃদ্ধাশ্রম শুনলে নিজের বাবা-মায়ের মুখের দিকে তাকাতে ইচ্ছে করত। আর যখন তাঁর কণ্ঠে উঠে আসতভিড় করে ইমারত আকাশটা ঢেকে দিয়ে,চুরি করে নিয়ে যায় বিকেলের সোনারোদতখন মনে হত, এই তো আমাদের শহর!এই তো আমাদের হারিয়ে যাওয়া বিকেল!কংক্রিটের জঙ্গলে দাঁড়িয়ে যে আকাশটুকু প্রতিদিন একটু একটু করে ছোট হয়ে যাচ্ছে, নচিকেতা সেই আকাশের জন্যও গান লিখেছেন।নচিকেতা ছিলেন এক প্রজন্মের ডায়েরিএকটি প্রজন্মের ব্যক্তিগত ডায়েরিতে অনেক কিছু লেখা থাকে। প্রথম প্রেম, প্রথম চিঠি, প্রথম প্রত্যাখ্যান, পরীক্ষায় ব্যর্থতা, প্রথম চাকরি, বন্ধুত্ব ভেঙে যাওয়া, বাড়িতে অশান্তি, মধ্যরাতে একা ছাদে দাঁড়িয়ে থাকা।নচিকেতার গান যেন সেই ডায়েরির পাতাগুলির পাশে লেখা ছিল।ক্যাসেটের যুগ ছিল তখন।একটি গান পছন্দ হলে বারবার রিওয়াইন্ড করতে হত। ফিতে কেঁপে কেঁপে গান ফিরত। কোনও কোনও ক্যাসেট এতবার বাজত যে তার শব্দেও যেন স্মৃতির গন্ধ লেগে যেত।বন্ধুর বাড়িতে বসে নচিকেতার গান শোনা।কলেজের ক্যান্টিনে তাঁর গান নিয়ে তর্ক।রাতের অন্ধকারে হেডফোন কানে দিয়ে নীলাঞ্জনা শোনা।কারও প্রেম ভেঙে গেলে তাকে নচিকেতার গান শোনানো।কেউ চাকরি না পেলে বেকারে যন্ত্রনায় মলম লাগাতে তার পাশে বসে সারে জাঁহা সে আচ্ছা গুনগুন করা।শিক্ষিত হয়েও চাকরি না পাওয়া, সামাজিক অবক্ষয় ও চারপাশের অসঙ্গতি। গানটি শুরুই হয় বেকার যুবকের আত্মপরিচয় দিয়ে।এসবই ছিল এক সময়ের জীবন।আজকের প্রজন্ম হয়তো বুঝবে না, একটি গান তখন কীভাবে মানুষের জীবনের অংশ হয়ে উঠত। কোনও অ্যালগরিদম ছিল না, রেকমেন্ডেড ফর ইউ ছিল না। ছিল শুধু বন্ধুর হাতে হাতে ঘুরে বেড়ানো ক্যাসেট, মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়া গান আর মানুষের নিজস্ব পছন্দ।সেইভাবেই নচিকেতা ঘরে ঘরে পৌঁছে গিয়েছিলেন।জীবনমুখীশুধু একটি শব্দ নয়নচিকেতার সঙ্গে জীবনমুখী শব্দটি এমনভাবে জড়িয়ে আছে যে দুটি শব্দকে আলাদা করা কঠিন।কিন্তু তাঁর গানকে শুধু একটি ঘরানার মধ্যে আটকে রাখাও ভুল।তিনি জীবনকে দেখেছেন বহু দিক থেকে।কখনও তাঁর চোখে জীবন তীব্র ব্যঙ্গের। কখনও বিষণ্ণ। কখনও প্রেমময়। কখনও ক্ষুব্ধ। কখনও নিঃসঙ্গ। আবার কখনও আশাবাদী।তাঁর গান আমাদের শিখিয়েছেজীবন সুন্দর, কিন্তু সবসময় সুন্দর নয়।ভালোবাসা আছে, কিন্তু সব প্রেম পূর্ণতা পায় না।পরিবার আছে, কিন্তু পরিবারের মধ্যেও মানুষ একা হতে পারে।শহর আছে, কিন্তু শহরের হাজার মানুষের ভিড়েও নিজের জন্য একটা জানালা খুঁজে পাওয়া কঠিন।এই সত্যগুলিকে তিনি কোনও বক্তৃতার ভাষায় বলেননি। বলেছেন গানের ভাষায়।আর তাই তাঁর কথা সরাসরি গিয়ে বসেছে মানুষের বুকের মধ্যে।বৃদ্ধাশ্রমএকটি গান, একটি আয়নানচিকেতার অসংখ্য সৃষ্টির মধ্যে বৃদ্ধাশ্রম যেন আলাদা করে দাঁড়িয়ে থাকে।এটি কেবল বাবা-মাকে নিয়ে লেখা আবেগের গান নয়। এটি আমাদের সামাজিক বিবেকের সামনে রাখা একটি আয়না।বয়স হয়ে যাওয়া মানুষটির প্রয়োজন ফুরিয়ে যায় নাএই সহজ অথচ গভীর সত্যটি নচিকেতা গানের মাধ্যমে মনে করিয়ে দিয়েছেন।গানটি শুনতে শুনতে কত মানুষ হয়তো নিজের বৃদ্ধ বাবা-মায়ের কথা ভেবেছেন। কত মানুষ হয়তো ফোন তুলে বাড়িতে কথা বলেছেন। কত মানুষ হয়তো নিজের অজান্তেই চোখ মুছেছেন।একজন শিল্পীর কাছে এর চেয়ে বড় সাফল্য আর কী হতে পারে?যে গান শ্রোতার জীবনকে এক মুহূর্তের জন্য হলেও বদলে দেয়, সেই গানই তো বেঁচে থাকে।আর নীলাঞ্জনাস্মৃতির নীল আলোঅন্যদিকে নীলাঞ্জনা আমাদের নিয়ে যায় একেবারে অন্য জগতে।প্রেমের গান বাংলা গানে নতুন কিছু ছিল না। কিন্তু নচিকেতার প্রেমের ভাষা ছিল অন্যরকম। সেখানে প্রেমের সঙ্গে ছিল সময়, স্মৃতি, হারিয়ে যাওয়ার ব্যথা।নীলাঞ্জনা শুনলে শুধু একটি মেয়ের কথা মনে পড়ে না। মনে পড়ে একটা সময়ের কথা।মনে পড়ে সেই বয়স, যখন সন্ধ্যা নামলেই কারও জন্য অপেক্ষা করা যেত। ফোনের রিং বাজলে বুক কেঁপে উঠত। একটি চিঠি কয়েকদিন ধরে বালিশের নিচে রেখে দেওয়া যেত।আজ সেই সময় নেই।মানুষের হাতে স্মার্টফোন আছে, মুহূর্তে বার্তা পৌঁছে যায়। কিন্তু অপেক্ষার সেই দীর্ঘ সৌন্দর্য কোথায় যেন হারিয়ে গেছে।তাই নচিকেতার গান শুনলে শুধু গান শোনা হয় নাএকটি হারিয়ে যাওয়া সময়কে ছুঁয়ে দেখা হয়।আগুনপাখি কেন?নচিকেতা থেকে আগুনপাখি হয়ে ওঠার গল্প আসলে তাঁর শ্রোতাদের গল্পও।তিনি আগুনের মতো এসেছিলেন। প্রচলিত গানের অনেক ধারণাকে প্রশ্ন করেছিলেন। গানের বিষয়কে বদলেছিলেন। গায়ক-শ্রোতার দূরত্ব কমিয়েছিলেন।তাঁর গান বলেছিলগান শুধু সাজানো শব্দ নয়।গান প্রশ্ন করতে পারে।গান প্রতিবাদ করতে পারে।গান হাসাতে পারে।গান কাঁদাতে পারে।গান নিজের ঘরের দরজা খুলে দিতে পারে।আর গান কখনও কখনও আয়নার মতো সামনে দাঁড়িয়ে বলতে পারেদেখো, এটাই তোমার জীবন।এই কারণেই তিনি আগুনপাখি।সময়ের সঙ্গে বয়স বেড়েছে, গান বুড়িয়ে যায়নিনচিকেতার জীবনে বহু বছর পেরিয়ে গেছে। বাংলা গানের জগতেও এসেছে অসংখ্য পরিবর্তন। নতুন শিল্পী এসেছেন, নতুন সুর এসেছে, নতুন প্রযুক্তি এসেছে।কিন্তু নচিকেতার গান এখনও শোনা হয়।কারণ তাঁর গান কোনও নির্দিষ্ট দশকের সম্পত্তি নয়।যে বাবা-মায়ের কথা তিনি গেয়েছিলেন, তাঁরা আজও আছেন।যে প্রেমের কথা তিনি গেয়েছিলেন, সেই প্রেম আজও মানুষকে কাঁদায়।যে একাকিত্বের কথা তিনি বলেছিলেন, তা আজ আরও গভীর।যে শহরের কথা তিনি গেয়েছিলেন, সেই শহর আজ আরও কংক্রিটে ঢাকা।আর যে মানুষটির কথা তিনি গেয়েছিলেনসেই সাধারণ মানুষটি আজও ঠিক তেমনই বেঁচে আছে।তাই তাঁর গান পুরনো হয় না।বরং বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিছু গান যেন আরও গভীর হয়ে ওঠে।আজ জন্মদিনে তাঁকে মনে পড়ছে অন্যভাবেআজ যখন নচিকেতার জন্মদিন, তখন মনে হয়আমরা কি তাঁকে শুধুই তাঁর জনপ্রিয় গান দিয়ে মনে রাখব?না।তাঁকে মনে রাখা উচিত সেই সাহসটির জন্য, যা বাংলা গানে একসময় প্রয়োজন ছিল।তাঁকে মনে রাখা উচিত সেই ভাষার জন্য, যা সাধারণ মানুষের মুখের ভাষাকে গানের ভাষা করে তুলেছিল।তাঁকে মনে রাখা উচিত সেই কণ্ঠের জন্য, যার মধ্যে কোনও কৃত্রিম মাধুর্য ছিল নাছিল জীবনের খসখসে বাস্তবতা।আর সবচেয়ে বেশি মনে রাখা উচিত সেই মানুষটিকে, যিনি আমাদের শিখিয়েছিলেনগান শুনে শুধু আনন্দ পেতে নেই, কখনও কখনও নিজের দিকে তাকাতেও হয়।আজও হয়তো কোনও পুরনো ক্যাসেটের বাক্সে তাঁর গান পড়ে আছে।কোনও পুরনো অ্যালবামের মলাটে সময়ের ধুলো জমেছে।কোনও এক মধ্যবয়সী মানুষ অফিস থেকে ফিরে হঠাৎ ইউটিউবে নচিকেতার গান চালিয়ে দিয়েছেন।গান শুরু হয়েছে।আর মুহূর্তের মধ্যে তিরিশ বছর পেছনে চলে গেছেন তিনি।সেই পুরনো ঘর।সেই জানালা।সেই বিকেল।সেই অসমাপ্ত প্রেম।সেই বন্ধুটি।সেই বয়স।সেই স্বপ্ন।আর কোথাও খুব দূরে, কিংবা খুব কাছে, নচিকেতার কণ্ঠ ভেসে আসছে।ভিড় করে ইমারত আকাশটা ঢেকে দিয়ে,চুরি করে নিয়ে যায় বিকেলের সোনারোদহয়তো সত্যিই আমাদের জীবনের অনেক সোনারোদ হারিয়ে গেছে।কিন্তু আশ্চর্য ব্যাপারনচিকেতার গান সেই হারিয়ে যাওয়া রোদটুকু এখনও ফিরিয়ে দিতে পারে।এই তো একজন সত্যিকারের শিল্পীর সাফল্য।তিনি চলে যান না।সময় তাঁকে সরিয়ে দিতে পারে না।প্রজন্ম বদলে যায়, গান শোনার মাধ্যম বদলে যায়, শহরের চেহারা বদলে যায়তবু তাঁর কোনও একটি গান হঠাৎ কোথাও বাজে, আর আমরা থমকে দাঁড়াই।মনে হয়এই গানটা তো আমারই কথা।এই অনুভূতিটুকুই নচিকেতার সবচেয়ে বড় অর্জন।তাই আজ তাঁর জন্মদিনে শুধু শুভেচ্ছা নয়।একটি প্রজন্মের হয়ে কৃতজ্ঞতা।সেইসব বিকেলের জন্য, যেগুলিকে তিনি গানে বাঁচিয়ে রেখেছেন।সেইসব কান্নার জন্য, যেগুলির ভাষা তিনি দিয়েছেন।সেইসব প্রেমের জন্য, যেগুলি পূর্ণতা পায়নি।সেইসব বাবা-মায়ের জন্য, যাঁদের নিঃসঙ্গতার কথা তিনি আমাদের শুনিয়েছেন।সেইসব মধ্যবিত্ত স্বপ্নের জন্য, যেগুলি ভেঙেও মানুষকে বাঁচতে হয়।আর সেইসব মানুষের জন্য, যারা এখনও কোনও এক নির্জন রাতে নচিকেতার গান শুনে মনে মনে বলেএ গানটা যেন আমারই জন্য লেখাজন্মদিনে তাই প্রিয় নচিকেতা, আপনাকে প্রণাম।বাংলা গানের আকাশে আপনার সেই আগুনপাখি আজও উড়ে বেড়াক।আর আমাদের হারিয়ে যাওয়া বিকেলগুলির আকাশেএকটু সোনারোদ হয়ে থাকুক আপনার গান।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মিসবার ইস্তফায় পাকিস্তান ক্রিকেটে বিস্ফোরণ! ৭ ক্রিকেটার ছাঁটাইয়ের পর এবার বোর্ডে বড় ধাক্কা

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে একের পর এক ধাক্কায় বিপর্যস্ত পাকিস্তান ক্রিকেট। টানা দুই ম্যাচে হারের পর দলের ভিতরে বড়সড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। সাত জন ক্রিকেটারকে দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। বদল করা হয়েছে কোচিং স্টাফেও। এর মধ্যেই জাতীয় নির্বাচক কমিটি থেকে ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক মিসবা উল হক। তাঁর পদত্যাগপত্র ইতিমধ্যেই পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের কাছে পৌঁছেছে বলে খবর।তবে বোর্ড এখনও তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেনি। জানা গিয়েছে, এই মুহূর্তে মিসবা তাঁর নোটিশের সময়সীমা পালন করছেন। তাঁর ইস্তফাকে ঘিরেই পাকিস্তান ক্রিকেটের অন্দরে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।একটি ক্রিকেট ওয়েবসাইটের সূত্রের দাবি, দল থেকে সাত জন ক্রিকেটারকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তের বিষয়ে মিসবার সঙ্গে কোনও আলোচনা করা হয়নি। জাতীয় নির্বাচক কমিটির সদস্য হয়েও এই সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তিনি আগে থেকে কিছু জানতেন না বলে সূত্রটির দাবি। এই ঘটনাই তাঁর পদত্যাগের অন্যতম কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।যে সাত জন ক্রিকেটারকে বাদ দেওয়া হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সলমন আলি আঘা, মহম্মদ রিজওয়ান, আলি উসমান, ইমাম উল হক, খুররম শাহজাদ, আমির জামাল এবং মহম্মদ ওয়াইস জাফর। পাশাপাশি প্রধান কোচের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে সরফরাজ আহমেদকে। বোলিং কোচ উমর গুলকেও দায়িত্ব থেকে সরানো হয়েছে।বাকি টেস্ট ম্যাচগুলির জন্য নতুন কোচিং ব্যবস্থাও করা হয়েছে। সাদা বলের কোচ মাইক হেসনকে দায়িত্বে আনা হয়েছে। বোলিং কোচ হিসেবে কাজ করবেন অ্যাশলি নফ। সূত্রের খবর, লাহোরের জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে ব্যাটিং পরামর্শদাতার দায়িত্ব থেকেও সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মিসবা।অন্য দিকে, বাদ পড়া সাত ক্রিকেটারের জায়গায় বেশ কয়েক জন নতুন মুখকে দলে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সাইম আয়ুব বাট, আবদুল্লা ফজল এবং আরাফত মিনহাস। তাঁদের মধ্যে সাইম আয়ুব এবং আবদুল্লা ফজলকে টেস্ট দলেও রাখা হয়েছে। নতুনদের সম্মিলিত টেস্ট অভিজ্ঞতা এখনও খুবই কম।ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে এক ইনিংস ও ১০৩ রানে এবং দ্বিতীয় টেস্টে ১৯৪ রানে হেরেছে পাকিস্তান। ফলে তিন ম্যাচের সিরিজে ইতিমধ্যেই দুই শূন্য ব্যবধানে পিছিয়ে বাবরদের দল। সিরিজে এখনও একটি ম্যাচ বাকি।আগামী ৯ সেপ্টেম্বর বার্মিংহ্যামে শুরু হওয়ার কথা সেই শেষ টেস্ট। সিরিজে হোয়াইটওয়াশ এড়াতে পাকিস্তানের সামনে এখন একমাত্র পথ জয়। তার আগেই নির্বাচক কমিটি এবং কোচিং ব্যবস্থায় এত বড় পরিবর্তন পাকিস্তান ক্রিকেটে নতুন করে আলোড়ন তৈরি করেছে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
দেশ

‘নাচতে রাজি না হওয়ায় চাকরি গেল’, মহিলা বিচারককে নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ বর্ষীয়ান আইনজীবীর

দেশের বিচারব্যবস্থায় মহিলা বিচারকদের যৌন হেনস্থার অভিযোগ নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করলেন বর্ষীয়ান আইনজীবী ইন্দিরা জয়সিং। তাঁর দাবি, পুরুষ সহকর্মীদের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ নিয়ে বহু মহিলা বিচারক তাঁর কাছে এসেছেন। এই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই তিনি নিজের বইয়ে যৌন হেনস্থাকে ভারতীয় বিচারব্যবস্থার ডার্টি সিক্রেট বলে উল্লেখ করেছেন।সম্প্রতি এক স্মারক বক্তৃতায় মাই ভিশন অব ইন্ডিয়া: ২০৪৭ বিষয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন ইন্দিরা জয়সিং। তাঁর দাবি, পেশাগত জীবনে বহু মহিলা বিচারকের সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি। তাঁদের মধ্যে কয়েক জন পুরুষ বিচারকদের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ জানিয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।এক মহিলা বিচারকের হয়ে মামলা লড়ার অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন জয়সিং। তাঁর দাবি, ওই বিচারক তাঁকে জানিয়েছিলেন, হাইকোর্টের কোনও বিচারপতি অবসর নেওয়ার সময় মহিলা জেলা বিচারকদের সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করানো হত। একই রঙের শাড়ি পরতে বলা হত এবং পুরুষ বিচারকরা খাবারের ঘরে ঢোকার সময় তাঁদের উপর ফুল ছড়ানোর মতো আচরণও করা হত।এই ধরনের প্রথার তীব্র সমালোচনা করেন জয়সিং। তাঁর মতে, উচ্চতর বিচারব্যবস্থার কিছু পদমর্যাদাভিত্তিক আচরণ মহিলা বিচারকদের উপর চাপ তৈরি করতে পারে। এর ফলে তাঁদের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে ওঠে বলেও তিনি দাবি করেন।ওই মহিলা বিচারকের সঙ্গে ঘটে যাওয়া আরও একটি ঘটনার কথাও বক্তৃতায় জানান জয়সিং। তাঁর দাবি, এক বিচারক ওই মহিলা বিচারককে নিজের বিবাহবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে গিয়ে নাচতে বলেছিলেন। মহিলা বিচারক সেই প্রস্তাবে রাজি হননি। এর পর তাঁকে চাকরি হারাতে হয়েছিল বলে দাবি করেন জয়সিং। তবে এই অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।বিচারব্যবস্থায় মহিলা বিচারকদের সঙ্গে যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য এবং যৌন হেনস্থার ঘটনা বাড়ছে বলেও বক্তব্য রাখেন প্রাক্তন বিচারপতি ডি এস মুরলীধর। তাঁর মতে, সিনিয়র পুরুষ সহকর্মীদের আচরণের কারণে অনেক মহিলা বিচারক মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছেন।বিচারব্যবস্থার পদমর্যাদাভিত্তিক সংস্কৃতিরও সমালোচনা করেন মুরলীধর। একই অনুষ্ঠানে বিচারব্যবস্থার বিভিন্ন সমস্যা, মামলা নিষ্পত্তিতে দেরি এবং তরুণ প্রজন্মের আন্দোলন নিয়েও বক্তব্য রাখেন তিনি।অন্য দিকে, আদালতের সময় কী ভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ইন্দিরা জয়সিং। তাঁর বক্তব্য, সাধারণ মামলাকারীদের জন্য বরাদ্দ থাকার কথা যে সামান্য সময়, তার বড় অংশ ধনী ব্যক্তি এবং কর্পোরেট সংস্থাগুলি ব্যবহার করে নেয়।বক্তৃতার শেষে ভবিষ্যৎ ভারত নিয়ে আশাবাদী থাকার কারণও জানান জয়সিং। নতুন প্রজন্মের তরুণ-তরুণীরা তাঁকে প্রায়ই প্রশ্ন করেন, ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি আরও ভাল হবে বলে তিনি কেন মনে করেন। তাঁর উত্তর, ভারতের সংবিধানই তাঁর আশার জায়গা।জয়সিংয়ের বক্তব্য, যতদিন নাগরিকরা সংবিধানের মৌলিক কাঠামো রক্ষা করতে পারবেন এবং শাসককে সংবিধান পরিবর্তনের বিষয়ে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবেন, ততদিন আশার জায়গা থাকবে। তাঁর মতে, সংবিধান বর্তমান রূপে থাকলে সরকারের কোনও সংবিধান-বহির্ভূত পদক্ষেপকে আইনি ভাবে চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ থাকবে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
কলকাতা

‘মিথ্যা মামলা দিয়ে দমিয়ে রাখবেন?’ সাড়ে ৫ ঘণ্টা জেরার পর পুলিশকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ অভিষেকের

ক্যামাক স্ট্রিটের ঘটনায় তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করল পুলিশ। একাধিক ধারায় দায়ের হওয়া এই মামলায় শ্লীলতাহানির ধারাও রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে থানার বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক দাবি করেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।গত বৃহস্পতিবার ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের দফতরের বেআইনি বিলবোর্ড খোলাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। পুরসভার কর্মী ও পুলিশকর্মীদের সঙ্গে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের ধস্তাধস্তি হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলে মহিলা পুলিশকর্মীরাও ছিলেন। ধাক্কাধাক্কির মধ্যে কয়েক জন পড়ে যান বলেও জানা যায়।এই ঘটনার পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ওব্রায়েন এবং প্রাক্তন বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলাতেই মঙ্গলবার থানায় হাজিরা দেন অভিষেক। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তিনি সাংবাদিকদের সামনে নিজের অবস্থান জানান।অভিষেকের দাবি, মামলাটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। তিনি বলেন, মিথ্যা মামলা করে তাঁকে বা তাঁর দলকে দমিয়ে রাখা যাবে না। একই সঙ্গে কোনও নোটিস ছাড়াই দলের ১৩ জন কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।ক্যামাক স্ট্রিটের ঘটনার পর তাঁর দফতরের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশ ও দমকলের তরফে সেই ব্যবস্থা খতিয়ে দেখা হয়েছে। এই প্রসঙ্গেও প্রশ্ন তোলেন অভিষেক। তাঁর দাবি, অন্য কয়েকটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় একই ধরনের তৎপরতা দেখা যায়নি।অভিষেক বলেন, তারাপীঠে আগুনে মানুষের মৃত্যুর সময় কিংবা আলিপুরে আগুনে ইভিএম নষ্ট হওয়ার সময় কেন একই ভাবে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা পরীক্ষা করা হয়নি, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। তাঁর বক্তব্য, তাঁর দফতরের ক্ষেত্রে যে তৎপরতা দেখা যাচ্ছে, তা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা শ্লীলতাহানির অভিযোগও সরাসরি খারিজ করেছেন অভিষেক। তাঁর দাবি, কারও শ্লীলতাহানি করা হয়নি। ঘটনার ভিডিয়ো তাঁদের কাছে রয়েছে বলেও জানান তিনি।অভিষেকের আরও অভিযোগ, ঘটনার দিন পুলিশকর্মী ও আধিকারিকরা তাঁদের কর্মী-সমর্থকদের সিঁড়ি থেকে টেনে নামিয়েছিলেন। তাঁর প্রশ্ন, মানুষের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পরও যদি এমন মামলা ও পুলিশি পদক্ষেপের প্রয়োজন হয়, তা হলে এত ভয় কেন?জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পুলিশ ও রাজ্য সরকারের উদ্দেশে পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন অভিষেক। তাঁর বক্তব্য, মিথ্যা মামলা করে গ্রেফতার করে তাঁকে দমিয়ে রাখা যাবে না। প্রশাসনের হাতে যে ক্ষমতা রয়েছে, তা প্রয়োগ করলেও তিনি পিছিয়ে যাবেন না বলেই বার্তা দেন তৃণমূল সাংসদ।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
রাজ্য

ম্যাঙ্গানিজ মিশন: খনিজ সম্পদের ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী বড় সাফল্য!

অশোকনগর তেলক্ষেত্রের ঐতিহাসিক সাফল্যের পর, পশ্চিমবঙ্গ তার মাটির নিচে লুকিয়ে থাকা আরও এক সম্পদ উন্মোচনের পথেঝাড়গ্রাম জেলায় ম্যাঙ্গানিজের বিশাল ভাণ্ডার! এই ভান্ডারের খোঁজ করতে উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার। ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে কাজ শুরু হবে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের খনি ও খনিজ সম্পদ অধিদপ্তর (Directorate of Mines Minerals) শিমুলপাল, লবনী, ভাণ্ডারচুয়া, চৌগা পাহাড়, হাসা ডুংরি, কার্কা, বেগুনডিহা, বীরমণ্ডল, বাঁশপাহাড়ি এবং সংলগ্ন ম্যাঙ্গানিজ-সমৃদ্ধ এলাকায় যৌথ প্রাথমিক জরিপ (reconnaissance survey) চালানোর আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দিয়েছে।এই অঞ্চলের খনিজ সম্পদের প্রকৃত সম্ভাবনা যাচাইয়ের লক্ষ্যে MOIL Limited এখন জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (GSI), ইন্ডিয়ান ব্যুরো অফ মাইন্স (IBM) এবং WBMDTCL-এর সাথে সমন্বয় করে কাজ করবে। এর জন্য ২০২৬ সালের ১৫ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর সময়কালে মাঠপর্যায়ের জরিপ বা ফিল্ডওয়ার্ক নির্ধারিত হয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের উদাসীনতা ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে বছরের পর বছর ধরে এই প্রাকৃতিক সম্পদ অব্যবহৃত ও অবহেলিত অবস্থায় পড়ে ছিল বলে মনে করছে রাজ্য সরকার। প্রকৃত উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বিজেপি সরকারের আমলে ঝাড়গ্রামের খনিজ সম্পদ অবশেষে তার যথাযথ গুরুত্ব ও স্বীকৃতি পেতে চলেছে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে বিতর্কিত মিছিল ঘিরে সুপ্রিম কোর্টে মামলা, কেন্দ্র ও পুলিশকে নোটিস, কিন্তু কেন তড়িঘড়ি শুনানি নয়?

আগামী ৫ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে প্রস্তাবিত একটি প্রতিবাদ মিছিল নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হওয়া মামলায় কেন্দ্রীয় সরকার এবং দিল্লি পুলিশকে নোটিস পাঠিয়েছে শীর্ষ আদালত। তবে মিছিলের আগেই মামলাটির জরুরি শুনানি করার আবেদন মানেনি আদালত।প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চ মামলাটির পরবর্তী শুনানি ১০ সেপ্টেম্বর ধার্য করেছে। ছাত্র আন্দোলন সংক্রান্ত অন্য মামলাগুলির সঙ্গে এই মামলাটিও শোনা হবে বলে জানিয়েছে আদালত।প্রস্তাবিত মিছিলের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত দিল্লি পুলিশ আধিকারিক রাজেন্দ্র সিং। তাঁর দাবি, দেশের রাজধানীর স্পর্শকাতর এলাকায় বড় জমায়েত বা প্রতিবাদ মিছিলের আগে প্রয়োজনীয় অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক করা উচিত।আবেদনকারীর আইনজীবী রিজান আহমেদ আদালতে জানান, আয়োজকদের পক্ষ থেকে এখনও মিছিলের অনুমতির জন্য কোনও আবেদন করা হয়নি বলে তাঁরা জানতে পেরেছেন। তিনি মিছিলের আগে মামলাটির শুনানি করার জন্য বার বার আবেদন জানান। কিন্তু বেঞ্চ ৩ সেপ্টেম্বরের আগে মামলাটি শুনতে রাজি হয়নি।আইনজীবী আদালতে আরও জানান, আগামী সপ্তাহে দিল্লিতে আন্তর্জাতিক সম্মেলন রয়েছে। সেই সময় রাজধানীতে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা উপস্থিত থাকবেন। সেই পরিস্থিতিতে বড় জমায়েত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। মিছিলটি কয়েক দিন পিছিয়ে দেওয়ার আবেদনও জানান।তবে প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট করে দেন, আগে থেকেই কোনও অঘটন ঘটবে বলে ধরে নেওয়ার কারণ নেই। তাঁর বক্তব্য, আদালত এই মুহূর্তে ধরে নেবে যে প্রত্যেকে শান্তিপূর্ণ আচরণ করবেন। কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটবেই, এমন জোরালো পরিস্থিতিও আদালতের সামনে নেই বলে জানান তিনি।এর পর আইনজীবী দাবি করেন, আগের একটি আন্দোলনে হিংসার ঘটনা ঘটেছিল। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। কোনও দুষ্কৃতী বা উচ্ছৃঙ্খল ব্যক্তির কারণে পরিস্থিতি খারাপ হয়ে যেতে পারে বলেও তিনি আদালতে জানান।আবেদনকারীর আইনজীবী আরও অভিযোগ করেন, পুলিশ মিছিলে বাধা দিলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের সামনে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে। তিনি দাবি করেন, সংগঠনটি আইনি বিধি মানছে না এবং প্রয়োজনীয় অনুমতিও নিচ্ছে না।এই বক্তব্যের পর প্রধান বিচারপতি জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার বিষয়টি মূলত সরকার ও পুলিশের দায়িত্ব। আবেদনকারীকে তাঁর উদ্বেগ কেন্দ্রীয় সরকার অথবা দিল্লি সরকারের কাছে জানাতে বলেন তিনি। আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বলেও স্পষ্ট করেন প্রধান বিচারপতি।মিছিলের আয়োজক সংগঠনকে মামলায় পক্ষভুক্ত করা নিয়েও সমস্যা রয়েছে বলে আদালতে জানানো হয়। আইনজীবীর দাবি, সংগঠনটির কোনও নথিভুক্ত অফিস বা লেটারহেড নেই। ফলে তাদের সরাসরি মামলার পক্ষ করা সম্ভব হচ্ছে না।শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সরকার এবং দিল্লি পুলিশকে নোটিস পাঠিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তবে ৫ সেপ্টেম্বরের প্রস্তাবিত মিছিলের আগেই মামলাটির শুনানি করার আবেদন গ্রহণ করেনি বেঞ্চ। ফলে মিছিলের আগে প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর থাকবে।

আগস্ট ৩১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

২০ বছরের মহাকাব্যের শেষ! হঠাৎই জাতীয় দলকে বিদায় মেসির, স্তব্ধ ফুটবল বিশ্ব

কয়েক দিন ধরেই জল্পনা চলছিল। শেষ পর্যন্ত সেই আশঙ্কাই সত্যি হল। আর্জেন্টিনার জাতীয় দল থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিলেন ফুটবলের মহাতারকা লিওনেল মেসি। দেশের জার্সিতে প্রায় দুই দশকের দীর্ঘ যাত্রার পর এবার আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন তিনি।মেসির অবসর নিয়ে কয়েক দিন ধরেই জল্পনা চলছিল। বাবার মৃত্যুর পর তিনি মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। ফুটবল থেকেও তাঁর মন কিছুটা সরে গিয়েছিল বলে আলোচনা শুরু হয়। যদিও তাঁর সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে অবসরের কোনও স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। ইন্টার মায়ামির হয়ে মাত্র কয়েক দিন আগেই চারটি গোল করেছিলেন মেসি। সেই ম্যাচে তাঁর দল সাত-শূন্য ব্যবধানে জয় পায়।তার পরেও আচমকাই এল বড় ঘোষণা। মেসি জানিয়েছেন, বিশ্বকাপের ফাইনালের পর নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে দীর্ঘ সময় চিন্তাভাবনা করেছেন। শেষ পর্যন্ত জাতীয় দল থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। নিজের সবটুকু দিয়ে আর্জেন্টিনার হয়ে খেলেছেন বলেও জানিয়েছেন এই তারকা।মেসির এই সিদ্ধান্ত মানে আর্জেন্টিনার ফুটবলের একটি দীর্ঘ অধ্যায়ের অবসান। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশের জার্সিতে একের পর এক স্মরণীয় মুহূর্ত উপহার দিয়েছেন তিনি। কখনও সাফল্য এসেছে, কখনও এসেছে হতাশা। একাধিকবার বিশ্বকাপের স্বপ্নভঙ্গ হলেও শেষ পর্যন্ত ২০২২ সালে সেই অধরা ট্রফি নিজের হাতে তুলেছিলেন মেসি।আর্জেন্টিনার হয়ে তাঁর আন্তর্জাতিক অভিষেক হয়েছিল ২০০৫ সালের ১৭ অগস্ট হাঙ্গেরির বিরুদ্ধে। দীর্ঘ কেরিয়ারে দেশের হয়ে শতাধিক গোল করেছেন তিনি। বিশ্বকাপে ছবার অংশ নিয়েছেন। ২০২২ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পাশাপাশি দুবার বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারও পেয়েছেন।বিশ্বকাপের মঞ্চেও মেসির একাধিক নজির রয়েছে। সবচেয়ে বেশি বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলার রেকর্ড তাঁর দখলে। বিশ্বকাপে একাধিক ম্যাচে গোল ও সহায়তার মাধ্যমে দলকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন তিনি। টানা নয়টি বিশ্বকাপের ম্যাচে গোল করার নজিরও রয়েছে তাঁর নামে।মেসির আন্তর্জাতিক কেরিয়ারে শুধু সাফল্য নয়, রয়েছে দীর্ঘ লড়াইয়ের ইতিহাসও। একসময় কোপা আমেরিকার ফাইনালে পরপর ব্যর্থতা তাঁকে ভেঙে দিয়েছিল। কিন্তু সেই হতাশা কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনাকে কোপা আমেরিকা এবং বিশ্বকাপ জিতিয়েছেন তিনি।এবার সেই জাতীয় দলকেই বিদায় জানালেন মেসি। তাঁর সিদ্ধান্তে আর্জেন্টিনার ফুটবলে যে বিশাল শূন্যতা তৈরি হবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে দেশের জার্সিতে তাঁর অধ্যায় শেষ হলেও ক্লাব ফুটবলে এখনও তাঁকে মাঠে দেখা যেতে পারে। ফলে মেসির ফুটবলযাত্রা পুরোপুরি শেষ হচ্ছে না, শেষ হচ্ছে শুধু আর্জেন্টিনার জার্সিতে তাঁর মহাকাব্যিক অধ্যায়।

আগস্ট ৩১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal