• ৭ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার ২৪ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Mukul Roy

রাজনীতি

TMC: 'পদত্যাগ করিনি, তৃণমূলেই আছি', বললেন মুকুল-অনুগামী সাংসদ

আপাতত নানা জল্পনার অবসান ঘটালেন পূর্ব বর্ধমানের তৃণমূল সাংসদ সুনীল মণ্ডল। বিধানসভা ভোটের মুখে হঠাৎই বেসুরো শোনা গিয়েছিল সুনীলকে। কিন্তু এরইমধ্যে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতির অন্যরকম হয়ে গিয়েছে। তৃণমূল থেকে মোহভঙ্গ হয়ে যাঁরা গেরুয়া শিবিরে নাম লিখিয়েছিলেন, অনেকেই নিজেদের সিদ্ধান্ত বদল করে ঘাসফুলেই ফিরে এসেছেন। এরমধ্যে বড় নাম মুকুল রায়।একদা মেদিনীপুরে অমিত শাহর সভায় দেখা গিয়েছিল সুনীল মণ্ডলকে। তখন থেকেই গুঞ্জন শুরু হয়েছিল। তাহলে কী রাজনীতির স্রোতে গা ভাসিয়ে বিজেপিতে নাম লেখাতে চলেছেন তৃণমূলের সাংসদ? প্রশ্ন উঠেছিল। এতদিনে সব প্রশ্নের উত্তর দিলেন সুনীল নিজেই। সাংসদ জানালেন, তৃণমূলে ছিলাম, আছি। কবে তৃণমূল থেকে পদত্যাগ করেছি? যদিও বিজেপিকে নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি।আরও পড়ুনঃ বেপরোয়া গতি প্রাণ কাড়ল ৬ শ্রমিকেরসম্প্রতি, মুকুল রায়ের বাসভবনে গিয়েছিলেন সুনীল, সেখানে বেশ কিছুক্ষণ ২ জনের মধ্যে বৈঠকও হয় বলে খবর। মনে করা হচ্ছে, এই বৈঠকেই হয়তো সুনীলের মনের ভাব বুঝে নিয়েছেন মুকুল। আর কাজ হয়েছে তাতেই। তাই এবার তিনি ঘোষণা করেই ফেললেন, তৃণমূল থেকে পদত্যাগ করেননি। দলেই আছেন ও থাকবেনও। উল্লেখ্য, গলসির ফরওয়ার্ড ব্লক বিধায়ক থেকে সুনীলের তৃণমূলে যোগদানের পিছনে মুকুল রায়ের বড় হাত ছিল। এরপর থেকেই মুকুলের অনুগামী হিসেবেই পরিচিত সুনীল মণ্ডল। এরপর মুকুল রায় বিজেপিতে যাওয়ার পর তিনিও হয়তো মন তৈরিই করে ফেলেছিলেন বিজেপিতে যাওয়ার। কিন্তু এরইমধ্যে বিধানসভা ভোটের ফলাফল ঘোষণার পর আপাতত সেই চিন্তাধারায় আপাতত ইতি পড়ল বলে মত রাজনৈতিক মহলের। বিশেষজ্ঞদের মতে, মুকুল যেখানে, সুনীলও সেখানে।

আগস্ট ০২, ২০২১
রাজনীতি

Suvendu: পিএসি কমিটির বৈঠক বয়কট শুভেন্দুর

প্রথা ভেঙে মুকুল রায়কে পিএসি কমিটির চেয়ারম্যান মনোনীত করার কারণে আগামী ৩০ জুলাই বিধানসভায় পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির বৈঠক বয়কট করল বিজেপি। সোমবার নিজেই বিসয়টি স্পষ্ট করে দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। একই সঙ্গে পেগাসাস কাণ্ডে মুখ্যমন্ত্রীর গঠিত তদন্ত কমিশনকেও বেআইনি আখ্যা দিয়েছেন তিন। ফলে আগামী ৩০ জুলাই বিধানসভায় যে শুভেন্দু ও মুকুলের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছিল, তা আপাতত হচ্ছে না।আরও পড়ুনঃ দিল্লি রওনার আগে বড় ঘোষণা মমতারশুভেন্দুর সাফ বক্তব্য, তৃণমূল রুল ৩০২ লঙ্ঘন করেছে। সেই কারণে বিজেপি আদালতের দ্বারস্থ হবে বলে এ দিন আবারও জানান তিনি। যদিও কবে আদালতে এই সংক্রান্ত মামলা করা হবে তা এখনও খোলসা করেননি শুভেন্দু। তিনি জানান, আইনজীবীরা ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করে দিয়েছে। বিজেপিও প্রস্তুত। সঠিক সময় এলেই আইনি পদক্ষেপ করা হবে। আমরা আত্মবিশ্বাসী, তৃণমূল বেআইনি কাজ করেছে। আইনি লড়াইটা আমরা করব। অন্যদিকে, আগামী ৩০ জুলাই হতে চলা পিএসি-র বৈঠক প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, আমরা ওই চেয়ারম্যানকে মানি না। আমি-সহ কেউ ওই চেয়ারম্যানকে স্বীকৃতি দিতে ওই বৈঠকে যাব না।আরও পড়ুনঃ শিক্ষকদের মমতার উপহার উৎসশ্রী আসলে কী? জানুনফোনে আড়িপাতা কাণ্ডে রাজ্য সরকারের তৈরি তদন্ত কমিশন নিয়েও এ দিন তোপ দেগেছেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী শুধুমাত্র রাজনৈতিক গিমিক এবং প্রচারের জন্য এটা করেছেন। আর পশ্চিমবঙ্গে যত কমিশন গঠন করা হয়েছে, তার রিপোর্ট কেউ জানে না। এই সরকারের আমলে কোনও তদন্ত কমিটির রিপোর্টও প্রকাশ হয়নি। এটা কেবলই সস্তার রাজনীতি।

জুলাই ২৬, ২০২১
রাজ্য

Suvendu Adhikari: আত্মতুষ্টিই ধস নামিয়েছে বিজেপিতে, মুখ খুললেন শুভেন্দু

একুশের ভোটে হারের কারণ বিজেপির আত্মতুষ্টিই। দলের হারের কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে এমনই মন্তব্য করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এর আগে বাংলায় বিজেপির পর্যুদস্তের কারণ হিসাবে অনেক কথাই উল্লেখ করেছেন দিলীপ ঘোষ থেকে তথাগত রায়রা। এবার মুখ খুললেন শুভেন্দু।আরও পড়ুনঃ নিশীথের নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্নচিহ্নএদিন চণ্ডীপুরে বিজেপির এক সাংগঠনিক সভায় বক্তব্য রাখেন বিধানসভার বিরোধী নেতা। সেখানে বিজেপির হারের কারণ উল্লেখ করতে শোনা যায় তাঁকে। বলেন, আত্মতুষ্টির কারণেই বিধানসভার ভোট পরাজয় হয়েছে বিজেপির। উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন রাজ্যে ২৯৪ এর মধ্যে ১৭০-১৮০ সিট পেয়ে যাব, খেজুরি নন্দীগ্রাম, ভগবানপুর, নন্দকুমার জিতে যাব, চণ্ডীপুরটা হারলে হারুক। এই আত্মতুষ্টির কারণেই আমাদের পরাজয় ঘটেছে।আরও পড়ুনঃ নতুন সিনেমার শুটিং শুরু করলেন জুন মালিয়াদলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে শুভেন্দু বলেন, আপনারা অনেকে, নিজেদের প্রার্থীর সম্পর্কে খারাপ কথা বলেছেন। নিজেরা অনেকেই আত্মতুষ্টিতে ভুগেছেন। ভেবেছেন পূর্ব মেদিনীপুর ১৬ টা সিট, রাজ্যে ২৯৪ সিট। ১৭০-৮০ তো হয়ে গিয়েছে। চণ্ডীপুরটা হারলে হারুক। নন্দকুমার তো জিতে গিছে, ভগবানপুর তো জিতে গিয়েছে, নন্দীগ্রাম তো জিতে গেছে, আমারটা হারলে হারুক। এই করতে গিয়ে হেরেছেন।আরও পড়ুনঃ মুকুল রায়ের বিধায়কপদ খারিজ শুনানি: এবার আদালতেরও আশ্রয় নেব, বললেন শুভেন্দুউল্লেখ্য, মুকুল রায় বিজেপি ছেড়ে ফের তৃণমূলে যাওয়ার পর বিজেপিতে ভাঙন আরও তীব্র হয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। যদিও বিষয়টিকে আমল দিতে নারাজ শুভেন্দু।তিনি বলেন, ভাবছেন এ চলে গেল, ও চলে গেল। এতে এতটুকু বিচলিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। মুকুলবাবু কোথা থেকে আগে জেতেননি। ২০০১ সালে জগদ্দলে প্রার্থী হয়েছিলেন হেরেছেন। আর এবার যেখানে বিজেপির লোকসভা ভোটে লিড ছিল ৫০ হাজার। ওই আসনে সহায়কের কাজ করেন এমন লোককে দাঁড় করালেও ৫০ হাজার ভোটে জিতত। সেই আসনে ভারতীয় জনতা পার্টি সিনিয়র নেতার মর্যাদা দিয়ে তাঁকে দাঁড় করিয়েছিলেন। ছেলের ব্যবসা রক্ষা করে তিনি বিজেপি ছেড়েছেন, তাতে আমাদের কী?

জুলাই ১৮, ২০২১
রাজনীতি

Mukul -Suvendu: মুকুল রায়ের বিধায়কপদ খারিজ শুনানি: "এবার আদালতেরও আশ্রয় নেব", বললেন শুভেন্দু

দলত্যাগ বিরোধী আইন কার্যকরী করতে মরিয়া শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের শুনানিতে বিধানসভার অধ্যক্ষে বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘরে হাজির ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এদিন শুনানি চলে সাড়ে ৩ মিনিট। পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে ৩০ জুলাই।আরও পড়ুনঃ পিএসি নিয়ে রাজনীতিকরণ-্এর বিরুদ্ধে রাজভবনে শুভেন্দু, প্রচার চলবে গোটা দেশেওঅধ্যক্ষের ঘর থেকে বেরিয়ে এসে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, মুকুল রায় তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। তাঁর সদস্য পদ বাতিলের জন্য আবেদন করেছিলাম। এখানে ভূয়ো ভ্যাকসিন চলে, শাসকের আইন এখানেই চলে বলেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। এখানে দলত্যাগ বিরোধী আইন কার্যকরী হয় না। আমরা আইনের আশ্রয় নেব। তথ্যপ্রমান, অডিও, ভিডিও, টুইটার হ্যান্ডেল সব প্রমাণ রয়েছে দলত্যাগের। তৃণমূলের ১৪ জন সদস্যের মধ্য থেকেই তিনি পিএসি কমিটির চেয়ারম্যান হন।কৃষ্ণনগরের বিজেপি বিধায়ক মুকুল রায় তৃণমূল ভবনে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে ঘাসফুল শিবিরে যোগ দেন। তারপর ৬৪ পাতার নথি বিধানসভার অধ্যক্ষের কাছে জমা দিয়ে মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের আবেদন করেন শুভেন্দু অধিকারী। তারই প্রেক্ষিতে শুক্রবার ছিল প্রথম শুনানি। অধ্যক্ষের ডাকা সেই শুনানিতে হাজির হয়েছিলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। তাঁর কাছে আরও নথি চাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু।আরও পড়ুনঃ মুকুলই পিএসির চেয়ারম্যানএদিন বিরোধী দলনেতা বলেন, এর আগে দলবদলু এক বিধায়কের দলত্যাগের আবেদনের ২৩ বার শুনানি হয়েছিল। আগামী ৩০ জুলাই ফের শুনানিতে হাজির হলেও আমরা আদালতের দ্বারস্থ হব। এরাজ্যে দলত্যাগ বিরোধী আইন কার্যকরী করে ছাড়ব।

জুলাই ১৬, ২০২১
কলকাতা

Mukul Roy: মুকুলই পিএসির চেয়ারম্যান

শুক্রবার মুকুল রায়কে পিএসি চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনীত করলেন বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনটা ঘোষণা হতেই বিধানসভায় হট্টগোল শুরু করে বিজেপি। তার পর বিধানসভা থেকে ওয়াকআউট করেন বিরোধী দলের বিধায়করা। আরও পড়ুনঃ বোমা বিস্ফোরণে কেঁপে উঠলো বর্ধমানের গ্রামসাংবাদিক বৈঠকে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, বিরোধী দলের তরফে পিএসি চেয়ারম্যান হন। সেই ঐতিহ্যকে ভাঙলেন অধ্যক্ষ মহোদয়। ভারতীয় জনতা পার্টির কোনও সদস্য বা সদস্যা মুকুল রায়ের নাম প্রস্তাব করেনি। তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রীর উপস্থিতিতে গলায় উত্তরীয় পড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। অডিয়ো-ভিডিয়ো সবাই দেখেছেন। আমাদের অশোক লাহিড়ীর নাম পাঠিয়েছিলেন মুখ্য সচেতক মনোজ টিগ্গা। সেটা প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। কারণ সরকার চায় খরচ আমরা করব, হিসাব আমরা দেখব। এই সরকার ২০১৭ সাল থেকে ক্যাগের অডিট করেনি। ২০১২-১৩ সাল থেকে জিটিএ-র অডিট করেনি। খেলা-মেলায় টাকা খরচে বিরোধীরা বাধা না হতে পারে তাই এই সিদ্ধান্ত। অশোক লাহিড়ীর মতো ভোটে জিতে আসা সম্মানীয় অর্থনীতিবিদ ভুল গুলি যাতে ধরতে না পারেন, তাই মুকুল রায়কে মনোনীত করল।

জুলাই ০৯, ২০২১
রাজ্য

Mukul's Wife : চেন্নাইতে নিয়ে গিয়েও শেষ রক্ষা হল না, প্রয়াত মুকুল পত্নী

চেন্নাইতে নিয়ে গিয়েও শষ রক্ষা হল না। চিকিৎসকদের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হল। প্রয়াত হলেন মুকুল রায়ের স্ত্রী কৃষ্ণা রায়। কোভিড পরবর্তী শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। তা্ঁর ফুসফুস প্রতিস্থাপনের জন্য চেন্নাই নিয়ে গিয়েছিলেন মুকুল রায় ও শুভ্রাংশু রায়। এর আগে দীর্ঘ দিন কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন মুকুলপত্নী।মুকুল রায় ও কৃষ্ণা রায় দুজনেই কোভিড-এ আক্রান্ত হন গত মে-তে। মুকুল রায় বাড়িতে আইসোলোশনে থাকলেও কৃষ্ণাদেবীকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছিল। প্রথম থেকে তাঁর শারীরিক অবস্থা সংকটজনক ছিল। কলকাতার হাসপাতালে একমো সাপোর্টে ছিলেন কৃষ্ণা রায়। তখন ফুসফুস প্রতিস্থাপনের কথা জানিয়ে দেন চিকিৎসকরা। তারপর তাঁকে ১৭ জুন এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে চেন্নাই নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকদের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।কৃষ্ণাদেবীর গুরুতর শারীরিক অসুস্থতার সময় মুকুল রায় ও শুভ্রাংশু তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরে যান। সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দেখতে যান কৃষ্ণা রায়কে। তারপর বিজেপি নেতাদের টনক করে। জানা গিয়েছে, সম্ভবত আগামী কাল, বুধবার কৃষ্ণাদেবীর মৃতদেহ কলকাতায় নিয়ে আসা হবে।

জুলাই ০৬, ২০২১
কলকাতা

PAC-Mukul: পিএসি নির্বাচনে মুকুলের মনোনয়কে বৈধতা স্পিকারের

বিজেপি-র দাবি খারিজ করে পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি (পিএসি)-তে মুকুল রায়ের মনোনয়নকে বৈধতা দিল বিধানসভার সচিবালয়। বৃহস্পতিবার ছিল স্ক্রুটিনিপর্ব। মুকুলের মনোনয়নের বিরোধিতা করে স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দিয়েছিল বিজেপি-র পরিষদীয় দল। কিন্তু বিকেলে স্ক্রুটিনিপর্ব শেষে কমিটির ২০ জন সদস্যের নাম ঘোষণা করেন বিধানসভার সচিব। ওই নামের তালিকায় ২০ জনের মধ্যে রয়েছে কৃষ্ণনগর উত্তরের বিধায়ক মুকুলের নাম। একই সঙ্গে রয়েছে বালুরঘাটের বিধায়ক অশোক লাহিড়ি এবং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নামও। উপরন্তু এই চিঠির সম্বন্ধে তিনি কিছুই জানেন না বলে জানিয়েছেন বিধানসভার স্পিকার। আরও পড়ুনঃ ডাক্তার ও নার্সদের জন্য অভিনব মাস্ক আবিস্কার করে সাড়া ফেলেছে বাংলার কিশোর বিজ্ঞানীবৃহস্পতিবারই নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, নমিনেশন যে কেউ দিতে পারেন। যিনি জমা দিয়েছেন, মুকুল রায়, তিনি তো বিজেপি-র সদস্য। তাঁকে বিনয় তামাংরা সমর্থন করেছেন। ভোটাভুটি হলে হবে। দেখি কার কত ক্ষমতা। মানুষের কত ক্ষমতা দেখে নেবে বিজেপি। তার কিছুক্ষণের মধ্যেই ওই কমিটির ২০ সদস্যের নাম ঘোষণা করে বিধানসভা। ২০ জনের এই তালিকা প্রকাশের আগেই বিজেপি একটি চিঠি দেয় স্পিকারকে। সেখানে বলা হয়েছিল, খাতায়কলমে মুকুল এখনও বিজেপি বিধায়ক হলেও দলের তরফে তাঁর নাম প্রস্তাব করা হয়নি। বরং পিএসি-তে মুকুলের নাম প্রস্তাব করেছেন কালিম্পঙের মোর্চা বিধায়ক রুদেন সাদা লেপচা। সহ প্রস্তাবক ছিলেন এগরার তৃণমূল বিধায়ক তরুণ মাইতি। মুকুল বিজেপি বিধায়ক হলেও, তাঁর নাম প্রস্তাব করেছে বিরোধী শিবিরের বিধায়করা। তার পরেও মুকুলের মনোনয়ন কী ভাবে গৃহীত হল? স্পিকারকে চিঠি দিয়ে তা-ও জানতে চাওয়া হয়।বিজেপি-র তরফে ওই চিঠিতে স্বাক্ষর করেন কল্যাণীর বিধায়ক অম্বিকা রায় এবং কার্শিয়াংয়ের বিজেপি বিধায়ক বিষ্ণুপ্রসাদ শর্মা। বুধবার মনোনয়ন স্ক্রুটিনির সময়েও মৌখিক ভাবে আপত্তি জানিয়েছিল বিজেপি-র বিধায়ক দল। তাতে কাজ না হওয়ায় বৃহস্পতিবার লিখিত ভাবে মুকুলের মনোনয়ন বাতিলের জন্য আবেদন করা হয়। চিঠির বয়ানে তাঁদের স্বাক্ষর থাকলেও প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করতে চাননি অম্বিকা বা বিষ্ণুপ্রসাদ। ওই চিঠিতে কৃষ্ণনগরের বিধায়কের মনোনয়ন বাতিলের জন্য রুল নম্বর ৩০২-এর উল্লেখ করা হয়েছিল। কিন্তু সেই দাবিই খারিজ করে ২০ জনের তালিকা প্রকাশ করা হয়।

জুন ২৪, ২০২১
রাজনীতি

Mukul-Mamata: "মুকুল রায় তো বিজেপি পার্টির মেম্বার", বললেন মমতা

সম্প্রতি তৃণমূল ভবনে গিয়ে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে ঘাসফুল শিবিরে যোগ দিয়েছেন কৃষ্ণনগরের বিজেপি বিধায়ক মুকুল রায়। তবে বিধায়কপদ ছাড়েননি মুকুল। বরং তিনি বিধানসভায় পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির সদস্যপদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এই নিয়েই বিতর্ক শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পিএসির মনোনয়ন প্রসঙ্গে বলেছেন, মুকুল রায় তো বিজেপি পার্টির মেম্বার।আরও পড়ুনঃ মুকুলের বিধায়ক পদ খারিজের দাবিতে শুভেন্দুর চিঠি স্পিকারকেদল ছেড়ে আসার সময় মুকুল রায় ছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি। দল ত্যাগ করলেও বিধানসভার সদস্যপদ ছাড়েননি কৃষ্ণনগরের বিধায়ক। অন্যদিকে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী আদাজল খেয়ে নেমে পড়েছেন মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজ করার জন্য। তিনি অধ্যক্ষকে মুকুলের বিধায়ক পদ বাতিলের জন্য লিখিত আবেদনও জানিয়েছেন। এদিকে বৃহস্পতিবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর কথায় নতুন করে বিতর্ক দেখা দিয়েছে রাজনৈতিক মহলে। কী বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির নমিনেশন যে কেউ জমা দিতে পারেন। মুকুল রায় তো বিজেপি পার্টির মেম্বার। অসুবিধের কি আছে। তাঁকে তো বিনয় তামাংদের দল সমর্থন করেছে। আমরাও সাপোর্ট দেব। এটা স্পিকারের সিদ্ধান্ত। আর যদি ভোটাভুটি হয় ভোটে জিতবো। যাকে প্রয়োজন তাঁকে মানুষের ভোটে জেতাব।আরও পড়ুনঃ মুকুলের কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার করল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকদল ত্যাগ করলেও জনপ্রতিনিধির পদ না-ছাড়ার প্রবণতা ক্রমশ বাড়ছে এরাজ্য। বেশ কয়েকবছর ধরেই এই রেওয়াজ চলছে। মুকুল রায় বিজেপি ছেড়ে বিধায়ক পদ ছাড়েননি। অন্যদিকে বর্ধমান পূ্র্বের তৃণমূল সাংসদ সুনীল মন্ডল তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেও পদ আঁকড়ে বসে আছেন। যদিও তৃণমূল কংগ্রেসও শিশির অধিকারী ও সুনীল মন্ডলের সাংসদ পদ খারিজের জন্য লোকসভার অধ্যক্ষের কাছে আবেদন জানিয়েছে।

জুন ২৪, ২০২১
কলকাতা

PAC: পিএসি সদস্য পদে মুকুলের মনোনয়ন, কটাক্ষ শুভেন্দুর

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি (পিএসি)-র (PAC) সদস্য পদে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন বিজেপি-র বিধায়ক এবং অধুনা তৃণমূল নেতা মুকুল রায়। বুধবার বিধানসভায় চিঠি পাঠিয়ে মনোনয়ন দাখিল করেছেন তিনি। বিষয়টিকে পাত্তা না দিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বুধবারই দাবি করলেন, বিধায়ক থাকলে তবে তো পিএসি-র চেয়ারম্যান হবেন উনি।আরও পড়ুনঃ ফের ভাঙন বিজেপিতেশুভেন্দু জানিয়েছেন, আগামী ১৬ জুলাই মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের প্রথম শুনানি স্পিকারের কাছে। সেখানে শুভেন্দু সব তথ্য ও নথি তুলে ধরবেন তাঁর যুক্তির স্বপক্ষে। নন্দীগ্রামের বিধায়কের কথায়, সদ্য তিনি তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। এখন আবার তৃণমূলই তাঁর নাম পিএসি কমিটিতে প্রস্তাব করেছে। গত বৃহস্পতিবার আমি ৬৪ পাতার একটি অভিযোগ জমা দিয়েছিলাম স্পিকারের কাছে। বুধবার আমার সেই অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হয়ে গেল। ওঁর বিধায়ক পদই থাকবে না। বিধায়ক না থাকলে পিএসি-র চেয়ারম্যান হওয়ার প্রশ্ন আসছে কোথা থেকে! শুভেন্দুর আরও বলেন, স্পিকার আমাকে ১৬ তারিখে ডেকেছেন শুনানির জন্য। আমি সেই শুনানিতে আসব, সব তথ্য নথি জমা দেব। তার পর তো আর বেশি দিন অপেক্ষা করব না। আদালতে চূড়ান্ত হয়ে যাবে। বিধায়কই থাকবেন না, তা হলে আর বিধায়ক কী? আর পিএসি কী?এ প্রসঙ্গে বিধানসভার উপ মুখ্য সচেতক তাপস রায় বলেন, পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি-সহ বিধানসভার সমস্ত কমিটির চেয়ারম্যান ঠিক করার অধিকার রয়েছে স্পিকারের। এখানে সরকার পক্ষের কোনও হাত নেই। তৃণমূল যদিও দাবি করেছে, মুকুলের মনোনয়নে তাদের কোনও হাত নেই। যদিও, প্রস্তাবক হিসেবে মুকুলের মনোনয়নে সই করেছেন কার্শিয়াঙের তৃণমূল সমর্থিত মোর্চার বিধায়ক রুদেন সাদা লেপচা ও এগরার বিধায়ক তরুণ মাইতি।এ নিয়ে শুভেন্দুর মন্তব্য, ভাবের ঘরে বসে চুরি করে লাভ নেই। খুব সুন্দর কাজ করেছেন ওঁরা। কালীদাসের মতো কাজ করেছেন। তাই আমার কাজ অনেক সহজ হয়ে গিয়েছে। আমার লড়াই আইনগত, বিধায়ক পদ খারিজের লড়াই। সেই লড়াইয়ে আরও এক ধাপ আমি এগিয়ে গেলাম। সেই সুযোগটা করে দিয়েছে শাসকদল।

জুন ২৩, ২০২১
রাজনীতি

Suvendu Adhikari: মুকুলের বিধায়ক পদ খারিজের দাবিতে শুভেন্দুর চিঠি স্পিকারকে

অবশেষে মুকুল রায়ের (Mukul Roy) বিধায়ক পদ খারিজের আবেদন জমা পড়ল। শুক্রবার বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Biman Banerjee) চিঠি দেওয়া হয়েছে বিজেপির তরফে। ওই চিঠিতে স্বাক্ষর রয়েছে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। উল্লেখ্য, বিজেপির টিকিটে কৃষ্ণনগর উত্তর আসনে জয় লাভ করেছেন মুকুল রায়। কিন্তু শিবির বদলে ফের তৃণমূলে (TMC) ফেরেন তিনি। এরপরই দলত্যাগ বিরোধী আইন লাগু করার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এবিষয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে কথাও বলেছিলেন। শুভেন্দু সাফ জানিয়েছিলন, মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের জন্য শেষ পর্যন্ত লড়াই করবেন তিনি। জানা গিয়েছে, ওই চিঠিতে মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের আর্জি জানানো হয়েছে। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, বিজেপির টিকিটে জিতে বিধায়ক হয়ে অন্য দলে যোগ দিয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবারই মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের আরজির আবেদন জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বিজেপি। চিঠি লেখাও হয়েছিল কিন্তু বিধানসভায় তা জমা পড়েনি। কারণ হিসেবে জানা গিয়েছিল, স্পিকার না আসায় এবং রিসিভিং সেকশন বন্ধ থাকায় চিঠি জমা করা যায়নি। এছাড়াও চিঠিতে কিছু ভুলত্রুটিও ছিল, যা আরও একটি কারণ। গতকালই শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন, শুক্রবার অধ্যক্ষের কাছে চিঠি জমা দেওয়া হবে। একান্তই যদি জমা না দেওয়া যায়, সেক্ষেত্রে অধ্যক্ষকে মেল করা হবে। সেই মতোই এদিন জমা পড়ল চিঠি।

জুন ১৮, ২০২১
রাজনীতি

Mukul Roy: মুকুলের কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার করল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক

বিজেপি ছেড়ে সদ্যই তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন সপুত্র মুকুল রায়ের (Mukul Roy)। ফের ঘাসফুল শিবিরে ফেরার পরই তাঁর নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করেছিল রাজ্য সরকার। তবে তার আগে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে চিঠি লিখেছিলেন খোদ মুকুল রায়। মুকুল রায়ের আর্জি মেনে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার করল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।Security of TMC leader Mukul Roy has been withdrawn by Ministry of Home Affairs (MHA), order has been issued: Govt Sources(File photo) pic.twitter.com/RcLInrbaLl ANI (@ANI) June 17, 2021সাড়ে তিন বছর পর ঘরে ফেরা। পুরনো দলে, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে ফের রাজনৈতিক ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়লেন তিনি। শুক্রবারই বিজেপি সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি মুকুল রায় সপুত্র ফিরেছেন তৃণমূলে (TMC)। তাঁদের উত্তরীয় পরিয়ে স্বাগত জানান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলে যোগদানের পর তিনি বললেন, বিজেপি থেকে বেরিয়ে খুব ভাল লাগছে। নতুন আঙিনায় এসেছি, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে দেখা হচ্ছে, কথা হচ্ছে। আর এটা ভেবে ভাল লাগছে, বাংলা আবার তার নিজের জায়গায় ফিরবে। সামনে থেকে নেতৃত্ব দেবেন মমতা। ঘরের ছেলে ঘরে ফিরল বলেই জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহারের দাবি জানান মুকুল রায়। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার হল তাঁর। তবে তার আগেই তাঁকে জেড ক্যাটাগরি এবং শুভ্রাংশু রায়কে (Subhranshu Roy) ওয়াই প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দেয় রাজ্য।

জুন ১৭, ২০২১
কলকাতা

Mukul Roy: পার্থর বাড়িতে মুকুল-শুভ্রাংশু

দীর্ঘদিনের সহকর্মীর মাতৃবিয়োগ। মাঝে বহুদিন বিচ্ছিন্ন থাকার পরও এমন দুর্দিনে ফের বন্ধুর পাশে গিয়ে দাঁড়ালেন মুকুল রায় (Mukul Roy)। মঙ্গলবার দুপুরে তিনি পৌঁছে গেলেন নাকতলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) বাড়িতে। রবিবার দুপুরে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মা শিবানীদেবী প্রয়াত হয়েছেন ৯১ বছর বয়সে। এত বড় একটা শোকের সময় বন্ধুকে সমবেদনা জানানোর জন্য এবার পৌঁছে গেলেন মুকুল রায়। সঙ্গে ছিলেন পুত্র শুভ্রাংশু রায়ও। বাড়িতে প্রবেশ করে যেখানে শিবানীদেবীর ছবি রাখা ছিল, সেখানে মাল্যদান করেন মুকুল। তারপর মন্ত্রীর নিজের ঘরে গিয়ে একান্তে দুজন কথাবার্তা বলেন বলে ঘনিষ্ঠ সূত্রে খবর।পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মায়ের মৃত্যু সংবাদ শুনে একে একে বহু রাজনৈতিক নেতাই তাঁর পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছেন। প্রথমদিন অভিষেক, ফিরহাদদের পাশাপাশি রাজ্যের মন্ত্রীর নাকতলার বাড়িতে ছুটে গিয়েছিলেন একদা সহকর্মী, বর্তমানে বিরোধী শিবিরের নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। নিতান্তই মানবিকতার খাতিরেই তাঁর এই ছুটে যাওয়া বলে দাবি ছিল রাজীবের ঘনিষ্ঠ মহলের। এরপর সোমবার সন্ধেবেলা সকলকে চমকে দিয়ে পার্থবাবুর বাড়িতে পৌঁছে যান শোভন চট্টোপাধ্যায়-বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। একদা অতি ঘনিষ্ঠ শোভন-পার্থর ফের সাক্ষাৎ হল এমন এক পরিস্থিতিতে।আর গত সপ্তাহে সাড়ে তিন বছর পর বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফিরে বঙ্গ রাজনীতির ইতিহাসে নতুন অধ্যায় সূচনা করার পর মঙ্গলবার দুপুরে পার্থবাবুর বাড়ি গেলেন মুকুল রায়। আসলে এই মুহূর্তে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে এত রাজনৈতিক নেতার সমাগম নিতান্তই সমবেদনার জন্য আপাতভাবে তা মনে হলেও এর একটা গভীর তাৎপর্য রয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একটা বড় অংশ।

জুন ১৫, ২০২১
রাজনীতি

Mukul Roy: পুরনো ভূমিকাতেই মুকুল, মিলল জেড ক্যাটাগরির নিরাপত্তা

সদ্য বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রত্যাবর্তন করা মুকুল রায়কে জেড ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। তাঁর পুত্র প্রাক্তন বিধায়ক শুভ্রাংশু রায়কে ওয়াই ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দেওয়া হবে। রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তর সূত্রে এ খবর জানা গিয়েছে। গতকাল তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদানের পরেই মুকুলবাবুর নিরাপত্তায় রাজ্য পুলিশ মোতায়েন করা হয়। যদিও তাঁর নিরাপত্তায় কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনীর জওয়ানেরা এখনও পর্যন্ত মোতায়েন রয়েছেন। তবে মুকুলবাবু ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহারের আবেদন জানিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে চিঠি লিখেছেন বলে জানা গিয়েছে।এদিকে শুক্রবারই আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূলে ফিরেই নিজের কাজ শুরু দিয়েছেন মুকুল রায়৷ সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই বিজেপি-র বেশ কয়েকজন সাংসদ এবং বিধায়কের সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছে মুকুলের৷ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও এদিন দীর্ঘ বৈঠক করেন তিনি। মুকুল রায়ের ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে খবর, উত্তরবঙ্গের দু জন বিজেপি সাংসদের সঙ্গে কথা হয়েছে মুকুলের৷ উত্তরবঙ্গেরই আরও এক সাংসদের কাছেও দল বদলের প্রাথমিক প্রস্তাব গিয়েছে বলে খবর৷ শুধু তাই নয়, উত্তরবঙ্গের একজন-সহ গোটা রাজ্যে অন্তত সাত থেকে আটজন বিজেপি বিধায়কের সঙ্গেও ফোনে কথা হয়েছে মুকুল রায়ের৷ এঁদের মধ্যে কয়েকজন মুকুল ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত৷ ফলে বিজেপি-র মধ্যেই তাঁদের দলবদল নিয়ে জল্পনা বাড়ছে৷ প্রসঙ্গত শুক্রবার মুকুল রায় যোগদান করার সময়ই তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও জানিয়েছিলেন, বিজেপি থেকে আরও অনেকেই তৃণমূলে আসবে৷ কয়েকদিন আগে একই দাবি করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও৷ বাগদার বিজেপি বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাসও ইতিমধ্যে দলবদলের সম্ভাবনা বাড়িয়ে প্রকাশ্যেই বলেছেন মুকুল রায়ের সঙ্গে তাঁর পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও মধুর সম্পর্ক তাঁর৷ শুক্রবার বনগাঁয় বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের ডাকা সাংগঠনিক বৈঠকেও যাননি তিনি৷ তবে শুধু সাংসদ, বিধায়করাই নন, নির্বাচনে হেরে যাওয়া মুকুল ঘনিষ্ঠ অনেক বিজেপি নেতাই ইতিমধ্যে মুখ খুলতে শুরু করেছেন৷ যেমন এ দিনই নোয়াপাড়ার প্রাক্তন বিধায়ক সুনীল সিং নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা বাড়িয়েছেন৷ মুকুলের হাত ধরেই বিজেপি-তে যোগ দিয়েছিলেন সুনীল৷ এমনিতেই নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর বিজেপি-র মধ্যে অনেক নেতাই বেসুরো গাইছিলেন৷ তাঁদের অধিকাংশই হয় ভোটে জেতেননি, নয় টিকিট পাননি৷ কিন্তু মুকুল রায়ের দলবদলের পরই জয়ী বিধায়ক, এমনকী, সাংসদদের ধরে রাখা নিয়েও আতঙ্ক তৈরি হয়েছে বিজেপি শিবিরে৷

জুন ১২, ২০২১
রাজনীতি

BJP on Mukul Roy: মুকুলের যাওয়াকে আমল দিতে নারাজ বিজেপি

বিজেপির (BJP) ব্যাপ্তি সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে। মুকুল রায় চলে গেলে তাতে কিছু আসবে যাবে না। শুক্রবার মুকুলের তৃণমূল-যোগের পর এমনটাই বললেন বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার। তিনি বলেন, মুকুলবাবুকে আমরা শুভেচ্ছা জানাচ্ছি তাঁর নতুন ইনিংস শুরু করার জন্য। তিনি পুরনো দলে নতুন ইনিংস শুরু করতে গিয়েছেন। রাজনৈতিক পটভূমিকাতে এর বিচার ভবিষ্যতে হবে।২০১৭ সালের নভেম্বরে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন মুকুল রায়। ২০২১-এর জুনেই পুরনো দলে ফিরে গেলেন তিনি। এই মুকুল রায়কে সামনে রেখে ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে ঘুঁটি সাজিয়েছিল গেরুয়া শিবির। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মুকুলই ছিল মোদি-শাহের তরুপের তাস। শাসকদল ভেঙে একের পর নেতাকে বিজেপির দিকে টেনেছিলেন মুকুল রায়ই। বিধানসভা ভোটের আগেও শাসক শিবিরে বেশ হইচই পড়ে গিয়েছিল দলবদলের পালা ঘিরে।কিন্তু ভোট মিটতেই উল্টো স্রোত বিজেপির অন্দরে। ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি গোছের ভাব করে তৃণমূলে ফিরতে চাইছেন দলবদলুরা। বিজেপি অবশ্য প্রথম প্রথম বলেছে, লাভের আশায় এসেছিল, সে গুড়ে বালি পড়ে যাওয়ায় চলে যেতে চাইছে। সোনালি গুহ, সরলা মুর্মু কিংবা দীপেন্দু বিশ্বাসদের ক্ষেত্রে এ ধরনের মন্তব্য করে সহজেই ঝেড়ে ফেলা গিয়েছে। কিন্তু মুকুল রায়ের প্রসঙ্গে বিজেপি সাবধানী। সূত্রের খবর, কেন্দ্র থেকে কড়া নির্দেশ এসেছে, মুকুলকে নিয়ে খুব বেশি কথা বলার দরকার নেই। এদিন মুকুল রায়ের দলত্যাগ প্রসঙ্গে জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, মুকুলবাবু পুরনো দলে নতুন ইনিংস শুরু করতে গিয়েছেন। উনি বর্ষীয়ান নেতা। বাংলার রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের পরিচিত মুখ। তাঁকে আমরা নতুন ইনিংসের জন্য শুভেচ্ছা জানাই। একইসঙ্গে জয়প্রকাশের মন্তব্য, দেশে সর্ববৃহৎ দল বিজেপি। পৃথিবীতে এত বড় রাজনৈতিক দল নেই। ধারে কাছেও নেই কেউ। আমরা ৩০৩ জন নিয়ে কেন্দ্র শাসন করছি। বহু রাজ্যে আমাদের শাসন চলছে। সদ্য সমাপ্ত ভোটে আমরা তিন থেকে ৭৭ হয়েছি। আমরা বলেছিলাম, ভেবেছিলাম, এই পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় আমরা আসব। অভীষ্টতে পৌঁছতে পারিনি। তবে আমাদের হাত থেকে পশ্চিমবঙ্গ হারিয়ে গিয়েছে তা তো নয়! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর দল বাংলা শাসন করছিল, সেটাই চলছে। তাঁদের জন্য নতুন কোনও অ্যাচিভমেন্ট হয়নি।

জুন ১১, ২০২১
রাজনীতি

Mukul Roy: সাড়ে তিন বছর পর ঘাসফুলে সপুত্র মুকুল

সাড়ে তিন বছর পর ঘরে ফেরা। পুরনো দলে, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে ফের রাজনৈতিক ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়া। বৃত্তটা যেন সম্পূর্ণ হল এতদিনে। বিজেপি সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি মুকুল রায় (Mukul Roy) ফিরলেন তৃণমূলে (TMC)। শুক্রবার তৃণমূল ভবনে দলীয় পতাকা হাতে নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করলেন। সঙ্গে পুত্র শুভ্রাংশুও। পিতাপুত্রের প্রত্যাবর্তনে আরও চাঙ্গা ঘাসফুল শিবিরও। তাঁকে ঘরের ছেলে বলে স্বাগত জানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। ৬৭ বছর বয়সে ফের রাজনৈতিক কেরিয়ারে নতুন ধাপে পা রাখলেন মুকুল। এবার নতুন দায়িত্ব নেওয়ার পালা। তৃণমূলে যোগদানের পর তিনি বললেন, বিজেপি থেকে বেরিয়ে খুব ভাল লাগছে। নতুন আঙিনায় এসেছি, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে দেখা হচ্ছে, কথা হচ্ছে। আর এটা ভেবে ভাল লাগছে, বাংলা আবার তার নিজের জায়গায় ফিরবে। সামনে থেকে নেতৃত্ব দেবেন মমতা।নভেম্বর, ২০১৭। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক দল তৃণমূল ছেড়ে গেরুয়া শিবিরে নাম লিখিয়েছিলেন তৃণমূলের তৎকালীন সর্বভারতীয় সম্পাদক মুকুল রায়। পাশে ছিলেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়। কেন, কী ভেবে তিনি বিজেপিতে (BJP) যোগ দিচ্ছেন, তা নিয়ে বিস্তারিত বক্তব্যও রেখেছিলেন। প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে নারদ (Narada case) স্টিং অপারেশনের ভিডিওতে তৃণমূলের অন্যান্য নেতা-মন্ত্রীদের সঙ্গে মুকুল রায়কেও দেখা গিয়েছিল। তা নিয়ে তোলপাড় হলেও, নির্বাচনে কার্যত তা ছাপ ফেলতে পারেনি। তৃণমূল হাসতে হাসতেই ফের বিপুল জনসমর্থন নিয়ে রাজ্যের ক্ষমতায় এসেছিল। তবে মুকুল রায়, শোভন চট্টোপাধ্যায়দের উপর চাপ বাড়ে। রাজনৈতিক মহলের একটা বড় অংশের বিশ্বাস, সেই চাপেই বছর খানেক বাদে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে পা রেখেছিলেন মুকুল। তারও কয়েক বছর পর তাঁর ছেলে শুভ্রাংশুও (Subhrangsu Roy) দলবদল করেন। তবে একুশের নির্বাচনে চেনা জমিতেও হারের পর ইঙ্গিতপূর্ণ ফেসবুক পোস্টে বুঝিয়েছিলেন, বিজেপিতে বীতশ্রদ্ধ শুভ্রাংশু।এরপর ২০২০ সালে দলের হয়ে ভাল কাজ করার পুরস্কার হিসেবে বিজেপিতে সর্বভারতীয় সহ-সভাপতির দায়িত্ব পান। একুশের বিধানসভা ভোটে প্রায় প্রচার ছাড়াই কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্র থেকে বড় ব্যবধানে জিতেছেন তিনি। তা সত্ত্বেও অবশ্য বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার দৌড়ে তাঁকে পিছনে ফেলে পদ পেয়ে গিয়েছেন নন্দীগ্রামের জায়ান্ট কিলার (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানো) শুভেন্দু অধিকারী, তুলনায় যিনি বিজেপিতে অনেক নবীন। ফলে একটা অভিমান ছিলই বঙ্গ রাজনীতির চাণক্যর। সম্প্রতি স্ত্রীর অসুস্থতার সময়ে হাসপাতালে গিয়ে দেখা করেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাতে জল্পনা উস্কে ওঠে, এ কি নিছকই সৌজন্যের নজির, নাকি রয়েছে কোনও রাজনীতির রসায়ন? শুক্রবার দেখা গেল, রসায়নই সত্যি।

জুন ১১, ২০২১
রাজনীতি

Mukul Roy: আজই ঘর ওয়াপসি? তৃণমূলভবনে চলছে বৈঠক

সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিজেপি ছেড়ে ঘর ওয়াপসি করতে চলেছেন মুকুল রায়। তৃণমূল ভবনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ তৃণমূলের প্রথম সারির নেতাদের উপস্থিতিতে মুকুল এবং শুভ্রাংশুর রায়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার কথা। শুক্রবার বাড়ি থেকে বেরিয়ে মুকুল নিজেও জানান, তৃণমূল ভবনেই যাচ্ছেন তিনি। দুপুর সাড়ে ৪টে নাগাদ সাংবাদিক বৈঠক।ইতিমধ্যেই তিনি ছেলে শুভ্রাংশুকে নিয়ে তৃণমূল ভবনে চলে এসেছেন। চলে এসেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। জল্পনা ঘোরাফেরা করছিলই। কয়েক বছর গেরুয়া শিবিরে কাটিয়ে, দলে বড় পদ পাওয়ার পর আর মন টিকছে না সেভাবে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের তাই ধারণা হয়েছিল, ফের ঘাসফুলের পথে পা বাড়াবেন বলে জমি তৈরি করছিলেন মুকুল রায় (Mukul Roy)। সূত্রের খবর, তৃণমূল ভবনে এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা (Mamata Banerjee) সাংগঠনিক বৈঠক চলছে।

জুন ১১, ২০২১
রাজনীতি

Mukul Roy: আজই ঘর ওয়াপসি? তৃণমূলভবনে চলছে বৈঠক

সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিজেপি ছেড়ে ঘর ওয়াপসি করতে চলেছেন মুকুল রায়। তৃণমূল ভবনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ তৃণমূলের প্রথম সারির নেতাদের উপস্থিতিতে মুকুল এবং শুভ্রাংশুর রায়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার কথা। শুক্রবার বাড়ি থেকে বেরিয়ে মুকুল নিজেও জানান, তৃণমূল ভবনেই যাচ্ছেন তিনি। দুপুর সাড়ে ৪টে নাগাদ সাংবাদিক বৈঠক।ইতিমধ্যেই তিনি ছেলে শুভ্রাংশুকে নিয়ে তৃণমূল ভবনে চলে এসেছেন। চলে এসেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। জল্পনা ঘোরাফেরা করছিলই। কয়েক বছর গেরুয়া শিবিরে কাটিয়ে, দলে বড় পদ পাওয়ার পর আর মন টিকছে না সেভাবে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের তাই ধারণা হয়েছিল, ফের ঘাসফুলের পথে পা বাড়াবেন বলে জমি তৈরি করছিলেন মুকুল রায় (Mukul Roy)। সূত্রের খবর, তৃণমূল ভবনে এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা (Mamata Banerjee) সাংগঠনিক বৈঠক চলছে।

জুন ১১, ২০২১
কলকাতা

দিলীপের ডাকা বৈঠকে অনুপস্থিত মুকুল, জল্পনা

কয়েকদিন ধরেই মুকুল রায়ের সঙ্গে বিজেপির (BJP) সম্পর্ক নিয়ে কানাঘুষো শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। অনেকের দাবি, হয়তো দল ছাড়তে পারেন পোড়খাওয়া এই রাজনীতিবিদ। এবিষয়ে তিনি কোনও মন্তব্য না করলেও মঙ্গলবার দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) ডাকা বৈঠকে মুকুল রায়ের (Mukul Roy) অনুপস্থিতি উস্কে দিল সেই জল্পনা। এবিষয়ে মুখ খুলেছেন দিলীপ-মুকুল উভয়েই।আরও পড়ুন: বাতিল পরীক্ষা: আত্মঘাতী দিনহাটার মেধাবী ছাত্রী বর্ণালীমঙ্গলবার কলকাতার হেস্টিংসের কার্যালয়ে একটি বৈঠকের আয়োজন করেছিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ। রাজ্য পদাধিকারিদের সেখানে যোগ দেওয়ার কথা ছিল। অনেকেই ভার্চুয়ালি যোগদিয়েছিলেন তাতে। তবে মঙ্গলবারের সেই বৈঠকে দেখা যায়নি মুকুল রায়কে। তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই শুরু হয় সমালোচনা। দলের সঙ্গে সম্পর্ক যে আর আগের মতো নেই সেই ইঙ্গিত দিতেই কি বৈঠকে যোগ দিলেন না মুকুল? সেই প্রশ্নও ওঠে। এই পরিস্থিতিতে এবিষয়ে বিজেপি বিধায়ক (BJP MP) একটি সংবাদমাধ্যমে বলেন, এসবের মধ্যে আমি নেই। কোনও বৈঠকের কথা আমি জানি না। তাঁর এই মন্তব্য উস্কে দেয় বিতর্ক। পালটা দিয়েছেন দিলীপ ঘোষ। সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, প্রত্যেকের মতোই মুকুল রায়কেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। পরিস্থিতি অনুকূল থাকলে তিনি আসার আশ্বাসও দিয়েছিলেন।বর্তমানে রায় পরিবার যে টানাপোড়েনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে তাতে মুকুলবাবুর মন্তব্যকে গুরুত্ব দিতে নারাজ দিলীপ। তিনি বলেন, মুকুলবাবুর স্ত্রী অত্যন্ত অসুস্থ। ওনারা বর্তমানে সমস্যার মধ্যে রয়েছেন।

জুন ০৮, ২০২১
কলকাতা

মুকুলের স্ত্রী-কে দেখতে এবার হাসপাতালে লকেট

মুকুল রায়ের অসুস্থ স্ত্রী-কে দেখতে শুক্রবার সন্ধ্যায় হাসপাতালে যান বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, দিলীপ ঘোষ, নরেন্দ্র মোদির পর লকেট।বস্তুত, হাসপাতাল-সফর নিয়ে দিলীপ-মুকুল বাকযুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় কৃষ্ণনগর উত্তরের বিধায়কের ক্ষোভ নিরসনেই বিজেপি লকেটকে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেও আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলের। তবে লকেট জানিয়েছেন, দলের নির্দেশে নয়, তিনি ব্যক্তিগতভাবেই হাসপাতালে গিয়ে মুকুলের স্ত্রী-র খোঁজ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।মুকুলের স্ত্রী কৃষ্ণা অসুস্থ বেশ কিছুদিন ধরেই। করোনা নিয়ে তিনি ওই হাসপাতালে ভর্তি হন গত ১৪ই মে। করোনাকে জয় করলেও পরে অন্যান্য সমস্যায় কৃষ্ণার শারীরিক অবস্থা গুরুতর হয়ে ওঠে। মুকুলও করোনা আক্রান্ত হন। তবে তিনি বাড়িতেই নিভৃতবাসে ছিলেন। এই পর্বে রাজ্য বিজেপি-র পক্ষ থেকে নাকি তেমন কোনও খোঁজ নেওয়া হয়নি। অন্তত প্রকাশ্যে তো নয়ই। কিন্তু পারিবারিক সম্পর্কের টান দেখিয়ে আচমকা হাসপাতালে চলে যান তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর থেকেই রাজনৈতিক চেহারা পেয়ে যায় কৃষ্ণার অসুস্থতাকে কেন্দ্র করে বিজেপি নেতাদের হাসপাতাল-সফর। অভিষেকের যাওয়ার খবর জানাজানি হওয়ার পরে পরেই বুধবার হাসপাতালে পৌঁছে যান দিলীপ। বৃহস্পতিবার সকালে মুকুলকে ফোন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।এর পরে মুকুলের মন্তব্য এবং তাতে দিলীপের পাল্টা কটাক্ষে তৈরি হয় বিতর্কের নতুন আবহ। দিলীপের হাসপাতাল যাওয়া প্রসঙ্গে মুকুল বলেন, উনি আমাকে বা অন্য কাউকে বলে তো হাসপাতালে যাননি। কাকে দেখতে গিয়েছিলেন, তা-ও জানি না! তার জবাব দিতে গিয়েই শুক্রবার দিলীপ বলেন, অসুস্থকে দেখতে হাসপাতালে যাওয়ার আগে কাউকে জানিয়ে যেতে হয় নাকি! আর আমি ওখানে অনেককে চিনি। গিয়েছি। দেখা করেছি। চলে এসেছি।সর্বভারতীয় সহ সভাপতি আর রাজ্য সভাপতির মন্তব্য-পাল্টা মন্তব্যে সামনে এসে পড়ে বিজেপি-র অন্দরের লড়াই। নতুন করে প্রকাশ্যে আসে মুকুল- দিলীপের দ্বন্দ্ব। এর পরেই লকেটের যাওয়া।

জুন ০৪, ২০২১
কলকাতা

করোনায় আক্রান্ত সস্ত্রীক মুকুল রায়

করোনায় এবার আক্রান্ত হলেন বিধায়ক তথা বিজেপি-র সর্বভারতীয় সহ সভাপতি মুকুল রায়। তবে মুকুল একা নন, কোভিড-১৯ ভাইরাস বাসা বেঁধেছে তাঁর স্ত্রী কৃষ্ণা রায়ের শরীরেও। ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে খবর, পজিটিভ হলেও তেমন কোনও শারীরিক সমস্যার সম্মুখীন হননি মুকুল। সল্টলেকের বাড়িতেই আপাতত নিভৃতবাসে রয়েছেন তিনি। তবে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ায় সল্টলেকের একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়েছে তাঁর স্ত্রীকে।জানা গিয়েছে, গত কয়েকদিন ধরেই অসুস্থ বোধ করছিলেন মুকুল রায়। এর মধ্যে করোনার উপসর্গও নাকি দেখা দেয় তাঁর শরীরে। এরপরই স্ত্রী এবং নিজের করোনা পরীক্ষা করান মুকুল। শেষপর্যন্ত রিপোর্ট পজিটিভ আসায় বাড়িতেই সেলফ আইসোলেশনে যান তিনি। অন্যদিকে, অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাঁর স্ত্রীকে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে দীর্ঘদিন পর ভোটে লড়েছেন মুকুল রায়। তৃণমূল কংগ্রেসের তারকা প্রার্থী কৌশানি মুখোপাধ্যায়কে হারিয়ে কৃষ্ণনগর উত্তর থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন। নবান্ন দখলের লড়াইয়ে দল হেরে গেলেও, নিজের আসনে জয় লাভ করেছেন। নির্ধারিত দিনে বিধানসভায় শপথবাক্যও পাঠ করেন। যদিও সেদিন সংবাদমাধ্যমের সামনে তেমনভাবে মুখ না খোলায়, তাঁর বিজেপিতে থাকা নিয়ে কিছুটা জল্পনাও তৈরি হয়েছিলপরবর্তীতে অবশ্য নিজেই টুইট করে সেই জল্পনার অবসান ঘটান। যোগ দেন বিজেপি-র দলীয় বৈঠকেও। যেখানে বিরোধী দলনেতা হিসেবে আবার ঘোষণা করা হয় শুভেন্দু অধিকারীর নাম। আর ওই বৈঠকের কয়েকদিন পরেই এবার করোনায় সংক্রমিত হলেন মুকুল রায়। দলের অন্যতম নেতা কোভিডে আক্রান্ত হয় চিন্তিত বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বও। কারণ সম্প্রতি মুকুলের শারীরিক পরিস্থিতি খুব একটা ভাল নেই। এর মধ্যে গতবছরই পিত্তথলিতে অস্ত্রোপচারও হয়। তবে মুকুলের ঘনিষ্ঠমহল সূত্রে খবর, আপাতত চিন্তার কোনও কারণ নেই। তবে চিকিৎসকদের পরামর্শও নিয়েছেন বর্ষীয়ান এই নেতা।

মে ১৪, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ম্যানগ্রোভ কেটে ক্যাফে! এবার শওকত মোল্লার ছেলেকে সাত দিনের চরম আলটিমেটাম

মাতলা নদীর চর দখল করে তৈরি হওয়া বিতর্কিত ক্যাফেকে ঘিরে বড় পদক্ষেপ করল প্রশাসন। অভিযোগ, পরিবেশের ক্ষতি করে এবং ম্যানগ্রোভ ধ্বংস করে এই নির্মাণ করা হয়েছিল। এবার সেই ক্যাফে ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মালিকপক্ষ নিজে ব্যবস্থা না নিলে প্রশাসন অভিযান চালাবে বলে জানানো হয়েছে।দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার মৌখালি এলাকায় মাতলা নদীর চরে তৈরি হয়েছিল অরণ্যের কূলে নামে একটি ক্যাফে। এই নির্মাণকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক চলছিল। অভিযোগ ছিল, নদীর চর দখল করে এবং পরিবেশের ক্ষতি করে এই স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছে।প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে ক্যাফেটি ভেঙে ফেলতে হবে। তা না হলে প্রশাসন নিজেই ভাঙার কাজ করবে। ইতিমধ্যেই সেখানে নোটিস পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।নোটিস জারির পর থেকেই ক্যাফে চত্বরে তৎপরতা দেখা গিয়েছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, ভেতর থেকে বিভিন্ন আসবাবপত্র এবং সামগ্রী সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। ফলে অনেকেই মনে করছেন, মালিকপক্ষ পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝেই প্রস্তুতি শুরু করেছে।ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যেও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকের দাবি, পরিবেশ ধ্বংস করে কোনও উন্নয়ন গ্রহণযোগ্য নয়। ম্যানগ্রোভ এবং নদী সংলগ্ন এলাকার প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার অভিযোগ তুলে তাঁরা প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন।শুধু এই একটি নির্মাণ নয়, মাতলা নদীর চর জুড়ে গড়ে ওঠা আরও একাধিক বেআইনি স্থাপনার বিরুদ্ধেও সক্রিয় হয়েছে প্রশাসন। বৈধ নথি দেখাতে না পারা বহু নির্মাণের ক্ষেত্রেই উচ্ছেদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।প্রশাসনিক সূত্রে খবর, নদী ও পরিবেশ সংরক্ষণের স্বার্থে এই অভিযান আরও বিস্তৃত হতে পারে। ইতিমধ্যেই এলাকায় বেআইনি দখল ও নির্মাণ সংক্রান্ত নথিপত্র খতিয়ে দেখা শুরু হয়েছে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে বিতর্কের কেন্দ্রে থাকা ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি।মাতলা নদীর চর এবং ম্যানগ্রোভ সংরক্ষণকে ঘিরে প্রশাসনের এই পদক্ষেপ আগামী দিনে আরও বড় অভিযানের সূচনা কি না, এখন সেদিকেই নজর স্থানীয় বাসিন্দা এবং রাজনৈতিক মহলের।

জুন ২৩, ২০২৬
দেশ

কয়েক মিনিটেই মৃত্যুকূপে বদলে গেল কোচিং সেন্টার, সামনে এল শিউরে ওঠার মতো তথ্য

সোমবার দুপুর পর্যন্ত সবকিছুই ছিল স্বাভাবিক। কেউ প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন, কেউ কাজে ব্যস্ত ছিলেন। কিন্তু কয়েক মিনিটের মধ্যেই সেই ব্যস্ত বহুতল পরিণত হয় মৃত্যুকূপে। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আহত হয়েছেন আরও কয়েক জন। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।লখনউয়ের আলিগঞ্জ এলাকার একটি বহুতলে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, প্রথমে ধোঁয়া দেখা যায়। তারপর খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে গোটা ভবনে। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় চারপাশ। প্রাণ বাঁচাতে বহু মানুষ জানালা দিয়ে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করেন। কেউ কেউ উপরতলা থেকে ঝাঁপও দেন।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকল, পুলিশ এবং উদ্ধারকারী বাহিনী। দীর্ঘ সময় ধরে চলে উদ্ধার অভিযান। পাশের ভবনের ছাদ ব্যবহার করে উদ্ধারকারীরা ভিতরে প্রবেশ করেন। অনেক জায়গায় দেওয়াল ভেঙেও আটকে পড়া মানুষদের বের করে আনার চেষ্টা করা হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ভবনটির নিচের অংশে পোষ্য প্রাণীর দোকান ও চিকিৎসাকেন্দ্র ছিল। উপরতলায় চলত অ্যানিমেশন ও প্রযুক্তি সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ। আগুন লাগার পর কয়েক মিনিটের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।উদ্ধার করে বহু মানুষকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও তাঁদের মধ্যে অন্তত ১৫ জনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। মৃতদের অধিকাংশই তরুণ-তরুণী। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে। যারা আগুন থেকে বাঁচতে উপরতলা থেকে ঝাঁপ দিয়েছিলেন, তাঁদের কয়েক জন গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন।ঘটনার পরই চার জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ভবনের মালিক এবং সংশ্লিষ্ট কয়েক জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, আবাসিক ভবনটি বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করা হচ্ছিল। নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে সঠিক কারণ জানতে বিস্তারিত তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রশাসনের তরফে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে এবং দ্রুত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজনাথ সিং। আহতদের সঙ্গে দেখা করে তাঁদের চিকিৎসার খোঁজও নেন তিনি। এই ঘটনার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন প্রশাসন।মর্মান্তিক এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্যের ঘোষণাও করা হয়েছে। লখনউয়ের এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা দেশে।

জুন ২৩, ২০২৬
কলকাতা

ঋতব্রত শিবিরে নাম লেখাতেই বড় শাস্তি! ফিরহাদ-অরূপদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক পদক্ষেপ

রাজ্য রাজনীতিতে আরও গভীর হল তৃণমূলের অন্দরের সংঘাত। শোকজ নোটিস পাঠানোর মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বড় সিদ্ধান্ত নিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের নির্দেশ অমান্য করে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন আসল তৃণমূল-এর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার অভিযোগে ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, অরূপ রায়, জাভেদ খান, রথীন ঘোষ, বিপ্লব মিত্র, সাবিনা ইয়াসমিন এবং স্নেহাশিস চক্রবর্তীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।সোমবার নিউটাউনের একটি পাঁচতারা হোটেলে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের একাধিক পরিচিত মুখ। বৈঠক থেকেই নতুন জাতীয় কর্মসমিতির ঘোষণা করা হয়। সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও নাম রাখা হয়নি। চেয়ারম্যান করা হয় অরূপ রায়কে। সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ চার নেতাকে।এই ঘোষণার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়। কারণ, দীর্ঘদিন ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস এবং আরও কয়েকজন নেতার নাম উঠে আসে নতুন শিবিরের সঙ্গে। এরপরই কালীঘাটের তৃণমূল নেতৃত্ব তাঁদের শোকজ করে। তবে সেই শোকজের জবাবের জন্য অপেক্ষা না করেই মঙ্গলবার বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে খবর।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই বহিষ্কার শুধু সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং তৃণমূলের অন্দরের ক্ষমতার লড়াইকে আরও স্পষ্ট করে দিল। একদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে নতুন শক্তি গড়ে উঠছে, অন্যদিকে দলীয় নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে কড়া বার্তা দিতে চাইছে মমতা শিবির।আগামী দিনে আরও কয়েকজন নেতা নতুন শিবিরে যোগ দিতে পারেন বলেও জল্পনা তৈরি হয়েছে। ফলে তৃণমূলের অন্দরের এই সংঘাত কোন দিকে গড়ায়, সেদিকে এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ২৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মেসির জন্য শতবর্ষী বৃদ্ধার উন্মাদনা! গ্যালারিতে যা করলেন, মুহূর্তে ভাইরাল

লিওনেল মেসির ভক্তের সংখ্যা যে কতটা বিশাল, তার নতুন প্রমাণ মিলল বিশ্বকাপের মঞ্চে। বয়স যেখানে অনেকের কাছে সীমাবদ্ধতা, সেখানে একশো বছর বয়সেও প্রিয় ফুটবলারের খেলা দেখতে স্টেডিয়ামে হাজির হয়ে সকলকে চমকে দিলেন এক বৃদ্ধা। ডালাসের গ্যালারিতে তাঁর উপস্থিতিই এখন সামাজিক মাধ্যমে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়।অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে আর্জেন্টিনার গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ দেখতে গ্যালারিতে বসেছিলেন একশো বছর বয়সি পউলিনে কানা। ধবধবে সাদা চুল, গায়ে আর্জেন্টিনার জার্সি আর হাতে একটি প্ল্যাকার্ড। সেখানে লেখা ছিল, তিনি একশো বছর বয়সি মেসি-ভক্ত। সেই ছবি মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক মাধ্যমে।তবে পউলিনে শুধু মেসির ভক্ত হিসেবেই পরিচিত নন। সামাজিক মাধ্যমেও তাঁর জনপ্রিয়তা আকাশছোঁয়া। নাতির সঙ্গে মজার ভিডিও বানিয়ে তিনি কোটি কোটি মানুষের কাছে পরিচিত মুখ। বহু বছর ধরেই তিনি অনলাইনে জনপ্রিয়। তাঁর নাম রয়েছে বিশ্বরেকর্ডের তালিকাতেও। তবে সাম্প্রতিক সময়ে মেসির প্রতি তাঁর ভালোবাসাই তাঁকে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।এর আগেও মেসির খেলা দেখতে মাঠে হাজির হয়েছিলেন তিনি। তখন একটি পোস্টারে মজার ছলে লিখেছিলেন, মেসি, তুমি কি আমায় বিয়ে করবে? সেই ছবিও ব্যাপক ভাইরাল হয়েছিল। এবারও ব্যতিক্রম হল না। বিশ্বরেকর্ডের ম্যাচে তাঁর উপস্থিতি ফুটবলপ্রেমীদের আবেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।অন্যদিকে মাঠেও ছিল মেসি-ম্যাজিক। ম্যাচের শুরুতে পেনাল্টি মিস করলেও পরে জোড়া গোল করে দলকে জয় এনে দেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক। প্রথম গোলটি আসে দুর্দান্ত ফিনিশে, যা গ্যালারিতে উপস্থিত দর্শকদের উচ্ছ্বাসে ভাসিয়ে দেয়। দ্বিতীয় গোলটি আসে ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে, যা আর্জেন্টিনার জয় নিশ্চিত করে।এই জোড়া গোলের সুবাদে বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বাধিক গোলদাতার নতুন রেকর্ডও গড়েছেন মেসি। ফলে একদিকে মাঠে ইতিহাস, অন্যদিকে গ্যালারিতে একশো বছর বয়সি ভক্তের আবেগ সব মিলিয়ে স্মরণীয় হয়ে থাকল এই ম্যাচ।ফুটবলপ্রেমীদের অনেকেই বলছেন, মেসির আসল সাফল্য শুধু গোল বা ট্রফিতে নয়, বরং এমন প্রজন্ম পেরোনো ভালোবাসায়। কারণ একশো বছরের এক বৃদ্ধা থেকে শুরু করে কোলে থাকা শিশুও যখন একই ফুটবলারের জন্য গ্যালারিতে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে, তখন বোঝা যায় তাঁর জনপ্রিয়তার বিস্তার কতটা।

জুন ২৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মেসির বিশ্বরেকর্ডের ম্যাচেই বিস্ফোরক অভিযোগ! গোলটা কি আদৌ বৈধ ছিল?

বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন লিওনেল মেসি, আর্জেন্টিনাকেও তুলে দিয়েছেন নকআউট পর্বে। কিন্তু ম্যাচ শেষের পর আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর গোল নয়, বরং সেই গোলকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক। ফুটবল মহলের একাংশের প্রশ্ন, অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে মেসির প্রথম গোলটি কি আদৌ বৈধ ছিল?ম্যাচের শুরুতে পেনাল্টি মিস করেছিলেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক। তবে সেই হতাশা কাটিয়ে পরে জোড়া গোল করে দলকে জয় এনে দেন। ম্যাচের আটত্রিশ মিনিটে দুর্দান্ত ফিনিশে গোল করে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন তিনি। কিন্তু গোল হওয়ার আগে মাঝমাঠে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনাকে ঘিরেই এখন শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক।অভিযোগ, গোল হওয়ার ঠিক আগে অস্ট্রিয়ার এক ফুটবলারের উপর ট্যাকল করেছিলেন আর্জেন্টিনার এক মিডফিল্ডার। সেই ঘটনায় রেফারি খেলা থামাননি। পরে সেই আক্রমণ থেকেই গোল আসে। ফুটবল বিশ্লেষকদের একাংশের দাবি, গোলের আগে আক্রমণ তৈরির পর্যায়ে যদি ফাউল হয়ে থাকে, তাহলে প্রযুক্তিনির্ভর পর্যালোচনার মাধ্যমে বিষয়টি খতিয়ে দেখা উচিত ছিল।এই বিতর্কে সরব হয়েছেন ডেনমার্কের কিংবদন্তি গোলরক্ষক পিটার স্মাইকেলও। তাঁর মতে, গোলটি বাতিল হওয়া উচিত ছিল। তিনি দাবি করেন, অস্ট্রিয়ার ফুটবলারের বিরুদ্ধে স্পষ্ট ফাউল হয়েছিল এবং সেই কারণে আক্রমণ শুরুই হওয়া উচিত ছিল না। প্রযুক্তিনির্ভর পর্যালোচনা ব্যবস্থাও এই বিষয়টি দেখতে ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।ফুটবল মহলের একাংশের মতে, এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে এই ধরনের সিদ্ধান্ত আরও বেশি বিতর্ক তৈরি করে। বিশেষ করে যখন সেই গোলের মাধ্যমেই ইতিহাস গড়েন বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার।এটাই অবশ্য প্রথম নয়। এর আগেও আলজেরিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচে মেসিকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সেই ম্যাচে প্রতিপক্ষের অধিনায়কের বিরুদ্ধে একটি চ্যালেঞ্জকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন উঠেছিল রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে। সেই ঘটনায় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেওয়ায় আপত্তি জানিয়েছিল আলজেরিয়া।অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে জোড়া গোল করে মেসি আবারও নিজের অসাধারণ প্রতিভার প্রমাণ দিয়েছেন। তবে রেকর্ড গড়ার রাতেও বিতর্ক যে তাঁর পিছু ছাড়ল না, তা বলাই যায়। এখন ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, গোলটি কি নিয়ম মেনেই হয়েছিল, নাকি রেফারির একটি সিদ্ধান্ত বদলে দিতে পারত ম্যাচের গল্প?

জুন ২৩, ২০২৬
কলকাতা

ঋতব্রতদের আগেই বড় চাল মমতার! নির্বাচন কমিশনে চিঠি ঘিরে তোলপাড় রাজনীতি

তৃণমূলের নিয়ন্ত্রণ ঘিরে রাজনৈতিক টানাপোড়েন আরও তীব্র হল। একদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবির নতুন জাতীয় কর্মসমিতি গঠনের দাবি করেছে, অন্যদিকে তার আগেই নির্বাচন কমিশনের কাছে নিজেদের কর্মসমিতির তালিকা পাঠিয়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সূত্রের খবর, ঋতব্রত শিবিরও নিজেদের নতুন কমিটির নথি কমিশনে জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিল। কিন্তু তার আগেই পদক্ষেপ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতৃত্বাধীন শিবির। কমিশনের কাছে পাঠানো তালিকায় চেয়ারম্যান হিসেবে রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম। সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রাখা হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, সম্প্রতি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বহিষ্কারের ঘোষণা করেছিল। সেই আবহেই কমিশনে পাঠানো তালিকায় অভিষেকের নাম থাকা রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।জানা গিয়েছে, কমিশনে পাঠানো তালিকায় মোট চব্বিশ জন নেতার নাম রয়েছে। যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন দোলা সেন এবং ডেরেক ওব্রায়েন। সহ সভাপতি পদে রাখা হয়েছে সুব্রত বক্সীকে। কোষাধ্যক্ষ হিসেবে রয়েছেন শুভাশিস চক্রবর্তী। তালিকায় শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নামও রয়েছে। তাঁর পরিচয়ের পাশে বিধানসভার দলনেতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।এছাড়াও দলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নেতার নাম ওই তালিকায় রয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, নির্বাচন কমিশনের কাছে আগে নথি জমা দিয়ে সাংগঠনিক লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিতে চেয়েছে মমতা শিবির।এদিকে রাজনৈতিক মহলে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, শেষ পর্যন্ত তৃণমূলের সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিষয়টি শুধু আইনি লড়াইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। দলের কর্মী, সমর্থক এবং ভোটারদের সমর্থন কোন দিকে যায়, সেটিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।বিশ্লেষকদের বক্তব্য, রাজনৈতিক দলের নাম বা প্রতীকের প্রশ্ন আদালত এবং নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে নির্ধারিত হতে পারে। কিন্তু সাধারণ ভোটারদের আস্থা এবং সমর্থন কোন নেতৃত্বের দিকে ঝুঁকবে, সেটি রাজনৈতিক বাস্তবতার উপর নির্ভর করবে।তাই আপাতত তৃণমূলের ভিতরে এই ক্ষমতার লড়াই আরও দীর্ঘ হতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন, আদালত এবং জনমতের লড়াই তিন দিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের। আগামী দিনে এই সংঘাত কোন দিকে মোড় নেয়, সেটাই দেখার।

জুন ২৩, ২০২৬
কলকাতা

দলে ভাঙন, রাজনীতিতে চাপ! এরই মধ্যে বিদেশযাত্রার অনুমতি চাইলেন অভিষেক

চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার অনুমতি চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে এই সংক্রান্ত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। প্রায় এক সপ্তাহের জন্য দেশের বাইরে যাওয়ার অনুমতি চেয়েছেন তিনি। আগামীকাল এই মামলার শুনানি হতে পারে বলে আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অতীতে একাধিকবার চিকিৎসার প্রয়োজনে বিদেশে গিয়েছেন। বিভিন্ন মামলার কারণে তদন্তকারী সংস্থার নজরদারির মধ্যে থাকায় বিদেশ সফরের আগে আদালতের অনুমতি নেওয়া তাঁর জন্য বাধ্যতামূলক হয়ে উঠেছে।এর আগে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী বিদেশে যাওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী সংস্থাকে জানাতে হতো অভিষেক ও তাঁর স্ত্রীকে। সেই নিয়ম মেনেই অতীতে বিদেশে চিকিৎসার জন্য আবেদন করেছিলেন তিনি। পরে আদালতের অনুমতি পেয়ে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে বিদেশ সফরও করেন।বর্তমানে একটি নির্বাচনী প্রচার সংক্রান্ত মামলায় আদালতের নির্দেশ রয়েছে যে, বিচারালয়ের অনুমতি ছাড়া তিনি দেশের বাইরে যেতে পারবেন না। সেই কারণেই এবার সরাসরি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অভিষেক। তাঁর বক্তব্য, চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়া প্রয়োজন।উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০১৬ সালে একটি সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতরভাবে আহত হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই দুর্ঘটনায় তাঁর বাঁ চোখের নিচের অংশে মারাত্মক আঘাত লাগে এবং চোখের হাড় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর থেকে দীর্ঘদিন ধরে চোখের সমস্যায় ভুগছেন তিনি।গত কয়েক বছরে দেশের বাইরে একাধিক জায়গায় চিকিৎসা করিয়েছেন অভিষেক। একাধিক অস্ত্রোপচারও হয়েছে তাঁর চোখে। চিকিৎসকদের পরামর্শেই আবারও বিদেশে যাওয়ার প্রয়োজন হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এখন নজর আদালতের সিদ্ধান্তের দিকে। চিকিৎসার প্রয়োজনে বিদেশ সফরের অনুমতি মেলে কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। আগামী শুনানির পরই বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।

জুন ২৩, ২০২৬
কলকাতা

১২ রাউন্ড পর্যন্ত এগিয়ে মমতা, তারপর কী ঘটেছিল? আদালতে বিস্ফোরক দাবি

ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে দায়ের হওয়া মামলায় গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। গণনাকেন্দ্রের সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ, ইভিএম এবং ভিভিপ্যাট সংরক্ষণ করার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি গৌরাঙ্গ কান্ত। আদালতের অনুমতি ছাড়া কোনও ফুটেজ মুছে ফেলা যাবে না বলেও স্পষ্ট জানানো হয়েছে।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে শুভেন্দু অধিকারী জয়ী হন। সেই ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, ভোটগণনার সময় অনিয়ম এবং কারচুপি হয়েছিল। সেই মামলারই শুনানি ছিল মঙ্গলবার।আদালতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে সওয়াল করতে গিয়ে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, ভোটগণনার প্রথম ১২ রাউন্ড পর্যন্ত সবকিছু স্বাভাবিক ছিল এবং তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এগিয়ে ছিলেন। কিন্তু তার পর থেকেই পরিস্থিতি বদলে যায় বলে অভিযোগ তাঁর।আইনজীবীর দাবি, তৃণমূলের গণনা এজেন্টদের মারধর করে বের করে দেওয়া হয়েছিল। এমনকী কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয় আদালতে। তাঁর বক্তব্য, ১৩ নম্বর রাউন্ড থেকে গণনার ফলাফলে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা যায় এবং তার সমস্ত তথ্য সিসিটিভি ফুটেজে রয়েছে।শুনানিতে আরও অভিযোগ করা হয়, ভবানীপুরের রিটার্নিং অফিসারকে নিয়ে আগে থেকেই আপত্তি ছিল। তা সত্ত্বেও তাঁকেই ওই দায়িত্বে রাখা হয়েছিল। এই বিষয়টিও আদালতের নজরে আনা হয়।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে আদালতের কাছে আবেদন জানানো হয় যাতে দ্রুত মামলার নিষ্পত্তি করা হয়। পাশাপাশি সিসিটিভি ফুটেজ, ইভিএম এবং ভিভিপ্যাট সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়ারও আর্জি জানানো হয়।সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত গণনাকেন্দ্রের সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশ দেয়। একইসঙ্গে ভবানীপুর কেন্দ্রের ব্যবহৃত ইভিএম এবং ভিভিপ্যাটও সংরক্ষণ করতে বলা হয়েছে। আদালতের অনুমতি ছাড়া কোনও তথ্য বা ফুটেজ নষ্ট করা যাবে না।এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে দুই মাস পরে। তবে আদালতের এই নির্দেশের পর ভবানীপুর নির্বাচনের ফলাফল এবং ভোটগণনা প্রক্রিয়া নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুন ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal