• ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩, বুধবার ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Mobile

রাজ্য

তারাপীঠে মোবাইল প্রাপ্তি পুন্যার্থীদের, পুজো দিতে গিয়ে খোয়া গিয়েছিল

তারাপীঠে মা তারার পুজো দিতে এসে কারও মোবাইল হয় চুরি হয়ে গিয়েছিল। নয় তো গিয়েছিল হারিয়ে। এমন প্রায় ৩১ টি মোবাইল উদ্ধার করেছিল পুলিশ। সেই মোবাইল পুন্যার্থীদের হাতে ফিরিয়ে দিল তারাপীঠ থানার পুলিশ। ওই মোবাইলগুলির অনেকগুলো আবার সুদূর কলকাতা, হাওড়া, হুগলী এমনকি বিহারের পুন্যার্থীদের। রয়েছে মন্দিরের পূজারীর মোবাইলও। খোয়াও যাওয়া মোবাইল ফেরত পেয়ে খুশি সকলেই।সিদ্ধপীঠ তারাপীঠ এখন রাজ্য ছাড়িয়ে দেশের অন্যতম তীর্থক্ষেত্রের জায়গা করে নিয়েছে। বিশেষ করে বিহার, ঝাড়খণ্ডের বেশি সংখ্যক মানুষ তারাপীঠে মা তারার পুজো দিতে আসেন। মন্দিরে প্রতিদিন ১০ থেকে ২০ হাজার মানুষের সমাগম হয়। বিশেষ দিনে সেই সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়িয়ে যায়। ভাদ্রমাসের কৌষিকী অমাবস্যায় সেই সংখ্যা পাঁচ লাখে পৌঁছে যায়। পুন্যার্থীরা যখন মা তারার দর্শনের জন্য ব্যস্ত থাকেন সেই সুযোগে হাত সাফাই করে একদল দুষ্কৃতী। ফলে পুণ্য করতে এসে মোবাইল খুইয়ে হতাস হয়ে ফিরে যান পুন্যার্থীরা। মোবাইল খুইয়ে অনেকেই ভেবেছিলেন, আর তা ফিরে পাবেন না। কিন্তু পুলিশের সাইবার সেল এবং তারাপীঠ থানার উদ্যোগে তা সম্ভব হওয়ায় সকলেই খুশি। তাঁদেরই একজন বিহারের নওদা জেলার বাসিন্দা রাজীব নেহার। তিনি বলেন, ডিসেম্বর মাসে তারাপীঠে এসেছিলাম। মন্দির সংলগ্ন আঘোর আশ্রমে উঠেছিলাম। রাত্রে জানালা থেকে দুটো মোবাইল চুরি হয়ে যায়। একটা মোবাইল অনেক পুরনো তাই কোন কাগজ ছিল না। আরেকটা একদম নতুন ছিল। সেই কারণে একটি মোবাইল চুরির অভিযোগ করেছিলাম। ফোনটা যে ফিরে পাব ভাবিনি। কিন্তু তারাপীঠ থানার সহযোগিতায় ফোনটা ফিরে পেলাম।মন্দিরের সহযোগী পূজারী চন্দন কুমার মুখোপাধ্যায় বলেন, মাস চারেক আগে তারাপীঠের রাস্তা থেকে মোবাইল ফোন হারিয়ে গিয়েছিল। সঙ্গে সঙ্গে তারাপীঠ থানায় অভিযোগ জানিয়েছিলাম। সেই ফোন ফিরে পেলাম। পুলিশের উদ্যোগ ছাড়া এটা সম্ভব হতো না।বীরভূম জেলা পুলিশ হারিয়ে যাওয়া মোবাইল উদ্ধার করে প্রাপকের হাতে ফিরিয়ে দিতে বিশেষ উদ্যোগ নেয় কয়েক বছর আগে। ফিরিয়ে দেওয়া অনুষ্ঠানের নাম দেওয়া হয়েছিল প্রাপ্তি। সেই অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়েই ৩১ জনের মোবাইল প্রাপ্তি হল শনিবার। মোবাইল ফিরে পেয়ে পুলিশকে সাধহুবাদ জানিয়েছেন সকলেই।

মে ২৫, ২০২৫
টুকিটাকি

সাবধান! বাচ্চা মোবাইলে আসক্ত? জানেন কি কি ক্ষতি হতে পারে?

কেউ হয়তো জিজ্ঞেস করেই যাচ্ছে তোমার নাম কি? কোন ক্লাসে পড়? কে শোনে কার কথা। তখন সে একেবারে ভিন্ন জগতে। ওই কথা সে শুনতেই পাচ্ছে না। কারণ তখন বাচ্চাটি মোবাইলের স্ক্রিণের দিকে এক দৃষ্টে তাকিয়ে আছে। তার জগত তখন 6-7ইঞ্চির স্ক্রিণ। আজকের ডিজিটাল যুগে স্মার্ট ফোন একটি অত্যাবশ্য়ক যন্ত্র। যা হাতের মুঠোয় মেলে ধরেছে গোটা পৃথিবী। এক দশক আগেও যা ছিল কেবল যোগাযোগের মাধ্যম। এখন তা বিনোদন ও জ্ঞানের ভান্ডার। যার ব্যবহার দৈনন্দিন জীবন যাপন সহজলভ্য করে তুলেছে। বড় থেকে ছোট সকলেই এখন মোবাইলে আসক্তি গ্রস্ত।তবে স্মার্ট মোবাইল তার বিস্তর প্রভাব ফেলছে শিশু মনের উপর। শিশুরা অত্যাধুনিক খেলনা হিসেবে মোবাইলকে বেছে নিয়েছে। তারা ভুলে গিয়েছে খেলনা গাড়ির কথা, পুতুল পুতুল খেলা। নিদেনপক্ষে দুষ্টুমিও। সব যেন মোবাইল কেন্দ্রীক। এখন বাস, ট্রেন, বিমান বা শপিং মলেও বাচ্চাদের হাতে মোবাইল। নতুন নতুন গেমস, চমকদার কার্টুন, নিত্য নতুন শিক্ষণীয় বিষয়, শিশুদের বিশেষ আকর্ষণের কারণ। যার ফল স্বরূপ শিশুরা মোবাইলে স্ক্রিনে নিজেদের বন্দি করে রাখছে{ দিনের বেশ কিছুটা সময় এভাবেই তারা কাটিয়ে দেয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, মোবাইল শিশু মনের উপর বিরাট প্রভাব ফেলছে। যার নেগেটিভ দিকটাই বেশি। অতিরিক্ত সময় মোবাইলের স্ক্রিন দেখার জন্য তাঁদের চোখের সমস্যা দেখা দিছে। যেমন চোখ ড্রাই হয়ে যাওয়া, ঝাপসা দেখা, মাথা ব্যাথা হওয়া। সব থেকে বড় কথা, আসক্তির ফলে নিজের ওপরে নিয়ন্ত্রণ থাকছে না।তাছাড়া মোবাইলে এর আলো মস্তিষ্কের মেলাটোনিন হরমোন নিঃসরণে বাধা দেয়, যা ঘুমের ব্যঘাত ঘটায়। যার ফলে শিশুর মানসিক ও শারীরিক বিকাশ বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে। পড়াশুনায় মন বসছে না। অতিরিক্ত গেমস বা কার্টুন দেখার ফলে সামাজিক দূরত্ব বাড়ছে। সকলের সাথে মিলেমিশে থাকা বা বন্ধুদের সাথে মাঠ কিংবা পার্কে খেলাধুলার প্রবণতাও কমছে। যার ফলে তাঁদের মধ্যে একাকিত্ব ও অত্মবিশ্বাসের অভাব দেখা দিতে পারে।কিছু বাচ্চা মোবাইলে এতটাই আসক্ত যে মোবাইলে হাত থেকে নিলে তারা জেদ বা কান্নাকাটি করছে। এমনকি খুব রেগে যাচ্ছে। ছোট বয়সেই খিটখিটে হয়ে যাচ্ছে। বাবা-মা কথা বললেও বিরক্তি প্রকাশ করছে। এককথায় তাদের সামলানোই দুষ্কর হয়ে যায়। আবার অনেক গেমসে আসক্ত বাচ্চারা স্ক্রিন এর ভিতরের জগৎকে বাস্তব ভেবে অপরাধ মূলক কাজও করে ফেলছে।মোবাইল ফোনের অপব্যবহার বাচ্চাদের মধ্যে মানসিক চাপ ও উদ্বেগের মতো সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। তবে কি মোবাইল ফোন সম্পূর্ণ বর্জন করতে হবে?তা কখনই সম্ভব না। আজকের যুগে মোবাইল একটি শক্তিশালী হাতিয়ার। শুধু দরকার এর সঠিক ব্যবহার, আর অভিভাবকদের সচেতনতার। কয়েকটি বিষয় যদি অভিভাবকরা একটু নজরে রাখেন তাহলেই মোবাইলের সঠিক ব্যবহার হবে। আর বাচ্চারাও এর আসক্তি থেকে মুক্তি পেতে পারে। তবে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, বাবা-মায়ের অতিরিক্ত মোবাইল ব্য়বহারেও বাচ্চা প্রভাবিত হতে পারে। সেক্ষেত্রে অভিভাবকদের সাবধান থাকতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে-* বাচ্ছাদের স্ক্রিন টাইমিং কমিয়ে, তাঁদের এক্সট্রা কারিকুলার একটিভিটিস যেমন অঙ্কন, নাচ, গান, বই পড়াতে উৎসাহিত করা।* ছোটরা মোবাইলে কী দেখছে সেদিকে যথেষ্ট সচেতন থাকা। অর্থাৎ নজর রাখা।* বাচ্ছাদের সাথে সময় কাটানো। গল্প শোনানো, খেলা, ঘুরতে যাওয়া। একসঙ্গে লাঞ্চ বা ডিনার করা।শতাব্দী পাল ঘোষ

এপ্রিল ২৬, ২০২৫
রাজ্য

রেল এলাকা থেকে চুরি যাওয়া একাধিক মোবাইল উদ্ধার করে আসল মালিকের হাতে তুলে দিল রেল পুলিশ

অনন্য নজির রেল পুলিসের। শুক্রবার বর্ধমান জিআরপি থানায় এক ছোট্ট অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ২৩ জন প্রাপকের হাতে তাদের মোবাইল ফিরিয়ে দেওয়া হল। এই অনুষ্ঠানের নাম দেওয়া হয়েছিল ফিরে পাওয়া।অনুষ্ঠানে জি আর পি; ও.সি চিন্তাহরণ সিনহা সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। হারিয়ে পাওয়া মোবাইল পেয়ে প্রাপকেরা জানান; তারা খুব খুশি। বারবার রেল পুলিশকে ধন্যবাদ জানান তারা।

নভেম্বর ২৫, ২০২২
রাজ্য

সেলফির নেশায় ঝলসে গেল যুবকের দেহ, ৮০ শতাংশ পুড়ে ভর্তি হাসপাতালে

সেলফি তুলতে ঝলসে গেল যুবক। শরীরের ৮০ শতাংশ পুড়ে যাওয়া ওই যুবককে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, বীরভূমে দাঁড়িয়ে থাকা মালগাড়ির ছাদের ওপর চেপে সেলফি তুলছিল যুবক টুয়েল খান(১৯)।মঙ্গলবার দুপুরে বীরভূমের রাজগ্রাম স্টেশনে ঘটনাটি ঘটেছে। ওই স্টেশনের ৩ নম্বর প্লাটফর্মে দাঁড়িয়ে ছিল একটি মালগাড়ি। সাহেবগঞ্জ লুপ লাইনেও ওই দাঁড়িয়ে থাকা মালগাড়ির ওপর চাপে টুয়েল। সেলফি তুলতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ঠ হয়ে নীচে ছিটকে পড়ে যায় সে। তাঁর পোষাক পুড়ে যায়। শরীর ঝলসে গিয়েছে। প্রায় ৮০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছে ওই যুবকের। মারত্মক জখম অবস্থায় তাঁকে রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।ওই যুবকের বন্ধু সাম্বু শেখ জানিয়েছে, তাঁরা এদিন দুপুরে দুজনে ওই স্টেশনে বেড়াতে গিয়েছিল। হঠাৎই টুয়েল মালগাড়ির উপরে উঠে সেলফি তুললে শুরু করে। তখনই ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটে। বিদ্যুতের তার ওর গায়ে লেগে নীচে পড়ে যায় টুয়েল।

নভেম্বর ২২, ২০২২
রাজ্য

মোবাইলের দোকানে চুরি করতে গিয়ে হাতেনাতে পাকড়াও

মোবাইলের দোকানে চুরি করতে গিয়ে হাতেনাতে পাকড়াও তস্কর। উত্তম মধ্যম দেওয়ার পর তুলে দেওয়া হল পুলিশের হাতে। পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের আলিনগর বাজারে বৃহস্পতিবার রাতে মোবাইলের দোকানে সিঁদ কেটে চুরি করার সময় এক দুস্কৃতিকে ধরে ফেলে স্থানীয়রা। খবর দেওয়া হয় পুলিশে। এই ঘটনায় এলাকায় দারুণ চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। ভাতার থানার পুলিশ গিয়ে ওই যুবককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।স্থানীয় মানুষজন এই ঘটনায় চরম আতঙ্কিত। তারা বলেন, সন্ধ্যা রাতেই এরকম ঘটনা ঘটলে মধ্যরাতে এর থেকেও অনেক বড় ঘটনা ঘটে যেতে পারে। তাই বাজারে পুলিশের নজরদারি চাইছেন এলাকার মানুষজন।

নভেম্বর ১১, ২০২২
রাজ্য

মোবাইল ঘাঁটা মানা, অভিমানে কীটনাশক খেয়ে অত্মঘাতী মেয়ে

পড়াশোনা ছেড়ে মোবাইল নিয়ে ব্যস্ত, মা বাবার বকুনিতে অভিমানে কীটনাশক খেয়ে আত্মঘাতী হল ছাত্রী। মৃতার নাম সুমি খাতুন (১৮)।বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের কালনার শাসপুরে। ইংরাজী অনার্স নিয়ে মুড়াগাছা কলেজে ভর্তি হয় সুমি খাতুন।কিন্তু পড়াশোনা ঠিক মতো করছিলো না। অধিকাংশ সময়ই মোবাইল নিয়ে ব্যস্ত থাকতো এই নিয়ে মঙ্গলবার বাবা ও মা তাকে বকাঝকা করে।এরপরই সে ঘরে রাখা কীটনাশক খায়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে প্রথমে কালনা মহকুমা হাসপাতাল ও পরে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে রাতেই তার মৃত্যু হয়।পুলিশ দেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে।

নভেম্বর ০৯, ২০২২
কলকাতা

গার্ডেনরিচের আমির তো যথার্থই 'আমির'!, বাড়ি থেকে উদ্ধার রাশি রাশি টাকা

সকাল থেকেই সকলের নজর ছিল ইডির তল্লাশির দিকে। সেই পার্থঘনিষ্ট অর্পিতার দুটি ফ্ল্যাট থেকে রেইড করতে গিয়ে টাকা গোনা দেখতে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছে আমবাঙালী। শনিবারও তার থেকে কোনও ব্যতিক্রম হয়নি। শেষমেশ আমিরের বাড়িতে খাটের নীচ থেকে কুবেরের ধন উদ্ধার করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সাড়ে ১৭কোটি টাকা নগদ পেয়েছে ইডির আধআকিরাকরা। ২হাজারস ৫শো, ২শো, একশো টাকার বান্ডিল বান্ডিল নোট উদ্ধার হয়েছে। দিনভর টাকা গুনতে ব্যবহার করা হয়েছে মোট ৮টি মেশিন। টাকা গুনতে সহযোগিতা করেছেন ব্যাংকের আধিকারিকরা। বাড়ি ঘিরেছিল কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী। মাছি না গলার মতো ছিল নিশ্চিদ্র নিরপাত্তা ব্যবস্থা। তবে আমির খানের তিনটে মোবাইলই বন্ধ পেয়েছে ইডি।এর আগে অর্পিতার উত্তর কলকাতার ফ্লাট থেকে প্রায় ৩০কোটি টাকা নগদ উদ্ধার করেছিল ইডি। সাম্প্রতিককালে টাকার পাহাড়ের উদ্ধারের সেই যাত্রা শুরু। তারপর অর্পিতারই বেলঘড়িয়ার ফ্লাট থেকে উদ্ধার ১৮কোটি টাকা। মালদার এক মাছ ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় ১কোটি ৩৯ লক্ষ টাকা। এরইমধ্যে চিটফান্ড কাণ্ডে হালিশহরের পুরসভার চেয়ারম্যান রাজু সাহানীর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় ৮০কোটি টাকা। এবার গার্ডেনরিচে ব্যবসায়ী আমির খানের বাড়ি থেকে ১৭.৫০কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছে। টাকা নিয়ে যাওয়ার জন্য় 1১০টি ট্রাঙ্ক নিয়ে আসা হয়েছে। ৫টি ট্রাঙ্কে টাকা ভরা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, পার্কস্ট্রিট থানায় একটি মোবাইল গেম নিয়ে অভিযোগ হয়েছিল।এদিকে ইডি খোঁজ নিচ্ছে, এই টাকা আদতে কার। কারণ মোবাইল গেমের কথা বলা হলেও সেই টাকা তো ব্য়াংক অ্যাকাউন্টে লেনদেন হবে{ সেক্ষেত্রে অ্যাকাউন্ট লেনদেন পাওয়া খুব কঠিন নয়। এদিকে আমির খানের বাড়ির লোকজন তদন্তে কোনও সাহায্য করেনি বলে ইডির দাবি। কোথায় তিনি আছেন সে বিষয়েও কেউ মুখ খোলেনি।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২২
রাজ্য

মোবাইলে নিষেধাজ্ঞা কলকাতা পুলিসের, আর ফোন নিয়ে সরকারি ডিউটি করা যাবে না

পুলিসের ফোন ব্যবহার বিধিনিষেধ নিয়ে কড়া নির্দেশিকা লালবাজারের। কয়েকদিন আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে এক অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির অনুপ্রবেশ ঘিড়ে তুলকালাম পুলিস মহলে। হাফিজুল মোল্লা নামে এক ব্যক্তির অনুপ্রবেশের পর থেকেই পুলিশি নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠেছে। সরকার বিরোধী শিবির বাম, বিজেপি ও কংগ্রেস প্রশ্ন তোলে, যেখানে জেড ক্যাডাগড়ি ভুক্ত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা বিঘ্নিত, সেখানে রাজ্যের সাধরণ মানুষের কথা যত কম বলা যায় ত্তি ভালো। তাঁর পরবর্তি সময়ে কলকাতা পুলিস বেশ কিছু কড়া সিদ্ধান্ত নেয়। তাঁর মধ্যে প্রথমেই তারা নজর দেয় নবান্নের নিরাপত্তায়। তখন তাঁরা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো, রাজ্যের প্রধান করণ নবান্নতে এর পর থেকে কর্তব্যরত কোনও পুলিশকর্মী মোবাইল ফোন নিয়ে ডিউটি করতে পারবেন না। তাঁদের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন জমা রেখে ডিউটি করতে হবে। সেই নিয়মই বলবত থাকে মুখ্যমন্ত্রীর বসতবাড়ি কালীঘাটেও।নবান্ন বা কালিঘাটের মুখ্যমন্ত্রীর বারিতে থেমে না থেকে কলকাতা পুলিস এবার আরও কড়া ব্যবস্থা নিল। মঙ্গলবার কলকাতা পুলিশ ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন ব্যবহারে আরও কঠোর নিয়ম জারি করল। তাঁরা জানিয়েছে, কর্তব্যরত অবস্থায় জরুরি প্রয়োজন ছাড়া মোবাইল ফোন ব্যবহার আর করা যাবে না। লালবাজার সুত্রে জানা যায়, বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া কর্তব্যরত অবস্থায় পুলিসকে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে দেখা গেলে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আরও জানা গেছে কেউ যদি, কিউআরটি/এইচআরএফএস, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ বা সেন্ট্রি ডিউটিতেও থাকে তাহলেও মোবাইল ফোন ব্যবহার করা যাবে না।মঙ্গলবার কলকাতার পুলিশ কমিশনার পুলিসের মোবাইল ফোন ব্যবহার নিয়ে বেশ কিছু কড়া নির্দেশ দিয়েছেন। মনে করা হচ্ছে, কিছুদিন আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির অনুপ্রবেশের পর পুলিসি ব্যবস্থার প্রতি সাধরণ মানুষের প্রশ্ন জাগতেই এতটা তৎপরতা। সেই ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে সর্বস্তরে এক বড় প্রশ্ন ওঠে।লালবাজার সুত্রে জানা গেছে, মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে যারা থাকবেন, তাঁদেরও মোবাইল ব্যবহার নিষেধাজ্ঞা জারী করা হয়েছে। এদিনের লালবাজারের এই নির্দেশিকা মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সেই ঘটনার প্রতিফলন বলে ভাবছে অভিজ্ঞ মহল।

জুলাই ২০, ২০২২
রাজ্য

টাওয়ার বসানোর নামে বড়সড় প্রতারণাচক্র পুলিশের জালে, বর্ধমানে উদ্ধার লক্ষ লক্ষ টাকা

টাওয়ার বসানোর বড়সড় প্রতারণচক্রের পান্ডাকে গ্রেফতার করেছে পূর্ব বর্ধমান সাইবার থানা। একইসঙ্গে ওই ঘটনায় ২০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করে অভিযোগকারীর হাতে তুলে দিয়েছে। সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার আবেদন জানিয়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ।মাঝে-মধ্যেই মোবাইলের টাওয়ার বসানো নিয়ে কোনও কোনও না চক্র সক্রিয় হয়ে ওঠে। তারপর সেই ফাঁদে পা দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণার শিকার হয় সাধারণ মানুষ। তখন আর হা-হুতাশ করা ছাড়া কোনও উপায় থাকে না। এবার পরিত্রাতার ভূমিকায় পুলিশ। এবার পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশের তৎপরতায় সাইবার ক্রাইম থানার প্রচেষ্টায় উদ্ধার হয়েছে প্রতারণার পুরো ২০ লক্ষ ২৮ হাজার ৬২০ টাকা।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্ধমান উল্লাসের বাসিন্দা ডঃ দেবব্রত ব্যানার্জীর কাছে তাঁর হাসপাতালের ছাদে রিলায়েন্স জিও ইনফোকম টাওয়ার বসানোর প্রস্তাব আসে। একইসঙ্গে মোটা অংকের রিটার্নের প্রলোভন দেওয়া হয়। পরবর্তীকালে বিভিন্ন চার্জ, ফিজ, ফিক্সড ডিপোজিট-এর নাম করে ২০ লক্ষের ওপর টাকা ওনার কাছ থেকে নেওয়া হয়। উনি পরে প্রতরণার শিকার হন বুঝতে পেরে গত গতবছর ৮ নভেম্বর এই বিষয়ে ডঃ দেবব্রত ব্যানার্জী পূর্ব বর্ধমান সাইবার থানায় কেস করেন। সাইবার থানা ঘটনার তদন্তে নেমে গতকাল এই কেসের আসামিকে গ্রেফতার করে। প্রতারিত হওয়া পুরো ২০ লক্ষ ২৮ হাজার ৬২০ টাকা উদ্ধার করে অভিযোগকারীকে ফিরিয়ে দেয়।

মে ১৩, ২০২২
দেশ

আর ২৮ দিনের ফোনে রিচার্জ নয়! গ্রাহক স্বার্থে বিশেষ ঘোষণা করতে পারে ট্রাই

বর্তমানে যেকোনও সংস্থার মোবাইলে ১মাসের জন্য রিচার্জ করতে গেলে আপনি কখনই ২৮ দিনের বেশী বৈধতা পাবেন না। সাধারণ মানুষের এই বহুচ্চারিত, বহু-সমলোচিত সিস্টেমের অবসান হতে চলেছে। সম্প্রতি টেলিকম রেগুলেটরি অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (TRAI) যে নোটিফিকেশন জারি করেছে, তাতে এই সমস্যা থেকে মানুষ মুক্তি পেতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে।এখন ১ মাসের ঘোষণা করে মোবাইল সংস্থার-গুলির যে রিচার্জ প্ল্যান বাজারে আছে তার কোনটাই ২৮ দিনের বেশী নয়। এতে করে সাধরণ মানুষের ২ দিনের ভ্যালিডিটি লোকসান হচ্ছে। ইংরাজি ক্যলেন্ডার আনুসারে ১২ মাসের মধ্যে একমাত্র ফেব্রুয়ারি মাস-ই ২৮ দিনের হয় (লিপ-ইয়ার ব্যাতীত)। তাহলে কেন ৩০ বা ৩১ দিনের (মাস হিসাবে) জন্য টাকা নিয়ে ২৮ দিনের সার্ভিস দেওয়া হবে? এই নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে দীর্ঘ দিন ধরেই অসন্তোষ প্রকাশ করে যাচ্ছেন এক শ্রেনীর মানুষ। টেলিকম রেগুলেটরি অথরিটি অফ ইন্ডিয়া,টেলিকম সার্ভিস প্রভাইডার-দের (TSP) নির্দেশ দিয়ে জানিয়েছে, তাঁরা সারা দেশ থেকে প্রিপেইড রিচার্জ ব্যবহারকারী বহু মানুষের কাছ থেকে ২৮ দিনের প্ল্যান বৈধতা নিয়ে প্রচুর অভিযোগ পেয়েছেন, সাধারণ মানুষ জানতে চেয়েছেন যখন একজন ব্যাক্তি ১মাসের মাইনে ৩০ অথবা ৩১ দিনে পাই, সেখানে এক মাসের রিচার্জ করে ২৮ দিনের বৈধতা কেন পাবো? বাস্তবে এক মাস বা ৩০ দিনের কোনও প্রিপেড প্ল্যান নেই। টেলিকম দপ্তরের এই নির্দেশিকা-য় সাধারণ মানুষের অনেক সুবিধা হবে বলে মনে করা হচ্ছে। জনতার কথা এই বিষয়ে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের সাথে কথা বলেছে, ডাটা এনালিসিস্ট সৌম্য দাস জনতার কথাকে বলেন, আমরা আগে রিচার্জ করলে এক মাস মানে ৩০ দিন-ই পেতাম, এতে আমরা পুরনো মেসেজ দেখে হিসাব করতে পারতাম পরের মাসে কোন দিন রিচার্জ করতে হবে, হঠাৎ করে ২৮ দিন করে দেওয়ায় আমাদের ২ দিন ক্ষতি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ভ্যালিডিটি মনে রাখারও একটা সমস্যা হচ্ছে। বহুজাতিক কর্পোরেট সংস্থার আধিকারিক কুনাল মুখোপাধ্যায় আমাদের জানান, এ সমস্যা আগে ছিল না। ২০১৫ সালে পর থেকেই এই সমস্যা শুরু হয়েছে, ৩০ দিন থেকে ভ্যালিডিটি ২৮ দিন করে দেওয়াতে আপনি ১২ মাসের পেমেন্ট করে ১১ মাসের সুবিধা পাচ্ছেন। অর্থাৎ আপনার অজান্তেই ১ মাসের টাকা আপনার ওয়ালেট থেকে চলে গেল। সরকারি ঘোষনা-র ফলে যদি ৩০ দিনের বৈধতার প্ল্যান আসে, তাহলে প্রিপেড রিচার্জ করা ব্যবহারকারীরা অনেক বেশি উপকৃত হবেন এবং তাদের ১২ মাসে মুল্য দিয়ে সম সংখ্যক মাসেরই সুবিধা পাবেন। টেলিকম সার্ভিস প্রভাইডার-দের (TSP) যে রিচার্জ প্ল্যানগুলি এই মুহুর্তে বাজারে আছে তাঁর কোনটাই মাসের সাথে সামাঞ্জস্য রেখে নেই। ৬০ দিনের (২ মাস) পরিবর্তে ৫৪, ৯০ দিনের (৩ মাস) পরিবর্তে ৮৪। অনেক সংস্থার আবার এর থেকে কম দিনের প্ল্যান-ও আছে। টেলিকম রেগুলেটরি অথরিটি অফ ইন্ডিয়া ৬০ দিনের মধ্যে এই বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বলেছে সংস্থাগুলিকে। তবে, ভারতে প্রথম সারির টেলিকম সার্ভিস প্রভাইডররা, ভোডাফোন-আইডিয়া (Vi) , জিও (Jio) এবং এয়ারটেল (Airtel) এবং ভোডাফোন-আইডিয়ার (Vi) কবে থেকে ট্রাই নির্দেশিত ৩০ দিনের বৈধতার রিচার্জ প্ল্যান নিয়ে আসবে তা এখনও প্রকাশ করেনি। সাধারণ মানুষের আশা খুব শীঘ্রই ৩০ দিনের বৈধতার রিচার্জ প্ল্যান আসবে এবং তাদের সুরহা হবে।

জানুয়ারি ৩০, ২০২২
স্বাস্থ্য

Text Neck Syndrome: মোবাইলের অতিরিক্ত ব্যবহার এক নতুন রোগের বার্তা নিয়ে হাজির "টেক্সট নেক সিনড্রোম"

দূর্গা পুজো শুরু হতে যাচ্ছে। করোনার আবহাওয়াতেও মানুষ যেন নিজেকে আনন্দে মশগুল করে নিতে চাইছে। এবার মায়ের ঘোড়ায় আগমন আর দোলায় গমন। ঘোড়ায় আগমন মানে ছত্রভঙ্গন্তরঙ্গমে অর্থাৎ প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি আর বিশৃঙ্খলা। দোলাং মড়কাং ভবেৎ অর্থাৎ মায়ের দোলায় গমনের জন্য প্রচুর মৃত্যু আর মড়ক হবে, শরীর খারাপ হবে। তাই মায়ের গমনের কথা মাথায় রেখে আমরা শরীর সম্পর্কিত একটি বিষয় আলোচনা করবো যে অসুবিধা আমাদের সবার জীবনেই আছে।মোবাইল আমাদের জীবনের খুব প্রয়োজনীয় অঙ্গ হয়ে গেছে। তার মধ্যে আবার ফেসবুক, হোয়াটসআপ ছাড়া আমাদের সময় কাটে না। ফেইসবুক, হোয়াটসআপ আর ইনস্টাগ্রাম যখন 4th Oct ডাউন হয়ে যায় তখন মনে হচ্ছিলো আমরা মোবাইল এর কাছে কিভাবে আসক্ত হয়ে গেছি। মোবাইল ছাড়া আমাদের একটুও সময় কাটে না। আর এই মোবাইলের প্রভূত ব্যবহারের ফলে আমাদের টেক্সট নেক সিনড্রোম হচ্ছে। আমরা ফিজিওথেরাপিস্টরা প্রচুর এই ধরণের রোগী দেখছি, যার ফল মারাক্তক হতে পারে।কি এই টেক্সট নেক?টেক্সট নেক হলো এক বিশেষ ধরণের শারীরিক ভঙ্গিমা যাতে মাথা সামনের দিকে এগিয়ে থাকে ঠিক যেভাবে আমরা ফোন দেখি বা ফোনে টেক্সট করি। এই ভাবে দীর্ঘক্ষণ দিনের পর দিন করতে করতে শরীরের ভঙ্গিমার পরিবর্তন ঘটে। সমীক্ষায় বলছে ভারতীয়রা সারাদিন গড়ে ৩ থেকে ৪ ঘন্টা মোবাইল ব্যবহার করে.আমেরিকার কাইরোপ্র্যাক্টর Dr. Dean L. Fishman এই সিনড্রোমটির নামকরণ করেন।কখন বুঝবেন আপনার টেক্সট নেক হয়েছে?ঘাড় স্টিফ হয়ে থাকবে।ব্যথা হবে।ব্যথা হাত দিয়ে নামবে।Shoulder ব্যথা হবে।মাথা ব্যথা হবে।দীর্ঘদিন এই সমস্ত উপসর্গ কে অবহেলা করলেঃডিস্ক Prolapsedআর্থরাইটিসকইফোসিসলিগামেন্ট ইনজুরিনার্ভ ইনজুরিইত্যাদি হতে পারে।তাই সাবধান থাকার জন্য কয়েকটি টিপস আর এক্সারসাইজ দেখে নিই।প্রথমে বলি কি করা যাবে নাদীর্ঘক্ষণ মোবাইল ব্যবহার করা যাবে না।এক রকম শারীরিক ভঙ্গিমায় দীর্ঘক্ষণ থাকা যাবে না।কম্পিউটার বা মোবাইল ব্যবহার করলে তা চোখের লেভেল বরাবর করতে হবে এবং হাত ও ঘাড়ের পজিশন ঠিক রাখতে হবে।হাতে বেশি ওজন বহন করা যাবে না।বড়ো কোনো জিনিস হাতে দীর্ঘক্ষণ ধরে থাকা যাবে না।এবার আলোচনা করি কয়েকটা ব্যায়ামঘাড়ের ডান ও বাম দিকে ঘোরানো।চিন টাক বা রিট্রাকশন এক্সারসাইজ।Shoulder এর মুভমেন্ট এক্সারসাইজ।Cervical এক্সটেনশন এক্সারসাইজ।Dorsal Spine এক্সটেনশন এক্সারসাইজ।ক্যাট - কাওএক্সারসাইজ।ডাউনওয়ার্ড ফেসিং ডগ।পদহস্তাসন।ডঃ সত্যেন ভট্টাচার্যDr. Satyen Bhattacharyya) (PT)MPT, COMT, CMT, CDNP, DOMTP (Pursuing), PhD Scholar.Associate Professor : Burdwan Institute of Medical and Life SciencesEx-Physiotherapist : Sports Authority of India, Bardhaman

অক্টোবর ০৭, ২০২১
রাজ্য

Free Vaccination : বিনামূল্যে ৫৫০ জনকে টীকাকরণ অটোমোবাইল সংস্থার

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে বেসামাল হয়ে পড়েছিল রাজ্য তথা সারা দেশ। এবার তৃতীয় ঢেউয়ের দিন গোনা শুরু। এদিকে এখনও চলছে ভ্যাকসিনের আকাল। তারই মধ্যে সরকারিভাবে এখনও ১৮ থেকে ৪৫ বছর বয়সীদের টীকাকরণের কাজ এরাজ্যে শুরু হয়নি। যদিও দেশের অন্য কয়েকটি রাজ্যে তা শুরু হয়েছে। এরইমধ্যে রাজ্যের বেশ কিছু বেসরকারি সংস্থা নিজেদের উদ্যোগে বিনামূল্যে সংস্থার কর্মীদের টীকাকরণ কর্মসূচি পালন করছে।আরও পড়ুনঃ ভুয়ো টিকা-কাণ্ডে স্বাস্থ্য ভবনে শুভেন্দু, হতে পারে জনস্বার্থ মামলাওকলকাতার অন্যতম বৃহত্তম অটোমোবাইল ডিলার সংস্থা শ্রী অটোমোটিভ গ্রুপের উদ্যোগে ৫৫০ জন কর্মী ও তাঁদের পরিবারকে বিনামূল্যে করোনার টীকাকরণ করা হয়। সংস্থার পক্ষে টীকাকরণের উদ্যোগ নেন দুই ডিরেক্টর সৌরভ কেডিয়া, অভিষেক কেডিয়া ও চেয়ারম্যান শারদ কেডিয়া। সংস্থার ব্রাঞ্চ প্রধান গিরিজা সরকার বলেন, রাজ্য সরকারের সহযোগিতায় এই টীকারকণ সম্ভব হয়েছে। কোভিড আবহে আমাদের আফিসে কাজকর্ম চলছে। টীকাকরণ হওয়ায় কর্মীদের মনোবল বেড়ে যাবে। টীকাকরণের দায়িত্ব নেওয়ায় সংস্থার উর্দ্ধতন কতৃপক্ষকে ধন্যবাদ। তাঁরা যে কর্মীদের কথা ভেবেছে এটা বড় কথা।

জুন ২২, ২০২১
প্রযুক্তি

মোবাইল ফোন থেকে ডিলিট নম্বর উদ্ধার করুন এইভাবে

আজকাল কাজের ব্যস্ততার মধ্যে অনেকেই আর ফোন নম্বর সেভাবে খাতায় লিখে রাখেন না। এক্ষেত্রে সকলেই চোখ বুঝে ভরসা করেন মোবাইল ফোনের কনট্যাক্ট লিস্টে। কিন্তু ফোনে কোনও গোলমাল হওয়ার পর সিস্টেম আপডেট করতে গিয়ে উড়ে যায় কনট্যাক্ট লিস্ট। কিংবা অন্য কোনওভাবে ডিলিট হয়ে যায় গুরুত্বপূর্ণ নম্বরগুলি। গুগল সে সমস্যার সমাধানেই তৈরি করেছে কনট্যাক্টস অ্যাপ। প্লে স্টোরে গিয়ে সার্চ করলেই পেয়ে যাবেন। ইনস্টল করে নিলেই হবে। এখন আবার এই অ্যাপটিকে আরও খানিকটা ইউজার ফ্রেন্ডলি করে তুলেছে গুগল। যুক্ত করেছে নতুন ফিচার ট্র্যাশ। অনেকে এই ফিচারের সাহায্যে কোনও নম্বর মো্বাইল থেকে ডিলিট করার পরও তা ফিরে পেতে পারেন। এই ফিচারে ৩০ দিন পর্যন্ত জমা থাকবে আপনার ডিলিট করা নম্বর। এই অ্যাপটি ব্যবহার করাও অত্যন্ত সহজ।

অক্টোবর ০৯, ২০২০
প্রযুক্তি

PUBG বা FORTNITE নয়, শীর্ষ স্থানে "AMONG US"

মোবাইল গেম খেলা ভালো খারাপ এই নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই, বিশেষত স্কুল পড়ুয়াদের জন্য এর প্রভাব মারাত্বক। আমাদের আনেকেরই জানা নেই যে, এই বছরের সর্বাধিক ডাউনলোড হওয়া মোবাইল গেমটি কিন্তু বহুল প্রচারিত PUBG বা FORTNITE নয়। এটি আমাদের মধ্যে আপেক্ষাকৃত কম পরিচিত মোবাইল গেম, সেন্সর টাওয়ারের (https://sensortower.com/) বর্তমান প্রতিবেদন অনুসারে, 2020 অর্থবর্ষের তৃতীয় কোয়ার্টারের সর্বাধিক ডাউনলোড হওয়া স্মার্টফোন গেমটি হল AMONG US। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-র InnerSloth game studio নির্মিত AMONG US গুগল প্লে স্টোর এবং অ্যাপল স্টোর দুই জায়গাতেই 2020 অর্থবর্ষের তৃতীয় কোয়ার্টারের সর্বাধিক ডাউনলোড গেমসের তালিকার শীর্ষে। এটি একটি মাল্টিপ্লেয়ার গেম যা অনলাইনে বা স্থানীয় ওয়াই-ফাইতে ৪ থেকে ১০ জন খেলোয়াড় এক সাথে খেলা যায়। ওয়েবসাইটের বিবরণ অনুযায়ী, গেমটির মূল লক্ষ্য হল আপনার মহাকাশযান-টিকে সুরক্ষিত রাখা এবং সস্থানে ফিরে আসা। কিন্তু সাবধান থাকুন ... যেহেতু সেখানে আন্য কোনও বাইরের শ্ত্রুও থাকতে পারে! একজন নাবিকদলকে বদলি করা হয় পরাশ্রয়ী প্রতিহিংসাপরায়ণ দ্বারা। তাদের লক্ষ্য হল জাহাজটি তার জায়গায় পৌঁছানোর আগে বাকি নাবিকদের অপসারণ করা। পবঞ্ছকরা জাহাজটির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করবে। ওদের লক্ষ-ই হল জাহাজটিকে নাশকতা করা, ছিঁচকে চোরের মত ঢুকে নাবিকদের প্রতারিত করবে এবং সকল নাবিকদের মেরে ফেলবে। এবং সর্বশেষে নাবিকদেরই জয় লাভ হবে।

অক্টোবর ০৬, ২০২০

ট্রেন্ডিং

দেশ

যুদ্ধের বাজারেও ভারতের বিরাট সাফল্য! বৃদ্ধির পূর্বাভাস এক ধাক্কায় বাড়াল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার

বিশ্বজুড়ে যুদ্ধের পরিস্থিতি। বাড়ছে অপরিশোধিত তেলের দাম। আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এর মধ্যেই ভারতের অর্থনীতি নিয়ে বড় সুখবর দিল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। চলতি অর্থবর্ষে দেশের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭ শতাংশ করল এই আন্তর্জাতিক সংস্থা। আগে এই হার ৬.৪ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল। অর্থাৎ, বিশ্ব অর্থনীতির একাধিক ক্ষেত্রে চাপ থাকলেও ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার।সংস্থার সাম্প্রতিক বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সংক্রান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে ভারতের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বা জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ হতে পারে। এর আগে গত জুলাইয়ে ৬.৪ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। নতুন অনুমান অনুযায়ী, বৃদ্ধির সম্ভাবনা ০.৬ শতাংশ পয়েন্ট বেড়েছে।শুধু চলতি অর্থবর্ষ নয়, আগামী ২০২৭-২৮ অর্থবর্ষেও ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ থাকতে পারে বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। আগে ওই অর্থবর্ষে ৬.৭ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ, আগামী দুবছরেও দেশের অর্থনীতির গতি বজায় থাকার আশা করছে সংস্থাটি।এর আগে ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্কও চলতি অর্থবর্ষে দেশের জিডিপি বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭.১ শতাংশ করেছিল। এ বার আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের রিপোর্টেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত মিলল।ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানোর পিছনে কয়েকটি কারণের কথা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। সংস্থার মতে, দেশের বাজারে পণ্য ও পরিষেবার চাহিদা যথেষ্ট শক্তিশালী। সাধারণ মানুষের কেনাকাটা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের ভাল ফল অর্থনীতির বৃদ্ধিতে সাহায্য করছে। পাশাপাশি, ভারতের বড় অভ্যন্তরীণ বাজার, বিপুল জনসংখ্যা এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক সংস্কারও বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে। বিশেষ করে পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।তবে বিশ্ব অর্থনীতির সামনে ঝুঁকিও রয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পাশাপাশি আমেরিকা ও ইরানের সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তা বেড়েছে। এর মধ্যে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি ভারতের মতো তেল আমদানিনির্ভর দেশের জন্য বড় চিন্তার কারণ। তেলের দাম বাড়লে দেশের আমদানি খরচ বাড়তে পারে। তার প্রভাব পড়তে পারে মূল্যবৃদ্ধি এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে।আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের অনুমান, ২০২৬ সালে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের গড় দাম ব্যারেলপ্রতি ৯৫.৭৪ ডলারে পৌঁছতে পারে। ২০২৫ সালের তুলনায় তা প্রায় ৪১ শতাংশ বেশি। তবে ২০২৭ সালে তেলের দাম প্রায় ৯ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৭.৩৯ ডলারে নেমে আসতে পারে বলে অনুমান করা হয়েছে। তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা থাকলেও দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থানের কারণে ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি বজায় থাকতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।অন্য দিকে, চিন, রাশিয়া, ব্রাজিল এবং মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের অর্থনীতি নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬ সালে এই দেশগুলির সম্মিলিত আর্থিক বৃদ্ধির হার ৩.৭ শতাংশ হতে পারে। আগে এই হার ৩.৮ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল।তবে ইউরোপের কয়েকটি দেশের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানো হয়েছে। জার্মানির অর্থনৈতিক বৃদ্ধির অনুমান ০.৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে। ব্রিটেনের ক্ষেত্রেও বৃদ্ধির পূর্বাভাস ১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে।সব মিলিয়ে, যুদ্ধ এবং তেলের দাম বৃদ্ধির মতো ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান আগামী দিনেও আর্থিক বৃদ্ধিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

সূর্যকান্তকে নিয়ে বিস্ফোরক পোস্ট, বিজেপির আক্রমণের মুখে পিছু হটল কেরল কংগ্রেস?

সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের পদত্যাগ দাবি করে কেরল কংগ্রেসের একটি পোস্ট ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে বিতর্ক শুরু হয়েছে। দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে নিয়ে বিতর্কের পর এ বার প্রধান বিচারপতিকে নিশানা করে পোস্ট করার অভিযোগ উঠেছে কেরল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। বিষয়টি সামনে আসতেই কংগ্রেসকে আক্রমণ করেছে বিজেপি। সমালোচনার মুখে শেষ পর্যন্ত পোস্টটি মুছে দিয়েছে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস। সূত্রের খবর, ওই পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকেও পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।সোমবার দিল্লিতে বিক্ষোভ এবং রাজধানীতে জারি করা বিধিনিষেধ নিয়ে প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকেরা। একটি অনুষ্ঠানের ফাঁকে তাঁদের প্রশ্নের উত্তরে প্রধান বিচারপতি জানান, বিষয়টি আইনশৃঙ্খলার সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই তা তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে না।প্রধান বিচারপতির এই মন্তব্যের পরেই কেরল কংগ্রেসের সরকারি সমাজমাধ্যমের পাতায় একটি পোস্ট করা হয়। সেখানে তাঁকে উদ্দেশ করে লেখা হয়েছিল, আইনশৃঙ্খলা যদি তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে না পড়ে, তা হলে যেন তিনি পদত্যাগ করেন। পাশাপাশি, তাঁর পরিবর্তে এই বিষয় সামলাতে পারবেন, এমন কাউকে খুঁজে নেওয়ার কথাও লেখা হয় ওই পোস্টে। বার্তাটি সামনে আসতেই কংগ্রেসের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সরব হয় বিজেপি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু নিজের সমাজমাধ্যমের পাতায় ওই পোস্টের ছবি ভাগ করে নেন। তাঁর অভিযোগ, তিনি আগেই বলেছিলেন, কংগ্রেসের পরবর্তী নিশানা হবে বিচারব্যবস্থা। কংগ্রেস দেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে ধ্বংস করতে চায় বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর আরও বক্তব্য, দেশবিরোধী শক্তিগুলি একজোট হচ্ছে। এর মোকাবিলায় দেশপ্রেমিক ভারতীয়দেরও একজোট হওয়ার আহ্বান জানান রিজিজু।বিতর্ক বাড়তে থাকায় নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি। রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি সানি জোসেফ জানান, প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, প্রদেশ কংগ্রেসের নেতৃত্বের অজান্তে এবং তাঁদের অনুমতি বা পরামর্শ ছাড়াই ওই পোস্ট করা হয়েছিল।কী পরিস্থিতিতে ওই পোস্ট করা হয়েছিল, তা দল খতিয়ে দেখবে বলেও জানিয়েছেন সানি। তাঁর বক্তব্য, বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে কংগ্রেসের কোনও আপত্তি নেই। সমাজমাধ্যমে এমন কোনও পোস্ট করা হলে, যা দলের এই অবস্থানের সঙ্গে মেলে না, তা কেরল প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের মতামত বলে গণ্য করা যাবে না।প্রধান বিচারপতির মন্তব্যকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই বিতর্কে এক দিকে বিজেপির আক্রমণ, অন্য দিকে কেরল কংগ্রেসের ব্যাখ্যাসব মিলিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতর বেড়েছে। বিতর্কিত পোস্ট প্রত্যাহার এবং দায়ী ব্যক্তিকে সরানোর সিদ্ধান্তের পরেও এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
কলকাতা

দুর্গাপুজোর আগেই বড় ধাক্কা সুজিত বসুর, জামিনের আর্জি খারিজ হাই কোর্টে

এক সময় দুর্গাপুজোর আগে থেকেই কলকাতার শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবে ভিড় জমত দর্শনার্থীদের। রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর এই পুজো ছিল শহরের অন্যতম আকর্ষণ। কিন্তু এ বার ছবিটা অন্য রকম। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার সুজিত বসুর জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। ফলে দুর্গাপুজোর সময় তাঁকে জেলেই থাকতে হতে পারে।জামিনের আবেদনটি প্রথমে বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এজলাসে উঠেছিল। শুনানির শেষে বিচারপতি অভিযোগ করেন, সুজিতের আইনজীবীরা তাঁর কক্ষ থেকে একটি ফাইল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। এর পরেই বিচারপতি মামলাটি থেকে সরে দাঁড়ান। পরে মামলাটি যায় বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে। সেখানেই সুজিতের জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে যায়। তবে শুনানির সময় বিচারপতি জামিন খারিজের নির্দিষ্ট কারণ জানাননি।আদালতে ইডির আইনজীবী ধীরজ ত্রিবেদী দাবি করেন, পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে ২৮৪ জন অযোগ্য প্রার্থী চাকরি পেয়েছিলেন। তাঁদের প্রত্যেকের কাছ থেকে চাকরির জন্য ৬ লক্ষ টাকা করে নেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। ইডির আরও দাবি, সুজিত বসুর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৮ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা পাওয়া গিয়েছে। তাঁর পরিবারের সদস্যদের অ্যাকাউন্টেও কয়েক কোটি টাকা মিলেছে বলে আদালতে জানিয়েছিল তদন্তকারী সংস্থা।এই মামলায় সুজিতের আগে গ্রেফতার হয়েছিলেন মধ্যস্থতাকারী অয়ন শীল। ইডি আগে হাই কোর্টে দাবি করেছিল, অয়নকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ দমদম পুরসভায় বিভিন্ন সময়ে ১৫২ জনের চাকরির জন্য সুজিত বসু সুপারিশ করেছিলেন।অন্য দিকে, সুজিতের আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি ও সব্যসাচী বন্দ্যোপাধ্যায় জামিনের পক্ষে সওয়াল করেন। তাঁদের বক্তব্য, পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্ত শেষ হয়ে গিয়েছে। তা সত্ত্বেও তাঁদের মক্কেলকে জেলে আটকে রাখা ঠিক নয়। ইডি এই গ্রেফতারিকে যুক্তিসঙ্গত প্রমাণ করতে পারবে না বলেও দাবি করেন তাঁরাসুজিতের আইনজীবীদের আরও বক্তব্য, ২০১৬ সালের পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি তাঁকে মূল অভিযুক্ত হিসেবে দেখালেও, ২০২৪-২৫ সালে সিবিআই যে চার্জশিট দিয়েছিল, তাতে তাঁর নাম ছিল না। তাঁদের দাবি, সুজিতের বাড়ি কলকাতায়। তদন্তের প্রয়োজনে তাঁকে যখনই ডাকা হবে, তিনি হাজির হতে পারবেন। তদন্তে সহযোগিতা করতেও তিনি প্রস্তুত।গত ১১ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, এই মামলায় প্রায় ১৫০ জন চাকরিপ্রার্থীর নাম সামনে এসেছে। দুর্নীতির মাধ্যমে পাওয়া টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছিল বলে মনে করছে ইডি। তবে এই মামলায় ওঠা অভিযোগগুলির চূড়ান্ত সত্যতা আদালতের বিচারেই নির্ধারিত হবে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

শঙ্কুদেবের পুজোয় হাজির শুভেন্দু অধিকারী, পার্ক স্ট্রিটে দাঁড়িয়ে কী বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী?

পার্ক স্ট্রিটে এ বার প্রথমবার দুর্গাপুজোর আয়োজন করেছেন বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পণ্ডা। প্রথম পুজো ঘিরে উদ্যোক্তাদের মধ্যে আলাদা আবেগ থাকবেই। সোমবার রাতে সেই পুজোর উদ্বোধনে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। উপস্থিত ছিলেন সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারও। পুজোর উদ্বোধনী মঞ্চ থেকে দুর্গোৎসব, সংস্কৃতি ও রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য রাখেন বিজেপির দুই নেতা।অনুষ্ঠানে সুকান্ত বলেন, পার্ক স্ট্রিটে আগে দুর্গাপুজোর আয়োজন হত না। তাঁর দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণায় পশ্চিমবঙ্গে ১২ হাজারেরও বেশি নতুন পুজো শুরু হয়েছে। আগের সরকারের আমলে পুজো করার জন্য উদ্যোক্তাদের কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হতে হত বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান সুকান্ত। বক্তব্যের শেষে জয় শ্রীরাম স্লোগানও তোলেন তিনি।সোমবার রাত প্রায় ১১টা নাগাদ পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কে শঙ্কুদেবের পুজোর উদ্বোধন করতে যান শুভেন্দু। সেখানে উপস্থিত বিজেপি নেতাদের একে একে নাম করে উল্লেখ করেন তিনি। তার পর বলেন, একদম রাষ্ট্রবাদী টিম পুরো হাজির।বক্তৃতায় পার্ক স্ট্রিটের প্রসঙ্গ তুলে শুভেন্দু বলেন, এই এলাকায় মাঝেমধ্যে টুকরে টুকরে গ্যাং-এর উৎপাত দেখা যেত বলে তাঁর দাবি। দুর্গাপুজোর আবহে পার্ক স্ট্রিটকে পবিত্র ও শুদ্ধ করার কথাও বলেন তিনি। এই পুজো ধরে রাখার জন্য উদ্যোক্তাদের আবেদন জানান শুভেন্দু। সুযোগ হলে পুজোয় এসে প্রসাদ খাওয়ার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন তিনি।ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও পরম্পরা বজায় রাখার উপর জোর দেন শুভেন্দু। পিতৃপক্ষ ও মহালয়ার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এ বার পিতৃপক্ষে কাউকে কাঁচি নিয়ে বেরোতে দেওয়া হয়নি। তাঁর বক্তব্য, পবিত্রতা ও সংস্কৃতি বজায় রেখেই দুর্গাকে স্বাগত জানানো হয়েছে।এ দিকে, কলকাতা জুড়ে দুর্গাপুজোর উদ্বোধন ঘিরে ব্যস্ততা চলছে। গত ১০ অক্টোবর মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে উমা আগমনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে রাজ্য সরকারের দুর্গাপুজোর উৎসবের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, ড্রোনের প্রদর্শনী এবং আতশবাজির আয়োজন করা হয়েছিল। প্রায় তিন হাজার ঢাকির একসঙ্গে ঢাক বাজানো ছিল অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ।১১ অক্টোবর সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করা হয়। এ বছরের পুজোর ভাবনা বন্দে মাতরম্। ভারতের জাতীয় সংগীতের ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে স্বাধীনতা সংগ্রাম ও দেশভাগের ইতিহাস মণ্ডপে তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে।১২ অক্টোবর চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ৯১তম বর্ষের পুজোর উদ্বোধন হয়। এ বছরের ভাবনা বিয়ন্ড সাউন্ড। শহরের কোলাহলের বিপরীতে শান্তি ও নিজের অন্তরের ভাবনাকে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে এই মণ্ডপে। শ্রীভূমির দুর্গাপুজোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

ভোট চুরির অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে রাহুলদের মামলা, আবেদনেই ১৪টি ভুল! ২২০ টাকা কম জমা?

ভোট চুরির অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী-সহ বিরোধী জোটের একাধিক নেতা। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে যৌথ মামলা দায়ের করেছেন তাঁরা। কিন্তু মামলা দায়েরের পরেই নতুন সমস্যা। আদালতের রেজিস্ট্রি জানিয়েছে, বিরোধীদের আবেদনে মোট ১৪টি ত্রুটি রয়েছে। এমনকি আদালতের ফি বাবদ ২২০ টাকা কম জমা পড়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।সোমবার দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে পথে নেমেছিলেন বিরোধী জোটের নেতারা। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোট চুরির অভিযোগের তদন্তের দাবিতে তাঁরা সুপ্রিম কোর্টের দিকে মিছিল করেন। সেই দিনই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে শীর্ষ আদালতে যৌথ মামলা দায়ের করেন তাঁদের আইনজীবীরা।কিন্তু আদালতের রেজিস্ট্রির প্রাথমিক পরীক্ষায় আবেদনে একাধিক ভুল ধরা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। রেজিস্ট্রির দাবি, মোট ১৪টি ত্রুটি রয়েছে ওই আবেদনে। তার মধ্যে অন্যতম হল আদালতের ফি বাবদ ২২০ টাকা কম জমা দেওয়া। এ ছাড়া, নয় জন আবেদনকারীর প্রয়োজনীয় অনুমতিপত্র জমা পড়েনি বলেও জানানো হয়েছে।কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের পরিচয়পত্রের স্পষ্ট প্রতিলিপি জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। আবেদনের কয়েকটি অংশে অক্ষর অত্যন্ত ছোট হওয়া নিয়েও আপত্তি জানিয়েছে রেজিস্ট্রি। দুটি নির্দিষ্ট নথির রঙিন প্রতিলিপি জমা দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ। পাশাপাশি, কয়েকটি নথির লেখা অস্পষ্ট, কিছু পৃষ্ঠা অনুপস্থিত এবং আঞ্চলিক ভাষায় লেখা পৃষ্ঠা ও পৃষ্ঠা নম্বরের মধ্যে অসঙ্গতি রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এই ত্রুটিগুলি সংশোধন করার পরেই মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করার প্রক্রিয়া এগোতে পারবে।এই যৌথ মামলায় আবেদনকারীদের তালিকায় রয়েছেন রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে, তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব, আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব, সুপ্রিয়া সুলে, শিবসেনার উদ্ধব শিবিরের নেতা সঞ্জয় রাউত, ডি রাজা, ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার মহুয়া মাজি, এম এ বেবি এবং ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগের নেতা ই টি মহম্মদ বশির।সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে মামলাটি রাহুল গান্ধী বনাম ভারতের নির্বাচন কমিশন নামে নথিভুক্ত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় মোট ১০ দফা প্রতিকার চেয়েছেন বিরোধী নেতারা।বিরোধীদের দাবি, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া সংক্রান্ত সমস্ত নথি আদালতে পেশ করার নির্দেশ দেওয়া হোক। এই প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তগুলির সাংবিধানিক বৈধতাও খতিয়ে দেখার আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা। পাশাপাশি, অনিয়মের জন্য দায়ী আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া, তাঁদের অভিযোগের নিষ্পত্তি এবং একটি স্বাধীন কমিটির মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়ার নিরীক্ষা করানোর দাবিও জানানো হয়েছে।বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে ভোটারদের অধিকার ক্ষুণ্ণ করা হচ্ছে। সেই কারণেই নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁরা।সোমবারের মিছিলের আগে বিরোধী নেতারা প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সঙ্গে দেখা করার আবেদন জানিয়েছিলেন। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল, ভোট চুরির অভিযোগের নিষ্পত্তি, জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ, বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া বন্ধ এবং ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ ফের চালু করার দাবিতে একটি স্মারকলিপি তুলে দেওয়া।তবে প্রধান বিচারপতি তাঁদের সঙ্গে দেখা করার আবেদন গ্রহণ করেননি। বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন বলেই তিনি এই আবেদন খারিজ করেছেন বলে জানা গিয়েছে। এর আগে বিরোধীদের অভিযোগ জানানোর পথ নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেছিলেন, সুপ্রিম কোর্টের দরজা সকলের জন্য খোলা। সাধারণ নাগরিক হোন বা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, প্রত্যেকেই আদালতের দ্বারস্থ হতে পারেন।এখন বিরোধীদের আবেদনে চিহ্নিত ত্রুটিগুলি সংশোধন করতে হবে। তার পরেই মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করার প্রক্রিয়া এগোবে। ফলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধীদের এই মামলার পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

‘যারা নিজেদের স্বার্থ ছাড়া কিছু ভাবেনি…’, দুর্গাপুজোর মঞ্চ থেকে কাদের নিশানা অগ্নিমিত্রার?

দুর্গাপুজোর আগে ভারতবিরোধী শক্তির বিনাশ চেয়ে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করলেন রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তাঁর কথায়, ভারতবিরোধী শক্তিগুলিকে শেষ করে দাও মা। যারা নিজেদের স্বার্থ ছাড়া এত দিন কিছুই ভাবেনি, সেই বদমাইশদেরও শেষ করে দাও। সোমবার দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারে একটি প্রাক-পুজোর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েও একই প্রসঙ্গে সরব হন অগ্নিমিত্রা। তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং আরও শক্তিশালী হচ্ছে। কিন্তু দেশের উন্নতির পথে যারা বাধা হয়ে দাঁড়াতে চাইছে, তাদের বিনাশের জন্য মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করেছেন তিনি। অগ্নিমিত্রার কথায়, যারা নিজেদের স্বার্থের বাইরে কিছু ভাবেনি, তাদেরও যেন মা দুর্গা শেষ করে দেন। দেশ ও রাজ্য থেকে এই ধরনের শক্তির বিনাশই তাঁর প্রার্থনা।এ দিন দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং আতশবাজির প্রদর্শনীও উপভোগ করেন মন্ত্রী। পাশাপাশি রাজ্যবাসীকে দুর্গাপুজোর শুভেচ্ছা জানান তিনি। উৎসবের দিনগুলিতে সতর্ক থাকার আবেদনও জানিয়েছেন অগ্নিমিত্রা।পুজোর সময়ে জরুরি পরিষেবা চালু থাকবে বলে জানান তিনি। পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকেরা রাস্তায় থেকে পরিস্থিতির উপর নজর রাখবেন বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী। তবে শুধু প্রশাসনের উপর নির্ভর না করে সাধারণ মানুষকেও সচেতন থাকার বার্তা দিয়েছেন তিনি। পরিবেশ রক্ষায় সরকারের জারি করা নির্দেশিকা মেনে চলার আবেদনও জানান অগ্নিমিত্রা।বাংলা ও বাঙালির সংস্কৃতির বিরোধিতা করা হবে, বিজেপিকে ঘিরে এমন প্রচারও খারিজ করেছেন তিনি। অগ্নিমিত্রার বক্তব্য, মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিপুল মানুষের উপস্থিতিই প্রমাণ করে যে এই প্রচার ঠিক নয়। আগামী দিনে আরও নানা উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। মানুষের পাশে থাকার আবেদন জানিয়ে অগ্নিমিত্রা বলেন, আগামী দিনেও পাশে থাকুন, আরও অনেক কিছু হবে।সোমবারের ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক পুন্নাম্বলম এস, দুর্গাপুর পূর্বের বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক লক্ষ্মণচন্দ্র ঘোড়ুই।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
কলকাতা

দিল্লির পর কলকাতায় ‘জ্ঞানেশ কুমার হটাও’ মিছিল! পথে নামতে পারেন মমতা, কড়া হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

দিল্লির আন্দোলনের আঁচ এ বার কলকাতাতেও। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে মঙ্গলবার কলকাতায় মিছিলের ডাক দিয়েছে তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়পন্থী শিবির। রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত এই মিছিল হওয়ার কথা। তাতে মমতা নিজেও যোগ দিতে পারেন বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে তিনি মিছিলে হাঁটবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই কর্মসূচিকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়তেই কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দুর্গাপুজোর সময়ে কোনও রকম বিশৃঙ্খলা বরদাস্ত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।মঙ্গলবারের মিছিলের প্রচারপত্র প্রকাশ করেছে তৃণমূলের মমতাপন্থী শিবির। সেখানে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধের অভিযোগ তোলা হয়েছে। দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আটক করা এবং তরুণ প্রজন্মের উপর অত্যাচারের অভিযোগও প্রচারপত্রে তুলে ধরা হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে সাধারণ মানুষকে একজোট হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। জেলায় জেলায়ও কর্মসূচির বার্তা পাঠানো হয়েছে বলে খবর।ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করছেন বিরোধী নেতাদের একাংশ। এই ইস্যুতে দিল্লিতে একাধিক প্রতিবাদ কর্মসূচিও হয়েছে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হতে পারে বলে খবর।এই আবহেই কলকাতায় মিছিলের ডাক দিয়েছে তৃণমূলের মমতাপন্থী শিবির। দুপুর দুটো নাগাদ মিছিল শুরু হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত এই কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে মিছিলে অংশ নেবেন কি না, তা নিয়ে এখনও নিশ্চিত কোনও ঘোষণা হয়নি।সোমবার রাতে কলকাতায় একটি দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করতে গিয়ে এই কর্মসূচি নিয়ে সরব হন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, বেরোতে দেব না। সিপিকে নির্দেশ দিয়েছি, রাজাবাজার থেকে এক পা এগোতে দেব না। প্রয়োজন হলে সেন্ট্রাল ফোর্সও নামাতে বলেছি। বেরোতে দেব না। কোনও বিশৃঙ্খলা করতে দেব না দুর্গাপুজোর সময়ে।মিছিল ঘিরে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশি নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে বলে খবর। মঙ্গলবার সকাল থেকেই পার্ক সার্কাস এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। রাজাবাজার থেকে মিছিল কোন পথে এগোবে এবং শেষ পর্যন্ত তাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যোগ দেবেন কি না, সে দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

যন্তর মন্তরে প্রতিবাদে নিষেধাজ্ঞা, পরদিনই ব্যারিকেড টপকে ঢোকার চেষ্টা! আটক ককরোচ জনতা পার্টির নেতারা

যন্তর মন্তরে আর প্রতিবাদ করা যাবে না। সোমবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে বলে দাবি। সেই নির্দেশ ঘিরেই নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে দিল্লিতে। সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে ককরোচ জনতা পার্টি। দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপের হুঁশিয়ারি, যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ করতে না দিলে গোটা দেশকেই প্রতিবাদের মঞ্চ করে তুলবেন তাঁরা। আর সেই ঘোষণার পরদিনই যন্তর মন্তরে পৌঁছে গেলেন দলের কয়েক জন নেতা। কিন্তু সেখানে ঢোকার চেষ্টা করতেই তাঁদের আটক করে পুলিশ।সোমবার দিল্লি পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। দলের তরফে দাবি করা হয়, ওই সময়ের মধ্যে নতুন করে প্রতিবাদের স্থান এবং দিনক্ষণ জানাতে হবে। তা না হলে বড় পদক্ষেপ করা হবে। এর পরেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ করা যাবে না বলে নির্দেশ দেয় দিল্লি পুলিশ। প্রতিবাদের জন্য তিনটি বিকল্প জায়গার কথা জানানো হয়েছে বলে খবর।সেই বিকল্পগুলির মধ্যে রয়েছে রামলীলা ময়দান। তবে সূত্রের দাবি, সেখানে প্রতিবাদ কর্মসূচির জন্য জায়গা বুক করতে খরচ হতে পারে ১ লক্ষ ২১ হাজার টাকা। চলতি বছরের জন্য বুকিংও ইতিমধ্যে হয়ে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ফলে প্রতিবাদের নতুন জায়গা পাওয়া নিয়ে সমস্যায় পড়তে পারে ককরোচ জনতা পার্টি।নিটের প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের প্রতিবাদে যন্তর মন্তর থেকেই আন্দোলন শুরু করেছিলেন দলের সদস্যেরা। তাই ওই জায়গায় বিক্ষোভ বন্ধের নির্দেশে ক্ষুব্ধ তাঁরা। অভিজিৎ দীপের বক্তব্য, যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ করতে দেওয়া না হলে গোটা দেশই প্রতিবাদের মঞ্চ হয়ে উঠবে।এই হুঁশিয়ারির পরদিন মঙ্গলবার ভোরে যন্তর মন্তরে পৌঁছে যান দলের নেতা সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কারা। অভিজিতের প্রকাশ করা একটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, লোহার গেট ও পুলিশের ব্যারিকেড টপকে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করছেন তাঁরা। তাঁদের হাতে ছিল জাতীয় পতাকা। ভারত মাতা কি জয় স্লোগান দিতে দিতেই ব্যারিকেড পার হওয়ার চেষ্টা করেন দলের নেতারা।কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁদের আটক করে পুলিশ। দলের কয়েক জন নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হতে পারে বলেও সূত্রের খবর। মঙ্গলবার সকালে এই ঘটনার একাধিক ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।নেতা-কর্মীরা আটক হলেও আন্দোলন থামবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ। তাঁর দাবি, প্রতিবাদকে আটকানো যাবে না। যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের উপর নিষেধাজ্ঞা এবং বিকল্প জায়গা নিয়ে দিল্লি পুলিশের সঙ্গে দলের সংঘাত কোন দিকে এগোয়, এখন সে দিকেই নজর।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal