• ৩২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার ১৭ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Minor

কলকাতা

সরকারি বোর্ড লাগানো আইপ্যাকের গাড়ি! চালক নাবালক? জি টি রোডে তীব্র চাঞ্চল্য

শনিবার রাতে পুরনো জি টি রোডে একটি সাদা রঙের গাড়ি ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। অভিযোগ, ওই গাড়িটি চালাচ্ছিল এক তরুণ, যার বয়স সম্ভবত আঠারোও হয়নি। অথচ সেই গাড়িতেই ছিল অন ডিউটি লেখা সরকারি বোর্ড এবং তাতে লেখা ছিল গভর্নমেন্ট অব ওয়েস্ট বেঙ্গল। এই ঘটনা ঘিরে গুরুতর অভিযোগ তুলেছে কংগ্রেস।কংগ্রেসের অভিযোগ, ওই গাড়িটি জেলা কংগ্রেস নেতা গৌরব সমাদ্দারের বাইকে ধাক্কা মারতে উদ্যত হয়। গৌরব সমাদ্দার রাজ্য কংগ্রেস কমিটির সদস্য এবং জেলার আইএনটিইউসি-র সভাপতি। শনিবার রাত সাড়ে সাতটার পর বড়নীলপুর মোড়ে এই ঘটনা ঘটে।অভিযোগ অনুযায়ী, সাদা রঙের গাড়িটি গৌরবের বাইকের খুব কাছ দিয়ে চলে আসে। পরিস্থিতি বুঝে তিনি গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে সেটির পথ আটকান। তখনই মোবাইলে লাইভ শুরু করেন তিনি। ধীরে ধীরে এলাকায় লোক জড়ো হতে শুরু করে। গৌরব পুলিশে ফোন করে পুরো ঘটনার কথা জানান।গৌরবের দাবি, গাড়িটি চালাচ্ছিল একেবারে কম বয়সি এক তরুণ। গাড়ির আরোহীরা নিজেদের আইপ্যাকের লোক বলে পরিচয় দেন। কিন্তু প্রশ্ন করা হলে, আইপ্যাকের গাড়িতে কেন সরকারি বোর্ড ব্যবহার করা হচ্ছে, তার কোনও স্পষ্ট উত্তর তাঁরা দেননি।পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গাড়ির ছবি তোলে এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেয়। গৌরব সমাদ্দারের অভিযোগ পুলিশ গ্রহণ করেছে বলে জানা গিয়েছে।এই প্রসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সাধারণ সম্পাদক বাগবুল ইসলাম বলেন, পুলিশে অভিযোগ হয়েছে। পুলিশ তদন্ত করবে। বিষয়টি দেখা হবে।অন্যদিকে বিজেপি নেতা মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র বলেন, আইপ্যাকের কর্মীরা নিজেদের সরকারি সম্পত্তির মালিক মনে করছে। আইপ্যাকের গাড়িতে কীভাবে সরকারের বোর্ড থাকতে পারে, সেই প্রশ্ন তোলেন তিনি।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
রাজ্য

পুলিশ এলেই বদলে গেল কনের মুখ! নাবালিকা ছোট মেয়েকে বদলে মেজ মেয়েকে পাত্রী করল পরিবার

নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও নাবালিকা মেয়ের গোপন বিয়ের আয়োজন করে বালুরঘাটে চাঞ্চল্য ছড়াল। অভিযোগ, প্রথমবার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গেলে পরিবার আসল কনেকে লুকিয়ে ফেলে এবং তার বদলে মেজো মেয়েকে শাখা-পলা পরিয়ে সামনে দাঁড় করিয়ে নাবালিকা বিয়ের বিষয়টি আড়াল করার চেষ্টা করে। সেই সময় কোনও প্রমাণ না পেয়ে পুলিশ খালি হাতেই ফিরে আসে, তবে পরিবারকে কড়া সতর্কবার্তা দিয়ে যায়।কিন্তু অভিযোগ, সেই নির্দেশ অমান্য করে পরিবার রাতেই ফের নাবালিকার বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। খবর পেয়ে শুক্রবার রাতে পুলিশ, ডিএলএসএ এবং প্রশাসনের কর্মীরা একযোগে সেখানে পৌঁছে পুরো অনুষ্ঠান থামিয়ে দেয় এবং নাবালিকাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পরে চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটির নির্দেশে তাকে মালদা হোমে পাঠানো হয়। শনিবার সকালে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়। পরে পরিবার নিজেদের ভুল স্বীকার করে এবং লিখিতভাবে জানায় যে মেয়ের বয়স ১৮ না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেওয়া হবে না।জানা গিয়েছে, বালুরঘাট পুরসভার ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের একাদশ শ্রেণির ওই ছাত্রীর সঙ্গে স্থানীয় এক যুবকের বিয়ের আয়োজন ছিল শুক্রবার। দুই বাড়িতেই বিয়ের প্রস্তুতি সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছিলমেয়ের বাড়িতে রান্না তৈরি, আর ছেলের বাড়িতে ডিজে বক্স, প্যান্ডেল সবই প্রস্তুত। কিন্তু নাবালিকার বয়স ১৮ না হওয়ায় ছেলের পরিবার আপত্তি জানায়।অভিযোগ, পুলিশের প্রথম নিষেধাজ্ঞার পরও মেয়ের পরিবার ছেলেকে ভয় দেখিয়ে বিয়েতে রাজি করানোর চেষ্টা করে। ঠিক সেই সময়ই আবার পুলিশ গিয়ে পুরো কারসাজি ধরে ফেলে এবং অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেয়। বিয়ে বাতিল হওয়ায় মাইক-প্যান্ডেল ব্যবসায়ীরাও ক্ষতিপূরণ না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, নাবালিকা বিয়ে রুখতে সচেতনতা শিবির আরও জোরদার করা হবে।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২৫
রাজ্য

এবার সামশেরগঞ্জে বোমা ফেটে জখম দুই নাবালক

ফের খবরের শিরোনামে মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ। মঙ্গলবার বিকেলে সামসেরগঞ্জ থানার চকসাপুরে বোমা ফেটে জখম হয় দুই বালক। জখম দুজনের হল রবিজুল শেখ (১১) এবং রাকিব শেখ(১১)। আশঙ্কাজনক অবস্থায় দুইজনকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু শারিরীক অবস্থার অবনতি হলে তাদের মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গ্রামের অন্য ছেলেদের সঙ্গে ওই দুইজন চকসাপুরের মাঠে খেলা করছিল। খেলার সময় বল মাঠের পাশে ঝোঁপে চলে যায়। ওই দুইজন বল আনতে গেলে ঝোঁপের মধ্যে রাখা বোমা ফেটে যায়। বোমা ফাটার শব্দ পেয়ে স্থানীয়রা ছুটে আসেন এবং দেখেন দুইজন রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে রয়েছে। তড়িঘড়ি দুজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সামসেরগঞ্জ থানার জনৈক পুলিস আধিকারিক জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ২৯, ২০২৫
রাজ্য

বনগাঁয় নাবালিকার বিয়ে আটকাল পুলিশ, কেন হচ্ছিল এমন গোপন আয়োজন?

একেবারে গোপন করে অন্যত্র তোরজোড় চলছিল নাবালিকার বিয়ের। কিন্তু শেষমেশ সেই বিয়ে আটকে গেল। বসিরহাটের হাসনাবাদের নবম শ্রেণীর এক নাবালিকাকে বনগাঁয় ছেলের বাড়িতে এনে বিয়ের ব্যবস্থা করেছিল দুই পরিবার। আজ তাদের বিয়ের কথা ছিল। বিয়ে উপলক্ষে সেজে উঠেছিল ছেলের বাড়ি। কিন্তু আজ দুপুরে সেই বিয়েই আটকে দিল বনগাঁ থানার পুলিশ ও পৌর প্রশাসন। ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত নাবালিকার বিয়ের ব্যবস্থা করবে না বলে ওই দুই পরিবার প্রশাসনকে মুচলেখা দিল। মেয়ের পরিবারের দাবি, দুবছর আগে বাবা মারা গিয়েছে, বাড়িতে অসুস্থ দাদা। কোনওরকমে দিন গুজরান করেন মা। মায়ের আয়ে সংসার চলে না। তাই বাধ্য হয়ে মেয়ের বিয়ের ব্যবস্থা করেছে তাঁরা। ছেলের পরিবারের দাবি, ছেলের বিয়ের জন্য মেয়ে দেখছিলাম। অসহায় গরিব পরিবারের মেয়ে দেখে বিয়ে দিতে রাজি হয়েছিলাম। এখন আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত এই বিয়ে হবে না। প্রশাসনের অনুমতি থাকলে দুই পরিবারের মধ্যে যাতায়াত থাকবে।

মার্চ ০৬, ২০২৫
রাজ্য

ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অশ্লীল ছবি নাবালিকার, মালদায় গ্রেফতার চারজন

নাবালিকাকে খাবারে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে অশ্লীল ছবি তোলার অভিযোগে পুরাতন মালদা থানা এলাকা থেকে চারজনকে গ্রেফতার করলো ঝাড়খণ্ডের রাঁচি জেলার পুলিশ। সোমবার পুরাতন মালদার কয়েকটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই চারজনকে গ্রেফতার করেছে রাঁচি জেলার পুলিশ। যদিও এই ঘটনায় আরও একজন গা ঢাকা দেওয়াই তাকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে দুইজন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পড়ুয়া এবং বাকি দুইজন একটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। এদিন ধৃত চারজনকে মালদা আদালতের মাধ্যমে সাত দিনের ট্রানজিট রিমান্ডে নিয়ে যাওয়ার জন্য আবেদন জানাই রাঁচি পুলিশ। ঝাড়খন্ডের রাঁচি জেলার নাগরি থানার অন্তর্গত আঙ্গোর রোড এলাকার একটি হোটেলেই পুরাতন মালদার ওই নাবালিকার ছবি তোলার পর ব্ল্যাকমেলের অভিযোগের ওঠে পাঁচ যুবকের বিরুদ্ধে। ওই নাবালিকার পরিবার পরবর্তীতে মালদায় এসে সংশ্লিষ্ট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। জিরো এফআইআর-এর ভিত্তিতে পুরাতন মালদা থানার পুলিশ রাঁচি জেলা পুলিশের কাছে অভিযোগপত্র পাঠিয়ে দেয়। তারপরেই ওই জেলার পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয় রাঁচি পুলিশ। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরাতন মালদা থানার মঙ্গলবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের নারায়ণপুর এলাকার এক চিকিৎসক তার ১৪ বছরের নাবালিকা মেয়েকে গত বছর নভেম্বর মাসে রাঁচিতে নিয়ে যান একটি স্কুলে ভর্তির বিষয়ের জন্য। সেই সময় রাঁচির যে হোটেলে ওই চিকিৎসক তার মেয়েকে নিয়ে উঠেছিলেন, সেই হোটেলে পুরাতন মালদা পুরসভা এলাকার ওই পাঁচজন যুবক ছিল। তারাও নিজেদের কাজে রাঁচিতে গিয়েছিল। সেই সুবাদে একে অপরের সঙ্গে পরিচয় হয়। এরপর সেই সময় রাতে ওই চিকিৎসক তার মেয়েকে হোটেল রুমে রেখে, বাইরে খাবার আনতে যান। তখন এই পাঁচ যুবক ফন্দি এঁটে ওই নাবালিকাকে খাবারের সাথে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। অচৈতন্য অবস্থায় ওই নাবালিকার অশ্লীল ছবি মোবাইলে তোলা হয়। পরে ওই নাবালিকাকে বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য হুমকি দেওয়া হয়। ৮ নভেম্বর এই ঘটনার পর ওই নাবালিকা রাঁচির হোটেলে অসুস্থ বোধ করে। তড়িঘড়ি চিকিৎসক বাবা মেয়েকে সঙ্গে করে নিয়ে মালদায় চলে আসেন। এরপর থেকে শুরু হয় ওই পাঁচ যুবকের ব্ল্যাকমেলের কর্মকাণ্ড। ঘটনার পর থেকেই কয়েকদিন ধরেই পুরাতন মালদার ওই পাঁচ যুবক ওই নাবালিকাকে ফোন করে মোটা টাকার দাবি করে। এরপরই মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে ওই নাবালিকা। মেয়ের মানসিক পরিস্থিতির বিষয়ে সন্দেহ হতেই তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন চিকিৎসকের পরিবার। এরপরই গোটা ঘটনার কথা বলে ফেলেন ওই নাবালিকা। বিষয়টি জানতে পেরে পরিবারের লোকেরা গত ১১ নভেম্বর পুরাতন মালদা থানায় এলাকার পাঁচজনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। পরবর্তীতে পুরাতন মালদা থানার পুলিশ জিরো এফআইআর-এর মাধ্যমে রাঁচি জেলার নাগরি থানায় সেই অভিযোগপত্র পাঠিয়ে দেয়। শুরু হয় তদন্ত। দুই মাস কেটে যাওয়ার পর জানুয়ারির মাসেই অভিযুক্তদের নামে ওয়ারেন্ট জারি করে রাঁচি আদালত। তারপরেই এদিন রাঁচি জেলার পুলিশ পুরাতন মালদা থানার সহযোগিতা নিয়ে অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেফতার করে। একজন পলাতক বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে ধৃতদের নাম, অভিষেক দত্ত, সোমনাথ শর্মা, শান্তনু মন্ডল এবং অর্কপ্রভ দত্ত। এদের বাড়ি পুরাতন মালদা পুরসভার চিতোরপুর এবং তৈলমুন্ডাই এলাকায়। এদিকে ওই নাবালিকার পরিবার জানিয়েছেন, মেয়েকে যখন রাঁচিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল সেই সময় পুরাতন মালদার এই পাঁচ যুবক একই হোটেলে উঠেছিল। নিজেদের এলাকার বলেই পরিচয় হয়। এরপরে ওই চারজন এরকম কাণ্ড ঘটবে ভাবতেই পারা যায়নি। নাবালিকাকে ব্ল্যাকমেইল করার জন্য মোটা টাকা দাবিও করেছিল অভিযুক্তরা। ওই নাবালিকা যদি রাঁচিতে ঘটনার কথা বলতো, তাহলে হয়তো সেখানে পুলিশকে অভিযোগ জানাতে যেত। পরবর্তীতে মালদায় ফিরে আসার পর বিষয়টি জানতে পারা যায়। এরপরই পুলিশের দ্বারস্থ হই। যদিও এদিন মালদা আদালতে যাওয়ার পথে এক অভিযুক্ত অর্কপ্রভু দত্ত জানিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানো হয়েছে। এরকম কোনও ঘটনায় ঘটেনি। পুরাতন মালদা থানার পুলিশ জানিয়েছে, এক নাবালিকাকে মোবাইলে অশ্লীল ছবি তুলে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগে রাঁচি জেলার পুলিশ মালদায় এসেছিল। সংশ্লিষ্ট থানার সহযোগিতা নিয়ে চারজন যুবককে গ্রেফতার করে ট্রানজি রিমান্ডে রাঁচিতে নিয়ে গেছে ঝাড়খণ্ডের পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৫
রাজ্য

কয়েক দিন চলেছে গুলি, এবার মালদায় ঘাস কাটার সময় বোমায় জখম দুই নাবালক

গুলি বোমা যেন নিত্য দিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এবার জমিতে ঘাস কাটার সময় আচমকা বোমা বিস্ফোরণে গুরুতর জখম দুই নাবালক। সংকটজনক অবস্থায় আহতদের চিকিৎসার জন্য ভর্তি করানো হয়েছে মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে চাঁচল মহকুমার রতুয়া থানার চাঁদমনি ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের হলদিবাড়ি এলাকায়। বিষয়টি জানতে পেরে এদিন মালদা মেডিকেল কলেজে আহতদের দেখতে যান রাজ্যের সংখ্যালঘু দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী তাজমুল হোসেন।পুলিশ সূত্রে খবর, এদিন দুপুরে বাড়ি থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে একটি ভুট্টার জমিতে ঘাস কাটতে গিয়েছিলেন এই দুই নাবালক। তখনই জোরালো বোমা বিস্ফোরণ হয়। বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। তড়িঘড়ি স্থানীয়রা ছুটে গিয়ে দেখেন দুই নাবালক রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এরপর তাদের উদ্ধার করে মালদা মেডিকেল কলেজে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয়। কেন এই বোমা এলাকায় মজুত করেছিল কিছুই বুঝে উঠতে পারছে না এলাকাবাসী। খবর শুনে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় যায় রতুয়া থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী।আহত দুই নাবালকের আত্মীয়েরা জানিয়েছেন, প্রতিদিনের মতো এদিন ওরা গবাদিপশুর খাওয়ার সংগ্রহের জন্য ভুট্টার জমিতে ঘাস কাটতে গিয়েছিল। ঘাস কাটার সময় জমিতে থাকা একটি বোমাতে হাত পড়ে যায় ওদের। তখনই বিস্ফোরণে একজনের ডান হাতের কব্জি উড়ে গিয়েছে। অপরজনের মুখে, মাথায়, চোখে আঘাত লেগেছে।মন্ত্রী তাজমহল হোসেন জানিয়েছেন ওই এলাকায় কারা বোমা মজুত করেছিল সেটা পুলিশকে খুঁজে বার করতে হবে। দ্রুত যাতে দুষ্কৃতীদের গ্রেপ্তার করা হয় , সে কথাও রতুয়া থানার পুলিশকে বলেছি। পুলিশ জানিয়েছে, বিস্ফোরণস্থলটি ঘিরে রাখা হয়েছে। এই ঘটনায় জড়িত দুষ্কৃতীদের খোঁজ চালানো হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২৫
রাজ্য

একবছর পর রাজস্থান থেকে উদ্ধার নাবালিকা, অভিযুক্তকেও বর্ধমানে নিয়ে এল পুলিশ

এক বছর এক মাস। অভিযোগের পর অনেকটা সময় পেরিয়ে গিয়েছিল। গলসি থানায় অভিযোগ হয়েছিল। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ ছিল, ১৭ বছরের নাবালিকা মেয়ে বাড়ি থেকে কাউকে কিছু না বলে চলে যায়। এই অভিযোগের ভিত্তিতে গলসি থানাতে একটি মামলা রুজু হয়। ২০২৩ সাল থেকে বিভিন্নভাবে মেয়েটিকে গলসি থানার তদন্তকারী অফিসার খোঁজার চেষ্টা করেন, কিন্তু প্রাথমিকভাবে কোনও হদিশ পাওয়া যায়নি। তা সত্ত্বেও তদন্তকারী অফিসাররা হাল ছাড়েননি।গত ৪ ডিসেম্বর পুলিশ সুপারের অনুমতি নিয়ে রাজস্থান এর উদেশ্যে পূর্ব বর্ধমানের পুলিশ টিম রওনা দেয়। গত ৭ ডিসেম্বর স্থানীয় পালরি- এম থানার সহায়তায় যোধপুর স্টেশন থেকে ২০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত পোশালিয়া গ্রাম থেকে তদন্তকারী অফিসাররা ওই নাবালিকাকে উদ্ধার করে এবং আসামিকে গ্রেপ্তার করেন। আজ, মঙ্গলবার নাবালিকা এবং আসামিকে পূর্ব বর্ধমানে ফিরিয়ে আনা হয়। আগামীকাল, বুধবার আসামি এবং উক্ত নাবালিকাকে পূর্ব বর্ধমান জেলা আদালতে নিয়ে যাওয়া হবে।

ডিসেম্বর ১০, ২০২৪
বিদেশ

কোচবিহার সীমান্তের ওপারে হাজার হাজার সংখ্যালঘু বাংলাদেশি হিন্দুর মুখে জয়শ্রীরাম ধ্বনি, আশ্রয় চাইছেন ভারতে

অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের পরও নিরাপত্তা নিয়ে বেজয় দুশ্চিন্তায় রয়েছেন ওই দেশের সংখ্যালঘুরা। কোচবিহারে ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের ওপারে দাঁড়িয়ে তাঁরা এদেশে আশ্রয় চাইছেন। শীতলকুচির পাঠানতুলি গ্রামে কাঁটাতারের ওপারে শয়ে শয়ে বাংলাদেশিরা ভির করেছেন। শরণার্থীদের মতো তাঁদের অবস্থা। তাঁরা সেখানে দাঁড়িয়ে জয় শ্রীরাম স্লোগান তুলছেন। পাশাপাশি গদিচ্যুত প্রধানমন্ত্রী হাসিনা এবং ভারতের জয়ধ্বনিও শোনা গেল তাঁদের গলায়। সীমান্তের জলাশয়ের মাঝে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুদের দাবি, আমরা ভারতের আশ্রয় চাই।এপারে কোচবিহারের (Cooch Behar) শীতলকুচির পাঠানতুলি গ্রাম, ওপারে লালমণিরহাট। মাঝে জলাশয় বরাবর কাঁটাতার। শুক্রবার সেই জলে নেমেই এপারে আসার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে গেল বাংলাদেশের (Bangladesh) সীমান্তবর্তী গ্রামগুলির সংখ্যালঘু বাসিন্দাদের। জিরো পয়েন্টে বসে তাঁরা হাসিনা ও আওয়ামি লিগের পক্ষে স্লোগান তুললেন। হিন্দুদের গলায় শোনা গেল জয় শ্রীরাম ধ্বনি। জলাশয় পেরিয়ে পাঠানতুলি গ্রামের ওপারে দাঁড়িয়ে তাঁদের বক্তব্য, আমাদের নিরাপত্তা নেই, ভারতের আশ্রয় চাই। বুধবার জলপাইগুড়ির সীমান্ত এলাকা বেরুবাড়িতে একইভাবে জড়ো হয়েছিলেন বহু বাংলাদেশি। সেখানে কাঁটাতার না থাকায় বিএসএফ-বিজিবি একযোগে কাজ করে তাঁদের নিজেদের এলাকায় ফেরত পাঠায়। শুক্রবার দেখা গেল, আরও বেশি সংখ্যক শরণার্থী ভারতের আশ্রয় ভিক্ষা করছেন। বিএসএফ (BSF) সূত্রে খবর, বাংলাদেশের লালমণিরহাট জেলার গাইবান্দা, পশ্চিম গোতামারি, পূর্ব গোতামারি, ডাকুয়াটারি এলাকার বাসিন্দা তাঁরা। এই সবকটিই সীমান্তবর্তী গ্রাম। বৃহস্পতিবার রাতেই অশান্ত বাংলাদেশের হাল ধরতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে। তার প্রধান উপদেষ্টা নোবেলজয়ী ডঃ মহম্মদ ইউনুস। তাঁর আশ্বাসল আদৌ কোনও কাজ হয়েছে কওনা প্রশ্ন আছে। লুটপাট, মারধরের ঘটনার খবর সামনে আসছে।।তাতেই তাঁরা আতঙ্কিত হয়ে এবার ভারতের আশ্রয় চাইছেন।

আগস্ট ০৯, ২০২৪
দেশ

ভারতে এসে ভয়ানক অভিজ্ঞতার কথা শোনালেন বাংলাদেশের নাগরিক, অতঙ্কে তড়ঘড়ি ফিরছেন ভারতীয়রা

বাংলাদেশের নানা স্থানে চলছে সর্বত্র চলছে লুঠ, ধর্ষণ, খুন, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ। নিরাপত্তার অভাব বোধ করে বহু ভারতীয়রা পালিয়ে আসছে। বাংলাদেশীরা অনেকে অনেকে চিকিৎসার কথা বলে তড়িঘড়ি ভারতে প্রবেশ করছে। বুধবার সকাল থেকেই মালদা জেলার মহদিপুর এলাকার ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সীমান্তে এমন চিত্র দেখা গিয়েছে। একই দৃশ্য দেখা যাচ্ছে বণগাঁর পেট্রোপল সীমান্তে। যেখানে অনেক বাংলাদেশী পরিবার নিয়ে চিকিৎসার নাম করে ভারতের এই দুই সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করেছেন। তাঁরাই বলছেন, এরকম বাংলাদেশ আমরা চাইনি। শেখ হাসিনা তো পদত্যাগ করেছে। কোটা সংস্কারও মেনে মেনে নিয়ে সিদ্ধান্ত দিয়েছে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত। তারপরও আন্দোলন থেমে থেমে নেই। সর্বত্রই লুঠ চলছে। ভাঙচুর করা হচ্ছে বাড়িঘর, দোকানপাট। পুকুরের মাছ থেকে জমির ফসল সব লুঠ করছে দুষ্কৃতীরা। রাস্তায় আগুন জ্বলছে। খুন হয়ে যাওয়ার আতঙ্কে পরিবার নিয়ে পালিয়ে এসেছি। রাস্তায় সেনাবাহিনী নেই , পুলিশ নেই। নিরাপত্তার সর্বত্রই অভাব রয়েছে। এই ঘটনার পিছনে বিদেশি শক্তির হাত রয়েছে বলেও এদিন ভারতে প্রবেশকারী বাংলাদেশী বেশকিছু নাগরিকেরা জানিয়েছেন। মালদার বাসিন্দা সুশান্ত সরকার গিয়েছিলেন বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জের শ্বশুরবাড়িতে। এদিন সকালে আত্মীয়দের নিয়ে ফিরে এসে সুশান্তবাবু বলেন, সংখ্যালঘুদের ওপর চরম অত্যাচার চলছে। বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। সমস্ত কিছু লুঠ করে নেওয়া হচ্ছে। মহিলারাও আতঙ্কে রয়েছে। যে কোনও মুহূর্তে খুন হয়ে যাওয়ার ভয়ে নিজের দেশে চলে এসেছি। বাংলাদেশের পরিস্থিতি ভয়াবহ। বাংলাদেশের এক নাগরিক রাজশাহীর বাসিন্দা মহম্মদ হেলালউদ্দিন বলেন, হাসিনা সরকার তো পদত্যাগ করেছে। সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু হয়নি। আমার তিনটা পুকুরের মাছ লুঠ করেছে দুষ্কৃতীরা। বাড়িঘর ভাঙচুর করে দিয়েছে। ওরা বাড়ির সদস্যদের খুন করার চেষ্টা করেছিল। অনেক আকুতি মিনতি করাই প্রাণের রক্ষা পেয়েছি। চিকিৎসার নাম করে ভারতে পালিয়ে এসেছি। দেশে ফিরতে পারব কিনা জানি না। এরকম বাংলাদেশ আমরা চাইনি। রাস্তায় কোনও সেনাবাহিনীর কোনও ভূমিকা নেই বলেই তাঁর অভিযোগ। সর্বত্র লুঠপাট চলছে। মহিলাদের বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। যেখানে সেখানে অগ্নিসংযোগ ঘটিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আজকের বাংলাদেশকে শেষ করে দেওয়ার পিছনে বিদেশি শক্তির হাত রয়েছে বলেই মনে করছি। জানি না কবে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ঠিক হবে। বলেন তিনি।এরকম আরও অনেকেই বাংলাদেশ ফেরত ভারতীয়রা একের পর এক উত্তাল পরিস্থিতির কথা জানিয়েছেন। ওই দেশের সংখ্যালঘুদের ওপর বিশাল দুর্যোগ নেমে এসেছে বলেও অভিযোগ করেছেন। পেট্রোপল সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ফিরছেন রাধারাণী দেবী, পরিমল চন্দ্র ঘোষষেরা। তাঁরা আতঙ্কে বাড়ি ফিরছেন বলে জানালেন। ভিসার দিন শেষ ছিল বলে তাঁরা বাড়ি ফিরে গিয়েছেন। কিন্তু দেশের যা হাল আমরা খুব ভয়ে ভয়ে বাংলাদেশ যাচ্ছি বলেন, রাধারাণী দেবী।এদিকে বুধবার বাংলাদেশের অস্থির পরিস্থিতির মধ্যেও কাঁচা সব্জি রপ্তানির শুরু হলো। মহদিপুর এলাকার ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সীমান্তের শুল্ক অধিকর্তা দেশদুলাল চ্যাটার্জী বলেন, সীমান্তের ওপারে এখনও দেড়শোটি ভারতীয় লরি আটকে রয়েছে। সেগুলোই আনার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তবে ওপারে আটকে থাকা লরি চালক ও খালাসীরা প্রত্যেকে চলে এসেছে। পরিস্থিতি বুঝে ভারত থেকে কিছু কাঁচা সবজি যেমন লঙ্কা,পিঁয়াজ রপ্তানির করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশের পরিস্থিতি ভালো নেই। এব্যাপারে ওপারের শুল্ক দপ্তর এবং সীমান্ত বাহিনীর সাথে আলোচনা করা হয়েছে। তবে রপ্তানির ক্ষেত্রে কোনওরকম সমস্যা হবে না বলে ওপারের প্রশাসন জানিয়েছে। সেইসব পরিস্থিতি তদারকি করে সাময়িক কিছু কাঁচামাল রপ্তানি করা হবে।

আগস্ট ০৭, ২০২৪
রাজ্য

সংখ্যালঘু দেখলেই এনআইএ সক্রিয়, ভয়ঙ্কর অভিযোগ মমতার

কেন অস্ত্র নিয়ে মিছিল করবেন? সংখ্যালঘু দেখলেই এনআইএ নিয়ে ঢুকে পড়ার অধিকার কে দিয়েছে? হরিহরপাড়ায় সভা থেকে তোপ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। পাশাপাশি কংগ্রেস ও সিপিএমকে বিজেপির দালাল বলেও তীব্র আক্রমণ করেন মমতা। এখানে ইন্ডিয়া জোট নেই বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী।দক্ষিণবঙ্গে ভোটের প্রচারে তৃণমূল সুপ্রিমো। রামনবমীর দিনে অস্ত্র-মিছিল নিয়ে নাম না করে বিজেপিকে আক্রমণ শানালেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার প্রথম দফার লোকসভা নির্বাচনের দিনেই ফের একবার রামনবমীর শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে হওয়া বিক্ষিপ্ত কিছু গন্ডগোলের ঘটনা তুলে ধরে নাম না করে গেরুয়া শিবিরকে নিশানা তৃণমূলনেত্রীর। বহরমপুরের তৃণমূল প্রার্থী ইউসুফ পাঠানের হয়ে এদিন নির্বাচনী প্রচার সারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই প্রচার মঞ্চ থেকেই বিজেপিকে ধুয়ে দিলেন তৃণমূলনেত্রী।শর্ত সাপেক্ষে রামনবমীর শোভাযাত্রার অনুমতি দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। যদিও কয়েকটি জায়গায় রামনবমীর শোভাযাত্রায় অস্ত্র নিয়ে বের হতে দেখা যায় রাম-ভক্তদের। সেই প্রসঙ্গ তুলেই এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, পরশুদিন ছোট্ট একটা ঘটনা ঘটিয়েছে। গতকাল আবারও ঘটিয়েছিল। তাতে ওসি ও আমার এক ভাই আহত হয়েছে। ১৯ জন আহত হয়েছেন। কেন অস্ত্র নিয়ে মিছিল করবেন আপনারা? কে অধিকার দিয়েছে অস্ত্র নিয়ে মিছিল করার? কে অধিকার দিয়েছে সংখ্যালঘুদের বাড়ি এনআইএ নিয়ে ঢুকে পড়ার?এরই পাশাপাশি এদিন ফের একবার ইন্ডিয়া জোট নিয়ে মুখ খোলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। এই ইস্যুতে বাম-কংগ্রেসকে তুলোধনা করেন তিনি। তেড়েফুঁড়ে আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপিকেও। মমতার কথায়, বাংলায় ইন্ডিয়া জোট নেই। আমরা আছি। কেন্দ্রে সরকার হলে ইন্ডিয়া জোটকে আমরাই সাহায্য করব। আমরাই নেতৃত্ব দেব। বাংলা নেতৃত্ব দেবে। এখানে সিপিএম ও কংগ্রেস বিজেপির দালালি করে। তাই আমাদের সাথে ওদের কোনও সম্পর্ক নেই। কংগ্রেস-সিপিএম তো কেরালাতেই লড়াই করছে। এখানে কংগ্রেস ও সিপিএম আসন ভাগাভাগি করেছে। বিজেপির কাছ থেকে কিছু কিছু নিচ্ছে আর দিচ্ছে।গেরুয়া শিবিরকে আক্রমণে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের প্রসঙ্গ টেনেছেন তৃণমূলনেত্রী। বিজেপিকে নিশানা করে তিনি বলেন, বিজেপির এত বড় সাহস যে বলছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধ করবে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার মহিলাদের অধিকার। ৩ মাসের মধ্যে বিজেপিকে দেশ থেকে গুটিয়ে দেব। ইডি।সিবিআইকে যারা ভয় করে তারাই বিজেপি করে। বাংলায় NRC হবে না। CAA করতে দেব না।

এপ্রিল ১৯, ২০২৪
রাজ্য

নাবালিকা কন্যাকে ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠল সৎ বাবার বিরুদ্ধে

কালনা থানার বাঘনাপাড়া এলাকায় নাবালিকা কন্যাকে দীর্ঘদিন ধরে ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠল সৎ বাবার বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় এলাকায় চালছল্য ছড়িয়ে পড়ে। যানা যায় নির্যাতিতা ওই নাবালিকাকে প্রানে মেরে ফেলার ভয় দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই এই এমন অপকর্ম করে আসছিলেন তার বাবা।তিন দিন আগে মেয়েটি তার মাকে পুরো ঘটনা খুলে বলে। এর পরই নির্যাতিতা ওই নাবালিকার মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে কালনা থানায় দায়ের হয় অভিযোগ, সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে রবিবার কালনা আদালতে পাঠায় কালনা থানার পুলিশ।

আগস্ট ২৮, ২০২২
রাজ্য

কোন সমীকরণে বালিগঞ্জের 'জয়'-এ চিন্তায় ঘুম উড়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের?

বালিগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী হিসাবে বিজেপি ফেরত বাবুল সুপ্রিয়র নাম ঘোষণার পরই পরিস্থিতি বদলে যায়। মুসলিম ভোটারদের একাংশ ভ্রু কুঁচকাতে থাকে। তাঁদের বক্তব্য ছিল, আসানসোলের প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ শিল্পাঞ্চলের দাঙ্গায় মদত দিয়েছিলেন। মুসলিমদের একাংশ বাবুলকে ভোট দিতে বেকে বসেন। দু-একটা মুসলিম সংগঠন প্রকাশ্যে বিবৃতিও দেয়। তারওপর আনিস খুন, বগটুইয়ের গণহত্যার মতো জ্বলন্ত ইস্যু রয়েছে। শনিবার ভোটের ফল প্রকাশ হতেই দেখা যায় দুটি ওয়ার্ডে সিপিএম প্রার্থী এগিয়ে গিয়েছেন, তিন ওয়ার্ডে ব্যাপক ভোট কমেছে তৃণমূল কংগ্রেসের। মোদ্দা কথা জয়ের ব্যাপক মার্জিন কমেছে তৃণমূল কংগ্রেসের।২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী সুব্রত মুখোপাধ্যায় মোট প্রাপ্ত ভোটের ৭০.৬০ শতাংশ পেয়েছিলেন। এবার বাবুল সুপ্রিয় পেয়েছেন প্রায় ৪৯.৬৯ শতাংশ ভোট। গত বিধানসভায় তৃণমূলের জয়ের ব্যবধান ছিল ৫০ শতাংশের বেশি ভোট। দ্বিতীয় বিজেপি তখন পেয়েছিল ২০.৬৮ শতাংশ ভোট। এবার মোট ভোট কম পড়লেও শতাংশের হিসাবই দেখিয়ে দিয়েছে গতবারের থেকে এবারের উপনির্বাচনে ভোটপ্রাপ্তির ফারাক। জয়ের ব্যবধানেও ব্যাপক ফারাক হয়েছে। ৭৫ হাজারের ওপর ব্যবধান নেমে এসেছে ২০ হাজারে। দুই আসনে সবুজ ঝড়ের কথা বলা হলেও কার্যত বালিগঞ্জে তৃণমূল ভোট হারিয়েছে। এর পিছনে মুসলিম ভোটই প্রধান কারণ বলে জানিয়ে দিয়েছে বেঙ্গল ইমাম অ্যাসোসিশন। তাঁদের বক্তব্য, বালিগঞ্জে মুসলিম ভোটারদের একটা বড় অংশ তৃণমূল থেকে মুখ ফিরিয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব আত্মসমীক্ষা করে দেখতে পারে। মুসলিমদের একাংশের ভোট তৃণমূল না পাওয়ায় ভোটারদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন ওই সংগঠনের কর্তারা।রাজনৈতিক মহলের মতে, উপনির্বাচনে শাসকদলের অ্যাডভান্টেজ থাকে এটা অতীতের ফলাফলে প্রমানিত। কিন্তু বালিগঞ্জের ক্ষেত্রে এবার অন্তত সেকথা খাটছে না। সিপিএম এখানে ৩০.০৬ শতাংশ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। কংগ্রেস ৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়েছে। অর্থাৎ কংগ্রেস ও সিপিএমের মিলিত ভোট প্রায় ৩৬ শতাংশ। সামনে ২০২৩-এ পঞ্চায়েত ভোট, ২০২৪-এ লোকসভা নির্বাচন, ২০২৬-তে বিধানসভা ভোট। বালিগঞ্জের ধারা অব্যাহত থাকলে ভোট রাজনীতিতে তৃণমূল কংগ্রেসের ভোট ব্যাংক-এ সংকট হতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ১৭, ২০২২
রাজ্য

নাবালিকা ছাত্রীর বিয়ে বন্ধ করিয়ে তাঁকে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে নিয়ে গেল পুলিশ

বিনাপণে বিয়ের প্রস্তাব পেয়ে মাধ্যমিক পরীক্ষার আগের রাতে নাবালিকা মেয়েকে বিয়ের পিঁড়িতে বসিয়ে দিয়েছিল বাবা। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। ঘটনার খবর পেয়েই পূর্ব পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার পুলিশ দ্রুত বেরোয়া গ্রামে পৌছে নাবালিকা মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর বিয়ে রেখে দেয়। তার কারণে নিরুপায় হয়ে বউ ছাড়াই টোপর হাতে নিয়ে ওই রাতেই নিজের বাড়ি ফিরে যেতে হয় বর বাবাজীবনকে। আর ইচ্ছার বিরুদ্ধে শ্বশুরবাড়ি যেতে না হওয়ায় সোমবার মহানন্দেই মাধ্যমিক পরীক্ষা কেন্দ্রে গিয়ে পরীক্ষা দিল ভাতারের মাহাতা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী।ছাত্রীটি এদিন জানিয়েছে, মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসার জন্য সে রবিবার রাতে পড়াশুনা করছিল। পরীক্ষা না দিয়ে ছাদনাতলায় বিয়ের পিঁড়িতে বসার কোনও চিন্তাভাবনা তার মাথাতেই ছিল না। একপ্রকার জোর করেই ওই দিন তাঁকে বিয়ের পিঁড়িতে বসার জন্য বাধ্য করা হচ্ছিল। তবে অবশ্য ভাতার থানার ওসি সৈকত মণ্ডলের জন্য তা আর কেউ করতে পারেনি। তাই এদিন ভালোভাবেই মাধ্যমিকের বাংলা পরীক্ষা দিতে পেরেছি বলে ছাত্রী জানিয়েছে। নাবালিকা ওই ছাত্রী আরও জানিয়েছে,পড়াশুনা ছেড়েদিয়ে বিয়ের পিঁড়িতে বসার স্বপ্ন সে দেখেনা। লেখাপড়া শিখে নিজেকে জীবনে প্রতিষ্ঠিত করারই তাঁর এখন একমাত্র লক্ষ্য। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ভাতারের বেরোয়া গ্রামেরওই ছাত্রীরা দুই বোন। সে ছোট। তাঁর দিদির বিয়ে হয়ে গেছে। তাদের বাবা জনমজুরির কাজ করেন ৷ মা গৃহবধু। মাহাতা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এবারে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিচ্ছে ছাত্রীটি । তাঁর সিট পড়েছে এরুয়ার উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে। যে যুবক রবিবার তাঁকে বিয়ে করতে টোপর মাথায় দিয়ে হাজির হয়েছিল তার বাড়ি বর্ধমানের দেওয়ানদিঘি থানার তালিত গ্রামে। ছাত্রীর মা এদিন বলেন, আমাদের আর্থিক অবস্থা ভালো নয়। বড় মেয়ের বিয়েতে অনেক ধারদেনা হয়ে গেছে। ছোট মেয়ের বিয়ে নিয়ে চিন্তায় ছিলাম।তালিতের পাত্রটিও খারাপ ছিলনা । তার বিয়ে ভেঙে যাওয়ার পর যখন আমাদের ছোট মেয়েকে বিনাপণে বিয়ে করার প্রস্তাব দেয় আমরা রাজি হয়ে যাই । তবুও আমরা অনুরোধ করেছিলাম মাধ্যমিক পরীক্ষার পর বিয়ে সম্পন্ন করার জন্য। কিন্তু পাত্রপক্ষ শর্ত রেখেছিল রবিবার রাতেই বিয়ে দিতে হবে। তাই বাধ্য হয়ে আমরা মাধ্যমিক পরীক্ষার আগের দিন রাতে বিয়ের প্রস্তুতি নিয়েছিলাম ।তবে মেয়ের বয়স ১৮ বছর না হওয়ার পুলিশ রাতে আমার বাড়িতে পৌছে বিয়ে বন্ধ করিয়ে দেয় । ১৮ বছর বয়স না হওয়া পর্যন্ত মেয়ের বিয়ে দিতে পারবোনা বলে পুলিশের কাছে মুচলেখাও লিখে দিয়েছেন বলে ছাত্রীর অভিভাবকরা জানিয়েছেন। এই ঘটনার কথা জেনে ওই ছাত্রী সহপাঠীরা ভাতার থানার পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়েছে।

মার্চ ০৭, ২০২২
দেশ

Corona: ছোটদের টিকাকরণ ১ কোটি পার, পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ওমিক্রনের দাপট

নতুন বছরে শুরু হয়েছে করোনা টিকাকরণের নতুন অধ্যায়। ৩ জানুয়ারি থেকে করোনা টিকা নিতে পারছে ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সীরাও। আর মাত্র তিনদিনেই সেই টিকাকরণের সংখ্যা ১ কোটির গণ্ডি পার করেছে। বুধবারই কো-উইন পোর্টালের ড্যাশবোর্ডে দেখা যায়, এখনও অবধি ১.২৯ কোটি ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সী নাবালক/নাবালিকারা করোনা টিকার প্রথম ডোজ পেয়েছে।মাত্র দুইদিনের মধ্যেই টিকাকরণের সংখ্যা ১ কোটি পার হওয়ায় দেশবাসীকে টুইটারে ধন্যবাদ জানান কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য। তিনি লেখেন, করোনা টিকাকরণের জন্য ভারতের যুব সম্প্রদায়ের মধ্যে দারুণ উৎসাহ দেখতে পেয়ে অত্যন্ত খুশি। ১৫ থেকে ১৮ বয়সী ১ কোটিরও বেশী তরুণ প্রজন্ম করোনা টিকার প্রথম ডোজ় পেয়েছে, তাও আবার মাত্র টিকাকরণ অভিযান শুরুর তিনদিনের মধ্যেই।অন্যদিকে নতুন বছরেও দাপট কমছে না ওমিক্রনের। পাল্লা দিচ্ছে করোনা সংক্রমণও। ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের দাপটে দেশ তথা বিশ্বজুড়েই বাড়ছে সংক্রমণ। দেশে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ২ হাজার পার করেছে। দিল্লি, মুম্বইয়ের মতো বড় শহরগুলিতে শুরু হয়ে গিয়েছে করোনা ও ওমিক্রনের গোষ্ঠী সংক্রমণ। কলকাতাতেও লাফিয়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। এখনও অবধি বিশ্বের ১২৮টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট।

জানুয়ারি ০৬, ২০২২
দেশ

Minor's Vaccination: আজ থেকে শুরু ১৫-১৮ বছর বয়সিদের টিকাকরণ

সোমবার থেকে শুরু হয়েছে ১৫-১৮ বছর বয়সিদের টিকাকরণ। দেওয়া হচ্ছে কোভ্যাকসিন। কোউইন পোর্টালে জোরকদমে চলছে রেজিস্ট্রেশন। ভ্যাকসিনেশন হচ্ছে স্কুলে। কলকাতার ১৬টি স্কুল চূড়ান্ত করেছে পুরসভা। একইসঙ্গে ৩৭ কোভ্যাক্সিন সেন্টার থেকেও দেওয়া হবে প্রতিষেধক। তালিকায় নাম থাকা স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের আধার কার্ড নিয়ে যেতে হবে যারা স্কুলছুট বা স্কুলে পড়ে না, এমন ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সিদের টিকা পুরসভার কেন্দ্রে পুরসভার ৩৯টি টিকাদান কেন্দ্রের যে কোনও একটিতে যেতে হবে।প্রসঙ্গত, যাঁরা স্কুল ছুট বা স্কুলে পড়ে না, এমন ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সিদের টিকা পুরসভার কেন্দ্রে হবে। কলকাতা পুরসভার ৩৯ টি টিকাদান কেন্দ্রের যে কোনও একটি যাওয়া যেতে পারে। সেক্ষেত্রে তালিকায় নাম থাকা স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের আধার কার্ড নিয়ে যেতে হবে। সারদা ইন্সস্টিটিউশন ফর গার্লস, গভর্নমেন্ট স্পনসরড মাল্টিপারপাস স্কুল ফর বয়েজ টাকি হাউজ, চেতলা গার্লস হাইস্কুল, সন্তোষপুর ঋষি অরবিন্দ বালিকা বিদ্যালয়, গার্ডেনরিচ নুটবিহারি গার্লস হাইস্কুল-সহ কলকাতার একাধিক স্কুলে টিকাকরণ হচ্ছে।বিশেষজ্ঞ জানাচ্ছেন, কোভ্যাক্সিনের ক্ষেত্রে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অত্যন্ত সামান্য। বাচ্চাদের অল্প জ্বর আসতে পারে, গলা ব্যথা, গা হাত পা ব্যথা হতে পারে টিকা নেওয়া পর। তবে তাতে ভয় পাওয়া কিচ্ছু নেই বলে চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন। এগুলি ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই চলে যাবে। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শও নেওয়া যেতে পারে। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় ভয় পেয়ে বাচ্চাদের ভ্যাকসিন না দেওয়ানো, অত্যন্ত ভুল সিদ্ধান্ত হবে বলে অভিভাবকদের সচেতন করেছেন চিকিৎসকরা।কো-উইন তথ্য বলছে, এখনও পর্যন্ত সারা দেশের সাড়ে ১২ লাখেরও বেশি ১৫-১৮ বছরের কিশোর-কিশোরীরা টিকাকরণের জন্য নাম নথিভুক্ত করেছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মানসুখ মাণ্ডব্য রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে টিকাকরণের জন্য বয়সের ভিত্তিতে আলাদা আলাদাভাবে ভ্যাকসিন সেন্টার, সেশন সাইট, লাইন ও টিকাকরণ কর্মীদের টিম তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন। ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের দেওয়া হবে কোভ্যাক্সিন।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
রাজ্য

Nandigram Blast: বল ভেবে খেলতে গিয়েই কেঁপে উঠল পরিত্যক্ত বাড়ি, ছিটকে পড়ল রক্ত

শুক্রবার রাতে বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল নন্দীগ্রাম। জানা গিয়েছে, বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছে এক নাবালিকার। জখম হয়েছে আরও দুই শিশু। একজনের আঘাত গুরুতর হওয়ায় তাকে নন্দীগ্রাম সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নন্দীগ্রামের কালীচরণপুর-১ অঞ্চলের একটি পরিত্যক্ত বাড়িতেই এই বিস্ফোরণ হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। বল ভেবে খেলতে গিয়েই বিস্ফোরণ হয় বলে স্থানীয়দের তরফে জানানো হয়েছে। আরও পড়ুনঃ দাম কমছে না পেট্রোপণ্যের, রাজ্যের আপত্তিতে পেট্রোল-ডিজেলে বসছে না জিএসটিকালীচরণপুর-১ পঞ্চায়েত সমিতির জাদুবাড়ি চক। সেখানে জাকির শা নামে এক ব্যক্তির একটি পরিত্যক্ত বাড়ি রয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা আটটা নাগাদ এলাকার তিন শিশু খেলার সময় ওই বাড়িতে ঢোকে। সেখানেই বল ভেবে একটি গোলাকার বস্তুকে হাতে তুলতেই ভয়ঙ্কর শব্দে সেটি ফেটে যায়। বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে এলাকা। ওদিকে তিন শিশুর চিল চিৎকার শুনে ছুটে আসেন বাড়ির লোকজন। দেখা যায়, বাড়ির সামনে রক্তে ভেসে যাচ্ছে। ন থেকে দশ বছরের মধ্যে এক নাবালিকা মাটিতে পড়ে ছটফট করছে। স্থানীয়রা কোনও মতে তাঁকে তুলে নিয়ে হাসপাতালে পৌঁছয়। কিন্তু শেষ রক্ষা করা যায়নি। সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর। বাকি দুজনের মধ্যে একজনের মাথায় চোট লেগেছে। অপরজনের আঘাত গুরুতর। পায়ে গভীর ক্ষত তৈরি হয়েছে। তাঁকে নন্দীগ্রাম সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পায়ে ব্যান্ডেজের পাশাপাশি অক্সিজেনও দিতে হয়েছে তাকে। এই বাড়িতে কে বা কারা বোমা রেখে গিয়েছিল, তা খুঁজতে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সঙ্গে রয়েছে চাপা আতঙ্কও।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১
দেশ

Rape Convicted: এনকাউন্টারের হুমকির পরই রেললাইনে মিলল দেহ

দুদিন আগেই রাজ্যের এক মন্ত্রী হুমকি দিয়েছিলেন ধর্ষককে পেলেই এনকাউন্টার করে খতম করবেন। এ বার রহস্যজনকভাবেই রেললাইন থেকে উদ্ধার হল হায়দরাবাদে ছয় বছরের নাবালিকাকে ধর্ষণকাণ্ডে অভিযুক্তের দেহ। পুলিশের দাবি, ওই অভিযুক্তকে ধাওয়া করা হয়েছিল। পালানোর চেষ্টায় সে রেললাইনে ঝাঁপ দিয়েছিল, সেই সময়ই ট্রেনের ধাক্কায় তাঁর মৃত্যু হয়।আরও পড়ুনঃ মাকে খুন করে ঘরের মেঝেতে দেহ পুঁতে রেখে দিয়েছিল ছোট ছেলে, খুঁড়তেই উদ্ধার কঙ্কালঘটনার সূত্রপাত হয় ৯ সেপ্টেম্বর। হায়দরাবাদের সিনগারেনি কলোনির বাড়ি থেকে ৯ সেপ্টেম্বর নিখোঁজ হয়ে যায় বছর ছয়েকের ওই নাবালিকা। সারাদিন খোঁজ না মেলায় পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পরের দিন প্রতিবেশীর বাড়ি থেকেই বিছানার চাদরে জড়ানো অবস্থায় নাবালিকার দেহ উদ্ধার হয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে যৌন নির্যাতন ও দম বন্ধ করে খুনের প্রমাণ মেলে। এরপরই ওই প্রতিবেশীর খোঁজ শুরু করে পুলিশ। জানা যায়, যেদিন নাবালিকার দেহ উদ্ধার করা হয়, সেই সময় থেকেই পলাতক পাল্লাকোন্ডা রাজু নামক ওই প্রতিবেশী যুবক।প্রাথমিক তদন্ত চলাকালীনই শোনা যায়, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কিন্তু পরে যখন বোঝা যায়, খবরটি ভুয়ো ছিল, তখন এলাকাবাসীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়তে থাকে। উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। স্থানীয় বাসিন্দারা সুবিচারের দাবিতে ধর্ষকের এনকাউন্টারের দাবি জানান। এ দিকে, ধর্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, এই ভুল তথ্য ছড়ানোর জন্য তেলঙ্গনার মন্ত্রী কেটি রামা রাও নিজের আগের টুইটের জন্য ক্ষমা চেয়ে নেন এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করার জন্য সাধারণ নাগরিকদের সাহায্য চান। এনকাউন্টার না হলেও এ দিন সকালে ওই ধর্ষকের দেহ রেললাইনে ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হল। দেহের একাধিক ট্যাটু দেখেই অভিযুক্তকে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে পুলিশের বিবৃতি ঘিরেও রহস্য তৈরি হয়েছে। ধর্ষকদের সঙ্গে সঙ্গে শাস্তি দেওয়ার নামে এনকাউন্টার বিতর্কে এর আগেও হায়দরাবাদ পুলিশের নাম জড়িয়েছিল।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২১
রাজ্য

Marrying a Minor: নাবালিকাকে বিয়ে করার দায়ে শ্রীঘরে ঠাঁই চাইল্ড লাইন সদস্যের

নাবালিকাকে বিয়ে করার দায়ে গ্রেপ্তার হলেন নাবালিকা বিয়ে রোখার দায়িত্বে থাকা চাইল্ড লাইনেরই এক সদস্য। ধৃতের নাম অরুপ সাহা। পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া থানার বরমপুর গ্রামের অরপ সাহা চাইল্ডলাইনের কাটোয়া শাখার একজন সদস্য।কাটোয়া থানার পুলিশ শুক্রবার রাতে বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ শনিবার ধৃতকে পেশ করে কাটোয়া মহকুমা আদালতে। বিচরক ধৃতের ৪ দিন জেল হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। চাইল্ড লাইন সদস্যের এমন কীর্তির কথা জেনে স্তম্ভিত কাটোয়াবাসী।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর ১৬ বয়সী যে নাবালিকাকে অরুপ সাহা গত ১ জুলাই বিয়ে করে তার বাড়ি কাটোয়ার মুস্থুলি গ্রামে। স্থানীয়দের মাধ্যমে এই বিয়ের বিষয়ে খবর পায় চাইল্ড লাইন কর্তৃপক্ষ। ঘটনা জানার পরেই ৩ সদস্যের কমিটি গড়ে সংস্থার তরফে শুরু হয় তদন্ত। তাঁরা নাবালিকার বয়সের প্রমাণপত্র ও বিয়ের প্রমানসহ সবকিছু তথ্য খতিয়ে দেখেন। তদন্ত কমিটি গত ২৯ জুলাই উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষের কাছে তথ্য সহ রিপোর্ট জমা দেয়। এরপর গত ৬ আগষ্ট পূর্ব বর্ধমান জেলা সমাজকল্যাণ আধিকারিকের কাছে এ নিয়ে ই-মেলের মাধ্যমে অভিযোগ জানান সংস্থার এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর জে মজুমদার। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে জেলা সমাজকল্যাণ আধিকারিক প্রশান্ত রায় গত মঙ্গলবার কাটোয়া থানায় অরূপ সাহার বিরুদ্ধে একটি এফআইআর দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে মামলা রুজু করে কাটোয়া থানার পুলিশ শুক্রবার রাতে অরূপ সাহাকে গ্রেফতার করে।আরও পড়ুনঃ ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি করার অশ্লীল ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার চার নাবালক ছাত্রধৃত অরুপ সাহা যদিও দাবি করেছেন, তাঁর বাবা মারা গিয়েছেন। বাড়িতে অসুস্থ মা একাই থাকেন। সংসার সামালনোর জন্য তাঁর মা বিয়ে করে নেওয়ার জন্য তাঁকে খুব চাপ দিচ্ছিলেন। এমন অবস্থার মধ্যে পড়ে গিয়ে তিনি শেষ পর্যন্ত বিয়ে করতে বাধ্য হন ।

আগস্ট ২৮, ২০২১
রাজ্য

Minor Marriage: চার হাত এক হওয়ার মুহূর্তে ব্যাকুল খুদে প্রেমিকার স্বপ্ন ভঙ্গ

বিয়ের বয়স না হলেও প্রেমিককেই জীবনসঙ্গী হিসাবে পাওয়ার জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠেছিল খুদে প্রেমিকা। তাই বুধবার পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার মণ্ডলহাটের বাড়ি থেকে বেরিয়ে প্রেমিকা সটান চলে আসে পুর্বস্থলীর হলদি-নপাড়া এলাকা নিবাসী প্রেমিকের বাড়িতে। তাঁদের বিয়ের সব আয়োজনও সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু পুলিশ ওই রাতেই সেখানে পৌছে যাওয়ায় ছাদনাতলায় বসার আগেই স্বপ্নভঙ্গ হল প্রেমিকার। সাবালিকা হয়ে প্রেমিকের সঙ্গে বিয়ের পিড়িতে বসার জন্য প্রেমিকাকে এখন পার করতে হবে পাঁচ পাঁচটা বসন্ত।দুই পরিবারের কাছ থেকে তেমনই মুচলেখা আদায় করে নিয়েছে পুলিশ ও চাইল্ড লাইন কর্তৃপক্ষ । নবালিকা অবশ্য সেই শর্তেই শেষমেষ সন্মতি জানিয়েছে।আরও পড়ুনঃ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার দাবিতে এসএফআই-এর কনভেনশনপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কাটোয়ার মণ্ডলহাট এলাকা নিবাসী নাবালিকার বয়স মাত্র ১৩ বছর। পূর্বস্থলীর হালদি-নপাড়া নিবাসী তাঁর প্রেমিকের বয়স কুড়ি। এই যুবককে বিয়ে করার জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠেছিল প্রেমিকা। তাই বুধবার সে সটান চলে আসে প্রেমিক যুবকের বাড়িতে।প্রেমিকাকে নিরাশ করতে না চেয়ে যুবকের পরিবার দুজনের চার হাত এক করার যাবতীয় আয়োজনও সম্পূর্ণ করে ফেলেন।আরও পড়ুনঃ পড়ুয়াদের জন্য সুখবর, বড় ঘোষণা মমতারসেই খবর গোপনে পৌছে যায় পূর্বস্থলী থানার পুলিশের কাছে। পাত্র পাত্রী ছাতনা তলায় বিয়ের পিড়িতে বসার আগেই পুলিশ তাদের তুলে নিয়ে থানায় চলে যায়। পুলিশের তরফে খবর দেওয়া হয় চাইল্ড লাইনে। এদিন কাটোয়া থেকে চাইল্ড লাইনের টিম পূর্বস্থলী থানায় পৌছেয়া। ১৮ বছর বয়স না হওয়া পর্যন্ত ওই নাবালিকার বিয়ে দেওয়া যাবে না বলে দুই পরিবার চাইল্ডলাইনের কাছে মুচলেখা দেয়। তার পর তারা ছাড়া পায়।আরও পড়ুনঃ মঙ্গলকোটের তৃণমূল নেতাকে খুনের ঘটনায় সিআইডির জালে কুখ্যাত দুস্কৃতিচাইল্ড লাইন আধিকারিক সুচেতনা ভট্টাচার্য বলেন, অল্প বয়সে ছেলে, মেয়েদের বিয়ে দিলে তাদের শারীরিক ও মানসিক কি ক্ষতি হতে পারে তা দুই পরিবারকে বোঝানো হয়। বিবাহ সংক্রান্ত বয়সসীমা মানার ব্যাপারে দুই পরিবার এদিন মুচলেখা দিয়েছেন। নাবালিকাকে তাঁর বাড়িতে পৌছে দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ০৬, ২০২১
রাজ্য

Stabbed: যৌন লালসা পূরণে বাধা পেয়ে বিধবাকে ছুরিকাঘাত, গ্রেফতার নাবালক

যৌন লালসা পূরণে বাধা পেয়ে ছুরিকাঘাত করে বিধবাকে জখম করার অভিযোগে গ্রেফতার হল এক নাবালক। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার রসুলপুরে। জখম বছর ৪৩ বয়সী বিধবাকে উদ্ধার করে ভর্তি করা হয়েছে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। মহিলার অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্ত নাবালককে গ্রেপ্তার করে এদিনই পেশ বর্ধমানের জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ডে।আরও পড়ুনঃ বধূকে ধর্ষণের পর সোনার গয়না ও টাকা হাতানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার যুবকপুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত বছর ১৫ বয়সী ওই নাবালক বিধবার প্রতিবেশী। বুধবার ভোর রাত ৩ টে নাগাদ বিধবা তাঁর বাড়িতে একাই ছিলেন। যৌন লালসা চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে ওই সময়ে প্রতিবেশী পরিবারের নাবালক বিধবার ঘরে ঢোকে। অভিযোগ, যৌন লালসা পূরণে বাধা পেয়ে নাবালক ধারালো ছুরি জাতীয় কিছু দিয়ে বিধবার শরীরের একাধিক জায়গায় আঘাত করে। তাতে বিধবা মারাত্বক জখম হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছায়। বিধবার অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনায় অভিযুক্ত নাবালককে গ্রেফতার করে। নাবালকের এমন কু-কীর্তির কথা জেনে স্তম্ভিত রসুলপুরের বাসিন্দারা।

আগস্ট ০৪, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

১৬ মাস পর মুখোমুখি মোদী-ট্রাম্প! করমর্দনের সেই মুহূর্ত ঘিরে তুমুল জল্পনা

জি-৭ সম্মেলনের মঞ্চে দীর্ঘ ১৬ মাস পর মুখোমুখি হলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার ফ্রান্সের এভিয়ানে সম্মেলনের ঐতিহ্যবাহী ফটো পর্বের সময় দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতা হয়। করমর্দনের সেই মুহূর্ত ঘিরে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।সম্মেলনে অংশ নিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতারা যখন অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছচ্ছিলেন, তখনই মোদী ও ট্রাম্পকে কথা বলতে দেখা যায়। কিছুক্ষণ কথোপকথনের পর তাঁরা একসঙ্গে ফটো পর্বেও অংশ নেন। দীর্ঘদিন পর দুই নেতার এই মুখোমুখি সাক্ষাৎ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন কূটনৈতিক মহলের একাংশ।জানা গিয়েছে, বুধবার জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে মোদী ও ট্রাম্পের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। তার আগেই এই সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতা দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।উল্লেখ্য, এর আগে দুই নেতার শেষ মুখোমুখি বৈঠক হয়েছিল গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে। সেই সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়েছিলেন। এরপর বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য তৈরি হলেও দুই নেতা একাধিকবার টেলিফোনে কথা বলেছেন।গত কয়েক মাসে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক নানা কারণে আলোচনায় ছিল। বাণিজ্য শুল্ক, কৌশলগত সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত কয়েকটি বিষয়ে দুই দেশের অবস্থান নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে একই সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার বিষয়েও দুই দেশ আগ্রহ দেখিয়েছে।কূটনৈতিক সূত্রের মতে, বুধবারের বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, প্রযুক্তি এবং আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে। বিশেষ করে দুই দেশের মধ্যে চলমান বাণিজ্য কাঠামো এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার রূপরেখা বৈঠকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হতে পারে।প্রসঙ্গত, ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর আমন্ত্রণে এবারের জি-৭ সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। সঙ্গী দেশ হিসেবে ভারত একাধিকবার এই সম্মেলনে আমন্ত্রিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক কূটনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে বিবেচিত এই সম্মেলনে ভারতের উপস্থিতি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।এখন সকলের নজর বুধবারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের দিকে। দীর্ঘ ১৬ মাস পর মুখোমুখি সাক্ষাতের পর দুই দেশের সম্পর্ক কোন নতুন পথে এগোয়, তা জানতেই আগ্রহী আন্তর্জাতিক মহল।

জুন ১৬, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে বড়সড় জঙ্গি চক্র ফাঁস! একসঙ্গে গ্রেপ্তার ৭, তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য

রাজধানী দিল্লিতে একটি সন্দেহভাজন জঙ্গি নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে বড়সড় অভিযান চালিয়ে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে দিল্লি পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, ধৃতরা দেশের বিভিন্ন জায়গায় নাশকতার পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসমূলক কার্যকলাপ, অস্ত্র ও মাদক পাচার এবং সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহের অভিযোগ উঠেছে। তদন্তকারীদের দাবি, একটি আন্তর্জাতিক চক্রের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ ছিল এবং সেই সূত্রে বিভিন্ন বেআইনি কার্যকলাপ চালানো হত।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে বলে পুলিশের দাবি, সীমান্তবর্তী এলাকা ব্যবহার করে অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং মাদক পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছিল। পরে সেগুলি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে দেওয়া হত। সম্প্রতি গোয়েন্দা সূত্রে তথ্য পাওয়ার পরই শুরু হয় নজরদারি এবং তল্লাশি অভিযান।অবশেষে দিল্লি পুলিশের বিশেষ শাখার অভিযানে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপরই রাজধানী এবং আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল স্থানে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি।তদন্তকারীদের দাবি, ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোন এবং অন্যান্য বৈদ্যুতিন যন্ত্রে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। কিছু সংবেদনশীল স্থানের ছবি এবং তথ্যও উদ্ধার হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। সেগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।উল্লেখ্য, এর আগেও রাজধানীতে নাশকতার সম্ভাবনা ঘিরে কয়েকজন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। সেই ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে। তার মধ্যেই নতুন করে এই গ্রেপ্তারি নিরাপত্তা সংস্থাগুলির উদ্বেগ বাড়িয়েছে।পুলিশের দাবি, গোটা ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। তদন্তকারীরা জানতে চাইছেন, এই চক্রের সঙ্গে আর কারা যুক্ত এবং তাদের সম্ভাব্য পরিকল্পনা কতদূর এগিয়েছিল।এই ঘটনার পর রাজধানীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া করা হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে নজর রাখছে প্রশাসন এবং নিরাপত্তা সংস্থাগুলি।

জুন ১৬, ২০২৬
কলকাতা

একুশের আগে বড় ধাক্কার ছক? তৃণমূলের প্রতীক নিয়েই কি আদালতে যাচ্ছেন সুদীপরা!

একুশে জুলাই তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনৈতিক ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। দীর্ঘদিন ধরে এই দিনটিকে দলের শক্তি প্রদর্শনের অন্যতম বড় মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। তবে এবার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। ক্ষমতা হারানোর পর দলীয় অন্দরে বিভাজন, বিদ্রোহ এবং নেতৃত্ব নিয়ে জটিলতার আবহে একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি নিয়েই তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।এই আবহের মধ্যেই নতুন রাজনৈতিক জল্পনার জন্ম দিলেন তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের অন্যতম প্রবীণ সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। বিদ্রোহী সাংসদদের একটি বড় অংশ সম্প্রতি নতুন রাজনৈতিক দল এনসিপিআই-তে যোগ দিয়েছেন। ফলে অনেকেই মনে করেছিলেন, তাঁরা তৃণমূলের নাম, প্রতীক বা সম্পত্তির দাবি থেকে সরে এসেছেন। কিন্তু সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক মন্তব্য সেই ধারণায় নতুন প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।দিল্লি থেকে ফেরার পর তিনি বলেন, দলের প্রতীক, সম্পত্তি এবং ভবিষ্যৎ সাংগঠনিক অবস্থান নিয়ে কী পদক্ষেপ করা হবে, তা এখনও আলোচনার বিষয়। তাঁর অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, এই ধরনের বিষয় শেষ পর্যন্ত আদালতেই নিষ্পত্তি হয়। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই মন্তব্যের মধ্যেই ভবিষ্যতের আইনি লড়াইয়ের ইঙ্গিত রয়েছে।সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, অন্য রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়ার পরও কীভাবে তৃণমূলের প্রতীক বা সম্পত্তির দাবি তোলা সম্ভব? রাজনৈতিক সূত্রের দাবি, লোকসভা ও বিধানসভার বিক্ষুব্ধ শিবিরকে একত্র করার চেষ্টা চলছে। যদি বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলির মধ্যে সমঝোতা তৈরি হয়, তাহলে ভবিষ্যতে দলীয় প্রতীক ও সাংগঠনিক অধিকার নিয়ে নতুন দাবি উঠতে পারে।সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ও জানিয়েছেন, বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে আলোচনা চলছে। কীভাবে সবাই একসঙ্গে বসবে, কীভাবে ভবিষ্যতের রূপরেখা তৈরি হবে এবং নতুন দলের রাজনৈতিক কর্মসূচি কী হবে, তা নিয়ে একাধিক বৈঠক হয়েছে। তাঁর দাবি, বিষয়টি ইতিমধ্যেই অনেক দূর এগিয়েছে এবং বিধানসভা স্তরেও একই ধরনের প্রস্তুতি চলছে।আগামী কুড়ি জুলাই সংসদের অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা। তার আগেই বিদ্রোহী শিবির নিজেদের অবস্থান আরও স্পষ্ট করতে চাইছে বলে রাজনৈতিক সূত্রের খবর। সুদীপ জানিয়েছেন, প্রথম ধাপের কাজ শেষ হয়েছে। এখন পরবর্তী পর্যায়ের প্রস্তুতি চলছে এবং অধিবেশন শুরুর আগেই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।তবে এই জল্পনায় জল ঢেলেছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, বিদ্রোহী সাংসদরা ইতিমধ্যেই নতুন দলে যোগ দিয়েছেন এবং তাঁদের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে আলাদা করে কোনও তথ্য তাঁর কাছে নেই। ফলে দুই পক্ষ একসঙ্গে আসবে কি না, তা নিয়ে এখনও স্পষ্ট ছবি সামনে আসেনি।একুশে জুলাইয়ের আগে এই রাজনৈতিক সমীকরণ কোন দিকে মোড় নেয়, তা নিয়েই এখন তীব্র আগ্রহ তৈরি হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। বিশেষ করে দলীয় প্রতীক, সম্পত্তি এবং সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন কোনও আইনি লড়াই শুরু হয় কি না, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১৬, ২০২৬
কলকাতা

সুমিত কোথায়? গ্রেফতারি পরোয়ানার পর এবার লুক আউট নোটিস, চাপে অভিষেকের ঘনিষ্ঠ সহকারী

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহকারী সুমিত রায়কে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হল। তাঁর বিরুদ্ধে আগে থেকেই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল। এবার তাঁকে খুঁজে না পাওয়ায় লুক আউট নোটিস জারি করল রাজ্যের গোয়েন্দা সংস্থা। এর ফলে দেশের কোনও বন্দর, বিমানবন্দর বা সীমান্ত দিয়ে দেশ ছাড়ার চেষ্টা করলে তাঁকে আটক করা হতে পারে।গত কয়েক দিন ধরে সুমিত রায়ের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। তদন্তকারীরা কলকাতার একাধিক জায়গায় খোঁজ চালানোর পাশাপাশি কালীঘাটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতেও পৌঁছেছিলেন। সেখানে তল্লাশি চালানো হলেও সুমিতের কোনও হদিস মেলেনি। হুগলির শ্রীরামপুরে তাঁর শ্বশুরবাড়িতেও খোঁজ করা হয়, কিন্তু সেখানেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।এরপর থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, সুমিত রায় কোথায় রয়েছেন। তদন্তের অগ্রগতি থমকে যাওয়ায় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ আদালতের দ্বারস্থ হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার আবেদন জানায়। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করে।অন্যদিকে, গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পরই সুমিত রায় কলকাতা হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করেছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে তিনি ব্যক্তিগতভাবে আদালতে উপস্থিত হননি। তাঁর আবেদন নিয়ে চলতি সপ্তাহেই শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।তদন্ত সূত্রে খবর, এই পরিস্থিতিতে সুমিত রায়ের বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। সেই কারণেই গোয়েন্দা সংস্থা অভিবাসন কর্তৃপক্ষের কাছে লুক আউট নোটিস জারির আবেদন করে। সেই আবেদন অনুমোদিত হওয়ায় এখন থেকে দেশের যে কোনও আন্তর্জাতিক প্রবেশ বা প্রস্থান কেন্দ্রে তাঁর নাম সতর্কতামূলক তালিকায় থাকবে।উল্লেখ্য, প্রতারণা এবং জমি সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগে সুমিত রায়ের নাম উঠে এসেছে তদন্তে। এই মামলায় এক প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ককে গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাঁর নাম সামনে আসে বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি। তারপর থেকেই তাঁকে খুঁজছে পুলিশ।এখন সবার নজর, সুমিত রায় কোথায় এবং তদন্তকারীরা কবে তাঁর নাগাল পান। একই সঙ্গে আদালতে তাঁর আগাম জামিনের আবেদনের শুনানিও বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

জুন ১৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপে জিতেই বিপাকে ইরান! ম্যাচ শেষ হতেই দেশ ছাড়ার নির্দেশ, ক্ষোভ ফুটবলারদের

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ভালো পারফরম্যান্সের পরই নতুন বিতর্কে জড়াল ইরান ফুটবল দল। দলের অভিযোগ, ম্যাচ শেষ হওয়ার পর পর্যাপ্ত বিশ্রাম বা পুনরুদ্ধারের সময় না দিয়েই তাদের দ্রুত যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে বলা হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ফুটবলার এবং কোচিং স্টাফের সদস্যরা।সূত্রের খবর, বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের জন্য ইরান দলকে সীমিত সময়ের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। সেই কারণে ম্যাচ ছাড়া বাকি সময় তারা অন্য দেশে অবস্থান করছে এবং সেখানেই অনুশীলন চালাচ্ছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ম্যাচের পর যুক্তরাষ্ট্রেই একটি রাত কাটানোর কথা ছিল দলের। কিন্তু ম্যাচ শেষ হওয়ার পর পরিস্থিতি বদলে যায় বলে দাবি ইরান শিবিরের।দলের অভিযোগ, ম্যাচ শেষ হতেই তাদের দ্রুত রওনা হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপরই ইরান দলকে মেক্সিকোর তিজুয়ানায় ফিরে যেতে হয়। সেখানেই বর্তমানে তাদের বেস ক্যাম্প রয়েছে।ইরানের প্রধান কোচ আমির ঘালেনোই এই ঘটনায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, খেলোয়াড়দের জন্য ম্যাচের পর বিশ্রাম ও পুনরুদ্ধারের সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সেই সুযোগ দেওয়া হয়নি। তিনি দাবি করেন, এই সিদ্ধান্তে দলের প্রস্তুতি এবং শারীরিক অবস্থার উপর প্রভাব পড়তে পারে।কোচ আরও বলেন, শুরুতে যে পরিকল্পনা ছিল, তাতে ম্যাচের আগে এবং পরে নির্দিষ্ট সময় যুক্তরাষ্ট্রে থাকার কথা ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা বাস্তবায়িত হয়নি। কেন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।বিশ্বকাপ শুরুর আগে ইরান শিবির জানিয়েছিল, তারা মাঠের বাইরের বিতর্কে জড়াতে চায় না। কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক আলোচনা শুরু হয়েছে। দলের একাংশের মতে, তাদের প্রতি আলাদা ধরনের আচরণ করা হচ্ছে।অন্যদিকে, অধিনায়ক মেহদি তারেমি নাকি এই বিষয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবল কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত বা প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি।বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। ইরানের অভিযোগের পর পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয় এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর ফুটবলপ্রেমীদের।

জুন ১৬, ২০২৬
কলকাতা

স্পিকারের ভূমিকায় প্রশ্নচিহ্ন! আদালতের পর্যবেক্ষণে বাড়ল রাজনৈতিক চাপ

বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম নিয়ে চলা আইনি লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করল কলকাতা হাই কোর্ট। মঙ্গলবার মামলার শুনানিতে স্পিকারের সিদ্ধান্ত এবং তাঁর ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তোলে আদালত। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও জানতে চান, বিধানসভার অধিবেশন না ডেকে কীভাবে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল এবং স্পিকার কীভাবে নিশ্চিত হলেন যে বিরোধী শিবিরের কোন পক্ষের সমর্থন বেশি।শুনানির সময় বিচারপতি বলেন, বিরোধী দলনেতার নাম প্রস্তাব আকারে স্পিকারের কাছে জমা পড়ার পর তাঁর সাংবিধানিক দায়িত্ব কী ছিল, তা স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। আদালতের প্রশ্ন, প্রধান বিরোধী দলের পক্ষ থেকে কোনও নাম পাঠানো হলে স্পিকার কি তা গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন?রাজ্যের পক্ষে অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য আদালতে জানান, বিরোধী শিবিরের ভিতরে মতবিরোধ থাকায় স্পিকারকে সবদিক বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। তিনি উদাহরণ হিসেবে অন্য একটি রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথাও তুলে ধরেন, যেখানে বিরোধী দলের নেতৃত্ব নিয়ে দীর্ঘদিন অনিশ্চয়তা ছিল।তবে আদালত এই যুক্তিতে পুরোপুরি সন্তুষ্ট হয়নি। বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, যদি একই দলের দুই পক্ষ আলাদা দাবি জানায়, তাহলে সেই ক্ষেত্রে স্পিকারের ক্ষমতার সীমা কোথায়? তিনি কি নিজে থেকেই কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, নাকি বিধানসভার নিয়ম মেনেই তা নির্ধারণ করতে হবে?শুনানিতে আরও উঠে আসে সই জালিয়াতির অভিযোগের প্রসঙ্গ। রাজ্যের আইনজীবী জানান, বিরোধী শিবিরের দুই বিধায়ক সই জাল করার অভিযোগ তুলেছিলেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তও শুরু হয়। তবে বিচারপতি জানতে চান, তদন্ত শুরু হওয়ার আগে বিরোধী দলনেতার নাম নিয়ে স্পিকার কেন কোনও সিদ্ধান্ত নিলেন না।আদালতের পর্যবেক্ষণে স্পষ্ট, এই মামলায় স্পিকারের ভূমিকা এবং তাঁর সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রয়োজন। বিচারপতি বলেন, মূল প্রশ্ন হল, বিরোধী দলনেতার নাম প্রস্তাব হওয়ার পরও স্পিকার দীর্ঘ সময় কোনও সিদ্ধান্ত না নিয়ে অপেক্ষা করলেন কেন।এদিনের শুনানিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। মামলার পরবর্তী শুনানি বুধবার নির্ধারিত হয়েছে। ফলে এখন রাজনৈতিক মহলের নজর আগামী দিনের শুনানির দিকে। আদালত কী পর্যবেক্ষণ দেয় এবং এই মামলার ভবিষ্যৎ কোন দিকে এগোয়, তা নিয়েই জল্পনা তুঙ্গে।

জুন ১৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মাঠে বাঁশি বাজিয়ে কোটি টাকা! বিশ্বকাপের রেফারিদের আয় শুনলে চোখ কপালে উঠবে

বিশ্বকাপের মঞ্চে ফুটবলারদের পারফরম্যান্স যেমন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে, তেমনই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন রেফারিরা। একটি সিদ্ধান্ত কখনও ম্যাচের ফল বদলে দিতে পারে। সেই কারণেই তাঁদের কাজ সবসময় কঠোর নজরদারির মধ্যে থাকে। তবে অনেকের মনেই প্রশ্ন থাকে, বিশ্বকাপে ম্যাচ পরিচালনা করে একজন রেফারি কত টাকা আয় করেন?তথ্য অনুযায়ী, আগের বিশ্বকাপে রেফারিরা নির্দিষ্ট পারিশ্রমিক হিসেবে প্রায় সত্তর হাজার মার্কিন ডলার পেয়েছিলেন। এর পাশাপাশি প্রতি ম্যাচ পরিচালনার জন্য আলাদা অর্থ দেওয়া হত। ম্যাচের গুরুত্ব এবং রেফারির অভিজ্ঞতার উপর সেই অঙ্ক নির্ভর করত। সহকারী রেফারি এবং ভিডিও সহায়ক রেফারিরাও উল্লেখযোগ্য পারিশ্রমিক পেতেন।এবার সেই অঙ্ক আরও বেড়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিভিন্ন সূত্রের দাবি, বিশ্বকাপে দায়িত্ব পাওয়া রেফারিরা এককালীন প্রায় এক লক্ষ মার্কিন ডলার পর্যন্ত পেতে পারেন। এর পাশাপাশি প্রতিটি ম্যাচ পরিচালনার জন্যও আলাদা পারিশ্রমিক থাকবে। প্রতিযোগিতার শেষ দিকে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ পরিচালনা করলে সেই আয় আরও বাড়বে। হিসাব অনুযায়ী, ফাইনাল-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ পরিচালনা করা কোনও রেফারির মোট আয় কয়েক কোটি টাকায় পৌঁছতে পারে।বিশ্বকাপে এবার শুধু পারিশ্রমিকই নয়, প্রযুক্তিতেও এসেছে বড় পরিবর্তন। রেফারিদের চোখের কাছে একটি বিশেষ ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে। এই অত্যাধুনিক যন্ত্রের সাহায্যে দর্শকেরা সরাসরি দেখতে পারবেন, ম্যাচ চলাকালীন রেফারি ঠিক কী দেখছেন এবং কোন পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রযুক্তি রেফারির কাজকে আরও স্বচ্ছ করে তুলবে। দ্রুতগতির খেলায় সিদ্ধান্ত নেওয়া কতটা কঠিন, তা বোঝার সুযোগও পাবেন দর্শকেরা। এই বিশেষ ক্যামেরা উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির সাহায্যে পরিচালিত হয় এবং রেফারির দৌড় বা নড়াচড়ার সময়ও স্থির চিত্র ধারণ করতে সক্ষম।এছাড়া রেফারিদের কানে থাকে বিশেষ যোগাযোগ ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে তাঁরা সহকারী রেফারি এবং ভিডিও সহায়ক রেফারিদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখতে পারেন। মাঠে কোনও বিতর্কিত পরিস্থিতি তৈরি হলে দ্রুত মতামত বিনিময় করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।সব মিলিয়ে, এবারের বিশ্বকাপে রেফারিদের দায়িত্ব যেমন বেড়েছে, তেমনই বেড়েছে তাঁদের আয় এবং প্রযুক্তিগত সুবিধাও। ফলে ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরে এবার নতুনভাবে আলোচনায় উঠে এসেছেন ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা এই গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা।

জুন ১৬, ২০২৬
কলকাতা

সাড়ে ছয় ঘণ্টার জেরা শেষে সরাসরি কালীঘাটে! ভবানী ভবন থেকে বেরিয়েই কোথায় গেলেন অভিষেক?

ডিজে মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া মামলায় মঙ্গলবার দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দুপুর থেকে শুরু হওয়া জেরা চলে টানা প্রায় সাড়ে ছয় ঘণ্টা। সন্ধ্যা ছটা পঁচিশ মিনিট নাগাদ ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে তিনি সরাসরি কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যান।সূত্রের খবর, সেখানে দলের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক চলছিল। ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে সেই বৈঠকেই যোগ দেন অভিষেক। যদিও জিজ্ঞাসাবাদ নিয়ে সাংবাদিকদের কোনও প্রশ্নের উত্তর দেননি তিনি।উল্লেখ্য, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় বিজেপিকে উদ্দেশ করে করা একটি মন্তব্য ঘিরেই বিতর্কের সূত্রপাত। একটি জনসভায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ফল ঘোষণার দিন রবীন্দ্রসঙ্গীতের সঙ্গে ডিজেও বাজবে। সেই মন্তব্যের ভাষা ও প্রেক্ষাপট নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। অভিযোগ ওঠে, ওই বক্তব্যের মধ্যে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে পরোক্ষ হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল।এর পরেই অভিষেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়। প্রথমে বিষয়টি বিধাননগর সাইবার থানায় নথিভুক্ত হলেও পরে তদন্তভার যায় সিআইডির হাতে। গত সপ্তাহে তদন্তকারীরা তাঁর বাড়িতে গিয়ে হাজিরার নোটিস দেন। সেই নোটিসের ভিত্তিতেই মঙ্গলবার ভবানী ভবনে উপস্থিত হন তিনি।দুপুর বারোটা নাগাদ জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। তদন্তকারীরা বক্তব্যের প্রেক্ষাপট, উদ্দেশ্য এবং বিভিন্ন সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করেন বলে সূত্রের খবর। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই জেরার পর সন্ধ্যায় ভবানী ভবন ছাড়েন অভিষেক।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর একাধিক মামলায় তদন্তকারী সংস্থার মুখোমুখি হতে হয়েছে তাঁকে। বিভিন্ন মামলায় সিআইডি ও অন্যান্য সংস্থা ইতিমধ্যেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। রাজনৈতিক মহলের নজর এখন এই মামলার পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। ভবিষ্যতে তাঁকে আবারও ডাকা হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

জুন ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal