• ১২ আশ্বিন ১৪৩৩, শুক্রবার ০২ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Medical

রাজ্য

এক ফোনে মিলবে ২৪ ঘন্টা চিকিৎসা পরিষেবা, গলসির হাসপাতালে নয়া উদ্যোগ

গোটা দেশের পাশাপাশি এই রাজ্যেও প্রতিদিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। পূর্ব বর্ধমান জেলাতেও করোনা আক্রান্তের গ্রাফ উর্ধ্বমুখী।এই পরিস্থিতিতে করোনা আক্রান্তদের ২৪ ঘন্টা চিকিৎসা পরিসেবা দিতে দেটি মোবাইল ফোন নম্বর চালু করলো জেলার গলসির পুরসা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র। রাজ্য সরকারের নির্দেশ মেনে এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে বলে হাসপাতালের বিএমওএইচ ফারুক হোসেন জানিয়েছেন। হাসপাতালের এই ব্যবস্থাপনায় গলসির করোনা আক্রান্তরা প্রভূত ভাবে উপকৃত হবেন বলে মনে করছেন পুরসা হাসপাতালের সকল চিকিৎসকরা। ব্লক প্রশাসনের কর্তারাও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ বুমরার হাতে তৈরি হল ইতিহাস তৈরির পটভূমিবিএমওএইচ ফারুক হোসেন জানিয়েছেন, করোনা আক্রান্ত রোগীরা এক ফোনে ২৪ ঘন্টা চিকিৎসা পরিসেবা পাবেন। হাসপাতালে কতব্যরত ডাক্তারবাবুদের কাছে থাকবে ওই মোবাইল ফোন নম্বর দুটি। দিনে কিংবা রাতে যখনই কোন করোনা আক্রান্ত রোগী চিকিৎসা পরিসেবার জন্য ফোনে সহায়তা চাইবেন তাঁরা সহায়তা পাবেন। সধারণ মানুষও পরিসেবা পাওয়ার জন্য ফোন করতে পারেন। রোগীরা ওষুধ নিতো পুরসা হাসপাতালে আসতে না পারলে নিজ নিজ এলাকার উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে ওষুধ পেয়ো যাবেন।আরও পড়ুনঃ আদালতের নির্দেশ মেনে গঙ্গাসাগর মেলা করার বার্তা মমতারচিকিৎসক ফারুক হোসেন আরও জানান , করোনা আবহে সাধারণ মানুষকে চিকিৎসা পরিসেবা দিতেই তাঁরা রাজ্য সরকারের নির্দেশ মেনে এমন উদ্দ্যোগ নিয়েছেন।বর্তমান পরিস্থিতে অনেকে হাসপাতালে আসতে ভয় পাচ্ছেন। তাই ভীত ও আতঙ্কিত মানুষজন যাতে বাড়িতে বসে বিনামূল্যে সঠিক চিকিৎসা পান সেই কথা মাথায় রেখেই এই উদ্যোগ।আরও পড়ুনঃ অমার্জনীয় সাংবিধানিক অপরাধ করেছেন ডিজি ও মুখ্যসচিব, ক্ষুব্ধ রাজ্যপালগলসির বাসিন্দা সেখ মনিরুদ্দিন বলেন, হাসপাতাল কর্থৃপক্ষ এমন ব্যবস্থাপনা চালু করায় এলাকার সবাই উপকৃত হবেন। করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের জন্য সবার মধ্যেই ভয় ভীতি তৈরী হয়েছে।হাসপাতালে আসতে না পারো ভুল ওষুধ কিনে না খেয়ে রোগীরা ফোন করে ডাক্তারবাবুদের সঙ্গে কথা বলে সঠিক ওষেধ জেনে নিয়ে খেয়ে উপকৃত হবেন। এদিন পুরসা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আসা মহিলা চন্দনা মন্ডল বলেন, ফোন করলেই চিকিৎসা পরিসেবা পাবেন জানলে কষ্ট করে এদিন মানকর থেকে আসতেন না।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে টানা দুদিন করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি, কমেছে পজিটিভিটি রেটহাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এক ফোনে চিকিৎসা পরিসেবা দেবার যে ব্যবস্থা চালু করেছে তাতে দূরদূরান্তের রোগীরা উপকৃত হবেন। সংক্রমণ ছড়ানোও এই ব্যবস্থাপনার মধ্যদিয়ে অনেকটাই রোখা যাবে।

জানুয়ারি ১২, ২০২২
দেশ

হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত মেডিক্যাল অক্সিজেন মজুত রাখতে রাজ্যগুলোকে চিঠি স্বাস্থ্য মন্ত্রকের

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের অক্সিজেন সরবরাহ করতে নাজেহাল হয়েছিল দেশের বেশ কয়েকটি রাজ্য।সাম্প্রতিক কোভিড স্ফীতিতে সংক্রমণের তুলনায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার অনুপাত কিছুটা কম। তবে এই পরিসংখ্যান বাড়তে পারে ধরে নিয়ে রাজ্যগুলিকে এখন থেকেই প্রস্তুত হতে বলল কেন্দ্র। বর্তমান পরিস্থিতিতে, কীভাবে করোনা মোকাবিলা করা যায় তা নিয়ে আগামিকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবারই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। তার ২৪ ঘণ্টা আগেই সব রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলকে অক্সিজেনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখতে চিঠি দিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব রাজেশ ভূষণ।দুই পাতার সেই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রত্যেক রাজ্যের কাছে এই আবেদন করা হচ্ছে, যাতে কমপক্ষে আগামী ৪৮ ঘণ্টা সময় ধরে অতিরিক্ত অক্সিজেন সরবরাহের সুবিধা থাকে। পাশাপাশি, যথাযথ পরিমাণে অক্সিজেন সিলিন্ডারের যোগান, পিএসএ প্লান্ট তৈরি, অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর-সহ উপযুক্ত পরিষেবার ব্যবস্থা যাতে থাকে সেদিকে কড়া নজর দিতে বলা হয়েছে। সমস্ত তথ্য তুলে দিতে বলা হয়েছে কেন্দ্রকে। প্রয়োজনে তাহলে সমস্ত রাজ্যকেই মেডিক্যাল অক্সিজেন সরবরাহ করতে সহযোগিতা করবে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক।কিছুদিন আগেই পাঁচটি রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে কোভিড পরিস্থিতি নিয়ে একটি বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য। পাশাপাশি ভোটমুখী রাজ্যগুলির কোভিড পরিস্থিতি কী তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অন্যদিকে, কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলায়, জেলাস্তরে বিশেষ নজর দিতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

জানুয়ারি ১২, ২০২২
স্বাস্থ্য

Pig Heart: শুকরের হৃদয়ে মানুষের জীবনীশক্তি, চিকিৎসা বিজ্ঞানে বিশ্বে মহাবিপ্লব

চিকিৎসা বিজ্ঞানে বিপ্লব ঘটালেন আমেরিকার এক দল চিকিৎসক। এক ঐতিহাসিক কান্ড করে বসলেন। পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথমবারের মতো মানুষের শরীরে শূকরের হৃদয় (Genetically Modified Pig Heart) প্রতিস্থাপন করেছেন তাঁরা। ইউনিভার্সিটি অফ মেরিল্যান্ড মেডিকেল সেন্টারের (University of Maryland Medical Center) হাসপাতাল কতৃপক্ষ সোমবার জানিয়েছেন যে, অস্ত্রপচারের তিন দিন পরেও রোগী জীবিত আছেন। অস্ত্রপচারের পর চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, প্রতিস্থাপিত হার্ট রক্তচাপ ও হৃদস্পন্দনকে স্বাভাবিক রাখার কাজ করছে।আরও পড়ুনঃ ভামিকার জন্মদিনে সেঞ্চুরি হাতছাড়া, রান পেলেও ব্যর্থ বাবা কোহলিপ্রায় আট ঘণ্টা ব্যাপী এই অস্ত্রপচারটি শেষ হয়েছে শুক্রবার। যদিও চিকিৎসকরা কোনও রকম ঝুঁকি না নিয়ে অস্ত্রপচারের সময় লাগানো কৃত্রিম হার্ট ও ফুসফুসের বাইপাস মেসিন এখনো খোলেননি। তবে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, নতুন হার্ট-ই কাজ করছে, বিকল হওয়ার কোনও সম্ভবনা আপাতত তাঁরা দেখছেন না। চিকিৎসকরা আশা করছেন খুব শীঘ্র-ই দু-এক দিনের মধ্যে সাপোর্ট সিস্টেম খুলে স্বাভাবিক অবস্থায় রেখে দেবেন।আরও পড়ুনঃ বুধবারও বৃষ্টির সম্ভাবনা, থাকবে মেঘলা আকাশ, মহানগরীর শীত উধাওমুখ্য শল্য চিকিৎসক ডঃ বার্টলে পি গ্রিফিথ জানিয়েছেন, আমরা খুব মনযোগ দিয়ে পর্যবেক্ষণ করছি পুরো পদ্ধতিটা এবং আমরা ভীষণ আশাবাদী যে সারা পৃথিবীর মানুষের জন্য একটা বিকল্প দিক খুলে দিতে পারব। যখন মানুষের অঙ্গ পাওয়া খুব-ই দুষ্কর ব্যাপার। তিনি আরও জানিয়েছে যে, এটা মনে রাখতে হবে, এর আগেও শূকরের কোষ, চামড়া, হার্টের ভাল্ব মানুষের শরীরে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, কিন্তু অন্য জীবের পুর্নাঙ্গ অঙ্গ প্রতিস্থাপন সারা পৃথিবীতে এটাই প্রথমবার। এই ধরনের অস্ত্রপচার-কে বলে জেনোট্রান্সপ্লান্টেশন (Xenotransplantation)। করাচী অধিবাসী এক পাকিস্তানি চিকিৎসক ডঃ মহম্মদ মহিউদ্দিন এই অস্ত্রপচারে ডঃ বার্টলে পি গ্রিফিথকে মূল সহয়তা করেন।BREAKING; In a medical first, doctors transplanted a pig heart into a human in a last-ditch effort to save his life. A Maryland hospital says the patient is doing well three days after the highly experimental surgery. https://t.co/hAQcYbwaYl The Associated Press (@AP) January 10, 2022ইউনিভার্সিটি অফ মেরিল্যান্ড মেডিকেল সেন্টার কতৃপক্ষ সোমবার জানিয়েছে, অত্যন্ত পরীক্ষামূলকভাবে অস্ত্রপচারের তিন দিন পরেও রোগীর স্বাস্থ্য ভালো আছে। ডঃ মহম্মদ জানিয়েছেন, এটা খুব কঠিন এক পদক্ষেপ ছিল, দীর্ঘ নয় মাস ধরে আমরা এই বিষয়ে গবেষণা চালিয়েছি। রোগীর শারীরিক অবস্থা এতটাই খারাপ ছিল তাতে আমাদের এটা ডু-অর-ডাই অবস্থা। আর কোনও বিকল্প রাস্তা ছিল না। তিনি আরও জানান, এটা চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক দিগন্তের দেখা মিলল। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য জীবনদায়ী এক পদ্ধতির দরজা খুলে গেল।আরও পড়ুনঃ ইতিহাস গড়েও জয় এল না এসসি ইস্টবেঙ্গলেররোগী ডেভিড বেনেটের ছেলে (৫৭) সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, তাঁর বাবা ছয় সপ্তাহ যাবত একমো সাপোর্টে মেরিল্যান্ড হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। ডেভিড জানতেন এই ধরনের অস্ত্রপচারের সাফল্যের কোনও নিশ্চয়তা নেই। রোগী মারাও যাতে পারেন। তিনি চেয়েছিলেন তাঁর শরীরে একটি মানব হৃদপিণ্ড প্রতিস্থাপন করতে। বেনেট অস্ত্রপচারের একদিন আগে বলেছিলেন, এটি আমার জন্য করো বা মরো পরিস্থিতি। আমি বাঁচতে চাই, আমি জানি এটা অন্ধকারে তীর নিক্ষেপ করার মত, কিন্তু এটাই আমার কাছে শেষ বিকল্প।

জানুয়ারি ১২, ২০২২
নিবন্ধ

New Years Eve: বর্ষশেষ যাপন - পুরানো সেই দিনের কথা

পঁচিশে ডিসেম্বর সেন্ট জোসেফস চার্চের রাত ভরানো ডিং ডং -এর রেশ মেলাতে না মেলাতেই জল্পনাকল্পনার শুরু ; কে হবেন অনুষ্ঠানের সূত্রধার এবার ---শেখর সুমন, নাকি রাকেশ বেদী? মজহর খান, নাকি জয়ন্ত কৃপালনী? রঙ্গতামাশায় দুলিয়ে দেবেন কে --- শফি ইনামদার, সতীশ শাহ, যশপাল ভাট্টি, নাকি টুনটুন? ইন্ডিপপের ধুম মচাবেন কে কে --- আলিশা শেনয়, শ্যারন প্রভাকর, প্রীতি সাগর, পিনাজ মাসানি, পার্বতী খান? নাকি নব্যতারকা বাবা সায়গল, ইলা অরুণ,আনাইদা-- এরা কেউ? স্টার অ্যাট্রাকশন হচ্ছেন কে এবার? আশা ভোঁসলে বা শাহরুখ খানের মতো কেউ?আরও পড়ুনঃ কন্যা রুপেন সংস্থিতাসেই নব্বইয়ের দশকের গোড়ায় দূরদর্শনের বর্ষশেষ যাপন অনুষ্ঠান যে কী পরিমাণ ঔৎসুক্য আর সাসপেন্স জাগাতো, আজকের প্রজন্মকে তা বোঝানো মুশকিল! বোকাবাক্সের জনপ্রিয় কুশীলবদের, আর বলিউডের একটু প্রান্তবাসী শিল্পীদের নিয়ে এই ধামাকা বর্ষশেষের রাত্তিরে আমোদপ্রত্যাশীদের এনে দিত বিনে পয়সায় দুশো মজা!একানব্বইয়ের একত্রিশে ডিসেম্বর, মেডিক্যাল কলেজের শিশুবিভাগে হাউসস্টাফশিপ চলছে তখন। কেমন অনুষ্ঠান হবে এবার? বছরখানেক আগে দূরদর্শনের মেট্রো চ্যানেল শুরু হওয়ায় বর্ষশেষের রাতে দু দুটো সমান্তরাল অনুষ্ঠান তখন। রীতিমতো সাসপেন্স-- কোন চ্যানেল জমিয়ে দেবে বেশি! চ্যানেল বদলানো নিয়ে ঝাড়পিট না লেগে যায়!আরও পড়ুনঃ পুজো শুরু হয়ে গেলবনফুল হস্টেলে ডাইনিং হলের পাশেই টি.ভি -র ঘর। শদেড়েক আবাসিকের কজনই বা দুটি ন্যাড়া লোহার খাটে বসতে পায়! বাকিরা সব গান্ধী ক্লাস, মানে সামনের মেঝেয় চটের বস্তায় লম্বমান। তাদের মধ্যে তালেবর কেউ কেউ হাতে নয়, লগার মতো বাড়ানো পায়ের আঙুল দিয়েই টি.ভি. চালাতে অভ্যস্ত। রিমোট -টিমোটের গল্পই নেই তখন!সেদিন আমার অ্যাডমিশন ডে। সারা দিন শিশুবিভাগে ভুতের খাটুনি খেটে, ছুটতে ছুটতে বনফুলে ফিরলাম রাত সাড়ে দশটা নাগাদ। হস্টেলের ঘরে ঘরে তখন বর্ষশেষের রঙ জমজমাট।আরও পড়ুনঃ তোমাদের মনের মতো রঙীন পূজাবার্ষিকী -- আনন্দমেলা ---হস্টেলের আশেপাশে সেন্ট্রাল এভিন্যু-ইডেন হসপিটাল রোড-কলেজ স্ট্রিট থেকে মাইকের অমায়িক আর্তনাদ তখন পাল্লা দিচ্ছে শব্দবাজির সঙ্গে। হস্টেলের কিছু কিছু ঘরে ততক্ষণে জলবিহার শুরু করেছে রসিকজন (মাত্র সতেরোশ টাকা মাসিক স্টাইপেন্ডের সে যুগে সুধা খাই জয় কালী বলে গাওয়ার ক্ষমতা কম হাউসস্টাফেরই ছিল; ব্যতিক্রম সেইসব মুষ্টিমেয় কয়েকজন, যাদের ঘরে প্রাক্তন কোনো আবাসিক দাদা ভাইবেরাদরি উদযাপন করতে আবির্ভূত হয়েছে এই সন্ধ্যায়, বা যারা মাঝেসাঝে নার্সিং হোমে স্যারকে অ্যাসিস্ট করে দুপয়সা বাড়তি উপায় করে, বা যাদের বাবার ব্যাঙ্কের বদান্যতা বজায় আছে তখনো!ঝটপট নৈশাহার সেরে টি.ভি.র সামনে চিৎপাত হওয়া গেল (সেদিন মাংসের ঝোলে বাড়তি খুদে দুটুকরো কুক্কুট-মাস, সঙ্গে একটি সৌজন্যমূলক রসগোল্লা!) দুরদর্শন এক / দুই মিলিয়ে জমিয়ে দিয়েছে মন্দ নয়। হঠাৎ বাইরে হই চই।আরও পড়ুনঃ শারদঅর্ঘ্যবেরিয়ে দেখি, মেসের চাকর হরিকে জাপটে ধরে সামলানোর চেষ্টা করছে কয়েকজন। বছর একুশের হরি অতিশয় চৌখশ ছোকরা; মেস ম্যানেজার অবন্তীবাবুর বিশ্বস্ত ম্যান ফ্রাইডে সে। তার প্রাইভেট প্র্যাকটিসও আছে --- ধুমপায়ী বাবুদের সুলভে সময় অসময়ে সিগারেট বেচার একচেটিয়া বেওসা করে বেশ দু পয়সা কামাই আছে তার। বলা বাহুল্য, সে ব্যবসায় ধারবাকির কারবার বেশ ভালোই!সেদিন সন্ধ্যে থেকেই বিশেষ বিশেষ কয়েকটি ঘরে দফায় দফায় তরল ও বায়বীয় রসদ সরবরাহে ব্যস্ত ছিল হরি-- সে সব ঘরেই বাবুরা ভালোবেসে তাকে দু চার চুমুক করে সেবার সুযোগ দিয়েছে! ফলতঃ ঘড়ির কাঁটা যখন নতুন বছর ছুঁই ছুঁই, হরির মগজেরও প্রতিটি কোষ টগবগ করে ফুটতে লেগেছে। ভয়ানক উত্তেজিত ও দিগ্বিদিক জ্ঞানশূণ্য হরিকে ধরে রাখা যাচ্ছে না। কে একজন বললো, হরি, ওই ধনুবাবু আসছে!ধনুদা আমাদের এক ব্যাচ সিনিয়র, গম্ভীর প্রকৃতির দাপুটে আবাসিক। এহেন নামোল্লেখ হরির উত্তপ্ত চিত্তপটে কোনো ছায়াবিস্তার করলো না। হুংকার দিল সে , কে ধনুবাবু? নিয়ে আয়; অনেক টাকা বাকি! সেই রক্তচক্ষু আস্ফালন শুনে চোখ গোল গোল হয়ে গেল ধনুদার, আর বাকিরা বুঝলো -- বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে হরি, এখনই কিছু না করলে এবার জ্ঞান হারাতে পারে!আরও পড়ুনঃ বাজলো তোমার আলোর বেণুজনাপাঁচেক তাকে অতি কষ্টে চেপে ধরলো মেঝেতে; আর দুজন দুবালতি জল এনে হুড়হুড় করে ঢেলে দিল তার মাথায়! জলাভিষেকের ফলে সেই মাঝ-পৌষের মধ্য রাতে কাক-ভেজা হয়ে হি হি করে কাঁপতে কাঁপতে নেতিয়ে পড়ল হরি।তাকে জামাকাপড় ছাড়িয়ে সাবধানে শুইয়ে আসা হলো। ততক্ষণে টি.ভি.র পর্দায় কাউন্টডাউন হতে হতে এসে গেছে বিরানব্বই সাল। রঙিন বাজির রোশনাই পর্দা জুড়ে। পরস্পর কোলাকুলি, হাত মেলানো চললো বেশ কিছুক্ষণ ধরে।ওদিকে উনিশ নম্বর ঘরে জমে গেছে আরেক নাটক। আমার ব্যাচের চার বন্ধু সন্ধ্যে থেকেই পানি -গ্রহণে ব্যস্ত ছিল। মোটাসোটা সন্দীপ সাড়ে এগারোটা নাগাদ বাহ্যজ্ঞানলুপ্ত হয়ে খাটে চিৎপাত হয়ে পড়ে। তার বিশাল ভুঁড়ি ওঠানামা করছিল সশব্দ শ্বাসপ্রশ্বাসের তালে তালে। সেই বিকট শ্বাসলীলা শুনে হঠাৎই বাকি তিন সুরা-সিক্তের মনে হয়, সন্দীপ নির্ঘাৎ অ্যাসপিরেট করেছে (অর্থাৎ তার পাকস্থলীর মালপত্র খাদ্যনালী দিয়ে উঠে এসে শ্বাসনালী মারফত সেঁধিয়ে গেছে ফুসফুসে -- যা অনেক সময়েই দ্রুত প্রাণঘাতী হয় !) সুতরাং তৎক্ষনাৎ সন্দীপের প্রাণ বাঁচাতে বাকিরা খাটে উঠে পড়ে, ও মরীয়া হয়ে সন্দীপের হার্ট ম্যাসাজ করতে শুরু করে। টলটলায়মান হাতে ও বেপথু শরীরে সেই উদ্দাম ম্যাসাজ চলে বেশ কিছুক্ষণ। তারপর ক্লান্তিতেই হোক বা সন্দীপ বিপন্মুক্ত হয়েছে এই বিচারেই হোক, তারা রণে ভঙ্গ দেয়!এই শুভ সন্দেশ টি.ভি. রুমে পৌঁছোতেই সবার আক্কেল গুড়ুম; কারণ হার্ট ম্যাসাজ করতে গিয়ে দুচারটে পাঁজর ভাঙা সে যুগে ছিল খুবই সাধারণ ঘটনা, আর এক্ষেত্রে জীবনদাতারা কেউই ঠিক সজ্ঞানে নেই। এক দৌড়ে উনিশ নম্বরে ঢুকে দেখা গেল, দশাসই চেহারার সন্দীপ স্বামী ঘুটঘুটানন্দের মতো মইপাট হয়ে শুয়ে, তার ভুঁড়ি নাচছে ফররফোঁৎ.. ফররফোঁৎ...পরদিন নতুন বছরের সকালে স্নান-প্রাতরাশ সেরে শিশুবিভাগে যাচ্ছি; ইডেন হাসপাতালের তলার রাস্তায় দেখি ফিটফাট সন্দীপ হাতব্যাগ নিয়ে ওয়ার্ডে ঢুকছে। বাব্বা! ক্যালি আছে তো ছেলের! ভয়ে ভয়ে শুধোলাম, কি রে, ঠিক আছিস তো? জবাব এলো,একদম ফিট গুরু! হ্যাপী নিউ ইয়ার! তারপর ঈষৎ গলা নামিয়ে--- খালি বুকে খুব ব্যথা হয়েছে। কেন বুঝতে পারছি না!লেখকঃ ডঃ সুজন সরকার (বর্ধমান)

ডিসেম্বর ৩১, ২০২১
কলকাতা

Junior Doctor: ওমিক্রন আক্রান্ত কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের এক ইনটার্ন

কলকাতায় ফের মিলল ওমিক্রন আক্রান্তের খোঁজ। এবার করোনার এই প্রজাতিতে আক্রান্ত কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের এক ইনটার্ন। কোনও বিদেশ সফর ছাড়াও এই ভাইরাসে আক্রান্ত ওই জুনিয়র চিকিৎসক। রাতেই তাঁকে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।দেশের বিভিন্ন জায়গায় ছড়াচ্ছে ওমিক্রন। বিষয়টি মাথাব্যথার কারণ ছিল রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের। ফলে কলকাতায় করোনা আক্রান্তদের জিনোম সিকোয়েন্সের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল স্বাস্ত্য দপ্তর। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের যে ইনটার্নের ওমিক্রন ধরা পড়েছে গত বৃহস্পতিবার থেকে তাঁর জ্বর-সর্দি ছিল। গত ২০ ডিসেম্বর ওই ইনটার্ন তার কোভিড টেস্টা করান। তাতে রিপোর্ট পজিটিভ আসে। তারপরই তার নমুনা জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য পাঠানো হয়। তাতে দেখা যায় তিনি ওমিক্রন আক্রান্ত।এদিকে, কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ওই জুনিয়র চিকিৎসক থাকেন কলকাতাতেই। বাড়ি কৃষ্ণনগরে। সম্প্রতিককালে তিনি বাইরে যাননি বা বিদেশ থেকে যারা এসেছেন তাদের সংস্পর্শ্বে আসেননি। ফলে একটা উদ্বেগ তৈরি হচ্ছেই।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২১
রাজ্য

Omicron: এক দিনের মধ্যেই কোভিড নেগেটিভ ওমিক্রন আক্রান্ত বালক

রাজ্যের প্রথম ওমিক্রন আক্রান্ত সাত বছরের বালকের কোভিড পরীক্ষার ফল এল নেগেটিভ। তার পরিবারের সকলেরই কোভিড পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। বৃহস্পতিবার এ কথা জানিয়েছেন মালদহের মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক পাপড়ি নায়েক।বৃহস্পতিবার এ কথা জানিয়েছেন মালদহের মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক। তিনি বলেছেন, বাচ্চাটি এখন কোভিড নেগেটিভ। তাঁর পরিবারের লোকেররাও নেগেটিভ। বাচ্চাটি এখন ভাল আছে। বতর্মানে ওই বালক, তার বাবা, দিদি, মা সকলেই মালদহ মেডিক্যাল কলেজের আইসোলেশন ওয়ার্ডে রয়েছেন। রাজ্যের নির্দেশ পেলে তাঁদের ছাড়া হবে। তার পরও প্রোটোকল মেনে তাঁদের কিছু দিন নিভৃতবাসে থাকতে হবে। আক্রান্তের সংস্পর্শে যাঁরা এসেছিলেন তাঁদের খোঁজ চালানো হচ্ছে এবং তালিকা তৈরি করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।হায়দরাবাদে জিন পরীক্ষায় ধরা পড়ে ওই বালক ওমিক্রন আক্রান্ত। তেলঙ্গানার স্বাস্থ্য দপ্তর সেই খবর জানিয়েছিল এ রাজ্যে স্বাস্থ্য দপ্তরকে। তা জানতে পেরেই মালদহে ওই বালকের আত্মীয়ের বাড়িতে বুধবার পৌঁছে গিয়েছিলেন স্বাস্থ্য দপ্তরের আধিকারিকরা। সেখান থেকে তাঁরা ওই বালক এবং পরিবারের ছজনের নমুনা সংগ্রহ করেন। মালদহ মেডিক্যাল কলেজের পরীক্ষাগারে সেই নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল। তাতে সকলের রিপোর্টই নেগেটিভ এসেছে।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২১
রাজ্য

Omicron: মালদা মেডিক্যাল কলেজে আনা হল ওমিক্রন আক্রান্ত শিশুকে

ওমিক্রনে সংক্রমিত ৭ বছরের বালক ও তাঁর মাকে মালদা মেডিক্যাল কলেজের কোভিড ওয়ার্ডের আইসোলেশন রুম-এ নিয়ে আসা হয়েছে। জানা গিয়েছে, ওই বালকের বাবা পেশায় ইঞ্জিনিয়ার। কর্মসূত্রে তিনি থাকেন সংযুক্ত আরব আমিরশাহির আবু ধাবিতে। সেখান থেকেই সম্প্রতি স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে দেশে ফিরেছেন। নেমেছিলেন হায়দরাবাদে। সেখানেই নিয়মমাফিক তাঁদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। সেই নমুনা পজিটিভ এলে ওমিক্রন কি না জানতে তা পাঠানো হয় জিন পরীক্ষার জন্য। দেখা যায়, ৭ বছরের বালকটি করোনার ওমিক্রন রূপে আক্রান্ত হয়েছে। মা-বাবা কিংবা দিদি, বাকি সবারই রিপোর্ট নেগেটিভ।যত ক্ষণে রিপোর্ট এসেছে, তত ক্ষণে ওই পরিবার বাংলার উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। এই খবর যখন বাংলার স্বাস্থ্য কর্তাদের কাছে পৌঁছয় ততক্ষণে কলকাতা থেকে নিজেদের গাড়িতে তাঁরা বেরিয়ে পড়েছেন গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে। তাঁদের বাড়ি মুর্শিদাবাদে। কিন্তু বাইরে থেকে ফিরে তাঁরা সোজা যান মুর্শিদাবাদে, তার পর সেখান থেকে বালকের মামার বাড়ি মালদায়।রাজ্যে ওমিক্রন পাওয়া গিয়েছে, এই খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তৎপরতার সঙ্গে কাজে নামে স্বাস্থ্য দপ্তর। বালিয়াডাঙা গ্রামে পৌঁছন স্বাস্থ্যকর্মীরা। এই কদিনে বালকটির সংস্পর্শে যাঁরা যাঁরা এসেছিলেন, তাঁদের প্রত্যেককে নিভৃতবাসে থাকার আবেদন করা হয়। বাড়ি বাড়ি গিয়েও শুরু হয় সচেতনামূলক প্রচার। পরিবারের প্রত্যেককে মালদহ মেডিক্যাল কলেজের কোভিড ওয়ার্ডের নিভৃতবাসে রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন, মালদার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক পাপড়ি নায়েক।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২১
রাজ্য

BMC: "বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ঢোকার মুখে টোটোর দৌরাত্ম্য", ক্ষোভপ্রকাশ মন্ত্রীর

বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চেয়ারম্যান হওয়ার পর আধিকারিকদের সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা সেরে নিলেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। রবিবার মন্ত্রী জানিয়ে দেন আগামি ৮ ডিসেম্বর রোগী কল্যান সমিতি প্রথম অফিসিয়াল বৈঠকে বসবে। এদিনের বৈঠকে হাসপাতালের সামগ্রিক বিষয় সম্পর্কে অবগত হন স্বপন দেবনাথ। ওই দিন কী কী বিষয়ে আলোচনা হবে তাও এদিন স্থির হয়েছে। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রভুত উন্নতি করেছে। একথা বলেও স্বপন দেবনাথ জানিয়ে দেন, এখনও বেশ কিছু কাজ বাকি রয়েছে। স্বপন দেবনাথ বলেন, উন্নত মানের স্বাস্থ্য পরিষেবার কাজ অব্যাহত থাকলেও তবু তো কিছু খামতি আছে, ঘাটতি আছে বেশ কিছু জায়গায়। সেগুলো নিয়ে আগামি ৮ তারিখের বৈঠকে আলোচনা হবে। এদিন আলোচনায় শিশু বিভাগ, এক্সরে, এমআরআই ও সিটি স্ক্যানের বিষয়গুলো উঠে এসেছে।মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ টোটোর দৌরাত্ম্য নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, হাসপাতালে ঢোকার মুখে টোটোর দৌরাত্ম্য রয়েছে। টোটোর জন্য হাসপাতালের প্রিন্সিপ্যাল পর্যন্ত গাড়ি নিয়ে যেতে পারছেন না। তাঁকে নেমে রাস্তায় যানজট সরাতে হচ্ছে। রোগী নিয়ে অ্যাম্বুলেন্স হাসপাতালে ঢুকতে পারছে না। এখানে যানজট একটা বড় সমস্যা। এটা নিয়ে পুলিশ-প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলা দরকার। পিডব্লুডির সঙ্গেও কথা বলতে হবে।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২১
রাজ্য

NEET: পূর্ব বর্ধমানের ফুল বিক্রেতার ছেলের সর্বভারতীয় নিট পরীক্ষায় র‍্যাঙ্ক ২৫০১, মুখ উজ্জ্বল বাংলার

ফিজিকস ১৮০ মধ্যে ১৪৬, কেমিস্ট্রিতে ১৮০ মধ্যে ১৬৫, বায়োলজিতে ৩৬০ এর মধ্যে ৩৫০। পূর্ব বর্ধমান জেলার রায়না থানার সেহারাবাজার সি কে ইনস্টিটিউশনের আকাশ পোদ্দারের সর্বসাকুল্যে প্রাপ্ত নম্বর ৭২০ মধ্যে ৬৬১। সর্বভারতীয় রেঙ্ক ২৫০১। পার্সেন্টাইল সর্বসাকুল্যে ৯৯.৮৪। হ্যাঁ নিট পরীক্ষায় আকাশের সাফল্যের খতিয়ান। সাফল্যের ধারাবাহিকতা অবশ্যই আছে। কেননা, ২০১৮ সালে মাধ্যমিকে আকাশের প্রাপ্ত নম্বর ছিল ৭০০ মধ্যে ৬৭০, আর উচ্চ মাধ্যমিকে ৫০০ মধ্যে ৪৮৬।কেউ ভাবতেই পারেন আকাশের সাফল্য ব্যতিক্রমী কেন? অবশ্যই ব্যতিক্রমী! কেননা সাফল্যের চূড়ায় উঠতে গেলে যে আনুষঙ্গিক অনুকূল পরিবেশের দরকার হয় আকাশের ক্ষেত্রে সেটা প্রায় ছিল না বললেই চলে! বাবা রায়নার সেহারাবাজার এর সামান্য একজন ফুল ব্যবসায়ী। স্ত্রী, দুই ছেলে এক মেয়ে নিয়ে ৫ জনের সংসার। দিনান্তে ফুল বিক্রি করে কটা টাকাই বা হয়। বিশেষ করে এই করোনাকালে সব অনুষ্ঠানই প্রায় বন্ধ। বন্ধ তাই ফুল কেনাও। বেঁচে থাকাটাই যাদের দুঃসহ ব্যাপার তাদের কাছে পড়াশোনা, সাফল্য এগুলো দিবাস্বপ্নের মতই। নুন আনতে পান্তা ফুরানো পরিবার না বললেও, শাক আনতে মাছ পুরানো পরিবার বলাই যায়। একাদশ শ্রেণিতে পাঠরত ভাইয়ের খরচাও তো কম নয়। তবুও অসম্ভব জেদ সঙ্গী করে হাজারো প্রতিকূলতার মধ্যে স্রোতের বিরুদ্ধে দাঁড় টেনে সাফল্যের তীরভূমি তে পৌঁছে গেল আকাশ।পাঁচজনের দু-কামরা ঘরের একটি কোনই বরাদ্দ ছিল আকাশের পড়াশোনার জন্য। ইডেন গার্ডেন্সে যার খেলার ইচ্ছে তার প্র্যাকটিস ছোট্ট এক কানা গলিতে। একটি টিমটিমে লাইটের আলো, গোটা কতক পাঠ্যবই, জনা চারেক শিক্ষকের পরামর্শ আর বাবা মায়ের আশীর্বাদ পাথেয় করে আকাশের পথ চলা এবং সঠিক গন্তব্যে পৌঁছে যাওয়া। নিশানায় অবিচল না থাকলে এই লক্ষ্যভেদ কখনোই সম্ভব নয়।বর্ধমান শহরের রাজা স্যার এবং সেহারাবাজার এর নীলlঙ্ক স্যারের কাছে কেমিস্ট্রি, বাঁকুড়ার আকুই গ্রামের প্রসেনজিৎ স্যারের কাছে ফিজিকস এবং বর্ধমান শহরেরই ২০০৭ এর ডাক্তারী পরীক্ষায় রাজ্যে প্রথম হওয়া কামিরুল ইসলামের শিক্ষিকা রুনু মুখোপাধ্যায়ের কাছে জুলজি ও বোটানি পড়েছে আকাশ। না, কোন অনলাইন বা অফলাইন কোচিং এর সঙ্গে যুক্ত ছিল না সে। অর্থ ছিল না, ছিলনা মানসিকতাও। তার কথায়, চারজন টিউশনি স্যার এবং বিদ্যালয়ের স্যারদের সাহায্য নিয়েই এই সাফল্য। স্যাররা না থাকলে ডাক্তারি পড়ার স্বপ্নই দেখতে পারতাম না। প্রথমদিকে পড়াশোনা সময় কম দিলেও শেষের দিকে ভীষণ রকমের পরিশ্রম করেছি। কোন কিছুর হিসেব করে নয়। প্রয়োজন মতো। বাবা-মায়ের অনুপ্রেরণা, জেঠু জেঠিমা দের আশীর্বাদ আমাকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করেছে।ছাত্রের সাফল্যে স্বভাবতই খুব খুশি বায়োলজিক্যাল সাইন্স এর ম্যাডাম বর্ধমানের মালির বাগান এর রুনু মুখোপাধ্যায়। তিনি বললেন, হাই স্কুলের চাকরি ছেড়ে দেওয়ার বেদনা অনুভব করি না এই আকাশ দের জন্য। প্রতিবছরই বেশকিছু ছাত্র-ছাত্রী আমাদের পরামর্শ মেনে পরিশ্রম করে ডাক্তারি পড়ার ছাড়পত্র যোগাড় করে। এদের পাশে দাঁড়াতে পেরে বেশ আনন্দ হয়। আকাশের সাফল্য নিয়ে আমি নিশ্চিত ছিলাম। অত্যন্ত বিনয়ী ও অনুগত ছাত্র। ক্লাসের সময় শতকরা একশভাগ মনোযোগ দিত আর এটাই ওর সাফল্যের বড় দিক। ও অনেক বড় হবে। ওর কার্ডিওলজিস্ট হওয়ার স্বপ্ন যেন সফল হয়!পড়াশোনার পাশাপাশি নিয়মিত মাঠে যেত আকাশ। ক্যাপ্টেন হিসেবে মহেন্দ্র সিং ধোনি প্রথম পছন্দ হলেও, ক্রিকেটার হিসেবে তার আদর্শ ভারতীয় দলের হিটম্যান রোহিত শর্মা। প্রিয় গায়ক অরিজিত সিং এর গান শোনা এবং গাওয়া আকাশের আর এক শখ।প্রায় ৩৫ বছর আগে বিহার থেকে পশ্চিমবঙ্গে এসে রোজগারের একমাত্র বাহন ছোট্ট ফুলের দোকানটি করেছিলেন বাবা। বিয়ের সিজনে বা বিভিন্ন ধরনের পুজো-অনুষ্ঠানের সময়ে মাঝেমধ্যে আকাশকেও বাবার দোকানে বসতে হতো। ফলের আসায় ফুল বিক্রি! দুর্মূল্যের বাজারে সামান্য রোজগারে শিক্ষাদিক্ষা, খাওয়া পরা ও রোগ ব্যাধির ব্যালেন্স করা দুরূহ ব্যাপার। তাই জীবনটাকে অন্যরকমভাবে অনুভব করেছে সে।ডাক্তারিকে পেশা হিসেবে পছন্দ করার কারণ জিজ্ঞাসা করতেই বললো, আমি আর্থিক দিক দিয়ে পিছিয়ে পড়া পরিবারের সন্তান। আমাদের মত পরিবারগুলির কি কষ্ট আমরা জানি। চিকিৎসার খরচও প্রচুর। আমি চাই কোন গরিব মানুষ যেন বিনা চিকিৎসায় মারা না যায়। ডাক্তার হয়ে আমি তাদের পাশে দাঁড়াতে চাই। সর্বোচ্চ শিক্ষা নিয়ে নিজের গ্রামে ফিরে আসবো। আর্থিক দারিদ্রতার মতো কঠিন বাস্তবের সামনে দাঁড়িয়েই আমার এই ডাক্তারি পড়ার সিদ্ধান্ত। গরিব পরিবারের ছেলে মেয়েদের জন্য আমার বার্তা শুধু বই পড়ে যাও। স্কুলের স্যারেরা সাহায্য করবেনই। লক্ষ্যে স্থির থাকো। পরিশ্রম করে যাও। হতাশ নাহলে লক্ষ্যভেদ হবেই।ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী তাহলে কার্ডিওলজি? অবশ্যই! ট্রাকে থাকছি। দৌড়ানো বন্ধ করছি না। আমাদের তো একটাই রাস্তা। আকাশের দিকে তাকিয়ে আকাশের মুখে তৃপ্তির হাসি। প্রতিকূলতার মেঘ সরিয়ে ফুলের সুগন্ধের মতই আকাশের ঝলমলে হাসি ছড়িয়ে পড়ল চতুর্দিকে।শ্রী অনিবার্য

নভেম্বর ০৭, ২০২১
কলকাতা

Subrata Mukherjee: আপাতত স্থিতিশীল সুব্রত মুখোপাধ্যায়

আপাতত স্থিতিশীল রয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। হাসপাতাল সূত্রে খবর, সোমবার রাতে আর নতুন করে তাঁর শারীরিক অবস্থার কোনও অবনতি হয়নি। হৃদরোগের পাশাপাশি উচ্চ রক্তচাপ এবং ডায়াবিটিস রয়েছে বর্ষীয়ান এই নেতার। তবে আপাতত বাইপ্যাপেই রাখা হয়েছে তাঁকে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে দশটায় ছয় সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড বৈঠকে বসবে।ছয় সদস্যর মেডিক্যাল বোর্ডে কার্ডিওলজির বিভাগীয় প্রধান সরোজ মণ্ডল রয়েছেন। সঙ্গে সিসিইউ স্পেশালিস্ট, মেডিসিন, রেসপিরেটরি মেডিসিন, এন্ডোক্রিনোলজি, নেফ্রোলজির বিশেষজ্ঞ নিয়ে বোর্ড। সকলেই সকালে দেখেছেন। সেই অনুযায়ী চিকিৎসা শুরু হয়েছে। বিকেলেও তাঁরা প্রত্যেকেই রিভিউ করেন। সেই মতোই ওষুধ ও অন্যান্য চিকিৎসা চলছে।হাসপাতাল সূত্রে খবর, সোমবার রাতে নতুন করে সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়নি। ভালই ঘুম হয়েছে তাঁর। মেডিক্যাল বোর্ডের বৈঠকে মন্ত্রীর শারীরিক অবস্থা পর্যালোচনা করে পরবর্তী চিকিৎসা পদ্ধতি স্থির করা হবে।

অক্টোবর ২৬, ২০২১
রাজ্য

Burdawan: বর্ধমান হাসপাতালে ৯ সদ্যোজাতর মৃত্যুতে বাড়ছে উদ্বেগ

বেশ কয়েকমাস ধরেই শিশুদের জ্বর ও শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যা নিয়ে রাজ্যজুড়ে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। বর্ধমান হাসপাতালেও প্রতিদিন পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শিশু ভর্তির সংখ্যা। চলতি মাসে ইতিমধ্যেই মারা গিয়েছে ৯ জন শিশু। সব থেকে খারাপ অবস্থা ছয় মাসের নীচের শিশুদের। বর্ধমান হাসপাতালে মারা যাওয়া নয় শিশুর প্রত্যেকের বয়স ছয়মাসের নীচে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় আরও একটি এ আর আই ওয়ার্ড খোলা হচ্ছে ।আরও পড়ুনঃ পূর্ব বর্ধমানে প্রকাশ্যে বিজেপির অন্তর্কলহ১২০ শয্যার জেনারেল ওয়ার্ড ছাড়াও , হাসপাতালে খোলা হয়েছে ৬৫ শয্যার এ আর আই ওয়ার্ড। বুধবার পর্যন্ত হাসপাতালে শিশু ভর্তির সংখ্যা প্রায় ১৩০৷ যার মধ্যে অর্ধেকের বয়স ছয়মাসের নীচে৷ হাসপাতালের শিশু বিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, জ্বর-শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যা নিয়ে সবথেকে সমস্যায় সদ্যোজাত শিশুরা। শিশু বিভাগের বিভাগীয় প্রধান জানান, সদ্যোজাত শিশুরা সাধারণ ঠান্ডা লাগার উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শ্বাসকষ্ট শুরু হচ্ছে এবং জটিল আকার ধারণ করছে। যদিও পরিস্থিতি হাতের নাগালেই আছে বলে দাবি শিশু বিভাগের বিভাগীয় প্রধান কৌস্তুভ নায়েকের। তিনি বলেন, চলতি মাসে প্রায় ১২০০ শিশু ভর্তি হয়েছিল। নয় জনকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। বাকিরা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। ওষুধ অক্সিজেন, বেড পর্যাপ্ত পরিমাণে রয়েছে। আরও একটি ওয়ার্ড খোলা হচ্ছে। সমস্যা হওয়ার কথা নয়।

অক্টোবর ২৩, ২০২১
রাজ্য

Fever and Respiratory Infections: পূর্ব বর্ধমানে শিশুদের জ্বর-শ্বাসকষ্ট জনিত আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, উদ্বিগ্ন জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর

কোভিডের লক্ষণ না থাকলেও পূর্ব বর্ধমান জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে বাড়ছে জ্বরে আক্রন্ত শিশু ভর্তির সংখ্যা। প্রবল জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি থাকা শিশুর সংখ্যা ১৪০ জন। তার মধ্যে ইনফ্লুয়েঞ্জা নিয়ে ৩৭ জন ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে ৯৫ জন শিশু ভর্তি হয়েছে। কোন শিশুর মৃত্যুর খবর এখনও পর্যন্ত নেই বলে যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন। জ্বরে আক্রান্ত হয়ে জেলার কালনা ও কাটোয়া হাসপাতালের পাশাপাশি বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালেও শিশু ভর্তি হওয়ার সংখ্যা বাড়ায় উদ্বিগ্ন জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিচার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ শিশুদের চিকিৎসার জন্য বেশ কিছু ব্যবস্থা নিয়েছে। পাশাপাশি অক্সিজেন সাপোর্ট দেওয়ার জন্য বিশেষ ওয়ার্ডও চালু করা হয়েছে।বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, সপ্তাহ দুয়েক আগে পর্যন্ত হাতে গোনা কয়েকজন শিশু জ্বর নিয়ে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হত । কিন্তু গত দুসপ্তাহ যাবৎ দৈনিক ৩০ থেকে ৪০ জন জ্বরে আক্রান্ত শিশু বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। তাঁদের অনেকের জ্বরের সঙ্গে শ্বাসকষ্টের সমস্যাও থাকছে। তবে চিকিৎসাধীন কোন শিশুর কোভিড পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ ধরা পড়েনি।বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের বিভাগীয় প্রধান কৌস্তুভ নায়েক জানিয়েছেন, এই সময় আবহাওয়ার পরিবর্তনজনিত কারণে শিশুদের সমস্যা হয়। তবে তার কারণে এই বছর শিশু অসুস্থ হয়ে পড়ার সংখ্যা গত বছরের তুলনায় অনেকটাই বেশী। শিশুদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ৬৪ বেডের একটি ওয়ার্ড নির্দিষ্ট করা হয়েছে।এছাড়াও সোমবার থেকে অক্সিজেন পরিষেবা যুক্ত ২০ বেডের একটি ওয়ার্ডও চালু করা হয়েছে। শিশুদের চিকিৎসার জন্য ডাক্তার, নার্স ও গার্ডের সংখা বাড়ানো হয়েছে। চিকিৎসক কৌস্তভ নায়েক জানিয়েছেন, জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া শিশুদের কোভিড পরীক্ষাও করা হচ্ছে।চিকিৎসাধীন শিশুদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলেও কৌস্তুভ নায়েক দাবী করেছেন।বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পাশাপাশি কালনা মহকুমা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও শিশুদের ব্যাপক হারে জ্বরে আক্রান্ত হওয়া নিয়ে উদ্বিগ্ন। কালনা মহকুমা হাসপাতালের সুপার চিকিৎসক অরুপ রতন করণ সোমবায় জানান, চলতি মাসের ২০ তারিখ থেকে ২৬ তারিখ পর্যন্ত ছয় দিনে প্রবল জ্বর ছাড়াও সর্দি, কাশি, উপসর্গ নিয়ে ১৫১ জন শিশু তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি হয়। কিছু বাচ্চার শ্বাসকষ্ট উপসর্গও থাকে। যদিও হাসপাতালে সব শিশুর কোভিড পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। তবে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়া শিশুদের সঙ্গে বাড়িতে কোভিড বিধি মেনেই মেলামেশার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২১
রাজ্য

Unknown Fever: মালদায় জ্বরের বলি আরও এক শিশু

অজানা জ্বরের বলি ফের এক শিশু। রবিবার গভীর রাতে ফের মৃত্যু হল আরও এক শিশুর। জানা গিয়েছে শিশুটির বয়স মোটে ১ মাস ৬ দিন। গত ১৩ সেপ্টেম্বর মালদা মেডিক্যাল কলেজের মাতৃমা বিভাগে প্রবল জ্বর, শ্বাসকষ্ট নিয়ে ভর্তি হয় ওই শিশু। রবিবার গভীর রাতে তাঁর মৃত্যু হয়।পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতালে বেডের অভাব। বেড না পেয়ে একই বিছানায় অন্য আক্রান্তদের সঙ্গে রেখেই চিকিৎসা করাতে হয়েছিল ওই শিশুকন্যাকে। চিকিৎসকদের গাফিলতির জন্যই মৃত্যু হয়েছে শিশুটির এমনই অভিযোগ। সূত্রের খবর, মেডিক্যাল কলেজে শনিবার পর্যন্ত ১৬৪ জন শিশু ভর্তি হয়েছে। কিন্তু বেডের সংখ্যা ১২০। আরও পড়ুনঃ টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন হাওড়া ও টিকিয়াপাড়া কারশেড, বাতিল একাধিক ট্রেনমেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে খবর, বৈষ্ণবনগর থানার চক বাহাদুরপুরের বাসিন্দা প্রকাশ মণ্ডলের নবজাতক পুত্র আচমকাই জ্বরে আক্রান্ত হয়। চিকিৎসকদের একাংশের দাবি, রক্তে সংক্রমণের দরুণ শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। যদিও, ঠিক কীভাবে সেই সংক্রমণ হল তা কিন্তু স্পষ্ট বলতে পারছেন না চিকিৎসকেরা। তবে, এই শিশুটিরও অন্যান্যদের মতো একই উপসর্গ দেখা গিয়েছিল। প্রবল জ্বর, শ্বাসকষ্ট ও বুকে ব্যথা। শিশুটিকে প্রাথমিকভাবে চিকিৎসার পর বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। কিন্তু, তারপরেও শেষ রক্ষা হয়নি। এই নিয়ে গত পাঁচদিনে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মোট ৮ টি শিশুর মৃত্যু হল।উল্লেখ্য, রাজ্যে শিশুদের আক্রান্ত হওয়া নিয়ে সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকে চিঠি লিখেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও দার্জিলিঙের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১
রাজ্য

Elderly Patient: কাটোয়া হাসপাতালে বৃদ্ধ রোগীর বেনজির তান্ডব, ভেঙে চুরমার লক্ষ লক্ষ টাকার চিকিৎসা সামগ্রী

ভাঙচুর চালিয়ে হাসপাতালের এইচডিইউ বিভাগের লক্ষাধিক টাকা মূল্যের চিকিৎসা সরঞ্জাম ভেঙে নষ্ট করে দিল চিকিৎসাধীন এক রোগী। শনিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কটোয়া মহকুমা হাসপাতালে। বৃদ্ধ রোগী অরুণ বন্দ্যোপাধ্যায় হাসপাতালে তাণ্ডব চালানোর সময়ে তাঁকে বিরত করতে গিয়ে জখম হন এইচডিইউ বিভাগে কর্তব্যরত দুই নার্স। রোগীর তাণ্ডবে দুই নার্সকে জখম হতে দেখে হাসপাতালের আর কোন কর্মী ওই রোগীর কাছে ঘেঁষার সাহস দেখাননি। চিকিৎসাধীন রোগীর এমন তাণ্ডবের জেরে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী মহলে। কি কারণে রোগী এত ভায়লেন্ট হয়ে উঠলেন সেই বিষয়টি চিকিৎসকদের ভাবিয়ে তুলেছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, রোগী অরুণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি কাটোয়া শহরের গোয়ালপাড়া এলাকায়। তিনি পেশায় ব্যবসায়ী। বেশ কিছুদিন ধরে তিনি শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন। পরিবারের লোকজন গত শনিবার সকালে অরুণবাবুকে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করেন। হাসপাতালে তাঁর বিভিন্ন শারীরিক পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হয়। রক্ত পরীক্ষায় অরুনবাবুর সোডিয়াম, পটাসিয়ামের ঘাটতি ধরা পড়ে। সেই কারণে তাঁকে হাসপাতালের জেনারেল ওয়ার্ড থেকে হাই ডিপেনেন্সি ইউনিটের(এইচডিইউ) ৬ নম্বর বেডে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেই তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন। তাঁর হাতে স্যালাইনের চ্যানেলও গোঁজা ছিল। সেই অবস্থাতেই একটি কাটের তুল হাতে নিয়ে শনিবার রাতে তিনি হঠাৎই রুদ্রমূর্তি ধারণ করেন। এরপরেই তিনি হাসপাতালের এইচডি ইউনিটে ব্যাপক ভাঙচুর শুরু করে দেন। এইচডিইউ বিভাগে শনিবার রাতে কর্মরত থাকা এক নার্স বলেন, শনিবার রাতে রোগীর তাণ্ডবের ঘটনা তিনি কোনদিন ভুলতে পারবেন না। ওই রাত তাঁদের চরম আতঙ্কে ও উৎকন্ঠার মধ্যে কাটাতে হয়েছে। তাঁদের চোখের সামনেই দামি ও গুরুত্বপূর্ণ বহু চিকিৎসা সরঞ্জাম ওই রোগী ভেঙে চুরমার করে দেন। ভয়ে আতঙ্কে তাঁরা কিছুই করতে পারেননি। অসহায়ের মত দাঁড়িয়ে থেকে তাঁদের সব দেখতে হয়। রোগী অরুণবাবু হঠাৎ কেন এমন ক্ষিপ্ত হয়ে উঠলেন তাও তাঁদের অজানা বলে ওই নার্স জানিয়েছেন। স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৮ সালে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালের হাই ডিপেনডেন্সি ইউনিটটি(এইচডিইউ) চালু হয়। প্রায় ৫৫ লক্ষ টাকা মূল্যের উন্নত যন্ত্রপাতি তখন এইচডিইউ বিভাগে বসানো হয়েছিল। ওই এইচডিইউ ইউনিটে চিকিৎসাধীন থাকা রোগী অরুণ বন্দ্যোপাধ্যায় শনিবার রাত আনুমানিক ১টা নাগাদ অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করে দেন। বেড থেকে উঠে একটি কাঠের টুল হাতে নিয়ে তিনি তান্ডব শুরু করে দেন। ভেন্টিলেটর সাপোর্ট দেওয়ার যন্ত্রগুলি তিনি একে একে ভেঙে ফেলেন। কোনরকমে তাঁর হাত থেকে টুলটি কেড়ে নেওয়া গেলেও তাঁকে রোখা যায়নি। এরপর খালি হাতেই তিনি এইচডিইউ বিভাগে থাকা কম্পিউটারের সিপিইউ, মনিটরসহ অনান্য মেশিনপত্র মাটিতে আছড়ে ভেঙে দেন। অক্সিজেন ভর্তি সিলিন্ডার ও ওষুধের প্যাকেটও তিনি ফেলে দেন। অরুণবাবুকে বিরত করতে গিয়ে কর্তব্যরত দুজন নার্সও আক্রান্ত হন। তারপর আর কেউ তাঁকে বিরত করতে যাওয়ার সাহস করেননি। হাসপাতালের নার্স, সিকিউরিটি গার্ড, সিভিক ভলেন্টিয়ারা সবাই কার্যত দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ওই রোগীর তান্ডব লীলা দেখতে বাধ্য হন। কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালের সুপার ধীরাজ রায় জানান, তিনি তাঁর চাকুরি জীবনে এমন ঘটনা এই প্রথম দেখলেন। এইচডিইউ বিভাগের অনেক দামি দামি মেশিনপত্র ওই রোগী ভেঙে নষ্ট করে দিয়েছেন। সব মিলিয়ে কয়েক লক্ষ টাকার চিকিৎসা সরঞ্জাম ওই রোগী ভাঙচুর করে নষ্ট করে দিয়েছেন। ঘটনার সবিস্তার রিপোর্ট জেলা স্বাস্থ্যদপ্তরে পাঠানো হয়েছে।চিকিৎসাধীন ওই রোগী রাতে হঠাৎই কেন এত ভায়োলেন্ট হয়ে উঠলেন তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সুপার জানিয়েছেন।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২১
রাজ্য

Maldah Child death: মালদা মেডিক্যাল কলেজে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, বাড়ছে আতঙ্ক

বুধ এবং বৃহস্পতিবারের পর শুক্রবার মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। জ্বর, শ্বাসকষ্ট এবং শুকনো কাশির সমস্যা নিয়ে তারা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। মৃতদের মধ্যে একজনের বাড়ি ঝাড়খণ্ডের রাজমহলে। অন্যজন মালদহের ভুতনি এলাকার। আশঙ্কাজনক অবস্থায় শিশুদের হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল। চিকিৎসার তেমন সুযোগ মেলেনি বলে দাবি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। এই নিয়ে গত তিন দিনে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ৫ শিশুর মৃত্যু হল। এই মুহূর্তে ওই হাসপাতালে আরও ১৭৮ জন শিশু সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিয়ে চিকিৎসাধীন। আরও পড়ুনঃ সকালের আলো ফুটতেই কেঁপে উঠল সিচুয়ান প্রদেশবুধবার রাতে দুজন এবং বৃহস্পতিবার সকালে একজন শিশু মারা গিয়েছে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। মৃত তিন শিশুই সদ্যজাত ছিল। কারও বয়স ৭ বছর, কারও বয়স ৫ বছর। তাদের শুকনো কাশি ও শ্বাসকষ্টও ছিল। শিশুদের এই জ্বরের চিকিৎসা করতে ইতিমধ্যে তৎপর হয়েছে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ কতৃপক্ষ। শিশুদের জ্বর মোকাবিলার জন্য ইতিমধ্যেই পাঁচ বিশেষজ্ঞের কমিটি গঠন করেছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তর। বিশেষজ্ঞরা শুক্রবার উত্তরবঙ্গে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখবেন। শিশুমৃত্যু নিয়ে মালদহ মেডিক্যাল কলেজের শিশু বিভাগের প্রধান সুষমা সাউ বলেছেন, গত ৪৮ ঘণ্টায় এই হাসপাতালে মোট পাঁচ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার এবং বৃহস্পতিবার দুজন করে এবং শুক্রবার সকাল ৯টা পর্যন্ত এক জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী শিশুদের চিকিৎসা চলছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২১
রাজ্য

Vaccine Coupon: টাকার বিনিময়ে ভ্যাকসিনের কুপন! উত্তেজনা রায়গঞ্জ মেডিক্যালে

ভ্যাকসিনের কুপন বিলি নিয়ে উত্তেজনা ছড়ালো উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। অভিযোগ, অর্থের বিনিময়ে ভ্যাকসিনের কুপন দিচ্ছিল এক পুলিশ কর্মী। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করেই ঘটনার সূত্রপাত। ধুন্ধুমার কান্ড ঘটে রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে। অন্যদিকে, অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন ওই পুলিশকর্মী। বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন হাসপাতালের কোভিড ভ্যাকসিন কন্ট্রোল ম্যানেজার।রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভ্যাকসিন নিতে আসা মানুষদের অভিযোগ, বহু দূরদূরান্ত থেকে আসা সাধারণ মানুষেরা তাদের কাজ কর্ম বাদ দিয়ে, ভ্যাকসিনের জন্য ভোর থেকে হাসপাতালে লাইন দিয়েছেন। কিন্তু লাইনে দাঁড়ানোর পর তাঁরা জানতে পারেন, আগের দিন যারা লাইনে দাঁড়িয়ে কুপন পেয়েছেন, তারা আগে ভ্যাকসিন পাবেন। এতদূর পর্যন্ত সব ঠিক ঠাক-ই চলছিলো। সকাল থেকে ভলোভাবেই চলছিলো ভ্যাকসিন প্রক্রিয়া।আরও পড়ুনঃ বেড পেতে গেলে আরেকটি শিশুর মৃত্যু অবধি অপেক্ষা করতে হবে!কিন্ত হাসপাতালের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এক পুলিশ কর্মী কারো কাছ থেকে ২০০, কারও কাছ থেকে ৩০০ টাকার বিনিময়ে ভ্যাকসিনের কুপন বিক্রি করছেন, এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল চত্বর। লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা সাধারণ মানুষেরা এর তীব্র প্রতিবাদ করেন। তখন কিছু পুলিশ কর্মী তাঁদের মারধোর করে বলে অভিযোগ। ঘটনার জেরে হাসপাতাল চত্বরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। যেখানে এত মানুষ সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে রয়েছেন, সেখানে একজন পুলিশ কর্মী কিভাবে টাকার বিনিময়ে ভ্যাকসিনের কুপন বিক্রি করছেন সে নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ভ্যাকসিন নিতে আসা সাধারণ মানুষেরা। অবিলম্বে ওই পুলিশ কর্মীর শাস্তির দাবী জানিয়েছেন তারা।আরও পড়ুনঃ কলকাতায় টিকাকরণের নিয়মে বড়সড় বদলভ্যাকসিন নিতে আসা সাধারণ মানুষদের অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন ওই পুলিশ কর্মী। অপরদিকে, হাসপাতালের কোভিড ভ্যাকসিন কন্ট্রোল ম্যানেজার সব্যসাচী মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তাঁর কাছে লিখিত অভিযোগ এলে, সম্পূর্ণ বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

আগস্ট ২৪, ২০২১
রাজ্য

Mysterious Death: বর্ধমানে জুনিয়র ডাক্তারের রহস্য মৃত্যু, খুনের অভিযোগ তুললেন বাবা

রহস্যজনক মৃত্যু হলো বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের এক জুনিয়র ডাক্তারের। মৃতের নাম শেখ মোবারক হোসেন (২৩)। তার বাড়ি পূর্ব বর্ধমান জেলার নাদনঘাট থানার সাহাজাদপুরে। তিনি বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সার্জরি বিভাগের হাউস স্টাফ ছিলেন।আরও পড়ুনঃ দেশে বেড়ে গিয়েছে ভিখারির সংখ্যা, প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর রিপোর্টমোবারক বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ৩ নম্বর বয়েজ হোস্টেলে থাকতেন। বুধবার ভোর রাত আড়াইটে নাগাদ হোস্টেলের অন্য আবাসিক ডাক্তাররা হঠাৎই উপর থেকে ভারি কিছু পড়ার শব্দ পান। তখনই তাঁরা বাইরে বেরিয়ে দেখেন নীচে ডাক্তার মোবারক হোসেন রক্তাক্ত অবস্থায় উবুর হয়ে পড়ে রয়েছে। এমন ঘটনা দেখেই হোস্টেলের অন্য জুনিয়র আবাসিক চিকিৎসকরা সিনিয়ারদের খবর দেয়। সিনিয়ার ডাক্তাররা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছান। মোবারক হোসেনকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষনা করেন।আরও পড়ুনঃ শর্তসাপেক্ষে খুলছে বেলুড় মঠচিকিৎসকের এমন মৃত্যুর কারণ দুর্ঘটনা নাকি আত্মহত্যা? নাকি ঘটনার পিছনে অন্য কোনও রহস্য রয়েছে! তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ডিএসপি (হেড কোয়ার্টার) সৌভিক পাত্র ও বর্ধমান থানার আই সি সুখময় চক্রবর্তী এদিন ঘটনাস্থলে তদন্তে যান। তাঁরা ঘটনাস্থলে সবিস্তার খতিয়ে দেখেন। এদিনই চিকিৎসকের মৃতদেহের ময়নাতদন্ত হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ মর্গে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলে মৃত্যুর কারণ অনেকটা স্পষ্ট হয়ে যাবে বলে মনে করছেন পুলিশ কর্তারা। তাঁরা ময়নাতদন্তের রিপোর্টের ভিত্তিতেই তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছেন।আরও পড়ুনঃ ত্রিপুরা-কাণ্ডের জের, অভিষেক-সহ ৫ নেতার বিরুদ্ধে এফআইআরমৃত চিকিৎসকের বাবা শেখ হাফিজুল ইসলাম যদিও তাঁর ছেলের মৃত্যু আত্মহত্যা বা দুর্ঘটনা বলে মানতে চাননি। তাঁর অভিযোগ, তাঁর ছেলে মোবারক হোসেনকে পরিকল্পনা করে খুন করা হয়েছে। এই বিষয়ে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রিন্সিপ্যাল সুহৃতা পাল বলেন,চিকিৎসক শেখ মোবারক হোসেনের মৃত্যুর ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করার কথা পুলিশকে বলা হয়েছে। প্রয়োজনে ফরেন্সিক টিম এনে তদন্ত করা হবে ।

আগস্ট ১১, ২০২১
কলকাতা

National Medical College: ধর্মঘটে ন্যাশনাল মেডিক্যালের গ্রুপ ডি কর্মীরা

সমবেতনের দাবিতে কর্মবিরতিতে গেলেন পার্কসার্কাসের চিত্তরঞ্জন ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের গ্রুপ ডি-র কর্মচারীরা। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে তাঁদের দীর্ঘ দিনের দাবি, একই ধরনের কাজে গ্রুপ ডি অর্থাৎ চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের সমবেতন দেওয়া হোক। সেই দাবি না মানায় বৃহস্পতিবার সকাল থেকে তাঁরা কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন। তার ফলে হাসপাতালে রোগী পরিষেবা ব্যাপকভাবে ব্যাহতও হচ্ছে। তবে কর্তৃপক্ষের আশা, আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা মিটিয়ে ফেলা যাবে।তবে কখন সেই আলোচনা শুরু হবে তা নিয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে। আরও পড়ুনঃ বকখালিতে মর্মান্তিক মৃত্যু ৯ মৎস্যজীবীরগ্রুপ ডি কর্মীদের একাংশের দাবি, সদ্যসমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনের আগেও এই বিষয়টি নিয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে দাবিপত্র পেশ করেছিলেন তাঁরা। কিন্তু ভোটের ফল প্রকাশের পর দুমাস কেটে যাওয়া সত্ত্বেও দাবি পূরণ না হওয়ায় প্রতিবাদে নেমে নিজেদের কাজকর্ম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা। প্রসঙ্গত, মূলত হাসপাতালের ওয়ার্ডেরই কাজকর্ম করে থাকেন গ্রুপ ডি কর্মীরা। কোভিড পরিস্থিতির মধ্যে হাসপাতালের কাজ বন্ধ হয়ে গেলে রোগীরা বড় সমস্যায় পড়তে পারেন।

জুলাই ১৫, ২০২১
কলকাতা

Hospital: ওয়ার্মারে ঝলসে গেল সদ্যোজাত শিশু!

শহরের হাসপাতালে চূড়ান্ত গাফিলতির অভিযোগ। হাসপাতালে ওয়ার্মারে ঝলসে গেল ১০ দিনের শিশু! কাঠগড়ায় কলকাতার ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। লিখিত অভিযোগ পেলেই তদন্তের আশ্বাস দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।জানা গিয়েছে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসিন্দা নয়নতারা সর্দার। দিন সাতেক আগে বারুইপুর হাসপাতালে পুত্র সন্তানের জন্ম দেন তিনি। কিন্তু শিশুটি সুস্থ ছিল না একেবারেই। ডাক্তারি পরীক্ষা-নিরীক্ষায় জন্ডিস ধরা পড়ে। পরিবারের লোকেদের দাবি, বারুইপুর হাসপাতালের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, জন্ডিসে আক্রান্ত একরত্তির চিকিৎসার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। এরপর শিশুকে কলকাতার ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে আসেন পরিবারের লোকেরা। এসএনসিইউ বিভাগে ওয়ার্মারে শিশুটিকে রেখে ছিলেন চিকিৎসকরা।আরও পড়ুনঃ করোনা প্রতিরোধে নতুন দিশা, বাজারে আসছে ন্যাজাল স্প্রেপরিবারের লোকেদের অভিযোগ, এদিন দুপুরে যখন ছেলেকে দুধ খাওয়াতে যান নয়নতারা, তখন দেখেন, ওয়ার্মারে শিশুটির শরীরে ঝলসে লাল হয়ে গিয়েছে! সঙ্গে সঙ্গে কর্তব্যরত নার্সকে ঘটনাটি জানান তিনি। শেষপর্যন্ত তড়িঘড়ি ওয়ার্মারটি বদলে দেওয়া হয়। হাসপাতাল সূত্রে খবর, শিশুটির শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল। পরিবারের লোকেদের অভিযোগ, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের গাফিলতিতে এমন ঘটনা ঘটেছে। যদিও গাফিলতির অভিযোগ মানতে চাননি ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বরং তাঁদের দাবি,ওয়ার্মারে যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে শিশুটির শরীর তেতে গিয়েছিল, ঝলসে যায়নি। বস্তুত, ঘটনাটি নজরে পড়ার পর তড়িঘড়ি ওয়ার্মারটি বন্ধ করে শিশুটিকে সরিয়েও ফেলা হয়।

জুলাই ০৯, ২০২১
রাজ্য

Black Fungus: উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল থেকে পলাতক আক্রান্ত মহিলা

উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল থেকে পলাতক মিউকরমাইকোসিস বা ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে ( Black Fungus) সংক্রমিত এক মহিলা। কোথায় পালিয়ে গেলেন ওই মহিলা, তা নিয়েই তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। তাঁর খোঁজ শুরু করেছে পুলিশ।জানা গিয়েছে, ওই মহিলা মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা। গত কয়েকদিন আগেই নানা শারীরিক উপসর্গ নিয়ে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি হন বছর পঞ্চান্নর ওই মহিলা। পরীক্ষা নিরীক্ষা করে জানা যায়, ওই মহিলার শরীরে থাবা বসিয়েছে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস। সেকথা জানানো হয় তাঁকে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, শরীরে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস সংক্রমণের কথা শুনে বেশ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন রোগী। কিছুক্ষণ পর নার্সরা তাঁর খোঁজ নিতে আসেন। দেখেন নির্দিষ্ট বে়ডে নেই ওই মহিলা। শুরু হয় খোঁজখবর। গোটা হাসপাতালেই পাওয়া যায়নি তাঁকে। মহিলার উধাও হয়ে যাওয়ার ঘটনা পুলিশকে জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের (North Bengal Medical College Hospital) ডিন সন্দীপ সেনগুপ্ত বলেন, আমাদের মেডিক্যাল কলেজ থেকে এক ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে সংক্রমিত এক মহিলা উধাও হয়ে গিয়েছেন। সে বিষয়ে ইতিমধ্যেই পুলিশকে জানানো হয়েছে। পুলিশ ওই মহিলার খোঁজ করছেন।

জুন ১৮, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপের সূচি ঘোষণা, শুরুতেই অস্ট্রেলিয়া! তিন দিন পরেই ভারত-পাকিস্তান মহারণ

২০২৭ সালের পুরুষদের এক দিনের ক্রিকেট বিশ্বকাপের পূর্ণ সূচি ঘোষণা করল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল। দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবোয়ে এবং নামিবিয়ায় বসবে এবারের ক্রিকেটের মহাযজ্ঞ। প্রতিযোগিতা শুরু হবে ২ অক্টোবর এবং ফাইনাল হবে ২১ নভেম্বর। মোট ১৪টি দলকে নিয়ে হবে ৫৭টি ম্যাচ।এবারের বিশ্বকাপের শুরুটাই হবে অন্য রকম। ১৪টি দলের মধ্যে তিনটি দলকে নিয়ে প্রথমে হবে একটি বিশেষ সুপার সিরিজ। সেই পর্বের তিনটি ম্যাচ হবে ২, ৪ এবং ৬ অক্টোবর নামিবিয়ার উইন্ডহোকে। এই পর্বের শীর্ষে থাকা দল মূল গ্রুপ পর্বে জায়গা করে নেবে।এর পর ১২টি দলকে দুটি গ্রুপে ভাগ করা হবে। প্রতিটি গ্রুপে থাকবে ছয়টি করে দল। ভারতের সঙ্গে একই গ্রুপে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, জিম্বাবোয়ে এবং একটি যোগ্যতা অর্জনকারী দল। অন্য গ্রুপে রয়েছে নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা, ইংল্যান্ড, বাংলাদেশ এবং আরও একটি যোগ্যতা অর্জনকারী দল।ভারতের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হবে ৭ অক্টোবর। প্রথম ম্যাচেই অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে ভারত। ম্যাচটি হবে কেপটাউনে। ২০২৩ সালের বিশ্বকাপের ফাইনালের পর আবারও বড় মঞ্চে মুখোমুখি হবে দুই দল।তার পরেই ক্রিকেটপ্রেমীদের বহু প্রতীক্ষিত ম্যাচ। ১০ অক্টোবর জোহানেসবার্গে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলবে ভারত। অর্থাৎ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব শুরু হওয়ার মাত্র তিন দিনের মধ্যেই দেখা যাবে ভারত-পাকিস্তান মহারণ।ভারতের তৃতীয় ম্যাচ ১৪ অক্টোবর আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে। এই ম্যাচ হবে ত্শোয়ানে। এরপর ১৭ অক্টোবর যোগ্যতা অর্জনকারী একটি দলের বিরুদ্ধে খেলবে ভারত। গ্রুপ পর্বে ভারতের শেষ ম্যাচ ২৪ অক্টোবর জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে। এই ম্যাচটি হবে ভিক্টোরিয়া ফলসে।এবারের প্রতিযোগিতার সবচেয়ে বড় আকর্ষণগুলির একটি হল নতুন ফরম্যাট। গত কয়েকটি বিশ্বকাপের মতো সরাসরি একটি দীর্ঘ গ্রুপ পর্বের পর সেমিফাইনালে যাওয়ার ব্যবস্থা থাকছে না। প্রথমে হবে তিন দলের সুপার সিরিজ। তার পর ১২ দলের গ্রুপ পর্ব এবং শেষে সাত দলের সুপার সেভেন পর্ব।দুই গ্রুপের প্রথম তিনটি করে দল সরাসরি সুপার সেভেনে যাবে। পাশাপাশি দুই গ্রুপের চতুর্থ স্থানে থাকা দলগুলির মধ্যে যে দল তুলনামূলক ভাবে এগিয়ে থাকবে, সেই দলও পরের পর্বে জায়গা পাবে। ফলে গ্রুপ পর্বে প্রতিটি ম্যাচের গুরুত্ব অনেকটাই বেড়ে যাচ্ছে।সুপার সেভেনে মোট সাতটি দল একে অপরের বিরুদ্ধে খেলবে। এই পর্বে গ্রুপ পর্বের কোনও পয়েন্ট বহন করা হবে না। ২৫ অক্টোবর থেকে ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে সুপার সেভেনের ম্যাচগুলি। এই পর্ব শেষে পয়েন্ট তালিকার প্রথম চারটি দল সেমিফাইনালে উঠবে।সেমিফাইনাল হবে ১৭ এবং ১৮ নভেম্বর। প্রথম সেমিফাইনাল হবে কেপটাউনে এবং দ্বিতীয় সেমিফাইনাল ত্শোয়ানে। ২১ নভেম্বর জোহানেসবার্গে হবে বিশ্বকাপের ফাইনাল। প্রয়োজনে ২২ নভেম্বর রাখা হয়েছে ফাইনালের সংরক্ষিত দিন।এবারের বিশ্বকাপ যৌথ ভাবে আয়োজন করবে দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবোয়ে এবং নামিবিয়া। মোট ১২টি মাঠে হবে ৫৭টি ম্যাচ। আফ্রিকার মাটিতে ২৪ বছর পর ফিরছে পুরুষদের এক দিনের বিশ্বকাপ।সব মিলিয়ে ভারতের জন্য বিশ্বকাপের শুরুতেই অপেক্ষা করছে অস্ট্রেলিয়া এবং পাকিস্তানের মতো বড় প্রতিপক্ষ। তার পর আফগানিস্তান, একটি যোগ্যতা অর্জনকারী দল এবং জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে গ্রুপ পর্বের লড়াই। নতুন ফরম্যাটে প্রতিটি ম্যাচের গুরুত্ব থাকায় শুরু থেকেই ভারতীয় দলের সামনে বড় পরীক্ষা হতে চলেছে।

অক্টোবর ০১, ২০২৬
বিদেশ

বিমানের ককপিটে কেন হামলা? স্মিত মচ্ছরকে ছুরিকাঘাতের নেপথ্যে কী, মুখ খুললেন নেতানিয়াহু

দুবাই থেকে তেল আভিভগামী ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বিমানে মাঝ আকাশে ভয়াবহ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, ককপিটের ভিতরে সহ-পাইলট ভারতীয় ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরের উপর হামলা করেন। হামলার জেরে বিমানটি আচমকা উচ্চতা হারাতে শুরু করে। পরে যাত্রী ও বিমানের কর্মীদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং বিমানটিকে সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করানো হয়। বিমানে থাকা ১৭৪ জন যাত্রী নিরাপদে রক্ষা পান।ঘটনার পর ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছরকে সাহসিকতার জন্য প্রশংসা করেছেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তাঁর বক্তব্য, গুরুতর আহত অবস্থাতেও স্মিত ককপিটের দরজা খুলতে সক্ষম হন। এরপর যাত্রী ও বিমানের কর্মীরা হামলাকারীকে নিয়ন্ত্রণে আনতে সাহায্য করেন। এই ঘটনায় বড় ধরনের বিমান দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে ইজরায়েলি কর্তৃপক্ষের বক্তব্য।বৃহস্পতিবার হামলার নেপথ্যের কারণ নিয়ে মন্তব্য করেন নেতানিয়াহু। তাঁর দাবি, অভিযুক্ত সহ-পাইলট ইসলামপন্থী ও উগ্র মতাদর্শে দীক্ষিত ছিলেন। তবে তাঁকে কে বা কারা এই মতাদর্শে প্রভাবিত করেছিল, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনও তথ্য তাঁর কাছে নেই বলেও জানান নেতানিয়াহু। কোনও নির্দিষ্ট সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের সঙ্গে অভিযুক্তের যোগ রয়েছে কি না, সেটিও এখনও নিশ্চিত হয়নি।নেতানিয়াহু আরও জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্তে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিকে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করবে ইজরায়েল। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, তদন্তকারীরা হামলার আসল কারণ এবং এর পিছনে কোনও পরিকল্পনা বা সংগঠিত যোগ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখবেন। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির কর্তৃপক্ষও ঘটনার পরিস্থিতি, উদ্দেশ্য এবং সম্ভাব্য সন্ত্রাসবাদী যোগের বিষয়ে তদন্তের কথা জানিয়েছে।ঘটনার সময় বিমানটি দ্রুত উচ্চতা হারিয়েছিল। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় ৩৩ হাজার ফুট উচ্চতা থেকে বিমানটি অল্প সময়ের মধ্যে প্রায় ১৭ হাজার ফুটে নেমে যায়। এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে বিমানের নিয়ন্ত্রণ ফেরানো সম্ভব হয় এবং তাবুকে নিরাপদে জরুরি অবতরণ করা হয়।ঘটনার পর সৌদি আরবের কর্তৃপক্ষ অভিযুক্ত সহ-পাইলটকে আটক করেছে বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে আহত স্মিত মচ্ছরকে তাবুকের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ভারতীয় দূতাবাস জানিয়েছে, তাঁর চিকিৎসা চলছে এবং প্রাথমিক ভাবে তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে খবর পাওয়া গিয়েছে।এই ঘটনার সঙ্গে ৯/১১-এর মতো বিমান হামলার তুলনা করেছেন নেতানিয়াহু এবং অন্য কয়েক জন। তবে তদন্ত এখনও শেষ হয়নি। হামলার উদ্দেশ্য, অভিযুক্তের মতাদর্শগত যোগ এবং ঘটনার আগে কোনও পরিকল্পনা ছিল কি নাএই প্রশ্নগুলির চূড়ান্ত উত্তর এখনও পাওয়া যায়নি। তাই হামলাটিকে নির্দিষ্ট কোনও সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের পরিকল্পনা হিসেবে চিহ্নিত করার মতো পর্যাপ্ত সরকারি তথ্য এখনও প্রকাশ্যে আসেনি।ফ্লাইদুবাই জানিয়েছে, ঘটনার তদন্তে তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করছে। ঘটনাটির পর ইজরায়েলগামী বিমানের নিরাপত্তা নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। ইজরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভবিষ্যতে ইজরায়েলে যাতায়াতকারী পাইলটদের পরিচয় ও নিরাপত্তা যাচাই আরও কঠোর করার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।সব মিলিয়ে, মাঝ আকাশে ককপিটে হামলার ঘটনায় বড় ধরনের বিমান দুর্ঘটনা অল্পের জন্য এড়ানো গিয়েছে। ভারতীয় ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরের ভূমিকা নিয়ে প্রশংসা হলেও, হামলার আসল উদ্দেশ্য এবং এর পিছনে কারও সংগঠিত ভূমিকা ছিল কি না, তা এখনও তদন্তের বিষয়। তদন্ত শেষ হলেই গোটা ঘটনার প্রকৃত ছবি আরও স্পষ্ট হবে।

অক্টোবর ০১, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর পাসের টাকা কোথায় গেল? ইডির জেরায় ইন্দ্রনীল, মমতার অ্যাকাউন্টে ৩০ লক্ষ পাঠানোর দাবি

দুর্গাপুজোর প্রিভিউ শো-এর পাস বিক্রিকে কেন্দ্র করে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। তদন্তের সূত্র ধরে তাঁর সংস্থা এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মধ্যে ৩০ লক্ষ টাকার লেনদেনের দাবি সামনে এনেছে ইডি। তবে ইন্দ্রনীল সেনের বক্তব্য, ওই টাকা রয়্যালটি হিসেবে দেওয়া হয়েছিল। ফলে লেনদেনটির প্রকৃতি নিয়ে তদন্ত চলছে।ইডির দাবি, জয়দীপ মুখোপাধ্যায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে এই তদন্ত শুরু হয়। অভিযোগের আওতায় রয়েছে ম্যাসআর্ট নামে একটি সংস্থা। এই সংস্থার সঙ্গে ইন্দ্রনীল সেনের স্ত্রী মধুচ্ছন্দা সেন-সহ আরও কয়েক জনের নাম জড়িয়েছে। তদন্তকারীদের অভিযোগ, দুর্গাপুজোর প্রিভিউ শো এবং পাসের নামে কয়েক বছর ধরে বিপুল পরিমাণ টাকা সংগ্রহ করা হয়েছিল। সেই অর্থের একটি অংশ ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে বলে সন্দেহ তদন্তকারীদের।তদন্তকারীদের আরও দাবি, ইন্দ্রনীলের ঘনিষ্ঠদের সঙ্গে যুক্ত সংস্থাগুলিকে প্রায় ৮৫ কোটি টাকার সরকারি কাজ বা টেন্ডার দেওয়া হয়েছিল। এই টেন্ডার প্রক্রিয়া নিয়ে অনিয়মের অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইডির বক্তব্য অনুযায়ী, ইন্দ্রনীলের মালিকানাধীন অক্টেভ রেকর্ডস-এর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৩ কোটি ৮০ লক্ষ টাকারও বেশি জমা পড়েছিল। পরে ওই অ্যাকাউন্ট থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অ্যাকাউন্টে ৩০ লক্ষ টাকা পাঠানো হয় বলে তদন্তকারীরা দাবি করেছেন।ওই ৩০ লক্ষ টাকার লেনদেন সম্পর্কে ইন্দ্রনীল সেনের বক্তব্যও প্রকাশ্যে এসেছে। তাঁর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অ্যাকাউন্টে পাঠানো টাকা রয়্যালটি বাবদ দেওয়া হয়েছিল। ফলে ওই অর্থের উৎস, কারণ এবং পুজোর পাসের টাকা সংক্রান্ত অভিযোগের সঙ্গে এর কোনও যোগ রয়েছে কি না, সেটিও তদন্তের অংশ হয়ে উঠেছে।এর আগে মঙ্গলবার ইন্দ্রনীল সেনের কসবার বাড়ি-সহ একাধিক ঠিকানায় তল্লাশি চালায় ইডি। তাঁর আত্মীয় ও সহযোগীদের সঙ্গে যুক্ত কয়েকটি ঠিকানাতেও অভিযান হয়। সিঙ্গুরে তাঁর বাগানবাড়িতেও তদন্তকারীরা পৌঁছেছিলেন বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। প্রায় ১৫টি ঠিকানায় এই তল্লাশি অভিযান চালানো হয়েছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।তল্লাশি অভিযানের পর বুধবার সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হন ইন্দ্রনীল সেন। সেখানে তাঁকে দীর্ঘ সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় ৯ থেকে ১০ ঘণ্টা ধরে তাঁর বক্তব্য নথিবদ্ধ করেন তদন্তকারীরা। পুজোর পাস, সংশ্লিষ্ট সংস্থার আর্থিক লেনদেন এবং বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে টাকার আদানপ্রদান নিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।ইডির তদন্তে আরও অভিযোগ উঠেছে, দুর্গাপুজোর প্রিভিউ শোয়ের পাস সংগ্রহের ক্ষেত্রে ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা তোলা হয়েছিল। এই অভিযোগের সত্যতা এবং ওই অর্থের পরবর্তী গতিপথ খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থা। তবে তদন্ত এখনও চলছে এবং ইডির উত্থাপিত অভিযোগগুলি আদালতে প্রমাণিত হয়নি।এই মামলায় আগামী দিনে আরও কয়েক জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলে তদন্তের গতিপ্রকৃতি থেকে ইঙ্গিত মিলছে। পুজোর পাস থেকে সংগৃহীত অর্থ কোথায় গিয়েছে, সরকারি টেন্ডারের সঙ্গে সেই অর্থের কোনও যোগ রয়েছে কি না এবং বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের লেনদেনের প্রকৃতি কীএই প্রশ্নগুলির উত্তর খুঁজছে তদন্তকারীরা। এদিকে ইন্দ্রনীল সেনের বক্তব্য অনুযায়ী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অ্যাকাউন্টে পাঠানো ৩০ লক্ষ টাকা ছিল রয়্যালটি। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই লেনদেন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর সুযোগ নেই।

অক্টোবর ০১, ২০২৬
রাজ্য

‘সবাইকে নিয়ে আসুন, শুধু ব্যাগেজটা বাদ’! মমতাকে অধীরের বার্তা ঘিরে নতুন চর্চা

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কংগ্রেসে ফিরে আসার আহ্বান জানালেন অধীররঞ্জন চৌধুরী। বৃহস্পতিবার তাঁর বক্তব্য, মমতা তাঁর সঙ্গে থাকা সাংসদ ও বিধায়কদের নিয়ে কংগ্রেসে ফিরলে তাঁকে বাংলায় নেতৃত্ব দিতে আপত্তি নেই। তবে একই সঙ্গে তিনি ব্যাগেজ বাদ দিয়ে আসার কথা বলেন। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এই ব্যাগেজ মন্তব্যকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি ইঙ্গিত হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।অধীরের বক্তব্যের আগে অবশ্য বাংলার রাজনীতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবস্থানে বেশ কিছু পরিবর্তন দেখা গিয়েছে। নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনে নিজের দলের প্রার্থীকে সরিয়ে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের কথা জানিয়েছিলেন মমতা। পরে দিল্লিতে বিরোধী জোটের বৈঠকেও তাঁকে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে দেখা যায়। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহে কংগ্রেস ও মমতার সম্পর্ক নিয়ে তাই নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।অধীর বলেন, মমতা তাঁর সমস্ত সাংসদ ও বিধায়ককে নিয়ে কংগ্রেসের ছাতার নিচে এলে তিনি সেই নেতৃত্ব মেনে নিতে প্রস্তুত। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, কংগ্রেসের মতো বড় সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে মমতা বাংলায় নেতৃত্ব দিলে তাঁর আপত্তি নেই। তবে মমতার সঙ্গে থাকা ব্যাগেজ বাদ দেওয়ার শর্তও তিনি উল্লেখ করেন।অধীরের এই বক্তব্যে স্বাভাবিকভাবেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গ সামনে এসেছে। কারণ অতীতে অভিষেক ও অধীরের মধ্যে একাধিক রাজনৈতিক বিষয়ে প্রকাশ্য মতবিরোধ দেখা গিয়েছে। যদিও ব্যাগেজ বলতে অধীর নির্দিষ্ট করে কারও নাম করেননি। ফলে তাঁর বক্তব্যের ওই অংশকে অভিষেককে ঘিরে রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে দেখছে বিভিন্ন মহল।মমতার সঙ্গে কংগ্রেসের সম্পর্কের ইতিহাসও দীর্ঘ। তৃণমূল কংগ্রেস গঠনের আগে মমতা দীর্ঘ সময় কংগ্রেসের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরবর্তী সময়ে পৃথক দল তৈরি করে তিনি বাংলার রাজনীতিতে নিজের রাজনৈতিক পরিসর তৈরি করেন। এখন আবার কংগ্রেসে ফেরার আহ্বান সামনে আসায় সেই পুরনো রাজনৈতিক সম্পর্ক নতুন করে আলোচনায় এসেছে।এই পরিস্থিতিতে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থন করেছেন। মিলন প্রধানকে একটি পুরনো মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল। পরে কলকাতা হাইকোর্ট তাঁকে অন্তর্বর্তী জামিন দেয় এবং নির্বাচনী প্রচারে অংশ নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। সুপ্রিম কোর্টেও ওই জামিনের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের আবেদনের শুনানি হয়েছে।তবে অধীরের সাম্প্রতিক মন্তব্যকে কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক দলীয় সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি অধীররঞ্জন চৌধুরীর প্রকাশ্য রাজনৈতিক প্রস্তাব। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা তৃণমূলের তরফে এই প্রস্তাব গ্রহণের কোনও সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে এসেছে কি না, সেটিও আলাদা বিষয়।অধীরের বক্তব্যের পর এখন নজর থাকবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের প্রতিক্রিয়ার দিকে। একই সঙ্গে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব এই প্রস্তাব নিয়ে কী অবস্থান নেয়, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। ফলে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের আগে মমতা-কংগ্রেস সম্পর্কের এই নতুন অধ্যায় ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা আরও বাড়ছে।

অক্টোবর ০১, ২০২৬
রাজ্য

‘মৃত্যুকামনা করিনি’, শুভেন্দুর আক্রমণের পর সুর বদল হুমায়ুনের! রেজিনগরে তুঙ্গে তরজা

রেজিনগর বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে ঘিরে রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হয়েছে। হুমায়ুনের কয়েক দিন আগের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি হয়। সেই মন্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে বৃহস্পতিবার রেজিনগরের প্রচারসভা থেকে তাঁকে কড়া আক্রমণ করেন শুভেন্দু অধিকারী। পাল্টা হুমায়ুন দাবি করেছেন, তিনি মুখ্যমন্ত্রীর মৃত্যুকামনা করেননি এবং তাঁর বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে।হুমায়ুন কবীরের বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মৃত্যু চাননি। তাঁর দাবি, তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার এবং অত্যাচারের অবসানের কথা বলেছেন। তাঁর কথায়, যাঁরা একতরফাভাবে অত্যাচার ও জুলুম চালান, তাঁদের পতন ইতিহাসে বার বার দেখা গিয়েছে। ক্ষমতায় থাকা ব্যক্তির ক্ষেত্রেও সেই কথা প্রযোজ্য বলে দাবি করেন তিনি।হুমায়ুন আরও দাবি করেন, তাঁর বক্তব্য বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে অন্য ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। তাঁর বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, তিনি কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তির মৃত্যু চাননি। বরং রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে নিজের অবস্থান জানিয়েছেন।এর আগে হুমায়ুনের বক্তব্য নিয়ে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তাঁর বক্তব্যে মুখ্যমন্ত্রীকে দ্রুত পৃথিবী থেকে বিদায় নেওয়ার জন্য প্রার্থনার কথা উঠে আসে। সেই বক্তব্যের পর রাজনৈতিক মহলে সমালোচনা শুরু হয় এবং তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগও দায়ের হয়েছিল।বৃহস্পতিবার রেজিনগরে বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকারের সমর্থনে প্রচারে গিয়ে সেই বিতর্কের প্রসঙ্গ তোলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, রাজনৈতিক লড়াইয়ে মতবিরোধ, তর্ক এবং সমালোচনা থাকতেই পারে। কিন্তু কোনও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের মৃত্যু কামনা করার মতো ভাষা ব্যবহার করা উচিত নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।শুভেন্দু আরও বলেন, হুমায়ুন যে ধরনের মন্তব্য করেছেন, তার বিচার রেজিনগরের মানুষের উপর ছেড়ে দিচ্ছেন। তাঁর বক্তব্য, রাজনৈতিক লড়াইয়ে শেষ কথা বলবেন ভোটাররাই। এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে রেজিনগরের উপনির্বাচনের আগে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে।হুমায়ুন অবশ্য শুভেন্দুর আক্রমণের জবাবে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধেই পাল্টা অভিযোগ তোলেন। তাঁর দাবি, রাজ্যে ক্ষমতাসীনদের বিরুদ্ধে কথা বললেই অত্যাচারের মুখে পড়তে হয়। নিজের আগের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, তিনি অত্যাচারীর পতনের কথা বলেছেন, কোনও ব্যক্তির মৃত্যুকামনা করেননি।রেজিনগর উপনির্বাচনের আগে দুই নেতার এই পাল্টাপাল্টি বক্তব্য রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। এক দিকে শুভেন্দু অধিকারী হুমায়ুনের আগের বক্তব্যকে সামনে রেখে ভোটারদের কাছে প্রশ্ন তুলেছেন, অন্য দিকে হুমায়ুন নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়ে মৃত্যুকামনার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।রেজিনগরে আগামী ৬ অক্টোবর উপনির্বাচন হওয়ার কথা। ফলে ভোটের আগে এই বিতর্ক প্রচারে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। শেষ পর্যন্ত এই রাজনৈতিক চাপানউতোর ভোটের প্রচারে কতটা প্রভাব ফেলে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ০১, ২০২৬
কলকাতা

এত বছর চলল নমাজ, এখন নিরাপত্তার প্রশ্ন কেন? বিমানবন্দর মসজিদ মামলায় বড় সিদ্ধান্ত হাই কোর্টের

কলকাতা বিমানবন্দরের কাছে একটি মসজিদে দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে নমাজ পড়ার ব্যবস্থা ছিল বলে দাবি করা হয়েছে। কিন্তু গত ১১ জুলাই থেকে সেখানে নমাজ পড়া বন্ধ রয়েছে। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে মামলাকারীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ধর্মাচরণের অনুমতি চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা হয়। বৃহস্পতিবার মামলাটির শুনানিতে সওয়াল-জবাব হলেও আপাতত কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ দেয়নি বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের একক বেঞ্চ।মামলাকারীর আইনজীবী কিশোর দত্ত আদালতে জানান, বিমানবন্দর সংলগ্ন ওই মসজিদে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ বছর ধরে নমাজ পড়া হয়ে আসছে। তাঁর দাবি, এত দীর্ঘ সময়ে সেখানে নমাজ পড়াকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তাজনিত কোনও সমস্যা হয়নি। তাহলে এখন কেন নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে নমাজ বন্ধ করা হল, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।আইনজীবীর বক্তব্য, কলকাতা বিমানবন্দরের আট নম্বর গেট দিয়ে প্রবেশ করে ওই মসজিদে নমাজ পড়তে যেতে হত। বর্তমানে সেই প্রবেশের ব্যবস্থাই বন্ধ রয়েছে। তাঁর দাবি, ওই জমি এখনও অধিগ্রহণ করা হয়নি। তাই একেবারে নমাজ বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।কিশোর দত্ত আদালতে আরও বলেন, ধর্মীয় প্রার্থনা পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া ঠিক নয়। নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ বা নিয়ম মেনে অন্তত ওই মসজিদে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। সেই ভিত্তিতেই আপাতত নমাজ পড়ার সুযোগ দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে।এই মসজিদকে ঘিরে নিরাপত্তার প্রশ্ন অবশ্য নতুন নয়। বিমানবন্দর সম্প্রসারণ এবং দ্বিতীয় রানওয়ের সঙ্গে মসজিদের অবস্থান নিয়ে এর আগেও আলোচনা হয়েছে। মসজিদটি দীর্ঘদিন ধরে সেখানে রয়েছে বলে স্থানীয়দের বক্তব্য। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের তরফে নিরাপত্তা ও প্রবেশাধিকার নিয়ে আপত্তির কথাও আগে প্রকাশ্যে এসেছে।এর আগে এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন, সরকার কাউকে ধর্মপালনে বাধা দিচ্ছে না। তবে জাতীয় নিরাপত্তা এবং বিমানবন্দরের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে বলে তাঁর বক্তব্য ছিল।এখন হাই কোর্টে মামলার পরবর্তী শুনানির দিকে নজর রয়েছে। দীর্ঘদিনের ধর্মাচরণের ব্যবস্থা ফের চালু হবে কি না, নাকি বিমানবন্দরের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে অন্য কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা পরবর্তী আদালতীয় প্রক্রিয়াতেই স্পষ্ট হবে।

অক্টোবর ০১, ২০২৬
রাজ্য

অন্নপূর্ণা থেকে আবাস, কৃষি থেকে শিক্ষাশ্রী! শুক্রবার থেকেই ২০ প্রকল্পের সুবিধা পেতে পারবেন

পুজোর মরসুমের মধ্যেই সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি প্রকল্প ও পরিষেবার সুবিধা আরও সহজে পৌঁছে দিতে শুক্রবার, ২ অক্টোবর থেকে রাজ্যজুড়ে শুরু হচ্ছে তিন দিনের বিশেষ সেবা সেতু অভিযান। ২, ৩ ও ৪ অক্টোবর এই শিবির চলবে। কলকাতার ১৬টি বরো এবং রাজ্যের বিভিন্ন ব্লক ও পুর এলাকায় এই পরিষেবা শিবির আয়োজন করা হচ্ছে।এই শিবিরে একাধিক সরকারি প্রকল্পের জন্য আবেদন এবং পরিষেবা সংক্রান্ত সহায়তা পাওয়ার সুযোগ থাকবে। অন্নপূর্ণা যোজনা, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা, শিক্ষাশ্রী, জয় জোহার, প্রধানমন্ত্রী কিষান ক্রেডিট কার্ড, প্রধানমন্ত্রী কিষান স্বনিধি-সহ বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা দেওয়ার কথা রয়েছে। সরকারি প্রকল্পের বিষয়ে তথ্য জানার পাশাপাশি যোগ্য ব্যক্তিরা নতুন করে আবেদনও করতে পারবেন বলে জানা গিয়েছে।প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত শিবির চলার কথা। বিভিন্ন সরকারি দফতরের আধিকারিকরা সেখানে উপস্থিত থাকবেন। একাধিক ব্যাঙ্কের তরফেও কাউন্টার খোলার ব্যবস্থা থাকবে। ফলে সরকারি প্রকল্পের আবেদন বা পরিষেবা সংক্রান্ত কোনও সমস্যা থাকলে সাধারণ মানুষ সরাসরি সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পাবেন।কলকাতায় প্রতি দুটি ওয়ার্ডের জন্য একটি করে বিশেষ সহায়তা শিবির খোলার পরিকল্পনা রয়েছে। ফলে শহরের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা নিজেদের কাছাকাছি শিবিরে গিয়ে সরকারি প্রকল্প সম্পর্কে তথ্য নিতে এবং প্রয়োজনীয় পরিষেবার জন্য আবেদন করতে পারবেন বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে।এবারের সেবা সেতু অভিযানের অন্যতম লক্ষ্য হল সরকারি প্রকল্পের সুবিধা আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প সম্পর্কে অনেকের কাছে পর্যাপ্ত তথ্য না থাকায় তাঁরা অনেক সময় আবেদন করতে পারেন না। সেই সমস্যা কমাতেই একই জায়গায় বিভিন্ন পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।শিবিরে সাধারণ মানুষের ভিড় বাড়তে পারে বলে আগেই প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম পূরণ করতে অনেক মানুষ আসতে পারেন বলে আশঙ্কা রয়েছে। তাই পরিষেবা দেওয়ার পাশাপাশি ভিড় সামলানোর দিকেও নজর রাখা হচ্ছে।কলকাতার প্রতিটি শিবিরে অতিরিক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করার জন্য লালবাজারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তিন দিনই শিবিরগুলিতে পর্যাপ্ত পুলিশি নিরাপত্তা রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারি প্রকল্পের কাউন্টারে যাতে ভিড়ের কারণে কোনও সমস্যা তৈরি না হয়, সে দিকেও নজর থাকবে প্রশাসনের।সাম্প্রতিক সরকারি কর্মসূচির নির্দেশিকা অনুযায়ী, সেবা সেতু অভিযান সেবা সংকল্প অভিযান-এর একটি অংশ। ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বৃহত্তর কর্মসূচির আওতায় ২ থেকে ৪ অক্টোবর জনকল্যাণমূলক পরিষেবা শিবির আয়োজনের কথা রয়েছে।ফলে সরকারি প্রকল্পে নতুন করে আবেদন করতে চান বা কোনও প্রকল্পের পরিষেবা নিয়ে সমস্যায় রয়েছেন, এমন মানুষের জন্য ২ থেকে ৪ অক্টোবরের এই শিবির গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। নিজের এলাকার শিবিরের নির্দিষ্ট স্থান ও সময় স্থানীয় প্রশাসন বা সরকারি তথ্যসূত্র থেকে যাচাই করে নিয়ে সেখানে যাওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।

অক্টোবর ০১, ২০২৬
দেশ

চার অ্যাকাউন্টে ৮০৪ কোটি, চাওয়া হয়েছিল ব্যবহারের অনুমতি! সুপ্রিম কোর্টে কী হল তৃণমূলের?

তৃণমূল কংগ্রেসের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে থাকা বিপুল টাকা ব্যবহার করা নিয়ে ফের আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল শিবিরের চারটি ফ্রিজ করা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট চালানোর অনুমতি চেয়ে করা আবেদন বৃহস্পতিবার খারিজ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি এম এম সুন্দরেশ এবং বিচারপতি পি বি ভারালের বেঞ্চ কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে হস্তক্ষেপ করতে রাজি হয়নি। একই সঙ্গে হাই কোর্টকে মামলাটির দ্রুত শুনানি করতে অনুরোধ করেছে শীর্ষ আদালত।চারটি অ্যাকাউন্টে প্রায় ৮০৪ কোটি টাকা রয়েছে বলে আদালতে জানানো হয়েছে। ওই অ্যাকাউন্টগুলির টাকা ব্যবহার করার অনুমতি চেয়েছিল মমতা শিবির। দলের দৈনন্দিন কাজ চালানো এবং সামনে থাকা নির্বাচনী কর্মসূচির জন্য অর্থের প্রয়োজন রয়েছে বলে তাদের পক্ষের আইনজীবী আদালতে সওয়াল করেন। প্রতি মাসে প্রায় ১২ কোটি ১৫ লক্ষ টাকা প্রয়োজন বলেও তৃণমূল শিবিরের তরফে জানানো হয়েছিল।মমতা শিবিরের হয়ে আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি আদালতে দাবি করেন, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ হয়ে যাওয়ায় দলের দৈনন্দিন কাজ ব্যাহত হচ্ছে। কর্মীদের বেতন, দফতরের খরচ এবং অন্যান্য সাংগঠনিক কাজ চালাতে অর্থ প্রয়োজন বলেও তিনি জানান। তাঁর বক্তব্য, নির্বাচনের সময় দলের আরও বেশি খরচ হয়।এর আগে কলকাতা হাই কোর্ট চারটি অ্যাকাউন্ট পুরোপুরি চালানোর অনুমতি দেয়নি। গত অগস্টে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য জানিয়েছিলেন, আগের নির্দেশ অনুযায়ী বিশেষ আধিকারিকের মাধ্যমে দলের দৈনন্দিন খরচ চালানোর ব্যবস্থা রয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে চারটি অ্যাকাউন্ট আলাদা করে চালানোর অনুমতি দিলে আগের নির্দেশই কার্যত অকার্যকর হয়ে যেতে পারে। তাই ওই পর্যায়ে অতিরিক্ত অন্তর্বর্তী স্বস্তি দেওয়া হয়নি।বৃহস্পতিবার সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যায় মমতা শিবির। কিন্তু বিচারপতি এম এম সুন্দরেশ এবং বিচারপতি পি বি ভারালের বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, এই পর্যায়ে হাই কোর্টের নির্দেশে হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে না। আদালত মামলার মূল অভিযোগের সত্যতা বা অ্যাকাউন্টের টাকার চূড়ান্ত অধিকার কার, সেই প্রশ্নেরও নিষ্পত্তি করেনি। বরং কলকাতা হাই কোর্টকে দ্রুত শুনানির অনুরোধ করেছে।এই মামলায় তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ বিভাজনের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে অন্তর্বর্তী সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে কোন পক্ষ দলটির সম্পদ ও ব্যাঙ্কের টাকার উপর অধিকার রাখবে, সেই বৃহত্তর প্রশ্নের নিষ্পত্তি এখনও হয়নি। সুপ্রিম কোর্টও জানিয়েছে, এই বিরোধের মীমাংসা না হওয়া পর্যন্ত টাকার অধিকার নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়া যাচ্ছে না।অন্যদিকে, মামলায় সরকারি পক্ষের তরফে তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বিভিন্ন লেনদেন নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তদন্তকারী সংস্থার আগের বক্তব্য অনুযায়ী, কয়েকটি সংস্থা ও ব্যক্তির কাছ থেকে ওই অ্যাকাউন্টগুলিতে টাকা জমা বা স্থানান্তরের অভিযোগ রয়েছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগ এখনও তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার বিষয়। আদালত বৃহস্পতিবার এই অভিযোগগুলির সত্যতা নিয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেয়নি।এর আগে তিনটি অন্য ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নিয়ে কলকাতা হাই কোর্ট বিশেষ আধিকারিক নিয়োগ করে দলের দৈনন্দিন খরচ চালানোর ব্যবস্থা করেছিল। সেই ব্যবস্থার বিরুদ্ধে করা আবেদনেও সুপ্রিম কোর্ট হাই কোর্টের নির্দেশে হস্তক্ষেপ করেনি। ফলে বর্তমানে চারটি অ্যাকাউন্টের প্রায় ৮০৪ কোটি টাকা সরাসরি ব্যবহার করার অনুমতি মমতা শিবির পেল না।তবে বৃহস্পতিবারের শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করেছে, তারা মামলার মূল মেরিটে প্রবেশ করছে না। অর্থাৎ ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে থাকা অর্থ বেআইনি কি না, কার অধিকার রয়েছে বা তদন্তে ওঠা অভিযোগের সত্যতা কতটাএসব প্রশ্নের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি এই শুনানিতে হয়নি। এখন কলকাতা হাই কোর্টে মূল মামলার দ্রুত শুনানির দিকেই নজর থাকবে।

অক্টোবর ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal