• ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩, বুধবার ০৭ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Md

রাজনীতি

'কাজ করতে গেলে ক্ষমতার দরকার', মিঠুন খুশি ২১-এর বিধানসভার ফলে

হায়দরাবাদে বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকের পরই মহাগুরু মিঠুনের কলকাতা আসাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে জোর শোরগোল শুরু হয়েছে। সোমবার মিঠুনের আসাকে কেন্দ্র করে বিজেপির রাজ্য কার্যালয়েও ভিড় ছিল নেতা-কর্মীদের। লোকসভা ভোটের প্রচারের পর এই প্রথম কলকাতায় পা রাখলেন বিজেপি নেতা অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। মিঠুন বলেন, আমি রাজনীতি করি না। মানুষনীতি করি। পশ্চিমবঙ্গের মানুষের জন্য কিছু করতে চাই। প্রশ্ন করা হয়েছিল কেউ বলছে ২৪-এ কেউ বলছে ২৬-এ মমতা সরকার চলে যাবে। মিঠুনের স্পষ্ট জবাব, এ নিয়ে আমি কিছু বলতে পারব না। তবে নির্বাচন পরবর্তী হিংসাতে খুব কষ্ট পেয়েছে বলে জানিয়েছেন কিংবদন্তী অভিনেতা। তাঁর কথায়, রাজনীতি থাকবে রাজনীতির জায়গায়। কেন হিংসা হবে। ২০২১ বিধানসভায় বিজেপির ফলাফল প্রসঙ্গে মিঠুন বলেন, আমি খুব খুশি ৩ থেকে ৭৭ হয়েছে। ৫৫ লক্ষ থেকে ২ কোটি ২৮ লক্ষ ভোট পেয়েছে বিজেপি। এটা সায়েন্স। প্রথমবারেই বাজিমাত হয়ে যাবে। তাতে নিরাশ হওয়ার কারণ নেই। বিজেপি একটা জায়গা তৈরি করেছিল। ওর থেকে ভাল জায়গা হয়েছে। তবে সেই সময় কর্মীরা আরও উৎসাহ পেলে ভাল হত বলে মনে করেন একাধিকবার জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা।ব্যক্তিগত ভাবে মানুষের জন্য় অনেক কাজ করেছেন বলে দাবি করেছেন সুপারস্টার। তবে তাঁর জন্য ক্ষমতার দরকার বলে তিনি মনে করেন। মিঠুন বলেছেন, মানুষের জন্য কাজ করতে গেল পাওয়ারের দরকার। কাজ করতে চাইলেও পারি না। আমাদের সরকার থাকলে মানুষের জন্য আরোও কাজ করতে পারব।

জুলাই ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

গোকুলামের কাছে হেরে আই লিগ জয়ের স্বপ্নভঙ্গ মহমেডান স্পোর্টিংয়ের

মোহনবাগানের পর কলকাতার দ্বিতীয় ক্লাব হিসেবে আই লিগ জেতার সুযোগ ছিল মহমেডান স্পোর্টিংয়ের সামনে। কিন্তু সুযোগ কাজে লাগাতে পারল না। গোকুলাম এফসির কাছে ২১ ব্যবধানে হেরে আই লিগ জেতার স্বপ্ন অধরাই থেকে গেল সাদাকালো ব্রিগেডের কাছে। ভারতীয় ফুটবলে কেরালা আবার নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করল।মহমেডানের কাছে কাজটা অবশ্য সহজ ছিল না। ১৭ ম্যাচে ৪০ পয়েন্ট নিয়ে মহমেডানের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিল গোকুলাম এফসি। অন্যদিকে, মহমেডানের পয়েন্ট ছিল ১৭ ম্যাচে ৩৭। গোকুলামকে চ্যাম্পিয়ন হতে গেলে ড্র করলেই চলত। অন্যদিকে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না মহমেডানের সামনে। মহমেডান জিতলে গোকুলামের সঙ্গে পয়েন্ট সমান হত। কিন্তু মুখোমুখি সাক্ষাতের বিচারে তারা চ্যাম্পিয়ন হত। এই আশা পূরণ হল না মহমেডানের।প্রথমবার আই লিগ জেতার স্বপ্নে এদিন হাজার হাজার সাদাকালো সমর্থক যুবভারতীতে হাজির হয়েছিলেন। বাংলার দলকে সমর্থন জানাতে হাজির ছিলেন ইস্টবেঙ্গলমোহনবাগান সমর্থকরাও। ম্যাচের শুরু থেকেই মহমেডানের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল গোকুলাম এফসি। ম্যাচের ৩ মিনিটে একটা ফ্রিকিকও আদায় করে নেয়। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেনি। ২ মিনিট পর মহমেডানও একটা ফ্রিকিক পেয়েছিল। কিন্তু মার্কাস জোশেফের প্রয়াস ব্যর্থ হয়।২০ মিনিটের পর আস্তে আস্তে খেলায় ফেরে মহমেডান। বেশ কয়েকটি আক্রমণ তুলে নিয়ে আসে। ২৩ মিনিটে মার্কাস জোশেফের একটা হেড বাইরে যায়। ২ মিনিট পরেই জোশেফ ও মনোজ মহম্মদের যুগলবন্দীতে সুযোগ এসে গিয়েছিল মহমেডানের সামনে। কিন্তু গোকুলামের ডিফেন্ডাররা বল বিপদমুক্ত করে দেন। ২৮ মিনিটে সফিউল রহমানের সেন্টার মার্সাস জোশেফ হেড করতে ব্যর্থ হলে বল যায় নিকোলা স্টোনাজোভিচের কাছে। কিন্তু তিনি বল তিন কাঠির মধ্যে রাখতে পারেননি। প্রথমার্ধের শেষের দিকে আস্তে আস্তে খেলায় ফেরে গোকুলাম এফ সি। ৪০ মিনিটে আব্দুল হাক্কুর সেন্টার লুকা মাজসেন বুক দিয়ে নামিয়ে জোরালো ভলি করলে বল বারের ওপর দিয়ে বেরিয়ে যায়। ৪২ মিনিটে গোল খেতে খেতে বেঁচে যায় মহমেডান। মহমেডান গোলকিপার জোথানমাউইয়াকে এগিয়ে আসতে দেখে তাঁর মাথার ওপর দিয়ে শট করেছিলেন রোনাল্ডো ফ্লেচার। বল অল্পের জন্য বারের ওপর দিয়ে বেরিয়ে যায়।দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই আক্রমণে ঝাঁপিয়ে পড়ে গোকুলাম এফসি। আক্রমণে ঝড় তুলে ৪৯ মিনিটে এগিয়েও যায়। প্রতি আক্রমণে উঠে এসে মাঝমাঠ থেকে ডানদিকে রশিদকে বল বাড়ান লুকা মাজসেন। গতিতে মহমেডানের তিন ডিফেন্ডারকে পরাস্ত করে ডানপায়ের কোনাকুনি শটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন রশিদ। লিড অবশ্য বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি গোকুলাম এফসি। ৫৭ মিনিটে গোকুলামের বক্সের বাঁদিকে ফ্রিকিক পায় মহমেডান। মার্কাস জোশেফের ফ্রিকিক আজহারউদ্দিন মল্লিকের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালে জড়িয়ে যায়।তিন মিনিট পর আবার এগিয়ে যায় গোকুলাম। সেই প্রথম গোলের অ্যাকশন রিপ্লে। আবার প্রতি আক্রমণে উঠে এসে মাঝমাঠ থেকে ডানদিকে বল বাড়ান লুকা মাজসেন। এমিল বিনি বল ধরে এগিয়ে গিয়ে ডানপায়ের কোনাকুনি শটে ২১ করেন। ৭৪ মিনিটে সমতা ফেরানোর সুযোগ পেয়েছিল মহমেডান। মার্কাস জোশেফের দুর্বল হেড গোকুলাম গোলকিপারের হাতে যায়। বাকি সময়ে আর সমতা ফেরাতে পারেনি। আই লিগ জয়ের স্বপ্ন অধরাই থেকে যায় সাদাকালো ব্রিগেডের।

মে ১৪, ২০২২
রাজ্য

সেলিমের পুলিশ না রেখে কুকুর পোষার মন্তব্যে বিতর্ক তুঙ্গে

গতকাল, শনিবার পুলিশকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। প্রাক্তন সাংসদের মন্তব্যে তোলপাড় পুলিশ থেকে রাজনৈতিক মহল। তবে নিজের বক্তব্য থেকে একটুও সরে আসেননি সেলিম। বরং সিপিএম নেতার বক্তব্য, পুলিশের বদলে কুকুর পোষার কথা বলে অপমান করেছেন কুকুরকে। তৃণমূল কংগ্রেস কড়া সমালোচনা করেছে মহম্মদ সেলিমের। পুলিশ মহলের বক্তব্য, সমালোচনা করতেই পারেন তবে এভাবে কুকুরের সঙ্গে তুলনা না করলেই পারতেন।দক্ষিণ ২৪ পরগণার বিষ্ণুপুরে জনসভায় মহম্মদ সেলিম বলেছেন, পুলিশকে কেন মাইনে দিয়ে রাখা হয়েছে। পুলিশকে না রেখে কয়েকটা কুকুর পুষলে ভাল হত। পুলিশের কুকুর থাকে না ট্রেনিং দেওয়া, তাঁরা শুঁকে শুঁকে বলে দিতে পারবে কোন দিকে অপরাধী গিয়েছে। কয়েকটা এসপির বদলে বিদেশি কুকুর রেখে দিলে খুনের কীনারা হয়ে যাবে। সেলিমের এই মন্তব্যে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি।তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, এমন মন্তব্য করে অত্যন্ত নিম্মরুচির পরিচয় দিয়েছেন সেলিম। সিপিএমের সুজন চক্রবর্তী-সহ অন্য নেতারাও এই বিষয়ে তাঁকে সমর্থন করবেন না। নেতাজিকে এরাই তোজোর কুকুর বলেছিল। সিপিএমের আমলে পুলিশ দলদাস ছিল। লালবাজারের নাকের ডগায় বড়বাজারে রশিদ খানের বাড়িতে বোমা বিষ্ফোরণে ১০০জন মারা গিয়েছিল। রশিদ গ্রেফতার হয়েছে। কিন্তু তার পিছনে যে সিপিএম নেতারা ছিল তাঁরা দলের শাস্তির কোপে পড়লেও তাঁদের গ্রেফতার করা হয়নি। এখন পুলিশ নিরপেক্ষ হয়ে কাজ করছে।এদিকে সেলিমের বক্তব্য নিয়ে প্রাক্তন পুলিশ কর্তারাও বিরোধিতা করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, পুলিশ দুর্নীতিযুক্ত নয় তা বলছি না তবে এমন তুলনা না করলেই পারতেন। কিছু সৎ পুলিশ কর্মী-আধিকারিক এখনও আছেন। সিপিএমের আমলেও পুলিশ দলদাসে পরিণত হয়েছিল। লোকাল কমিটির সম্পাদকের সম্মতি ছাড়া পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করতে পারত না। তবে এখন সমস্ত সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে পুলিশ। সব রাজনৈতিক দলই এর জন্য দায়ী।

মে ০৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

প্রকাশিত হলো লেখিকা ড শর্মিলা মজুমদারের " গল্প নিকুঞ্জ "

লেখিকা ড: শর্মিলা মজুমদার দীর্ঘ দিন ধরে সাহিত্য চর্চা করে আসছেন বাংলা সাহিত্য জগতে। কর্মজীবনে স্কুল শিক্ষাকতার পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন প্ৰবন্ধ, ছোটো গল্প, কবিতা লেখালেখি করেন। ২০১৯ সালে উত্তরাঞ্চল প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয়েছে তার কবিতার বই মনের খেয়া । সেই কাব্যগ্রন্থটি সেই সময় পাঠক মহলে খুব সমাদৃত হয়েছিলো। সম্প্রতি কলেজ স্ট্রিট এর রাখা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হলো গল্পকার ও লেখিকা ড: শর্মিলা মজুমদারের লেখা গল্পের বই গল্প নিকুঞ্জ । রাধা প্রকাশনার ঘরে এই বইটি প্রকাশ করেন সাহিত্যিক ও গল্পকার প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়, কবি সুশীল মন্ডল, চিত্রশিল্পী নিলাদ্রী মজুমদার, সাহিত্যপ্রেমী প্রতীক কুমার রায় , লেখিকা শাস্বতী সেনগুপ্ত, রাধা প্রকাশনীর কর্ণধার অভিজিৎ দেব ও লেখিকা ড:শর্মিলা মজুমদার। উপস্থিত সকলেই গল্পকার শর্মিলা মজুমদারের লেখার ভূয়সী প্রসংশা করেন। গল্প নিকুঞ্জ এই বইতে লেখিকা শর্মিলা মজুমদার লিখেছেন ২৩ টি গল্প। গল্প গল্পই হয়। কখনো তা হয় সত্যি, কখনো বা কাল্পনিক। জীবনের আলো আধাঁরে মিশে থাকে তা ছায়ার মতন। লেখিকার এই গল্পগুলি র সূত্র বেশ কিছুটা সত্যের হাত ধরেই। লেখিকা শর্মিলা মজুমদারের গল্প গুলো পড়তে পড়তে মনে হয় জীবনের চরম মুহূর্তগুলো বিভিন্ন রূপে যেমন আলো ছড়িয়েছে আবার কোনো সময় বিষাদে পরিণত হয়েছে। গল্পগুলি পড়লে পাঠক পাঠিকারা তাদের জীবনের সাথে কোনো না কোনো ঘটনায় মিল খুঁজে পাবেন হয়তো। সুন্দর স্বচ্ছ ভাষায় ছোটো ছোটো গল্প গুলি লিখেছেন ড: শর্মিলা মজুমদার। গল্প নিকুঞ্জর এই বইতে ভালো লাগে পড়তে শ্রেয়ার সংসার, মিতার মিতালী, কিনারা, নব-নীতা, ওরা আজও ফেরেনি, গোপন রহস্য, তাজিয়া, আমার ভ্রমণ, প্রত্যাশা, লালমাটির দেশ বোলানি, শঙ্খর ইতিকথা, একটি ভয়ঙ্কর রাত্রি, হতভাগ্য আহমেদ, গিনির কথা, যোগাযোগ, কালো মেয়ের গল্প, সত্যিটা কি এমন, স্বপ্ন পূরণের আশায়, ইতুর গল্প, রূপকথার রাজ্য থেকে ফিরে, দোল উৎসবের স্মৃতি, মিলন, পন্ডিচেরীতে আমরা প্রমুখ গল্পগুলি। ছোটো ছোটো গল্পগুলি যেমন পড়তে ভালো লাগে তেমন নিলাদ্রী মজুমদার বইয়ের প্রচ্ছদটি ভারী চমৎকার এঁকেছেন। প্রতিটা গল্প নির্ভুল ছাপা, সুন্দর ঝকঝকে এই বইটি সকল পাঠক পাঠিকার দৃষ্টি আকর্ষণ করবেই।

মে ০৭, ২০২২
রাজ্য

বিজেপি জন্মানোর আগে থেকে সিপিএম আছে, পরে তৃণমূল জন্মেছে', সেলিমের জবাব

রাজনীতিতে এ-টিম, বি-টিম-এর কটাক্ষ চিরকাল হয়ে এসেছে। বিরোধীরা তৃণমূলকে বিজেপির বি-টিম বলে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে। বৃহস্পতিবার তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সিপিএমকে বিজেপির বি-টিম বলে দাবি করেছে। এদিন এই প্রসঙ্গে সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম বলেন, বি-টিম ব্যাপারটা উনি ভাল বোঝেন। বিজেপি জন্মানোর আগে থেকে সিপিএম আছে। বিজেপি জন্মানোর পরে তৃণমূল জন্মেছে। ১৯৮০ সালে বিজেপি জন্মেছে। তার ২০ বছর পরে তৃণমূল জন্মেছে। এখন তিনি বলছেন কে কার বাবা, কে কার ব্যাটা।এদিন সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অনুপ্রবেশ নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের দিকে নিশানা করেছেন অমিত শাহ। সিপিএমের রাজ্য় সম্পাদক বলেন, গরুপাচার কাণ্ডে রাজনৈতিক নেতৃত্ব, পুলিশ ও বিএসএফের নেক্সাস রয়েছে। গুজরাতে বসে, দিল্লিতে বসে পাচার প্রক্রিয়া চলে। আগের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পরিবারের নাম জড়িয়েছে। গরুপাচারের জন্য দরজা খোলা হয়। কোটা রয়েছে বিজেপি ও তৃণমূলের। অথচ সীমান্তের গ্রামের বাসিন্দারা উঁচু গাছ চাষ করতে পারে না। সীমান্তের বাসিন্দাদের জীবনযন্ত্রনা রয়েছে। নানা বিধিনিষেধ আছে।সম্প্রতি রামপুরহাটের বগটুই গ্রামে একজন খুনের পর ৮জনকে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। পরে হাসপাতালে আরও ২ জন মারা যায়। এরপর উত্তরপ্রদেশে একই পরিবারের ৫ জনকে গলার নালি কেটে খুন করা হয়। বগটুইতে বিজেপির প্রতিনিধি দল ও উত্তরপ্রদেশে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল যায়। এরাজ্যে কিছু ঘটনা ঘটলেই উত্তরপ্রদেশের সঙ্গে কেন তুলনা টানা হচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মহম্মদ সেলিম। তিনি বলেন, উত্তরপ্রদেশের সঙ্গে কেন তুলনা হবে? আগে কোনও দিন হয়েছে কি? হাতরাস রয়েছে বলে হাঁসখালি হতে হবে? এসএসসির নিয়োগ ঘোষণা নিয়ে সেলিমের মত, তিনি চপ থেকে চাপে এসেছেন। দীর্ঘদিন লড়াই করেছে চাকরি পরীক্ষার্থীরা। রাস্তার ধারে পড়ে থেকে লাঠি খেয়েছে। শুধু এসএসসি নয় মাদ্রাসা শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে আন্দোলন হচ্ছে। আজ ঘোষণা করছেন। অথচ লক্ষ লক্ষ পদ খালি রয়েছে। কোনও স্কুলে একজন শিক্ষক। তিনিই রান্না করেন। তিনিই পড়ান। ২০১৬ সালে যে পদের ভিত্তিতে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলেন তাঁরা গেলেন কোথায়। শিক্ষা দফতরের দুর্নীতিতে দুই মন্ত্রীই যুক্ত বলে অভিযোগ করেছেন সেলিম। সিবিআই তদন্ত নিয়ে সেলিম বলেন, দিল্লি সিবিআইয়ের নির্দেশ না পেলে এগোবে না।

মে ০৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ঋদ্ধিমানের পাশে দাঁড়িয়ে বোরিয়াকে কড়া শাস্তি ভারতীয় বোর্ডের

সাংবাদিক বোরিয়া মজুমদার ও ঋদ্ধিমান সাহার মধ্যে বিতর্কে ঋদ্ধিমানের পাশে দাঁড়াল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। জাতীয় দলের উইকেটকিপারকে সোশ্যাল মিডিয়ায় হুমকি দেওয়ার জন্য বোরিয়া মজুমদারকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। তাঁকে ২ বছরের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। অর্থাৎ ভারতীয় বোর্ডের অনুমোদিত কোনও প্রতিযোগিতায় তিনি ২ বছর প্রবেশ করতে পারবেন না। এমনকি কোনও ক্রিকেটারের সাক্ষাৎকারও নিতে পারবেন না। এই বছেরের ১৯ ফেব্রুয়ারি টুইট করে ঋদ্ধিমান সাহা জানান, এক সাংবাদিক তাঁকে সাক্ষাৎকার না দেওয়ার জন্য হুমকি দিয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় যদিও সেই সাংবাদিকের নাম তিনি প্রকাশ করেননি। টুইটে তিনি লিখেছিলেন, এতদিন জাতীয় দলে খেলার পর এই প্রতিদান পেলাম। সাক্ষাৎকার না দেওয়ার জন্য আমাকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। একজন সম্মানীয় সাংবাদিকের কাছ থেকে এই রকম ব্যবহার পাচ্ছি। এই পর্যায়ে এখন সাংবাদিকতা এসে দাঁড়িয়েছে। টুইটের সঙ্গে তিনি ওই সাংবাদিকের হোয়টস্যাপ চ্যাটের স্ক্রিন শট দেন ঋদ্ধিমান। যদিও তিনি সেই সাংবাদিকের নাম প্রকাশ্যে নিয়এ আসেননি। এরপর দেশের প্রাক্তন ক্রিকেটাররা ঋদ্ধিকে সমর্থন করে তাঁর পাশে দাঁড়ান। বীরেন্দ্র শেহবাগ থেকে শুরু করে হরভজন সিং, ইরফান পাঠানরা ঋদ্ধির কাছে অনুরোধ করেন তাঁকে হুমকি দেওয়া সাংবাদিকের নাম প্রকাশ্যে নিয়ে আসতে। শত অনুরোধ সত্ত্বেও ঋদ্ধি সেই সাংবাদিকের নাম প্রকাশ্যে নিয়ে আসেননি। এরপর আসরে নামে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। বোর্ড কর্তারা ঋদ্ধিমানকে ডেকে পাঠিয়ে পুরো বিষয়টি জেনে তদন্ত কমিটি গঠন করে। এই তদন্ত কমিটিতে ছিলেন বোর্ডের সহসভাপতি রাজীব শুক্ল, কোষাধ্যক্ষ অরুণ ধুমাল এবং অ্যাপেক্স কাউন্সিলের সদস্য প্রভতেজ সিং। তদন্ত কমিটির সামনে হাজিরা দিয়ে ঋদ্ধি তাঁকে হুমকি দেওয়ার বিষয়টা তথ্যপ্রমাণসহ জানান। এই কমিটি ঋদ্ধিমানের দেওয়া সমস্ত তথ্য যাচাই করে এবং বোরিয়া মজুমদারকে দুই বছরের জন্য নির্বাসিত করে।বোর্ডের পক্ষ থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলা হয়েছে, বোর্ডের তদন্ত কমিটি ঋদ্ধিমান সাহা ও বোরিয়া মজুমদারের সঙ্গে কথা বলেছে। দুজনের তথ্যপ্রমাণ যাচাই করে বোরিয়া মজুমদারকে দোষী সাব্যাস্ত করা হয়েছে। বোরিয়া মজুমদার ২ বছর ভারতের কোনও স্টোডিয়ামে প্রবেশ করতে পারবে না। বোর্ডের নথিভূক্ত কোনও ক্রিকেটারের সাক্ষাৎকার নিতে পারবে না। বোর্ড অনুমোদিত সংস্থায় ২ বছর প্রবেশ করতে পারবে না।

মে ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

সামিদের গতিকে টেক্কা দিয়ে বাজিমাত সানরাইজার্স হায়দরাবাদের

গতির বিরুদ্ধে গতির লড়াই। একদিকে মহম্মদ সামি, লকি ফার্গুসন, আলজেরি জোশেফ। অন্যদিকে উমরান মালিক, মার্কো জানসেন, টি নটরাজনরা। শুরুতে ধাক্কা দিয়েও সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বড় রান আটকাতে পারলেন মহম্মদ সামিরা। গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৯৫ রান তুলল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। মহম্মদ সামিদের গতিকে টেক্কা দিয়ে বাজিমাত অভিষেক শর্মা, এইডেন মার্করাম, শশাঙ্ক সিংদের।দুই দলের প্রথম সাক্ষাৎকারে গুজরাট টাইটান্সকে হারিয়েছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। বুধবার মাঠে নামার আগে চলতি আইপিএলে ওই একটা ম্যাচেই হারতে হয়েছিল হার্দিক পান্ডিয়ার গুজরাট টাইটান্সকে। প্রতিশোধের ম্যাচে টস জিতে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন গুজরাট অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। গুজরাট এদিন উইনিং কম্বিনেশন ধরে রাখলেও প্রথম একাদশে একটা পরিবর্তন করে মাঠে নেমেছিল। জগদীশ সুচিথের জায়গায় ওয়াশিংটন সুন্দর।ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই ধাক্কা খায় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। তৃতীয় ওভারের পঞ্চম বলে হায়দরাবাদ অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনের (৫) অফ স্টাম্প ছিটকে দেন মহম্মদ সামি। পঞ্চম ওভারের শেষ বলে আবার ধাক্কা সামির। এবার তুলে নেন ক্রমশ আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠা রাহুল ত্রিপাঠীকে (১০ বলে ১৬)। এরপরই রুখে দাঁড়ান অভিষেক শর্মা ও এইডেন মার্করাম। দারুণ ছন্দে রয়েছেন অভিষেক শর্মা। চলতি আইপিএলে দ্বিতীয় হাফ সেঞ্চুরি করে তিনি দলকে বড় ইনিংসের প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে দেন। মার্করামের সঙ্গে জুটিতে তোলেন ৯৬। আলজেরি জোশেফ দ্বিতীয় স্পেলে বোলিং করতে এসে জুটি ভাঙেন। তুলে নেন অভিষেককে। ৬টি চার ও ৩টি ছয়ের সাহায্যে ৪২ বলে ৬৫ রান করে তিনি আউট হন।এবছর নিলামে নিকোলাস পুরানের পেছনে বড় অর্থ লগ্নি করেছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। সেভাবে অবদান রাখতে পারছেন না। এদিনও ব্যর্থ পুরান (৫ বলে ৩)। মহম্মদ সামির বল বাউন্ডারির বাইরে পাঠাতে গিয়ে লং অনে শুভমান গিলের হাতে ধরা পড়েন। পরের ওভারেই মার্করামকে তুলে নেন যশ দয়াল। ৪০ বলে ৫৬ রান করে তিনি ডেভিড মিলারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। চোট সারিয়ে এদিন প্রথম একাদশে ফিরেছিলেন ওয়াশিংটন সুন্দর। ব্যাট হাতে তিনিও দলকে নির্ভরতা দিতে পারেননি। মাত্র ৩ রান করে তিনি রান আউট হন। শেষ ওভারে ঝড় তোলেন শশাঙ্ক সিং। ৬ বলে ২৫ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। গতি দিয়ে এদিন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ব্যাটারদের কাবু করতে পারেননি সামি (৩/৩৯), জোশেফ (১/৩৫), ফার্গুসনরা (০/৫২)।

এপ্রিল ২৭, ২০২২
রাজ্য

এবার দিলীপ ঘোষের নিশানায় সুকান্ত মজুমদার, অন্তর্দ্বন্দ্বে জীর্ণ বঙ্গ বিজেপি

এর আগে বঙ্গ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছিলেন বিষ্ণপুরের দলীয় সাংসদ সৌমিত্র খাঁ, দলের কেন্দ্রীয় সম্পাদক অনুপম হাজরা। তাছাড়া বিভিন্ন জেলা নেতৃত্ব তো রাজ্য সংগঠনের পদ ছাড়ার জন্য ইস্তফাপত্রই পাঠিয়েছেন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের কাছে। এবার বোমা ফাটালেন প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি ও সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ। খড়্গপুরের সাংসদের মন্তব্যে তোলপাড় রাজনৈতিক মহল।বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই বিজেপির ঘর ফাঁকা হতে শুরু করে। তারপর একের পর এক নির্বাচনে ভরাডুবি হয়েছে দলের। নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে দলের ভিতর থেকেই। দিলীপ ঘোষ বলেন, সুকান্ত সবে দায়িত্ব পেয়েছেন, অভিজ্ঞতা কম। তবে যাঁরা এতদিন আন্দোলন করেছেন তাঁদের গুরুত্ব দেওয়া উচিত। যাঁদের বিশ্বাস করে মানুষ রাস্তায় নেমেছে তাঁদেরও গুরুত্ব দিতে হবে। যোগ্য নেতৃত্বকে বাদ দিলে হবে না।দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্যের পর রেরে করে উঠেছে বিরোধীরা। তৃণমূল কংগ্রেসের মন্তব্য, অন্য দলের বিষয়ে মন্তব্য করা ঠিক নয়। তবে আদি বিজেপি, তৎকাল বিজেপির মধ্যে ভয়ঙ্কর দ্বন্দ্ব তো রয়েছেই। সিপিএমের বক্তব্য, বিজেপিতে মুষল পর্ব চলছে। অন্যদিকে কংগ্রেসের বক্তব্য, বিজেপি এরাজ্যে আন্দোলনে নামলে বাংলার মানুষেরই ক্ষতি। এককথায় দলের অভ্যন্তরে শুধু নয়, বিরোধীরাও কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে দিলীপ ঘোষের মন্তব্যের প্রেক্ষিত।২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে টিকিট পায়নি আদি বিজেপির অনেকেই। তা নিয়ে দলের অভ্যন্তরে চরম বিক্ষোভ ছিল। কিন্তু ঘরের ভিতরেই চোখে জল ফেলেছেন তাঁরা, প্রকাশ্যে কেউ মুখ খোলেননি। কিন্তু বিধানসভা ভোটে পরাজিত হওয়ার পর থেকেই ক্রমশ দ্বন্দ্ব সামনে এসেছে। তৃণমূল থেকে আসা নেতৃত্ব ঘরে ফিরে গিয়েছেন। যাঁরা থেকে গিয়েছেন তাঁদের একটা বড় অংশ নেতৃত্ব নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করেই চলেছেন। দিল্লী পর্যন্ত পৌঁছেছে এই গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের খবর। যদিও দিলীপ ঘোষের মন্তব্য নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া দিতে চাননি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।রাজনৈতিক মহলের মতে, ক্রমশ দলীয় সংগঠন তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। নির্বাচনে গো-হারা হেরেই চলেছে গেরুয়া শিবির। সব মিলিয়ে প্রচারে থাকার জন্য দলের নেতৃত্বের বিতর্কিত মন্তব্য করা ছাড়া অন্য কোনও উপায়ও নেই বিজেপির।

এপ্রিল ২১, ২০২২
রাজ্য

এভাবে সিবিআই থেকে বাঁচতে পারবেন না অনুব্রত', বর্ধমানে মন্তব্য রাজ্য বিজেপি সভাপতির

গতকাল অনুব্রত যখন বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন তখন আমি বলেছিলাম ক্যামেরার মুখগুলো উডবার্ন ওয়ার্ডের দিকে ঘুরিয়ে রাখতে। উনি আমার সেই ভবিষ্যৎবাণীকে ঠিক প্রমাণ করলেন। বর্ধমানে এসে অনুব্রত মন্ডলের বিষয়ে এই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এদিন বর্ধমানে দলের প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি।সুকান্ত আরও বলেন, এটা ওনার পূর্ব পরিকল্পিত। এভাবে সিবিআই থেকে বাঁচতে চাইছেন উনি। কিন্তু বাঁচতে পারবেন না। এদিন পুরুলিয়ার ঝালদায় কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দু খুনের প্রত্যক্ষদর্শী নিরঞ্জন বৈষ্ণবের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়। পুরুলিয়ার তপন কান্দু খুনের প্রত্যক্ষদর্শীর মৃত্যু নিয়ে তিনি বলেন, এই মৃত্যুও খুবই সন্দেহজনক। আগের মৃত্যু অর্থাৎ কাউন্সিলর খুনের সাথে এর যোগ আছে। ইনিই একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন। তথাকথিত সুইসাইড নোটেও উনি পুলিশের হয়রানির অভিযোগ করেছেন। এই মৃত্যুর তদন্তও সিবিআই মারফৎ হওয়া উচিত।এদিকে এসএসসির নিয়োগ নিয়েও আদালতের নির্দেশে সিবিআই তদন্ত শুরু হয়েছে। এই প্রসঙ্গে তিনি রাজ্য সরকারকে একহাত নেন। রাজ্য বিজেপি সভাপতি বলেন, সিবিআইয়ের হাত শিক্ষামন্ত্রীর আপ্ত সহায়ক অবধি পৌঁছে গেছে। শিক্ষামন্ত্রী পর্যন্ত পৌঁছে যায় কীনা তা দেখা সময়ের অপেক্ষা। এককালে এই এসএসসিতেই অনেক যুবক-যুবতী চাকরি পেয়েছেন।

এপ্রিল ০৬, ২০২২
রাজনীতি

নন্দীগ্রামে হেরেছি বলেছিলেন শুভেন্দু, বিস্ফোরক দাবি রাজীব-জয়প্রকাশের

নন্দীগ্রাম নিয়ে ফের তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। এবার নন্দীগ্রামের ভোট নিয়ে বোমা ফাটালেন ঘর ওয়াপসি করা তৃণমূল নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। নন্দীগ্রামের ভোট স্বচ্ছ হয়নি। এমনটাই দাবি রাজীবের। শুভেন্দু অধিকারী নাকি তাঁকে গণনার দিন বিকেলেই জানিয়েছিলেন, তিনি হেরে গিয়েছেন । তাঁর বক্তব্য, কারচুপি করে জিতেছেন শুভেন্দু অধিকারী।শনিবার বিকেলে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমি আজ দায়িত্ব নিয়ে বলতে পারি। নন্দীগ্রামের কথা উনি (শুভেন্দু অধিকারী) বার বার বলেন। আমিও সেই সময় ভারতীয় জনতা পার্টিতে ছিলাম। বুকে হাত দিয়ে বলুন তো, নন্দীগ্রামের ভোট কতটা স্বচ্ছ হয়েছে! বাংলার মানুষ জানে, নন্দীগ্রামের ভোট কীভাবে হয়েছে। নন্দীগ্রামের ভোট স্বচ্ছ হয়নি। যেদিন ফলাফল ঘোষণা হয়, তিনি নিজে আমায় বিকেলে ফোন করে বলেছিলেন, নন্দীগ্রামে হেরে গিয়েছেন। তারপর কোন জাদুবলে আবার নন্দীগ্রামে তিনি জিতলেন? হাইকোর্টে যে মামলা হয়েছে, আমরা চাই এর বিচার হোক, যাতে হয় পুনরায় নির্বাচন নাহলে পুনরায় ভোট গণনা হোক। তাহলেই কী আছে তা পুরোপুরি স্পষ্ট হয়ে যাবে।উল্লেখ্য, এই অভিযোগ নতুন কিছু নয়। এর আগেও তৃণমূল এমন অভিযোগ তুলেছিল এবং সেই জল আদালত পর্যন্তও গড়িয়েছে। এখন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় দল বদলের পর সেই প্রসঙ্গকে ফের একবার উস্কে দিলেন। নন্দীগ্রামের ফলাফল প্রকাশ্যে আসার প্রথম দিন থেকেই নন্দীগ্রামের ভোট নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। এরপর শনিবার বিকেলে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে আসা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সদ্য জার্সি বদল করা জয়প্রকাশ মজুমদার, উভয়েই দাবি করেন তাঁদের কাছে খবর ছিল শুভেন্দু অধিকারী হেরে গিয়েছেন। শুভেন্দু অধিকারী নিজে নাকি রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানিয়েছিলেন যে তিনি হেরে গিয়েছেন।

মার্চ ১২, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যপালের প্রতি মুখ্যমন্ত্রী ও স্পিকারের আচরণও অত্যন্ত অশোভনীয়, বললেন সুকান্ত

এই রাজ্যের সরকার বিরোধীদের কণ্ঠশ্বরকে হত্যা করতে চাইছে। তাই সাসপেণ্ড করা হয়েছে দুই বিজেপি বিধায়ককে। আমরা তো ভোবেছিলাম বিজেপির সব বিধায়ককেই বরখাস্ত করবে। বিধানসভায় রাজ্যপালের ভাষণে বাধা সৃষ্টির অভিযোগে স্পিকারের দুই বিজেপি বিধায়ককে সাসপেণ্ড করা নিয়ে বুধবার বর্ধমানে এসে এই ভাবেই ক্ষোভ ব্যক্ত করলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।এমনকি বর্ধমানের জেলা বিজেপি কার্যালয়ে বসে সুকান্ত বাবু রাজ্য সরকার ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধেও এদিন তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন।তিনি বলেন,শুধু স্পীকার নয়, রাজ্যপালের প্রতি এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর আচরণও অত্যন্ত অশোভনীয়।রাজ্যপালের তলব পেয়েও বিধানসভার স্পিকারের তাঁর কাছে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েও এদিন সরব হন রাজ্য বিজেপি সভাপতি।সুকান্ত বাবু এই প্রসঙ্গে বলেন, রাজ্যপালের তলব পেয়েও স্পিকারের না যাওয়াটা গণতন্ত্রের পক্ষে অত্যন্ত অশোভনীয়। এই ঘটনা পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে অস্বাস্থ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করবে।শুধু স্পীকার নয়, রাজ্যপালের প্রতি এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর আচরণও অত্যন্ত অশোভনীয় বলে অভিযোগ করেন সুকান্ত মজুমদার। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন উনি (মুখ্যমন্ত্রী) বাংলার সংস্কৃতিকে অপমান করছেন।এর আগে পশ্চিমবঙ্গের কোনও মুখ্যমন্ত্রী মহামান্য রাজ্যপালের সাথে এই ধরনের আচরণ করেননি।রাজ্য সরকারের সমালোচনা করে সুকান্ত মজুমদার এও বলেন, রাজ্য সরকার চলছে কেন্দ্রের টাকায়।অথচ মুখ্যমন্ত্রী বলছেন কেন্দ্র টাকা দিচ্ছে না।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুধুই মিথ্যা কথা বলেন।জয়প্রকাশ মজুমদার তৃণমূলে যোগদান সম্পর্কে রাজ্য বিজেপি সভাপতি বলেন, আমরা ওনাকে দল থেকে বহিষ্কার করেছিলাম। তৃণমূল তাঁকেই সেই পদেই বহাল করেছে। এর থেকেই বোঝা যায় এই রাজ্যে বিজেপির ভাল দম আছে। তাই বিজেপির রিজেক্টেড নেতারাও তৃণমূলে গিয়ে একই পদ পাচ্ছেন। পাশাপাশি সুকান্ত বাবু দাবি করেন, বিজেপি কর্মীরাই বিজেপির সম্পদ। কারণ তাঁরা নরেন্দ্র মোদীকে দেখে দল করেন। বিজেপি বিধায়ক হিরনের বিভীষণ প্রসঙ্গ উত্থাপন সম্পর্কে সুকান্ত বাবু বলেন, আমার সঙ্গে হিরনের কথা হয়েছে। যা বলার ওকে পার্টির ভিতরে বলতে বলেছি। অন্য দল থেকে ভাঙিয়ে দল ভারি করার কথা বিজেপি ভাবছে না বলেও সুকান্ত বাবু এদিন জানান। তবে একই সঙ্গে তিনি বলেন ,কেউ বিজেপি দলে এলে তাঁকে বিজেপির মতাদর্শ মেনে নিয়েই আসতে হবে।

মার্চ ০৯, ২০২২
রাজনীতি

তৃণমূলে যোগ দিয়েই নতুন পদ পেলেন জয়প্রকাশ মজুমদার

অবশেষে জল্পনার অবসান। বিজেপির বিক্ষুব্ধ নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার যোগ দিলেন তৃণমূলে। নাটকীয়ভাবে নজরুল মঞ্চে বৈঠক করল তৃণমূল। সেখানেই জয়প্রকাশ মজুমদারের তৃণমূলে যোগ দিলেন। তৃণমূলের রাজ্য-সহ সভাপতি হলেন জয়প্রকাশ।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে তিনি তৃণমূলে যোগ দেন। উল্লেখ্য, সোমবারই লকেট চট্টোপাধ্যায় দেখা করেছিলেন জয়প্রকাশ মজুমদারের সঙ্গে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন সায়ন্তন বসু ও রিতেশ তিওয়ারিও।রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, সম্ভবত বিক্ষুব্ধদের সঙ্গে বৈঠকেই শেষ পেরেকটা পোঁতা হয়েছিল। সোমবার সকালে আকস্মিক নজরুল মঞ্চের সামনে তৃণমূল নেতাদের পাশেই দেখা যায় জয়প্রকাশকে। আজ নজরুল মঞ্চে তৃণমূলের সাংগঠনিক বৈঠক। সেই বৈঠকে তাঁর উপস্থিতিই ঘটাল জল্পনার অবসান। উল্লেখ্য, বিজেপিও জয়প্রকাশকে দল থেকে বহিষ্কৃত করেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, নিজের সঙ্গে ছেলেকে এনেও জয়প্রকাশ বুঝিয়ে দিলেন, তাঁর পরিবারও আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদর্শে অনুপ্রাণীত।কিন্তু কি করব - রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) কিছুতেই এটা করতে দিচ্ছেন না। আমি অসহায়। pic.twitter.com/CF4BzzIO5g Jay Prakash Majumdar (@jay_majumdar) March 5, 2022সাময়িক বহিষ্কৃত বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার নিজের কার্যসিদ্ধির জন্য তৃণমূলে গিয়েছেন বলে মনে করেন বিজেপি-র সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। পাশাপাশি, তিনি জানিয়েছেন, দলীয় নেতৃত্বের নীতির কারণেই দলত্যাগ হচ্ছে।মঙ্গলবার লকেট বলেন, আগেও দল ছেড়ে অনেক নেতা চলে গিয়েছেন। অনেক দিন ধরেই দলের মধ্যে অভ্যন্তরীণ কিছু সমস্যা আমরা দেখতে পাচ্ছি। যাতে এই পরিস্থিতির শিকার হয়ে দল ছেড়ে কেউ চলে না যান, তার জন্য তাঁদের সঙ্গে কথা বলা উচিত। দলের এই ভাঙন রোখা উচিত। সবাইকেই রোখা উচিত। আমাদের এখন সেই কাজটাই করতে হবে। কথা বলার পরেও যদি কেউ চলে যান, সেটা তাঁর ব্যক্তিগত বিষয়। লকেট আরও জানিয়েছেন, তাঁরা সকলেই জয়প্রকাশকে দল ছেড়ে তৃণমূলে যেতে নিষেধ করেছিলেন। কিন্তু জয়প্রকাশ তা শোনেননি।

মার্চ ০৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মহমেডানের দুরন্ত জয়ে মার্কাস জোসেফের স্পোর্টসম্যানশিপ স্পিরিট

খেলা শেষ হতে তখন মিনিট চারেক বাকি। শ্রীনিধির এক ফুটবলার বক্সের মধ্যে হ্যান্ডবল করায় পেনাল্টি পায় মহমেডান স্পোর্টিং। ২১ ২ গোল করে হ্যাটট্রিকের মুখে দাঁড়িয়ে মার্কাস জোসেফ। হ্যাটট্রিকের হাতছানি উপেক্ষা করে এগিয়ে দিলেন সতীর্থ আন্দেলো রুডোভিচকে। পেনাল্টি থেকে গোল করে মহমেডানকে ৩১ গোলে জেতালেন রুডোভিচ। সাদাকালো ব্রিগেডের জয়ের থেকেও নজির থেকে গেল মার্কাস জোসেফের স্পোর্টসম্যান স্পিরিট।আই লিগে দুরন্ত ছন্দে এগোচ্ছে সাদাকালো ব্রিগেড। আগের দুটি ম্যাচে জয়ের পর তৃতীয় ম্যাচেও শ্রীনিধিকে হারাল মহমেডান। প্রথমে পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্ত জয় তুলে নিল সাদাকালো ব্রিগেড। টানা তিন ম্যাচে জয়। আগের ম্যাচে জোড়া গোল করেছিলেন মার্কাস জোসেফ। এদিনও জোড়া গোল করে তিনি মহমেডানের জয়ের নায়ক।এদিন ম্যাচের ১৬ মিনিটে ডেভিড কাস্তানেদা গোল করে এগিয়ে দেন শ্রীনিধি এফসিকে। পিছিয়ে পড়ে সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে মহমেডান স্পোর্টিং। শ্রীনিধির ওপর চাপ বাড়াতে থাকে। তার ফলও পায় হাতেনাতে। ৪০ মিনিটে সমতা ফেরায়। সৌজন্যে নিকোলামার্কাস জুটি। নিকোলার দুরন্ত সেন্টারে মাথা ছুঁইয়ে গোল করেন মার্কাস জোসেফ।দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে আরও মরিয়া হয়ে ওঠে মহমেডান স্পোর্টিং। একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসতে থাকেন নিকোলা, মার্কাসরা। ৫১ মিনিটে সেই মার্কাস জোসেফের গোলে এগিয়ে যায় সাদাকালো ব্রিগেড। ২৫ গজ দূর থেকে দুর্দান্ত শটে বল জালে পাঠান মার্কাস। এগিয়ে গিয়ে গোল বাড়ানোর জন্য আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে মহমেডান। একের পর এক সুযোগ তৈরি হলেও তিনকাঠি ভেদ করতে পারেননি মার্কাস, আন্দেলো রুডোভিচরা। অবশেষে ৮৬ মিনিটে পেনাল্টি থেকে রুডোভিচের গোল। টানা ৩ ম্যাচ জিতে ৯ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে মহমেডান।

মার্চ ০৭, ২০২২
রাজ্য

আনিসের মৃত্যু দায় চাপিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে কাঠগড়ায় তুললেন সিপিএম নেতা মহম্মদ সেলিম

পুর ভোটের প্রচারে বর্ধমানে এসে আনিস খানের মৃত্যু নিয়ে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকেই কাঠগড়ায় তুললেন সিপিএমের পলিটব্যুরো সদস্য মহম্মদ সেলিম। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন,দোষীদের আড়াল করতে চাইছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশ মন্ত্রী। বর্ধমান শহরের কালিবাজারে এক নির্বাচনী জনসভা হয় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ।সেখানেই বর্ধমান পুরসভার ভোটে প্রতিদ্বন্দি দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে সিপিএমের পলিটব্যুরো সদস্য মহম্মদ সেলিম বক্তব্য রাখেন ।সভায় সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আভাস রায়চৌধুরী সহ অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বক্তব্য রাখতে উঠেই মহম্মদ সেলিম রাজ্যে তোলপাড় ফেলা ইস্যু আনিস খানের মৃত্যু নিয়ে সরব হন । তিনি বলেন, প্রথমে মুখ্যমন্ত্রী বললেন পুলিশ যায়নি। তারপর বললেন পুলিশ গিয়েছিল। সঙ্গে সঙ্গে নীচুতলার কয়েকজন পুলিশকে সাসপেন্ড করা হল। নিচুতলার পুলিশকে কেন সাসপেন্ড করা হল? তার উপরে তো হাওড়া গ্রামীণের পুলিশ সুপার আছে।সেলিমের আরও অভিযোগ, ঘটনার পরেই মুখ্যমন্ত্রী বলে দিলেন, পুলিশ যায়নি। কারণ যে কোন বড় ঘটনাকে খেলো করে দেখা ওনার স্বভাব। যখন বড় ঘটনা হয় তখন নীচুতলায় কোপ পড়ে। এই আনিসের ঘটনায় এস পি বা পুলিশ মন্ত্রী কি দায় এড়াতে পারেন?। তার প্রশ্ন, আনিসের বাবা আমতা থানায় ফোন করার ছয় ঘন্টা পর পুলিশ আসে। আজ পড়ুয়ারা কলকাতার রাজপথে প্রতিবাদ করছিল। সেখানে শয়ে শয়ে পুলিশ চলে এলো? কেন কি হচ্ছে? শাসকদল বলছে, এই মৃত্যু নিয়ে বিরোধীরা ঘোলা জলে মাছ ধরতে নেমেছে, সেলিমের প্রশ্ন, জল ঘোলা করল কারা?

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মুক্তি পেল সৌম্যজিত মজুমদারের প্রথম ছবি #হোমকামিং

৯০ মিনিটের মিউজিক্যাল ড্রামা #হোমকামিং দিয়ে পরিচালক হিসাবে আত্মপ্রকাশ করলেন অভিনেতা সৌম্যজিত মজুমদার। এই ছবির চিত্রনাট্যও লিখেছেন তিনি এবং প্রযোজনার মতো গুরুদায়িত্বও তাঁর কাঁধে। ছবিটি মূলত রিইউনিয়নের গল্প। ছবিতে অভিনয় করেছেন সায়নী গুপ্তা, তুষার পাণ্ডে, প্লবিতা বরঠাকুর, সোহম মজুমদার, হুসেইন দালাল, পূজারিণী ঘোষ সহ আরও অনেক তারকা। প্রিমিয়ারে উপস্থিত ছিলেন টলিউড থেকে বলিউডের অনেকে। অভিনেতা তুষার পাণ্ডে এই ছবিতে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা শেয়ার করলেন। কলকাতা কতটা কাছের তাঁর কাছে সেটাও বললেন। এই ছবির সবথেকে বড় দিক হল সোনি লিভ এর মতো ন্যাশানাল ওটিটি প্ল্যাটফর্মে প্রথমবার কোনও কলকাতার ছবি মুক্তি পেল।পরিচালক জানালেন, প্রথম কোনও প্রেমে যেরকম অনুভূতি হয় সেরকমই অনুভূতি হচ্ছে। খুব ভালো লাগছে যেখানে আমার ছবি দেখতাম সেখানে আমার ছবির প্রিমিয়ার হচ্ছে। মনে হচ্ছে সবাই একসঙ্গে যেন রিইউনিয়নে এসেছি। অভিনেতা তুষার পাণ্ডে জানালেন, আমি খুব ভালো লাগছে। খুব মজা করে আমরা কাজটা করেছি। বাংলা কি কিছু শিখেছো? তুষার জানালেন, অল্প শিখেছি। শেখার চেষ্টা করছি। অভিনেত্রী প্লবিতা বরঠাকুর জানালেন, এট ভালো টিমের সঙ্গে কাজ করতে পেরে সত্যিই খুব ভালো লাগছে। কলকাতায় এসে খুব ভালো লাগছে। কলকাতার কোনও খাবার কি টেস্ট করা হয়েছে? প্লবিতা জানালেন, কলকাতার ফুচকা আমার খুব প্রিয়।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২২
দেশ

আমদাবাদ বিস্ফোরণ মামলায় ৩৮ জনের মৃত্যুদণ্ড, ১১ জনের যাবজ্জীবন

আমদাবাদ ধারাবাহিক বিস্ফোরণ মামলায় অভিযুক্ত ৪৯ জনের মধ্যে ৩৮ জনকে মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ দিল আদালত। ২০০৮ সালের ওই বিস্ফোরণে অভিযুক্ত আরও ১১ জনকে যাবজ্জীবনের নির্দেশ শোনাল আদালত। শুক্রবার আমদাবাদের বিশেষ আদালত এই নির্দেশ দিয়েছে। ওই ধারাবাহিক বিস্ফোরণের ঘটনায় মোট ৫৬ জন নিহত হয়েছিলেন। পাশাপাশি ২০০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হন। তদন্তে নামার পর তদন্ত সংস্থাগুলি মোট ৪৯ জনকে এই ঘটনার জন্য দায়ী করে।A special court in Gujarat pronounced the death sentence to 38 out of 49 convicts in the 2008 Ahmedabad serial bomb blast case. Eleven others have been sentenced to life imprisonment by the court, the special public prosecutor Amit Patel said pic.twitter.com/3zpjSFeQBY ANI (@ANI) February 18, 2022এই বিস্ফোরণের ১৪ বছর পর অভিযুক্তদের সাজার ঘোষণা করা হল। গত ৮ ফেব্রুয়ারি ঘটনায় অভিযুক্ত ৪৯ জনকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত। এর পর শুক্রবার তাদের সাজা ঘোষণা করা হল। ২০০৮ সালের ২৬ জুলাই গুজরাতের আমদাবাদে ৭০ মিনিটের মধ্যেই গোটা শহরজুড়ে পরপর ২১টি বিস্ফোরণ হয়। ওই বিস্ফোরণে ৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল এবং ২০০ জনেরও বেশি আহত হয়েছিলেন। বিস্ফোরণের কয়েকদিন পরে সুরাত শহরের বিভিন্ন অংশ থেকে বোমা উদ্ধার করা হয়। আমদাবাদে মোট ২০টি এফআইআর ও সুরাতে ১৫টি এফআইআর দায়ের করা হয়। মোট ৩৫টি এফআইআর মিলিয়ে গুজরাত বিশেষ আদালতে শুনানি শুরু হয়। উল্লেখ্য, সেই সময় গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি সেই সময় বিস্ফোরণস্থল পরিদর্শন করে দ্রুত তদন্তের নির্দেশ দেন।প্রসঙ্গত, বিস্ফোরণের মূল লক্ষ্য ছিল আমদাবাদের হাসপাতালগুলি। নিহত ৫৬ জনের মধ্যে আমদাবাদের সিভিল হাসপাতালের বিস্ফোরণেই প্রাণ যায় ৩৭ জনের। এলজি হাসপাতালেও একটি বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। তবে সেখানে কেউ আহত বা নিহত হননি।অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আমদাবাদ এবং সুরাতে ৩৫টি ভিন্ন মামলা নথিভুক্ত করা হয়। বোমা বিস্ফোরণের জন্য আমদাবাদে মোট ২০টি এবং সুরাতে মোট ১৫টি মামলা দায়ের করা হয়। বিস্ফোরণের কয়েক দিন পরে শহরের বিভিন্ন জায়গায় ২৯টি তাজা বোমা উদ্ধার করা হয়।ইন্ডিয়ান মুজাহিদিন (আইএম) এই বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করে। ২০০২ সালের গুজরাত দাঙ্গার প্রতিশোধ নিতেই এই বিস্ফোরণ ঘটানো হয় বলে এই জঙ্গি সংগঠন দাবি করে।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

রি-ইউনিয়নের গল্পে পরিচালক হিসাবে অভিষেক হচ্ছে সৌম্যজিতের

৯০ মিনিটের মিউজিক্যাল ড্রামা #হোমকামিং দিয়ে পরিচালক হিসাবে আত্মপ্রকাশ করছেন অভিনেতা সৌম্যজিত মজুমদার। এই ছবির চিত্রনাট্যও লিখেছেন তিনি এবং প্রযোজনার মতো গুরুদায়িত্বও তাঁর কাঁধে। ছবিটি মূলত রিইউনিয়নের গল্প বলবে। ইতিমধ্যে ট্রেলার মুক্তি পেয়েছে এবং বেশ ভালো সাড়া পেয়েছে। ছবিতে অভিনয় করছেন সায়নী গুপ্তা, তুষার পাণ্ডে, প্লবিতা বরঠাকুর, সোহম মজুমদার, হুসেইন দালাল, পূজারিণী ঘোষ সহ আরও অনেক তারকা। এই ছবির সবথেকে বড় দিক হল সোনি লিভ এর মতো ন্যাশানাল ওটিটি প্ল্যাটফর্মে প্রথমবার কোনও কলকাতার ছবি মুক্তি পাচ্ছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য গতবছর কলকাতায় সাংবাদিক সম্মেলনে পরিচালক জানিয়েছিলেন তিনি নার্ভাস নন। প্রথম ছবি করলেও তাঁর কোনও অসুবিধা মনে হয়নি। এছাড়া অভিনেত্রী প্লবিতা বরঠাকুর জানিয়েছিলেন প্রথমবার তিনি বাঙালি অভিনেতাদের সঙ্গে কাজ করলেন। তাদের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতাটা খুব ভালো।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২২
রাজনীতি

ব্রেকিংঃ বঙ্গ বিজেপির দুই শীর্ষ নেতাকে সাময়িক বরখাস্ত, গুঞ্জন বাড়ল

শেষমেশ রাজ্য বিজেপির দুই শীর্ষ নেতাকে সাময়িক বরখাস্ত করল দল। এর আগে রীতেশ তেওয়ারি ও জয়প্রকাশ মজুমদারকে দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের প্রশ্নে শোকজ করেছিল দল। এবার সাময়িক বরখাস্ত করল বঙ্গ বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সোমবার রাজ্য বিজেপির কার্যালয় সম্পাদক প্রণয় রায় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের নির্দেশে নিম্নলিখিত ব্যক্তিদ্বয়ের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের দল থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হচ্ছে।রাজ্য বিজেপির নতুন কমিটিতে শীর্ষ নেতৃত্বের অনেকেই জায়গা পায়নি। এদিকে দলের মতুয়া নেতাদের অভিযোগ, তাঁদের প্রতিনিধিদেরও ব্রাত্য রেখেছে রাজ্য বিজেপি। মূলত দলের বিক্ষুব্ধ অংশ ও মতুয়া প্রতিনিধিরা এক হয়ে নানান জায়গায় বৈঠক করছেন। এমনকী পিকনিকও চলছে দুই তরফের উপস্থিতিতে। তাঁদের বৈঠকের পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা মতুয়া সঙ্ঘাধিপতি শান্তনু ঠাকুর রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের প্রতি তোপ দেগেছেন। গতকালও রীতেশ তেওয়ারী ও জয়প্রকাশ মজুমদারের পাশেই দাঁড়িয়েছেন শান্তনু ঠাকুর। তবে শুধু এই দুজন নয়, বঙ্গ বিজেপির বহু শীর্ষ নেতাই বৈঠকগুলিতে হাজির থেকেছেন। এবার সাময়িক বরখাস্ত করার পর আর কারও ওপর এই খাড়া পড়ে কিনা সেটাই এখন মূল চর্চা রাজনৈতিক মহলে।

জানুয়ারি ২৪, ২০২২
রাজ্য

Singur-BJP: সিঙ্গুরে অবস্থান বিক্ষোভ বিজেপির, মিছিলে দিলীপ-সুকান্ত

আত্মহত্যা করেছেন এমন কৃষকদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য, কৃষকদের উপযুক্ত দামে সার, সেচের জন্য ভর্তুকিতে বিদ্যুৎ দেওয়া-সহ কয়েকটি দাবিতে সিঙ্গুরে রাজনৈতিক কর্মসূচি শুরু বিজেপি-র। সেখানে প্রথমে মিছিল করে বিজেপি। তাতে যোগ দেন বঙ্গ বিজেপি-র নেতারা। পরে শুরু হয় ধর্না। টানা তিন দিন হুগলির সিঙ্গুরের গোপালনগরে দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ের ধারে ধরনা দেবে বিজেপি।সিঙ্গুরে বিজেপি-র কর্মসূচির জন্য সোমবার গভীর রাতে অনুমতি দেয় পুলিশ। এর পর মঙ্গলবার ধরনা মঞ্চ বাঁধা হয়। দুপুরে সিঙ্গুরের লোহাপট্টি থেকে মিছিল করে সিংহের ভেড়িতে উপস্থিত হন বিজেপি নেতারা। সঙ্গে ছিলেন কর্মী-সমর্থকরাও।সিংহের ভেড়িতে দূর্গাপুর এক্সপ্রেস হাইওয়ের পাশে ধরনা মঞ্চ বিজেপি-র। ওই কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, কৃষকদের পাশে না দাঁড়ালে তাঁদের কাছে দুটো পথ খোলা রয়েছে। হয় পরিযায়ী শ্রমিক হয়ে যাওয়া না হলে আত্মহত্যা করা। তাঁর মতে, রতন টাটা এখান থেকে চলে যাওয়া দেশের শিল্পমহল পশ্চিমবঙ্গের উপর বিশ্বাস রাখতে পারছেন না। এ ছাড়া মঙ্গলবারের মিছিলে উপস্থিত হন রাহুল সিনহা, অগ্নিমিত্রা পল, চন্দনা বাউড়ি-সহ অনেকে।মিছিল শুরুর আগে বিজেপি-র সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে বলেন, হয় কৃষকদের জমি ফেরত দিন। না হলে চাকরি দিন। মোদিজি কৃষকদের বছরে ছয় হাজার টাকা দিচ্ছেন। সেটাও উনি দিতে দিচ্ছেন না।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২১
কলকাতা

Dumdum-Manhole: দমদমে খোলা ম্যানহোলে পড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু

ম্যানহোলে পড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হল পঞ্চাশোর্ধ্ব এক ব্যক্তির। শুক্রবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে দমদম সেভেন ট্যাংকের কাছে। ম্যানহোলের ঢাকনা খোলা থাকাতেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ মৃতের পরিবারের লোক এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের।জানা গিয়েছে, মৃত ব্যক্তির নাম রঞ্জন সাহা। তিনি পেশায় অটোচালক। তাঁর বয়স ৫১ বছর। শুক্রবার রাতে তিনি যখন বাড়ি ফিরছিলেন, তখনই পড়ে যান ম্যানহোলে। অভিযোগ, ম্যানহোলের ঢাকনা ছিল খোলা। তাঁর চিৎকার শুনে স্থানীয় ছুটে এসে তাঁকে উদ্ধার করেন। তার পর রঞ্জনকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালে। সেখানে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ম্যানহোলের ঢাকনা খোলা ছিল। তা দেখতে না পেয়ে পড়ে যান ওই ব্যক্তি। রঞ্জনের পরিবারের লোকের অভিযোগ, ম্যানহোল খোলা থাকার জন্যই এ রকম দুর্ঘটনা ঘটল। প্রাণহানি হল। রঞ্জনের মৃত্যুর জন্য পুরসভার গাফিলতিকে দায়ী করেছে তাঁর পরিবারের লোকেরা। রঞ্জনের মৃত্যুতে স্বাভাবিকভাবেই ভেঙে পড়েছেন তাঁর স্ত্রী। রঞ্জনের স্ত্রী বলেছেন, সংসারে একমাত্র উপার্জনকারী ছিল আমার স্বামী। এখন কী করে সংসার চলবে তা বুঝতে পারছি না। আমাকে একটা চাকরি দিলে খুব উপকার হত।

নভেম্বর ১৩, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজনীতি

হুমায়ুন গ্রেফতার, অধীরের অবস্থান! রেজিনগর উপনির্বাচনে দিনভর তপ্ত রাজনীতি, "জিতবে বিজেপিই" - শুভেন্দু

রেজিনগর বিধানসভার উপনির্বাচন ঘিরে দিনভর উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদ। শাসক দলের বিরুদ্ধে বুথ দখল, ভোট লুট এবং বিরোধী দলের এজেন্টদের বুথ থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছে মমতা তৃণমূল কংগ্রেস এবং কংগ্রেস। অভিযোগের প্রতিবাদে বহরমপুরে জেলা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অধীর চৌধুরীর নেতৃত্বে অবস্থান বিক্ষোভও হয়। গ্রেফতার করা হয় আজপ নেতা তথা বিধায়ক হুমায়ুন কবিরকে। নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের ভোট বাতিলের দাবি জানিয়েছে কংগ্রেস। তবে ভোটের দিন সকালেই সবচেয়ে বেশি চর্চায় আসে আমজনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান তথা নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবিরের গ্রেপ্তারি। তাঁর ছেলে গোলাম নবি আজাদ রেজিনগর উপনির্বাচনে আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী। সকালে শক্তিপুরে নিজের বাড়ির কাছের বুথে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ভোট দেন হুমায়ুন। বুথ থেকে বেরিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের হয়ে কাজ করার অভিযোগ তুলে কুকুর বলে কটাক্ষ করেন তিনি। পাশাপাশি বলেন, কুকুরকে কীভাবে মুগুর মেরে শায়েস্তা করতে হয়, তা তিনি ভালোভাবেই জানেন। প্রয়োজনে পাল্টা অ্যাটাকের কথাও বলেন তিনি।এরপর রেজিনগর পার্টি অফিসে যাওয়ার পথে সেখানে পৌঁছে যায় রেজিনগর থানার আইসি। হুমায়ুনকে পার্টি অফিস ছেড়ে চলে যেতে বলা হলে পুলিশের সঙ্গে তাঁর তীব্র বচসা শুরু হয়। পরে আইসির নেতৃত্বে পুলিশ তাঁকে টেনে-হিঁচড়ে গাড়িতে তুলে থানায় নিয়ে যায়। পরবর্তীতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক জানান, আইন লঙ্ঘনের অভিযোগেই হুমায়ুনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভোটের দিন এভাবে সংশ্লিষ্ট এলাকায় ঘোরাফেরা করা যায় না, একথা একজন বিধায়কের জানা দরকার বলে জানান খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, নন্দীগ্রামে আমাদের ব্যবধান অনেকটা বাড়বে। গতবারের থেকে ৫থেকে ৬ গুন তো বাডডবেই। মার্জিন কম হলেও রেজিনগরে আমরা জিতবো। মুসলিম যুবক ও মহিলাদের বড় অংশ বিজেপিকে ভোট দিয়েছে।অন্যদিকে কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরীর অভিযোগ, রেজিনগরে নিশ্চুপ সন্ত্রাস ও ভোট লুট চলছে। তাঁর দাবি, পুলিশ বিজেপির ক্যাডারের ভূমিকা পালন করছে এবং কংগ্রেস এজেন্টদের বুথে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। হুমায়ুনের গ্রেপ্তারি প্রসঙ্গে অধীর বলেন, তাঁকে দিয়ে নাটক করানো হচ্ছে এবং তিনি বিজেপির গেস্ট আর্টিস্ট।মমতা তৃণমূলের প্রার্থী রবিউল ইসলাম চৌধুরীর অভিযোগ, পুলিশ দাঁড়িয়ে থেকে বিরোধী এজেন্টদের বের করে দিয়ে বুথ দখল করেছে। সিপিএমের জেলা সম্পাদক জামির মোল্লার দাবি, ভোটের নামে প্রহসন হয়েছে। যদিও বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার ভোট শান্তিপূর্ণ হয়েছে বলে দাবি করেছেন। বিকেল ৫টা পর্যন্ত রেজিনগরে ৭৮ শতাংশ ভোট পড়েছে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

বন্যপ্রাণী সপ্তাহে দীননাথ দাস বিদ্যালয়ে ফিটনেস ও পরিবেশ সচেতনতার পাঠ

ফিট ইন্ডিয়া থেকে মাইক্রোপ্লাস্টিকের বিপদশরীরচর্চা, কুইজ ও বন্যপ্রাণী পরিচিতির মাধ্যমে দিনভর শিক্ষামূলক কর্মসূচিবর্ধমান: শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত শরীরচর্চা, আর পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় সচেতনতাদুই বার্তাকেই সামনে রেখে বর্ধমানের কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়োজিত হল একাধিক শিক্ষামূলক কর্মসূচি। ফিট ইন্ডিয়া ভাবনায় শরীরচর্চা ও ক্রীড়া প্রশিক্ষণের পাশাপাশি বন্যপ্রাণী সপ্তাহ উপলক্ষে বর্ধমান সায়েন্স সেন্টারে গিয়ে পরিবেশ, মাইক্রোপ্লাস্টিক এবং জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে জানল বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা।বিদ্যালয়ের শিক্ষক সঞ্জীব নন্দীর উদ্যোগে প্রথমে পড়ুয়াদের নিয়ে যাওয়া হয় বিদ্যালয়ের মাঠে। সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে বয়স অনুযায়ী বিভিন্ন শারীরিক অনুশীলনে অংশগ্রহণ করানো হয় তাদের। কাঠের ডাম্বেল দিয়ে নানা ধরনের ব্যায়াম ও ক্রীড়ামূলক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ছোটদের বোঝানো হয়, কীভাবে নিয়মিত শরীরচর্চার অভ্যাস গড়ে তুলে নিজেকে ফিট রাখা যায়।এরপর আয়োজন করা হয় বিভিন্ন দূরত্বের দৌড়। শেষপর্বে দল তৈরি করে ছাত্রছাত্রীরা অংশ নেয় কাবাডি খেলায়। শরীরচর্চার পাশাপাশি খেলাধুলার মাধ্যমে দলগত মানসিকতা, শৃঙ্খলা ও আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলার বার্তাও দেওয়া হয়।বিদ্যালয়ের শিক্ষক অনিমেষ বর্মন বলেন, ফিটনেস কোনও সাময়িক বিষয় নয়, এটি ধারাবাহিক কর্তব্য। ছোট বয়স থেকেই স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের অভ্যাস তৈরি করতে বিদ্যালয় বিশেষভাবে যত্নশীল।মাইক্রোপ্লাস্টিক নিয়ে সচেতনতার পাঠঅন্যদিকে, চলতি বন্যপ্রাণী সপ্তাহ উপলক্ষে বর্ধমান সায়েন্স সেন্টারে আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেয় বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সঙ্গে সেখানে গিয়ে প্রথমেই মাইক্রোপ্লাস্টিকের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে সচেতনতামূলক সেমিনারে অংশ নেয় পড়ুয়ারা।বিজ্ঞানীরা সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করেন, পরিবেশে মাইক্রোপ্লাস্টিকের বিস্তার কীভাবে জীবজগতের উপর প্রভাব ফেলছে। পরিবেশ দূষণ কমাতে সচেতন নাগরিক হিসেবে ছোটদের কী ভূমিকা থাকা উচিত, সেই বিষয়েও দেওয়া হয় গুরুত্বপূর্ণ বার্তা।এরপর বিভিন্ন বিষয়ের উপর আয়োজিত কুইজ প্রতিযোগিতায় উৎসাহের সঙ্গে অংশ নেয় বিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। সঠিক উত্তর দিয়ে বিভিন্ন শ্রেণির বেশ কয়েকজন ছাত্রছাত্রী পুরস্কারও অর্জন করে। ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র অয়নাংশু পুরস্কার পেয়ে নিজের আনন্দের কথা জানায়।প্রকৃতিকে কাছ থেকে চেনার সুযোগসেমিনার ও কুইজের পর রমনার বাগানে নিয়ে যাওয়া হয় পড়ুয়াদের। সেখানে সায়েন্স সেন্টারের আধিকারিকরা বিভিন্ন পশুপাখির সঙ্গে তাদের পরিচয় করান। প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য, পরিবেশে তাদের ভূমিকা এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে পড়ুয়াদের বোঝানো হয়।শিক্ষক সামিম মণ্ডলের কথায়, ছোটদের কাছে আজকের শিক্ষামূলক ভ্রমণ ছিল অত্যন্ত আনন্দের। একইসঙ্গে তারা প্রকৃতি ও বন্যপ্রাণী সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পেয়েছে।বিদ্যালয়ের রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত বলেন, বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা নিয়মিত সায়েন্স সেন্টারের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেয় এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় পুরস্কারও অর্জন করে। বন্যপ্রাণী সপ্তাহে সরকারের এই ধরনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে পড়ুয়াদের সচেতন করে তোলার এই প্রচেষ্টা জাতীয় শিক্ষানীতির লক্ষ্য পূরণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।ফিটনেস, পরিবেশ সচেতনতা ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণতিনটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তাকে একসঙ্গে সামনে রেখে দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ের এই উদ্যোগ পড়ুয়াদের কাছে শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়, হয়ে উঠল বাস্তব অভিজ্ঞতার মাধ্যমে শেখার এক অভিনব পাঠ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি লিপিবদ্ধ করেন দীপ্ত সুন্দরবাবু।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

এসআইআরে নাম বাদ? এবার ফের ভোটার তালিকায় ওঠার সুযোগ! কী করতে হবে, জানাল কমিশন

এসআইআর প্রক্রিয়ায় ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া যোগ্য নাগরিকদের নাম ফের তোলার প্রক্রিয়া শুরু করল রাজ্য। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশের পর সিইও দফতর এই প্রক্রিয়া শুরু করেছে। মঙ্গলবার অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক অরিন্দম নিয়োগীর তরফে এ বিষয়ে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। অনুপস্থিত, স্থানান্তরিত, মৃত অথবা এএসডিডি তালিকায় থাকা কারণে যাঁদের নাম বাদ পড়েছে, তাঁদের মধ্যে যোগ্য ভোটারদের ফের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি যাঁরা প্রথম বার ভোটার তালিকায় নাম তুলতে চান, তাঁরাও আবেদন করতে পারবেন।অর্থাৎ, এসআইআর প্রক্রিয়ায় নাম বাদ পড়লেও কেউ যদি এখনও ভোটার হওয়ার যোগ্য হন, তা হলে নতুন করে নাম তোলার আবেদন করতে পারবেন। এর জন্য অনলাইনে অথবা সংশ্লিষ্ট বিএলও-র কাছে ফর্ম ৬ জমা দেওয়া যাবে। সিইও দফতরের ওয়েবসাইটে বাদ পড়া ভোটারদের তালিকাও রাখা হয়েছে। সেই তালিকায় নিজের নাম রয়েছে কি না দেখে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়ায় আবেদন করা যাবে।পাশাপাশি যাঁদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হয়েছে, তাঁরাও নতুন ভোটার হিসেবে নাম তোলার আবেদন করতে পারবেন। অনলাইন এবং অফলাইনদুই পথেই আবেদন করার সুযোগ থাকছে। অর্থাৎ এসআইআরে বাদ পড়া যোগ্য ভোটারদের পাশাপাশি প্রথম বার ভোটার হতে চলা তরুণ-তরুণীদের জন্যও এই প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ।এসআইআর প্রক্রিয়ার প্রাথমিক পর্বে রাজ্যে বিপুল সংখ্যক ভোটারের নাম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। সিইও দফতরের প্রকাশিত তথ্যেও এএসডিডি তালিকা এবং বাদ পড়া ভোটারদের তালিকা আলাদা করে প্রকাশ করা হয়েছে। সেই তালিকা দেখে যোগ্য ভোটারদের দাবি জানানোর সুযোগ রয়েছে।নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক নির্দেশ অনুযায়ী, এসআইআর শেষ হয়ে যাওয়া রাজ্যগুলিতে বাদ পড়া যোগ্য ভোটারদের ফের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গও সেই প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। কমিশনের বক্তব্য অনুযায়ী, এসআইআর চলাকালীন যাঁদের নাম তালিকায় ওঠেনি, অথচ তাঁরা যোগ্য ভোটার, তাঁদের জন্য ফের আবেদন করার সুযোগ রাখা হচ্ছে।এদিকে বাংলায় বেশ কিছু ভোটারের নাম নিয়ে ট্রাইব্যুনালে মামলা বিচারাধীন রয়েছে। যাঁদের নাম নিয়ে আপত্তি বা মামলা রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রেও আদালত ও ট্রাইব্যুনালের নির্দেশ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ হবে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালগুলির কাজ চলছে।তবে নতুন প্রক্রিয়ায় আবেদন করার শেষ তারিখের কথা মঙ্গলবারের নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়নি। ফলে যাঁদের নাম এসআইআর প্রক্রিয়ায় বাদ পড়েছে, তাঁদের দ্রুত নিজেদের নাম সংশ্লিষ্ট তালিকায় রয়েছে কি না দেখে নেওয়া এবং প্রয়োজন হলে ফর্ম ৬-এর মাধ্যমে আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। ভোটার তালিকায় নাম ফেরানোর এই নতুন প্রক্রিয়ায় এখন নজর থাকছে পরবর্তী নির্দেশের দিকে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
দেশ

জ্ঞানেশকে সরানোর দাবি, এবার রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ রাহুল-মমতারা! চিঠিতে কী লিখল ইন্ডি জোট?

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবি নিয়ে এবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর দ্বারস্থ হতে চাইছে ইন্ডি জোট। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার সময় চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন জোটের নেতারা। বুধবার থেকে শুক্রবারের মধ্যে যে কোনও সময়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার জন্য সময় চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি ভবনের তরফে সেই চিঠির কোনও জবাব দেওয়া হয়নি।বিশেষ করে এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সরব বিরোধী দলগুলি। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ইন্ডি জোটের একাধিক নেতা। তাঁকে পদ থেকে সরানোর দাবিও জানানো হয়েছে। এর আগে ইন্ডি জোটের নেতারা জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে যৌথ আন্দোলনের কর্মসূচি নিয়েছিলেন।রাষ্ট্রপতিকে লেখা চিঠিতে রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়্গে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অখিলেশ যাদব, ওমর আবদুল্লা, শরদ পওয়ার, এম এ বেবি, তেজস্বী যাদব-সহ ইন্ডি জোটের একাধিক দলের শীর্ষ নেতার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছার কথা জানানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম নিয়ে তাঁদের অভিযোগ এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে অপসারণের দাবি রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরতেই এই সাক্ষাতের সময় চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই চিঠি পাঠানোর ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটল, যখন দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে ইন্ডি জোটের বিক্ষোভ আরও তীব্র হয়েছে। মঙ্গলবার সংসদ চত্বর থেকে নির্বাচন কমিশনের দফতরের দিকে মিছিল করেন বিরোধী সাংসদরা। তাঁদের মিছিল মাঝপথে আটকে দেয় পুলিশ। পরে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী-সহ একাধিক নেতা আকাশবাণী ভবন চত্বরে ধর্নায় বসেন।মিছিল আটকে দেওয়ার সময় রাহুল গান্ধী ব্যারিকেডের উপরে উঠে প্রতিবাদ জানান। পরে তিনি এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আকাশবাণী ভবনের ভিতরে ঢুকে গাছের তলায় বসে অবস্থান শুরু করেন। পুলিশ তাঁদের সরে যেতে বললেও তাঁরা ধর্না চালিয়ে যান। সন্ধ্যার পর তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন, মহুয়া মৈত্র-সহ আরও কয়েক জন বিরোধী নেতা সেখানে যোগ দেন। সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবও পরে বিক্ষোভস্থলে ফিরে আসেন।প্রায় নঘণ্টা ধরে অবস্থানের পর শেষ পর্যন্ত পুলিশ আকাশবাণী ভবন চত্বরে গিয়ে বিক্ষোভকারীদের আটক করে। রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং অন্য বিরোধী নেতাদের বাসে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এর আগে মিছিলের সময়ও একাধিক বিরোধী সাংসদকে আটক করা হয়েছিল।তবে এর মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের তরফে পাল্টা বক্তব্য সামনে এসেছে। কমিশনের আধিকারিকদের দাবি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বা অন্য নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে দেখা করার জন্য কোনও রাজনৈতিক দলের তরফে আনুষ্ঠানিক আবেদন কমিশনে পৌঁছয়নি। ফলে বিরোধীরা কমিশনের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন কি না, সেই প্রশ্নে দুই পক্ষের বক্তব্যে ফারাক রয়েছে।এই পরিস্থিতিতে এবার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার জন্য ইন্ডি জোটের আবেদন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে চিঠির জবাব কবে আসে এবং রাহুল গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ বিরোধী নেতাদের সাক্ষাতের সময় দেওয়া হয় কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
দেশ

২৫ বছর একটানা সরকারের শীর্ষে মোদী! তাঁকে নিয়ে মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে উঠে এল যে ১০ বড় দিক

সরকারের প্রধান হিসেবে একটানা ২৫ বছর পূর্ণ করলেন নরেন্দ্র মোদী। এই উপলক্ষে তাঁকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রস্তাব পাশ করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। মঙ্গলবারের সেই প্রস্তাবে শুধু দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের উল্লেখই নয়, গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থেকে দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়া পর্যন্ত তাঁর নেতৃত্বের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে। মন্ত্রিসভার দাবি, দেশ সবার আগে, নাগরিক সবার আগে নীতিকে সামনে রেখেই এই দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা এগিয়েছে।২০০১ সালের ৭ অক্টোবর প্রথম বার গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন মোদী। তার পর গুজরাটে টানা তিনটি বিধানসভা নির্বাচনে জয় এবং পরবর্তী সময়ে পরপর তিনটি লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির নেতৃত্ব দেওয়ার প্রসঙ্গও মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে উঠে এসেছে। কেন্দ্রের বক্তব্য, এই দীর্ঘ সময়ে তাঁর নেতৃত্বে গুজরাটে নেওয়া কিছু উদ্যোগ পরে জাতীয় স্তরেও প্রয়োগ করা হয়েছে।এর অন্যতম উদাহরণ হিসেবে উঠে এসেছে গুজরাটের স্বাগত কর্মসূচি। নাগরিকদের অভিযোগ সরাসরি শোনার জন্য এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল বলে মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে সেই অভিজ্ঞতা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে চালু হয় প্রগতি। বিভিন্ন সরকারি দফতরের মধ্যে সমন্বয় করে আটকে থাকা প্রকল্পের সমস্যা মেটানো এবং কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। গুজরাটের কৃষিক্ষেত্রে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য পৃথক ব্যবস্থা তৈরির জ্যোতিগ্রাম প্রকল্পের অভিজ্ঞতাকেও জাতীয় স্তরে কাজে লাগানোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে।মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে দরিদ্র মানুষের জীবনযাত্রার উন্নতির জন্য বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের কথাও তুলে ধরা হয়েছে। কেন্দ্রের দাবি অনুযায়ী, প্রায় ৬০ কোটি জনধন হিসাব খোলা হয়েছে, চার কোটির বেশি বাড়ি তৈরি হয়েছে এবং প্রায় ২৫ কোটি মানুষ বহুমাত্রিক দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে এসেছেন। তবে এই পরিসংখ্যানগুলি মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের ফল হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।মহিলা, কৃষক, যুবসমাজ এবং পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর জন্য বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও রয়েছে প্রস্তাবে। কেন্দ্রের হিসাবে, প্রায় সাড়ে তিন কোটি মহিলা লাখপতি দিদি কর্মসূচির আওতায় আর্থিক ভাবে স্বনির্ভর হয়েছেন। আইনসভায় মহিলাদের জন্য আসন সংরক্ষণের সাংবিধানিক ব্যবস্থা এবং কৃষকদের জন্য প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধির মতো প্রকল্পের কথাও সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি, বিশেষ ভাবে দুর্বল জনজাতি গোষ্ঠীর উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী জনমন কর্মসূচির কথাও তুলে ধরা হয়েছে।সংস্কারের প্রসঙ্গও বিশেষ ভাবে এসেছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে। পণ্য ও পরিষেবা কর চালু, সরকারি প্রকল্পের সুবিধা সরাসরি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থায় পরিবর্তন এবং পুরনো ঔপনিবেশিক আইন বদলের মতো পদক্ষেপকে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের উদাহরণ হিসেবে দেখানো হয়েছে। পরিচ্ছন্নতা, ডিজিটাল লেনদেন এবং দেশীয় পণ্য ব্যবহারের উপর জোর দেওয়ার কথাও প্রস্তাবে উল্লেখ রয়েছে।পরিকাঠামো ও উৎপাদন ক্ষেত্রের অগ্রগতির দাবিও রয়েছে মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে। কেন্দ্র জানিয়েছে, সরকারি মূলধনী ব্যয় ২০০১ সালের প্রায় দুই লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে এখন ১২ লক্ষ কোটি টাকার বেশি হয়েছে। জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণ, রেলপথের বৈদ্যুতিকীকরণ এবং উৎপাদন ক্ষেত্রে বিনিয়োগ বৃদ্ধির কথাও তুলে ধরা হয়েছে। ইলেকট্রনিক্স উৎপাদনের পরিমাণও প্রায় দুই লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ১৩ লক্ষ কোটি টাকার বেশি হয়েছে বলে প্রস্তাবে দাবি করা হয়েছে।প্রযুক্তির ব্যবহারকেও মোদীর ২৫ বছরের নেতৃত্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে তুলে ধরেছে মন্ত্রিসভা। জনধন হিসাব, আধার এবং মোবাইল সংযোগের মাধ্যমে সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা, ডিজিটাল লেনদেনে নতুন পরিকাঠামো এবং প্রযুক্তিনির্ভর পরিষেবার প্রসঙ্গ রয়েছে প্রস্তাবে। পাশাপাশি দেশের নিজস্ব কোভিড টিকা তৈরি এবং চন্দ্রযান-৩-এর সফল অবতরণকে ভারতের বৈজ্ঞানিক সক্ষমতার উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি এবং জৈবপ্রযুক্তির মতো ক্ষেত্রেও কাজ এগোনোর কথা বলা হয়েছে।সব মিলিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে মোদীর ২৫ বছরের রাজনৈতিক যাত্রাকে গুজরাটের প্রশাসন থেকে জাতীয় নেতৃত্ব পর্যন্ত একটি ধারাবাহিক পর্ব হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। গরিব মানুষের জন্য কল্যাণমূলক প্রকল্প, মহিলা ও কৃষকের ক্ষমতায়ন, পরিকাঠামো, প্রযুক্তি, বিজ্ঞান এবং প্রশাসনিক সংস্কারএই বিভিন্ন ক্ষেত্রকেই সেই দীর্ঘ নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে চিহ্নিত করেছে কেন্দ্র।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
দেশ

ব্যারিকেড টপকে আকাশবাণী ভবন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধর্না, শেষে রাহুল-প্রিয়াঙ্কাদের আটক!

ইন্ডিয়া জোটের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার দিনভর উত্তপ্ত থাকল রাজধানী দিল্লি। সংসদ চত্বর থেকে নির্বাচন কমিশনের দফতরের দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার পথে বিরোধী সাংসদদের আটকে দেয় পুলিশ। এরপর একের পর এক নাটকীয় মোড় নেয় পরিস্থিতি। শেষ পর্যন্ত আকাশবাণী ভবনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধর্নায় বসে থাকার পর রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী-সহ কংগ্রেসের একাধিক নেতা ও অন্যান্য বিরোধী নেতাকে আটক করে পুলিশ।মঙ্গলবার দুপুরে সংসদ চত্বর থেকে নির্বাচন কমিশনের দিকে মিছিল শুরু করেছিলেন ইন্ডিয়া জোটের সাংসদরা। তাঁদের অন্যতম দাবি ছিল মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ। মিছিল আটকে দেওয়া হলে রাহুল গান্ধী ব্যারিকেডের উপরে উঠে প্রতিবাদ জানান। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ওব্রায়েন, মহুয়া মৈত্র-সহ একাধিক বিরোধী নেতাকে আটক করা হয়।এর পরেও থামেননি রাহুল। প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং কয়েক জন নেতাকে সঙ্গে নিয়ে তিনি আকাশবাণী ভবনের ভিতরে ঢুকে পড়েন। সেখানে একটি গাছের তলায় বসেই ধর্না শুরু করেন তাঁরা। পুলিশ তাঁদের সরে যেতে বললেও রাহুল-প্রিয়াঙ্কারা তা মানেননি। নির্বাচন কমিশনের দফতরে যাওয়ার অনুমতি না দেওয়া পর্যন্ত তাঁরা অবস্থান চালিয়ে যাবেন বলে জানান।সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ধর্নার পরিসরও বাড়ে। রাতের দিকে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এবং মহুয়া মৈত্র-সহ আরও কয়েক জন নেতা সেখানে পৌঁছে ধর্নায় যোগ দেন। সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবও লখনউ যাওয়ার পথে ফিরে এসে বিক্ষোভস্থলে পৌঁছন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।প্রায় আট থেকে নয় ঘণ্টা ধরে অবস্থান চলার পর রাতে পুলিশ আকাশবাণী ভবন চত্বরে ঢোকে। একে একে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং অন্য বিক্ষোভকারীদের আটক করে বাসে তোলা হয়। ডেরেক ওব্রায়েনকেও ফের আটক করা হয়। এর আগে দিনের প্রথম পর্বে নির্বাচন কমিশনের দিকে মিছিলের সময়ও তাঁকে আটক করা হয়েছিল।তবে এই বিক্ষোভের মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের তরফে আলাদা দাবি সামনে এসেছে। কমিশনের আধিকারিকদের বক্তব্য, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বা অন্য নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে দেখা করার জন্য কোনও রাজনৈতিক দল আগাম কোনও আনুষ্ঠানিক আবেদন করেনি। ফলে রাহুল-প্রিয়াঙ্কাদের সঙ্গে কমিশনের বৈঠক না হওয়ার প্রশ্নে দুই পক্ষের বক্তব্যে স্পষ্ট ফারাক তৈরি হয়েছে।দিনভর ব্যারিকেড, আটক, আকাশবাণী ভবনে ধর্না এবং পরে পুলিশের পদক্ষেপ ঘিরে রাজধানীর রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধীদের অভিযোগ এবং কমিশনের পাল্টা বক্তব্যদুই মিলিয়ে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ল।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

প্রায় ৮০ শতাংশ ভোট, কিন্তু উঠল ‘ভোটলুট’-এর অভিযোগ! নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে কী ঘটল?

নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর উপনির্বাচনে মঙ্গলবার সকাল থেকেই ছিল ভোটারদের ভিড়। ভোটের হারও নজর কেড়েছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বিকেল ৫টা পর্যন্ত নন্দীগ্রামে ৭৯.৩৯ শতাংশ এবং রেজিনগরে ৭৮.৪২ শতাংশ ভোট পড়েছে। দুই কেন্দ্রেই বিপুল সংখ্যক মানুষ ভোট দিতে বেরিয়েছেন। তবে ভোটের হার বেশি হলেও অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগে দিনভর উত্তপ্ত থেকেছে দুই কেন্দ্র। বিরোধী দলগুলির একাংশ ভোটে অনিয়ম ও রিগিংয়ের অভিযোগ তুলে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে। বিজেপি অবশ্য সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।রেজিনগরে ভোট শুরু হওয়ার পরই উত্তেজনা তৈরি হয়। আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর পুলিশের বিরুদ্ধে ভোটে হস্তক্ষেপের অভিযোগ তোলেন। পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসার পর তাঁকে আটক করা হয় এবং পরে গ্রেফতার করা হয় বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা যায়। নির্বাচন কমিশনের তরফেও এই ঘটনার বিষয়ে জেলা প্রশাসনের কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে।হুমায়ুনের গ্রেফতারির পর রেজিনগরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ে। কংগ্রেস-সহ বিরোধী দলগুলির অভিযোগ, বেশ কিছু বুথে তাঁদের এজেন্টদের বসতে দেওয়া হয়নি। ভোটে অনিয়মের অভিযোগ তুলে রেজিনগরে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানানো হয়। কংগ্রেসের তরফে এই দাবিতে বিক্ষোভও দেখানো হয়েছে।নন্দীগ্রামেও একই ধরনের অভিযোগ সামনে এসেছে। কংগ্রেসের প্রার্থী মিলন প্রধানের অভিযোগ, কয়েকটি বুথে দলের এজেন্টদের বসতে দেওয়া হয়নি। বিরোধীদের তরফে কোথাও কোথাও ভোটে অনিয়ম এবং এজেন্টদের সরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ তোলা হয়েছে। বাম ও আইএসএফের তরফেও অভিযোগের কথা সামনে এসেছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগকে বিজেপি নস্যাৎ করেছে।অন্যদিকে, নন্দীগ্রামে ভোট দেওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, এবারের ফলাফলে বড় ব্যবধান দেখা যেতে পারে। বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ তাঁর আগের জয়ের ব্যবধান ছাপিয়ে যেতে পারেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে এই দাবি ফল প্রকাশের পরেই যাচাই হবে। নন্দীগ্রামে ৫টা পর্যন্ত প্রায় ৮০ শতাংশ ভোট পড়ায় উপনির্বাচনের নিরিখে ভোটদানের হার নিয়ে বিশেষ চর্চা শুরু হয়েছে।রেজিনগরেও ভোটের হার ৭৮ শতাংশের বেশি। বিপুল ভোট পড়ার পাশাপাশি বিরোধীদের পুনর্নির্বাচনের দাবি ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটের পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বিজেপি পাল্টা দাবি করেছে, ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবেই হয়েছে এবং বিরোধীদের অভিযোগ ভিত্তিহীন।এই দুই কেন্দ্রের উপনির্বাচন ছিল ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর বাংলায় প্রথম বড় নির্বাচনী পরীক্ষা। নন্দীগ্রাম আসনটি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ছেড়ে দেওয়ার পর এবং রেজিনগর আসনটি হুমায়ুন কবীর ছেড়ে দেওয়ার কারণে উপনির্বাচন হয়। মঙ্গলবার ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। এখন নজর শুক্রবারের ফলাফলের দিকে। তার আগে দুই কেন্দ্রে বিপুল ভোটের হার এবং বিরোধীদের পুনর্নির্বাচনের দাবিদুই-ই রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
কলকাতা

‘এত তাড়াহুড়ো করে নিরাপত্তা কেন তুলে নেওয়া হল?’ অভিষেকের মামলা শুনে প্রশ্ন বিচারপতির

তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা কমিয়ে দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে মঙ্গলবার গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হল। অভিষেকের আইনজীবীর দাবি, বর্তমানে হোমগার্ড ছাড়া তাঁর সঙ্গে কোনও অতিরিক্ত নিরাপত্তারক্ষী নেই। এই মামলায় রাজ্যের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে আদালত। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও নির্দেশ দিয়েছেন, নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্তের কারণ-সহ বিস্তারিত তথ্য রাজ্যকে জানাতে হবে। আগামী ১৩ অক্টোবর এই মামলার পরবর্তী শুনানি।আদালতে অভিষেকের হয়ে সওয়াল করতে গিয়ে আইনজীবী শঙ্করনারায়ণ জানান, ২০১৩ সালে অভিষেককে ওয়াই শ্রেণির নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল। পরের বছর তা বাড়িয়ে ওয়াই প্লাস করা হয়। ২০১৫ সালে জেড এবং ২০১৬ সালে জেড প্লাস শ্রেণির নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল বলে আদালতে জানানো হয়। আইনজীবীর দাবি, ২০২৬ সালের নির্বাচনের পর ১০ মে আচমকাই অভিষেকের জেড প্লাস নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হয়। এই সিদ্ধান্তের আগে তাঁকে কোনও নোটিস দেওয়া হয়নি বলেও আদালতে দাবি করা হয়েছে।আইনজীবীর বক্তব্য অনুযায়ী, জেড প্লাস নিরাপত্তা তুলে নেওয়ার পরে নিরাপত্তার মাত্রা এক ধাক্কায় অনেকটাই কমে যায়। তাঁর দাবি, মাত্র দুজন নিরাপত্তাকর্মী দেওয়া হয়েছিল। এর কিছু দিনের মধ্যেই সোনারপুরে অভিষেকের উপর হামলার ঘটনা ঘটে বলে আদালতে জানানো হয়। তার পরেও আরও কয়েকটি হামলার অভিযোগ ওঠে। বিমানবন্দর, ডায়মন্ড হারবার এবং ক্যামাক স্ট্রিটে তাঁর কার্যালয়কে ঘিরেও হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে আইনজীবী আদালতে দাবি করেন। অতীতে অভিষেকের চোখে গুরুতর আঘাতের ঘটনাও ঘটেছিল বলে সওয়ালে উল্লেখ করা হয়।শুনানির সময় নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্তের ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। আদালত জানতে চায়, নিরাপত্তা প্রত্যাহারের নির্দেশ কোথায় এবং কোন পরিস্থিতিতে এত দ্রুত নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। একাধিক হামলার অভিযোগ ওঠার পর ভবিষ্যতে কোনও ঘটনা ঘটলে তার দায় কে নেবে, সেই প্রশ্নও তোলেন বিচারপতি। পাথর ছোড়ার মতো ঘটনায় কারও গুরুতর আঘাত লাগতে পারে বলেও আদালত সতর্ক করে।এর আগে অভিষেকের পক্ষ থেকে আদালতে অভিযোগ করা হয়েছিল, বিধানসভা নির্বাচনের পর তাঁর নিরাপত্তা ব্যবস্থা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাড়ির সামনে থাকা পুলিশ কিয়স্কও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে তাঁর পক্ষ থেকে জানানো হয়। এই পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা পুনর্বহালের আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি।মঙ্গলবারের শুনানিতে রাজ্যের তরফে মামলার বিষয়ে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য সময় চাওয়া হয়। আদালত সেই রিপোর্ট তলব করেছে। আগামী ১৩ অক্টোবর মামলাটির পরবর্তী শুনানিতে নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্ত, তার ভিত্তি এবং পরবর্তী সময়ে অভিষেকের নিরাপত্তা নিয়ে কী পদক্ষেপ করা হয়েছিল, সে বিষয়ে রাজ্যের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal