• ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২১ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Masjid

দেশ

শুনানিই নয়, এক ঝটকায় খারিজ আবেদন, বেলডাঙা মসজিদ ঘিরে নতুন উত্তাপ

মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় বাবরের নামে মসজিদ নির্মাণ ঘিরে বিতর্ক ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। এই নির্মাণকাজ বন্ধের দাবিতে শীর্ষ আদালতে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হলেও তা শুনতে রাজি হল না ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি বিক্রম নাথ ও সন্দীপ মেহেতার বেঞ্চ আবেদনটি গ্রহণ করতে অস্বীকার করে। এর পর বাধ্য হয়ে মামলাকারী নিজের আবেদন প্রত্যাহার করে নেন।জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা এলাকায় বাবরের নামে মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। ইতিমধ্যেই নির্মাণকাজ শুরু হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। বাবরের নামে ধর্মীয় স্থাপনা তৈরি বন্ধের দাবি তুলে আদালতে করা আবেদনে দ্রুত হস্তক্ষেপের আবেদন জানানো হয়েছিল। মামলাকারীর আইনজীবী শুনানির সময় নির্মাণ উদ্যোগ ও সংশ্লিষ্ট বিতর্কের কথাও তুলে ধরেন।তবে আদালত এই মামলায় হস্তক্ষেপ করতে নারাজ হওয়ায় আবেদনটি খারিজ হয়ে যায়। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, তৃণমূল কংগ্রেস থেকে সাসপেন্ড হওয়ার পরই বেলডাঙায় বাবরের নামে মসজিদ তৈরির ঘোষণা করেছিলেন হুমায়ুন কবীর। সেই অনুযায়ী গত ছয় ডিসেম্বর বিপুল জনসমাগমের মধ্যে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। পরে এগারো ফেব্রুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে। বিধায়ক জানিয়েছেন, আগামী দুই বছরের মধ্যেই মসজিদ নির্মাণ সম্পূর্ণ করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে।সমস্ত ঘটনা ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর অব্যাহত রয়েছে এবং স্থানীয় স্তরেও মতবিরোধ স্পষ্ট হচ্ছে। আদালতের অবস্থানের পর ভবিষ্যতে এই ইস্যু কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬
রাজ্য

দলের আপত্তি সত্ত্বেও মসজিদ নির্মাণে সাহায্য, নতুন করে চর্চায় তৃণমূল নেতা

বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাংলার রাজনৈতিক মহলে ফের চর্চায় উঠে এলেন হুমায়ুন কবীর। বিভিন্ন বিরোধী নেতার সঙ্গে বৈঠক এবং প্রকাশ্যে মতামত দেওয়ার পর এবার বাবরি মসজিদ ইস্যু নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। এরই মধ্যে মসজিদ নির্মাণের জন্য আর্থিক অনুদান দেওয়ার ঘটনায় রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে।নওদা ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সফিউজ্জামান শেখ রমজান মাসের প্রথম দিনেই বাবরি মসজিদ নির্মাণের জন্য এক লক্ষ এগারো হাজার টাকা অনুদান দেন। ব্যাঙ্ক চেকের মাধ্যমে মসজিদ ট্রাস্টের নামে ওই অর্থ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ওয়েস্ট বেঙ্গল ইসলামিক ফাউন্ডেশন অব ইন্ডিয়ার নামে চেক প্রদান করা হয়। এর আগে এই মসজিদ নির্মাণের সমর্থনে মন্তব্য করেছিলেন তৃণমূল বিধায়ক নিয়ামত শেখ। এবার সমর্থনের পাশাপাশি সরাসরি আর্থিক সহযোগিতায় বিতর্ক আরও বেড়েছে।কয়েক দিন আগে এক সভা থেকে সফিউজ্জামান শেখ দাবি করেছিলেন, জেলার মানুষই মসজিদ নির্মাণের দায়িত্ব নেবেন। সেই মন্তব্যের পরই অনুদান দেওয়ার ঘটনা সামনে আসে। বিষয়টি সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।উল্লেখ্য, দলের বিরুদ্ধে মন্তব্য করার জেরে কিছুদিন আগে হুমায়ুন কবীরকে সাসপেন্ড করা হয়। সেই সময় ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছিলেন, বাবরি মসজিদ নির্মাণের মতো বিষয় নতুন করে বিতর্ক উস্কে দিতে পারে এবং ধর্মের সঙ্গে রাজনীতি মেশানো দল সমর্থন করে না। তৃণমূলের তরফে বারবার স্পষ্ট করা হয়েছে, এই ধরনের সিদ্ধান্ত দল ভালো চোখে দেখছে না। ধর্মীয় বিষয়কে রাজনৈতিক বিতর্কে টেনে আনা নিয়েই আপত্তি রয়েছে শাসকদলের একাংশের।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬
রাজ্য

তিন দিন ধরে টাকা গোনা চলছেই! বিদেশি মুদ্রায় ফেটে পড়ছে হুমায়ুনের অ্যাকাউন্ট… তলব স্টেট ব্যাঙ্কের

হুমায়ুন কবীরের মসজিদ ট্রাস্টের অ্যাকাউন্টে একের পর এক দেশ-বিদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা ঢুকতে শুরু করায় স্টেট ব্যাঙ্ক মঙ্গলবার তাঁকে তলব করেছে। তিন দিন ধরে তাঁর দানবাক্স ফাঁকা করতে টাকা গণনার মেশিন অবিরাম চলছে। শুধু এদিনেই জমেছে সাড়ে তিন কোটি টাকারও বেশি। সেই সঙ্গে প্রচুর বিদেশি মুদ্রাও এসেছে বলে জানিয়েছেন তিনি।হুমায়ুনের দাবি, কাতার, সৌদি আরব, বাংলাদেশ সহ কয়েকটি দেশ থেকে মসজিদ নির্মাণের জন্য অনুদান আসছে। এই টাকার পরিমাণ অনুমোদিত নিয়ম ও সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে বলেই ব্যাঙ্ক তাঁকে জানিয়েছে। প্রয়োজনীয় চিঠিও পাঠানো হচ্ছে বলে তিনি জানান।এদিকে তাঁর অ্যাকাউন্টে বিদেশি টাকা আসা নিয়ে রাজনৈতিক মহল উত্তাল। বিজেপির সুকান্ত মজুমদার ও শমীক ভট্টাচার্য হুমায়ুনের বিরুদ্ধে কঠোর মন্তব্য করেছেন ও তদন্তের দাবি তুলেছেন। তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ পাল্টা কটাক্ষ করে বলেছেন, যদি বিজেপি নেতাদের কাছে কোনও প্রমাণ থাকে, তবে তা তদন্তকারী সংস্থার হাতে তুলে দেওয়া উচিত। শুধুমাত্র কাদা ছোড়া নয়।কুণালের বক্তব্য, হুমায়ুনের মসজিদ নির্মাণ নিয়ে তৃণমূলের কোনও আপত্তি নেই। আপত্তি তাঁর রাজনৈতিক দ্বিচারিতায়। তিনি বলেন, ২০১৯ সালে যখন হুমায়ুন বিজেপির প্রার্থী হয়ে বাবরি ভাঙার রাজনীতিকে সমর্থন করেছিলেন, তখন কেন তাঁর মনে বাবরি মসজিদের কথা এল না? আবার ভোটের মুখে সেই প্রসঙ্গ তুলে কেন সুবিধা নিতে চাইছেনএটাই তৃণমূলের প্রশ্ন।তৃণমূল আরও দাবি করেছে, হুমায়ুনকে মসজিদ তৈরির জন্য নয়, দলের সংগঠন নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করায় সাসপেন্ড করা হয়েছে।অন্যদিকে হুমায়ুনের দাবি, ২২ ডিসেম্বর বহরমপুর টেক্সটাইল মোড়ে তাঁর নতুন দল আনুষ্ঠানিক ভাবে যাত্রা শুরু করবে। তাঁর আরও দাবি, ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটে তাঁর দল বড় ফ্যাক্টর হবে। কোনও পক্ষই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না, সরকার গড়তে তাঁকেই দরকার হবে। মুখ্যমন্ত্রী যেই হন, তাঁকে নিয়েই সরকার গঠন হবেএমনটাই আত্মবিশ্বাসী বক্তব্য হুমায়ুনের।

ডিসেম্বর ১০, ২০২৫
রাজ্য

বাবরি মসজিদের শিলান্যাসে অনুদানের ঢল—এই গতিতে ২৪ ঘণ্টায় কত ছাড়াতে পারে?

গত শনিবার বাবরি মসজিদের শিলান্যাস করেছেন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। মসজিদ, স্কুল এবং হাসপাতাল মিলিয়ে প্রায় ৩০০ কোটির এক বড় প্রকল্পের ঘোষণা করেন তিনি। ঘোষণার পর থেকেই অনুদান আসতে শুরু করেছে। শুরুতে দানবাক্স খোলার ছবি নিজেই প্রকাশ করেন হুমায়ুন, তবে পরে নিরাপত্তার কারণে সেই জায়গা গোপন রাখা হয়েছে। তিন দিন যেতে না যেতেই অনুদানের অঙ্ক প্রায় তিন কোটি টাকায় পৌঁছে গিয়েছে।জানা গিয়েছে, মোট ১১টি দানবাক্স ইতিমধ্যেই খোলা হয়েছে এবং সেগুলির হিসেবও শুরু হয়েছে। আরও একটি দানবাক্স শিলান্যাসের স্থানে রাখা আছে, যেখানে এখনও পড়ছে নগদ অনুদান। দানবাক্সের টাকা গোনার দায়িত্বে রয়েছেন ৩০ জন ধর্মগুরু, যাঁরা মেশিনের সাহায্যে প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত গণনা করছেন। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দানবাক্স থেকে পাওয়া গেছে প্রায় ৫৭ লক্ষ টাকা।এ ছাড়া অনুদানের জন্য চালু রাখা হয়েছে কিউআর কোড। সেই মাধ্যমেই এসেছে প্রায় ২ কোটি ৩০ লক্ষ টাকা। সব মিলিয়ে সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত অনুদানের অঙ্ক দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা। প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা লোকজনের মতে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অনুদান সাড়ে তিন কোটি টাকা ছাড়াতে পারে।অনুদান এত দ্রুত বাড়তে থাকায় হুমায়ুন কবীরের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের লিমিটও বাড়াতে হয়েছে। প্রতিদিন ২০ লক্ষ টাকা এন্ট্রি করার সীমা ছিল, কিন্তু দিনে তার চেয়েও বেশি টাকা ঢুকে পড়ায় ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। পরে চিফ ম্যানেজারের অনুমতিতে দৈনিক লিমিট বাড়িয়ে ৪০ লক্ষ টাকা করা হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২৫
রাজ্য

সাসপেন্ড, বাবরি, নতুন দল! ভোটের আগে হুমায়ুন কবীরের সম্পত্তির অজানা তথ্য ফাঁস

দল থেকে সাসপেন্ড হওয়ার পর থেকেই ফের শিরোনামে উঠে এসেছেন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। প্রথমে বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, তারপর নতুন দল গঠনের ইঙ্গিতসব মিলিয়ে আসন্ন বিধানসভা ভোটের আগে তাঁর ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে জোর জল্পনা চলছে। এর মধ্যেই জানা গিয়েছে, বাবরি মসজিদের জন্য কোটি কোটি টাকার অনুদান আসছে তাঁর কাছে। পেশায় ব্যবসায়ী হুমায়ুনের ব্যক্তিগত সম্পত্তি নিয়েও কৌতূহল বাড়ছে।হলফনামার হিসেব অনুযায়ী, ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষে হুমায়ুনের আয় ছিল ২ লক্ষ ৬৯ হাজার টাকা। ২০১৬-১৭ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৪ লক্ষ টাকার উপরে। পরের বছরেও আয়ে সামান্য বৃদ্ধি হয়। ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে তাঁর আয় নেমে আসে ৩ লক্ষ ২০ হাজার টাকার কাছে। আর ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে, অর্থাৎ ভোটের ঠিক আগের বছরে হুমায়ুনের আয় ছিল প্রায় ৩ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা।হুমায়ুনের স্ত্রী মীরা সুলতানার আয়ও কম নয়। ২০১৫-১৬ সালে তাঁর আয় প্রায় ৫ লক্ষ টাকা। ২০১৬-১৭ ও ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষেও তিনি প্রায় একই অঙ্কের আয় করেছেন। ২০১৮-১৯ সালে তাঁর আয় নেমে আসে সাড়ে ৩ লক্ষ টাকার কাছে। ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে তিনি আয় করেন প্রায় ৩ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা।হুমায়ুনের ছেলে গোলাম নবী আজাদ, যিনি বর্তমানে পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ, তিনিও বছরে প্রায় ৩ লক্ষ টাকার মতো আয় করেন। ২০১৯-২০ সালে তাঁর আয় ছিল ৩ লক্ষ ৪৯ হাজার টাকা।২০২১ সালের হলফনামা বলছে, হুমায়ুনের হাতে নগদ ছিল ১ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা। স্ত্রীর হাতে ছিল ২৫ হাজার টাকা। তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বিভিন্ন অঙ্কে মোট কয়েকটি জমা ছিল, যার মধ্যে একটি অ্যাকাউন্টে ছিল ২৮ হাজার টাকা। পেনশন অ্যাকাউন্টে ছিল ১৭২৬ টাকা। অন্যদিকে স্ত্রীর দুটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে মোট ৩ লক্ষ টাকার মতো ছিল।বিনিয়োগের অঙ্ক কিন্তু আরও বড়। হুমায়ুনের নামে ছিল প্রায় ৪ লক্ষ ৬৩ হাজার টাকার জীবনবিমা, এছাড়া ১ লক্ষ ৯৯ হাজার, ৩ লক্ষ এবং ২ লক্ষ টাকার আরও তিনটি বিমা ছিল। ৫০ হাজার টাকার তিনটি এলআইসিও ছিল তাঁর নামে। এছাড়া তিনি নিয়েছিলেন প্রায় সাড়ে ৪ লক্ষ টাকার লোন।হুমায়ুনের নামে রয়েছে ৪ লক্ষ টাকার একটি টাটা সাফারি গাড়ি। তাঁর স্ত্রীর নামে রয়েছে ৮ লক্ষ টাকার একটি জেসিবি মেশিন। হুমায়ুনের নামে স্থাবর সম্পত্তি হিসাবে রয়েছে প্রায় ৩ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকার সম্পত্তি। মীরার নামে রয়েছে প্রায় ১৯ লক্ষ টাকার সোনা।সব মিলিয়ে, ২০২১ সালের হিসাবে, হুমায়ুনের মোট সম্পত্তির মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ২৭ লক্ষ টাকার কাছাকাছি। তাঁর স্ত্রীর সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার সামান্য বেশি।অস্থাবর সম্পত্তির দিক থেকেও হুমায়ুন যথেষ্ট স্বচ্ছল। তাঁর নামে মোট ১.৭ একর জমি রয়েছে। রেজিনগরে দুটি এবং বহরমপুরে একটি জমি রয়েছে, যার দাম মিলিয়ে প্রায় ১৩ লক্ষ টাকার মতো। পাশাপাশি কলকাতার রাজারহাট এবং কলিন স্ট্রিটে তাঁর নামে দুটি ফ্ল্যাট রয়েছে, যার সম্মিলিত মূল্য প্রায় ৩৫ লক্ষ টাকা বলে হলফনামায় উল্লেখ রয়েছে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২৫
কলকাতা

বাবরি শিলান্যাসের পরই ব্রিগেডে গীতাপাঠ! বাংলায় হঠাৎ উত্তাপ, কাদের দিকে আঙুল তুললেন সুকান্ত?

৬ ডিসেম্বর মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় জাঁকজমক করে বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। ভোটের আগে এই ঘটনা নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়েছে। হুমায়ুন নতুন দল গঠনের কথাও ইঙ্গিত দিয়েছেন। আর তার এক দিনের মধ্যেই ব্রিগেডে আয়োজন হয়েছে পাঁচ লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠের অনুষ্ঠান। ভোর থেকেই সেখানে ঢল নেমেছে ভক্ত ও শিষ্যদের।রাজপথ থেকে ব্রিগেড দুই জায়গাতেই একইসঙ্গে চড়ছে রাজনীতির পারদ। গীতাপাঠের মঞ্চে কার্তিক মহারাজ, সাধ্বী ঋতম্ভরা, বাবা রামদেব, ধীরেন্দ্র শাস্ত্রীর মতো ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে উপস্থিত থাকছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদার ও শমীক ভট্টাচার্যরাও।এই পরিস্থিতিতেই হুমায়ুনের বাবরি শিলান্যাস নিয়ে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তাঁর দাবি, হিন্দু ভোট ভাগ করা এবং মুসলিম ভোট একত্রিত করার চেষ্টা চলছে। এর জন্য দায়ী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সুকান্তের কথায়, হিন্দুরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিশ্বাস করে না। একুশের ভোটেই সেটা স্পষ্ট।অন্যদিকে গীতাপাঠের অনুষ্ঠানে রাজনীতির রং লেগেছে কি না, সে বিষয়ে সুকান্ত বলেন, নির্বাচনের সঙ্গে গীতাপাঠের কোনও সরাসরি সম্পর্ক নেই। গীতা হিন্দুদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান। রাজনীতি নিজের জায়গায় থাকবে, গীতা শাশ্বত।বাবরি শিলান্যাস থেকে ব্রিগেডের গীতাপাঠ দুই দিক থেকেই রাজ্যে উত্তাপ বাড়তে থাকায় রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২৫
রাজ্য

বেলডাঙায় ‘বাবরি মসজিদ’ শিলান্যাস! এক দাতার ৮০ কোটি টাকার প্রতিশ্রুতি—কে তিনি? প্রশ্নে গরম রাজনীতি

পূর্বঘোষণা মতোই মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় প্রস্তাবিত বাবরি মসজিদের শিলান্যাস করলেন সাসপেন্ড হওয়া তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। দীর্ঘ টানাপড়েন, রাজনৈতিক তর্ক-বিতর্ক এবং আদালতে নিষেধাজ্ঞার পর অবশেষে হাইকোর্টের সবুজ সঙ্কেত মিলতেই শুক্রবার বৃহৎ আয়োজনের মধ্যেই সম্পন্ন হয় শিলান্যাস।হুমায়ুন জানান, মসজিদ নির্মাণে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা খরচ ধরা হয়েছে। তবে এক পয়সাও সরকারি তহবিল থেকে নেবেন না বলে সরাসরি জানিয়ে দেন তিনি। তাঁর দাবি, পুরো টাকাই আসবে সংখ্যালঘু সমাজের অনুদানে। সভা মঞ্চ থেকেই তিনি জানান, এক ব্যবসায়ী ৮০ কোটি টাকা অনুদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং তা এক মাসের মধ্যেই দেওয়া হবে। তবে ওই দাতার পরিচয় তিনি প্রকাশ করেননি। শুধু বলেন, তিনি নিজের নাম প্রকাশ করতে চান না। কোম্পানির মাধ্যমেই টাকা দেবেন। সরকারের টাকায় মসজিদ করলে পবিত্রতা নষ্ট হবে।হুমায়ুনের হাতে রয়েছে ২৫ বিঘা জমি। আপাতত তার মধ্যে ৩ কাঠা জমিতে মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে ওই জমির মধ্যেই ইসলামিক হাসপাতাল, বিশ্ববিদ্যালয়, মুসাফিরখানা ও হেলিপ্যাড তৈরির পরিকল্পনাও ঘোষণা করেন তিনি। জায়গাটি জাতীয় সড়ক থেকে মাত্র ৩০০-৪০০ মিটার দূরে হওয়ায় ভবিষ্যতে প্রচুর মানুষের যাতায়াতেও সুবিধা হবে বলে দাবি তাঁর।এই শিলান্যাস ঘিরে তৃণমূলের অস্বস্তি আরও বেড়েছে। দলের তরফে হুমায়ুনকে সাসপেন্ড করা হলেও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভোটের মুখে এই বিতর্ক দলকে আরও বিপাকে ফেলতে পারে। বিরোধী দলনেতা দাবি করেছেন, সংখ্যালঘু ভোটে প্রভাব ফেলতেই এমন উদ্যোগ নিয়েছেন হুমায়ুন। অন্যদিকে তৃণমূল বলছে, সংখ্যালঘু প্রার্থীর বিষয়ে ভুল তথ্য ছড়াচ্ছেন তিনি এবং দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করছেন।বেলডাঙার রাজনৈতিক আবহ এখন উত্তপ্ত। মসজিদ নির্মাণের শিলান্যাসের সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক, যা আগামী দিনে রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২৫
রাজ্য

মসজিদে আপত্তি নেই, তবু ‘বাবরি’ নাম নিয়ে আগুন—শুভেন্দু থেকে মৌলানা, বিতর্ক তুঙ্গে

মসজিদ নির্মাণে আপত্তি নেই, কিন্তু বাবরি নাম নিয়েই আপত্তিএই অবস্থান আগেই জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। একই প্রশ্ন তুলেছিলেন ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের প্রধান কার্তিক মহারাজও। এবার সেই সুর মিলিয়েই কথা বলতে শুরু করেছেন বেশ কয়েকজন মৌলানা। তাঁদের মতে, মসজিদ তৈরি হতেই পারে, কিন্তু নাম নিয়ে সংঘাত তৈরি হওয়া ঠিক নয়।একজন মৌলানা উদাহরণ টেনে বলেন, হুদায়বিয়ার সন্ধির সময় অমুসলিমদের আপত্তিতে হজরত মহম্মদ নিজের নামের সঙ্গে থাকা রসুলুল্লাহ শব্দটি সরিয়ে দিয়েছিলেন। তাঁর যুক্তি ছিল, একটি শব্দ বাদ গেলে যদি শান্তি বজায় থাকে, তাতে অসুবিধা নেই। সেই দৃষ্টিকোণ থেকেই অনেক মৌলানার মত, বাবরি নাম নিয়ে আপত্তি উঠলে নাম পরিবর্তন করলেই ভালো হত। মসজিদকে তাঁরা সমর্থন করছেন, কিন্তু নাম নিয়ে তাঁদের আপত্তি থেকেই যাচ্ছে।মৌলানাদের একাংশ আরও প্রশ্ন তুলেছেন, মসজিদ হোক বা মন্দিরসরকারের টাকায় এগুলো কেন তৈরি হবে? তাঁদের বক্তব্য, সরকার চাইলে হাসপাতাল, স্কুল, কলেজ তৈরি করুক; সেটাই মানুষের উপকারে লাগবে।এই বিতর্কের মধ্যেই হুমায়ুন কবীর তাঁর পরিকল্পনা এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। তিনি জানিয়েছেন, বাবরি মসজিদের পাশাপাশি হাসপাতাল ও বিদ্যালয়ও তৈরি হবে। পুরো প্রকল্পের বাজেট আপাতত ৩০০ কোটি টাকা ধরা হয়েছে। এই টাকার একটিও সরকারের কাছ থেকে নেওয়া হবে না বলেই দাবি তাঁর। আগামী এক মাসের মধ্যে একজন ব্যক্তি ৮০ কোটি টাকা অনুদান দেবেন বলেও জানান হুমায়ুন, যদিও সেই দাতার নাম তিনি গোপনই রেখেছেন।এদিকে স্থানীয় কিছু মৌলানা ওয়াকফ আইন নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, ওয়াকফ আইন কেন্দ্রের, তাই রাজ্যকে তা মানতেই হয়। মুখ্যমন্ত্রী প্রথমে বলেছিলেন আইন কার্যকর করবেন না, তখন তাঁরা সমর্থন করেছিলেন। পরে রাজ্যের অবস্থান পাল্টানোয় তাঁরা কিছুটা হতাশ। তাঁদের কথায়, বিজেপির ভয় দেখিয়ে মুসলিম সমাজকে বারবার সমর্থন পাওয়ার আশা ভুল। তাঁরা নিজেরাই নিজেদের মসজিদ, কবরস্থান রক্ষা করতে সক্ষম।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২৫
রাজ্য

মদিনা থেকে কাজি, লাখের বিরিয়ানি—হুমায়ুনের বাবরি মসজিদ ঘিরে বিশাল উৎসব বেলডাঙায়

হাজার বিতর্ক, দল থেকে সাসপেন্ড হওয়াকিছুই আটকাতে পারেনি ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে। নিজের ঘোষণামতোই মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন তিনি। প্রবল ভিড়ের মধ্যে রিমোট কন্ট্রোল দিয়ে ফিতে কেটে শিলান্যাস করেন হুমায়ুন। অনুষ্ঠান ঘিরে ছিল এলাহি আয়োজন এবং নজিরবিহীন নিরাপত্তা। মদিনা থেকে এসেছেন দুইজন মৌলবী। সকালেই তাঁরা কলকাতা বিমানবন্দর থেকে বিশেষ কনভয়ে বেলডাঙায় পৌঁছন।হুমায়ুন আগেই জানিয়েছিলেন, অনুষ্ঠানে প্রায় তিন লক্ষ মানুষের জমায়েত হবে। বিভিন্ন এলাকাসন্দেশখালি, ক্যানিং ও দূরদূরান্ত থেকে বহু মানুষ মাথায় ইট নিয়ে আসেন ভিত্তিপ্রস্তরের জন্য। শিলান্যাস উপলক্ষে বিশাল খাবারের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রায় এক লক্ষ মানুষের জন্য শাহী বিরিয়ানির আয়োজন করা হয়েছে। মুর্শিদাবাদের সাতটি ক্যাটারিং এই দায়িত্ব পেয়েছে।হুমায়ুন ঘনিষ্ঠ এক ব্যক্তির দাবি, ৪০ হাজার অতিথির জন্য আলাদা বিরিয়ানির প্যাকেট তৈরি হয়েছে, স্থানীয় মানুষের জন্য আরও ২০ হাজার প্যাকেট রাখা হয়েছে। শুধু খাবারেই প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা খরচ হবে। সভামঞ্চ তৈরি ও অন্যান্য খরচ মিলিয়ে ব্যয় ৬০৭০ লক্ষ টাকা ছাড়িয়েছে। ৪০০ অতিথির বসার জন্য ১৫০ ফিট লম্বা মঞ্চ তৈরি হয়েছে, যার খরচই প্রায় ১০ লক্ষ টাকা।অনুষ্ঠানে প্রায় তিন হাজার স্বেচ্ছাসেবক কাজ করছেন। পাশাপাশি ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে বিশাল পুলিশি নিরাপত্তা গড়ে তোলা হয়েছে। বেলডাঙা ও রানিনগর থানার মিলিয়ে তিন হাজার পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। আরও ১৯ কোম্পানি অতিরিক্ত বাহিনী রাখা হয়েছে। বিকেল চারটার মধ্যে পুরো এলাকা খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২৫
কলকাতা

বাবরি মসজিদ নিয়ে বিস্ফোরক প্রতিক্রিয়া! হুমায়ুনকে সাসপেন্ড করল তৃণমূল, প্রকাশ্যে ‘আসল খেলা’ বললেন কুণাল ঘোষ

গত কয়েক মাস ধরে ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের একাধিক মন্তব্যে অস্বস্তি বাড়ছিল দলের মধ্যে। তাঁকে বহুবার সতর্ক করা হলেও তিনি নিজের অবস্থান বদলাননি। বিশেষ করে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় বাবরি মসজিদ তৈরির প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্য দলনেতৃত্বকে আরও চাপে ফেলে। অবশেষে তৃণমূল কংগ্রেস ঘোষণা করল, হুমায়ুন কবীরকে দল থেকে সাসপেন্ড করা হচ্ছে। সাসপেন্ড হওয়ার পর তিনিও কঠোর প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন।এই সিদ্ধান্তের পরে প্রশ্ন ওঠেশুধু মসজিদ তৈরির কথার জন্যই কি এমন কঠোর ব্যবস্থা? এই প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। তিনি স্পষ্ট জানান, বিষয়টি শুধুমাত্র মসজিদ তৈরির সঙ্গে যুক্ত নয়। তাঁর দাবি, বাংলায় যে কেউ নিজের জায়গায় মন্দির, মসজিদ বা যে কোনও ধর্মীয় স্থাপনা তৈরি করতে পারেন। তার জন্য কাউকে কখনও শাস্তি দেয়নি তৃণমূল, ভবিষ্যতেও দেবে না।কুণালের কথায়, সমস্যা তখনই তৈরি হয়, যখন ধর্মকে ব্যবহার করে কোনও রাজনৈতিক দল ভোটের আগে বিভাজনের চেষ্টা করে। যদি কেউ সেই ফাঁদে পা দিয়ে ধর্মীয় অনুষ্ঠানের বহিরঙ্গে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যকে এগিয়ে নিয়ে যায়, মেরুকরণ তৈরি করতে চায়, দলকে অস্বস্তিতে ফেলে এবং দলবিরোধী কাজ করেসেক্ষেত্রে ব্যবস্থা নেওয়াই স্বাভাবিক। তিনি বলেন, শুধু মসজিদ তৈরির জন্য কাউকে বহিষ্কার করা হয়নি। এটা পুরোপুরি সংগঠন বিরোধী কাজের কারণে।কুণাল উদাহরণ দিয়ে বলেন, যেমন কেউ গীতা পাঠের অনুষ্ঠান করলে গীতার বিরোধিতা তৃণমূল করে না, কিন্তু যদি সেটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা হয়, তখন সেটাই সমস্যা। মসজিদ তৈরি করাও অপরাধ নয়, কিন্তু যদি তার পিছনে অন্য রাজনৈতিক দলের চক্রান্ত থাকে এবং তা রাজনৈতিক ইভেন্টে পরিণত হয়, তবে তা তদন্তের বিষয়।এর আগে তৃণমূল নেতা ফিরহাদ হাকিমও বলেছিলেন, ধর্মকে ব্যবহার করে যে রাজনীতি করবে, তার সঙ্গে তৃণমূল কোনও সম্পর্ক রাখবে না। হুমায়ুন কেন বেলডাঙায় বাবরি মসজিদ তৈরির কথা বললেন, সেই প্রশ্ন তুলে তিনি বিজেপির ভূমিকার অভিযোগ করেন। তাঁর দাবি, ভোটের আগে বিভাজন তৈরির জন্য বিজেপি এ ধরনের গদ্দার কার্ড ব্যবহার করে। এবারও সেই চেষ্টাই চলছে।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২৫
রাজ্য

শাসক দলই বাধা দিচ্ছে”—মমতা সফরের আগে তৃণমূলকে তুলোধোনা হুমায়ুন কবীর

গত কয়েক মাস ধরেই বারবার শিরোনামে উঠে আসছেন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। কখনও নতুন দল গঠনের ইঙ্গিত, আবার কখনও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-এর সঙ্গে বৈঠক করে মুচকি হেসে বেরিয়ে আসারাজনীতি জুড়ে তাঁকে নিয়ে জল্পনার শেষ নেই। তবে সম্প্রতি হুমায়ুনের মুখে একটাই স্লোগানবাবরি মসজিদ হবেই। আর সেই ঘোষণা ঘিরেই এবার সরাসরি নিজের দলের বিরুদ্ধেই বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন তিনি।হুমায়ুনের দাবি, বাবরি মসজিদ তৈরির উদ্যোগ শুরু হতেই প্রশাসনিক বাধা দেওয়া হচ্ছে। আর সেই বাধা আসছে শাসক দলের মদতেই। প্রকাশ্যেই তিনি বলেন, বাধা দিচ্ছে প্রশাসন। শাসক দলের মদতে এই বাধা আসছে। বেলডাঙা থানার আইসি-র ভূমিকা নিয়েও সরব হয়েছেন ভরতপুরের বিধায়ক। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর আসন্ন মুর্শিদাবাদ সফরের ঠিক আগেই হুমায়ুনের এই প্রকাশ্য ক্ষোভ রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে আলোড়ন ফেলেছে।মুখ্যমন্ত্রীর মুর্শিদাবাদ সফরের কর্মসূচিতে তিনি যোগ দেবেন কি না, সেই প্রশ্নেও এদিন স্পষ্ট উত্তর এড়িয়ে যান হুমায়ুন। শুধু বলেন, আমাকে দলের তরফে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে। যাব কি না, এখনই বলার সময় আসেনি। এখন এই প্রশ্নের উত্তর দেব না। তাঁর এই অস্পষ্ট অবস্থান ঘিরে তৃণমূলের অন্দরেও শুরু হয়েছে জোর জল্পনা।বাবরি মসজিদ প্রসঙ্গে আরও এক ধাপ এগিয়ে গিয়ে হুমায়ুন বলেন, জগন্নাথ মন্দির হলে যদি বিতর্ক না হয়, তা হলে বাবরি মসজিদে বিতর্ক হবে কেন? তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে পুরনো শিল্প প্রকল্পের প্রসঙ্গও। তিনি জানান, রেজিনগরে একসময় শিল্পতালুকের উদ্বোধন করেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। সেই জমি আজও পড়ে আছে। গত ১৪ বছরে সেখানে কোনও কাজই হয়নি বলে অভিযোগ তাঁর।সবচেয়ে বড় চমক অবশ্য ৬ ডিসেম্বরের ঘোষণাকে ঘিরে। হুমায়ুন স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ৬ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদের শিলান্যাস হবেই। রেজিনগর থেকে বহরমপুর এনএইচ-৩৪ ব্লক করে দেব। দেখি কোন শক্তি আছে, যে আটকে দেখাক। তাঁর এই হুঁশিয়ারির পরই প্রশাসনিক মহলেও তৎপরতা বেড়েছে বলে খবর।যে ছ বিঘা জমিতে বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের কথা বলছেন হুমায়ুন, সেই জমি আদতে নিজামুদ্দিন চৌধুরী নামে এক ব্যক্তির বলেও জানা গিয়েছে। তিনি দাবি করেছেন, তাঁর থেকে কেউ জমি কেনেননি। অথচ এরপরই রাতারাতি সেই জমি ঘিরে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ। জমির মালিকানা, প্রশাসনিক অনুমতি এবং রাজনৈতিক সংঘাতসব মিলিয়ে এবার বাবরি মসজিদ ইস্যুতে মুর্শিদাবাদে বড়সড় অশান্তির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

নভেম্বর ২৮, ২০২৫
দেশ

বাবরি মসজিদের ‘বদলা’ নিতে ছ’টি বিস্ফোরণের পরিকল্পনা! প্রকাশ্যে ভয়ঙ্কর জইশ চক্রান্ত

দিল্লির লালকেল্লার সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণের রেশ এখনো কাটেনি। ১০ নভেম্বরের সেই বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল গোটা দেশ। প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ১২ জন, আহত আরও ২০ জন। কিন্তু তদন্তের অগ্রগতিতে এখন প্রকাশ পাচ্ছে আরও ভয়ঙ্কর সত্য। এই বিস্ফোরণ ছিল না কোনও একক ঘটনাবরং ছিল এক বিশাল, ধারাবাহিক সন্ত্রাসের সূচনা মাত্র!কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার হাতে এসেছে এমন তথ্য, যা রীতিমতো গা শিউরে দেওয়ার মতো। জানা গিয়েছে, দিল্লি বিস্ফোরণ ছিল একটি বড়সড় সিরিয়াল ব্লাস্ট প্ল্যানের প্রথম ধাপ। জইশ-ই-মহম্মদের হোয়াইট কলার মডিউল-এর তরফে বাবরি মসজিদ ধ্বংসের বদলা নিতে এই ভয়ঙ্কর পরিকল্পনা করা হয়েছিল। লক্ষ্য ছিল৬ ডিসেম্বর, অর্থাৎ বাবরি মসজিদ ধ্বংসের বার্ষিকী।তদন্তে উঠে এসেছে, ওই দিন দিল্লির অন্তত ছয় জায়গায় একসঙ্গে বিস্ফোরণের ছক কষেছিল জইশ মডিউল। এনআইএ-র জেরায় ধৃতরা স্বীকার করেছে, বাবরি মসজিদ ধ্বংসের প্রতিশোধ নিতে ওই দিনটিকেই বেছে নেওয়া হয়েছিল। তাদের পরিকল্পনা ছিল এমন এক হামলার, যা গোটা দেশকে কাঁপিয়ে দেবে এবং সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ছড়িয়ে দেবে।তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এই হামলায় মোট ৩২টি গাড়ি ব্যবহার করার ছক ছিল। এর মধ্যে ইতিমধ্যেই উদ্ধার হয়েছে ৪টি গাড়িএকটি হুন্ডাই আই-২০, একটি ব্রেজা, একটি সুইফট ডিজায়ার এবং একটি ফোর্ড ইকোস্পোর্ট। গাড়িগুলি কেনা হয়েছিল হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ ও দিল্লির প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে, তাও পুরনো বা থার্ড হ্যান্ড গাড়ি হিসেবে, যাতে পুলিশ বা গোয়েন্দারা ট্রেস করতে না পারে।জইশের এই ডাক্তার-জঙ্গি মডিউল গোটা হামলাটিকে সাজিয়েছিল পাঁচ ধাপে। প্রথম ধাপে তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদী মডিউল, যাতে ছিল জইশ ও আনসার ঘাজয়াত-উল-হিন্দের যোগ। দ্বিতীয় ধাপে নুহ ও গুরুগ্রাম থেকে বিস্ফোরক এনে মজুত করা হয়। তৃতীয় ধাপে কেমিক্যাল আইইডি বানানো হয় এবং সম্ভাব্য টার্গেট বেছে নিয়ে রেইকি চালানো হয়।এরপর চতুর্থ ধাপে সেই বিস্ফোরক ভাগ করে দেওয়া হয় বিভিন্ন মডিউল সদস্যদের মধ্যে। সবশেষ ধাপে, অর্থাৎ পঞ্চম ধাপে, দিল্লির অন্তত ছয় থেকে সাতটি জায়গায় একসঙ্গে সিরিয়াল ব্লাস্ট ঘটানোর পরিকল্পনা ছিল।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, প্রথমে এই বিস্ফোরণগুলো করার ছক কষা হয়েছিল চলতি বছরের আগস্টে। কিন্তু পরে মাসুদ আজহারের নির্দেশে দিন বদলে করা হয় ৬ ডিসেম্বর। গোয়েন্দারা মনে করছেন, জইশ প্রধান মাসুদ আজহার চায় বাবরি মসজিদ ইস্যুকে নতুন করে উসকে দিয়ে ভারতে সাম্প্রদায়িক অশান্তি ছড়াতে। বহু বছর ধরেই তারা বদলা-র হুমকি দিয়ে আসছে।এক গোয়েন্দা আধিকারিক জানিয়েছেন, এটি ছিল ভয়ঙ্কর পরিকল্পনা। দিল্লির মতো শহরে একসঙ্গে ছটি বিস্ফোরণ ঘটলে তার পরিণতি অকল্পনীয় হত।এখন প্রশ্ন একটাইআরও কি গাড়ি প্রস্তুত রয়েছে এই মডিউলের হাতে? তদন্ত চলছে জোরকদমে। গোটা দেশের নিরাপত্তা সংস্থা এখন সর্বোচ্চ সতর্কতায়।

নভেম্বর ১৩, ২০২৫
বিদেশ

পেশোয়ারের মসজিদে আত্মঘাতী জঙ্গি হানায় মৃত কমপক্ষে ৩০, জখম ৫০-এর বেশি

শুক্রবারের প্রার্থনা চলাকালীন পেশোয়ারের কোছা রিসালদার এলাকায় এক মসজিদে ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়। বিস্ফোরণে ইতিমধ্যেই ৩০ জন মারা গিয়েছেন এবং এখনও অবধি পাওয়া খবর অনুযায়ী ৫০ জন আহত হয়েছেন। আহত ও মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় পেশোয়ার শহরের পুলিশ প্রধান মহম্মদ আইজাজ খান জানিয়েছেন, দুই জন হামলাকারী মসজিদে ঢোকার চেষ্টা করেন। সেখানে উপস্থিত দুই পুলিশ কর্মীর ওপর আততায়ীরা গুলি চালিয়েছেন। গুলিতে এক পুলিশকর্মীর মৃত্যু হয়েছে এবং অপর এক পুলিশকর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। খান জানিয়েছেন, গুলি চালনার ঘটনার পরই মসজিদ বিস্ফোরণে শব্দে কেঁপে ওঠে। সাংবাদিকদের ওই পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন বিস্ফোরণের ফলে অনেকেই আহত হয়েছেন এবং পুলিশের একটি বড় দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছে। আইজাজ খানের মতে, বিস্ফোরণের কারণ ও কী ধরনের বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছিল, এখনই তা বলা সম্ভব নয়। তবে কোনও তথ্য পেলে তা জানানো হবে।বিস্ফোরণে নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। ঘটনার প্রবল নিন্দা করে তিনি নির্দেশ দিয়েছেন দ্রুত উদ্ধারকাজ শেষ করার। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করাতে যাতে কোনও অসুবিধা না হয় সে নিয়ে আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছেন।মসজিদে বিস্ফোরণের পর সেখানে পুলিশের পাশাপাশি পাকিস্তান সেনা বাহিনীর দলও পৌঁছে গিয়েছে বলেই জানা যাচ্ছে। বিস্ফোরণস্থল ঘিরে ফেলা হয়েছে। ঘটনাস্থলে ইতিমধ্যেই বোম্ব স্কোয়াড পৌঁছে গিয়েছে এবং এলাকা পরিদর্শন করে দেখছে সেখানে আর কোনও বোমা আছে কিনা। বোমা বিস্ফোরণে আহতদের পেশোয়ারের লেডি রিডিং হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, বিস্ফোরণে আহত অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক। পুলিশ জানিয়েছে এটি একটি আত্মঘাতী জঙ্গি হানা ছিল।

মার্চ ০৪, ২০২২
রাজনীতি

Mamata Ekbalpur: আচমকাই ভোট-প্রচারে ভবানীপুরে মমতা

শুক্রবারই মনোনয়ন জমা দিয়েছেন তিনি। আর সোমবার নবান্ন থেকে ফেরার পথে ঢুকলেন নিজের বিধানসভা এলাকায়। দক্ষিণ কলকাতার প্রাক্তন সাংসদ মমতা এই আসনে ২০১১-র উপনির্বাচন, ২০১৬-র নির্বাচনে লড়েছেন। দুবারই বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছেন তিনি। কিন্তু কোনও লড়াইকেই যে তিনি ছোট করে দেখতে চান না তা জানিয়ে আগেই কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন মমতা। সোমবার নবান্ন থেকে ফেরার পথে আচমকাই মমতা যান কলকাতা পুরসভার ৭৭ নম্বর ওয়ার্ডে। জন সংযোগের পাশাপাশি কর্মীদের সঙ্গে আড্ডাও দেন। খিদিরপুরের ২৫-এর পল্লি দুর্গাপুজো যে পাড়ায় হয় সেখানেও যেমন তিনি গিয়েছিলেন, তেমনই যান ১৬ আনা মসজিদ এলাকাতেও।আরও পড়ুনঃ ঘোষিত হল সূচি, আইএসএলে এটিকে মোহনবাগানএসসি ইস্টবেঙ্গল প্রথম ডার্বি ২৭ নভেম্বরখিদিরপুর এলাকার ৭৭ নম্বর ওয়ার্ড দিয়েই মমতার প্রচার শুরুকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। মমতা ওই এলাকা ছাড়ার প্রায় পর পরই টুইট করেন বাংলায় বিজেপি-র সহ-পর্যবেক্ষক অমিত মালব্য। তাঁর দাবি, ভবানীপুরের জয় নিয়ে তিনি নিশ্চিত নন বলেই ১৬ আনা মসজিদে গিয়েছিলেন মমতা। এই সফর আচমকা নয় বরং পরিকল্পিত বলেই দাবি করেছেন মালব্য।যদিও এ দিনের বৈঠকে মমতার সঙ্গে ইমামদের ঠিক কী কথা হয়েছে, তা বিশদে জানা যায়নি। তবে এই সাক্ষাতের নেপথ্যে যে ভোট অঙ্ক কাজ করছে, সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না। বিশেষত, যেভাবে সংখ্যালঘুরা লাগাতার রাজ্যের শাসকদল ও নেত্রীর প্রতি আস্থা দেখিয়েছেন, সেই ভোটে ভর করেই তৃণমূল ক্ষমতায় এসেছে বলে অভিযোগ তুলেছেন রাজ্যের বিরোধী দলের নেতা-নেত্রীরা। তাঁদের সেই অভিযোগের আবহেই মমতার ইমাম সাক্ষাৎ ভোটের আগে রাজ্য রাজনীতিতে কোনও জল্পনার জন্ম দেয় কি না, সেই বিষয়টিও বিচার্য হবে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

অভিষেকের বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ! থানায় গিয়ে কী জানালেন বিজেপি নেতার স্ত্রী?

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ উঠল। বিষ্ণুপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাসের স্ত্রী মৌসুমী দাস ঘোষ।অভিযোগকারিণীর দাবি, গত শনিবার আমতলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাংসদ কার্যালয় ভাঙচুরের সময় তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন। সেই সময় সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করলে তিনি অভিষেকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পরে সেই ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।মৌসুমী দাস ঘোষের অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই তিনি লাগাতার হুমকি পাচ্ছেন। তাঁর দাবি, সামাজিক মাধ্যমে অভিষেকের ডিজিটাল যোদ্ধারা তাঁকে কদর্য ভাষায় আক্রমণ করছেন। এই কারণে গত দুদিন ধরে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন বলে জানিয়েছেন।সোমবার সকালে তিনি বিষ্ণুপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগপত্রে আমতলার পার্টি অফিস ভাঙচুরের ঘটনায় বিজেপি কর্মীদের লক্ষ্য করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হুমকির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।পাশাপাশি তিনি ২০১৮ সালে তাঁর স্বামী অভিজিৎ দাসের উপর প্রাণঘাতী হামলার অভিযোগও তুলেছেন। তাঁর দাবি, সেই সময় মারধরের ফলে তাঁর স্বামীর দুটি পা ভেঙে যায় এবং তিনি স্থায়ীভাবে শারীরিকভাবে অক্ষম হয়ে পড়েন। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তাঁরা পুলিশি নিরাপত্তার দাবিও জানিয়েছেন।উল্লেখ্য, এর আগেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আমফানের ত্রাণ বণ্টনে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস নোদাখালি থানায় লিখিত অভিযোগ করে দাবি করেছিলেন, বজবজ ২ ব্লকে প্রায় ৩০ কোটি টাকার ত্রাণ দুর্নীতি হয়েছে এবং ভুয়ো নথি তৈরি করে এই টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জুলাই ২০, ২০২৬
কলকাতা

৪৪০ কোটির অ্যাকাউন্ট ফ্রিজেই থাকছে! হাইকোর্টের রায়ে তোলপাড় রাজনৈতিক মহল

কালীঘাট তৃণমূল হাইকোর্টে বড় আইনি ধাক্কা খেল। অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ মামলায় কোনও অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দিল না কলকাতা হাই কোর্ট। সোমবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাও এর এজলাসে এই মামলার শুনানি হয়।আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই মুহূর্তে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডির ফ্রিজ করা অ্যাকাউন্ট নিয়ে কোনও হস্তক্ষেপ করা হবে না। ফলে তৃণমূলের অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশের আবেদন খারিজ হয়ে যায়। দলের তহবিল থেকে বেআইনিভাবে অর্থ সরানোর অভিযোগে পুলিশ ও ইডি তৃণমূলের একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করেছিল। এর মধ্যে তিনটি মূল অ্যাকাউন্টে প্রায় ৪৪০ কোটি টাকা ছিল।এর আগে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যর এজলাসে কালীঘাট তৃণমূল আবেদন জানিয়েছিল। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য ওই তিনটি অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিলেন। সেই সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের ওপর নজরদারির জন্য একজন বিশেষ আধিকারিকও নিয়োগ করা হয়েছিল।পরবর্তী সময়ে ইডির তল্লাশি অভিযানের পর আরও কয়েকটি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়। কালীঘাট তৃণমূলের দাবি ছিল, বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের পর্যবেক্ষণের পরও ইডি কীভাবে নতুন করে আরও অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করতে পারে। এই অভিযোগ নিয়ে তারা পরে বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের এজলাসের দ্বারস্থ হয়। গত সপ্তাহেই মামলার শুনানি শেষ হয়েছিল।সোমবার রায়ে বিচারপতি স্পষ্ট করেন, ইডি বর্তমানে তদন্ত চালাচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে ফ্রিজ করা অ্যাকাউন্টের ওপর আদালত আপাতত কোনও হস্তক্ষেপ করবে না।

জুলাই ২০, ২০২৬
দেশ

দুই ঘণ্টার অপেক্ষার পর অবশেষে নাড্ডার সাক্ষাৎ! সিজেপিকে কী আশ্বাস দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী?

অবশেষে ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্রদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জে পি নাড্ডা। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করবেন। সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস এক্স-এ একটি পোস্ট করে জানান, দুই ঘণ্টারও বেশি অপেক্ষার পর তিনি এবং আশুতোষ রঙ্কা নাড্ডার সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পান। বৈঠকটি হয় নাড্ডার বাড়িতে এবং প্রায় দশ মিনিট স্থায়ী হয়।সৌরভ দাস লিখেছেন, দুই ঘণ্টার অপেক্ষার পর আশুতোষ আর আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন জে পি নাড্ডা। তাঁর বাড়িতে। তবে মাত্র দশ মিনিটের জন্য। আমরা একটি চিঠি জমা দিয়েছি, যেখানে আমাদের সব দাবির কথা লেখা রয়েছে। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে অভ্যন্তরীণ মহলে কথা বলবেন।এদিকে জানা গিয়েছে, বিক্ষোভকারীদের সংসদ চত্বর থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের শেয়ার করা ছবিতে দেখা যায়, সেখানে আর কোনও বিক্ষোভকারী নেই, শুধুমাত্র পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।উল্লেখ্য, নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছে ককরোচ জনতা পার্টি। গত ২৮ জুন থেকে সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক যন্তর মন্তরে আমরণ অনশনে বসেছিলেন। তবে ২১ দিনের মাথায় পুলিশ তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে। হাসপাতাল থেকেই সোমবার সোনম তিনটি শর্ত দেন। সরকার যদি সেই শর্তগুলির মধ্যে কোনও একটি মেনে নেয়, তবে তিনি অনশন প্রত্যাহার করতে রাজি বলে জানিয়েছেন।

জুলাই ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপ জিতেই গোলপোস্টের নেট কেটে নেন কেন ফুটবলাররা? জানুন রীতির নেপথ্যে লুকিয়ে থাকা ইতিহাস

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্পেন। ট্রফি জয়ের উচ্ছ্বাসে যখন গোটা দল মেতে উঠেছে, তখন একটি পরিচিত দৃশ্য আবারও ধরা পড়ল। স্পেনের একাধিক ফুটবলার কাঁচি হাতে গোলপোস্টের নেট কেটে নিজেদের কাছে স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে রেখে দিলেন। একই দৃশ্য প্রায় প্রতি বিশ্বকাপ, ইউরো কিংবা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালের পর দেখা যায়।অন্যদিকে ক্রিকেটেও বড় টুর্নামেন্ট জেতার পর বিজয়ী দলের ক্রিকেটারদের পিচের দুই প্রান্তের স্টাম্প বা উইকেট খুলে নিয়ে যেতে দেখা যায়। প্রশ্ন উঠতেই পারেএই রীতি কোথা থেকে এল? কেনই বা চ্যাম্পিয়নরা মাঠের এই অংশগুলো নিজেদের কাছে স্মৃতি হিসেবে তুলে রাখেন?স্মৃতিকে ধরে রাখার এক অনন্য ঐতিহ্যক্রীড়াজগতের সবচেয়ে বড় অর্জনগুলোর একটি হলো বিশ্বকাপ বা আন্তর্জাতিক শিরোপা জয়। একজন খেলোয়াড়ের জীবনে এমন মুহূর্ত হয়তো একবারই আসে। তাই সেই ঐতিহাসিক দিনের একটি বাস্তব স্মৃতি সঙ্গে করে নিয়ে যেতে চান অনেকেই।ফুটবলে গোলপোস্টের নেট এবং ক্রিকেটে স্টাম্পএই দুটি জিনিসই সেই ম্যাচের অবিচ্ছেদ্য অংশ। যে নেটে জয়ের গোল জড়িয়েছে কিংবা যে উইকেটের সামনে দাঁড়িয়ে ইতিহাস লেখা হয়েছে, সেটিই হয়ে ওঠে সাফল্যের প্রতীক।ফুটবলে নেট কাটার রীতি কবে থেকে?ফুটবলে গোলপোস্টের নেট কেটে নেওয়ার রীতির নির্দিষ্ট কোনও আনুষ্ঠানিক সূচনা নেই। তবে ক্রীড়া ইতিহাসবিদদের মতে, ১৯৬০ ও ১৯৭০-এর দশক থেকে উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন কলেজ ও পেশাদার খেলাধুলায় এই সংস্কৃতির প্রচলন শুরু হয়।বিশেষ করে বাস্কেটবলে এনসিএএ (NCAA) চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর খেলোয়াড় ও কোচেরা সিঁড়ি বেয়ে উঠে বাস্কেটের জাল কেটে নেওয়ার যে ঐতিহ্য গড়ে ওঠে, তা বিশ্বজুড়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। পরে ফুটবলসহ অন্যান্য খেলাতেও একই ধরনের আবেগঘন স্মৃতিচিহ্ন সংগ্রহের সংস্কৃতি ছড়িয়ে পড়ে।বিশ্বকাপ, ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ কিংবা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মতো বড় টুর্নামেন্টে অনেক সময় খেলোয়াড়রা গোলপোস্টের নেটের ছোট একটি অংশ কেটে পরিবারের সদস্যদের উপহার দেন কিংবা নিজেদের ট্রফি কেবিনেটে সংরক্ষণ করেন।ফিফা কি এতে আপত্তি করে?না। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর এবং আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পরে খেলোয়াড়রা নেটের ছোট অংশ কেটে নিতে পারেন। তবে সেটি অবশ্যই আয়োজকদের অনুমতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে থেকে করা হয়। অনেক সময় মাঠকর্মীরাই খেলোয়াড়দের নেট কেটে দিতে সাহায্য করেন।ক্রিকেটে স্টাম্প নিয়ে যাওয়ার শুরু কীভাবে?ক্রিকেটে ম্যাচ শেষে স্টাম্প তুলে নেওয়ার ইতিহাস আরও পুরনো। ঊনবিংশ শতাব্দী থেকেই বিশেষ ম্যাচ বা ঐতিহাসিক জয়ের স্মারক হিসেবে স্টাম্প সংরক্ষণের রেওয়াজ ছিল।ধীরে ধীরে এটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। বর্তমানে বিশ্বকাপ, অ্যাশেজ, আইপিএল, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি কিংবা অন্য বড় টুর্নামেন্টের ফাইনাল জয়ের পর বিজয়ী দলের ক্রিকেটারদের স্টাম্প খুলে নিতে দেখা যায়।অনেক খেলোয়াড় সেই স্টাম্পে পুরো দলের স্বাক্ষর করিয়ে ব্যক্তিগত সংগ্রহে রাখেন। কেউ আবার তা নিজের ক্রিকেট অ্যাকাডেমি, জাদুঘর বা পরিবারের কাছে স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে সংরক্ষণ করেন।শুধু আবেগ নয়, ইতিহাসেরও অংশগোলপোস্টের নেট কিংবা স্টাম্পএগুলি আসলে কোনও সাধারণ সরঞ্জাম নয়। এগুলি সেই মুহূর্তের সাক্ষী, যখন একটি দল ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। তাই ট্রফির পাশাপাশি এই ছোট্ট স্মৃতিচিহ্নও খেলোয়াড়দের কাছে অমূল্য সম্পদ হয়ে ওঠে।হয়তো বহু বছর পরে কোনও জাদুঘরে কিংবা নিজের ঘরের ট্রফি কেবিনেটে রাখা সেই নেটের টুকরো বা স্টাম্প দেখে আবার ফিরে আসবে সেই বিশ্বজয়ের রাত, দর্শকদের গর্জন আর সাফল্যের অবিস্মরণীয় মুহূর্ত।২০২৬ বিশ্বকাপেও সেই ঐতিহ্যের পুনরাবৃত্তিনিউ জার্সির ফাইনালে স্পেনের ফুটবলারদের গোলপোস্টের নেট কেটে নিতে দেখা যাওয়ায় আবারও প্রমাণ মিললসময় বদলেছে, প্রযুক্তি বদলেছে, কিন্তু চ্যাম্পিয়নদের আবেগ বদলায়নি। ট্রফি জয়ের আনন্দের সঙ্গে মাঠের একটি ছোট্ট অংশকে স্মৃতি হিসেবে বয়ে নিয়ে যাওয়ার এই ঐতিহ্য আজও বিশ্ব ক্রীড়ার অন্যতম সুন্দর ও আবেগঘন অধ্যায়

জুলাই ২০, ২০২৬
দেশ

‘ধন্যবাদ, ভারত!’ বিশ্বকাপ হারলেও ভারতীয় সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালেন আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফাইনালে স্পেনের কাছে হৃদয়ভাঙা পরাজয়ের পরও ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন ভারতে নিযুক্ত আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত মারিয়ানো কাউচিনো। সামাজিক মাধ্যম এক্স (X)-এ এক আবেগঘন বার্তায় তিনি ভারতীয় সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়ে লেখেন, আর্জেন্টিনা দলের প্রতি এই বিশ্বকাপ জুড়ে ভারতীয় মানুষের অকুণ্ঠ সমর্থনের জন্য আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। আবারও ধন্যবাদ, ভারত!বিশ্বকাপে শিরোপাধারী হিসেবে অভিযান শুরু করেছিল আর্জেন্টিনা। টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে পৌঁছেও শেষ পর্যন্ত ট্রফি ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে ১-০ গোলে স্পেনের কাছে পরাজিত হয় লিওনেল মেসির দল।ম্যাচের একমাত্র এবং জয়সূচক গোলটি করেন ফেরান তোরেস, অতিরিক্ত সময়ের ১০৬তম মিনিটে। এই জয়ে ২০১০ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মুকুট জেতে স্পেন।পুরো ম্যাচে বলের দখল এবং আক্রমণে আধিপত্য ছিল স্পেনের। অন্যদিকে আর্জেন্টিনাকে বহুবার রক্ষা করেন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, যিনি একাধিক দুর্দান্ত সেভ করে দলকে লড়াইয়ে টিকিয়ে রাখেন।Deeply grateful to the Indian People for the endless displays of support for the Argentine team during this latest World Cup. Thank you, India, once again! pic.twitter.com/kd9hmTBnON Mariano Caucino (@CaucinoMariano) July 20, 2026তবে ম্যাচের শেষদিকে বড় ধাক্কা খায় আর্জেন্টিনা। নির্ধারিত সময়ের যোগ করা মিনিটে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন এনজো ফার্নান্দেজ, ফলে অতিরিক্ত সময়ে ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় মেসিদের।অতিরিক্ত সময়ে প্রথমে নিকো উইলিয়ামস গোল করলেও ফাউলের কারণে তা বাতিল হয়। এরপর কিছুক্ষণের মধ্যেই উইলিয়ামসের পাস থেকে ফেরান তোরেস জোরালো শটে বল জালে জড়িয়ে স্পেনকে বিশ্বকাপ এনে দেন।এই জয়ের ফলে আন্তর্জাতিক ফুটবলে স্পেনের অপরাজিত থাকার রেকর্ড বেড়ে দাঁড়ায় ৩৮ ম্যাচে, যা ইউরোপীয় ফুটবলের ইতিহাসে নতুন নজির। একইসঙ্গে ৬৪ বছর পর বিশ্বকাপ শিরোপা সফলভাবে ধরে রাখার আর্জেন্টিনার স্বপ্নও ভেঙে যায়।তবুও গোটা টুর্নামেন্টে ভারতীয় সমর্থকদের বিপুল ভালোবাসা ও সমর্থন পেয়েছে আর্জেন্টিনা। বিশেষ করে লিওনেল মেসিকে ঘিরে ভারতের ফুটবলপ্রেমীদের আবেগ বরাবরের মতোই নজর কেড়েছে। সেই ভালোবাসার স্বীকৃতি দিতেই বিশ্বকাপ শেষ হতেই ভারতীয় সমর্থকদের উদ্দেশে কৃতজ্ঞতার বার্তা দেন রাষ্ট্রদূত মারিয়ানো কাউচিনো।বিশ্বকাপ জয় হাতছাড়া হলেও, ভারত ও আর্জেন্টিনার ফুটবল-সম্পর্ক যে আরও গভীর হয়েছে, রাষ্ট্রদূতের এই বার্তাই যেন তারই প্রমাণ।

জুলাই ২০, ২০২৬
দেশ

পুলিশি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই পথে সিজেপি, যন্তর মন্তরে তুমুল ধুন্ধুমার

পুলিশ অনুমতি না দিলেও পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সংসদ অভিযানে নামে ককরোচ জনতা পার্টি। ১৬৩ ধারা উপেক্ষা করে মিছিল বের করতেই রাজধানী দিল্লির পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ব্যারিকেড ভেঙে সংসদের দিকে এগোনোর চেষ্টা করলে পুলিশ আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে। প্রায় পাঁচ হাজার পুলিশ ও আধাসেনা মোতায়েন করে যন্তর মন্তর চত্বর ঘিরে ফেলা হয়।দিল্লি পুলিশ আগেই জানিয়েছিল, সংসদ অভিযানের জন্য সিজেপির পক্ষ থেকে কোনও অনুমতি চাওয়া হয়নি। এমনকি অনুমতি চাইলেও তা দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট জানানো হয়েছিল। পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, সংসদ ও তার আশপাশের এলাকা উচ্চ নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে পড়ে। তাই সেখানে কোনও মিছিল বা জমায়েত আইনশৃঙ্খলার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। পাশাপাশি যানজটের আশঙ্কাও রয়েছে। তাই সংসদের দিকে কোনও মিছিল এগোতে দেওয়া হবে না।পুলিশের এই সতর্কবার্তার পরও সিজেপির পক্ষ থেকে বলা হয়, বৃষ্টি বা কড়া নিরাপত্তা কোনও কিছুই তাদের আন্দোলন থামাতে পারবে না। সেই অনুযায়ী সোমবার সকালে আন্দোলনকারীরা ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ব্যাপক লাঠিচার্জ করে।संसद के सामने युवाओं पर आँसू गैस छोड़ना बंद कीजिए।दमन की बजाय संवाद का रास्ता चुनिए।#संसद_मार्च pic.twitter.com/C2MHT55Mpk Cockroach Janta Party (@CJP_for_India) July 20, 2026নিরাপত্তার কারণে দিল্লির পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো স্টেশনরাজীব চক, জনপথ, প্যাটেল চক, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট এবং সেবা তীর্থসাধারণ যাত্রীদের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত এই স্টেশনগুলি বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে। যন্তর মন্তর ছাড়া দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় পাঁচ বা তার বেশি মানুষের জমায়েতও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে আসছে ককরোচ জনতা পার্টি। গত ২৮ জুন থেকে সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক যন্তর মন্তরে আমরণ অনশনে বসেছিলেন। তবে একুশ দিন পর পুলিশ তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে। হাসপাতাল থেকেই সোমবার সোনম তিনটি শর্ত দিয়েছেন। সরকার যদি তার মধ্যে কোনও একটি শর্ত মেনে নেয়, তবে তিনি অনশন প্রত্যাহার করতে রাজি বলে জানিয়েছেন।

জুলাই ২০, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেককে বিদেশ যেতে দিল না হাই কোর্ট! এসএসকেএমেই চিকিৎসার নির্দেশে তীব্র চাঞ্চল্য

তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আরও এক বড় আইনি ধাক্কা খেলেন। তাঁকে বিদেশে চিকিৎসা করাতে যাওয়ার অনুমতি দিল না কলকাতা হাই কোর্ট। সোমবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যর বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, আইনি রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়লেও আপাতত বিদেশ যেতে পারবেন না অভিষেক। তাঁকে এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসা করানোর পরামর্শ দিয়েছে আদালত।বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে বিজেপিকে উদ্দেশ করে অভিষেকের ডিজে বাজানোর মন্তব্য নিয়ে মামলা হয়। সেই মামলার শুনানিতেই সোমবার বিষয়টি ওঠে। অভিষেকের আইনজীবী আদালতের কাছে আইনি রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন জানান। বিচারপতি সেই আবেদন মেনে আগামী ৬ অক্টোবর পর্যন্ত রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়ান।তবে আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, আগামী ২৯ জুলাই চোখের চিকিৎসার জন্য আমেরিকা যাওয়ার আবেদন মঞ্জুর করা হচ্ছে না। বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, বিদেশেই কেন চোখের চিকিৎসা করাতে হবে? কলকাতাতেও চোখের চিকিৎসার জন্য একাধিক হাসপাতাল রয়েছে। প্রয়োজনে এসএসকেএম হাসপাতালে অভিষেকের চিকিৎসার জন্য মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা যেতে পারে বলেও জানান তিনি।আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য ও সব্যসাচী বন্দ্যোপাধ্যায় বিচারপতির এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেন। তখন বিচারপতি জানান, আদালত কখনওই চান না আবেদনকারীর চিকিৎসায় কোনও সমস্যা হোক। তাই প্রথমে এসএসকেএম হাসপাতালে সমস্ত পরীক্ষানিরীক্ষা করিয়ে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। সেই রিপোর্ট দেখে পরে আদালত সিদ্ধান্ত নেবে, অভিষেক বিদেশে চিকিৎসার জন্য যেতে পারবেন কি না।উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে ডানকুনি হাইওয়ের কাছে এক পথ দুর্ঘটনায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাঁ চোখে গুরুতর আঘাত লাগে। এরপর দীর্ঘদিন সিঙ্গাপুরে তাঁর চিকিৎসা চলে। পরে তিনি আমেরিকাতেও চিকিৎসা করান এবং নির্দিষ্ট সময় অন্তর সেখানে চেকআপের জন্য যেতে হয়। তবে আদালতের নির্দেশ মেনে আপাতত আগামী দুমাস তিনি বিদেশে যেতে পারবেন না।

জুলাই ২০, ২০২৬
কলকাতা

২১ জুলাইয়ের আগেই বিস্ফোরণ! ফাইল খুলে কী প্রকাশ করবেন শুভেন্দু?

২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবসের আগের দিন বড় রাজনৈতিক ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন, সোমবার বিকেলে বিধানসভায় বিচারপতি সুশান্ত চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ করবেন।সোমবার সকালে বিধানসভায় এসে মুখ্যমন্ত্রী অধ্যক্ষ রথীন্দ্রনাথ বসুর কাছে ১০ মিনিট সময় চেয়ে আবেদন করেন। তিনি বলেন, বিকেলে ১০ মিনিট সময় নেব। ২১ জুলাই তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট পড়ে শোনাব। আগের সরকার কমিশন তৈরি করলেও সেই রিপোর্ট কোনওদিন প্রকাশ করেনি। রিপোর্টে কী আছে, তা আজ জানানো হবে।১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই সচিত্র পরিচয়পত্রের দাবিতে যুব কংগ্রেস মহাকরণ অভিযান করেছিল। সেই আন্দোলন পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘটনা। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর সরকারের আমলে বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। সেই ঘটনায় ১৩ জন যুব কংগ্রেস কর্মীর মৃত্যু হয়েছিল।এই আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন তখনকার যুব কংগ্রেস সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে তিনি কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করেন এবং ২০১১ সালে মুখ্যমন্ত্রী হন। ক্ষমতায় আসার পর তিনি ২১ জুলাইয়ের ঘটনার তদন্তের জন্য বিচারপতি সুশান্ত চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তদন্ত কমিশন গঠন করেন।তবে দীর্ঘ ১৫ বছর সেই কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়নি। রিপোর্টটি ফাইলবন্দি অবস্থায় ছিল। এদিকে সেই সময় গুলিচালনার নির্দেশ দেওয়া প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রসচিব মণীশ গুপ্তকে পরে বিধায়ক ও মন্ত্রী করা হয়েছিল। এই বিষয়টি নিয়ে কংগ্রেস ও তৃণমূলের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে।মঙ্গলবার ৩৩তম শহিদ দিবস পালিত হবে। তার আগের দিনই এই তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ করার ঘোষণা রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এখন সকলের নজর, সেই রিপোর্টে ঠিক কী কী তথ্য সামনে আসে।

জুলাই ২০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal