• ৭ ভাদ্র ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২৫ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Mali

রাজ্য

তৃণমূলের মিছিলে ভাতারে বিধায়কের বিরুদ্ধে চোর চোর স্লোগান, মুচকি হাসি বিরোধীদের

বিধানসভা ভোটের আগে প্রার্থী হওয়ার দাবিদারের লড়াই চরমে উঠেছে। ভাতারের তৃণমূল কংগ্রেসের মিছিলে চোর চোর স্লোগান উঠলো। তবে এই চোর চোর স্লোগান বিজেপির বিরুদ্ধে ছিল না। ভাতারের তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশের বিরুদ্ধেই এই চোর চোর স্লোগান উঠেছে মুহূর্মুহু। এই মিছিলে নেতৃত্ব দেন ভাতারের প্রবীণ তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন বিধায়ক বনমালী হাজরা। ভাতারের এই মিছিলে স্লোগান ওঠে, মানু চোর, শান্তনু চোর। কেন তাঁদের চোর বলা হচ্ছে? মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, পঞ্চায়েত সমিতি থেকে গ্রামপঞ্চায়েত, সর্বত্র লক্ষ লক্ষ টাকা দুর্নীতি হচ্ছে। লুঠপাট চলছে। পকেট ভরছে নেতারা। তাদের দাবি, মানগোবিন্দ অধিকারীকে আর যেন বিধায়কপদের টিকিট না দেওয়া হয়। প্রার্থী করতে হবে বনমালী হাজরাকে।সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে বিধায়ক পদের টিকিট পাওয়া নিয়ে তৃণমূলের মধ্যে দড়ি টানাটানি চলছে। কে হবেন বিধানসভার প্রার্থী, এখন সেই প্রতিযোগিতা চলছে। বর্ধমান জেলার প্রায় প্রতিটি জায়গায় দলের তরফে দুই পক্ষের মিছিল হয়। বর্ধমানে কখনও বিধায়ক খোকন দাসের নেতৃত্বের মিছিল হয়, আবার কখনও কাউন্সিলর রাসবিহারী হালদারের নেতৃত্বে পৃথক মিছিল হয়। ভাতারেও সেই অবস্থা চলছে। সেখানে একাংশ চাইছে মানু অধিকারী নয়, বনমালী হাজরাকে তৃণমূল প্রার্থী করুক। তবে তৃণমূলের মিছিলেই নেতৃত্বের বিরুদ্ধে চোর চোর স্লোগানে মুচকি হাসছে বিরোধী শিবির।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

লড়াই শেষ! প্রয়াত বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র: ৯০-এ থেমে গেল ছয় দশকের কিংবদন্তি যাত্রা

বার্ধক্যজনিত শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন অভিনয়জগতের হ্যাণ্ডসাম হিরো। নিজ বাসভবনেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন। অমিতাভ, আমির, জীতেন্দ্র-সহ চলচ্চিত্র দুনিয়ার তারকারা তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানালেন।হিন্দি সিনেমার ইতিহাসে সোনালি অধ্যায়ের অন্যতম স্তম্ভ ধর্মেন্দ্র প্রয়াত। সোমবার নিজের বাসভবনেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বর্ষীয়ান এই তারকা। বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। কিছু দিন ধরেই বার্ধক্যজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। কয়েক দফায় হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল, তৈরি হয়েছিল উদ্বেগের আবহ। পরে কিছুটা উন্নতির পর বাড়ি ফিরলেও শেষ পর্যন্ত আর ফেরানো গেল না প্রজন্মের পর প্রজন্মকে প্রভাবিত করা এই কিংবদন্তিকে।পরিবারের তরফে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি এখনও না এলেও, প্রযোজকপরিচালক এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের সূত্রে খবর মিলেছে অভিনেতার প্রয়াণের। সোমবারই পবনহংস শ্মশানে সম্পন্ন হয় তাঁর শেষকৃত্য। শেষযাত্রায় উপচে পড়া ভিড়ভক্ত, প্রতিবেশী, ইন্ডাস্ট্রির কলাকুশলীসবাই যোগ দেন প্রিয় তারকার শেষ দর্শনে।শেষ শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত ছিলেন অমিতাভ বচ্চন, অভিষেক বচ্চন, আমির খান, জীতেন্দ্র-সহ অসংখ্য তারকা। শোকবার্তা লিখে কর্ণ জোহর বলেন, একটা যুগের অবসান। ভারতীয় সিনেমা আজ এক মহান শিল্পীকে হারাল।গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে নানা গুজব ছড়িয়েছিল। ভেন্টিলেশনে থাকার খবরও ভাইরাল হয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। পরে ধর্মেন্দ্রপুত্র সানি দেওলের সহকারী এবং স্ত্রী হেমা মালিনী সেই তথ্য খণ্ডন করেন। কিছুদিন আগে মৃত্যু-গুজব রটে তাঁর প্রথম স্ত্রীর কান্নার একটি ভিডিও ছড়ানোর পর পরিবারের তরফে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানানো হয়।অভিনেতার শেষ কর্মজীবনেও ছিল ব্যস্ততা। মাত্র ২৪ নভেম্বর প্রকাশ্যে আসে তাঁর অভিনীত ইক্কিস ছবিতে তাঁর চরিত্রের ঝলক। জন্মদিনের মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগেই এমন খবর শোকস্তব্ধ করেছে অনুরাগীদের। আগামী ৮ ডিসেম্বর তাঁর ৯০তম জন্মদিন পালনের প্রস্তুতি চলছিল পরিবারেকিন্তু তার আগেই ইন্ডাস্ট্রি হারাল ধর্ম পাজি-কে।প্রায় ছয় দশকের দীর্ঘ অভিনয়জীবনে শোলে, চুপকে চুপকে, সীতা অউর গীতা, ধর্মবীর, মেরা গাঁও মেরা দেশ-এর মতো কালজয়ী ছবিতে অভিনয় করে দর্শকের হৃদয়ে চিরস্থায়ী হয়ে থাকবেন ধর্মেন্দ্র। আজ তাঁর প্রয়াণে শোকাহত গোটা দেশআরও এক অধ্যায় শেষ হল ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে।

নভেম্বর ২৪, ২০২৫
বিনোদুনিয়া

চলে গেলেন ধর্মেন্দ্র! বিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন

ভারতীয় সিনেমার কিংবদন্তি তারকা ধর্মেন্দ্র আর নেই। ৮৯ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন হি-ম্যান নামে পরিচিত এই মহাতারকা। যদিও পরিবার প্রথমে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেনি, দুপুর থেকেই মুম্বইয়ের জুহুর বাড়ির বাইরে অস্বাভাবিক নড়াচড়ায় জোরালো হয় আশঙ্কা। দুপুরের পর তাঁর বাড়ি থেকে একটি অ্যাম্বুল্যান্স বেরিয়ে যায়, আর কিছুক্ষণের মধ্যেই সানি দেওল, ঈশা দেওল ও হেমা মালিনীকে দেখা যায় পাওয়ান হান্স শ্মশানে পৌঁছতে। এরপর অমিতাভ বচ্চন ও অভিষেককে দেখা যায় সাদা পোশাকে ভিলে পার্লের শ্মশানের সামনে। আমির খান পৌঁছন ধর্মেন্দ্রের বাসভবনে।কিছুদিন ধরেই শারীরিক অসুস্থতার কারণে মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ধর্মেন্দ্র। চিকিৎসকেরা তাঁকে বাড়িতে এনে নিয়মিত পর্যবেক্ষণের মধ্যে রেখেছিলেন। এক সময় শারীরিক অবস্থার খানিক উন্নতি হলেও শেষপর্যন্ত অসুস্থতাকে জয় করতে পারলেন না তিনি।মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই ছড়িয়ে পড়ে কিংবদন্তির প্রয়াণের খবর। সোশ্যাল মিডিয়ায় মুহূর্তে ঢেউ তোলা শোকবার্তা, চলচ্চিত্র জগত শোকস্তব্ধ। পরিচালক করণ জোহর, যাঁর ছবিতে রকি অউর রানি কি প্রেম কাহানি-তে সর্বশেষ অভিনয় করেছিলেন ধর্মেন্দ্র, ইনস্টাগ্রামে আবেগঘন বার্তা লিখে জানান, একটা যুগের অবসান। ভারতীয় সিনেমার প্রকৃত কিংবদন্তি, অপরূপ ব্যক্তিত্ব, সবচেয়ে বড় কথাঅত্যন্ত ভালো মানুষ। আজ আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে যে শূন্যতা তৈরি হল, তা কোনওদিন পূরণ হবে না।ভারতীয় চলচ্চিত্র ইতিহাসের এক সোনালি অধ্যায় রচনা করে গেলেন ধর্মেন্দ্র। ছয় দশকের টানা সাফল্য, তিনশোরও বেশি ছবি, আর কোটি কোটি ভক্তের হৃদয়জয়সব মিলিয়ে তিনি ছিলেন বলিউডের এক অনন্য প্রতীক। তাঁর রেখে যাওয়া পরিবারে রয়েছেন দুই স্ত্রী প্রকাশ কৌর ও হেমা মালিনী এবং সন্তানসানি দেওল, ববি দেওল, বিজেতা, অজিতা, ঈশা দেওল ও আহানা দেওল।এ মুহূর্তে চলছে শেষকৃত্যের অনুষ্ঠান। চলচ্চিত্র দুনিয়ার বন্ধু, সহকর্মী, পরিবারের সদস্য এবং অগণিত শুভানুধ্যায়ী ভিড় জমিয়েছেন শেষ শ্রদ্ধা জানাতে। মুম্বইয়ের বাতাসে যেন ভেসে বেড়াচ্ছে একটি কথাইএভাবেই কি সত্যিই শেষ হয়ে গেল ভারতীয় সিনেমার সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্রদের একটির অধ্যায়?

নভেম্বর ২৪, ২০২৫
বিদেশ

‘আল কায়দা নাকি আইএস?’— জেহাদি ঘাঁটিতে নিখোঁজ ৫ ভারতীয়, কাঁপছে নয়াদিল্লি

পশ্চিম আফ্রিকার অশান্ত দেশ মালিতে ফের ভয়ঙ্কর ঘটনা। জঙ্গি-প্রবণ কোবরি অঞ্চলে সশস্ত্র আততায়ীদের হাতে অপহৃত হয়েছেন পাঁচজন ভারতীয় প্রকৌশলী। বৃহস্পতিবারই তাঁদের তুলে নিয়ে যায় একদল বন্দুকধারী। এখনও পর্যন্ত কোনও জঙ্গি সংগঠন অপহরণের দায় স্বীকার করেনি। তবে প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, অপহরণের খবর সত্যি।সূত্রের খবর, ওই পাঁচ ভারতীয় একটি বেসরকারি সংস্থার হয়ে মালির পশ্চিমাঞ্চলে বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজে নিযুক্ত ছিলেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে হঠাৎ একদল সশস্ত্র জঙ্গি তাঁদের গাড়ি ঘিরে ধরে এবং জোর করে তুলে নিয়ে যায়। এরপর থেকে তাঁদের কোনও খোঁজ মেলেনি। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, বাকি ভারতীয় কর্মীদের আপাতত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।মালির সেনাশাসিত সরকার জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে এই অপহরণের পেছনে কারা, তা এখনও স্পষ্ট নয়। প্রশাসনের আশঙ্কা আল কায়দা-ঘনিষ্ঠ Jamaat Nusrat al-Islam wal-Muslimin (JNIM) বা ইসলামিক স্টেটের কোনও গোষ্ঠী এর সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে।উল্লেখ্য, ২০১২ সাল থেকে পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশটি ক্রমাগত জেহাদিদের কবলে। আল কায়দা ও ইসলামিক স্টেট-ঘনিষ্ঠ গোষ্ঠীগুলি প্রায়শই বিদেশি নাগরিকদের অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করে। সম্প্রতি সেপ্টেম্বরে দুজন আরব ও একজন ইরানি নাগরিককে অপহরণ করেছিল জেএনআইএম জঙ্গিরা। পরে ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মুক্তিপণের বিনিময়ে তাঁদের মুক্তি দেওয়া হয়। ফলে প্রশাসনের ধারণা, এই অপহরণও মুক্তিপণ-লক্ষ্যেই হতে পারে।বিদেশমন্ত্রকের তরফে এখনও কোনও সরকারি বিবৃতি জারি হয়নি। তবে নয়াদিল্লির সূত্রে জানা গিয়েছে, স্থানীয় দূতাবাসের মাধ্যমে পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে। ভারতীয় দফতরগুলিতে উদ্বেগ ছড়িয়েছে।মালিতে বিদেশিদের অপহরণের ঘটনা নতুন নয়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ফরাসি, কানাডীয় এবং ইতালীয় নাগরিকদেরও জঙ্গিদের হাতে অপহৃত হতে দেখা গেছে। বর্তমানে সেনা জুন্টা ক্ষমতায় থাকলেও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ কার্যত অচল। গ্রামের পর গ্রাম জেহাদিদের দখলে।যদিও পাঁচ ভারতীয় প্রকৌশলীর নাম-পরিচয় এখনো প্রকাশ্যে আনা হয়নি, তবে প্রশাসন বলছে, তাঁরা সম্ভবত বিহার ও উত্তর প্রদেশের বাসিন্দা। ঘটনাটি জানাজানি হতেই তাঁদের পরিবারগুলিতে শুরু হয়েছে চরম উৎকণ্ঠা।এখন প্রশ্ন একটাই এই পাঁচ ভারতীয় কি মুক্তিপণের দাবিতে বন্দি, না আরও ভয়ঙ্কর কিছু ঘটেছে? মালির মরুভূমিতে নিখোঁজ এই প্রকৌশলীদের খোঁজে মরিয়া প্রশাসন।

নভেম্বর ০৮, ২০২৫
রাজ্য

আবাস যোজনায় নেতা নেত্রীদের নাম প্রত্যহারের পালা অব্যহত

রাজ্য জুড়ে আবাস যোজনার তালিকায় থাকা নেতা নেত্রী ও তাঁদের পরিবারের নাম প্রত্যহার পালা অব্যহত। পূর্ব বর্ধমানের রায়না ১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির পর এবার রায়না ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তার ছেলের নাম আবাস যোজনার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার উদ্যোগ নিলেন।সদ্য প্রকাশিত আবাস যোজনার তালিকায় পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পার্বতী ধারা মালিকের ছেলে তন্ময় মালিকের নাম থাকায় তিনি তা বাদ দেওয়ার জন্য আবেদন করেন বুধবার। তিনি পরিবারের অভিভাবক। তাই তিনি তালিকা থেকে তন্ময়ের নাম বাদ দেওয়ার জন্য উদ্যোগী হন বলে তিনি জানান।ছোটো একটা ভাঙা মাটির বাড়িতে থাকতেন পার্বতী ধারা মালিকের ছেলে তন্ময়। সেখানকার ভিআরপিদের সাহায্যে তিনি আবাস যোজনার জন্য আবেদন করেন। কিন্তু তাঁর বাড়ির অবস্থা খুব খারাপ থাকায় নিজের বাবার দেওয়া জমি বিক্রি করে কয়েক দিন আগেই বাড়ি তৈরি করেন পাট্টা পাওয়া জায়গার উপর। কিন্তু কয়েকদিন আগে বাংলার আবাস যোজনায় পার্বতী ধারা মালিকের ছেলের নাম আসে। যেহেতু ছেলের বাড়ি তৈরি হয়ে গেছে তাই তিনি এই প্রকল্প থেকে তার ছেলের নাম বাদ দিয়ে দেন। তিনি চান অসহায় দুঃস্থ মানুষরা আবাস যোজনার সুযোগ পাক। এখানে উল্লেখ্য গত সোমবার রায়না ১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রত্না মহান্ত তার নিজের নাম আবাস যোজনার তালিকা থেকে বাদ দেন তিনি নিজেই।মঙ্গলবার বর্ধমান ১ নম্বর ব্লকের রায়ান ১ নম্বর পঞ্চায়েতের সদস্যা ফতেমা বিবি সেখও একই পথে হাঁটেন।আবাস যোজনা তালিকায় নাম ছিল ফতেমা বিবি সেখের।তিনি নিজেই উদ্যোগী হয়ে তালিকা থেকে নাম বাদ দেন।আর বুধবার রায়না ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পার্বতী ধারা মালিকও নাম তালিকা থেকে বাদ দেন তার ছেলের। তবে লাগাতার আবাস যোজনার তালিকা থেকে শাসকদলের নেতানেত্রীদের নাম বাদ দেওয়া নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র বলেন, আবাস যোজনা তালিকা নিয়ে বিজেপির অভিযোগ যে সত্যি তা পরিস্কার হল। হৈচৈ হয়েছে বলেই এখন তৃণমূল নেতারা তালিকা থেকে নাম বাদ দিয়ে সাধু সাজছেন। কিন্তু সাধারণ মানুষ সব চালাকি বুঝতে পারছেন।অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস বলেন, ২০১৬-১৭ সালে আবাস যোজনার বাড়ির জন্য সার্ভে করা হয়। তখন অনেকেরই মাটির বাড়ি ছিল। কিন্তু এখন অনেকেই পাকা বাড়ি করেছেন। তাই নিয়ম অনুযায়ী নাম বাদ যাবে। অনেকেই আগেভাগেই নাম তালিকা থেকে বাদ দিচ্ছেন। এতে দোষের কি হল। বরং স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই তারা এই পথ বেঁচে নিয়েছেন।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২২
রাজ্য

পঞ্চায়েত ভোটের প্রাক্কালে উল্টো পুরান বর্ধমানে! দলীয় কর্মিদেরই প্রকাশ্যে হুমকি বিধায়কের

পঞ্চায়েত নির্বাচনের ঢাকে কাঠি পড়ে গেছে। রাজ্যে নেতৃত্বের নির্দেশে ইতিমধ্যেই রাজ্যে জুড়ে গুটি সাজাতে শুরু করেছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। বিরোধী রাজনৈতিক দল বিশেষ করে বিজেপিকে কোনঠাসা করতে ছোট-বড় বিভিন্ন জনসভা থেকে আক্রমণ শুরু করেছে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব। কিন্তু পূর্ব বর্ধমানে বর্ধমান ১ নম্বর ব্লকে চিত্রটা ঠিক উল্টো। বিরোধীদের পরিবর্তে প্রকাশ্যে নিজের দলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্য হুমকি দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ধমান-উত্তরের বিধায়ক নিশীথ কুমার মালিক।রবিবার বর্ধমান ১ নম্বর ব্লক তৃণমূল পক্ষ থেকে আয়োজিত শীতবস্ত্র প্রদান অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে বিধায়ক তার দলের বেশ কয়েকজন নেতার নাম না করেই পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর কুত্তার দশা হবে বলে হুঁশিয়ারী করেন। সেই সঙ্গে পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর তাদের দেখে নেওয়ার হুমকিও দেন তিনি। বিধায়ক নিশীথ কুমার মালিক বলেন, আমি প্রকাশ্য মঞ্চ থেকে বলছি, খেলা শুরু হয়ে গেছে। জামালের (সেখ জামাল রায়ান ১ নম্বর অঞ্চলের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি) টিম রেডি আছে। তুমি তোমার দম নিয়ে রেডি হও। যেদিন বলবে, যে জায়গায় বলবে সেখানে দেখা হবে। কার কত প্লেয়ার আছে।বিধায়ক নিশীথ মালিকের এই মন্তব্যর পরেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পরে। তৃণমূলের অন্দরমহলেও শুরু হয় চাপান উতর। উল্টোদিকে এই মন্তব্যর পরিপেক্ষিতে ব্লকের জেলাপরিষদ সদস্য নরুল হাসান জানান, বিধায়ক অনেক পরে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। আমরা দলের পুরাতন কর্মী, দলের জন্মলগ্ন থেকে আছি। বিধায়ক ১১ সালের পর তৃণমূলে এসেছেন। উচ্চ নেতৃত্বের নির্দেশ সত্ত্বেও বিধায়ক পুরানো দিনের নেতা-কর্মীদের নিয়ে কাজ করছেন না, তাদের প্রাপ্য সম্মান টুকুও দেন না। বিধায়ক নিশীথ মালিক নিজেই একজন অশিক্ষিত, তাই তিনি বিরোধী রাজনৈতিক দলকে ছেড়ে নিজের দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছেন বলে দাবী নরুল হাসানের।বিজেপি অবশ্য গোটা বিষয়টি তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করছে। বিজেপি নেতা সুধীররঞ্জন সাউ বলেন, পঞ্চায়েত ভোটে এলাকায় রক্তগঙ্গা বয়ে যাবে। কারণ তৃণমূল কংগ্রেস নিজেদের মধ্যেই লড়াই করবে। গোটা ব্লক দুর্নীতিতে ভরে গেছে। এলাকার সাধারণ মানুষ পঞ্চায়েতে গেলে পরিষেবা পাচ্ছেন না।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২২
রাজ্য

'অভিনব ভাই ফোঁটা' ভাই জ্ঞ্যানে গাছকে ফোঁটা আরভি ও আরশি-র

আয়োজন সবই ছিল। ফোঁটার চন্দন থেকে সব আনুষঙ্গিক আচার শুধু মানুষের বদলে গাছকে ফোঁটা দিলেন দুই বোন। তাদের কোনো ভাই নেই। তাই বৃক্ষপ্রেমী বাবা মায়ের উদ্যোগে এই অভিনব ফোঁটার অনুষ্ঠান হল পূর্ব বর্ধমানের মালিরবাগান এলাকায়। হাজির ছিলেন প্রতিবেশীরা।এই এলাকার আবু আজাদ বৃক্ষপ্রেমী বলে পরিচিত। প্রতিবছর অনেক গাছ বিতরণ করেন বর্ধমানের নানা এলাকায়। নিজেও লাগিয়েছেন অনেক গাছ। তার দুই ছোট মেয়েই গাছকে ফোঁটা দিল আজ। আবু আজাদ জানাচ্ছেন তার দুই মেয়ে আরভি মোল্লা ও আরশি মোল্লা। বড় মেয়ে বর্ধমানের বেসরকারি ইংরাজি মাধ্যম স্কুল বর্ধমান মডেল স্কুলে দ্বিতীয় শ্রেণীতে পড়ে। ছোট মেয়ে এখনও স্কুলে ভর্তি হয়নি, সে বাড়িতেই পড়ে মায়ের কাছে। আরভির স্কুলের বন্ধুদের থেকে শুনেছে ভাইকে ফোঁটা দিতে হয়। সে বাড়ি এসে বাবাকে জিজ্ঞেস করে বাবা আমাদের তো ভাই নেই আমরা কাকে ফোঁটা দেব? আজাদ জানান তিনি মেয়ের প্রশ্নের কোন উত্তর খুজে পান নি। সত্যি তো ওদের ভাই নেই, তাহলে কাকে ফোঁটা দেবে!তিনি জানাচ্ছেন, আমার স্ত্রীকে কথাটা বললাম। আমার স্ত্রী বললেন আমাদের তো কোনও ফোঁটা নেই। কিন্তু শিশু মন সেটা কি বোঝে? তাদের সেটা বলা যাবে না। আমি চিন্তায় পরে গেলাম কি করা যায়। শেষে আমার স্ত্রীর মাথা থেকে একটা সুন্দর ভাবনার কথা আমাকে বললেন, গাছের থেকে পরম আপন ভাই আর কে হবে। তাই আমরা স্বামী স্ত্রী মিলে উদ্যোগ নিলাম আমার মেয়েরা তাদের গাছ ভাইকে ফোঁটা দেবে।অন্যদিকে ছোট্ট আরভি জানিয়েছে, এবার থেকে গাছকে ভাই হিসেবেই দেখবে। তার যত্ন করবে। প্রতিবারই ফোঁটা দেবে গাছেদের। তাদের মা রেশমা খাতুনা জানান, তাদের মুসলিম পরিবারে ফোঁটার চলন নেই। কিন্তু মেয়ের আগ্রহের কাছে হার মেনেছেন তারা। গাছের চেয়ে আপন আর দীর্ঘদিনের সাথী আর কে হতে পারে? তাই গাছকেই ফোঁটা দেওয়া হল। তাঁদের এই অভিনব চিন্তা ভাবনে মন ছুঁয়ে গেছে স্থানীয় মানুষজনের।

অক্টোবর ২৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দুরন্ত উমরানের ৫ উইকেট, তবু দলকে জেতাতে ব্যর্থ

গুজরাট টাইটান্সের গতিকে টেক্কা দিলেও বাজিমাত করতে পারল না সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। আইপিএলের ফিরতি সাক্ষাৎকারেও শেষ হাসি গুজরাট টাইটান্সর। আইপিএলে জীবনের প্রথমবার ৫ উইকেট নিয়েও দলকে জেতাতে পারলেন না উমরান মালিক। গুজরাট ৫ উইকেটে হারাল সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে। প্রথম পর্বের হারের মধুর প্রতিশোধ। গতি দিয়ে গুজরাটের ব্যাটারদের নক আউট করে দিয়েও শেষরক্ষা করতে পারলেন না উমরান মালিক। ২৫ রানে ৫ উইকেট নেন।জয়ের জন্য ১৯৬ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু করেছিল গুজরাট টাইটান্স। পাওয়ার প্লে-র ৬ ওভারে তুলে ফেলে ৫৯। অষ্টম ওভারে প্রথম ধাক্কা খায় গুজরাট। গতিতে পরাস্ত করে দ্বিতীয় বলে শুভমান গিলকে তুলে নেন উমরান মালিক। ২৪ বলে ২২ রান করে বোল্ড হন শুভমান। এক ওভার পরেই হার্দিককেও (৬ বলে ১০) ফেরান উমরান। পরপর ২ উইকেট হারালেও লড়ে যান ঋদ্ধিমান সাহা। আগের ম্যাচগুলোতে ব্যর্থ হলেও ঋদ্ধি এদিন জ্বলে ওঠেন। ২৮ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। কিন্তু শেষরক্ষা করতে পারেননি। উমরান মালিকের ১৫৩ কিমি গতির ডেলিভারি ঋদ্ধির স্টাম্প ছিটকে দেয়। ১১ টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে ৩৮ বলে ৬৮ রান করে আউট হন ঋদ্ধি। ডেভিড মিলারও (১৯ বলে ১৭) উমরানের বলে বোল্ড হন। মিলারের আউটের ধাক্কা সামলাতে পারেনি গুজরাট। পরের ওভারেই অভিনব মনোহরকে (০) তুলে নেন উমরান। শেষ ওভারে জয়ের জন্য গুজরাটের দরকার ছিল ২২ রান। মার্কো জনসেনের প্রথম বলে ৬ মারেন রাহুল তেওয়াটিয়া। পরের বলে ১ রান। তৃতীয়, পঞ্চম ও ষষ্ঠ বলে তিনটি ৬ মেরে দলকে জেতান রশিদ খান (১১ বলে অপরাজিত ৩১)। ২১ বলে ৪০ রান করে অপরাজিত থাকেন রাহুল তেওয়াটিয়া। দুই দলের প্রথম সাক্ষাৎকারে গুজরাট টাইটান্সকে হারিয়েছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। প্রতিশোধের ম্যাচে টস জিতে হায়দরাবাদকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন গুজরাট অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই ধাক্কা খায় হায়দরাবাদ। তৃতীয় ওভারের পঞ্চম বলে হায়দরাবাদ অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনের (৫) অফ স্টাম্প ছিটকে দেন মহম্মদ সামি। পঞ্চম ওভারের শেষ বলে আবার ধাক্কা সামির। এবার তুলে নেন ক্রমশ আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠা রাহুল ত্রিপাঠীকে (১০ বলে ১৬)। এরপরই রুখে দাঁড়ান অভিষেক শর্মা ও এইডেন মার্করাম। দারুণ ছন্দে রয়েছেন অভিষেক শর্মা। চলতি আইপিএলে দ্বিতীয় হাফ সেঞ্চুরি করে তিনি দলকে বড় ইনিংসের প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে দেন। মার্করামের সঙ্গে জুটিতে তোলেন ৯৬। আলজেরি জোশেফ দ্বিতীয় স্পেলে বোলিং করতে এসে জুটি ভাঙেন। তুলে নেন অভিষেককে। ৬টি চার ও ৩টি ছয়ের সাহায্যে ৪২ বলে ৬৫ রান করে তিনি আউট হন।এদিনও ব্যর্থ পুরান (৫ বলে ৩)। মহম্মদ সামির বল বাউন্ডারির বাইরে পাঠাতে গিয়ে লং অনে শুভমান গিলের হাতে ধরা পড়েন। পরের ওভারেই মার্করামকে তুলে নেন যশ দয়াল। ৪০ বলে ৫৬ রান করে তিনি ডেভিড মিলারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। চোট সারিয়ে এদিন প্রথম একাদশে ফিরেছিলেন ওয়াশিংটন সুন্দর। ব্যাট হাতে তিনিও দলকে নির্ভরতা দিতে পারেননি। মাত্র ৩ রান করে তিনি রান আউট হন। শেষ ওভারে ঝড় তোলেন শশাঙ্ক সিং। ৬ বলে ২৫ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। গতি দিয়ে এদিন হায়দরাবাদের ব্যাটারদের কাবু করতে পারেননি সামি (৩/৩৯), জোশেফ (১/৩৫), ফার্গুসনরা (০/৫২)।

এপ্রিল ২৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

শেষ ওভারে মেডেনসহ ৩ উইকেট!‌ কামাল উমরান মালিকের

আইপিএল এত এগোচ্ছে নিজেকে ক্রমশ মেলে ধরছেন উমরান মালিক। মেগা নিলামের আগে তাঁকে ধরে রেখে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ যে ভুল করেনি, প্রমাণ করেই চলেছেন জম্মু ও কাশ্মীরের এই জোরে বোলার। তাঁর দুরন্ত বোলিংয়ের ওপর ভর করে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে জয় তুলে নিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। এদিন ৭ উইকেটে হারাল পাঞ্জাব কিংসকে। উমরান মালিক শেষ ওভারে তুলে নেন তিনটি উইকেট। একটি রান আউটের দৌলতে শেষ ওভারে মোট চারটি উইকেট হারায় পাঞ্জাব কিংস।উমরান মালিকের শেষ ওভারটি আবার ছিল মেডেন। আইপিএলে চতুর্থ বোলার হিসেবে এই নজির গড়লেন। ২০ তম ওভারের দ্বিতীয় বলে ওডিয়ান স্মিথ, চতুর্থ বলে রাহুল চাহার, পঞ্চম বলে বৈভব অরোরা আউট হন। চাহার ও অরোরা বোল্ড হন। শেষ বলে রান আউট হন অর্শদীপ সিং। উমরান মালিকের আগে আইপিএলে ২০তম ওভারে বল করতে গিয়ে মেডেন নেওয়ার নজির আছে তিনজন বোলারের। ২০০৮ সালে ইরফান পাঠানের মোহালিতে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের হয়ে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে, ২০০৯ সালে ডারবানে ডেকান চার্জার্সের বিরুদ্ধে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে লাসিথ মালিঙ্গার, ২০১৭ সালে রাইজিং পুনে সুপারজায়ান্টসের হয়ে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে জয়দেব উনাদকাটের। ম্যাচ শুরুর আগেই ধাক্কা পাঞ্জাব কিংসের। চোটের জন্য ছিটকে যান অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল। তাঁর পরিবর্তে পাঞ্জাব কিংসকে নেতৃত্ব দিতে নামেন শিখর ধাওয়ান। টস ভাগ্য এদিন সহায় ছিল না পাঞ্জাব কিংসের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়কের। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন টসে জিতে পাঞ্জাব কিংসকে ব্যাট করতে পাঠান। ভুবনেশ্বর কুমার, উমরান মালিকদের বলের সামনে এদিন দাঁড়াতেই পারেননি পাঞ্জাব কিংসের ব্যাটাররা। ধ্বংসস্তুপের ওপর দাঁড়িয়ে একা লড়াই করেন লিয়াম লিভিংস্টোন। শেষ ওভারে মেডেনসহ ৩ উইকেট নিয়ে নজির গড়েন উমরান মালিক। ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় ওভারেই ধাক্কা খায় পাঞ্জাব কিংস। মাত্র ৮ রান করে ভুবনেশ্বরের বলে ফিরে যান ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক শিখর ধাওয়ান। মায়াঙ্ক আগরওয়ালের পরিবর্তে সুযোগ পাওয়া প্রভসিমরণ সিং মাত্র ১৪ রান করে আউট হন। জনি বেয়ারস্টো করেন ১২। জিতেশ শর্মাও (১১) রান পাননি। ৬১ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় পাঞ্জাব কিংস। এরপর শাহরুখ খানকে নিয়ে রুখে দাঁড়ান লিভিংস্টোন। ২৮ বলে ২৬ রান করে ভুবনেশ্বরের বলে আউট হন শাহরুখ। লড়াই জারি রাখেন লিভিংস্টোন। শেষ পর্যন্ত ৩৩ বলে ৬০ রান করে ভুবনেশ্বরের বলে তিনি আউট হন। এদিন ভুবনেশ্বর ও উমরান মালিক তছনছ করে দেয় পাঞ্জাব কিংসের ব্যাটিং লাইনকে। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৫১ রানে অল আউট হয়ে যায় পাঞ্জাব কিংস। ২২ রানে ৩ উইকেট নেন ভুবনেশ্বর কুমার। ২৮ রানে ৪ উইকেট উমরান মালিকের। জয়ের জন্য ১৫২ রানের লক্ষ্য খুব একটা কঠিন ছিল না পাঞ্জাব কিংসের কাছে। শুরুর দিকে রান তোলার গতি যথেষ্ট মন্থর ছিল। ৩ ওভারে ওঠে মাত্র ১৪। এরপরই ধাক্কা খায় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। চতুর্থ ওভারের প্রথম বলেই উইলিয়ামসনকে (৩) তুলে নেন কাগিসো রাবাডা। এরপর সানরাইজার্সকে টেনে নিয়ে যান অভিষেক শর্মা ও রাহুল ত্রিপাঠী। ২২ বলে ৩৪ রান করে রাহুল চাহারের বলে আউট হন রাহুল ত্রিপাঠী। ২৫ বলে ৩১ রান করে ফেরেন অভিষেক শর্মা। তিনিও রাহুল চাহারের শিকার। ৭৭ রানে ৩ উইকেট হারালেও চাপে পড়েনি সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন এইডেন মার্করাম (২৭ বলে অপরাজিত ৪১) ও নিকোলাস পুরান (৩০ বলে অপরাজিত ৩৫)। ১৮.৫ ওভারে ৩ উইকেটে ১৫২ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ২৮ রানে ২ উইকেট নেন রাহুল চাহার।

এপ্রিল ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

গতির কামাল:‌ আইপিএল-এ চমক দিয়ে জাতীয় দলের অপেক্ষায় এই কাশ্মীরি তরুণ

গতবছর আইপিএলে বলের গতি দিয়ে ক্রিকেটপ্রেমীদের তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের উমরান মালিক। চলতি আইপিএলে প্রতি ম্যাচেই নিজের প্রতিভার পরিচয় দিয়ে চলেছেন। নিয়মিত বোলিং করছেন ঘন্টায় ১৫০ কিমি গতিতে। প্রতিনিয়ত নিজেকে ছাপিয়ে যাচ্ছেন। ২০২২ আইপিএলে তাঁর দ্রুততম বলটির গতি ছিল ঘন্টায় ১৫৩.১ কিমি। যে বলটি চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে উমরান মালিকের হাত থেকে বেরিয়েছিল। সোমবার গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে তাকেও ছাপিয়ে গেছেন। এদিন তাঁর একটা বলের গতি ছিল ঘন্টায় ১৫৩.৩ কিমি।উমরান মালিকের বলে গতি দেখে মু্গ্ধ ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা। ভারতের প্রাক্তন হেড কোচ রবি শাস্ত্রী আগেই উমরানের বলের গতির প্রশংসা করেছিলেন। এবার জম্মু ও কাশ্মীরের এই তরুণ জোরে বোলারকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন ইংল্যান্ডের প্রাক্তন অধিনায়ক মাইকেল ভন। তিমি মনে করছেন। উমরান মালিক খুব দ্রুতই দেশের হয়ে খেলবেন। এমনকি এই তরুণ জোরে বোলারকে কাউন্টি ক্রিকেটে খেলার পরামর্শ দিয়েছেন মাইকেল ভন। মাইকেল ভন টুইট করে বলেছেন, উমরান মালিক খুব শীঘ্রই ভারতের হয়ে খেলবেন। আমি যদি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডে থাকতাম, তাহলে এই গ্রীষ্মে উমরানকে কাউন্টি ক্রিকেট খেলতে পাঠাতাম। যাতে তার বোলিংয়ের উন্নতিতে সাহায্য করা যায়। এই মুহূর্তে আইপিএলে কমেন্ট্রি করছেন মাইকেল ভন। খুব কাছ থেকে উমরান মালিকের বোলিং দেখার সৌভাগ্য হয়েছে। ভন মনে করছেন, অদূর ভবিষ্যতে ভারতীয় দলে জায়গা করে নেবেন জম্মু ও কাশ্মীরের এই তরুণ জোরে বোলার। শুধু মাইকেল ভনই নন, এর আগেই রবি শাস্ত্রীর মুখ থেকেও একই কথা শোনা গেছে। ভারতীয় দলে হেড কোচ থাকার সময় উমরান মালিককে খুব কাছ থেকে দেখেছিলেন শাস্ত্রী। সেই সময় উমরান ভারতীয় দলে নেট বোলার হিসেবে ছিলেন। নেটে উমরান মালিকের বোলিং দেশে রবি শাস্ত্রী ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ও নির্বাচকদের পরামর্শ দিয়েছিলেন তাঁকে জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাদেমিতে রাখার। যাতে উমরান নিজের দক্ষতার বিকাশ ঘটাতে পারেন।গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে গতি দিয়ে দারুণ নজর কেড়েছেন উমরান মালিক। তাঁর প্রথম ডেলিভারিটি ছিল একটি বিষাক্ত বাউন্সার। যা হার্দিক পান্ডিয়ার হেলমেটে ছোবল মেরেছিল। গুজরাট টাইটান্সের অধিনায়ক ম্যাচের পরে স্বীকার করেছিলেন যে, উমরানের ওই বাউন্সার তাঁকে তাতিয়ে দিয়েছিল। পরের দুটি বলে অবশ্য বাউন্ডারি মেরেছিলেন হার্দিক। দারুণ গতিতে বোলিং করলেও উমরানের সব থেকে বড় সমস্যা হল ধারাবাহিকতার অভাব। নির্দিষ্ট লেংথে বোলিং করতে পারেন না উমরান মালিক। যার ফলে তিনি অনেক বেশি রান দিয়ে ফেলেন। মালিকের ঈর্ষণীয় গতি ছাড়াও জোরে বোলার হিসেবে অনেক কিছু আছে। তাঁর শরীর আদর্শ ক্রীড়াবিদসুলভ। মসৃণ রান আপ। বোলিং অ্যাকশনও দারুণ। এসবই তাঁর উজ্জ্বল ভবিষ্যতের ইঙ্গিত। এই বছর আইপিএলের মেগা নিলামের আগে তাঁকে ধরে রেখে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ যে ভুল করেনি, প্রমান করেই চলেছেন উমরান মালিক।

এপ্রিল ১২, ২০২২
দেশ

দাউদ যোগে ইডির হাতে গ্রেপ্তার এনসিপি নেতা নবাব মালিক

দাউদ যোগে গ্রেপ্তার করা হল এনসিপি নেতা নবাব মালিককে। ৭ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর মহারাষ্ট্রের মন্ত্রীকে গ্রেপ্তার করল ইডি। বুধবার সকালেই নবাব মালিকের বাড়িতে ইডি হানা দেয়। তারপর ইডি আধিকারিকরা তাঁকে জেরার জন্য দপ্তরের দিকে নিয়ে যান। কুখ্যাত ডন দাউদ ইব্রাহিম ও তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের অর্থপাচার সংক্রান্ত মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্যই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা নবাবকে নিজেদের দপ্তরে নিয়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছিল। সকাল ৭ টা নাগাদ এনসিপি নেতাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং সকাল ৮ টা থেকে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। অবশেষে টানা ৭ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর মহারাষ্ট্রের দোর্দণ্ডপ্রতাপ এনসিপি নেতা নবাব মালিককে।সূত্রের খবর, এনসিপি নেতা নবাব মালিক দাউদের সংযোগীদের সঙ্গে লেনদেন এবং জমি লেনদেনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ ছিল। ইডি জানিয়েছে তদন্তের ক্ষেত্রে তিনি কোনও সহযোগিতা করেননি এবং এড়িয়ে গিয়েছেন। সম্প্রতি এই মামলায় ইডি দাউদ ইব্রাহিমের ভাই ইকবাল কাসকারের বাড়িতে অভিযান চালান এবং তাঁকে হেপাজত নেওয়া হয়েছিল। তদন্ত চলাকালীন নবাব মালিকের কেনা কিছু সম্পত্তির প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। মহারাষ্ট্রের মহা বিকাশ আগাধি সরকার এবং কেন্দ্রীয় সরকারের চলতে থাকা চাপা লড়াইয়ের মধ্যে ইডির হাতে গ্রেপ্তার হলেন ৬২ বছরের মন্ত্রী নবাব মালিকের।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২২
ব্যবসা

৭০ বছর পর টাটা'র ঘরে প্রত্যাবর্তন 'মহারাজা'র

শেষ হল এয়ার ইন্ডিয়ার হস্তান্তর প্রক্রিয়া। টাটা সন্সের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেওয়া হল মহারাজা-কে। একসময় টাটা-র হাত ধরেই এয়ার ইন্ডিয়ার পথ চলা শুরু। মাঝে অনেক পথ পেরিয়ে আবারও টাটার ঘরেই ফিরল সেই সংস্থা। টাটার হাতে হস্তান্তর করা হল সংস্থার ১০০ শতাংশ শেয়ার ও দেওয়া হল ম্যানজমেন্টের নিয়ন্ত্রণ।এই হস্তান্তরের পর টাটা সন্সকে অভিনন্দন জানিয়েছেন অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। তিনি জানান, সরকারি সংস্থা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে এ দিন বড় সাফল্য পেল ভারত। ভবিষ্যতে এই প্রক্রিয়ায় ফের সাফল্য আসবে বলে মনে করেন তিনি।কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। পুরো শেয়ার তুলে দেওয়া হয়েছে টাটার হাতে। সংস্থার ১২ হাজার কর্মীকে বহাল রাখবে টাটা।Shri N Chandrasekaran, the Chairman of Tata Sons called on PM @narendramodi. @TataCompanies pic.twitter.com/7yP8is5ehw PMO India (@PMOIndia) January 27, 2022প্রায় ৭০ হাজার কোটি টাকার লোকসান হয়েছিল এয়ার ইন্ডিয়ার। এই সংস্থার জন্য প্রত্যেকদিন সরকারের ক্ষতি হচ্ছিল ২০ কোটি টাকা করে। এর আগেও একবার এয়ার ইন্ডিয়ার বেসরকারিকরণের চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু বিপুল ঋণের বোঝা থাকার কারণে কোনও সংস্থা উৎসাহ দেখাচ্ছিল না। ফলে, তখন সফল হয়নি কেন্দ্র। বছরের পর বছর লাভের মুখ দেখেনি এয়ার ইন্ডিয়া। কার্যত ঋণের ভারে জর্জরিত হয়ে পড়েছিল। এ ভাবে সংস্থা আর চালানো সম্ভব হচ্ছিল না সরকারের পক্ষে।#FlyAI : Air India Limited, Air India Express AISATS (AI stake) have become part of the Tata Group today.Senior Officials of @TataCompanies , @SecyDIPAM and @MoCA_GoI met at Airlines House New Delhi. pic.twitter.com/HA4aEkVwWX Air India (@airindiain) January 27, 2022গত বছর অক্টোবরে এয়ার ইন্ডিয়াকে ১৮ হাজার কোটি টাকার বিনিময়ে টাটা গোষ্ঠীর অনুসারি সংস্থা টালাস প্রাইভেট লিমিটেডকে বিক্রি করে কেন্দ্রীয় সরকার। এর পর থেকেই শুরু হয়ে যায় বিক্রির সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য প্রক্রিয়া। চুক্তি অনুযায়ী, এয়ার ইন্ডিয়ার পাশাপাশি এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস এবং এয়ার ইন্ডিয়া স্যাটস (গ্রাউন্ড হ্যান্ডেলিং বা উড়ান বাদে অন্যান্য বিষয় সামলানো হয় যে সংস্থাকে দিয়ে)-এর ৫০ শতাংশ শেয়ারও টাটা গোষ্ঠীর অনুসারি সংস্থার কাছে হস্তান্তর হয়। বৃহস্পতিবার শেষ হল ১০০ শতাংশ শেয়ার হস্তান্তর প্রক্রিয়া এবং সেই সঙ্গে পরিচালন ক্ষমতা সম্পূর্ণ ভাবে তুলে দেওয়া হল টাটা গোষ্ঠীর হাতে। ফলে এয়ার ইন্ডিয়া নিয়ে টাটা গোষ্ঠীর সঙ্গে সরকারের লেনদেন আনুষ্ঠানিক ভাবে সমাপ্ত হল।

জানুয়ারি ২৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Dil Se : দিলসের সঙ্গে জুন মালিয়া

দিলসে এবং এক প্যাকেট উমিদ এর সহযোগিতায় একজন তরুণ ভারতীয়র উদ্যোগে তাদের পণ্যের প্রচার যাতে ভালোভাবে হয় সেই দিকটা মাথায় রেখে এনজিওগুলির জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে। যে প্ল্যাটফর্ম সকলের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ।খোয়াবনকেপারিন্দে একটি অনন্য প্ল্যাটফর্ম যা কিছু এনজিও ও কারিগরদের সম্মিলিত কাজ নিয়ে আসে। তাদের স্টেকহোল্ডারদের কাছে পৌঁছানোর জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে দেয়। এই দিলসে ও খোয়াবনকেপারিন্দের যৌথ উদ্যোগে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা পিছিয়ে পরা ছেলে-মেয়েদের পাশে দাঁড়ালো। এই উপলখ্যে তারা একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এখানে উপস্থিত ছিলেন টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জুন মালিয়া।এই উদ্যোগে সামিল হতে পেরে তিনি খুশি। জুন মালিয়া এদিন দিল সে-র বিভিন্ন আইটেম ঘুরে দেখেন এবং জানান সবকিছুর মধ্যেই একটা বিশেষত্ব রয়েছে। বর্তমান সময়ে এরকম উদ্যোগ সত্যিই খুব ভালো বলে জানান জুন মালিয়া। তাদের আগামী কাজগুলোর জন্য অনেক শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন এই টলি অভিনেত্রী।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Hema Malini : জন্মদিন উদযাপন করলেন হেমা মালিনী

আজ হেমা মালিনীর জন্মদিন। ৭৩ বছরে পা দিলেন তিনি। এই বিশেষ দিনে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটালেন। স্বামী ধর্মেন্দ্র, মেয়ে এশা দেওল, চলচ্চিত্র নির্মাতা রমেশ সিপ্পি এবং সঞ্জয় খানের সঙ্গে উদযাপন করছেন। সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন তিনি। ছবিতে দেখা যাচ্ছে অভিনেত্রীকে লাল সালোয়ার স্যুট পড়েছেন এবং ধর্মেন্দ্র তার সঙ্গে মিলিয়ে ড্রেস- আপ করেছেন। ক্যাপশনে লিখেছেন,পরিবার এবং কয়েকজন ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের সঙ্গে বাড়িতে জন্মদিন উদযাপন। এর আগে এশা ইনস্টাগ্রামে গিয়ে একটি ছবি শেয়ার করেছিলেন যেখানে তাকে তার মায়ের উপর ঝুঁকে থাকতে দেখা গিয়েছে। মা-মেয়ের জুটি কুর্তা চুড়িদার সেটে তাদের পোশাক জোড়া করেছিল। এশার পোশাকের গোলাপী ফুলের নকশা ছিল ও হেমার পোশাকে সূচিকর্ম এবং নীল রঙে শোভিত ছিল। তার জন্মদিন-বিশেষ পোস্টে এশা তার মায়ের জন্য লিখেছেন শুভ জন্মদিন মা।তোমাকে ভালোবাসি। তুমি ধন্য, সুখী এবং সুস্থ থাক।এশা হেমা ও ধর্মেন্দ্রের বড় মেয়ে। এই দম্পতির একটি ছোট মেয়ে অহনাও রয়েছেন।

অক্টোবর ১৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sonam Malik : ‌অলিম্পিকের প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় সোনম মালিকের

অলিম্পিক অভিষেকে দাগ কাটতে ব্যর্থ ভারতীয় কুস্তিগীর সোনম মালিক। মহিলাদের ৬২ কেজি বিভাগে এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে রূপোজয়ী মঙ্গোলিয়ার বোলোরতুয়া খুরেলখুর কাছে প্রথম রাউন্ডেই হেরে টোকিও থেকে বিদায় নিতে হল ১৯ বছরের সোনমকে। রেপেচেজ রাউন্ডে খেলে আবার টুর্নামেন্টে ফিরে আসার সুযোগও হারিয়েছেন এই ভারতীয় মহিলা কুস্তিগীর। সোনমকে প্রথম রাউন্ডে হারানো বোলোরতুয়া খুরেলখু দ্বিতীয় রাউন্ডে হেরে গেছেন। বোলোরতুয়া যদি দ্বিতীয় রাউন্ডে জিততেন, তাহলে রেপেচেজ খেলে আবার প্রতিযোগিতায় ফিরে আসার সুযোগ পেতেন সোনম।আরও পড়ুনঃ প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসেবে দুটি অলিম্পিক পদক, ইতিহাসে পিভি সিন্ধুএদিন মঙ্গোলিয়ার বোলোরতুয়া খুরেলখুর বিরুদ্ধে ম্যাচের শুরুটা দারুণভাবে শুরু করেছিলেন সোনম। শক্তিশালী বোলোরতুয়ার বিরুদ্ধে শুরুতেই পয়েন্ট ছিনিয়ে নিয়ে ২০ ব্যবধানে এগিয়ে যান ১৯ বছরের ভারতীয় কুস্তিগীর। কিন্তু অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ম্যাচে ফিরে আসেন এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে রূপোজয়ী ২৫ বছরের মঙ্গোলীয় কুস্তিগীর। একেবারে শেষ মুহূর্তে ২ পয়েন্ট সংগ্রহ করে ম্যাচে সমতা ফেরান বোলারতুয়া। টাচডাউনের ভিত্তিতে মূ্ল্যবান পয়েন্ট অর্জন করার জন্য তিনিই জয়ী হন।আরও পড়ুনঃ প্মাথায় চোট পেয়ে প্রথম টেস্ট থেকে ছিটকে গেলেন মায়াঙ্ক আগরওয়ালপ্রথম রাউন্ডে হারলেও ৬২ কেজি বিভাগের রেপেচেজ রাউন্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ পেতে পারতেন ভারতীয় কুস্তিগীর। যদি তাঁকে হারানো মঙ্গলিয়ার কুস্তিগীর ক্যাটেগরির ফাইনালে পৌঁছতেন। কিন্তু কোয়ার্টার ফাইনালে বুলগেরিয়ার তাইবে য়ুসেইনের কাছে হেরে প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নেন বোলোরতুয়া খুরেলখুর। ১০ এসইউপি পয়েন্ট নিয়ে মঙ্গোলিয়ার কুস্তিগীরকে হারিয়ে প্রতিযোগিতার সেমিফাইনালে পৌঁছে গিয়েছেন বুলগেরিয়ার প্রতিযোগী। ফলে রেপেচেজ রাউন্ডে খেলার সুযোগ পাননি সোনম মালিক।আরও পড়ুনঃ বেলজিয়ামের কাছে হেরে সোনার স্বপ্ন শেষ মনপ্রীতদেরঅলিম্পিক অভিষেকে প্রথম রাউন্ডে বিদায় নিয়ে হতাশ সোনম। অনেক প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে টোকিও অলিম্পিকে মূলপর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছিলেন সোনম। তিনি যে এই পর্যন্ত পৌঁছবেন, অনেকেই আশা করেননি। ২০১৭ সালে এক জটিল স্নায়ুর রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন এই কুস্তিগীর। সোনমের ডান হাত এবং কাঁধ পুরোপুরি অসাড় হয়ে গিয়েছিল। সেখান থেকেই অন্য লড়াই শুরু হয়েছিল সোনমের জীবনে। ঘটনার ৬ মাস পর ফের অনুশীলনে নেমে পড়েছিলেন। ২০১৮ সালেই ম্যাটে ফিরে এসেছিলেন। সে বছরের এশিয়ান ক্যাডেট ও ওয়ার্ল্ড ক্যাডেট চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন সোনম। ২০১৯ সালে আরও এক বিশ্ব ক্যাডেট চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা জিতেছিলেন সোনাম। তাঁকে সিনিয়র লেভেলে তুলে আনা হয়েছিল। ২০১৬ সালের রিও অলিম্পিকে ব্রোঞ্জজয়ী সাক্ষী মালিককে ২০২০ সালে লক্ষ্ণৌতে অনুষ্ঠিত জাতীয় ট্রায়ালে হারিয়ে দিয়েছিলেন সোনম।

আগস্ট ০৩, ২০২১
দেশ

Pegusas: দেশের গণতন্ত্রকে কলঙ্কিত করতেই পেগাসাস ষড়যন্ত্র

বাদল অধিবেশনের ঠিক একদিন আগে আচমকাই পেগাসাস প্রসঙ্গ সামনে আসা কাকতালীয় হতে পারে না। এমনটাই মনে করছেন, দেশের নতুন তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি নিশ্চিত, এই বিষয়টিকে হঠাৎ টেনে আনার নেপথ্যে কোনও ষড়যন্ত্র আছে। আর এই ষড়যন্ত্র অশ্বিনীর কথায়, আদতে দেশের গণতন্ত্র এবং সুপ্রতিষ্ঠিত পরিকাঠামোকে কলঙ্কিত করার চেষ্টা।লোকসভায় বাদল অধিবেশনের প্রথম দিনে যে পেগাসাস প্রসঙ্গে উঠবে, তা জানা ছিল। সেই মতো বক্তব্যও রাখেন অশ্বিনী। প্রধানমন্ত্রীর মন্ত্রিসভায় জায়গা পাওয়ার পর এই প্রথম লোকসভা অধিবেশন তাঁর। সোমবার তিনি বলেন, বৈদ্যুতিন যোগাযোগ ব্যবস্থায় নজরদারি চালানো আইনত বৈধ। জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থেই নজরদারি চালানো হয়ে থাকে। আর তা হয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়েই। তবে পেগাসাস নিয়ে রবিবার রাতের খবরটিকে অযথা অতিরঞ্জিত করে দেখানো হচ্ছে বলেই মত মন্ত্রীর। তিনি বলেছেন, গতকাল রাতে একটি ওয়েব পোর্টালে এ সংক্রান্ত অত্যন্ত স্পর্শকাতর একটি খবর প্রকাশিত হয়েছে। খবরটি ঘিরে বহু অতিরঞ্জিত অভিযোগও তোলা হয়েছে। সংসদে বাদল অধিবেশন শুরুর ঠিক এক দিন আগে ওয়েব পোর্টালে এ সংক্রান্ত রিপোর্ট প্রকাশের ঘটনা আর যা-ই হোক কাকতালীয় হতে পারে না। মন্ত্রীর কথায়, ওই রিপোর্টে স্পষ্টতই ভারতীয় গণতন্ত্র এবং ভারতের সুসংহত প্রতিষ্ঠানকে কলঙ্কিত করার চেষ্টা করা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ সাদা বলের ক্রিকেটজীবন এখনও শেষ হয়নি, মনে করছেন কুলদীপ এর আগেও হোয়াটসঅ্যাপে নজরদারি সফটওয়্যার পেগাসাসের ব্যবহার নিয়ে অভিযোগ আনা হয়েছিল বলে জানান অশ্বিনী। বলেছেন, তখনও ওই অভিযোগের কোনও ভিত্তি ছিল না। আজও নেই। রবিবার দ্য ওয়্যার নামে একটি সংবাদ সংস্থার রিপোর্টে জানানো হয়েছিল, ভারতের বহু মন্ত্রী, বিরোধী নেতা, সাংবাদিকের ফোন হ্যাক করেছে ইজরায়েলি সংস্থার স্পাইওয়্যার পেগাসাস। লোকসভায় অশ্বিনী সরাসরি সে প্রসঙ্গে না গিয়ে জানিয়েছেন, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থেই কিছু কিছু ক্ষেত্রে বৈদ্যুতিন যোগাযোগ মাধ্যমে নজরদারি করা হয়। তবে তা আইন মেনেই করা হয়। প্রত্যেক নজরদারির ঘটনা আইন মেনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়েই হয়েছে। তা ছাড়া ভারতের মতো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় এত রকমের যাচাই ব্যবস্থার মধ্যে দিয়ে যেতে হয় যে আইনের বাইরে গিয়ে কোনও রকম নজরদারি করা সম্ভবই নয়। এ প্রসঙ্গে অশ্বিনীর বক্তব্য, ভারতের মতো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় এত রকমের যাচাই ব্যবস্থার মধ্যে দিয়ে যেতে হয় যে আইনের বাইরে গিয়ে কোনও রকম নজরদারি করা সম্ভবই নয়। বৈদ্যুতিন যোগাযোগ ব্যবস্থায় নজরদারি বা আড়ি পাতার অনুমতি রয়েছ ভারতীয় আইনেই। ভারতীয় টেলিগ্রাফ আইন (১৮৮৫)-এর ৫ (২) ধারা এবং তথ্যপ্রযুক্তি আইন (২০০০)-এর ৬৯ ধারাতে এই সুযোগ রয়েছে।

জুলাই ১৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

June Malia : নতুন সিনেমার শুটিং শুরু করলেন জুন মালিয়া

বিধায়ক হওয়ার পর প্রথমবার শ্যুটিং ফ্লোরে ফিরলেন অভিনেত্রী জুন মালিয়া। সৌজন্যে পরিচালক পীযূষ গঙ্গোপাধ্যায়ের ছবি জালবন্দি। শনিবার টুইট করে সেই ভিডিয়ো শেয়ার করেছেন তিনি। রাজনীতিতে আসার পর প্রথমবার শুটিং ফ্লোরে তাঁকে দেখা গেল। চোখে বড় রোদচশমা, মুখে হাল্কা মেকআপ, ক্যাজুয়াল পোশাকে ধরা দিয়েছেন জুন। সেট প্রস্তুত করছেন টেকনিশিয়ানরা, ভিডিয়োতে উঠে এসেছে তারই ঝলক। ক্যাপশনে অভিনেত্রী লেখেন, আপনি কতটা মাল্টিটাস্ক করতে পারেন এবং সামঞ্জস্য রক্ষা করতে পারেন, সেটাই সব। বিহাইন্ড দ্য সিন। পরিচালক পীযূষ গঙ্গোপাধ্যায়ের ছবি জালবন্দি-র ফ্লোর থেকে। এই সিনেমায় জুন মালিয়া ছাড়াও অভিনয় করবেন টলিউডের বেশ কিছু পরিচিত মুখ।আরও পড়ুনঃ ইচ্ছে ছবির ১০ বছর, আবেগে ভাসলেন পরিচালকবিধানসভা ভোটের আগে আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূলে যোগদান করেন জুল মালিয়া। এবারই প্রথম নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তিনি। প্রচারে কোনও খামতি রাখেননি জুন। ২০২১ বিধানসভা ভোটে তৃণমূল কংগ্রেসের হেভিওয়েট তারকা প্রার্থীদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন জুন। মেদিনীপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হন প্রথমবারেই। জনপ্রতিনিধি হিসেবে কাজের পাশাপাশি অভিনয়কেও সমান তালে বজায় রেখেছেন নায়িকা। জালবন্দি-র পাশাপাশি অরিন্দম শীলের খেলা যখন-এ যাবে তাঁকে। প্রথমবার একসঙ্গে কোনোও ছবিতে অভিনয় করবেন বিধায়ক জুন এবং সাংসদ মিমি।Its all about how you can multitask and strike a balance ! Behind the scenes ! From the floors of Jaalbandi directed by Piyush Ganguly pic.twitter.com/Rfs1mdlBfJ June Maliah (@MaliahJune) July 17, 2021

জুলাই ১৮, ২০২১
নিবন্ধ

ভগবানের সুরের ভাঁজে হৃদয় ভিজছে সকলের

তাঁর বেহালার সুরে মুগ্ধ পথচলতি মানুষ। ফুটপাথে বসে অশক্ত হাতের বাজানো একের পর এক সুরের মূর্ছনায় মোহিত হয়ে একটু হলেও দাঁড়িয়ে পড়েন অনেকেই। রুক্ষ পাকা চুল, পাকা দাঁড়ির ভবঘুরে ভগবান মালি সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেই ধীরে ধীরে উঠে আসতে শুরু করে ভগবানের কাহিনি।ছোটবেলা থেকেই বাবার কাছে বেহালায় হাতেখড়ি ভগবানবাবুর। তারপর সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অনেক কিছু পরিবর্তন হয়ছে। কিন্তু বেহালার সুর তাকে ছেড়ে যায়নি। তাই এই বিপদের সময়ে সেই বেহালার সুরকে আঁকড়ে ধরেই জীবনযুদ্ধে লড়ে চলেছেন তিনি। মূলত উত্তর কলকাতার রাস্তাতেই বেহালা বাজান ভগবান বাবু। মালদার বাসিন্দা হলেও কলকাতায় মেয়ে-জামাই রয়েছে। নাতনি হয়েছে খবর পেয়েই কলকাতায় আসা। আর তারপরেই লকডাউনে আটকে পড়া। এই পরিস্থিতিতে কাজ হারিয়েছে জামাই। তাই ছোট নাতনির মুখ চেয়ে রাস্তায় রাস্তায় বেহালা বাজিয়েই সারাদিন যা উপার্জন করেন, তাই দিয়েও মেয়ের সংসার চলে। কিন্তু ভিন রাজ্যে এই বৃদ্ধ দম্পতি একটু মাথা গোঁজার জায়গাটুকুও পায়নি। রাস্তার পাশেই রাত কাটান। সোশ্যাল মিডিয়ায় বৃদ্ধ বেহালাবাদককে দেখে তাঁর সঙ্গে আলাপ করতে আসেন তৃণমূল বিধায়ক তথা পরিচালক রাজ চক্রবর্তী। তাঁকে সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দেন। স্থানীয় বিধায়ক ও মন্ত্রী শশী পাঁজার সঙ্গে দেখা করে ভগবান বাবুর পরিবারকে একটি থাকার জায়গার ব্যবস্থা করে দিতে বলেন। যেমন কথা তেমন কাজও হয়। মাথার উপর ছাদ পান ভগবান মালির পরিবার।আরও পড়ুনঃ সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বিতর্কিত মন্তব্য করলেন তৃণমূল বিধায়কগত সপ্তাহে কলকাতা পুলিশের কমিউনিটি পুলিশিং উইং ও রক্ষক ফাউন্ডেশন নামক একটি স্বেচ্ছেসেবী সংস্থার যৌথ উদ্যোগে অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টসে সংবর্ধিত করা হয় এই প্রতিভাবান বেহালাবাদককে। আজ লালবাজারে একটি অনুষ্ঠানে মাননীয় নগরপাল সৌমেন মিত্র তাঁকে সংবর্ধিত করেন এবং একটি নতুন বেহালা উপহার দেন। উপহার পেয়ে আপ্লুত ভগবান মালি শুকনো ধন্যবাদ জানাননি। উপহার পাওয়া নতুন বেহালায় সুরের ভাঁজে সকলের হৃদয় ভিজিয়ে দিয়েছেন।

জুন ২৮, ২০২১

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

লন্ডনের রাস্তায় ভিক্ষুক কেন? বিষয়টা হল মন্ত্রীর বাচনভঙ্গী। আসল অভিমুখের সমস্যা দেখুন।

মানবিক আচরণ করুন, পার্কস্ট্রিটের ফুটপাথবাসী পরিবারের পাশে কুণালফুটপাথে শিশুর দুধ গরম করা নিয়ে পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যেই পার্কস্ট্রিটের ওই ফুটপাথবাসী পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। এদিন তিনি ওই পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। একই সঙ্গে পার্কস্ট্রিট থানার পুলিশের কাছেও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মানবিক আচরণের আবেদন জানান তিনি।কুণাল ঘোষের বক্তব্য, ফুটপাথে বসবাসকারী মানুষও সমাজেরই অংশ। তাঁদের সঙ্গে সহানুভূতিশীল ও মানবিক আচরণ করা প্রয়োজন। বিশেষ করে কোনও পরিবারের শিশু, মহিলা বা অসহায় সদস্যদের বিষয়টি বিবেচনা করে প্রশাসনের আরও সংবেদনশীল হওয়া উচিত বলেই মনে করেন তিনি।অগ্নিমিত্রা পালের আচরণ ও মন্তব্য প্রসঙ্গে কুণালের বক্তব্যের মূল সুর ছিলকোনও সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে অসহায় মানুষকে হেয় বা অপমান করা উচিত নয়। ফুটপাথে কেন কোনও পরিবারকে থাকতে হচ্ছে, সেই বৃহত্তর সামাজিক ও মানবিক সমস্যাটিও প্রশাসনকে দেখতে হবে। সামাজ মাধ্যমে এক ব্যক্তির প্রশ্নের উত্তরে কুনাল ঘোষ লেখেন, দিল্লী বা লন্ডনের রাস্তায় ভিক্ষুক কেন? রাস্তায় ভিক্ষুক এ বিষয়টার থেকেও গুরুত্বপূর্ন হল মন্ত্রীর বাচনভঙ্গী বলেন কুনাল ঘোষ।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাম ও তৃণমূল শিবির থেকে অগ্নিমিত্রা পালের সমালোচনা শুরু হয়েছে। বাম নেত্রী কনীনিকা ঘোষও পুরমন্ত্রীর আচরণের নিন্দা করেছেন।যদিও রাজনৈতিক চাপানউতোরের মাঝেই অগ্নিমিত্রা পালের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচি। তাঁর দাবি, ওই পরিবারের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই পুরমন্ত্রী পদক্ষেপ করেছিলেন। বিষয়টিকে নেগেটিভ ভাবে তুলে ধরা হচ্ছে বলেও দাবি তাঁর।ফলে ফুটপাথে শিশুর দুধ গরম করা নিয়ে শুরু হওয়া বিতর্ক ক্রমেই রাজনৈতিক তরজায় পরিণত হয়েছে। একদিকে ফুটপাথবাসী পরিবারের প্রতি মানবিক আচরণের দাবি, অন্যদিকে তাঁদের নিরাপত্তার যুক্তিদুই ভিন্ন অবস্থানকে ঘিরেই এখন সরগরম রাজ্য রাজনীতি।

আগস্ট ২৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

যুবভারতীতে লাল-হলুদ ঝড়, বাগানকে উড়িয়ে ২২ বছর পর ডুরান্ড ইস্টবেঙ্গলের

২২ বছরের অপেক্ষার অবসান। কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ফের ট্রফি ঘরে তুলল ইস্টবেঙ্গল। ডার্বির মঞ্চে এমন একতরফা জয় যে লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছেও ছিল প্রায় অবিশ্বাস্য। আর সেই জয়ের কেন্দ্রে একটাই নামএডমুন্ড লালরিনডিকা। দুরন্ত হ্যাটট্রিক করে তিনিই হয়ে উঠলেন রাতের নায়ক।গ্রুপ পর্বে মোহনবাগানের কাছে হারের যন্ত্রণা ছিল ইস্টবেঙ্গলের। ফাইনালের মঞ্চে সেই হারের জবাব দেওয়ার সুযোগও ছিল। কিন্তু জবাবটা যে এতটা নির্মম হবে, তা সম্ভবত কেউই ভাবেননি। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তুলে মাত্র ২২ মিনিটের মধ্যেই তিন গোল করে ইস্টবেঙ্গল কার্যত ম্যাচের ভাগ্য লিখে ফেলে।শুরুটা করেন বিপিন সিংহ। মোহনবাগানের রক্ষণ তখনও নিজেদের মধ্যে সামলে ওঠার চেষ্টা করছে। সেই সুযোগেই ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণ পৌঁছে যায় বিপজ্জনক জায়গায়। বিপিনের গোলের পর আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে লাল-হলুদ আক্রমণ। মুহূর্তের মধ্যে জোড়া গোল করে ব্যবধান বাড়িয়ে দেন এডমুন্ড।৩-০ পিছিয়ে গিয়ে মোহনবাগান কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিল। মনবীর সিংহ ব্যক্তিগত দক্ষতায় একটি গোল শোধও করেন। কিন্তু সেই প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই ফের গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন এডমুন্ড। এক ফাইনালের প্রথমার্ধেই চার গোলতার মধ্যে তিনটি একই ফুটবলারের! যুবভারতীর গ্যালারিতে তখন কার্যত লাল-হলুদ উৎসব।দ্বিতীয়ার্ধে মোহনবাগান ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ছিল ইস্টবেঙ্গলের হাতে। সবুজ-মেরুন আক্রমণে সেই ধার দেখা যায়নি, যা একটি ডার্বি ফাইনালে প্রত্যাশিত। বরং ইস্টবেঙ্গল সুযোগ পেলেই দ্রুত আক্রমণে উঠে এসেছে এবং আরও গোলের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। শেষ পর্যন্ত ৪-১ স্কোরলাইনেই শেষ হয় ম্যাচ।ইস্টবেঙ্গলের সাফল্যের অন্যতম বড় কারণ ছিল দলের সামগ্রিক সংগঠন। মাঝমাঠে মহম্মদ রশিদ ছিলেন অসাধারণ। বল নিয়ন্ত্রণ, পাসিং এবং খেলা পরিচালনায় বারবার তিনি মোহনবাগানের ছন্দ নষ্ট করেছেন। তাঁর সঙ্গে জিকসন সিংহ, আনোয়ার আলি এবং জয় গুপ্তারাও নিজেদের দায়িত্ব নিখুঁত ভাবে পালন করেন।অন্যদিকে মোহনবাগানের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হয়ে দাঁড়ায় রক্ষণ। শুভাশিস বসু, আলবের্তো রদ্রিগেজ়দের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব বারবার প্রকট হয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের দ্রুত আক্রমণের সামনে তাঁরা অনেক সময়ই দিশেহারা হয়ে পড়েন। বিশেষ করে তৃতীয় ও চতুর্থ গোলের ক্ষেত্রে রক্ষণভাগের ভুল চোখে পড়ার মতো।মাঝমাঠেও মোহনবাগান প্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে পারেনি। আপুইয়া এবং অনিরুদ্ধ থাপা কার্যত নিষ্প্রভ ছিলেন। আক্রমণে জেমি ম্যাকলারেনও একাধিক সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। মনবীর গোল করলেও দলকে ম্যাচে ফেরানোর মতো ধারাবাহিকতা তৈরি করতে পারেননি।ফাইনালের আগে মোহনবাগানের ক্লান্তি নিয়ে আলোচনা ছিল। শিলংয়ে সেমিফাইনাল, প্রতিকূল আবহাওয়া এবং কর্দমাক্ত মাঠে খেলার ধকলসবই ছিল। কিন্তু ডার্বির মতো বড় ফাইনালে সেই ক্লান্তিকে অজুহাত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ইস্টবেঙ্গলও একই টুর্নামেন্টের চাপ সামলে মাঠে নেমেছিল, অথচ তাদের ফুটবলারদের মধ্যে ছিল অনেক বেশি তাগিদ, ক্ষুধা এবং জয়ের মানসিকতা।আর সেই মানসিকতারই সবচেয়ে বড় প্রতিফলন এডমুন্ডের হ্যাটট্রিকে। তিন গোল করে শুধু ম্যাচের সেরা ফুটবলারই হলেন না, ডুরান্ডের ইতিহাসে ইস্টবেঙ্গলের প্রত্যাবর্তনের রাতটিকেও নিজের নামে লিখে দিলেন তিনি।মজার বিষয়, ম্যাচের বিভিন্ন পরিসংখ্যানে মোহনবাগান কিছু ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকলেও তার কোনও প্রভাব পড়েনি স্কোরলাইনে। কারণ ফুটবল শুধু বল দখল বা শটের সংখ্যা দিয়ে জেতা যায় নাবড় ম্যাচে প্রয়োজন সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত এবং সুযোগকে গোলে পরিণত করার ক্ষমতা। সেই পরীক্ষায় রবিবার সম্পূর্ণ সফল ইস্টবেঙ্গল।২২ বছর আগে শেষ বার ডুরান্ড কাপ জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর দীর্ঘ অপেক্ষা, হতাশা এবং একের পর এক অসম্পূর্ণ স্বপ্ন। সেই অপেক্ষার অবসান হল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে হারিয়েই। ফলে এই জয় শুধু একটি ট্রফি জয় নয়লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছে এটি দীর্ঘ অপেক্ষার পর ফিরে পাওয়া গৌরবের রাত।একদিকে এডমুন্ডের হ্যাটট্রিক, অন্যদিকে মোহনবাগানের রক্ষণভাগের বিপর্যয়সব মিলিয়ে যুবভারতীতে রবিবারের ডার্বি যেন হয়ে রইল এক লাল-হলুদ ঝড়ের রাত।তবে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের মনে হয়তো শেষ পর্যন্ত একটাই আক্ষেপ থেকে গেলচার নয়, আরও কয়েকটি গোল হতে পারত!

আগস্ট ২৩, ২০২৬
টুকিটাকি

কাঁচা কুমড়ো না পাকা কুমড়ো, কোনটি বেশি উপকারী?

কুমড়ো বাঙালির রান্নাঘরের অতি পরিচিত একটি সবজি। কাঁচা সবুজ কুমড়ো হোক বা পাকা হলুদ-কমলা কুমড়ো, দুটিরই রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ। তবে পরিপক্বতার সঙ্গে কুমড়োর পুষ্টি উপাদানে কিছুটা পরিবর্তন ঘটে। বিশেষ করে পাকা কমলা কুমড়ো বিটা-ক্যারোটিনের অন্যতম ভালো উৎস হিসেবে পরিচিত।কাঁচা কুমড়োতে তুলনামূলকভাবে ভিটামিন C-এর পরিমাণ বেশি থাকতে পারে। এতে ক্যালোরিও কম, ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণের খাদ্যতালিকায় এটি রাখা যেতে পারে। কিছু জাতের অপরিপক্ব কুমড়োতে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট কার্যকারিতাও দেখা যায়। তবে কাঁচা কুমড়ো রান্না করে খাওয়াই ভালো, কারণ তাতে হজম সহজ হয়।অন্যদিকে, পাকা হলুদ বা কমলা কুমড়োর প্রধান বৈশিষ্ট্য হল প্রচুর বিটা-ক্যারোটিন। শরীর এই উপাদানকে ভিটামিন A-তে রূপান্তর করে। ফলে চোখের স্বাস্থ্য, ত্বক এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে পাকা কুমড়ো উপকারী। এতে লুটেইন ও জিয়াজ্যানথিনের মতো অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টও রয়েছে। রান্না করলে কুমড়োর বিটা-ক্যারোটিন শরীর তুলনামূলক সহজে শোষণ করতে পারে।কুমড়োকে ক্যানসারের ওষুধ বা নিশ্চিত প্রতিরোধক বলা যায় না। তবে এতে থাকা ক্যারোটিনয়েড, পলিফেনল, ভিটামিন C ও E এবং খাদ্যআঁশ শরীরকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে ভূমিকা রাখতে পারে। তাই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে কুমড়ো খাওয়া উপকারী হতে পারে।কুমড়োর বীজেও রয়েছে প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর অসম্পৃক্ত চর্বি, জিঙ্ক, ম্যাগনেসিয়াম ও ভিটামিন E। হৃদ্স্বাস্থ্য ও সামগ্রিক পুষ্টির জন্য এগুলি গুরুত্বপূর্ণ।পুষ্টিগত বিচারে বিটা-ক্যারোটিনের জন্য পাকা কমলা কুমড়ো কিছুটা এগিয়ে থাকলেও কাঁচা কুমড়োকেও খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কারণ নেই। অল্প তেলে রান্না করে, অতিরিক্ত ভাজা বা চিনি এড়িয়ে কুমড়ো খাওয়াই ভালো। সব মিলিয়ে, বিভিন্ন ধরনের সবজি, ডাল ও স্বাস্থ্যকর খাবারের সঙ্গে কুমড়ো রাখলেই মিলবে বেশি সুষম পুষ্টি।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ওয়াকফ-অশান্তির মামলায় নাম, এবার তৃণমূল ছেড়ে অধীরের হাত ধরে কংগ্রেসে ইনজামুল! কেন এই দলবদল?

ওয়াকফ সংশোধিত আইনকে কেন্দ্র করে অশান্তির ঘটনার পর থেকেই বিতর্কে ছিলেন ধুলিয়ানের পুরপ্রধান ইনজামুল ইসলাম রাজা। এবার সেই ইনজামুলই তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দিলেন। রবিবার প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর হাত ধরে কংগ্রেসে যোগ দেন তিনি। তাঁর এই দলবদল ঘিরে মুর্শিদাবাদের রাজনীতিতে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।গত বছর সংশোধিত ওয়াকফ আইনকে কেন্দ্র করে জঙ্গিপুরের সামশেরগঞ্জ, সুতি এবং ধুলিয়ানে অশান্তি ছড়িয়েছিল। সেই ঘটনায় ইনজামুল ইসলাম রাজার বিরুদ্ধে প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বর্তমানে সেই মামলা চলছে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইনজামুল। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।রবিবার ধুলিয়ানের কাঞ্চনতলা ঘাটে কংগ্রেসের যোগদান সভায় বড়সড় দলবদল হয়। ইনজামুল ইসলাম রাজার পাশাপাশি ধুলিয়ান পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান খায়রুল আলম, কাউন্সিলর শরিফ শেখ, ফারহানা খাতুন-সহ একাধিক কাউন্সিলর এবং তৃণমূলের কর্মীরা কংগ্রেসে যোগ দেন। একই দিনে মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের প্রাক্তন সহকারী সভাধিপতি ওবায়দুর রহমানও কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন।ইনজামুলের দলবদলকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিজেপির দক্ষিণ মালদহ সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি মিলন ঘোষ কটাক্ষ করে দাবি করেন, তৃণমূলের দুর্নীতি থেকে বাঁচতেই অনেকে দলবদল করছেন। সামশেরগঞ্জের অশান্তিতে যাঁদের নাম উঠেছিল, তাঁরাও নিজেদের বাঁচাতে দল পরিবর্তন করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। তবে দলবদল করেও তাঁরা আইনি পরিস্থিতি থেকে রেহাই পাবেন না বলেও দাবি করেন বিজেপি নেতা।বিজেপির এই অভিযোগ অবশ্য সরাসরি খারিজ করেছেন ইনজামুল ইসলাম রাজা। তাঁর দাবি, সামশেরগঞ্জের অশান্তির সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ ছিল না। রাজনৈতিক কারণে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। সেই মামলার বিরুদ্ধে তিনি আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের এই ভাঙন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ধুলিয়ান পুরসভার একাধিক জনপ্রতিনিধির একসঙ্গে দলবদল স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষ করে ওয়াকফ-অশান্তির মামলা চলার মধ্যেই ইনজামুলের কংগ্রেসে যোগদান ঘিরে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।এ দিনের যোগদান সভায় উপস্থিত ছিলেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী, দক্ষিণ মালদহের সাংসদ ইশা খান চৌধুরী, ফরাক্কার বিধায়ক মনিরুল ইসলাম এবং জঙ্গিপুর মহকুমা কংগ্রেসের সভাপতি আলফাজুদ্দিন বিশ্বাস-সহ জেলা ও ব্লক স্তরের কংগ্রেস নেতৃত্ব।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ বাংলায় এত বড় বিনিয়োগ! জাহাজ শিল্পে পাঁচ প্রকল্পের সূচনায় বাড়ল আশার আলো

পশ্চিমবঙ্গে জাহাজ নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা শিল্পের পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বড় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সের ভবনে পাঁচটি সম্প্রসারণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। এই পাঁচটি প্রকল্পে মোট ৩৪০৪ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।এই উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে রাইচক CPR, টিম্বার পন্ট শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি, দামোদর শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি, রেডিয়াল ফোরজিং প্ল্যান্ট এবং ৩০০০ টন ওপেন-ডাই ফোরজিং প্রেস প্রকল্প। জাহাজ নির্মাণের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা উৎপাদনের ক্ষেত্রেও এই প্রকল্পগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।অনুষ্ঠানে বাংলায় বিনিয়োগ আনার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের ভূমিকার প্রশংসা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, বাংলায় শিল্প গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় জমি, দক্ষ মানবসম্পদ, পরিকাঠামো এবং কাঁচামাল রয়েছে। এতদিন এই সম্ভাবনাকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার একসঙ্গে কাজ করলে বাংলায় আরও বড় বিনিয়োগ আসতে পারে বলে বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, নতুন সরকারের আমলে কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বয়ের ফলে উন্নয়নের গতি আরও বাড়ছে।সীমান্ত সুরক্ষার প্রসঙ্গও উঠে আসে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জন্য জমি দেওয়া কোনও রাজনৈতিক বিষয় নয়, বরং রাজ্য সরকারের দায়িত্ব বলেই মন্তব্য করেন তিনি। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জন্য প্রয়োজনীয় জমির প্রায় ৯০ শতাংশ হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা জনগণনা সংক্রান্ত কাজও ফের শুরু হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে রাজ্যে বেকারত্ব কমাতে শিল্পায়ন এবং বড় বিনিয়োগের উপর জোর দেওয়ার কথা বলেন তিনি।গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সের সম্প্রসারণের ক্ষেত্রেও রাজ্য সরকার জমি এবং পরিকাঠামো সংক্রান্ত বিষয়ে সহযোগিতা করবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। ৩৪০৪ কোটি টাকার এই বিনিয়োগ দিয়েই উদ্যোগ শেষ নয়, আগামী দিনে বাংলায় আরও বড় বিনিয়োগ আসতে পারে বলেও আশা প্রকাশ করা হয়েছে।জাহাজ নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা উৎপাদনের পাশাপাশি এই ধরনের শিল্প প্রকল্পের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। বাংলাকে ফের দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ বলে বার্তা দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

মহাকাশে বদলে যাচ্ছে ভারতের ছবি! স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে কী বললেন মোদী?

জাতীয় মহাকাশ দিবসে দেশের মহাকাশ ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার দেশের প্রথম সারির মহাকাশ স্টার্টআপগুলির প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রে স্টার্টআপগুলির উদ্যম, উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং নতুন ভাবনার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জীবন আরও সহজ করতে মহাকাশ প্রযুক্তির নতুন ব্যবহার খুঁজে বার করার পরামর্শ দেন তিনি।মোদী বলেন, মহাকাশ প্রযুক্তিকে শুধু প্রচলিত কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। মানুষের দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানেও এই প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রার মান কীভাবে আরও উন্নত করা যায়, সেই বিষয়ে নতুন করে ভাবার পরামর্শ দেন তিনি।ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের ভবিষ্যৎ নিয়েও স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁদের আত্মবিশ্বাস এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার প্রশংসা করে তিনি সরকারি নীতির ধারাবাহিকতার উপর জোর দেন। তাঁর বক্তব্য, সরকারের সিদ্ধান্তের উপর মহাকাশ ক্ষেত্রে কাজ করা সংস্থাগুলির যে আস্থা তৈরি হয়েছে, তা ধরে রাখা অত্যন্ত জরুরি।বিশ্বের মহাকাশ অর্থনীতিতে ভারতকে আরও বড় জায়গায় নিয়ে যাওয়ার কথাও বলেন মোদী। তাঁর আশা, আগামী দিনে মহাকাশ ক্ষেত্রে কোনও বড় প্রযুক্তিগত সাফল্য এলেই বিশ্বের নজর ভারতের স্টার্টআপগুলির দিকে ঘুরবে। ভারতীয় সংস্থাগুলি যেন বিশ্ব মহাকাশ ক্ষেত্রে নিজেদের শক্তিশালী পরিচয় তৈরি করতে পারে, সেই লক্ষ্যেই এগোতে হবে বলে বার্তা দেন তিনি।মহাকাশ স্টার্টআপ, মহাকাশ সংস্থা এবং বৃহত্তর প্রযুক্তি ক্ষেত্রের মধ্যে আরও বেশি সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বিদেশে কাজ করা ভারতীয় দক্ষ পেশাদারদের দেশে ফিরে আসার প্রবণতাকেও ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর মতে, ভারতে এমন পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন, যাতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের দক্ষ মানুষ মহাকাশ ক্ষেত্রে কেরিয়ার গড়ার জন্য ভারতকে অন্যতম সেরা ঠিকানা হিসেবে বেছে নেন।মোদীর বক্তব্য, ভারতীয় মহাকাশ স্টার্টআপগুলির দ্রুত বৃদ্ধি আগামী দিনে বিশ্বের প্রতিভাবান পেশাদারদের আকৃষ্ট করতে পারে। শুধু দেশের প্রতিভা নয়, গোটা বিশ্বের দক্ষ মানুষকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্যেই এগোতে হবে। জাতীয় মহাকাশ দিবসে প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তায় মহাকাশ ক্ষেত্রে ভারতের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
রাজ্য

আবার নিম্নচাপের চোখরাঙানি! রবিবার থেকে মঙ্গলবার ভিজবে বাংলা, কোথায় ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা?

রবিবার থেকেই বাংলার আবহাওয়ায় ফের বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সকাল থেকেই আকাশ মেঘলা। উপকূলের দিকে ইতিমধ্যেই মেঘ ঢুকতে শুরু করেছে। ফলে রবিবার থেকে বৃষ্টি বাড়তে পারে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি চলতে পারে।গত সপ্তাহে নিম্নচাপের জেরে প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়েছিল দক্ষিণবঙ্গ। কলকাতা-সহ প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টি হয়েছিল। বহু জায়গায় জল জমে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ে। এর মধ্যেই বঙ্গোপসাগরে ফের একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। অগস্ট মাসে এটি তৃতীয় নিম্নচাপ বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। নতুন এই নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন রাজ্যে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নতুন নিম্নচাপটি বাংলা ও ওড়িশা উপকূলের কাছে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে উপকূলবর্তী এবং পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে বৃষ্টি বেশি হতে পারে। কলকাতায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে দুই মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়ায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে নিম্নচাপের মূল প্রভাব পড়তে পারে ওড়িশা এবং ছত্তীসগঢ়ে।দক্ষিণবঙ্গের পর মঙ্গলবার থেকে উত্তরবঙ্গেও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বুধবার কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে।বৃহস্পতিবারও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। ফলে সপ্তাহের শুরু থেকেই ফের বৃষ্টির দাপট দেখা দিতে পারে বাংলায়। নতুন নিম্নচাপের গতিপথ এবং শক্তি বদলালে বৃষ্টির পূর্বাভাসেও পরিবর্তন হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ব্রাজিল ম্যাচ বয়কটের ডাক বাইচুংয়ের, ‘স্থানীয় রাজনীতি’ বলে উড়িয়ে দিল ব্রাজিল! যুবভারতীর ম্যাচ ঘিরে তুঙ্গে বিতর্ক

৩ অক্টোবর কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ভারত বনাম ব্রাজিলের বহু প্রতীক্ষিত ফুটবল ম্যাচ। বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবল দলের বিরুদ্ধে ভারতের মাঠে নামার খবরে ইতিমধ্যেই ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। কিন্তু ম্যাচ যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে বিতর্কও। একদিকে এই ম্যাচ আয়োজনকে ঘিরে বিপুল খরচ এবং দেশের ফুটবল পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, অন্যদিকে এর জন্য ঘরোয়া ফুটবল সূচি ও জাতীয় দলের পরিকল্পনায় প্রভাব পড়ছে বলে অভিযোগ।এই পরিস্থিতিতেই ভারতীয় ফুটবলের কিংবদন্তি বাইচুং ভুটিয়া সরাসরি ব্রাজিল ম্যাচ বয়কটের ডাক দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, একটি মাত্র প্রদর্শনী ম্যাচের পিছনে বিপুল অর্থ খরচ না করে সেই টাকা দীর্ঘমেয়াদি ভাবে ভারতীয় ফুটবলের উন্নয়নে বিনিয়োগ করা উচিত। বাইচুংয়ের মতে, এমন ম্যাচের পিছনে অর্থ ব্যয় করলে তা দেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎকে এগিয়ে নেওয়ার বদলে উল্টে পিছিয়ে দিতে পারে।বাইচুংয়ের কথায়, ম্যাচ বয়কট করলে একটি স্পষ্ট বার্তা যাবে। ভবিষ্যতে এই ধরনের বড় ম্যাচ আয়োজনের আগে ফেডারেশনকে আরও সতর্ক হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।বিপুল খরচ, প্রশ্নের মুখে ঘরোয়া ফুটবলকলকাতায় ব্রাজিলকে নিয়ে ম্যাচ আয়োজন করতে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ কোটি টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। ম্যাচের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ব্রাজিলের পর্যবেক্ষক দল যুবভারতী পরিদর্শনও করেছে। স্টেডিয়ামের পরিকাঠামো নিয়ে তাদের তরফে কিছু উদ্বেগের কথাও উঠে এসেছে।এর পাশাপাশি সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে ভারতীয় ফুটবলের ঘরোয়া কাঠামো নিয়ে। ব্রাজিল ম্যাচকে কেন্দ্র করে আইএসএলের সূচি পিছিয়ে যাওয়ার জল্পনা তৈরি হয়েছে। ফলে ক্লাবগুলির প্রস্তুতি এবং গোটা মরসুমের পরিকল্পনা নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।অন্যদিকে ফিফা এশিয়ান কাপের বিষয়টিও নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। একই সময়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচ এবং অন্যান্য সূচির সংঘাতের কারণে ভারত এশিয়ান কাপ থেকে নাম প্রত্যাহার করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। যদিও এই বিষয়ে ব্রাজিল ফুটবল কর্তৃপক্ষের তরফে কোনও নিশ্চিত তথ্য তাদের কাছে নেই বলেই জানানো হয়েছে।বাইচুংয়ের প্রশ্নএক ম্যাচের জন্য এত টাকা কেন?বাইচুং ভুটিয়ার যুক্তি, ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে ৯০ মিনিটের ম্যাচ নিঃসন্দেহে ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে বড় আকর্ষণ। কিন্তু সেই আবেগের বাইরে গিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা ভাবতে হবে।তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, যদি এত বড় অঙ্কের অর্থ হাতে থাকে, তবে তা আগামী কয়েক বছরের জন্য দেশের ক্রীড়া পরিকাঠামো, প্রতিভা অন্বেষণ, প্রশিক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় তৈরিতে বিনিয়োগ করা যায় না কেন? তাঁর মতে, সেই বিনিয়োগ থেকে ভবিষ্যতে কমনওয়েলথ গেমস বা অলিম্পিক্সের মতো মঞ্চে পদক পাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।এবার পাল্টা বার্তা ব্রাজিলেরভারতীয় ফুটবল মহলে যখন ম্যাচ বয়কট নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে, তখন ব্রাজিলের ফুটবল কর্তাদের বক্তব্য পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতের অভ্যন্তরে এই ম্যাচ নিয়ে কী ধরনের বিতর্ক চলছে, তা নিয়ে ব্রাজিল কর্তৃপক্ষ বিশেষ চিন্তিত নয়। ম্যাচের সূচি পরিবর্তনেরও কোনও সম্ভাবনা নেই।বয়কট নিয়ে ব্রাজিলের তরফে বিশেষ মাথাব্যথা নেই বলেও ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। বরং এই ধরনের বক্তব্যকে স্থানীয় রাজনৈতিক বা অভ্যন্তরীণ বিতর্কের অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের দাবি।এশিয়ান কাপ থেকে ভারতের নাম প্রত্যাহারের বিষয়েও ব্রাজিল কর্তৃপক্ষের কাছে কোনও স্পষ্ট তথ্য নেই বলে জানা গিয়েছে। ফলে ভারতের অভ্যন্তরীণ ফুটবল পরিস্থিতির সঙ্গে ব্রাজিলের কলকাতা সফরকে যুক্ত করার কোনও কারণ দেখছে না পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।ভারত আমাদের সমর্থন করেছে, বলছে ব্রাজিলব্রাজিল দলের পক্ষ থেকে রড্রিগো কেতানোও এই ম্যাচের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর বক্তব্যের মূল সুরভারত বিশ্বকাপের সময়ে ব্রাজিলকে যে সমর্থন দিয়েছে, তার জন্য তারা কৃতজ্ঞ। কলকাতায় ম্যাচ আয়োজনকে তাই শুধু বাণিজ্যিক বা প্রদর্শনী ম্যাচ হিসেবে দেখছে না ব্রাজিল।ব্রাজিলের তরফে জানানো হয়েছে, এই ম্যাচে তারা নিজেদের সেরা ফুটবল উপহার দিতে চায়। অর্থাৎ ভারতের মাটিতে এসে শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা সারাই তাদের লক্ষ্য নয়; বরং ভালো পারফরম্যান্স করে ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে তুলতে চায় তারা।স্টিমাচের কটাক্ষেও বাড়ছে বিতর্কব্রাজিল ম্যাচ ঘিরে বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন ভারতের প্রাক্তন কোচ ইগর স্টিমাচও। তাঁর বক্তব্য, দেশের ঘরোয়া লিগ এবং জাতীয় দলের পরিকল্পনার মধ্যে এখনও প্রয়োজনীয় সামঞ্জস্য তৈরি হয়নি। সেই সমস্যা সমাধান না করে ব্রাজিল বা আর্জেন্টিনার মতো দলের বিরুদ্ধে ম্যাচ আয়োজন করা হলে তা ভারতীয় ফুটবলের জন্য উল্টে অস্বস্তির কারণ হতে পারে।অর্থাৎ একদিকে বাইচুংয়ের আর্থিক অগ্রাধিকারের প্রশ্ন, অন্যদিকে স্টিমাচের ঘরোয়া ফুটবলের কাঠামো নিয়ে অভিযোগসব মিলিয়ে ৩ অক্টোবরের ম্যাচ এখন শুধুমাত্র একটি ফুটবল ম্যাচে সীমাবদ্ধ নেই।ম্যাচ হবে, বিতর্কও চলবে?একদিকে ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে যুবভারতীতে ভারতকে দেখার স্বপ্নে ফুটবলপ্রেমীরা উত্তেজিত। অন্যদিকে দেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎ, বিপুল খরচ, আইএসএলের সূচি এবং জাতীয় দলের পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন প্রাক্তন ফুটবলার ও কোচেরা।ব্রাজিলের তরফে অবশ্য এখনও পর্যন্ত বার্তা স্পষ্টতারা ম্যাচ খেলতে প্রস্তুত এবং সূচি বদলের কোনও পরিকল্পনা নেই। ফলে ৩ অক্টোবর যুবভারতীতে ভারত-ব্রাজিল ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা যেমন বাড়ছে, তেমনই তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিতর্কও। এখন দেখার, শেষ পর্যন্ত মাঠের ৯০ মিনিট কি সমস্ত বিতর্ককে ছাপিয়ে যেতে পারে, নাকি ম্যাচ শেষ হওয়ার পরও ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যৎ নিয়ে এই প্রশ্নগুলি আরও জোরালো হয়ে ওঠে।

আগস্ট ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal