• ৪ ভাদ্র ১৪৩৩, শনিবার ২২ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

MLA

কলকাতা

রাতের অন্ধকারে হামলা! প্রবীণ নেতার বাড়ি ঘিরে চাঞ্চল্য, আতঙ্কে পরিবার

ভোট মিটতেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় অশান্তির খবর সামনে আসছে। সেই তালিকায় এবার যোগ হল ভবানীপুরের একটি ঘটনা। প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছে। তাঁর বাড়ির সামনে হুজ্জুতি হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে।জানা গিয়েছে, ভবানীপুরের রূপনারায়ণ নন্দন লেনে শোভনদেবের বাড়ির সামনে মঙ্গলবার রাতে এই ঘটনা ঘটে। এই বিষয়ে তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনার পর পরিবার নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন এই বর্ষীয়ান নেতা। পরিস্থিতির কারণে তিনি নাতনিকে স্কুলেও পাঠাতে পারেননি বলে জানা গিয়েছে।এদিকে, ভোট শেষ হওয়ার পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হিংসার অভিযোগ সামনে আসছে। তার মধ্যেই এই ঘটনা নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।সম্প্রতি হওয়া নির্বাচনে দীর্ঘদিন পর রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল ঘটেছে। বিপুল আসনে জয় পেয়ে সরকার গঠনের পথে রয়েছে বিজেপি। এই নির্বাচনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ নেতা পরাজিত হলেও বালিগঞ্জ কেন্দ্রে বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।তিনি তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে এই কেন্দ্রে লড়াই করেছিলেন। প্রতিদ্বন্দ্বীদের থেকে অনেক বেশি ভোট পেয়ে তিনি জয়ী হন। তাঁর প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা এক লক্ষেরও বেশি। প্রতিপক্ষ প্রার্থীদের তুলনায় তিনি অনেক ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন।এই জয়ের পরই তাঁর বাড়িতে হামলার অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

মে ০৬, ২০২৬
রাজ্য

ঠাকুরনগরে গোপন বৈঠক! বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে দেখা তৃণমূল বিধায়ক মুকুটমনির

চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় মতুয়া সম্প্রদায়ের একাংশের নাম বাদ পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই ঘটনায় উদ্বেগে রয়েছেন বহু মতুয়া ভোটার। তাঁদের আশঙ্কা, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে তারা ভোট দিতে পারবেন কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ একাধিকবার আশ্বাস দিলেও মতুয়া সমাজের মধ্যে সেই উদ্বেগ এখনও পুরোপুরি কাটেনি।এই পরিস্থিতির মধ্যেই রবিবার সন্ধ্যায় ঠাকুরনগরের ঠাকুরবাড়িতে নতুন রাজনৈতিক জল্পনা তৈরি হয়েছে। বনগাঁর বিজেপি সাংসদ ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে দেখা করতে যান রানাঘাট দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক মুকুটমনি অধিকারী। সূত্রের খবর, দুজনের মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে একান্তে আলোচনা হয়। এই সাক্ষাৎকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে।বিশেষ করে সামনে যখন বিধানসভা নির্বাচন, তখন এই বৈঠককে অনেকেই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন। প্রশ্ন উঠছে, এটি কি শুধুই সৌজন্য সাক্ষাৎ, নাকি এর পিছনে রয়েছে অন্য কোনও রাজনৈতিক ইঙ্গিত।তবে বৈঠক শেষে মুকুটমনি অধিকারী দাবি করেন, এটি শুধুমাত্র সৌজন্য সাক্ষাৎ। তাঁর কথায়, তিন প্রজন্ম ধরে আমরা ঠাকুরবাড়িতে আসছি। এর আগেও বহুবার এসেছি। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। দলবদল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভোটের আগে নানা ধরনের জল্পনা তৈরি হয়, কিন্তু বাস্তবে তেমন কিছু নেই।অন্যদিকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরও বলেন, এই সাক্ষাৎ সম্পূর্ণ সৌজন্যমূলক। তাঁর দাবি, মুকুটমনি অধিকারী গাড়ির পুজো দিতে ঠাকুরবাড়িতে এসেছিলেন। দলবদল নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি বলেও জানান তিনি।তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই সাক্ষাৎ ভবিষ্যতে বড় কোনও রাজনৈতিক বার্তার ইঙ্গিত দিতে পারে। কারণ ভোটের আগে দলবদল বা নতুন সমীকরণ তৈরি হওয়া বঙ্গ রাজনীতিতে নতুন কিছু নয়।উল্লেখ্য, দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রানাঘাট দক্ষিণ আসন থেকে বিজেপির প্রার্থী হয়ে জয়ী হয়েছিলেন মুকুটমনি অধিকারী। পরে লোকসভা নির্বাচনের আগে তিনি দল বদলে তৃণমূলে যোগ দেন এবং রানাঘাট লোকসভা আসনে তৃণমূলের প্রার্থী হন। যদিও সেই নির্বাচনে তিনি পরাজিত হন। এরপর তৃণমূলের টিকিটে রানাঘাট দক্ষিণ বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনে জয়ী হন।

মার্চ ০৮, ২০২৬
রাজ্য

পড়ুয়াদের সামনে শিক্ষকের অপমান? ঝাড়ু হাতে স্কুলে সাফাই অভিযানে বিধায়ক, তুমুল বিতর্ক

বলা নেই, কওয়া নেই। ক্লাস চলার সময় হঠাৎ করেই শ্রেণিকক্ষে ঢুকে পড়লেন বিধায়ক। কেন ক্লাসরুমের মেঝে নোংরা, তা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন করলেন শিক্ষকের কাছে। শিক্ষক অনুমতি ছাড়া এভাবে ঢুকে পড়ার প্রতিবাদ করতেই পড়ুয়াদের সামনেই শুরু হয়ে যায় তুমুল বাগবিতণ্ডা। ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার ইন্দাস ব্লকের কুশমুড়ি হাইস্কুলে। এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে চাপানউতোর।স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, অন্য দিনের মতো এ দিনও চতুর্থ পিরিয়ডে ক্লাস চলছিল। দোতলার একটি হলঘরে অষ্টম শ্রেণির বাংলা পড়াচ্ছিলেন শিক্ষক গোলক বিহারী বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় আচমকাই কোনও অনুমতি না নিয়েই শ্রেণিকক্ষে ঢুকে পড়েন ইন্দাসের বিজেপি বিধায়ক নির্মল ধাড়া। তিনি ঢুকেই জানতে চান, কেন ক্লাসরুমের মেঝে এত নোংরা।শিক্ষক জানান, স্কুলে কোনও চতুর্থ শ্রেণির কর্মী বা সাফাইকর্মী নেই। পড়ুয়ারাই নিজেরাই ক্লাসরুম পরিষ্কার রাখে। শিক্ষকরাও হাত লাগান। চতুর্থ পিরিয়ডের পরেই ঘর পরিষ্কার করার কথা ছিল বলেও তিনি জানান।এরপর শিক্ষক বিধায়কের কাছে প্রশ্ন তোলেন, কেন অনুমতি না নিয়ে ক্লাসরুমে ঢোকা হল। এই প্রশ্নে ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন বিধায়ক। পড়ুয়াদের সামনেই শুরু হয় দুজনের তর্কাতর্কি। বিধায়ক আঙুল তুলে বলেন, তাঁকে কেন অনুমতি নিতে হবে। বেশ কিছুক্ষণ বচসার পর তিনি শ্রেণিকক্ষ থেকে বেরিয়ে আসেন এবং ঝাড়ু হাতে নিয়ে স্কুল চত্বর পরিষ্কার করতে শুরু করেন।এই ঘটনায় অপমানিত বোধ করছেন শিক্ষক গোলক বিহারী বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, ছাত্রছাত্রীদের সামনে এভাবে আচরণ করা ঠিক হয়নি। যদিও পরে অনুমতি না নিয়ে ক্লাসে ঢোকার বিষয়টি নিজের ভুল বলে স্বীকার করেছেন বিধায়ক নির্মল ধাড়া।ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ইন্দাস ব্লক সভাপতি শেখ হামিদ এই আচরণের কড়া নিন্দা করেছেন। তিনি বলেন, শিক্ষাঙ্গনে এ ধরনের আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তাপ বেড়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

আবারও হামলা বিজেপি নেতার উপর? উত্তর ২৪ পরগনায় উত্তেজনা চরমে

উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ উত্তরে বিজেপি বিধায়ক অশোক কীর্তনীয়ার পরিবারের উপর হামলার অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, তাঁর পরিবারের গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। ঘটনার দায় তৃণমূলের দিকে তুলেছে বিজেপি। তবে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে শাসকদল।এর আগে বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু এবং বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ হামলার শিকার হয়েছিলেন। এবার অভিযোগ উঠল বিজেপি বিধায়কের পরিবারের উপর আক্রমণের। জানা গিয়েছে, গোপালনগর থানার বেলডাঙায় একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন অশোক কীর্তনীয়ার পরিবার। সেখান থেকে বেরিয়ে আসার সময় দুষ্কৃতীরা তাঁদের গাড়ি ঘিরে ধরে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। গাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়।সূত্রের খবর, ওই গাড়িতে অশোক কীর্তনীয়ার পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি বনগাঁ দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক স্বপন মজুমদারের শাশুড়িও ছিলেন। অশোক কীর্তনীয়ার দাবি, তৃণমূলের কর্মীরাই তাঁর পরিবারকে পুড়িয়ে মারার চক্রান্ত করেছিল এবং গাড়ি ভেঙে তছনছ করেছে। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। সঠিক বিচার না হলে বনগাঁ অচল করে দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন বিজেপি বিধায়ক।অন্যদিকে গোপালনগর ব্লক ১ তৃণমূলের সভাপতি তাপস পাল জানিয়েছেন, স্থানীয় কিছু সাধারণ মানুষ বিধায়কের গাড়ি থামানোর চেষ্টা করেছিলেন। তাঁর দাবি, এসআইআর ইস্যুতে কিছু মানুষ প্রশ্ন তুলেছিলেন এবং সেই সময় উত্তেজনা তৈরি হয়। ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি শুনেছেন, তবে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই বলেই দাবি করেছেন তিনি।ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। বনগাঁয় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও এসআইআর ইস্যু ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক সংঘাত সামনে এল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তদন্তের দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
রাজ্য

তৃণমূলের মিছিলে ভাতারে বিধায়কের বিরুদ্ধে চোর চোর স্লোগান, মুচকি হাসি বিরোধীদের

বিধানসভা ভোটের আগে প্রার্থী হওয়ার দাবিদারের লড়াই চরমে উঠেছে। ভাতারের তৃণমূল কংগ্রেসের মিছিলে চোর চোর স্লোগান উঠলো। তবে এই চোর চোর স্লোগান বিজেপির বিরুদ্ধে ছিল না। ভাতারের তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশের বিরুদ্ধেই এই চোর চোর স্লোগান উঠেছে মুহূর্মুহু। এই মিছিলে নেতৃত্ব দেন ভাতারের প্রবীণ তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন বিধায়ক বনমালী হাজরা। ভাতারের এই মিছিলে স্লোগান ওঠে, মানু চোর, শান্তনু চোর। কেন তাঁদের চোর বলা হচ্ছে? মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, পঞ্চায়েত সমিতি থেকে গ্রামপঞ্চায়েত, সর্বত্র লক্ষ লক্ষ টাকা দুর্নীতি হচ্ছে। লুঠপাট চলছে। পকেট ভরছে নেতারা। তাদের দাবি, মানগোবিন্দ অধিকারীকে আর যেন বিধায়কপদের টিকিট না দেওয়া হয়। প্রার্থী করতে হবে বনমালী হাজরাকে।সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে বিধায়ক পদের টিকিট পাওয়া নিয়ে তৃণমূলের মধ্যে দড়ি টানাটানি চলছে। কে হবেন বিধানসভার প্রার্থী, এখন সেই প্রতিযোগিতা চলছে। বর্ধমান জেলার প্রায় প্রতিটি জায়গায় দলের তরফে দুই পক্ষের মিছিল হয়। বর্ধমানে কখনও বিধায়ক খোকন দাসের নেতৃত্বের মিছিল হয়, আবার কখনও কাউন্সিলর রাসবিহারী হালদারের নেতৃত্বে পৃথক মিছিল হয়। ভাতারেও সেই অবস্থা চলছে। সেখানে একাংশ চাইছে মানু অধিকারী নয়, বনমালী হাজরাকে তৃণমূল প্রার্থী করুক। তবে তৃণমূলের মিছিলেই নেতৃত্বের বিরুদ্ধে চোর চোর স্লোগানে মুচকি হাসছে বিরোধী শিবির।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
রাজ্য

ডেডলাইন পেরোল, তবু এফআইআর নেই! কমিশনকে উল্টে হুঁশিয়ারি তৃণমূল বিধায়কের

নির্বাচন কমিশনের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা পেরিয়ে গিয়েছে। ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় কেটে গেলেও ফরাক্কার তৃণমূল বিধায়ক মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে এখনও কোনও এফআইআর দায়ের হয়নি। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বহাল তবিয়তেই রয়েছেন তিনি। উল্টে প্রকাশ্য সভা থেকে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধেই এফআইআর করার হুঁশিয়ারি দিতে শোনা গিয়েছে তাঁকে।মনিরুল ইসলামের দাবি, এসআইআর সংক্রান্ত প্রক্রিয়ার জেরে বহু মানুষ সমস্যায় পড়েছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এই পরিস্থিতিতে একাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে, এমনকি আত্মহত্যার ঘটনাও ঘটেছে। তাই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধেই গণ এফআইআর হওয়া উচিত বলে তিনি দাবি করেন। মঞ্চ থেকে কমিশনকে কার্যত চোখরাঙান ফরাক্কার বিধায়ক।তবে প্রকাশ্যে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেও চিঠিতে সম্পূর্ণ ভিন্ন সুরে কথা বলেছেন মনিরুল ইসলাম। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর করার কথা উঠতেই তিনি নির্বাচন কমিশনের অধীনে থাকা ইআরও-কে একটি চিঠি পাঠান। সেই চিঠিতে তিনি লেখেন, তিনি নির্বাচন কমিশনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং সংবিধান মেনেই কাজ করেন।উল্লেখ্য, গত ১৪ জানুয়ারি ফরাক্কার বিডিও অফিসে ব্যাপক অশান্তি ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। সেই সময় মঞ্চ থেকে মনিরুল ইসলাম বলেন, তাঁকে ভয় দেখিয়ে কোনও লাভ নেই। আদালত সকলের জন্যই খোলা আছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। একই সঙ্গে গণহারে এফআইআর করার ডাকও দেন বিধায়ক।ফরাক্কার ঘটনা ঘিরেই রাজ্যে এসআইআর সংক্রান্ত অশান্তির সূত্রপাত বলে মনে করা হচ্ছে। এরপর চাকুলিয়া, সন্দেশখালি ১ নম্বর ব্লক, ইটাহার সহ একাধিক জায়গায় বিডিও অফিস ও শুনানি কেন্দ্রে ভাঙচুরের অভিযোগ সামনে এসেছে। ধীরে ধীরে এই অশান্তি রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ে।ফরাক্কার ঘটনার পর জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তরফে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে সরাসরি মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপরেই নড়েচড়ে বসেন তৃণমূল বিধায়ক। চিঠিতে তিনি জানান, তাঁর বক্তব্যের উদ্দেশ্য কমিশনকে আঘাত করা নয়। বরং সাধারণ মানুষ যাতে তাঁদের ভোটাধিকার নিয়ে সমস্যায় না পড়েন, সেই বিষয়টি বোঝাতেই তিনি কথা বলেছেন। নিজের বক্তব্যের জন্য দুঃখপ্রকাশও করেছেন তিনি। এই চিঠি ইতিমধ্যেই জেলা নির্বাচন আধিকারিকের কাছে পাঠানো হয়েছে।এদিকে বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষের অভিযোগ, ইচ্ছাকৃতভাবে ভয় দেখানো, ভাঙচুর ও অশান্তির পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, শুধুমাত্র এফআইআর করার নির্দেশ দিলেই চলবে না। নির্বাচন কমিশনকে সাংবিধানিক স্তরে কঠোর পদক্ষেপ করতে হবে।

জানুয়ারি ২৩, ২০২৬
কলকাতা

CEO দফতরের সামনে নজিরবিহীন ধুন্ধুমার! মুখোমুখি বিএলও আর বিজেপি বিধায়করা

সোমবার সকাল থেকেই কলকাতার মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের দফতরের সামনে তুমুল উত্তেজনার ছবি ধরা পড়ল। একেবারে নজিরবিহীন পরিস্থিতি তৈরি হয়। একদিকে তৃণমূলপন্থী বিএলও-দের একাংশ স্মারকলিপি জমা দিতে দফতরের সামনে জমায়েত করেন। ঠিক সেই সময় পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী বিজেপি বিধায়করা সেখানে পৌঁছন। শুরু হয় স্লোগান আর পাল্টা স্লোগান। মুহূর্তে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।বিএলও-দের দাবি ছিল, এসআইআর-এর কাজে যুক্ত থাকা মৃত কর্মীদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে এবং সাত দিনের সময়সীমা বাড়িয়ে অন্তত দুমাস করতে হবে। তাঁরা স্মারকলিপি দিতে এসেছিলেন। সকাল থেকেই ওই এলাকায় পুলিশের বিশাল বাহিনী মোতায়েন ছিল। বিএলও-রা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করতেই সেখানে পৌঁছে যান বিজেপি বিধায়করা। তাঁদের ঘিরে বিক্ষোভ আরও তীব্র হয়। পুলিশ ব্যারিকেড দেয়। সেই ব্যারিকেড টপকে অনেকেই সামনে চলে আসেন।এই উত্তপ্ত অবস্থার মধ্য দিয়েই বিজেপি বিধায়করা ভিতরে প্রবেশ করেন। তাঁরা প্রায় দেড় ঘণ্টা ভিতরে ছিলেন এবং মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল-এর সঙ্গে দেখা করে স্মারকলিপি জমা দেন। ভিতরে থেকেই ফেসবুক লাইভও করা হয়। রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ তুলে বলেন, ২৬, ২৭ এবং ২৮ নভেম্বরের ভোটার তালিকার সব এন্ট্রি আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে অডিট করাতে হবে।বিধায়করা বাইরে বেরোতেই পরিস্থিতি আরও তপ্ত হয়ে ওঠে। শুভেন্দুকে ঘিরে বিএলও-রা স্লোগান দিতে থাকেন। সেই সময় গাড়িতে ওঠার আগে শুভেন্দু গাড়ির দরজায় দাঁড়িয়ে হাত তুলে পাল্টা চোর চোর স্লোগান দেন। মুহূর্তে ভিড় আরও উত্তেজিত হয়ে ওঠে। গোটা পরিস্থিতি সামলাতে হিমশিম খায় পুলিশ।রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতার এই ধরনের প্রকাশ্য স্লোগান রাজ্যের রাজনীতিতে বিরল। দিনভর মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের দফতরের সামনে কার্যত রাজনৈতিক যুদ্ধক্ষেত্রের ছবি দেখা গেল।

ডিসেম্বর ০১, ২০২৫
রাজ্য

সেক্সটরশন চক্রের ফাঁদে পড়েছিলেন বর্ধমান দক্ষিণের MLA খোকন দাস, তদন্ত শুরু পুলিশের

বড়সড় সাইবার প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা পেলেন বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক খোকন দাস। কয়েক সেকেন্ডের ভুলেই যাঁরা লক্ষ লক্ষ টাকা খুইয়ে বসেন, সেই একই সেক্সটরশন চক্রের ফাঁদে পা দিতে দিতে অল্পের জন্য বেঁচে যান তিনি। অপরিচিত একটি নম্বর থেকে আসা ভিডিও কল রিসিভ করতেই তাঁর ফোনের স্ক্রিনে ভেসে ওঠে এক মহিলার আপত্তিকর ভিডিও। মুহূর্তের মধ্যেই বিষয়টি বুঝে নিয়ে কল কেটে দেন বিধায়ক এবং তড়িঘড়ি পৌঁছে যান বর্ধমান সাইবার থানায়।সাইবার থানায় লিখিত অভিযোগ জানানোর পর শুরু হয় তদন্ত। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বিধায়কের ফোনে আসা ওই ভিডিও কলটি এসেছে রাজস্থানের ভরতপুর এলাকা থেকে। টাওয়ার লোকেশন ট্রেস করেই কলকারীকে চিহ্নিত করেছে পুলিশ, এবং তাকে ধরতে ইতিমধ্যেই অভিযান শুরু হয়েছে।বিধায়কের ভাষায়, প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ নানা প্রয়োজনে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সেই তালিকায় থাকে অনেক অপরিচিত নম্বরও। কয়েকদিন আগে তেমনই একটি অপরিচিত নম্বর থেকে ভিডিও কল আসে। কল ধরে মুহূর্তেই তিনি দেখেন স্ক্রিনে চলছে মহিলার নগ্ন ভিডিও। যা সাধারণত সেক্সটরশন চক্রের প্রথম ধাপ। বুঝতে পেরে তিনি সঙ্গে সঙ্গে কল কেটে দেন এবং থানায় অভিযোগ জানান।পুলিশ জানাচ্ছে, রাজস্থানের বেশ কয়েকটি সাইবার গ্যাং রাতের দিকে এলোমেলো নম্বরে ভিডিও কল করে। কল ধরলেই চালানো হয় পর্ন ভিডিও। একই সঙ্গে স্ক্রিন রেকর্ড করে ভুক্তভোগী ও মহিলার ভিডিও একসঙ্গে জুড়ে ফেক আপত্তিকর ভিডিও বানানো হয়। এরপরই শুরু হয় ব্ল্যাকমেলিং। টাকা না দিলে সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি। এই চক্রের শিকার হয়ে কেউ সম্মানের ভয়ে টাকা দেন, কেউ আবার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত খুইয়ে বসেন।তদন্তকারী এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ভিডিও কলকারীকে চিহ্নিত করা গিয়েছে। তাকে ধরার প্রস্তুতি চলছে। রাজস্থানের এই সাইবার চক্রে ইতিমধ্যেই বাংলা ও অন্যান্য রাজ্যের বহু মানুষ প্রতারিত হয়েছেন। তবে বর্ধমানের এই বিধায়কের অভিযোগ দায়েরের ফলে এবার বিপাকে পড়তেই চলেছে সেক্সটরশন চক্র।

নভেম্বর ২৯, ২০২৫
রাজ্য

সাংসদের ওপর হামলায় রাজ্যকে নিয়ে বড় প্রশ্ন মোদির, কড়া জবাব মমতার

বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু ও বিধায়ক শঙ্কর ঘোষের ওপর হামলা নিয়ে রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তার পাল্টা কড়া জবাব দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সোশ্যাল মিডিয়া লিখেছেন, এটা খুবই দুর্ভাগ্যের এবং গভীর উদ্বেগের বিষয় যে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী একটি প্রাকৃতিক বিপর্যয় নিয়ে রাজনীতি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, কোনো উপযুক্ত অনুসন্ধানের জন্য অপেক্ষা না করেই তা-ও আবার যখন উত্তরবঙ্গের মানুষ ভয়াবহ বন্যা ও ধসের সঙ্গে যুঝছেন।যখন সমগ্র স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ ত্রাণ ও উদ্ধারের কাজে ব্যস্ত হয়ে আছে, তখন বিজেপি নেতারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় গিয়েছিলেন বিপুল সংখ্যক গাড়ির কনভয় নিয়ে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা নিয়ে এবং স্থানীয় পুলিশ ও প্রশাসনকে কোনো খবর না দিয়ে। রাজ্য প্রশাসন, স্থানীয় পুলিশ বা তৃণমূল কংগ্রেসকে কীভাবে এই ঘটনার জন্য দায়ী করা যাবে?এখানেই থামেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী পদের গরিমা নিয়েও। প্রশ্ন তুলেছেন মোদির নৈতিকতা নিয়েও। তাছাড়া কোনও প্রমান ছাড়াই প্রধানমন্ত্রী তৃণমূল কংগ্রেসকে দায়ী করেছে বলে দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি লিখেছেন, প্রধানমন্ত্রী তৃণমূল কংগ্রেস এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ওপর দোষারোপ করেছেন কিছুমাত্র প্রমাণ ছাড়া, আইনানুগ কোনো তদন্ত ছাড়া এবং কোনো প্রশাসনিক রিপোর্ট ছাড়া। এটা শুধু রাজনৈতিক নিম্নতা স্পর্শ করল না, যে সাংবিধানিক নৈতিকতা তুলে ধরতে প্রধানমন্ত্রী শপথ নিয়েছেন, সেই নৈতিকতারও লঙ্ঘন হল। যে কোনো গণতন্ত্রে আইন তার নিজস্ব পথ নেয় এবং কোনো ঘটনার দায় নির্ধারিত হয় যথাযথ প্রক্রিয়ায় -কোনো রাজনৈতিক বেদীর উচ্চতা থেকে করা একটি ট্যুইটের মাধ্যমে নয়।উত্তরবঙ্গ কাল যাবো, আজ কার্নিভাল !!!কার্নিভাল নাকি বাংলার ঐতিহ্য ! তা দশমীর চার দিন পর সরকারি অনুদান আর প্রশাসনিক চোখ রাঙানির জেরে প্রতিমা নিরঞ্জন আটকে রেখে, মিছিল করিয়ে ঘাটে যাওয়া কবে থেকে বাংলার ঐতিহ্য হয়ে গেলো?আর মুখ্যমন্ত্রী চটজলদি উত্তরবঙ্গ যেতে আগ্রহী নন কেন, pic.twitter.com/mD0TeqWIaz Suvendu Adhikari (@SuvenduWB) October 5, 2025মমতা বলেছেন, সংশ্লিষ্ট ঘটনা ঘটেছিল একটি কেন্দ্রে, যেখানে মানুষ নিজেরাই বিজেপির একজন বিধায়ককে নির্বাচন করেছেন। তথাপি এই ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসের তথাকথিত শক্তিমত্তা দেখায় প্রধানমন্ত্রী দ্বিচারিতা অনুভব করলেন না। এই ধরনের অসার এবং অতি-সরলীকৃত সাধারণীকরণ শুধু অপরিণতই নয়, তা দেশের সর্বোচ্চ পদের সঙ্গে মানানসইও নয়।

অক্টোবর ০৭, ২০২৫
রাজ্য

বিজেপি সাংসদ ও বিধায়কের ওপর হামলা, নিন্দা নরেন্দ্র মোদীর, ফোন রাজনাথ সিংয়ের

বন্যা ও ভমি ধ্বসে বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ। এরই মধ্যে নাগরাকাটায় বন্যা পরিস্থিতি দেখতে গিয়েছিলেন মালদা উত্তরের সাংসদ খগেন মুর্মু ও শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। তাঁদের ওপর তৃণমূল কংগ্রেস প্রাণঘাতী হমলা করেছে বলে অভিযোগ। মাথা ফেটে রক্তাক্ত হয়েছেন খগেন মুর্মু। আঘাত পেয়েছেন শঙ্কর ঘোষ। যদিও তৃণমূল অভিযোগ অস্বীকার করেছে। এবার এই ঘটনায় সোশ্যাল মিডিয়ায় মুখ খুললে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। জখম সাংসদের সঙ্গে কথা বলেছেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং।প্রধানমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। আক্রমণের তীব্র নিন্দা করেছেন। নরেন্দ্র মোদী এক্স হ্যান্ডেলে বলেছেন, যেভাবে আমাদের দলের সহকর্মীরাযাদের মধ্যে একজন বর্তমান সাংসদ ও বিধায়কও রয়েছেনপশ্চিমবঙ্গে বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সেবা করতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন, তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। এটি তৃণমূল কংগ্রেসের অসংবেদনশীলতা এবং রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলার করুণ রূপের স্পষ্ট প্রতিফলন।যেভাবে আমাদের দলের সহকর্মীরাযাদের মধ্যে একজন বর্তমান সাংসদ ও বিধায়কও রয়েছেনপশ্চিমবঙ্গে বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সেবা করতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন, তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। এটি তৃণমূল কংগ্রেসের অসংবেদনশীলতা এবং রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলার করুণ রূপের স্পষ্ট প্রতিফলন।আমার Narendra Modi (@narendramodi) October 6, 2025আমার একান্ত কামনা পশ্চিমবঙ্গ সরকার ও তৃণমূল কংগ্রেস এই কঠিন পরিস্থিতিতে হিংসায় লিপ্ত না হয়ে মানুষের সাহায্যে আরও মনোযোগী হোক। আমি বিজেপি কার্যকর্তাদের আহ্বান জানাই, তারা যেন জনগণের পাশে থেকে চলতি উদ্ধার কাজে সহায়তা করে যান।এদিকে নাগরাকাটায় বন্যা পরিস্থিতি পরিদর্শনে গিয়ে সাংসদ খগেন মুর্মু ও বিধায়ক শঙ্কর ঘোষের ওপর হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংজি। রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এক্স হ্যান্ডেলে বলেছেন, তিনি টেলিফোনে আমার সঙ্গে কথা বলে ঘটনার বিস্তারিত জানতে চান এবং স্পষ্ট বার্তা দেন রাজনীতিতে হিংসার কোনো স্থান নেই। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ এই অন্যায় ও অত্যাচার কখনো মেনে নেবে না। সবাই মিলে এই হিংসার রাজনীতি প্রতিহত করতে হবে। বাংলার মানুষ গণতন্ত্রের শক্তিতে বিশ্বাস রাখে।

অক্টোবর ০৭, ২০২৫
রাজ্য

BJP বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পালের আচমকা ব্রেন স্ট্রোক! ভর্তি হাসপাতালে

Agnimitra Paul:বিজেপির জনপ্রিয় বিধায়ক অগ্নিমিত্র পাল ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে বাড়িতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। এরপর দ্রুত এম বাইপাস সংলগ্ন এক বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে।হাসপাতালে পৌঁছেই সিটি স্ক্যান করা হলে জানা যায়, তাঁর ব্রেন স্ট্রোক হয়েছে। যদিও চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অবস্থা আশঙ্কাজনক নয়। স্নায়ুর উপর অতিরিক্ত চাপের কারণেই এই সমস্যা দেখা দিতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে। বর্তমানে তাঁকে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে রেখে চিকিৎসা চলছে এবং নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।উল্লেখ্য, গতকাল বিধানসভা অধিবেশনে শাসক তৃণমূল ও বিরোধী বিজেপির মধ্যে ব্যাপক গোলমাল হয়। এর জেরে বিজেপির পাঁচ বিধায়ককে সাসপেন্ড করেন অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। অগ্নিমিত্রা পাল তাঁদের অন্যতম ছিলেন। সেই ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বাড়িতে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি।হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আপাতত তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। কয়েকদিন পর্যবেক্ষণে রাখার পর তাঁকে ছুটি দেওয়া হতে পারে। এর আগেও তিনি শারীরিক সমস্যার কারণে একই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার কিছুদিন পর ফের অসুস্থ হয়ে পড়লেন এই বিজেপি বিধায়ক।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৫
রাজ্য

SSC-এর 'অযোগ্য' তালিকায় তৃণমূলের দাপুটে বিধায়কের ছেলের বউয়ের নামও

শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি) প্রকাশ করেছে অযোগ্য প্রার্থীদের তালিকা। শনিবার সন্ধ্যায় প্রকাশিত ওই তালিকায় নাম রয়েছে মোট ১৮০৪ জনের। তালিকা প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই নতুন করে চাপে পড়ল রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস।প্রকাশিত তালিকার ১২৬৯ নম্বরে রয়েছেন পানিহাটির তৃণমূল বিধায়ক তথা বিধানসভার মুখ্য সচেতক নির্মল ঘোষের পুত্রবধূ শম্পা ঘোষ। উত্তর চব্বিশ পরগনার নৈহাটির একটি স্কুলে শিক্ষকতা করতেন তিনি। তবে অযোগ্য প্রার্থীদের তালিকায় নিজের নাম প্রকাশ পাওয়ার বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে কোনও মন্তব্য করতে চাননি শম্পা ঘোষ।এছাড়া, রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার কাউন্সিলর কুহেলি ঘোষের নামও রয়েছে অযোগ্য প্রার্থীদের তালিকায়। তিনিও রাজপুরের এক স্কুলে শিক্ষকতার দায়িত্বে ছিলেন। শুধু তাঁরা নন, তালিকায় আরও আছেন পঞ্চায়েত থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্তরে দলীয় পদে থাকা নেতাদের আত্মীয়-স্বজন।এসএসসি জানিয়েছে, এই তালিকায় থাকা প্রার্থীদের মধ্যে অনেকে আবার নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আবেদন করেছিলেন। কমিশন তাঁদের আবেদনপত্র বাতিল করার পাশাপাশি অ্যাডমিট কার্ডও স্থগিত করেছে।রাজনৈতিক মহলের মতে, বিধানসভা ভোটের আগে শাসক দলের অস্বস্তি আরও বাড়ল এই তালিকা প্রকাশের ফলে। কারণ, অযোগ্য প্রার্থীদের মধ্যে সাধারণ প্রার্থীদের পাশাপাশি শাসক দলের জনপ্রতিনিধি এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের নাম উঠে আসায় বিরোধীরা নতুন করে রাজনৈতিক অস্ত্র পেয়ে গেল।

আগস্ট ৩১, ২০২৫
রাজ্য

জমি দখলের চেষ্টা তৃণমূল বিধায়ক ঘনিষ্ঠের, জোট বেঁধে তাড়ালেন মহিলারা

আবারও তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে জোর করে জমি দখল করার অভিযোগ। এবার ঘটনাস্থল নরেন্দ্রপুর থানা এলাকার খেয়াদাহ এক গ্রাম পঞ্চায়েতের হরপুর এলাকার।অভিযোগ, সোনারপুর উত্তর বিধানসভার বিধায়ক ফিরদৌসী বেগমের ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা সঞ্জীব হালদারের বিরুদ্ধে। হরপুর এলাকায় জোর করে সরকারি ওয়েটল্যাণ্ড দখল করার অভিযোগ।পাট্টাভুক্ত দখলকারি জমি দখল করে রেস্টুরেন্টে বানানোর চেষ্টা করলে এলাকার মহিলারা সেখানে উপস্থিত হয়ে সেগুলি ভেঙে দেয়। এমনকি তৃণমূল নেতার সাগরেদদের সেখানে তাড়িয়ে দেয়। সেই ভিডিও সোস্যাল মিডিয়াতে ভাইরালও হয়েছে।শুধুমাত্র হরপুর নয় খেয়াদাহ এক গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বিভিন্ন জায়গায় এভাবেই সরকারি জমি দখল করে ওয়েটল্যাণ্ডে কংক্রিটের নির্মাণ চলছে। যা দেখে না দেখার ভান প্রশাসনের।চাষীরা নিজেদের জমি ফিরে পেতে চায়! তবে আদৌ কি তাঁরা জমি ফিরে পাবেন নাকি কোন এক অজ্ঞাত কারণে আবারও চলবে এই জমি দখল! বলবে সময়।

আগস্ট ১৬, ২০২৫
রাজ্য

বর্ধমান জেলা তৃণমূল সভাপতি ও বিধায়কের প্রাণনাশের আশঙ্কায় তোলপাড়, বোমায় উড়েছে বাড়ি, মৃত্যু একজনের

পরিত্যক্ত বাড়িতে বোমা বাঁধার সময় বিরাট বিস্ফোরণে উড়ে গিয়েছে একাধিক বাড়ি। জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে বোমা বাঁধতে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে এক দুস্কৃতীর। জখম হয়েছে আরও তিন সদস্য। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার রাজৌর গ্রামে। এই বিষ্ফোরণের পর প্রাণনাশের আশঙ্কায় আতঙ্কিত খোদ পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি ও কাটোয়ার বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। জেলা তৃণমূলের শীর্ষনেতার আশঙ্কায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে জেলার রাজনৈতিক মহলে।রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, আমার ওপর হামলা হতে পারে। আমাদের কর্মীদের ওপর হামলা হতে পারে। তার জন্য়ই বোমা বাঁধা হচ্ছিল। স্থানীয় বাসিন্দা তুফান চৌধুরী বোমা বাঁধছিল। তুফানের মাথার ওপর হাত ছিল জঙ্গল শেখের। বোমা ফেটে বাড়ি উড়ে যায় কাটায়োরার রাজৌর গ্রামে। জঙ্গল শেখের পরিকল্পানা ছিল পার্টি অফিসে আক্রমণ করা। পুলিশ সূত্রে খবর, শুক্রবার রাত আনুমানিক ৯ টা নাগাদ রাজৌর গ্রামে ভয়ঙ্কর বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফেরণে মৃত্যু হয় বরকত শেখের(২৮)। এই দুষ্কৃতীর বাড়ি বীরভূমের নানুর থানার সিয়ালা গ্রামে। জখমরা হল সেখ তুফান চৌধুরী, ইব্রাহিম সেখ ও সফিক মণ্ডল। জখম তিন জনই রাজৌর গ্রামের বাসিন্দা। পুলিশ রাতেই চিকিৎসার জখম তিনজনকে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে তুফানকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পুলিশ তুফান চৌধুরীকে করেছে। এই তুফানই বোমা বাঁধার মূল পান্ডা। জানা গিয়েছে, তারা লম্বু শেখের বাড়িতে বোমা বাঁধছিল। গোটা ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ। ঘটনাস্থল ঘিরে রাখা হয়েছে। এলাকাবাসীদের অভিযোগ, বালি খাদানে দখলদারি করার উদ্দেশ্যেই এই বোমা বাঁধা হচ্ছিল। এতে নাম জড়িয়েছে প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর জঙ্গল শেখের। তার নির্দেশে তুফানরা বোমা বাঁধছিল বলে অভিযোগ। বোমা বেশ উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন বলে মনে করা হচ্ছে। জঙ্গল শেখের নেতৃত্বে বোমা বাঁধা হচ্ছিল বলে দাবি করেছেন তৃণমূল জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। ২০১৫ সালে কাটোয়া পুরসভা নির্বাচনে তৃণমূলের কাউন্সিলর হয়েছিলেন জঙ্গল শেখ। এমনকী পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান হয়েছিলেন। তখন রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় কংগ্রেসের বিধায়ক ছিলেন। পরে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। জঙ্গল শেখ দীর্ঘ দিন জেলে ছিলেন। এখন জামিনে ছাড়া পেয়েছেন।

জুলাই ০৫, ২০২৫
রাজ্য

রায়নার বিধায়কের কন্যার নামকরণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী

রায়নার বিধায়ক শম্পা ধারার শিশু কন্যার নামকরণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার বিধানসভাতেই বিধায়ক শম্পা ধারা কন্যা সন্তান নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সামনে হাজির হন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিধায়ক শম্পা ধারার শিশু কন্যার নাম রাখেন ঐশী। আশাপূরণ হওয়ায় শম্পা ধারা বেজায় খুশি। মেয়ের অন্নপ্রাসন অনুষ্ঠানের দিনও নির্দিষ্ট করে ফেলেছেন বিধায়ক। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ার জন্য শম্পা ধারা এদিন মুখ্যমন্ত্রী সহ সকল বিধায়ককে নিমন্ত্রণও করেন।শম্পা ধারার কন্যার এখন বয়স মাত্র সাড়ে চার মাস। বাংলার অগ্নিকন্যা তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অন্তত তাঁর কন্যার নামকরণ করে আশীর্বাদ করুন, এমনটাই স্বপ্ন ছিল রায়নার তৃণমূল বিধায়কের। সেই স্বপ্ন পূরণের লক্ষে নিজের শিশু কন্যাকে সঙ্গে নিয়ে সোমবার দুপুরে বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রীর ঘরের সামনে পৌছে যান পূর্ব বর্ধমানের বিধায়ক। মুখ্যমন্ত্রী ঘর থেকে বের হতেই বিধায়ক শম্পা তাঁর কন্যার নামকরণ করার জন্য মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ করেন। নিজের দলের বিধায়কের সেই অনুরোধ ফেরাননি মুখ্যমন্ত্রী।শম্পা ধাড়া জানান, চলতি বছরের ২৩ জানুয়ারি তাঁর কন্যা সন্তানের জন্ম হয়েছে। শম্পা ধারার কথা অনুযায়ী নাম করণ করে দেওয়ার পর তাঁর মেয়ের মাথায় হাত দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আশীর্বাদ করেছেন। এটাই তো তাদের কাছে অনেক বড় পাওয়া। এর জন্য তিনি গর্বিত বোধ করছেন।তাঁর খুব আনন্দও হচ্ছে।

জুন ১৭, ২০২৫
রাজনীতি

বর্ধমানে বিজেপি নেতা কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে, অভিযোগ অস্বীকার বিধায়কের

বিজেপি নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠলো বর্ধমানে। অভিযোগ, হামলাকারীরা বিজেপির মণ্ডল সভাপতির বাড়িতে চড়াও হয়ে বিজেপি কর্মীদের মারধর করার পাশাপাশি বাড়িতে ভাঙচুর ও লুঠপাট চালায়। তখন বিজেপির কার্য্যকারিনী কমিটির বৈঠকও চলছিল। বর্ধমান শহরের ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের রথতলা এলাকায় হওয়া এই ঘটনায় এলাকার বিধায়ক খোকন দাসের নাম জড়িয়েছে। বর্ধমান শহরের ৫ নম্বর মণ্ডল সভাপতি শুভঙ্কর রায়, মণ্ডলের সাধারণ সম্পাদক অসিত হালদার সহ আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাদের চিকিৎসা হয়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। বিজেপি নেতা তথা বিধায়ক শঙ্কর ঘোষের নেতৃত্বে বিশাল লামা, মনোজ ওরাও,পুনা ভাংরা ও পবন সিং সোমবার বর্ধমান জেলা বিজেপি দফতরে এসে পৌঁছান। এরপর আহত বিজেপি কর্মীদের দেখতে তারা সেখান থেকে চলে যান স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে । আহতদের কাছ থেকে হামলার ঘটনার সবিস্তার শুনে বিজেপি প্রতিনিধিরা ক্ষোভ ব্যক্ত করেন। শঙ্কর ঘোষ বলেন, শাসকদলের দুস্কৃতীরা চরম অন্যায় করছে। বিজেপির সংগঠন বিস্তারে ভয় পেয়ে তারা এসব করছে।ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপি জেলা যুবমোর্চার সম্পাদক দেবজ্যোতি সিনহার অভিযোগ, বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক খোকন দাসের বাড়ির শহরের রথতলা এলাকায়। বিধায়কের বাড়ির কাছেই বাড়ি রথতলা এলাকায় ৫ নম্বর মণ্ডলের মণ্ডল বিজেপি সভাপতি শুভঙ্কর রায়ের। রবিবার সন্ধ্যায় সেখানেই বুথ স্বশক্তিকরণ ও অপারেশন সিঁদুরের সফলতার কথা বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়া নিয়ে বিজেপি কর্মীরা বৈঠক করছিলেন।বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, বৈঠকের শেষদিকে হঠাৎ করেই বিধায়ক খোকন দাসের ঘনিষ্ঠ কয়েকজনের নেতৃত্বে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বিজেপি মণ্ডল সভাপতি শুভঙ্কর রায়ের বাড়িতে চড়াও হয়। তারা বিজেপি কর্মীদের মারধর করে। এমনকি মণ্ডল সভাপতির বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটতরাজও চালায় বলে অভিযোগ। ঘটনায় মণ্ডল সভাপতি সহ আরও বেশ কয়েকজন বিজেপিকর্মী আহত হন। চিকিৎসার জন্য তাদের বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়। খবর পেয়ে রাতেই বর্ধমান থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি সামাল দেয় । তৃণমূলের জেলা মুখপাত্র প্রসেনজিত দাসের দাবি, এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। বিজেপি নেতৃত্ব আইনের দ্বারস্থ হলে প্রশাসন উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে। বিজেপি বাজার গরম করার জন্যই তৃণমূলের নামে এসব মিথ্যা অভিযোগ করছে বলে প্রসেনজিত দাস মন্তব্য করেছেন। আর বিধায়ক খোকন দাস অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি রাতে ঝামেলার কথা শুনেছি। ওদের নিজেদের মধ্যে ঝামেলা। আমরা ওর মধ্যে নেই। মিথ্যা কথা বলা হচ্ছে। আমাদের কেউ হামলা করেনি। আর শুভঙ্কর রায় তো বাংলাদেশী। ওই একমাত্র এখানে থাকে। ওর গোটা পরিবার থাকে বাংলাদেশে। কি করে নাম তোলালো তা বুঝতে পারছি না। বিধায়কের এই বক্তব্যের পাল্টা জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র বলেন, নিজে বাংলাদেশি বলেই হয়তো বিধায়ক খোকন দাস সবাইকে বাংলাদেশি বানিয়ে দিতে চাইছে।

জুন ০৯, ২০২৫
রাজ্য

ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অশ্লীল ছবি নাবালিকার, মালদায় গ্রেফতার চারজন

নাবালিকাকে খাবারে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে অশ্লীল ছবি তোলার অভিযোগে পুরাতন মালদা থানা এলাকা থেকে চারজনকে গ্রেফতার করলো ঝাড়খণ্ডের রাঁচি জেলার পুলিশ। সোমবার পুরাতন মালদার কয়েকটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই চারজনকে গ্রেফতার করেছে রাঁচি জেলার পুলিশ। যদিও এই ঘটনায় আরও একজন গা ঢাকা দেওয়াই তাকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে দুইজন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পড়ুয়া এবং বাকি দুইজন একটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। এদিন ধৃত চারজনকে মালদা আদালতের মাধ্যমে সাত দিনের ট্রানজিট রিমান্ডে নিয়ে যাওয়ার জন্য আবেদন জানাই রাঁচি পুলিশ। ঝাড়খন্ডের রাঁচি জেলার নাগরি থানার অন্তর্গত আঙ্গোর রোড এলাকার একটি হোটেলেই পুরাতন মালদার ওই নাবালিকার ছবি তোলার পর ব্ল্যাকমেলের অভিযোগের ওঠে পাঁচ যুবকের বিরুদ্ধে। ওই নাবালিকার পরিবার পরবর্তীতে মালদায় এসে সংশ্লিষ্ট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। জিরো এফআইআর-এর ভিত্তিতে পুরাতন মালদা থানার পুলিশ রাঁচি জেলা পুলিশের কাছে অভিযোগপত্র পাঠিয়ে দেয়। তারপরেই ওই জেলার পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয় রাঁচি পুলিশ। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরাতন মালদা থানার মঙ্গলবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের নারায়ণপুর এলাকার এক চিকিৎসক তার ১৪ বছরের নাবালিকা মেয়েকে গত বছর নভেম্বর মাসে রাঁচিতে নিয়ে যান একটি স্কুলে ভর্তির বিষয়ের জন্য। সেই সময় রাঁচির যে হোটেলে ওই চিকিৎসক তার মেয়েকে নিয়ে উঠেছিলেন, সেই হোটেলে পুরাতন মালদা পুরসভা এলাকার ওই পাঁচজন যুবক ছিল। তারাও নিজেদের কাজে রাঁচিতে গিয়েছিল। সেই সুবাদে একে অপরের সঙ্গে পরিচয় হয়। এরপর সেই সময় রাতে ওই চিকিৎসক তার মেয়েকে হোটেল রুমে রেখে, বাইরে খাবার আনতে যান। তখন এই পাঁচ যুবক ফন্দি এঁটে ওই নাবালিকাকে খাবারের সাথে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। অচৈতন্য অবস্থায় ওই নাবালিকার অশ্লীল ছবি মোবাইলে তোলা হয়। পরে ওই নাবালিকাকে বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য হুমকি দেওয়া হয়। ৮ নভেম্বর এই ঘটনার পর ওই নাবালিকা রাঁচির হোটেলে অসুস্থ বোধ করে। তড়িঘড়ি চিকিৎসক বাবা মেয়েকে সঙ্গে করে নিয়ে মালদায় চলে আসেন। এরপর থেকে শুরু হয় ওই পাঁচ যুবকের ব্ল্যাকমেলের কর্মকাণ্ড। ঘটনার পর থেকেই কয়েকদিন ধরেই পুরাতন মালদার ওই পাঁচ যুবক ওই নাবালিকাকে ফোন করে মোটা টাকার দাবি করে। এরপরই মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে ওই নাবালিকা। মেয়ের মানসিক পরিস্থিতির বিষয়ে সন্দেহ হতেই তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন চিকিৎসকের পরিবার। এরপরই গোটা ঘটনার কথা বলে ফেলেন ওই নাবালিকা। বিষয়টি জানতে পেরে পরিবারের লোকেরা গত ১১ নভেম্বর পুরাতন মালদা থানায় এলাকার পাঁচজনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। পরবর্তীতে পুরাতন মালদা থানার পুলিশ জিরো এফআইআর-এর মাধ্যমে রাঁচি জেলার নাগরি থানায় সেই অভিযোগপত্র পাঠিয়ে দেয়। শুরু হয় তদন্ত। দুই মাস কেটে যাওয়ার পর জানুয়ারির মাসেই অভিযুক্তদের নামে ওয়ারেন্ট জারি করে রাঁচি আদালত। তারপরেই এদিন রাঁচি জেলার পুলিশ পুরাতন মালদা থানার সহযোগিতা নিয়ে অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেফতার করে। একজন পলাতক বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে ধৃতদের নাম, অভিষেক দত্ত, সোমনাথ শর্মা, শান্তনু মন্ডল এবং অর্কপ্রভ দত্ত। এদের বাড়ি পুরাতন মালদা পুরসভার চিতোরপুর এবং তৈলমুন্ডাই এলাকায়। এদিকে ওই নাবালিকার পরিবার জানিয়েছেন, মেয়েকে যখন রাঁচিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল সেই সময় পুরাতন মালদার এই পাঁচ যুবক একই হোটেলে উঠেছিল। নিজেদের এলাকার বলেই পরিচয় হয়। এরপরে ওই চারজন এরকম কাণ্ড ঘটবে ভাবতেই পারা যায়নি। নাবালিকাকে ব্ল্যাকমেইল করার জন্য মোটা টাকা দাবিও করেছিল অভিযুক্তরা। ওই নাবালিকা যদি রাঁচিতে ঘটনার কথা বলতো, তাহলে হয়তো সেখানে পুলিশকে অভিযোগ জানাতে যেত। পরবর্তীতে মালদায় ফিরে আসার পর বিষয়টি জানতে পারা যায়। এরপরই পুলিশের দ্বারস্থ হই। যদিও এদিন মালদা আদালতে যাওয়ার পথে এক অভিযুক্ত অর্কপ্রভু দত্ত জানিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানো হয়েছে। এরকম কোনও ঘটনায় ঘটেনি। পুরাতন মালদা থানার পুলিশ জানিয়েছে, এক নাবালিকাকে মোবাইলে অশ্লীল ছবি তুলে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগে রাঁচি জেলার পুলিশ মালদায় এসেছিল। সংশ্লিষ্ট থানার সহযোগিতা নিয়ে চারজন যুবককে গ্রেফতার করে ট্রানজি রিমান্ডে রাঁচিতে নিয়ে গেছে ঝাড়খণ্ডের পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৫
রাজনীতি

মালদায় তৃণমূল শীর্ষ নেতা বাড়ির সামনে গুলিবিদ্ধ, দিনের ঘটনায় নিরাপত্তার অভাববোধ করছেন তৃণমূল বিধায়ক

দিনের বেলায় শুট আউট মালদায়। গুলিবিদ্ধ তৃণমূল কাউন্সিলর ও প্রাক্তন জেলা সভাপতি দুলাল সরকার। ঝলঝলি আর মাতাল মোড় এলাকায় একটি বাইকে করে তিনজন এসে তাঁর পিছন থেকে গুলি চালায়। পরপর গুলি চালানো হয় তৃণমূল নেতাকে লক্ষ্য করে। একটি গুলি লাগে দুলাল সরকারের মাথায়। সংকটজনক পরিস্থিতিতে তাঁকে আনা হল মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।চাচোলের বিধায়ক নিহাররঞ্জন ঘোষ হাসপাতালে ছুটে যান। তিনি বলেন, তাঁর বাড়ির সামনে পিছন থেকে দুষ্কৃতীরা গুলি চালিয়েছে। এমার্জেন্সিতে আনা হয়েছে। মাথার পিছনের দিকে চারটে গুলি ছুড়েছে। চিকিৎসকরা গুলি বের করার চেষ্টা করছে। এমন ঘটন বাঞ্ছনীয় নয়। এই ধরনের ঘটনায় আমরা জনপ্রতিনিধিরা নিরাপত্তার অভাব বোধ করছি।

জানুয়ারি ০২, ২০২৫
রাজ্য

গুরুতর অভিযোগ তৃণমূলের চিকিৎসক বিধায়কের বিরুদ্ধে, ক্ষুব্ধ তারাপীঠ মন্দিরের সেবায়েতরা

এর আগে হুমকি, তোলাবাজি মাস্তানী সহ নানা অভিযোগ শোনা তৃণমূলের কোনও কোনও বিধায়কের বিরুদ্ধে। এবার বীরভূমের এক তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগে তোলপাড়। তিনি আবার পেশায় চিকিৎসক। সেই চিকিৎসাক্ষেত্রেই অভিযোগ উঠেছে।মত্ত অবস্থায় অপারেশন করার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের এক চিকিৎসক-বিধায়কের বিরুদ্ধে। প্রতিবাদে বুধবার অভিযুক্ত তৃণমূল বিধায়কের বাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখালেন তারাপীঠ মন্দিরের সেবায়েতরা। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূলের চিকিৎসক-বিধায়ক অশোক চট্টোপাধ্যায়। ঘটনাটি ঘটেছে তারাপীঠ শহরের একটি নার্সিংহোমে। বুধবার ওই নার্সিংহোম ও বিধায়কের বাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ দেখান তারাপীঠ মন্দিরের সেবায়েতরা। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর, স্ত্রীরোগ সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে দিন কয়েক আগে বীরভূমের হাসানের বিধায়ক চিকিৎসক অশোক চট্টোপাধ্যায়ের নার্সিংহোমে ভর্তি হয়েছিলেন তারাপীঠ মন্দির কমিটির সভাপতি তারাময় মুখোপাধ্যায়ের স্ত্রী সুজাতা মুখোপাধ্যায়। সুজাতাদেবী সাহাপুর পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যাও। অস্ত্রোপচারের পর সোমবার সুজাতাদেবীর মৃত্যু হয়।সুজাতা দেবীর স্বামী তথা তারাপীঠ মন্দির কমিটির সভাপতি তারাময় মুখোপাধ্যায়ের অভিযোগ, চিকিৎসক-বিধায়ক মত্ত অবস্থায় ভুল অপারেশন করেছিলেন। তারই জেরে তাঁর স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার পুর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তিনি। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত চিকিৎসক বিধায়ক। তবে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তারাপীঠ শহরের বাসিন্দাদের মধ্যে ছড়িয়েছে তীব্র চাঞ্চল্য।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২৪
রাজ্য

তৃণমূলের বিধায়ককে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআইয়ের, সেদিন কি হয়েছিল শ্মশানে?

আরজি কর মেডিকেল কলেজে ধর্ষণ এবং খুনের মামলায় পানিহাটির বিধায়ক নির্মল ঘোষকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে সিবিআই। আর জি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে যখন নির্যাতিতার মৃতদেহ সোদপুরের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল তখন মৃতদেহ শ্মশানে পোড়ানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল নির্মল ঘোষ। এমনই বেশ কিছু ছবি আগেই সিবিআই এর হাতে এসে পৌঁছেছিল তখন থেকেই সিবিআইয়ের নজরে ছিল নির্মল ঘোষ। যার জন্য বারবার ঘোলা থানার আইসিকে তলব করা হয়েছিল। তিনি গড়হাজির ছিলেন। এরপরই একাধিক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সেদিনের ভিডিও ফুটেজ দেখে সিবিআই। তারপরেই তলব।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৪
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

সেবাশ্রয় দুর্নীতি মামলায় বড় স্বস্তি অভিষেকের, ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কড়া পদক্ষেপে হাইকোর্টের নিষেধ

সেবাশ্রয় দুর্নীতি-সহ তিনটি মামলায় আপাতত বড় স্বস্তি পেলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য নির্দেশ দিয়েছেন, আগামী ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই তিন মামলায় অভিষেকের বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ করা যাবে না। আগামী ৭ সেপ্টেম্বর মামলাগুলির পরবর্তী শুনানি হবে।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মোট ১৬টি এফআইআর দায়ের হয়েছে বলে আদালতে জানানো হয়েছে। সেই এফআইআরগুলিকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। এর আগে পাঁচটি মামলায় রক্ষাকবচ পেয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ। এবার আরও তিনটি মামলায় অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ পেলেন তিনি। ফলে এখনও পর্যন্ত মোট আটটি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপে আদালতের সুরক্ষা রয়েছে।নতুন করে যে তিনটি মামলায় রক্ষাকবচ দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে দুটি বিষ্ণুপুর থানায় এবং একটি রবীন্দ্রনগর থানায় দায়ের হয়েছিল। জমি সংক্রান্ত দুর্নীতি এবং সেবাশ্রয় দুর্নীতির অভিযোগে ওই মামলাগুলি করা হয়েছিল। সেই মামলাতেই আপাতত অভিষেকের বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ না করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।শুক্রবার শুনানির সময় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়। রাজ্যের তরফে অভিষেককে রক্ষাকবচ দেওয়ার বিরোধিতা করা হয়। রাজ্যের আইনজীবীর বক্তব্য ছিল, মামলার নথি খতিয়ে না দেখে এই ধরনের সুরক্ষা দেওয়া উচিত নয়।এর পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি জানান, অভিষেকের বিষয়ে শুধু এই এজলাসেই নয়, হাইকোর্টের অন্য এজলাসেও বিভিন্ন নির্দেশ হয়েছে। এমনকি বিদেশে যাওয়ার অনুমতিও তাঁকে দেওয়া হয়েছে। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, গত মে মাস থেকে অভিষেকের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাগুলি শুনতে গিয়ে অন্য মামলার জন্য পর্যাপ্ত সময় দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তাঁকে অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ দেওয়া হল।এর আগে সই জাল সংক্রান্ত মামলাতেও অভিষেকের রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়িয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। সেই সুরক্ষা আগামী নভেম্বর পর্যন্ত রয়েছে। পাশাপাশি আমতলায় অভিষেকের দলীয় কার্যালয় ভাঙার ক্ষেত্রেও স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার অনুমতি নিয়েও অভিষেককে আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্ট শর্তসাপেক্ষে তাঁকে বিদেশ যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে। কিন্তু তার পরেই তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ হওয়ায় নতুন জটিলতা তৈরি হয়। সেই বিষয়েও কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেন অভিষেক।ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার কারণ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিল হাইকোর্ট। অনলাইনে কেওয়াইসি করা সম্ভব হলে অভিষেককে কেন সশরীরে ব্যাঙ্কে যেতে হবে, সেই প্রশ্ন করেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। পরে বাড়িতে গিয়ে কেওয়াইসি আপডেট করার নির্দেশও দেওয়া হয়।সব মিলিয়ে একের পর এক মামলায় আদালতের রক্ষাকবচ পাওয়ায় আপাতত স্বস্তিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া বাকি মামলাগুলির আইনি লড়াই এখনও জারি রয়েছে।

আগস্ট ২১, ২০২৬
দেশ

ছররা গুলির ঘটনায় এফআইআর চেয়ে থানার সামনে রাহুল, কয়েক ঘণ্টার নাটকীয়তার পর বড় মোড়

রাজধানী দিল্লিতে ছররা গুলি চালানোর অভিযোগকে কেন্দ্র করে শুক্রবার নাটকীয় পরিস্থিতি তৈরি হল। আহত এক যুবককে সঙ্গে নিয়ে পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় হাজির হন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। তাঁর দাবি ছিল, গত ২০ জুলাই ছাত্রদের সংসদ চলো অভিযানের সময় র্যাফের ছররা গুলি চালানোর ঘটনায় এফআইআর দায়ের করতে হবে।শুক্রবার সকালে আহত যুবক সাহিল লোচাবকে সঙ্গে নিয়ে থানায় পৌঁছন রাহুল। আচমকা তাঁকে থানায় দেখে আধিকারিকদের মধ্যেও চাঞ্চল্য ছড়ায়। রাহুলের অভিযোগ, ছাত্র আন্দোলনের সময় ছররা গুলি চালানো হয়েছিল। সেই ঘটনায় কার নির্দেশে গুলি চালানো হয়েছিল, তা তদন্ত করে প্রকাশ্যে আনার দাবি দীর্ঘদিন ধরেই জানিয়ে আসছেন তিনি।থানায় গিয়ে এফআইআর দায়ের করার দাবি জানান রাহুল। অভিযোগ, প্রথমে পুলিশ এফআইআর দায়ের করতে রাজি হয়নি। এর পর থানার বাইরে আহত যুবককে সঙ্গে নিয়ে ধর্নায় বসে পড়েন কংগ্রেস সাংসদ। তাঁর বক্তব্য ছিল, অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের না হওয়া পর্যন্ত তিনি ধর্না চালিয়ে যাবেন।এই ঘটনার সূত্রপাত গত ২০ জুলাইয়ের ছাত্র আন্দোলনকে ঘিরে। ওই দিন সংসদ অভিযানের সময় র্যাফের ছররা গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে। প্রথমে দিল্লি পুলিশ ছররা গুলি চালানোর ঘটনা অস্বীকার করেছিল বলে অভিযোগ। পরে কেন্দ্রীয় রিজ়ার্ভ পুলিশ বাহিনীর তদন্তে ছররা গুলি ব্যবহারের তথ্য উঠে আসে বলে দাবি করা হয়েছে।এর পর থেকেই রাহুল গান্ধী প্রশ্ন তুলছিলেন, আন্দোলনকারী ছাত্রদের উপর ছররা গুলি চালানোর নির্দেশ কে দিয়েছিল। তাঁর দাবি, এই ঘটনার প্রকৃত সত্য সামনে আসা প্রয়োজন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।এ দিন পুলিশ রাহুলকে জানায়, বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট ইতিমধ্যেই উচ্চপর্যায়ের বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেছে। কিন্তু তাতেও নিজের দাবিতে অনড় থাকেন রাহুল। তিনি জানান, ছাত্রদের পাশে তাঁরা রয়েছেন এবং ন্যায়বিচারের দাবি থেকে পিছিয়ে যাবেন না।দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টা থানার সামনে ধর্না চলার পর অবশেষে সাহিল লোচাবের অভিযোগের ভিত্তিতে এফআইআর দায়ের করা হয়। ফলে ছররা গুলি চালানোর অভিযোগ নিয়ে দিল্লিতে তৈরি হওয়া টানাপড়েনে আপাতত নতুন মোড় এল।

আগস্ট ২১, ২০২৬
কলকাতা

ক্লাস নাকি জনগণনা? শিক্ষকদের নিয়ে বড় নির্দেশ কলকাতা হাই কোর্টের, কী বললেন বিচারপতি

শিক্ষকদের জনগণনার কাজে ব্যবহার নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের গুরুত্বপূর্ণ রায়। স্কুলের পঠনপাঠন এবং জনগণনার কাজদুইয়ের মধ্যে কীভাবে ভারসাম্য রাখা হবে, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। তাঁর নির্দেশ অনুযায়ী, জনগণনার দায়িত্বে থাকা শিক্ষকদের নির্দিষ্ট সময়, দিন ও জায়গা জানিয়ে দিতে হবে। একই সময়ে স্কুলের পঠনপাঠন যাতে ব্যাহত না হয়, তার ব্যবস্থাও করতে হবে।শিক্ষকদের জনগণনার কাজে দায়িত্ব দেওয়া হলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেই কাজই তাঁদের কর্তব্য হিসেবে গণ্য হবে। সেই সময়ে তাঁদের শিক্ষকতার কাজ করতে হবে না। তবে জনগণনার দায়িত্ব পাওয়া শিক্ষকরা সেই কাজ থেকে নিজেদের সরিয়ে নিতে পারবেন না।এর আগে রাজ্য সরকারের একটি নির্দেশিকায় বলা হয়েছিল, স্কুলের পঠনপাঠন যাতে কোনও ভাবেই ব্যাহত না হয়, সেজন্য স্কুলের সময়ের পরে অথবা সপ্তাহান্তে শিক্ষকদের দিয়ে জনগণনার কাজ করানো যেতে পারে। সেই নির্দেশিকা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছিল। আদালতের প্রশ্ন ছিল, স্কুল ছুটির পর অন্য জায়গায় গিয়ে জনগণনার কাজ করতে হলে শিক্ষকদের বাড়ি ফিরতে কত রাত হবে?এই পরিস্থিতিতে পুরনো নির্দেশিকা প্রত্যাহার করে নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করে স্কুল শিক্ষা দফতর। নতুন বিজ্ঞপ্তিতে জনগণনার কাজকেও শিক্ষকদের সরকারি দায়িত্ব বা কর্তব্যের অংশ হিসেবে ধরা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র দফতরের তরফেও আগে জানানো হয়েছিল, শিক্ষকদের এমন ভাবে কাজে লাগাতে হবে যাতে স্কুলের পঠনপাঠন কোনও ভাবেই ব্যাহত না হয়।শুক্রবারের রায়ে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও স্পষ্ট করে দেন, জনগণনার কাজে শিক্ষকদের ব্যবহার করতে হলে আগে থেকেই তাঁদের নির্দিষ্ট সময়, দিন এবং কাজের জায়গা জানাতে হবে। সেই অনুযায়ী স্কুল কর্তৃপক্ষকে পঠনপাঠন চালু রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। অর্থাৎ জনগণনার কাজের জন্য শিক্ষককে দায়িত্ব দেওয়া হলেও স্কুলের স্বাভাবিক পড়াশোনা বন্ধ রাখা যাবে না।জনগণনার দায়িত্ব পাওয়া শিক্ষকদের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের দায়িত্বকেই তাঁদের কর্তব্য হিসেবে গণ্য করা হবে। সেই সময় তাঁদের জনগণনার কাজই করতে হবে। তবে দায়িত্ব পাওয়ার পর কোনও শিক্ষক তা অস্বীকার করতে পারবেন না। ফলে শিক্ষকদের জনগণনার কাজে ব্যবহার নিয়ে তৈরি হওয়া জটিলতায় হাই কোর্টের এই রায়কে গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

আগস্ট ২১, ২০২৬
কলকাতা

৩৭ ঘণ্টা পর যাদবপুরে এফআইআর! বুধবার রাতের ঘটনায় ঠিক কী অভিযোগ জানাল বিশ্ববিদ্যালয়?

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংঘর্ষের ঘটনায় অবশেষে থানায় অভিযোগ দায়ের করল কর্তৃপক্ষ। বুধবার রাতের ঘটনার প্রায় ৩৭ ঘণ্টা পর শুক্রবার সকালে যাদবপুর থানায় এফআইআর করা হয়। একই সঙ্গে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য তিন সদস্যের উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার রাত ও বৃহস্পতিবারের অশান্তির ঘটনায় তদন্তের সিদ্ধান্ত আগেই জানিয়েছিলেন উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য। সেই মতো শুক্রবার তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির তিন সদস্যই অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য, বাবা সাহেব আম্বেদকর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং আরও এক আধিকারিক।যাদবপুর থানায় দায়ের করা অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বুধবার রাত ১২টার পর কয়েক জন বহিরাগত বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে ঢুকেছিলেন বলে অভিযোগ। তাঁদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নম্বর গেটের সিসিটিভি ভাঙার অভিযোগ উঠেছে। এরপর অরবিন্দ ভবনের কোলাপসেবল গেটের সামনে আগুন ধরানোর চেষ্টা করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।এফআইআরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যবাহী ফলক ভাঙার অভিযোগও রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে কারা যুক্ত ছিলেন, তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া নাকি বহিরাগত, সেই বিষয়টিও তদন্ত করে দেখা হবে বলে জানা গিয়েছে।অন্য দিকে, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতীকী ফলক নিয়ে কর্মবিরতিতে বসেছেন অধ্যাপকদের একাংশ। তাঁদের দাবি, ঘটনার সঠিক তদন্ত করতে হবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। বাংলা বিভাগের অধ্যাপক রাজেশ্বর সিনহা জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এফআইআর দায়েরের সিদ্ধান্তকে তাঁরা প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।তাঁর দাবি, ঘটনার তদন্তে সিসিটিভি ফুটেজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনও পড়ুয়া ঘটনায় জড়িত থাকলে তাঁর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। আবার বহিরাগতরা জড়িত থাকলে তাঁদের বিরুদ্ধেও আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।ফলক ভাঙার ঘটনাতেও পৃথক তদন্তের দাবি উঠেছে। পাশাপাশি সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে আনার দাবিও জানিয়েছেন অধ্যাপকদের একাংশ। ফলে এফআইআর দায়ের এবং তদন্ত কমিটি গঠনের পর যাদবপুরের অশান্তির ঘটনায় এবার তদন্ত কোন দিকে এগোয়, সেদিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ২১, ২০২৬
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুকে নিয়ে অমিত শাহের মুখে এমন কথা! কী বদলেছে বাংলায়, মঞ্চে জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাজ্যে বিজেপি সরকারের ১০০ দিন পূর্ণ হয়েছে। এই আবহেই উত্তরবঙ্গে একটি অনুষ্ঠানে এসে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাজের প্রশংসা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সীমান্ত নিরাপত্তা থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জন্য জমি দেওয়াএকাধিক বিষয় তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সমন্বয়ের কথা জানান শাহ।মঞ্চে দাঁড়িয়ে অমিত শাহ বলেন, শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর সীমান্ত সুরক্ষা নিয়ে রাজ্য সরকারের সহযোগিতা পাওয়া সহজ হয়েছে। তাঁর দাবি, প্রয়োজন হলে ফোন করলেই অনুমতি পাওয়া যায়, চিঠি পরে যায়। এই মন্তব্য ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে।শাহ আরও জানান, সরকার গঠনের ৪৫ দিনের মধ্যেই বিএসএফ এবং এসএসবির জন্য ১১২৯ একর জমি দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, এই জমি ২০১৪ সাল থেকেই চাওয়া হচ্ছিল। আরও ২৯ একর জমি দেওয়ার বিষয়েও মুখ্যমন্ত্রী দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানান তিনি।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব রয়েছে। বাংলার উন্নয়ন এবং রাজ্যের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে তাঁদের মধ্যে দীর্ঘ আলোচনা হয় বলেও জানান তিনি। তাঁর বক্তব্য, অনুপ্রবেশ বন্ধ না হলে বাংলা বা দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। সেই কারণে সীমান্তে কাঁটাতারের প্রয়োজন রয়েছে।এই প্রসঙ্গেই রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের সময়ের কথাও টেনে আনেন শাহ। তাঁর দাবি, বিএসএফের জন্য জমি দেওয়ার বিষয়ে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে বারবার আবেদন করা হয়েছিল। এমনকি তিনি নিজে তাঁর দফতরেও গিয়েছিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্মতি জানিয়েছিলেন বলে দাবি করলেও শেষ পর্যন্ত জমি দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন শাহ।শাহের কথায়, এসএসবি বা বিএসএফ কোনও রাজনৈতিক দল নয়। দেশের সীমান্ত সুরক্ষায় তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাই দল-মত নির্বিশেষে জওয়ানদের সঙ্গে রাজ্য সরকারের সুসম্পর্ক থাকা প্রয়োজন।বাংলায় বিজেপি সরকার গঠনের পর ১০০ দিনের সময়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে সমন্বয়ের বিষয়টি তুলে ধরে অমিত শাহের এই বক্তব্য রাজনৈতিক ভাবে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে সীমান্ত নিরাপত্তা, অনুপ্রবেশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জন্য জমি দেওয়ার প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্য নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা তৈরি করেছে।

আগস্ট ২১, ২০২৬
রাজ্য

রাতে আচমকা বর্ধমানের দুই হাসপাতালে হানা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর, কি বললেন শারদ্বত মুখোপাধ্যায়?

পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নে জোর দিয়ে এবার রাতে সরকারি হাসপাতাল পরিদর্শনে নামলেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাক্তার শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার রাতে আচমকাই বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পৌঁছে যান তিনি। তার আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বর্ধমানের বড়শুল ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিদর্শন করেন। দুই হাসপাতালেই চিকিৎসা পরিষেবা, পরিকাঠামো, নিরাপত্তা এবং কর্মীদের কাজের পরিবেশ খতিয়ে দেখেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।রাত ৯টা নাগাদ বর্ধমান ২ নম্বর ব্লকের বড়শুল ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পৌঁছন শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। আচমকা মন্ত্রীর আগমনে হাসপাতাল চত্বরে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি মেডিসিন বিভাগে গিয়ে রোগীদের সঙ্গেও কথা বলেন তিনি। চিকিৎসা পরিষেবা ও তাঁদের সমস্যার বিষয়ে খোঁজ নেন। তবে হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার পরিস্থিতিতে সন্তুষ্ট হতে পারেননি তিনি। সাফাইকর্মীকে ডেকে নিয়মিত এবং আরও মন দিয়ে পরিষ্কার করার নির্দেশ দেন।এরপর রাত ১০টা নাগাদ আচমকাই বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পৌঁছে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। জরুরি বিভাগ-সহ বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন তিনি। রোগী ও তাঁদের পরিজনদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসা পরিষেবা নিয়ে কোনও অভিযোগ রয়েছে কি না জানতে চান। জুনিয়র ডাক্তার, নার্সিং স্টাফ ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গেও কথা বলেন তিনি। তাঁদের প্রয়োজন, অসুবিধা এবং কাজের পরিবেশ সম্পর্কে খোঁজ নেন।পরিদর্শন শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, চিকিৎসা পরিষেবা নিয়ে নেতিবাচক কোনও অভিযোগ তিনি পাননি। অধিকাংশ রোগীই পরিষেবা নিয়ে সন্তুষ্ট বলে দাবি তাঁর। তবে হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। বিশেষ করে জরুরি বিভাগে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার ঘাটতি এবং মহিলা চিকিৎসকদের রেস্ট রুমের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ জানান। হাসপাতালের নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজন রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন।নার্সিং স্টাফের ঘাটতি, বিশেষত জরুরি বিভাগে অতিরিক্ত নার্সের প্রয়োজনীয়তার কথাও জানান তিনি। চিকিৎসক ও নার্সদের বসার জায়গা, লেখালেখির প্রয়োজনীয় সামগ্রী এবং বিশ্রামের উপযুক্ত ব্যবস্থা থাকা জরুরি বলে মন্তব্য করেন। তাঁর কথায়, চিকিৎসক-নার্সরা ভালোভাবে কাজ করতে না পারলে রোগী পরিষেবাও ব্যাহত হবে। তাই তাঁদের অভাবের পাশাপাশি আবদারও শুনতে হবে।বর্ধমান মেডিকেল কলেজের সাম্প্রতিক বিতর্ক নিয়েও মুখ খোলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। কয়েকজন ছাত্রের নম্বর টেম্পারিংয়ের অভিযোগে প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে একজনকে আপাতত সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। তদন্ত এখনও চলছে বলেও জানান। থ্রেট কালচার প্রসঙ্গে তাঁর বার্তা, ভয় আউট, ভরসা ইন।অভীক দে-কে ঘিরে অনাময় হাসপাতালকে গ্রামীণ হাসপাতাল হিসেবে দেখিয়ে স্নাতকোত্তরে সুযোগ পাওয়ার অভিযোগ এবং হাজিরা খাতা নিয়ে ওঠা প্রশ্নের তদন্ত চলছে বলেও জানান তিনি। তদন্ত কমিটি রিপোর্ট দিয়েছে এবং প্রক্রিয়া এখনও অব্যাহত। যোগ্য পড়ুয়াদের বঞ্চিত করে কোনও অনিয়ম হয়ে থাকলে তদন্ত শেষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে স্পষ্ট করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

আগস্ট ২১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ভারত-ব্রাজিল ম্যাচের প্রস্তুতি কতটা? কলকাতার পরিকাঠামো খতিয়ে দেখল ব্রাজিল

কলকাতায় ব্রাজিল ফুটবল দলের সম্ভাব্য সফর ঘিরে প্রস্তুতি আরও জোরদার। অক্টোবরের শুরুতে ভারতীয় দলের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য ম্যাচের আগে বৃহস্পতিবার কলকাতায় এসে বিভিন্ন পরিকাঠামো সরেজমিনে খতিয়ে দেখল ব্রাজিলিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল। যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন থেকে অনুশীলনের মাঠ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা থেকে ফুটবলারদের থাকার সম্ভাব্য হোটেলসবকিছুই পরিদর্শন করেন তাঁরা।বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা ১০ মিনিট নাগাদ সল্টলেকের যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে পৌঁছয় ব্রাজিলের প্রতিনিধি দল। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্ত, প্রাক্তন ভারতীয় গোলকিপার সুব্রত পাল এবং রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ। প্রথমে অনুশীলনের মাঠ ঘুরে দেখেন প্রতিনিধিরা। এরপর তাঁরা মূল স্টেডিয়ামে গিয়ে ম্যাচ আয়োজনের পরিকাঠামো খতিয়ে দেখেন।স্টেডিয়াম পরিদর্শনের সময় একাধিক বিষয়ে বিশেষ নজর দেন ব্রাজিলের প্রতিনিধিরা। প্র্যাকটিস গ্রাউন্ড, ড্রেসিংরুম, বাথরুম, গোলপোস্ট এবং মাঠের ঘাসের মান পরীক্ষা করার পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থাও খুঁটিয়ে দেখা হয়। অর্থাৎ শুধু ম্যাচ আয়োজনের মাঠ নয়, গোটা পরিকাঠামোই তাঁদের পরিদর্শনের আওতায় ছিল।এর আগে নিউটাউনে ফেডারেশনের সেন্টার অফ এক্সেলেন্সেও যান প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। সেখানে সম্ভাব্য অনুশীলন ব্যবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজ নেন তাঁরা। এরপর যুবভারতী সংলগ্ন একটি পাঁচতারা হোটেলও পরিদর্শন করা হয়। সেখানে ব্রাজিল দলের থাকার ব্যবস্থা করা সম্ভব কি না, সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হয়।ব্রাজিলের প্রতিনিধি দলে ছিলেন জাতীয় দলের জেনারেল সুপারভাইজার Srgio Dimas de Oliveira, প্রশাসনিক আধিকারিক Vinicius Barrozo Costa, মার্কেটিং ও অপারেশন ম্যানেজার Jos Vitor Senatore de Paula Lima, ফিজিওলজিস্ট Guilherme Passos Ramos এবং নিরাপত্তা বিভাগের প্রতিনিধি Bruno Mazzei Reis। কলকাতার বিভিন্ন ব্যবস্থা পরিদর্শনের পর তাঁরা ব্রাজিলে ফিরে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেবেন।সূত্রের খবর, ভারত-ব্রাজিল ম্যাচের আগে ৩০ সেপ্টেম্বরের আশপাশে ব্যক্তিগত বিমানে কলকাতায় আসতে পারে ব্রাজিল দল। অক্টোবরের শুরুতেই যুবভারতীতে টিম ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।ম্যাচ আয়োজনের প্রস্তুতি নিয়ে কোনও খামতি রাখতে চাইছে না রাজ্য সরকার। ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ জানিয়েছেন, ব্রাজিলের বিরুদ্ধে ম্যাচের জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো ও পরিষেবা উন্নয়নে সবরকম ব্যবস্থা করা হবে। দর্শকদের বিশ্বকাপ স্তরের ম্যাচের অভিজ্ঞতা দেওয়াই লক্ষ্য। ফলে ব্রাজিলের সম্ভাব্য সফর ঘিরে কলকাতার ফুটবলমহলে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে প্রবল আগ্রহ।

আগস্ট ২১, ২০২৬
রাজ্য

রেললাইনের পাশে মাঠে পড়ে যুবকের দেহ, রহস্য ঘিরে বিরাট চাঞ্চল্য

রঘুনাথগঞ্জের গদাইপুর এলাকায় রেললাইনের ধারের একটি মাঠ থেকে এক যুবকের মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে ওই এলাকায় যুবকের দেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মৃতের নাম ছোটু রবিদাস (২৯)। তাঁর বাড়ি রঘুনাথগঞ্জের বালিঘাটা এলাকায়।স্থানীয়দের নজরে বিষয়টি আসার পর দ্রুত খবর ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে বহু মানুষ জড়ো হন। খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহটি উদ্ধার করে। এরপর ময়নাতদন্তের জন্য দেহ পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।তবে রেললাইনের ধারের ওই মাঠে ছোটু রবিদাস কীভাবে পৌঁছলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তাঁর মৃত্যুর কারণ নিয়েও তৈরি হয়েছে একাধিক প্রশ্ন। যুবকের মৃত্যু স্বাভাবিকভাবে হয়েছে, নাকি ঘটনার পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু জানা যায়নি।ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ ইতিমধ্যেই বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে। মৃত যুবকের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও কথা বলছেন তদন্তকারীরা। ছোটু রবিদাস কখন বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন এবং কীভাবে ওই এলাকায় পৌঁছেছিলেন, সে বিষয়েও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।পুলিশের তরফে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রাথমিক তদন্ত করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।এদিকে, রেললাইনের ধারের মাঠে যুবকের মৃতদেহ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই গদাইপুর এবং আশপাশের এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। ২৯ বছরের যুবকের মৃত্যুর নেপথ্যে ঠিক কী কারণ রয়েছে, তা জানতে তদন্তের ফলাফলের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

আগস্ট ২১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal