মেষ/ARIES: বাতের ব্যথা হতে পারে।বৃষ/TAURUS: প্রশংসনীয় কাজ করতে পারেন।মিথুন/GEMINI: মুর্ছা যেতে পারেন।কর্কট/CANCER: দাম্পত্যে ভাঙন দেখা দিতে পারে।সিংহ/LEO: স্বাস্থ্যের অবনতি হতে পারে।কন্যা/VIRGO: দানধ্যান করতে পারেন।তুলা/ LIBRA: সদানন্দ থাকতে পারেন।বৃশ্চিক/Scorpio: ঋণমুক্তি হতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: অবৈধ প্রণয়ে জড়িয়ে পড়তে পারেন।মকর/CAPRICORN: বিষন্নতা অনুভব করতে পারেন।কুম্ভ/AQUARIUS: আর্থিক লাভ হতে পারে।মীন/ PISCES: বিরোচিত কাজ করতে পারেন।
বঙ্গ ক্রিকেটে পায়রা ওড়ানোর নেশা প্রাক্তন ক্রিকেটার শিবশঙ্কর পালের রয়েছে সেকথা সকলেরই জানা। কিন্তু বাংলার প্রাক্তন অধিনায়ক লক্ষ্মীরতন শুক্লাও যে পায়রাপ্রেমী, তা হয়তো অনেকেরই অজানা। শিবশঙ্কর পালের মতো না হলেও কম নেই। নতুন বছরের শুরুতে একঝাঁক পায়রাকে রেখে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলার প্রাক্তন অধিনায়ক তথা প্রাক্তন মন্ত্রী লক্ষ্মীরতন শুক্লা। আসলে পায়রা যে শান্তির প্রতীক।সময় পেলেই বাড়ির ছাদে পায়রা নিয়ে ব্যস্ত থাকেন শিবশঙ্কর পাল। আগে খেলার সময় মাঠ থেকে বাড়ি ফিরেই পায়রাদের খাওয়ানো, আকাশে উড়িয়ে তাদের দিকে তাকিয়ে থাকা, অন্য জগতে চলে যেতেন বঙ্গ ক্রিকেটের ম্যাকো। লক্ষ্মীরতন অবশ্য সেদিকে ঝোঁক ছিল না। নিজে না পুষলেও বাড়ির ছাদে পায়রাকে খেতে দেওয়া তাঁর অনেকদিনের অভ্যেস। নতুন বছরের প্রথম দিন সেই ছবিও ধরা পড়েছে। আর বাড়ির ছাদে পায়রাদের খেতে দেওয়ার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে সকলকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন লক্ষ্মীরতন শুক্লা।সোশ্যাল মিডিয়ায় লক্ষ্মীরতন শুক্লার এই পোস্ট করা ছবি রীতিমতো ভাইরাল হয়েছে। অসংখ্যা অনুরাগী যেমন লাইক করেছেন, অনেকেই আবার মন্তব্য করেছেন। কেউ কেউ আবার লক্ষ্মীরতনের এই পোস্ট করা ছবি শেয়ার করেছেন। লক্ষ্মীর পায়রার ছবি পোস্ট করার পেছনে অন্য কারণও আছে। পায়রা হল শান্তির প্রতীক। তাই এই ছবি পোস্টের মাধ্যমে নতুন বছরটা সকলকে সুখেশান্তিতে কাটানোর জন্য আর্জি জানিয়েছেন বাংলার এই প্রাক্তন অধিনায়ক।
শরীরে বাসা বেঁধেছে মারণ ব্যাধি ক্যানসার। তা বলে জীবনযুদ্ধে হার মানতে চায় না ছাত্রী সামিনা খাতুন।তাঁর এখন একটাই লক্ষ্য, মারণ ব্যাধির জ্বালা যন্ত্রণা সব সহ্য করে নিয়েও পড়াশুনা চালিয়ে গিয়ে সাফল্যের সঙ্গে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া।মনের জেদকে সম্বল করেই কিশোরী সামিনা সেই লক্ষ্য পূরণের পথে এখন এগিয়ে চলেছে। শুধুমাত্র লেখাপড়া শেখার জন্য এক ক্যানসার আক্রান্ত ছাত্রীর এমন কঠিন লড়াইয়ে ব্রতি হওয়া কার্যতই নজিরবিহীন বলে মনে করছেন শিক্ষক ও শিক্ষানুরাগীরা।পূর্ব বর্ধমান জেলার জামালপুর ব্লকের প্রত্যন্ত গ্রাম রামনাথপুর। এই গ্রামের শেখ পাড়ার এক দিন দরিদ্র পরিবারের মেয়ে সামিনা খাতুন। ছোট্ট দুকুঠুরি ঘরে পরিবারের সকলে বসবাস করেন । সামিনার বাবা শেখ আলম খেতমজুরির কাজ করেন। মা নূরজাহান বেগম সাধারণ গৃহবধূ।সামিনার দিদি আসলিমা বিবাহিতা। ছোট বয়স থেকেই লেখাপড়া শেখার বিষয়ে সামিনার আগ্রহ তৈরি হয়। তাঁর বাবা তাঁকে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করেন গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ সম্পূর্ণ করে সামিনা ভর্তি হয় স্থানীয় বনবিবিতলা উচ্চ বিদ্যালয়ে। একের পর এক ক্লাসের পরীক্ষায় পাশ করে সামিনা অষ্টম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হয়। এই পর্যন্ত সবকিছু ঠিকঠাক থাকলেও সামিনার জীবনে ছন্দপতন ঘটে যায় এরপরেই।আরও পড়ুনঃ ফের আংশিক লকডাউনের সম্ভাবনা রাজ্যে, আপাতত বাতিল দুয়ারে সরকার কর্মসূচিঅষ্টম শ্রেণিতে পাঠরত কালেই ছাত্রী সামিনার শারীরিক অসুস্থতা শুরু হয়। তাঁর বাবা মা তাঁকে জামালপুর ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করান। পরিবারের সকলে তখন মনে করেছিলেন জামালপুর হাসপাতালের ডাক্তারবাবুদের চিকিৎসাতেই সামিনা সুস্থ হয়ে উঠবে। কিন্তু তা হয় না। বিভিন্ন ডাক্তারি পরীক্ষার রিপোর্টে ধরা পড়ে সামিনার শরীরে বাসা বেঁধেছে মারণ ব্যাধি। তার পর থেকে টানা দুবছর ধরে তাঁর ক্যানসার রোগের চিকিৎসা চলছে। এখন নিয়ম করে সামিনাকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে কেমো থেরাপি ও রেডিয়েশন থেরাপি-র জন্য নিয়ে যেতে হয়। এর জন্য মাথার চুল সব উঠে যাওয়ায় সামিনা প্রথমে একটু মুষড়ে পড়েছিল ঠিকই। তবে এখন তা নিয়ে সামিনা আর মাথা ঘামাতে চায় না। তাঁর মাধ্যমিকের টেস্ট পরীক্ষা সম্পূর্ণ হয়েছে। এখন সে সফল ভাবে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তির্ণ হওয়ার জন্য শুধুই পড়াশুনা চালিয়ে যাচ্ছে।সমিনা জানিয়েছে, তাঁর দুই কানের নিচে গলার অংশে ক্যানসার বাসা বেঁধেছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। চিকিৎসা চলছে ঠিকই তবে এখনও খাওয়া দাওয়া সে ভালভাবে করতে পারছে না। গলায় খুব ব্যাথা থাকায় ভাত গিলে খেতে পারছে না। শুধু পাতলা সুজি কোনওরকমে খেয়ে দিনের পর দিন তাঁকে পেট ভরাতে হচ্ছে। তবে কষ্ট যাই থাক লেখাপড়া ছেড়ে দিয়ে সে বিছানায় শুয়ে থেকে দিন কাটাতে চায় না। সামনেই তাঁর মাধ্যমিক পরীক্ষা। সেই পরীক্ষায় সফল ভাবে তাঁকে উত্তীর্ণ হতেই হবে। তাই মারণ ব্যাধির জ্বালা যন্ত্রণা সব সহ্য করে নিয়ে সে এখন শুধু পড়াশুনাতেই মনোনিবেশ করেছে বলে আত্মবিশ্বাসী সামিনা জানিয়েছে।আরও পড়ুনঃ বাহার কী স্বাদ ঘর মে- চিকেন রেশমি কাবাবছাত্রী সামিনার বাবা শেখ আলম বলেন , আমি খেতমজুরির কাজ করে যে টুকু রোজগার করি তা দিয়েই পরিবারের সকলের দিন গুজরান হয়। দুবছর ধরে আমার ছোট মেয়ে সামিনার ক্যানসার রোগের চিকিৎসা চলছে। মেয়ে এতবড় কঠিন রোগে আক্রান্ত হলেও অর্থের অভাবে তাঁকে পুষ্টিকর খাবারদাবার কিছুই দিতে পারছি না। মেয়ের স্কুলের শিক্ষক মহাশয়গণ ছাড়াও জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মেহেমুদ খাঁন, কর্মাধ্যক্ষ ভূতনাথ মালিক, স্কুলের পরিচালন কমিটির সদস্য শেখ জিয়ারুল রহমান সহ আরও কয়েকজন শুভানু্ধ্যায়ী আর্থিক সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। তাই কেমো থেরাপি ও রেডিয়েশন থেরাপির জন্য মেয়েকে নিয়মিত বর্ধমান হাপাতালে নিয়ে যাওয়া নিয়ে আসা ও ওষুধের খরচ জোগাড় করতে পারছি।আলম বাবু আরও বলেন, কঠিন রোগে আক্রান্ত হলেও তাঁর মেয়ে দমে যায়নি। সফল ভাবে মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাশ করার জন্য সে এখন পুরোদমে পড়াশুনা চালিয়ে যাচ্ছে। সামিনার মা নূরজাহান বেগম বলেন, বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাপাতালেই তাঁর মেয়ের চিকিৎসা চলছে। কোন সহৃদয় মানুষ যদি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন তবে মেয়েকে ভিন রাজ্যের বড় কোন হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে নিয়ে যেতে পারেন। অসুস্থ মেয়ের চিকিৎসার জন্য নূরজাহান বেগম সকলের কাছে সহযোগিতা প্রার্থনা করেছেন।আরও পড়ুনঃ প্রায় ৩ লক্ষ কিশোর-কিশোরীকে করোনার টিকা দেওয়ার প্রস্তুতি শুরু পূর্ব বর্ধমানেবনবিবিতলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্যামল রায় বলেন, সামিনা খাতুন আমাদের বিদ্যালয়ের এ- বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। দু,বছর আগে ওর শরীরে ক্যানসার ধরা পড়ে। তারপর থেকে ধারাবাহিক ভাবে ওর চিকিৎসা চলছে। চিকিৎসার জন্য বিদ্যালয়ের তরফে যতটা সম্ভব সামিনাকে সাহায্য করা হয়েছে। সামিনা মাধ্যমিক পরীক্ষায় স-সন্মানে যাতে উত্তীর্ণ হতে পারে তার জন্য বিদ্যালয়ের তরফে সমস্তরকম সহযোগিতা থাকছে। শ্যামলবাবু এও বলেন, সামিনা আমাদের চোখে জীবন সংগ্রামের যোদ্ধা । জীবন যুদ্ধেও সামিনা যাতে জয়ী হতে পারে সেই লড়াইয়েও সামিনার পাশে রয়েছেন বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকারা। মাধ্যমিক পরীক্ষার সেন্টার কমিটির বৈঠকের সময়ে সামিনার অসুস্থতার বিষয়টি বিদ্যালয়ের তরফে লিখিত ভাবে জানিয়ে রাখা হবে। পরীক্ষার দিনগুলিতেও সামিনাকে যাতে কোন অসুবিধায় পড়তে না হয় সেই বিষয়েও বিদ্যালয় নজর রাখবে বলে প্রধান শিক্ষক জানিয়েছেন। জামালপুর ব্লকের বিডিও শুভঙ্কর মজুমদার জানিয়েছেন, ব্লক প্রশাসনও মাধ্যমিক পরীক্ষার সময়ে অসুস্থ ছাত্রী সামিনার পাশে থাকবে। ওর যাতে কোনও অসুবিধা না হয় সেই ব্যাপারে প্রয়োজনীয় যা যা ব্যবস্থা নেওয়ার দরকার তা নেওয়া হবে।
ওমিক্রন নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই দেশে লাফিয়ে বাড়ছে দৈনিক কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা। মহারাষ্ট্রে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তের সংখ্যা আট হাজার ছাড়িয়েছে। এই আক্রান্তের মধ্যে রয়েছেন মহারাষ্ট্রের ১০ মন্ত্রী এবং ২০ জন বিধায়ক। বছরের প্রথম দিনে এই খবর জানিয়েছেন মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার। এই মন্ত্রী-বিধায়করা আক্রান্ত হওয়ায় সে রাজ্যের বিধানসভা অধিবেশনের সময়ও কমানো হবে বলে জানিয়েছেন অজিত।নতুন বছরের প্রথম দিনেই অজিত বলেছেন, এখনও অবধি ১০ জন মন্ত্রী এবং ২০ জন বিধায়ক করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এ জন্য বিধানসভা অধিবেশনের সময় কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর পরই জনসাধারণের উদ্দেশে সতর্কবার্তা দিয়েছেন তিনি। বলেছেন, নতুন বছরের উৎসবে সকলেই সামিল হতে চাই। কিন্তু মনে রাখা দরকার ওমিক্রন খুব দ্রুত ছড়াচ্ছে। কিছু রাজ্যে ফের রাত্রিকালীন কার্ফু জারি হচ্ছে। মহারাষ্ট্রেও মুম্বই এবং পুণেতে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে।বর্ষবরণে মেতে পরিস্থিতির অবনতি না হয়, সে জন্য ইতিমধ্যেই মুম্বই জুড়ে জারি হয়েছে ১৪৪ ধারা। আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকলে কোভিড সংক্রান্ত আরও বিধিনিষেধ জারি করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি। প্রসঙ্গত শনিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের প্রকাশিত রিপোর্ট অনুসারে, আট হাজার ৬৭ জন নতুন করে সংক্রমিত হয়েছে মহারাষ্ট্রে। এর মধ্যে মুম্বইয়েই আক্রান্ত হয়েছেন পাঁচ হাজার ৬৩১ জন যা শুক্রবারের তুলনায় প্রায় দুহাজার বেশি। ওমিক্রনও দ্রুত হারে ছড়াচ্ছে মহারাষ্ট্রে। এখনও অবধি ৪৫৪ জন ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছেন মহারাষ্ট্রে। যা দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ।
এই কোভিড পরিস্থিতি তে বাইরে অনেক মানুষের সাথে কাটানো খুব-ই সমস্যার এবং আতঙ্কেরও, হোটেল/রেঁস্তোরা মানেই তো বহু মানুষের সমাগম। তাও ভোজন-রসিকদের ঘরে বেঁধে রাখা খুব কঠিন। বেশীর ভাগ কাবাব প্রেমীরাই রেঁস্তোরা ছোটেন কাবাব খাওয়ার জন্য। আজ সেই কাবাব প্রেমীদের জন্য রইল জিভে জল আনা এক মোগলাই পদ চিকেন রেশমি কাবাব-র সহজ রন্ধন প্রনালী। নাম শুনে মনে হতেই পারে এই পদটি বানানোর জন্য হয়তো গুরুগম্ভীর কিছু পদ্ধতি লাগে। না! আসলে যতটা জটিল নাম ততটা কঠিন পরিশ্রম করতে হয় না, প্রয়োজন একটু ধৈর্যের যা আপনাকে সহজেই এনে দিতে পারে বাহার কী স্বাদ ঘর মে।এই পদটি বানাতে যে উপকরন গুলি লাগেঃ১। মুরগীর মাংস (চিকেন) - ৫০০ গ্রাম।২। পাতি লেবুর রস - ১ টেবিল চামচ।৩। জল ঝরানো টকদই - ৩ টেবিল চামচ।৪। কাজুবাদাম - ১৫ গ্রাম (১০ থেকে ১৫টা)।৫। আদা বাঁটা - ১ টেবিল চামচ।৬। রসুন বাঁটা - ১ টেবিল চামচ।৭। নুন - স্বাদ মত।৮। তেল / বাটার - ২ টেবিল চামচ (যে যেটা পছন্দ করেন)।৯। গোলমরিচ গুঁড়ো - অর্ধেক টেবিল চামচ।১০। ফ্রেস ক্রীম - ৫০ গ্রাম।১১। সাদা গোলমরিচ গুঁড়ো - অর্ধেক টেবিল চামচ।১২। লঙ্কা গুঁড়ো - অর্ধেক টেবিল চামচ।১৩। গরম মশালা গুঁড়ো - অর্ধেক চা চামচ।১৪। কসুরি মেথি - অর্ধেক চা চামচ।রন্ধন প্রনালীঃ১। মুরগীর মাংস (চিকেন) টুকরোগুলি পাতি লেবুর রস, টক দই, আদা ও রসুন বাটা, গোলমরিচ গুঁড়ো, সাদা গোলমরিচ গুঁড়ো, গরম মশালা গুঁড়ো, সামান্য সাদা তেল বা বাটার, কসুরি মেথি দিয়ে ভালো করে মাখিয়ে নিতে হবে, যাতে মিশ্রণটি সমস্ত মাংসের টুকরোতে লেগে থাকে। রাতপর ৩০ মিনিট নরমাল টেম্পারেচারে রেখে ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা রেফ্রিজারেটারে ম্যারিনেট করতে দিন (ডিপ ফ্রিজে দেবেন না)।২। রেফ্রিজারেটার থেকে বার করে ৩০ মিনিট নরম্যাল টেম্পারেচারে রাখুন। মাইক্রোওভেন কনভেকশান মোডে ৪৫০ ফারেনহাইটে প্রিহিট করে নিন ৫ মিনিটের জন্য। ম্যারিনেট করা মাংসের টুকরো গুলি স্কিউয়ারে গেঁথে নিন। হালকা সাদা তেল/বাটার ব্রাশ করে দিন মাংসের গায়ে। এরপর স্কিউয়ারগুলি মাইক্রোওভেনে গ্রীল মোডে ১০ মিনিট গ্রীল করে নিন। মাঝে ওভেন থামিয়ে একবার দুই দিক ঘুরিয়ে দিন।৩। বাড়িতে মাইক্রোওভেন না থাকলে ননস্টিক ফ্রাইং প্যানে সামান্য সাদা তেল / বাটার দিয়ে গ্যাস ওভেনে কম আঁচে দুই দিক ১০ মিনিট করে রান্না করে নিন।৪। এবার মাংসের টুকরোগুলি স্কিউয়ার থেকে ছাড়িয়ে চাট-মশালা ছড়িয়ে স্যালাড ও গ্রীন চাটনি সহযোগে গরম গরম পরিবেশন করুন। পেয়ে যান বাহার কী স্বাদ ঘড় মে।।গ্রীন চাটনি বানানোর প্রনালীঃধনেপাতা, পুদিনা পাতা, কাঁচা লঙ্কা, রসুন, লেবুর রস, চাট মশালা, সামান্য চিনি, নুন একসঙ্গে পেস্ট করে নিতে হবে, এবার জল ঝরানো টক দইয়ের সাথে মিশিয়ে নিলেই তৈরি গ্রীন চাটনি।মৌমিতা চট্টোপাধ্যায়বর্ধমান
ডিসেম্বরেই দেশে প্রবেশ করেছে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট। কিন্তু, তার দাপট যে কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে, তা বুঝে উঠতে বেশ খানিকটা সময় লেগে গিয়েছে। তবে বছর শেষে করোনার যে রেখচিত্র সামনে এসেছে, তা থেকে স্পষ্ট ওমিক্রন তার আসল চেহারা ক্রমশ প্রকাশ্যে আনতে শুরু করেছে। দেশে একধাক্কায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা পার করল ৪০০। মাত্র চার দিনে দেশে ওমিক্রন সংখ্যা বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে।দেশের দৈনিক কোভিড সংক্রমণ গত চার দিন ধরেই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আক্রান্ত হয়েছেন ২২ হাজার ৭৭৫ জন। শুক্রবার তা ছিল ১৬ হাজার ৭৬৪। অর্থাৎ শুক্রবারের তুলনায় শনিবার ৩৫ শতাংশ বেড়েছে দেশের দৈনিক সংক্রমণ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুসারে, দেশে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৩ কোটি ৪৮ লক্ষ ৬১ হাজার ৫৭৯ জন।দেশে কোভিড আক্রান্তের পাশাপাশি করোনা ভাইরাসের ওমিক্রন রূপেও আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। দেশে ১ হাজার ৪৩১ জন ইতিমধ্যেই ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছেন। ২৩টি রাজ্যে ইতিমধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে করোনা ভাইরাসের সাম্প্রতিক রূপ। ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা সবথেকে বেশি মহারাষ্ট্রে (৪৫৪) রাজধানী দিল্লিতে ৩৫১ জন ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছেন। এর পর ক্রমান্বয়ে রয়েছে তামিলনাড়ু (১১৮), গুজরাত (১১৫), কেরল (১০৯), রাজস্থান (৬৯), তেলঙ্গানা (৬২), হরিয়ানা (৩৭), কর্নাটক (৩৪), অন্ধ্রপ্রদেশ (১৭), পশ্চিমবঙ্গ (১৭) এবং ওডিশা (১৪)। বাকি রাজ্যগুলিকে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ১০-এর কম।
মেষ/ARIES: কর্মে ব্যুৎপত্তি লাভ করতে পারেন।বৃষ/TAURUS: আর্থিক শ্রীবৃদ্ধি হতে পারে।মিথুন/GEMINI: স্বজন বিরোধ করতে পারেন।কর্কট/CANCER: বদলির সম্ভাবনা রয়েছে।সিংহ/LEO: মূল্যবান দ্রব্যের ক্ষতি হতে পারে।কন্যা/VIRGO: অনিষ্ঠের আশঙ্কা রয়েছে।তুলা/ LIBRA: ব্যবসায়ীদের জন্য শুভ।বৃশ্চিক/Scorpio: সমস্যার সমাধান।ধনু/SAGITTARIUS: অবৈধ প্রণয়ে জড়িয়ে পড়তে পারেন।মকর/CAPRICORN: অর্থ ও যশ লাভ করতে পারেন।কুম্ভ/AQUARIUS: অস্থিরতা ভাব দেখা দিতে পারে।মীন/ PISCES: শোকাভিভূত হতে পারেন।
কোভিডের বিপদ! বর্ষশেষের আনন্দে সতর্ক থাকুন। কী করবেন, কী করবেন না? স্বাস্থ্য অধিকর্তারা বলে দিয়েছেন, বর্ষশেষের আনন্দ ভুলে যান, শুধু কথা হোক কোভিড নিয়ে! আর চিকিৎসকরা সর্বদা বলে যাচ্ছেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। কলকাতায় ইতিমধ্যেই ৫ জন ওমিক্রন আক্রান্তের হদিশ পাওয়া গিয়েছে। প্রত্যেকেই ফিরেছেন বিদেশ থেকে। আপাতত তাঁরা প্রত্যেকেই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।রাজ্যের ক্ষেত্রেও ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৬। কলকাতার ১০টি ওয়ার্ড হটস্পট হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে। তবে স্বাস্থ্যকর্তারা বলছেন, পরিসংখ্যানের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি উল্লেখ্য, কত স্যাম্পেল পাঠানো হচ্ছে আর কত স্যাম্পেল পরীক্ষার পর পজিটিভ হয়ে আসছে? বৃহস্পতিবার দেখা গিয়েছে, ৬টি স্যাম্পেল পাঠানোর পর ৫টি পজিটিভ হয়ে এসেছে। কলকাতায় গোষ্ঠী সংক্রমণের ইঙ্গিত স্পষ্ট। অর্থাৎ বোঝাই যাচ্ছে, ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টকে ধীরে ধীরে সরিয়ে ওমিক্রন তার থাবা বসাচ্ছে। কলকাতায় টেস্ট ও পজিটিভিটি রেটও সমান হারে বাড়ছে।ওমিক্রনের রাজ্যের তরফে বেশ কয়েকটি বিষয় কড়াভাবে নজর দিতে বলা হয়েছে। জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিকদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি বৈঠকে নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যকর্তা।নির্দেশগুলো নিম্নরূপ1. সন্দেহভাজন হোম আইসোলেশন মানছেন কিনা, তা কড়া ভাবে নজর দিতে হবে।2. প্রয়োজনে জিও ট্যাগিংয়ের সাহায্য নেওয়ার পরামর্শ।3. ওমিক্রন সংস্পর্শে আসা এলাকায় মাইক্রো কনটেইনমেন্ট জোন তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।4. নির্দেশ মেনে ইতিমধ্যে মাইক্রো কনটেইনমেন্ট জোন কলকাতা পুর এলাকায় ঘোষণা করা হয়েছে।5. সন্দেহভাজনেরা ফোন না ধরলে প্রয়োজনে বাড়ি যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিকদের।প্রাথমিকভাবে ঠিক রয়েছে, পরিস্থিতি বুঝে ৩ জানুয়ারি থেকে কনটেইনমেন্ট জোনের দিকে হাঁটতে হবে। সেক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, কলকাতার ১০ টি ওয়ার্ড- উত্তর থেকে দক্ষিণ ও মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ৭২ ঘণ্টায় অস্বাভাবিক হারে কোভিড সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
সময় ও স্রোত কারুর জন্য অপেক্ষা করে থাকেনা। বয়ে চলে নিজের ছন্দে। ছন্দপতন হওয়ার কোনও সুযোগ-ই তারা দেয়না। বর্তমান শব্দটা খুব আপেক্ষিক, টাইম-ফ্রেম-এ কোনোভাবেই-ই তাকে ধরা যায় না। মুহুর্তে সে অতীত হয়ে যায়। করোনা-র চোখ-রাঙ্গানী দিয়ে শুরু হয়ে ২০২১-র আজ শেষ দিন। বর্তমান-এর অস্বিত্ত্ব খুঁজতে খুঁজতেই ৩৬৪টা দিন শেষ! আমাদের প্রত্যেক-র জীবন থেকেই গোটা একটা বছর ডিলিট হয়ে গেলো। পিছন ফিরে সেই চলে যাওয়া ২০২১ কে সুখ-দুঃখের অনুভুতি মেশানো পত্র দিয়ে বিদায় জানালেন টলিউডের প্রথম সারির অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র (Sreelekha Mitra)। বছরের শেষ দিনের আগেই তা পোস্ট করলেন সামাজিক মাধ্যমে।চিঠিতে অভিনেত্রী লিখেছেনঃপ্রিয় ২০২১,আপনার চলে যাবার একদিন আগেই আপনাকে বিদায় জানাচ্ছি কারণ... কাল-এর কথা কাল-ই জানে। তুমি আমার বাবাকে তাঁর রাজকুমারীর কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে অনাথ করেছ, হ্যাঁ তাই, ক্ষমা-তো তোমাকে আমি করতেই পারবো না! তুমি ক্ষমার পাত্র-ও নও। আবার সেই তুমি-ই আমার শিল্পসত্তা কে যে জায়গায় প্রতিষ্টিত করেছ, ভাবিনি কোনওদিন আমি নিজেকে সেখানে দেখতে পাবো! তুমি আমাকে আন্তর্জাতিক স্তরে প্রশংসা পাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছো, হ্যাঁ, অবশ্যই ভেনিস চলচিত্র উৎসবের কথাই বলছি। যখন আমার আশেপাশের লোকজন আমার খামতি খুঁজে বেরিয়েছে (দেখুন আমি কিন্তু কিচ্ছু ভুলিনি)।তাই আজ আমার চোখে অশ্রু, অবয়বে এক বিষণ্ণতার ভাঁজ (কেউ কেউ বলে নাকি যে এটাই আমার সেরা অভিব্যাক্তি)। আমি বলি কে সেরা সেরা...... সোচনা কেয়া জো ভি হোগা দেখা যায়েগা এইটুকুই থাক.....চিঠিটা এখানেই শেষ করেছেন শ্রীলেখা। অনেক কিছুই ফিরিয়ে দেওয়ার আছে, এই ইঙ্গিত-ই কি দিলেন শ্রীলেখা? জীবন থেমে থাকেনা, সে তার নিজের গতিতেই বয়ে চলে, আমাদের শুধু মরুতীর্থ হিংলাজ যাত্রার মত পথের ক্লান্তি ভুলে স্নেহ ভরা কোলে তব- মাগো, বলো কবে শীতল হবো-কত দূর আর কত দূর বল মা গেয়ে যেতে হবে। কোভিড-১৯, ডেল্টা, ওমিক্রন আরও কত চোখরাঙ্গানী দেখতে হবে। তারই ফাঁক দিয়ে জীবন নামক বল টাকে গোলের দিকে নিয়ে যেতে হবে। কেউ পৌছাবে কেউ থেমে যাবে......সামাজিক মাধ্যমে অসম্ভব জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী সদাসর্বদা তাঁর সুখ-দুঃখ সকলের সাথে ভাগ করে নেন। ছায়াছবি-র মানুষ-জন যে শুধুই ছায়া বা ভিন গ্রহের এই ধারনা তিনি অনেকটাই ভেঙ্গে দিয়েছেন। তারাও আনন্দে হাসেন, দুঃখে কাঁদেন, ক্ষিদে পেলে খান। তার এই খোলা চিঠি এই বার্তা-ই দেই যে, কোন পরিস্থিতিতে-ই ভেঙ্গে পোড়না, ভালো সময় তোমাই দেখছে। কবির ভাষায় মেঘ দেখে কেউ করিস নে ভয় / আড়ালে তার সূর্য হাসে।প্রখ্যাত অভিনেতা সুজয় প্রসাদ চট্টোপাধ্যায় শ্রীলেখা-র এই সামাজিক মাধ্যমে-র পোস্ট এ লিখেছেন দেখা হবে নতুন গানের ভোরে, খুব-ই প্রাসঙ্গিক। কেটে যাক এই আস্থিরতা, নতুন বছরে এক নতুন সুর্য উঠুক।
নতুন বছরের আগেই কলকাতায় ফের মিলল ওমিক্রন আক্রান্তের হদিশ। বৃহস্পতিবার নতুন করে পাঁচজনের নমুনায় নয়া ভ্যারিয়েন্টের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গিয়েছে। এ দিন স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, বিদেশ থেকে আসা ৬ জন করোনা আক্রান্তের নমুনা জিনোম সিকোয়েন্সিং করা হয়েছিল, তার মধ্যে পাঁচজনই ওমিক্রন আক্রান্ত। তাঁদের মধ্যে রয়েছে এক পাঁচ বছরের শিশু। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত কলকাতায় ওমিক্রন আক্রান্ত বেড়ে হল ১৬।এ দিন কলকাতার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ২ করোনা আক্রান্তের শরীরে ওমিক্রনের সন্ধান পাওয়া যায়। তার মধ্যে একজন ৪৪ বছরের ব্যক্তি, তিনি কৈখালির বাসিন্দা। অপরজন ৫ বছরের শিশু, প্রিন্স আনোয়ার শাহ রোডের বাসিন্দা। দুজনই কিছুদিন আগে ব্রিটেন থেকে ফিরেছেন। আরও তিনজনের নমুনাতেও একই ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গিয়েছে, তবে তাঁরা সাম্প্রতিক অতীতে বিদেশ যাত্রা করেছেন কি না, তা জানা যায়নি।তবে এই সংখ্যা সামনে আসার পরই সাধারণ মানুষকে বিশেষভাবে সতর্ক করা হয়েছে। স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফ থেকে বলা হয়েছে, প্রত্যেকে যাতে কোভিড বিধি মেনে চলেন। সময় যে খুব একটা ভালো নয়, তা কার্যত বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে ওই সতর্কবার্তায়। এ দিন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের বুলেটিনে উল্লেখ করা হয়েছে, কলকাতায় করোনার পজিটিভিটি রেট ১২ শতাংশ। স্বাস্থ্য দপ্তরের দাবি, এই হার কেবল একটা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য। প্রতিনিয়ত পজিটিভিটি রেট বাড়ছে রাজ্যে। সংক্রমণ অত্যন্ত দ্রুতগতিতে বাড়ছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে ওই সতর্কবার্তায়।
মেষ/ARIES: শারীরিক দুর্বলতা হতে পারে।বৃষ/TAURUS: অনুশোচনা হতে পারে।মিথুন/GEMINI: বঞ্চনার শিকার হতে পারেন।কর্কট/CANCER: পরনির্ভরতা জন্মাতে পারে।সিংহ/LEO: ক্লেশভোগ করতে হতে পারে।কন্যা/VIRGO: গৃহসংস্কারে ব্যয় করতে পারেন।তুলা/ LIBRA: সন্তানের জন্য চিন্তা হতে পারে।বৃশ্চিক/Scorpio: শুভপ্রয়াস হতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: রত্নাদি ধারণ করতে পারেন।মকর/CAPRICORN: ভ্রাতৃবিরোধ হতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS: গুণীজনসঙ্গ পেতে পারেন।মীন/ PISCES: যাত্রায় বিঘ্ন ঘটতে পারে।
কলকাতার নতুন পুলিশ কমিশনার হতে চলেছেন বিনীত গোয়েল। সৌমেন মিত্রের জায়গায় আসছেন তিনি। অন্যদিকে দায়িত্ব বাড়ল জ্ঞানবন্ত সিংয়ের। মহানগরীর নতুন কমিশনার পদের দৌঁড়ে বিনীতের সঙ্গে তিনিও ছিলেন। জ্ঞানবন্তকে দেওয়া হয়েছে সিআইডি-র এসটিএফ-এর অতিরিক্ত দায়িত্ব। এ ছাড়া, শিলিগুড়ির বর্তমান পুলিশ কমিশনারেট অমিতাভ মাইতিকে মালদহের পুলিশ সুপার পদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।৩১ ডিসেম্বর কলকাতায় নগরপালের পদ থেকে অবসর নেবেন সৌমেন। তার পরই দায়িত্ব গ্রহণ করবেন বিনীত। তিনি বর্তমানে রাজ্য পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স এবং দুর্নীতি দমন শাখার দায়িত্বে আছেন। কলকাতা পুলিশে বিনীতের যথেষ্টই সুনাম রয়েছে বলে জানা যায়। গত জুন মাসে নিউটাউনে দুই কুখ্যাত পঞ্জাবী গ্যাংস্টারকে এনকাউন্টারের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ১৯৯৪ ব্যাচের এই আইএএস অফিসার বিনীত। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা বিভাগের প্রধান হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি। এ বার তিনি কলকাতা পুলিশের নেতৃত্ব দিতে চলেছেন।কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার পদে আসতে চলেছেন বর্তমানে মালদহ রেঞ্জের ডিআইজি প্রবীণকুমার ত্রিপাঠী। কমিশনারের পদ থেকে অবসর নিয়ে ডিজি ট্রেনিং ওএসডি-র দায়িত্ব গ্রহণ করতে চলেছেন সৌমেন।
বিদেশের মাঠে একসময় দেশের পারপরমেন্সে আতঙ্কিত হয়ে পড়তেন ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীরা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলে গেছে ভারতীয় ক্রিকেট। এখন বিদেশের মাটিতেও সিরিজ জিততে শুরু করেছে। বিদেশে সিরিজ জয়ে মূল অবদান রাখছেন জোরে বোলাররা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম টেস্টেও সেই ভারতীয় জোরে বোলারদের দাপট। দুই ইনিংস মিলিয়ে ৮ উইকেট তুলে নিয়ে প্রোটিয়া ব্যাটিংয়ের মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছিলেন মহম্মদ সামি। সেঞ্চুরিয়নে জয়ের পর জোরে বোলারদের প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি।দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্ট জয়ের পর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে কোহলি বলেন, গত দুতিন বছর ধরে বোলাররা একটা ইউনিট হিসেবে বল করে আসছে। এর ফলে বিদেশের মাটিতে সাফল্য আসছে। এটাই হল আমার দলের সাফল্যের মূল রসায়ন। সেঞ্চুরিয়নে টেস্ট ক্রিকেটে ২০০ উইকেটের মাইলস্টোনে পৌঁছেছেন মহম্মদ সামি। দলের এই জোরে বোলারকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন অধিনায়ক কোহলি। তিনি বলেন, সামি বিশ্বমানের প্রতিভা। এই মুহূর্তে বিশ্বের সেরা ৩ জোরে বোলারের মধ্যে ও একজন। যে কোনও উইকেট থেকে সুবিধা আদায় করার দারুণ ক্ষমতা আছে। ওর শক্তিশালী কব্জি, সিমের ব্যবহার এবং ধারাবাহিকভাবে একই জায়গায় বল করার দক্ষতা সামিকে এই উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। টেস্টে ও ২০০ উইকেটের মাইলস্টোনে পৌঁছনোর জন্য আমি খুশি। এই টেস্টেও দুর্দান্ত বোলিং করেছে।গোড়ালিতে চোটের জন্য সেঞ্চুরিয়ন টেস্টের প্রথম ইনিংসে বেশ কিছুক্ষণ বোলিং করতে পারেননি যশপ্রীত বুমরা। ভারতীয় দলের কাছে এটা একটা ধাক্কা ছিল বলে মনে করেন কোহলি। এর ফলে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটাররা কিছুটা সুবিধা পেয়েছিল বলে দাবি করেছেন তিনি। কোহলি বলেন, বুমরা প্রথম ইনিংসে বেশি বল করতে পারেনি। এরজন্য দক্ষিণ আফ্রিকা কিছুটা সুবিধা পেয়ে গিয়েছিল। ওরা ৪০ রান বেশি তুলে ফেলেছিল। বুমরা যদি চোট না পেত তাহলে দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম ইনিংসে ১৯৭ রানে পৌঁছতে পারত না।
জাওয়াদের প্রভাবে হওয়া বৃষ্টিপাতের জেরে ফসলের ক্ষতি হয়ে যাওয়ার হতাশায় ফের শস্যগোলায় আত্মঘাতী হল এক চাষি। এবার আত্মঘাতী হলেন পূর্ব বর্ধমানের কালনা ২ ব্লকের বৈদ্যপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ওসমানপুর গ্রামের এক চাষির। মৃত চাষির নাম পান্নালাল মুদিরায়(৫৬)।বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ির গোয়ালঘর থেকে উদ্ধার হয় এই চাষির ঝুলন্ত মৃত দেহ। এদিনই কালনা মহকুমা হাসপাতাল মর্গে চাষির মৃতদেহের ময়নাতদন্ত হয়। কী কারণে চাষির মৃত্যু হল তার তদন্ত পুলিশ শুরু করেছে। জাওয়াদের দুর্যোগ কাটার পর থেকে এই নিয়ে শস্যগোলায় আত্মহননের পথ বেছে নিলেন চারজন চাষি।পরিবার সদস্যা জানিয়েছেন, পান্নালাল মুদিরায় নিজের কিছু জমিতে আলু চাষ করার পাশাপাশি ভাগে কিছু জমি নিয়ে এবছর আলুর চাষ করেছিলেন। জাওয়াদের প্রভাবে কয়েকদিন আগে হয়ে বৃষ্টির জলে পান্নালালের আলু চাষের জমি জলে ঢুবে যায়। চাষের এই ক্ষতি দেখে মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েন পান্নালাল বাবু। তাঁর ভাই মোহনলাল মুদিরায় জানান, তাঁর দাদা নিজের ও ভাগে নেওয়া জমি মিলিয়ে দশ বিঘা জমির আলুর চাষ নষ্ট হয়ে যায় অসময়ের বৃষ্টির কারণে। তাঁর দাদা সবসময় মনমরা হয়ে থাকতো। বৃহস্পতিবার সকালে গোয়ালঘরে দাদাকে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলতে দেখা যায়।মোহনলালবাবু দাবি করেন, চাষের ক্ষতির কারণে মানসিক অবসাদে তাঁর দাদা আত্মঘাতী হয়েছেন।জেলাপরিষদের সহকারী সভাধিপতি দেবু টুডু জানিয়েছেন, চাষিদের ফসলের ক্ষতি হলে তার হাত থেকে চাষিদের বাঁচাতে বিমার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিমার প্রিমিয়াম সরকারই দিয়ে দিচ্ছে। বিমা করানোর জন্য সরকারিভাবে বারবার প্রচার চালানো হচ্ছে। বিভিন্ন পঞ্চায়েত এলাকায় ক্যাম্পও করা হচ্ছে।
অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে গ্রুপ লিগে পাকিস্তানের কাছে হেরে মানসিকভাবে অনেকটাই ভেঙে পড়ছিল ভারতীয় দল। সেমিফাইনালের ছাড়পত্র পেতে গেলে গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে জিততেই হয়। দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে অবশেষে সেমিফাইনালে। সেমিফাইনালেও অপ্রতিরোধ্য ভারতীয় দল। গতবারের চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশকে ১০৩ রানে হারিয়ে পৌঁছে গেল অনূর্ধ্ব ১৯ এশিয়া কাপের ফাইনালে। যশ ঢুলের দলের সামনে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ। ফাইনালে সামনে শ্রীলঙ্কা। বৃহস্পতিবার শারজায় দ্বিতীয় সেমিফাইনালে টস জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠায় বাংলাদেশ। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৪৩ রান তোলে ভারত। ভারতের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন শাইক রশিদ। তিনি ১০৮ বলে ৯০ রান করে অপরাজিত থাকেন। তাঁর ইনিংসে রয়েছে তিনটি চার ও একটি ছয়। ভিকি অস্তবল ১৮ বলে ২৮ রান করে অপরাজিত থাকেন। অধিনায়ক যশ ঢুল ২৬ ও রাজ বাওয়া ২৩ রান করেন। বাংলাদেশের হয়ে রকিবুল হাসান নেন ৪১ রানের বিনিময়ে ৩ উইকেট।জবাবে ব্যাট করতে নেমে ভাল শুরু করে বাংলাদেশ। ৫ ওভারে তোলে ৩১। এরপরই প্রথম উইকেট হারায়। নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট পড়তে থাকায় আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি বাংলাদেশ। ৩৮.২ ওভারে ১৪০ রানেই গুটিয়ে যায়। আরিফুল ইসলাম সর্বাধিক ৪২ রান করেন। ভারতের হয়ে রাজ্যবর্ধন হঙ্গরগেকর, রবি কুমার, রাজ বাওয়া ও ভিকি অস্টওয়াল দুটি করে উইকেট নেন।অন্য সেমিফাইনালে পাকিস্তানকে ২২ রানে হারিয়েছে শ্রীলঙ্কা। টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় শ্রীলঙ্কা। ৪৪.৫ ওভারে ১৪৭ রানে শেষ হয় তাদের ইনিংস। ৭০ রানেই পড়ে গিয়েছিল ৮ উইকেট। সেখান থেকে ইয়াসিরু রডরিগো (অপরাজিত ৩১) ও মহীশ পাথিরানা (৩১) শ্রীলঙ্কাকে ১১৭ রানে পৌঁছে দেন। দশম উইকেটের জুটিতে ওঠে আরও মূল্যবান ৩০ রান। পাকিস্তানের হয়ে জিশান জমির ৩২ রানের বিনিময়ে ৪ উইকেট নেন। জবাবে খেলতে নেমে ৪৯.৩ ওভারে ১২৫ রানেই শেষ পাকিস্তান। আহমেদ খান করেন সর্বাধিক ৩৬। শ্রীলঙ্কার হয়ে ১৪ রানে ৪ উইকেট নেন ত্রিভীন ম্যাথু।
সাদা বলের ক্রিকেটে দাপট দেখাতে না পারলেও লাল বলের ক্রিকেটে অপ্রতিরোধ্য ভারত। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম সংস্ককরণে ফাইনালে উঠেও অল্পের জন্য সেরার শিরোপা জোটেনি। দ্বিতীয় সংস্করণের শুরু থেকেই দুর্দান্ত গতিতে এগিয়ে চলেছে বিরাট কোহলি ব্রিগেড। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে স্থগিত হয়ে যাওয়া সিরিজে ২১ ব্যবধানে এগিয়ে থাকা। তারপর দেশের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজ জয়। এবার দক্ষিণ আফ্রিকাকে প্রথম টেস্টে ১১৩ রানে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল বিরাট কোহলির দল। জয়ের জন্য ৩০৫ রান তাড়া করতে নেমে মাত্র ১৯১ রানেই গুটিয়ে গেল প্রোটিয়ারা। সেঞ্চুরিয়ন দক্ষিণ আফ্রিকার দূর্গ বলে পরিচিত। সুপারস্পোর্টস পার্কে প্রোটিয়াদের পরিসংখ্যান খুবই ভাল। সেই মাঠেই দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দুর্দান্ত জয় তুলে নিল ভারত। টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন কোহলি। প্রথম ইনিংসে ভারত তুলেছিল ৩২৭। জবাবে ১৯৭ রানে শেষ হয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম ইনিংস। ১৩০ রানে এগিয়ে থেকে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে ভারত তোলে ১৭৪। জয়ের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ৩০৫। প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। যশপ্রীত বুমরা, মহম্মদ সামিদের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি ডিন এলগারের দল। চতুর্থ দিনের শেষে দক্ষিণ আফ্রিকার রান ছিল ৪ উইকেটে ৯৪। ডিন এলগার ৫২ রানে ক্রিজে ছিলেন। ম্যাচ বাঁচানোর জন্য তাংর ব্যাটের দিকেই তাকিয়েছিল প্রোটিয়া শিবির। ৭৭ রান করে যশপ্রীত বুমরার বলে এলবিডব্লিউ হন এলগার। দক্ষিণ আফ্রিকার রান তখন ১৩০। এলগার আউট হওয়ার পরপরই দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচ বাঁচানোর আশা শেষ হয়ে যায়। কুইন্টন ডিকক (২১), তেম্বা বাভুমা (অপরাজিত ৩৫) কিছুটা লড়াই করলেও তা যথেষ্ট ছিল না। ৬৮ ওভারে ১৯১ রানে গুটিয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার দ্বিতীয় ইনিংস। ভারতের হয়ে যশপ্রীত বুমরা ৫০ রানে ও মহম্মদ সামি ৬৩ রানে ৩টি করে উইকেট পান। মহম্মদ সিরাজ ৪৭ রানে ২টি ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন ১৮ রানে ২টি উইকেট নেন। দুই ইনিংস মিলিয়ে এই টেস্টে ৮ উইকেট নিলেন সামি।
মহারাষ্ট্রে গত কয়েক দিন ধরেই বাড়ছে কোভিড সংক্রমণ। ওমিক্রনে আক্রান্তের সংখ্যার নিরিখে দিল্লির পরই রয়েছে এই রাজ্য। বর্ষবরণ উৎসবে সাধারণ মানুষ মেতে উঠলে আরও খারাপ হতে পারে পরিস্থিতি। সংক্রমণ ঠেকাতে মুম্বই শহরে ১৪৪ ধারা জারির সিদ্ধান্ত নিল মুম্বই পুলিশ। ৩০ ডিসেম্বর অর্থাৎ আজ থেকেই শুরু হচ্ছে এই বিধিনিষেধ। চলবে আগামী ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত। প্রসঙ্গত, মহারাষ্ট্রে গত কয়েক দিন ধরেই বেড়েছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯০০ জন। এর মধ্যে মুম্বইয়ে আক্রান্ত এক হাজার ছাড়িয়েছে।pআরও পড়ুনঃ হাবড়া স্টেশনে কেন ভেঙে দেওয়া হল এমএ ইংলিশ চায়েওয়ালির দোকান?৩০ ডিসেম্বর থেকে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত মুম্বইয়ে আয়োজন করা যাবে না কোনও অনুষ্ঠান। ঘরে হোক বা রেস্তরাঁ, বার, পাব কোথাও কোনও পার্টির আয়োজনও করা যাবে না। পাশাপাশি বর্ষবরণের উৎসবেও নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। এই নির্দেশ অমান্য করলে মহামারি আইন এবং ভারতীয় দণ্ডবিধির নির্দিষ্ট ধারায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।আরও পড়ুনঃ কামড় দিলেই তেতুল জলের বদলে বাটারস্কচ আইসস্ক্রিম, ভিন্ন স্বাদের ফুচকায় মেতেছে বর্ধমানবছর শেষে করোনার নয়া আতঙ্ক বিশ্বজুড়ে। গোটা বিশ্বে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে ওমিক্রন সংক্রমণ, একমাসেই বিশ্বের ১১৭টিরও বেশি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে নতুন ভ্যারিয়েন্ট। দেশে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজারের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টকে ছাপিয়ে বিশ্বে ডমিনেন্ট ভ্যারিয়েন্ট হিসাবে রূপান্তরিত হচ্ছে ওমিক্রন।
মেষ/ARIES: মনে কষ্ট পাবেন।বৃষ/TAURUS: শোকপ্রাপ্তি হতে পারে।মিথুন/GEMINI: প্রতিবেশীর সঙ্গে বিবাদ।কর্কট/CANCER: উৎসাহ লাভ করতে পারেন।সিংহ/LEO: কোনও দ্রব্যের ক্ষতি হতে পারে।কন্যা/VIRGO: ভাগ্যোদয় হতে পারে।তুলা/ LIBRA: উন্নতিতে বাধা সৃষ্টি হতে পারে।বৃশ্চিক/Scorpio: পারিবারিক অশান্তি হতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: মানসিক স্বস্তি পেতে পারেন।মকর/CAPRICORN: সংক্রমণজনিত রোগ হতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS: উচ্চশিক্ষার সুযোগ আসতে পারে।মীন/ PISCES: ধর্মে আগ্রহ বৃদ্ধি পেতে পারে।
চোরাই রাইস অয়েলের সঙ্গে বিভিন্ন ক্ষতিকারক রাসায়নিক মিশিয়ে তৈরি করা হত ভেজাল সরষের তেল। গোপন সূত্রে সেই খবর পেয়ে পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার পুলিশ মঙ্গলবার রাতে ছিনুই এলাকায় গজিয়ে ওঠা ওই ভেজাল সরষের তেলের কারবারী ডেরায় হানা দেয়। সেখান থেকে পুলিশ ভেজাল সরষের তেল তৈরিতে যুক্ত তিন জনকে গ্রেফতার করার পাশাপাশি ৫২টি টিনের ড্রামে ভর্তি ভেজাল সরষের তেল ও রাসায়নিক দ্রব্য উদ্ধার করেছে। এছাড়াও রাইসয়েল তেল সমেত একটি ট্যাঙ্কারও পুলিশ বাজেয়াপ্ত করেছে। পুলিশ নড়ে-চড়ে বসাতেই ভেজাল সরষের তেলের কারবারী চক্রের পর্দাফাঁস হল বলে মনে করছেন মেমারির বাসিন্দারা। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম অসীম মিত্র, গোবিন্দ সরকার ও পঙ্কজ সিং। অসীম ও গোবিন্দর বাড়ি মেমারির ছিনুই গ্রামে। অপর ধৃত পঙ্কজ সিং বাজেয়াপ্ত হওয়া ট্যাঙ্কারটির চালক। তাঁর বাড়ি হাওড়ার বালি এলাকায়। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ বুধবার তিন ধৃতকে বর্ধমান আদালতে পেশ করে। তদন্তের প্রয়োজনে তাঁদের ১০ দিন নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানায়। বিচারক ধৃতদের ৫ জানুয়ারী পর্যন্ত পুলিশি হেপাজত মঞ্জুর করেছে। জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কল্যান সিংহরায় বলেন, ভেজাল সরষের তেল তৈরি চক্রের জাল কতদূর বিস্তৃত রয়েছে এবং চক্রে আরও কারা করা যুক্ত রয়েছে তা ধৃতদের হেপাজতে নিয়ে খতিয়ে দেখা হবে। বাজেয়াপ্ত হওয়া সমস্ত সামগ্রীও ল্যাব টেস্টিংয়ে পাঠানো হবে। যে গোডাউনে ভেজাল সরষের তেল তৈরি করা হত সেই গাডাউনের মালিক কে সেই বিষয়েও খোঁজ নেওয়া হচ্ছে বলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানিয়েছেন। মেমারির ছিনুই শীতলাতলা এলাকায় ভেজাল সরষের তেল তৈরি হওয়ার খবর মঙ্গলবার গোপন সূত্রে পায় মেমারি থানায় পুলিশ। ওই এলাকায় হানা দিতেই পুলিশের নজরে আসে একটি ট্যাঙ্কার থেকে তেল বের করে ড্রামে ভরা হচ্ছে। পুলিশ ওই ট্যাঙ্কারের চালককে ধরার পাশাপাশি ট্যাঙ্কারটি বাজেয়াপ্ত করে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ট্যাঙ্কার থেকে রাইসয়েল ড্রামে ভরে নিয়ে গোডাউনে রাখা হত। এই রাইসয়েলও চুরি করা রাইসয়েল। এছাড়াও আরও বিভিন্ন জায়গা থেকে রাইসয়েল সংগ্রহ করতো কারবারীরা। তদন্তে নেমে পুলিশ জেনেছে, গোডাউনের মধ্যে ওই রাইসয়েল প্রথমে একটি বড় পাত্রে ঢালা হত। পরে তাতে সরষের তেলের রঙ আনার জন্য কাঠ পালিশে ব্যবহৃত কামধেনু রঙ সহ নানা ভেজাল দ্রব্য মেশানো হত। এছাড়াও সরষের তেলের ঝাঁজ আনার জন্য ওই রাইসয়েলে ক্ষতিকারক রাসায়নিকও মেশানো হত। এইসব ভেজাল দ্রব্য মিশিয়ে কারবারীরা রাইসয়েলকে সরষের তেলের রুপ দিত। পরে সেই তেল ১৫ কেজির খালি টিনের ড্রামে ভরে টিনের ছিপি দিয়ে শিল করে দেওয়া হত। এরপর ওই টিনের ড্রামে বিভিন্ন নামি দামি কোম্পানির স্টিকার আঠা দিয়ে এঁটে কারবারীরা বিভিন্ন দোকানে বিক্রি করতো। মেমারি থানার পুলিশ দাবি করেছে, ভেজাল সরষের তেলের এই কারবারির ডেরা থেকে ৫২ ড্রাম ভর্তি ভেজাল সরষের তেল, ৭৪টি খালি টিনের ড্রাম ও নগদ ৫০ হাজার টাকা পুলিশ অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করেছে। এছাড়াও ভেজাল তেল তৈরিতে ব্যবহৃত সমস্ত উপকরণ ও রাইসয়েল সমেত ট্যাঙ্কারটি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে মেমারি থানার পুলিশ জানিয়েছে।
করোনা পরিস্থিতি যে ভাবে ফের অবনতির দিকে যাচ্ছে, তাতে আশঙ্কার মেঘ দেখছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে, ফের নতুন করে কিছু বিধিনিষেধ জারি হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিলেন তিনি। পরিস্থিতির অবনতি হলে প্রয়োজনে পুনরায় স্কুল বন্ধ করার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন তিনি। বুধবার গঙ্গা সাগরে প্রশাসনিক বৈঠক থেকে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের এই বিষয়ে নির্দেশ দিয়েছেন মমতা।করোনা সংক্রমণ যদি বাড়ে, তাহলে আবার কিছুদিনের জন্য স্কুল- কলেজ বন্ধ করতে হবে। বুধবার প্রশাসনিক বৈঠক থেকে এমনটাই নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। তিনি মণীশ জৈনকে নির্দেশ দেন, করোনা পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে, তাতে খেয়াল রাখতে হবে। মমতা বলেন, থার্ড ওয়েভ আসছে। ওমিক্রনও হচ্ছে। এই সময় স্কুল, কলেজ খোলা রাখা যায় কি না, তা দেখতে হবে। সামনেই মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা আছে বলেও উল্লেখ করেন মমতা।মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীকেও মমতা নির্দেশ দেন, করোনা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে স্কুল-কলেজ চালু থাকবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এ দিন স্বাস্থ্য সচিব নারায়ন স্বরূপ নিগমের কাছে করোনা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্বাস্থ্য সচিব জানান, কলকাতা ও শহরতলিতে বাড়ছে সংক্রমণ। এরপরই মুখ্যমন্ত্রী মুখ্যসচিবকে নির্দেশ দেন যাতে কনটেনমেন্ট জোন বা মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোন তৈরি করার পরিকল্পনা করা হয়। ৩ জানুয়ারি থেকে যাতে সেই সংক্রান্ত বিধি জারি করা যায়, সেই নির্দেশ দিয়েছেন মমতা।মুখ্যমন্ত্রী এ দিন আন্তর্জাতিক বিমানের যাত্রীদের নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। মুখ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন আন্তর্জাতিক বিমানে আসা যাত্রীদের থেকেই ছড়িয়ে পড়ছে ওমিক্রন সংক্রমণ। তাই সে ক্ষেত্রে কোভিড বিধিতে কোনও বদল আনা যেতে পারে কি না, তা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন তিনি। করোনা পরিস্থিতিতে অনেক দিন ধরেই বন্ধ ছিল লোকাল ট্রেন। পরে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসায় পরে চালু হয় লোকাল ট্রেন। এ দিন প্রশাসনিক বৈঠকে মমতা নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে লোকাল ট্রেনের সংখ্যা কিছুটা কমানো যায়। পাশাপাশি, প্রয়োজনে অফিসগুলোতে উপস্থিতি ৫০ শতাংশ করার নির্দেশ দেওয়া হতে পারে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।