• ৩ আশ্বিন ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

MI

বিদেশ

গভীর সঙ্কটে পরশি দ্বীপরাষ্ট্রঃ শ্রীলঙ্কার কেন এই দশা? পরিত্রাণের উপায় খুঁজছে দেশটি

ঋণগ্রস্ত হলে কী বেহাল দশা হয় এখন দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কার পরিস্থিতি দেখে তা সহজেই অনুমান করা যায়। বিশ্ববাজার থেকে ঋণ ক্রমাগত ঋণ নিয়ে তার বোঝা বেড়ে গিয়েছে। একইসঙ্গে চরম খাদ্য সংকটে দেশটি। রয়েছে জ্বালানি সংকটও। মোদ্দা কথা সমস্ত দিক থেকে কোমর ভেঙে গিয়েছে প্রতিবেশি দেশটির। তারওপর দুডজনের বেশি মন্ত্রী এই বোঝা বইতে না পেরে পদত্যাগ করেছেন। নিদারুণ সংকটে জেরবার শ্রীলঙ্কা। কিন্তু কেন দেখা দিল এই জেরবার পরিস্থিতি?সরকার বিরোধী বিক্ষোভে টালমাটাল সারা শ্রীলঙ্কা। ইতিমধ্যে ২৬ জন মন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন। অর্থনৈতিক সঙ্কটে বেলাগাম মূল্যবৃদ্ধি। প্রতি কিলোগ্রাম চালের দাম ২২০ টাকা। প্রতিটি জিনিষে হাত দিলেই ছ্যাঁকা লাগছে। ১৯৪৮-তে স্বাধীনতা অর্জনের পর এই প্রথম এমন ভয়াবহ অর্থনৈতিক সঙ্কটের কবলে দেশটি। এর আগে এলটিটিই গেরিলা যুদ্ধে দেশটির নাজেহাল অবস্থা হয়েছিল। এবার সামগ্রিক সঙ্কটের মধ্যে দেশটি। শ্রীলঙ্কা জ্বালানী নেই, বিদ্যুৎ নেই, খাবার নেই, এ এক চরম অরাজকতা। তার মধ্যে বিক্ষোভ দমন করছে সরকার। কয়েকশো বিক্ষোভকারীকে গ্রেফতারও করেছে সরকার। জনরোষ ঠেকাতে কার্ফু জারি করতে হয়েছে। কীভাবে পরিস্থিতি আয়ত্বে আসবে তা খুব কঠিন বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা।বিশ্বে এই দেশের ঋণের পরিমান কত, জানেন?বিশ্বের নানা ক্ষেত্র থেকে ঋণ নিয়ে দায়গ্রস্ত শ্রীলঙ্কা। বিভিন্ন সংস্থার পাশাপাশি নানা দেশ থেকেও ঋণ নিয়েছে দ্বীপরাষ্ট্রটি। দীর্ঘ সেই তালিকা। শ্রীলঙ্কা এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক থেকে নিয়েছে ১৪.৬ শতাংশ, আন্তর্জাতিক সার্বভৌম বন্ড থেকে ঋণের পরিমান ৩৬.৪ শতাংশ। তাছাড়া প্রাথমিক ঋণদাতাদের মধ্যে রয়েছে জাপান, চিন এবং এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাঙ্ক(ADB)। প্রতিবেশি দেশের সঙ্কটে পাশে দাঁড়িয়েছে ভারত সরকার। ১ বিলিয়ন ডলার দেওয়া হয়েছে শ্রীলঙ্কাকে। জ্বালানি, খাদ্য ও ওষুধ কিনতে সাহায্য করার জন্য। পাশাপাশি ডিজেল পাঠাচ্ছে ভারত। একইসঙ্গে ভারতের তরফে ৫০০ মিলিয়ন ডলার ক্রেডিট বাড়ানো হয়েছে। ঋণ শোধ করার জন্য কেউ সময় বাড়িয়েছে, কোনও দেশ আবার চাপও বাড়িয়েছে।কী করে পরিত্রাণ পেতে চাইছে শ্রীলঙ্কা?ঋণের বোঝা কমাতে উদ্যোগী হয়েছে শ্রীলঙ্কা। আপাতত ৪ বিলিয়ন ডলার ঋণ পরিশোধের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে দেশটি। পাশাপাশি শুধু অপরিহার্য পণ্য সামগ্রী বিদেশ থেকে আমদানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দ্বীপরাষ্ট্র। সারা দেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিষপত্র, বিশেষত খাদ্য ও জ্বালানী সঙ্কট তীব্র মাত্রা নিয়েছে। দ্রব্যসামগ্রীর মূল্য আকাশছোঁয়ায় রাস্তায় নেমে সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ চলছে দেশজুড়ে। সরকার মনে করছে, ঋণ শোধ করা এই মুহূর্তে খুব জরুরি। তবে এখন শ্রীলঙ্কা সরকারের ভান্ডারে রয়েছে ২.৩১ বিলিয়ন ডলার। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের প্রভাবও পড়েছে এই দেশে। কারণ বিশ্ববাজারে জ্বালানী তেলের দাম ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। ঋণগ্রস্ত দেশটির তাই আরও নাজেহাল অবস্থা। শেষমেশ দেশে অশান্তি এড়াতে সেনা মোতায়েন করতে বাধ্য হয়েছে সরকার।

এপ্রিল ০৬, ২০২২
রাজ্য

পরিযায়ী শ্রমিকদের হেনস্তা বর্ধমান জিআরপিতে, জোর করে টাকা নেওয়ারও অভিযোগ

পাঞ্জাব থেকে ফেরা পরিযায়ী শ্রমিকদের হেনস্তা ও জোর করে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠলো জিআরপির বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার ভোরে লুধিয়ানা থেকে বর্ধমান স্টেশনে নামেন ৬ জন পরিযায়ী শ্রমিক। তাঁরা মালদার কাঞ্চননগরের বাসিন্দা।তাঁদের অভিযোগ, স্টেশনের বাইরে বসে থাকার সময় জিআরপি থানায় ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে একজন লক্লার্ক মাস্ক না পড়ার জন্য তাদের প্রত্যেককে ৪৫০ টাকা ফাইন করে। সেই ছবি তাঁরা নিজেদের মোবাইল ক্যামেরায় বন্দি করে। সেই ভিডিওতে দেখা যায় টাকা নেওয়ার সময় গালিগালাজ করছেন জিআরপির লক্লার্ক ওই শ্রমিকদের।শ্রমিকদের অভিযোগ, টাকা দিলেও তাঁদের এর জন্য কোনও রসিদ দেওয়া হয়নি। সামসুল হক নামে ওই লক্লাকের এই নিয়ে প্রতিক্রিয়া নিতে গেলে বাধা দেওয়া হয়।

এপ্রিল ০৫, ২০২২
রাজ্য

সরকারি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজেপি সরকারকে তুলোধনা করে বিতর্কে রাজ্যের মন্ত্রী

সোমবার বর্ধমান শহরের লোক সংস্কৃতি মঞ্চে এক সভায় পুর্ব বর্ধমান জেলার ছয় (৬) পুরসভার এম সি আই সি (MCIC) ঘোষণা করেন মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস। সভায় উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, জেলা পরিষদের সভাপতি সম্পা কুণ্ডু, বর্ধমান ডেভলপমেন্ট অথরিটির চেয়ারম্যান কাকলি তা গুপ্তা, সিদ্দিকুল্লা চৌধুরি,প্রানি সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, জেলা পরিষদের সহ-সভাপতি দেবু টুডু বর্ধমান দক্ষিণ ও উত্তরের বিধায়ক খোকন দাস ও নিশিথ মালিক এবং ছটি পুরসভার নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান।বক্তব্য রাখে গিয়ে মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস বলেন, একটা মানুষ তিল তিল করে বাংলাকে গড়ে চলেছেন। সৃষ্টিকারী যদি কেউ হোন,তার নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সৃষ্টি করছেন। আর কেউ যদি ধ্বংসকারী হয়ে থাকে তাহলো বিজেপি সরকার,নরেন্দ্র মোদীর সরকার। আজ ভারতবর্ষ বলুন, ভারতবর্ষের সমাজ ব্যবস্থা বলুন, অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বলুন সব ধ্বংস করে দিচ্ছে বিজেপি সরকার। সরকারি মঞ্চে বক্তব্য রখতে গিয়ে তিনি কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে একহাত নেন রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। তিনি আরো বলেন আগে একটা সার্টিফিকেট পেতে গেলে জুতোর শুকতলা ক্ষয়ে যেত। তবুও তা পাওয়া যেত না। আর এখন মুখমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী দুয়ারে সরকার কর্মসূচির মাধ্যমে মানুষের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বাড়িতে পৌঁছে দিচ্ছেন। একেই বলে পাড়ায় সমাধান।সোমবার বর্ধমানের লোক সংস্কৃতি মঞ্চে জেলার উপভোক্তাদের হাতে বিধবা ভাতা সহ বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের পরিষেবা প্রদান করেন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ ও মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। সরকারি মঞ্চে এভাবে বিজেপি সরকারকে আক্রমণ করায় ক্ষোভ উগড়ে দেন জেলা বিজেপি সাধারণ সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র। তিনি বলেন সরকারি মঞ্চে যেভাবে মন্ত্রী বিজেপিকে আক্রমণ করেছেন। তা খুবই দুঃখজনক।

এপ্রিল ০৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

নিঃশব্দ থিয়েটার পালন করলো যোগেশ মাইম একাডেমি হলে বিশ্ব মুকাভিনয় দিবস ২০২২

নিঃশব্দে কথা বলার মধ্যে অনেক সময় থাকে শব্দ করে কথা বলার চেয়েও জোড়। এই কথাটার বাস্তবিক রূপ দেখা যায় মূকাভিনয় বা মাইমের মধ্যে দিয়ে । গত ২২ শে মার্চ মঙ্গলবার ছিল বিশ্ব মূকাভিনয় দিবস। জানা যায় কিংবদন্তী ফরাসী মূকাভিনয় শিল্পী মার্সেল মার্সাউয়ের জন্মদিবসকে সামনে রেখে এই দিনটির নামাঙ্কন করা হয়। বিশ্বের নানাপ্রান্তের সাথে নিঃশব্দ থিয়েটার মুকাভিনয় দিবস পালন করলো যোগেশ মাইম আকাদেমিতে এক সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার মধ্যে দিয়ে। এদিনের অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা ছিল গোবরডাঙ্গা নিঃশব্দ থিয়েটার গ্রুপ। এবারে তাঁদের অনুষ্ঠানের এটি দ্বিতীয় বর্ষ। শহর কলকাতা থেকে অনেকটা দূরেএকদল তরুণ নাট্যকর্মী নিঃশব্দে নিরলস ভাবে নিজেদের কাজ করে চলেছে। মূকাভিনয় সম্পর্কে এখনও সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের যে আবছা ধারণা, তা খানিকটা হলেও স্পষ্ট করতেই যেন সেই নাট্যদলের অন্যতম সদস্য ধনপতি মন্ডল সহ দলের সকলে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মধ্যে দিয়ে নিজেদের কথা বলে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত।এদিনের সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক বিভাগের প্রাক্তন বিভাগীয় প্রধান সিদ্ধার্থ চক্রবর্তী, সাংবাদিক ইন্দ্রজিৎ আইচ ও কেকা মিত্র, অধ্যাপিকা গগন দীপ কৌর, চিত্রশিল্পী তথা অধ্যাপক শুভেন্দু সরকার। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন তরুণ নাট্যব্যক্তিত্ব তথাগত চৌধুরী, মধুরিমা গোস্বামী সহ অন্যান্য। যদিও বিশেষ কিছু কারণে ষড়ভুজ নাট্যদলের নির্দেশক অধ্যাপক তরুণ কুমার প্রধান , সঙ্গীতশিল্পী প্রকৃতি দত্ত এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেন নি।মূকাভিনয় দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত এই সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় ছিল নাট্যশিল্পী সুরজ বিশ্বাসের একক উপস্থাপনা নটি স্টুডেন্ট যা একটি ক্লাউন নাট্য, ছিল ইমন মাইম সেন্টারের সময়োপযোগী প্রযোজনা লড়াই। মূকাভিনয় ছাড়াও সঙ্গীতশিল্পী দীপময় দাস লোকগানের মধ্যে দিয়ে দর্শকাসনে যেন বাড়তি চমক জুড়ে দিলেন। সাথে নৃত্যলোক ও ক্লাসিকাল ফিউশনের নিজ নিজ উপস্থাপনা এদিনের অনুষ্ঠানে নতুন মাত্রা যোগ করে। বারাসাত রমেশ পল্লি নাট্যদলের প্রযোজনা কড়ি ও কোমলের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিকল্পনা, ভাবনা ও পরিচালনায় ছিলেন ধনপতি মন্ডল। গোবরডাঙ্গা নিঃশব্দ থিয়েটার গ্রুপ এভাবেই এগিয়ে যাক নিজেদের কাজের মধ্যে দিয়ে।

এপ্রিল ০৪, ২০২২
নিবন্ধ

স্নেহময়ীর সংসার (ছোট গল্প)

সীমা আজ তুই বুটিক যাবি না তো? কি যে বলো মা! কাল লক্ষ্মী পূজো আজ কয়েকজন বড় কাস্টমার আসবে; আমি না থাকলে চলে?তাহলে পূজোর বাজার কখন হবে? ঠাকুর আনতে হবে।সব হবে জননী, এই সীমা যতক্ষণ আছে তোমার সব হবে। নো চিন্তা। মোটামুটি দুপুর ১টার মধ্যে সব কাজ গুটিয়ে ফেলব। তুমি ততক্ষণ রীনাদিকে নিয়ে আর দুচার জন মেয়ে কে নিয়ে পূজোর জায়গাটা ঠিক করে নাও। সাজানোর জিনিসপত্র তো আমাদের ঘরেই আছে। আর যেসব লাগবে সেসব কেনা আছে।তুমি ঠাকুরমশায়ের কাছ থেকে যে ফর্দ করে ছিলে সেটা সঙ্গে নিতে ভুলো না যেনো।হ্যাঁ রে হ্যাঁ মনে করে নিয়ে নেব ঠিক।কিন্তু নাড়ু, মুড়কি এইসব আমি বাড়িতে বানাবো বলে রাখলাম। কিন্তু কখন করবো? ভাত খেয়ে তো ওসব করা যাবে না।কালকেই হবে ওসব। দুদিন উপোস করার তো কোন প্রয়োজন নেই। কাল সবাই মিলে করে নেবো। তুমি শুধু বলে দেবে কিভাবে কি করতে হয়।তাই হবে; তুমি যখন বলে দিয়েছ তার তো অন্যথা হবার জো নেই। বলে হাসেন স্নেহময়ী দেবী। সীমাকে বলেন যা রেডি হয়ে নে, রীনা কে বলি তোর জলখাবার দিতে।ওকে! বলে সীমা বাথরুমে ঢুকল আর স্নেহময়ী দেবী ঢুকলেন রান্না ঘরে।এই বাড়িতে সীমারা তিনজন থাকে, সীমা, স্নেহময়ী দেবী, আর রীনা। বছর পাঁচ আগে সীমা রীনা কে রাস্তা থেকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।ওরা তখন অন্য জায়গায় থাকতো। মা, মেয়ে মিলে হাতে তৈরি নানারকম ঘরসজ্জার জিনিস, শাড়ির কাজ, বিভিন্ন অলংকার বানিয়ে বিক্রি করত, সীমার কিছু চেনা মানুষ জনের মাধ্যমে। সেই সময় একদিন রাতে সীমা বাড়ি ফেরার পথে দেখে একজন মহিলা বসে কাঁদছে; রাস্তায় লোকজন খুব বেশি নেই, যারা আছে তারা না দেখে পাশ কাটিয়ে চলে যাচ্ছে। সবাই ঝামেলার ভয় পায়। সীমার মনে হলো মহিলা এই এলাকার নয়, তাই এগিয়ে গিয়ে জানতে চাইল কি হয়েছে। মহিলা যা বলল তার অর্থ তার দাদা তাকে ওখানে বসিয়ে রেখে আসছি বলে চলে গেছে।সীমা আরও কিছু কথা বলে জানতে পারে কি ঘটেছে।মহিলা স্বামী পরিত্যক্তা,নিঃসন্তান দাদার সংসারে থাকে। সুন্দর বনের দিকে একটা গ্রামে বাড়ি। দাদা বোনকে ভালোবাসলেও বৌদি একদম সহ্য করতে পারে না। বৌদির ভয়ে কিছু বলতেও পারে না বোনের হয়ে। এই কদিনে অশান্তি আরও বেড়েছে; কারণ মহিলা খুব অসুস্থ হয়ে পড়ে সংসারের কাজ কিছু করতে পারছিল না। আজ একটু সুস্থ হয়েছে তাই দাদা ডাক্তার দেখানোর কথা বলে শহরে নিয়ে এসেছে।এসব কথা শুনে সীমা পাশে চায়ের দোকানে জিজ্ঞাসা করে মহিলা কতক্ষণ ওখানে বসে আছে?দোকানদার বলে সেই বিকেল থেকে বসে আছে। সীমা তখন তাকে বাড়িতে নিয়ে আসে। তখন থেকেই ওই মহিলা মানে রীনাদি ওদের সবসময়ের সঙ্গী।সীমার কাছে হাতের কাজ শিখে রীনা ও ওদের সাথে যোগ দিয়েছে। সীমাকে নিজের ছোট বোনের মত ভালোবাসে রীনা।সীমা বাথরুম থেকে বেরতেই রীনা বলল দিদি নাও তোমার খাবার রেডি তুমি খেয়ে নাও।হ্যাঁ খাচ্ছি বলে সীমা রেডি হতে ঘরে গেল।খেতে খেতে সীমা রীনাকে বলে দিল দুপুরে ও ফোন করলে রীনা যেন মা কে নিয়ে দোকানে চলে যায়।তুমি দুপুরে কিছু খাবে না? জিজ্ঞাসা করে রীনা।সে দেখা যাবে। তোমরা দুপুরে বারোটার মধ্যে খেয়ে নিও। একটু বিশ্রাম না নিলে মা বেড়োতে পারবে না।-----o-----ঠিক দুপুরে কাজের মাঝেই সীমা ফোন করে মনে করিয়ে দেয় একটার সময় আসতে হবে। সীমা কাজের মধ্যে ডুবে যায়। একবছর হলো এখানে বড়ো করে দোকানটা খুলেছে। এর আগে বাড়িতে বাড়িতে গিয়েই অর্ডার নিয়ে কাজ করতো। শহরের মহিলাদের মধ্যে যারা হাতে তৈরি জিনিস পছন্দ করে তাদের খুব পছন্দের এই স্নেহময়ীর সংসার। হ্যাঁ এটাই নাম দিয়েছে সীমা। হাতে তৈরি বিভিন্ন রকম গয়না, নানারকম কাজ করা পোষাক; ঘর সাজানোর বিভিন্ন রকম সামগ্রী এখানে পাওয়া যায়। এছাড়া বিভিন্ন রকম আচার, বড়ি, মা ঠাকুমার সময়কার নানাবিধ খাবারও এখানে পাওয়া যায়। লক্ষ্মী পূজো উপলক্ষে অনেক নাম করা বাড়ি থেকে নাড়ু, মোয়া মুড়ি ইত্যাদি ঘর সাজানোর জিনিসপত্র, শাড়ির অর্ডার এসেছে। সেই সব কারখানা থেকে দোকানে এনে আজ কাস্টমারদের দেবে বলে সীমার দোকানে আসা।সীমা একজনকে অর্ডারের মাল বুঝিয়ে দিচ্ছে এমন সময় একজন বয়স্ক মহিলা আর সঙ্গে একজন অল্পবয়সী বৌদ্ধ দোকানে এটা ওটা দেখতে থাকেন। দেখতে দেখতে মহিলা হঠাৎ সীমার কাছে এসে বলেন...আরে তুমি সীমা না? সান্যাল বাড়ির বৌ! তুমি বুঝি এখানে কাজ করো? শুনেছিলাম......বলে কিছু একটা বলতে যাবেন এমন সময় দোকানের অন্য একজন সীমাকে ডাকে দরকার আছে বলে।যাই, বলে চলে গিয়ে সীমা ওই মহিলার হাত থেকে রেহাই পায়।মহিলা তখন ঠোঁট উল্টে বলেন কি জানি বাবা? ঠিক চিনলাম তো!সীমার মনটা হঠাৎ বিষন্ন হয়ে গেল। ওর ও চেনা লাগে ভদ্রমহিলাকে কিন্তু ঠিক মনে করতে পারে না, এমন সময় ফোন বেজে ওঠে... মা, তুমি এসে গেছো? একটু ভিতরে এসে বসো আমি ১৫ মিনিটের মধ্যে বেরোচ্ছিকাজ সেরে বাজারে বেরোয় ওরা। যেখান থেকে ওদের বাড়ির ঠাকুর নিত সেখানে আসে। জায়গাটা দেখে মা কেমন বিহ্বল হয়ে পড়ে খেয়াল করে সীমা। মায়ের চোখ যেন ছলছল করে ওঠে। সেটা খেয়াল করে সীমা বলে ওঠে দেখো, কোন দোকান থেকে কি নেবে; নিজের মনের মতো করে বাজার করো।ঠাকুর কোথা থেকে নেবে? বলে সীমা স্নেহময়ী র দিকে তাকাতেই ওনার পিছনদিকে একটু দূরে যাকে দেখলো তাকে দেখবে এখানে আশা করেনি সীমা। এই ক বছরে অনেক পরিবর্তন হয়েছে তার চেহারায় তবুও চিনতে অসুবিধা হচ্ছে না। একটু যেন মনের কোথাও টনটন করে উঠল। সঙ্গে সঙ্গে ওখান থেকে সরে গেল মাকে নিয়ে।-----o-----রাত প্রায় বারোটা, সীমা ঘরের লাগোয়া বারান্দায় এসে দাঁড়ালো। আকাশে চতুর্দশীর চাঁদ, চারিদিক জ্যোৎস্নার আলোয় ভেসে যাচ্ছে । সীমার খুব পছন্দের এই সময় কিন্তু আজ পারছে না জ্যোৎস্নার স্রোতে গা ভাসাতে। এত আলোতেও ওর মনের আকাশ আজ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে রয়েছে। ও ভাবছে কেন মানুষের জীবনের এত পরিবর্তন হয়! যদি এমন কিছু থাকত যার সাহায্যে আবার ফিরে পাওয়া যেত ছোটোবেলার দিনগুলো।মা, বাবা আর দাদার আদরের দুলালী সীমানা সেনগুপ্ত আজ তাহলে এত কষ্ট পেত না। খুব আদরের ছিল ও। ওরা দুই ভাইবোন - সীমান্ত আর সীমানা। সীমান্ত অত্যন্ত মেধাবী ছিল আর সীমানা ছিল মধ্য মেধার মেয়ে। তবে সীমানা মানে সীমার বিশেষ গুন ছিল ও খুব ভালো আঁকতে পারত। ছোটবেলা থেকেই সখ ছিল ড্রেস আর জুয়েলারী ডিজাইন করবে।দাদার আদরের ছোটো বোন ছিল। কিন্তু সেই দাদাকে হঠাৎ একটি অ্যাক্সিডেন্টে হারিয়ে ফেলে। আর তারপর থেকেই বাবা অসুস্থ হয়ে পড়ে। সীমা তখন কলেজে পড়ে।এরপর থেকেই যেন জীবনের আনন্দের দিন গুলি শেষ হতে শুরু করে। জীবন উল্টো স্রোতে বইতে থাকে। যে বাবা মা চাইত সীমা নিজের পায়ে দাঁড়াবে তারাই বিয়ের জন্য উঠে পরে লাগলো। ওর তখন ফাইনাল ইয়ার এক আত্মীয়ের বাড়িতে বিয়ের নেমন্তন্নে গিয়েছিল, সেখানে ওকে দেখে পছন্দ হয় ওই এলাকার নামকরা ব্যবসায়ী অসীম রায়চৌধুরীর। তার একমাত্র ছেলের সঙ্গে বিয়ের প্রস্তাব আসে।সীমার বাবা মা প্রস্তাবটা আনন্দের সঙ্গে ও আগ্রহের সঙ্গে গ্রহন করেন। আর করবে নাই বা কেন; প্রত্যেক মা বাবা যেটা চায় মেয়ের জন্য ভালো ঘর ও সুদর্শন বর সেদিক থেকে এ যেন মেঘ না চাইতেই জল।বিশাল হার্ডওয়্যারের ও বিল্ডিং মেটেরিয়ালের ব্যবসা। দেখতেও সুন্দর অরিন। হ্যাঁ ওটাই পাত্রের নাম।যাইহোক সীমা সব স্বপ্ন বুকে চেপে এক গোধূলি লগ্নে অরিন রায়চৌধুরীর সাথে নিজের জীবন শুরু করেছিল। শ্বশুর বাড়িতে এসে প্রথমদিনেই বুঝতে পেরেছিল শাশুড়ি নামক মানুষটির কোনো গুরুত্ব নেই এই বাড়িতে। এ বাড়িতে সব চলে শ্বশুর মশায় ও তার বোন অনীতা অর্থাৎ পিসি শাশুড়ির কথায়। যদিও তিনি বিবাহিত তবুও দাদার উপর তার প্রভাব বড্ড বেশি। আর আছে সীমার ঠাকুমা শাশুড়ি, যে প্রায় অথর্ব কিছুই পারে না ছেলের বউ ছাড়া তবুও তাকে ভৎর্সনা করতেও ছাড়ে না। সীমার এসব খুব খারাপ লাগে কিন্তু কিছু বলত পারে না। যতই হোক নতুন বউ। আর ও সবকিছু না ঠিক মত জেনে বুঝে কিছু যে করতে নেই সেটা খুব ভালো করে জানে ও। তাই ও চুপচাপ থাকে। ওকে কেউ কিছু বলেনা। শুধু পিসি শাশুড়ি আসলে একটু সমস্যা হয় উনি সব বিষয়ে মতামত প্রকাশ না করে পারেন না। আর ঠেস দিয়ে কথা শোনানো যেন ওনার সহজাত। তবু ও কিছু বলেনা ওর রুচিতে বাধে।শ্বশুর বাড়িতে বেশ কয়েকমাস কেটে গেছে। সীমা এর মধ্যে একদিন অরিনকে ওর স্বপ্নের কথা বলে ছিল। অরিন শুনে হেসে বলেছিল ওসব ভুলে যাও। এখন তুমি আমাদের বাড়ির বৌ। আমাদের বাড়ির বৌ রা বাইরে গিয়ে কাজ করেনা। সীমা খুব অবাক হয়ে ছিল অরিনের মুখে এরকম কথা শুনে। এই যুগের ছেলে হয়েও কিভাবে এই ধরনের চিন্তা ভাবনা পোষণ করে!অরিন আরও বলে আমাকে যা বলেছ বলেছ আর যেন কাউকে কিছু বলতে যেওনা।না, সীমা আর কাউকে কখনো বলেনি। তবে আঁকা ও ছাড়তে পারেননি। আঁকতে ও শুধু ভালোই বাসে তা নয়, ওর আঁকা দিয়েই নিজের পরিচয় তৈরি করতে চায়। ওর বাবার কথা মত ও বিশ্বাস করে মনের ইচ্ছা প্রবল হলে সেটা পূরণ হয়।এইভাবে ওর জীবন বইতে থাকে শ্বশুর বাড়িতে। ও চেষ্টা চালায় সব রকম ভাবে মানিয়ে চলতে। রান্না ঘরে কাজ করতে গিয়ে শাশুড়ি মায়ের কাছে স্নেহের পরশ পায়। আর বোঝে কিভাবে মুখ বুজে সবার সুখ সুবিধার খেয়াল রাখেন মানুষটি। অথচ পরিবর্তে কারও কাছে প্রাপ্য সম্মান টুকুও পান না। পান থেকে চুন খসলেই শুধু গঞ্জনা জোটে। ধীরে ধীরে এর কারণ বুঝতে পারে। ওনার শ্বশুর মশায় গরীব বন্ধুর মেয়েকে পছন্দ করে এনেছিলেন ওনার গুণ দেখে। দেখতে অতি সাধারণ, লেখাপড়াও বেশী দুর করেননি। তাই ওনার তথাকথিত শিক্ষিত স্বামী কোনো দিন ওনাকে সঠিক মর্যাদা দিতে পারেন নি।সীমার শ্রদ্ধা হয় না দেখা দাদা শ্বশুরের প্রতি। উনি বুঝে ছিলেন কিভাবে সংসার ধরে রাখতে হয় সেটা মা পারবেন। তাই উনি বড়ছেলের বৌ করে এনেছিলেন শাশুড়ি মাকে।সীমার সঙ্গে শাশুড়ি মায়ের কথা খুব বেশি হয়না। তবুও বোঝে মানুষটা কতটা মমতাময়ী। একদিন দুপুরে সীমা নিজের ঘরে বসে একটা হারের ডিজাইন করছে, বাড়ি তখন মোটামুটি ফাঁকা। শাশুড়ি মা আসেন...সীমা কী করছো মা? বলেন দরজার বাইরে থেকে।সীমা তাড়াতাড়ি খাতা গুটিয়ে মা ভেতরে আসুন বলে বিছানা থেকে নামতে যাবে......না না তোমাকে নামতে হবে না। তুমি শুয়ে থাকো। সকাল বেলা বললে শরীরটা ভালো নেই তাই দেখতে এলাম।এখন ঠিক আছি। সকাল বেলা একটু গা ম্যাজম্যাজ করছিল। আপনি বসুন না।তুমি কি কিছু লিখছিলে? খাতার দিকে তাকিয়ে জানতে চান।না মানে লিখছিলাম না, আঁকছিলাম।তুমি আঁকতে জানো? কই দেখি যদি তোমার আপত্তি না থাকে কি আঁকছিলে দেখি।না না আপত্তি থাকবে কেন? এইতো দেখুন না বলে এগিয়ে দেয় খাতাটা।বাঃ... চমৎকার ডিজাইন করোতো তুমি। এমনিই আঁকলে? আচ্ছা তোমার বিয়ের গয়না গুলো কি তুমি নিজে ডিজাইন করেছ?মাথা নিচু করে থাকায় সত্যি টা বোঝেন উনি। বলেন এই গুণ কোনো কাজে লাগাতে পারবে না। বলে মুখটা কালো করেন।সীমা তখন বলে আসলে মা আমার দাদার মাধ্যমে এই ডিজাইনগুলো দু এক জন জুয়েলারের কাছে এগুলো পাঠাই।খুব সাবধান এসব যেন কেউ না জানে। এ বাড়িতে এসব জানতে পারলে কুরুক্ষেত্র বেধে যাবে। বলে উনি উদাস হয়ে যান। মনে হয় যেন কোনো কষ্ট চেপে রাখছেন।এইভাবে শাশুড়ি আর বৌমার মধ্যে সখ্যতা শুরু। দুপুর গুলো গল্প করে এঁকে কাটে। যদিও শাশুড়ি মা বেশীক্ষন বসতে পারেন না তার শাশুড়ির যন্ত্রনায়।এইভাবে দুবছর কেটে যায়। সীমার পিসি শাশুড়ি আর ঠাকুমা শাশুড়ি বাচ্চার জন্য পাগল করতে থাকে। কিন্তু শাশুড়ি মা কখনো কিছু বলেন না। এরমধ্যে সীমা আবিষ্কার করে ওর শাশুড়ি মায়ের গুনাবলী। খুব ভালো গান জানে, ভালো কবিতা লেখেন, আর দারুণ সেলাই জানেন।সীমার সঙ্গে বেশ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি হয় ওর শাশুড়ি মায়ের। চলতে থাকে দিন।ঠিক বছর দশ আগে লক্ষ্মী পূজার দুবার দিন আগে দুপুর বেলা ওর শাশুড়ি মা কে বলে বেরোয় ওর দাদার বন্ধু অমিতের সাথে দেখা করতে ওদের বাড়িতে। অমিত আর সুনন্দা দুজনেই সীমাকে খুব ভালোবাসে। ওদের বাড়িতে সীমা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে। বাড়িতে খবর দিতে পারে না।সন্ধ্যাবেলা দোকান থেকে বাড়ি ফিরে সীমার শ্বশুর আর অরিন যখন সীমার খোঁজ করে তখন সীমার শাশুড়ি মা বলেন ও বাপের বাড়ি গেছে ওর মায়ের শরীর খারাপ শুনে।অরিন ফোন করে সীমাকে কিন্তু পায় না। রাত বাড়তে থাকে তখন ওর বাপের বাড়িতে ফোন করে জানতে পারে সীমা যায়নি ওখানে। ঠিক সেই সময় অমিতের সঙ্গে সীমা বাড়িতে ঢোকে।ব্যস শুরু হয় শ্বশুর, স্বামী, ঠাকুমা শাশুড়ির অকথ্য ভাষা। যা ও কখনো ভাবতেও পারেনি। ওকে কিছু বলার সুযোগ দেয় না উপরন্তু অমিতকে অপমান করে ওর স্বামী। ওর শ্বশুর আর অরিন দুজনেই ওকে তো নানা কথা শোনায় ওর শাশুড়ির গায়ে হাত তোলেন। অরিন দাঁড়িয়ে দেখে অথচ কোনো প্রতিবাদ করে না। সীমা সেটা মেনে নিতে পারে না।না আর সহ্য করতে পারে নি সীমা। আত্মসম্মান বিসর্জন দিয়ে থাকতে পারেননি ওর শাশুড়িও...... সেদিন জীবনে প্রথম রুখে দাঁড়ানোর সাহস দেখিয়ে বেরিয়ে আসেন সীমার হাত ধরে।সেদিন থেকেই সীমার যুদ্ধ শুরু। ওর এই যুদ্ধে পাশে পেয়েছে ওর মা বাবাকে আর অমিতদা সুনন্দা বৌদিকে। আর সীমার সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করেছেন সীমার শাশুড়ি মা স্নেহময়ী দেবী। অমিত তো সীমার ডিজাইন বিক্রির ব্যবস্থা করেছিল সেটা আরও বাড়িয়ে দেয়। তার সাথে ওরা নিজেরা নানারকম জুয়েলারী তৈরি করতে লাগল। সীমার বেশ কিছু টাকা আগে থেকেই জমেছিল অমিতের সাহায্যে ব্যাঙ্ক থেকে কিছু লোন নিয়ে ছোটো করে একটা বুটিক খুললো। সুনন্দা যে স্কুলে পড়ায় সেখানে ওদের কাজ নিয়ে গিয়ে দেখায়। দিদিমনিদের খুব পছন্দ হয়। এইভাবে একটু একটু করে পরিচিত হতে থাকে ওদের কাজ। এরপর ওরা নিজেরাই দুঃস্থ মেয়েদের শেখাতে শুরু করে, ওদের আশ্রয় দেয়। ওর বাপের বাড়িতে ই শুরু করেছিল। আজ সীমার বাবা মা কেউ নেই। ওই বাড়িতেই ও গড়ে তুলেছে ওর ওয়ার্কশপ আর মেয়েদের থাকার জায়গা। আজ সীমার নিজের পায়ে দাঁড়াবার স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। আজ এই স্নেহময়ীর সংসারে সদস্য সংখ্যা চল্লিশ। সব সামলায় সীমা। আর ওয়ার্কশপে কিভাবে কাজ হবে কি হবে তার তদারকি করেন স্নেহময়ী দেবী। সীমা আজ সফল মহিলা।কিন্তু মনের কোনে একটা ঘরের স্বপ্ন সবমেয়েরই থাকে। সেটা সীমারও ছিল। আর অরিনকে ভালোবেসে ফেলেছিল। তাই আজ হঠাৎ অরিনকে দেখে বুকের ভেতর গোপন ব্যথাটা জেগে ওঠে।মনে হয় মানুষটা যদি একটু স্বাবলম্বী হতো বাবার হাতের পুতুল না হয়ে তাহলে হয়তো স্নেহময়ীর আসল সংসারটা সুন্দর হতো আর এই পরিচয়টা ওখান থেকেই গড়ে উঠত।সীমার চোখের জল যেন আজ বাঁধ মানছে না। এরমধ্যে কখন স্নেহময়ী দেবী এসে দাঁড়িয়েছেন সীমা বুঝতে পারে নি।ওর মাথায় হাত রাখেন... আমার ছেলেটাও ওর বাবার মত ঠুনকো আভিজাত্যের অহংকার নিয়েই রইলো। তোকে চিনতে পারলোনা। আমিই মনে হয় তোদের জীবনটা সাজাতে দিলাম না।মা একদম এসব কথা বলবে না। তুমি কেন নিজেকে দায়ী করছো! তোমার ছেলের মেরুদণ্ডটাই তৈরি হয়নি।সব বুঝলাম, কিন্তু তোর চোখে জল কেন? আজ বাবুকে দেখে কষ্ট হচ্ছে? আজও ভুলতে পারিসনি ওকে?অবাক চোখে তাকায় সীমা ওনার দিকে। আজ আবার নতুন করে চিনলো মাকে।সীমা জড়িয়ে ধরে ওর মাকে। আজ ওরা আর শাশুড়ি বৌমা নয়। সত্যি মা মেয়ে।স্নেহময়ী দেবী বলেন, আজ আমার সত্যি করে সংসার গড়ে উঠেছে। আমি আজ কতজনের মা। সব তোর জন্য সম্ভব হয়েছে। আজ আমরা কোন দুঃখ করবো না। আজ আমার লক্ষ্মী পূজো সার্থক।শ্রীমতি রাখি রায়

এপ্রিল ০৩, ২০২২
রাজ্য

বোমা বন্দুক বেআইনি ভাবে মজুতের ক্ষেত্রে বীরভূমের কেষ্টর গড়ের থেকে খুব একটা পিছিয়ে নেই পূর্ব বর্ধমান

মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পর ৮ দিনে পূর্ব বর্ধমানে উদ্ধার ৩৬৮টি বোমা ও ৪১টি আগ্নেআস্ত্র , বোমা গুলি ও আগ্নেআস্ত্র উদ্ধারের সংখ্যার বিচারে বীরভূমের থেকে খুব একটা পিছিয়ে নেই প্রতিবেশী পূর্ব বর্ধমান জেলাও। বগটুই কাণ্ডের পর মুখ্যমন্ত্রী বোমা গুলি ও অস্ত্রসস্ত্র উদ্ধারের জন্য পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। তার পর থেকে বীরভূম জেলা পুলিশ যেমন অভিযানে নামে তেমনই অভিযানে নামে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশও।মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর বীরভূম জেলা পুলিশ অভিযানে নেমে চারদিনে উদ্ধার হয় ৪০০-র বেশী বোমা ও ৩০ কেজির বেশী বোমা তৈরীর মশলা। আর পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ৮ দিনে অর্থাৎ ৩১ মার্চ পর্যন্ত উদ্ধার করেছে ৩৬৮টি বোমা ও ৩ কেজি বোমা তৈরির মশলা। এছাড়াও উদ্ধার হয়েছে ৪১ টি আগ্নেআস্ত্র ও ৭৭ টি গুলি।বেআইনি ভাবে অস্ত্রসস্ত্র মজুতের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছে ৪৫ জন্য দুস্কৃতি। এই তথ্য সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে জেলার রাজনৈতিক মহলে।শুরু হয়ে গিয়েছে শাসক ও বিরোধীদের তর্জা।মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষানার দিন রাতেই আগ্নেআস্ত্র সহ দুই দুস্কৃতিকে গ্রেপ্তার করে বর্ধমান থানার পুলিশ। এর পর থেকেই জেলার বিভিন্ন থানা এলাকা থেকে বোমা, গুলি ও আগ্নেআস্ত্র উদ্ধার হয়েই চলে। অস্ত্রসস্ত্র উদ্ধারে বড়সড় সাফল্য পায় কাটোয়া থানার পুলিশ। তারা এক রাতের অভিযানে তিন দুস্কৃতিকে গ্রেপ্তার করার পাশাপাশি ৪ টি বন্দুক,২৪ রাউণ্ড বন্দুকের গুলি ,১ টি পিস্তল ও ২ রাউণ্ড পিস্তলের গুলি ও ১৬ টি সকেট বোমা উদ্ধার করে ।ভাতার,দেওয়ানদিঘী ও গলসি থানার পুলিশও ভরি সংখ্যায় বোমা উদ্ধার করে। এইসব থানা গুলি বোমা ও বন্দুক উদ্ধারে সফল হলেও জেলার জামালপুর, মাধবডিহি ও শক্তিগড় থানার পুলিশ তেমন কোন সফলতা দেখাতে পারে নি।তবে কালনা মহকুমার একাধীক থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে বেশকিছু আগ্নেআস্ত্র, বোমা, গুলি উদ্ধার করেছে। কালনা মহকুমা পুলিশ আধিকারিক (এসডিপিও) সপ্তর্ষি ভট্টাচার্য্য জানিয়েছেন, ২৯ ও ৩০ মার্চ, এই দুদিন অভিযান চালিয়ে কালনা ,নাদনঘাট ও মন্তেশ্বর থানার পুলিশ ৬ টি আগ্নেআস্ত্র ও বেশ কয়েকটি গুলি উদ্ধার করেছে। বেআইনি ভাবে আগ্নেআস্ত্র মজুতের অভিযোগে ৫ জন গ্রেপ্তার হয়েছে বলে এসডিপিও জানিয়েছেন।জেলা তৃণমূলের নেতৃত্ব এই বিষয়টিকে পুলিশের সাফল্য বলে দাবী করলেও কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিরোধীরা। বিজেপি নেতা কল্লোল নন্দন এদিন বলেন, মুখ্যমন্ত্রী বলার পরেই পুলিশ একেবারে ম্যাজিকের মত বোমা, গুলি,আগ্নেআস্ত্র উদ্ধার করে ফেললো। তাহলে এতদিন পুলিশ কি কারণে হেলদোল দেখাইনি সেটা ভেবেই তাঁদের আশ্চর্য্য লাগছে। তবুও এটা প্রকাশ্যে এল যে বোমা বন্দুক বেআইনি ভাবে মজুতের ক্ষেত্রে বীরভূমের কেষ্টর গড়ের থেকে খুব একটা পিছিয়ে নেই পূর্ব বর্ধমান।

এপ্রিল ০১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কোটি টাকার আর্থিক প্রতারণার শিকার অভিনেত্রী রিমি সেন, অভিযোগ দায়ের করলেন পুলিশ স্টেশনে

আর্থিক প্রতারণার সম্মুখীন হলেন বলিউড অভিনেত্রী রিমি সেন। বিনিয়োগের নামে প্রতারণার শিকার জাতীয় পুরস্কারজয়ী পরিচালক রাজা সেনের মেয়ে এই অভিনেত্রী। মুম্বইয়ের খার পুলিশ স্টেশনে অভিযোগ দায়ের করেছেন রিমি। এএনআই সূত্র মারফৎ জানা গেছে, এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে চার কোটির বেশি টাকার আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেছেন। রিমির অভিযোগ, নতুন ব্যবসায়ে বিনিয়োগ করার জন্য ওই ব্যবসায়ীকে টাকা দিয়েছিলেন। পরিবর্তে ভালো রিটার্নের আশ্বাসও দিয়েছিলেন ব্যবসায়ী। কিন্তু বর্তমানে আর্থিক প্রতারণা করা হচ্ছে। অভিযুক্ত ব্যবসায়ীর নাম রৌনক যতীন ব্যাস। রিমি তাঁর অভিযোগে জানিয়েছেন, বছর তিনেক আগে মুম্বইয়ের এক জিমে ওই ব্যবসায়ীর সঙ্গে আলাপ হয় তাঁর। এরপরই বন্ধুত্ব। অভিনেত্রীর দাবি, তিনি ওই ব্যবসায়ীর নতুন ব্যবসায় ৪.১৪ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন। পরিবর্তে অভিনেত্রীকে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ রিটার্নের আশ্বাস দেন ওই ব্যবসায়ী।অভিযোগ নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও রৌনকের কাছ থেকে কোন টাকা ফেরত পাননি তিনি। একাধিকবার তাকে কল করলেও অভিনেত্রীর ফোনকল উপেক্ষা করতে থাকেন ওই ব্যবসায়ী। এরপরই ফোন বন্ধ আসে। বেশ কিছুদিন পেরিয়ে যেতেই অভিনেত্রী বুঝতে পারেন, অভিযুক্ত ব্যবসায়ী কোনও নতুন ব্যবসা শুরু করেননি। পাশাপাশি তিনি বিনিয়োগ করা টাকাও ফেরত পাননি।এরপরই পুলিশের কাছে অভিযোগ জানান হাঙ্গামা খ্যাত এই অভিনেত্রী। মুম্বইয়ের খার পুলিশ স্টেশনে ওই ব্যবসায়ীর নামে এফআইআর দায়ের করেন রিমি। ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪২০ এবং ৪০৯ ধারায় মামলা হয়েছে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে। পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্তের সন্ধান চলানো হচ্ছে। গোটা বিষয়ে তদন্ত চলছে।

মার্চ ৩১, ২০২২
দেশ

উত্তরপূর্বের একাংশ থেকে প্রত্যাহার শুরু আফস্পা আইন, ঘোষণা করলেন শাহ

নাগাল্যান্ড, মণিপুর এবং অসমের একাংশ থেকে সশস্ত্র বাহিনীর বিশেষ ক্ষমতা আইন (আর্মড ফোর্সেস স্পেশ্যাল পাওয়ার অ্যাক্ট বা আফস্পা) প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বৃহস্পতিবার এ কথা ঘোষণা করেছেন।টুইটারে শাহ লিখেছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজির নেতৃত্বে ভারত সরকার কয়েক দশক পরে নাগাল্যান্ড, মণিপুর এবং অসমে আফস্পার অধীনে অশান্ত এলাকা কমানোর বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করেছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় সরকার যে তৎপরতার সঙ্গে উত্তর পূর্বের রাজ্যগুলিতে কাজ করেছে এবং বিভিন্ন উদ্যোগের ফলে সেখানে নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। এই পদক্ষেপগুলির কারণে সেখানে এখন শান্তির পরিবেশ রয়েছে, তাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে উত্তর পূর্ব বঞ্চিত ছিল, তবে সেখানে শান্তি, উন্নতি ও অভূতপূর্ব উন্নয়নকে বাস্তবায়ণ করার জন্য আমি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানাই।Thanks to PM @NarendraModi Jis unwavering commitment, our North-Eastern region, which was neglected for decades is now witnessing a new era of peace, prosperity and unprecedented development.I congratulate the people of North East on this momentous occassion. Amit Shah (@AmitShah) March 31, 2022কেন্দ্রের এই পদক্ষেপ উত্তর-পূর্বাঞ্চলে শান্তি, সমৃদ্ধি এবং উন্নয়নের একটি নতুন যুগের সূচনা করবে বলে জানান তিনি। উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতে জঙ্গি তৎপরতা মোকাবিলার জন্য সেনাবাহিনীর হাতে বাড়তি ক্ষমতা তুলে দিতে ১৯৫৮ সালে আফস্পা আইন জারি করেছিল কেন্দ্র। উত্তর-পূর্বে এখন গোটা অসম, নাগাল্যান্ড, রাজধানী ইম্ফল বাদে মণিপুরের বাকি এলাকা ও অরুণাচলের তিন জেলায় আফস্পা বলবৎ রয়েছে। গত ডিসেম্বরে নাগাল্যান্ডে জঙ্গি সন্দেহে সেনার গুলিতে স্থানীয় কয়েক জন বাসিন্দার মৃত্যুর পর, নতুন করে উত্তর-পূর্বে ওই বিতর্কিত আইন প্রত্যাহারের দাবিতে আন্দোলন শুরু হয়েছিল। সে সময় উত্তর-পূর্বাঞ্চলে আফস্পা প্রয়োগের বিষয়টি পর্যালোচনা করতে কেন্দ্র একটি কমিটি গঠন করেছিল। শাহের মন্ত্রক জানিয়েছিল, যে সব এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বা নাশকতার সমস্যা নেই, সেই এলাকাগুলি থেকে পর্যায়ক্রমে আফস্পা তুলে নেওয়া হতে পারে। আপাতত ধাপে ধাপে সেই প্রক্রিয়ার সূচনা হল।

মার্চ ৩১, ২০২২
রাজ্য

২ এপ্রিল থেকে শুরু উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা, টোকাটুকি আটকাতে বিশেষ ব্যবস্থা নেবে সংসদ

২ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে রাজ্যের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা।এই প্রথম পরীক্ষার্থীরা নিজের স্কুলে পরীক্ষা দেবে। এ বছর ৭ লক্ষ ৪৫ হাজার পড়ুয়া পরীক্ষায় বসবে। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ৭১ হাজার বেশি।দুদফায় ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত পরীক্ষা চলবে।উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য বৃহস্পতিবার এক সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছেন, পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে গ্রহণের জন্য সবরকম ব্যবস্থা করা হবে। সতর্কতা এবং সচেতনতা মেনেই এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বাংলা, ইংরেজি, হিন্দি ও অলচিকি চার ভাষায় প্রশ্নপত্র করা হবে। একাদশ শ্রেণির ১১টি বিষয় এবং দ্বাদশ শ্রেণির ১১ টি বিষয়ের প্রশ্নপত্র অলচিকি ভাষায় হচ্ছে। একাদশ ও বিষয় দ্বাদশ শ্রেণি মিলিয়ে মোট ২২টি বিষয়ের প্রশ্নপত্র অলচিকি ভাষায় করা হচ্ছে।হোম সেন্টারে পরীক্ষা হওয়ায় এবার পরীক্ষায় কোনরকম টোকাটুকি বা অসদুপায় অবলম্বন আটকাতে সংসদ বিশেষ ব্যবস্থা নিচ্ছে।প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রে স্পেশ্যাল অবজার্ভার রাখা হবে। স্পেশ্যাল অবজার্ভার হিসাবে প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রে সরকারি আধিকারিকদের নিয়োগ করা হবে। স্পর্শকাতর কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি চালানো হবে। পরীক্ষা কেন্দ্রে যখন প্রশ্ন যাবে, সেই সময়ে পুলিশ মোতায়েন থাকবে। পুলিশ ছাড়া কোনও প্রশ্নপত্র বিলি হবে না।প্রতি কক্ষে ২ জন করে শিক্ষিকশিক্ষিকা গার্ডের দায়িত্বে থাকবেন। নজরদারিতে কোনও গাফিলতি হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যে বিষয়ের পরীক্ষা যেদিন থাকবে, সেই বিষয়ের শিক্ষক সেদিন দায়িত্বে থাকতে পারবেন না। কোনও স্কুল থেকে টোকাটুকি বা অন্য কোনও অসাধু কাজের অভিযোগ এলে সেই স্কুলের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সভাপতি হুশিয়ারি দিয়েছেন। প্রয়োজনে স্কুলের অনুমোদন বাতিল পর্যন্ত করে দেওয়া হতে পারে। সংসদের তরফে বলা হয়েছে, কোনও স্কুলে যদি পর্যাপ্ত সংখ্যক শিক্ষক না থাকেন, সেক্ষেত্রে জুনিয়র হাইস্কুল, মাধ্যমিক স্কুল থেকে শিক্ষক নেওয়া হবে। পরীক্ষার্থীরা যাতে কোনও সমস্যায় না পড়েন তাই সংসদের পক্ষ থেকে একটি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে। ওই হেল্প লাইনের নম্বর হল ০৩৩ ২৩৩৭০৭৯২।

মার্চ ৩১, ২০২২
রাশিফল

রাশিফল : কর্কটের অভিষ্টসিদ্ধি, মিথুনের দায়িত্ববৃদ্ধি

মেষ/ARIES: লাভের আশা করতে পারেন।বৃষ/TAURUS: কর্মে সাফল্য পেতে পারেন।মিথুন/GEMINI: দায়িত্ব বৃদ্ধি পেতে পারে।কর্কট/CANCER: অভীষ্টসিদ্ধি হতে পারে।সিংহ/LEO: ফাটকা ব্যবসায় ক্ষতি হতে পারে।কন্যা/VIRGO: বাড়তি আয় হতে পারে।তুলা/ LIBRA: স্বজনের সান্নিধ্য পেতে পারেন।বৃশ্চিক/Scorpio: অস্থিরতা ভাব জন্মাতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: প্রশংসিত হতে পারেন।মকর/CAPRICORN: উন্নতির যোগ রয়েছে।কুম্ভ/AQUARIUS: বিত্তহানি হতে পারে।মীন/ PISCES: আঘাত পেতে পারেন।

মার্চ ৩১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আবার মোহনবাগানে আসছেন 'সবুজ তোতা'

শতাব্দী প্রাচীন মোহনবাগান ক্লাবে বসু পরিবার অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি। এবার রাজনীতিকদের বারবাড়ন্ত। দীর্ঘদিন মোহনবাগান ক্লাবের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব সামলে এসেছিলেন স্বপনসাধন বসু। যাকে ময়দান চেনে টুটু বসু নামে। এখনও নতুন প্রেসিডেন্টের নাম ঘোষিত না হলেও বৃহস্পতিবার চারজন নতুন সহসভাপতি বেছে নেওয়া হয়েছে। জায়গা পেয়েছেন রাজ্যের দুই মন্ত্রী অরূপ রায় ও মলয় ঘটক। এছাড়া সহসভাপতি করা হয়েছে রাজ্য তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ ও অসিত চ্যাটার্জিকে।বৃহস্পতিবার মোহনবাগান ক্লাবের নতুন কার্যকরী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হল। সেই বৈঠকে নতুন চার সহসভাপতির নাম ঘোষণা করা হল। অরূপ রায়, মলয় ঘটক, কুণাল ঘোষ, অসিত চ্যাটার্জির মতো রাজনীতিবিদরা অবশ্য ক্লাবের প্রশাসনে নতুন নয়। এর আগেও ক্লাব প্রশাসনে দেখা গেছে রাজনীতিবিদদের। দীর্ঘদিন সবুজমেরুণ ক্লাবের সহসভাপতির দায়িত্ব সামলেছিলেন প্রয়াত মন্ত্রী সুব্রত মুখার্জি। এদিনের সভায় ৪ জন সহসভাপতির নাম ঠিক হলেও বাকি দুজনের নাম এখনও চূড়ান্ত হয়নি। কমিটিতে কোঅপ্ট করা হয়েছে পিন্টু বিশ্বাসকে। এছাড়া উত্তরবঙ্গের প্রতিনিধি অরূপ মজুমদারকে কার্যকরী কমিটিতে স্থায়ী আমন্ত্রিত সদস্য করা হয়েছে।এদিকে, আমার মোহনবাগান ক্লাবে হোসে র্যামিরেজ ব্যারেটোকে ফেরানোর চিন্তা ভাবনা করা হচ্ছে। যুব ফুটবলকে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা নতুন কমিটির। অনূর্ধ্ব ১৫, ১৮, ২১ স্তরের দলগুলির কোচদের মাথায় ব্যারেটোকে বসানোর কথা ভাবা হয়েছে। এদিন, মোহনবাগান তাঁবুতেও হাজির ছিলেন ব্যারেটো। তাঁর সঙ্গে এব্যাপারে প্রাথমিক কথাও বলেছেন নতুন সচিব দেবাশিস দত্ত।এদিনের বৈঠক শেষে দেবাশিস দত্ত বলেন, মোহনবাগানের সঙ্গে ব্যারেটোর আত্মার সম্পর্ক। ইয়ুথ ডেভেলপমেন্টের জন্য আমরা একটা বিদেশি কোচের কথা ভাবছি। ব্যারেটোর কথা মাথায় রয়েছে। কার্যকরী কমিটির বাকি সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে এই ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ব্যারোটোও দায়িত্ব নেওয়ার জন্য তৈরি। তিনি বলেন, মোহনবাগান আমার সেকেন্ড হোম। এই ক্লাবের যে কোনও দায়িত্ব নেওয়ার জন্য আমি তৈরি। আমার সঙ্গে রিলায়েন্স ফাউন্ডেশনের এখনও চুক্তি রয়েছে। ওদের কাছ থেকে রিলিজ নিতে হবে।

মার্চ ৩০, ২০২২
রাজ্য

নির্বাচনী প্রচারে নিষেধাজ্ঞা তৃণমূল বিধায়কের

পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীকে নির্বাচনীয় প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জাড়ি করে নির্বাচন কমিশনার। বুধবার তার প্রতিক্রিয়া দিলেন বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। প্রতিক্রিয়ায় বিধায়কের দাবি, নির্বাচন কমিশনারের কাছ থেকে এই ধরনের কোনও নোটিশ তিনি পাননি।উল্লেখ্য, আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রের উপ নির্বাচন দলীয় প্রচার চলছে। সেখানে আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রের পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার অন্তর্গত লাউদহ ব্লকের কর্মীদের সঙ্গে বৈঠকে তৃণমূল বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীকে কর্মীদের সম্বোধন করার সময় বিজেপি সমর্থকদের খোলাখুলি হুমকি দিতে দেখা যায়। যে ভিডিও র সত্যতা যাচাই করিনি আমরা।যারা কট্টর বি জে পি যাদেরকে এড়ানো যাবে না তাদেরকে চমকাতে হবে। বলবেন আপনি যদি ভোট দিতে চান তাহলে ধরে নেব আপনি বিজেপিকে ভোট দেবেন। ভোটের পর আপনি কোথায় থাকবেন সেটা আপনার নিজের বিষয়। আপনি যদি ভোট দিতে না যান তাহলে ধরে নেব আপনি আমাদের সমর্থন করছেন। তাহলে আপনি বাড়িতে থাকুন ব্যবসা করুন, চাকরি করুন, ভালভাবে থাকুন, কোন অসুবিধা নেই আমরা আপনার সঙ্গে আছি ক্লিয়ার। ভিডিওটি সামনে আসার পর বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারি বলেন একটা জিনিসই উনি বুঝেছেন। বিজেপির লোকেরা যদি ভোট দেওয়ার সুযোগ পায় তাহলে উনারা হারবেন, এটা উনি বলেছেন। এরকম হুমকি উনি না দিলেই ভাল হয়। উনিতো অনুব্রত মণ্ডলের শিষ্য, অনুব্রত মণ্ডল তো কিছুদিন পর হয়তো জেলের মধ্যে থাকবেন। এরকম থাকলে অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে লুডু খেলার জন্য আরও দুতিনজন লাগবে। তখন হয়তো উনাকে যেতে হবে । এরকম না করলেই ভালো হবে।আসানসোল লোকসভা উপনির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শত্রুঘ্ন সিনহার সমর্থনে পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার বিভিন্ন অঞ্চলের কর্মীদের নিয়ে কর্মিসভা করা হল। এই কর্মিসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী পাণ্ডবেশ্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মদন বাউরি সহ-সভাপতি রমা রুইদাস এবং কিরীটি মুখার্জি, রামচরিত পাসোয়ান সহ অন্যান্য ব্লক নেতৃত্ব।মূলত এই সভাটি বিধানসভার কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হরিপুরে অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনী সভায় বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী সেখানেই বলেন বলে বিজেপির অভিযোগ।

মার্চ ৩০, ২০২২
রাশিফল

রাশিফল: কর্কটের চিত্তবিক্ষেপ, মকরের বিফলতা

মেষ/ARIES: অস্থিভঙ্গ হতে পারে।বৃষ/TAURUS: প্রতারণায় অর্থক্ষতি হতে পারে।মিথুন/GEMINI: ঋণপরিশোধ করতে পারেন।কর্কট/CANCER: চিত্তবিক্ষেপ হতে পারে।সিংহ/LEO: ভুল বোঝাবুঝি হতে পারে।কন্যা/VIRGO: মামলায় হার হতে পারে।তুলা/ LIBRA: অর্থাপহরণ হতে পারে।বৃশ্চিক/Scorpio: ঋণের সম্ভাবনা রয়েছে।ধনু/SAGITTARIUS: অনৈতিক কাজ করতে পারেন।মকর/CAPRICORN: বিফলতা আসতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS: অনর্থপাত হতে পারে।মীন/ PISCES: বিপর্যয় আসতে পারে।

মার্চ ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌নাইটদের কাছে হারের শাস্তি!‌ ধোনিদের দিয়ে রাজমিস্ত্রির কাজ করালেন ফ্লেমিং

কলকাতা নাইট রাইডার্সের কাছে প্রথম ম্যাচে হেরে দলের ক্রিকেটারদের এ কী কঠোর শাস্তি দিলেন চেন্নাই সুপার কিংসের হেড কোচ স্টিফেন ফ্লেমিং! ক্রিকেটারদের দিয়ে রাজমিস্ত্রির কাজ করালেন! রবীন্দ্র জাদেজা, মহেন্দ্র সিং ধোনি, ডোয়েন ব্র্যাভোদের বালিসিমেন্ট দিয়ে ইঁট গাঁথতে বাধ্য করলেন! হ্যাঁ, এমন কান্ডটাই ঘটিয়েছেন স্টিফেন ফ্লেমিং। শুধু তাই নয়, ধোনিরা কেউ ফাঁকি দিচ্ছেন কিনা, সেদিকেও ছিল তাঁর সজাগ দৃষ্টি। ফ্লেমিংয়ের এই শাস্তি রীতিমতো ভাইরাল হয়েছে। অনেকে আবার তুলনা করছেন ২০০২ বিশ্বকাপে উত্তর কোরিয়ার ফুটবল দলের সঙ্গে। বিশ্বকাপে ব্যর্থতার জন্য উত্তর কোরিয়ার ফুটবলারদের নাকি কয়লা খনিতে কাজ করতে পাঠানো হয়েছিল।আসলে ব্যাপারটা তা নয়। নাইট রাইডার্সের কাছে হারের পর রবীন্দ্র জাদেজাদের কোনও শাস্তির মুখেও পড়তে হয়নি। দলের মধ্যে একাত্মবোধ বাড়ানোর জন্য এই ধরনের পরিকল্পনা করেছিলেন চেন্নাই সুপার কিংসের হেড কোচ স্টিফেন ফ্লেমিং। ধোনি, জাদেজাদের হাতে বালি, সিমেন্ট, ইট তুলে দিয়েছিলেন দেওয়াল গাঁথার জন্য। ফ্লেমিংয়ের উদ্দেশ্য ছিল, দলের একাত্মবোধ যাতে দেওয়ালের গাঁথনির মতোই শক্ত হয়, সেটা সকলকে বোঝানো। যাতে গোটা দল একটা পরিবারের মতো হয়ে উঠতে পারে। ফ্লেমিং মনে করছেন, দলের মধ্যে একাত্ববোধ ভালভাবে গড়ে উঠলে মাঠের মধ্যে সেরা পারফরমেন্স বেরিয়ে আসবে। ইটবালিসিমেন্ট দিয়ে দলের মধ্যে এই রকম একাত্মবোধ গড়ে তোলার প্রয়াস সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দিয়েছে চেন্নাই সুপার কিংস কর্তৃপক্ষ। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ভিডিও ছড়িয়ে দিয়ে ইন্ডিয়া সিমেন্টের বিজ্ঞাপনও সেরে নিতে চাইছে। আবার ধোনিদের একাত্মবোধের দিকটিও তুলে ধরা হচ্ছে। এখন দেখার, টিম ম্যানেজমেন্টের এই প্রয়াস কতটা কাজে লাগে গতবারের চ্যাম্পিয়নদের। হেড কোচ স্টিফেন ফ্লেমিং বলেছেন, দলের মধ্যে একাত্মবোধ গড়ে তোলা ভীষণ জরুরি। আমরা সেটাই করছি। ভিডিওতে দেখা গেছে, ডোয়েন ব্র্যাভো একটা ইট দেখিয়ে বলছেন, এটা ১ নম্বর।

মার্চ ২৯, ২০২২
রাশিফল

রাশিফল: কন্যার শুভ প্রয়াস, মকরের মিশ্রফল

মেষ/ARIES: দানধ্যানে আগ্রহ জন্মাতে পারে।বৃষ/TAURUS: অবৈধ প্রণয়ে জড়িয়ে পড়তে পারেন।মিথুন/GEMINI: সাফল্যের ইঙ্গিত পেতে পারেন।কর্কট/CANCER: শরিকি দ্বন্দ্ব হতে পারে।সিংহ/LEO: প্রশিক্ষণে সাফল্য পেতে পারেন।কন্যা/VIRGO: শুভ প্রয়াস করতে পারেন।তুলা/ LIBRA: অপ্রত্যাশিত সুযোগ আসতে পারে।বৃশ্চিক/Scorpio: নিরাপত্তার চিন্তা করতে হতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: প্রশংসিত হতে পারেন।মকর/CAPRICORN: মিশ্রফল পেতে পারেন।কুম্ভ/AQUARIUS: অগ্নিভয় হতে পারে।মীন/ PISCES: পত্নিবিরহ হতে পারে।

মার্চ ২৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌মহম্মদ সামির দুরন্ত বোলিংয়ে প্রথম ম্যাচেই বাজিমাত গুজরাট টাইটান্সের

মহম্মদ সামির প্রথম স্পেল নড়িয়ে দিয়েছিল লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসের ভিত। সেখান থেকে আর বেরিয়ে আসতে পারলেন না লোকেশ রাহুলরা। আইপিএলের দুই নতুন দলের লড়াইয়ে বাজিমাত গুজরাট টাইটান্সের। লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসকে ৫ উইকেটে হারিয়ে জয় তুলে নিল গুজরাট।টস জিতে লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসকে ব্যাট করতে পাঠান গুজরাট টাইটান্স অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। শুরুটা ভাল হয়নি লক্ষ্ণৌর। প্রথম বলেই অধিনায়ক লোকেশ রাহুলকে (০) তুলে নেন মহম্মদ সামি। তাঁর স্বপ্নের ডেলিভারি রাহুলের ব্যাটের কানা ছুঁয়ে জমা পড়ে উইকেটকিপার ম্যাথু ওয়েডের হাতে। তৃতীয় ওভারে আবার ধাক্কা। আবার সামির হাত থেকে বেরিয়ে আসে স্বপ্নের ডেলিভারি। অফস্টাম্পের বাইরে পড়া বল সুইং করে ব্যাট ও প্যাডের ফাঁক দিয়ে কুইন্টন ডিককের (৭) মিডল ও লেগস্টাম্পের মাথায় আঘাত করে। চতুর্থ ও পঞ্চম ওভারে আবার ধাক্কা খায় লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস। চতুর্থ ওভারে বরুণ অ্যারনকে তুলে মারতে গিয়ে আউট হন এভিন লুইস (১০)। দুরন্ত ক্যাচ ধরেন শুভমান গিল। পরের ওভারে মণীশ পান্ডের (৬) স্টাম্প ছিটকে দেন সামি। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারের মধ্যে ৩২ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস। মনে হচ্ছিল হয়তো ১০০ রানের গন্ডি টপকাতে পারবে না। এরপর রুখে দাঁড়ান দীপক হুডা ও আয়ূশ বাদোনি। এই দুই ব্যাটারের সৌজন্যে প্রাথমিক বিপর্যয় কাটিয়ে ১৪.২ ওভারে ১০০ রানের গন্ডি পার করে লক্ষ্ণৌ। অবশেষে দীপক হুডাকে তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন রশিদ খান। ৪১ বলে ৫৫ রান করে তিনি এলবিডব্লু হন। এরপর আয়ূশের সঙ্গে দলকে টেনে নিয়ে যান ক্রূণাল পান্ডিয়া। ৪১ বলে ৫৪ রান করে আউট হন আয়ূশ। ১৩ বলে ২১ রান করে অপরাজিত থাকেন ক্রূণাল। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৫৮ তোলে লক্ষ্ণৌ। ২৫ রানে ৩ উইকেট নেন সামি। ৪৫ রানে ২ উইকেট বরুণ অ্যারনের। ব্যাট করতে নেমে গুজরাট টাইটান্সের শুরুটাও ভাল হয়নি। প্রথম ওভারেই দুষ্মন্ত চামিরার বলে ফিরে যান শুভমান গিল (০)। এক ওভার পরে বিজয় শঙ্করকেও (৪) তুলে নেন তিনি। এরপর ম্যাথু ওয়েড ও অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া দলকে টেনে নিয়ে যান। ২৮ বলে ৩৩ রান করে দাদা ক্রূণাল পান্ডিয়ার বলে আউট হন হার্দিক। পরের ওভারেই ম্যাথু ওয়েডকে (২৯ বলে ৩০) তুলে নেন দীপক হুডা। এর পর গুজরাটকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান ডেভিড মিলার ও রাহুল তেওয়াটিয়া। ২১ বলে ৩০ রান করে আউট হন মিলার। দলকে জয় এনে দেন তেওয়াটিয়া (২৪ বলে অপরাজিত ৪০) ও অভিনব মনোহর (৭ বলে অপরাজিত ১৫)। ২ বল বাকি থাকতে ১৬১/৫ তুলে জিতে ম্যাচ জিতে নেয় গুজরাট।

মার্চ ২৮, ২০২২
বিদেশ

অস্কারের মঞ্চে উঠে সঞ্চালককে সপাটে চড় উইল স্মিথের!

৯৪তম অ্যাকাডেমি পুরস্কারের মঞ্চ কাঁপিয়ে দিল সপাটে একটি চড়! স্ত্রীকে নিয়ে চটুল রসিকতার শাস্তি হিসেবে সোজাসুজি সঞ্চালক কমেডিয়ান ক্রিস রককে চড় মেরেছেন স্মিথ।অনুষ্ঠানের ফাঁকে ফাঁকে সঞ্চালক ক্রিস নানা ধরনের রসিকতা করছিলেন। তার মধ্যেই একটি রসিকতার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠেন স্মিথের স্ত্রী জা়ডা পিঙ্কেট। ক্রিস বলেন, জি আই জেন-এর সিক্যুয়েলের অপেক্ষায় রয়েছি আমি। এতে বেজায় চটে যান স্মিথ। নিজের আসন ছেড়ে সটান উঠে দাঁড়িয়ে সোজা উঠে যান মঞ্চে। তার পরেই চড় মারেন ক্রিসকে!VIA JAPANESE TELEVISION: The uncensored exchange between Will Smith and Chris Rock pic.twitter.com/j0Z184ZyXa Timothy Burke (@bubbaprog) March 28, 2022রাগ কমেনি তার পরেও। নিজের আসনে ফিরে ফের চিৎকার করে ওঠেন স্মিথ। বলেন, তোমার (নোংরা) কথা থেকে আমার স্ত্রীকে দূরে রাখো। ২০১৬-তেও সঞ্চালনার সময়ে পিঙ্কেটকে নিয়ে রসিকতা করেছিলেন ক্রিস। এ বারও বোঝাতে যান, রসিকতাই করছিলেন তিনি। তার পরেও চিৎকার করে তাঁকে একই কথাই বলেন স্মিথ।১৯৯৭ সালের ছবি জি আই জেন-এ নায়িকার চরিত্রে অভিনেত্রীর মাথায় চুল কম থাকা নিয়ে বিস্তর চর্চা হয়েছিল। স্মিথের স্ত্রী জাডার মাথাতেও চুল কম থাকায় সম্ভবত রসিকতা করে তাঁকে জি আই জেন ২-এর নায়িকা হিসেবে ইঙ্গিত করেন ক্রিস। বাস্তবে অ্যালোপেশিয়া নামে একটি রোগে আক্রান্ত উইল স্মিথের ঘরনি। এই রোগের শিকার হলে মাথার চুল পড়ে যায়। অসুস্থতা ,নিয়ে রসিকতা করাতেই মেজাজ হারান উইল স্মিথ।

মার্চ ২৮, ২০২২
রাশিফল

রাশিফল: কন্যার অনুতাপ, মকরের মতবিরোধ

মেষ/ARIES: চাকরির সুযোগ আসতে পারে।বৃষ/TAURUS: দুশ্চিন্তা বৃদ্ধি পেতে পারে।মিথুন/GEMINI: গুহ্যপীড়ায় কষ্ট পেতে পারেন।কর্কট/CANCER: রত্নাদিলাভ করতে পারেন।সিংহ/LEO: ক্ষতি হতে পারে।কন্যা/VIRGO: অনুতাপ করতে পারেন।তুলা/ LIBRA: মিত্রলাভ করতে পারেন।বৃশ্চিক/Scorpio: গুণীজন সঙ্গ পেতে পারেন।ধনু/SAGITTARIUS: জ্বরাদিভোগ করতে পারেন।মকর/CAPRICORN: মতবিরোধ হতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS: সাহসিকতা প্রদর্শন করতে পারেন।মীন/ PISCES: পরিশ্রম বৃদ্ধি পেতে পারে।

মার্চ ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ডুপ্লেসির বড় রান সত্ত্বেও হার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের, নায়ক অখ্যাত ক্যারিবিয়ান

এবছর আইপিএলের মেগা নিলামে ফাফ ডুপ্লেসির জন্য দারুণভাবে ঝাঁপিয়েছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর টিম ম্যানেজমেন্ট। একজন দক্ষ বিদেশি ব্যাটারের পাশাপাশি নেতৃত্বের দায়িত্বও সামলাতে পারবেন। প্রথম ম্যাচেই টিম ম্যানেজমেন্টের প্রত্যাশাপূরণ করলেন ফাফ ডুপ্লেসি। তাঁর দুরন্ত ব্যাটিংয়ের সৌজন্যে পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে বড় ইনিংস গড়তে পেরেছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর। ২০ ওভারে তুলেছিল ২০৫/৪। তা সত্ত্বেও পাঞ্জাব কিংসের কাছে হারতে হল ৫ উইকেটে। শেষদিকে ঝড় তুলে পাঞ্জাবকে জয় এনে দিলেন ওডিয়েন স্মিথ। টস জিতে এদিন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরকে ব্যাট করতে পাঠান পাঞ্জাব কিংস অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল। দারুণ শুরু করে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৫০। রাহুল চাহারের বলে অনুজ রাওয়াত (২০ বলে ২১) ফিরে যাওয়ার পর বর্তমান অধিনায়কের সঙ্গে হাল ধরেন প্রাক্তন অধিনায়ক বিরাট কোহলি। ডুপ্লেসি ও কোহলি মিলে ঝড় তোলেন। জুটিতে ওঠে ১১৮। ৫৭ বলে ৮৮ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন ডুপ্লেসি। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৩টি ৪ ও ৭টি ৬। ২৯ বলে ৪১ রান করে অপরাজিত থাকেন বিরাট কোহলি। ক্রিজে নেমে ঝড় তোলেন দীনেশ কার্তিক। ১৪ বলে ৩২ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। ২০ ওভারে ২ উইকেটে ২০৫ তোলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর।পাঞ্জাব কিংসও শুরুটা খারাপ করেনি। ওপেনিং জুটিতে ৭ ওভারে ৭১ রান তুলে ফেলেন অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল ও শিখর ধাওয়ান। ২৪ বলে ৩২ রান করে ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার বলে আউট হন মায়াঙ্ক। তবে রানের গতি কমেনি। ভানুকা রাজাপক্ষের ঝড়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বোলাররা। ১১.২ ওভারে শিখর ধাওয়ানের (২৯ বলে ৪৩) উইকেট হারায় পাঞ্জাব কিংস। তাঁকে তুলে নেন হর্ষল প্যাটেল। তবে দলকে সবথেকে বড় ব্রেক থ্রু এনে দেন মহম্মদ সিরাজ। প্রথম স্পেলে প্রচুর রান দিলেও দ্বিতীয় স্পেলে বল করতে এসে পরপর ২ বলে তুলে নেন বিধ্বংসী রাজাপক্ষকে (২২ বলে ৪৩) ও রাজ বাওয়াকে (০)। পরপর দু উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিল পাঞ্জাব কিংস। কিন্তু শাহরুখ খান (২০ বলে অপরাজিত ২৪) ও ওডিয়েন স্মিথের (৮ বলে অপরাজিত ২৫) ঝোড়ো ব্যাটিং ৬ বল বাকি থাকতেই জয় এনে দেয় পাঞ্জাবকে (২০৮/৫)।

মার্চ ২৭, ২০২২
রাজ্য

দ্বিতীয় 'বগটুই' হতে যাওয়ার আগে রুখে দিল কাটোয়া থানার পুলিশ- অস্ত্রসস্ত্র সহ গ্রেপ্তার ৩ দুস্কৃতি

বিরোধী পক্ষের হাত থেকে খাসজমির দখল ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য বিপুল অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে অপেক্ষা করছিল দুস্কৃতি দল। তাঁদের পরিকল্পনা ছিল শনিবার গভীর রাতে পূর্ব বর্ধমানের শ্রীবাটি গ্রামে গিয়ে বিরোধী পক্ষের উপর হামলা চালানো। আর তেমনটা হলে হয়তো দ্বিতীয় বগটুই এর মত ঘটনা ঘটে যেতে পারতো। কিন্তু তা আর হতে দেয়নি কাটোয়া থানার পুলিশ। রাতেই অভিযান চালিয়ে কাটোয়া থানার পুলিশ অস্ত্রসস্ত্র সহ তিন দুস্কৃতিকে ধরে ফেলে। দুই দুস্কৃতি পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও দুস্কৃতি দলের সমস্ত পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে পেরে আপাত স্বস্তিতে কাটোয়া থানার পুলিশ।পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম জামীর আলি মণ্ডল, বজরুল শেখ ওরফে কালো শেখ এবং সইদুল শেখ ওরফে ফুটো। ধৃতদের সকলের বাড়ি শ্রীবাটি গ্রামেই। পুলিশের দাবী ধৃতদের মজুত করা ৪ টি রাইফেল, ২৪ রাউন্ড রাইফেলের গুলি, একটি পিস্তল ও ২ রাউন্ড পিস্তলের গুলি এবং ১৬ টি সকেট বোমা উদ্ধার হয়েছে। দুস্কৃতিদের এত বিপুল অস্ত্র ভান্ডার দেখে চোখ কার্যত কপালে উঠে যায় পুলিশ কর্তাদের। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ তিন ধৃতকেই রবিবার পেশ করে কাটোয়া মহকুমা আদালতে। আরও আগ্নেআস্ত্র উদ্ধার ও পলাতক দুস্কূতিদের নাগাল পেতে তদন্তকারী অফিসার এদিন ধৃতদের ১২ দিন নিজেদের হেপাজতে নেওয়ার জন্য আদালতে আবেদন জানান। বিচারক সেই আবেদন মঞ্জুর করেছেন। হেপাজতে নেওয়া দুস্কৃতিদের জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে অস্ত্রসস্ত্রের উৎসের সন্ধান চালাচ্ছে।এছাড়াও দুস্কৃতিরা আর কোথাও অস্ত্র মজুত করে রেখেছে কিনা সেই বিষয়েও পুলিশ খোঁজ খবর নিচ্ছে ।উদ্ধার হওয়া শকেট বোমা নিস্কৃয় করার জন্য কাটোয়া থানার পুলিশ বোম ডিসপোজাল স্কোয়াডে খবর দিয়েছে।কাটোয়া থানার এক পুলিশ অফিসার জানান গ্রেপ্তারের পর ধৃতদের জিজ্ঞাবাদ চালানো হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, শ্রীবাটি গ্রামের একটি খাস জমি নিয়ে বজরুল শেখ এর সঙ্গে ওই গ্রামেরই অন্য আর একটি গোষ্ঠীর মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরে বিবাদ চলছে। বিবাদের কোন নিস্পত্তি হয় নি। তার কারণে বজরুল শেখ তাঁর বিরোধী পক্ষের উপরে প্রাণঘাতী হামলা চালানোর পরিকল্পনা চুড়ান্থ করে ফেলে। পরিকল্পনা মাফিক হামলার আগে বোমা, বন্দুক সহ অন্য আরো অস্ত্রসস্ত্র আগে থেকেই জোগাড় করে রাখা হয়েছিল। শনিবার রাতে বিরোধী পক্ষের উপর হামলার চালানোর চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত বজরুল নিয়ে ফেলেছিল। শনিবার গভীর রাতে তাঁরা গ্রামের এক জায়গায় অস্ত্রসস্ত্র হামলা চালানোর জন্য অপেক্ষা করছিল বজরুল শেখ ও তাঁর দলবল। কাটোয়া থানার পুলিশ গোপন সূত্রে সেই খবর পেয়ে গিয়ে অভিযান চালানোয় সব পরিকল্পনা ভেস্তে যায় বলে ধৃত দুস্কৃতিরা জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ কে জানিয়েছে।

মার্চ ২৭, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 47
  • 48
  • 49
  • 50
  • 51
  • 52
  • 53
  • ...
  • 121
  • 122
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিনোদুনিয়া

‘মিঠু মুখোপাধ্যায় ছিলেন সময়ের থেকে এগিয়ে’—প্রয়াণে আবেগঘন শ্রীলেখা মিত্র

দুষ্টু-মিষ্টি নায়িকার মধ্যে ছিল আধুনিকতা, স্মার্টনেস আর এক আলাদা ফ্রেশনেসমিঠুকে স্মরণ করে লিখলেন শ্রীলেখাবর্ধমান: সত্তর-আশির দশকের বাংলা ছবির পরিচিত মুখ মিঠু মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণে শোকস্তব্ধ বাংলা চলচ্চিত্রমহল। ৭১ বছর বয়সে দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর মুম্বইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে রবিবার রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন অভিনেত্রী। প্রায় এক বছর ধরে ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন তিনি।মিঠু মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণের খবর ছড়িয়ে পড়তেই তাঁর অভিনয়, সৌন্দর্য এবং স্বতন্ত্র ব্যক্তিত্বের কথা স্মরণ করছেন চলচ্চিত্রজগতের বহু মানুষ। সেই তালিকায় রয়েছেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রও। সোশ্যাল মিডিয়ায় মিঠুকে স্মরণ করে তাঁর লেখা দীর্ঘ আবেগঘন পোস্টে উঠে এসেছে এক দর্শকের ব্যক্তিগত মুগ্ধতাযে মুগ্ধতা শুধু অভিনয়ে নয়, মিঠুর পর্দার উপস্থিতি এবং নিজস্ব ব্যক্তিত্বকে ঘিরেও।শ্রীলেখার কথায়, মিঠু মুখোপাধ্যায় ছিলেন সময় থেকে এগিয়ে থাকা এক অভিনেত্রী। তাঁর চোখে মিঠুর আকর্ষণ ছিল এমন এক স্বাভাবিক ব্যক্তিত্বে, যা পর্দায় আলাদা করে নজর কাড়ত। শ্রীলেখা মনে করিয়ে দিয়েছেন, সত্তরের দশক থেকে আশি এবং নব্বইয়ের গোড়ার দিক পর্যন্ত মিঠু একাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন। মৌচাক, মর্জিনা আবদুল্লাহ, স্বয়ংসিদ্ধার মতো ছবিতে তাঁর উপস্থিতি আজও দর্শকের স্মৃতিতে উজ্জ্বল।মিঠুর সৌন্দর্য নিয়েও অকপট শ্রীলেখা। বড় বড় চোখ, সেই চোখের অভিব্যক্তি, শিফন শাড়িতে তাঁর পর্দার উপস্থিতিসব মিলিয়ে মিঠুর মধ্যে তিনি খুঁজে পেয়েছেন এক দুষ্টু-মিষ্টি নায়িকার পরিচিত ছাঁচের বাইরে থাকা এক আধুনিক মুখ। শ্রীলেখার মতে, সেই সময়ের অনেক অভিনেত্রী যেখানে নির্দিষ্ট একটি ইমেজ-এর মধ্যে নিজেদের আটকে রাখতেন, সেখানে মিঠু ছিলেন অনেকটাই অন্যরকম।তাঁর ভাষায়, মিঠু যেন সেই সময়ের পর্দায় এক ঝলক fresh airআধুনিক, স্মার্ট, চুলবুলি এবং নিজের মতো করে থাকা এক অভিনেত্রী।শুধু সৌন্দর্য নয়, মিঠুর স্বাভাবিক আকর্ষণকেও বিশেষভাবে মনে করেছেন শ্রীলেখা। তাঁর সঙ্গে বর্ষীয়ান অভিনেত্রী নীতু সিংয়েরও কোথাও একটা মিল খুঁজে পেয়েছেন তিনি। দুজনের মধ্যেই ছিল এমন এক effortless charm, যা কৃত্রিমভাবে তৈরি করার প্রয়োজন পড়ত নাস্বাভাবিকভাবেই যা দর্শকের চোখে ধরা দিত।১৯৭২ সালে চিত্ত বসুর শেষ পর্ব ছবির মাধ্যমে অভিনয়ে পা রাখেন মিঠু মুখোপাধ্যায়। এরপর মর্জিনা আবদুল্লাহ, নিশিকন্যা, মৌচাক, স্বয়ংসিদ্ধা, হোটেল স্নো ফক্স-সহ একাধিক ছবিতে অভিনয় করে নিজের জায়গা তৈরি করেন বাংলা ছবিতে। উত্তমকুমার, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, রঞ্জিত মল্লিকের মতো অভিনেতাদের সঙ্গেও কাজ করেছেন তিনি। হিন্দি ছবিতেও অভিনয় করেছিলেন মিঠু।তবে জীবনের পরের পর্বে ধীরে ধীরে চলচ্চিত্রজগতের আলো থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন মিঠু। মুম্বইয়ে অনেকটাই অন্তরালে কাটছিল তাঁর জীবন। শেষ পর্যন্ত দীর্ঘ অসুস্থতার পর থেমে গেল সেই জীবনযাত্রা।শ্রীলেখার পোস্টের শেষটুকু তাই হয়ে উঠেছে ব্যক্তিগত শ্রদ্ধার্ঘ্য। প্রিয় অভিনেত্রীকে বিদায় জানিয়ে তাঁর লেখামিঠু মুখোপাধ্যায় তাঁর খুব পছন্দের একজন অভিনেত্রী ছিলেন। তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করেছেন শ্রীলেখা, পাশাপাশি সমবেদনা জানিয়েছেন মিঠুর পরিবার ও প্রিয়জনদের প্রতি।পর্দার আলো নিভে গিয়েছে। কিন্তু বড় বড় চোখ, স্বতঃস্ফূর্ত হাসি আর সেই স্বতন্ত্র freshnessস্মৃতির পর্দায় হয়তো আরও অনেকদিন জ্বলজ্বল করবেন মিঠু মুখোপাধ্যায়।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
রাজ্য

আগামীকাল থেকেই আবহাওয়ার মেগা বদল, তুফানি তান্ডব বাংলা জুড়ে, কোন কোন জেলায় তুমুল বৃষ্টিপাত?

আবারও বদলাতে চলেছে বঙ্গের আবহাওয়া। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী ২২ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর রাজ্যের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একইসঙ্গে বজ্রপাতের আশঙ্কা রয়েছে বলে আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে।ভারতীয় আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২২ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর দক্ষিণবঙ্গের কিছু এলাকায় বৃষ্টির তীব্রতা বাড়তে পারে। বিশেষ করে উপকূলবর্তী পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই সময় উপকূলবর্তী এলাকায় ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।বঙ্গোপসাগরেও তৈরি হতে পারে প্রতিকূল পরিস্থিতি। সমুদ্র উত্তাল থাকার সম্ভাবনা থাকায় ২১ ও ২২ সেপ্টেম্বর মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই যারা সমুদ্রে রয়েছেন, তাঁদেরও দ্রুত নিরাপদ স্থানে ফিরে আসতে এবং সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলাতেও আবহাওয়ার পরিবর্তন অব্যাহত থাকতে পারে। বিভিন্ন এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। ফলে খোলা জায়গায় এবং গাছপালা বা দুর্বল কাঠামোর আশপাশে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।শুধু দক্ষিণবঙ্গ নয়, উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। ২৩ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদাতেও প্রতিকূল আবহাওয়া তৈরি হতে পারে।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। ফলে আগামী কয়েক দিন রাজ্যের দুই প্রান্তেই আবহাওয়ার উপর নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে। তাই দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার সময় প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বেরোনো এবং স্থানীয় প্রশাসন ও আবহাওয়া দফতরের সতর্কবার্তা মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
রাজ্য

উৎসবের মরসুমের পুণ্যার্থীদের জন্য জ্যাকপট, তারাপীঠ যাবেন? বিরাট ঘোষণায় ছক্কা হাঁকাল পূর্ব রেল

উৎসবের মরসুমের আগে ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চল ও সংলগ্ন এলাকার ট্রেনযাত্রীদের জন্য বড় সুখবর দিল পূর্ব রেল। দীর্ঘদিনের দাবির পর শিয়ালদহ বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন ব্যারাকপুরে এবার পরীক্ষামূলকভাবে থামবে ১৩১৮৭/১৩১৮৮ শিয়ালদহরামপুরহাটশিয়ালদহ মা তারা এক্সপ্রেস। আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ থেকে এই নতুন স্টপেজ কার্যকর হবে বলে রেল সূত্রে জানানো হয়েছে।পূর্ব রেলের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, শিয়ালদহ থেকে রামপুরহাটগামী ১৩১৮৭ মা তারা এক্সপ্রেস প্রতিদিন সকাল ৭টা ৪১ মিনিটে ব্যারাকপুর স্টেশনে পৌঁছবে। সেখানে এক মিনিট দাঁড়িয়ে সকাল ৭টা ৪২ মিনিটে রামপুরহাটের উদ্দেশে রওনা দেবে।অন্যদিকে, রামপুরহাট থেকে শিয়ালদহগামী ১৩১৮৮ মা তারা এক্সপ্রেস প্রতিদিন বিকেল ৫টা ৫৩ মিনিটে ব্যারাকপুরে পৌঁছবে। এক মিনিটের বিরতির পর বিকেল ৫টা ৫৪ মিনিটে শিয়ালদহের উদ্দেশে যাত্রা করবে।এই স্টপেজ চালু হওয়ায় ব্যারাকপুরের পাশাপাশি টিটাগড়, খড়দহ, পলতা-সহ আশপাশের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার যাত্রীরা বিশেষভাবে উপকৃত হবেন বলে মনে করা হচ্ছে। এতদিন তারাপীঠ বা বীরভূমের অন্যান্য এলাকায় যেতে হলে অনেক যাত্রীকে প্রথমে শিয়ালদহ যেতে হত। কেউ কেউ নৈহাটি বা ব্যান্ডেল হয়ে সংযোগকারী ট্রেনের উপর নির্ভর করতেন। এবার ব্যারাকপুর থেকেই সরাসরি রামপুরহাটগামী ট্রেন ধরার সুযোগ মিলবে।বিশেষ করে তারাপীঠের মা তারার দর্শনে যাওয়া পুণ্যার্থী ও সাধারণ যাত্রীদের জন্য এই পরিষেবা সুবিধাজনক হবে। এতে যাতায়াতের সময় এবং অতিরিক্ত খরচ, দুটিই কিছুটা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।রেল সূত্রে খবর, আপাতত যাত্রীদের চাপ এবং টিকিটের চাহিদা পর্যালোচনা করতে পরীক্ষামূলকভাবে এই স্টপেজ চালু করা হচ্ছে। স্থানীয় যাত্রী সংগঠন এবং নিত্যযাত্রীদের তরফেও রেলের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানানো হয়েছে।রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যাত্রী পরিষেবা আরও উন্নত করা এবং গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলির সঙ্গে দূরপাল্লার যোগাযোগ বাড়ানোই এই ধরনের সিদ্ধান্তের অন্যতম লক্ষ্য। ব্যারাকপুরে মা তারা এক্সপ্রেস-এর স্টপেজ চালু হলে প্রতিদিনের যাত্রীদের পাশাপাশি উৎসবের মরসুমে তারাপীঠগামী যাত্রীদেরও সুবিধা হবে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
রাজ্য

ছেলেকে হারিয়ে শোকে বুকে পাথর চেপে প্রচারে ঝড়! দেড় লাখের বেশি ভোটে জয়ে আত্মবিশ্বাসী ‘ঘরের মেয়ে’ হাসিরানি রথ

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনের প্রচার যত জোরদার হচ্ছে, ততই বাড়ছে রাজনৈতিক তরজা। রবিবার প্রচারে বেরিয়ে ভোটারদের কাছে বিজেপির পদ্ম প্রতীকে ভোট দেওয়ার আবেদন জানালেন দলের প্রার্থী হাসিরানি রথ। ভোটের গুরুত্ব বোঝাতে তিনি তুলে ধরলেন ভগবান শ্রীকৃষ্ণের গোবর্ধন পর্বত ধারণের প্রসঙ্গ। তাঁর বক্তব্য, শ্রীকৃষ্ণ যেমন এক আঙুলে গোবর্ধন পর্বত ধারণ করেছিলেন, তেমনই ভোটের দিন ইভিএমে একটি আঙুলের শক্তি দেখাতে হবে।নন্দীগ্রামে প্রচার চলাকালীন বিজেপি কর্মী-সমর্থক এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন হাসিরানি। নন্দীগ্রামকে নিজের বাড়ি বলে উল্লেখ করে তিনি জানান, এলাকার মানুষ তাঁকে যেভাবে আপন করে নিয়েছেন, তাতে তিনি অভিভূত। আগামী ৬ অক্টোবর ভোটের দিন ইভিএমে পদ্ম প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য ভোটারদের কাছে আবেদন জানান তিনি।প্রচারে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন শুভেন্দু অধিকারীর অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন বিজেপি প্রার্থী। তাঁর দাবি, সেই সময় শুভেন্দু অধিকারীকে একাধিকবার হেনস্থার মুখে পড়তে হয়েছিল। এমনকি সভা করার অনুমতি পেতেও তাঁকে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হতে হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন হাসিরানি।এরপরই ৬ অক্টোবরের ভোটকে রাজনৈতিক লড়াইয়ের সঙ্গে যুক্ত করে তিনি বলেন, ভোটের দিন ইভিএমে একটি আঙুলের মাধ্যমে নিজেদের শক্তি প্রকাশ করতে হবে। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, বিজেপি নেতৃত্ব এবং শুভেন্দু অধিকারীর প্রতি সমর্থন জানানোর আবেদনও করেন তিনি।নন্দীগ্রামের মানুষ তাঁকে ঘরের মেয়ে হিসেবে গ্রহণ করেছেন বলে দাবি করেন হাসিরানি। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভালোবাসা ও সমর্থন পেয়ে তিনি খুশি বলেও জানান বিজেপি প্রার্থী।উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম থেকে জয়ী হওয়ার পর ভবানীপুর আসনটি রেখে নন্দীগ্রাম আসন ছেড়ে দেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই কারণেই এই কেন্দ্রে উপনির্বাচন হচ্ছে। বিজেপির তরফে প্রার্থী করা হয়েছে হাসিরানি রথকে। তিনি প্রয়াত চন্দ্রনাথ রথের মা। চন্দ্রনাথ ছিলেন শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহকারী।আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রামে উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ হবে। ভোটগণনা ৯ অক্টোবর। বিজেপি, তৃণমূলের দুই শিবির, কংগ্রেস এবং বাম-সহ একাধিক রাজনৈতিক শক্তি এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই জোরদার হচ্ছে প্রচার এবং রাজনৈতিক চাপানউতোর।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

একসময় পর্দায় ঝড় তুলেছিলেন, তারপর আচমকাই অন্তরালে! প্রয়াত মিঠু মুখোপাধ্যায়

বিনোদন জগতে ফের শোকের ছায়া। প্রয়াত হলেন বাংলা ছবির জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিঠু মুখোপাধ্যায়। মুম্বইয়ের একটি হাসপাতালে রবিবার রাতে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। দীর্ঘদিন ধরেই ক্যানসারে ভুগছিলেন তিনি। চিকিৎসার মধ্যেই শেষ পর্যন্ত মৃত্যু হল সাতের দশকের এই জনপ্রিয় অভিনেত্রীর।মিঠু মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তাঁর পারিবারিক বন্ধু প্রবীর রায়। তাঁর কথায়, প্রায় এক বছর ধরে ক্যানসারে ভুগছিলেন অভিনেত্রী। মৃত্যুর সঠিক সময় সম্পর্কে তিনি নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি।অভিনেত্রীর প্রয়াণের খবর প্রকাশ্যে আসার পর সমাজমাধ্যমে শোকপ্রকাশ করেছেন অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। মিঠু মুখোপাধ্যায়ের ছবি ভাগ করে তিনি তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। তাঁর প্রয়াণকে অত্যন্ত বেদনাদায়ক বলে উল্লেখ করে প্রসেনজিৎ জানিয়েছেন, অভিনেত্রীর স্মৃতি এবং তাঁর কাজ দীর্ঘদিন মানুষের মনে বেঁচে থাকবে।সাতের দশকের বাংলা সিনেমায় মিঠু মুখোপাধ্যায় ছিলেন অত্যন্ত পরিচিত মুখ। ১৯৭২ সালে একটি বাংলা ছবির মাধ্যমে তাঁর অভিনয়জীবন শুরু হয়। এরপর মর্জিনা আবদুল্লা ছবিতে নামভূমিকায় অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান তিনি। মৌচাক, স্বয়ংসিদ্ধা, নিশিকন্যা-সহ একাধিক ছবিতে তাঁর অভিনয় দর্শকদের নজর কেড়েছিল। পরে হিন্দি ছবিতেও অভিনয় করেন তিনি।মিঠু মুখোপাধ্যায়ের অভিনয়ের পাশাপাশি তাঁর সৌন্দর্য ও পর্দায় স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিও দর্শকদের মধ্যে বিশেষ জনপ্রিয় ছিল। সেই সময় অনেকেই তাঁর সঙ্গে বলিউডের অভিনেত্রী রেখার তুলনা করতেন। বাংলা ছবির দর্শকদের একাংশের কাছে তিনি কলকাতার রেখা নামেও পরিচিত হয়ে ওঠেন।তবে জনপ্রিয়তার মধ্যেই ধীরে ধীরে সিনেমা থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন মিঠু মুখোপাধ্যায়। পরবর্তী জীবনে তাঁকে খুব বেশি প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি অনেকটাই লোকচক্ষুর আড়ালে ছিলেন। ফলে তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কৌতূহলও ছিল দর্শকদের মধ্যে।তাঁর অভিনয়জীবন খুব দীর্ঘ না হলেও বাংলা সিনেমায় তাঁর উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। একের পর এক জনপ্রিয় ছবিতে অভিনয় করে অল্প সময়ের মধ্যেই নিজের জায়গা তৈরি করেছিলেন তিনি। প্রেমিকা থেকে শুরু করে প্রাণবন্ত তরুণী, নানা ধরনের চরিত্রে দেখা গিয়েছিল তাঁকে।শেষ জীবনে অবশ্য সিনেমার আলো থেকে অনেক দূরে ছিলেন মিঠু মুখোপাধ্যায়। দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর রবিবার রাতে মুম্বইয়ে তাঁর মৃত্যু হল। তাঁর প্রয়াণে বাংলা সিনেমার একসময়ের জনপ্রিয় অধ্যায়ের ইতি ঘটল।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
দেশ

এসআইআরের জট কাটতে ১২ বছর! সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে বিস্ফোরক দাবি নির্বাচন কমিশনের

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়া ঘিরে তৈরি হওয়া জট এখনও কাটেনি। এসআইআরের সময় নাম বাদ পড়া এবং ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তি নিয়ে মোট ৩৮ লক্ষের বেশি আপিল জমা পড়েছে। তার মধ্যে বিপুল সংখ্যক আবেদন এখনও নিষ্পত্তি হয়নি। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশন সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে জানিয়েছে, বর্তমান গতিতে কাজ চললে সব আপিলের নিষ্পত্তি করতে ১২ বছরেরও বেশি সময় লেগে যেতে পারে।কমিশনের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, মোট ৩৮ লক্ষ ৩১ হাজারের মতো আপিল জমা পড়েছে। এর মধ্যে এসআইআরে নাম বাদ পড়া ভোটারদের ২২ লক্ষ ২১ হাজার ১১৮টি আবেদন রয়েছে। তাঁরা ভোটার তালিকায় নিজেদের নাম ফেরানোর আবেদন করেছেন। অন্য দিকে, প্রায় ১৬ লক্ষ ১০ হাজার আবেদন করা হয়েছে ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির বিরোধিতা করে।এই বিপুল সংখ্যক আপিলের মধ্যে এখনও পর্যন্ত মাত্র এক লক্ষের কিছু বেশি মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের আরও সাম্প্রতিক হিসাব অনুযায়ী, ১ লক্ষ ২৬ হাজার ১৯৪টি আপিলের নিষ্পত্তি হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৯৩ শতাংশ ক্ষেত্রে আবেদনকারীদের পক্ষে সিদ্ধান্ত গিয়েছে এবং তাঁদের নাম ফের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অন্য দিকে, ৮ হাজার ৬৪৯টি আপিলে আবেদনকারীরা হেরে গিয়েছেন।কমিশনের হিসাব বলছে, ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রায় ৩৭ লক্ষ ৫ হাজার আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ছিল। বর্তমান গতিতে মাসে গড়ে প্রায় ২৫ হাজারের কিছু বেশি আবেদন নিষ্পত্তি হচ্ছে। সেই হিসাবেই বাকি আবেদন শেষ করতে ১৪৬ মাসের মতো সময়, অর্থাৎ ১২ বছরেরও বেশি সময় লাগতে পারে বলে কমিশন জানিয়েছে।এই পরিস্থিতিতে আপিলের শুনানি দ্রুত শেষ করতে ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বর্তমানে ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনাল কাজ করছে। সেই সংখ্যা বাড়িয়ে ৪২টি করার আবেদন জানানো হয়েছে। রাজ্যের ৪২টি লোকসভা কেন্দ্রের ভিত্তিতে একটি করে ট্রাইব্যুনাল তৈরির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।শুধু ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়ানো নয়, অনলাইনেও শুনানি করার অনুমতি চেয়েছে কমিশন। বিচারবিভাগীয় আধিকারিকেরা যাতে নিজেদের বাসভবন বা অন্য নির্দিষ্ট জায়গা থেকে অনলাইনে শুনানি করতে পারেন, সেই ব্যবস্থা চালুর জন্য প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার সংশোধনের কথাও হলফনামায় জানানো হয়েছে।এসআইআরের সময় পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ২৭ লক্ষ ১৬ হাজার ভোটারের নাম বাদ পড়েছিল বলে কমিশনের তথ্য। তাঁদের মধ্যে ২২ লক্ষের বেশি ভোটার নিজেদের নাম ফেরানোর জন্য আপিল করেছেন। অর্থাৎ বাদ পড়া ভোটারদের একটি বড় অংশই এই আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নাম পুনর্বহালের আবেদন করেছেন।ফলে এখন মূল নজর আপিলের দ্রুত নিষ্পত্তির দিকে। ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব এবং অনলাইন শুনানির ব্যবস্থা কার্যকর হলে মামলার গতি কতটা বাড়ে, সেটাই এখন দেখার। একই সঙ্গে বাদ পড়া ভোটারদের আবেদনের শুনানি এবং ভোটার তালিকায় নাম পুনর্বহালের প্রক্রিয়া নিয়েও সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী শুনানির দিকে নজর রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলের নাম-প্রতীক ফ্রিজ! মমতার মামলায় জরুরি শুনানির আর্জি মেনে নিল সুপ্রিম কোর্ট

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দায়ের করা মামলায় তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও প্রতীক ফ্রিজ করার নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। সেই মামলাটি জরুরি ভিত্তিতে তালিকাভুক্ত করার আবেদন গ্রহণ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে সোমবার বিষয়টি উল্লেখ করেন প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল।নির্বাচন কমিশন গত ১৭ সেপ্টেম্বর অন্তর্বর্তী নির্দেশে অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস নাম এবং দলের নির্দিষ্ট নির্বাচনী প্রতীক ব্যবহারে আপাতত নিষেধাজ্ঞা জারি করে। দুই গোষ্ঠীর মধ্যে দলের নাম, প্রতীক এবং সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধের মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরবর্তী উপনির্বাচনের জন্য দুই গোষ্ঠীকেই আলাদা নাম ও প্রতীক বেছে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।কমিশনের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেন। তাঁর আবেদনে কমিশনের অন্তর্বর্তী নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ চাওয়া হয়েছে। সেই মামলাটিই দ্রুত শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করার আবেদন জানান কপিল সিব্বল।সোমবার আদালতে মামলাটি উল্লেখ করে কপিল সিব্বল কমিশনের সিদ্ধান্তের সময় নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে কমিশনের প্রক্রিয়া জুন মাসে শুরু হয়েছিল এবং জুলাইয়ে তাঁদের তরফে জবাব দেওয়া হয়েছিল। সেই প্রক্রিয়া চলার মধ্যেই নির্বাচনী বিজ্ঞপ্তি জারির পর প্রতীক ফ্রিজ করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।সিব্বলের আরও বক্তব্য, নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলাকালীন এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং তাই মামলাটি জরুরি ভিত্তিতে তালিকাভুক্ত করা প্রয়োজন। তিনি কমিশনের সিদ্ধান্তের উপর স্থগিতাদেশ চেয়েছেন বলেও আদালতে জানান।এর পর প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানান, মামলাটি তালিকাভুক্ত হলে সব পক্ষই নিজেদের বক্তব্য রাখার সুযোগ পাবে। আদালত বিষয়টি দ্রুত তালিকাভুক্ত করার চেষ্টা করবে বলেও জানানো হয়। অর্থাৎ জরুরি শুনানির আবেদন গ্রহণ করা হলেও সেই মুহূর্তে শুনানির নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা হয়নি।এদিকে নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী ব্যবস্থায় দুই গোষ্ঠীকে আলাদা নাম ও প্রতীক দেওয়া হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোষ্ঠীর জন্য একটি নতুন নাম ও নতুন প্রতীক এবং অপর গোষ্ঠীর জন্য পৃথক নাম ও প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে। এই ব্যবস্থা আসন্ন উপনির্বাচনকে সামনে রেখে কার্যকর করা হয়েছে।ফলে তৃণমূলের নাম ও প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের পর এবার বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের বিচারাধীন। মামলাটি কবে তালিকাভুক্ত হয় এবং শুনানিতে আদালত কী নির্দেশ দেয়, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
কলকাতা

মমতার সমর্থন পাওয়ার পরেই গ্রেফতার, এবার হাইকোর্টে মিলন! কী চাইছেন নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী?

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে আইনি জটিলতায় পড়েছেন কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান। পাঁচটি মামলায় রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে তাঁর আইনজীবী মামলাটি উল্লেখ করেছেন। আগামীকাল মামলাটির শুনানি হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগে মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা সামনে এসেছে। তাঁর আইনজীবীর দাবি, এই পরিস্থিতিতে নির্বাচনের আগে তাঁকে আইনি সুরক্ষা দেওয়া প্রয়োজন। আদালত মামলাটি শুনে অভিযোগগুলির গুরুত্ব এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলি খতিয়ে দেখবে।মিলন প্রধানের গ্রেফতারিও নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের আগে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে। শুক্রবার নন্দীগ্রামে তৃণমূলের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। এরপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের কথা জানান। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মিলনকে গ্রেফতার করা হয়।পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম জমি অধিগ্রহণ বিরোধী আন্দোলনের সময়ের একটি পুরনো খুনের মামলায় মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল। সেই মামলার ভিত্তিতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশের আরও দাবি, ওই মামলায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে আইনগত প্রক্রিয়ার বাইরে ছিলেন।এ ছাড়াও মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে খুন, খুনের চেষ্টা, খুনের উদ্দেশ্যে অপহরণ, প্রমাণ লোপাট এবং অস্ত্র আইনের মতো ধারায় মামলা রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। নতুন করে আরও একটি মামলা যুক্ত হওয়ার কথাও প্রকাশ্যে এসেছে।মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলি এখনও আদালতে বিচারাধীন। তাঁর আইনজীবী নির্বাচনের আগে রক্ষাকবচ চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। ফলে আদালত এই আবেদন গ্রহণ করে কী নির্দেশ দেয়, সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ।নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের আগে একদিকে প্রার্থীর গ্রেফতারি, অন্য দিকে পাঁচ মামলায় হাইকোর্টে রক্ষাকবচের আবেদনদুই ঘটনাতেই নতুন করে নজর পড়েছে এই কেন্দ্রের দিকে। আগামীকাল শুনানি হলে মিলন প্রধানের আবেদনে আদালতের অবস্থান কী হয়, এখন সেদিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal