• ১ চৈত্র ১৪৩২, রবিবার ১৫ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Lockdown

দেশ

সুড়ঙ্গের শেষে আলোর দেখা কি মিলবে? পরিযায়ীরা রইলেন সেই তিমিরেই

অবশেষে সুড়ঙ্গ থেকে মুক্তি। আলোর উৎসবের দিন উত্তর কাশির সিল্কিয়ারা- বারকোট সুড়ঙ্গের অন্ধকারে বন্দি হয়েছিলেন একচল্লিশ (৪১) জন শ্রমিক। ১৭ দিন ধরে চলা জীবন মৃত্যুর পাশা খেলায় জিতে আটাশে নভেম্বর এসেছিল মুক্তি। তারপরে দেশ জুড়ে খবরের কাগজ, টেলিভিশন আর সামাজিক মাধ্যমে বীরের অভ্যর্থনা। খবরের কাগজের প্রথম পাতায়, টেলিভিশনের পর্দায় ছবি আর সাক্ষাৎকারের ছড়াছড়ি। তবে তার আয়ু বড় জোর দু থেকে তিন দিন। এরপরেই আবার পর্দার আড়ালে। যাদের নিয়ে এই সাময়িক মাতামাতি তাঁরা সবাই পরিযায়ী শ্রমিক। আচ্ছা, এদের শেষ কবে দেখেছিলেন মনে আছে? বেশ, আমিই আপনাদের স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি।সময়ের কাঁটা টাকে একটু পিছিয়ে দিন। তখন বিশ্বজুড়ে মারণ রোগ করোনা ভাইরাসের দাপটে গুটিয়ে গিয়েছে। ভারতেও তার প্রকোপ তীব্র। মারন রোগ ঠেকাতে হঠাৎ ই লকডাউন ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী। এই হঠাৎ ঘোষণায় বিদেশ বিভুঁইয়ে রোজগার হারিয়ে, মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে পরিযায়ী শ্রমিকদের পায়ে হেঁটে ছেলে বৌয়ের হাত ধরে স্বভূমিতে ফেরার আপ্রান চেষ্টা দেখেছিল গোটা দেশ। রাজ্যে রাজ্যে সড়ক পথে স্টেশনে বাস টার্মিনাসে পরিযায়ী শ্রমিকদের ঢল নেমেছিল। তাঁদের অনেকেই রাস্তায় ক্ষুধায়, তৃষ্ণায়, ক্লান্তিতে লুটিয়ে পড়েছিলেন। অনেকে আবার বিষন্ন মনে ট্রেন লাইন ধরে চলার সময় ট্রেনের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন হয়ে গিয়েছিলেন। কেউ কেউ আবার হাজার মাইল পথ হেঁটে নিজ ভূমে ফিরেছিলেন অবসন্ন দেহ নিয়ে। সেই সময় ও সংবাদ মাধ্যমে ছড়িয়েছিল এদের ছবি আর সাক্ষাৎকার। তারপরে আবার এর চলে গিয়েছিলেন বিস্মৃতির অতল গহ্বরে। প্রাকৃতিক বিপর্যয় অথবা মহামারিতে প্রান না গেলে এরা তো অগোচরেই থাকেন।দিন প্রতিদিন আমাদের নজর বাতিতে যারা আলোকিত থাকেন তাঁরা হলেন সেলিব্রিটি (Celebrity)। তাই বলিউডের, টলিউডের নায়ক, নায়িকা, ক্রীড়া জগতের নক্ষত্র, রাজনীতিবিদ, অথবা অন্যান্য ক্ষেত্রের দামী ব্যাক্তিদের নামে স্টেডিয়ামের নাম করণ হয়। রাস্তার নাম করণ হয়, মূর্তি তৈরি হয়। কিন্তু যারা স্টেডিয়াম, হাইওয়ে, উড়ালপুল, রেলপথ তৈরি করেন, যাদের শ্রমে ছোট বড়ও কারখানা চলে সেই পুরুষ ও মহিলা শ্রমিকরা নিভৃতবাসেই থেকে যান। অথচ এরাই আমাদের জাতীয় মানবসম্পদ। রুজির খোঁজে পরবাসে গিয়ে অবজ্ঞা, সন্ত্রাস, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের মধ্যে থেকে এরা কাজ করে চলেন। অথচ রাস্ট্রীয় চেতনায় এরা সবাই পরিহার্য। তাই স্বাস্থ বিপর্যয়ে এদের শহর থেকে তাড়িয়ে দেওয়া যায়। নির্মীয়মান সুড়ঙ্গ, বহুতল, সেতু অথবা উড়ালপুল ধসে পড়ে এদের মৃত্যু হলে রাস্ট্র নির্বিকার থাকে। কর্মস্থলে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা জনিত সরঞ্জাম না থাকায় এদের মৃত্যু হলে মালিকদের জবাবদিহি করতে হয় না। পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে সাম্প্রতিক সমীক্ষায় জানা গিয়েছে দেশের ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ মানুষ কাজের খোঁজে বাসস্থান ছেড়ে অন্যত্র যেতে বাধ্য হন। পিছিয়ে পড়া রাজ্যগুলো থেকে আর্থিক কর্মকাণ্ডে এগিয়ে থাকা রাজ্যগুলোয় গিয়ে কাজ করেন তাঁরা। পিছনে পড়ে থাকে গ্ৰাম, পরিবার।এদের নিয়ে দেশে একটা আইন রয়েছে। তাহলো Inter State Migrant Work Men Act, 1979. এই আইনে বলা হয়েছে পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য বাসস্থান, স্বাস্থ্য ব্যাবস্থা, ন্যুনতম মজুরি এবং সামাজিক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে। কিন্তু বাস্তবে এর কোনোটাই তাঁদের ধরা ছোঁয়ার মধ্যে থাকে না। হাইওয়ে, স্মার্টসিটি, উড়ালপুল, রেলপথ ও স্টেডিয়াম তৈরির জন্য রাস্ট্রের নীতি রয়েছে। এইসব প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন নিয়ে নেতা মন্ত্রীদের আস্থা রয়েছে। অথচ যারা এই প্রকল্পগুলি গড়ে তোলেন তাদের জন্য আইন থাকলেও প্রয়োগ নেই। পরিযায়ী শ্রমিকরা আমাদের দেশের অদৃশ্য নাগরিক। প্রাকৃতিক বিপর্যয়, নির্মান বিপর্যয় এবং মহামারিতে তাঁরা বন্দি অথবা প্রান হারালে তবেই দৃশ্য মান হন। ততদিন এঁরা থাকুন ঘুমিয়ে পড়া অ্যালবামে

ডিসেম্বর ০৮, ২০২৩
রাজ্য

বর্ধমানে গোষ্ঠী কোন্দলের জেরে পার্টি অফিসে তালা, শিকেয় নাগরিক পরিষেবা

শাসকদলের গোষ্ঠী কোন্দলের শিকেয় নাগরিক পরিষেবা। তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলর অথচ তাকেই বাধা। তাকেই দলীয় কার্যালয়ে বসতে না দেওয়ার অভিযোগ পুরমাতার। তিনি যাতে কার্যালয়ের ভিতরে বসতে না পারেন তারজন্য কার্যালয়ের মেন গেটে পড়লো তালা। অগত্যা বাধ্য হয়েই কার্যালয়ের সামনেই রাস্তার আলোতে চেয়ার টেবিল পেতে ওয়ার্ডের নাগরিকদের পরিষেবা দিলেন কাউন্সিলর। রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় বর্ধমান পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কালনাগেট ভদ্রপল্লীর এই ঘটনায় শহরে চাঞ্চল্য ছড়ায়।৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সিমরন বাল্মিকীর অভিযোগ,প্রতিদিনই অফিস খোলা থাকে, তাস খেলা হয়। তাদের কে আমি তাস খেলা বন্ধ করতে বলেছিলাম, এসব নিয়ে প্রতিবাদ করেছিলাম, তাই দলীয় কার্যালয় বন্ধ করে রেখেছে। নাম না করে দলীয় কর্মীদের একাংশের বিরুদ্ধেই তিনি ক্ষোভ উগড়ে দেন।এলাকার তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী বাবলু ঘোষ বলেন, প্রতিদিনই সন্ধ্যায় পার্টি অফিস খোলা হয়। শনিবারও খোলা হয়েছিল। আমি সকালে চাবি চাইলে বলা হয় চাবি নেই। বিজেপি বর্ধমান জেলা কমিটির মুখপাত্র সৌম্যরাজ ব্যানার্জী বলেন, পুরোটাই টাকার খেলা। মূলত তোলাবাজি নিয়ে ওয়ার্ডের স্বঘোষিত তৃণমূল নেতা শিবশংকর ঘোষের সঙ্গে কাউন্সিলরের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরেই এসব হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।

নভেম্বর ১৪, ২০২২
বিদেশ

এক বছর পর ফের কোভিডে মৃত্যু দেখল চিন

চিনে আবারও ফিরল করোনার নতুন আতঙ্ক। প্রায় দু বছর পর করোনায় মৃত্যুর ঘটনা ঘটল চিনে। জিলিন প্রদেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে।শনিবার চিনের ন্যাশনাল হেল্থ অথরিটি করোনায় মৃত্যুর এই খবর জানিয়েছে। গত বছর অর্থাৎ ২০২১-এর জানুয়ারি মাসে শেষবার করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল চিনে। তারপর গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে কোনও মৃত্যু হয়নি। তবে সম্প্রতি সংক্রমণের এক নতুন ঢেউ প্রবেশ করার ইঙ্গিত পেয়েছেন চিনা বিশেষজ্ঞরা। চিনের বিভিন্ন প্রদেশে নতুন করে বিধি নিষেধ জারি হয়েছে। আর এবার মৃত্যুর ঘটনা ভাবাচ্ছে চিকিৎসকদের। এই নিয়ে এখনও পর্যন্ত চিনে মোট ৪ হাজার ৬৩৮ জনের মৃত্যু হল করোনায়।শনিবার চিনে নতুন করে ২ হাজার ১৫৭ জনের করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। এর মধ্যে জিলিন প্রদেশেই আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। ওই প্রদেশে গোষ্ঠী সংক্রমণ ছড়িয়েছে বলেই অনুমান করা হচ্ছে। সেই কারণেই ওই প্রদেশে যাওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।বিগত কয়েকদিন ধরে লাফিয়ে লাফিয়ে করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে চিনে, কখনও ২-হাজার, কখনও আবার ৩-হাজারের গণ্ডি ছাড়িয়ে যাচ্ছে আক্রান্তের সংখ্যা। বিগত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে ২,২২৮ জন সংক্রমিত হওয়ার পর চিনে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ১২৮,৪৬২ জন। দুজনের মৃত্যুর পর মোট মৃত্যু হয়েছে ৪,৬৩৮ জনের। চিনে এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১০৫,২৩৮ জন।

মার্চ ১৯, ২০২২
বিদেশ

চিনে ফের লকডাউনে বন্দি দেড় কোটিরও বেশি বাসিন্দা

কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না করোনা। তবে তুলনামূলকভাবে বিশ্বজুড়েই করোনার প্রকোপ এখন অনেকটাই কম। তবে স্বস্তি নেই চিনের বাসিন্দাদের। সেখানে ফের একবার করোনা সংক্রমণ শুরু হতেই, প্রশাসনের তরফে লকডাউন ঘোষণা করা হচ্ছে। গত সপ্তাহেই চিনের চাংচুন শহরে লকডাউন জারি করা হয়েছিল। এবার লকডাউন ঘোষণা করা হল হাইটেক শহর শেনজেন-এও। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, বিগত দুই বছরে সবথেকে ভয়ঙ্করভাবে এবারই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। সংক্রমণ রুখতেই তাই একের পর এক শহরে লকডাউন জারি করা হচ্ছে।করোনা সংক্রমণের উৎপত্তি হয়েছিল চিন থেকেই। তাই ভাইরাসের ভয়াবহতা কতটা হতে পারে, তার আন্দাজ ভালভাবেই রয়েছে চিনের। সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার পর প্রথম মাস হিমশিম খেলেও, হাল সামলিয়ে নেয় প্রশাসন। এক সপ্তাহের মধ্যেই তৈরি করে দেওয়া হয় হাসপাতাল। সেই সময়ই তৈরি করা হয় জিরো কোভিড নীতি। শহরে ৫-১০ জন করোনা আক্রান্ত হলেও, গোটা শহরেই লকডাউন জারি করে দেওয়া হয়।দেড় কোটিরও বেশি বাসিন্দার শেনজ়েন শহরে সম্পূর্ণ লকডাউন জারি করা হয়েছে। সেখানে সমস্ত গ্রামের সীমানা আটকে দেওয়া হয়েছে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বাস, মেট্রো। রবিবারই চিনা সংবাদপত্রে জানানো হয়েছে যে সোমবার থেকে সমস্ত গণপরিবহন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।প্রশাসনের তরফে নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, শহরের সমস্ত বাসিন্দারাই যেন বাড়ি থেকে কাজ করেন এবং অত্যাবশ্যকীয় কোনও পণ্য কেনার জন্যই বাড়ি থেকে বের হন। বাইরে থেকে যারা শেনজ়েনে আসছেন, তাদের সকলকেই নেগেটিভ নিউক্লেইক অ্যাসিড রিপোর্ট জমা দিতে হবে। রিপোর্ট ২৪ ঘণ্টার বেশি পুরনো হতে পারবে না। এছাড়া নতুন সপ্তাহেই শহরজুড়ে ফের তিন দফায় করোনা পরীক্ষা করানো হবে বলেও জানানো হয়েছে।

মার্চ ১৪, ২০২২
রাজ্য

Lock Down: বড় খবর! ফের আংশিক লকডাউনের সম্ভাবনা রাজ্যে, আপাতত বাতিল 'দুয়ারে সরকার' কর্মসূচি

ফের আংশিক লকডাউনের পথে হাঁটার সম্ভাবনা রাজ্যের। জারি হতে পারে বিভিন্ন ক্ষেত্রে আবারও বিধিনিষেধ। বন্ধ হতে পারে রাজ্যের মেলাগুলি। আগামী ৩ জানুয়ারি থেকে এই বিধিনিষেধ আরোপ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলেই সূত্রের খবর। শনিবারই করোনা বাড়ায় আপাতত সব মামলা ভার্চুয়ালি হবে বলে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি। শুধু কলকাতা হাইকোর্ট নয়, রাজ্যের সমস্ত জেলার আদালতের জন্যই এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। এমনকী জলপাইগুড়ির যে সার্কিট বেঞ্চ রয়েছে তাও আপাতত বন্ধ থাকছে।যেভাবে ওমিক্রন থাবা বসাচ্ছে গোটা দেশে, যে হারে রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে সেইদিকে খেয়াল রেখে এবার কিছুটা রাশ টানার সম্ভাবনা রয়েছে নবান্নের। ইতিমধ্যেই কলকাতা পুরসভার একাধিক কাউন্সিলর কোভিড আক্রান্ত হয়েছেন। শনিবারই সামনে এসেছে রাজ্যের বিদ্যুৎ মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার খবর।১ জানুয়ারি থেকে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত স্টুডেন্টস উইক ঘোষণা করেছে রাজ্যে সরকার। তারই অঙ্গ হিসেবে ৩ জানুয়ারি নেতাজি ইন্ডোরে এক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও থাকার কথা ছিল। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সেই কর্মসূচি বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। সোমবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়েছে। তাহলে কি ফের আংশিক লকডাউনের পথে হাঁটার কথা ভাবছে রাজ্য সরকার? এই প্রশ্নই এখন ঘুরছে বিভিন্ন মহলে।শুধু স্টুডেন্টস উইক-এর অনুষ্ঠানই বাতিল নয়। রবিবার থেকে দুয়ারে সরকারের কর্মসূচি শুরু হওয়ার কথা ছিল রাজ্য সরকারের। রাজ্য সরকার আপাতত দুয়ারে সরকার কর্মসূচিও স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যে হারে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে, তা এই মুহূর্তে এই ধরনের শিবির শুধু মারাত্মক নয় প্রাণঘাতীও হয়ে উঠতে পারে বলেই মত জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের।বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে-# বন্ধ হতে পারে স্কুল, কলেজ।# বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বার, রেস্তোরাঁ, সিনেমা হল।# কমানো হতে পারে লোকাল ট্রেনের সংখ্যা।# নিষেধাজ্ঞা জারি হতে পারে রাজ্যের মেলাগুলিতে।

জানুয়ারি ০১, ২০২২
দেশ

Omicron: ওমিক্রন-উদ্বেগ থাকলেও এখনই লকডাউন নয় দিল্লিতে

ওমিক্রন আতঙ্কে কাঁপছে দেশ। ইতিমধ্যেই দেশে ঢুকে পড়ছে করোনা ভাইরাসের এই মারাত্মক ভ্যারিয়েন্ট। রাজধানীতেও ঢুকে পড়েছে ওমিক্রন। দিল্লি স্বাস্থ্যমন্ত্রী সতেন্দ্র জৈন জানিয়েছেন ওমিক্রন নিয়ে উদ্বেগের মাঝে দিল্লি সরকার খুব কাছ থেকে ওমিক্রন পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে। একসঙ্গে এই মূহুর্তেই রাজধানীতে লকডাউনের সম্ভাবনার কথা খারিজ করে দিয়েছেন দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী।সোমবার সাংবাদিকদকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন দিল্লির স্বাস্থ্য মন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, দিল্লি সরকার বেশ কিছু পরিকল্পনা করেছে। পরিস্থিতি ও আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি জানিয়েছেন, বেশ কিছু দেশে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টটি ছড়িয়ে পড়ার কারণে সরকার যাত্রীদের পরীক্ষা ও শনাক্তকরণের ওপরই বেশি জোর দিচ্ছে। ওমিক্রনে প্রভাবিত দেশ থেকে আসা যাত্রীদের ওপর বেশি করে নজর দেওয়া হচ্ছে।স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট যেহেতু করোনার ডেল্টার থেকেও বেশি মারাত্মক, তাই কাছ থেকে পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছে। যেসব দেশের আক্রান্তের সংখ্যা বেশি, সেই দেশগুলি থেকে আগত পর্যটকদের করোনা পরীক্ষার ব্যবস্থা করেছে সরকার। এখনও অবধি ২৭ জনকে এলএনজেপি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে, তাদের মধ্যে ১৭ জনের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। এই করোনা আক্রান্তদের মধ্যে একজনের দেহেই ওমিক্রনের উপস্থিতি পাওয়া গিয়েছে, এবং বাকিদের নমুনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।দিল্লিতে কি লকডাউন হতে পারে? সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য বেশ কিছু পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। প্রয়োজন অনুযায়ী সেই গুলি বাস্তাবায়িত হবে। এই মূহুর্তে লকডাউন হওয়ার কোনও সম্ভাবনাই নেই।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২১
দেশ

Delhi Pollution: দিল্লিতে ফের সম্পূর্ণ লকডাউন ঘোষণা হতে পারে, কেন জানুন

দূষণের দাপটে সম্পূর্ণ লকটডাউন ঘোষণা করা হতে পারে রাজধানী নয়াদিল্লিতে। সোমবার সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে এমনটাই জানিয়েছে কেজরিওয়াল সরকার। দিল্লির বাতাসে দূষণের মাত্রা কমাতে সরকারকে কড়া পদক্ষেপ করতে বলেছিল সুপ্রিম কোর্ট। তারপরই সোমবার এই হলফনামা দিল।হলফনামায় সরকার লিখেছে, স্থানীয়স্তরে দূষণের মাত্রা কমাতে সম্পূর্ণ লকডাউনের মতো কড়া পদক্ষেপ করতে প্রস্তুত দিল্লি। তবে এই পদক্ষেপ তখনই সম্পূর্ণ গ্রহণযোগ্য হবে যখন সমগ্র জাতীয় রাজধানী ক্ষেত্র (এনসিআর) এবং তার পার্শ্ববর্তী রাজ্যগুলিতেও একই পদক্ষেপ করা হবে। দিল্লির যা আয়তন, তাতে শুধু সেখানে লকডাউন করলে তার প্রভাব কমই অনুভূত হবে। একই সঙ্গে লেখা হয়েছে, যদি কেন্দ্রীয় সরকার কিংবা কমিশন ফর এয়ার কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্টের পক্ষ থেকে যদি জাতীয় রাজধানী ক্ষেত্র এবং পার্শ্ববর্তী রাজ্যে এমন পদক্ষেপ করতে বলা হয়, তা হলে দিল্লি সরকারও তেমন কড়া পদক্ষেপ করতে রাজি। সঙ্গে জানানো হয়েছে প্রকাশ্যে আবর্জনা পোড়ালে জরিমানা করা হবে। যাতে মানুষজন ঘর থেকে না বেরোন, তার জন্য আরও কিছু পদক্ষেপ করছে সরকার।এরই মধ্যে দিল্লিতে সাত দিনের জন্য স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে অরবিন্দ কেজরিওয়াল সরকার। পাশাপাশি, সরকারি কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে দিল্লিতে সমস্ত নির্মাণ কাজ আপাতত বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দীপাবলি-পরবর্তী সময়ে দিল্লি ধোঁয়াশায় ঢেকে যাওয়ার কারণেই এই নির্দেশ। এমনটাই তখন জানিয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। আপাতত ১৫ তারিখ থেকে পরবর্তী সাত দিনের জন্য এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে নির্মাণ কাজ, যেগুলি থেকে প্রবল ধুলো ছড়ায়, সেগুলি আপাতত ১৪ তারিখ থেকে বন্ধ রাখতে বলেছে দিল্লি সরকার।

নভেম্বর ১৫, ২০২১
বিদেশ

China Corona: চিনে ফের শুরু লকডাউন, গৃহবন্দি হাজারো মানুষ

করোনার প্রাথমিক ধাক্কা কাটিয়ে উঠে পুরোপুরি ছন্দে ফিরে এসেছিল চিন। ঘুরে দাঁড়িয়েছিল সে দেশের অর্থনীতিও। কিন্তু এখন নতুন করে সেখানে আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে শুরু করেছে করোনা। রাজধানী বেজিং-ও ছড়িয়েছে করোনা। এদিকে আগামী বছরের শুরুর দিকেই শীতকালীন অলিম্পিক্সের আয়োজক চিন। সব মিলিয়ে এই নতুন করে করোনা গ্রাফ চিন্তা বাড়াচ্ছে শি চিনপিংয়ের প্রশাসনের।চিনের ইনার মঙ্গোলিয়ার এজিনে লকডাউন জারি হয়েছে। সোমবার থেকে ওই এলাকার ৩৫ হাজার ৭০০ বাসিন্দাকে বাড়ি থেকে বেরতে নিষেধ করা হয়েছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে ওই অঞ্চলেই সংক্রমণের হটস্পট। গত সপ্তাহে ওই এলাকায় করোনা আক্রান্ত হয়েছে ১৫০ জন। চিনের ন্যাশনাল হেল্থ কমিশনের তরফ থেকে সতর্ক বার্তায় বলা হয়েছে, এ ভাবে চলতে থাকলে কয়েক দিনের মধ্যেই পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। চিনের ১১ টি প্রদেশে নতুন করে করোনা ছড়িয়ে পড়েছে।চিন থেকেই শুরু হয়েছিল কোভিডের দাপট। ২০১৯-এর শেষের দিকে সেই আতঙ্কের শুরু। লকডাউনের ছবি দেখা গিয়েছিল চিনের একাধিক শহরে। এরপর প্রায় গোটা বিশ্ব দেখেছে ভাইরাসের দাপট। তবে নতুন করে সেই ভাইরাসের আতঙ্কে প্রহর গুনছে চিন। ইতিমধ্যেই চিনের একাধিক শহরে ছড়াতে শুরু করে সংক্রমণ। কয়েক দিনের মধ্যে পরিস্থিতি আরও অবনতি হতে পারে বলে সতর্ক বার্তা দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তাই নতুন করে শুরু হচ্ছে লকডাউন।

অক্টোবর ২৫, ২০২১
রাজ্য

Pujo Restrictions: এবারও পুজো মণ্ডপে বহাল 'নো এন্ট্রি'

এবারও পুজো মণ্ডপগুলোতে বহাল থাকছে নো এন্ট্রি। শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টে এমনটাই জানাল রাজ্য সরকার। রাজ্যের দাবি, গত বছর আদালতের রায় এবারও বহাল থাকবে। উল্লেখ্য, রাজ্যে করোনা বিধিনিষেধ ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। পুজোর দিনগুলিতে নৈশ কার্ফু শিথিল থাকবে। তবে লোকাল ট্রেন এখনই চলবে না বলেও জানানো হয়েছে।তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা এখনও উড়িয়ে দেননি চিকিৎসকরা। ফলে করোনাবিধি মেনে যাতে এবারও দুর্গাপুজো হয়, সেই জন্য কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল। সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যের থেকে পরামর্শ চায় কলকাতা হাইকোর্ট। শুক্রবার আদালতে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, এবারের পুজো মণ্ডপে নো এন্ট্রি বহাল থাকছে। ২০২০-তে কলকাতা হাইকোর্ট যে নির্দেশিকা দিয়েছিল তা মেনেই পুজো হবে। সমস্ত কোভিডবিধি মেনেই পুজো হবে। কেন্দ্র আগেই বলেছে, উৎসব হোক। তবে নিয়ম মেনে। আদালতে রাজ্যের দাবি সেটাই হবে। আদালতে অ্যাডভোকেট জেনারেল আরও জানান, পুজো কর্তৃপক্ষকে তালিকা দিয়ে জানিয়ে দিতে হবে তাঁদের কোন কোন স্বেচ্ছাসেবক পুজোর সঙ্গে যুক্ত থাকবেন। বড় পুজোর ক্ষেত্রে ২৫ জন এবং ছোট পুজোর ক্ষেত্রে ১২ জন স্বেচ্ছাসেবকের তালিকা তৈরি করতে হবে। বৃহস্পতিবার নবান্ন বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানায়, অক্টোবরে রাত ১১টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত নৈশ কার্ফু বহাল থাকবে। তবে ছাড় দেওয়া হয়েছে পুজোর দিনগুলিতে। ১০ থেকে ২০ তারিখ পর্যন্ত রাতে যান চলাচল ও মানুষের যাতায়াতে কোনও নিষেধাজ্ঞা থাকছে না। ফলে রাত জেগে প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে প্রতিমা দর্শন করতে পারবেন সাধারণ মানুষ।

অক্টোবর ০১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Om Sahani : ওমের সৌজন্যে অন্তঃসত্ত্বা মানালি !

ওমের জন্য অন্তঃসত্ত্বা মানালি! বিষয়টা খুব অবাক করার মতো। অনেকেই ভাববেন কি হল ব্যাপারটা। আসলে পুরোটাই অভিনয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত। অভিমন্যু মুখোপাধ্যায়ের নতুন ছবি লকডাউন। এই ছবিতে প্রথমবার অন্তঃসত্ত্বার চরিত্রে দেখা যাবে মানালি কে। তার বিপরীতে রয়েছে ওম সাহানি। ইতিমধ্যে মুক্তি পেয়েছে এই ছবির প্রথম গান তোমার কপালে শীতঘুম। শোভন গঙ্গোপাধ্যায়ের লেখা ও সুরে এই গানটি গেয়েছেন ইমন চক্রবর্তী।লকডাউন ছবিতে রয়েছে টানাপোড়েনের গল্প। এই ছবিতে অনুরাধার চরিত্রে অভিনয় করছেন মানালি। চরিত্রের জন্য বাড়তি পরিশ্রমও করতে হয়েছে পরিচালকের স্ত্রী কে। এই চরিত্রের জন্য পরিচালকের সম্পূর্ণ ক্রেডিট রয়েছে বলে জানিয়েছেন মানালি।ছবিতে অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করছেন সোহম চক্রবর্তী, রাজনন্দিনী, শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়, আদৃত প্রমুখ। যদিও ছবির মুক্তির দিনক্ষণ এখনও কিছু জানানো হয়নি। তবে খবর, সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে চলতি মাসেই মুক্তি পেতে পারে এই ছবি।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২১
রাজ্য

Local Train: ফের রাজ্যে বাড়লো কোভিড বিধি, সময়সীমা কমলো নাইট কার্ফুর

৩১ অগস্ট পর্যন্ত চলবে না লোকাল ট্রেন। এদিন নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে এমনটাই ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। জানালেন, আগামী ৩১ অগস্ট পর্যন্ত রাজ্যে কোভিড বিধিনিষেধ বহাল থাকবে। ওই সময় পর্যন্ত চলবে না লোকাল ট্রেন। তবে কমছে নাইট কার্ফুয়ের সময়সীমা। এতদিন রাত ৯টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত রাজ্যজুড়ে নাইট কার্ফু চলছিল। কিন্তু ১৬ অগস্ট থেকে তার সময় বদলাচ্ছে। জনগণের দাবি এবং কাজকর্মের কথা বিবেচনা করে রাত ১১টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত থাকবে রাত্রিকালীন বিধিনিষেধ।এদিন সাংবাদিক বৈঠক মুখ্যমন্ত্রী আর যে যে বিষয়গুলো বলেন, তা নিম্নরূপ:১. ২৫ থেকে ৬০ বছর পর্যন্ত সব মহিলা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সুবিধা পাবেন। বাংলা একদিন বিশ্ব বাংলায় পরিণত হবে।২. অনেকে প্রশ্ন করছেন লোকাল ট্রেন কেন চলছে না? আমি জানি সাধারণ মানুষের কষ্ট হচ্ছে। সেজন্য মেট্রো, বাস চালু করে দেওয়া হচ্ছে। আরও কয়েকটা দিন কষ্ট করতে হবে। লোকাল ট্রেন চালাতে আরও কিছুদিন সময় নিচ্ছি। তৃতীয় ঢেউয়ের বিষয়টি দেখছি। অগস্টের ৩১ তারিখ পর্যন্ত লোকাল ট্রেন বন্ধ থাকবে।৩. সাধারণ মানুষের দাবি মেনে রাত ১১ টা থেকে সকাল ৫টা পর্যন্ত বিধিনিষেধ বন্ধ থাকবে। এতে মানুষের কোনও অসুবিধা হবে না।৪. ভাইফোঁটার দিন থেকে চালু হচ্ছে দুয়ারে রেশন।৫. তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা আছে, তাই আরও কিছু দিন কষ্ট করতে হবে৬. সংক্রমণের হার কমেছে বাংলা।৭. গ্রামাঞ্চলে টিকাকরণ বেড়েছে। ইতিমধ্যেই ৫০ শতাংশ টিকাকরণ হয়ে গিয়েছে।৮. টিকা পাচ্ছি না, তাও সাধ্য মতো চেষ্টা করে যাচ্ছি।রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গত মে মাস থেকে দফায় দফায় চলছে বিধিনিষেধ। দৈনন্দিন কাজের সুবিধার্থে একাধিক বিষয়ে ছাড় দিয়ে চলতি নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ ছিল ১৫ অগস্ট পর্যন্ত। এবার তা আরও বাড়ানো হল। ৩১ অগস্ট পর্যন্ত তা বাড়ল। তবে এখনই খুলছে না লোকাল।

আগস্ট ১২, ২০২১
রাজ্য

Actor: সংসারের চাপে জনপ্রিয় অভিনেতা বিক্রি করছেন মাছ

একেই বলে ভাগ্যের পরিহাস। লকডাউনে কাজ গিয়েছে সমাজের নানা শ্রেণির মানুষের। বাধ্য হয়ে সংসার চালাতে অন্য পেশার অবলম্বন নিতে হয়েছে বহু মানুষকে। কাজ হারিয়েছেন, বাংলা সিরিয়াল ইন্ডাস্ট্রির বহু মানুষও। ভালোলাগা-ভালোবাসার কাজ ছেড়ে বেছে নিতে হয়েছে সংসার চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় কাজ। অভিনয়ই ছিল একমাত্র নেশা। সবজি বিক্রেতার ছেলে হয়েও সেই নেশাকেই পেশা হিসেবে আঁকড়ে ধরতে চেয়েছিলেন বছর তেত্রিশের যুবক। পূর্ব বর্ধমানের মেমারির সোমেশ্বরতলার যুবক অরিন্দম প্রামাণিকের জীবন সংগ্রাম এখন দৃষ্টান্ত এলাকার মানুষের কাছে। সংসারের হাল ধরতে তিনি শুরু করেন মাছের ব্যবসা। সেই স্বপ্ন পূরণ হলেও পেটের তাগিদে সেই পেশা এখন অধরা। অতিমারি করোনার জেরে পেশা বদল করতে বাধ্য হয়েছেন। একাধিক সিনেমা ও ধারাবাহিকে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করলেও, জীবনের বাস্তব চরিত্রে এখন তিনি মাছ বিক্রেতা। মেমারির স্টেশন বাজারে প্রতিদিন সকালে মাছের খরিদ্দার সামলানোই এখন অরিন্দমের রোজনামচা। বাবা অসুস্থ হওয়ায় সবজি ব্যবসা বন্ধ করতে বাধ্য হয়। তার ওপর লকডাউনের জেরে ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ বন্ধ। এই দুইয়ের টানাপোড়েনে গত বছর লকডাউনের সময় টলিপাড়া ছেড়ে মেমারির বাড়িতে চলে আসেন তিনি। রাস্তার ধারে বসে মাছ বিক্রি করাটা তাঁর কাছে মোটেও সহজ ছিল না। কিন্তু উপায় নেই। বাবা-মা ও স্ত্রীর সংসারে টানাটানি ছিলই। বাবার ৪০ বছরের সবজির দোকানে বছর খানেক আগে থেকে খুব একটা বেচাকেনা ছিল না। তাছাড়া তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাই বাধ্য হয়েই সেই দোকানকেই মাছের দোকানে বদলে ফেলেন অরিন্দম। আরও পড়ুনঃ দেশে নিম্নগামী দৈনিক সংক্রমণ, কমেছে মৃত্যুর হারওগত বছর লকডাউনের সময় থেকে নিয়ম করে প্রতিদিন সকালে বড়ো-ছোট মাছ নিয়ে বসেন ক্রেতাদের অপেক্ষায়। একাদশ শ্রেণিতে পড়ার সময় থেকেই নাট্যকার ও নির্দেশক চন্দন সেনের নাটকের দলে অভিনয়ের হাতেখড়ি হয়েছিল অরিন্দমের। ২০১১ সালে সুবর্ণলতা মেগা সিরিয়ালে খোকা চরিত্রে তাঁর পরিচিতি বাড়িয়েছিল। তারপর একের পর এক ধারাবাহিকে তিনি অভিনয়ের দক্ষতার পরিচয় দেন। রাশি, অগ্নিপরীক্ষার মতো জনপ্রিয় ধারাবাহিক এবং তোর নাম, হারকিউলিস-এর মতো কয়েকটি চলচ্চিত্রে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি। সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়, বিশ্বনাথ বসু ও অনন্যা চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর ভালো অভিনয়ের খ্যাতিতে নিয়মিত কাজের পরিসর বাড়তে থাকে। ইন্ডাস্ট্রি ছেড়ে বেরিয়ে আসার সময় শেষ অভিনয় স্টার জলসার মেগা সিরিয়াল এখানে আকাশ নীল। এখন ১৫ ফুট বাই ২০ ফুটের দোকানে রুই, কাতলা, ইলিশ ও চিংড়ি বিক্রি করেন অরিন্দম। জানান, প্রথম পর্বের লকডাউনের পর টলিপাড়ায় কাজ শুরু হয়, তখন ফের অভিনয়ের ডাক এসেছিল। কিন্তু ভরসা করতে পারিনি। কারণ, গত এক বছরে ধীরে ধীরে মাছের ব্যবসাটা গুছিয়ে নিয়েছেন। তাই এটা ছেড়ে স্বপ্নের পেশায় যাওয়ার ঝুঁকিটা আর নিতে চাননি অরিন্দম।

জুলাই ০৩, ২০২১
রাজ্য

Lockdown: ১ জুলাই পর্যন্ত বাড়ল কার্যত লকডাউন, কোন কোন ক্ষেত্রে নিয়ম শিথিল, জানুন

করোনার কড়া বিধিনিষেধের মেয়াদ আরও ১৫দিন বাড়ল রাজ্যে। তবে একাধিক ক্ষেত্রে মিলল ছাড়। যদিও এখনই লোকাল ট্রেন, মেট্রো বা গণপরিবহণ চলাচলে ছাড় দেয়নি রাজ্য। তবে দোকান, বাজার, অফিসের মতো জন পরিষেবার ক্ষেত্রে বেশ কিছু ছাড় দেওয়া হয়েছে। সোমবার সাংবাদিক সম্মেলন করে সেই সমস্ত তথ্য জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)। আগামী ১৫ দিন কী করা যাবে আর কী করা যাবে না, রইল তার তালিকা।১৬ মে থেকে বিধিনিষেধ সংক্রান্ত নতুন নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য। ২৫ শতাংশ কর্মীদের উপস্থিতি নিয়ে সমস্ত সরকারি অফিস চলবে। বেসরকারি অফিস ১০-৪ টে থেকে খোলা। ২৫ শতাংশ কর্মী উপস্থিত থাকতে পারেন। কর্মীদের জন্য পরিবহণের ব্যবস্থা করবে অফিস। ই-পাসের ব্যবস্থা থাকবে। প্রাতঃভ্রমণের জন্য সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত পার্ক খোলা। টিকা নিয়েছেন, এমন ব্যক্তিরাই মর্নিং ওয়াকে বেরনোর অনুমতি পাবেন। টিকার দুটি ডোজ সম্পূর্ণ হলে তবেই ঢোকা যাবে পার্কে। বাজার খোলা সকাল ৭টা থেকে ১১টা পর্যন্ত। অন্যান্য দোকান খোলা থাকবে ১১-৬ টা পর্যন্ত। রেস্তরাঁ-বার, শপিং মল,হোটেল ১২টা থেকে ৮টা পর্যন্ত খোলা। শপিং মল ১১-৬টা পর্যন্ত খোলা, ২৫ শতাংশের বেশি কর্মী হাজির থাকতে পারবেন না। একসঙ্গে ঢুকতে পারবেন সর্বাধিক ৩০ শতাংশ ক্রেতা। স্টেডিয়ামে খেলা হতে পারে। তবে দর্শক থাকতে পারবেন না। প্রতি শুটিং ইউনিটে ৫০ জন সদস্য হাজির থাকতে পারবেন। প্রত্যেকের টিকাকরণ সম্পূর্ণ হতে হবে। স্কুল-কলেজ-সহ সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। লোকাল ট্রেন, মেট্রো পরিষেবা বন্ধ। বন্ধ বাসও। জরুরি পরিষেবা ছাড়া ট্যাক্সি, অটো বন্ধ। সামাজিক-রাজনৈতিক জমায়েত বন্ধ। সিনেমা হল, বিউটি পার্লার, স্পা বন্ধ। বিয়েতে সর্বাধিক ৫০ জন হাজির থাকতে পারবেন। শেষকৃত্যে ২০ জনের বেশি নয়। ব্যাংক ১০টা থেকে দুপুর ২ টো পর্যন্ত খোলা। রাত ৯টা থেকে সকাল ৫টা পর্যন্ত কোনও গাড়ি চলবে না। জরুরি কাজ ছাড়া বাইরে বেরনো যাবে না।

জুন ১৪, ২০২১
রাজ্য

Lockdown: ১ জুলাই পর্যন্ত বাড়ল কার্যত লকডাউন, কোন কোন ক্ষেত্রে নিয়ম শিথিল, জানুন

করোনার কড়া বিধিনিষেধের মেয়াদ আরও ১৫দিন বাড়ল রাজ্যে। তবে একাধিক ক্ষেত্রে মিলল ছাড়। যদিও এখনই লোকাল ট্রেন, মেট্রো বা গণপরিবহণ চলাচলে ছাড় দেয়নি রাজ্য। তবে দোকান, বাজার, অফিসের মতো জন পরিষেবার ক্ষেত্রে বেশ কিছু ছাড় দেওয়া হয়েছে। সোমবার সাংবাদিক সম্মেলন করে সেই সমস্ত তথ্য জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)। আগামী ১৫ দিন কী করা যাবে আর কী করা যাবে না, রইল তার তালিকা।১৬ মে থেকে বিধিনিষেধ সংক্রান্ত নতুন নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য। ২৫ শতাংশ কর্মীদের উপস্থিতি নিয়ে সমস্ত সরকারি অফিস চলবে। বেসরকারি অফিস ১০-৪ টে থেকে খোলা। ২৫ শতাংশ কর্মী উপস্থিত থাকতে পারেন। কর্মীদের জন্য পরিবহণের ব্যবস্থা করবে অফিস। ই-পাসের ব্যবস্থা থাকবে। প্রাতঃভ্রমণের জন্য সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত পার্ক খোলা। টিকা নিয়েছেন, এমন ব্যক্তিরাই মর্নিং ওয়াকে বেরনোর অনুমতি পাবেন। টিকার দুটি ডোজ সম্পূর্ণ হলে তবেই ঢোকা যাবে পার্কে। বাজার খোলা সকাল ৭টা থেকে ১১টা পর্যন্ত। অন্যান্য দোকান খোলা থাকবে ১১-৬ টা পর্যন্ত। রেস্তরাঁ-বার, শপিং মল,হোটেল ১২টা থেকে ৮টা পর্যন্ত খোলা। শপিং মল ১১-৬টা পর্যন্ত খোলা, ২৫ শতাংশের বেশি কর্মী হাজির থাকতে পারবেন না। একসঙ্গে ঢুকতে পারবেন সর্বাধিক ৩০ শতাংশ ক্রেতা। স্টেডিয়ামে খেলা হতে পারে। তবে দর্শক থাকতে পারবেন না। প্রতি শুটিং ইউনিটে ৫০ জন সদস্য হাজির থাকতে পারবেন। প্রত্যেকের টিকাকরণ সম্পূর্ণ হতে হবে। স্কুল-কলেজ-সহ সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। লোকাল ট্রেন, মেট্রো পরিষেবা বন্ধ। বন্ধ বাসও। জরুরি পরিষেবা ছাড়া ট্যাক্সি, অটো বন্ধ। সামাজিক-রাজনৈতিক জমায়েত বন্ধ। সিনেমা হল, বিউটি পার্লার, স্পা বন্ধ। বিয়েতে সর্বাধিক ৫০ জন হাজির থাকতে পারবেন। শেষকৃত্যে ২০ জনের বেশি নয়। ব্যাংক ১০টা থেকে দুপুর ২ টো পর্যন্ত খোলা। রাত ৯টা থেকে সকাল ৫টা পর্যন্ত কোনও গাড়ি চলবে না। জরুরি কাজ ছাড়া বাইরে বেরনো যাবে না।

জুন ১৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

দীর্ঘ অবসরের পড় আবার জুটি বাঁধতে চলেছেন রাম গোপাল ভার্মা এবং অমিতাভ বচ্চন

প্রখ্যাত চিত্রপরিচালক রাম গোপাল ভার্মা ও শাহেনশা অমিতাভ বচ্চনের মেলামেশা এবং বন্ধুত্ব কয়েক দশকের। আরজিভি (রাম গোপাল ভার্মা-র সংস্থা) চলচ্চিত্র জগতে তাদের যাত্রা শুরু করার পর থেকেই তাদের বন্ধুত্ব একটা মাত্রা পায় যা এখন অটুট। তারা বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রের একসাথে জুটি বেঁধেছিলেন যার মধ্যে উল্লেখ্য সরকার, সরকার রাজ, রান,নিঃশব্দ। সেই সিনেমাগুলির মধ্যে কিছু সিনেমা চূড়ান্ত সাফল্যে পায়, কিছু সিনেমা মুখ থুবরে পড়ে। শনা যাচ্ছে দীর্ঘ চার বছর পর ওই জুটি আবার একত্রিত হচ্ছেন।সুত্র মারফৎ জানা যাচ্ছে , রাম গোপাল ভার্মা এখন একটি স্ক্রিপ্ট লিখেছেন যা তিনি গত কয়েক বছর ধরে তৈরির পরিকল্পনা করেছিলেন। তিনি এখনই মুম্বই থেকে গোয়ায় বসবাস করেছেন এবং তিনি ওই সিনেমাটির মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করার জন্য অমিতাভ বচ্চনকে অনুরোধ করেছিলেন, এবং শাহেনশা কেবল স্ক্রিপ্ট টি শুধু পছন্দই করেননি বরং এটিতে অভিনয় করার অনুমতিও দিয়ে দিয়েছেন। আরজিভি বর্তমানে দাউদ ইব্রাহিমের জীবনের উপর ভিত্তি করে তাঁর ওয়েব সিরিজ ডি কোম্পানি জন্য প্রচন্ড ব্যস্ত রয়েছেন, সিরিজের পরবর্তী কিস্তি শেষ করার পরেই এই ছবিটির কাজ শুরু করবেন। প্রথম অংশটি শুট হয়ে গেছে বাকিটা লকডাউন নিষেধাজ্ঞাগুলি উঠে গেলে শুট করা হবে। আশা করা যায় বচ্চন সাহেবের ছবির শুটিং শুরু হতে হতে বছর গড়িয়ে যাবে।

জুন ০৬, ২০২১
রাজ্য

১৫ জুন পর্যন্ত বাড়ল কার্যত লকডাউনের মেয়াদ

রাজ্যে কার্যত লকডাউনের মেয়াদ বৃদ্ধি পেল ১৫ জুন পর্যন্ত। বৃহস্পতিবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন আগামী ১৫ জুন পর্যন্ত সব বিধিনিষেধ জারি থাকবে রাজ্যে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, যে যে বিধিনিষেধ জারি ছিল, সেগুলিই জারি থাকবে। বিধিনিষেধের ফলে রাজ্যে সংক্রমণ কিছুটা কমেছে। তাই এই সিদ্ধান্ত।আরও পড়ুন: নিউ বারাকপুরে গেঞ্জি কারখানায় অগ্নিকাণ্ডএর আগে ১৫ মে থেকে রাজ্যে কার্যত লকডাউন ঘোষণা করা হয়। তার আগের দিন, অর্থাৎ ১৪ মে রাজ্যে সংক্রমণ ছিল সবচেয়ে বেশি। আক্রান্ত হয়েছিলেন ২০ হাজার ৮৪৬ জন। ১৫ মে আক্রান্ত হন ১৯ হাজার ৫১১ জন। কিন্তু লকডাউন ঘোষণার পর থেকে সংক্রমণ কমছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৬ হাজার ২২৫ জন। সেই কারণেই আরও ১৬ দিন লকডাউন বাড়ানো হল বলেই প্রশাসন সূত্রে খবর। বৃহস্পতিবার মমতা বলেন, আমরা একে লকডাউন বলছি না। আমরা বলছি বিধিনিষেধ। এর আগে যা যা বিধিনিষেধ ছিল, সেগুলিই বজায় থাকবে। রাত ৯টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত কেউ বাইরে বেরোবেন না। বাজার, মিষ্টির দোকান, শাড়ি, গয়নার দোকান যে রকম নিয়ম মেনে খুলছিল সে রকমই খুলবে। শুধু জুটমিলে কর্মীর সংখ্যা ৩০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৪০ শতাংশ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে নির্মাণ কাজে যুক্ত শ্রমিকদের টিকা নেওয়া হয়ে গেলে তাঁরা কাজ করতে পারবেন।

মে ২৭, ২০২১
রাজ্য

লকডাউনে জুটমিল বন্ধে পথে বসলেন প্রায় এক হাজার শ্রমিক

করোনা পরিস্থিতিতে রাজ্যে লকডাউনের মধ্যেই বন্ধ হয়ে গেল হাওড়ার আরও একটি জুটমিল। কাজ হারালেন প্রায় এক হাজার শ্রমিক।দাশনগরের ভারত জুটমিলের পর এবার বালি বাদামতলার মহাদেব জুটমিল সাসপেনশন অফ ওয়ার্কের নোটিশ দিয়ে বন্ধ হল। আজ বুধবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হল বালি বাদামতলা মহাদেব জুটমিল। ফলে কর্মহীন হয়ে পড়লেন প্রায় হাজারের উপরে শ্রমিক। মূলত কাঁচামালের আমদানি ও রপ্তানির ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দেওয়ায় এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছে মিল কর্তৃপক্ষ। জানা গেছে, স্বাধীনতার পর থেকে এই প্রথম বন্ধ হল হাওড়ার বালি বাদামতলা মহাদেব জুটমিল। কর্মহীন হয়ে পড়লেন প্রায় এক হাজার শ্রমিক।মিলের ট্রেড ইউনিয়ন নেতা মিহির দত্ত বলেন, সকালে হঠাৎ কাঁচামাল নেই বলে মিলে সাসপেনশন অফ ওয়ার্ক নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এই কারখানা বন্ধ হওয়ায় প্রায় এক হাজার কর্মী কাজ হারালেন। কাঁচামালের অজুহাত দেখিয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়েছে মিল কর্তৃপক্ষ। স্বাধীনতার পর এই প্রথম মিলটি বন্ধ হলো। এটা অন্যায় করেছে মিল কর্তৃপক্ষ। এই পরিস্থিতিতে মানুষ যেখানে খেতে পারছে না সেখানে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া অনৈতিক। আমাদের ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে কথা হয়েছিল। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন পাট এলে মিলের কাজ হবে।মিল বন্ধের কারণে মিলের সামনে ধর্না দিচ্ছেন কর্মীরা। এদিন সকালে কাজে এসে দেখা যায় মিল বন্ধের নোটিশ দেওয়া হয়েছে। মিলের এক কর্মী তাফের আলম জানান, এদিন সকালে এসে দেখেন কাঁচা মালের জন্য মিল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মিল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল কাঁচামাল এলে কাজ হবে। লকডাউনের কারণে পাট রাস্তায় আটকে আছে। এই পরিস্থিতিতে প্রায় এক হাজার শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়লেন। সরকারি নির্দেশমতো ৩০ শতাংশ কর্মী নিয়ে কাজ চলছিল। তাঁদের সঙ্গে আলোচনা না করেই মিল কর্তৃপক্ষ একতরফাভাবে কারখানা বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে দাবি শ্রমিকদের।

মে ১৯, ২০২১
কলকাতা

করোনার শৃঙ্খল ভাঙতে লকডাউনের প্রথম সকালে শুনশান শহর

নবান্ন থেকে কার্যত লকডাউনের ঘোষণার সময় রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙার জন্যই এই কড়াকড়ি। সরকার আশা করছে, মানুষ এই নির্দেশ মানবেন। রবিবার, লকডাউনের প্রথম সকালে হুগলি থেকে হাওড়া হয়ে কলকাতার এই ছবিই এখন দেখা যাচ্ছে। সকাল ৭টা থেকে ১০টা পর্যন্ত বাজার, দোকান খোলা থাকলেও রাস্তায় লোক নেই বললেই চলে। বাজার এলাকায় দুএক জায়গায় অল্প কয়েক জনের জমায়েত ছাড়া মোটের উপর ফাঁকা রাস্তা। গাড়ি চলাচলও খুব কম। রাস্তায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় নাকা চেকিং চলছে। বিধিনিষেধ বজায় রাখতে সক্রিয় পুলিশ।রাস্তার ধারে বিক্রেতারা ফল, সবজি নিয়ে বসেছেন। কিন্তু ক্রেতার দেখা বিশেষ একটা চোখে পড়ল না। পাড়ার মোড়ের চায়ের দোকানগুলো বেশির ভাগ বন্ধ থাকায় সেখানেও ভিড় নেই। গাড়ি যে চলছে না বা রাস্তায় লোক নেই তা নয়, তবে সবটাই হতে গোনা। একই ছবি হাওড়া ব্রিজে ওঠার মুখেও। সেখানে চেকিং আরও কড়া। ব্রিজের দুই প্রান্তেই চেকিং চলছে। সংবাদমাধ্যমের গাড়িকে না আটকালেও বেশ কিছু গাড়ি ও মোটরবাইককে ফিরিয়ে দিলেন পুলিশ কর্মীরা। পর্যাপ্ত কারণ থাকলে অবশ্য ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে গাড়ি। রবিবারের সকালে শুনশান বড়বাজার এলাকাও। রাস্তার উপরেই কিছু ঠেলাগাড়িতে সবজি, ফল বিক্রি হচ্ছে। তবে সেখানেও ক্রেতার সংখ্যা বেশ কম। দোকান প্রায় সবই বন্ধ। রাস্তার ধারে সার দিয়ে দাঁড়ানো ট্যাক্সি, ওলা, উবর। এই সুযোগে কেউ কেউ আবার গাড়ি ধুয়ে নিচ্ছেন। চারদিকে যেন একটা ছুটির আমেজ চোখে পড়ছে। বড়বাজার পেরিয়ে মহাকরণ, লালবাজার চত্বরেও রাস্তাঘাট ফাঁকা। কিছু গাড়ি চললেও কলকাতার সেই চেনা ভিড়ের ছবিটা উধাও। সব মিলিয়ে লকডাউনের প্রথম সকালের ছবিটা কিন্তু বেশ স্বস্তির। করোনা সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙতে সরকারের সিদ্ধান্তকে সাদরে গ্রহণ করেছেন সাধারণ মানুষ।

মে ১৬, ২০২১
কলকাতা

নিষেধাজ্ঞা জারি হতেই মদের দোকানে উপচে পড়া ভিড়

অতিমারিকে উপেক্ষা করে মদের দোকানের সামনে উপচে পড়ে ভিড়! পুলিশের লাঠি খেয়েও নিজেদের স্টকে মজুত করে নানান রকমের মদ। এ ছবি অবশ্য নতুন নয়। গতবার লকডাউনের সময়ও লম্বা লাইন পড়েছিল মদের দোকানে। কেউ কেউ তো আবার মদের জ্বালা ভুলতে অ্যালকোহলযুক্ত স্যানিটাইজার খেয়ে বেঘোরে প্রাণও দিয়েছেন। শনিবারই সাংবাদিক বৈঠক করেছেন রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি জানিয়েছেন, ১৬ মে সকাল ৬ থেকে রাজ্যে প্রায় লকডাউন। জরুরি পরিষেবা ছাড়া প্রায় সবকিছুতেই তালা ঝুলিয়েছে প্রশাসন। বাদ পড়েনি মদের দোকানও। আর তার পরই সুরাপ্রেমীদের মাথায় হাত। কীভাবে গলা ভেজাবেন তাঁরা? কোথা থেকে আসবে নেশার দ্রব্যের জোগান? দোকানে তালা ঝুলতে আর মোটে কয়েক ঘণ্টা। তাই ঘোষণা হওয়ার পর আর দেরি করতে চাননি সুরাপ্রেমীরা। অতিমারিকে উপেক্ষা করে মুখে মাস্ক আর পকেটে স্যানিটাইজার নিয়ে হাজির হয়েছিলেন মদের দোকানে। বাবুঘাট থেকে বাগুইআটি, মানিকতলা থেকে মন্দিরবাজার-রাজ্যের সর্বত্রই ছবিটা প্রায় এক। খাস কলকাতায় চাঁদনি চকের সামনের দোকানে ভিড় সামাল দিতে তো রীতিমতো পুলিশ মোতায়েন করতে হয়। যাতে লাইনে শারীরিক দূরত্ববিধি মানা হয়। কিন্তু কোথায় কী? পুলিশের চোখ এড়িয়ে লাইনের সাইড থেকে দোকানে ঢোকার চেষ্টা চালান কেউ কেউ। উদ্দেশ্য একটাই, দুটো অতিরিক্ত বোতল যদি পাওয়া যায়। নেশার রসদ না জুটলেও দোকানের নিরাপত্তারক্ষী এবং পুলিশের লাঠির ঘা জুটেছে অবশ্যই।

মে ১৫, ২০২১
রাজ্য

কড়া রাজ্য, আগামী ১৪ দিন বন্ধ বাস, মেট্রো-সহ সব গণপরিবহণ

করোনা সংক্রমণ রুখতে কার্যত লকডাউনের পথে হাঁটল রাজ্য সরকার। রবিবার সকাল ৬টা থেকে ৩০ তারিখ সন্ধে পর্যন্ত কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে। শনিবার দুপুরে নবান্নে মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিক বৈঠক করে এ কথা জানিয়েছেন। দেখে নিন, কোন কোন ক্ষেত্রে কঠোরতম নিষেধাজ্ঞা জারি হল বার বাস, মেট্রো-সহ সমস্ত গণপরিবহণ বন্ধ করা হল। বন্ধ ফেরি, অটো পরিষেবাও। শুধুমাত্র জরুরি পরিস্থিতিতেই মিলবে পরিবহণ পরিষেবা। সরকারি ও বেসরকারি অফিস, কলকারখানাও বন্ধ হচ্ছে আগামী ১৫ দিনের জন্য। বন্ধ সমস্ত স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্য়ালয়-সহ অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। রাত ৯টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত নাইট কার্ফু জারি হল রাজ্যে।প্রায় লকডাউনের পরিবেশই ফিরছে রাজ্যে। গত ৫ তারিখ তৃতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়ে কোভিড মোকাবিলায় বৈঠকের পরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন, দু সপ্তাহ বন্ধ থাকবে লোকাল ট্রেন। কিন্তু অন্যান্য গণপরিবহণ স্বাভাবিকই ছিল। এবার তাও বন্ধ করে কার্যত জনগণের বাড়ির বাইরে আসাযাওয়া নিয়ন্ত্রণের পথে হাঁটল প্রশাসন। এমনকী, বন্ধ অটোও। আগের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ১৫ দিন বন্ধ থাকবে রেস্তরাঁ, শপিংমল, সুইমিং পুল, পার্লার। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বেরনো প্রায় নিষেধ। রাত ৯টা থেকে ভোর ৫ টা পর্যন্ত কার্যত নাইট কার্ফু জারি হল রাজ্যে। এছাড়া সমস্ত ধর্মীয়, রাজনৈতিক সভা, সমাবেশ বন্ধ। মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, এ ধরনের জমায়েত থেকে সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কাই বেশি। তাই তা রুখতে জমায়েতে কড়া হাতে রাশ টানছে প্রশাসন।এদিকে, রেল চলাচল বন্ধ হওয়ার কথা মুখ্যসচিব জানালেও পূর্ব রেলের সিপিটিএম-এর বক্তব্য, এখনও রাজ্যের তরফে কোনও নির্দেশিকা আসেনি। সেক্ষেত্রে দূরপাল্লার ট্রেন বন্ধ না হওয়ার আশা দেখছেন রেলকর্তারা। তবে ছাড়ও রয়েছে বেশ কয়েকটি পরিষেবায়। চিকিৎসা, স্বাস্থ্য সংক্রান্ত যাবতীয় পরিষেবা দিনভর সচল থাকবে। ওষুধ, ইলেকট্রনিক্স, চশমার দোকান খোলা থাকবে। সীমিত সংখ্যক কর্মী নিয়ে চালু থাকবে চা বাগান, জুটমিল। খুব প্রয়োজনে ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে বেরনো যাবে পথে। মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। সারাদিন চালু থাকবে খাদ্য সরবরাহ সংক্রান্ত বিভিন্ন পরিষেবা। রেস্তরাঁ, হোটেল বন্ধ থাকলেও মিলবে অনলাইনে ফুড ডেলিভারি।

মে ১৫, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে এল আরজি করের ঘটনা! বিস্ফোরক বার্তা দিলেন মোদি

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ব্রিগেডে ভাষণ দিতে গিয়ে বলেন, বাংলায় বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এলে মহিলারা সম্পূর্ণ নিরাপদ থাকবেন। তিনি জানান, তৃণমূলের গুন্ডারাজ আর থাকবে না, কেউ দমন করতে পারবে না। মোদির দাবি, বর্তমানে রাজ্যে সন্ত্রাসবাদ ও অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দেওয়া হচ্ছে, যার ফলে মায়েরা কাঁদছে, বাঙালিরা নিজেদের জন্মভূমি ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে। মোদী বলেন, বাংলার রুটি, মাটি, বেটি বিপন্ন, জনবিন্যাস পরিবর্তিত হয়েছে এবং হিন্দু বাঙালিদের সংখ্যালঘু করার চেষ্টা হচ্ছে।মোদী অভিযোগ করেন, কেন্দ্রের বিভিন্ন কর্মসংস্থানের প্রকল্প রাজ্যে পৌঁছতে দিচ্ছে না তৃণমূল সরকার। বিশ্বকর্মা প্রকল্প থেকে টাকা দেওয়া সত্ত্বেও মানুষের কাছে তা পৌঁছায় না। বিনামূল্যে বিদ্যুৎ দেওয়ার প্রকল্পও আটকানো হয়েছে। চা শ্রমিকদের কেন্দ্রীয় সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। পিএম আবাস যোজনার নাম বদলানো হয়েছে, তালিকা বদল করা হয়েছে, গরিবদের বাড়ি দেওয়া হয়নি। জলজীবন মিশন এবং আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পও চালু হতে দিচ্ছে না। মোদীর দাবি, বাংলার গরিবরা এ সব থেকে বঞ্চিত হয়েছে।তিনি আরও বলেন, কৃষকদের পরিস্থিতিও শোচনীয়। একজন আলু চাষি আত্মহত্যা করেছেন। তৃণমূলের নোংরা রাজনীতি মা-বোনেদের সম্মানকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। মোদী স্মরণ করান, বাংলার মানুষ আগে একসময় বাম গুন্ডাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিল। কিন্তু বর্তমানে সেই বাম দলের কিছু নেতাকে তৃণমূল আশ্রয় দিচ্ছে। রাজ্যে অপরাধীরা নিরাপদ, কলেজে ও আদিবাসী মহিলাদের উপর হামলা হচ্ছে, এবং মানুষ এখনো সন্দেশখালি, আরজিকরের মতো ঘটনা মনে রাখে।মোদী স্পষ্ট জানান, বিজেপি সরকার এলে এসব অন্যায়ের অবসান হবে। আইনশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা হবে, অপরাধীদের জেল ভাড়া হবে, এবং গরিব ও সাধারণ মানুষ কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা পাবে।

মার্চ ১৪, ২০২৬
কলকাতা

পাঁচ বছর পর ব্রিগেডে মোদি! বাংলার জন্য আঠারো হাজার আটশো ষাট কোটির প্রকল্প ঘোষণা

ভোটের আবহে কলকাতায় এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রায় পাঁচ বছর পর আবার ব্রিগেড ময়দানে তাঁর জনসভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই সভার মঞ্চে রাখা হয়েছে বাঙালিয়ানার ছোঁয়া। দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের আদলে সাজানো হয়েছে পুরো মঞ্চ।সভা শুরু হওয়ার আগে ব্রিগেডের সরকারি অনুষ্ঠান থেকে বাংলার জন্য প্রায় আঠারো হাজার আটশো ষাট কোটি টাকার একাধিক প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এই সব প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের পরিকাঠামো উন্নয়নের নতুন দিশা খুলবে বলেই জানিয়েছেন তিনি।ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ কলকাতার মাটি থেকে পশ্চিমবঙ্গ এবং পূর্ব ভারতের উন্নয়নের একটি নতুন অধ্যায় শুরু হচ্ছে। তাঁর কথায়, সড়ক, রেল এবং বন্দর পরিকাঠামোর সঙ্গে যুক্ত আঠারো হাজার কোটিরও বেশি টাকার প্রকল্পের সূচনা হয়েছে।তিনি জানান, এই সব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বাংলার উন্নয়নে নতুন গতি আসবে। লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন আরও সহজ ও উন্নত হবে এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, খড়গপুর থেকে মৌরিগ্রাম পর্যন্ত দ্রুতগতির সড়ক প্রকল্প সম্পূর্ণ হলে রাজ্যের বহু এলাকায় অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুযোগ বাড়বে। এছাড়াও দুবরাজপুর বাইপাস এবং কংসাবতী ও শিলাবতী নদীর উপর নতুন সেতু তৈরি হলে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত হবে।এই অনুষ্ঠানে ছয়টি রেলস্টেশনকে আধুনিকীকরণের প্রকল্পেরও উদ্বোধন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী জানান, কামাখ্যাগুড়ি, আনারা, তমলুক, হলদিয়া, বীরভূম এবং সিউড়ি এই ছয়টি স্টেশনকে নতুনভাবে উন্নত করা হচ্ছে।এছাড়াও তিনি জানান, হলদিয়া বন্দর এবং কলকাতা বন্দরের সংস্কার কাজও শুরু হয়েছে। তাঁর মতে, এই উদ্যোগের ফলে শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, পুরো পূর্ব ভারতের উন্নয়নেও বড় প্রভাব পড়বে।

মার্চ ১৪, ২০২৬
কলকাতা

গিরিশপার্কে রণক্ষেত্র! ইটের আঘাত মন্ত্রীর পেটে, বিজেপির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

কলকাতার গিরিশপার্ক এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনায় আহত হয়েছেন রাজ্যের নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী শশী পাঁজা। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁকে লক্ষ্য করে ইট ছুড়েছিল। সেই ইটের আঘাত তাঁর পেটে লেগেছে বলে তিনি জানান। সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি সেই আঘাতের দাগও দেখান। পাশাপাশি তাঁর অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর সভায় যোগ দিতে বাইরে থেকে লোক ভাড়া করে আনা হয়েছে এবং তারাই এই হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে।শনিবার দুপুরে ব্রিগেড ময়দানে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা রয়েছে। সেই সভায় যোগ দিতে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা ব্রিগেডের দিকে যাচ্ছিলেন। সেই সময় হঠাৎ গিরিশপার্ক এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়ির সামনের এলাকা কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়।বিজেপির অভিযোগ, তাঁদের কর্মী সমর্থকেরা বাসে করে ব্রিগেডে যাচ্ছিলেন। সেই সময় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁদের বাসে হামলা চালায় এবং ভাঙচুর করে। এই ঘটনায় বিজেপি নেতা তমোঘ্ন ঘোষ সহ একাধিক কর্মী আহত হন। আহত হন বৌবাজার থানার ওসিও।অন্যদিকে মন্ত্রী শশী পাঁজার দাবি, বিজেপি কর্মীরাই প্রথম হামলা চালায়। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের উপর আক্রমণ করা হয় এবং মারধর করা হয়। মন্ত্রী আরও দাবি করেন, বিজেপি আশ্রিত বহিরাগত দুষ্কৃতীরা বাসভর্তি ইট, বোতল এবং বিস্ফোরক নিয়ে যাচ্ছিল। তাঁর কথায়, তারাই তাঁর বাড়িতে হামলা চালায় এবং ভাঙচুর করে।শশী পাঁজা বলেন, তাঁর বাড়ি রাস্তার ধারে হওয়ায় দুষ্কৃতীরা সরাসরি সেখানে আক্রমণ চালায়। তিনি অভিযোগ করেন, ইট, বোতল ও লাঠি নিয়ে তৃণমূল সমর্থকদের উপর হামলা করা হয় এবং তাকেও আঘাত করা হয়। তাঁর দাবি, এই ঘটনায় তাঁর দলের একাধিক কর্মী সমর্থক আহত হয়েছেন এবং তাঁদের মধ্যে কয়েকজনকে হাসপাতালে ও নার্সিংহোমে ভর্তি করতে হয়েছে।তিনি আরও অভিযোগ করেন, দুষ্কৃতীরা পুলিশের উপরও হামলা চালায় এবং মহিলা পুলিশকর্মী ও এলাকার কাউন্সিলরের উপরও আক্রমণ করা হয়। তাঁর দাবি, এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত অনেকেই বাংলার বাসিন্দা নয়, বাইরে থেকে আনা হয়েছে।মন্ত্রী আরও বলেন, বিজেপির বয়কট সংক্রান্ত একটি ফ্লেক্স ছিঁড়ে ফেলার ঘটনা নিয়ে প্রথমে উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে যায় এবং ইট-পাটকেল ছোড়াছুড়ি শুরু হয়। তাঁর কথায়, সেই সময় পুরো এলাকা যেন যুদ্ধ পরিস্থিতির মতো হয়ে উঠেছিল। তিনি বলেন, একটি বড় ইট তাঁর পেটে লাগে এবং তখন তাঁকে দ্রুত ভিতরে নিয়ে যাওয়া হয়।

মার্চ ১৪, ২০২৬
রাজ্য

ব্রিগেডে যাওয়ার পথে বিজেপি সমর্থকদের বাসে হামলা! ভোরে বেলদায় ভাঙচুর, উত্তেজনা চরমে

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ব্রিগেড সভার আগে পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলদায় বিজেপি সমর্থকদের একটি বাসে হামলার অভিযোগ উঠেছে। দুষ্কৃতীরা বাসটি ঘিরে ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ। ঘটনাটি ঘটেছে বেলদা থানার পাতলি এলাকায়।জানা গিয়েছে, শনিবার ভোর প্রায় পাঁচটা ত্রিশ মিনিট নাগাদ বাসটি আহার মুণ্ডা এলাকার দিকে যাচ্ছিল। সেই সময় কয়েকজন দুষ্কৃতী বাসটি থামিয়ে চালকের কাছে জানতে চায় বাসটি কোথায় যাচ্ছে। চালক জানান, তাঁরা ব্রিগেডে হওয়া সভায় যোগ দিতে যাচ্ছেন।অভিযোগ, এই কথা শুনেই কয়েকটি মোটরবাইকে করে আসা দুষ্কৃতীরা বাসটিকে ঘিরে ধরে। এরপর লাঠি নিয়ে এলোপাথাড়ি আঘাত করে বাসের কাচ ভেঙে ফেলা হয়। সেই সময় বাসের চালক এবং খালাসিও আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ভাঙচুর চালিয়ে দুষ্কৃতীরা দ্রুত এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়।কিছু সময় বাসটি ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে থাকার পর পরে সেটিকে ঘুরিয়ে অন্য দিকে নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, ব্রিগেডের সভায় সমর্থকদের যাওয়া আটকাতেই শাসকদল ঘনিষ্ঠ দুষ্কৃতীরা এই হামলা চালিয়েছে।অন্যদিকে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। নারায়ণগড় ব্লকের তৃণমূল সভাপতি জানিয়েছেন, এই ঘটনার সঙ্গে তাদের দলের কোনও সম্পর্ক নেই। পুলিশ তদন্ত করলেই সত্য সামনে আসবে। তাঁর দাবি, বিজেপি নিজেরাই এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে প্রচার পাওয়ার চেষ্টা করছে।তবে এই ঘটনার বিষয়ে এখনও পর্যন্ত বেলদা থানায় কোনও লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি বলে জানা গিয়েছে।এদিকে শনিবার কলকাতার ব্রিগেড ময়দানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বড় জনসভা হওয়ার কথা। সেই সভাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ব্রিগেডের মঞ্চ সাজানো হয়েছে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের আদলে। এই বিষয়টি নিয়েও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।সূত্রের খবর, শনিবার দুপুরে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে তিনি হেলিকপ্টারে রেসকোর্সের হেলিপ্যাডে নামবেন। তারপর সেখান থেকে ব্রিগেড ময়দানে যাবেন।দুপুরের দিকে ব্রিগেডে বিজেপির পরিবর্তন সংকল্প সভায় যোগ দেওয়ার কথা তাঁর। মঞ্চে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের আদলের পাশাপাশি বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের বিভিন্ন চিত্রও তুলে ধরা হয়েছে। দার্জিলিংয়ের চা বাগান থেকে বাঁকুড়ার টেরাকোটা শিল্পের ছবি দিয়ে সাজানো হয়েছে মঞ্চ।

মার্চ ১৪, ২০২৬
দেশ

যুদ্ধের মাঝেও ভারতের পাশে ইরান! হরমুজ প্রণালী দিয়ে ট্যাংকার যাওয়ার অনুমতি

ইরান ও ইজরায়েলের সংঘাতের জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে ভারতেও। ইতিমধ্যেই গ্যাসের দাম বেড়েছে বলে জানা গিয়েছে। তেলের দামও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দিয়ে পণ্য পরিবহনে সমস্যা হওয়ায় তেলের জোগান কমে যাওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে ভারতের জন্য স্বস্তির খবর এল ইরানের দিক থেকে। জানা গিয়েছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে দুটি পেট্রোলিয়াম পণ্যবাহী ট্যাংকারকে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে ইরান। যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।গত প্রায় পনেরো দিন ধরে ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে সংঘাত চলছে। এই অবস্থায় হরমুজ প্রণালী দিয়ে পণ্য পরিবহন নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। কারণ এই পথ দিয়েই বিশ্বের বড় অংশের তেল পরিবহন হয়।ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আগেই আশার কথা শোনান। শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, খুব শিগগিরই ইতিবাচক খবর আসতে পারে। তাঁর কথার কিছু সময় পরেই দুটি পেট্রোলিয়াম পণ্যবাহী ট্যাংকারকে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।হরমুজ প্রণালী দিয়ে ভারতীয় জাহাজ নিরাপদে যেতে পারবে কি না, এই প্রশ্নের উত্তরে রাষ্ট্রদূত বলেন, অবশ্যই পারবে। তিনি বলেন, অল্প সময়ের মধ্যেই তার প্রমাণ মিলবে।রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, ভারত ও ইরানের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।তিনি জানান, অনেক কঠিন সময়ে ভারত ইরানের পাশে দাঁড়িয়েছে। যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও ভারত নানা ক্ষেত্রে ইরানকে সাহায্য করেছে বলে তিনি স্মরণ করেন। সেই সম্পর্কের গুরুত্ব থেকেই ভারতের পণ্যবাহী ট্যাংকারকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ১৪, ২০২৬
কলকাতা

ব্রিগেডে মোদীর সভা ঘিরে কড়া নিরাপত্তা! তিন হাজার রক্ষী, আকাশে উড়বে না কিছুই

বিধানসভা ভোটের আগে বাংলায় বড় রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যোগ দিতে কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শনিবার ব্রিগেড ময়দানে একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন তিনি। সেখানে জাতীয় সড়ক উদ্বোধনের পাশাপাশি রাজনৈতিক বার্তাও দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। এই সভাকে ঘিরে বিজেপি শিবিরে তুঙ্গে প্রস্তুতি এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নেওয়া হয়েছে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা।প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর সভাস্থলের আশপাশের এলাকা সম্পূর্ণ উড়ান নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে আকাশে কোনও ড্রোন উড়তে দেওয়া হবে না। তবে আশপাশের বহুতল ভবন থেকে দূরবীন নিয়ে নজরদারি চালাবে পুলিশ।সভাস্থলে প্রায় তিন হাজার নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন করা হচ্ছে। গোটা নিরাপত্তা ব্যবস্থার দায়িত্বে থাকবেন উপকূল নিরাপত্তা শাখার অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক পদমর্যাদার আধিকারিক। শুক্রবার সন্ধ্যায় ব্রিগেড ময়দানে গিয়ে প্রস্তুতি খতিয়ে দেখেন বিজেপির একাধিক নেতা।শনিবার সকাল থেকেই ব্রিগেড এবং আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হবে। গোটা এলাকাকে একাধিক সেক্টরে ভাগ করে নিরাপত্তা মোতায়েন করা হচ্ছে। প্রতিটি সেক্টরের দায়িত্বে থাকবেন উপ পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার আধিকারিকরা।চার থেকে পাঁচটি সেক্টর মিলিয়ে একজন যুগ্ম পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার আধিকারিক থাকবেন। তাঁদের সঙ্গে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনাররাও দায়িত্ব পালন করবেন।পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, কলকাতার বিভিন্ন এলাকা থেকে যে মিছিল ব্রিগেডের দিকে আসবে, সেই সব রাস্তায় প্রায় পঞ্চাশটি পিকেট বসানো হয়েছে।শিয়ালদহ, হাওড়া, শ্যামবাজার এবং দক্ষিণ কলকাতার বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল ব্রিগেডে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সেই সব রাস্তায় বসানো হয়েছে পর্যাপ্ত নজরদারি ক্যামেরা। ব্রিগেডের মঞ্চ এবং আশপাশের এলাকাতেও ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি চালাবে পুলিশ।উড়ান নিষিদ্ধ এলাকা হওয়ায় আকাশে কোনও ড্রোন ব্যবহার করা হবে না। তবে আশপাশের বহুতল ভবন থেকে দূরবীন নিয়ে পুলিশ নজরদারি চালাবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

মার্চ ১৪, ২০২৬
রাজ্য

‘১৪ মার্চ ভুলিনি’—নন্দীগ্রামে শহিদ বেদিতে শুভেন্দু, একই দিনে শ্রদ্ধা মমতারও

ভোটের আবহে আবারও আলোচনায় উঠে এল নন্দীগ্রাম। দুই হাজার সাত সালের চৌদ্দ মার্চের ঘটনাকে স্মরণ করে শনিবার নন্দীগ্রামে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। অন্যদিকে একই দিনে নন্দীগ্রাম দিবস উপলক্ষে শহিদদের স্মরণ করে সামাজিক মাধ্যমে বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।শনিবার সকালেই নন্দীগ্রামের মালোপাড়ায় শহিদ বেদিতে মাল্যদান করেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জমি আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত নেতারা এবং বিজেপির একাধিক পদাধিকারী। সেখানে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, দুই হাজার সাত সালের চৌদ্দ মার্চের সেই দিনটি ভোলা সম্ভব নয়। তাঁর কথায়, জমি ও বাড়ি রক্ষার জন্য নন্দীগ্রামের সাধারণ মানুষের যে লড়াই ছিল, সেই ঐতিহাসিক দিনের স্মৃতি আজও মানুষের মনে রয়েছে।অন্যদিকে নন্দীগ্রাম দিবস উপলক্ষে সকালে সামাজিক মাধ্যমে একটি বার্তা প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি লেখেন, নন্দীগ্রাম দিবসে নন্দীগ্রাম, সিঙ্গুর ও নেতাই সহ সমস্ত শহিদদের প্রতি তিনি বিনম্র শ্রদ্ধা ও প্রণাম জানাচ্ছেন।প্রতি নির্বাচনের আগেই নন্দীগ্রামের ঘটনা নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসে। গত বিধানসভা নির্বাচনে এই নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকেই শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই আসন্ন নির্বাচনের আগে আবারও নন্দীগ্রামকে ঘিরে রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়তে শুরু করেছে।সূত্রের খবর, পরে অধিকারী পাড়ার শহিদ বেদিতেও শ্রদ্ধা জানাতে যাওয়ার কথা রয়েছে শাসকদলের নেতাদের। সেখানে রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী এবং ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির সঙ্গে যুক্ত নেতারাও উপস্থিত থাকবেন।জানা গিয়েছে, শুভেন্দু অধিকারীরা প্রথমে অধিকারী পাড়ায় কর্মসূচি পালন করছেন। তারপর সোনাচূড়া শহিদ মিনারে গিয়ে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর কথা রয়েছে তাঁদের।অন্যদিকে বেলা এগারোটার দিকে তৃণমূল ঘনিষ্ঠ ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির পক্ষ থেকেও আলাদা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। প্রথমে ভাঙাবেড়া এলাকায় শহিদদের স্মরণ করা হবে। এরপর অধিকারী পাড়া এবং মালোপাড়ায় কর্মসূচি করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

মার্চ ১৪, ২০২৬
কলকাতা

ব্রিগেড মঞ্চে বড় চমক? বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন পরিচিত চিকিৎসক নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়

ভোটের মুখে বাংলার রাজনীতিতে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। শোনা যাচ্ছে, পরিচিত চিকিৎসক নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন। শনিবার কলকাতার ব্রিগেড ময়দানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভার মঞ্চেই তিনি পদ্ম শিবিরে যোগ দিতে পারেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও নিশ্চিত ঘোষণা হয়নি। নিজেও এই বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলেননি ওই চিকিৎসক।জানা গিয়েছে, ব্রিগেডে অনুষ্ঠিত বিজেপির পরিবর্তন সংকল্প সভায় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে ডাক পেয়েছেন নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, আমন্ত্রণ পেয়েছেন এবং সভায় যাবেন বলেই ভাবছেন। তবে বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন কি না, সেই বিষয়ে সরাসরি উত্তর দিতে চাননি তিনি।এই প্রসঙ্গে চিকিৎসক বলেন, তিনি সভায় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে যাচ্ছেন। কিন্তু কোনও সভায় আমন্ত্রিত হয়ে যাওয়া মানেই যে সেই দলে যোগ দেওয়া, এমনটা নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন। তাঁর এই বক্তব্যের পর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় দীর্ঘদিন ধরেই বামপন্থী মনোভাবাপন্ন চিকিৎসক হিসেবে পরিচিত। আর জি কর হাসপাতালের এক তরুণী চিকিৎসকের হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর থেকেই তাঁর বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।সেই সময় জুনিয়র চিকিৎসকদের একাধিক মিছিল এবং প্রতিবাদ কর্মসূচিতে তাঁকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে দেখা গিয়েছিল। রাতভর আন্দোলন এবং বিভিন্ন কর্মসূচিতেও তিনি সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিলেন।শুধু তাই নয়, সেই সময় তিনি আন্দোলনরত জুনিয়র চিকিৎসকদের পাশে দাঁড়িয়ে সরকারের বিরুদ্ধেও সরব হয়েছিলেন।তবে পরে তাঁকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কও তৈরি হয়। তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়।এরপর চিকিৎসকদের একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও চিকিৎসক সংগঠনের প্রতিনিধি কি না, তা তারা জানে না। ব্যক্তিগতভাবে তিনি কারও সঙ্গে দেখা করতেই পারেন, কিন্তু চিকিৎসকদের সম্মিলিত আন্দোলনের প্রতিনিধি হিসেবে কথা বলার অধিকার তাঁকে কেউ দেয়নি বলেও ওই বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।পরে আবার আন্দোলনের কিছু মুখের বিরুদ্ধে সমালোচনাও করতে দেখা যায় তাঁকে। সেই ঘটনার পর থেকেই তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়।এখন সেই নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়ই বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন বলে জল্পনা ছড়িয়েছে। সামনে বিধানসভা নির্বাচন। রাজনৈতিক সূত্রে খবর, সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের প্রার্থী করার পরিকল্পনা করতে পারে বিজেপি।সেই কারণে প্রশ্ন উঠছে, নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় কি ভবিষ্যতে নির্বাচনে প্রার্থীও হতে পারেন। তবে এই প্রশ্নের উত্তর আপাতত ভবিষ্যতের হাতেই রয়েছে।

মার্চ ১৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal