• ২০ বৈশাখ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০৫ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Limit

রাজ্য

দেশ ভাগের চক্রান্ত? ডিলিমিটেশন বিল নিয়ে বিস্ফোরক মমতা

লোকসভায় আসন পুনর্বিন্যাস বিল পেশ হতেই নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বর্তমান ৫৪৩টি আসন বাড়িয়ে প্রায় ৮৫০ করার পরিকল্পনা করেছে কেন্দ্র। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে দক্ষিণের একাধিক রাজ্য বঞ্চনার অভিযোগ তুলেছে। এবার সেই বিরোধিতায় সরব হলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ।কোচবিহারে নির্বাচনী সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই বিলের মাধ্যমে দেশকে টুকরো টুকরো করার চেষ্টা চলছে। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্র আগাম ফলাফল বুঝতে পেরে আসন সংখ্যা বাড়িয়ে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে চাইছে। তিনি বলেন, এখন যখন লোকসভায় ৫৪১টি আসন রয়েছে, তা বাড়িয়ে ৮৫০-এর কাছাকাছি নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তাঁর আশঙ্কা, এইভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যতে কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দার্জিলিং বা শিলিগুড়ির মতো জায়গার অস্তিত্বই মুছে যেতে পারে।বিজেপিকে কড়া বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয় এবং এক মুহূর্তে পরিস্থিতি বদলে যেতে পারে। তিনি আরও বলেন, মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হলে তার বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত লড়াই চলবে। ইতিহাসের উদাহরণ টেনে তিনি মনে করিয়ে দেন, বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধেও একসময় প্রতিবাদ হয়েছিল এবং আজও সেই লড়াইয়ের মানসিকতা বজায় রয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, বাংলার উপর বারবার চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং অতীতে ভোটের সময় হিংসার ঘটনাও ঘটেছে। তাঁর দাবি, বাংলা বিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে মানুষই শেষ কথা বলবে। এই মন্তব্যের পর ডিলিমিটেশন বিল ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
রাজ্য

চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগে দেওচা–পাঁচামিতে পাথর উত্তোলনের বরাত বাতিল, নতুন দরপত্রে বিতর্ক

চুক্তির শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগে দেওচাপাঁচামি কয়লাখনি প্রকল্প এলাকায় পাথর উত্তোলনের কাজের বরাত বাতিল করল রাজ্য সরকার। প্রাথমিক পর্যায়ে ১২ একর জমিতে পাথর উত্তোলনের দায়িত্বে থাকা মেসার্স পাচামি ব্যাসল্ট মাইনিং প্রাইভেট লিমিটেডের সঙ্গে চুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাজ্যের দাবি, সংস্থাটি চুক্তির একাধিক গুরুত্বপূর্ণ শর্ত মানেনি বলেই এই পদক্ষেপ।রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, প্রকল্পের দ্বিতীয় ধাপে ৩১৪ একর জমিতে পাথর উত্তোলনের জন্য নতুন করে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। তবে এই সিদ্ধান্ত ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক। বিরোধী দল বিজেপির অভিযোগ, দেওচাপাঁচামি কয়লাখনি প্রকল্প নিয়ে রাজ্য সরকার আসলে ধোঁয়াশা তৈরি করছে। বৃহস্পতিবার সিউড়িতে বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে রাজ্য সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, গত ১৫ বছরে রাজ্য সরকার একটি বড় শিল্প প্রকল্পও বাস্তবে রূপ দিতে পারেনি। অথচ দেওচাপাঁচামিকে দেশের বৃহত্তম কয়লাখনি বলে প্রচার করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, আসন্ন শিল্প সম্মেলনের আগে বরাত বাতিল ও নতুন দরপত্র ডেকে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে।বিজেপি নেতার আরও অভিযোগ, নতুন দরপত্রে কোথাও কয়লাখনি স্থাপনের উল্লেখ নেই। বরং আগামী ১৫ বছরের জন্য শুধুমাত্র পাথর উত্তোলনের কথাই বলা হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, এর থেকেই স্পষ্ট যে আপাতত কয়লা উত্তোলনের কোনও পরিকল্পনাই রাজ্যের নেই। যদিও গত অক্টোবর মাসে আন্তর্জাতিক স্তরে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছিল, এখনও পর্যন্ত কোনও সংস্থা আগ্রহ দেখায়নি বলেও দাবি করেন তিনি।জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্য, কেন্দ্রের অনুমোদন ছাড়া এই প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। অথচ এখনও পর্যন্ত কোনও পূর্ণাঙ্গ নকশা বা প্রস্তাব কেন্দ্রের কাছে জমা পড়েনি। পাশাপাশি আদিবাসীদের জমি নেওয়া হলেও উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ বা স্থায়ী কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়নি বলেও অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। এই পরিস্থিতিকে রাজ্য সরকারের শিল্পনীতির ব্যর্থতার প্রতিফলন বলে দাবি করছে বিরোধীরা।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২৫
দেশ

উত্তর বনাম দক্ষিণ

১৯ শে এপ্রিল শুরু লোকসভা নির্বাচন। রামমন্দির, সিএএ (CAA), দূর্নীতি, ইলেক্টরাল বন্ড (Electoral Bond), ইডি (ED), সিবিআই-র (CBI) গ্ৰেফতার কড়া নাড়া। প্রচারে এই সমস্তই হাতিয়ার। এর পাশাপাশি চলছে লাভার্থী বা সুবিধা ভোগী বাড়িয়ে ভোট কুড়োনোর জন্য প্রতিশ্রুতির বন্যা। এর তুলনায় বেকারত্বের সমস্যা, ক্ষুধার সমস্যা, বৈষম্য বেড়ে চলা, স্বাস্থ্য পরিষেবার অপ্রতুলতা নিয়ে হইচই অনেক কম। অনেকে বলছেন দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা, যুক্তরাস্ট্রীয় কাঠামোর চেহারা, মত প্রকাশের স্বাধীনতা, ও বিরোধী রাজনীতির পরিসরের মত বিষয়গুলি ভবিষ্যতে কোন দিকে বাঁক নেবে তা নির্ধারিত হবে এবারের নির্বাচনে। তবে এরই মাঝে চোরা স্রোতের মত বইছে আরো এক সমস্যা। যা গত বছর কর্ণাটক বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির পরাজয়ের পরে বাড়তি গতি পেয়েছে। এই হারের পরে বিন্ধ পর্বতের নিচে কোনো রাজ্যেই আর গেরুয়া শাসন নেই। এই পথ বেয়েই জাতীয় রাজনীতিতে ক্রমশ চওড়া হচ্ছে উত্তর বনাম দক্ষিণের বিভাজন। সংসদীয় রাজনীতির এই পাশা খেলার ফল প্রতিফলিত হচ্ছে ভাষা, আর্থিক উন্নয়ন, আর সামাজিক রূপান্তরের রাজনীতিতেও।আরও পড়ুনঃ কেজরীওয়াল: টেক্কা না পুট?Colonial Hangover বলে ইংরেজি কে যতই গাল পাড়ুন, বর্তমানে হিন্দি-হিন্দুস্তানের দাপটের মাঝেও ইংরেজি বিনা গীত নেই। চাকরির ক্ষেত্রে, সমাজে কল্কি পাওয়ার ক্ষেত্রে, ইংরেজের মাতৃভাষা-ই এখনো অধিকাংশের কাছে ধারালো হাতিয়ার। অনেকের কাছে আবার বদ্ধ জলাশয় থেকে স্রোতে অবগাহনে কার্যকরি উপায়। এই পরশ পাথরের মুল্য দক্ষিণ ভারত অনেক আগেই বুঝেছে। তাই উত্তরের অনেক রাজ্যে যখন ইংরেজি হঠানোর জন্য লাফঝাঁপ দিচ্ছে, দক্ষিণ তার এই অবস্থানে অনড় থেকে ক্রমশ এগোচ্ছে। ন্যাসো-র (NSSO) সমীক্ষা বলছে দক্ষিণ ভারতের রাজ্য গুলিতে প্রায় ৬০ শতাংশ স্কুলে ক্লাস ১২ পর্যন্ত ইংরেজি-ই শিক্ষার বাহন। প্রতিতুলনায় উত্তরপ্রদেশে ১৪% এবং বিহারে ৬% স্কুলে ইংরেজিতে পঠনপাঠন চলে। শুধু তাই নয় উচ্চশিক্ষায় প্রবেশ নিয়ে ২০২০-২১ সালে সর্বভারতীয় সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে দক্ষিণে ১৮-২৩ বছর বয়সীদের মধ্যে প্রায় ৫০% উচ্চশিক্ষায় ভর্তি হয়। যেখানে সর্বভারতীয় গড় হচ্ছে ২৭%। হরিয়ানা এবং হিমাচল ছাড়া হিন্দি বলয়ের সব রাজ্য, গুজরাট এবং দেশের পূর্ব ও উত্তর পূর্বাঞ্চলের উচ্চ শিক্ষায় ভর্তির হার জাতীয় গড়ের অনেক নিচে। এর পাশাপাশি উত্তর ও দক্ষিণের মধ্যে আর্থিক বৈষম্যের পার্থক্যটাও ক্রমশ চওড়া হচ্ছে। ইংরাজি জানা দক্ষ কর্মী এবং উন্নত পরিকাঠামোর কারণে দক্ষিনে বিনিয়োগকারীর সংখ্যা বাড়ছে। জাতীয় পরিসংখ্যান বলছে বিহার, ছত্তিশগঢ়, মধ্য প্রদেশ, রাজস্থান এবং উত্তর প্রদেশের তুলনায় কর্ণাটক, অন্ধ্রপ্রদেশ, কেরল, তামিল নাড়ু তে মাথা পিছু আয় অনেকটাই বেশি।আরও পড়ুনঃ গ্যারান্টি বনাম ন্যায় - ভোটের হালহকিকতরাজনীতির অলিন্দে শোনা যাচ্ছে বিজেপি ক্ষমতায় ফিরলে দেশের লোকসভা কেন্দ্র গুলির সীমা নির্ধারণ-র (Delimitation ) কাজ শুরু হবে। জনসংখ্যার বিচারে নির্ধারিত হবে কেন্দ্র গুলির সীমানা। কেন্দ্রীয় পরিবার পরিকল্পনা নীতি মেনে দক্ষিণে অনেক আগে থেকেই জন সংখ্যা নিয়ন্ত্রিত হয়ে আসছে। নারী শিক্ষায় অগ্ৰাধিকারের জন্য দক্ষিণে Fertility Rate কমেছে। ১৯৭১ সালে দেশের মোট জনসংখ্যা ২৪.৮% ছিল দক্ষিণ ভারত। ২০২১সালে তাই কমে ১৯.৯% এসে দাঁড়িয়েছে। আর বিহার এবং উত্তর প্রদেশে এই হার ২৩% থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬%। ৮৪৮ সদস্য আসন বিশিষ্ট নতুন সংসদ ভবন চালু হয়ে গিয়েছে। Delimitation য়ের পরে ৮৪৮ আসনে লোকসভার ভোট হবে। রাজনৈতিক পন্ডিতদের মতে জন সংখ্যার ভিত্তিতে উত্তর প্রদেশে লোকসভার আসন ৮০ থেকে বেড়ে ১৪৩ হবে। যেখানে জনসংখ্যার ভিত্তিতে দশটি লোকসভার আসন বাড়বে তামিলনাড়ুতে।আরও পড়ুনঃ এক দেশ এক ভোটহিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, দিল্লি, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, বিহার, ছত্তিশগঢ়, ঝাড়খণ্ড এই দশটি রাজ্য নিয়ে হিন্দি বলয়। বর্তমানে এই দশটি রাজ্যে রয়েছে ২২৫টি লোকসভা আসন। ২০১৯শের লোকসভা নির্বাচনে এই ২২৫টি আসনের মধ্যে ২০৩ টি আসন পেয়েছিল NDA। ৫৪৩ আসনের লোকসভায় ম্যাজিক ফিগার হলো ২৭২। এবার ও হিন্দি বলয়ে বিজেপির এই দাপট বজায় থাকলে ক্ষমতায় ফেরা নিশ্চিত। তবে দলকে এবার ৩৭০ আসনের লক্ষ্য মাত্রায় বেঁধেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। হিন্দি বলয়ে আসন বাড়ার যেহেতু আর জায়গা নেই বিজেপির বিশেষ নজরে এবার দক্ষিণ ও দেশের অন্যান্য অংশ। তাই ৫০ বছর আগে কংগ্রেস শাসনে পকপ্রনালীর এক দ্বীপ কচ্ছথিভু চুক্তি করে শ্রীলঙ্কাকে দেওয়া নিয়ে সরব হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি দক্ষিণে প্রচারে গিয়ে দ্রাবিড় অস্মিতা জাগিয়ে তোলার সব রকম চেষ্টাই তিনি করেছেন। কিন্তু ক্ষমতায় ফিরে delimitation য়ের কাজ সম্পূর্ণ করার পরে দক্ষিণের এই গুরুত্ব কি বিজেপির কাছে থাকবে? তখন হিন্দি বলয়ের দশটি রাজ্যে আসন সংখ্যার যে বৃদ্ধি হবে তার জোরেই বিপুল আসন হাতের মুঠোয় আসার পথ খোলা থাকবে। আর কে না জানে যার ভোট নেই তার গুরুত্বও নেই। তখন দক্ষিণের রাজ্য গুলিতে কেন্দ্রের বিমাতৃসুলভ আচরনে স্লোগান তুলে গলা ফাটালেও বিশেষ লাভ হবে বলে মনে হয় না। অতএব জাতীয় রাজনীতিতে উত্তর বনাম দক্ষিণের দ্বন্দ্বের নতুন অধ্যায় শুরু হওয়ার অপেক্ষা।

এপ্রিল ১৮, ২০২৪
দেশ

আরবিআই-র অনুমোদনহীন এই ব্যাঙ্ক গুলি থেকে টাকা তোলায় বিধিনিষেধ, আপনি কি ওই ব্যাঙ্ক গুলির গ্রাহক?

ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক বৃহস্পতিবার জানিয়েছে যে, দুটি বাঙ্কের আর্থিক অবস্তার অবনতির দিকে নজর রেখে আপাতত ছয় মাস ওই দুই ব্যাঙ্কের লেনদেনের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হচ্ছে।উত্তরপ্রদেশের দুটি সমবায় ব্যাঙ্কের আর্থিক অবস্থার অবনতির পরিপ্রেক্ষিতে টাকা তোলা সহ একাধিক বিধিনিষেধ আরোপ করেছে ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। এই দুই ব্যাঙ্ক হল লক্ষ্ণৌ আরবান কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্ক এবং আরবান কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্ক লিমিটেড, সীতাপুর। ব্যাঙ্কিং নিয়ন্ত্রণ আইনের অধীনে এই বিধিনিষেধ ছয় মাসের জন্য আপাতত বলবৎ থাকবে।ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক একটি বিবৃতি জারী করে বলেছে, লক্ষ্ণৌ আরবান কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের গ্রাহকরা ৩০,০০০ টাকার বেশি তুলতে পারবেন না। আরবান কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের ক্ষেত্রে টাকা তোলার সীমা গ্রাহক প্রতি ৫০,০০০ টাকা।জানা গেছে যে, এই দুটি ব্যাঙ্ক-ই আরবিআই-এর অনুমোদন হীন। ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই দুই ব্যাঙ্ক কোনওরকম ঋণ দিতে পারবে না, কোনও সংস্থা তে বিনিয়োগ করতে পারবে না, কোনও দায় বহন করতে পারে না ... সহ একাধিক বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে এই দুই ব্যাঙ্কের ওপর।

জুলাই ২৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Mishti Doi Unlimited : 'মর্ডান নারী'-র গল্প বলবে 'মিষ্টি দই আনলিমিটেড'

নতুন প্রযোজনা সংস্থা মিষ্টি দই আনলিমিটেড। এই প্রযোজনা সংস্থাই তাদের প্রথম প্রোজেক্ট লঞ্চ করতে চলেছে। তাদের প্রথম কাজ একটি মিউজিক ভিডিও যার নাম মর্ডান নারী। মর্ডান নারীমিউজিক ভিডিওটি মহিলাদের কথা তুলে ধরবে। তাদের গল্প বলবে। আগামী ৬ অক্টোবর মুক্তি পাচ্ছে এই মিউজিক ভিডিও।মিউজিক ভিডিওর পরিচালক দীপাঞ্জন রায়। প্রযোজনা করেছেন অম্লান সেন। অদিতি বোসের সঙ্গীত পরিচালনায় এই মিউজিক ভিডিওতে অভিনয় করেছেন সকলের প্রিয় সন্দীপ্তা সেন। গান গেয়েছেন উজ্জয়িনী। নতুন প্রযোজনা সংস্থা হলেও খুব যত্নভাবে পুরো কাজটা করা হয়েছে।পরিচালক দীপাঞ্জন রায় জানালেন,এখানে ড্যান্স নাম্বার রয়েছে, র্যাপ রয়েছে, আবার আগমনীর একটা ফিল রয়েছে। বলা যায় একটা কমপ্লিট প্যাকেজ। ৬ অক্টোবর মুক্তি পাবে। আপনারা দেখে ফিডব্যাক দেবেন। এই প্রোজেক্ট নিয়ে সন্দীপ্তা জানালেন,মিষ্টি দই এর প্রথম প্রোজেক্ট এটা। খুব ভালো লাগলো। অনেকক্ষেত্রে প্রথম কাজে কিছু সমস্যা দেখা দেয়। কিন্তু এক্ষেত্রে সেটা হয়নি। দীপাঞ্জনের কথা বলবো। কোন লাইনে কি কম্পোজিশন হচ্ছে, কি শট ডিভিশন হচ্ছে সেটা ক্লিয়ারলি বলে দিয়েছে। এখন দর্শকরা কেমন ফিডব্যাক দেন তার অপেক্ষায় রয়েছি। উজ্জয়িনী জানালেন,এই গানটা নিয়ে আমরা খুব হোপফুল। এবার দর্শকদের কেমন লাগছে সেটা জানার পালা।

অক্টোবর ০১, ২০২১
কলকাতা

'বাংলা ভাগের ষড়যন্ত্র'-র প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি 'বাংলা পক্ষ'র

সম্প্রতি, বাংলা ভাগ করা নিয়ে দুই বিজেপি সাংসদের বিতর্কিত মন্তব্যে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। আর গেরুয়া শিবিরের দুই সাংসদের মন্তব্যে বেশ অস্বস্তিতেও পড়ে যায় বঙ্গ বিজেপি। যদিও ড্যামেজ কন্ট্রোলে নেমে সবপক্ষ সামাল দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন দিলীপ ঘোষ, শুভেন্দু অধিকারীর মতো শীর্ষস্থানীয় নেতারা। কিন্তু, দলের উত্তরবঙ্গ শাখার অন্দরে একটি চাপানউতোর রয়েই গিয়েছে। এবার বিজেপি সাংসদদের বাংলা ভাগের দাবি নিয়ে সরব হয়েছে বাংলা পক্ষ নামক একটি সংগঠন। বঙ্গভঙ্গের ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলে দাবি তাদের।আরও পড়ুনঃ ফিরে এলাম দূরে গিয়ে...... পঞ্চমবাঙালির শত্রু, হিন্দি সাম্রাজ্যবাদী বিজেপি বাংলা ভাগ করতে চায়। তাদের দুই সাংসদ জন বার্লা ও সৌমিত্র খাঁ বাংলা ভাগের দাবি তুলেছে। বাংলা ও বাঙালিকে বিপদে ফেলতে চায় বিজেপি। বাংলা পক্ষ ভারতের তরফে এমনই দাবি করা হয়েছে। বাংলা পক্ষ-র দাবি, তারা বাংলা ভাগের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে লড়ছে। সংগঠনের তরফে ইতিমধ্যেই নানা জেলায় এই দুই বিজেপি সাংসদের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছে। রবিবার বাংলা পক্ষ-র হাওড়া জেলা সংগঠনের পক্ষ থেকে সালকিয়ায় এক বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হল। জেলা সম্পাদক জয়দীপ দের নেতৃত্বে বিক্ষোভ দেখানো হয় এলাকায়। তাদের দাবি, কোনওভাবেই বাংলা ভাগ হতে দেবে না বাঙালি। বাঙালির রক্তে ভারত স্বাধীন হয়েছে। এবার বঙ্গভঙ্গ আটকাতে বাংলা পক্ষর সৈনিকরা রক্ত দিতে প্রস্তুত। এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সোয়েব আমিন, মিঠুন মণ্ডল, প্রীতম দত্ত-সহ অন্যান্য জেলা নেতৃত্ব।

জুন ২৭, ২০২১
রাজনীতি

BJP on Delimitation: সৌমিত্রকে জরুরি তলব দিল্লিতে

বিকেলেই কিছুটা রুষ্ট সুরে শাসানি দিয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। রাত হতে না হতেই সৌমিত্র খাঁ-কে ডেকে পাঠালেন বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। রাঢ়বঙ্গকে পৃথক রাজ্য দেখতে চাওয়ার দাবি করে এ বার দলীয় নেতৃত্বের রোষানলের মুখে পড়তে হতে পারে বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ-কে। ঘটনাপ্রবাহ যেভাবে এগোচ্ছে, তাতে এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক শিবিরের একাংশ। যদিও লক্ষ্যণীয় বিষয়টি হল, শুধুমাত্র সাংসদ সৌমিত্র খাঁ-কেই দিল্লিতে তলব করা হয়েছে। আলিপুরদুয়ারের বিজেপি সাংসদ জন বার্লাকে ডেকে পাঠানো হয়নি।আরও পড়ুনঃ করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের সতর্কতা জারি, এবার নিস্তার নেই শিশুদেরও , বলছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরাসৌমিত্রর উপর যে কোপ নেমে আসবে তার ইঙ্গিত অবশ্য মঙ্গলবার সকাল থেকেই মিলেছিল। মঙ্গলবার সকালে রাজ্য বিজেপির মিডিয়া সেলের একটি বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে দিলীপ ঘোষ নিজেও উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে উপস্থিত সকলে সৌমিত্রর বিরুদ্ধে কার্যত বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। তাঁর মন্তব্যের যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হচ্ছে, তা জানানো হয় বিজেপি রাজ্য সভাপতিকে। এরপরই বিকেলে সাংবাদিক বৈঠক ডেকে দিলীপ আবারও জানিয়ে দেন, বিজেপি এই দাবিকে সমর্থন করে না। দিলীপ বলেন, দলে থাকতে গেলে দলের সিদ্ধান্ত মেনেই কাজ করতে হবে।এরপরই কিছুটা পিছু হটতে বাধ্য হন সৌমিত্র। রাঢ়বঙ্গকে আলাদা রাজ্য করার দাবি তাঁর একান্ত ব্যক্তিগত বলে এ দিন তিনি জানান। সৌমিত্র জানিয়েছেন, এর সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই। বিষয়টি নিয়ে বিজেপি নেতৃত্ব সতর্ক করেন জন বার্লা ও সৌমিত্র খাঁ-কে। দিলীপ জানান, দল দুই সাংসদের সঙ্গে কথা বলবে।মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত গোটা বিতর্কের রেশ অবশ্য বাংলার রাজনৈতিক গণ্ডিতেই আটকে ছিল। তবে এ বার তার রেশ দিল্লিতেও ধাক্কা মারল। গত কয়েকদিন ধরে চলা এই বিতর্ক নিয়ে দিল্লির নেতারা মুখে কুলুপ এঁটেই ছিলেন। কিন্তু, এ বার নাড্ডার তলব স্পষ্টত বুঝিয়ে দিচ্ছে, সৌমিত্র খাঁ-র মন্তব্যকে ভাল চোখে দেখছে না দল।

জুন ২২, ২০২১
রাজ্য

State Delimitation: কোন কৌশলে রাজ্য তিন টুকরোর দাবি বিজেপি সাংসদদ্বয়ের?

আলিপুরদুয়ারের সাংসদ জন বার্লা উত্তরবঙ্গকে পৃথক রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ডাক দিয়েছেন। তাঁর পথ অনুসরণ করে জঙ্গলমহল বা রাঢ় বঙ্গকে পৃথক রাজ্য করার দাবি করেছেন বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। বঙ্গভঙ্গের জোরালো আওয়াজ তুলেছেন বিজেপির দুই সাংসদ। অন্যদিকে পাহাড়ে গোর্খাল্যান্ড গঠনের দাবি তো রয়েছেই। অর্থাৎ রাজনীতির যাঁতাকলে পশ্চিমবঙ্গ চার ভাগ হওয়া নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে।রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন, বিধানসভা নির্বাচনের পর কেন এই প্রশ্ন তুলছেন বিজেপির সাংসদরা? ভোটের আগে এমন কোনও ইস্যুর কথা বিজেপির ইস্তেহারেও ছিল না। নির্বাচনে পরাজয়ের পর বঙ্গভঙ্গ করার দাবি করে নিজেদের প্রচারের আলোয় নিয়ে এসেছেন দুই বিজেপি সাংসদ। প্রচারে জায়গা পাচ্ছে দলও। তাহলে এখন রাজ্য ভাগ নিয়ে হইচই কেন? প্রশ্ন তুলেছেন অভিজ্ঞমহল। প্রশ্ন উঠেছে তাহলে বিজেপি সাংসদদের এই দাবির দায়ভার কে নেবে? বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ স্পষ্ট জানিয়েছেন, বিজেপি বাংলা ভাগ চায় না। জন বার্লার পৃথক রাজ্যের দাবির প্রসঙ্গে একথা বলেছেন তিনি। এবার বললেন সৌমিত্র খাঁ। উত্তরবঙ্গ যে বঞ্চিত সে ব্যাপারে সহমত বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব। রাজনৈতিক মহলের মতে, দুই দলীয় সাংসদের রাজ্য ভাগের দাবি নিয়ে তাঁদের বিরুদ্ধে নেতৃত্ব সরাসরি কোনও মন্তব্য করেনি। কেন একথা তাঁরা বলেছেন তা নিয়ে কারণ দর্শাতে নির্দেশ দিয়েছেন, তাও নেতৃত্ব জানায়নি। অর্থাৎ তাঁদের বক্তব্য দল অনুমোদন করছে না সে ঘোষণাও বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব ঘোষণা করেনি। জোরালো বিরোধিতাও করেনি শীর্ষ নেতৃত্ব।এই মুহূর্তে রাজ্যে দুই প্রধান দল তৃণমূল ও বিজেপি। বাম ও কংগ্রেস এখন বাংলার রাজনীতিতে অনেকটাই অপ্রাসঙ্গিক বলে মনে করে রাজনৈতিক মহল। বিশেষত নির্বাচনের নিরিখে তেমনই পরিস্থিতি। সেই ফায়দা নিচ্ছে বিজেপি। অভিজ্ঞ মহলের মতে, একদিকে যেমন বঞ্চনা বা অবহেলার কথা বলে সাংসদদের আড়াল করছে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তেমনই বাংলা ভাগের বক্তব্যকে ব্যক্তিগত অভিমত বলে ব্যক্ত করছে গেরুয়া শিবির। এ যেন, সাপও মরবে লাঠিও ভাঙবে না। তৃণমূল নেতৃত্ব বিজেপি সাংসদদের বিরোধিতায় মাঠে নামুক কার্যত তাই চাইছে গেরুয়া বাহিনী। রাজনৈতিক মহলের মতে, এ রাজ্যের কর্মসূচিতেই যেন ব্যস্ত থাকে ঘাসফুল শিবির। যাতে বাইরের রাজ্যের বিস্তারে ব্যাঘাত ঘটে।শ্রী চানক্য

জুন ২২, ২০২১
কলকাতা

দোলযাত্রায় সীমিত মেট্রোরেল পরিষেবা

সামনেই দোলযাত্রা এবং হোলি । আর সেজন্য ওই দুদিন বদলে যাবে মেট্রো পরিষেবার সময়সীমা। রবিবার সকাল ৯টার পরিবর্তে পরিষেবা শুরু হবে দুপুর আড়াইটে থেকে। ১০৪টি নয়, চলবে মোট ৬০টি ট্রেন। আর সোমবার হোলির দিন ২৫২টির বদলে চলবে ১৭৬টি ট্রেন। মঙ্গলবার প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এমনটাই জানিয়েছে মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ।এদিন মেট্রোর তরফ থেকে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, রবিবার মেট্রো পরিষেবা শুরু হবে দুপুর আড়াইটে থেকে। চলবে ১০টা ৪৩ মিনিট পর্যন্ত। ১০৪টির বদলে চলবে ৬০টি ট্রেন। সকাল ৯টার পরিবর্তে দক্ষিণেশ্বর থেকে কবি সুভাষগামী প্রথম মেট্রোটি ছাড়বে দুপুর আড়াইটের সময়। একই সময়ে আবার দমদম থেকেও কবি সুভাষগামী মেট্রোটিও ছাড়বে। অন্যদিকে, কবি সুভাষ থেকে দক্ষিণেশ্বরগামী মেট্রো এবং দমদম থেকে দক্ষিণেশ্বরগামী মেট্রোটিও ছাড়বে দুপুর আড়াইটের সময়। তবে প্রতি ক্ষেত্রেই শেষ মেট্রোর ছাড়ার সময় অপরিবর্তিত রয়েছে। অর্থাৎ রাত ১০টা ৪৩ মিনিট পর্যন্ত মেট্রো পরিষেবা মিলবে।এরপর সোমবার আবার হোলি উপলক্ষ্যেও চলবে কম মেট্রো। সাধারণত সপ্তাহের প্রথম দিন ২৫২টি ট্রেন চললেও, হোলির দিন চলবে ১৭৬টি ট্রেন। অর্থাৎ ডাউন এবং আপে চলবে ৮৮টি ট্রেন। সকাল ৬ টা ৫০ মিনিটে ছাড়বে প্রথম ট্রেনটি। চলবে ১০ টা ৪৩ মিনিট পর্যন্ত। এর মধ্যে ১৭২টি ট্রেন চলবে কবি সুভাষ এবং দক্ষিণেশ্বরের মধ্যে।

মার্চ ২৩, ২০২১
রাজ্য

দুর্গাপুর প্রজেক্ট লিমিটেডে বিস্ফোরণ , মৃত ১

দুর্গাপুর প্রজেক্ট লিমিটেডে বিস্ফোরণের জেরে একজনের মৃত্যু হল। মৃতের নাম ওমপ্রকাশ চৌহান। তিনি একজন ঠিকাকর্মী। এই বিস্ফোরণের ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন। আহত কর্মীর নাম বাম রুইদাস। তিনি ডিপিএলের নিরাপত্তারক্ষী। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ রাষ্ট্রদ্রোহীদের হাত ধরে পাহাড়ে উঠতে চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ঃ দিলীপ তাকে ভরতি করা হয়েছে বেসরকারি হাসপাতালে। জানা গিয়েছে , মঙ্গলবার সকাল ১১ টা ১০ মিনিট নাগাদ বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে ওঠে ডিপিএলের ৭ নম্বর কনস্ট্রাকশন গেট এলাকা। ঘটনাস্থলে আসে কোকওভেন থানার পুলিশ। তারা মৃতদেহ উদ্ধার করে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে। কিন্তু কীভাবে এই বিস্ফোরণ হল , তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

নভেম্বর ০৩, ২০২০

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

হার মানলেন না মমতা! পরাজয়ের পরেই বড় ঘোষণা, কালই সাংবাদিক বৈঠক

বিধানসভা নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। হেরে গিয়েছেন দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই পরিস্থিতিতে আগামীকাল মঙ্গলবার কালীঘাটের বাসভবনে সাংবাদিক বৈঠক ডেকেছেন তিনি। বিকেল চারটেয় এই বৈঠক হবে বলে জানা গিয়েছে। সেখানে উপস্থিত থাকবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও।প্রায় পনেরো বছর রাজ্যে ক্ষমতায় থাকার পর এই প্রথমবার বড় পরাজয়ের মুখে পড়ল তৃণমূল। অন্যদিকে বিজেপি বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে। ভবানীপুর কেন্দ্রে প্রায় পনেরো হাজারের বেশি ভোটে হেরে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু এই কেন্দ্রই নয়, রাজ্যের একাধিক জায়গায় তৃণমূল পরাজিত হয়েছে। মুর্শিদাবাদ, কলকাতা এবং পূর্ব বর্ধমানের মতো এলাকাতেও বিজেপি শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে।এর মধ্যেই সোমবার বিকেলে গণনাকেন্দ্রে গিয়ে উত্তেজনার মুখে পড়েন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শাখাওয়াত মেমোরিয়াল গণনাকেন্দ্রে দলের এজেন্টকে বের করে দেওয়ার খবর পেয়ে তিনি হঠাৎই সেখানে পৌঁছে যান। কয়েক ঘণ্টা পর বেরিয়ে এসে তিনি গুরুতর অভিযোগ করেন। তাঁর দাবি, তাঁকে মারধর করা হয়েছে এবং জোর করে হারানো হয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রায় একশোটি আসনে ভোট লুঠ হয়েছে।এই ঘটনার পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। মমতার এই অভিযোগকে সমর্থন করেছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তিনি সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, নির্বাচন কমিশনের সহায়তায় ভোটে কারচুপি হয়েছে এবং বহু আসন ছিনতাই করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আগামীকালের সাংবাদিক বৈঠক ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।

মে ০৪, ২০২৬
কলকাতা

মমতার দুর্গেই ভাঙল ঘাঁটি! ভবানীপুরে বিশাল ব্যবধানে শুভেন্দুর জয়

দীর্ঘদিন ধরে ভবানীপুরে লড়াই করেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু এবারের নির্বাচনে সেই কেন্দ্রেই বড় ধাক্কা খেলেন তিনি। কুড়ি রাউন্ড গণনা শেষে প্রায় ১৫ হাজার ১১৪ ভোটে তাঁকে পরাজিত করলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। এর ফলে নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুর থেকেও জয়ী হলেন শুভেন্দু।ভবানীপুরে ভোটগণনা ঘিরে দিনভর উত্তেজনা ছিল। গণনার মাঝপথে নিজেই কেন্দ্রে পৌঁছে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, ভোট গণনায় কারচুপি হচ্ছে। যদিও সেই অভিযোগের মধ্যেই গণনা চলতে থাকে। রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ স্পষ্ট হয়ে যায় ফলাফল। দেখা যায়, ২০ রাউন্ড শেষে শুভেন্দু অধিকারী পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৪৬৩ ভোট, আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পেয়েছেন ৫৮ হাজার ৩৪৯ ভোট।নির্বাচনের আগেই শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছিলেন, তিনি ধীরে ধীরে ব্যবধান বাড়িয়ে শেষ পর্যন্ত জিতবেন। তাঁর সেই পূর্বাভাসই যেন মিলল বাস্তবে। শুরুতে কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও পরের রাউন্ডগুলোতে ব্যবধান কমিয়ে শেষে এগিয়ে যান তিনি এবং জয় নিশ্চিত করেন।জয়ী হওয়ার পর শুভেন্দু অধিকারী প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে ধন্যবাদ জানান। অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, তাঁকে জোর করে হারানো হয়েছে এবং ভোট লুঠ করা হয়েছে। তিনি জানান, এই লড়াই এখানেই শেষ নয়, তিনি আবার ফিরে আসবেন।শুধু ভবানীপুর নয়, নন্দীগ্রামেও জয় পেয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় তৃণমূলের অবস্থানও এই নির্বাচনে দুর্বল হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের মত।

মে ০৪, ২০২৬
দেশ

তামিলনাড়ুতে বড় চমক! অভিনেতা বিজয়ের দলে ভর করে বদলে গেল রাজনীতি

তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনে শুরু থেকেই যে ট্রেন্ড দেখা গিয়েছিল, দিনের শেষে সেই ছবিই প্রায় একই রইল। গোটা দেশকে চমকে দিয়ে এগিয়ে রয়েছে অভিনেতা থেকে রাজনীতিতে আসা জোসেফ বিজয় চন্দ্রশেখর, যিনি থলপতি বিজয় নামে পরিচিত। তাঁর দল ক্ষমতার দিকে এগোচ্ছে।এই ফলাফলের ফলে দীর্ঘদিনের ডিএমকে এবং এআইডিএমকে-র রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। এরই মধ্যে খবর, নিজের কেন্দ্র কোলাথুরে হেরে গিয়েছেন ডিএমকে নেতা এবং বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিজয়ের দলের প্রার্থী।ভোটগণনার শুরুতেই স্ট্যালিন নিজের পরিচয় থেকে মুখ্যমন্ত্রীর পদ সরিয়ে দিয়েছিলেন। বিকেলের খবর অনুযায়ী, বিজয়ের দল বেশ কয়েকটি আসনে জয় পেয়েছে এবং বহু আসনে এগিয়ে রয়েছে। অন্যদিকে শাসক দল অনেক কম আসনে এগিয়ে আছে।তামিলনাড়ুতে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন নির্দিষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা। সেই লক্ষ্যের দিকেই এগোচ্ছে বিজয়ের দল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শরিক দলগুলির সমর্থন পেলে সহজেই সরকার গঠন করতে পারেন তিনি।অন্য দলগুলির মধ্যেও কিছু আসনে লড়াই চলছে। তবে সামগ্রিক ছবিতে স্পষ্ট, তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে নতুন শক্তির উত্থান হয়েছে। দীর্ঘদিনের পরিচিত রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে যেতে চলেছে।এখন দেখার, শেষ ফলাফল কী দাঁড়ায় এবং নতুন সরকার গঠনের জন্য কী ধরনের জোট তৈরি হয়।

মে ০৪, ২০২৬
কলকাতা

“জোর করে হারানো হয়েছে”—কার বিরুদ্ধে তোপ মমতার?

গণনাকেন্দ্র থেকে বেরিয়ে এসে বড় অভিযোগ করলেন তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিকেলে তিনি শাখাওয়াত মেমোরিয়াল গণনাকেন্দ্রে পৌঁছেছিলেন। সেই সময় থেকেই সেখানে উত্তেজনা তৈরি হয়।গণনার শুরুতে এগিয়ে থাকলেও পরে পরিস্থিতি বদলাতে থাকে। রাউন্ড যত এগোয়, ততই ব্যবধান কমতে থাকে এবং বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী এগিয়ে যান।এই পরিস্থিতির মধ্যেই বিকেলে গণনাকেন্দ্রে পৌঁছান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তাঁর উপস্থিতি ঘিরে উত্তেজনা বাড়ে। পরে রাতের দিকে তিনি গণনাকেন্দ্র থেকে বেরিয়ে আসেন।সাংবাদিকদের সামনে তিনি অভিযোগ করেন, ভোট লুঠ হয়েছে। তাঁকে মারধর করা হয়েছে বলেও দাবি করেন। তাঁর কথায়, জোর করে তাঁকে হারানো হয়েছে। তবে তিনি আবার ফিরে আসবেন বলেও জানান।এদিকে রাত পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভবানীপুর কেন্দ্রে একাধিক রাউন্ড গণনার পর শুভেন্দু অধিকারী এগিয়ে রয়েছেন। গণনা তখনও চলছিল।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বেরিয়ে আসার সময় তাঁকে ঘিরে স্লোগান শোনা যায়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। নিরাপত্তাকর্মীরা তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যান। এরপর তিনি কালীঘাটের উদ্দেশে রওনা দেন।গণনা এখনও চলছে। এই পরিস্থিতিতে ভবানীপুরের লড়াই আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

মে ০৪, ২০২৬
দেশ

বাংলার ফল নিয়ে বড় মন্তব্য! কেন কর্মীদের ধন্যবাদ দিলেন মোদি?

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জয়ের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। দুজনেই এই জয়ের কৃতিত্ব দিয়েছেন দলের কর্মীদের পরিশ্রম, ত্যাগ এবং মানুষের সমর্থনকে।প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, এই ফলাফল মানুষের শক্তির জয় এবং সুশাসনের প্রতি মানুষের বিশ্বাসের প্রতিফলন। তিনি বাংলার ভোটারদের ধন্যবাদ জানান। তাঁর আশ্বাস, নতুন সরকার মানুষের আশা পূরণে কাজ করবে এবং সবার জন্য উন্নয়ন ও সম্মান নিশ্চিত করবে।অন্যদিকে অমিত শাহ বলেন, এই জয় সহজে আসেনি। বহু কর্মী সংগ্রাম করেছেন, কষ্ট সহ্য করেছেন, তবেই এই ফল এসেছে। অনেক পরিবার নানা সমস্যার মধ্যেও দলের পাশে থেকেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ পথ পেরিয়ে এই জায়গায় পৌঁছানো গেছে। এই যাত্রায় যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন বা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, তাঁদের প্রতি তিনি শ্রদ্ধা জানান। বাংলার মানুষের এই রায় তাঁদের প্রতিও শ্রদ্ধার নিদর্শন বলে তিনি মনে করেন।এই জয়ের জন্য দলের সর্বভারতীয় সভাপতি, রাজ্য নেতৃত্ব এবং কর্মীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন তিনি। মোদি ও শাহ দুজনেই জানিয়েছেন, এই জয় শুধু রাজনীতির নয়, বরং বাংলার উন্নয়ন ও নতুন পথচলার সূচনা।

মে ০৪, ২০২৬
দেশ

“ভয় আর তোষণের বিরুদ্ধে রায়!” বাংলার ফল নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য শাহর

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ভালো ফলের ইঙ্গিত মিলতেই প্রতিক্রিয়া জানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি এই ফলকে ঐতিহাসিক জয় বলে দাবি করেছেন। তাঁর মতে, বাংলার মানুষ ভয় এবং তোষণের রাজনীতির বিরুদ্ধে রায় দিয়েছে।সোমবার তিনি একাধিক বার্তায় বাংলার মানুষকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, এই ফল মানুষের স্পষ্ট বার্তা, যারা ভয় দেখায় এবং বিশেষ সুবিধার রাজনীতি করে, তাদের মানুষ প্রত্যাখ্যান করেছে।তিনি আরও বলেন, এই জয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বের উপর মানুষের আস্থার প্রতিফলন। তৃণমূলের ভয়ভিত্তিক রাজনীতির বিরুদ্ধে মানুষ ভোট দিয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।অমিত শাহ বলেন, গঙ্গার উৎস থেকে গঙ্গাসাগর পর্যন্ত এখন বিজেপির শক্তি ছড়িয়ে পড়েছে। এই জয় দলের অসংখ্য কর্মীর ত্যাগ, সংগ্রাম এবং আত্মবলিদানের ফল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।তিনি বলেন, বহু পরিবার নানা অত্যাচার সহ্য করেও দলের পতাকা ছাড়েনি। এই জয় সেই সব মানুষের ধৈর্য এবং বিশ্বাসেরও জয়। দীর্ঘদিনের সংগ্রামের পথে যারা প্রাণ হারিয়েছেন বা কষ্ট সহ্য করেছেন, তাঁদের প্রতিও তিনি শ্রদ্ধা জানান।শাহর দাবি, বাংলার মানুষ এই ফলের মাধ্যমে সেই সব কর্মীদের প্রতি সম্মান জানিয়েছে। একই সঙ্গে তিনি বিরোধীদের কটাক্ষ করে বলেন, অনুপ্রবেশ এবং তোষণের রাজনীতি যারা করেছে, তাদের মানুষ শিক্ষা দিয়েছে।তিনি আরও বলেন, বাংলার মানুষ যে ভরসা দেখিয়েছে, তা পূরণ করার চেষ্টা করবে বিজেপি। দিনরাত কাজ করে বাংলার উন্নয়ন ঘটানো এবং সোনার বাংলা গড়ার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।এদিকে ভোটের ট্রেন্ড অনুযায়ী বিজেপি বেশ কিছু আসনে এগিয়ে রয়েছে এবং কিছু আসনে জয়ও পেয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূলও কয়েকটি আসনে জয় পেয়েছে এবং কিছু জায়গায় লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।তবে ট্রেন্ডে দেখা যাচ্ছে, তৃণমূলের অনেক মন্ত্রীই পিছিয়ে রয়েছেন। এতে শাসক দলের জন্য চাপ তৈরি হয়েছে। সিঙ্গুরের মতো গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রেও বিজেপি এগিয়ে রয়েছে।এই পরিস্থিতিতে বাংলার রাজনৈতিক ছবি দ্রুত বদলাচ্ছে। এখনও গণনা চলছে, তাই শেষ ফলাফল কী হবে, তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে।

মে ০৪, ২০২৬
রাজ্য

মেয়ের ন্যায়বিচারের লড়াই থেকে ভোটে জয়! পানিহাটিতে চমক রত্নার

পানিহাটি বিধানসভা কেন্দ্রে প্রায় বাইশ হাজার ভোটে জয়ী হয়েছেন রত্না দেবনাথ। জয়ের পরেই তিনি মেয়ের ন্যায়বিচারের লড়াই আরও জোরদার করার বার্তা দিয়েছেন। তাঁর এই জয়কে ঘিরে এলাকায় উচ্ছ্বাসের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।জয়ের পর রত্না দেবনাথ বলেন, এই জয় পানিহাটির মানুষের জয়। তাঁর কথায়, এই ফল তাঁর মেয়ের জন্য ন্যায়বিচারের লড়াইকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে। তিনি বিশ্বাস করেন, একদিন বিচার অবশ্যই মিলবে।ফল ঘোষণার পরই তাঁর বাড়ির সামনে ভিড় জমায় দলীয় কর্মী ও সমর্থকরা। আবির খেলায় মেতে ওঠেন সবাই। আনন্দ উদযাপনের ছবি ধরা পড়ে চারদিকে।নির্বাচনের সময় নানা কটূক্তি ও সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল তাঁকে। তবু সাধারণ মানুষের সমর্থনই তাঁকে শক্তি দিয়েছে বলে জানান তিনি। এলাকার অনেকেই মনে করেন, ব্যক্তিগত শোককে শক্তিতে বদলে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার জন্যই মানুষ তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছে।অন্যদিকে বিরোধী পক্ষের অভিযোগ, প্রচারের সময় নানা বাধার মুখে পড়তে হয়েছিল প্রার্থীকে। মানসিক চাপ তৈরির চেষ্টাও হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত মানুষই সব অপপ্রচারের জবাব দিয়েছে বলে তাঁদের মত।এই জয়ের মুহূর্তে রত্না দেবনাথ তাঁর সাফল্য পানিহাটির মানুষকে উৎসর্গ করেছেন।

মে ০৪, ২০২৬
কলকাতা

বিদেশি বাজির বাজারে চমক! বিজেপি এগিয়ে, তবু টাকার স্রোত তৃণমূলের দিকে কেন?

ভোটের উত্তাপে ফুটছে বাংলা। রাজনৈতিক লড়াই এখন শুধু রাজ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও তা নিয়ে চলছে আলোচনা ও হিসেবনিকেশ। নির্বাচনের ফলাফল কী হতে পারে, তা নিয়ে অনলাইনে শুরু হয়েছে বিভিন্ন পূর্বাভাস। সেই সঙ্গে বেড়েছে বাজির অঙ্কও। লক্ষ লক্ষ টাকার বাজি ধরা হচ্ছে, যা নজিরবিহীন বলেই মনে করছেন অনেকে।সূত্রের খবর, আমেরিকার একটি জনপ্রিয় পূর্বাভাসভিত্তিক প্ল্যাটফর্মে এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত প্রায় আটচল্লিশ লক্ষ ডলারের বাজি ধরা হয়েছে, যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় চল্লিশ কোটি টাকার কাছাকাছি। সেই বাজারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জয়ের দৌড়ে সামান্য এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। সেখানে বিজেপির জয়ের সম্ভাবনা ধরা হয়েছে প্রায় ছাপ্পান্ন শতাংশ। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের সম্ভাবনা রয়েছে প্রায় তেতাল্লিশ শতাংশ। বাম ও কংগ্রেস বা অন্যান্য দলগুলির সম্ভাবনা এক শতাংশেরও কম।তবে এই ছবিটা শুরু থেকে এমন ছিল না। এপ্রিলের গোড়ার দিকে ওই প্ল্যাটফর্মে তৃণমূল অনেকটাই এগিয়ে ছিল। তখন তাদের সম্ভাবনা ছিল প্রায় পঁচাত্তর থেকে আশি শতাংশ। প্রথম দফার ভোটের পর ছবিটা বদলাতে শুরু করে এবং বিজেপি এগিয়ে যায়। এরপর আবার একসময় তৃণমূলের পক্ষে বিপুল অঙ্কের টাকা জমা পড়ে। কিন্তু দ্বিতীয় দফার ভোটের পর আবার বিজেপি এগিয়ে যায়।তবে সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, শতাংশের হিসাবে বিজেপি এগিয়ে থাকলেও মোট লেনদেনের পরিমাণে তৃণমূল অনেকটাই এগিয়ে। তৃণমূলের পক্ষে লেনদেন হয়েছে প্রায় আঠারো লক্ষ ডলার, আর বিজেপির ক্ষেত্রে তা প্রায় এগারো লক্ষ ডলার। বিশ্লেষকদের মতে, অনেকেই হয়তো তৃণমূলের হার নিয়ে বাজি ধরছেন, অথবা বড় বিনিয়োগকারীরা একসঙ্গে বিপুল টাকা বিজেপির জয়ের উপর লগ্নি করছেন, যার ফলে শতাংশের হিসেব বদলে যাচ্ছে।অন্যদিকে দেশের বাজির বাজার আবার অন্য ছবি দেখাচ্ছে। দিল্লির বাজির বাজারের হিসেব অনুযায়ী তৃণমূল কিছুটা এগিয়ে রয়েছে। তাদের মতে, তৃণমূল পেতে পারে একশো ছেচল্লিশ থেকে একশো ঊনপঞ্চাশটি আসন, আর বিজেপি পেতে পারে একশো চল্লিশ থেকে একশো তেতাল্লিশটি আসন।এদিকে এ বারের নির্বাচনে ভোটদানের হারও রেকর্ড ছুঁয়েছে। প্রথম দফায় ভোট পড়েছে প্রায় তিরানব্বই শতাংশের বেশি। দ্বিতীয় দফায় তা ছিল একানব্বই দশমিক একচল্লিশ শতাংশ। যা দেশের নির্বাচনী ইতিহাসে বিরল ঘটনা। এখন সবার নজর ফলাফলের দিকে।

মে ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal