• ৮ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতি ২৫ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Leader,

কলকাতা

Covid: প্রয়াত ভাঙড় আন্দোলনের নেত্রী শর্মিষ্ঠা চৌধুরী

লড়াকু জীবন যে কোনও প্রতিকূল পরিস্থিতিকে চ্যালেঞ্জ করে জয়ী হয়ে ফেরাই অভ্যাসে পরিণত হয়েছিল। কিন্তু শেষমেশ কোভিডের কাছে হার মানতে হল ভাঙড়ের কৃষক আন্দোলেন নেত্রী শর্মিষ্ঠা চৌধুরীকে। করোনা পরবর্তী শারীরিক জটিলতায় ভুগে মাত্র ৩৯ বছর বয়সে প্রয়াত হলেন সিপিআইএমএল (রেড স্টার) নেত্রী। অপূরণীয় ক্ষতি, বলছেন সহযোদ্ধারা। অনেকের মতে, শর্মিষ্ঠার প্রয়াণে গণআন্দোলনের একটা পর্যায় ধাক্কা খেল।জানা গিয়েছে, গত ১ মে করোনা ভাইরাসে (Coronavirus) আক্রান্ত হন শর্মিষ্ঠা চৌধুরী। ২১ দিন পর কোভিড নেগেটিভও হয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু তারপর থেকে শরীর ক্রমশ খারাপ হতে থাকে তাঁর। শর্মিষ্ঠার সহযোদ্ধা, গণআন্দোলনের এক নেতা অসীম গিরি জানিয়েছে, শর্মিষ্ঠার বরাবরই পেটের একটা গুরুতর সমস্যা ছিল। তা প্রায়ই ভোগাত তাঁকে। করোনার ধাক্কায় শরীরের সেই সংক্রমণও ছড়িয়ে পড়ছিল। ফলে স্বাস্থ্যের অবনতি হচ্ছিল শর্মিষ্ঠার। দিন চারেক আগে এসএসকেএমে ভর্তি করানো হয় তাঁকে। সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন। রবিবার দুপুরে সেখানেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ৩৯ বছরের নেত্রী।শর্মিষ্ঠার কথা বললেই স্বাভাবিকভাবেই চলে আসে ভাঙড়ের (Bhangar) পাওয়ার গ্রিড-বিরোধী আন্দোলন প্রসঙ্গ। এই আন্দোলনেরই অন্যতম নেত্রী ছিলেন শর্মিষ্ঠা। সিপিআইএমএলের (রেড স্টারে) আরেক নেতা, শর্মিষ্ঠার স্বামী অলীক চক্রবর্তীর নেতৃত্বে সংগঠিত হয়েছিল এই আন্দোলন। কৃষিজমিতে পাওয়ার-গ্রিড তৈরি হলে তা ব্যাপক ক্ষতিকারক, ভাঙড়বাসীর মধ্যে এই সচেতনতা প্রচারের দায়িত্ব নিয়েছিলেন তাঁরা। একসময়ে ভাঙড় থেকে অলীক-শর্মিষ্ঠাকে গ্রেপ্তারও করা হয়। তাঁর মুক্তির দাবিতে সরব হয়েছিলেন সব পক্ষ। শেষপর্যন্ত অবশ্য পাওয়ার-গ্রিড বিরোধী আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে বাধ্য হয়েছিল রাজ্য সরকার। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে নো ভোট টু বিজেপি প্রচারে সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিলেন শর্মিষ্ঠা।

জুন ১৩, ২০২১
রাজ্য

বিরোধী দলনেতা বাছতে ২ কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকের উপস্থিতিতে বৈঠকে বিজেপি

দলের অভ্যন্তরে আদি-নব্য বিবাদের কথা মাথায় রেখেই বিরোধী দলনেতা নির্বাচনে বসছে গেরুয়া শিবির। বিরোধী দলনেতা কে হবেন তা নিয়ে দলীয় বিধায়কদের মতামত নিতে সোমবার কলকাতায় পরিষদীয় দলের বৈঠকে বসছে বিজেপি। এছাড়া এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফে নিযুক্ত দলের দুই পর্যবেক্ষক কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ ও দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ভূপেন্দ্র যাদব।বিরোধী দলনেতা বাছতে রবিশঙ্কর প্রসাদ ও ভূপেন্দ্র যাদবকেই দায়িত্ব দিয়েছেন অমিত শাহ ও জেপি নাড্ডারা। সেই মতো এদিন সকালে হেস্টিংস কার্যালয়ে বসবে বিজেপির পরিষদীয় দলের বৈঠক। দলের নবনির্বাচিত ৭৭ জন বিধায়ককে ডাকা হয়েছে বৈঠকে। এছাড়া, রাজ্যের শীর্ষনেতারাও থাকবেন। বৈঠকে বিধায়কদের কাছ থেকে মতামত নেওয়া হবে বিরোধী দলনেতা ঠিক করার বিষয়ে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, সবার মতামত নিয়ে ঐকমত্যের ভিত্তিতেই বিরোধী দলনেতা নির্বাচন করা হবে।এদিকে সূত্রের খবর, বিরোধী দলনেতা উপর থেকে কাউকে চাপিয়ে দিতে নারাজ বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। কারণ, রাজ্যে দলের আশানুরূপ ফল না হওয়ার পিছনে সেই আদি-নব্য দ্বন্দ্ব ফের মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। দলে নতুন আসা ব্যক্তিদের প্রাধান্য দেওয়ার ফলেই এই অবস্থা বলে দাবি আদি নেতা-কর্মীদের। তৃণমূল থেকে বিজেপিতে এসে টিকিট পেয়ে যাওয়াদের অধিকাংশই হেরে গিয়েছেন। এই দলবদলুদের ভালভাবে নেয়নি মানুষ। তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। এমনটাই মনে করছেন রাজ্য বিজেপির পুরনো নেতা-কর্মীরা। কাজেই বিরোধী দলনেতা নির্বাচন সহমতের ভিত্তিতেই করতে চায় শীর্ষনেতৃত্ব। তবে বিরোধী দলনেতা হিসাবে শুভেন্দু অধিকারীর পাল্লাই ভারী বলে মনে করা হচ্ছে। মুকুল রায়ের নাম প্রথমে থাকলেও মুকুলবাবুর শরীর ভাল নেই। বিরোধী দলনেতা হলে সারা রাজ্যজুড়েই ছুটে বেড়াতে হবে। মুকুল রায়ের পক্ষে সেই ছোটাছুটি সম্ভব নয়। কারণ তাঁর শরীর ঠিক নেই। কিন্তু রাজ্য বিজেপির পুরনো নেতৃত্বের একটা বড় অংশই আবার চাইছে মনোজ টিগ্গাকেই বিরোধী দলনেতা করা হোক। মাদারিহাটের বিধায়ক মনোজ টিগ্গা এবারও জয়ী হয়েছেন। এর আগে পরিষদীয় দলের নেতাও তিনি ছিলেন।

মে ১০, ২০২১
রাজ্য

'নগরের নটী' পায়েল-তনুশ্রীদের হার নিয়ে বিজেপিকে তোপ তথাগতর

বেহিসেবি মন্তব্যে অনেক কাল ধরেই তাঁর বেশ নামডাক। তবে এত দিন তথাগত রায়ের সেই সব মন্তব্য ধাবিত হত বিজেপি-বিরোধীদের প্রতি। কিন্তু বঙ্গ দখলের লড়াই শেষ হতে সেই তথাগত রায়ের দিকে তোপ এ বার ধেয়ে গেল দলীয় নেতৃত্বের দিকে। বিজেপি-র তারকা প্রার্থীদের একাংশকে নাম করে নগরীর নটী বিশেষণ দেওয়া হোক বা দলীয় নেতৃত্বকে প্রভু হিসেবে উল্লেখ করা বাছা শব্দচয়নে শুধু কটাক্ষই নয়, বিজেপি নেতৃত্বকে প্রশ্নবাণেও বিদ্ধ করেছেন তিনি।মঙ্গলবার বিজেপি-র বর্ষীয়ান নেতা তথাগত টুইট করে দলের তিন তারকা প্রার্থী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়, পায়েল সরকার ও তনুশ্রী চক্রবর্তীকে টিকিট দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ওই তিন প্রার্থীর কার্যকলাপ নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি দিলীপ ঘোষ, কৈলাস বিজয়বর্গীয়, শিব প্রকাশ, অরবিন্দ মেননের ভূমিকাকেও জিজ্ঞাসাচিহ্নের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছেন তিনি। তথাগত মঙ্গলবার সকালে টুইট করেন। সেখানে তিনি লেখেন, পায়েল, শ্রাবন্তী, পার্নো ইত্যাদি নগরীর নটীরা নির্বাচনের টাকা নিয়ে কেলি করে বেড়িয়েছেন আর মদন মিত্রর সঙ্গে নৌকাবিলাসে গিয়ে সেলফি তুলেছেন তাঁদেরকে টিকিট দিয়েছিল কে? কেনই বা দিয়েছিল? দিলীপ-কৈলাশ-শিবপ্রকাশ-অরবিন্দ প্রভুরা একটু আলোকপাত করবেন কি?এর পর তিনি আর একটি টুইট করে আগের বক্তব্যে একটু সংশোধন করেন। সেখানে তিনি জানান, পার্নো নয় ওই নামটি তনুশ্রী চক্রবর্তী হবে। তিনি প্রথমে ভুল করে লিখে ফেলেছিলেন বলে জানিয়েছেন তথাগত। রাজনীতিতে পোড় খাওয়া তথাগতর বেহিসেবি মন্তব্য নিয়ে আগেও বিতর্ক হয়েছে। বিরোধীদের উদ্দেশে তাঁর মন্তব্য নিয়ে আগেও বহু বার সমালোচিত হয়েছেন তিনি। এ বার দলের দিকে তোলা তাঁর প্রশ্নে রীতিমতো অস্বস্তিতে দল। প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য না করলেও বিজেপি নেতাদের তরফে জানানো হয়েছে, এটা তথাগতর নিজের বক্তব্য। দলের মন্তব্য নয়।

মে ০৪, ২০২১
রাজ্য

আইকোর মামলায় এবার মানস ভুঁইঞাকে তলব ইডির

পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পর এবার ভুয়ো আর্থিক সংস্থা আইকোর মামলায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তলব পেলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ মানস ভুঁইঞা। সূত্রের খবর, তাঁকে নোটিস পাঠানো হয়েছে। আগামী শুক্রবারের মধ্যে ইডি দপ্তরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ রয়েছে ওই নোটিসে। পাশাপাশি, একই মামলার তদন্তে তলব করা হয়েছে মদন মিত্রর ছেলে স্বরূপ মিত্রকে। তাঁকে ২৩ তারিখ ডেকে পাঠানো হয়েছে বলে খবর। যদিও ইডির এই নোটিস প্রাপ্তি নিয়ে কেউই কোনও প্রতিক্রিয়া জানাননি।এর আগে বুধবার রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী তথা বেহালা পশ্চিমের তৃণমূল প্রার্থী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কেও আগামী সপ্তাহে ইডি দপ্তরে হাজিরা দেওয়ার জন্য নোটিস পাঠানো হয়েছিল। সেই আইকোর মামলাতেই তাঁকে তলব করা হয়েছে। পাশাপাশি, কলকাতা পুরসভার এক বিদায়ী কাউন্সিলরকেও নোটিস পাঠানো হয়েছে। এর আগেও পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। তবে নির্বাচনী ব্যস্ততার কারণে তিনি পরে দেখা করবেন বলে জানিয়েছিলেন। সূত্রের খবর, আইকোরের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে পার্থ ও বাপ্পাদিত্যকে মঞ্চে দেখা গিয়েছিল। চিটফান্ড সংস্থাটির সঙ্গে তাঁদের আর্থিক কোনও লেনদেন ছিল কি না, তা জানতেই ডেকে পাঠানো হয়েছে।এবার আইকোর মামলায় ইডির সেই তালিকায় যুক্ত হলেন মানস ভুঁইঞাও। তাঁকে এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে তদন্তকারীদের মুখোমুখি হওয়ার জন্য। পাশাপাশি, তৃণমূলের আরেক নেতা মদন মিত্রর ছেলে স্বরূপকেও ডেকে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থাটি। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত, রাজ্যে নির্বাচন চলাকালীন কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি এভাবে বিভিন্ন মামলায় শাসকদলের নেতাদের স্ক্যানারে এনে চাপ তৈরির চেষ্টা করছে। আইকোর মামলায় ইডির নোটিস পেয়ে কি মানস ভুঁইঞা সরাসরি তদন্তকারীদের মুখোমুখি হবেন নাকি অন্যভাবে সাড়া দেবেন, সেদিকেই নজর ওয়াকিবহাল মহলের।

এপ্রিল ১৬, ২০২১
কলকাতা

খুন নয়, আত্মহত্যাই করেছেন দিনহাটার বিজেপি নেতা, রিপোর্ট বিবেক দুবের

খুন বা রাজনৈতিক অশান্তিতে মৃত্যু নয়, দিনহাটার বিজেপি নেতা আত্মহত্যাই করেছেন। সূত্রের খবর, ভোটের আগে শাসকদলকে কার্যত স্বস্তি দিয়ে রাজ্য কমিশনের তরফে নিযুক্ত পুলিশ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে এমনই রিপোর্ট দিলেন। অর্থাৎ পুলিশ পর্যবেক্ষকের রিপোর্টে বিজেপি নেতাদের অভিযোগ কার্যত খারিজ হয়ে গেল। এখন এই রিপোর্টের ভিত্তিতেই নির্বাচন কমিশন বিষয়টি দেখবে।গত বুধবার সকালে দিনহাটা শহর মণ্ডলের বিজেপি সভাপতি অমিত সরকারের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। বিজেপি কার্যালয়ের লাগোয়া পশু চিকিৎসালয়ের বারান্দায় তাঁর ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান প্রাতঃভ্রমণকারীরা। তাঁকে খুন করে দেহ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগে সরব হয় বিজেপি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকে দিনহাটায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশকে দেহ উদ্ধার করতে বাধা দেয় বিজেপি কর্মীরা। পরে অবশ্য দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায় পুলিশ। এদিকে, এই ঘটনায় রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখানো শুরু করেন দলীয় কর্মীরা। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ঘটনাস্থলে যান দিনহাটার বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিক। সেখানকার তৃণমূল প্রার্থী তথা বিদায়ী বিধায়ক উদয়ন গুহর বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা। এই গুঞ্জনও শোনা যায়, তিনি এবার ভোটে প্রার্থী হতে না পেরে অবসাদে আত্মহত্যা করেছেন। ঘটনার জেরে পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে নির্বাচন কমিশনও নড়েচড়ে বসে। এ রাজ্যে নিযুক্ত দুই পুলিশ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে, অজয় নায়েককে। কমিশনের নির্দেশ পাওয়া মাত্রই তাঁরা কপ্টারে পৌঁছে গিয়েছিলেন এলাকায়। বিজেপির মণ্ডল সভাপতি অমিত সরকারের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা। কথা বলেন তাঁর দেহের ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকের সঙ্গে। সমস্ত রিপোর্ট খতিয়ে দেখে সোমবার তাঁরা কমিশনকে রিপোর্ট পাঠান।

মার্চ ২৯, ২০২১
রাজ্য

কাল নির্বাচনী প্রচারে একাধিক রোড শো করবেন মিঠুন চক্রবর্তী

আচমকাই রাজনীতির জগতে ফিরে এসেছেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। যোগ দিয়েছেন গেরুয়া শিবিরে। এর পর থেকেই বাংলার অলি-গলিতে একটাই প্রশ্ন, ভোটে দাঁড়াচ্ছেন অভিনেতা? বিজেপির অন্দরের খবর বলছে, একুশের নির্বাচনে খাস কলকাতার আসনে প্রার্থী হচ্ছেন বাংলার মানুষের এক সময়ের হার্টথ্রব মিঠুন চক্রবর্তী। তিনি ভোটে লড়তে পারেন কাশীপুর-বেলগাছিয়া আসন থেকে। যদিও এই সিদ্ধান্তে এখনও চূড়ান্ত সিলমোহর পড়েনি। এরইমধ্যে বঙ্গে রোড শো করতে আগামিকাল আসছেন মিঠুন চক্রবর্তী। বিজেপি সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার ছাতনা, সালতোড়া, ঝাড়গ্রাম, রায়পুরে রোড শো করবেন তিনি। সকাল ৯টা ৫ মিনিট নাগাদ ছাতরা বাংলার মঠ হেলিপ্যাডে নামবেন মিঠুন। এরপর বান আসুরিয়া, সালতোড়া, মেজিয়া, দুর্লভপুরে রোড শো করবেন। দুপুর ২ টো ১৫ মিনিটে সারদা বিদ্যাপীঠ রামকৃষ্ণ বিদ্যালয় থেকে জামদা পেট্রোল পাম্প পর্যন্ত রোড শো করবেন। বিকেল ৪ টে ১০ মিনিট নাগাদ সারেঙ্গা দোবিন্দপুর পাম্প মোড় থেকে সারেঙ্গা চৌরাস্তা , এলাহাবাদ ব্যাংক মোড় পর্যন্ত পথসভা করবেন। সূত্রের খবর, ২৮ মার্চও ইন্দাস ও কেশপুরে বেশ কয়েকটি রোড শো করবেন মিঠুন চক্রবর্তী।

মার্চ ২৪, ২০২১
কলকাতা

দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা দিলেন রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব

সর্বশেষ খবর যা শোনা যাচ্ছে, বৃহস্পতিবার বাংলার বিধানসভা ভোটের জন্য প্রথম পর্যায়ের প্রার্থীদের তালিকা ঘোষণা করবে বিজেপি। কারণ, দলের লক্ষ্য, প্রথম দুদফার ভোটে যাঁরা প্রার্থী, তাঁদের আগামী রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ব্রিগেড সমাবেশে হাজির করা।বিজেপি-র রীতি অনুযায়ী দিল্লি থেকেই ঘোষণা করা হবে প্রার্থীদের নাম। সেই কারণে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দিল্লিতে দলের সংসদীয় কমিটি বৈঠকে বসবে। তাতে যোগ দিতে বুধবার কলকাতা থেকে রওনা দিলেন রাজ্য বিজেপি-র শীর্ষনেতৃত্ব। দুপুর পর্যন্ত জানা ছিল, সেই বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন না রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু সন্ধ্যায় দিল্লিগামী চার্টার্ড বিমানে ওঠেন তিনিও। শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গিয়েছে, অমিত শাহ তাঁকে ডেকে পাঠিয়েছেন।প্রার্থিতালিকা চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে সোম-মঙ্গল-বুধ তিন দিন রাজ্য নেতারা দফায় দফায় বৈঠক করেন। আদি ও নব্য বিজেপি নেতা-কর্মীদের সমান গুরুত্ব দিয়ে প্রাথমিক তালিকা তৈরির কাজ চলে। কিন্তু আগে থেকেই ঠিক ছিল, সেই তালিকা চূড়ান্ত করবেন অমিত। তিনিই ঠিক করবেন ২৯৪টি বিধানসভা আসনে কোথায় কে প্রার্থী হবেন। বিজেপি সূত্রে বৃহস্পতিবার বিকেলে জানা যায়, দিল্লিতে তালিকা চূড়ান্ত করার বৈঠকে যোগ দিতে যাচ্ছেন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, কেন্দ্রীয় নেতা শিবপ্রকাশ, কৈলাস বিজয়বর্গীয়, অরবিন্দ মেনন, মুকুল রায়। যাচ্ছেন রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) অমিতাভ চক্রবর্তী ও সদ্য তৃণমূল থেকে বিজেপি-তে যোগ দেওয়া রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়।এক শুভেন্দু-ঘনিষ্ঠ জানিয়েছেন, ফোন করে অমিত শুভেন্দুকে অতি অবশ্যই দিল্লি যেতে বলেন। জানান, বৃহস্পতিবারের বৈঠকে তাঁর উপস্থিত থাকা গুরুত্বপূর্ণ। এর পরেই রাজ্য নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে দিল্লি যাওয়ার কথা জানান শুভেন্দু। রাত ৮ টায় কলকাতা বিমানবন্দর থেকে বাকিদের সঙ্গেই বিমানে ওঠেন তিনি।

মার্চ ০৩, ২০২১
কলকাতা

কোকেন-সহ গ্রেপ্তার বিজেপি যুব নেত্রী

মাদক-সহ গ্রেপ্তার বিজেপি যুব মোর্চা নেত্রী পামেলা গোস্বামী। নিউ আলিপুর থেকে কয়েক লক্ষ টাকার কোকেন উদ্ধার করা হয়েছে তাঁর থেকে। গ্রেপ্তার হয়েছেন তাঁর সঙ্গী প্রবীর দে-ও। জানা গিয়েছে, শুক্রবার নিউ আলিপুরে নিজের আবাসনের কাছে গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য পামেলা যান। সেখানেই তাঁকে হাতেনাতে ধরা হয়। নিউ আলিপুর থানার পুলিশ তাঁর গাড়ি থেকে প্রায় ১০০ গ্রাম কোকেনের প্যাকেট পেয়েছেন বলে দাবি পুলিশের।এ নিয়ে এখনও বিজেপির তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।হুগলি জেলা বিজেপি যুব মোর্চার পর্যবেক্ষক পামেলা গোস্বামী। তাঁর বিরুদ্ধে বেআইনিভাবে মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ ছিলই। পুলিশ বিষয়টি নিয়ে খোঁজখবর করছিল। এদিন নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে নিউ আলিপুরের এনআর অ্যাভিনিউ দিয়ে যাওয়ার সময়ে পামেলার গাড়ি ধাওয়া করে জালে আনা হয় বিজেপি যুব নেত্রীকে। পুলিশ সূত্রে খবর, প্রায় ৮ টি গাড়ি করে তাঁকে চারপাশ থেকে ঘিরে ধরা হয়। এরপর আর বিজেপি নেত্রীর পালানোর পথ ছিল না। পামেলাকে যিনি মাদক সরবরাহ করতেন, সেই প্রবীর দে-ও বিজেপি নেতা বলে পরিচিত। শুক্রবার দুপুরের রাস্তায় গাড়ি ধাওয়া করে পামেলাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তল্লাশির সময়ে নেত্রী পামেলার হাতব্যাগ, গাড়ি থেকে উদ্ধার হয় কোকেন।পুলিশ সূত্রে খবর, লক্ষ লক্ষ টাকার কোকেন-সহ অন্যান্য মাদক পাচারের নাম জড়াচ্ছিল বিজেপি যুব নেত্রীর। চুপিসাড়েই কুকীর্তি চালিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। খাস কলকাতায় বসেই তিনি দিব্যি পাচার করছিলেন। সঙ্গী বিজেপি নেতা প্রবীর দে তাঁকে মাদক সরবরাহ করতেন বলে খবর। তবে শেষরক্ষা আর হল না।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২১
কলকাতা

শুধুই সৌজন্য সাক্ষাৎ?

বিজেপি নেতা অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায় মঙ্গলবার সাক্ষাৎ করেন অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে। তাঁর হাতে তুলে দেন নিজের লেখা বই অমিত শাহ অ্যান্ড দ্য মার্চ অফ বিজেপি। জানা গিয়েছে দুজনের মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ ধরে চলে কথপোকথন। এটি নিছকই সৌজন্য সাক্ষাৎ, না কি এর পিছনে অন্য কোনও রাজনৈতিক গল্প রয়েছে সেটি অবশ্য সময়ই বলবে। উল্লেখ্য, এদিনই সকালে মুম্বইয়ে মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তীর বাড়িতে দেখা করতে যান সঙ্ঘ প্রধান মোহন ভগবৎ। যদিও এটি সম্পুর্ণ সৌজন্য সাক্ষাৎ বলা হচ্ছে, কিন্তু বঙ্গে বিধানসভা ভোটের আগে বাংলার অন্যতম আইকনের বাড়িতে আরএসএস প্রধানের যাওয়াকে শুধুই সৌজন্য সাক্ষাৎ বলে মানতে চাইছে না রাজনৈতিক মহল। তেমনই প্রসেনজিৎ-এর বাড়িতে বিজেপি নেতার এই আগমণ শুধুই সৌজন্য সাক্ষাৎ নয় বলেও মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২১
কলকাতা

মণীশ খুনে গ্রেপ্তার শার্পশুটার

অবশেষে পুলিশের জালে বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লা খুনে অভিযুক্ত শার্প শুটার অনীশ ঠাকুর। তামিলনাড়ুতে একটি ডাকাতি ঘটনায় তাঁকে আটক করে সে রাজ্যের পুলিশ। লালবাজার সূত্রে খবর, অনীশকে রাজ্যে আনতে সিআইডি টিম যাচ্ছে।সূত্রের খবর, মণীশ শুক্লাকে হত্যার পর দেশের দক্ষিণের রাজ্যগুলোতে গা ঢাকা দীয়েছিল অনীশ। শেষমেশ তামিলনাড়ুতে দুষ্কৃতীদের একটি গ্যাংয়ে শামিল হয়ে যায় সে। সেখানেই একটি ডাকাতির চেষ্টা চালায় ওই সমাজবিরোধীরা। কিন্তু এবার আর ভাগ্য সঙ্গ দেয়নি অনীশের। পুলিশের জালে ধরা পড়ে সে। পরিচয় যাচাই করে তামিলনাড়ু পুলিশ জানতে পারে যে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি নেতা খুনের ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত অনীশ। তারপরই বিষয়টি জানানো হয় লালবাজারকে। ধৃতকে ট্রানজিট রিমান্ডে রাজ্যে আনতে কলকাতা থেকে আজই সিআইডি টিম তামিলনাড়ু যাচ্ছে বলে খবর।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২১
রাজ্য

শালিমারে গুলি করে খুন করা হল তৃণমূলের যুব নেতাকে

আবারও প্রকাশ্যে গুলি করে খুনের ঘটনা ঘটল হাওড়ায়। এই নিয়ে তৃতীয় বার এমন ঘটনার স্বাক্ষী থাকল হাওড়া। হাওড়ার বোটানিক্যাল থানা এলাকার বাসিন্দা, পেশায় প্রমোটার ধর্মেন্দ্র সিং(৪৫) কে পেছন থেকে বাইকে করে এসে গুলি চালিয়ে খুন করে দূষ্কৃতিরা। মঙ্গলবার বিকেল চারটে নাগাদ এই ঘটনা ঘটে শালিমার ৩নম্বর গেটের কাছে। এই ঘটনার পেছনে চক্রান্তের অভিযোগ তুলছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। একের পর এক প্রকাশ্যে খুনের ঘটনা ঘটেছে হাওড়ায়। মঙ্গলবার বিকেলে সেই ঘটনারই পুনরাবৃত্তি ঘটল শালিমারে। স্থানীয় ও পুলিশসূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন বিকেল চারটে নাগাদ ধর্মেন্দ্র সিং বাইক চালিয়ে বাড়ি যাচ্ছিলেন, পেছনে ছিলেন এক সঙ্গী যুবক। শালিমার ৩নম্বর গেটের কাছে ব্রীজে ওঠার সময়ে পেছন থেকে তিনটি বাইক নিয়ে দূষ্কৃতিরা এসে তাঁকে লক্ষ করে পর পর ছটি গুলি চালায়। রক্তাক্ত অবস্থায় সেখানেই মাটিতে পড়ে যান ধর্মেন্দ্র, হাতে গুলি লাগে তাঁর সঙ্গীর। দ্রুত গতিতে বাইক চালিয়ে চম্পট দেয় দূষ্কৃতিরা। স্থানীয়রা তাঁকে তুলে নিয়ে আন্দুল রোডের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে পরে সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। স্থানীয়সুত্রে জানা গিয়েছে শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুলির ক্ষত হওয়ার পাশাপাশি মাথাও গুলি লাগে ধর্মেন্দ্রের। এই ঘটনার জেরে এলাকায় থাকা তিনটি বাইকে আগুন লাগিয়ে দেয় উত্তেজিত জনতা। ভাঙচুর চালানো হয় কয়েকটি দোকানে। ভাঙচুরের হাত থেকে বাদ যায়নি বাসও। স্থানীয় বাসিন্দা রঞ্জিত কুমার চৌধুরী জানান, বিকেল চারটে নাগাদ ছটি গুলির শব্দ শুনে ছুটে আসেন তিনি। এসে দেখেন রাস্তায় পড়ে রয়েছেন ধর্মেন্দ্র। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ দেখে দূষ্কৃতিদের খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ। এই প্রসঙ্গে হাওড়া সদরের তৃণমূলের চেয়ারম্যান তথা রাজ্যের সমবায় মন্ত্রী অরূপ রায় বলেন, ধর্মেন্দ্র যুব তৃণমূলের কর্মী ছিলেন। এই ঘটনার পেছনে একটা চক্রান্ত আছে, তারমধ্যে বিরোধী দলের হাতও থাকতে পারে। শালিমার এলাকায় দলের নেতৃত্বও দিতেন ধর্মেন্দ্র।মানুষের সেবামূলক কাজে যুক্ত ছিলেন। তিনি আরও জানান , পুলিশকে বলা হয়েছে দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে। এই ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপির হাওড়া সদর সভাপতি সুরজিৎ সাহা জানান, গত ১৬ আগস্ট বেলিলিয়াস রোডে তৃণমূলেরই একটি রক্তদান শিবিরে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঢুকেছিল এই ধর্মেন্দ্র। তাঁকে পুলিশ গ্রেফতার করেছিল। সুরজিৎ আরও বলেন, ওই নেতা এলাকায় তোলাবাজি ও সিন্ডিকেট চালাতো। তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফলেই ধর্মেন্দ্র সিংয়ের মৃত্যু হয়েছে।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২০
রাজনীতি

কোচবিহারকে রক্ষা করুন, নইলে বাংলা রক্ষা পাবে না, বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে কোচবিহার আসনে হারতে হয়েছিল দলকে। জিতেছিলেন তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়া নিশীথ প্রামাণিক। বুধবার কোচবিহারে দলীয় জনসভার মঞ্চ থেকে নাম করে সেই প্রসঙ্গের উল্লেখ করে বিজেপিকে বিঁধলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন তিনি বলেন, লোকসভা নির্বাচনে ভোটে জিতে অশান্তি করছে বিজেপি। শান্ত কোচবিহারকে অশান্ত করার চেষ্টা চলছে। নিশীথ প্রামাণিকের নাম না করে এদিন মমতা বলেন, আমরা যাকে তাড়িয়ে দিয়েছিলাম বিজেপি তাঁকে নিয়ে এসেছে। যেন পুরনো বোতলে নতুন মদ। যে জিতেছে সে এখন গুণ্ডামি করছে। আরও পড়ুন ঃ নাম না করে দলের বিদ্রোহীদের আক্রমণ মমতার এখানেই থামেননি মুখ্যমন্ত্রী। বলেছেন বিজেপি, ভেদাভেদ, ভাগাভাগির রাজনীতি করছে। রাজবংশী- বাঙ্গালিদের মধ্যে ঝামেলা বাঁধাতে চাইছে। রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষকেও এদিন আক্রমণ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেছেন, নাম নিতেও লজ্জা করে। বলছে ডিসেম্বরের পর মারবে। ওদের মুখে খালি ভাংচুর-মারামারির কথা, খাদ্য-বস্ত্রের কথা নেই। বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতাদের এদিন ফের বহিরাগত বলেছেন তিনি। বলেছেন, বিজেপি বহিরাগতদের রাজ্যে আনছে। আরএসএস গুণ্ডারা রাজ্যে আসছে। চম্বলের ডাকাত আসছে। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে সমর্থনের আবেদন এদিন কোচবিহারবাসীকে জানিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। বলেছেন, লোকসভা ভোটে আমাদের ভোট দেন নি। তাতে আমার কোনও অভিমান নেই। কিন্তু বিধানসভা নির্বাচনে কোচবিহারকে ওদের হাত থেকে রক্ষা করুন। কোচবিহার থেকেই শুরু হয় বাংলা। কোচবিহার রক্ষা না পেলে বাংলাও রক্ষা পাবে না।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২০
রাজ্য

সুব্রত বক্সি-কেষ্টকে ফোন করছে বিজেপি, বিস্ফোরক মমতা

কোচবিহারে দলীয় জনসভার মঞ্চ থেকে দাঁড়িয়ে বিজেপি নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, দলের রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ সুব্রত বক্সি ও বীরভূমে দলের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে ফোন করেছেন বিজেপি নেতারা। তাঁর কথায়, বিজেপি কোথায় গেছে বুঝুন। ওদের এতটুকু সৌজন্যতা বোধ নেই। আমার দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সিকে ফোন করেছিল বিজেপির এক নেতা। বলছে, আপনার সঙ্গে কথা আছে, বসতে চাই। কেষ্টকেও ফোন করেছিল দিল্লি থেকে। কেষ্ট আমাকে কাল ফোন করে বলল, দিদি আমাকে বলছে আপনার সঙ্গে বসতে চাই। কেষ্ট বলে দিয়েছে আমি তৃণমূল করি, আপনাদের সঙ্গে বসব কেন? আরও পড়ুন ঃ সিদ্ধান্ত নিয়েছি, বললে চলে যাব , ফের বেসুরো জিতেন্দ্র এদিন জাতীয় সঙ্গীত বদল বিতর্ক নিয়েও মুখ খুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেছেন, বিজেপি বলছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জনগনমণ বদলে দেবে। জাতীয় সঙ্গীত বদলে দেবে। যেন হাতের মোয়া। ক্ষমতা থাকলে বদলে দেখাক। ওরা রবীন্দ্রনাথকেও জানে না। কবে কোথায় রবিঠাকুরের জন্ম জানে না। বলছে বিশ্বভারতী নাকি রবি ঠাকুরের জন্মস্থান! বুধবার কোচবিহারের রাসমেলা ময়দানের জনসভা থেকে বিজেপির উদ্দেশ্যে হুঙ্কার ছেড়ে তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, চলে আসুন যুদ্ধ হয়ে যাক, রাজনৈতিক যুদ্ধ। আপনাদের সঙ্গে থাকবে গুণ্ডা, আমাদের সঙ্গে মানুষ। দেখি কারা যেতে। মমতা এদিন দাবি করেন, তিনি রাজবংশী, অলচিকি ভাষা জানেন। এই দুই ভাষায় তিনি কবিতা লিখেছেন।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২০
রাজ্য

পিসি-ভাইপো ক্ষমতায় টিকে থাকতে একের পর এক খুন করাচ্ছে , অভিযোগ রাজুর

পূর্বস্থলীর বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় সোমবার সকাল থেকে কালনা-কাটোয়া রাজ্যসড়কে অবরোধে শামিল হলেন রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়। কালনা-কাটোয়া রাজ্য সড়কের বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন দেখায় বিজেপি কর্মীরা। জ্বালানো হয় টায়ার। পূর্বস্থলীতে পথে বসে শাসকদলের বিরুদ্ধে সুর চড়ান বিজেপি নেতা রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে তিনি বলেন, পিসি-ভাইপো ক্ষমতায় টিকে থাকতে একের পর এক খুন করাচ্ছে। এভাবে চলতে পারে না। এই গুণ্ডারাজ আমরা শেষ করবই। মন্ত্রী স্বপন দেবনাথকে মাফিয়া বলে কটাক্ষ করেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ আসানসোলের জন্য কেন্দ্রের স্মার্ট সিটির অর্থ না পেয়ে ফিরহাদকে চিঠি জিতেন্দ্রর প্রসঙ্গত, শুক্র বার বিকেলে বিজেপির আর নয় অন্যায় কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন পূর্বস্থলী উত্তর বিধানসভার ৩৮ নং মণ্ডলের সক্রিয় বিজেপি কর্মী, চাঁদপুরের বাসিন্দা শুকদেব। চাঁদপুর থেকে জামালপুর পর্যন্ত মিছিল করে বাড়ি ফেরেন তিনি। সন্ধের পর ফের বেরিয়ে যান বাড়ি থেকে। তারপর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন। এরপর রবিবার দুপুরে স্থানীয় একটি পুকুর থেকে উদ্ধার হয় তাঁর মৃতদেহ। খবর দেওয়া হয় পুলিশে। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের পর তা শুকদেবের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২০
রাজনীতি

হালিশহরে নৃশংস খুন বিজেপি কর্মী, বদলার হুঁশিয়ারি

উত্তর ২৪ পরগনার হালিশহরে গৃহ সম্পর্ক অভিযান কর্মসূচি চলাকালীন নৃশংসভাবে খুন হয়েছেন বিজেপির স্থানীয় বুথ সভাপতি সৈকত ভাওয়াল। বিজেপির অভিযোগ, শনিবার বীজপুরে হালিশহরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে গৃহ সম্পর্ক অভিযান কর্মসূচির সময় তাঁদের কর্মীদের ওপর হামলা চালায় তৃণমূলী দুষ্কৃতীরা। এই হামলায় মৃত্যু হয়েছে সৈকতের। সে ছিল স্থানীয় ৪২ নম্বর বুথের বিজেপির সভাপতি। আক্রমণের ঘটনায় প্রায় ৭ জন বিজেপি কর্মী গুরুতর জখম হয়েছেন বলে বিজেপির দাবি। এদিকে তৃণমূল কংগ্রেস বিজেপির এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। বীজপুরের বিধায়ক তথা বিজেপি নেতা শুভ্রাংশু রায়ের অভিযোগ, হালিশহরে দলের কর্মীরা যখন গৃহ সম্পর্ক কর্মসূচি পালন করছিল তখন তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁদের ওপর হামলা চালায়। এই আক্রমণেই মৃত্যু হয়েছে বুথ সভাপতি সৈকত ভাওয়ালের। বেশ কয়েকজন গুরুতর জখম হয়েছেন। তাঁদের জহরলাল নেহেরু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন। এই ঘটনার প্রতিবাদে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে বিজেপি জানান তিনি। শুভ্রাংশু বলেন, মুখে খুনের কথা বলতে পারব না। তবে যাঁর কোল খালি হল সে তো ছেড়ে দেবে না। বদলা হবে।

ডিসেম্বর ১২, ২০২০
রাজনীতি

জানুয়ারি মাস থেকে বাংলাদেশি শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবেঃ কৈলাস বিজয়বর্গীয়

ধর্মের কারণে অত্যাচারের শিকার হয়ে যাঁরা বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে এদেশে এসেছেন, তাঁদের নাগরিকত্ব দেওয়ার কাজ শুরু করবে মোদী সরকার। জানুয়ারি মাস থেকে বাংলাদেশি শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে, শনিবার বারাসতে আর নয় অন্যায় কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে এমনই মন্তব্য করেন কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়। তিনি আরও বলেন, মোদি সরকার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল সেটা তারা অবশ্যই পালন করবে। রাজ্য সরকার বিরোধিতা করলেও নাগরিকত্ব দেওয়া থেকে আটকে রাখতে পারবে না। জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশি শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার কাজ শুরু হবে। তৃণমূল কংগ্রেসের সরকার শুধু ৩০ শতাংশ মানুষকে নিয়ে ভাবনা চিন্তা করছে। বাকি ৭০ শতাংশ মানুষের দিকে তাকাচ্ছেই না। আরও পড়ুন ঃ পূর্ব মেদিনীপুরের দুই ব্লক সভাপতিকে সরিয়ে দিল তৃ্ণমূল নেতৃত্ব কৈলাস বিজয়বর্গীয় বলেন, দেশের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গেই কৃষকদের উপর সবচেয়ে বেশি অত্যাচার চলছে। সিন্ডিকেট রাজ চলছে এখানে। কৃষকদের উপর শোষণ চলছে। বাংলার কৃষকরা সবচেয়ে বেশি শোষিত। এই তৃণমূল সরকারের উপর রাজ্যবাসী নারাজ। বাংলার মানুষের সমর্থনে আছে বিজেপি। তাঁর কথায়, এই সরকারের উপর মন্ত্রীরাও নারাজ। বর্ষীয়ান নেতারা অসন্তুষ্ট। শুভেন্দু-ই তার উদাহরণ। পাশাপাশি তাঁর আরও দাবি, সংখ্যালঘুরাও বাংলায় তৃণমূল সরকারের উপর নারাজ। কারণ কেউ দুর্নীতি, ভ্রষ্টাচারকে সমর্থন করে না। এছাড়াও তিনি বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনসংযোগ করেন। হাতে হাতে লিফলেট দিয়ে সোনার বাংলা গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২০
দেশ

কৃষকদের সম্মান ও মর্যাদা দেওয়ার জন্য কেন্দ্রকে অনুরোধ অধীরের

আমাদের দেশকে যাঁরা খাবার জোগান দেন, তাঁদের অবশ্যই যথাযোগ্য সম্মান ও মর্যাদা দেওয়া উচিত। বৃহস্পতিবার দিল্লিতে আন্দোলনরত কৃষকদের সমর্থনে টুইট করেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি তথা সাংসদ অধীররঞ্জন চৌধুরী। এদিন কৃষকদের সমর্থনে টুইট করে অধীর চৌধুরী লিখেছেন, হাজারে হাজারে কৃষক প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। সপ্তাহের উপর ধরে তাঁরা দিল্লীগামী বিভিন্ন রাস্তার উপর বসে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। আমাদের দেশকে যাঁরা খাবার জোগান দেন, তাঁদের অবশ্যই যথাযোগ্য সম্মান ও মর্যাদা দেওয়া উচিত। আরও পড়ুন ঃ নয় বছরে দিদির বাংলায় কৃষকদের রোজগার দ্বিগুণ বেড়েছেঃ ডেরেক তিনি লিখেছেন, খোলা আকাশের নীচে তাঁরা বসে রয়েছেন। দিনের পর দিন ধরে তাঁরা সমস্তরকম অসুবিধার মধ্যে দিল্লির হাড়কাঁপানো ঠান্ডা সহ্য করে চলেছেন। আমি সরকারের কাছে আবেদন জানাচ্ছি, যত দ্রুত সম্ভব কৃষকদের সমস্যার সমাধান করুক। প্রসঙ্গত, কেন্দ্রের কৃষি আইনের বিরোধিতায় পথে নেমেছেন কৃষকরা। তাঁরা অবিলম্বে নয়া কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। আইন প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে তাদের পক্ষ থেকে।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২০
কলকাতা

বিজেপি নেতার যোগ তৃণমূলে

মঙ্গলবার বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করলেন লিওস কুজুর। ২০১৬-তে কুমারগ্রাম বিধানসভা থেকে বিজেপির প্রতীকে প্রার্থী ছিলেন তিনি। মঙ্গলবার তৃণমূলের তরফ থেকে সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত হয়েছিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। মন্ত্রীর হাত ধরে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করলেন বিজেপি নেতা লিওস কুজুর। তিনি জানান, শাসকদল আদিবাসীদের উন্নয়নে একাধিক উন্নয়নমূলক কাজ করে চলেছে। তাতে সন্তুষ্ট হয়েই আদিবাসী মানুষেরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর ভরসা করতে পাকরছেন। মানুষের স্বার্থে তৃণমূলে যোগদান করলাম। আরও পড়ুন ঃ মাঝেরহাট ব্রিজের নাম জয় হিন্দ, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর দীর্ঘদিন ধরে শ্রমিক আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত লিওস কুজুর। ২০১৬-তে উত্তরবঙ্গের কুমারগ্রাম বিধানসভার বিজেপির টিকিটে প্রার্থী হয়েছিলেন। প্রসঙ্গত, প্রতিদিনই বিজেপির তরফ থেকে বলা হচ্ছে, তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে আসার জন্য অনেকে মুখিয়ে রয়েছে। ঠিক সেসময় শ্রমিক ও আদিবাসীদের নেতার বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ডিসেম্বর ০১, ২০২০
কলকাতা

বিজেপির মিছিলকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র তারাতলা

মাঝেরহাট ব্রিজ খোলার দাবিতে তারাতলায় বিজেপির মিছিলে ধুন্ধুমার। পুলিশ মিছিল আটকালে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে তাদের তুমুল বচসা শুরু হয়ে যায়। বেঁধে যায় ধস্তাধস্তিও। ব্যাপক লাঠিচার্জ করা হয়। একাধিক বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার তারাতলা মোড় থেকে মাঝেরহাট পর্যন্ত মিছিলের কর্মসূচি ছিল। কিন্তু মিছিল শুরু হওয়ার আগেই তা আটকে দেয় পুলিশ। পুলিশ ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। এরপরই তারাতলা মোড়ে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করে বিজেপি। তাঁদেরও বিক্ষোভ থেকে উঠিয়ে দেয় পুলিশ। পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে মিছিল এগোনর চেষ্টা করে বিক্ষোভকারিরা। এমনকি তাঁরা গার্ডরেল গুলিও ছুঁড়ে ফেলে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। মোড়ের আশেপাশের গলিতে থাকা বিজেপির নেতা-কর্মীদেরও টেনে বের করে আনতে দেখা যায়। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যপালের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সরব কল্যাণ আটক করা হয় বহু বিজেপি নেতা কর্মীদের। রেহাই পাননি মহিলা মোর্চার কর্মীরাও। বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মীর মাথা ফেটে যায়। আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন মহিলা ও পুলিশ কর্মী। অটোয় তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। বেশ কিছুক্ষণ পর পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে। যদিও লাঠিচার্জ-গ্রেপ্তারির পরও বারবার করে ফের জমায়েত করতে দেখা যায় বিজেপি কর্মীদের। পরে বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক আন্দোলনে পুলিশের লাঠিচার্জ। আমরা জনতার সুবিধার জন্য মিছিল করেছি। কিন্তু মমতার সরকার তা হতে দেবে না। দুর্নীতির বড় উদাহরণ মাঝেরহাট ব্রিজ।

নভেম্বর ২৬, ২০২০
রাজ্য

কান্দিতে খুন তৃণমূল নেতা

এক তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যকে খুনের অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। বুধবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের কান্দি থানার জিবন্তী হল স্টেশনের বাইরের একটি চায়ের দোকানে। মৃত ব্যক্তির নাম রাজা শেখ। বয়স ৪০। বাড়ি মুর্শিদাবাদের মহলন্দী ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের ধলা গ্রামে। ঘটনার পরই গ্রামবাসীরা পুলিশকে খবর দেয়। গ্রামবাসীরা আহত তৃণমূল নেতাকে উদ্ধার করে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে গেলে সেখানেই তাকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। আরও পড়ুন ঃ ধর্মঘটের জেরে ব্যহত রেল পরিষেবা, শুরু বিক্ষোভ, পোড়ানো হল কুশপুতুলও কান্দি ব্লক তৃণমূল সভাপতি পার্থ প্রতিম সরকার জানিয়েছেন, বুধবার সন্ধেয় কে বা কারা রাজাকে ফোন করে ডাকে। রাজা ঘটনাস্থলে পৌঁছতেই রাত ১০.৩০ নাগাদ কিছু দুষ্কৃতী হঠাৎই তাঁর উপর চড়াও হয়। শুরু করে বোমাবাজি। এরপরই মৃত্যু নিশ্চিত করতে রাজাকে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি চালায় তারা। শব্দ পেয়ে গ্রামবাসীরা ছুটে যেতেই দুষ্কৃতীরা রেললাইন ধরে চম্পট দেয়। এরপর স্থানীয়রাই রাজাকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়। তৃণমূলের তরফে গোটা বিষয়টি জানানো হয় পুলিশকে।অভিযোগ পাওয়ার পরই দুষ্কৃতীদের খোঁজে রাতভর এলাকায় তল্লাশি চালায় পুলিশ। তবে এখনও গ্রেপ্তার হয়নি কেউ। পুলিশ জানিয়েছে, দেহ ময়নাতদন্তের জন্য মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে কিছু তাজা বোমা-গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

নভেম্বর ২৬, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

বিমের সঙ্গে ঝুলছে রক্তমাংস! তারাতলা বিপর্যয়ের ভয়াবহ ছবি কাঁপিয়ে দিল শহর

তারাতলার নির্মীয়মাণ গুদাম ধসের ঘটনায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখনও শেষ হয়নি উদ্ধার অভিযান। ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও বহু শ্রমিক আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সেই কারণেই সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছে সেনা, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, দমকল ও পুলিশ।উদ্ধারকারীদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে বিশাল লোহার বিম। ধসের পর সেগুলি দুমড়ে-মুচড়ে একের উপর এক চাপা পড়ে রয়েছে। ফলে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে ভিতরে পৌঁছতে যথেষ্ট সময় লাগছে। বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে ভার্টিকাল ড্রিলিং করে বিম কেটে ধাপে ধাপে এগোচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা।এখনও পর্যন্ত একাধিক আহত শ্রমিককে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাঁদের অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে জানা যাচ্ছে। ঘটনাস্থলে একাধিক ভারী ক্রেন মোতায়েন করা হয়েছে। উদ্ধারকাজে ব্যবহার করা হচ্ছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিও। ড্রোনের সাহায্যে ধ্বংসস্তূপের ভিতরে আটকে থাকা মানুষের অবস্থান খোঁজার চেষ্টা চলছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক হাজার বর্গফুট এলাকা জুড়ে গুদামটি তৈরি হচ্ছিল। দুর্ঘটনার পর নির্মাণের মান এবং ব্যবহৃত সামগ্রীর গুণমান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করেই দ্রুত কাজ শেষ করার চেষ্টা করা হয়েছিল। সেই কারণেই এই ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটেছে বলে দাবি তাঁদের।ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, উদ্ধার অভিযান সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত সমস্ত সম্ভাব্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ধ্বংসস্তূপের নীচে কেউ আটকে রয়েছেন কি না, তা নিশ্চিত করতেই আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা।

জুন ২৪, ২০২৬
কলকাতা

তারাতলা ধসের পর বড় ঝাঁকুনি! রাজ্যজুড়ে নির্মীয়মাণ ইমারতে কাজ বন্ধের নির্দেশ, সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

তারাতলার ভয়াবহ নির্মাণ বিপর্যয়ের পর বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। আপাতত নির্মীয়মাণ বাণিজ্যিক ইমারতের কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী একত্রিশে জুলাই পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট নির্মাণ প্রকল্পগুলির স্বাস্থ্যপরীক্ষা ও নকশা যাচাই করা হবে। সবুজ সংকেত মিললেই আবার শুরু হবে কাজ।বুধবার তারাতলার দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, সংশ্লিষ্ট দফতরগুলিকে নিয়ে একটি বিশেষ পরিদর্শন দল গঠন করা হবে। এই দল নির্মীয়মাণ ইমারতের নকশা, নির্মাণের মান এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখবে। কোথাও ত্রুটি ধরা পড়লে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তারাতলার নির্মীয়মাণ গুদাম ও হিমঘর ধসে পড়ার ঘটনায় ইতিমধ্যেই একাধিক প্রাণহানির খবর সামনে এসেছে। বহু শ্রমিক ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে পড়েন। খবর পাওয়ার পরই উদ্ধারকাজে নামে পুলিশ, দমকল, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী এবং সেনাবাহিনী। আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে থাকা মানুষদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, ধসে পড়া নির্মাণের নকশায় ত্রুটি ছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে ইঙ্গিত মিলেছে। সেই কারণেই রাজ্যের বিভিন্ন নির্মীয়মাণ বাণিজ্যিক প্রকল্পের নকশা এবং কাঠামোগত নিরাপত্তা নতুন করে পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সরকারি হিসাব অনুযায়ী, দুর্ঘটনায় কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে এবং একাধিক আহতকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের দ্রুত চিকিৎসার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। উদ্ধার অভিযান এখনও চলছে এবং পরিস্থিতির উপর প্রশাসন কড়া নজর রাখছে।তারাতলার এই মর্মান্তিক ঘটনার পর নির্মাণ নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তদন্তের রিপোর্ট প্রকাশের পরই স্পষ্ট হবে, এই বিপর্যয়ের নেপথ্যে প্রকৃত কারণ কী।

জুন ২৪, ২০২৬
দেশ

চলন্ত লোকালে রক্তাক্ত মৃত্যু! দরজা বন্ধ করা নিয়ে ঝগড়া, যাত্রীর বুকে পরপর কোপ

চলন্ত লোকাল ট্রেনে ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্য ছড়াল মুম্বইয়ে। দরজা বন্ধ করা নিয়ে দুই যাত্রীর মধ্যে শুরু হওয়া বচসা শেষ পর্যন্ত রক্তাক্ত খুনে পরিণত হল। ট্রেনের মধ্যেই ছুরির আঘাতে মৃত্যু হল বাইশ বছরের যুবক মায়াঙ্ক রমেশ লোহারের।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে চার্চগেট থেকে নাল্লাসোপারা অভিমুখী দ্রুতগতির লোকাল ট্রেনে ওঠেন মায়াঙ্ক। আন্ধেরি স্টেশন থেকে ট্রেনে চড়ার পরই আর এক যাত্রীর সঙ্গে তাঁর তর্কাতর্কি শুরু হয়। প্রবল বৃষ্টির মধ্যে ট্রেনের দরজা বন্ধ রাখা হবে কি না, তা নিয়েই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে।প্রথমে বচসা হলেও পরে তা হাতাহাতির পর্যায়ে পৌঁছে যায়। অভিযোগ, আচমকাই ধারালো অস্ত্র বের করে মায়াঙ্কের উপর একের পর এক আঘাত করতে শুরু করে অভিযুক্ত। ট্রেনের কামরায় বহু যাত্রী উপস্থিত থাকলেও পরিস্থিতি এত দ্রুত বদলে যায় যে কেউ তাঁকে রক্ষা করতে পারেননি।ট্রেন বোরিভেলি স্টেশনে পৌঁছতেই অভিযুক্ত পালিয়ে যায়। পরে যাত্রীরা কামরার ভিতরে রক্তাক্ত অবস্থায় মায়াঙ্ককে দেখতে পান। রেল পুলিশ ও চিকিৎসাকর্মীরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করলেও ততক্ষণে তাঁর মৃত্যু হয়ে গিয়েছিল। পরে দেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়।ঘটনার পর আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে যাত্রীদের মধ্যে। চলন্ত ট্রেনে নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। তদন্তে নেমে পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান এবং অন্যান্য তথ্যপ্রমাণ খতিয়ে দেখতে শুরু করে।অবশেষে বুধবার বিকেলে অভিযুক্ত রোশান সুবর্ণকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অন্যদিকে পশ্চিম রেলও জানিয়েছে, যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।চলন্ত ট্রেনের মধ্যে এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ড ফের একবার যাত্রী নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়ে দিল। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, ভিড়ভাট্টার লোকালে যদি এমন ঘটনা ঘটে, তবে নিরাপত্তা কতটা নিশ্চিত?

জুন ২৪, ২০২৬
কলকাতা

সকালেই বাঁকতে শুরু করেছিল বিম! তবু কেন চলল ঢালাই? তারাতলা কাণ্ডে বড় প্রশ্ন

কলকাতার তারাতলায় নির্মীয়মাণ একটি বহুতল কাঠামো ভেঙে পড়ার ঘটনায় শোক এবং আতঙ্ক ছড়িয়েছে। দুর্ঘটনায় একাধিক প্রাণহানির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ চালাচ্ছে উদ্ধারকারী দল, পুলিশ এবং অন্যান্য সংস্থা।দুর্ঘটনার পর থেকেই নির্মাণকাজের মান এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, যে কাঠামোটি তৈরি করা হচ্ছিল, সেখানে শুরু থেকেই বিভিন্ন ত্রুটি ছিল। নির্মাণস্থলে ব্যবহৃত সামগ্রীর মান এবং কাজের পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।স্থানীয় সূত্রে দাবি, দুর্ঘটনার আগে থেকেই কয়েকটি লোহার বিমে অস্বাভাবিক চাপের লক্ষণ দেখা যাচ্ছিল। তবু কাজ বন্ধ না করে নির্মাণ প্রক্রিয়া চালিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের দাবি, বিপদের ইঙ্গিত থাকা সত্ত্বেও প্রয়োজনীয় সতর্কতা নেওয়া হয়নি।উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা ধ্বংসস্তূপের পরিস্থিতি দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। তাঁদের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে দেখা গিয়েছে, ভারী কংক্রিটের চাপ বহন করতে গিয়ে কাঠামোর বিভিন্ন অংশ দুর্বল হয়ে পড়েছিল। এর ফলেই গোটা নির্মাণ অংশ ভেঙে পড়ে থাকতে পারে বলে অনুমান।ঘটনার পর প্রশাসনের তরফে তদন্ত শুরু হয়েছে। নির্মাণকাজে কোনও গাফিলতি বা নিয়মভঙ্গ হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট নির্মাণ প্রকল্পের কাজ আপাতত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এই দুর্ঘটনার পর নির্মাণ নিরাপত্তা, অনুমোদন প্রক্রিয়া এবং কাজের মান নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তদন্তের রিপোর্ট প্রকাশের পরই প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

জুন ২৪, ২০২৬
কলকাতা

চিৎকার, ধুলো আর ধ্বংসস্তূপ! তারাতলায় ভয়াবহ দুর্ঘটনায় কন্ট্রোলরুম খুলল নবান্ন

তারাতলায় নির্মীয়মাণ একটি গোডাউনের ছাদ ধসে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজ জোরকদমে চলছে। ইতিমধ্যেই কয়েকজন শ্রমিককে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে এখনও বহু মানুষ ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই প্রশাসন দ্রুত তৎপর হয়। নবান্নের পক্ষ থেকে নিয়ন্ত্রণকক্ষ খোলা হয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ। তিনি জানান, দমকল, পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী উদ্ধারকাজে নেমেছে। প্রয়োজনে আরও বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। প্রাথমিক লক্ষ্য হল আটকে থাকা মানুষদের যত দ্রুত সম্ভব নিরাপদে উদ্ধার করা।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পরিবহণ দফতরের জন্য একটি গোডাউন নির্মাণের কাজ চলছিল। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, দুর্ঘটনার কিছুক্ষণ আগেই কয়েকটি লোহার বিম নড়ে যায় এবং আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপরও কাজ বন্ধ না করে কাঠামো মেরামতের চেষ্টা চলছিল। সেই সময় আচমকাই গোটা ছাদ ও লোহার কাঠামো ভেঙে পড়ে।ঘটনার সময় বহু শ্রমিক ভিতরে কাজ করছিলেন। সেখানে একটি অস্থায়ী অফিসও ছিল বলে জানা গিয়েছে। ফলে ধস নামার সঙ্গে সঙ্গেই অনেকে ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়েন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে।বর্তমানে ক্রেন, গ্যাস কাটার এবং অন্যান্য যন্ত্রপাতির সাহায্যে লোহার বিম কেটে উদ্ধারকাজ চালানো হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারাও উদ্ধারকর্মীদের সহায়তা করছেন। ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ চললেও এখনও বহু মানুষের খোঁজ মেলেনি বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।ঘটনার খবর পেয়ে প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, নির্মাণকাজে কোনও গাফিলতি ছিল কি না এবং নিরাপত্তা বিধি মানা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে তদন্তের দাবি উঠেছে। তারাতলার এই দুর্ঘটনা ঘিরে গোটা এলাকায় উদ্বেগ ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

জুন ২৪, ২০২৬
কলকাতা

মুহূর্তে মাটিতে মিশে গেল বিশাল শেড! তারাতলায় ধ্বংসস্তূপের নীচে কতজন, উঠছে ভয়াবহ প্রশ্ন

তারাতলায় নির্মীয়মাণ একটি কারখানার গোডাউন ভেঙে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটল। ঘটনায় বহু শ্রমিক আহত হয়েছেন বলে খবর। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ধসের সময় ভিতরে প্রায় চল্লিশ থেকে পঁয়তাল্লিশ জন উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে অনেকেই ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে পড়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত পৌঁছে যায় দমকল বাহিনী। উদ্ধারকাজে হাত লাগান স্থানীয় বাসিন্দারাও। আহতদের ধ্বংসস্তূপ থেকে বের করে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কারও হাত গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, কারও মাথায় আঘাত লেগেছে। কয়েকজনের অবস্থা উদ্বেগজনক বলে জানা গিয়েছে।স্থানীয়দের দাবি, ওই এলাকায় একটি বড় গোডাউন তৈরির কাজ চলছিল। নির্মাণের সময় একবার কাঠামোর একটি অংশ ভেঙে পড়েছিল। পরে সেটি মেরামত করে ফের কাজ শুরু করা হয়। সেই সময় শ্রমিকরা ভিতরে থেকে কাজ করছিলেন। আচমকাই গোটা টিনের শেড ও লোহার কাঠামো হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে।এক প্রত্যক্ষদর্শীর কথায়, দুর্ঘটনার সময় বহু মানুষ ভিতরে ছিলেন। শ্রমিকদের পাশাপাশি সেখানে একটি অস্থায়ী অফিস থেকেও কাজ পরিচালনা করা হচ্ছিল। ফলে ধস নামার সঙ্গে সঙ্গেই অনেকেই আটকে পড়েন। বিশাল এলাকা জুড়ে তৈরি হওয়া কাঠামো মুহূর্তের মধ্যে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।বর্তমানে ক্রেনের সাহায্যে লোহার বিম সরিয়ে উদ্ধারকাজ চালানো হচ্ছে। ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও মানুষ আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলছে উদ্ধার অভিযান। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েছে। কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল এবং নির্মাণকাজে কোনও গাফিলতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা শুরু হয়েছে।

জুন ২৪, ২০২৬
কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রীর দরবারে বিস্ফোরক অভিযোগ! মমতার ভাইকে ঘিরে যা দাবি করলেন এক প্রবীণ মহিলা

রাজ্যের নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর জনসাধারণের অভিযোগ শোনার কর্মসূচিতে উঠে এল এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের বাসিন্দা রঞ্জনা হাজরা দাবি করেছেন, তাঁর পৈতৃক সম্পত্তির একাধিক অংশ দীর্ঘদিন ধরে দখল করে রাখা হয়েছে। এই অভিযোগ তিনি সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেছেন।রঞ্জনা হাজরা জানান, হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে তাঁদের পরিবারের কিছু পৈতৃক সম্পত্তি রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, বহু বছর ধরে সেই সম্পত্তিগুলি দখলের চেষ্টা চলেছে এবং কয়েকটি জায়গা দখলও হয়ে গিয়েছে। তিনি দাবি করেন, একটি জায়গা দখল করে সেখানে প্রথমে ব্যবসা এবং পরে বাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে। আরও কয়েকটি সম্পত্তি নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে বলে অভিযোগ তাঁর।অভিযোগকারিণীর দাবি, তিনি বারবার প্রতিবাদ করেছেন। কিন্তু তাতে সমস্যার সমাধান হয়নি। উল্টে বিভিন্ন সময় তাঁকে হেনস্তা ও চাপের মুখে পড়তে হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে অতীতে পুলিশের কাছেও গিয়েছিলেন। তবে তাঁর দাবি, কোনও কার্যকর পদক্ষেপ হয়নি।সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রীর জনতার দরবারে গিয়ে তিনি সমস্ত অভিযোগ লিখিতভাবে জমা দেন। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর রঞ্জনা হাজরা জানান, তাঁর অভিযোগ খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন হলে তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকায় প্রতিনিধি পাঠানো হবে বলেও তাঁকে জানানো হয়েছে।এই ঘটনার পর আবারও হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের সম্পত্তি বিতর্ক নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও অভিযোগগুলির সত্যতা এখনও সরকারি ভাবে প্রমাণিত হয়নি। এখন প্রশাসন এই বিষয়ে কী পদক্ষেপ করে, সেদিকেই নজর রয়েছে।

জুন ২৪, ২০২৬
কলকাতা

গ্রেফতারের আশঙ্কায় হাইকোর্টে ছুটলেন মানস ভুঁইঞা! হঠাৎ কী এমন ঘটল?

রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চার কেন্দ্রে মানস ভুঁইঞা। চাকরি দেওয়ার নামে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ সামনে আসতেই এবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী। সম্ভাব্য গ্রেফতারের আশঙ্কা থেকেই তিনি আদালতের কাছে রক্ষাকবচ চেয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।অভিযোগ, এক মহিলাকে সেচ দফতরের বাংলোয় চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। এর বিনিময়ে কয়েক লক্ষ টাকা নেওয়া হয় বলেও দাবি অভিযোগকারীর। পরে ওই মহিলা কিছুদিন কাজও করেন। এমনকি বেতনও পান। কিন্তু হঠাৎ করেই তাঁকে আর কাজে যোগ দিতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।এই ঘটনার পর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তের খবর সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়।এই পরিস্থিতিতেই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন মানস ভুঁইঞা। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে তাঁর পক্ষ থেকে আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। গ্রেফতারের আশঙ্কা থেকেই আগাম আইনি সুরক্ষা চাওয়া হয়েছে বলে আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে।সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক তৃণমূল নেতা, জনপ্রতিনিধি এবং প্রাক্তন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। সেই আবহে মানস ভুঁইঞার আদালতের দ্বারস্থ হওয়া নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা বাড়িয়েছে। এখন আদালত এই আবেদনের বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহল ও প্রশাসনিক সূত্রের।

জুন ২৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal