• ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার ২২ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

LPG

দেশ

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের আঁচ ভারতে! গ্যাস সঙ্কটের আশঙ্কা, কী বলল কেন্দ্র

পশ্চিম এশিয়ায় চলা যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব এবার ভারতে পড়তে শুরু করেছে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। রান্নার গ্যাস বা এলপিজি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। এর মধ্যেই পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে এবং সব রাজনৈতিক দলকে জানাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করল কেন্দ্রীয় সরকার।বুধবার এই বৈঠকে বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি একটি বিস্তারিত উপস্থাপনা করেন। সেখানে স্পষ্ট করে জানানো হয়, ভারত কোনওভাবেই যুদ্ধ চায় না এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে শান্তির পক্ষেই অবস্থান নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই বার্তাই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে জানিয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে আশ্বস্ত করে বলা হয়েছে, আপাতত দেশে জ্বালানির কোনও সঙ্কট নেই। তেল এবং রান্নার গ্যাস পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুত রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে এলপিজি উৎপাদনও উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি বিকল্প জ্বালানি হিসেবে পাইপলাইনের গ্যাস ব্যবহারের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে।সরকার জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী থেকে আরও কয়েকটি জাহাজ খুব শীঘ্রই ভারতে পৌঁছবে। ইতিমধ্যেই একাধিক জাহাজ রওনা দিয়েছে। পশ্চিম এশিয়া ছাড়াও অন্যান্য দেশ থেকেও তেল ও গ্যাস আমদানি করা হচ্ছে, যাতে সরবরাহে কোনও সমস্যা না হয়।এই বৈঠকে পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি, বিশেষ করে ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা এবং তার প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকের শুরুতে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং বক্তব্য রাখেন। বিদেশমন্ত্রী ও বিদেশ সচিব পরিস্থিতির বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, যে পরিস্থিতিই তৈরি হোক না কেন, ভারতের স্বার্থই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাবে।এছাড়াও জানানো হয়েছে, এখনও পর্যন্ত কয়েক লক্ষ ভারতীয়কে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। সব মিলিয়ে কেন্দ্রের বার্তা, আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। বিরোধী দলগুলিও যে কোনও সময় তথ্য জানতে পারবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। সংসদে খুব শীঘ্রই এই বিষয়ে বিস্তারিত বিবৃতি দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।

মার্চ ২৫, ২০২৬
দেশ

১৪.২ কেজির এলপিজিতে ভর্তি গ্যাস নাও দেওয়া হতে পারে! সঙ্কটে নতুন করে ভাবছে কেন্দ্র

হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলের ট্যাঙ্কার ভারতে পৌঁছাতে শুরু করলেও এলপিজি সঙ্কট পুরোপুরি কাটেনি। এই পরিস্থিতিতে গ্যাসের সঠিক বণ্টন নিশ্চিত করতে নতুন পরিকল্পনা নিতে পারে দেশের তেল বিপণন সংস্থাগুলি। সূত্রের খবর, গৃহস্থালির ব্যবহারের জন্য যে ১৪.২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার দেওয়া হয়, তাতে পূর্ণ পরিমাণ গ্যাস দেওয়া নাও হতে পারে।জানা যাচ্ছে, ভবিষ্যতে একটি সিলিন্ডারে প্রায় দশ কেজি গ্যাস ভরে দেওয়া হতে পারে। এর ফলে কম গ্যাস দিয়ে বেশি সংখ্যক গ্রাহকের মধ্যে বণ্টন করা সম্ভব হবে। সীমিত মজুতের কারণে যাতে সবাই গ্যাস পায়, সেই লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপের কথা ভাবা হচ্ছে।ইরান, আমেরিকা এবং ইজরায়েলের সংঘাত শুরু হওয়ার পর হরমুজ প্রণালীতে সমস্যা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে ভারতে গ্যাস সরবরাহেও। দেশের মোট চাহিদার একটি বড় অংশ বিদেশ থেকে আসে। ফলে সরবরাহে সামান্য বাধা এলেই সঙ্কট তৈরি হচ্ছে।গত সপ্তাহে কয়েকটি জাহাজ হরমুজ প্রণালী পেরিয়ে ভারতে পৌঁছেছে। বর্তমানে যে পরিমাণ গ্যাস মজুত রয়েছে, তা দিয়ে কিছুদিন চাহিদা মেটানো সম্ভব। তবে নতুন করে কবে গ্যাস আসবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। অনেক জাহাজ এখনও পারস্য উপসাগরে অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছে।ভারতে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ এলপিজি ব্যবহার হয়। সাধারণত একটি পূর্ণ সিলিন্ডার এক মাসেরও বেশি সময় চলে যায়। কিন্তু যদি গ্যাসের পরিমাণ কমিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা কম দিন চলবে। যদিও এতে সবার মধ্যে গ্যাস বণ্টন সহজ হবে।এছাড়া যদি সিলিন্ডারে গ্যাসের পরিমাণ কমানো হয়, তাহলে তার দামও সেই অনুযায়ী কমানো হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। এই নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে তার প্রভাব পড়তে পারে।

মার্চ ২৩, ২০২৬
কলকাতা

অটো নেই, বাসও উধাও! গ্যাসের দাম বাড়তেই শহরে যাতায়াতে চরম সঙ্কট

কলকাতায় গ্যাসের দামের বড় বৃদ্ধি এবং ভোটের প্রস্তুতির জেরে পরিবহণ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অটোতে ব্যবহৃত এলপিজির দাম এক ধাক্কায় অনেকটা বেড়ে যাওয়ায় ইতিমধ্যেই বহু অটো রাস্তায় নামছে না। তার উপর ভোটের কাজে বাস তুলে নেওয়া শুরু হলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।জানা গেছে, বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে কলকাতায় অটোতে ব্যবহৃত এলপিজির নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। প্রতি লিটার গ্যাসের দাম দাঁড়িয়েছে ৭০ টাকা ৬৮ পয়সা। এক ধাক্কায় প্রায় ৮ টাকা বেড়েছে দাম। এর আগেও মার্চের শুরুতে দাম বেড়েছিল। তখন লিটার প্রতি দাম ছিল ৫৭ টাকা ৬৮ পয়সা থেকে বেড়ে ৬২ টাকা ৬৮ পয়সা হয়েছিল। বারবার দাম বাড়ায় অটো চালকদের অনেকেই রাস্তায় নামতে চাইছেন না। ফলে ইতিমধ্যেই প্রায় ৩০ শতাংশ অটো বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানা যাচ্ছে। যেগুলি চলছে, সেগুলিও অনিয়মিত এবং অনেক ক্ষেত্রে ভাড়াও বেড়েছে।এর মধ্যে আবার ভোটের জন্য ধীরে ধীরে বাস কমতে শুরু করবে। নির্বাচন কমিশনের কাজে বহু বাস তুলে নেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই প্রায় ১৬০০ বেসরকারি বাস নেওয়া হয়েছে বলে বাসমালিকদের দাবি। এই বাসগুলি নির্বাচনী কাজে ব্যবহার করা হবে। সামনে আরও বাস নেওয়া হতে পারে। কলকাতা ও আশপাশের বিভিন্ন দপ্তর থেকে বাস তোলার প্রস্তুতি চলছে।বাসমালিকদের মতে, শহরে প্রায় আড়াই হাজার বেসরকারি বাস চলে। তার মধ্যে প্রায় দুই হাজার বাস রাস্তায় কমে যেতে পারে। ফলে যাত্রীদের সমস্যার শেষ থাকবে না। সরকারি বাসের সংখ্যাও এমনিতেই কম, ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।অন্যদিকে শুধু বাস নয়, স্কুলবাস, অ্যাপ ক্যাব, পুলকারসব ধরনের গাড়িই নির্বাচনের কাজে ব্যবহার করা হবে। এতে রাস্তায় সাধারণ মানুষের জন্য গাড়ির সংখ্যা আরও কমে যাবে। সাধারণত এমন পরিস্থিতিতে অটো কিছুটা ভরসা দেয়, কিন্তু এবার গ্যাসের সঙ্কটের কারণে সেই সুযোগও কমে গেছে। গ্যাস ভরার জন্য দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে চালকদের, ফলে রাস্তায় অটো কম দেখা যাচ্ছে।পরিবহণ সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আগামী মাসের শুরু থেকেই এই সমস্যা আরও বাড়বে। ভোটের কারণে একসঙ্গে অনেক গাড়ি তুলে নেওয়া হলে শহরের রাস্তায় বের হওয়া মানুষের জন্য চরম ভোগান্তির পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

মার্চ ২০, ২০২৬
কলকাতা

অটোর গ্যাসের দামে হঠাৎ বড় ধাক্কা, লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে ক্ষোভে ফুঁসছেন চালকরা

রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ার পর থেকেই জ্বালানির বাজারে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। এবার সেই উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে লিটার প্রতি পাঁচ টাকা বেড়ে গেল অটোয় ব্যবহৃত এলপিজির দাম। হঠাৎ এই মূল্যবৃদ্ধিতে সমস্যায় পড়েছেন শহরের অটোচালকরা।চালকদের অভিযোগ, এতদিন লিটার প্রতি গ্যাসের দাম ছিল সাতান্ন টাকা আটষট্টি পয়সা। কিন্তু হঠাৎ করেই পাঁচ টাকা বাড়িয়ে এখন সেই দাম দাঁড়িয়েছে বাষট্টি টাকা আটষট্টি পয়সা।এদিকে বুধবার ভোররাত থেকেই শহরের প্রায় সব গ্যাস পাম্পে রিফিলের জন্য দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। বেঙ্গল কেমিক্যাল পাম্প থেকে সিটি সেন্টার পর্যন্ত প্রায় একই ছবি চোখে পড়েছে। গ্যাস ভরার জন্য অনেক চালককে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে।পাম্প কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, কয়েক মিনিট আগেও পুরনো দামেই গ্যাস দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু হঠাৎ নতুন নির্দেশিকা আসায় দাম বাড়াতে হয়েছে। কেন এই মূল্যবৃদ্ধি হল, তা নিয়ে ধোঁয়াশায় রয়েছেন অনেকেই।অটোচালকদের অভিযোগ, একদিকে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে গ্যাস ভরাতে হচ্ছে, অন্যদিকে হঠাৎ দাম বেড়ে যাওয়ায় তাঁদের সমস্যা আরও বেড়েছে। অনেকেই বলছেন, গ্যাস ভরতে কমপক্ষে তিন থেকে চার ঘণ্টা সময় লাগছে। কেউ কেউ আবার জানিয়েছেন, আগের দিন দুই থেকে তিন ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও গ্যাস পাননি।এর ফলে সময়মতো রুটে পৌঁছাতে না পারায় তাঁদের রোজগারেও প্রভাব পড়ছে। অনেক চালকই বলছেন, এই পরিস্থিতিতে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ছে।অন্যদিকে গ্যাস সরবরাহকারী সংস্থার কর্মীরাও স্বীকার করছেন যে সরবরাহ কম হয়েছে। তাঁদের মতে, প্রতিদিন যে পরিমাণ গ্যাসের প্রয়োজন হয়, তার প্রায় অর্ধেকই এখন পাম্পে পৌঁছাচ্ছে। ফলে সংকট আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকেই।

মার্চ ১১, ২০২৬
দেশ

হোটেল বন্ধের মুখে, গ্যাসের জন্য হাহাকার! বড় সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র

পশ্চিম এশিয়ায় চলা যুদ্ধের প্রভাব এবার স্পষ্টভাবে পড়তে শুরু করেছে ভারতে। অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় দেশের বিভিন্ন বড় শহরে গ্যাস সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ইতিমধ্যেই বহু জায়গায় এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠছে। রান্নার গ্যাসের দামও বাড়তে শুরু করেছে। এর ফলে বহু হোটেল ও রেস্তরাঁ বন্ধ হওয়ার মুখে দাঁড়িয়েছে। পেট্রোল পাম্পে লম্বা লাইন দেখা যাচ্ছে। অনেক জায়গায় মানুষ গ্যাসে রান্না ছেড়ে ইনডাকশন চুলা কিনতে ভিড় করছেন। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্র সরকার বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দেশজুড়ে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইন কার্যকর করা হয়েছে।সংবাদ সংস্থার একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, জ্বালানি ও এলপিজি গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এই আইন কার্যকর করেছে কেন্দ্র। এর ফলে কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে গ্যাস সরবরাহকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। জানা গিয়েছে, দেশের গৃহস্থদের জন্য পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ, সিলিন্ডারের মাধ্যমে গ্যাস পৌঁছে দেওয়া এবং পরিবহন ও অন্যান্য জরুরি পরিষেবার জন্য গ্যাস সরবরাহকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।বর্তমানে ভারতে বত্রিশ কোটিরও বেশি মানুষ এলপিজি ও প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করেন। ইরান ও ইজরায়েলের সংঘাতের প্রভাব যাতে সাধারণ মানুষের উপর না পড়ে, সেই লক্ষ্যেই এই জরুরি আইন কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি পরিস্থিতি সামাল দিতে একটি বিশেষ নজরদারি কমিটিও গঠন করেছে কেন্দ্রের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক। এই কমিটি দেশজুড়ে গ্যাস সরবরাহের পরিস্থিতির উপর নজর রাখবে এবং কোথাও সংকট তৈরি হলে তা দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করবে।তবে প্রশ্ন উঠছে, সংঘাত শুরুর এতদিন পরে হঠাৎ করে কেন এই তৎপরতা বাড়ল। ইরান ও ইজরায়েলের যুদ্ধের চতুর্থ দিনে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ইরান। এই প্রণালী বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথ। বিশ্বের বড় অংশের অপরিশোধিত তেল এই পথ দিয়ে যাতায়াত করে। প্রণালী বন্ধ হওয়ার পরেও কেন্দ্র প্রথমে জানিয়েছিল যে ভারতের কাছে পর্যাপ্ত তেলের মজুত রয়েছে।কিন্তু বাস্তবে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে বদলাতে শুরু করেছে। যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায়। সোমবার থেকে দেশের বেশ কিছু বড় শহরে বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডারের সরবরাহ কমে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এর ফলে বেঙ্গালুরু ও চেন্নাইয়ের বহু হোটেল ও রেস্তরাঁ বন্ধ হওয়ার মুখে। মুম্বইয়ের মতো বড় বাণিজ্য শহরেও গ্যাসের অভাবে প্রায় কুড়ি শতাংশ হোটেল ও রেস্তরাঁ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানা গিয়েছে।এই পরিস্থিতিতে দেশজুড়ে উদ্বেগ বাড়তে শুরু করেছে। সাধারণ মানুষ থেকে ব্যবসায়ী সবাই চিন্তায় রয়েছেন। সেই কারণেই দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কেন্দ্র সরকার জরুরি আইন কার্যকর করেছে এবং জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে একাধিক পদক্ষেপ শুরু করেছে।

মার্চ ১০, ২০২৬
কলকাতা

গ্যাসের আগুনে তপ্ত রাজনীতি! নারী দিবসে হাঁড়ি-কড়াই নিয়ে মিছিলের ডাক দিলেন মমতা

কলকাতার মেট্রো চ্যানেলে ধরনার দ্বিতীয় দিনেও কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধেও অভিযোগ তোলেন তিনি। শনিবার সকাল দশটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত এই ধরনা কর্মসূচি চলবে বলে জানানো হয়েছে।ধরনা মঞ্চ থেকে গ্যাসের দাম বৃদ্ধি নিয়ে একের পর এক প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, গতকাল গ্যাসের দাম ষাট টাকা বাড়ানো হয়েছে। তার আগে আবার তিন দিন আগে উনপঞ্চাশ টাকা দাম বাড়ানো হয়েছিল। বড় সিলিন্ডারের দাম এখন দুই হাজার একশো টাকা হয়ে গিয়েছে। আর ছোট সিলিন্ডারের দাম প্রায় এক হাজার টাকা।এখানেই থেমে থাকেননি তিনি। গ্যাস বুকিংয়ের নিয়ম নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। মমতা বলেন, বলছে একুশ দিন আগে থেকে বুক করতে হবে। যার বাড়িতে গ্যাস শেষ হয়ে যাবে সে কি একুশ দিন রান্না না করে থাকবে? এই সব কথা আগে মাথায় থাকে না? মানুষ খাবে কী?গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে আন্তর্জাতিক নারী দিবসে বড় আন্দোলনের ডাকও দেন মুখ্যমন্ত্রী। ধরনা মঞ্চ থেকেই তিনি জানান, পরের দিন প্রতিবাদ মিছিল হবে। সেই মিছিলে হাঁড়ি, কড়াই, বাটি, ঘটি, হাতা ও খুন্তি নিয়ে রাস্তায় নামার আহ্বান জানান তিনি।মমতা বলেন, কাল মিছিল হবে। গ্যাস নেই, রান্না নেই। গ্যাস নেই, খাবার নেই। তাই হাঁড়ি, কড়াই, বাটি, ঘটি, হাতা, খুন্তি নিয়ে প্রতিবাদ মিছিল হবে আন্তর্জাতিক মহিলা দিবসে। মানবতার জন্য মা-বোনেরা রাস্তায় নামুন, প্রতিবাদ করুন। প্রয়োজনে কালো শাড়ি পরুন। হাতে এই সব জিনিস রাখবেন। পারলে গ্যাসের চুলাও নিয়ে আসবেন। ঝুড়িতে কাঁচা আনাজও আনতে পারেন।উল্লেখ্য, নতুন করে দাম বাড়ার পর কলকাতায় চোদ্দো দশমিক দুই কেজির গ্যাস সিলিন্ডার কিনতে এখন দিতে হবে নয়শো ঊনচল্লিশ টাকা। অন্যদিকে হোটেল ও রেস্তরাঁয় ব্যবহৃত উনিশ কেজির বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম দাঁড়িয়েছে এক হাজার নয়শো নব্বই টাকা।

মার্চ ০৭, ২০২৬
কলকাতা

হরমুজ প্রণালীর টানাপোড়েন, গ্যাস সরবরাহে চাপ! নতুন ডবল সিলিন্ডার আপাতত বন্ধ

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব এবার সাধারণ মানুষের রান্নাঘরেও পড়তে শুরু করেছে। ইরান ও ইজরায়েল-এর সংঘাতের মধ্যে নতুন করে ডবল গ্যাস সিলিন্ডারের সংযোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তেল সংস্থাগুলির তরফে গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটরদের এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে খবর। অর্থাৎ কোনও গ্রাহক নতুন করে দ্বিতীয় সিলিন্ডারের জন্য আবেদন করলেও আপাতত তা দেওয়া হবে না।জানা গিয়েছে, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে যাতে রান্নার গ্যাসের জোগানে সমস্যা না হয়, সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে যেসব পরিবারের রান্নাঘরে এখন একটি মাত্র সিলিন্ডার রয়েছে, আপাতত তাদের সেই একটি সিলিন্ডার নিয়েই চলতে হবে। গ্যাস ডিলারদের মতে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে এখনও কিছুটা সময় লাগতে পারে।বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল ও গ্যাসবাহী জাহাজ চলাচল করে। এই পথ দিয়ে জাহাজ চলাচলে সমস্যা হলে রান্নার গ্যাস সরবরাহে বড় চাপ তৈরি হতে পারে। কারণ ভারতের জ্বালানি আমদানির বড় অংশ এই পথ দিয়েই আসে।ভারতে ঘরে ঘরে ব্যবহৃত রান্নার গ্যাসের সরবরাহ ব্যবস্থাকে এখন সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে মনে করা হচ্ছে। অপরিশোধিত তেল বা তরল প্রাকৃতিক গ্যাসের তুলনায় রান্নার গ্যাসের উৎস অনেক কম এবং মজুতও তুলনামূলকভাবে সীমিত। দেশের মোট চাহিদার প্রায় আশি থেকে পঁচাশি শতাংশ রান্নার গ্যাস বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। এর বেশির ভাগই উপসাগরীয় দেশগুলি থেকে আসে এবং প্রায় সব জাহাজই হরমুজ প্রণালী পেরিয়ে ভারতে পৌঁছয়।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে দেশে প্রায় ত্রিশ দিনের রান্নার গ্যাস মজুত রয়েছে। তবে নির্ধারিত জাহাজ যদি দেরিতে পৌঁছয়, তাহলে সরবরাহে সমস্যা তৈরি হতে পারে।এদিকে সম্ভাব্য সংকটের আশঙ্কায় অনেক মানুষ আগেভাগে গ্যাস সিলিন্ডার বুক করতে শুরু করেছেন। এতে দ্রুত মজুত কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন শহরের গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটররা জানিয়েছেন, অনেক গ্রাহক অতিরিক্ত সিলিন্ডার সংগ্রহের চেষ্টা করছেন। সেই কারণেই সাধারণ মানুষকে অযথা বেশি সিলিন্ডার মজুত না করার অনুরোধ জানিয়েছে সরকার।অন্যদিকে সমাজমাধ্যমে তেলের দাম বাড়ার গুজবও ছড়িয়ে পড়ছে। তার প্রভাব পড়েছে পেট্রল পাম্পগুলিতেও। অনেকেই আতঙ্কে গাড়ির ট্যাঙ্ক পুরো ভরে নিচ্ছেন। তবে পাম্প মালিকদের দাবি, এখনই আতঙ্কের কোনও কারণ নেই। তেলের পর্যাপ্ত জোগান রয়েছে।ওয়েস্ট বেঙ্গল পেট্রল ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন-এর সভাপতি অরুণ সিংঘানিয়া জানিয়েছেন, এখনও তেলের জোগান কমে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। তবে যুদ্ধ দীর্ঘদিন চললে দামের কিছু পরিবর্তন হতে পারে। কিন্তু এখনই আতঙ্কিত হওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই বলেই তাঁর দাবি।মেটা বিবরণ: ইরান-ইজরায়েল সংঘাতের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে জ্বালানি সরবরাহে। নতুন করে ডবল গ্যাস সিলিন্ডার সংযোগ আপাতত বন্ধ রাখার নির্দেশ তেল সংস্থার, সাধারণ মানুষকে অযথা মজুত না করার পরামর্শ।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

ভোট বড় বালাই, এক ধাক্কায় অনেকটাই কমলো রান্নার গ্যাসের দাম

রান্নার গ্যাসের দাম কমালো মোদী সরকার। সামনেই ২০২৪ লোকসভা নির্বাচন। তার আগে রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিসগড়ে বিধানসভা ভোট। এরইমধ্যে রান্নার গ্যাসের দাম ২০০ টাকা কমানোর কথা ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। বিরোধীদের চাপের জন্য এই দাম কমেছে বলে দাবি বিরোধীদের। যদিও বিজেপির দাবি এটা রাখির উপহার।মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে দেশজুড়ে রান্নার গ্যাসের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উজ্বলা যোজনায় সিলিন্ডার পিছু ভর্তুকি বেড়েছে ৪০০ টাকা। অন্যদিকে সাধারণ গ্রাহকদের জন্য সিলিন্ডার পিছু ২০০ টাকা ভর্তুকি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী উজ্বলা যোজনার আওতাভুক্ত গ্রাহকদের জন্য সিলিন্ডার পিছু ৪০০ টাকা করে কমছে রান্নার গ্যাসের দাম। অন্যদিকে সাধারণ গ্রাহকদের জন্য সিলিন্ডার পিছু ২০০ টাকা করে কমানো হচ্ছে রান্নার গ্যাসের দাম। লোকসভা নির্বাচনের আগে এবার রান্নার গ্যাসের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত মোদী সরকারের।রাখী ও ওনাম উপলক্ষ্যে রান্নার গ্যাসের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর। প্রায় দেড় বছর পর রান্নার গ্যাসের দাম নামল হাজারের নীচে। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে রান্নার গ্যাসের দাম কমার এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। এই মুহূর্তে কলকাতায় ১,০৭৯ টাকায় এলপিজির ১৪.২ কেজির একটি সিলিন্ডার পান গ্রাহকরা। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে এই সিলিন্ডারটি ২০০ টাকা কমে পাবেন তাঁরা। একইভাবে উজ্বলা যোজদনার গ্রাহকরাও সিলিন্ডার পিছু ৪০০ টাকা কমে পাবেন।রাজ্য তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ এদিন বলেছেন, দেশজুড়ে নো ভোট টু বিজেপি স্লোগান উঠেছে। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যা দাম বেড়েছে তার তুলনায় এই ভর্তুকি কিছুই নয়।তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, ইন্ডিয়া জোটের দুটি বৈঠকের পর ২০০টাকা কমে গেল রান্নার গ্যাসের। ইন্ডিয়ার দম আছে।বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, এলপিজি সিলিন্ডারের দাম তো মোদী জি ১১০০/- টাকা থেকে কমিয়ে ৯০০/- টাকা করে দিলেন। ভারতবর্ষের ৩৩ কোটি গ্রাহক লাভবান হবেন। উজ্জ্বলা প্রকল্পের আওতায় থাকা ৯ কোটি ৬০ লক্ষ গ্রাহক ৭০০ টাকায় সিলিন্ডার পাবেন, কারণ ওনারা আগে থেকেই ২০০ টাকা কমে পাচ্ছিলেন। কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যেই আরো ৭৫ লক্ষ গ্রাহকদের উজ্জ্বলা প্রকল্পের আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাই উক্ত প্রকল্পের মাধ্যমে লাভবান গ্রাহকদের সংখ্যা ১০ কোটি ৩৫ লক্ষ হয়ে যাবে।

আগস্ট ৩০, ২০২৩
রাজনীতি

রান্নার গ্যাসের পুনরায় মুল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে এস ইউ সি আই এর বিক্ষোভ

রান্নার গ্যাসের পুনরায় মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে প্রতিকি বিজ্ঞপ্তি জালিয়ে এস এউ সি আই এর বিক্ষোভ প্রদর্শন। পুনরায় মূল্যবৃদ্ধির ফলে হোটেল, রেস্তোরাঁ ও অন্যান্য ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান জিনিসের দাম বাড়বে, এবং এর প্রভাবে অতিরিক্ত খরচের বোঝা এসে পড়বে সাধারণ মানুষের উপর। এস ইউ সি আই এর এই সভা থেকে দাবী তোলে, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম উল্লেখযোগ্য ভাবে কমা সত্ত্বেও এবং রাশিয়া থেকে কম দামে তেলের আমদানি ক্রমাগত বাড়তে থাকলেও কেন্দ্রের বিজেপি সরকার সাম্প্রতিক বাজেটে রান্নার গ্যাসে ভর্তুকি ৭৫% তুলে দেওয়ার ঘোষণা করেছে,সেই পরিপ্রেক্ষিতে এই মূল্যবৃদ্ধি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। তাঁদের আরও দাবি, উজালা যোজনার মাধ্যমে সবাইকে বিনামূল্যে গ্যাস পরিষেবা দিয়েছেন বলে প্রধানমন্ত্রী মাঝে মাঝেই বড়াই করলেও, তিনি সুকৌশলে এই সত্যটি আড়াল করেন যে, সেই উপভোক্তাদেরও বাজারদর অনুযায়ীই সিলিন্ডার কিনতে হয়। বাণিজ্যিক গ্যাসের দামও বাড়িয়ে ৩৫২ টাকা বাড়িয়ে ২২২১.৫০ টাকা করা হয়েছে। যার ফলশ্রুতিতে অতি অবশ্যই হোটেল, রেস্তোরাঁ ও অন্যান্য ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান জিনিসের দাম বাড়াতে বাধ্য হবে, এবং অবশ্যম্ভাবী ভাবে এই অতিরিক্ত বোঝাও এসে পড়বে সাধারণ মানুষের উপর। সরকারের কর ছাড় দেওয়ার সুযোগ নিয়ে একদিকে দেশের স্বল্প সংখ্যক ধনকুবেররা যখন সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলছে, আরেকদিকে তখন সরকার বিভিন্ন পেশায় নিযুক্ত গরিব, মধ্যবিত্ত সমস্ত মানুষদের শোষণ করে আবারও ঘুরপথে কর আদায়ের ব্যবস্থা করল।

মার্চ ০১, ২০২৩
রাজ্য

মাসের প্রথম দিনই মাথায় বজ্রপাত, ফের লাফিয়ে বাড়ল রান্নার গ্যাসের দাম

মার্চের পয়লাতে সাতসকালেই সাধারণের জন্য খারাপ খবর। ফের একধাক্কায় মাসের প্রথম দিনই ৫০ টাকা বেড়ে গেল রান্নার গ্যাসের দাম। ডোমেস্টিক রান্নার গ্যাসের দাম ছিল ১০৭৯ টাকা হল। আজ, বুধবার থেকে তা বেড়ে হল ১১২৯টাকা। প্রায় ৭ মাস পর এই দাম বাড়ল। একইসঙ্গে দাম বেড়েছে বানিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম। বানিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম বেড়ে হয়েছে ২২১.৫০টাকা। সাধারণ মানুষের বক্তব্য, লকডাউনের সময় থেকেই আর্থিক অবস্থা খারাপ হয়েছে। এভাবে রান্নার গ্যাসের দাম বৃদ্ধি পেলে সংসার চালানো মুশকিল হয়ে দাঁড়াবে। মাসের প্রথম দিন যেন মাথায় বজ্রপাত হয়েছে। রান্নার গ্যাসের দাম বেড়ে যাওয়ায় রেরে করে উঠেছে বিজেপি বিরোধী দলগুলি। তৃণমূল কংগ্রেসের বক্তব্য, এটাই বিজেপির আচ্ছে দিন। সাধারণ মানুষ বুঝতে পারছে বিজেপি সরকার দেশের কি বেহাল দশা করেছে।

মার্চ ০১, ২০২৩
রাজ্য

গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে পুড়ে ছাই হয়ে গেল বসত বাড়ি

দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমা ব্লকের গোপালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে মাধাইমোড়ে গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে, আগুন পুড়ে ছাই হয়ে গেল বাড়ি । স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যা ৭/ ৪৫ নাগাদ এক্সপ্রধান বনমালী ঘোড়োই গ্যাস সিলিন্ডার বাস্ট করে ভষ্মীভূত হয়ে গেল দুতলা পাকা বাড়ি।জানা গিয়েছে বাড়িতে বৃদ্ধ মা ছিল পাড়ার ছেলেরা আগুন দেখতে পেয়ে তড়িঘড়ি ছুটে গিয়ে ওই বৃদ্ধকে রেস্কিউব করতে গিয়ে মাথায় চোট লাগে, তড়িঘড়ি রায় দিঘি হসপিটালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে চিকিৎসার জন্য ইতিমধ্যে পাথর প্রতিমা থানায় খবর দেওয়া হয়, পাথরপ্রতিমা থানার মেজ বাবু এবং সেবিকদের নিয়ে হাজির হন ওই স্থানে বিষয়টা পাথর প্রতিমা থানা খতিয়ে দেখছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়। এই মুহূর্তে এলাকায় আতঙ্কের ছায়া

আগস্ট ৩১, ২০২২
রাজ্য

সাধারণের সংসার চালাতে নাভিশ্বাস, ফের দাম বাড়ল রান্নার গ্যাসের

পেট্রল-ডিজেলের দাম তো আগেই আকাশ ছুঁয়েছে। এদিকে মাঝে-মধ্যেই বাড়ছে রান্নার গ্যাসের দাম। এবার রাজ্যে গ্যাসের দাম ছাড়়িয়ে গেল ১হাজার টাকা। আমনাগরিকের পকেটে টান পড়েছে। তারওপর নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্য নিত্য দিন বেড়েই চলেছে। বাজারে যা কিনতে যাচ্ছেন তাতেই ছ্যাঁকা লাগছে সাধারণের। বিরোধীদের বক্তব্য, যদিও এসব নিয়ে মাথাব্যথা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের।এদিন রান্নার গ্যাসের ১৪.২ কেজি সিলিন্ডারের দাম হয়েছে ১২৬ টাকা। দাম বেড়েছে ৫০ টাকা। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে রান্নার গ্যাসের দাম। পাশাপাশি আলুসহ সমস্ত সবজির দাম বেড়েছে। বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির দামও। মোদ্দা কথা সাধারণের মানুষের নুন আনতে পান্তা ফুরানোর অবস্থা। বিরোধীদের দাবি, এখন যুদ্ধের দোহাই দিয়ে পার পেতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। অন্যদিকে ১৯ কেজির বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম হয়েছে ২ হাজার ৪৪৫ টাকা ৫০ পয়সা।উত্তরপ্রদেশ সহ পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা ভোটের সময় পেট্র পন্যসহ জ্বালানী তেলের দাম বাড়েনি। ওই রাজ্যগুলিতে ভোট মেটার পর ক্রমাগত বেড়েছে জ্বালানী তেলসহ রান্নার গ্যাসের দাম।

মে ০৭, ২০২২
রাজ্য

মানুষের পকেট কেটে কেন্দ্রের আয় ১৭ লক্ষ কোটি', ৩০০ টাকা কমনো হোক রান্নার গ্যাসেরঃ মমতা

রান্নার গ্যাসের দাম বেড়েই চলেছে। এখনই রান্নার গ্যাসের দাম কমানোর দাবি জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি মমতার দাবি, যখন বিশ্ব বাজারে তেলের দাম কম ছিল তখন ক্রমাগত দাম বাড়িয়ে গিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।বৃহস্পতিবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রান্নার গ্যাসের দাম ৩০০ টাকা কমানো উচিত। পেট্রল, ডিজেলের দামও কমানো উচিত। যখন সারা বিশ্বে দাম কমিয়েছিল তখনও দাম কমায়নি কেন্দ্র। ওদের একটা ফান্ড থাকবে। নিজের ইচ্ছামত খরচ করবে পার্টির স্বার্থে। দেখাবে সরকার খরচ করছে। মানুষের পকেট কেটে সব দোষ চাপায় রাজ্যের। সাধু সেজেছে সব নন্দ ঘোষ। এটা তো হতে পারে না।এবার মোদি-মমতা পৃথক বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা নেই। একথা বললেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, কাল রাতে পৌছাবে পরশু চলে আসব। এবার তাড়াতাড়ি চলে আসব। এবার আর আলাদা করে দেখা হবে না।গতকাল, বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রীদের এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পেট্রল, ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির জন্য রাজ্যগুলির ওপর দোষ চাপিয়েছেন। তার মধ্যে বাংলার নামও করেছেন তিনি। তবে গতকালের বৈঠক নিয়ে যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষুব্ধ তা এদিন তাঁর মন্তব্যে স্পষ্ট।মমতা বলেন, গতকাল কোভিড এজেন্ডা ছিল না। আগামি দিন আরও বাড়াবে তাই দোষটা নিজেরে ঘাড় থেকে ঝাড়বার চেষ্টা করছে। নিজেরা ১৭ লক্ষ ৩ কোটি টাকা আদায় করেছে মানুষের পরকেট কেটে। এই টাকাটা না কাটলেই হত না? ১৪ বার দাম বাড়িয়েছে। রাজ্যকে পাওনা দেবে না। দোষ হলে রাজ্যের দোষ। কোভিড লড়াইতে ক্রেডিট তোমার। মানুষ বিপদে পড়লেও দোষ রাজ্যের।

এপ্রিল ২৮, ২০২২
রাজ্য

রান্নার গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে মাথায় উনান আর কাঁধে জ্বালানি কাঠ নিয়ে তৃণমূলের অভিনব প্রতিবাদ

দরিদ্র পরিবারের মহিলাদের মুখে হাসি ফুটবে বলে জানিয়ে কেন্দ্রের সরকার ঘটাকরে চালু করেছিল উজ্জ্বলা গ্যাস যোজনা। সেই এলপিজি গ্যাসের সিলিণ্ডার প্রতি দাম এখন ১০০০ টাকা ছুঁয়েছে। আর তার কারণেই গ্রাম গঞ্জের দরিদ্র পরিবারের মহিলারা এখন এলপিজি গ্যাস ছেড়ে ফের অপরিস্কার জ্বালানি ব্যবহারেই ফিরে এসেছে। কেন্দ্রের মোদী সরকারের এই ব্যর্থতা জনসমক্ষে তুলে ধরতে হাতে উনান ও কাঁধে জ্বালানি কাঠ নিয়ে তৃণমূলের মিছিলে হাঁটলেন মহিলারা। কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরোধীতায় মঙ্গলবার এমন অভিনব প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপি নেতৃত্ব যদিও তৃণমূলের এমন মিছিলের আয়োজনকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি। তাঁদের বক্তব্য, এমন মিছিল থেকেই পরিস্কার হয়ে যাচ্ছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প বাস্তবে গৃহিণীদের দুর্গতি ঘোচাতে পারে নি।দলীয় ঘোষণা অনুযায়ী এদিন পেট্রোল, ডিজেল, রান্নার গ্যাস ও ওষুধের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে রাজ্য জুড়ে পথে নামে তৃণমূল যুব কংগ্রেসের কর্মীরা। প্রতিবাদ থেকে পিছিয়ে থাকেনি জামালপুর ব্লক তৃণমূল যুব কংগ্রেসের নেতা ও কর্মীরাও। জামালপুর ব্লক তৃণমূল যুব যুব কংগ্রেসের সভাপতি ভূতনাথ মালিকের নেতৃত্বে এদিন জামালপুর পুলমাথা এলাকা থেকে শুরু হয় প্রতিবাদ মিছিল। প্রায় দেড় কিমি পথ পরিক্রমা করে প্রতিবাদ মিছিল শেষ হয় হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর কাছে। মিছিলে জামালপুরের বিধায়ক তথা পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি অলোক মাঝি, ব্লক তৃণমূল সভাপতি মেহেমুদ খাঁন সহ অন্য নেতারা অংশ নেন।প্রতিবাদ মিছিলের একেবারে প্রথম সারিতে থাকেন তৃণমূল সমর্থক গৃহস্থ পরিবারের মহিলারা। তাঁদের অনেকে মাথায় উনান ও কাঁধে জ্বালানি কাঠের বোঝা নিয়ে মিছিলে হাঁটেন। রাজনৈতিক দলের মিছিলে উনান ও জ্বালানি কাঠের বোঝা নিয়ে হাঁটার কারণ প্রসঙ্গে রুপা দাস ও সন্ধ্যারাণী ল্যাঙ্কা বলেন, আমরা দরিদ্র শ্রমজীবী পরিবারের বধূ। উনানে কাঠ কুটো দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে আগে পরিবারে রান্নাবান্না হত।মোদী সরকারের কথায় বিশ্বাস করে এলপিজি গ্যাসের কানেকশান নিয়েছিলেন। তার পর করোনা অতিমারির প্রভাবের জন্য দীর্ঘ সময় ধরে লকডাউন জারি থাকে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও আমাদের মত দরিদ্র পরিবার গুলির সদস্যদের আর্থিক রোজগার বাড়ে নি। বরং কমেছে। কিন্তু এসবের কোনকিছুরই খোঁজ খবর না রেখে এলপিজি গ্যাসের সিলিণ্ডার প্রতি দাম এখন প্রায় ১০০০ টাকার মত করে দিয়েছে। এত দামে গ্যাস সিলিণ্ডার কিনে আর বাড়িতে রান্নাবান্না করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই খালি গ্যাস সিলিণ্ডার ও ওভেন বাড়ির চৌকির নিচে রেখে দিয়ে এখন ফের আগের মতই কাঠের উনানে রান্না করছেন। তাই মোদী সরকারের এমন কীর্তি জনসমক্ষে তুলে ধরতেই এদিন মাথায় উনান ও কাঁধে জ্বালানি কাঠ নিয়ে হেঁঠেছেন বলে রুপা দাস ও সন্ধ্যারাণী ল্যাঙ্কা মন্তব্য করেন।বিধায়ক অলোক মাঝি বলেন, ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে যাঁরা বিজেপিকে ভোট দিয়েছিলেন তাঁরা এখন হাড়ে হাড়ে বুঝতে পারছেন কি ভুল তাঁরা করেছেন। এদিনের প্রতিবাদ মিছিলে সেই ভুলেরই প্রকাশ ধরা পড়েছে সাধারণ গৃহস্থ পরিবারের মহিলাদের মাথায় উনান ও কাঁধে জ্বালনি কাঠ নিয়ে হাঁটায় মধ্য দিয়ে। ব্লক তৃণমূল যুব সভাপতি ভূতনাথ মালিক জানান, শুধু রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ানোই নয়। পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন শেষ হতেই কেন্দ্রের মোদী সরকার পেট্রোল, ডিজেল এমনকি জীবনদায়ী ওষুদের দামও বহুগুন বাড়িয়ে দিয়েছেন। এর বিজেপি নেতারা সবার বিকাশের বুলি আওড়ে রাজ্যের তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধাচরণ করে যাচ্ছে। এর প্রতিবাদে স্বরুপ এখন গ্রামের মহিলারা উনান ও জ্বালানি কাঠ নিয়ে পথে নামছে। আগামী দিনে এই মহিলারাই ভোটের বাক্সে বিজেপিকে যোগ্য জবাব দিয়ে দেবে।

মার্চ ২৯, ২০২২
দেশ

মধ্যবিত্তের চিন্তা বাড়িয়ে এক লাফে ৫০ টাকা দাম বাড়ল রান্নার গ্যাসের

পেট্রোল-ডিজেলের পর এইবার রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ল। সিলিন্ডার প্রতি ৫০ টাকা বাড়ল গ্যাসের দাম। কলকাতায় এলপিজি গ্যাসের দাম বেড়ে হল ৯৭৬ টাকা। ১৪.২ কেজি গ্যাসের জন্য উপভোক্তাদের এখন থেকে ৯৭৬ টাকা করে দিতে হবে। তবে এদিকে বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম কমল ৮ টাকা। ১৯ কেজি গ্যাসের জন্য উপভোক্তাদের এখন থেকে দিতে হবে ২০৮৭ টাকা। আজ কলকাতায় ভর্তুকিযুক্ত ১৪.২ কেজি রান্নার গ্যাসের দাম ছিল ৯২৬ টাকা। কিন্তু এখন থেকে রান্নার গ্যাসের জন্য অতিরিক্ত ৫০ টাকা বরাদ্দ করতে হবে বাজারের খরচ থেকে।প্রসঙ্গত, পাঁচ রাজ্যে নির্বাচনের জন্যই রান্নার গ্যাস এবং জ্বালানি গ্যাসের দাম বৃদ্ধি আটকে রাখা হয়েছিল বলে অনেক বিশেষজ্ঞদের মতামত। পাঁচ রাজ্যের ভোট মিটতেই সরকার নতুন দাম লাগু করছে। রান্নার গ্যাসের পাশাপাশি দাম বেড়েছে পেট্রোল এবং ডিজেলেরও। সম্প্রতি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও একই সুরে সুর মিলিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, নির্বাচনের ফলাফলের ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। এইবার গ্যাস এবং পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়াবে কেন্দ্র। এবং তাঁর আশঙ্কা সত্যিও হল। বলাই বাহুল্য, এই মূল্যবৃ্দ্ধির প্রভাব সরাসরি পড়বে মধ্যবিত্ত এবং নিম্নবিত্তদের ভাঁড়ারে। এমনিতেই করোনা মহামারির কাঁটায় অনেকের আয়ে প্রভাব পড়েছে। করোনা পরিস্থিতিতে সংসার চালাতে নাস্তানাবুদ জনগণ। এমতাবস্থায় রান্নার গ্যাসের দামবৃদ্ধি গোঁদের উপর বিষ ফোঁড়ার মতোই। রান্নার গ্যাস ও জ্বালানি তেলের দামবৃদ্ধির ফলে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কাও এড়িয়ে যাওয়া যাচ্ছে না।

মার্চ ২২, ২০২২
ব্যবসা

এক লাফে ১০৮ টাকা বেড়ে বাণিজ্যিক রান্নার গ্যাস ২০৯৫ টাকা!

গৃহস্থের হেঁশেলের রান্নার গ্যাসের দাম এই দফায় বাড়ল না। কিন্তু তাঁদের উদ্বেগ বহু গুণ বাড়িয়ে হোটেল-রেস্তরাঁয় ব্যবহৃত রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার মার্চে ১০৮ টাকা বেড়ে ২০০০ পেরোল কলকাতায়। সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, পেট্রল-ডিজ়েলের মতো রান্নার গ্যাসের দামও যে পাঁচ রাজ্যে বিধানসভার ভোটের দিকে তাকিয়ে স্থির, সেটা মোটামুটি পরিষ্কার।গৃহস্থের বোঝা বাড়িয়ে এখনই তাঁদের কাছে অপ্রিয় হওয়ার পথে হাঁটতে চায় না মোদি সরকার। ফলে আপাতত অন্যান্য ক্ষেত্রে ব্যবহৃত জ্বালানিতে খাঁড়া নামছে। এর আগে বিমান জ্বালানি এটিএফ রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। এ বার ১৯ কেজির বাণিজ্যিক সিলিন্ডার ছুঁয়ে ফেলল ২০৯৫ টাকা। যদিও মনে করা হচ্ছে ভোট মিটলেই ফের মধ্যবিত্তের চিন্তা বাড়িয়ে দাম বাড়তে চলেছে রান্নার গ্যাসের।সাধারণ মানুষ রান্নার জন্য যে ভর্তুকিহীন ১৪.২ কেজির সিলিন্ডার কেনেন, তার দাম এখন ৯২৬ টাকা (কলকাতায়)। তবে আগামী দিনে তা কোথায় পৌঁছবে সেই প্রশ্নে দুশ্চিন্তা বাড়ছে এটিএফ এবং বাণিজ্যিক সিলিন্ডারকে দেখে। তেল সংস্থা সূত্রের খবর, বিশ্ব বাজারে অশোধিত তেলের পাশাপাশি রান্নার গ্যাসের মূল দুই উপাদান প্রোপেন ও বুটেনের দামও বেড়েছে। ফলে তা না-কমলে পরের মাসে সব রকম গ্যাসের দাম বৃদ্ধিরই আশঙ্কা। ঠিক যে আশঙ্কা পেট্রল-ডিজেল নিয়ে। কারণ তখন ভোট শেষ হবে। তার উপরে অক্টোবরের শুরুতে ১৪.২ কেজির সিলিন্ডারের দাম এক রাখলেও কয়েক দিন পরেই বাড়ায় তেল সংস্থাগুলি। ফলে মার্চের শুরুতে না-বাড়লে যে মাঝেও বাড়বে না, এমন নিশ্চয়তা নেই বলেই ধারণা সকলের।

মার্চ ০১, ২০২২
দেশ

LPG: একধাক্কায় গ্যাসের দাম বাড়ল ২৬৬ টাকা

আরও মহার্ঘ হল গ্যাস। কমার্শিয়াল অর্থাৎ বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম একধাক্কায় বাড়ল অনেকটাই। সিলিন্ডার প্রতি দাম বেড়েছে ২৬৬ টাকা।সোমবার সবার থেকে কার্যকর হচ্ছে সেই দাম। তবে বাড়িতে ব্যবহৃত রান্নার গ্যাসের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ১৯ কেজির কমার্শিয়াল অর্থাৎ বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম এত দিন পর্যন্ত ছিল ১৭৩৪ টাকা। আজ থেকে সেটাই সিলিন্ডার প্রতি ২৬৬ টাকা করে বেড়ে হল ২০০০.৫০ টাকা।দাম বাড়ার পর মুম্বইতে ১৯ কেজির বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম বেড়ে হল ১৯৫০ টাকা, কলকাতায় নতুন দাম হল ২০৭৩ টাকা, চেন্নাইতে দাম হল ২১৩৩ টাকা। স্বভাবিকভাবেই এই গ্যাসের দাম বাড়ায় প্রভাব পড়বে হোটেল ও রেস্তোরাঁর ক্ষেত্রে। প্রভাবিত হবেন ব্যবসায়ীরা।এর আগে গত ৬ অক্টোবর বেড়েছিল রান্নার গ্যাসের দাম। মহালয়ার দিনেই দাম বেড়েছিল। গত তিন মাসে এই নিয়ে চতুর্থবার দাম বেড়েছিল গ্যাসের। সিলিন্ডার প্রতি ১৫ টাকা করে দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। ভর্তুকিযুক্ত এবং ভর্তুকিবিহীন উভয় ক্ষেত্রেই দাম বাড়ানো হয়।

নভেম্বর ০১, ২০২১
রাজ্য

LPG Price Hike: পুজোর আগেই ফের দাম বাড়ল রান্নার গ্যাসের!

পুজোর আগে ফের বাড়ল রান্নার গ্যাসের দাম। প্রতিমাসেই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে গ্যাসের দাম। হেঁসেল জ্বালাতেই যখন হিমশিম খাচ্ছে সবাই, সেই সময়ই ফের একবার বাড়ল গ্যাসের দাম। সেপ্টেম্বর মাসের পর এ বার অক্টোবর মাসের প্রথম দিনেই ফের বাড়ল রান্নার গ্যাসের দাম। তবে গৃহস্থদের এবার রেহাই দিয়ে দাম বেড়েছে বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডারের। ১৯ কেজির যে বাণিজ্যিক সিলিন্ডার রয়েছে, তার দাম বেড়ে হয়েছে ১৮০৫ টাকা ৫০ পয়সা। আজ থেকেই যা কলকাতায় কার্যকর। উৎসবের মরশুমে এই দাম বৃদ্ধির কারণে রেস্তরাঁ, খাবারনের দোকানগুলিতেও দাম বাড়তে পারার সম্ভাবনা রয়েছে। অর্থাৎ প্রত্যক্ষ না হলেও পরোক্ষভাবে সেই গৃহস্থের পকেটই ফাঁকা হতে চলেছে।।১৯ কেজির পাশাপাশি ৫ কেজি, ৪৭ কেজির সিলিন্ডারেরও দাম বেড়েছে। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ৫ কেজির এফটিএল সিলিন্ডারের নতুন সংযোগ নিতে গেলে এবার থেকে খরচ করতে হবে ১৪৪৬.৫০ টাকা। রিফিল সিলিন্ডারের জন্য ৫০২ টাকা ৫০ পয়সা খরচ পড়বে। ফ্রি ট্রেড এলপিজির পিওএস সিলিন্ডারের নতুন সংযোগ নেওয়ার ক্ষেত্রে ১৪৬৪ টাকা লাগবে। রিফিল সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে সেই খরচই পড়বে ৫২০ টাকা। ৪৭.৫ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে এবার থেকে সিলিন্ডার পিছু ৪৫১০ টাকা খরচ পড়বে। একস্ট্রা তেজ গ্যাস সিলিন্ডারের জন্য ৪৫৬৬ টাকা খরচ হবে। ১৯ কেজি ন্যানো কাট বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম এ বার থেকে পড়বে ২০৬৪ টাকা। ১৯ কেজি এক্সট্রা তেজ সিলিন্ডারের ক্ষেত্রেই সেই খরচটা কিছুটা কম পড়বে। সিলিন্ডার পিছু দাম বেড়ে বর্তমানে হয়েছে ১৮২৮ টাকা।

অক্টোবর ০১, ২০২১
রাজ্য

LPG : গোডাউনে বেআইনি গ্যাস সিলিন্ডার মজুতের দায়ে মেমারিতে গ্রেপ্তার ব্যবসায়ী

গোডাউনে বেআইনি ভাবে গ্যাস সিলিন্ডার মজুতের অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন এক ব্যক্তি। ধৃতের নাম স্বরুপ অধিকারী। পূর্ব বর্ধমানের মেমারির আমাদপুরের ধৃতের গ্যাসের গোডাউনে শনিবার সন্ধ্যায় অভিযান চালায় মেমারি থানার পুলিশ ও জেলার এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ। সেই অভিযানেই গোডাউন থেকে উদ্ধার হয় বেআইনি ভাবে মজুত রাখা ৯৫ টি গ্যাস সিলিন্ডার। সেগুলি মূলত ভারত পেট্রোলিয়াম ও ইন্ডিয়ান অয়েল কোম্পানির গ্যাস সিলিন্ডার বলে পুলিশ জানিয়েছে। ওই সিলিন্ডারগুলি মজুত সংক্রান্ত কোন নথিপত্র গোডাউন মালিক স্বরুপ অধিকারী দেখাতে না পারায় তঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পাশাপাশি পুলিশ সিলিন্ডার গুলিও বাজেয়াপ্ত করেছে। পুলিশের অনুমান শারদোৎসবের সময়ে কালোবাজারির উদ্দেশেই গোডাউনে বেআইনি ভাবে এত গ্যাস সিলিন্ডার মজুত করা হয়েছিল ।রবিবার ধৃতকে পেশ করা হবে বর্ধমান আদালতে। কীভাবে কাদের থেকে স্বরুপ অধিকারী এতগুলি গ্যাস সিলিন্ডার পেলেন সেই বিষয়টিও পুলিশ খতিয়ে দেখছে।সেইমতো সন্ধ্যাবেলায় গোপন সূত্রে খবর আসতেই মেমারি পুলিশ ও জেলা ইনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ যৌথ অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেয়।আর তাতেই আসে সাফল্য।আগামীকাল ধৃত স্বরুপ অধিকারীকে বর্ধমান আদালতে তোলা হবে।কিভাবে চলত কারবার? আরও কারা জড়িত এই চক্রের সন্ধানে তাদের খোঁজে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২১
কলকাতা

LPG: ফের বাড়ল রান্নার গ্যাসের দাম, নাভিশ্বাস মধ্যবিত্তের

ফের আমজনতার দুর্ভোগ বাড়িয়ে ১৫ দিনের মাথায় আরও চড়া হল রান্নার গ্যাসের (এলপিজি) দাম। আজ থেকে কলকাতায় ১৪.২ কেজির ভর্তুকিহীন সিলিন্ডার কিনতে হবে ৯১১ টাকা দিয়ে। আগের থেকে আরও ২৫ টাকা বেশি। অর্থাৎ গত ডিসেম্বর থেকে গ্যাসের দাম বাড়ল ২৯০.৫০ টাকা। হোটেল-রেস্তোরাঁয় ব্যবহৃত সিলিন্ডারও (১৯ কেজি) ৭৩.৫০ টাকা বেড়ে হয়েছে ১৭৭০.৫০ টাকা। এ দিকে, সাত দিন থমকে থাকার পরে আজ আইওসি-র পাম্পে পেট্রল-ডিজ়েলের দর সামান্য কমছে, লিটারে যথাক্রমে ১০ পয়সা এবং ১৪ পয়সা। এর আগে অগস্টের মাঝামাঝি ১৪.২ কেজির সিলিন্ডারের দাম বাড়ে ২৫ টাকা। ফলে মাত্র ১৫ দিনেই ৫০ টাকা সংসার খরচ বাড়ল গৃহস্থের। তেল সংস্থা সূত্রের খবর, বিশ্ব বাজারে এলপিজি-র মূল উপাদান প্রোপেন-বুটেনের দর বৃদ্ধিই এর কারণ। উল্লেখ্য, করোনা পরিস্থিতিতে যখন সাধারণ রোজগেরে মানুষের এমনিতেই বেহাল দশা, তখন ভর্তুকি বাড়িয়ে কেন গ্রাহকদের স্বস্তি দিচ্ছে না মোদি সরকার? তবে তাতে কেন্দ্রের অবশ্য বিশেষ হেলদোল নেই। চড়া উৎপাদন শুল্ক কমিয়ে পেট্রল-ডিজেলে সুরাহা দেওয়ার আর্জিও ঠিক এ ভাবেই লাগাতার অগ্রাহ্য করে এসেছে তারা।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

খাস কলকাতায় পাক গুপ্তচর চক্রের হদিস! জুতোর ব্যবসার আড়ালে চলত ভয়ঙ্কর খেলা

খাস কলকাতায় পাক গুপ্তচর চক্রের বড় পর্দাফাঁস করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। আইএসআই-এর হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে এন্টালির বাসিন্দা জাফর রিয়াজকে। তদন্তে উঠে এসেছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য।জানা গিয়েছে, কলকাতায় জুতোর ব্যবসা করত জাফর। তার দুটি কারখানাও ছিল। কিন্তু সেই ব্যবসার আড়ালেই চলত গুপ্তচরবৃত্তির কাজ। নিজের নামে সিম কার্ড তুলে তা পাকিস্তানের গোয়েন্দা অফিসারদের হাতে পৌঁছে দিত সে।তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, জাফরের বিয়ে হয়েছিল পাকিস্তানের লাহোরের বাসিন্দা রাবিয়া জাফফার নামে এক মহিলার সঙ্গে। বিয়ের পর ২০১২ সাল পর্যন্ত তারা কলকাতাতেই থাকত। তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। বর্তমানে তারা লাহোরেই পড়াশোনা করছে।২০১২ সালে একটি পথ দুর্ঘটনার পর জাফরের ব্যবসায় বড় ক্ষতি হয়। আর্থিক সমস্যার কারণে স্ত্রীকে লাহোরে বাপের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয় সে। এরপর থেকেই পাকিস্তানে তার যাতায়াত বাড়তে থাকে। এমনকি পাকিস্তানের নাগরিকত্ব নেওয়ার চেষ্টাও করছিল বলে জানা গিয়েছে।তদন্তে দাবি, এই সুযোগকেই কাজে লাগায় পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। টাকার লোভ দেখিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির কাজে নামানো হয় জাফরকে।পরবর্তীতে কলকাতার বাড়ি বিক্রি করে প্রথমে দিল্লি এবং পরে পঞ্জাবে ঘাঁটি গাড়ে সে। তবে শেষ পর্যন্ত গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ২০২২ সালে পঞ্জাব পুলিশের বিশেষ অভিযানকারী দল জাফর ও তার সহযোগী মহম্মদ শামশেদকে গ্রেফতার করে। ধৃত শামশেদ বিহারের মধুবনির বাসিন্দা।তদন্তকারীদের দাবি, জাফর ভারতের বিভিন্ন সেনা ছাউনি, সামরিক দফতর এবং জওয়ানদের গতিবিধির ছবি ও ভিডিও তুলে সরাসরি আইএসআই-এর কাছে পাঠাত। শুধু তাই নয়, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভুয়ো পরিচয়ে ভারতীয় সিম কার্ড সংগ্রহ করে তার ওটিপি পাকিস্তানের হ্যান্ডলারদের কাছে পাঠানো হত।সেই নম্বর ব্যবহার করে পাকিস্তানের গুপ্তচররা সুন্দরী মহিলাদের ছবি দিয়ে ভুয়ো হোয়াটসঅ্যাপ প্রোফাইল তৈরি করত। এরপর ভারতীয় সেনার জওয়ানদের প্রেমের ফাঁদে ফেলার চেষ্টা চলত। তদন্তকারীদের দাবি, এই গোটা হানি ট্র্যাপ চক্রের মূল মাথাদের অন্যতম ছিল জাফর।বর্তমানে ধৃতদের জেরা করে এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত এবং গোটা নেটওয়ার্ক কতটা বড়, তা জানার চেষ্টা চালাচ্ছেন গোয়েন্দারা।

মে ২১, ২০২৬
বিদেশ

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর তুমুল ঝামেলা! ফোনালাপেই চড়ল উত্তেজনা

ইরান যুদ্ধ নিয়ে এবার প্রকাশ্যে আসছে আমেরিকা ও ইজরায়েলের মধ্যে বড় মতবিরোধের ইঙ্গিত। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে এই ইস্যুতে তীব্র মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে বলে দাবি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের এক রিপোর্টে। এমনকি সম্প্রতি দুই রাষ্ট্রনেতার দীর্ঘ ফোনালাপের সময় উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ও হয়েছে বলে খবর।যদিও এই ফোনালাপ নিয়ে এখনও পর্যন্ত আমেরিকা বা ইজরায়েলের তরফে কোনও সরকারি বিবৃতি দেওয়া হয়নি। তবে মার্কিন সংবাদমাধ্যমের একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ইরান যুদ্ধের ভবিষ্যৎ নিয়ে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর অবস্থান একেবারেই আলাদা।সূত্রের খবর, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এখনও ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালিয়ে যেতে চান। তাঁর মতে, তেহরানের সামরিক শক্তি ও পরিকাঠামো আরও দুর্বল না করা পর্যন্ত অভিযান থামানো উচিত নয়। ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থাকেও চাপে ফেলতে চাইছে তেল আভিভ।অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নাকি এই মুহূর্তে নতুন করে যুদ্ধ বাড়ানোর পক্ষপাতী নন। তিনি কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চাইছেন। যদিও ট্রাম্প স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, আলোচনায় সমাধান না এলে আমেরিকা আরও বড় হামলা চালাতে পিছপা হবে না।রিপোর্টে আরও দাবি করা হয়েছে, ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে জানিয়েছেন যে কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় একটি বিশেষ চুক্তিপত্র তৈরির চেষ্টা চলছে। সেখানে আমেরিকা ও ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হতে পারে। এরপর শুরু হতে পারে ৩০ দিনের আলোচনা পর্ব।সেই আলোচনায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা এবং পশ্চিম এশিয়ার সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।তবে ইজরায়েল সরকারের একাধিক সূত্রের দাবি, ট্রাম্পের এই কৌশলে একেবারেই সন্তুষ্ট নয় তেল আভিভ। বরং এই পরিকল্পনায় হতাশ নেতানিয়াহু। তিনি আগের পরিকল্পনা অনুযায়ী ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালিয়ে যাওয়ার পক্ষেই রয়েছেন।এই পরিস্থিতিতে আমেরিকা ও ইজরায়েলের সম্পর্ক নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে আন্তর্জাতিক মহলে। বিশেষ করে ইরান যুদ্ধের মতো স্পর্শকাতর ইস্যুতে দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মতবিরোধ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলেই মনে করছেন কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

মে ২১, ২০২৬
রাজ্য

বাংলায় ফের বৃষ্টির দাপট! উত্তরবঙ্গে অতি ভারী বর্ষণের সতর্কতা, দক্ষিণে বাড়বে অস্বস্তি

গত কয়েকদিন ধরে বাংলার একাধিক জেলায় দিনের বেলায় তীব্র গরম আর বিকেলের দিকে ঝড়-বৃষ্টি দেখা যাচ্ছে। তবে এতেও গরম থেকে এখনই স্বস্তি মিলবে না বলেই জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। বরং আগামী কয়েকদিন উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি পশ্চিম বিহারের উপরেও রয়েছে আরও একটি ঘূর্ণাবর্ত। এই জোড়া ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবেই উত্তরবঙ্গের আবহাওয়ায় বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে।বৃহস্পতিবার থেকে আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে শুক্রবার, শনিবার এবং রবিবার জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারের কিছু অংশে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে হাওয়া অফিস।দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়ি জেলায় মঙ্গলবার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টি চলতে পারে। অন্যদিকে মালদহ, উত্তর দিনাজপুর এবং দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।তবে দক্ষিণবঙ্গের জন্য খুব একটা সুখবর নেই। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়া আরও কিছুদিন বজায় থাকবে। কোথাও কোথাও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হলেও তা খুব অল্প সময়ের জন্য হবে। ফলে গরম থেকে স্থায়ী স্বস্তি মিলবে না।সবচেয়ে বেশি গরম ও অস্বস্তি অনুভূত হবে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূম জেলায়। কলকাতা-সহ উপকূলের জেলাগুলিতে আর্দ্রতার কারণে ভ্যাপসা গরম আরও বেশি অনুভূত হবে। আবহাওয়াবিদদের মতে, উপকূলবর্তী এলাকায় বাতাসে জলীয় বাষ্প বেশি থাকায় অস্বস্তি অনেকটাই বাড়বে।

মে ২১, ২০২৬
কলকাতা

“দিল্লির কোন বাবা বাঁচাবে?” অভিষেকের মন্তব্যে ক্ষুব্ধ হাই কোর্ট, বড় নির্দেশ বিচারপতির

ভোট প্রচারে করা মন্তব্যকে কেন্দ্র করে কলকাতা হাই কোর্টে বড় ধাক্কার মুখে পড়লেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও আপাতত তাঁকে রক্ষাকবচ দিয়েছে আদালত, তবে একাধিক শর্তও বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, আগামী ৩০ জুলাই পর্যন্ত তিনি বিদেশ যেতে পারবেন না।ঘটনার সূত্রপাত ২৭ এপ্রিল। ওইদিন আরামবাগে ভোট প্রচারে গিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নাম না করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে আক্রমণ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উদার। আমি উদার নই। এবার বিষয়টা আমি দেখে নেব। ৪ মে ১২টার পর দেখব দিল্লির কোন বাবা বাঁচায়।সরকার পরিবর্তনের পর ওই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিধাননগর কমিশনারেটের সাইবার ক্রাইম শাখায় অভিষেকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়। এরপরই রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন তৃণমূল সাংসদ। বৃহস্পতিবার ছিল সেই মামলার শুনানি।শুনানির সময় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য অভিষেকের মন্তব্য নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, তিনবারের সাংসদ এবং একজন উচ্চপদস্থ রাজনৈতিক নেতা কীভাবে এমন মন্তব্য করতে পারেন। বিচারপতির বক্তব্য, ৪ মে যদি ভোটের ফল অন্যরকম হত, তাহলে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যেতে পারত।এরপর অভিষেকের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে বলেন, অমিত শাহও তো অনেক কিছু বলেন। সেই প্রসঙ্গেই বিচারপতি ফের কড়া মন্তব্য করেন।শুনানির সময় বিচারপতি আরও বলেন, মানুষ ভালোর কথা ভেবেই ২০১১ সালে পরিবর্তন এনেছিল। এর উত্তরে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মানুষ ২০২৬ সালেও ভালোর কথাই ভেবেছে। তখন বিচারপতি মন্তব্য করেন, সেটা সময় বলবে।তবে আদালত আপাতত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেফতারি থেকে সুরক্ষা দিয়েছে। পাশাপাশি তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, তদন্তকারী সংস্থা ডাকলে তাঁকে সশরীরে হাজিরা দিতে হবে। ভারচুয়ালি হাজিরার আবেদনও আদালত খারিজ করে দিয়েছে।এছাড়াও আদালত জানিয়েছে, অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করতে হলে অন্তত ৪৮ ঘণ্টা আগে নোটিস দিতে হবে। এখন এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

মে ২১, ২০২৬
রাজ্য

সরকারি গাড়ি ছেড়ে বাসে চড়লেন জেলাশাসক! মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকে যেতে পুরুলিয়ার অভিনব সিদ্ধান্ত

জ্বালানি সাশ্রয়ের বার্তা মেনে এবার অভিনব উদ্যোগ নিল পুরুলিয়া জেলা প্রশাসন। মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিতে সরকারি গাড়ির বদলে বাসে চড়ে দুর্গাপুর রওনা দিলেন জেলার আমলা ও পুলিশ কর্তারা। বৃহস্পতিবার সকালে এই ছবি ঘিরে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে প্রশাসনিক মহলে।সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশবাসীর কাছে আহ্বান জানিয়েছিলেন, যতটা সম্ভব জ্বালানি বাঁচাতে হবে এবং যাতায়াতে গণপরিবহনকে গুরুত্ব দিতে হবে। তারই মধ্যে চলতি মাসের ১৮ তারিখ রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজকুমার আগরওয়ালও সরকারি গাড়ির ব্যবহার কমানোর নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশ মেনেই এবার একসঙ্গে বাসে চড়ে দুর্গাপুরে রওনা দিল পুরুলিয়া জেলা প্রশাসন।বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে দশটা নাগাদ জেলা প্রশাসনিক ভবন থেকে দুটি বাসে করে রওনা দেন জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক, মহকুমাশাসক এবং বিডিওরা। একইভাবে পুলিশের আধিকারিকরাও গাড়ির সংখ্যা কমিয়ে বৈঠকে যোগ দিতে যান।পুরুলিয়ার জেলাশাসক সুধীর কোন্থম বলেন, দেশের প্রধানমন্ত্রীর বার্তা অনুযায়ী জ্বালানির খরচ কমাতে হবে। পাশাপাশি রাজ্যের তরফেও সরকারি গাড়ির ব্যবহার কমানোর নির্দেশ রয়েছে। আমরা সেই নির্দেশ মেনেই বাসে করে দুর্গাপুর যাচ্ছি।তিনি আরও বলেন, এটা শুধু সরকারি নির্দেশ পালন নয়, সাধারণ মানুষের কাছেও একটি বার্তা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা। কম খরচে এবং কম জ্বালানিতে কীভাবে কাজ করা যায়, সেটাই দেখাতে চাইছি।দুপুর দুটো নাগাদ দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারের সৃজনী প্রেক্ষাগৃহে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ওই বৈঠকে পশ্চিমাঞ্চলের পাঁচ জেলা পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান এবং বীরভূম জেলার প্রশাসনিক ও পুলিশ আধিকারিকরা উপস্থিত থাকবেন। বিডিওদের পাশাপাশি থাকবেন ওসি, আইসি, বিধায়ক এবং সাংসদরাও।প্রশাসন সূত্রে খবর, ওই বৈঠক থেকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। ইতিমধ্যেই মুখ্যসচিব প্রশাসনিক খরচ কমানো নিয়ে সাত দফা নির্দেশ জারি করেছেন। সেই অনুযায়ী প্রতিটি জেলা প্রশাসন এবং সরকারি দফতরকে আগামী অর্থবর্ষের জন্য তাৎক্ষণিক, মধ্যবর্তী এবং দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুক্রবারের মধ্যে সেই রিপোর্ট মুখ্যসচিবের দপ্তরে জমা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। পাশাপাশি আগামী ১ জুলাই থেকে প্রতি মাসে এই সংক্রান্ত রিপোর্ট পাঠানোর নির্দেশ রয়েছে।

মে ২১, ২০২৬
রাজ্য

ফলতায় ভোটের আগেই ‘গায়েব’ পুষ্পা জাহাঙ্গির! বুথে বুথে নেই তৃণমূল এজেন্ট, হাসিমুখে ঘুরছেন বিজেপির দেবাংশু

ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের পুনর্নির্বাচনে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই দেখা গেল একেবারে অন্য ছবি। অধিকাংশ বুথে তৃণমূলের কোনও এজেন্টই ছিলেন না। অন্যদিকে ২৮৫টি বুথেই বিজেপির এজেন্টদের দেখা যায়। এই পরিস্থিতিতে স্বাভাবিকভাবেই আত্মবিশ্বাসী বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পাণ্ডা। সকাল থেকেই তিনি এলাকায় ঘুরে বেড়ান খোশমেজাজে। কোথাও ঘুগনি-মুড়ি খেয়ে ভোটের পরিবেশ উপভোগ করতে দেখা যায় তাঁকে।ভোট দিতে আসা সাধারণ মানুষের মধ্যেও এদিন কোনও আতঙ্ক বা উত্তেজনার ছবি দেখা যায়নি। অনেকেই উৎসবের মেজাজে ভোট দেন। স্থানীয়দের দাবি, এলাকায় এদিন পরিবেশ ছিল শান্তিপূর্ণ।ফলতা কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হওয়ার কথা ছিল জাহাঙ্গির খানের। ভোটের আগে তাঁকে নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচনা হয়েছিল। নিজেকে পুষ্পা বলেও পরিচয় দিয়েছিলেন তিনি। সেই সময় প্রশাসনের সঙ্গে তাঁর সংঘাতের ঘটনাও শিরোনামে আসে। তবে বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই রাজনৈতিকভাবে অনেকটাই নীরব হয়ে যান জাহাঙ্গির। কয়েকদিন আগেই সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি জানান, পুনর্নির্বাচনের লড়াই থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন।এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলকে তীব্র কটাক্ষ করেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, অনেক শুনেছিলাম, খুব ধুরন্ধর নাকি! এখন কোথায় গেল? পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে অনেকেই অনেক কিছু করতে পারে। কিন্তু পুলিশ ছাড়া লড়াই করার ক্ষমতা সবার থাকে না। আমরা লড়েছি, জিতেও এসেছি।গত এপ্রিল মাসে হওয়া বিধানসভা নির্বাচনের সময় বাংলার একাধিক বুথে বিরোধী দলের এজেন্ট না থাকার অভিযোগ উঠেছিল। সেই সময় অভিযোগ ছিল, শাসকদলের কর্মী-সমর্থকেরা বিরোধীদের বুথে বসতে দেয়নি। মাত্র এক মাসের মধ্যেই রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি পুরো বদলে গিয়েছে। এখন রাজ্যে বিজেপির সরকার। আর ফলতার ভোটে দেখা গেল উল্টো ছবি।উল্লেখ্য, ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের মোট ভোটার সংখ্যা ২ লক্ষ ৩৬ হাজার ৪৪৪। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লক্ষ ২১ হাজার ৩০০ জন। মহিলা ভোটারের সংখ্যা ১ লক্ষ ১৫ হাজার ১৩৫। এছাড়াও তৃতীয় লিঙ্গের ৯ জন ভোটার রয়েছেন এই কেন্দ্রে।

মে ২১, ২০২৬
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রী হয়েই বেলুড় মঠে শুভেন্দু! প্রেসিডেন্ট মহারাজের পায়ে হাত দিয়ে নিলেন আশীর্বাদ

মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর এবার প্রথমবার বেলুড় মঠে গেলেন শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার সকালে প্রশাসনিক বৈঠকের আগে বেলুড় মঠে পৌঁছন তিনি। সেখানে রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের প্রেসিডেন্ট মহারাজ গৌতমানন্দজির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করে আশীর্বাদ নেন শুভেন্দু।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে রামকৃষ্ণ মিশনের সম্পর্ক বহুদিনের। কলকাতায় এলেই তিনি সময় করে বেলুড় মঠে যান। সেই পথেই এবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বেলুড় সফর রাজনৈতিক মহলে বিশেষ তাৎপর্য তৈরি করেছে।এদিন শুভেন্দুর সঙ্গে ছিলেন বিশিষ্ট চিকিৎসক নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়। বেলুড় মঠে পৌঁছতেই সন্ন্যাসীরা তাঁকে স্বাগত জানান। মুখ্যমন্ত্রীকে দেখতে সাধারণ দর্শনার্থীদের মধ্যেও উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। শুভেন্দুও সকলকে জোড় হাত করে প্রণাম জানান।মঠে ঢুকে প্রথমে মূল শ্রীরামকৃষ্ণ মন্দিরে যান মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে আরতি দেখেন এবং পুজো দেন। এরপর স্বামী বিবেকানন্দের স্মৃতিবিজড়িত ঘরে গিয়ে প্রণাম জানান। একে একে স্বামী ব্রহ্মানন্দ মন্দির এবং মা সারদাদেবীর মন্দিরেও পুজো ও প্রণাম করেন তিনি।সবশেষে রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের প্রেসিডেন্ট মহারাজের ঘরে গিয়ে বেশ কিছুক্ষণ সময় কাটান শুভেন্দু অধিকারী। মঠ সূত্রে খবর, প্রেসিডেন্ট মহারাজের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই প্রশাসনিক কাজকর্মে ব্যস্ত শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার তাঁর হাওড়া ও দুর্গাপুরে একাধিক প্রশাসনিক বৈঠকের সূচি রয়েছে। বেলুড় মঠ সফর শেষে তিনি হাওড়ার শরৎ সদনে প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিতে রওনা দেন। সেখানে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে পর্যালোচনা বৈঠক করেন তিনি। এরপর দুর্গাপুরেও প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর।

মে ২১, ২০২৬
দেশ

দেশে ফিরেই বড় বৈঠকে মোদী! মন্ত্রিসভায় বড় রদবদলের জল্পনা, বাংলা থেকে কি আসছেন নতুন মুখ?

বিদেশ সফর শেষ করে আজ দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর দেশে ফিরেই তিনি বসতে চলেছেন গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে। বৃহস্পতিবার দিল্লিতে এই বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে উপস্থিত থাকার জন্য সব কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের দিল্লিতে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেই সূত্রের খবর।রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা, এই বৈঠকে পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান সংঘাত পরিস্থিতি এবং তার প্রভাবে ভারতের অর্থনীতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার রদবদল নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।সূত্রের খবর, পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং তার প্রভাব নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার উদ্বিগ্ন। তেলের দাম, জ্বালানি সরবরাহ এবং মুদ্রাস্ফীতির পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। বিদেশ সফর থেকে ফিরে প্রধানমন্ত্রী মোদী গোটা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখবেন বলেই মনে করা হচ্ছে।এছাড়াও বৈঠকে বিভিন্ন মন্ত্রকের গত দুই বছরের কাজের রিপোর্টও পর্যালোচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী। সেই মূল্যায়নের ভিত্তিতে মন্ত্রিসভায় পরিবর্তনের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।বেশ কিছুদিন ধরেই দিল্লির রাজনৈতিক মহলে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ ও রদবদল নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। সূত্রের খবর, আগামী জুন মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে মন্ত্রিসভায় বড়সড় পরিবর্তন হতে পারে। কয়েকজন মন্ত্রীর দায়িত্ব বদল বা নতুন মুখকে সুযোগ দেওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সাফল্যের পর বাংলা থেকে নতুন কোনও মুখকে পূর্ণমন্ত্রী করা হতে পারে বলেও জল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বাংলাকে বিশেষ গুরুত্ব দিতেই কেন্দ্র এই সিদ্ধান্ত নিতে পারে।এই আবহে আজ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দিল্লি সফর নিয়েও জল্পনা আরও বেড়েছে। যদিও তাঁর সফরের সরকারি কারণ নিয়ে স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি, তবু রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।

মে ২১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal