• ১২ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার ২৯ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Injured

রাজ্য

ভাঙড়ের চামড়া কারখানায় বিস্ফোরণে জখম অন্তত ৫

সাতসকালে বিস্ফোরণের বিকট শব্দে কেঁপে উঠল ভাঙড়ের এক চামড়া কারখানা। ঘটনায় গুরুতর জখম ৫ জন। তাঁদের দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। পরে ৩ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কলকাতার হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। এলাকা ঘিরে রেখেছে পুলিশ। বিস্ফোরণের ঘটনা তীব্র আতঙ্ক স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে।ঘড়িতে তখন প্রায় ৮টা। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ের বালিগাদায় চামড়া কারখানায় সবে কাজ শুরু হয়েছে। এখানে চামড়া থেকে নানা সামগ্রী তৈরি হয়। সেসবই চলছিল রোজকার মতো। তবে আচমকাই প্রচণ্ড শব্দে কেঁপে ওঠে কারখানা। বোঝা যায়, বিস্ফোরণ ঘটেছে। প্রাথমিক ধাক্কা কাটতেই দেখা যায়, অন্তত ৫ জন জখম হয়েছে। তাঁদের সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধার করে নিকটবর্তী নলবড়ি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। বিস্ফোরণে জখম ৩ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁদের কলকাতায় পাঠানো হয়েছে। এই অবস্থায় কারখানা বন্ধের দাবি তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।অভিযোগ, এই চামড়ার কারখানাটি অবৈধভাবে চলছে বহুদিন ধরে। এই এলাকায় অবৈধ কারখানা বন্ধের জন্য় পুলিশকে বারবার বলা হলেও, লাভ হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।এদিন বিস্ফোরণের পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিকভাবে সব পরীক্ষা করে। তাদের প্রাথমিক অনুমান, চামড়া কাটার মেশিনের বয়লার থেকে বিস্ফোরণটি ঘটেছে। ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত চলছে। তবে বিস্ফোরণের তীব্রতায় আতঙ্কিত আশেপাশের মানুষজন।

এপ্রিল ২৪, ২০২১
কলকাতা

বালিতে চলন্ত বাসে গুলি, নিরাপদে যাত্রীরা

অফিস টাইমে বাসে গুলি চালানোর অভিযোগ। মঙ্গলবার সকালে এই ঘটনা ঘটেছে বালিঘাট স্টেশনের কাছে। যদিও গুলিই চলেছে কি না তা নিশ্চিত নয়। এদিন সকালে নিশ্চিন্দার রাজচন্দ্রপুর থেকে এসি-২৩এ রূটের একটি বৈদ্যুতিক বাস করুণাময়ীর দিকে যাত্রা শুরু করে পৌনে ৯টা নাগাদ। বালিঘাট স্টেশনের কাছে হঠাৎই বিকট শব্দে চমকে ওঠেন বাসের যাত্রীরা। বাসটিও ব্রেক কষে দাঁড়িয়ে যায়। প্রথমে বাসের টায়ার বার্স্ট করেছে ভাবেন যাত্রীরা। তারপরেই নজরে পড়ে বাসের সামনের দিকের মেঝেতে ও দুই পাশের সিটে বসা যাত্রীদের গায়ে ও বাসের ভেতরে পড়ে রয়েছে জানলার ভাঙা ফাইবার কাচের টুকরো। আর দুদিকের জানলাতেই তৈরি হয়েছে বড় গর্ত। দেখেই বোঝা যাচ্ছে কাচ এফোঁড়-ওফোঁড় করে ভারি কিছু একটা বেরিয়ে গিয়েছে। হঠাৎই ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় যাত্রীদের মধ্যে একজন বলে ওঠেন বাসে গুলি চলেছে। কেউ বাস লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে পালিয়ে গিয়েছে। কিন্তু কে এই কাজ করলো কেউ বুঝে উঠতে পারেননি। গুলির কথা শুনেই যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। হুড়োহুড়ি করে অনেকেই বাস থেকে নেমে যেতে চান। কিন্তু তাঁদের নেমে যেতে বারন করেন ওই সরকারি বাসের চালক । গুলি চালনার ঘটনা আশঙ্কা করে ওই যাত্রীবোঝাই বাস নিয়ে তিনি সোজা চলে যান বালি থানায়। পুলিশ প্রথমেই বাসটিকে শিবপুর পুলিশ লাইনে পাঠিয়ে দেয় ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্যে। হাওড়া সিটি পুলিশের এক কর্তা বলেন, গুলি অথবা পাথর কি ছোঁড়া হয়েছিল তা স্পষ্ট নয়। ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের খবর দেওয়া হয়েছে। আমরাও স্থানীয় স্তরে খোঁজ খবর চালাচ্ছি। এই ঘটনায় বাসটির চালকের দিকে থাকা অর্থাৎ ডান দিকের আপৎকালীন প্রস্থানের জানলার কাচের উপর দিকে একটি মাঝারি গর্ত তৈরি হয়েছে। ওই জানলার কোনাকুনি বাসের দরজার দিকে অর্থাৎ বাঁ দিকের জানলার কাচের নিচের দিকে আরেকটি ছোট গর্ত তৈরি হয়েছে। যা দেখে বোঝা যাচ্ছে যা কিছুই ছোঁড়া হোক না কেন, তা ডানদিকের জানলা ফুঁড়ে ঢুকে বাঁ দিকের জানলা ফুঁড়ে বেরিয়ে গিয়েছে। তবে পাথরে এমন হওয়ার সম্ভবনা কম বলেই মনে করছে পুলিশ। কারণ পাথরে কাচ ভাঙার পরে তা বাসের ভিতরে পড়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু এদিন বাসের ভিতরে তেমন কিছুই পড়ে থাকতে দেখা যায়নি। বাসের চালকের আসনের পিছনে বসা এক যাত্রী গৌতম পাল বলেন, আমি চালকের পিছনে বসেছিলাম। বালিঘাটে লালবাড়ির সামনে যেতেই দেখি মাথার উপরের কাঁচ সশব্দে ভেঙে গেল। ফুটো হয়ে গেল কাঁচটা। উল্টোদিকের জানলার কাঁচও ফুটো হয়ে গেল। কী যেন একটা ছোড়া হল। মনে হল গুলি। খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম।ওই বাসের কন্ডাক্টর শুভেন্দু শিকদার বলেন, অন্যান্য দিন লালবাড়ি কাটআউট স্টপেজে থামলেও এ দিন যাত্রী না থাকায় বাস দাঁড়ায়নি। ওই স্টপেজ থেকে কয়েক পা এগোনোর পরেই ঘটে ঘটনাটি। প্রায় ৪০টি সিটেই এ দিন যাত্রীরা বসে থাকায় তাঁরা প্রাণে বেঁচে যান। রাস্তার ঠিক যে জায়গায় ঘটনাটি ঘটেছে তার পাশে একটি ঝোপ রয়েছে। এদিন সেটি ঘিরে রাখে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, দূরে ও কিছুটা উপর থেকে স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র থেকে গুলি চালানো হতে পারে। কিন্তু ওই বাসের উপর কে হামলা করবে তা স্পষ্ট নয় পুলিশের কাছে। এদিন পুলিশ বাসের যাত্রীদের থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদও করে। বাসের ভিতরে থাকা কোনও যাত্রীর সঙ্গে শত্রুতার জেরে কেউ এ কাজ করেছে কি না তা জানার চেষ্টা করা হয়। কারণ যেখানে ঘটনাটি ঘটে সেখানেই বালিঘাট রেল স্টেশন। সেখান থেকেও কেউ পাথর ছুঁড়েছে কি না তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। পুলিশের অনুমান, রেল লাইনের উপর থেকেই ২০০ মিটার দূরে থাকা বাসে গুলি চালানো বা কিছু ছোঁড়া হতে পারে। ঘটনার খবর পেয়েই বালির লালবাড়ির কাছে ছুটে যান হাওড়া সিটি পুলিশের এসিপি অমিত কুমার সহ পুলিশের পদস্থ কর্তারা। তাঁরা ফিতে দিয়ে এলাকা ঘিরে ফেলেন। স্থানীয় মানুষজনকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়। তবে অস্বাভাবিক কোনও শব্দ শোনেননি বা কাউকে দেখনি বলেই জানান স্থানীয়রা।

এপ্রিল ১৩, ২০২১
রাজ্য

শিবপুরে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ, পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় র‍্যাফ

পুলিশি নিষ্ক্রীয়তার অভিযোগে থানা ঘেরাও তৃণমূলের।শিবপুরে ভোট পরবর্তী সংঘাত তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে। বাঁকড়ার পরে এবারে শিবপুরের চ্যাটার্জিহাট থানা এলাকায় বিজেপি ও তৃণমূলের সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয় ওলাবিবিতলার ভ্যানিশকালি এলাকা। সোমবার রাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শিবপুরের অনন্তদেব মুখার্জি লেনে নামে র্যা ফ। অনন্তদেব মুখোপাধ্যায় লেনের ভ্যানিস কালি অগ্রনী সংঘের মাঠের কাছে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে মারামারি হয়। সোমবার রাতে এই সংঘর্ষের পর মঙ্গলবার তৃণমূল চ্যাটার্জিহাট থানা ঘেরাও করে। চ্যাটার্জিহাট থানার ওসির অপসারণের দাবিতে থানা ঘেরাও করে তারা। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, সংঘর্ষের সময় বার বার পুলিশকে ফোন করলেও রাতে ঘটনাস্থলে কোনও পুলিশ পাঠানো হয়নি। বিজেপির তরফেও জেলা নেতৃত্ব থানায় গিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে। তাঁদের অভিযোগ, ভোট শেষ হতেই চ্যাটার্জিহাট থানা এলাকায় বিজেপি কর্মীদের বাড়ি বাড়ি ঢুকে মারধর করেছে তৃণমূল। যদিও সেই অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূলের দাবী বিজেপির মহিলা বাহিনী তৃণমূলের মহিলাদের উপর সোমবার রাতে লাঠি ও রড নিয়ে চড়াও হয়। এতে তৃণমূলের দুই মহিলা গুরুতর আহত হন। যদিও বিজেপি এই আক্রমণের কথা অস্বীকার করেছে। বিজেপির পাল্টা দাবি, তৃণমূলের এই অভিযোগ ভিত্তিহীন। গুরুতর আহত তৃণমূলের এক মহিলা কর্মী মুনমুন চক্রবর্তী বলেন, আমি অফিস থেকে ফিরছিলাম। হঠাৎ ৩০ থেকে ৪০ জন মহিলা আমাকে পিছন থেকে এসে মারধর শুরু করে দিল। মাথায় ইঁট দিয়ে মারলো। তার পর রাস্তায় ফেলে পিঠে লাঠি, টিউবলাইট দিয়ে বেধড়ক মারধর করলো। আক্রমণকারীরা সব বহিরাগত। ওরা প্রত্যেকেই বিজেপির আশ্রিত। এলাকার বাসিন্দারাই আমাকে ওদের হাত থেকে রক্ষা করে। গুরুতর আহত অবস্থায় ওই মহিলাকে হাওড়া জেলা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। এই বিষয়ে হাওড়া জেলা সদর তৃণমূল চেয়ারম্যান অরূপ রায় বলেন, বিজেপি আশ্রিত মহিলা দুষ্কৃতীরা লাঠি, টিউবলাইট নিয়ে চ্যাটার্জিহাটের অনন্তদেব মুখার্জি লেনে বাড়ি বাড়ি ঢুকে ৬৫ থেকে ৭০ বছরের বৃদ্ধবৃদ্ধাদের মারধর করেছে। বেধড়ক মারধর করা হয়েছে তৃণমূলের মহিলা কর্মীদের। স্থানীয় এক বিজেপি নেতার এলাকায় মদের দোকান রয়েছে। ওই নেতাই প্রচুর কালো টাকা ছড়িয়ে বাইরে থেকে মহিলা দুষ্কৃতী নিয়ে এসে এলাকার বাসিন্দাদের মারধর করেছে। ভোটের পর এই প্রসঙ্গে দক্ষিণ হাওড়া বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী রন্তিদেব সেনগুপ্ত বলেন, হাওড়ায় শনিবার ভোট মিটতেই সব জায়গায় তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা আমাদের বিজেপি কর্মীদের উপর আক্রমণ করছে। সোমবার রাতে চ্যাটার্জিহাটেও একই ঘটনা ঘটেছে। হাওড়া জেলা হাসপাতালে প্রচুর বিজেপি কর্মী আহত হয়ে ভর্তি আছেন। এভাবে তৃণমূল আমাদের কর্মীদের মারতে থাকলে আমরা আর হাত গুটিয়ে বসে থাকবো না। আমরাও এবার পাল্টা মারবো। শনিবার ভোট মেটার পরেই রবিবার রাতে বাঁকড়ায় সংঘাতে জড়ায় তৃণমূল ও বিজেপি। সেই সংঘাতের রেশ মিটতে না মিটতেই সোমবার রাতে চ্যাটার্জিহাটে আবার যুযুধান দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের পরে পরিস্থিতি সামাল দিতে নামাতে হয় র্যা ফ। হাওড়ায় ঘটা একের পর এক ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনায় উদ্বিগ্ন রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ১৩, ২০২১
দেশ

ছত্তিশগড়ে মাওবাদীদের গুলির লড়াইয়ে মৃত ৫ জওয়ান

মাওবাদীদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হল অন্তত ৫ নিরাপত্তা কর্মীর। আহত হয়েছেন আরও ২০ জন। শনিবার ছত্তিশগড়ের বিজাপুরে মাওবাদীদের সঙ্গে ব্যাপক গুলির লড়াই হয় যৌথ বাহিনীর। মাওবাদীদেরও কয়েক জনের হতাহতের খবর পাওয়া গিয়েছে। সেই সঙ্গে তাদেরও বেশ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে পুলিশের তরফে। শেষ পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্তও গুলির লড়াই চলেছে।শনিবার বিজাপুরের তারেম এলাকার জঙ্গলে মাওবাদীদের লুকিয়ে থাকার খবর পায় পুলিশ। তার পর নিরাপত্তা কর্মীদের একাধিক বাহিনী যৌথ অভিযানে নামে। তাতে ছিল কোবরা (কমান্ডো ব্যাটালিয়ান ফর রেজলিউট অ্যাকশন), ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড (ডিআরজি) এবং স্পেশ্যা ল টাস্ক ফোর্সের (এসটিএফ) জওয়ানরা। জঙ্গলের মধ্যে সেখানে বিজাপুর এবং সুকমার মাঝে একটি একটি গ্রামে মাওবাদীরা লুকিয়ে রয়েছে বলে জানতে পারেন অভিযানে নামা জওয়ানরা। এলাকায় পৌঁছতেই মাওবাদীরা নিরাপত্তা কর্মীদের দিকে গুলি চালাতে শুরু করেন। তাতেই মৃত্যু হয় ৫ জওয়ানের। আহত হয়েছেন বিভিন্ন বাহিনীর আরও ২০ জওয়ান। গুলির লড়াইয়ের কথা স্বীকার করেছেন ছত্তিশগড়ের ডিরেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ ডিএম অবস্তি। ছত্তিশগড় পুলিশের এক উচ্চপদস্থ অফিসার অশোক জুনেজা জানান, ৫ জওয়ান কর্তব্যরত অবস্থায় মাওবাদীদের গুলিতে মৃত্যুবরণ করেছেন। যৌথ বাহিনীর জওয়ানদের ছোঁড়া পালটা গুলিতে মাওবাদীদেরও কয়েক জন মারা গিয়েছে বলে জানিয়ছে তিনি। পুলিশের তরফে মাওবাদীদের মৃত্যুর সংখ্যা জানানো না হলেও সূত্রের খবরে জানা গিয়েছে, অন্তত ২ জন মাওবাদী মারা গিয়েছে। আহত আরও কয়েকজন।

এপ্রিল ০৩, ২০২১
রাজ্য

বাসন্তীতে শুটআউট, গুলিবিদ্ধ তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য

ভোটের মরশুমে এবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তীতে গুলিবিদ্ধ তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে এলাকা। হামলার নেপথ্যে বিজেপি, দাবি তৃণমূলের। অভিযোগ উড়িয়েছে গেরুয়া শিবির। কী হয়েছিল রবিবার রাতে, তা জানতে তদন্তু শুরু করেছে পুলিশ।জানা গিয়েছে, ওই পঞ্চায়েত সদস্যের নাম অনুপ হালদার। অন্যান্য দিনের মতোই গতকাল সন্ধেয় দলের কাজে বেরিয়েছিলেন তিনি। প্রায় এগারোটা নাগাদ বাইকে বাড়ি ফিরছিলেন। অভিযোগ, তিনি আমঝাড়া এলাকায় পৌঁছতেই কয়েকজন দুষ্কৃতী তাঁর পথ আটকায়। সেইসময়ই তাঁকে গুলি করা হয় বলে অভিযোগ। অনুপবাবুর সঙ্গেই বাইকে ছিলেন তাঁর ভাই। দাদাকে বাঁচাতে গেলে তাঁকে এলোপাথারি কোপায় দুষ্কৃতীরা। তাঁদের আর্তনাদ পেয়ে স্থানীয়রা ছুটে আসতেই পালায় অভিযুক্তরা। তড়িঘড়ি রক্তাক্ত অবস্থায় অনুপকে ক্যানিং হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসা চলছে তাঁর। ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্বাভাবিকভাবেই উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বাসন্তী থানার পুলিশ। তৃণমূলের অভিযোগ, এই হামলার নেপথ্যে রয়েছে বিজেপি। এবিষয়ে তৃণমূল দলের প্রার্থী শ্যামল মণ্ডল বলেন, বিজেপির দুষ্কৃতিরাই এই ঘটনা ঘটিয়েছে। আমাদের কর্মীরা যখন বুথে মিটিং করে ফিরছিলেন তখনই তাঁদের উপর আক্রমণ করা হয়।নিজেদের বিরুদ্ধ ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। এ বিষয়ে বিজেপির বাসন্তীর প্রার্থী রমেশ মাঝি বলেন, তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফলেই এই ঘটনা। এর সঙ্গে বিজেপির কোন সম্পর্ক নেই। উল্লেখ্য, ভোটযুদ্ধ শুরু হয়ে গিয়েছে রাজ্যে। আগামী বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ হবে বঙ্গে। এই পরিস্থিতিতেও কার্যত প্রতিদিনই বাংলার প্রতিটি জেলা থেকে অশান্তির খবর প্রকাশ্যে আসছে। কোথাও আক্রান্ত হচ্ছে তৃণমূল। কোথাও আবার হামলা চলছে বিরোধীদের উপর। সব মিলিয়ে উত্তপ্ত রাজ্য-রাজনীতি।

মার্চ ২৯, ২০২১
রাজ্য

নিজের গড়েই আক্রান্ত সৌমেন্দু অধিকারী, ভাঙা হল গাড়ি, আহত চালক

নিজেদের গড়ে আক্রান্ত অধিকারী পরিবারের ছোট ছেলে সৌমেন্দু। অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত প্রায় ৩০ জন দুষ্কৃতী ব্যাপক ভাঙচুর চালায় তাঁর গাড়িতে। মারধর করা হয় সৌমেন্দু অধিকারীর গাড়ির চালককেও। অভিযুক্তদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন বিজেপি নেতা সৌমেন্দু। প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শুরুর কিছুক্ষণ পর থেকেই রাজ্যের একাধিক বুথ থেকে অশান্তির খবর প্রকাশ্যে আসে। হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। শালবনিতে আক্রান্ত হন বামপ্রার্থী। এসবের মাঝে পূর্ব মেদিনীপুরের সাবাজপুট এলাকায় আক্রান্ত হন সৌমেন্দু অধিকারী। প্রার্থীর নির্বাচনী এজেন্ট হওয়ায় এদিন সকালে একাধিক বুথে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছিলেন তিনি। জানা গিয়েছে, একটি বুথে ঢোকার সময় সাবাজপুট এলাকায় তাঁর পথ আটকায় একদল দুষ্কৃতী। ব্যাপক ভাঙচুর করা হয় তাঁর গাড়িতে। মারধর করা হয় তাঁর গাড়ির চালক গোপাল সিংকে। চোখের পাশে চোট লাগে তাঁর।সৌমেন্দু জানিয়েছেন, তৃণমূলের ব্লক সভাপতি রামগোবিন্দ দাসের নেতৃত্বে বুথ জ্যাম করার খবর পেয়ে সাবাজপুট গিয়েছিলেন তিনি। সেই সময়ই তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা পরিকল্পনামাফিক হামলা চালিয়েছে তাঁর গাড়িতে। কাঁথি থানার আইসিকে দালাল বলে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, কাঁথি থানার আইসি সকাল থেকে বুথে বুথে গিয়ে ভোট করানোর চেষ্টা করছেন। আসলে তৃণমূল বুঝে গিয়েছে ওদের হার নিশ্চিত। তাই এসব করছে। তিনি জানিয়েছেন, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা না পর্যন্ত তিনি ঘটনাস্থল ছেড়ে যাবেন না।

মার্চ ২৭, ২০২১
রাজ্য

ভোটের মুখে বর্ধমানে বিষ্ফোরণে মৃত শিশু, রিপোর্ট তলব নির্বাচন কমিশনের

বর্ধমানের রসিকপুরে বোমা বিস্ফোরণ। বোমার আঘাতে আহত হয় দুই শিশু। জানা গেছে, বর্ধমান শহরের রসিকপুরে বোমাকে বল ভেবে খেলতে গিয়ে সেগুলি ফেটে যায়। এর ফলে শেখ আব্রাহাম ও শেখ আফরোজ নামে দুই শিশু আহত হয়। দুজনের বয়স বছর পাঁচ। তাদের বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা শেখ আফরোজকে মৃত বলে ঘোষণা করে। ঘটনাস্থলে এসে পৌছায় বর্ধমান থানার পুলিশ। ঘটনাস্থল ঘিরে রাখা হয়েছে। তদন্ত শুরু করেছে বর্ধমান থানায় পুলিশ।পুরো ঘটনার রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন। ঘটনার খোঁজ নিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। ভোটের আগে এই ঘটনা আতঙ্ক সৃষ্টি করবে বলে দাবি করেছে বিজেপি। ভোটের মুখে এই ঘটনা আতঙ্ক ছড়িয়েছে বর্ধমান শহরে। ঘটনাস্থলে গিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার।বিজেপি সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়র দাবি, তৃণমূলের অফিসগুলো বোমা তৈরির কারখানা। খেলা হবে বলে আসছে তৃণমূল কংগ্রেস। এটাই তার উদাহরণ। সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, এটা দুর্ভাগ্যজনক, নিন্দনীয় ঘটনা। খেলা হবে, ভয়ঙ্কর খেলা হবে। এসব বলা হচ্ছে। এদিকে শিশুর প্রাণ চলে যাচ্ছে। বুদ্ধিজীবীরা কোথায়। মুখ খুলুন। তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়ের বক্তব্য, বিষয়টা দুঃখজনক, মর্মান্তিক। সমাজবিরোধীরাও বোমা তৈরি করে। এই ঘটনা নিয়ে রাজনীতি না করে তদন্ত করে দোষীদের শাস্তি দিতে হবে।বিধানসভা নির্বাচনের মুখে কোথা থেকে এল এই বোমা? এই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। মৃত নিষ্পাপ শিশুর দায় কে নেবে?

মার্চ ২২, ২০২১
কলকাতা

আলিপুর চিড়িয়াখানায় সিংহের খাঁচায় ঢুকে জখম ব্যক্তি

মর্মান্তিক ঘটনা ঘটল শুক্রবার কলকাতার আলিপুর চিড়িয়াখানায়। আচমকাই সিংহের খাঁচায় ঢুকে পড়েন এক ব্যক্তি। আর এরপরই সিংহের আঁচড়ে রক্তাক্ত হন তিনি। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে আপাতত এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছে। তবে ওই ব্যক্তির পরিচয় এখনও জানা যায়নি। আর এই ঘটনা রীতিমতো উস্কে দিয়েছে সেই শিবার স্মৃতি। যেখানে শিবা নামের রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের গলায় মালা পরাতে গিয়ে বেঘোরে প্রাণ হারিয়েছিলেন এক যুবক।প্রত্যক্ষদর্শী এবং নিরাপত্তা আধিকারিকদের মতে, এদিন আর পাঁচজন সাধারণ দর্শকের মতোই ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন ওই ব্যক্তি। কিন্তু কেউ কিছু বোঝার আগেই আচমকা ঢুকে পড়েন সিংহের খাঁচায়। প্রথমে গাছে উঠে সামনের পাঁচিল টপকান। তারপর উঁচু ফেন্সটি টপকে ভিতরে ঢুকে পড়েন। এরপর সামনের ছোট নালা পেরিয়ে সিংহের এনক্লোজারে ঢুকে পড়েন। সেসময় একটি সিংহ ছাড়া ছিল। সেই পশুরাজই ওই ব্যক্তিকে আক্রমণ করে। এরপর ছোট আরেকটি ঘরে ওই ব্যক্তিকে টেনে নিয়ে যাওয়ার সময় নিরাপত্তাকর্মী এবং সিংহের দায়িত্বে থাকা কর্মীদের বিষয়টি নজরে আসে। তাঁরাই ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করেন। দেখা যায়, সিংহের থাবা এবং আঁচড়ে ক্ষতবিক্ষত ওই ব্যক্তির সারা শরীর। এরপরই তাঁকে তড়িঘড়ি এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই আপাতত চিকিৎসাধীন তিনি। জানা গিয়েছে, গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন ওই ব্যক্তি। এদিকে, এই ঘটনা আরও একবার আলিপুর চিড়িয়াখানার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।

মার্চ ১৯, ২০২১
কলকাতা

শ্বাসকষ্ট, বাঁ-পায়ের গোড়ালিতে চোট, ২-৩ দিন পর্যবেক্ষণে থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ পুরোপুরি কাটছে না। নন্দীগ্রামে আঘাত পাওয়ার পর গতকাল রাত থেকেই এসএসকেএমের উডবার্ন বিভাগে ভর্তি মুখ্যমন্ত্রী। হাসপাতালের তরফে জানানো হয়েছে, মমতার বাঁ-পায়ের গোড়ালি ও পায়ের পাতার হাড়ে চিড় ধরেছে। ওই পায়ের পেশিতেও চোট লেগেছে। মুখ্যমন্ত্রীর বাঁ পা ফুলে রয়েছে। গতকাল রাতে এমআরআইয়ের পর পায়ে টেম্পোরারি প্লাস্টার করা হয়েছে। শুরু হয়েছে অ্যান্টিবায়োটিক। পায়ের ফোলা ভাব কমলে আজ প্লাস্টার করা হতে পারে। আঘাত লেগেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডান কাঁধ ও কনুইয়ে। চোট রয়েছে ঘাড়েও।গতকাল রাতে এসএসকেএমে আনার পর প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মুখ্যমন্ত্রীকে ব্যথা কমানোর ওষুধ দেওয়া হয়েছে। শুরু হয়েছে অ্যান্টিবায়োটিক। এমআরআইয়ের জন্য রাতেই অ্যাম্বুল্যান্সে করে বাঙ্গুর নিউরো সায়েন্সে নিয়ে যেতে হয় মমতাকে। সেখান থেকে গভীর রাতে তিনি ফেরেন এসএসকেএমের উডবার্ন ওয়ার্ডে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, ইসিজি রিপোর্ট সন্তোষজনক হলেও, বুকে ব্যথা এবং শ্বাসকষ্টের কথা চিকিৎসকদের জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বুকে ব্যথার কারণ আঘাতজনিত কারণে নাকি অন্য কারণে জানতে সিটি স্ক্যান করা হবে মমতার। এছাড়া, আজ আবার করা হবে ইসিজি। করা হতে পারে ইকোকার্ডিওগ্রামও।হাসপাতাল সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রীর রক্তের একাধিক রুটিন পরীক্ষা করা হবে। তাঁকে ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন চিকিৎসকেরা। আজ আবার মেডিক্যাল বোর্ডের চিকিৎসকরা তাঁকে পরীক্ষা করবেন। মুখ্যমন্ত্রীর চিকিৎসার জন্য ৯ সদস্যের দল গঠিত হয়েছে। এসএসকেএমের অধ্যক্ষ মণিময় বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও তিন বিভাগীয় প্রধান ও আরও পাঁচ বিশেষজ্ঞ রয়েছেন মেডিক্যাল বোর্ডে। রাখা হয়েছে অর্থোপেডিক, নিউরো মেডিসিন, নিউরো সার্জারি, কার্ডিওলজি, জেনারেল সার্জারি, এন্ডোক্রিনোলজি, জেনারেল মেডিসিন এবং অ্যানাস্থেশিয়া বিভাগের বিশেষজ্ঞদের। আজ দিনভর মুখ্যমন্ত্রীর স্বাস্থ্যের দিকে নজর রাখবেন চিকিৎসকরা। করা হবে আরও বেশ কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা। তারপর পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করা হবে।

মার্চ ১১, ২০২১
কলকাতা

গ্রিন করিডোর করে এসএসকেএম-এ আনা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীকে, কীভাবে এগোচ্ছে ঘটনাক্রম? জানুন

রাত ৮.৫০: নন্দীগ্রাম থেকে কলকাতায় পৌঁছলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাত ৮.৫৫: অ্যাম্বুল্যান্স থেকে স্ট্রেচারে করে উডবার্ন ওয়ার্ডে নিয়ে যাওয়া হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।রাত ৯.০০: চোট কতটা গুরুতর, দেখতে পায়ের এক্স-রে করছেন চিকিৎসকরা। রাত ৯.০৫: হাসপাতালের বাইরে মুখ্যমন্ত্রীর আরোগ্য কামনায় জড়ো হয়েছে বহু মানুষ।রাত ৯.০৭: হাসপাতালে এলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। হাসপাতালের বাইরে তৃণমূল সমর্থকরা স্লোগান দিচ্ছেন।রাত ৯.১৭: হাসপাতালের বাইরে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ। রাত ৯.১৮: বর্ধমান, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, মেদিনীপুরের নানা জায়গায় বিক্ষোভ চলছে। রাত ৯.২০: হাসপাতালে রয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, অরূপ রায়, সাধন পাণ্ডেরা। রাত ৯.২৫: নন্দীগ্রামে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের প্রতিবাদে মুর্শিদাবাদের নিউ ফরাক্কা ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কে তৃনমুল প্রার্থী মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে অবরোধ করে বিক্ষোভ।রাত ৯.২৭: এটা চক্রান্ত করে করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীকে মুখটা খুলতে দিন আমরা ভয়ঙ্কর আন্দোলনে নামব ওরা তখন বুঝতে পারবে। নির্বাচন কমিশন এর জন্য দায়ী। এটা বিজেপির চক্রান্ত। বাংলার মেয়েকে মারবে বাংলার মানুষ তা মেনে নেবে না। ভয়ঙ্কর আন্দোলন হবে। হুংকার অনুব্রত মণ্ডলের।রাত ৯.৩৩: মমতা চাইলে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা দেওয়া হবে। জানাল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।রাত ৯.৩৪: রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সিইও আরিজ আফতাবকে ফোন সুদীপ জৈনের। মমতার চোট প্রসঙ্গে জানতে চেয়েছে কমিশন। রাত ৯.৩৫: সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ অবরোধ করে বিক্ষোভ তৃণমূল সমর্থকদের। রাত ৯.৪৪: প্রবল যন্ত্রণা উপশম করতে অ্যানাস্থেশিয়া করা হল মুখ্যমন্ত্রীর। তাঁর শারীরিক অবস্থা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। রাত ৯.৪৯: রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের কনভয় লক্ষ্য করে জুতো ছোঁড়া হয় বলে অভিযোগ বিজেপির। জগদীপ ধনখড়ের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ, স্লোগান।রাত ৯.৫০: চেতলায় রাস্তা অবরোধ। রাত ৯.৫৫: পুলিশ ঘিরে ধরে রাজ্যপালের কনভয় বের করল হাসপাতাল চত্বর থেকে।রাত ৯.৫৭: বৃহস্পতিবার রাজ্যজুড়ে তৃণমূলের অবস্থান বিক্ষোভ, প্রতিবাদ মিছিল। গোটা ঘটনার কথা লিখিত আকারে নির্বাচন কমিশনে জমা করবে তৃণমূল নেতা-কর্মীরা। রাত ১০.০০: উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষোভ।রাত ১০.০৪: মুখ্যমন্ত্রীর কাঁধে-কোমরে-মাথায় আঘাত লেগেছে মুখ্যমন্ত্রীর। রাতে হাসপাতালে থাকতে হতে পারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।রাত ১০.২৪: সিটি স্ক্যান করার ভাবনা। হতে পারে এমআরআই-ও। নিয়ে যাওয়া হয়েছে বাঙুরে। জানালেন চিকিৎসকরা।

মার্চ ১০, ২০২১
কলকাতা

নন্দীগ্রামে ‘চক্রান্তের শিকার’ মুখ্যমন্ত্রী, কটাক্ষ বিরোধীদের

নন্দীগ্রামে গিয়ে প্রচারে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর মাথায়, কোমড়ে, পায়ে চোট লেগেছে। পুরো ঘটনায় ষড়যন্ত্রের অভিযোগ করা হয়েছে। যদিও তৃণমূল নেত্রীর সেই অভিযোগ মানতে নারাজ বিরোধীরা। পাল্টা বলছেন, সমবেদনা পাওয়ার জন্য নাটক করছেন মমতা। আহত হওয়া নেহাতই রাজনৈতিক ভণ্ডামি। তবে বিজেপি নেতারা, এই ঘটনার সিবিআই তদন্ত চেয়েছেন। মনোনয়ন পেশের পর নন্দীগ্রামে একের পর এক মন্দিরে যাচ্ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। আমজনতার সঙ্গে মিশে জনসংযোগও সারছিলেন তিনি। স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশে গিয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী। আচমকাই ধাক্কাধাক্কিতে পায়ে গুরুতর চোট পান মমতা। এই ঘটনার পিছনে ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে সরব তৃণমূল নেতৃত্ব। তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষের অভিযোগ, এটা চক্রান্ত। বিরোধীদের পায়ের তলায় মাটি সরে যাচ্ছে বলে মুখ্যমন্ত্রীর উপর আঘাত হানা হল। চরম নিন্দনীয় ঘটনা। মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য সরাসরি অভিযোগ করেছেন বিজেপির বিরুদ্ধে। তাঁর কথায়, বিজেপি এই ঘটনা ঘটিয়েছে। প্রচারের প্রথমদিনই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুঝিয়ে দিয়েছিলেন নন্দীগ্রামের মানুষ তাঁর সঙ্গেই রয়েছেন। তার পরই এই হামলা হল। তবে তৃণমূল নেতা-নেত্রীরা যতই বলুন, সে কথায় কান দিতে নারাজ বিরোধীরা। বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষের কথায়, উনি তো মুখ্যমন্ত্রী। জেড প্লাস ক্যাটেগরির নিরাপত্তা পান। রাজ্যে আইন -শৃঙ্খলা তো তাঁর হাতেই। তিনি যদি এরকমভাবে আক্রান্ত হন, তাহলে রাজ্যবাসীর কী অবস্থা হবে? এর পরই বিজেপির রাজ্য সভাপতি সিবিআই তদন্তের দাবি জানান। তাঁর কথায়, যাই হোক না কেন, তদন্তে করে দেখা হোক। মুখ্যমন্ত্রীর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ খতিয়ে দেখুক নির্বাচন কমিশনও। বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয় জানান, এই ঘটনায় রাজনীতি হওয়া উচিৎ নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর কোনও রাজনৈতিক দলের হামলা করার হিম্মত আছে কি না, তা জানা নেই। তবে উনি নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছেন। সিবিআই তদন্ত হোক, দোষীদের শাস্তি পাওয়া উচিৎ। ওঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করি। অর্জুন সিংও এই ঘটনাকে নাটক বলে আখ্যা দিয়েছেন। ভিন্ন সুর শোনা গিয়েছে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরীর গলাতে। তাঁর কথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগাগোড়া এমন নাটক করেন। এটা সমবেদনা পেতে রাজনৈতিক ভণ্ডামি। এদিকে নন্দীগ্রামে মমতার প্রতিদ্বন্দ্বী সিপিএম প্রার্থী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সবসময় নাটক করেন। এটা তাঁর আরও একটা নাটকই। একই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর প্রতিক্রিয়া এখনও মেলেনি।

মার্চ ১০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ভয়াবহ দুর্ঘটনা, ভাগ্যের জোরে বাঁচলেন টাইগার উডস

ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে কিংবদন্তি গল্ফার টইগার উডস। লস অ্যাঞ্জেলসের রোলিং হিলস এস্টেট এবং র্যা ঞ্চো পালোসা ভার্দাসের সীমান্তবর্তী এলাকায় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে টাইগারের গাড়ি। শরীরের একাধিক জায়গায় মারাত্মক আঘাত পান কিংবদন্তি গল্ফার। তাঁর পায়ের চোট রীতিমতো গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। আপাতত হাসপাতালে ভর্তি তিনি। তাঁর শরীরে একাধিক অস্ত্রোপচার হয়েছে। তবে আপাতত তিনি বিপন্মুক্ত।লস অ্যাঞ্জেলেস পুলিশের উদ্ধৃতি অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাতে উডসের গাড়ি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। সেসময় ঘটনাস্থলে অন্য কোনও গাড়ি ছিল না। কিংবদন্তি গল্ফার নিজেই গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার ধারের একটি গাছে ধাক্কা মারেন। ধাক্কা খাওয়ার পর রাস্তার ঢাল ধরে গাড়িতে গড়িয়ে পড়ে। বেশ কয়েকবার গাড়িটি ডিগবাজিও খায়। গড়াগড়ি খাওয়ায় উডসের গাড়ি ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। রীতিমতো দুমড়ে-মুচড়ে গিয়েছে। তবে, সৌভাগ্যক্রমে প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন উডস। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় উদ্ধারকারী দল। সেই সময় জ্ঞান ছিল উডসের। কথাও বলতে পারছিলেন। দমকল কর্মীরাই তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। তাঁরা জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার সময় সিটবেল্ট বেঁধেছিলেন উডস। সম্ভবত সেকারণেই প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন তিনি।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২১
কলকাতা

নাকতলা উদয়ন সঙ্ঘে দুষ্কৃতী তাণ্ডব, আহত ২

নাকতলা উদয়ন সঙ্ঘে দুষ্কৃতী তাণ্ডব ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল। ক্লাবটি রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ক্লাব হিসেবে পরিচিত। শনিবার রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ বাইকে চড়ে এসে ২০-২৫ জন দুষ্কৃতী ক্লাবের একতলার ২টি ঘরে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। ওই সময় দুষ্কৃতীদের বাধা দেওয়ায় আহত হন ২ ক্লাব সদস্য। ক্লাবের সদস্যরা জানিয়েছেন, সন্ধেবেলা ক্লাবের সামনে বাইক নিয়ে রেস করছিল কয়েকজন যুবক। ওই সময় এক ক্লাব সদস্যের বাইকে ধাক্কা মারে এক বাইক আরোহী। এরপর যুবকদের সঙ্গে ওই ব্যক্তির বচসা শুরু হয়। সেই সময় আশপাশের মানুষের মধ্যস্থতায় তখনকার মতো ঝামেলা মিটে যায়। অভিযোগ, বচসার ইতি হলেও সেইসময় হুমকি দিয়ে যায় ওই যুবকরা। আরও পড়ুন ঃ কৃষকদের আন্দোলনকে নৈতিক সমর্থন তৃণমূলের অভিযোগ, রাতে তারাই দলবল নিয়ে এসে ভাঙচুর চালায়। স্থানীয়দের দাবি, আচমকাই ২০-২৫ জন দুষ্কৃতী বাইকে চড়ে নাকতলা উদয়ন সংঘ ক্লাবের সামনে পৌঁছয়। প্রত্যেকর হাতে ছিল বাঁশ, ইঁট। কিছু বুঝে ওঠার আগেই ক্লাবের একতলার ২টি ঘরে তারা ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। তবে হামলাকারীদের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। মোবাইল ফোনে তোলা ছবির সূত্র ধরে দুষ্কৃতীদের তল্লাশি অভিযানে নেমেছে নেতাজি নগর থানার পুলিশ।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২০
রাজ্য

আসানসোলের বারাবনিতে তৃণমূল- বিজেপি সংঘর্ষ , আহত ২

বিজেপির আর নয় অন্যায়কর্মসূচিতে গুলি ও বোমাবাজির জেরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল আসানসোলের বারাবনি। এই ঘটনায় দুজন পায়ে গুলি লেগে আহত হয়েছেন। আহত বিজেপি কর্মীদের নাম স্বপন বাউড়ি ও সাধন রাউত। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, শনিবার সকালে মিছিল বের করেছিল বিজেপি। বারাবনির জামগ্রাম থেকে কাপিস্টা পর্যন্ত বিজেপির মিছিল যাওয়ার কথা ছিল। তার জন্য সকাল থেকে কর্মী, সমর্থকরা জমায়েত হয়েছিলেন জামাগ্রামে। কিন্তু মিছিল শুরুর আগেই তাদের উপর হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, সেই মিছিলকে লক্ষ্য করে বোমা ও গুলি চালিয়েছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃ্তীরা। বোমাবাজিতে কয়েকজন আহত হয়েছেন। মোটরবাইকও পুড়িয়ে দেওয়া হয়। আরও পড়ুনঃ বর্ধমান শহরে দাদার অনুগামী পোস্টার, চাঞ্চল্য অন্যদিকে, বারাবনি তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, জামগ্রাম এলাকায় দুয়ারে সরকার কর্মসূচিতে শিবির করেছিলেন দলীয় কর্মীরা। ব্লক তৃণমূল সভাপতি অসিত সিংয়ের দাবি, তৃণমূল কর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছে বিজেপি। তারাই ঝাড়খণ্ড থেকে দুষ্কৃতীদের জড়ো করে বোমা-গুলি চালিয়েছে। আর যেসব গাড়ি পুড়েছে, তা তৃণমূল সমর্থকদেরই। সংঘর্ষের খবর পেয়ে বারাবনি থানার পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। বন্ধ করে দেওয়া হয় বিজেপির মিছিল। ঘটনাস্থল থেকে পুলিস বেশ কিছু তাজা বোমা উদ্ধার করেছে পুলিশ। যে মোটরবাইকে আগুন লাগানো হয় বলে অভিযোগ, সেই আগুন নিভিয়েছে পুলিশ। এলাকার পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২০
রাজ্য

ধূলাগড়ে গরুবোঝাই লরি উল্টে দুর্ঘটনা, মৃত ১, জখম বহু

গরুবোঝাই লরি উল্টে দুর্ঘটনা ঘটল হাওড়ার ধূলাগড়ে। মঙ্গলবার দুপুর প্রায় ১২টা নাগাদ এই দুর্ঘটনা ঘটেছে হাওড়ার সাঁকরাইল থানা এলাকার সন্ধিপুরে। দুর্ঘটনার জেরে মৃত্যু হয়েছে একজনের। তাঁর পরিচয় এখনও পাওয়া যায়নি। আহত হয়েছেন ১৯ জন। যার মধ্যে ৯ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়। তাঁদের ভর্তি করা হয়েছে হাওড়ার বিভিন্ন হাসপাতালে। দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় বেশ কয়েকটি গরুও। আরও পড়ুন ঃ কেন্দ্রের নতুন আইনে বেড়ে গিয়েছে কালোবাজারিঃ মমতা জানা গেছে, সামনের চাকা ফেটে উল্টে যায় লরিটি। ট্রাকে ভর্তি করে গরু নিয়ে যাওয়ার সময় টায়ার ফেটে দুর্ঘটনাটি ঘটে। দুর্ঘটনার পর জাতীয় সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ সন্ধিপুরে একটি গরু ভর্তি লরি চাকা ফেটে ডিভাইডারে উঠে উলটে যায়। উল্টে যাওয়া গাড়িটি সরিয়ে দেয় পুলিশ। তবে এটি গরু পাচারের ঘটনা কিনা তা খতিয়ে দেখেছে পুলিশ। এই দুর্ঘটনায় আহত হন ট্রাকের এক যাত্রী আবদুল কাদের বিশ্বাস। তিনি বলেন, তাঁরা গরু নিয়ে ৬ নং জাতীয় সড়ক দিয়ে দিয়ে আসছিল। তাঁরা পূর্ব মেদিনীপুরের নরঘাট থেকে বেলাঘাটা যাচ্ছিলেন। দুপুর নাগাদ সন্ধিপুরের কাছে হটাৎই গাড়ির সামনের চাকা ফেটে গার্ডওয়ালের ওপর উঠে যায়। এরপর সঙ্গে সঙ্গে গাড়িটি উলটে যায়। গরুগুলি পাচার হচ্ছিল কিনা তা ক্ষতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
বিদেশ

আমেরিকায় ফের বন্দুকবাজের হামলা , জখম ৮

আমেরিকায় ফের বন্দুকবাজের হামলা। ঘটনাটি ঘটেছে , উইসকনসিনয়ের একটি শপিং মলে। এই হামলায় অন্তত ৮ জন জখম হয়েছেন। হামলা্কারীকে এখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি। সে গুলি ছুড়ে পালিয়ে গেছে বলে জানা গিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ একটানা ৭ দিন ঘুমিয়ে থাকতে পারেন বাংলাদেশের মানিকগঞ্জের যুবক পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে , ওয়াওয়াটোসার পুলিশ প্রধান ব্যারি ওয়েবার জানিয়েছেন যে, কী উদ্দেশে কারা এই হামলা চালিয়েছে , তা জানা যায়নি। দুপুর নাগাদ মলের একটি ডিপার্টমেন্টাল স্টোরের বাইরে হামলা চালিয়েছে বন্দুকবাজ। কয়েক রাউন্ড গুলি চালিয়েই চম্পট দেয় সে। এই ঘটনায় এক কিশোর সহ আটজন জখম হয়েছেন। প্রাণহানির কোনও খবর নেই। তাদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ব্যারির কথায় প্রাথমিত তদন্তে জানা গিয়েছে বন্দুকবাজ একজন শেতাঙ্গ। ২০-৩০ বছরের মধ্যেই তার বয়স। তার পরিচয় জানতেই পুলিশ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। দ্রুত অপরাধী ধরা পড়বে।ফের নোটিস না দেওয়া পর্যন্ত এই মলটি বন্ধই থাকবে। মেফেয়ার মল কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতি জানিয়েছেন, আমাদের অতিথিরা আজ হিংসার মুখোমুখি হয়েছেন, যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যের। তবে এই হামলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত না এর নেপথ্যে রয়েছে সন্ত্রাসবাদী কোনও সংগঠন তা স্পষ্ট নয়। গোটা ঘটনার উপর থেকে পর্দা সরাতে তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ।

নভেম্বর ২১, ২০২০
রাজ্য

দুর্গাপুর প্রজেক্ট লিমিটেডে বিস্ফোরণ , মৃত ১

দুর্গাপুর প্রজেক্ট লিমিটেডে বিস্ফোরণের জেরে একজনের মৃত্যু হল। মৃতের নাম ওমপ্রকাশ চৌহান। তিনি একজন ঠিকাকর্মী। এই বিস্ফোরণের ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন। আহত কর্মীর নাম বাম রুইদাস। তিনি ডিপিএলের নিরাপত্তারক্ষী। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ রাষ্ট্রদ্রোহীদের হাত ধরে পাহাড়ে উঠতে চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ঃ দিলীপ তাকে ভরতি করা হয়েছে বেসরকারি হাসপাতালে। জানা গিয়েছে , মঙ্গলবার সকাল ১১ টা ১০ মিনিট নাগাদ বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে ওঠে ডিপিএলের ৭ নম্বর কনস্ট্রাকশন গেট এলাকা। ঘটনাস্থলে আসে কোকওভেন থানার পুলিশ। তারা মৃতদেহ উদ্ধার করে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে। কিন্তু কীভাবে এই বিস্ফোরণ হল , তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

নভেম্বর ০৩, ২০২০
বিদেশ

অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় সন্ত্রাসবাদী হামলা , নিহত ৭

অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় চলল এলোপাথাড়ি গুলি। মুম্বই হামলার কায়দায় একাধিক জায়গায় হামলা চালানো হয়। এর জেরে কমপক্ষে ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত প্রায় ১৫ জন। ঘটনাটি ঘটেছে , সোমবার রাতে সেন্ট্রাল ভিয়েনায়। পুলিশ জানিয়েছে, গুলিবিদ্ধদের মধ্যে এক পুলিশ অফিসারও রয়েছেন। পুলিশের গুলিতে খতম হয়েছে এক হামলাকারী। আরও পড়ুন ঃ পাকিস্তানের মাদ্রাসায় কোরানের ক্লাস চলাকালীন বিস্ফোরণ, মৃত ৭ অস্ট্রিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কার্ল নেহামার জানিয়েছেন, আমরা ধরে নিতে পারি বেশ কয়েকজন অপরাধী রয়েছে। দুর্ভাগ্যক্রমে বেশ কয়েকজন সাধারণ মানুষ আহত হয়েছেন, অনেকে মারাও গিয়েছেন। এই আক্রমণকে জঙ্গিহানা বলে আখ্যায়িত করেন তিনি।অস্ট্রিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কার্ল নেহামার জানিয়েছেন, আমরা ধরে নিতে পারি বেশ কয়েকজন অপরাধী রয়েছে। দুর্ভাগ্যক্রমে বেশ কয়েকজন সাধারণ মানুষ আহত হয়েছেন, অনেকে মারাও গিয়েছেন। এই আক্রমণকে জঙ্গিহানা বলে আখ্যায়িত করেন তিনি।

নভেম্বর ০৩, ২০২০
দেশ

মুম্বইয়ের মলে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড , আহত ২

মুম্বইয়ের একটি মলে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল। বৃহস্পতিবার রাতে ওই অভিজাত শপিং মলে আগুন লাগে। এই শপিং মলটি মুম্বইয়ের নাগপাড়া এলাকায় অবস্থিত। জানা গিয়েছে , সে সময় মলে প্রায় ৫০০ লোক ছিলেন। ঠিক সময়ে তাঁদের বার করে নিয়ে আসায় কোনও হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। সকালেও সেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এদিকে আগুন নেভানোর কাজ করতে গিয়ে দুজন দমকলকর্মী আহত হয়েছেন । দমকলকর্মীরা জানিয়েছেন, মলের তিনতলায় একটি মোবাইলের দোকানে শর্ট সার্কিটের ফলে আগুন লাগে, তা ছড়িয়ে পড়ে গোটা তলায়। চিকিৎসার জন্য তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আরও পড়ুনঃ ক্ষমতায় এলে বিনামূল্যে করোনা ভ্যাকসিন , বিহারের ইস্তেহারে প্রতিশ্রুতি বিজেপির স্থানীয় সূত্রে খবর, সিটি সেন্টার মলে প্রথম আগুন দেখা গিয়েছিল বৃহস্পতিবার রাত ৯টা নাগাদ। ওই সময় মলের একটি দোকানে আগুন লাগে। তারপর তা মলের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলে ছড়িয়ে পড়ে। ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা না থাকায় ফলে ধোঁয়ায় ভরে যায় গোটা মল। ফলে দমকলকর্মীরা মলের কাচ ভেঙে ধোঁয়া বাইরে আনেন। ততক্ষণে আগুন বিধ্বংসী আকার নেয়। দমকলের বিশাল বাহিনী এসে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ চালাচ্ছে। এপর্যন্ত দমকলের ২৪টি ইঞ্জিন, ১৬টি জাম্বো ট্যাঙ্ক নিয়ে প্রায় ২৫০ জন দমকলকর্মী আগুন নেভানোর কাজ করছেন।

অক্টোবর ২৩, ২০২০
রাজ্য

স্টাফ স্পেশাল ট্রেনে ওঠায় যাত্রী-পুলিশ সংঘর্ষ , আহত ২

সাতসকালে স্টাফ স্পেশাল ট্রেনে ওঠাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল সোনারপুর রেল স্টেশন। রেলযাত্রীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে আহত হয়েছেন দুজন রেলযাত্রী। এরপর রেলযাত্রীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়েন। পাল্টা পুলিশও লাঠিচার্জ করেছে রেলযাত্রীদের উপর। সোনারপুর জিআরপি, রেল সুরক্ষা বাহিনী এবং সোনারপুর থানার পুলিশ উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। ঘটনার প্রেক্ষিতে বেশ কয়েকটি স্টাফ স্পেশাল লোকাল বাতিল করে রেল কর্তৃপক্ষ। যদিও কিছুক্ষণ পরে স্পেশাল ট্রেন যথারীতি চলতে শুরু করে।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এদিন সকাল ৭ টা নাগাদ শিয়ালদহগামী বারুইপুর লোকালে সোনারপুর স্টেশন থেকে যাত্রীরা উঠতে চাইলে রেল সুরক্ষা বাহিনী তাদের বাধা দেয়। তাতেই উত্তেজনা ছড়ায়। মহিলা রেল যাত্রীরা রেললাইনে বসে অবরোধ শুরু করে। পুরুষ যাত্রীদের সঙ্গে রেল সুরক্ষা বাহিনী এবং জিআরপির খণ্ডযুদ্ধ বেঁধে যায়। পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর ছুড়তে থাকে রেলযাত্রীরা। ক্ষতিগ্রস্ত হয় ট্রেনের কামরা। এরপরেই রেল পুলিশ এবং রেল সুরক্ষা বাহিনী যৌথ লাঠিচার্জ শুরু করে। আহত হন এক বৃদ্ধ এবং এক যুবক। ঘটনায় বৃদ্ধের মাথা ফেটে যায়। যুবকের হাতে চোট লাগে। তাদের দুজনকেই সুভাষগ্রাম হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে।

অক্টোবর ০৮, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

‘আগুনে পুড়েও আরও শক্তিশালী হয়েছি’! আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিস্ফোরক দাবি শেখ হাসিনার

বাংলাদেশে ক্ষমতা হারানোর পর দেশ ছেড়ে যেতে হয়েছে শেখ হাসিনাকে। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগের তদন্ত চলছে। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রমও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে এত কিছুর পরেও দলকে শেষ হয়ে গেছে বলে মানতে নারাজ বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেছেন, আওয়ামী লীগকে কোনও নিষেধাজ্ঞা বা রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত দিয়ে মানুষের মন থেকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়।শেখ হাসিনার কথায়, আওয়ামী লীগ কোনও কাগজে লেখা সংগঠনের নাম নয়। এটি বাংলাদেশের ইতিহাস, মানুষের আবেগ এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা একটি শক্তি। গত সাতাত্তর বছরের ইতিহাসে বহুবার হামলা, নিষেধাজ্ঞা এবং দমন-পীড়নের মুখে পড়েও দল বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে। তাঁর দাবি, এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না।তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ কোনও সরকারের সদিচ্ছা বা বিরোধীদের ব্যর্থতার ওপর নির্ভর করে না। মানুষের সমর্থনই দলের সবচেয়ে বড় শক্তি। সেই সমর্থনের জোরেই অতীতে সরকারে থেকে উন্নয়নের কাজ করা সম্ভব হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে সরানো হয়েছে। কিন্তু সাধারণ মানুষের হৃদয় থেকে দলকে সরানো যায়নি।বর্তমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও সরব হয়েছেন শেখ হাসিনা। তাঁর অভিযোগ, বর্তমান শাসনব্যবস্থায় গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং মানুষের নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে পড়েছে। অর্থনীতি দুর্বল হয়েছে, সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনা বেড়েছে এবং উগ্রপন্থার বিস্তার ঘটছে বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে নিপীড়ন চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।তিনি বলেন, দেশের মানুষ অতীত ও বর্তমানের তুলনা করতে পারছেন। তাঁদের উপলব্ধি হচ্ছে, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন দেশে স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছিল। সেই কারণেই ভবিষ্যতেও জনগণের সমর্থন নিয়ে দল আবার ঘুরে দাঁড়াবে বলে তাঁর বিশ্বাস।দলের সাংগঠনিক শক্তির প্রসঙ্গ তুলে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের প্রতিটি এলাকা এবং মানুষের সঙ্গে আওয়ামী লীগের দীর্ঘ সম্পর্ক রয়েছে। স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে এই দলের ভূমিকা রয়েছে। সেই ঐতিহ্যই আগামী দিনের লড়াইয়ের মূল শক্তি হবে বলে তিনি মনে করেন।তিনি আরও বলেন, যত বেশি দমন-পীড়ন হবে, আওয়ামী লীগ ততই শক্তিশালী হবে। আগুনে যেমন সোনা আরও বিশুদ্ধ হয়, তেমনই প্রতিকূল পরিস্থিতি দলকে আরও দৃঢ় করে তুলছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, প্রতিটি গ্রাম, মহল্লা, ওয়ার্ড এবং ইউনিয়নে মানুষের পাশে থাকতে হবে। সংখ্যালঘু, নারী, শিশু, শ্রমজীবী এবং প্রান্তিক মানুষের অধিকার ও নিরাপত্তার প্রশ্নে আপস না করারও বার্তা দেন তিনি।শেষে শেখ হাসিনা স্পষ্ট করে বলেন, আওয়ামী লীগের পুনরুত্থান কোনও সরকারের দয়া বা অনুমতির ওপর নির্ভর করে না। জনগণের সমর্থনই দলের আসল শক্তি। নিষেধাজ্ঞা, মামলা কিংবা রাজনৈতিক বাধা যতই আসুক, মানুষের বিশ্বাস থাকলে আওয়ামী লীগ আবারও বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে ফিরে আসবে বলেই তাঁর দাবি।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

কল্যাণকে সরাসরি আক্রমণ রচনার! মহুয়াকেও ছাড়লেন না, বিস্ফোরক মন্তব্যে তোলপাড় রাজনীতি

দলবদলের পর থেকেই রাজনৈতিক আক্রমণের মুখে পড়েছেন সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার পাল্টা জবাব দিতে গিয়ে তিনি সরাসরি নিশানা করলেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মহুয়া মৈত্রকে। এক সাক্ষাৎকারে তাঁদের আচরণ এবং ভাষা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। সেই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে।রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, একজন শিক্ষিত জনপ্রতিনিধির ভাষা এবং আচরণ সাধারণ মানুষের কাছে উদাহরণ হওয়া উচিত। তাঁর অভিযোগ, সংসদের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় যে ধরনের ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে, তা কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এই প্রসঙ্গ টেনে তিনি মহুয়া মৈত্রকেও কটাক্ষ করেন এবং অতীতের কিছু বিতর্কের উল্লেখ করেন।কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ করে রচনা বলেন, একজন প্রবীণ সাংসদের কাছ থেকে এমন ভাষা আশা করা যায় না। তাঁর দাবি, সংসদের ভিতরে যে ধরনের মন্তব্য করা হয়েছে, তা রাজনৈতিক শালীনতার সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে। সেই আচরণে দলের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।রচনা আরও বলেন, একসময় যাঁরা একে অপরের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে তীব্র আক্রমণ করতেন, এখন তাঁদের একসঙ্গে দেখা যাচ্ছে। এই পরিবর্তন নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, যারা অতীতে একে অপরের বিরুদ্ধে এত অভিযোগ করেছিলেন, তাঁদের বর্তমান অবস্থান সাধারণ মানুষের মনে নানা প্রশ্ন তৈরি করছে।উল্লেখ্য, এক সময় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মহুয়া মৈত্রর মধ্যে প্রকাশ্য রাজনৈতিক সংঘাত নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছিল। একে অপরের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ এবং আইনি পদক্ষেপের ঘটনাও সামনে এসেছিল। বর্তমানে তাঁদের সম্পর্কের পরিবর্তিত সমীকরণ নিয়েই নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

আচমকা বড় সিদ্ধান্ত! ইসকন থেকে সরিয়ে দেওয়া হল রাধারমণ দাসকে, নিজেই জানালেন নেপথ্যের কারণ

কলকাতা ইসকনের সহ সভাপতির পদ থেকে আচমকাই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে রাধারমণ দাসকে। শনিবার রাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্তের কথা জানায়। এরপর সমাজমাধ্যমে একটি দীর্ঘ বার্তায় তিনি জানান, কোন কোন ঘটনার জেরে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে থাকতে পারে বলে তাঁর ধারণা।রাধারমণ দাস জানান, তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তকে সম্মান করছেন। তবে নিজের বক্তব্যে তিনি কয়েকটি সম্ভাব্য কারণ তুলে ধরেছেন। তাঁর দাবি, গোরক্ষা সংক্রান্ত একটি বিতর্কে মানেকা গান্ধীর মন্তব্যের বিরুদ্ধে তিনি আইনি পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। সেই ঘটনাকে তিনি অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। পাশাপাশি বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর হামলার অভিযোগ নিয়ে প্রকাশ্যে সরব হওয়াও এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে থাকতে পারে বলে তাঁর ধারণা।সমাজমাধ্যমে করা নিজের পোস্টে তিনি আরও কয়েকটি বিষয়ের উল্লেখ করেছেন। একটি বিতর্কিত মন্তব্যের বিরোধিতা, কট্টরপন্থী সনাতনী গোষ্ঠী নিয়ে প্রকাশ্য অবস্থান এবং বিভিন্ন সাম্প্রতিক মন্তব্যও তাঁর মতে বিতর্কের কারণ হয়ে উঠতে পারে। এছাড়া একটি সাক্ষাৎকার দেওয়াকেও ইসকনের নীতির পরিপন্থী আচরণ হিসেবে দেখা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেছেন।রাধারমণ দাস আরও জানান, এখন থেকে তিনি আর ইসকনের প্রতিনিধি হিসেবে সংবাদমাধ্যমে কোনও মন্তব্য করবেন না। কারণ বর্তমানে তাঁর সঙ্গে সংগঠনের কোনও প্রশাসনিক সম্পর্ক নেই। তবে পদ হারালেও ইসকনের উন্নতি, অগ্রগতি এবং সাফল্য কামনা করেছেন তিনি।এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই নানা মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও ইসকনের তরফে এই সিদ্ধান্তের বিস্তারিত কারণ প্রকাশ্যে জানানো হয়নি। ফলে রাধারমণ দাসের বক্তব্য ঘিরেই রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে।

জুন ২৮, ২০২৬
দেশ

হেফাজতে থেকেও মদ চাই! সিয়া গোয়েলকে নিয়ে পুলিশের দাবি ঘিরে তুমুল শোরগোল

পুণের লোহাগড় দুর্গে হবু স্বামী কেতন আগরওয়ালকে খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার সিয়া গোয়েলকে ঘিরে তদন্তে একের পর এক নতুন তথ্য সামনে আসছে। পুলিশ সূত্রের দাবি, হেফাজতে থাকাকালীনও বারবার মদ্যপানের অনুমতি চেয়েছেন সিয়া। একই সময়ে তাঁর প্রেমিক চেতন চৌধুরীর সঙ্গে একটি পুরনো ভিডিওও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। যদিও সেই ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।তদন্তকারী সূত্রের দাবি, দ্বাদশ শ্রেণিতে অকৃতকার্য হওয়ার পর থেকেই সিয়া মদ্যপানে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন। পাশাপাশি তাঁর একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্ক ছিল বলেও তদন্তে উঠে এসেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের সময়ও তিনি একাধিকবার মদ্যপানের ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন বলে তদন্তকারী মহলের দাবি।এদিকে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ক্রিকেট ম্যাচ চলাকালীন গ্যালারিতে পাশাপাশি বসে রয়েছেন সিয়া এবং চেতন। ভিডিওতে তাঁদের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তও ধরা পড়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, সিয়ার দাদা সাহিলের মাধ্যমে চেতনের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়েছিল। পরে সেই পরিচয়ই প্রেমের সম্পর্কে বদলে যায়।এই হত্যাকাণ্ডে ইতিমধ্যেই সিয়া গোয়েল এবং চেতন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তদন্তে জানা গিয়েছে, আগামী নভেম্বরে কেতন আগরওয়ালের সঙ্গে সিয়ার বিয়ের কথা ছিল। প্রথমে রাজি থাকলেও পরে বিয়ে করতে চাননি সিয়া। কিন্তু পারিবারিক চাপে সেই সিদ্ধান্ত জানাতে না পেরে শেষ পর্যন্ত খুনের পরিকল্পনা করেন বলে পুলিশের দাবি।রবিবার তদন্তকারীরা সিয়াকে নিয়ে ঘটনাস্থল লোহাগড় দুর্গে গিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করেন। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে তাঁর বাবা-মাকেও। তদন্তে তাঁরা সহযোগিতা করেছেন বলেই জানা গিয়েছে। এদিকে তদন্তে আরও নানা দাবি সামনে এসেছে। কখনও উঠে এসেছে বিয়ে নিয়ে চাপের অভিযোগ, আবার কখনও প্রেমিকের প্ররোচনার প্রসঙ্গ। প্রথমদিকে একে অপরের ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করলেও পরে দুজনেই নিজেদের অপরাধ স্বীকার করেছেন বলে পুলিশ সূত্রের দাবি। এই বহুল আলোচিত মামলার বিচার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য দ্রুত বিচার আদালতে শুনানির প্রস্তুতি চলছে।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

অনুমতি মেলেনি, তবু শুরু মাপজোক! একুশে জুলাই ঘিরে তৃণমূলের অন্দরে নতুন সংঘাত

একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। সভার সরকারি অনুমতি এখনও মেলেনি। তার আগেই ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে পৌঁছে মাপজোক শুরু করলেন কুণাল ঘোষ এবং তাঁর অনুগামীরা। ছুটির সকালের এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে।প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, কুণাল ঘোষের সঙ্গে দলের আরও কয়েকজন নেতা এবং সাজসজ্জার কাজে যুক্ত কর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা ফিতে দিয়ে সভাস্থলের বিভিন্ন অংশ মাপতে শুরু করেন। সাধারণত প্রশাসনিক অনুমতি পাওয়ার পরই এই ধরনের প্রস্তুতি শুরু হয়। কিন্তু এবার অনুমতির আগেই এই পদক্ষেপ নেওয়ায় রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে।অন্যদিকে, একই জায়গায় একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি করার জন্য দলের অন্য শিবিরও প্রস্তুতি নিচ্ছে। তারাও ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে সভার অনুমতি চেয়ে আবেদন করার উদ্যোগ নিয়েছে। ফলে একই স্থানকে ঘিরে দুই পক্ষের মধ্যে টানাপোড়েন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন, একুশে জুলাই শহিদদের স্মরণে দীর্ঘদিন ধরে এই কর্মসূচি হয়ে আসছে। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই তাঁরা নিয়ম মেনে আবেদন করেছেন এবং অনুমতি পাবেন বলেই আশাবাদী।অন্যদিকে দলের অন্য নেতারাও জানিয়েছেন, অনুমতি যেখানে মিলবে, সেখানেই একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি পালন করা হবে। এদিকে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, একই কর্মসূচি ঘিরে একাধিক দাবিদারের উপস্থিতি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। এখন প্রশাসন শেষ পর্যন্ত কাকে অনুমতি দেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে সকলের।

জুন ২৮, ২০২৬
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীর কড়া হুঁশিয়ারির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বড় সাফল্য! বিজেপি কর্মী খুনে গ্রেপ্তার আরও এক অভিযুক্ত

বাগনানে বিজেপি কর্মী প্রশান্ত দে খুনের ঘটনায় আরও এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করল তদন্তকারী দল। মুখ্যমন্ত্রীর কড়া নির্দেশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এই পদক্ষেপ ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। হাওড়া জেলা পুলিশ এবং অপরাধ তদন্ত বিভাগের যৌথ অভিযানে শ্যামপুর এলাকা থেকে শেখ সৈফুদ্দিন নামে এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই খুনের ঘটনায় মোট একান্ন জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। এর আগে দশ জনকে গ্রেপ্তার করা হলেও আরও বহু অভিযুক্ত এখনও পলাতক। সদ্য গ্রেপ্তার হওয়া শেখ সৈফুদ্দিনের নাম অভিযোগপত্রে ছিল। তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, বাকি অভিযুক্তদের খোঁজেও তল্লাশি চলছে।শনিবার নিহত বিজেপি কর্মীর বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে তিনি জানান, খুনের ঘটনায় কাউকে ছাড়া হবে না। প্রয়োজন হলে লুকিয়ে থাকা অভিযুক্তদেরও খুঁজে বের করে গ্রেপ্তার করতে হবে। পুলিশ প্রশাসনকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দেন তিনি।গত সতেরো জুন রাতে বাগনানের বাঁটুল গ্রামের বাসিন্দা এবং বিজেপির বুথ স্তরের এক পদাধিকারী প্রশান্ত দে খুন হন। বিজেপির অভিযোগ, একটি অনুষ্ঠানে যাওয়ার সময় তাঁদের উপর হামলা চালানো হয়। লাঠি ও লোহার রড দিয়ে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। পরে পরিবারের দাবি, ফোনে তাঁদের জানানো হয়েছিল যে প্রশান্তকে খুন করা হয়েছে এবং কেউ সেখানে গেলে তাকেও ছাড়া হবে না।এই ঘটনায় স্থানীয় এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। তবে তিনি এখনও অধরা বলে জানা গিয়েছে। তদন্তকারী সংস্থা তাঁর খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, সমস্ত অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের পর দ্রুত অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হবে এবং আদালতে কঠোর শাস্তির দাবি জানানো হবে। তাঁর বক্তব্য, দোষীদের এমন শাস্তি হওয়া উচিত যাতে ভবিষ্যতে কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সাহস না পায়।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

রাতারাতি বদলে গেল পার্ক সার্কাস স্টেশন! একের পর এক দোকান গুঁড়িয়ে বড় অভিযান

সোমবার গভীর রাতে পার্ক সার্কাস রেল স্টেশনে বড় উচ্ছেদ অভিযান চালানো হল। দীর্ঘদিন ধরে স্টেশন চত্বর এবং রেলের জমি দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকান ও অস্থায়ী কাঠামো ভেঙে সরিয়ে দেওয়া হয়। অভিযান ঘিরে গোটা এলাকায় কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। বিপুল সংখ্যক পুলিশ, রেল পুলিশ এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন ছিলেন যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।জানা গিয়েছে, চলতি মাসের শুরুতেই স্টেশন চত্বরে থাকা ব্যবসায়ী ও হকারদের জায়গা খালি করার জন্য নোটিস দেওয়া হয়েছিল। সোমবার রাত সাড়ে দশটার পর নিরাপত্তা বাহিনী পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে। এরপর রেলের পক্ষ থেকে বারবার মাইকিং করে দোকানপাট সরিয়ে নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়। কিছুটা সময়ও দেওয়া হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যেও অধিকাংশ দোকান সরানো না হওয়ায় বুলডোজার নামানো হয়। একের পর এক দোকান, গুমটি এবং অবৈধ কাঠামো ভেঙে ফেলা হয়।পার্ক সার্কাস স্টেশন দীর্ঘদিন ধরেই অবৈধ দোকান ও দখলের সমস্যায় ভুগছিল বলে অভিযোগ। যাত্রীদের চলাচলেও বারবার অসুবিধা তৈরি হতো। সেই পরিস্থিতি বদলাতেই এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অভিযান চলাকালীন স্টেশনের ভিতরে ও বাইরে কড়া নজরদারি ছিল। প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে চলে এই উচ্ছেদ অভিযান।এর আগে হাওড়া, শিয়ালদহ, দমদম, হাবরা এবং যাদবপুর-সহ রাজ্যের একাধিক রেল স্টেশন এলাকায় একই ধরনের উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে। রেলের জমি দখলমুক্ত করার লক্ষ্যে এই অভিযান ধারাবাহিকভাবে চলছে বলে জানা গিয়েছে।তবে এই অভিযান নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বহু দোকানদার। তাঁদের অভিযোগ, পুনর্বাসনের কোনও ব্যবস্থা না করেই জীবিকা কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। ফলে উচ্ছেদ অভিযানের পাশাপাশি পুনর্বাসনের দাবিও জোরালো হচ্ছে।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

আর মাত্র ৭ দিন! কলকাতার দুই বড় সেতুর নিচে যা হতে চলেছে, জানতেই চমকে উঠবেন

কলকাতায় অবৈধ দখল উচ্ছেদে আরও কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে পুরসভা। এবার নজরে এসেছে শিয়ালদহের বিদ্যাপতি সেতু এবং সুকান্ত সেতুর নিচের বেআইনি দখল। শনিবার কলকাতা পুরসভার পক্ষ থেকে এই দুই জায়গায় নোটিস টাঙিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সাত দিনের মধ্যে সমস্ত বেআইনি দোকান ও দখল সরিয়ে ফেলতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্দেশ না মানলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।পুরসভার নোটিসে জানানো হয়েছে, যাদবপুর ও সন্তোষপুরের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সংযোগকারী সুকান্ত সেতুর নিচে দীর্ঘদিন ধরে বাজার ও হকারদের দোকান বসে আসছে। একইভাবে শিয়ালদহের বিদ্যাপতি সেতুর নিচেও বহু দোকান ও বড় বাজার গড়ে উঠেছে। অভিযোগ, এই সবই অনুমতি ছাড়া দখল করে তৈরি হয়েছে। তাই এবার ওই সমস্ত জায়গা খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এর আগে তপসিয়া, কসবা, পার্ক সার্কাস-সহ শহরের একাধিক এলাকায় বেআইনি নির্মাণ ভাঙার অভিযান চালানো হয়েছে। পাশাপাশি হাওড়া, শিয়ালদহ, দমদম-সহ বিভিন্ন রেল স্টেশনের আশপাশের অবৈধ দোকানও উচ্ছেদ করা হয়েছে। এবার সেই অভিযানের পরিধি আরও বাড়ানো হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।অন্যদিকে, গত সপ্তাহেই ঢাকুরিয়া থেকে যাদবপুর স্টেশন সংলগ্ন বস্তি এলাকাও খালি করার নোটিস দিয়েছে পুরসভা। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে দখল করে গড়ে ওঠা ওই এলাকায় হাজার হাজার মানুষের বসবাস। শুধু অস্থায়ী ঘর নয়, বহু পাকা ও দোতলা বাড়িও তৈরি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পুরসভা ইতিমধ্যেই সেই এলাকাও খালি করার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে। ফলে শহরে অবৈধ দখল উচ্ছেদ অভিযান আরও জোরদার হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

জুন ২৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal