• ১ ফাল্গুন ১৪৩২, মঙ্গলবার ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

India

বিদেশ

‘ভারত না ভাঙলে শান্তি নেই’— বাংলাদেশের প্রাক্তন সেনা কর্তার মন্তব্যে নতু করে চাঞ্চল্য

ভারত ভেঙে টুকরো টুকরো না হলে বাংলাদেশে কখনও পুরোপুরি শান্তি আসবে নাএমনই উসকানিমূলক মন্তব্য করে তীব্র বিতর্কে জড়ালেন বাংলাদেশের প্রাক্তন সেনাকর্তা আবদুললাহি আমান আজমি। তিনি এক সময় অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ছিলেন। তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা ও সমালোচনা।সম্প্রতি তিনি ঢাকা প্রেস ক্লাবে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, ভারত নাকি বরাবরই Bangladesh-এর ভিতরে অস্থিরতার পরিবেশ তৈরি করেছে। তিনি আরও বলেন, ১৯৭৫ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত পার্বত্য চট্টগ্রামে যে অশান্তি হয়েছিল, তার জন্যও তিনি সরাসরি ভারতকে য়ী করেন।প্রাক্তন এই সেনাকর্তার আরও অভিযোগ, শেখ মুজিবর রহমান সরকারের সময়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি গঠিত হয়েছিল। তাদের সশস্ত্র শাখা শান্তি বাহিনীকে ভারত আশ্রয়, অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ দিয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, সেই কারণেই ওই দীর্ঘ সময় জুড়ে পাহাড়ি এলাকায় রক্তপাত চলেছিল।জানা গিয়েছে, আবদুল্লাহিল আমান আজমি বরাবরই ভারতবিরোধী মন্তব্যের জন্য পরিচিত। সমাজমাধ্যমেও তিনি নিয়মিত ভারতবিরোধী পোস্ট করেন। তাঁর এই বিতর্কিত বক্তব্য এমন এক সময়ে এল, যখন ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক ধীরে ধীরে আবার স্বাভাবিক হওয়ার পথে।উল্লেখ্য, তিনি প্রয়াত জামাত প্রধান গুলাম আজমের ছেলে। গুলাম আজম ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় যুদ্ধাপরাধের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২৫
রাজ্য

SIR-এর আতঙ্কের মাঝেই বড় স্বস্তি! নদিয়ায় বাংলাদেশি দম্পতির হাতে ভারতীয় নাগরিকত্ব

কেন্দ্র সরকার আগেই জানিয়েছিল, বাংলাদেশ থেকে আসা মুসলিম শরণার্থী ছাড়া হিন্দু-সহ অন্যান্য ধর্মের শরণার্থীরা নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করলে নাগরিকত্ব পাবেন। ভোটার তালিকার বিশেষ পরিমার্জন বা SIR ঘিরে যখন রাজ্য জুড়ে আতঙ্কের পরিবেশ, ঠিক সেই সময় নদিয়ার রানাঘাটে এক বাংলাদেশি দম্পতির হাতে এসে পৌঁছল ভারতীয় নাগরিকত্বের সার্টিফিকেট। তা পেয়ে স্বস্তিতে বুক ভরেছে তাঁদের।নদিয়ার তাহেরপুর থানার কামগাছি জয়পুর এলাকার বাসিন্দা লাতুরাম সিকদার ও তাঁর স্ত্রী পদ্ম সিকদার কয়েক বছর আগে বাংলাদেশ থেকে ভারতে আসেন। লাতুরাম বাংলাদেশের সনাতনপুরে থাকতেন, আর পদ্ম থাকতেন পন্ডিতপুর এলাকায়। কট্টরপন্থীদের অত্যাচারের ভয়ে তাঁরা সীমান্ত পেরিয়ে নদিয়ায় চলে এসে বসবাস শুরু করেন। তাঁদের কাছে আগে থেকেই আধার কার্ড ছিল।চলতি বছরে বাংলায় SIR শুরু হলে তাঁরা চিন্তায় পড়ে যান, কারণ ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় তাঁদের নাম ছিল না। তবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশ অনুযায়ী তাঁরা Citizenship Amendment Act অনুযায়ী ক্যাম্পে গিয়ে নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করেন। তাঁরা ১০ অক্টোবর আবেদন করেছিলেন এবং ১৯ নভেম্বর হাতে পান নাগরিকত্বের শংসাপত্র।নাগরিকত্ব পেয়ে পদ্ম সিকদার বলেন, তাঁরা খুব খুশি এবং কেন্দ্র যে পদ্ধতিতে আবেদন করতে বলেছে, সকলকে সেই নিয়ম মেনে আবেদন করার অনুরোধ জানান। লাতুরাম সিকদার বলেন, তাঁরা এক কাপড়ে বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে এসেছিলেন প্রায় ৩৫-৩৬ বছর আগে। এখানেই বড় হয়েছেন, এখানেই তাঁদের সংসার। SIR শুরু হওয়ার পর ভবিষ্যৎ নিয়ে কিছুটা দুশ্চিন্তায় ছিলেন, তবে কেন্দ্রীয় সরকার যে আশ্বাস দিয়েছিল, সেই অনুযায়ী আবেদন করেই তাঁরা নাগরিকত্ব পেয়ে গেলেন। এখন ভোট দেওয়ার অধিকারও পেলেন তাঁরা।এই বিষয়ে রানাঘাট উত্তর-পশ্চিম কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক পার্থসারথী চ্যাটার্জি বলেন, শুরু থেকেই তাঁরা জানিয়েছিলেন আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। এই দম্পতি নাগরিকত্ব পেয়েছেন, ভবিষ্যতে যাঁরা আবেদন করবেন, তাঁরাও নাগরিকত্ব পাবেন।উল্লেখ্য, এর আগেও জঙ্গি হামলায় নিহত বিতান অধিকারীর স্ত্রী ভারতীয় নাগরিকত্ব পেয়েছিলেন। নদিয়ার এই দম্পতির নাগরিকত্ব পাওয়ার ঘটনায় নতুন করে আশা দেখছেন অনেক শরণার্থী পরিবার।

ডিসেম্বর ০১, ২০২৫
রাজ্য

শ্রীলঙ্কায় তাণ্ডবের পর ভারতের দিকে ঘূর্ণিঝড়! বাংলায় কী প্রভাব পড়বে দিতওয়াহার?

শ্রীলঙ্কার উপকূলে তাণ্ডব চালিয়ে ঘূর্ণিঝড় দিতওয়াহা এখন ভারতের দিকে এগোচ্ছে। তবে আবহাওয়া দফতর স্পষ্ট জানিয়েছে, এই ঝড়ের সরাসরি কোনও প্রভাব বাংলায় পড়বে না। ঝড়টি তামিলনাড়ু ও পুদুচেরি উপকূলের কাছাকাছি এসে সমুদ্রের মধ্যেই শক্তি হারাবে। স্থলভাগে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা নেই। তবে ঘূর্ণিঝড়ের কারণে হাওয়ার গতিপথ বদলাচ্ছে, যার ফলে বাংলায় তাপমাত্রার ওঠানামা শুরু হয়েছে।দক্ষিণবঙ্গে ধীরে ধীরে কমছে রাতের তাপমাত্রা। রাতের দিকে সামান্য উষ্ণতা থাকলেও সকালবেলা হালকা কুয়াশা দেখা যেতে পারে। দু-একটি জায়গায় দৃশ্যমানতা ২০০ মিটারের কাছাকাছি নেমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বর্তমানে কলকাতার তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে রয়েছে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে পারদ ১৫ ডিগ্রির আশপাশে ঘোরাফেরা করছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, মঙ্গলবারের পর ধীরে ধীরে আরও নামবে তাপমাত্রা। শুক্র ও শনিবার নাগাদ কলকাতায় তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রিতে এবং পশ্চিমের জেলাগুলিতে ১১ ডিগ্রির কাছাকাছি নেমে যেতে পারে। উইকেন্ডে শীতের আমেজ ফের জোরালো হতে পারে।উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি এলাকায় আপাতত তাপমাত্রার বড় কোনও পরিবর্তন নেই। বৃষ্টির সম্ভাবনাও নেই। শুষ্ক আবহাওয়াই থাকবে। তবে মালদহ ও দুই দিনাজপুরে তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। সপ্তাহের মাঝামাঝি আবার পারদ নামতে শুরু করবে।দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া দিতওয়াহা উপকূলের কাছে এলেও সমুদ্রেই শক্তি হারাবে। ঝড়টি স্থলভাগ থেকে ২০ থেকে ৪০ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থান করবে। এর প্রভাবে দক্ষিণ ভারতে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে হরিয়ানার উপর একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ও ঘূর্ণাবর্ত সক্রিয় রয়েছে। আরও একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢোকার সম্ভাবনাও আছে।কলকাতায় আগামী কয়েকদিন সকালে হালকা কুয়াশা থাকতে পারে। রাতের তাপমাত্রা একটু বেশি থাকায় সকাল-সন্ধ্যায় শীতের আমেজ কিছুটা কম থাকবে। দিনের বেলাতেও শীত বিশেষ অনুভূত হবে না। আকাশ মূলত পরিষ্কার থাকবে, কোথাও আংশিক মেঘ দেখা যেতে পারে। সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে থাকবে। গতকাল দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬.৯ ডিগ্রি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা থাকবে ৪৮ থেকে ৯৪ শতাংশের মধ্যে।দক্ষিণবঙ্গে আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা তাপমাত্রার খুব একটা বদল হবে না। মঙ্গলবারের পর থেকে পরের দু-তিন দিনে প্রায় তিন ডিগ্রি পর্যন্ত তাপমাত্রা কমতে পারে। শুক্রবার নাগাদ কলকাতা ও পশ্চিমের জেলাগুলিতে ভালো রকম ঠান্ডা পড়তে পারে। আগামী কয়েক দিন রাজ্যের প্রায় সব জেলাতেই কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে, বিশেষ করে ভোরের দিকে। উপকূলের জেলাগুলিতে কুয়াশার প্রভাব বেশি হতে পারে। তবে বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই।উত্তরবঙ্গেও শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে। সকালে ও রাতে শীতের আমেজ থাকবে, কিন্তু দিনের দিকে শীত অনেকটাই কম অনুভূত হবে। দার্জিলিংয়ে তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রির কাছে থাকতে পারে। মালদহে পারদ থাকবে প্রায় ১৭ ডিগ্রির ঘরে। কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে সকালের দিকে কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি। উইকেন্ডে পাহাড়ি এলাকাতেও কুয়াশা বাড়তে পারে

ডিসেম্বর ০১, ২০২৫
বিদেশ

ভারত পালিয়েছে নাকি পাকিস্তান নাটক করেছে? অক্সফোর্ড বিতর্কে তীব্র টানাপড়েন

লন্ডনের বিখ্যাত অক্সফোর্ড ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিতর্ক হওয়ার কথা ছিল। বিতর্কের বিষয় ছিল ভারতের পাকিস্তান নীতি কি শুধুই জনতাকে খুশি করার কৌশল? কিন্তু বিতর্ক শুরু হওয়ার আগেই হঠাৎ নাটকীয় মোড় নেয় গোটা পরিস্থিতি। পাকিস্তান অভিযোগ তোলে, শেষ মুহূর্তে ভারতের প্রতিনিধিরা নাকি বিতর্ক থেকে সরে দাঁড়ান। এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আনে পাকিস্তান হাই কমিশন।পাকিস্তানের তরফে জানানো হয়, তাঁদের বক্তারা ইতিমধ্যেই লন্ডনে পৌঁছে গিয়েছিলেন এবং অক্সফোর্ডে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু সেদিন সকালে অক্সফোর্ড ইউনিয়ন জানায়, ভারতের তিন বক্তাই নাকি বিতর্কে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পাকিস্তানের পক্ষ থেকে বলা হয়, এতে তারা একপ্রকার ওয়াকওভার পেয়ে যায়।এই বিতর্কে পাকিস্তানের প্রতিনিধি হিসেবে থাকার কথা ছিল প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী হিনা রব্বানি খর, ব্রিটেনে পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত মহম্মদ ফয়সাল এবং প্রাক্তন সেনা অফিসার জুবায়র মাহমুদ হায়াতের। ভারতের দিক থেকে বক্তা হিসেবে নাম ছিল প্রাক্তন সেনাপ্রধান মনোজ নারাভানে, রাজনীতিক সুব্রহ্মণ্যম স্বামী এবং রাজস্থানের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী শচীন পাইলটের।পাকিস্তানের একটি সংবাদ চ্যানেলের সঞ্চালক ওয়াজাহাত কাজমি এই ঘটনাকে পাকিস্তানের বুদ্ধিবৃত্তিক জয় বলেও দাবি করেন। তিনি বলেন, ভারতের পক্ষ কম যোগ্য বিকল্প বক্তা পাঠাতে চেয়েছিল।তবে এই সমস্ত অভিযোগ সরাসরি উড়িয়ে দিয়েছেন ভারতীয় আইনজীবী ও বক্তা J Sai Deepak। তিনি জানান, অক্সফোর্ড ইউনিয়ন আগেই তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে বক্তা হিসেবে নিশ্চিত করেছিল। নারাভানে ও স্বামীকেও প্রথমে নিশ্চিত করা হয়েছিল। পরে অক্সফোর্ড ইউনিয়ন জানায়, ওই দুজন আসতে পারবেন না এবং বিকল্প নাম দিতে বলা হয়।সাই দীপক জানান, তিনি বিকল্প দেওয়ার আগেই অক্সফোর্ড ইউনিয়ন নিজেরাই সুচেল সেঠ ও প্রিয়াঙ্কা চতুর্বেদীর সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁদের রাজি করায়। কিন্তু শেষ মুহূর্তে দুজনই অল্প নোটিশের কারণে নাম প্রত্যাহার করেন।শিবসেনা সাংসদ প্রিয়াঙ্কা চতুর্বেদীও বিষয়টি স্পষ্ট করে বলেন, অক্সফোর্ড ইউনিয়ন তাঁকে অনেক আগেই আমন্ত্রণ জানালেও শেষ মুহূর্তে আচমকা মেল করে হাজির থাকার কথা জানানো হয়। এই অগোছালো ব্যবস্থাপনায় তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে অংশ নিতে রাজি হননি। তাঁর দাবি, পাকিস্তান এই ঘটনাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে ভুলভাবে তুলে ধরছে।এই ঘটনায় নতুন করে ভারত-পাকিস্তান কূটনৈতিক টানাপড়েন এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে মুখরক্ষা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে।

নভেম্বর ২৯, ২০২৫
বিদেশ

এক রাতেই বদলে গেল দেশের চেহারা, শ্রীলঙ্কায় ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডব

ক্রমে ভয়াল রূপ নিয়েছে ঘূর্ণিঝড় দেতোয়া। শ্রীলঙ্কা জুড়ে ব্যাপক ধ্বংসলীলা চালাচ্ছে এই শক্তিশালী ঝড়। বহু বছর পর এমন ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখে পড়েছে দ্বীপরাষ্ট্রটি। একের পর এক প্রাণহানির খবর সামনে আসছে। এখনও পর্যন্ত সরকারি হিসেবে মৃত্যু হয়েছে ৫৬ জনের, তবে উদ্ধারকারীদের আশঙ্কা সংখ্যাটা আরও বাড়তে পারে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন ২১ জন। টানা ভারী বৃষ্টিতে একাধিক এলাকায় ধস নেমেছে। শহর থেকে গ্রাম সর্বত্র বন্যার জল ঢুকে পড়েছে। বহু ঘরবাড়ি ভেসে গিয়েছে। প্রায় ৪৪ হাজার মানুষ ঘরছাড়া হয়ে পড়েছেন। জলস্তর এখনও বাড়ছে।দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রশাসনকে দ্রুত উদ্ধার ও ত্রাণ কাজে নামার নির্দেশ দিয়েছেন শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি অনুরা কুমারা দিশানায়েকে। ২০২৫ সালের বাজেট থেকে জরুরি ত্রাণের জন্য ১.২ বিলিয়ন টাকা তাৎক্ষণিক সাহায্যের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ক্ষয়ক্ষতি সামাল দিতে আরও ৩০ বিলিয়ন টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রশাসনিক কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য নতুন নির্দেশিকাও জারি করা হয়েছে। প্রতিরক্ষা সদর দফতরে খোলা হয়েছে বিশেষ নিয়ন্ত্রণ কক্ষ, চালু করা হয়েছে দশটি জরুরি হটলাইন।ভারি বৃষ্টিতে কার্যত বিপর্যস্ত পরিবহন ব্যবস্থা। রাজধানী কলম্বোর বহু গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। দক্ষিণ এক্সপ্রেসওয়ের একাধিক অংশে যান চলাচল বন্ধ। খারাপ দৃশ্যমানতার কারণে বেশ কিছু বিমান তিরুঅনন্তপুরম, কোচিন ও মাত্তালায় ঘুরিয়ে দিতে হয়েছে।এই বিপদের সময়ে শ্রীলঙ্কার পাশে দাঁড়িয়েছে ভারত। শুরু হয়েছে অপারেশন সাগর বন্ধু। শুক্রবার ভারতের পক্ষ থেকে ত্রাণসামগ্রী ও জরুরি সাহায্য পাঠানো হয়েছে শ্রীলঙ্কায়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শ্রীলঙ্কাকে সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড় দেতোয়ার কারণে যাঁরা প্রিয়জন হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি তাঁর গভীর সমবেদনা রইল। সব ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের নিরাপত্তা ও দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন তিনি।শ্রীলঙ্কা সরকারের তথ্য অনুযায়ী, খারাপ আবহাওয়ার জেরে ১২,৩১৩টি পরিবারের ৪৩,৯০০ জনেরও বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। দেশজুড়ে এখনও চলছে উদ্ধার ও ত্রাণের কাজ।

নভেম্বর ২৯, ২০২৫
দেশ

সামরিক থেকে অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক মঞ্চে ক্রমশ আধিপত্য করছে ভারত

অর্থনীতি থেকে সামরিক শক্তিসব ক্ষেত্রেই ক্রমশ আত্মনির্ভর হয়ে উঠছে ভারত। জঙ্গি হামলার জবাব দিতে শত্রু দেশের সীমানায় ঢুকে জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিতে ভারত এখন দুইবার ভাবছে না। কোভিড মহামারির সময় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভ্যাকসিন পৌঁছে দিয়ে মানবিকতার নতুন নজিরও স্থাপন করেছে ভারত। আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের গুরুত্ব ক্রমশ বাড়ছে। এই সব কারণেই এশিয়ায় শক্তিশালী দেশের তালিকায় ভারতের অবস্থান বেড়ে তৃতীয় স্থানে পৌঁছেছে।২০২৫ সালের এশিয়া পাওয়ার ইনডেক্সে জাপান ও রাশিয়ার মতো দেশকে পিছনে ফেলে ভারত। অস্ট্রেলিয়ার বিখ্যাত থিঙ্ক ট্যাঙ্ক লোই ইনস্টিটিউটের সমীক্ষায় দেখা গেছে, ২০২৫ সালের এশিয়া পাওয়ার ইনডেক্সে ভারতের আগে কেবল আমেরিকা ও চিন। আটটি বিষয়ে ১৩১টি সূচকের উপর ভিত্তি করে এই রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে। এই আটটি বিষয়ের মধ্যে রয়েছে সামরিক ক্ষমতা, প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্ক, অর্থনৈতিক শক্তি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, কূটনৈতিক ও সাংস্কৃতিক প্রভাব।লিস্টে প্রথমে রয়েছে আমেরিকা, ১০০-র মধ্যে ৮১.৭ পয়েন্ট নিয়ে। দ্বিতীয় স্থানে চিন, ৭৩.৭ পয়েন্ট। এরপরই ভারতের অবস্থান, ৪০ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে। চতুর্থে জাপান, পঞ্চমে রাশিয়া। পাকিস্তানের অবস্থান মাত্র ১৪.৫ পয়েন্টে। লোই ইনস্টিটিউটের রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভারতের অর্থনীতি ও সামরিক ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।কোভিড-১৯ মহামারীর পর ভারতের অর্থনীতি দ্রুত বাড়ছে। সাম্প্রতিক সময়ে আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে চাপানউতোর হলেও, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশবাসীকে ভারতীয় পণ্য ব্যবহার বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন। এই মুহূর্তে ভারত বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ এবং বিশেষজ্ঞরা আশাবাদী, শিগগিরই এটি আরও উপরে উঠবে।সামরিক ক্ষেত্রে ভারত এখন শুধু নিজের সেনাবাহিনীর জন্যই সরঞ্জাম তৈরি করছে না, রফতানিও বাড়িয়েছে। বিশ্বের দরবারে ভারতীয় সামরিক সরঞ্জামের চাহিদা বেড়েছে। জঙ্গি হামলার মোকাবিলায় শত্রু দেশের ভিতরে ঢুকে অপারেশন সম্পন্ন করার ক্ষমতাও ভারতের রয়েছে। কয়েক মাস আগে অপারেশন সিঁদুরে ভারতীয় সেনা সেই দক্ষতা দেখিয়েছে। সামরিক শক্তি, অর্থনীতি এবং আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক প্রভাবসব মিলিয়ে এশিয়ায় ক্রমশ আধিপত্য বিস্তার করছে ভারত।

নভেম্বর ২৯, ২০২৫
দেশ

ভিক্টোরিয়া-মস্কো পালানোয় রাশিয়ান দূতাবাসের জড়িত থাকার প্রমাণ! বিদেশমন্ত্রকের বিস্ফোরক রিপোর্ট

চন্দননগরের রাশিয়ান পুত্রবধূ ভিক্টোরিয়া জিগালিনা বসুর হঠাৎ দেশছাড়া নিয়ে যে রহস্য তৈরি হয়েছিল, সেই ধাঁধার গায়ে আরও নয়া তথ্য জুড়ল ভারতের বিদেশমন্ত্রক। সুপ্রিম কোর্টে জমা দেওয়া একটি স্ট্যাটাস রিপোর্টে মন্ত্রক জানিয়েছে রাশিয়ান দূতাবাস যতই পাশ কাটানোর চেষ্টা করুক, দূতাবাসের কিছু আধিকারিকের বিরুদ্ধে এমন প্রমাণ মিলেছে যা স্পষ্ট করে বলে দেয়, ভিক্টোরিয়ার দেশ ছেড়ে পালাতে তাঁদের ভূমিকা ছিল।এই প্রেক্ষিতে বিদেশমন্ত্রক ভিয়েনা কনভেনশনের ৩১ ও ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অনুরোধ করেছে ওই রাশিয়ান আধিকারিকদের কূটনৈতিক রক্ষাকবচ যাতে তুলে নেওয়া হয়। অর্থাৎ তাঁদের জেরা করতে চাইছে দিল্লি পুলিশ।শুক্রবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা। তার আগে জমা দেওয়া রিপোর্টে বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে আদালতের নির্দেশে রাশিয়ান দূতাবাসকে অনুরোধ করা হয়েছে, ভিক্টোরিয়া ও তাঁর ছেলে স্তাভ্যকে ভারতে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করতে।রাশিয়া দূতাবাসের দ্বৈত বক্তব্যও উঠে এসেছে রিপোর্টে। একদিকে তারা বলছে, ভিক্টোরিয়ার দেশ ছাড়ার ঘটনায় তাঁদের কোনও আধিকারিক জড়িত নন। অন্যদিকে, আবার জানিয়েছে ভিক্টোরিয়ার মা ওলগা জিগালিনার অনুরোধে বিহার যাওয়ার জন্য ট্যাক্সি বুক করে দিয়েছিলেন দূতাবাসের কাউন্সেলর আর্থার গার্বস্ট।এটিই তদন্তে বড় প্রশ্ন কেন বিহার পর্যন্ত সহায়তা? আর সেই পথ ধরেই কি ভিক্টোরিয়া সীমান্ত পেরিয়ে নেপালে ঢুকেছিলেন? নেপাল দূতাবাস ইতিমধ্যেই জানিয়েছে ১২ জুলাই ভিক্টোরিয়া তাঁর ছেলেকে নিয়ে নেপাল থেকে শারজা হয়ে মস্কো গিয়েছিলেন।সব তথ্য একসঙ্গে মিলিয়ে দেখছে দিল্লি পুলিশ, আর তাই তাঁরা রাশিয়ার দুই আধিকারিককে জেরা করতে চান। কূটনৈতিক রক্ষাকবচ ওঠানোই সেই পথ। ভারতের অনুরোধ সেই কারণেই।

নভেম্বর ২৬, ২০২৫
দেশ

সিন্ধ কি ভারতের মানচিত্রে ফিরছে? বেড়ে চলেছে রাজনৈতিক জল্পনা

পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার ঘটনায় ভারতপাকিস্তান কূটনৈতিক সম্পর্ক যখন তলানিতে, ঠিক সেই সময়েই সিন্ধ প্রদেশকে ঘিরে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তাঁর বক্তব্যে যেন ফিরে এল ইতিহাস১৯৪৭ সালের দেশভাগ, সিন্ধের বিচ্ছেদ, আর সেই স্মৃতির ক্ষত। দিল্লির এক অনুষ্ঠানে রাজনাথ বলেন, সিন্ধি হিন্দুরা কোনওদিনও মেনে নিতে পারেননি তাঁদের জন্মভূমি পাকিস্তানে চলে যাওয়াকে। এরপরই তিনি এমন মন্তব্য করেন যা মুহূর্তে রাজনৈতিক মহলে ঝড় তুলেছেকে জানে, কাল হয়তো সিন্ধ আবার ভারতেই ফিরে আসবে।রাজনাথ সিং জানান, লালকৃষ্ণ আডবাণীর লেখায় তিনি পড়েছিলেন কীভাবে দেশভাগের সময়ে সিন্ধি হিন্দুরা নিজেদের জন্মভূমি থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার বেদনা সারা জীবন বয়ে বেড়িয়েছেন। স্বাধীনতার পরে বহু সিন্ধি হিন্দুই ভারতবর্ষে চলে আসেন। কিন্তু মন থেকে তাঁরা কখনওই সিন্ধ হারানোর যন্ত্রণা ভুলতে পারেননি। সেই প্রসঙ্গেই প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, সিন্ধ আজ ভারতের ভৌগোলিক অংশ নয়। তবে সভ্যতা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের দিক থেকে সিন্ধ সবসময়ই ভারতের অঙ্গ। আর সীমান্ত বদলাতে পারেএটাই ইতিহাস বলে। কে বলতে পারে, কাল সিন্ধ আবার ভারতের সঙ্গেই যুক্ত হলো!তিনি আরও বলেন, যাঁরা সিন্ধু নদীকে পবিত্র মনে করেন, তাঁরা আমাদের। তাঁরা কোথায় থাকেন, সেটা মুখ্য নয়। তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলেও শুরু হয়েছে জল্পনাএ কি কূটনৈতিক বার্তা, নাকি ভবিষ্যতের কোনও ইঙ্গিত?গুজরাট ও রাজস্থানের সীমান্ত ছুঁয়ে থাকা সিন্ধ প্রদেশ নিয়ে এই বক্তব্য পাকিস্তানকে স্বভাবতই অস্বস্তিতে ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকদের মত। এর আগেও রাজনাথ সিং স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিলেনপাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতের অংশ হিসেবেই থাকবে। এবার সিন্ধকে ঘিরে তাঁর মন্তব্যে রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, উত্তপ্ত ভারতপাক সম্পর্কের আবহে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর এই মন্তব্য কূটনৈতিক চাপ বাড়ানোরই ইঙ্গিত দিচ্ছে।

নভেম্বর ২৪, ২০২৫
দেশ

১৪ মাসের জন্য দেশের শীর্ষ বিচারক সূর্য কান্ত! জানুন কোন মামলাগুলি আগে শুনানি হবে

ভারতের সুপ্রিম কোর্টে নেতৃত্ব বদল হল আজ, ২৪ নভেম্বর। পদ ছাড়লেন দেশের প্রধান বিচারপতি বিআর গভাই। তাঁর জায়গায় দেশের ৫৩তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন বিচারপতি সূর্য কান্ত। রাষ্ট্রপতি ভবনে সোমবার সকালে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান। প্রধান বিচারপতি গভাই তাঁর উত্তরসূরি হিসেবে সূর্য কান্তের নামই সুপারিশ করেছিলেন। তবে নতুন প্রধান বিচারপতির মেয়াদ খুব দীর্ঘ নয়আগামী প্রায় ১৪ মাস তিনি দেশের সর্বোচ্চ বিচারপতির দায়িত্বে থাকবেন।হরিয়ানার একটি সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারে ১৯৬২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি জন্মসূর্য হয়ে ওঠা সূর্য কান্তের আইনি জীবনের শুরু হিসারে ১৯৮৪ সালে। পরে তিনি পঞ্জাব-হরিয়ানা হাইকোর্টে প্র্যাকটিস করতে চলে আসেন। তাঁর আইনজীবী জীবনের উত্থানও কম নাটকীয় নয়২০০০ সালে হরিয়ানার ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সে অ্যাডভোকেট জেনারেল হন তিনি। পরের বছরই পান সিনিয়র অ্যাডভোকেটের মর্যাদা। ২০০৪ সালে তাঁকে পঞ্জাব-হরিয়ানা হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারক হিসেবে নিয়োগ করা হয়।এরপর ২০১৮ সালের অক্টোবরে তিনি হিমাচল প্রদেশ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি হন এবং ২০১৯ সালের মে পর্যন্ত দায়িত্বে ছিলেন। সেখান থেকে তাঁর পদোন্নতি হয় সুপ্রিম কোর্টে। ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে তিনি সুপ্রিম কোর্টের লিগাল সার্ভিস কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে কাজও করছেন।Attended the oath taking ceremony of Justice Surya Kant as the Chief Justice of India. Best wishes to him for his tenure ahead. pic.twitter.com/62yeSlfmsx Narendra Modi (@narendramodi) November 24, 2025প্রধান বিচারপতির চেয়ারে বসার আগে সূর্য কান্ত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেনতাঁর প্রথম লক্ষ্য হবে দেশের সমস্ত হাইকোর্টের সঙ্গে যোগাযোগ করে জেলা ও নিম্ন আদালতগুলিতে কোন কোন জায়গায় কাজের সমস্যা রয়েছে, তা নির্দিষ্টভাবে খুঁজে বের করা। বহু গুরুত্বপূর্ণ মামলার রায় বছরের পর বছর ঝুলে থাকা নিয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, আসন্ন কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই পাঁচ সদস্য, সাত সদস্য ও নয় সদস্যের বৃহত্তর বেঞ্চ গঠন করে তিনি সেই মামলাগুলি দ্রুত শুনানিতে আনবেন।দেশের বিচারব্যবস্থার গতি বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে নতুন প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব গ্রহণএই পরিবর্তনকে ঘিরে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে আইনজগত থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

নভেম্বর ২৪, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে এক দিনের সিরিজের দল ঘোষণা, চোটের কারণে নেই শুভমন—নেতৃত্বে ফিরলেন লোকেশ রাহুল

দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের এক দিনের সিরিজের জন্য দল ঘোষণা করল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। অনুমান মতই চোটের জন্য অনুপস্থিত শুভমন গিল। পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়া সফরে সহ-অধিনায়ক হিসেবে থাকা শ্রেয়স আয়ারও চোট সারাতে ব্যস্ত। ফলে নতুন অধিনায়ক বেছে নেওয়ার কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয় নির্বাচক অজিত আগরকরদের। আর সেই দায়িত্ব ফিরে গেল অভিজ্ঞ ব্যাটার লোকেশ রাহুলের হাতে। প্রায় দুবছর পরে সাদা বলের ফরম্যাটে ভারতীয় দলের নেতৃত্ব দিতে দেখা যাবে তাঁকে।২০২৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরেই শেষবার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন রাহুল। সেই অভিজ্ঞতাই এই সিরিজে তাঁকে আবারও অধিনায়ক হিসেবে এনে দিল। টেস্ট সিরিজে আশানুরূপ ফল না হওয়ার পর নির্বাচকরা নতুন পরীক্ষা-নিরীক্ষায় না গিয়ে অভিজ্ঞতার ওপরই ভরসা রাখলেন।হার্দিক পাণ্ড্য এখনও প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফিরে আসার মতো ফিট নন, তাই তাঁকে বিবেচনায় আনা হয়নি। আর আগামী বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে মাথায় রেখে বুমরাহ ও মহম্মদ সিরাজকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। ক্রিকেটারদের ওপর বাড়তি চাপ এড়াতে এবং তরুণদের সুযোগ দিতে এই সিদ্ধান্ত বলে বোর্ড সূত্রে জানা যাচ্ছে। অভিজ্ঞ বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মা এক দিনের দলে রয়েছেন, তবে জায়গা হয়নি পেসার মহম্মদ শামির।ভারতীয় দলের তরুণ ব্রিগেডে জায়গা পেয়েছেন নীতীশ কুমার রেড্ডি, হর্ষিত রানা এবং ধ্রুব জুরেল। তাঁদের সঙ্গে থাকছেন অভিজ্ঞ জাডেজা, কুলদীপ, ওয়াশিংটন সুন্দররাযারা দলের ভারসাম্য বজায় রাখবে।দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ভারতের এক দিনের সিরিজের দল🏏 রোহিত শর্মা🏏 যশস্বী জয়সওয়াল🏏 বিরাট কোহলি🏏 তিলক বর্মা🏏 লোকেশ রাহুল (অধিনায়ক)🏏 ঋষভ পন্থ🏏 ওয়াশিংটন সুন্দর🏏 রবীন্দ্র জাডেজা🏏 কুলদীপ যাদব🏏 নীতীশ কুমার রেড্ডি🏏 হর্ষিত রানা🏏 রুতুরাজ গায়কোয়াড়🏏 প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ🏏 অর্শদীপ সিংহ🏏 ধ্রুব জুরেল🚨 NEWS 🚨#TeamIndias squad for @IDFCFIRSTBank ODI series against South Africa announced.More details ▶️https://t.co/0ETGclxAdL#INDvSA pic.twitter.com/3cXnesNiQ5 BCCI (@BCCI) November 23, 2025এই দল নিয়ে শক্তিশালী দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে কেমন ফল করে ভারতসেদিকেই এখন তাকিয়ে ক্রিকেটপ্রেমীরা।

নভেম্বর ২৪, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬: একই গ্রুপে ভারত–পাকিস্তান, প্রকাশিত সূর্যকুমারদের ম্যাচ সূচি

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এ একই গ্রুপে ভারত ও পাকিস্তান। সূর্যকুমারদের সম্পূর্ণ ম্যাচ সূচি, গ্রুপ তালিকা, ভেন্যু ও তারিখ জেনে নিন এক নজরে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬: একই গ্রুপে ভারতপাকিস্তান, সূর্যকুমারদের ম্যাচের সূচি প্রকাশ। র্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে চার গ্রুপে ভাগ করেছে আইসিসি। ভারতের গ্রুপে পাকিস্তানসহ পাঁচ দল। ৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকার বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে অভিযান শুরু।আগামী বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) র্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে গ্রুপ ভাগ করে দিয়েছে। চারটি গ্রুপে পাঁচটি করে দল অংশ নেবে টুর্নামেন্টে। সুপার এইটে উঠবে প্রতিটি গ্রুপের প্রথম দুই দল।সহজ গ্রুপে ভারত, একই গ্রুপে পাকিস্তানটি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে থাকা ভারত পেয়েছে তুলনামূলক সহজ গ্রুপ। সূর্যকুমার যাদবদের সাথে সেই গ্রুপে হয়েছে পাকিস্তান (৭), নেদারল্যান্ডস (১৩), নামিবিয়া (১৫) এবং আমেরিকা (১৮)। ভারতপাকিস্তান ছাড়া সব কটি দলই অ্যাসোসিয়েট সদস্যফলে কাগজে-কলমে গ্রুপটি ভারতের পক্ষে সুবিধাজনক।কঠিন চ্যালেঞ্জে শ্রীলঙ্কা, ইংল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকাআয়োজক দেশ শ্রীলঙ্কার গ্রুপে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, জ়িম্বাবোয়ে, আয়ারল্যান্ড ও ওমানচারটি টেস্ট খেলিয়ে দেশ। ইংল্যান্ডের গ্রুপও কঠিন। তাদের মুখোমুখি হতে হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, বাংলাদেশ, নেপাল ও কোয়ালিফায়ার ইটালি। দক্ষিণ আফ্রিকার গ্রুপে রয়েছে নিউজিল্যান্ড, আফগানিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং কানাডাযা টুর্নামেন্টের সবচেয়ে শক্ত গ্রুপগুলির মধ্যে একটি বলে বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা।ভারতের ম্যাচ সূচি কবে খেলবে কার বিরুদ্ধে?আইসিসি সূত্রে নিশ্চিত হয়েছে, ভারত গ্রুপ পর্বে চারটি ম্যাচ খেলবে৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, অহমদাবাদ ভারত বনাম আমেরিকা১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, দিল্লি ভারত বনাম নামিবিয়া১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, কলম্বো ভারত বনাম পাকিস্তান১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, মুম্বই ভারত বনাম নেদারল্যান্ডসভেন্যুর তালিকাঃভারতের পাঁচটি শহরে বিশ্বকাপের ম্যাচ হবেঅমেদাবাদ, দিল্লি, কলকাতা, মুম্বই ও চেন্নাই।শ্রীলঙ্কায় ম্যাচ হবে কলম্বোর দুটি স্টেডিয়াম ও ক্যান্ডিতে।ফাইনাল সম্ভাব্য ভেন্যুঅমেদাবাদ।দুটি সেমিফাইনাল হবে কলকাতা এবং মুম্বইয়ে। তবে পাকিস্তান সেমি বা ফাইনালে পৌঁছলে তাদের ম্যাচ স্থানান্তরিত হবে শ্রীলঙ্কায়।২৫ নভেম্বর প্রকাশ হবে অফিসিয়াল সূচিঃআইসিসি ২৫ নভেম্বর সরকারি ভাবে পুরো সূচি ঘোষণা করবে। তার আগেই গ্রুপ ভাগ ও সম্ভাব্য দ্বৈরথ নিয়ে ক্রিকেট মহলে তুমুল আলোচনা শুরু হয়েছে।

নভেম্বর ২২, ২০২৫
বিদেশ

ভারত–পাক সংঘর্ষকে ‘লাইভ ল্যাব’ বানাল চিন! মার্কিন রিপোর্টে বিস্ফোরক দাবি

কথায় আছেকারও সর্বনাশ, কারও পৌষমাস। ভারতপাকিস্তানের উত্তপ্ত পরিস্থিতি যেন সেই পুরনো কথাকেই আবার নতুন করে মনে করিয়ে দিল। কারণ সদ্য প্রকাশিত মার্কিনচিন অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা পর্যালোচনা কমিশনের এক রিপোর্টে উঠে এসেছে বিস্ফোরক তথ্য। সেখানে দাবি করা হয়েছে, গত মে মাসের ভারতপাক সংঘর্ষকে নাকি নিজেদের আধুনিক সামরিক সরঞ্জাম পরীক্ষা করার আদর্শ সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করেছিল বেজিং।রিপোর্টে স্পষ্ট ভাষায় বলা হয়েছে, চিন প্রথমবারের মতো বাস্তব যুদ্ধে তাদের অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র সিস্টেম প্রয়োগ করেছে। এর মধ্যে ছিল জে-১০ ফাইটার জেট, PL-15 লংরেঞ্জ ক্ষেপণাস্ত্র এবং HQ-9 এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম। সহজ কথায়, ভারতপাক সংঘর্ষ হয়ে উঠেছিল চিনের সামরিক গবেষণার এক লাইভ ল্যাবরেটরি।রিপোর্টের আরও দাবিএই পরীক্ষার পর জুন মাসে চিন পাকিস্তানকে প্রস্তাব দেয় নতুন করে আরও উন্নত অস্ত্র কেনার, যার মধ্যে ছিল ৪০টি জে-৩৫ পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান, কেজে-৫০০ বিমান এবং সম্পূর্ণ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। অর্থাৎ বেজিং পাকিস্তানকে আরও গভীরভাবে নিজেদের সামরিক গ্রাহক এবং পরীক্ষার ক্ষেত্র বানাতে চাইছে।তবে প্রশ্ন উঠেছেএই পরীক্ষায় চিনের কতটা সাফল্য মিলেছে? ওয়াকিবহাল মহলের ব্যাখ্যা একেবারেই উৎসাহব্যঞ্জক নয়। কারণ পাকিস্তান ভারতবিরোধী অভিযানে চিনের তৈরি PL-15 ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করলেও দেখা যায় সেটি আছড়ে পড়ার পরও বিস্ফোরিত হয়নি। ভারত সীমান্তের এক গ্রামে প্লাস্টিক মোড়কের মতো অক্ষত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায় সেই ক্ষেপণাস্ত্রটি। এটি চিনের প্রযুক্তির দুর্বলতা হিসেবে আন্তর্জাতিক মহলে বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।এছাড়া পাকিস্তানের জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমানযা চিনের সহায়তায় তৈরিভারতীয় বায়ুসেনার আঘাতে ধুলিসাৎ হয়ে যায়। এই ঘটনাও বেজিংয়ের সামরিক শক্তির বাস্তব চিত্র সামনে আনে।রিপোর্টটি নতুন করে আলোচনায় এসেছে অপারেশন সিঁদুরের প্রেক্ষিতে। উল্লেখ্য, ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে লস্কর-সমর্থিত সংগঠন TRF-এর হামলায় নিহত হন ২৬ নিরস্ত্র মানুষ। তার জবাবে ৭ মে ভারত ভোররাতে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের নয়টি জঙ্গিঘাঁটি ধ্বংস করে। পাকিস্তান পাল্টা বেসামরিক এলাকা ও সেনা ঘাঁটিতে হামলা চালায়, কিন্তু ভারত শুধু প্রতিরোধই করেনিপ্রত্যাঘাত করে পাকিস্তানের অন্তত ১১টি বায়ুসেনা ঘাঁটি তছনছ করে দেয়। সেই অভিযানে মারা যায় ১০০-র বেশি জঙ্গি এবং প্রায় ৩৫-৪০ জন পাক সেনা। টিকে থাকতে না পেরে শেষ পর্যন্ত ইসলামাবাদই যুদ্ধবিরতির আর্জি জানায়।এই পরিস্থিতির মাঝেই মার্কিন রিপোর্টের দাবিচিন নাকি পর্দার আড়ালে পাকিস্তানের মাধ্যমেই নিজেদের অস্ত্রের কার্যক্ষমতা যাচাই করে নিয়েছে। তবে প্রযুক্তির একাধিক ব্যর্থতা প্রমাণ করছে, বেজিংয়ের স্বপ্নের আধুনিক যুদ্ধকৌশল হয়তো বাস্তব পরীক্ষার আগুনে ততটা টেকেনি।

নভেম্বর ২২, ২০২৫
রাজ্য

FIP–এ বায়োমেট্রিক ধরে ফেলল সব! বহু বাংলাদেশির কাছে মিলল ভারতীয় নথিও

পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী এলাকা জুড়ে ফের তীব্র হল BSFএর নজরদারি। গত মাত্র সাতআট দিনের মধ্যেই স্বরূপনগরের হাকিমপুর ও তারালি সীমান্ত থেকে অন্তত ১৭২০ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করে তাঁদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। অবৈধভাবে ভারত প্রবেশের অভিযোগেই তাঁদের প্রত্যাবর্তন। সীমান্ত জুড়ে এই সংখ্যাটি প্রশাসনকে নতুন করে ভাবাচ্ছে।BSF এবং পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতদের প্রত্যেকেই বাংলাদেশের নাগরিক। কেউ কাজের সন্ধানে, কেউ আত্মীয়ের কাছে, আবার কেউ পাচারকারীর মাধ্যমে দালাল চক্রের হাত ধরে অবৈধভাবে এইপারে এসেছিলেন। ধরা পড়ার পর তাঁদের প্রত্যেককে নিয়ে যাওয়া হয় নির্দিষ্ট সুরক্ষা কেন্দ্রে, যেখানে প্রথমেই ফরেনার্স আইডেন্টিফিকেশন পোর্টালে তাঁদের বায়োমেট্রিক, ফেসিয়াল ও ডেমোগ্রাফিক তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এই সমস্ত তথ্য পাঠানো হচ্ছে সংশ্লিষ্ট পুলিশ প্রশাসনের কাছে, যেখানে খতিয়ে দেখা হচ্ছেভারতে এসে কেউ কোনও অপরাধে যুক্ত ছিলেন কি না।পুলিশি ক্লিয়ারেন্স মেললেই তাঁদের বাংলাদেশে ফেরানো হচ্ছে। আর সেখানেই সামনে আসছে আরও উদ্বেগজনক তথ্য। বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি নাগরিকের কাছ থেকে একাধিক ভারতীয় পরিচয়পত্র উদ্ধার হয়েছেআধার, ভোটার আইডি, এমনকি প্যান কার্ডও। ফলে সীমান্তের দালাল নেটওয়ার্ক ঠিক কতটা গভীরভাবে কাজ করছে, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে। এসব নথির উৎস খতিয়ে দেখার পাশাপাশি আধার কর্তৃপক্ষের কাছেও পাঠানো হচ্ছে তথ্য।BSFএর দাবি, হাকিমপুর ও তারালি এলাকায় গত কয়েক দিনে নজিরবিহীনভাবে বেড়ে গিয়েছে অনুপ্রবেশের ঘটনা। একদিকে অসম, অন্যদিকে নদীপথ ও সবুজ সীমানাসব মিলিয়ে সীমান্তের অনেক অংশে নজরদারি কঠিন হয়ে পড়ছে। তবে BSFএর ধারাবাহিক অভিযানেই মাত্র এক সপ্তাহে ১৭২০ জনকে ফেরত পাঠানো সম্ভব হয়েছে।কেন এত বড় সংখ্যায় বাংলাদেশি নাগরিক ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করছেনতার কারণ খুঁজতে এখন মাঠে নেমেছে গোয়েন্দা সংস্থাও। প্রশাসনের আশঙ্কা, সাধারণ শ্রমজীবী মানুষের পাশাপাশি পাচারকারী ও মানবব্যবসায়ী চক্রও সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে।

নভেম্বর ২২, ২০২৫
দেশ

ভারতীয় নৌসেনার গোপন তথ্য পাকিস্তানে! কর্নাটকে গ্রেপ্তার দুই যুবক, সামনে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য

ভারতের নৌবাহিনীর গোপন তথ্য পাকিস্তানে পাচারের অভিযোগে কর্নাটকের উদুপিতে গ্রেপ্তার হলেন দুই যুবক। অভিযোগ এতটাই গুরুতর যে কোচিন শিপইয়ার্ডের সিইও নিজে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানাতে বাধ্য হন। ধৃতদের পরিচয় রোহিত (২৯) এবং সানত্রী (৩৭), দুজনেই উত্তরপ্রদেশের সুলতানপুরের বাসিন্দা। দেশবিরোধী এই কর্মকাণ্ড ঘিরে এখন উত্তপ্ত গোটা দক্ষিণ ভারত।তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে, রোহিত একসময় কেরলের কোচিন শিপইয়ার্ড লিমিটেডে কাজ করতেনযে শিপইয়ার্ড ভারতীয় নৌসেনার রণতরী, সাবমেরিন থেকে শুরু করে একাধিক অতি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক প্রকল্প তৈরি করে। অভিযোগ, সেখানেই কাজ করার সময় তিনি বিভিন্ন নৌগোপন তথ্য হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে পাকিস্তানে পাচার করতেন। পরে তিনি কর্নাটকের একটি জাহাজ নির্মাণ সংস্থায় যোগ দিলেও পাচার বন্ধ হয়নি। বরং আরও নিয়মিতভাবে একই কাজ চালিয়ে যেতে থাকেন তিনি।শিপইয়ার্ডের সিইওর নজরে আসে তাঁর সন্দেহজনক গতিবিধি। তথ্য যত বেরোতে থাকে, ততই স্পষ্ট হয় যে রোহিতের কাছে পৌঁছে গিয়েছে এমন কিছু নথি ও চিত্র, যা কোনও ভাবেই সাধারণ কর্মীর কাছে থাকার কথা নয়। অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে।রোহিতকে জেরা করতেই উঠে আসে সানত্রীর নাম। জানা যায়, বারবার সানত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করতেন রোহিত। তাঁর কাছেও কিছু গোপন তথ্য পাঠানো হয়েছে বলে দাবি পুলিশের। তবে সানত্রীর ভূমিকাটি কতটা গভীর, তিনিও পাচার নেটওয়ার্কের অংশ কি নাসবটাই এখন খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।পুলিশ সূত্রের দাবি, গোটা চক্রটির পেছনে পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর কোনো যোগ রয়েছে কি না, তাও প্রধানত পরীক্ষা করা হচ্ছে। কীভাবে এত বড় নিরাপত্তা সংস্থার ভিতর থেকে তথ্য চুরি হল, কীভাবে তা বিদেশে পৌঁছলসবকিছুর দিকেই নজর তদন্তকারীদের।দেশের নৌসেনা সম্পর্কিত সংবেদনশীল তথ্য পাচারের ঘটনায় ইতিমধ্যেই উত্তেজনা তৈরি হয়েছে গোটা রাষ্ট্রযন্ত্রে। তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই প্রকাশ পাচ্ছে বহু অজানা তথ্য, আর ততই স্পষ্ট হচ্ছে চক্রটি আরও বড় হতে পারে।

নভেম্বর ২২, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

৫০ রান শেষ দুই ওভারে! ভয়ংকর মেহরব, তারপর সুপার ওভার ড্রামা—তবু জয় বাংলাদেশের

দোহায় রাইজিং স্টারস এশিয়া কাপে শুক্রবার এমন এক ম্যাচ দেখা গেল, যা শেষ বল পর্যন্ত দর্শকদের নাড়িয়ে দিল। ভারত A এবং বাংলাদেশ Aদুটি দলই ১৯৪ রান করায় ম্যাচ গড়াল সুপার ওভারে। কিন্তু সুপার ওভারের শেষ বলেই ভারত A-র কপালে জুটল পরাজয়। আর ফাইনালের টিকিট তুলে নিল বাংলাদেশ A।পুরো ম্যাচে নাটক যেন থামতেই চাইছিল না। শেষ ওভারের শুরুতে ভারতকে প্রয়োজন ছিল ১৬ রান। এর আগে ১৯তম ওভারে বাংলাদেশের রিপন মন্ডল মাত্র পাঁচ রান দিয়ে রামনদীপ সিং-কে ফিরিয়ে ম্যাচে দারুণ চাপ তৈরি করেন। শেষ তিন বলে প্রয়োজন আট রান। তখনই ঘটে ম্যাচের প্রথম বড় ভুললং-অফ থেকে জিশান আলম একটি সহজ ক্যাচ ফেলে দেন, আর সেটি ছুঁয়ে চারও হয়ে যায়। সেই চারেই ম্যাচে ফের আশা জাগে ভারত শিবিরে। কিন্তু আশুতোষ শর্মা পরের বলেই বোল্ড হয়ে ফেরেন।শেষ বলে চার না তুললে হার নিশ্চিততবু ভারত অলৌকিকভাবে পেয়ে যায় টাই করার সুযোগ। হর্ষ দুবে লং-অনে বল পাঠিয়ে ইতিমধ্যেই এক রান নিয়েছিলেন, দ্বিতীয় রান নিতে গিয়ে প্রায় থেমে যান। কিন্তু বাংলাদেশ অধিনায়ক আকবর আলির অবিশ্বাস্য ভুলস্টাম্পে দৌড়োতে না গিয়ে তিনি নরম আন্ডার-আর্ম থ্রো মারতে গিয়ে মিস করেন, পিছনে কেউ ছিল না ব্যাক-আপে। ভারত সেই সুযোগে নিয়ে নেয় তিন রান, আর তাতেই ম্যাচ টাই।সুপার ওভারে আবার অচেনা সিদ্ধান্ত ভারত শিবিরে। টুর্নামেন্টের সবচেয়ে বেশি ছক্কা মারা বৈভব সূর্যবংশীকে ওপেন করানো হল না। ব্যাট করতে নামেন জিতেশ শর্মা। রিপন মন্ডল দুরন্ত ইয়র্কার ফেলে তাঁকে প্রথম বলেই বোল্ড করেন। অন্য ব্যাটার আশুতোষের ব্যাটেও ইয়র্কার সামলানো গেল নাসোজা উঠল এক্সট্রা কভারের হাতে। সুপার ওভারে ভারত তুলল মাত্র এক রান।বাংলাদেশের লক্ষ্য ছিল মাত্র দুই রান। প্রথম বলেই সুয়াশ শর্মা উইকেট নিলেও, দ্বিতীয় বলটি গুগলি ভুল লেন্থে হয়ে ওয়াইডসেই এক রানেই বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত হয়। ভারত A-র জন্য শেষ হয় এক ব্যর্থ প্রচারণাযেখানে তারা পাকিস্তান A-এর কাছে হারার পর ওমানের বিরুদ্ধেও সমস্যায় পড়েছিল।এর আগেই ভারত A বোলিংয়ে বড় ভুল করে ফেলে। বাংলাদেশের শেষ দুই ওভারে ওঠে ৫০ রান! মেহরব মাত্র ১৮ বলে ৪৮* করেনএর মধ্যে নামন ধিরের বলে এক ওভারে ২৮ রান। হাবিবুর রহমানের ৬৫ রান দলকে মজবুত ভিত্তি দেয়।চেজে বৈভব সূর্যবংশীর ১৫ বলে ৩৮ রানে ভারতের আশা জাগলেও মাঝপথে ছন্দ হারাতে থাকে দল। প্রিয়াংশ আর্য (৪৪) ও জিতেশ শর্মা (৩৩) চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু শেষ ওভারের সেই চাপ, ভুল সিদ্ধান্ত আর সুপার ওভারে দুর্বল ব্যাটিংসব মিলিয়ে ভারত A ছিটকে যায় টুর্নামেন্ট থেকে।এমন নাটকীয় লড়াইয়ের শেষে বাংলাদেশ A-র জয় ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে দীর্ঘদিন থাকবে। আর ভারত A হয়তো ভাবতেই থাকবেসেই মিসড থ্রো আর সুপার ওভারের ভুল সিদ্ধান্তই কিনা শেষ পর্যন্ত বড় দাম চুকিয়ে দিল।

নভেম্বর ২১, ২০২৫
দেশ

আলাস্কায় ধরা পড়া আনমোল বিষ্ণোইকে হঠাৎ কেন ডিপোর্ট করল আমেরিকা? প্রশ্নে উত্তাল রাজনৈতিক মহল

লরেন্স বিষ্ণোইয়ের ভাই এবং দেশের মোস্ট ওয়ান্টেড গ্যাংস্টারদের একজন আনমোল বিষ্ণোইকে অবশেষে আমেরিকা ফেরত পাঠাল ভারত। যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অনুপ্রবেশের মামলায় আটক থাকা মোট ২০০ জন ভারতীয়কে মঙ্গলবার ডিপোর্ট করা হয়েছে। সেই তালিকায় ছিল এই ভয়ঙ্কর অপরাধী আনমোল-সহ আরও দুই দাগী অভিযুক্তের নাম। রাতের অন্ধকারে আমেরিকা থেকে উড়েছে বিশেষ বিমান, বুধবার সকাল ১০টার দিকে যার দিল্লিতে নামার কথা।চলতি বছরের শুরুতেই আলাস্কায় আনমোলকে গ্রেপ্তার করে মার্কিন গোয়েন্দারা। আমেরিকায় সে নাকি ভুয়ো নথি নিয়ে লুকিয়ে প্রবেশ করেছিল। কিন্তু তদন্তকারীদের কাছে সবচেয়ে বড় বিষয় হলমহারাষ্ট্রের প্রভাবশালী নেতা বাবা সিদ্দিকির হত্যাকাণ্ডের অন্যতম ষড়যন্ত্রকারী অবশেষে ভারতের হাতে ফিরছে। শুধু একটাই নয়, সলমন খানের বাড়িতে হামলার পরিকল্পনা থেকে শুরু করে পাঞ্জাবি গায়ক সিধু মুসেওয়ালা হত্যাকাণ্ডকমপক্ষে ১৮টি ভয়ঙ্কর অপরাধের তালিকা রয়েছে আনমোলের বিরুদ্ধে। তাই NIA আগেই তাকে মোস্ট ওয়ান্টেড ঘোষণা করেছিল।আনমোলকে ডিপোর্ট করার খবর প্রথম প্রকাশ্যে আনেন বাবা সিদ্দিকির ছেলে জিশান সিদ্দিকি। তিনি জানান, তাঁদের পরিবার আমেরিকায় ভিকটিম ফ্যামিলি হিসেবে নিবন্ধিত। সেখান থেকেই তাঁরা আনমোলের বিষয়ে আপডেট পেয়ে থাকেন। জিশানের কথায়, আজ আমরা মার্কিন সরকারের ইমেল পেয়েছি১৮ নভেম্বর আনমোল বিষ্ণোইকে ভারতে পাঠানো হচ্ছে। কেন্দ্র যদি তাকে ফেরায়, তবে অবশ্যই দেশে এনে সঠিক তদন্ত করে গ্রেপ্তার করা হোক। মুম্বই পুলিশের কাছে আমার অনুরোধ, এই অপরাধী যেন আর পালাতে না পারে।২০১৩ সালের সেই রক্তাক্ত দশেরা রাত এখনও ভুলতে পারেনি মুম্বই। দলীয় কার্যালয়ের সামনে উৎসবের মাঝে গুলি চালিয়ে খুন করা হয় জনপ্রিয় নেতা ও প্রাক্তন বিধায়ক বাবা সিদ্দিকিকে। একসময় মহারাষ্ট্রের সবচেয়ে প্রভাবশালী মুসলিম নেতাদের একজন ছিলেন তিনি। আর এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে কে? তদন্তে বেরিয়ে আসে ভয়ংকর তথ্যপরিকল্পনার শীর্ষে ছিল লরেন্স বিষ্ণোইয়ের ভাই আনমোল। সে নাকি দেশ ছেড়ে পালিয়ে কানাডা ও পরে আমেরিকায় আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করছিল। তার আরেক ঘনিষ্ঠ জিশান আখতার এখনও কানাডাতেই লুকিয়ে রয়েছে বলে দাবি। কিন্তু তাকে ফেরানো এখনও সম্ভব হয়নি।এই প্রত্যার্পণকে তদন্তকারীরা বড় সাফল্য বলে মনে করছেন। কারণ দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক মাটিতে ভাগাড়ে ঘুরছিল ভারতের চাওয়া এই অপরাধী। এবার দেশে ফিরেই শুরু হবে জেরা, তদন্ত, এবং আইনের কাঠগড়ায় তোলা।

নভেম্বর ১৯, ২০২৫
বিদেশ

মদিনায় আগুনে পুড়ল ৪২ উমরাহ যাত্রীর দেহ! অধিকাংশই ভারতীয়—বাসে বেঁচে ফিরলেন মাত্র ১ জন

সৌদি আরবের মদিনার কাছে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় নিভে গেল কমপক্ষে ৪২টি প্রাণ। উমরাহ হজে যাওয়া ভারতীয় তীর্থযাত্রীদের নিয়ে মক্কার পথে যাচ্ছিল বাসটি। ভারতীয় সময় অনুযায়ী সোমবার রাত প্রায় একটা বেজে তিরিশ মিনিট নাগাদ মুফরিহাট এলাকায় একটি ডিজেল ট্যাঙ্কারের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় বাসটির। প্রচণ্ড ধাক্কার পর মুহূর্তের মধ্যে আগুন ধরে যায় পুরো গাড়িতে। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই বাসটি আগুনের গোলায় পরিণত হয়, আর তাতেই মৃত্যু হয় অধিকাংশ যাত্রীর।সৌদি পুলিশের প্রাথমিক রিপোর্ট বলছে, দুর্ঘটনার সময় প্রায় সবাই ঘুমিয়ে ছিলেন। আগুন লাগার পর কেউ বেরোনোর সুযোগই পাননি। বাসটিতে ১১ জন মহিলা ও ১০ জন শিশু ছিলএমনটাই জানা গিয়েছে। মৃতদের অধিকাংশই ভারতের হায়দরাবাদের বাসিন্দা। এমন ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দেহগুলি এতটাই পুড়ে গিয়েছে যে কারও পরিচয় নির্ণয় করতেও বড়সড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছেন তদন্তকারীরা। এই মর্মান্তিক ঘটনায় বেঁচে গিয়েছেন মাত্র একজনমহম্মদ আব্দুল শোয়েবযিনি এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।ঘটনার পর শোকপ্রকাশ করেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর। তিনি জানিয়েছেন, রিয়াধের ভারতীয় দূতাবাস এবং জেদ্দার কনস্যুলেট ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছে এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দিচ্ছে। হায়দরাবাদের সাংসদ আসাদউদ্দিন ওয়াইসি দ্রুত মৃতদেহগুলো ভারত ফেরাতে কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।অন্যদিকে, তেলঙ্গনার মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি বলেন, রাজ্য সরকার পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে। দিল্লি ও জেদ্দার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। পরিবারগুলিকে সাহায্যের জন্য জরুরি ভিত্তিতে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। শুরু হয়েছে একাধিক হেল্পলাইন নম্বরও।তেলঙ্গনা সরকারের হেল্পলাইন নম্বর: +91 7997959754, +91 9912919545জেদ্দা কনস্যুলেটের নম্বর: 8002440003সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হল দেহ শনাক্তিকরণ। দেহগুলি এতটাই অগ্নিদগ্ধ যে DNA পরীক্ষার মতো জটিল প্রক্রিয়া ছাড়া পরিচয় জানা প্রায় অসম্ভব। ফলে দেহ দেশে ফেরানোও দীর্ঘ সময় নিতে পারে। ইতিমধ্যেই কূটনৈতিক স্তরে তৎপরতা বেড়েছে, কারণ পরিবারগুলির একমাত্র দাবিযেন দ্রুত প্রিয়জনদের দেহ বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হয়।

নভেম্বর ১৭, ২০২৫
দেশ

লালকেল্লার কাছে বিস্ফোরণ! এবার উদ্ধার সেনাবাহিনীর কার্তুজ, তীব্র ধন্দে তদন্তকারীরা

লালকেল্লার কাছে বিস্ফোরণের ঘটনায় এবার সামনে এল এমন তথ্য, যা তদন্তকে আরও জটিল করে তুলেছে। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে ৯ এমএম ক্যালিবারের তিনটি কার্তুজযার মধ্যে দুটি তাজা এবং একটি ফাঁকা শেল। সাধারণ মানুষের হাতে এ ধরনের কার্তুজ থাকে না। সাধারণত সেনাবাহিনী বা বিশেষ অনুমোদনপ্রাপ্ত সংস্থার কাছেই এই ধরনের কার্তুজ থাকে। ফলে বিস্ফোরণের ঘটনার পর এই উদ্ধারকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে তীব্র রহস্য।সংবাদসংস্থা এএনআই জানিয়েছে, ঘটনাস্থলে কোনও আগ্নেয়াস্ত্র পাওয়া যায়নি। তাই প্রশ্ন উঠছেকার্তুজগুলি কি বিস্ফোরণের সময়ই ছিল, নাকি পরে কোনও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে রাখা হয়েছে তদন্তকে ঘোলাটে করতে? ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা প্রতিটি কার্তুজ খতিয়ে দেখছেন। সেগুলির উৎপত্তি থেকে শুরু করে ব্যবহারের সম্ভাব্য সময়সবই যাচাই হচ্ছে দ্রুতগতিতে।এদিকে দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ এবং এনআইএ তদন্ত আরও জোরদার করেছে। বিশেষত আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয় এবং মেডিক্যাল কলেজের একাধিক কর্মীর উপর নজর বাড়ানো হয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে সরাসরি বা পরোক্ষ কোনও যোগ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি। বিস্ফোরণের পর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত ১৫ জন চিকিৎসকের মোবাইল ফোন বন্ধ। ফলে সন্দেহ আরও গভীর হয়েছে। ইতিমধ্যেই প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে ওই প্রতিষ্ঠানের নামে দুটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।তদন্তকারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওখলা অফিসেও হানা দিয়েছেন এবং বেশ কিছু নথি সংগ্রহ করেছেন। বিস্ফোরণের সময় গাড়িতে ছিলেন ডঃ উমর। জানা গিয়েছে, তিনি বিভিন্ন হাওয়ালা রুটের মাধ্যমে ২২ লক্ষ টাকা পেয়েছিলেন। সেই টাকা কোথা থেকে এসেছে এবং তার ব্যবহারের উদ্দেশ্য কী ছিল, তাও এখন তদন্তের কেন্দ্রে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাকিদের বিরুদ্ধেও তদন্ত শুরু হয়েছে। লালকেল্লার মতো সংবেদনশীল এলাকার পাশে বিস্ফোরণের ঘটনায় একের পর এক তথ্য সামনে আসায় গোটা রাজধানীতে আবারও ছড়িয়েছে উদ্বেগ।তদন্ত যত এগোচ্ছে, রহস্য ততই গভীর হচ্ছে। কার্তুজ উদ্ধার, নিখোঁজ চিকিৎসক, হাওয়ালা লেনদেনসব মিলিয়ে বিস্ফোরণের পেছনে কোনও বড় চক্র সক্রিয় থাকার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। তদন্তকারীদের মতে, এখনও পাওয়া তথ্য বরফের চূড়া মাত্র। আসল সূত্র পাওয়া গেলে উঠে আসতে পারে আরও বিস্ফোরক তথ্য।

নভেম্বর ১৬, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

শুভমন-র 'শুভ' হলোনা ইডেন টেস্ট! এই টেস্টে আর মাঠে নামছেন না গিল, বিসিসিআইয়ের সরকারি ঘোষণা

যা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল, শেষ পর্যন্ত তাই সত্যি হল। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ইডেন গার্ডেন্সে চলতি টেস্ট ম্যাচে আর খেলবেন না ভারতীয় অধিনায়ক শুভমন গিল। রবিবার সকালেই বিসিসিআই এক বিবৃতিতে জানিয়ে দিয়েছে, প্রয়োজন পড়লেও আর মাঠে নামার মতো অবস্থায় নেই তিনি। বোর্ডের পক্ষ থেকে বিবৃতী দিয়ে জানানো হয়েছে,কলকাতায় দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দিনের খেলা চলাকালীন শুভমন গিল ঘাড়ে চোট পান। দিনের শেষে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা করা হয়। তিনি বর্তমানে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে আছেন এবং এই টেস্টে আর অংশ নিতে পারবেন না।হঠাৎ বেড়ে ওঠা ব্যথা, হাসপাতালে ভর্তি অধিনায়ক। শনিবার ঘুম থেকে ওঠার পর থেকেই ঘাড়ে তীব্র ব্যথা অনুভব করেন গিল। ব্যথা কমানোর ওষুধ খেলেও তেমন আরাম মেলেনি। ব্যাট করতে নামার আগে এবং ম্যাচ চলাকালীনও ওষুধ খেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু দ্বিতীয় দিনের নিজের তৃতীয় বলেই সাইমন হারমারকে স্লগ-সুইপ করতে গিয়ে ব্যথা ফের বাড়ে। সঙ্গে সঙ্গে মাঠে ছুটে আসেন দলের ফিজিয়ো। পরিস্থিতি বিবেচনা করে তাঁকে মাঠ ছাড়তে বলা হয়।মাত্র তিন বল ক্রিজে থাকতে পেরেছিলেন গিল। ব্যথা এতটাই তীব্র ছিল যে ঘাড় ঘোরাতেই সমস্যায় পড়ছিলেন তিনি।এমআরআই রিপোর্টে পুরনো চোটের মিল.সন্ধ্যায় অ্যাম্বুল্যান্সে করে গিলকে দক্ষিণ কলকাতার উডল্যান্ডস হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানেই তাঁর এমআরআই স্ক্যান করা হয়। রিপোর্টে ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়ার বিষয়টি স্পষ্ট হয়। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, প্রায় এক বছর আগে গিল একই ধরনের চোট পেয়েছিলেন এবং সেই সময়কার রিপোর্টের সঙ্গে বর্তমান রিপোর্টের মিল পাওয়া গিয়েছে।২৬ বছর বয়সী হওয়ায় শরীরের সহনশক্তি ভালোচিকিৎসকেরা এটিকে পেন থ্রেশহোল্ড বলে উল্লেখ করেছেন। কিন্তু এ বার ব্যথার তীব্রতা এতটাই বেশি যে গিল তা সহ্য করতে পারছেন না। তাই চিকিৎসকেরা তাঁকে দলের সঙ্গে হোটেলে না রেখে পৃথকভাবে পর্যবেক্ষণে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।গিলের পরবর্তী চিকিৎসা এবং পুনর্বাসন পরিকল্পনা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন বিসিসিআইয়ের বিশেষজ্ঞ মেডিক্যাল প্যানেল।অধিনায়ক ছাড়াই কঠিন পরীক্ষায় ভারত, শনিবারই দলের অন্দরে আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল যে পুরো ইডেন টেস্টই হয়তো গিলকে বাইরে বসে কাটাতে হবে। রবিবার সেই আশঙ্কাই সত্যি হল। এখন কঠিন, বাউন্সি ও অনিশ্চিত ইডেন পিচে অধিনায়ককে ছাড়াই দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে ভারতীয় দলকে।

নভেম্বর ১৬, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

একদিনে ১৫ উইকেট, সর্বোচ্চ ৩৯! আলোচনার কেন্দ্রে ইডেনের ২২ গজ

ইডেন গার্ডেন্সে ভারতদক্ষিণ আফ্রিকা টেস্ট ম্যাচের প্রথম দুদিন যেন ব্যাটসম্যানদের দুঃস্বপ্ন। কঠোর, অনিয়মিত বাউন্স, অতিরিক্ত সুইং আর সিম মুভমেন্টসব মিলিয়ে এমন এক পিচ তৈরি হয়েছে যেখানে ২২গজে টিকে থাকাই মুখ্য চ্যালেঞ্জ। ব্যাটারদের দুর্ভোগের চিত্র স্পষ্ট: দুদিনে মোট পড়ে গিয়েছে ২৬ উইকেট, আর পুরো ম্যাচে এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রান মাত্র ৩৯!ভারতের দুর্ভোগ আরও বাড়িয়েছে শুভমন গিলের হঠাৎ চোট। শুভমন গিল আহত হওয়ায় ভারতীয় ব্যাটিং এ এক ব্যাটার কম। শনিবার মাত্র তিন বল খেলেই মাঠ ছেড়ে উঠে যান শুভমন গিল। ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়ায় তিনি প্রথম ইনিংসে আর ব্যাট করতে নামতেই পারেননি। ফলে ভারতকে খেলতে হয়েছে একজন কম ব্যাটার নিয়েযা এমন পিচে আরও বড় চাপ তৈরি করেছে।ফিল্ডিংয়েও তাঁর অনুপস্থিতি লক্ষ করা গেছে। শুভমন সারাদিন মাঠে নামেননি, গিলের অনুপস্থিতে ভারতীয় দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন সহ-অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। সুত্র মারফত জানা যায়, গিলের রবিবার মাঠে নামা নিয়েও ঘোর অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। অধিনায়ক হিসেবে তাঁর ফিটনেস ভারতীয় ইনিংস ও কৌশলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে মনে করছেন বিশেষজ্ঞ মহল। তৃতীয় দিনে তাঁর অনুপস্থিতি ভারতের বিপক্ষে যেতে পারে বলে আশঙ্কা, বিশেষ করে যখন ম্যাচ মাত্র কয়েকটা সেশনেই নিষ্পত্তি হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।পিচে কী ধরণের আচরণ করছে?১) ইডেনের ইতিহাসে এমন পিচ বিরল নয়, কিন্তু এবার পরিস্থিতি অনেকটাই চরমে।২) বল নতুন অবস্থায় লাট্টুর মতো ঘুরছে।৩) শুকনো ঘাস থাকলেও বেস লেয়ার শক্ত ও ফাটল ধরা।৪) কিছু বল নিচু হচ্ছে, কিছু হঠাৎ লাফিয়ে উঠছে।৫) ব্যাটারদের টেকনিকের থেকেও ভাগ্য বড় ভূমিকা নিচ্ছে।এমন অবস্থায় টেস্ট ম্যাচের মান নিয়ে-ই প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষজ্ঞদের অনেকে বলছেনএটা বোলিং-ফেভার নয়, বরং ওভার-রিঅ্যাক্টিভ সারফেস। দর্শকের মধ্যেও অসন্তোষদুদিনেই আধা ম্যাচ শেষ হয়ে যাওয়ার ছবি টেস্ট ক্রিকেটের ভাবমূর্তির পক্ষে ভালো নয়। যদিও বিদেশে পেস সহায়ক পিচেও এই ধরণের ফলাফল হামেসাই দেখা যায়। টপ অর্ডারের ব্যর্থতা ও ফিটনেস সমস্যা ভারতীয় দলকে সাময়ীক ব্যাকফুটে ঠেলে দেয়। ভারতীয় ব্যাটাররা শুরু থেকেই এই পিচে রান তুলতে মাথা খুঁড়ে মরছেন। দুই ওপেনারই ব্যার্থ। ঋষভ পন্থ সাময়িক প্রতিরোধের চেষ্টা করেন, দুটি চার ও দুটি ছক্কার সাহাজ্জ্যে ২৪ বলে ২৭ রান করেন।ভারতের প্রথম ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের আগ্রাসন বিশেষ ভাবে লক্ষিত। দক্ষিণ আফ্রিকার পেসাররা পিচের গতি ও অনিয়মিত বাউন্সকে কাজে লাগিয়ে একের পর এক উইকেট তুলে নিয়েছেন। শর্ট বল ও লেংথের মিশেলে ভারতীয় ব্যাটাররা বারবার ধরা পড়েছেন। স্পিনাররাও সাহায্য পাচ্ছেন, কারণ পিচের রুক্ষতা দিন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েই চলেছে।ইডেন গার্ডেন্সে এই টেস্ট ম্যাচ ভারতের ব্যাটিং ব্যর্থতা, দক্ষিণ আফ্রিকার ধারালো পেস আক্রমণ এবং শুভমন গিলের চোটসব মিলিয়ে এক অদ্ভুত পরিস্থিতির জন্ম দিয়েছে। তবে সবকিছুকে ছাপিয়ে আলোচনার কেন্দ্রে এই বিতর্কিত ইডেন পিচ, যা দুদিনেই ম্যাচকে প্রায় শেষের মুখে এনে দাঁড় করিয়েছে।আগামী দিনে শুভমনের ফিটনেস এবং ভারতের পন্থের নেতৃত্বদুটোই ভারতের ভাগ্যে বড় প্রভাব ফেলবে। আর ক্রিকেট বিশ্ব তাকিয়ে আছেএই পিচে শেষমেশ কোন দল জয়লাভ করে?

নভেম্বর ১৫, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 36
  • 37
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

ট্রাম্পকে ছাপিয়ে ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ ভারতের প্রশংসা মার্কিন অ্যাডমিরালের! চাপে পাকিস্তান

অপারেশন সিঁদুর নিয়ে আমেরিকার মুখে ভারতের প্রশংসা শোনা গেল। মার্কিন সামরিক বাহিনীর ইন্দো-প্যাসিফিক কমান্ডের প্রধান স্যামুয়েল জে পাপারো ভারতীয় সেনার সংযমের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তাঁর এই মন্তব্যে পাকিস্তানের অস্বস্তি বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি নাম না করেও ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিনের আগ্রাসন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি।রবিবার এক সাক্ষাৎকারে পাপারো বলেন, এই ধরনের সামরিক অভিযান যে কোনও শান্তিপ্রিয় দেশের কাছেই উদ্বেগের বিষয়। তবে অপারেশন সিঁদুর চলাকালীন ভারত যেভাবে সংযম দেখিয়েছে, তা প্রশংসার যোগ্য। তিনি বলেন, ভারতীয় সেনার কৌশল ও পরিকল্পনা যথেষ্ট পরিণত এবং দায়িত্বশীল ছিল।সাক্ষাৎকারে তাঁকে পাকিস্তানের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার ও চিনা সামরিক সরঞ্জাম নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। যদিও তিনি সরাসরি কোনও মন্তব্য করেননি, তবে বলেন, এই ধরনের পরিস্থিতির মোকাবিলায় আগে থেকে প্রস্তুতি থাকা জরুরি। সব সময় সতর্ক থাকতে হয় এবং শক্তিশালী প্রতিরোধ ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর কথায় স্পষ্ট, ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোই একমাত্র পথ।এর পাশাপাশি চিনকে রুখতে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারতের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার ইঙ্গিতও দেন মার্কিন সেনা আধিকারিক। তিনি জানান, ভারত ও আমেরিকার কৌশলগত স্বার্থ অনেকটাই এক। বিশেষ করে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে দুই দেশের সহযোগিতা আরও বাড়ানো প্রয়োজন। ভারত মহাসাগরে ভারতের ভূমিকার জন্য আমেরিকা কৃতজ্ঞ বলেও জানান তিনি। সার্বভৌমত্ব, নৌচলাচলের স্বাধীনতা এবং সমুদ্রের নিরাপত্তা এই নীতিগুলিতে দুই দেশই অটল বলে মন্তব্য করেন পাপারো।ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, বিশ্বের প্রায় ৬০ শতাংশ মানুষ এই অঞ্চলে বসবাস করেন। বিশ্বের মোট জিডিপির ৬০ শতাংশেরও বেশি আসে এখান থেকে। বিশ্বের শীর্ষ ১০টি সামরিক শক্তির মধ্যে সাতটি এই অঞ্চলে অবস্থিত। তাই এখানে বাড়তে থাকা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শক্তিশালী অংশীদারিত্ব অপরিহার্য।সব মিলিয়ে অপারেশন সিঁদুর নিয়ে ভারতের সংযম ও কৌশলের প্রশংসা করে আমেরিকার এই বার্তা আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করল। বিশেষ করে পাকিস্তান ও চিনকে ঘিরে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের সমীকরণে এই মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন কূটনৈতিক মহল।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের মুখে সিপিএমে বড় ভাঙন! রাজ্য কমিটি ছাড়লেন প্রতীক-উর-রহমান

ভোটের মুখে সিপিএমে বড়সড় ধাক্কা। দলের রাজ্য কমিটি থেকে পদত্যাগ করলেন প্রতীক-উর-রহমান। শুধু তাই নয়, প্রাথমিক সদস্যপদও ছেড়ে দিয়েছেন তিনি। নিজের পদত্যাগপত্র দলকে পাঠিয়ে দিয়েছেন প্রাক্তন এসএফআই রাজ্য সভাপতি। তাঁর এই সিদ্ধান্ত ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।পদত্যাগপত্রে প্রতীক-উর জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সময়ে দলের জেলা ও রাজ্য নেতৃত্বের কিছু সিদ্ধান্ত ও কাজের ধরন তাঁর সঙ্গে মিলছে না। সেই কারণে তিনি মানসিক অস্বস্তিতে ভুগছিলেন। এই পরিস্থিতিতে সমস্ত পদ থেকে অব্যাহতি নেওয়াই ঠিক বলে মনে করেছেন তিনি। তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন, ব্যক্তিগতভাবে কারও সঙ্গে তাঁর কোনও বিরোধ নেই।এই ঘটনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া একটি রাজনৈতিক পর্ব। তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর নিজের নতুন দল জনতা উন্নয়ন পার্টি গড়েছেন। তিনি ঘোষণা করেছেন, নিজের দল নিয়ে ভোটে লড়বেন এবং তৃণমূল ছাড়া অন্য সব বিরোধী দলকে জোটের আহ্বান জানিয়েছেন। সেই প্রেক্ষিতে সিপিএমকেও প্রস্তাব পাঠানো হয়।এরপর নিউটাউনে সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম-এর সঙ্গে বৈঠক করেন হুমায়ুন। এই বৈঠক ঘিরেই দলের অন্দরে মতবিরোধ তৈরি হয় বলে জানা যায়। দলের একাংশ এই সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করে। যদিও তখন তরুণ নেতা শতরূপ এই বৈঠকের পক্ষে সওয়াল করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, সিপিএম এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। অন্য দল হুমায়ুনকে প্রার্থী করলে বা মন্ত্রী করলে আপত্তি না থাকলেও, সিপিএম কথা বললেই কেন সমস্যা হবে সেই প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি।শতরূপের ওই মন্তব্যের পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেন প্রতীক-উর। সেখানে তিনি লেখেন, নীতি ও নৈতিকতা ছাড়া কমিউনিস্ট পার্টি হতে পারে না। যদিও তিনি কারও নাম উল্লেখ করেননি, কিন্তু দলের অন্দরে জল্পনা শুরু হয় যে এই মন্তব্য আসলে শতরূপকেই উদ্দেশ্য করে।এরপর রবিবার দলকে পাঠানো চিঠিতে প্রতীক-উর স্পষ্ট ভাষায় জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে তিনি নিজেকে দলের সিদ্ধান্তের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারছেন না। তাই সমস্ত দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।প্রতীক-উরের পদত্যাগের পর রাজনৈতিক মহলেও চর্চা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ সিপিএমকে কটাক্ষ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, সিপিএমের নেতৃত্বের একাংশ ও ফেসবুক নির্ভর রাজনীতির জেরে দলের প্রথম সারির যুবনেতাদের এই পরিণতি হচ্ছে। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরেও শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক।ভোটের আগে সিপিএমের এই পদত্যাগ কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে এখন জোর চর্চা। প্রতীক-উরের এই পদক্ষেপ কি শুধু ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, নাকি বড় কোনও ভাঙনের ইঙ্গিত সেই প্রশ্নই এখন ঘুরছে রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
দেশ

সীমান্ত ইস্যুতে রাহুলকে কড়া বার্তা! “পড়াশোনা করুন আগে”, বিস্ফোরক রিজিজু

দেশের জাতীয় সুরক্ষা নিয়ে রাজনীতি করছেন রাহুল গান্ধী, এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু। চিন সীমান্ত সফরের মধ্যেই তিনি বলেন, সীমান্ত সংক্রান্ত বিষয়ে রাহুলের যথেষ্ট জ্ঞান নেই। এই বিষয়ে তাঁর আরও পড়াশোনা করা উচিত।সোমবার অরুণাচল প্রদেশের বুমলা সীমান্তে গিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রিজিজু। সেখান থেকেই তিনি লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী-কে তীব্র কটাক্ষ করেন। তাঁর বক্তব্য, যে বই এখনও প্রকাশই হয়নি, তা নিয়ে এত আলোচনা কেন? জাতীয় সুরক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে খুব সতর্কভাবে কথা বলা উচিত। এই ইস্যুকে রাজনৈতিক পর্যায়ে নামিয়ে আনা ঠিক নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।সম্প্রতি লোকসভায় প্রাক্তন সেনাপ্রধান এম এম নারাভানে-এর অপ্রকাশিত আত্মজীবনী থেকে কিছু অংশ উদ্ধৃত করে কেন্দ্রকে আক্রমণ করেছিলেন রাহুল। সেই বইয়ের নাম Four Stars of Destiny। একটি ম্যাগাজিনে প্রকাশিত অংশে দাবি করা হয়, ২০২০ সালে পূর্ব লাদাখে চিনা সেনা ট্যাঙ্ক নিয়ে কৈলাস রেঞ্জের দিকে এগোচ্ছিল। সেনাপ্রধান বিষয়টি জানানোর পরেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নাকি দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। এই অংশ তুলে ধরেই গালওয়ান সংঘাত প্রসঙ্গে কেন্দ্রকে নিশানা করেন রাহুল।রিজিজুর অভিযোগ, সংসদে এই ধরনের মন্তব্য করে শুধু অযথা বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে। এতে কোনও বাস্তব সমাধান হয় না। তিনি বলেন, সীমান্ত নিয়ে রাহুল কিছুই জানেন না বলেই এমন মন্তব্য করছেন। তাঁর মতে, সীমান্ত পরিস্থিতি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা প্রয়োজন।লোকসভায় রাহুলের বক্তব্যের সময় স্পিকার তাঁকে বাধা দেন বলেও জানা যায়। গালওয়ান সংঘাত ও চিন সীমান্ত পরিস্থিতি ঘিরে কেন্দ্র ও বিরোধীদের মধ্যে নতুন করে রাজনৈতিক সংঘাত তীব্র হয়েছে। জাতীয় সুরক্ষা ইস্যুতে এই বাকযুদ্ধ আগামী দিনে আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
কলকাতা

মুখ্যসচিবকে তলবের পরেই বড় পদক্ষেপ, বাংলায় একযোগে ৭ আধিকারিক সাসপেন্ডের নির্দেশ

বাংলার ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন পর্বের শেষ পর্যায়ে এসে কড়া পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন। বাংলার সাত জন আধিকারিককে দ্রুত সাসপেন্ড করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। এই বিষয়ে রাজ্যের মুখ্যসচিবকে চিঠি পাঠানো হয়েছে নবান্নে। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত সাত জনই এসআইআর পর্বের কাজে যুক্ত ছিলেন এবং এএইআরও হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।কমিশনের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বিরুদ্ধে কাজে অসদাচরণ, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং কর্তব্যে গাফিলতির প্রমাণ মিলেছে। সেই কারণেই তাঁদের বিরুদ্ধে এই কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ভোটের আগে এই পদক্ষেপে প্রশাসনিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।এর আগেও রাজ্যের চার জন আধিকারিককে সাসপেন্ড করে তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু সেই নির্দেশ কার্যকর না হওয়ায় শুক্রবার দিল্লিতে নির্বাচন সদনে তলব করা হয় রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী-কে। দিল্লিতে গিয়ে তাঁকে একাধিক প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। কমিশনের তরফে জানানো হয়, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে রাজ্য গড়িমসি করছে। পাশাপাশি চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার জন্য আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়।এই আবহেই রবিবার আরও সাত জন আধিকারিকের বিরুদ্ধে সাসপেন্ডের নির্দেশ আসে। কমিশনের পাঠানো নির্দেশিকায় তাঁদের নাম ও কর্মস্থলের উল্লেখ রয়েছে। মুর্শিদাবাদ জেলা থেকে তিন জন আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাঁরা হলেন সামশেরগঞ্জের এএইআরও শেফাউর রহমান, ফরাক্কার এএইআরও নীতীশ দাস এবং সুতির এএইআরও শেখ মুর্শিদ আলম।দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা থেকে ক্যানিং পূর্বের এএইআরও সত্যজিৎ দাস এবং জয়দীপ কুণ্ডুর নাম রয়েছে তালিকায়। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ডেবরার বিডিও তথা এএইআরও দেবাশিষ বিশ্বাসের বিরুদ্ধেও সাসপেন্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়ির এএইআরও ডালিয়া রায়চৌধুরীকেও একই নির্দেশের আওতায় আনা হয়েছে।ভোটের আগে এই ধারাবাহিক পদক্ষেপে রাজ্য প্রশাসনের উপর চাপ আরও বাড়ল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। কমিশনের এই কড়া অবস্থান ভবিষ্যতে আরও কোনও পদক্ষেপের ইঙ্গিত কি না, তা নিয়েও শুরু হয়েছে জোর জল্পনা।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
রাজ্য

কলকাতায় রোদের তেজ বাড়ছে, সপ্তাহেই ৩ ডিগ্রি বাড়বে তাপমাত্রা! কী বলছে হাওয়া অফিস?

বসন্তের শুরুতেই গরমের আভাস মিলতে শুরু করেছে। শীতের মেয়াদ কার্যত শেষের পথে বলে জানিয়ে দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। দিনের বেলায় তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়বে এবং রোদের তেজও বাড়তে পারে। তার ফলে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে গরমের অনুভূতি বাড়বে। তবে ভোর ও রাতের দিকে এখনও কয়েক দিন হালকা ঠান্ডা থাকবে।রবিবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল। এদিন দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৬.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে প্রায় আড়াই ডিগ্রি কম। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৮৭ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ৩৬ শতাংশ।হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী বুধবার থেকে দিন ও রাতের তাপমাত্রা আরও কিছুটা বাড়তে পারে। চলতি সপ্তাহেই ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পারদ চড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ভোরের দিকে হালকা কুয়াশা থাকতে পারে কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়। আপাতত দক্ষিণবঙ্গে শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে এবং এই সপ্তাহে বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই।উত্তরবঙ্গেও একই ছবি দেখা যেতে পারে। সপ্তাহের শেষে সেখানে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দুটোই বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিংয়ের পার্বত্য এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রায় ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকতে পারে। কালিম্পং-সহ সমতলের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রির আশেপাশে থাকবে। মালদহ-সহ উত্তরবঙ্গের নীচের দিকের জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ থেকে ১৭ ডিগ্রির মধ্যে ঘোরাফেরা করবে বলে পূর্বাভাস।তবে আগামী তিন থেকে চার দিন উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলাতেই হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর ও কোচবিহার জেলায় কুয়াশার প্রকোপ কিছুটা বেশি হতে পারে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। সব মিলিয়ে শীত বিদায়ের মুখে, আর ধীরে ধীরে গরমের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে বাংলা।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
দেশ

এপস্টেইন ফাইলসে অনিল আম্বানির নাম! ‘সুইডিশ সুন্দরী’ প্রস্তাব থেকে ম্যানহাটনের নৈশভোজ

যৌন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত মার্কিন ধনকুবের জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে বিশ্বের বহু প্রভাবশালী ব্যক্তির যোগাযোগের অভিযোগ আগেই প্রকাশ্যে এসেছে। সদ্য প্রকাশিত নথিতে সেই তালিকায় আবার উঠে এসেছে ভারতীয় শিল্পপতি অনিল আম্বানির নাম। এপস্টেইনের প্রাসাদে নৈশভোজে যোগ দেওয়া থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত বার্তা আদানপ্রদানবিভিন্ন তথ্য উঠে এসেছে আমেরিকার বিচার দপ্তরের নথিতে।নথি অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২০ এপ্রিল অনিল এপস্টেইনকে একটি ব্যক্তিগত বার্তায় কর্পোরেট স্তরের বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। জবাবে এপস্টেইন লিখেছিলেন, তাঁর বাড়িতে বহু ব্যবসায়ী আসেন এবং অনিলেরও ভালো লাগবে। পরে জানা যায়, ম্যানহাটনে এপস্টেইনের বাড়িতে দুজনের মধ্যে সাক্ষাৎ ও নৈশভোজ হয়েছিল। সেই সাক্ষাতে মূলত ব্যবসা সংক্রান্ত বিষয়েই আলোচনা হয় বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে। অনিলের তরফে এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।২০১৭ সালের মার্চ মাসে আদানপ্রদান হওয়া আর একটি বার্তায় এপস্টেইন এক দীর্ঘাঙ্গী সুইডিশ শ্বেতাঙ্গ মহিলার কথা উল্লেখ করেন। জবাবে অনিল জানতে চান, কাকে প্রস্তাব করা হচ্ছে। এপস্টেইন বলেন, দেখা হলে আনন্দ হবে। কিছুক্ষণ পর অনিল লেখেন, ব্যবস্থা করুন। এই কথোপকথন নিয়েই নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।নথিতে আরও জানা যায়, ২০১৭ সালের শেষ দিকে প্যারিসে দুজনের সাক্ষাতের পরিকল্পনা ছিল, যদিও তা শেষ পর্যন্ত হয়নি। ২০১৮ সালে ডাভোসে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্টের ভাষণ নিয়েও তাঁদের মধ্যে আলোচনা হয়েছিল। অনিল নিউ ইয়র্ক সফরের পরিকল্পনার কথা জানালে এপস্টেইন তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে দেখা করার আমন্ত্রণ জানান।একটি কথোপকথনে এপস্টেইন অনিলকে জিজ্ঞেস করেন, তাঁর কেমন ধরনের মহিলা পছন্দ। সেখানে অভিনেত্রী বা মডেলের প্রসঙ্গও ওঠে। অনিল একটি উত্তরে রসিকতার সুরে একটি হলিউড অভিনেত্রীর নাম উল্লেখ করেন। এই বার্তাগুলিই এখন প্রকাশ্যে আসায় নতুন করে বিতর্কের ঝড় উঠেছে।উল্লেখযোগ্য যে, এপস্টেইনের বিরুদ্ধে একাধিক নাবালিকা পাচার ও যৌন অপরাধের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছিল। তাঁর যোগাযোগের পরিধি ছিল রাজনীতি, ব্যবসা ও বিনোদন জগতের বহু প্রভাবশালী ব্যক্তির সঙ্গে। নতুন নথি প্রকাশ্যে আসায় সেই যোগাযোগের বিস্তার নিয়ে আবারও প্রশ্ন উঠছে। অনিল আম্বানির নাম জড়ানোয় ভারতে বিষয়টি নিয়ে কৌতূহল ও আলোচনা আরও বেড়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

অবাধ্য থেকে অবিশ্বাস্য! পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৭৭ রানে জ্বলে উঠলেন ঈশান

একসময় তাঁকে নিয়ে নানা সমালোচনা হয়েছিল। অবাধ্য, উচ্ছৃঙ্খলএমন অনেক বিশেষণই জুড়ে দেওয়া হয়েছিল ঈশান কিষানের নামের সঙ্গে। জাতীয় দল থেকেও বাদ পড়তে হয়েছিল। কিন্তু তিনি হাল ছাড়েননি। ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত রান করে আবার নিজের জায়গা ফিরে পেয়েছেন। আর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সুযোগ পেয়েই যেন আগুন ঝরালেন।ভারতের ইনিংসের শুরুটা ভালো ছিল না। দ্রুত অভিষেক শর্মার উইকেট পড়ে যায়। কিন্তু সেখান থেকেই দায়িত্ব তুলে নেন ঈশান। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলতে থাকেন। পাকিস্তানের বোলারদের উপর এক মুহূর্তের জন্যও চাপ কমতে দেননি। মাত্র ২৭ বলে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন তিনি। শাদাব খান হোক বা শাহিন আফ্রিদি, কাউকেই রেয়াত করেননি।মাঠের চারদিকে শট খেলেছেন ঈশান। দর্শকেরা অপেক্ষা করছিলেন, পরের বলটি কোন দিকে পাঠাবেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ১০টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৪০ বলে ৭৭ রান করে ফেরেন। সাইম আয়ুবের বলে আউট হওয়ার সময় ভারতের ইনিংস শক্ত ভিতের উপর দাঁড়িয়ে গেছে। তাঁর এই ইনিংসই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।ম্যাচ শেষে ঈশান বলেন, এই ম্যাচ সব সময় আলাদা। এই জয় শুধু দলের জন্য নয়, দেশের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। তিনি জানান, পাকিস্তানের দলে কয়েকজন ভালো স্পিনার রয়েছে, তাই এই জয় আত্মবিশ্বাস আরও বাড়াবে। পাশাপাশি জশপ্রীত বুমরাহ ও হার্দিক পাণ্ডিয়ার প্রশংসাও করেন তিনি। অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবও বলেন, এই জয় দেশের জন্য।ঈশানের কাছে এই ইনিংস ব্যক্তিগতভাবেও খুব গুরুত্বপূর্ণ। ২০২২ সালে ডবল সেঞ্চুরি করার পর অনেকেই ভেবেছিলেন তাঁর জায়গা স্থায়ী হয়ে গেছে। কিন্তু পরবর্তীতে দল থেকে বাদ পড়েন। সেখান থেকেই শুরু হয় নতুন লড়াই। এই প্রত্যাবর্তনের পেছনে রয়েছে ভগবদ্গীতার প্রেরণা। বাবার কাছ থেকে গীতার শ্লোকের অর্থ জেনে তিনি ধীরে ধীরে সেই দর্শনের প্রতি আকৃষ্ট হন। ব্যাট ও গ্লাভসের পাশাপাশি গীতা হয়ে ওঠে তাঁর নিত্যসঙ্গী। কঠিন সময়েও সেই শিক্ষাই তাঁকে মানসিক শক্তি জুগিয়েছে।পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৭৭ রানের এই ইনিংস শুধু একটি ম্যাচসেরা পারফরম্যান্স নয়, বরং ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প। সমালোচনার জবাব দিয়েছেন ব্যাটে। আর প্রমাণ করেছেন, সুযোগ পেলে বড় মঞ্চেই তিনি নিজের সেরাটা দিতে পারেন।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

‘নো হ্যান্ডশেক’ নিয়ম ভেঙে আক্রমের সঙ্গে করমর্দন! রোহিতকে ঘিরে তুমুল বিতর্ক

ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক এখন তলানিতে। ক্রিকেট মাঠেও তার প্রভাব স্পষ্ট। দুই দেশের ম্যাচে এখন আর অধিনায়কদের করমর্দন দেখা যায় না। বোর্ডের অঘোষিত নির্দেশ মেনে অনেক ক্রিকেটারই দূরত্ব বজায় রাখছেন। সেই আবহেই ওয়াসিম আক্রমের সঙ্গে রোহিত শর্মার করমর্দন ও হাসিমুখে গল্পের ছবি নতুন বিতর্কের জন্ম দিল।চলতি টি-২০ বিশ্বকাপে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর রোহিত শর্মা। তাঁর হাত ধরেই শেষ টি-২০ বিশ্বকাপ জিতেছিল ভারত। এবারের আসরে ট্রফি মাঠে আনার দায়িত্বও ছিল তাঁর উপর। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তানের কিংবদন্তি ওয়াসিম আক্রম। সেখানেই দেখা যায়, দুজন বেশ কিছুক্ষণ কথা বলছেন, করমর্দন করছেন, হাসিমুখে খোশগল্প করছেন। মুহূর্তেই সেই ছবি ছড়িয়ে পড়ে নেটমাধ্যমে।অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, যখন ভারত-পাক ম্যাচে নো হ্যান্ডশেক প্রায় নিয়মে পরিণত হয়েছে, তখন রোহিতের এই আচরণ কতটা সমীচীন? এশিয়া কাপ থেকে শুরু করে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে দুই দেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে করমর্দন এড়িয়ে যাওয়ার ঘটনা দেখা গিয়েছে। টি-২০ বিশ্বকাপেও কলম্বোয় টসের সময় দুই অধিনায়ককে গম্ভীর মুখে দেখা যায়। করমর্দন হয়নি। বয়কটের আবহে ম্যাচের গুরুত্বও ছিল অনেক বেশি।এই পরিস্থিতিতে রোহিত ও আক্রমের খোলামেলা আলাপ অনেকের চোখে বেমানান লেগেছে। তবে অন্য দিকও রয়েছে। ওই অনুষ্ঠানে রোহিত ভারতীয় দলের প্রতিনিধি হিসেবে নয়, বরং ব্যক্তি ও টুর্নামেন্টের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। একজন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা হিসেবে আরেক কিংবদন্তির সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করায় দোষের কিছু আছে কি না, তা নিয়েও আলোচনা চলছে।ওয়াসিম আক্রম শুধু পাকিস্তানের নয়, বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম সেরা পেসার হিসেবে স্বীকৃত। ক্রিকেটের ময়দানে তাঁর অবদান সীমান্তের গণ্ডি ছাপিয়ে গেছে। সেই জায়গা থেকে দেখলে দুই প্রজন্মের দুই তারকার সাক্ষাৎ ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে স্বাভাবিক বলেই মনে হতে পারে।তবু ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই এখন অতিরিক্ত আবেগ, উত্তেজনা এবং রাজনৈতিক ছায়া। তাই ছোট একটি মুহূর্তও বড় বিতর্কে রূপ নিচ্ছে। রোহিতের এই করমর্দন কি শুধুই সৌজন্য, না কি অঘোষিত নিয়ম ভাঙার বার্তাসেটাই এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal