• ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩, বুধবার ০৫ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

IS

কলকাতা

‘জেলে থেকেও দল ভাঙিনি’! এবার কেন শিবির বদল? মুখ খুলে চাঞ্চল্যকর দাবি মদনের

বিধানসভায় গিয়ে বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দেওয়ার পরেই রাজনৈতিক মহলে নতুন চাঞ্চল্য তৈরি করলেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র। যোগদানের কিছুক্ষণের মধ্যেই নিজের সমাজমাধ্যমের অবস্থায় লিখলেন সরি। সেই বার্তা যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশেই, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে তার থেকেও বেশি চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে তাঁর বিস্ফোরক মন্তব্য। তিনি দাবি করেছেন, তদন্তকারী সংস্থার চেয়ে দলের এক শীর্ষ নেতাকেই তিনি বেশি ভয় পেতেন।মঙ্গলবার পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মদন মিত্রের পরিবারের সদস্যদের সমন পাঠানো হয়। তার পরের দিনই তিনি বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দেন। যোগদানের পর তিনি জানান, দলের সমস্ত সাংগঠনিক পদ থেকে তিনি সরে দাঁড়িয়েছেন। তাঁর কথায়, বাবার দেওয়া নাম, পড়াশোনা এবং বিধায়কের পদ ছাড়া আর কিছুই তিনি নিজের কাছে রাখেননি।এরপরই তিনি একাধিক বিস্ফোরক অভিযোগ করেন। মদনের দাবি, তদন্তকারী সংস্থার ভয় নয়, দলের এক শীর্ষ নেতার আচরণই তাঁকে সবসময় আতঙ্কে রাখত। তাঁর বক্তব্য, তদন্তকারী সংস্থা অন্তত জিজ্ঞাসাবাদ করে, কিন্তু দলের ভিতরে কখন কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তা আগে থেকে বোঝা যেত না। সেই কারণেই তিনি মানসিক চাপে ছিলেন বলে দাবি করেন।একই সঙ্গে তিনি জানান, তদন্তে তিনি সম্পূর্ণ সহযোগিতা করবেন। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের প্রমাণ থাকলে তা সামনে আনারও চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন। তিনি দাবি করেন, কোনও বেআইনি কাজের সঙ্গে তাঁর যোগ নেই।এদিকে মদনের এই সিদ্ধান্তকে কটাক্ষ করেছেন দলের সাংসদ মহুয়া মৈত্র। তাঁর দাবি, পরিবারের সদস্যদের সমন আসার পরই এই অবস্থান বদল হয়েছে। তাই গোটা ঘটনাকে তিনি রাজনৈতিক চিত্রনাট্যের অংশ বলেই মনে করছেন। অন্যদিকে বিদ্রোহী শিবিরের নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ব্যক্তিকেন্দ্রিক রাজনীতির বদলে সম্মিলিত নেতৃত্বের লড়াইকে আরও শক্তিশালী করতেই মদন মিত্র তাঁদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন। এই সিদ্ধান্তকে তাঁরা স্বাগত জানিয়েছেন।

জুলাই ১৬, ২০২৬
রাজ্য

ঋতব্রত শিবিরে গিয়েই বিস্ফোরক অনুব্রত! অভিষেককে ঘিরে যা বললেন, তাতেই তোলপাড় রাজনীতি

বিদ্রোহী শিবিরের বৈঠকে যোগ দিয়েই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন বীরভূমের প্রাক্তন জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। গরুপাচার মামলায় দীর্ঘ সময় জেলে থাকার প্রসঙ্গ টেনে তিনি দাবি করেন, তাঁর সেই পরিস্থিতির জন্য দায়ী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি তৃণমূলের ভবিষ্যৎ নিয়েও বড় মন্তব্য করেছেন তিনি।গোলপার্কে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের বৈঠকে প্রথমবার উপস্থিত হয়ে অনুব্রত মণ্ডল বলেন, বীরভূম থেকে সরকারের বিপুল রাজস্ব আসত। পাশাপাশি তিনি আরও দাবি করেন, কয়লা সংক্রান্ত বিষয়েও প্রতিদিন বড় অঙ্কের অর্থ দিতে হতো। তবে এই দাবির পক্ষে তিনি কোনও প্রমাণ প্রকাশ করেননি।সবচেয়ে বেশি চর্চা শুরু হয়েছে তাঁর আর একটি মন্তব্য ঘিরে। অনুব্রতর দাবি, আগামী দিনে তৃণমূলে আর কেউ থাকবে না এবং দল কার্যত শেষ হয়ে যাবে। তাঁর এই বক্তব্যকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে।এক সময় বীরভূমে তৃণমূলের সবচেয়ে প্রভাবশালী নেতা ছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। তাঁর নেতৃত্বে দীর্ঘদিন জেলায় দলের সংগঠন শক্তিশালী ছিল। গরুপাচার মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পরও জামিনে মুক্তি পেয়ে তিনি জেলা সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। শেষ লোকসভা নির্বাচনেও বীরভূমের দুই আসনে তৃণমূলের সাফল্যের পিছনে তাঁর সংগঠনের ভূমিকা নিয়ে দলীয় মহলে আলোচনা হয়েছিল।পরে অবশ্য জেলার সংগঠনে পরিবর্তন আনে তৃণমূল। একক নেতৃত্বের বদলে কোর কমিটি গঠন করা হয়। অনুব্রত মণ্ডল সেই কমিটির সদস্য থাকলেও আগের মতো পূর্ণ দায়িত্ব তাঁর হাতে ছিল না। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সেই সময় থেকেই তাঁর অসন্তোষ বাড়তে শুরু করে।ছাব্বিশ সালের নির্বাচনের পর দলের ফলাফল খারাপ হওয়ার পর প্রথমদিকে অনুব্রত জানিয়েছিলেন, তিনি দলকে ভালোবেসে কাজ করে যাবেন। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই তাঁর অবস্থান বদলে যায়। পরে তিনি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। গত এগারো জুলাই তাঁকে বীরভূমের জেলা সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়। বুধবার সেই শিবিরের বৈঠকে যোগ দিয়েই একের পর এক বিস্ফোরক দাবি করে রাজ্যের রাজনৈতিক অন্দরে নতুন বিতর্কের জন্ম দিলেন অনুব্রত মণ্ডল।

জুলাই ১৫, ২০২৬
কলকাতা

হাইকোর্টের চাপে শেষ পর্যন্ত কণ্ঠের নমুনা দিলেন অভিষেক! এবার কি বড় বিপদ?

হাইকোর্টের নির্দেশের পর শেষ পর্যন্ত কণ্ঠের নমুনা দিতে হল তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বিধাননগর আদালতে প্রায় পাঁচ মিনিট ধরে তাঁর কণ্ঠস্বর রেকর্ড করা হয়েছে। এবার সেই নমুনা যাবে ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য। এই রিপোর্টকে ঘিরেই রাজনৈতিক এবং আইনি মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।সূত্রের খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে একটি পাতার লেখা দুবার পড়তে বলা হয়। একবার স্বাভাবিক গলায় এবং আর একবার ধীরে। সেই রেকর্ডিং একটি মেমোরি কার্ডে সংরক্ষণ করা হয়েছে। পরে সেটি ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। তদন্তকারীদের লক্ষ্য, মামলার সঙ্গে যুক্ত অডিয়োর কণ্ঠস্বরের সঙ্গে এই নমুনার মিল রয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করা।জানা গিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা মেনে কোনও নির্দিষ্ট বক্তৃতা হুবহু পড়ানো হয়নি। অভিযোগে উল্লিখিত কিছু শব্দ ব্যবহার করে একটি নতুন লেখা তৈরি করা হয়েছিল। সেই লেখাই পড়ে শোনান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।পুরো প্রক্রিয়ার ভিডিও রেকর্ডিংও করা হয়েছে। আদালতে পৌঁছনো থেকে শুরু করে কণ্ঠের নমুনা দেওয়া পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ ক্যামেরাবন্দি করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, ভবিষ্যতে এই প্রক্রিয়া নিয়ে যাতে কোনও প্রশ্ন না ওঠে, সেই কারণেই সমস্ত কিছু নথিভুক্ত করা হয়েছে। নমুনা সংগ্রহের পর প্রয়োজনীয় নথিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বাক্ষরও নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি রেকর্ডিং এবং ভিডিওর বিশেষ ডিজিটাল পরিচিতিও তৈরি করা হয়েছে, যাতে ফরেন্সিক পরীক্ষার সময় তথ্যের অখণ্ডতা বজায় থাকে।এই মামলার অভিযোগকারী রাজীব সরকারের দাবি, তদন্তের কাজ সঠিক দিকেই এগোচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, মামলার সঙ্গে যুক্ত একটি তালিকা এখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি। অভিযোগ অনুযায়ী, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একটি জনসভায় জেলা, ব্লক এবং ওয়ার্ডভিত্তিক একটি তালিকার কথা বলেছিলেন। সেই তালিকাতেই বহু মানুষের নাম ছিল বলে অভিযোগকারীর দাবি। তদন্তে সেই তালিকারও খোঁজ চলছে বলে তিনি জানিয়েছেন।এখন সকলের নজর ফরেন্সিক রিপোর্টের দিকে। কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষার ফল এই মামলার তদন্তে কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে, তা নিয়েই রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ১৫, ২০২৬
কলকাতা

একুশের পোস্টার থেকে হঠাৎ উধাও অভিষেক! তৃণমূলে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত?

একুশে জুলাইয়ের সমাবেশের নতুন পোস্টার প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। পোস্টারে রয়েছেন শুধু তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি নেই। এই নিয়েই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে বিস্তর আলোচনা।কলকাতা হাইকোর্ট একুশে জুলাইয়ের সমাবেশের জন্য বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে সভার অনুমতি দেওয়ার পর নতুন পোস্টার প্রকাশ করেন কুণাল ঘোষ। পরে সেই একই পোস্টার নিজের সামাজিক মাধ্যমেও ভাগ করে নেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু পোস্টারে তাঁর ছবি না থাকায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে নানা মহলে।এর আগে প্রকাশিত প্রথম পোস্টারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ছিল। তখন সমাবেশের নির্দিষ্ট স্থান ঠিক না হওয়ায় শুধু কলকাতায় আসার আহ্বান জানানো হয়েছিল। কিন্তু নতুন পোস্টারে শুধুমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি রাখা হয়েছে।এই ঘটনা এমন সময়ে সামনে এল, যখন দলের অন্দরে একের পর এক রাজনৈতিক পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা চলছে। সাম্প্রতিক সময়ে কয়েক জন নেতা ও বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে যোগ দিয়েছেন। তাঁদের অনেকেই প্রকাশ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। সর্বশেষ সেই তালিকায় যোগ হয়েছে মদন মিত্রের নাম। ফলে পোস্টারে অভিষেকের ছবি না থাকাকে ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা আরও বেড়েছে।তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের দাবি, এই ঘটনাকে নতুন করে দেখার প্রয়োজন নেই। কারণ গত বছরও একুশে জুলাইয়ের প্রচারের পোস্টারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ছিল না। সেই সময় দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, এই সমাবেশের পোস্টারে শুধুমাত্র দলের সর্বোচ্চ নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবিই রাখা হবে। একই ধরনের ঘটনা দুই হাজার তেইশ সালেও দেখা গিয়েছিল।ফলে নতুন পোস্টার ঘিরে রাজনৈতিক চর্চা যতই বাড়ুক, এটি কৌশলগত সিদ্ধান্ত নাকি তার পিছনে অন্য কোনও রাজনৈতিক বার্তা রয়েছে, সেই উত্তর এখনও স্পষ্ট নয়। তবে একুশে জুলাইয়ের আগে এই পোস্টার যে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

জুলাই ১৫, ২০২৬
রাজ্য

বঙ্গোপসাগরে ফের ট্রলার বিপর্যয়! মৃত্যুর মুখ থেকে কীভাবে ফিরলেন ১৩ মৎস্যজীবী?

ফের বঙ্গোপসাগরে ট্রলার দুর্ঘটনা ঘিরে আতঙ্ক ছড়াল উপকূল জুড়ে। তবে এবার বড় বিপদ থেকেও অলৌকিকভাবে প্রাণে বেঁচে গেলেন ১৩ জন মৎস্যজীবী। মাঝসমুদ্রে ট্রলার ডুবে গেলেও পাশ দিয়ে যাওয়া অন্য একটি মাছ ধরার ট্রলারের তৎপরতায় সকলকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এই ঘটনায় স্বস্তি ফিরলেও কয়েক দিন আগের ভয়াবহ ট্রলার দুর্ঘটনার স্মৃতি আবারও তাজা হয়ে উঠেছে।স্থানীয় ও প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, কাকদ্বীপের বাসিন্দা লক্ষ্মীনারায়ণ দাসের এফবি সিদ্ধিবিনায়ক নামে একটি ট্রলার ১৩ জন মৎস্যজীবীকে নিয়ে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়েছিল। সোমবার রাতে মাছ ধরে ফেরার পথে বকখালি উপকূল থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে আচমকা আবহাওয়া খারাপ হয়ে যায়। প্রবল ঢেউয়ের আঘাতে ট্রলারের নিচের অংশ ফেটে জল ঢুকতে শুরু করে। অল্প সময়ের মধ্যেই ট্রলারটি ডুবতে থাকে।বিপদ বুঝে মৎস্যজীবীরা চিৎকার করে সাহায্য চান। সেই সময় কাছাকাছি থাকা অন্য একটি মাছ ধরার ট্রলার দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। উদ্ধারকারীদের তৎপরতায় ডুবন্ত ট্রলার থেকে ১৩ জন মৎস্যজীবীকেই নিরাপদে তুলে আনা সম্ভব হয়। যদিও এফবি সিদ্ধিবিনায়ক ট্রলারটি সমুদ্রের জলে তলিয়ে যায়। এখনও সেটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।উদ্ধার হওয়া মৎস্যজীবীদের প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এরপর তাঁদের উপকূলে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। সকলেই নিরাপদে ফিরে আসায় পরিবার ও প্রশাসন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে। তবে পরপর ট্রলার দুর্ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে মৎস্যজীবীদের মধ্যে।উল্লেখ্য, কয়েক দিন আগেই বঙ্গোপসাগরে মা কালী নামে একটি ট্রলার নিখোঁজ হয়ে যায়। শঙ্করপুর বন্দর থেকে ১৫ জন মৎস্যজীবীকে নিয়ে রওনা হওয়ার পর ট্রলারটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে বকখালি উপকূলের কাছে উল্টে থাকা অবস্থায় সেটি উদ্ধার হয়। সেই ঘটনায় ৯ জনের দেহ উদ্ধার হলেও এখনও ৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন। নতুন এই দুর্ঘটনার পর সমুদ্রে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে আবারও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

জুলাই ১৪, ২০২৬
দেশ

ইরানের বড় পদক্ষেপে কাঁপছে বিশ্ব! পেট্রোল-ডিজেল থেকে গ্যাস, কী অপেক্ষা করছে ভারতের জন্য?

ইরান ও আমেরিকার মধ্যে ফের উত্তেজনা বাড়তেই জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী ঘিরে পরিস্থিতি জটিল হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেল ও গ্যাসের সরবরাহ নিয়ে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে । এর জেরে ভারতে পেট্রোল, ডিজেল এবং রান্নার গ্যাসের দামে প্রভাব পড়তে পারে কি না, তা নিয়েও শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।রবিবার ইরান ঘোষণা করেছে, হরমুজ প্রণালী বন্ধ করা হবে। অন্যদিকে আমেরিকার দাবি, প্রণালী এখনও খোলা রয়েছে। তবে দুই দেশের সংঘাতের মধ্যে এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ দিয়ে জাহাজ চলাচল আগের তুলনায় অনেক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ছে।ভারতের জন্য বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ দেশের প্রয়োজনীয় তেলের বড় অংশই বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। বিশ্বের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অপরিশোধিত তেল এবং গ্যাস হরমুজ প্রণালী দিয়েই বিভিন্ন দেশে পৌঁছায়। তবে আপাতত ভারতীয় শোধনাগারগুলিতে অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এখনও পর্যন্ত নতুন সংঘাতের প্রভাব তেল আমদানিতে বড়ভাবে পড়েনি।বর্তমানে ভারত শুধু একটি দেশের উপর নির্ভর করে না। রাশিয়া থেকে সবচেয়ে বেশি অপরিশোধিত তেল আসে। পাশাপাশি সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং ভেনেজুয়েলা থেকেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ তেল আমদানি করা হয়। ফলে বিকল্প উৎস থাকায় আপাতত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।গত জুন মাসে ভারত প্রতিদিন প্রায় চার দশমিক তিরানব্বই মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল আমদানি করেছে। এর মধ্যে রাশিয়া থেকেই এসেছে সবচেয়ে বেশি, প্রতিদিন প্রায় দুই দশমিক সাত মিলিয়ন ব্যারেল।তবে সবচেয়ে বেশি উদ্বেগ তৈরি হয়েছে রান্নার গ্যাস এবং প্রাকৃতিক গ্যাস নিয়ে। আগেরবার ইরান-আমেরিকা সংঘাতের সময় দেশে গ্যাসের সরবরাহে চাপ পড়েছিল। অনেক মানুষ আতঙ্কে অতিরিক্ত গ্যাসের সিলিন্ডার বুক করেছিলেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারকে সরবরাহের নিয়ম কঠোর করতে হয়েছিল। এবারও যদি মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরও বাড়ে বা সমুদ্রপথে জাহাজ চলাচলে বড় বাধা তৈরি হয়, তাহলে গ্যাসের সরবরাহে চাপ তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। যদিও বর্তমানে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে এবং সরকার পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে।

জুলাই ১৩, ২০২৬
রাজ্য

আট দিন পর ট্রলার মিলতেই শিউরে ওঠার দৃশ্য! একসঙ্গে মিলল ৯ মৎস্যজীবীর দেহ, এখনও নিখোঁজ অনেকে

বঙ্গোপসাগরে ডুবে যাওয়া একটি ট্রলার থেকে উদ্ধার হল ৯ জন মৎস্যজীবীর দেহ। পূর্ব মেদিনীপুরের শঙ্করপুর বন্দর থেকে ২ জুলাই মাছ ধরতে বেরিয়েছিল মা কালী নামে ট্রলারটি। ৫ জুলাইয়ের পর থেকে ট্রলারের সঙ্গে আর কোনও যোগাযোগ করা যায়নি। দীর্ঘ আট দিন ধরে তল্লাশির পর বকখালি উপকূল থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দূরে বাঘেরচরের কাছে ট্রলারটির খোঁজ মেলে।রবিবার দুপুরে পুলিশ, বন দপ্তর এবং ভারতীয় উপকূল রক্ষী বাহিনীর যৌথ অভিযানে ডুবে থাকা ট্রলারটি উদ্ধার করা হয়। পরে সেটিকে সীতারামপুরে নিয়ে এসে রাতভর তল্লাশি চালানো হয়। ট্রলারের ভিতর থেকে একে একে ৯ জন মৎস্যজীবীর দেহ উদ্ধার করা হয়েছে।জানা গিয়েছে, ট্রলারটিতে মোট ১৫ জন মৎস্যজীবী ছিলেন। এখনও ৬ জনের কোনও খোঁজ মেলেনি। তাঁদের সন্ধানে সমুদ্রে তল্লাশি অভিযান চলছে। উদ্ধার হওয়া দেহগুলি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রশাসনের আশঙ্কা, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।প্রাথমিকভাবে প্রশাসনের অনুমান, খারাপ আবহাওয়া বা সমুদ্রের দুর্যোগের জেরে ট্রলারটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। খবর পেয়ে ট্রলারের মালিকপক্ষ এবং মৎস্যজীবী সংগঠনের সদস্যরাও ঘটনাস্থলে পৌঁছন। একাধিক ট্রলারের সাহায্যে দুর্ঘটনাগ্রস্ত ট্রলারটিকে উপকূলে আনা হয়।ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুন্দরবন উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী দীপঙ্কর জানা বলেন, এটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ঘটনা। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে তিনি ঘটনাস্থলে এসেছেন। উদ্ধারকাজ এখনও চলছে। তাঁর কথায়, এখনও ট্রলারের ভিতরে আরও কয়েকজন মৎস্যজীবীর দেহ আটকে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। মৃতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি।

জুলাই ১৩, ২০২৬
রাজ্য

‘খেলা হবে’ দিবস বাতিল! ষোলো অগস্টে শুভেন্দু সরকারের বড় ঘোষণা, বদলে কী পালিত হবে জানেন?

দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময় তৃণমূলের অন্যতম জনপ্রিয় স্লোগান ছিল খেলা হবে। পরে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ষোলো অগস্ট দিনটিকে খেলা হবে দিবস হিসেবে পালনের ঘোষণা করেছিলেন। এবার সেই সিদ্ধান্তে বড় পরিবর্তন আনল রাজ্যের নতুন সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, এবার থেকে ষোলো অগস্ট আর খেলা হবে দিবস হিসেবে পালন করা হবে না। তার বদলে দিনটি পালিত হবে আয়ুষ্মান দিবস হিসেবে।রবিবার পূর্ব মেদিনীপুরের মেচেদায় দলীয় নেতা, কর্মী ও জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, ষোলো অগস্ট বিজেপি সরকারের একশো দিন পূর্ণ হওয়ার দিন। একই সঙ্গে এই দিনটির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বাংলার ইতিহাসের এক বেদনাদায়ক অধ্যায়।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, উনিশশো ছেচল্লিশ সালের ষোলো অগস্ট দ্য গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং-এর ঘটনা ঘটেছিল। সেই কারণেই এই দিনকে নতুনভাবে স্মরণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, অতীতে এই দিনে খেলা হবে দিবস পালন করা হলেও বর্তমান সরকার এটিকে আয়ুষ্মান দিবস হিসেবে পালন করবে।আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প নিয়েও এদিন আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, সত্তর বছরের বেশি বয়সিদের পাশাপাশি যোগ্য উপভোক্তারাও এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। যাঁরা এই প্রকল্পের আওতায় আসবেন না, তাঁদের জন্য রাজ্যের স্বাস্থ্যবিমা প্রকল্প চালু থাকবে।অন্নপূর্ণা যোজনার প্রসঙ্গেও মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ইতিমধ্যেই বিপুল সংখ্যক উপভোক্তার কাছে প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। যাঁরা যোগ্য, তাঁদের সবাইকে ধাপে ধাপে এই সুবিধার আওতায় আনা হবে। তবে অযোগ্যদের বাদ দেওয়া হবে বলেও স্পষ্ট জানিয়ে দেন তিনি।উল্লেখ্য, তৃণমূল সরকারের আমলে ষোলো অগস্ট খেলা হবে দিবস হিসেবে পালিত হত। সরকার পরিবর্তনের পর একাধিক পুরনো সিদ্ধান্তে বদল আনা হয়েছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল ষোলো অগস্ট পালন নিয়েও নতুন সিদ্ধান্ত।

জুলাই ১৩, ২০২৬
দেশ

ইরানের গুলিতে ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজ! ভারতীয় নাবিক নিখোঁজ, সামনে বড় সংঘাতের আশঙ্কা

হরমুজ প্রণালীর কাছে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত। বিদেশ মন্ত্রকের জানানো তথ্য অনুযায়ী, ওই জাহাজে মোট ১১ জন ভারতীয় নাবিক ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১০ জনকে নিরাপদে উদ্ধার করা হলেও এখনও একজন ভারতীয় নাবিক নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁর খোঁজে তৎপর রয়েছে ওমানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস।বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, ওমান প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে উদ্ধারকাজে সহযোগিতা করছে ভারতীয় দূতাবাস। নিখোঁজ নাবিকের সন্ধানে সবরকম চেষ্টা চালানো হচ্ছে। উদ্ধার অভিযানে সহযোগিতার জন্য ওমান সরকারকে ধন্যবাদও জানিয়েছে ভারত।মার্কিন সেনার দাবি, সাইপ্রাসের পতাকাবাহী একটি পণ্যবাহী জাহাজ ইরানের গুলিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হামলার পর জাহাজে আগুন ধরে যায়। পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর হয়ে ওঠে যে নাবিকদের জাহাজ ছেড়ে বেরিয়ে আসতে হয়। জাহাজের ইঞ্জিন কক্ষে বড় ক্ষতি হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।অন্যদিকে, ইরানের বিপ্লবী রক্ষীবাহিনীর দাবি, কয়েকটি জাহাজ নির্ধারিত পথ ছেড়ে অন্য পথে চলছিল। বারবার সতর্ক করার পরও নির্দেশ না মানায় একটি জাহাজকে গুলি করে থামানো হয়। এরপরই হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলে কড়া নিয়ন্ত্রণের ঘোষণা দেয় ইরান।এই ঘটনার পরই ইরানের বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালানোর দাবি করেছে আমেরিকা। মার্কিন বাহিনীর দাবি, সর্বশেষ অভিযানে প্রায় ১৪০টি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করা হয়েছে। গত কয়েক দিনে মোট ৩০০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলার দাবি করেছে তারা। পাল্টা বিভিন্ন মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের হামলার খবরও সামনে এসেছে।এই পরিস্থিতিতে ভারত স্পষ্ট জানিয়েছে, বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। অবিলম্বে উত্তেজনা কমিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে নয়াদিল্লি। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক জলপথে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উপরও জোর দিয়েছে ভারত।

জুলাই ১২, ২০২৬
বিদেশ

ভিয়েতনামে ভয়াবহ নৌকাডুবি! ভারতীয় পর্যটকে ভর্তি নৌকা উল্টে বহু মৃত্যু, আতঙ্কে পরিবার

ভিয়েতনামের ফুকুয়ক দ্বীপের কাছে ভয়াবহ নৌদুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন একাধিক ভারতীয় পর্যটক। স্থানীয় প্রশাসনের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনার সময় পর্যটকবাহী নৌকায় মোট বত্রিশ জন ভারতীয় পর্যটক এবং চারজন নাবিক ছিলেন। প্রবল ঢেউ ও উত্তাল সমুদ্রের মধ্যে নৌকাটি উল্টে যায়। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অন্তত পনেরো জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ঘটনাস্থলে জোরকদমে উদ্ধার অভিযান চলছে।দুর্ঘটনার পর ভিয়েতনামে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস জানিয়েছে, ফুকুয়ক দ্বীপের কাছে ভারতীয় পর্যটক বহনকারী একটি নৌকা দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে। ঘটনার সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে ভারতীয় দূতাবাস দ্রুত বিশেষ নিয়ন্ত্রণকক্ষ চালু করেছে।হো চি মিন শহরে ভারতীয় কনস্যুলেট এবং রাজধানী হ্যানয়েও আলাদা নিয়ন্ত্রণকক্ষ খোলা হয়েছে। দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহায়তা দেওয়া হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধারকারী দল এবং আশপাশে থাকা একাধিক নৌকা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, নৌকার বহু যাত্রী ভেতরে আটকে পড়ায় উদ্ধারকাজে সমস্যা তৈরি হয়। কয়েকজনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও অনেককে আর বাঁচানো যায়নি।উল্লেখ্য, গত বছরও ভিয়েতনামের একটি জনপ্রিয় পর্যটন এলাকায় নৌকাডুবির ঘটনায় বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। সেই ঘটনার পর নৌ-নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও ফের বড় দুর্ঘটনা ঘটায় নতুন করে উদ্বেগ বাড়ল।

জুলাই ১১, ২০২৬
রাজ্য

বড় ঘোষণা ঋতব্রত শিবিরের! এক ঝটকায় প্রকাশ জেলা সভাপতিদের তালিকা, তৃণমূলে নতুন সমীকরণ

তৃণমূলের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত এখনও প্রকাশিত হয়নি। তবে সেই অপেক্ষা না করেই সংগঠন গঠনের কাজ আরও এগিয়ে নিয়ে গেল ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির। শনিবার তপসিয়ায় বৈঠক করে একাধিক জেলার নতুন সভাপতির নাম ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে দলের মুখপাত্রদের তালিকাও প্রকাশ করা হয়েছে।শনিবার দুপুরের পর তপসিয়ার বৈঠকে তৃণমূলের বহু পুরনো নেতাকে উপস্থিত থাকতে দেখা যায়। উপস্থিত ছিলেন শান্তনু সেন, অশোক রুদ্র, নারায়ণ গোস্বামী-সহ একাধিক নেতা। বৈঠকে যোগ দেন প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষও। ভোটের পর দীর্ঘদিন তাঁকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। বৈঠকে প্রবেশের আগে তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর তাঁর আস্থা রয়েছে এবং তিনি এখনও মমতাকেই হৃদয়ে রাখেন। তবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে তিনি কোনও মন্তব্য করতে চাননি।বৈঠকের পর কৃষ্ণনগর জেলার সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে জেবের শেখকে। আলিপুরদুয়ারের সভাপতি করা হয়েছে বিনোদ মিঞ্জকে। জলপাইগুড়ির দায়িত্ব পেয়েছেন মহুয়া গোপ এবং দার্জিলিং জেলার সভাপতি হয়েছেন রঞ্জন সরকার।বহরমপুর জেলার সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ডেভিডকে। মালদার সভাপতি করা হয়েছে প্রসূনকে। যাদবপুর এবং ডায়মন্ড হারবার জেলার দায়িত্ব পেয়েছেন শুভাশিস দাস।দলের প্রধান মুখপাত্র করা হয়েছে প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এছাড়া মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আখরুজ্জামান, ডেভিড, সুদীপ রাহা এবং কোহিনুর।নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগেই ঋতব্রত শিবিরের এই সাংগঠনিক ঘোষণা রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা বাড়িয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে নিজেদের সাংগঠনিক শক্তি প্রকাশ্যে তুলে ধরারই চেষ্টা করেছে ঋতব্রত শিবির।

জুলাই ১১, ২০২৬
রাজ্য

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর হঠাৎ পরিদর্শনে চাঞ্চল্য! হাসপাতালের ভিতরে যা ধরা পড়ল, তারপরই বড় পদক্ষেপ

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আচমকা পরিদর্শনের পর বারাসত মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হল। হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা এবং পরিষেবা নিয়ে একাধিক গাফিলতির অভিযোগ সামনে আসার পর বারো জন কর্মীকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তাঁদের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে অবহেলা এবং হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।যাঁদের নোটিস দেওয়া হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন চার জন ওয়ার্ড মাস্টার, চার জন নন-মেডিক্যাল সুপার, একজন সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিস্টার, প্রসূতি বিভাগের দুই জন সিস্টার ইনচার্জ এবং একজন পরিষেবার মান নিয়ন্ত্রণ আধিকারিক।হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি স্বাস্থ্যমন্ত্রী আচমকা পরিদর্শনে এসে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড এবং বারান্দায় পরিচ্ছন্নতার অভাব লক্ষ্য করেন। পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের বারান্দায় বিড়াল ঘোরাফেরা করতেও দেখা যায়। এই ঘটনায় অসন্তোষ প্রকাশ করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। সেই নির্দেশ মেনেই তদন্তের পর বারো জনকে কারণ দর্শানোর নোটিস পাঠানো হয়েছে।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বারাসত মেডিকেল কলেজ আগে জেলা হাসপাতাল ছিল। এখনও পুরনো ভবনেই অনেক পরিষেবা চালাতে হচ্ছে। ফলে কিছু পরিকাঠামোগত সমস্যা রয়েছে। সেই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য বিস্তারিত প্রকল্প তৈরি করে স্বাস্থ্য দপ্তরে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। খুব শীঘ্রই সেই প্রস্তাব পাঠানো হবে।বৃহস্পতিবার প্রবল বৃষ্টির মধ্যেই একাধিক সরকারি হাসপাতালে আচমকা পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। বারাসত মেডিকেল কলেজেও তিনি পরিষেবা, পরিকাঠামো এবং পরিচ্ছন্নতার অবস্থা খতিয়ে দেখেন। এরপরই রাজ্যের সরকারি হাসপাতালগুলিতে আরও কঠোর নজরদারির ঘোষণা করেন।স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, পরিষেবার মান উন্নত করতে সরকারি হাসপাতালের প্রতিটি ওয়ার্ডে নজরদারির ব্যবস্থা করা হবে। গ্রামীণ হাসপাতাল, মহকুমা হাসপাতাল এবং জেলা হাসপাতালেও একই ব্যবস্থা চালু হবে। পাশাপাশি মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ বা স্যালাইন ব্যবহার বন্ধ করতে প্রতি সপ্তাহে স্বাস্থ্য দপ্তরের বিশেষ দল হাসপাতালগুলিতে নিয়মিত পরিদর্শন চালাবে।হাসপাতালে দালালচক্রের বিরুদ্ধেও কড়া অবস্থানের কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের জন্য আলাদা পরিচয়পত্রের ব্যবস্থা করা হবে। যাঁদের কাছে সেই পরিচয়পত্র থাকবে না, তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেককে কড়া বার্তা হাইকোর্টের! আর এড়ানো যাবে না, দিতেই হবে কণ্ঠস্বরের নমুনা

কলকাতা হাইকোর্টে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংক্রান্ত মামলায় নতুন মোড় এল। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিল, ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্ধারিত দিনেই কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতে হবে। তদন্তকারী সংস্থাকে সহযোগিতা করা তাঁর আইনি দায়িত্ব বলেও আদালত জানিয়েছে।ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলায় তদন্তের স্বার্থে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠস্বরের নমুনা চেয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। এর আগে একাধিকবার দিন নির্ধারণ করা হলেও তিনি নমুনা দিতে যাননি। তাঁর দাবি ছিল, সংশ্লিষ্ট মন্তব্য যে তাঁরই, তা তিনি অস্বীকার করেননি। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা দেওয়ার প্রয়োজন নেই।শুক্রবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য এই যুক্তি মানতে রাজি হননি। তিনি স্পষ্ট বলেন, আদালতের নির্দেশ মেনে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতেই হবে। তদন্তের স্বার্থে তদন্তকারী সংস্থাকে পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশও দেন তিনি।শুনানির সময় বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও গত আট জুলাই কেন হাজির হননি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালতের নির্দেশ থাকা অবস্থায় ফের নতুন মামলা করারও সমালোচনা করেন তিনি। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, আদালতের নির্দেশকে এভাবে উপেক্ষা করা ঠিক নয়।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী আদালতে জানান, কণ্ঠস্বর দিতে আপত্তি নেই। শুধু কেন এই নমুনা প্রয়োজন, সেই বিষয়েই প্রশ্ন তোলা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর আর্জি ছিল, এই কণ্ঠস্বরের নমুনা যেন অন্য কোনও মামলায় ব্যবহার করা না হয়।তবে সেই আবেদনেও সায় দেয়নি আদালত। বিচারপতি জানিয়ে দেন, আগামী পনেরো জুলাই দুপুর বারোটায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতেই হবে। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছে, নমুনা দিতে যাওয়ার সময় তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং কোনও ধরনের হেনস্থার ঘটনা যাতে না ঘটে, তা প্রশাসনকে দেখতে হবে।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

হাসপাতালের ভিতরে কে দালাল, কে আসল কর্মী! এবার এক নজরেই ধরা পড়বে, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর

হাসপাতাল থেকে দালালচক্র নির্মূল করতে বড় পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্যভবনের কন্ট্রোল রুম পরিদর্শনে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এবার থেকে হাসপাতালগুলির উপর সরাসরি নজরদারি চলবে স্বাস্থ্যভবন থেকেই। দালালদের চিহ্নিত করতে নতুন পরিচয় ব্যবস্থাও চালু করা হচ্ছে।স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, সাফাই কর্মী এবং অন্যান্য কর্মীদের জন্য আলাদা রঙের পরিচয়পত্র থাকবে। রোগীদের হাতে থাকবে এক ধরনের রঙিন ব্যান্ড এবং রোগীর পরিজনদের জন্য থাকবে অন্য রঙের ব্যান্ড। এই পরিচয়চিহ্নের বাইরে হাসপাতালের ভিতরে যাঁদের দেখা যাবে, তাঁদের পরিচয় যাচাই করা হবে। এর মাধ্যমে দালালচক্রের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হবে বলে মনে করছে স্বাস্থ্য দফতর।স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, হাসপাতালের প্রত্যেক শ্রেণির মানুষের জন্য আলাদা রঙের পরিচয় ব্যবস্থা চালু করা হবে। এতে চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও রোগীর পরিজনদের সহজেই চিহ্নিত করা যাবে। হাসপাতালের নিরাপত্তা এবং পরিষেবা আরও স্বচ্ছ করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী ত্রিশ জুলাইয়ের মধ্যে এই নতুন ব্যবস্থা চালু করার কাজ শেষ করতে হবে। স্বাস্থ্যভবনের কন্ট্রোল রুম থেকে রাজ্যের হাসপাতালগুলির পরিস্থিতির উপর নিয়মিত নজর রাখা হবে। হাসপাতালের ভিতরে অনিয়ম, ভুয়ো পরিচয়ে ঘোরাফেরা এবং দালালচক্রের দৌরাত্ম্য রুখতেই এই উদ্যোগ বলে জানিয়েছে সরকার।মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বিভিন্ন স্তরের কর্মীদের জন্য ল্যামিনেশন করা আলাদা পরিচয়পত্র তৈরি করা হবে। অতীতে হাসপাতালের ভিতরে ভুয়ো পরিচয়ে বিভিন্ন কাজ করার অভিযোগ সামনে এসেছে। সেই ধরনের ঘটনা বন্ধ করতেই এই নতুন পরিচয় ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

জুলাই ০৯, ২০২৬
রাজ্য

চৌদ্দ বছর পর হঠাৎ খুলল বরুণ হত্যা মামলা! সিআইডি পৌঁছতেই জ্যোতিপ্রিয়কে ঘিরে বিস্ফোরক দাবি পরিবারের

চৌদ্দ বছর আগে নিহত প্রতিবাদী শিক্ষক বরুণ বিশ্বাসের হত্যা মামলায় ফের নতুন করে তদন্ত শুরু করেছে সিআইডি। বৃহস্পতিবার তদন্তকারী আধিকারিকেরা উত্তর চব্বিশ পরগনায় বরুণ বিশ্বাসের বাড়িতে গিয়ে তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন। এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে আলোড়ন তৈরি হয়েছে।পরিবারের দাবি, আগের তদন্তে প্রকৃত সত্য সামনে আসেনি। তাই নতুন করে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছিল। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে বিচার চেয়ে আবেদন করেছিলেন পরিবারের সদস্যরা। এরপরই সিআইডির এই পদক্ষেপকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।বরুণ বিশ্বাসের দিদি প্রমীলা রায় দাবি করেছেন, তাঁর ভাই তোলাবাজি ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে সরব হওয়ায় পরিকল্পনা করে তাঁকে খুন করা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।দুই হাজার বারো সালের পাঁচ জুলাই গোবরডাঙা স্টেশন চত্বরে গুলি করে খুন করা হয় বরুণ বিশ্বাসকে। এই ঘটনায় একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হলেও পরিবারের অভিযোগ, প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাঁদের দাবি, প্রকৃত দোষীদের শাস্তি এখনও হয়নি।পরিবার জানিয়েছে, তারা অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির তত্ত্বাবধানে বিশেষ তদন্ত চেয়েছে। নতুন করে তদন্ত শুরু হওয়ায় বরুণ বিশ্বাস হত্যা মামলায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

জুলাই ০৯, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে অভিষেককে বিচারপতির কড়া প্রশ্ন! ‘রক্ষাকবচ পেয়েও তদন্তে সহযোগিতা করছেন না কেন?’

পরবর্তী শুনানির আগে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ মামলাকে ঘিরে আবারও কলকাতা হাই কোর্টে হাজির হলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মামলার দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হলেও শুনানির সময় তদন্তে সহযোগিতা না করার অভিযোগ তোলে রাজ্য। সেই প্রেক্ষিতেই বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য প্রশ্ন তোলেন, আদালতের রক্ষাকবচ থাকা সত্ত্বেও কেন তদন্তে সহযোগিতা করা হচ্ছে না। তিনি মন্তব্য করেন, কণ্ঠস্বরের নমুনা তদন্তকারীদের দেওয়া উচিত। আগামী শুক্রবার ফের এই মামলার শুনানি হবে।আগামী আট জুলাই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের কথা রয়েছে। তার আগে মঙ্গলবার এই মামলার শুনানিতে বিচারপতি জানতে চান, আদালতের সুরক্ষা পাওয়ার পরও তদন্তে সহযোগিতা করতে আপত্তি কোথায়। জবাবে অভিষেকের আইনজীবী বলেন, সংশ্লিষ্ট বক্তব্য যে তাঁর মক্কেলেরই, তা আগেই স্বীকার করা হয়েছে। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের প্রয়োজনীয়তা নেই।অন্যদিকে, রাজ্যের আইনজীবী আদালতে দাবি করেন, শুধুমাত্র মৌখিক স্বীকারোক্তির উপর নির্ভর করে তদন্ত এগোনো সম্ভব নয়। কণ্ঠস্বরের বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও আদালতের দ্বারস্থ হওয়ায় তদন্তে বিলম্ব হচ্ছে বলেও অভিযোগ তোলা হয়। রাজ্যের বক্তব্য, আদালতের রক্ষাকবচ পাওয়ার পর তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করা প্রত্যাশিত হলেও এই ক্ষেত্রে তা হচ্ছে না।বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় করা একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছিল। অভিযোগ, সেই বক্তব্য উসকানিমূলক ছিল। প্রথমে বিধাননগর থানায় মামলা দায়ের হলেও পরে তদন্তভার যায় সিআইডির হাতে। ইতিমধ্যে এই মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে। এবার তদন্তের স্বার্থে তাঁর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করতে চাইছে তদন্তকারী সংস্থা। যদিও অভিষেকের দাবি, সংশ্লিষ্ট বক্তব্য নিজের বলে তিনি আগেই স্বীকার করেছেন। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। সেই কারণেই তিনি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। তবে এখনও এই মামলার চূড়ান্ত রায় হয়নি এবং বিষয়টি বিচারাধীন।

জুলাই ০৭, ২০২৬
কলকাতা

কার টাকায় চলত অভিষেকের চাটার্ড বিমান? পাঁচ জায়গায় একসঙ্গে ইডির তল্লাশিতে নতুন রহস্য

কলকাতার একাধিক জায়গায় মঙ্গলবার সকালে তল্লাশি শুরু করেছে ইডি। তদন্তকারীদের মূল লক্ষ্য, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চাটার্ড বিমানের ভাড়ার টাকা কোথা থেকে এসেছে, সেই অর্থ কারা দিয়েছেন এবং সেই টাকার লেনদেন কীভাবে হয়েছে, তার পূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করা। সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ, রাজারহাট, নিউটাউন-সহ মোট পাঁচটি জায়গায় আলাদা আলাদা দল অভিযান চালায়।তদন্ত সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত এক ব্যবসায়ীর বাড়ি ও অফিসেও তল্লাশি চালানো হয়েছে। অভিযোগ, ওই ব্যবসায়ীর সংস্থার মাধ্যমে চাটার্ড বিমানের ভাড়ার অর্থ দেওয়া হত। সেই অর্থের উৎস কী এবং তৃণমূলের দলীয় তহবিলের সঙ্গে কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।এদিকে, তৃণমূলের তহবিল ঘিরে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই এই অভিযান নতুন করে গুরুত্ব পেয়েছে। দলের ভাঙনের পর তহবিল ও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। দলের প্রাক্তন কোষাধ্যক্ষ অরূপ বিশ্বাস ব্যাঙ্কে চিঠি দিয়ে অ্যাকাউন্ট স্থগিত রাখার আবেদন করেছিলেন। সেই বিষয়টি এখনও কলকাতা হাই কোর্টে বিচারাধীন। আদালত একাধিকবার জরুরি শুনানির আবেদন খারিজ করেছে। মঙ্গলবারও একই সিদ্ধান্ত বহাল থাকে।তদন্তকারীরা সল্টলেকের একটি সংস্থার অফিস এবং সংস্থার পরিচালকদের বাড়িতেও তল্লাশি চালিয়েছেন। অভিযোগ, ওই সংস্থার মাধ্যমেই চাটার্ড বিমানের ব্যবস্থা করা হত। তৃণমূলের একাংশের নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, বিমানের ভাড়ার অর্থ কাটমানি ও তোলাবাজির টাকায় মেটানো হয়েছে। সেই অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতেই তদন্ত এগোচ্ছে বলে সূত্রের দাবি।অন্যদিকে, এক বিজেপি বিধায়কও অভিযোগ করেছেন, তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থ জমা হয়েছে। সেই অভিযোগেরও তদন্ত চলছে। সব অভিযোগের আর্থিক নথি, ব্যাঙ্ক লেনদেন এবং অর্থের উৎস খতিয়ে দেখতেই মঙ্গলবারের এই তল্লাশি চালানো হয়েছে বলে তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত এই অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হয়নি এবং তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান।

জুলাই ০৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপ শেষে অবশেষে মুখ খুললেন রোনাল্ডো! অবসর নিয়ে যা বললেন, শুনে অবাক ফুটবল বিশ্ব

স্পেনের কাছে এক গোলে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছে পর্তুগাল। শেষ ষোলোতেই থেমে গেল রোনাল্ডোদের স্বপ্ন। দুই হাজার ছয় থেকে দুই হাজার ছাব্বিশটানা ছয়টি বিশ্বকাপ খেলেও দেশের জার্সিতে বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন পূরণ করতে পারলেন না ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। ম্যাচ শেষের পর তাঁর চোখে জল ধরা পড়লেও অবসরের ঘোষণা দেননি এই তারকা ফুটবলার।খেলা শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রোনাল্ডো বলেন, এভাবে বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হওয়ায় তাঁর খুব খারাপ লাগছে। তিনি জানান, দেশের জন্য নিজের সর্বস্ব উজাড় করে দিয়েছেন। তাই কোনও আক্ষেপ নেই। এটাই একজন ফুটবলারের জীবন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এটাই তাঁর শেষ বিশ্বকাপ হলেও জাতীয় দল থেকে অবসর নেওয়ার বিষয়ে এখনই কোনও সিদ্ধান্ত নিতে চান না। আবেগের বশে কোনও সিদ্ধান্ত নেবেন না বলেও জানান তিনি। তাঁর কথায়, দেশের দলের এখনও তাঁকে প্রয়োজন। আপাতত পরিবারের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটাতে চান তিনি। এরপরই ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।দেশের হয়ে নিজের সাফল্যের কথাও তুলে ধরেন রোনাল্ডো। তিনি বলেন, তাঁর আগে পর্তুগাল কোনও বড় আন্তর্জাতিক ট্রফি জিততে পারেনি। তাঁর নেতৃত্বে দল ইউরো জিতেছে। পাশাপাশি দুটি নেশন্স কাপও জিতেছে। তাঁর মতে, ইউরো জয়ের গুরুত্ব বিশ্বকাপ জয়ের সমান।রোনাল্ডোর এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই সমাজমাধ্যমে শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক। অনেকের দাবি, বিশ্বকাপে বিশ্বের নানা দেশের সেরা দল অংশ নেয়। তাই মর্যাদার দিক থেকে বিশ্বকাপের সঙ্গে ইউরোর তুলনা চলে না। আবার অনেকের মতে, বিশ্বকাপ জিততে না পারার আক্ষেপ থেকেই এমন মন্তব্য করেছেন রোনাল্ডো। যদিও তাঁর অনুরাগীদের বড় একটি অংশ এখনও বিশ্বাস করেন, দেশের ফুটবলে তাঁর অবদান কোনও ট্রফির মাপে বিচার করা সম্ভব নয়।স্পেনের কাছে হারের পর পর্তুগাল দলের প্রধান কোচ রবার্তো মার্টিনেজও পদত্যাগ করেছেন। ফলে পর্তুগাল ফুটবলে নতুন অধ্যায় শুরু হতে চলেছে। তবে রোনাল্ডোর ভবিষ্যৎ কী হবে, সেই প্রশ্নের উত্তর এখনও অধরাই রয়ে গেল।

জুলাই ০৭, ২০২৬
রাজ্য

শ্যামাপ্রসাদের ১২৫তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে পক্ষব্যাপী স্মৃতিচারণ, বর্ধমানের বিদ্যালয়ে নানা প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

পক্ষব্যাপী স্মৃতিপক্ষ পালন শেষে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫তম জন্মজয়ন্তী উদযাপনে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করল বর্ধমান শহরের কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়। বক্তৃতা, বিতর্ক, কুইজ, যোগব্যায়াম, অঙ্কন, সঙ্গীত ও নৃত্য-সহ একাধিক প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে ছাত্রছাত্রীরা স্মরণ করল বাংলার এই বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, চিন্তক ও রাজনীতিককে।অনুষ্ঠানে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতার মূল বিষয় ছিল ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জীবন ও কর্ম, স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট, দেশভাগ, তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতি, পশ্চিমবঙ্গের গঠন এবং বাংলা ও বাঙালির গৌরবময় ঐতিহ্য। শিক্ষিকা অনন্যা ঘোষের পরিচালনায় বাংলার লোকগানের সঙ্গে নৃত্য ও সঙ্গীত পরিবেশন করে বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা।৬ জুলাই আয়োজিত মূল অনুষ্ঠানের সূচনা হয় শিক্ষিকা দেবলীনা ঘোষ ও ছাত্রছাত্রীদের সমবেত উদ্বোধনী সঙ্গীতের মাধ্যমে। শিক্ষিকা কৃষ্ণা ঘোষ তাঁর বক্তব্যে বলেন, বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের রূপায়ণে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি তৎকালীন সাম্প্রদায়িক সংকটের প্রেক্ষাপটে পশ্চিমবঙ্গের স্বার্থরক্ষায় ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছিলেন বলে মন্তব্য করেন।বর্ধমানের বিশিষ্ট নাগরিক সুব্রত মুখোপাধ্যায় বলেন, ছাত্রজীবন থেকেই শ্যামাপ্রসাদ ছিলেন অসাধারণ মেধাবী। মাতৃপ্রেরণায় তিনি দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হন। অল্প বয়সেই উচ্চশিক্ষায় সাফল্যের পরিচয় দেওয়ার পাশাপাশি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর সঙ্গেও রাজনৈতিক মতবিনিময় করেছিলেন। স্বাধীনতার পর কেন্দ্রীয় শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী হিসেবে দেশের শিল্পোন্নয়নে তাঁর অবদানও তিনি স্মরণ করেন।বিশিষ্ট পরিবেশবিদ অর্ণব দাস বলেন, ভারত তথা বাংলার ইতিহাসে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। তাঁর জীবন ও কর্মের পুনর্মূল্যায়নের এখনই উপযুক্ত সময়।বিদ্যালয়ের প্রবীণ শিক্ষক দীপ্ত সুন্দর মুখোপাধ্যায় বলেন, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে ড. শ্যামাপ্রসাদ উদ্ভাবন, দক্ষতা ও যুগোপযোগী শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছিলেন। বর্তমান জাতীয় শিক্ষানীতিতেও সেই ভাবনার প্রতিফলন দেখা যায় বলে তিনি উল্লেখ করেন।রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত বলেন, এক সংকটময় সময়ে বাংলার মর্যাদা রক্ষায় ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ভূমিকা ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর বহুমাত্রিক কর্মজীবন ভবিষ্যতেও গবেষকদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয় হয়ে থাকবে। তিনি তাঁকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক সৌমেন লাহা। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি, আগামী প্রজন্মের কাছে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জীবন, আদর্শ ও কর্মকে তুলে ধরতেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

জুলাই ০৬, ২০২৬
সম্পাদকীয়

ভারত কেশরী শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি: এক অবিস্মরণীয় রাষ্ট্রনায়ক

৬ জুলাই। ভারতীয় রাজনীতির ইতিহাসে এক স্মরণীয় দিন। আজ সেই মানুষটির জন্মদিন, যিনি স্বাধীন ভারতের জাতীয়তাবাদী রাজনীতির অন্যতম প্রধান মুখ, শিক্ষাবিদ, চিন্তাবিদ এবং আপসহীন দেশপ্রেমিকড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি।অনেকেই তাঁকে কেবল একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে মনে রাখেন। কিন্তু তাঁর পরিচয় এর চেয়েও অনেক বিস্তৃত। তিনি ছিলেন এক অসামান্য শিক্ষাবিদ, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বকনিষ্ঠ উপাচার্য, স্বাধীন ভারতের প্রথম শিল্প ও সরবরাহমন্ত্রী এবং পরবর্তীকালে ভারতীয় জনসংঘের প্রতিষ্ঠাতা। দেশের ঐক্য, সাংবিধানিক মর্যাদা এবং জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে তিনি কখনও আপস করেননি।ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির শিকড় জড়িয়ে রয়েছে বাংলার মাটির সঙ্গে। তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের জিরাট। যদিও তাঁর জন্ম হয়েছিল কলকাতার ভবানীপুরে, তবুও জিরাট আজও গর্বের সঙ্গে বহন করে তাঁর পারিবারিক ঐতিহ্যের স্মৃতি। এই বাংলার মাটিতেই তাঁর শৈশব-কৈশোরের মূল্যবোধ গড়ে ওঠে, যা পরবর্তীকালে তাঁকে জাতীয় রাজনীতির এক দৃঢ়চেতা ব্যক্তিত্বে পরিণত করে।রাজনৈতিক জীবনে তিনি ছিলেন নির্ভীক। দেশভাগের সময় বাংলার হিন্দু অধ্যুষিত অঞ্চলকে ভারতের অন্তর্ভুক্ত রাখার দাবিতে তাঁর ভূমিকা ইতিহাসে বিশেষভাবে স্মরণীয়। তাঁর দৃঢ় অবস্থানের ফলেই পশ্চিমবঙ্গ ভারতের অংশ হিসেবে টিকে থাকেএমন মত বহু ঐতিহাসিক ও গবেষকের। স্বাধীনতার পরে তিনি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় যোগ দিলেও দেশের স্বার্থে মতপার্থক্য দেখা দিলে বিন্দুমাত্র দ্বিধা না করে মন্ত্রিত্ব ত্যাগ করেন। নীতির সঙ্গে আপস না করার এই বিরল দৃষ্টান্ত আজও রাজনৈতিক মহলে অনুকরণীয়।ভারতের সংবিধানে ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদের প্রবর্তন এবং জম্মু-কাশ্মীরে পৃথক সংবিধান, পৃথক পতাকা ও পৃথক প্রধানমন্ত্রীর ব্যবস্থার বিরুদ্ধে তিনি দৃঢ় আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন। তাঁর বিখ্যাত আহ্বানএক দেশে দুই বিধান, দুই প্রধান, দুই নিশান চলবে নাআজও জাতীয় রাজনীতিতে এক ঐতিহাসিক স্লোগান হিসেবে বিবেচিত।১৯৫৩ সালে কাশ্মীরে প্রবেশের সময় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। বন্দি অবস্থায় রহস্যজনক পরিস্থিতিতে তাঁর মৃত্যু হয়। সেই মৃত্যুকে ঘিরে আজও বহু প্রশ্নের সম্পূর্ণ উত্তর মেলেনি। স্বাধীন ভারতের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে এটি এক বিতর্কিত অধ্যায় হিসেবেই রয়ে গেছে।দুঃখজনক হলেও সত্য, স্বাধীনতার পর দীর্ঘ সময় ধরে দেশের রাজনৈতিক পরিসরে, বিশেষত তৎকালীন কংগ্রেস-নেতৃত্বাধীন সরকারগুলির আমলে, ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির অবদানকে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হয়নিএমন অভিযোগ বহু গবেষক, ইতিহাসবিদ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক দীর্ঘদিন ধরে তুলে ধরেছেন। পাঠ্যপুস্তক, সরকারি আলোচনা কিংবা জাতীয় স্মৃতিচর্চায় তাঁর ভূমিকা অনেকাংশেই আড়ালে থেকে যায় বলে সমালোচনা রয়েছে। মতাদর্শগত পার্থক্য থাকতেই পারে, কিন্তু জাতীয় জীবনে তাঁর অবদান অস্বীকার করার সুযোগ নেই। ইতিহাসের মূল্যায়ন হওয়া উচিত তথ্য, অবদান এবং কর্মের ভিত্তিতেরাজনৈতিক পক্ষপাতের ভিত্তিতে নয়।আজকের ভারত তাঁর স্বপ্নের বহু দিক বাস্তবায়নের সাক্ষী। দেশের ঐক্য ও অখণ্ডতার প্রশ্নে তাঁর যে দৃষ্টিভঙ্গি ছিল, তা আজও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। রাজনৈতিক মতভেদ থাকতেই পারে, কিন্তু একজন শিক্ষাবিদ, সংসদীয় গণতন্ত্রের বিশ্বাসী নেতা এবং আত্মত্যাগী দেশপ্রেমিক হিসেবে তাঁর অবদান ভারতীয় ইতিহাসে চিরস্মরণীয়।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর, এই বছর ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির জন্মদিনে রাজ্যজুড়ে এক পক্ষকাল ধরে স্কুল, কলেজ সহ নানা প্রতিষ্ঠানে গভীর শ্রদ্ধ নিবেদনের পালা চলছে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞের মতে তাঁর জীবন আমাদের শেখায়আদর্শের জন্য সংগ্রাম করতে হয়, নীতির জন্য ত্যাগ স্বীকার করতে হয়, আর দেশকে ভালোবাসতে হলে ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠতে হয়। ইতিহাসের পৃষ্ঠায় তিনি কেবল একটি রাজনৈতিক দলের নেতা নন; তিনি ভারতের গণতান্ত্রিক যাত্রাপথের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়, যাঁর স্মৃতি আগামী প্রজন্মকেও দেশপ্রেম, দায়িত্ববোধ এবং আত্মত্যাগের শিক্ষা দিয়ে যাবে।

জুলাই ০৬, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 152
  • 153
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

মোদির ভিডিও সরাতেই বড় বিপাকে মেটা! ফের তলব শীর্ষ কর্তা, এবার কী হতে চলেছে?

ফেসবুক থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাইরাল সেলফি ভিডিও সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই ঘটনায় এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয়বার মেটার বৈশ্বিক জননীতি বিষয়ক প্রধানকে তলব করল কেন্দ্র। বুধবার সকালে সংশ্লিষ্ট সরকারি আধিকারিকের সামনে হাজির হতে বলা হয়েছে মেটার শীর্ষ কর্তা জোয়েল কাপলানকে। সূত্রের খবর, একই বিষয়ে ইনস্টাগ্রামের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তাকেও ডেকে পাঠানো হয়েছে।জেন-জি প্রজন্মের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তৈরি সেলফি ভিডিও হঠাৎ ফেসবুক থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর দেশজুড়ে বিতর্ক শুরু হয়। পরে মেটা এই ঘটনার জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলেও তাতে সন্তুষ্ট নয় কেন্দ্র।তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সংসদীয় কমিটির বৈঠকের পর কমিটির প্রধান নিশীকান্ত দুবে স্পষ্ট জানান, শুধু ক্ষমা চাইলেই দায় শেষ হয় না। এই ঘটনার পূর্ণ দায় মেটাকেই নিতে হবে। প্রয়োজনে সংস্থার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপও করা উচিত বলে মত প্রকাশ করেন তিনি।প্রসঙ্গত, নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদ এবং পরীক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতার দাবিতে দেশজুড়ে আন্দোলনের আবহের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী একটি বিশেষ ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেছিলেন। সেখানে তিনি প্রশ্নপত্র ফাঁসকে অত্যন্ত গুরুতর সমস্যা বলে উল্লেখ করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের স্বার্থে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।প্রধানমন্ত্রীর এই ভিডিও প্রকাশের পর খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তা ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। ইনস্টাগ্রামে মাত্র চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে ভিডিওটির দর্শকসংখ্যা তিনশো তিন মিলিয়ন ছাড়িয়ে যায়। সেই সাফল্যের মধ্যেই ফেসবুক থেকে ভিডিওটি সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। এখন কেন্দ্রের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
বিদেশ

পাকিস্তানে কি ফের সেনা অভ্যুত্থান? এক মন্ত্রীর বিস্ফোরক মন্তব্যে তীব্র জল্পনা

পাকিস্তানের রাজনীতিতে আবারও অনিশ্চয়তার মেঘ ঘনিয়ে উঠেছে। দেশের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী মহসিন নকভির একের পর এক মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। রাজনৈতিক মহলের একাংশের প্রশ্ন, পাকিস্তানে কি আবারও সেনা অভ্যুত্থানের সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে?পাকিস্তানের ইতিহাসে একাধিকবার সামরিক শাসন এসেছে। অতীতে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে তিনবার দেশের ক্ষমতা পরিবর্তন হয়েছে। সেই অতীতের প্রেক্ষাপটেই নকভির সাম্প্রতিক মন্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেক বিশ্লেষক।সম্প্রতি তিনি দাবি করেছেন, পাকিস্তানের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় দুর্নীতির ঘটনা সামনে এসেছে। তাঁর অভিযোগ, এই দুর্নীতির সঙ্গে রাজনীতিবিদ, আমলা, বিচারপতি এবং ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার বহু ব্যক্তি জড়িত। দীর্ঘদিন ধরে ঘুষ ও দুর্নীতির সংস্কৃতি চলেছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, তদন্তে যাঁদের নাম উঠে আসবে, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তবে রাজনৈতিক মহলের নজর কেড়েছে অন্য একটি বিষয়। দুর্নীতির অভিযোগে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কথা উল্লেখ করলেও সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে কোনও মন্তব্য করেননি নকভি। এই ঘটনাকে ঘিরেই নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের মতে, সেনাবাহিনীর সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের সঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তাঁর উপস্থিতি রাজনৈতিক সমীকরণকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, পাকিস্তানের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ক্ষমতার অন্দরে বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। যদিও সেনা অভ্যুত্থান নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও সরকারি ঘোষণা বা নির্ভরযোগ্য প্রমাণ সামনে আসেনি। ফলে বিষয়টি এখন জল্পনার পর্যায়েই রয়েছে। তবে নকভির ধারাবাহিক মন্তব্যে পাকিস্তানের রাজনীতি যে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
দেশ

বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর! আরও পাঁচ হাজার মহিলা পাবেন অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা, কারা থাকছেন তালিকায়?

দিল্লির বঙ্গভবনে এনসিপিআই সাংসদদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রায় এক ঘণ্টার এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, শতাব্দী রায়-সহ দলের অন্যান্য সাংসদরা। বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট বার্তা দেন, রাজ্যের উন্নয়নের কাজ আরও দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে এবং সরকারি প্রকল্পের সুবিধা প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের কাছেও পৌঁছে দিতে হবে।বৈঠকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ছিল অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে। যাঁরা আবেদন করার পরেও এখনও এই প্রকল্পের আর্থিক সুবিধা পাননি, তাঁদের জন্য নতুন সুযোগের ঘোষণা করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রত্যেক এনসিপিআই সাংসদ তাঁদের নিজ নিজ লোকসভা এলাকায় অতিরিক্ত পাঁচ হাজার উপভোক্তার নাম সুপারিশ করতে পারবেন। সেই তালিকায় থাকবেন এমন মহিলারা, যাঁরা এখনও অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাননি।ইতিমধ্যেই বহু উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পৌঁছে গিয়েছে। তবে অনেক আবেদনকারী এখনও এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। তাঁদের কথা মাথায় রেখেই এই নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে কুড়ি জন সাংসদের মাধ্যমে মোট এক লক্ষ নতুন উপভোক্তা এই প্রকল্পের আওতায় আসতে পারেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।বৈঠকের পরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে শতাব্দী রায় জানান, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে অত্যন্ত ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, এলাকার উন্নয়নের জন্য নতুন রাস্তা, সমন্বিত শিশু বিকাশ কেন্দ্র এবং বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি যাঁরা অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা এখনও পাননি, তাঁদের মধ্যে পাঁচ হাজার জনের নাম প্রত্যেক সাংসদ সুপারিশ করতে পারবেন বলেও জানানো হয়েছে।সূত্রের খবর, বৈঠকে কয়েকজন সাংসদ অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরেও অনেক এলাকায় নিচুতলার কর্মীদের সহযোগিতা তাঁরা পাচ্ছেন না। কোথাও কোথাও প্রশাসনিক সহযোগিতার অভাবের কথাও তুলে ধরা হয়। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ আরও বাড়ানো এবং সরকারি প্রকল্পের সুবিধা সরাসরি পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
কলকাতা

মহালয়ার অমর কণ্ঠকে বড় সম্মান! বদলে যেতে পারে শ্যামবাজার মেট্রোর নাম, সামনে এল বড় প্রস্তাব

বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে আরও মর্যাদা দিতে বড় উদ্যোগের প্রস্তাব সামনে এল। প্রবাদপ্রতিম কণ্ঠশিল্পী বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের জন্মদিনে তাঁর স্মৃতিকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের দাবি তুললেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তিনি প্রস্তাব দিয়েছেন, শ্যামবাজার মেট্রো স্টেশনের নাম বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের নামে করা হোক। পাশাপাশি তাঁর ঐতিহাসিক বাড়িকে হেরিটেজ হিসেবে সংরক্ষণের উদ্যোগও নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন।মঙ্গলবার বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের জন্মদিনে শ্যামবাজারের রামধন মিত্র লেনের বাড়িতে যান অগ্নিমিত্রা পাল। সেখানে তিনি কিংবদন্তি শিল্পীর মূর্তিতে মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জানান এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। বীরেন্দ্রকৃষ্ণের পুত্রবধূ সুস্মিতা ভদ্রের সঙ্গেও দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করেন তিনি।মন্ত্রী জানান, মহালয়ার ভোরে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের চণ্ডীপাঠ ছাড়া বাঙালির দুর্গাপুজোর আবহ যেন সম্পূর্ণ হয় না। তাই তাঁর অবদানকে আগামী প্রজন্মের কাছে স্মরণীয় করে রাখতে স্থায়ী উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। সেই কারণেই শ্যামবাজার মেট্রো স্টেশনের নাম তাঁর নামে করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।শ্যামবাজারের রামধন মিত্র লেনের পুরনো বাড়িটিও সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন মন্ত্রী। বর্তমানে বাড়িটির অবস্থা অনেকটাই জীর্ণ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ঐতিহাসিক এই বাড়ির গুরুত্ব আরও বেড়েছে। তাই এটিকে হেরিটেজ হিসেবে ঘোষণা করে সংরক্ষণ করার পরিকল্পনা রয়েছে।কলকাতার একাধিক মেট্রো স্টেশনের নাম ইতিমধ্যেই বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের নামে রাখা হয়েছে। মহানায়ক উত্তম কুমার, কাজী নজরুল ইসলাম, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু এবং সুকান্ত ভট্টাচার্যের নামে মেট্রো স্টেশন রয়েছে। এবার সেই তালিকায় বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের নামও যুক্ত হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন অনেকে।রাজ্য সরকার বাংলার ঐতিহ্য ও মনীষীদের স্মৃতি সংরক্ষণে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও জানিয়েছেন অগ্নিমিত্রা পাল। শুধু বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র নন, অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিদের ঐতিহাসিক বাড়িও সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ঐতিহাসিক বাসভবন সংরক্ষণের বিষয়েও পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেছেন তিনি।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
দেশ

বড় ভাঙনের ইঙ্গিত! বিজেপির সঙ্গে যাব না, স্পষ্ট জানালেন আবু তাহের, বাড়ল নতুন জল্পনা

রাজ্যের রাজনীতিতে আবারও নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। এনসিপিআইয়ের সাংসদ আবু তাহের স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি এনসিপিআইতে থাকলেও বিজেপির সঙ্গে কোনওভাবেই যেতে চান না। একই ধরনের বক্তব্য রেখেছেন খলিলুর রহমানও। এই মন্তব্য সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।তৃণমূল ছেড়ে একসঙ্গে বিশ জন সাংসদ এনসিপিআইতে যোগ দিয়েছিলেন। পরে তাঁরা লোকসভার স্পিকারের কাছে নতুন দল হিসেবে স্বীকৃতির আবেদন করেন। পাশাপাশি এনডিএর শরিক হওয়ার জন্যও আবেদন করা হয়। সেই পরিস্থিতিতে আবু তাহের ও খলিলুর রহমানের এই অবস্থান নতুন করে জল্পনা তৈরি করেছে।রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন, যদি শুরু থেকেই এনডিএর অংশ হওয়ার পরিকল্পনা থাকে, তাহলে এখন কেন বিজেপির সঙ্গে যাওয়ার ক্ষেত্রে আপত্তি জানানো হচ্ছে? এই অবস্থান কি শুধুই রাজনৈতিক, নাকি ভবিষ্যতের বড় কোনও সমীকরণের ইঙ্গিত?আবু তাহের বলেন, তাঁদের নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়েছেন, সংখ্যালঘু সাংসদরা এনডিএর বৈঠকে অংশ নেননি। তাঁদের রাজনৈতিক ও সামাজিক কিছু বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সেই কারণেই তাঁরা এনডিএর বৈঠকে যাননি এবং ভবিষ্যতেও যাওয়ার পরিকল্পনা নেই। তাঁরা এনসিপিআইতেই থাকবেন।এই বক্তব্যের পর আরও একটি প্রশ্ন সামনে এসেছে। প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যেই এনসিপিআইকে এনডিএর শরিক হিসেবে পরিচয় করিয়েছেন। সে ক্ষেত্রে একই দলে থেকেও কয়েকজন সাংসদ কীভাবে এনডিএ থেকে নিজেদের দূরে রাখবেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এর আগে দিল্লিতে এনডিএর বৈঠকে এনসিপিআইয়ের কয়েকজন সাংসদ উপস্থিত থাকলেও আবু তাহের, খলিলুর রহমান এবং আরও এক সংখ্যালঘু সাংসদ সেখানে যাননি। সেই ঘটনাও যথেষ্ট আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। এরই মধ্যে সংসদ চত্বরে তাঁদের সঙ্গে তৃণমূলের নেতাদের কথোপকথন ঘিরেও নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। ফলে আগামী দিনে এনসিপিআইয়ের রাজনৈতিক অবস্থান কী হবে এবং এই দল এনডিএর সঙ্গে কতটা এগোবে, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
কলকাতা

চিনার পার্ক থেকে নবান্ন! হামিমের নিশানায় কি মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা? জেরায় উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

জঙ্গি সন্দেহে ধৃত হামিম মণ্ডল এবং তার সহযোগীদের জেরা করে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। তাঁদের দাবি, শুধু মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সভা বা যাতায়াতের পথ নয়, চিনার পার্কের বাড়ির আশপাশেও নজরদারি চালানো হয়েছিল। পাশাপাশি হামিম বা তার সহযোগীরা নবান্ন চত্বরেও গিয়েছিল কি না, তা জানতে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।গত সপ্তাহে বর্ধমান থেকে হামিম মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, জেরায় জানা গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর গতিবিধির উপর নজর রাখা ছিল তার অন্যতম দায়িত্ব। অভিযোগ, বিদেশে থাকা হ্যান্ডলারদের নির্দেশেই এই নজরদারি চলছিল। নিরাপত্তার কোথাও দুর্বলতা রয়েছে কি না, সেটাই খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হচ্ছিল বলে তদন্তকারীদের ধারণা।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, হামিম মুখ্যমন্ত্রীর একাধিক জনসভা এবং কর্মসূচির আশপাশে গিয়েছিল। পাশাপাশি চিনার পার্কের বাড়ির অবস্থানও খতিয়ে দেখেছিল বলে দাবি। এমনকি বাড়ির কাছাকাছি কোথাও থাকার পরিকল্পনাও করা হয়েছিল বলে তদন্তকারীদের অনুমান। যদিও সত্যিই সেখানে কোনও বাড়ি ভাড়া নেওয়া হয়েছিল কি না, তা এখনও নিশ্চিত হয়নি।তদন্তকারীদের ধারণা, হামিম ও তার সহযোগীরা নবান্ন চত্বরেও গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে থাকতে পারে। সেই কারণেই ওই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খুঁটিয়ে দেখা হচ্ছে। হামিমের গতিবিধি এবং তার সঙ্গে কারা যোগাযোগ রেখেছিল, সেই তথ্যও সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।তদন্তে আরও দাবি করা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও হাওড়ার উত্তর কেন্দ্রের বিধায়ক এবং রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী উমেশ রাইও হামিমদের নজরদারির তালিকায় ছিলেন। অভিযোগ, তাঁর ছেলেকে হানিট্র্যাপের মাধ্যমে ফাঁদে ফেলে অপহরণের পরিকল্পনাও করা হয়েছিল। এই তথ্য হামিমকে জেরা করেই পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি তদন্তকারী সংস্থার।ইতিমধ্যেই হামিমের ঘনিষ্ঠ অর্পিতা সরকার এবং আদিত্য সিংকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, অর্পিতার বিদেশে থাকা হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল। তবে এই নেটওয়ার্কে আরও কারা জড়িত, অর্থ কোথা থেকে আসত এবং আর কী কী পরিকল্পনা ছিল, সেই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে ধৃতদের জেরা চলছে।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
রাজ্য

জঙ্গি সন্দেহে তদন্তে বড় মোড়! হামিমের পর গ্রেফতার আরও এক যুবক, সামনে চাঞ্চল্যকর দাবি

জঙ্গি সন্দেহে ধৃত হামিমকে ঘিরে তদন্তে আরও এক বড় সাফল্যের দাবি করল বিশেষ তদন্তকারী দল। হামিম এবং তাঁর বান্ধবী অর্পিতার পর এবার গ্রেফতার করা হয়েছে আদিত্য সিং ওরফে রাজুকে। ভোররাতে হাওড়ার বেলিলিয়াস রোডের বাড়ি থেকে তাঁকে আটক করে তদন্তকারীরা।তদন্তকারীদের দাবি, আদিত্য দীর্ঘদিন ধরেই হামিমের পরিচিত ছিল এবং বিভিন্নভাবে তাকে সাহায্য করত। তদন্তে এমন তথ্যও উঠে এসেছে বলে দাবি করা হচ্ছে, যেখানে বলা হয়েছে এক মন্ত্রীর গতিবিধির উপর নজর রাখার দায়িত্ব আদিত্যর উপর ছিল। তদন্তকারীদের অভিযোগ, ওই মন্ত্রী এবং তাঁর ছেলের গাড়ি, বাড়ি ও চলাফেরার ছবি এবং ভিডিও সংগ্রহ করে হামিমের কাছে পাঠিয়েছিল আদিত্য। তবে এই অভিযোগের সত্যতা এখনও আদালতে প্রমাণিত হয়নি।এখন তদন্তকারীরা জানতে চাইছেন, শুধুমাত্র ওই মন্ত্রী এবং তাঁর পরিবারের উপরই নজর রাখা হচ্ছিল, নাকি আরও কেউ তাদের লক্ষ্য ছিল। সেই কারণেই আদিত্যকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।আদিত্যর গ্রেফতারের পর তাঁর পরিবার এবং প্রতিবেশীরা কার্যত হতবাক। পরিবারের দাবি, তিনি কলেজে বাণিজ্য বিভাগে পড়াশোনা করতেন। কীভাবে হামিমের সঙ্গে তাঁর পরিচয় বা যোগাযোগ তৈরি হল, তা তাঁদের জানা নেই।এক প্রতিবেশীর কথায়, আদিত্যকে সবসময় পড়াশোনা করতে দেখা যেত। তিনি কখনও এমন কোনও কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারেন, তা বিশ্বাস করা কঠিন। আর এক প্রতিবেশীর দাবি, আদিত্যর বাড়িতে কোনও বন্ধুবান্ধবকে নিয়মিত আসতে দেখা যেত না। তাই এই ঘটনায় তাঁরাও বিস্মিত।আদিত্যর মা জানিয়েছেন, তাঁর ছেলে নিয়মিত কলেজে যেত এবং পড়াশোনাতেই মন দিত। সম্প্রতি পড়াশোনার জন্য একটি ল্যাপটপও কিনে দিয়েছিলেন তাঁর বাবা। প্রতিদিন হাতখরচের টাকাও দিতেন। পরিবারের দাবি, যদি আগে কোনও সন্দেহজনক বিষয় তাঁদের নজরে আসত, তাহলে অবশ্যই তাঁকে সতর্ক করা হত।পরিবারের এক আত্মীয় জানান, কয়েক দিন আগে তদন্তকারী আধিকারিকরা বাড়িতে এসে কিছু প্রশ্ন করেছিলেন। কিন্তু তারপর অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই পরিস্থিতি এতটা বদলে যাবে, তা তাঁদের কল্পনারও বাইরে ছিল।তদন্ত এখনও চলছে। আদিত্যর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা আদালতের বিচার এবং তদন্তের মাধ্যমেই স্পষ্ট হবে।

আগস্ট ০৩, ২০২৬
দেশ

অন্যকে জেতানোর কারিগর এবার নিজেই জিতলেন! বাঁকিপুরে প্রশান্ত কিশোরের ঐতিহাসিক চমক

অন্যকে নির্বাচনে জেতানোর কৌশল তৈরি করেই এতদিন পরিচিত ছিলেন প্রশান্ত কিশোর। এবার নিজেই ভোটে লড়ে ইতিহাস গড়লেন তিনি। বিহারের বাঁকিপুর বিধানসভা উপনির্বাচনে দীর্ঘ একত্রিশ বছর ধরে বিজেপির দখলে থাকা আসন ছিনিয়ে নিয়ে প্রথমবার বিধায়ক হলেন প্রশান্ত কিশোর। তাঁর জয়ের হাত ধরেই প্রথমবার বিধানসভায় প্রতিনিধিত্ব পেল জন সুরাজ।গণনার শুরু থেকেই এগিয়ে ছিলেন প্রশান্ত কিশোর। বত্রিশ দফা গণনা শেষে তাঁর জয় নিশ্চিত হয়। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, তিনি পেয়েছেন চৌষট্টি হাজার একশো একান্ন ভোট। বিজেপি প্রার্থী নীরজ কুমার পেয়েছেন চুয়াল্লিশ হাজার আটশো সাতাশ ভোট। ফলে উনিশ হাজার তিনশো চব্বিশ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন প্রশান্ত কিশোর। আরজেডি প্রার্থী রেখা কুমারী চৌদ্দ হাজার দুইশো তিয়াত্তর ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থানে শেষ করেন।জয়ের পর বাঁকিপুরের ভোটারদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রশান্ত কিশোর বলেন, বিহারের উন্নয়ন, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানই তাঁর প্রধান লক্ষ্য। তাঁর দাবি, এই ফলের মাধ্যমে রাজ্যের মানুষ এমন নেতৃত্বের পক্ষেই মত দিয়েছেন, যিনি শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের উন্নতিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবেন।জন সুরাজের নেতাদের দাবি, তরুণ ভোটারদের সমর্থন তাদের সাফল্যের অন্যতম কারণ। যদিও এই দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব নয়। ভোটের আগে বিহারে বিভিন্ন ছাত্র আন্দোলন এবং শিক্ষা নিয়ে বিতর্ক রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। সেই কারণেই তরুণ ভোটারদের ভূমিকা নিয়ে জোর আলোচনা চলছিল।বাঁকিপুর দীর্ঘদিন ধরেই বিজেপির অন্যতম শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। উনিশশো পঁচানব্বই সাল থেকে এই আসন বিজেপির দখলে ছিল। এখান থেকেই একাধিকবার জয়ী হয়েছিলেন দলের শীর্ষ নেতা নিতিন নবীন। পরে তিনি রাজ্যসভার সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় আসনটি ছেড়ে দেন। সেই শূন্য আসনেই অনুষ্ঠিত হয় এই উপনির্বাচন।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, দুই হাজার পঁচিশ সালের বিহার বিধানসভা নির্বাচনে জন সুরাজ একটি আসনও জিততে পারেনি। সেই নির্বাচনে প্রশান্ত কিশোর নিজেও প্রার্থী হননি। মাত্র এক বছরের মধ্যে পটনার গুরুত্বপূর্ণ এই আসনে জয় পেয়ে দলকে প্রথমবারের মতো বিধানসভায় পৌঁছে দিলেন তিনি।জন সুরাজের সভাপতি মনোজ ভারতী বলেন, বাঁকিপুরের মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছেন। তাঁর দাবি, নীরব ভোটারদের বড় অংশ জন সুরাজের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং এই ফল বিহারের রাজনীতিতে নতুন বার্তা দিল।অন্যদিকে, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী জনগণের রায়কে সম্মান জানিয়ে প্রশান্ত কিশোরকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, গণতন্ত্রে জনগণের সিদ্ধান্তই সর্বোচ্চ এবং সেই রায়কে সম্মান জানানোই সকলের দায়িত্ব।

আগস্ট ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal