• ২১ চৈত্র ১৪৩২, সোমবার ০৬ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

IS

দেশ

রেকর্ড গড়ল করোনাজয়ীর সংখ্যা, কমল দৈনিক সংক্রমণ

দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যায় সামান্য স্বস্তি পেল ভারত। চার লক্ষের গন্ডি পেরনোর পরদিনই সামান্য কমল দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা। তবে, উদ্বেগ বাড়াচ্ছে মৃত্যু। রবিবার মৃতের সংখ্যায় রেকর্ড গড়েছে দেশ। টানা দ্বিতীয়বার মৃতের সংখ্যা পেরল তিন হাজার পাঁচশোর গণ্ডি। তবে, সবচেয়ে স্বস্তির খবর দেশে প্রথমবার দৈনিক সুস্থতার সংখ্যা ৩ লক্ষ পেরল।রবিবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩ লক্ষ ৯২ হাজার ৪৮৮ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে প্রায় অনেকটাই কম। আপাতত দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৯৫ লক্ষ ৫৭ হাজার ৪৫৭ জন। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আপাতত মৃতের সংখ্যা ২ লক্ষ ১৫ হাজার ৫৪২ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার ৬৮৯ জনের। এই সংখ্যাটাও সর্বকালের রেকর্ড। এই নিয়ে দ্বিতীয় দিন মৃত্যু সাড়ে ৩ হাজার পেরল।স্বস্তির খবর হল, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ৩ লক্ষ ৭ হাজার ৮৬৫ জন। যা দৈনিক আক্রান্তের থেকে অনেক কম হলেও এযাবৎকালের রেকর্ড। আপাতত দেশের মোট অ্যাকটিভ কেস বেড়ে দাঁড়াল ৩৩ লক্ষ ৪৯ হাজার ৬৪৪ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত সবমিলিয়ে সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ৬৮ লক্ষ ৮৪ হাজার ১৬ হাজার ৩১ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে টিকা পেয়েছেন মোট ১৫ কোটি ৬৮ লক্ষ ১৬ হাজার ৩১ জন।

মে ০২, ২০২১
কলকাতা

গণনার আগের দিন রাজভবনে মিঠুন

রাত পোহালেই বাংলার ভোটগণনা। বঙ্গের মাটিতে পরিবর্তন নাকি প্রত্যাবর্তন, জানতে মুখিয়া গোটা দেশ। ঠিক তার আগের দিন অর্থাৎ শনিবার রাজভবনে এলেন মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তী। রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ সারলেন তিনি। স্বাভাবিকভাবেই এই সাক্ষাৎ ঘিরে জল্পনা দানা বেঁধেছে। যদিও সূত্রের খবর, রাজ্যপালের সঙ্গে মহাগুরুর সাক্ষাৎ নেহাতই সৌজন্যমূলক। রাজভবনের তরফে এ প্রসঙ্গে এখনও কিছু জানানো হয়নি। আলোচনা শেষে মিঠুন জানান, রাজনীতি নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি। সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ ছিল।বাংলার বিধানসভা ভোটের আগেই বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন রূপালি পর্দার তারকা মিঠুন চক্রবর্তী। তার পর থেকেই বিভিন্ন এলাকায় ভোট প্রচারে তাঁকে ব্যবহার করেছে গেরুয়া শিবির। পাহাড় থেকে সমতল, জঙ্গলমহল থেকে সমুদ্রতট, সর্বত্রই প্রচার সেরেছেন তিনি। কেউ কেউ বলেছেন, মহাগুরু বিজেপির তুরুপের তাস। এমন পরিস্থিতিতে ভোটগণনার আগের দিন রাজভবনে তাঁর আগমন নিসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ বলে দাবি রাজনৈতিক মহলের। যদিও সূত্রের খবর, রাজ্যপালের আমন্ত্রণের রাজভবনে এসেছেন মহাগুরু।

মে ০১, ২০২১
স্বাস্থ্য

এই কোভিড-টু'তে ডিম খান আর সুস্থ থাকুন

আবার সে এসেছে ফিরিয়া। মানে, কোভিড। তার হাত ধরে লকডাউনও চলে আসবে কিনা, কেউ জানে না। কিন্তু এখনই বিশেষজ্ঞেরা বলছেন, সাবধানে থাকুন, বেশি বেরোবেন না, রোজ বেরোবেন না। পারলে বাজার এক সপ্তাহের তুলে রাখুন। এই রকম পরিস্থিতিতে মাছ-আনাজ-মাংস-সয়াবিন যা-ই ঘরে মজুত রাখুন না কেন, সব চেয়ে কার্যকরী ডিম। চটজলদি যা-হোকক কিছু একটা বানিয়ে নেওয়া চলে ডিম দিয়ে। অনেকদিন ধরে ঘরে রাখাও চলে। আর শুধু তাই নয়, কোভিড সংক্রমণের হাত থেকে শরীরকে রক্ষা করতেও ডিমের জুড়ি নেই!আর ডিম খেতে ভালোবাসেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। প্রোটিনের জোগান দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই খাবার আমাদের শরীরে পৌঁছে দেয় ভিটামিন, খনিজ, অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, ভালো কোলেস্টরল, প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড, ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড ইত্যাদি। নানা রকমারি পদে বানিয়ে ফেলুন ডিমের নানা রেসিপি। আর মন ভরে খেতে থাকুন ডিম। রসনা তৃপ্তির সঙ্গে সঙ্গে বাড়বে ইমিউনিটিও।

মে ০১, ২০২১
দেশ

করোনায় প্রয়াত জনপ্রিয় সাংবাদিক রোহিত সরদানা

একদিন আগে পর্যন্ত সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্য কোভিড আক্রান্তদের জন্য ওষুধের খোঁজ করেছেন। করোনা রোগীদের সঙ্গে কোনওরকম অন্যায় হলে তার প্রতিবাদ করেছেন। সেই করোনার ছোবলেই প্রাণ গেল জনপ্রিয় টেলিভিশন সাংবাদিক রোহিত সরদানার। দিনকয়েক আগেই করোনা আক্রান্ত হন রোহিত। তবে, করোনার গুরুতর উপসর্গ ছিল না তাঁর শরীরে। শুক্রবার হঠাতই হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি।২০০৪ সালে জি মিডিয়ার মাধ্যমে সাংবাদিক হিসেবে নিজের কেরিয়ার শুরু করেন রোহিত। জি মিডিয়ার জনপ্রিয় টিভি শো তাল থোক কের সঞ্চালনার জন্য খ্যাতি অর্জন করেন। মৃত্যুর আগে পর্যন্ত রোহিত আজ তক টেলিভিশন চ্যানেলে দঙ্গল নামের ডিবেট শো সঞ্চালনা করতেন। এছাড়াও একাধিক বিশেষ শোতে দেখা যেত তাঁকে। ইটিভি নিউজ নেটওয়ার্ক এবং আকাশবাণীতেও কাজ করেছেন তিনি। নিজের বাচনভঙ্গি এবং বিতর্কের ধরনের জন্য দর্শকদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয় ছিলেন রোহিত। বৃহস্পতিবার রাতেও নিজের টুইটার হ্যান্ডেল থেকে এক করোনা আক্রান্তের জন্য সাহায্য প্রার্থনা করেছিলেন রোহিত। শুক্রবার সকালে নিজেই এই মারণ রোগের বলি হন তিনি। সাংবাদিক সুধীর চৌধুরী সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর মৃত্যু সংবাদ দেন। রোহিতের অকাল প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেছেন রাজদীপ সরদেশাই, রজত শর্মাদের মতো সংবাদ জগতের মহীরুহরা। রাজনৈতিক মহল থেকেও বহু মানুষ শোক প্রকাশ করেছেন রোহিতের প্রয়াণে।

এপ্রিল ৩০, ২০২১
রাজ্য

রাজ্যে জারি আংশিক লকডাউন বন্ধ শপিং মল-রেস্তরাঁ

করোনা মোকাবিলায় বড় পদক্ষেপ। মারণ ভাইরাস মোকাবিলায় এবার বেশ কিছু ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করল রাজ্য। আজ অর্থাৎ শুক্রবার সন্ধে থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করা হল রাজ্যের সমস্ত সিনেমা হল, রেস্তরাঁ। বেঁধে দেওয়া হল বাজারের সময়সীমাও। প্রয়োজনে আরও কঠোর পদক্ষেপ করতে পারে রাজ্য। জেনে নিন আর কোন কোন বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে নবান্ন। সিনেমা হল, রেস্তরাঁ ছাড়াও অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করা হল শপিং মল, বার, স্পা, বিউটি পার্লার, সুইমিং পুল, স্পোর্টস কমপ্লেক্স ও জিম। সামাজিক, সাংস্কৃতিক, বা পড়াশোনার বিষয়েও এমন কোনও অনুষ্ঠানের আয়োজন করা যাবে না, যেখানে প্রচুর মানুষের জমায়েতের সম্ভাবনা থাকে। বেঁধে দেওয়া হল বাজারের সময়সীমা। সকাল ৭টা থেকে ১০ টা ও বিকেলে ৩ টে থেকে ৫ টা পর্যন্ত খোলা থাকবে বাজার। তবে ছাড় দেওয়া হয়েছে অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের ক্ষেত্রে। ভোটের ফল প্রকাশের দিন গণনাকেন্দ্রে জমায়েত করা যাবে না, বিজয় মিছিল করা যাবে না বলে আগেই নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন। সেই নির্দেশ লাগু রাখল রাজ্য। নিয়ম ভাঙলে আইনি পদক্ষেপের কথাও বলা হয়েছে নির্দেশিকায়। অর্থাৎ বলা যায়, করোনাকে রুখতে কার্যত আংশিক লকডাউনের পথেই হাঁটল রাজ্য। পরবর্তীতে আরও একাধিক ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারির আশঙ্কা করা হচ্ছে। জারি হতে পারে সম্পূর্ণ লকডাউন। আগেই করোনা রুখতে সোমবার থেকে দক্ষিণ দমদমের বাজারগুলি সপ্তাহে তিনদিন অর্থাৎ সোম, বুধ, শুক্রবার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। উল্লেখ্য, দেশের পাশাপাশি রাজ্যেও লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমিতের সংখ্যা। প্রতিদিন কয়েকহাজার মানুষের শরীরে থাবা বসাচ্ছে ভাইরাস। একজন আক্রান্তের থেকে সংক্রমিত হচ্ছেন বহু মানুষ। সেই কারণেই কড়া পদক্ষেপ রাজ্যের।

এপ্রিল ৩০, ২০২১
কলকাতা

এমন শান্তিপূর্ণ ভোট আগে হয়নি: মিঠুন

অষ্টম দফায় ভোট দিলেন কাশীপুর-বেলগাছিয়া আসনের ভোটার মিঠুন চক্রবর্তী। ভোট দিয়ে বেরিয়ে মহাগুরু বললেন, এমন শান্তিপূর্ণ ভোট আগে হয়নি। প্রত্যেককে ভোটাধিকার প্রয়োগের পরামর্শ দিলেন তিনি।বিজেপিতে যোগ দানের পরই কাশীপুর-বেলগাছিয়ায় বোনের বাড়ির ঠিকানায় ভোটার হন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। তারপরই জল্পনা তৈরি হয়েছিল যে ওই কেন্দ্র থেকেই হয়তো বিজেপির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তিনি। কিন্তু শেষমেষ নির্বাচনী লড়াইয়ে শামিল হননি মিঠুন চক্রবর্তী। তবে জোরকদমে প্রচার চালিয়েছেন। জেলায় জেলায় একাধিক রোড- শো, সভা করেছেন। বৃহস্পতিবার সকাল ৭. ৫০ নাগাদ নিজের বুথে যান অভিনেতা। ভোট দেন তিনি। বেরিয়ে মুখোমুখি হন সাংবাদিকদের। বলেন, এতটা শান্তিপূর্ণ ভোট আগে কখনও হয়নি। সকলের উদ্দেশে মহাগুরুর বার্তা, ভালভাবে ভোট দিন, ওটা আপনার অধিকার। প্রত্যেককে সকাল সকাল ভোটদানের কথাও বলেন তিনি।

এপ্রিল ২৯, ২০২১
রাজ্য

আজ শেষ দফার নির্বাচন, বিশেষ নজর উত্তর কলকাতায়

শেষ দফার ভোট শান্তিপূর্ণভাবে করতে বদ্ধপরিকর নির্বাচন কমিশন। শেষ দফায় ভোট রয়েছে উত্তর কলকাতায়। কলকাতা উত্তরে যে কোনও ধরণের অশান্তি রুখতে কড়া প্রশাসন। ভোটের অশান্তি রুখতে সেখানে মোতায়েন থাকছে ১০৮ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী । রাখা হয়েছে ৪০ নাকা চেকিং পয়েন্ট। বহিরাগতরা এসে যাতে কোনও অশান্তি পাকাতে না পারে তার জন্যে থাকছে কলকাতা পুলিশের বিশেষ নজর।উত্তর কলকাতার ২৯ টি থানা এলাকায় ভোটকেন্দ্র থাকছে ৫৪৭টি। বুথ থাকছে ২০৮৩টি। উত্তর কলকাতার ৭ বিধানসভাকে ভাগ করা হয়েছে ৯৮ সেক্টরে। আর গোটা এলাকা জুড়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকার পাশাপাশি থাকছে ৬ হাজার কলকাতা পুলিশ। যে সব জায়গা সংবেদনশীল, উত্তেজনাপ্রবণ সেই সব জায়গায় বাড়তি নজর দেওয়া হচ্ছে। মোট ২১ জন ডেপুটি কমিশনার পদমর্যাদার পুলিশ আধিকারিক থাকবেন দায়িত্বে।রাস্তায় থাকবেন যুগ্ম পুলিশ কমিশনাররাও। উত্তর কলকাতার জন্যে থাকছে ৮৭ আর টি ভ্যান। ২৯ হেভি রেডিও ফ্লাইং স্কোয়াড, ৯০ কুইক রেসপন্স টিম, থাকছে প্রায় ১০০০ বাইক। বিশেষ বাহিনীর প্রায় ১০০ টহলদারি গাড়িও থাকছে। এছাড়া গঙ্গার প্রতিটি ঘাটে নজর রাখবে জল পুলিশ। হাওড়া ব্রিজেও থাকছে নাকা চেকিং পয়েন্ট।যে ভোটকেন্দ্রে থাকবে ১টি বুথ, সেখানে হাফ সেকশন কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। যেখানে দুটি ও চারটি বুথে থাকবে সেখানে দুই সেকশন কেন্দ্রীয় বাহিনী, যেখানে নটি বুথে থাকবে, সেখানে থাকবে ৩ সেকশন কেন্দ্রীয় বাহিনী। উত্তর কলকাতার যে সব জায়গা নজরে রাখা হচ্ছে তার মধ্যে অন্যতম কাশীপুর-বেলগাছিয়া। কারণ, এখানে লাগাতার রাজনৈতিক সংঘর্ষ হয়েই চলেছে বেশ কয়েকদিন ধরে। নজর রয়েছে বেলেঘাটার দিকেও। নজরে রয়েছে ট্যাংরা, তপসিয়া, মাঠপুকুর, এন্টালি-সহ বেশ কিছু জায়গা। এছাড়া শিয়ালদা ও বউবাজারের বেশ কিছু হোটেলে চলছে নজরদারি। বড়বাজার, এসপ্ল্যানেড এলাকার গেস্ট হাউজ, হোটেলেও নজরদারি চালাচ্ছে কলকাতা পুলিশ।

এপ্রিল ২৯, ২০২১
রাজ্য

দিনভর লুকোচুরি, কমিশনকেই দুষলেন অনুব্রত

রাত পোহালেই রাজ্যে অষ্টম তথা শেষ দফার নির্বাচন। বীরভূম-সহ মোট চার জেলার ৩৫টি আসনে ভোট। তবে ভোটের ২৪ ঘণ্টা আগে খবরের শিরোনামে রইলেন সেই বীরভূমের জেলা সভাপতি তথা তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল। নির্বাচন কমিশনের চোখে ধুলো দিয়ে বেলা ১২টা থেকে ঘুরে বেড়ালেন নানুর এবং সেই সংলগ্ন বিভিন্ন এলাকা। শেষপর্যন্ত অবশ্য তারাপীঠের মন্দিরে তাঁর হদিশ মেলে। কিন্তু এজন্য যে তিনি দায়ী নন, পুরো দোষটাই নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের, বুধবার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সেকথাই বললেন বীরভূমের কেষ্ট।সন্ধ্যেবেলা সাংবাদিক সম্মেলনে এভাবে উধাও হয়ে যাওয়ার প্রসঙ্গে অনুব্রতকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এই ঘটনায় আমার দোষ কোথায়? এটা তো যাঁরা আমি আমাকে খুঁজে পায়নি, তাঁদের দোষ। আমি কি করব? আমি তারাপীঠে পুজো দিয়ে অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে ছিলাম। শেষপর্যন্ত জেলাশাসক ফোন করলেন। আমি বললাম কোথায় আপনার লোক? উনি বললেন, যাচ্ছে যাচ্ছে। একটু দাঁড়ান। আমি যদি চলে যেতাম তাহলে আমাকে ধরতেই পারত না। আমিই অপেক্ষা করলাম।এরপরই নির্বাচন কমিশনের কাঠগড়ায় তুলে তাঁর মন্তব্য, বীরভূমে নির্বাচন কমিশনারের নির্দেশে পুলিশ প্রকৃত অপরাধীদের ছেড়ে সাধারণ লোককে, আমাদের সমর্থকদের থানায় ডেকে পাঠাচ্ছে। আমি চাই শান্তিপূর্ণ ভোট হোক। এখানে একজন আসামী আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঘুরছে অথচ তাকে ধরছে না। আমাকে প্রতিবারই নজরবন্দি করে। তাতে আমি কিছু মনে করি না। কিন্তু এইভাবে সাধারণ লোককে হেনস্তা করছে সেটা খারাপ লাগছে। আর কদিনই বা করবে। ২ তারিখের পর তো আর পারবে না। আগামীকাল খেলা হবে। তবে কীভাবে খেলব সেটা বলব না। খেলা মানে তো ঝগড়া মারামারি নয়। ভালোভাবেও তো খেলা যায়।

এপ্রিল ২৮, ২০২১
দেশ

ভ্যাকসিনের ২ টি ডোজ না-নিলে গণনাকেন্দ্রে প্রার্থীকে প্রবেশাধিকার নয়: কমিশন

করোনা সংক্রমণের আবহে নতুন নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের। বুধবার তারা জানিয়েছে, প্রার্থীদের যদি টিকার ২টি ডোজ না নেওয়া থাকে, তবে গণনাকেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না তাঁরা। দেখাতে হবে করোনা পরীক্ষার নেগেটিভ রিপোর্টও। গণনার ৪৮ ঘণ্টা আগে করোনা পরীক্ষা করাতে হবে প্রার্থীদের। কমিশন জানিয়েছে, দেশে বাড়তে থাকা সংক্রমণের কথা মাথায় রেখেই এই কোভিড-নির্দেশিকা।রবিবার, ২ মে পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের ৪ রাজ্য এবং একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভোট গণনা। এদিকে দেশে আঠারোর্ধ্বদের টিকাকরণ শুরু হবে ১ মে থেকে। পশ্চিমবঙ্গে আবার তৃতীয় পর্যায়ের টিকাকরণ শুরু হবে ৫ মে। কমিশনের এই নির্দেশে তাই প্রশ্ন উঠেছে ৪৫ বছরের কমবয়সি প্রার্থীদের গণনা কেন্দ্রে প্রবেশাধিকারের ব্যাপারেও। যে সব প্রার্থী এখনও টিকা নিতে পারেননি, তাঁরা কী করবেন।এর আগে মঙ্গলবারই দেশে করোনা পরিস্থিতির কারণ দেখিয়ে বাংলা, তামিলনাড়ু, কেরল, অসম এবং পুদুচেরিতে জয়ের উদযাপনেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল কমিশন। বুধবার নতুন নির্দেশিকায় তারা জানিয়েছে, প্রার্থী এবং তাঁদের এজেন্টরা আরটি-পিসিআর টেস্টের নেগেটিভ রিপোর্ট দেখালে তবেই গণনা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন।এই রিপোর্ট কোনওভাবেই ৪৮ ঘণ্টার বেশি পুরনো হলে চলবে না। তবে আরটি-পিসিআর টেস্টের পাশাপাশি র্যা পিড অ্যান্টিজেন টেস্টের রিপোর্টও গ্রাহ্য হবে বলে জানিয়েছে কমিশন। এ ছাড়া প্রার্থীদের বলা হয়েছে, তাঁদের গণনা এজেন্টের তালিকাও গণনার তিন দিন আগে পেশ করতে হবে।বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গে অষ্টম ও শেষ দফার ভোট। ৪ জেলা মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম এবং কলকাতায় ৩৫ টি কেন্দ্রে ভোট হবে। ৪ রাজ্য এবং একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মধ্যে একমাত্র পশ্চিমবঙ্গ এবং অসমেই ভোট হয়েছে একাধিক দফায়। অসমে ৩ দফায় ভোট শেষ হলেও বাংলায় ৮ দফায় ভোটের ঘোষণা করে কমিশন। কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে ইতিমধ্যেই সমালোচনা করেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকী, মাদ্রাজ হাইকোর্টও জানিয়েছে, করোনা সংক্রমণ ছড়ানোর দায় এড়িয়ে যেতে পারে না কমিশন। এ ব্যাপারে ত্রুটিপূর্ণ নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিল মাদ্রাজ হাইকোর্ট।

এপ্রিল ২৮, ২০২১
রাজ্য

শেষ দফাতেও মোতায়েন ৭৫৩ কোম্পানি বাহিনী

কোভিড আতঙ্ক ক্রমেই গ্রাস করছে। এর মধ্যেই আগামী বৃহস্পতিবার শেষ দফার ভোট। গত দুই দফার মত এবারও ঝামেলা, অশান্তি এড়াতে নির্বাচনে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা রাজ্য ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের অতি সতর্কতার সঙ্গে কাজ করার নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। এই দফাতেও বাহিনী মোতায়েনে কোন ফাঁক রাখা হচ্ছে না।কমিশন সূত্রে খবর, এই দফায় মোট ৭৫৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। ভোট রয়েছে বীরভূম, কলকাতা উত্তর, মালদা এবং মুর্শিদাবাদ জেলায়। এরমধ্যে ২২৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে বীরভূম জেলায়, কলকাতা উত্তরে ৯৫ কোম্পানি, মালদায় মোতায়েন থাকবে ১১০ কোম্পানি আধাসেনা, মুর্শিদাবাদের জন্য রাখা হচ্ছে ২১২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। ভোট পরিচালনার জন্য বুথের দায়িত্বে থাকবে মোট ৬৪১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। বাকি ১১২ কোম্পানি ভোটের অন্যান্য কাজের মোতায়েন থাকবে। এবারের ভোট পর্বে মোট ১০৭১ কোম্পানি বাহিনী রাজ্যে এসেছিল। যার মধ্যে ৭৫৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়ে গিয়েছে। বাকি ৩১৮ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ইতিমধ্যেই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে খবর।শেষ দফায় ২৮৩ জন প্রার্থী ৩৫টি বিধানসভা আসনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। মোট বুথের সংখ্যা ১১ হাজার ৮৬০। সব কটি বুথ স্যানিটাইজার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ভোটের দিন কোভিড বিধি মানতে জেলা গুলিকে কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, রাজ্যের প্রথম সাত দফার নির্বাচনেও মূলত কমিশনের উপরই ভরসা রেখেছিল নির্বাচন কমিশন। আর তাতে কমবেশি সাফল্যও এসেছে। বিশেষ করে সপ্তম দফায় মালদহ, মুর্শিদাবাদের মতো জেলাতেও লেটার মার্কস পেয়ে উতরে গিয়েছে কমিশন। শেষ দফাতেও মালদহ, মুর্শিদাবাদে ভোট। সঙ্গে আবার যোগ হয়েছে বীরভূম। সাম্প্রতিক অতীতে এই জেলায় ভোটে অশান্তির নজির আছে। শেষ দফাতেও সেই ভাবেই ভোট করানোর টার্গেট নিয়েছে কমিশন।

এপ্রিল ২৮, ২০২১
রাজ্য

বীরভূমের ভোটের আগে ফের নজরবন্দি অনুব্রত

ভোটের আগে বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে ফের নজরবন্দি করল নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে ৩০ এপ্রিল সকাল ৭টা পর্যন্ত কমিশনের নজরবন্দি তিনি। কমিশনের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে আইনি পথে হাঁটতে পারেন দাপুটে তৃণমূল নেতা ।অষ্টম দফায় অর্থাৎ ২৯ এপ্রিল বীরভূমে ভোটগ্রহণ। তার আগে মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে পাঁচটা থেকে সেই জেলার দাপুটে তৃণমূল নেতার উপর কড়া নজর রাখবে কমিশন। ভোটের মরশুমে এত দীর্ঘ সময় কোনও রাজনৈতিক নেতাকে নজরবন্দি করে রাখা নিঃসন্দেহে বেনজির সিদ্ধান্ত বলে দাবি করছে ওয়াকিবহাল মহল। উল্লেখ্য, ইতিপূর্বে উনিশের লোকসভা নির্বাচনের সময় অনুব্রত মণ্ডলকে নজরবন্দি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কমিশন। তবে সেটা ছিল শুধুমাত্র ভোটের দিন। যদিও তৃণমূল নেতার ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, সেবারের ভোটের সময়ে খোশমেজাজেই ছিলেন তিনি। কোথায় কেমন ভোট হচ্ছে, দিনভর সেই তথ্য নিজের নখদর্পণে রেখেছিলেন তিনি। এবারও ভোটের আগে থেকেই অনুব্রতকে নজরবন্দি করল কমিশন। যদিও কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিচলিত নন বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি। তাঁর কথায়, এটা তো কমিশনের রুটিন কাজ। প্রতিবারই করে। তবু খেলা হবে। ভয়ঙ্কর খেলা হবে। প্রয়োজনে সিআরপিএফের পায়ে বল দিয়ে দেব, ওঁরা খেলবে। কমিশনের বিরুদ্ধে আদালতে যাবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। এ প্রসঙ্গে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই জানিয়েছিলেন, এবার অনুব্রতর বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ হলে ও আদালতে যাবে। এদিন নেত্রীর কথা মনে করিয়ে অনুব্রত বলেন, আমি এবার কমিশনের বিরুদ্ধে আদালতে যাব।প্রসঙ্গত, এবার কমিশনের কড়া নজরে রয়েছে বীরভূম। ভোটের সময় জেলার পুলিশ সুপার করে পাঠানো হয়েছে নগেন্দ্রনাথ ত্রিপাঠীকে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, ভোটের দিন কয়েক আগেই তৃণমূল নেতা অনুব্রতকে নোটিস পাঠিয়েছিল আয়কর দপ্তর। এমনকী, গোরুপাচার মামলায় তাঁকে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল সিবিআইও। যদিও কোভিড পরিস্থিতির দোহাই দিয়ে হাজিরা এড়িয়েছেন তিনি। এর পরই প্রকাশ্যে এল নির্বাচন কমিশনের এই নির্দেশিকা।

এপ্রিল ২৭, ২০২১
কলকাতা

রাজভবনে আগুন, নিরাপদে সস্ত্রিক রাজ্যপাল

ভোরবেলায় রাজভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ছড়াল চাঞ্চল্য। যদিও রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় ও তাঁর স্ত্রী সুদেশ ধনখড় নিরাপদেই রয়েছেন বলে খবর। হতাহতের কোনও খবর নেই, ক্ষয়ক্ষতিও সামান্যই। তা সত্ত্বেও এমন হাই সিকিউরিটি জোনে এ ধরনের ঘটনায় আতঙ্কিত কর্মীরা। কীভাবে আগুন লাগল হঠাৎ, তা খতিয়ে দেখছে দমকলের শীর্ষ আধিকারিকরা। প্রাথমিক অনুমান, শর্ট সার্কিট থেকেই অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে।ঘড়িতে তখন প্রায় সাড়ে পাঁচটা। সবে শহর কলকাতার ঘুম ভাঙতে শুরু করেছে। এমনই সময়ে আচমকা বিপত্তি। রাজভবনের পিছন দিকে কালো ধোঁয়া চোখে পড়ে ভবনের নিরাপত্তারক্ষীদের। আতঙ্কিত হয়ে পড়েন তাঁরা। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় দমকলে। কিছুক্ষণের মধ্যে পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে দমকলের ৬টি ইঞ্জিন রাজভবনে হাজির হয়। শুরু হয় আগুন নেভানোর কাজ। দেখা যায়, রাজভবনের তৃতীয় তলে আগুন লেগেছে। সেখানে মজুত ছিল বালিশ, তোষক। ফলে তুলোর সামগ্রীতে আগুন লাগায় দাউদাউ করে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। আর তাতেই বেশি আতঙ্কিত হয়ে পড়েন নিরাপত্তারক্ষীরা।এমনিতেই জরুরি পরিস্থিতির কথা ভেবে রাজভবনের মতো উচ্চ নিরাপত্তা বলয়ে মোড়া জায়গায় দমকলের একটি ইঞ্জিন সর্বদাই প্রস্তুত থাকে এই চত্বরে। মঙ্গলবার ভোরে আগুন লাগার ঘটনা নজরে আসতে তাই এই ইঞ্জিনটিই প্রাথমিকভাবে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। কিন্তু আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় একটি ইঞ্জিনের সাহায্যে তা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হচ্ছিল না। তাই আরও ৬টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগায়। ধীরে ধীরে আগুন নিভে যায়। তবে এতে কারও কোনও ক্ষতি হয়নি বলেই রাজভবন সূত্রে খবর। কীভাবে আগুন লাগল, তা বুঝতে তদন্তে দমকল বিভাগের আধিকারিকরা। শর্ট সার্কিট থেকে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে প্রাথমিক অনুমান তাঁদের।

এপ্রিল ২৭, ২০২১
রাজ্য

দেশে ফিরতে না পেরে পেট্রাপোলে বিক্ষোভ বাংলাদেশি নাগরিকদের

পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই আচমকা বন্ধ ভারত-বাংলাদেশ পেট্রাপোল সীমান্ত। বন্ধ যাত্রী পারাপার। আর এর ফলে দিনভর পেট্রাপোল সীমান্তে আটকে পড়লেন কয়েকশো বাংলাদেশি নাগরিক। শেষপর্যন্ত দেশে ফিরতে না পেরে অবশেষে বিক্ষোভের পথ বেছে নিলেন মেডিক্যাল ভিসায় বাংলাদেশ থেকে ভারতে আসা ওই যাত্রীরা৷ সোমবার সন্ধ্যার পর থেকে পেট্রাপোল সীমান্ত চলছে বাংলাদেশি নাগরিকদের এই বিক্ষোভ।করোনার সংক্রমণ দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় সোমবার থেকে ভারত-বাংলাদেশ যাত্রী পারাপার বন্ধ রাখার কথা ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সরকার। ২৬ এপ্রিল থেকে ৯ মে পর্যন্ত বন্ধ থাকবে যাত্রী পারাপার। সোমবার থেকে সেই নির্দেশ লাগু হয়েছে। পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই এই সিদ্ধান্ত হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন দুপারের যাত্রীরাই। ভারতে চিকিৎসা করতে এসে আটকে পড়েছেন কয়েকশো রোগী ও তাঁদের আত্মীয়রা৷ দেশে ফেরার জন্য সোমবার সকাল থেকে পেট্রাপোল বন্দরে এসেছিলেন কয়েকশো বাংলাদেশি নাগরিক। কিন্তু বর্ডার বন্ধ। তাঁরা দেশে ফিরতে পারলেন না। দিনভর অনেক অনুনয় বিনয় করেও কোনও ফল হয়নি। অবশেষে সন্ধের পর থেকে বাংলাদেশি যাত্রীরা পেট্রাপোল সীমান্তে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছেন। বিক্ষোভকারী বাংলাদেশি নাগরিকদের অনেকেরই সোমবার ভিসার মেয়াদ শেষ হয়েছে। খরচ চালানোর মতো টাকাও তাঁদের হাতে নেই। তাই তাঁরা দেশে ফেরার জন্য বিক্ষোভ শুরু করেছেন। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে কয়েকজন রোগী ও স্কুলপড়ুয়া রয়েছেন বলে খবর।বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, ভিসার মেয়াদ শেষ। হাতে প্রয়োজনীয় টাকাও নেই। দেশে ফিরতে না পারলে এপারে না খেয়ে মরতে হবে। বাংলাদেশের কুষ্টিয়া থেকে চিকিৎসা করাতে ভারতে এসেছিলেন স্বপন কুমার বিশ্বাস। তিনি বলেন পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই আচমকা বাংলাদেশ সরকার যাত্রী পারাপারের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করায় বিপাকে পড়েছি আমরা। এভাবে না খেয়ে মৃত্যুর থেকে জোর করে বাংলাদেশে ঢুকতে গিয়ে গুলি খেয়ে মরব। সংবাদমাধ্যমকে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন ক্যান্সার আক্রান্ত মহিলার করিমুন্নেসাI তিনি বলেন, টাকাও শেষ হয়েছে। দেশে ফিরতে পারছি না। এখন কি করব। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছে তাঁদের দেশে ফেরানোর আবেদন জানালেন নড়াইলের স্কুলছাত্রী রিয়া মণ্ডল। তিনি ভারতে অপারেশন করতে এসেছিলেন। পেট্রাপোল সীমান্তে অভিবাসন দপ্তরের আধিকারিক তরুণ বিশ্বাস জানান, বাংলাদেশ সরকার যাত্রী পারাপারের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। তাই বর্ডারের গেট বন্ধ আছে। যাঁরা বাংলাদেশ হাইকমিশনার থেকে এনওসি আনছেন। কেবল তাঁরাই বাংলাদেশের ফিরতে পারবেন।

এপ্রিল ২৭, ২০২১
রাজ্য

২ মে-র বিজয় মিছিলে নিষেধাজ্ঞা কমিশনের

দেশজুড়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। মহামারি আবহে দেশের পাঁচ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত প্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এহেন পরিস্থিতিতে ২ মে ফল ঘোষণার পর বিজয় মিছিলে নিষেধাজ্ঞা জারি করল নির্বাচন কমিশন।২ মে কেরল, তামিলনাড়ু, পশ্চিমবঙ্গ, অসম ও পুদুচেরি বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা করা হবে। সেক্ষেত্রে করোনা আবহেও বিজয়ী রাজনৈতিক দলগুলি যে জয়ের উল্লাসে হাজার হাজার সমর্থকদের নিয়ে রাস্তায় নেমে পড়বে সেই আশঙ্কা ছিল। তাই পরিস্থিতি সামাল দিতে এবার কড়া পদক্ষেপ করল কমিশন। সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ২ মে ভোটগণনার সময় ও পরে কোনও বিজয় মিছিল করা যাবে না। প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গে আট দফায় বিধানসভা ভোট করানো নিয়ে গোড়া থেকেই প্রশ্নের মুখে পড়েছিল কমিশন। আগামী ২৯ এপ্রিল বাংলায় অষ্টম অর্থাৎ শেষ দফার ভোট। কিন্তু সংক্রমণের গ্রাফ বিপজ্জনকভাবে ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় প্রার্থীদের প্রচারে কাটছাঁট করেছে নির্বাচন কমিশন।উল্লেখ্য, করোনাকালে দেশে ভোটগ্রহণ চলছে। আর সেই সময়ে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে সোমবার তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে মাদ্রাজ হাইকোর্ট। কমিশনকে তীব্র ভর্ৎসনা করেন মাদ্রাজ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, মহামারির দিকে নজর রেখে যথাযথ পদক্ষেপ না করলে গণনা বন্ধ করতে বাধ্য হবে আদালত। এছাড়া, কমিশনের আধিকারিকদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন প্রধান বিচারপতি। ফলে রীতিমতো চাপ বেড়েছে কমিশনের উপর। আর তার ফলেই এবার বিজয় মিছিলে রাশ টানা হয়েছে বলেই মত বিশ্লেষকদের।

এপ্রিল ২৭, ২০২১
রাজ্য

২ মে-র বিজয় মিছিলে নিষেধাজ্ঞা কমিশনের

দেশজুড়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। মহামারি আবহে দেশের পাঁচ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত প্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এহেন পরিস্থিতিতে ২ মে ফল ঘোষণার পর বিজয় মিছিলে নিষেধাজ্ঞা জারি করল নির্বাচন কমিশন।২ মে কেরল, তামিলনাড়ু, পশ্চিমবঙ্গ, অসম ও পুদুচেরি বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা করা হবে। সেক্ষেত্রে করোনা আবহেও বিজয়ী রাজনৈতিক দলগুলি যে জয়ের উল্লাসে হাজার হাজার সমর্থকদের নিয়ে রাস্তায় নেমে পড়বে সেই আশঙ্কা ছিল। তাই পরিস্থিতি সামাল দিতে এবার কড়া পদক্ষেপ করল কমিশন। সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ২ মে ভোটগণনার সময় ও পরে কোনও বিজয় মিছিল করা যাবে না। প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গে আট দফায় বিধানসভা ভোট করানো নিয়ে গোড়া থেকেই প্রশ্নের মুখে পড়েছিল কমিশন। আগামী ২৯ এপ্রিল বাংলায় অষ্টম অর্থাৎ শেষ দফার ভোট। কিন্তু সংক্রমণের গ্রাফ বিপজ্জনকভাবে ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় প্রার্থীদের প্রচারে কাটছাঁট করেছে নির্বাচন কমিশন।উল্লেখ্য, করোনাকালে দেশে ভোটগ্রহণ চলছে। আর সেই সময়ে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে সোমবার তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে মাদ্রাজ হাইকোর্ট। কমিশনকে তীব্র ভর্ৎসনা করেন মাদ্রাজ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, মহামারির দিকে নজর রেখে যথাযথ পদক্ষেপ না করলে গণনা বন্ধ করতে বাধ্য হবে আদালত। এছাড়া, কমিশনের আধিকারিকদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন প্রধান বিচারপতি। ফলে রীতিমতো চাপ বেড়েছে কমিশনের উপর। আর তার ফলেই এবার বিজয় মিছিলে রাশ টানা হয়েছে বলেই মত বিশ্লেষকদের।

এপ্রিল ২৭, ২০২১
রাজ্য

কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া পাহারায় শান্তির সপ্তম দফা

বড় কোনও অপ্রিতীকর ঘটনা ছাড়াই প্রায় শান্তিপূর্ণভাবে রাজ্যে সপ্তম দফার ভোটগ্রহণ পর্ব শেষ হয়েছে।তবে বিভিন্ন জেলা থেকে ভোট ঘিরে দিনভর বিক্ষিপ্ত কিছু অশান্তির ছবি সামনে এসেছে।সপ্তম দফার নির্বাচন শান্তিপূর্ণ বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।ভোট শেষের পর রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাব জানিয়েছেন, বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত ভোটের হার পাঁচ জেলায় গড়ে ৭৫.০৫ শতাংশ। এই দফায় বিশেষ কোনও হিংসার ঘটনা নেই বলে জানিয়েছে কমিশন। হিংসা ছড়ানোর আশঙ্কায় আগে থেকেই ৭৪২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়াও ১৪৪ ধারা ভঙ্গের জন্য ১১ জন ও অন্যান্য নির্দিষ্ট কেসের ভিত্তিতে ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।দিনভর ছোট ছোট কিছু হিংসার ঘটনা ঘটলেও এদিন ভোট পর্বের শেষলগ্নে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মালদার মালতিপুর।সেখানে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বিজেপি কর্মীকে মারধর এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে তৃণমূলের বুথ এজেন্টকে মারধরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা তৈরি হয় প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূলের মহিলা কর্মী-সমর্থকদের।কলকাতা বন্দরের গার্ডেনরিচেও ভোটের শেষ লগ্নে কংগ্রেস-তৃণমূল কংগ্রেস সংঘর্ষ লাগাতার ইটবৃষ্টিকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন। বিরাট বাহিনী ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। মাঝেরহাটে কলকাতা বন্দরের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী ফিরহাদ হাকিমকে ঘিরে বিজেপি সমর্থকদের জয় শ্রীরাম স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়।মালদার চাঁচলে ভোট দিতে যাওয়ার পথে তৃণমূল সমর্থক হিসাবে পরিচিত দম্পতির উপর ব্লেড দিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে কমগ্রেসের বিরুদ্ধে। তবে নির্বাচন কমিশন অভিযোগ খতিয়ে দেখার পর জানিয়েছে এর সঙ্গে ভোটের কোনও সম্পর্ক নেই।কলকাতার বেকবাগান, বেনিয়াপুকুর এলাকাতে দুপুরে বেআইনি জমায়েতে হঠাৎ পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর অভিযানকে ঘিরে কিছুটা উত্তেজনা ছড়ায়। হবিবপুরে তৃণমূলের ক্যাম্প অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ বাহিনীর বিরুদ্ধে। বুথের মধ্যে শ্লীলতাহানির অভিযোগে রাসবিহারীর বিজেপি প্রার্থী সুব্রত সাহার এজেন্টকে আটক করেছে নিউ আলিপুর থানার পুলিশ। অভিযোগ অস্বীকার বিজেপি এজেন্টের দাবি তাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।কলকাতার রাসবিহারী কেন্দ্রে ভোট ঘিরে বিজেপি-তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের ধস্তাধস্তি বাধে। পুলিশি হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি আয়ত্তে আসে৷মুর্শিদাবাদের রানীনগরে দুই তৃণমূল কংগ্রেস নেতার বাড়ি ভাঙার অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। ঘটনাস্থলে গেলে বিক্ষোভের মুখে পড়েন দলের জেলা সভাপতি আবু তাহের। পাণ্ডবেশ্বরে বিজেপি প্রার্থী জিতেন্দ্র তিওয়ারিকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের বিরুদ্ধে।মুর্শিদাবাদের নবগ্রামের ৮৩ নং বুথের কিছুটা দূরে স্থানীয় এক তৃণমূল নেতাকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে। মারধরে ওই নেতার হাত ও ভেঙে যায় বলে অভিযোগ। ফরাক্কাতেওয় তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীকে বেধড়ক মেরে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। গুরুতর আহত অবস্থায় ও ব্যক্তিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। দুর্গাপুর পূর্বের মলানদিঘিতে ভোটদাতাদের মধ্যে খাবার বিলির অভিযোগকে কেন্দ্র করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে।

এপ্রিল ২৬, ২০২১
দেশ

'এতদিন অন্য গ্রহে ছিলেন?', কমিশনকে তীব্র ভর্ৎসনা মাদ্রাজ হাইকোর্টের

করোনাকালে ভোট। আর সেই সময়ে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে ক্ষুব্ধ মাদ্রাজ হাইকোর্ট। সোমবার কমিশনকে তীব্র ভর্ৎসনা করলেন মাদ্রাজ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, মহামারির দিকে নজর রেখে যথাযথ পদক্ষেপ না করলে গণনা বন্ধ করতে বাধ্য হবে আদালত। এছাড়া, কমিশনের আধিকারিকদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন প্রধান বিচারপতি।দেশজুড়ে আছড়ে পড়েছে করোনা মহামারির দ্বিতীয় ঢেউ। দেশে মৃতের সংখ্যা প্রায় ১ লক্ষ ৯৫ হাজার। প্রতিদিনই নয়া নজির গড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। দৈনিক সংক্রমণ সাড়ে তিন লক্ষের গণ্ডি ছাপিয়ে গিয়েছে। এহেন পরিস্থিতিতে দেশের চারটি রাজ্যে ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে অনুষ্ঠিত হয় বিধানসভা নির্বাচন। অসম, তামিলনাড়ু, কেরল, পুদুচেরিতে গত ৬ এপ্রিল নির্বাচন শেষ হলেও পশ্চিমবঙ্গে আটদফা ভোট চলছে। এহেন পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক মিছিলে তুমুল জনসমাগম থেকেই সংক্রমণের মাত্রা বিপজ্জনকভাবে বেড়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এহেন পরিস্থিতিতে, নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভপ্রকাশ করে মাদ্রাজ হাইকোর্ট। প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের জন্য মূলত নির্বাচন কমিশন দায়ী। নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা করা উচিত। যখন রাজনৈতিক মিছিল হচ্ছিল তখন কি অন্য গ্রহে ছিল কমিশন। করোনা বিধি মেনে ভোটগণনা কীভাবে হবে, তা নিয়ে কমিশনে প্রশ্ন করেন প্রধান বিচারপতি।তাঁর সাফ কথা, করোনা বিধি মেনে পদক্ষেপ করা না হলে গণনা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হবে আদালত। এদিকে, আদালতের পর্যবেক্ষণকে সমর্থন জানিয়ে করোনা সংক্রমণের জন্য নির্বাচন কমিশনকে দায়ী করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্লেখ্য, এর আগে করোনা বিধি লঙ্ঘন নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের সমালোচনার মুখে পড়ে নির্বাচন কমিশন। গত বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিবি রাধাকৃষ্ণণ জানিয়েছিলেন, মহামারি পরিস্থিতিতে শুধুমাত্র সার্কুলার দিয়ে জনগণকে সতর্ক করে দায় ঝেড়ে ফেলতে পারে না কমিশন। আদালতের মতে, নিজেদের ক্ষমতার সঠিক ব্যবহার করেনি কমিশন। এ প্রসঙ্গে আদালত আরও বলে, নির্বাচন কমিশন অসীম ক্ষমতার অধিকারী।কিন্তু কার্যক্ষেত্রে সেই ক্ষমতা প্রয়োগ করা হয়নি। কমিশনের আধিকারিক ও কুইক রেসপন্স টিমকে কাজে লাগানো হচ্ছে না।

এপ্রিল ২৬, ২০২১
দেশ

'এতদিন অন্য গ্রহে ছিলেন?', কমিশনকে তীব্র ভর্ৎসনা মাদ্রাজ হাইকোর্টের

করোনাকালে ভোট। আর সেই সময়ে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে ক্ষুব্ধ মাদ্রাজ হাইকোর্ট। সোমবার কমিশনকে তীব্র ভর্ৎসনা করলেন মাদ্রাজ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, মহামারির দিকে নজর রেখে যথাযথ পদক্ষেপ না করলে গণনা বন্ধ করতে বাধ্য হবে আদালত। এছাড়া, কমিশনের আধিকারিকদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন প্রধান বিচারপতি।দেশজুড়ে আছড়ে পড়েছে করোনা মহামারির দ্বিতীয় ঢেউ। দেশে মৃতের সংখ্যা প্রায় ১ লক্ষ ৯৫ হাজার। প্রতিদিনই নয়া নজির গড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। দৈনিক সংক্রমণ সাড়ে তিন লক্ষের গণ্ডি ছাপিয়ে গিয়েছে। এহেন পরিস্থিতিতে দেশের চারটি রাজ্যে ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে অনুষ্ঠিত হয় বিধানসভা নির্বাচন। অসম, তামিলনাড়ু, কেরল, পুদুচেরিতে গত ৬ এপ্রিল নির্বাচন শেষ হলেও পশ্চিমবঙ্গে আটদফা ভোট চলছে। এহেন পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক মিছিলে তুমুল জনসমাগম থেকেই সংক্রমণের মাত্রা বিপজ্জনকভাবে বেড়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এহেন পরিস্থিতিতে, নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভপ্রকাশ করে মাদ্রাজ হাইকোর্ট। প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের জন্য মূলত নির্বাচন কমিশন দায়ী। নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা করা উচিত। যখন রাজনৈতিক মিছিল হচ্ছিল তখন কি অন্য গ্রহে ছিল কমিশন। করোনা বিধি মেনে ভোটগণনা কীভাবে হবে, তা নিয়ে কমিশনে প্রশ্ন করেন প্রধান বিচারপতি।তাঁর সাফ কথা, করোনা বিধি মেনে পদক্ষেপ করা না হলে গণনা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হবে আদালত। এদিকে, আদালতের পর্যবেক্ষণকে সমর্থন জানিয়ে করোনা সংক্রমণের জন্য নির্বাচন কমিশনকে দায়ী করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্লেখ্য, এর আগে করোনা বিধি লঙ্ঘন নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের সমালোচনার মুখে পড়ে নির্বাচন কমিশন। গত বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিবি রাধাকৃষ্ণণ জানিয়েছিলেন, মহামারি পরিস্থিতিতে শুধুমাত্র সার্কুলার দিয়ে জনগণকে সতর্ক করে দায় ঝেড়ে ফেলতে পারে না কমিশন। আদালতের মতে, নিজেদের ক্ষমতার সঠিক ব্যবহার করেনি কমিশন। এ প্রসঙ্গে আদালত আরও বলে, নির্বাচন কমিশন অসীম ক্ষমতার অধিকারী।কিন্তু কার্যক্ষেত্রে সেই ক্ষমতা প্রয়োগ করা হয়নি। কমিশনের আধিকারিক ও কুইক রেসপন্স টিমকে কাজে লাগানো হচ্ছে না।

এপ্রিল ২৬, ২০২১
দেশ

'এতদিন অন্য গ্রহে ছিলেন?', কমিশনকে তীব্র ভর্ৎসনা মাদ্রাজ হাইকোর্টের

করোনাকালে ভোট। আর সেই সময়ে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে ক্ষুব্ধ মাদ্রাজ হাইকোর্ট। সোমবার কমিশনকে তীব্র ভর্ৎসনা করলেন মাদ্রাজ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, মহামারির দিকে নজর রেখে যথাযথ পদক্ষেপ না করলে গণনা বন্ধ করতে বাধ্য হবে আদালত। এছাড়া, কমিশনের আধিকারিকদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন প্রধান বিচারপতি।দেশজুড়ে আছড়ে পড়েছে করোনা মহামারির দ্বিতীয় ঢেউ। দেশে মৃতের সংখ্যা প্রায় ১ লক্ষ ৯৫ হাজার। প্রতিদিনই নয়া নজির গড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। দৈনিক সংক্রমণ সাড়ে তিন লক্ষের গণ্ডি ছাপিয়ে গিয়েছে। এহেন পরিস্থিতিতে দেশের চারটি রাজ্যে ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে অনুষ্ঠিত হয় বিধানসভা নির্বাচন। অসম, তামিলনাড়ু, কেরল, পুদুচেরিতে গত ৬ এপ্রিল নির্বাচন শেষ হলেও পশ্চিমবঙ্গে আটদফা ভোট চলছে। এহেন পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক মিছিলে তুমুল জনসমাগম থেকেই সংক্রমণের মাত্রা বিপজ্জনকভাবে বেড়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এহেন পরিস্থিতিতে, নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভপ্রকাশ করে মাদ্রাজ হাইকোর্ট। প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের জন্য মূলত নির্বাচন কমিশন দায়ী। নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা করা উচিত। যখন রাজনৈতিক মিছিল হচ্ছিল তখন কি অন্য গ্রহে ছিল কমিশন। করোনা বিধি মেনে ভোটগণনা কীভাবে হবে, তা নিয়ে কমিশনে প্রশ্ন করেন প্রধান বিচারপতি।তাঁর সাফ কথা, করোনা বিধি মেনে পদক্ষেপ করা না হলে গণনা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হবে আদালত। এদিকে, আদালতের পর্যবেক্ষণকে সমর্থন জানিয়ে করোনা সংক্রমণের জন্য নির্বাচন কমিশনকে দায়ী করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্লেখ্য, এর আগে করোনা বিধি লঙ্ঘন নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের সমালোচনার মুখে পড়ে নির্বাচন কমিশন। গত বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিবি রাধাকৃষ্ণণ জানিয়েছিলেন, মহামারি পরিস্থিতিতে শুধুমাত্র সার্কুলার দিয়ে জনগণকে সতর্ক করে দায় ঝেড়ে ফেলতে পারে না কমিশন। আদালতের মতে, নিজেদের ক্ষমতার সঠিক ব্যবহার করেনি কমিশন। এ প্রসঙ্গে আদালত আরও বলে, নির্বাচন কমিশন অসীম ক্ষমতার অধিকারী।কিন্তু কার্যক্ষেত্রে সেই ক্ষমতা প্রয়োগ করা হয়নি। কমিশনের আধিকারিক ও কুইক রেসপন্স টিমকে কাজে লাগানো হচ্ছে না।

এপ্রিল ২৬, ২০২১
কলকাতা

প্রথমবার বিধানসভা ভোট দিচ্ছেন না বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য

করোনা গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী। স্ত্রী ও কন্যা ভোটের লাইনে দাঁড়ালেও ঘরবন্দি থাকবেন তিনি। সুস্থ থাকলেও এবারে ও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে যাবেন না প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। চিকিৎসকদের পরামর্শেই এই সিদ্ধান্ত ভলে আলিমুদ্দিন সূত্রে খবর। এই প্রথমবার বিধানসভা ভোট দিচ্ছেন না রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।প্রতিদিনই হু হু করে বাড়ছে করোনা রোগীর সংখ্যা। পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রতিদিনই নতুন নতুন পদক্ষেপ করতে হচ্ছে প্রশাসনকে। বাকি দুই দফার নির্বাচনের আগে বেশকিছু কড়া বিধিনিষেধ আরোপ করতে হয়েছে কমিশনকে। প্রচারে সংযত হয়েছেন রাজনৈতিক নেতৃত্ব। এরমধ্যেই আজ সপ্তমদফা নির্বাচনের কলকাতার চারটি আসনে ভোটগ্রহণ। ভোটগ্রহণ হচ্ছে বালিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রেও। এই কেন্দ্রের ভোটার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। অসুস্থতার কারণে গত লোকসভা নির্বাচনে ভোটের লাইনে দাঁড়াননি তিনি। স্ত্রী মীরা ভট্টাচার্য ও কন্যা সুচেতনা ভোট দিলেও যাননি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। এবার আগের তুলনায় কিছুটা সুস্থ থাকলেও করোনা পরিস্থিতির জন্য ভোট দিতে পারলেন না বুদ্ধবাবু।বুদ্ধবাবু যাতে ভোট দিতে পারেন সেজন্য আগেই কমিশনের কাছে আবেদন করেছিল পার্টি। কমিশনের পক্ষ থেকে পাম এভিনিউর বাড়িতে গিয়ে ভোটগ্রহণের আবেদন করা হয়। কিন্তু বুদ্ধবাবুর বয়েস যেহেতু আশির নিচে তাই ভোটগ্রহণ করতে অস্বীকার করে কমিশন। তখনই সিদ্ধান্ত হয় শরীর ভাল থাকলে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের অধিকার প্রয়োগ করবেন তিনি। কিন্তু দিন যতো গড়াচ্ছে করোনা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। সবদিক বিবেচনা করে ভোট না দিতে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। বালিগঞ্জ কেন্দ্রের সিপিএম প্রার্থী চিকিৎসক ফুয়াদ হালিম নিজেও চাইছিলেন না বুদ্ধবাবু ভোট দিতে যান। তিনি বলেন, পার্টির শীর্ষ নেতৃত্ব বিষয়টি নিয়ে বলতে পারবেন। করোনা পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে আমি ব্যক্তিগতভাবে চাই না উনি বাড়ির বাইরে বেরোন। তার সঙ্গে একমত আলিমুদ্দিনের সিংহভাগ নেতৃত্ব। তবে সবটাই নির্ভর করছিল বুদ্ধবাবুর ওপর। সূত্রের খবর, শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকদের পরামর্শই মানলেন তিনি।

এপ্রিল ২৬, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 113
  • 114
  • 115
  • 116
  • 117
  • 118
  • 119
  • ...
  • 140
  • 141
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ভোটের আগে বিস্ফোরণ! ৭০০ ভোটারের নাম উধাও, রাস্তায় আগুন হাসনাবাদে

ভোটের মুখে হাসনাবাদে উত্তেজনা ছড়াল ভোটার তালিকা নিয়ে। রবিবার সকাল থেকেই কাঁথি-মালঞ্চ রোডে টায়ার জ্বালিয়ে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন শতাধিক মানুষ। তাদের অভিযোগ, তিনটি বুথ থেকে প্রায় ৭০০ জন ভোটারের নাম বাদ পড়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বসিরহাট উত্তর বিধানসভার মাখালগাছা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার ২৫১, ২৫২ এবং ২৫৩ নম্বর বুথে এই সমস্যা দেখা দিয়েছে। অভিযোগ, নতুন তালিকায় ২৫১ নম্বর বুথের এক পঞ্চায়েত সদস্যের নামও নেই। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই এলাকায় উত্তেজনা বাড়তে থাকে।বিক্ষোভকারীরা রাস্তার উপর টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ করেন। ফলে দীর্ঘক্ষণ যান চলাচল ব্যাহত হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বহুদিন ধরে এই এলাকায় বসবাস করেও তাদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, সম্প্রতি আসা কিছু মানুষের নাম তালিকায় রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।এক বাসিন্দা জানান, তাদের পরিবার বহু বছর ধরে এই এলাকায় থাকলেও এবার নাম কেটে দেওয়া হয়েছে। কেন এমন হল, তা তারা বুঝতে পারছেন না। এই ঘটনার সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা।গত এক মাস ধরে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে একই ধরনের অভিযোগ উঠছে। তালিকা সংশোধন নিয়ে অনেকের মধ্যেই বিভ্রান্তি রয়েছে। কোথায় আবেদন করতে হবে, কীভাবে নাম তোলা যাবে, তা নিয়ে স্পষ্ট ধারণা নেই সাধারণ মানুষের মধ্যে।এই পরিস্থিতিতে ভোটের আগে বহু মানুষের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তারা আদৌ ভোট দিতে পারবেন কি না, সেই প্রশ্নও উঠছে। এই সমস্যার দ্রুত সমাধান না হলে আগামী দিনে আরও বড় বিক্ষোভের আশঙ্কা করছেন অনেকেই।

এপ্রিল ০৫, ২০২৬
রাজ্য

অমিত শাহকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য, কল্যাণের বিরুদ্ধে কমিশনে অভিযোগ

ভোটের আগে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়ে গেল। তৃণমূলের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানাতে চলেছে বিজেপি। তাঁর বিরুদ্ধে প্ররোচনামূলক এবং অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছে। বিজেপির দাবি, এই ধরনের বক্তব্য নির্বাচনের আদর্শ আচরণবিধি ভঙ্গ করছে।বিজেপির তরফে জানানো হয়েছে, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য বিজেপি নেতাদের উদ্দেশে উস্কানিমূলক এবং হিংসাত্মক। এই ধরনের মন্তব্য যাতে আর না করা হয়, সেই জন্য কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে নির্বাচন কমিশনের কাছে। পাশাপাশি, তাঁর সেই বক্তব্যের ভিডিওও সরানোর দাবি জানিয়েছে বিজেপি।সম্প্রতি এক প্রচারসভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-সহ বিজেপি নেতাদের উদ্দেশে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, ৪ মে আপনাকে সবুজ আবির মাখাব। ১৫ দিন কেন, ১৫ মাস থাকুন। আপনার দাদাগিরি শেষ করে দেব। এই বক্তব্য ঘিরেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে।বিজেপি এই মন্তব্যকে কুরুচিকর বলে দাবি করেছে। রবিবার নির্বাচন কমিশনের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছে তারা। সেই চিঠিতে সংশ্লিষ্ট বক্তব্যের ভিডিওর উল্লেখও করা হয়েছে।বিজেপি নেতাদের বক্তব্য, একজন সাংসদের মুখে এই ধরনের ভাষা শোভা পায় না এবং এটি রাজনৈতিক সংস্কৃতির অবনতি ঘটাচ্ছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভোটের আগে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

এপ্রিল ০৫, ২০২৬
কলকাতা

বড় পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের! কসবা থানার ওসি সাসপেন্ড, চাঞ্চল্য শহরে

ভোটের আগে কড়া পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন। কসবা থানার ওসি বিশ্বনাথ দেবনাথকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। অভিযোগ, এলাকার দাগি দুষ্কৃতীদের তালিকায় কুখ্যাত সোনা পাপ্পুর নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত কমিশনের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়নি।নির্বাচনের আগে প্রতিটি থানার কাছে এলাকার দাগি দুষ্কৃতীদের তালিকা চেয়েছিল নির্বাচন কমিশন। কসবা থানাও সেই তালিকা পাঠায়। কিন্তু কমিশন সূত্রে খবর, সেই তালিকায় সোনা পাপ্পুর নাম ছিল না। এরপরই শনিবার কমিশনের আধিকারিকরা থানায় যান এবং ওসির সঙ্গে কথা বলেন। জানা গিয়েছে, তিনি সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। এরপর রবিবার তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়।উল্লেখ্য, সোনা পাপ্পু নামে পরিচিত বিশ্বজিৎ পোদ্দারের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি তার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। গোলপার্কের কাঁকুলিয়া রোডে গুলি ও বোমাবাজির ঘটনাতেও তাকে খোঁজা হচ্ছে। কসবা ও তোপসিয়া এলাকায় তার প্রভাব দীর্ঘদিনের বলে জানা যায়।স্থানীয়দের মতে, পরিবারের সোনার ব্যবসা থাকলেও ধীরে ধীরে অপরাধ জগতের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে সে। ২০১৫ সালে বালিগঞ্জ রেল ইয়ার্ডে এলাকা দখল নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় তার নাম সামনে আসে। পরে ২০১৭ সালের একটি খুনের মামলাতেও তার নাম জড়ায়। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে এবং বর্তমানে সে পলাতক।এই পরিস্থিতিতে এমন একজনের নাম দাগি তালিকায় না থাকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এর মধ্যেই ভোটের আগে কলকাতা পুলিশের একাধিক থানায় বড়সড় রদবদল করা হয়েছে। পার্ক স্ট্রিট থানার দায়িত্বে থাকা হীরক দলপতিকে গোয়েন্দা দফতরে পাঠানো হয়েছে। নতুন ওসি হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন নীলকান্ত রায়। গড়িয়াহাট থানায় দায়িত্ব পেয়েছেন রাজকুমার মিশ্র। বিজয়গঞ্জ বাজার থানায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মনীশ সিংহকে। চেতলা থানার নতুন ওসি করা হয়েছে মনোজ দত্তকে।সব মিলিয়ে ভোটের আগে পুলিশ প্রশাসনে এই ধারাবাহিক পদক্ষেপ ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ০৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় পদক্ষেপ, সংবেদনশীল এলাকায় সরেজমিনে যাচ্ছেন মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক

পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় তিন দিনের সফরে এসে কড়া বার্তা দিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। শনিবার জেলায় পৌঁছেই তিনি দীর্ঘ বৈঠক করেন প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে। বৈঠক শেষে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, স্পর্শকাতর বুথগুলিতে তিনি নিজে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখবেন। তাঁর প্রধান লক্ষ্য, ভয়মুক্ত এবং শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করা।এদিন বিকেলে জেলাশাসক নিরঞ্জন কুমার, পশ্চিমাঞ্চলের অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক বিশাল গর্গ এবং জেলা পুলিশ সুপার অংশুমান সাহার উপস্থিতিতে এই বৈঠক হয়। জেলার ১৬টি বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচন প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষ করে আগের নির্বাচনে যে সব এলাকায় অশান্তি হয়েছিল, সেগুলির নিরাপত্তা নিয়ে খোঁজখবর নেন তিনি।বৈঠক শেষে তিনি জানান, জেলায় প্রায় ৪০ লক্ষ ভোটার রয়েছেন। এত বড় সংখ্যক ভোটারের জন্য অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করানোই কমিশনের প্রধান লক্ষ্য। তিনি বলেন, প্রত্যেক ভোটার যাতে কোনও ভয় বা চাপ ছাড়াই নিজের ইচ্ছামতো ভোট দিতে পারেন, তা নিশ্চিত করতেই এই সফর।তিনি আরও জানান, আগের নির্বাচনগুলিতে যেখানে আইনশৃঙ্খলার সমস্যা দেখা গিয়েছিল, সেই সব এলাকায় তিনি নিজে যাবেন। রবিবার জেলাশাসককে সঙ্গে নিয়ে তিনি সরাসরি সেইসব এলাকায় পরিদর্শনে যাবেন। শুধু অফিসে বসে নয়, মাঠে গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেই বাস্তব পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করবেন বলে জানান তিনি।এলাকার মানুষকে আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, ভোট নিয়ে ভয়ের কোনও কারণ নেই। কমিশন এবং জেলা প্রশাসন মিলেই নিরাপদ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত।রাজনৈতিক মহলের মতে, আগের নির্বাচনের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়েই কমিশন এবার আরও বেশি সতর্ক হয়েছে। স্পর্শকাতর এলাকায় সরাসরি নজরদারি বাড়ানো এবং মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর এই উদ্যোগ জেলায় কড়া নিরাপত্তার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

এপ্রিল ০৫, ২০২৬
কলকাতা

রাতারাতি বদলি একাধিক ওসি, নির্বাচন কমিশনের কড়া পদক্ষেপে চাঞ্চল্য

ভোটের আগে কলকাতা পুলিশের অন্দরে আবার বড়সড় রদবদল হল। এতদিন ধরে প্রশাসনিক মহলে একের পর এক আমলার বদলি নিয়ে আলোচনা চলছিল। সেই সঙ্গে পুলিশের উপরতলায় বদলি নিয়েও জল্পনা ছিল। এবার নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে কলকাতা পুলিশে একাধিক আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে।শনিবার লালবাজারের তরফে কমিশনারের ১৮১ এবং ১৮২ নম্বর নির্দেশ জারি করা হয়। সেই নির্দেশ অনুযায়ী ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার বেশ কয়েকজন আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে। এই রদবদলে শহরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিকদের সরিয়ে অন্য দায়িত্বে পাঠানো হয়েছে।পার্ক স্ট্রিট থানার ওসি হীরক দলাপতি এবং বিজয়গঞ্জ বাজার থানার ওসি অংশুমান রায়কে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগে পাঠানো হয়েছে। চেতলা থানার ওসি অমিতাভ সরকারকে বিশেষ টাস্ক ফোর্সে বদলি করা হয়েছে।অন্যদিকে, নতুন করে বেশ কয়েকটি থানায় নতুন ওসি নিয়োগ করা হয়েছে। লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগ থেকে নীলকান্ত রায়কে পার্ক স্ট্রিট থানার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শ্যামপুকুর থানার অতিরিক্ত ওসি রাজ কুমার মিশ্রকে গড়িয়াহাট থানার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এন্টালি থানার অতিরিক্ত ওসি মনীশ সিংকে বিজয়গঞ্জ বাজার থানায় পাঠানো হয়েছে। বিশেষ টাস্ক ফোর্স থেকে মনোজ দত্তকে ফিরিয়ে এনে চেতলা থানার নতুন ওসি করা হয়েছে।এছাড়াও হেয়ার স্ট্রিট এবং ঠাকুরপুকুর থানার ওসিদের মধ্যেও বদলি হয়েছে। এই দুই থানার বর্তমান ওসি লোপসাং তশেরিং ভুটিয়া এবং রাজীব সাহুর মধ্যে দায়িত্ব বিনিময় করা হয়েছে।এদিকে, ট্রাফিক বিভাগের আধিকারিক প্রশান্ত মজুমদারের আগের বদলির নির্দেশ বাতিল করা হয়েছে। তাঁকে আগের দায়িত্বেই বহাল রাখা হয়েছে। নতুন এই নির্দেশিকায় গত ২৯ মার্চের আগের কিছু নির্দেশেও আংশিক পরিবর্তন ও সংশোধন আনা হয়েছে।ভোটের আগে হঠাৎ এই রদবদল ঘিরে কলকাতা পুলিশের অন্দরে এবং প্রশাসনিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ০৫, ২০২৬
বিদেশ

কলকাতাকে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি! পাক মন্ত্রীর বিস্ফোরক মন্তব্যে চাঞ্চল্য

ভবিষ্যতে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যদি কোনও সংঘাত তৈরি হয়, তবে তা আর সীমান্তে আটকে থাকবে না, বরং ভারতের ভিতরেও ছড়িয়ে পড়বেএমনই হুমকি দিলেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ। তিনি সরাসরি কলকাতার নাম নিয়ে আক্রমণের কথাও বলেন, যা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।শনিবার সিয়ালকোটে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে খোয়াজা আসিফ বলেন, ভারত যদি কোনও মিথ্যা অজুহাতে অভিযান চালানোর চেষ্টা করে, তাহলে তার ফল ভালো হবে না। তিনি দাবি করেন, সেই সংঘাত সীমান্তের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং তা কলকাতা পর্যন্ত গড়াবে।তিনি আরও অভিযোগ করেন, ভারতে শীঘ্রই একটি ভুয়া হামলা হতে পারে। তাঁর দাবি, ভারত নিজেই এমন হামলার পরিকল্পনা করছে এবং পরে সেটিকে সন্ত্রাসবাদী হামলা বলে তুলে ধরবে। যদিও এই দাবির পক্ষে তিনি কোনও প্রমাণ দেননি।পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, যদি ভারত এমন কোনও পদক্ষেপ নেয়, তাহলে গত বছরের থেকেও বড় অপমানের মুখে পড়তে হবে। তাঁর কথায়, সংঘাত আর সীমান্তবর্তী কয়েকশো কিলোমিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং তারা ভারতের ভিতরে ঢুকে হামলা চালাতে পারে।অন্যদিকে, সম্প্রতি একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এই মাসেই পাকিস্তানের ভিতরে এক বা একাধিক হামলা হতে পারে। সেই হামলার পিছনে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই থাকতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। ইচ্ছাকৃতভাবে দেশে অস্থিরতা তৈরি করে তার দায় ভারতের উপর চাপানোর পরিকল্পনাও থাকতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকদের একাংশ।বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক মহলে সমর্থন পেতে বা কূটনৈতিক সুবিধা অর্জনের জন্য এমন কৌশল নেওয়া হতে পারে। পাশাপাশি, পাকিস্তানের বর্তমান অর্থনৈতিক সংকট, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং নিরাপত্তা সমস্যা থেকে নজর ঘোরাতেও বাইরের শত্রু তত্ত্ব সামনে আনা হতে পারে।এই পরিস্থিতিতে ভারতের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দিয়ে নতুন করে উত্তেজনা বাড়াল পাকিস্তান।

এপ্রিল ০৫, ২০২৬
রাজ্য

মোদীর সভার আগের রাতেই চাঞ্চল্য, কোচবিহারে অস্ত্র-সহ ধরা ২ দুষ্কৃতী

রবিবার কোচবিহারে সভা করতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই সভাকে ঘিরে জোর প্রস্তুতি চলছে। একই সঙ্গে নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে অত্যন্ত কড়া। এই পরিস্থিতির মধ্যেই শনিবার গভীর রাতে কোচবিহার থেকে আগ্নেয়াস্ত্র-সহ দুই দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যা ঘিরে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, চ্যাংড়াবান্ধা এলাকায় নাকা চেকিং চলছিল শনিবার রাতে। সেই সময় সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে ছয়টি দেশি পিস্তল এবং ২০ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার হয়।জানা গিয়েছে, ধৃতরা মেখলিগঞ্জ এলাকা থেকে অস্ত্র নিয়ে আসছিল। রাত প্রায় আড়াইটা নাগাদ সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জওয়ানদের হাতে তারা ধরা পড়ে। পরে তাদের পুলিশে তুলে দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর সভার ঠিক আগের রাতে এতগুলি অস্ত্র উদ্ধার হওয়ায় বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে।কেন এই অস্ত্র আনা হচ্ছিল, এর পেছনে কী উদ্দেশ্য ছিল, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ভোটের আগে এবং প্রধানমন্ত্রীর সফরের ঠিক আগে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।এরই মধ্যে আর একটি ঘটনা ঘিরেও জল্পনা বেড়েছে। শনিবার মালদহের মালতীপুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হেলিকপ্টারের সামনে একটি রহস্যময় ড্রোন উড়তে দেখা যায়। ঘটনাটি মুখ্যমন্ত্রীর নজরে আসতেই তিনি কিছুক্ষণের জন্য থেমে যান।উল্লেখ্য, কয়েক দিন আগেই মালদহের কালিয়াচকে বিক্ষোভের জেরে প্রায় আট থেকে নয় ঘণ্টা ধরে সাতজন বিচারককে আটকে রাখা হয়েছিল। সেই ঘটনার পর মুখ্যমন্ত্রী সেখানে সফরে গিয়েছিলেন। এর মধ্যেই ড্রোন দেখা যাওয়া এবং কোচবিহারে অস্ত্র উদ্ধারএই দুই ঘটনায় রাজ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ০৫, ২০২৬
কলকাতা

রাতের শহরে চাঞ্চল্য, গাড়ি থেকে উদ্ধার প্রায় ৩৮ লক্ষ টাকা! ভোটের আগে বড় প্রশ্ন

ভোটের আগে রাতের শহরে বড়সড় চাঞ্চল্য ছড়াল। নেতাজি নগর থানা এলাকায় নাকা চেকিং চলাকালীন একটি গাড়ি থেকে প্রায় ৩৮ লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে পুলিশ এবং নজরদারি দলের যৌথ তল্লাশিতে এই বিপুল পরিমাণ নগদ উদ্ধার হয়। ঘটনায় এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে এবং গাড়িটিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার রাতে নিয়মিত নাকা চেকিং চলছিল। সেই সময় আলিপুর দিক থেকে একটি গাড়ি আসতে দেখে সন্দেহ হয় কর্তব্যরত আধিকারিকদের। গাড়িটি থামিয়ে তল্লাশি চালানো হলে সেখান থেকে ৩৭ লক্ষ ৯৭ হাজার টাকা উদ্ধার হয়।গাড়িতে থাকা আশুতোষ আগরওয়াল নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। কিন্তু এত বড় অঙ্কের টাকা কোথা থেকে এল এবং কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তার কোনও স্পষ্ট উত্তর তিনি দিতে পারেননি। ফলে এই টাকা পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল কি না, তা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।ঘটনার পরেই বিষয়টি জানানো হয় আয়কর বিভাগকে। নিয়ম মেনে উদ্ধার হওয়া টাকা তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তারা ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে।পুলিশ জানিয়েছে, টাকার প্রকৃত মালিককে তলব করা হবে। তিনি যদি বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেন, তাহলে টাকা ফেরত দেওয়া হবে। অন্যথায় সেই টাকা সরকারি কোষাগারে জমা পড়বে। পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত চলছে।

এপ্রিল ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal