• ৩২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ১৬ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

IR

রাজ্য

‘ফাইনাল লিস্ট প্রকাশ করে পরের দিন ভোট ঘোষণা করবে বিজেপি’—মমতার দাবিতে রাজনৈতিক মহলে তোলপাড়

২০২৬-এর নির্বাচনের আগে রাজবংশী ভোটকে নজরে রেখেই কি বড়সড় শক্তি-প্রদর্শন? এসআইআর বিতর্কের উত্তাপের মধ্যেই কোচবিহারের রাসমেলা ময়দানে বিশাল জনসভা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রীয় বঞ্চনা, বন্দেমাতরম বিতর্ক, বিজেপির রাজনীতিএকাধিক ইস্যুতে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। তবে সবচেয়ে বেশি আক্রমণ করেন এসআইআর প্রসঙ্গ নিয়ে।মমতার অভিযোগ, এসআইআর পুরো বিষয়টাই একটি রাজনৈতিক চাল। তাঁর দাবি, আগামী নির্বাচনে সংখ্যালঘু ভোট ভাগ করে দিতে কোটি কোটি টাকা খরচ করে এই পরিকল্পনা করেছে বিজেপি। মঞ্চ থেকে বলেন, সকলেই এসআইআরে নাম তুলুন। এটা ওদের কৌশল। সামনে নির্বাচন, তাই সবটাই প্ল্যান করে করা হয়েছে। আমরা না করলে ওরা রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে ভোট করবে।তিনি আরও দাবি করেন, বিজেপি ফাইনাল লিস্ট তৈরি করে পরের দিনেই নির্বাচন ঘোষণা করতে পারে, যাতে কেউ আদালতে যাওয়ার সুযোগ না পায়। যদিও আইনি বিষয় আদালতের উপর ছেড়ে দেওয়ার কথা বলেন তিনি, কিন্তু রাজনৈতিক লড়াই রাজনৈতিকভাবেই লড়বেন বলে স্পষ্ট করেন।মমতার অভিযোগ, বিজেপির হাতে রাজ্য গেলে বাংলার অস্তিত্বই বিপদে পড়বে। তাঁর কথায়, বিজেপি এলে আপনার ঠিকানা, সম্মান, সবটাই প্রশ্নের মুখে পড়বে। বাংলাকে ডিটেনশন ক্যাম্প বানিয়ে দেবে। কিন্তু বাংলায় আমরা তা হতে দেব না। কোনও এনআরসি হবে না, কোনও ডিটেনশন ক্যাম্পও নয়।ডাবল ইঞ্জিন সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র সুর তুলে তিনি বলেন, উত্তরপ্রদেশ ও অসমে ডিটেনশন ক্যাম্প চালু করা হয়েছে, কিন্তু বাংলায় তা কখনওই হতে দেওয়া হবে না।এই মন্তব্যের পরেই পাল্টা তোপ দেগেছে বিজেপি। বিজেপি মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার কটাক্ষ করে বলেন, এ কী অদ্ভুত কথা! যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগেই উনি হেরে গিয়েছেন। এখন থেকেই হারের অজুহাত দিচ্ছেন।কোচবিহারের রাজনীতিতে এবং রাজবংশী ভোটে এই বক্তব্য কতটা প্রভাব ফেলবে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২৫
রাজ্য

৩ হাজার টাকায় ‘সরকারি সুবিধার প্রতিশ্রুতি’! আদিবাসীদের ভুল বুঝিয়ে বিশাল প্রতারণা, ধৃত ২

বাঁকুড়া ও পুরুলিয়ার বেশ কয়েকটি গ্রামে কিছু মানুষ আদিবাসীদের ভুল বুঝিয়ে এসআইআর ফর্ম পূরণ না করতে দীর্ঘদিন ধরেই প্ররোচনা দিচ্ছিলেন। তাঁরা দাবি করছিলেন, যারা অন্তঃরাষ্ট্রীয় মাঝি সরকারের সদস্যপদ নিয়েছেন, তাঁদের নাকি এসআইআর ফর্ম জমা দিতে হবে না। এই দাবির জেরে রানিবাঁধ ও বান্দোয়ান বিধানসভার গ্রামগুলিতে সরকারি আধিকারিকদের কাজ প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। বহু আদিবাসী ফর্ম পূরণে অনীহা প্রকাশ করেন এবং জায়গায় জায়গায় বিক্ষোভ দেখানো হয়।ঘটনা তদন্তে নেমে বাঁকুড়ার বারিকুল থানার পুলিশ জানতে পারে, মাঝি সরকারের নামে বড় ধরনের প্রতারণা চলছে। ছত্তিশগড় থেকে পরিচালিত এই সংগঠনের শাখা ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয় ওড়িশার ময়ূরভঞ্জ এলাকার কয়েকজন। তদন্তে উঠে আসে, মাথাপিছু তিন হাজার টাকায় মাঝি সরকারের ভুয়ো সদস্যপদ দেওয়া হচ্ছিল। সেই সঙ্গে দেশের সর্বত্র বিনা ভাড়ায় যাতায়াতসহ নানা সরকারি সুবিধার প্রতিশ্রুতিও দেখানো হচ্ছিল।পুলিশ প্রথমে হানা দেয় ওড়িশার ময়ূরভঞ্জ জেলার পূর্ণিয়া গ্রামে। সেখানে ওড়িশা পুলিশের সহায়তায় ধরা পড়ে এই চক্রের অন্যতম মাথা ভবেন্দ্র মারান্ডি। পরে তাঁকে ট্রানজিট রিমান্ডে বাঁকুড়ায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে আরেক অভিযুক্তের নাম উঠে আসে। তিনি বাঁকুড়ার বারিকুল থানার রসপকাল গ্রামের বাসিন্দা এবং আদিবাসী বিকাশ পরিষদের বহিষ্কৃত নেতা সন্তোষ মান্ডি। তাকেও গ্রেফতার করে পুলিশ। দুজনের বিরুদ্ধেই আর্থিক প্রতারণাসহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে, এবং তাঁরা সাত দিনের পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।এদিকে মাঝি সরকারের নামে প্রতারণার ঘটনা সামনে আসতেই নড়েচড়ে বসেছে বিভিন্ন আদিবাসী সামাজিক সংগঠন। তাঁরা গ্রামে গ্রামে গিয়ে মানুষকে বোঝাচ্ছেন যে এসআইআর ফর্ম পূরণ করা কেন জরুরি। তাঁদের আশা, যাঁরা এবার বিভ্রান্ত হয়েছিলেন, তাঁরা খুব শীঘ্রই আগের অবস্থান বদলে ফর্ম পূরণের কাজে এগিয়ে আসবেন।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২৫
রাজ্য

বাবরি মসজিদের শিলান্যাসে অনুদানের ঢল—এই গতিতে ২৪ ঘণ্টায় কত ছাড়াতে পারে?

গত শনিবার বাবরি মসজিদের শিলান্যাস করেছেন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। মসজিদ, স্কুল এবং হাসপাতাল মিলিয়ে প্রায় ৩০০ কোটির এক বড় প্রকল্পের ঘোষণা করেন তিনি। ঘোষণার পর থেকেই অনুদান আসতে শুরু করেছে। শুরুতে দানবাক্স খোলার ছবি নিজেই প্রকাশ করেন হুমায়ুন, তবে পরে নিরাপত্তার কারণে সেই জায়গা গোপন রাখা হয়েছে। তিন দিন যেতে না যেতেই অনুদানের অঙ্ক প্রায় তিন কোটি টাকায় পৌঁছে গিয়েছে।জানা গিয়েছে, মোট ১১টি দানবাক্স ইতিমধ্যেই খোলা হয়েছে এবং সেগুলির হিসেবও শুরু হয়েছে। আরও একটি দানবাক্স শিলান্যাসের স্থানে রাখা আছে, যেখানে এখনও পড়ছে নগদ অনুদান। দানবাক্সের টাকা গোনার দায়িত্বে রয়েছেন ৩০ জন ধর্মগুরু, যাঁরা মেশিনের সাহায্যে প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত গণনা করছেন। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দানবাক্স থেকে পাওয়া গেছে প্রায় ৫৭ লক্ষ টাকা।এ ছাড়া অনুদানের জন্য চালু রাখা হয়েছে কিউআর কোড। সেই মাধ্যমেই এসেছে প্রায় ২ কোটি ৩০ লক্ষ টাকা। সব মিলিয়ে সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত অনুদানের অঙ্ক দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা। প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা লোকজনের মতে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অনুদান সাড়ে তিন কোটি টাকা ছাড়াতে পারে।অনুদান এত দ্রুত বাড়তে থাকায় হুমায়ুন কবীরের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের লিমিটও বাড়াতে হয়েছে। প্রতিদিন ২০ লক্ষ টাকা এন্ট্রি করার সীমা ছিল, কিন্তু দিনে তার চেয়েও বেশি টাকা ঢুকে পড়ায় ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। পরে চিফ ম্যানেজারের অনুমতিতে দৈনিক লিমিট বাড়িয়ে ৪০ লক্ষ টাকা করা হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২৫
রাশিফল

আজকের দিনে 'মেষ' রাশির জাতকের "নতুন পরিকল্পনা সফল"। আজ মঙ্গলবার আপনার কেমন যাবে জেনে নিন

৯ ডিসেম্বর ২০২৫ মঙ্গলবার, আপনার রাশিচক্র অনুযায়ী দিনটি কেমন কাটবে তা জানতে নিচে প্রতিটি রাশির জন্য সংক্ষিপ্ত রাশিফল দেওয়া হলো:🐏 মেষ (Aries): নতুন পরিকল্পনা সফল।🐂 বৃষ (Taurus): পারিবারিক অনুষ্ঠান।👥 মিথুন (Gemini): অফিসে চাপ বাড়বে।🦀 কর্কট (Cancer): স্বাস্থ্য দেখুন।🦁 সিংহ (Leo): আয়ের সুযোগ।🌾 কন্যা (Virgo): প্রেমে শান্তি।⚖️ তুলা (Libra): যাত্রার প্রস্তুতি।🦂 বৃশ্চিক (Scorpio): অর্থের প্রবাহ বাড়বে।🏹 ধনু (Sagittarius): কাজে উন্নতি।🐐 মকর (Capricorn): ভুল বোঝাবুঝি কাটবে।🌊 কুম্ভ (Aquarius): সহায়তা আসবে।🐟 মীন (Pisces): নথিপত্রে সুবিধা।যে কোনও সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য যোগাযোগ করুনঃ শ্রী সূপর্ণ (জ্যোতিষী)যোগাযোগঃ ৯৮৩০০৬৫২৪০, ওয়েবসাইটঃ www.srisuparna.com

ডিসেম্বর ০৯, ২০২৫
দেশ

অভিশপ্ত গোয়া নাইটক্লাব! ২৫ জনের মৃত্যু, মালিকের রহস্যময় বার্তা—কোথায় লুকিয়ে সৌরভ?

গোয়ার জনপ্রিয় একটি নৈশক্লাবে পার্টি চলার সময় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২৫ জনের মৃত্যুতে উত্তাল সারা দেশ (Goa)। অভিযোগ উঠছে, ক্লাবটি বেআইনিভাবে তৈরি হয়েছিল এবং ভিতরে প্রবেশের রাস্তা খুবই সংকীর্ণ ছিল। এই ঘটনায় ক্লাবের মালিক সৌরভ লুথরা এখনও পলাতক। তাঁর বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিস জারি হলেও পুলিশ এখনো তাকে ধরতে পারেনি। এই নিয়েই উঠে আসছে নানা প্রশ্নএত বড় দুর্ঘটনার পরও কি প্রশাসনকে ম্যানেজ করা হচ্ছে?ঘটনার প্রায় ২৪ ঘণ্টা পরে সৌরভ লুথরা (Goa) প্রথম প্রতিক্রিয়া দেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, এই মর্মান্তিক ঘটনায় তিনি ভীষণ দুঃখিত এবং শোকাহত। ক্ষতিগ্রস্তদের সব রকম সাহায্যের আশ্বাসও দেন। কিন্তু প্রশ্ন থেকেই যায়পুলিশ যখন দিল্লি পর্যন্ত তাঁর খোঁজে গিয়েছে, তখন তিনি কীভাবে অনায়াসে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করতে পারলেন?উত্তর গোয়ার (Goa) আরপোরায় বাগা সৈকতের কাছে অবস্থিত বির্চ বাই রোমিও লেনে নামের ক্লাবটিতে শনিবার রাতে পার্টি চলার সময় আগুন লাগে। আগুনে এখনও পর্যন্ত ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে ২০ জনই ক্লাবের কর্মী বলে জানা গেছে। বাকিরা পর্যটক। মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সওয়ান্ত জানিয়েছেন, ক্লাবে মাত্র দুটি প্রবেশপথ ছিল। যথেষ্ট বেরোনোর রাস্তা না থাকায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে যায়। তিনি আরও জানান, ক্লাবের ভিতর আতশবাজি ফাটানোয় আগুন লাগে। তবে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের দাবি তিনি নাকচ করেছেন।ঘটনার পর থেকেই বিরোধীরা মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন। সরকার ইতিমধ্যেই একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে এবং এক সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি মৃতদের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা এবং আহতদের ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করা হয়েছে।ইতিমধ্যে তিনজন সরকারি আধিকারিককে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এরা হলেন পঞ্চায়েত পরিচালক সিদ্ধি তুষার হরলঙ্কর, রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের সচিব সদস্য ডাঃ শামিলা মনতেইরো এবং আরপোরা-নাগোয়া পঞ্চায়েতের সচিব রঘুবীর বাগকর। অভিযোগ, ২০২৩ সালে এই নৈশক্লাবকে অনুমতি দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁরাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন। পুলিশ পঞ্চায়েত প্রধান রোশন রেদকরকেও জিজ্ঞাসাবাদ করছে। কারণ তিনিই ক্লাবটিকে ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু করেছিলেন।অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে ক্লাব মালিক সৌরভ লুথরার হদিশ মিলছে না। তিনি কোথায় লুকিয়ে আছেন, তা নিয়ে চলছে জল্পনা। সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টেই এবার উঠে এল নতুন বিতর্কপুলিশের চোখ এড়িয়ে কীভাবে তিনি নিজের অবস্থান গোপন রাখছেন?

ডিসেম্বর ০৮, ২০২৫
দেশ

সাগরের ধারে অবৈধ ক্লাবই কোলে বসানো টাইম বোমা! কেন চুপ ছিল গোয়ার কর্তারা?

গোয়ার ভগাতর সৈকতের উপর যে ক্লাবটি নিয়ে এতদিন অভিযোগ উঠছিল, সেটিকে স্থানীয়রা বরাবরই টিকটিক করা টাইম বোমা বলেই বর্ণনা করতেন। অভিযোগ, লুথরা ভাইদের মালিকানাধীন ওই ক্লাবটি তৈরি হয়েছিল পুরোপুরি বেআইনি ভাবেকোনও অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই, নেই কাঠামোর সুরক্ষার ন্যূনতম নিয়মও। আরও বিস্ময়, ক্লাবটি দাঁড়িয়ে ছিল সরকারি জমির উপরই। ভারতের বিভিন্ন দফতরে একাধিক অভিযোগ জানানো হলেও, তেমন কোনও কার্যকর পদক্ষেপ হয়নি।পুলিশ, পলিউশন কন্ট্রোল বোর্ড, কোস্টাল জোন রেগুলেটরি অথরিটি, টাউন অ্যান্ড কান্ট্রি প্ল্যানিংসব জায়গায় অভিযোগ গিয়েছিল। সমাজকর্মী রবি হর্মালকারও বহুবার সতর্ক করেছিলেন, এমনকি লুথরা ভাইদের কাছ থেকে হুমকিও পেয়েছিলেন বলে দাবি। শেষ পর্যন্ত তিনি গোয়া বেঞ্চের বোম্বে হাইকোর্টে যান। আদালত ভাঙার নির্দেশ দেয়। পরে পর্যটন দফতরও ভাঙার নির্দেশ তো দেয়, কিন্তু যা করা হয়, তা ছিল মাত্র উপরি-উপরি। এর পরও ক্লাবটি আবার কাঠের তক্তা আর পেরেক জোড়া দিয়ে সমুদ্রের ধারে দাঁড় করিয়ে ব্যবসা চালিয়ে যায়।অভিযোগ, উচ্চ জোয়ারের সময় ঢেউ সরাসরি ক্লাবের দোতলায় আছড়ে পড়ত। হর্মালকার বারবার সতর্ক করেছিলেন যে এই জায়গা যেকোনও সময় বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।শেষমেশ আরপোরার রোমিও লেনের বিখ্যাত নাইটক্লাব বার্চ-এ ভয়াবহ আগুনে ২৫ জনের মৃত্যু এবং কয়েকজন আহত হওয়ার পর গোয়া প্রশাসন তৎপর হয়। সেই ঘটনার পরই ভগাতরের ওই ক্লাবটি সিল করে দেওয়া হয়।এখন প্রশ্ন উঠছে, এত অভিযোগ, এত বিপদের সতর্কতার পরেও কে বা কারা লুথরা ভাইদের রক্ষা করছিল, যার ফলে কোনও লাইসেন্স ছাড়াই সরকারি জমিতে ক্লাব চালানো সম্ভব হয়েছিল? হর্মালকারের দাবি, তাঁদের পিছনে প্রভাবশালী রাজনৈতিক যোগাযোগ ছিল এবং এমনকি কয়েকজন আইএএস ও আইপিএস অফিসারের আশ্রয়ও তারা পেয়েছিলেন।রোমিও লেনের ওয়েবসাইটে সৌরভ লুথরাকে একজন গোল্ড মেডালিস্ট ইঞ্জিনিয়ার থেকে সফল রেস্তোরাঁ উদ্যোক্তা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। তিনি বেশ কয়েকটি শহরে ক্লাবরেস্তোরাঁর শৃঙ্খল পরিচালনা করেন এবং বিভিন্ন ম্যাগাজিনেও স্থান পেয়েছেন।ভয়াবহ আগুনের ঘটনায় গোয়া পুলিশ সৌরভ লুথরা ও তাঁর ভাই গৌরবের বিরুদ্ধে লুক-আউট নোটিশ জারি করেছে। অভিযোগ, দুর্ঘটনার পর দুজনই রাজ্য ছাড়েন এবং সম্ভবত দেশ থেকেও বেরিয়ে গিয়েছেন। দেশের সব বিমানবন্দর ও থানায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২৫
রাজ্য

উত্তরবঙ্গে এনআরসির নোটিসে আতঙ্ক, মমতার মন্তব্যে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ল

বাংলায় এসআইআর শুরু হওয়ার আগেই উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারের বিভিন্ন জায়গায় অসম সরকারের পক্ষ থেকে এনআরসি-র নোটিস পাঠানো হচ্ছিল। এ নিয়ে আগেই আপত্তি জানিয়েছিল তৃণমূল। এবার সরাসরি মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কোচবিহারের প্রশাসনিক বৈঠক থেকে পুলিশকে দিলেন কড়া নির্দেশ।বৈঠকে মমতা বলেন, বাংলার নাগরিকদের কাছে অসম সরকারের নোটিস পাঠানোর কোনও অধিকার নেই। নমঃশূদ্র ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের উদ্দেশে তিনি জানান, বাংলায় ডিটেনশন ক্যাম্প তৈরির প্রশ্নই নেই। তিনি বলেন, মানুষকে সম্মান নিয়ে বাঁচতে দিতে হবে, ভয় দেখিয়ে নয়। মমতা স্পষ্ট নির্দেশ দেন, অন্য রাজ্যের কেউ এসে বাংলার সাধারণ মানুষকে গ্রেফতার করে নিয়ে যেতে পারবে না। পুলিশকে তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি কোনও অপরাধীকে ধরতে অন্য রাজ্য আসে, তাহলে রাজ্যের সঙ্গে কথা বলতে হবে। কিন্তু সাধারণ মানুষের নামে অভিযোগ মানেই সে অপরাধী নয়।সাম্প্রতিক কয়েক মাসে আলিপুরদুয়ারের জটেশ্বরের এক গৃহবধূর কাছে এনআরসি নোটিস পৌঁছেছিল। কোচবিহারেও একই ঘটনা ঘটেছিল। সেই নিয়ে এলাকাজুড়ে উদ্বেগ ও জল্পনা তৈরি হয়। এই প্রেক্ষিতেই মমতা ফের জানালেন, বাংলার মানুষকে এনআরসির নামে আতঙ্ক দেখিয়ে হেনস্থা করতে দেবেন না।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২৫
রাজ্য

সাসপেন্ড, বাবরি, নতুন দল! ভোটের আগে হুমায়ুন কবীরের সম্পত্তির অজানা তথ্য ফাঁস

দল থেকে সাসপেন্ড হওয়ার পর থেকেই ফের শিরোনামে উঠে এসেছেন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। প্রথমে বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, তারপর নতুন দল গঠনের ইঙ্গিতসব মিলিয়ে আসন্ন বিধানসভা ভোটের আগে তাঁর ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে জোর জল্পনা চলছে। এর মধ্যেই জানা গিয়েছে, বাবরি মসজিদের জন্য কোটি কোটি টাকার অনুদান আসছে তাঁর কাছে। পেশায় ব্যবসায়ী হুমায়ুনের ব্যক্তিগত সম্পত্তি নিয়েও কৌতূহল বাড়ছে।হলফনামার হিসেব অনুযায়ী, ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষে হুমায়ুনের আয় ছিল ২ লক্ষ ৬৯ হাজার টাকা। ২০১৬-১৭ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৪ লক্ষ টাকার উপরে। পরের বছরেও আয়ে সামান্য বৃদ্ধি হয়। ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে তাঁর আয় নেমে আসে ৩ লক্ষ ২০ হাজার টাকার কাছে। আর ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে, অর্থাৎ ভোটের ঠিক আগের বছরে হুমায়ুনের আয় ছিল প্রায় ৩ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা।হুমায়ুনের স্ত্রী মীরা সুলতানার আয়ও কম নয়। ২০১৫-১৬ সালে তাঁর আয় প্রায় ৫ লক্ষ টাকা। ২০১৬-১৭ ও ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষেও তিনি প্রায় একই অঙ্কের আয় করেছেন। ২০১৮-১৯ সালে তাঁর আয় নেমে আসে সাড়ে ৩ লক্ষ টাকার কাছে। ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে তিনি আয় করেন প্রায় ৩ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা।হুমায়ুনের ছেলে গোলাম নবী আজাদ, যিনি বর্তমানে পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ, তিনিও বছরে প্রায় ৩ লক্ষ টাকার মতো আয় করেন। ২০১৯-২০ সালে তাঁর আয় ছিল ৩ লক্ষ ৪৯ হাজার টাকা।২০২১ সালের হলফনামা বলছে, হুমায়ুনের হাতে নগদ ছিল ১ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা। স্ত্রীর হাতে ছিল ২৫ হাজার টাকা। তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বিভিন্ন অঙ্কে মোট কয়েকটি জমা ছিল, যার মধ্যে একটি অ্যাকাউন্টে ছিল ২৮ হাজার টাকা। পেনশন অ্যাকাউন্টে ছিল ১৭২৬ টাকা। অন্যদিকে স্ত্রীর দুটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে মোট ৩ লক্ষ টাকার মতো ছিল।বিনিয়োগের অঙ্ক কিন্তু আরও বড়। হুমায়ুনের নামে ছিল প্রায় ৪ লক্ষ ৬৩ হাজার টাকার জীবনবিমা, এছাড়া ১ লক্ষ ৯৯ হাজার, ৩ লক্ষ এবং ২ লক্ষ টাকার আরও তিনটি বিমা ছিল। ৫০ হাজার টাকার তিনটি এলআইসিও ছিল তাঁর নামে। এছাড়া তিনি নিয়েছিলেন প্রায় সাড়ে ৪ লক্ষ টাকার লোন।হুমায়ুনের নামে রয়েছে ৪ লক্ষ টাকার একটি টাটা সাফারি গাড়ি। তাঁর স্ত্রীর নামে রয়েছে ৮ লক্ষ টাকার একটি জেসিবি মেশিন। হুমায়ুনের নামে স্থাবর সম্পত্তি হিসাবে রয়েছে প্রায় ৩ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকার সম্পত্তি। মীরার নামে রয়েছে প্রায় ১৯ লক্ষ টাকার সোনা।সব মিলিয়ে, ২০২১ সালের হিসাবে, হুমায়ুনের মোট সম্পত্তির মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ২৭ লক্ষ টাকার কাছাকাছি। তাঁর স্ত্রীর সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার সামান্য বেশি।অস্থাবর সম্পত্তির দিক থেকেও হুমায়ুন যথেষ্ট স্বচ্ছল। তাঁর নামে মোট ১.৭ একর জমি রয়েছে। রেজিনগরে দুটি এবং বহরমপুরে একটি জমি রয়েছে, যার দাম মিলিয়ে প্রায় ১৩ লক্ষ টাকার মতো। পাশাপাশি কলকাতার রাজারহাট এবং কলিন স্ট্রিটে তাঁর নামে দুটি ফ্ল্যাট রয়েছে, যার সম্মিলিত মূল্য প্রায় ৩৫ লক্ষ টাকা বলে হলফনামায় উল্লেখ রয়েছে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২৫
রাজ্য

ছুটির দিনে গোপন বৈঠক! নানুরে SP–কে নিয়ে রহস্যে ঢাকল বীরভূম—ভোটের আগে তুঙ্গে জল্পনা

নিজস্ব সংবাদদাতা: বীরভূমে ছুটির দিনে হঠাৎই জেলা পুলিশের এসপির গোপন বৈঠক ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। রবিবার বিকেল তিনটে থেকে পাঁচটার মধ্যে সার্কিট হাউসে এই বৈঠক হয়। ঠিক কী কারণে এমন একান্ত বৈঠক করা হল, তা নিয়ে নানুর জুড়ে জল্পনা তুঙ্গে। কারণ, সামনে বিধানসভা ভোট। ভোটের আগে পুলিশ সুপারের এমন গোপনীয় সভা স্বাভাবিকভাবেই নানা প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে।প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, এসআইআর নিয়ে আলোচনা করার জন্যই এই বৈঠক ডাকা হয়েছিল। কারণ, আগের দিনই তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠ কেষ্ট মণ্ডল একটি সভায় কেন্দ্রীয় নীতি নিয়ে কড়া বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, বীরভূমে কোনও বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গা নেই এবং এখানে এসআইআর বা এনআরসি কোনও ভাবেই কার্যকর হবে না। কেষ্টের ওই মন্তব্যের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এসপির সঙ্গে বৈঠক হওয়ায় নতুন করে জল্পনা আরও বেড়েছে।এদিকে, নানুরে সম্প্রতি তৃণমূলের এক গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে খুন হন এক স্থানীয় নেতা। অভিযোগ উঠেছে, অনুব্রত ঘনিষ্ঠ ওই নেতাকে হত্যা করেছে কাজল শেখের গোষ্ঠী। খুন হওয়া নেতা ছিলেন কেষ্ট মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ। তাই এই বিষয়টিও বৈঠকে আলোচনার বিষয় হতে পারে বলে স্থানীয় সূত্রের খবর।ঘটনা নিয়ে বিজেপি নেতা সজল ঘোষ কটাক্ষ করে বলেছেন, এই বৈঠকে খুনের পরিকল্পনাও হতে পারে। তাঁর দাবি, কে কাকে খুন করল এবং পুলিশ কীভাবে তাকিয়ে বসে থাকে, সেই নিয়েও আলোচনা হয়ে থাকতে পারে। যদিও পুলিশ বা প্রশাসনের তরফে কেউ এ বিষয়ে মুখ খোলেননি।ছুটির দিনে এমন গোপন বৈঠক হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে রহস্য আরও গভীর হয়েছে। বীরভূমে ঠিক কী ঘটছে, তা নিয়ে এখনই নতুন চর্চা শুরু হয়েছে জেলায়।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২৫
কলকাতা

দমদমে আগুনে দাউদাউ গেঞ্জি কারখানা! বস্তি বাঁচাতে দমকলের মরিয়া লড়াই—অল্পের জন্য বড় বিপদ থেকে রক্ষা

দমদমে ফের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। সোমবার সন্ধ্যায় সেভেন পয়েন্টের কাছে একটি গেঞ্জি কারখানায় হঠাৎ আগুন লেগে মুহূর্তের মধ্যে দাউদাউ করে জ্বলতে শুরু করে গোটা কারখানা। কারখানায় প্রচুর দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন চোখের পলকে ছড়িয়ে পড়ে। দূর থেকেও আগুনের তেজ দেখা যাচ্ছিল। আগুন বাড়তে থাকতেই আতঙ্ক তৈরি হয় আশপাশের বস্তিতে। বাসিন্দারা তড়িঘড়ি বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দেন, গ্যাস সিলিন্ডার বাইরে বের করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যান।কারখানার কয়েকজন কর্মী সময়মতো বাইরে বেরিয়ে আসতে পারলেও উল্টো দিকের একটি বাড়িতে কয়েকজন আটকে ছিলেন। স্থানীয়রা তাঁদের নিরাপদে বের করে আনে। ঠিক তখনই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ১০টি ইঞ্জিন। চারদিক বস্তি থাকায় আগুন যাতে সেগুলিতে ছড়িয়ে না পড়ে, সেই দিকেই প্রথম নজর ছিল দমকলের। এক দমকলকর্মী জানান, বস্তিগুলো রক্ষা করাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ, এবং তারা সেই চ্যালেঞ্জে সফল হয়েছে। বর্তমানে আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে দমকল জানিয়েছে। এখনও কারখানার কোথাও আগুন লুকিয়ে আছে কি না, তা খুঁটিয়ে দেখা হচ্ছে।আগুন লাগার কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। কোনো হতাহতের খবর না মিললেও ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। কারখানার মালিক বা কর্মীরা এখনো কিছু বলেননি। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কারখানায় ঠিকমতো অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা ছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা হবে। বস্তিতে আগুন না ছড়ানোয় স্বস্তি পেয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছিলেন স্থানীয় বিধায়ক অতীন ঘোষও।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২৫
রাশিফল

আজকের দিনে 'সিংহ' রাশির জাতকের "আর্থিক লাভ"। আজ সোমবার আপনার কেমন যাবে জেনে নিন

৮ ডিসেম্বর ২০২৫ সোমবার, আপনার রাশিচক্র অনুযায়ী দিনটি কেমন কাটবে তা জানতে নিচে প্রতিটি রাশির জন্য সংক্ষিপ্ত রাশিফল দেওয়া হলো:🐏 মেষ (Aries): কাজে সাফল্য।🐂 বৃষ (Taurus): পরিবারের সমর্থন।👥 মিথুন (Gemini): মিটিং শুভ।🦀 কর্কট (Cancer): ঘুম কম হতে পারে।🦁 সিংহ (Leo): অর্থযোগ ভালো।🌾 কন্যা (Virgo): সম্পর্ক স্থির।⚖️ তুলা (Libra): ভ্রমণ সিদ্ধান্ত।🦂 বৃশ্চিক (Scorpio): টাকা ফেরত সম্ভাবনা।🏹 ধনু (Sagittarius): অগ্রগতি।🐐 মকর (Capricorn): কথায় সতর্কতা।🌊 কুম্ভ (Aquarius): বন্ধু পাশে।🐟 মীন (Pisces): কাগজে অগ্রগতি।যে কোনও সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য যোগাযোগ করুনঃ শ্রী সূপর্ণ (জ্যোতিষী)যোগাযোগঃ ৯৮৩০০৬৫২৪০, ওয়েবসাইটঃ www.srisuparna.com

ডিসেম্বর ০৮, ২০২৫
রাজ্য

৫১৭ ভোটার, একজনও মৃত নয়! ঘাটালের রহস্যময় বুথ ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য

রাজ্যের বেশ কয়েকটি বুথকে বিশেষ নজরে রেখেছে নির্বাচন কমিশন। কারণ, ওই সব বুথে মৃত ভোটার নেই বললেই চলে, এমনকী বহু ভোটার ঠিকানাও বদল করেননি। এই তালিকার শীর্ষে রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, তবে অন্যান্য জেলাতেও একই ছবি মিলেছে। তার মধ্যেই সবচেয়ে নজর কেড়েছে পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল মহকুমার চন্দ্রকোনা পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের একটি বুথ।এই ১৪৮ নম্বর বুথে মোট ভোটার ৫১৭ জন। ডিজিটাইজড এনুমারেশন ফর্ম রয়েছে ৫১৩ জনের। মাত্র ৪ জন স্থায়ী ভাবে ঠিকানা বদল করেছেন। কিন্তু আশ্চর্য বিষয় হল, চন্দ্রকোনা পৌরসভার বাকি ২০টি বুথে মৃত ভোটারের সংখ্যা ২৪৯ হলেও এই এক বুথে একজন মৃত ভোটারও নেই। কমিশনের প্রতিদিনের রিপোর্টে এই তথ্য উঠে আসতেই প্রশাসনের মধ্যে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা।এই বুথের বিএলও বিকাশ লাহা জানিয়েছেন, তাঁর বুথের ভোটার তালিকা যে কোনও সময়ে যাচাই করা যেতে পারে। তিনি দাবি করেন, ২০১২ সাল থেকে তিনি নিয়ম মেনে কাজ করছেন। কেউ মারা গেলে ডেথ সার্টিফিকেট পাওয়ার ১৫ দিনের মধ্যেই তিনি খোঁজ নিয়ে নাম বাদ দিতেন। এসআইআর শুরুর আগেই তিনি দুজন মৃত ভোটারের নাম বাদ দিয়েছেন বলেও জানান। তাঁর কথায়, পৌরসভার দেওয়া মৃত্যুর তালিকা আর ভোটার তালিকা মিলিয়ে দেখলেই সব পরিষ্কার হবে, তাই এ নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই।তবে এর মধ্যেই সামনে এসেছে এক নতুন তথ্য। গোপালপুর গ্রামের বাসিন্দা উত্তম হাতি দেড় বছর আগে মারা গিয়েছেন। তাঁর স্ত্রী বন্দনা হাতি জানিয়েছেন, এসআইআর শুরু হওয়ার আগেই বিএলও এসে তাঁর স্বামীর তথ্য সংগ্রহ করেছিলেন এবং ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দিয়েছেন বলেও জানিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কীভাবে মৃত ভোটার শূন্যের তালিকায় এই বুথ রইল, তা নিয়ে প্রশাসনেও ধোঁয়াশা কাটছে না।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২৫
রাশিফল

আজকের দিনে 'সিংহ' রাশির জাতকের "আর্থিক লাভ"। আজ রবিবার আপনার কেমন যাবে জেনে নিন

৭ ডিসেম্বর ২০২৫ রবিবার, আপনার রাশিচক্র অনুযায়ী দিনটি কেমন কাটবে তা জানতে নিচে প্রতিটি রাশির জন্য সংক্ষিপ্ত রাশিফল দেওয়া হলো:🐏 মেষ (Aries): নতুন পরিকল্পনা।🐂 বৃষ (Taurus): পরিবারের সঙ্গে সময় ভালো।👥 মিথুন (Gemini): ব্যস্ততা কমবে।🦀 কর্কট (Cancer): শরীরচর্চা জরুরি।🦁 সিংহ (Leo): আর্থিক লাভ।🌾 কন্যা (Virgo): সম্পর্ক দৃঢ়।⚖️ তুলা (Libra): ভ্রমণের সুযোগ।🦂 বৃশ্চিক (Scorpio): পাওনা মিলবে।🏹 ধনু (Sagittarius): অগ্রগতি।🐐 মকর (Capricorn): সম্পর্কের সংলাপ দরকার।🌊 কুম্ভ (Aquarius): বন্ধু পাশে থাকবে।🐟 মীন (Pisces): কাগজে স্বস্তি।যে কোনও সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য যোগাযোগ করুনঃ শ্রী সূপর্ণ (জ্যোতিষী)যোগাযোগঃ ৯৮৩০০৬৫২৪০, ওয়েবসাইটঃ www.srisuparna.com

ডিসেম্বর ০৭, ২০২৫
রাজ্য

বেলডাঙায় ‘বাবরি মসজিদ’ শিলান্যাস! এক দাতার ৮০ কোটি টাকার প্রতিশ্রুতি—কে তিনি? প্রশ্নে গরম রাজনীতি

পূর্বঘোষণা মতোই মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় প্রস্তাবিত বাবরি মসজিদের শিলান্যাস করলেন সাসপেন্ড হওয়া তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। দীর্ঘ টানাপড়েন, রাজনৈতিক তর্ক-বিতর্ক এবং আদালতে নিষেধাজ্ঞার পর অবশেষে হাইকোর্টের সবুজ সঙ্কেত মিলতেই শুক্রবার বৃহৎ আয়োজনের মধ্যেই সম্পন্ন হয় শিলান্যাস।হুমায়ুন জানান, মসজিদ নির্মাণে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা খরচ ধরা হয়েছে। তবে এক পয়সাও সরকারি তহবিল থেকে নেবেন না বলে সরাসরি জানিয়ে দেন তিনি। তাঁর দাবি, পুরো টাকাই আসবে সংখ্যালঘু সমাজের অনুদানে। সভা মঞ্চ থেকেই তিনি জানান, এক ব্যবসায়ী ৮০ কোটি টাকা অনুদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং তা এক মাসের মধ্যেই দেওয়া হবে। তবে ওই দাতার পরিচয় তিনি প্রকাশ করেননি। শুধু বলেন, তিনি নিজের নাম প্রকাশ করতে চান না। কোম্পানির মাধ্যমেই টাকা দেবেন। সরকারের টাকায় মসজিদ করলে পবিত্রতা নষ্ট হবে।হুমায়ুনের হাতে রয়েছে ২৫ বিঘা জমি। আপাতত তার মধ্যে ৩ কাঠা জমিতে মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে ওই জমির মধ্যেই ইসলামিক হাসপাতাল, বিশ্ববিদ্যালয়, মুসাফিরখানা ও হেলিপ্যাড তৈরির পরিকল্পনাও ঘোষণা করেন তিনি। জায়গাটি জাতীয় সড়ক থেকে মাত্র ৩০০-৪০০ মিটার দূরে হওয়ায় ভবিষ্যতে প্রচুর মানুষের যাতায়াতেও সুবিধা হবে বলে দাবি তাঁর।এই শিলান্যাস ঘিরে তৃণমূলের অস্বস্তি আরও বেড়েছে। দলের তরফে হুমায়ুনকে সাসপেন্ড করা হলেও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভোটের মুখে এই বিতর্ক দলকে আরও বিপাকে ফেলতে পারে। বিরোধী দলনেতা দাবি করেছেন, সংখ্যালঘু ভোটে প্রভাব ফেলতেই এমন উদ্যোগ নিয়েছেন হুমায়ুন। অন্যদিকে তৃণমূল বলছে, সংখ্যালঘু প্রার্থীর বিষয়ে ভুল তথ্য ছড়াচ্ছেন তিনি এবং দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করছেন।বেলডাঙার রাজনৈতিক আবহ এখন উত্তপ্ত। মসজিদ নির্মাণের শিলান্যাসের সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক, যা আগামী দিনে রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২৫
রাজ্য

৭০% সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ক, ৯০টি সিট—হুমায়ুনের নতুন অঙ্কে মমতার মাথাব্যথা বাড়ল?

বেলডাঙায় বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেই আগামী বিধানসভা নির্বাচনের সুর তোললেন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। কয়েকদিন আগেই তিনি জানিয়েছিলেন যে নিজের দল গড়বেন এবং ১৩৫টি আসনে প্রার্থী দেবেন। এবার আরও এক ধাপ এগিয়ে সরাসরি বললেন, তিনি বিধানসভায় অপজিশন হিসেবেই থাকতে চান। ভোটের এখনও সময় আছে, কিন্তু মুর্শিদাবাদের মাটি ইতিমধ্যেই নতুন রাজনৈতিক অঙ্ক কষতে শুরু করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, তার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে বাবরি মসজিদ ইস্যুই।হুমায়ুন দাবি করেন, বেলডাঙায় প্রায় ৭০ শতাংশ সংখ্যালঘু ভোটার। তাঁর দেওয়া তথ্যানুসারে, রাজ্যে মোট ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ভোটারের মধ্যে ২ কোটি ৮২ লক্ষ ৫৩৩ জন সংখ্যালঘু এবং তার মধ্যে ২ কোটি ৪২ লক্ষ মানুষ বাঙালি মুসলমান। তাঁর বক্তব্য, যেসব এলাকায় মুসলিম ভোট ৪২ থেকে ৮২ শতাংশএমন প্রায় ৯০টি আসনে সংখ্যালঘুদের নিজেদের প্রতিনিধি পাঠানো উচিত। আর এই আসনগুলোকেই তিনি মূলত লক্ষ্য করেছেন।তিনি অভিযোগ করেন, বছরের পর বছর মুসলিম বিধায়কের সংখ্যা কমেছে। তাঁর কথায়, ২০১১ সালে মুসলিম বিধায়ক ছিলেন ৬৭ জন, ২০১৬-তে তা কমে দাঁড়ায় ৫৭-তে, আর ২০২১ সালে আরও কমে হয় ৪৪। এই পরিসংখ্যান দেখিয়ে তিনি সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারকে বিঁধেছেন।হুমায়ুন বলেন, তিনি ৯০টি আসনে লড়বেন, আর বাকি ২০৪টি আসনে লড়াই হোক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে। তাঁর দাবি, তিনি সরকার গড়তে চান না, বরং বিধানসভায় বিরোধী শিবিরে থেকে লড়াই করবেন ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে। ২২ ডিসেম্বর তিনি নিজের দল ঘোষণা করবেন বলেও জানান।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, হুমায়ুনের এই ঘোষণা তৃণমূলের জন্য বড় মাথাব্যথার কারণ হতে পারে। শাসকদলের দাবি, এই সবই হচ্ছে বিজেপির পরোক্ষ মদত-এ। সংখ্যালঘু ভোটভাগের এই অঙ্ক মুর্শিদাবাদের রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলবে, এখন সেটাই দেখার।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২৫
রাজ্য

মদিনা থেকে কাজি, লাখের বিরিয়ানি—হুমায়ুনের বাবরি মসজিদ ঘিরে বিশাল উৎসব বেলডাঙায়

হাজার বিতর্ক, দল থেকে সাসপেন্ড হওয়াকিছুই আটকাতে পারেনি ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে। নিজের ঘোষণামতোই মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন তিনি। প্রবল ভিড়ের মধ্যে রিমোট কন্ট্রোল দিয়ে ফিতে কেটে শিলান্যাস করেন হুমায়ুন। অনুষ্ঠান ঘিরে ছিল এলাহি আয়োজন এবং নজিরবিহীন নিরাপত্তা। মদিনা থেকে এসেছেন দুইজন মৌলবী। সকালেই তাঁরা কলকাতা বিমানবন্দর থেকে বিশেষ কনভয়ে বেলডাঙায় পৌঁছন।হুমায়ুন আগেই জানিয়েছিলেন, অনুষ্ঠানে প্রায় তিন লক্ষ মানুষের জমায়েত হবে। বিভিন্ন এলাকাসন্দেশখালি, ক্যানিং ও দূরদূরান্ত থেকে বহু মানুষ মাথায় ইট নিয়ে আসেন ভিত্তিপ্রস্তরের জন্য। শিলান্যাস উপলক্ষে বিশাল খাবারের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রায় এক লক্ষ মানুষের জন্য শাহী বিরিয়ানির আয়োজন করা হয়েছে। মুর্শিদাবাদের সাতটি ক্যাটারিং এই দায়িত্ব পেয়েছে।হুমায়ুন ঘনিষ্ঠ এক ব্যক্তির দাবি, ৪০ হাজার অতিথির জন্য আলাদা বিরিয়ানির প্যাকেট তৈরি হয়েছে, স্থানীয় মানুষের জন্য আরও ২০ হাজার প্যাকেট রাখা হয়েছে। শুধু খাবারেই প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা খরচ হবে। সভামঞ্চ তৈরি ও অন্যান্য খরচ মিলিয়ে ব্যয় ৬০৭০ লক্ষ টাকা ছাড়িয়েছে। ৪০০ অতিথির বসার জন্য ১৫০ ফিট লম্বা মঞ্চ তৈরি হয়েছে, যার খরচই প্রায় ১০ লক্ষ টাকা।অনুষ্ঠানে প্রায় তিন হাজার স্বেচ্ছাসেবক কাজ করছেন। পাশাপাশি ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে বিশাল পুলিশি নিরাপত্তা গড়ে তোলা হয়েছে। বেলডাঙা ও রানিনগর থানার মিলিয়ে তিন হাজার পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। আরও ১৯ কোম্পানি অতিরিক্ত বাহিনী রাখা হয়েছে। বিকেল চারটার মধ্যে পুরো এলাকা খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২৫
কলকাতা

বাবরি মসজিদ নিয়ে বিস্ফোরক প্রতিক্রিয়া! হুমায়ুনকে সাসপেন্ড করল তৃণমূল, প্রকাশ্যে ‘আসল খেলা’ বললেন কুণাল ঘোষ

গত কয়েক মাস ধরে ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের একাধিক মন্তব্যে অস্বস্তি বাড়ছিল দলের মধ্যে। তাঁকে বহুবার সতর্ক করা হলেও তিনি নিজের অবস্থান বদলাননি। বিশেষ করে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় বাবরি মসজিদ তৈরির প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্য দলনেতৃত্বকে আরও চাপে ফেলে। অবশেষে তৃণমূল কংগ্রেস ঘোষণা করল, হুমায়ুন কবীরকে দল থেকে সাসপেন্ড করা হচ্ছে। সাসপেন্ড হওয়ার পর তিনিও কঠোর প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন।এই সিদ্ধান্তের পরে প্রশ্ন ওঠেশুধু মসজিদ তৈরির কথার জন্যই কি এমন কঠোর ব্যবস্থা? এই প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। তিনি স্পষ্ট জানান, বিষয়টি শুধুমাত্র মসজিদ তৈরির সঙ্গে যুক্ত নয়। তাঁর দাবি, বাংলায় যে কেউ নিজের জায়গায় মন্দির, মসজিদ বা যে কোনও ধর্মীয় স্থাপনা তৈরি করতে পারেন। তার জন্য কাউকে কখনও শাস্তি দেয়নি তৃণমূল, ভবিষ্যতেও দেবে না।কুণালের কথায়, সমস্যা তখনই তৈরি হয়, যখন ধর্মকে ব্যবহার করে কোনও রাজনৈতিক দল ভোটের আগে বিভাজনের চেষ্টা করে। যদি কেউ সেই ফাঁদে পা দিয়ে ধর্মীয় অনুষ্ঠানের বহিরঙ্গে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যকে এগিয়ে নিয়ে যায়, মেরুকরণ তৈরি করতে চায়, দলকে অস্বস্তিতে ফেলে এবং দলবিরোধী কাজ করেসেক্ষেত্রে ব্যবস্থা নেওয়াই স্বাভাবিক। তিনি বলেন, শুধু মসজিদ তৈরির জন্য কাউকে বহিষ্কার করা হয়নি। এটা পুরোপুরি সংগঠন বিরোধী কাজের কারণে।কুণাল উদাহরণ দিয়ে বলেন, যেমন কেউ গীতা পাঠের অনুষ্ঠান করলে গীতার বিরোধিতা তৃণমূল করে না, কিন্তু যদি সেটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা হয়, তখন সেটাই সমস্যা। মসজিদ তৈরি করাও অপরাধ নয়, কিন্তু যদি তার পিছনে অন্য রাজনৈতিক দলের চক্রান্ত থাকে এবং তা রাজনৈতিক ইভেন্টে পরিণত হয়, তবে তা তদন্তের বিষয়।এর আগে তৃণমূল নেতা ফিরহাদ হাকিমও বলেছিলেন, ধর্মকে ব্যবহার করে যে রাজনীতি করবে, তার সঙ্গে তৃণমূল কোনও সম্পর্ক রাখবে না। হুমায়ুন কেন বেলডাঙায় বাবরি মসজিদ তৈরির কথা বললেন, সেই প্রশ্ন তুলে তিনি বিজেপির ভূমিকার অভিযোগ করেন। তাঁর দাবি, ভোটের আগে বিভাজন তৈরির জন্য বিজেপি এ ধরনের গদ্দার কার্ড ব্যবহার করে। এবারও সেই চেষ্টাই চলছে।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২৫
কলকাতা

এ কী ভয়ঙ্কর দৃশ্য! দক্ষিণ কলকাতার বহুতল থেকে উঠছে আগুনের লেলিহান শিখা

শুক্রবার সকালে দক্ষিণ কলকাতার গুলশন কলোনিতে একটি আবাসিক বহুতলে ভয়াবহ আগুন লেগেছে। হঠাৎ করেই একটি ফ্ল্যাট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় এবং কয়েক মিনিটের মধ্যে তা ছড়িয়ে পড়ে। গোটা এলাকা কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। বহুতলে অনেক পরিবার বসবাস করেন। আগুন লাগার খবর পাওয়ামাত্রই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।দমকল বাহিনী কোনো ঝুঁকি নিতে রাজি নয়। ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছে গেছে দশটি দমকল ইঞ্জিন। বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর কর্মীরাও উদ্ধারকাজে হাত লাগিয়েছেন। একে একে বাসিন্দাদের নিরাপদে বের করে আনা হচ্ছে। ফ্ল্যাটগুলো দ্রুত খালি করার কাজ চলছে। আগুন এখনও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। আগুন লাগার সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি। উদ্ধারকাজ ও আগুন নেভানোর কাজ পুরোদমে চলছে।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২৫
দেশ

আমেরিকা নিজে রাশিয়ার জ্বালানি কিনছে! ভারতের বেলায় নিষেধাজ্ঞা! ট্রাম্পের পর্দা ফাঁস পুতিনের

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ভারত সফরে এসে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি বড় দ্বিচারিতার কথা প্রকাশ্যে এনে দিয়েছেন। ভারত যাতে রাশিয়া থেকে তেল না কিনতে পারে, তার জন্য ট্রাম্প প্রশাসন শুল্ক চাপানোর হুমকি দিচ্ছে। কিন্তু একই আমেরিকা নিজে রাশিয়ার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণে ইউরেনিয়াম কিনে চলেছে। এই ইউরেনিয়াম দিয়েই আমেরিকার পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো চলছে। এক সাক্ষাৎকারে পুতিন স্পষ্ট বলেছেন, আমেরিকা আমাদের কাছ থেকে পারমাণবিক জ্বালানি কিনছে। এটাও তো জ্বালানি, শক্তি। তাহলে ভারত কেন রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কিনতে পারবে না? তিনি আরও বলেন, যদি আমেরিকার এই অধিকার থাকে, তাহলে ভারতকেও একই অধিকার দেওয়া উচিত। এই বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলতেও তিনি প্রস্তুত।তথ্য বলছে, আমেরিকার জন্য রাশিয়া দ্বিতীয় বৃহত্তম ইউরেনিয়াম সরবরাহকারী দেশ। রাশিয়া যত ইউরেনিয়াম বিদেশে বিক্রি করে, তার প্রায় ২৫ শতাংশই যায় আমেরিকায়। চলতি বছরে শুধু ইউরেনিয়াম বিক্রি করেই রাশিয়া আমেরিকার কাছ থেকে প্রায় ১২০ কোটি ডলার আয় করেছে। ২০২৪ সালেও আয় হয়েছিল ৮০ কোটি ডলারের কাছাকাছি।পুতিন জানিয়েছেন, ইউক্রেন যুদ্ধ এবং পশ্চিমি নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ভারতের সঙ্গে জ্বালানি চুক্তি একটুও বদলায়নি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আমন্ত্রণে দিল্লিতে পা রেখেই তিনি এই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২৫
রাশিফল

আজকের দিনে 'মেষ' রাশির জাতকের "নতুন দিগন্ত খুলবে"। আজ বৃহস্পতিবার আপনার কেমন যাবে জেনে নিন

৪ ডিসেম্বর ২০২৫ বৃহস্পতিবার, আপনার রাশিচক্র অনুযায়ী দিনটি কেমন কাটবে তা জানতে নিচে প্রতিটি রাশির জন্য সংক্ষিপ্ত রাশিফল দেওয়া হলো:🐏 মেষ (Aries): নতুন দিগন্ত খুলবে।🐂 বৃষ (Taurus): পরিবারের সঙ্গে সময় ভালো।👥 মিথুন (Gemini): কাজের চাপ বাড়বে।🦀 কর্কট (Cancer): বিশ্রাম দরকার।🦁 সিংহ (Leo): টাকার যোগ মিলবে।🌾 কন্যা (Virgo): সম্পর্ক বিস্তার।⚖️ তুলা (Libra): ভ্রমণ স্থির হবে।🦂 বৃশ্চিক (Scorpio): আর্থিক পুনরুদ্ধার।🏹 ধনু (Sagittarius): অগ্রগতি নিশ্চিত।🐐 মকর (Capricorn): সামান্য মতভেদ।🌊 কুম্ভ (Aquarius): বন্ধুত্বে ভরসা।🐟 মীন (Pisces): ডকুমেন্টে শুভ।যে কোনও সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য যোগাযোগ করুনঃ শ্রী সূপর্ণ (জ্যোতিষী)যোগাযোগঃ ৯৮৩০০৬৫২৪০, ওয়েবসাইটঃ www.srisuparna.com

ডিসেম্বর ০৪, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • 20
  • 21
  • ...
  • 88
  • 89
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপ চলাকালীনই ছাঁটাই কোচ! ফুটবল ইতিহাসে নজির গড়ে লজ্জার রেকর্ড

বিশ্বকাপের মঞ্চে এমন ঘটনা আগে দেখা যায়নি। প্রতিযোগিতা চলাকালীনই কোচকে সরিয়ে দিয়ে নতুন নজির গড়ল তিউনিশিয়া। প্রথম ম্যাচে বড় ব্যবধানে হারের পর কোচ সাব্রি লামৌচিকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রতিযোগিতা চলাকালীন চাকরি হারানো প্রথম কোচ হিসেবে নাম লিখিয়ে ফেললেন তিনি।সাব্রি লামৌচি চলতি বছরের জানুয়ারিতে তিউনিশিয়ার দায়িত্ব নিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর অধীনে দলের পারফরম্যান্স নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই প্রশ্ন উঠছিল। বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতি ম্যাচে শক্তিশালী বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে বড় ব্যবধানে হারতে হয়েছিল দলকে। সেই ব্যর্থতার রেশ কাটার আগেই বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে সুইডেনের কাছে একের বিরুদ্ধে পাঁচ গোলে পরাজিত হয় তিউনিশিয়া।এই ফলাফলের পরই কোচ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয় দেশের ফুটবল কর্তৃপক্ষ। যদিও এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি। নতুন কোচ কে হবেন, সেই বিষয়েও স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি।এর আগে তিউনিশিয়ার ফুটবল মহলে ড্রেসিংরুমের পরিবেশ নিয়েও নানা আলোচনা চলছিল। কয়েকজন ক্রীড়া সাংবাদিক দাবি করেছিলেন, দলের উপর কোচের নিয়ন্ত্রণ দুর্বল হয়ে পড়েছে। যদিও সেই অভিযোগ প্রকাশ্যে অস্বীকার করেছিলেন সাব্রি। তবে শেষ পর্যন্ত দলের খারাপ ফলাফল তাঁর অবস্থান আরও দুর্বল করে দেয়।এদিকে ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছে সুইডেন। দলের হয়ে জোড়া গোল করেন ইয়াসিন আয়ারি। বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, তাঁর পরিবারের শিকড় তিউনিশিয়ায়। সেই কারণেই গোল করার পর তাঁকে খুব বেশি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে দেখা যায়নি।সুইডেনের জয়ের পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন আলেকজান্ডার ইসাক এবং ভিক্টর গিয়োকেরেসও। দুজনেই একটি করে গোল করেন এবং আক্রমণভাগে দাপট দেখান। দলের অন্য গোলটি করেন ম্যাথিয়াস ভ্যানবার্গ। তিউনিশিয়ার হয়ে একমাত্র গোলটি করেন ওমর রেরিক।প্রথম ম্যাচেই বড় ব্যবধানে হারের ফলে তিউনিশিয়ার বিশ্বকাপ অভিযান কঠিন হয়ে উঠেছে। তার মধ্যেই কোচ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত দলকে কতটা সাহায্য করবে, এখন সেটাই দেখার।

জুন ১৫, ২০২৬
দেশ

মঞ্চে উঠতেই চড়ের পর চড়! জয়পুরে ককরোচ জনতা পার্টিকে ঘিরে তুমুল উত্তেজনা, আটক দুই

জয়পুরে একটি বিক্ষোভ কর্মসূচিকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল। ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকের অভিযোগ, তাঁকে লক্ষ্য করে একদল ব্যক্তি হামলা চালায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। পুলিশ দুই জনকে আটক করেছে বলে জানা গিয়েছে।সোমবার নিট পরীক্ষাকে ঘিরে বিতর্ক এবং বেকারত্বের মতো বিভিন্ন ইস্যুতে একটি প্রতিবাদ কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছিল। শহিদ স্মারকে সমর্থকেরা জড়ো হওয়ার পর সেখানে পৌঁছন অভিজিৎ। অভিযোগ, সেই সময়ই কয়েকজন ব্যক্তি তাঁকে ঘিরে ধরে হেনস্তা করেন।প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ঘটনাস্থলে উপস্থিত সমর্থকেরা দ্রুত হস্তক্ষেপ করেন। এরপর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং দুই জনকে আটক করে।এদিনের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের হাতে বিভিন্ন দাবিদাওয়া সংক্রান্ত প্ল্যাকার্ড দেখা যায়। দুর্নীতি, প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং বেকারত্বের মতো বিষয় তুলে ধরে স্লোগানও দেওয়া হচ্ছিল। সেই সময়েই আচমকা উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।গত কয়েক সপ্তাহে ককরোচ জনতা পার্টি নামটি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনায় উঠে এসেছে। যদিও এটি কোনও স্বীকৃত রাজনৈতিক দল নয়, তবু বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক ইস্যুতে তাদের অবস্থান নিয়ে বহু আলোচনা হয়েছে।এদিকে, দলটির সামাজিক মাধ্যমের একটি জনপ্রিয় অ্যাকাউন্ট সম্প্রতি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর নতুন বিতর্ক তৈরি হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তরফে জাতীয় নিরাপত্তার প্রসঙ্গ তুলে পদক্ষেপের কথা বলা হলেও, অভিজিতের দাবি ছিল তাঁদের তরফে কোনও উসকানিমূলক বা বেআইনি বক্তব্য প্রকাশ করা হয়নি। সামাজিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়েই তাঁরা মতামত তুলে ধরছিলেন বলে দাবি করেন তিনি।জয়পুরের এই ঘটনার পর আবারও আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে ককরোচ জনতা পার্টি এবং তার প্রতিষ্ঠাতা। ঘটনার পূর্ণ তদন্ত ও পুলিশের রিপোর্টের দিকেই এখন নজর রয়েছে।

জুন ১৫, ২০২৬
কলকাতা

মুকুন্দপুরে তল্লাশি ঘিরে শোরগোল, অফিস থেকে কী কী মিলল তা নিয়ে জোর জল্পনা

কলকাতা পৌরনিগমের একশো নয় নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুকুন্দপুরের অফিস ঘিরে সোমবার চাঞ্চল্য ছড়ায়। তল্লাশির সময় অফিস থেকে একাধিক ডায়েরি, নথি এবং বিভিন্ন সামগ্রী উদ্ধারের দাবি ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, অফিসে থাকা কয়েকটি ডায়েরিতে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামের পাশে টাকার অঙ্ক লেখা ছিল। তাঁদের দাবি, সেখানে কিছু প্রোমোটার, চাকরিপ্রার্থী এবং একটি বেসরকারি হাসপাতালের নামও উল্লেখ ছিল। তবে ওই নথির সত্যতা বা সেখানে থাকা তথ্যের বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।তল্লাশির সময় উপস্থিত কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা দাবি করেন, বিভিন্ন নির্মাণ প্রকল্প এবং চাকরির নামে অর্থ লেনদেনের হিসাব ওই ডায়েরিগুলিতে নথিভুক্ত ছিল। যদিও এই অভিযোগের স্বাধীনভাবে কোনও যাচাই এখনও হয়নি।অফিসের উপরের তলা থেকেও বিভিন্ন সামগ্রী উদ্ধারের দাবি উঠেছে। কিছু স্থানীয় বাসিন্দা জানান, সেখানে প্রসাধনী সামগ্রী, পোশাক এবং আরও কিছু ব্যক্তিগত ব্যবহার্য জিনিস পাওয়া গিয়েছে। এসব সামগ্রী কী কারণে সেখানে রাখা ছিল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়াও সামনে এসেছে। বিজেপি বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষ দাবি করেন, এই ঘটনা দীর্ঘদিনের দুর্নীতির অভিযোগকে আরও জোরালো করছে। তাঁর বক্তব্য, তদন্তের মাধ্যমে পুরো বিষয়টি সামনে আসা প্রয়োজন।অন্যদিকে সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন কাউন্সিলর অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, এটি একটি সরকারি অফিস এবং সেখানে অফিস সংক্রান্ত নথি ও প্রয়োজনীয় সামগ্রীই রয়েছে। বর্ষাকালের ত্রাণসামগ্রী এবং উৎসব উপলক্ষে রাখা কিছু পোশাকও সেখানে থাকতে পারে বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, তল্লাশি চালানোর বিষয়ে তাঁকে আগে থেকে কোনও তথ্য দেওয়া হয়নি।ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। উদ্ধার হওয়া নথি ও সামগ্রীর প্রকৃত সত্যতা কী, তা জানতে এখন তদন্তের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে সকলেই।

জুন ১৫, ২০২৬
কলকাতা

মমতার বাড়ির সামনেই কুণালকে লক্ষ্য করে ডিম! মুহূর্তে উত্তপ্ত কালীঘাট, সামনে এল বিস্ফোরক দাবি

কালীঘাটে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনেই ডিম হামলার মুখে পড়লেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। সোমবার সন্ধ্যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় আচমকাই এক যুবক তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম ছুড়ে দেন। নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টা করলেও কুণালের মাথায় গিয়ে লাগে সেই ডিম। ঘটনাকে ঘিরে মুহূর্তের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়।জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত যুবকের নাম চন্দন। ঘটনার পর তিনি দাবি করেন, কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে তাঁর ক্ষোভ রয়েছে। তাঁর কথায়, অনেক অন্যায় হয়েছে। এটা ওনার প্রাপ্য ছিল। এরপর আর কোনও বিস্তারিত ব্যাখ্যা না দিয়েই সেখান থেকে চলে যান তিনি।ঘটনার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কুণাল ঘোষ বলেন, তিনি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার জন্য দাঁড়িয়ে ছিলেন। সেই সময় দুজন যুবক তাঁর খুব কাছেই ছিল। আচমকা একজন ডিম ছুড়ে পালিয়ে যায়। তাঁর অভিযোগ, ঘটনাস্থলে উপস্থিত কেউ প্রতিবাদ করেননি বা অভিযুক্তকে আটকানোর চেষ্টা করেননি।অভিযোগের জবাব দিতে গিয়ে কুণাল বলেন, কে অত্যাচার করেছে? আমি করেছি, না মমতাদি করেছেন? যদি কোনও পদক্ষেপ হয়ে থাকে, তা প্রশাসন বা পুলিশের মাধ্যমে হয়েছে। তার দায় আমার হতে পারে না। একই সঙ্গে তিনি অভিযুক্ত যুবকের উদ্দেশে প্রশ্ন তোলেন, তাঁর চাকরি বা সুযোগ-সুবিধা কোথা থেকে এসেছে, সেটাও খতিয়ে দেখা উচিত।এই ঘটনার পর নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন কুণাল। তাঁর বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ নেতার বাড়ির একেবারে কাছাকাছি এমন ঘটনা কীভাবে ঘটল, তা নিয়ে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তিনি বলেন, এত কড়া নিরাপত্তার মধ্যেও যদি এমন ঘটনা ঘটে, তবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠবে।উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে রাজনৈতিক নেতাদের লক্ষ্য করে ডিম ছোড়ার একাধিক ঘটনা ঘটেছে। এর আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও ডিম হামলার মুখে পড়তে হয়েছিল। সেই ঘটনার পর রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। এবার কালীঘাটে কুণাল ঘোষকে ঘিরে একই ধরনের ঘটনার পর নতুন করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক আলোচনা।ঘটনার শেষে কুণাল ঘোষ বলেন, এক মাঘে শীত যায় না। এই মন্তব্য ঘিরেও রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা।

জুন ১৫, ২০২৬
রাজ্য

যে দলে ভিড়ছেন ২০ সাংসদ, সেই দলের প্রতিষ্ঠাতাই এক মাস আগে ছেড়েছেন দল! সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

রবিবার সন্ধ্যার পর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে হঠাৎ করেই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে একটি নতুন রাজনৈতিক দলের নাম। তৃণমূলের একাধিক বিদ্রোহী সাংসদ এই দলে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে খবর ছড়াতেই শুরু হয়েছে ব্যাপক রাজনৈতিক জল্পনা (NCPI)। বিশেষ করে সদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, মালা রায়ের মতো অভিজ্ঞ সাংসদদের নাম সামনে আসার পর কৌতূহল আরও বেড়েছে।তবে সবচেয়ে বড় চমক অন্য জায়গায়। যে দলটিকে ঘিরে এত আলোচনা, সেই দলের প্রতিষ্ঠাতাই নাকি এক মাস আগে দল ছেড়ে দিয়েছেন (NCPI)। জানা গিয়েছে, হাওড়ার বাসিন্দা এবং পেশায় আইনজীবী শিউলি কুণ্ডু আরও দুজন সহযোগীকে নিয়ে ২০২২ সালে এই রাজনৈতিক দল গড়ে তোলেন (NCPI)। হাওড়ার সাঁকরাইলে দলের সূচনা হয়েছিল। পরের বছর ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী দেয় দলটি। একই বছরে পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত নির্বাচনেও অংশ নেয় তারা।দলের প্রতিষ্ঠাতা এবং সভানেত্রী ছিলেন শিউলি কুণ্ডু। সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন সৈকত দাস। পরে দলের সাংগঠনিক বিস্তার ঘটাতে একটি কমিটিও গঠন করা হয়। শিউলির স্বামী উত্তীয় কুণ্ডুও দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।তবে শিউলি কুণ্ডুর ( (NCPI)) দাবি, প্রায় এক মাস আগে তিনি ব্যক্তিগত কারণে দল থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। বর্তমানে তিনি আইন পেশার পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কাজে বেশি সময় দিচ্ছেন। বিশেষ করে মহিলাদের নিয়ে বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে কাজ করছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।২০ জন সাংসদ এই দলে যোগ দিতে পারেন বলে খবর ছড়িয়ে পড়ার পর শিউলি কুণ্ডু বলেন, দলটি বড় পরিসরে আলোচনায় আসছে শুনে তাঁর ভালো লাগছে। তবে কোনও সাংসদ এর আগে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেননি বলেও দাবি করেছেন তিনি।এদিকে সোমবার সকালে হাওড়ার সংশ্লিষ্ট ঠিকানায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতি ঘিরেও চাঞ্চল্য ছড়ায়। স্থানীয়দের দাবি, সকাল থেকেই কয়েক দফায় সেখানে বাহিনীর যাতায়াত দেখা যায়। এলাকার বাসিন্দাদের একাংশ জানিয়েছেন, কুণ্ডু দম্পতি দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কাজে যুক্ত ছিলেন।২০ জন সাংসদের সম্ভাব্য যোগদান এবং দলটির প্রতিষ্ঠাতার পদত্যাগ এই দুই ঘটনাকে ঘিরে এখন রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। আগামী দিনে এই সমীকরণ কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর সকলের।

জুন ১৫, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের ঘনিষ্ঠ সহকারীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা! তল্লাশির পর বাড়ল চাপ

প্রতারণা এবং জমি সংক্রান্ত দুর্নীতির মামলায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহকারী সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে পুলিশ। একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালিয়েও তাঁর খোঁজ না মেলায় তদন্তকারীরা এই পদক্ষেপ করেছেন বলে জানা গিয়েছে।শালবনি থানায় দায়ের হওয়া একটি মামলায় সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম এবং জমি প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত এগোচ্ছে।উল্লেখ্য, এর আগেও সুমিত রায়ের নাম উঠে এসেছিল বহুচর্চিত কয়লা পাচার মামলায়। সেই মামলায় তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী হিসেবে চিহ্নিত করেছিল তদন্তকারী সংস্থা। একাধিকবার তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছিল বলেও জানা যায়।সূত্রের খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সুমিত রায় দীর্ঘদিনের পরিচিত। স্কুলজীবনে তাঁরা একসঙ্গে পড়াশোনা করেছিলেন। পরে দুজনের পেশাগত পথ আলাদা হলেও অভিষেকের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিভিন্ন দায়িত্ব সামলাতেন সুমিত। ঘনিষ্ঠ মহলে তিনি অভিষেকের অন্যতম বিশ্বস্ত সহকারী হিসেবেই পরিচিত ছিলেন।গত শনিবার সুমিতের খোঁজে একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালায় তদন্তকারী দল। তদন্ত সূত্রে দাবি, তাঁর মোবাইল ফোনের সর্বশেষ অবস্থান কালীঘাটের একটি এলাকায় ধরা পড়েছিল। সেই সূত্র ধরেই গভীর রাতে সেখানে পৌঁছয় পুলিশ। দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালানো হলেও সুমিত রায়ের কোনও হদিস মেলেনি।এদিকে, এই ঘটনাপ্রবাহের মধ্যেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও একাধিক তদন্তের মুখোমুখি হয়েছেন। সম্প্রতি দীর্ঘ সময় ধরে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে তদন্তকারী সংস্থা। বিভিন্ন মামলায় তাঁর কাছে তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর।সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হওয়ার পর মামলার গুরুত্ব আরও বেড়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। এখন তদন্তকারীদের প্রধান লক্ষ্য, দ্রুত তাঁর অবস্থান চিহ্নিত করে আইনি প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।

জুন ১৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপের মাঝেই নতুন আতঙ্ক! কঙ্গোয় বাড়ছে ইবোলা, চিন্তায় ফুটবল বিশ্ব

কঙ্গোয় ইবোলা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ার খবর ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে ফুটবল বিশ্বেও শুরু হয়েছে আলোচনা। কারণ, চলতি বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে কঙ্গো। বুধবার তাদের প্রথম ম্যাচে শক্তিশালী পর্তুগালের মুখোমুখি হওয়ার কথা।সংক্রমণের পরিস্থিতির কারণে কঙ্গো দলের প্রস্তুতিতেও প্রভাব পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। প্রথমে যুক্তরাষ্ট্রে অনুশীলন শিবির করার পরিকল্পনা থাকলেও তা শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয়নি। পাশাপাশি একটি প্রস্তুতি ম্যাচও বাতিল করতে হয়েছে বলে খবর।পরবর্তীতে দলকে নির্দিষ্ট সময় পর্যবেক্ষণে রাখার পরই যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। বেলজিয়ামে কিছুদিন কাটানোর পর কঙ্গো দল সম্প্রতি প্রতিযোগিতার জন্য পৌঁছেছে।তবে সবচেয়ে বড় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে সমর্থকদের যাতায়াত নিয়ে। কঙ্গো থেকে আসা দর্শকদের প্রবেশ সংক্রান্ত বিষয়ে কড়া স্বাস্থ্যবিধি কার্যকর হতে পারে বলে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। যদিও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তরফে কঠোর নজরদারির কথাই জানানো হয়েছে।স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, ইবোলা ভাইরাস সহজে বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায় না। সেই কারণে বৃহৎ ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় ব্যাপক সংক্রমণের সম্ভাবনা তুলনামূলকভাবে কম। তবুও কোনও রকম ঝুঁকি এড়াতে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হচ্ছে।গত মে মাসে প্রথম কঙ্গোয় ইবোলা সংক্রমণের খবর সামনে আসে। তারপর থেকে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন এবং আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থাগুলি নজরদারি বাড়িয়েছে।বিশ্বকাপের মতো বৃহৎ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার আগে এই পরিস্থিতি স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বাড়িয়েছে। তবে আয়োজক দেশ এবং স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের দাবি, প্রয়োজনীয় সব ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ফলে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি এখন নজর থাকবে স্বাস্থ্য নিরাপত্তার দিকেও।

জুন ১৫, ২০২৬
রাজ্য

দিঘা ভ্রমণে বড় স্বস্তি! তুলে নেওয়া হল পর্যটক চাঁদা, উপকূল উন্নয়নে একগুচ্ছ ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

দিঘায় বেড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন? তাহলে পর্যটকদের জন্য এলো বড় সুখবর। আগামী ১ জুলাই থেকে দিঘায় আর কোনও পর্যটককে অতিরিক্ত ১০ টাকা চাঁদা দিতে হবে না। রবিবার দিঘা-শংকরপুর উন্নয়ন পর্ষদের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর এই ঘোষণা করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একই সঙ্গে উপকূলীয় পর্যটন, স্বাস্থ্য পরিষেবা, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং ভবিষ্যৎ শিল্পোন্নয়ন নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথাও জানান তিনি।মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, এতদিন হোটেলের বিলের সঙ্গে পর্যটকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ১০ টাকা করে নেওয়া হত, যা নিয়ে বহুদিন ধরেই প্রশ্ন উঠছিল। তাঁর বক্তব্য, এই অর্থ আদায়ের পদ্ধতি স্বচ্ছ ছিল না এবং এতে পর্যটকদের অযথা আর্থিক বোঝা বাড়ছিল। তিনি বলেন, যাঁরা নিয়ম মেনে আয়কর ও জিএসটি দিচ্ছেন, তাঁদের উপর আবার অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে পর্যটকদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। সেই কারণেই এই চাঁদা সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।বৈঠকে দিঘা-শংকরপুরসহ সমগ্র উপকূলীয় এলাকার পর্যটন পরিকাঠামো উন্নয়নের উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, গত কয়েক বছরে দিঘার প্রত্যাশিত উন্নয়ন হয়নি। রাজ্যের অন্যতম প্রধান পর্যটনকেন্দ্র হওয়া সত্ত্বেও রাস্তা, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং পর্যটক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে একাধিক ঘাটতি তৈরি হয়েছে।বিশেষ করে দিঘা স্টেট জেনারেল হাসপাতালের পরিকাঠামো নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। তাঁর মতে, একটি আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনকেন্দ্রে যে ধরনের চিকিৎসা পরিষেবা থাকা প্রয়োজন, তা বর্তমানে পর্যাপ্ত নয়। হাসপাতালের জন্য আইসিইউ বেড, আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং ট্রমা কেয়ার অ্যাম্বুল্যান্স চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।উপকূলীয় অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে কাঁথির শৌলা থেকে পেটুয়াঘাট পর্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকা দিঘা-শংকরপুর উন্নয়ন পর্ষদের আওতায় আনার পরিকল্পনার কথাও ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি তিনি স্পষ্ট করে দেন, শুধুমাত্র সাধারণ সমুদ্রসৈকত নয়, ভবিষ্যতে দিঘাকে চেন্নাই বা মুম্বইয়ের আদলে আধুনিক মেরিন ড্রাইভ কেন্দ্রিক পর্যটন শহর হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়েই সরকার এগোতে চায়।অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রেও সামনে এসেছে বড় পরিকল্পনা। তাজপুরের কাছে দাদনপাত্রবাড় এলাকায় একটি গভীর সমুদ্রবন্দর গড়ে তোলার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, প্রায় ১৭০০ একর জমি ইতিমধ্যেই সরকারের হাতে রয়েছে এবং ওই অঞ্চলে সমুদ্রের গভীরতাও বন্দর নির্মাণের জন্য উপযুক্ত। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে শুধু পূর্ব মেদিনীপুর নয়, গোটা রাজ্যের অর্থনৈতিক পরিকাঠামোতে আমূল পরিবর্তন আসতে পারে বলে মত প্রশাসনের।এছাড়াও বনাঞ্চল সংরক্ষণ ও উপকূলীয় পরিবেশ উন্নয়ন নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি অভিযোগ করেন, পূর্ববর্তী প্রশাসনের সময়ে বহু গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প কার্যকর হয়নি। তবে অতীতের সমালোচনায় না গিয়ে ভবিষ্যতের উন্নয়নকেই অগ্রাধিকার দেওয়ার বার্তা দেন তিনি।সামনেই রথযাত্রা। দিঘায় লক্ষাধিক পর্যটকের সমাগমের সম্ভাবনা থাকায় নিরাপত্তা, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ এবং সামগ্রিক ব্যবস্থাপনার জন্য মুখ্যসচিবকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।সব মিলিয়ে, পর্যটক চাঁদা প্রত্যাহার থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য, পর্যটন ও শিল্পোন্নয়নের একাধিক ঘোষণা দিঘাকে নতুন রূপে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকারের এই পদক্ষেপ কতটা সফল হয়, এখন সেদিকেই নজর পর্যটন মহল ও স্থানীয় বাসিন্দাদের।

জুন ১৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal