• ৭ ফাল্গুন ১৪৩২, মঙ্গলবার ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

INDIA

খেলার দুনিয়া

India Vs SA: ওয়ান্ডারার্সে ‘‌ওয়ান্ডার’‌ ঘটাতে পারবে ভারত?‌ ইতিহাস তৈরির লক্ষ্যে নামছে কোহলি ব্রিগেড

সেঞ্চুরিয়ন নাকি দক্ষিণ আফ্রিকায় দুর্জয় ঘাঁটি। সেই মাঠেই প্রোটিয়াদের হারিয়ে সিরিজে ১০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে ভারত। সোমবার থেকে জোয়ানেসবার্গে দ্বিতীয় টেস্ট শুরু। এই মাঠে ভারতের পরিসংখ্যান দারুণ চমকপ্রদ। ৫টেস্টে একটাও হারেনি ভারত। ২টিতে জয়, তিনটি ড্র। ৪ বছর আগে এই জোহানেসবার্গের ওয়ান্ডারার্সেই টেস্ট জিতেছিল বিরাট কোহলি ব্রিগেড। পয়া মাঠে ভারতের সামনে সিরিজ জয়ের হাতছানি। জোহানেসবার্গে দ্বিতীয় টেস্ট জিতলে ইতিহাস তৈরি করবে কোহলির দল। কারণ এর আগে কোনও ভারতীয় দল দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে সিরিজ জিতে ফেরেনি।ওয়ান্ডারার্সের বাইশ গজে গতি আছে। তবে সেঞ্চুরিয়নের মতো বাউন্স নেই। ভারতীয় ব্যাটারদের কাছে এটাই বাড়তি সুবিধা। এটাই স্বপ্ন দেখাচ্ছে ভারতীয় শিবিরকে। দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে ভারত প্রথম টেস্ট জিতেছিল ২০০৬ সালে। সেবার দলের অধিনায়ক ছিলেন রাহুল দ্রাবিড়। এবার তিনিই দলের হেড কোচ। জোয়ানেসবার্গে ভারতীয় ব্যাটাররা যে চ্যালেঞ্জ নেওয়ার জন্য তৈরি, সেকথা জানিয়েছেন দ্রাবিড়। তিনি বলেছেন, ওয়ান্ডারার্সের বাইশ গজে গতি আছে। তবে বাউন্স কম। সেই কারণে ভারতীয় ব্যাটাররা এখানে ভাল খেলে। এখানকার উইকেট যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং। তবে আমরা তৈরি। আশা করছি দল ভাল ক্রিকেট উপহার দিতে পারবে।প্রথম টেস্টে বোলাররা ভাল বোলিং করলেও প্রত্যাশাপূরণে ব্যাটাররা। চেতেশ্বর পুজারা, অজিঙ্ক রাহানে রান পাননি। তা সত্ত্বেও তাঁদের বাদ দিয়ে প্রথম একাদশ ভাবছে না ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। সেই ইঙ্গিত পাওয়া গেছে দ্রাবিড়ের কথায়। তিনি বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকার পরিবেশে ব্যাট করা যথেষ্ট কঠিন। তাছাড়া দলের সবাই একসঙ্গে রান করবে, এটা ভাবাও ঠিক নয়। অনেকেই ভাল শুরু করে বড় ইনিংস খেলতে পারছে না। আশা করছি সামনের ম্যাচে ওরা বড় ইনিংস খেলবে।ওয়ান্ডারার্সের বাইশ গজে প্রচুর ঘাস রয়েছে। স্পিনারদের কার্যকরী ভুমিকা নেওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। সেই কথা মাথায় রেখেই রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে প্রথম একাদশের বাইরে রেখে ব্যাটিং শক্তি বাড়ানোর কথা ভাবছে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। সেক্ষেত্রে হনুমা বিহারীকে খেলানো হতে পারে। বিহারীকে খেলালে তিনি অফস্পিনও করতে পারবেন। শার্দূল ঠাকুরের জায়গায় উমেশ যাদবকে খেলানোর কথা ভাবা হচ্ছে।

জানুয়ারি ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

India SA: জোহানেসবার্গে রানে ফিরবেন বিরাট কোহলি?‌ কী বললেন ভারতীয় দলের হেডস্যার

কয়েকদিন আগেই নেতৃত্ব বিতর্ক নিয়ে বিরাট কোহলির সমালোচনা করেছিলেন জাতীয় নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান চেতন শর্মা। জোহানেসবার্গে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে নামার আগে বিরাট কোহলির পাশে দাঁড়িয়ে তাঁর নেতৃত্বে ভূয়সী প্রশংসা করলেন ভারতীয় দলের হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড়। শুধু পাশে দাঁড়ানোই নয়, কোহলির মতো অধিনায়কের সঙ্গে কাজ করে দারুণ খুশি তিনি।ওয়ান্ডারার্সে দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে নামার আগে রবিবার ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে হাজির ছিলেন রাহুল দ্রাবিড়। সেই সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, কোহলি দলকে অসাধারণ নেতৃত্ব দিয়েছে। মাঠ ও মাঠের বাইরে নিজেকে দুর্দান্ত নেতা হিসেবে মেলে ধরেছে। ওর নেতৃত্বের জন্যই প্রথম টেস্টে আমরা ভাল জায়গা তৈরি করতে সক্ষম হয়েছিলাম। কোহলির মতো অধিনায়কের সঙ্গে কাজ করতে পেরে আমি দারুণ খুশি।প্রায় ২ বছর হতে চলল বিরাট কোহলির ব্যাটে বড় রান নেই। সেঞ্চুরিয়নে দুই ইনিংসেই ভাল শুরু করেও বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ। রাহুল দ্রাবিড়ের আশা জোয়ানেসবার্গে দ্বিতীয় টেস্টেই বড় রানে ফিরবেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক। দ্রাবিড় বলেন, কোহলি ভাল শেপে রয়েছে। দুই ইনিংসেই দারুণ শুরু করেছিল। কিন্তু বড় রান করতে পারেনি। ওকে নেটে আমি খুব কাছ থেকে দেখেছি। ভাল ছন্দে রয়েছে। আশা করছি এই টেস্টেই রানে ফিরবে।একদিনের ক্রিকেটে নেতৃত্ব বিতর্কে যথেষ্ট চাপে রয়েছেন বিরাট কোহলি। তা সত্ত্বেও ফোকাস হারাননি ভারতীয় টেস্ট দলের অধিনায়ক। কোহলির এই মনোবলের প্রশংসা শোনা গেছে ভারতীয় দলের হেডস্যারের মুখে। কোহলি সম্পর্কে দ্রাবিড় বলেন, গত ২০ দিন ধরে বিতর্কের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে কোহলিকে। ওকে নিয়ে নানা কথা উঠেছে। তা সত্ত্বেও যেভাবে নিজের দায়িত্ব পালন করে চলেছে, এককথায় অসাধারণ। দলকে দুর্দান্ত নেতৃত্ব দিয়েছে। প্রথম টেস্টে দলকে জয় এনে দিয়েছে। দুটি টেস্টের আগে সাংবাদিক সম্মেলনে আসেননি কোহলি। কেপটাউনে জীবনের শততম টেস্ট খেলবেন। তার আগে সাংবাদিক সম্মেলনে কোহলি আসবেন বলে জানিয়েছেন রাহুল দ্রাবিড়।

জানুয়ারি ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

I‌ndia Vs SA: সেঞ্চুরিয়নে জিতেও সমস্যায় ভারত, কেন পয়েন্ট কাটা গেল কোহলিদের?‌

সেঞ্চুরিয়নের সুপার স্পের্টস পার্ক দক্ষিণ আফ্রিকার দূর্গ হিসেবে পরিচিত। সেই মাঠেই প্রথম টেস্ট জয়ের স্বাদ পেয়েছে ভারত। তিনটি টেস্ট খেলে প্রথম জয়। সেঞ্চুরিয়নে জিতেও অবশ্য স্বস্তিতে নেই ভারত। বিরাট কোহলিদের বুকে কাঁটার মতো বিঁধছে পয়েন্ট কাটা। মন্থর বোলিংয়ের জন্য ১ পয়েন্ট কাটা গিয়েছে ভারতীয় দলের। একই সঙ্গে দলের প্রত্যেক ক্রিকেটারের ম্যাচ ফি কাটা গেছে ২০ শতাংশ করে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ১ ওভার বল কম করেছিল ভারত। এর জন্য জরিমানার কবলে পড়তে হয়েছে গোটা দলকে। তবে বড় ধাক্কা বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট কাটা যাওয়া। ২০২০ সালে মেলবোর্ন টেস্টে ভারতের বিরুদ্ধে মন্থর বোলিংয়ের জন্য ৪ পয়েন্ট কাটা গিয়েছিল অস্ট্রেলিয়ার। এই পয়েন্ট কাটা যাওয়ার জন্য ভুগতে হয়েছিল অসিদের। যার জন্য বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠতে পারেননি টিম পাইনরা।ভারতের পয়েন্ট কাটা যাওয়ার ঘটনা অবশ্য এই প্রথম নয়। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজেও ১ পয়েন্ট কাটা গেছে বিরাট কোহলির দলের। নটিংহ্যাম টেস্টে মন্থর বোলিংয়ের জন্য এই পয়েন্ট কাটা গিয়েছিল। এই নিয়ে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দ্বিতীয় সংস্করণে দ্বিতীয়বার পয়েন্ট কাটা গেল ভারতের। ভবিষ্যতে সতর্ক না হলে এর মাশুল দিতে হতে পারে বিরাট কোহলি ব্রিগেডকে। আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের নিয়ম অনুযায়ী কোন দুটি দল ফাইনাল খেলবে তা ঠিক হয় সংগৃহীত পয়েন্টের শতাংশের হিসেবের ভিত্তিতে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ২১ ব্যবধানে সিরিজে এগিয়ে থাকলেও কিংবা নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে সিরিজ জিতলেও এই মুহূর্তে ভারতের ওপরে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান। করোনা পরিস্থিতিতে সব দেশ সমান সংখ্যক টেস্ট খেলতে পারছে না। ফলে সংগৃহীত পয়েন্টের শতাংশের হিসেব কষেই পয়েন্ট তালিকার ক্রমপর্যায় ঠিক হচ্ছে। ফলে ওভার রেটের দিকে বাড়তি নজর রাখতে হবে বিরাটদের। ভবিষ্যতে পয়েন্ট কাটা গেলে সমস্যায় পড়তে হবে।

জানুয়ারি ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Kohli-Shami : ‌প্রথম টেস্ট জিতে সামি সম্পর্কে কেন একথা বললেন বিরাট কোহলি?‌

বিদেশের মাঠে একসময় দেশের পারপরমেন্সে আতঙ্কিত হয়ে পড়তেন ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীরা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলে গেছে ভারতীয় ক্রিকেট। এখন বিদেশের মাটিতেও সিরিজ জিততে শুরু করেছে। বিদেশে সিরিজ জয়ে মূল অবদান রাখছেন জোরে বোলাররা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম টেস্টেও সেই ভারতীয় জোরে বোলারদের দাপট। দুই ইনিংস মিলিয়ে ৮ উইকেট তুলে নিয়ে প্রোটিয়া ব্যাটিংয়ের মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছিলেন মহম্মদ সামি। সেঞ্চুরিয়নে জয়ের পর জোরে বোলারদের প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি।দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্ট জয়ের পর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে কোহলি বলেন, গত দুতিন বছর ধরে বোলাররা একটা ইউনিট হিসেবে বল করে আসছে। এর ফলে বিদেশের মাটিতে সাফল্য আসছে। এটাই হল আমার দলের সাফল্যের মূল রসায়ন। সেঞ্চুরিয়নে টেস্ট ক্রিকেটে ২০০ উইকেটের মাইলস্টোনে পৌঁছেছেন মহম্মদ সামি। দলের এই জোরে বোলারকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন অধিনায়ক কোহলি। তিনি বলেন, সামি বিশ্বমানের প্রতিভা। এই মুহূর্তে বিশ্বের সেরা ৩ জোরে বোলারের মধ্যে ও একজন। যে কোনও উইকেট থেকে সুবিধা আদায় করার দারুণ ক্ষমতা আছে। ওর শক্তিশালী কব্জি, সিমের ব্যবহার এবং ধারাবাহিকভাবে একই জায়গায় বল করার দক্ষতা সামিকে এই উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। টেস্টে ও ২০০ উইকেটের মাইলস্টোনে পৌঁছনোর জন্য আমি খুশি। এই টেস্টেও দুর্দান্ত বোলিং করেছে।গোড়ালিতে চোটের জন্য সেঞ্চুরিয়ন টেস্টের প্রথম ইনিংসে বেশ কিছুক্ষণ বোলিং করতে পারেননি যশপ্রীত বুমরা। ভারতীয় দলের কাছে এটা একটা ধাক্কা ছিল বলে মনে করেন কোহলি। এর ফলে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটাররা কিছুটা সুবিধা পেয়েছিল বলে দাবি করেছেন তিনি। কোহলি বলেন, বুমরা প্রথম ইনিংসে বেশি বল করতে পারেনি। এরজন্য দক্ষিণ আফ্রিকা কিছুটা সুবিধা পেয়ে গিয়েছিল। ওরা ৪০ রান বেশি তুলে ফেলেছিল। বুমরা যদি চোট না পেত তাহলে দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম ইনিংসে ১৯৭ রানে পৌঁছতে পারত না।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

U19 Asia Cup : ‌ব্যর্থ পাকিস্তান, অনূর্ধ্ব১৯ এশিয়া কাপের ফাইনালে ভারত

অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে গ্রুপ লিগে পাকিস্তানের কাছে হেরে মানসিকভাবে অনেকটাই ভেঙে পড়ছিল ভারতীয় দল। সেমিফাইনালের ছাড়পত্র পেতে গেলে গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে জিততেই হয়। দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে অবশেষে সেমিফাইনালে। সেমিফাইনালেও অপ্রতিরোধ্য ভারতীয় দল। গতবারের চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশকে ১০৩ রানে হারিয়ে পৌঁছে গেল অনূর্ধ্ব ১৯ এশিয়া কাপের ফাইনালে। যশ ঢুলের দলের সামনে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ। ফাইনালে সামনে শ্রীলঙ্কা। বৃহস্পতিবার শারজায় দ্বিতীয় সেমিফাইনালে টস জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠায় বাংলাদেশ। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৪৩ রান তোলে ভারত। ভারতের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন শাইক রশিদ। তিনি ১০৮ বলে ৯০ রান করে অপরাজিত থাকেন। তাঁর ইনিংসে রয়েছে তিনটি চার ও একটি ছয়। ভিকি অস্তবল ১৮ বলে ২৮ রান করে অপরাজিত থাকেন। অধিনায়ক যশ ঢুল ২৬ ও রাজ বাওয়া ২৩ রান করেন। বাংলাদেশের হয়ে রকিবুল হাসান নেন ৪১ রানের বিনিময়ে ৩ উইকেট।জবাবে ব্যাট করতে নেমে ভাল শুরু করে বাংলাদেশ। ৫ ওভারে তোলে ৩১। এরপরই প্রথম উইকেট হারায়। নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট পড়তে থাকায় আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি বাংলাদেশ। ৩৮.২ ওভারে ১৪০ রানেই গুটিয়ে যায়। আরিফুল ইসলাম সর্বাধিক ৪২ রান করেন। ভারতের হয়ে রাজ্যবর্ধন হঙ্গরগেকর, রবি কুমার, রাজ বাওয়া ও ভিকি অস্টওয়াল দুটি করে উইকেট নেন।অন্য সেমিফাইনালে পাকিস্তানকে ২২ রানে হারিয়েছে শ্রীলঙ্কা। টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় শ্রীলঙ্কা। ৪৪.৫ ওভারে ১৪৭ রানে শেষ হয় তাদের ইনিংস। ৭০ রানেই পড়ে গিয়েছিল ৮ উইকেট। সেখান থেকে ইয়াসিরু রডরিগো (অপরাজিত ৩১) ও মহীশ পাথিরানা (৩১) শ্রীলঙ্কাকে ১১৭ রানে পৌঁছে দেন। দশম উইকেটের জুটিতে ওঠে আরও মূল্যবান ৩০ রান। পাকিস্তানের হয়ে জিশান জমির ৩২ রানের বিনিময়ে ৪ উইকেট নেন। জবাবে খেলতে নেমে ৪৯.৩ ওভারে ১২৫ রানেই শেষ পাকিস্তান। আহমেদ খান করেন সর্বাধিক ৩৬। শ্রীলঙ্কার হয়ে ১৪ রানে ৪ উইকেট নেন ত্রিভীন ম্যাথু।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India vs South Africa Test : ‘‌মিশন প্রোটিয়া’‌র শুরুতেই সাফল্য, সেঞ্চুরিয়নে ১১৩ রানে জয় ভারতের

সাদা বলের ক্রিকেটে দাপট দেখাতে না পারলেও লাল বলের ক্রিকেটে অপ্রতিরোধ্য ভারত। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম সংস্ককরণে ফাইনালে উঠেও অল্পের জন্য সেরার শিরোপা জোটেনি। দ্বিতীয় সংস্করণের শুরু থেকেই দুর্দান্ত গতিতে এগিয়ে চলেছে বিরাট কোহলি ব্রিগেড। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে স্থগিত হয়ে যাওয়া সিরিজে ২১ ব্যবধানে এগিয়ে থাকা। তারপর দেশের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজ জয়। এবার দক্ষিণ আফ্রিকাকে প্রথম টেস্টে ১১৩ রানে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল বিরাট কোহলির দল। জয়ের জন্য ৩০৫ রান তাড়া করতে নেমে মাত্র ১৯১ রানেই গুটিয়ে গেল প্রোটিয়ারা। সেঞ্চুরিয়ন দক্ষিণ আফ্রিকার দূর্গ বলে পরিচিত। সুপারস্পোর্টস পার্কে প্রোটিয়াদের পরিসংখ্যান খুবই ভাল। সেই মাঠেই দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দুর্দান্ত জয় তুলে নিল ভারত। টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন কোহলি। প্রথম ইনিংসে ভারত তুলেছিল ৩২৭। জবাবে ১৯৭ রানে শেষ হয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম ইনিংস। ১৩০ রানে এগিয়ে থেকে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে ভারত তোলে ১৭৪। জয়ের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ৩০৫। প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। যশপ্রীত বুমরা, মহম্মদ সামিদের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি ডিন এলগারের দল। চতুর্থ দিনের শেষে দক্ষিণ আফ্রিকার রান ছিল ৪ উইকেটে ৯৪। ডিন এলগার ৫২ রানে ক্রিজে ছিলেন। ম্যাচ বাঁচানোর জন্য তাংর ব্যাটের দিকেই তাকিয়েছিল প্রোটিয়া শিবির। ৭৭ রান করে যশপ্রীত বুমরার বলে এলবিডব্লিউ হন এলগার। দক্ষিণ আফ্রিকার রান তখন ১৩০। এলগার আউট হওয়ার পরপরই দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচ বাঁচানোর আশা শেষ হয়ে যায়। কুইন্টন ডিকক (২১), তেম্বা বাভুমা (অপরাজিত ৩৫) কিছুটা লড়াই করলেও তা যথেষ্ট ছিল না। ৬৮ ওভারে ১৯১ রানে গুটিয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার দ্বিতীয় ইনিংস। ভারতের হয়ে যশপ্রীত বুমরা ৫০ রানে ও মহম্মদ সামি ৬৩ রানে ৩টি করে উইকেট পান। মহম্মদ সিরাজ ৪৭ রানে ২টি ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন ১৮ রানে ২টি উইকেট নেন। দুই ইনিংস মিলিয়ে এই টেস্টে ৮ উইকেট নিলেন সামি।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India vs South Arica : জয়ের সামনে দাঁড়িয়ে ভারত, কিন্তু বাধা আসতে পারে, কেন?‌

সেঞ্চুরিয়নে প্রথম টেস্ট জিতে সিরিজে এগিয়ে যেতে পারবে ভারত? সেই সম্ভাবনা চতুর্থ দিনেই জোরালো করে তুললেন ভারতের বোলাররা। জয়ের জন্য ৩০৫ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে চতুর্থ দিনের শেষে দক্ষিণ আফ্রিকা তুলেছে ৯৪/৪। জয়ের জন্য প্রোটিয়াদের এখনও দরকার ২১১ রান। অন্যদিকে ভারতকে তুলতে হবে ৬ উইকেট। ভারতের কাজটা অপেক্ষকৃত সহজ হলেও জয়ের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে আবহাওয়া। বৃহস্পতিবার সেঞ্চুরিয়নে ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।বছরটা একেবারেই ভাল গেল না ভারতীয় দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলির কাছে। আইপিএল, টি২০ বিশ্বকাপে ব্যর্থতা, একদিনের নেতৃত্ব থেকে অপসারন। অনেকেই আশা করেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে সবকিছুর যোগ্য জবাব দেবেন। কিন্তু সেখানেও ব্যর্থ। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে বড় রান পাননি। দ্বিতীয় ইনিংসেও সেই ব্যর্থতা সঙ্গী। একবার জীবন পেয়েও বড় রান করতে পারলেন না ভারতীয় দলের অধিনায়ক। চলতি বছরেও সেঞ্চুরি পেলেন না কোহলি।টেস্টে বিরাট কোহলির ব্যাট থেকে শেষ সেঞ্চুরি এসেছিল ২০১৯এ। তারপর থেকে আর ব্যাটে বড় রান নেই। অনেকেই ভেবেছিলেন সাদা বলের ক্রিকেটের নেতৃত্বভার কাঁধ থেকে নেমে যাওয়ায় চাপমুক্ত হয়ে মাঠে নামতে পারবেন। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে জ্বলে উঠতে ব্যর্থ। প্রথম ইনিংসে করেছিলেন ৩৫। দ্বিতীয় ইনিংসে ১৮। প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও অনেক বাইরের বল তাড়া করে আউট হলেন। দুই ইনিংসেই যেভাবে উইকেট ছুঁড়ে দিয়েছেন, তাতে তাঁর মানসিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। শুধু কোহলিই নয়, দ্বিতীয় ইনিংসে চূড়ান্ত ব্যাটিং ব্যর্থতা ভারতের। ৫০.৩ ওভারে মাত্র ১৭৪ রানে শেষ হয়ে গেল ভারতের দ্বিতীয় ইনিংস। আগের দিনের ১৬/১ রান নিয়ে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করে ভারত। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির সময় রান ছিল ৩২ ওভারে ৭৯/৩। এদিন প্রথম আউট হন শার্দুল ঠাকুর (১০), তারপর লোকেশ রাহুল (২৩)। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর প্রথম বলেই আউট হন কোহলি। এরপর প্রোটিয়া বোলারদের সামনে অসহায় আত্মসমর্পন ভারতীয় ব্যাটারদের। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর ১ ঘন্টার মধ্যে ৪টি উইকেট হারায় ভারত। চেতেশ্বর পুজারা (১৬) আবার ব্যর্থ। রাহানে (২০), অশ্বিনরা (১৪) রান পাননি। ঋষভ পন্থ (৩৪) কিছুটা লড়াই করেন। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে কাগিসো রাবাডা ৪২ রানে ৪টি, মার্কো জানসেন ৫৫ রানে ৪টি ও লুঙ্গি এনগিডি ৩১ রানে ২টি উইকেট নেন। জয়ের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার সামনে লক্ষ্য ৩০৫। ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসেও শুরুতে ধাক্কা খায় দক্ষিণ আফ্রিকা। দ্বিতীয় ওভারেই এইডেন মার্করামকে (১) তুলে নেন মহম্মদ সামি। পঞ্চদশ ওভারের প্রথম বলে কীগান পিটারসেনকে (১৭) ফেরান মহম্মদ সিরাজ। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান অধিনায়ক ডিন এলগার ও ভ্যান ডার ডুসেন। ডুসেনকে (১১) তুলে নিয়ে ব্রেক থ্রু দেন যশপ্রীত বুমরা। শেষ বেলায় তুলে নেন কেশব মহারাজকে (৮)। ৫২ রান করে ক্রিজে রয়েছেন এলগার।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India vs South Africa-Kohli : ‌ব্যাটিং বিপর্যয় ভারতের, বছরটা কেন ভাল গেল না কোহলির কাছে?‌

বছরটা একেবারেই ভাল গেল না ভারতীয় দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলির কাছে। আইপিএল, টি২০ বিশ্বকাপে ব্যর্থতা, একদিনের নেতৃত্ব থেকে অপসারন। অনেকেই আশা করেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে সবকিছুর যোগ্য জবাব দেবেন। কিন্তু সেখানেও ব্যর্থ। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে বড় রান পাননি। দ্বিতীয় ইনিংসেও সেই ব্যর্থতা সঙ্গী। একবার জীবন পেয়েও বড় রান করতে পারলেন না ভারতীয় দলের অধিনায়ক। চলতি বছরেও সেঞ্চুরি পেলেন না কোহলি।টেস্টে বিরাট কোহলির ব্যাট থেকে শেষ সেঞ্চুরি এসেছিল ২০১৯এ। তারপর থেকে আর ব্যাটে বড় রান নেই। অনেকেই ভেবেছিলেন সাদা বলের ক্রিকেটের নেতৃত্বভার কাঁধ থেকে নেমে যাওয়ায় চাপমুক্ত হয়ে মাঠে নামতে পারবেন। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে জ্বলে উঠতে ব্যর্থ। প্রথম ইনিংসে করেছিলেন ৩৫। দ্বিতীয় ইনিংসে ১৮। প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও অনেক বাইরের বল তাড়া করে আউট হলেন। দুই ইনিংসেই যেভাবে উইকেট ছুঁড়ে দিয়েছেন, তাতে তাঁর মানসিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। শুধু কোহলিই নয়, দ্বিতীয় ইনিংসে চূড়ান্ত ব্যাটিং ব্যর্থতা ভারতের। ৫০.৩ ওভারে মাত্র ১৭৪ রানে শেষ হয়ে গেল ভারতের দ্বিতীয় ইনিংস। আগের দিনের ১৬/১ রান নিয়ে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করে ভারত। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির সময় রান ছিল ৩২ ওভারে ৭৯/৩। এদিন প্রথম আউট হন শার্দুল ঠাকুর (১০), তারপর লোকেশ রাহুল (২৩)। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর প্রথম বলেই আউট হন কোহলি। এরপর প্রোটিয়া বোলারদের সামনে অসহায় আত্মসমর্পন ভারতীয় ব্যাটারদের। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর ১ ঘন্টার মধ্যে ৪টি উইকেট হারায় ভারত। চেতেশ্বর পুজারা (১৬) আবার ব্যর্থ। রাহানে (২০), অশ্বিনরা (১৪) রান পাননি। ঋষভ পন্থ (৩৪) কিছুটা লড়াই করেন। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে কাগিসো রাবাডা ৪২ রানে ৪টি, মার্কো জানসেন ৫৫ রানে ৪টি ও লুঙ্গি এনগিডি ৩১ রানে ২টি উইকেট নেন। জয়ের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার সামনে লক্ষ্য ৩০৫।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India vs South Africa Test : ‌দুর্দান্ত প্রত্যাঘাত ভারতীয় বোলারদের, ৫ উইকেট নিয়ে মাইলস্টোনে মহম্মদ সামি

দিনের শুরুটা যদি দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের হয়, শেষবেলাটা অবশ্যই ভারতীয় বোলারদের। তৃতীয় দিন সকালে লুঙ্গি এনগিডি, কাগিসো রাবাডাদের সামনে অসহায় আত্মসমর্পন করেছিলেন ভারতীয় ব্যাটাররা। শেষবেলায় পাল্টা প্রত্যাঘাত মহম্মদ সামিদের। ভারতের ৩২৭ রানের জবাবে প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৯৭ রানে গুটিয়ে গেল দক্ষিণ আফ্রিকা। বল হাতে জ্বলে উঠলেন মহম্মদ সামি। ৪৪ রানে তুলে নিলেন ৫ উইকেট। একই সঙ্গে পৌঁছে গেলেন টেস্টে ২০০ উইকেটের মাইলস্টোনে।বৃষ্টির জন্য মাঠ ভেজা থাকায় দ্বিতীয় দিন একবলও খেলা হয়নি। প্রথম দিনের তোলা ২৭২/৩ রান নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে ভারত। আগের দিনের ১২২ রানের সঙ্গে মাত্র ১ রান যোগ করে আউট হন লোকেশ রাহুল। রাবাডার বলে উইকেটের পেছনে কুইন্টন ডিককের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান তিনি। বড় রানের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন অজিঙ্ক রাহানে। ৪৮ রান করে এনগিডির বলে তিনি সেই উইকেটের পেছনেই ক্যাচ দেন। এদিন শুরু থেকেই বিধ্বংসী মেজাজে ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার দুই জোরে বোলার লুঙ্গি এনগিডি ও কাগিসো রাবাডা। গতি ও সুইং দিয়ে বাজিমাত করে গেলেন দুজনে। উইকেটের স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ অবশ্য কাজ অনেকটাই সহজ করে দিয়েছিল এই দুই জোরে বোলারের।লোকেশ রাহুল ও অজিঙ্ক রাহানে আউট হতেই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে ভারতের ব্যাটিং। প্রথম ঘন্টাতেই ভারত এদিন ৬ উইকেট হারায়। তৃতীয় দিন সকালে ভারতের পঞ্চম উইকেট পড়ে ২৯১ রানে। সেখান থেকে ৩০৮ রানের মধ্যে চারটি উইকেট হারায়, মাত্র ১২ রানের ব্যবধানে। ঋষভ পন্থ (৮), রবিচন্দ্রন অশ্বিন (৪), শার্দুল ঠাকুর (৪), মহম্মদ সামি (৮) কেউই রান পাননি। যশপ্রীত বুমরার (১৪) সৌজন্যে ভারত ৩২৭ রানে পৌঁছয়। শেষ উইকেটের জুটিতে মূল্যবান ১৯ রান যোগ করেন বুমরা ও মহম্মদ সিরাজ (অপরাজিত ৪)। লুঙ্গি এনগিডি ৭১ রানে ৬টি, কাগিসো রাবাডা ৭২ রানে ৩টি উইকেট নেন। ১টি উইকেট নেন মার্কো জানসেন। ভারতের শেষ ৭ উইকেট পড়ে ৫৫ রানে।এরপর ব্যাট করতে নেমে ভারতীয় বোলারদের সামনে দিশেহারা হয়ে পড়ে প্রোটিয়া ব্যাটাররা। ১৩ ওভারের মধ্যে ৩২ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে। প্রথম ধাক্কা দেন যশপ্রীত বুমরা। ইনিংসের পঞ্চম বলে তুলে নেন অধিনায়ক ডিন এলগারকে (১)। সেই ধাক্কা আর সামলাতে পারেনি দক্ষিণ আফ্রিকা। মার্করাম (১৩), কিগান পিটারসেন (১৫), ভ্যান ডার ডুসেনরা (৩) রান পাননি। কিছুটা লড়াই করেন তেম্বা বাভুমা (৫২) ও কুইন্টন ডিকক (৩৪)। রাবাডা করেন ২৫। ৬২.৩ ওভারে ১৯৭ রানে গুটিয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস। ৪৪ রানে ৫ উইকেট নেন সামি। বুমরা ও শার্দুল ঠাকুর ২টি করে উইকেট নেন।১৩০ রানে এগিয়ে থেকে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে ভারত তুলেছে ১ উইকেটে ১৬। ৪ রান করে জানসেনের বলে আউট হয়েছেন মায়াঙ্ক আগরওয়াল। লোকেশ রাহুল ৫ ও শার্দুল ঠাকুর ৪ রানে ক্রিজে রয়েছেন।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২১
রাজ্য

Illegally Entering: অবৈধ ভাবে ভারতে অনুপ্রবেশের দায়ে গ্রেফতার বাংলাদেশী যুবক

অবৈধ ভাবে ভারতে অনুপ্রবেশের দায়ে গ্রেফতার হল এক বাংলাদেশী যুবক। পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার পুলিশ সোমবার রাতে ভাতারের এওরা গ্রাম থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে। ধৃত যুবক পুলিশকে জানিয়েছে, তাঁর নাম অজিত বিশ্বাস। বাড়ি বাংলাদেশের ঝিনাইদহ জেলার সাহিলকোপা এলাকায়। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ মঙ্গলবার ধৃতকে পেশ করে বর্ধমান আদালতে। বিচারক ধৃতকে জেল হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, অবৈধ ভাবে ভারতে অনুপ্রবেশকারী বছর ৩০ বয়সী যুবক সোমবার রাতে ভাতারের এওড়া গ্রামের কাছে ঘোরাঘুরি। যুবককে দেখে সন্দেহ হওয়ায় পুলিশ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। তখন ওই যুবক স্বীকার করে সে আদতে বাংলাদেশের নাগরিক। সাড়ে ৮ হাজার টাকার বিনিময়ে দালাল মারফত পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে ভারতে ঢুকে পড়েছে বলে যুবক জানায়। যুবক আরও বলে ভারতে অনুপ্রবেশের পর সে কোনওভাবে ভাতার থানা এলাকায় চলে এসেছে। যুবক তাঁর যে নাম ঠিকানা জানিয়েছে তা সঠিক কিনা সেটা যাচাই করে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি কি উদ্দেশ্যে ওই যুবক ভারতে অনুপ্রবেশ করেছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India vs South Africa Test : ‌এনগিডি, রাবাডাদের সামনে অসহায় আত্মসমর্পন, তৃতীয় দিন কেন ব্যাটিং বিপর্যয় ভারতের?‌

দুর্দান্ত শুরু করেও শেষরক্ষা হল না। লুঙ্গি এনগিডি, কাগিসো রাবাডাদের সামনে অসহায় আত্মসমর্পন ভারতীয় ব্যাটারদের। তৃতীয় দিন সকালে ব্যাটিং বিপর্যয় ভারতের। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে ভারতের ইনিংস গুটিয়ে গেল ৩২৭ রানে। ভারতীয় বোলারদেরও পাল্টা প্রত্যাঘাত। মহম্মদ সামি, যশপ্রীত বুমরাদের সামনে দিশেহারা ডিন এলগাররাও। বৃষ্টির জন্য মাঠ ভেজা থাকায় দ্বিতীয় দিন একবলও খেলা হয়নি। প্রথম দিনের তোলা ২৭২/৩ রান নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে ভারত। আগের দিনের ১২২ রানের সঙ্গে মাত্র ১ রান যোগ করে আউট হন লোকেশ রাহুল। রাবাডার বলে উইকেটের পেছনে কুইন্টন ডিককের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান তিনি। বড় রানের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন অজিঙ্ক রাহানে। ৪৮ রান করে এনগিডির বলে তিনি সেই উইকেটের পেছনেই ক্যাচ দেন। এদিন শুরু থেকেই বিধ্বংসী মেজাজে ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার দুই জোরে বোলার লুঙ্গি এনগিডি ও কাগিসো রাবাডা। গতি ও সুইং দিয়ে বাজিমাত করে গেলেন দুজনে। উইকেটের স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ অবশ্য কাজ অনেকটাই সহজ করে দিয়েছিল এই দুই জোরে বোলারের।লোকেশ রাহুল ও অজিঙ্ক রাহানে আউট হতেই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে ভারতের ব্যাটিং। প্রথম ঘন্টাতেই ভারত এদিন ৬ উইকেট হারায়। তৃতীয় দিন সকালে ভারতের পঞ্চম উইকেট পড়ে ২৯১ রানে। সেখান থেকে ৩০৮ রানের মধ্যে চারটি উইকেট হারায়, মাত্র ১২ রানের ব্যবধানে। ঋষভ পন্থ (৮), রবিচন্দ্রন অশ্বিন (৪), শার্দুল ঠাকুর (৪), মহম্মদ সামি (৮) কেউই রান পাননি। যশপ্রীত বুমরার (১৪) সৌজন্যে ভারত ৩২৭ রানে পৌঁছয়। শেষ উইকেটের জুটিতে মূল্যবান ১৯ রান যোগ করেন বুমরা ও মহম্মদ সিরাজ (অপরাজিত ৪)। লুঙ্গি এনগিডি ৭১ রানে ৬টি, কাগিসো রাবাডা ৭২ রানে ৩টি উইকেট নেন। ১টি উইকেট নেন মার্কো জানসেন। ভারতের শেষ ৭ উইকেট পড়ে ৫৫ রানে। যদি সকালে লোকেশ রাহুল ও অজিঙ্ক রাহানে ঘন্টাখানেক উইকেটে কাটিয়ে দিতে পারতেন, তাহলে অনেক বড় স্কোর হত ভারতের। কিন্তু এনগিডি ও রাবাডা সেই সুযোগ দেননি। ব্যাট করতে নেমে স্বস্তিতে নেই দক্ষিণ আফ্রিকা। ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে তোলে ৫৭।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

U19 Asia Cup : ‌কীভাবে অনূর্ধ্ব ১৯ এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে গেল ভারত?‌

অনূর্ধ্ব ১৯ এশিয়া কাপে গ্রুপ লিগের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে হেরে অনেকটাই কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল ভারত। পাকিস্তানের কাছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির হার পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছিল। সেমিফাইনালে যেতে গেলে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না ভারতের সামনে। মরণবাঁচন ম্যাচে জ্বলে উঠলেন যশ ঢুলরা। আফগানিস্তানকে ৪ উইকেটে হারিয়ে সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল ভারত। এদিন টস জিতে আফগানিস্তানকে ব্যাট করতে পাঠান ভারতীয় দলের অধিনায়ক যশ ঢুল। শুরুটা তেমন ভাল করতে পারেনি আফগানিস্তান। ৩৮ রানে প্রথম উইকেট হারায়। সুলিমান আরবজইকে (১৮) তুলে নিয়ে ধাক্কা দেন রাজ বাওয়া। মহম্মদ ইশাক (১৯), আল্লাহ নুর (২৬) রান না পেলেও আফগানিস্তানকে বড় রানে পৌঁছে দেন অধিনায়ক সুলিমান সফি (৭৩) ও ইজাজ আহমেদ আহমেদজাই (অপরাজিত ৮৬)। ভারতের হয়ে রাজবর্ধন হাঙ্গারগেকর, নিশান্ত সিন্ধু, রাজ বাওয়া, ভিকি অস্তবল, কুশল তাম্বে ১টি করে উইকেট পান।ব্যাট করেত নেমে দারুণ শুরু করেন ভারতীয় দলের দুই ওপেনার অঙ্কৃশ রঘুবংশী ও হারনুর সিং। ওপেনিং জুটিতে ১৮ ওভারে ওঠে ১০৪ রান। অঙ্কৃশ রঘুবংশী ৩৫ রান করে আউট হন। ১০৪ রানে প্রথম উইকেট হারায় ভারত। এরপর ১১৬ রান ওঠার ফাঁকে আরও দুটি উইকেট পড়ে ভারতের। হারনুর সিং ৭৪ বলে ৬৫ রান করে আউট হন। শাইক রশিদ করেন ৬। ১১৬ রানের মাথাতেই দুই উইকেট হারানোর পর ভারতের চতুর্থ উইকেটটি পড়ে ১৬২ রানে। পঞ্চম ও ষষ্ঠ উইকেট পড়ে যথাক্রমে ১৮৩ ও ১৯৭ রানের মাথায়। ৩৭.৪ ওভারে ষষ্ঠ উইকেট পড়ার পর আর কোনও উইকেট হারায়নি ভারত। অধিনায়ক যশ ঢুল ২৬, নিশান্ত সিধু ১৯ ও আরাধ্য যাদব ১২ রান করেন।এরপর ভারতকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন রাজ বাওয়া ও কৌশল তাম্বে। ৫৫ বলে ৪৩ রান করে অপরাজিত থাকেন রাজ বাওয়া, ২৯ বলে ৩৫ রান করে অপরাজিত থাকেন কৌশল তাম্বে। শেষ পর্যন্ত ৪৮.২ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ২৬২ রান তুলে ম্যাচ জিতে যায় ভারত। গ্রুপ লিগে তিনটি ম্যাচ জিতেই ৬ পয়েন্ট পেয়ে শীর্ষে থেকে সেমিফাইনালে পাকিস্তান। ৪ পয়েন্ট পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে থেকে সেমিফাইনালে ভারত। বি গ্রুপ থেকে সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India vs South Africa : ধ্রুপদী ব্যাটিং লোকেশ রাহুলের, বড় রানের দিকে এগোচ্ছে ভারত

আলি বাখার থেকে শুরু করে অ্যানাল ডোনাল্ড, দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে অনেক বিশেষজ্ঞই ভারতকে এগিয়ে রেখেছেন। বিষেশজ্ঞরা যে খুব একটা ভুল বলেননি, সেঞ্চুরিয়নে প্রথম টেস্টেই তার ইঙ্গিত পাওয়া গেল। প্রথম দিনেই দাপট ভারতীয় ব্যাটারদের। দুরন্ত সেঞ্চুরি করে ভারতকে চালকের আসনে বসালেন লোকেশ রাহুল। তবে যথারীতি ব্যর্থ চেতেশ্বর পুজারা। বড় রান করতে ব্যর্থ অধিনায়ক বিরাট কোহলিও।সেঞ্চুরিয়নের সুপারস্পোর্ট পার্কে এদিন টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। যতই গতিময়, বাউন্সি উইকেটের কথা বলা হোক না কেন, বাইশ গজ দেখে একেবারে ফ্ল্যাট মনে হয়েছে। তার ওপর দক্ষিণ আফ্রিকার জোরে বোলারদের নির্বিষ বোলিং কাজ সুবিধা করে দেয় ভারতের দুই ওপেনারের। মসৃনভাবে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান লোকেশ রাহুল ও মায়াঙ্ক আগরওয়াল। যদিও পঞ্চম ওভারে কাগিসো রাবাডার বলে লোকেশ রাহুলের বিরুদ্ধে কট বিহাইন্ডের জোরালো আবেদন উঠেছিল। আম্পায়ার সাড়া দেননি। ১৮তম ওভারে মার্সো জানসেনের বলে মায়াঙ্ক আগরওয়ালের ক্যাচ তালুবন্দী করতে পারেননি কুইন্টন ডিকক।জীবন পেয়ে লোকেশ রাহুলের সঙ্গে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান মায়াঙ্ক আগরওয়াল। ওপেনিং জুটিতে সেঞ্চুরি রান পূর্ণ করে ভারত। অবশেষে ৪১ তম ওভারের দ্বিতীয় বলে জুটি ভাঙেন লুঙ্গি এনগিডি। ৬০ রান করে তাঁর বলে এলবিডব্লিউ হন মায়াঙ্ক। অনফিল্ড আম্পায়ার প্রথমে আউট দেননি। ডিআরএস নেন প্রোটিয়া অধিনায়ক ডিন এলগার। টিভি আম্পায়ার রিপ্লে দেখে মাঠের আম্পায়ারকে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করার পরামর্শ দেন। এই টেস্টেও খারাপ সময় কাটিয়ে উঠতে পারলেন না চেতেশ্বর পুজারা (০)। মায়াঙ্ক আউট হওয়ার পরের বলেই তিনি আউট হন। এই নিয়ে দ্বিতীয় বার দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে শূন্য রানে আউট হলেন পুজারা। শেষ বার ভারতীয় দলের দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে এই সেঞ্চুরিয়নেই শূন্য রানে প্যাভিলিয়নে ফিরেছিলেন।পুজারা ফিরে যাওয়ার পর ক্রিজে নেমে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ব্যাট করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন বিরাট কোহলি। ব্যাটে বড় রানের ইঙ্গিত ছিল। কিন্তু লুঙ্গি এনগিডির অনেক বাইরের বলে ড্রাইভ মারতে গিয়ে উইকেট ছুঁড়ে দেন কোহলি। ৯৪ বল খেলে ৩৫ রান করেন তিনি। কোহলি ফিরে যাওয়ার পর বাইশ গজে প্রবেশ অজিঙ্ক রাহানের। দীর্ঘদিন ব্যাটে রান নেই। প্রচন্ড চাপে রয়েছেন। কিন্তু তাঁর ব্যাটিংয়ে আত্মবিশ্বাসের ছাপ স্পষ্ট। দিনের শেষে ৮১ বল খেলে ৪০ রান করে অপরাজিত রয়েছেন।ভারতকে অবশ্য বড় রানের স্বপ্ন দেখানোর মূল কান্ডারী লোকেশ রাহুল। এদিন দাপটের সঙ্গে ব্যাট করে দুর্দান্ত সেঞ্চুরি উপহার দিলেন। এই নিয়ে টেস্টে সপ্তম সেঞ্চুরি হল রাহুলের। এর মধ্যে ১টা দেশের মাটিতে, বাকি ৬টি বিদেশের মাঠে। ১২৭ বলে অর্ধশতরান পূর্ণ করার পর রাহুল শতরান পূর্ণ করেন ২১৮ বলে। তাঁর সেঞ্চুরিতে ভর করেই ভারত প্রথম ইনিংসে বড় রানের দিকে এগোচ্ছে। দ্বিতীয় ভারতীয় ওপেনার হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকায় শতরান রাহুলের। প্রথম দিনের শেষে ভারতের স্কোর ৩ উইকেটে ২৭২। ১২২ রান করে ক্রিজে রয়েছেন রাহুল, যোগ্য সঙ্গত দিচ্ছেন অজিঙ্ক রাহানে। অবিচ্ছেদ্য চতুর্থ উইকেট জুটিতে তাঁরা যোগ করেছেন ৭৩ রান।

ডিসেম্বর ২৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Ravi Shastri : বোর্ডকে আবার খোঁচা!‌ কোহলিকে নেতৃত্ব থেকে সরানো নিয়ে কী বললেন রবি শাস্ত্রী

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে রবি শাস্ত্রীর সম্পর্ক যে মধুর নয়, একথা সর্বজনবিদিত। বিরাট কোহলিকে নেতৃত্ব থেকে সরানো নিয়ে বোর্ড কর্তাদের আগেই খোঁচা দিয়েছিলেন ভারতীয় দলের এই প্রাক্তন হেড স্যার। কোহলির নেতৃত্ব বিতর্কের বিষয়টা অনেকটাই ঠান্ডা ঘরে চলে গেছে। আবার সেই বিতর্ক উস্কে দিলেন রবি শাস্ত্রী। কোহলিকে একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরানো নিয়ে আবার মুখ খুলেছেন তিনি। পরোক্ষে ভারতীয় বোর্ডকে খোঁচা দিয়েছেন শাস্ত্রী।ভারতীয় দলের এই প্রাক্তন হেড কোচ বলেছেন, কোহলিকে সরিয়ে রোহিতের হাতে একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব তুলে দেওয়াটা দুজনের কাছেই শাপে বর হয়ে দাঁড়াবে। বর্তমানের এই কোভিড পরিস্থিতিতে জৈব সুরক্ষা বলয়ে থেকে একজন অধিনায়কের পক্ষে তিনটি ফরম্যাটেই দলকে নেতৃত্ব দেওয়াটা যথেষ্ট কঠিন। সাদা বলের ক্রিকেটে অধিনায়ক না থাকায় কোহলি লাল বলের ক্রিকেটে আরও ভালভাবে মনসংযোগ করতে পারবে। সাদা বলে নেতৃত্বের প্রেশার নিতে হবে না। যতদিন চাইবে লাল বলের ক্রিকেটে দেশকে নেতৃত্ব দিতে পারবে। আরও ৫৬ বছর টেস্ট খেলতে পারবে। নিজের খেলা নিয়ে পরিকল্পনা করার সুযোগ পাবে।এর আগেও কোহলিকে নেতৃত্ব থেকে সরানো নিয়ে বোর্ড কর্তাদের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন রবি শাস্ত্রী। তিনি বলেছিলেন, কোহলি নিজের বক্তব্য জানিয়েছে। এবার বিতর্ক নিয়ে সৌরভের মুখ খোলা উচিত। তাহলে আসল সত্য বেরিয়ে আসবে। দুজনের মধ্যে কমিউনিকেশন থাকলে এইরকম পরিস্থিতি তৈরি হত না।কোহলির নেতৃত্ব বিতর্ক নিয়ে মুখ খোলার পাশাপাশি মহেন্দ্র সিং ধোনি কীভাবে গোটা দলকে অবাক করেছিল, সেকথাও জানিয়েছেন রবি শাস্ত্রী। তিনি বলেন, ২০১৪ সালে আমি ভারতীয় দলের ম্যানেজার ছিলাম। সেই সময় ধোনি আমার কাছে এসে বলেছিল, সতীর্থদের কিছু বলতে চায়। সেদিন ড্রেসিংরুমে সকলের সামনে নেতৃত্ব ছাড়ার কথা জানিয়েছিল। আমরা ওর সিদ্ধান্তে আমরা সকলেই অবাক হয়েছিলাম। সাদা বলের ক্রিকেটে আরও বেশিদিন খেলার জন্যই সেদিন ওই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।

ডিসেম্বর ২৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India Preview : ‌রাবাডাদের সামলাতে পারবেন?‌ কঠিন চ্যালেঞ্জ কোহলিদের কাছে

রবিবার সেঞ্চুরিয়নে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ খেলতে নামছে ভারত। দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে খেলা হলেও বিরাট কোহলির দল যে ধারেভারে এগিয়ে থেকেই মাঠে নামবে, সেকথা বলা যেতেই পারে। আগের সফরে একটা টেস্ট ম্যাচে জিতলেও প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে তাদের দেশের মাঠে এখনও সিরিজ জেতেনি ভারত। অধিনায়ক বিতর্কে জর্জরিত ভারতীয় দল এবার কেমন ফল করেল সেদিকে তাকিয়ে ক্রিকেটপ্রেমীরা। তবে সিরিজে যে তুল্যমূল্য লড়াই হবে সেকথা নিশ্চিতভাবে বলা যায়।সেঞ্চুরিয়ানের সুপারস্পোর্টস পার্কের উইকেট মূলত জোরে বোলিং সহায়ক। উইকেটে যেমন গতি আছে, তেমন বাউন্সও রয়েছে। বল দুটিকে সুইং করে। এককথায় পেস বোলারদের স্বর্গরাজ্য। এই ধরণের উইকেট ব্যাটারদের কাছে যথেষ্ট চ্যালেঞ্জের। তার ওপর চোটের জন্য আগেই সিরিজ থেকে ছিটকে গেছেন রোহিত শর্মা। ব্যাটিংয়ে যাদের ওপর মূল ভরসা সেই বিরাট কোহলি, চেতেশ্বর পুজারা, অজিঙ্ক রাহানে ফর্মে নেই। যদিও হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড় আশা করছেন এই তিন ব্যাটারই ভাল ছন্দে রয়েছেন, সেঞ্চুরিয়নে রানে ফিরবেন। বিপক্ষের ২০ উইকেট তুলতে ৫ স্বীকৃত বোলারে খেলার পরিকল্পনা আছে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের। কারণ সেঞ্চুরিয়ন সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৩০০০ মিটার উঁচুতে। বোলারদের দ্রুত ক্লান্ত হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ফলে ৪ বোলার নিয়ে খেললে ঝুঁকি হয়ে যেতে পারে। মহম্মদ সামি, যশপ্রীত বুমরার সঙ্গে জোরে বোলার হিসেবে মহম্মদ সিরাজকে খেলানো হতে পারে। তবে অভিজ্ঞতার জন্য ইশান্তকেও খেলানো হতে পারে সিরাজের পরিবর্তে। এক স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন। দলে কোনও স্বীকৃত অলরাউন্ডার নেই। তাই পঞ্চম বোলার হিসেবে শার্দুল ঠাকুরকে খেলানোর পরিকল্পনা রয়েছে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের। কারণ শার্দুলের ব্যাটের হাত যথেষ্ট ভাল। ওপেনিংয়ে লোকেশ রাহুলের সঙ্গে মায়াঙ্ক আগরওয়াল। তিনে বিরাট কোহলি, চারে চেতেশ্বর পুজারা। পাঁচ নম্বর জায়গার জন্য জোর লড়াই শ্রেয়স আয়ার, হনুমা বিহারী ও অজিঙ্ক রাহানের মধ্যে। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে আগের সিরিজে সেঞ্চুরি করেছেন শ্রেয়স। তবে রাহানের ওপর আস্থা রাখছেন হেড কোচ দ্রাবিড়। তাঁরই খেলার সম্ভাবনা বেশি। ম্যাচের দিন সকালে বাইশ গজ দেখে তারপর সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে দুই দেশের লড়াইয়ে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে বৃষ্টি। রবিবার ও সোমবার বৃষ্টির পূর্ভাভাস রয়েছে। ভারতীয় দল তিনদিন ধরে সেন্টার উইকেটে অনুশীলনের সুযোগ পেয়েছে। পরিবেশের সঙ্গে দারুণভাবে মানিয়ে নিয়েছেন কোহলিরা। এখন দেখার আসল সময়ে কতটা জ্বলে উঠতে পারেন। তবে রাবাদা, এনগিডি, অলিভিয়েরদের সামলাতে যে ভারতীয় ব্যাটারদের কঠিন চ্যালেঞ্জের সামনে পড়তে হবে, সেকথা নিশ্চিতভাবে বলা যায়।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India vs Pakistan U19: আবার পাকিস্তানের কাছে হার!‌ ক্রিকেটে কেন ভারতের এই হাল?‌

টি২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের কাছে হারের ক্ষত এখনও শুকোয়নি। তার মাঝেই আবার আঘাত! স্থান সেই সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। তবে এবার সিনিয়রদের ক্রিকেটে নয়। জুনিয়রদের ক্রিকেটে। অনূর্ধ্ব ১৯ এশিয়া কাপে পাকিস্তানের কাছে হারতে হল ভারতকে। টানটান উত্তেজনার ম্যাচে শেষ বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে পাকিস্তানকে ২ উইকেটে জয় এনে দিলেন আহমেদ খান। টি২০ বিশ্বকাপে বিরাট কোহলি ও বাবর আজমদের লড়াই একপেশে হয়েছিল। কোহলিদের বিন্দুমাত্র সুযোগ দেননি বাবররা। অনূর্ধ্ব ১৯ এশিয়া কাপে অবশ্য জয় পেতে যথেষ্ট বেগ পেতে হল পাকিস্তানকে। পাকিস্তানকে বিনা লড়াইয়ে এক ইঞ্চিও জায়গা ছাড়েননি যশ ঢুলরা। জয় হাসিল করতে রীতিমতো ঘাম ঝড়াতে হয়েছে পাকিস্তানকে। দুবাইয়ের আইসিসি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টসে জিতে এদিন ভারতকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠায় পাকিস্তান। প্রথম ওভারেই ধাক্কা খায় ভারত। জিশান জামিরের চতুর্থ বলেই ফিরে যান ওপেনার অঙ্ক্রিশ রঘুবংশী (০)। তৃতীয় ওভারে পরপর দুবলে সায়িক রশিদ (৬) ও অধিনায়ক যশ ঢুলকে (০) তুলে নিয়ে ভারতের ব্যাটিংয়ের মেরুদণ্ড ভেঙে দেন জিশান জামির। একেবারে টি২০ বিশ্বকাপে কোহলিদের অ্যাকশন রিপ্লে। একসময় ১৩৪ রানে ৬ উইকেট পড়ে যায় ভারতের। আরাধ্য যাদব (৫০), কৌশল তাম্বে (৩২), রাজবর্ধন হাঙ্গারগেকরের (৩৩) মতো টেলএন্ডারদের দাপটে ৪৯ ওভারে ২৩৭ রানে পৌঁছয় ভারত। ওপেনার হারনুর সিং করেন ৪৬। জিশান জামির ৬০ রানে ৫ উইকেট নেন। ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তানের শুরুটাও ভাল হয়নি। দ্বিতীয় বলেই তারা ওপেনার আব্দুল ওয়াহিদকে (০) হারায়। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান মাজ সাদাকাত (২৯) ও মুহাম্মদ শেহজাদ। এক ওভারের ব্যবধানে সাদাকাত ও হাসিবুল্লাকে (৩) হারায়। দলকে জয়ের কাছাকাছি পৌঁছে দেন মুহাম্মদ শেহজাদ (৮১), কাসিম আক্রাম (২২), ইরফান খান (৩২), রিজওয়ান মেহমুদরা (২৯)। ১২ বলে জয়ের জন্য পাকিস্তানের এক সময় দরকার ছিল ১৮ রান। ৪৯ তম ওভারে রাজবর্ধনের বলে আহমেদ খান ১টা ছয় ও ১টা চারের সাহায্যে তোলেন ১০। শেষ ওভারে পাকিস্তানের দরকার ছিল ৮ রান। ৫০ তম ওভারের প্রথম বলেই রবি কুমার তুলে নেন জিশান জামিরকে। শেষ বলে জয়ের জন্য দরকার ছিল ১ রান। ৪ মেরে দলকে জেতান আহমেদ খান। ১৯ বলে ২৯ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। ভারতের হয়ে রাজ বাওয়া ৫৬ রানে ৪ উইকেট নেন।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India vs South Africa Test : রাহানের ওপর আস্থা, কোহলিকে কেন আড়াল করলেন রাহুল দ্রাবিড়?‌

দীর্ঘদিন ব্যাটে রান নেই। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে অজিঙ্ক রাহানেকে বাদ দেওয়ার জন্য ঝড় উঠেছিল। এই অভিজ্ঞ ব্যাটারের ওপর এখনও আস্থা হারাননি নির্বাচকরা। তাই দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে রাহানেকে দলে রেখেছেন। সিরিজের প্রথম টেস্টে এই অভিজ্ঞ ব্যাটারকে প্রথম একাদশে রেখেই পরিকল্পনা করছে টিম ম্যানেজমেন্ট। তার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড়ের কথায়। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে রবিবার থেকে সেঞ্চুরিয়নে শুরু হচ্ছে সিরিজের প্রথম টেস্ট। প্রথম টেস্টে মাঠে নামার আগে প্রথাগত সাংবাদিক সম্মেলনে এদিন অধিনায়ক বিরাট কোহলিকে না পাঠিয়ে এসেছিলেন হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড়। কোহলিকে না পাঠানোয় এটা দিনের আলোর মতোই পরিস্কার, অধিনায়ককে আড়াল করতে চাইছেন হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড়। আসলে একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব বিতর্কে জেরবার বিরাট কোহলি। দ্রাবিড় জানতেন কোহলি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলেই অবাঞ্ছিত প্রশ্ন উঠবে। তাতে টেস্ট সিরিজ শুরুর আগে ফোকাস নষ্ট হয়ে যেতে পারে কোহলির। তাই অধিনায়ককে আড়াল করার রাস্তাই বেছে নিলেন দ্রাবিড়। ঢাল হয়ে দাঁড়ালেন কোহলির সামনে। কোহলি সাংবাদিক সম্মেলনে না এলেও নেতৃত্ব বিতর্ক নিয়ে প্রশ্ন উঠে এল দ্রাবিড়ের সামনেও। যথেষ্ট দক্ষতার সঙ্গে বিতর্কিত প্রশ্নের সামাল দিলেন দ্রাবিড়। অধিনায়ক বিতর্ক প্রশ্নে বলেন, দুই ফরম্যাটে দুজন অধিনায়ক বেছে নেওয়াটা নির্বাচকদের সিদ্ধান্ত। তবে নির্বাচকদের সঙ্গে আমার কী কথা হয়েছে সেটা এখন বলার সময় নয়। আর সেটা সাংবাদিকদের কাছেও নিশ্চয় বলব না। টেস্টে অধিনায়ক হিসেবে দারুণ ভুমিকা পালন করেছে। ক্রিকেটারই হোক কিংবা অধিনায়ক, সবসময় দুর্দান্ত পারফরমেন্স করেছে। টেস্ট ক্রিকেটকে খুব ভালবাসে। আশা করছি এই সিরিজে খুব ভাল ক্রিকেট উপহার দেবে। টেস্ট সিরিজ শুরুর আগে অফ ফর্মে থাকা সব ক্রিকেটারের সঙ্গেই আলাদা করে কথা বলেছেন রাহুল দ্রাবিড়। সেঞ্চুরিয়নে রাহানেকে নেটে দেখে দ্রাবিড়ের মনে হয়ে ভাল ছন্দে রয়েছেন। রাহানের সঙ্গে ইতিবাচক কথাও হয়েছে বলে জানান দ্রাবিড়। ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, রাহানের সঙ্গে আমার ইতিবাচক কথা হয়েছে। ও ভাল প্রস্তুতি নিয়েছে। নেটে দেখে মনে হয়েছে খুব ভাল ছন্দে রয়েছে। আশা করছি এই সিরিজে ফর্মে ফিরবে। যদিও দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টের প্রথম একাদশ ভাঙেননি দ্রাবিড়। যা ইঙ্গিত, রাহানের খেলার সম্ভাবনা রয়েছে।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২১
দেশ

Omicron: উৎসবের আবহেই ৪০০ পার করল ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা

দেশে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪১৫-এ। গতকালই এই সংখ্যাটা ছিল ৩৫৮-এ। দেশজুড়ে সংক্রমণ বাড়লেও সুস্থতার হারে কিছুটা স্বস্তি মিলছে বলেই জানিয়েছে কেন্দ্র।স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, একদিকে যেমন ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ৪০০ পার করেছে, তেমনই আবার আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে ১১৫ জন ইতিমধ্যেই সুস্থও হয়ে উঠেছেন। বর্তমানে দেশে মোট ৩০০ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন ওমিক্রন সংক্রমণ নিয়ে। দেশের নিরিখে সর্বোচ্চ ওমিক্রন আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে দিল্লি ও মহারাষ্ট্র থেকেই। আপাতত সংক্রমণের শীর্ষে রয়েছে মহারাষ্ট্র, সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ১০৮। এরপরই রয়েছে দিল্লি, সেখানে ৭৯ জন ওমিক্রন আক্রান্ত হয়েছেন। গুজরাতেও বেড়েছে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা। সেখানে বর্তমানে আক্রান্তের সংখ্যা ৪৩।এরপরেই রয়েছে তেলঙ্গনা (৩৮), কেরল (৩৭), তামিলনাড়ু (৩৪), কর্নাটক (৩১), রাজস্থান (২২)-র মতো রাজ্যও। পশ্চিমবঙ্গেও গতকাল নতুন করে দুইজন আক্রান্তের খোঁজ মেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাড়িয়েছে ৬-এ। হরিয়ানা, ওডিশা ও অন্ধ্রপ্রদেশেও ৪ জন করে আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে। জম্মু-কাশ্মীরে ৩ জন, উত্তরপ্রদেশে ২ জন আক্রান্ত হয়েছেন ওমিক্রনে।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Boxing Day: শ্রেয়স না রাহানে, প্রথম টেস্টে কার ভাগ্যে শিকে ছিঁড়বে?

নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেঞ্চুরি করেও কি প্রথম একাদশের বাইরে থাকতে হবে শ্রেয়স আয়ারকে? তেমন কিছু ঘটলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম টেস্ট খেলতে নামার ৪৮ ঘন্টা আগে ভারতীয় দলের সহ অধিনায়ক লোকেশ রাহুল যেকথা বলে গেলেন, তেমন সম্ভাবনাই প্রবল। শুক্রবার সাংবাদিক সম্মেলনে লোকেশ রাহুল ভারতীয় দলের ৫ বোলার নিয়ে মাঠে নামার ইঙ্গিত দিয়েছেন। সেক্ষেত্রে ৫ বিশেষজ্ঞ ব্যাটসম্যান নিয়ে প্রথম টেস্ট খেলবে ভারত। চোটের জন্য রোহিত শর্মা টেস্ট সিরিজ থেকে ছিটকে গেছেন। এই অবস্থায় রোহিত শর্মার অনুপস্থিতিতে দক্ষিণ আফ্রিকার জোরে বোলারদের সামলাতে খুব ঝুঁকি নেওয়ার বিলাসিতা দেখাতে পারছে না ভারত। শেষ দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে ভারত যে একমাত্র টেস্ট জিতেছিল তার মূল কৃতিত্ব ছিল অজিঙ্ক রাহানের। ফলে এই সিরিজের প্রথম টেস্টে তাঁর প্রথম একাদশে থাকার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। ভারত যদি ৫ ব্যাটারকে নিয়ে মাঠে নামে সেক্ষেত্রে ওপেন করবেন মায়াঙ্ক আগরওয়াল ও লোকেশ রাহুল। তিন নম্বরে চেতেশ্বর পূজারা। চার নম্বরে বিরাট কোহলি। পাঁচ নম্বরে লড়াই শ্রেয়স আয়ার, অজিঙ্ক রাহানে ও হনুমা বিহারীর মধ্যে। শ্রেয়স আয়ার নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে মুম্বই টেস্টে দুই ইনিংসে সেঞ্চুরি ও হাফ সেঞ্চুরি করেছেন। হনুমা বিহারী দক্ষিণ আফ্রিকা এ দলের বিরুদ্ধে ভাল খেলেছেন। ফলে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের কাজ যে যথেষ্ট কঠিন তা মেনে নিচ্ছেন লোকেশ রাহুল। তিনি বলেন, মেলবোর্ন ও লর্ডস টেস্ট-সহ দেশের হয়ে অনেকবারই গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেছেন রাহানে। দলের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটার। শ্রেয়সও সুযোগ কাজে লাগিয়েছে। হনুমাও দেশের হয়ে ভাল খেলেছে। সবমিলিয়ে একজনকে বেছে নেওয়া খুব কঠিন। বিষয়টি নিয়ে আমরা ম্যাচের আগের দিন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারব।আগেরবারের দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের তুলনায় এবারের সফরে ভারতের প্রস্তুতি অনেক ভাল হয়েছে বলে মনে করছেন লোকেশ রহুল। সেঞ্চুরিয়নে পেস ও বাউন্সের সঙ্গে মানিয়ে নিতে সেখানে যে প্রস্তুতি দল নিয়েছে তা পর্যাপ্ত বলেই মনে করেন কোহলির সহকারী। দক্ষিণ আফ্রিকায় খেলার খুব বেশি অভিজ্ঞতা না থাকলেও রাহুল বলেন, এখানকার উইকেট অস্ট্রেলিয়ার তুলনায় আলাদা। এখানকার পেস ও বাউন্স সামলানো চ্যালেঞ্জিং হবে। তবে অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডে ভালো খেলার আত্মবিশ্বাস নিয়েই।

ডিসেম্বর ২৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India vs South Africa : রাবাডাদের সামলানোর ক্ষমতা আছে?‌ কী বললেন চেতেশ্বর পুজারা

বিদেশ সফর মানেই ভারতীয় দলের কাছে আতঙ্ক বিপক্ষের জোরে বোলাররা। অতীতে এই ছবিটাই বারবার চোখে পড়েছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলে গেছে ছবিটাও। এখন আর বিদেশের মাটিতে ভয় পান না ভারতীয় ব্যাটাররা। চোখে চোখ রেখে কথা বলেন। চলতি বছরে অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের মাঠে সিরিজ জয় আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। এবার সামনে দক্ষিণ আফ্রিকা। গতিময়, বাউন্সি উইকেটে মুখোমুখি হতে হবে প্রোটিয়া জোরে বোলারদের। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজে পেস সহায়ক উইকেট হলেও সমস্যায় দলকে সমস্যায় পড়তে হবে না। এই রকমই জানিয়েছেন ভারতীয় দলের ব্যাটার চেতেশ্বর পুজারা।২৬ ডিসেম্বর সেঞ্চুরিয়ানে সিরিজের প্রথম টেস্ট শুরু। সেঞ্চুরিয়ানের উইকেটে যথেষ্ট গতি আছে। বল দুদিকে সুইং করে। তা সত্ত্বেও সাফল্যের ব্যাপারে আশাবাদী চেতেশ্বর পুজারা। সেঞ্চুরিয়ানে প্রস্তুতির ফাঁকে বিসিসিআই টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, বিদেশের উইকেট সবসময়ই গতিপূর্ণ হয়। যথেষ্ট বাউন্স থাকে। বল দুদিকে সুইং করে। এই ধরণের পরিবেশে জোরে বোলারদের সামলানো যথেষ্ট চ্যালেঞ্জের। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার জোরে বোলারদের সামলানোর ব্যাপারে আমরা আশাবাদী। সেই দক্ষতা এই ভারতীয় দলের রয়েছে। পুজারার আত্মবিশ্বাসের কারণ সাম্প্রতিককালে বিদেশের মাটিতে ভারতের সাফল্য। চলতি বছরের গোড়াতে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সিরিজ জিতেছিল ভারত। সেপ্টেম্বরে ইংল্যান্ডকে তাদের ঘরে মাঠে সিরিজে হারিয়েছে। সেই পারফরমেন্সই আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে চেতেশ্বর পুজারা।ভারতীয় দলের এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান আরও বলেন, অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে আমাদের বাউন্সি উইকেটে খেলতে হয়েছিল। পরিবেশ জোরে বোলারদের অনুকূল ছিল। ওই দুটি সিরিজেই আমারা জোরে বোলারদের সামলে জিতেছিলাম। অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুটি সিরিজ জয় দলের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে। আশা করছি দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজেও ভাল ফল করব। সিরিজ জেতার মতো দক্ষতা এই ভারতীয় দলের আছে। বিরাট কোহলি, অজিঙ্ক রাহানে, মহম্মদ সামি, ইশান্ত শর্মা, চেতেশ্বর পুজারাসহ বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারের অতীতে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। অতীত অভিজ্ঞতা ভারতীয় দলকে ভাল খেলবে বলে মনে করছেন পুজারা। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলিং শক্তিকে অন্যতম সেরা আক্ষা দিয়েছেন তিনি।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • 20
  • 21
  • 22
  • ...
  • 37
  • 38
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

আজ থেকে শুরু চূড়ান্ত যাচাই! বিচারকদের হাতে ভোটার নথি পরীক্ষার দায়িত্ব, তুঙ্গে নির্বাচন প্রস্তুতি

ভোটার তালিকার বিশেষ পুনর্বিবেচনা প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত যাচাই পর্ব আজ থেকে শুরু হচ্ছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির অধীনে নিযুক্ত বিচারবিভাগীয় আধিকারিকরা এই কাজে অংশ নিচ্ছেন। সোমবার থেকেই জেলা ও অন্যান্য আদালতের বিচারকরা সরাসরি ভোটার নথি যাচাইয়ের দায়িত্ব পালন করবেন।এই প্রক্রিয়া শুরুর আগে রবিবার দিনভর প্রস্তুতি চলে। সকালে নির্বাচন কমিশনের পর্যবেক্ষক ও মাইক্রো পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে বিচারকদের একটি বৈঠক হয় কলকাতার টি বোর্ডের দফতরে। সেখানে কোন নথির ভিত্তিতে এবং কী পদ্ধতিতে যাচাই হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পরে বিকেলে হাইকোর্টে প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের নেতৃত্বে পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকার সহ সংশ্লিষ্ট কর্তাদের আরেক দফা বৈঠক হয়। পাশাপাশি অনলাইনে জেলা বিচারকদের ভার্চুয়াল প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়েছে।মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যেক বিচারকের জন্য আলাদা প্রবেশ পরিচয় তৈরি করা হয়েছে। নির্দিষ্ট পোর্টালে নাম ও ফোন নম্বর দিলে যাচাইকরণ সংকেত আসবে, তার মাধ্যমে বিচারকরা প্রবেশ করতে পারবেন। প্রবেশ করার পর সংশ্লিষ্ট এলাকার যাচাইয়ের অপেক্ষায় থাকা ভোটারদের তথ্য খুলে যাবে।সূত্রের খবর, পর্দার একদিকে থাকবে ভোটারের তথ্য ও জমা দেওয়া নথি, অন্যদিকে থাকবে বুথ স্তরের আধিকারিক, নির্বাচন নিবন্ধন আধিকারিক, সহকারী নির্বাচন আধিকারিক এবং মাইক্রো পর্যবেক্ষকদের মতামত। সব কিছু যাচাই করার পর বিচারককে সিদ্ধান্ত জানাতে হবে এবং প্রয়োজন হলে মন্তব্যও লিখতে পারবেন।বিশেষ তালিকা পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত জানিয়েছেন, আজ থেকেই নথি যাচাইয়ের কাজ শুরু হচ্ছে। বিধানসভা ভিত্তিক বিচারবিভাগীয় আধিকারিকরা এই দায়িত্ব পালন করবেন এবং জেলা বিচারকদের জন্য আলাদা পোর্টালও প্রস্তুত করা হয়েছে।সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর শনিবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল সংশ্লিষ্ট পক্ষদের নিয়ে বৈঠক করেন। সেই বৈঠকের পরই বিচারকদের তালিকা প্রকাশ করা হয়। হাইকোর্ট সূত্রে জানা গেছে, মাদক ও শিশু সুরক্ষা সংক্রান্ত মামলার একশো বিচারক এবং অন্যান্য আদালতের আরও দেড়শো বিচারক এই যাচাই প্রক্রিয়ায় দায়িত্ব পালন করবেন।এই পর্যায়ে বিপুল সংখ্যক ভোটারের নথি যাচাই বাকি রয়েছে। ফলে সামনে রয়েছে বিশাল কর্মযজ্ঞ এবং নির্বাচন কমিশনের উপর বাড়ছে চাপ।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬
বিদেশ

রমজান মাসে পাকিস্তানের বর্বর হামলা আফগানিস্তানে! নারী ও শিশুরা নিহত, ভারত সরব

পাকিস্তান বারবার নিজেকে ইসলামের ধারক-বাহক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করলেও এবার রমজান মাসে আফগানিস্তানের ওপর বিমান হামলা চালিয়েছে। হামলা শুধু সীমান্তে সীমাবদ্ধ থাকেনি, বেছে বেছে মসজিদ ও মাদ্রাসা লক্ষ্য করে পাকিস্তান গোলা ছুঁড়েছে।আফগান সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, শনিবার গভীর রাতে নাঙ্গারহার এবং পাকটিকা প্রদেশে পাকিস্তানি বিমান হামলা চালায়। এতে অন্তত ১৯ জনের মৃত্যু হয়। ধ্বংসস্তূপের নিচে জখম হয়েছেন আরও অনেকে। পাকিস্তান দাবি করেছে, এই হামলার উদ্দেশ্য আফগান সীমান্তে সক্রিয় জঙ্গিঘাঁটিগুলি ধ্বংস করা। তবে স্থানীয়রা বলছে, হামলার লক্ষ্য সরাসরি মসজিদ ও মাদ্রাসা। স্থানীয় আবদুল্লা জান, নাসিম গুল ও মহম্মদ জুবের জানিয়েছেন, এখানে কোনও সামরিক ঘাঁটি নেই। তবু পাকিস্তান আমাদের আকাশসীমায় ঢুকে হামলা চালিয়েছে। অন্তত ১০ লাখ আফগান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সবাই আতঙ্কে কাঁপছে।তালিবান সরকারের মুখপাত্র জবিউল্লা মুজাহিদ জানিয়েছেন, নিরীহ মহিলা ও শিশুদের হত্যার জবাব দেওয়া হবে এবং সময়মতো বদলা নেওয়া হবে। এ পরিস্থিতিতে আফগানিস্তানের পাশে দাঁড়িয়েছে ভারত। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, রমজান মাসে আফগানিস্তানের আকাশসীমায় ঢুকে হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। নারী ও শিশু নিহত হয়েছেন। এটি অত্যন্ত নিন্দনীয়। উল্লেখ্য, অপারেশন সিঁদুরের পর ভারত ও আফগানিস্তানের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে। কঠিন সময়ে নয়াদিল্লি সবসময় আফগানিস্তানের পাশে দাঁড়িয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬
রাজ্য

প্রধানমন্ত্রীর খোলা চিঠি: বঙ্গবাসীকে ডাক দিলেন বিজেপি সরকারের জন্য, ‘জয় মা কালী’ স্লোগান নিয়ে রাজনৈতিক ঝড়

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বঙ্গবাসীর উদ্দেশ্যে একটি খোলা চিঠি লিখেছেন। চিঠি শুরু করেছেন জয় মা কালী লিখে। তিনি লিখেছেন, সোনার বাংলার মানুষ আজ বঞ্চিত এবং এই অবস্থায় তাঁর মন ভারাক্রান্ত। চিঠিতে তিনি বাংলার মণীষীদের অবদানও স্মরণ করেছেনস্বামী বিবেকানন্দ, ঋষি অরবিন্দ, সুভাষচন্দ্র বোস সহ বিভিন্ন প্রখ্যাত ব্যক্তির কথা উল্লেখ করেছেন।মোদীর চিঠি বাংলার রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা তৈরি করেছে। কারণ, গত লোকসভা নির্বাচনের সময় জয় শ্রী রাম শব্দবন্ধকে কেন্দ্র করে তাপমাত্রা বেড়েছিল। বাংলার তৃণমূল ও অন্যান্য রাজনৈতিক দল বারবার বলেছে, রাজনীতিতে জয় শ্রী রাম গ্রহণযোগ্য নয়। এর প্রতিক্রিয়ায় তৃণমূল কর্মীরা জয় মা কালী স্লোগান দিতে শুরু করে। এমনকি লোকসভা মঞ্চেও একাধিক তৃণমূল সাংসদ এই স্লোগান দেন।চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, বাংলার মানুষ বঞ্চিত এবং তাঁদের যন্ত্রণায় তিনি ভারাক্রান্ত। তিনি বাংলায় সেবা করার সুযোগ চাইছেন। পাশাপাশি চিঠিতে তিনি তোষণের রাজনীতি ও অপশাসনের কথাও উল্লেখ করেছেন। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, কাজের জন্য মানুষকে ভিন রাজ্যে যেতে হবে না, মহিলাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে এবং অনুপ্রবেশ রুখে শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।চিঠির এই প্রতিটি শব্দবাংলার রাজনীতিতে গুরুত্ব বহন করছে এবং ভোটের আগেই রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়াচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬
রাজ্য

মুকুল রায় চলে গেলেন চিরতরে! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শোকাহত, প্রধানমন্ত্রীও প্রকাশ করলেন সমবেদনা

দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহযোদ্ধা এবং তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা মুকুল রায় চলে গেলেন। তাঁর প্রয়াণে বিচলিত ও মর্মাহত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক্স হ্যান্ডেলে শোকজ্ঞাপন করেন। তিনি লিখেছেন, প্রবীণ রাজনীতিবিদ মুকুল রায় দীর্ঘদিন আমার রাজনৈতিক সহকর্মী ছিলেন। বহু সংগ্রামে আমাদের সঙ্গে ছিলেন। তাঁর বিদায়ের সংবাদে আমি অত্যন্ত মর্মাহত।মমতা আরও বলেন, মুকুল রায় তৃণমূল কংগ্রেসের জন্মলগ্ন থেকে দলের জন্য প্রাণপাত করেছেন। তিনি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও ছিলেন এবং দলের সর্বস্তরে গ্রহণযোগ্যতা রাখতেন। পরবর্তীতে ভিন্ন পথে গেলেও ফিরে এসেছিলেন। বাংলার রাজনীতিতে তাঁর অবদান এবং সাংগঠনিক দক্ষতা আমরা কখনও ভুলব না। দলমত নির্বিশেষে রাজনৈতিক মহল তাঁর অভাব অনুভব করবে। তিনি মুকুলের পুত্র শুভ্রাংশুকে শক্ত থাকার বার্তাও দিয়েছেন।মুকুল রায়ের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বাংলায় লিখেছেন, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শ্রী মুকুল রায়ের প্রয়াণে শোকাহত। তাঁর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সমাজসেবামূলক প্রচেষ্টা স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর পরিবার ও সমর্থকদের প্রতি সমবেদনা জানাই।প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন মুকুল রায়। পরে আবার তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরে আসেন। তবে জীবনের শেষদিন পর্যন্ত বিজেপির বিধায়ক পদেই থাকলেন তিনি।মুকুল রায়ের প্রয়াণ বাংলার রাজনীতিতে এক অধ্যায়ের সমাপ্তি। তাঁর নেতৃত্ব, প্রভাব ও সাংগঠনিক দক্ষতা সবসময় স্মৃতিতে থাকবে।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬
বিদেশ

মেক্সিকো তপ্ত! মোস্ট ওয়ান্টেড ড্রাগ কার্টেল নেতা এল মেনচো নিহত, শহরে তাণ্ডব ও আগুন

মেক্সিকো জ্বলছে। দেশ তথা বিশ্বের অন্যতম ভয়ঙ্কর ও মোস্ট ওয়ান্টেড মাদক পাচারকারী এল মেনচো সেনার সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন। মেক্সিকোর সেনা দেশের বিভিন্ন অংশে মাদকবিরোধী অভিযান চালাচ্ছিল। জালিস্কো শহরে সামরিক অভিযানের সময় আহত হন এল মেনচো। তাকে আকাশপথে মেক্সিকো সিটিতে নিয়ে যাওয়ার সময় মৃত্যুর খবর আসে।এল মেনচো জালিস্কো নিউ জেনেরেশন কার্টেলের নেতা ছিলেন। তার মাথার উপরে ১৫ মিলিয়ন ডলারের পুরস্কার ছিল। আমেরিকা এই গোষ্ঠীকে সন্ত্রাসবাদী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করেছিল। সেনাদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে আহত হন এল মেনচো। অভিযানে তাঁর ছাড়াও আরও ছয়জনকে নিকেশ করা হয়েছে, দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে রকেট লঞ্চার ও বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। সংঘর্ষে তিনজন সেনা আহত হয়েছেন।এল মেনচোর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই শহরে অশান্তি ছড়িয়ে পড়ে। কার্টেলের সদস্যরা বন্দুক নিয়ে রাস্তায় নামেন। পশ্চিম জালিস্কোর কমপক্ষে ২০টি রাস্তা অবরোধ করা হয়। রাস্তায় থাকা গাড়ি ও ট্রাক জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। আশেপাশের রাজ্যগুলিতেও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিমানবন্দরে ঢুকেও তাণ্ডব চালানো হয়।মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লডিয়া শিনবম নাগরিকদের শান্ত থাকার আবেদন জানিয়েছেন। কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে মিলিত হয়ে শান্তি ফেরানোর চেষ্টা করছে।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬
রাজ্য

১৯ বছরের সম্পর্ক ছেদ করে বিজেপিতে গিয়েছিলেন মুকুল রায়, এত কষ্টের কেন শেষ পরিণতি

বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ মুকুল রায় চলে গেলেন। দীর্ঘদিন অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই করার পর সোমবার রাত দেড়টার সময় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মুকুল রায়ের প্রয়াণে রাজনৈতিক মহলে শোকের ছায়া নেমেছে। বাংলার রাজনীতির বহু মানুষ স্মৃতিচারণ করছেন, মনে করিয়ে দিচ্ছেন কেন তাঁকে বঙ্গ রাজনীতির চাণক্য বলা হতো।যুব কংগ্রেসের সময় রাজনীতি শুরু করে মুকুল রায় পরবর্তী সময়ে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হন। ১৯৯৮ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল কংগ্রেস গঠনের সময় সর্বদা পাশে ছিলেন। দলের অগ্রগতিতে তাঁর অবদান ছিল বিশাল। প্রতিটি বুথ, ব্লক, জেলা, শহর স্তরের খবর তাঁর নখদর্পণে ছিল। দলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড হিসেবে তিনি দলের অন্তপ্রাণ হয়ে উঠেছিলেন। তৃণমূলের পার্টি অফিসে সপরিবারে থাকতেন তিনি।২০০৬ সালে জমি অধিগ্রহণ অভিযান ও সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময় মুকুল রায় ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহযোদ্ধা। পরবর্তী সময়ে তিনি জাহাজ মন্ত্রী, রেলমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১১ সালের নির্বাচনের পরও অত্যন্ত সক্রিয় ছিলেন। ২০১৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে সাংগঠনিক নেতৃত্ব দেন এবং দেড় বছর ধরে দলের নেতৃত্বে দলবদল কর্মসূচি চালান। বিভিন্ন শরিক দলের নেতা-কর্মীদের ভাঙিয়ে তৃণমূলে যোগদান করান। এই কর্মসূচির ফলে বাংলার রাজনীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন আসে।তবে সারদা কেলেঙ্কারি ও নারদা স্টিং অপারেশনের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়। দলের একাংশের মধ্যে অভিযোগ ওঠে, মুকুল রায় নিজের প্রভাব বৃদ্ধি করছেন এবং প্রশাসনকেও প্রভাবিত করতে পারতেন। নারদা মামলায় সিবিআইয়ের ডাকের পর তিনি নিজের মতো করে সংগঠন চালাতে থাকেন। জল্পনা ওঠে আলাদা দল তৈরি করবেন কি না।শেষ পর্যন্ত ২০১৭ সালে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে তিনি বিজেপিতে যোগ দেন। কৃষ্ণনগর থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হন। ২০২১ সালের ১১ জুন আবার তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরে আসেন, তবে আগের মতো সক্রিয় ছিলেন না। শারীরিক ও মানসিক সমস্যার কারণে মূল রাজনীতির মঞ্চে দেখা কম হয়। স্ত্রী প্রয়াণের পর আচরণে অসঙ্গতি দেখা দেয়, একাধিকবার ক্যামেরায় অসংলগ্ন কথাবার্তা ধরা পড়ে। তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেও বিজেপির বিধায়ক পদ ছাড়েননি। এই বিতর্ক আদালত পর্যন্ত পৌঁছায়। সুপ্রিম কোর্ট মানবিকতার কারণে তাঁর বিধায়ক পদ রাখার নির্দেশ দেন।মুকুল রায়ের প্রয়াণ বাংলার রাজনীতিতে এক অধ্যায়ের সমাপ্তি। তাঁর নেতৃত্ব, প্রভাব এবং সংগঠন করার ক্ষমতা বাংলা রাজনীতিতে অনস্বীকার্য।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬
রাজ্য

সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামের কাণ্ডারী মুকুল রায়! ছায়াসঙ্গী ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ মুকুল রায় দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই করছিলেন। সোমবার রাত দেড়টার সময় শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মুকুল রায়ের প্রয়াণে রাজনৈতিক মহলে শোকের ছায়া নেমেছে। অনেকেই স্মৃতিচারণ করছেন, আর রাজনীতির মানুষজন মনে করিয়ে দিচ্ছেন কেন তাঁকে বঙ্গ রাজনীতির চাণক্য বলা হতো।যুব কংগ্রেসে নেতা হিসাবে মুকুল রায় তাঁর রাজনৈতিক জীবন শুরু করেছিলেন। সেখানেই পরিচয় হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। তিনি মমতাকে দিদি বলে সম্বোধন করতেন, আর মমতাও তাঁকে ভাইয়ের মতো স্নেহ করতেন। প্রতি বছর ভাইফোঁটা দেওয়ার রীতি ছিল, যদিও শেষ কয়েক বছরে নানা কারণে তা থেমে গিয়েছিল।মুকুল রায় ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। ১৯৯৮ সালে যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল কংগ্রেস গঠন হয়, তিনি সর্বদা পাশে ছিলেন। দল গঠনের সময় থেকে প্রতিটি ব্লক, বুথ, জেলা এবং শহরে তৃণমূলের পরিচয় দেওয়ার কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন তিনি। সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময়ও তিনি ছিলেন নেতৃত্বের মুখ।২০০৬ সালে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হন এবং দলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ডের দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ সালে জগদ্দল বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিধানসভা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলেন, তবে প্রথমবার হেরে যান। এরপরও তাঁর লড়াকু মনোবল কখনও হ্রাস পায়নি। ২০০৬ সালে রাজ্যসভার সদস্য মনোনীত হন এবং ২০০৯ থেকে ২০১২ পর্যন্ত তৃণমূলের রাজ্যসভার দলনেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১১ সালের নির্বাচনে তিনি তৃণমূলের গুরুত্বপূর্ণ কাণ্ডারী ছিলেন।জমি আন্দোলনের সময়ও সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছেন। ২০১৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে সাংগঠনিক নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। কংগ্রেস ও বিভিন্ন বামদল ভেঙে তৃণমূলে নেতা-কর্মীদের আনার কাজও মুকুল রায়ের নেতৃত্বে সম্পন্ন হয়। দ্বিতীয় ইউপিএ জমানায় জাহাজ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১২ সালে রেলমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন।কিছু বছর পর তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেন। কৃষ্ণনগর থেকে বিজেপির টিকিটে জয়ী হন। তবে ২০২১ সালে ফের তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন করলেও মূল রাজনীতির মঞ্চ থেকে ধীরে ধীরে সরে যান।বাংলার রাজনীতিতে তাঁর শূন্যস্থান পূরণ করা সহজ হবে না। মুকুল রায় ছিলেন যে কারণে তৃণমূল কংগ্রেসের চাণক্য, তা চলে গেলেও স্মৃতিতে বেঁচে থাকবে।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬
রাজ্য

বাংলার রাজনীতির শেষ চাণক্য! মুকুল রায়ের মৃত্যুতে তৃণমূল শোকে স্তব্ধ

বাংলার রাজনীতির এক প্রভাবশালী অধ্যায়ের ইতি ঘটল। তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা মুকুল রায় সোমবার রাত দেড়টার সময় শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। তাঁর প্রয়াণের খবর মিলার সঙ্গে সঙ্গে রাজনৈতিক মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।মুকুল রায় গত কয়েক মাস ধরে অসুস্থ ছিলেন এবং সল্টলেকের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। তাঁর ছেলে শুভ্রাংশু রায় জানান, রাত দেড়টার সময় ঘটনার পর চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলার পর হাসপাতালে যাচ্ছেন এবং পরে সকলের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন। তিনি আরও বলেন, কেউ হয়তো জানেনই না যে বাবা আর নেই।মুকুল রায়ের রাজনৈতিক জীবন দীর্ঘ এবং বর্ণময়। তৃণমূল কংগ্রেসে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরই দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ নেতা ছিলেন। রাজ্যসভার সাংসদ, দেশের রেলমন্ত্রী ও জাহাজমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। রাজনীতির ক্ষেত্রে তাঁর প্রভাব ছিল মাপের বাইরে। এক সময়ে তাঁকে বাংলার চাণক্য ও বঙ্গেশ্বর বলা হতো।তৃণমূল কংগ্রেসের সংগঠন তৈরি থেকে জমি আন্দোলন ও পরিবর্তনের লড়াই, সব সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে তৃণমূলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে তাঁর অবদান অসীম।কয়েক বছর তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেছিলেন এবং কৃষ্ণনগর থেকে জয়ী হন। ২০২১ সালে ফের তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরলেও স্বাস্থ্যগত কারণে মূল মঞ্চ থেকে ধীরে ধীরে সরে যান। দীর্ঘদিন হাসপাতালে ভর্তি থাকার পর সোমবার রাতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন মুকুল রায়।বাংলার রাজনীতিতে তাঁর শূন্যস্থান পূরণ করা সহজ হবে না। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মুকুল রায়ের প্রয়াণ তৃণমূলের জন্য এক বড়ো ধাক্কা।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal