• ৭ ফাল্গুন ১৪৩২, মঙ্গলবার ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

INDIA

বিনোদুনিয়া

কলকাতা চলচিত্র উৎসবে 'ব্রাত্য' অভিনেত্রীর আন্তর্জাতিক পুরস্কার বিজয়

বেশ কয়েকদিন আগেই শ্রীলেখা মিত্র সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছিলেন আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্তর ছবি ওয়ান্স আপন অ্যা টাইম ইন ক্যালকাটা তে অভিনয় করে নিউইয়র্ক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা অভিনেত্রী হিসাবে মনোনীত হয়েছেন শ্রীলেখা মিত্র। এবার তিনি আরও একটি সুখবর দিলেন।আদিত্যর এই ছবিতে অভিনয়ের সুবাদে নিউইয়র্ক ইন্ডিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে জিতলেন সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার। সকাল সকাল এই খুশির খবরটা তাঁর সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করলেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় শ্রীলেখা একটি ছবি এবং ভিডিও পোস্ট করেন। ওই পোস্টে সকলকে ধন্যবাদ জানান তিনি। যাঁরা ভালবাসে কিংবা ঘৃণা করে তাঁদের সকলকেই ধন্যবাদ জানান। স্বর্গীয় মা, বাবার কথাও সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টে উল্লেখ করেন অভিনেত্রী।কয়েকদিন আগেই কলকাতা আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো। শহর জুড়ে নানান চলচিত্রের ভিড়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মঞ্চে ছোটো বড় মাঝারীদের ভিড়ের কোথাও দেখা মেলেনি এই আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রাপ্ত অভিনেত্রীর। শ্রীলেখার অক্ষেপ, হয়ত বা তিনি বাম মনোভাবাপন্ন বলেই তাঁকে আমন্ত্রণ করা হয়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিনেতা জনতার কথা কে জানান, শিল্পীর পরিচয় তাঁর কাজে, তাঁর রাজনৈতিক মতাদর্শের বিচার রাজনিতীর ময়দানেই হওয়া উচিত।উল্লেখ্য গত বছর ভেনিস ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে ওয়ান্স আপন অ্যা টাইম ইন ক্যালকাটা ছবিটি দেখানো হয়েছিল। তখন থেকেই ছবিটি নিয়ে আলোচনা চলছে। শ্রীলেখা সেরা অভিনেত্রী হলেন, সেরা পরিচালকের শিরোপা পেলেন আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্ত।

মে ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

৭৩ বছরের ইতিহাসে প্রথম, ব্যাডমিন্টনের বিশ্বকাপে সেরা ভারত

ইন্দোনেশিয়াকে হারিয়ে ইতিহাস তৈরি করল ভারত। ৭৩ বছরের ইতিহাসে এই প্রথমবার ব্যাডমিন্টনের বিশ্বকাপে সেরার তকমা ছিনিয়ে নিল। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পথে কিদাম্বী শ্রীকান্তরা ৩০ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছেন ১৪ বারের চ্যাম্পিয়ন ইন্দোনেশিয়াকে। ফেবারিটের তকমা নিয়েই এবারের টমাস কাপে খেলতে নেমেছিল ইন্দোনেশিয়া। ফাইনালে ওঠার পথে একটা ম্যাচও হারেনি। প্রচন্ড শক্তিশালী দল। ফাইনালে ওঠার পথে ভারতকে গ্রুপ লিগে চাইনিজ তাইপের বিরুদ্ধে হারতে হয়েছিল। সেই অর্থে কিছুটা পিছিয়ে থেকেই ফাইনালে কোর্টে নেমেছিল ভারতীয় দল। কিন্তু ফাইনালে তার প্রভাব দেখা যায়নি। ফাইনালে ইন্দোনেশিয়ার বিরুদ্ধে এদিন প্রথম সিঙ্গলসে কোর্টে নেমেছিলেন লক্ষ্য সেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিশ্বের ৪ নম্বর তারকা অ্যান্টনি সিনিসুকা জিনটিং। এবছর মার্চে জার্মান ওপেনে ইন্দোনেশিয়ার এই তারকাকে হারিয়েছিলেন লক্ষ্য সেন। সেই জয়ই এদিন লক্ষ্যর কাছে অনুপ্রেরণার কাজ করেছিল। তাই প্রথম গেম হেরে গিয়েও দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে আসেন লক্ষ্য। প্রথম গেমে লক্ষ্যকে দাঁড়াতেই দেননি বিশ্বের ৪ নম্বর তারকা অ্যান্টনি সিনিসুকা জিনটিং। ২১৮ ব্যবধানে প্রথম গেম জিতে নেন জিনটিং। দ্বিতীয় গেমে দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে আসেন লক্ষ্য সেন। ২১১৭ ব্যবধানে দ্বিতীয় গেম জিতে সমতা ফেরান। তৃতীয় গেম ২১১৬ পয়েন্টে জিতে ভারতকে ১০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। বিশ্বের ৪ নম্বর তারকার বিরুদ্ধে লক্ষ্য সেনের জয় চাগিয়ে দিয়েছিল ভারতীয় ব্যাডমিন্টন দলকে। চিরাগ শেট্টি ও সাত্ত্বিকসাইরাজ রানকিরেড্ডির কাছে টনিকের মতো কাজ করেছিল। ডাবলসে এই ভারতীয় জুটি খেলতে নেমেছিল মহম্মদ এহসান ও সুকামুলিয়োর বিরুদ্ধে। প্রথম গেমে ১৮২১ ব্যবধানে হেরে যায় চিরাগ শেট্টি ও সাত্ত্বিকসাইরাজ জুটি। দ্বিতীয় গেমে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ান চিরাগরা। দুর্দান্ত লড়াই করে ২৩২১ ব্যবধানে বিতীয় গেম জিতে সমতা ফেরান। তৃতীয় গেমে চিরাগরা জেতেন ২১১৯ ব্যবধানে। ২০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ভারত।তৃতীয় গেমে প্রতিযোগিতায় দুরন্ত ছন্দে থাকা কিদাম্বি শ্রীকান্ত কোর্টে নামেন বিশ্বের ৮ নম্বর তারকা জোনাথন ক্রিস্টির বিরুদ্ধে। প্রথম গেমে ২১১৫ ব্যবধানে জেতেন শ্রীকান্ত। দ্বিতীয় গেমে জোনাথান ক্রিস্টি প্রতিরোধ গড়ে তুললেও শেষরক্ষা করতে পারেননি। ২৩২১ ব্যবধানে জিতে ভারতকে প্রথমবারের মতো টমাস কাপ জেতার স্বাদ এনে দেন কিদাম্বি শ্রীকান্ত। ভারত ৩০ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ায় বাকি দুটি সিঙ্গলস খেলার প্রয়োজন হয়নি।

মে ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

প্রস্তুতি ম্যাচে ভারতীয় দলকে হারিয়ে দিল এটিকে মোহনবাগান!‌

দিন ১৫ কর্ণাটকের বেলারিতে চলেছে নিবিড় প্রস্তুতি। তাসত্ত্বেও তৈরি ভারতীয় দল! প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচেই তার প্রমাণ পাওয়া গেল। বুধবার যুবভারতীর প্র্যাকটিস গ্রাউন্ডে এটিকে মোহনবাগানের কাছে প্রস্তুতি ম্যাচে হারল ইগর স্টিম্যাকের ভারতীয় ফুটবল দল। সবুজমেরুণ ব্রিগেড জিতল ২১ ব্যবধানে। এটিকে মোহনবাগানের হয়ে গোল দুটি করেন লিস্টন কোলাসো ও কিয়ান নাসিরি। ভারতীয় দল প্রস্তুতি নিচ্ছে এশিয়ান কাপে কোয়ালিফায়ারের প্রস্তুতির জন্য। অন্যদিকে, এটিকে মোহনবাগান তৈরি হচ্ছে এএফসি কাপের মূলপর্বের গ্রুপ লিগের ম্যাচের জন্য। জুয়ান ফেরান্দোর দল যে ভালোই তৈরি, এদিনের প্রস্তুতি ম্যাচে বোঝা গেল। সুনীল ছেত্রীদের বিরুদ্ধে এদিন দারুণ ফুটবল উপহার দেয় সবুজমেরুণ ফুটবলাররা। ভারতীয় দলে থাকা এটিকে মোহনবাগান ফুটবলাররা অবশ্য সবুজমেরুণ জার্সি গায়েই মাঠে নেমেছিলেন। তাঁদের সঙ্গে শুরুতে তিন বিদেশিকে মাঠে নামিয়েছিলেন জুয়ান ফেরান্দো। প্রথমার্ধে দারুণ ফুটবল উপহার দেন লিস্টন কোলাসোরা। দ্বিতীয়ার্ধে পুরো দলকে বদলে দেন এটিকে মোহনবাগান কোচ। রয় কৃষ্ণা, ডেভিড উইলিয়ামসদের খেলান। তাতেও ছন্দ নষ্ট হয়নি এটিকে মোহনবাগানের। বরং ইগর স্টিম্যাকের ফুটবলাররা নিজেদের মেলে ধরতে পারেননি। ভারতীয় দলের রক্ষণে যে দুর্বলতা আছে, এদিন চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেন লিস্টন কোলাসো, কিয়ান নাসিরিরা। কলকাতায় অনুশীলনের পাশাপাশি আরও দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে ভারতীয় দল। দুটি ম্যাচই আই লিগের বাছাই করা ফুটবলারদের নিয়ে গড়া দলের বিরুদ্ধে।

মে ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

লিগ টেবিলে সম্মানজনক জায়গায় শেষ করাই এখন লক্ষ্য রোহিত শর্মার মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের

টানা ৮ ম্যাচ হেরে প্লে অফের স্বপ্ন আগেই শেষ করে ফেলেছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। বাকি ম্যাচ জিতলেও প্লে অফে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই। লিগ টেবিলে সম্মানজনক জায়গায় শেষ করাই এখন লক্ষ্য রোহিত শর্মার দলের। সেই লক্ষ্যে গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে বড় রান তুলে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে তুলল ১৭৭।টস জিতে এদিন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন গুজরাট টাইটান্সের অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। আগের ম্যাচে প্রথম জয় পাওয়া মুম্বই ইন্ডিয়ান্স একটা পরিবর্তন করে মাঠে নামে। ঋত্ত্বিক সোকেনের জায়গায় মুরুগান অশ্বিন প্রথম একাদশে ঢোকেন। ব্যাট করতে নেমে এদিন দারুণ শুরু করেছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। দুই ওপেনার ঈশান কিষান ও অধিনায়ক রোহিত শর্মাকে দেখে মনে হচ্ছিল ভাল ছন্দে রয়েছেন। ওপেনিং জুটিতে দুজনে তোলেন ৭৪। সেই সময় মুম্বইয়ের রান তোলার গড় ছিল ওভার প্রতি ১০এর ওপরে। অষ্টম ওভারের তৃতীয় বলে প্রথম ধাক্কা খায় মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। রশিদ খানের বলে এলবিডব্লু হন রোহিত। প্রথমে অন ফিল্ড আম্পায়ার রোহিতকে আউট দেননি। রশিদ ডিআরএসের আশ্রয় নেন। টিভি আম্পায়র রিপ্লে দেখে রোহিতকে আউট দেওয়ার কথা বলেন অন ফিল্ড আম্পায়ারকে। ৫টি চার ও ২টি ছয়ের সাহায্যে ২৮ বলে ৪৩ রান করেন রোহিত। তিনি আউট হওয়ার ২ ওভার পরেই সূর্যকুমার যাদবকে তুলে নেন প্রদীপ সাঙ্গোয়ান। ১১ বলে ১৩ রান করেন সূর্যকুমার। দ্বাদশ ওভারের শেষ বলে ঈশান কিষানকে তুলে নেন আলজেরি জোশেফ। ২৯ বলে ৪৫ রান করেন ঈশান। ঈশান আউট হওয়ার পর রান তোলার গতি কমে যায় মুম্বইয়ের। কায়রন পোলার্ড চলতি আইপিএলে একেবারেই ছন্দে নেই। এদিন ১৪ বলে মাত্র ৪ রান করে রশিদ খানের গুগলিতে পরাস্ত হয়। তিলক ভার্মা ১৬ বলে করেন ২১ রান। শেষদিকে টিম ডেভিড ঝড় তুলে মুম্বইকে ১৭৭/৬ রানে পৌঁছে দেন। ২১ বলে ৪৪ রান করে অপরাজিত থাকেন টিম ডেভিড। এদিন দারুণ বোলিং করে ৪ ওভারে ২৪ রান দিয়ে ২টি উইকেট তুলে নেন রশিদ খান।

মে ০৬, ২০২২
রাজ্য

বাংলার ছেলেমেয়েদের রেলের চাকরির পরীক্ষা কেন্দ্র বাংলার বাইরে দেওয়ার প্রতিবাদে পথে নামল বাংলা পক্ষ

বাংলার ছেলেমেয়েদের রেলের চাকরির পরীক্ষা কেন্দ্র বাংলার বাইরে দেওয়া যাবে না। এতে ছেলেমেয়েদের খুব সমস্যা হয়। তাই যাতে পরীক্ষা কেন্দ্র বাংলার মধ্যেই পড়ে, এর প্রতিবাদে রেলমন্ত্রীকে চিঠি দিল বাংলা পক্ষ।বাংলার কর্ম প্রার্থীদের রেলের চাকরির পরীক্ষাকেন্দ্র বাংলার বাইরে নির্ধারণ করার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং এই সমস্যা দূর করার দাবি করে ইউনিয়ন রেল মন্ত্রীকে বাংলা পক্ষ-এর তরফে একটি প্রতিবাদ পত্র পাঠানো হলো। এই প্রতিবাদ পত্রে রেলের পরীক্ষায় বাংলার কর্ম প্রার্থীদের রাজ্যের বাইরে পরীক্ষা কেন্দ্র জনিত সমস্যাগুলিকে তুলে ধরে রাজ্যের মধ্যে পরীক্ষা কেন্দ্র নির্ধারণ করার দাবি জানানো হয়েছে।রাজ্যের বাইরে পরীক্ষা কেন্দ্র হওয়ার ফলে বাংলার কর্ম প্রার্থীদের উক্ত রাজ্যে পরীক্ষায় অবতীর্ণ হওয়ার জন্য নির্ধারিত দিনের আগেই সেখানে হোটেল বা মেস ব্যবস্থা করে চলে যেতে হত। সেক্ষেত্রে তাদের থাকা খাওয়ার জন্য অনেক টাকা খরচ হয়ে যায়। কর্ম পার্থীদের বেশীর ভাগই নিম্নবিত্ত বা নিম্ন মধ্যবিত্ত আর্থিক পরিকাঠামোই বসবাস করেন। কেউ কেউ টিউশন করে দিন গুজরান করেন, দূর দূরান্তে যাতায়াতের ফলে তাঁদের সময় ও মুল্য দুটোয় অতিরিক্ত ব্যয় করতে হয়।এছাড়া অনেক ক্ষেত্রেই কর্ম প্রার্থীদের তাদের পরিবারের কোন অভিভাবককে সঙ্গে নিয়ে অন্য রাজ্যের পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে যেতে হয়। মহিলা কর্ম প্রার্থীদের ক্ষেত্রে প্রায় সকলেই তাদের অভিভাবককে সঙ্গে নিয়ে তবেই ভিন রাজ্যের পরীক্ষা কেন্দ্র যেতে বাধ্য হন। এর ফলে যেমন পরিবারের উপর আর্থিক বোঝা চাপে তেমন ভাবেই অনেক ক্ষেত্রে এই সমস্যার জন্য যোগ্য প্রার্থীরা পরীক্ষা দিতে পারেন না।বাংলার ছেলেমেয়েদের রেলের চাকরির পরীক্ষা কেন্দ্র বাংলার বাইরে দেওয়া যাবে না। এতে ছেলেমেয়েদের খুব সমস্যা হয়। তাই যাতে পরীক্ষা কেন্দ্র বাংলার মধ্যেই পড়ে, তাই রেলমন্ত্রীকে চিঠি দিল বাংলা পক্ষ।জয় বাংলা pic.twitter.com/tSkGULWvMG বাংলা পক্ষ Bangla Pokkho (@BanglaPokkho) May 6, 2022তাছাড়া দূর পাল্লার রেলযাত্রার জন্য কমপক্ষে তৃতীয় শ্রেনী-র শয়ন যানের (স্লিপার ক্লাস) রিজার্ভেশন না করতে পারলে যাতায়াত অসম্ভব হয়ে ওঠে। এত কম সময়ের মধ্যে রেলের টিকিট রিজার্ভেশন এককথায় অবাস্তব। তাই অনেকেই পরীক্ষা দিতে যেতে পারেন না। যদিও তৎকালে ব্যবস্থায় টিকিট কাটার চেষ্টা করা হয় তাঁর মূল্যও সেই বেকার ছেলে-মেয়েদের কাছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। শুধু মাত্র তপশীলি ও উপ-জাতিদের জন্য রেলের তরফ থেকে টিকিটের মুল্য পাওয়া যায়। সাধরণ ক্যাটাগরি প্রাথীরা রেল কর্ত্তিপক্ষর কাছ থেকে যাতায়াত বাবদ কোনওরকম সাহায্য পান না। বর্ধমান শহরের এক চাকরি পার্থীর পরীক্ষা কেন্দ্র পড়েছে দেশের একদম দক্ষিণের রাজ্যের তিরুচেরাপল্লী তে। হাওড়া থেকে রেল যাত্রা শুরু করলে যেখানে পৌঁছতে কমপক্ষে ৪২ ঘণ্টা সময় লাগে। যাত্রাপথ ও টিকিটের মুল্যের কথা ভেবে তিনি পরীক্ষা দেওয়া থেকে বিরত থাকেন। এছাড়াও উত্তরাখন্ড, বারানসি, গোরক্ষপুর সহ দূরদূরান্তের বিভিন্ন যায়গায় বাংলার ছেলে মেয়েদের পরীক্ষা কেন্দ্র পড়েছে।মুর্শিদাবাদ জেলার ছেলে রাধাবল্লব পাল, চাকরীর পড়াশোনার প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য থাকেন বর্ধমান শহরে। তিন বছর আগের আবেদন করা রেলের গ্রুপ-বি (অ্যাসিস্ট্যান্ট স্টেশন মাস্টার) চাকরির পরীক্ষার সেন্টার পড়েছে ওড়িশা রাজ্যের ভুবনেশ্বর শহরে। টিউশনের পয়সায় রেলের টিকিট কেটে আগের দিন থেকে পরীক্ষাকেন্দ্রের আসে পাশের হোটলে রাত কাটাতে হবে। কানপাতলে বাংলার ঘরে ঘরে এরকম বহু উদাহরণ পাওয়া যাবে।এছাড়াও বিগত দিনের বিভিন্ন ঘটনা পরম্পরায় দেখা গেছে বাংলার কর্ম প্রার্থীদের ভিন রাজ্যে পরীক্ষা দিতে গিয়ে নানা ভাবে শারীরিক হেনস্থা এবং আক্রমণের স্বীকার হয়েছেন।ইতিমধ্যেই কর্ম প্রার্থীদের তরফে রেল দপ্তরের কাছে এই বিষয়ে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। এই দাবি মানা না হলে আগামী দিনে বাংলা পক্ষ সংগঠনের তরফে আন্দোলন আরও জোরদার হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে।

মে ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌গর্বে ভাসছেন সেদিনের অপমানিত কার্তিকেয়র বাবা

একসময় কিটস কেনার সামর্থ ছিল না। সেই ছেলে এখন ক্রিকেটের মহাযজ্ঞের মঞ্চে। পুরনো দিনের কথা মনে পড়ে চোখে জল ঝাঁসির কনস্টেবল শ্যামনাথ সিংহের চোখে। ছেলের জন্য একসময় ক্রিকেট কিট কেনার টাকাও ছিল না এই কনস্টেবলের। কী ঘটেছিল শ্যামনাথ সিংয়ের সঙ্গে? বছর আষ্টেক আগেকার কথা। ছেলের জন্য ক্রিকেট কিট কিনতে গিয়েছিলেন ঝাঁসি পুলিশ লাইনের কনস্টেবল শ্যামনাথ সিংহ। ক্রিকেটের পুরো কিটস কেনার মতো সামর্থ্য ছিল না শ্যামনাথের। সেদিন দোকানদারকে শ্যামনাথ বলেছিলেন, কিটসের পুরো টাকা দিতে পারবেন না। নিজের অসামর্থ্যের কথা জানিয়েছিলেন। দোকানদার সটান উত্তর দিয়েছিলেন, পুরো কিটস কেনার সামর্থ্য যখন নেই, তাহলে দোকানে এসেছেন কেন? সেদিন শ্যামনাথ দোকানদারকে কোন উত্তর দিতে পারেননি। অর্ধেক কিটস কিনে বাড়িতে চলে এসেছিলেন। ছেলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স দলে সুযোগ পাওয়ার ৮ বছর আগে ঘটে যাওয়া ঘটনাটি বলতে গিয়ে আবেগে কেঁদে ফেলেন ঝাঁসি পুলিশ লাইনের হেড কনস্টেবল শ্যামনাথ সিংহ। চোট পেয়ে চলতি আইপিএল থেকে ছিটকে গেছেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের মহম্মদ আর্শাদ। তাঁর জায়গায় মুম্বই ইন্ডিয়ান্স দলে নিয়েছে বাঁহাতি স্পিনার কুমার কার্তিকেয় সিংহকে। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে সুযোগ পাওয়া কার্তিকেয়ার জন্ম ক্রীড়া পরিবারেই। বাবা শ্যামনাথ সিংহ মধ্যপ্রদেশের সুলতানপুরের বাসিন্দা। তিনি ছিলেন একজন শ্যুটিং খেলোয়াড়। ছেলে কার্তিকেয় বাবার কাছ থেকেই খেলাধূলার অনুপ্রেরণা পেয়েছিলেন। মধ্যপ্রদেশের হয়ে ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলেন কার্তিকেয়। ২০১৮ সালে কেরালার বিরুদ্ধে প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক হয়। ২০১৯ সালে সৈয়দ মুস্তাক আলিতে অভিষেক সিকিমের বিরুদ্ধে। মহম্মদ আর্শাদ খান চোট পাওয়ায় তাঁর জায়গায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। ঝাঁসি পুলিশের আধিকারিকরা যখন কার্তিকেয়র আইপিএলে সুযোগ পাওয়ার কথা জানতে পারেন, তখন পুলিশ ক্যাপ্টেনসহ অন্যান্য অফিসাররা শ্যামনাথকে অভিনন্দন জানান। পুলিশ লাইনে সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় শ্যামনাথ বলেন, ছেলে যখন ভারতীয় দলের জার্সি পরার সুযোগ পাবে, সেদিন তিনি সবথেকে বেশি খুশি হবেন। ছেলে ফোন করে আমাকে আইপিএলে সুযোগ পাওয়ার কথা জানিয়েছে। ক্যাপ্টেন স্যার, সিও স্যার এবং সমস্ত স্টাফ আমাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। আমি জাতীয় শুটিংয়ে অংশ নিয়েছি। আমাকে দেখে ছেলে খেলায় আসে। পড়াশোনাতেও খুব ভাল ছিল। খেলার প্রতি ওর বেশি আগ্রহ দেখে খেলায় মনোযোগ দিতে বলেছিলাম। আমার আত্মীয়রা আমাকে বলেছিল যে আমি ওর ভবিষ্যত নষ্ট করছি। ওকে পুলিশে ভর্তি করাতে পারতাম। কারও কথা শুনিনি। আমার দেওয়া লক্ষ্য থেকে ছেলে পিছিয়ে যায়নি। শ্যামনাথ আরও বলেন, সামনে অনেক বাধা ছিল। ছেলের সব চাহিদা মেটাতে পারিনি। একসময় ছেলে বলত, আর হয়তো খেলতে পারবে না। আমি ওকে হাল ছাড়তে নিষেধ করেছিলাম। নিজের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন শ্যামনাথ। তিনি জানান, দুই ছেলের জন্য কিটস কিনতে দোকানে গিয়েছিলেন। দুটো কেনার টাকা ছিল না। তখন দোকানদার বলেছিল, শুধু একটি কিটস কিনুন। জিনিসপত্র খুব দামী। টাকা কম থাকার কারণে কিছু জিনিস কমিয়ে নিয়েছিলাম। এ নিয়ে দোকানদার বলেছিলেন, সামর্থ না থাকলে দোকানে এসেছেন কেন? সেদিন কিছু বলতে পারিনি। কখনই সম্পূর্ণ কিটস ছেলেকে কিনে দিতে পারেনি।

এপ্রিল ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

টানা ৭ ম্যাচে হার, কেন এই হাল মুম্বইয়ের?‌ রহস্য ফাঁস

চলতি আইপিএলে পরপর ৭ ম্যাচে হেরে রেকর্ড গড়েছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। আর এই টানা হারে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স শিবিরে দলের ভেতরের খবর বাইরে এসে পড়েছে। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স শিবির এখন ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। ড্রেসিংরুমের পরিবেশ একেবারেই ভাল নয়। এমনই জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটার ক্রিস লিন। বৃহস্পতিবার মুম্বইয়ের ডিওওয়াই পাটিল স্টেডিয়ামে পাঁচবারের আইপিএল চ্যাম্পিয়ন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স রবীন্দ্র জাদেজার চেন্নাই সুপার কিংসের কাছে তিন উইকেটে হেরেছে। শেষ ওভারে ৪ বলে ১৬ রান নিয়ে জয়দেব উনাদকাট চেন্নাইয়ের রাম তাড়া করার চাপ ধরে রাখতে পারেননি। চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে ফিনিশারের ভুমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। রোহিত অ্যান্ড কোম্পানি আইপিএলের ইতিহাসে প্রথম দল হিসেবে টানা ৭ ম্যাচ হেরেছে। কেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের এই রকম বিপর্যয়? মুম্বই শিবিরের অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার ক্রিস লিন মনে করছেন, ড্রেসিংরুমের পরিবেশ খারাপ হওয়ার কারণেই দলের এই হাল। ক্রিস লিন ২০২০ ও ২০২১ আইপিএলেও মুম্বই ইন্ডিয়ান্স দলের অংশ ছিলেন। তাঁর মতে, মুম্বই শিবিরে ক্রিকেটারদের মধ্যে নানা মত পার্থক্য রয়েছে।এক ক্রিকেট ওয়েবসাইটের অনুষ্ঠানে ক্রিস লিন বলেছেন, জেতাটা একটা অভ্যাস আর হারটাও একটা অভ্যাস। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ব্যাট, বল, মাঠে এবং মানসিকভাবে সমস্যায় পড়েছে। দেখে মনে হচ্ছে গোটা দলের সেট আপে সর্বত্র দলাদলি রয়েছে। তিনি আরও বলেন, যখন দল একেবারে টেবিলের নীচের দিকে থাকবে, তখন অধিনায়কের মতো বাকিরা, কাইরন পোলার্ডও মিড অন বা মিড অফ থেকে দৌড়ে আসবে, সাহায্য করবে। কিন্তু মুম্বই ইন্ডিয়ান্স দলের মধ্যে এটা দেখিনি। কারণ তারা ছোট ছোট দলে বিভক্ত হতে শুরু করেছে এবং তারা কেবল মাঠে নামতে চায়। এটা ভাল লক্ষণ নয়। আমার মনে হয় এই মুহূর্তে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের দলের পরিবেশ ভাল জায়গায় রয়েছে। এই মুহূ্র্তে রোহিত শর্মার দল পয়েন্ট তালিকায় সকলের শেষে রয়েছে। প্লে অফে যেতে গেলে বাকি ম্যাচগুলোতে জিততেই হবে। যা খুবই কঠিন। এই পরিস্থিতিতে ২৪ এপ্রিল রবিবার মুম্বইয়েরে ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে লোকেশ রাহুলের নেতৃত্বাধীন লখনউ সুপার জায়ান্টদের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে।

এপ্রিল ২২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আইসক্রিমে বান!‌ রুটিতে চকোলেট ও নান্দু সস!‌ সঙ্গে চিকেন!‌ এ কোন ভারতীয় ক্রিকেটারের মেনু?‌

ভারতীয় ক্রিকেটে ডায়েট ও ফিটনেসের ব্যাপারে একটা শৃঙ্খলা তৈরি করেছিলেন প্রাক্তন অধিনায়ক বিরাট কোহলি। আধুনিক ক্রিকেটে বয়স ও ডায়েট একটা অন্য প্যারামিটার হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু ভারতীয় ড্রেসিংরুমে এমন দুজন ক্রিকেটার রয়েছেন, যারা ডায়েটের ধার ধারেন না। ডায়েটের ব্যাপারে তাঁদের শৃঙ্খলার কোনও বালাই নেই। তাঁরা অনায়াসে আইসক্রিমে বান ডুবিয়ে খেতে পারেন। রুটির ওপরে চকোলেট ও নান্দু সস মাখাতে পারেন। ভেবে অবাক হয়ে যাচ্ছেন, এমনও ক্রিকেটার ভারতীয় দলে রয়েছেন? অবাক হওয়ার কিছু নেই। এটাই ঘটনা। এই দুই ক্রিকেটার হলেন ঈশান কিশান ও ঋষভ পন্থ। ডায়েটের কোনও ধার ধারেন না ভারতীয় দলের এই দুই ক্রিকেটার।ফিটনেসের জন্য ভারতীয় দলের প্রাক্তন অধিনায়ক বিরাট কোহলি দীর্ঘদিন জাঙ্ক ফুট ত্যাগ করেছেন। অথচ তাঁরই সংসারে অন্য গল্প। বিরাট কোহলির যুগে, ভারতীয় দল ফিটনেসের দিক থেকে ব্যাপকভাবে উন্নতি করেছে। তার মানে এই নয় যে ভারতীয় দলের সব ক্রিকেটারই ডায়েটের ব্যাপারে বিরাট কোহলির মতো সমান কঠোর। ঈশান কিশান ও ঋষভ পন্থের ডায়েটের বিষয়টা প্রকাশ্যে নিয়ে এসেছেন জাতীয় দলে তাঁদেরই সতীর্থ সূর্যকুমার যাদব। ঈশান কিশান এবং ঋষভ পন্থ খাবারে যে অদ্ভুত সংমিশ্রণ ঘটান, তা যে কারও ঠোঁটে লেগে থাকতে পারে।সূর্যকুমার যাদব তাঁর বিখ্যাত ইউ টিউব শো ব্রেকফাস্ট উইথ চ্যাম্পিয়নসএ অভিনেতা এবং টেলিভিশন ও ক্রিকেট উপস্থাপক গৌরব কাপুরকে ঈশান কিশান ও ঋষভ পন্থের অদ্ভুত ডায়েটের কথা বলেছিলেন। সূর্যকুমার বলেন, ঋষভ পন্থ এবং ঈশান কিশান যদি এক জায়গায় হাজির হয়, তাহলে ওদের খাবার অন্য উচ্চতায় পৌঁছে যায়। ওরা অনায়াসে যা কিছু খেতে পারে। একটি বান আইসক্রিমে ডুবিয়ে খায়। রুটির ওপর চকোলেট আইসক্রিম রাখে, তার ওপরে নন্দোর সস রাখে। শুধু তাই নয়, মুরগির মাংসও সঙ্গে থাকে। এই সংমিশ্রণটা হল ওদের চোখে একটি বার্গার। ওইভাবে সাজিয়ে ওরা আমাকে বলে, এটা খাও। তুমি আগামীকাল রান করবে। এই নতুন জিনিস ওরা শুরু করেছে। দুজনেরই পরিচ্ছন্ন হৃদয়, একেবারে বিশুদ্ধ আত্মা। ওদের সাথে সময় কাটাতে দারুণ মজা পাবেন।মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে খেলার সুবাদে ঈশান কিশানকে দীর্ঘদিন ধরেই জানেন সূর্যকুমার। জাতীয় দলে একসঙ্গে থাকার সুবাদে ঋষভ পন্থকেও ভালভাবে চেনেন। ঈশানকে বেশ ব্যক্তিত্ববান বলে মনে হয়েছে সূর্যকুমারের। দলের মধ্যে সবসময় ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করে রাখেন ঈশান। সূর্যর কথায়, ইশান আমার দলের সেরা বন্ধুদের একজন। বিশেষ করে যখন দল একটি ম্যাচ হেরেছে, সিগন্যাল বাউন্সের মতো ঈশান এক বিষয় থেকে অন্য বিষয়ে বাউন্স করে। প্র্যাকটিসের সময় আমি কোচকে বলেছিলাম, আমি শুধুমাত্র ওর সঙ্গে প্র্যাকটিস করতে চাই। যখনই আমরা একসাথে ব্যাট করি, স্কোরবোর্ডের দিকে তাকাই না যতক্ষণ না আমাদের তাড়া করতে হয়। আমরা ক্রিকেট ছাড়াও বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলি। যেমন, আজকে যদি আমরা ম্যাচ জিততে পারি তাহলে আমরা ব্রাউনি আইসক্রিম অর্ডার করব। দারুণ মজা করি।

এপ্রিল ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌নির্বাসনের মুখে পড়তে হতে পারে রোহিত শর্মাকে, কেন?‌

সময়টা একেবারেই ভাল যাচ্ছে না মু্ম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মার কাছে। চলতি আইপিএলে ইতিমধ্যেই পাঁচ ম্যাচ খেলা হয়ে হয়ে গেছে। এখনও দলকে জয় এনে দিতে পারেননি। বুধবার পাঞ্জাব কিংসের কাছে হারতে হয়েছে। তার ওপর আবার জরিমানার কবলে পড়তে হয়েছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ককে। দলের মন্থর বোলিংয়ের জন্য ২৪ লক্ষ টাকা জরিমানা হয়েছে রোহিত শর্মার। চলতি আইপিএলে এই নিয়ে দ্বিতীয় বার জরিমানার কবলে পড়তে হল মুম্বই অধিনায়ককে। বুধবার পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে নির্ধারিত সময়ে ২০ ওভার বোলিং করতে পারেনি মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। ফলে দলের অধিনায়ক হিসেবে রোহিত শর্মার ওপরে শাস্তির খাঁড়া নেমে এসেছে। তাঁর ২৪ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এর আগে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ম্যাচেও মন্থর বোলিংয়ের জন্য শাস্তির কবলে পড়তে হয়েছিল রোহিতকে। ওই ম্যাচে ১২ লক্ষ টাকা জরিমানা হয়েছিল। দ্বিতীয় বার একই অপরাধ হওয়ায় এবার জরিমানার পরিমান দ্বিগুন। যদি আরও একবার মন্থর বোলিংয়ের দায়ে অভিযুক্ত হন রোহিত, তাহলে জরিমানার পাশাপাশি এক ম্যাচ নির্বাসিত হতে হবে। শুধু রোহিতেরই জরিমানা হয়নি, প্রথম একাদশে থাকা বাকি ক্রিকেটারদেরও জরিমানার কবলে পড়তে হয়েছে। বাকিদের জরিমানা হয়েছে ৬ লক্ষ টাকা করে। আইপিএলের পক্ষ থেকে এক প্রেস বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে ম্যাচে স্লো ওভার রেটের জন্য মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সকে জরিমানা করা হয়েছে। অধিনায়ক রোহিত শর্মার ২৪ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বাকি ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফির ২৫ শতাংশ জরিমানা হয়েছে। এ বারের আইপিএলে এখনও পর্যন্ত জয়ের মুখ দেখেনি পাঁচ বারের চ্যাম্পিয়নরা। পর পর পাঁচ ম্যাচে হারতে হয়েছে তাদের। বুধবার টসে জিতে বল করার সিদ্ধান্ত নেন রোহিত। প্রথমে ব্যাট করে ১৯৮ রান করে পঞ্জাব। জবাবে ১৮৬ রানে শেষ হয় মুম্বইয়ের ইনিংস। ১২ রানে ম্যাচ হারে তারা।এদিকে, রোহিত শর্মার ব্যাটেও রান নেই। ৫ ম্যাচে করেছেন ১০৪। দলের অধিনায়ক রান না পেলেও চিন্তিত নন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স হেড কোচ মাহেলা জয়বর্ধনে। তিনি বলেন, রোহিত ভাল টাচে আছে। ভাল শুরু করছে। কিন্তু বড় ইনিংস আসছে না। আমি আশাবাদী, দ্রুতই বড় ইনিংস খেলবে রোহিত।

এপ্রিল ১৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

গতির কামাল:‌ আইপিএল-এ চমক দিয়ে জাতীয় দলের অপেক্ষায় এই কাশ্মীরি তরুণ

গতবছর আইপিএলে বলের গতি দিয়ে ক্রিকেটপ্রেমীদের তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের উমরান মালিক। চলতি আইপিএলে প্রতি ম্যাচেই নিজের প্রতিভার পরিচয় দিয়ে চলেছেন। নিয়মিত বোলিং করছেন ঘন্টায় ১৫০ কিমি গতিতে। প্রতিনিয়ত নিজেকে ছাপিয়ে যাচ্ছেন। ২০২২ আইপিএলে তাঁর দ্রুততম বলটির গতি ছিল ঘন্টায় ১৫৩.১ কিমি। যে বলটি চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে উমরান মালিকের হাত থেকে বেরিয়েছিল। সোমবার গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে তাকেও ছাপিয়ে গেছেন। এদিন তাঁর একটা বলের গতি ছিল ঘন্টায় ১৫৩.৩ কিমি।উমরান মালিকের বলে গতি দেখে মু্গ্ধ ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা। ভারতের প্রাক্তন হেড কোচ রবি শাস্ত্রী আগেই উমরানের বলের গতির প্রশংসা করেছিলেন। এবার জম্মু ও কাশ্মীরের এই তরুণ জোরে বোলারকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন ইংল্যান্ডের প্রাক্তন অধিনায়ক মাইকেল ভন। তিমি মনে করছেন। উমরান মালিক খুব দ্রুতই দেশের হয়ে খেলবেন। এমনকি এই তরুণ জোরে বোলারকে কাউন্টি ক্রিকেটে খেলার পরামর্শ দিয়েছেন মাইকেল ভন। মাইকেল ভন টুইট করে বলেছেন, উমরান মালিক খুব শীঘ্রই ভারতের হয়ে খেলবেন। আমি যদি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডে থাকতাম, তাহলে এই গ্রীষ্মে উমরানকে কাউন্টি ক্রিকেট খেলতে পাঠাতাম। যাতে তার বোলিংয়ের উন্নতিতে সাহায্য করা যায়। এই মুহূর্তে আইপিএলে কমেন্ট্রি করছেন মাইকেল ভন। খুব কাছ থেকে উমরান মালিকের বোলিং দেখার সৌভাগ্য হয়েছে। ভন মনে করছেন, অদূর ভবিষ্যতে ভারতীয় দলে জায়গা করে নেবেন জম্মু ও কাশ্মীরের এই তরুণ জোরে বোলার। শুধু মাইকেল ভনই নন, এর আগেই রবি শাস্ত্রীর মুখ থেকেও একই কথা শোনা গেছে। ভারতীয় দলে হেড কোচ থাকার সময় উমরান মালিককে খুব কাছ থেকে দেখেছিলেন শাস্ত্রী। সেই সময় উমরান ভারতীয় দলে নেট বোলার হিসেবে ছিলেন। নেটে উমরান মালিকের বোলিং দেশে রবি শাস্ত্রী ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ও নির্বাচকদের পরামর্শ দিয়েছিলেন তাঁকে জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাদেমিতে রাখার। যাতে উমরান নিজের দক্ষতার বিকাশ ঘটাতে পারেন।গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে গতি দিয়ে দারুণ নজর কেড়েছেন উমরান মালিক। তাঁর প্রথম ডেলিভারিটি ছিল একটি বিষাক্ত বাউন্সার। যা হার্দিক পান্ডিয়ার হেলমেটে ছোবল মেরেছিল। গুজরাট টাইটান্সের অধিনায়ক ম্যাচের পরে স্বীকার করেছিলেন যে, উমরানের ওই বাউন্সার তাঁকে তাতিয়ে দিয়েছিল। পরের দুটি বলে অবশ্য বাউন্ডারি মেরেছিলেন হার্দিক। দারুণ গতিতে বোলিং করলেও উমরানের সব থেকে বড় সমস্যা হল ধারাবাহিকতার অভাব। নির্দিষ্ট লেংথে বোলিং করতে পারেন না উমরান মালিক। যার ফলে তিনি অনেক বেশি রান দিয়ে ফেলেন। মালিকের ঈর্ষণীয় গতি ছাড়াও জোরে বোলার হিসেবে অনেক কিছু আছে। তাঁর শরীর আদর্শ ক্রীড়াবিদসুলভ। মসৃণ রান আপ। বোলিং অ্যাকশনও দারুণ। এসবই তাঁর উজ্জ্বল ভবিষ্যতের ইঙ্গিত। এই বছর আইপিএলের মেগা নিলামের আগে তাঁকে ধরে রেখে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ যে ভুল করেনি, প্রমান করেই চলেছেন উমরান মালিক।

এপ্রিল ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‘‌বড়া পাও ছিনিয়ে নিয়ে গেল’‌, কামিন্স সম্পর্কে কেন একথা বললেন শেহবাগ?‌

ক্রিকেট দুনিয়ায় মজাদার টুইট করার ব্যাপারে দারুণ সুনাম আছে বীরেন্দ্র শেহবাগ ও হরভজন সিংয়ের। এই দুই প্রাক্তন ক্রিকেটারের টুইটে অনেকসময় বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। আবার টুইট করে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ভক্তদের বিরাগভাজন হয়েছেন বীরেন্দ্র শেহবাগ। বীরু নাকি নিজের টুইটে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে নিয়ে উপহাস করেছেন।কী এমন টুইট করেছেন বীরেন্দ্র শেহবাগ? বুধবার কলকাতা নাইট রাইডার্সের সঙ্গে ম্যাচ ছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের। শেষদিকে ঝড় তুলে ১৫ বলে অপরাজিত ৫৬ রানের ইনিংস খেলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের মুখ থেকে জয় ছিনিয়ে নিয়েছিলেন নাইট রাইডার্সের প্যাট কামিন্স। তাঁর এই ইনিংস দেখে বীরন্দ্র শেহবাগ টুইট করেন, মুন সে নিভালা ছিন লিয়া, বড়া পাও ছিন লিয়া। প্যাট কামিন্স, ক্লিন হিটিংয়ের অন্যতম প্রদর্শন, ১৫ বলে ৫৬। শেহবাগের এই টুইট রোহিত ভক্তদের ভাল লাগেনি।কেন বড়া পাওর কথা বলেছেন বীরেন্দ্র শেহবাগ? আসলে মুম্বইয়ের মানু্ষদের সবথেকে প্রিয় খাবার বড়া পাও। কামিন্সের ইনিংস দেখে তিনি বলেন, এটা মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ক্রিকেটারদের কাছ থেকে বড়া পাও কেড়ে নেওয়ার মতো। কামিন্সের এই ইনিংসে যেমন শেহবাগ থেকে অনেকেই মুগ্ধ, তেমনই অবাক কামিন্স নিজেও। তিনি যে ওইরকম বিধ্বংসী ইনিংস খেলেছেন, কামিন্স নিজেও বিশ্বাস করতে পারছেন না। ম্যাচের পর সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, এই রকম ইনিংস খেলে আমিই সবথেকে বেশি অবাক। সত্যিই আমি আনন্দিত। আমার প্রিয় জায়গায় বল পড়লেই উড়িয়ে দেব, একথা মাথায় রেখে ব্যাট করতে নেমেছিলাম। এর বেশি কিছু করার চেষ্টা করিনি।Moonh se nivala cheen liya ,, sorry vada pav cheen liya.Pat Cummins, one of the most insane display of clean hitting , 15 ball 56 Jeera Batti #MIvKKR pic.twitter.com/Npi2TybgP9 Virender Sehwag (@virendersehwag) April 6, 2022এই মরশুমে প্রথম ম্যাচে নাইট রাইডার্সের জার্সি গায়ে নিজের পারফরমেন্সে খুশি কামিন্স। তিনি বলেন, প্রথম ম্যাচে নিজের পারফরমেন্সে আমি খুশি। স্টেডিয়ামের বাউন্ডারি ছোট ছিল। তার সুযোগ নিতে চেয়েছিলাম। ক্রিজে এসে একটা কথাই শুধু মাথায় ছিল, বাউন্ডারির বাইরে বল ওড়াতে হবে। সেই চেষ্টা করতেই সফল। লক্ষ্য ছিল কয়েকটা বড় শট খেলে ভেঙ্কটেশ আয়ারের কাজ সহজ করে দেওয়া। সেটা করতে পেরেছি। কামিন্সের ইনিংস দেখে মুগ্ধ কলকাতা নাইট রাইডার্স অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। তিনি বলেন, অবিশ্বাস্য ইনিংস। এত জোরে বল মারছিল, এখনও বিশ্বাস হচ্ছে না।

এপ্রিল ০৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

যুগ্মভাবে দ্রুততম হাফ সেঞ্চুরি, কামিন্স ঝড়ে উড়ে গেল মুম্বই

আইপিএলের তৃতীয় ম্যাচেও জয় এল না। প্যাট কামিন্স ঝড়ে উড়ে গেল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। নাইট রাইডার্স জিতল ৫ উইকেটে। ১৪ বলে হাফ সেঞ্চুরি কামিন্স-এর। লোকেশ রাহুলের সঙ্গে যুগ্মভাবে আইপিএলের ইতিহাসে দ্রুততম।এদিন টস জিতে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ব্যাট করতে পাঠান কলকাতা নাইট রাইডার্স অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। রোহিত শর্মাদের ওপর শুরুর দিকে চাপ রেখেছিলেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের বোলাররা। পাওয়ার প্লে-র ৬ ওভারে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স তোলে ১ উইকেটে মাত্র ৩৫। ১২ বলে ৩ রান করে আউট হন অধিনায়ক রোহিত শর্মা। তাঁকে ফেরান উমেশ যাদব।এরপর ঈশান কিষাণের সঙ্গে জুটি বেঁধে মুম্বইকে টানেন ডেওয়াল্ড ব্রেভিস। এদিন দারুণ আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন। তাঁর সঙ্গে এবি ডি ভিলিয়ার্সের ইতিমধ্যে তুলনা শুরু হয়েছে। নামের পাশে বসে গেছে বেবি এবি তকমা। এই তকমা যে একেবারেই ভুল নয়, আইপিএলের অভিষেক ম্যাচেই বুঝিয়ে দিলেন ব্রেভিস। অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে সর্বাধিক রান করা দক্ষিণ আফ্রিকার ব্রেভিস এদিন বরুণ চক্রবর্তীর বলে স্টাম্প আউট হন। ২টি করে চার ও ছয়ের সাহায্যে ১৯ বলে ২৯ রান করেন ব্রেভিস।১১তম ওভারের শেষ বলে ৫৫ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। ২১ বলে ১৪ রান করে আউট হন ঈশান কিষাণ। প্যাট কামিন্সের বলে তাঁর ক্যাচ ধরেন শ্রেয়স আয়ার। এরপর সূর্যকুমার যাদবের সঙ্গে জুটি বাঁধেন তিলক বর্মা। সূর্য-তিলকের জুটিতে ৪৯ বলে ৮৩ রান ওঠে। ৩৬ বলে ৫২ রান করে প্যাট কামিন্স-এর বলে আউট হন সূর্যাকুমার। শেষ পাঁচ বলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স তোলে ২৩ রান। তিনটি ছক্কার সাহায্যে ৫ বলে ২৩ রানে অপরাজিত থাকেন কায়রন পোলার্ড। তিনটি চার ও দুটি ছয়ের সাহায্যে ২৭ বলে ৩৮ রানে অপরাজিত থাকেন তিলক বর্মা। ২০ ওভারে মুম্বই তোলে ১৬১/৪। প্যাট কামিন্স ৪ ওভারে ৪৯ রান দিয়ে ২টি উইকেট নেন। উমেশ যাদব ৪ ওভারে ২৫ ও বরুণ চক্রবর্তী ৪ ওভারে ৩২ রানে ১টি করে উইকেট নেন। খরচ করে একটি করে উইকেট দখল করেন। সুনীল নারাইন ৪ ওভারে ২৬ রান দিয়ে কোনও উইকেট পাননি।Wow again!!! @KKRiders boys!! pic.twitter.com/ctt0ZQ7vVC Shah Rukh Khan (@iamsrk) April 6, 2022ব্যাট করতে নেমে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের মতো নাইট রাইডার্সের শুরুটাও ভাল হয়নি। প্রথম ৪ ওভারে ওঠে মাত্র ১৬। পঞ্চম ওভারের প্রথম বলেই আউট হন অজিঙ্কা রাহানে (৭)। ষষ্ঠ ওভারের শেষ বলে নাইট অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ারকে (১০) তুলে নেন ড্যানিয়েল সামস। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান ভেঙ্কটেস আয়ার ও সামস বিলিংস। জুটিতে ওঠে ৩২। বিলিংসকে (১৭) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন মুরুগান অশ্বিন। নীতিশ রানাকেও (৮) ফেরান অশ্বিন।পরপর ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় নাইট রাইডার্স। দলকে চাপের মুখ থেকে উদ্ধার করার চেষ্টা করেন ভেঙ্কটেশ আয়ার ও আন্দ্রে রাসেল। কিন্তু তাঁদের প্রয়াস ফলপ্রসূ হয়নি। টাইমল মিলসের শর্ট বল গ্যালারিতে পাঠাতে গিয়ে বাউন্ডারি লাইনের ধরে ব্রেভিসের হাতে ধরা পড়েন রাসেল (১১)। নাইটদের রান সেই সময় ৫ উইকেটে ১০১।শেষ ৬ ওভারে নাইটদের জেতার জন্য দরকার ছিল ৪৭। ১৫তম ওভারের প্রথম বলেই অর্ধশতরান পূর্ণ করেন ভেঙ্কটেশ আয়ার (৪১ বলে অপরাজিত ৫৬)। যশপ্রীত বুমরার ওই ওভারের, চতুর্থ ও পঞ্চম বলে প্যাট কামিন্স ছয় ও চার মেরে নাইটদেরজয়ের সম্ভাবনা আরও উজ্জ্বল করেন। ৫ ওভারে নাইটদের প্রয়োজন দাঁড়ায় ৩৫। ১৬তম ওভারে কামিন্স ঝড় অব্যাহত থাকে। ড্যানিয়েল সামসের প্রথম, তৃতীয় ও চতুর্থ বলে মারেন ছক্কা, দ্বিতীয় বলে চার। এই ওভারই মুম্বইয়ের আশায় জল ঢেলে দেয়। পঞ্চম বলটি করতে গিয়ে স্যামস ওভারস্টেপিংয়ে নো বল করে বসেন, ২ রান নেন কামিন্স। ফ্রি হিটে চার মারার পরের বলে ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচ শেষ করে দেন কামিন্স (১৫ বলে অপরাজিত ৫৬)।

এপ্রিল ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে কেন জ্বলে উঠতে পারলেন না রোহিত?

কলকাতা নাইট রাইডার্সকে সামনে দেখলেই জ্বলে ওঠা রীতিমতো অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছিলেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা। অতীতে নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে তাঁর ব্যাট থেকে বড় বড় ইনিংস পাওয়া গেছে। সে কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সই হোক কিংবা মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম। নাইটদের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠে দলকে জয় এনে দিয়েছেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা। পঞ্চদশ আইপিএলে নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠতে ব্যর্থ তিনি।বুধবার পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। টস জিতে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ব্যাট করতে পাঠান কলকাতা নাইট রাইডার্স অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। ম্যাচের তৃতীয় ওভারের পঞ্চম বলে রোহিত শর্মাকে তুলে নেন উমেশ যাদব। উমেশের শর্ট বল ব্যাটের কানায় লাগিয়ে নাইট উইকেটরকিপার সাম বিলিংসের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন রোহিত। ১২ বলে মাত্র ৩ রান করেন তিনি।এবারের আইপিএলে এই নিয়ে দ্বিতীয় ম্যাচে তিনি রান পেলেন না। প্রথম ম্যাচে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ৩২ বলে ৪১ রান করেছিলেন রোহিত। রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচেও রান পাননি রোহিত। ৫ বলে মাত্র ১০ রান করে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর বলে আউট হন। এদিন করেন মাত্র ৩ রান। নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে যসুরু থেকেই এদিন স্বস্তিতে ছিলেন না রোহিত। উমেশ যাদব ও নাইট রাইডার্সের হয়ে অভিষেককারী জোরে বোলার জম্মু ও কাশ্মীরের রাসিখ সালামের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠতে পারছিলেন না। ঝুঁকি নিয়ে আক্রমণাত্মক হতে গিয়েই উইকেট উপহার দেন।আইপিএলে সবথেকে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধেই সবথেকে বেশি রান করেছেন রোহিত। নাইটদের বিরুদ্ধে আইপিএলে এখনও পর্যন্ত তাঁর রান ১০১৮। কিন্তু বুধবার চূড়ান্ত ব্যর্থ। কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে মাইলস্টোনে পৌঁছনোর সুযোগ ছিল রোহিত শর্মার সামনে। এই ম্যাচে ৫৪ রান করলেই দ্বিতীয় ভারতীয় ক্রিকেটার হিসেবে টি২০ ক্রিকেটে ১০ হাজার রান করার নজির গড়তেন রোহিত। ভারতীয়দের মধ্যে টি২০ ক্রিকেটে প্রথম ১০ হাজার রান করার কৃতিত্ব অর্জন করেছিলেন বিরাট কোহলি। এদিন ৮ রান করলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে সাড়ে চার হাজার রান পূর্ণ করতেন রোহিত। আপাতত এই দুটি মাইলস্টোনের জন্য পরের ম্যাচ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ককে।

এপ্রিল ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌বাটলারের তান্ডবে উড়ে গেল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স

এবছর আইপিএলে শুরুটা ভাল হল না মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের। প্রথম ম্যাচের পর দ্বিতীয় ম্যাচেও হার রোহিত শর্মার দলের। শনিবার রাজস্থান রয়্যালসের কাছে হার ২৩ রানে। বাটলার ঝড়ে উড়ে গেল মুম্বই। এদিন রোহিতদের বিরুদ্ধে দুরন্ত সেঞ্চুরি করেন রাজস্থান রয়্যালসের এই উইকেটকিপার ব্যাটার। টস জিতে রাজস্থান রয়্যালসকে ব্যাট করতে পাঠান রোহিত শর্মা। শুরুটা ভাল হয়নি রাজস্থান রয়্যালসের। তৃতীয় ওভারে আউট হন জশ্বস্বী জয়সোয়াল। তাঁকে ফেরান যশপ্রীত বুমরা। মাত্র ১ রান করে আউট হন জয়সোয়াল। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারের ষষ্ঠ বলে দেবদত্ত পাড়িক্কলকে (৭) তুলে নেন টাইমল মিলস। এরপর বাটলারের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। জুটি ওঠে ৮২। ২১ বলে ৩০ রান করে কায়রণ পোলার্ডের বলে আউট হন সঞ্জু। সঞ্জু আউট হওয়ার পর ক্রিজে নেমে ঝড় তোলেন শিমরণ হেটমায়ের। ৩টি ৪ ও ৩টি ছক্কার সাহায্যে ১৪ বলে ৩৫ রান করে তিনি যশপ্রীত বুমরার বলে আউট হন। হেটমায়ের আউট হওয়ার ২ বল পরেই আউট হন বাটলার। তার আগে অবশ্য তিনি সেঞ্চুরি পূর্ণ করে ফেলেছিলেন। বাটলারে সেঞ্চুরি আসে ৬৬ বলে। মারেন ১১টি ৪ ও ৫টি ৬। ওভারের শেষ বলে রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে ফেরান বুমরা। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৯৩ রান করে রাজস্থান রয়্যালস। ৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে ১৭ রানে ৩ উইকেট নেন বুমরা। ৩৫ রানে ৩ উইকেট নেন টাইমল মিলস। চলতি আইপিএলে এখনও সেভাবে জ্বলে উঠতে পারলেন না মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা। রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে মাত্র ১০ রান করে দ্বিতীয় ওভারেই আউট হন। তাঁকে ফেরান প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। আনমোলপ্রীত সিংও (৫) রান পাননি। ৪ ওভারে ৪০ রান তোলার ফাঁকে ২ উইকেট হারায় মুম্বই। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান ঈশান কিশান ও তরুণ তিলক ভার্মা। তাঁর ব্যাটিং দেখে একবারের জন্যও মনে হয়নি জীবনের দ্বিতীয় আইপিএল ম্যাচ খেলছেন। ঈশানের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। ১২.৫ ওভারে ১২১ রানও তুলে ফেলেছিল মুম্বই। ট্রেন্ট বোল্ট ঈশান কিশানকে (৪৩ বলে ৫৪) তুলে নিতেই ধস মুম্বই ইনিংসে। পরপর ফিরে যান তিলক ভার্মা (৩৩ বলে ৬১), টিম ডেভিড (১(১), ড্যানিয়েল সামস (০)। ইনিংসের শেষ বলে আউট হন পোলার্ড (২৪ বলে ২২)। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৭০ তোলে মুম্বই। রাজস্ঝানের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন নভদীপ সাইনি ও যুজবেন্দ্র চাহাল।

এপ্রিল ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌দুরন্ত কুলদীপ, অক্ষর–ললিতের দাপটে দুরন্ত জয় দিল্লি ক্যাপিটালসের

গত দুই মরশুম কলকাতা নাইট রাইডার্সের ডাগ আউটে বসে থাকতে হয়েছিল। ঢাকা পড়েছিলেন সুনীল নারাইন ও বরুণ চক্রবর্তীর ছায়ায়। কুলদীপ যাদবের দিকে ফিরেও তাকায়নি নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট। মাঠে নামার সুযোগ না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়েছিলেন। এবছর আইপিএলের মেগা নিলামে তাঁর ওপর ভরসা রেখেছিল দিল্লি ক্যাপিটালস কর্তারা। প্রথম ম্যাচেই আস্থার মর্যাদা দিলেন কুলদীপ যাদব। দিল্লিতে পেলেন নতুন জীবন। এই চাইনাম্যানের দাপটেই জ্বলে উঠতে পারলেন না রোহিত শর্মা, কিয়েরন পোলার্ডের মতো ব্যাটাররা। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ৪ উইকেটে হারিয়ে এবারের আইপিএল অভিযান শুরু করল দিল্লি ক্যাপিটালস।কুলদীপ যাদব দুরন্ত বোলিং করলেও দিল্লি ক্যাপিটালসের জয়ের নায়ক অবশ্য অক্ষর প্যাটেল ও ললিত যাদব। যেভাবে হারা ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছাড়লেন, তাঁদের লড়াইকে কুর্নিশ করতেই হবে। এদিন মুম্বইয়ের ব্রাবোর্ন স্টেডিয়ামে টস জিতে মুম্বইকে ব্যাট করতে পাঠান দিল্লি অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। ওপেনিং জুটিতে মুম্বই তোলে ৬৭। এরপরই রোহিত শর্মাকে (৩২ বলে ৪১) তুলে নিয়ে দলকে প্রথম ব্রেক থ্রু এনে দেন কুলদীপ। ১ ওভার পরেই আনমোলপ্রীত সিংকেও (৮) তুলে নেন কুলদীপ। ৮৩ রানের মাথায় তৃতীয় উইকেট হারায় মুম্বই। তিলক ভার্মাকে (২২) তুলে নেন খলিল আহমেদ। তবে মুম্বইয়ের মিডল অর্ডারে বড় ধাক্কা দেন সেই কুলদীপ। মোক্ষম সময়ে তুলে নেন পোলার্ডকে (৩)। একের পর এক উইকেট পড়লেও দুরন্ত ব্যাটিং করে যান ঈশান কিশান। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৭৭ রান তোলে মুম্বই। ঈশান কিশান ৪৮ বলে ৮১ রান করে অপরাজিত থাকেন। ৪ ওভারে ১৮ রানে ৩ উইকেট নেন কুলদীপ যাদব। ২৭ রানে ২ উইরকেট পান খলিল আমেদ।জয়ের জন্য ১৭৮ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে ভাল শুরু করেছিল দিল্লি ক্যাপিটালস। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৩০। এরপর একই ওভারে টিম সেইফার্ট (২১) ও মনদীপ সিংকে (০) তুলে নিয়ে দিল্লিকে ব্যাকফুটে ঠেলে দেন মুরুগান অশ্বিন। অধিনায়ক ঋষভ পন্থ (১) দ্রুত ডাগ আউটে ফেরায় আরও চাপে পড়ে যায় দিল্লি। একসময় ৭২ রানে ৫ উইকেট হারায়। একসময় মনে হচ্ছিল দিল্লির পক্ষে জেতা সম্ভব হবে না। এরপরই জ্বলে ওঠেন দিল্লির লোয়ার অর্ডার ব্যাটাররা। বল হাত ব্যর্থ হলেও ১১ বলে ২২ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে দলকে ম্যাচে ফেরার শার্দূল ঠাকুর। তিনি আউট হওয়ার সময় দিল্লির রান ছিল ১৩.২ ওভারে ১০৪/৪। এরপরই জ্বলে ওঠেন অক্ষর প্যাটেল ও ললিত যাদব। তাঁদের ৩০ বলে ৭৫ রানের জুটি দিল্লিকে জয়ের পথে নিয়ে যায়। ৩৮ বলে ৪৮ রান করে অপরাজিত থাকেন ললিত। ১৭ বলে অপরাজিত ৩৮ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন অক্ষর প্যাটেল। ৮ বল বাকি থাকতে ১৭৯/৬ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় দিল্লি। ৩৫ রানে ৩ উইকেট নেন বাসিল থাম্পি। ১৪ রানে ২ উইকেট মুরুগান অশ্বিনের।

মার্চ ২৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌রবিবার হাইভোল্টেজ ম্যাচের আগে কেন চিন্তায় রোহিত–ঋষভ?‌

কলকাতা নাইট রাইডার্স ও চেন্নাই সুপার কিংসের ম্যাচ দিয়ে শনিবার হল পঞ্চদশ আইপিএলের বোধন। রবিবার আরও একটা মেগা ম্যাচ। বলতে গেলে উত্তরপশ্চিম ডার্বি। মুখোমুখি হবে রোহিত শর্মার মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ও ঋষভ পন্থের দিল্লি ক্যাপিটালস। প্রথম ম্যাচে মাঠে নামার আগে অবশ্য দুই দলই স্বস্তিতে নেই। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স যেমন পাচ্ছে না সূর্যকুমার যাদবকে। তেমনি দিল্লি ক্যাপিটালস পাবে না ডেভিড ওয়ার্নারকে। তবে শক্তির বিচারে দেখতে গেলে দিল্লি ক্যাপিটালসের থেকে এগিয়ে থেকেই মাঠে নামবে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স।এবারে মেগা নিলামের আগে রোহিত শর্মা, যশপ্রীত বুমরা, ঈশান কিশান ও কিয়েরণ পোলার্ডকে রেখে দিয়েছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। এছাড়া নিলাম থেকে তুলে নিয়েছিল সূর্যকুমার যাদবকে। এই পাঁচজনই মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের মূল ভরসা। এছাড়া নিলাম থেকে তুলে নিয়েছে তিলক ভার্মা, টিম ডেভিড, ডিওয়াল্ড ব্রেভিসের মতো বেশ কয়েকজন তরুণ ক্রিকেটারকে। রয়েছেন জয়দেব উনাদকাত, জোফ্রা আর্চার, ফ্যাবিয়ান অ্যালেন, টাইমল মিলসের মতো অভিজ্ঞ ক্রিকেটাররা। ডিওয়াল্ড ব্রেভিসকে তো ইতিমধ্যেই তুলনা করে হচ্ছে এবি ডিভিলিয়ার্সের সঙ্গে। ব্রেভিস নাকি ডিভিলিয়ার্সের মতো ৩৬০ ডিগ্রি শট খেলতে পারেন। দক্ষিণ আফ্রিকার এই তারকা এবারের আইপিএলে মুম্বইয়ের তুরুপের তাস হতে পারেন। দিল্লির বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে মুম্বই পাবে না সূর্যকুমার যাদবকে। এখনও তিনি পুরোপুরি ফিট নন। জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে তাঁর রিহ্যাব চলছে। কবে যোগ দেবেন, এখনও নিশ্চিত নয়। তাঁর পরিবর্তে হয়তো তরুণ তিলক ভার্মাকে খেলাতে পারে মুম্বই টিম ম্যানেজমেন্ট। ক্যারিবিয়ান তারকা ফ্যাবিয়ান অ্যালেনকে খেলাতে পারে। বোলিং আক্রমণ সামলানোর দায়িত্ব যশপ্রীত বুমরা, জয়দেব উনাদকাত, মুরুগান অশ্বিন, মায়াঙ্ক মার্কান্ডেদের ওপর। অন্যদিকে দিল্লি ক্যাপিটালসও বেশ কয়েকটা ম্যাচে পাবে না ডেভিড ওয়ার্নার ও আনরিখ নর্টিয়েকে। লুঙ্গি এনগিডি, মুস্তাফিজুর রহমানও মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ম্যাচে নেই। শক্তির নিরিখে প্রতিপক্ষের চেয়ে একটু দু্র্বল হওয়া সত্ত্বেও পঞ্চদশ আইপিএল ভালভাবে শুরু করার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী দিল্লি ক্যাপিটালসের হেড কোচ রিকি পন্টিং। দিল্লি ক্যাপিটালসের কাল দুই বড় বিদেশি অস্ত্র রভম্যান পাওয়েল ও টিম সেইফার্ট। বিশেষ করে পাওয়েলকে নিয়ে দারুণ উচ্ছ্বসিত দিল্লি অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। তিনি বলেছেন, চার কিংবা পাঁচ নম্বরে ব্যাট করানো হবে পাওয়ারফুল পাওয়েলকে। নীচের দিকে একজন আক্রমণাত্মক ব্যাটার আমরা খুঁজছিলাম। আশা করি, পাওয়েল সেই দায়িত্ব সফলভাবে পালন করতে পারবেন। পাশাপাশি ডেভিড ওয়ার্নার এলেও দল যে শক্তিশালী হবে তা স্বীকার করেছেন পন্থ। প্রথম ম্যাচে তাঁর সঙ্গে ওপেন করবেন পৃথ্বী শ।

মার্চ ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মরণবাঁচন ম্যাচের সামনে মিতালিরা, ভারত কি পারবে সেমিফাইনালে যেতে?‌

মহিলাদের বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের ছাড়পত্র কি পাবে ভারত? মিতালি রাজদের ভবিষ্যত এখন নিজেদের হাতে। রবিবার দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে লিগ পর্যায়ের শেষ ম্যাচ খেলতে নামছে ২০১৭ বিশ্বকাপের রানার্সরা। সেফিফাইনালের টিকিট পেতে গেলে জেতা ছাড়া রাস্তা নেই ভারতীয় দলের সামনে। হারলে কিংবা পয়েন্ট ভাগাভাগি হলেও মিতালি রাজদের সামনে সেমিফাইনালে যাওয়ার সুযোগ থাকবে। সেক্ষেত্রে ভারতের সামনে এসে পড়বে অনেক জটিল অঙ্ক। ভারতীয় শিবির অবশ্য কোনও জটিল অঙ্কের সামনে যেতে চায় না। লক্ষ্য, প্রোটিয়াদের হারিয়েই সেমিফাইনালের টিকিট জোগাড় করা। ৭ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে থেকে ইতিমধ্যেই সেমিফাইনালে পোঁছে গেছে অস্ট্রেলিয়া। ৬ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট দক্ষিণ আফ্রিকার। দ্বিতীয় স্থান নিশ্চিত করে তারাও সেমিফাইনালের টিকিট পেয়ে গেছে। বাকি দুটি জায়গার জন্য লড়াই ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইংল্যান্ড ও ভারতের মধ্যে। ৭ ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে এই মুহূর্তে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ক্যারিবিয়ানরা। ভারত ও ইংল্যান্ডের পয়েন্ট ৬। নেট রান রেটে এগিয়ে থাকার সুবাদে ইংল্যান্ড (+০.৭৭৮) রয়েছে চতুর্থ স্থানে। ভারত (+০.৭৬৮) রয়েছে পঞ্চম স্থানে। ভারত যদি শেষ ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারায় তাহলে সেমিফাইনালে পৌঁছে যাবে। কারণ সেক্ষেত্রে পয়েন্টের বিচারে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে টপকে যাবে। ভারত হারলেও সেমিফাইনালের টিকিট পেতে পারে। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের কাছে জঘন্যভাবে হারতে হবে গতবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডকে। ভারতদক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ ভেস্তে গেলেও মিতালি রাজদের সামনে সেমিফাইনালে খেলার সুযোগ এসে যাবে। ম্যাচ ভেস্তে গেলে ভারতের পয়েন্ট হবে ৭। ওয়েস্ট ইন্ডিজেরও পয়েন্ট ৭। নেট রানরেটে ক্যারিবিয়ানদের (-০.৮৯০) থেকে এগিয়ে ভারত (+০.৭৬৮)। বোলিং নিয়ে চিন্তা না থাকলেও ভারতের মূল সমস্যা ব্যাটিং। টপ ও মিডল অর্ডারদের ব্যাটাদের ধারাবাহিকতার অভাব। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে জিততে গেলে স্মৃতি মান্ধানা, মিতালি রাজদের রান পেতে হবে। বড় জুটি গড়ে তুলতে হবে ভারতকে। সেই কথাই শোনা গেছে ভারতীয় দলের ওপেনার শেফালি ভার্মার মুখে। মরণবাঁচন ম্যাচে নামার আগে তিনি বলেন, আমাদের সামনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। দলের প্রত্যেকেই সেটা জানে। সবাই ১০০ শতাংশ দেওয়ার জন্য মুখিয়ে রয়েছে। জিততে গেলে আমাদের বড় জুটি তৈরি করতে হবে।

মার্চ ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

সেমিফাইনালের টিকিট পাবে ভারত?‌ জটিল অঙ্ক মিতালিদের সামনে

কদিন আগেই মহিলাদের বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে ভারতের সুবিধা করে দিয়েছিল পাকিস্তান। আর বৃহস্পতিবার ইংল্যান্ডের কাছে বিধ্বস্ত হয়ে ভারতের সেমিফাইনালে ওঠার কাজ কঠিন করে দিল। পাকিস্তানকে উড়িয়ে নেট রান রেট বাড়িয়ে নিয়ে লিগ টেবিলে ভারতের ওপরে উঠে গেল ইংল্যান্ড। এখন সেমিফাইনালে যেতে গেলে লিগ পর্যায়ের শেষ ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া রাস্তা নেই মিতালি রাজদের। ভারতের সেমিফাইনালের ওঠার সমীকরণ বদলে দিল বৃহস্পতিবার দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচ। ৬ ম্যাচে ১২ পয়েন্টে লিগ টেবিলের শীর্ষে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া। আগেই তারা সেমিফাইনালের ছাড়পত্র পেয়ে গেছে। ৬ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট পেয়ে সেমিফাইনালে নিশ্চিত দক্ষিণ আফ্রিকা। ৭ ম্যাচে ৭ পয়েন্টে তৃতীয় স্থানে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বৃহস্পতিবার দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের ম্যাচ ছিল। বৃষ্টির জন্য ম্যাচ ভেস্তে যায়। দুই দলই ১ পয়েন্ট করে পায়। যদি এই ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজ হারত, তাহলে ভারতের সুবিধা হয়ে যেত। কিন্ত তা হল না। ম্যাচ থেকে ১ পয়েন্ট পাওয়ায় ওয়েস্ট ইন্ডিজেরও সেমিফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা রইল। শেষ ম্যাচে ইংল্যান্ড খেলবে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে। এই মুহূর্তে ৬ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট ইংল্যান্ডের। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে জিতলে ৭ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট হবে ৮। ফলে জিতলে তারাও সেমিফাইনালে চলে যাবে। কারণ নেট রান রেটে ভারতের থেকে এগিয়ে ইংল্যান্ড। ভারত যদি শেষ ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারায় তাহলে তাহলে ৭ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে সেমিফাইনালে পৌঁছে যাবে। সেক্ষেত্রে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আর শেষ চারের টিকিট পাওয়া সম্ভব হবে না। ভারতদক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ ভেস্তে গেলেও মিতালি রাজরা সেমিফাইনালে পৌঁছে যাবে। কারণ ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের পয়েন্ট তখন সমান হয়ে গেলেও নেট রান রেটে ক্যারিবিয়ানদের তুলনায় ভারত এগিয়ে। মিতালি রাজরা অবশ্য আশাবাদী, দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়েই শেষ চারের টিকিট পাবেন।

মার্চ ২৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দুরন্ত জয়, তবু কি সেমিফাইনালে উঠতে পারবে ভারত?‌

ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার কাছে পরপর দুই ম্যাচে হারে পর ঘুরে দাঁড়াল ভারত। গ্রুপ লিগের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বাংলাদেশকে ১১০ রানে উড়িয়ে মহিলাদের বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে ওঠার রাস্তা অনেকটাই প্রশস্ত করলেন মিতালি রাজরা। ৬ ম্যাচে ভারতের পয়েন্ট দাঁড়াল ৬। ওয়েস্ট ইন্ডিজেরও পয়েন্ট ৬। নেট রান রেটে ক্যারিবিয়ানদের পেছনে ফেলে লিগ টেবিলে তৃতীয় স্থানে উঠে এল ভারত। ভারতের জয়ে এদিন বড় অবদান রাখলেন বোলাররা। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ভারতের ম্যাচ ছিল মরণবাঁচনের লড়াই। টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন মিতালি রাজ। লক্ষ্য ছিল বড় রান তুলে বাংলাদেশকে চাপে ফেলা। একই সঙ্গে বড় ব্যবধানে জিতে নেট রানরেট বাড়িয়ে রাখা। বড় ব্যবধানে জয়ের পাশাপাশি নেট রান রেট বাড়ানোর লক্ষ্যে সফল মিতালি রাজরা। ব্যাট কতরতে নেমে এদিন ভাল শুরু করেছিলেন ভারতের দুই ওপেনার স্মৃতি মান্ধানা ও শেফালি ভার্মা। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৭৪। এরপর হঠাৎই ধস নামে ভারতীয় ইনিংসে। পরপর ফিরে যান স্মৃতি মান্ধানা (৩০), শেফালি ভার্মা (৪২) ও মিতালি রাজ (০)। দ্রুত ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ভারত। ক্রিজে নেমে হরমনপ্রীত কাউর বিপর্যয় সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু ঝুঁকি নিতে গিয়ে তিনি রান আউট হন। ৩৩ বলে ১৪ রান করেন হরমনপ্রীত। রিচা ঘোষ (২৬), পূজা বস্ত্রকার (অপরাজিত ৩০), স্নেহ রানাদের (২৭) সৌজন্যে ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ২২৯ তোলে ভারত। বাংলাদেশের হয়ে রিতু মনি ৩৭ রানে ৩টি ও নাহিদা আখতার ৪২ রানে ২টি উইকেট নেন। জয়ের জন্য ২২৯ রান তাড়া করতে নেমে শুরু থেকে চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। ১২ রানে প্রথম উইকেট হারায়। এরপর নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট পড়তে থাকে। বাংলাদেশের টপ অর্ডারের কোনও ব্যাটারই রান করতে পারেননি। একসময় ৩৫ রানে ৫ উইকেট পড়ে যায়। সেখান থেকে লতা মণ্ডল (২৪) ও সালমা খাতুনের (৩২) জুটি বিপর্যয় কিছুটা সামাল দেয়। রিতু মনি করেন ১৬। ভারতের হয়ে স্নেহ রানা ৩০ রানে ৪ উইকেট নেন। দুরন্ত বোলিং করে ১৯ রানে ২ উইকেট তুলে নেন ঝুলন গোস্বামী। পূজা বস্ত্রকার ২৬ রানে নেন ২ উইকেট। গ্রুপ লিগে ভারত শেষ ম্যাচে খেলবে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে। সেই ম্যাচ জিতলেই সেমিফাইনালে পৌঁছে যাবে ভারত।

মার্চ ২২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে ভারতের সুবিধা করে দিল পাকিস্তান!‌

সোমবার মহিলাদের টি২০ বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিল পাকিস্তান। পাকিস্তানের কাছে এই ম্যাচের গুরুত্ব যতটা না ছিল, তার থেকেও অনেক বেশি গুরুত্ব ছিল ভারতের কাছে। মিতালি রাজরা প্রবলভাবেই এদিন পাকিস্তানের জয় চেয়েছিলেন। না পাকিস্তানের জন্য নয়, নিজেদের স্বার্থে। বিসমা মারুফরা হতাশ করেননি মিতালি রাজদের। বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৮ উইকেটে হারিয়ে ভারতের সুবিধা করে দিল পাকিস্তান। ১৩ বছর পর বিশ্বকাপের কোনও ম্যাচে প্রথম জয় পেল পাকিস্তান। ৫ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে সেমিফাইনালের টিকিট ইতিমধ্যেই জোগাড় করে ফেলেছে অস্ট্রেলিয়া। দক্ষিণ আফ্রিকারও সেমিফাইনালে ওঠা অনেকটাই নিশ্চিত। ৪ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ৮। বাকি দুটি জায়গার জন্য লড়াই ভারত, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের। ৬ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট পেয়ে লিগ টেবিলে ৩ নম্বরে রয়েছে ক্যারিবিয়ানরা। সোমবার পাকিস্তানের কাছে নিজেদের ভবিষ্যত অনিশ্চিত করে তুলেছে। প্রথম জয় তুলে নিয়ে পাকিস্তানও নিজেদের ক্ষীণ আশা বাঁচিয়ে রেখেছে। ৫ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে গতবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডও দারুণভাবেই সেমিফাইনালের লড়াইয়ে রয়েছে। লড়াইয়ে রয়েছে নিউজিল্যান্ডও। ৬ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ৪। পাকিস্তানের মতো ক্ষীণ আশা রয়েছে বাংলাদেশেরও (৪ ম্যাচে ২ পয়েন্ট)। মঙ্গলবার ভারতকে হারালে তারাও সেমিফাইনালের লড়াইয়ে দারুণভাবে ঢুকে পড়বে। তবে সোমবার ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে চমক দিয়েছে পাকিস্তান। বৃষ্টির জন্য অনেক দেরিতে খেলা শুরু হয়। ম্যাচ কমিয়ে নিয়ে আসা হয় ২০ ওভারে। প্রথমে ব্যাট করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৭ উইকেটে তোলে ৮৯। নাইদা দার ১০ রানে ৪ উইকেট নেন। জবাবে ১৮.৫ ওভারে ২ উইকেটে ৯০ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় পাকিস্তান। ওয়েস্ট ইন্ডিজ হারায় ভারতের অনেকটাই সুবিধা হল। যদি ক্যারিবিয়ানরা জিতত, তাহলে সেমিফাইনালের দিকে অনেকটাই এগিয়ে যেত। এখন সেমিফাইনালের জন্য ভারতের সঙ্গে তাদেরও লড়তে হবে। মঙ্গলাবর বাংলাদেশের বিরুদ্ধে জিতলে ভারতও দারুণভাবেই সেমিফাইনালের লড়াইয়ে থাকবে। তবে লিগের শেষ ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে জিততে হবে। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী ভারতীয় শিবির। তবে টিম ম্যানেজমেন্টকে ভাবাচ্ছে দলের ধারাবাহিকতার অভাব। আগের দুটি ম্যাচে ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার কাছে হারতে হয়েছে। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ডু অর ডাই ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর ব্যাপারে আশাবাদী মিতালি রাজরা।

মার্চ ২১, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • ...
  • 37
  • 38
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

আজ থেকে শুরু চূড়ান্ত যাচাই! বিচারকদের হাতে ভোটার নথি পরীক্ষার দায়িত্ব, তুঙ্গে নির্বাচন প্রস্তুতি

ভোটার তালিকার বিশেষ পুনর্বিবেচনা প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত যাচাই পর্ব আজ থেকে শুরু হচ্ছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির অধীনে নিযুক্ত বিচারবিভাগীয় আধিকারিকরা এই কাজে অংশ নিচ্ছেন। সোমবার থেকেই জেলা ও অন্যান্য আদালতের বিচারকরা সরাসরি ভোটার নথি যাচাইয়ের দায়িত্ব পালন করবেন।এই প্রক্রিয়া শুরুর আগে রবিবার দিনভর প্রস্তুতি চলে। সকালে নির্বাচন কমিশনের পর্যবেক্ষক ও মাইক্রো পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে বিচারকদের একটি বৈঠক হয় কলকাতার টি বোর্ডের দফতরে। সেখানে কোন নথির ভিত্তিতে এবং কী পদ্ধতিতে যাচাই হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পরে বিকেলে হাইকোর্টে প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের নেতৃত্বে পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকার সহ সংশ্লিষ্ট কর্তাদের আরেক দফা বৈঠক হয়। পাশাপাশি অনলাইনে জেলা বিচারকদের ভার্চুয়াল প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়েছে।মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যেক বিচারকের জন্য আলাদা প্রবেশ পরিচয় তৈরি করা হয়েছে। নির্দিষ্ট পোর্টালে নাম ও ফোন নম্বর দিলে যাচাইকরণ সংকেত আসবে, তার মাধ্যমে বিচারকরা প্রবেশ করতে পারবেন। প্রবেশ করার পর সংশ্লিষ্ট এলাকার যাচাইয়ের অপেক্ষায় থাকা ভোটারদের তথ্য খুলে যাবে।সূত্রের খবর, পর্দার একদিকে থাকবে ভোটারের তথ্য ও জমা দেওয়া নথি, অন্যদিকে থাকবে বুথ স্তরের আধিকারিক, নির্বাচন নিবন্ধন আধিকারিক, সহকারী নির্বাচন আধিকারিক এবং মাইক্রো পর্যবেক্ষকদের মতামত। সব কিছু যাচাই করার পর বিচারককে সিদ্ধান্ত জানাতে হবে এবং প্রয়োজন হলে মন্তব্যও লিখতে পারবেন।বিশেষ তালিকা পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত জানিয়েছেন, আজ থেকেই নথি যাচাইয়ের কাজ শুরু হচ্ছে। বিধানসভা ভিত্তিক বিচারবিভাগীয় আধিকারিকরা এই দায়িত্ব পালন করবেন এবং জেলা বিচারকদের জন্য আলাদা পোর্টালও প্রস্তুত করা হয়েছে।সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর শনিবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল সংশ্লিষ্ট পক্ষদের নিয়ে বৈঠক করেন। সেই বৈঠকের পরই বিচারকদের তালিকা প্রকাশ করা হয়। হাইকোর্ট সূত্রে জানা গেছে, মাদক ও শিশু সুরক্ষা সংক্রান্ত মামলার একশো বিচারক এবং অন্যান্য আদালতের আরও দেড়শো বিচারক এই যাচাই প্রক্রিয়ায় দায়িত্ব পালন করবেন।এই পর্যায়ে বিপুল সংখ্যক ভোটারের নথি যাচাই বাকি রয়েছে। ফলে সামনে রয়েছে বিশাল কর্মযজ্ঞ এবং নির্বাচন কমিশনের উপর বাড়ছে চাপ।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬
বিদেশ

রমজান মাসে পাকিস্তানের বর্বর হামলা আফগানিস্তানে! নারী ও শিশুরা নিহত, ভারত সরব

পাকিস্তান বারবার নিজেকে ইসলামের ধারক-বাহক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করলেও এবার রমজান মাসে আফগানিস্তানের ওপর বিমান হামলা চালিয়েছে। হামলা শুধু সীমান্তে সীমাবদ্ধ থাকেনি, বেছে বেছে মসজিদ ও মাদ্রাসা লক্ষ্য করে পাকিস্তান গোলা ছুঁড়েছে।আফগান সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, শনিবার গভীর রাতে নাঙ্গারহার এবং পাকটিকা প্রদেশে পাকিস্তানি বিমান হামলা চালায়। এতে অন্তত ১৯ জনের মৃত্যু হয়। ধ্বংসস্তূপের নিচে জখম হয়েছেন আরও অনেকে। পাকিস্তান দাবি করেছে, এই হামলার উদ্দেশ্য আফগান সীমান্তে সক্রিয় জঙ্গিঘাঁটিগুলি ধ্বংস করা। তবে স্থানীয়রা বলছে, হামলার লক্ষ্য সরাসরি মসজিদ ও মাদ্রাসা। স্থানীয় আবদুল্লা জান, নাসিম গুল ও মহম্মদ জুবের জানিয়েছেন, এখানে কোনও সামরিক ঘাঁটি নেই। তবু পাকিস্তান আমাদের আকাশসীমায় ঢুকে হামলা চালিয়েছে। অন্তত ১০ লাখ আফগান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সবাই আতঙ্কে কাঁপছে।তালিবান সরকারের মুখপাত্র জবিউল্লা মুজাহিদ জানিয়েছেন, নিরীহ মহিলা ও শিশুদের হত্যার জবাব দেওয়া হবে এবং সময়মতো বদলা নেওয়া হবে। এ পরিস্থিতিতে আফগানিস্তানের পাশে দাঁড়িয়েছে ভারত। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, রমজান মাসে আফগানিস্তানের আকাশসীমায় ঢুকে হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। নারী ও শিশু নিহত হয়েছেন। এটি অত্যন্ত নিন্দনীয়। উল্লেখ্য, অপারেশন সিঁদুরের পর ভারত ও আফগানিস্তানের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে। কঠিন সময়ে নয়াদিল্লি সবসময় আফগানিস্তানের পাশে দাঁড়িয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬
রাজ্য

প্রধানমন্ত্রীর খোলা চিঠি: বঙ্গবাসীকে ডাক দিলেন বিজেপি সরকারের জন্য, ‘জয় মা কালী’ স্লোগান নিয়ে রাজনৈতিক ঝড়

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বঙ্গবাসীর উদ্দেশ্যে একটি খোলা চিঠি লিখেছেন। চিঠি শুরু করেছেন জয় মা কালী লিখে। তিনি লিখেছেন, সোনার বাংলার মানুষ আজ বঞ্চিত এবং এই অবস্থায় তাঁর মন ভারাক্রান্ত। চিঠিতে তিনি বাংলার মণীষীদের অবদানও স্মরণ করেছেনস্বামী বিবেকানন্দ, ঋষি অরবিন্দ, সুভাষচন্দ্র বোস সহ বিভিন্ন প্রখ্যাত ব্যক্তির কথা উল্লেখ করেছেন।মোদীর চিঠি বাংলার রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা তৈরি করেছে। কারণ, গত লোকসভা নির্বাচনের সময় জয় শ্রী রাম শব্দবন্ধকে কেন্দ্র করে তাপমাত্রা বেড়েছিল। বাংলার তৃণমূল ও অন্যান্য রাজনৈতিক দল বারবার বলেছে, রাজনীতিতে জয় শ্রী রাম গ্রহণযোগ্য নয়। এর প্রতিক্রিয়ায় তৃণমূল কর্মীরা জয় মা কালী স্লোগান দিতে শুরু করে। এমনকি লোকসভা মঞ্চেও একাধিক তৃণমূল সাংসদ এই স্লোগান দেন।চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, বাংলার মানুষ বঞ্চিত এবং তাঁদের যন্ত্রণায় তিনি ভারাক্রান্ত। তিনি বাংলায় সেবা করার সুযোগ চাইছেন। পাশাপাশি চিঠিতে তিনি তোষণের রাজনীতি ও অপশাসনের কথাও উল্লেখ করেছেন। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, কাজের জন্য মানুষকে ভিন রাজ্যে যেতে হবে না, মহিলাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে এবং অনুপ্রবেশ রুখে শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।চিঠির এই প্রতিটি শব্দবাংলার রাজনীতিতে গুরুত্ব বহন করছে এবং ভোটের আগেই রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়াচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬
রাজ্য

মুকুল রায় চলে গেলেন চিরতরে! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শোকাহত, প্রধানমন্ত্রীও প্রকাশ করলেন সমবেদনা

দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহযোদ্ধা এবং তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা মুকুল রায় চলে গেলেন। তাঁর প্রয়াণে বিচলিত ও মর্মাহত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক্স হ্যান্ডেলে শোকজ্ঞাপন করেন। তিনি লিখেছেন, প্রবীণ রাজনীতিবিদ মুকুল রায় দীর্ঘদিন আমার রাজনৈতিক সহকর্মী ছিলেন। বহু সংগ্রামে আমাদের সঙ্গে ছিলেন। তাঁর বিদায়ের সংবাদে আমি অত্যন্ত মর্মাহত।মমতা আরও বলেন, মুকুল রায় তৃণমূল কংগ্রেসের জন্মলগ্ন থেকে দলের জন্য প্রাণপাত করেছেন। তিনি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও ছিলেন এবং দলের সর্বস্তরে গ্রহণযোগ্যতা রাখতেন। পরবর্তীতে ভিন্ন পথে গেলেও ফিরে এসেছিলেন। বাংলার রাজনীতিতে তাঁর অবদান এবং সাংগঠনিক দক্ষতা আমরা কখনও ভুলব না। দলমত নির্বিশেষে রাজনৈতিক মহল তাঁর অভাব অনুভব করবে। তিনি মুকুলের পুত্র শুভ্রাংশুকে শক্ত থাকার বার্তাও দিয়েছেন।মুকুল রায়ের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বাংলায় লিখেছেন, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শ্রী মুকুল রায়ের প্রয়াণে শোকাহত। তাঁর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সমাজসেবামূলক প্রচেষ্টা স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর পরিবার ও সমর্থকদের প্রতি সমবেদনা জানাই।প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন মুকুল রায়। পরে আবার তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরে আসেন। তবে জীবনের শেষদিন পর্যন্ত বিজেপির বিধায়ক পদেই থাকলেন তিনি।মুকুল রায়ের প্রয়াণ বাংলার রাজনীতিতে এক অধ্যায়ের সমাপ্তি। তাঁর নেতৃত্ব, প্রভাব ও সাংগঠনিক দক্ষতা সবসময় স্মৃতিতে থাকবে।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬
বিদেশ

মেক্সিকো তপ্ত! মোস্ট ওয়ান্টেড ড্রাগ কার্টেল নেতা এল মেনচো নিহত, শহরে তাণ্ডব ও আগুন

মেক্সিকো জ্বলছে। দেশ তথা বিশ্বের অন্যতম ভয়ঙ্কর ও মোস্ট ওয়ান্টেড মাদক পাচারকারী এল মেনচো সেনার সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন। মেক্সিকোর সেনা দেশের বিভিন্ন অংশে মাদকবিরোধী অভিযান চালাচ্ছিল। জালিস্কো শহরে সামরিক অভিযানের সময় আহত হন এল মেনচো। তাকে আকাশপথে মেক্সিকো সিটিতে নিয়ে যাওয়ার সময় মৃত্যুর খবর আসে।এল মেনচো জালিস্কো নিউ জেনেরেশন কার্টেলের নেতা ছিলেন। তার মাথার উপরে ১৫ মিলিয়ন ডলারের পুরস্কার ছিল। আমেরিকা এই গোষ্ঠীকে সন্ত্রাসবাদী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করেছিল। সেনাদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে আহত হন এল মেনচো। অভিযানে তাঁর ছাড়াও আরও ছয়জনকে নিকেশ করা হয়েছে, দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে রকেট লঞ্চার ও বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। সংঘর্ষে তিনজন সেনা আহত হয়েছেন।এল মেনচোর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই শহরে অশান্তি ছড়িয়ে পড়ে। কার্টেলের সদস্যরা বন্দুক নিয়ে রাস্তায় নামেন। পশ্চিম জালিস্কোর কমপক্ষে ২০টি রাস্তা অবরোধ করা হয়। রাস্তায় থাকা গাড়ি ও ট্রাক জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। আশেপাশের রাজ্যগুলিতেও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিমানবন্দরে ঢুকেও তাণ্ডব চালানো হয়।মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লডিয়া শিনবম নাগরিকদের শান্ত থাকার আবেদন জানিয়েছেন। কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে মিলিত হয়ে শান্তি ফেরানোর চেষ্টা করছে।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬
রাজ্য

১৯ বছরের সম্পর্ক ছেদ করে বিজেপিতে গিয়েছিলেন মুকুল রায়, এত কষ্টের কেন শেষ পরিণতি

বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ মুকুল রায় চলে গেলেন। দীর্ঘদিন অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই করার পর সোমবার রাত দেড়টার সময় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মুকুল রায়ের প্রয়াণে রাজনৈতিক মহলে শোকের ছায়া নেমেছে। বাংলার রাজনীতির বহু মানুষ স্মৃতিচারণ করছেন, মনে করিয়ে দিচ্ছেন কেন তাঁকে বঙ্গ রাজনীতির চাণক্য বলা হতো।যুব কংগ্রেসের সময় রাজনীতি শুরু করে মুকুল রায় পরবর্তী সময়ে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হন। ১৯৯৮ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল কংগ্রেস গঠনের সময় সর্বদা পাশে ছিলেন। দলের অগ্রগতিতে তাঁর অবদান ছিল বিশাল। প্রতিটি বুথ, ব্লক, জেলা, শহর স্তরের খবর তাঁর নখদর্পণে ছিল। দলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড হিসেবে তিনি দলের অন্তপ্রাণ হয়ে উঠেছিলেন। তৃণমূলের পার্টি অফিসে সপরিবারে থাকতেন তিনি।২০০৬ সালে জমি অধিগ্রহণ অভিযান ও সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময় মুকুল রায় ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহযোদ্ধা। পরবর্তী সময়ে তিনি জাহাজ মন্ত্রী, রেলমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১১ সালের নির্বাচনের পরও অত্যন্ত সক্রিয় ছিলেন। ২০১৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে সাংগঠনিক নেতৃত্ব দেন এবং দেড় বছর ধরে দলের নেতৃত্বে দলবদল কর্মসূচি চালান। বিভিন্ন শরিক দলের নেতা-কর্মীদের ভাঙিয়ে তৃণমূলে যোগদান করান। এই কর্মসূচির ফলে বাংলার রাজনীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন আসে।তবে সারদা কেলেঙ্কারি ও নারদা স্টিং অপারেশনের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়। দলের একাংশের মধ্যে অভিযোগ ওঠে, মুকুল রায় নিজের প্রভাব বৃদ্ধি করছেন এবং প্রশাসনকেও প্রভাবিত করতে পারতেন। নারদা মামলায় সিবিআইয়ের ডাকের পর তিনি নিজের মতো করে সংগঠন চালাতে থাকেন। জল্পনা ওঠে আলাদা দল তৈরি করবেন কি না।শেষ পর্যন্ত ২০১৭ সালে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে তিনি বিজেপিতে যোগ দেন। কৃষ্ণনগর থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হন। ২০২১ সালের ১১ জুন আবার তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরে আসেন, তবে আগের মতো সক্রিয় ছিলেন না। শারীরিক ও মানসিক সমস্যার কারণে মূল রাজনীতির মঞ্চে দেখা কম হয়। স্ত্রী প্রয়াণের পর আচরণে অসঙ্গতি দেখা দেয়, একাধিকবার ক্যামেরায় অসংলগ্ন কথাবার্তা ধরা পড়ে। তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেও বিজেপির বিধায়ক পদ ছাড়েননি। এই বিতর্ক আদালত পর্যন্ত পৌঁছায়। সুপ্রিম কোর্ট মানবিকতার কারণে তাঁর বিধায়ক পদ রাখার নির্দেশ দেন।মুকুল রায়ের প্রয়াণ বাংলার রাজনীতিতে এক অধ্যায়ের সমাপ্তি। তাঁর নেতৃত্ব, প্রভাব এবং সংগঠন করার ক্ষমতা বাংলা রাজনীতিতে অনস্বীকার্য।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬
রাজ্য

সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামের কাণ্ডারী মুকুল রায়! ছায়াসঙ্গী ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ মুকুল রায় দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই করছিলেন। সোমবার রাত দেড়টার সময় শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মুকুল রায়ের প্রয়াণে রাজনৈতিক মহলে শোকের ছায়া নেমেছে। অনেকেই স্মৃতিচারণ করছেন, আর রাজনীতির মানুষজন মনে করিয়ে দিচ্ছেন কেন তাঁকে বঙ্গ রাজনীতির চাণক্য বলা হতো।যুব কংগ্রেসে নেতা হিসাবে মুকুল রায় তাঁর রাজনৈতিক জীবন শুরু করেছিলেন। সেখানেই পরিচয় হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। তিনি মমতাকে দিদি বলে সম্বোধন করতেন, আর মমতাও তাঁকে ভাইয়ের মতো স্নেহ করতেন। প্রতি বছর ভাইফোঁটা দেওয়ার রীতি ছিল, যদিও শেষ কয়েক বছরে নানা কারণে তা থেমে গিয়েছিল।মুকুল রায় ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। ১৯৯৮ সালে যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল কংগ্রেস গঠন হয়, তিনি সর্বদা পাশে ছিলেন। দল গঠনের সময় থেকে প্রতিটি ব্লক, বুথ, জেলা এবং শহরে তৃণমূলের পরিচয় দেওয়ার কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন তিনি। সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময়ও তিনি ছিলেন নেতৃত্বের মুখ।২০০৬ সালে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হন এবং দলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ডের দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ সালে জগদ্দল বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিধানসভা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলেন, তবে প্রথমবার হেরে যান। এরপরও তাঁর লড়াকু মনোবল কখনও হ্রাস পায়নি। ২০০৬ সালে রাজ্যসভার সদস্য মনোনীত হন এবং ২০০৯ থেকে ২০১২ পর্যন্ত তৃণমূলের রাজ্যসভার দলনেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১১ সালের নির্বাচনে তিনি তৃণমূলের গুরুত্বপূর্ণ কাণ্ডারী ছিলেন।জমি আন্দোলনের সময়ও সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছেন। ২০১৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে সাংগঠনিক নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। কংগ্রেস ও বিভিন্ন বামদল ভেঙে তৃণমূলে নেতা-কর্মীদের আনার কাজও মুকুল রায়ের নেতৃত্বে সম্পন্ন হয়। দ্বিতীয় ইউপিএ জমানায় জাহাজ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১২ সালে রেলমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন।কিছু বছর পর তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেন। কৃষ্ণনগর থেকে বিজেপির টিকিটে জয়ী হন। তবে ২০২১ সালে ফের তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন করলেও মূল রাজনীতির মঞ্চ থেকে ধীরে ধীরে সরে যান।বাংলার রাজনীতিতে তাঁর শূন্যস্থান পূরণ করা সহজ হবে না। মুকুল রায় ছিলেন যে কারণে তৃণমূল কংগ্রেসের চাণক্য, তা চলে গেলেও স্মৃতিতে বেঁচে থাকবে।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬
রাজ্য

বাংলার রাজনীতির শেষ চাণক্য! মুকুল রায়ের মৃত্যুতে তৃণমূল শোকে স্তব্ধ

বাংলার রাজনীতির এক প্রভাবশালী অধ্যায়ের ইতি ঘটল। তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা মুকুল রায় সোমবার রাত দেড়টার সময় শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। তাঁর প্রয়াণের খবর মিলার সঙ্গে সঙ্গে রাজনৈতিক মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।মুকুল রায় গত কয়েক মাস ধরে অসুস্থ ছিলেন এবং সল্টলেকের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। তাঁর ছেলে শুভ্রাংশু রায় জানান, রাত দেড়টার সময় ঘটনার পর চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলার পর হাসপাতালে যাচ্ছেন এবং পরে সকলের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন। তিনি আরও বলেন, কেউ হয়তো জানেনই না যে বাবা আর নেই।মুকুল রায়ের রাজনৈতিক জীবন দীর্ঘ এবং বর্ণময়। তৃণমূল কংগ্রেসে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরই দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ নেতা ছিলেন। রাজ্যসভার সাংসদ, দেশের রেলমন্ত্রী ও জাহাজমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। রাজনীতির ক্ষেত্রে তাঁর প্রভাব ছিল মাপের বাইরে। এক সময়ে তাঁকে বাংলার চাণক্য ও বঙ্গেশ্বর বলা হতো।তৃণমূল কংগ্রেসের সংগঠন তৈরি থেকে জমি আন্দোলন ও পরিবর্তনের লড়াই, সব সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে তৃণমূলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে তাঁর অবদান অসীম।কয়েক বছর তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেছিলেন এবং কৃষ্ণনগর থেকে জয়ী হন। ২০২১ সালে ফের তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরলেও স্বাস্থ্যগত কারণে মূল মঞ্চ থেকে ধীরে ধীরে সরে যান। দীর্ঘদিন হাসপাতালে ভর্তি থাকার পর সোমবার রাতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন মুকুল রায়।বাংলার রাজনীতিতে তাঁর শূন্যস্থান পূরণ করা সহজ হবে না। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মুকুল রায়ের প্রয়াণ তৃণমূলের জন্য এক বড়ো ধাক্কা।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal