• ১ ভাদ্র ১৪৩৩, বুধবার ১৯ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

IC

খেলার দুনিয়া

‌বাবার মৃত্যু সংবাদ শুনেও লড়াইয়ের ময়দান ছেড়ে পালিয়ে যাননি কোহলি

শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে মোহালিতে শততম টেস্ট খেলতে নামছেন বিরাট কোহলি। তাঁর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের এই দীর্ঘ পথে বরাবরই দায়বদ্ধতার পরিচয় দিয়েছেন। যা রনজি খেলার সময়ও দেখা গিয়েছিল। দিল্লি রনজি দলের সতীর্থ পুনিত বিস্তের মুখে শোনা গেছে সেই দায়বদ্ধতার গল্প। বাবার মৃত্যু সংবাদ শুনেও লড়াইয়ের ময়দান ছেড়ে পালিয়ে যাননি। বুক চিতিয়ে লড়াই করেছেন দলের জন্য। প্রত্যয়ী মানসিকতা নিয়ে। ২০০৬ সালের দিল্লি বনাম কর্ণাটক রনজির গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ চলছিল। সবে তখন ১৭ বছর বয়স বিরাট কোহলির। ততদিনে জায়গা করে নিয়েছেন দিল্লি রনজি দলে। কর্ণাটক ম্যাচ চলাকালীন দ্বিতীয় দিন রাতে মারা গিয়েছিলেন কোহলির বাবা প্রেম। তৃতীয় দিন সকালে দিল্লি ড্রেসিংরুমে সকলেই শোকে বিহ্বল। থমথমে পরিবেশ। কোচ চেতন চৌহান থেকে শুরু করে অধিনায়ক মিঠুন মানহাস, সকলেই কোহলিকে বোঝানোর চেষ্টা করেছিলেন বাড়ি ফিরে যাওয়ার জন্য। কারও কথা শোনেননি কোহলি। ব্যাট করতে যাওয়ার জন্য ড্রেসিংরুমের এককোণে দাঁড়িয়ে তৈরি হচ্ছিলেন। দলের প্রতি কোহলির সেই দায়বদ্ধতার কথা আজও চোখের সামনে ভেসে ওঠে পুনিত বিস্তের। কোহলির শততম টেস্ট খেলতে নামার প্রাক্কালে সেদিনের ঘটনার কথা স্মরণ করে পুনিত বলেন, তৃতীয় দিন সকালে আমার ও কোহলির ব্যাট করতে নামার কথা। আগের দিন রাতে কোহলির পিতৃবিয়োগ হয়েছে। কোচ চেতন চৌহান, অধিনায়ক মিঠুন মানহাস, দলের বাকিরা কোহলিকে বারবার বুঝিয়েছিল বাড়ি ফিরে গিয়ে এই শোকের পরিবেশে পরিবারের পাশে থাকার জন্য। কিন্তু কোহলি কারও কথা শোনেনি। ওর পরিকল্পনা ছিল অন্য। কোহলি চায়নি একজন ব্যাটারকে হারিয়ে দল বিপদে পড়ুক। আমার সঙ্গে ব্যাট করতে নেমেছিল। এখনও ভাবলে অবাক হই, কতটা মনের জোর থাকলে ওইরকম পরিস্থিতিতে মাঠে নামা যায়। ব্যাট করতে নেমে পুনিতের সঙ্গে জুটিতে ১৫২ রান তুলেছিলেন কোহলি। মাত্র ১০ রানের জন্য সেঞ্চুরি হাতছাড়া করেছিলেন তিনি। আম্পায়ারের ভুল সিদ্ধান্তের শিকার হয়েছিলেন কোহলি। পুনিত বিস্ত সেই ইনিংসে করেছিলেন ১৫৬। পুনিতের মতে কোহলির ওই ইনিংস চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি বলেন, ওই রকম মানসিক পরিস্থিতিতে কোহলিকে ব্যাট করতে পাঠানো ঠিক হবে কিনা, তা নিয়ে অনেকের মনে প্রশ্ন ছিল। কিন্তু মাঠে নেমে দাপটের সঙ্গে ব্যাট করেছিল কোহলি। শোককে পেছনে ফেলে প্রত্যয়ী হয়ে উঠেছিল। আমি ওকে সান্তনা দেব কী, কোহলিই আমাকে বারবার বলছিল, আউট হওয়া চলবে না, লম্বা ইনিংস খেলতে হবে।

মার্চ ০১, ২০২২
ব্যবসা

এক লাফে ১০৮ টাকা বেড়ে বাণিজ্যিক রান্নার গ্যাস ২০৯৫ টাকা!

গৃহস্থের হেঁশেলের রান্নার গ্যাসের দাম এই দফায় বাড়ল না। কিন্তু তাঁদের উদ্বেগ বহু গুণ বাড়িয়ে হোটেল-রেস্তরাঁয় ব্যবহৃত রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার মার্চে ১০৮ টাকা বেড়ে ২০০০ পেরোল কলকাতায়। সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, পেট্রল-ডিজ়েলের মতো রান্নার গ্যাসের দামও যে পাঁচ রাজ্যে বিধানসভার ভোটের দিকে তাকিয়ে স্থির, সেটা মোটামুটি পরিষ্কার।গৃহস্থের বোঝা বাড়িয়ে এখনই তাঁদের কাছে অপ্রিয় হওয়ার পথে হাঁটতে চায় না মোদি সরকার। ফলে আপাতত অন্যান্য ক্ষেত্রে ব্যবহৃত জ্বালানিতে খাঁড়া নামছে। এর আগে বিমান জ্বালানি এটিএফ রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। এ বার ১৯ কেজির বাণিজ্যিক সিলিন্ডার ছুঁয়ে ফেলল ২০৯৫ টাকা। যদিও মনে করা হচ্ছে ভোট মিটলেই ফের মধ্যবিত্তের চিন্তা বাড়িয়ে দাম বাড়তে চলেছে রান্নার গ্যাসের।সাধারণ মানুষ রান্নার জন্য যে ভর্তুকিহীন ১৪.২ কেজির সিলিন্ডার কেনেন, তার দাম এখন ৯২৬ টাকা (কলকাতায়)। তবে আগামী দিনে তা কোথায় পৌঁছবে সেই প্রশ্নে দুশ্চিন্তা বাড়ছে এটিএফ এবং বাণিজ্যিক সিলিন্ডারকে দেখে। তেল সংস্থা সূত্রের খবর, বিশ্ব বাজারে অশোধিত তেলের পাশাপাশি রান্নার গ্যাসের মূল দুই উপাদান প্রোপেন ও বুটেনের দামও বেড়েছে। ফলে তা না-কমলে পরের মাসে সব রকম গ্যাসের দাম বৃদ্ধিরই আশঙ্কা। ঠিক যে আশঙ্কা পেট্রল-ডিজেল নিয়ে। কারণ তখন ভোট শেষ হবে। তার উপরে অক্টোবরের শুরুতে ১৪.২ কেজির সিলিন্ডারের দাম এক রাখলেও কয়েক দিন পরেই বাড়ায় তেল সংস্থাগুলি। ফলে মার্চের শুরুতে না-বাড়লে যে মাঝেও বাড়বে না, এমন নিশ্চয়তা নেই বলেই ধারণা সকলের।

মার্চ ০১, ২০২২
রাজ্য

স্বয়ম্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের তৈরি কচুরিপানার হস্তশিল্প সামগ্রী বিক্রী করবেন মন্ত্রী

কচুরিপানা নিয়ে হেলাফেলা করার দিন শেষ হতে চলেছে। এইবার কচুরিপানা দিয়েই তৈরি হবে নজরকাড়া হস্তশিল্প সামগ্রী। দুই মাস ধরে প্রশিক্ষণ নেওয়া পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীর স্বয়ম্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা স্বনির্ভরতার লক্ষ্যে ওইসব হস্তশিল্প সামগ্রী তৈরী করবেন। এলাকার বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ নিজে উদ্যোগ নিয়ে পূর্বস্থলী ১ ব্লকের বড়কোবলা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে মহিলাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেন। প্রশিক্ষণ কতটা সার্থক হয়েছে তা খতিয়ে দেখতে সোমবার মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে পৌছান। সেখানে তাঁর সঙ্গেই বিডিও দেবব্রত জানা ও রিজিওনাল হ্যান্ডিক্র্যাফটস প্রমোশন অফিসার পীযূস সিংহ ও উপস্থিত থাকেন। মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ এদিন বলেন, কচুরিপানা পরিবেশ বান্ধব। সেই কচুরিপানা দিয়ে হস্তশিল্প তৈরি করার জন্য প্রথম পর্যায়ে কুড়িজন মহিলাকে বেছে নেওয়া হয়। তাঁদের ২ মাস ধরে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। সব কিছু খতিয়ে দেখে তাঁদের আরও দু-সপ্তাহ প্রশিক্ষন দেওয়ার সিদ্ধান্ত এদিন নেওয়া হয়। তারপর স্বয়ম্ভর গোষ্ঠীর ওই মহিলারাই কচুরিপানা দিয়ে নজরকাড়া নানান হস্তশিল্প সামগ্রী তৈরী করবেন। উৎপাদিত সেইসব হস্তশিল্প সামগ্রী বিপণনের ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি কালনা নবদ্বীপ ও বর্ধমান শহরেও তা বিক্রির ব্যবস্থা করা হবে। মন্ত্রী জানিয়ে দেন, কচুরিপানা দিয়ে তৈরি হস্তশিল্প সামগ্রীর জন্য তিনি নিজে সেলসম্যানের ভূমিকায় অবতীর্ণ হবেনপুকুর কিংবা জলাশয়ে কচুরিপানা ভরে থাকলে তা কিভাবে কাজে লাগানো যায় এতদিন সেই ভাবে কেউ মথা ঘামাননি। কিন্তু কচুরিপানা দিয়েও যে হস্তশিল্প সামগ্রী তৈরি করা যায় সেই দিশা প্রথম দেখায় পূর্বস্থলীর যুবক রাজু বাগ। পূর্বস্থলী ১ ব্লকের বাঁশদহ বিল সহ এলাকার খালবিলে জন্মানো কচুরিপানা দিয়ে রাজু নজরকাড়া ডিজাইনের ঘর সাজানোর সামগ্রী তৈরি করে তাক লাগিয়ে দেয়। কচুরিপানা ভালোভাবে শুকিয়ে সেগুলি দিয়ে সে বিভিন্ন ডিজাইনের ঝুড়ি, ম্যাট, ব্যাগ সহ ঘর সাজানোর জিনিস তৈরী করে দেখায়। যুবক রাজুর এই শিল্প কীর্তি এলাকার বিধায়ক তথা মন্ত্রী স্বপন দেবনাথের তা নজরে আসতেই তিনি নড়েচড়ে বসেন। কিছুদিন আগে খালবিল ও চুনোমাছ উৎসবে রাজুর তৈরী করা সেই হস্তশিল্পের একটি প্রদর্শনীরও ব্যবস্থা করে দেন মন্ত্রী। কচুরিপানা দিয়ে তৈরী হস্তশিল্পের সেই কাজ শিখে এলাকার মহিলা ও অন্যান্যরা স্বনির্ভর হতে পারবে ধরে নিয়ে মন্ত্রী তাঁর বিধানসভা এলাকায় প্রশিক্ষণ কেন্দ্রও খোলান। খালবিল ওয়েলফেয়ার সেসাইটি ওই প্রশিক্ষণ শিবিরের যাবতীয় খরচ বহন করে।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২২
রাশিফল

রাশিফল: সিংহের সত্যি বলায় বিপদ, বৃশ্চিকের কূটনৈতিক জয়

মেষ/ARIES: সাফল্যলাভ হতে পারে।বৃষ/TAURUS: পদোন্নতির সুযোগ আসতে পারে।মিথুন/GEMINI: পশুপালনে লাভ হতে পারে।কর্কট/CANCER: বন্ধুর সহায়তা লাভ করতে পারেন।সিংহ/LEO: সত্যি বলায় বিপদ হতে পারে।কন্যা/VIRGO: অপচয় হতে পারে।তুলা/ LIBRA: নতুন উদ্যোগ নিতে পারেন।বৃশ্চিক/Scorpio: কূটনৈতিক জয় হতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: আগুন থেকে ক্ষতি হতে পারে।মকর/CAPRICORN: আর্থিক অনটন হতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS: বন্ধুদ্বারা উপকৃত হতে পারেন।মীন/ PISCES: শিক্ষায় অগ্রগতি হতে পারে।

মার্চ ০১, ২০২২
রাজ্য

কোভিডবিধি বহাল থাকল আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত

বাড়ানো হল পশ্চিমবঙ্গের কোভিড বিধির মেয়াদ। মেয়াদ বাড়ানো হল আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত। তবে আলগা করা হল না কোভিড বিধিনিষেধ। বর্তমানে রাজ্যে যে কোভিডবিধি কার্যকর রয়েছে, তা-ই ১৫ মার্চ পর্যন্ত বহাল থাকবে। সোমবার সন্ধ্যায় নির্দেশিকা জারি করে জানাল নবান্ন।গত ১৪ ফেব্রুয়ারি নবান্নের জারি করা কোভিড বিধিনিষেধে নৈশ কার্ফুর মেয়াদ এক ঘণ্টা কমানো হয়েছিল। সময়সীমা রাত ১২ টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত করা হয়েছিল। সোমবার জারি করা নির্দেশিকাতেও ওই একই নিয়ম বহাল রাখা হয়েছে। আগের মতোই কেবল জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের এই নৈশ কার্ফুর আওতা থেকে বাদ রাখা হয়েছে। পাশাপাশিই, মাস্ক পরা এবং শারীরিক দূরত্ববিধির নিয়ম আগের মতোই বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নবান্নের নির্দেশ, বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি সংস্থাগুলিকেও আগের মতোই কোভিড নিরাপত্তা বজায় রাখতে হবে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক উড়ানের ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধের মেয়াদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ানো হল। সোমবার এক নির্দেশিকা জারি করে এমনটাই জানিয়েছে ডিজিসিএ।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

এসসি ইস্টবেঙ্গলের লাস্ট বয় হওয়ার ভাগ্য ঝুলে রইল শেষ ম্যাচের ওপর

এবারের আইএসএলে লাস্ট বয় হবে কে? লড়াইটা মূলত দাঁড়িয়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গল ও নর্থইস্ট ইউনাইটেডের মধ্যে। সোমবার দুই দল মুখোমুখি হওয়ার আগে ১৯ ম্যাচে ১৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছিল নর্থইস্ট ইউনাইটেড। ১৮ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট ছিল এসসি ইস্টবেঙ্গলের। নিজেদের শেষ ম্যাচে ১১ ড্র করে ১৪ পয়েন্টে আটকে থাকল নর্থইস্ট ইউনাইটেড। অন্যদিকে, এসসি ইস্টবেঙ্গলের পয়েন্ট দাঁড়াল ১১। এবারের আইএসএলে লাস্ট বয় কে হবে, তা ঝুলে থাকল এসসি ইস্টবেঙ্গলের শেষ ম্যাচের ওপর। লাস্ট বয় হওয়ার লজ্জা এড়াতে দুই দলই মরিয়া ছিল। ম্যাচের শুরুতে নর্থইস্ট ইউনাইটেড আক্রমণের ঝড় তুললেও মিনিট পাঁচেক যেতে না যেতেই খেলা ধরে নেয় এসসি ইস্টবেঙ্গল। একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসতে থাকেন পেরোসেভিচ, লালরিনলিয়ানা নামতে, মহেশ সিংরা। ৮ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত লালহলুদ। নামতের দুরন্ত শট বাঁদিকে ঝাঁপিয়ে বাঁচান নর্থইস্ট গোলকিপার মির্শেদ। ১৭ মিনিটে আবার সুযোগ এসেছিল এসসি ইস্টবেঙ্গলের সামনে। ফ্রান সোতার সেন্টার নর্থইস্টের এক ডিফেন্ডার ক্লিয়ার করলে বল যায় নোরেম মহেশ সিংয়ের কাছে। তাঁর শট ক্রশবারে লেগে বেরিয়ে যায়। প্রথমার্ধে এসসি ইস্টবেঙ্গলের নিরঙ্কুশ আধিপত্য থাকলেও এগিয়ে যায় নর্থইস্ট ইউনাইটেড। ৪৫ মিনিটে ডানদিক থেকে এগিয়ে গিয়ে এগিয়ে গিয়ে সেন্টার করেন সুহের। ডেশর্ন ব্রাউন হেড করতে ব্যর্থ হলে বল লালহলুদ গোলকিপার শঙ্কর দাসকে পরাস্ত করে পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ফিরতি বল ফলো করে জোরালো শটে জালে পাঠান মার্কো সাহনেক। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই নর্থইস্ট ইউনাইটেড আধিপত্য দেখাতে থাকে। এসসি ইস্টবেঙ্গলও প্রতিআক্রমণে উঠে আসার চেষ্টা করতে থাকে। অবশেষে প্রতি আক্রমণে উঠে এসে ৫৪ন মিনিটে পেনাল্টি আদায় করে এসসি ইস্টবেঙ্গল। নর্থইস্ট ইউড়াইটেডের বক্সে ভেসে আসা বল ফ্রান সোতা হেড করতে উঠলে তাংকে পেছন থেকে ধাক্কা দেন প্যাট্রিক ফ্লোটম্যান। রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন। পেনাল্টি থেকে গোল করে সমতা ফেরান আন্তোনীও পেরোসেভিচ। বাকি সময় দুই দল আক্রমণ তুলে নিয়ে এলেও গোল পায়নি। দুই দলকেই ১ পয়েন্ট করে নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌নাইট রাইডার্সকে কীভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে চান?‌ রূপরেখা তৈরি শ্রেয়সের

আইপিএলের নিলামে তাঁকে নিয়ে দর চড়চড় করে বেড়েই চলেছিল। অন্যদিকে আমেদাবাদে ভারতীয় দলের টিম হোটেলে বসে সতীর্থদের সঙ্গে নিলাম দেখতে দেখতে রক্তচাপ ক্রমশ বাড়ছিল শ্রেয়স আয়ারের। একসময় নার্ভাসও হয়ে পড়েছিল। শেষ পর্যন্ত লড়াই করে তাঁকে তুলে নেয় কলকাতা নাইট রাইডার্স। নাইট রাইডার্সের মতো ফ্র্যাঞ্চাইজির জার্সি গায়ে তুলতে পেরে গর্বিত শ্রেয়স আয়ার। আরও সম্মানিত তাঁর হাতে নাইট টিম ম্যানেজমেন্ট নেতৃত্বর দায়িত্ব তুলে দেওয়ায়। ২০২০ আইপিএলেদিল্লি ক্যাপিটালসের নেতৃত্বে ছিলেন শ্রেয়স আয়ার। দলকে ফাইনালেও তুলেছিলেন। ফাইনালে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কাছে হেরে রানার্স হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়। গত মরশুমে চোটের জন্য আইপিএলের মাঝপথে ছিটকে যান। শ্রেয়সের পরিবর্তে নেতৃত্ব তুলে দেওয়া হয় ঋষভের হাতে। চোট সারিয়ে আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বে ফিরলেও তাঁকে আর নেতৃত্ব ফিরিয়ে দেওয়া হয়নি। এই মরশুমের জন্য দিল্লি ক্যাপিটালস তাঁকে ধরেও রাখেনি। নাইট রাইডার্স কর্তারা এমন একজন ক্রিকেটারকে দলে চাইছিলেন নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাই শ্রেয়স আয়ারের জন্য শেষ পর্যন্ত লড়াই করেছিল। কীভাবে দলকে পরিচালনা করতে চান, সেকথা কলকাতা নাইট রাইডার্সের ওয়েবসাইটে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সেকথা তুলে ধরেছেন শ্রেয়স আয়ার। তিনি বলেন, নতুন চ্যালেঞ্জ নেওয়ার জন্য মুখিয়ে রয়েছি। দলের সকলের মধ্যে বোঝাপড়া ঠিক রেখে দলগত সংহতির ওপর ভর করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। আইপিএলে একসময় ব্রেন্ডন ম্যাকালামের সঙ্গে খেলেছেন শ্রেয়স। এবার তাঁকে কোচ হিসেবে পাবেন। ম্যাকালামের সঙ্গে কাজ করার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন শ্রেয়স আয়ার। তিনি বলেন, খেলার সময় ম্যাকালাম আগ্রাসী ছিলেন। ঝুঁকি নিতেও ভালবাসতেন। ওর এই আগ্রাসী মনোভাব আমাকে দারুণ আকৃষ্ট করে। আশা করছি একসঙ্গে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারব।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

প্রিয়াঙ্কা-নিকের কন্যাসন্তানের নামকরণ কে করবেন জানালেন প্রিয়াঙ্কার মা

গত ২২ জানুয়ারি প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার জীবনে একটা বড় পরিবর্তন এসেছে। সারোগেসির সাহায্যে মাতৃত্বের স্বাদ পেয়েছেন তিনি। কন্যাসন্তানকে বহু দিন হাসপাতালে থাকতে হয়েছিল। চিকিৎসক সন্তান জন্মের তারিখ জানান এপ্রিল মাসে। কিন্তু ১২ সপ্তাহ আগেই সন্তানের জন্ম দিয়েছেন সারোগেট মাদার। তাই কন্যাসন্তান কে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছিল। অবশেষে সে বাড়ি ফিরেছে। মা প্রিয়াঙ্কা এবং তার বাবা নিক জোনাস কন্যসন্তানের জন্য ঘর সাজিয়েছেন। প্রিয়াঙ্কা তাঁর মেয়ের খেলনা এবং নানা ধরনের পুতুল সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন।অন্যান্য তারকার মতো তিনিও যে এখনই সন্তানের ছবি প্রকাশ করবেন না, তা এত দিনে স্পষ্ট হয়ে গেছে। কিন্তু সন্তানের নাম কি হবে সেটা জানার জন্য আর কত দিন অপেক্ষা করবেন ভক্তরা? সেই প্রশ্নই করা হয়েছিল প্রিয়ঙ্কার মা মধু চোপড়াকে।নায়িকার মা এই প্রসঙ্গে জানান, তিনি আজকাল সারাক্ষণ খুশি থাকেন। আনন্দে থাকেন। তাঁর কথায়, দিদা হয়েছি আমি। আনন্দ ধরে রাখার জায়গা নেই। কিন্তু নাতনির নাম কী রাখা হয়েছে? মধু জানান, এখনও নাম স্থির হয়নি। পুরোহিত নামকরণ করবেন। তিনি নাম দিলে তবেই সবাইকে জানাতে পারব আমরা। এখন সেই অপেক্ষাতেই রয়েছে সবাই।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২২
রাজ্য

বিজেপির বাংলা বনধে অশান্তি জেলায় জেলায় , কঠোর নবান্নও

পুরভোটে অশান্তিকে কেন্দ্র করে আজ রাজ্যজুড়ে ১২ ঘণ্টার বনধের ডাক দিয়েছে বিজেপি।এই পুরভোট বাতিল করে ফের ভোট করার দাবিও তুলেছে তারা। সকাল হতেই জেলায় জেলায় অবরোধ শুরু করেছেন বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। যদিও কলকাতায় বনধের প্রভাব সকালের দিকে তেমন একটা চোখে পড়েনি। আবার কোথাও কোথাও বনধের বিরোধিতা করতে রাস্তায় নামতে দেখা গিয়েছে তৃণমূল কর্মীরা।এদিকে কাল বনধ ঘোষণার পরই রাজ্য প্রশাসন অবশ্য সঙ্গে সঙ্গেই জানিয়ে দিয়েছে, জনজীবন সচল রাখার জন্য যাবতীয় ব্যবস্থাই নেওয়া হচ্ছে। কোথাও জোর করে বন্ধ করা বা বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা হলে পুলিশ-প্রশাসন কড়া হাতে তার মোকাবিলা করবে বলেও জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসও আজ শান্তিপূর্ণভাবে বন্ধ বিরোধিতার কথা জানিয়েছে।সোমবার সকাল হতেই হুগলি স্টেশনে রেল অবরোধ করছেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। ডাউন বর্ধমান লোকাল আটকে থাকে হুগলি স্টেশনে। ভোগান্তিতে পড়েন নিত্যযাত্রীরা।বিজেপির ডাকা বনধে এখন পর্যন্ত আলিপুরদুয়ারে কোনও প্রভাব নেই।উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহনের বাস চলছে। রাস্তায় যানবাহনও চলছে। রাস্তায় দেখা মেলেনি কোন বিজেপি বনধ সমর্থনকারীকে।বনধে কোনও প্রভাব পড়েনি পূর্ব বর্ধমানে। সকাল থেকে সবই স্বাভাবিকভাবেই চলছে। পথে নেমেছে সরকারি বাসের পাশাপাশি বেসরকারি বাস। যান চলাচল একেবারে স্বাভাবিক। মানুষজনও রাস্তায় নেমেছে। তবে বেলা বাড়লে পরিস্থিতি বদলাতে পারে।শিলিগুড়িতেও একই ছবি। বিজেপি কর্মী সমর্থকদের জন্য পুলিশের ধস্তাধস্তি। রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।সোমবার সকাল সকাল বালুরঘাট সরকারি বাস স্ট্যান্ডের সামনে বিজেপি কর্মীসমর্থকদের পিকেটিং বনধ সফলের জন্য। রাস্তায় বসে বাস আটকানোর চেষ্টা করেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। পুলিশ তুলতে গেলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের ধস্তাধস্তি হয়। বিজেপি কর্মীদের চ্যাঙদোলা করে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে পুলিশ।এদিন উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতায় বেশ কয়েকটি কর্মসূচির ডাক দিয়েছে বিজেপি।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২২
রাজ্য

এ এক ভিন্ন ছবি, বুথ চত্ত্বরে ভোট উৎসবে মাতলেন শাসক-বিরোধী দলের তিন প্রার্থী

পুর ভোটে ভোট লুট হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে রবিবার সারাটি দিন সোচ্চার থাকে বিরোধীরা। কিন্তু তারাই মধ্যে এদিন সম্পূর্ন উল্টোচিত্র দেখা যায় পূর্ব বর্ধমানের কালনা পৌসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে। এখানকার কালনা হিন্দু গার্লস হাই স্কুলের বুথ চত্ত্বরের বেঞ্চে এক সঙ্গে বসে হাসি ঠাট্টা করে খোশ মেজাজেই দিনটা কাটালেন তৃণমূল, বিজেপি ও সিপিএম প্রার্থীরা। যা দেখে শাসক ও বিরোধী সব দলের ভোটাররা ভিমড়ি খেয়ে যাবার মতন অবস্থা। কিন্তু তিন তৃণমূল প্রার্থী তনুশ্রী বাগ, সিপিএম প্রার্থী শর্মিষ্ঠা বাগ ও বিজেপি প্রার্থী মামনি ঘোষ সেইসবকে কোন গুরুত্বই দিলেন না।বরং এক সুরেই তিন প্রার্থী জানিয়ে দিলেন, কোথায় কি হচ্ছে জানি না। তবে তাঁদের এলাকার ভোটাররা ভোট দিয়ে যাকে খুশি জেতাবেন। সেটাই তাঁরা মাথা পেতে নেবেন।পুরভোটে কালনা পুরসভার একাধিক বুথে ভোট লুট হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে সোচ্চার হয় সিপিএম ও বিজেপি দলের প্রার্থী ও এজেন্টরা । কিন্তু তারই মধ্যে ব্যতিক্রম থাকে কালনা পুরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ড। এই ওয়ার্ডের হিন্দু গার্লস হাই স্কুলের বুথে বসে আড্ডার মাঝেই তৃণমূল, সিপিএম ও বিজেপি দলের প্রার্থীরা ভোটারদের সুবিধা-অসুবিধার বিষয়টি দেখলেন। একই সঙ্গে ভোটসংক্রান্ত নিজেদের নানা কাজ ও যাঁকে ফোন করার তাও করলেন। পাশাপাশি ওয়ার্ডে যখন শাসক-বিরোধীদের মধ্যে প্রতিনিয়ত হাতাহাতি মারামারির উপক্রম তখন তৃণমূলের তনুশ্রী,সিপিএমের শর্মিষ্ঠা ও বিজেপির মামনি এক বঞ্চে একসঙ্গে বসে টিফিন সেরে চা খেয়ে রীতিমতো জমাটি আড্ডাও দিলেন। এনারই যেন বুঝিয়ে দিতে চাইলেন ভোট আসলে গণতন্ত্রের উৎসব।তৃণমূল প্রার্থী তনুশ্রী বাগ বলেন, ভোট উৎসবে খুব ভালোভাবেই ভোট হচ্ছে। আমরা তিন প্রার্থী একসঙ্গে ভোট উৎসব এনজয় করছি। বিজেপির প্রার্থী মামনি ঘোষ দাস বলেন, সকাল থেকে চা,টিফিন সবই আমরা একসঙ্গে খেয়েছি। কোন বিরোধ নয়। নিজেদের মতন করেই আমরা একসঙ্গে ভোট করছি। কোন অসুবিধা হয়নি। সিপিএমের প্রার্থী শর্মিষ্ঠা নাগ সাহা বলেন, মানুষ যাকে ভালোবাসবে তাঁকেই বেছে নেবে। আমারা সেটাই চেয়েছি। ভোটাররা যে রায় দেবেন সেটা আমরা মাথা পেতে মেনে নেব। ভোট শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হওয়াটাই হওয়াটাই বড় কথা।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২২
রাশিফল

রাশিফল: কর্ককের বিনিয়োগে লাভ, ধনুর বাতের ব্যথা

মেষ/ARIES: শ্বাসকষ্ট হতে পারে।বৃষ/TAURUS: সম্পত্তি উদ্ধার করতে পারেন।মিথুন/GEMINI: অম্লরোগে কষ্ট পেতে পারেন।কর্কট/CANCER: বিনিয়োগে লাভ হতে পারে।সিংহ/LEO: দুর্ঘটনার যোগ রয়েছে।কন্যা/VIRGO: ব্যবসায় উন্নতি হতে পারে।তুলা/ LIBRA: পুরনো বন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাৎ হতে পারে।বৃশ্চিক/Scorpio: অপচয় করতে পারেন।ধনু/SAGITTARIUS: বাতের ব্যথা হতে পারে।মকর/CAPRICORN: প্রশংসনীয় কাজ করতে পারেন।কুম্ভ/AQUARIUS: বিহ্বলভাব হতে পারে।মীন/ PISCES: বুদ্ধিতে কার্যোদ্ধার করতে পারেন।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌কোহলির ওপর চাপ বাড়ালেন শ্রেয়স, শ্রীলঙ্কাকে হোয়াইট ওয়াশ ভারতের

বিরাট কোহলির ওপর কি চাপ বাড়িয়ে দিলেন নাইট রাইডার্সের নতুন অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার? টি২০ ক্রিকেট থেকে দিন দশেকের বিশ্রাম নিয়েছেন বিরাট কোহলি। তাঁর জায়গায় সুযোগ পেয়েই জ্বলে উঠলেন শ্রেয়স আয়ার। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে তিনটি ম্যাচেই অর্ধশতরান। তাঁর দাপটেই সিরিজের তৃতীয় টি২০ ম্যাচেও জিতল ভারত। ৬ উইকেটে হারাল শ্রীলঙ্কাকে। নিউজিল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজের পর শ্রীলঙ্কাকেও টি২০ সিরিজে হোয়াইট ওয়াশ ভারতের। একই সঙ্গে টানা ১২টি টি২০ ম্যাচ জিতে আফগানিস্তান ও রোমানিয়ার বিশ্বরেকর্ড স্পর্শ করল ভারত। টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক দাসুন শনকা। আবেশ খান ও মহম্মদ সিরাজের দাপটে শুরুতেই বেসামাল হয়ে পড়ে শ্রীলঙ্কার টপ অর্ডার। প্রথম ওভারেই মহম্মদ সিরাজ তুলে নেন দানুষ্কা গুণতিলকাকে (০)। পরের ওভারেই দ্বিতীয় উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। ১০ বলে ১ রান করে আবেশ খানের বলে ভেঙ্কটেশ আয়ারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন পাথুম নিসাঙ্কা। চতুর্থ ওভারে তৃতীয় উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কায চরিথ আসালঙ্কাকে (৪) তুলে নিয়ে শ্রীলঙ্কাকে বেকায়দায় ফেলে দেন আবেশ খান। ২৯ রানে শ্রীলঙ্কার চতুর্থ উইকেটের পতন। নবম ওভারে জানিথ লিয়ানাগেকে (৯) তুলে নেন রবি বিষ্ণোই। ১২.১ ওভারে দীনেশ চান্দিমল (২৭ বলে ২২) আউট হলে শ্রীলঙ্কার স্কোর দাঁড়ায় ৫ উইকেটে ৬০। এরপর শ্রীলঙ্কাকে টেনে নিয়ে যান অধিনায়ক দাসুন শনাকা। ২৯ বলে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৩৮ বলে ৭৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। মারেন ৯টি চার ও ২টি ছয়। করুণারত্নে ১৯ বলে ১২ রান করে অপরাজিত থাকেন। ২০ ওভারে শ্রীলঙ্কা তোলে ১৪৬/৫। ভারতের যা ব্যাটিং শক্তি, এই রান তুলতে সমস্যা হওয়ার কথা ছিল না। শুরুতে রোহিত শর্মা ফিরে গেলেও সমস্যায় পড়তে হয়নি। ৯ বলে মাত্র ৫ রান করে দুষ্মন্ত চামিরার বলে আউট হন রোহিত। এই নিয়ে ৬ বার চামিরার শিকার হলেন ভারতীয় অধিনায়ক। ঈশান কিশান চোটের জন্য ছিটকে যাওয়ায় রোহিতের সঙ্গে এদিন ওপেন করতে নেমেছিলেন সঞ্জু স্যামসন। সঞ্জুও (১২ বলে ১৮) বড় রান করতে পারেননি। দীপক হুডা ১৬ বলে ২১ রান করে আউট হন। ভেঙ্কটেশ আয়ারও (৫) ব্যর্থ। এরপর ভারতকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন শ্রেয়স আয়ার ও রবীন্দ্র জাদেজা। ৪৫ বলে ৭৩ রান করে অপরাজিত থাকেন। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে চলতি সিরিজে তিনি ২০৪ রান করলেন। তিন ম্যাচের টি২০ আন্তর্জাতিক সিরিজে বিরাট কোহলির সবচেয়ে বেশি রানের রেকর্ড এদিন ভেঙে দিলেন শ্রেয়স। তিনটি চারের সাহায্যে ১৫ বলে ২২ রানে অপরাজিত থাকেন রবীন্দ্র জাদেজা। ১৬.৫ ওভারে ১৪৮/৪ তুলে ম্যাচ জিতে যায় ভারত।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২২
রাজ্য

পূর্ব বর্ধমান জেলাতেও লুঠের পুরভোটের অভিযোগ তুললেন বিরোধীরা

পুর ভোট অবাধ ও শান্তিপূর্ণ হবে বলে দলীয় মুখপত্রে বার্তা দিয়েছিল রাজ্যের শাসক দল। কিন্তু বাস্তবে রবিবার পূর্ব বর্ধমান সহ রাজ্যের বিভিন্ন পুর এলাকায় ঠিক তার উল্টোটাই ঘটলো। বুথ দখল, ছাপ্পা ভোট দেওয়া, বিরোধী দলের এজেন্টের উপরে হামলা সবেতেই অভিযোগের আঙুল উঠলো শাসক দলের দিকে। এমন পুর ভোট দেখে তিতি-বিরক্ত ভোটাররাও। রাজ্যের যে ১০৮ টি পুরসভার নির্বাচন এদিন ভোট হয় তার মধ্যে পূর্ব বর্ধমান জেলার বর্ধমান, কালনা, কাটোয়া, দাঁইহাট, মেমারি ও গুসকরা পুরসভাও ছিল। এদিন ভোট শুরুর ঘন্টা খানেকের মধ্যেই গোলযোগ অশান্তি শুরু হয়ে যায় গুসকরা পুরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে। গুসকরার শান্তিপুর পূর্ব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে থাকা ৬ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের তিনটি বুধে ব্যাপক গণ্ডগোল বেঁধে যায়। বহিরাগতরা বুধে ঢুকে তৃণমূলের হয়ে ছাপ্পা দিচ্ছে বলে অভিযোগ তুলে স্বোচ্চার হয় সিপিএমের প্রার্থী ও এজেন্টরা। একই অভিযোগ তুলে স্বোচ্চার হন এলাকার ভোটাররাও। পুলিশের বিরুদ্ধে নিস্কৃয়তার অভিযোগ তুলে তাঁরা সবাই বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। শুরু হয়ে যায় পুলিশকে লক্ষ করে ইট ছোড়া। ইটের আঘাতে চোট পান গুসকরা ফাঁড়ির আই সি অরুণ সোম সহ ৪ পুলিশ কর্মী। এর পরেই পুলিশ লাঠি চার্জ করে ও লাঠি উঁচিয়ে তাড়া করে বিক্ষোভকারীদের হঠিয়ে দেয়। এমন গোলযোগ অশান্তির জন্য প্রায় আধ ঘন্টা ভোট গ্রহন থমকে থাকে সংশ্লিষ্ট বুথে। গুসকরা পুরসভার ভোটে প্রতিদ্বন্দি সিপিএম, বিজেপি উভয় বিরোধী দলের প্রার্থী ও এজেন্ট দের অভিযোগ, বেলা বাড়তেই গুসকরা পুরসভার ১৬ টি ওয়ার্ডের সব বুথেরই দখল নিয়ে নেয় শাসক দলের বহিরাগত দুস্কৃতিরা। ওই দুস্কৃতিরা বিরোধী দলের প্রার্থী, এজেন্ট ও ভোটারদের বুথ থেকে বাইরে বের করে দিয়ে অবাধে ছাপ্পা দিয়ে গেছে। এমনই অভিযোগ এদিন করেছেন জেলা সিপিএম নেতা আলমগীর মণ্ডল ও গুসকরার বিজেপি নেতা পতিতপাবন হালদার।পৌরসভা নির্বাচনএকই ভাবে এদিন কালনা পুরসভার একাধিক ওয়ার্ডেও গোলযোগ অশান্তির ঘটনা ঘটে। কালনা পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের অম্বিকা মহিষমর্দিনী প্রাথমিক স্কুলের বুথের দরজা বন্ধ করে পুলিসের সামনেই তৃণমূলের হয়ে ছাপ্পা ভোট দেবার অভিযোগ ওঠে। সাংবাদিকদের ক্যামেরাতেও ধরা পড়ে ছাপ্পা ভোট দেবার ছবি। তা বুঝতে পেরেই মুখ ঢেকে বুথ থেকে ছুটে পালায় ওই ভুয়ো ভোটার। ছাপ্পা চলাকালীন ওই বুথে ভোট দিতে গিয়ে নিগৃহীত হয়ে এক ছাত্র বুথ চত্ত্বরে কান্নায় ভেঙে পড়ে। যদিও এইসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল প্রার্থী মৌসুমী কারফা। কালনা পুরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি প্রার্থী শুভদেব হাজরা অভিযোগ করেছেন, কালনার শশীবালা স্কুলের বুথ ভোট শুরুর আগেই তৃণমূল কর্মীরা মারধোর করে তাঁকে বুথ থেকে বের করে দেয় যদিও তৃণমূল প্রার্থী সুনীল চৌধুরী এই অভিযোগ সম্পুর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করেছেন। কালনা পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডেও ব্যাপক অশান্তি ছড়ায়। ৮ নম্বর ওয়ার্ডের একাধীক বুথে ছাপ্পা ভোট দেওয়া নিয়ে শাসক দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন সিপিএম প্রার্থী পিয়ালী মুখোপাধ্যায় সহ বাম নেতা কর্মীরা। পিয়ালীদেবী বলেন, ভোটের একদিন আগেই তৃণমূলের দুস্কৃতিরা তাঁকে ব্যাপক মারধোর করে, মাথা ফাটিয়ে দেয়। আর এদিন ভোট শুরুর প্রথম থেকেই তৃণমূলের দুস্কৃতিরা বুথে বুথে ঢুকে ভোট লুঠ শুরু করে দেয়। বাইক বাহিনী হঠাৎ কালনার মহিষমর্দিনী গার্লস স্কুলের বুথে ঢুকে ইভিএম ভেঙে দেয় বলে সিপিএমের অভিযোগ। বাইক বাহিনী সিপিএম প্রার্থী ও কর্মীদের মারধোরও করেছে বলে অভিযোগ। এইসবের জন্য ওই বুথে ভোট বন্ধ হয়ে যায়। খবর পেয়ে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌছালে পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ শুরু হয়ে যায়। ভোট লুঠের জন্য পুলিশকে দায়ী করে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে সিপিএম প্রার্থী ও কর্মীরা। তাঁরা কালনার নিভূজি মোড়ে সড়কপথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখানো শুরু করে দেয়। পুলিশ অবরোধ তুলতে গেলে বাম কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক বচসা ও ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়। পরে পুলিশ জোর-পূর্বক অবরোধ তুলে দেয়। মেমারি পুরসভার ভোটে তেমন কোন বড়সড় গোলযোগ আশান্তির অভিযোগ বিরোধীরা তোলেন না। তবে এদিন দুপুর ৩টে নাগাদ বিক্ষিপ্ত অশান্তির ঘটনা ঘটে মেমারির ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সুলতানপুরের ২১০ ও ২১২ নম্বর বুথে। বহিরাগতরা বুথ জ্যাম করে ছাপ্পা ভোট দিতে গেলে বিরোধী দলের প্রার্থী, এজেন্ট ও ভোটাররা একজোট হয়ে তা রুখে দেয়। তা নিয়ে স্কুল চত্ত্বর উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি সামাল দেয়। পৌরসভা নির্বাচনবর্ধমান পৌরসভার ভোটেও নির্বাচনের নামে ব্যাপক ভোটলুঠ ও বুথে বহিরাগতদের দাপাদাপির অভিযোগ উঠেছে। পুর-নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ এনে বিকালে বর্ধমান সদর মহকুমাশাসকের দপ্তরের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করে দেন বিজেপি নেতা, কর্মী ও সমর্থকেরা। প্রার্থীরা প্লাকার্ড হাতে সেখান মাটিতে বসে পড়েন। তার আগে পুলিশের সাথেও বিজেপি কর্মী সমর্থকদের বচসাও হয়। পরিস্থিতি যাতে নিয়ন্ত্রণের বাইরে না চলে যায় তার জন্য মহকুমা শাসকের দফতরের সামনে বিরাট পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয়। একই ভাবে ভোটগ্রহণের শেষে বর্ধমানের কার্জন গেটের সামনেও উত্তেজনা ছড়ায়। এদিন সন্ধ্যায় কার্জন গেটের সামনে বিক্ষোভে সামিল হয় বাম, বাম ছাত্র-যুব ও অন্যান্য গণসংগঠনের প্রতিনিধরা। তাঁরা অভিযোগ করেন, পুরভোটে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ধ্বংস করার জন্য ভোট লুঠ করা হয়েছে। এই অভিযোগ তুলে বামেরা রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের কুশপুতুল পোড়ায়। বিক্ষোভের শেষে দলের নেতা অমল হালদার বলেন, জেলার ৬ টি পুরসভার ভোটেই নিরব সন্ত্রাস ও ভোট লুঠ চলেছে। গোটা রাজ্যেই ভোটলুঠ হয়ে হয়েছে। মানুষকে ভোটদানে বাধা দেওয়া হয়েছে। এর প্রতিবাদেই তারা পথে নেমেছেন। এই কর্মসূচি চলাকালীন কিছু উচ্ছৃঙ্খল বাম সমর্থক সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে কটু মন্তব্য করলে উত্তেজনা চরমে ওঠে। পরে অবশ্য উচ্চ নেতৃত্বের হস্তক্ষেপে উত্তেজনা প্রশমিত হয়। তৃণমূলের রাজ্যের মুখপত্র দেবু টুডু বলেন,যেমন সিপিএম তেমনই বিজেপি। সংগঠন নেই জনসমর্থনও নেই। শুধু অভিযোগ তুলেই বিরোধীরা পরাজয়ের গ্লানি ঢাকার কৌশল নিয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যজুড়ে মারপিট, অশান্তি, ছাপ্পা, বুথ দখলের মাঝেই শেষ হল পুরভোট

বিক্ষিপ্ত অশান্তির আবহেই শেষ হল রাজ্যের ১০৮ পুরসভার নির্বাচন। কোথাও বুথ জ্যাম তো কোথাও পুলিশের সামনেই দেদার ছাপ্পাভোটের অভিযোগ। কোথাও ভোটারদের ভোট দিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলে কেঁদে ভাসালেন প্রার্থী। কোথাও আবার বুথের বাইরে প্রার্থীকে ফেলে মার অন্য প্রার্থীর। মারধরের হাত থেকে বাদ যাননি প্রার্থীর বাবাও।বিকেল পাঁচটা এমনই ছিল রাজ্যের ভোট চিত্রের টুকরো টুকরো কোলাজ। যা নিয়ে বিরোধীদের তুমুল সমালোচনার সামনে পড়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন।আঁটোসাঁটো পুলিশি বন্দোবস্ত সত্বেও অশান্তি এড়াতে না পারায় ঘরে বাইরে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে তাদের।পুরভোটে অশান্তির অভিযোগে সোমবার ১২ ঘণ্টা বাংলা বনধ ডেকেছে বিজেপি। এদিকে ভোটে অশান্তির জেরে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার সৌরভ দাসকে সোমবার রাজভবনে তলব করেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। সূত্রের খবর, কেন কলকাতা হাইকোর্টে প্রতিশ্রুতি দেওয়া সত্বেও সুষ্ঠভাবে নির্বাচন করানো সম্ভব হলো না, সে বিষয়ে কৈফিয়ৎ তলব করার পাশাপাশি অশান্তি হওয়া পুরসভাতে পুনর্নির্বাচন নিয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশন কী চিন্তাভাবনা করছে সে বিষয়েও রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের বক্তব্য জানতে চাইবেন।এদিন সকাল সাতটা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়।বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকলেও সকাল থেকে আবহাওয়া ভালই ছিল। ফলে ভোট পর্বের শুরুটা হয় মসৃণ গতিতে। কিন্তু বেলা গড়াতেই তাল কাটতে শুরু করে।বিকেল ৫ টা পর্যন্ত সব মিলিয়ে গড়ে ভোট পড়েছে ৭৬.৫১ শতাংশ। এর মধ্যে সব থেকে বেশি ভোট পড়েছে পূর্ব মেদিনীপুরে, ৮৪.১৬ শতাংশ। রাজ্যের ১০৭ পুরসভার নির্বাচনে রাজ্যের দিকে-দিকে অশান্তির এক ছবি ধরা পড়েছে। দক্ষিণ দমদমে বাম প্রার্থীর পাশাপাশি মারধরের অভিযোগ উঠেছে তাঁর বাবাকেও। তৃণমূলের বিরুদ্ধেই অভিযোগ। যদিও অভিযোগ উড়িয়েছে শাসকদল।ভোটের আগেই বজবজ, সাঁইথিয়া, সিউড়ি-সহ বেশ কয়েকটি পুরসভা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দখল করেছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল। পুরভোটে হট ফেভারিট হয়েই ময়দানে নেমেছিল তৃণমূল। তবুও এড়ানো গেল না অশান্তি। অধিকাংশ জায়গাতেই শাসকদলের কর্মীদের বিরুদ্ধেই ভোট-লুঠ, ছাপ্পাভোটের অভিযোগে সরব হলেন বিরোধীরা।রাজনৈতিক অশান্তিতে বারবার শিরোনামে উঠে এসেছে উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়ার নাম। এবার ভোটেও তার অন্যথা হল না। এদিন তৃণমূলের বিরুদ্ধে ছাপ্পাভোটের অভিযোগ তুলে পথে নেমেছিলেন বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং। অর্জুনকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টির অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। শেষমেশ পুলিশি ঘেরাটোপে এলাকা ছাড়েন বিজেপি নেতা। নিজের ওয়ার্ডে দলের প্রার্থী না থাকায় এবার আর ভোটই দেওয়া হয়নি দাপুটে এই রাজনীতিবিদের।সব মিলিয়ে ভোটের রবিবারে বাংলার দিকে দিকেঅশান্তির এক ছবি। একাধিক জায়গায় প্রতিবাদে পতে নেমেছে বিরোদীরা। হুগলি জেলাশাসকের দফতর ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখিয়েছে বিজেপি। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতেও ভোটে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে জেলাশাসকের দফতর ঘেরাও করেছে বামেরা। অন্যদিকে, প্রতিবাদ দেখাতে এদিন কলকাতাতেও লালবাজার অভিযানের সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য বিজেপি। যদিও বিজেপিকে মিছিল শুরুই করতে দেয়নি পুলিশ। যা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে তুমুল ধস্তাধস্তি হয়েছে বিজেপি নেতা-কর্মীদের।পুরভোটে অশান্তিতে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই শাসকদলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন বিরোধীরা। পুলিশের মদতেই তৃণমূল কর্মীদের একটি অংশ ভোটে কার্যত সন্ত্রাস চালিয়েছে বলে অভিযোগ বিরোধীদের। যদিও বিরোধীদের অভিযোগে আমল দিতে চাননি রাজ্য তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে কুণাল বলেন, জমায়েত ব অন্য অভিযোগ এলেই পুলিশ হস্তক্ষেপ করেছে। ভিড় সরানো থেকে শুরু গ্রেপ্তার, সবই করেছে। নিরপেক্ষভাবেই ভোট হচ্ছে। ভোটের হার নিশ্চিত জেনেই বিরোধীরা তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছেন বলে দাবি এই তৃণমূল নেতার।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২২
রাজ্য

BIG BREAKING: সোমবার ১২ ঘণ্টা বাংলা বনধের ডাক বিজেপির, নির্বাচন কমিশনারকে গ্রেফতারের দাবি

আগামিকাল, সোমবার ১২ ঘন্টার বাংলা বনধের ডাক দিয়েছে বিজেপি। পুরভোটে অশান্তি, ব্যাপক ভোট লুট-ছাপ্পার প্রতিবাদে বঙ্গ বিজেপি এই বনধের ডাক দিয়েছে। রাজ্যের এই নির্বাচন প্রক্রিয়াকে ইনভেলিড বলে দাবি করেছে বিজেপি। পুরভাগুলিতে নির্বাচন না করে প্রশাসক বসানোর পরামর্শ দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। নির্বাচন কমিশনকে পুরভোট বাতিল করতে হবে বলে দাবি করেছে বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য। নতুন করে নির্বাচন করার দাবি জানিয়েছেন তিনি। এদিকে ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিংয়ের দাবি, রাজ্য নির্বাচন কমিশন সৌরভ দাসকে গ্রেফতার করতে হবে। নির্বাচন কমিশনের জন্যই এদিন রাজ্য রক্তপাত, অশান্তি, গন্ডগোল হয়েছে বলে বিজেপি সাংসদের দাবি।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

টানা ২ ম্যাচ জিতে রনজির নক আউটে কার্যত নিশ্চিত বাংলা

বিগত কয়েক বছর ধরে বোলিংই বাংলার মূল শক্তি। ব্যাটাররা ব্যর্থ হলেও বোলারদের দাপটেই জয় এসেছে। কয়েকবছর ধরে এই ছবিটা দেখা বাংলার ক্রিকেটে। এবছরও তার ব্যতিক্রম নয়। রনজির প্রথম ম্যাচে বরোদার বিরুদ্ধে জয় এসেছিল বোলারদের দাপটেই। হায়দরাবাদের দ্বিতীয় ম্যাচেও ব্যাটারদের ব্যর্থতা ঢেকে দিলেন বোলাররা। বোলারদের দাপটেই হায়দরাবাদকে ৭২ রানে হারিয়ে রনজির নক আউট প্রায় নিশ্চিত করে ফেলেছে বাংলা। কটকে অনুষ্ঠিত হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ব্যাটিং বিপর্যয় সত্ত্বেও বাংলা প্রথম ইনিংসে তোলে ২৪২। জবাবে বাংলার জোরে বোলারদের দাপটে ২০৫ রানে শেষ হয়ে যায় হায়দরাবাদের প্রথম ইনিংস। ৩৭ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে আবার ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলা। শেষ পর্যন্ত অনুষ্টুপ মজুমদার ও শাহবাজ আমেদের সৌজন্যে ২০১ রানে পৌঁছয়। হায়দরাবাদের সামনে জয়ের জন্য লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৩৯। তৃতীয় দিনেই ম্যাচের ভবিতব্য অনেকটাই ঠিক হয়ে গিয়েছিল। বাংলার জোরে বোলারদের দাপটে ১৬ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল হায়দরাবাদ। চতুর্থদিন সকালেই হিমালয় আগরওয়ালকে (০) তুলে নিয়ে হায়দরাবাদকে কোনঠাসা করে দেন আকাশ দীপ। তিলক ভার্মা ও প্রতীক রেড্ডি প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করেন। প্রতীককে (১৯) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন শাহবাজ আমেদ। রাহুল বুদ্ধিকে (১৭) আকাশ দীপ। একসময় ৮৫ রানে ৬ উইকেট হারায় হায়দরাবাদ। শেষ দিকে রবি তেজা ও তিলক ভার্মা লড়াই করেন। রবি তেজাকে (২৩) শাহবাজ আমেদ তুলে নিতেই আবার ধস। শেষ পর্যন্ত ১৬৬ রানে গুটিয়ে যায় হায়দরাবাদের দ্বিতীয় ইনিংস। তিলক ভার্মা ৯০ রান করে আউট হন। এটাই ম্যাচের সর্বোচ্চ স্কোর। বাংলার হয়ে আকাশ দীপ ৪১ রানে ৪টি, শাহবাজ আমেদ ৪১ রানে ৩টি ও মুকেশ কুমার ৪৯ রানে ২টি উইকেট নেন। ঈশান পোড়েল ২০ রানে নেন ১ উইকেট। ম্যাচের সেরা হয়েছেন শাহবাজ আমেদ।পরপর দুটি ম্যাচ জিতে বাংলার পয়েন্ট ১২। শেষ ম্যাচে বাংলা খেলবে চন্ডীগড়ের বিরুদ্ধে। আর হায়দরাবাদ খেলবে বরোদার বিরুদ্ধে ২ ম্যাচে হায়দরাবাদের পয়েন্ট ৬। নক আউট পর্বে যেতে গেলে বোনাস পয়েন্টসহ জিততে হবে হায়দরাবাদকে। আর বরোদার বিরুদ্ধে হায়দরাবাদ যদি বোনাস পয়েন্টসহ না জেতে তাহলে বাংলা পরের রাউন্ডে পৌঁছে যাবে।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে পুরভোটের ২৪ ঘন্টা আগে শনিবার বিজেপি নির্বাচনী কার্যালয়ের সামনে বোমা উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ালো

বর্ধমানে পুরভোটের আর ২৪ ঘন্টাও বাকি নেই। তার আগেই শনিবার সকালে বিজেপির নির্বাচনী কার্যালয়ের সামনে দুটি সুতলি বোমা উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ালো। দুদিন আগেই এই অফিসে বিজেপির ফ্লেক্স পোড়ানোর অভিযোগ ওঠে। বিজেপির অভিযোগ; শাসকদলের বহিরাগত দুস্কৃতীরা এসে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। তৃণমূল এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে।৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি প্রার্থী সুধীররঞ্জন কুমার সাউ জানান; সকালে ফোন পেয়ে তিনি এবং দলীয় কর্মীরা এসে দেখেন দুটি বোমা পড়ে আছে দলের অফিসের সামনে। পুলিশ এসে জায়গাটিকে ঘিরে দেয়। তার দাবি; বাইরে থেকে লোক এনে এই ওয়ার্ডের শাসকদলের প্রার্থী ও তার স্বামী আতঙ্ক ছড়াতে চাইছেন। এভাবে ভয় দেখিয়ে এলাকার মানুষ ও বিজেপি কর্মীদের আতঙ্কিত করতে চাইছেন তাঁরা। এভাবে অফিস বন্ধ থাকলে তার ভোট প্রস্তুতি কীভাবে হবে। এলাকার বাসিন্দা; হারু পন্ডিত জানান; বোমার কথা শুনে আর দেখে এলাকার মানুষ আতঙ্কে ভুগছেন।এর পিছনেই জনবসতি।অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস জানান, এসব ভুলে ভরা অভিযোগ। তৃণমূল বোমা বন্দুকের রাজনীতি করে না। কোথা থেকে সুতলি জড়ানো কিছু ওরাই নিয়ে আসতে পারে।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২২
রাজ্য

পুর ভোটের আগে হুমকির অভিযোগ নিয়ে পুলিশের দ্বারস্থ বিজেপি প্রার্থী ও নেতারা

রাত পোহালেই শুরু হয়ে যাবে পূর্ব বর্ধমান সহ রাজ্যের ১০৮ টি পুরসভার ভোট। তার প্রাক্কালে শনিবার থেকেই নানা অভিযোগ ঘিরে তপ্ত হয়ে উঠেছে ভোট রাজনীতির ময়দান। কোথাও বাড়ি গিয়ে বিরোধী দলের প্রার্থীকে হুমকি, আবার কোথায় ফোনে হুমকি দেবার অভিযোগ।যা নিয়ে ভোট শুরুর আগেই রাজনৈতিক উত্তাপের পারদ বুহুগুন চড়ে গিয়েছে। বিজেপি নেতৃত্ব জানিয়েছেন, কালনা পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে তাঁদের প্রার্থী হয়েছেন মানিক দাস। ওই ওয়ার্ডের ২৩৩(ক) বুথে বিজেপি প্রার্থীর এজেন্ট মৌসুমি পালের বাড়িতে গিয়ে এদিন দুপুরে তৃণমূল প্রার্থী সন্দীপ বসু অপহরণ ও প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে এসেছে বলে অভিযোগ ।ঘটনা বিষয়ে এদিনই কালনা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন বিজেপি নেতৃত্ব। যদিও এই সব অভিযোগ মিথ্যা ও উদ্দেশ্য প্রণদিত বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী ও তৃণমূল নেতৃত্ব। অন্যদিকে এদিনই দুপুরে হুমকি ফোন পেয়ে কাটোয়া থানার দ্বারস্থ হন কাটোয়া পুরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি প্রার্থী প্রসেনজিৎ মোদক। পুলিশকে তিনি অভিযোগে জানিয়েছেন, এদিন সকাল ৮টা ৫৪ মিনিটের পর থেকে অপরিচিত এক ব্যক্তি তাঁকে ফোন করে গালিগালাজ করেন ও হুমকি দেন। প্রশেনজিৎ বাবু জানিয়েছেন, যে ফোন নম্বর থেকে ফোন করে তাঁকে হুমকি দেওয়া হয়েছে সেই ফেন নম্বার উল্লেখ করে তিনি কাটোয়া থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন। এই বিষয়ে পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূলের মুখপত্র দেবু টুডু বলেন, ভোটে পরাজয় যে নিশ্চিৎ তা বুঝে গিয়ে বিজেপির নেতা, কর্মী ও প্রার্থীরা এখন নানা নাটক ফাঁদছে। নানা মিথ্য অভিযোগ করে সহানুভূতি আদায় করতে চাইছে। তবে এইসবে কিছু লাভ হবে না। বিধানসভা নির্বাচনের মতোই পুর ভোটেও বাংলার মানুষ ওদের যোগ্য জবাব দিয়ে দেবে।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২২
রাশিফল

রাশিফল: মকরের ক্রমোন্নতি, মীনের পরোপকার

মেষ/ARIES: জনহিতকর কাজ করতে পারেন।বৃষ/TAURUS: চক্ষুপীড়ায় কষ্ট পেতে পারেন।মিথুন/GEMINI: বিপদমুক্ত হতে পারে।কর্কট/CANCER: অসাধুতা করতে পারেন।সিংহ/LEO: অপ্রত্যাশিত সুযোগ আসতে পারে।কন্যা/VIRGO: উৎপাত বৃদ্ধি পেতে পারে।তুলা/ LIBRA: জনযানে বিপদ হতে পারে।বৃশ্চিক/Scorpio: প্রেমে বদনাম হতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: প্রতিযোগীতায় সাফল্য আসতে পারে।মকর/CAPRICORN: ক্রমোন্নতি হতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS: আন্ত্রিকে আক্রান্ত হতে পারেন।মীন/ PISCES: পরোপকার করতে পারেন।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২২
কলকাতা

পুলিশি ঘেরাটোপে কাল ১০৮ পুরসভায় ভোটগ্রহণ

রবিবার রাজ্যের ২০টি জেলায় ছড়িয়ে থাকা ১০৮টি পুরসভায় নির্বাচন হতে চলেছে। বিজেপি-সহ বিরোধী দলগুলি সেই নির্বাচন কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে করাতে চাইলেও রাজ্য নির্বাচন কমিশন আস্থা রেখেছে পুলিশের ওপরেই। বিজেপি তার জেরে কলকাতা হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে মামলা করে।কিন্তু হাইকোর্ট কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কোর্টেই বল ঠেলে দেয়, আর সুপ্রিম কোর্ট সরাসরি মামলা খারিজ করে দেয়। এই অবস্থায় আগামিকাল ৪৪ হাজার পুলিশ মাঠে নামিয়ে ১০৮ পুরসভায় নির্বাচন করাতে চলেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। আর সেই কারনেই প্রতিটি বুথের নিরাপত্তায় থাকছে কড়া পুলিশি ঘেরাটোপ। যে ভোটকেন্দ্রের বুথের সংখ্যা যত বেশি সেই সেই জায়গায় তত বেশি পুলিশি নিরাপত্তা থাকছে।ইতিমধ্যেই কমিশনের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ভোটকেন্দ্রে বুথের সংখ্যা যাই হোক না কেন প্রতিটি বুথের জন্য থাকবে সশস্ত্র পুলিশকর্মী ও আধিকারিক। সেই সঙ্গে থাকছেন ১৭ জন বিশেষ পর্যবেক্ষক। এছাড়াও ভোট পরিচালনার বিষয়ে অভিজ্ঞ এইরকম ১০ জন আইএএস আধিকারিক থাকবেন মাঠে যারা পুলিশ এবং সাধারণ ও বিশেষ পর্যবেক্ষকদের ওপর নজরদারি করবেন। আগামিকাল ১০৮টি পুরসভার ২ হাজার ২৭৬টি বুথে থাকছে ভোটগ্রহণের ব্যবস্থা। প্রতিটি বুথকে ইতিমধ্যেই স্পর্শকাতর বলে ঘোষণা যেমন করা হয়েছে তেমনি থাকছে প্রতিটি বুথে সিসিটিভির ব্যবস্থাও। দুই ২৪ পরগনা, নদিয়া, পূর্ব বর্ধমান, পূর্ব মেদিনীপুর ও বীরভূম জেলায় থাকছে বাড়তি নজরদারি। ওই সব জেলায় অভিযোগ পাওয়া মাত্রই পুলিশকে ব্যবস্তাহ গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। পাশাপাশি সব বুথ ধরে ধরে পুলিশি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।যে ভোটকেন্দ্রে ১টি করে বুথ থাকবে সেখানে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন একজন এএসআই, ২ জন সশস্ত্র পুলিশ এবং ১ জন লাঠিধারী পুলিশ। যেখানে ২টি বুথ থাকবে সেখানে ১ জন এসআই, ২ জন সশস্ত্র পুলিশ ও ২ জন লাঠিধারী পুলিশ। ৩টি বুথের জায়গায় থাকবেন ১ জন এসআই, ১ জন এএসআই, ২ জন সশস্ত্র পুলিশ ও ৩ জন লাঠিধারী পুলিশ। ৪টি বুথের ক্ষেত্রে থাকবেন ১ জন এআই, ১ জন এএসআই, ৪ জন সশস্ত্র পুলিশ ও ৪ জন লাঠিধারী পুলিশ। ৫টি বুথের ক্ষেত্রে ১ জন এসআই, ১ জন এএসআই, ৪ জন সশস্ত্র পুলিশ ও ৫ জন লাঠিধারী পুলিশ। ভোটকেন্দ্রে ৬ এর বেশি বুথ থাকলেই সেখানে থাকবেন একজন করে ইন্সপেক্টর পদমর্দার পুলিশ আধিকারিক। ৬টি বুথের ক্ষেত্রে ওই ইন্সপেক্টর ছাড়াও থাকবেন ১ জন এসআই, ৪ জন সশস্ত্র পুলিশ ও ৬ জন লাঠিধারী পুলিশ। ৭টি বুথের ক্ষেত্রে ইন্সপেক্টর ছাড়াও থাকবেন ১ জন এএসআই, ৪ জন সশস্ত্র পুলিশ ও ৭ জন লাঠিধারী পুলিশ। যে ভোটকেন্দ্রে ৮টি বুথ আছে সেখানে একজন ইন্সপেক্টর, ২জন এএসআই, ৪জন সশস্ত্র পুলিশ ও ৮ জন লাঠিধারী পুলিশ থাকবেন। ৯টি বুথের ক্ষেত্রে থাকবেন ১ জন ইন্সপেক্টর, ৩ জন এএসআই, ৪ জন সশস্ত্র পুলিশ ও ৯ জন লাঠিধারী পুলিশ। যে ভোটগ্রহণকেন্দ্রে ১০টি বুথ থাকবে সেখানে ১ জন ইন্সপেক্টর ছাড়াও থাকবেন ৪ জন এএসআই, ৪ জন সশস্ত্র পুলিশ ও ১০ জন লাঠিধারী পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 53
  • 54
  • 55
  • 56
  • 57
  • 58
  • 59
  • ...
  • 141
  • 142
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

ভারতের ভোটের মডেল টেনে আমেরিকায় নতুন দাবি ট্রাম্পের, কী বদলাতে চান?

ভারতের নির্বাচনী ব্যবস্থার উদাহরণ টেনে আমেরিকায় ভোটার পরিচয়পত্রের নিয়ম আরও কঠোর করার পক্ষে ফের সরব হলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (১৮ আগস্ট) ট্রুথ সোশ্যাল-এ একটি পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার তাঁর প্রশাসনের কাছে জানতে চেয়েছিলেন, বৈধ ফোটো আইডি ছাড়া আমেরিকায় কী ভাবে নির্বাচন হয়।ট্রাম্পের দাবি, ভারতের শেষ লোকসভা নির্বাচনে ৬৪ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষ ভোট দিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১ শতাংশেরও কম ডাকযোগে ভোট দেন। তাঁর বক্তব্য, প্রত্যেক ভারতীয় ভোটারের কাছেই বৈধ ফোটো পরিচয়পত্র ছিল। আমেরিকার নির্বাচন ব্যবস্থায়ও এমন বাধ্যতামূলক ব্যবস্থা চালুর যুক্তি দেখিয়ে সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট পাশ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।তবে আমেরিকায় ভোট দেওয়ার জন্য পরিচয়পত্রের নিয়ম সব রাজ্যে এক নয়। বর্তমানে ৩৬টি রাজ্যে ভোটকেন্দ্রে কোনও না কোনও ধরনের পরিচয়পত্র দেখানোর বিধান রয়েছে। পরিচয়পত্র হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্স, রাজ্য সরকারের দেওয়া আইডি বা পাসপোর্ট গ্রহণ করা হতে পারে। অন্যদিকে ১৪টি রাজ্য এবং ওয়াশিংটন ডিসিতে ভোটারের স্বাক্ষর কিংবা ভোটার তালিকায় থাকা অন্যান্য তথ্য মিলিয়ে পরিচয় যাচাই করা হয়। কিছু রাজ্যে পরিচয়পত্র না থাকলেও নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া মেনে ভোট দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।আমেরিকায় ভোটার আইডি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক বিভাজন রয়েছে। রিপাবলিকানদের যুক্তি, ভোটার পরিচয় বাধ্যতামূলক হলে ভুয়ো ভোট বা অন্যের পরিচয়ে ভোট দেওয়ার সম্ভাবনা কমবে এবং নির্বাচনী ব্যবস্থার প্রতি আস্থা বাড়বে। ডেমোক্র্যাটদের পাল্টা বক্তব্য, অতিরিক্ত কড়াকড়ি সাধারণ ভোটারদের জন্য সমস্যা তৈরি করতে পারে এবং ভোটাধিকার প্রয়োগে বাধা হতে পারে।২০০০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পর আমেরিকার ভোটপ্রক্রিয়া নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০০২ সালে হেল্প আমেরিকা ভোট অ্যাক্ট বা HAVA পাশ হয়। পরবর্তী সময়ে একাধিক রাজ্য ভোটার পরিচয় যাচাইয়ের নিয়ম আরও কঠোর করে।ট্রাম্পের সমর্থন করা সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট-এ ফেডারেল নির্বাচনে ভোটার হিসেবে নথিভুক্ত হওয়ার সময় মার্কিন নাগরিকত্বের প্রমাণ এবং ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে ফোটো আইডির মতো শর্ত জোরদার করার প্রস্তাব রয়েছে। ডাকযোগে ভোটের ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ আনার কথা বলা হয়েছে। বিলটির লক্ষ্য আমেরিকার নির্বাচনী ব্যবস্থায় ভোটারের যোগ্যতা ও পরিচয় আরও কঠোরভাবে যাচাই করা।এই বিল নিয়ে রাজনৈতিক টানাপড়েনও রয়েছে। ২০২৬ সালের সংশোধিত SAVE America Act হাউসে পাশ হলেও সেনেটে তা নিয়ে বড় বাধা রয়েছে। কারণ, সেনেটে কোনও বিল পাশ করাতে সাধারণত ৬০টি ভোট প্রয়োজন। ফলে ট্রাম্প ভারতের ভোটব্যবস্থার উদাহরণ সামনে এনে চাপ বাড়ালেও প্রস্তাবটি আইনে পরিণত করা এখনও সহজ নয়।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজ্য

নয় পুণ্যার্থীর মৃত্যুর পরই নড়েচড়ে বসল প্রশাসন, তারাপীঠে ১৫টি হোটেল-লজ বন্ধের সিদ্ধান্ত

তারাপীঠে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নয় জন পুণ্যার্থীর মৃত্যুর পর নড়েচড়ে বসল বীরভূম জেলা প্রশাসন। বৈধ কাগজপত্র না থাকায় তারাপীঠের ১৫টি হোটেল ও লজকে বন্ধের নোটিশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের সময় কয়েক জন পুণ্যার্থী লজ সংলগ্ন পুকুরে ঝাঁপ দিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে কেউ পুকুরে ডুবে রয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখতে মঙ্গলবার পুকুরে স্পিডবোট নামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। যদিও শেষ পর্যন্ত আর কোনও দেহ উদ্ধার হয়নি।প্রসঙ্গত, সোমবার ভোরে তারাপীঠ থানার পাশের একটি বেসরকারি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনায় মৃত্যু হয় নয় জন পুণ্যার্থীর। মৃতদের মধ্যে মেঘালয়ের পাঁচ জন একই পরিবারের সদস্য। বাকি চার জন আলিপুরদুয়ারের বাসিন্দা। সোমবার রাতে মেঘালয়ের পাঁচ মৃতের দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। মঙ্গলবার আলিপুরদুয়ারের চার মৃতের দেহও পরিবারের লোকজন নিয়ে যান। দুদিন ধরে মৃতদের পরিবারের পাশে ছিলেন রামপুরহাটের বিধায়ক ধ্রুব সাহা। তাঁদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করার পাশাপাশি বাড়ি ফেরার ব্যবস্থাও করেন তিনি।অগ্নিকাণ্ডের পর তারাপীঠের হোটেল ও লজগুলির পরিকাঠামো সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে নয় সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে প্রশাসন। সোমবার রাত থেকেই কমিটির সদস্যরা কাজ শুরু করেন। তার পরেই মঙ্গলবার ১৫টি হোটেল ও লজ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন।রামপুরহাটের মহকুমাশাসক অশ্বিনী বি রাঠোর বলেন, এর আগেও বেশ কয়েকটি হোটেল ও লজকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু তারা প্রশাসনকে সহযোগিতা করছেন না। তাই জেলা শাসকের নির্দেশে সেগুলিকে বন্ধের নোটিশ দেওয়া হবে।তবে প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন হোটেল মালিকেরা। হোটেল মালিক সমিতির পক্ষে জয়ন্ত রায় জানান, মহকুমাশাসকের সঙ্গে তাঁরা কথা বলেছেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে সময় চাওয়া হবে। তাঁর কথায়, তারাপীঠে বহু হোটেল রয়েছে, যেগুলির উপর বহু মানুষের সংসার নির্ভরশীল। আচমকা হোটেল বন্ধ হয়ে গেলে তাঁরা অসহায় হয়ে পড়বেন। তাই প্রশাসনের পরামর্শ নিয়ে ধীরে ধীরে নিয়ম মেনে সমস্ত হোটেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হবে।হোটেল মালিক নিতাই মালও জানান, তাঁদের হোটেল বহু পুরনো। ফলে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা পর্যাপ্ত নয়। প্রশাসনের নির্দেশ পাওয়ার পরই অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা উন্নত করার কাজ শুরু হয়েছে। তাঁর দাবি, এই কাজ শেষ করতে কিছুটা সময় প্রয়োজন। আচমকা হোটেল বন্ধ করে দিলে অধিকাংশ মালিকই সমস্যায় পড়বেন।এদিকে, অগ্নিকাণ্ডের পর পুকুরে নিখোঁজ কারও দেহ রয়েছে কি না, তা দেখতে মঙ্গলবার স্পিডবোট নামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। তবে তল্লাশিতে নতুন করে কোনও মৃতদেহের সন্ধান মেলেনি।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ঋতব্রত না শোভনদেব? বিরোধী দলনেতা বিতর্কে হাইকোর্টের বড় নির্দেশ

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় না শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, রাজ্য বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা কে, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই জোর রাজনৈতিক ও আইনি টানাপোড়েন চলছে। এখনও এই বিতর্কের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি। তবে আপাতত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে অস্থায়ী বিরোধী দলনেতার মর্যাদা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। পাশাপাশি মামলাটি সিঙ্গল বেঞ্চে ফেরত পাঠানো হয়েছে। দুই মাসের মধ্যে মামলাটির নিষ্পত্তি করার জন্যও নির্দেশ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ।মঙ্গলবার এই মামলার শুনানিতে ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, আপাতত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে অস্থায়ী বিরোধী দলনেতা হিসেবেই দেখতে হবে। বিধানসভার অধ্যক্ষ ইতিমধ্যেই তাঁকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঘোষণা করেছেন। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।ঘটনার সূত্রপাত বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার পদ নিয়ে তৃণমূলের অন্দরের টানাপোড়েনকে কেন্দ্র করে। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতার মর্যাদা দেওয়ার জন্য বিধানসভার অধ্যক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছিল। অন্যদিকে, দলের বিধায়কদের একাংশ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে অবস্থান নেন।পরবর্তীতে বিধানসভার অঙ্কে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠ তৃণমূল বিধায়কের সমর্থন রয়েছে বলে দাবি ওঠে। প্রায় ৮০ জন তৃণমূল বিধায়কের মধ্যে অধিকাংশই ঋতব্রতর দিকে রয়েছেন বলে তাঁর শিবিরের তরফে দাবি করা হয়। এরপর বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম অধ্যক্ষের কাছে পাঠানো হয়।অধ্যক্ষের তরফে ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঘোষণা করার পরেই রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হয়। তৃণমূলের একাংশ এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের তরফে আদালতের দ্বারস্থ হয়ে ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঘোষণার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করা হয়।মামলাটি প্রথমে সিঙ্গল বেঞ্চে ওঠে। পরবর্তী সময়ে বিষয়টি ডিভিশন বেঞ্চ পর্যন্ত গড়ায়। মঙ্গলবার সেই মামলাতেই গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করেছে ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের নির্দেশে আপাতত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের অস্থায়ী বিরোধী দলনেতার মর্যাদা বজায় থাকছে। তবে এই অবস্থানই যে চূড়ান্ত, তা বলা যাচ্ছে না।ডিভিশন বেঞ্চ মামলাটি ফের সিঙ্গল বেঞ্চে পাঠিয়ে দিয়েছে। পাশাপাশি দুই মাসের মধ্যে মামলাটির নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে আগামী দিনে সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ের দিকেই নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।একদিকে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, অন্যদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে বিধায়কদের সমর্থন, দুইয়ের টানাপোড়েনেই বিরোধী দলনেতার পদ ঘিরে জটিলতা তৈরি হয়েছে। হাইকোর্টের মঙ্গলবারের নির্দেশে আপাতত ঋতব্রতর অবস্থান কিছুটা শক্তিশালী হলেও, চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য আরও অপেক্ষা করতে হবে।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজনীতি

‘ককরোচ’ মন্তব্যে বিতর্কে দিলীপ, পাল্টা আক্রমণে শতরূপ, ইন্দাসকাণ্ডে বাড়ল উত্তাপ

ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র এক কর্মীর বাবাকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার ইন্দাসে। সিজেপির আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকার জেরেই দলীয় কর্মী আব্দুল হাফিজ এবং তাঁর বাবা শেখ মোহাম্মদ মাফিকের উপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর মৃত্যু হয় শেখ মোহাম্মদ মাফিকের। ওই বাড়িতে মৃতের ছেলের সঙ্গে দেখা করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির নেতা। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, এই খুনের শেষ দেখে ছাড়বেন। পাশাপাষি তিনি ঘোষণা করেছেন এই ইস্যুতে বাঁকুড়ার জেলা বিজেপির কার্যলয়ে বিক্ষোভ দেখানো হবে। এদিকে ককরোচ জনতা পার্টিকে তীব্র কটাক্ষ করে মন্তব্য় করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ইন্দাসে সিজেপি কর্মী আব্দুল হাফিজের বাড়িতে আচমকাই একদল দুষ্কৃতী হামলা চালায়। বাড়িতে ঢুকে আব্দুল হাফিজ এবং তাঁর বাবা শেখ মোহাম্মদ মাফিককে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় দুজনেই গুরুতর জখম হন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় মাফিকের। এই ঘটনায় অভিযোগের আঙুল উঠেছে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দিকে।ঘটনার খবর প্রকাশ্যে আসার পর নিহতের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দেয় সিজেপি। দলের প্রধান অভিজিৎ দীপকে টেলিফোনে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের পূর্ণাঙ্গ আইনি ও রাজনৈতিক সহায়তার আশ্বাস দেন। তাঁর নির্দেশে সিজেপির একটি প্রতিনিধি দল ইন্দাসে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে। অন্যদিকে, ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তৎপরতা শুরু করে বিরোধী শিবিরও। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা এবং নিহত পরিবারের পাশে থাকার বার্তা দিতে সোমবার ইন্দাসে পৌঁছায় বামেদের একটি প্রতিনিধি দল। এই সফরকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও তীব্র হয়।বামেদের ইন্দাস সফর এবং সিজেপির আত্মপ্রকাশ নিয়ে সরব হন রাজ্যের বিজেপি নেতা তথা মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। বামেদের কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ওরা যেকোনো জায়গাতে যেতে পারেন। তবে ককরোচ রাতারাতি কোথা থেকে বেরিয়ে আসে? এইসব কমিউনিস্টদের মাথাতেই আসে, তারাই আরশোলা-ছারপোকা তৈরি করে। আর পরে তারাই সারা দুনিয়ায় উৎপাত করে।দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্যের পাল্টা জবাব দেন সিপিএমের যুব নেতা শতরূপ ঘোষ। বিজেপিকে নিশানা করে তিনি বলেন, বাংলায় শুভেন্দু অধিকারী সরকার শক্তিশালী আর দিল্লির রেখা গুপ্ত সরকার দুর্বল? মোদী-অমিত শাহ সরকার এই সিজেপির আন্দোলনেই ধর্মেন্দ্র প্রধানকে ইস্তফা দিতে বাধ্য করেছে। সঙ্গে পুলিশ আছে বলেই এমন ভাষণ দিতে পারছে অনেকে।ইন্দাসের এই ঘটনাকে ঘিরে একদিকে যেমন সিজেপি ও বামেদের রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়ছে, তেমনই বিজেপি ও বাম নেতৃত্বের পাল্টাপাল্টি মন্তব্যে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তেজনাও নতুন মাত্রা পেয়েছে।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজনীতি

বিমান বন্দর চত্বরে সৌগত রায়ের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ, উঠল ‘চোর-চোর’ ও গো ব্যাক স্লোগান

নিজের সংসদীয় এলাকাতেই বিক্ষোভের মুখে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। কলকাতা এয়ারপোর্ট ঢোকার মুখে তার গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ চলে। বিক্ষোভকারীদের তরফে চোর-চোর স্লোগানও দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে। গাড়িতে চাপরও দেওয়া হয়। দেখানো হয় কালো পতাকা। বেশ কিছক্ষণ আটকে ছিলেন সৌগত রায়। গো ব্যাক স্লোগানও চলতে থাকে গাড়ি ঘিরে। ভাইরাল ভিডিওতে পুরো বিষয়টি স্পষ্ট দেখা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, তিনি বিমান বন্দরে একটি বৈঠকে অংশ নিতে গিয়েছিলেন।কিছু দিন আগে নিমতা থানা থেকে বেরিয়ে গাড়িতে ওঠার সময়ই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, একদল মানুষ তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। ওঠে চোর-চোর স্লোগান। এরপর ভিড়ের মধ্য থেকে তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। ডিম সাংসদের গায়ে না লাগলেও গাড়িতে গিয়ে লাগে। এবার দমদমের তৃণমূল সাংসদের গাড়ি ঘিরে ফের বিক্ষোভ চলল। সৌগত রায়ের গাড়ি ঘিরে এই বিক্ষোভের ঘটনা নতুন করে তাঁর নিজের সংসদীয় এলাকায় রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বিশেষ করে দুবার এই তৃণমূল সাংসদের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ এবং কালো পতাকা দেখানো, গো ব্যাক অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। স্থানীয় বিজেপি বিধায়কের দাবি, প্রতিবার নির্বাচনের আগে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিতেন সৌগত রায়। প্রতিবারই বলতেন জেশপ খুলবেন। উল্টে তাঁর সাঙ্গপাঙ্গরা জেসপ থেকে চুরি করে শেষ করে দিয়েছেন।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
দেশ

নীতিন নবীনের ‘নয়া টিম’-এ বাংলার দুই মুখ! জাতীয় সংগঠনে বড় দায়িত্ব এই দুই জনের

ভারতীয় জনতা পার্টির সর্বভারতীয় সংগঠনে বড়সড় রদবদল। দলের সর্বভারতীয় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো জাতীয় স্তরের সংগঠনকে ঢেলে সাজালেন নীতিন নবীন। নতুন কমিটিতে যেমন একাধিক নতুন মুখকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তেমনই অভিজ্ঞ বেশ কয়েকজন নেতাকেও ফেরানো হয়েছে কেন্দ্রীয় সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে। আর এই রদবদলে বিশেষ নজর কেড়েছে পশ্চিমবঙ্গ।রাজ্য বিজেপির দুই গুরুত্বপূর্ণ মুখকে এবার জাতীয় সংগঠনে জায়গা দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ডাঃ মধুছন্দা করকে সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি এবং আলিপুরদুয়ারের সাংসদ মনোজ টিগ্গাকে সর্বভারতীয় সম্পাদক করা হয়েছে। ফলে রাজ্য রাজনীতিতে সক্রিয় দুই নেতার দায়িত্ব এবার ছড়িয়ে পড়ল জাতীয় স্তরে।জাতীয় সংগঠনে বড় দায়িত্ব বাংলার দুই নেতারবিজেপির নতুন কেন্দ্রীয় সংগঠনে ডাঃ মধুছন্দা করের অন্তর্ভুক্তি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। রাজ্য বিজেপির চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য-সংক্রান্ত সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে তিনি দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। এবার তাঁকে সরাসরি সর্বভারতীয় সহ-সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একজন চিকিৎসক নেত্রীকে দলের জাতীয় স্তরের শীর্ষ সাংগঠনিক পদে নিয়ে আসার মধ্য দিয়ে বিজেপি নেতৃত্ব নতুন ধরনের সাংগঠনিক সমীকরণের বার্তা দিল বলেই মনে করা হচ্ছে।অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের পরিচিত আদিবাসী মুখ মনোজ টিগ্গার দায়িত্বও বেড়েছে। আলিপুরদুয়ারের সাংসদ হিসেবে ইতিমধ্যেই উত্তরবঙ্গে তাঁর রাজনৈতিক প্রভাব রয়েছে। এবার তাঁকে সর্বভারতীয় সম্পাদক করা হল। উত্তরবঙ্গের আদিবাসী সমাজের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ এবং রাজ্য সংগঠনে কাজের অভিজ্ঞতাকে জাতীয় স্তরে কাজে লাগাতেই এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে।শুধু নতুন মুখ নয়, অভিজ্ঞদেরও প্রত্যাবর্তননীতিন নবীনের নতুন টিমে শুধুমাত্র সাংগঠনিক পরিবর্তন নয়, অভিজ্ঞ নেতৃত্বকে ফেরানোর দিকটিও যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন জাতীয় রাজনীতির আলোচনায় থাকা কয়েকজন নেতাকে ফের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানির ক্ষেত্রেও বড় পরিবর্তন দেখা গেল। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে অমেঠি থেকে পরাজয়ের পর জাতীয় রাজনীতিতে তাঁর সক্রিয়তা আগের তুলনায় কমেছিল। এবার তাঁকে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। ফলে দলের কেন্দ্রীয় সংগঠনে তাঁর রাজনৈতিক ভূমিকা ফের বাড়তে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবও পেলেন জাতীয় স্তরে আরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। তাঁকেও সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। পূর্বোত্তর ভারতের রাজনীতিতে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতার পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতেও তাঁর সাংগঠনিক ভূমিকা ছিল। ফলে জাতীয় সংগঠনে তাঁর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে চাইছে বিজেপি নেতৃত্ব।ফিরলেন রাম মাধবওবিজেপির সাংগঠনিক রাজনীতির অন্যতম পরিচিত মুখ রাম মাধবের প্রত্যাবর্তনও এই রদবদলের অন্যতম বড় দিক। দলীয় সংগঠন এবং ভোটকৌশল নিয়ে দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন রাম মাধবকে ফের কেন্দ্রীয় সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পরিসরে আনা হয়েছে।সব মিলিয়ে নীতিন নবীনের নতুন কেন্দ্রীয় টিমে একদিকে যেমন নতুন প্রজন্ম ও রাজ্যস্তরের নেতৃত্বকে জাতীয় মঞ্চে তুলে আনা হয়েছে, অন্যদিকে তেমনই অভিজ্ঞ এবং পরীক্ষিত নেতাদেরও ফের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।বাংলার জন্য কী বার্তা?বিজেপির নতুন কেন্দ্রীয় সংগঠনে পশ্চিমবঙ্গের দুই নেতাকে গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়ার বিষয়টি নিঃসন্দেহে রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। রাজ্যে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী করা, উত্তরবঙ্গের রাজনৈতিক সমীকরণে নজর দেওয়া এবং বিভিন্ন সামাজিক গোষ্ঠীর মধ্যে দলের সাংগঠনিক বিস্তার বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত কি না, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।তবে একটি বিষয় স্পষ্টনীতিন নবীনের নতুন টিমে বাংলা এবার যথেষ্ট গুরুত্ব পেয়েছে। মধুছন্দা কর ও মনোজ টিগ্গার জাতীয় সংগঠনে উত্থান শুধু তাঁদের ব্যক্তিগত রাজনৈতিক গুরুত্বই বাড়াল না, একইসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ভবিষ্যৎ সাংগঠনিক কৌশল নিয়েও তৈরি করল নতুন জল্পনা।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ডিমের জবাবে পিস্তল! ‘ভয় পাই না’ বলে কীর্তির হুঁশিয়ারি, পাল্টা ‘বিহার পার করে দেওয়ার’ বার্তা বিজেপির

ডিম ছোড়ার রাজনীতি ঘিরে এবার বর্ধমান-দুর্গাপুরের তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজ়াদের মন্তব্যে শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক। বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা-কর্মীর উপর ডিম হামলার প্রসঙ্গ তুলে কীর্তি আজ়াদ সরাসরি জানালেন, তাঁর উপর এমন কোনও হামলা হলে তিনি চুপ করে থাকবেন না। আত্মরক্ষার জন্য আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স নেওয়ার কথাও প্রকাশ্যে জানিয়েছেন তিনি।সোমবার নিজের সংসদীয় এলাকায় কর্মসূচিতে গিয়ে একাধিক বিষয়ে কথা বলার সময় বিজেপিকে আক্রমণ করেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার তথা বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য কীর্তি। রাজনৈতিক কর্মসূচির পাশাপাশি বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের উন্নয়ন নিয়ে তাঁর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।ডিম হামলার প্রসঙ্গ টেনে কীর্তির বক্তব্য, স্কুলে ডিম দেওয়া বন্ধ করে দিল। এখন লোককে ডিম মারছে! আমরাও নিজের সুরক্ষার জন্য পিস্তলের লাইসেন্স নিচ্ছি। তাঁর দাবি, আত্মরক্ষার অধিকার জনপ্রতিনিধিদেরও রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দেন, ভয় দেখিয়ে তাঁকে পিছিয়ে দেওয়া যাবে না।কীর্তির কথায়, আমরা ভয় পাওয়ার মতো লোক নই। আমরা ভারতের জন্য ক্রিকেট খেলেছি। ভারতমাতার মর্যাদার জন্য ক্রিকেট খেলেছি। তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। বিশেষ করে একজন সাংসদ প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স নেওয়ার কথা বলায় বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে।এদিন রাজনৈতিক আক্রমণের ঝাঁঝও ছিল যথেষ্ট। ঋতব্রতকে নিশানা করে কীর্তি দাবি করেন, তিনি কী করেছেন, ফোনে কী কথা বলেছেন এবং কার চাপের মুখে কী সিদ্ধান্ত নিয়েছেনসেসব তাঁরা জানেন। বিজেপিকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, এটা রাক্ষসরাজ।বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে সাংসদ জানান, সন্ধ্যায় দলের সদস্যদের নিয়ে বৈঠক করবেন তিনি। মঙ্গলবারও তাঁর একাধিক কর্মসূচি রয়েছে। দুর্গাপুজোর পর তৃণমূল আরও বড় পরিসরে কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামবে বলেও জানান তিনি।রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও সরব হন কীর্তি। বিজেপিশাসিত পশ্চিমবঙ্গের প্রসঙ্গ তুলে তাঁর অভিযোগ, বাংলার খুব খারাপ অবস্থা। এমন অবস্থা আফ্রিকাতেও নেই! এরপরই আরও তীব্র ভাষায় আক্রমণ করে তিনি বলেন, আফ্রিকায় যেমন সমুদ্রে জলদস্যু ঘোরে, তেমনই বাংলার শহর, ঘর ও গলিতে জলদস্যু, ডাকাতেরা ঘুরে বেড়াচ্ছে।তবে কীর্তি আজ়াদের আগ্নেয়াস্ত্র সংক্রান্ত মন্তব্যের পর পাল্টা আক্রমণ করতে দেরি করেনি বিজেপি। বিজেপি বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, কীর্তি যদি আগ্নেয়াস্ত্র রাখার কথা বলেন, তাহলে তাঁকে হাইড্রা করে তুলে বিহার পার করে দিয়ে আসা হবে।ফলে ডিম হামলা থেকে শুরু হওয়া বিতর্ক এখন পৌঁছে গিয়েছে আগ্নেয়াস্ত্র, আত্মরক্ষা এবং পাল্টা রাজনৈতিক হুঁশিয়ারির জায়গায়। কীর্তি আজ়াদের মন্তব্যের পর আগামী দিনে এই ইস্যুতে তৃণমূল-বিজেপির রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনাই দেখছে রাজনৈতিক মহল।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
কলকাতা

বাংলার আকাশে গভীর নিম্নচাপ, সোমবারই ভয়ঙ্কর বৃষ্টি! ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টির সতর্কতা, এরপর কোন পথে যাবে?

গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে সোমবার সকাল থেকেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়েছে। টানা বৃষ্টিতে বহু জায়গায় জল জমেছে। ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ ও নিত্যযাত্রীরা। রাস্তাঘাট জলমগ্ন হওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় তৈরি হয়েছে দুর্যোগের পরিস্থিতি। এর মধ্যেই ধীরে ধীরে ঝাড়খণ্ডের দিকে এগোচ্ছে গভীর নিম্নচাপ।আবহাওয়া দফতরের সোমবার বিকেলের খবর অনুযায়ী, গভীর নিম্নচাপটি বর্তমানে কলকাতা থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমে অবস্থান করছে। বর্ধমান থেকে সেটি প্রায় ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বে রয়েছে। বাঁকুড়া থেকে দূরত্ব প্রায় ১৪০ কিলোমিটার পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বে। ওড়িশার বালেশ্বর থেকে গভীর নিম্নচাপটি রয়েছে প্রায় ১৯০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গভীর নিম্নচাপটি ক্রমশ ঝাড়খণ্ড ও বিহারের দিকে এগিয়ে যেতে পারে। ফলে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে বৃষ্টির প্রভাব আরও কিছুটা সময় থাকার আশঙ্কা রয়েছে।সোমবার পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং পশ্চিম বর্ধমানে চরম বৃষ্টির লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এই তিন জেলায় ২০০ মিলিমিটার বা তারও বেশি বৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা রয়েছে। সেখানে ১১০ থেকে ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে।প্রবল বৃষ্টির জেরে ইতিমধ্যেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় জল জমেছে। রাস্তার পাশাপাশি নিচু এলাকাগুলিতেও জল ঢুকেছে। ফলে যান চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সমস্যায় পড়েছেন অফিসযাত্রী এবং অন্যান্য নিত্যযাত্রীরা।মঙ্গলবার পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। তবে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর, বীরভূম এবং ঝাড়গ্রামে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা থাকবে। এই জেলাগুলির কিছু এলাকায় ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে।অর্থাৎ, গভীর নিম্নচাপটি বাংলার পশ্চিমাঞ্চল ছেড়ে ঝাড়খণ্ড ও বিহারের দিকে এগিয়ে গেলেও মঙ্গলবার পর্যন্ত তার প্রভাব পুরোপুরি কাটছে না। ফলে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা থাকা জেলাগুলির বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal