• ২৫ মাঘ ১৪৩২, বৃহস্পতি ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

IC

রাজ্য

বঙ্গীয় হকার সংগঠন রেল পুলিসের অত্যা চার নিয়ে আন্দোলনের হুমকি

শক্তিগড় রেলস্টেশনে জোরদার আন্দোলনে রেল হকাররা। তাদের দাবি আরপিএফ স্বেচ্ছাচারিতা করছে। দমন পীড়ন চালিয়ে টাকা আদায় করছে। এর বিরুদ্ধে জোরদার আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।বঙ্গীয় হকার সম্মেলনের সাধারণ সম্পাদক নাদিম হোসেন মল্লিক জানান, এক মাস আগে রসুলপুর থেকে এক হকারকে তুলে আনা হয়। তার কাছে নিয়মিতভাবে আরপিএফকে টাকা দেবার দাবি করা হয়। অস্বীকার করলে ডাকাতি ও মহিলা কামরায় ওঠা সহ নানা কেস দেওয়া হয়েছে। এই নিয়ে তারা ডেপুটেশন দিতে এলে একটা মীমাংসা হয় জিআরপির উপস্থিতিতে। কিন্তু তারপরও নাদিমবাবুর নামে একটি শমন জারি করা হয়। রেল পুলিসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই এই বিক্ষোভ বলে তাঁরা জানান।তারা দাবী, রাষ্ট্র আমাদের স্থায়ী কাজ দিতে পারেনি। চুরি, আসৎ উপায় অবলম্বন না করে ট্রেনে ট্রেনে ফেরি করি। এই কাজে বাধা দিতে গেলে জোর লড়াই হবে বলে তাঁরা হুঙ্কার ছাড়েন।

আগস্ট ২০, ২০২২
রাজ্য

পূর্ব বর্ধমানে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী যুগল

প্রেমের এমন নিষ্ঠুর পরিণতির জেরে স্তম্ভিত গোটা এলাকার মানুষজন। এই ঘটনায় এলাকায় নেমেছে শোকের ছায়া। বছর ১৫ পূর্ণিমা ক্ষেত্রপালের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল গ্রামের ১৬ বছরের দেবা বাউড়ির। ১৭ দিন আগে গত ৩ আগস্ট বুদবুদ থানার ভরতপুর গ্রামে বিয়ে হয় পুর্ণিমার। তবুও দুজন, কেউ কাউকে মন থেকে মুছতে পারেনি। শেষমেশ আত্মহত্যার পথ বেছে নিল দুজন।শ্বশুর বাড়ি থেকে বাপের বাড়ি আসার পরই এমন ঘটনা ঘটায় পূর্ণিমা। এলাকার রামগোপাল পুর স্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্রী ছিল পূর্ণিমা। শনিবার সকাল দশটার সময় দুজনের দেহ উদ্ধার করে স্থানীয় পুরসা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র নিয়ে যায় পুলিশ। সেখানেই দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।ময়নাতদন্তের জন্য দেহ নিয়ে যাওয়া হয় বর্ধমান মেডিকেল কলেজের পুলিশ মর্গে।

আগস্ট ২০, ২০২২
রাজ্য

পিকআপ ভ্যান ও সাইকেলে মুখোমুখি সংঘর্ষে সাইকেল আরোহির মৃত্যু

পিকআপ ভ্যান ও বাইসাইকেলে মুখোমুখি সংঘর্ষে এক ব্যাক্তির মৃত্যু। বুধবার মন্তেশ্বরে মধ্যমগ্রাম বাজার সংলগ্ন এলাকায়, মধ্যমগ্রাম বাজারে কাজ সেরে সাইকেলে চেপে বাড়ি ফিরছিলেন মধ্যমগ্রামের সুধাংশু শেখর কোনার ওরফে উত্তম কোনার, মধ্যমগ্রাম বাজার সংলগ্ন এলাকায় কুসুমগ্রাম দিক থেকে আশা একটি মাছের গাড়ি পিকআপ ভ্যান দ্রুত গতিতে এসে বাইসাইকেলে সজরে ধাক্কা মারলে উত্তম কোনার রাস্তায় ছিটকে পড়ে গিয়ে গুরুতর জখম হয়।স্থানীয়রা উদ্ধার করে মন্তেশ্বর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত ডাক্তার বাবু মৃত বলে ঘোষণা করেন, মন্তেশ্বর থানা পুলিশ খবর পেয়ে মৃতদেহ থানায় নিয়ে যায়। এই ঘটনায় উত্তম কোনার পরিবারসহ এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আগস্ট ১৭, ২০২২
রাজ্য

শিক্ষারত্ন পুরস্কারে ভূষিত শিক্ষক পেনশন না পেয়ে আত্মঘাতী

তিন বছর অবসর নেবার পরও পেনশন না পেয়ে আত্মঘাতী হলেন এক শিক্ষক। মৃত শিক্ষকের নাম সুনীল কুমার দাস (শিক্ষারত্ন)। মৃত্যুর সময় তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৩ বছর। তার মৃত্যুর খবরে এলাকায় গভীর শোকের ছায়া দেবীপুর রাজবাগান এলাকায়। ২০১৯ সালে তিনি শিক্ষারত্ন উপাধি পেয়েছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রীর হাত থেকে।নানা স্কুলে চাকরি করার পরে তিনি কলকাতার হেয়ার স্কুলের প্রধান শিক্ষক হয়ে অবসর নেন বলে পরিজন সুত্রে জানা গেছে। তাঁর পরিবারে কোনও সমস্যা ছিলনা বলেও তাঁরা জানান। সুনীল দাসের দুই কন্যার বিয়ে হয়ে গেছে।এছাড়াও ছেলে পি এইচ ডি সম্পূর্ণ করেছেন। গতকাল বাড়িতেই গলায় দড়ি দিয়ে তিনি আত্মঘাতী হয়েছে বলে পরিবারের মানুষজন জানিয়েছেন।তার আত্মীয়রা জানান, তিনি খুবই চাপা স্বভাবের হওয়ার দরুন, তার মনের কথা কাউকে জানতে দেন নি। হঠাৎ এই ঘটনায় সবাই মুষড়ে পড়েছে। তার স্ত্রী সাধনা দাস জানান, পেনশন না পাওয়ায় তিনি হতাশায় ভুগছিলেন। কীভাবে সংসার চলবে তা নিয়ে ভীষণ উদ্বেগে ভুগছিলেন। অনেক চেষ্টা করেও পেনসানের সুরাহা করতে পারেননি। ২০১৯ সালে তিনি শিক্ষারত্ন পান। ওই বছরই তিনি অবসর নেন। এলাকার মানুষেরা জানিয়েছেন তার শিক্ষাবিস্তারে অনেক অবদান ছিল। অনেককে সাহায্য পড়াশোনার ব্যাপারে করেছেন। তাঁর এই পরিণতিতে সবাই ভেঙে পড়েছেন।

আগস্ট ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ফিফার নির্বাসনের কবলে ভারত, খুশি বাইচুং ভুটিয়া!‌

ফিফার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট শেপ ব্লাটার ভারতীয় ফুটবল সম্পর্কে বলেছিলেন, ঘুমন্ত দৈত্য। ব্লাটারের সেই ঘুমন্ত দৈত্যকে কিনা পড়তে হল নির্বাসনের কবলে! অবাক হলেও এটাই সত্যি। ফুটবল প্রশাসনে তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপের জন্য ভারতকে নির্বাসিত করেছে ফিফা। স্বাধীনতা দিবসের ৭৫ বছর পূর্তির ঠিক পরের দিনই দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে সব থেকে লজ্জাজনক দিনের সাক্ষী থাকল ভারত।বিশ্ব ফুটবলের নিয়ামক সংস্থার সংবিধানে বলা রয়েছে ফিফা স্বীকৃত প্রতিটি দেশের ফুটবল সংস্থাকে স্বশাসিত হতে হবে। সংস্থায় সরকার কিংবা কোনও তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ থাকবে না। সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশে নিযুক্ত কমিটি অব অ্যাডমিনিস্ট্রেটর প্রশাসনে হস্তক্ষেপ করার জন্যই নির্বাসিত হতে হল ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনকে।সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসক কমিটি গঠনের পর ভারতীয় ফুটবলের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষনে আসে ফিফার প্রতিনিধি দল। ফেডারেশনের দায়িত্বে থাকা কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা হয় প্রতিনিধি দলের। ফিফা স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে নতুন সংবিধান চূড়ান্ত করতে হবে । ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। নির্বাচনে যাঁরা জিতবেন সেই কমিটিকে ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে কাজ শুরু করতে হবে, জানানো হয় ফিফার তরফে। ফিফার এই নির্দেশের পরই স্পষ্ট ছিল বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে সমস্ত প্রক্রিয়া সমপন্ন করতে না পারলে নির্বাসনের মুখে পড়তে হবে ভারতীয় ফুটবলকে। ফলে ৩১ জুলাই পেরিয়ে যাওয়ার পর আরও ১৫ দিন অতিরিক্ত সময় দিয়েও যখন কাজ হয়নি তখন ভারতীয় ফুটবলে নেমে এল ফিফার শাস্তির খাঁড়া। এবছর অক্টোবর মাসে ভারতে মেয়েদের অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপ হওয়ার কথা ছিল। নির্বাসনের ফলে বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। কারণ ফিফা ভারতে অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপ স্থগিত করে দিয়েছে।ভারতীয় ফুটবলকে ফিফার নির্বাসন করার এই সিদ্ধান্তকে অত্যন্ত কঠোর বলে অভিহিত করেছেন দেশের প্রাক্তন অধিনায়ক বাইচুং ভুটিয়া। তিনি বলেছেন, এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক যে ভারতীয় ফুটবলকে নির্বাসিত করেছে ফিফা। পাশাপাশি ভারতীয় ফুটবলের প্রতি নেওয়া ফিফার এই সিদ্ধান্ত খুব কঠোর। তবে ফিফার এই সিদ্ধান্ত শাপে বর হতে পারে। ফুটবল প্রশাসনকে আবার ঠিক পথে ফেরানোর সুযোগ পেয়েছি আমরা। তার জন্য ফুটবল ফেডারেশন, সব রাজ্যের ফুটবল সংস্থাগুলোকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে।

আগস্ট ১৭, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানের বেসরকারি স্কুলের অভিনব ভাবে স্বাধীনতার ৭৫ বর্ষ পুর্তি উদযাপন

ভারতের স্বাধীনতার ৭৫ বর্ষপূর্তি মহা জাঁকজমকের মধ্যে পালিত হল রাজ্য জুড়ে। ২০২১ র ১৪ আগস্ট থেকে বছরভর নানা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সারা ভারত জুড়ে স্বাধীনতার ৭৫ বছরকে স্মরণ করা হয়। বর্ধমান শহরের এক বেসরকারি স্কুল বর্ধমান মডেল স্কুল এবছরের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান পলন করল অভিনব ভাবে।এই বেসরকারি স্কুলের পক্ষ থেকে ৭৫বছর উদযাপন করতে এঁরা বেছে নেন এই বিশেষ দিনে জন্মগ্রহন করা নবজাতকদের। তাঁরা বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১৫ই অগাস্ট জন্মগ্রহণ করা সদ্য়জাতদের এক বিশেষ উপহার প্রদান করেন। এই বিশেষ দিনে উপহার পেয়ে নবজাতকদের পরিবার যারপরনাই খুশি। বর্ধমান শহর সংলগ্ন বোঁয়াইচণ্ডী গ্রামের এক বাচ্চার মা জনতার কথাকে জানান, হটাৎ করে এই উপহার পেয়ে তাঁদের খুব ভালো লাগছে। তাঁরা এই উদ্যোগের জন্য স্কুল কতৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান।সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগলসির এক পরিবার জানান, তাঁরা এই উপহার পেয়ে খুব খুশি। তিনি জানান, এই উপহারের বক্সের মধ্যে একটি তোয়ালে, শিশুর জামা, তাঁর ব্যবহারযোগ্য তেল, সাবান, শ্যাম্পু, চিরুনি, পাউডার ও মায়ের জন্য কিছু খাবার, খেলনা ও একটি জাতীয় পতাকা পেয়েছেন। স্কুলের পক্ষ থেকে কর্নধার অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মেডিক্যাল সুপারিনটেনডেন্ট ও উপাধক্ষ্য ডঃ তাপস ঘোষ ও শিশু এবং গাইনি ওয়ার্ডের সকলকে এই সুযোগ করে দেবার জন্য বিশেষ ধন্যবাদ জানান।অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল জানান, প্রতি বছরই আমরা নানা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ১৫ই আগস্ট পালন করি। এবছর এক বিশেষ মুহুর্ত বলে আমরা বিদ্যালয়ের সকলে মিলে আলোচনা করে আরও ভালো ভাবে এই দিনটাকে স্মরণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তিনি আরও জানান, প্রতি বছরই আমরা বিদ্যালয়ের ছাত্রদের নিয়ে এক বার্ষিক প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করি। তাতে ছাত্র ছাত্রীরা তাঁদের বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে নানারকম মডেল ও প্রোজেক্ট বানিয়ে প্রদর্শন করে। সেই ইন্সপায়ার অনুষ্ঠানটি এবছর ভারতের স্বাধীনতার ৭৫ বর্ষপূর্তি উপলক্ষে স্বাধীনতা সংগ্রামী ও সেই সমস্ত মহাপুরুষদের স্মরণ করতে ১৪ই আগস্ট শুরু হয়েছে।মেডিক্যাল কলেজেঅচিন্ত্য কুমার মণ্ডল আরও জানান, তাঁরা এই সিদ্ধান্ত অনেক আগেই নিয়েছিলেন, কিন্তু কিছুদিন আগে কেন্দ্রীয় শিক্ষা বোর্ড সিবিএসসি এক সার্কুলারের মাধ্যমে এই একই নির্দেশ দেয় তাঁদের অধীনস্ত স্কুল গুলিকে। তিনি খুবই আনন্দিত তাঁদের ভাবনার সাথে সিবিএসসি নির্দেশ মিলে যাওয়াতে। তিনি জানান, এবারের অনুষ্ঠানে ছাত্র ছাত্রী ও অবিভাবকদের উপস্থিতি খুবই ভালো। গত দুবছর ধরে গৃহবন্দি মানুষজন কোভিড নামক ব্যাধিকে মন থেকে দুরে সরিয়ে রেখে জড়তা ঝেড়ে পথে নেমে পরেছেন।দুদিনের এই অনুষ্ঠানে অনেক বিশিষ্ট মানুষজন উপস্থিত ছিলেন, এর মধ্যে বিশেষ উল্লেখযোগ্য, পূর্ব-বর্ধমান মহিলা থানার আইসি বনানী রায়, ভাতারের ব্লক ডেভলপমেন্ট অফিসার অরুণ কুমার বিশ্বাস, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যলের অধ্যাপক ডঃ খগেন চট্টোপাধ্যায়, ডঃ শিবকালি গুপ্ত, প্রজাপতি ব্রহ্মকুমারি সিস্টার রুমা, বিশিষ্ট শিল্পপতি পি এন আয়ার প্রমুখ।

আগস্ট ১৫, ২০২২
রাজ্য

প্লাস্টিক ও ডেঙ্গু মুক্ত গ্রাম তৈরির লক্ষ্যে জামালপুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েত

দেশ জুড়ে পালিত হচ্ছে ৭৬ তম স্বাধীনতা দিবস। এদিন পরিবেশ রক্ষায় বিশেষ উদ্যোগ নিল জামালপুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েত। আজকের দিনেই প্লাস্টিক ও ডেঙ্গু মুক্ত গ্রাম তৈরির লক্ষ্যে পদযাত্রার আয়োজন করে জামালপুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েত। পদযাত্রা থেকে লিফলেট ও স্লোগানের মধ্য দিয়ে পথ চলতি সাধারণ মানুষজন থেকে শুরু করে ব্যবসায়ীদের প্লাস্টিক না ব্যবহার করার আবেদন জানানো হয়। তুলে ধরা হয় প্লাস্টিকের ক্ষতিকারক দিকগুলি। পাশাপাশি ডেঙ্গু নিয়েও সচেতন বার্তা প্রেরণ করা হয়। সামনের সারিতে থেকে পদযাত্রায় নেতৃত্ব দেন জামালপুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সাহাবুদ্দিন মন্ডল। স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এমন অভিনব উদ্যোগকে সাদুবাদ জানিয়েছেন সকল স্তরের মানুষজন। এদিন সরেজমিন নেমে ব্যবসায়ীদের প্লাস্টিক কিংবা প্লাস্টিকজাত জিনিস না ব্যবহার করার অনুরোধ রাখেন স্বয়ং উপপ্রধান সাহাবুদ্দিন মন্ডল। এছাড়াও তিনি ডেঙ্গু নিয়েও সচেতন করেন। পাশাপাশি এদিন কচিকাঁচাদের হাতে একটি করে জীবনস্বরূপ গাছ তুলে দেওয়া হয়। কারণ, পরিবেশ ও দেশ ভালো রাখতে গাছের বিকল্প কিছু হয় না। এভাবেই স্বাধীনতা দিবস পালন করলো জামালপুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েত।

আগস্ট ১৫, ২০২২
রাজ্য

ভাঙণ প্রতিরোধের কাজের বরাতের অর্থ নিয়ে কংগ্রেস ও তৃণমূলের কোন্দলে দুই নেত্রীর ভিন্নমত

ভাঙণ প্রতিরোধের কাজের বরাতের অর্থ নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে দুই নেত্রীর ভিন্নমত। মালদার মানিকচক বিধানসভার বিধায়ক সাবিত্রী মিত্রের দাবী এলাকার ভাঙণ প্রতিরোধের জন্য ৪২কোটি টাকা মঞ্জুর করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী।সেচ দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন জানান ৪২কোটি টাকা বরাদ্দের কথা জানা নেই।তিনি বলেন ভাঙণ প্রতিরোধের জন্য ৭কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। তবে এই সময় ভাঙণ প্রতিরোধের কাজ করলে বরাদ্দ অর্থ জলে যাবে। তাই ভাঙণের প্রবনতা কমলে কাজ হবে। ভাঙণ প্রতিরোধের কাজের নিয়ে মন্ত্রী ও বিধায়কের মুখে বরাদ্দ অর্থের পরিমান নিয়ে ভিন্ন মত হওয়ায় জেলাজুড়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। বিজেপির দাবী ভোট রাজনীতির জন্য ভাঙণ প্রতিরোধ কাজের বরাদ্দ অর্থের কথা বলছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। আসলে কোন অর্থই বরাদ্দ হয় নি। শুধু তাই নয় অর্থ তছরূপের জন্যও মন্ত্রী বরাদ্দ অর্থের পরিমান কম বলেছেন এমনই অভিযোগ করছেন বিরোধীরা।

আগস্ট ০৯, ২০২২
দেশ

দলের নির্দেশ অমান্য় শিশির ও দিব্য়েন্দুর, সাংসদ পদ ছাড়ার দাবি তৃণমূল নেতৃত্বের

দলের নির্দেশ অমান্য করে উপরাষ্ট্রপতি পদে ভোট দিলেন কাঁথি ও তমলুকের দুই তৃণমূল সাংসদ। শিশির অধিকারী ও দিব্যেন্দু অধিকারী এদিন উপরাষ্ট্রপতি ভোট দেওয়ায় রাজনৈতিক মহলে ফের বিতর্ক দেখা দিয়েছে। তৃণমূলের বক্তব্য, সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেওয়া উচিত ওই দুজনের। শুভেন্দুর পরিবারের এই দুই সাংসদের ভোট কোন দিকে গিয়েছে তা আর বলার অবকাশ থাকে না বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।তৃণমূল কংগ্রেসের উপরাষ্ট্রপতি পদে ভোট বয়কটের সিদ্ধান্ত আপাতত দুই অধিকারী সংসদের ভোট দেওয়া বড় প্রাপ্তি বলে মনে করছে দলীয় নেতৃত্ব। রাষ্ট্রপতি পদে কয়েকজন তৃণমূল সাংসদের ভোট নিয়ে সংশয় ছিল নেতৃত্বের। জোর দিয়ে বলার উপায় ছিল না তাঁরা কাকে ভোট দিয়েছেন। এবার ভোট না দেওয়ার ফতোয়া দেওয়া সত্বেও ভোট দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বাবা ও ভাই। স্বভাবতই এক একে দুই করছে রাজনৈতিক মহল।

আগস্ট ০৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌মাঠে নেমে পড়লেন লক্ষ্মী, প্রথম দিনের অনুশীলনে অভিনবত্ব

কয়েকবছর ধরে ভাল খেলেও রনজিতে সাফল্য আসেনি। অরুণলালকে সরিয়ে এবছর বাংলা ক্রিকেট দলের দায়িত্ব লক্ষ্মীরতন শুক্লার হাতে তুলে দিয়েছেন সিএবি কর্তারা। রনজি জয়ের লক্ষ্যে বুধবার থেকে মাঠে নেমে পড়লেন বাংলার নবনিযুক্ত কোচ। সিএবির ইন্ডোর স্টেডিয়ামে ৬টি উইকেটে টানা ৬ ঘন্টা ধরে অভিমন্যু ঈশ্বরণদের নিয়ে পড়ে রইলেন লক্ষ্মীরতন শুক্লা, সৌরাশিস লাহিড়ী, শিবশঙ্কর পালরা।এই মরশুমের জন্য ৪১ জন ক্রিকেটারকে বেছে নিয়েছেন নির্বাচকরা। আপাতত তাঁদের নিয়েই প্রস্তুতি চলবে। প্রস্তুতি শিবিরে ডাক পাওয়া মনোজ তেওয়ারি, মহম্মদ সামি, মুকেশ কুমাররা প্রথম দিনের অনুশীলনে ছিলেন না। এদের কেউই শহরে নেই। অভিমন্যু ঈশ্বরণ, অনুষ্টুপ মজুমদাররা অবশ্য একসময়ের সতীর্থর অধীনে চুটিয়ে অনুশীলন করেন। ভেজা টেনিস বল ও প্লাস্টিকের বলে ব্যাটিং অনুশীলন চলে দীর্ঘক্ষণ। গত কয়েক মরশুম ধরে বাংলার মূল সমস্যা ব্যাটিং। ব্যাটারদের ধারাবাহিকতার দারুণ অভাব। সেদিকেই নজর দিতে চাইছেন লক্ষ্মী। তাই শুরু থেকেই অনুশীলনে অভিনবত্ব নিয়ে এসেছেন। প্রথম দিনের অনুশীলনে মূলত ব্যাটিংয়ের প্রাথমিক বিষয়গুলির অপর নজর দেন লক্ষ্মীরতন। ব্যাটারদের ব্যাকফুট ও ফ্রন্ট ফুটের ব্যবহার নিয়ে পরামর্শ দেন। এছাড়া হুক শট, সুইপ শটও অনুশীলন করান। কীভাবে বল ছাড়তে হবে, সেটাও নিজের হাতে দেখিয়ে দেন।প্রথম দিনের অনুশীলেন পর লক্ষ্মীরতন বলেন, ইন্ডোরে আজ আমরা অনুশীলন শুরু করলাম। প্রথম দিন মূলত ব্যাটিংয়ের বেসিক জিনিসের ওপর জোর দিয়েছি। প্লাসিক বলের পাশাপাশি ভেজা টেনিস বলেও অনুশীলন করিয়েছি। কীভাবে বল ছাড়তে হয় সেটাও দেখিয়েছি। বল ছাড়টা ব্যাটিংয়ের একটা শিল্প। নিজের নতুন দায়িত্ব প্রসঙ্গে লক্ষ্মী বলেন, এই দায়িত্বটা নতুন হলেও জায়গাটা পরিচিত। মনেই হচ্ছে না যে এই কাজটা আগে কখনও করিনি। যখন ছেলেদের অনুশীলন করাচ্ছিলাম, মনে হচ্ছিল আমি তো এখানেই ছিলাম। এখন শুধু প্রাথমিক ব্যাপারগুলোর দিকে জোর দিতে চাই।আপাতত এভাবেই অনুশীলন চলবে।এদিকে, বাংলার সিনিয়র দলের পাশাপাশি অনূর্ধ্ব ২৫ দলের জোরে বোলিং কোচ করা হল ময়দানের সুপরিচিত ম্যাকো শিবশঙ্কর পালকে।

আগস্ট ০৩, ২০২২
রাজ্য

মেমারির হিমঘরের গাফিলতিতে আলু নষ্টের ক্ষতিপূরনের দাবিতে বিক্ষোভ বর্ধমানে

পূর্ব বর্ধমানের রসুলপুরে ১৮০০ চাষির আলু নষ্ট হওয়ার প্রতিবাদে আজ বর্ধমান শহরে অবস্থান বিক্ষোভ করেন ক্ষতিগ্রস্ত চাষিরা। চাষিদের অভিযোগ, বারবার বৈঠক, আবেদন নিবেদন এমনকি জেলাশাসকের সঙ্গে বারংবার বৈঠক হলেও এখনও অবধি কোনও সমাধানসূত্র মেলেনি। তাঁরা বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ সত্বেও জেলা প্রশাসন ক্ষতিপূরণ নিয়ে উদ্যোগ নেয়নি।আজ বর্ধমান শহরের প্রাণকেন্দ্র কার্জনগেটের সামনে জিটি রোডের ওপর অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হন শতাধিক কৃষক। তাঁদের দাবি, অবিলম্বে এই সমস্যার সমাধানে লিখিত প্রতিশ্রুতি চাই। নইলে তাঁরা আরও বড় আন্দোলনের পথে নামতে বাধ্য হবেন। তাঁরা জানান, এটা প্রায় দশ হাজার মানুষের রুজির সমস্যা।উপস্থিত চাষিরা জানান, এর আগেও জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকেও তেমন কোনও সমাধানসূত্র না মেলায় চরম হতাশ হয়ে পড়েন আলুচাষীরা। কিছুদিন আগে হিমঘরে রাখা আলু পচে যাওয়ায় ক্ষতিপূরণের দাবিতে জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন চাষীরা। ক্ষতিগ্রস্ত চাষিরা জানান, পুর্ব-বর্ধমানের রসুলপুরের তিরুপতি হিমঘরে আলু রেখেছিলেন। কর্তৃপক্ষের গাফিলতিতে প্রায় এক লক্ষ বস্তা আলু নষ্ট হয়ে গিয়েছে বলে চাষীদের দাবি। হিমঘর মালিক প্রথমে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি প্রতিশ্রুতি রাখেননি।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জেলা সফরে এসে ওই হিমঘর মালিকের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। ওই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী এ ব্যাপারে পূর্ব-বর্ধমানের জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই ব্যাপারে হাইকোর্টে কেস চলছে, কোর্টের নির্দেশ এলেই সেই মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আলুর ক্ষতিপূরনের টাকা না পেয়ে ইতিমধ্যেই হিমঘর মালিকের বিরুদ্ধে মেমারি থানায় প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেছেন কৃষকরা।উল্লেখ্য, মেমারির রসুলপুর এলাকার তিরুপতি হিমঘরে গত ১৯ মে আলু বার করতে গিয়ে চাষীদের মাথায় হাত। হিমঘরের ২ ও ৩ নম্বর চেম্বারের আলু ড্রাইং শেডে ফেলার পর দেখা যায় আলু একেবারে নষ্ট হয়ে গিয়েছে। হিমঘর কর্তৃপক্ষের গাফিলতির ফলেই এক লক্ষ ১৫ হাজার প্যাকেট আলু নষ্ট হয়েছে বলে অভিযোগ করেন চাষীরা। চাষীদের বিক্ষোভের মুখে পরে গত ৬ জুন হিমঘর কর্তৃপক্ষ জেলা প্রশাসন ও চাষীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। সেই বৈঠকে জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের পাশাপাশি স্থানীয় বিধায়ক ও কৃষি বিপণন দপ্তরের আধিকারিক উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, ক্ষতিপূরণ বাবদ চাষীদের ৮৯০ টাকা প্রতি প্যাকেট দেওয়া হবে। এবং ওই ক্ষতিপূরণ ২১ জুনের পর দেওয়া হবে। কিন্তু চাষীদের অভিযোগ, নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত হিমঘর কর্তৃপক্ষ তাদের টাকা মেটানোর কোনও আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। এমনকি উল্টে হিমঘর মালিক হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছেন। এমত অবস্থায় বিপাকে পড়েছে এই হিমঘরে আলু রাখা কৃষকরা।ক্ষতিগ্রস্ত চাষিরা ২ আগস্ট মঙ্গলবার জেলাশাসকের দপ্তরে এসে জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলাকে ডেপুটেশন দিতে এলে তিনি তাঁদের জানিয়ে দেন, প্রশাসনের সঙ্গে মিটিং-এ সিদ্ধান্ত মতো ক্ষতিপূরণের বিরুদ্ধে হিমঘর কতৃপক্ষ উচ্চ আদালতের দারস্থ হয়েছে। যেহেতু ব্যাপারটি আদালতের বিচারাধীন, এই মুহুর্তে প্রশাসন কোনও পদক্ষেপ করতে পারবে না। রাজ্য ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পদক্ষেপ করা হয়েছে। আগামিকাল কলকাতা হাইকোর্টের রায়দানের সম্ভাবনা আছে। আমরা সেই রায়ের দিকেই তাকিয়ে আছি, সেখান থেকে কিছুটা রিলিফ চাষিরা পেতে পারেন। জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলার আশ্বাসে চাষিরা অবস্থান তুলে নেন।

আগস্ট ০২, ২০২২
দেশ

পানশালার বিতর্কে স্মৃতি ইরানির মেয়ে, দিল্লি হাই কোর্টের নির্দেশে অশ্বস্তির মুখে তিন কংগ্রেস নেতা

দিল্লী উচ্চ আদালত জানিয়েছে যে, তিন কংগ্রেস নেতা বিজেপি নেত্রী ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি এবং তার মেয়ের জোয়িশের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এবং ব্যক্তিগত আক্রমণের ষড়যন্ত্র করেছিলেন তা মিথ্যা। ওই তিন কংগ্রেস নেতার বিরুদ্ধে মহিলা ও শিশুকল্যাণ উন্নয়ন মন্ত্রী ইরানির দায়ের করা ২ কোটি টাকার দেওয়ানি মানহানির মামলার শুনানির সময় আদালত এই নির্দেশ দেয়।আদালত স্মৃতি ও তাঁর মেয়ের বিরুদ্ধে আনা কংগ্রেসের অভিযোগগুলিকে খণ্ডিত করে তাঁর আদেশে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি এবং তার মেয়ে গোয়ার রেস্তোরাঁ এবং বারের মালিক নন। কংগ্রেসের অভিযোগ ছিল, মৃত ব্যক্তির নথি জাল করে লাইসেন্স পেয়েছে স্মৃতি ইরানির কন্যার গোয়ার রেস্তরাঁ ও পানশালা সিলি সোলস।দিল্লী উচ্চ আদালতের নির্দেশে গোয়ায় উল্লিখিত বারএর নথি যাচাই করে দেখে, যে অভিযোগ জয়রাম রমেশ, পবন খেরা, নেট্টা ডিসুজা করেছেন স্মৃতি ইরানির মেয়ের বিরুদ্ধে,ওই নামে কোনও লাইসেন্স কখনও ইস্যু করা হয়নি এমন কোনও লাইসেন্স আদও ছিল না। ইরানি বা তার মেয়ে ওই রেস্টুরেন্টের মালিকও নন। এবং আদালত সুস্পষ্ট করে জানান, স্মৃতি ইরানি বা তার মেয়ে কখনই লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেনি।উল্লেখ্য,তিন কংগ্রেস নেতা টুইটারে স্মৃতি-র মেয়ে জোয়িশের বিরুদ্ধে জাল নথি পেশ করে পানশালার লাইসেন্স পাওয়ার অভিযোগ জানানোয় ওই তিন নেতাকে আইনি নোটিস পাঠান স্মৃতি ইরানি, এবং দিল্লি হাই কোর্টে মানহানির মামলা দায়ের করেন। দিল্লি হাই কোর্ট গত শুক্রবার জয়রাম রমেশ, পবন খেরা, নেট্টা ডিসুজাকে টুইট মুছে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। আজকের আদালতের এই নির্দেশে কংগ্রেসের তিন নেতার আইনি বিপাকে পড়ার সম্ভবনা আরও প্রবল বলেই আইনজ্ঞরা মনে করছেন।

আগস্ট ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

'অরুণের' প্রস্থানে বাংলার আবার 'লক্ষ্মী' লাভ, আশায় বুক বাঁধছেন ক্রীড়া প্রেমীরা

ভারতীয় ক্রিকেটে লক্ষ্মীরতন শুক্লা শুধুমাত্র একটা নাম নয়, লক্ষ্মীরতন শুক্লা একটি বিশ্বাস। যে বিশ্বাসের আশায় এখন দুলছে বাংলার ক্রিকেট। ৩০ রানে ৫ উইকেটে ধুঁকছে বাংলা, লক্ষ্মীর আগমনে সেই রান পৌছে গেলো ৩০০/৫। কিনান স্টেডিয়াম, ব্যাট হাতে বাংলার ক্রাইসিস ম্যান উল্টো দিকে বল হাতে তৎকালীন সময়ের ভারতের দ্রুততম পেস বোলার আশিস নেহেরা। লক্ষ্মীর ইনিংসের প্রথম বল মাঠের বাইরে। ছয় রান। লক্ষ্মী মানে আসাধ্যসাধন, লক্ষ্মী মানে আশ্বাস।বাংলা ক্রিকেটের আকাশে অরুণলাল অস্তমিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কোজাগরীর লক্ষ্মীর আবির্ভাব। ক্রীড়াপ্রেমী বাংলার মানুষের আশা, লক্ষ্মী কোজাগরী পূর্ণিমার রাতের ঝলমলে আকাশের মতো আলো ছড়িয়ে বাংলার ক্রিকেট ভাঁড়ারে বহু মূল্যবান রতন এনে দেবেন। ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গল (সিএবি) আগামী মরসুমে বাংলার সিনিয়র দলের কোচ হিসাবে লক্ষ্মীরতন শুক্লার নাম বিবেচনা করেছেন। ক্রিকেট ছাড়ার পর থেকেই তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে হাওড়ার ডুমুরজলাতে বিনা পারিশ্রমিকে বাচ্চাদের নিয়ে কোচিংয়ে মেতে ওঠেন। যাঁরা ব্যক্তিগত ভাবে তাঁকে চেনেন তাঁরা জানেন, লক্ষ্মী কি প্রচন্ড ফিটনেস ফ্রিক। নিত্যদিন জিমে ১-২ ঘণ্টা সময় কাটান নিজেকে ফিট রাখতে। অত্যাধুনিক কোচিং ম্যানুয়ালের সঙ্গে সুপরিচিত এরকম একজন মানুষকে বাংলা দল পাশে পেয়ে ভীষণ রকম উপকৃত হবে সে কথা বলাই বাহুল্য। এর আগে তিনি বাংলা অনুর্ধ ২৩ দলের দায়িত্ব সামলেছেন।লক্ষ্মী খেলার শেষে মাঠ থেকে সোজা বাড়িতে ফিরে এসে পরিবারের মানুষজন ও কিছু ঘনিষ্ট বন্ধুবান্ধবের সাথেই সময় কাটাতে বেশী পছন্দ করেন। তাঁর জীবনদর্শন গড়পড়তা পাঁচটা মানুষের থেকে আলাদা। তাঁর কথা একটা প্রতিবেদনে লিখে শেষ করা মুশকিল। তিনি মন্ত্রী থাকাকালীন যোগ্য ব্যক্তিদের স্যার সম্বোধন করতেন অবলীলায়। যা তাঁর শিক্ষা ও বংশপরিচয়ের প্রমান রাখে। ছোটোবেলায় দাদার সাথে সাইকেলের পিছনে বসে ব্লাউজের পিস বিক্রী করেছেন অভাবের সংসারের পাশে থাকতে, সে থেকেই হয়ত জন্ম নিয়েছে লড়াকু মানসিকতার, হার না মানা লক্ষ্মীর।উল্লেখ্য, লক্ষ্মী ২০১৬-তে বর্তমান শাসক দলের হয়ে ভোটে লড়ে হাওড়া উত্তর বিধানসভা থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হন। বিধায়ক হয়ে তিনি পশ্চিমবঙ্গের ক্রীড়া রাষ্ট্রমন্ত্রী দায়িত্ব পান। ২০২১-র ৫ জানুয়ারি লক্ষ্মী তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বান্দ্যপাধ্যায়কে চিঠি দিয়ে তিনি দল ও মন্ত্রিত্ব থেকে অব্যহতি চান। মমতা প্রেসকে জানান লক্ষ্মী খুব ভালো ছেলে, ও খেলায় মোনযোগ করতে চায়। বন্যরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে প্রবাদটির প্রতি সন্মান দিয়েই বোধহয় লক্ষ্মী মাঠে-ই ফিরে গেলেন। ঘাসফুল নয় তাঁকে টানছিল মাঠের সবুজ ঘাস। শাসক দলের বিধায়ক, মন্ত্রিত্ব...... হাজারো সুবিধা, প্রলোভন যে ছেলে অবলীলায় ছক্কা মেরে মাঠের বাইরে পাঠাতে পারে, মাঠ তো তাঁকে টেনে নেবেই। অভিষেক ডালমিয়া ও তাঁর সহকারীরা একেবারে সঠিক মানুষকেই বাংলার দায়িত্ব তুলে দিয়েছেন বলে বাংলার প্রাক্তনীরা জানাচ্ছেন।ভোটের প্রচারে লক্ষ্মীরতন শুক্লাতাঁর জীবনটাই এক লড়াই, স্কুল বেঙ্গল খেলায় জম্মুতে গিয়ে একপ্রকার জোর করে প্রথম দলে ঢুকে ম্যচ জেতানো ইনিংস উপহার দেওয়া। তাঁর নিজের প্রতি অগাধ বিশ্বাস তাঁকে অনেকটা সামনে নিয়ে গেছে। তাঁর এই অদম্য মনোভাবের পরিচয় তিনি রেখেছিলেন সে ছোটবেলা থেকেই। নদিয়ার গয়েসপুরে অনুর্ধ ১৬ স্কুল ডিস্ট্রিক্ট টুর্নামেন্টের ফাইনালে হুগলীর পাঁচ জন ব্যাটারকে রান আউট করে ম্যান অফ দা ম্যাচ হওয়া ক্রিকেটারের নাম লক্ষ্মীরতন শুক্লা। যাখনই যে দলে খেলেছেন সেই দলকে খাদের কিনারা থেকে তোলার দ্বায়িত্ব নেওয়া যেন তাঁর কাছে সহজাত ব্যাপার ছিল। তাঁর খেলা ফুটে উঠত দল খাদে পড়লেই। তাঁর কেরিয়ার অ্যানালিসিস করলে দেখা যাবে ৩০/৫ অবস্থায় নেমে লক্ষ্মী যে খেলা খেলেছেন, ৩৫০/৫ এ তাঁকে সেভাবে পাওয়া যাইনি।২০১১-১২-র মরসুমে বিজয় হাজারে ট্রফিতে সারা টুর্নামেন্ট জুড়ে অনবদ্য পারফরমেন্স করে বাংলাকে চাম্পিয়ন করেন। ফাইনালে মুম্বাইয়ের বিরুদ্ধে বল হাতে দুরন্ত পারফরমেন্সের (৯.২ - ১ - ৩৮ - ৪) পর ব্যাট করতে নেমে অনবদ্য অপরাজিত শতরান (১০৬) করেন। ফাইনালে সেরা খেলোয়াড়ও তিনিই নির্বাচিত হন লক্ষ্মী। মনে রাখতে হবে সেই দলে বাংলার আইকন সৌরভ গাঙ্গুলী, বর্তমান ভারতীয় দলের দ্রুততম পেস বোলার মহঃ শামি-ও ছিলেন।তাঁর খেলোয়াড় জীবনের মূল মন্ত্র ছিল মাঠে না নেমে হারবো না। এই মনোভাবটাই তিনি তাঁর সহ-খেলোয়াড়দের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে পেরেছিলেন। মুম্বাই ক্রিকেটে একটা কথা খুব চালু আছে খাড়ুশ, যার অর্থ হল উইকেটে পরে থাকো। বোলার তোমার উইকেটে অর্জন করুক, তুমি তাকে তোমার উইকেট বিসর্জন দিও না। লক্ষ্মী তাঁর সহ-খেলোয়াড়দের মধ্যে তাঁর মনোভাব তুমিও পারবে ছড়িয়ে দিতে সফল হয়েছিলেন, তাই বহু জুনিয়ার খেলোয়াড় আজও লক্ষ্মীকে মনে রেখেছে। কলকাতা ময়দানে বিভিন্ন বড় দলে খেলেও কোনও নির্দিষ্ট স্ট্যাম্প লাগতে দেননি তাঁর গায়ে। এক ক্যালেন্ডার ইয়ারে তিনি কালিঘাট ক্লাবকে পাঁচ মুকুট চাম্পিয়ান করেছিলেন।লক্ষ্মীর জন্ম হাওড়া শহরে ঘুশুড়ি এলাকায়। শুক্লা স্থানীয় ঘুশুড়ি শ্রী হনুমান জুট মিল হিন্দি হাই স্কুলে এবং ডন বস্কো হাই অ্যান্ড টেকনিক্যাল স্কুল, লিলুয়া থেকে পড়াশোনা করেন। তাকে স্থানীয় মানুষ জন ভালোবেসে বিট্টু নামে ডাকেন, শুক্লা বাংলা অনূর্ধ্ব-১৬ দলে প্রতিনিধিত্ব করেন। তিনি অনূর্ধ্ব-১৯ খেলায় উড়িষ্যা-র বিরুদ্ধে ব্যাট হাতে ৫৬ এবং ৫ উইকেট নিয়ে তাঁর আগমন জানান দিয়েছিলেন। এরপর তাঁকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। তিনি মাত্র ১৭ বছর বয়সে অনূর্ধ্ব-১৯ বাংলা খেলতে খেলতে, মহারাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক করেছিলেন সেই ম্যাচে ২৬ রান এবং ২টি উইকেট দখল করে তাঁর যোগ্যতার প্রতি সুবিচার করেন। পরের সিজিনে তিনি দলীপ ট্রফির জন্য নির্বাচিত হন।হার না মানা লক্ষ্মীরতন শুক্লাক্রিকেট বিশেষঞ্জদের মতে তাঁর ব্যাটিং ছিল ভয়ডরহীন। তিনি দ্রুত গতিতে বোলিং করতেন এবং একজন আন্তর্জাতিক মানের সুদক্ষ ফিল্ডার ছিলেন। তাঁর অলরাউন্ড দক্ষতার জন্য তাঁকে ১৯৯৯ এ সফরকারী পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে ভারত এ-তে খেলার জন্য ডাক পেয়েছিলেন। ওপেনিং বোলিং করে শুক্লা ওয়াজাহাতুল্লাহ ওয়াস্তি, ইউসুফ ইউহানা এবং ইনজামাম-উল-হক এর উইকেট নিয়েছিলেন, সেই মাচে তিনি ৬ উইকেট নিয়েছিলেন। ১৯৯৯ এ শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে একদিনের ম্যাচ দিয়ে তাঁর ক্যারিয়ার শুরুক মাত্র তিনটি ম্যাচ খেলিয়ে তাঁকে বাতিলের তালিকায় ফেলে দেওয়া হয়।শুক্লা ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট একাদশের হয়ে পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধেও দারুণ খেলেছিলেন, সেই ম্যাচে তিনি ৪ টি উইকেট নেন। সে সময়ের পাকিস্তানের চার মহারথী শহীদ আফ্রিদি, ইনজামাম, আজহার মাহমুদ, এবং ইউহানাকে সাজঘরে পাঠিয়ে দেন, তাঁর এ হেন পারফরমেন্সের পর ক্রিকেটপ্রেমীদের আশা ছিল হয়ত খুব শীঘ্রই লক্ষ্মী ভারতীয় টেস্ট দলে ডাক পাবেন।২০১১-১২ দেশের সেরা অলরাউন্ডারের পুরস্কার লালা অমরনাথ ট্রফি পান লক্ষ্মীরতন শুক্লা। এবং আশ্চর্যের ব্যাপার, সেই সেরা অলরাউন্ডারকে তাঁর সেরা সময়ে দেশের হয়ে খেলে নিজেকে প্রমান করার নুন্যতম সুযোগ দেওয়া হয়নি। তাঁকে মাত্র তিনটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলিয়ে শুধু যে তাঁর প্রতি অবিচার করা হল তা নয়। দেশ একজন লড়াকু ছেলের লড়াই দেখা থেকে বঞ্চিত হল। যাঁর জানপ্রান লড়াই বাংলার অগণিত ক্রিকেটপ্রেমী দেখতে অভ্যস্ত ছিল, সেটা কলকাতা ময়দানের লিগ খেলা হোক বা রঞ্জি ট্রফির ম্যাচ। তাঁর এই মনোভাব অসম্ভব ছোঁয়াচে ছিল। প্রায়সই সেই রোগে আক্রান্ত হয়ে জুনিয়র খেলোয়াড়রা মাঠে নিজেদের উজার করে দিতেন।সারা বাংলা লক্ষ্মীরতন শুক্লার দিকে তাকিয়ে, গত দুটি রঞ্জীতে বাংলা অরুনলালের কোচিং -এ একবার ফাইনাল ও এবার (২০২২) সেমিফাইনালে পোঁছেও চুড়ান্ত সফলতা পাইনি। লক্ষ্মী-সৌরাশিষ জুটি কি বাংলাকে সি উচ্চতায় পৌছাতে পারবেন? পারিবারিক জীবনেও লক্ষ্মী-সৌরাশিষ জুটি অনেকদিনের। সেই সমঝোতা কতটা কাজে লাগে বাংলার ক্রিকেটে সেই দিকেই তাকিয়ে বাংলা ক্রিকেটপ্রেমী জনগণ। লক্ষ্মী-সৌরাশিষ দুজনে একসঙ্গে বহু ম্যাচ বাংলার হয়ে খেলেছেন। পুরনো পেস-স্পিন জুগলবন্দী দেখার আশায়। সৌরাশিষ এর আগে বাংলার অনুর্ধ ২৩ টিমকে নিয়ে কাজ করেছেন এবং তাঁর সাফল্য ঈর্ষনীয়। সৌরাশিষের সাধাসিধে জীবনযাত্রা ক্রিকেটের প্রতি সততা ও অনুগত প্রান উপরি পাওনা বাংলার ক্রিকেটে।বাংলার ক্রিকেটের আর এক জনপ্রিয় ব্যাটার মনোজ তিওয়ারি। যিনি লক্ষ্মী-র ছেড়ে আসা পদে আসীন হয়ে বাংলার বর্তমান ক্রীড়া রাষ্ট্রমন্ত্রী। সম্ভবত বিশ্ব ক্রিকেটে হয়ত বা যেকোনও ধরনের খেলায়, এক প্রাক্তন ক্রীড়া রাষ্ট্রমন্ত্রী কোচিং এ বর্তমান ক্রীড়া রাষ্ট্রমন্ত্রী খেলবেন। এক প্রাক্তন ক্রিকেটারকে একবার তাঁর ঘনিষ্ট মহলে বলতে শুনেছিলাম, লক্ষ্মীরতন শুক্লা কমপক্ষে ১০০ একদিনের ম্যাচ খেলা উচিত ছিল, বাস্তবে সেটা হইনি, কিন্তু সেকারণে তাঁর কমিটমেন্টের কোনও খামতি ছিল না। বর্তমানে অনেকের মুখেই শোনা যায় এ বাঙালি ও অবাঙালি, লক্ষ্মী হেঁসে তাঁদের বলে যে বাঙলাই জন্মেছে সেই বাঙ্গালি। গর্বিত করেছে এই বাংলা বহুবার... আরও করবে ভবিষ্যতে। তাঁর কথাতেই শেষ করি। বাংলার জার্সির লোগোতে বাঘের ছবি আছে,মাঠেও তাঁর প্রতিফলন দেখতে চাই বাংলা তোমার থেকে......।কুনাল মুখোপাধ্যায়(বহুজাতিক সংস্থার উচ্চপদস্ত আধিকারিক)

জুলাই ৩১, ২০২২
রাজ্য

'আমি ষড়যন্ত্রের শিকার' পার্থের মন্তব্যে তোলপাড় রাজনৈতিক মহল

রাজ্যের তিন তিনটে মন্ত্রিত্ব খুইয়েছেন, দলের মহাসচিব পদ থেকে অপসারিত হয়েছেন এমনকি তৃণমূল কংগ্রেস পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে দল থেকেও সাসপেন্ড করেছে। গতকাল তৃণমূল কংগ্রেসের সর্ব-ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এই ঘোষণা করেন। তিনি জানিয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদিকে এদিন জোকা ইএসআই হাসপাতালে নিয়মমাফিক শারীরিক পরীক্ষা নিরীক্ষা করার জন্য পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে যাওয়া হয় তখন সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সদ্য দল ও মন্ত্রিত্ব থেকে অপসারিত পার্থ জানিয়ে দেন, তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার।পার্থ চট্টোপাধ্যায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকেই দলের সাধারণ সম্পাদক ও মুখপাত্র কুনাল ঘোষ বলে আসছিলেন, সুযোগ থাকা স্বত্তেও মিডিয়ার সামনে কিছু বলছেন না, তিনি বলতেই পারতেন আমি নির্দোষ। আমিও যখন সারদা কান্ডে গ্রেপ্তার হয়েছি তখন নানা প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্তেও আমি বারে বারেই একথা বলেছিলাম।মন্ত্রিত্ব ও দলের সমস্ত পদ হারানোর পর এদিন ষড়যন্ত্রের স্বীকার হয়েছেন সেই প্রতিক্রিয়া দিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের এই বক্তব্যে শোরগোল পরে গেছে রাজ্য রাজনৈতিক মহলে। তাহলে ষড়যন্ত্রকারিরা কে? এই প্রশ্নে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। এদিন জোকা ইএসআই হাসপাতালে নিয়মমাফিক শারীরিক চিকিৎসা করাতে নিয়ে যাওয়া হয় এসএসসি দুর্নীতি কান্ডের আরেক অভিযুক্ত পার্থর বিশেষ বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে। পার্থ ঘনিষ্ট অর্পিতা এদিন হাসপাতালে এসেই কান্নায় ভেঙে পড়েন। হাউমাউ করে কেঁদে ভাসান এবং গাড়ি থেকে নামানোর সময় তিনি পড়েও যান। তাতে তাঁর পায়ে হালকা আঘাত লাগে।

জুলাই ২৯, ২০২২
দেশ

আরবিআই-র অনুমোদনহীন এই ব্যাঙ্ক গুলি থেকে টাকা তোলায় বিধিনিষেধ, আপনি কি ওই ব্যাঙ্ক গুলির গ্রাহক?

ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক বৃহস্পতিবার জানিয়েছে যে, দুটি বাঙ্কের আর্থিক অবস্তার অবনতির দিকে নজর রেখে আপাতত ছয় মাস ওই দুই ব্যাঙ্কের লেনদেনের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হচ্ছে।উত্তরপ্রদেশের দুটি সমবায় ব্যাঙ্কের আর্থিক অবস্থার অবনতির পরিপ্রেক্ষিতে টাকা তোলা সহ একাধিক বিধিনিষেধ আরোপ করেছে ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। এই দুই ব্যাঙ্ক হল লক্ষ্ণৌ আরবান কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্ক এবং আরবান কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্ক লিমিটেড, সীতাপুর। ব্যাঙ্কিং নিয়ন্ত্রণ আইনের অধীনে এই বিধিনিষেধ ছয় মাসের জন্য আপাতত বলবৎ থাকবে।ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক একটি বিবৃতি জারী করে বলেছে, লক্ষ্ণৌ আরবান কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের গ্রাহকরা ৩০,০০০ টাকার বেশি তুলতে পারবেন না। আরবান কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের ক্ষেত্রে টাকা তোলার সীমা গ্রাহক প্রতি ৫০,০০০ টাকা।জানা গেছে যে, এই দুটি ব্যাঙ্ক-ই আরবিআই-এর অনুমোদন হীন। ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই দুই ব্যাঙ্ক কোনওরকম ঋণ দিতে পারবে না, কোনও সংস্থা তে বিনিয়োগ করতে পারবে না, কোনও দায় বহন করতে পারে না ... সহ একাধিক বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে এই দুই ব্যাঙ্কের ওপর।

জুলাই ২৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

বড়পর্দায় কামব্যাক রঞ্জিত মল্লিকের

নেহাল দত্তের পরিচালনায় অপরাজেয় ছবির মাধ্যমে কামব্যাক করছেন বর্ষীয়ান অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিক। এছাড়া রয়েছেন সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়, লাবণী সরকার, সুমিত গাঙ্গুলি, মৃণাল মুখোপাধ্যায়, ফাল্গুনী চট্টোপাধ্যায়, সায়ন ব্যানার্জি, ওরিন, গোপাল তালুকদার প্রমুখ। শ্রীমতী সুমনা কাঞ্জিলাল কর্ণধার - মোজোটেল এন্টারটেনমেন্টস এবং দিব্যা ফিল্মস এর উপস্থাপনায় এই অপরাজেয়।অপরাজেয় তে সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায় ও মৃণাল মুখোপাধ্যায়এই গল্পটা একজন সত্যবাদী নিষ্টাবান উকিল শুভঙ্কর স্যানাল এর জীবন নিয়ে! যে কোনদিন মিথ্যা বা অসৎ কোন কাজ কে মেনে নেননি! কিন্তু জীবনের শেষ পর্যায়ে এসে এলোমেলো হয়ে যায় তাঁর জীবন! এক কেসে তাঁর মক্কেল টাকার জন্য অনৈতিক ভাবে কেস তুলে নেয়, এই কষ্টে অবসর নেন শুভঙ্কর! অবসর জীবনে তাঁর স্ত্রী তাঁদের একমাত্র পুত্র এবং পুত্রবধু ও নাতির প্রতিক্ষায় এক সময়ে নিজেকে শেষ করে দেন! ভেঙ্গে পড়েন শুভঙ্কর বাবু! কিন্ত আবার তাঁকে জাগিয়ে তোলে পাশের বাড়ির এক বৃদ্ধের ওপর বাড়ি বিক্রির ষড়যন্ত্র জড়িত এক সন্তানের অন্যায়ের বিরুদ্ধে আবারও গর্জে উঠলেন সেই হারানো শুভঙ্কর সান্যাল।

জুলাই ২৮, ২০২২
রাজ্য

র‍্যালির পর পূ্র্ব বর্ধমানের প্রথমিক বিদ্যালয়ের ৫০ জন ছাত্র-ছাত্রী অসুস্থ, অবরোধ- বিক্ষোভ

পূর্ব বর্ধমানের আউশা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ুয়ারা অসুস্থ হয়ে পড়েছে। জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালে আউশা প্রাথমিক স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের একটি শোভাযাত্রা বের হয়। সেই র্যালির পর পড়ুয়াদের কেক ও গ্লুকোজ জল দেওয়া হয়। এরপরই পড়ুয়ারা অসুস্থ হয়ে যায়। মাথাঘোরা, ঘা বমি শুরু হয়। অচেতন হয়ে পড়ে তারা। অসুস্তদের একটি গাড়ি ও একটি বাসে করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে আসা হয়। এখনও পর্যন্ত প্রায় ৫০ জনকে আনা হয়েছে। তারা বর্ধমান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।এই ঘটনায় স্থানীয় নবস্থা পঞ্চায়েত অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখায় এলাকার মানুষজন। রাস্তায় গাছ ফেলে চলে বিক্ষোভ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায় মেমারী থানার পুলিশ। নবস্থা পঞ্চায়েতে থাকা একটি এ্যাম্বুলেন্সে ভাঙচুর চালায় বিক্ষোভকারীরা। অভিযোগ, শেষমেশ বিক্ষোভকারীদের হঠাতপতে লাঠি চার্জ করে পুলিশ। এই ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। অসুস্থ ছাত্রছাত্রীদের দেখতে বর্ধমান হাসপাতালে পৌঁছায় বর্ধমান জেলা পরিষদের সহ সভাধিপতি দেবু টুডু, বিধায়ক অলোক মাঝি প্রমুখ।

জুলাই ২২, ২০২২
দেশ

রেল যাত্রীদের জন্য বড় ধাক্কা, ট্রেনের খাবারও অগ্নিমূল্য, বর্ধিত খাবারের নতুন দাম দেখে নিন এক ঝলকে

মুদ্রাস্ফীতিতে নাজেহাল দেশবাসী, ভোজ্য তেল,জ্বালানি তেল, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যসহ সব কিছুরই দাম আকাশছোঁয়া। তার মধ্যেই এবার ভারতীয় রেল তাদের ট্রেনের পরিবেশিত খাদ্য দ্রব্যের মুল্য বৃদ্ধি করলো। যাঁরা রাজধানী, শতাব্দী, তেজস, বন্দেভারত এবং দুরন্তের এক্সপ্রেসের মতো ট্রেনে ভ্রমণ করেন তাঁদের যেনে রাখা দরকার কিসের কিসের দাম বাড়লো। সম্প্রতি ট্রেন যাত্রাকালীন চায়ের দামের চেয়ে বেশি সার্ভিস চার্জ নেওয়ার ঘটনা সামনে এসেছে। সেই চায়ের বিলের ছবি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায় এবং সেখানে অনেকেই ভারতীয় রেলের কড়া সমালোচনা করেন। এরকম অনভিপ্রেত ঘটনা এড়াতে ভারতীয় রেলের খাদ্য সরবরাহকারী সংস্থা আইআরসিটিসি খাদ্যদ্রব্যের মুল্য তালিকা প্রকাশ করেছে। আইআরসিটিসি জানিয়েছে এখন থেকে ট্রেনে ভ্রমনকালীন সময়ে কোনও খাবারের অর্ডার করলে অন-বোর্ডিং চার্জ দিতে হবে।ইন্ডিয়ান রেলওয়ে ক্যাটারিং অ্যান্ড ট্যুরিজম কর্পোরেশন (IRCTC) দ্বারা চালিত ট্রেনের ভিতরে খাবারের অর্ডারের সংশোধিত মুল্য তালিকা সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় রেল মন্ত্রক। নতুন সংশোধিত মুল্য তালিকা অনুযায়ী, রেলওয়ে প্রিমিয়াম ট্রেনে প্রি-অর্ডার করা নয় এমন সমস্ত খাবার এবং পানীয়ের অন-বোর্ড পরিষেবা চার্জ সরিয়ে দিয়েছে। অন্যদিকে স্ন্যাকস, লাঞ্চ এবং ডিনারের দামের সাথে অতিরিক্ত ৫০ টাকা যোগ করা হয়েছে।খাবার-পানীয় আরও মহার্ঘ হয়ে গেল!চায়ের দাম এর মত ঘটনা যাতে আবার না ঘটে তার জন্য আইআরসিটিসি (IRCTC) রাজধানী, শতাব্দী, তেজস, বন্দে ভারত এবং দুরন্তর মতো ট্রেনগুলিতে অনবোর্ড ক্যাটারিং পরিষেবাগুলির জন্য একটি নতুন মুল্য তালিকা প্রকাশ করেছে। রেলওয়ের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে যে, যে সমস্ত যাত্রীরা টিকিট বুকিংয়ের সময় ক্যাটারিং পরিষেবার বিষয়টি নির্বাচন করেন না এবং ট্রেনে ওঠার পর খাবার ও পানীয় অর্ডার করেন, তাদের অনবোর্ড চার্জ দিতে হবে। এ কারণে খাদ্য সামগ্রীর দাম বেড়েছে।রাজধানী সহ ওই পাঁচটি ট্রেনে, যে সমস্ত যাত্রী টিকিট কাটার সময় সকালের প্রাতরাশ, মধ্যাহ্নভোজন বা রাতের খাবারের জন্য টাকা পেমেন্ট করে রাখেন তাঁদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে না। কিন্তু তাঁরা যদি টিকিটের কাটবার সময় সেই অর্থ প্রদান না করেন সেক্ষেত্রে তাঁরা যদি বোর্ডে অর্থাৎ ট্রেনের মধ্যেই অর্ডার করেন তাঁদের এই অতিরিক্ত গাঁটের কড়ি খরচ করতে হবে।খাদ্য ও পানীয় তালিকা এবং চার্জ ইনরাজধানী, দুরন্ত এবং শতাব্দী এক্সপ্রেসের প্রথম শ্রেণি এবং ইকনমি ক্লাসে প্রিপেইড এবং অন-বোর্ড দুই ক্ষেত্রেই সকালের চায়ের দাম ৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। দ্বিতীয় শ্রেনী এবং তৃতীয় শ্রেনী এসি এবং চেয়ার কারে চায়ের দাম ২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।একইভাবে, রাজধানী, দুরন্ত এবং শতাব্দী এক্সপ্রেসের প্রথম শ্রেনী এসি-তে প্রিপেইড-এ সকালের প্রাতরাশ (ব্রেকফাস্ট) খেতে ১৪০ টাকা দিতে হবে। অন-বোর্ড যাত্রীদের ক্ষেত্রে ব্রেকফাস্টের দাম ১৯০ টাকা। প্রিপেড ব্রেকফাস্ট দ্বিতীয় শ্রেনী এবং তৃতীয় শ্রেনী এসি-তে অন-বোর্ড ১৫৫ টাকায় পাওয়া যাবে।ওই ট্রেনগুলির প্রথমশ্রেনী এসি এবং ইকোনমি ক্লাসে প্রিপেইড লাঞ্চ-ডিনারের মুল্য ২৪৫ টাকা। আপনি যদি অন বোর্ডে অর্ডার করেন, আপনাকে এর জন্য ২৯৫ টাকা দিতে হবে। দ্বিতীয় শ্রেনী এসি, থার্ড এসি এবং চেয়ার কারে আপনাকে প্রিপেইডের জন্য ১৮৫ টাকা এবং অন বোর্ডে ২৩৫ টাকা দিতে হবে।প্রথমশ্রেনী এসি এবং ইকোনমি ক্লাসে সন্ধ্যার চা এবং স্ন্যাকসের জন্য মুল্য ১৪০ টাকা। যারা অন বোর্ডে অর্ডার করবেন তাদের ১৯০ টাকা দিতে হবে। দ্বিতীয়শ্রেনী এসি, তৃতীয় শ্রেনী এসি এবং চেয়ার কারের জন্য প্রিপেইড হিসাবে ৯০ টাকা এবং অন বোর্ডে ১৪০ টাকা গুনতে হবে।দুরন্ত এক্সপ্রেসের স্লিপার কোচে সকালের চায়ের প্রিপেইড এবং অন-বোর্ড মূল্য হল ১৫ টাকা। প্রাতঃরাশের জন্য প্রিপেইডে ৬৫ টাকা এবং অন-বোর্ড যাত্রীদের জন্য ১১৫ টাকা খরচ হবে। লাঞ্চ এবং ডিনারের জন্য, আপনাকে প্রিপেইডে ১২০ টাকা এবং অন বোর্ডে ১৭০ টাকা দিতে হবে।আপনি যদি তেজস ট্রেনের প্রথম শ্রেনী এসি এবং ইকোনমি ক্লাসে ভ্রমণ করেন, তাহলে আপনাকে সকালের প্রাতঃরাশের জন্য ১৫৫ টাকা (প্রিপেইড) দিতে হবে। একই সময়ে, অন বোর্ডে অর্ডার করলে, এর দাম পড়বে ২০৫ টাকা। সে রকম, দ্বিতীয় শ্রেনীএসি, তৃতীয় শ্রেনী এসি এবং চেয়ার কারের জন্য আপনাকে ১২২ টাকা (প্রিপেইডের জন্য) এবং অন-বোর্ড অর্ডারের জন্য ১৭২ টাকা দিতে হবে।বন্দেভারত ট্রেনের যাত্রীদের জন্য খাবার ও পানীয়ের মুল্য তালিকাঃবন্দেভারতএ সকালের চায়ের জন্য ১৫ টাকা দিতে হবে। প্রাতঃরাশের জন্য আপনাকে প্রিপেইডে ১৫৫ টাকা এবং অন বোর্ডে ২০৫ টাকা দিতে হবে। লাঞ্চ এবং ডিনারের জন্য আপনাকে প্রিপেইডে ২৪৪ টাকা এবং অন বোর্ড অর্ডার করলে ২৭২ টাকা দিতে হবে। সন্ধ্যার চা এবং জলখাবারের জন্য, প্রথমশ্রেনী এসি এবং ইকোনমি ক্লাসের যাত্রীদের প্রিপেইড হিসাবে ১০৫ টাকা দিতে হবে। আর যদি অন বোর্ডে অর্ডার করেন, তাহলে এই দাম বেড়ে ১৫৫ টাকা হবে।ট্রেন নির্ধারিত সময়ের না চললেঃরাজধানী, দুরন্ত, শতাব্দী, তেজস এবং বন্দেভারত এক্সপ্রেসের মতো ট্রেনগুলি যদি নির্ধারিত সময়ে না চলে দেরিতে চলে, সেই পরিস্থিতিতে চা ও কফির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ টাকা এবং সকালের নাস্তা ও সন্ধ্যার চা পাওয়া যাবে ৩০ টাকায়।

জুলাই ২০, ২০২২
রাজ্য

মোবাইলে নিষেধাজ্ঞা কলকাতা পুলিসের, আর ফোন নিয়ে সরকারি ডিউটি করা যাবে না

পুলিসের ফোন ব্যবহার বিধিনিষেধ নিয়ে কড়া নির্দেশিকা লালবাজারের। কয়েকদিন আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে এক অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির অনুপ্রবেশ ঘিড়ে তুলকালাম পুলিস মহলে। হাফিজুল মোল্লা নামে এক ব্যক্তির অনুপ্রবেশের পর থেকেই পুলিশি নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠেছে। সরকার বিরোধী শিবির বাম, বিজেপি ও কংগ্রেস প্রশ্ন তোলে, যেখানে জেড ক্যাডাগড়ি ভুক্ত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা বিঘ্নিত, সেখানে রাজ্যের সাধরণ মানুষের কথা যত কম বলা যায় ত্তি ভালো। তাঁর পরবর্তি সময়ে কলকাতা পুলিস বেশ কিছু কড়া সিদ্ধান্ত নেয়। তাঁর মধ্যে প্রথমেই তারা নজর দেয় নবান্নের নিরাপত্তায়। তখন তাঁরা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো, রাজ্যের প্রধান করণ নবান্নতে এর পর থেকে কর্তব্যরত কোনও পুলিশকর্মী মোবাইল ফোন নিয়ে ডিউটি করতে পারবেন না। তাঁদের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন জমা রেখে ডিউটি করতে হবে। সেই নিয়মই বলবত থাকে মুখ্যমন্ত্রীর বসতবাড়ি কালীঘাটেও।নবান্ন বা কালিঘাটের মুখ্যমন্ত্রীর বারিতে থেমে না থেকে কলকাতা পুলিস এবার আরও কড়া ব্যবস্থা নিল। মঙ্গলবার কলকাতা পুলিশ ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন ব্যবহারে আরও কঠোর নিয়ম জারি করল। তাঁরা জানিয়েছে, কর্তব্যরত অবস্থায় জরুরি প্রয়োজন ছাড়া মোবাইল ফোন ব্যবহার আর করা যাবে না। লালবাজার সুত্রে জানা যায়, বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া কর্তব্যরত অবস্থায় পুলিসকে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে দেখা গেলে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আরও জানা গেছে কেউ যদি, কিউআরটি/এইচআরএফএস, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ বা সেন্ট্রি ডিউটিতেও থাকে তাহলেও মোবাইল ফোন ব্যবহার করা যাবে না।মঙ্গলবার কলকাতার পুলিশ কমিশনার পুলিসের মোবাইল ফোন ব্যবহার নিয়ে বেশ কিছু কড়া নির্দেশ দিয়েছেন। মনে করা হচ্ছে, কিছুদিন আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির অনুপ্রবেশের পর পুলিসি ব্যবস্থার প্রতি সাধরণ মানুষের প্রশ্ন জাগতেই এতটা তৎপরতা। সেই ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে সর্বস্তরে এক বড় প্রশ্ন ওঠে।লালবাজার সুত্রে জানা গেছে, মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে যারা থাকবেন, তাঁদেরও মোবাইল ব্যবহার নিষেধাজ্ঞা জারী করা হয়েছে। এদিনের লালবাজারের এই নির্দেশিকা মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সেই ঘটনার প্রতিফলন বলে ভাবছে অভিজ্ঞ মহল।

জুলাই ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ঋষভ ও হার্দিকের দাপটে একদিনের সিরিজও ভারতের

ঋষভ পন্থের অসাধারন ব্যাটিং, হার্দিক পান্ডিয়ার দুরন্ত অলরাউন্ড পারফরমেন্স। তৃতীয় একদিনের ম্যাচে ইংল্যান্ডকে ৫ উইকেটে হারিয়ে একদিনের সিরিজ জিতে নিল ভারত। সিরিজের ফল ভারতের পক্ষে ২১। জয়ের জন্য ২৬০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৪২.১ ওভারেই জযের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ভারত। একসময় ৭২ রানে ৪ উইকেট পড়ে গিয়েছিল ভারতের। সেখান থেকে হার্দিক পান্ডিয়া ও ঋষভ পন্থের ১১৫ বলে ১৩৩ রানের পার্টনারশিপ ভারতের জয়ের ভিত গড়ে দেয়।টস জিতে ইংল্যান্ডকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিল ভারত। এদিনও পুরো ৫০ ওভার খেলতে পারেনি জস বাটলারের দল। ৪৫.৫ ওভারে ২৫৯ রানে গুটিয়ে যায় বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। জস বাটলার সর্বাধিক ৬০ রান করেন। হার্দিক পান্ডিয়া নেন ৪ উইকেট, যুজবেন্দ্র চাহাল ৩টি ও মহম্মদ সিরাজ দুটি উইকেট পান।শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে ইংল্যান্ড। ১২ রানে ২ উইকেট হারায়। জনি বেয়ারস্টো ও জো রুট দুজনকে ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারেই আউট করেন মহম্মদ সিরাজ। ইংল্যান্ডের এই দুই ব্যাটারই তিন বলে শূন্য রানে সাজঘরে ফেরেন। চার উইকেট পড়ে গিয়েছিল ৭৪ রানে। সেখান থেকে পরিস্থিতি কিছুটা সামাল দেন মঈন আলি ও জস বাটলার। অধিনায়ক বাটলারের ৮০ বলে ৬০ রানের ইনিংসে রয়েছে তিনটি চার ও দুটি ছয়। সাতটি চারের সাহায্যে ওপেনার জেসন রয় করেন ৩১ বলে ৪১। মঈন আলি দুটি করে চার ও ছক্কার সাহায্যে করেন ৪৪ বলে ৩৪। ৩৩ বলে ৩২ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন নয়ে নামা ক্রেগ ওভার্টন। বেন স্টোকস ২৯ বলে ২৭, লিয়াম লিভিংস্টোন ৩১ বলে ২৭ রান করেন। ১৫ বলে ১৮ রান করেন ডেভিড উইলি।জয়ের জন্য ২৬০ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে ভারত। ২.১ ওভারে দলগত ১৩ রানের মাথায় শিখর ধাওয়ান রিস টপলির প্রথম শিকার হন। ৩ বলে ১ রানে শিখর ধাওয়ান আউট হন। চারটি চারের সাহায্যে ১৭ বলে ১৭ করেন রোহিত শর্মা। বিরাট কোহলি ২২ বলে ১৭ রান করেন, তিনি তিনটি চার মারেন। ৮.১ ওভারে ৩৮ রানে ভারতের তৃতীয় উইকেট পড়েছিল। প্রথম পাওয়ারপ্লে-র শেষে ১০ ওভারে স্কোর ছিল ৩ উইকেটে ৪৩। ১৬.২ ওভারে সূর্যকুমার যাদব (২৮ বলে ১৬) ক্রেগ ওভার্টনের বলে কট বিহাইন্ড হন। ৭২ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় ভারত। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান ঋষভ ও হার্দিক। ৫৫ বলে ৭১ রান করে আউট হন হার্দিক। ১১৩ বলে ১২৫ রান করে অপরাজিত থাকেন ঋষভ। ৩৫ রানে ৩ উইকেট নেন টপলি।

জুলাই ১৭, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 31
  • 32
  • 33
  • 34
  • 35
  • 36
  • 37
  • ...
  • 133
  • 134
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

লোকসভায় বিস্ফোরণ! স্পিকারের ঘরে ঢুকে গালিগালাজ? কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ

বাজেট অধিবেশন ঘিরে লোকসভায় শাসক ও বিরোধীদের সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। কংগ্রেস সহ ইন্ডিয়া জোট লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার উদ্যোগ নিয়েছে। তার মাঝেই স্পিকারকে গালিগালাজ করার অভিযোগ ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরণ রিজিজু অভিযোগ করেছেন, কংগ্রেসের ২০ থেকে ২৫ জন সাংসদ একসঙ্গে স্পিকারের ঘরে ঢুকে তাঁকে গালিগালাজ করেন। তিনি দাবি করেন, ঘটনাস্থলে তিনি নিজেও উপস্থিত ছিলেন। সংসদে দাঁড়িয়ে রিজিজু বলেন, কংগ্রেস সাংসদদের আচরণ অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এবং তা বর্ণনা করার মতো নয়। তাঁর কথায়, স্পিকার নরম স্বভাবের মানুষ বলেই তিনি কোনও কঠোর পদক্ষেপ নেননি।রিজিজু আরও অভিযোগ করেন, যখন কংগ্রেস সাংসদরা স্পিকারের ঘরে ঢুকে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন, তখন সেখানে মল্লিকার্জুন খাড়্গে ও প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর মতো সিনিয়র নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁর দাবি, তাঁরা পরিস্থিতি শান্ত করার বদলে উল্টে আরও উসকানি দিচ্ছিলেন। বিজেপির অভিযোগ, সংসদের মর্যাদা নষ্ট করা হয়েছে।অন্যদিকে, কংগ্রেসের তরফে এই অভিযোগ নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে অনাস্থা প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তাপ যে আরও বাড়তে চলেছে, তা স্পষ্ট।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

গম্ভীরের ডিনার ছেড়ে হাসপাতালে! নামিবিয়া ম্যাচে বড় ধাক্কা কি টিম ইন্ডিয়ায়?

বিশ্বকাপের মাঝেই বড় ধাক্কা টিম ইন্ডিয়ায়। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন অভিষেক শর্মা। দিল্লিতে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচের আগে এই খবর স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বাড়িয়েছে ভারতীয় শিবিরে। অভিষেক ওই ম্যাচে খেলতে পারবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। দলের পক্ষ থেকে তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।জানা গিয়েছে, অভিষেকের পাকস্থলীতে সংক্রমণ হয়েছে। আমেরিকার বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচের আগেই তিনি পেটের সমস্যায় ভুগছিলেন। ম্যাচের পর তাঁর শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হয়। উচ্চ জ্বর আসে এবং ওষুধ দেওয়া হলেও তাতে বিশেষ উপকার হয়নি। তিনি দলের সঙ্গে অনুশীলনেও অংশ নিতে পারেননি। দিল্লিতে কোচ গৌতম গম্ভীরের আয়োজিত নৈশভোজেও কিছুক্ষণ থাকার পর চলে যান অভিষেক।ভারতীয় দলের সহকারী কোচ রায়ান টেন দুশখাতে কয়েক দিন আগে জানিয়েছিলেন, অভিষেকের পেটের সমস্যা রয়েছে, তবে দুদিনের মধ্যে তাঁকে মাঠে পাওয়া যেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। কিন্তু বর্তমানে পরিস্থিতি দেখে সেই সম্ভাবনা অনেকটাই কমে গিয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। যদি তিনি খেলতে না পারেন, তা হলে তাঁর জায়গায় সঞ্জু স্যামসনের সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে অভিষেকের অনুপস্থিতি ভারতীয় দলের জন্য বড় ধাক্কা হতে পারে।এর আগে চোটের কারণে দল থেকে ছিটকে গিয়েছেন হর্ষিত রানা। ওয়াশিংটন সুন্দর এখনও পুরোপুরি সুস্থ নন। এই পরিস্থিতিতে অভিষেকের অসুস্থতা দলের চিন্তা আরও বাড়িয়েছে। তবে স্বস্তির খবর, অসুস্থতা কাটিয়ে এদিন দলের সঙ্গে অনুশীলন করেছেন জসপ্রীত বুমরা। নামিবিয়ার বিরুদ্ধে তাঁর খেলা নিয়ে কোনও সংশয় নেই।বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ভারতীয় দলের ওপর এখন চাপ আরও বেড়ে গেল।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
দেশ

বেলডাঙা মামলায় রাজ্যকে বড় ধাক্কা! NIA তদন্তে সায় সুপ্রিম কোর্টের

বেলডাঙা হিংসা মামলায় সুপ্রিম কোর্টে বড় ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার। বেলডাঙার অশান্তির ঘটনায় NIA তদন্তে সায় দিল শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দিল, এই মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে আলাদা করে হস্তক্ষেপ করা হবে না।এর আগে কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, বেলডাঙার পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহার করবে। পাশাপাশি কেন্দ্র যদি প্রয়োজন মনে করে, তবে NIA তদন্তও হতে পারে। এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য সরকার। রাজ্যের পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে বুধবার সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের রায়ই বহাল রাখে এবং মামলাটি ফের হাইকোর্টে পাঠিয়ে দেয়।শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, UAPA-এর ১৫ নম্বর ধারা প্রয়োগ সঠিক হয়েছে কি না, সেই বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্ট খতিয়ে দেখবে। অর্থাৎ তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া আপাতত হাইকোর্টের নজরেই চলবে।জানুয়ারি মাসের শুরুতে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ ওঠে, ঝাড়খণ্ডে এক পরিযায়ী শ্রমিককে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। মৃতদেহ জেলায় ফেরার পরই এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ করা হয়। শিয়ালদহ-লালগোলা শাখার মহেশপুর এলাকায় রেললাইনেও অবরোধ করা হয়। রেললাইনে বাঁশ ফেলে দেওয়া হয় এবং সেখানে মৃতদেহের ঝুলন্ত ছবি দেখা যায়। পুলিশ পৌঁছলে স্থানীয়দের সঙ্গে বচসা বাধে। পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।ঘটনাস্থলে খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রান্ত হন সাংবাদিকরাও। এই ঘটনায় সাংসদ ইউসুফ পাঠান কেন সঙ্গে সঙ্গে এলাকায় যাননি, তা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। তিন দিন পর তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৩০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে একজন মিম নেতা বলেও জানা গেছে।এই অশান্তি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মন্তব্য করেছিলেন, শুক্রবার জুম্মাবারের দিন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতি জড়িত থাকে। কেউ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে উস্কানি দিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করেছে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।বেলডাঙায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি আগে থেকেই তুলেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। হাইকোর্টে মামলা হলে প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি NIA তদন্তের ক্ষেত্রে কেন্দ্রকে স্বাধীনতা দেওয়া হয়।সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের সেই নির্দেশে হস্তক্ষেপ না করায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যের আবেদন গ্রহণ করেনি এবং মামলাটি ফের হাইকোর্টে পাঠিয়েছে। তিনি দাবি করেন, রাজ্যের আবেদনে শীর্ষ আদালত গুরুত্ব দেয়নি।সব মিলিয়ে বেলডাঙা হিংসা মামলায় NIA তদন্তের পথে বড় বাধা সরল বলেই মনে করা হচ্ছে। এখন নজর থাকবে হাইকোর্টে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার দিকে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বিস্ফোরক ভিডিও! ভবানীপুরে বিজেপির পতাকায় আগুন, তৃণমূলকে নিশানা শুভেন্দুর

বিধানসভা ভোটের আগে ভবানীপুরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ল। একটি সিসিটিভি ফুটেজ ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, ফাঁকা রাস্তায় দাঁড়িয়ে রয়েছে একটি বা দুটি ট্যাক্সি। সেই সময় টুপি পরে মুখ ঢাকা দুজন ব্যক্তি সেখানে এসে একটি বিজেপি পতাকা নামিয়ে তাতে আগুন ধরিয়ে দেন। এই ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যদিও ভিডিয়োর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।ঘটনাকে ঘিরে সরব হয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, আসন্ন বিধানসভা ভোটে ভবানীপুর আর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য নিরাপদ আসন নয়। পতাকা পোড়ানোর ঘটনাকে তিনি রাজনৈতিক সন্ত্রাস বলে অভিযোগ করেন। শুভেন্দুর কথায়, ভবানীপুরে বিজেপির কার্যালয়ের কাছে তৃণমূল কর্মীরাই এই কাজ করেছে। তিনি আরও বলেন, যত বিজেপির পতাকা পোড়ানো হবে, ততই মানুষের সমর্থন বাড়বে। নন্দীগ্রামের মতো ভবানীপুরেও মানুষ জবাব দেবে।অন্যদিকে, তৃণমূলের তরফে অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। দলের নেতা জয়প্রকাশ মিশ্র বলেন, যদি সত্যিই এমন ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে পুলিশের কাছে অভিযোগ করুন। শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিযোগ করে লাভ নেই। তিনি দাবি করেন, ভোটের আগে ইস্যু তৈরির চেষ্টা করছে বিজেপি।উল্লেখ্য, ভোটের আগে ভবানীপুরে একাধিক বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশেষ করে এসআইআর প্রক্রিয়া সঠিকভাবে হচ্ছে কি না, তা নিয়ে দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করেছেন তিনি। ফলে ভবানীপুর এখন রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। পতাকা পোড়ানোর এই ঘটনা ঘিরে ভোটের আগে রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

ডিএ ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীর নীরবতা, বিরোধীদের আক্রমণ তীব্র

ডিএ আর বিচারাধীন বিষয় নয় বলে দাবি করলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য খারিজ করে তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্ট এই বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে এবং এটি এখন ক্লোজড চ্যাপ্টার।সল্টলেকে সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু বলেন, মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছেন ডিএ মামলা এখনও বিচারাধীন। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, মৌলিক অধিকার রক্ষা করতে হবে। কীভাবে এরিয়ার দিয়ে ডিএ মেটাতে হবে, তার রূপরেখাও শীর্ষ আদালত দিয়েছে। তাঁর দাবি, মার্চ মাসের মধ্যে ২৫ শতাংশ ডিএ না মেটালে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, মুখ্যমন্ত্রী বারবার বিচার ব্যবস্থাকে অপমান করছেন।একই দিনে বিজেপির সদর দফতরে সাংবাদিক বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব। তিনি বলেন, রাজ্য সরকারি কর্মীদের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত। তাঁর বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আদালতে যাচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, এসআইআর নয়, ডিএ সংক্রান্ত হতাশা থেকেই মানুষ চরম পদক্ষেপ নিয়েছেন। ডিএ ইস্যুতে রাজ্য সরকার চাইলে সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।উল্লেখ্য, মঙ্গলবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী ডিএ মামলার প্রসঙ্গে বলেন, বিষয়টি বিচারাধীন, তাই তিনি এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করবেন না। এই মন্তব্যকেই হাতিয়ার করেছেন বিরোধী দলনেতা।গত ৫ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি সঞ্জয় করোল ও বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রের বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ২৫ শতাংশ ডিএ মেটাতে হবে। ২০০৮ সাল থেকে বকেয়া এরিয়ারও দ্রুত পরিশোধ করতে হবে। পাশাপাশি অল ইন্ডিয়া কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স অনুযায়ী ডিএ দিতে হবে বলে স্পষ্ট করে দেয় আদালত। রাজ্যের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, পঞ্চম বেতন কমিশন ও রিভিশন অফ পে অ্যান্ড অ্যালোয়েন্স রুল অনুযায়ী ডিএ দেওয়া হচ্ছে এবং রাজ্য ও কেন্দ্রের আর্থিক কাঠামোয় পার্থক্য রয়েছে। তবে আদালত AICPI অনুযায়ী ডিএ দেওয়ার নির্দেশ দেয়।এরপর ডিএ মেটানোর দাবিতে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ নবান্নে স্মারকলিপি জমা দিতে যায়। অনুমতি না পেয়ে তারা ট্রাফিক গার্ডের কাছেই স্মারকলিপি জমা দেয়। সংগঠনের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, সাবজুডিস আর জুডিশিয়ারির পার্থক্য বোঝা উচিত। রাজ্য সরকার আর্থিক সঙ্কটের কথা বললেও বিভিন্ন প্রকল্প ঘোষণা করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।ডিএ ইস্যুতে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ ও এরিয়ার মেটানো নিয়ে এখন নজর মার্চ মাসের দিকেই।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
দেশ

সরকারি অনুষ্ঠানে এবার বাধ্যতামূলক ‘বন্দে মাতরম’! বড় নির্দেশ শাহের মন্ত্রকের

সরকারি অনুষ্ঠানে এবার থেকে রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম গাওয়া এবং বাজানো বাধ্যতামূলক করা হল। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এই বিষয়ে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, যদি রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম এবং জাতীয় সঙ্গীত জনগণমন একসঙ্গে গাওয়া বা বাজানো হয়, তবে প্রথমে বন্দে মাতরম বাজাতে হবে। এছাড়া গান চলাকালীন উপস্থিত সকলকে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে।নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, বন্দে মাতরম-এর পূর্ণ ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ডের সংস্করণ, যাতে মোট ছয়টি স্তবক রয়েছে, সেটিই সরকারি অনুষ্ঠানে গাওয়া বা বাজানো উচিত। এতদিন সাধারণত দুটি স্তবক গাওয়া হত। বাকি চারটি স্তবক বাদ থাকত। নতুন নিয়মে ছয়টি স্তবকই গাইতে হবে।জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সময়, সরকারি অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির আগমন ও প্রস্থানকালে, জাতির উদ্দেশে রাষ্ট্রপতির ভাষণের আগে ও পরে রাষ্ট্রীয় গীত বাজানো হবে। পদ্ম সম্মান প্রদান অনুষ্ঠানেও বন্দে মাতরম বাজানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একইভাবে রাজ্যপালের আগমন ও ভাষণের আগে এবং পরে এই গান গাওয়া বা বাজানো হবে। তবে সিনেমা হলে বন্দে মাতরম গাওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়নি।উল্লেখ্য, জাতীয় সঙ্গীত জনগণমন গাইতে সময় লাগে ৫২ সেকেন্ড। তার তুলনায় বন্দে মাতরম-এর পূর্ণ সংস্করণ গাইতে সময় লাগবে ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ড। রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম-এর সার্ধশতবর্ষ উপলক্ষে কেন্দ্র বছরভর নানা কর্মসূচি নিয়েছে। সেই প্রেক্ষিতেই এই নতুন নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কও শুরু হয়েছে। তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, হঠাৎ করে বন্দে মাতরম নিয়ে নতুন করে কথা বলা হচ্ছে। গানটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় লিখেছিলেন এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সুর দিয়েছিলেন। তবে তাঁর অভিযোগ, পরের স্তবকগুলো নিয়ে বিভাজনের রাজনীতি করা হতে পারে।কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে একদিকে সমর্থন, অন্যদিকে প্রশ্নদুইই সামনে এসেছে। সরকারি অনুষ্ঠানে বন্দে মাতরম বাধ্যতামূলক করার এই নির্দেশিকা নিয়ে দেশজুড়ে এখন আলোচনা শুরু হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
বিদেশ

দুপুরে হাইস্কুলে ঢুকে গুলি! মুহূর্তে লাশের স্তূপ, কাঁপছে কানাডা

কানাডার একটি হাইস্কুলে ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি চালালেন এক মহিলা বন্দুকবাজ। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। আহত হয়েছেন অন্তত ২৫ জন। হামলাকারীরও মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, নিজের বন্দুকের গুলিতেই তিনি জখম হন এবং পরে মারা যান। কেন তিনি এই হামলা চালালেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।ঘটনাটি ঘটেছে ব্রিটিশ কলম্বিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি হাইস্কুলে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার দুপুর প্রায় ১টা ২০ মিনিট নাগাদ হঠাৎই গুলির শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। স্কুলে সপ্তম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা হয়। মোট পড়ুয়ার সংখ্যা প্রায় ১৭৫। পুলিশ জানিয়েছে, স্কুলের কর্মী ও পড়ুয়া মিলিয়ে অন্তত ১০০ জনকে নিরাপদে বাইরে বের করে আনা হয়েছে।পুলিশ স্কুলে ঢুকে এক জায়গায় ৬ জনকে মৃত অবস্থায় দেখতে পায়। অন্য একটি অংশ থেকে উদ্ধার হয় আরও ২ জনের দেহ। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে আরও একজনের মৃত্যু হয়। সব মিলিয়ে ৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আহতদের মধ্যে অন্তত দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। মৃতদের মধ্যে কতজন পড়ুয়া রয়েছে, তা এখনও জানানো হয়নি।হামলাকারী মহিলা একাই এই হামলা চালিয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হলেও, অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ঘটনার পর শোকপ্রকাশ করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নে। তিনি মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।একজন নবম শ্রেণির পড়ুয়া স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, গুলির শব্দ শোনার পর সে সহপাঠীদের সঙ্গে একটি ঘরে লুকিয়ে ছিল। আতঙ্কে কাঁপছিল সবাই।এর আগে ২০২০ সালে নোভা স্কোটিয়ায় এলোপাথাড়ি গুলির ঘটনায় বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। সেই স্মৃতি এখনও তাজা। ফের স্কুলে এই ভয়াবহ হামলার ঘটনায় স্তব্ধ কানাডা।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

নির্বাচন কমিশনে জমা তালিকা নিয়ে কারচুপি? শেষ পর্যায়ে নতুন বিতর্ক

এসআইআর প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে পৌঁছালেও বিতর্ক থামছে না। এবার রাজ্য সরকার অভিযোগ তুলেছে, জাতীয় নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া গ্রুপ-বি আধিকারিকদের নামের ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা চলছে। এই নিয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে নবান্ন। কারা এই ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা করছে, তা স্পষ্ট না করলেও স্বার্থান্বেষী মহল-এর বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ আনা হয়েছে।রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এসআইআর-এর কাজের জন্য জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে মোট ৮৫০৫ জন গ্রুপ-বি আধিকারিকের নাম জমা দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার নবান্নের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়, সেই তালিকাই ইচ্ছাকৃতভাবে বিকৃতভাবে উপস্থাপনের অপচেষ্টা চলছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কিছু স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া গ্রুপ-বি আধিকারিকদের নামের ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা করছে। রাজ্যের দাবি, নির্বাচন কমিশনে যে তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে, তা সম্পূর্ণভাবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অর্থ দফতরের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে নির্ধারিত পে-লেভেল মানদণ্ড মেনেই প্রস্তুত করা হয়েছে।নবান্ন আরও জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের ৯ ফেব্রুয়ারির পর্যবেক্ষণের পরই এই তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে। রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের গ্রুপ এ, বি, সি ও ডি হিসেবে যে শ্রেণিবিভাগ রয়েছে, তা বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত। সেই নিয়ম মেনেই অত্যন্ত সতর্কতা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে গ্রুপ বি কর্মচারীদের তালিকা তৈরি করে কমিশনে পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এতে কোনও অনিয়ম বা বিচ্যুতি হয়নি বলেও স্পষ্ট জানানো হয়েছে।নবান্নের বক্তব্য, সম্প্রতি যে অনিয়ম বা কারচুপির অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মনগড়া। বাস্তবের সঙ্গে তার কোনও সম্পর্ক নেই বলেও দাবি করা হয়েছে।তবে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল বলে কাকে ইঙ্গিত করা হয়েছে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এসআইআর প্রক্রিয়ার শেষ পর্যায়েও রাজ্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে যে চাপানউতোর চলছে, এই বিজ্ঞপ্তি তারই ইঙ্গিত দিচ্ছে। পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal