• ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২০ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Howrah

রাজ্য

অন্নপূর্ণা থেকে আবাস, কৃষি থেকে শিক্ষাশ্রী! শুক্রবার থেকেই ২০ প্রকল্পের সুবিধা পেতে পারবেন

পুজোর মরসুমের মধ্যেই সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি প্রকল্প ও পরিষেবার সুবিধা আরও সহজে পৌঁছে দিতে শুক্রবার, ২ অক্টোবর থেকে রাজ্যজুড়ে শুরু হচ্ছে তিন দিনের বিশেষ সেবা সেতু অভিযান। ২, ৩ ও ৪ অক্টোবর এই শিবির চলবে। কলকাতার ১৬টি বরো এবং রাজ্যের বিভিন্ন ব্লক ও পুর এলাকায় এই পরিষেবা শিবির আয়োজন করা হচ্ছে।এই শিবিরে একাধিক সরকারি প্রকল্পের জন্য আবেদন এবং পরিষেবা সংক্রান্ত সহায়তা পাওয়ার সুযোগ থাকবে। অন্নপূর্ণা যোজনা, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা, শিক্ষাশ্রী, জয় জোহার, প্রধানমন্ত্রী কিষান ক্রেডিট কার্ড, প্রধানমন্ত্রী কিষান স্বনিধি-সহ বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা দেওয়ার কথা রয়েছে। সরকারি প্রকল্পের বিষয়ে তথ্য জানার পাশাপাশি যোগ্য ব্যক্তিরা নতুন করে আবেদনও করতে পারবেন বলে জানা গিয়েছে।প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত শিবির চলার কথা। বিভিন্ন সরকারি দফতরের আধিকারিকরা সেখানে উপস্থিত থাকবেন। একাধিক ব্যাঙ্কের তরফেও কাউন্টার খোলার ব্যবস্থা থাকবে। ফলে সরকারি প্রকল্পের আবেদন বা পরিষেবা সংক্রান্ত কোনও সমস্যা থাকলে সাধারণ মানুষ সরাসরি সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পাবেন।কলকাতায় প্রতি দুটি ওয়ার্ডের জন্য একটি করে বিশেষ সহায়তা শিবির খোলার পরিকল্পনা রয়েছে। ফলে শহরের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা নিজেদের কাছাকাছি শিবিরে গিয়ে সরকারি প্রকল্প সম্পর্কে তথ্য নিতে এবং প্রয়োজনীয় পরিষেবার জন্য আবেদন করতে পারবেন বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে।এবারের সেবা সেতু অভিযানের অন্যতম লক্ষ্য হল সরকারি প্রকল্পের সুবিধা আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প সম্পর্কে অনেকের কাছে পর্যাপ্ত তথ্য না থাকায় তাঁরা অনেক সময় আবেদন করতে পারেন না। সেই সমস্যা কমাতেই একই জায়গায় বিভিন্ন পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।শিবিরে সাধারণ মানুষের ভিড় বাড়তে পারে বলে আগেই প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম পূরণ করতে অনেক মানুষ আসতে পারেন বলে আশঙ্কা রয়েছে। তাই পরিষেবা দেওয়ার পাশাপাশি ভিড় সামলানোর দিকেও নজর রাখা হচ্ছে।কলকাতার প্রতিটি শিবিরে অতিরিক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করার জন্য লালবাজারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তিন দিনই শিবিরগুলিতে পর্যাপ্ত পুলিশি নিরাপত্তা রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারি প্রকল্পের কাউন্টারে যাতে ভিড়ের কারণে কোনও সমস্যা তৈরি না হয়, সে দিকেও নজর থাকবে প্রশাসনের।সাম্প্রতিক সরকারি কর্মসূচির নির্দেশিকা অনুযায়ী, সেবা সেতু অভিযান সেবা সংকল্প অভিযান-এর একটি অংশ। ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বৃহত্তর কর্মসূচির আওতায় ২ থেকে ৪ অক্টোবর জনকল্যাণমূলক পরিষেবা শিবির আয়োজনের কথা রয়েছে।ফলে সরকারি প্রকল্পে নতুন করে আবেদন করতে চান বা কোনও প্রকল্পের পরিষেবা নিয়ে সমস্যায় রয়েছেন, এমন মানুষের জন্য ২ থেকে ৪ অক্টোবরের এই শিবির গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। নিজের এলাকার শিবিরের নির্দিষ্ট স্থান ও সময় স্থানীয় প্রশাসন বা সরকারি তথ্যসূত্র থেকে যাচাই করে নিয়ে সেখানে যাওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।

অক্টোবর ০১, ২০২৬
রাজ্য

পুজো মিটলেই পুরভোটের দামামা! কলকাতা-সহ সাত পুরসভায় কবে ভোট, সামনে এল সম্ভাব্য দিন

পুজোর মরসুম শেষ হলেই রাজ্যে পুরভোটের আবহ তৈরি হতে পারে। কলকাতা, হাওড়া, বালি, হলদিয়া, ধূপগুড়ি, কালিম্পং এবং কার্শিয়াংএই সাতটি পুরসভায় নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে ভোট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে রাজ্য নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর। তবে এখনও ভোটের দিনক্ষণ আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘোষণা হয়নি। সাম্প্রতিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে ভোট হতে পারে এবং ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই গোটা প্রক্রিয়া শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।এই সাতটি পুরসভায় মোট ৬৩০১টি বুথে ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি চলছে। ভোটের পরিকাঠামো চূড়ান্ত করতে সংশ্লিষ্ট জেলাগুলির জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার কৃষ্ণ গুপ্ত। কোথায় কত বুথ, কত ইভিএম এবং কত সংখ্যক ভোটকর্মী ও নিরাপত্তাকর্মী প্রয়োজন, সেই বিষয়গুলি নিয়ে প্রস্তুতি চলছে। কমিশন সূত্রে খবর, আগামী সপ্তাহ থেকেই সংশ্লিষ্ট জেলাগুলিতে ইভিএম পাঠানোর কাজ শুরু হতে পারে।প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, পুজোর পর অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে পুরভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি হতে পারে। তার পর নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে ভোটগ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে। বিভিন্ন প্রশাসনিক সূত্রের বক্তব্য অনুযায়ী, ২৭ থেকে ২৯ নভেম্বরের মধ্যে ভোট হতে পারে। তবে চূড়ান্ত দিনক্ষণ কমিশনের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরেই নিশ্চিত হবে।এই পুরভোটে সবচেয়ে বেশি নজর রয়েছে কলকাতা ও হাওড়ার দিকে। হাওড়া পুরসভায় শেষ নির্বাচন হয়েছিল ২০১৩ সালে। ২০১৮ সালে সেই পুরবোর্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর থেকে সেখানে নির্বাচিত পুরবোর্ড নেই। প্রশাসকের মাধ্যমে পুর পরিষেবা পরিচালিত হচ্ছে। ফলে দীর্ঘ ১৩ বছর পর হাওড়ায় পুরভোট হতে পারে কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে।বর্তমানে রাজ্যের ১২টি জেলার মোট ১৫টি পুরসভায় নির্বাচিত পুরবোর্ড নেই। প্রশাসক বসিয়ে সেখানে পুর পরিষেবা চালানো হচ্ছে। হাওড়া ছাড়াও দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচন হয়নি এমন পুরসভাগুলির মধ্যে রয়েছে দুর্গাপুর, ডোমকল, রায়গঞ্জ, বুনিয়াদপুর, পূজালি, কার্শিয়াং, মিরিক, কালিম্পং, পাঁশকুড়া, হলদিয়া, কুপার্স ক্যাম্প, নলহাটি, বালি এবং ধূপগুড়ি।এর পাশাপাশি আগামী বছরের শুরুতেই রাজ্যের আরও বেশ কিছু পুরসভার বর্তমান বোর্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। ফলে দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচিত বোর্ড না থাকা পুরসভা এবং মেয়াদ শেষ হতে চলা পুরসভাগুলিকে নিয়ে আগামী কয়েক মাসে বড় আকারের পুরভোটের প্রস্তুতি নিতে হবে প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনকে।নির্বাচন কমিশনের সামনে এখন সবচেয়ে বড় কাজ হল সময়মতো ভোটের সমস্ত প্রস্তুতি শেষ করা। ভোটার তালিকা, বুথ, ইভিএম, ভোটকর্মী এবং নিরাপত্তার ব্যবস্থাপ্রতিটি বিষয়েই কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সাত পুরসভার ভোটের প্রস্তুতি শেষ করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে বাকি পুরসভাগুলির নির্বাচন কী ভাবে করা যায়, সেই পরিকল্পনাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।ফলে পুজোর মরসুম শেষ হওয়ার পরেই রাজ্যে ফের ভোটের আবহ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। কলকাতা ও হাওড়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ পুরসভা-সহ সাতটি পুরসভায় নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে ভোট হলে ডিসেম্বরের শুরুতেই ফল প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে চূড়ান্ত সূচির জন্য এখন অপেক্ষা করতে হবে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬
কলকাতা

পুরভোটের আগে বড় দুশ্চিন্তা! কলকাতা-হাওড়ার ২ লক্ষের বেশি ভোটারের নাম এখনও অনিশ্চিত

আসন্ন পুরভোটের আগে কলকাতা ও হাওড়ার ২ লক্ষেরও বেশি ভোটারের ভোটাধিকার নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এসআইআরের সময় ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার পর সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেছিলেন তাঁরা। কিন্তু কয়েক মাস কেটে গেলেও বহু আবেদনকারীর এখনও শুনানির ডাক আসেনি। ফলে পুরভোটে তাঁরা ভোট দিতে পারবেন কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কলকাতা ও হাওড়া পুরসভা এলাকা মিলিয়ে এসআইআর সংক্রান্ত ২ লক্ষ ২৯ হাজার ৬০টি আবেদন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন রয়েছে। এর মধ্যে এখনও পর্যন্ত ৫৪৮৫টি আবেদনের নিষ্পত্তি হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে আগামী পুরভোটের আগে নাম ফেরানোর প্রক্রিয়া নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। কলকাতা ও হাওড়ায় পুরভোটের প্রস্তুতি এগোচ্ছে। কিন্তু এসআইআরে নাম বাদ পড়া বহু ভোটারের ক্ষেত্রে এখনও নিশ্চিত নয়, তাঁরা চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় জায়গা ফিরে পাবেন কি না।কলকাতার ভবানীপুর, বন্দর, রাসবিহারী এবং বালিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের একাধিক আবেদনকারী এখনও ট্রাইব্যুনালের শুনানির অপেক্ষায় রয়েছেন বলে অভিযোগ। আইনজীবীদের মাধ্যমে আবেদন জমা দিয়েও শুনানির তারিখ না পাওয়ায় তাঁদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।এই সমস্যা শুধু কলকাতা ও হাওড়ায় সীমাবদ্ধ নয়। রাজ্যজুড়ে এসআইআর সংক্রান্ত আবেদনের সংখ্যা কয়েক দশক লক্ষ। নির্বাচন কমিশন সুপ্রিম কোর্টে জানিয়েছে, মোট ৩৮ লক্ষেরও বেশি আবেদন জমা পড়েছিল। তার মধ্যে ৩৭ লক্ষের বেশি আবেদন এখনও বিচারাধীন।নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক হলফনামা অনুযায়ী, বর্তমানে ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনাল এই আবেদনগুলির শুনানি করছে। কমিশন জানিয়েছে, দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়িয়ে ৪২টি করার প্রয়োজন রয়েছে। বর্তমান গতিতে কাজ চললে সমস্ত আবেদন নিষ্পত্তি করতে ১২ বছরেরও বেশি সময় লেগে যেতে পারে বলেও কমিশন সুপ্রিম কোর্টকে জানিয়েছে।কমিশনের হিসাব বলছে, এখনও পর্যন্ত নিষ্পত্তি হওয়া আবেদনের সংখ্যা মোট আবেদনের তুলনায় খুবই কম। এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকে ট্রাইব্যুনালগুলি কাজ শুরু করার পর ১ লক্ষ ২৬ হাজারের কিছু বেশি আবেদনের নিষ্পত্তি হয়েছে বলে সাম্প্রতিক তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে।এই পরিস্থিতিতে পুরভোটের আগে এসআইআরে নাম বাদ পড়া ভোটারদের দ্রুত শুনানি এবং ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি উঠছে। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির পাশাপাশি তৃণমূলের একাংশও এই বিষয়টি নিয়ে আদালতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি শুভঙ্কর সরকার অভিযোগ করেছেন, ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা না বাড়ানোর কারণে আবেদনকারীদের ভোটাধিকার ফিরে পাওয়ার প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যাচ্ছে। তাঁর দাবি, পুরভোটের আগে দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করা প্রয়োজন।তৃণমূলের তরফেও ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়ানোর দাবি তোলা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তাদের বক্তব্য, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর আবেদনকারীদের দ্রুত শুনানির সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন।তবে এই অভিযোগগুলির পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের বক্তব্যও গুরুত্বপূর্ণ। কমিশন জানিয়েছে, এসআইআর সংক্রান্ত বিপুল সংখ্যক আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি করতেই ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। কমিশনের দাবি, বর্তমানে যে সংখ্যক ট্রাইব্যুনাল রয়েছে, তাতে এত বিপুল আবেদন দ্রুত মেটানো কঠিন।ফলে পুরভোট যত এগিয়ে আসছে, কলকাতা ও হাওড়ার এসআইআরে নাম বাদ পড়া ভোটারদের সামনে প্রশ্নটা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছেসময়মতো তাঁদের আবেদন শুনবে ট্রাইব্যুনাল? ভোটার তালিকায় নাম ফিরবে? আর শেষ পর্যন্ত পুরভোটে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন কি না, সেই উত্তর এখনও স্পষ্ট নয়।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

হাওড়ায় মিলল হামিমের গোপন ঘাঁটি! জামার ট্যাগের দোকানের আড়ালে চলত কী ভয়ঙ্কর খেলা?

জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে যোগের অভিযোগে গ্রেপ্তার হামিম মণ্ডলকে ঘিরে তদন্তে ফের বড় তথ্য সামনে এসেছে। এবার হাওড়ার পিলখানায় তার ব্যবহৃত একটি ঠিকানার খোঁজ পেয়েছেন তদন্তকারীরা। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, সেখানে জামাকাপড়ের ট্যাগ তৈরির কাজ হত। তবে এই ব্যবসার আড়ালে অন্য কোনও কার্যকলাপ চলত কি না, তা এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, এই ঠিকানা থেকেই বিভিন্ন পরিকল্পনা পরিচালিত হত কি না, সেই দিকও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।কয়েক দিন আগে পূর্ব বর্ধমান থেকে হামিম মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করে তদন্তকারী সংস্থা। তদন্তে উঠে এসেছে, পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি চক্রের সঙ্গে তার যোগাযোগের অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের গতিবিধি নজরদারির অভিযোগও সামনে এসেছে। সেই সূত্র ধরেই হামিমের অতীত এবং তার ব্যবহৃত বিভিন্ন ঠিকানা নিয়ে তদন্ত আরও জোরদার হয়েছে।প্রথমে জানা গিয়েছিল, হামিমের বাড়ি হাওড়ার পিলখানায়। কিন্তু সুনির্দিষ্ট ঠিকানা পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে তদন্তে আলম মিস্ত্রি লেনের একটি বহুতলের খোঁজ মেলে। ওই বহুতলের একতলায় ভাড়া নেওয়া দুটি ঘরেই থাকত হামিম বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, সেখানে একটি ছোট ব্যবসা পরিচালিত হত।স্থানীয় সূত্রের দাবি, একটি ঘরে জামাকাপড়ের ট্যাগ তৈরির মেশিন বসানো ছিল। অন্য ঘরে কম্পিউটারের মাধ্যমে অফিসের কাজ করা হত। হামিমের বাবা মনিরউদ্দিন মণ্ডলও সেখানে থাকতেন বলে জানা গিয়েছে। তবে হামিমের বিরুদ্ধে জঙ্গি কার্যকলাপের অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয়দের অনেকেই জানিয়েছেন, তাঁরা কোনওদিনও এমন সন্দেহ করেননি।বহুতলের মালিক জানিয়েছেন, প্রায় দুই বছর আগে ঘর দুটি ভাড়া নেওয়া হয়েছিল। একটি ঘরের মাসিক ভাড়া ছিল সাত হাজার টাকা এবং অন্যটির চার হাজার টাকা। তাঁর দাবি, গত প্রায় দুই মাস ধরে হামিমকে এলাকায় দেখা যায়নি। গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে তার বাবাকেও আর এলাকায় দেখা যাচ্ছে না।স্থানীয় এক ব্যবসায়ীর দাবি, হামিমের বাবার সঙ্গে মাঝে মধ্যে দেখা হলেও হামিমের সঙ্গে তেমন কোনও যোগাযোগ ছিল না। তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, ওই ব্যবসা শুধুই ব্যবসা ছিল, নাকি তার আড়ালে অন্য কোনও কার্যকলাপ চলত। পাশাপাশি হামিমের সঙ্গে যিনি বাবা পরিচয়ে থাকতেন, তিনি সত্যিই তার বাবা ছিলেন কি না, সেটিও তদন্তের আওতায় এসেছে।

আগস্ট ০২, ২০২৬
রাজ্য

দু’দিন পর ফিরল নিখোঁজ জাতীয় শ্যুটার! ঘর ছাড়ার আসল কারণ জানতেই চমকে উঠছে সবাই

দুদিনের উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠার অবসান। অবশেষে বাড়ি ফিরেছে হাওড়ার প্রতিভাবান কিশোরী শ্যুটার দময়ন্তী সেন। ভোরবেলা হাওড়ার রামকৃষ্ণপুর ঘাট থেকে তাকে উদ্ধার করে পুলিশ। খবর পেয়ে দ্রুত সেখানে পৌঁছন পরিবারের সদস্যরা। মেয়েকে ফিরে পেয়ে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছেন সবাই।দময়ন্তীর বাবা ধ্রুবজ্যোতি সেন জানিয়েছেন, মেয়ের উপর পড়াশোনা এবং খেলাধুলাদুই দিক থেকেই মানসিক চাপ তৈরি হয়েছিল। সামনে মাধ্যমিক পরীক্ষা থাকায় পড়ার চাপ বাড়ছিল। অন্যদিকে নিয়মিত অনুশীলনের কারণে স্কুলে উপস্থিতি কমে যাচ্ছিল। এ নিয়ে স্কুল থেকে অভিভাবকদেরও ডাকা হয়েছিল। তবে দময়ন্তীর ইচ্ছে ছিল খেলাধুলাতেই নিজের ভবিষ্যৎ গড়ার। সেই বিষয়টি তিনি সংশ্লিষ্ট ক্রীড়া সংস্থাকেও জানিয়েছেন বলে দাবি করেছেন।বাবার কথায়, দময়ন্তী নিজেই ফিরে এসেছে। সে জানিয়েছে, সারারাত ঘুমায়নি। দীর্ঘ সময় ধরে হেঁটেছে। পথে এক তরুণী তাকে খাবার খেতে দিয়েছিলেন। অনেকেই সাহায্য করেছেন, কিন্তু কেউ তার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেননি। মেয়ের এই কথায় পরিবার যেমন কিছুটা আশ্বস্ত, তেমনই এখনও পুরো ঘটনার কারণ জানার চেষ্টা চলছে।দময়ন্তীর বাবা রাজ্য পুলিশের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তাঁর দাবি, সারা রাত পুলিশ নিয়মিত মেয়ের গতিবিধির খবর দিয়েছে। কোথায় যাচ্ছে, কীভাবে যাতায়াত করছে, সব তথ্য জানানো হয়েছিল। সেই কারণেই তাঁদের বিশ্বাস ছিল, মেয়েকে সুস্থ অবস্থায় ফিরে পাওয়া যাবে।হাওড়া পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, পড়াশোনা নিয়ে পরিবারের সঙ্গে কিছু মতভেদ তৈরি হয়েছিল। সেই কারণেই দময়ন্তী বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে যায় বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে। বর্তমানে সে পরিবারের সঙ্গেই রয়েছে। এই সময়ের মধ্যে সে কোথায় কোথায় ছিল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

জুলাই ১৮, ২০২৬
রাজ্য

দু’দিনের দুশ্চিন্তার অবসান! উদ্ধার হলেন হাওড়ার তরুণ শুটার দময়ন্তী, পড়াশোনা ও শুটিংয়ের চাপেই কি বাড়ি ছাড়া?

হাওড়ার প্রতিভাবান রাইফেল শুটার দময়ন্তী সেনকে অবশেষে উদ্ধার করল পুলিশ। গত দুদিন ধরে নিখোঁজ থাকার পর শনিবার ভোরে হাওড়ার রামকৃষ্ণপুর ঘাট এলাকা থেকে ১৫ বছরের এই কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়। বর্তমানে সে পুলিশের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। আদালতে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর তাকে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, অপহরণ বা অন্য কোনও অপরাধমূলক ঘটনার পরিবর্তে পারিবারিক মনোমালিন্যই দময়ন্তীর বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার মূল কারণ হতে পারে। বিশেষ করে পড়াশোনা এবং রাইফেল শুটিংয়ের কঠোর অনুশীলনের মধ্যে সামঞ্জস্য বজায় রাখতে গিয়ে সে মানসিক চাপে ভুগছিল বলে তদন্তকারীদের জানিয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, গত দুদিন দময়ন্তী একাই বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়িয়েছে। অবশেষে নিজের জেলায় ফিরে আসার পর রামকৃষ্ণপুর ঘাট এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। যদিও তার দেওয়া বয়ান এখনও যাচাই করে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীরা জানতে চাইছেন, এই সময়ের মধ্যে সে কোথায় কোথায় ছিল এবং কারও সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল কি না।দময়ন্তী সেন রাজ্যস্তরের একজন প্রতিশ্রুতিশীল রাইফেল শুটার। অলিম্পিয়ান জয়দীপ কর্মকারের রাইফেল শুটিং প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে দীর্ঘদিন ধরে অনুশীলন করছে সে। সম্প্রতি জাতীয় দলের ট্রায়ালেও সুযোগ পেয়েছিল, যা তার কেরিয়ারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য হিসেবে ধরা হচ্ছে। প্রতিদিন ভোরে নিয়মিত অনুশীলনের পাশাপাশি স্কুলের পড়াশোনাও চালিয়ে যেতে হচ্ছিল তাকে। এই দুইয়ের চাপই ধীরে ধীরে মানসিক অস্বস্তির কারণ হয়ে উঠেছিল বলে মনে করছে পুলিশ।দময়ন্তীর পরিবার জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ি থেকে দুধ কিনতে বেরিয়েছিল সে। তারপর আর বাড়ি ফেরেনি। তার মোবাইল ফোনটিও বাড়িতেই রেখে গিয়েছিল, ফলে কোনওভাবেই যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। উদ্বিগ্ন পরিবার দ্রুত থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করে। তদন্তে নেমে পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করে জানতে পারে, শেষবার তাকে হাওড়া স্টেশন এলাকায় দেখা গিয়েছিল। এরপর থেকেই জোরকদমে শুরু হয় তল্লাশি।আরও পড়ুনঃ জাতীয় দলে সুযোগের মুখে হঠাৎ উধাও! কোথায় গেল হাওড়ার কিশোরী শুটার, ঘনাচ্ছে রহস্যমেয়েকে ফিরে পেয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন বাবা ধ্রুবজ্যোতি সেন। তিনি বলেন, মেয়ে নিরাপদে রয়েছেএটাই সবচেয়ে বড় স্বস্তির বিষয়। তাঁর মতে, পড়াশোনা ও শুটিংয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে গিয়ে দময়ন্তী হয়তো মানসিক চাপে পড়েছিল। বিশেষ করে পড়াশোনাকে কেন্দ্র করেই পরিবারের সঙ্গে মতবিরোধ তৈরি হয়েছিল বলে তাঁর ধারণা।হাওড়া জেলা পুলিশের ডিসি (সেন্ট্রাল) তৌসিফ আলি জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে পড়াশোনা সংক্রান্ত বিষয়েই পরিবারের সঙ্গে মনোমালিন্যের জেরে দময়ন্তী বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছিল। তবে তার বক্তব্যের প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত এখনও চলছে।তদন্তকারীরা আরও খতিয়ে দেখছেন, জাতীয় স্তরে ওঠার লক্ষ্যে কঠোর অনুশীলনের চাপের পাশাপাশি পরিবার বা অন্য কোনও দিক থেকে অতিরিক্ত প্রত্যাশা বা মানসিক চাপ তৈরি হয়েছিল কি না। কারণ কিশোর বয়সে পড়াশোনা, খেলাধুলা এবং প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখা অনেক সময়ই কঠিন হয়ে ওঠে।দুদিনের উৎকণ্ঠার পর দময়ন্তীর নিরাপদ প্রত্যাবর্তনে পরিবার যেমন স্বস্তি পেয়েছে, তেমনই ক্রীড়ামহলেও স্বস্তির আবহ তৈরি হয়েছে। তবে এই ঘটনা আবারও মনে করিয়ে দিল, প্রতিভাবান কিশোর-কিশোরীদের সাফল্যের পথে শুধুমাত্র প্রশিক্ষণ নয়, সমান গুরুত্বপূর্ণ মানসিক সহায়তা এবং পারিবারিক বোঝাপড়াও।

জুলাই ১৮, ২০২৬
রাজ্য

জাতীয় দলে সুযোগের মুখে হঠাৎ উধাও! কোথায় গেল হাওড়ার কিশোরী শুটার, ঘনাচ্ছে রহস্য

জাতীয় দলে ট্রায়ালের সুযোগ পেয়েছিলেন। প্রতিদিন নিয়ম করে অনুশীলনও করতেন। সেই প্রতিভাবান কিশোরী রাইফেল শুটার দময়ন্তী সেন হঠাৎই রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছেন। হাওড়ার মধ্য এলাকার উমাচরণ ভট্টাচার্য লেনের বাসিন্দা বছর পনেরোর দময়ন্তীকে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ঘটনায় উদ্বিগ্ন পরিবার, সতীর্থ এবং স্থানীয় বাসিন্দারা। ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।পরিবারের দাবি, বৃহস্পতিবার সকালে প্রয়োজনীয় কিছু জিনিস কিনতে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন দময়ন্তী । কিন্তু তারপর আর তিনি বাড়ি ফেরেননি। সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ চালিয়েও তাঁর কোনও সন্ধান মেলেনি। এরপর বাধ্য হয়ে হাওড়া থানায় নিখোঁজের অভিযোগ দায়ের করেন পরিবারের সদস্যরা।সবচেয়ে বড় রহস্য, দময়ন্তীর মোবাইল ফোনটি বাড়িতেই পড়ে ছিল। পরিবারের দাবি, আগের রাতে তিনি তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়েছিলেন, কারণ পরদিন সকালে অনুশীলনে যাওয়ার কথা ছিল। তাঁর বাবা ধ্রুবজ্যোতি সেন জানিয়েছেন, মেয়ে সম্প্রতি জাতীয় দলে ট্রায়ালের সুযোগ পেয়েছিল এবং খেলাধুলায় ধারাবাহিকভাবে ভালো ফল করছিল ।তদন্তে একটি গুরুত্বপূর্ণ সূত্র মিলেছে। হাওড়া স্টেশনের একটি প্ল্যাটফর্মের নজরদারি ক্যামেরায় শেষবার দময়ন্তীকে দেখা গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেই ফুটেজ খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। কীভাবে এবং কোথায় তিনি গেলেন, তা জানার চেষ্টা চলছে।পরিবারের দাবি, বাড়িতে কোনও অশান্তি বা ব্যক্তিগত সমস্যা ছিল না। তাই হঠাৎ এমন ঘটনা কেন ঘটল, তা নিয়ে সবাই দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। সমাজমাধ্যমেও দময়ন্তীর ছবি ছড়িয়ে দিয়ে তাঁর খোঁজ চাওয়া হয়েছে। পুলিশ বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখে তদন্ত চালাচ্ছে।

জুলাই ১৭, ২০২৬
রাজ্য

চলন্ত ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেসে ধোঁয়া-আগুন, বর্ধমানে ২০ মিনিট থমকাল ট্রেন; অল্পের জন্য বড় দুর্ঘটনা এড়াল রেল

ইঞ্জিনের পরের কামরার নীচে ব্রেক বাইন্ডিং থেকে আগুন, খানা-তালিতের মাঝে দাঁড় করিয়ে দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনলেন রেলকর্মীরা; নিরাপদে রওনা দিল হাওড়ার উদ্দেশেধানবাদ থেকে হাওড়াগামী ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেসে চলন্ত অবস্থায় আচমকাই ধোঁয়া ও আগুন দেখা দেওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ল যাত্রীদের মধ্যে। পূর্ব বর্ধমানের খানা জংশন ও তালিত স্টেশনের মাঝামাঝি এলাকায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঘটে এই ঘটনা। দ্রুত ট্রেন থামিয়ে রেলকর্মীদের তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। প্রায় ২০ মিনিট বন্ধ থাকার পর প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ট্রেনটি আবার হাওড়ার উদ্দেশে রওনা দেয়। এই ঘটনায় কোনও যাত্রী আহত হননি বলে রেল সূত্রে জানা গিয়েছে।রেল সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার বিকেলে ঝাড়খণ্ডের ধানবাদ থেকে নির্ধারিত সময়েই ২২৩৮৭ ডাউন ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেস হাওড়ার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। যাত্রীদের একাংশের দাবি, পানাগড় পার হওয়ার পর থেকেই ট্রেনে যান্ত্রিক সমস্যার কিছু লক্ষণ দেখা যাচ্ছিল। তবে পরিস্থিতি যে এতটা গুরুতর হতে পারে, তা কেউ বুঝতে পারেননি।ট্রেনটি পূর্ব বর্ধমানের দিকে এগোতে থাকলে ইঞ্জিনের ঠিক পরের কামরার নীচ থেকে প্রথমে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যেই সেই ধোঁয়ার সঙ্গে আগুনের শিখাও দেখা যায়। বিষয়টি নজরে আসতেই ট্রেনের কর্মীরা দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার উদ্যোগ নেন এবং রাত প্রায় ৭টা ৪৫ মিনিট নাগাদ খানা জংশন ও তালিত স্টেশনের মাঝামাঝি এলাকায় ট্রেনটি জরুরি ভিত্তিতে থামিয়ে দেওয়া হয়।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান রেলের প্রযুক্তিগত কর্মী ও আধিকারিকরা। অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র ব্যবহার করে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এরপর সংশ্লিষ্ট কামরার ব্রেক ব্যবস্থা এবং অন্যান্য যান্ত্রিক অংশ খতিয়ে দেখা হয়। সমস্ত দিক পরীক্ষা করে ট্রেনটিকে নিরাপদ ঘোষণা করার পর রাত প্রায় ৮টা ২০ মিনিট নাগাদ পুনরায় হাওড়ার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেস।পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক শিবরাম মাঝি জানিয়েছেন, ইঞ্জিনের পরের কামরায় ব্রেক বাইন্ডিং-এর কারণে অতিরিক্ত ঘর্ষণ সৃষ্টি হয়েছিল। সেই ঘর্ষণ থেকেই ধোঁয়া ও আগুনের সৃষ্টি হয়। তিনি জানান, রেলকর্মীরা দ্রুত সমস্যার সমাধান করায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।ঘটনার সময় ওই কামরায় বহু যাত্রী উপস্থিত ছিলেন। ট্রেন থামার সঙ্গে সঙ্গেই আতঙ্কিত যাত্রীরা দ্রুত নেমে নিরাপদ দূরত্বে চলে যান। মুহূর্তের মধ্যে অন্যান্য কামরাতেও খবর ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেকেই উদ্বেগে বাইরে নেমে আসেন। যদিও রেলকর্মীদের তৎপরতায় পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে যায়।ধানবাদ থেকে ট্রেনে ওঠা এক যাত্রী জানান, আসানসোলের কিছু আগে থেকেই ট্রেনে একটা অস্বাভাবিক শব্দ হচ্ছিল। পরে তালিতের কাছে এসে দেখি কামরার নীচ থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে, তারপর আগুনও দেখা যায়। তখন স্বাভাবিকভাবেই সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল।এইদিনের ব্ল্যাক ডাইমন্ডের যাত্রীরা জানান, হঠাৎ ধোঁয়া বের হতে দেখে আমরা খুব ভয় পেয়ে যাই। ট্রেন দাঁড়াতেই নেমে পড়ি। পরে রেলকর্মীরা দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ায় স্বস্তি ফিরে আসে।এই ঘটনার জেরে ধানবাদ-হাওড়া রেলপথে কিছু সময়ের জন্য ট্রেন চলাচল ব্যাহত হলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। রেলের তৎপরতায় কোনও প্রাণহানি বা বড়সড় দুর্ঘটনা না ঘটায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন যাত্রীদের পাশাপাশি রেল কর্তৃপক্ষও। তবে চলন্ত ট্রেনে এমন যান্ত্রিক ত্রুটি সামনে আসায় রেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

জুলাই ১৬, ২০২৬
রাজ্য

ধূলাগড় টোলগেটের কাছে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গেল মালবোঝাই গাড়ি, অল্পের জন্য বড়সড় দুর্ঘটনা এড়াল জাতীয় সড়ক

হাওড়ার ধূলাগড় টোলপ্লাজার অদূরে জাতীয় সড়কে মঙ্গলবার সকালে এক মালবোঝাই ছোট পণ্যবাহী গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যাওয়ায় সাময়িকভাবে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। দুর্ঘটনার জেরে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটলেও দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি সামাল দেয় পুলিশ। এই ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি, যা স্বস্তির বিষয়।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মালবোঝাই গাড়িটি জাতীয় সড়ক ধরে যাওয়ার সময় আচমকাই চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। এরপর গাড়িটি রাস্তার ডিভাইডারের ধারে উল্টে যায়। দুর্ঘটনার অভিঘাতে গাড়িতে থাকা ধাতব সামগ্রী রাস্তার উপর ছড়িয়ে পড়ে। ফলে ওই অংশে যানবাহন চলাচলে সাময়িক সমস্যা দেখা দেয় এবং আশপাশে কৌতূহলী মানুষের ভিড় জমে যায়।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। পুলিশকর্মীরা প্রথমেই দুর্ঘটনাস্থল ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেন এবং যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে আনেন। পাশাপাশি রাস্তার উপর ছড়িয়ে থাকা মালপত্র সরিয়ে স্বাভাবিক যান চলাচল পুনরুদ্ধারের কাজ শুরু হয়।প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, অতিরিক্ত গতি অথবা ভারসাম্য হারানোর কারণেই দুর্ঘটনাটি ঘটতে পারে। যদিও সঠিক কারণ জানতে পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়িটিকে উদ্ধারের জন্য ক্রেন আনার ব্যবস্থাও করা হয়।স্থানীয়দের দাবি, ধূলাগড় টোলগেট সংলগ্ন জাতীয় সড়কের এই অংশে প্রায়শই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটে। তাই ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার দাবি তুলেছেন তাঁরা।পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় কেউ আহত হননি এবং দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করায় বড় ধরনের যানজটও এড়ানো সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে ওই রাস্তায় যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

জুন ৩০, ২০২৬
রাজ্য

রাতারাতি বদলে গেল হাওড়া স্টেশন! বুলডোজার চালিয়ে উচ্ছেদ শতাধিক দোকান

হাওড়া স্টেশনের বাইরে শনিবার গভীর রাতে বড় উচ্ছেদ অভিযান চালাল রেল পুলিশ। আগেই নোটিস দেওয়া হয়েছিল। সেই মতো রাতেই বুলডোজার নিয়ে স্টেশন চত্বরে পৌঁছে যায় পুলিশ ও আরপিএফ। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে বসে থাকা ডালা এবং অস্থায়ী দোকান সরিয়ে দেওয়া হয়। বুলডোজার চালিয়ে একের পর এক দোকান ভেঙে ফেলা হয়। গোটা স্টেশন চত্বর পরিষ্কার করে দেওয়া হয় রাতারাতি।এই উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে ব্যাপক শোরগোল পড়ে যায় হাওড়া স্টেশন এলাকায়। রাতেই ঘটনাস্থলে ভিড় জমে যায় বহু মানুষের। যদিও পুলিশ ছিল কড়া অবস্থানে। মাইক হাতে পুলিশকে বলতে শোনা যায়, এখানে ভিড় করবেন না। যাত্রীরা স্টেশনে চলে যান। যাঁদের বাস ধরার, বাস ধরুন। এখানে কোনও নাটক হচ্ছে না। প্রশাসনকে প্রশাসনের কাজ করতে দিন।পুলিশ সূত্রে খবর, দেড়শোরও বেশি অবৈধ দোকান সরানো হয়েছে এই অভিযানে। প্রচুর পুলিশ ও আরপিএফ মোতায়েন ছিল এলাকায়। তাঁদের উপস্থিতিতেই শুরু হয় বুলডোজার অভিযান। রাতভর চলে উচ্ছেদ প্রক্রিয়া।ফুটপাতের ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, একদিন আগেই রেলের তরফে জায়গা খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তারপরই শনিবার রাতে অভিযান চালানো হয়। অনেকেই আগেভাগে নিজেদের ডালা ও সামগ্রী অন্যত্র সরিয়ে নিতে সক্ষম হয়েছেন।রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যাত্রীদের সুবিধার কথা ভেবেই এই উচ্ছেদ অভিযান করা হয়েছে। স্টেশনের বাইরে রাস্তা ও ফুটপাত ফাঁকা থাকলে সাধারণ যাত্রীদের যাতায়াতে সুবিধা হবে বলেই দাবি রেলের। বহু যাত্রীও এই পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

মে ১৭, ২০২৬
রাজ্য

হাওড়া থেকে অভিষেকের বিস্ফোরণ! ‘প্রথম দফাতেই সেঞ্চুরি’, কাঁপছে বিজেপি

প্রথম দফার ভোট শেষ হতেই দ্বিতীয় দফার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এই পরিস্থিতিতে হাওড়ায় এক জনসভা থেকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করেন। তিনি নাম না করেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে কটাক্ষ করেন এবং ভোটের ফল নিয়েও বড় দাবি করেন।অভিষেক বলেন, তিনি কোনও রাজনৈতিক জ্যোতিষী নন, তবে আগে যখনই তিনি কোনও ফলাফল নিয়ে মন্তব্য করেছেন, তা সত্যি হয়েছে। তাঁর দাবি, প্রথম দফার ভোটেই তৃণমূল সেঞ্চুরি করেছে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, বিজেপি এখন চাপে রয়েছে এবং নিজেদের ভাল ফল দেখাতে সাংবাদিকদের দিয়ে একটি নির্দিষ্ট ধারণা তৈরি করার চেষ্টা করছে।অমিত শাহের মন্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে অভিষেক বলেন, বাইরে থেকে এসে বাংলার মানুষকে হুমকি দেওয়া ঠিক নয়। তিনি জানান, তিনি শুধু শান্ত থাকার পরামর্শ দিয়েছিলেন, কোনও অশালীন কথা বলেননি। কিন্তু সেই মন্তব্যকে অন্যভাবে তুলে ধরা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।এরপর অভিষেক আরও বলেন, ভোটের ফল জানতে বেশি সময় লাগবে না। তিনি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, আগামী কয়েক দিন অপেক্ষা করলেই সব পরিষ্কার হয়ে যাবে। তিনি বিজেপি নেতৃত্বকে ফল প্রকাশ পর্যন্ত বাংলায় থাকার কথাও বলেন।এই বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ভোটের দ্বিতীয় দফার আগে এই ধরনের আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে।

এপ্রিল ২৪, ২০২৬
রাজ্য

জয় শ্রীরাম স্লোগানে উত্তাল, মাঝপথেই থামাল পুলিশ! হিরণের প্রচারে চরম উত্তেজনা

ভোটের আগে প্রচার ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হল শ্যামপুরে। বিজেপি প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের প্রচার কর্মসূচি চলাকালীন বাইক মিছিল আটকায় পুলিশ। এরপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।রবিবার শ্যামপুরে প্রচার শুরু করেন হিরণ। তাঁর সঙ্গে বহু কর্মী ও সমর্থক গেরুয়া পতাকা নিয়ে বাইক করে এগোচ্ছিলেন। সেই সময় শ্যামপুর-বাগনান রোডে পুলিশ মিছিলটি আটকায়। পুলিশের দাবি, আদর্শ আচরণবিধি জারি থাকার কারণে কোনও মিছিল বা জমায়েতের জন্য আগে অনুমতি নিতে হয়। কিন্তু এই কর্মসূচির জন্য সেই অনুমতি নেওয়া হয়নি।ঘটনাস্থলে পুলিশ ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়। হিরণ নিজেও পুলিশের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁর দাবি, এটি কোনও রাজনৈতিক মিছিল নয়, তাঁরা মন্দিরে পুজো দিতে যাচ্ছিলেন। তাঁর কথায়, সমর্থকেরা ধর্মীয় পতাকা নিয়ে এসেছিলেন, তাই এটিকে রাজনৈতিক কর্মসূচি বলা ঠিক নয়।তবে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রার্থী উপস্থিত থাকলে সেটিকে রাজনৈতিক কর্মসূচি হিসেবেই ধরা হয় এবং সে ক্ষেত্রে নিয়ম মেনে অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। কিছুক্ষণ পর পরিস্থিতি শান্ত হলে মিছিলটি এগোতে দেওয়া হয়।এদিন রাজ্যের অন্য জায়গাতেও উত্তেজনার খবর সামনে এসেছে। নানুরে পতাকা লাগানোকে কেন্দ্র করে বচসা ও বিক্ষোভ হয়। দুর্গাপুরে সরকারি দেওয়াল থেকে প্রচার মুছতে গিয়ে নির্বাচন কমিশনের দুই কর্মী আক্রান্ত হন বলেও অভিযোগ উঠেছে।ভোটের আগে এই ধরনের ঘটনাগুলি রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়িয়ে তুলছে।

মার্চ ২২, ২০২৬
রাজ্য

ভোরের অন্ধকারে মাথায় গুলি, রাস্তায় লুটিয়ে মৃত্যু যুবকের—শিউরে উঠল গোলাবাড়ি

বুধবার ভোরে উত্তর হাওড়ার গোলাবাড়ি এলাকায় প্রকাশ্য রাস্তায় গুলি করে খুন করা হল এক যুবককে। ঘটনাটি কোনও সিনেমার দৃশ্য নয়, বাস্তবের এই নৃশংস খুনে শিউরে উঠেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মৃত যুবকের নাম সফিক খান। গুলি চালানোর পুরো ঘটনা এলাকার নজরদারি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। তোলাবাজি না কি পুরনো শত্রুতার জেরে এই হামলা, তা খতিয়ে দেখছে গোলাবাড়ি থানা।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোরের দিকে দুই দুষ্কৃতী সফিকের কাছে আসে। একজন সামনে দাঁড়ায় এবং অন্যজন পিছনে গিয়ে আচমকা বন্দুক বের করে মাথায় গুলি চালায়। যুবক মাটিতে লুটিয়ে পড়ার পর মৃত্যু নিশ্চিত করতে আরও কয়েক রাউন্ড গুলি চালানো হয়। এরপর দ্রুত এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা। ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ এবং তদন্ত শুরু করে। নজরদারি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। মৃতের পরিবারের দাবি, পুরনো বিবাদের জেরেই এই হামলা হয়েছে। পরিবারের এক সদস্য অভিযোগ করেন, হারুন নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে অতীতে ঝামেলা ছিল এবং তিনিই আর এক দুষ্কৃতীকে নিয়ে এসে গুলি চালিয়েছেন।স্থানীয় বাসিন্দা পারভেজ জানান, ভোর প্রায় চারটা দশ মিনিটে ঘটনাটি ঘটে। দুই ব্যক্তি এসে সফিককে ডেকে কথা বলতে থাকে। তারপর একজন পিছনে গিয়ে দাঁড়ায় এবং অন্যজন সামনে থেকে মাথায় পরপর গুলি চালায়। পরে বুকে আরও গুলি করা হয়। গুলির শব্দে সেখানে থাকা কয়েক জন আতঙ্কে দৌড়ে পালিয়ে যান।এই নৃশংস খুনের ঘটনায় গোলাবাড়ি এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। দুষ্কৃতীদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ এবং ঘটনার নেপথ্যের কারণ জানার চেষ্টা চলছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬
রাজ্য

সপ্তাহান্তে বড় ধাক্কা, হাওড়া ডিভিশনে একসঙ্গে তিরিশ লোকাল বাতিল

সপ্তাহান্তে ফের ট্রেন বাতিলের জেরে ভোগান্তির আশঙ্কা বাড়ল নিত্যযাত্রীদের। পূর্ব রেলের পূর্ব রেল হাওড়া ডিভিশনে একগুচ্ছ লোকাল ট্রেন বাতিলের ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী একুশ ও বাইশ ফেব্রুয়ারি মিলিয়ে মোট তিরিশটি লোকাল ট্রেন চলবে না বলে জানানো হয়েছে। ফলে সপ্তাহান্তে যাতায়াতের পরিকল্পনা করা বহু যাত্রী সমস্যায় পড়তে পারেন বলে আশঙ্কা।রেলের তরফে জানানো হয়েছে, তারকেশ্বর শাখায় শেওড়াফুলি ও দিয়াড়া স্টেশনের মধ্যে বিদ্যুৎ ও ট্রাফিক ব্লক নিয়ে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ হবে। দিয়াড়া স্টেশনেও একই কারণে বিশেষ ব্লক নেওয়া হবে। একুশ ফেব্রুয়ারি রাত এগারোটা কুড়ি থেকে বাইশ ফেব্রুয়ারি সকাল নটা কুড়ি পর্যন্ত এই কাজ চলবে। সেই কারণেই বেশ কয়েকটি ট্রেন বাতিল করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।শনিবার বাতিল থাকবে রাত দশটা আঠারো মিনিটের গোঘাট থেকে হাওড়া লোকাল, রাত নটা আটত্রিশ মিনিটের তারকেশ্বর থেকে হাওড়া লোকাল, সন্ধ্যা সাতটা চল্লিশ মিনিটের হাওড়া থেকে গোঘাট লোকাল এবং রাত এগারোটা পাঁচ মিনিটের হাওড়া থেকে তারকেশ্বর লোকাল।রবিবার ভোর থেকে একাধিক ডাউন ট্রেন বাতিল থাকবে। তারকেশ্বর থেকে হাওড়াগামী ভোর তিনটে পঞ্চাশ, ভোর চারটে পঞ্চাশ, ভোর পাঁচটা পঁয়ত্রিশ, ভোর ছটা কুড়ি, সকাল সাতটা, সকাল সাতটা চল্লিশ, সকাল সাতটা পঞ্চান্ন এবং সকাল আটটা পঞ্চাশের লোকাল ট্রেন চলবে না। এছাড়াও আরও কয়েকটি ট্রেন বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছে রেল।একই দিনে আপ লাইনের ক্ষেত্রেও একাধিক ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। ভোর চারটে পাঁচ, ভোর পাঁচটা ত্রিশ, ভোর পাঁচটা আটচল্লিশ, ভোর ছটা বত্রিশ এবং ভোর ছটা পঁয়তাল্লিশের হাওড়া থেকে তারকেশ্বর লোকাল সহ আরও কয়েকটি ট্রেন বাতিল থাকবে। সপ্তাহান্তে যাত্রীসংখ্যা তুলনামূলক কম থাকলেও অনেকেই বেড়াতে যান বা জরুরি কাজে যাতায়াত করেন, ফলে ভোগান্তির আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।এদিকে উন্নয়নমূলক কাজের জন্য ভবিষ্যতেও মাঝেমধ্যে ট্রেন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে বলে জানিয়েছে পূর্ব রেল। বাঁশবেড়িয়া-তে রেলওভারব্রিজ নির্মাণের কাজের জন্য বাঁশবেড়িয়া ও ত্রিবেণী স্টেশনের মধ্যে নির্দিষ্ট দিনে প্রায় তিন ঘণ্টা করে বিদ্যুৎ ও ট্রাফিক ব্লক নেওয়া হবে। ফেব্রুয়ারি মাসের উনিশ, কুড়ি, পঁচিশ, ছাব্বিশ, সাতাশ ও আঠাশ তারিখ এই ব্লক কার্যকর থাকবে এবং আগামী মাসগুলিতেও একই ধরনের ব্লক নেওয়া হবে। এর জেরে কয়েকটি ট্রেনের সময় পরিবর্তন করা হয়েছে। যাত্রীদের স্টেশনের ঘোষণায় নজর রাখার অনুরোধ জানিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের মুখে হাওড়ায় ৬ রাউন্ড গুলি! পঞ্চায়েত প্রধান মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা

ভোটের মুখে ফের গুলির আতঙ্ক রাজ্যে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাওড়ার সাঁপুইপড়া বসুকাঠি এলাকায় চাঞ্চল্যকর হামলার শিকার হলেন পঞ্চায়েত প্রধান দেবব্রত মণ্ডল ওরফে বাবু মণ্ডল। তাঁকে লক্ষ্য করে একের পর এক ছ রাউন্ড গুলি চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে এসএসকেএম হাসপাতালে। তাঁর সঙ্গী অনুপম রানাও গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে একটি বিয়েবাড়ির অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন বাবু মণ্ডল। সেখান থেকে বাইকে চেপে বাড়ি ফেরার পথেই ওঁত পেতে থাকা দুষ্কৃতীরা আচমকাই গুলি চালায়। বাইক চালাচ্ছিলেন অনুপম রানা। প্রথমেই গুলি লাগে তাঁর গায়ে। এরপর আরও কয়েক রাউন্ড গুলি চলে, তার একাধিকটি লাগে বাবু মণ্ডলের কাঁধ ও পেটে। রক্তাক্ত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে প্রথমে হাওড়ার একটি নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় পরে তাঁকে এসএসকেএমে স্থানান্তরিত করা হয়।ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের এক জন জানিয়েছেন, প্রধানের বাইকের ঠিক পিছনেই ছিলেন তিনি। হঠাৎই সামনে থেকে নয়, পাশ দিক থেকে গুলি ছোড়ে এক দুষ্কৃতী। মুহূর্তের মধ্যে গোটা এলাকা আতঙ্কে কেঁপে ওঠে। রাস্তায় ছুটোছুটি শুরু হয়। কে বা কারা এই হামলার সঙ্গে যুক্ত, তা এখনও স্পষ্ট নয়।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে। শাসক দল তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, এই হামলার পিছনে রয়েছে বিজেপি। যদিও স্থানীয় সূত্রে উঠছে আরেকটি তত্ত্বতৃণমূলের অন্দরেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এই হামলার অন্যতম কারণ হতে পারে। পুলিশ সব দিক খতিয়ে দেখছে। তবে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই উঠে আসছে আরও ভয়াবহ তথ্য। গত বুধবার রাতেই কসবা এলাকায় এক যুবককে লক্ষ্য করেও গুলি চালানো হয়। বছরখানেক আগেই সেই এলাকাতেই এক কাউন্সিলরকে লক্ষ্য করে হামলার ঘটনা ঘটেছিল। একই দিনে দিনের আলোতেই মালদাতেও গুলিচালনার ঘটনা সামনে আসে। ভোটের মাস কয়েক আগে রাজ্যের একের পর এক প্রান্তে এভাবে গুলি চলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগে প্রশাসনও।এলাকাবাসীর বক্তব্য, ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই যেন মাথাচাড়া দিচ্ছে হিংসা। সাধারণ মানুষ আতঙ্কে রয়েছেনরাস্তায় বেরোতেও ভয় পাচ্ছেন অনেকে। রাজনৈতিক সংঘর্ষ কি এবার আরও বড় আকার নিতে চলেছে, সেই প্রশ্নই এখন ঘুরছে রাজ্যজুড়ে।

নভেম্বর ২৮, ২০২৫
দেশ

হাওড়া-বেঙ্গালুরু দুরন্তের সঙ্গে দেউলটি–কোলাঘাটে বাইকের সংঘর্ষ, অল্পের জন্য রক্ষা পেল শতাধিক যাত্রী

শুক্রবার দুপুরে হাওড়া-বেঙ্গালুরু দুরন্ত এক্সপ্রেসে চাঞ্চল্যকর দুর্ঘটনা। দেউলটি ও কোলাঘাট স্টেশনের মাঝপথে হঠাৎই রেললাইনে উঠে আসা একটি মোটরবাইকের সঙ্গে ধাক্কা খায় ট্রেন। অল্পের জন্য রক্ষা পান শতাধিক যাত্রী।চোখের সামনে দৃশ্যটা ছিল শিউরে ওঠার মতো। বেলা সাড়ে ১১টার পর এক বাইক আরোহী নির্ধারিত লেভেল ক্রসিং এড়িয়ে সরাসরি লাইনের ওপর দিয়ে পার হচ্ছিলেন। আচমকাই বাইক আটকে যায় রেলের মাঝে। ঠিক তখনই দ্রুতগতিতে আসে হাওড়া-বেঙ্গালুরু দুরন্ত এক্সপ্রেস। মুহূর্তের মধ্যে বাইকটিকে ধাক্কা মারে ট্রেন। স্ফুলিঙ্গ বেরোতে দেখা যায় সংঘর্ষে। আতঙ্কে যাত্রীরা চিৎকার শুরু করেন। তবে সৌভাগ্যবশত ট্রেনের ইঞ্জিনে বড় কোনও ক্ষতি হয়নি।সংঘর্ষের পর ট্রেন প্রায় এক ঘণ্টা থেমে থাকে। ইঞ্জিনিয়াররা জরুরি পরীক্ষা চালান। দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে পুনরায় গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা দেয় দুরন্ত। যাত্রীরা খানিকটা স্বস্তি পেলেও আতঙ্ক কাটেনি।স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই এলাকায় নজরদারির অভাব রয়েছে। বহু জায়গায় রেল ফেন্সিং ভাঙা বা অকার্যকর। প্রতিদিনই অবৈধ পারাপার হয়, অথচ রেলওয়ে কড়া ব্যবস্থা নেয় না। একজন যাত্রী ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, এভাবে বাইক নিয়ে লাইনে ওঠা মানে শত যাত্রীর জীবন নিয়ে খেলা। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, এতবছর দেশে শতাধিক দুর্ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে রেললাইনে অবৈধ পারাপার। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ সচেতনতা কর্মসূচি ও জরিমানার ব্যবস্থা চালু করলেও বাস্তবে কার্যকারিতা খুব সীমিত।দক্ষিণ-পূর্ব রেলওয়ের সূত্রে খবর, এই ঘটনা ভয়াবহ বিপর্যয় ডেকে আনতে পারত। বাইক বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আরপিএফ ও জিআরপি ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে। দেউলটি-কোলাঘাটের এই অঘটন আবারও চোখে আঙুল দিয়ে দেখালরেললাইনে অবৈধ পারাপার কেবল বিপজ্জনকই নয়, একেকটা মুহূর্তে তা শত শত প্রাণের জন্য মৃত্যুফাঁদে পরিণত হতে পারে। এখনই কঠোর পদক্ষেপ না নিলে আগামী দিনে ঘটতে পারে ভয়াবহ বিপর্যয়।

আগস্ট ২৯, ২০২৫
রাজ্য

কলকাতা থেকে সকালে বেরিয়ে সন্ধ্যায় ফিরুন বাড়ি, অসাধারণ এপ্রান্তে মনের আরাম, প্রাণের স্বস্তি!

ইঁদুর দৌড়ের জীবন থেকে ক্ষণিকের আরাম খুঁজছেন? ইচ্ছে থাকলেও কর্মস্থল থেকে লম্বা ছুটি ম্যানেজ করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে? তাহলে আপনার জন্য সেরার সেরা ঠিকানা হতে পারে কলকাতার খুব কাছের এই অপরূপ তল্লাট। কলকাতা থেকে সকালে বেরিয়ে চাইলে সন্ধ্যের মধ্যেই ফিরতে পারেন বাড়ি। ঘুরে আসুন হাওড়া জেলার গড়চুমুক থেকে। এখানকার দামোদর এবং হুগলি নদীর অপরূপ পাড়ের অসাধারণ সৌন্দর্য আপনার মনকে মোহিত করে তুলবে। পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে এই গড়চুমুকে বছরভর ভিড় লেগেই থাকে।তবে ভরা বর্ষায় এখানকার নদীপাড়ের অসাধারণ শোভা সত্যিই এক অনন্য রূপ ধারণ করে। গড়চুমুকের ৫৮ গেটের কাছের এই এলাকা ঢেলে সাজাচ্ছে রাজ্য সরকার। একদিনের ঝটিকা সফরে তাই বেরিয়ে আসুন অসাধারণ এই এলাকা থেকে।কলকাতা থেকে সকাল সকাল বেরিয়ে সন্ধ্যের মধ্যেই ফিরুন বাড়ি। পর্যটকদের বসার জন্য এখানে দারুন সব বন্দোবস্ত করা হয়েছে। চাইলে নদীবক্ষে নৌকাবিহারের আনন্দও নিতে পারেন।

আগস্ট ১৫, ২০২৫
রাজ্য

হাওড়ার বাউড়িয়ায় উদ্ধার ৭১০ কেজি গাঁজা, গ্রেফতার এক

হাওড়ার বাউড়িয়ায় উদ্ধার হল গাঁজা। ঘটনায় শেখ মাজেদ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, গতকাল বুধবার বিকেলে বাউড়িয়া থানার অন্তর্গত কাজিরচড়া অশ্বথতলা এলাকায় শেখ মাজেদের বাড়িতে সিআইডি এবং নারকোটিক সেলের আধিকারিকরা যৌথ অভিযান চালায়। তল্লাশিতে ৭১১ কেজি গাঁজা উদ্ধার হয়েছে। যার বাজারি মূল্য এক কোটি টাকা। তার দুটি গাড়ি এবং তিনটি মোবাইল ফোনও বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। অভিযোগ, ওড়িশা থেকে গাঁজা এনে বাড়িতে রেখেছিল। হাওড়া ও তার আশপাশের জেলায় পাচার করার উদ্দেশ্য ছিল মাজেদের। তাঁর বাড়ি থেকে ৩১টি বস্তা উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, শেখ মাজেদকে ২০২১ মাদক পাচারের অভিযোগে উলুবেরিয়া থানা গ্রেফতার করেছিল। ২০২৪ সালে নদিয়ার করিমপুরের একই অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছিল সে। বিভিন্ন জায়গায় গাঁজা পাচার করত মাজেদ। তাঁর বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। আজ তাঁকে আদালতে পেশ করা হবে।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৫
রাজ্য

নতুন বছরের শুরু থেকে পূর্ব রেলওয়ের নতুন টাইম টেবিল, বাড়ছে ট্রেনের গতি

রেলওয়েতে নতুন টাইম টেবিল চালু হতে চলেছে নতুন বছরের শুরুর দিন থেকে। এর ফলে ট্রেন চালানোর অ্যালগরিদমের যথেষ্ট উন্নতির পাশাপাশি পথের অপ্টিমাইজেশনের ফলে ভ্রমণের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা। ভ্রমণের সময় এই হ্রাস পরিচালনমূলক নমনীয়তা বৃদ্ধি করবে এবং অদূর ভবিষ্যতে আরও ট্রেনের ব্যবস্থা করার ব্যবস্থা করবে। কলকাতার পুরাতন কৈলাঘাট বিল্ডিং-এ তার সভা কক্ষে মঙ্গলবার প্রিন্সিপাল চিফ কমার্শিয়াল ম্যানেজার, ইস্টার্ন রেলওয়ে, উদয় শঙ্কর ঝা, এক সাংবাদিক বৈঠকে পূর্ব রেলের নতুন টাইম টেবিলের বৈশিষ্ট্যগুলি ব্যাখ্যা করেন।উদয় শঙ্কর ঝা আরও ব্যাখ্যা করেছেন যে, এই উন্নতি হল সারা বছর ধরে পরিচালিত নিবেদিত রক্ষণাবেক্ষণ কাজের ফলাফল এবং পূর্ব রেলের বিভিন্ন বিভাগে 3য়/4র্থ লাইন চালু করার ফলে যাত্রীরা দ্রুত এবং আরও উন্নতমানের ট্রেনযোগের জন্য অপেক্ষা করতে পারে। যাত্রা অবকাঠামো এবং ট্র্যাকগুলির আপগ্রেডগুলি ভ্রমণের সময়কে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করবে, রেল ভ্রমণে আরও আকর্ষণীয় বিকল্পগুলি তৈরি করবে। মেল/এক্সপ্রেস, প্যাসেঞ্জার ট্রেন এবং লোকাল ট্রেনের সময়ে বড় পরিবর্তনের সাথে সাথে নতুন ট্রেনের প্রবর্তন, ডাইভারশন, সময় পরিবর্তন, ফ্রিকোয়েন্সি বৃদ্ধি, ট্রেনের পুনঃসংখ্যা ইত্যাদি যা নতুন সময় সারণীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। শ্রী ঝা যাত্রীদের সুবিধার জন্য আরও ভাল পরিষেবা বজায় রাখার জন্য বৈধ যাত্রার টিকিট নিয়ে ভ্রমণ করার জন্য যাত্রীদের প্রতি আহ্বান জানান।নতুন টাইম টেবিলের প্রধান বৈশিষ্ট্যের মধ্যে রয়েছে একটি নতুন কৃষ্ণনগর-রানাঘাট লোকাল এবং দুটি হাওড়া-সিঙ্গুর লোকালের (একটি তারকেশ্বর পর্যন্ত এবং অন্যটি হরিপাল পর্যন্ত) এর বর্ধিতকরণের ব্যবস্থা রয়েছে যা যাত্রীদের শহরতলির বিভাগের প্রয়োজন অনুসারে। ৪২টি গুরুত্বপূর্ণ মেল/এক্সপ্রেস ট্রেনের সময় পরিবর্তন করা হয়েছে এবং ভ্রমণের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা হয়েছে। অধিকন্তু, ৭২টি মেল/এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রার সময় ০৫ মিনিট থেকে কমিয়ে ৫৫ মিনিটে এবং ৮টি যাত্রীবাহী ট্রেনের গতি বাড়ানো হবে (EMU/MEMU/DEMU সহ) তাদের যাত্রার সময় ০৬ মিনিট থেকে ২০ মিনিটে কমবে।উল্লেখ্য যে, ৮৬টি প্যাসেঞ্জার ট্রেন, ৪৪টি DEMU যাত্রী এবং ১৪৬টি MEMU যাত্রী একটি নতুন নম্বর দিয়ে চলবে।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২৪
রাজ্য

নিত্যযাত্রীদের জন্য বিরাট সুখবর, পূর্ব রেলের উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা

নিত্যযাত্রীরা বিশেষত অর্থাৎ যারা অফিস, আদালত, স্কুল, কলেজ বা ব্যবসার কাজে রোজই একটু দূরে বিশেষত কলকাতা বা সংলগ্ন অঞ্চলে যাতায়াত করে থাকেন, তাঁদের দীর্ঘ দিনের চাহিদা পূরণে ইন্টারসিটি ধরণের মাঝারি দূরত্বের এক্সপ্রেস ট্রেনগুলিতে অতিরিক্ত রিজার্ভড (সংরক্ষিত ) কোচ জুড়তে চলেছে পূর্বরেল। এই রিজার্ভড কোচ সংযুক্তির ফলে তাদের যাতায়াত আরও সুগম হয়ে উঠবে যা আর্থসামাজিক উন্নয়নেরও সহায়ক। পাঁচটি ট্রেন যেমন ১২৩৩৭/১২৩৩৮ হাওড়া - বোলপুর - হাওড়া শান্তিনিকেতন এক্সপ্রেস, ১২৩৩৯/১২৩৪০ হাওড়া - ধানবাদ - হাওড়া কোলফিল্ড এক্সপ্রেস, ১২৩৪১/১২৩৪২ হাওড়া - আসানসোল - হাওড়া অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস, ১৩০১১/১৩০১২ হাওড়া - মালদা - হাওড়া ইন্টারসিটি এক্সপ্রেস এবং ০৩০৪৭/০৩০৪৮ হাওড়া - রামপুরহাট - হাওড়া বিশ্বভারতী ফাস্ট প্যাসেঞ্জার ট্রেনগুলিতে লাগছে একটি করে অতিরিক্ত দ্বিতীয় শ্রেণীর চেয়ার কার। এই অতিরিক্ত কোচের সংযোজন ২৭ থেকে ৩০ নভেম্বরের মধ্যেই উভয় প্রান্ত থেকে কার্যকর হবে। এছাড়াও, ১৩০৪৫/১৩০৪৬ হাওড়া - দেওঘর - হাওড়া ময়ূরাক্ষী এক্সপ্রেসে লাগছে একটি অতিরিক্ত সাধারণ দ্বিতীয় শ্রেণীর রিজার্ভড কোচ। এই ট্রেনে অতিরিক্ত কোচ সংযুক্তি হাওড়া থেকে ৩০শে নভেম্বর এবং দেওঘর প্রান্ত থেকে ১লা ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হবে। ২২৩২১/২২৩২২ হাওড়া - সিউড়ি - হাওড়া হুল এক্সপ্রেসে যাত্রীদের জন্য আরও সুখবর। তারা পাচ্ছেন একটি অতিরিক্ত এসি ৩ টায়ার কোচের সংযোজন। এতদিন পর্যন্ত এই গাড়িতে যাত্রীরা কেবলমাত্র বসেই যাতায়াত করতে পারতেন, কিন্তু এখন এসি ৩ টায়ার কোচের সংযোজনের ফলে যাত্রীরা শুয়ে অথবা ঘুমিয়ে যাতায়াত করতে পারবেন। অতিরিক্ত কোচের সংযুক্তির ফলে হুল এক্সপ্রেসের কোচ সংখ্যাও ১৩টি কোচ থেকে ১৪ টি কোচে বৃদ্ধি পেলো। এই এসি ৩ টায়ার কোচের সংযোজন উভয় প্রান্ত থেকেই ৩০শে নভেম্বর থেকে কার্যকর হবে। নিত্যযাত্রীদের চাহিদা পূরণে পূর্বরেল সর্বদাই সচেষ্ট। সময়বিশেষে দ্বিতীয় শ্রেণীর অতিরিক্ত কোচ সংযোজনের ফলে সাধারণ যাত্রীরা সাশ্রয়কারী যাতায়াতের মাধ্যম হিসেবে রেলের উপর বিশেষ নির্ভরশীল। রেলের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন নিত্য যাত্রীরা।

নভেম্বর ২৬, ২০২৪
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

চোরবাগানে দুর্গাপুজোর ভিড়ে মর্মান্তিক বিপর্যয়! পদপিষ্টের আশঙ্কা, একাধিক মৃত্যুর দাবি সূত্রের, হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা: সপ্তমীর সন্ধ্যায় দুর্গাপুজোর আনন্দ মুহূর্তে পরিণত হল আতঙ্কে। প্রবল বৃষ্টি থেকে বাঁচতে মণ্ডপে ঢোকার হুড়োহুড়ি, তার সঙ্গে বিপুল দর্শনার্থীর চাপসব মিলিয়ে উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনে তৈরি হল ভয়াবহ পরিস্থিতি। মণ্ডপের ভিতরে পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর। আহতদের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আনন্দবাজার সুত্রে জানা যায় এই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও মৃত্যুর এই সংখ্যা সরকারি ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।ঘটনার খবর পেয়েই হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং উদ্ধারকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি। পাশাপাশি পুজো উদ্যোক্তাদের থানায় ডাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তীব্র চাঞ্চল্য। বন্ধ করে দেওয়া হয় মণ্ডপের আলো এবং প্রবেশ ও বেরোনোর পথ।প্রবল বৃষ্টির জেরেই কি বিপত্তি?সপ্তমীর সন্ধ্যায় উত্তর ও মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। তার জেরে রাস্তায় যানজট তৈরি হওয়ার পাশাপাশি পুজো মণ্ডপগুলিতেও দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বহু মানুষ একসঙ্গে মণ্ডপের ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। শুরু হয় ঠেলাঠেলি। সেই সময় কয়েক জন ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান। তাঁদের পিছনে থাকা ভিড়ের চাপে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, মণ্ডপের ভিতরের একটি বৃত্তাকার পথে এই বিপত্তি ঘটে। ওই পথে দর্শনার্থীদের ঘুরে মণ্ডপ থেকে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা ছিল। সেখানে একসঙ্গে বহু মানুষের জমায়েত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কাঠামোর কোনও অংশ ভেঙে পড়েছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।হাসপাতালে আহতদের ভিড়, চলছে চিকিৎসাঘটনার পর দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কলকাতা পুলিশের সূত্রে প্রথমে ৩৫ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেলেও, পরে মেডিক্যাল কলেজের একটি সূত্রে দাবি করা হয়, সেখানে ৪০ থেকে ৫০ জনকে আনা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। উদ্ধারকারীদের দাবি, কয়েক জনকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ইমার্জেন্সি অবজারভেশন ওয়ার্ডে আহতদের চিকিৎসা চলছে। কয়েক জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল ও হাসপাতালের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পৌঁছন কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দও।হাসপাতালের একটি সূত্রের দাবি, মৃত ১৭ জনের মধ্যে ১৩ জন মহিলা, তিন জন পুরুষ এবং একটি শিশু রয়েছে। তবে প্রশাসনের তরফে এই মৃত্যুসংখ্যা বা মৃতদের পরিচয় সম্পর্কে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে সরকারি নিশ্চিতকরণের অপেক্ষা রয়েছে।উদ্ধারকাজে জোর, উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নদুর্ঘটনার পর মণ্ডপ চত্বরে উদ্ধারকাজে জোর দেওয়া হয়। পুলিশ ও দমকলের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। মণ্ডপের আলোও নিভিয়ে দেওয়া হয়, যাতে উদ্ধারকাজে অসুবিধা না হয়।অন্যদিকে, প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের অভিযোগ, পরিস্থিতি যখন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছিল, তখন পর্যাপ্ত পুলিশ বা নিরাপত্তারক্ষী সময়মতো সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। সাহায্যের আবেদন জানিয়েও তাঁরা সাড়া পাননি বলে অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশ ও নির্গমন ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তার পর্যাপ্ততা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।পুজো উদ্যোক্তা বিকাশ দাস জানিয়েছেন, কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা এখনও তাঁদের কাছে স্পষ্ট নয়। আপাতত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। পদপিষ্ট হয়েই এই বিপর্যয় ঘটেছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।৩৬০ ডিগ্রির মণ্ডপে কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ২০২৬ সালের পুজোর ভাবনা অরব, যার ইংরেজি ব্যাখ্যা বিয়ন্ড সাউন্ড। শব্দের পরিচিত সীমা ছাড়িয়ে নীরবতার গভীরে পৌঁছনোর ভাবনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছিল মণ্ডপ। সৃজনশীল পরিকল্পনার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে মণ্ডপ দেখার ব্যবস্থা। সেরা পুজোর তালিকায়ও এই পুজো তৃতীয় স্থান পেয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু দর্শনার্থীদের চলাচলের জন্য তৈরি বৃত্তাকার এলিভেটেড করিডোর ঘিরেই বিপত্তি ঘটেছে বলে প্রাথমিক সূত্রের খবর। ওই পথে একসঙ্গে কত জনের চলাচলের ব্যবস্থা ছিল, ভিড়ের সময় প্রবেশ ও নির্গমন নিয়ন্ত্রণ কীভাবে করা হচ্ছিল এবং জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প বেরোনোর পথ ছিল কি নাএই প্রশ্নগুলি এখন গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন দেবদীপ অধিকারী, যিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো। জোড়াসাঁকোর বিজেপি বিধায়ক বিজয় ওঝা পুজো কমিটির চেয়ারম্যান। উত্তর কলকাতা জেলা তৃণমূলের সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষও এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত। তবে দুর্ঘটনার দায় নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়ের বদলে তদন্তে উঠে আসা তথ্য ও প্রমাণই গুরুত্বপূর্ণ হবে।হেল্পলাইন চালু রাজ্য সরকারেরঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে একটি টোল-ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নম্বরটি হল ১৮০০৩৪৫৫৬৭৮। দুর্ঘটনায় আহতদের সম্পর্কে তথ্য জানতে বা সংশ্লিষ্ট সহায়তার জন্য এই নম্বর ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।সপ্তমীর সন্ধ্যায় উৎসবের আবহে ঘটে যাওয়া এই বিপর্যয় ফের বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। তবে কত জনের মৃত্যু হয়েছে, কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি নাতার চূড়ান্ত উত্তর মিলবে সরকারি বিবৃতি ও তদন্তের পরেই।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
উৎসব

দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের উন্মাদনা! ফুটবলের টানে মাঠে ফিরুক কচিকাঁচারা, অভিনব থিম পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির

পূর্ব বর্ধমান: দুর্গাপুজোর মণ্ডপে এ বার ফুটবল বিশ্বকাপের আবহ। কোথাও বিশ্বজয়ী স্পেনের উল্লাস, কোথাও ভারতীয় ফুটবলের ছবি, আবার কোথাও লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। ফুটবলকে কেন্দ্র করে পুজোর মণ্ডপেই যেন তৈরি হচ্ছে এক টুকরো বিশ্বকাপের আসর। বাঙালির চিরন্তন ফুটবলপ্রেমকে উদ্যাপন এবং নতুন প্রজন্মকে মোবাইলের পর্দা থেকে মাঠে ফিরিয়ে আনার বার্তা দিতে এমনই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি ক্লাব।পুজোর থিম মানেই এখন শিল্প, সংস্কৃতি, সমাজ সচেতনতা কিংবা নানা অভিনব ভাবনার মেলবন্ধন। সেই ধারাতেই এ বার ফুটবলকে সঙ্গী করেছে পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি। ক্লাবের ২৯তম বর্ষের পুজোয় তাদের থিম ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড। অর্থাৎ, ভাষা, দেশ ও সংস্কৃতির ভিন্নতা থাকলেও ফুটবল যে গোটা বিশ্বকে একই সুতোয় বেঁধে রাখতে পারে, সেই বার্তাই তুলে ধরা হয়েছে মণ্ডপসজ্জার মাধ্যমে।মণ্ডপের প্রবেশপথ থেকেই দর্শকদের নজর কাড়ার আয়োজন। সামনে রাখা হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের সরকারি বল ট্রিয়োন্ডা। বলটিকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিশ্বকাপের আবহ। মণ্ডপের এক দিকে রয়েছে বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের ঐতিহাসিক মুহূর্তের ছবি, অন্য দিকে স্থান পেয়েছে ভারতীয় ফুটবল দলের ছবি। আন্তর্জাতিক ফুটবলের গৌরবের পাশাপাশি দেশের ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাকেও সমান গুরুত্ব দিতে চেয়েছেন উদ্যোক্তারা।এই থিমের অন্যতম আকর্ষণ ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। তাঁদের ফুটবলজীবনের স্মৃতি ও জনপ্রিয়তাকে সামনে রেখে সাজানো হয়েছে মণ্ডপের বিভিন্ন অংশ। পাশাপাশি থাকছে আরও কয়েক জন তারকা ফুটবলারের প্রতিকৃতি। বিশ্বকাপের নানা স্মরণীয় মুহূর্তের ছবি দর্শকদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে মাঠের উত্তেজনা, গোলের উল্লাস এবং সমর্থকদের আবেগে ভরা সেই সব মুহূর্তে।মণ্ডপের অন্দরসজ্জাতেও থাকছে চমক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া ৭০টি উল্লেখযোগ্য মুহূর্তের ছবি সাজিয়ে তোলা হচ্ছে সেখানে। ভারতীয় ফুটবলের জন্যও রাখা হয়েছে বিশেষ জায়গা। দেশের ফুটবলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ১২টি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের ছবি তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে উদ্যোক্তাদের। ফলে এই মণ্ডপ শুধু পুজো দেখার জায়গা নয়, ফুটবলের ইতিহাস ও স্মৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ারও একটি সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনাকেও বিশেষ ভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা হয়েছে। মণ্ডপের এক পাশে গ্যালারির আদলে তৈরি অংশে থাকবে ফাইনালের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি। দুর্গাপ্রতিমার পাশেও স্থান পাচ্ছে ফাইনালের স্মরণীয় দৃশ্য এবং ফুটবল তারকাদের ছবি। মণ্ডপের একেবারে উপরের দিকে থাকবে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের পতাকা। আলোর কারুকার্যে সেই সব পতাকার রং ফুটিয়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। সব মিলিয়ে দর্শকদের সামনে ফুটবল বিশ্বকাপের একটি দৃশ্যমান আবহ তৈরি করাই উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য।এখানেই শেষ নয়। মণ্ডপে থাকবে একটি বড় পর্দা, যেখানে দেখানো হবে বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচের হাইলাইটস। ফলে প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীরা ফিরে দেখতে পারবেন মাঠের সেরা মুহূর্তগুলি। গোল, সেভ, দুরন্ত পাস কিংবা ট্রফি জয়ের উল্লাসবিশ্বকাপের নানা স্মৃতি মণ্ডপের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।তবে এই আয়োজনের পিছনে শুধুই দর্শকদের আকর্ষণ করার ভাবনা নেই। উদ্যোক্তাদের মূল লক্ষ্য, ছোটদের মধ্যে ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং তাদের মাঠমুখী করে তোলা। বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল বিনোদনের প্রতি শিশু-কিশোরদের আকর্ষণ বাড়ছে। সেই পরিস্থিতিতে খেলাধুলার আনন্দ, দলগত প্রচেষ্টা, শৃঙ্খলা এবং শরীরচর্চার গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে ফুটবলকে মাধ্যম করেছে ক্লাব।ফুটবল এমন একটি খেলা, যেখানে জয়ের আনন্দের পাশাপাশি থাকে পরাজয় মেনে নেওয়া, সতীর্থের পাশে দাঁড়ানো এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার শিক্ষা। ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড থিমের মাধ্যমে সেই সামাজিক ও মানবিক বার্তাও দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে চায় পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি।দুর্গাপুজোর উৎসবের সঙ্গে ফুটবলের আবেগকে মিলিয়ে এই উদ্যোগ কতটা দর্শকপ্রিয় হয়, তা অবশ্য সময়ই বলবে। তবে মণ্ডপের সাজসজ্জা থেকে বিশ্বকাপের স্মৃতি, আন্তর্জাতিক তারকা থেকে ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসসব কিছুকে এক ছাতার তলায় এনে পুজোর আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করার চেষ্টা করেছে ক্লাব। উদ্যোক্তাদের আশা, মণ্ডপে এসে বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে ওঠার পাশাপাশি ছোটদের মনে জাগবে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নের টানেই হয়তো এক দিন তারা মোবাইল সরিয়ে রেখে আবার ছুটবে গ্রামের মাঠে, পায়ে বল নিয়ে।দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের আবহ, আর সেই আবহ থেকেই মাঠে ফেরার ডাকপূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির এ বারের পুজোর ভাবনায় ফুটবল তাই শুধু খেলা নয়, নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলারও এক বার্তা।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বড় চমক! কবে নিজের গর্ভগৃহে ফিরবেন তারাপীঠের মা তারা?

মহালয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে মা তারাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল। পরে ষষ্ঠীর দিনও তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরের সংস্কারের কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মা তারাকে মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যারতির পর নতুন বেদিতে অধিষ্ঠিত হবেন দেবী। ওই দিন রাজরাজেশ্বরী রূপে তাঁর বিশেষ পুজো হবে।তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। দেবীর আসনের বেদির উচ্চতা আট ইঞ্চি বাড়ানো হয়েছে। এই সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অযোধ্যার রামমন্দিরের কারিগরদের দিয়ে বিশেষ রেলিং তৈরি করানো হচ্ছে। তবে দিল্লি হয়ে সেই রেলিং তারাপীঠে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় সংস্কারের কাজও পিছিয়ে যায়। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সব ধর্মীয় আচার মেনে মা তারাকে নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে।মন্দির কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন ভোরে শিবমন্দির থেকে মা তারাকে নিয়ে আসা হবে বিশ্রাম মঞ্চে। সেখানে দিনভর পুজো ও দর্শন চলবে। সন্ধ্যারতির পর দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মূল গর্ভগৃহে। নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠার আগে শুদ্ধিকরণ-সহ প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ লগ্নে মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে মহালক্ষ্মী হিসেবে পুজো করা হবে।সংস্কারের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হলেও তাঁর নিত্যপুজো ও দর্শন বন্ধ হয়নি। সেখানেই নিয়মিত পুজো চলছে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যার দুদিন পর সংস্কারের কাজের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরানো হয়েছিল। মহালয়া অমাবস্যার ঠিক আগে তাঁকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকটি সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ষষ্ঠীর দিন তাঁকে ফেরানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সংস্কারের কাজ বাকি থাকায় সেই পরিকল্পনাও কার্যকর করা যায়নি।পুলক চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চতুর্দশীর দিন ভোরে মা তারাকে শিবমন্দির থেকে বিশ্রাম মঞ্চে নিয়ে আসা হবে। ২৫ অক্টোবর সারাদিন সেখানেই থাকবেন দেবী। সন্ধ্যারতির পর তাঁকে আবার নিজের মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মা তারার এই বিশেষ আরাধনাকে ঘিরে এখন প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু সরকারের বিচারে কলকাতার সেরা পুজো কোনটি? প্রথম স্থান পেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার!

রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই কলকাতার সেরা পুজোগুলির নাম ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৩টি পুজো কমিটিকে বিভিন্ন বিভাগে সম্মান জানানো হয়েছে। সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব পুজো এবং সমাজ সচেতনতার মতো বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সরকারের বিচারে এ বারের সেরার সেরা হয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। এই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বৃন্দাবন গার্ডেন দুর্গাপুজো সমিতি। তৃতীয় হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি।সেরা প্রতিমা বিভাগে প্রথম হয়েছে মুদিয়ালি ক্লাব। দ্বিতীয় স্থানে টালা বারোয়ারি, তৃতীয় স্থানে বেহালা অরুণোদয় সমিতি এবং চতুর্থ স্থানে আহিরীটোলা সর্বজনীন। অন্য দিকে, সেরা মণ্ডপের পুরস্কার পেয়েছে খিদিরপুর ২৫ পল্লি। এই বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে আমরা কজন কল্যাণ সমিতি।আলোকসজ্জার বিভাগেও ঘোষণা করা হয়েছে পুরস্কারজয়ীদের নাম। এই বিভাগে প্রথম হয়েছে সন্তোষপুর অ্যাভিনিউ সাউথ। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বকুলবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয় হয়েছে শিবমন্দির সর্বজনীন দুর্গোৎসব।পরিবেশবান্ধব পুজোর বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নলিন সরকার স্ট্রিট। দ্বিতীয় হয়েছে পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের পুজো। তৃতীয় স্থান পেয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।সমাজ সচেতনতার বিভাগে প্রথম হয়েছে কাশীবোস লেন। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। তৃতীয় হয়েছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে অজেয় সংহতি।এ ছাড়াও চারটি পুজো কমিটিকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বি জি লাইন্স আবাসিক দুর্গাপুজো কমিটি, শ্যাম স্কোয়্যার, ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক এবং সমাজসেবী সংঘ।সব মিলিয়ে, দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এ কলকাতার একাধিক পরিচিত পুজো কমিটি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। সেরার সেরা হিসেবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের নাম উঠে আসার পাশাপাশি প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো, পরিবেশ এবং সমাজ সচেতনতার বিভাগেও আলাদা করে সেরাদের বেছে নিয়েছে সরকার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে ধাক্কা, এ বার সুপ্রিম কোর্টে সুজিত বসু! পুজোর আগে কি মিলবে স্বস্তি?

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন তিনি। তবে এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে জামিন মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলবন্দি তৃণমূলের এই নেতা।গত ১২ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তার পর থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এ বার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। পুরসভায় নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। সেই তদন্তের সূত্রেই সুজিতের বিরুদ্ধে পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত ১২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের সময় সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁকে ঘিরেও একাধিক বেআইনি কাজের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সব অভিযোগের তদন্তে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এখনও বাকি।জামিনের আবেদন বারবার খারিজ হওয়ায় সুজিতের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর আবেদন কোন দিকে এগোয়, সেটাই দেখার। পুজোর আগে শীর্ষ আদালতে শুনানি না হলে আপাতত জেলেই থাকতে হতে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহে দু’বার আটক অভিজিৎ দীপকে! দিল্লিতে তিরঙ্গা মিছিলের আগেই কেন কড়া পদক্ষেপ পুলিশের?

ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে দলের তিরঙ্গা মিছিল হওয়ার কথা ছিল। তবে ওই মিছিলে বড় জমায়েতের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবারই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার জন্য ১১ জনের একটি দলকে অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। এর পর শুক্রবার সকালে মিছিল শুরুর ঠিক আগে অভিজিৎ দীপকের দিল্লির বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁকে কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে একটি নোটিস দেওয়া হয়। তার পরেই তাঁকে আটক করা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আটক হলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা।এর আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন অভিজিৎ। দিল্লিতে বিমান অবতরণের পরেই তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। এ বার জাতীয় পতাকা হাতে তিরঙ্গা মিছিল শুরুর আগেই ফের তাঁকে আটক করা হল।বৃহস্পতিবারই সিজেপিকে মিছিলের অনুমতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। জানানো হয়েছিল, ১১ জনের একটি দল জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারে। শুক্রবার সকালে মিছিলের আগে অভিজিৎ দীপকের বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে নোটিস দেয় পুলিশ। কনট প্লেসে নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয় তাঁকে।তবে অভিযোগ, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই জাতীয় পতাকা হাতে কনট প্লেসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন অভিজিৎ। সেই সময় তাঁকে রাস্তা থেকে আটক করে পুলিশ। তার আগে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা হয় বলেও জানা গিয়েছে। কেন তাঁকে আটক করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা। অভিজিতের দাবি, তিনি কোনও আইন ভাঙেননি।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

টেবিল-ছাতা পেতেও মিলল না ছাড়! সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে কড়া নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে নতুন করে জট তৈরি হল কলকাতা হাই কোর্টে। একক বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার সেই মামলায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চের রায় খারিজ করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু তাই নয়, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। আগামী ২১ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে জানতে চান, বুকস্টল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল কি না। তাঁর প্রশ্ন, আবেদন করেও অনুমতি না পেলে পুলিশ কী করবে? সিপিএমের আইনজীবী শামিম আহমেদ জানান, অনুমতি চেয়ে গণপূর্ত দফতর এবং জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে ইমেল করা হয়েছিল। পুলিশকেও আবেদনের কথা জানানো হয়েছিল বলে জানান মামলাকারীর আইনজীবী।এর পরেই রাস্তার ধারে থাকা স্টলগুলি নিয়ে কড়া অবস্থান জানান প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, অনুমতি না থাকলে কোনও স্টলই রাখা যাবে না। আইনের চোখে সবাই সমান। সিপিএমের বুকস্টল কোথায় রয়েছে, তা জানতে চান তিনি। উত্তরে শামিম আহমেদ জানান, বুকস্টলটি দলের কার্যালয়ের সামনে। রাস্তার ধারে অন্য স্টলগুলির সঙ্গে একই লাইনে রয়েছে কি না, নাকি রাস্তার উপরে এগিয়ে এসেছে, সেই প্রশ্নও করেন প্রধান বিচারপতি। সিপিএমের আইনজীবী দাবি করেন, বুকস্টলটি অন্য স্টলগুলির মতো একই লাইনে রয়েছে।রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, অন্য স্টলগুলির অনুমতি রয়েছে কি না, তা তাঁর জানা নেই। এর পর প্রধান বিচারপতি বলেন, অনুমতি না থাকলে সব স্টলই সরিয়ে দিতে হবে। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার থাকা প্রয়োজন।সিপিএমের আইনজীবী জানান, একক বেঞ্চও একই ধরনের পর্যবেক্ষণ করেছিল। অন্য দিকে, অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কী ভাবে বুকস্টল চালানো সম্ভব? সিপিএমের তরফে পাল্টা জানানো হয়, দুর্গাপুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। হাতে আর তিন-চার দিন রয়েছে। তাই মাইক বা মাইক্রোফোন ব্যবহার না করে বুকস্টল চালানোর অনুমতি দেওয়া হোক।শেষ পর্যন্ত আরও একটি প্রস্তাব দেন সিপিএমের আইনজীবী। তিনি জানান, দলের কার্যালয়ের সামনে পাঁচ ফুট লম্বা একটি টেবিল পেতে, কোনও ছাউনি ছাড়াই শুধু ছাতা ব্যবহার করে বুকস্টল চালাতে চান তাঁরা। কিন্তু সেই প্রস্তাবেও রাজি হয়নি আদালত। পাল্টা সওয়ালে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, বনগাঁ থানার আইসি আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। বুকস্টল থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব ছয় কিলোমিটার। এর পরেই প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

পঞ্চমীর পর ষষ্ঠীতেও কলকাতার মেট্রোয় জনপ্লাবন! দরজা বন্ধ করতেই হিমশিম কর্মীরা

পঞ্চমী থেকেই ভিড়ে ঠাসা কলকাতা। মেট্রো স্টেশনে পা রাখার জায়গা নেই। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে। ভিড়ের চাপে অনেক সময় বন্ধ করা যাচ্ছে না মেট্রোর দরজা। ফলে একের পর এক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছে ট্রেন। ষষ্ঠীতেও পরিস্থিতির বিশেষ বদল হয়নি। মেট্রোর পাশাপাশি লোকাল ট্রেনেও যাত্রীদের ভিড় উপচে পড়ছে। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে শহরবাসীকে। এই পরিস্থিতিতে মেট্রোর পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো মানেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা। ভিড়ের কথা মাথায় রেখেও অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন প্রতিমা দর্শনে। এখন তো তৃতীয়া থেকেই শুরু হয়ে যায় ঠাকুর দেখা। ফলে পঞ্চমী আসতেই শহরের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে ভিড় বাড়তে শুরু করে। পঞ্চমীর রাতে চাঁদনি চক, এসপ্ল্যানেড-সহ একাধিক স্টেশনে কার্যত জনস্রোত দেখা যায়। বিকেল থেকেই মেট্রোয় ঠাসাঠাসি ভিড় ছিল।তার উপর একাধিক মেট্রো বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার চেষ্টা করেন যাত্রীরা। ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেত্রে দরজা বন্ধ করতে সমস্যা হয়। কোথাও কোথাও ভিড় সামলাতে পুলিশকর্মীদের যাত্রীদের নামিয়ে দিতে হয় বলেও জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে পঞ্চমীর রাতেই মেট্রোয় দুর্ভোগ চরমে ওঠে।ষষ্ঠীতেও ছবিটা প্রায় একই। সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে ভিড় জমাতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাস, ট্রেন এবং মেট্রোয় যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়ে। মেট্রোর তরফে বারবার একই ট্রেনে ওঠার জন্য তাড়াহুড়ো না করতে বলা হলেও তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। পুজোর ভিড়ে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে চাইছেন সকলেই। কারণ, যাতায়াতে সময় কম লাগলে আরও বেশি প্রতিমা দেখার সুযোগ মিলবে।শিয়ালদহমুখী লোকাল ট্রেনেও ভিড়ের ছবিটা আলাদা নয়। ট্রেনের ভিতরে যাত্রীদের ঠাসাঠাসি ভিড় থাকায় সমস্যায় পড়ছেন অনেকে। পুজোর সময়ে শহর ও শহরতলির যাত্রীসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিবহণ ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। আগামীকাল, অর্থাৎ সপ্তমী থেকে অতিরিক্ত ট্রেন চললে ভিড় কিছুটা সামলানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পুজোর বাকি দিনগুলিতে মেট্রো ও লোকাল ট্রেনে যাত্রীদের ভোগান্তি কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal