• ১ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার ১৭ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Howrah

রাজ্য

হাওড়ায় নতুন পুর কমিশনার

ফের বদল করা হল হাওড়ার পুর কমিশনার। এবারে হাওড়া পুরসভার কমিশনার করা হল পশ্চিমবঙ্গের ২০১২ ব্যাচের আইএএস অভিষেক কুমার তেওয়ারিকে। তিনি এতদিন রাজ্যের উচ্চশিক্ষা দপ্তরের যুগ্ম সচিবের পদে ছিলেন। বৃহস্পতিবার রাজ্য সরকারের তরফে এক নির্দেশিকা জারি করে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। এর আগে হাওড়া পুরসভার প্রাক্তন কমিশনার ধবল জৈনকে মূল্যায়ন পর্ষদে বদলি করা হয়েছিল। তাঁকে এদিন নতুন নির্দেশিকা জারি করে রাজ্য কৃষি বিপণন নিগমের ম্যানেজিং ডিরেক্টর করা হয়েছে। মাসখানেক আগে ধবল জৈনকে হাওড়া পুরসভার কমিশনার পদ থেকে বদলি করার পর এখানকার জেলাশাসক মুক্তা আর্য্যকে পুরসভার কমিশনারের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। আরও পড়ুন ঃ চলন্ত ট্রেন ও প্ল্যাটফর্মের মাঝে পড়ে যাওয়া যাত্রীকে বাঁচিয়ে সাহসিকতার পরিচয় আরপিএফ কর্মীর প্রসঙ্গত, প্রায় দুবছর ধরে হাওড়ায় কোনও নির্বাচিত পুর বোর্ড না থাকায় প্রায় শিকেয় উঠেছে পুর পরিষেবা। সেই পরিস্থিতিতে কখনও পুরবাসীকে সুষ্ঠ পরিষেবা দিতে তৈরী করা হচ্ছে প্রশাসক মন্ডলী। কখনও তা ভেঙ্গে দিয়ে পুর কমিশনারের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে দায়িত্ব। পুরসভার কাজ চালাতে পূর্ণ সময়ের একজন কমিশনারের দাবিও উঠেছিল বিভিন্ন মহল থেকে। যদিও বারেবারে পুর কমিশনার বদলের ফলে পুর পরিষেবায় ব্যাঘাত ঘটাতে পারে এমনটাই আশঙ্কা করছেন হাওড়ার বাসিন্দারা।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২০
রাজ্য

অভিনব কায়দায় কেপমারি, লক্ষাধিক টাকার সোনার গহনা লুট

প্রকাশ্য রাস্তায় এক প্রৌঢ়াকে কথার জালে ভুলিয়ে প্রায় ২লক্ষ টাকার সোনার গহনা নিয়ে চম্পট দিল দুই যুবক। প্রৌঢ়ার নাম বাসন্তী দেবী শর্মা (৬০)। বাড়ি হাওড়া থানা এলাকার ভগবান গাঙ্গুলি লেনে। শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে শিবপুরে জনবহুল জিটি রোডে। বৃদ্ধার ছেলে হেমন্ত কুমার শর্মা জানালেন, শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ তাঁর মা বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন। জিটি রোড ধরে বাসন্তী দেবী শিবপুরের দিকে কাজে যাচ্ছিলেন। তখনই এক অপরিচিত যুবক তাঁর পিছনে আসতে শুরু করে। সে বৃদ্ধাকে জানায়, লকডাউনের পর থেকে আর্থিক কষ্টে ভুগছে তার পরিবার। এই কথা বলে বৃদ্ধার কাছে আর্থিক সাহায্য চায় সে। বাসন্তীদেবী ওই যুবককে জানান, তিনি সামান্য কিছু টাকা দিয়ে আর্থিক সাহায্য করতে পারেন। এর থেকে বেশি কিছু করতে পারবেন না। তখন ওই যুবক অপর এক যুবককে দেখিয়ে জানান, ওই যুবককে টাকা দিতে না পারলে তাকে মেরে ফেলবে অপর ওই যুবক। বৃদ্ধার গায়ের গয়না খুলে বিক্রি করে টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলে ওই যুবক তাকে ছেড়ে দেবে। কিছুক্ষনের জন্য বৃদ্ধা গয়না খুলে দিলে সে উপকৃত হবে। অনেক পীড়াপীড়ির পরে বৃদ্ধা ওই যুবককে তার গায়ের সমস্ত গয়না খুলে দেন। হাতের সোনার একটি বালা, তিনটি সোনার আংটি ও গলার একটি সোনার চেন তার হাতে তুলে দেন। আরও পড়ুন ঃ বদলি করা হল পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপারকে তারপর ওই যুবক তার মাকে ডেকে আনতে যাচ্ছে বলে বৃদ্ধাকে সন্ধ্যাবাজার এলাকার একটি জায়গায় বসিয়ে চম্পট দেয়। পালিয়ে যায় অপর এক যুবকও। ওই বৃদ্ধা শিবপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। হাওড়া সিটি পুলিশের এক পদস্থ আধিকারিকের কথায়, বৃদ্ধা ও তাঁর ছেলের বক্তব্য শুনে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। কিভাবে সামান্য কয়েক মিনিটের পরিচয়ে এক অপরিচিত যুবকের হাতে নিজের গায়ে পরে থাকা গহনা নিজের হাতে খুলে তুলে দিতে পারেন এক মহিলা সেই কথাও ভাবচ্ছে তদন্তকারীদের।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২০
রাজ্য

হাওড়ায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আনতে বসছে এক হাজার সিসিটিভি

হাওড়ার বিভিন্ন এলাকায় বাড়ছে অপরাধ প্রবণতা। অনেক সময় অপরাধ করে পালিয়ে গেলেও অপরাধীরা ধরা পড়ছে না। তাই এবার হাওড়া পুলিশ কমিশনারেট এলাকার অপরাধ প্রবন এলাকাগুলো চিহ্নিত করে সেখানে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হবে বলে সিটি পুলিশ সুত্রে জানা গিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ রেলের এলাকায় বসবাসকারীদের উচ্ছেদের নোটিশের প্রতিবাদ , লাঠি হাতে মিছিল বিধায়কের বেলুড়, শিবপুর, কমিশনারেট এলাকার মধ্যে থাকা জাতীয় সড়ক ও দাসনগরের বালিটিকুরির মতো ১০১২টি এলাকাকে মূলত অপরাধপ্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই বেলুড়ের বজরংবলী এলাকায় ২৫টি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। হাওড়ার নগরপাল কুণাল আগারওয়াল জানালেন, কয়েকটি অপরাধপ্রবণ এলাকাকে হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করে নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে। ইতিপূর্বেই হাওড়া শহরের বিভিন্ন এলাকা এবং গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা সিসিটিভির নজরদারির আওতায় রয়েছে। কিন্তু আরো নজরদারি প্রয়োজন বলেই মনে করছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রের খবর, একটি বেসরকারি সংস্থাকে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কয়েক দফায় খুব দ্রুতই এক হাজারটি সিসিটিভি বসানোর কাজ সম্পূর্ণ হবে।

নভেম্বর ২৭, ২০২০
রাজ্য

করোনা নিয়ন্ত্রণে আসায় বন্ধ হচ্ছে সেফ হোম

সাধারণ মানুষের সচেতনতার জেরে করোনা সংক্রমণ অনেকটাই কমেছে। তাই এবার হাওড়ার অধিকাংশ সেফ হোম বন্ধ করতে চলেছে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর। আগামী ডিসেম্বরের প্রথম থেকেই এই নির্দেশ কার্যকর করা হবে বলে জানা গিয়েছে। করোনা আক্রান্তদের পৃথকভাবে রাখতে জেলা জুড়ে তৈরি করা হয় বেশ কয়েকটি সেফ হোম। যেখানে কোভিড-১৯ আক্রান্তদের রেখে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হত। গত কয়েকদিনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী গত তিন দিনে হাওড়া জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা দিন প্রতি ১৬০থেকে ১৭০-এর মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। আরও পড়ুন ঃ দিলীপ ঘোষের সভায় যোগ দিতে যাওয়ার পথে বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের এক পদস্থ আধিকারিক বলেন, জেলার দশটি সেফ হোমের মধ্যে সাতটি বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। আগামী ১লা ডিসেম্বর থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হচ্ছে। আমতা, ডোমজুড় ও বাকসীর সেফ হোম তিনটি চালু থাকবে। ওই আধিকারিক আরো জানান, বর্তমানে আক্রান্তরা সেফ হোমে থাকতে চাইছেন না। তাই তাঁদের বাড়িতেই চিকিৎসা দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রত্যেক আক্রান্তের সাথে একজন চিকিৎসাকে ট্যাগ করে দেওয়া হচ্ছে। ওই চিকিৎসক রোগীর নিয়মিত খবর নেবেন ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেবেন।

নভেম্বর ২৫, ২০২০
রাজ্য

হোটেল থেকে সংকটজনক অবস্থায় যুবক- যুবতী উদ্ধার

হাওড়া স্টেশন সংলগ্ন হোটেলের একটি ঘর থেকে এক যুবক ও যুবতীকে সংকটজনক অবস্থায় উদ্ধার করল গোলাবাড়ি থানার পুলিশ। জানা গিয়েছে , হোটেলটি হাওড়া স্টেশনের কাছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে তাঁদের নাম প্রীতম প্রামানিক (২২) ও সরস্বতী মাইতি মিদ্দে (২০)। তাঁরা পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরির বাসিন্দা। হোটেলে জমা দেওয়া আধার র্কাড থেকে পুলিশ জানতে পেরেছে প্রীতমের বয়স ২২ ও সরস্বতীর বয়স ২০। হোটেল মালিক বলেন, দুজনেই স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে হোটেলে ওঠেন। তাঁরা হোটেলের দোতলার ১০১ নম্বর রুমে ছিলেন। হোটেল সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকাল ৬টা নাগাদ স্বামী - স্ত্রী পরিচয় দিয়ে হোটেলে ঘর নেন তাঁরা। দুজনেরই মুখ দিয়ে গাঁজলা বেরোচ্ছিল। মুখ থেকে উৎকট ঝাঁঝালো গন্ধ বেরিয়ে আসছিল। আরও পড়ুন ঃ প্রধানমন্ত্রী কি দেশের নাগরিক নয়? প্রশ্ন কৈলাসের হোটেলের ম্যানেজার ঈষান মিশ্র জানান, শনিবার দুপুর র্পযন্ত অনেকবার ডাকাডাকি করার পরও ১০১ নম্বর ঘরের বোর্ডার দরজা না খোলায় তাঁদের সন্দেহ হয়। শেষ র্পযন্ত তাঁরা থানায় খবর দেন। গোলাবাড়ি থানার পুলিশ এসে ডুপ্লিকেট চাবি দিয়ে দরজা খুলে দুজনকে আশংকাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে হাওড়া জেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতাল সুত্রে জানা যায় দুজনের অবস্থাই আশংকাজনক। যুবক -যুবতী কীটনাশক জাতীয় কিছু খেয়েছিলেন। তাঁদের চিকিৎসা চলছে। হোটেলের কর্মীরা জানান, শুক্রবার থেকে ঘরেই ছিলেন তাঁরা। শনিবার সকাল থেকে তাঁদের সাড়া শব্দ না পেয়ে কর্মীদের সন্দেহ হয়। সেই কথা হোটেলের মালিককে জানালে তিনিই পুলিশকে খবর দেন। কি কারণে তাঁরা এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তা জানতে পুলিশ দুই পরিবারের লোককে ডেকে পাঠিয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

নভেম্বর ২১, ২০২০
রাজ্য

হাওড়া ব্রিজে মিনিবাসে অগ্নিকাণ্ড , উত্তেজনা

হাওড়া ব্রিজের ১৭ নং পিলারের কাছে একটি কলকাতাগামী একটি যাত্রীবোঝাই বাসে আগুন লেগে যায়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার পর থেকে পলাতক বাসের চালক ও কন্ডাক্টর। জানা গিয়েছে , ধোঁয়া দেখতে পেয়েই যাত্রীদের মধ্যে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। যাত্রী সহ সকলে বাস থেকে নিরাপদে নিচে নেমে আসেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে দমকলের ২টি ইঞ্জিন। আরও পড়ুন ঃ এবার শুভেন্দুর ছবি দেওয়া হোর্ডিং হাওড়া শহরে তারা বেশ কিছুক্ষণের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আগুন লাগার সময় বাসের যাত্রী থাকলেও কোনো হতাহতের খবর নেই। বাসটিকে ব্রিজ থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বাসে আগুন লাগার জেরে ব্রিজে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
রাজ্য

এবার শুভেন্দুর ছবি দেওয়া হোর্ডিং হাওড়া শহরে

পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হোর্ডিং এবার হাওড়া শহরে। হাওড়ার কোনা এক্সপ্রেসওয়ে সংলগ্ন বেলেপোল এর হ্যাংস্যাং ক্রসিংয়ে লাগানো হয়েছে ওই বিশাল হোর্ডিং। নিচে লেখা আমরা দাদার অনুগামী। হোর্ডিংয়ের উপরে লেখা চিত্ত যেথা ভয় শূন্য উচ্চ যেথা শির। এছাড়াও শুভেন্দুকে একজন দক্ষ প্রশাসক, দক্ষ সংগঠক, উদার ও নির্ভীক জননেতা এবং বঙ্গের বন্ধু হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। হোর্ডিংয়ে রয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর ছবিও। আরও পড়ুন ঃ বাবা-মাকে খুনের ঘটনায় ধৃত ছেলের ২ দিনের পুলিশ হেফাজত এই হোর্ডিংয়ের কিছুটা দূরেই আমরা দাদার অনুগামীর তরফ থেকে লাগানো হয়েছে আরও একটি হোর্ডিং। তাতে লেখা যার কাছে সবকিছু বলা যায়। যাকে চোখ বন্ধ করে ভরসা করা যায়। যাকে আপন বলে ভাবা যায়। যার কাছে বিশ্বাসটুকু রাখা যায়। সেইতো জননেতা। তুমি আমাদের সেই নেতা। আমাদের এই সম্পর্ক যেন থাকে চির অটুট। স্বাভাবিকভাবেই হাওড়া শহরের প্রাণকেন্দ্রে এই দুই হোর্ডিং ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কে বা কারা এই হোর্ডিং দিয়েছে তা অবশ্য জানা যায়নি।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
রাজ্য

লোকাল ট্রেন চালু হতেই জনসমুদ্র হাওড়া স্টেশন

রাজ্যের সঙ্গে রেল কতৃপক্ষের বৈঠকে ঠিক হয়েছিল , ১১ নভেম্ব্র থেকে ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে লোকাল ট্রেন চলাচল করবে। মানতে হবে সমস্ত কোভিডবিধিও। বুধবার সকাল থেকে সেইমতোই চলছিল সবকিছু। কিন্তু বেলা গড়াতেই অফিস টাইমে ব্যান্ডেল লোকাল হাওড়া স্টেশনে পৌঁছাতেই জন সমুদ্রে ভেসে গেল স্টেশন চত্বর। যাত্রীদের বাস ধরার দৌড়ে সমস্ত বিধিনিষেধই হার মানল। তাই দেখে হতবাক হয়ে পড়েন রেল কর্তৃপক্ষ। এদিন সকালের অফিস টাইমে পুরনো ছবিই দেখা গেল হাওড়া স্টেশনে। কোভিড নীতি মেনে রেল কর্তৃপক্ষ ট্রেনে এবং হাওড়া স্টেশনে বিভিন্ন ব্যবস্থা করলেও অফিস টাইমের ভিড়ে শিকেয় ওঠে সামাজিক দূরত্ব বিধি। আরও পড়ুন ঃ দলীয় কর্মীকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ বিজেপির রেলের হিসেব অনুযায়ী আগে প্রতিটি লোকাল ট্রেনে কম-বেশি ১২০০জন যাত্রী যাতায়াত করত। কোভিড পরিস্থিতিতে সেই সংখ্যা ৬০০থেকে ৭০০তে নামিয়ে আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। এদিন অফিস টাইমের ভিড় সব পরিকল্পনায় জল ঢেলে দেয়। তিনজনের বসার সিটে দুজনের বসার কথা থাকলেও ভিড়ের সময়ে সেই সিটেই চারজন করে যাত্রীকে বসতে দেখা যায়। উল্লেখ্য , এদিন পরিকল্পনা মতো ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে দেওয়া হয় হাওড়া স্টেশনকে। মাস্ক ছাড়া এদিন যাত্রীদের কাউকেই ট্রেনে যাতায়াত করতে দেওয়া হয়নি। ভীড় এড়াতে রেল পুলিশের তরফ থেকে বারবার মাইকিং করা হয়। হুইসেল বাজিয়ে ভীড় নিয়ন্ত্রণ করতে দেখা যায় আরপিএফ কর্মীদের। সকালে হাওড়া স্টেশনে ঘুরে ব্যবস্থাপনা ঘুরে দেখেন পূর্ব রেলের হাওড়া ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার ইশাক খান। আরপিএফের তরফে উপস্থিত ছিলেন রজনীশ ত্রিপাঠী সহ অন্যান্য আধিকারিকরা। এদিন লোকাল ট্রেনে হকারদের উঠতে দেওয়া হয়নি। এদিন পূর্ব রেলের হাওড়া ডিভিশনের ডি আর এম ঈশাখ খান বলেন প্রয়োজন হলে অফিস টাইমে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো হবে। তিনি আরো বলেন, মানুষকে সচেতন হতে হবে। ফোর্স দিয়ে মানুষকে নিয়ম মানানো সম্ভব নয়। এদিন সকালেও হাওড়া স্টেশনে দফায় দফায় জীবাণুমুক্তকরণ করা হয়। পরিস্থিতি যা আজ থেকেই ক্রমে ছন্দে ফিরছে হাওড়া স্টেশন। এদিন ভোর চারটে নাগাদ প্রায় সাড়ে সাত মাস পর হাওড়া স্টেশন থেকে প্রথম লোকাল ট্রেন যাত্রা শুরু করে।

নভেম্বর ১১, ২০২০
রাজ্য

তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানকে গ্রেফতারের দাবি , রণক্ষেত্র হাওড়া

তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানকে গ্রেফতারের দাবিতে উত্তপ্ত হল হাওড়া। শনিবার তার গ্রেফতারির দাবিতে হাওড়া সিটি পুলিশের পুলিশ কমিশনারের অফিস ঘেরাও করে তুমুল বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। তারা পথ অবরোধেও সামিল হয়। বিক্ষোভ সামাল দিতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে বলেও অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে পুলিশ। আরও পড়ুন ঃ অমিত শাহের বাংলা ছাড়ার পরই একাধিক সাহায্য নিয়ে বিভিষণ হাঁসদার দ্বারস্থ তৃণমূল সদস্যা জানা গিয়েছে , এদিন সকালে জগদীশপুর হাইস্কুলের মাঠে বিজেপির গ্রিন হাওড়া ক্লিন হাওড়া কর্মসূচি চলছিল। সেই সময় জগদীশপুরের তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধান গোবিন্দ হাজরা আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে সদলবলে বিজেপি কর্মীদের ওপর চড়াও হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় লিলুয়া থানায় এফআইআর দায়ের করা হয় বিজেপির তরফ থেকে। কিন্তু বিজেপির অভিযোগ পুলিশ অভিযুক্তকে তো গ্রেফতার করেনি , উলটে তাদের দু জন কর্মীকে গ্রেফতার করে নিয়ে গেছে। ওই দুই কর্মীর মুক্তি এবং পঞ্চায়েত প্রধান গোবিন্দ হাজরাকে অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবিতে পুলিশ কমিশনারের অফিসের সামনে বসে পড়েন হাজার হাজার বিজেপি কর্মী ও সমর্থক। তাদের সামাল দিতে হিমশিম খায় পুলিশ। নামানো হয় বিশেষ পুলিশ বাহিনীকে। দীর্ঘক্ষণ ধরে চলে বিজেপির এই বিক্ষোভ। অবশেষে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হবে বলে পুলিশ কর্তারা আশ্বাস দিলে বিক্ষোভকারীরা চলে যান।

নভেম্বর ০৭, ২০২০
রাজ্য

হাওড়ার কলেজে পড়ুয়াদের বিক্ষোভের জেরে উত্তেজনা

অবিলম্বে সম্পুর্ন রেজাল্ট হাতে তুলে দেওয়া সহ একাধিক দাবিতে বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ দেখালেন হাওড়ার নরসিংহ দত্ত কলেজের তৃতীয় বর্ষের পড়ুয়ারা। তাঁদের দাবি এখনই রেজাল্ট না হাতে পেলে কিভাবে পরবর্তীতে তারা ভর্তি হবেন ? এদিন তৃতীয় বর্ষের ছাত্র-ছাত্রীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। এদিন কলেজের সামনে পড়ুয়ারা এবং অভিভাবকরা কলেজের গাফিলতির অভিযোগ তোলেন। থার্ড ইয়ারের স্টুডেন্টদের ফাইনাল পরীক্ষার রেজাল্টে ইতিহাসের নম্বর না দেওয়ায় কার্যত বিপাকে পড়েছেন এইসব পড়ুয়ারা। পড়ুয়াদের একাংশের অভিযোগ , কলেজ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষার খাতার নম্বর না যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন ইতিহাস অনার্সের পড়ুয়ারা। একটি বিষয়ে ফলাফল অসম্পূর্ণ থাকায় তাঁরা স্নাতকোত্তর স্তরে ভর্তি হতে পারছেন না। বৃহস্পতিবার এই অভিযোগকে কেন্দ্র করেই উত্তেজনা ছড়ালো হাওড়ার নরসিংহ দত্ত কলেজের সামনে। এই মাসের ১০ নভেম্বর এমএ-তে ভর্তির লাস্ট ডেট। যদিও কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে খুব তাড়াতাড়ি স্টুডেন্টদের রেজাল্ট হাতে দিয়ে দেওয়া হবে। দুর্গাপূজার সপ্তমীর দিন রেজাল্ট আউট হয়। কিন্তু সেখানে ইতিহাসের নম্বর ছিল না বলে অভিযোগ। আরও পড়ুন ঃ অমিত শাহকে খাইয়েও মনের কথা বলা হল না বিভীষণ হাঁসদার এই বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষা সোমা বন্দোপাধ্যায় জানান , প্রযুক্তিগত ত্রুটির জন্যই নম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছায়নি। বিশ্ববিদ্যালয়কে ফের নম্বর পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। খুব শীঘ্রই সমস্যা মিটে যাবে। এই প্রসঙ্গে ছাত্রীরা জানান, আমাদের বলা হয়েছিল লক্ষ্মীপুজোর পরে আমাদের রেজাল্ট দিয়ে দেওয়া হবে, কিন্তু এখনও তা হয়নি। তাছাড়া পড়ুয়াদের আরো অভিযোগ , অন্যান্য বিষয়ে গড়ে নম্বর দেওয়া হয়েছে । যে ফার্স্ট ক্লাস পায় তাকেও কম নম্বর দিয়েছে। এছাড়াও দ্বিতীয় পত্রে কোনও নম্বর নেই। পড়ুয়ারা আরো বলেন, আমরা চাইছি এই মুহুর্তে আমাদের রেজাল্ট আমাদের হাতে তুলে দেওয়া হোক। আমাদের প্রাপ্য নম্বর দেওয়া হোক। দরকার পড়লে আমরা খাতা রিভিউ করব। প্রয়োজনে বিষয়টি শিক্ষামন্ত্রীকেও জানাবেন তাঁরা।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
রাজ্য

বর্ধমান থেকে হারিয়ে যাওয়া বালক হাওড়া থেকে উদ্ধার

কয়েকদিন আগে ঠাকুমার সঙ্গে রাস্তায় বেরিয়েছিল ৯ বছর বয়সী এক বালক। বর্ধমান থেকে হারিয়ে যায় বালকটি। নাম সোমনাথ বিশ্বাস। সে বর্ধমানের গোপালপুরের বাসিন্দা। দমদমের একটি আবাসিক স্কুলে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। মঙ্গলবার রাতে তাকে হাওড়ার বালি এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করে নিশ্চিন্দা থানার হাতে তুলে দেওয়া হয়। জানা গিয়েছে , এদিন ২ নং জাতীয় সড়কের বামুনডাঙা থেকে তাকে উদ্ধার করে ট্রাফিক পুলিশ কর্মীরা। আরও পড়ুন ঃ চম্পাহাটির বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ , এলাকায় আতঙ্ক জানা গিয়েছে , লকডাউনের সময় থেকে সোমনাথ বর্ধমানে ঠাকুমার কাছে রয়েছে। এক ব্যক্তি সাইকেলে তাকে বর্ধমান থেকে হাওড়ায় নিয়ে এসেছে বলে সে পুলিশকে জানিয়েছে। রাস্তায় পুলিশ দেখে ওই ব্যক্তি সোমনাথকে জাতীয় সড়কের উপর নামিয়ে চম্পট দেয়। এরপর ওই বালককে উদ্ধার করেন কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশের কর্মীরা। জানা গেছে, ওই বালকের বাবা-মা নেই। তাই সে ঠাকুমার কাছেই থাকে। লকডাউনে স্কুল থেকে বর্ধমানে ঠাকুমার কাছে চলে এসেছে। কয়েকদিন আগে ঠাকুমার সঙ্গে রাস্তায় বেরিয়ে হারিয়ে যায় সোমনাথ। তার দাবি, এরপরে এক কাকু তাকে বাড়ি পৌঁছনোর নাম করে এক সাইকেল আরোহীর হাতে তুলে দিয়েছেন। তার মাধ্যমেই এদিন সে বালিতে পৌঁছায়। কিন্তু বামুনডাঙাতে পুলিশ দেখে চম্পট দেয় ওই ব্যক্তি। এরপর তাকে উদ্ধার করে ট্রাফিক পুলিশ কর্মীরা। এরপরে নিশ্চিন্দা থানার পুলিশের হাতে সোমনাথকে তুলে দেওয়া হয়।

নভেম্বর ০৪, ২০২০
রাজ্য

সবার অলক্ষ্যে ট্যাক্সি স্ট্যান্ডের সামনে পড়ে মহিলার দেহ, পুলিশি তৎপরতায় দেহ উদ্ধার

হাওড়া স্টেশনের সামনে এক অজ্ঞাতপরিচয় মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার হল। শুক্রবার রাতে হাওড়া স্টেশনের বাইরে যাত্রীদের বসার ছাউনির নিচে সিমেন্টের বেঞ্চের উপর ওই মহিলাকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। খবর পেয়ে গোলাবাড়ি থানার পুলিশ এসে ওই মহিলাকে উদ্ধার করে হাওড়া জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসে। ভবঘুরে প্রকৃতির ওই মৃতা মহিলার পরিচয় এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। জানা গেছে, দীর্ঘক্ষণ ধরে তিনি ওইভাবেই সেখানে পড়েছিলেন। কিন্তু সেখানে বিষয়টি কারও নজরে আসেনি বলে অভিযোগ। হাওড়া স্টেশন দিয়ে যাতায়াত করা কোনও যাত্রীও এই বিষয়টি নজরে আনেননি। শেষপর্যন্ত রাতে ঘটনাটি জানাজানি হলে গোলাবাড়ি থানার পুলিশ সেখানে আসে এবং পুলিশের তৎপরতায় ওই মহিলাকে উদ্ধার করে হাওড়া জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। প্রশ্ন উঠেছে দীর্ঘক্ষণ ধরে এভাবে হাওড়া স্টেশনের বাইরে ট্যাক্সি স্ট্যান্ডের সামনে ওই মহিলা পড়ে থাকলেও কেন এই বিষয়টি সবার নজর এড়িয়ে গেল।

অক্টোবর ৩১, ২০২০
রাজ্য

পথ দুর্ঘটনা কমাতে সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ কর্মসূচি পালন

পথ দুর্ঘটনা কমানোর জন্য হাওড়া সিটি পুলিশ ট্রাফিক বিভাগের তরফ থেকে সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ কর্মসূচি নেওয়া হল। মঙ্গলবার এই সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ কর্মসূচি পালন করে হাওড়া রেল স্টেশন ট্রাফিক গার্ড। হাওড়ার ওল্ড এবং নিউ কমপ্লেক্সের সামনে পথচলতি মানুষ থেকে শুরু করে সাধারণ যাত্রী এবং গাড়ি চালকদের এই নিয়ে সচেতন করা হয়। পাশাপাশি হাওড়া স্টেশন এলাকায় সাধারণ মানুষের হাতে দেওয়া হয় মাস্ক ও স্যানিটাইজার। হাওড়া সিটি পুলিশ ট্রাফিক গার্ড এর তরফ থেকে জানানো হয়েছে এই ধরনের কর্মসূচি আগামীদিনেও লাগাতার চলবে। আরও পড়ুন ঃ আমি আমি হল সর্বনাশের মূল : শুভেন্দু অধিকারী হাওড়া রেল স্টেশন ট্রাফিক গার্ড সূত্রের খবর, সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ এর প্রচার উপলক্ষ্যে মাস্ক বিলি এবং গাড়িতে সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ এর স্টিকার লাগানো হয়েছে। এদিন হাওড়া রেল স্টেশন ট্রাফিক গার্ডের তরফ থেকে হাওড়া স্টেশনের ওল্ড কমপ্লেক্স ও নিউ কমপ্লেক্সের সামনে যেসব কুলিরা ঠেলাগাড়ি ব্যবহার করে তাদের ঠেলায় রিফ্লেক্টর টেপ লাগানো হয়েছে। এছাড়া সেখানে আসা বেশ কিছু প্রাইভেট গাড়িতে সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফএর বড় রিফ্লেক্টর স্টিকার লাগানো হয়েছে। এই রিফ্লেক্টর স্টিকারে রাতে আলো পড়লে উজ্জ্বল দেখাবে। এবার থেকে প্রতি সপ্তাহে একদিন করে এই প্রচার কর্মসূচি চলবে।

অক্টোবর ২৮, ২০২০
উৎসব

জল থেকে কাঠামো তোলার জন্য এজেন্সি নিয়োগ হাওড়া পুরনিগমের

বিজয়া দশমী থেকেই প্রতিমা নিরঞ্জন শুরু হয়েছে হাওড়ার বিভিন্ন ঘাটে। গঙ্গার পাশাপাশি বেশ কয়েকটি জলাশয় চিহ্নিত করা হয়েছে যেখানে প্রতিমা বিসর্জন হবে। বিসর্জনকে কেন্দ্র করে পুরনিগম একাধিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। গঙ্গায় ফেলা ছোট কাঠামোগুলি দ্রুত তোলার জন্য বিশেষজ্ঞ এজেন্সিকে এবার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও বিসর্জনের জন্য তাদের কাজে লাগানো হয়েছে। আরও পড়ুনঃ বিধি মেনেই হল সিঁদুর খেলা ও বিসর্জন জানা গিয়েছে , জলাশয়ের কাছাকাছি অস্থায়ীভাবে কাঠের ভ্যাট তৈরি করা হয়েছে। জলাশয় থেকে প্রতিমার কাঠামো ভ্যাটে ফেলার পরে সেই কাঠামো অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি , বড় কাঠামো জল থেকে তোলার জন্য হাইড্রা মেশিনের সাহায্য নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও ঘাটের থেকে আবর্জনা তোলার জন্য ই-রিক্সার ব্যবস্থা করা হয়েছে। হাওড়া পুরনিগমের দাবি , ইতিমধ্যেই প্রায় ৭৫ শতাংশ প্রতিমার কাঠামো জল থেকে তোলা সম্ভব হয়েছে। আজও কাঠামো তোলার কাজ চলছে।পুরকর্মীদের এই কাজে লাগানো হয়েছে।

অক্টোবর ২৭, ২০২০
রাজ্য

কয়েক দফা দাবিতে হাওড়া কর্পোরেশনে স্মারকলিপি প্রদান ডিওয়াইএফআইয়ের

হাওড়ায় পুর পরিষেবার হাল ফেরানো ও শূন্যপদে অবিলম্বে স্থায়ী নিয়োগের দাবি সহ কয়েক দফা দাবিতে বৃহস্পতিবার দুপুরে হাওড়া কর্পোরেশন অভিযান করল বাম যুব সংগঠন ডিওয়াইএফআই। এদিন শতাধিক ডিওয়াইএফআই কর্মী- সমর্থক জেলা যুব কার্য্যালয়ের সামনে জমায়েত হন। সেখান থেকে মিছিল করে এসে পৌঁছন হাওড়া ময়দান চত্বরে। আরও পড়ুনঃ আমি ভালো আছি , মৃত্যুর গুজবে বিরক্ত হয়ে জানালেন রেজ্জাক সেখানে পুলিশ মিছিল আটকানোর চেষ্টা করলে ডিওয়াইএফআই কর্মীরা পুলিশের ব্যারিকেড সরিয়ে পুরসভা ভবনের মূল গেটের সামনে চলে আসেন। সেখানে পুলিশ তাদের বাধা দিলে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়ে যায়। পুরসভার বন্ধ মূল ফটকে উঠে পড়েন কিছু সমর্থক। পরে ডিওয়াইএফআই -এর চার জনের এক প্রতিনিধি দল পুরসভায় এসে ডেপুটেশন জমা দেন।

অক্টোবর ১৫, ২০২০
কলকাতা

বিজেপির নবান্ন অভিযানকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র হয়ে উঠল কলকাতা ও হাওড়া

বিজেপির নবান্ন অভিযানকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল কলকাতা ও হাওড়ার বিভিন্ন এলাকা। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টা নাগাদ বিজেপির নবান্ন অভিযান শুরু হয়। শহরের বিভিন্ন অংশ থেকে মিছিল নবান্নের দিকে আসতে শুরু করে। মিছিলের শুরুতেই রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় কলকাতার হেস্টিংস ও সাঁতরাগাছি৷ মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ ব্যাপক লাঠিচার্জ করে বলে অভিযোগ বিজেপির। কাঁদাতে গ্যাসের শেল ফাটানো হয়। এছাড়াও মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে জলকামানের মাধ্যমে রঙিন জল ব্যবহার করা হয়৷ এদিকে এদিন এই মিছিলের জেরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ। সাঁতরাগাছিতে মিছিল থেকে পাল্টা পাথরও ছোঁড়া হয়। অসুস্থ হয়ে পড়েন বিজেপি নেতা রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়। হেস্টিংসে বহু বিজেপি কর্মী আহত হন৷ হেস্টিংস মোড়ে বসে পড়েন কৈলাস বিজয়বর্গীয়, লকেট চট্টোপাধ্যায় সহ বিজেপির নেতানেত্রীরা৷ অপরদিকে হাওড়া ময়দান এলাকায় মিছিল লক্ষ্য করে বোমা মারার অভিযোগ উঠেছে। এখানেও অশান্ত হয়ে ওঠে এলাকা। একটি বহুতলের ছাদ থেকে বোমা মারার অভিযোগ উঠছে।প্রসঙ্গত, এদিন সকালে সাঁতরাগাছি থেকে রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে শুরু হয় বিজেপির নবান্ন অভিযান। বাঁশের ব্যারিকেডের সামনে মিছিল এলে ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করেন বিজেপি নেতা-কর্মীরা। সামনে থাকেন রাজু। সেই সময় জলকামান থেকে রঙিন জল স্প্রে শুরু করে পুলিশ। এর জেরে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। শুরু হয় রক্তবমি।পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপ হতে থাকায় সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় বাইপাসের ধারের হাসপাতালে।এছাড়াও অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বিজেপি নেতা তাপস ঘোষ। আহত হয়েছেন অরবিন্দ মেনন, সায়ন্তন বসু ও জ্যোতির্ময় মাহাতো। দিলীপ ঘোষে্র নেতৃত্বে একটি মিছিল হাওড়া ব্রিজে উঠতেই বাধা দেয় পুলিশ। শুরু হয় লাঠিচার্জ। দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, তাঁর উপরও লাঠিচার্জ করা হয়। পড়ে যান তিনি। জখম হন বেশ কয়েকজন কর্মী। তাঁদের পাঠানো হয়েছে হাসপাতালে। অন্যদিকে পুলিশের কিয়স্ক ভাঙচুর চালানো হয় হাওড়া ময়দানে। বোমাবাজিও করা হয় বলে অভিযোগ। ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয় সেখানেও। দিলীপ ঘোষের কটাক্ষ, কলকাতাকে গোটা দেশের থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অপরদিকে হেস্টিংস মোড়ে দ্বিতীয় সেতুতে ওঠার মুখেই পুলিশের ব্যারিকেড। হেস্টিংসের মিছিলকে আটকায় পুলিশ। জলকামান থেকে জল ছেটানো হয়। লাঠি উচিয়ে মিছিলকে তাড়া করে পুলিশ। কৈলাশ বিজয়বর্গীয় এদিন তৃণমূল সরকারকে তীব্র আক্রমণ করে বলেন, দুর্নীতিমুক্ত করতে পুরো রাজ্য সরকারের স্যানিটাইজেশন হোক। রাজ্য সরকার ঘাবড়ে গিয়েছে। বেহালা, ভবানীপুর, ডানকুনিতে বিজেপি কর্মীদের আটকেছে পুলিশ। লাঠিচার্জ করছে। তৃণমূল কার্যকর্তাদের মতো কাজ করছে পুলিশ। তৃণমূল সরকার ঘাবড়ে গিয়েছে। গণতন্ত্র বাঁচাও, বাংলা বাঁচাওয়ের দাবিতে এই আন্দোলন চলবে।

অক্টোবর ০৮, ২০২০
স্বাস্থ্য

করোনায় মৃত্যু হাওড়া জেলা হাসপাতালের নার্সিং সুপারের

করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল হাওড়া জেলা হাসপাতালের নার্সিং সুপার প্রণীত দাসের(৫৮)। গত ২৯ সেপ্টেম্বর তাঁর করোনা পরীক্ষা হয়। পরীক্ষায় রিপোর্ট পজিটিভ আসায় পরের দিনই তাঁকে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা। সেদিনই তিনি মারা যান। কয়েক মাস আগে হাওড়া জেলা হাসপাতালের সুপার করোনায় আক্রান্ত হন। চিকিৎসার পরে সুস্থ হয়ে আবার কাজে যোগ দেন তিনি। এছাড়াও হাওড়া জেলা হাসপাতালের অনেক চিকিৎসক ও কর্মী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। আবার সুস্থ হয়ে কাজেও যোগ দিয়েছেন। হাসপাতাল সূত্রে খবর, শারীরিক অসুস্থতা তোয়াক্কা না করে তিনি কাজ করছিলেন হাসপাতালে।

অক্টোবর ০১, ২০২০
রাজ্য

দুঃস্থ পড়ুয়াদের পাশে গ্রন্থাগার কর্মীরা

পশ্চিমবঙ্গ গ্রন্থাগার কর্মী সমিতির উদ্দোগে মোট ৫০জন মাধ্যমিক থেকে স্নাতক স্তরের ছাত্র-ছাত্রীর হাতে পাঠ্যবই তুলে দেওয়া হল। হাওড়া জেলা গ্রন্থাগারের সেমিনার হলে বই তুলে দেওয়া হয়। লকডাউনের জেরে কাজ হারিয়েছেন অনেকেই। ফলে আর্থিক কারণে সন্তানদের পড়াশুনোয় সমস্যা হচ্ছে। এবারে গ্রন্থাগারের কর্মীরা নিজেরা চাঁদা তুলে এবং সমমনস্ক কিছু মানুষের সহযোগিতায় এই কাজ করেছেন। ডুমুরজলার চারাবাগান এলাকার সুমন একাদশ শ্রেনীতে ভর্তি হলেও আর্থিক সমস্যার কারণে বই কিনতে পারেনি এখনও। বাবা সনৎ গাঙ্গুলী ক্যাটারিং এর কাজ করেন। লকডাউনের ফলে গত ৬মাস ধরে কর্মহীন। দুবেলা খাবারের জোগাড় করতেই হিমশিম খাচ্ছেন, ছেলের বই কিনবেন কি করে। শুক্রবার হাতে নতুন ক্লাসের বই পেয়েছে সুমন। জানিয়েছে এবারে পড়া শুরু করতে পারবে সে। নিয়মিত স্যানিটাইজ করা হচ্ছে গ্রন্থাগার। কিন্তু তারপরেও চালু করা হয়নি এখনো। ফলে গ্রন্থাগার থেকে বই নিয়ে পড়াশুনা করার সুযোগও পাচ্ছেনা পড়ুয়ারা। এমন অবস্থায় এইভাবেই যতটা সম্ভব পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়ালেন গ্রন্থাগার কর্মীরা।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২০
রাজ্য

রেজিস্ট্রেশন দিচ্ছে না রাজ্য সরকার, নার্সিং স্টাফদের বিক্ষোভ

ডিগ্রি থাকা সত্বেও এই রাজ্যে এখনও পর্যন্ত রেজিষ্ট্রেশন না পেয়ে এবার সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চান নার্সিং স্টাফরা। বৃহস্পতিবার এদের বেশ কয়েকজন তাঁদের দাবিপত্র নিয়ে নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার কর্মসূচি নিলে পুলিশ তাঁদের নবান্ন বাসস্ট্যান্ডের কাছে আটকে দেয়। পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয় বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দফতরে জানানো হবে। বৃহস্পতিবার নার্সিং স্টাফরা জানান, তাঁরা বিভিন্ন রাজ্য থেকে নার্সিং পড়ে এসেছেন। সেখানকার রেজিস্ট্রেশন তাদের রয়েছে। এখানে রেজিস্ট্রেশন পাবার জন্য ইন্ডিয়ান নার্সিং কাউন্সিলের অনুমোদন রয়েছে। তা সত্বেও তাঁরা ওয়েস্ট বেঙ্গলে নার্সিংয়ের রেজিস্ট্রেশন পাচ্ছেন না। পশ্চিমবঙ্গে রেশিপ্রোকাল রেজিস্ট্রেশন তারা পাচ্ছেন না। এই কারণে প্রাইভেট জব করতে পারছেন না। তাঁরা প্রায় কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। ৪ বছর ধরে বিভিন্ন দফতরে ঘুরছেন। এখানে অনেকবার এসেছেন। এখন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করা ছাড়া তাদের আর কোনও উপায় নেই বলে আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২০
রাজনীতি

গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে তালা ঝুলল তৃনমূল অফিসে

তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দের জেরে তৃণমূল পার্টি অফিসে তালা লাগানোকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা দেখা দিল হাওড়ার শিবপুরে। শিবপুরে ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের একটি কার্যালয়ে শাসকদলের দুই গোষ্ঠী একে অপরের বিরুদ্ধে তালা ঝোলানোর অভিযোগ তোলে। শিবপুর থানায় পরষ্পরের বিরুদ্ধে অভিযোগও দায়ের করল দুই পক্ষই। ৩৭নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর দীলিপ ঘোষ জানান, ওটি কাউন্সিলরের অফিস। শিবপুর বাজারে ওই অফিস ঘরটি ভাড়া নিয়ে তিনি কাউন্সিলরের অফিস করেছিলেন। এমনকি সেই ঘরের ভাড়া তিনি এখনও দেন। হঠাৎই গত শনিবার রাতে ওই কার্যালয়ের তালা ভেঙে সেখানে অন্য একটি তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয় বলেও জানান তিনি। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূলের প্রাক্তন ওয়ার্ড সভাপতি কৌশিক গুপ্ত এই কাজ করেন। তাই তিনি এ ব্যাপারে শিবপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানিয়েছন। ওই কার্যালয়টি ১৯৯৮ সাল থেকে তৃণমূলের কার্যালয় ছিল বলে জানান ওয়ার্ড সভাপতি কৌশিক গুপ্ত। এই অফিসে আগে প্রতি সপ্তাহে একদিন প্রাক্তন জেলা সভাপতি অরূপ রায় আসতেন বলেও জানান তিনি। দলীয় ওই কার্যালয়ের সাইন বোর্ডে ৩৭ নম্বর ওয়ার্ড তৃণমূলের কার্যালয় বলে লেখা ছিল। সেটি দীলিপবাবু তুলে দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এই প্রসঙ্গে তৃণমূলের হাওড়া জেলার চেয়ারম্যান অরূপ রায় বলেন, শিবপুর বাজারের ওই অফিসটি দলীয় কার্যালয়। ওখানে সকলেই বসতে পারেন। দীলিপ ঘোষ ও কৌশিক গুপ্ত এঁদের দুজনের কাছেই আলাদা আলাদা চাবি থাকে। ওঁরা যখন হোক গিয়ে বসবে। দলের জেলা সভাপতি লক্ষ্মীরতন শুক্লা বলেন, চেয়ারম্যান অরূপ রায় বিষয়টি দেখছেন। এ ব্যাপারে আমি ওঁনার সঙ্গে আলোচনা করবো। এদিকে দীলিপবাবু কার্যালয়টিতে তালা মেরে দিয়ে চলে যাওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে দলের তরফে শিবপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে বলেও জানান কৌশিকবাবু।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

১৬ মাস পর মুখোমুখি মোদী-ট্রাম্প! করমর্দনের সেই মুহূর্ত ঘিরে তুমুল জল্পনা

জি-৭ সম্মেলনের মঞ্চে দীর্ঘ ১৬ মাস পর মুখোমুখি হলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার ফ্রান্সের এভিয়ানে সম্মেলনের ঐতিহ্যবাহী ফটো পর্বের সময় দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতা হয়। করমর্দনের সেই মুহূর্ত ঘিরে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।সম্মেলনে অংশ নিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতারা যখন অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছচ্ছিলেন, তখনই মোদী ও ট্রাম্পকে কথা বলতে দেখা যায়। কিছুক্ষণ কথোপকথনের পর তাঁরা একসঙ্গে ফটো পর্বেও অংশ নেন। দীর্ঘদিন পর দুই নেতার এই মুখোমুখি সাক্ষাৎ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন কূটনৈতিক মহলের একাংশ।জানা গিয়েছে, বুধবার জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে মোদী ও ট্রাম্পের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। তার আগেই এই সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতা দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।উল্লেখ্য, এর আগে দুই নেতার শেষ মুখোমুখি বৈঠক হয়েছিল গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে। সেই সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়েছিলেন। এরপর বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য তৈরি হলেও দুই নেতা একাধিকবার টেলিফোনে কথা বলেছেন।গত কয়েক মাসে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক নানা কারণে আলোচনায় ছিল। বাণিজ্য শুল্ক, কৌশলগত সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত কয়েকটি বিষয়ে দুই দেশের অবস্থান নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে একই সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার বিষয়েও দুই দেশ আগ্রহ দেখিয়েছে।কূটনৈতিক সূত্রের মতে, বুধবারের বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, প্রযুক্তি এবং আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে। বিশেষ করে দুই দেশের মধ্যে চলমান বাণিজ্য কাঠামো এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার রূপরেখা বৈঠকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হতে পারে।প্রসঙ্গত, ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর আমন্ত্রণে এবারের জি-৭ সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। সঙ্গী দেশ হিসেবে ভারত একাধিকবার এই সম্মেলনে আমন্ত্রিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক কূটনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে বিবেচিত এই সম্মেলনে ভারতের উপস্থিতি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।এখন সকলের নজর বুধবারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের দিকে। দীর্ঘ ১৬ মাস পর মুখোমুখি সাক্ষাতের পর দুই দেশের সম্পর্ক কোন নতুন পথে এগোয়, তা জানতেই আগ্রহী আন্তর্জাতিক মহল।

জুন ১৬, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে বড়সড় জঙ্গি চক্র ফাঁস! একসঙ্গে গ্রেপ্তার ৭, তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য

রাজধানী দিল্লিতে একটি সন্দেহভাজন জঙ্গি নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে বড়সড় অভিযান চালিয়ে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে দিল্লি পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, ধৃতরা দেশের বিভিন্ন জায়গায় নাশকতার পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসমূলক কার্যকলাপ, অস্ত্র ও মাদক পাচার এবং সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহের অভিযোগ উঠেছে। তদন্তকারীদের দাবি, একটি আন্তর্জাতিক চক্রের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ ছিল এবং সেই সূত্রে বিভিন্ন বেআইনি কার্যকলাপ চালানো হত।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে বলে পুলিশের দাবি, সীমান্তবর্তী এলাকা ব্যবহার করে অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং মাদক পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছিল। পরে সেগুলি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে দেওয়া হত। সম্প্রতি গোয়েন্দা সূত্রে তথ্য পাওয়ার পরই শুরু হয় নজরদারি এবং তল্লাশি অভিযান।অবশেষে দিল্লি পুলিশের বিশেষ শাখার অভিযানে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপরই রাজধানী এবং আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল স্থানে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি।তদন্তকারীদের দাবি, ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোন এবং অন্যান্য বৈদ্যুতিন যন্ত্রে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। কিছু সংবেদনশীল স্থানের ছবি এবং তথ্যও উদ্ধার হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। সেগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।উল্লেখ্য, এর আগেও রাজধানীতে নাশকতার সম্ভাবনা ঘিরে কয়েকজন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। সেই ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে। তার মধ্যেই নতুন করে এই গ্রেপ্তারি নিরাপত্তা সংস্থাগুলির উদ্বেগ বাড়িয়েছে।পুলিশের দাবি, গোটা ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। তদন্তকারীরা জানতে চাইছেন, এই চক্রের সঙ্গে আর কারা যুক্ত এবং তাদের সম্ভাব্য পরিকল্পনা কতদূর এগিয়েছিল।এই ঘটনার পর রাজধানীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া করা হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে নজর রাখছে প্রশাসন এবং নিরাপত্তা সংস্থাগুলি।

জুন ১৬, ২০২৬
কলকাতা

একুশের আগে বড় ধাক্কার ছক? তৃণমূলের প্রতীক নিয়েই কি আদালতে যাচ্ছেন সুদীপরা!

একুশে জুলাই তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনৈতিক ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। দীর্ঘদিন ধরে এই দিনটিকে দলের শক্তি প্রদর্শনের অন্যতম বড় মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। তবে এবার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। ক্ষমতা হারানোর পর দলীয় অন্দরে বিভাজন, বিদ্রোহ এবং নেতৃত্ব নিয়ে জটিলতার আবহে একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি নিয়েই তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।এই আবহের মধ্যেই নতুন রাজনৈতিক জল্পনার জন্ম দিলেন তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের অন্যতম প্রবীণ সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। বিদ্রোহী সাংসদদের একটি বড় অংশ সম্প্রতি নতুন রাজনৈতিক দল এনসিপিআই-তে যোগ দিয়েছেন। ফলে অনেকেই মনে করেছিলেন, তাঁরা তৃণমূলের নাম, প্রতীক বা সম্পত্তির দাবি থেকে সরে এসেছেন। কিন্তু সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক মন্তব্য সেই ধারণায় নতুন প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।দিল্লি থেকে ফেরার পর তিনি বলেন, দলের প্রতীক, সম্পত্তি এবং ভবিষ্যৎ সাংগঠনিক অবস্থান নিয়ে কী পদক্ষেপ করা হবে, তা এখনও আলোচনার বিষয়। তাঁর অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, এই ধরনের বিষয় শেষ পর্যন্ত আদালতেই নিষ্পত্তি হয়। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই মন্তব্যের মধ্যেই ভবিষ্যতের আইনি লড়াইয়ের ইঙ্গিত রয়েছে।সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, অন্য রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়ার পরও কীভাবে তৃণমূলের প্রতীক বা সম্পত্তির দাবি তোলা সম্ভব? রাজনৈতিক সূত্রের দাবি, লোকসভা ও বিধানসভার বিক্ষুব্ধ শিবিরকে একত্র করার চেষ্টা চলছে। যদি বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলির মধ্যে সমঝোতা তৈরি হয়, তাহলে ভবিষ্যতে দলীয় প্রতীক ও সাংগঠনিক অধিকার নিয়ে নতুন দাবি উঠতে পারে।সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ও জানিয়েছেন, বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে আলোচনা চলছে। কীভাবে সবাই একসঙ্গে বসবে, কীভাবে ভবিষ্যতের রূপরেখা তৈরি হবে এবং নতুন দলের রাজনৈতিক কর্মসূচি কী হবে, তা নিয়ে একাধিক বৈঠক হয়েছে। তাঁর দাবি, বিষয়টি ইতিমধ্যেই অনেক দূর এগিয়েছে এবং বিধানসভা স্তরেও একই ধরনের প্রস্তুতি চলছে।আগামী কুড়ি জুলাই সংসদের অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা। তার আগেই বিদ্রোহী শিবির নিজেদের অবস্থান আরও স্পষ্ট করতে চাইছে বলে রাজনৈতিক সূত্রের খবর। সুদীপ জানিয়েছেন, প্রথম ধাপের কাজ শেষ হয়েছে। এখন পরবর্তী পর্যায়ের প্রস্তুতি চলছে এবং অধিবেশন শুরুর আগেই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।তবে এই জল্পনায় জল ঢেলেছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, বিদ্রোহী সাংসদরা ইতিমধ্যেই নতুন দলে যোগ দিয়েছেন এবং তাঁদের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে আলাদা করে কোনও তথ্য তাঁর কাছে নেই। ফলে দুই পক্ষ একসঙ্গে আসবে কি না, তা নিয়ে এখনও স্পষ্ট ছবি সামনে আসেনি।একুশে জুলাইয়ের আগে এই রাজনৈতিক সমীকরণ কোন দিকে মোড় নেয়, তা নিয়েই এখন তীব্র আগ্রহ তৈরি হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। বিশেষ করে দলীয় প্রতীক, সম্পত্তি এবং সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন কোনও আইনি লড়াই শুরু হয় কি না, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১৬, ২০২৬
কলকাতা

সুমিত কোথায়? গ্রেফতারি পরোয়ানার পর এবার লুক আউট নোটিস, চাপে অভিষেকের ঘনিষ্ঠ সহকারী

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহকারী সুমিত রায়কে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হল। তাঁর বিরুদ্ধে আগে থেকেই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল। এবার তাঁকে খুঁজে না পাওয়ায় লুক আউট নোটিস জারি করল রাজ্যের গোয়েন্দা সংস্থা। এর ফলে দেশের কোনও বন্দর, বিমানবন্দর বা সীমান্ত দিয়ে দেশ ছাড়ার চেষ্টা করলে তাঁকে আটক করা হতে পারে।গত কয়েক দিন ধরে সুমিত রায়ের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। তদন্তকারীরা কলকাতার একাধিক জায়গায় খোঁজ চালানোর পাশাপাশি কালীঘাটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতেও পৌঁছেছিলেন। সেখানে তল্লাশি চালানো হলেও সুমিতের কোনও হদিস মেলেনি। হুগলির শ্রীরামপুরে তাঁর শ্বশুরবাড়িতেও খোঁজ করা হয়, কিন্তু সেখানেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।এরপর থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, সুমিত রায় কোথায় রয়েছেন। তদন্তের অগ্রগতি থমকে যাওয়ায় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ আদালতের দ্বারস্থ হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার আবেদন জানায়। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করে।অন্যদিকে, গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পরই সুমিত রায় কলকাতা হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করেছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে তিনি ব্যক্তিগতভাবে আদালতে উপস্থিত হননি। তাঁর আবেদন নিয়ে চলতি সপ্তাহেই শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।তদন্ত সূত্রে খবর, এই পরিস্থিতিতে সুমিত রায়ের বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। সেই কারণেই গোয়েন্দা সংস্থা অভিবাসন কর্তৃপক্ষের কাছে লুক আউট নোটিস জারির আবেদন করে। সেই আবেদন অনুমোদিত হওয়ায় এখন থেকে দেশের যে কোনও আন্তর্জাতিক প্রবেশ বা প্রস্থান কেন্দ্রে তাঁর নাম সতর্কতামূলক তালিকায় থাকবে।উল্লেখ্য, প্রতারণা এবং জমি সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগে সুমিত রায়ের নাম উঠে এসেছে তদন্তে। এই মামলায় এক প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ককে গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাঁর নাম সামনে আসে বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি। তারপর থেকেই তাঁকে খুঁজছে পুলিশ।এখন সবার নজর, সুমিত রায় কোথায় এবং তদন্তকারীরা কবে তাঁর নাগাল পান। একই সঙ্গে আদালতে তাঁর আগাম জামিনের আবেদনের শুনানিও বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

জুন ১৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপে জিতেই বিপাকে ইরান! ম্যাচ শেষ হতেই দেশ ছাড়ার নির্দেশ, ক্ষোভ ফুটবলারদের

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ভালো পারফরম্যান্সের পরই নতুন বিতর্কে জড়াল ইরান ফুটবল দল। দলের অভিযোগ, ম্যাচ শেষ হওয়ার পর পর্যাপ্ত বিশ্রাম বা পুনরুদ্ধারের সময় না দিয়েই তাদের দ্রুত যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে বলা হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ফুটবলার এবং কোচিং স্টাফের সদস্যরা।সূত্রের খবর, বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের জন্য ইরান দলকে সীমিত সময়ের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। সেই কারণে ম্যাচ ছাড়া বাকি সময় তারা অন্য দেশে অবস্থান করছে এবং সেখানেই অনুশীলন চালাচ্ছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ম্যাচের পর যুক্তরাষ্ট্রেই একটি রাত কাটানোর কথা ছিল দলের। কিন্তু ম্যাচ শেষ হওয়ার পর পরিস্থিতি বদলে যায় বলে দাবি ইরান শিবিরের।দলের অভিযোগ, ম্যাচ শেষ হতেই তাদের দ্রুত রওনা হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপরই ইরান দলকে মেক্সিকোর তিজুয়ানায় ফিরে যেতে হয়। সেখানেই বর্তমানে তাদের বেস ক্যাম্প রয়েছে।ইরানের প্রধান কোচ আমির ঘালেনোই এই ঘটনায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, খেলোয়াড়দের জন্য ম্যাচের পর বিশ্রাম ও পুনরুদ্ধারের সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সেই সুযোগ দেওয়া হয়নি। তিনি দাবি করেন, এই সিদ্ধান্তে দলের প্রস্তুতি এবং শারীরিক অবস্থার উপর প্রভাব পড়তে পারে।কোচ আরও বলেন, শুরুতে যে পরিকল্পনা ছিল, তাতে ম্যাচের আগে এবং পরে নির্দিষ্ট সময় যুক্তরাষ্ট্রে থাকার কথা ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা বাস্তবায়িত হয়নি। কেন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।বিশ্বকাপ শুরুর আগে ইরান শিবির জানিয়েছিল, তারা মাঠের বাইরের বিতর্কে জড়াতে চায় না। কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক আলোচনা শুরু হয়েছে। দলের একাংশের মতে, তাদের প্রতি আলাদা ধরনের আচরণ করা হচ্ছে।অন্যদিকে, অধিনায়ক মেহদি তারেমি নাকি এই বিষয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবল কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত বা প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি।বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। ইরানের অভিযোগের পর পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয় এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর ফুটবলপ্রেমীদের।

জুন ১৬, ২০২৬
কলকাতা

স্পিকারের ভূমিকায় প্রশ্নচিহ্ন! আদালতের পর্যবেক্ষণে বাড়ল রাজনৈতিক চাপ

বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম নিয়ে চলা আইনি লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করল কলকাতা হাই কোর্ট। মঙ্গলবার মামলার শুনানিতে স্পিকারের সিদ্ধান্ত এবং তাঁর ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তোলে আদালত। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও জানতে চান, বিধানসভার অধিবেশন না ডেকে কীভাবে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল এবং স্পিকার কীভাবে নিশ্চিত হলেন যে বিরোধী শিবিরের কোন পক্ষের সমর্থন বেশি।শুনানির সময় বিচারপতি বলেন, বিরোধী দলনেতার নাম প্রস্তাব আকারে স্পিকারের কাছে জমা পড়ার পর তাঁর সাংবিধানিক দায়িত্ব কী ছিল, তা স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। আদালতের প্রশ্ন, প্রধান বিরোধী দলের পক্ষ থেকে কোনও নাম পাঠানো হলে স্পিকার কি তা গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন?রাজ্যের পক্ষে অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য আদালতে জানান, বিরোধী শিবিরের ভিতরে মতবিরোধ থাকায় স্পিকারকে সবদিক বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। তিনি উদাহরণ হিসেবে অন্য একটি রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথাও তুলে ধরেন, যেখানে বিরোধী দলের নেতৃত্ব নিয়ে দীর্ঘদিন অনিশ্চয়তা ছিল।তবে আদালত এই যুক্তিতে পুরোপুরি সন্তুষ্ট হয়নি। বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, যদি একই দলের দুই পক্ষ আলাদা দাবি জানায়, তাহলে সেই ক্ষেত্রে স্পিকারের ক্ষমতার সীমা কোথায়? তিনি কি নিজে থেকেই কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, নাকি বিধানসভার নিয়ম মেনেই তা নির্ধারণ করতে হবে?শুনানিতে আরও উঠে আসে সই জালিয়াতির অভিযোগের প্রসঙ্গ। রাজ্যের আইনজীবী জানান, বিরোধী শিবিরের দুই বিধায়ক সই জাল করার অভিযোগ তুলেছিলেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তও শুরু হয়। তবে বিচারপতি জানতে চান, তদন্ত শুরু হওয়ার আগে বিরোধী দলনেতার নাম নিয়ে স্পিকার কেন কোনও সিদ্ধান্ত নিলেন না।আদালতের পর্যবেক্ষণে স্পষ্ট, এই মামলায় স্পিকারের ভূমিকা এবং তাঁর সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রয়োজন। বিচারপতি বলেন, মূল প্রশ্ন হল, বিরোধী দলনেতার নাম প্রস্তাব হওয়ার পরও স্পিকার দীর্ঘ সময় কোনও সিদ্ধান্ত না নিয়ে অপেক্ষা করলেন কেন।এদিনের শুনানিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। মামলার পরবর্তী শুনানি বুধবার নির্ধারিত হয়েছে। ফলে এখন রাজনৈতিক মহলের নজর আগামী দিনের শুনানির দিকে। আদালত কী পর্যবেক্ষণ দেয় এবং এই মামলার ভবিষ্যৎ কোন দিকে এগোয়, তা নিয়েই জল্পনা তুঙ্গে।

জুন ১৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মাঠে বাঁশি বাজিয়ে কোটি টাকা! বিশ্বকাপের রেফারিদের আয় শুনলে চোখ কপালে উঠবে

বিশ্বকাপের মঞ্চে ফুটবলারদের পারফরম্যান্স যেমন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে, তেমনই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন রেফারিরা। একটি সিদ্ধান্ত কখনও ম্যাচের ফল বদলে দিতে পারে। সেই কারণেই তাঁদের কাজ সবসময় কঠোর নজরদারির মধ্যে থাকে। তবে অনেকের মনেই প্রশ্ন থাকে, বিশ্বকাপে ম্যাচ পরিচালনা করে একজন রেফারি কত টাকা আয় করেন?তথ্য অনুযায়ী, আগের বিশ্বকাপে রেফারিরা নির্দিষ্ট পারিশ্রমিক হিসেবে প্রায় সত্তর হাজার মার্কিন ডলার পেয়েছিলেন। এর পাশাপাশি প্রতি ম্যাচ পরিচালনার জন্য আলাদা অর্থ দেওয়া হত। ম্যাচের গুরুত্ব এবং রেফারির অভিজ্ঞতার উপর সেই অঙ্ক নির্ভর করত। সহকারী রেফারি এবং ভিডিও সহায়ক রেফারিরাও উল্লেখযোগ্য পারিশ্রমিক পেতেন।এবার সেই অঙ্ক আরও বেড়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিভিন্ন সূত্রের দাবি, বিশ্বকাপে দায়িত্ব পাওয়া রেফারিরা এককালীন প্রায় এক লক্ষ মার্কিন ডলার পর্যন্ত পেতে পারেন। এর পাশাপাশি প্রতিটি ম্যাচ পরিচালনার জন্যও আলাদা পারিশ্রমিক থাকবে। প্রতিযোগিতার শেষ দিকে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ পরিচালনা করলে সেই আয় আরও বাড়বে। হিসাব অনুযায়ী, ফাইনাল-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ পরিচালনা করা কোনও রেফারির মোট আয় কয়েক কোটি টাকায় পৌঁছতে পারে।বিশ্বকাপে এবার শুধু পারিশ্রমিকই নয়, প্রযুক্তিতেও এসেছে বড় পরিবর্তন। রেফারিদের চোখের কাছে একটি বিশেষ ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে। এই অত্যাধুনিক যন্ত্রের সাহায্যে দর্শকেরা সরাসরি দেখতে পারবেন, ম্যাচ চলাকালীন রেফারি ঠিক কী দেখছেন এবং কোন পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রযুক্তি রেফারির কাজকে আরও স্বচ্ছ করে তুলবে। দ্রুতগতির খেলায় সিদ্ধান্ত নেওয়া কতটা কঠিন, তা বোঝার সুযোগও পাবেন দর্শকেরা। এই বিশেষ ক্যামেরা উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির সাহায্যে পরিচালিত হয় এবং রেফারির দৌড় বা নড়াচড়ার সময়ও স্থির চিত্র ধারণ করতে সক্ষম।এছাড়া রেফারিদের কানে থাকে বিশেষ যোগাযোগ ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে তাঁরা সহকারী রেফারি এবং ভিডিও সহায়ক রেফারিদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখতে পারেন। মাঠে কোনও বিতর্কিত পরিস্থিতি তৈরি হলে দ্রুত মতামত বিনিময় করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।সব মিলিয়ে, এবারের বিশ্বকাপে রেফারিদের দায়িত্ব যেমন বেড়েছে, তেমনই বেড়েছে তাঁদের আয় এবং প্রযুক্তিগত সুবিধাও। ফলে ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরে এবার নতুনভাবে আলোচনায় উঠে এসেছেন ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা এই গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা।

জুন ১৬, ২০২৬
কলকাতা

সাড়ে ছয় ঘণ্টার জেরা শেষে সরাসরি কালীঘাটে! ভবানী ভবন থেকে বেরিয়েই কোথায় গেলেন অভিষেক?

ডিজে মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া মামলায় মঙ্গলবার দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দুপুর থেকে শুরু হওয়া জেরা চলে টানা প্রায় সাড়ে ছয় ঘণ্টা। সন্ধ্যা ছটা পঁচিশ মিনিট নাগাদ ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে তিনি সরাসরি কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যান।সূত্রের খবর, সেখানে দলের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক চলছিল। ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে সেই বৈঠকেই যোগ দেন অভিষেক। যদিও জিজ্ঞাসাবাদ নিয়ে সাংবাদিকদের কোনও প্রশ্নের উত্তর দেননি তিনি।উল্লেখ্য, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় বিজেপিকে উদ্দেশ করে করা একটি মন্তব্য ঘিরেই বিতর্কের সূত্রপাত। একটি জনসভায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ফল ঘোষণার দিন রবীন্দ্রসঙ্গীতের সঙ্গে ডিজেও বাজবে। সেই মন্তব্যের ভাষা ও প্রেক্ষাপট নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। অভিযোগ ওঠে, ওই বক্তব্যের মধ্যে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে পরোক্ষ হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল।এর পরেই অভিষেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়। প্রথমে বিষয়টি বিধাননগর সাইবার থানায় নথিভুক্ত হলেও পরে তদন্তভার যায় সিআইডির হাতে। গত সপ্তাহে তদন্তকারীরা তাঁর বাড়িতে গিয়ে হাজিরার নোটিস দেন। সেই নোটিসের ভিত্তিতেই মঙ্গলবার ভবানী ভবনে উপস্থিত হন তিনি।দুপুর বারোটা নাগাদ জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। তদন্তকারীরা বক্তব্যের প্রেক্ষাপট, উদ্দেশ্য এবং বিভিন্ন সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করেন বলে সূত্রের খবর। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই জেরার পর সন্ধ্যায় ভবানী ভবন ছাড়েন অভিষেক।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর একাধিক মামলায় তদন্তকারী সংস্থার মুখোমুখি হতে হয়েছে তাঁকে। বিভিন্ন মামলায় সিআইডি ও অন্যান্য সংস্থা ইতিমধ্যেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। রাজনৈতিক মহলের নজর এখন এই মামলার পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। ভবিষ্যতে তাঁকে আবারও ডাকা হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

জুন ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal