• ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩, সোমবার ১১ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Hilsa

রাজ্য

বাজারে ঢুকলো মরশুমের প্রথম ইলিশ

বর্ষা ঢুকতেই ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ উঠতে শুরু করল। বাজারে ঢুকলো মরশুমের প্রথম ইলিশ। একদিনের ফিসিংয়ে প্রায় ২৫ টন ইলিশ বাজারে এসেছে। সোমবার সকালে নামখানার খেয়াঘাটে প্রায় ২৫টি ট্রলার ইলিশ নিয়ে ফিরেছে। মৎস্যজীবীরা জানিয়েছেন, মূলত আবহাওয়া অনুকূলে থাকার কারণে ট্রলার গুলি ভালো ইলিশ পেয়েছে। এই রূপ আবহাওয়া থাকলে আগামী কয়েক দিনের ভিতরে বাজারে পর্যাপ্ত পরিমাণের ইলিশ আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।কাকদ্বীপ ফিশারম্যান অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক বিজন মাইতি বলেন, প্রতিদিন কেউ কেউ দুই তিন টন ইলিস পাচ্ছে। ছশো থেকে আটসো গ্রামের ইলিশ মিলে

জুন ১৭, ২০২৫
রাজ্য

দামোদরে ইলিশ! খুশির হাওয়া দক্ষিণবঙ্গে। এবার কি নিয়মিত পাওয়া যাবে? প্রশ্ন মুখে মুখে

দক্ষিণবঙ্গে খুশির হাওয়া, পূর্ব বর্ধমান জেলায় দামোদরে জেলের জালে ধরা দিলো রুপালী সুন্দরী। শুক্রবার পূর্ব বর্ধমান জেলার জামালপুরে দামোদরে এক জেলের জালে উঠলো প্রায় ১ কেজি ১০০ গ্রামের ইলিশ। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় প্রায় ২০ বছর পর জামালপুরের দামোদরে ধরা পড়লো ইলিশ। দামোদরের জলে পাওয়া রূপালী সুন্দরীকে দেখতে স্থানীয় মানুশের ভিড় জমে যায়। কোন পথে জামালপুরে ইলিশ দামোদরে পৌছলো তা নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে মৎস্য বিশেষজ্ঞ মহলে। নোনা জলের কুলীন মাছ দামোদরের মিষ্টি জলে চলে কোন পথে এল? কেউ কেউ জানাচ্ছেন জামালপুরে থেকে ভাগ হয়ে যাওয়া মুন্ডেশ্বরী নাব্যতা বেড়ে যাওয়ায় জল প্রবাহ বেশী হওয়ায় ইলিশের গতিপথ হয়ত সুগম হয়েছে। দুর্গাপুর ব্যারেজ হয়ে প্রবাহিত দামোদর তার গতিপথ পূর্ব বর্ধমান জেলার জামালপুরের কাছে জ্যোতসিরাম থেকে পরিবর্তন করে এবং তারপরে দুটি চ্যানেলে বিভক্ত হয়ে যায়। একটি দামোদর চ্যানেল (আমতা চ্যানেল নামেও পরিচিত) এবং অপরটি কঙ্কা-মুন্ডেশ্বরী চ্যানেল। মূল চ্যানেলটি শেষ পর্যন্ত হুগলি নদীর (গঙ্গা) সাথে মিলিত হয়ে শেষ পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে মিলিত হয়েছে।বিশিষ্ট মৎস্য চাষী বৃন্দাবন ঘোষ জানান, যেহেতু গঙ্গা হয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে সেক্ষেত্রে বর্ধমান জেলায় দামোদরে ইলিশ পাওয়া খুব একটা আশ্চর্যের বিষয় নয়। গলসি এলাকার দামোদরের পাড়ের বাসিন্দা শিল্পী সুব্রত বৈরাগি জনতার কথাকে জানান, এই এলাকার অনেক জেলে আছেন যারা নিয়মিত ভাবে দামোদরের জলে মাছ ধরে থাকেন। তাদের মধ্যে কয়েকজন দামোদরে ইলিশ পেয়েছেন তবে তার কোনটায় ৪৫০-৬০০ গ্রামের বেশী নয়। সুব্রত আরো জানান, তবে নিয়মিত ভাবে ইলিশ এখানে পাওয়া যায় না।হটাৎ হাজির হওয়া অতথি কে দেখতে শুক্রবার সকালে জামালপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকার মাছের আড়তে ভিড় জমে যায়। দক্ষিণবঙ্গে টানা বৃষ্টিতে কয়েক দিন আগেই ডিভিসি-র জলাধার থেকে ব্যাপক জল ছাড়ার ফলে বানভাসি হয় জামালপুরের বিভিন্ন এলাকা। মাছ সবসময় স্রোতের বিপরীতে ভেসে বেড়ায়। এখন জামালপুরে ইলিশ ধরার পড়ায় মনে করা হচ্ছে দূর্গাপুরের ডিভিসি-র ব্যারেজ থেকে ছাড়া জলের তোড়ে মোহনা থেকে স্রোতে বিপরীতে ভাসতে ভাসতে কিছু ইলিশ জামালপুরের দামোদরে এসে পড়েছে। ইলিশটি ধরা পড়ে তপন বিশ্বাস নামে এক মৎস্যজীবীর জালে। সেই খবরে খুশির হাওয়া জামালপুর সহ দক্ষিণবঙ্গে, খবর চাউর হতেই অনেকেই জাল হাতে নিয়ে দামোদরের পাড়ে হাজির হয়ে পরেন। যদি তার শিকে ছেঁড়ে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইলিশটিকে কিনতে অনেকে ইচ্ছা প্রকাশ করায় মাছের আড়তে নিলাম ডাকেন আড়তদার। ১২০০ টাকা থেকে ডাক শুরু হয়, শেষমেশ ২১০০ টাকায় কেজিতে এসে থামে ডাক। জানাযায় জামালপুরের স্থানীয় বাসিন্দা লক্ষ্মণ বিশ্বাস ওই মাছটি ২,১০০ টাকা কেজি দরে মাছটিকে কিনে নেন। গর্বিত ক্রেতা লক্ষ্মণ বিশ্বাস বলেন, এক কেজি ওজনের জীবন্ত ইলিশ পেয়ে আমি খুবই খুশি। তাই টাকার কথা মাথায় ছিলনা। তায় ২,১০০ টাকায় মাছটি কিনে ফেললাম।স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী এবং আড়তদারেরা জানান, জামালপুর এলাকায় এর আগেও মাছ পাওয়া গেছে। আনুমানিক বছর ২০ আগে দামোদরে ইলিশ পাওয়া যেত। দীর্ঘ ২০ বছর পরে দামোদরের জলে ইলিশ ওঠায় এলাকায় ব্যাপক উৎসাহ দেখা দেয়। জামালপুর ব্লকের মৎস্য সম্প্রসারণ আধিকারিক (FEO) নিত্যানন্দ মণ্ডল জনতার কথাকে জানান, আমি শুনেছি উত্তর মোহনপুর এলাকার মৎস্যজীবী তপন বিশ্বাস মাছটি পেয়েছেন। জামালপুরের বাসস্ট্যান্ডের পাশে মাছের আড়তের আড়তদার প্রভাত পাত্রের আড়তে মাছটি নিলাম হয়েছে। আড়তদার প্রভাত পাত্র বলেন, ভরা বর্ষায় নোনা জল থেকে উঠে এসে মিষ্টি জলে ডিম পাড়তে আসে ইলিস। সেই ভাবেই হয়তো ইলিসটি এসেছিল, এবং কাল্লা এবং জামালপুরের মাঝে ধরা পড়ল। তবে আশার কথা শুনিয়েছেন প্রভাত সহ স্থানীয় মৎস ব্যাবসায়ীরা। তাঁরা বলেছেন, ইলিশ হল ঝাঁকের মাছ। একটি যখন ধরা পড়েছে তখন আগামী কয়েকদিনে আরও মাছ ধরা পড়বে। সেই আশায় দক্ষিণবঙ্গের মৎসপ্রেমী রা।

অক্টোবর ০৫, ২০২৪
বিদেশ

জমাটি বিতর্কের পর ওপারের পদ্মার ইলিশ এবারও পুজোয়! পরিমাণই বা কত?

শেষমেশ নানা টানাপোড়েনের পর ওপারের পদ্মার রূপালী শস্য এপারে আসতে চলেছে। ইলিশ ভারতে রপ্তানি করবে কিনা তা নিয়ে নয়া স্বাধীন বাংলাদেশ-এ বিতর্ক অভ্যাহত। তারই মধ্যে এই ইলিশ পাঠানোর খবর। ইলিশ মানেই যেন এক আলাদা রসনা ত্প্তি! ইলিশের পাতুরি, ইলিশ ভাপা, ইলিশ জাফরানি, মেথি ইলিশ, রসুন নারকেল ইলিশ, ইলিশ হরিয়ালি, ইলিশ বিরিয়ানি, ইলিশ ভর্তা, ইলিশ কোর্মা, ইলিশের টক কি নেই রসনার তালিকায়! দুর্গাপুজোয় রসনাতৃপ্তিতে বাঙ্গালির পাতে ইলিশ চাইই- চাই। তবে এবার বাংলার মাছের বাজার মাত করেছে দক্ষিণ ২৪ পরগণা ও পূর্ব মেদিনীপুরের স্বাদের ইলিশ। এবার দুর্গাপুজোয় পাতে পরতে চলেছে পদ্মার ইলিশ।গত ৫ বছর টানা দুর্গাপুজো উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ থেকে এপার বাংলায় ইলিশ মাছ আমদানি হয়েছে। কিন্তু এবার বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি একেবারে ভিন্ন। শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয়েছে। নোবেল জয়ী মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে চলছে বাংলাদেশে তদারকি সরকার। দুর্গা পুজোর মুখে বাঙ্গালির পাতে আদৌ পদ্মার ইলিশ পড়বে কিনা তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় ছিলই। তবে শেষ মুহূর্তে বাংলাদেশের তরফে ৩ হাজার মেট্রিক টন ইলিশ রপ্তানির সবুজ সংকেত দওয়া হয়েছে।এই আমদানিতে স্বভাবতই খুশির হাওয়া এপার বাংলায়। দুর্গাপুজোয় বাংলাদেশ সরকারের কাছে ইলিশ রফতানি করার জন্য আবেদন জানিয়েছিল ফিস ইমপোর্টার অ্যাসোসিয়েশন। সেই আবেদনে সাড়া দিয়েই বাংলাদেশে সরকারের তরফে জানানো হয়েছে ইলিশ রফতানির একাধিক আবেদন পেয়ে সরকারের তরফে তিন হাজার মেট্রিক টন ইলিশ রফতানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।অ্যাসোসিয়েশনের তরফে বাংলাদেশ সরকারের কাছে আবেদন জানিয়ে বলে হয়েছিল, ১৯৯৬ সাল থেকে বাংলাদেশ ইলিশ রফতানি করছে এপার বাংলায়। পেট্রাপোল সীমান্ত থেকে প্রতি বছর গড়ে ৫০০০ মেট্রিক টন ইলিশ আমদানি করা হত। দুর্ভাগ্যবশত ২০১২ সালের জুলাই মাসে হঠাৎ করেই বাংলাদেশ সরকার ইলিশ রফতানি নিষিদ্ধ করে। তারপর আমরা নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার জন্য তাদের কাছে চিঠি দিয়েছি কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। তবে গত ৫ বছর ধরে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ থেকে শুরু করে সেপ্টেম্বর, ২০২৩ পর্যন্ত ইলিশ আমদানি করা হয়।অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সৈয়দ আনোয়ার মকসুদ বলেন, এর আগে বাংলাদেশ সরকার দুর্গাপুজোর সময় ইলিশ মাছ রফতানির অনুমতি দিয়েছে। বিগত ৫ বছর ধরে ইলিশ আসছে এখানে। পশ্চিমবঙ্গ, আসাম এবং ত্রিপুরার মাছ ব্যবসায়ীদের কাছে বাংলাদেশের ইলিশের প্রচুর চাহিদা। মানুষও এই সময় ইলিশের জন্য অপেক্ষা করে থাকে। দুর্গাপুজোর সময় ইলিশ মাছ রফতানির অনুমতি দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছি।অ্যাসোসিয়শনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ২০১৯ সালে ইলিশ এসেছে ৫০০ মেট্রিক টন। তার পরের বছর ২০২০ সালে ইলিশ আমদানি করা হয়েছে ১৮৫০ মেট্রিক টন। ২০২১ সালে ২৬০০ টনের অনুমোদন থাকলেও আমদানি হয়েছে ১২০০ মেট্রিক টন। তার পরের দুবছর ২০২২ ও ২০২৩ সালে আমাদানিকৃত ইলিশের পরিমাণ ছিল ১৩০০ মেট্রিক টন। যদিও এবার সেই সকল পরিসংখ্যানকে টপকে গিয়ে ৩ হাজার মেট্রিক টন ইলিশ রফতানিতে সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশের তরফে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৪
রাজ্য

১০ টন ইলিশ নিয়ে এলো ট্রলারগুলি, কমতে পারে দাম

ভরা বর্ষাতেও মাছের বাজারে ইলিশের আগুন দাম। এখনও রাজ্যের স্থানীয় রূপালি শষ্য বাজারে সেভাবে আসেনি। বাংলাদেশের ইলিশ আসতে এখনও ঢেড় দেরি। বাজারে ইলিশ কিনতে গেলেই হাতে ছ্যাঁকা লেগে যাচ্ছে। তবে ইলিশ না পাতে পড়লে যে আঁশ মেটে না আম বাঙালির। এবার একটু কম দামে মিলতে পারে এই বাংলার ইলিশ।এরইমধ্যে দক্ষিণ ২৪ পরগণায় মাঝ সমুদ্রে ট্রলারগুলি গিয়েছে মাছ ধরতে। এদিন মরশুমের প্রথম ভালো পরিমান ইলিশ মাছ নিয়ে এসেছে ট্রলারগুলি। ঢুকলো নামখানা মৎস্য বন্দরে। একদিনেই প্রায় ১০ টন ইলিশ মাছ নিয়ে এলো মৎস্যজীবী ট্রলার। চলতি মরশুমের প্রথম থেকে ক্ষতির মুখ দেখছিল মৎস্যজীবীরা। তবে এই মুহূর্তে অনুকূল আবহাওয়া রয়েছে। ভালো পরিমান ইলিশ মাছ জালে পড়তে শুরু করেছে।মৎস্যজীবী সংগঠন গুলির দাবি, এই মুহূর্তে যা খবর আসছে আগামী কয়েকদিনে প্রচুর পরিমাণে ইলিশ ধরা পড়বে। দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে বাকি ট্রলারগুলি ফিরে আসবে ঘাটগুলিতে। বাজারে ইলিশের যে চাহিদা রয়েছে তা অনেকটা পূরণ হবে। তাঁদের বক্তব্য, এই ইলিশ ওঠার ফলে বাজারে যোগান যেমন বাড়বে তেমনই দামও কমবে। পাশাপাশি মৎস্যজীবীরাও লাভের মুখ দেখবে।

জুলাই ৩১, ২০২৪
রাজ্য

টানা এক মাসের ক্ষরা কাটিয়ে ইলিশের মুখ দেখতে শুরু করলো সুন্দরবনের মৎস্যজীবীরা

আবারও বাঙালির পাতে পড়তে চলেছে ইলিশ। চলতি মাসে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে টানা একমাসের বেশি সময় সমুদ্রে ট্রলার ভাসাতে না পারায় ক্ষতির সম্মুখীন সুন্দরবনের কয়েক হাজার ট্রলার মালিক। গত সপ্তাহ থেকে আবহাওয়া ঠিক হওয়ায় পরে নতুন করে বঙ্গোপসাগরে পাড়ি দেয় সমস্ত মৎস্যজীবী ট্রলার । এই মুহূর্তে গভীর সমুদ্রে ভালো পরিমাণ ইলিশের মিলতে শুরু করেছে বলে মৎসজীবি সংগঠন সুত্রের খবর।গত দুই দিনে প্রায় ২০০ টনের বেশী ইলিশ বাজারে চলে এসেছে। আজও প্রচুর পরিমাণে ট্রলার সমুদ্র থেকে কাকদ্বীপ ও নামখানা ঘাটে ফিরতে শুরু করেছে। ফলে বিকেলের মধ্যে আরও প্রায় প্রায় ১০০ টনের কাছাকাছি ইলিশ বাজারে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে। আবহাওয়া ভালো থাকলে আগামী কয়েকদিনে বাজারের চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত পরিমান ইলিশ মিলবে জানিয়েছেন কাকদ্বীপ ফিসারম্যান ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক বিজন মাইতি। এই পরিস্থিতিতে আশায় বুক বাঁধছে সুন্দরবনের মৎস্যজীবীরা।একের পর এক দুর্যোগ কাটিয়ে উঠে নতুন করে বঙ্গোপসাগরের ট্রলার ভাসিয়ে ইলিশের ঝাঁক দেখা মেলায় লোকসানের ভাগ কিছুটা কমবে বলে মনে করছে মৎস্যজীবীদের বড় অংশ। দুর্গাপুজোয় বাঙালির পাতে অপেক্ষাকৃত কম দামে ইলিস পরবে সেই কথায় শোনালেন ফিশারম্যান ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়ানে সম্পাদক বিজন মাইতি।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২২
রাজ্য

Hilsa Fish: পুজোয় এবার ওপার বাংলার সেরা উপহার ২ হাজার টন রূপোলি শস্য

দুর্গাপুজো উপলক্ষে ওপার বাংলা থেকে উপহার পাঠাচ্ছেন শেখ হাসিনা। আসছে ২ হাজার ৮০ মেট্রিক টন ইলিশ। পুজোয় এবার রসনাতৃপ্তির কোনও অভাব থাকবে না। মহালয়ার আগেই কলকাতার বাজারে আসছে পদ্মার ইলিশ। আগামী বুধবার থেকেই শহরে মিলবে পদ্মার ইলিশ। পুজোয় তাই এবার সাধারণের ঘরে উঠবে পদ্মার ইলিশ। এমনটাই আশা সকলেরই। আরও পড়ুনঃ মালদায় জ্বরের বলি আরও এক শিশুআজ ঢাকা সচিবালয় থেকে এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে এ কথা জানানো হয়েছে। ১১ অক্টোবর ষষ্ঠী। আর তার আগেই পুরো ২ হাজার ৮০ মেট্রিক টন ইলিশ পৌঁছে যাবে রাজ্যে। বাংলাদেশ বাণিজ্য মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, আসন্ন দুর্গাপুজো উপলক্ষে ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে ধাপে ধাপে ইলিশ আসবে ওপার বাংলা থেকে। প্রতিদিন ১০০২০০ মেট্রিক টন ইলিশ আমদানি করা হবে এ দেশে। মঙ্গল-বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে আমদানি প্রক্রিয়া। সবকিছু ঠিক থাকলে, শুক্রবার থেকেই বাঙালির দুপুরের পাতে পড়তে পারে পদ্মার ইলিশ। এখনও পর্যন্ত যা জানা যাচ্ছে, এক একটি ইলিশের ওজন হবে ৮০০ থেকে ১২০০ গ্রাম।বাংলাদেশ বাণিজ্য মন্ত্রকের থেকে জানানো হয়েছে, মোট ৫২ টি বাণিজ্যিক সংস্থা প্রতিটি ৪০ মেট্রিক টন করে ইলিশ ভারতে রপ্তানি করার অনুমতি পেয়েছে। এবার প্রায় চার গুণ। দুহাজার টনেরও বেশি পরিমাণে ইলিশ আসছে এই বছর। স্বাভাবিকভাবেই এই খবরে খুশি ইলিশ-বিলাসী বাঙালিরা।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১
নিবন্ধ

Hilsa: পদ্মায় পড়বে জাল, পাতে পড়বে 'ইলিশ-সুখ'

ভরা বর্ষায় পাতে গরমাগরম ইলিশের দু-টুকরো না পড়লে কি আর দুপুর জমে! তবে এ বার গঙ্গার ইলিশে আকাল, যে কয়েক হাজার কেজি রুপোলি শস্য ঢুকেছিল, তার দামওও দেড়-দুহাজার পার করেছিল। তবে আর বেশিদিন অপেক্ষা নয়, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই বাঙালির পাতে পড়তে পারে পদ্মার ইলিশ। আর এমন খবর পাওয়ার পরই আশায় বুখ বাঁধতে শুরু করেছে ইলিশপ্রেমীরা।আরও পড়ুনঃ সন্ত্রাসের আবহেও কাশ্মীরের কৃষক-পুত্রের বড় সাফল্যকরোনা সংক্রমণের জেরে জুলাই মাসের শুরু থেকেই বাংলাদেশে জারি করা হয়েছে কড়া বিধিনিষেধ। তা লাগু রয়েছে এখনও। তবে মৎসজীবীদের কথা মাথায় রেখে গত ২৩ জুলাই থেকেই ৬৫ দিনের জন্য মাছ ধরার উপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে হাসিনা সরকার। এরফলে পদ্মা বা সাগরে যেতে আর কোনও সমস্যা নেই মৎসজীবীদের। বিগত এক সপ্তাহ ধরে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে সমুদ্রে ট্রলার নামানো না গেলেও আশায় বুক বাঁধছেন মৎসজীবীরা। কারণ, এ বছরে বিধিনিষেধের কারণে সমুদ্রে দূষণের পরিমাণ যেমন কিছুটা কমেছে, তেমনই আবার ইলিশের প্রজনন ও বিচরণের জন্য অনুকুল পরিবেশেরও সৃষ্টি হয়েছে। জলের মান ভাল হওয়ায় এ বার ইলিশের স্বাদ ও সংখ্যা বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।বাজারে ইলিশের পরিমাণ বাড়লে দামেও কিছুটা হেরফের হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও ব্যবসায়ীরা এই সুযোগও কাজে লাগিয়ে নিজেদের লভ্যাংশ একটি বেশিই আদায় করে নিতে পারে বলেও মত ছোট মৎস্যব্যবসায়ীদের।

আগস্ট ০২, ২০২১
রাজ্য

পুজোর আগেই বাঙালির রসনাতৃপ্তি, হাওড়ার পাইকারি মাছ বাজারে বাংলাদেশের ইলিশ

অবশেষে প্রতীক্ষার অবসান। পুজো উপলক্ষে হাওড়ার পাইকারি মাছ বাজারে এলো বাংলাদেশের ইলিশ। বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা থেকে ১২০০ টাকা দরে। মঙ্গলবার সকাল থেকেই সেই ইলিশ মাছ কিনতে ভিড় খুচরো ব্যাবসায়ীদের। সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর মোট ২০ মেট্রিক টন মাছ এসেছে বাজারে। রাজ্যের ইলিশ আমদানিকারী সংস্থা ফিস ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সৈয়দ আনোয়ার মুকসুদ বলেন, পুজোর আগে পদ্মার ইলিশ ওপার বাংলা থেকে এপার বাংলায় এসেছে। এই ভালো লাগার আনন্দের কোনও সীমা নেই। কারণ সকলেই জানি যে, এপার বাংলার মানুষ ওপারের পদ্মার ইলিশের জন্য কতটা উদগ্রীব। আমরা গত ২০১২ সাল থেকে চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছি যাতে বাংলাদেশ রফতানির উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। কিন্তু যাই হোক গত বছর পুজো উপলক্ষে তাঁরা আমাদের ৫০০ মেট্রিক টন ইলিশ দিয়েছিলেন। আর এই বছর ওনারা পুজো উপলক্ষে আমাদের ১৫০০ মেট্রিক টন ইলিশ মাছ দিচ্ছেন। এটা অনেক বড়ো আনন্দের।মানুষ যে ইলিশ মাছ কিনতে কতটা পাগল সেটা আজকে বাজারে মানুষের ভিড় ও উৎসাহ দেখেই বোঝা যাচ্ছে। আমরা আশা করছি হয়তো বাংলাদেশ সরকার বাঙালির এই উৎসাহ দেখে ভবিষ্যতে এই নিষেধাজ্ঞা তুলে দেবে। সোমবার ২০ মেট্রিক টন ইলিশ মাছ এসেছে। আজকে প্রায় ৩০ মেট্রিক টন ইলিশ মাছ আসবে। এরপর যে রকম আমদানি হবে মাছ আসতে থাকবে। প্রায় ১৫০০ মেট্রিক টন ইলিশ মাছ আসবে। বিভিন্ন সাইজের ইলিশের বিভিন্ন দাম রয়েছে। ৫০০ গ্রাম থেকে ১২০০ গ্রাম পর্যন্ত সাইজের ইলিশ আছে। মাছ বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা থেকে শুরু করে ১২০০-১৩০০ টাকা পর্যন্ত। অকশন হচ্ছে। এর কোনও ফিক্সড রেট নেই। যা আসবে এই বাজারে সামনেই বিক্রি হবে। আমরা সফল যে আমাদের রাজ্য সরকার, কেন্দ্রীয় সরকার, বাংলাদেশ সরকার সবাই এগিয়ে এসেছেন। আমাদের চেষ্টা সার্থক হলো। উল্লেখ্য, সোমবার সন্ধ্যায় পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে দুটি ট্রাকে সীমান্ত পেরিয়ে এ দেশে ঢুকেছে পদ্মার ইলিশ। আজ মঙ্গলবার থেকেই বাজারে সেই ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে। হাওড়ার বাজারে ইলিশ কিনতে ইতিমধ্যেই ভিড় জমিয়েছেন ক্রেতারা। একটি ইলিশ মাছ কিনে খুশি বীণা মন্ডল বলেন, এমন ভালো ইলিশ মাছ কিনে খুব আনন্দ হয়েছে। প্রত্যেক বছর যেন এমন মাছ পাই। বাঙালি ইলিশ মাছ খেতে খুব ভালোবাসে। পুজোর আগে ইলিশ পেলাম সেটাই বেশি আনন্দের।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০

ট্রেন্ডিং

দেশ

মোদিকে হত্যার ছক? বেঙ্গালুরুতে প্রধানমন্ত্রীর রুট থেকে উদ্ধার বিস্ফোরক

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বেঙ্গালুরু সফর ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। যে রাস্তা দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) কনভয় যাওয়ার কথা ছিল, সেই পথের ধারে উদ্ধার হয়েছে বিস্ফোরণে ব্যবহৃত জেলাটিন স্টিক। ঘটনার পর থেকেই ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে এলাকায়। পুলিশ এক সন্দেহভাজন যুবককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার বেঙ্গালুরুর আর্ট অফ লিভিং সেন্টারে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) । সেই সময় কাগ্গালিপুরা এলাকার থাথাগুনির কাছে রাস্তার ধারে কয়েকটি জেলাটিন স্টিক উদ্ধার হয়।জানা গিয়েছে, মোদির (PM Modi) সফরের আগে পুলিশের কাছে একটি সন্দেহজনক ফোনকল আসে। ফোনে বিস্ফোরণের আশঙ্কার কথা জানানো হয়। এরপরই এলাকায় তল্লাশি অভিযান শুরু করে পুলিশ। সেই তল্লাশিতেই রাস্তার ধারে পড়ে থাকা জেলাটিন স্টিক উদ্ধার হয়।ঘটনার পরই হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, রবিবার ভোরে এক ব্যক্তি স্থানীয় থানায় ফোন করে এইচএএল এবং আর্ট অফ লিভিং সেন্টারে বিস্ফোরণের আশঙ্কার কথা জানিয়েছিলেন। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই শুরু হয় ব্যাপক তল্লাশি (PM Modi) ।পরে ওই সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে কোরামাঙ্গালায় তাঁর বাড়ি থেকে আটক করা হয়। তাঁকে থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এইচএএল বিমানবন্দরের কাছে কোনও সন্দেহজনক বস্তু না মিললেও আর্ট অফ লিভিং যাওয়ার রাস্তায় জেলাটিন স্টিক উদ্ধার হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।ডেপুটি পুলিশ কমিশনার জানিয়েছেন, গোটা ঘটনার তদন্ত চলছে। কীভাবে ওই বিস্ফোরক সেখানে পৌঁছল, কারা তা সরবরাহ করেছিল এবং এর পিছনে কোনও বড় ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।সন্দেহভাজন যুবকের পাশাপাশি তাঁর বাবা-মাকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ওই ব্যক্তি অতীতেও বেঙ্গালুরুতে ভিআইপি সফরের সময় একই ধরনের ফোন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছিলেন। তখনও তাঁকে আটক করা হয়েছিল। পরে জানা যায়, তাঁর মানসিক সমস্যা রয়েছে। তবে এবার প্রধানমন্ত্রীর সফরের রুট থেকে বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনায় কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না পুলিশ।

মে ১০, ২০২৬
কলকাতা

সাসপেন্ড হতেই বিস্ফোরক ঋজু! “চাকরি বিক্রি হয়েছে, সবাই জানে”

তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড হওয়ার পর বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন দলের নেতা ঋজু দত্ত। চাকরি বিক্রি থেকে শুরু করে কাটমানি, টিকিট বাণিজ্য একের পর এক অভিযোগে সরব হয়েছেন তিনি। তাঁর দাবি, চাকরি বিক্রি হয়নি, এটা বলার মতো বড় পাপ আর কিছু হতে পারে না। চাকরি বিক্রি হয়েছে, সেটা প্রমাণিত।এখানেই থামেননি ঋজু। তাঁর অভিযোগ, বাড়ির প্ল্যান পাশ করানো থেকে শুরু করে নির্মাণ কাজ সব ক্ষেত্রেই টাকা দিতে হয়। এমনকি বাড়িতে কোমড বসানোর ক্ষেত্রেও তৃণমূলের লোকেরা টাকা নেয় বলে দাবি করেন তিনি।বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে ঋজু বলেন, বাংলার মানুষ এবার মন খুলে কথা বলতে পারছেন। কলকাতার রাস্তায় বেরোলে মনে হচ্ছে ভারত জিতেছে, পাকিস্তান হেরেছে। মানুষ নতুন স্বাধীনতার স্বাদ পেয়েছে।তৃণমূলে থাকার সময় নিজের অবস্থান নিয়েও মুখ খুলেছেন ঋজু দত্ত। তিনি বলেন, আরজি কর আন্দোলনের সময় আমি দলের হয়ে লড়াই করেছি। সন্দেশখালির সময়ও দলকে সমর্থন করেছি। কারণ আমি দলের মুখপাত্র ছিলাম। কিন্তু মন থেকে কোনওদিন সেগুলো মেনে নিতে পারিনি। দল যা বলতে বলত, বাধ্য হয়ে সেটাই বলতে হত।আইপ্যাক নিয়েও তীব্র অভিযোগ করেছেন তিনি। ঋজুর দাবি, দল চালাত আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈন। তৃণমূল নয়। টিকিট দেওয়ার জন্য টাকা চাওয়া হত। আমার কাছেও ৫০ লাখ টাকা চাওয়া হয়েছিল।এই পরিস্থিতিতে বিজেপিও কটাক্ষ করতে শুরু করেছে তৃণমূলকে। বিজেপি নেতা রাহুল সিনহার বক্তব্য, এখন ধাক্কা খেয়ে অনেকেরই চেতনা ফিরছে।তবে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছেন ঋজু দত্ত। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জন্য তিনি কোনও আবেদন করেননি। যদিও বিজেপি নেতাদের পাশে পাওয়ার কথাও স্বীকার করেছেন। তাঁর বক্তব্য, আমার এলাকার বিজেপি বিধায়ক রিতেশ তিওয়ারি পুলিশকে ফোন করে আমার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। উত্তর কলকাতার বিজেপি নেতারাও আমার পরিবারকে সাহায্য করেছেন।ঋজুর এই বিস্ফোরক মন্তব্যের পর রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

মে ১০, ২০২৬
দেশ

বেঙ্গালুরু থেকেও বাংলার জয়গান মোদীর, “তিন থেকে ২০০, এটাই নতুন ইতিহাস”

বাংলায় বিজেপির ঐতিহাসিক জয়ের পর উচ্ছ্বাসে ভাসছে গেরুয়া শিবির। বিজেপির শীর্ষ নেতাদের মুখে বারবার উঠে আসছে বঙ্গজয়ের প্রসঙ্গ। এবার কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে সভা করেও বাংলার জয় নিয়ে মন্তব্য করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। একইসঙ্গে তিনি তুলে ধরলেন গত ১০ বছরে বাংলায় বিজেপির উত্থানের কাহিনি।বেঙ্গালুরুতে দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে মোদী বলেন, অসমে টানা তিনবার এনডিএ সরকার গঠন করেছে। বাংলায় প্রথমবার বিজেপি এত বড় আশীর্বাদ পেয়েছে। গুজরাটেও পঞ্চায়েত নির্বাচনে দারুণ ফল করেছে বিজেপি। এই সবই নতুন ইতিহাস তৈরির ঘটনা।এরপর বাংলায় বিজেপির লড়াইয়ের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, দশ বছর আগে বাংলায় আমাদের মাত্র তিনজন বিধায়ক ছিল। তখন সংগঠনও খুব শক্তিশালী ছিল না। আজ সেই বাংলা থেকেই ২০০-র বেশি আসনে জয় পেয়ে বিজেপি সরকার গঠন করেছে। এটা ইতিহাস রচনার থেকে কম কিছু নয়।২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় বিজেপি মাত্র তিনটি আসনে জয় পেয়েছিল। এরপর ২০২১ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৭৭। আর ২০২৬ সালের নির্বাচনে বিজেপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করেছে।এবারের নির্বাচনে বিজেপি ২০৭টি আসনে জয় পেয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের ঝুলিতে এসেছে ৮০টি আসন। রাজ্যের একাধিক এলাকায় গেরুয়া ঝড়ে কার্যত ভরাডুবি হয়েছে তৃণমূলের। বিজেপির ভোটের হারও ৪৫ শতাংশের বেশি বলে দাবি দলের।শনিবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। শপথ নেওয়ার পর থেকেই প্রশাসনিক কাজে নেমে পড়েছেন তিনি। সোমবার নবান্নে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করার কথা রয়েছে নতুন মুখ্যমন্ত্রীর।বাংলায় প্রথমবার বিজেপি সরকার গঠন করায় দলীয় কর্মী-সমর্থকদের মধ্যেও উচ্ছ্বাস তুঙ্গে। আর সেই আবহেই দেশের অন্য প্রান্তে দাঁড়িয়ে বাংলার জয়কে ইতিহাস বলে তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

মে ১০, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের ফলের পর রক্তাক্ত খুন! এন্টালিতে তৃণমূল কর্মী হত্যায় আরও এক গ্রেপ্তার

এন্টালিতে তৃণমূল কর্মী তাপস নস্কর খুনের ঘটনায় আরও এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। শনিবার গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে হাসনাবাদ থেকে অভিযুক্তকে পাকড়াও করা হয়। ধৃতের নাম ভোলা কর। রবিবার তাঁকে শিয়ালদহ আদালতে তোলা হবে বলে পুলিশ সূত্রে খবরবিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরের দিন, মঙ্গলবার গভীর রাতে খুন হন তাপস নস্কর। ঘটনার পরই একজনকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেই আরও এক অভিযুক্তের খোঁজ মেলে। এরপর গোপন সূত্রে খবর পেয়ে হাসনাবাদের মিঠুন মণ্ডলের বাড়িতে হানা দেয় পুলিশ। সেখান থেকেই ভোলা করকে গ্রেপ্তার করা হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তাপস খুনের ঘটনায় দায়ের হওয়া এফআইআরে ভোলা করের নাম ছিল। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুরো ঘটনার পিছনের কারণ জানার চেষ্টা চলছে। যদিও পুলিশের দাবি, এই খুনের সঙ্গে রাজনৈতিক কোনও যোগ নেই।স্থানীয় সূত্রে খবর, এলাকার এক প্রভাবশালী তৃণমূল নেতার ঘনিষ্ঠ ছিলেন তাপস নস্কর। সেই সূত্রে এলাকায় প্রোমোটিংয়ের বিভিন্ন কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। এছাড়াও তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অবৈধ কাজের অভিযোগ ছিল বলে দাবি স্থানীয়দের। স্থানীয় থানায় তাপসের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগও জমা পড়েছিল।নির্বাচনের আগে পুলিশ তাঁকে সতর্ক করেছিল বলেও জানা গিয়েছে। এমনকি ভোটের আগে তাঁকে নজরবন্দিও রাখা হয়েছিল। কিন্তু সেই সময় এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান তাপস। ভোট শেষ হওয়ার পর ফের এন্টালিতে ফিরে আসেন তিনি।তারপরই ৫ তারিখ গভীর রাতে এন্টালির চৌধুরী লেনে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায় তাঁকে। স্থানীয় মানুষ পুলিশে খবর দিলে দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তাপসের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে।ঘটনার পর নিহতের স্ত্রী স্থানীয় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সেখানে কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়, যার মধ্যে ভোলা করের নামও ছিল।এই খুনের ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়ালেও কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দা জানিয়েছেন, এটি রাজনৈতিক খুন নয়। তাঁর দাবি, নির্মাণ ব্যবসা নিয়ে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে দীর্ঘদিনের বিবাদের জেরেই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে। বেশ কিছুদিন বাইরে থাকার পর সম্প্রতি এলাকায় ফিরেছিলেন তাপস। তারপরই এই হামলার ঘটনা ঘটে।

মে ১০, ২০২৬
কলকাতা

সরকার বদলাতেই বড় পদক্ষেপ! অবশেষে প্রকাশ্যে এসএসসি-র গোপন ওএমআর

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পরই বদলে গেল স্কুল সার্ভিস কমিশনের অবস্থান। দীর্ঘদিন ধরে বিতর্কে থাকা ২০১৬ সালের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ওএমআর শিট অবশেষে প্রকাশ করল এসএসসি। সূত্রের খবর, নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর শপথ গ্রহণের দিনেই একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষার্থীদের ওএমআর প্রকাশ করা হয়েছে।এর আগে ২০২৪ সালেই কলকাতা হাইকোর্ট সমস্ত ওএমআর প্রকাশ করার নির্দেশ দিয়েছিল। পরে সুপ্রিম কোর্টও সেই নির্দেশ বহাল রাখে। কিন্তু তারপরেও এতদিন পর্যন্ত সব ওএমআর প্রকাশ করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছিল।তদন্ত সূত্রে জানা গিয়েছে, ওএমআর মূল্যায়নকারী সংস্থার এক প্রাক্তন কর্মীর ঠিকানা থেকে একটি হার্ডডিস্ক উদ্ধার করা হয়েছিল। সেই হার্ডডিস্ক থেকেই নবম-দশম এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির সমস্ত পরীক্ষার্থীর ওএমআর পাওয়া যায়। এরপরই তা প্রকাশ্যে আনা হয়েছে।হাইকোর্টের বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চ ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে সমস্ত ওএমআর প্রকাশের নির্দেশ দেয়। সুপ্রিম কোর্টও সেই নির্দেশ বহাল রাখলেও এতদিন পর্যন্ত পুরো তথ্য সামনে আনা হয়নি। এবার এসএসসি জানিয়েছে, খুব শীঘ্রই গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি-র সমস্ত ওএমআরও প্রকাশ করা হবে।এখন ২০১৬ সালের সমস্ত পরীক্ষার্থী নিজেদের ওএমআর দেখতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে। শুক্রবার এসএসসি-র তরফে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানানো হয়, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনেই সিবিআই সূত্রে পাওয়া ওএমআর শিট ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়েছে।২০১৬ সালের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ২৬ হাজারেরও বেশি শিক্ষক এবং শিক্ষা কর্মীর চাকরি বাতিল হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে পুরো প্যানেল বাতিল হয়। এরপর থেকেই চাকরিপ্রার্থী এবং বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে ওএমআর প্রকাশের দাবি উঠছিল। ওএমআর নষ্ট করা এবং কারচুপির অভিযোগও সামনে এসেছিল।এই পরিস্থিতিতে হঠাৎ করে ওএমআর প্রকাশ হওয়ায় নতুন করে রাজ্যের শিক্ষা মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

মে ১০, ২০২৬
রাজ্য

“শেষে রাহুলের কাছেই হাতজোড় করতে হবে!” মমতাকে নিয়ে বিস্ফোরক অধীর

রাজ্যের রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করলেন প্রদেশ কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী। তাঁর দাবি, একসময় বাম শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে যাঁদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এখন তিনিই রাজনৈতিক সংকটে পড়ে সকলকে পাশে চাওয়ার চেষ্টা করছেন।অধীর চৌধুরী বলেন, বামেদের সরানোর সময় উনি নকশালদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করেছিলেন। পরে কিষানজিকে হত্যা করা হয়। এখন দিদি নিজেই বিপদে পড়েছেন। তাই সবাইকে ডাকছেন। তাঁর কটাক্ষ, আগামী দিনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাহুল গান্ধীর কাছেও হাতজোড় করতে হতে পারে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়েও কটাক্ষ করেছেন অধীর। তিনি বলেন, বিকেল চারটে থেকে ছটার মধ্যে ওঁর বাড়িতে কারা দেখা করতে যাচ্ছেন, সেটা দেখতে চাই। যদি কেউ যান, তাহলে বোঝা যাবে বাংলার মানুষ এখনও তাঁকে আন্দোলনের নেত্রী হিসেবে মানছেন কি না।এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়েও আক্রমণ শানান অধীর চৌধুরী। তিনি বলেন, শুনছি খোকাবাবুর বাড়ি এখন দর্শনীয় জায়গা হয়ে গেছে। মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপো হওয়ার সুবাদে কত ক্ষমতা পাওয়া যায় এবং সেই ক্ষমতায় কেমন বাড়ি তৈরি হয়, তা দেখতে মানুষ ভিড় করছেন। এখানেই থামেননি অধীর। তাঁর মন্তব্য, খোকাবাবুর বাড়ি যেমন মিউজিয়াম হয়েছে, দিদির বাড়িও খুব শীঘ্রই মিউজিয়াম হয়ে যাবে।জাতীয় রাজনীতির ভবিষ্যৎ সমীকরণ নিয়েও মন্তব্য করেছেন অধীর চৌধুরী। তিনি বলেন, দিদি আগামী দিনে কী করবেন, সেটা দেখার অপেক্ষায় আছি। তবে এটা নিশ্চিত, শেষ পর্যন্ত রাহুল গান্ধীর কাছেই তাঁকে যেতে হবে।প্রসঙ্গত, শনিবার কালীঘাটের বাড়িতে রবীন্দ্র জয়ন্তীর অনুষ্ঠানের পর বিজেপিকে রুখতে বিরোধী জোট গঠনের বার্তা দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, সব বিরোধী রাজনৈতিক দলকে একসঙ্গে আসতে হবে। বাম এবং অতিবাম দলগুলিকেও একজোট হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। মমতা স্পষ্ট বলেন, বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করতে হলে সবাইকে একসঙ্গে থাকতে হবে।যদিও তৃণমূল নেত্রীর এই বার্তায় এখনও ইতিবাচক সাড়া দেয়নি বামেরা। আপাতত তারা একাই লড়াই করার অবস্থানে রয়েছে। এর মধ্যেই অধীর চৌধুরীর এই মন্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। তবে এই বিষয়ে এখনও তৃণমূলের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

মে ১০, ২০২৬
কলকাতা

টোল প্লাজার ক্যামেরায় ধরা পড়ল খুনিদের গাড়ি! ইউপিআই সূত্রে চাঞ্চল্যকর মোড়

চন্দ্রনাথ রথ খুনের তদন্তে বড় সূত্র পেল পুলিশ। খুনে ব্যবহৃত গাড়ির ফাস্ট্যাগ পেমেন্ট থেকে একটি ইউপিআই লিঙ্কের খোঁজ মিলেছে। সেই সূত্র ধরেই ঝাড়খণ্ডের এক ব্যক্তিকে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।তদন্তকারীদের দাবি, খুনে ব্যবহৃত গাড়িটি বালি টোলপ্লাজা হয়ে এলাকায় ঢুকেছিল। টোলপ্লাজার সিসিটিভি ফুটেজে গাড়িটিকে চিহ্নিত করা হয়েছে। সেখানে টোলের টাকা ফাস্ট্যাগের মাধ্যমে দেওয়া হয়েছিল। সেই অনলাইন পেমেন্টের সূত্র ধরেই কোন অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা গিয়েছে, তা জানতে পেরেছে পুলিশ।চন্দ্রনাথ রথের সঙ্গে দীর্ঘ আট বছরের সম্পর্ক ছিল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। চন্দ্রনাথ ছিলেন প্রাক্তন বায়ুসেনা কর্মী। তাঁর বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরের পুলুপ এলাকার ঈশ্বরপুর পাঁচ গ্রাম পঞ্চায়েতে। শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূল কংগ্রেসে থাকাকালীন সময় থেকেই তাঁদের পরিচয়। ধীরে ধীরে শুভেন্দুর ঘনিষ্ঠ ও আস্থাভাজন হয়ে ওঠেন চন্দ্রনাথ। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড দেখভালের দায়িত্বেও ছিলেন তিনি।বুধবার রাতে আচমকাই খুন হন চন্দ্রনাথ রথ। তারপর থেকেই তদন্তে নেমেছে বিশেষ তদন্তকারী দল। আততায়ীদের গতিবিধি জানতে প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। তদন্তকারীরা টাওয়ার ডাম্পিং প্রযুক্তির মাধ্যমে ঘটনার আগে এবং পরে এলাকার মোবাইল ফোনের তথ্য খতিয়ে দেখছেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার সময় কোন কোন মোবাইল নম্বর থেকে ফোন করা হয়েছিল বা কল রিসিভ করা হয়েছিল, তার তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। সন্দেহজনক নম্বর চিহ্নিত করতে ঘটনাস্থলের আশপাশের একাধিক মোবাইল টাওয়ারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।বিশেষ সফটওয়্যারের সাহায্যে বহু ফোন কলের মধ্যে থেকে সন্দেহভাজন নম্বর আলাদা করার কাজ চলছে। তদন্তকারীরা দেখছেন, ঘটনার আগে ও পরে কোন কোন নতুন নম্বর থেকে হঠাৎ ফোন আদানপ্রদান হয়েছে। সেই নম্বরগুলির টাওয়ার লোকেশন ট্র্যাক করে আততায়ীদের গতিবিধি জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।

মে ১০, ২০২৬
দেশ

মুখ্যমন্ত্রী হয়েই বড় ঘোষণা থলপতি বিজয়ের! বিনামূল্যে বিদ্যুৎ থেকে নারী সুরক্ষায় একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতি

রবিবার তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন দক্ষিণী সুপারস্টার থলপতি বিজয়। শপথ নেওয়ার পরই প্রথম ভাষণে তিনি জানান, সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করাই তাঁর মূল লক্ষ্য। ধর্মনিরপেক্ষতা ও সামাজিক ন্যায়ের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি রাজ্যের মানুষের জন্য একাধিক বড় ঘোষণা করেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী।চেন্নাইয়ে শপথ গ্রহণের পর প্রথম ভাষণে বিজয় বলেন, আমি সাধারণ মানুষ। আপনাদের ভালবাসা আর সমর্থনেই আজ এখানে পৌঁছেছি। সরকারের সমস্ত সিদ্ধান্ত এবং কাজের দায়ভার আমারই থাকবে। তিনি আরও বলেন, আগের ডিএমকে সরকার বিপুল ঋণের বোঝা রেখে গিয়েছে। তবে মানুষের সমর্থন থাকলে তাঁর সরকার সব প্রতিশ্রুতি পূরণ করার চেষ্টা করবে।এদিন জোট রাজনীতি নিয়েও স্পষ্ট বার্তা দেন বিজয়। তিনি বলেন, তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকার কোনও জোটসঙ্গীর চাপের কাছে মাথা নত করবে না। সরকার নিজের নীতি মেনেই চলবে।অনুরাগীদের উদ্দেশেও আবেগঘন বার্তা দেন দক্ষিণী তারকা। তিনি বলেন, আপনারাই আমার জীবন। আপনাদের ভালোর জন্যই আমি কাজ করব। আপনাদের ছাড়া আমি কিছুই নই। তাঁর মুখে শোনা যায় জনপ্রিয় তামিল শব্দবন্ধ এন নেনজিল কুডিয়িরুক্কুম, যার অর্থ, যাঁরা আমার হৃদয়ে থাকেন।মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েই একাধিক জনমুখী প্রকল্পের ঘোষণা করেছেন বিজয়। তিনি জানান, তামিলনাড়ুর মানুষ মাসে ২০০ ইউনিট পর্যন্ত বিনামূল্যে বিদ্যুৎ পাবেন। মহিলাদের নিরাপত্তার জন্য আলাদা নারী সুরক্ষা বাহিনী গঠন করা হবে বলেও ঘোষণা করেন তিনি।এছাড়াও রাজ্যে মাদক রুখতে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী। শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নতির দিকেও বিশেষ নজর দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। বিজয়ের দাবি, নতুন সরকার স্বচ্ছভাবে কাজ করবে এবং নির্বাচনী ইস্তাহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলি পূরণ করার চেষ্টা করবে।এদিন বিজয়ের সঙ্গে আরও নজন শপথ নেন। সূত্রের খবর, তাঁদের মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। সেই তালিকায় রয়েছেন কেএ সেনগোত্তাইয়ান, আধব অর্জুন, নির্মল কুমার, এন আনন্দ, অভিনেতা রাজ মোহন, চিকিৎসক টিকে প্রভু, প্রাক্তন আইআরএস আধিকারিক অরুণ রাজ, পি ভেঙ্কটারামনন এবং সর্বকনিষ্ঠ বিধায়ক কীর্তনা। বিরুধুনগর কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছেন কীর্তনা।

মে ১০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal