• ১০ আশ্বিন ১৪৩৩, বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

HS

রাজ্য

মাধ্যমিকে আক্ষেপ, উচ্চ মাধ্যমিকে বাজিমাত! রাজ্যে প্রথম হয়ে তাক লাগাল আদৃত

মাধ্যমিকে মাত্র ১ নম্বরের জন্য র্যাঙ্ক করতে পারেননি। সেই আক্ষেপই যেন উচ্চ মাধ্যমিকে আরও জেদি করে তুলেছিল আদৃত পালকে। এবার ৪৯৬ নম্বর পেয়ে রাজ্যে প্রথম হয়ে সকলকে চমকে দিলেন তিনি। নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্র আদৃতের এই সাফল্যে এখন খুশির হাওয়া পরিবার থেকে বিদ্যালয় সর্বত্র ।ফল প্রকাশের পর থেকেই আদৃতদের বাড়িতে যেন উৎসবের পরিবেশ। আত্মীয়, বন্ধু, পাড়া-প্রতিবেশীদের শুভেচ্ছায় ভাসছে পরিবার। একের পর এক ফোন আসছে। এই সাফল্যের কৃতিত্ব আদৃত দিয়েছেন নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের মহারাজ, শিক্ষকদের এবং পরিবারের সদস্যদের।উচ্চ মাধ্যমিকের মেধাতালিকায় এবারও নজর কেড়েছে নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন । মেধাতালিকায় স্থান পাওয়া ৬৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৮ জনই এই বিদ্যালয়ের ছাত্র। তাঁদের মধ্যেই সবার উপরে জায়গা করে নিয়েছেন আদৃত।ছেলের সাফল্যে খুশি বাবা জীবনকৃষ্ণ পাল । তিনি বলেন, আমরা খুব আনন্দিত। মিশনের মহারাজরা ওকে সঠিক পথে গড়ে তুলেছেন। ও নিজের ইচ্ছামতো পড়াশোনা করুক, আমরা কোনও চাপ দেব না।আদৃত জানায়, সারাদিন বই নিয়ে বসে থাকায় তিনি বিশ্বাসী নন। নিয়ম করে দিনে প্রায় ৬ ঘণ্টা পড়াশোনা করতেন। তবে পড়াশোনার পাশাপাশি নিজের পছন্দের কাজও করতেন। ভালো ফলের আশা থাকলেও রাজ্যে প্রথম হবেন, তা কখনও ভাবেননি বলেই জানিয়েছেন তিনি।আদৃত বলেন, মাধ্যমিকে অল্পের জন্য র্যাঙ্ক করতে পারিনি। সেই খারাপ লাগা ছিল। এবার সেই দুঃখটা অনেকটাই কমলো। আগামী দিনে বিজ্ঞান নিয়েই পড়াশোনা করতে চাই। আইজারে সুযোগ পাওয়ার চেষ্টা করব।পড়াশোনার পাশাপাশি আদৃত ভীষণ খাদ্যরসিক বলেও জানাচ্ছেন পরিবারের সদস্যরা। নতুন কোনও খাবারের খোঁজ পেলেই তা চেখে দেখতে ভালোবাসেন তিনি। আদৃতের দাদুর কথায়, খুব পরিশ্রম করেছে। আরও বড় হোক, এটাই চাই।

মে ১৪, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের মাঝেই বড় ঘোষণা! কবে প্রকাশ উচ্চ মাধ্যমিকের ফল জানুন

ভোটের আবহের মধ্যেই উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশের দিন ঘোষণা করল উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। বুধবার জানানো হয়েছে, আগামী ১৪ মে প্রকাশিত হবে ফল। ওই দিন সকাল সাড়ে দশটায় সাংবাদিক বৈঠকের মাধ্যমে ফল ঘোষণা করা হবে।সংসদের তরফে জানানো হয়েছে, সল্টলেকের বিদ্যাসাগর ভবনে এই সাংবাদিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। ফল ঘোষণার আধ ঘণ্টা পর, অর্থাৎ সকাল ১১টা থেকে পরীক্ষার্থীরা অনলাইনে নিজেদের ফল জানতে পারবেন। তবে কোন কোন ওয়েবসাইটে ফল দেখা যাবে, তা এখনও স্পষ্ট করে জানানো হয়নি। পরে সংসদের তরফে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে বলে খবর।প্রতি বছরের মতো এবারও পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ফল প্রকাশ নিয়ে উৎসাহ তুঙ্গে। ভোটের আবহের মধ্যেই এই ঘোষণা আসায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাড়তি উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এখন সবার নজর ১৪ মে-র দিকে।

এপ্রিল ২২, ২০২৬
রাজ্য

কলকাতায় দুর্গাপুজোর উদ্বোধনে ২০২৬-এ সোনার বাংলা গড়ার ডাক অমিত শাহর, গেলেন মমতার পাড়ায়

ফের সোনার বাংলা গড়ার ডাক দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ। এদিন কলকাতায় দুর্গাপুজো উদ্বোধনের পাশাপাশি, কালীঘাটে পুজো দেন অমিত শাহ। অমিত শাহ বলেন, আমাদের এই নবরাত্রিতে পূজা মহোৎসব শুধু পশ্চিমবঙ্গ বা ভারতেই নয় সমগ্র বিশ্বে প্রসিদ্ধ। বাংলার এই মহান পরম্পরাকে সমগ্র বিশ্ব স্বীকারও করেছে দেখেওছে।বক্তব্য রাখতে গুয়ে সোনার বাংলা গড়ার ডাক দেন অমিত শাহ। তিনি বলেন, আমি এই প্যান্ডেল এ কিছুক্ষণ আগেই মায়ের পুজো করে এসেছি। আমি মায়ের কাছে প্রার্থনা করেছি, নির্বাচনের পর এই বাংলায় এমন একটি সরকার আসুক যেটি সোনার বাংলার নির্মাণ করতে পারে। আমাদের বাংলা পুনরায় সুরক্ষিত, সমৃদ্ধ, শান্ত, সুজলা, সুফলা হোক। এখানে কবিগুরুর কল্পনার বাংলার নির্মাণ যাতে আমরা করতে পারি। আজ মহান শিক্ষাবিদ এবং সমাজ সংস্কারক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মহাশয়ের জয়ন্তী। তিনি কেবলমাত্র বাংলা নয় বরং সারা দেশ যখন পরাধীন ছিল তখন শিক্ষার জন্য যা করেছিলেন তা কেউ ভুলতে পারবেন না। বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি, ব্যাকরণ তথা মহিলাদের শিক্ষার জন্য তিনি নিজের সমগ্র জীবন সমর্পিত করেছেন। আমি হৃদয়পূর্বক নিজের তরফ থেকে তথা ভারতীয় জনতা পার্টি এর তরফ থেকে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এর চরণে প্রণাম জানাই।এদিন অমিত শাহর ভাষনে ভারী বর্ষার কথাও উঠে আসে। তিনি বলেন, দুর্গাপুজোর আগে এখানে ভারী বর্ষণ হয়েছে। তার জেরে ১০ জনেরও বেশি মানুষের প্রাণ গিয়েছে। আমি তাঁদের সকলের পরিবারকে সমবেদনা জানাই। আমি তাঁদেরও শ্রদ্ধাঞ্জলি দিতে চাই। এই পুজো আমাদের শুভের দিকে নিয়ে যাক, বাংলার বিকাশের মাধ্যমে বিকশিত ভারতের স্বপ্ন যা দেখেছেন আমাদের নেতা নরেন্দ্র মোদী তা সিদ্ধ যেন করতে পারি। বাংলার মানুষকে দুর্গাপুজোর শুভেচ্ছা জানাই।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৫
রাজনীতি

অভিষেক কিসের জবাব চাইলেন অমিত শাহর কাছে? বিদ্যাসাগর প্রসঙ্গেও কটাক্ষ বিজেপিকে

কলকাতায় দুর্গাপুজো উদ্বোধন করতে এসেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ। আজ, বিদ্যাসাগরের জন্মদিন। এদিন বিদ্যাসাগর কলেজে মনীষীর মূর্তিতে মাল্যদানের পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে এক হাত নেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিষেক বলোন, আমার অত্যন্ত খারাপ লেগেছে, কারণ কেউ (অমিত শাহ) যিনি মাত্র ১০ মিনিট দূরে একটি পুজো প্যান্ডেল উদ্বোধন করতে এসেছিলেন, এতটুকু বিবেকবোধ নেই যে, আজ বিদ্যাসাগরের ২০৫তম জন্মজয়ন্তী। তাঁর মনেও হয়নি বিদ্যাসাগরের বাড়ি বা বিদ্যাসাগর কলেজে এসে শ্রদ্ধা জানানোর। একারণেই আমরা বলি ওরা বাংলা-বিরোধী। মানুষ আগেও দেখেছে, আগামীতে আবারও দেখবে।নানা ভাবে বাংলার মনীষীদের অপমান করা হয়েছে বলে তোপ দেগেছেন অভিষেক। তিনি বলোন, আমাদের রাজনৈতিক লড়াই চলতে থাকবে, কিন্তু বাংলার মনীষীদের যেভাবে অপমান করা হয়েছিল, তা ভোলা যাবে না। ওরা জানে না রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোথায় জন্মেছিলেন। ওরা পঞ্চানন বর্মার নামও ভুল উচ্চারণ করে। ওরা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, রাজা রামমোহন রায় বা ক্ষুদিরাম বসুর অবদান সম্পর্কেও অজ্ঞ। আমাদের সংস্কৃতি নিয়ে ওদের থেকে শেখার দরকার নেই।দুর্গাপুজো নিয়েও বিজেপি দ্বিচারিতা করছে বলে মন্তব্য করেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড। তিনি বলেন, আজ যিনি দুর্গাপুজোর প্যান্ডেল উদ্বোধন করছেন, তিনিই পাঁচ বছর আগে বলেছিলেন বাংলায় কোনও দুর্গাপুজো হয় না। আজ সেই দুর্গাপূজা ইউনেস্কোর ইনট্যাঞ্জিবল কালচারাল হেরিটেজ স্বীকৃতি পেয়েছে। বিজেপি-শাসিত কোনও রাজ্যের উৎসব বা উদযাপন এধরনের স্বীকৃতি পায়নি। আমাদের কন্যাশ্রীও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে। ওদের আমাদের বাংলার থেকে শেখা উচিত।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর মন্তব্যের জবাবে অভিষেকের বক্তব্য, ওদের আগে প্রশ্ন করুন: বাংলার প্রাপ্য ২ লক্ষ কোটি টাকা কবে ছাড়বে? কেন এই টাকা আটকে রাখা হয়েছে? যদি বলে আমরা মিথ্যা বলছি, তবে তারা চ্যানেল ও সময় বেছে নিক। আমি নথি-প্রমাণ নিয়ে হাজির হব, এমনকি তাদের নিজেদের চ্যানেল হলেও। বাংলার টাকা আটকে রাখা হয়েছে কোন অধিকারে?অভিষেক বলেন, আমার প্রশ্ন, কেন উনি সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার থেকে এখানে আসলেন না? গাড়িতে ১০ মিনিটের রাস্তা। কারণ, উনি বাংলা-বিরোধী। বাংলার প্রতি শ্রদ্ধা দেখাতে অস্বীকার করে। বাংলার বিপ্লবীরা ব্রিটিশদের হারিয়েছিল, বিজেপি কোন ছাড়? বাংলার মানুষের দৃঢ়তার সামনে ওরা কিছুই নয়।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৫
রাজ্য

উচ্চ মাধ্যমিকে রাজ্যে প্রথম বর্ধমানের রুপায়ন পাল, জয়জয়কার পূর্ব বর্ধমানের

ভারতীয় সেনাারা অপারেশন সিঁদুরের মাধ্যমে গুড়িয়ে দিয়েছে ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি। মঙ্গলবার ভোররাতের ওই ঘটনায় বেজায় খশি এবছর উচ্চ মাধ্যমিকে রাজ্যে প্রথম স্থান পাওয়া বর্ধমান সিএমএস হাই স্কুলের ছাত্র রুপায়ন পাল। তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৭ (৯৯.৪ শতাংশ)। বুধবার ফল প্রকাশের পর কৃতী ছাত্র রুপায়ন সাংবাদিকদের বলে, ভারতীয় সেনারা যে প্রত্যাঘাত করেছে সেটা যথেষ্টই প্রশংসনীয়। প্রত্যেক ভারতীয় জন্য এটা গর্বের। উচ্চ মাধ্যমিকের মেধা তালিকায় স্থান করে নিয়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলার আরও ছয় কৃতী ছাত্র ছাত্রী।রুপায়ন পালেদের আদি বাড়ি ভাতারের খেড়ুর গ্রামে। তবে এখন তাঁরা থাকেন বর্ধমান শহরের সুভাষপল্লী কালীতলায়। রূপায়ণের বাবা রবীন্দ্রনাথ পাল জামালপুর থানার জৌগ্রাম হাই স্কুলের শিক্ষক। মা জয়শ্রী পাল ভাতারের ভাটাকুল স্বর্ণময়ী হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষিকা।রুপায়ন জানিয়েছে, মাধ্যমিকের মেধা তালিকায় আমি পঞ্চম স্থানে ছিলাম।উচ্চ-মাধ্যমিক পরীক্ষা ভাল হলেও মেধা তালিকার একেবারে প্রথম স্থানে আমি থাকব, এতটা আমি আশা করিনি।রুপায়ন জানিয়েছে, তাঁর এই সাফল্যের পিছনে সবথেকে বড় অবদান রয়েছে তাঁর বাবা ও মায়ের।পাঠ্য পুস্তক পড়ার পাশাপাশি গল্পের বই পড়ার প্রতিও যথেষ্ট ঝোকঁ রয়েছে রুপায়নের। তাঁর প্রিয় লেখক শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রিয় চরিত্র ব্যোমকেশ। উচ্চ মাধ্যমিকে ভাল ফল করার জন্য দৈনিক ১২-১৩ ঘন্টা পড়াশুনা করেছে রুপায়ন। কৃতী এই ছাত্র ডাক্তার হতে চায়। তার জন্য সে জয়েন্ট পরীক্ষাও দিয়েছে বলে জানিয়েছে। ডাক্তার হতে চাওয়ার কারণ ব্যাখ্যাও করেছে রুপায়ন।তবে শুধু রুপায়ন পালই নয়, মাধ্যমিকের মতই উচ্চ মাধ্যমিকের মেধা তালিকাতে পূর্ব বর্ধমান জেলার একাধীক স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা জায়গা করে নিয়েছে। মেধা তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছে জেলার কাটোয়া কাশীরাম দাস ইনস্টিটিউশনের ছাত্র ঋদ্ধিত পাল এবং ভাতার এম পি হাইস্কুলের ছাত্র কুন্তল চৌধুরী। তাঁদের প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৩ (৯৮.৬ শতাংশ)। এছাড়াও ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে কাটোয়া ডি ডি সি গার্লস হাই স্কুলের ছাত্রী দেবদত্তা মাঝি ও মেমারির ভি এম ইনস্টিটিউশন (শাখা ১) এর ছাত্র জয়দীপ পাল। তাঁদের প্রাপ্ত নম্বর-৪৯২ (৯৮.৪ শতাংশ)। ২০২৩ সালে মাধ্যমিক পরীক্ষায় দেবদত্তা ৭০০ নম্বরে মাধ্যম ৬৯৭ নম্বর পেয়ে রাজ্যে প্রথম হয়েছিল।ইতিমধ্যেই এবছর জয়েন্ট এন্ট্রান্সের (JEE মেন) প্রথম সেশনের পর দ্বিতীয় সেশনেও ১০০-য় ১০০ পেয়ে প্রথম স্থান অধিকার করেছে কাটোয়ার দেবদত্তা মাঝি। এবছরের উচ্চ মাধ্যমিকের মেধা তালিকার সপ্তম স্থানে এবং দশম স্থানে জায়গা করে নিয়েছে বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুলে দুই কৃতী ছাত্র শুভম পাল ও অর্ক বন্দ্যোপাধ্যায়। সপ্তম স্থানাধিকারী শুভমের প্রাপ্ত নম্বর - ৪৯১ (৯৮.২ শতাংশ)। আর দশম স্থান থাকা অর্ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রাপ্ত নম্বর ৪৮৮ (৯৭.৬ শতাংশ)।

মে ০৭, ২০২৫
রাজ্য

উত্তরপ্রদেশের হাতরস ফের শিরোনামে, এবার পদপিষ্টে ৫০ জনের মৃত্য়ুর আশঙ্কা

আবার খবরের শিরোনামে উত্তরপ্রদেশের হাথরস। চার বছর আগে এই হাথরসেই এক দলিত নাবালিকার গণধর্ষণে মৃত্যুর ঘটনায় উত্তাল হয়েছিল সারা দেশ দেশ। এবার যোগী রাজ্যের এই শহরে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হল অন্তত ৫০ জনের। গোটা ঘটনায় প্রশ্নের মুখে উত্তরপ্রদেশের প্রশাসনের ভূমিকা।সূত্রে খবর, হাথরসের মুঘলগড়ি গ্রামে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। এটাওয়ার পুলিশ সুপার রাজেশ কুমার সিং জানিয়েছেন, হতাহতদের স্থানীয় হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহতদের চিকিৎসা চলছে। মৃতদের দেহ শনাক্তকরণের কাজ চলছে।জানা গিয়েছে, ধর্মীয় অনুষ্ঠান শেষ হতেই চরম বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। বিপুল সংখ্যক ভক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। হুড়োহুড়ির ফলে অনেকে মাটিতে পড়ে যান, তাতেই পদপিষ্টের ঘটনা ঘটে। নিহতের মধ্যে বহু মহিলা এবং বেশ কয়েকটি শিশুও রয়েছে। কীভাবে কেন এই ঘটনা ঘটল তা তদন্ত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার। জানা গিয়েছে, ধর্মীয় অনুষ্ঠানে শিবকথা চলছিল। তা শেষ হতেই হলের ছোট দরজা দিয়ে সবাই একসঙ্গে বেরনোর চেষ্টা করেন। তাতেই ঘটে বিপত্তি। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা। আহতদের মধ্যে অনেকেই আশঙ্কাজনক। তাঁদের চিকিৎসা চলছে। পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, পুরো ঘটনার বিবরণ জানানো হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে। ইতিমধ্যেই একটি তদন্ত কমিটি গঠন করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

জুলাই ০২, ২০২৪
শিক্ষা

উচ্চমাধ্যমিকে প্রথম আলিপুরদুয়ারের অভীক, রাজ্যে মেয়েদের মধ্যে প্রথম হুগলির স্নেহা

প্রকাশিত হল উচ্চ মাধ্যমিকের রেজাল্ট। এবার ১৫টা জেলা থেকে ৫৮ জন প্রথম দশে স্থান পেয়েছে। হুগলিতে ১৩ জন, বাঁকুড়াতে ৯ দক্ষিণ ২৪ পরগানায় ৭, কলকাতায় ৫, পূর্ব বর্ধমান ও পূর্ব মেদিনীপুরের ৪ জন করে আছেন প্রথম দশে। উচ্চমাধ্যমিকে প্রথম হয়েছেন আলিপুরদুয়ারের অভীক দাস। পেয়েছেন ৪৯৬ অর্থাৎ ৯৯.২ শতাংশ। দ্বিতীয় সৌম্যদীপ সাহা ৪৯৫ নরেন্দ্রপুর হাইস্কুলের ছাত্র। ৪৯৪ পেয়ে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছেন অভিষেক গুপ্ত। রামকৃষ্ণ মিশন হাইস্কুল, মালদার ছাত্র অভিষেক। চতুর্থ প্রতীচি ও স্নেহা ঘোষ হুগলি থেকে। নম্বর ৫৯৩। মেয়েদের মধ্যে প্রথম স্নেহা। এবার পঞ্চম হয়েছেন ৭ জন। তাঁরা ৪৯২ পেয়েছেন।

মে ০৮, ২০২৪
শিক্ষা

২০২৬ সাল থেকে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা পদ্ধতিতে আমূল পরিবর্তন

সম্পূর্ণ পরিবর্তন হতে চলেছে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার পদ্ধতি। শুধু মাধ্যমিক বা উচ্চমাধ্যমিকের শিক্ষা বাবস্থাতেই নয়, রাজ্যের সমস্ত রকমের শিক্ষা ব্যাবস্থার ক্ষেত্রেই পরিবর্তন আনতে উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার। আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকেই এই নতুন পরীক্ষা পদ্ধতি চালু হবে বলে জানিয়েছেন উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। এবার যারা মাধ্যমিক পাশ করে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি হবে, তারা এই নতুন নিয়ম অনুসারে ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দেবে। তবে এখন যারা একাদশ শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণীতে উঠছে, তারা অবশ্য ২০২৫ সালের নির্ধারিত পরীক্ষার সূচি অনুযায়ী উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দেবে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, একাদশ শ্রেণীতে হবে দুটি সেমিস্টার এবং দ্বাদশ শ্রেণীতে হবে দুটি সেমিস্টার। দুবছরে মোট চারটে সেমিস্টারে পরীক্ষা হবে। বুধবার বিকেলে এমনই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা পরিষদ। কিছুদিন আগে এক সংবাদ মাধ্যমে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু জানিয়েছিলেন, ২০২৪ সালেই উচ্চমাধ্যমিকের সিলেবাসের পরিবর্তন করে সেমিস্টার পদ্ধতি চালু হতে পারে। এবিষয়ে তাঁরা দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবেন, যার ফলে যারা এবছর মাধ্যমিক পরীক্ষা দিল তারা একাদশ শ্রেণীর পড়াশোনা শুরু করতে পারছিল না। নতুন সিলেবাসে সম্পর্কে জানতে চাইছেন পড়ুয়া এবং তাদের অভিভাবকেরা। উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা পরিষদের সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্যবলেন, দ্বাদশ শ্রেণীতে যে দুটি সেমিস্টার হবে তার প্রথমটি হবে নভেম্বরে, দ্বিতীয়টি হবে মার্চে। প্রথম পরীক্ষাটি হবে শুধু মাল্টিপল চয়েস নির্বাচনী প্রশ্ন বা এমসিকিউ এর উপর এবং দ্বিতীয় পরীক্ষাটিতে সবিস্তার উত্তর লিখতে হবে। পরীক্ষাগুলির নম্বর বিভাজন সম্পর্কে এখনো কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি শিক্ষা দপ্তর থেকে। শিক্ষক সংগঠনগুলি অনেকেই মনে করেছেন এই জাতীয়নীতির অনুসরণে পুড়ুয়াদের ক্ষতি হবে। উচ্চমাধ্যমিকের পর উচ্চতর ডিগ্রির জন্য প্রবেশিকা পরীক্ষার জন্য সামগ্রিক পাঠ্যক্রম জানা জরুরি। তবে পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের মতে, দুটি ভাগে পরীক্ষা হলে পড়ুয়াদের কাছে উচ্চমাধ্যমিকের মূল্যায়ন আরো নিখুঁত হবে। একটি সেমিস্টারে খারাপ ফল হলে পরবর্তী পরীক্ষায় সেই ভুল শুধরে নেয়ার একটা সুযোগ থাকবে। আরো বলেছেন, সেমিস্টারের সিলেবাসে এমনভাবে করা হবে যাতে পুড়ুয়াদের উচ্চশিক্ষায় কোনো ক্ষতি না হয়।

মার্চ ১৪, ২০২৪
রাজ্য

উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের অন্যতম পান্ডা গ্রেপ্তার।

বিধান নগর সাইবার থানার পুলিশ থাকে নদীয়া থেকে গ্রেপ্তার করলো উচ্চ মাধ্যমিকের প্রশ্ন ফাঁস চক্রের অন্যতম পান্ডাকে। ১৮ ফেব্রুয়ারি বিধান নগর সাইবার থানায় উচ্চ মাধ্যমিক কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তার অভিযোগ অনুযায়ী একটি চক্র সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্যবহার করে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদেরকে বিভ্রান্ত করছে। অভিযোগে কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আরও দাবি করেন, ওই চক্রটি উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদেরকে ওই সোশ্যাল মিডিয়ায় জানায় উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তারা দিতে পারবেন অর্থের বিনিময়ে।এই অভিযোগ পাওয়ার পরই তদন্ত শুরু করে বিধাননগর সাইবার পুলিশ। প্রাথমিকভাবে তারা দুটি ব্যাংক একাউন্টকে আইডেন্টিফাই করে। যার মধ্যে একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ছিল পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংকে। সেই অ্যাকাউন্টটি ছিল নদীয়ার বাসিন্দা প্রীতি শর্মার নামে। এরপরই বিধাননগর সাইবার থানার পুলিশ যোগাযোগ করে প্রীতি শর্মার সাথে। তিনি পুলিশকে জানায়, তার এটিএম কার্ডটি তার বন্ধু রুপম সাধুখা তার কাছ থেকে জোর করে নিয়ে গেছে। তিনি পুলিশকে আরও জানায় যে তিনিও ব্যাংকের থেকে পাঠানো এসএমএস মারফত জানতে পারেন, তার ব্যাংক একাউন্টে বেশ কিছু আর্থিক লেনদেন হয়েছে যেগুলো সে করেনি।এরপরই বিধান নগর সাইবার থানার পুলিশ নদীয়া থেকে গ্রেপ্তার করে রুপম সাধুখাকে। পুলিশ সূত্রে খবর, আদালতে পেশ করে ধৃত রূপমকে নিজেদের হেফাজতে নিতে চাইবে বিধান নগর সাইবার থানার পুলিশ। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত অন্যদেরও খোঁজ পেতে চায় পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৪
শিক্ষা

উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা পদ্ধতিতে ব্যাপক পরিবর্তন, বদল ঘটবে প্রশ্নের ধাঁচেও

বদলে যাচ্ছে রাজ্যের উচ্চ মাধ্যমিকের পরীক্ষা পদ্ধতি। আগামী ২০২৪ সালের একাদশ শ্রেণিতে যেসব পড়ুয়া ভর্তি হবে তারাই নয়া পদ্ধতিতে প্রথম পরীক্ষা দেবে।এবার পড়াশুনার পদ্ধতি বদলে যাচ্ছে উচ্চ মাধ্যমিকে। সেমিস্টার পদ্ধতি শুরু হতে চলেছে। একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষায় সেমেস্টার পদ্ধতি চালু করতে চলেছে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। ২০২৪ শিক্ষাবর্ষে যে সব পড়ুয়া একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হবে, সেই সব পড়ুয়ারা এই নয়া নিয়মের আওতায় পড়বে। সেমেস্টার পদ্ধতিতে মূল্যায়নের প্রথম ফলাফল ঘোষণা হবে ২০২৬ সালে। ২০২১ সালে উচ্চ মাধ্যমিকের মূল্যায়ন সেমেস্টার পদ্ধতিতে করার প্রস্তাব রাজ্যকে দিয়েছিল সংসদ। গত সোমবার সংসদের প্রস্তাবেই অনুমোদন দিয়েছে রাজ্য মন্ত্রিসভা।সংসদ সূত্রে খবর, একাদশ শ্রেণিতে দুটি এবং দ্বাদশ শ্রেণিতে দুটি সেমেস্টার হবে। ২০২৪ সালে যেসব পড়ুয়া একাদশে ভর্তি হবে তারা নভেম্বরে প্রথম সেমেস্টারে বসবে। একাদশ শ্রেণির দ্বিতীয় তথা শেষ সেমেস্টার হবে ২০২৫ সালের মার্চে। ওই বছর নভেম্বরে হবে দ্বাদশ শ্রেণির প্রথম সেমেস্টার। ২০২৬ সালের মার্চে হবে দ্বাদশ শ্রেণির দ্বিতীয় সেমেস্টার।দ্বাদশ শ্রেণির দুটো সেমেস্টারের উপর মূল্যায়ন করে উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফল ঘোষণা করা হবে। প্রশ্ন পত্রেও আসবে পরিবর্তন। নভেম্বর মাসে দ্বাদশ শ্রেণির প্রথম সেমেস্টারে প্রশ্ন হবে এমসিকিউ ধরণের। অর্থাৎ ওএমআর শিটে উত্তর লিখতে হবে পড়ুয়াদের। আপাতত এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। দ্বাদশের দ্বিতীয় সেমেস্টারে পড়ুয়াদের বিষয়ের উপর ছোট, বড় মিলিয়ে প্রশ্নের উত্তর লিখতে হবে। তবে প্র্যাকটিকাল পরীক্ষা একটাই হবে। সেমেস্টার অনুয়ায়ী প্র্যাকটিকাল পরীক্ষা ভাগ হবে না।সংসদ সূত্রে খবর, সর্বভারতীয় স্তরে প্রায় সব পরীক্ষাই ওএমআর শিটে দিতে হয়। তাই বাংলার পড়ুয়াদেট সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে অভ্যস্ত করতেই ওএমআর ফরম্যাটে পরীক্ষার এই আয়োজন।

আগস্ট ০৯, ২০২৩
শিক্ষা

উচ্চমাধ্যমিকে জয়জয়কার নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের, পাশের হারে এগিয়ে পূর্ব মেদিনীপুর

এবার উচ্চমাধ্যমিকেও পাশের হারে প্রথম স্থান পূর্ব মেদিনীপুরের। প্রথম দশে মেধা তালিকায় ঠাঁই পেয়েছে মোট ৮৭ জন। তার মধ্যে হুগলি জেলারই ১৮ জন। এর পাশাপাশি নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন স্কুল তাক লাগানো ফল করেছে। মেধা তালিকায় প্রথম স্থানাধিকারী শুভ্রাংশু সর্দার দক্ষিণ ২৪ পরগনার এই স্কুলেরই ছাত্র। ওই তালিকায় নাম রয়েছে নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের আরও ৮ জন পড়ুয়ার। উচ্চমাধ্যমিকে ৪৯৫ নম্বর পেয়ে যুগ্মভাবে দ্বিতীয় হয়েছেন বাঁকুড়ার সুষমা খান ও উত্তর দিনাজপুরের আবু সামা।গড়পড়তা নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্ররা বরাবরই ভাল রেজাল্ট করে। এবারের ফল আরও নজরকাড়া। ছাত্রদের সাফল্যে খুশি শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীরা। স্কুলের প্রধান শিক্ষক স্বামী ইষ্টেশানন্দ বলেন, স্কুলের ছাত্রদের এই সাফল্য খুবই আনন্দের খবর। আমরা আশা করেছিলাম যে ২০১৫ সালের পর ফের এবার হয়তো মেধা তালিকায় আমাদের কোনও ছাত্রের নাম দেখা যাবে। শুভ্রাংশু ভাল ফল করবে তা প্রত্যাশিতই ছিল। তবে উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথম স্থানে আসবে তা আমরা বুঝতে পারিনি। প্রথম দশে আমাদের স্কুলের ৯ জন ছাত্র আছে। আমরা গর্বিত।নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের কোন কোন ছাত্র মেধা তালিয়ায় কোন স্থান পেয়েছে-প্রথম- শুভ্রাংশু সরদার ( নম্বর ৪৯৬)চতুর্থ- নরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় ( নম্বর ৪৯৩)ষষ্ঠ- অর্কদীপ ঘরা (নম্বর ৪৯১)সপ্তম- বিতান শাসমল ( নম্বর ৪৯০)সপ্তম- অর্ক ঘোষ ( নম্বর ৪৯০)সপ্তম- অভিরূপ পাল ( নম্বর ৪৯০)অষ্টম- সৈয়দ সাকলাইন কবীর ( নম্বর ৪৮৯)নবম- সায়ন সাহা ( নম্বর ৪৮৮)নবম- অর্কপ্রতিম দে ( নম্বর ৪৮৮)

মে ২৪, ২০২৩
রাজ্য

ময়ুরাক্ষীতে স্নান করতে গিয়ে তলিয়ে গেল দুর্গাপুরের এক বেসরকারি সংস্থার দুই কর্মী

বনভোজনে গিয়েই বড়সড় দুর্ঘটনার কবলে পড়ল দুই যুবক। শনিবার বীরভূমের সাঁইথিয়া দেরিয়াপুর গ্রামের লিচুবাগান এলাকায় পাঁচ যুবক বনভোজনে গিয়েছিলেন। বর্ষায় টইটুম্বুর নদীতে স্নান করতে নেমেই ঘটে বিপদ। দুজন যুবক তলিয়ে যায় নদীতে। গতকাল থেকে নিখোঁজদের সন্ধান চলছে। স্থানীয়দের বক্তব্য, নদী থেকে অবৈজ্ঞানিক ভাবে বালি তোলার জন্য বিভিন্ন জাগায় গভীর খাদের সৃষ্টি হয়েছে। তার জন্য বিপদের সম্ভাবনা রয়েছে।জানা গিয়েছে, তাঁরা দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি সংস্থার কর্মী। শনিবার বন্ধুরা একসঙ্গে সময় কাটাতে গিয়েছিল বীরভূমের সাঁইথিয়া দেরিয়াপুর গ্রামের লিচুবাগান এলাকায়। সূত্রের খবর, পাঁচ জন বন্ধুর মধ্যে এক জন নদীতে স্নান করতে নেমেছিলেন। আচমকাই তিনি তলিয়ে যান। তারপর তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে নদীতে ঝাঁপ দেন আরেক বন্ধু। তিনিও তলিয়ে যান নদীতে। জানা গিয়েছে, তলিয়ে যাওয়া ওই দুই যুবকের নাম শুভম দাস এবং শুভেন্দু হাজরা। সিউড়ির বাসিন্দা শুভম এবং শুভেন্দু থাকে বর্ধমানের মেমারিতে। প্রশাসন নিখোঁজ যুবকদের খোঁজে স্পিড বোট নামিয়েছে।

আগস্ট ২৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

আজ পঞ্চভূজের স্পেশাল স্ক্রিনিং, তার আগে অভিষেকের নামে বিশেষ তারা

রানা বন্দ্যোপাধ্যায় পরিচালিত সৌমেন চট্টোপাধ্যায়ের প্রযোজনায়, শ্রী দে লা আর্ট-এর উপস্থাপনায় মুক্তি পেয়েছে অভিষেক চট্টোপাধ্যায়ের শেষ ছবি পঞ্চভূজ। এই ছবিরই আজ স্পেশাল স্ক্রিনিং হবে নিউটাউনের নজরুল তীর্থে। উপস্থিত থাকবেন ছবি পরিচালক, প্রযোজক, অভিষেক চট্টোপাধ্যায়ের স্ত্রী সংযুক্তা চট্টোপাধ্যায়, কন্যা সায়না চট্টোপাধ্যায় (ডল) সহ অন্যান্যরা।ছবিটি নিয়ে অভিষেক চট্টোপাধ্যায়ের কন্যা জানিয়েছেন, আমার বাবার শেষ ছবি পঞ্চভূজ। সবাই প্লিজ হলে গিয়ে দেখুন।এদিকে প্রযোজক সৌমেন চট্টোপাধ্যায় অভিষেক চট্টোপাধ্যায়ের নামে একটি তারার নামকরণ করেছেন। কোনো বাঙালি অভিনেতাকে এইভাবে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানানো এটাই প্রথম। নিজের নামে একটি তারার নামকরণের আবেদন করেছিলেন অভিষেকই। প্রয়াত অভিনেতার অনুরোধ রেখেছেন তিনি। মোনোসেরস বা ইউনিকর্ন নক্ষত্রপুঞ্জের একটি তারার নামকরণ করা হয়েছে অভিষেক চট্টোপাধ্যায়। তারাটির ম্যাগনিউটিউড ১৬.৪৪ ম্যাগ। গত ১৭ এপ্রিল তারাটির নামকরণ করা হয়েছে। তারাটি সাইনা এবং সংযুক্তার জন্য জ্বলছে বলেও সোসাইটির তথ্য থেকে জানা গেছে।

জুন ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মহসীনের দাপটে আবার জয় লখনউ–র, এগিয়ে গেল প্লে অফের দিকে

আবার জ্বলে উঠলেন মহসীন খান। ১৬ রানে ৪ উইকেট তুলে নিলেন এই বাঁহাতি জোরে বোলার। তাঁর দুরন্ত বোলিংয়ের ওপর ভর করে দিল্লি ক্যাপিটালসকে ৬ রানে হারাল লখনউ সুপার জায়ান্টস। একই সঙ্গে ১০ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট সংগ্রহ করে প্লে অফের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে গেল লোকেশ রাহুলের দল। এদিন টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন লখনউ সুপার জায়ান্টস অধিনায়ক লোকেশ রাহুল। দারুণ শুরু করেছিলেন কুইন্টন ডিকক ও রাহুল। ওপেনিং জুটিতে ৪.১ ওভারে ওঠে ৪২। এরপরই ধাক্কা। শার্দূল ঠাকুর এসে ডিকককে তুলে নেন। ১৩ বলে ২৩ রান করে আউট হন ডিকক। এরপর দিল্লি ক্যাপিটালসের বোলারদের আর কোনও সুযোগ দেনন লোকেশ রাহুল ও দীপক হুডা। লখনউর এই দুই ব্যাটারই দারুণ ছন্দে রয়েছেন। বিশেষ করে লোকেশ রাহুলের কথা বলতেই হবে। রাহুল ও দীপক দুজনে মিলে জুটিতে তোলেন ৯৫। জুটি ভাঙার জন্য সেই শার্দূল ঠাকুরকেই দায়িত্ব নিতে হয়। নিজের বলেই ক্যাচ ধরে দীপক হুডাকে ফেরান শার্দূল। ৩৪ বলে ৫২ রান করেন হুডা। হুডা আউট হলেও দলকে টেনে নিয়ে যান লোকেশ রাহুল। অধিনায়কোচিত ইনিংস খেলে ৫১ বলে ৭৭ রান করে তিনি শেষ পর্যন্ত আউট হন। ১৬ বলে ১৭ রান করে অপরাজিত থাকেন মার্কাস স্টয়নিস। ২০ ওভারে ৩ উইকেটে ১৯৫ রান তোলে লখনউ। দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে তিনটি উইকেটই নেন শার্দূল ঠাকুর। জয়ের জন্য সামনে ১৯৬ রানের লক্ষ্য। এই ধরণের লক্ষ্যে পৌঁছতে গেলে শুরুটা ভাল হওয়া জরুরি। সেটাই করতে পারেনি দিল্লি ক্যাপিটালস। পৃথ্বী শর ব্যাটে ধারাবাহিকতার অভাব। এজিন মাত্র ৫ রান করে আউট হন। তাঁকে তুলে নেন দুষ্মন্ত চামিরা। ডেভিড ওয়ার্নারও এদিন নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। ৪ বলে ৩ রান করে মহসীন খানের বলে আয়ূশ বাদোনির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ৩ ওভারের মধ্যে ১৩ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় দিল্লি ক্যাপিটালস। মিচেল মার্শ পাল্টা আক্রমণ শানিয়ে চাপ কাটানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু তিনিও বেশিক্ষণ ক্রিজে স্থায়ী হননি। ২০ বলে ৩৭ রান করে তিনি কৃষ্ণাপ্পা গৌতমের বলে তিনি আউট হন। ঋষভ পন্থকে (৩০ বলে ৪৪) তুলে নেন মহসীন খান। ললিত যাদব (৩) রান পাননি। রভম্যান পাওয়েল ২১ বলে করেন ৩৫। তিনি মহসীন খানের শিকার। শার্দূল ঠাকুরকেও (১) তুলে নেন মহসীন। শেষ দিকে জয়ের আশা জাগিয়েছিলেন অক্ষর প্যাটেল (২৪ বলে অপরাজিত ৪২) ও কুলদীপ যাদব (৮ বলে অপরাজিত ১৬)। কিন্তু দলকে জয় এনে দিতে পারেননি। ২০ ওভারে ১৮৯/৭ তোলে দিল্লি। দুরন্ত বোলিং করে ৪ ওভারে ১৬ রান দিয়ে ৪ উইকেট তুলে নেন মহসীন খান।

মে ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মহসীন–ক্রূণালদের দুরন্ত বোলিং জয় এনে দিল লখনউ সুপার জায়ান্টসকে

দুর্দান্ত বোলিং করে লখনউ সুপার জায়ান্টসকে কম রানে বেঁধে রেখেছিলেন কাগিসো রাবাডারা। কিন্তু দলের বোলারদের প্রয়াস কাজে লাগল না ব্যাটারদের ব্যর্থতায়। কম রানের পুঁজি নিয়েও পাঞ্জাব কিংসকে ২০ রানে হারিয়ে লিগ টেবিলে তিন নম্বরে উঠে এল লখনউ সুপার জায়ান্টস। একই সঙ্গে প্লে অফের সম্ভাবনা জোরালো করল লোকেশ রাহুলের দল। মহসীন খান, দুষ্মন্ত চামিরা, ক্রূণাল পান্ডিয়াদের দুরন্ত বোলিং জয় এনে দিল লখনউকে। লখনউর ১৫৩/৮ রানের জবাবে ১৩৩/৮ রানে থেমে গেল পাঞ্জাব।জয়ের জন্য ১৫৪ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে ভালোই শুরু করেছিল পাঞ্জাব কিংস। ৪.৩ ওভারে তুলে ফেলে ৩৫। পঞ্চম ওভারের চতুর্থ বলে পাঞ্জাব কিংসকে প্রথম ধাক্কা দেন দুষ্মন্ত চামিরা। তুলে নেন অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে। ১৭ বলে ২৫ রান করে লোকেশ রাহুলের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন মায়াঙ্ক। পরের ওভারেই ফর্মে থাকা শিখর ধাওয়ানকে (১৫ বলে ৫) তুলে নেন রবি বিষ্ণোই। চার নম্বরে নামা ভানুকা রাজাপক্ষে এদিন সুবিধা করতে পারেননি। ৭ বলে মাত্র ৯ রান করে তিনি ক্রূণাল পান্ডিয়ার বলে লোকেশ রাহুলের হাতে ক্যাচ দেন। ৮ ওভারের মধ্যেই ৫৮ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় পাঞ্জাব কিংস। জনি বেয়ারস্টো ও লিয়াম লিভিংস্টোন জুটি বেঁধে দলকে টানার চেষ্টা করছিলেন। যদিও জুটিটা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ত্রয়োদশ ওভারের প্রথম বলেই লিভিংস্টোনকে তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন মহসীন খান। পরের ওভারেই জিতেশ শর্মাকে (২ ) ফেরান ক্রূণাল পান্ডিয়া। জনি বেয়ারস্টো (২৮ বলে ৩২) ফিরতেই পাঞ্জাব কিংসের দেওয়াল লিখন পরিস্কার হয়ে যায়। ঋষি ধাওয়ানের লড়াই কাজে লাগেনি। ২২ বলে ২১ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। শেষ পর্যম্ত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৩৩ রানে থেমে যায় পাঞ্জাব কিংসের ইনিংস। দুরন্ত বোলিং করে ৪ ওভারে ১টি মেডেনসহ ২৪ রানে ৩ উইকেট নেন মহসীন খান। দুষ্মন্ত চামিরা (২/১৭), ক্রূণাল পান্ডিয়াও (২/১১) দুরন্ত বোলিং করে দলের জয়ে অবদান রাখেন। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে লখনউ সেভাবে সুবিধা করতে পারেনি। দুরন্ত ফর্মে থাকা অধিনায়ক লোকেশ রাহুল এদিন ব্যর্থ। তৃতীয় ওভারে কাগিসো রাবাডার পঞ্চম বলে দলের ১৩ রানের মাথায় লোকেশ রাহুল। ১১ বল খেলে ১টি চারের সাহায্যে মাত্র ৬ রান করেন তিনি। এরপর দলেকে টেনে নিয়ে যান কুইন্টন ডিকক (৩৭ বলে ৪৬) ও দীপক হুডা (২৮ বলে ৩৪)। জুটিতে দুজনে মিলে তোলেন ৮৫ রান। মার্কাস স্টইনিস (১), জেসন হোল্ডাররা (৮ বলে ১১) রান পাননি। ১০ বলে ১৭ রান করেন দুষ্মন্ত চামিরা। লখনউ ১৫০ রানের গন্ডি পার হয় মহসীন খানের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে। ১ করে চার ও ছয় মেরে ৬ বলে ১৩ রানে অপরাজিত থাকেন মহসীন। ৩৮ রানে ৪ উইকেট নেন রাবাডা।

এপ্রিল ২৯, ২০২২
রাজ্য

উপনির্বাচনের জন্য উচ্চ মাধ্যমিকের সময়সূচিতে ফের বদল

আসানসোল ও বালিগঞ্জে উপনির্বাচনের কারণে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার সময়সূচি ফের বদল করা হল। পরিবর্তিত সূচিতে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা হবে ২ থেকে ২৭ এপ্রিল। নির্বাচনের কারণে ৬ থেকে ১৫ এপ্রিলের মধ্যে উচ্চ মাধ্যমিকের কোনও পরীক্ষা থাকছে না।উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা নিয়ে বৃহস্পতিবার নবান্নে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু-সহ শিক্ষা দপ্তর ও প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একথা ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, ২ ও ৪ এপ্রিলে প্রথম ও দ্বিতীয় ভাষা এবং ৫ এপ্রিলের বৃত্তিমূলক পরীক্ষা পূর্ব নির্ধারিত সূচি মতই হচ্ছে কিন্তু ৫ তারিখ থেকে ১৫ তারিখের মধ্যে যেসব পরীক্ষা ছিল তা সবই ১৬ তারিখ থেকে হবে।উচ্চমাধ্যমিকের নতুন সূচি অনুযায়ী- ২ এপ্রিল প্রথম ভাষা, ৪ এপ্রিল দ্বিতীয় ভাষা, ৫ এপ্রিল ভোকেশনাল সাবজেক্ট, ১৬ এপ্রিল অঙ্ক, ১৮ এপ্রিল ইকনমিক্স, ১৯ এপ্রিল কমিউন্টার সায়েন্স গ্রুপ, ২০ এপ্রিল কমার্শিয়াল ল গ্রুপ , ২২ এপ্রিল পদার্থ বিদ্যা, ২৩ এপ্রিল স্ট্যাস্টিটিক্স, ২৬ এপ্রিল কেমিস্ট্রি, ২৭ এপ্রিল বায়োলজিক্যাল সায়েন্স গ্রুপের পরীক্ষা হবে। ৩০ এপ্রিল রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা হবে বলেও মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন।উচ্চ মাধ্যমিকের সময়সূচি বারবার বদলানোর জন্য পরীক্ষার্থীদের কাছে ক্ষমা চেয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পরীক্ষার কথা মাথায় রেখে নির্বাচন কমিশনের উপনির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা করা উচিৎ ছিল।সদ্য সমাপ্ত পাঁচ রাজ্যের নির্বাচনের সঙ্গে ওই দুই আসনে উপনির্বাচন করা যেত।উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের কোনও অসুবিধা না সৃষ্টি করে ২ আসনের উপ-নির্বাচনের প্রচার করতে মুখ্যমন্ত্রী তার সমস্ত রাজনৈতিক দলের কাছে আবেদন জানান।

মার্চ ১৭, ২০২২
দেশ

বাজেট ২০২২: পাঁচ বছরে দেশে ৬০ লক্ষ নতুন কর্মসংস্থান ! ঘোষণা অর্থমন্ত্রী নির্মলার

অর্থনীতির বিশেষজ্ঞরা বলেছিলেন, দেশের আর্থিক সংস্কার করতে হলে শুধু শিল্পে নয়, কর্মসংস্থানেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণও জানালেন, আগামী পাঁচ বছরে ৬০ লক্ষ নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করা হবে দেশে।দেশে কর্মসংস্থানের অভাব আর বাড়তে থাকা বেকারত্ব নিয়ে গত এক বছরে বহু বার কেন্দ্রের সমালোচনায় মুখর হয়েছিলেন বিরোধীরা। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় বাজেটে দেখা গেল, সেই খামতিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করলেন, অতিমারি পরিস্থিতিতে বিনিয়োগ বাড়তে শুরু করেছে দেশে। উন্নত করা হচ্ছে পর্যটন, রেল-সহ একাধিক পরিষেবা। আগামী পাঁচ বছরে এই সব ক্ষেত্রে এবং আরও অন্যান্য ক্ষেত্রে ৬০ লক্ষ নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে। চাকরি পাবেন দেশের বেকাররা।✅ ₹1,38,394 crore Gross GST Revenue collected for January 2022✅ GST collection crossed ₹1.30 lakh crore mark for the 4th time✅ Revenues for month of January 2022 15% higher than GST revenues in Jan. 2021 and 25% higher than the GST revenues in January 2020 Ministry of Finance (@FinMinIndia) January 31, 2022নির্মলা জানিয়েছেন, তথ্যপ্রযুক্তি এবং অ্যানিমেশনের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত খুলবে। দেশের বিভিন্ন জায়গায় তথ্যপ্রযুক্তি হাব তৈরি করা হবে। নামী বিশ্ববিদ্যালয়গুলিই ওই হাব তৈরি করবে। এ ছাড়াও দেশে ২৫ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত জাতীয় সড়ক এবং এক্সপ্রেসওয়ে বিস্তার করা হচ্ছে। চালু হতে চলেছে ১১টি নতুন মেট্রোলাইন। এই সব ক্ষেত্রেই কর্মসংস্থান তৈরি হবে বলে অনুমান করা হচ্ছে।গ্রামাঞ্চলে ব্রডব্যান্ড পরিষেবায় জোর দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। বাজেটে বলা হয়েছে ২০২৫ সালের মধ্যে দেশের সমস্ত গ্রামে পৌঁছে যাবে অপটিক্যাল ফাইবার। চলতি বছরের শেষে শুরু হচ্ছে ৫জি স্পেকট্রাম পরিষেবাও। সেখানে কর্মসংস্থান তৈরি হতে পারে। এর পাশাপাশি বৈদ্যুতিন গাড়ির ব্যাটারি দেশে তৈরি করার কথা বলা হয়েছে বাজেটে। শহরে, শহরতলিতে সংখ্যায় বাড়ানো হবে চার্জিং স্টেশন। সেখানেও নিয়োগ করা হবে নতুন কর্মী।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২২
দেশ

দেশে একদিনেই আক্রান্ত ৩ লক্ষের বেশি, ভাঙল ৮ মাসের রেকর্ড!

দৈনিক সংক্রমণে দীর্ঘ আট মাসের রেকর্ড ভাঙল। দেশে একদিনেই করোনা আক্রান্তের সংখ্যা পার করল ৩ লক্ষের গণ্ডি। বিগত কয়েক দিন ধরে দেশে দৈনিক সংক্রমণের হার কিছুটা নিম্নমুখী হলেও, তা হঠাৎ করে ফের বৃদ্ধি পেয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লক্ষ ১৭ হাজার ৫৩২ জন। এই নিয়ে দেশে সক্রিয় রোগীর সংখ্যাও বেড়ে দাঁড়াল ১৯ লক্ষ ২৪ হাজার ৫১-এ। দেশে মোট ,করোনা আক্রান্তের ৪.৮৩ শতাংশই সক্রিয় রোগী। একদিনেই ৪৯১ জনের মৃত্যু হওয়ায় দেশে মোট মৃতের সংখ্যাও বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৮৭ হাজার ৬৯৩-এ।দেশের এই উর্ধ্বমুখী সংক্রমণের জন্য চিকিৎসক, গবেষকরা করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনকেই দায়ী করেছেন। বর্তমানে দেশে মোট ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯২৮৭-এ। দেশের মধ্যে মহারাষ্ট্রেই ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা সর্বাধিক। গত ২৪ ঘণ্টাতেই সে রাজ্যে ২১৪ জন ওমিক্রন আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে, এই নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৮৬০-এ পৌঁছেছে। সংক্রমণের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ, রাজ্যেও ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ১৬০০-র গণ্ডি পার করেছে।আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার ফলে কিছুটা কমেছে সুস্থতার হারও। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২ লক্ষ ২৩ হাজার ৯৯০ জন। এই নিয়ে দেশে মোট সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ কোটি ৫৮ লক্ষ ৭ হাজার ২৯-এ। সুস্থতার হার কমে দাঁড়িয়েছে ৯৩.৬৯ শতাংশে। অন্য়দিকে, বর্তমানে দেশে সংক্রমণের হার ১৬.৪১ শতাংশে পৌঁছেছে, সাপ্তাহিক সংক্রমণের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬.০৬ শতাংশে।

জানুয়ারি ২০, ২০২২
দেশ

Narendra Modi: যুব দিবসে মেয়েদের আত্মনির্ভরতার বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

স্বামী বিবেকানন্দের ১৬০ তম জন্মজয়ন্তীতে দেশের যুবদেরকে নিয়ে প্রশংসা শোনা যায় প্রধানমন্ত্রীর গলায়। দেশের যুবসমাজের আগ্রহের কোনও অভাব নেই এবং যেকোনও কাজে তারা এগিয়ে আসে বলেই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ভিডিও কনফারেন্সিংয়র মাধ্যমে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প মন্ত্রকের তত্ত্বাবধানে পুদুচেরিতে তৈরি হওয়া পেরুন্থলাইভার কামরাজার মনিমণ্ডপম টেকনোলজি ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।সম্প্রতি মেয়েদের বিয়ের বয়স ১৮ থেকে বাড়িয়ে ২১ করার পক্ষে সওয়াল করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। এবার সেই সুরই শোনা গেল প্রধানমন্ত্রীর গলায়। বুধবার প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, নারী ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে মেয়েদের বিয়ের বয়স ১৮ থেকে ২১ করা প্রয়োজন। এই পদক্ষেপের ফলে মেয়েরা আত্মনির্ভর হবেন বলেই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।তিনি বলেন, আমরা মনে করি ছেলে ও মেয়েদের মধ্যে কোন তফাৎ নেই। মেয়েদের বিয়ের বয়স ১৮ থেকে বাড়িয়ে ২১ করা হলে দেশের মেয়েরা নিজেদের ভবিষ্যত মজবুত করতে পারবেন। এর ফলে মেয়েরা আত্মনির্ভর হবে।এদিনের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে দারুণভাবে স্টার্টআপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশে এই মুহূর্তে প্রায় ৫০ হাজারেরও বেশি স্টার্টআপ রয়েছে। করোনা অতিমারির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে বিগত ৬-৭ মাসের মধ্যে নতুন ১০ হাজার স্টার্টআপ শুরু হয়েছে। দেশের যুব সমাজের মধ্যে তৎপরতার সঙ্গে কাজ করে দেখানোর ক্ষমতা রয়েছে, সেখান থেকে সকলের শেখা উচিত। যুব সমাজের ওপর ভর করে ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেমে অভূতপূর্ব উন্নতি করেছে ভারত। ভারতকে বিশ্ব মানচিত্রে নতুন জায়গা করে দিয়েছে যুবসমাজ। আমরা চাই কোনওরকম বাধা বা সমস্যা ছাড়া দেশের যুবরা নিজেদের স্বপ্ন পূরণ করুক। মুদ্রা যোজনা, স্টার্টআপ ইন্ডিয়া, স্কিল ইন্ডিয়া, অটল ইনোভেশন মিশনের মতো প্রকল্পগুলি যুবদের স্বপ্ন পূরণ করছে। যুবসমাজের প্রতি আমার সম্পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আমার বিশ্বাস যুবরা দেশকে এমন উচ্চতায় নিয়ে যাবে যা এর আগে কেউ কল্পনাও করেনি।

জানুয়ারি ১২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Jaya Ahsan : জীবনানন্দের স্ত্রী লাবণ্যের ভূমিকায় জয়া আহসান

কবি জীবনানন্দ দাশকে নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন পরিচালক সায়ন্তন মুখোপাধ্যায়। যেখানে জীবনানন্দ দাশের স্ত্রী লাবণ্য দাশের ভূমিকায় দেখা যাবে কলকাতা ও বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসানকে। চলচ্চিত্রটি মুক্তি পাবে ২০২২ এ। সাংবাদিক সম্মেলন করে এই ছবিরই ট্রেলার মুক্তি পেল।২০২২ সালের জানুয়ারিতে কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধনী ছবি হিসেবেও প্রদর্শিত হতে পারে ঝরা পালক। এতদিন করোনা মহামারির কারণে ছবির মুক্তি আটকে ছিল। অবশেষে সব বাধা কাটিয়ে সাদাকালো ট্রেলার মুক্তি পেল। ট্রেলারে জীবনানন্দের ভূমিকায় দেখা গেছে ব্রাত্য বসুকে। এমনকি কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি চরিত্রও একঝলক দেখা গেছে। ফ্ল্যাশব্যাকে সাদাকালোর ফাঁকে বাস্তব সময়ের রঙিন চরিত্রগুলোও স্পষ্ট ছাপ রেখেছে।তাঁর চরিত্র প্রসঙ্গে জয়া জানিয়েছেন, মা ছাড়া কবি জীবনানন্দ দাশের জীবনে একমাত্র নারী লাবণ্য দাশ। প্রথাগত ভাবনা থেকে যেভাবে লাবণ্য দাশকে দেখা হয়েছে, আসলে লাবণ্য তেমন ছিলেন না। তিনি ছিলেন জীবনানন্দের জীবনের অনেক বড় অনুপ্রেরণা। সিনেমায় সেরকমই দেখানো হয়েছে।

ডিসেম্বর ২৬, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

পুজোর পাসে ৬০ কোটির অভিযোগ! রাত ১১টা পর্যন্ত ইন্দ্রনীলের বাড়িতে ইডি, এরপর কী?

প্রাক্তন মন্ত্রী তথা গায়ক ইন্দ্রনীল সেনের (Indranil Sen) কসবার বাড়িতে মঙ্গলবার দীর্ঘ সময় ধরে তল্লাশি চালাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। প্রায় সাড়ে ১৫ ঘণ্টা পর রাত ১১টা নাগাদ তদন্তকারীরা বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। এরপর বুধবার সকাল ১০টায় ইডির দপ্তরে ইন্দ্রনীল সেনকে তলব করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইন্দ্রনীল (Indranil Sen) । অভিযোগের ভিত্তিতে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।ইডি সূত্রে অভিযোগ, কলকাতার দুর্গাপুজোর পুজো পরিক্রমা বা প্রিভিউ শো-এর নামে ইউনেস্কোর নাম ও প্রতীক ব্যবহার করে প্রবেশপত্র বিক্রি করা হয়েছিল। সেই প্রবেশপত্রের মাধ্যমে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম হয়ে থাকতে পারে বলে তদন্তকারীদের দাবি। এই ঘটনায় ইন্দ্রনীল সেন এবং তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেনের নামও উঠে এসেছে বলে ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে (Indranil Sen) ।চলতি বছরের জুন মাসে এই সংক্রান্ত অভিযোগ বউবাজার থানায় দায়ের হয়েছিল। অভিযোগকারীর বক্তব্যের ভিত্তিতে পরে আর্থিক তছরূপের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা শুরু হয়। সেই মামলার সূত্র ধরেই মঙ্গলবার ইডি কলকাতার একাধিক জায়গায় একসঙ্গে তল্লাশি চালায়।ইন্দ্রনীল সেনের (Indranil Sen) কসবার বাড়ি ছাড়াও কলকাতার আরও কয়েকটি ঠিকানায় তদন্তকারীরা পৌঁছন। হিন্দুস্তান পার্ক এবং হাইল্যান্ড পার্কের ঠিকানাতেও তল্লাশি চালানো হয়। ইভেন্ট পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত কয়েক জনের বাড়িতেও অভিযান চলে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে। সিঙ্গুরে ইন্দ্রনীল সেনের বাগানবাড়িতেও তদন্তকারীরা গিয়েছিলেন বলে খবর।প্রতিটি ঠিকানায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা ছিল। একাধিক দলে ভাগ হয়ে ইডির আধিকারিকেরা এই অভিযান চালান। তদন্তকারীদের মূল লক্ষ্য ছিল অভিযোগে উঠে আসা আর্থিক লেনদেন এবং পুজোর প্রবেশপত্র বিক্রির সঙ্গে যুক্ত নথি ও তথ্য খতিয়ে দেখা।এই অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে মাস আর্ট নামে একটি সংগঠন। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২১ সালে কলকাতার দুর্গাপুজো আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়ার পর ওই সংগঠনটি তৈরি হয়। সংগঠনটির তরফে নিজেদের ইউনেস্কোর সঙ্গে যুক্ত বা অনুমোদিত উদ্যোগ হিসেবে প্রচার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই পরিচয় ব্যবহার করে পুজো পরিক্রমার জন্য চড়া দামে প্রবেশপত্র বিক্রি করা হত বলেও তদন্তকারীদের দাবি।ইন্দ্রনীল সেনের (Indranil Sen) স্ত্রী মধুছন্দা সেন ওই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, পাস বিক্রি এবং ওই সংস্থার আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তবে এই অভিযোগগুলি এখনও তদন্তাধীন এবং আদালতে প্রমাণিত নয়।প্রাথমিক অভিযোগ অনুযায়ী, পুজোর প্রিভিউ শো বা পুজো পরিক্রমার নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছিল। ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে এই পাস বিক্রির অনুমতি আদৌ ছিল কি না, সেটিও তদন্তের অন্যতম বিষয়। বিভিন্ন প্রতিবেদনে পাসের মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের টাকা সংগ্রহের অভিযোগের কথা উঠে এসেছে।ইন্দ্রনীল সেন অবশ্য শুরু থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। মঙ্গলবার দীর্ঘ তল্লাশির পরও তিনি অভিযোগ মানেননি বলে জানা গিয়েছে। বরং প্রয়োজন হলে আইনি পথে যাওয়ার বার্তা দিয়েছেন তিনি।এখন বুধবার সকাল ১০টায় ইডির দপ্তরে হাজির হওয়ার পর ইন্দ্রনীল সেনকে কী কী বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে। পুজোর প্রবেশপত্র বিক্রি, সংশ্লিষ্ট সংস্থার আর্থিক লেনদেন এবং অভিযোগে উঠে আসা টাকার অঙ্কসবই তদন্তের পরবর্তী পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।ইডির মঙ্গলবারের তল্লাশিতে কী কী নথি বা তথ্য পাওয়া গেল, তা এখনও প্রকাশ্যে বিস্তারিত ভাবে জানানো হয়নি। তদন্ত এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে অভিযোগের প্রকৃত চিত্র আরও স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর মুখে চাকরি নিয়ে বড় আশ্বাস! বিকাশ ভবনের সামনে অবস্থান তুলে নিলেন ৩৭১৯ কম্পিউটার শিক্ষক

পুজোর মুখে চাকরি হারানোর আশঙ্কায় বিকাশ ভবনের সামনে অবস্থান শুরু করেছিলেন রাজ্যের সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলের চুক্তিভিত্তিক কম্পিউটার শিক্ষকরা। সোমবার থেকে শুরু হওয়া সেই অবস্থান ও বিক্ষোভ মঙ্গলবার পর্যন্ত চলে। পরে শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মনের সঙ্গে দুই দফায় বৈঠকের পর আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেন শিক্ষকদের সংগঠন আইসিটি ঐক্য মঞ্চ।বৈঠকে শিক্ষকদের একাধিক দাবি বিবেচনা করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে। আপাতত যাতে চাকরিতে কোনও ছেদ না পড়ে, সেই ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে। টেন্ডারে নির্বাচিত সংস্থার অধীনেই ৩৭১৯ জন শিক্ষক কাজ চালিয়ে যাবেন বলে জানা গিয়েছে।শিক্ষকদের দাবি পূরণের জন্য শিক্ষামন্ত্রী ছমাস সময় চেয়েছেন বলেও জানা গিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে সরকারের সঙ্গে সরাসরি চুক্তির মাধ্যমে শিক্ষকদের বেতন এবং অন্যান্য বিষয় শ্রম আইন মেনে কী ভাবে করা যায়, তা নিয়ে চেষ্টা করা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।সোমবার থেকেই একাধিক দাবি নিয়ে বিকাশ ভবনের সামনে অবস্থানে বসেছিলেন চুক্তিভিত্তিক কম্পিউটার শিক্ষকরা। রাতভর সেখানে বিক্ষোভ চলে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকার পর শিক্ষকদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন শিক্ষামন্ত্রী। সেই বৈঠকের পরেই আপাতত আন্দোলন তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।শিক্ষক রাহুল দাসের দাবি, প্রথম থেকে পঞ্চম পর্যায়ে নিযুক্ত প্রায় পাঁচ হাজার কম্পিউটার প্রশিক্ষকের সঙ্গে সরকারের যে ভাবে সরাসরি চুক্তি রয়েছে, একই ধরনের ব্যবস্থা তাঁদের ক্ষেত্রেও করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে শিক্ষামন্ত্রীর তরফে এই বক্তব্যের বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।এই সমস্যার নেপথ্যে রয়েছে চুক্তি নিয়ে জটিলতা। ২০২২ সাল বা তার আশপাশের সময়ে বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে ৩৭১৯ জন কম্পিউটার শিক্ষককে পাঁচ বছরের চুক্তিতে নিয়োগ করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী অনেকের চুক্তির মেয়াদ আরও কিছুদিন থাকার কথা থাকলেও, হঠাৎ ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে চুক্তি শেষ করার নোটিস দেওয়া হয়েছে বলে শিক্ষকদের অভিযোগ।শিক্ষকদের আরও অভিযোগ, আগের কয়েকটি পর্যায়ে নিযুক্ত কম্পিউটার প্রশিক্ষকদের দীর্ঘমেয়াদি কাজের সুযোগ দেওয়া হলেও ষষ্ঠ ও সপ্তম পর্যায়ের শিক্ষকদের ক্ষেত্রে সেই সুবিধা দেওয়া হয়নি। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে তাঁদের বেতন কমানোর অভিযোগও উঠেছে।চুক্তি শেষ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় শুধু শিক্ষক ও তাঁদের পরিবার নয়, স্কুল কর্তৃপক্ষও সমস্যায় পড়তে পারেন বলে শিক্ষক সংগঠনের দাবি। কারণ সরকারি বিভিন্ন ডিজিটাল শিক্ষা প্রকল্পে এই কম্পিউটার শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চ-এর সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী বলেন, কম্পিউটার শিক্ষকদের নিয়মিতকরণের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে অনিশ্চয়তার মধ্যে কাজ করা কঠিন এবং স্কুলের কাজে এই শিক্ষকেরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।আপাতত শিক্ষকদের আন্দোলন প্রত্যাহার হলেও তাঁদের মূল দাবি পূরণ কতটা দ্রুত হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে। বিশেষ করে সরাসরি সরকারি চুক্তি, বেতন কাঠামো এবং চাকরির নিশ্চয়তা নিয়ে আগামী ছমাসে কী সিদ্ধান্ত হয়, তা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
দেশ

যশোভূমিতে ফিজিওথেরাপির মহামিলন: ১০ হাজারের মঞ্চে বাংলার গর্ব, সম্মানে IAP Bengal

২,০০০ কিলোমিটারের Physio Baton যাত্রা থেকে দিল্লির বর্ণাঢ্য মহাযাত্রাআন্তর্জাতিক সম্মেলনে উজ্জ্বল বাংলার উপস্থিতিনয়াদিল্লি: ফিজিওথেরাপির জগতে এক ঐতিহাসিক অধ্যায়ের সাক্ষী থাকল নয়াদিল্লির যশোভূমি কনভেনশন সেন্টার। ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত World Physiotherapy Asia Western Pacific (AWP) Regional Conference 2026-এ দেশ-বিদেশের ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞ, শিক্ষক, গবেষক, ছাত্রছাত্রী ও পেশাজীবীদের মিলন ঘটল এক বিশাল আন্তর্জাতিক মঞ্চে। Fitness for Allএই বার্তাকে সামনে রেখে আয়োজিত সম্মেলনে ফিজিওথেরাপির ভবিষ্যৎ, আধুনিক চিকিৎসা-পদ্ধতি, গবেষণা, জনস্বাস্থ্য এবং পেশাগত বিকাশ নিয়ে হয় একাধিক আলোচনা।সম্মেলনের অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক ছিল ১০ হাজারেরও বেশি ফিজিওথেরাপিস্টের একসঙ্গে উপস্থিতি। এই বিপুল অংশগ্রহণকে World Record হিসেবে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়। ফলে সম্মেলনটি শুধু একটি পেশাগত অনুষ্ঠানেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং আন্তর্জাতিক ফিজিওথেরাপি জগতের একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে পরিণত হয়।বিশেষ সম্মান IAP Bengal Branch-এরএই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে পশ্চিমবঙ্গের জন্য আসে আরও একটি উল্লেখযোগ্য স্বীকৃতি। IAP Bengal Branch-কে দেশের সেরা শাখা হিসেবে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড, পেশাগত উন্নয়ন এবং ফিজিওথেরাপি সংক্রান্ত বিভিন্ন উদ্যোগের স্বীকৃতি হিসেবেই এই সম্মানকে দেখা হচ্ছে।দিল্লির আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলার প্রতিনিধিদের হাতে এই সম্মান তুলে দেওয়ার মুহূর্তটি ছিল আবেগঘন। পশ্চিমবঙ্গের ফিজিওথেরাপি পেশাজীবীদের কাছে এটি নিঃসন্দেহে এক গর্বের মুহূর্ত হয়ে ওঠে।বর্ধমান থেকে শুরু Physio Baton-এর ঐতিহাসিক যাত্রাসম্মেলনের আগে বাংলার সঙ্গে এই আন্তর্জাতিক আয়োজনের যোগসূত্র আরও দৃঢ় করে Physio Baton বা মশাল যাত্রা। ২২ সেপ্টেম্বর বর্ধমানের ঐতিহাসিক কার্জন গেট হয়ে সেই মশাল যাত্রার সূচনা হয়।কার্জন গেটে Physio Baton-কে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন প্রায় ৭০ জন ফিজিওথেরাপিস্ট। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ডাঃ সত্যেন ভট্টাচার্য, ডাঃ শুভেন্দু দ্বিবেদী (PT), ডাঃ আদিত্য পাল ডাঃ অতনু রায়, ডাঃ অনিন্দ দে (PT), ডাঃ শুকদেব মুখার্জী (PT)-সহ আরও অনেকে। উপস্থিত ছিলেন গোলাপবাগ ফিজিওথেরাপি কলেজের অধ্যক্ষ ডাঃ এম. এস. আনোয়ার (PT)।ঐতিহাসিক বর্ধমানের মাটি থেকে শুরু হয়ে প্রায় ২,০০০ কিলোমিটার সড়কপথ পেরিয়ে Physio Baton পৌঁছে যায় দিল্লিতে। এই দীর্ঘ যাত্রাপথে বিভিন্ন জেলা ও রাজ্যের ফিজিওথেরাপিস্টদের সঙ্গে যোগাযোগ, মতবিনিময় এবং পেশাগত সম্পর্ক গড়ে তোলার উদ্যোগও নেওয়া হয়।বাংলার ঐতিহ্য ধরা পড়ল দিল্লির মহাযাত্রায়দিল্লিতে পৌঁছনোর পর Physio Baton-কে কেন্দ্র করে আয়োজিত হয় বর্ণাঢ্য মহাযাত্রা। সেখানে বাংলার প্রতিনিধিরা নিজেদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সামনে তুলে ধরেন।পুরুষ প্রতিনিধিদের অনেকেই ধুতি-পাঞ্জাবি এবং মহিলা প্রতিনিধিরা শাড়ি পরে শোভাযাত্রায় অংশ নেন। পেশাগত পরিচয়ের পাশাপাশি বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এই উপস্থাপনা আন্তর্জাতিক মঞ্চে আলাদা মাত্রা যোগ করে।বর্ধমান থেকে শুরু হওয়া মশাল যাত্রার সেই ধারাবাহিকতা শেষ পর্যন্ত পৌঁছয় World Physiotherapy-এর সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক নেতৃত্বের মঞ্চে।ডাঃ রুচি ভার্শনে (PT) (Dr. Ruchi Varshney) এবং ডাঃ সঞ্জীব ঝা (PT) (Dr. Sanjeev Jha)-এর হাত ধরে Physio Baton তুলে দেওয়া হয় World Physiotherapy-এর President-এর হাতে। মুহূর্তটি উপস্থিত প্রতিনিধিদের মধ্যে বিশেষ আবেগ ও গর্বের সৃষ্টি করে।যাত্রার নেতৃত্বে ডাঃ কৌশিক মল্লিক (PT)এই দীর্ঘ ও তাৎপর্যপূর্ণ যাত্রার পরিকল্পনা, নেতৃত্ব এবং সমন্বয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন ডাঃ কৌশিক মল্লিক (PT), Vice President, IAP West Bengal Branch।প্রায় ২,০০০ কিলোমিটারের এই সড়কযাত্রা শুধুমাত্র একটি মশাল বহনের কর্মসূচি ছিল না। পথে বিভিন্ন জেলা ও রাজ্যের ফিজিওথেরাপিস্টদের সঙ্গে যোগাযোগ, তাঁদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং পেশাগত নেটওয়ার্ক আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগও এই যাত্রার অন্যতম লক্ষ্য হয়ে ওঠে।ফলে Physio Baton-এর যাত্রা কার্যত বাংলার সঙ্গে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ফিজিওথেরাপি পেশাজীবীদের মধ্যে একটি সংযোগের সেতু তৈরি করে।১৩টি হলে একসঙ্গে বৈজ্ঞানিক কর্মসূচি২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর যশোভূমি কনভেনশন সেন্টারের বিশাল পরিসরে সম্মেলনের বিভিন্ন পর্ব পরিচালিত হয় ১৩টি হলে। একই সঙ্গে চলে একাধিক বৈজ্ঞানিক ও পেশাগত অধিবেশন।পেপার ও পোস্টার প্রেজেন্টেশন, বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, প্যানেল আলোচনা, কর্মশালা, ছাত্রছাত্রীদের বিভিন্ন কার্যক্রম এবং দেশ-বিদেশের বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্টদের অংশগ্রহণে সম্মেলন কার্যত পরিণত হয় জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের এক বিশাল প্ল্যাটফর্মে।এই আন্তর্জাতিক মঞ্চে বর্ধমানের ফিজিওথেরাপিস্ট ডাঃ সত্যেন ভট্টাচার্য (PT) ও বক্তা হিসেবে অংশ নেন। বাংলার একটি জেলা শহর থেকে উঠে এসে আন্তর্জাতিক সম্মেলনের বৈজ্ঞানিক অধিবেশনে বক্তব্য রাখার বিষয়টিও স্থানীয় পেশাজীবীদের কাছে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।শুধু চিকিৎসা ও গবেষণার ক্ষেত্রেই নয়, আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার গুরুত্ব উপলব্ধি করে কনটেন্ট ক্রিয়েটর, পডকাস্টার এবং ডিজিটাল মিডিয়ার জন্যও বিশেষ পরিসর রাখা হয় সম্মেলনে।ফিজিওথেরাপির গুরুত্ব তুলে ধরলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীসম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা। তাঁর বক্তব্যে আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থায় ফিজিওথেরাপির গুরুত্বের বিষয়টি উঠে আসে।এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ভিডিও বার্তা এবং কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকেও ভিডিও বার্তা সম্মেলনে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। এর ফলে ফিজিওথেরাপি যে শুধুমাত্র পুনর্বাসনমূলক চিকিৎসার একটি অংশ নয়, বরং বৃহত্তর জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গএই বার্তাটিও আন্তর্জাতিক মঞ্চে আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।বাংলার জন্য একাধিক গর্বের মুহূর্তএকদিকে ১০ হাজারেরও বেশি ফিজিওথেরাপিস্টের ঐতিহাসিক উপস্থিতি, অন্যদিকে IAP Bengal Branch-এর বিশেষ সম্মাননা। তার সঙ্গে বর্ধমানের কার্জন গেট থেকে শুরু হওয়া Physio Baton-এর প্রায় ২,০০০ কিলোমিটারের যাত্রা এবং দিল্লির মহাযাত্রায় বাংলার ঐতিহ্যবাহী পোশাকে প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণসব মিলিয়ে সম্মেলনে বাংলার উপস্থিতি হয়ে ওঠে বিশেষভাবে স্মরণীয়।এই যাত্রা দেখিয়ে দিল, ফিজিওথেরাপি এখন আর শুধুমাত্র চিকিৎসাক্ষেত্রের একটি নির্দিষ্ট শাখার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। গবেষণা, জনস্বাস্থ্য, ফিটনেস, পুনর্বাসন, প্রযুক্তি এবং সামাজিক সচেতনতার বৃহত্তর পরিসরে ফিজিওথেরাপির ভূমিকা ক্রমশ বিস্তৃত হচ্ছে।যশোভূমির আন্তর্জাতিক মঞ্চে সেই পরিবর্তনেরই প্রতিফলন দেখা গেল। আর সেই মঞ্চে বাংলার প্রতিনিধিত্ব, IAP Bengal Branch-এর স্বীকৃতি এবং বর্ধমান থেকে শুরু হওয়া Physio Baton-এর ঐতিহাসিক যাত্রা পশ্চিমবঙ্গের ফিজিওথেরাপি মহলের জন্য তৈরি করল এক স্মরণীয় অধ্যায়।বর্ধমানের কার্জন গেট থেকে দিল্লির যশোভূমিপ্রায় ২,০০০ কিলোমিটারের সেই যাত্রা তাই কেবল একটি মশাল বহনের গল্প নয়; এটি বাংলার ফিজিওথেরাপি পেশাজীবীদের ঐক্য, উদ্যোগ, পেশাগত সংযোগ এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেদের উপস্থিতি জানান দেওয়ার এক অনন্য কাহিনি।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
কলকাতা

রোজভ্যালির আমানতকারীদের টাকা কবে ফিরবে? হাই কোর্টের নির্দেশে সামনে এল নির্দিষ্ট সময়

রোজভ্যালি চিটফান্ড মামলায় আমানতকারীদের টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়া নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করল কলকাতা হাই কোর্ট। দীর্ঘদিন ধরে টাকা ফেরানোর কাজ চললেও তার গতি যথেষ্ট নয় বলে আদালতের পর্যবেক্ষণ। এবার নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে আমানতকারীদের টাকা ফেরানোর নির্দেশ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। একই সঙ্গে প্রতি মাসে কাজের অগ্রগতির হিসাব আদালতে জমা দিতে হবে।বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ এবং বিচারপতি সুদীপ দেবের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, রোজভ্যালির সম্পত্তি বিক্রি করে সেই অর্থ আমানতকারীদের মধ্যে বণ্টন করাই সম্পদ নিষ্পত্তি কমিটির মূল দায়িত্ব। এর বাইরে কমিটির কোনও অতিরিক্ত আইনি ক্ষমতা নেই। আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, কমিটির তত্ত্বাবধানে থাকা সহযোগী সংস্থা তৃতীয় পক্ষের সঙ্গে হোটেল পরিচালনার যে চুক্তি করেছিল, তার অনুমোদনের ক্ষমতা কমিটির ছিল না। ফলে ওই ধরনের অনুমোদনহীন চুক্তিগুলিকে শুরু থেকেই বাতিল বলে ঘোষণা করেছে আদালত।আমানতকারীদের পক্ষের আইনজীবীর দাবি, দীর্ঘ সময় ধরে কমিটির হাতে বিপুল সম্পত্তি থাকলেও সেই তুলনায় টাকা ফেরানোর কাজ খুব ধীর গতিতে হয়েছে। আদালতে যে তথ্য তুলে ধরা হয়েছে, তাতে প্রায় ৬০০ কোটি টাকার সম্পত্তির কথা বলা হয়েছে। তার মধ্যে মাত্র ৫৫ কোটি ৪৫ লক্ষ টাকা আমানতকারীদের মধ্যে বণ্টন করা হয়েছে বলে দাবি। গত ১১ বছরে মাত্র ১০টি সম্পত্তির নিলাম এবং ৮০টি সম্পত্তির মূল্যায়ন সম্পূর্ণ হয়েছে বলেও আদালতে জানানো হয়।অন্যদিকে, রোজভ্যালি সম্পদ নিষ্পত্তি কমিটির প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের শেষ দিক থেকে আমানতকারীদের টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত একাধিক দফায় এক লক্ষেরও বেশি দাবিদারকে টাকা দেওয়া হয়েছে এবং প্রায় ৩২ লক্ষ দাবি নথিভুক্ত হয়েছিল। ফলে আগের বছরগুলিতে কাজের গতি নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, তার পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ে শুরু হওয়া টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়াটিও আদালতের নজরে রয়েছে।হাই কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১৫ নভেম্বরের মধ্যে অ্যাকাউন্টে থাকা প্রায় ৫৫০ কোটি টাকা মুলতুবি থাকা দাবিগুলির ভিত্তিতে যোগ্য আমানতকারীদের মধ্যে বণ্টনের ব্যবস্থা করতে হবে। আদালতের নির্দেশে ৩২ লক্ষ ৪৩ হাজার ২২০টি মুলতুবি দাবির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। এরপর ২০২৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বাকি সম্পত্তি বিক্রি এবং সেই অর্থ আমানতকারীদের মধ্যে বণ্টনের কাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।শুধু সময়সীমা বেঁধে দিয়েই থামেনি আদালত। প্রতি মাসে সম্পদ নিষ্পত্তি কমিটিকে আদালতে কাজের অগ্রগতির রিপোর্ট জমা দিতে হবে। অর্থাৎ কতগুলি সম্পত্তি বিক্রি হল, কত টাকা বণ্টন করা হল এবং কতগুলি দাবি এখনও বাকি রয়েছে, সেই সংক্রান্ত অগ্রগতির হিসাব আদালতের নজরে থাকবে।আদালত আরও জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়সীমার পরেও যদি কাজ বাকি থাকে, তা হলে অবশিষ্ট সম্পত্তি, অর্থ এবং অন্যান্য অসম্পূর্ণ বিষয় বিচারপতি এস পি তালুকদারের নেতৃত্বাধীন এক সদস্যের কমিটির হাতে তুলে দেওয়া হবে। অর্থাৎ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ না হলে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়ায় নতুন ব্যবস্থা কার্যকর হতে পারে।রোজভ্যালি মামলায় জালিয়াতির অভিযোগের তদন্ত এবং সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়ায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটও যুক্ত রয়েছে। এবার বাজেয়াপ্ত না হওয়া বাকি সম্পত্তি চিহ্নিত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ইডিকে নির্দেশ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, তদন্তে চিহ্নিত নতুন সম্পত্তির বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।এ ছাড়া সিরিয়াস ফ্রড ইনভেস্টিগেশন অফিসকে ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ফরেনসিক অডিট শেষ করে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। এর ফলে রোজভ্যালির সম্পত্তি, আর্থিক লেনদেন এবং টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়ায় আরও নজরদারি বাড়তে চলেছে।রোজভ্যালি মামলায় দীর্ঘদিন ধরে টাকা ফেরানোর অপেক্ষায় রয়েছেন বহু আমানতকারী। আদালতের এই নির্দেশে এবার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়া শেষ করার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। আগামী কয়েক মাসে সম্পত্তি বিক্রি, দাবির যাচাই এবং টাকা বণ্টনের কাজ কতটা দ্রুত এগোয়, এখন সেদিকেই নজর থাকবে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হাসপাতাল থেকে সরাসরি এশিয়ান গেমস! বৃষ্টির মধ্যেই সোনা জিতে ইতিহাস নীরুর

এই কাহিনী শুনলে যে কারও মন ভালো হতে বাধ্য। লক্ষ্য যদি অবিচল থাকে তাহলে যে কোনও কঠিন পরিস্থিতি আসুক না কেন, কেউ তাঁকে হারাতে পারবে না। এশিয়ান গেমসে সোনা জেতার মাত্র ১০ দিন আগেও তাঁর কেরিয়ার নিয়ে তৈরি হয়েছিল বড় অনিশ্চয়তা। হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ভারতীয় ট্র্যাপ শুটার নীরু ধান্ডা। সংক্রমণের কারণে শারীরিক অবস্থা এতটাই খারাপ হয়েছিল যে, জাপানের নাগোয়ায় এশিয়ান গেমসে আদৌ অংশ নিতে পারবেন কি না, তা নিয়েই সংশয় তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সেই অসুস্থতাকেই পিছনে ফেলে মঙ্গলবার ইতিহাস গড়লেন ২৬ বছরের এই ভারতীয় শুটার।জাপানের গ্রামীণ টয়োটার উরেনোচো শুটিং রেঞ্জে প্রবল বৃষ্টির মধ্যেই ট্র্যাপ শুটিংয়ের ফাইনালে ৩০টির মধ্যে ২৮টি লক্ষ্যভেদ করেন নীরু। এর ফলে এশিয়ান গেমসের নতুন রেকর্ড গড়ে সোনা জেতেন তিনি। চিনের সুন ইউনং ২৬টি লক্ষ্যভেদ করে রুপো পান। এশিয়ান গেমসে এটিই ভারতের পঞ্চম সোনা। তবে নীরুর সাফল্যের গুরুত্ব শুধু পদকের হিসাবেই নয়। এশিয়ান গেমসের ইতিহাসে এই প্রথম কোনও ভারতীয় মহিলা ট্র্যাপ শুটিংয়ে ব্যক্তিগত সোনা জিতলেন। একইসঙ্গে ১৯৭৮ সালের পর এই ইভেন্টে কোনও ভারতীয় শুটারের ব্যক্তিগত সোনার অপেক্ষাও শেষ হল। ১৯৭৮ সালে রণধীর সিং ট্র্যাপ শুটিংয়ে সোনা জিতেছিলেন।এই সাফল্যের নেপথ্যে ছিল কঠিন এক প্রত্যাবর্তনের গল্প। নয়াদিল্লিতে জাতীয় শিবিরে প্রায় সাড়ে তিন সপ্তাহ অনুশীলন করতে পারেননি নীরু। অসুস্থতার সময় টানা পাঁচ দিন খাবারও খাননি, শুধু জল খেয়ে ছিলেন। হাসপাতালেও তিন দিন কাটাতে হয় তাঁকে। এই কঠিন সময়ে পাশে ছিলেন তাঁর কোচ অর্জুন পুরস্কারপ্রাপ্ত মনশের সিং। প্রতিদিন ফোন করে নীরুকে মানসিকভাবে চাঙ্গা রাখতেন তিনি। নীরুর কথায়, কোচ তাঁকে বলতেন কয়েক দিন অনুশীলন না করলেও কিছু যায় আসে না, তিনি প্রতিভাবান এবং তারকা হয়েই থাকবেন। প্রাক্তন সাংসদ তথা ক্রীড়ামন্ত্রী যশোধরা রাজের কাছ থেকেও সমর্থনের বার্তা পেয়েছিলেন নীরু।ভারতের ট্র্যাপ শুটিং কোচ পিটার উইলসন জানান, হাসপাতালে থাকার মাত্র ১০ দিনের মধ্যেই নীরু প্রতিযোগিতায় নেমেছেন। সাড়ে তিন সপ্তাহ অনুশীলন না করেও জাপানে মাত্র দুদিন শুটিং করে ফাইনালে সাফল্য পেয়েছেন তিনি। নীরুর শুটিংয়ে আসার গল্পও বেশ চমকপ্রদ। ২০১৮ সালের এশিয়ান গেমসে তাঁর খুড়তুতো ভাই লক্ষ্য শেওরান ট্র্যাপ শুটিংয়ে রুপো জেতার পর এই খেলায় আগ্রহী হন তিনি। পরে ভোপালের মধ্যপ্রদেশ স্টেট শুটিং অ্যাকাডেমিতে প্রশিক্ষণ শুরু করেন।গত বছর এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা এবং চলতি বছরের জুলাইয়ে ISSF বিশ্বকাপে ব্যক্তিগত ট্র্যাপ সোনা জেতার পর এবার এশিয়ান গেমসেও সাফল্য পেলেন নীরু। তার উপর মঙ্গলবার ছিল প্রবল বৃষ্টি। বৃষ্টির জল শুটারদের হাতে পড়ছিল, মনোযোগও নষ্ট হচ্ছিল। কিন্তু নিজেকে বারবার প্রক্রিয়ায় ফিরিয়ে এনে লক্ষ্যভেদ করেন নীরু। হাসপাতালের বিছানা থেকে এশিয়ান গেমসের মঞ্চ, এই অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের শেষে তাঁর হাতেই উঠল ঐতিহাসিক সোনা।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
রাজ্য

জেএমবি-যোগের সন্দেহে মঙ্গলকোটের মসজিদের ইমামকে গ্রেপ্তার এনআইএ-র, বাজেয়াপ্ত ডায়েরি ও মোবাইল

পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটে মসজিদের ইমামকে গ্রেপ্তার করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)। বাংলাদেশের নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ (JMB)-এর সঙ্গে যোগাযোগ রাখার সন্দেহেই পালিশ গ্রামের পূর্বপাড়ার মসজিদের ইমাম পিয়ার মোহাম্মদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মঙ্গলবার ভোরে মঙ্গলকোট থানার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে মসজিদে অভিযান চালায় এনআইএ। সেখান থেকেই তাঁকে হেফাজতে নেওয়া হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পিয়ার মোহাম্মদের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বর থানার কুলুট গ্রামে। গত প্রায় তিন-চার বছর ধরে তিনি মঙ্গলকোটের পালিশ গ্রামের পূর্বপাড়ার মসজিদে ইমামের দায়িত্ব পালন করছিলেন। তদন্তকারীরা তাঁর পাসপোর্ট পরীক্ষা করে জানতে পেরেছেন, একাধিকবার বাংলাদেশে গিয়েছেন তিনি।এনআইএ সূত্রে খবর, মসজিদে ইমাম থাকার জন্য যে ঘরটি পিয়ার মোহামদ ব্যবহার করতেন, সেখান থেকে একটি ডায়েরি এবং মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ওই ডায়েরিতে বাংলাদেশের কয়েকজনের ফোন নম্বর পাওয়া গিয়েছে বলেও তদন্তকারী সূত্রে দাবি করা হয়েছে। এই যোগাযোগগুলির সঙ্গে জঙ্গি সংগঠনের কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।চলতি বছরের জুন মাসে পশ্চিমবঙ্গ এবং উত্তর-পূর্ব ভারতকেন্দ্রিক কথিত সন্ত্রাসবাদী ষড়যন্ত্রের মামলায় ১১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করেছিল এনআইএ। সেই মামলার তদন্তের সূত্র ধরেই পিয়ার মোহাম্মদের নাম তদন্তকারীদের নজরে আসে বলে জানা গিয়েছে। মঙ্গলবার তাঁকে প্রথমে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে গ্রেপ্তার করা হয়।তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, তাবলিগ জামাতের কাজে বৈধভাবে প্রায় ৪০ দিন বাংলাদেশে ছিলেন পিয়ার মোহাম্মদ। তবে সেই সফরের সময়ে তিনি জেএমবির কোনও সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন কি না, কোনও বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন কি না, কিংবা বাংলাদেশের কোনও জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে তাঁর আদৌ কোনও সম্পর্ক রয়েছে কি না, এই সব বিষয় খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।পিয়ার মোহাম্মদের সঙ্গে আরও কারও যোগাযোগ ছিল কি না, তাঁর মাধ্যমে কোনও বৃহত্তর জঙ্গি নেটওয়ার্কের সন্ধান পাওয়া যায় কি না, সেই বিষয়েও তদন্ত চালাচ্ছে এনআইএ ও স্থানীয় পুলিশ।ইমামকে জঙ্গি-যোগের সন্দেহে গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই পালিশ গ্রামে চাঞ্চল্য দেখা দেয়। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, পিয়ার মোহাম্মদকে তাঁরা বরাবরই শান্ত এবং সাধারণ স্বভাবের মানুষ হিসেবেই জানতেন। ফলে তাঁর গ্রেপ্তারের খবর তাঁদের বিস্মিত করেছে।এদিকে মঙ্গলবার দুপুরে ধৃত ইমামকে নিয়ে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেয় এনআইএ। তাঁকে কলকাতার ব্যাঙ্কশাল আদালতে পেশ করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।পিয়ার মোহাম্মদের আইনজীবী কাজি সাহাবাব জামান জানিয়েছেন, টেলিগ্রাম অ্যাপের মাধ্যমে নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে বার্তালাপের অভিযোগে তাঁর মক্কেলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে তাঁর মক্কেল নির্দোষ বলে দাবি করেছেন আইনজীবী।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
দেশ

২৭০০ থেকে ২৭ হাজার! ক্যানসারের ওষুধে দশ গুণ দাম দেখে সুপ্রিম কোর্টে তোলপাড়

ক্যানসারের মতো গুরুতর রোগের চিকিৎসায় ওষুধের খরচ নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলেছে সুপ্রিম কোর্ট। একটি ক্যানসারের ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থা খুচরো বিক্রেতাকে যে দামে ওষুধ দিচ্ছে, তার তুলনায় সর্বোচ্চ খুচরো দামের ব্যবধান দশ গুণ পর্যন্ত হতে পারেএমন তথ্য শুনানিতে উঠে আসে। উদাহরণ হিসেবে আদালত জানতে পারে, ২৭০০ টাকায় খুচরো বিক্রেতার কাছে পৌঁছনো একটি ওষুধের সর্বোচ্চ খুচরো দাম ২৭ হাজার টাকা। এই বিপুল ব্যবধান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে জবাব চেয়েছে শীর্ষ আদালত।বিচারপতি বিক্রম নাথ এবং বিচারপতি সন্দীপ মেহতার বেঞ্চ ওষুধের মূল্যনিয়ন্ত্রণ, জেনেরিক ওষুধের ব্যবহার এবং চিকিৎসা সরঞ্জামের দাম সংক্রান্ত মামলার শুনানি করছিল। সেখানেই ক্যানসারের ওষুধের দামে খুচরো বিক্রেতার জন্য নির্ধারিত দাম এবং রোগীর জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ খুচরো দামের মধ্যে এত বড় ফারাক নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। আদালত জানতে চায়, ২৭০০ টাকায় যে ওষুধ বিক্রেতার কাছে যাচ্ছে, সেটির সর্বোচ্চ খুচরো দাম কেন ২৭ হাজার টাকা হবে।আদালতের প্রশ্ন ছিল, এই অতিরিক্ত টাকার বড় অংশ কোথায় যাচ্ছে এবং এর ফলে কারা লাভবান হচ্ছে। বিচারপতিরা এমন দামের ব্যবধানকে রোগীদের উপর গুরুতর আর্থিক চাপ হিসেবে দেখেছেন। বিশেষ করে ক্যানসারের মতো রোগে চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় ওষুধের দাম বেড়ে গেলে তার সরাসরি প্রভাব পড়ে রোগী এবং পরিবারের উপর।শীর্ষ আদালত বেসরকারি হাসপাতালের ওষুধ বিক্রির ব্যবস্থাও খতিয়ে দেখেছে। শুনানিতে এমন অভিযোগের প্রসঙ্গ ওঠে যে, কিছু কর্পোরেট হাসপাতাল রোগীদের নিজেদের ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনতে বাধ্য করে। বাইরে থেকে একই ওষুধ কিনে আনলে চিকিৎসা নিয়ে সমস্যার আশঙ্কাও রোগীদের সামনে থাকে বলে আদালতে বিষয়টি উঠে আসে।সরকারি স্বাস্থ্য প্রকল্পের আওতায় চিকিৎসার ক্ষেত্রেও ওষুধের বাড়তি দাম নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আদালত। কারণ কোনও সরকারি প্রকল্পে চিকিৎসা বা ওষুধের খরচ বেশি হলে শেষ পর্যন্ত সেই ব্যয়ের একটা অংশ সরকারি অর্থ থেকে মেটানো হয়। ফলে এর আর্থিক প্রভাব সাধারণ মানুষের উপরও পড়তে পারে বলে আদালত পর্যবেক্ষণ করেছে।শুনানিতে ওষুধকে অত্যাবশ্যকীয় এবং অনত্যাবশ্যকীয়এই ভাগ করে আলাদা নিয়ম রাখার যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। বিচারপতিরা জানতে চান, সব ধরনের ওষুধের ক্ষেত্রেই কি নির্দিষ্ট হারে লভ্যাংশের সীমা বেঁধে দেওয়া যায় না। আদালতের তরফে ১৬ শতাংশ লভ্যাংশের সীমার কথাও আলোচনায় আসে।কেন্দ্রের পক্ষে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান, বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করে সরকারের অবস্থান আদালতকে জানানো হবে। কেন্দ্র আরও সময় চেয়েছে বলেও সাম্প্রতিক শুনানির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। মামলাটির পরবর্তী শুনানি ১২ অক্টোবর হওয়ার কথা।তবে ১৬ শতাংশ লভ্যাংশের সীমা এখনই কার্যকর কোনও নতুন নিয়ম নয়। এটি শুনানির সময় সুপ্রিম কোর্টের উত্থাপিত একটি প্রস্তাব বা প্রশ্ন। কেন্দ্রের সঙ্গে আলোচনার পর এ বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।ক্যানসারের ওষুধের দাম নিয়ে এই শুনানি তাই রোগীদের চিকিৎসার খরচ, ওষুধের মূল্যনিয়ন্ত্রণ এবং হাসপাতালের ওষুধ বিক্রির পদ্ধতিতিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কেই সামনে এনেছে। এখন কেন্দ্রের বক্তব্য এবং পরবর্তী শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের অবস্থানের দিকে নজর রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
দেশ

সহকর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি! কাঠুয়ায় সিআইএসএফ শিবিরে ভয়াবহ ঘটনায় মৃত্যু ৪ জওয়ানের

জম্মু ও কাশ্মীরের কাঠুয়ায় সিআইএসএফের একটি শিবিরে ভয়াবহ গুলিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার ডিউটি পরিবর্তনের সময় বচসার পর এক সহকর্মী কয়েকজন জওয়ানকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছেন বলে অভিযোগ। ঘটনায় চার সিআইএসএফ জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে। অভিযুক্ত জওয়ানকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।সিআইএসএফ সূত্রে খবর, বিকেলে ডিউটি পরিবর্তনের সময় হেড কনস্টেবল অবধেশ সিংয়ের সঙ্গে কয়েকজন জওয়ানের বচসা হয়। প্রথমে বিষয়টি কথা কাটাকাটির মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল বলে জানা গিয়েছে। পরে সেই বচসা বড় আকার নেয়।অভিযোগ, এক পর্যায়ে অবধেশ সিং নিজের রাইফেল তুলে সহকর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি চালান। গুলিতে চার জওয়ান গুরুতর আহত হন। তাঁদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চারজনেরই মৃত্যু হয়।নিহত জওয়ানদের মধ্যে রয়েছেন সহকারী কমান্ড্যান্ট অঙ্কিত কুমার পাণ্ডে, সাব-ইন্সপেক্টর লক্ষ্মণ সিং, কনস্টেবল সঞ্জীব কুমার এবং কনস্টেবল মহম্মদ রফিক।ঘটনার পর কাঠুয়া সিআইএসএফ শিবিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। কী কারণে ডিউটি পরিবর্তনের সময় বচসা শুরু হয়েছিল এবং কী পরিস্থিতিতে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। সিআইএসএফ সদর দপ্তরের তরফে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি সিআইএসএফের মহাপরিচালক গোটা পরিস্থিতি এবং তদন্তের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করছেন।অভিযুক্ত জওয়ানকে গ্রেফতার করার পর তাঁর বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হবে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ কী, তা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে। চার সহকর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় কাঠুয়া সিআইএসএফ শিবিরে এখন তদন্তের পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal