• ২৭ চৈত্র ১৪৩২, রবিবার ১২ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Gujrat

কলকাতা

মহুয়ার মন্তব্যে অস্বস্তিতে দল! গুজরাটিদের ক্ষোভ, সামনে এল মমতার ক্ষমা প্রার্থনা

ভোটের আগে নতুন করে বিতর্কে জড়াল শাসক দল। দলের সাংসদ মহুয়া মৈত্রের একটি মন্তব্য ঘিরে অস্বস্তিতে তৃণমূল কংগ্রেস। গুজরাটি সম্প্রদায়কে নিয়ে তাঁর মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই ভবানীপুরে বসবাসকারী গুজরাটি মানুষদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়ায়।এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলেরই এক কাউন্সিলর প্রকাশ্যে ওই মন্তব্যের নিন্দা করেন। তিনি জানান, এই ধরনের মন্তব্য দলের অবস্থান নয় এবং সাংসদ নিজের মতেই তা বলেছেন। একইসঙ্গে গুজরাটি সম্প্রদায়ের কাছে ক্ষমা প্রার্থনাও করা হয় তাঁর তরফে।এর পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বার্তাও সামনে আনা হয়। সেই বার্তায় তিনি গুজরাটি ভাই-বোনেদের কাছে ব্যক্তিগতভাবে ক্ষমা চেয়েছেন। তিনি জানান, এই মন্তব্য দল সমর্থন করে না এবং বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট সাংসদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। এই ধরনের মন্তব্যের জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।কয়েকদিন আগে এক সাংবাদিক বৈঠকে স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে মহুয়া মৈত্র মন্তব্য করেছিলেন, যেখানে তিনি বাঙালিদের অবদানের কথা তুলে ধরতে গিয়ে গুজরাটিদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তাঁর সেই মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয় বিতর্ক।ঘটনার পর রাজনৈতিক চাপানউতোর বাড়তে থাকে। ভবানীপুরের একটি বড় অংশ গুজরাটি সম্প্রদায়ের মানুষ নিয়ে গঠিত হওয়ায় বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। জানা যায়, অতীতের নির্বাচনে এই এলাকায় তৃণমূল খুব একটা ভালো ফল করতে পারেনি।রাজনৈতিক মহলের মতে, ভোটের আগে যখন বিভিন্ন সম্প্রদায়ের সমর্থন পাওয়ার চেষ্টা চলছে, তখন এই ধরনের মন্তব্য উল্টো প্রভাব ফেলতে পারে। বিরোধী দল এই ইস্যুকে হাতিয়ার করতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে দ্রুত ক্ষোভ প্রশমনের চেষ্টা শুরু করেছে তৃণমূল। দলের তরফে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে, এই মন্তব্য দল সমর্থন করে না এবং গুজরাটি সম্প্রদায়ের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
দেশ

গুজরাটে গেরুয়া ঝড়ে নয়া ইতিহাস, হিমাচলে হাতের দাপটে ঝরল পদ্ম

গুজরাটে সপ্তমবারের জন্য সরকার গঠন করতে চলেছে বিজেপি। গেরুয়া ঝড়ে সেখানে উড়ে গিয়েছে কংগ্রেস। ১৮২টি আসনের মধ্যে বিজেপি পেয়েছে ১৫৬টি আসন। কংগ্রেস পেয়েছে মাত্র ১৭টি, আম আদমি পার্টি ৫টি আসন জয় পেয়েছে। অন্যরা পেয়েছে ৪টি আসন। এরাজ্যে এর আগের বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস জয় পেয়েছিল ৭৭টি আসন। মনে করা হচ্ছে, কংগ্রেসের একটা বড় অংশের ভোট পেয়েছে আপ।হিমাচলপ্রদেশে ৬৮ আসনের মধ্যে কংগ্রেস জয়ী হয়েছে ৪০ আসনে। বিজেপি জয় পেয়েছে ২৫টি আসনে। অন্যরা পেয়েছে ৩টে আসন। এর আগে হিমাচলপ্রদেশে ক্ষমতায় ছিল বিজেপি। তবে কংগ্রেসের আশঙ্কা বিজেপি যেনতেন প্রকারেণ সরকার গঠনের প্রচেষ্টা চালাতে পারে। তাই বিধয়কদের ওপর কড়া নজর রয়েছে শীর্ষ নেতৃত্বের। তবে এই পাহাড়ি রাজ্যে কংগ্রেসের থেকে অনেকটাই পিছিয়ে বিজেপি।গুজরাটে রেকর্ড জয়ের পর দিল্লিতে বিজেপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গুজরাটের জয়ের জন্য সেখানকার সাধারণ মানুষকে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী। নরেন্দ্র মোদি বলেন, গুজরাটের মানুষ ইতিহাস তৈরি করেছে। দেশের সংকটের সময় দেশের জনতা ভরসা করে বিজেপিকে। দল সেখানে হারলেও হিমাচলের পাশে থাকবে কেন্দ্র। সেখানকার উন্নতিতে সামিল হবে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২২
দেশ

মাছে ভাতে বাঙ্গালিকে হিন্দি ভাষী অভিনেতার অসন্মান করার তীব্র প্রতিবাদ জানালো 'বাংলা পক্ষ'

হিন্দি সিনেমা অভিনেতা তথা বিজেপি নেতা পরেশ রাওয়াল বাঙালিকে বাংলাদেশী ও রোহিঙ্গা বলেছে এবং বাঙালিদের নিয়ে গুজরাটিদের মধ্যে ব্যাপক বাঙালি বিদ্বেষ ছড়িয়েছে বলে অভিযোগ বাংলা পক্ষর। বাঙালির মাছ খাওয়া নিয়েও পরেশ রাওয়াল বাঙ্গালিদের অপমান করেছে বলে অভিযোগ । এর বিরুদ্ধেই আজ কলকাতার রানুছায়া মঞ্চে বিক্ষোভ কর্মসূচী করল ভারতে বাঙালির জাতীয় সংগঠন বাংলা পক্ষ। সংগঠনের তরফে বাংলার মাটিতে অভিনেতা পরেশ রাওয়ালকে বয়কটের ঘোষণা করল বাংলা পক্ষ। বাংলা পক্ষের শীর্ষ পারিষদ কৌশিক মাইতি জনতার কথাকে জানান, বাংলা তথা ভারতে তীব্র বাঙালি-বিদ্বেষ ছড়ানোর বিরুদ্ধে প্রতিরোধে নামছে তাঁরা। প্রতিবাদের অংশ হিসাবে মাছ খেয়ে বাংলায় সর্বত্র মাছ খাওয়া এবং মাছ খাওয়া বাঙালি জাতির অধিকার দ্বিগুণ ভাবে প্রতিষ্ঠিত করার শপথ নেওয়া হয় এই সভায়। প্রতিকি প্রতিবাদ জানিয়ে মাছ খাইয়ে দেওয়া হয় পরেশ রাওয়ালের ছবিতেও।শুক্রবারের কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়, সাংগঠনিক সম্পাদক ও শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি, শীর্ষ পরিষদ সদস্য অমিত সেন, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার জেলা সম্পাদক প্রবাল চক্রবর্তী, উত্তর চব্বিশ পরগনা শিল্পাঞ্চলের জেলা সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ প্রমুখ।বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন, বাংলায় বাঙালি বিদ্বেষী পরেশ রাওয়ালের সিনেমা নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দিল বাংলা পক্ষ। আমরা বাংলার সব ডিস্ট্রিবিউটরকে বলতে চাই পরেশ রাওয়াল কে বয়কট করুন। বাংলা থেকে এক পয়সাও কামাতে না পারে পরেশ রাওয়াল। গত কয়েকবছর ধরে বিজেপির কারণে ভারতের নানা জায়গায় বাঙালিকে বাংলাদেশি দাগানো হচ্ছে। জেলে পুরে দেওয়া হচ্ছে৷ আমাদের রাজ্যে শিল্প, কাজ থাকলেও তা বিহার-ইউপি-ঝাড়খন্ডের লোকজন এসে দখল করছে। বাংলায় কাজ না পেয়ে বাঙালি বাইরে যাচ্ছে এবং বাংলাদেশি বলে আক্রমণের শিকার হচ্ছে। আমরা এর সমাধান চাই। বাংলার সব বেসরকারি চাকরি ও কাজে ৯০% ভূমিপুত্র সংরক্ষণ চাই।কৌশিক মাইতি বলেন, পরেশ রাওয়াল বলেছেন মূল্যবৃদ্ধি, বেকারত্ব বড় সমস্যা না, বড় সমস্যা হল গুজরাটে বাঙালি বেড়ে যাওয়া৷ বাঙালি মানেই বাংলাদেশি, রোহিঙ্গা। বাঙালি বাড়লে, চারপাশে মাছ রান্না করলে সেটা অনেক বড় সমস্যা। বাঙালি বোঝো। NRC র কারণে কতটা বাঙালি বিদ্বেষ তৈরি হয়েছে ভারতে। বাংলায় কথা বললেই বাংলাদেশি, মাছ খেলে বাংলাদেশি? আগে কৈলাশ বিজয়বর্গী বলেছিলন চিঁড়ে খেলেও বাংলাদেশি৷ বাঙালি বিদ্বেষ বাড়ছে, আক্রমণ বাড়ছে। কিন্তু বাঙালি আর আগের বাঙালি নেই। বাংলা পক্ষর নেতৃত্বে বাঙালি প্রতিরোধ গড়ে তুলছে। আজ আমরা মাছ ভাজা খেয়ে প্রতিবাদ করলাম। আগামীতে বাংলার নানা জায়গায় ঘরের দুয়ারে মাছের কাঁটা ফেলা হবে৷ বাংলা পক্ষর তরফে জানা গেছে তাঁরা, পরেশ রাওয়ালের বিরুদ্ধে আইন ব্যবস্থা নেওয়ার কথা খতিয়ে দেখছে।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২২
দেশ

গুজরাটে সেতু ভেঙে মৃত পূর্বস্থলী দু নম্বর ব্লকের মুকসিমপাড়া পঞ্চায়েতের কেশববাটি এলাকার কিশোর হাবিবুল শেখ

গুজরাটে ব্রিজ ভেঙে মৃত পূর্বস্থলী দু নম্বর ব্লকের মুকসিমপাড়া পঞ্চায়েত কেশববাটি এলাকার এক কিশোর। রবিবার গভীর রাতে সেই খবর পূর্বস্থলীর কেশববাটির বাড়িতে পৌঁছাতে শোকের ছায়া নেমে আসে। এ দিন সোমবার সকাল থেকেই মৃত ওই যুবকের বাড়ির সামনে বহু লোক ভিড় করেন। মৃত ঐ কিশোরের নাম হাবিবুল শেখ। মাস দশেক আগে তার এক কাকার কাছে সে সোনার গহনার কাজের জন্য গিয়েছিল।গতকাল বিকালে সে ওই ব্রিজের উপর বেড়াতে যাওয়ার জন্য যায়। তখনই ঘটে বিপত্তি। বেশ কিছুক্ষণ নিখোঁজ থাকার পর গতকাল রাতেই তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। এ দিন সোমবার সকালে মৃতের বাবা মহিবুল শেখ জানান ছেলে সোনার কাজের জন্য গিয়েছিল। সেখানেই থাকত, গতকাল গভীর রাতে এই মর্মান্তিক খবর পাই, ঘটনার পর এলাকায় নেমেছে শোকের ছায়া।

অক্টোবর ৩১, ২০২২
দেশ

ভারতে মিলল এক বিরল শ্রেনীর রক্ত, বিশ্বে মাত্র ১০ জনের শরীরে এই গ্রুপের রক্ত পাওয়া গেছে

গুজরাটে এক বিরল শ্রেনীর গ্রুপে রক্তর সন্ধান মেলায় চিকিৎসককুলের কপালে ভাঁজ। ভারতের পশ্চিম প্রান্তের রাজ্য গুজরাটের রাজকোটে এক বছর ৬৫ র প্রবীন ব্যক্তির শরীরে মিলল এই বিরল শ্রেনীভুক্ত রক্ত। প্রবীন ব্যক্তি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার প্র তাঁর রক্তের নমুনা পরীক্ষা করে দেখা যায় তাঁর শরীরে যে রক্তের গ্রুপ তা সাধারণ ভাবে মানুষের শরীরে যে রক্ত পাওয়া যায় সেই A, B, O, বা AB মধ্যে পড়ছে না।তাঁর শরীরে বিরল রক্তের গ্রুপ ইএমএম নেগেটিভ (EMM Negative) পাওয়া গেছে, যা অন্য চারটি রক্তের গ্রুপে (A, B, O, বা AB) কোনও শ্রেণীর সাথে মেলে না। মানবদেহে রক্তে মধ্যে A, B, O, Rh, এবং Duffy সহ ৪২ টি বিভিন্ন রক্ত রয়েছে। এই চারটি রক্তের গ্রুপ ছাড়াও ৩৭৫ টি বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিজেনে বেশ ভালো পরিমাণে EMM উপস্থিত লক্ষিত হয়।রাজকোটের এই প্রবীন ব্যক্তি পৃথিবীর ১০জন ব্যক্তিদের মধ্যে পড়েন, যারা সাধারণ মানুষের থেকে আলাদা কারণ তাদের রক্তে EMM উচ্চ-ফ্রিকোয়েন্সি অ্যান্টিজেনের অভাব রয়েছে বলে জানা যায়। এই ব্যক্তিরা অসুস্থ হয়ে রক্ত প্রয়োজন হলে ওই ১০ জন ব্যাক্তি ছাড়া পৃথীবীর কোনও মানুয-ই তাঁদের রক্ত দান করতে পারবেন না। কি ১০জন ব্যক্তির রক্তও অন্য কোনও মানুষের কাজে লাগবে না। এককথায় তাঁরা অন্য কারুর থেকে রক্তের গ্রুপের কাছ থেকে রক্ত দান এবং গ্রহণ করতে অক্ষম।আজ পর্যন্ত সমগ্র পৃথিবীতে মাত্র ৯ জনের শরীরে এই বিরল রক্তের গ্রুপ পাওয়া গেছিল। রাজকোটের এই ব্যক্তি-ই বিশ্বে ১০ম ব্যক্তি যাঁর শরীরে এর সন্ধান পাওয়া গেছে। সুরাটের সমর্পন রক্তদান কেন্দ্রের চিকিৎসক সন্মুখ জোশীর জানান, হার্ট অ্যাটাকের পরে আহমেদাবাদে ভর্তি হওয়া ওই প্রবীন ব্যক্তির হার্ট সার্জারির জন্য রক্তের প্রয়োজন ছিল। তাঁর নমুনাগুলি সুরাট রক্তদান কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছিল। আহমেদাবাদের প্রথমা ল্যাবরেটরিতে তার রক্তের গ্রুপ সনাক্ত করতে পারেনি।আরও উন্নত প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে রাজকোটের প্রবীন ব্যক্তির রক্তের গ্রুপটি স্নাক্ত করা হয়। এটিকে ভারতে পাওয়া বিরলতম রক্তের গ্রুপের প্রথম দৃষ্টান্ত এবং বিশ্বের দশম দৃষ্টান্ত হিসাবে জানা যায়। ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অফ ব্লাড ট্রান্সফিউশন (ISBT) এটিকে ইএমএম নেগেটিভ (EMM Negative) হিসাবে মনোনীত করেছে কারণ ওই রক্তে কোনও EMM উপস্থিত নেই।

জুলাই ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দর বাড়ানোর খেলায় মেতেছেন!‌ ঋদ্ধিকে নাকি প্রস্তাবই দেয়নি বরোদা–গুজরাট

সিএবির যুগ্মসচিব দেবব্রত দাসের মন্তব্যে ক্ষুব্ধ হয়ে বাংলা ছেড়ে অন্য রাজ্যে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ঋদ্ধিমান সাহা। প্রেসিডেন্ট অভিষেক ডালমিয়া আসরে নামলেও বরফ গলেনি। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, ঋদ্ধির কাছে নাকি বেশ কয়েকটি রাজ্যের হয়ে খেলার জন্য প্রস্তাব রয়েছে। এই তালিকায় বরোদা ও গুজরাটও ছিল। কিন্তু বরোদা ও গুজরাট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছে, ঋদ্ধিমান সাহাকে তাদের রাজ্যের হয়ে খেলার কোনও প্রস্তাব দেওয়া হয়নি।সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গুজরাট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের শীর্ষকর্তা অনিল প্যাটেল বলেছেন, ঋদ্ধিমান সাহাকে গুজরাটের হয়ে খেলার জন্য কোনও প্রস্তাব দেওয়া হয়নি। হেট প্যাটেল নামে আমাদের একজন তরুণ উইকেটকিপার রয়েছে। ও দারুণ খেলছে। ঋদ্ধিমানকে দলে নিয়ে কেন আমরা ওর ক্রিকেটজীবন নষ্ট করব?বরোদার পক্ষ থেকেও ঋদ্ধিকে কোনও প্রস্তাব দেওয়া হয়নি। বরোদা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়শনের সচিব অজিত লেলে এই মুহূর্তে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন। সেখান থেকে সংবাদ সংস্থাকে জানিয়েছেন, গত একমাস ধরে আমি দেশের বাইরে। ঋদ্ধিমান সাহাকে আমাদের হয়ে খেলার প্রস্তাব দেওয়ার কোনও খবর আমার কাছে নেই। অম্বাতি রায়ুডুকে আমরা নিয়েছি। নতুন করে ঋদ্ধিকে নেওয়ার কোনও পরিকল্পনা আমাদের নেই। ত্রিপুরা অবশ্য ঋদ্ধির ব্যাপারে আগ্রহ দেখিয়েছিল। কিন্তু ঋদ্ধির আর্থিক চাহিদা মেটানোর ব্যাপারে কিছুটা হলেও অনীহা রয়েছে।এদিকে, বোরিয়া মজুমদারের সঙ্গে তাঁর বিতর্ক নিয়ে মুখ খুলেছেন ঋদ্ধি। চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন তিনি। ঋদ্ধিমান জানিয়েছেন, ওই একবারই নয়, বোরিয়া মজুমদার নাকি আগেও এইরকম কাণ্ড ঘটিয়েছিলেন। তাঁর কথায়, আমি দেখাতে চেয়েছিলাম একটা সাক্ষাৎকারের জন্য একজন সাংবাদিক কতটা নীচে নামতে পারেন! আমি পরে জানতে পেরেছি ওই সাংবাদিক এমনটা আগেও করেছেন। সে কারণেই বিসিসিআই এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে এবং ওই সাংবাদিককে শাস্তি দিয়েছে। আমি প্রথমে মুখ খুলিনি বোর্ডের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ থাকার শর্ত মেনেই। ঋদ্ধিমান আরও বলেন, প্রথমে ভেবেছিলাম যে হুমকির ঘটনার কথা প্রকাশ্যে নিয়ে আসব না। কেন না, সকলেরই কেরিয়ার রয়েছে। কিন্তু যদি এমন আচরণের পরেও কারও আক্ষেপ না থাকে, তাহলে কতক্ষণ আর চুপ থাকা যায়?

জুন ২২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌সামনের মরশুমে কি গুজরাটের হয়ে খেলবেন ঋদ্ধিমান?‌

বাংলা যে ছাড়ছেন, এটা নিশ্চিত। কিন্তু বাংলা ছেড়ে সামনের মরশুমে কোন দলের হয়ে রনজি খেলবেন ঋদ্ধিমান সাহা? এই নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। তবে বিশ্বস্তসূত্রের খবর, সামনের বছর গুজরাটের হয়ে খেলতে দেখা যেতে পারে দেশের অন্যতম সেরা এই উইকেটকিপারকে। শোনা যাচ্ছে, গুজরাট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে নাকি প্রাথমিক কথাবার্তাও হয়ে গেছে ঋদ্ধিমান সাহার।এবছর রনজি শুরুর আগে পারিবারিক কারণ ও ক্লান্তির জন্য বাংলার হয়ে রনজি না খেলার কথা জানিয়েছিলেন ঋদ্ধি। তাড়াছা জাতীয় দলে তাঁকে যে আর ভাবা হবে না, সেকথাও জানিয়ে দিয়েছিলেন ভারতীয় দলের কোচ রাহুল দ্রাবিড়। তাই রনজি খেলার মোটিভেশন হারিয়ে ফেলেছিলেন ঋদ্ধিমান। তাঁর রনজি না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন সিএবির যুগ্ম সচিব দেবব্রত দাস। প্রশ্ন তুলেছিলেন ঋদ্ধির দায়বদ্ধতা নিয়েও। দেবব্রত দাসের মন্তব্য ভালভাবে নেননি ঋদ্ধি। তিনি বলেন, প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে ঋদ্ধিকে। কিন্তু দেবব্রত দাস রাজি হননি। ঋদ্ধি তখনই ঠিক করেন, বাংলার হয়ে আর খেলবেন না।রনজি কোয়ার্টার ফাইনালের দল গঠনের সময় ঋদ্ধিকে না জানিয়েই টিমে রেখেছিলেন নির্বাচকরা। এতে আরও ক্ষেপে যান তিনি। সিএবি প্রেসিডেন্ট অভিষেক ডালমিয়াকে পরিস্কার জানিয়ে দেন বাংলার হয়ে তিনি আর খেলবেন না। বাংলা থেকে ছাড়পত্র নিতে চান। অভিষেক ডালমিয়া থেকে শুরু করে বাংলার কোচ অরুণলালও ঋদ্ধিকে বোঝানোর চেষ্টা করেন। তাতেও বরফ গলেনি। আইপিএল চলাকালীনই বাংলার রনজি দলের হোয়াটসআপ গ্রুপ থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন ঋদ্ধি। তখনই বিষয়টা পরিস্কার হয়ে যায় যে, বাংলার হয়ে না খেলার সিদ্ধান্তে তিনি অনড়।আইপিএলের ফাইনাল খেলে বুধবার কলকাতায় ফিরছেন ঋদ্ধিমান। তারপরই তিনি সিএবিতে যাবেন নো অবজেকশন সার্টিফিকেটের জন্য প্রেসিডেন্ট অভিষেক ডালমিয়ার সঙ্গে কথা বলতে। সামনাসামনি বৈঠকে দুই পক্ষের বরফ গলে কিনা এখন সেটাই দেখার। অভিষেক ডালমিয়া যদি ঋদ্ধির মান ভাঙাতে পারেন, তাহলে বাংলারই লাভ।

জুন ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর অন্য লক্ষ্য স্থির করে ফেলেছেন হার্দিক

২০১৫ সাল থেকে আইপিএলে খেলছেন। পাঁচ বার ফাইনালে উঠে পাঁচ বারই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার অনন্য নজির গড়েছেন হার্দিক পান্ডিয়া। কিন্তু এবারের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গুরুত্বই আলাদা তাঁর কাছে। কারণ এবারই প্রথম নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন আইপিএলের রঙ্গমঞ্চে। প্রথমবার নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পেয়েই বাজিমাত। তবে এখানেই থেমে থাকতে চাননা হার্দিক। তাঁর এবার লক্ষ্য দেশকে বিশ্বকাপ এনে দেওয়া।গুজরাট টাইটান্সকে ট্রফি জেতানোর পর হার্দিক পান্ডিয়া বলেন, একসময় দেশের হয়ে খেলার স্বপ্ন দেখতাম। সেই স্বপ্ন পূরম হয়েছে। দেশের হয়ে খেলার সময় সকলের সমর্থন ও ভালবাসা পেয়েছি। আমি সবসময় দেশের সাফল্যকে প্রাধান্য দিয়ে এসেছি। এবার দেশকে বিশ্বকাপ জেতানোই লক্ষ্য। সেই লক্ষ্যেই কঠোর পরিশ্রম করছি। চেষ্টা করছি সেরাটা দেওয়ার। আশা করছি সফল হব।হার্দিক আরও বলেন, আমি বরাবরই দায়িত্ব নিতে ভালবাসি, সামনে থেকে দলকে নেতৃত্ব দিতে পছন্দ করি। আমি যদি সামনে দাঁড়িয়ে পতাকা বহন করতে পারি, তাহলে সতীর্থদের কাছে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারব। আইপিএলে ৫ বার ফাইনালে উঠে ৫ বারই চ্যাম্পিয়ন হলাম। এবারের চ্যাম্পিয়ন হওয়াটা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এবছরই প্রথম নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পেয়েছি। আমার আর একটা লক্ষ্য রয়েছে। দেশের হয়ে বিশ্বকাপ জেতা।টি২০ ক্রিকেট নাকি ব্যাটারদের খেলা। হার্দিকের মত অবশ্য ভিন্ন। তিনি মনে করেন, ব্যাটাররা কয়েকটা ম্যাচ জেতাতে পারে। কিন্তু ধারাবাহিকভাবে জিততে গেলে ভাল বোলিং শক্তি দরকার। আইপিএলের মেগা নিলামে সেই দিকেই নজর দিয়েছিলেন বলে জানান হার্দিক। তাঁর কথায়, আমি আর বোলিং কোচ আশিস নেহরা ঠিক করেছিলাম, অভিজ্ঞ বোলিং শক্তি তৈরি করব। সেই লক্ষেই সামি, রশিদ, ফার্গুসনদের দলে নিয়েছিলাম। অভিজ্ঞ বোলারদের নিয়ে দল তৈরির সুফল পেয়েছি। বোলাররা প্রতি ম্যাচেই ১০২০ রান কম দিয়েছে। ওই রানগুলোই ম্যাচের ফয়সালা করে দিয়েছে। এবছর প্রতিটি ম্যাচে গ্যালারিতে ছিলেন হার্দিকের স্ত্রী নাতাশা স্তানকোভিচ। স্ত্রী ও পরিবার তাঁর সব থেকে বড় শক্তি বলে জানিয়েছেন হার্দিক। তিনি বলেন, নাতাশা আমার লড়াইয়ের সাক্ষী। ওই আমার অনুপ্রেরণা। আমি কতটা পরিশ্রম করেছি সেটা ও জানে। আমি সফল হওয়ায় ওর খুব আনন্দ হয়েছে। উচ্ছ্বাসে মেতে উঠেছিল।

মে ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

প্রথম নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পেয়েই ইতিহাস হার্দিক পান্ডিয়ার

চলতি আইপিএলে কি নতুন চ্যাম্পিয়ন দেখতে পাবেন ক্রিকেটপ্রেমীরা? না, দ্বিতীয় বারের জন্য আবার রাজস্থান রয়্যালসের হাতে উঠবে ট্রফি? আমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে প্রশ্নটা রবিবাসরীয় সন্ধেয় বারবার ঘুরে ফিরে আসছিল। ঘরের দলকে সমর্থন জানাতে এদিন গ্যালারি ভরিয়েছিলেন দর্শকরা। ক্রিকেটপ্রেমীদের হতাশ হতে হয়নি। দ্বিতীয় বার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন চুরমার হয়ে গেল রাজস্থান রয়্যালসের। রাজস্থানকে ৭ উইকেটে উড়িয়ে আইপিএলে অভিষেকেই চ্যাম্পিয়ন গুজরাট টাইটান্স। প্রথমবার নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পেয়েই ইতিহাস গড়লেন হার্দিক পান্ডিয়া।গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে ফাইনালে রাজস্থান রয়্যালস বড় রানের জন্য তাকিয়েছিল জস বাটলারের দিকে। বাটলার ব্যর্থ হতেই বড় রানের স্বপ্ন শেষ হয়ে যায় রাজস্থানের। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৩০ রানের বেশি তুলতে পারেননি। জয়ের জন্য ১৩১ রানের লক্ষ্য খুব একটা কঠিন ছিল না গুজরাট টাইটান্সের কাছে। কিন্তু ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই ধাক্কা খায় হার্দিক পান্ডিয়ার দল। দ্বিতীয় ওভারের চতুর্থ বলে ঋদ্ধিমান সাহার স্টাম্প ছিটকে দেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা। ৭ বলে মাত্র ৫ রান করে আউট হন ঋদ্ধি। পঞ্চম ওভারের তৃতীয় বলে ম্যাথু ওয়েডকে তুলে নিয়ে ম্যাচ জমিয়ে দিয়েছিলেন ট্রেন্ট বোল্ট। ১০ বলে ৮ রান করে আউট হন ওয়েড।🏆 ➡️ 🎂 #SeasonOfFirsts #AavaDe #IPLFinal #GTvRR pic.twitter.com/eDUCgtQZgD Gujarat Titans (@gujarat_titans) May 29, 2022ওয়েড যখন আউট হন গুজরাট টাইটান্সের রান তখন ৪.৩ ওভারে ২৩/২। এরপর রাজস্থান রয়্যালসের বোলার ওপর ক্রমশ চাপ তৈরি করতে শুরু করেন হার্দিক পান্ডিয়া ও শুভমান গিল। এই দুই ব্যাটার পার্টনারশিপ গড়ে তুলে গুজরাটকে ক্রমশ জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান। ১৪ তম ওভারের দ্বিতীয় বলে জুটি ভাঙেন যুজবেন্দ্র চাহাল। হার্দিক পান্ডিয়াকে তুলে নেন। ৩০ বলে ৩৪ রান করে আউট হন হার্দিক। গুজরাটের রান তখন ৮৬। এরপর দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন শুভমান গিল (৪৩ বলে অপরাজিত ৪৫) ও ডেভিড মিলার (১৯ বলে ৩২)। ১৮.১ ওভারে ১৩৩/৩ তুলে ম্যাচ জিতে যায় গুজরাট টাইটান্স।টস জিতে এদিন রাজস্থান অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। গুজরাট টাইটান্স অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়ার দুর্দান্ত বোলিং ও নেতৃত্ব একবারে ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দিয়েছিল রাজস্থান রয়্যালসকে। যশস্বী জয়সোয়ালকে (১৬ বলে ২২) তুলে নিয়ে রাজস্থানকে প্রথম ধাক্কা দিয়েছিলেন যশ দয়াল। তারপর বাইশ গজে আগুন ঝড়ান হার্দিক। তাঁর শিকারের তালিকায় সঞ্জু (১১ বলে ১৪), বাটলার (৩৫ বলে ৩৯), হেটমায়ার (১২ বলে ১১)। পাড়িক্কলকে (২) তুলে নেন রশিদ খান। দুরন্ত বোলিং করে ৪ ওভারে মাত্র ১৭ রান দিয়ে ৩ উইকেট তুলে নেন হার্দিক। ১৮ রানে ১ উইকেট নেন রশিদ খান। ২০ রানে ২ উইকেট নেন সাই কিশোর।

মে ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দুরন্ত বোলিং ও নেতৃত্ব, হার্দিক পান্ডিয়াই ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দিল রাজস্থানকে

চলতি আইপিএলে রাজস্থান রয়্যালসের ফাইনালে ওঠার পেছনে সবথেকে বেশি অবদান জস বাটলারের। একার হাতেই দলকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে ফাইনাল বৈতরণী পার হওয়ার জন্য তাঁর দিকেই তাকিয়ে ছিল গোটা দল। ফইনালে জ্বলে উঠতে পারলেন না জস বাটলার। বাকিরাও দায়িত্ব নিতে পারলেন না। হার্দিক পান্ডিয়ার দুরন্ত বোলিংয়ের সামনে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ল রাজস্থান রয়্যালস। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে তুলল ১৩০/৯। আগের ম্যাচে আমেদাবাদের বাইশ গজে দ্বিতীয় ইনিংসে স্পিনারদের সাহায্য পেতে দেখেছিলেন রাজস্থান অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। সেকথা মাথায় রেখে এদিন টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন। মহম্মদ সামি ও যশ দয়ালের প্রথম দুই ওভারে তেমন সুবিধা করতে পারেননি রাজস্থানের দুই ওপেনার জস বাটলার ও যশস্বী জয়সোয়াল। আক্রমণাত্মক হয়ে উঠতে গিয়ে যশ দয়ালকে উইকেট তুলে দেন যশস্বী। ১৬ বলে ২২ রান করে তিনি সাই কিশোরের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। যশস্বী আউট হওয়ার পর বাটলারের সঙ্গে জুটি বাঁধেন অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। রাজস্থানের স্ট্র্যাটেজি ছিল বাটলার ইনিংস গড়ার দিকে নজর দেবেন, বাকি ব্যাটাররা আক্রমণের রাস্তায় যাবেন। কিন্তু সঞ্জুকে ঝড় তোলার সুযোগে দেননি গুজরাট টাইটান্স অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। নবম ওভারের দ্বিতীয় বলে সঞ্জুকে (১১ বলে ১৪) তুলে নেন। ব্যাট করতে নেমে দেবদত্ত পাড়িক্কলও হার্দিক, রশিদ খানদের বিরুদ্ধে একেবারেই সাবলীল ছিলেন না। পাড়িক্কল ক্রিজে আসতেই রশিদকে আক্রমণে নিয়ে আসেন হার্দিক। সাফল্যও পান। পাড়িক্কলকে (২) তুলে নেন রশিদ। আইপিএলের শুরু থেকেই ব্যাট হাতে বোলারদের শাসন করে গেছেন জস বাটলার। তাঁর ব্যাটিংয়ের বৈশিষ্ট্য হল শুরুর দিকে খুব বেশি আক্রমণের রাস্তায় হাঁটেন না। ইনিংস গড়ার দিকে নজর দেন। পরের দিকে ঝড় তোলেন। এদিন অবশ্য তাঁকে ঝড় তোলার সুযোগ দেননি হার্দিক পান্ডিয়া। হার্দিকের অফ স্টাম্পের বাইরের শর্ট বল ব্যাটের কানায় লাগিয়ে ঋদ্ধিমানের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন বাটলার। ৩৫ বলে ৩৯ রান করেন তিনি। বাটলার আউট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই রাজস্থান রয়্যালসের বড় রানের ইনিংস গড়ার স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। শিমরন হেটমায়ার (১১), রবিচন্দ্রন অশ্বিন (৬), ট্রেন্ট বোল্টরা (১১) দায়িত্ব নিতে পারেননি। দুরন্ত বোলিং করে ৪ ওভারে মাত্র ১৭ রান দিয়ে ৩ উইকেট তুলে নেন হার্দিক। ১৮ রানে ১ উইকেট নেন রশিদ খান। ২০ রানে ২ উইকেট নেন সাই কিশোর।

মে ২৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আইপিএলে চতুর্থ সেঞ্চুরি!‌ ঝড় তুলে রাজস্থানকে ফাইনালে তুললেন বাটলার

চলতি আইপিএলে চতুর্থ সেঞ্চুরি। অপরাজিত রইলেন ১০৬ রানে। দুরন্ত বাটলারের ঝড়ে উড়ে গেল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে ৭ উইকেটে উড়িয়ে আইপিএলের ফাইনালে রাজস্থান রয়্যালস। সামনে আবার সেই গুজরাট টাইটান্স। প্রথম কোয়ালিফায়ারে হারের মধুর প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ।এলিমিনেটরে লখনউ সুপার জায়ান্টসকে হারিয়ে ফাইনালের স্বপ্ন দেখেছিলেন বিরাট কোহলি। কিন্তু তাঁদের সেই স্বপ্ন ভেঙে চুরমার করে দেওয়ার জন্য তৈরি ছিল সঞ্জু স্যামসনের দল। গুজরাট টাইটান্সের কাছে হার মেনে নিতে পারেনি রাজস্থান রয়্যালস। ডেভিড মিলারের হাতে এক ওভারে পরপর তিনটি ছক্কা খাওয়াটাও হজম হয়নি প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর। এদিন দুরন্ত বল করে ২২ রানে নেন ৩ উইকেট। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের বিরুদ্ধে প্রায়াশ্চিত্য করে গেলেন। ওবেদ ম্যাকয়ও গুজরাটের বিরুদ্ধে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। ফাফ ডুপ্লেসির দলের বিরুদ্ধে সব পুষিয়ে দিলেন। তিনি ২৩ রানে নেন ৩ উইকেট। এই দুই বোলারের দাপটেই প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৫৭/৮ রানের বেশি তুলতে পারেনি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। সর্বোচ্চ রান করেন রজত পতিদার (৪২ বলে ৫৮)।রাজস্থান রয়্যালসের যা ব্যাটিং শক্তি, জয়ের জন্য ১৫৮ রানের লক্ষ্য খুব একটা কঠিন ছিল না। তার ওপর লিগ পর্বে শেষ তিন ম্যাচের ব্যর্থতা কাটিয়ে প্রথম কোয়ালিফায়ারে ছন্দ ফিরে পেয়েছেন জস বাটলার। আগের ম্যাচে যেখানে শেষ করেছিলেন, সেখান থেকেই এদিন শুরু করেন রাজস্থান রয়্যালসের অধিনায়ক। শুরু থেকেই চেপে বসেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের বোলারদের ওপর। যশস্বী জয়সোয়ালও ভাল শুরু করেছিলেন। ওপেনিং জুটিতে ৫ ওভারে ওঠে ৬১। এরপরই ফিরে যান যশস্বী জয়সোয়াল। ১৩ বলে ২১ রান করে তিনি জস হ্যাজেলউডের বলে বিরাট কোহলির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন।যশস্বী আউট হলেও বাটলারের ঝড় অব্যাহত থাকে। মাত্র ২৩ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। ২১ বলে ২৩ রান করে আউট হন সঞ্জু স্যামসন। হাসারাঙ্গাকে স্টেপ আউট করে মারতে গিয়ে তিনি স্টাম্পড হন। ১৫ ওভারের চতুর্থ বলে হাসারাঙ্গাকে ৬ মেরে চলতি আইপিএলে ৮০০ রান পূর্ণ করেন বাটলার। এক বল পরেই হাসারাঙ্গাকে আবার ৬ হাঁকিয়ে ৮৮ রানে পৌঁছে যান তিনি। জয় থেকে যখন ১০ রান দুরে তখনই আউট হন দেবদত্ত পাড়িক্কল। ১২ বলে ৯ রান করে হ্যাজেলউডের বলে তিনি সাজঘরে ফেরেন। নিজের ছন্দ ধরে রেখে এরপর সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন জস বাটলার। ৬০ বলে ১০৬ রান করে অপরাজিত থাকেন। ১১ বল বাকি থাকতেই ১৬১/৩ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় রাজস্থান।

মে ২৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মিলার হয়ে উঠলেন ‘‌কিলার’, রাজস্থানকে উড়িয়ে ফাইনালে গুজরাট টাইটান্স

জস বাটলারের দুরন্ত ইনিংস ম্লান হয়ে গেল ডেভিড মিলারের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের সৌজন্যে। তাঁর দাপটেই প্রথম কোয়ালিফায়ারে রাজস্থান রয়্যালসকে ৭ উইকেটে হারিয়ে অভিষেক আইপিএলেই ফাইনালে পৌঁছে গেল গুজরাট টাইটান্স। ৩ বল বাকি থাকতে ১৯১/৩ তুলে ম্যাচ জিতে নেয়। ট্র্যাজিক হিরো হয়েই থেকে গেলেন বাটলার।বাটলারের দাপটে ৬ উইকেটে ১৮৮ রান তুলে গুজরাট টাইটান্সের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছিল সঞ্জু স্যামসনের দল। বড় রান তাড়া করতে গেলে শুরুটা ভাল হওয়া জরুরি। সেটাই হয়নি গুজরাট টাইটান্সের। আগের বেশ কয়েকটা ম্যাচে ওপেনিং জুটিতে বড় রান তুলে পার্থক্য গড়ে দিয়েছিলেন ঋদ্ধিমান সাহা ও শুভমান গিল। ঘরের মাঠে এদিন প্রত্যাশার চাপ পূরণ করতে পারেননি ঋদ্ধি। ট্রেন্ট বোল্টের ওভারে ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই তিনি উইকেটের পেছনে সঞ্জু স্যামসনের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। নিজের আঁতুর ঘরে খালি হাতেই ফিরতে হল ঋদ্ধিকে। বল হাতে ব্যর্থ হয়েছিলেন মহম্মদ সামি। ৪ ওভারে দিয়েছিলেন ৪৩। মাত্র ১ উইকেট পেয়েছিলেন। ব্যাট হাতে আরও এক ঘরের ক্রিকেটার হতাশ করেন।বোর্ডে কোনও রান ওঠার আগেই ঋদ্ধি আউট। মনে হচ্ছিল ট্রেন্ট বোল্টদের সামনে ভেঙে পড়বে গুজরাট টাইটান্স। তা কিন্তু হয়নি। পাল্টা আক্রমণ শানিয়ে রাজস্থান বোলারদের ছন্দ নষ্ট করে দেন শুভমান গিল ও ম্যাথু ওয়েড। ৭ ওভারেই পৌঁছে যায় ৬৮ রানে। ওয়েডের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে শুভমান আউট। ২১ বলে ৩৫ রান করেন শুভমান। এরপরই ছন্দপতন। দশম ওভারের তৃতীয় বলে ওয়েডকে তুলে নেন ওবেদ ম্যাকক। ৩০ বলে ৩৫ রান করেন ওয়েড।ওয়েড আউট হওয়ার পর গুজরাটের হাল ধরেন ডেভিড মিলার ও হার্দিক পান্ডিয়া। এই দুজনই দলকে টেনে নিয়ে যান। শেষ ওভারে জয়ের জন্য ১৬ রান দরকার ছিল গুজরাট টাইটান্সের। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণার প্রথম তিন বলে তিনটি ৬ মেরে দলকে ফাইনালে তোলেন মিলার। শেষ পর্যন্ত ৩৮ বলে ৬৮ রান করে অপরাজিত থাকেন। ২৭ বলে ৪০ রান করে অপরাজিত থাকেন হার্দিক পান্ডিয়া।প্রথমে ব্যাট করতে নেমে এদিন শুরুটা ভাল হয়নি রাজস্থান রয়্যালসেরও। দ্বিতীয় ওভারেই ধাক্কা খায়। যশ দয়ালের আউট হন যশস্বী জয়সওয়াল (৩)। এরপর ক্রিজে নেমে ঝড় তোলেন সঞ্জু স্যামসন। জস বাটলার এদিন শুরু থেকেই ছিলেন সতর্ক। শুরুর দিকে খুব বেশি আক্রমণের রাস্তায় হাঁটেননি। ৪২ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। তারপরই ঝড় তোলেন। শেষ পর্যন্ত তিনি ৫৬ বলে ৮৯ রান করে রান আউট হন। ২৬ বলে ৪৭ রান করেন সঞ্জু স্যামসন। এই দুজনের দাপটেই গুটরাজ টাইটান্সের সামনে বড় রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে সক্ষম হয়েছিল রাজস্থান রয়্যালস। ২০ বলে ২৮ রান করেন দেবদত্ত পাড়িক্কল।

মে ২৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ক্রিকেটের নন্দনকাননে ‘‌বাটলার শো’, গুজরাটকে বড় রানের চ্যালেঞ্জ রাজস্থানের

আগের তিনটি ম্যাচে রান পাননি। ক্রিকেটের নন্দনকাননে তিন ম্যাচের ব্যর্থতা কাটিয়ে আবার জ্বলে উঠলেন জস বাটলার। তাঁর দাপটেই প্রথম কোয়ালিফায়ারে গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে বড় রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল রাজস্থান রয়্যালস। নির্ধারিত ২০ ওভারে তুলল ১৮৮/৬। ক্রিকেটের নন্দনকানন মাতালেন জস বাটলার।চলতি আইপিএসে টস ভাগ্য একেবারে সহায় ছিল না সঞ্জু স্যামসনের। লিগ পর্বে ১৪ ম্যাচের মধ্যে ১২টিতেই টসে হারতে হয়েছিল। প্রথম কোয়ালিফায়ারেও ভাগ্য সহায় হল না। হার্দিক পান্ডিয়ার কাছে আবারও টসে হার। এবং প্রথমে ব্যাট করার ডাক। ব্যাট করতে নেমে এদিন দ্বিতীয় ওভারেই ধাক্কা খায় রাজস্থান। যশ দয়ালের বলে উইকেটের পেছনে ঋদ্ধিমান সাহার হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন যশস্বী জয়সওয়াল (৩)। এরপর ক্রিজে নেমে ঝড় তোলেন রাজস্থান অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। আগের তিন ম্যাচে রান না পাওয়া জস বাটলার এদিন শুরু থেকেই ছিলেন সতর্ক। খুব বেশি আক্রমণের রাস্তায় হাঁটেননি। ঝড় না তুলে ইনিংস গড়ার দিকে নজর দেন। দুজনের জুটিতে ওঠে ৬৮ রান। সাই কিশোরকে ৬ মেরে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করতে গিয়ে লং অন বাউন্ডারির ধারে আলজেরি জোশেফের হাতে ধরা পড়েন সঞ্জু। ২৬ বলে তিনি করেন ৪৭ রান।সঞ্জু আউট হওয়ার পর ক্রিজে এসে রাজস্থানের রানের গতি ধরে রাখেন দেবদত্ত পাড়িক্কল। ২০ বলে ২৮ রান করে তিনি হার্দিক পান্ডিয়ার বলে বোল্ড হন। রাজস্থান ব্যাটাররা এদিন রশিদ খানের ওপর খুব বেশি আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠার সুযোগ পাননি। কোনও উইকেট না পেলেও ৪ ওভারে মাত্র ১৫ রান খরচ করেন রশিদ। রশিদ খানের কোটা শেষ হওয়ার পরেই আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন বাটলার। ৩৮ বলে তাঁর রান ছিল ৩৯। সেখান থেকে ৪২ বলে তিনি হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। এই নিয়ে চলতি আইপিলে চতুর্থ হাফ সেঞ্চুরি করলেন বাটলার। হেটমায়ার এদিনও দলকে ভরসা দিতে পারলেন না। ৭ বলে মাত্র ৪ রান করে তিনি মহম্মদ সামির বলে রাহুল তেওয়াটিয়ার হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। বাটলার শো অবশ্য অব্যাহত থাকে। শেষ পর্যন্ত তিনি ৫৬ বলে ৮৯ রান করে রান আউট হন। গুজরাটের হয়ে ১টি করে উইকেট নেন সামি, যশ দয়াল সাই কিশোর ও হার্দিক।

মে ২৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

লিগ টেবিলে সম্মানজনক জায়গায় শেষ করাই এখন লক্ষ্য রোহিত শর্মার মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের

টানা ৮ ম্যাচ হেরে প্লে অফের স্বপ্ন আগেই শেষ করে ফেলেছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। বাকি ম্যাচ জিতলেও প্লে অফে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই। লিগ টেবিলে সম্মানজনক জায়গায় শেষ করাই এখন লক্ষ্য রোহিত শর্মার দলের। সেই লক্ষ্যে গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে বড় রান তুলে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে তুলল ১৭৭।টস জিতে এদিন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন গুজরাট টাইটান্সের অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। আগের ম্যাচে প্রথম জয় পাওয়া মুম্বই ইন্ডিয়ান্স একটা পরিবর্তন করে মাঠে নামে। ঋত্ত্বিক সোকেনের জায়গায় মুরুগান অশ্বিন প্রথম একাদশে ঢোকেন। ব্যাট করতে নেমে এদিন দারুণ শুরু করেছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। দুই ওপেনার ঈশান কিষান ও অধিনায়ক রোহিত শর্মাকে দেখে মনে হচ্ছিল ভাল ছন্দে রয়েছেন। ওপেনিং জুটিতে দুজনে তোলেন ৭৪। সেই সময় মুম্বইয়ের রান তোলার গড় ছিল ওভার প্রতি ১০এর ওপরে। অষ্টম ওভারের তৃতীয় বলে প্রথম ধাক্কা খায় মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। রশিদ খানের বলে এলবিডব্লু হন রোহিত। প্রথমে অন ফিল্ড আম্পায়ার রোহিতকে আউট দেননি। রশিদ ডিআরএসের আশ্রয় নেন। টিভি আম্পায়র রিপ্লে দেখে রোহিতকে আউট দেওয়ার কথা বলেন অন ফিল্ড আম্পায়ারকে। ৫টি চার ও ২টি ছয়ের সাহায্যে ২৮ বলে ৪৩ রান করেন রোহিত। তিনি আউট হওয়ার ২ ওভার পরেই সূর্যকুমার যাদবকে তুলে নেন প্রদীপ সাঙ্গোয়ান। ১১ বলে ১৩ রান করেন সূর্যকুমার। দ্বাদশ ওভারের শেষ বলে ঈশান কিষানকে তুলে নেন আলজেরি জোশেফ। ২৯ বলে ৪৫ রান করেন ঈশান। ঈশান আউট হওয়ার পর রান তোলার গতি কমে যায় মুম্বইয়ের। কায়রন পোলার্ড চলতি আইপিএলে একেবারেই ছন্দে নেই। এদিন ১৪ বলে মাত্র ৪ রান করে রশিদ খানের গুগলিতে পরাস্ত হয়। তিলক ভার্মা ১৬ বলে করেন ২১ রান। শেষদিকে টিম ডেভিড ঝড় তুলে মুম্বইকে ১৭৭/৬ রানে পৌঁছে দেন। ২১ বলে ৪৪ রান করে অপরাজিত থাকেন টিম ডেভিড। এদিন দারুণ বোলিং করে ৪ ওভারে ২৪ রান দিয়ে ২টি উইকেট তুলে নেন রশিদ খান।

মে ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দুরন্ত উমরানের ৫ উইকেট, তবু দলকে জেতাতে ব্যর্থ

গুজরাট টাইটান্সের গতিকে টেক্কা দিলেও বাজিমাত করতে পারল না সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। আইপিএলের ফিরতি সাক্ষাৎকারেও শেষ হাসি গুজরাট টাইটান্সর। আইপিএলে জীবনের প্রথমবার ৫ উইকেট নিয়েও দলকে জেতাতে পারলেন না উমরান মালিক। গুজরাট ৫ উইকেটে হারাল সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে। প্রথম পর্বের হারের মধুর প্রতিশোধ। গতি দিয়ে গুজরাটের ব্যাটারদের নক আউট করে দিয়েও শেষরক্ষা করতে পারলেন না উমরান মালিক। ২৫ রানে ৫ উইকেট নেন।জয়ের জন্য ১৯৬ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু করেছিল গুজরাট টাইটান্স। পাওয়ার প্লে-র ৬ ওভারে তুলে ফেলে ৫৯। অষ্টম ওভারে প্রথম ধাক্কা খায় গুজরাট। গতিতে পরাস্ত করে দ্বিতীয় বলে শুভমান গিলকে তুলে নেন উমরান মালিক। ২৪ বলে ২২ রান করে বোল্ড হন শুভমান। এক ওভার পরেই হার্দিককেও (৬ বলে ১০) ফেরান উমরান। পরপর ২ উইকেট হারালেও লড়ে যান ঋদ্ধিমান সাহা। আগের ম্যাচগুলোতে ব্যর্থ হলেও ঋদ্ধি এদিন জ্বলে ওঠেন। ২৮ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। কিন্তু শেষরক্ষা করতে পারেননি। উমরান মালিকের ১৫৩ কিমি গতির ডেলিভারি ঋদ্ধির স্টাম্প ছিটকে দেয়। ১১ টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে ৩৮ বলে ৬৮ রান করে আউট হন ঋদ্ধি। ডেভিড মিলারও (১৯ বলে ১৭) উমরানের বলে বোল্ড হন। মিলারের আউটের ধাক্কা সামলাতে পারেনি গুজরাট। পরের ওভারেই অভিনব মনোহরকে (০) তুলে নেন উমরান। শেষ ওভারে জয়ের জন্য গুজরাটের দরকার ছিল ২২ রান। মার্কো জনসেনের প্রথম বলে ৬ মারেন রাহুল তেওয়াটিয়া। পরের বলে ১ রান। তৃতীয়, পঞ্চম ও ষষ্ঠ বলে তিনটি ৬ মেরে দলকে জেতান রশিদ খান (১১ বলে অপরাজিত ৩১)। ২১ বলে ৪০ রান করে অপরাজিত থাকেন রাহুল তেওয়াটিয়া। দুই দলের প্রথম সাক্ষাৎকারে গুজরাট টাইটান্সকে হারিয়েছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। প্রতিশোধের ম্যাচে টস জিতে হায়দরাবাদকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন গুজরাট অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই ধাক্কা খায় হায়দরাবাদ। তৃতীয় ওভারের পঞ্চম বলে হায়দরাবাদ অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনের (৫) অফ স্টাম্প ছিটকে দেন মহম্মদ সামি। পঞ্চম ওভারের শেষ বলে আবার ধাক্কা সামির। এবার তুলে নেন ক্রমশ আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠা রাহুল ত্রিপাঠীকে (১০ বলে ১৬)। এরপরই রুখে দাঁড়ান অভিষেক শর্মা ও এইডেন মার্করাম। দারুণ ছন্দে রয়েছেন অভিষেক শর্মা। চলতি আইপিএলে দ্বিতীয় হাফ সেঞ্চুরি করে তিনি দলকে বড় ইনিংসের প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে দেন। মার্করামের সঙ্গে জুটিতে তোলেন ৯৬। আলজেরি জোশেফ দ্বিতীয় স্পেলে বোলিং করতে এসে জুটি ভাঙেন। তুলে নেন অভিষেককে। ৬টি চার ও ৩টি ছয়ের সাহায্যে ৪২ বলে ৬৫ রান করে তিনি আউট হন।এদিনও ব্যর্থ পুরান (৫ বলে ৩)। মহম্মদ সামির বল বাউন্ডারির বাইরে পাঠাতে গিয়ে লং অনে শুভমান গিলের হাতে ধরা পড়েন। পরের ওভারেই মার্করামকে তুলে নেন যশ দয়াল। ৪০ বলে ৫৬ রান করে তিনি ডেভিড মিলারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। চোট সারিয়ে এদিন প্রথম একাদশে ফিরেছিলেন ওয়াশিংটন সুন্দর। ব্যাট হাতে তিনিও দলকে নির্ভরতা দিতে পারেননি। মাত্র ৩ রান করে তিনি রান আউট হন। শেষ ওভারে ঝড় তোলেন শশাঙ্ক সিং। ৬ বলে ২৫ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। গতি দিয়ে এদিন হায়দরাবাদের ব্যাটারদের কাবু করতে পারেননি সামি (৩/৩৯), জোশেফ (১/৩৫), ফার্গুসনরা (০/৫২)।

এপ্রিল ২৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

সামিদের গতিকে টেক্কা দিয়ে বাজিমাত সানরাইজার্স হায়দরাবাদের

গতির বিরুদ্ধে গতির লড়াই। একদিকে মহম্মদ সামি, লকি ফার্গুসন, আলজেরি জোশেফ। অন্যদিকে উমরান মালিক, মার্কো জানসেন, টি নটরাজনরা। শুরুতে ধাক্কা দিয়েও সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বড় রান আটকাতে পারলেন মহম্মদ সামিরা। গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৯৫ রান তুলল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। মহম্মদ সামিদের গতিকে টেক্কা দিয়ে বাজিমাত অভিষেক শর্মা, এইডেন মার্করাম, শশাঙ্ক সিংদের।দুই দলের প্রথম সাক্ষাৎকারে গুজরাট টাইটান্সকে হারিয়েছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। বুধবার মাঠে নামার আগে চলতি আইপিএলে ওই একটা ম্যাচেই হারতে হয়েছিল হার্দিক পান্ডিয়ার গুজরাট টাইটান্সকে। প্রতিশোধের ম্যাচে টস জিতে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন গুজরাট অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। গুজরাট এদিন উইনিং কম্বিনেশন ধরে রাখলেও প্রথম একাদশে একটা পরিবর্তন করে মাঠে নেমেছিল। জগদীশ সুচিথের জায়গায় ওয়াশিংটন সুন্দর।ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই ধাক্কা খায় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। তৃতীয় ওভারের পঞ্চম বলে হায়দরাবাদ অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনের (৫) অফ স্টাম্প ছিটকে দেন মহম্মদ সামি। পঞ্চম ওভারের শেষ বলে আবার ধাক্কা সামির। এবার তুলে নেন ক্রমশ আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠা রাহুল ত্রিপাঠীকে (১০ বলে ১৬)। এরপরই রুখে দাঁড়ান অভিষেক শর্মা ও এইডেন মার্করাম। দারুণ ছন্দে রয়েছেন অভিষেক শর্মা। চলতি আইপিএলে দ্বিতীয় হাফ সেঞ্চুরি করে তিনি দলকে বড় ইনিংসের প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে দেন। মার্করামের সঙ্গে জুটিতে তোলেন ৯৬। আলজেরি জোশেফ দ্বিতীয় স্পেলে বোলিং করতে এসে জুটি ভাঙেন। তুলে নেন অভিষেককে। ৬টি চার ও ৩টি ছয়ের সাহায্যে ৪২ বলে ৬৫ রান করে তিনি আউট হন।এবছর নিলামে নিকোলাস পুরানের পেছনে বড় অর্থ লগ্নি করেছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। সেভাবে অবদান রাখতে পারছেন না। এদিনও ব্যর্থ পুরান (৫ বলে ৩)। মহম্মদ সামির বল বাউন্ডারির বাইরে পাঠাতে গিয়ে লং অনে শুভমান গিলের হাতে ধরা পড়েন। পরের ওভারেই মার্করামকে তুলে নেন যশ দয়াল। ৪০ বলে ৫৬ রান করে তিনি ডেভিড মিলারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। চোট সারিয়ে এদিন প্রথম একাদশে ফিরেছিলেন ওয়াশিংটন সুন্দর। ব্যাট হাতে তিনিও দলকে নির্ভরতা দিতে পারেননি। মাত্র ৩ রান করে তিনি রান আউট হন। শেষ ওভারে ঝড় তোলেন শশাঙ্ক সিং। ৬ বলে ২৫ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। গতি দিয়ে এদিন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ব্যাটারদের কাবু করতে পারেননি সামি (৩/৩৯), জোশেফ (১/৩৫), ফার্গুসনরা (০/৫২)।

এপ্রিল ২৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

শেষ ওভারে ৪ উইকেট! তবুও কুম্বলের রেকর্ড অধরা রাসেলের‌

১৯ ওভার শেষে গুজরাট টাইটান্সের রান ছিল ১৫১/৫। ইনিংসের শেষ ওভারে আন্দ্রে রাসেলের হাতে বল তুলে দিয়েছিলেন কলকাতা নাইট রাইডার্স অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। ম্যাচে ওটাই ছিল রাসেলের প্রথম ওভার। বল হাতে বিধ্বংসী ভূমিকায় অবতীর্ণ দ্রেরাস। শেষ ওভারে তুলে নিলেন চার-চারটি উইকেট। আইপিএলের ইতিহাসে ১ ওভারের স্পেলে এটাই সেরা বোলিং। তবে সেরা বোলিং করেও অনিল কুম্বলের রেকর্ড স্পর্শ করতে পারলেন না আন্দ্রে রাসেল। আইপিএলে এক ইনিংসে ৫ উইকেট নেওয়া বোলাদের তালিকা যথেষ্ট লম্বা। তবে সেই তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন ভারতের প্রাক্তন লেগ স্পিনার অনিল কুম্বলে। আইপিএলে তাঁর সেরা বোলিং ৫ রানে ৫ উইকেট। ২০০৯ সালে কেপ টাইনে রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের হয়ে এই রেকর্ড গড়েছিলেন কুম্বলে। ৩.১ ওভার বল করে ১টিসহ ৫ উইকেট নিয়েছিলেন কুম্বলে। আর এদিন গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে ৪ রানে ৪ উইকেট তুলে নিয়েছেন রাসেল। আইপিএলে এটাই অবশ্য আন্দ্রে রাসেলের সেরা বোলিং নয়। দুদুবার তিনি ৫ উইকেট নিয়েছেন। তিনি সেরা বোলিং করেছিলেন গতবছর আইপিএলে। চেন্নাইয়ে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে ৩.২ ওভার বল করে ১৫ রানে ৫ উইকেট তুলে নিয়েছিলেন। সেই ম্যাচে ইনিংসের ১৮ তম ওভারে পরপর ২ বলে ফিরিয়েছিলেন কায়রণ পোলার্ড ও মার্কো জানসেনকে। আর শেষ ওভারে তুলে নিয়েছিলেন ক্রূণাল পাণ্ডিয়া, যশপ্রীত বুমরা ও রাহুল চাহারকে। এদিন গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে ইনিংসের শেষ ওভারে রাসেলের হাতে বল তুলে দিয়েছিলেন শ্রেয়স আয়ার। প্রথম ও দ্বিতীয় বলে ফেরান অভিনব মনোহর ও লকি ফার্গুসনকে। পঞ্চম ও শেষ বলে তুলে নেন রাহুল তেওয়াটিয়া ও যশ দয়ালকে। যশ দয়ালকে কট অ্যান্ড বোল্ড করেন রাসেল। বাকি তিনজনের ক্যাচ ধরেন রিঙ্কু সিং।এবারের আইপিএলে খুব বেশি বোলিং করার সুযোগ পাননি আন্দ্রে রাসেল। গুজরাট টাইটান্স ম্যাচ নিয়ে মোট বল করেছেন ১৪.৪ ওভার। ৮ ম্যাচে তাঁর সংগ্রহ ১০ উইকেট। চলতি আইপিএলে এই ম্যাচের আগে রাসেলের সেরা বোলিং ছিল ২০ রানে ২ উইকেট, সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে। চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে ৩৮ রানে তুলে নিয়েছিলেন ১ উইকেট। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের বিরুদ্ধে কোনও উইকেট পাননি। পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে শূন্য রানে ১ উইকেট। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ম্যাচে উইকেটহীন। দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ১ উইকেট। আগের ম্যাচে রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে ১ উইকেট।

এপ্রিল ২৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আইপিএল এলেই বারবার কেন চোটের কবলে পড়েন হার্দিক?‌ এবার কুঁচকিতে

চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে গুজরাট টাইটান্সের হয়ে টস করছে রশিদ খান। গুজরাট টাইটান্স অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়ার হলটা কী? কেন খেলছেন না? তাহলে কি আবার চোটের কবলে? আশঙ্কাই সত্যি হল। কুঁচকির চোটের জন্য চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে মাঠে নামতে পারেননি হার্দিক পান্ডিয়া। তাঁর জায়গায় দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন রশিদ খান। চোট পাওয়াটা হার্দিকের কাছে নতুন কিছু নয়। ২০১৯ বিশ্বকাপের মাঝপথে চোট পেয়ে ইংল্যান্ড থেকে ফিরে আসতে হয়েছিল এই অলরাউন্ডারকে। তারপর দীর্ঘদিন জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাদেমিতে রিহ্যাবে ছিলেন। সুস্থ হয়ে মাঠে ফিরলেও আবার চোট পান। অস্ত্রোপচারও করতে হয়েছিল। পরে নানা সময়ে চোটের কবলে পড়েছেন। গতবছর আইপিএলের আগেও চোট পেয়েছিলেন। পুরো ফিট না হয়েই আইপিএলে খেলেন। ব্যাট করলেও পিঠে চোটের জন্য বোলিং করেননি। চোট নিয়ে গতবছর বিশ্বকাপেও খেলতে গিয়েছিলেন। যা নিয়ে চারিদিকে সমালোচনার ঝড় উঠেছিল। সুস্থ হয়ে চলতি আইপিএলে মাঠে নেমেছিলেন। বোলিং করছিলেন। কিন্তু আবার সেই চোটের কবলে। তবে এবার আর পিঠে নয়, কুঁচকিতে চোট। হার্দিকের চোটের ব্যাপারে গুজরাট টাইটান্সের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক রশিদ খান বলেন, হার্দিকে কুঁচকিতে হালকা চোট রয়েছে। তাই টিম ম্যানেজমেন্ট ওকে নিয়ে ঝুঁকি নিতে চায়নি। হার্দিককে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। আশা করছি পরের ম্যাচে খেলতে পারবে। রশিদ খান পরের ম্যাচে হার্দিকের খেলার কথা বললেও আদৌও খেলতে পারবেন কিনা সন্দেহ রয়েছে। হার্দিকের পরিবর্তে এদিন আলজেরি জোশেফ প্রথম একাদশে সুযোগ পান। অন্যদিকে, ম্যাথু ওয়েডের পরিবর্তে প্রথম একাদশে নেওয়া হয় ঋদ্ধিমান সাহাকে। এই দুজনের হাতেই এদিন টুপি তুলে দেওয়া হয়। কারণ, এই দুই ক্রিকেটারের এদিন গুজরাট টাইটান্সের হয়ে অভিষেক হল। হার্দিকবিহীন গুজরাট টাইটান্স এদিন টস জিতে চেন্নাই সুপার কিংসকে ব্যাট করতে পাঠায়। চলতি আইপিএলে প্রথম তিনটি ম্যাচ জিতেছিল গুজরাট টাইটান্স। তারপর সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাছে হারতে হয়েছিল ৮ উইকেটে। আগের ম্যাচে অবশ্য আবার জয়ের সরণিতে ফিরেছে হার্দিক পাণ্ডিয়ার দল। রাজস্থান রয়্যালসকে হারায় ৩৭ রানে। চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকতা ধরে রাখার লড়াই। হার্দিকে অনুপস্থিতিতে দায়িত্ব পড়েছে রশিদ খানের ওপর।

এপ্রিল ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

হার্দিকের মস্তিষ্ক, ফার্গুসনের দাপটে দারুণ জয় গুজরাট টাইটান্সের

দলকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন দিল্লি ক্যাপিটালস অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। এমন সময়ই লকি ফার্গুসনকে আক্রমণে নিয়ে এসে মোক্ষম চাল গুজরাট টাইটান্স অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়ার। ঋষভকে ফার্গুসন তুলে নিতেই জয়ের আশা শেষ দিল্লির। ফার্গুসনের দুরন্ত বোলিং দ্বিতীয় জয় এনে দিল গুজরাট টাইটান্সকে। দিল্লির বিরুদ্ধে জিতল ১৪ রানে।পরপর দুম্যাচে ব্যর্থ বিজয় শঙ্কর। এর পরেও ডাগ আউটে বসে থাকতে হবে ঋদ্ধিমান সাহাকে? শনিবার গুজরাট টাইটান্স ও দিল্লি ক্যাপিটালস ম্যাচে প্রশ্নটা উঠেই গেল। চলতি আইপিএলে বাংলার আকাশদীপ, মহম্মদ সামি, শাহবাজ আমেদরা যেখানে নিজেদের মেলে ধরছেন, সেখানে নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগই পাচ্ছেন না ঋদ্ধিমান সাহা। এদিন দিল্লি ক্যাপিটালসের গুজরাট টাইটান্স বড় রান তুলল। সৌজন্যে প্রাক্তন নাইট রাইডার্স তারকা শুভমান গিল।চলতি আইপিএলে দ্বিতীয় জয়ের খোঁজে এদিন টস জিতে পুনেতে মহারাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের স্টেডিয়ামে টস জিতে গুজরাট টাইটান্সকে ব্যাট করতে পাঠান দিল্লি ক্যাপিটালস অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। ম্যাচেই তৃতীয় বলেই ধাক্কা খায় গুজরাট টাইটান্স। ম্যাথু ওয়েডকে (১) তুলে নেন মুস্তাফিজুর রহমান। পাওয়ার প্লে শেষ হওয়ার পরের বলেই ফেরেন বিজয় শঙ্কর। ২০ বলে মাত্র ১৩ রান করে কুলদীপ যাদবের বলে বোল্ড হন। বিজয় শঙ্করকে দেখে মনে হচ্ছিল যেন টেস্ট খেলতে নেমেছেন। এরপর শুভমানের সঙ্গে জুটি বেঁধে গুজরাটকে এগিয়ে নিয়ে যান অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। চতুর্দশ ওভারের শেষ বলে হার্দিককে ফেরান খলিল আমেদ। ২৭ বলে ৩১ রান করে আউট হন হার্দিক।একের পর এক উইকেট পড়লেও অন্যপ্রান্তে শুভমানের ঝড় অব্যাহত থাকে। শেষ পর্যন্ত ৪৬ বলে ৮৪ রান করে তিনি খলিল আমেদের বলে অক্ষর প্যাটেলের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। শুভমানের ইনিংসে রয়েছে ৬টি ৪ এবং ৪টি ৬। রাহুল তেওয়াটিয়া ৮ বলে করেন ১৪। ১৫ বলে ২০ রান করে অপরাজিত থাকেন ডেভিড মিলার। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৭১ তোলে গুজরাট টাইটান্স। ২৩ রানে ৩ উইকেট নেন মুস্তাফিজুর রহমান। ৩৪ রানে ২ উইকেট খলিল আমেদের।জয়ের জন্য ১৭২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দিল্লি ক্যাপিটালসের শুরুটাও ভাল হয়নি। দ্বিতীয় ম্যাচেও ছন্দ খুঁজে পেলেন না পৃথ্বী শ। ৭ বলে ১০ রান করে ইনিংসের পঞ্চম ওভারে লকি ফার্গুসনের বলে আউট হন পৃথ্বী। একই ওভারে মনদীপ সিংকে (১৬ বলে ১৮) তুলে নেন ফার্গুসন। ঋষভ পন্থ ও ললিত যাদব দলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। অধিনায়কের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে ললিত (২২ বলে ২৫) রান আউট।পঞ্চদশ ওভারে লকি ফার্গুসনকে আবার আক্রমণে নিয়ে আসেন হার্দিক পান্ডিয়া। তাঁর এই সিদ্ধান্ত একেবারে মাস্টারস্ট্রোক। ক্রমশ ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠা ঋষভকে তুলে নিয়ে গুজরাটকে ম্যাচে ফেরান ফার্গুসন। ৭টি চারের সাহায্যে ২৯ বলে ৪৩ রান করে আউট হন ঋষভ। একই ওভারে অক্ষর প্যাটেলকে (৮) তুলে নিয়ে দিল্লিকে ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দেন লকি ফার্গুসন। বাকি কাজটা সারেন মহম্মদ সামি ও রশিদ খান। পরপর দুবলে রভম্যান পাওয়েল (১২ বলে ২০) ও খলিল আমেদকে (০) তুলে নেন সামি। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৫৭/৯ তোলে দিল্লি। ২৮ রানে ৪ উইকেট নেন লকি ফার্গুসন। ৩০ রানে ২ উইকেট সামির।

এপ্রিল ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌মহম্মদ সামির দুরন্ত বোলিংয়ে প্রথম ম্যাচেই বাজিমাত গুজরাট টাইটান্সের

মহম্মদ সামির প্রথম স্পেল নড়িয়ে দিয়েছিল লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসের ভিত। সেখান থেকে আর বেরিয়ে আসতে পারলেন না লোকেশ রাহুলরা। আইপিএলের দুই নতুন দলের লড়াইয়ে বাজিমাত গুজরাট টাইটান্সের। লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসকে ৫ উইকেটে হারিয়ে জয় তুলে নিল গুজরাট।টস জিতে লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসকে ব্যাট করতে পাঠান গুজরাট টাইটান্স অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। শুরুটা ভাল হয়নি লক্ষ্ণৌর। প্রথম বলেই অধিনায়ক লোকেশ রাহুলকে (০) তুলে নেন মহম্মদ সামি। তাঁর স্বপ্নের ডেলিভারি রাহুলের ব্যাটের কানা ছুঁয়ে জমা পড়ে উইকেটকিপার ম্যাথু ওয়েডের হাতে। তৃতীয় ওভারে আবার ধাক্কা। আবার সামির হাত থেকে বেরিয়ে আসে স্বপ্নের ডেলিভারি। অফস্টাম্পের বাইরে পড়া বল সুইং করে ব্যাট ও প্যাডের ফাঁক দিয়ে কুইন্টন ডিককের (৭) মিডল ও লেগস্টাম্পের মাথায় আঘাত করে। চতুর্থ ও পঞ্চম ওভারে আবার ধাক্কা খায় লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস। চতুর্থ ওভারে বরুণ অ্যারনকে তুলে মারতে গিয়ে আউট হন এভিন লুইস (১০)। দুরন্ত ক্যাচ ধরেন শুভমান গিল। পরের ওভারে মণীশ পান্ডের (৬) স্টাম্প ছিটকে দেন সামি। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারের মধ্যে ৩২ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস। মনে হচ্ছিল হয়তো ১০০ রানের গন্ডি টপকাতে পারবে না। এরপর রুখে দাঁড়ান দীপক হুডা ও আয়ূশ বাদোনি। এই দুই ব্যাটারের সৌজন্যে প্রাথমিক বিপর্যয় কাটিয়ে ১৪.২ ওভারে ১০০ রানের গন্ডি পার করে লক্ষ্ণৌ। অবশেষে দীপক হুডাকে তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন রশিদ খান। ৪১ বলে ৫৫ রান করে তিনি এলবিডব্লু হন। এরপর আয়ূশের সঙ্গে দলকে টেনে নিয়ে যান ক্রূণাল পান্ডিয়া। ৪১ বলে ৫৪ রান করে আউট হন আয়ূশ। ১৩ বলে ২১ রান করে অপরাজিত থাকেন ক্রূণাল। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৫৮ তোলে লক্ষ্ণৌ। ২৫ রানে ৩ উইকেট নেন সামি। ৪৫ রানে ২ উইকেট বরুণ অ্যারনের। ব্যাট করতে নেমে গুজরাট টাইটান্সের শুরুটাও ভাল হয়নি। প্রথম ওভারেই দুষ্মন্ত চামিরার বলে ফিরে যান শুভমান গিল (০)। এক ওভার পরে বিজয় শঙ্করকেও (৪) তুলে নেন তিনি। এরপর ম্যাথু ওয়েড ও অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া দলকে টেনে নিয়ে যান। ২৮ বলে ৩৩ রান করে দাদা ক্রূণাল পান্ডিয়ার বলে আউট হন হার্দিক। পরের ওভারেই ম্যাথু ওয়েডকে (২৯ বলে ৩০) তুলে নেন দীপক হুডা। এর পর গুজরাটকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান ডেভিড মিলার ও রাহুল তেওয়াটিয়া। ২১ বলে ৩০ রান করে আউট হন মিলার। দলকে জয় এনে দেন তেওয়াটিয়া (২৪ বলে অপরাজিত ৪০) ও অভিনব মনোহর (৭ বলে অপরাজিত ১৫)। ২ বল বাকি থাকতে ১৬১/৫ তুলে জিতে ম্যাচ জিতে নেয় গুজরাট।

মার্চ ২৮, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

বাংলায় বদলের ঝড় বইছে! অমিত শাহর বিস্ফোরক দাবি ঘিরে চাঞ্চল্য

ভোটের মুখে বাংলায় জোরদার প্রচারে নেমেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। একের পর এক সভা ও প্রচারে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সম্প্রতি দলের নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশের পর থেকেই প্রচারে আরও গতি এসেছে। সেই ইস্তাহারে পনেরোটি বড় সংকল্পের কথা তুলে ধরা হয়েছে। ডেবরার সভা থেকেও অমিত শাহ তৃণমূলকে ক্ষমতা থেকে সরানোর ডাক দিয়েছেন। বাংলায় পরিবর্তন আনা এবার বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।এক সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে অমিত শাহ দাবি করেছেন, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে যে বিপুল মানুষের ভিড় দেখা যাচ্ছে, তা শুধুই জনসমাগম নয়, বরং বড় পরিবর্তনের স্পষ্ট ইঙ্গিত। তাঁর মতে, ভোটের শুরুতেই বিজেপি এগিয়ে রয়েছে। আগের নির্বাচনে যেসব জেলায় দল তেমন ভালো ফল করতে পারেনি, সেখানেও এবার অভূতপূর্ব জনসমর্থন দেখা যাচ্ছে বলে তিনি দাবি করেছেন। তাঁর কথায়, বাংলার মানুষ ইতিমধ্যেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-কে বিদায় জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন।অন্যদিকে, তৃণমূলের পক্ষ থেকে বিজেপির বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা দেওয়া হলেও, অমিত শাহ পাল্টা বলেন, বাংলার মানুষ ইতিমধ্যেই নরেন্দ্র মোদীর উপর আস্থা রেখেছেন। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন। তাঁর দাবি, আগে সাধারণ মানুষ তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের ভয়ে আতঙ্কে থাকত, কিন্তু এখন পরিস্থিতি বদলেছে। এখন তৃণমূলের কর্মীরাই সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া দেখে ভয় পাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে প্রশ্ন উঠলে তিনি জানান, এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া এবং এর সঙ্গে সরাসরি বর্তমান নির্বাচনের যোগ খোঁজা ঠিক নয়।সাম্প্রতিক এক সাংবাদিক বৈঠকে অমিত শাহ বাংলায় বিজেপির বাড়তে থাকা শক্তির প্রমাণ হিসেবে বিভিন্ন নির্বাচনের পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দুই হাজার উনিশ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির ভোটের হার প্রায় একচল্লিশ শতাংশে পৌঁছয় এবং দল আঠারোটি আসন পায়। দুই হাজার চব্বিশ সালের লোকসভা নির্বাচনে সেই হার কিছুটা কমে প্রায় ঊনচল্লিশ শতাংশ হয় এবং দল বারোটি আসন পায়। দুই হাজার ষোলো সালের বিধানসভা নির্বাচনে যেখানে বিজেপি মাত্র দশ শতাংশ ভোট ও তিনটি আসন পেয়েছিল, সেখানে দুই হাজার একুশ সালের নির্বাচনে তাদের ভোটের হার বেড়ে প্রায় আটত্রিশ শতাংশ হয় এবং আসনের সংখ্যা বেড়ে সাতাত্তরে পৌঁছয়।

এপ্রিল ১১, ২০২৬
রাজ্য

ফের দাপট দেখাবে গরম! দক্ষিণবঙ্গে তাপমাত্রা বাড়বে ৭ ডিগ্রি, সামনে ভয়াবহ দাবদাহ

মনোরম আবহাওয়ার দিন শেষ হতে চলেছে। ধীরে ধীরে ফের বাড়ছে গরমের দাপট। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী সাত দিনে বৃষ্টির সম্ভাবনা খুবই কম। উল্টে রোদের তেজ বাড়বে এবং তাপমাত্রা দ্রুত ঊর্ধ্বমুখী হবে।দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ৫ থেকে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে জানানো হয়েছে। বিশেষ করে ১৩ থেকে ১৬ এপ্রিলের মধ্যে বেশ কিছু জেলায় চরম দাবদাহের মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিম বর্ধমান জেলায় সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত গরম অনেকটাই বাড়বে। সঙ্গে বাড়বে অস্বস্তিও। যদিও সোমবার দু-এক জায়গায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, তবে তা গরম কমাতে খুব একটা সাহায্য করবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হতে পারে।উত্তরবঙ্গে অবশ্য আবহাওয়ার কিছুটা ভিন্ন চিত্র দেখা যাবে। শনিবার ও রবিবার দার্জিলিং, কালিম্পং এবং জলপাইগুড়ির মতো পাহাড়ি এলাকায় হালকা বৃষ্টি এবং বজ্রবিদ্যুতের সম্ভাবনা রয়েছে। সঙ্গে বইতে পারে দমকা হাওয়া। তবে আগামী সপ্তাহ থেকে সেখানেও বৃষ্টির পরিমাণ কমে যাবে এবং তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করবে। উত্তরবঙ্গের সমতলের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ৩ থেকে ৫ ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে।কলকাতাতেও গরমের প্রভাব স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। সকাল থেকে আকাশ পরিষ্কার থাকলেও বেলার দিকে আর্দ্রতার কারণে অস্বস্তি বাড়ছে। রবিবারের মধ্যে শহরের তাপমাত্রা ৫ থেকে ৭ ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস। গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, তবে আগামী কয়েক দিনে শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে অস্বস্তি আরও বাড়বে। বুধবার পর্যন্ত এই অস্বস্তিকর পরিস্থিতি বজায় থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১১, ২০২৬
বিদেশ

প্রণালী খুলেও বিপদ কাটেনি! নিজের পোঁতা মাইনই খুঁজে পাচ্ছে না ইরান, আতঙ্কে জাহাজ চলাচল

যুদ্ধবিরতির ফলে আপাতত থেমেছে গোলাগুলি ও হামলা। ইরান ও আমেরিকার মধ্যে সংঘর্ষ কিছুটা থামলেও নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে। শর্ত মেনে ইরান প্রণালী খুলে দিলেও আগের মতো জাহাজ চলাচল এখনও স্বাভাবিক হয়নি।এর মূল কারণ জলের নীচে পোঁতা মাইন। জানা যাচ্ছে, এই প্রণালী জুড়ে বহু জায়গায় মাইন পুঁতে রাখা হয়েছিল। কিন্তু সমস্যা হল, এখন সেই মাইন ঠিক কোথায় রয়েছে, তা নিজেরাই নিশ্চিত করে বলতে পারছে না ইরান। ফলে সেগুলি সরানোও সম্ভব হচ্ছে না।এক মার্কিন আধিকারিকের দাবি, জলের নীচে থাকা মাইনগুলির সঠিক অবস্থান চিহ্নিত করা যাচ্ছে না বলেই পুরোপুরি প্রণালী খুলে দেওয়া যাচ্ছে না। এমনকি যেখানে কিছু মাইনের অবস্থান জানা রয়েছে, সেখান থেকেও সেগুলি সরানোর মতো প্রযুক্তিগত দক্ষতা ইরানের নেই বলেই মনে করা হচ্ছে।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের উপর চাপ সৃষ্টি করেছিলেন যাতে দ্রুত এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ খুলে দেওয়া হয়। ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘাচি অবশ্য জানিয়েছেন, কিছু প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতার কারণেই পুরো পরিস্থিতি সামাল দিতে সময় লাগছে। যদিও মার্কিন পক্ষের দাবি, আসল সমস্যা হল এই মাইন।বিশ্বের তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহের একটি বড় অংশ এই প্রণালী দিয়ে যায়। কিন্তু সংঘাত শুরুর পর থেকেই ইরান এই পথ বন্ধ করে দিয়েছিল। তখন ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পাশাপাশি সমুদ্রপথে বড় অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল এই মাইন।জানা গিয়েছে, ছোট নৌকা ব্যবহার করে দ্রুততার সঙ্গে এই মাইন পোঁতা হয়েছিল। কিন্তু তাড়াহুড়োর কারণে তা সঠিকভাবে নথিবদ্ধ করা হয়নি। ফলে এখন নিজেরাই বুঝতে পারছে না কোথায় কত মাইন রয়েছে। এর মধ্যে আবার স্রোতের কারণে মাইন সরে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে, যা বিপদ আরও বাড়াচ্ছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনও জাহাজের নোঙর বা প্রপেলার যদি এই মাইনের সঙ্গে ধাক্কা খায়, তাহলে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। এতে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।ইসলামিক রেভেলিউশনারি গার্ড বাহিনী নিরাপদ পথের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। তবে সেই পথের আশেপাশেও অজানা মাইন থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে সামান্য ভুল হলেই বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১১, ২০২৬
দেশ

লোকসভা ভোটেই কি বড় বদল? মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন, চমক দিতে পারে কেন্দ্র

আগামী লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে আবারও জোরদার হয়েছে মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে আলোচনা। কেন্দ্রীয় সরকার এই বিলের সংশোধন নিয়ে বড় পদক্ষেপ করতে চলেছে। সেই উদ্দেশ্যে আগামী ১৬, ১৭ এবং ১৮ এপ্রিল বিশেষ অধিবেশন ডাকা হয়েছে। এই অধিবেশনেই বিলটি সংসদে পেশ করা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে সংসদে নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম পাস হয়েছিল। এই আইনের মূল লক্ষ্য ছিল সংসদ এবং বিধানসভায় মহিলাদের প্রতিনিধিত্ব বাড়ানো। সেই অনুযায়ী মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছিল। তবে এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে সম্পূর্ণ বিধান তৈরি হয়নি।প্রথমে ঠিক হয়েছিল, জনগণনা এবং আসন পুনর্বিন্যাসের পরই এই সংরক্ষণ কার্যকর করা হবে। কিন্তু সম্প্রতি কেন্দ্রের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, ২০২৯ সালের লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচন থেকেই এই সংরক্ষণ চালু করা হতে পারে। ফলে আসন বিন্যাসে বড় পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।এদিকে এই বিলের সংশোধন নিয়ে নিজেদের অবস্থান ঠিক করতে বিরোধী জোটের মধ্যেও আলোচনা শুরু হয়েছে। শোনা যাচ্ছে, আগামী ১৫ এপ্রিল বিরোধী জোটের বৈঠক ডাকতে পারেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে। তবে পশ্চিমবঙ্গের ভোটের আবহে এই বৈঠকে সব দল যোগ দেবে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। বিশেষ করে তৃণমূলের অবস্থান এখনও স্পষ্ট হয়নি।অন্যদিকে কংগ্রেসের তরফে ইঙ্গিত মিলেছে যে, তারা এই সংশোধনীকে সমর্থন করতে পারে। তবে জনগণনা ছাড়া আসন পুনর্বিন্যাসের প্রস্তাবে আপত্তি রয়েছে তাদের। এই বিষয়টি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের ভোট পর্ব শেষ হওয়ার পর সর্বদলীয় বৈঠক ডাকার দাবি তুলতে পারে বিরোধীরা।বিশেষ অধিবেশন ডাকার সময় নিয়েও ইতিমধ্যেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ুর নির্বাচনের আগে এই সিদ্ধান্তে আপত্তি জানিয়েছে বিরোধীরা। পাল্টা বিজেপি অভিযোগ তুলেছে, বিরোধীরা মহিলাদের অধিকার নিয়ে আন্তরিক নয়।সব মিলিয়ে, ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচন থেকে মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষণ কার্যকর করার লক্ষ্যে এগোচ্ছে কেন্দ্র। এই বিল সংসদে পাস হলে দেশের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১১, ২০২৬
রাজ্য

বাঁকুড়ায় ভয়াবহ হামলা! প্রকাশ্য রাস্তায় সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের নেতাকে পিটিয়ে রক্তাক্ত, তোলপাড় রাজনীতি

বাঁকুড়ার স্কুলডাঙ্গা এলাকায় এক ভয়াবহ হামলার ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। অভিযোগ, সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের নেতা অরিন্দম মণ্ডলের উপর প্রায় ৪০ জন দুষ্কৃতী লাঠি ও হকি স্টিক নিয়ে নৃশংস হামলা চালায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে।শুক্রবার শহরের স্কুলডাঙ্গা এলাকায় এবিটিএ-র হলঘরে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের একটি বৈঠক ছিল। বৈঠক শেষ হওয়ার পর মঞ্চের নেতা ভাস্কর ঘোষ ও আরও কয়েকজন স্থানীয় মাজারের কাছে বসে ছিলেন। সেই সময় আচমকাই একদল দুষ্কৃতী সেখানে এসে হামলা চালায় বলে অভিযোগ।অভিযোগ উঠেছে, তৃণমূলের ছাত্র নেতা সুরজ বক্সের নেতৃত্বে এই হামলা হয়। হামলাকারীরা লাঠি, বাঁশ এবং হকি স্টিক দিয়ে অরিন্দম মণ্ডলকে বেধড়ক মারধর করে। তাঁর মাথা ও মুখ লক্ষ্য করে আঘাত করা হয় বলে দাবি করা হয়েছে। ঘটনাস্থলেই তিনি গুরুতর জখম হন।সহকর্মীরাই দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে তাঁর চিকিৎসা চলছে। এই ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে।ভাস্কর ঘোষের অভিযোগ, এটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হামলা। তাঁর দাবি, হামলাকারীদের হাতে তৃণমূলের পতাকা বাঁধা লাঠিও ছিল। তাঁদের লক্ষ্য ছিল অরিন্দমকে প্রাণে মেরে ফেলা। এমনকি তাঁকেও আক্রমণের লক্ষ্য করা হয়েছিল বলে তিনি জানান।যদিও এই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে শাসকদল। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ১১, ২০২৬
রাজ্য

নন্দীগ্রামে তুমুল সংঘাত! শুভেন্দুকে ‘মাস্টারমাইন্ড’ বলে তোপ দাগলেন পবিত্র কর

ভোটের দিন যত এগিয়ে আসছে, ততই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি। সেই আবহে নন্দীগ্রাম আবারও রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। এবার বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন তাঁরই একসময়ের সতীর্থ এবং বর্তমানে তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র কর।ঘটনার সূত্রপাত একটি এফআইআরকে কেন্দ্র করে। নন্দীগ্রাম থানায় বিজেপির এক বুথ সভাপতির পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, পবিত্র কর তাঁর অনুগামীদের নিয়ে ওই বিজেপি কর্মীর উপর হামলা চালিয়েছেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই পবিত্র করের বিরুদ্ধে থানায় এফআইআর দায়ের হয়।এই ঘটনার পরই শুভেন্দু অধিকারীকে সরাসরি আক্রমণ করেন পবিত্র কর। তিনি দাবি করেন, নন্দীগ্রামে যত মামলা রয়েছে, তার সবকিছুর পেছনেই শুভেন্দু অধিকারীর ভূমিকা রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, সাধারণ মানুষকে ভয় দেখাতে এবং চাপে রাখতে এই সব মামলা করা হচ্ছে।পবিত্র কর কটাক্ষ করে বলেন, শুভেন্দু চাইলে সব কিছুই সম্ভব। তাঁর কথায়, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে মামলা করানোই যেন এক বিশেষ দক্ষতা। তিনি আরও বলেন, সব কিছু জেনেই তিনি শুভেন্দুর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেমেছেন।উল্লেখ্য, এবারের নির্বাচনে নন্দীগ্রাম আবারও অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। ভবানীপুরের মতোই এই কেন্দ্রকে ঘিরে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তেজনা। তৃণমূল এবং বিজেপি দুই দলই জোরকদমে প্রচার চালাচ্ছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনসংযোগ চলছে।এদিকে নিজের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআর খারিজের দাবিতে ইতিমধ্যেই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন পবিত্র কর। ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই নন্দীগ্রামে রাজনৈতিক লড়াই তীব্র হচ্ছে। গুরু-শিষ্যের এই দ্বন্দ্ব এখন রাজ্য রাজনীতির অন্যতম বড় আকর্ষণ হয়ে উঠেছে।

এপ্রিল ১১, ২০২৬
কলকাতা

হিন্দু বাঙালিদের নাম কাটা হচ্ছে? চাঞ্চল্যকর অভিযোগে উত্তপ্ত রাজনীতি

ভোটের আগে নাম বাদ নিয়ে উত্তাল বাংলা। প্রায় নব্বই লক্ষেরও বেশি নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে বলে অভিযোগ উঠতেই তীব্র আক্রমণে নেমেছে তৃণমূল কংগ্রেস। সাংবাদিক বৈঠকে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিস্ফোরক দাবি করেন, বাদ যাওয়া নামগুলির মধ্যে প্রায় তেষট্টি শতাংশই হিন্দু বাঙালির।অভিষেকের অভিযোগ, রাজনৈতিক স্বার্থে পরিকল্পিতভাবে সাধারণ মানুষকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। তাঁর কথায়, জোর করে বাংলা দখলের চেষ্টা চলছে, কিন্তু বাংলার মানুষ তা মেনে নেবে না। তিনি বলেন, এই রাজ্য বিপ্লবীদের ভূমি, এখানে অন্যায়ের বিরুদ্ধে মানুষ সবসময় লড়াই করে। তাঁর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর সরকার থাকলে কোনওভাবেই মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া সম্ভব নয়। তিনি আরও বলেন, এর জবাব মানুষ ভোটবাক্সেই দেবে এবং মানুষের শক্তির সামনে সব অন্যায় পরাজিত হবে।এর আগেই এই ইস্যুতে সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, মতুয়া, রাজবংশী এবং সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় বেছে বেছে নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। তাঁর কথায়, নির্দিষ্ট কিছু সম্প্রদায়কে টার্গেট করেই এই কাজ করা হচ্ছে। তিনি জানান, দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশে প্রায় বত্রিশ লক্ষ নাম আবার তালিকায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। তবে যাঁদের নাম এখনও বাদ রয়েছে, তাঁদের অধিকার ফেরাতে প্রয়োজন হলে আরও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, যারা বহু বছর ধরে এই দেশে বসবাস করছেন, তাঁদের কেন আবার নতুন করে নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে হবে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, কোনও বৈধ ভোটারকে বাংলা থেকে বাদ পড়তে দেবেন না।তৃণমূল নেতৃত্ব এই ঘটনাকে শুধুমাত্র প্রশাসনিক ত্রুটি হিসেবে দেখছে না। বরং তারা মনে করছে, এটি বাঙালির পরিচয় এবং অধিকার খর্ব করার একটি বড় চক্রান্ত। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যাঁদের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে, তাঁদের সাহায্য করতে প্রতিটি ব্লকে বিশেষ আইনি সহায়তা কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে।

এপ্রিল ১০, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের মুখে বড় ধাক্কা! তৃণমূল প্রার্থীর মনোনয়ন হঠাৎ বাতিল কেন

নির্বাচনের আগে বড় ধাক্কা খেল তৃণমূল কংগ্রেস। কৃষ্ণনগর উত্তরের প্রার্থী অভিনব ভট্টাচার্যের মনোনয়ন বাতিল হয়ে গেল বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর। জানা গিয়েছে, জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ৯-এ ধারার ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রিটার্নিং অফিসার। প্রশাসনের এক সূত্রের দাবি, রাজ্য সরকারের সঙ্গে তাঁর ব্যবসায়িক চুক্তি থাকার জটিলতার কারণেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।অভিনব ভট্টাচার্য দীর্ঘদিন ধরে দলের সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং এলাকায় একজন পরিচিত মুখ হিসেবে পরিচিতি গড়ে তুলেছিলেন। এবারের নির্বাচনে তাঁকে কৃষ্ণনগর উত্তরের মতো গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছিল, যা রাজনৈতিক মহলে বেশ চমক তৈরি করেছিল। শিক্ষিত এবং স্পষ্টভাষী হিসেবে তিনি তরুণ প্রজন্মের কাছেও জনপ্রিয় ছিলেন। অনেকেই মনে করেছিলেন, স্থানীয় এবং গ্রহণযোগ্য মুখ হিসেবে তাঁকে প্রার্থী করে বিশেষ কৌশল নিয়েছিল তৃণমূল।কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্রটি রাজনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে বিরোধী শক্তিও যথেষ্ট প্রভাবশালী। এমন পরিস্থিতিতে অভিনব ভট্টাচার্যের পরিষ্কার ভাবমূর্তি এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ তৃণমূলের পক্ষে বড় শক্তি হতে পারত বলে মনে করছিলেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।তবে শেষ পর্যন্ত আইনি জটিলতার কারণেই তাঁর মনোনয়ন বাতিল হয়ে গেল। নির্বাচনী নিয়ম অনুযায়ী, কোনও ব্যক্তি যদি সরকারের সঙ্গে সরাসরি ঠিকাদারি বা ব্যবসায়িক স্বার্থে যুক্ত থাকেন, তাহলে তিনি নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন না। সেই নিয়ম মেনেই তাঁর মনোনয়ন খারিজ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

এপ্রিল ১০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal