• ২১ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার ০৮ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Gift

বিনোদুনিয়া

মাতৃ দিবসে মা কে বিশেষ উপহার শাহরুখ কন্যা সুহানার

১৯০৮ সালের ৮ মে মাতৃ দিবস পালনের সূচনা হয়েছিল। আনা জার্ভিস নামে এক আমেরিকান মহিলা তাঁর প্রয়াত মায়ের সম্মানে গির্জায় উপাসনার আয়োজন করেন। সেই থেকেই নাকি শুরু হয় Mothers Day পালন। সেই থেকে সারা বিশ্ব জুড়ে প্রতি বছর এই দিনটি মাতৃ দিবস হিসাবে পালিত হয়ে আসছে। মাতৃ দিবসে মা তথা ইন্টিরিয়র ডিজাইনার গৌরী খানকে ভালোবাসা উপহার দিলেন মেয়ে সুহানা খান। এদিন মায়ের জন্য বিশেষ উপহার এনেছিলেন শাহরুখ-গৌরী কন্যা। একটা সাদা এবং গোলাপী ফুলের তোড়া মাকে উপহার দিয়েছেন সুহানা। শুধু তাই নয়, ভালোবাসা জানিয়ে একটি নোটে আরিয়ান খানের বোন লিখেছেন, শুভ মাতৃ দিবস মা, ভালোবাসি, তোমার সুহানা। এ দিন ফুলের তোড়ার ছবি শেয়ার করার পাশাপাশি মেয়ে সুহানা খানের একটি না দেখা ছবিও সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করেন গৌরী খান। এই পোস্ট দেখে নেটিজেনরা খুবই খুশি। তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবির কমেন্ট বক্সে মা ও মে দুজনকেই ভালোবাসায় ভরিয়ে দিয়েছেন। কমেন্ট করেছেন অনেক সেলিব্রিটিরাও।

মে ১০, ২০২২
নিবন্ধ

সেরা উপহার (ছোট গল্প)

ডঃ মির্জা, ১২৩ নং কেবিনের পেশেন্ট মিঃ মিত্রের আজ তো ডিসচার্জ? ওনার বাড়ির লোক কেউ এখনো আসেনি কী করবো? বলে নার্স যিনি ছিলেন ডাক্তারের দিকে তাকিয়ে রইলেন---আচ্ছা আমি দেখছি আপনি একটা কাজ করুন বিলিং সেকশনে গিয়ে বলুন ওনার বিল রেডি করে আমার সঙ্গে দেখা করতে। আমি ততক্ষণ পেশেন্টের সাথে কথা বলে আসি।এই বলে ডাক্তার এগিয়ে গেলেন কেবিনের দিকে।কেমন আছেন স্যার?অনেক ভালো আছি আজ। সিস্টার বলছিলেন আজ আমার ছুটি হয়ে যাবে? আমার সব রিপোর্ট ঠিক আছে তো?হ্যাঁ স্যার আপনার সব রিপোর্ট ওকে। এবার আপনি আমার সঙ্গে যাবেন।আপনার সঙ্গে যাব! বিস্মিত হয়ে তাকিয়ে রইলেন ডাক্তারের দিকে।হ্যাঁ আপনার জন্য আমার বাড়িতে অনেকে অপেক্ষা করে আছে ; আপনাকে আমার সঙ্গে আজ আমার বাড়িতে যেতে হবে।আমার জন্য আপনার বাড়িতে অপেক্ষা করে আছে? কে? কে অপেক্ষা করে আছে?আছে আছে আপনার খুব কাছের মানুষজন তারা। আর হ্যাঁ আপনাকে বলা হয়নি আপনার স্ত্রী ও আমার বাড়িতেই আছেন।স্যার বিলিং সেকশন থেকে জ্যোতির্ময় দা একটু পরেই আপনার সঙ্গে দেখা করবেন। পেশেন্টের সব বিল রেডি। সিস্টার এর মধ্যে এসে ডাক্তার কে বললেন।ওকে সিস্টার, আপনাকে আর একটা রিকোয়েস্ট করব? হ্যাঁ স্যার বলুন না কি করতে হবে?আপনি পেশেন্টের সব জিনিস একটু গুছিয়ে ওনাকে একটু রেডি করে দেবেন প্লিজ?হ্যাঁ, স্যার অবশ্যই।হয়ে গেলে আমাকে খবর দেবেন।ঠিক আছে স্যার।আমি তাহলে আর দুজনকে দেখে নিয়ে চেম্বারে বসছি। আর একটা কথা আজ আমি বিকেলে আসবো না। প্রয়োজন হলে অবশ্যই কল করবেন। এই বলে ডাক্তারবাবু বেরিয়ে গেলেন।সিস্টার এবার পেশেন্টের কাছে মানে মিঃ মিত্রের কাছে গিয়ে বলেন ---- কাকাবাবু, এবার তো রেডি হতে হবে আপনাকে। বাড়ি যেতে হবে তো? হ্যাঁ মা বাড়ি তো যাব। কিন্তু ডাক্তার বাবুযে বলে গেলেন ওনার বাড়ি নিয়ে যাবেন।হ্যাঁ, হ্যাঁ ওটাও তো বাড়ি নাকি?জানেন এই ডাক্তার বাবুর মতন মানুষ হয় না। উনি ভগবানের দূত।আপনাকে যেদিন এখানে নিয়ে আসে আপনার গ্রামের ছেলেরা সেদিন ওনার তাড়াতাড়ি বাড়ি যাবার কথা ছিল, ওনার মেয়ের সেদিন জন্মদিন ছিল।উনি বেরিয়ে যাবেন এমন সময় একটা কল এলো। মনে হয় আপনার ওখান থেকেই।আমার ওখান থেকে?হ্যাঁ মনে হয়। মনে হয় কেন তাই কারণ আপনার আসার পর স্যার যে ভাবে সব সামলে নিলেন সেটাই।আর উনি তো আপনার গ্রামের ছেলে। এখন এখানে থাকেন ফ্যামিলি নিয়ে।আপনি যে অবস্থায় এসেছিলেন উনি ছাড়া এ শহরের কেউ আপনাকে বাঁচাতে পারত না। আর এই পরিস্থিতিতে আপনার ভর্তি এখানে তো উনি ই করালেন।উনি শুধু আপনার চিকিৎসাই আপনাকে রক্ত দিয়েও বাঁচিয়েছেন।কোথাও রক্ত পাওয়া যাচ্ছে নাতখন উনি নিজের রক্ত দিলেন। যাতে ওনার রক্ত ই দেওয়া হয় সব ব্যবস্থা করেন।আপনার স্ত্রী ও তো মনে হলো ওনাকে খুব ভালো চেনেন। ওনাকে তো ডাক্তার বাবুর স্ত্রী এসে ওনার বাড়ি নিয়ে গেলেন।স্যার তো বললেন আপনি ওনার বাবার বন্ধু।এতক্ষণ বিনায়ক বাবু নার্সের কথা হাঁ করে শুনছিলেন। এবার বললেন এই পোষাকের আড়ালে মুখ গুলো তোমাদের বোঝা যায় না। তাই হয়তো বুঝতে পারিনি।কিন্তু তোমাদের ডাক্তার বাবু কেন পরিচয় দিলেন না।তাতো বলতে পারবো না। তবে উনি সবাই কে বলেছিলেন আপনার স্পেশাল কেয়ার নিতে। আপনি ওনার বাবার মতো। উনি নিজেও আপনার কেমন কেয়ার নিলেন দেখুন।বিনায়ক বাবু নিজের মনে বলে উঠলেন নিজের ছেলে খবরই নেয় না, তাকে মানুষ করতে পারলাম না। আর ছাত্র যাকে কবে পড়িয়েছি নিজেরইমনে নেই সে আমাকে সারিয়ে তুললো।আচ্ছা সিস্টার কি নাম ডাক্তার বাবুর?ডঃ ইমরান আলী মির্জা; আমরা ডঃ মির্জা বা ডঃ ইমরান বলি।আমাদের ওদিকে বাড়ি বললে তাই না?হ্যাঁ উনি তো তাই বললেন। আর তাছাড়া আপনার গ্রাম থেকে যারা এসেছিল তারা তো পরিচিত মনে হলো। স্যার কে তো অনেকে নাম ধরে ডাক ছিল।অন্যমনস্ক ভাবে বিনায়ক বাবু বললেন ওঃনিন আপনার ব্রেকফাস্ট এসে গেছে আপনি খেয়ে নিন। হাত স্যানিটাইজ করে নিন।বিনায়ক বাবু কি বললেন বুঝতে না পেরে সিস্টার সামনে খাবার এগিয়ে দিয়ে বললেন খেয়ে নিয়ে চেঞ্জ করবেন। আপনার সব গুছিয়ে দিয়েছি।আপনি খান আমি স্যার কে বলে আসি।একঘন্টা পরে হুইল চেয়ারে করে বিনায়ক বাবু কে নিচে নিয়ে এলো দুজন। ডাক্তার নিচে গাড়ি নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। বিনায়ক বাবুকে যত্ন করে গাড়ির সামনের সিটে বসিয়ে সিট বেল্ট বেঁধে দিয়ে নিজে স্টিয়ারিং এ বসলেন।পিপিই পোষাক এর বাইরে ডাক্তারকে দেখে বাকরুদ্ধ হয়ে গেছেন বিনায়ক বাবু।মনে মনে ভাবেন যাকে একদিন অপমান করে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিয়েছিলেন, অপমান করে ছিলেন নিজের ছোটো বেলার বন্ধু ইদ্রিস কে। আজ সেই ছেলে আমার প্রান বাঁচাতে বদ্ধপরিকর শুধু নয়, আমাকে বাবার আসনে বসিয়েছে। চোখে জল এসে গেল তার।এসব ভাবতে ভাবতে গাড়ি এসে দাঁড়াল একটা সুন্দর ছোট্ট বাগান ঘেরা বাড়ির সামনে।ইমরান নিজে গাড়ি থেকে নেমে আস্তে করে সিট বেল্ট খুলে বিনায়ক বাবুকে বললেন বাবা বাড়ির ভিতরে চলুন।ইতিমধ্যে বাড়ির ভিতরের থেকে বেরিয়ে এসেছেন সবাই। সামনে ইমরানের বাবা, পিছনে তার দুই নাতি নাতনী কে নিয়ে তার মেয়ে।বিনায়ক বাবুর পা যেন চলছে না; বুকের ভেতর টা কেমন মোচড় দিয়ে উঠেছে।নাতনী এসে হাত ধরে বললো দাদু ভেতরে চলো আজ আমাদের বাড়িতে তোমার জন্য মা অক্ষয় তৃতীয়ার পূজোর আয়োজন করেছে। তুমি সুস্থ হয়ে গেছো তাই।তারপর আজ ঈদ , সবাই মিলে হিহি করে খুশির ঈদ পালন করবো। আজ সত্যিই আমাদের খুশির দিন।এমন সময় বিনায়ক বাবুর স্ত্রী বিমলা বেরিয়ে এসে বললেন আজ ইদ্রিস ভাই আর আমার ইমু না থাকলে কী যে হতো সে একমাত্র ঈশ্বর জানেন।আর বন্ধু ও মেয়ের জন্য বুকে এত ব্যথা পুষে রেখেছো অথচ মুখে ভাব দেখাও যেন কিছুই যায় আসে না।মেয়ে এতক্ষণ দূরে দাঁড়িয়ে ছিল। এবার বাবা কে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়ল। বাবা মেয়ে দুজনের মুখে কোনো কথা নেই শুধু চোখে জল।এমন সময় পরিবেশ হালকা করতে এগিয়ে এলেন বন্ধু ইদ্রিস---- কি বেয়াই ঘরের ভিতরে চলো। সব কথা কি এখানেই হবে। আমি যে দাবার ছকের পেতে বসে আছি। কুড়ি বছরের খেলা বাকি আছে। সব খেলতে হবে। তাড়াতাড়ি সম্পুর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠো।নাতি এসে দাদুর হাত ধরে ভিতরে নিয়ে চললো।ইন্দ্রাণী ইমরানের কাছে এসে বললো----ঈদের সেরা উপহার আজ তুমি আমাকে দিলে। ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি তোমাকেই যেন স্বামী হিসেবে জন্ম জন্ম পাই।ইমরান বললো এবার ভিতরে চলো এই আনন্দ যেন অক্ষয় হয় তার পূজো করবে চলো।সবাই আনন্দের সঙ্গে অক্ষয় তৃতীয়ার পূজো ও ঈদ পালন করলেন বহু দিন পর একসাথে।

মে ০৮, ২০২২
রাজ্য

'সন্তান পুত্র বা কন্যা-মাতা কোন ভাবেই দায়ী নন’, বিয়ের অতিথিদের এই পাঠ দিলেন শিক্ষক বাবা

একমাত্র কন্যা অদিতির বিয়ের আয়োজনে কোন খামতি রাখেননি বাবা। ফুল,মালা ও আলোক রোশনাইয়ে নিখুঁত ভাবে সাজানো হয় বিয়ে বাড়ি।বুধবার সারাটা দিন বিয়ে বাড়ি ভরে থাকে সানাইয়ের সুর মুর্ছনায়। এতকিছুর মধ্যেও ওই বিয়ে বাড়িতে সবথেকে বেশী নজরকাড়া ছিল পাত্রীর শিক্ষক বাবা শ্যামাপ্রসাদ দাসের দেওয়া সচেতনতার পাঠ। তিনি বিয়ে বাড়িতেই কন্যা সন্তান নিয়ে বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা তুলে ধরা বড়বড় ফ্লেক্স টাঙিয়েছেন। তাতে উল্লেখ থাকে সন্তান হোক পুত্র বা কন্যা-মাতা কোন ভাবেই দায়ী না।নিজের মেয়ের বিয়েতে শুধু এই বার্তা দিয়েই ক্ষান্ত থাকেননি শ্যামাপ্রসাদ বাবু। তিনি রীতিমতো বিজ্ঞপ্তি জারির আকারে বিয়ে বাড়ির মূল ফটকে পোস্টার লাগিয়ে দিয়ে উপহার সামগ্রী নিয়ে প্রবেশেও নিষেধাজ্ঞা জারি করে রাখেন। বুধবার রাতে বিয়ে বাড়ির অন্দরে প্রবেশের পর এইসব চাক্ষুষ করে অতিথিরা কার্যত থমকে দাঁড়িয়ে যেতে বাধ্য হন। তবে তাঁরা পাত্রীর বাবার এমন ভাবানার তারিফ না করেও পারেননি।শ্যামাপ্রসাদ দাসের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে।তিনি যখন ছোট ছিলেন তখন তাঁদের পারিবারে আর্থিক স্বচ্ছলতা তেমন ছিল না। তবুও সমস্ত প্রতিকুলতাকে জয় করে মা সরস্বতীদেবীর প্রেরনায় লেখাপড়া চালিয়ে যান মেধাবী ছাত্র শ্যামাপ্রসাদ।বিজ্ঞান বিষয় নিয়ে পড়াশুনা করে সাফল্যের সঙ্গে তিনি স্নাতক হন। পরে তিনি স্কুল শিক্ষকতার চাকরি পান। এরপর সংসারে স্বচ্ছলতা ফেরে। তবে শ্যামাপ্রসাদ বাবুর জীবনে বড় অঘটন ঘটে যায় কয়েক বছর আগে।হঠাৎতই দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে মারা যান শ্যামাপ্রসাদ বাবুর স্ত্রী কাকলীদেবী। তখন তাঁর একমাত্র কন্যা অদিতি অনেক ছোট। শ্যামাপ্রসাদ বাবু নিজেই একদিকে পিতা ও অন্যদিকে মাতার ভূমিকা নিয়ে তাঁর কন্যার যাবতীয় দায় দায়িত্ব পালন করেন। বাবার বিজ্ঞান প্রীতিকে অনুসরণ করে অদিতিও সম্প্রতি কলকাতার সিটি কলেজ থেকে বিএসসি পাশ করে । এরই মধ্যে অদিতির সঙ্গে ভালবাসার সম্পর্ক গড়ে ওঠে মালদার মথুরাপুর নিবাসী পেশায় ইঞ্জিনিয়ার যুবক স্বর্ণাঙ্কু সাহার। মেয়ের পছন্দের পাত্রকেই নিজের জামাই করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন শ্যামাপ্রসাদ বাবু। বুধবার বিয়ের দিনেও মেয়ের ভাব ভালবাসার বিষয়টি তিনি একেবারে লিখিত ভাবেই সাজিয়ে গুছিয়ে জনসমক্ষে তুলে ধরেন।সন্তান হোক পুত্র বা কন্যা-মাতা কোন ভাবেই দায়ী না।একমাত্র কন্যার বিয়ের দিনই কেন বিয়ে বাড়িতে কন্যা সন্তান জন্মানোর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা তুলে ধরলেন? এর উত্তরে শ্যামাপ্রসাদবাবু বলেন, বিজ্ঞান ভিত্তিক কি কারণে সন্তান পুত্র বা কন্যা হয়ে জন্মায় তা বহু মানুষের কাছেই অজানা রয়ে আছে। তার কারণে এখনকার যুগেও বহু মানুষ মনে করেন কন্যা সন্তান জন্মানোর দায় শুধু মাত্র মায়ের। তাই কন্যা সন্তানের জন্ম দেওয়ার জন্য মায়েদের নির্যাতন হজম করতে হয়। কন্যা সন্তানের জন্ম দেওয়ার অপরাধে অনেক মায়ের প্রাণ খোয়ানোর মত ঘটনায় ঘটছে। অথচ বিজ্ঞান বলছে,সন্তান পুত্র হোক বা কন্য তার জন্য মাতা কোন ভাবেই দায়ী নয় । অন্ধ ধারনা থেকে মানুষ্য সমাজমুক্ত হতে না পারলে কোন কন্যা সন্তানের বাবা মা তাঁদের মেয়ের বিয়ে দিয়ে দুশ্চিন্তা মুক্ত হয়ে থাকতে পারবেন না। তাই মেয়ের বিয়েতে বিজ্ঞানের এই পাঠ সবার সমক্ষে তুলে ধরেছেন বলে শ্যামাপ্রসাদ বাবু জানান। পাশাপাশি তিনি এও বলেন, কোভিড অতিমারির জেরে দেশের বর্তমান আর্থসামাজিক পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। সেই বিষয়টি মাথায় রেখে তিনি তাঁর মেয়ের বিয়েতে উপহার সামগ্রী নিয়ে আসার ব্যাপারে নিয়েধাজ্ঞা জারি করেছেন বলে জানান।বিয়ে বাড়িতে সবার উপলব্ধির জন্য শ্যামাপ্রসাদ বাবু বিজ্ঞানের যে পাঠ দিয়েছেন ,তাঁকে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন তাঁর মেয়ে অদিতি ও জামাই স্বর্ণাঙ্কু। তাঁরা বলেন, এটাতো বিজ্ঞান সম্মত ভাবেই প্রমানিত সন্তান পুত্র বা কণ্যা যাই হোক- তার জন্য মাতা কোন ভায়েই দায়ী নন। এর কারণ ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে অদিতি বলেন, নবম শ্রেণীর বিজ্ঞান বইতেই আমরা পড়েছি আমাদের মানব শরীরে ২৩ জোড়া ক্রোমোজোম আছে । তার মধ্যে একজোড়া ক্রোমোজোম হল সেক্স ক্রোমোজোম ।সেটা আমাদের মায়ের শরীরে XX। আর বাবার শরীরে XY। এই সেক্স ক্রোমোজোম-ই সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণে সহায়তা করে। বৈজ্ঞানিক ভাবেই এটা প্রমানিত যে বাবা ও মায়ের শরীরে থাকা অর্ধেক অর্ধেক ক্রোমোজোম সন্তান পেয়ে থাকে। সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণের ক্রোমোজোম যদি আমরা ধরি তাহলে বাবার শরীর থেকে আসতে পারে X বা Y এর মধ্যে যে কোন একটি। মাতার শরীরে X ছাড়া যেহেতু অন্য আর কোন ক্রোমোজোম ভ্যারিয়েন্ট থাকে না তাই মায়ের শরীয় থেকে আসে শুধুমাত্র একটি X ক্রোমোজোম। তাই সন্তান যে হবে তাঁর সেক্স ক্রোমোজোম XX বা XY হতে পারে। ওই সন্তান পুত্র বা কন্যা যাই হোক তার জন্য মাতার কোন ভূমিকা থাকে না। পুরুষের ইচ্ছাতে এর সমস্ত কিছু না হলেও বৈজ্ঞানিক ভাবে বলা হয়েছে সন্তান পুত্র বা কন্যা যাই হোক তার পিছনে মূখ্য ভূমিকা পুরুষেরই থাকে। এত কিছু বৈজ্ঞানিক প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও মাতার জরায়ু থেকে সন্তান জন্ম নেয় বলে কন্যা সন্তান জন্মালেই মায়েদের দায়ী করা হয়। মানুষের এই ভুল ধারণা ভাঙতে তাঁর বাবা বিয়ে বাড়িতে আগত সব অতিথিকে যে পাঠ দিয়েছেন সেটা যথেষ্টই সময়োপযোগী ও যুক্তি সঙ্গত বলে অদিতি দাবি করেছে। জামাই স্বর্ণাঙ্কু বলেন, শনিবার বৌভাতের দিন তিনি মালদার বাড়িতে অতিথিদের একই পাঠ দেবেন। তার পিছনে উদ্দেশ্য একটাই থাকবে কন্যা সন্তানের জন্ম দেওয়া মায়েদের লাঞ্ছনা গঞ্জনা থেকে মুক্তি দেওয়া। বুধবার অদিতির বিয়েতে উপস্থিত থাকা অতিথি অঞ্জন মুখোপাধ্যায় ও যুথিকা দাস বলেন, কন্যার বিয়েতে কন্যা সন্তানের জন্ম নিয়ে কন্যার বাবার এমন বিজ্ঞান ভিত্তিক পাঠদান কার্যতই নজিরবিহীন। ওই পাঠদান থেকে শিক্ষা নিয়ে সবাই সচেতন হলে সমাজেই মঙ্গল হবে ।

মার্চ ১১, ২০২২
নিবন্ধ

ঈশ্বরের দান- The Gift of God (ছোট গল্প)

আজ বাড়িতে সকাল থেকেই হৈচৈ, সাজ সাজ রব; সারা বাড়ি বেলুন দিয়ে সাজানো হচ্ছে। আজ পল্লব আর অঞ্জনার নয়নের মনি ওদের মেয়ে অপালার জন্মদিন।ওদের নিস্তরঙ্গ জীবন আনন্দময় করতে এইদিনেই অপালাকে কোলে পেয়েছিল অঞ্জনা। বিয়ের সাত বছর পরেও কোলে কেউ আসেনি। তাই জীবনটা ছন্দহীন হয়ে পড়েছিল। সাদামাটা জীবন ; সকালে উঠে রান্না সেরে শাশুড়িমা, শ্বশুর মশায় কে যথা সম্ভব দেখে সব সামলে অফিসে যাওয়া আবার অফিস থেকে ফিরে গতানুগতিক কাজ। এভাবেই চলছিল। অনেক ডাক্তার দেখিয়েছে কিন্তু কোনো সমস্যা নাই বলেছে, বলেছে দেরি হবে। অঞ্জনা মাতৃ হৃদয় কেঁদে ওঠে বারবার । তাই সে রোজ অফিসে যাওয়ার পথে যে হনুমানজির মন্দির টা পরে রোজ সেখানে আসাযাওয়ার পথে প্রণাম করে। আর প্রতি মঙ্গলবার পুজো দেয়। বছর পাঁচ আগে সে রকম এক মঙ্গলবার অফিস থেকে সেদিন ফিরতে দেরি হয়েছিল অঞ্জনার। বাস থেকে নামলো যখন আশপাশের সব দোকান মোটামুটি বন্ধ হয়ে গেছে। অঞ্জনা অভ্যাস মতো সেদিনও পুজো দেওয়ার সামগ্রী নিয়ে ছিল। কিন্তু দেরি হয়ে যাওয়ায় মন্দির বন্ধ হয়ে গেছে দেখে মন্দিরের দরজায় জিনিস গুলো রেখে প্রণাম করে উঠে দাঁড়াতেই যেন বাচ্চার আওয়াজ পেল। মনের ভুল বলে বেরিয়ে আসার জন্য যেই পা বাড়িয়েছে আবার শুনতে পেল। না এবার স্পষ্ট শুনেছে। এদিক ওদিক দেখ্তেই মন্দিরের এক কোনে দেখল কি যেন নড়ছে। কাছে গিয়ে মুঠো ফোনের আলোয় যা দেখল তা বিশ্বাস করতে পাচ্ছিল না। প্রথম টায় হতভম্ব হয়ে গেছিল অঞ্জনা। তারপর যখন বুঝল যে সত্যি দেখ্ছে আশপাশে কেউ আছে কিনা সেজন্য চিত্কার করে জানতে চাইলে কারো আওয়াজ পেল না যখন তখন ছোট্ট প্রাণ টাকে কোলে তুলে নিল হনুমানজীর আশীর্বাদ মনে করে। মনে হলো যেন হনুমান জী এতো দিনে মুখ তুলে চেয়েছে।অঞ্জনা তাড়াতাড়ি পা চালিয়ে বাড়ির দিকে চলল। দরজা খুলে পল্লব দেরির কারণ জিজ্ঞাসা করবে কোলে বাচ্চা দেখে অবাক হয়ে গেল। ভিতরে ঢুকে সব খুলে বলল সবাই কে। শাশুড়ি মাও বাচ্চা টিকে হনুমান জীর আশীর্বাদই বললেন। আদরের সঙ্গে সবাই মেনে নিল বাচ্চাটিকে। বাড়িতে খুশির বন্যা বয়ে গেল। এইভাবেই বেশ কেটে গেলো ; তিন বছর পর অঞ্জনার কোলে এলো ওদের ছেলে অদ্রিজ। দুই ভাই বোন কে নিয়ে ওদের জীবন আনন্দে ভরে উঠলো। না ছেলে হওয়ার পর কিন্তু অপালার আদর একটুও কমেনি কারো কাছে , ও যে ওদের সবার কাছে ঈশ্বরের আশীর্বাদ। আজ সবার নয়নের মনি অপালার জন্মদিন। তাই বাড়িতে হইহই রব। সে যে পাঁচ বছরের হলো।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২২
দেশ

ভালোবাসা'র বিশেষ দিনে ১০ টাকার গোলাপ ১৫০ টাকাই বিকচ্ছে

আজ বিশ্ব ভালবাসা দিবস। সারা বিশ্বের চরাই উতরাই পেরিয়ে ভারত হয়ে গ্রাম বাংলাতেও ঢুকে পরেছে এই বিশেষ দিনের উৎসব। এই দিনটি উপলক্ষ্যে উপহার দেওয়ার জন্য একটি গোলাপের চাহিদা আকাশছোঁয়া। শহরতলীর ফুল বাজারে একটি গোলাপের দাম ৬০ টাকা থেকে শুরু করে ১৫০ টাকা অবধি পৌছে গেছে। তাতেও খরিদ্দারের অভাব নেই। কিশোর কিশোরী থেকে শুরু করে তরুন-তরুনী-র বক্তব্য, ভালোবাসার মুল্য এইভাবেই চোকাতে হয়। এই বিশেষ দিনটি ভ্যালেন্টাইন্স ডে নামেই অধিক পরিচিত। ১৪ ফেব্রুয়ারি দিনটিকে সারা বিশ্বেই ভালবাসা দিবস হিসেবে পালন করা হয়ে থাকে। প্রেমিক-প্রেমিকা, বন্ধু-বান্ধব, স্বামী-স্ত্রী, মা-সন্তান, ছাত্র-শিক্ষক সহ বিভিন্ন বন্ধনে আবদ্ধ মানুষেরা এই দিনে একে অন্যকে তাদের ভালবাসা নিবেদন করে থাকে। আর পাঁচটা অনুষ্ঠানের মত এটি কোনও বিশেষ ধর্মবলম্বিদের অনুষ্ঠান হিসাবে দেখা হয় না। ধর্ম-মত নির্বিশেষে এই দিনটিকে পালন করা হয়। এই দিনে বিভিন্ন বিনোদন পার্ক ও সিনেমা হল, মল ভালবাসার মানুষে পরিপূর্ণ থাকে। এই বিশেষ দিনে প্রিয়জনকে সবাই ফুল ও বিভিন্ন উপহার সামগ্রী দিয়ে থাকে।এই দিনটি বেশ কিছুদিন আগে অবধিও তৃতীয় বিশ্বের দেশ গুলিতে সেভাবে পালন করা হত না। মুলত যুক্তরাষ্ট্র বা পাশ্চাত্য দেশের মানুষজনের মধ্যেই এটা সীমাবদ্ধ ছিল। বহু মানুষের ধারনা তৃতীয় বিশ্বে এই দিনটির জনপ্রিয়তার দাবীদার এক বহুল জনপ্রিয় কার্ড এবং গিফট প্রস্তুতকারী সংস্থা আর্চিস। এখন এই দিনটি সারা বিশ্বে বিভিন্ন দেশে দেশে আনন্দ উন্মাদনার সাথে পালন করা হয়। পালন করলেও, আমরা অনেকেই এই দিনটি বিশেষত্ত্ব না জেনেই পালন করি। কেন এই দিনটিকে ভালোবাসার দিন বলা হয়ে থাকে? এর অর্থ যাঁরা পালন করছেন তাঁদের মধ্যে অনেকেই জানেন না। এই দিনটি কিভাবে বা কোথা থেকে ভালোবাসার দিন হয়ে উঠলো? ইউরোপের দেশ ইতালি-র রোমে প্রাচীনকালে ১৪ ফেব্রুয়ারি দিনটি ছিল রোমান দেবতাদের রানী জুনোর সম্মানে ছুটির দিন। সেখানকার মানুষজন জুনোকে নারী ও প্রেমের দেবী বলে বিশ্বাস করত। অনেকের মতে ১৪ ফেব্রুয়ারি দিনটি সেই কারনেই ভালোবাসা দিন বলে মানা হয়। আবার মতান্তরে অনেক বলে থাকেন, রোমের সম্রাট ক্লডিয়াস ২০০ খ্রিস্টাব্দে সারা দেশে বিবাহ প্রথা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। এবং তিনি আরও নিদান দেন কোনও যুবক বিবাহ করতে পারবেন না। তাঁরদের জন্য শুধুই যুদ্ধ। তাঁর যুক্তি ছিলো যুবকরা যদি বিবাহ করে তবে যুদ্ধ করবে কে? সম্রাটের এই ভয়ঙ্কর ঘোষণায় প্রতিবাদ করেন এক যুবক। তাঁর নাম ভ্যালেন্টাইন। সাহসী এই যুবকের প্রতিবাদে অশনি সংকেত দেখেছিলেন সম্রাট ক্লডিয়াস। রাজ-বিদ্রোহের শাস্তি স্বরুপ তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। এবং ১৪ ফেব্রুয়ারি দেশের মানুষ ঘুম থেকে ওঠার আগেই ভোরবেলা তাঁর শিরচ্ছেদ করে ফেলা হয়। ভালোবাসার জন্য প্রান বলিদান দেওয়া ভ্যালেন্টাইনের আত্মত্যাগকে স্মরণ করতেই এই দিনটিকে ভালোবাসার দিন হিসাবে পালন করা হয় এটা আরেক শ্রেনী মানুষের মতামত।তবে সেটিও সর্বজনগৃহীত মতবাদ নয়। প্রচুর দ্বিমত আছে। আরেক শ্রেনী মানুষজনের ধারনা, তৎকালীন রোমে ভ্যালেন্টাইন নামে একজন চিকিৎসক ছিলেন। তিনি রোগীদের প্রতি ছিলেন দারুন স্নেহপরায়ণ। অসুস্থ মানুষের তিক্ত ওষুধ খেতে যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, তাই তিনি সেই ওষুধের সাথে দুধ, ওয়াইন, মধু ইত্যাদি নানাবিধ সুস্বাদু জিনিস মিশিয়ে এক মিশ্রন বানিয়ে দিতেন। পরে সেই ডাক্তার খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেন, সবং সেই সময় রোমে খ্রিস্টধর্ম একেবারেই জনপ্রিয় ছিল না। খ্রিস্টধর্মাবলম্বি-দের শাস্তি দেওয়া হতো। কোনও একদিন রোমের এক কারা প্রধান তাঁর অন্ধ মেয়েকে চিকিৎসার জন্য ভ্যালেন্টাইনের কাছে এনেছিলেন। চিকিৎসক ভ্যালেন্টাইন তাঁকে কথা দিয়েছিলেন তিনি তাঁর জীবনের শ্রেষ্ট চেষ্টা করবেন মেয়েটিকে দৃষ্টি ফিরে পেতে। মেয়েটির চিকিৎসা চলাকালিন হঠাৎ একদিন রোমান সেনাবাহিনী ভ্যালেন্টাইনকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়। তিনি তাঁদের আচরণে বুঝতে পেরেছিলেন যে, খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করার অপরাধে তাঁকে মৃত্যুদন্ড দেওয়া হবে। মতান্তরে জানা যায় ২৬৯ অথবা ২৭০ খ্রিস্টাব্দে ১৪ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন রোম সম্রাট ক্লডিয়াসের আদেশে ভ্যালেন্টাইনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। তাঁর আগে ভ্যালেন্টাইন সেই মেয়েটিকে বিদায় জানিয়ে একটি চিরকুট কিছু লিখে রেখে গিয়েছিলেন। তাঁকে হত্যার করার পর সেই কারা প্রধান চিরকুটটি তাঁর মেয়েকে দিয়েছিলেন। তাতে লেখা ছিল, ইতি, তোমার ভ্যালেন্টাইন। মেয়েটি চিরকুট খুলে তার ভিতরে হলুদ রঙের ত্রৌকস ফুলের সুন্দর রং দেখতে পেয়েছিল। ভ্যালেন্টাইনের চিকিৎসায় সারা দিয়ে মেয়েটির দুচোখে দৃষ্টি ফিরে এসেছিল। কথিত আছে ভালবাসার এই অমর কীর্তির জন্য ৪৯৬ খ্রিস্টাব্দে পোপ জেলাসিয়ুস ফেব্রুয়ারির ১৪ দিনটিকে ভ্যালেন্টাইন্স ডে বা ভালোবাসার দিন হিসেবে ঘোষণা করেন। সেই থেকে এই দিনটিকে ভ্যালেন্টাইন্স ডে হিসেবে পালন করা হচ্ছে।৪৯৬ খ্রিষ্টাব্দে ভ্যালেন্টাইন্স ডের ঘোষণা করা হলেও প্রথম দিকে বিশ্বব্যাপী সেইভাবে জনপ্রিয়তা পাইনি। ভ্যালেন্টাইন দিবসের কারণে খ্রিস্টীয় চেতনা বিনষ্ট হওয়ার অভিযোগে ১৭৭৬ এ ফ্রান্স সরকার ভ্যালেন্টাইন্স উৎসব নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। ইংল্যান্ডের তৎকালীন ক্ষমতাসীন পিউরিটানরাও একসময় প্রশাসনিক ভাবে এই দিনটির উৎযাপন নিষিদ্ধ করেছিল। এছাড়া অস্ট্রিয়া,হাঙ্গেরি ও জার্মানিতে বিভিন্ন সময়ে এ দিনটি জনগণ ও সরকারিভাবে প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল।বিংশ শতাব্দিতে এসে ভ্যালেন্টাইন্স ডে কদর দারুন ভাবে প্রচার পাই। বর্তমানে পাচ্য ও পাশ্চাত্যে এ উৎসব মহাসমারোহে পালন করা হয়। ভালবাসা দিনে উদযাপনের জন্য মানুষের অর্থনৈতিক ক্রয় ক্ষমতা অনুযায়ী কার্ড, ফুল, চকোলেট ও অন্যান্য উপহার সামগ্রী ক্রয় করে থাকেন।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Ahmed Khan : স্ত্রী কে বার্থ ডে স্পেশাল গিফট আহমেদ খানের

স্ত্রীর জন্মদিন। এই বিশেষ দিনে সবাই তার প্রিয় মানুষটিকে পছন্দের জিনিস দিতে চাইবেন। বিশেষ দিনে বলিউডের পরিচালক ও কোরিওগ্রাফার আহমেদ খান তার স্ত্রী কে যা গিফট করলেন সত্যিই নজরকাড়া একটা উপহার। অনেকেরই এই গিফট দেখে মাথায় হাত দিতে হবে। স্ত্রী শায়রা আহমেদ খানকে তাঁর জন্মদিনে দুর্লভ ব্যাট মোবাইল গাড়ি উপহার দিয়েছেন বাঘি-৩ র পরিচালক। ১৯৮৯ সালে ব্যাটম্যান সিনেমায় ব্যবহৃত গাড়ির অনুকরণেই তৈরি হয়েছে এই গাড়ি। একবার কেউ গাড়িটি দেখলে আর চোখ ফেরাতে পারবেন না। উপহার পেয়ে দারুণ খুশি শায়রা। এই খুশির খবর সোশ্যাল মিডিয়াতেই স্বামীকে ধন্যবাদ দিয়েছেন, স্বপ্ন সত্যি হওয়ায় তিনি আপ্লুত। কমেন্ট বক্সে উচ্ছাস প্রকাশ করেছেন দিশা পাটানি, জেলেনিয়া ডিসুজা-সহ অনেকেই। ব্যাট মোবাইল গাড়ির সঙ্গে রীতিমতো পোজ দিয়ে ছবি তুলেছেন শায়রা আহমেদ। সেই ছবি নেটদুনিয়ায় হইচই ফেলে দিয়েছে।

আগস্ট ৩১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sourav Birthday: জন্মদিনে বাড়িতে গিয়ে সৌরভকে শুভেচ্ছা মমতার, ‘‌দিদি’‌কে ‘‌দাদা’‌র দুর্দান্ত উপহার

নাসরীন সুলতানাবুধবার রাত ১২ টা বাজার পর থেকেই ভরে যাচ্ছিল মোবাইলের ইনবক্স। একের পর এক শুভেচ্ছা বার্তা। প্রিয়জনদের। যাদের কাছে মোবাইল নম্বর নেই, টুইটারই ভরসা। শুভেচ্ছার বন্যায় তিনি যে ভেসে যাবেন, সেটা জানা কথাই। যতই হোক জন্মদিন। তার ওপর নামটা সৌরভ গাঙ্গুলি। সারা বিশ্বে ভক্তর সংখ্যা তো কম নেই। তাই অন্য মাত্রা পেল মহারাজের জন্মদিন। বিকেলে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে সৌরভের বাড়িতে হাজির রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।আরও পড়ুনঃ হুগো বৌমৌসকে তুলে নিয়ে আবার মুম্বইয়ের ঘর ভাঙল এটিকেমোহনবাগানঅন্যান্য বছরের থেকে এবারের জন্মদিনটা সম্পূর্ণ আলাদা। পরিস্থিতি বদলে দিয়েছে কোভিড ১৯। মহা ধুমধাম, বিশাল আয়োজন, তেমন কোনও ব্যাপার নেই। একেবারেই ঘরোয়া। বুধবার ঘড়ির কাঁটা ১২টা স্পর্শ করতেই হাজির বড় কেক। স্ত্রী ডোনা, কন্যা সানা ও পরিবারের অন্য সদস্যদের নিয়ে রাতেই কেক কাটেন সৌরভ। এরমধ্যেই স্ত্রী ডোনার কাছ থেকে দামী ব্র্যান্ড নিউ এমআই আল্ট্রা ১১ মোবাইল উপহার পান সৌরভ। ১২জিবি+ ২৫৬ জিবি ভ্যারিয়ান্ট বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন এই মোবাইলের দাম ৬৯,৯৯৯ টাকা।আরও পড়ুনঃ ৫৫ বছরের শাপমুক্তি, এই প্রথম ইউরো কাপের ফাইনালে উঠল ইংল্যান্ডবৃহস্পতিবার সকাল থেকেই বাড়িতে ভক্তদের ভিড়। কেক, ফুলের তোড়া নিয়ে হাজির অনেকেই। সৌরভ গাঙ্গুলি ফ্যান ক্লাবের সদস্যরাও কেক, পুস্পস্তবক নিয়ে হাজির। সুদূর চন্ডীগড় থেকে এসেছিলেন কয়েকজন ভক্ত, জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে। খাদ্য রসিক বলে পরিচিত ছিলেন সৌরভ। কিন্তু সাম্প্রতিক অসুস্থতার জন্য খাদ্যতলিকা থেকে অনেককিছুই বাদ গেছে। মাংস খাওয়া ছেড়ে দিয়েছেন। মাছের বিভিন্ন পদ দিয়ে হল জন্মদিনের সেলিব্রেশন। সৌরভের জন্মদিনে অন্যমাত্রা এনে দিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। বিকেলে তিনি সৌরভের বাড়িতে হাজির হন। মহারাজের হাতে পুস্পস্তবক তুলে দেন মমতা ব্যানার্জি। দিদিকে সিল্কের শাড়ি ও মিষ্টি উপহার দেন সৌরভ। জন্মদিনে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটালেন মহারাজ।আমার প্রিয় দাদি। শুভ জন্মদিন। আপনার সামনে একটি স্বাস্থ্যকর এবং সুখী বছর কামনা করি|My beloved Dadi. Happy birthday. Wishing you a healthy and happy year ahead. pic.twitter.com/wX9WlPZpPU Sachin Tendulkar (@sachin_rt) July 8, 2021ভক্তদের পাশাপাশি এদিন মহারাজের জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানান প্রাক্তন সতীর্থরা। শচীন তেন্ডুলকার যেমন শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, তেমনই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বীরেন্দ্র শেহবাগ, ভিভিএস লক্ষ্মণ, হরভজন সিং, সুরেশ রায়না, ওয়াসিম জাফররা। সবথেকে চমকপ্রদ টুইট শচীনের। বাংলায় টুইট করে তিনি লিখেছেন, আমার প্রিয় দাদি। শুভ জন্মদিন। আপনার সামনে একটি স্বাস্থ্যকর এবং সুখী বছর কামনা করি। বীরেন্দ্র শেহবগ টুইটারে শুভেচ্ছা জানিয়ে লিখেছেন, দাদার চিন্তাভাবনার সঙ্গে কয়েকজনের মিল রয়েছে। দাদা তোমার সুস্বাস্থ্য কামনা করি। হরভজন সিং লিখেছেন, আমার ক্যাপ্টেনকে শুভ জন্মদিনের শুভেচ্ছা। আমি সবসময় তোমাকে ভালবাসি।

জুলাই ০৮, ২০২১
নিবন্ধ

পিতৃদিবসে বাবাকে খোলা চিঠি এক কন্যার

আজ পিতৃদিবস। আমাদের ছোটবেলায় এরকম কিছুর নাম শুনিনি । বোধহয় কারও জানা ছিল না যে বছরের বিশেষ কোন দিন বাবাদের জন্যও হয়। আমাদের শৈশব ছিল পিতৃময়। সংসারের সিদ্ধান্ত সব বাবাই নেবে, আমরা কি করব, কোথায় পড়ব, কি ভাবে সংসার চলবে সব কিছু। খুব ছোটতে বাবা আমাকে ভোরবেলা উঠিয়ে জল খাইয়ে নিয়ে যেত বাথরুমে। সকাল ৭টায় রিকশা আসবে স্কুলে নিয়ে যেতে।স্কুল থেকে ফিরে বাবাকে দেখতে পেতাম না, বাবার তখন অফিস। কিন্তু দুপুরগুলো চলতো বাবার করে দেওয়া রুটিনে। অঙ্ক দেওয়া থাকত খাতাতে। অঙ্ক কষে একটু ঘুমিয়ে নেওয়া। সেটাও আগাম বলে দিত বাবা। সন্ধ্যেয় এসে পড়াতে বসা। যখন একটু বড় হলাম, অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। সাইকেল চালানো শিখতে হবে। আমাদের মফস্বল শহরে কোন বাস সার্ভিস ছিল না। আর রিকশা ভাড়া দিয়ে টানা যাচ্ছে না। তখন তেরো বছরের কিশোরীর চোখে ভয়, লজ্জা সব। সাইকেল আর শেখা হয় না। মাঠে বিকেলে অনেকে খেলছে, কিশোর থেকে কিছু যুবকও। তাদের চোখের সামনে পিঠে পড়লো বিরাশি সিক্কার এক থাপ্পড়। সদ্য কিশোরী আমার মুখ চোখ লাল হয়ে চোখে জল। মারলো তো বাবাই , কিন্তু এত ছেলের সামনে? মুগ্ধ দৃষ্টি গুলো কেমন বদলে গেল ব্যঙ্গের হাসিতে। কিন্তু ওমা! দিব্যি সাইকেল টাও চলতে থাকলো গরগড়িয়ে। একটু হাত সরগর হতেই বাবার সঙ্গে সাইকেল চালিয়ে হাজারদুয়ারী। বাবা বড় সাইকেল-এ সামনে, আমি পিছনে লেডিস ছোট লাল সাইকেল আমার। বোর্ড-এর পরীক্ষা, ভোরে ওঠা নিয়ে আমি নাজেহাল। ভোরে উঠতে পারি না, বাবা এলো কফির কাপ হাতে। গরম গরম কফি খেয়ে আমি আবার ঘুমে। এইভাবেই কেটে চলে দিন। ইউনিভার্সিটিতে এডমিশন। বাবা পৌঁছাতে গেল আমাকে, সেদিনটা টিপটিপ বৃষ্টি পড়ছিল। বাবা আমাকে পৌঁছে টুকিটাকি জিনিস কিনে ফিরে যাচ্ছে, আমি দাঁড়িয়ে আছি দরজায়। বাবা বারবার বলছে তুই ভেতরে না গেলে আমি যাই কি করে আর আমি বলছি, তুমি যাও তারপরে তো যাব আমি। এই পহলে তুম-পহলে তুম এর টানাপোড়েনে কে যে জিতেছিল আজ আর মনেও নেই। বিয়ের পরে আমার ঘুম থেকে উঠে সর্বপ্রথম কাজ ছিল বাবাকে ফোন করা। ততদিনে বাবা অনেকটাই অসুস্থ, তবু ঘড়ির কাঁটা ৭টা ছুঁলেই ফোন আসত, তুমি কি আমাকে ফোন করতে ভুলে গেলে? তুই নয় তুমি, সম্বোধনেই ধরা পড়ত উষ্মা। তারও পরে তখন আমি মা, সন্তান পালনের টুকিটাকি বাবা আমাকে শিখিয়েছিল। বিশেষত, বাচ্চার খাওয়া-দাওয়া। আমার অতি দুরন্ত মেয়েকেও সামলেছে অপটু হাতে। তখন আমি জীবন যুদ্ধে পাগলপ্রায়। যখন একটু গুছিয়ে বসেছি, কন্যা আমার কাছেই। অফিস থেকে ফেরার পথে বিউটি পার্লার এ বসে আছি। উদ্দেশ্য, কিঞ্চিৎ সৌন্দর্য বৃদ্ধি। বাবার ফোন আসতেই কেটে দিলাম, দ্বিতীয় ফোনটা আসতে ধরলাম। নাহলে রিং করা থামাবেন না উনি। বললাম পার্লার এ আছি, পরে করছি ফোন ঘন্টা খানেক পরে আবার ফোন, বাধ্য হয়ে ধরে বললাম, এখনও হয়নি, শেষ হলে করছি আমার বাবার রাগে ক্ষোভে উক্তি, এখনও ওই পার্লার-এ বসে আছিস, ছোট থেকে এত মন দিয়ে যদি অঙ্কটা করতিস তাহলে কোথায় যে থাকতিস আজ! এবং হতভম্ব আমার প্রত্যুত্তর, এটা কি এইসময় ই মনে এলো তোমার! বাবা চলে গেছে, না বলেই। যে বাবা কিছু আমাকে না বলে করত না, কিরকম যেন এই সিদ্ধান্তটা একাই নিয়ে নিল। বাবাকে কোনদিন বলা হলো না তোমাকে ভালোবাসি। কোনওদিন জীবনে যা ভুল করেছি নতজানু হয়ে স্বীকার করা হল না। বলা হলো না বাবা তোমাকে ছেড়ে থাকা এখনও ভালো করে শেখা হয়নি আমার। অসমাপ্ত শিক্ষা নিয়ে কি করে চলবো আমি। কিছুই তো বলা হল না। তাহলে এতগুলো বছরে কি কথা বললাম আমি বাবার সঙ্গে? এতগুলো জরুরি কথা কি করে বাকি থেকে গেল? কবে শেষ করব এই অসমাপ্ত কথোপকথন আমি আর আমার বাবা? সুদেষ্ণা বন্দ্যোপাধ্যায়

জুন ২০, ২০২১
কলকাতা

ভোটের ভেট, ট্যাবের পর ফুটবল

একেই বলে ভোটের বালাই। বিধানসভা ভোটের আগে স্কুলে স্কুলে ফুটবল বিতরণের কথা ভাবছে রাজ্য সরকার। স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা বিনামূল্যে সাইকেল, বই, খাতা, পোশাক ও জুতো পায়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণা মতো উচ্চমাধ্যমিকের ছাত্র-ছাত্রীদের ট্যাব কেনার জন্য সবাইকে ১০ হাজার করে টাকা পাঠানো হচ্ছে। এবার, ছাত্রছাত্রীদের খেলাধুলায় আরও বেশি করে উৎসাহ দিতে স্কুলে ফুটবল পাঠানোর কথা ভাবছে সরকার।করোনা অতিমারি সংক্রমণ রুখতে মার্চ মাস থেকে টানা স্কুল বন্ধ। তবে প্রত্যেকের মিড-ডে মিলের খাদ্যসামগ্রী বিতরণে ছেদ পড়েনি। আগামী মাসে ধাপে ধাপে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাস চালু করার পরিকল্পনা চলছে। রাজ্যের জেলবন্দি আসামিদের বিভিন্ন সৃজনশীল কাজে উৎসাহ দেওয়া হয়। কেউ ছবি আঁকেন, কেউ ছেনি-হাতুড়ি হাতে স্থাপত্যকলায় মনোনিবেশ করেন। গান, আবৃত্তি, অভিনয়-সহ নানা সাংস্কৃতিক কাজেও আসামিদের উৎসাহ দেয় কারা দফতর। কিছুদিন আগে সংশোধনাগারের সদস্যরা এক লক্ষ ফুটবল তৈরি করেছেন। কারামন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস জানিয়েছেন, সংশোধনাগারের সদস্যদের তৈরি ৫০ হাজার ফুটবল ইতিমধ্যে বিভিন্ন ম্যাচে ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি ফুটবলগুলো পড়ে আছে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে সেগুলো স্কুলে বিতরণের কথা ভাবা হচ্ছে। এই কারণে আসামিদের হাতে তৈরি ফুটবল স্কুল পড়ুয়াদের জন্য বরাদ্দ করাই যুক্তিযুক্ত বলে মনে করছে সরকার।

জানুয়ারি ৩১, ২০২১

ট্রেন্ডিং

দেশ

জাতীয় নিরাপত্তার যুক্তি টিকল না! আদালতের নির্দেশে খুলছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র সমাজমাধ্যমের পাতা

দিল্লি হাই কোর্টে বড় স্বস্তি পেল ককরোচ জনতা পার্টি। সমাজমাধ্যমের তাদের বন্ধ থাকা পাতার উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, যে কারণ দেখিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ওই পদক্ষেপ নিয়েছিল, সেই পরিস্থিতি এখন আর প্রাসঙ্গিক নয়। তাই সমাজমাধ্যমের পাতা পুনরায় চালু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এই মামলায় ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, কোনও উপযুক্ত কারণ ছাড়াই তাঁদের সমাজমাধ্যমের পাতা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শুনানিতে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নিট পরীক্ষার সময় ওই পাতায় প্রকাশিত বিভিন্ন বার্তা পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে বিভ্রান্তি বা বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা ছিল। সেই কারণেই সাময়িকভাবে পাতা বন্ধ করা হয়েছিল।তবে আদালত জানায়, নিট পরীক্ষা ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে গিয়েছে। ফলে সেই যুক্তির আর প্রাসঙ্গিকতা নেই। এই পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতেই বিচারপতি স্বর্ণ কান্ত শর্মার বেঞ্চ সমাজমাধ্যমের পাতা পুনরায় চালুর নির্দেশ দেয়।সাম্প্রতিক সময়ে ককরোচ জনতা পার্টি সমাজমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। যদিও এটি নির্বাচন কমিশনের স্বীকৃত কোনও রাজনৈতিক দল নয়, তবু তাদের অনলাইন উপস্থিতি দ্রুত জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এর আগে অভিজিৎ দীপ দাবি করেছিলেন, অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই তাঁদের অনুসরণকারীর সংখ্যা দেশের বড় রাজনৈতিক দলগুলির সমাজমাধ্যমের পাতাকেও ছাড়িয়ে গিয়েছে। সেই মন্তব্যের কিছু সময় পরেই তাঁদের সমাজমাধ্যমের পাতা বন্ধ হয়ে যায়। পরে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।আদালতের সাম্প্রতিক নির্দেশের ফলে এই মামলায় নতুন মোড় এল। তবে মামলার অন্যান্য আইনি বিষয় এখনও বিচারাধীন থাকতে পারে।

জুলাই ০৭, ২০২৬
দেশ

প্রেমিকের সঙ্গে মিলে স্বামীকে হত্যার অভিযোগ! তেলেঙ্গানার ঘটনায় তদন্তে উঠে এল চাঞ্চল্যকর দাবি

তেলেঙ্গানায় এক ব্যক্তির মৃত্যুকে ঘিরে সামনে এসেছে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। পুলিশ জানিয়েছে, এক নার্সের বিরুদ্ধে তাঁর প্রেমিকের সঙ্গে মিলে স্বামীকে হত্যার অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। এই ঘটনায় ওই নার্স, তাঁর প্রেমিক এবং আরও এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ এখনও আদালতে প্রমাণিত হয়নি এবং তদন্ত চলছে।পুলিশ সূত্রের দাবি, অভিযুক্ত সন্ধ্যার স্বামী প্রশান্ত কর্মসূত্রে বিদেশে থাকতেন। সেই সময় অনিল নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে সন্ধ্যার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয় বলে অভিযোগ। পরে প্রশান্ত দেশে ফিরে আসার পর তাঁকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয় বলে তদন্তকারীদের দাবি।তদন্তে পুলিশের অভিযোগ, প্রথমে প্রশান্তকে মদ্যপান করিয়ে একটি ভবনের ছাদ থেকে ধাক্কা দেওয়া হয়। কিন্তু তিনি গুরুতর আহত হলেও বেঁচে যান এবং হাসপাতালে ভর্তি হন। এরপর হাসপাতালেই তাঁর চিকিৎসার সময় বিষাক্ত পদার্থ শরীরে প্রবেশ করিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। তদন্তকারীদের দাবি, এই ঘটনায় নার্স হিসেবে কাজের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানো হয়েছিল। তবে এই সমস্ত অভিযোগের সত্যতা এখনও বিচারাধীন।পুলিশ আরও জানিয়েছে, ভেঙ্কট সাই নামে আরও এক অভিযুক্ত এই পরিকল্পনায় যুক্ত ছিলেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। তাঁকে প্রশান্তকে মদ্যপান করানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে।প্রশান্তের মা পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করার পর তদন্তে নতুন মোড় আসে। ফোনের তথ্য, জিজ্ঞাসাবাদ এবং অন্যান্য প্রমাণ খতিয়ে দেখে তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। বর্তমানে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। পাশাপাশি ফরেনসিক পরীক্ষার রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে তদন্তকারী দল। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে খুন এবং অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে।সাম্প্রতিক সময়ে সম্পর্কজনিত কারণে হত্যার অভিযোগের একাধিক ঘটনা সামনে এসেছে। তেলেঙ্গানার এই ঘটনাও সেই তালিকায় নতুন করে আলোচনায় এসেছে। তবে এই মামলার চূড়ান্ত সত্য আদালতের বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে।

জুলাই ০৭, ২০২৬
দেশ

হানিমুন হত্যাকাণ্ড থেকে শিক্ষা? হবু স্বামীকে হত্যার আগে যা খুঁজছিলেন তরুণী, দাবি পুলিশের

বিয়ের আগেই হবু স্বামীকে হত্যার অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া তরুণীকে ঘিরে তদন্তে উঠে এসেছে নতুন তথ্য। পুলিশের দাবি, অভিযুক্ত সিয়া গোয়েল পরিকল্পিতভাবে হত্যার ছক কষেছিলেন। তদন্তে তাঁর মোবাইল ফোন পরীক্ষা করে এমন কিছু তথ্য পাওয়া গিয়েছে, যা তদন্তকারীদের মতে পরিকল্পনার দিকটি আরও স্পষ্ট করছে। তবে এই সমস্ত তথ্য এখনও পুলিশের দাবি মাত্র এবং আদালতে প্রমাণিত হয়নি।তদন্তে জানা গিয়েছে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সিয়া গোয়েল ও কেতনের বাগদান হয়েছিল। আগামী নভেম্বরে তাঁদের বিয়ের কথা ছিল। পুলিশ সূত্রের দাবি, প্রথমে বিয়েতে সম্মতি দিলেও পরে আর বিয়ে করতে চাননি সিয়া। তিনি নাকি বিষয়টি কেতনকে জানিয়েছিলেন। কিন্তু পরিবারের চাপে সেই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে না পেরে শেষ পর্যন্ত হত্যার পরিকল্পনা করেন বলে অভিযোগ।পুলিশের দাবি, প্রায় এক মাস ধরে পরিকল্পনা করা হয়েছিল এই ঘটনা। তদন্তকারীদের মতে, অভিযুক্তরা বিভিন্ন প্রকাশ্যে প্রকাশিত প্রতিবেদন এবং পুরনো বহুল আলোচিত হত্যাকাণ্ড সম্পর্কিত খবরও পড়েছিলেন। মোবাইল ফোনের অনুসন্ধানের ইতিহাসে সেই ধরনের তথ্য পাওয়া গিয়েছে বলে পুলিশের দাবি। তবে তদন্তকারীরা এখনও এই তথ্যের সত্যতা এবং ঘটনার সঙ্গে তার সম্পর্ক খতিয়ে দেখছেন।এই মামলায় সিয়া গোয়েল এবং অপর অভিযুক্তকে চৌদ্দ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। তদন্তের স্বার্থে সম্প্রতি পুলিশ সিয়াকে তাঁর বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখান থেকে বের হওয়ার সময় সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরা দেখে তিনি আপত্তিকর অঙ্গভঙ্গি করেন। সেই ঘটনার একটি ভিডিও সমাজমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, মুখ কাপড়ে ঢাকা অবস্থায় পুলিশের সঙ্গে বেরিয়ে এসে তিনি চিত্রসাংবাদিকদের দিকে আপত্তিকর ইঙ্গিত করছেন।তদন্ত এখনও চলছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ, পরিকল্পনা এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা আদালতের বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হবে।

জুলাই ০৭, ২০২৬
বিদেশ

মোদীর ইন্দোনেশিয়া সফরে বড় চমক! হতে পারে এমন চুক্তি, বদলে যেতে পারে দুই দেশের সম্পর্ক

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর তিন দেশের বিদেশ সফরের প্রথম গন্তব্য ইন্দোনেশিয়া। সোমবার জাকার্তায় পৌঁছন তিনি। বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো। ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এই সফরকে ঘিরে কূটনৈতিক এবং কৌশলগত মহলে যথেষ্ট আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সফর ভারত ও ইন্দোনেশিয়ার সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।সূত্রের খবর, এই সফরে প্রতিরক্ষা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, বন্দর উন্নয়ন এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতা-সহ একাধিক বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। পাশাপাশি বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি সই হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও গভীর করার বিষয়েও আলোচনা হওয়ার কথা।প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি নজর রয়েছে ভারতের তৈরি অস্ত্র ক্ষেপণাস্ত্রকে ঘিরে। সূত্রের দাবি, এই ক্ষেপণাস্ত্র কেনার বিষয়ে আগ্রহ দেখাতে পারে ইন্দোনেশিয়া। পাশাপাশি ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যাও বাড়াতে চায় জাকার্তা। তবে এই বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ঘোষণা হয়নি। দুই দেশের আলোচনার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে।শুধু প্রতিরক্ষা নয়, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদের সরবরাহ নিশ্চিত করতেও দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা বাড়তে পারে। ইন্দোনেশিয়ায় নিকেল ও ইস্পাত উৎপাদনে ভারতীয় বিনিয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও সাবাং বন্দর উন্নয়ন নিয়েও আলোচনা হওয়ার কথা। মালাক্কা প্রণালীর কাছে অবস্থিত এই বন্দর ভারত মহাসাগর অঞ্চলে কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। তাই এই প্রকল্প ভবিষ্যতে দুই দেশের সহযোগিতাকে নতুন মাত্রা দিতে পারে।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর এটি চতুর্থ ইন্দোনেশিয়া সফর। প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তোর আমন্ত্রণেই তিনি সেখানে গিয়েছেন। এরপর তিনি অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ড সফরে যাবেন। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মতে, এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী হবে এবং প্রতিরক্ষা, বাণিজ্য, প্রযুক্তি ও সামুদ্রিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।

জুলাই ০৭, ২০২৬
রাজ্য

বারুইপুরে নির্যাতিতার বাড়ির সামনে তীব্র বিক্ষোভ! নেতা-মন্ত্রীদের ঘিরে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন স্থানীয়রা

বারুইপুরে ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীর মৃত্যুকে ঘিরে এখনও থামেনি উত্তেজনা। তদন্তের প্রাথমিক পর্যায়ে উঠে আসা তথ্যের ভিত্তিতে নাবালিকাকে অপহরণ, যৌন নির্যাতন এবং হত্যার অভিযোগে তদন্ত এগোচ্ছে। তবে তদন্ত এখনও চলমান এবং ঘটনার পূর্ণ সত্য আদালতের বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে। এই ঘটনার প্রতিবাদে এলাকায় ক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে একের পর এক রাজনৈতিক প্রতিনিধি সেখানে পৌঁছন। তাঁদের অনেককেই স্থানীয় মানুষের বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়।মঙ্গলবার নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার কথা রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। তাঁর আগেই সকালে সেখানে পৌঁছন পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল এবং লকেট চট্টোপাধ্যায়। অগ্নিমিত্রা পাল জানান, মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিনিধি হিসেবেই তাঁরা পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছেন। পরে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে আরও দুই সাংসদও সেখানে পৌঁছন।এর কিছু পরেই বারুইপুরে যান ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, শিউলি সাহা, কাকলি ঘোষ দস্তিদার এবং সায়নী ঘোষ। নির্যাতিতার বাড়ির সামনে পৌঁছতেই স্থানীয়দের একাংশ তাঁদের ঘিরে বিক্ষোভ দেখান। বিশেষ করে সায়নী ঘোষকে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, ঘটনার দুদিন পরে কেন তিনি এলাকায় এলেন। বিক্ষোভকারীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে নানা প্রশ্ন তোলেন। পরে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে তাঁদের ভিতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়।পরিবারের সঙ্গে দেখা করার পর সায়নী ঘোষ বলেন, ঘটনার পিছনে বৃহত্তর কোনও চক্র রয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করবেন।পরে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর সঙ্গীদেরও প্রথমে আটকে দেওয়া হলেও পরে তাঁদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। কাকলি ঘোষ দস্তিদার জানান, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই তাঁরা পরিবারের পাশে দাঁড়াতে এসেছেন। ভবিষ্যতে এমন ঘটনা যাতে আর না ঘটে, তার জন্য কঠোর পদক্ষেপের প্রয়োজন বলেও তিনি মন্তব্য করেন। চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।

জুলাই ০৭, ২০২৬
কলকাতা

তারাতলা বিপর্যয়ের পর বড় ঘোষণা! নিহতদের পরিবারকে চাকরি, মাসিক সাহায্য ও শিশুদের পড়াশোনার দায়িত্ব নিল রাজ্য

তারাতলা দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার নিহত শ্রমিকদের পরিবারের হাতে দশ লক্ষ টাকার চেক এবং আহতদের হাতে এক লক্ষ টাকার আর্থিক সাহায্য তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী আশ্বাস দেন, দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে ভবিষ্যতেও সবরকম সহায়তা করবে রাজ্য সরকার।গত চব্বিশ জুন দুপুরে তারাতলায় নির্মীয়মাণ একটি গুদাম ভেঙে পড়ে। সেই সময় সেখানে কাজ চলায় বহু শ্রমিক ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়েন। উদ্ধারকাজে পুলিশ, দমকল, দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী এবং সেনাবাহিনী যৌথভাবে অভিযান চালায়। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এই দুর্ঘটনায় ষোলো জনের মৃত্যু হয়েছে এবং একাধিক শ্রমিক আহত হয়েছেন।মঙ্গলবার আর্থিক সাহায্য প্রদান অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের সমস্যার কথা শোনেন। সেই সময় এক মৃত শ্রমিকের স্ত্রী চাকরির আবেদন জানান। জবাবে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে পরিবারের একজন সদস্যকে কাজ দেওয়ার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হবে। তিনি কলকাতা পুর প্রশাসক স্মিতা পাণ্ডে এবং পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালকে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। আগামী সাত থেকে দশ দিনের মধ্যে বিষয়টি পর্যালোচনা করে জানানো হবে বলেও তিনি জানান। তবে শিক্ষাগত যোগ্যতার বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে বলে স্পষ্ট করেন মুখ্যমন্ত্রী।এছাড়াও মুখ্যমন্ত্রী জানান, নিহতদের পরিবারের জন্য মাসিক আর্থিক সহায়তা চালুর বিষয়েও রাজ্য সরকার ভাবনা-চিন্তা করছে। দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত শিশুদের পড়াশোনার দায়িত্বও রাজ্য নেবে বলে তিনি ঘোষণা করেন।আহত শ্রমিকদের চিকিৎসা নিয়েও বড় ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, সম্পূর্ণ সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত আহতদের সমস্ত চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ বিনামূল্যে দেওয়া হবে। এই বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়কে নির্দেশও দেন তিনি।

জুলাই ০৭, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে অভিষেককে বিচারপতির কড়া প্রশ্ন! ‘রক্ষাকবচ পেয়েও তদন্তে সহযোগিতা করছেন না কেন?’

পরবর্তী শুনানির আগে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ মামলাকে ঘিরে আবারও কলকাতা হাই কোর্টে হাজির হলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মামলার দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হলেও শুনানির সময় তদন্তে সহযোগিতা না করার অভিযোগ তোলে রাজ্য। সেই প্রেক্ষিতেই বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য প্রশ্ন তোলেন, আদালতের রক্ষাকবচ থাকা সত্ত্বেও কেন তদন্তে সহযোগিতা করা হচ্ছে না। তিনি মন্তব্য করেন, কণ্ঠস্বরের নমুনা তদন্তকারীদের দেওয়া উচিত। আগামী শুক্রবার ফের এই মামলার শুনানি হবে।আগামী আট জুলাই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের কথা রয়েছে। তার আগে মঙ্গলবার এই মামলার শুনানিতে বিচারপতি জানতে চান, আদালতের সুরক্ষা পাওয়ার পরও তদন্তে সহযোগিতা করতে আপত্তি কোথায়। জবাবে অভিষেকের আইনজীবী বলেন, সংশ্লিষ্ট বক্তব্য যে তাঁর মক্কেলেরই, তা আগেই স্বীকার করা হয়েছে। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের প্রয়োজনীয়তা নেই।অন্যদিকে, রাজ্যের আইনজীবী আদালতে দাবি করেন, শুধুমাত্র মৌখিক স্বীকারোক্তির উপর নির্ভর করে তদন্ত এগোনো সম্ভব নয়। কণ্ঠস্বরের বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও আদালতের দ্বারস্থ হওয়ায় তদন্তে বিলম্ব হচ্ছে বলেও অভিযোগ তোলা হয়। রাজ্যের বক্তব্য, আদালতের রক্ষাকবচ পাওয়ার পর তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করা প্রত্যাশিত হলেও এই ক্ষেত্রে তা হচ্ছে না।বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় করা একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছিল। অভিযোগ, সেই বক্তব্য উসকানিমূলক ছিল। প্রথমে বিধাননগর থানায় মামলা দায়ের হলেও পরে তদন্তভার যায় সিআইডির হাতে। ইতিমধ্যে এই মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে। এবার তদন্তের স্বার্থে তাঁর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করতে চাইছে তদন্তকারী সংস্থা। যদিও অভিষেকের দাবি, সংশ্লিষ্ট বক্তব্য নিজের বলে তিনি আগেই স্বীকার করেছেন। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। সেই কারণেই তিনি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। তবে এখনও এই মামলার চূড়ান্ত রায় হয়নি এবং বিষয়টি বিচারাধীন।

জুলাই ০৭, ২০২৬
কলকাতা

কার টাকায় চলত অভিষেকের চাটার্ড বিমান? পাঁচ জায়গায় একসঙ্গে ইডির তল্লাশিতে নতুন রহস্য

কলকাতার একাধিক জায়গায় মঙ্গলবার সকালে তল্লাশি শুরু করেছে ইডি। তদন্তকারীদের মূল লক্ষ্য, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চাটার্ড বিমানের ভাড়ার টাকা কোথা থেকে এসেছে, সেই অর্থ কারা দিয়েছেন এবং সেই টাকার লেনদেন কীভাবে হয়েছে, তার পূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করা। সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ, রাজারহাট, নিউটাউন-সহ মোট পাঁচটি জায়গায় আলাদা আলাদা দল অভিযান চালায়।তদন্ত সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত এক ব্যবসায়ীর বাড়ি ও অফিসেও তল্লাশি চালানো হয়েছে। অভিযোগ, ওই ব্যবসায়ীর সংস্থার মাধ্যমে চাটার্ড বিমানের ভাড়ার অর্থ দেওয়া হত। সেই অর্থের উৎস কী এবং তৃণমূলের দলীয় তহবিলের সঙ্গে কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।এদিকে, তৃণমূলের তহবিল ঘিরে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই এই অভিযান নতুন করে গুরুত্ব পেয়েছে। দলের ভাঙনের পর তহবিল ও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। দলের প্রাক্তন কোষাধ্যক্ষ অরূপ বিশ্বাস ব্যাঙ্কে চিঠি দিয়ে অ্যাকাউন্ট স্থগিত রাখার আবেদন করেছিলেন। সেই বিষয়টি এখনও কলকাতা হাই কোর্টে বিচারাধীন। আদালত একাধিকবার জরুরি শুনানির আবেদন খারিজ করেছে। মঙ্গলবারও একই সিদ্ধান্ত বহাল থাকে।তদন্তকারীরা সল্টলেকের একটি সংস্থার অফিস এবং সংস্থার পরিচালকদের বাড়িতেও তল্লাশি চালিয়েছেন। অভিযোগ, ওই সংস্থার মাধ্যমেই চাটার্ড বিমানের ব্যবস্থা করা হত। তৃণমূলের একাংশের নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, বিমানের ভাড়ার অর্থ কাটমানি ও তোলাবাজির টাকায় মেটানো হয়েছে। সেই অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতেই তদন্ত এগোচ্ছে বলে সূত্রের দাবি।অন্যদিকে, এক বিজেপি বিধায়কও অভিযোগ করেছেন, তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থ জমা হয়েছে। সেই অভিযোগেরও তদন্ত চলছে। সব অভিযোগের আর্থিক নথি, ব্যাঙ্ক লেনদেন এবং অর্থের উৎস খতিয়ে দেখতেই মঙ্গলবারের এই তল্লাশি চালানো হয়েছে বলে তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত এই অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হয়নি এবং তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান।

জুলাই ০৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal