• ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩, শুক্রবার ০৭ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Gas

দেশ

১৪.২ কেজির এলপিজিতে ভর্তি গ্যাস নাও দেওয়া হতে পারে! সঙ্কটে নতুন করে ভাবছে কেন্দ্র

হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলের ট্যাঙ্কার ভারতে পৌঁছাতে শুরু করলেও এলপিজি সঙ্কট পুরোপুরি কাটেনি। এই পরিস্থিতিতে গ্যাসের সঠিক বণ্টন নিশ্চিত করতে নতুন পরিকল্পনা নিতে পারে দেশের তেল বিপণন সংস্থাগুলি। সূত্রের খবর, গৃহস্থালির ব্যবহারের জন্য যে ১৪.২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার দেওয়া হয়, তাতে পূর্ণ পরিমাণ গ্যাস দেওয়া নাও হতে পারে।জানা যাচ্ছে, ভবিষ্যতে একটি সিলিন্ডারে প্রায় দশ কেজি গ্যাস ভরে দেওয়া হতে পারে। এর ফলে কম গ্যাস দিয়ে বেশি সংখ্যক গ্রাহকের মধ্যে বণ্টন করা সম্ভব হবে। সীমিত মজুতের কারণে যাতে সবাই গ্যাস পায়, সেই লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপের কথা ভাবা হচ্ছে।ইরান, আমেরিকা এবং ইজরায়েলের সংঘাত শুরু হওয়ার পর হরমুজ প্রণালীতে সমস্যা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে ভারতে গ্যাস সরবরাহেও। দেশের মোট চাহিদার একটি বড় অংশ বিদেশ থেকে আসে। ফলে সরবরাহে সামান্য বাধা এলেই সঙ্কট তৈরি হচ্ছে।গত সপ্তাহে কয়েকটি জাহাজ হরমুজ প্রণালী পেরিয়ে ভারতে পৌঁছেছে। বর্তমানে যে পরিমাণ গ্যাস মজুত রয়েছে, তা দিয়ে কিছুদিন চাহিদা মেটানো সম্ভব। তবে নতুন করে কবে গ্যাস আসবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। অনেক জাহাজ এখনও পারস্য উপসাগরে অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছে।ভারতে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ এলপিজি ব্যবহার হয়। সাধারণত একটি পূর্ণ সিলিন্ডার এক মাসেরও বেশি সময় চলে যায়। কিন্তু যদি গ্যাসের পরিমাণ কমিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা কম দিন চলবে। যদিও এতে সবার মধ্যে গ্যাস বণ্টন সহজ হবে।এছাড়া যদি সিলিন্ডারে গ্যাসের পরিমাণ কমানো হয়, তাহলে তার দামও সেই অনুযায়ী কমানো হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। এই নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে তার প্রভাব পড়তে পারে।

মার্চ ২৩, ২০২৬
কলকাতা

অটো নেই, বাসও উধাও! গ্যাসের দাম বাড়তেই শহরে যাতায়াতে চরম সঙ্কট

কলকাতায় গ্যাসের দামের বড় বৃদ্ধি এবং ভোটের প্রস্তুতির জেরে পরিবহণ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অটোতে ব্যবহৃত এলপিজির দাম এক ধাক্কায় অনেকটা বেড়ে যাওয়ায় ইতিমধ্যেই বহু অটো রাস্তায় নামছে না। তার উপর ভোটের কাজে বাস তুলে নেওয়া শুরু হলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।জানা গেছে, বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে কলকাতায় অটোতে ব্যবহৃত এলপিজির নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। প্রতি লিটার গ্যাসের দাম দাঁড়িয়েছে ৭০ টাকা ৬৮ পয়সা। এক ধাক্কায় প্রায় ৮ টাকা বেড়েছে দাম। এর আগেও মার্চের শুরুতে দাম বেড়েছিল। তখন লিটার প্রতি দাম ছিল ৫৭ টাকা ৬৮ পয়সা থেকে বেড়ে ৬২ টাকা ৬৮ পয়সা হয়েছিল। বারবার দাম বাড়ায় অটো চালকদের অনেকেই রাস্তায় নামতে চাইছেন না। ফলে ইতিমধ্যেই প্রায় ৩০ শতাংশ অটো বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানা যাচ্ছে। যেগুলি চলছে, সেগুলিও অনিয়মিত এবং অনেক ক্ষেত্রে ভাড়াও বেড়েছে।এর মধ্যে আবার ভোটের জন্য ধীরে ধীরে বাস কমতে শুরু করবে। নির্বাচন কমিশনের কাজে বহু বাস তুলে নেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই প্রায় ১৬০০ বেসরকারি বাস নেওয়া হয়েছে বলে বাসমালিকদের দাবি। এই বাসগুলি নির্বাচনী কাজে ব্যবহার করা হবে। সামনে আরও বাস নেওয়া হতে পারে। কলকাতা ও আশপাশের বিভিন্ন দপ্তর থেকে বাস তোলার প্রস্তুতি চলছে।বাসমালিকদের মতে, শহরে প্রায় আড়াই হাজার বেসরকারি বাস চলে। তার মধ্যে প্রায় দুই হাজার বাস রাস্তায় কমে যেতে পারে। ফলে যাত্রীদের সমস্যার শেষ থাকবে না। সরকারি বাসের সংখ্যাও এমনিতেই কম, ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।অন্যদিকে শুধু বাস নয়, স্কুলবাস, অ্যাপ ক্যাব, পুলকারসব ধরনের গাড়িই নির্বাচনের কাজে ব্যবহার করা হবে। এতে রাস্তায় সাধারণ মানুষের জন্য গাড়ির সংখ্যা আরও কমে যাবে। সাধারণত এমন পরিস্থিতিতে অটো কিছুটা ভরসা দেয়, কিন্তু এবার গ্যাসের সঙ্কটের কারণে সেই সুযোগও কমে গেছে। গ্যাস ভরার জন্য দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে চালকদের, ফলে রাস্তায় অটো কম দেখা যাচ্ছে।পরিবহণ সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আগামী মাসের শুরু থেকেই এই সমস্যা আরও বাড়বে। ভোটের কারণে একসঙ্গে অনেক গাড়ি তুলে নেওয়া হলে শহরের রাস্তায় বের হওয়া মানুষের জন্য চরম ভোগান্তির পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

মার্চ ২০, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে গঙ্গাসাগরে গুলির শব্দ, বিজেপি কর্মীকে লক্ষ্য করে হামলায় চাঞ্চল্য

ভোটের আগে গঙ্গাসাগরে গুলির ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বুধবার সকাল প্রায় আটটা নাগাদ গঙ্গাসাগর উপকূল থানার অধীন শ্রীধাম বাসস্ট্যান্ড থেকে গঙ্গাসাগর বাসস্ট্যান্ডের মাঝামাঝি এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, বিজেপি কর্মী ত্রিলোকেশ ঢালিকে লক্ষ্য করে আচমকা গুলি চালায় বাইকে করে আসা দুই দুষ্কৃতী।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সকালবেলায় এলাকায় দাঁড়িয়ে ছিলেন ত্রিলোকেশ ঢালি। সেই সময় হঠাৎ বাইকে করে দুজন ব্যক্তি সেখানে আসে এবং তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুলি চালানোর পর দ্রুত বাইক নিয়ে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা।গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে যান ত্রিলোকেশ ঢালি। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে সাগর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছে বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় এবং তদন্ত শুরু করে। কারা এই হামলার সঙ্গে জড়িত এবং কী কারণে এই ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।জানা গিয়েছে, ত্রিলোকেশ ঢালি আগে মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলা কমিটির সম্পাদক ছিলেন। বর্তমানে তিনি সাধারণ কর্মী হিসেবে দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাপানউতোর শুরু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, পুরনো কোনও শত্রুতার জেরেও এই হামলা হয়ে থাকতে পারে। তবে বিজেপির অভিযোগ, এই ঘটনার পিছনে তৃণমূলের হাত রয়েছে।বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, আক্রান্ত কর্মীর প্রাণ বাঁচবে কি না তা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। তাঁর দাবি, বাংলায় হিংসার রাজনীতি চলছে এবং এই ঘটনার দিকে নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হবে। তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ আধিকারিককে বরখাস্ত করার দাবিও জানানো হবে।ঘটনার প্রতিবাদে এলাকায় ইতিমধ্যেই অবরোধ শুরু করেছেন বিজেপি কর্মীরা। আহত নেতার মেয়েও তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাঁর দাবি, তাঁর বাবার বুকে গুলি লেগেছে এবং রাজনৈতিক কারণেই এই হামলা হয়ে থাকতে পারে। তিনি বলেন, তাঁদের পরিবার বিজেপির সঙ্গে যুক্ত এবং তিনি নিজেও পঞ্চায়েত সদস্য হওয়ায় এই হামলা হতে পারে।অন্যদিকে তৃণমূলের মুখপাত্র তন্ময় ঘোষ এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত। তাঁর দাবি, ভোটের আগে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হচ্ছে।এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে এবং পুলিশ পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে।

মার্চ ১১, ২০২৬
রাজ্য

অল্পের জন্য প্রাণ বাঁচল ২০২ পরীক্ষার্থীর! মাধ্যমিক কেন্দ্রে ভয়াবহ বিস্ফোরণ

মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রথম দিনেই বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেল পরীক্ষার্থীরা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায় তুফানগঞ্জ-১ ব্লকের নাককাটি গাছ উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। যদিও পুলিশ ও প্রশাসনের তৎপরতায় কোনও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।সোমবার নির্ধারিত সময়েই নাককাটি গাছ উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হয়। ওই কেন্দ্রে বালাভূত হাই স্কুল, বালাভূত বিদ্যাসাগর বিদ্যাপীঠ এবং কৃষ্ণপুর স্কুলের মোট ২০২ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছিলেন। পরীক্ষা চলাকালীন হঠাৎই স্কুলের ক্যান্টিনে চা বানানোর সময় একটি গ্যাস সিলিন্ডারে আগুন ধরে যায়।মুহূর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পেয়ে স্কুল চত্বরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে পরীক্ষা কেন্দ্রে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মীরা দ্রুত সাহসিকতার পরিচয় দেন। তাঁরা জ্বলন্ত গ্যাস সিলিন্ডারটি টেনে দ্রুত স্কুল ভবনের বাইরে মাঠের মাঝখানে নিয়ে যান। ভিজে বস্তা দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করা হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় তুফানগঞ্জ দমকল কেন্দ্রে।দমকল বাহিনী পৌঁছনোর আগেই বিকট শব্দে গ্যাস সিলিন্ডারটি ফেটে যায়। বিস্ফোরণের শব্দে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই পরীক্ষা ছেড়ে দ্রুত স্কুলের মাঠে বেরিয়ে আসেন।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান তুফানগঞ্জের মহকুমা শাসক কিংশুক মাইতি, এসডিপিও কান্নেধারা মনোজ কুমার-সহ জেলা প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকরা। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে পরীক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করা হয়। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দুলাল বসাক জানান, পুলিশের তৎপরতার জন্যই বড় বিপদ এড়ানো সম্ভব হয়েছে। সিলিন্ডারটি ফাঁকা মাঠে বিস্ফোরিত হওয়ায় কেউ আহত হননি।পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর পরীক্ষার্থীরা আবার শান্তভাবে পরীক্ষায় বসেন এবং নির্ধারিত সময়েই পরীক্ষা সম্পন্ন করেন। প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপে বড়সড় বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন অভিভাবক ও স্কুল কর্তৃপক্ষ।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২৬
রাজ্য

অপেক্ষার অবসান! আজই শিলান্যাস গঙ্গাসাগর সেতুর, বদলে যাবে সাগরদ্বীপের ভাগ্য

দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে। অবশেষে মুড়িগঙ্গা নদীর উপর তৈরি হতে চলেছে বহু প্রতীক্ষিত গঙ্গাসাগর সেতু। সোমবার গঙ্গাসাগরে মেলার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সফরেই গঙ্গাসাগর সেতু প্রকল্পের শিলান্যাস করবেন তিনি। সেতু তৈরি হয়ে গেলে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপ থেকে কচুবেড়িয়া পৌঁছতে সময় লাগবে মাত্র কয়েক মিনিট।এই সেতু চালু হলে গঙ্গাসাগরে যাতায়াত অনেকটাই সহজ হবে। পুণ্যার্থী, পর্যটক এবং সাগরদ্বীপের ৪৩টি গ্রামের বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের সমস্যা অনেকটাই মিটবে। এতদিন কাকদ্বীপ থেকে কচুবেড়িয়ায় যাওয়ার একমাত্র ভরসা ছিল নদীপথ। স্টিমার বা নৌকায় করেই চলাচল করতে হত স্থানীয় মানুষদের। বর্ষার সময় বা নদীর জল বেড়ে গেলে যাতায়াত প্রায় বন্ধ হয়ে যেত।এই সমস্যার কথা মাথায় রেখে রাজ্য সরকার একাধিকবার কেন্দ্রের কাছে সেতু নির্মাণের জন্য আর্থিক সাহায্য চেয়েছিল। তবে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে সাড়া মেলেনি বলেই অভিযোগ রাজ্য সরকারের। শেষ পর্যন্ত ২০২৩ সালে গঙ্গাসাগর মেলা পরিদর্শনে এসে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, রাজ্যের অর্থেই তৈরি হবে গঙ্গাসাগর সেতু। সেই ঘোষণার পর নতুন আশায় বুক বাঁধেন সাগরদ্বীপের বাসিন্দারা।সোমবার সেই স্বপ্ন বাস্তবের পথে এগোচ্ছে। ভোটের মুখে এই গুরুত্বপূর্ণ সেতু প্রকল্পের শিলান্যাস রাজনৈতিক দিক থেকেও তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, এই সিদ্ধান্ত রাজ্যের শাসকদলকে কিছুটা হলেও রাজনৈতিক সুবিধা দিতে পারে।প্রায় ৪.৭৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই গঙ্গাসাগর সেতু হবে চার লেনের। সেতু নির্মাণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রাজ্যের পূর্ত দফতরকে। গোটা প্রকল্পে খরচ হবে আনুমানিক ১৬৭০ কোটি টাকা। সোমবার দুপুর আড়াইটে নাগাদ মুখ্যমন্ত্রী এই প্রকল্পের শিলান্যাস করবেন। আগামী চার বছরের মধ্যে সেতু নির্মাণ সম্পূর্ণ করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই সেতুর নকশা চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে।

জানুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

সাফ নির্দেশ মমতার, গঙ্গাসাগর মেলায় ভিআইপি কালচার বন্ধ

গঙ্গাসাগর মেলায় কোনও ভিআইপি সংস্কৃতি চলবে না। নবান্নে বৈঠক থেকে এই কড়া বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ভিআইপিদের জন্য যেন সাধারণ মানুষের কোনও রকম সমস্যা না হয়। পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তা ও সুবিধাকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।প্রতি বছর জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ে সাগরদ্বীপে বসে গঙ্গাসাগর মেলা। মকর সংক্রান্তির পুণ্যস্নানের জন্য লক্ষ লক্ষ মানুষ সেখানে ভিড় করেন। সেই বিপুল জনসমাগমের কথা মাথায় রেখে মেলা প্রাঙ্গণ ও সংলগ্ন এলাকায় কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয় রাজ্যের তরফে। আগামী জানুয়ারির গঙ্গাসাগর মেলা নিয়ে সোমবার নবান্নে প্রস্তুতি বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী।বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, ভিড় নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে। ১২ জানুয়ারি মন্ত্রীরা মেলা প্রাঙ্গণ পরিদর্শনে যাবেন বলেও জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, কোনও ভিআইপি বা বিশেষ অতিথির জন্য যেন সাধারণ পুণ্যার্থীরা কোনও সমস্যায় না পড়েন, তা নিশ্চিত করতে হবে।রাজ্য প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এ বছর পুণ্যার্থীদের সুবিধার জন্য মেলা চত্বরে থাকবেন প্রায় সাড়ে তিন হাজার স্বেচ্ছাসেবক। প্রত্যেক পুণ্যার্থীর হাতে থাকবে বিশেষ ব্যান্ড এবং পরিচয়পত্র। সকলেই বিমার আওতায় থাকবেন। নিরাপত্তার জন্য ড্রোন ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি চলবে।যাতায়াতের ক্ষেত্রেও বিশেষ ব্যবস্থা করা হচ্ছে। মেলাকে কেন্দ্র করে চলবে প্রায় ২৫০০ বাস, ২৫০টি লঞ্চ এবং ব্যবহার করা হবে ২১টি জেটি। সব মিলিয়ে গঙ্গাসাগর মেলাকে সুষ্ঠু ও নিরাপদ ভাবে পরিচালনা করতেই এই প্রস্তুতি বলে জানানো হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২৫
রাজ্য

দামোদরে বালি তুলতে গিয়ে বিরাট বিপত্তি, জলে ভাসছে ১৫টি লরি

দামোদরে বালি তোলায় কোনও লাগাম নেই। ডিভিসি থেকে জল ছাড়ার খবর থাকা সত্বেও বালি তোলার কাজ চলছিল। লরি নেমেছিল একেবারে নদের ভিতরে। জল ভরে টুইটুম্বুর হওয়ায় ভেসে গেল ১৫টি বালি বোঝাই লরি। পূর্ব বর্ধমানের গলসির গোহগ্রামের এই ঘটনায় বেশ চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পরে। পরে লরিগুলিকে উদ্ধারের তৎপরতা শুরু হয়।দুর্গাপুর ব্যারাজ থেকে জল ছাড়ার কথা ডিভিসি ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আগাম ঘোষণা করা হয়েছিল। মাইথন ও পাঞ্চেত থেকে বুধবার জল ছাড়া হয় ৪০ হাজার কিউসেক। এরই মধ্যে নিম্ন দামোদর অববাহিকায় দুদিন ধরে টানা বৃষ্টি চলেছে। এই সব কারণে বৃহস্পতিবার সকালে হঠাৎ দামোদর নদে জলের পরিমাণ বেশ বেড়ে যায়। এতেই ঘটে যায় বিপত্তি।স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ১৫টি বালি বোঝাই লরি দামোদর নদের জলে ভাসতে থাকে। তার উপর বৃহস্পতিবার বেলা বাড়তে নদের জল আরও হু হু করে বাড়তে শুরু হয়। বিপদ বুঝে লরিগুলি নদী থেকে তোলার জন্য তৎপরতা শুরু করে চালকরা । ওই সময়েই সামনে থাকা দুটি লরি বিকল হয়ে যাওয়ায় লরি গুলি নদ থেকে পাড়ে তোলা আর সম্ভব হয়নি। জেসিবি মেশিন ব্যবহার করেও কাজ হয়নি। জল কমা পর্যন্ত লরিগুলো তুলতে অপেক্ষা করতে হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

জুন ১৯, ২০২৫
রাজ্য

কালনায় হিমঘরে অ্যামোনিয়া গ্যাসের কম্প্রেসার মেশিন ফেটে বিপর্যয়, মৃত্যু ২ শ্রমিকের

হিমঘরে অ্যামোনিয়া গ্যাসের কম্প্রেসার মেশিন ফেটে মৃত্যু হল দুই শ্রমিকের। বৃহস্পতিবার ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কালনার ভবানন্দপুরের একটি হিমঘরে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতরা হলেন সজল কুমার ঘোষ (৫৯) এবং শ্রাবণ প্রসাদ (৪৫)। সজলবাবুর বাড়ি কালনায় হলেও দ্বিতীয় জন বিহারের বাসিন্দা। এদিনই মৃত দুজনের দেহের ময়নাতদন্ত হয় কালনা মহকুমা হাসপাতালে। পুলিশ ও দমকল বিভাগ হিমঘরে হওয়া দুর্ঘটনা কাণ্ডের তদন্ত শুরু করেছে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে,হিমঘরে হওয়া দুর্ঘটনায় দুই শ্রমিকের মৃত্যু পাশাপাশি অ্যামোনিয়া গ্যাসের দাপটে হিমঘরের ১ শ্রমিক সহ ২ গ্রামবাসী অসুস্থ হয়ে পড়েন। স্থানীয়রা শ্বাসকষ্ট অনুভব করতে শুরু করেন। সেই খবর পেয়ে দমকলবাহিনী ছাড়াও পুলিশ ও মহকুমা প্রশাসনের উচ্চ পদস্থ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। গ্যাসের প্রভাব যাতে স্কুল ও কলেজের পড়ুয়াদের মধ্যে না পড়ে তাই তা এদিন ঘটনাস্থল এলাকার স্কুল ও কলেজে বন্ধ রাখা হয়। পুলিশ ও এলাকার বাসিন্দাদের কথা অনুযায়ী, এদিন সকালে ভবানন্দপুর গ্রামে থাকা হিমঘরের ভিতর বিকট শব্দে অ্যামোনিয়া গ্যাসের কম্প্রেসার মেশিন ফেটে যায়। তার পরেই সেখান থেকে সাদা ধোঁয়ার আকারে প্রচুর গ্যাস নির্গত হতে শুরু করে। চারপাশ সাদা ধোঁয়ায় ভরে যেতে শুরু করে। ওই অবস্থার মধ্যেই দুর্ঘটনাস্থলে দুই শ্রমিকের দেহ পড়ে থাকে। এই দুর্ঘটনার খবর পেয়ে চারটি ইঞ্জিন সহ দমকলবাহিনীর কর্মীরা ঘটনাস্তলে পৌছায়। তাঁরা মুখে মাস্ক পড়ে উদ্ধারকাজে হাত লাগায়। হিমঘরের আহত এক কর্মী বুদ্ধদেব প্রামাণিককে কালনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রাণে বাঁচতে উঁচু জায়গা থেকে ঝাঁপ দিতে গিয়ে তিনি পায়ে গুরুতর চোট পান। বুদ্ধদেব প্রামাণিক বলেন, দুর্ঘটনা ঘটার সময় হিমঘরের মেশিনঘর ও বাইরে সাতজন শ্রমিক ছিল। এলাকার বাসিন্দা দেবব্রত ঘোষ জানান, অ্যামোনিয়া গ্যাস হিমঘরের কাছে পিঠে থাকা ঘোষপাড়ায়, ব্রাহ্মণপাড়া এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের চোখমুখ জ্বালা করতে থাকে। ভয় পেয়ে অনেকেই চোখ মুখ কাপড়ে ও মাস্ক ঢেকে ফেলেন। সকালে জমিতে কাজ করতে থাকা কৃষক সহ স্থানীয়দের অনেকেই বিকট আওয়াজের আতঙ্কে জমির আল ধরে ছুটতে শুরু করেন। গ্যাসের ঝাঁঝে প্রিয়াংকা মণ্ডল নামের এক মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী ও মিঠু বাগ নামের এক মহিলা অসুস্থ হয়ে পড়ে। দুর্ঘটনার পর গ্রামে আসা মেডিকেল টিম তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন। প্রিয়াংকাকে পাঠানো হয় কালনা হাসপাতালে। স্বাস্থ্য কর্মীরা এলাকায় ঘুরে স্বাস্থ্যের বিষয়ে খোঁজখবর নেন।কালনার মহকুমাশাসক শুভম আগরওয়াল জানিয়েছেন, হিমঘরে হওয়া দুর্ঘটনায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে। কিভাবে এই ঘটনা ঘটল তার ফরেন্সিক তদন্ত হবে। ফরেন্সিক টিম চাওয়া হয়েছে। এদিন ব্যারাকপুর ও দুর্গাপুর থেকে ডিজাস্টারের দুটি এক্সপার্ট টিম ঘটনাস্থলে পৌছায়। পুলিশের কাছেও অভিযোগ দায়ের হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৫
রাজ্য

গঙ্গাসাগরে গিয়ে ফের প্রবীণদের হয়ে ব্যাট ধরলেন মমতা

তৃণমূলে আদি-নব্য, প্রবীণ-নবীন দ্বন্দ্ব তুঙ্গে। এবার দলের প্রতিষ্ঠা দিবসে এই নিয়ে মুখ খুলেছিলেন একাধিক নেতা। এসবের মধ্যেই রবিবার নিজের নির্বাচনী কেন্দ্র ডায়মন্ড হারবারে গিয়ে বয়সসীমা বিতর্কে ফের মন্তব্য করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের তারুণ্যের উপরই জোর দেন তিনি। ২৪ ঘন্টা না পেরতেই সোমবার গঙ্গাসাগর থেকে তৃণমূল সেনাপতিকে পালটা বার্তা দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো।আমি এখন যে কাজ করতে পারছি, তা কি ৭০ বছর হলে করতে পারব? ৩৬ বছর বয়সে যে কর্মক্ষমতা থাকে, ৫৬ বছর বয়সে তা থাকে না। ৭০ বছর বয়সে তা আরও কমে যায়। এই প্রথম নয়। এর আগেই বেশ কয়েকবার তৃণমূলে নবীনদের পক্ষে সোচ্চার হয়েছিলেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। দলে এক ব্যক্তি-এক পদের ঘোষণা করে তিনি বলেছিলেন, সব পেশার মতো রাজনীতিততেও অবসরের বয়স থাকা উচিত।বয়সসীমা বিতর্কের মধ্যেই গত নভেম্বরে তৃণমূলের বিশেষ অধিবেশনে দলনেত্রী বলেছিলেন, মনের বয়স বাড়ল কিনা সেটাই আসল ব্যাপার। প্রবীণ সৌগত রায়দের নির্দ্বিধায় কাজ চালানোর কথা বলে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার-এর মতো লড়াইয়ের কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তার সপ্তাহ পরে দাবি করেছিলেন, পুরনো চাল ভাতে বাড়ে।সোমবার গঙ্গাসাগর গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। মেলার এলাকা পর্যবেক্ষণ করেন তিনি। তারপর সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বলেন, আমরা কিন্তু যাঁরা যোগ্য লোক তাঁদের ৬০ বছরে বিদায় দিই না। আমরা তাঁদের কাজকর্ম, পুরো অভিজ্ঞতা নিয়ে পুরো কাজে লাগাই। এটা বিরল ব্যাপার। মূলত রাজ্য প্রশাসনে অবরপ্রাপ্ত তিন যোগ্য অফিসারের পুনর্নিয়োগ করা হয়েছে। তার প্রেক্ষিতেই এই কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী।অভিজ্ঞতার পক্ষে কথা বলে দলের সাম্প্রতিক বিতর্কও কী উস্কে দিলেন তৃণমূল নেত্রী? সেনাপতিকে বার্তা দিলেন? এখন এই প্রশ্নই বড় হয়ে উঠছে।

জানুয়ারি ০৮, ২০২৪
দেশ

ভোট বড় বালাই, এক ধাক্কায় অনেকটাই কমলো রান্নার গ্যাসের দাম

রান্নার গ্যাসের দাম কমালো মোদী সরকার। সামনেই ২০২৪ লোকসভা নির্বাচন। তার আগে রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিসগড়ে বিধানসভা ভোট। এরইমধ্যে রান্নার গ্যাসের দাম ২০০ টাকা কমানোর কথা ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। বিরোধীদের চাপের জন্য এই দাম কমেছে বলে দাবি বিরোধীদের। যদিও বিজেপির দাবি এটা রাখির উপহার।মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে দেশজুড়ে রান্নার গ্যাসের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উজ্বলা যোজনায় সিলিন্ডার পিছু ভর্তুকি বেড়েছে ৪০০ টাকা। অন্যদিকে সাধারণ গ্রাহকদের জন্য সিলিন্ডার পিছু ২০০ টাকা ভর্তুকি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী উজ্বলা যোজনার আওতাভুক্ত গ্রাহকদের জন্য সিলিন্ডার পিছু ৪০০ টাকা করে কমছে রান্নার গ্যাসের দাম। অন্যদিকে সাধারণ গ্রাহকদের জন্য সিলিন্ডার পিছু ২০০ টাকা করে কমানো হচ্ছে রান্নার গ্যাসের দাম। লোকসভা নির্বাচনের আগে এবার রান্নার গ্যাসের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত মোদী সরকারের।রাখী ও ওনাম উপলক্ষ্যে রান্নার গ্যাসের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর। প্রায় দেড় বছর পর রান্নার গ্যাসের দাম নামল হাজারের নীচে। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে রান্নার গ্যাসের দাম কমার এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। এই মুহূর্তে কলকাতায় ১,০৭৯ টাকায় এলপিজির ১৪.২ কেজির একটি সিলিন্ডার পান গ্রাহকরা। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে এই সিলিন্ডারটি ২০০ টাকা কমে পাবেন তাঁরা। একইভাবে উজ্বলা যোজদনার গ্রাহকরাও সিলিন্ডার পিছু ৪০০ টাকা কমে পাবেন।রাজ্য তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ এদিন বলেছেন, দেশজুড়ে নো ভোট টু বিজেপি স্লোগান উঠেছে। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যা দাম বেড়েছে তার তুলনায় এই ভর্তুকি কিছুই নয়।তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, ইন্ডিয়া জোটের দুটি বৈঠকের পর ২০০টাকা কমে গেল রান্নার গ্যাসের। ইন্ডিয়ার দম আছে।বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, এলপিজি সিলিন্ডারের দাম তো মোদী জি ১১০০/- টাকা থেকে কমিয়ে ৯০০/- টাকা করে দিলেন। ভারতবর্ষের ৩৩ কোটি গ্রাহক লাভবান হবেন। উজ্জ্বলা প্রকল্পের আওতায় থাকা ৯ কোটি ৬০ লক্ষ গ্রাহক ৭০০ টাকায় সিলিন্ডার পাবেন, কারণ ওনারা আগে থেকেই ২০০ টাকা কমে পাচ্ছিলেন। কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যেই আরো ৭৫ লক্ষ গ্রাহকদের উজ্জ্বলা প্রকল্পের আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাই উক্ত প্রকল্পের মাধ্যমে লাভবান গ্রাহকদের সংখ্যা ১০ কোটি ৩৫ লক্ষ হয়ে যাবে।

আগস্ট ৩০, ২০২৩
রাজনীতি

রান্নার গ্যাসের পুনরায় মুল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে এস ইউ সি আই এর বিক্ষোভ

রান্নার গ্যাসের পুনরায় মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে প্রতিকি বিজ্ঞপ্তি জালিয়ে এস এউ সি আই এর বিক্ষোভ প্রদর্শন। পুনরায় মূল্যবৃদ্ধির ফলে হোটেল, রেস্তোরাঁ ও অন্যান্য ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান জিনিসের দাম বাড়বে, এবং এর প্রভাবে অতিরিক্ত খরচের বোঝা এসে পড়বে সাধারণ মানুষের উপর। এস ইউ সি আই এর এই সভা থেকে দাবী তোলে, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম উল্লেখযোগ্য ভাবে কমা সত্ত্বেও এবং রাশিয়া থেকে কম দামে তেলের আমদানি ক্রমাগত বাড়তে থাকলেও কেন্দ্রের বিজেপি সরকার সাম্প্রতিক বাজেটে রান্নার গ্যাসে ভর্তুকি ৭৫% তুলে দেওয়ার ঘোষণা করেছে,সেই পরিপ্রেক্ষিতে এই মূল্যবৃদ্ধি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। তাঁদের আরও দাবি, উজালা যোজনার মাধ্যমে সবাইকে বিনামূল্যে গ্যাস পরিষেবা দিয়েছেন বলে প্রধানমন্ত্রী মাঝে মাঝেই বড়াই করলেও, তিনি সুকৌশলে এই সত্যটি আড়াল করেন যে, সেই উপভোক্তাদেরও বাজারদর অনুযায়ীই সিলিন্ডার কিনতে হয়। বাণিজ্যিক গ্যাসের দামও বাড়িয়ে ৩৫২ টাকা বাড়িয়ে ২২২১.৫০ টাকা করা হয়েছে। যার ফলশ্রুতিতে অতি অবশ্যই হোটেল, রেস্তোরাঁ ও অন্যান্য ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান জিনিসের দাম বাড়াতে বাধ্য হবে, এবং অবশ্যম্ভাবী ভাবে এই অতিরিক্ত বোঝাও এসে পড়বে সাধারণ মানুষের উপর। সরকারের কর ছাড় দেওয়ার সুযোগ নিয়ে একদিকে দেশের স্বল্প সংখ্যক ধনকুবেররা যখন সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলছে, আরেকদিকে তখন সরকার বিভিন্ন পেশায় নিযুক্ত গরিব, মধ্যবিত্ত সমস্ত মানুষদের শোষণ করে আবারও ঘুরপথে কর আদায়ের ব্যবস্থা করল।

মার্চ ০১, ২০২৩
রাজ্য

শীতের রাতে বর্ধমান শহরে ভয়াবহ আগুন। ভষ্মীভুত একটি দোকান সহ তিনটি গুমটি

শনিবার বর্ধমান শহরে জিটি রোড সংলগন মনিমার্টে ভয়াবহ আগুনের আতঙ্কে চাঞ্চল্য ছড়ালো । শনিবার রাত প্রায় সাড়ে নটা নাগাদ একটি গুমটি দাউদাউ করে জ্বলতে দেখা যায়। একটি ইলেকট্রিক পোস্টেও আগুন জ্বলতে শুরু করে। সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয়রা দমকলকে খবর দেয় স্থানীয় মানুষজন। দমকলের একটি ইঞ্জিন গিয়ে মিনিট পনেরো-কুড়ির মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণ আনে।স্থানীয় কাউন্সিলর আনন্দগোপাল সাহা ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে বলেন, গ্যাস ওভেন সারানোর একটি গুমটিতে আগুন লাগে। এই দোকানটি মনিমার্ট এলাকার এইচ পি গ্যাস সাপ্লাই অফিসের একেবার গায়ে। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে ইলেকট্রিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুন লেগেছে। আগুনে প্রবল উত্তাপে আশেপাশের দুটি গুমটিতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে বলে জানা গেছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেশি নয়।দমকল আধিকারিক সুজিত দাস বলেন, বেআইনি ভাবে ইলেকট্রিক পোলের নীচে গুমটি এলপিজি গ্যাস সিলিণ্ডার মজুত ছিল। দুটি কর্মাশিয়াল গ্যাস সিলিণ্ডার মজুত ছিল গুমটিতে। আগুন ছড়ানোর আগেই তারা নিভিয়ে ফেলেন। তবে আগুন ছড়িয়ে পড়লে মারাত্মক বিপদ হতে পারত। প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হত। প্রাণহানিও হতে পারতো। আমি উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে গোটা বিষয়টি জানাবো।

ডিসেম্বর ১০, ২০২২
রাজ্য

বিদ্যালয়ের চাপা কল থেকে জলের বদলে বের হচ্ছে ঝাঁজালো গ্যাস, আতঙ্ক রানিগঞ্জে

রানিগঞ্জ বিধানসভার অন্ডাল ব্লকের দীঘিরবাগান এলাকায় আদিবাসী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাপা কল থেকে জলের বদলে বের হচ্ছে ঝাঁঝালো গ্যাস। ঘটনায় রীতিমতো আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়।সূত্র মারফত জানা যায় এলাকার আদিবাসী প্রাথমিক বিদ্যালয়টির মেরামতির কাজ চলছে। বিদ্যালয়ের আশেপাশে এলাকার ধসপ্রবন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়। শুক্রবার সকালে স্থানীয়রা লক্ষ্য করেন বিদ্যালয়ের চাপা কল থেকে জলের বদলে বের হচ্ছে ঝাঁঝালো গ্যাস। ঘটনার খবর চাউর হতেই এলাকার মানুষ ভিড় জমান বিদ্যালয় চত্বরে।ঘটনার খবর ছড়াতেই ঘটনার স্থলে আসেন ইসিএলের আধিকারিকরা। এবং ঘটনাস্থলে পৌঁছায় অন্ডাল থানার বনবহাল ফাঁড়ির পুলিশ। সিল করে দেওয়া হয় এলাকা। ইসিএল সূত্রে জানা যায় চাপা কল থেকে বের হচ্ছে co2 গ্যাস।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২২
রাজ্য

স্থানীয় চাষিদের বিক্ষোভে বন্ধ মাটির তলায় গ্যাস পাইপ লাইন বসানোর কাজ

ধানের জমিতে গ্যাসের পাইপ লাইন বসানোর কাজ আটকে দিলেন এলাকার চাষীরা। পাইপ বসানোর জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বিঘের পর বিঘে সদ্য রোপন করা ধান জমি। প্রতিবাদে তাই গেইল ইণ্ডিয়া লিমিটেডের পাইপ লাইন বসানোর কাজ বন্ধ করে দিলেন পূর্ব বর্ধমানের গলসির বড়মুড়িয়া গ্রামের চাষিরা। তাদের দাবী পাইপ লাইন বসানোর জন্য জমি অধিগ্রহণ করেছে গেইল ইণ্ডিয়া লিমিটেড। সেই জমির মাটি খনন করায় তিন চার কিলোমিটার লম্বা একটি জলাশয় তৈরী হয়েছে মাঠের মধ্যে। এতেই বৃষ্টির ও সেচের জল নিকাশী বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে এলাকার চার থেকে পাঁচশো বিঘে রোয়া ধানের জমির জলের তলায় চলে গেছে। বার বার বলার পরেও সেই জল নিকাশীর কোন ব্যবস্থা করেনি ওই সংস্থা।শুক্রবার কাজ শুরু হতেই এলাকার চাষিরা গিয়ে আন্দোলন শুরু করে। আন্দোলনের জেরে কাজ বন্ধ করে মাঠ থেকে উঠে পড়েন পাইপ লাইনের কাজে কর্মরত শ্রমিকরা। পাশাপাশি পাইপ লাইন বসানোর বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ও মেশিনও তুলে নেওয়া হয় কোম্পানীর পক্ষ থেকে।

আগস্ট ১৯, ২০২২
রাজ্য

ফুড প্রসেসিং কারখানয় গ্যাস লিক আতঙ্ক ছড়ালো এলাকায়, ঘটনার স্থলে পুলিশ দমকল স্বাস্থ্যকর্মীরা অ্যাম্বুলেন্স

বসিরহাটের মাটিয়া থানা শিকড়া কুলিন গ্রাম পঞ্চায়েতের গোপালপুর মোড়ে ঘটনা শুক্রবার সকালে গ্যস লিক করে আতঙ্ক ছড়াই। সকাল দশটা নাগাদ হটাৎই ফুড প্রসেসিং কারখানায় থেকে অ্যামোনিয়া গ্যাস লিক হয়ে এলাকায় ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। এখনও পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথমে এই গ্যাস নাকে আসলে বেশ কয়েকজন শিশু মহিলা মহিলা পুরুষ অসুস্থ হয়। এই ঘটনা জানাজানি হতে স্থানীয় বাসিন্দারা মাটিয়া থানার খবর দেন ঘটনাস্থলে বসিরহাট পুলিশ জেলার বাদুরিয়ার এসডিপিও অভিজিৎ সিনহা মহাপাত্র বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থলে গেছেন গিয়েছেন। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে কারখানার অ্যামোনিয়া গ্যাস সিলিণদার থেকে এই গ্যাস লিক হচ্ছে। প্রত্যেক পুলিশ কর্মী, মুখে গামছা রুমাল, কাপড় দিয়ে ঢাকে পরিস্থিতি রয়েছে ঘটনাস্থলে দমকলের দুটি ইঞ্জিন এসে ওই কারখানার যে অ্যামোনিয়া গ্যাস যেখান থেকে লিক হচ্ছিল সেখানে জল দিতে শুরু করে এখনো নিয়ন্ত্রণে আসে নি। ঘটনার ফলে স্বাস্থ্যকর্মীরা কি কারনেই অ্যামোনিয়া গ্যাস লিক হয়ে বাইরে বেরচ্ছিল তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ইতিমধ্যে কারখানার মালিক কে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। তাহলে কি কারখানার মধ্যে এমনিয়া গ্যাস রয়েছে তার কি নির্দিষ্ট সুরক্ষা ছিল না। এলাকায় রীতিমতো আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ১২, ২০২২
সম্পাদকীয়

রান্নার গ্যাস, ডিমসহ খাদ্যদ্রব্যের মূল্য আকাশ ছোঁয়া, রাজনীতিকরা মেতেছেন অহেতুক বিতর্কিত মন্তব্যে

সস্তার প্রচারের প্রয়োজন পড়লেই ধর্মীয় বিষয় নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করলেই কেল্লা ফতে। সম্প্রতি রাজনীতিবিদদের মধ্যে এই ধারা দেখা যাচ্ছে। সাধারণ মানুষ কি দৈন্যদশায় দিন কাটাচ্ছে সেদিকে তাঁদের কোনও নজর নেই। শুধু নজর অন্যত্র ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা। ধর্মীয় উন্মাদনার জিগির তোলা।রান্নার গ্যাসের দাম কত? ডিমের দাম কত? নিত্য়প্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যের মূল্য রোজ আকাশ ছুঁয়ে ফেলছে। গড়ে মানুষের রোজগারের হাল কী? কারও কোনও মাথা ব্যাথা আছে। বিজেপির মুখপাত্র নূপুর শর্মা এক মন্তব্য করছেন তো তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র আর এক মন্তব্য করছেন। তারই মাঝে তৃণমূল বিধায়ক নির্মল মাজি, বাগদার বিধায়ক বিশ্বজিত দাস সারদা মা, রাণি রাসমনির সঙ্গে মুখ্য়মন্ত্রীর তুলনা করে বসলেন। এঁরা কেউ কী জীবনযাপনে কোনও সংকটে আছেন? কিন্তু সাধারণ মানুষের নুন আনতে পান্তা ফুরনোর জোগাড়। ধর্মের জিগির তুলে সাধারণের সমস্যা ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা আর কি। যে মন্তব্যগুলো রাজনীতিবিদরা করছেন সামাজিক প্রয়োজনে তার কোনও দরকার আছে? এই প্রশ্নই সর্বত্র ঘোরাফেরা করছে। একদিকে পেট্রোজাত দ্রব্যের অগ্নিমূল্য করে রাখা হয়েছে। কয়েকগুন দাম বৃদ্ধি ঘটিয়ে, সাধারণের কোটি কোটি টাকা পকেট কেটে নামমাত্র দাম কমিয়ে স্বচ্ছ ভাবমূর্তি তুলে ধরার চেষ্টা করা হচ্ছে। তেল-ডালের দাম কত বেড়েছে তা কমানোর উদ্যোগ কোথায়? রাজ্যে মাধ্যমিক-প্রাথমিকের যোগ্য চাকরি প্রার্থীরা রাস্তায় বসে দিন কাটাচ্ছে। একটা অংশ বেনিয়ম করে বহাল তবিয়তে চাকরি করে যাচ্ছে। তার মধ্যে অনেকের চাকরিও চলে গিয়েছে আদালতের নির্দেশে। এখন গন্ডায় গন্ডায় অভিযোগের তদন্ত করছে সিবিআই। আর তৃণমূল সাংসদ মন্তব্য করছেন কালী কি খায় তা নিয়ে। বিধায়ক-সাংসদদের একটা অংশ নিজেরা কি করে ওই জায়গায় পৌঁছেছেন তা তুলে ধরতে পারবেন? ধর্মীয় বিতর্কিত মন্তব্য না করে সাধারণের প্রয়োজনে কোনও কাজ করতে পারলে সেটাই হবে প্রকৃত রাজনীতিবিদের কাজ। অহেতুক রাজনৈতিক স্বার্থে দেশের ঐক্য নষ্ট করতে বিতর্কিত মন্তব্য করা কোনও সুষ্ঠু রাজনীতিকের কাজ হতে পরে না বলে মনে করেন অভিজ্ঞ মহল।

জুলাই ০৮, ২০২২
রাজ্য

জতীয় সড়কে গ্যাস ভর্তি ট্যাঙ্কার নিয়ন্ত্রন হারিয়ে ধাক্কা মারল ল্যাংচার দোকানে

আবার ট্যাঙ্কার বিভ্রাট। শক্তিগড় থানার আমড়া এলাকায় গ্যাস ভর্তি ট্যাঙ্কার নিয়ন্ত্রন হারিয়ে ধাক্কা মারল ল্যাংচার দোকানে।ল্যাংচার দোকানের কর্মচারীরা ঐ সময় শেডের নিচে বসে ছিলেন। আঁচ পেয়ে তারা সরে যান। দোকানের সামনের শেড দুমড়ে মুচড়ে যায়। ভাগ্যক্রমে কেউ আহত হয়নি। দমকলের গাড়ি ও ক্রেনের সাহায্যে গ্যাস ট্যাঙ্কারটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। শক্তিগড় থানার পুলিশ যান নিয়ন্ত্রনে ব্যস্ত। এই এলাকায় সকালের পর আবার যানজট সৃষ্টি হয়।দোকানের মালিক পারভেজ ইসলাম জানান, বড়সর দূর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেলেও দোকানে অনেক টাকার আর্থিক ক্ষতি সম্মুখীন হলাম। তিনি জানান, হঠাৎই ট্যাঙ্কারটি অন্য একটি গাড়িকে ওভারটেক করতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধাক্কা মারে ওই ল্যাংচার দোকানে। ওই এলাকায় পরপর ল্যাংচার দোকানে দিনভর বেচাকেনা চলে। প্রচুর মানুষ থাকেন। সেসময় একজন দোকান কর্মচারী ও দুজন ঝালমুড়ি বিক্রেতা সেখানে ছিলেন। তাদের একজন জগদীশ ভট্টাচার্য জানান, কী ঘটতে পারত ভাবতেই শিউরে উঠছি। হঠাৎই দেখি বোঝাই ট্যাঙ্কার আমাদের দিকে ছুটে আসছে। আমি ধাক্কা দিয়ে একজনকে সরিয়ে নিজেও ছুটে যাই। নইলে চাপা পড়তাম।এই নিয়ে জাতীয় সড়কে একদিনেই দুবার ট্যাঙ্কার দুর্ঘটনা ঘটল। সকালেই জাতীয় সড়কে তেলের ট্যাঙ্কার উল্টে বিপত্তি ঘটে। বর্ধমানের ২ নম্বর জাতীয় সড়কের মিরছোবায় সকালের ঘটনা ঘটে।কলকাতা থেকে দুর্গাপুরমুখী একটি তেলের ট্যাঙ্কার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায় দুর্ঘটনার পরই জাতীয় সড়কের একটি লেন এবং সাইড লেনে তেল ছড়িয়ে পরে। দুর্ঘটনাগ্রস্ত ট্যাঙ্কারের ঠিক পিছনেই ছিল একটি চারচাকা। চারচাকাটি ট্যাঙ্কারের পিছনে ধাক্কা মারে। আবার ওই চারচাকার পিছনে ধাক্কা মারে একটি লরি। চারচাকা গাড়িতে ৪-৫ জন যাত্রী ছিলেন, যার মধ্যে একজনের মাথায় আঘাত লাগে।আতঙ্ক ছড়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে বর্ধমান থানার পুলিশ পৌঁছায়। যায় দলকল ও বিদ্যুৎ দপ্তরের কর্মীরা। এলাকায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করা হয়।। দীর্ঘক্ষণ জাতীয় সড়কের দুর্গাপুর মুখী লেন বন্ধ থাকে।একদিক দিয়েই আপ এবং ডাউন গাড়ি চলাচল করে। প্রচন্ড অসুবিধায় পড়েন যাত্রীরা। বিকেলেই আবার আমরা গ্রামে একইভাবে ট্যাঙ্কার দুর্ঘটনা ঘটল।এই আমরা এলাকাটিই শক্তিগড় বলে সাধারণের কাছে পরিচিত। ভাগ্যক্রমে এদিন লোকজন কম থাকায় কেউ হতাহত হন নি।

মে ২২, ২০২২
দেশ

আজ মধ্যরাত থেকে কমছে ডিজেল, পেট্রোল ও গ্যাসের দাম, শুল্ক কমাল কেন্দ্র

ভর্তুকি যুক্ত উজ্জ্বলা গ্যাসের প্রতি সিলিন্ডারে ২০০ টাকা করে আরও ভর্তুকির ঘোষণা কেন্দ্রীয় সরকারের। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন টুইট করে জানালেন এই কথা। সে সমস্ত গ্রাহক উজ্জ্বলা গ্যাস ব্যবহার করেন তাঁরাই এই সুবিধা পাবেন বছরে ১২টি সিলিন্ডারের জন্য।অর্থমন্ত্রী আরও জানান নতুন দাম আজ শনিবার মধ্যরাত থেকে কার্যকর হবে। পেট্রল ও ডিজেলের দামও কমবে বলে তিনি জানান। তিনি জানান পেট্রলের লিটার প্রতি ৮ টাকা ও ডিজেলের লিটার প্রতি ৬ টাকা শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এরফলে প্রতি লিটারে পেট্রলের দাম কমবে সাড়ে ৯ টাকা এবং প্রতি লিটার ডিজেলের দাম কমবে ৭ টাকা। পাশাপাশি উজ্জ্বলা গ্যাস সিলিন্ডারে ২০০ টাকা করে ভর্তুকির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সুবিধা পাওয়া যাবে বছরের ১২টি সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে। এর ফলে ৯ কোটি গ্রাহক উপকৃত হবেন বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী।6/12 @PMOIndia has specifically asked all arms of the government to work with sensitivity and give relief to the common man.Keeping in line with @PMOIndia @narendramodi s commitment to help the poor common man, TODAY, we are announcing more steps to help our people. Nirmala Sitharaman (@nsitharaman) May 21, 2022সীতারামন টুইটে আরও জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় এক্সাইস ডিউটি এই মুল্য হ্রাসের কথা ঘোষণা করেছে। এর ফলস্বরূপ সারা বছরে ১ লক্ষ কোটি টাকা কোষাগার থেকে ভর্তুকি দেবে কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী টুইট করে সারা দেশের সমস্ত রাজ্যকে একই ভাবে শুল্ক কমানোর আবেদন জানিয়েছেন। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী টুইটে জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনায় সিলিন্ডার প্রতি ২০০ টাকা ভর্তুকি দেওয়ার ঘোষনায় জন্য কেন্দ্রীয় কোষাগার থেকে বছরে আরও ৬১০০ কোটি টাকা খরচ হবে।কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর আবেদনে সাড়া দিয়ে রাজ্য সরকারগুলি কতটা এগিয়ে আসে সেই দিকেই তাকিয়ে সাধরণ জনসাধারন। যেভাবে সারা দেশে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ঘটেছে, অর্থনীতি বিশেষজ্ঞদের মতে এই সিদ্ধান্ত কিছুটা হলেও রাশ টানবে। তাঁরা কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন।

মে ২১, ২০২২
রাজ্য

সাধারণের সংসার চালাতে নাভিশ্বাস, ফের দাম বাড়ল রান্নার গ্যাসের

পেট্রল-ডিজেলের দাম তো আগেই আকাশ ছুঁয়েছে। এদিকে মাঝে-মধ্যেই বাড়ছে রান্নার গ্যাসের দাম। এবার রাজ্যে গ্যাসের দাম ছাড়়িয়ে গেল ১হাজার টাকা। আমনাগরিকের পকেটে টান পড়েছে। তারওপর নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্য নিত্য দিন বেড়েই চলেছে। বাজারে যা কিনতে যাচ্ছেন তাতেই ছ্যাঁকা লাগছে সাধারণের। বিরোধীদের বক্তব্য, যদিও এসব নিয়ে মাথাব্যথা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের।এদিন রান্নার গ্যাসের ১৪.২ কেজি সিলিন্ডারের দাম হয়েছে ১২৬ টাকা। দাম বেড়েছে ৫০ টাকা। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে রান্নার গ্যাসের দাম। পাশাপাশি আলুসহ সমস্ত সবজির দাম বেড়েছে। বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির দামও। মোদ্দা কথা সাধারণের মানুষের নুন আনতে পান্তা ফুরানোর অবস্থা। বিরোধীদের দাবি, এখন যুদ্ধের দোহাই দিয়ে পার পেতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। অন্যদিকে ১৯ কেজির বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম হয়েছে ২ হাজার ৪৪৫ টাকা ৫০ পয়সা।উত্তরপ্রদেশ সহ পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা ভোটের সময় পেট্র পন্যসহ জ্বালানী তেলের দাম বাড়েনি। ওই রাজ্যগুলিতে ভোট মেটার পর ক্রমাগত বেড়েছে জ্বালানী তেলসহ রান্নার গ্যাসের দাম।

মে ০৭, ২০২২
ব্যবসা

এক লাফে ১০৮ টাকা বেড়ে বাণিজ্যিক রান্নার গ্যাস ২০৯৫ টাকা!

গৃহস্থের হেঁশেলের রান্নার গ্যাসের দাম এই দফায় বাড়ল না। কিন্তু তাঁদের উদ্বেগ বহু গুণ বাড়িয়ে হোটেল-রেস্তরাঁয় ব্যবহৃত রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার মার্চে ১০৮ টাকা বেড়ে ২০০০ পেরোল কলকাতায়। সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, পেট্রল-ডিজ়েলের মতো রান্নার গ্যাসের দামও যে পাঁচ রাজ্যে বিধানসভার ভোটের দিকে তাকিয়ে স্থির, সেটা মোটামুটি পরিষ্কার।গৃহস্থের বোঝা বাড়িয়ে এখনই তাঁদের কাছে অপ্রিয় হওয়ার পথে হাঁটতে চায় না মোদি সরকার। ফলে আপাতত অন্যান্য ক্ষেত্রে ব্যবহৃত জ্বালানিতে খাঁড়া নামছে। এর আগে বিমান জ্বালানি এটিএফ রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। এ বার ১৯ কেজির বাণিজ্যিক সিলিন্ডার ছুঁয়ে ফেলল ২০৯৫ টাকা। যদিও মনে করা হচ্ছে ভোট মিটলেই ফের মধ্যবিত্তের চিন্তা বাড়িয়ে দাম বাড়তে চলেছে রান্নার গ্যাসের।সাধারণ মানুষ রান্নার জন্য যে ভর্তুকিহীন ১৪.২ কেজির সিলিন্ডার কেনেন, তার দাম এখন ৯২৬ টাকা (কলকাতায়)। তবে আগামী দিনে তা কোথায় পৌঁছবে সেই প্রশ্নে দুশ্চিন্তা বাড়ছে এটিএফ এবং বাণিজ্যিক সিলিন্ডারকে দেখে। তেল সংস্থা সূত্রের খবর, বিশ্ব বাজারে অশোধিত তেলের পাশাপাশি রান্নার গ্যাসের মূল দুই উপাদান প্রোপেন ও বুটেনের দামও বেড়েছে। ফলে তা না-কমলে পরের মাসে সব রকম গ্যাসের দাম বৃদ্ধিরই আশঙ্কা। ঠিক যে আশঙ্কা পেট্রল-ডিজেল নিয়ে। কারণ তখন ভোট শেষ হবে। তার উপরে অক্টোবরের শুরুতে ১৪.২ কেজির সিলিন্ডারের দাম এক রাখলেও কয়েক দিন পরেই বাড়ায় তেল সংস্থাগুলি। ফলে মার্চের শুরুতে না-বাড়লে যে মাঝেও বাড়বে না, এমন নিশ্চয়তা নেই বলেই ধারণা সকলের।

মার্চ ০১, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রীর বড় ডাক! স্বাধীনতা দিবসে রাজ্যজুড়ে তেরঙ্গা উৎসব, জেনে নিন পুরো কর্মসূচি

স্বাধীনতার মাস উপলক্ষে এবার রাজ্যজুড়ে শুরু হচ্ছে হর ঘর তেরঙ্গা কর্মসূচি। এতদিন এই কর্মসূচি বাংলায় সরকারি উদ্যোগে পালিত হয়নি। এবার প্রথমবার রাজ্য সরকার কেন্দ্রের এই উদ্যোগে সামিল হচ্ছে। আগামী ৯ আগস্ট থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত চলবে এই বিশেষ কর্মসূচি। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ভবানীপুর থেকেই শুরু হবে তেরঙ্গা যাত্রা এবং তিনি নিজেও সেই মিছিলে অংশ নেবেন।বৃহস্পতিবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী জানান, শুক্রবার ভবানীপুরের সার্ভে বিল্ডিং থেকে হাজরা পর্যন্ত বিশাল তেরঙ্গা মিছিল হবে। রাজ্যের সব মানুষের কাছে তিনি আবেদন করেছেন, প্রত্যেকে যেন নিজের বাড়িতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন এবং এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। রাজ্যজুড়ে প্রায় সত্তর লক্ষ জাতীয় পতাকা বিতরণ করা হবে বলেও ঘোষণা করা হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, অতীতে কেন এই কর্মসূচি পালন করা হয়নি, তা তিনি জানেন না। তবে এবার থেকে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে প্রতি বছর এই কর্মসূচি পালন করা হবে। রাজ্যের প্রতিটি মহকুমা, ব্লক, পুরসভা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন সংগঠন এবং স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাকে এতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঐতিহাসিক ভবন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আলোকসজ্জায় সেজে উঠবে। প্রবন্ধ লেখা, অঙ্কন প্রতিযোগিতা, সচেতনতামূলক শোভাযাত্রা এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হবে। পাশাপাশি সংবাদমাধ্যম এবং সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারের পরিকল্পনাও নিয়েছে সরকার।মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, ১০ আগস্ট বিকেল তিনটায় নেতাজির মূর্তির পাদদেশ থেকে আরও একটি বড় তেরঙ্গা মিছিল বের হবে। সরকারি কর্মী থেকে সাধারণ মানুষ সকলেই এই মিছিলে অংশ নেবেন। ইতিমধ্যেই প্রায় তিরিশ হাজার মানুষ অংশগ্রহণের জন্য আবেদন করেছেন। স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এবারের উদযাপন রাজ্যজুড়ে বিশেষ মাত্রা পাবে বলেই মনে করছে প্রশাসন।

আগস্ট ০৬, ২০২৬
কলকাতা

পরিচয় বদলে রেলের চাকরি! পাঁচ বছর পর সিবিআইয়ের হাতে ধরা কাঁকুড়গাছি মামলার অভিযুক্ত

কাঁকুড়গাছির ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় আরও এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করল সিবিআই। ধৃতের নাম অরূপ দাস। দীর্ঘদিন ধরেই তাঁর খোঁজ চালাচ্ছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এমনকি তাঁর সন্ধান দিতে পঞ্চাশ হাজার টাকা পুরস্কারও ঘোষণা করা হয়েছিল। অবশেষে গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে অসমে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, পরিচয় গোপন করে তিনি সেখানে রেলের কোচ অ্যাটেন্ড্যান্ট হিসেবে কাজ করছিলেন। ট্রানজিট রিমান্ডে তাঁকে কলকাতায় আনা হতে পারে।২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ ওঠে। সেই সময় কাঁকুড়গাছিতে বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকারকে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। পরিবারের দাবি, তাঁকে ঘিরে ধরে মারধর করা হয়েছিল। ঘটনার সময় তিনি সামাজিক মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করে সাহায্যের আবেদনও করেছিলেন। এই ঘটনায় একাধিক রাজনৈতিক নেতার নাম সামনে আসে। প্রথমে তদন্ত শুরু করে স্থানীয় পুলিশ। পরে তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় আদালতের নির্দেশে মামলার দায়িত্ব যায় সিবিআইয়ের হাতে।ইতিমধ্যেই এই মামলায় দুটি অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে সিবিআই। প্রথমটি জমা পড়ে ২০২১ সালে এবং দ্বিতীয়টি গত বছরের জুলাই মাসে। দ্বিতীয় অভিযোগপত্রে মোট আঠারো জনের নাম ছিল। সূত্রের খবর, অরূপ দাসের নামও সেই তালিকায় ছিল। কিন্তু দীর্ঘদিন তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি।তদন্তে জানা গিয়েছে, গত পাঁচ বছর ধরে অসমে নিজের পরিচয় গোপন করে কাজ করছিলেন অরূপ। সম্প্রতি একটি ঠিকাদারি সংস্থার কর্মীদের সন্দেহ হওয়ায় বিষয়টি সিবিআইকে জানানো হয়। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই অসমে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে তদন্তকারী সংস্থা। এবার তাঁকে কলকাতায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তদন্তকারীদের আশা, এই মামলায় আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে।

আগস্ট ০৬, ২০২৬
কলকাতা

গুণ্ডাদমন বিল নিয়ে আদালতে বড় মোড়! আবেদনকারীদের জন্য রইল নতুন সুযোগ

কলকাতা হাইকোর্টে গুণ্ডাদমন বিলের সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলা আপাতত খারিজ হয়ে গেল। ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী এবং বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত এই বিল রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পায়নি। তাই এই পর্যায়ে মামলার শুনানি সম্ভব নয়।আদালত জানিয়েছে, বিলটি এখনও আইন হিসেবে কার্যকর হয়নি। সেই কারণে এখনই তার বৈধতা নিয়ে বিচার করার সুযোগ নেই। তবে ভবিষ্যতে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর বিলটি আইনে পরিণত হলে আবেদনকারীরা নতুন করে জনস্বার্থ মামলা করতে পারবেন। সেই সুযোগ খোলা রয়েছে বলেও আদালত স্পষ্ট করেছে।সম্প্রতি রাজ্য বিধানসভায় গুণ্ডাদমন বিল পাশ হয়েছে। বিলে বলা হয়েছে, পুলিশ সুপার বা তাঁর ঊর্ধ্বতন আধিকারিকের রিপোর্টের ভিত্তিতে রাজ্য সরকার প্রয়োজন মনে করলে কোনও ব্যক্তিকে গুণ্ডা হিসেবে চিহ্নিত করে নির্দিষ্ট ব্যবস্থা নিতে পারবে। প্রয়োজনে তাঁকে এক বছর পর্যন্ত কোনও এলাকায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞাও জারি করা যেতে পারে।এই বিল ঘিরে শুরু থেকেই রাজনৈতিক বিতর্ক রয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ, এই আইনের অপব্যবহারের আশঙ্কা রয়েছে এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে এটি ব্যবহার করা হতে পারে। অন্যদিকে রাজ্য সরকারের দাবি, রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা আরও শক্তিশালী করা এবং অপরাধ দমনের লক্ষ্যেই এই বিল আনা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীও জানিয়েছেন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করতেই এই আইন প্রস্তাব করা হয়েছে।

আগস্ট ০৬, ২০২৬
কলকাতা

আর কতদিন অপেক্ষা? আর জি কর মামলায় সিবিআইকে তীব্র ভর্ৎসনা হাই কোর্টের

আর জি কর মামলার তদন্ত নিয়ে ফের সিবিআইকে কঠিন প্রশ্নের মুখে পড়তে হল কলকাতা হাই কোর্টে। বৃহস্পতিবার বিচারপতি শম্পা সরকার ও বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের বিশেষ ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানির সময় বিচারপতিরা স্পষ্ট প্রশ্ন তোলেন, আর কতদিন বিচারপ্রার্থীদের অপেক্ষা করতে হবে? মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে আগামী ২৮ আগস্ট।শুনানিতে নির্যাতিতা চিকিৎসকের বাবা-মায়ের আইনজীবী আদালতে দাবি করেন, গত দুবছরে সিবিআই তদন্তে কী অগ্রগতি হয়েছে, তার কোনও স্পষ্ট চিত্র এখনও সামনে আসেনি। তাঁর অভিযোগ, একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এবং অতিরিক্ত হলফনামা থাকা সত্ত্বেও সেই দিকগুলি যথাযথভাবে তদন্ত করা হয়নি। শেষ রাতে উপস্থিত কয়েকজনের বয়ানও এখনও সম্পূর্ণভাবে খতিয়ে দেখা হয়নি বলে অভিযোগ তোলেন তিনি। পাশাপাশি প্রশ্ন তোলা হয়, যাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন ছিল, তাঁদের এখনও কেন ডাকা হয়নি।এর জবাবে সিবিআইয়ের আইনজীবী জানান, তদন্ত এখনও চলছে এবং প্রতিটি অভিযোগ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি আদালতকে জানান, কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর বয়ান এখনও নেওয়া বাকি রয়েছে। তাই তদন্ত শেষ করতে আরও কিছু সময় প্রয়োজন।এই বক্তব্যে অসন্তোষ প্রকাশ করে বিচারপতি শম্পা সরকার বলেন, সিবিআইয়ের আগের রিপোর্টেই তথ্যপ্রমাণ নষ্ট হওয়ার উল্লেখ রয়েছে। আদালতের আগের নির্দেশও ঠিকভাবে মানা হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি। বিচারপতি স্পষ্ট জানান, ঘটনার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নতুন করে সব তথ্য খতিয়ে দেখতে হবে। প্রয়োজনে আগের তদন্তের সীমাবদ্ধতা সরিয়ে আবার তদন্ত করতে হবে। বিচারপতির প্রশ্ন, এভাবে আর কতদিন বিচারপ্রার্থীদের অপেক্ষা করতে হবে? আদালতের এই প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেনি সিবিআই।উল্লেখ্য, গত বছরের ৯ আগস্ট আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের সেমিনার হল থেকে এক তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার হয়। প্রথমে কলকাতা পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও পরে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে তদন্তভার যায় সিবিআইয়ের হাতে। এই ঘটনায় এক অভিযুক্তের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলেও নির্যাতিতার পরিবারের দাবি, ঘটনার সঙ্গে আরও অনেকে জড়িত। সেই কারণেই সিবিআইয়ের তদন্ত নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠছে। আগামী ২৮ আগস্ট ফের এই মামলার শুনানি হবে।

আগস্ট ০৬, ২০২৬
দেশ

পলাতক অভিযোগের মাঝেই বড় রায়! সুমিত রায়কে নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত

জমি কেলেঙ্কারি মামলায় অভিযুক্ত সুমিত রায়কে আপাতত বড় স্বস্তি দিল সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, তদন্ত চলবে, তবে এই মুহূর্তে তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না। অভিযোগ ওঠার পর থেকেই সুমিত রায়কে খুঁজছে তদন্তকারী সংস্থা। এই পরিস্থিতিতে তাঁর গ্রেফতারিতে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিল আদালত।সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, সুমিত রায়কে তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করতে হবে। তদন্তকারী সংস্থা যখনই ডাকবে, তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হাজির হতে হবে। সকাল দশটা থেকে সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা যাবে। তবে সেই সময় তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না। আদালত আরও জানিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদের সময় তিনি নিজের আইনজীবীকে সঙ্গে রাখতে পারবেন।সুমিত রায়ের আইনজীবী আদালতে দাবি করেন, নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পরই তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, এই মামলার পিছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে।অন্যদিকে রাজ্য সরকারের পক্ষে সওয়াল করতে গিয়ে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা দাবি করেন, বহু বছর আগে অভিযোগ উঠলেও আগের সরকার কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। তিনি আদালতে আরও বলেন, তদন্তের সময় বারবার হস্তক্ষেপ করা হয়েছে বলে তাঁদের অভিযোগ। এই বক্তব্যের বিরোধিতা করে সুমিত রায়ের আইনজীবী জানান, এই মন্তব্য সম্পূর্ণ রাজনৈতিক এবং মামলার মূল বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।

আগস্ট ০৬, ২০২৬
রাজ্য

পারিশ্রমিক অনিশ্চয়তায় পূর্ব বর্ধমান জেলার ৪৫৪ জন বাংলা সহায়তা কেন্দ্র কর্মী, চরম উদ্বেগে বিএসকে কর্মীরা

রাজ্য সরকারের সাম্প্রতিক প্রশাসনিক নির্দেশিকার জেরে সারা রাজ্যের সাথে সাথে পূর্ব বর্ধমান জেলার ২৩৯টি বাংলা সহায়তা কেন্দ্র (BSK)-এ কর্মরত মোট ৪৫৪ জন ডেটা এন্ট্রি অপারেটর (DEO)-এর জুন ও জুলাই, ২০২৬ মাসের পারিশ্রমিক অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। টানা দুই মাস বেতন না পাওয়ার আশঙ্কায় কর্মীদের পাশাপাশি তাঁদের পরিবারও চরম উদ্বেগ ও আর্থিক অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।গত ৩১ জুলাই, ২০২৬ তারিখে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের Personnel Administrative Reforms (PAR) Department-এর জারি করা এক নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, প্রশাসনিক কারণে এবং বিভাগীয় বরাদ্দ ও অনুমোদন (Allotment-cum-Sanction) না আসা পর্যন্ত জুন ও জুলাই মাসের পারিশ্রমিকের বিল প্রসেসিং বা অর্থপ্রদানের জন্য উপস্থাপন করা যাবে না। ইতিমধ্যেই এই নির্দেশ রাজ্যের সমস্ত জেলার জেলাশাসক এবং সংশ্লিষ্ট ড্রয়িং অ্যান্ড ডিসবার্সিং অফিসারদের (DDO) কাছে পাঠানো হয়েছে।পূর্ব বর্ধমান জেলার গ্রাম পঞ্চায়েত, ব্লক প্রশাসন, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, গ্রন্থাগার, মহকুমাশাসকের দপ্তর এবং জেলাশাসকের কার্যালয়-সহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে মোট ২৩৯টি বাংলা সহায়তা কেন্দ্র পরিচালিত হচ্ছে। এই কেন্দ্রগুলিতে কর্মরত ৪৫৪ জন বাংলা সহায়ক প্রতিদিন হাজার হাজার সাধারণ মানুষকে সরকারি পরিষেবা পেতে সহায়তা করেন। অন্নপূর্ণা যোজনা, আয়ুষ্মান ভারত, বার্ধক্য ভাতা, জাতিগত ও আয় শংসাপত্র, জন্ম-মৃত্যু সংক্রান্ত আবেদন, বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পে অনলাইন আবেদন থেকে শুরু করে কর প্রদাননাগরিক পরিষেবার এক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব তাঁদের কাঁধেই বর্তায়।কিন্তু সেই কর্মীরাই আজ নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে চুক্তিভিত্তিকভাবে দায়িত্ব পালন করলেও টানা দুই মাসের পারিশ্রমিক আটকে যাওয়ার আশঙ্কায় বহু পরিবারের নিত্যদিনের জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বাড়িভাড়া, সন্তানের পড়াশোনার খরচ, চিকিৎসা, ঋণের কিস্তি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় বাজারসব মিলিয়ে সংসারের ব্যয়ভার সামলানো অনেকের পক্ষেই কঠিন হয়ে উঠছে। অনেক কর্মী জানিয়েছেন, মাসের শেষে নির্দিষ্ট আয়ের ওপর নির্ভর করেই তাঁদের পরিবার চলে। সেই আয় অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় মানসিক চাপের পাশাপাশি আর্থিক সংকটও ক্রমশ বাড়ছে।কর্মীদের বক্তব্য, তাঁরা নিষ্ঠার সঙ্গে প্রতিদিন সরকারি পরিষেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিচ্ছেন। অথচ প্রশাসনিক জটিলতার কারণে তাঁদের প্রাপ্য পারিশ্রমিক অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় তাঁরা নিজেদের অবমূল্যায়িত মনে করছেন। তাঁদের আশা, বিষয়টির মানবিক দিক বিবেচনা করে রাজ্য সরকার দ্রুত প্রয়োজনীয় বরাদ্দ ও অনুমোদনের ব্যবস্থা করবে, যাতে বিলম্ব না করে বকেয়া পারিশ্রমিক প্রদান করা যায় এবং কর্মীদের পরিবার এই অনিশ্চয়তা থেকে মুক্তি পায়।উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, সরকারি নির্দেশিকায় কোথাও পারিশ্রমিক বাতিলের কথা বলা হয়নি। বরং স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত জুন ও জুলাই মাসের পারিশ্রমিকের বিল প্রসেসিং সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে। ফলে কর্মীরা তাঁদের প্রাপ্য অর্থ পাবেন কি না, সেই প্রশ্ন নয়; বরং কবে সেই অর্থ হাতে পৌঁছাবে, তা নিয়েই তৈরি হয়েছে গভীর অনিশ্চয়তা। প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় এখন দিন গুনছেন শত শত বাংলা সহায়ক এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যরা।

আগস্ট ০৬, ২০২৬
টুকিটাকি

প্রতিদিনের রান্নায় রাখছেন কারিপাতা, ধনেপাতা ও পুদিনা? কোন পাতায় লুকিয়ে বেশি স্বাস্থ্যগুণ?

প্রতিদিনের রান্নায় কারিপাতা, ধনেপাতা ও পুদিনাপাতার ব্যবহার নতুন কিছু নয়। খাবারের স্বাদ ও সুগন্ধ বাড়ানোর পাশাপাশি এই তিন ভেষজ পাতায় রয়েছে বিভিন্ন ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরীরের জন্য উপকারী হতে পারে। তবে এগুলি যতই পুষ্টিকর হোক না কেন, অতিরিক্ত খাওয়া সবার জন্য উপযুক্ত নয়। তাই গুণাগুণের পাশাপাশি সতর্কতার বিষয়টিও জানা জরুরি।কারিপাতার উপকারিতাকারিপাতা হজমশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের কোষকে সুরক্ষা দিতে সহায়তা করে। পাশাপাশি রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে, বিশেষ করে ডায়াবেটিসে খাদ্য নিয়ন্ত্রণের অংশ হিসেবে, এটি কিছুটা সহায়ক হতে পারে। চুল ও ত্বকের জন্যও কারিপাতা উপকারী পুষ্টি সরবরাহ করে। এছাড়া এতে লৌহ, ক্যালসিয়াম ও বিভিন্ন ভিটামিনের উপস্থিতি রয়েছে।শিশু থেকে বয়স্ক, সাধারণ পরিমাণে রান্নার সঙ্গে কারিপাতা খেতে পারেন। যাদের হজমের সমস্যা রয়েছে, তারাও অল্প পরিমাণে উপকার পেতে পারেন।তবে অতিরিক্ত কাঁচা কারিপাতা খেলে কারও কারও পেটে অস্বস্তি হতে পারে। আবার কোনো নির্দিষ্ট রোগের ওষুধ চললে বেশি পরিমাণে খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই ভালো।ধনেপাতার উপকারিতাধনেপাতা ভিটামিন A, C ও K-এর পাশাপাশি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টেরও ভালো উৎস। এটি খাবারের স্বাদ বাড়ায় এবং ক্ষুধা বাড়াতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে হজমে সহায়তা করে এবং শরীরে প্রদাহ কমাতে সহায়ক কিছু উপাদানও এতে থাকতে পারে।পরিষ্কার করে ধুয়ে শিশু, তরুণ ও বয়স্কসবাই পরিমাণমতো ধনেপাতা খেতে পারেন। সালাদ, চাটনি, ডাল কিংবা বিভিন্ন তরকারিতে এটি ব্যবহার করা যায়।তবে কারও কারও ধনেপাতায় অ্যালার্জি হতে পারে। এছাড়া বাজার থেকে কেনা ধনেপাতা ভালোভাবে ধুয়ে ব্যবহার করা জরুরি, বিশেষ করে বর্ষাকালে।পুদিনাপাতার উপকারিতাপুদিনাপাতা হজমে সাহায্য করে এবং গ্যাস, পেট ফাঁপা বা অস্বস্তিতে কিছু মানুষের আরাম দিতে পারে। এটি মুখের দুর্গন্ধ কমাতেও সহায়ক। গরমের দিনে পুদিনার শরবত শরীরকে সতেজ রাখে।সাধারণভাবে শিশু ও বড়রা অল্প পরিমাণে পুদিনাপাতা খেতে পারেন। চাটনি, শরবত, রায়তা কিংবা রান্নায় এটি ব্যবহার করা যায়।তবে যাদের অ্যাসিডিটি বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বেশি, তারা অতিরিক্ত পুদিনা খেলে অস্বস্তি অনুভব করতে পারেন। ছোট শিশুদের খুব বেশি কাঁচা পুদিনা না দেওয়াই ভালো।ঋতুভেদে কী সতর্কতা?বর্ষাকালে ভেষজ পাতাগুলি মাটির কাছাকাছি জন্মায় বলে জীবাণু বা ময়লা থাকার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই কয়েকবার ভালোভাবে ধুয়ে তবেই ব্যবহার করা উচিত।গরমকালে পুদিনা ও ধনেপাতা সতেজ খাবার হিসেবে জনপ্রিয় হলেও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি অবশ্যই গুরুত্ব দিতে হবে।শীতকালে এই পাতাগুলি সহজেই দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় রাখা যায়।কারা বেশি সতর্ক থাকবেন?যাদের কোনো ভেষজ পাতায় অ্যালার্জি রয়েছে, তাদের সতর্ক থাকতে হবে। যাদের দীর্ঘদিনের পেটের বিশেষ সমস্যা রয়েছে, তারা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে খাবেন। এছাড়া ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে অল্প পরিমাণ দিয়ে শুরু করাই ভালো।সব মিলিয়ে, কারিপাতা, ধনেপাতা ও পুদিনাপাতা, তিনটিই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হতে পারে। তবে এগুলি কোনো রোগের ওষুধ নয়। সুষম খাদ্যাভ্যাস, পরিচ্ছন্নতা এবং নিয়মিত জীবনযাপনের সঙ্গে এই ভেষজ পাতাগুলি খেলে বেশি উপকার পাওয়া যেতে পারে।

আগস্ট ০৫, ২০২৬
বিদেশ

মোদির ভিডিও ঘিরে তুমুল বিতর্ক! শেষমেশ মাথা নত, ক্ষমা চাইতেই হল জুকারবার্গকে

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে ঘিরে বড় বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনার জেরে কেন্দ্রের কড়া অবস্থানের মুখে শেষ পর্যন্ত ক্ষমা চাইলেন মেটা প্রধান মার্ক জুকারবার্গ। সূত্রের দাবি, শুধু ভিডিও সরানোর ঘটনাই নয়, সামাজিক মাধ্যমে আপত্তিকর বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার বিষয়েও সংস্থা নিজেদের ত্রুটির কথা স্বীকার করেছে।গত তেইশে জুলাই তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে একটি সেলফি ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিছু সময়ের মধ্যেই সেই ভিডিও ফেসবুক থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে বিতর্ক শুরু হয়। প্রথমে মেটা প্রযুক্তিগত ত্রুটির কথা জানিয়ে দুঃখপ্রকাশ করলেও কেন্দ্র সেই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট হয়নি।সংসদের তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক কমিটিও এই ঘটনায় কঠোর অবস্থান নেয়। কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, শুধু ক্ষমা চাইলেই চলবে না, ঘটনার পূর্ণ দায় মেটাকেই নিতে হবে। পাশাপাশি আইনি পদক্ষেপের কথাও বলা হয়। এরপরই মেটার প্রতিনিধিদের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকে তলব করা হয়।সরকারি সূত্রের খবর, বৈঠকে সামাজিক মাধ্যমে শিশুদের নিয়ে আপত্তিকর বিষয়বস্তু ছড়িয়ে পড়া, অবৈধ কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং ভিডিও সরানোর কারণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। মেটার প্রতিনিধিরা প্রযুক্তিগত ত্রুটির কথা জানালেও কেন্দ্র আরও কঠোর নজরদারির ইঙ্গিত দেয়।এদিকে সরকার স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, প্রয়োজনে সামাজিক মাধ্যম সংস্থাগুলির আইনি সুরক্ষা প্রত্যাহার করার বিষয়েও ভাবা হবে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই মার্ক জুকারবার্গ ক্ষমা চেয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ফলে আপাতত বিতর্ক কিছুটা স্তিমিত হলেও মেটার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।ভারতে কোটি কোটি মানুষ প্রতিদিন ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম এবং হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করেন। তাই এই বিতর্ক আগামী দিনে কোন দিকে গড়ায়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক এবং প্রযুক্তি মহলের।

আগস্ট ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal