• ১ চৈত্র ১৪৩২, রবিবার ১৫ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Fide

খেলার দুনিয়া

'ছকে' বাঁধা চিন্তার বাইরে গিয়ে 'কিস্তিমাত' বর্ধমানের স্কুলের

বর্তমান প্রজন্মের কাছে ইন্ডোর গেম কথার অর্থ যেখানে PUBG: Battlegrounds, Minecraft, Grand Theft Auto, সমকালীন সেই চাহিদা/ধারনার বিরুদ্ধে গিয়ে অন্য ভাবনার মানুষ অচিন্ত্য মন্ডলের ঐকান্তিক উদ্যোগে দক্ষিণবঙ্গের অন্যতম ইংরাজি মাধ্যমের স্কুল আয়োজন করলো দুই দিন ব্যাপী দাবা প্রতিযোগীতার। অক্টোবরের ১ ও ২ তারিখ যথা মঙ্গল ও বুধবার বর্ধমান মডেল স্কুল প্রাঙ্গণে দুই দিন ব্যাপী এই সুবিশাল কর্মকান্ড চলে।১লা অক্টোবর মঙ্গলবার প্রতিযোগিতার প্রথম দিন বর্ধমান মডেল স্কুলের উদ্যোগে পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান সহোদয়া স্কুল কমপ্লেক্স সিবিএসসি (CBSE) অধীনস্থ বিভিন্ন স্কুলের ছাত্র - ছাত্রীদের জন্য আন্ত স্কুল দাবা আয়োজন করা হয়। দুই জেলার স্কুল ভিত্তিক এই প্রতিযোগীতায় প্রথম স্থান অর্জন করে -বার্নপুর রিভারসাইড স্কুল, বার্নপুর, পশ্চিম বর্ধমান। দ্বিতীয় স্থান লাভ করে আয়োজক স্কুল বর্ধমান মডেল স্কুল, বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান ও যথাক্রমে তৃতীয় স্থান অর্জন করে পূর্ব বর্ধমান জেলারই মেমারি ক্রিস্টাল মডেল স্কুল, মেমারি।বয়স ভিত্তিক স্কুল দাবায় বিভিন্ন বিভাগে রেজাল্ট হলঃ অনুর্ধ-১১- বর্ধমান মডেল স্কুল (প্রথম), বার্নপুর রিভারসাইড স্কুল (দ্বিতীয়)। অনুর্ধ-১৪- ডিএভি মডেল স্কুল দুর্গাপুর (প্রথম) ও বার্নপুর রিভারসাইড স্কুল (দ্বিতীয়)। অনুর্ধ-১৭- বার্নপুর রিভারসাইড স্কুল (প্রথম) ও বর্ধমান মডেল স্কুল (দ্বিতীয়)। অনুর্ধ-১৯- বার্নপুর রিভারসাইড স্কুল (প্রথম) ও পুর্ব ইন্টারন্যাশানাল স্কুল (দ্বিতীয়)। সহোদয়া স্কুল কমপ্লেক্স সিবিএসসি (CBSE) এর মস্তিস্ক প্রসূত একটি উদ্যোগ, যাহা সংশ্লিষ্ট জেলার সকল সিবিএসসি (CBSE) অনুমোদিত স্কুলগুলির একটি যৌথ মঞ্চ। যেখানে উক্ত জেলার স্কুলের শিক্ষার্থীরা একে অপরের সঙ্গে ভাই-বোনের সম্পর্কের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে সমাজে একটা বিশেষ বার্তা পৌঁছে দেয়। সেই নিমিত্তে CBSE এর সমস্ত স্কুল সহোদয়া কমপ্লেক্সের ঘরানা অনুযায়ী আন্তঃস্কুল বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করে থাকে। তারই অঙ্গ হিসাবে বর্ধমান মডেল স্কুল এই দাবা প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে।এছাড়াও বর্ধমান মডেল স্কুল কর্তৃপক্ষে নানাবিধ খেলার প্রচার ও প্রসারে সারাবছরই নানাবিধ উদ্যোগ নেয়। তাঁরা দাবাপ্রেমী শিক্ষার্থীদের দাবা খেলায় অনুপ্রাণিত করার উদ্যোগে ২রা অক্টোবর ২০২৪ বুধবার সমগ্র পশ্চিমবঙ্গের দাবারুদের নিয়ে একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। যেখানে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের ১৭৫ জন পেশাদার দাবা খেলোয়ার অংশগ্রহণ করেন। প্রতিযোগীতায় প্রথম স্থান লাভ করেন অম্বরীশ শর্মা এবং দ্বিতীয় স্থান লাভ করেন শঙ্খদীপ মাইতি। বর্ধ্মান মডেল স্কুলের কর্নধার অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল জনতার কথা কে জানান, এতবড় কর্মকান্ড আয়োজন করার পিছনে একটাই উদ্দেশ্য একজন-ও যদি খেলাটার প্রতি আকৃষ্ট হয়ে জীবনের দিশা খুজে পায়! তিনি আরও জানান, নবীন প্রজন্ম কে পথ না দেখিয়ে শুধু দোষারোপ করলে চলবে না। আমাদের সেই পথে চলে লক্ষ্যে পৌছালেই আমাদের কাজের সার্থকতা। আমার আশা এই দাবা টুর্নামেন্ট দেখে অনুপ্রানিত হয়ে একজনও বিশ্বনাথন আনন্দ বা দিব্যেন্দু বড়ুয়া হওয়ার স্বপ্ন দেখবে।এই টুর্নামেন্ট দেখতে প্রচুর ছাত্র ছাত্রী ও অভিভাবকেরা ভিড় জমান স্কুল প্রাঙ্গণে। সকাল ৯ টা থেকে শুরু হওয়া সারা দিন ব্যাপী চলা টুর্নামেন্টে টানটান উত্তেজনায় ভরা খেলা চুড়ান্ত রাউন্ড শেষ হতে প্রায় সন্ধ্যা গড়িয়ে যায়। এই প্রতিযোগীতার অন্যতম আকর্ষণ ছিলো কমনওয়েলথ গেমস সহ একাধিক আন্তঃর্জাতীক প্রতিযোগীতায় দাবায় স্বর্ন পদক বিজয়ী স্নেহা হালদার। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ক্রীড়া প্রশাসক ও আইনজীবী পিরদাস মন্ডল। প্রতিযোগীতাটি আন্তর্জাতিক সংস্থা ফিডে (FIDE) নিয়মানুসারে খেলা হয়।

অক্টোবর ০৩, ২০২৪
দেশ

ইতিহাসের বারান্দায় অনাস্থা প্রস্তাব

মঙ্গলবার থেকে লোকসভায় শুরু হল বিরোধীদের অনাস্থা প্রস্তাবের উপর বিতর্ক। দুদিন ধরে চলবে বিতর্ক। তার পরে সরকার পক্ষের শীর্ষ ব্যাক্তি তাঁর জবাবই বক্তব্য বলবেন। লোকসভায় বিরোধীদের মিলিত শক্তির চেয়ে সাংসদ সংখ্যার বিচারে সরকার পক্ষের শক্তি অনেক বেশি। তাই বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাবের নরেন্দ্র মোদী সরকারের দুশ্চিন্তার কিছু নেই। ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদী ক্ষমতায় আসার পর এই প্রথম অনাস্থা প্রস্তাব আনলো বিরোধীরা। আর এই প্রথম লোকসভায় বিরোধীদের পারস্পরিক ঐক্য অনেক জমাট দেখাচ্ছে। বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাবের পিছনে সংসদীয় রাজনীতির যে কৌশল রয়েছে তা হল মনিপুর প্রসঙ্গে বিরোধীদের সমালোচনার জবাব দিতে প্রধানমন্ত্রী বাধ্য হবেন। কারণ, সময়, পরিস্থিতি ও বিষয় বিচার করে প্রধানমন্ত্রী কখনো মুখ খোলেন কখনো নীরব থাকেন। যেমন মনিপুরে হিংসা ছড়ানোর ৭৯ দিন পরে প্রধানমন্ত্রী বিবৃতি দেন। মনিপুরে এখনো হিংসা থামেনি, লাগাতার হিংসা চললেও প্রধানমন্ত্রীর এই বিষয়ে আর মুখ খোলেননি।লোকসভার নিয়ম অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনতে গেলে নুন্যতম পঞ্চাশ জন সাংসদের সমর্থন প্রয়োজন। কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি ও সাংসদ মল্লিকার্জুন খারগের পেশ করা অনাস্থা প্রস্তাবের ৭৯জন সাংসদ সাক্ষর করেছেন। বিজেডি এবং ওয়াইএসআর কংগ্রেস ছাড়া সংসদে অস্তিত্ব রয়েছে এমন সব বিরোধী দলই প্রস্তাবের পক্ষে দাঁড়িয়েছে। অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে বিতর্ক শুরুর আগের দিন রাহুল গান্ধী সাংসদ পদ ফিরে পাওয়ায় বিরোধী শিবির, বিশেষত কংগ্রেস অনেকটাই উজ্জীবিত। ১৩৪ দিন সংসদের বাইরে থাকার পরে সাংসদ পদ ফিরে পেলেন রাহুল।আরও পড়ুনঃ কেন সমাজতন্ত্র: অ্যালবার্ট আইনস্টাইনইতিহাসের হুবহু পুনরাবৃত্তি না হলেও ইতিহাসের অনেক ঘটনা কিছু কিছু লক্ষণ পরবর্তী কালে দেখা যায়। যেমন ১৯৬৩ সালে অগাষ্ট মাসে সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনে নেহেরু সরকারের বিরুদ্ধে বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাবের সঙ্গে চলতি বর্ষাকালীন অধিবেশনে বিরোধীদের অনাস্থা প্রস্তাবের অনেক ক্ষেত্রে মিল রয়েছে। আবার অনেক ক্ষেত্রে পার্থক্যও রয়েছে। ১৯৬৩ সালে বিরোধীদের অনাস্থা প্রস্তাব ছিল স্বাধীন ভারতের লোকসভার ইতিহাসে প্রথম। সেই সময় দেশের অধিকাংশ মানুষ মনে করতেন স্বাধীনতা এনেছে কংগ্রেস। তাই ১৯৬২ সালে তৃতীয় লোকসভা নির্বাচনেও বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় ফেরে কংগ্রেস। তখন লোকসভায় আসন সংখ্যা ছিল ৪৯৪। ৩৬১টি আসন পেয়ে তৃতীয় বার প্রধানমন্ত্রী হন নেহেরু। তিনি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দেড় বছরের মাথায় দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি দ্রুত বদলাতে থাকে। ১৯৬২সালের চিন-ভারত যুদ্ধের ফলে নেহেরু সরকার তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন। কংগ্রেস কোনঠাসা হয়ে পড়ায় ক্রমাগত হারতে থাকা বিরোধীরা উজ্জীবিত হয়ে ওঠে। এই আবহে বেশ কয়েকটি বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনে পরাজিত হয় কংগ্রেস। কংগ্রেসকে সংসদে আরও চাপে ফেলতে বিরোধীরা কক্ষ সমন্বয় ঐক্যে পৌঁছয়। ফলে লোকসভায় প্রথমবার অনাস্থা প্রস্তাবের মুখোমুখি হয় নেহেরু সরকার।সেই সময় লোকসভার অধ্যক্ষ ছিলেন হুকোম সিং। লোকসভার বর্ষাকালীন অধিবেশনের শুরুতে একাধিক রাজনৈতিক দল অধ্যক্ষের কাছে অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেয়। প্রথম অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেন প্রজাশক্তি পার্টির শীর্ষ নেতা ও সাংসদ আচার্য জে বি কৃপালনী। ভারতীয় জনসংঘ ও সিপিআই, পৃথকভাবে অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেয়। এছাড়াও আরো কয়েকটি রাজনৈতিক দল অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেয়। সিপিআইয়ের আনা অনাস্থা প্রস্তাবের পক্ষে প্রয়োজনীয় নুন্যতম পঞ্চাশ জন সাংসদের সাক্ষর না থাকায় তা বাতিল হয়ে যায়। অন্যান্য রাজনৈতিক দল আচার্য কৃপালনীর আনা প্রস্তাবকে সমর্থন জানিয়ে সরে দাঁড়ায়। অধ্যক্ষ হুকোম সিং আচার্যর আনা প্রস্তাবে আলোচনার অনুমোদন দেন। ১৯ অগাষ্ট লোকসভায় অনাস্থা প্রস্তাবের উপর বিতর্ক শুরু হয়।বিরোধীদের পক্ষে আলোচনা শুরু করেন আচার্য কৃপালনী । তিনি তাঁর বক্তব্যে শুধু চিন-ভারত যুদ্ধ নয়, সরকারের বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ ও আনেন। লোকসভায় সরকার ও বিরোধী পক্ষের শক্তির ফারাকের কথা মাথায় রেখে আচার্য কৃপালনী বলেন, শুধু সাংসদ সংক্ষ্যা হিসেব করলে চলবে না। প্রাপ্ত ভোটের হিসেব করলে দেখা যাবে বিরোধীদের শক্তি সরকার পক্ষের থেকে বেশি। সাম্প্রতিক লোকসভা নির্বাচনে সরকার পক্ষ ৪৬ শতাংশের কাছাকাছি ভোট পেয়েছে। বাকি ৫৪ শতাংশ ভোট পেয়েছে বিরোধীরা । এর থেকে প্রমানিত হয় বিরোধীরাই সংসদে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মতামতকেই পেশ করছে। প্রস্তাবের পক্ষে বিরোধী নেতারা বক্তব্য বলার পাশাপাশি সরকার পক্ষের হয়ে বক্তব্য বলেন মোরারজি দেশাই ও ভগবৎ ঝা আজাদ প্রমুখ। সবশেষে জবাবী ভাষনের প্রধানমন্ত্রী নেহেরু বিরোধীদের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন,বিরোধীদের মধ্যে এই বিচিত্র সমঝোতার মূল কারণ হলো আমার বিরোধিতা করা। তাই বিরোধীদের বক্তব্যের পুরোটাই নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া। সরকারের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে তা আসলে সরকারের বিরুদ্ধে নয়। তা হল প্রধানমন্ত্রী নেহেরু ও ব্যক্তি নেহেরুর বিরুদ্ধে মিলিত ব্যক্তিগত আক্রমণ।আরও পড়ুনঃ বাংলায় ক্ষমতায় থাকার কৌশল বদলেছে সময়ের তালে, রাজনৈতিক সংঘর্ষের বীজ লুকিয়ে অতীতের ছায়ায়প্রত্যাশিত ভাবেই বিরোধীদের অনাস্থা প্রস্তাব সংসদ কক্ষে ভোটে পরাজিত হয়। তবে চিন-ভারত যুদ্ধের ফলাফলে নেহেরুর জনপ্রিয়তায় ফাটল ধরে। সেই সুযোগে দলের মধ্যেও তাঁর বিরোধীরা সক্রিয় হয়ে ওঠে। এরই সঙ্গে বেশ কয়েকটি উপনির্বাচনে ক্ংগ্ৰেসের পরাজয় এবং বিরোধীদের জমাট এক্য - সব মিলিয়ে ঘরে বাইরে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন নেহেরু। তার আঁচ গিয়ে পড়ে তাঁর শরীরে। ধীরে ধীরে অসুস্থতা বাড়তে থাকে। ১৯৬৪ সালের ২৭ শে মে দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যু হয়।

আগস্ট ০৮, ২০২৩
বিদেশ

ইমরানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবের আগেই সোমবার পর্যন্ত মুলতুবি পাক পার্লামেন্ট

পাক আইনসভায় বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাবের ভোটাভুটিতে তাঁর সরকারের পতন নিশ্চিত বলে মনে করা হচ্ছিল। কিন্তু বিশেষ অধিবেশন মুলতুবি করে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে সাময়িক স্বস্তি দিলেন পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির স্পিকার আসাদ কাইজার।প্রসঙ্গত, ইমরান সরকারের ব্যর্থতার জন্যই পাকিস্তানের আর্থিক পরিস্থিতি ক্রমশ বেহাল হচ্ছে এবং মূল্যবৃদ্ধি আকাশ ছুঁয়েছে বলে অভিযোগ তুলে অনাস্থা প্রস্তাব এনেছে বিরোধীরা। চাপের মুখে ইমরান কখনও বিরোধী নেতাদের উদ্দেশে আপত্তিজনক মন্তব্য করে বিতর্ক বাড়িয়েছেন, কখনও আলু-পেঁয়াজের দাম ঠিক করতে রাজনীতিতে আসিনি বলে সমালোচনার মুখে পড়েছেন।শুক্রবার বিরোধীদের তরফে অনাস্থা পেশের আগেই সোমবার পর্যন্ত অধিবেশন মুলতুবির ঘোষণা করেন। তার আগে বিধি মেনে অধিবেশনের সূচনায় প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট রফিক তারার-সহ সদ্যপ্রয়াত বিশিষ্টদের স্মরণ করা হয়। আসাদ জানিয়েছেন, পাক পার্লামেন্টের বিধি অনুযায়ী প্রয়াতদের স্মরণে শোকপ্রস্তাব গ্রহণের পর প্রথম দিনের অধিবেশন মুলতুবি করে দেওয়া হয়। তিনি সেটাই করেছেন। যদিও বিরোধীরা তাঁর বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের অভিযোগ তুলেছে। পাক সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে শুক্রবার ট্রেজারি বেঞ্চের তুলনায় বিরোধী সদস্যদের উপস্থিতি অনেক বেশি ছিল। ফলে ভোটাভুটি হলে ইমরানের হারার সম্ভাবনা ছিল প্রবল।অনাস্থা প্রস্তাবের পর প্রধানমন্ত্রী পদে টিকে থাকতে গেলে, সংসদের নিম্নকক্ষে মোট ৩৪২ সদস্যের মধ্যে ১৭২ জন সদস্যের সমর্থন পাওয়া জরুরি। যেহেতু দলের ২০ জন সদস্যই ইমরান খানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রকাশ করেছে, তাই ২০২৩ সাল অবধি তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন কি না সন্দেহ।

মার্চ ২৫, ২০২২
রাজ্য

No Confidence: পুলিশে আস্থা নেই, সিআইডি তদন্তের দাবি অপহৃত ব্যবসায়ী ও তাঁর গাড়ি চালকের পরিবারের

টাকা হাতানোর জন্য বীরভূমের এক ব্যবসায়ী ও তাঁর পিকআপ ভ্যান চালককে অপহরণ করে খুনের অভিযোগ ওঠে দুস্কৃতীদের বিরুদ্ধে।এই ঘটনার পর থেকে পেরিয়ে গিয়েছে ২৪ টা দিন।অপহৃতদের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার পুলিশ মামলা রুজু করে তদন্তে নেমে হুগলির ডানকুনি এলাকার তিন দুস্কৃতিকে গ্রেপ্তার করে। দুই দফায় ৩ দুস্কৃতীকে ১৪ দিন নিজেদের হেপাজতে নিয়ে পুলিশ ডানকুনির খালে তল্লাশী চালিয়েও আজ অবধি অপহৃতদের হদিশ করতে পারেনি। এই অবস্থায় পুলিশি তদন্তের উপর আর ভরসা রাখতে না পেরে অপহৃতদের পরিবার শুক্রবার রাতে জামালপুর থানায় হাজির হয়ে সিআইডি তদন্তের দাবি জানিয়ে গেলেন। তদন্তভার সিআইডির হাতে তুলে দেওয়ার বিষয়ে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশের কর্তারা যদিও বিশেষ কিছু বলতে চাননি।আরও পড়ুনঃ কয়লা-কাণ্ডে সস্ত্রীক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিল্লিতে তলব ইডি-রপুলিশ জানিয়েছে, অপহৃতরা হলেন বীরভূমের ইলামবাজারে ব্যবসায়ী শামিম খাঁন(২১) ও তার পিকআপ ভ্যানের চালক বরুণ মুর্মু (২৬)। ব্যবসার ফাস্টফুড সামগ্রী কেনার জন্য গত ৪ আগষ্ট পিকআপ ভ্যানে চড়ে তাঁরা কলকাতা যাচ্ছিলেন।ব্যবসায়ীর সঙ্গে ছিল ৭০ হাজার টাকা। পরদিন জামালপুর থানার নবগ্রাম এলাকায় ২ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে একটি ধাবার সামনে থেকে উদ্ধার হয় ব্যবসায়ীদের পিকআপ ভ্যানটি। ওই গাড়ির চালকের কোন হদিশ না পেয়ে জামালপুর থানার পুলিশ একটি মামলা রুজু করে পিকআপ ভ্যানটি বাজেয়াপ্ত করে। এরপর ৮ আগষ্ট ব্যবসায়ীশামিমের পরিবার সদস্য শামিত খাঁন জামালপুর থানায় এসে শামিম ও বরুণকে অপহরণের অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে মামলা রুজু করে তদন্তে নামে জামালপুর থানার পুলিশ। হুগলির ডানকুনি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় আকতার আলী মল্লিক, শেখ শামিম ওরফে বাবু ওরফে গোলতাবলে ও করিম শেখ ওরফে কালো নামে তিন দুস্কৃতিকে। জেরায় ধৃতরা শামিম ও বরুনকে অপহরণ করার পর খুন করে দেহ ডানকুনির খালে ফেলে দেওয়ার কথা পুলিশকে জানায়। দেহ উদ্ধারের জন্য পুলিশ তিন ধৃতকে দুই দফায় ১৪ দিন নিজেদের হেপাজতে নিয়ে ডানকুনির খালে তল্লাশি চালায়। কিন্তু ব্যবসায়ী ও তাঁর পিকআপ ভ্যান চালকের কোন হদিশ করতে পারেনি পুলিশ। দেহ উদ্ধার না হওয়ায় মামলায় খুনের ধারাও পুলিশ যুক্ত করতে পারেনি। এদিকে হেপাজতের মেয়াদ শেষ হওয়ায় পুলিশ তিন ধৃতকেই শুক্রবার পেশ করে বর্ধমান আদালতে। সিজেএম ধৃতদের বিচার বিভাগীয় হেপাজতে পাঠিয়ে ১১ সেপ্টেম্বর ফের আদলতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ ধমকি দিয়ে তৃণমূলকে আটকানো যাবে না, শাহকে চ্যালেঞ্জ অভিষেকেরশামিমের মা সামেনা বিবির বলেন, তিন সপ্তাহ পেরিয়ে গিয়েছে। আমার ছেলে শামিম ও তার গাড়ির চালক মৃত না জীবিত তা আজও জানা নেই।পুলিশ তো অনেক তদন্ত করল। এ বার তদন্তভার সিআইডি হাতে তুলে দেওয়া হোক। একই দাবির কথা পুলিশকে জানিয়েছেন বলে জানান শামিমেরদিদি মোমেনা খাতুন সহ পরিবারের অন্য সকল সদস্য। অন্যদিকে এক বছরের ছেলেকে কোলে নিয়ে চোখের জল ফেলতে ফেলতে বরুণ মুর্মুর স্ত্রী তুলসীদেবী বলেন, আমার দুই ছেলেই এখন শিশু। বড় ছেলের বয়স আড়াই বছর, আর ছোট ছেলের বয়স মাত্র এক বছর। স্বামী বরুণ মুর্মুই ছিলেন পরিবারের একমাত্র রোজগেরে ব্যক্তি। স্বামীর হদিশ না মেলায় তিনি চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন। তাঁর স্বামীর হদিশ উদ্ধারের দায়িত্ব এবার পুলিশ সিআইডির হাতে তুলে দিক এটাই তিনি চান।জেলার পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন অবশ্য এদিন জানান, তাঁরা গুরুত্ব দিয়ে ঘটনার তদন্ত করছেন। এসডিপিও (বর্ধমান দক্ষিণ) আমিনুল ইসলাম খান বলেন, ধৃতদের দেখানো জায়গায় দেহ খুঁজে বের করার জন্য তল্লাশি চালানো হয়েছে। ঘটনায় আরও কিছু সূত্র মিলেছে। সেই সূত্র ধরেও অপহৃতদের খোঁজ করা হচ্ছে।

আগস্ট ২৮, ২০২১
বিদেশ

Taliban: ফাঁকা পড়ে থাকা ভারতীয় দূতাবাসে কী খুঁজছে তালিবান?

আফগানিস্তানজুড়ে তছনছ চালাচ্ছে তালিবান। রেহাই পাচ্ছে না কেউই। এবার কান্দাহার এবং হেরাটে অবস্থিত ফাঁকা ভারতীয় দূতাবাসে হানা দিল তালিবান। সূত্রের খবর, বন্ধ দুই ভারতীয় দূতাবাসে কার্যত তল্লাশি চালায় জঙ্গিরা। বিভিন্ন আলমারি খুলে বিভিন্ন গোপন কাগজপত্রের খোঁজ চলে। কী সেই গোপন কাগজপত্র তা এখনও জানা যায়নি। আরও পড়ুনঃ ১৫ দিন অন্তর এসএসকেএমে কয়েক ঘণ্টা বসবেন মুখ্যমন্ত্রী, কেন?আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, দুই ভারতীয় দূতাবাসের বাইরে রাখা গাড়িও হাতিয়ে নিয়েছে জেহাদিরা। এমনকী কাবুলে বাড়ি বাড়ি তল্লাশি অভিযানে নেমেছে তালিবানরা। সেখানে মূলত গোয়েন্দা সংস্থা এসডিএস-এর কর্মীদের খোঁজ শুরু করেছে জঙ্গিরা। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ইতিমধ্যে রাজধানী কাবুলের নিরাপত্তার দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন হাক্কানি নেটওয়ার্কের হাতে। দীর্ঘদিন ধরে যারা তালিবানের অন্যতম সহযোগী এবং জঙ্গি সংগঠন আল-কায়েদার ঘনিষ্ঠ হিসেবেই পরিচিত এই হাক্কানি নেটওয়ার্ক। সূত্রের খবর, বর্তমানে কাবুলের নিরাপত্তায় মোতায়েন রয়েছে হাক্কানি নেটওয়ার্কের ছয় হাজারেরও বেশি সশস্ত্র ক্যাডার। সরাসরি তাদের নেতৃত্বে দিচ্ছে হাক্কানি নেটওয়ার্কের শীর্ষ নেতা সিরাজউদ্দিন হাক্কানির ভাই আনস হাক্কানি। এই পরিস্থিতিতে প্রতি মুহুর্তে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করে রেখেছে তালিবান। প্রথমে শান্তির কথা বললেও ২ দিনের মধ্যেই আসল তালিবানি রূপ বেরিয়ে আসে।

আগস্ট ২০, ২০২১
সম্পাদকীয়

Rathayatra: 'পথ ভাবে আমি দেব রথ ভাবে আমি'....

পথ ভাবে আমি দেব রথ ভাবে আমি,মূর্তি ভাবে আমি দেব-হাসে অন্তর্যামী।রথের চাকা গড়িয়ে চলে, জীবনের সঙ্গে ঘড়ির কাঁটার মত। কিন্তু কে সত্য? জগৎ না ব্রহ্ম? সেটা নিয়ে আজও বড় সন্দিহান এই ঘোর কলির আমরা। অর্থাৎ এই অখন্ড মন্ডলাকার জগৎ সংসারের উৎকৃষ্ট জীব মানুষ।জগতের নাথ কিন্তু ব্রহ্ম হতে কিট পরমানু সর্বভূতে প্রেমময় হয়ে বিরাজমান। তাঁর কিন্তু জাত-পাত, বর্ণ, ধর্ম নিয়ে কোনও বিভেদ নেই। যত চিন্তা মানুষের। আমাদের ভাবা উচিত আজ এই মহামারী, অসহিষ্ণুতা, অবিমৃষ্যকারিতা, অদূরদর্শিতা মনুষ্য সমাজকে অবক্ষয়ের মুখে ঠেলে দিয়েছে, তার কারণ আমরা সবাই সেই দক্ষ বাজিগরের হাতের পুতুলের খেলায় এই মোহময় মায়ার চক্রে শুধু নেচে চলেছি ধ্বংসের দিকে। তাকিয়ে দেখছি, শুনছি, বুঝছি কিন্তু নেশাগ্রস্তের মতো মত্ত অসহায়। সবাই তো মত্ত, হাত কে ধরবে? হাতটা নিঃসংকোচে নির্দ্বিধায় নিঃষ্কাম ভাবে ধরার কেউ নেই। সবাই তো আমরা মোহময় বাসনা, কামনা আর ক্রোধের দ্বারা বশীভূত। সকলই তোমার ইচ্ছা... বলে কুকাজ, মিথ্যা প্রতিশ্রুতি, অপদার্থতা আর নিজের আত্ম অহং-এ লিপ্ত। আজ বড় প্রয়োজন আত্মসমীক্ষার, অহংবোধের ইতি টানার আর আমিত্বের বিসর্জন দেওয়ার। কবে সম্ভব হবে সেটা জানা নেই, আদৌ আমরা পারবো কি?তাই এই রথযাত্রা প্রাক্কালে জগতের নাথের কাছে এটাই পার্থনা ত্রাহিমম আমাদের সমস্ত অপরাধ, অবিবেচকের মত কাজ আর নানা অসভ্যতাকে তুমি নিজগুণে ক্ষমা করে দিও কারণ আমরা তো রিপু জয়ী মৃত্যুঞ্জয়ী নই, শুধু জ্ঞানপাপী। ওম নমহঃ ভগবতে বাসুদেবায় নমহঃ ওম হরিনারায়ণ প্রভু জগন্নাথ দেবায় নমহঃজয় জগ্ননাথ।। জয় জগ্ননাথ।। জয় জগ্ননাথ।।

জুলাই ১১, ২০২১
রাজ্য

নন্দীগ্রামে ৯০ শতাংশ ভোট পাবেন, আত্মবিশ্বাসী মমতা

রাজ্যে দ্বিতীয় দিনের ভোটে প্রধান যুদ্ধক্ষেত্র নন্দীগ্রাম । ভোটদানের শেষবেলায় সেই যুদ্ধক্ষেত্রে জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী সুর তৃণমূল প্রার্থী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলায়। বয়ালের স্পর্শকাতর বুথ থেকে ফেরার সময় বললেন, আমি চিন্তিত নই, এখানে আমি মা-মাটি-মানুষের আশীর্বাদে জিতব। ৯০ শতাংশ ভোট পাব। এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জয় নিয়ে এ কথাই বলেন তিনি। এরপর বলেন, আমি চিন্তিত গণতন্ত্র নিয়ে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর দোষ দিচ্ছি না। ওরা নির্দেশমতো কাজ করছে। ওদের নির্দেশ দিচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। কমিশনের নীরবতা দেখে দুঃখিত।বৃহস্পতিবার সকাল থেকে নন্দীগ্রামে ঘটে চলেছে বিক্ষিপ্ত অশান্তির ঘটনা। দুপুরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা নন্দীগ্রামের তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুথ পরিদর্শনে বেরিয়েই চলে যান বয়াল-২ এলাকায়। এখানকার ৭ নং বুথে ভোট দিতে বাধা দেওয়া হচ্ছে, এই মর্মে একাধিকবার অভিযোগ উঠেছিল। এ নিয়ে বিজেপি-তৃণমূলের সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে সেখানে চলে যান। অশান্তি এত তীব্র আকার নিতে দেখে বুথে বসেই সরাসরি ফোন করেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে। এমনকী বুথে প্রিসাইডিং অফিসারের সঙ্গে কথা বলতে বলতে চিঠিও লিখে ফেলেন নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরাকে। পালটা টুইট করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যথাযথ থাকবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন রাজ্যপালও।ভোট দিতে বাধা দেওয়া হচ্ছে, এই অভিযোগ ঘিরে সকাল থেকে অশান্তি ছড়াচ্ছিল বয়াল-২ এলাকায়। বেলা বাড়তেই স্পর্শকাতর হয়ে উঠছিল ৭ নং বুথটি। দুপুরে সেখানে মমতা পৌঁছতে তাঁকে কাছে পেয়ে তৃণমূল কর্মীরা অভিযোগ জানাতে থাকেন যে, বিজেপির কর্মী,সমর্থকরা তাঁদের ভোট দিতে বাধা দিচ্ছে। এ নিযে দুপক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। মমতার উপস্থিতিতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে থাকলে তাঁর নিরাপত্তার স্বার্থে বুথের ভিতর নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বসেই রাজ্যপালকে ফোন করেন মুখ্যমন্ত্রী। জানান, ওরা লোকজনকে ভোট দিতে বাধা দিচ্ছে। আমি সকাল থেকে খবর পাচ্ছি। এখন আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি, বিষয়টা দেখুন।এমনকী, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরাকে চিঠি লিখেও অভিযোগ জানান তিনি। খবর পেয়ে তৎপর হয় দিল্লি নির্বাচন কমিশনও। রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ নির্বাচন কমিশনার সুদীপ জৈন ফোন করে রাজ্যের নির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাবকে। বয়ালের খবরাখবর নেন। এদিকে, অশান্ত পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে বয়ালের ওই বুথে চলে যান নন্দীগ্রামের বিশেষ দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ পর্যবেক্ষক নগেন্দ্রনাথ ত্রিপাঠি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর সঙ্গেও কথা বলেন, অভিযোগ জানান। এরপর তাঁর কথায় আশ্বস্ত হয়ে প্রায় ২ ঘণ্টা পর বুথ ছাড়েন তিনি।

এপ্রিল ০১, ২০২১
রাজ্য

নন্দীগ্রামের প্রেস্টিজ ফাইটে জয় হবে শুভেন্দুর: আত্মবিশ্বাসী অমিত শাহ

রোড শো-এর পর রেয়াপাড়ার সাংবাদিক বৈঠক থেকে রাজ্যের নারী সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বলেন, নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাড়া নেওয়া বাড়ি থেকে ৫ কিলোমিটার দূরত্বের মধ্যে এক মহিলাকে ধর্ষণ করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মাঝে মধ্যেই নারী সুরক্ষা নিয়ে নানা কথা বলেন, কিন্তু আজ আমি তাঁকে জিজ্ঞাসা করতে চাইব, আপনার উপস্থিতিতেই নন্দীগ্রামে এক মহিলাকে ধর্ষণ করা হল। তাহলেই বুঝুন, পশ্চিমবঙ্গে নারী সুরক্ষা কোথায় দাঁড়িয়ে আছে। নন্দীগ্রামের জনসভা থেকে পাল্টা মন্তব্য করেন মমতাও। বলেন, একটা পরিকল্পনা আছে ওদের। নিজের দলের কোনও একটি মেয়েকে ওরা মারবে। বিহার, উত্তরপ্রদেশের গুন্ডাদের দিয়ে অত্যাচার করাবে। তারপর মারবে। মেরে বাংলার নামে দোষ দিয়ে হিন্দু-মুসলমান করবে। এটা ওদের পরিকল্পনা।দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে প্রচারের ঝড় তুলছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে অমিত শাহ , শুভেন্দু অধিকারীরা। আক্রমণ পালটা আক্রমণে বাড়ছে প্রচারের উত্তাপ। কারণ নন্দীগ্রাম সবার কাছেই প্রেস্টিজ ফাইট। সেই নন্দীগ্রামের মাটি থেকে কোনও রকম রাখঢাক না করে সে কথাই বুঝিয়ে দিলেন অমিত শাহ। শুভেন্দুকে পাশে বসিয়ে সাংবাদিক বৈঠকে শাহ বলেন, নন্দীগ্রামে পরিবর্তন হলেই বাংলায় পরিবর্তন আসবে।নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর সমর্থনে পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী রোড শো করেন শাহ। তার পর রোয়াপাড়া শিবমন্দিরে পুজো দিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি। সাংবাদিক বৈঠক থেকে প্রত্যাশামতোই প্রধান প্রতিপক্ষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করলেন অমিত শাহ। নারী সুরক্ষা নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বারাবরের দাবিকে কটাক্ষ করেন তিনি বলেন, নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে উপস্থিত। আর যে বাড়িতে মমতা দিদি রয়েছেন তার পাঁচ কিলোমিটারের মধ্যেই এক মহিলা ধর্ষণের শিকার হলেন। তাই এই পরিস্থিতির পরিবর্তন প্রয়োজন। বাংলায় পরিবর্তন চাই। আর নন্দীগ্রামে দিদিকে হারালেই গোটা বাংলায় পরিবর্তন আসবে। নিমতায় বিজেপি সমর্থকের মায়ের মৃত্যুর ঘটনাও উল্লেখ করেন শাহ।

মার্চ ৩০, ২০২১
দেশ

প্রথম দফার ২৬টি আসনই জিতবে বিজেপি, আত্মবিশ্বাসী অমিত শাহ

ভোটের ফল বেরনোর কথা ২ মে। কিন্তু অমিত শাহ ততদিন অপেক্ষা করতে রাজি নন। প্রথম দফার ভোটের পরের দিনই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একপ্রকার ফলাফল ঘোষণা করে দিলেন। দিল্লিতে ঘটা করে সাংবাদিক বৈঠক করে দাবি করলেন, প্রথম দফার ৩০টি আসনের মধ্যে ২৬টি আসনেই জিতবে গেরুয়া শিবির। শাহর দাবি, বিজেপি নিজেদের পূর্ব নির্ধারিত ২০০ আসনের টার্গেট পূরণ করতে চলেছে। আর প্রথম দফা ভোটের পরই সেই ইঙ্গিত স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। গতকাল রাজ্যের ৩০ আসনের নির্বাচনে প্রত্যাশা ছাপিয়ে গিয়েছিল ভোটের হার। গতবারের তুলনায় ভোট পড়েছে অনেকটাই বেশি। ৫ জেলায় ভোট পড়েছিল প্রায় ৮৮ শতাংশ। সাধারণত বেশি ভোটের হার প্রতিষ্ঠান বিরোধিতার ইঙ্গিত দেয়। তিনি বলছেন, দলের কর্মী এবং সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলে আমি নিশ্চিত আমরা ২৬টির বেশি আসন পাচ্ছি। আমি বাংলার মানুষকে ধন্যবাদ জানাতে চাই আমাদের সমর্থন করার জন্য। শাহ বলছেন, বাংলায় যেভাবে নির্বিঘ্নে ভোট হয়েছে, সেটাই ইঙ্গিত করছে বিজেপি ২০০ আসনের টার্গেট পূরণ হতে চলেছে। তিনি বলছেন, বাংলার মহিলাদের আমি বিশেষভাবে ধন্যবাদ দেব আমাদের ভোট দেওয়ার জন্য। বাংলায় আমরা দুশোর বেশি আসন নিয়ে সরকার গড়তে চলেছি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবার নজর দিচ্ছেন নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে। তাঁর কথায়, বাংলার ভাগ্য এখন নন্দীগ্রামের হাতে। নন্দীগ্রামে পরিবর্তন হলেই বাংলায় পরিবর্তন হবে। যদিও তৃণমূলের দাবি, বাংলায় এই ধরনের কোনও মাইন্ড গেম কাজ করবে না। তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন পালটা শাহকে আক্রমণ শানিয়ে বলছেন, আপনার মাইন্ড গেম গুজরাতের জিমখানায় ফেলে আসুন। এটা বাংলা, এখানে এই ধরনের পূর্বাভাস চলবে না।

মার্চ ২৮, ২০২১

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে এল আরজি করের ঘটনা! বিস্ফোরক বার্তা দিলেন মোদি

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ব্রিগেডে ভাষণ দিতে গিয়ে বলেন, বাংলায় বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এলে মহিলারা সম্পূর্ণ নিরাপদ থাকবেন। তিনি জানান, তৃণমূলের গুন্ডারাজ আর থাকবে না, কেউ দমন করতে পারবে না। মোদির দাবি, বর্তমানে রাজ্যে সন্ত্রাসবাদ ও অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দেওয়া হচ্ছে, যার ফলে মায়েরা কাঁদছে, বাঙালিরা নিজেদের জন্মভূমি ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে। মোদী বলেন, বাংলার রুটি, মাটি, বেটি বিপন্ন, জনবিন্যাস পরিবর্তিত হয়েছে এবং হিন্দু বাঙালিদের সংখ্যালঘু করার চেষ্টা হচ্ছে।মোদী অভিযোগ করেন, কেন্দ্রের বিভিন্ন কর্মসংস্থানের প্রকল্প রাজ্যে পৌঁছতে দিচ্ছে না তৃণমূল সরকার। বিশ্বকর্মা প্রকল্প থেকে টাকা দেওয়া সত্ত্বেও মানুষের কাছে তা পৌঁছায় না। বিনামূল্যে বিদ্যুৎ দেওয়ার প্রকল্পও আটকানো হয়েছে। চা শ্রমিকদের কেন্দ্রীয় সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। পিএম আবাস যোজনার নাম বদলানো হয়েছে, তালিকা বদল করা হয়েছে, গরিবদের বাড়ি দেওয়া হয়নি। জলজীবন মিশন এবং আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পও চালু হতে দিচ্ছে না। মোদীর দাবি, বাংলার গরিবরা এ সব থেকে বঞ্চিত হয়েছে।তিনি আরও বলেন, কৃষকদের পরিস্থিতিও শোচনীয়। একজন আলু চাষি আত্মহত্যা করেছেন। তৃণমূলের নোংরা রাজনীতি মা-বোনেদের সম্মানকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। মোদী স্মরণ করান, বাংলার মানুষ আগে একসময় বাম গুন্ডাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিল। কিন্তু বর্তমানে সেই বাম দলের কিছু নেতাকে তৃণমূল আশ্রয় দিচ্ছে। রাজ্যে অপরাধীরা নিরাপদ, কলেজে ও আদিবাসী মহিলাদের উপর হামলা হচ্ছে, এবং মানুষ এখনো সন্দেশখালি, আরজিকরের মতো ঘটনা মনে রাখে।মোদী স্পষ্ট জানান, বিজেপি সরকার এলে এসব অন্যায়ের অবসান হবে। আইনশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা হবে, অপরাধীদের জেল ভাড়া হবে, এবং গরিব ও সাধারণ মানুষ কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা পাবে।

মার্চ ১৪, ২০২৬
কলকাতা

পাঁচ বছর পর ব্রিগেডে মোদি! বাংলার জন্য আঠারো হাজার আটশো ষাট কোটির প্রকল্প ঘোষণা

ভোটের আবহে কলকাতায় এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রায় পাঁচ বছর পর আবার ব্রিগেড ময়দানে তাঁর জনসভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই সভার মঞ্চে রাখা হয়েছে বাঙালিয়ানার ছোঁয়া। দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের আদলে সাজানো হয়েছে পুরো মঞ্চ।সভা শুরু হওয়ার আগে ব্রিগেডের সরকারি অনুষ্ঠান থেকে বাংলার জন্য প্রায় আঠারো হাজার আটশো ষাট কোটি টাকার একাধিক প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এই সব প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের পরিকাঠামো উন্নয়নের নতুন দিশা খুলবে বলেই জানিয়েছেন তিনি।ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ কলকাতার মাটি থেকে পশ্চিমবঙ্গ এবং পূর্ব ভারতের উন্নয়নের একটি নতুন অধ্যায় শুরু হচ্ছে। তাঁর কথায়, সড়ক, রেল এবং বন্দর পরিকাঠামোর সঙ্গে যুক্ত আঠারো হাজার কোটিরও বেশি টাকার প্রকল্পের সূচনা হয়েছে।তিনি জানান, এই সব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বাংলার উন্নয়নে নতুন গতি আসবে। লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন আরও সহজ ও উন্নত হবে এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, খড়গপুর থেকে মৌরিগ্রাম পর্যন্ত দ্রুতগতির সড়ক প্রকল্প সম্পূর্ণ হলে রাজ্যের বহু এলাকায় অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুযোগ বাড়বে। এছাড়াও দুবরাজপুর বাইপাস এবং কংসাবতী ও শিলাবতী নদীর উপর নতুন সেতু তৈরি হলে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত হবে।এই অনুষ্ঠানে ছয়টি রেলস্টেশনকে আধুনিকীকরণের প্রকল্পেরও উদ্বোধন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী জানান, কামাখ্যাগুড়ি, আনারা, তমলুক, হলদিয়া, বীরভূম এবং সিউড়ি এই ছয়টি স্টেশনকে নতুনভাবে উন্নত করা হচ্ছে।এছাড়াও তিনি জানান, হলদিয়া বন্দর এবং কলকাতা বন্দরের সংস্কার কাজও শুরু হয়েছে। তাঁর মতে, এই উদ্যোগের ফলে শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, পুরো পূর্ব ভারতের উন্নয়নেও বড় প্রভাব পড়বে।

মার্চ ১৪, ২০২৬
কলকাতা

গিরিশপার্কে রণক্ষেত্র! ইটের আঘাত মন্ত্রীর পেটে, বিজেপির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

কলকাতার গিরিশপার্ক এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনায় আহত হয়েছেন রাজ্যের নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী শশী পাঁজা। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁকে লক্ষ্য করে ইট ছুড়েছিল। সেই ইটের আঘাত তাঁর পেটে লেগেছে বলে তিনি জানান। সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি সেই আঘাতের দাগও দেখান। পাশাপাশি তাঁর অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর সভায় যোগ দিতে বাইরে থেকে লোক ভাড়া করে আনা হয়েছে এবং তারাই এই হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে।শনিবার দুপুরে ব্রিগেড ময়দানে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা রয়েছে। সেই সভায় যোগ দিতে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা ব্রিগেডের দিকে যাচ্ছিলেন। সেই সময় হঠাৎ গিরিশপার্ক এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়ির সামনের এলাকা কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়।বিজেপির অভিযোগ, তাঁদের কর্মী সমর্থকেরা বাসে করে ব্রিগেডে যাচ্ছিলেন। সেই সময় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁদের বাসে হামলা চালায় এবং ভাঙচুর করে। এই ঘটনায় বিজেপি নেতা তমোঘ্ন ঘোষ সহ একাধিক কর্মী আহত হন। আহত হন বৌবাজার থানার ওসিও।অন্যদিকে মন্ত্রী শশী পাঁজার দাবি, বিজেপি কর্মীরাই প্রথম হামলা চালায়। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের উপর আক্রমণ করা হয় এবং মারধর করা হয়। মন্ত্রী আরও দাবি করেন, বিজেপি আশ্রিত বহিরাগত দুষ্কৃতীরা বাসভর্তি ইট, বোতল এবং বিস্ফোরক নিয়ে যাচ্ছিল। তাঁর কথায়, তারাই তাঁর বাড়িতে হামলা চালায় এবং ভাঙচুর করে।শশী পাঁজা বলেন, তাঁর বাড়ি রাস্তার ধারে হওয়ায় দুষ্কৃতীরা সরাসরি সেখানে আক্রমণ চালায়। তিনি অভিযোগ করেন, ইট, বোতল ও লাঠি নিয়ে তৃণমূল সমর্থকদের উপর হামলা করা হয় এবং তাকেও আঘাত করা হয়। তাঁর দাবি, এই ঘটনায় তাঁর দলের একাধিক কর্মী সমর্থক আহত হয়েছেন এবং তাঁদের মধ্যে কয়েকজনকে হাসপাতালে ও নার্সিংহোমে ভর্তি করতে হয়েছে।তিনি আরও অভিযোগ করেন, দুষ্কৃতীরা পুলিশের উপরও হামলা চালায় এবং মহিলা পুলিশকর্মী ও এলাকার কাউন্সিলরের উপরও আক্রমণ করা হয়। তাঁর দাবি, এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত অনেকেই বাংলার বাসিন্দা নয়, বাইরে থেকে আনা হয়েছে।মন্ত্রী আরও বলেন, বিজেপির বয়কট সংক্রান্ত একটি ফ্লেক্স ছিঁড়ে ফেলার ঘটনা নিয়ে প্রথমে উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে যায় এবং ইট-পাটকেল ছোড়াছুড়ি শুরু হয়। তাঁর কথায়, সেই সময় পুরো এলাকা যেন যুদ্ধ পরিস্থিতির মতো হয়ে উঠেছিল। তিনি বলেন, একটি বড় ইট তাঁর পেটে লাগে এবং তখন তাঁকে দ্রুত ভিতরে নিয়ে যাওয়া হয়।

মার্চ ১৪, ২০২৬
রাজ্য

ব্রিগেডে যাওয়ার পথে বিজেপি সমর্থকদের বাসে হামলা! ভোরে বেলদায় ভাঙচুর, উত্তেজনা চরমে

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ব্রিগেড সভার আগে পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলদায় বিজেপি সমর্থকদের একটি বাসে হামলার অভিযোগ উঠেছে। দুষ্কৃতীরা বাসটি ঘিরে ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ। ঘটনাটি ঘটেছে বেলদা থানার পাতলি এলাকায়।জানা গিয়েছে, শনিবার ভোর প্রায় পাঁচটা ত্রিশ মিনিট নাগাদ বাসটি আহার মুণ্ডা এলাকার দিকে যাচ্ছিল। সেই সময় কয়েকজন দুষ্কৃতী বাসটি থামিয়ে চালকের কাছে জানতে চায় বাসটি কোথায় যাচ্ছে। চালক জানান, তাঁরা ব্রিগেডে হওয়া সভায় যোগ দিতে যাচ্ছেন।অভিযোগ, এই কথা শুনেই কয়েকটি মোটরবাইকে করে আসা দুষ্কৃতীরা বাসটিকে ঘিরে ধরে। এরপর লাঠি নিয়ে এলোপাথাড়ি আঘাত করে বাসের কাচ ভেঙে ফেলা হয়। সেই সময় বাসের চালক এবং খালাসিও আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ভাঙচুর চালিয়ে দুষ্কৃতীরা দ্রুত এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়।কিছু সময় বাসটি ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে থাকার পর পরে সেটিকে ঘুরিয়ে অন্য দিকে নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, ব্রিগেডের সভায় সমর্থকদের যাওয়া আটকাতেই শাসকদল ঘনিষ্ঠ দুষ্কৃতীরা এই হামলা চালিয়েছে।অন্যদিকে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। নারায়ণগড় ব্লকের তৃণমূল সভাপতি জানিয়েছেন, এই ঘটনার সঙ্গে তাদের দলের কোনও সম্পর্ক নেই। পুলিশ তদন্ত করলেই সত্য সামনে আসবে। তাঁর দাবি, বিজেপি নিজেরাই এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে প্রচার পাওয়ার চেষ্টা করছে।তবে এই ঘটনার বিষয়ে এখনও পর্যন্ত বেলদা থানায় কোনও লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি বলে জানা গিয়েছে।এদিকে শনিবার কলকাতার ব্রিগেড ময়দানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বড় জনসভা হওয়ার কথা। সেই সভাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ব্রিগেডের মঞ্চ সাজানো হয়েছে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের আদলে। এই বিষয়টি নিয়েও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।সূত্রের খবর, শনিবার দুপুরে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে তিনি হেলিকপ্টারে রেসকোর্সের হেলিপ্যাডে নামবেন। তারপর সেখান থেকে ব্রিগেড ময়দানে যাবেন।দুপুরের দিকে ব্রিগেডে বিজেপির পরিবর্তন সংকল্প সভায় যোগ দেওয়ার কথা তাঁর। মঞ্চে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের আদলের পাশাপাশি বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের বিভিন্ন চিত্রও তুলে ধরা হয়েছে। দার্জিলিংয়ের চা বাগান থেকে বাঁকুড়ার টেরাকোটা শিল্পের ছবি দিয়ে সাজানো হয়েছে মঞ্চ।

মার্চ ১৪, ২০২৬
দেশ

যুদ্ধের মাঝেও ভারতের পাশে ইরান! হরমুজ প্রণালী দিয়ে ট্যাংকার যাওয়ার অনুমতি

ইরান ও ইজরায়েলের সংঘাতের জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে ভারতেও। ইতিমধ্যেই গ্যাসের দাম বেড়েছে বলে জানা গিয়েছে। তেলের দামও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দিয়ে পণ্য পরিবহনে সমস্যা হওয়ায় তেলের জোগান কমে যাওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে ভারতের জন্য স্বস্তির খবর এল ইরানের দিক থেকে। জানা গিয়েছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে দুটি পেট্রোলিয়াম পণ্যবাহী ট্যাংকারকে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে ইরান। যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।গত প্রায় পনেরো দিন ধরে ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে সংঘাত চলছে। এই অবস্থায় হরমুজ প্রণালী দিয়ে পণ্য পরিবহন নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। কারণ এই পথ দিয়েই বিশ্বের বড় অংশের তেল পরিবহন হয়।ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আগেই আশার কথা শোনান। শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, খুব শিগগিরই ইতিবাচক খবর আসতে পারে। তাঁর কথার কিছু সময় পরেই দুটি পেট্রোলিয়াম পণ্যবাহী ট্যাংকারকে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।হরমুজ প্রণালী দিয়ে ভারতীয় জাহাজ নিরাপদে যেতে পারবে কি না, এই প্রশ্নের উত্তরে রাষ্ট্রদূত বলেন, অবশ্যই পারবে। তিনি বলেন, অল্প সময়ের মধ্যেই তার প্রমাণ মিলবে।রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, ভারত ও ইরানের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।তিনি জানান, অনেক কঠিন সময়ে ভারত ইরানের পাশে দাঁড়িয়েছে। যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও ভারত নানা ক্ষেত্রে ইরানকে সাহায্য করেছে বলে তিনি স্মরণ করেন। সেই সম্পর্কের গুরুত্ব থেকেই ভারতের পণ্যবাহী ট্যাংকারকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ১৪, ২০২৬
কলকাতা

ব্রিগেডে মোদীর সভা ঘিরে কড়া নিরাপত্তা! তিন হাজার রক্ষী, আকাশে উড়বে না কিছুই

বিধানসভা ভোটের আগে বাংলায় বড় রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যোগ দিতে কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শনিবার ব্রিগেড ময়দানে একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন তিনি। সেখানে জাতীয় সড়ক উদ্বোধনের পাশাপাশি রাজনৈতিক বার্তাও দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। এই সভাকে ঘিরে বিজেপি শিবিরে তুঙ্গে প্রস্তুতি এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নেওয়া হয়েছে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা।প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর সভাস্থলের আশপাশের এলাকা সম্পূর্ণ উড়ান নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে আকাশে কোনও ড্রোন উড়তে দেওয়া হবে না। তবে আশপাশের বহুতল ভবন থেকে দূরবীন নিয়ে নজরদারি চালাবে পুলিশ।সভাস্থলে প্রায় তিন হাজার নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন করা হচ্ছে। গোটা নিরাপত্তা ব্যবস্থার দায়িত্বে থাকবেন উপকূল নিরাপত্তা শাখার অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক পদমর্যাদার আধিকারিক। শুক্রবার সন্ধ্যায় ব্রিগেড ময়দানে গিয়ে প্রস্তুতি খতিয়ে দেখেন বিজেপির একাধিক নেতা।শনিবার সকাল থেকেই ব্রিগেড এবং আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হবে। গোটা এলাকাকে একাধিক সেক্টরে ভাগ করে নিরাপত্তা মোতায়েন করা হচ্ছে। প্রতিটি সেক্টরের দায়িত্বে থাকবেন উপ পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার আধিকারিকরা।চার থেকে পাঁচটি সেক্টর মিলিয়ে একজন যুগ্ম পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার আধিকারিক থাকবেন। তাঁদের সঙ্গে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনাররাও দায়িত্ব পালন করবেন।পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, কলকাতার বিভিন্ন এলাকা থেকে যে মিছিল ব্রিগেডের দিকে আসবে, সেই সব রাস্তায় প্রায় পঞ্চাশটি পিকেট বসানো হয়েছে।শিয়ালদহ, হাওড়া, শ্যামবাজার এবং দক্ষিণ কলকাতার বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল ব্রিগেডে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সেই সব রাস্তায় বসানো হয়েছে পর্যাপ্ত নজরদারি ক্যামেরা। ব্রিগেডের মঞ্চ এবং আশপাশের এলাকাতেও ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি চালাবে পুলিশ।উড়ান নিষিদ্ধ এলাকা হওয়ায় আকাশে কোনও ড্রোন ব্যবহার করা হবে না। তবে আশপাশের বহুতল ভবন থেকে দূরবীন নিয়ে পুলিশ নজরদারি চালাবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

মার্চ ১৪, ২০২৬
রাজ্য

‘১৪ মার্চ ভুলিনি’—নন্দীগ্রামে শহিদ বেদিতে শুভেন্দু, একই দিনে শ্রদ্ধা মমতারও

ভোটের আবহে আবারও আলোচনায় উঠে এল নন্দীগ্রাম। দুই হাজার সাত সালের চৌদ্দ মার্চের ঘটনাকে স্মরণ করে শনিবার নন্দীগ্রামে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। অন্যদিকে একই দিনে নন্দীগ্রাম দিবস উপলক্ষে শহিদদের স্মরণ করে সামাজিক মাধ্যমে বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।শনিবার সকালেই নন্দীগ্রামের মালোপাড়ায় শহিদ বেদিতে মাল্যদান করেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জমি আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত নেতারা এবং বিজেপির একাধিক পদাধিকারী। সেখানে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, দুই হাজার সাত সালের চৌদ্দ মার্চের সেই দিনটি ভোলা সম্ভব নয়। তাঁর কথায়, জমি ও বাড়ি রক্ষার জন্য নন্দীগ্রামের সাধারণ মানুষের যে লড়াই ছিল, সেই ঐতিহাসিক দিনের স্মৃতি আজও মানুষের মনে রয়েছে।অন্যদিকে নন্দীগ্রাম দিবস উপলক্ষে সকালে সামাজিক মাধ্যমে একটি বার্তা প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি লেখেন, নন্দীগ্রাম দিবসে নন্দীগ্রাম, সিঙ্গুর ও নেতাই সহ সমস্ত শহিদদের প্রতি তিনি বিনম্র শ্রদ্ধা ও প্রণাম জানাচ্ছেন।প্রতি নির্বাচনের আগেই নন্দীগ্রামের ঘটনা নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসে। গত বিধানসভা নির্বাচনে এই নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকেই শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই আসন্ন নির্বাচনের আগে আবারও নন্দীগ্রামকে ঘিরে রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়তে শুরু করেছে।সূত্রের খবর, পরে অধিকারী পাড়ার শহিদ বেদিতেও শ্রদ্ধা জানাতে যাওয়ার কথা রয়েছে শাসকদলের নেতাদের। সেখানে রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী এবং ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির সঙ্গে যুক্ত নেতারাও উপস্থিত থাকবেন।জানা গিয়েছে, শুভেন্দু অধিকারীরা প্রথমে অধিকারী পাড়ায় কর্মসূচি পালন করছেন। তারপর সোনাচূড়া শহিদ মিনারে গিয়ে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর কথা রয়েছে তাঁদের।অন্যদিকে বেলা এগারোটার দিকে তৃণমূল ঘনিষ্ঠ ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির পক্ষ থেকেও আলাদা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। প্রথমে ভাঙাবেড়া এলাকায় শহিদদের স্মরণ করা হবে। এরপর অধিকারী পাড়া এবং মালোপাড়ায় কর্মসূচি করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

মার্চ ১৪, ২০২৬
কলকাতা

ব্রিগেড মঞ্চে বড় চমক? বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন পরিচিত চিকিৎসক নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়

ভোটের মুখে বাংলার রাজনীতিতে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। শোনা যাচ্ছে, পরিচিত চিকিৎসক নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন। শনিবার কলকাতার ব্রিগেড ময়দানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভার মঞ্চেই তিনি পদ্ম শিবিরে যোগ দিতে পারেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও নিশ্চিত ঘোষণা হয়নি। নিজেও এই বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলেননি ওই চিকিৎসক।জানা গিয়েছে, ব্রিগেডে অনুষ্ঠিত বিজেপির পরিবর্তন সংকল্প সভায় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে ডাক পেয়েছেন নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, আমন্ত্রণ পেয়েছেন এবং সভায় যাবেন বলেই ভাবছেন। তবে বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন কি না, সেই বিষয়ে সরাসরি উত্তর দিতে চাননি তিনি।এই প্রসঙ্গে চিকিৎসক বলেন, তিনি সভায় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে যাচ্ছেন। কিন্তু কোনও সভায় আমন্ত্রিত হয়ে যাওয়া মানেই যে সেই দলে যোগ দেওয়া, এমনটা নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন। তাঁর এই বক্তব্যের পর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় দীর্ঘদিন ধরেই বামপন্থী মনোভাবাপন্ন চিকিৎসক হিসেবে পরিচিত। আর জি কর হাসপাতালের এক তরুণী চিকিৎসকের হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর থেকেই তাঁর বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।সেই সময় জুনিয়র চিকিৎসকদের একাধিক মিছিল এবং প্রতিবাদ কর্মসূচিতে তাঁকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে দেখা গিয়েছিল। রাতভর আন্দোলন এবং বিভিন্ন কর্মসূচিতেও তিনি সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিলেন।শুধু তাই নয়, সেই সময় তিনি আন্দোলনরত জুনিয়র চিকিৎসকদের পাশে দাঁড়িয়ে সরকারের বিরুদ্ধেও সরব হয়েছিলেন।তবে পরে তাঁকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কও তৈরি হয়। তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়।এরপর চিকিৎসকদের একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও চিকিৎসক সংগঠনের প্রতিনিধি কি না, তা তারা জানে না। ব্যক্তিগতভাবে তিনি কারও সঙ্গে দেখা করতেই পারেন, কিন্তু চিকিৎসকদের সম্মিলিত আন্দোলনের প্রতিনিধি হিসেবে কথা বলার অধিকার তাঁকে কেউ দেয়নি বলেও ওই বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।পরে আবার আন্দোলনের কিছু মুখের বিরুদ্ধে সমালোচনাও করতে দেখা যায় তাঁকে। সেই ঘটনার পর থেকেই তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়।এখন সেই নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়ই বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন বলে জল্পনা ছড়িয়েছে। সামনে বিধানসভা নির্বাচন। রাজনৈতিক সূত্রে খবর, সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের প্রার্থী করার পরিকল্পনা করতে পারে বিজেপি।সেই কারণে প্রশ্ন উঠছে, নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় কি ভবিষ্যতে নির্বাচনে প্রার্থীও হতে পারেন। তবে এই প্রশ্নের উত্তর আপাতত ভবিষ্যতের হাতেই রয়েছে।

মার্চ ১৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal