• ১৪ মাঘ ১৪৩২, রবিবার ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Factory

রাজ্য

আনন্দপুর আগুন দুর্ঘটনা নয়! ব্যারাকপুর থেকে বিস্ফোরক দাবি অমিত শাহের

আনন্দপুরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এখনও পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে দুজন মোমো কোম্পানির আধিকারিক। কিন্তু ঘটনার এতদিন পরেও মোমো কোম্পানির মালিককে গ্রেফতার না করা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এই প্রশ্ন তুলে প্রথমে সরব হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এবার সেই সুরেই কথা বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।শনিবার ব্যারাকপুরের আনন্দপুরী মাঠে বিজেপির কর্মিসভা থেকে তৃণমূল সরকারকে সরাসরি নিশানা করেন অমিত শাহ। একইসঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডে জড়িত সকল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে জেলে পাঠানো হবে।সভায় বক্তব্যের শুরুতেই অমিত শাহ বলেন, আনন্দপুরের মোমো কারখানার গুদামে অগ্নিকাণ্ডে যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি তিনি শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। এরপরই তিনি দাবি করেন, এই ঘটনা কোনও দুর্ঘটনা নয়। তাঁর অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের দুর্নীতির ফলেই এই অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে।তৃণমূলকে আক্রমণ করে শাহ বলেন, এই ঘটনায় ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ২৭ জন এখনও নিখোঁজ। কেন এমন ঘটনা ঘটল, সেই প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, মোমো কোম্পানিতে কারা টাকা ঢেলেছে, মালিক কার সঙ্গে বিদেশ সফরে গিয়েছেন এবং কেন এখনও পর্যন্ত ওই মালিককে গ্রেফতার করা হয়নি, তার জবাব রাজ্য সরকারকে দিতে হবে। তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে বলেন, মৃতরা বাংলার নাগরিক। তা হলে এখানে কেন ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি করা হচ্ছে। তাঁর আরও প্রশ্ন, যদি এরা অনুপ্রবেশকারী হতেন, তা হলে কি সরকারের প্রতিক্রিয়া একই রকম হত।অগ্নিকাণ্ডে জড়িতদের কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে অমিত শাহ বলেন, এই ঘটনায় যাঁরা যুক্ত, তাঁদের সকলের জেলে যাওয়া উচিত। তাঁর অভিযোগ, মন্ত্রীরা ৩২ ঘণ্টা পরে ঘটনাস্থলে গিয়েছেন এবং জলাজমির উপর বেআইনি ভাবে গুদাম তৈরি করা হয়েছিল। তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যতই ঘটনা ঢাকার চেষ্টা করুন, এপ্রিলের পর বিজেপি ক্ষমতায় এলে একে একে সকল অভিযুক্তকে খুঁজে বের করে শাস্তি দেওয়া হবে। তাঁর বক্তব্য, ২০২৬ সালই হবে তৃণমূলকে বিদায় জানানোর বছর।অমিত শাহের এই মন্তব্যের পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিয়েছে তৃণমূল। দলের নেতা তন্ময় ঘোষ বলেন, বিজেপির প্রতিবাদের ধরনই তাদের সংস্কৃতি প্রকাশ করে। তাঁর কটাক্ষ, শুভেন্দু অধিকারী যখন প্রতিবাদ করতে গিয়েছিলেন, তখন সেখানে ডিজে বাজছিল, যা দেখে মনে হচ্ছিল বিয়েবাড়ির অনুষ্ঠান চলছে। তন্ময় ঘোষ আরও বলেন, অমিত শাহ যখন বাংলায় এসে এই ধরনের মন্তব্য করছেন, তখন মধ্যপ্রদেশে দূষিত জল খেয়ে মানুষের মৃত্যুর প্রসঙ্গ তিনি এড়িয়ে যাচ্ছেন। তাঁর দাবি, বিজেপির বাংলা দখলের স্বপ্ন কোনও দিনই বাস্তব হবে না।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

আনন্দপুরে আগুনে মৃত্যু: সত্যিই কি বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করা হয়েছিল? প্রকাশ্যে পুলিশের রিপোর্ট

আনন্দপুরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর থেকেই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ছিল, বাইরে থেকে কি গুদামের দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল? নিখোঁজ কর্মীদের পরিবারের একাংশ প্রথম দিকে সরাসরি গুদামের মালিকের দিকেই অভিযোগের আঙুল তুলেছিলেন। তাঁদের দাবি ছিল, বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে দেওয়ার কারণেই আটকে পড়ে প্রাণ হারান কর্মীরা। কিন্তু সত্যিই কি তাই? নাকি ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে অন্য কোনও কারণ?প্রায় ৩০ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে দাউদাউ করে জ্বলেছিল আনন্দপুরের ওই কারখানা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কারখানার ভিতরে দুটি আলাদা গুদাম ছিল। একটি ছিল একটি নামী মোমো প্রস্তুতকারী সংস্থার, অন্যটি একটি ডেকরেটর্স সংস্থার। দুটি গুদামেই ছিল প্রচুর শুকনো খাদ্যদ্রব্য ও দাহ্য সামগ্রী। এর মধ্যেই মজুত ছিল পাম তেল। আগুন লাগার পর এই দাহ্য বস্তুগুলিই আগুনকে আরও ভয়াবহ করে তোলে।এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৮ জন কর্মীর মৃত্যুর খবর মিলেছে। তবে প্রশাসনের ধারণা, এখনও অন্তত ২৫ জন কর্মী নিখোঁজ। সম্পূর্ণ পুড়ে যাওয়া ওই কারখানায় আদৌ কেউ জীবিত রয়েছেন কি না, তা নিয়েই গভীর সংশয় তৈরি হয়েছে।ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় একটি প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট তৈরি করেছে পুলিশ। সেই রিপোর্ট অনুযায়ী, বাইরে থেকে কেউ গুদামের দরজায় তালা লাগাননি। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, আগুন লাগার সময় গুদামের টিনের চাল ভেঙে পড়ে। তার জেরেই ভিতরে আটকে পড়েন কর্মীরা এবং কারখানাটি কার্যত মৃত্যুকূপে পরিণত হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ডেকরেটর্স সংস্থার গুদামে ঢোকা ও বেরনোর জন্য দুটি গেট ছিল। আগুন লাগার সময় ওই দুই গেটের সামনেই থাকা টিনের চাল ভেঙে পড়ে। ফলে গেট দুটি সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। কর্মীরা প্রাণপণে গেট খোলার চেষ্টা করলেও তা সম্ভব হয়নি। বিকল্প কোনও বেরনোর পথ খুঁজে পাননি তাঁরা।শেষ পর্যন্ত আটকে পড়া কর্মীরা টিনের চাল ভেঙে বেরনোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু সেই সময়ই সেখানে থাকা গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন আরও ভয়াবহ আকার নেয়। সেখানেই পুড়ে মৃত্যু হয় একাধিক কর্মীর।মোমো প্রস্তুতকারী সংস্থার গুদামেও প্রায় একই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। ওই গুদামের মূল গেটের সামনেই দাউদাউ করে জ্বলছিল আগুন। ফলে গেটের চাবি নিজেদের কাছে থাকলেও তিন কর্মী আগুনের তাপে গেটের কাছে পৌঁছতে পারেননি। ওই গুদামেও প্রচুর পাম তেল মজুত ছিল। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেখানেও আগুন ধরে যায়।প্রাণ বাঁচানোর শেষ চেষ্টা হিসেবে তাঁরা গেটের পাশেই থাকা একটি অফিস ঘরে আশ্রয় নেন। সেখান থেকেই পরিবারের সঙ্গে শেষবার কথা বলেছিলেন তাঁরা। কিন্তু কয়েক মিনিটের মধ্যেই সেই ঘরেও ছড়িয়ে পড়ে আগুন। শেষ পর্যন্ত আর রক্ষা হয়নি। সেখানেই মৃত্যু হয় তিন কর্মীর।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
কলকাতা

মোমো নয়, ডেকরেটর্স কারখানাও জ্বলছে! নিখোঁজের সংখ্যা বেড়ে উদ্বেগ

প্রায় বারো ঘণ্টা পেরিয়ে গেল, এখনও নিয়ন্ত্রণে আসেনি আনন্দপুরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। রবিবার গভীর রাত থেকে জ্বলছে একটি নামজাদা মোমো কারখানা। তার পাশেই রয়েছে একটি ডেকরেটর্স সংস্থার কারখানা। সেই দুই কারখানায় কাজ করা বহু কর্মীর এখনও কোনও খোঁজ নেই। ফোন বন্ধ, কোনও যোগাযোগ নেই। উদ্বেগে, আতঙ্কে ভেঙে পড়ছেন পরিবারের সদস্যরা।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত ১৩ জন নিখোঁজের একটি তালিকা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে তিন জন মোমো কারখানার কর্মী এবং দশ জন ডেকরেটর্স সংস্থার শ্রমিক। তবে এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।নিখোঁজদের মধ্যে রয়েছেন গুরুপদ সাউ। তাঁর বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরে। তিনি মোমো কারখানার পাশের ডেকরেটর্সের গুদামে ফুলের কাজ করতেন। রবিবার রাতেও পরিবারের সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছিল গুরুপদের। তিনি জানিয়েছিলেন, গুদামের ভিতরে কাজ করছেন। কিন্তু সোমবার ভোরে আগুন লাগার খবর পাওয়ার পর থেকেই তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ। এরপর থেকেই উৎকণ্ঠা বাড়ছে পরিবারের।ঘটনাস্থলে হাজির গুরুপদের এক আত্মীয় জানান, গুরুপদ রাতে গুদামেই ছিলেন বলে পরিবারের সঙ্গে শেষ কথা হয়। সকাল থেকে তাঁকে ফোন করা হলেও কোনও উত্তর পাওয়া যাচ্ছে না। শুধু গুরুপদ নন, তাঁর সঙ্গে কাজ করা আরও অনেক শ্রমিকেরও খোঁজ নেই। তাঁদের অনেকেই পূর্ব মেদিনীপুরের বাসিন্দা বলে জানা যাচ্ছে।প্রথমে মনে করা হয়েছিল, মোমো কারখানার নাইট শিফ্টে থাকা তিন জন কর্মী নিখোঁজ। কিন্তু সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সেই সংখ্যা বেড়েছে। পরে জানা যায়, শুধু মোমো কারখানাই নয়, পাশাপাশি থাকা ডেকরেটর্সের গুদাম থেকেও একাধিক কর্মী নিখোঁজ হয়েছেন। সব মিলিয়ে নিখোঁজের সংখ্যা ঘিরে তৈরি হয়েছে চরম অনিশ্চয়তা।এখনও আগুন পুরোপুরি নেভেনি। ভিতরে ঢুকে তল্লাশি চালানো সম্ভব হয়নি। দমকল ও পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে, কিন্তু প্রতিটি মুহূর্তে বাড়ছে উদ্বেগ। প্রিয়জনদের কোনও খবর না পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন পরিবারের সদস্যরা।

জানুয়ারি ২৬, ২০২৬
কলকাতা

নাইট শিফটে ঢুকেছিলেন, আর বেরোননি! আনন্দপুর কাণ্ডে বাড়ছে নিখোঁজের সংখ্যা

নয় ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখনও নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি আনন্দপুরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। রবিবার গভীর রাতে আনন্দপুরে একটি নামজাদা মোমো প্রস্তুতকারক সংস্থার কারখানায় আগুন লাগে। পরে জানা যায়, ওই একই গোডাউনে একটি ডেকরেটর সংস্থার কর্মীরাও কাজ করতেন। ফলে আগুনের ভয়াবহতা আরও বেড়ে যায়। কার্যত জতুগৃহে পরিণত হয়েছে শহর কলকাতার একাংশ।গত কয়েক দিনে একের পর এক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আতঙ্কিত শহরবাসী। তবে সবকটিকে ছাপিয়ে গিয়েছে আনন্দপুরের এই ঘটনা। রাত থেকে জ্বলছে গোটা কারখানা। সামনের দিকের আগুন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেও ভিতরের অংশে এখনও দমকল পৌঁছতে পারেনি। ১২টি ইঞ্জিন নামানো হলেও আগুনের উৎসস্থল পর্যন্ত যাওয়া সম্ভব হয়নি দমকলকর্মীদের।প্রথমে জানা গিয়েছিল, রাতের নাইট শিফটে মোমো সংস্থার তিনজন কর্মী কারখানার ভিতরে ছিলেন। আগুন লাগার সময় তাঁরা গোডাউনেই আটকে পড়েন। এক কর্মীর পরিবারের অভিযোগ, শেষবার ফোনে তিনি জানিয়েছিলেন কারখানার গেট বাইরে থেকে তালা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শুরুতে নিখোঁজের সংখ্যা তিনজন বলা হলেও সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সেই সংখ্যা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত এই অগ্নিকাণ্ডে ১৩ জন কর্মী নিখোঁজ রয়েছেন এবং তিনজনের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। নিখোঁজদের মধ্যে তিনজন ওই মোমো সংস্থার কর্মী এবং বাকি দশজন ডেকরেটর সংস্থার বলে জানা গিয়েছে। তবে পুলিশ এখনও এই সংখ্যা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। ফলে প্রকৃত পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নাইট শিফটে থাকা কর্মীদের মধ্যে একজন ছিলেন পঙ্কজ হালদার। সোমবার সকালে জ্বলন্ত কারখানার সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন তাঁর দাদা। মুখে চরম আতঙ্ক আর অনিশ্চয়তা। তিনি জানান, এখনও ভাইয়ের কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। দমকল বা পুলিশের কাছ থেকেও কোনও স্পষ্ট তথ্য মেলেনি।

জানুয়ারি ২৬, ২০২৬
রাজ্য

বারাসতে ভয়াবহ আগুন, মুহূর্মুহু বিস্ফোরণের শব্দ, ঘটনাস্থলে দমকলের ২০টি ইঞ্জিন

ভয়াবহ অগ্নিকান্ড বারাসাত। বিধ্বংসী আগুনে জ্বলছে বামনমুড়ায় প্যাম্পার্স ফ্যাক্টরি। আগুনের ফলে বন্ধ করা হয়েছে বারাসাত টাকি রোডের যান চলাচলও। প্রথমে স্থানীয় আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেও ব্যর্থ। দমকলের ২০টি ইঞ্জিন আগুন নেভানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।শনিবার সন্ধ্যায় হঠাৎই আগুনের লেলিহান শিখা দেখা যায় বারাসাতের বামুনমুড়া এলাকায়। অগুন নজরে আসতেই প্রথমে স্থানীয়রা আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। ২০টি দমকল ইঞ্জিন পৌঁছালেও এখনও পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। গলগল করে ধোঁয়া বের হতে থাকে। আগুন লাগার কারণ এখনও জানা যায়নি। ব্যাপক ক্ষয়খতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জুন ২১, ২০২৫
রাজ্য

বাজি কারখানায় ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ, ঝলসে গেল চার কর্মীর দেহ

নদীয়ার কল্যাণীর রথতলা এলাকায় একটি বাজি কারখানায় হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। ঝলসে গিয়েছে বাজি কারখানার ৪ জন কর্মী। বিস্ফোরণের পরপরই আগুন ধরে যায় গোটা কারখানায়। বীভৎস এই ঘটনায় কমপক্ষে চার জনের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে দাবি করছেন কেউ কেউ। বিস্ফোরণের তীব্রতায় উড়ে গিয়েছে কারখানার ছাদ। এদিকে এই ঘটনার পরপরই এলাকায় যায় পুলিশ ও দমকল। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয় আগুন নেভানোর কাজ। আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগিয়েছেন এলাকার বাসিন্দারাও। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে যায় বিশাল পুলিস বাহিনী ও দমকল। তবে তার আগেই স্থানীয় মানুষজন আগুন নেভানোর কাজ হাত লাগান। ঠিক কীভাবে ওই বিস্ফোরণ হল তা এখনও স্পষ্ট নয়। এর আগে পূর্ব মেদিনীপুরের এগরা, দক্ষিণ ২৪ পরগনার চম্পাহাটি ও মহেশতলায়, উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুরে বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ হয়েছিল।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৫
রাজ্য

এগরার পর বজবজ, বেআইনি বাজি কারখানায় বিষ্ফোরণে মৃত ৩, জখম বহু

এগরার পর এবার বজবজ। পূর্ব মেদিনীপুরের পর এবার দক্ষিণ ২৪ পরগনা। রবিবার রাতে বজবজের নন্দরামপুর দাসপাড়ায় বেআইনি বাজি কারখানার গোডাউনে বিধ্বংসি আগুন লেগে তিনজনের মৃত্যু হয় বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, মা জয়শ্রী হাটি, মেয়ে পম্পা হাটি ছাড়া আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায়। জখম কয়েকজনকে আইএসআই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এদিন রাত আটটার একটু আগে এই ঘটনা ঘটে। দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে থাকে। জানা গিয়েছে, এই গ্রামে প্রতিটা বাড়িতেই কুটির শিল্পের মতো আতশ বাজি তৈরি হয়। ঘটনাস্থলের আশাপাশে চকোলেট বাজি পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। এদিনই ঘটনার পর বিপুল পরিমান বাজি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সেই বাজি নিয়ে যায় পুলিশ। এক ব্য়ক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। গত মঙ্গলবার এগরার বাজি কারখানায় বিষ্ফোরণে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

মে ২১, ২০২৩
রাজ্য

এবার মাদক তৈরির কারখানার হদিশ মালদার কালিয়াচকে, কি মিলল তল্লাশিতে?

বর্ধমানে মিলেছিল হেরোইন তৈরির হদিশ। এবার কালিয়াচক এলাকায় মাদক তৈরির বেআইনি কারখানার হদিশ পেল পুলিশ। মালদার কালিয়াচক থানার শ্রীরামপুর এলাকার একটি বাঁশ বাগানের মধ্যে বিপুল পরিমাণ মাদক তৈরির সামগ্রী লুকানো ছিল। তা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, ব্রাউন জাতীয় মাদক তৈরির কারবার এই এলাকায় চালাচ্ছিল দুষ্কৃতীরা । যদিও এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত পরিষ্কারভাবে কাউকে চিহ্নিত করতে পারেনি তদন্তকারী পুলিশ কর্তারা। তবে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুষ্কৃতীদের ধরতে তল্লাশি শুরু করেছে কালিয়াচক থানার পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শ্রীরামপুর এলাকার বাঁশবাগানের একটি পরিত্যক্ত এলাকায় মাটির নীচ থেকেই গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মাদক তৈরির ওই সামগ্রীগুলো উদ্ধার করে। যার মধ্যে অপরিশোধিত উপকরণ এসিটাইল ক্লোরাইড ৪০ বোতল, দুটি ২ পয়েন্ট ৩ মাপের প্লাস্টিকের পাত্র, সোডিয়াম সালফেট অ্যানহাইড্রাস ১৮২ কেজি , বেশ কিছু কেমিক্যাল মেশানো কাপড়, জ্যামকড ৫০০ গ্রাম বোতলের ১০ পিস , বেশ কিছু স্টিলের পাত্র, সাদা জামাকাপড়, ৮টি বাঁশের তৈরি ঝুড়ি, ১০টি প্লাস্টিকের মগ সহ আরও বিভিন্ন ধরনের বিপুল পরিমাণ সামগ্রী উদ্ধার করেছে পুলিশ। উল্লেখ্য, এতদিন কালিয়াচকে বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র কারখানার হদিস পেয়েছে পুলিশ। কিন্তু এই প্রথম মাদক তৈরির অস্থায়ী ছোট ধরনের একটি কারখানার হদিশ পেয়েছে কালিয়াচক থানার পুলিশ । গোপন সূত্রে খবর পাওয়ার পরেই বাঁশ বাগানের পরিত্যক্ত জায়গায় অভিযান চালায় এবং সেই জায়গার প্রায় কুড়ি মিটার এলাকা জুড়ে মাটি খোঁড়াখুঁড়ির পর একের পর এক মাদক তৈরী সামগ্রী উদ্ধার হতে থাকে। যা দপখে রীতিমতো হতবাক তদন্তকারী পুলিশকর্তারা। কারা কিভাবে এই ধরনের মাদকের কারবার চালাচ্ছে, তারই খোঁজ চলছে।পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, মূলত এইসব উদ্ধার হওয়া রাসায়নিক সামগ্রী দিয়েই ব্রাউন সুগার জাতীয় নেশার জিনিস তৈরি করতো মাদক কারবারীরা। ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুষ্কৃতীদের গ্রেফতার করার লক্ষ্যে চিরুনি তল্লাশি শুরু করা হয়েছে। এই ঘটনায় তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ।

জানুয়ারি ০৪, ২০২৩
রাজ্য

বর্ধমানের কমন ফেসিলিটি সেন্টারে জরি এণ্ড জারদৌসি কারখানা

কমন ফেসিলিটি সেন্টার নামে জরি এণ্ড জারদৌসি শিল্পের জন্য কারখানা তৈরি হলো পূর্ব বর্ধমানের সেহারা অঞ্চলের বাজিতপুর গ্রামে। সেহারা বাজার জরি এণ্ড জারদৌসি প্রডাক্ট ম্যানুফ্যাকচারিং ইণ্ডাস্ট্রিয়াল ক্লাসটার কোঅপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেড নামক এই শিল্পে ৫০০ থেকে ৬০০ জন মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে। মূলত মহাজনী কারবারের মাধ্যমে এতদিন চলছিল এই শিল্প। যার সুবিধা পাচ্ছিল মহাজনরাই।করোনা পরিস্থিতির মধ্যে বহু পরিযায়ী শ্রমিককে ভিন রাজ্য থেকে নিজেদের এলাকায় ফিরে আসতে হয়েছিল। কাজ হারিয়ে বসেছিলেন। তারা এবার জরি এবং যারদৌসি শিল্পে তাদের কর্মসংস্থান হাওয়ায় তারা খুশী।

নভেম্বর ২৬, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে এক পরিত্যক্ত কারখানায় আগুন, দমকল গিয়ে আগুন আয়ত্তে আনে

একটি পরিত্যক্ত কারখানায় আগুন লাগলো পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে। বুধবার দুপুরে ২ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে জামালপুরের নবগ্রাম ময়না এলাকার একটি বন্ধ কারখানায় ভিতরে আগুন ধরে।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান বহুদিন ধরে কারখানাটি বন্ধ হয়ে পড়ে আছে। এই পরিত্যক্ত কারখানায় কি উৎপাদন হত স্থানীয়রা কেউই বলতে পারছেন না।আগুন লাগার পর পাশের একটি ইট তৈরীর কারখানার শ্রমিকরা প্রথমে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু আগুনের তীব্রতা বাড়তে থাকায় খবর দেওয়া হয় মেমারি দমকল বিভাগে। দমকলের একটি ইঞ্জিন গিয়ে আগুন আয়ত্তে আনে।দমকল আধিকারিক সঞ্জয় কুমার দত্ত বলেন, কারখানার ভিতরে থাকা প্লাস্টিক জাতীয় জিনিসপত্রে আগুন লাগে। পাশাপাশি সেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে ঝোপঝাড়ে। দমকলের একটি ইঞ্জিন আগুন নেভানোর কাজে ব্যবহার করা হয়। আর একটি পাম্পসেট দিয়েও পাশের পুকুর থেকে জল নিয়ে আগুন নেভানোর কাজে ব্যবহার করা হয়েছে।

নভেম্বর ০২, ২০২২
দেশ

Surat Gas Leak: সুরাতে গ্যাস লিক করে মর্মান্তিক মৃত্যু ৬ কারখানা শ্রমিকের

রাসায়নিক বোঝাই ট্যাংকার থেকে বেরোনো বিষাক্ত গ্যাসে মর্মান্তিক মৃত্যু হল ৬ কর্মীর। বিষাক্ত গ্যাসে সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন প্রায় ২০ জন। বৃহস্পতিবার সকালেই গুজরাতের সুরাতে গ্যাস লিকের এই ভয়াবহ কাণ্ডটি ঘটে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সুরাতের শচিন ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকায় অবস্থিত বিশ্বপ্রেম ডায়িং অ্যান্ড প্রিন্টিং মিলে এই ঘটনাটি ঘটে। ওই কারখানার বেশ কয়েকজন কর্মী রাতে কারখানার ভিতরেই ঘুমাচ্ছিলেন। ভোর ৪ টে নাগাদ তাদের নাকে কড়া একটি রাসায়নিকের গন্ধ আসে। কয়েকজন কর্মী উঠে দেখতে যান যে কোথা থেকে গন্ধটি আসছে। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই তারা সকলে সংজ্ঞাহীন হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এক কর্মী কোনও মতে দমকলে খবর দেন।দমকল বিভাগের তরফে জানানো হয়েছে, ভোর ৪টে ২৫মিনিট তাদের কাছে ফোন আসে। বলা হয় যে, কারখানার ভিতরে আচমকাই ২৫-২৬ জন কর্মী সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়ে গিয়েছে। বিষাক্ত কোনও গ্যাস ছড়িয়ে পড়েছে হয়তো। এরপরই দমকল বিভাগের তরফে যথাযথ প্রস্তুতি নিয়ে কারখানায় যাওয়া হয়। কিন্তু কারখানার ভিতরে কোনও বিষাক্ত গ্যাসের উৎস খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরে দেখা যায়, রাস্তার ধারে দাঁড়ানো একটি কেমিক্যাল বোঝাই ট্যাংকার থেকেই বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে পড়ছে। সঙ্গে সঙ্গে ওই ট্যাংকারের ঢাকনা বন্ধ করে বিষাক্ত গ্যাস নিঃসরণ বন্ধ করা হয়। অসুস্থ অবস্থায় কর্মীদের সুরাত সিভিল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা ৫জনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পরে আরও এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়।

জানুয়ারি ০৬, ২০২২
কলকাতা

Kaikhali Fire: কৈখালিতে রঙের কারখানায় বিস্ফোরণ! বছরের প্রথম দিনই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড শহরে

বছরের প্রথম দিনই অগ্নিকাণ্ড। বিধ্বংসী আগুনে ভস্মীভূত কৈখালির রঙের কারখানা। শনিবার সকালে কৈখালির ওই রঙের কারখানায় আগুন লাগে। কারখানায় প্রচুর রাসায়নিক পদার্থ মজুত থাকায় লহমায় ছড়িয়ে পড়ে আগুন। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় এলাকা। কারখানাটি বিমানবন্দর লাগোয়া হওয়ায় বাড়ে দুশ্চিন্তা। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের তরফে এনডিআরএফ-কে খবর দেওয়া হয়। এনডিআরএফ-এর দলও ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছে। যেহেতু রঙের কারখানা, তাই আগুন মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে। রঙের কারখানা থেকে ওই আগুন পাশের কারখানাতেও ছড়িয়ে পড়ে বলে স্থানীয়দের দাবি। দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন ছড়ানোর আশঙ্কা আরও বাড়ছে।ইতিমধ্যেই দমকলের ১৫টি ইঞ্জিন আগুন নেভানোর সবরকম চেষ্টা করলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি। যেহেতু কেমিক্যাল ফ্যাক্টরি পরিস্থিতি বাগে আনা কিছুটা কঠিন হচ্ছে। দমকলের প্রাথমিক অনুমান শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগেছে। পাশেই রয়েছে বাচ্চাদের পোশাক তৈরির কারখানা। আগুনের লেলিহান শিখা সেই কারখানাকেও গ্রাস করেছে।রাজারহাট-গোপালপুরের বিধায়ক অদিতি মুন্সী ঘটনাস্থলে পৌঁছন। অদিতি মুন্সী বলেন, অনেকটাই আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। দমকল বাহিনী যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ করছে। আশা করা যায় কিছুক্ষণের মধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারব। কী থেকে আগুন লাগল তা এখনও নিশ্চিত করা যায়নি। খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মূলত এটা একটা কেমিক্যাল ফ্যাক্টরি। পাশে গেঞ্জির কারখানা। যা যা ব্যবস্থা নেওয়া দরকার এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসে গেলে তার চেষ্টা করব। এটা বসতি এলাকা। বহু বাড়ি রয়েছে আশেপাশে। এই ঘটনার যাতে পুনরাবৃত্তি না হয় তার জন্য যে যে ব্যবস্থা নেওয়া যায় আমরা তা করব। স্থানীয়রা জানান, সেখানে বেশ কিছু দাহ্যবস্তু বোঝাই ড্রাম ছিল। আগুন লাগার পর বীভৎস শব্দে সেগুলি ফাটতে শুরু করে। এর জেরে দমকল কর্মীদের কাজ করতেই সাময়িক বেগ পেতে হয়। তাৎপর্যপূর্ণভাবে যেখানে আগুন লেগেছে, সেই এলাকা অত্যন্ত ঘিঞ্জি। জায়গা খুবই সঙ্কীর্ণ। এর ফলে দমকলের ফায়ার টেন্ডারগুলি ঢুকতেও সমস্যার মুখে পড়ে। অন্যদিকে অতিরিক্ত রাসায়নিক মজুত থাকার কারণে আগুন আরও বীভৎস রূপ নেয়।প্রশ্ন উঠছে, এই কারখানাগুলির বৈধতা নিয়েও। কীভাবে এরকম ঘিঞ্জি জায়গায় কারখানাগুলি তৈরি হয়েছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসীর একাংশ। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বিমানবন্দর থানার পুলিশ।

জানুয়ারি ০১, ২০২২
কলকাতা

Fire: হাওড়ার কারখানায় ভয়াবহ আগুন

হাওড়ায় একটি চিপস তৈরির কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। বুধবার দুপুরে আগুন লাগার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের সাতটি ইঞ্জিন। আগুন আয়ত্তে আনার চেষ্টা চালাচ্ছেন দমকলকর্মীরা। আশপাশে অন্যান্য কারখানা থাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়ার আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আগুন লাগার সময় কারখানাটি খোলা ছিল। তবে কারখানার ভিতরে কোনও কর্মী রয়েছেন কি না তা এখনও স্পষ্ট নয়। কারখানার ভিতরে প্রচুর চিপসের প্যাকেট ছিল। তা পুড়ে গিয়েছে। উত্তাপের জেরে কারখানার ছাদের একাংশ ভেঙে পড়েছে। কারখানায় অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা উপযুক্ত ছিল কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আপাতত আগুন আয়ত্তে আনাই প্রাথমিক লক্ষ্য দমকলকর্মীদের।বুধবার বেলা ১২টা নাগাদ ওই কারখানাটিতে আগুন দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁরা খবর দেন দমকলে। কিছুক্ষণের মধ্যেই কালো ধোঁয়ায় ছেয়ে যায় আকাশ। জেসিবি-র মাধ্যমে ওই দেওয়াল ভেঙে ফেলা হয়। সেই পথে কারখানা চত্বরে ঢুকে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন দমকলকর্মীরা।

নভেম্বর ০৩, ২০২১
রাজ্য

Big Breaking: ডেকরেটার্স ব্যবসার আড়ালে বেআইনি অস্ত্র কারখানা, উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ, পলাতক অস্ত্র কারবারি

ডেকরেটার্স সামগ্রী ভাড়া দেওয়া ব্যবসার আড়ালে গোপনে বাড়িতেই অস্ত্র কারখানা চালাচ্ছিলেন ব্যবসায়ী। তাও আবার মাটির দেওয়াল আর খড়ের চালার বাড়িতে। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। গোপন সূত্রে সেই খবর পৌছায় পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া থানার পুলিশে কাছে। এরপর আর একমুহূর্ত দেরি না করে পুলিশ এবং ওএসজি গ্রুপ মঙ্গলবার ভোর রাতে অভিযান চালায় কাটোয়ার লোহাপোতা গ্রামের রমজন আলি শেখের মাটির বাড়িতে। সেখানেই মেলে অস্ত্র কারখানার হদিশ। উদ্ধার হয় সদ্য তৈরি হওয়া ৩ টি আগ্নেয়াস্ত্র, ১৭ রাউন্ড কার্তুজ, বেশ কয়েকটি অর্ধেক তৈরি আগ্নেয়াস্ত্র এবং আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ তৈরির বেশকিছু সরঞ্জাম। যদিও বেআইনি অস্ত্র কারখানার মালিক রমজান আলি শেখকে পুলিশ ধরতে পারেনি। পুলিশ তাঁর বাড়িতে পৌছানোর আগেই সে পালিয়ে যায়। পুলিশ হন্যে হয়ে এখন আগ্নেয়াস্ত্র কারবারি রমজান আলি শেখের খোঁজ চালাচ্ছে।আরও পড়ুনঃ প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসেবে দুটি অলিম্পিক পদক, ইতিহাসে পিভি সিন্ধুপুলিশ জানিয়েছে, লোহাপোতা গ্রামে রয়েছে রমজান আলি শেখের মাটির দেওয়াল আর খড়ের চালার তিন কুটুরি ঘর। গ্রামের লোকজন তাঁকে ডেকরেটার্স ব্যবসায়ী হিসাবেই জানে। বাড়িতে রয়েছেন রমজানের বামা, মা, স্ত্রী ও মেয়ে। বাড়ির সামনে চেয়ার, টেবিল ও অন্যান্য ডেকরেটার্স সামগ্রী রাখা রয়েছে। যা দেখে কারও ঘুণাক্ষরেও বোঝার উপায় নেই ওই বড়িতেই চলছিল আস্ত একটি অস্ত্র কারখানা।আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ তৈরির সরঞ্জামগোপন সূত্রে সেই খবর কাটোয়া থানায় পৌছাতেই পুলিশ নড়েচড়ে বসে। মঙ্গলবার ভোর রাতে রমজান আলি শেখের মাটির বাড়িতে অভিযানে গিয়ে পুলিশ কর্তারা কার্যত স্তম্ভিত হয়ে যান । পুলিশ সেখানে পৌঁছনোর আগেই যদিও রমজান আলি বেপাত্তা হয়ে যায়। পুলিশ মাটির বাড়ির একটি ঘরে ঢুকে দেখতে পায় ঘরের ভিতরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির যন্ত্রাংশ, তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র, কার্তুজ, গ্যাস সিলিন্ডার, লোহার পাইপ, স্প্রিং, স্ক্রু বহু সরঞ্জাম।আরও পড়ুনঃ একনজরে টোকিও অলিম্পিক ভিলেজের অন্দরমহলরমজানের সঙ্গে বিহারের মুঙ্গেরের অস্ত্র কারবারীদের যোগাযোগ ছিল কিনা সেই বিষয়টিই এখন পুলিশকে ভাবিয়ে তুলেছে। আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির জন্য রমজান আলি শেখের বাড়িতে বিহারের মুঙ্গেরের অস্ত্র কারবারীদের যাতায়াত ছিল কিনা সেই বিষয়টিও পুলিশ খতিয়ে দেখছে।আরও পড়ুনঃ পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(গ্রামীণ) ধ্রুব দাস জানিয়েছেন, লোহাপোতা গ্রামের রমজান আলি শেখ নামে এক ব্যক্তির বাড়ি থেকে বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র, অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম, কার্তুজ ইত্যাদি উদ্ধার হয়েছে। তবে রমজান আলি শেখ অভিযান শুরুর আগেই পালিয়ে যায়। তার সন্ধান চলছে। রমজানের পরিবারের লোকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

আগস্ট ০৩, ২০২১
কলকাতা

Maheshtala: বিধ্বংসী আগুনে জ্বলছে মহেশতলার শিল্পতালুক

সাড়ে ৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও দক্ষিণ ২৪ পরগনার মহেশতলায় বিধ্বংসী আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি। দমকলের ১২টা ইঞ্জিন আগুন নেভানোর কাজ করছে। ঘটনাস্থলে রয়েছে রোবট। সেখানে দাঁড়িয়ে রাজ্যের দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু নিজে তদারকি করছেন।আরও পড়ুনঃ স্ত্রীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের জেরে প্রৌঢ় খুনে গ্রেফতার অভিযুক্ত প্রতিবেশীমঙ্গলবার মহেশতলার শিল্পতালুকে প্রথমে একটা রাসায়নিক কারখানায় আগুন লাগে। তারপর আশেপাশের কারখানায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে। সাড়ে চার ঘণ্টা ধরে আগুন জ্বলছে। রোবট, ফোম ব্যবহার করেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না। নারকেল তেল তৈরির কারখানায় দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। আগুনের শিখা যেন বেড়েই চলেছে। এদিকে প্রথম যে কারখানার ঘরে আগুন লাগে তাতে ফাটল দেখা দিয়েছে। দমকল মন্ত্রী নিজে হাজির রয়েছেন ঘটনাস্থলে। কারখানার বাইরে দেওয়ালে জল দিয়ে ঠান্ডা করা হচ্ছে। যাতে আগুন ছড়িয়ে না পড়ে বা ফাটল না বেড়ে যায়।আরও পড়ুনঃ মুখে কাপড় বেঁধে শিশু কন্যাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ, উত্তেজনা ভাতারেদমকলমন্ত্রী সুজিত বসু বলেন, মহেশতলা ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্টেট-এ আগুন লেগেছে। ১২টা ইঞ্জিন কাজ করছে। রোবটও কাজ করছে। আরও ফোম আনতে পাঠানো হয়েছে।

জুলাই ২০, ২০২১
বিদেশ

Bangladesh Fire: বাংলাদেশে কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ঝলসে মৃত ৫২

বাংলাদেশে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মর্মান্তিক মৃত্যু ৫২ জনের। নারায়নগঞ্জে ফলের রসের কারখানায় আগুন লেগে কমপক্ষে ৫২ জন কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। ঢাকার এক সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, সাজেন ফ্রুট জুস তৈরির এই কারখানাটি হাসেম ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের।৬ তলা কারখানায় প্রথমে গ্রাউন্ড ফ্লোরেই আগুন লেগেছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে ধারণা। পরে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে কারখানার অন্যান্য তলাতেও।বৃহস্পতিবার আগুন লাগার পর ১৮টি দমকল ইঞ্জিন পৌঁছেছিল ঘটনাস্থলে। শুক্রবার দুপুরে আগুন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসার পর সেখান থেকে ৪৯ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকার সংবাদ সংস্থাটি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক দমকল অফিসার ওই সংবাদ সংস্থাকে জানিয়েছেন, ছতলা কারখানাটিতে প্রাথমিক তল্লাশি চালিয়ে পঞ্চাশেরও বেশি মৃতদেহের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। পরে এই সংখ্যা আরও বাড়তেও পারে।আরও পড়ুনঃ রদবদলের পর বড় সিদ্ধান্ত মোদির নতুন মন্ত্রিসভারদমকলবাহিনীর তরফেই জানানো হয়েছে, কারখানাটির ভিতরে প্রচুর প্লাস্টিকের বোতল, রাসায়নিক পদার্থ এবং অন্যান্য দাহ্য বস্তু মজুত করা ছিল। তাতেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তবে কোথা থেকে আগুন লেগেছে তা স্পষ্ট নয়। শুক্রবার দুপুরে ঢাকার সংবাদ সংস্থা থেকে প্রকাশিত ঘটনাস্থলের ভিডিওয় দেখা গিয়েছে ওই কারখানার চারপাশে ভিড় করেছেন মানুষ। এঁদের অধিকাংশই মৃত বা নিখোঁজ কর্মীদের আত্মীয় স্বজন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, কারখানাটির গ্রাউন্ড ফ্লোরে আগুন লাগায় বাইরে বের হওয়ার রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। কারখানার উপর থেকে ঝাঁপ দিতে দেখা যায় ভিতরে আটকে পড়া বহু শ্রমিক ও কর্মচারীকে। তাঁদের অনেকেই গুরুতর জখম হয়ে এখন হাসপাতালে ভর্তি।

জুলাই ০৯, ২০২১
রাজ্য

ভাঙড়ের চামড়া কারখানায় বিস্ফোরণে জখম অন্তত ৫

সাতসকালে বিস্ফোরণের বিকট শব্দে কেঁপে উঠল ভাঙড়ের এক চামড়া কারখানা। ঘটনায় গুরুতর জখম ৫ জন। তাঁদের দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। পরে ৩ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কলকাতার হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। এলাকা ঘিরে রেখেছে পুলিশ। বিস্ফোরণের ঘটনা তীব্র আতঙ্ক স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে।ঘড়িতে তখন প্রায় ৮টা। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ের বালিগাদায় চামড়া কারখানায় সবে কাজ শুরু হয়েছে। এখানে চামড়া থেকে নানা সামগ্রী তৈরি হয়। সেসবই চলছিল রোজকার মতো। তবে আচমকাই প্রচণ্ড শব্দে কেঁপে ওঠে কারখানা। বোঝা যায়, বিস্ফোরণ ঘটেছে। প্রাথমিক ধাক্কা কাটতেই দেখা যায়, অন্তত ৫ জন জখম হয়েছে। তাঁদের সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধার করে নিকটবর্তী নলবড়ি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। বিস্ফোরণে জখম ৩ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁদের কলকাতায় পাঠানো হয়েছে। এই অবস্থায় কারখানা বন্ধের দাবি তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।অভিযোগ, এই চামড়ার কারখানাটি অবৈধভাবে চলছে বহুদিন ধরে। এই এলাকায় অবৈধ কারখানা বন্ধের জন্য় পুলিশকে বারবার বলা হলেও, লাভ হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।এদিন বিস্ফোরণের পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিকভাবে সব পরীক্ষা করে। তাদের প্রাথমিক অনুমান, চামড়া কাটার মেশিনের বয়লার থেকে বিস্ফোরণটি ঘটেছে। ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত চলছে। তবে বিস্ফোরণের তীব্রতায় আতঙ্কিত আশেপাশের মানুষজন।

এপ্রিল ২৪, ২০২১
কলকাতা

কলকাতায় ফের অগ্নিকাণ্ড

ফের শহরে অগ্নিকাণ্ড। শনিবার ভোরের দিকে তোপসিয়ার এক জুতো কারখানায় আগুন লাগে। নিমেষের মধ্যে দাউদাউ করে ছড়িয়ে পড়ে আগুনের লেলিহান শিখা। এর জেরে কারখানার দেওয়ালের একটি অংশ ভেঙে পড়েছে বলে খবর। ঘটনাস্থলে দমকলের ১০টি ইঞ্জিন গিয়ে প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় তা নিয়ন্ত্রণে আনে। কারখানার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে খবর। শুক্রবারই জোড়া অগ্নিকাণ্ডে আতঙ্ক ছড়িয়েছিল কলকাতায়। শনিবার ভোরে ফের সেই আগুন।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৮, তপসিয়া রোডের এক জুতো কারখানা থেকে ভোরে ধোঁয়া বেরতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘড়িতে সময় তখন ৫টা। সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা বুঝতে পারেন, ওখানে আগুন লেগেছে। সকলে সতর্ক হয়ে ওঠেন। খবর দেওয়া হয় দমকলে। ততক্ষণে ঘিঞ্জি এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এলাকায়। ঘর ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আশপাশ থেকে জল এনে তাঁরাই প্রাথমিকভাবে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। ইতিমধ্যে তোপসিয়ার ঘটনাস্থলে একে একে পৌঁছয় দমকলের ১০ টি ইঞ্জিন। ঘিঞ্জি পরিবেশে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেশ বেগ পেতে হয় দমকল কর্মীদের।আসলে জুতোর কারখানায় চামড়া, আঠার মতো বহু দাহ্য পদার্থ মজুত থাকে। তাই আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। কারখানার প্রচুর সামগ্রী নষ্ট হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে খবর। দমকলের ১০টি ইঞ্জিন প্রায় ঘণ্টা তিনেকের চেষ্টা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। শুক্রবারই লেনিন সরণি, চাঁদনি চক এলাকার দুটি বহুতলে আগুনের ঘটনায় শোরগোল পড়েছিল। দুপুরে লেনিন সরণির পাখার গুদামে অগ্নিকাণ্ডের রেশ মিটতে না মিটতেই সন্ধেয় চাঁদনির এক বাণিজ্যিক বহুতল গ্রাস করে নেয় আগুনে লেলিহান শিখা।

এপ্রিল ০৩, ২০২১
রাজ্য

সুতোর গুদামে আগুন, উত্তপ্ত তুফানগঞ্জ

নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে ততই রাজ্যজুড়ে বাড়ছে হিংসার ঘটনা। কোথাও তৃণমূল কর্মীকে লক্ষ্য করে চলছে গুলি, তো কোথাও আবার বিজেপি কর্মীর বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর চালাচ্ছে দুষ্কৃতীরা। এই হিংসার ঘটনায় তালিকায় নতুন সংযোজন তুফানগঞ্জ।বিজেপি করার অপরাধে দলীয় কর্মীর সুতোর গোডাউন জ্বালিয়ে দিল দুষ্কৃতীরা। অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে। মঙ্গলবার রাত দুটো নাগাদ তুফানগঞ্জের চিলাখানা ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের ঘোগারকুঠি কালীবাড়ি এলাকায় বিজেপি কর্মী দীপক দাসের সুতোর গোডাউনে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। মুহূর্তের মধ্যে দাউদাউ করে জ্বলে ওঠে যায় গোডাউন। স্থানীয়রা চেষ্টা করেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেননি। খবর পেয়ে দমকলের একটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে দোকানে থাকা সমস্ত জিনিস পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে বলে দাবি দীপক দাসের। বিজেপি কর্মী দীপক দাসের অভিযোগ, ৬-৭ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে। বিজেপি করি বলে তৃণমূল আমার সুতোর গোডাউনে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে।মধ্যরাতের এই ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার সকাল থেকে চিলাখানা এলাকায় কোচবিহার থেকে অসমগামী ৩১ নাম্বার জাতীয় সড়ক আটকে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। ফলে জাতীয় সড়কে গাড়িল লম্বা লাইন পড়েছে। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে। যদিও এই ঘটনার বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল নেতৃত্ব।ঘটনা প্রসঙ্গে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ জানান, এই এলাকায় বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব রয়েছে। সেই অশান্তির জেরেই এই কাণ্ড ঘটেছে। এর সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। যদিও গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন বিজেপির জেলা সম্পাদক সঞ্জয় চক্রবর্তী।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২১
রাজ্য

সুজাপুরে প্লাস্টিক কারখানার বিস্ফোরণস্থলে ফরেন্সিক দল

অবশেষে শুক্রবার গভীর রাতে সুজাপুরে প্লাস্টিক কারখানার বিস্ফোরণস্থলে পৌঁছল ফরেনসিক দল। রাতেই শুরু হয় নমুনা সংগ্রহের কাজ। আর তা করতে গিয়ে ধন্দে পড়েছেন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা। বিস্ফোরণস্থল দেখে তাঁদের প্রাথমিক ধারণা, এ নিতান্তই প্লাস্টিক কাটার মেশিন থেকে বিস্ফোরণ নয়। ঠিক কী ধরনের বিস্ফোরণ, তা বোঝার চেষ্টায় রয়েছেন তাঁরা। আজ বেলায় তারা ফের সেখানে যাবেন বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করবে এসটিএফও। আরও পড়ুন ঃ বিস্ফোরণস্থলে বিজেপির প্রতিনিধিদলকে ঢুকতে বাধা পুলিশের বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা নাগাদ মালদহের সুজাপুরে ৩৪ নং জাতীয় সড়কের পাশে একটি প্লাস্টিক কারখানা আচমকাই ভয়ংকর বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় উড়ে গিয়েছে কারখানার ছাদের চাল। ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয়েছে ৪ শ্রমিকের। পরে আরও ২ জনের মৃত্যু হয়। বিজেপির অভিযোগ, ওখানে প্লাস্টিক কারখানার আড়ালে চলছিল বোমা তৈরির কাজ। তা সঙ্গে সঙ্গে খারিজ করে দিয়েছে স্বরাষ্ট্রদপ্তর। উলটে এ বিষয়ে বিস্তারিত তদন্তের কথা বলা হয়েছে।

নভেম্বর ২১, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

ঈশান কোনে মেঘ দেখছেন সঞ্জু! তিরুঅনন্তপুরমে কিউয়িদের উড়িয়ে ৪-১ সিরিজ় জয় ভারতের

বিশ্বকাপের আগে বোলার ও ফিল্ডিংয়ের বাস্তব পরীক্ষা নিতে টস জিতে আগে বোলিং বেছে নিয়েছিলেন ভারতীয় অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। শিশির বাড়লে অর্শদীপ সিংহ, বরুণ চক্রবর্তীরা রান সামলাতে পারেন কি না, সেটাই ছিল লক্ষ্য। কিন্তু পরিকল্পনার মাঝেই দৃশ্যপট বদলে দিলেন ঈশান কিশন। ব্যাট হাতে ঝড় তুলে তিরুঅনন্তপুরমে নিউ জ়িল্যান্ডকে ৪৬ রানে হারিয়ে ৪-১ ব্যবধানে টি-টোয়েন্টি সিরিজ় জিতে নিল ভারত।ভারত তোলে ৫ উইকেটে ২৭১ রানটি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে দেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ স্কোর। জবাবে কিউয়িদের ইনিংস থামে ১৯.৪ ওভারে ২২৫ রানে। ম্যাচে দুদল মিলিয়ে ওঠে ৪৯৬ রান ও ৩৬টি ছক্কাটি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিকে যা নতুন নজিরের শামিল।দুবছরের বেশি সময় পর জাতীয় দলে ফেরা ঈশান কিশন যেন প্রমাণ করতেই নেমেছিলেন। তিন নম্বরে নেমে ৪৩ বলে নিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক শতরান পূর্ণ করেন তিনি। ৬টি চার ও ১০টি ছক্কায় সাজানো ইনিংসে কিউয়ি বোলারদের কার্যত ছেলেখেলা বানান ঈশান। তাঁকে দুর্দান্ত সঙ্গ দেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। ৩০ বলে ৬৩ রানের ইনিংসে ৪টি চার ও ৬টি ছক্কা মারেন সূর্য। তৃতীয় উইকেটে দুজনে ৫৭ বলে ১৩৭ রানের বিধ্বংসী জুটি গড়েন।এর পর পাঁচ নম্বরে নেমে হার্দিক পাণ্ড্য করেন ১৭ বলে ৪২। শেষ দিকে রিঙ্কু সিংহ ও শিবম দুবে নামেন শুধু আনুষ্ঠানিকতা সারতে। কিউয়ি বোলারদের মধ্যে কিছুটা নিয়ন্ত্রিত ছিলেন লকি ফার্গুসন (৪১ রানে ২ উইকেট), বাকিরা ভারতীয় ব্যাটিং তাণ্ডবের সামনে অসহায় দেখিয়েছেন।লক্ষ্য তাড়ায় নিউ জ়িল্যান্ডের শুরুটা নড়বড়ে হলেও ফিন অ্যালেন (৩৮ বলে ৮০) এবং রাচিন রবীন্দ্র (১৭ বলে ৩০) লড়াই জিইয়ে রাখেন। অ্যালেন আউট হওয়ার পরই ভেঙে পড়ে কিউয়িদের ইনিংস। মাঝের ওভারগুলোতে উইকেট তুলে ম্যাচ ভারতের দিকে ঘুরিয়ে দেন অর্শদীপ ও অক্ষর পটেল।চাপের মুখে ড্যারেল মিচেল চেষ্টা করলেও একা কিছু করার ছিল না। শেষ পর্যন্ত ভারতের বোলারদের মধ্যে উজ্জ্বলতম পারফরম্যান্স অর্শদীপের৫১ রানে ৫ উইকেট। টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিকে এটাই তাঁর প্রথম পাঁচ উইকেট। অক্ষর নেন ৩৩ রানে ৩ উইকেট। হার্দিক কার্যকর হলেও বুমরাহ ও বরুণ প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হন, যা বিশ্বকাপের আগে ভাবনার জায়গা রেখে গেল।সব মিলিয়ে, ঈশানের শতরান আর অর্শদীপের পাঁচ উইকেটদুটোই একসঙ্গে এনে দিল ভারতের বড় জয় এবং আত্মবিশ্বাসী সিরিজ় সমাপ্তি।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

২৭ জনের মৃত্যু! এখনও নিখোঁজ বহু! এক সপ্তাহ পরে সিট গঠন, প্রশ্ন পুলিশের ভূমিকা নিয়ে

আনন্দপুরের নাজিরাবাদের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখনও বহু মানুষ নিখোঁজ। শুক্রবার রাতের দিকে ঘটনাস্থল থেকে আরও দুজনের দেহাংশ উদ্ধার করেছে দমকল ও পুলিশের যৌথ দল। এই নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২৭-এ। এই পরিস্থিতির মধ্যেই অবশেষে ওই কারখানার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট গঠন করল বারুইপুর জেলা পুলিশ। অগ্নিকাণ্ডের এক সপ্তাহ পরে সিট গঠন হওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে, এতদিন পরে কেন তদন্তে এই তৎপরতা।গত রবিবার গভীর রাতে আনন্দপুরের নাজিরাবাদ এলাকার ওই কারখানায় আগুন লাগে। রাত প্রায় ৩টে নাগাদ কারখানার গুদাম অংশে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এরপর টানা প্রায় ৩২ ঘণ্টা ধরে আগুন নেভানোর চেষ্টা চলে। ১২টি ইঞ্জিন নিয়ে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় নামেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হয় দমকলকে। আগুনের তীব্রতায় কারখানার ভিতরেই আটকে পড়েন বহু শ্রমিক। দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকা আগুনে তাঁদের আর্তনাদ শোনার কোনও সুযোগই পাননি কেউ।ভয়াবহ এই ঘটনার এক সপ্তাহ পরে অবশেষে সিট গঠনের সিদ্ধান্ত নেয় বারুইপুর জেলা পুলিশ। আগুনে পুড়ে প্রায় সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাওয়া ওই কারখানাতেই এবার তদন্ত চালাবে বিশেষ দল। পাঁচ সদস্যের এই সিটের নেতৃত্বে রয়েছেন বারুইপুর জেলা পুলিশের সুপার শুভেন্দু কুমার। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন এক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ডিএসপি (ক্রাইম), ডিইবি-র এক ইন্সপেক্টর এবং আরও এক জন ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার আধিকারিক।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ফরেন্সিক রিপোর্ট খতিয়ে দেখা, ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে মৃতদের পরিচয় নিশ্চিত করা, কারখানায় কী ধরনের নিরাপত্তার ঘাটতি ছিল এবং কীভাবে আগুন এত দ্রুত ছড়ালসব দিকই খতিয়ে দেখবে সিট। উল্লেখ্য, এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই নামজাদা একটি মোমো প্রস্তুতকারী সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। জলাভূমি বুজিয়ে কারখানা তৈরির অভিযোগও সামনে এসেছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে ওই সংস্থার ম্যানেজার ও ডেপুটি ম্যানেজারকে গ্রেফতার করেছে নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ। তদন্ত আরও গভীর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নতুন তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

দিল্লি যাওয়ার আগে বিস্ফোরক চিঠি মমতার! ভোটার তালিকা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

সোমবার বিকেলে দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের দফতরে যাচ্ছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে থাকবেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তার আগেই রবিবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে একটি চিঠি পাঠালেন মুখ্যমন্ত্রী। চিঠির মূল বিষয়, পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন প্রক্রিয়া।চিঠিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, বাংলায় ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জনের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন যে পদ্ধতি অনুসরণ করছে, তা জনপ্রতিনিধিত্ব আইন এবং নির্বাচনী বিধির পরিপন্থী। তাঁর দাবি, এই প্রক্রিয়ার জেরে সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন। মমতার চিঠি অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত সমস্যায় ১৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে। কয়েক মাস আগে তৃণমূলের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনে যে তালিকা জমা দেওয়া হয়েছিল, সেখানে মৃতের সংখ্যা ছিল প্রায় ৪০। নতুন চিঠিতে সেই সংখ্যা অনেকটাই বেড়েছে।মমতা আরও লিখেছেন, ভারতের নির্বাচনী ইতিহাসে এই প্রথম পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৮,১০০ জন মাইক্রো-অবজার্ভার মোতায়েন করা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, এই নিয়োগের কোনও আইনি ভিত্তি নেই। শুরু থেকেই বাংলায় নির্বাচনী রোল সংশোধনের ক্ষেত্রে ERO এবং AERO-দের ভূমিকার পক্ষে সওয়াল করে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী। চিঠিতেও সেই প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেছেন, ভোটার তালিকা সংশোধনের একমাত্র আইনগত ক্ষমতা ERO এবং AERO-দের। অথচ সেই ক্ষমতা খর্ব করা হচ্ছে বলে অভিযোগ।চিঠিতে আরও প্রশ্ন তোলা হয়েছে, দেশের অন্য রাজ্যগুলিতে যেখানে SIR প্রক্রিয়া চলছে, সেখানে কেন এই ধরনের মাইক্রো-অবজার্ভার মোতায়েন করা হয়নি। শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রেই কেন আলাদা নিয়ম প্রয়োগ করা হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি ত্রিপুরা ক্যাডারের চার জন আইএএস অফিসার-সহ একাধিক পর্যবেক্ষক নিয়োগ নিয়েও আপত্তি জানানো হয়েছে।মমতার অভিযোগ, কিছু পর্যবেক্ষক বেআইনিভাবে CEO অফিস থেকে নির্বাচন কমিশনের পোর্টালের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তথ্য বদলের চেষ্টা করছেন। এর ফলে বহু যোগ্য ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়ছে এবং তাঁদের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। তাঁর মতে, SIR প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। চিঠিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের কাছে এই বিষয়গুলির তাৎক্ষণিক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।একই আইন সারা দেশে প্রযোজ্য হলেও পশ্চিমবঙ্গে আলাদা নিয়মে ভোটার তালিকা সংশোধন করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। মমতার দাবি, এই প্রক্রিয়া গণতন্ত্র এবং নাগরিকদের মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী। নির্বাচন কমিশনের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপ করে মানুষের আস্থা ও মানবাধিকার রক্ষার আবেদন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

‘বাঁচাও’ চিৎকার, তারপর ভয়াবহ পতন! তিনতলা থেকে ফেলে খুন বৃদ্ধা ভাড়াটিয়াকে

ভাড়াটিয়াকে তিনতলার ছাদ থেকে ফেলে খুনের অভিযোগ উঠল বাড়ির মালিকের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি দক্ষিণ ২৪ পরগনার রবীন্দ্রনগর থানার অন্তর্গত সন্তোষপুর শান্তিনগরের বিবেক দল এলাকায়। মৃত বৃদ্ধার নাম শেফালী মান্না। বয়স ৭৬ বছর।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শেফালী মান্না অভিযুক্ত বাসুদেব ঘোষের বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে ভাড়াটিয়া হিসেবে থাকতেন। সোমবার দুপুর আনুমানিক ১টা ১৫ মিনিট নাগাদ আচমকাই এলাকায় বাঁচাও বাঁচাও চিৎকার শোনা যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই দেখা যায়, দুতলার ছাদ থেকে ওই বৃদ্ধা নীচে পড়ে গিয়েছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, বাড়ির মালিক বাসুদেব ঘোষ ইচ্ছাকৃতভাবেই তাঁকে ছাদ থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন।রাস্তায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দারাই প্রথমে রবীন্দ্রনগর থানায় খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুরুতর আহত অবস্থায় বৃদ্ধাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তের বাড়িতে সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। সেই ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে এবং তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মৃতার পরিবারের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়। প্রাথমিক তদন্তের পর বাসুদেব ঘোষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করা হয়েছে। মঙ্গলবার তাঁকে আলিপুর আদালতে তোলা হয়।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আগেও একাধিক অভিযোগ ছিল। অতীতে তাঁকে গ্রেফতারও করা হয়েছিল বলে জানা যাচ্ছে। আবার এমন গুরুতর অভিযোগ ওঠায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এলাকাবাসীর বক্তব্য, দোষী ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
রাজ্য

তদন্ত এনআইএ-র হাতে, মুর্শিদাবাদে পুলিশ সুপার বদল! নবান্নের বড় সিদ্ধান্ত

বেলডাঙার অশান্তির ঘটনার পর রাজ্য পুলিশের শীর্ষস্তরে বড়সড় রদবদল। শুক্রবার ওই ঘটনার তদন্তভার পায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। তার পরের দিনই বদল করা হয় মুর্শিদাবাদের পুলিশ সুপারকে। এর পর শনিবার নবান্ন থেকে একযোগে ২২ জন আইপিএস পদমর্যাদার আধিকারিকের বদলির নির্দেশ জারি করা হয়। শহর ও জেলার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে এই রদবদল ঘিরে প্রশাসনিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের পুলিশ সুপার কুমার সানি রাজকে সরিয়ে তাঁর জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ধৃতিমান সরকারকে। কুমার সানি রাজকে পাঠানো হয়েছে রাজ্য পুলিশের বিশেষ শাখা এসএসআইবি-তে। ধৃতিমান সরকার এর আগে ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া ও পশ্চিম মেদিনীপুরের মতো জেলায় পুলিশ সুপার হিসেবে কাজ করেছেন।শুধু মুর্শিদাবাদ নয়, বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটেও গুরুত্বপূর্ণ বদল হয়েছে। যুবভারতী কাণ্ডের পরে সাসপেন্ড হওয়া তৎকালীন ডিসি অনীশ সরকারের জায়গায় ডিসি পদে দায়িত্ব পেয়েছেন পুষ্পা। বনগাঁর পুলিশ সুপার দীনেশ কুমারকে করা হয়েছে ডিসি (উত্তর)। ডিসি (দক্ষিণ শহরতলি) বিদিশা কলিতাকে পাঠানো হয়েছে বনগাঁর পুলিশ সুপার হিসেবে। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব পেয়েছেন চারু শর্মা। ডিসি (পূর্ব) পদে আনা হয়েছে জসপ্রীত সিংকে। ডিসি (পূর্ব শহরতলি) হয়েছেন অমিত বর্মা এবং ডিসি (দক্ষিণ) হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দীপক সরকারকে।এছাড়াও বারাসতের পুলিশ সুপার প্রতীক্ষা ঝারখরিয়াকে দার্জিলিং জেলার পুলিশ সুপার করা হয়েছে। অমিত পি জাভালগিকে পাঠানো হয়েছে আইজি, বারাসত রেঞ্জে। অলোক রাজোরিয়া পেয়েছেন ডিআইজি, বর্ধমান রেঞ্জের দায়িত্ব। মুর্শিদাবাদের প্রাক্তন পুলিশ সুপার আরিশ বিলালকে পাঠানো হয়েছে এসএসআইবি-তে। প্রদীপ কুমার যাদবকে বদলি করে এসএসআইবি, উত্তরবঙ্গ সদর দফতরে পাঠানো হয়েছে।বেলডাঙা অশান্তির পর একের পর এক প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে স্পষ্ট, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না রাজ্য সরকার।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

স্কটিশ চার্চ কলেজে রহস্যমৃত্যু! হস্টেল থেকে উদ্ধার ছাত্রীর নিথর দেহ

স্কটিশ চার্চ কলেজের এক ছাত্রীর অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কলেজ চত্বরে। মৃত ছাত্রীর নাম ঋষিতা বণিক। তিনি স্কটিশ চার্চ কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন এবং কলেজের হস্টেলেই থাকতেন। অসুস্থ অবস্থায় তাঁকে হস্টেল থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঋষিতার বাড়ি ত্রিপুরায়। গত ২৪ জানুয়ারি হঠাৎই হস্টেলে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। পেটে তীব্র যন্ত্রণা শুরু হলে প্রথমে তাঁকে হস্টেলের সিক রুমে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় দ্রুত আরজি কর হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে সেখানে পৌঁছনোর আগেই তাঁর মৃত্যু হয় বলে চিকিৎসকেরা জানান।পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, বিষক্রিয়ার কারণেই ছাত্রীর মৃত্যু হতে পারে। তবে ঠিক কী কারণে এই মৃত্যু, তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে না পাওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে। হস্টেলের অন্যান্য পড়ুয়াদের সঙ্গে কথা বলছে পুলিশ। পাশাপাশি, মৃত ছাত্রীর পরিবারের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে।সূত্রের খবর, ঋষিতা বেশ কিছুদিন ধরেই মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। তিনি কোনও ওষুধ সেবন করেছিলেন বলেও প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে। সেই ওষুধ থেকেই বিষক্রিয়া হয়ে থাকতে পারে বলে অনুমান। তবে যদি খাদ্যে বিষক্রিয়ার কারণে মৃত্যু হয়ে থাকে, তা হলে অন্য কেউ কেন অসুস্থ হননি, সেই প্রশ্নও উঠছে। সব দিক খতিয়ে দেখেই তদন্ত এগোচ্ছে পুলিশ।উল্লেখ্য, প্রায় এক বছর আগে স্কটিশ চার্চ কলেজে একটি গুরুতর অভিযোগ ঘিরে শোরগোল পড়ে যায়। এক অধ্যাপকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের অশ্লীল বার্তা পাঠানোর অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ ছিল, ওই অধ্যাপক মূলত দরিদ্র পরিবারের ছাত্রীদের টার্গেট করতেন এবং কাজ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁদের অনুপযুক্ত বার্তা পাঠাতেন। সেই ঘটনায় পড়ুয়াদের বিক্ষোভের জেরে অভিযুক্ত অধ্যাপককে সাসপেন্ড করা হয়েছিল। বর্তমান ঘটনার সঙ্গে ওই ঘটনার কোনও যোগ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থা।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

আনন্দপুর ট্র্যাজেডিতে বড় ঘোষণা, মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা দেবেন প্রধানমন্ত্রী

আনন্দপুরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে প্রত্যেক মৃতের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে অগ্নিকাণ্ডে যাঁরা আহত হয়েছেন, তাঁদের জন্য ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্যের কথাও ঘোষণা করা হয়েছে। শুক্রবার নিজের এক্স হ্যান্ডলে এই ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। মৃতদের পরিবারগুলির প্রতি গভীর সমবেদনা জানান তিনি।রবিবার গভীর রাতে আনন্দপুরের একটি গুদামে ভয়াবহ আগুন লাগে। ঘটনার চার দিন পর পর্যন্ত মোট ২৫ জনের দেহাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে সব মিলিয়ে ঠিক কতজনের মৃত্যু হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। আগুন লাগার দুদিন পর ডেকরেটিং গুদামের মালিক গঙ্গাধর দাসকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তবে ওই গুদামের সঙ্গে যুক্ত মোমো কোম্পানির বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি কেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। শেষ পর্যন্ত নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ ওই মোমো কোম্পানির দুই আধিকারিককে গ্রেফতার করেছে।এই ঘটনার প্রেক্ষিতে শুক্রবার আনন্দপুরে মিছিল করেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি মৃতদের পরিবারকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ, সরকারি চাকরির দাবি তোলেন। পাশাপাশি মোমো কোম্পানির মালিককে গ্রেফতার না করার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।এদিকে, আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ড নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোরের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করেন। এক্স হ্যান্ডলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, পশ্চিমবঙ্গের আনন্দপুরে সাম্প্রতিক অগ্নিকাণ্ড অত্যন্ত দুঃখজনক। যাঁরা তাঁদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি আমার গভীর সমবেদনা। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি। এরপর তিনি জানান, মৃতদের পরিবারকে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে ২ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে এবং আহতদের দেওয়া হবে ৫০ হাজার টাকা করে।এর আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও মৃতদের পরিবারগুলির জন্য সাহায্যের ঘোষণা করেছিলেন। তিনি জানান, প্রত্যেক মৃতের পরিবারের একজনকে সিভিক ভলান্টিয়ারের চাকরি দেওয়া হবে।প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি সুকান্ত মজুমদার সামাজিক মাধ্যমে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে লেখেন, আনন্দপুরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের পরিবারগুলির পাশে দাঁড়ানোর জন্য প্রধানমন্ত্রীকে তিনি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছেন। এই আর্থিক সাহায্য শোকস্তব্ধ পরিবারগুলিকে কঠিন সময়ে মানসিক শক্তি জোগাবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। তাঁর বক্তব্য, এই উদ্যোগ আবারও প্রমাণ করল যে সংকটের সময়ে প্রধানমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গের মানুষের পাশে রয়েছেন।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

ভোটার তালিকা শুনানিতে হইচই, কমিশনের আধিকারিকদের সঙ্গে সরাসরি সংঘাত কাউন্সিলরের

এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরে শুনানি কেন্দ্রে হুলস্থুল কাণ্ড। অভিযোগের কেন্দ্রে কলকাতা পুরসভার ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর তথা মেয়র পরিষদের সদস্য অসীম বসু। শরৎ বোস রোডের একটি বেসরকারি স্কুলে ভোটার তালিকা সংক্রান্ত শুনানি চলাকালীন তিনি সেখানে পৌঁছন। তারপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ।গত কয়েক দিন ধরেই অভিযোগ উঠছিল, শুনানিতে আসা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা নথি নিচ্ছেন, কিন্তু তার বদলে কোনও রসিদ দেওয়া হচ্ছে না। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই কাউন্সিলর অসীম বসু শুনানি কেন্দ্রে যান বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগ, সেখানে পৌঁছেই তিনি নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের সঙ্গে তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে পড়েন। এমনকী, রসিদ না দিলে কোনও নথি জমা না দিতে শুনানিতে আসা মানুষজনকে নির্দেশ দেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের দাবি, কাউন্সিলর এবং তাঁর সঙ্গে থাকা কয়েক জন এভাবে শুনানি কেন্দ্রে ঢুকে পড়তে পারেন না। বিষয়টি শান্তভাবে আলোচনা করা যেত। তাঁদের আরও বক্তব্য, এই ঘটনার ফলে শুনানির কাজ ব্যাহত হচ্ছে এবং দেরি হচ্ছে।ঘটনা প্রসঙ্গে তৃণমূল কাউন্সিলর অসীম বসু বলেন, মানুষ কীভাবে প্রমাণ করবেন তাঁরা কোন কোন নথি জমা দিয়েছেন, যদি কোনও রসিদ না দেওয়া হয়। তাঁর দাবি, সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে নথি নেওয়ার পর রসিদ দিতে হবে। তা সত্ত্বেও কেন এই অনিয়ম চলছে, সেই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। রসিদ না দিলে প্রয়োজনে শুনানি বন্ধ করে দেওয়ার কথাও বলেন কাউন্সিলর।এই ঘটনাকে ঘিরে ভবানীপুর এলাকায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal