• ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ১১ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Factory

কলকাতা

মুহূর্তে মাটিতে মিশে গেল বিশাল শেড! তারাতলায় ধ্বংসস্তূপের নীচে কতজন, উঠছে ভয়াবহ প্রশ্ন

তারাতলায় নির্মীয়মাণ একটি কারখানার গোডাউন ভেঙে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটল। ঘটনায় বহু শ্রমিক আহত হয়েছেন বলে খবর। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ধসের সময় ভিতরে প্রায় চল্লিশ থেকে পঁয়তাল্লিশ জন উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে অনেকেই ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে পড়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত পৌঁছে যায় দমকল বাহিনী। উদ্ধারকাজে হাত লাগান স্থানীয় বাসিন্দারাও। আহতদের ধ্বংসস্তূপ থেকে বের করে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কারও হাত গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, কারও মাথায় আঘাত লেগেছে। কয়েকজনের অবস্থা উদ্বেগজনক বলে জানা গিয়েছে।স্থানীয়দের দাবি, ওই এলাকায় একটি বড় গোডাউন তৈরির কাজ চলছিল। নির্মাণের সময় একবার কাঠামোর একটি অংশ ভেঙে পড়েছিল। পরে সেটি মেরামত করে ফের কাজ শুরু করা হয়। সেই সময় শ্রমিকরা ভিতরে থেকে কাজ করছিলেন। আচমকাই গোটা টিনের শেড ও লোহার কাঠামো হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে।এক প্রত্যক্ষদর্শীর কথায়, দুর্ঘটনার সময় বহু মানুষ ভিতরে ছিলেন। শ্রমিকদের পাশাপাশি সেখানে একটি অস্থায়ী অফিস থেকেও কাজ পরিচালনা করা হচ্ছিল। ফলে ধস নামার সঙ্গে সঙ্গেই অনেকেই আটকে পড়েন। বিশাল এলাকা জুড়ে তৈরি হওয়া কাঠামো মুহূর্তের মধ্যে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।বর্তমানে ক্রেনের সাহায্যে লোহার বিম সরিয়ে উদ্ধারকাজ চালানো হচ্ছে। ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও মানুষ আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলছে উদ্ধার অভিযান। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েছে। কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল এবং নির্মাণকাজে কোনও গাফিলতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা শুরু হয়েছে।

জুন ২৪, ২০২৬
রাজ্য

আনন্দপুর আগুন দুর্ঘটনা নয়! ব্যারাকপুর থেকে বিস্ফোরক দাবি অমিত শাহের

আনন্দপুরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এখনও পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে দুজন মোমো কোম্পানির আধিকারিক। কিন্তু ঘটনার এতদিন পরেও মোমো কোম্পানির মালিককে গ্রেফতার না করা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এই প্রশ্ন তুলে প্রথমে সরব হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এবার সেই সুরেই কথা বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।শনিবার ব্যারাকপুরের আনন্দপুরী মাঠে বিজেপির কর্মিসভা থেকে তৃণমূল সরকারকে সরাসরি নিশানা করেন অমিত শাহ। একইসঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডে জড়িত সকল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে জেলে পাঠানো হবে।সভায় বক্তব্যের শুরুতেই অমিত শাহ বলেন, আনন্দপুরের মোমো কারখানার গুদামে অগ্নিকাণ্ডে যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি তিনি শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। এরপরই তিনি দাবি করেন, এই ঘটনা কোনও দুর্ঘটনা নয়। তাঁর অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের দুর্নীতির ফলেই এই অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে।তৃণমূলকে আক্রমণ করে শাহ বলেন, এই ঘটনায় ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ২৭ জন এখনও নিখোঁজ। কেন এমন ঘটনা ঘটল, সেই প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, মোমো কোম্পানিতে কারা টাকা ঢেলেছে, মালিক কার সঙ্গে বিদেশ সফরে গিয়েছেন এবং কেন এখনও পর্যন্ত ওই মালিককে গ্রেফতার করা হয়নি, তার জবাব রাজ্য সরকারকে দিতে হবে। তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে বলেন, মৃতরা বাংলার নাগরিক। তা হলে এখানে কেন ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি করা হচ্ছে। তাঁর আরও প্রশ্ন, যদি এরা অনুপ্রবেশকারী হতেন, তা হলে কি সরকারের প্রতিক্রিয়া একই রকম হত।অগ্নিকাণ্ডে জড়িতদের কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে অমিত শাহ বলেন, এই ঘটনায় যাঁরা যুক্ত, তাঁদের সকলের জেলে যাওয়া উচিত। তাঁর অভিযোগ, মন্ত্রীরা ৩২ ঘণ্টা পরে ঘটনাস্থলে গিয়েছেন এবং জলাজমির উপর বেআইনি ভাবে গুদাম তৈরি করা হয়েছিল। তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যতই ঘটনা ঢাকার চেষ্টা করুন, এপ্রিলের পর বিজেপি ক্ষমতায় এলে একে একে সকল অভিযুক্তকে খুঁজে বের করে শাস্তি দেওয়া হবে। তাঁর বক্তব্য, ২০২৬ সালই হবে তৃণমূলকে বিদায় জানানোর বছর।অমিত শাহের এই মন্তব্যের পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিয়েছে তৃণমূল। দলের নেতা তন্ময় ঘোষ বলেন, বিজেপির প্রতিবাদের ধরনই তাদের সংস্কৃতি প্রকাশ করে। তাঁর কটাক্ষ, শুভেন্দু অধিকারী যখন প্রতিবাদ করতে গিয়েছিলেন, তখন সেখানে ডিজে বাজছিল, যা দেখে মনে হচ্ছিল বিয়েবাড়ির অনুষ্ঠান চলছে। তন্ময় ঘোষ আরও বলেন, অমিত শাহ যখন বাংলায় এসে এই ধরনের মন্তব্য করছেন, তখন মধ্যপ্রদেশে দূষিত জল খেয়ে মানুষের মৃত্যুর প্রসঙ্গ তিনি এড়িয়ে যাচ্ছেন। তাঁর দাবি, বিজেপির বাংলা দখলের স্বপ্ন কোনও দিনই বাস্তব হবে না।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

আনন্দপুরে আগুনে মৃত্যু: সত্যিই কি বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করা হয়েছিল? প্রকাশ্যে পুলিশের রিপোর্ট

আনন্দপুরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর থেকেই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ছিল, বাইরে থেকে কি গুদামের দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল? নিখোঁজ কর্মীদের পরিবারের একাংশ প্রথম দিকে সরাসরি গুদামের মালিকের দিকেই অভিযোগের আঙুল তুলেছিলেন। তাঁদের দাবি ছিল, বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে দেওয়ার কারণেই আটকে পড়ে প্রাণ হারান কর্মীরা। কিন্তু সত্যিই কি তাই? নাকি ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে অন্য কোনও কারণ?প্রায় ৩০ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে দাউদাউ করে জ্বলেছিল আনন্দপুরের ওই কারখানা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কারখানার ভিতরে দুটি আলাদা গুদাম ছিল। একটি ছিল একটি নামী মোমো প্রস্তুতকারী সংস্থার, অন্যটি একটি ডেকরেটর্স সংস্থার। দুটি গুদামেই ছিল প্রচুর শুকনো খাদ্যদ্রব্য ও দাহ্য সামগ্রী। এর মধ্যেই মজুত ছিল পাম তেল। আগুন লাগার পর এই দাহ্য বস্তুগুলিই আগুনকে আরও ভয়াবহ করে তোলে।এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৮ জন কর্মীর মৃত্যুর খবর মিলেছে। তবে প্রশাসনের ধারণা, এখনও অন্তত ২৫ জন কর্মী নিখোঁজ। সম্পূর্ণ পুড়ে যাওয়া ওই কারখানায় আদৌ কেউ জীবিত রয়েছেন কি না, তা নিয়েই গভীর সংশয় তৈরি হয়েছে।ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় একটি প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট তৈরি করেছে পুলিশ। সেই রিপোর্ট অনুযায়ী, বাইরে থেকে কেউ গুদামের দরজায় তালা লাগাননি। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, আগুন লাগার সময় গুদামের টিনের চাল ভেঙে পড়ে। তার জেরেই ভিতরে আটকে পড়েন কর্মীরা এবং কারখানাটি কার্যত মৃত্যুকূপে পরিণত হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ডেকরেটর্স সংস্থার গুদামে ঢোকা ও বেরনোর জন্য দুটি গেট ছিল। আগুন লাগার সময় ওই দুই গেটের সামনেই থাকা টিনের চাল ভেঙে পড়ে। ফলে গেট দুটি সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। কর্মীরা প্রাণপণে গেট খোলার চেষ্টা করলেও তা সম্ভব হয়নি। বিকল্প কোনও বেরনোর পথ খুঁজে পাননি তাঁরা।শেষ পর্যন্ত আটকে পড়া কর্মীরা টিনের চাল ভেঙে বেরনোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু সেই সময়ই সেখানে থাকা গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন আরও ভয়াবহ আকার নেয়। সেখানেই পুড়ে মৃত্যু হয় একাধিক কর্মীর।মোমো প্রস্তুতকারী সংস্থার গুদামেও প্রায় একই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। ওই গুদামের মূল গেটের সামনেই দাউদাউ করে জ্বলছিল আগুন। ফলে গেটের চাবি নিজেদের কাছে থাকলেও তিন কর্মী আগুনের তাপে গেটের কাছে পৌঁছতে পারেননি। ওই গুদামেও প্রচুর পাম তেল মজুত ছিল। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেখানেও আগুন ধরে যায়।প্রাণ বাঁচানোর শেষ চেষ্টা হিসেবে তাঁরা গেটের পাশেই থাকা একটি অফিস ঘরে আশ্রয় নেন। সেখান থেকেই পরিবারের সঙ্গে শেষবার কথা বলেছিলেন তাঁরা। কিন্তু কয়েক মিনিটের মধ্যেই সেই ঘরেও ছড়িয়ে পড়ে আগুন। শেষ পর্যন্ত আর রক্ষা হয়নি। সেখানেই মৃত্যু হয় তিন কর্মীর।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
কলকাতা

মোমো নয়, ডেকরেটর্স কারখানাও জ্বলছে! নিখোঁজের সংখ্যা বেড়ে উদ্বেগ

প্রায় বারো ঘণ্টা পেরিয়ে গেল, এখনও নিয়ন্ত্রণে আসেনি আনন্দপুরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। রবিবার গভীর রাত থেকে জ্বলছে একটি নামজাদা মোমো কারখানা। তার পাশেই রয়েছে একটি ডেকরেটর্স সংস্থার কারখানা। সেই দুই কারখানায় কাজ করা বহু কর্মীর এখনও কোনও খোঁজ নেই। ফোন বন্ধ, কোনও যোগাযোগ নেই। উদ্বেগে, আতঙ্কে ভেঙে পড়ছেন পরিবারের সদস্যরা।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত ১৩ জন নিখোঁজের একটি তালিকা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে তিন জন মোমো কারখানার কর্মী এবং দশ জন ডেকরেটর্স সংস্থার শ্রমিক। তবে এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।নিখোঁজদের মধ্যে রয়েছেন গুরুপদ সাউ। তাঁর বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরে। তিনি মোমো কারখানার পাশের ডেকরেটর্সের গুদামে ফুলের কাজ করতেন। রবিবার রাতেও পরিবারের সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছিল গুরুপদের। তিনি জানিয়েছিলেন, গুদামের ভিতরে কাজ করছেন। কিন্তু সোমবার ভোরে আগুন লাগার খবর পাওয়ার পর থেকেই তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ। এরপর থেকেই উৎকণ্ঠা বাড়ছে পরিবারের।ঘটনাস্থলে হাজির গুরুপদের এক আত্মীয় জানান, গুরুপদ রাতে গুদামেই ছিলেন বলে পরিবারের সঙ্গে শেষ কথা হয়। সকাল থেকে তাঁকে ফোন করা হলেও কোনও উত্তর পাওয়া যাচ্ছে না। শুধু গুরুপদ নন, তাঁর সঙ্গে কাজ করা আরও অনেক শ্রমিকেরও খোঁজ নেই। তাঁদের অনেকেই পূর্ব মেদিনীপুরের বাসিন্দা বলে জানা যাচ্ছে।প্রথমে মনে করা হয়েছিল, মোমো কারখানার নাইট শিফ্টে থাকা তিন জন কর্মী নিখোঁজ। কিন্তু সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সেই সংখ্যা বেড়েছে। পরে জানা যায়, শুধু মোমো কারখানাই নয়, পাশাপাশি থাকা ডেকরেটর্সের গুদাম থেকেও একাধিক কর্মী নিখোঁজ হয়েছেন। সব মিলিয়ে নিখোঁজের সংখ্যা ঘিরে তৈরি হয়েছে চরম অনিশ্চয়তা।এখনও আগুন পুরোপুরি নেভেনি। ভিতরে ঢুকে তল্লাশি চালানো সম্ভব হয়নি। দমকল ও পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে, কিন্তু প্রতিটি মুহূর্তে বাড়ছে উদ্বেগ। প্রিয়জনদের কোনও খবর না পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন পরিবারের সদস্যরা।

জানুয়ারি ২৬, ২০২৬
কলকাতা

নাইট শিফটে ঢুকেছিলেন, আর বেরোননি! আনন্দপুর কাণ্ডে বাড়ছে নিখোঁজের সংখ্যা

নয় ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখনও নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি আনন্দপুরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। রবিবার গভীর রাতে আনন্দপুরে একটি নামজাদা মোমো প্রস্তুতকারক সংস্থার কারখানায় আগুন লাগে। পরে জানা যায়, ওই একই গোডাউনে একটি ডেকরেটর সংস্থার কর্মীরাও কাজ করতেন। ফলে আগুনের ভয়াবহতা আরও বেড়ে যায়। কার্যত জতুগৃহে পরিণত হয়েছে শহর কলকাতার একাংশ।গত কয়েক দিনে একের পর এক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আতঙ্কিত শহরবাসী। তবে সবকটিকে ছাপিয়ে গিয়েছে আনন্দপুরের এই ঘটনা। রাত থেকে জ্বলছে গোটা কারখানা। সামনের দিকের আগুন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেও ভিতরের অংশে এখনও দমকল পৌঁছতে পারেনি। ১২টি ইঞ্জিন নামানো হলেও আগুনের উৎসস্থল পর্যন্ত যাওয়া সম্ভব হয়নি দমকলকর্মীদের।প্রথমে জানা গিয়েছিল, রাতের নাইট শিফটে মোমো সংস্থার তিনজন কর্মী কারখানার ভিতরে ছিলেন। আগুন লাগার সময় তাঁরা গোডাউনেই আটকে পড়েন। এক কর্মীর পরিবারের অভিযোগ, শেষবার ফোনে তিনি জানিয়েছিলেন কারখানার গেট বাইরে থেকে তালা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শুরুতে নিখোঁজের সংখ্যা তিনজন বলা হলেও সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সেই সংখ্যা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত এই অগ্নিকাণ্ডে ১৩ জন কর্মী নিখোঁজ রয়েছেন এবং তিনজনের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। নিখোঁজদের মধ্যে তিনজন ওই মোমো সংস্থার কর্মী এবং বাকি দশজন ডেকরেটর সংস্থার বলে জানা গিয়েছে। তবে পুলিশ এখনও এই সংখ্যা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। ফলে প্রকৃত পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নাইট শিফটে থাকা কর্মীদের মধ্যে একজন ছিলেন পঙ্কজ হালদার। সোমবার সকালে জ্বলন্ত কারখানার সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন তাঁর দাদা। মুখে চরম আতঙ্ক আর অনিশ্চয়তা। তিনি জানান, এখনও ভাইয়ের কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। দমকল বা পুলিশের কাছ থেকেও কোনও স্পষ্ট তথ্য মেলেনি।

জানুয়ারি ২৬, ২০২৬
রাজ্য

বারাসতে ভয়াবহ আগুন, মুহূর্মুহু বিস্ফোরণের শব্দ, ঘটনাস্থলে দমকলের ২০টি ইঞ্জিন

ভয়াবহ অগ্নিকান্ড বারাসাত। বিধ্বংসী আগুনে জ্বলছে বামনমুড়ায় প্যাম্পার্স ফ্যাক্টরি। আগুনের ফলে বন্ধ করা হয়েছে বারাসাত টাকি রোডের যান চলাচলও। প্রথমে স্থানীয় আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেও ব্যর্থ। দমকলের ২০টি ইঞ্জিন আগুন নেভানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।শনিবার সন্ধ্যায় হঠাৎই আগুনের লেলিহান শিখা দেখা যায় বারাসাতের বামুনমুড়া এলাকায়। অগুন নজরে আসতেই প্রথমে স্থানীয়রা আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। ২০টি দমকল ইঞ্জিন পৌঁছালেও এখনও পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। গলগল করে ধোঁয়া বের হতে থাকে। আগুন লাগার কারণ এখনও জানা যায়নি। ব্যাপক ক্ষয়খতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জুন ২১, ২০২৫
রাজ্য

বাজি কারখানায় ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ, ঝলসে গেল চার কর্মীর দেহ

নদীয়ার কল্যাণীর রথতলা এলাকায় একটি বাজি কারখানায় হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। ঝলসে গিয়েছে বাজি কারখানার ৪ জন কর্মী। বিস্ফোরণের পরপরই আগুন ধরে যায় গোটা কারখানায়। বীভৎস এই ঘটনায় কমপক্ষে চার জনের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে দাবি করছেন কেউ কেউ। বিস্ফোরণের তীব্রতায় উড়ে গিয়েছে কারখানার ছাদ। এদিকে এই ঘটনার পরপরই এলাকায় যায় পুলিশ ও দমকল। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয় আগুন নেভানোর কাজ। আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগিয়েছেন এলাকার বাসিন্দারাও। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে যায় বিশাল পুলিস বাহিনী ও দমকল। তবে তার আগেই স্থানীয় মানুষজন আগুন নেভানোর কাজ হাত লাগান। ঠিক কীভাবে ওই বিস্ফোরণ হল তা এখনও স্পষ্ট নয়। এর আগে পূর্ব মেদিনীপুরের এগরা, দক্ষিণ ২৪ পরগনার চম্পাহাটি ও মহেশতলায়, উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুরে বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ হয়েছিল।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৫
রাজ্য

এগরার পর বজবজ, বেআইনি বাজি কারখানায় বিষ্ফোরণে মৃত ৩, জখম বহু

এগরার পর এবার বজবজ। পূর্ব মেদিনীপুরের পর এবার দক্ষিণ ২৪ পরগনা। রবিবার রাতে বজবজের নন্দরামপুর দাসপাড়ায় বেআইনি বাজি কারখানার গোডাউনে বিধ্বংসি আগুন লেগে তিনজনের মৃত্যু হয় বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, মা জয়শ্রী হাটি, মেয়ে পম্পা হাটি ছাড়া আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায়। জখম কয়েকজনকে আইএসআই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এদিন রাত আটটার একটু আগে এই ঘটনা ঘটে। দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে থাকে। জানা গিয়েছে, এই গ্রামে প্রতিটা বাড়িতেই কুটির শিল্পের মতো আতশ বাজি তৈরি হয়। ঘটনাস্থলের আশাপাশে চকোলেট বাজি পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। এদিনই ঘটনার পর বিপুল পরিমান বাজি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সেই বাজি নিয়ে যায় পুলিশ। এক ব্য়ক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। গত মঙ্গলবার এগরার বাজি কারখানায় বিষ্ফোরণে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

মে ২১, ২০২৩
রাজ্য

এবার মাদক তৈরির কারখানার হদিশ মালদার কালিয়াচকে, কি মিলল তল্লাশিতে?

বর্ধমানে মিলেছিল হেরোইন তৈরির হদিশ। এবার কালিয়াচক এলাকায় মাদক তৈরির বেআইনি কারখানার হদিশ পেল পুলিশ। মালদার কালিয়াচক থানার শ্রীরামপুর এলাকার একটি বাঁশ বাগানের মধ্যে বিপুল পরিমাণ মাদক তৈরির সামগ্রী লুকানো ছিল। তা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, ব্রাউন জাতীয় মাদক তৈরির কারবার এই এলাকায় চালাচ্ছিল দুষ্কৃতীরা । যদিও এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত পরিষ্কারভাবে কাউকে চিহ্নিত করতে পারেনি তদন্তকারী পুলিশ কর্তারা। তবে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুষ্কৃতীদের ধরতে তল্লাশি শুরু করেছে কালিয়াচক থানার পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শ্রীরামপুর এলাকার বাঁশবাগানের একটি পরিত্যক্ত এলাকায় মাটির নীচ থেকেই গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মাদক তৈরির ওই সামগ্রীগুলো উদ্ধার করে। যার মধ্যে অপরিশোধিত উপকরণ এসিটাইল ক্লোরাইড ৪০ বোতল, দুটি ২ পয়েন্ট ৩ মাপের প্লাস্টিকের পাত্র, সোডিয়াম সালফেট অ্যানহাইড্রাস ১৮২ কেজি , বেশ কিছু কেমিক্যাল মেশানো কাপড়, জ্যামকড ৫০০ গ্রাম বোতলের ১০ পিস , বেশ কিছু স্টিলের পাত্র, সাদা জামাকাপড়, ৮টি বাঁশের তৈরি ঝুড়ি, ১০টি প্লাস্টিকের মগ সহ আরও বিভিন্ন ধরনের বিপুল পরিমাণ সামগ্রী উদ্ধার করেছে পুলিশ। উল্লেখ্য, এতদিন কালিয়াচকে বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র কারখানার হদিস পেয়েছে পুলিশ। কিন্তু এই প্রথম মাদক তৈরির অস্থায়ী ছোট ধরনের একটি কারখানার হদিশ পেয়েছে কালিয়াচক থানার পুলিশ । গোপন সূত্রে খবর পাওয়ার পরেই বাঁশ বাগানের পরিত্যক্ত জায়গায় অভিযান চালায় এবং সেই জায়গার প্রায় কুড়ি মিটার এলাকা জুড়ে মাটি খোঁড়াখুঁড়ির পর একের পর এক মাদক তৈরী সামগ্রী উদ্ধার হতে থাকে। যা দপখে রীতিমতো হতবাক তদন্তকারী পুলিশকর্তারা। কারা কিভাবে এই ধরনের মাদকের কারবার চালাচ্ছে, তারই খোঁজ চলছে।পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, মূলত এইসব উদ্ধার হওয়া রাসায়নিক সামগ্রী দিয়েই ব্রাউন সুগার জাতীয় নেশার জিনিস তৈরি করতো মাদক কারবারীরা। ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুষ্কৃতীদের গ্রেফতার করার লক্ষ্যে চিরুনি তল্লাশি শুরু করা হয়েছে। এই ঘটনায় তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ।

জানুয়ারি ০৪, ২০২৩
রাজ্য

বর্ধমানের কমন ফেসিলিটি সেন্টারে জরি এণ্ড জারদৌসি কারখানা

কমন ফেসিলিটি সেন্টার নামে জরি এণ্ড জারদৌসি শিল্পের জন্য কারখানা তৈরি হলো পূর্ব বর্ধমানের সেহারা অঞ্চলের বাজিতপুর গ্রামে। সেহারা বাজার জরি এণ্ড জারদৌসি প্রডাক্ট ম্যানুফ্যাকচারিং ইণ্ডাস্ট্রিয়াল ক্লাসটার কোঅপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেড নামক এই শিল্পে ৫০০ থেকে ৬০০ জন মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে। মূলত মহাজনী কারবারের মাধ্যমে এতদিন চলছিল এই শিল্প। যার সুবিধা পাচ্ছিল মহাজনরাই।করোনা পরিস্থিতির মধ্যে বহু পরিযায়ী শ্রমিককে ভিন রাজ্য থেকে নিজেদের এলাকায় ফিরে আসতে হয়েছিল। কাজ হারিয়ে বসেছিলেন। তারা এবার জরি এবং যারদৌসি শিল্পে তাদের কর্মসংস্থান হাওয়ায় তারা খুশী।

নভেম্বর ২৬, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে এক পরিত্যক্ত কারখানায় আগুন, দমকল গিয়ে আগুন আয়ত্তে আনে

একটি পরিত্যক্ত কারখানায় আগুন লাগলো পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে। বুধবার দুপুরে ২ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে জামালপুরের নবগ্রাম ময়না এলাকার একটি বন্ধ কারখানায় ভিতরে আগুন ধরে।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান বহুদিন ধরে কারখানাটি বন্ধ হয়ে পড়ে আছে। এই পরিত্যক্ত কারখানায় কি উৎপাদন হত স্থানীয়রা কেউই বলতে পারছেন না।আগুন লাগার পর পাশের একটি ইট তৈরীর কারখানার শ্রমিকরা প্রথমে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু আগুনের তীব্রতা বাড়তে থাকায় খবর দেওয়া হয় মেমারি দমকল বিভাগে। দমকলের একটি ইঞ্জিন গিয়ে আগুন আয়ত্তে আনে।দমকল আধিকারিক সঞ্জয় কুমার দত্ত বলেন, কারখানার ভিতরে থাকা প্লাস্টিক জাতীয় জিনিসপত্রে আগুন লাগে। পাশাপাশি সেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে ঝোপঝাড়ে। দমকলের একটি ইঞ্জিন আগুন নেভানোর কাজে ব্যবহার করা হয়। আর একটি পাম্পসেট দিয়েও পাশের পুকুর থেকে জল নিয়ে আগুন নেভানোর কাজে ব্যবহার করা হয়েছে।

নভেম্বর ০২, ২০২২
দেশ

Surat Gas Leak: সুরাতে গ্যাস লিক করে মর্মান্তিক মৃত্যু ৬ কারখানা শ্রমিকের

রাসায়নিক বোঝাই ট্যাংকার থেকে বেরোনো বিষাক্ত গ্যাসে মর্মান্তিক মৃত্যু হল ৬ কর্মীর। বিষাক্ত গ্যাসে সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন প্রায় ২০ জন। বৃহস্পতিবার সকালেই গুজরাতের সুরাতে গ্যাস লিকের এই ভয়াবহ কাণ্ডটি ঘটে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সুরাতের শচিন ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকায় অবস্থিত বিশ্বপ্রেম ডায়িং অ্যান্ড প্রিন্টিং মিলে এই ঘটনাটি ঘটে। ওই কারখানার বেশ কয়েকজন কর্মী রাতে কারখানার ভিতরেই ঘুমাচ্ছিলেন। ভোর ৪ টে নাগাদ তাদের নাকে কড়া একটি রাসায়নিকের গন্ধ আসে। কয়েকজন কর্মী উঠে দেখতে যান যে কোথা থেকে গন্ধটি আসছে। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই তারা সকলে সংজ্ঞাহীন হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এক কর্মী কোনও মতে দমকলে খবর দেন।দমকল বিভাগের তরফে জানানো হয়েছে, ভোর ৪টে ২৫মিনিট তাদের কাছে ফোন আসে। বলা হয় যে, কারখানার ভিতরে আচমকাই ২৫-২৬ জন কর্মী সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়ে গিয়েছে। বিষাক্ত কোনও গ্যাস ছড়িয়ে পড়েছে হয়তো। এরপরই দমকল বিভাগের তরফে যথাযথ প্রস্তুতি নিয়ে কারখানায় যাওয়া হয়। কিন্তু কারখানার ভিতরে কোনও বিষাক্ত গ্যাসের উৎস খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরে দেখা যায়, রাস্তার ধারে দাঁড়ানো একটি কেমিক্যাল বোঝাই ট্যাংকার থেকেই বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে পড়ছে। সঙ্গে সঙ্গে ওই ট্যাংকারের ঢাকনা বন্ধ করে বিষাক্ত গ্যাস নিঃসরণ বন্ধ করা হয়। অসুস্থ অবস্থায় কর্মীদের সুরাত সিভিল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা ৫জনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পরে আরও এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়।

জানুয়ারি ০৬, ২০২২
কলকাতা

Kaikhali Fire: কৈখালিতে রঙের কারখানায় বিস্ফোরণ! বছরের প্রথম দিনই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড শহরে

বছরের প্রথম দিনই অগ্নিকাণ্ড। বিধ্বংসী আগুনে ভস্মীভূত কৈখালির রঙের কারখানা। শনিবার সকালে কৈখালির ওই রঙের কারখানায় আগুন লাগে। কারখানায় প্রচুর রাসায়নিক পদার্থ মজুত থাকায় লহমায় ছড়িয়ে পড়ে আগুন। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় এলাকা। কারখানাটি বিমানবন্দর লাগোয়া হওয়ায় বাড়ে দুশ্চিন্তা। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের তরফে এনডিআরএফ-কে খবর দেওয়া হয়। এনডিআরএফ-এর দলও ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছে। যেহেতু রঙের কারখানা, তাই আগুন মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে। রঙের কারখানা থেকে ওই আগুন পাশের কারখানাতেও ছড়িয়ে পড়ে বলে স্থানীয়দের দাবি। দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন ছড়ানোর আশঙ্কা আরও বাড়ছে।ইতিমধ্যেই দমকলের ১৫টি ইঞ্জিন আগুন নেভানোর সবরকম চেষ্টা করলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি। যেহেতু কেমিক্যাল ফ্যাক্টরি পরিস্থিতি বাগে আনা কিছুটা কঠিন হচ্ছে। দমকলের প্রাথমিক অনুমান শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগেছে। পাশেই রয়েছে বাচ্চাদের পোশাক তৈরির কারখানা। আগুনের লেলিহান শিখা সেই কারখানাকেও গ্রাস করেছে।রাজারহাট-গোপালপুরের বিধায়ক অদিতি মুন্সী ঘটনাস্থলে পৌঁছন। অদিতি মুন্সী বলেন, অনেকটাই আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। দমকল বাহিনী যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ করছে। আশা করা যায় কিছুক্ষণের মধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারব। কী থেকে আগুন লাগল তা এখনও নিশ্চিত করা যায়নি। খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মূলত এটা একটা কেমিক্যাল ফ্যাক্টরি। পাশে গেঞ্জির কারখানা। যা যা ব্যবস্থা নেওয়া দরকার এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসে গেলে তার চেষ্টা করব। এটা বসতি এলাকা। বহু বাড়ি রয়েছে আশেপাশে। এই ঘটনার যাতে পুনরাবৃত্তি না হয় তার জন্য যে যে ব্যবস্থা নেওয়া যায় আমরা তা করব। স্থানীয়রা জানান, সেখানে বেশ কিছু দাহ্যবস্তু বোঝাই ড্রাম ছিল। আগুন লাগার পর বীভৎস শব্দে সেগুলি ফাটতে শুরু করে। এর জেরে দমকল কর্মীদের কাজ করতেই সাময়িক বেগ পেতে হয়। তাৎপর্যপূর্ণভাবে যেখানে আগুন লেগেছে, সেই এলাকা অত্যন্ত ঘিঞ্জি। জায়গা খুবই সঙ্কীর্ণ। এর ফলে দমকলের ফায়ার টেন্ডারগুলি ঢুকতেও সমস্যার মুখে পড়ে। অন্যদিকে অতিরিক্ত রাসায়নিক মজুত থাকার কারণে আগুন আরও বীভৎস রূপ নেয়।প্রশ্ন উঠছে, এই কারখানাগুলির বৈধতা নিয়েও। কীভাবে এরকম ঘিঞ্জি জায়গায় কারখানাগুলি তৈরি হয়েছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসীর একাংশ। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বিমানবন্দর থানার পুলিশ।

জানুয়ারি ০১, ২০২২
কলকাতা

Fire: হাওড়ার কারখানায় ভয়াবহ আগুন

হাওড়ায় একটি চিপস তৈরির কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। বুধবার দুপুরে আগুন লাগার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের সাতটি ইঞ্জিন। আগুন আয়ত্তে আনার চেষ্টা চালাচ্ছেন দমকলকর্মীরা। আশপাশে অন্যান্য কারখানা থাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়ার আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আগুন লাগার সময় কারখানাটি খোলা ছিল। তবে কারখানার ভিতরে কোনও কর্মী রয়েছেন কি না তা এখনও স্পষ্ট নয়। কারখানার ভিতরে প্রচুর চিপসের প্যাকেট ছিল। তা পুড়ে গিয়েছে। উত্তাপের জেরে কারখানার ছাদের একাংশ ভেঙে পড়েছে। কারখানায় অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা উপযুক্ত ছিল কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আপাতত আগুন আয়ত্তে আনাই প্রাথমিক লক্ষ্য দমকলকর্মীদের।বুধবার বেলা ১২টা নাগাদ ওই কারখানাটিতে আগুন দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁরা খবর দেন দমকলে। কিছুক্ষণের মধ্যেই কালো ধোঁয়ায় ছেয়ে যায় আকাশ। জেসিবি-র মাধ্যমে ওই দেওয়াল ভেঙে ফেলা হয়। সেই পথে কারখানা চত্বরে ঢুকে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন দমকলকর্মীরা।

নভেম্বর ০৩, ২০২১
রাজ্য

Big Breaking: ডেকরেটার্স ব্যবসার আড়ালে বেআইনি অস্ত্র কারখানা, উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ, পলাতক অস্ত্র কারবারি

ডেকরেটার্স সামগ্রী ভাড়া দেওয়া ব্যবসার আড়ালে গোপনে বাড়িতেই অস্ত্র কারখানা চালাচ্ছিলেন ব্যবসায়ী। তাও আবার মাটির দেওয়াল আর খড়ের চালার বাড়িতে। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। গোপন সূত্রে সেই খবর পৌছায় পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া থানার পুলিশে কাছে। এরপর আর একমুহূর্ত দেরি না করে পুলিশ এবং ওএসজি গ্রুপ মঙ্গলবার ভোর রাতে অভিযান চালায় কাটোয়ার লোহাপোতা গ্রামের রমজন আলি শেখের মাটির বাড়িতে। সেখানেই মেলে অস্ত্র কারখানার হদিশ। উদ্ধার হয় সদ্য তৈরি হওয়া ৩ টি আগ্নেয়াস্ত্র, ১৭ রাউন্ড কার্তুজ, বেশ কয়েকটি অর্ধেক তৈরি আগ্নেয়াস্ত্র এবং আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ তৈরির বেশকিছু সরঞ্জাম। যদিও বেআইনি অস্ত্র কারখানার মালিক রমজান আলি শেখকে পুলিশ ধরতে পারেনি। পুলিশ তাঁর বাড়িতে পৌছানোর আগেই সে পালিয়ে যায়। পুলিশ হন্যে হয়ে এখন আগ্নেয়াস্ত্র কারবারি রমজান আলি শেখের খোঁজ চালাচ্ছে।আরও পড়ুনঃ প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসেবে দুটি অলিম্পিক পদক, ইতিহাসে পিভি সিন্ধুপুলিশ জানিয়েছে, লোহাপোতা গ্রামে রয়েছে রমজান আলি শেখের মাটির দেওয়াল আর খড়ের চালার তিন কুটুরি ঘর। গ্রামের লোকজন তাঁকে ডেকরেটার্স ব্যবসায়ী হিসাবেই জানে। বাড়িতে রয়েছেন রমজানের বামা, মা, স্ত্রী ও মেয়ে। বাড়ির সামনে চেয়ার, টেবিল ও অন্যান্য ডেকরেটার্স সামগ্রী রাখা রয়েছে। যা দেখে কারও ঘুণাক্ষরেও বোঝার উপায় নেই ওই বড়িতেই চলছিল আস্ত একটি অস্ত্র কারখানা।আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ তৈরির সরঞ্জামগোপন সূত্রে সেই খবর কাটোয়া থানায় পৌছাতেই পুলিশ নড়েচড়ে বসে। মঙ্গলবার ভোর রাতে রমজান আলি শেখের মাটির বাড়িতে অভিযানে গিয়ে পুলিশ কর্তারা কার্যত স্তম্ভিত হয়ে যান । পুলিশ সেখানে পৌঁছনোর আগেই যদিও রমজান আলি বেপাত্তা হয়ে যায়। পুলিশ মাটির বাড়ির একটি ঘরে ঢুকে দেখতে পায় ঘরের ভিতরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির যন্ত্রাংশ, তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র, কার্তুজ, গ্যাস সিলিন্ডার, লোহার পাইপ, স্প্রিং, স্ক্রু বহু সরঞ্জাম।আরও পড়ুনঃ একনজরে টোকিও অলিম্পিক ভিলেজের অন্দরমহলরমজানের সঙ্গে বিহারের মুঙ্গেরের অস্ত্র কারবারীদের যোগাযোগ ছিল কিনা সেই বিষয়টিই এখন পুলিশকে ভাবিয়ে তুলেছে। আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির জন্য রমজান আলি শেখের বাড়িতে বিহারের মুঙ্গেরের অস্ত্র কারবারীদের যাতায়াত ছিল কিনা সেই বিষয়টিও পুলিশ খতিয়ে দেখছে।আরও পড়ুনঃ পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(গ্রামীণ) ধ্রুব দাস জানিয়েছেন, লোহাপোতা গ্রামের রমজান আলি শেখ নামে এক ব্যক্তির বাড়ি থেকে বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র, অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম, কার্তুজ ইত্যাদি উদ্ধার হয়েছে। তবে রমজান আলি শেখ অভিযান শুরুর আগেই পালিয়ে যায়। তার সন্ধান চলছে। রমজানের পরিবারের লোকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

আগস্ট ০৩, ২০২১
কলকাতা

Maheshtala: বিধ্বংসী আগুনে জ্বলছে মহেশতলার শিল্পতালুক

সাড়ে ৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও দক্ষিণ ২৪ পরগনার মহেশতলায় বিধ্বংসী আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি। দমকলের ১২টা ইঞ্জিন আগুন নেভানোর কাজ করছে। ঘটনাস্থলে রয়েছে রোবট। সেখানে দাঁড়িয়ে রাজ্যের দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু নিজে তদারকি করছেন।আরও পড়ুনঃ স্ত্রীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের জেরে প্রৌঢ় খুনে গ্রেফতার অভিযুক্ত প্রতিবেশীমঙ্গলবার মহেশতলার শিল্পতালুকে প্রথমে একটা রাসায়নিক কারখানায় আগুন লাগে। তারপর আশেপাশের কারখানায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে। সাড়ে চার ঘণ্টা ধরে আগুন জ্বলছে। রোবট, ফোম ব্যবহার করেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না। নারকেল তেল তৈরির কারখানায় দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। আগুনের শিখা যেন বেড়েই চলেছে। এদিকে প্রথম যে কারখানার ঘরে আগুন লাগে তাতে ফাটল দেখা দিয়েছে। দমকল মন্ত্রী নিজে হাজির রয়েছেন ঘটনাস্থলে। কারখানার বাইরে দেওয়ালে জল দিয়ে ঠান্ডা করা হচ্ছে। যাতে আগুন ছড়িয়ে না পড়ে বা ফাটল না বেড়ে যায়।আরও পড়ুনঃ মুখে কাপড় বেঁধে শিশু কন্যাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ, উত্তেজনা ভাতারেদমকলমন্ত্রী সুজিত বসু বলেন, মহেশতলা ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্টেট-এ আগুন লেগেছে। ১২টা ইঞ্জিন কাজ করছে। রোবটও কাজ করছে। আরও ফোম আনতে পাঠানো হয়েছে।

জুলাই ২০, ২০২১
বিদেশ

Bangladesh Fire: বাংলাদেশে কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ঝলসে মৃত ৫২

বাংলাদেশে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মর্মান্তিক মৃত্যু ৫২ জনের। নারায়নগঞ্জে ফলের রসের কারখানায় আগুন লেগে কমপক্ষে ৫২ জন কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। ঢাকার এক সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, সাজেন ফ্রুট জুস তৈরির এই কারখানাটি হাসেম ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের।৬ তলা কারখানায় প্রথমে গ্রাউন্ড ফ্লোরেই আগুন লেগেছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে ধারণা। পরে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে কারখানার অন্যান্য তলাতেও।বৃহস্পতিবার আগুন লাগার পর ১৮টি দমকল ইঞ্জিন পৌঁছেছিল ঘটনাস্থলে। শুক্রবার দুপুরে আগুন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসার পর সেখান থেকে ৪৯ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকার সংবাদ সংস্থাটি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক দমকল অফিসার ওই সংবাদ সংস্থাকে জানিয়েছেন, ছতলা কারখানাটিতে প্রাথমিক তল্লাশি চালিয়ে পঞ্চাশেরও বেশি মৃতদেহের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। পরে এই সংখ্যা আরও বাড়তেও পারে।আরও পড়ুনঃ রদবদলের পর বড় সিদ্ধান্ত মোদির নতুন মন্ত্রিসভারদমকলবাহিনীর তরফেই জানানো হয়েছে, কারখানাটির ভিতরে প্রচুর প্লাস্টিকের বোতল, রাসায়নিক পদার্থ এবং অন্যান্য দাহ্য বস্তু মজুত করা ছিল। তাতেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তবে কোথা থেকে আগুন লেগেছে তা স্পষ্ট নয়। শুক্রবার দুপুরে ঢাকার সংবাদ সংস্থা থেকে প্রকাশিত ঘটনাস্থলের ভিডিওয় দেখা গিয়েছে ওই কারখানার চারপাশে ভিড় করেছেন মানুষ। এঁদের অধিকাংশই মৃত বা নিখোঁজ কর্মীদের আত্মীয় স্বজন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, কারখানাটির গ্রাউন্ড ফ্লোরে আগুন লাগায় বাইরে বের হওয়ার রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। কারখানার উপর থেকে ঝাঁপ দিতে দেখা যায় ভিতরে আটকে পড়া বহু শ্রমিক ও কর্মচারীকে। তাঁদের অনেকেই গুরুতর জখম হয়ে এখন হাসপাতালে ভর্তি।

জুলাই ০৯, ২০২১
রাজ্য

ভাঙড়ের চামড়া কারখানায় বিস্ফোরণে জখম অন্তত ৫

সাতসকালে বিস্ফোরণের বিকট শব্দে কেঁপে উঠল ভাঙড়ের এক চামড়া কারখানা। ঘটনায় গুরুতর জখম ৫ জন। তাঁদের দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। পরে ৩ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কলকাতার হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। এলাকা ঘিরে রেখেছে পুলিশ। বিস্ফোরণের ঘটনা তীব্র আতঙ্ক স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে।ঘড়িতে তখন প্রায় ৮টা। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ের বালিগাদায় চামড়া কারখানায় সবে কাজ শুরু হয়েছে। এখানে চামড়া থেকে নানা সামগ্রী তৈরি হয়। সেসবই চলছিল রোজকার মতো। তবে আচমকাই প্রচণ্ড শব্দে কেঁপে ওঠে কারখানা। বোঝা যায়, বিস্ফোরণ ঘটেছে। প্রাথমিক ধাক্কা কাটতেই দেখা যায়, অন্তত ৫ জন জখম হয়েছে। তাঁদের সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধার করে নিকটবর্তী নলবড়ি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। বিস্ফোরণে জখম ৩ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁদের কলকাতায় পাঠানো হয়েছে। এই অবস্থায় কারখানা বন্ধের দাবি তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।অভিযোগ, এই চামড়ার কারখানাটি অবৈধভাবে চলছে বহুদিন ধরে। এই এলাকায় অবৈধ কারখানা বন্ধের জন্য় পুলিশকে বারবার বলা হলেও, লাভ হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।এদিন বিস্ফোরণের পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিকভাবে সব পরীক্ষা করে। তাদের প্রাথমিক অনুমান, চামড়া কাটার মেশিনের বয়লার থেকে বিস্ফোরণটি ঘটেছে। ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত চলছে। তবে বিস্ফোরণের তীব্রতায় আতঙ্কিত আশেপাশের মানুষজন।

এপ্রিল ২৪, ২০২১
কলকাতা

কলকাতায় ফের অগ্নিকাণ্ড

ফের শহরে অগ্নিকাণ্ড। শনিবার ভোরের দিকে তোপসিয়ার এক জুতো কারখানায় আগুন লাগে। নিমেষের মধ্যে দাউদাউ করে ছড়িয়ে পড়ে আগুনের লেলিহান শিখা। এর জেরে কারখানার দেওয়ালের একটি অংশ ভেঙে পড়েছে বলে খবর। ঘটনাস্থলে দমকলের ১০টি ইঞ্জিন গিয়ে প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় তা নিয়ন্ত্রণে আনে। কারখানার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে খবর। শুক্রবারই জোড়া অগ্নিকাণ্ডে আতঙ্ক ছড়িয়েছিল কলকাতায়। শনিবার ভোরে ফের সেই আগুন।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৮, তপসিয়া রোডের এক জুতো কারখানা থেকে ভোরে ধোঁয়া বেরতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘড়িতে সময় তখন ৫টা। সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা বুঝতে পারেন, ওখানে আগুন লেগেছে। সকলে সতর্ক হয়ে ওঠেন। খবর দেওয়া হয় দমকলে। ততক্ষণে ঘিঞ্জি এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এলাকায়। ঘর ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আশপাশ থেকে জল এনে তাঁরাই প্রাথমিকভাবে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। ইতিমধ্যে তোপসিয়ার ঘটনাস্থলে একে একে পৌঁছয় দমকলের ১০ টি ইঞ্জিন। ঘিঞ্জি পরিবেশে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেশ বেগ পেতে হয় দমকল কর্মীদের।আসলে জুতোর কারখানায় চামড়া, আঠার মতো বহু দাহ্য পদার্থ মজুত থাকে। তাই আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। কারখানার প্রচুর সামগ্রী নষ্ট হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে খবর। দমকলের ১০টি ইঞ্জিন প্রায় ঘণ্টা তিনেকের চেষ্টা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। শুক্রবারই লেনিন সরণি, চাঁদনি চক এলাকার দুটি বহুতলে আগুনের ঘটনায় শোরগোল পড়েছিল। দুপুরে লেনিন সরণির পাখার গুদামে অগ্নিকাণ্ডের রেশ মিটতে না মিটতেই সন্ধেয় চাঁদনির এক বাণিজ্যিক বহুতল গ্রাস করে নেয় আগুনে লেলিহান শিখা।

এপ্রিল ০৩, ২০২১
রাজ্য

সুতোর গুদামে আগুন, উত্তপ্ত তুফানগঞ্জ

নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে ততই রাজ্যজুড়ে বাড়ছে হিংসার ঘটনা। কোথাও তৃণমূল কর্মীকে লক্ষ্য করে চলছে গুলি, তো কোথাও আবার বিজেপি কর্মীর বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর চালাচ্ছে দুষ্কৃতীরা। এই হিংসার ঘটনায় তালিকায় নতুন সংযোজন তুফানগঞ্জ।বিজেপি করার অপরাধে দলীয় কর্মীর সুতোর গোডাউন জ্বালিয়ে দিল দুষ্কৃতীরা। অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে। মঙ্গলবার রাত দুটো নাগাদ তুফানগঞ্জের চিলাখানা ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের ঘোগারকুঠি কালীবাড়ি এলাকায় বিজেপি কর্মী দীপক দাসের সুতোর গোডাউনে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। মুহূর্তের মধ্যে দাউদাউ করে জ্বলে ওঠে যায় গোডাউন। স্থানীয়রা চেষ্টা করেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেননি। খবর পেয়ে দমকলের একটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে দোকানে থাকা সমস্ত জিনিস পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে বলে দাবি দীপক দাসের। বিজেপি কর্মী দীপক দাসের অভিযোগ, ৬-৭ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে। বিজেপি করি বলে তৃণমূল আমার সুতোর গোডাউনে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে।মধ্যরাতের এই ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার সকাল থেকে চিলাখানা এলাকায় কোচবিহার থেকে অসমগামী ৩১ নাম্বার জাতীয় সড়ক আটকে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। ফলে জাতীয় সড়কে গাড়িল লম্বা লাইন পড়েছে। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে। যদিও এই ঘটনার বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল নেতৃত্ব।ঘটনা প্রসঙ্গে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ জানান, এই এলাকায় বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব রয়েছে। সেই অশান্তির জেরেই এই কাণ্ড ঘটেছে। এর সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। যদিও গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন বিজেপির জেলা সম্পাদক সঞ্জয় চক্রবর্তী।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

শেখ হাসিনাকে ঘিরে ফের জটিলতা! ভারতে আসছেন না তারেক রহমান? দিল্লির বার্তায় বাড়ছে জল্পনা

বাংলাদেশের রাজনীতিতে শেখ হাসিনাকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকেই ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কে নানা টানাপড়েন দেখা দিয়েছে। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে থাকার পর সেই সম্পর্কের সমীকরণ আরও জটিল হয়েছে।গত ৫ অগস্ট নয়াদিল্লি থেকে শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনের পর পরিস্থিতি আরও আলোচনায় আসে। দেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করে হাসিনা যে বার্তা দিয়েছেন, তা বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু করেছে। বিশেষ করে তাঁর প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাকে ঘিরে বর্তমান সরকারের উপর রাজনৈতিক চাপ বাড়তে পারে কি না, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে।এরই মধ্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা সামনে এসেছে। আগামী মাসে ভারতে অনুষ্ঠিত হতে চলা ব্রিকস সম্মেলনে তাঁর যোগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেই সফর আদৌ হবে কি না, তা নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে।এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর একটি মন্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল। তিনি বলেছেন, দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী মুখোমুখি বসে কথা বললেই অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেতে পারে। তাঁর এই মন্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠছে, তবে কি ভারত ও বাংলাদেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে সরাসরি বৈঠককে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে দিল্লি?তবে তারেক রহমানের ভারত সফর এখনই বাতিল হয়ে গিয়েছে, এমনটা নিশ্চিত করে বলা হয়নি। কূটনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ব্রিকস সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের সম্ভাবনা এখনও রয়েছে। সম্মেলনের পাশাপাশি আলাদা করে বৈঠক হলে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের বেশ কিছু জটিল বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্যের পরও নয়াদিল্লি স্পষ্ট করেছে, তাঁর বক্তব্যের সঙ্গে ভারতের কোনও যোগ নেই। ফলে হাসিনাকে ঘিরে তৈরি রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভারত-বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কদুই বিষয়কেই আলাদা করে দেখছে দিল্লি বলে মনে করছেন কূটনীতিকদের একাংশ।এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, তারেক রহমান শেষ পর্যন্ত ভারতে আসবেন কি না। তিনি এলে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মুখোমুখি বৈঠক হয় কি না, আর সেই বৈঠকে দীর্ঘদিনের জটিল সম্পর্কের কোনও বরফ গলে কি না, সেদিকেই নজর রয়েছে কূটনৈতিক মহলের।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
কলকাতা

হালিশহরে মমতার গাড়িতে কাদা-জুতো! ‘চোর’ স্লোগানের পর পানিহাটি থেকে বিস্ফোরক বার্তা শুভেন্দুর

হালিশহরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভের ঘটনায় রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। অভিযোগ, রবিবার তাঁর গাড়ি যাওয়ার সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ বিক্ষোভ দেখান। সেই সময় গাড়ি লক্ষ্য করে কাদা ও জুতো ছোড়া হয় বলেও অভিযোগ ওঠে। মমতাকে লক্ষ্য করে চোর স্লোগানও দেওয়া হয় বলে দাবি।পানিহাটিতে তিলোত্তমার মৃত্যুবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে গিয়ে এই ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ যথেষ্ট ব্যবস্থা করেছিল। টেলিভিশনের ছবিতে তিনি এক জন সিনিয়র পুলিশ আধিকারিকের নেতৃত্বে পুলিশকর্মীদের নিরাপত্তা দিতে দেখেছেন বলেও জানান শুভেন্দু।শুভেন্দুর আরও দাবি, ঘটনাস্থলে বিজেপির কোনও পরিচিত মুখ বা দলীয় পতাকা তিনি দেখতে পাননি। একই সঙ্গে তিনি মমতার হালিশহর সফর নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, ছুটির দিনে এক জন আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে মমতা সেখানে গিয়েছিলেন এবং পুলিশকে আগে থেকে জানানো হয়নি।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতাকে যথাসম্ভব নিরাপত্তা ও সম্মান দেওয়ার নির্দেশ রয়েছে বলেও জানান শুভেন্দু। তবে তাঁর পরামর্শ, কেউ সাহায্য চাইলে অবশ্যই সাহায্য করা উচিত। কিন্তু এমন কোনও জায়গায় গিয়ে পরিস্থিতি তৈরি করা উচিত নয়, যাতে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত হয়।হালিশহরের ঘটনার সূত্রপাত থানার হেফাজতে এক ব্যক্তির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, মৃত ব্যক্তি তৃণমূলের কর্মী ছিলেন। রবিবার তাঁর বাড়িতে যাওয়ার পথেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ি ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ বিক্ষোভ দেখান বলে অভিযোগ। কাদা ও জুতো ছোড়ার ঘটনাও ঘটে বলে দাবি করা হয়েছে।এই প্রসঙ্গেই মমতাকে তিলোত্তমার বাড়িতে যাওয়ার পরামর্শ দেন শুভেন্দু। একই সঙ্গে হাত জোড় করে ক্ষমা চাওয়ার কথাও বলেন তিনি। তিলোত্তমাকাণ্ডের সময়কার একাধিক অভিযোগ তুলে মমতার বিরুদ্ধে তীব্র রাজনৈতিক আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী।শুভেন্দুর বক্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। এক দিকে হালিশহরে মমতার গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ ও কাদা-জুতো ছোড়ার অভিযোগ, অন্য দিকে সেই ঘটনার নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে শুভেন্দুর মন্তব্যসব মিলিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে ফের উত্তাপ ছড়িয়েছে।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
কলকাতা

দু’মাস কোথায় ছিলেন? ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে মুখ খুললেন অভিষেকের আপ্তসহায়ক সুমিত, জানালেন সব

দুমাস ধরে পুলিশের খোঁজের বাইরে ছিলেন তিনি। তাঁর সন্ধানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতেও গিয়েছিল পুলিশ। শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের রক্ষাকবচ পাওয়ার পর সিআইডির তলবে ভবানী ভবনে হাজির হন অভিষেকের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়। পরপর দুদিন জিজ্ঞাসাবাদের পর রবিবার তদন্তকারীদের দফতর থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের একাধিক প্রশ্নের মুখোমুখি হন তিনি।পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনীতে জমি প্রতারণার মামলায় শনিবার সুমিতকে দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল সিআইডি। রবিবারও তাঁকে ফের ডাকা হয়। এদিন প্রায় আট ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে। ভবানী ভবন থেকে বেরোনোর পর সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন সুমিত। তবে মামলা বিচারাধীন থাকার কারণে বেশির ভাগ বিষয়েই মন্তব্য করতে চাননি তিনি।গত দুমাস কোথায় ছিলেন, সাংবাদিকেরা এই প্রশ্ন করলে প্রথমে সুমিত বলেন, আমি এই বিষয়ে মন্তব্য করতে পারব না। পরে একই প্রশ্ন করা হলে তাঁর সংক্ষিপ্ত জবাব, এদিকে, আশপাশেই ছিলাম। তাঁর এই মন্তব্যের পর তিনি কলকাতাতেই ছিলেন কি না, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।এত দিন আত্মগোপনে থাকার কারণ জানতে চাওয়া হলে সুমিত বলেন, সুপ্রিম কোর্ট যেমন নির্দেশ দিয়েছে, তা-ই তো মেনে চলছি। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগ নিয়েও মুখ খুলতে চাননি তিনি। সেবাশ্রয়-সহ একাধিক বিষয়ে তাঁর নাম জড়ানোর প্রসঙ্গ উঠলে বলেন, মন্তব্য করতে পারব না।তাঁকে হেনস্থা করা হচ্ছে কি না, সেই প্রশ্নের উত্তরে সুমিত বলেন, হতে পারে। তবে কারা এর নেপথ্যে রয়েছে, তা নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তাঁর বক্তব্য, মামলা আদালতে বিচারাধীন। পুলিশ যখনই ডাকবে, তিনি তদন্তে সহযোগিতা করবেন।তাঁর বিরুদ্ধে টাকা নেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গেও প্রশ্ন করা হয়। সেই অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করে সুমিত বলেন, বাজে কথা। পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলিকে মিথ্যা বলেও দাবি করেন তিনি।এর আগে সিআইডির জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যেতে দেখা যায়। তৃণমূলের গাড়িতে করে সেখানে যাওয়ার বিষয়েও প্রশ্ন ওঠে। তার জবাবে সুমিত বলেন, যে অফিসে কাজ করি, সেই অফিস থেকে গাড়িটা দিয়েছে।এদিকে সুমিত নিজেই জানিয়েছেন, তাঁকে আগামী দিনেও তদন্তকারীদের সামনে হাজির হতে হবে। চাকরি দুর্নীতি সংক্রান্ত ডেবরার মামলায় তাঁকে ফের ডাকা হয়েছে। তাঁর কথায়, কাল ১১টার সময় ডেকেছে। তবে এদিন কোনও নথি সঙ্গে আনতে বলা হয়নি বলেও জানান তিনি।শালবনীর জমি প্রতারণা মামলা-সহ সুমিতের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এর আগে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ও লুকআউট নোটিসও জারি হয়েছিল বলে জানা যায়। পরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর তদন্তে সহযোগিতা করতে শুরু করেন তিনি। পরপর দুদিন ভবানী ভবনে জিজ্ঞাসাবাদের পর সুমিতের দুমাস কোথায় ছিলেনএই প্রশ্নের উত্তর ঘিরেই এখন নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
কলকাতা

‘লম্বা লড়াই, তবে তিলোত্তমাই জিতবে’, পানিহাটিতে শুভেন্দুর বিস্ফোরক ঘোষণা, ফের তদন্তের নির্দেশ

অভিশপ্ত ৯ অগাস্টের দুবছর পূর্ণ হল। তিলোত্তমার মৃত্যুবার্ষিকীতে রবিবার পানিহাটিতে আয়োজিত স্মরণসভায় উপস্থিত হয়ে বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তরুণী চিকিৎসকের মৃত্যু-রহস্য আরও গভীরে গিয়ে খতিয়ে দেখার জন্য নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।সভায় শুভেন্দু বলেন, লম্বা দুবছরের লড়াই। দীর্ঘ লড়াই। তবে আমি বলছি, নিশ্চিত ভাবে এই লড়াইয়ে তিলোত্তমা জিতবে। তাঁর বক্তব্য, এই ঘটনায় স্বজনপ্রীতি বা ব্যক্তিগত সম্পর্কের কোনও জায়গা থাকবে না। ঘটনায় যাঁরা জড়িত, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোরতম ব্যবস্থা নেওয়া হবে।মুখ্যমন্ত্রী জানান, তিলোত্তমার দেহ তড়িঘড়ি সৎকারের পেছনে তৎকালীন প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কোনও ভূমিকা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে। সেই সূত্রে তৎকালীন বিধায়ক নির্মল ঘোষের ভূমিকা নিয়েও তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি তৎকালীন বারাকপুরের পুলিশ কমিশনারের তদন্ত প্রক্রিয়াও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু।২০২৪ সালের ৯ অগাস্ট আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের সেমিনার রুম থেকে তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার হয়েছিল। সেই ঘটনা গোটা রাজ্য তথা দেশের মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ তৈরি করেছিল। তদন্তে সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে গ্রেফতার করা হয়। পরে আদালতের নির্দেশে তদন্তভার যায় সিবিআইয়ের হাতে। সঞ্জয় রায়ের যাবজ্জীবন সাজা হয়েছে। তবে শুরু থেকেই তিলোত্তমার পরিবার দাবি করে এসেছে, এই ঘটনায় আরও অনেকে জড়িত থাকতে পারেন।রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর নতুন করে তদন্তের ঘোষণাকে তাই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছে তিলোত্তমার পরিবার। তাঁদের আশা, এত দিন যে প্রশ্নগুলির উত্তর মেলেনি, নতুন তদন্তে তার কিছুটা হলেও স্পষ্ট হবে।তিলোত্তমার মৃত্যুর দুবছরের স্মরণসভায় নিজের সেই সময়ের অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন শুভেন্দু। তিনি তৎকালীন সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ করে বলেন, রাখিপূর্ণিমার দিন অরাজনৈতিক নবান্ন অভিযানের সময় তিলোত্তমার মায়ের উপর পুলিশের লাঠিচার্জ হয়েছিল। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করতেও দেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।শুভেন্দুর কথায়, আমি ভুলি না। যা করণীয় কাজ করছি, আগামী দিনেও করব। এর শেষ আমাকে দেখতেই হবে। ফলে তিলোত্তমাকাণ্ডে নতুন করে শুরু হওয়া তদন্তে ঠিক কী কী বিষয় খতিয়ে দেখা হয় এবং পুরনো কোনও প্রশ্নের নতুন উত্তর মেলে কি না, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
রাজ্য

হালিশহরে মমতার গাড়িতে হামলা? ‘টার্গেট ছিল মমতাকে শেষ করা’, বিস্ফোরক দাবি কল্যাণের

হালিশহরে পুলিশ হেফাজতে মৃত তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে যাওয়ার পথে বিক্ষোভের মুখে পড়েন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে জুতো, ইট ও পাথর ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়।মমতার সঙ্গে এদিন ছিলেন তৃণমূলের সাংসদ দোলা সেন এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, হালিশহরে যাওয়ার সময় মমতার গাড়িকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। তাঁকে লক্ষ্য করে ওঠে চোর স্লোগানও। পরিস্থিতির জেরে কিছু সময় গাড়ি আটকে থাকে বলে তৃণমূলের দাবি।হালিশহর থেকে ফিরে ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, মমতার গাড়ি লক্ষ্য করে বড় বড় পাথর ছোড়া হয়েছে এবং গাড়ির সামনে বাধা তৈরি করা হয়েছিল। একইসঙ্গে তাঁর অভিযোগ, বাইরে থেকে লোক এনে জমায়েত করা হয়েছিল এবং প্রায় এক ঘণ্টা তাঁদের আটকে রাখা হয়।কল্যাণের আরও দাবি, মমতার গাড়িতে যেভাবে পাথর ছোড়া হয়েছে, তাতে আরও বড় বিপদ ঘটতে পারত। তাঁর কথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করেই হামলা চালানো হয়েছিল এবং তাঁকে শেষ করে দেওয়াই উদ্দেশ্য ছিল। তবে এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।ঘটনার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও সরব হন। তাঁর দাবি, গাড়ি লক্ষ্য করে প্রচুর ইট ছোড়া হয়েছে এবং দীর্ঘ সময় তাঁকে আটকে রাখা হয়েছিল। এই ঘটনার পিছনে বিজেপির কর্মীদের ভূমিকা রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে বিজেপির বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।মমতার বক্তব্য, তাঁকে এভাবে থামানো যাবে না। তিনি আরও বলেন, তিনি মানুষের কাছে যাবেন এবং কোনও বাধাতেই পিছিয়ে আসবেন না।হালিশহর থানার হেফাজতে এক ব্যক্তির মৃত্যুর অভিযোগকে কেন্দ্র করেই এই ঘটনা। মৃত ব্যক্তিকে তৃণমূল কর্মী বলে দাবি করেছেন মমতা। তাঁর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতেই হালিশহরে গিয়েছিলেন তিনি। সেই সফর ঘিরে বিক্ষোভ, গাড়িতে ইট-পাথর ছোড়ার অভিযোগ এবং পাল্টা রাজনৈতিক আক্রমণে নতুন করে উত্তপ্ত হয়েছে রাজ্য রাজনীতি।ঘটনায় কারা জড়িত ছিলেন, বিক্ষোভ কীভাবে তৈরি হয়েছিল এবং গাড়ি লক্ষ্য করে সত্যিই ইট-পাথর ছোড়া হয়েছিল কি না, তা নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে। পুলিশি তদন্তে ঘটনার প্রকৃত ছবি সামনে আসে কি না, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
বিদেশ

হাসিনা ফেরার আগেই বাংলাদেশে বড় ‘পালাবদল’! বিএনপির সঙ্গে কি মিশছে আওয়ামী লিগ? সাংসদের মন্তব্যে তুঙ্গে জল্পনা

বাংলাদেশের রাজনীতিতে কি তৈরি হতে চলেছে নতুন সমীকরণ? দীর্ঘদিনের দুই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিএনপি এবং আওয়ামী লিগ কি এবার কাছাকাছি আসতে পারে? বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার জল্পনার মধ্যেই এমনই এক মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক চর্চা।চলতি বছরের ডিসেম্বরেই বাংলাদেশে ফিরতে চান শেখ হাসিনা, এমন খবর সামনে এসেছে। তার মধ্যেই আওয়ামী লিগকে নিয়ে বড় মন্তব্য করেছেন বিএনপির এক সাংসদ। সুনামগঞ্জ-২ আসনের সাংসদ নাসির উদ্দিন চৌধুরী বৃহস্পতিবার একটি সমাবেশে বলেন, আওয়ামী লিগ তাঁদের শত্রু নয়, বরং মিত্র। তাঁর দাবি, মুক্তিযুদ্ধের সময় দুই পক্ষ একসঙ্গে লড়াই করেছে এবং অদূর ভবিষ্যতে আওয়ামী লিগ বিএনপির সঙ্গে মিশে যেতে পারে।এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। তা হলে কি নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা আওয়ামী লিগকে ফের রাজনীতির মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনার কোনও পরিকল্পনা রয়েছে? বিএনপির সঙ্গে কি সত্যিই তৈরি হতে চলেছে নতুন রাজনৈতিক সমঝোতা? আপাতত এই প্রশ্নগুলির কোনও নিশ্চিত উত্তর মেলেনি।কারণ বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব এখনও আওয়ামী লিগের সঙ্গে দল মিশে যাওয়ার বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেনি। তারেক রহমানও এমন কোনও ইঙ্গিত দেননি। বরং শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে বাংলাদেশে ফেরানোর দাবি দীর্ঘদিন ধরেই করে আসছে বিএনপি।২০২৪ সালের ৫ অগস্ট ছাত্র-যুব আন্দোলনের জেরে আওয়ামী লিগ সরকারের পতন হয়। দেশ ছাড়েন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লিগ এবং তাদের ছাত্র সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রেও আওয়ামী লিগের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।এর পর থেকেই বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিএনপি এবং আওয়ামী লিগের সম্পর্ক আরও তিক্ত হয়েছে। শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার দাবিও জোরালো হয়েছে। সম্প্রতি শেখ হাসিনার অডিয়ো বার্তা প্রকাশ নিয়েও আপত্তি জানিয়েছিল বিএনপি।অন্যদিকে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সম্ভাবনা ঘিরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে জুলাইয়ের গণআন্দোলনের সময় আন্দোলনকারীদের উপর গুলি চালানোর নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে মামলা হয়েছে এবং তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে বিএনপি সাংসদের আওয়ামী লিগকে মিত্র বলা এবং দুই দলের এক হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনার কথা বলাকে ঘিরে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে তাঁর এই মন্তব্যই দলের আনুষ্ঠানিক অবস্থান কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ফলে হাসিনার দেশে ফেরার আগে বাংলাদেশের রাজনীতিতে সত্যিই নতুন কোনও সমীকরণ তৈরি হচ্ছে কি না, এখন সেটাই বড় প্রশ্ন।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
কলকাতা

১০ ঘণ্টার জেরা শেষে সুমিত সোজা অভিষেকের বাড়িতে, ভবানী ভবনে কী জানলেন গোয়েন্দারা?

ভবানী ভবনে প্রায় ১০ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদের পর সিআইডি দফতর থেকে বেরোলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক হিসেবে পরিচিত সুমিত রায়। শনিবার সকালে নির্ধারিত সময়ের কয়েক মিনিট আগেই ভবানী ভবনে পৌঁছেছিলেন তিনি। দীর্ঘ জেরার পর সিআইডি দফতর থেকে বেরিয়ে সোজা চলে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে। তবে জেরায় সুমিতের কাছ থেকে ঠিক কী তথ্য পাওয়া গেল, তা এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। তাঁকে ফের তলব করা হয়েছে কি না, তা-ও স্পষ্ট নয়।পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনির জমি প্রতারণার মামলায় শুক্রবার রাতে সুমিতকে নোটিস পাঠায় সিআইডি। সেই নোটিসে সাড়া দিয়েই শনিবার ভবানী ভবনে হাজির হন তিনি। সুমিতের বিরুদ্ধে মোট চারটি মামলা রয়েছে বলে তাঁর আইনজীবী আগে জানিয়েছিলেন। এর মধ্যে জমি সংক্রান্ত মামলায় শীর্ষ আদালত থেকে সুরক্ষা পেয়েছেন তিনি। তদন্তে সহযোগিতা করার শর্তেই সেই সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেই নির্দেশ মেনেই সিআইডির জেরায় হাজির হন সুমিত।জমি প্রতারণার মামলায় সুমিতের বিরুদ্ধে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত অভিযোগ রয়েছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, দুর্নীতির টাকা তাঁর কাছে পৌঁছেছিল। যদিও এই মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনও অভিযোগের কথা সামনে আসেনি। তবে সুমিত দীর্ঘ জেরার পর অভিষেকের বাড়িতে যাওয়ায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।সুমিতের নাম সামনে আসে মেদিনীপুরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সুজয় হাজরাকে গ্রেফতারের পর। অভিযোগ ওঠে, বিধানসভা নির্বাচনে টিকিট পাইয়ে দেওয়ার নামে কয়েক লক্ষ টাকা নেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি শালবনির জমি সংক্রান্ত মামলাতেও সুমিতের নাম অভিযুক্ত হিসেবে উঠে আসে।অভিযোগের তদন্তে সুমিতের খোঁজে এর আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতেও গিয়েছিল পুলিশ। সেখানে দীর্ঘ সময় তল্লাশি চালানো হলেও সুমিতের সন্ধান মেলেনি বলে পুলিশ সূত্রে জানা যায়। এরপর থেকেই তাঁকে নিয়ে তদন্তকারীদের তৎপরতা বাড়ে। পুলিশের আবেদনের ভিত্তিতে আদালত তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা এবং লুকআউট নোটিসও জারি করেছিল বলে জানা গিয়েছে।পরে আদালতের দ্বারস্থ হন সুমিতের আইনজীবী। সেই আইনি প্রক্রিয়ার পর শনিবার সিআইডির তলবে ভবানী ভবনে হাজির হন তিনি। প্রায় ১০ ঘণ্টার জেরা শেষে বেরিয়ে তাঁর গন্তব্য হয় অভিষেকের কালীঘাটের বাড়ি। এখন সিআইডির জেরায় কী তথ্য উঠে এল এবং তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
কলকাতা

ফের খুলছে আর জি করের ‘ফাইল’! অভয়ার ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় এ বার পৃথক তদন্ত স্বাস্থ্যদপ্তরের

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর ফের সক্রিয় হয়েছে আর জি কর-কাণ্ডের তদন্ত। হাই কোর্টের নির্দেশে ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই। এর মধ্যেই পৃথক ভাবে ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তর। শনিবার স্বাস্থ্যদপ্তরে সাংবাদিক বৈঠকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়।স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ঘটনার দিন রাতে ধর্ষণ ও খুনের আগে এবং পরে ঘটনাস্থলে যাঁরা গিয়েছিলেন, তাঁদের ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। পাশাপাশি আর জি কর মেডিক্যাল কলেজের ওই তরুণী চিকিৎসকের সঙ্গে কাজ করা অধ্যাপকদের সঙ্গেও কথা বলবেন তদন্তকারীরা। তদন্ত শেষে যে তথ্য উঠে আসবে, তা রাজ্য সরকারের কাছে জমা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।স্বাস্থ্যদপ্তরের দাবি, নতুন করে তদন্তে হাসপাতালের প্রশাসনিক ও বিভাগীয় ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখা হবে। কোথায় কী ধরনের ঘাটতি ছিল, সেই ঘাটতি কীভাবে তৈরি হয়েছিল এবং কেন তা আগে থেকে দূর করা যায়নি, তা জানার চেষ্টা করবেন তদন্তকারীরা।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার পরিবর্তনের পর আগে থেমে থাকা তদন্তের বিষয়গুলিও নতুন করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই আর জি কর-কাণ্ডে পৃথক তদন্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।আর জি কর-কাণ্ডের পর হাসপাতালের বিভিন্ন ত্রুটি এবং অনিয়ম নিয়ে একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। এমনকি ওই তরুণী চিকিৎসক হাসপাতালের কিছু অন্ধকার দিক সম্পর্কে জানতে পেরেছিলেন এবং সেই কারণেই তাঁকে খুন করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ উঠেছিল। তবে এই দাবিগুলি এখনও অভিযোগের পর্যায়েই রয়েছে। নতুন তদন্তে হাসপাতালের ত্রুটি বা অনিয়ম আড়াল করার কোনও চেষ্টা হয়েছিল কি না, হয়ে থাকলে তার নেপথ্যে কারা ছিলেন, সেই বিষয়ও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্যদপ্তর।এদিকে রবিবার রাজ্যজুড়ে পালিত হবে অভয়া দিবস। দুই বছর আগে ৯ আগস্ট আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে চেস্ট মেডিসিন বিভাগের তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার স্মরণে রাজ্যের সমস্ত সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হবে।সকাল ১১টায় অভয়ার স্মরণে দুই মিনিট নীরবতা পালন এবং প্রদীপ প্রজ্বলনের কর্মসূচি রয়েছে। পাশাপাশি কয়েকটি জায়গায় ছোট সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যদপ্তরের কর্তারা।অভয়ার মা বিজেপি বিধায়ক রত্না দেবনাথও নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে রবিবার একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন। সেখানে বিকেলে উপস্থিত থাকার কথা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ের।সিবিআইয়ের তদন্ত চলার মধ্যেই রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তরের এই পৃথক তদন্তে নতুন করে কোন তথ্য সামনে আসে, আর জি কর-কাণ্ডের তদন্তে তা কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ০৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal